(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: -)
الورع - المروذي (أبو بكر المروذي)
القسم: كتب السنة
الكتاب: الورع
المؤلف: أبو بكر، أحمد بن محمد بن الحجاج المرُّوذي (ت 275 هـ)
المحقق: سمير بن أمين الزهيري
الناشر: دار الصميعي - الرياض - السعودية
الطبعة: الأولى، 1418 هـ - 1997 م
عدد الصفحات: 202
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী (আবু বকর আল-মারওয়াযী)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: আল-ওয়ারা
লেখক: আবু বকর, আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-হাজ্জাজ আল-মারওয়াযী (মৃত্যু ২৭৫ হিজরী)
সম্পাদক: সামীর বিন আমীন আল-যুহাইরী
প্রকাশক: দারুস সুমাইয়ী - রিয়াদ - সৌদি আরব
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৮ হিজরী - ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২০২
[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ١)
الْوَرع
পরহেযগারি
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ٥)
بِسم الله الرَّحْمَن الرَّحِيم رب يسر وأعنأخبرنَا الشَّيْخ الإِمَام الْعَالم الزَّاهِد تَقِيّ الدَّين أَبُو مُحَمَّد عبد الْغَنِيّ بن عبد الْوَاحِد بن على بن سرُور الْمَقْدِسِي أَنبأَنَا الشَّيْخ الْحَافِظ الثِّقَة أَبُو الْفَتْح مُحَمَّد بن أَحْمد بن أبي الفوارس قِرَاءَة عَلَيْهِ وَأَنا أسمع فِي ذِي الْقعدَة من سنة سبع وَأَرْبَعمِائَة أخبرنَا أَبُو بكر أَحْمد بن جَعْفَر بن مُحَمَّد بن سلم الْخُتلِي قِرَاءَة عَلَيْهِ وَأَنا أسمع بِقِرَاءَة أبي الْحُسَيْن بن الْفُرَات أخبرنَا أَبُو بكر أَحْمد بن مُحَمَّد بن عبد الْخَالِق حَدثنَا أَبُو بكر أَحْمد بن مُحَمَّد بن الْحجَّاج الْمَرْوذِيّ
পরম করুণাময় দয়ালু আল্লাহর নামে। হে প্রতিপালক, সহজ করে দিন এবং সাহায্য করুন।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ ইমাম আলিম যাহিদ তাকিউদ্দীন আবু মুহাম্মদ আব্দুল গনি বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আলী বিন সুরূর আল-মাকদিসি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নির্ভরযোগ্য হাফিজ শাইখ আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আবিল ফাওয়ারিস—৪০৭ হিজরীর জিলকদ মাসে তাঁর সামনে পাঠকালে আমি তা শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন জাফর বিন মুহাম্মদ বিন সালাম আল-খুতালি—আবুল হুসাইন বিন আল-ফুরাতের পাঠের মাধ্যমে তাঁর সামনে পাঠকালে আমি তা শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল খালিক। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাজ্জাজ আল-মারওয়াযি।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ٦)
1 - سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ رضي الله عنه وَذَكَرَ أَخْلاقَ الوَرِعِينَ فَقَالَ أَسْأَلُ اللَّهَ أَنْ لَا يَمْقُتَنَا أَيْنَ نَحْنُ مِنْ هَؤُلاءِ2 - وَقِيلَ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ هَلْ لِلْوَرَعِ حَدٌّ يُعْرَفُ فَتَبَسَّمَ وَقَالَ مَا أَعْرِفُهُ3 - سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ وَذَكَرَ وَرَعَ عُثْمَانَ بْنِ زَائِدَةَ)فَقَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ قَدْ قِيلَ لِسُفْيَانَ يَعْنِي الثَّوْرِيَّ مَنْ نَسْأَلُ بَعْدَكَ فَقَالَ سَلُوا زَائِدَةَ
১ - আমি আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হাম্বল (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে পরহেযগারদের চরিত্র সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি। তিনি বললেন, “আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের ঘৃণা না করেন; তাঁদের তুলনায় আমাদের অবস্থান কোথায়!”২ - আবু আব্দুল্লাহকে বলা হলো, “পরহেযগারির কি কোনো নির্দিষ্ট সীমা আছে যা জানা যায়?” তিনি মুচকি হাসলেন এবং বললেন, “আমি তা জানি না।”৩ - আমি আবু আব্দুল্লাহকে উসমান ইবনে যায়িদার পরহেযগারি সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি। আবু আব্দুল্লাহ বললেন, সুফিয়ানকে (অর্থাৎ আস-সাওরী) জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, “আপনার পরে আমরা কাকে প্রশ্ন করব?” তিনি বললেন, “তোমরা যায়িদাকে প্রশ্ন করো।”
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ٧)
4 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ سَمِعْتُ فَتْحَ بْنَ أَبِي الْفَتْحِ يَقُول لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ فِي مَرَضِهِ الَّذِي مَاتَ فِيهِ ادْعُ اللَّهَ أَنْ يُحْسِنَ الْخِلافَةَ عَلَيْنَا بَعْدَكَوَقَالَ لَهُ مَنْ نَسْأَلُ بَعْدَكَفَقَالَ سَلْ عَبْدَ الْوَهَّابِوَأَخْبَرَنِي مَنْ كَانَ حَاضِرًا أَنَّهُ قَالَ لَهُ إِنَّهُ لَيْسَ لَهُ اتِّسَاعٌ فِي الْعِلْمِفَقَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ إِنَّهُ رَجُلٌ صَالِحٌ مِثْلُهُ يُوَفَّقُ لِإِصَابَةِ الْحَقِّ5 - قَالَ سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ وَذَكَرَ وَرَعَ عَطَاءِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَرَّانِيِّ فَذَكَرَ مِنْ وَرَعِهِ قَالَ كَانَ إِذَا قَدِمَ مَكَّةَ حَمَلَ مَعَهُ أَحْمَالَ طَعَامٍ وَقَالَ لَا أُنَافِسُ أَهْلَ مَكَّةَ فِي سِعْرِهِمْ وَكَانَ يَتَأَوَّلُ هَذِهِ الْآيَةَ {وَمَنْ يُرِدْ فِيهِ بِإِلْحَادٍ بظُلْم}قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مَا بَلَغَنِي عَنْ أَحَدٍ أَنَّهُ نَظَرَ فِي هَذَا غَيرَ هَذَا6 - قَالَ سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ وَذَكَرَ وَرَعَ أَيُّوبَ بْنِ النَّجَّارِ فَقَالَ
4 - আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমি ফাতহ বিন আবুল ফাতহকে বলতে শুনেছি আবু আব্দুল্লাহর কাছে তার সেই অসুস্থতার সময় যাতে তিনি ইন্তেকাল করেছিলেন: আল্লাহর কাছে দোয়া করুন যেন তিনি আপনার পর আমাদের ওপর উত্তম খিলাফত দান করেন।এবং তিনি তাকে বললেন, আপনার পর আমরা কাকে জিজ্ঞাসা করব?তিনি বললেন, আব্দুল ওয়াহহাবকে জিজ্ঞাসা করো।এবং উপস্থিত থাকা একজন আমাকে জানিয়েছেন যে, সে তাকে বলেছিল, তার তো ইলমের প্রশস্ততা তেমন নেই।তখন আবু আব্দুল্লাহ বললেন, তিনি একজন সৎকর্মশীল ব্যক্তি, আর তার মতো ব্যক্তিকে সত্য লাভের তাওফিক দেওয়া হয়।5 - তিনি বলেন, আমি আবু আব্দুল্লাহকে আতা বিন মুহাম্মাদ আল-হাররানীর পরহেজগারি সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি। তিনি তার পরহেজগারির কথা উল্লেখ করে বলেন, তিনি যখন মক্কায় আসতেন তখন নিজের সাথে খাদ্যের বোঝা বহন করে আনতেন এবং বলতেন, আমি মক্কাবাসীদের সাথে তাদের বাজারদরের ব্যাপারে প্রতিযোগিতা করব না। এবং তিনি এই আয়াতের ব্যাখ্যা করতেন: {আর যে ব্যক্তি সেখানে জুলুমের মাধ্যমে সত্যবিচ্যুত হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে}।আবু আব্দুল্লাহ বলেন, এই ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারও ব্যাপারে আমার কাছে এমন সংবাদ পৌঁছায়নি যে সে এই বিষয়টি এভাবে অনুধাবন করেছে।6 - তিনি বলেন, আমি আবু আব্দুল্লাহকে আইয়ুব বিন আন-নাজ্জারের পরহেজগারি সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি, তিনি বললেন:
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ٨)
قَدْ كَانَ خَرَجَ مِنْ مَالِهِ كُلِّهِ قَدْ رَأَيْتُهُ بِمَكَّةَ وَمَعَهُ رِشَاءٌ يَسْتَقِي بِهِ مِنْ بِئْرِ زَمْزَمَقُلْتُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ قَدْ قَالَ قَادِمٌ الدَّيْلَمِيُّ قِيلَ إِبْرَاهِيم بْنِ أَدْهَمَ أَلا تَشْرَبُ مِنْ زَمْزَمَ فَقَالَ لَوْ وَجَدْتُ رِشَاءً أَوْ دَلْوًا لَاسْتَقَيْتُوَقِيلَ لِوُهَيْبِ بْنِ الْوَرْدِ أَلا تَشْرَبُ مِنْ زَمْزَمَ فَقَالَ بِأَيِّ دَلْوٍقَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مَا ظَنَنْتُ أَنَّ وُهَيْبًا قَالَ هَذَا وَلا ظَنَنْتُ أَنَّ أَحَدًا نَظَرَ فِي هَذَا غَيْرَ أَيُّوبَ بْنِ النَّجَّارِ7 - حَدَّثَنَا الْفِرْيَابِيُّ قِيلَ لِسُفْيَانَ أَوْ سُئِلَ عَنِ الشُّرْبِ مِنْ زَمْزَمَفَقَالَ إِنْ وَجَدْتُ دَلْوًا شَرِبْتُ8 - وَسَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ وَذَكَرَ وَرَعَ شُعَيْبِ بْنِ حَرْبٍ فَقَالَ لَقَدْ دَقَّقَ لَيْسَ لَكَ أَنْ تُطَيِّنَ الْحَائِطَ مْنَ خَارِجٍ لِئَلَّا يَخْرُجَ فِي الطَّرِيقِ
তিনি তাঁর সমস্ত সম্পদ ত্যাগ করেছিলেন। আমি তাঁকে মক্কায় দেখেছি, তাঁর সাথে একটি দড়ি ছিল যা দিয়ে তিনি জমজম কূপ থেকে পানি তুলতেন।আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম, ক্বাদিম আদ-দাইলামি বলেছেন—বলা হয় এটি ইবরাহিম ইবনে আদহামকে বলা হয়েছিল—আপনি কি জমজম থেকে পান করবেন না? তিনি বললেন, যদি আমি একটি দড়ি বা বালতি পেতাম তবে আমি পানি তুলতাম।উহাইব ইবনুল ওয়ারদকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, আপনি কি জমজমের পানি পান করবেন না? তিনি বললেন, কোন বালতি দিয়ে?আবু আব্দুল্লাহ বললেন, আমি ভাবিনি যে উহাইব এটি বলেছেন, আর আমি এও ভাবিনি যে আইয়ুব ইবনুন্নজজার ছাড়া আর কেউ এই বিষয়টি নিয়ে ভেবেছেন।৭ - আমাদের কাছে ফিরয়াবি বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ানকে বলা হয়েছিল অথবা তাঁকে জমজম থেকে পান করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল।তিনি বললেন, যদি আমি কোনো বালতি পাই তবে পান করব।৮ - আমি আবু আব্দুল্লাহকে শুআইব ইবনে হারবের পরহেজগারি সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি। তিনি বললেন, তিনি এতটাই সূক্ষ্মতা অবলম্বন করতেন যে, (তিনি বলতেন) তোমার জন্য দেয়ালের বাইরের দিকে প্রলেপ দেওয়া উচিত নয় যাতে তা রাস্তার দিকে বেরিয়ে না যায়।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ٩)
سَمِعْتُ ابْنَ حَرْبٍ يَقُولُ مَا احْتَمَلُوا لِأَحَدٍ مَا احْتَمَلُوا لِوُهَيْبٍ وَكَانَ يَشْرَبُ بِدَلْوِهِ9 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ الْبَزَّارَ يَقُولُ سَمِعْتُ شُعَيْبَ بْنَ حَرْبٍ يَقُولُ لَكَ أَنْ تطين الْحَائِط من خَارج وَلَيْسَ لَكَ أَنْ تُجَصِّصَهُ لَعَلَّهُ أَنْ يَخْرُجَ فِي الطَّرِيقِ10 - سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ رَأَيْتُ قَدْ بَنَوْا دَرَجَةً لِمَسْجِدِ شُعَيْبٍ فِي الطَّرِيقِ فَقَالَ لَا وَضَعْتُ رِجْلِي عَلَيْهَا حَتَّى تُهْدَمَ11 - وَسَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ وَذَكَرَ وَرَعَ يَزِيدَ بْنِ زُرَيْعٍ فَقَالَ قَدْ تَنَزَّهَ عَنْ مِيرَاثِ أَبِيهِ12 - سَمِعْتُ عَبْدَ الوَهَّابِ يَقُولُ سَمِعْتُ أَبَا سُلَيْمَانَ الْأَشْقَرِ وَكَفَاكَ بِأَبِي سُلَيْمَانَ قَالَ قَدْ تَنَزَّهَ يَزِيدُ بن زُرَيْع عَن خَمْسمِائَة أَلْفٍ مِنْ مِيرَاثِ أَبِيهِ فَلَمْ يَأْخُذْهُ13 - وَسَمِعْتُ أُمَيَّةَ بْنَ بِسْطَامِ ابْنَ عَمِّ يَزِيدَ بْنِ زُرَيْعٍ يَقُولُ كَانَ يَزِيدُ يَعْمَلُ الْخُوصَ وَكَانَ يَكُونُ فِي هَذَا الْبَيْتِ وَأَشَارَ إِلَى بَيْتٍ لَطِيفٍ فِي الْمَسْجِدِ14 - سَمِعْتُ أَبَا الْخَطَّابِ يَقُولُ لَمَّا أُخِذَ زُرَيْعٌ قَالَ يَزِيدُ لِلْقَوْمِ ارْفُقُوا بِالشَّيِخِ وَذَكَرَ أَنَّ زُرَيْعًا كَانَ وَالِيًا
আমি ইবনে হারবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: ওহাইবের জন্য তারা যা সহ্য করেছে, অন্য কারো জন্য তা করেনি। আর তিনি নিজের বালতি দিয়ে পান করতেন।9 - আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমি মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-বাজারকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি শুআইব ইবনে হারবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: তোমার জন্য দেয়ালের বাইরের দিকটি মাটি দিয়ে প্রলেপ দেওয়া জায়েজ, কিন্তু তা চুনকাম করা তোমার জন্য জায়েজ নয়; পাছে তা রাস্তার দিকে বর্ধিত হয়ে যায়।10 - আমি মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: আমি দেখলাম তারা শুআইবের মসজিদের জন্য রাস্তার মধ্যে একটি সিঁড়ি নির্মাণ করেছে। তখন তিনি বললেন: আমি এতে আমার পা রাখব না যতক্ষণ না তা ভেঙে ফেলা হয়।11 - আমি আবু আবদুল্লাহকে ইয়াজিদ ইবনে জুরাইয়ের পরহেজগারি সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি; তিনি বললেন: তিনি তার পিতার মিরাস (উত্তরাধিকার) থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন।12 - আমি আবদুল ওয়াহহাবকে বলতে শুনেছি, আমি আবু সুলাইমান আল-আশকারকে বলতে শুনেছি—আর আবু সুলাইমান (সাক্ষী হিসেবে) তোমার জন্য যথেষ্ট—তিনি বললেন: ইয়াজিদ ইবনে জুরাইহ তার পিতার মিরাসের পাঁচ লক্ষ (দিরহাম) থেকে নিজেকে বিরত রেখেছেন এবং তা গ্রহণ করেননি।13 - আমি ইয়াজিদ ইবনে জুরাইয়ের চাচাতো ভাই উমাইয়া ইবনে বিসতামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: ইয়াজিদ খেজুর পাতার কাজ করতেন এবং তিনি এই কামরায় থাকতেন—এ কথা বলে তিনি মসজিদের একটি ছোট কামরার দিকে ইশারা করলেন।14 - আমি আবুল খাত্তাবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: যখন জুরাইহকে পাকড়াও করা হলো, তখন ইয়াজিদ লোকদের বললেন: এই বৃদ্ধ লোকটির প্রতি কোমলতা প্রদর্শন করো। আর তিনি উল্লেখ করেছেন যে, জুরাইহ একজন গভর্নর ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
15 - سَمِعْتُ بِشْرَ بْنَ الْحَارِثِ يَقُولُ مَا شَبِعْتُ مُنْذُ خَمْسِينَ سَنَةً يَعْنِي مِنَ السَّوَادِ16 - قَالَ وَقَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ كَأَنَّكَ يَا مَوْتُ وَقَدْ فَرَّقَ بَيْنَنَامَا أَعْدِلُ بِالْفَقْرِ شَيْئًاأَنَا أَفْرَحُ إِذَا لَمْ يَكُنْ عِنْدِي شَيْءٌ إِنِّي لَأَتَمَنَّى الْمَوْتَ صَبَاحًا ومساءا أَخَافَ أَنْ أُفْتَنَ فِي الدُّنْيَا17 - قَالَ مَسْرُوقٌ إِنَّمَا تُحْفَةُ الْمُؤْمِنِ حُفْرَتُهُ18 - سَمِعْتُ أَبَا بَكْرِ بْنَ مُسْلِمٍ يَقُولُ الدُّنْيَا لِأَيِّ شَيْءٍ تُرَادُ إِنْ كَانَ إِنَّّمَا تُرَادُ لِلَّذَّةِ فَلا كَانَتِ الدُّنْيَا وَلا كَانَ أَهْلُهَا إِنَّمَا تُرَادُ الدُّنْيَا أَنْ يُطَاعَ أَهْلُهَا فِيهَا19 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ قَالَ وَسَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ إِدْرِيسَ يَقُولُ سَمِعْتُ بِشْرَ بْنَ الْحَارِثِ يَقُولُ مَا يَنْبَغِي لِلرَّجُلِ أَنْ يَشْبَعَ الْيَوْمَ مْنَ الْحَلالِ لِأَنَّهُ إِذَا شَبِعَ مِنَ الْحَلالِ دَعَتْهُ نَفْسُهُ إِلَى الْحَرَامِ فَكَيْفَ إِلَى هَذِهِ الْأَقْذَارِ الْيَوْمَ20 - سَمِعْتُ بِشْرَ بْنَ الْحَارِثِ يَقُولُ يَنْبَغِي لِلرَّجُلِ إِذَا كَانَ عِنْدَهُ شَيْءٌ يَسْتَطِيبُهُ أَنْ يَرْفَعَهُ أَوْ يَتَقَوَّتَهُ وَيَتَنَزَّهَ عَنْ هَذِهِ الْأَقْذَارِ21 - وَسَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ يَقُولُ كَانَ
১৫ - আমি বিশর ইবনুল হারিসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি গত পঞ্চাশ বছর যাবৎ পেট পুরে খাইনি; অর্থাৎ সাধারণ খাবারও।১৬ - তিনি বলেন এবং আবু আব্দুল্লাহ বলেছেন: হে মৃত্যু! মনে হয় তুমি আমাদের মাঝে বিচ্ছেদ ঘটিয়েছ।দারিদ্র্যের সমান আমি অন্য কিছুকে মনে করি না।যখন আমার নিকট কিছু থাকে না তখন আমি আনন্দিত হই। আমি সকাল-সন্ধ্যায় মৃত্যুর আকাঙ্ক্ষা করি; কারণ আমি আশঙ্কা করি যে পাছে দুনিয়াতে পরীক্ষায় পড়ে যাই।১৭ - মাসরুক বলেছেন: মুমিনের জন্য উপহার হলো তার কবর।১৮ - আমি আবু বকর ইবনে মুসলিমকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: দুনিয়া কী উদ্দেশ্যে চাওয়া হয়? যদি তা কেবল ভোগের জন্য চাওয়া হয়, তবে দুনিয়া ও তার অধিবাসীদের অস্তিত্ব না থাকাই শ্রেয়। দুনিয়া তো কেবল এজন্যই চাওয়া হয় যেন এতে এর অধিবাসীরা আনুগত্য করতে পারে।১৯ - আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মাদ ইবনে ইদরিসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি বিশর ইবনুল হারিসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: বর্তমান সময়ে কোনো ব্যক্তির পক্ষে হালাল খাবার দ্বারাও পেট পুরে খাওয়া সমীচীন নয়; কেননা যখন সে হালাল দ্বারা পরিতৃপ্ত হয়, তখন তার নফস তাকে হারামের দিকে প্ররোচিত করে। তাহলে বর্তমানের এই নোংরা বিষয়গুলোর অবস্থা কেমন হবে!২০ - আমি বিশর ইবনুল হারিসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: কোনো ব্যক্তির নিকট যদি এমন কিছু থাকে যা সে উত্তম মনে করে, তবে তার উচিত তা তুলে রাখা বা তা দ্বারা জীবন ধারণ করা এবং এসব নোংরা বস্তু থেকে বেঁচে থাকা।২১ - এবং আমি আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হাম্বলকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন...
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ١١)
عِنْدِي مَوْلًى لِابْنِ الْمُبَارَكِ فَذَكَرَ عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ قَالَ الْأَمْرُ مَا كَانَ عَلَيْهِ دَاوُدُ الطَّائِيُّ22 - وَسَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ وَذَكَرَ وَرَعَ ابْنِ الْمُبَارَكِ فَقَالَ إِنَّمَا رَفَعَهُ اللَّهُ بِمِثْلِ هَذَا23 - قُلْتُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ تَعْرِفُ سَعِيدَ بْنَ عَبْدِ الْغَفَّارِقَالَ لَمْ أَرَهُ وَقَدْ بَلَغَنِي خَبَرُهُقُلْتُ حَكَى سَعِيدٌ أَنَّ ابْنَ عُيَيْنَةَ أَعْطَاهُ دِرْهَمَيْنِ يَشْتَرِي لَهُ مِنْ جُدَّةَ سَمَكًا فَلَقِيَهُ ابْنُ أَخِي نَافِعِ بْنِ مُحْرِزٍ أَوْ غَيْرُهِفَقَالَ لَهُ تَعْرِفُ مَوْضِعًا أَشْتَرِي لِسُفْيَانَ سَمَكًا بِدَرْهَمَيْنِ فَقَالَ لَهُ يَا أَبَا سَعْيدٍ وَتَحْمِلُ لِسُفْيَانَ بِضَاعَةًفَتَبَسَّمَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ وَقَالَ رحمه اللهقَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ اجْتَمَعُوا عَلَى سُفْيَانَ فَقَالُوا لَهُ لَوْ أَخْبَرْتَنَا
আমার নিকট ইবনুল মুবারকের একজন সেবক ছিল, সে ইবনুল মুবারকের সূত্রে উল্লেখ করেছে যে, তিনি বলেছেন: বিষয়টি তেমন, যার ওপর দাউদ আত-তাঈ অটল ছিলেন।২২ - আমি আবু আব্দুল্লাহকে ইবনুল মুবারকের তাকওয়া সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি। তিনি বললেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁকে এই প্রকার গুণের কারণেই উচ্চ মর্যাদা দান করেছেন।”২৩ - আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম, “আপনি কি সাঈদ ইবনে আব্দুল গাফফারকে চেনেন?”তিনি বললেন, “আমি তাঁকে দেখিনি, তবে তাঁর সংবাদ আমার নিকট পৌঁছেছে।”আমি বললাম, “সাঈদ বর্ণনা করেছেন যে, ইবনে উয়াইনা তাঁকে দুটি দিরহাম দিয়েছিলেন যেন তিনি তাঁর জন্য জেদ্দা থেকে মাছ কিনে আনেন। তখন নাফে ইবনে মুহরিযের ভাতিজা অথবা অন্য কেউ তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করল।”সে তাঁকে বলল, “আপনি কি এমন কোনো স্থান চেনেন যেখান থেকে আমি সুফিয়ানের জন্য দুই দিরহাম দিয়ে মাছ ক্রয় করতে পারি?” তখন সে তাকে বলল, “হে আবু সাঈদ, আপনি কি সুফিয়ানের জন্য সওদা বহন করছেন?”আবু আব্দুল্লাহ তখন মুচকি হাসলেন এবং বললেন, “আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন।”আবু আব্দুল্লাহ বললেন, “লোকেরা সুফিয়ানের নিকট সমবেত হয়ে তাঁকে বলল, আপনি যদি আমাদের অবহিত করতেন...”
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
جَمَعْنَا لَكَ فَقَالَ لَهُمْ وَجَدْتُمْ مقَالا فَقَلُّوا24 - وَسَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ وَذَكَرَ وَرَعَ عِيسَى بْنِ يُونُسَ فَقَالَ قَدِمَ فَرَفَعَ فِي حِصْنٍ مَنْقُوبٍ فَأَمَرُوا لَهُ بِمِائَةِ أَلْفٍ أَوْ قَالَ بِمَالٍ فَلَمْ يَقْبَلْوَتَدْرِي ابْنَ كَمْ كَانَ عِيسَى كَأَنَّهُ أَرَادَ بِهِ كَأَنَّهُ (كَانَ) حَدَثًا25 - وَسَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ قَالَ وَذَكَرَ لَهُ رَجُلٌ وَرَعَ يُوسُفَ بْنِ أَسْبَاطٍ أَنَّهُ كَانَ يَنْزِلُ فِيمَا أَقْطَعُوا بِطَرسُوسَ فَلَمَّا تَبَايَعُوا اعْتَزَلَ يُوسُفُ بْنُ أَسْبَاطٍ وَكَرِهَ مُبَايَعَتِهِمْ فَاسْتَحْسَنَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ فِعْلَ يُوسُفَ رحمه الله وَكَرِهَ أَبُو عبد الله (آل) بيع وَلَمْ يَرَ بَأْسًا أَنْ يَسْتَوْلِيَ26 - وَسَمِعْتُ ابْنَ أَبِي عُمَرَ الْعَدَنِيَّ يَقُولُ وَأَشَارَ إِلَى مَوْضِعٍ فِي الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ فَقَالَ كَانَ الْفُضَيْلُ وَابْنُ عُيَيْنَةَ يَجْلِسُونَ ثُمَّ وَأَشَارَ إِلَى نَاحِيَةٍ فَلَمَّا قَدِمَ سُفْيَانُ اعْتَزَلَ الْفُضَيْلُ وَقَعَدَ فِي بَيْتِهِ وَقَالَ لَنَا سُفْيَانُ قُومُوا بِنَا إِلَى أَبِي عَلِيٍّ فَجَاءَ إِلَى الْفُضَيْلِقَالَ أَلَا تَرْجِعُ إِلَى مَوْضِعِكَفَقَالَ لَيْسَ هَذَا زَمَانَ تلاقي
আমরা আপনার জন্য একত্র করেছি, তখন তিনি তাদের বললেন: তোমরা আলোচনার একটি বিষয় খুঁজে পেয়েছ, তাই তা সংক্ষেপ করো।২৪ - আমি আবু আব্দুল্লাহকে (ইমাম আহমাদ) বলতে শুনেছি, তিনি ঈসা ইবনে ইউনুসের খোদাভীতি সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন। তিনি বললেন: তিনি আসলেন এবং তাকে একটি সুড়ঙ্গযুক্ত দুর্গে রাখা হলো। তখন তারা তাকে এক লক্ষ (দিরহাম) অথবা তিনি বলেছেন কোনো সম্পদ দেওয়ার নির্দেশ দিল, কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করেননি।আপনি কি জানেন তখন ঈসার বয়স কত ছিল? যেন তিনি এর মাধ্যমে বুঝাতে চেয়েছিলেন যে তিনি তখন যুবক ছিলেন।২৫ - আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি যে, এক ব্যক্তি তাঁর নিকট ইউসুফ ইবনে আসবাতের খোদাভীতি সম্পর্কে আলোচনা করলেন যে, তিনি তারসুসের সেই বরাদ্দকৃত স্থানে অবস্থান করতেন। অতঃপর যখন তারা বায়আত (বা ক্রয়-বিক্রয়) শুরু করল, তখন ইউসুফ ইবনে আসবাত আলাদা হয়ে গেলেন এবং তাদের সাথে লেনদেন বা বায়আত করা অপছন্দ করলেন। আবু আব্দুল্লাহ ইউসুফ রহ.-এর এই কাজকে পছন্দ করলেন। আবু আব্দুল্লাহ বায়আত অপছন্দ করতেন, তবে তিনি কর্তৃত্ব লাভ করার মাঝে কোনো সমস্যা দেখতেন না।২৬ - আমি ইবনে আবি উমর আল-আদানিকে বলতে শুনেছি, তিনি মসজিদুল হারামের একটি স্থানের দিকে ইশারা করে বললেন: ফুদায়েল এবং ইবনে উইয়াইনা এখানে বসতেন। এরপর তিনি অন্য এক দিকের দিকে ইশারা করলেন। অতঃপর যখন সুফিয়ান আসলেন, তখন ফুদায়েল নিভৃতে চলে গেলেন এবং নিজ ঘরে অবস্থান করলেন। সুফিয়ান আমাদের বললেন: আমাদের নিয়ে আবু আলীর (ফুদায়েল) কাছে চলো। অতঃপর তিনি ফুদায়েলের কাছে আসলেন।তিনি বললেন: আপনি কি আপনার (পূর্বের) স্থানে ফিরে যাবেন না?তিনি বললেন: এটি সাক্ষাতের সময় নয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ١٣)
27 - وَسَمِعْتُ عَبَّاسًا يَقُولُ سَمِعْتُ بِشْرًا يَقُولُ قَالَ الْفُضَيْلُ مَا كَانَ أَحَدًا أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ لِقَاءِ هَذَا الرَّجُلِ وَأَمَّا الْيَوْمَ مَا أَحَدٌ أَبْغَضُ إِلَيَّ لِقَاءً مِنْهُ يَعْنِي لِابْنِ عُيَيْنَةَ28 - سَمِعْتُ شُعَيْبَ بْنَ حَرْبٍ يَقُولُ وَقِيلَ لَهُ يُوسُفُ بْنُ أَسْبَاطٍ مَنْ أَيْنَ كَانَ يَأْكُلُ فَقَالَ شُعَيْبٌ الْبِرُّ عَشَرَةَ أَجْزَاءٍ تِسْعَةٌ فِي طَلَبِ الْحَلالِ يُوسُفُ أَحْكَمَ التِّسْعَةَ29 - قَالَ وَسَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ شُعَيْبٍ يَقُولُ لَمَّا فَارَقَ شُعَيْبٌ يُوسُفَ بْنَ أَسْبَاطٍ زَوَّدَهُ طَعَامًا فَقَالَ شُعَيْبٌ لِابْنِهِ طَعَام يُوسُف (أ) بِقُوَّة لِي وَكُلُوا أَنْتُمْ طَعَامَنَا30 - وَسَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ شُعَيْبٍ يَقُولُ لَمَّا قَدِمَ شُعَيْبُ بْنُ حَرْبٍ عَلَى يُوسُفَ بْنِ أَسْبَاطٍ رَأَى عِنْدَهُ شَابًّا يُكَلِّمُ يُوسُفَ وَيَغْتَاظُ لَهُ قَالَ وَيَرْفَعُ صَوْتَهُ فَقَالَ شُعَيْبُ تَرْفَعُ صَوْتَكَفَقَالَ لَهُ يُوسُفَ يَا أَبَا صَالِحٍ إِنَّهُ مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ إِنَّهُ يَدْرِي مِنْ أَيْنَ يَأْكُلُ قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ كَانَ مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ رَجُلًا مِنَ الثَّغْرِ قَالَ شُعَيْبٌ بِأَبِي أَنْتَ وَأُمِّي نَذَرْتُ إِذَا رَأَيْتُكَ أَنْ أُحَدِّثَكَ31 - سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ وَذَكَرَ مُحَمَّدَ بْنَ إِدْرِيسَ الَّذِي كَانَ بِالثَّغْرِ فَقَالَ كَانَ ذَلِكَ أَرْجَلَهُمْ ذَاكَ كَانَ يَأْكُلُ مِنَ الْأَسْلِ يَعْنِي مِنْ نَتْفِهِ ثُمَّ
২৭ - আমি আব্বাসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি বিশরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, ফুযাইল বলেছেন: এই ব্যক্তির সাথে সাক্ষাতের চেয়ে প্রিয় আর কারো সাথে সাক্ষাৎ আমার নিকট ছিল না। তবে বর্তমানে তার সাথে সাক্ষাতের চেয়ে অপ্রিয় আর কারো সাথে সাক্ষাৎ আমার নিকট নেই। তিনি এর দ্বারা ইবন উয়াইনাকে বুঝিয়েছেন।২৮ - আমি শুআইব ইবন হারবকে বলতে শুনেছি—তাকে যখন ইউসুফ ইবন আসবাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো যে, তিনি কোথা থেকে আহার করতেন? তখন শুআইব বললেন: নেক আমল বা পুণ্য দশটি অংশে বিভক্ত, যার নয়টি অংশই হলো হালাল অন্বেষণের মধ্যে; আর ইউসুফ সেই নয়টি অংশকেই সুসংহত করেছিলেন।২৯ - তিনি বলেন, আমি আলী ইবন শুআইবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: যখন শুআইব ইউসুফ ইবন আসবাতের কাছ থেকে বিদায় নিলেন, তখন ইউসুফ তাকে কিছু খাবার পাথেয় হিসেবে দিলেন। তখন শুআইব তার পুত্রকে বললেন: ইউসুফের খাবার আমার জন্য শক্তির উৎস, আর তোমরা আমাদের খাবার খাও।৩০ - আমি আলী ইবন শুআইবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: যখন শুআইব ইবন হারব ইউসুফ ইবন আসবাতের নিকট আসলেন, তিনি সেখানে একজন যুবককে দেখলেন যে ইউসুফের সাথে কথা বলছিল এবং তার প্রতি কঠোরতা প্রকাশ করছিল। বর্ণনাকারী বলেন, সে তার কণ্ঠস্বর উচ্চ করছিল। তখন শুআইব বললেন: তুমি কি তোমার কণ্ঠস্বর উচ্চ করছ? তখন ইউসুফ তাকে বললেন: হে আবু সালিহ! ইনি হলেন মুহাম্মদ ইবন ইদ্রিস। তিনি জানেন তিনি কোথা থেকে আহার করছেন (অর্থাৎ তার উপার্জনের উৎস অত্যন্ত স্বচ্ছ)। আবু আব্দুল্লাহ বলেন: মুহাম্মদ ইবন ইদ্রিস সীমান্ত অঞ্চলের একজন ব্যক্তি ছিলেন। শুআইব বললেন: আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য উৎসর্গ হোক, আমি মানত করেছিলাম যে যখনই আপনাকে দেখব, আপনার নিকট হাদিস বর্ণনা করব।৩১ - আমি আবু আব্দুল্লাহকে সীমান্ত অঞ্চলের সেই মুহাম্মদ ইবন ইদ্রিস সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছি। তিনি বললেন: তিনি তাদের মধ্যে সবচেয়ে পৌরুষদীপ্ত ও দৃঢ়চেতা ছিলেন। তিনি 'আসল' (এক প্রকার শরগাছ) থেকে আহার করতেন, অর্থাৎ তা সংগ্রহের পরিশ্রমলব্ধ উপার্জন থেকে। এরপর...
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَبُو يُوسُفَ الْغَسُولِيُّ قَدْ خَلَّفَ ابْنَ إِدْرِيسَ يُرِيدُ بِذَلِكَ الْوَرَعَ32 - سَمِعْتُ عَلِيَّ بْنَ شُعَيْبٍ يَقُولُ قَالَ إِنِّي كُنْتُ قِلْتُ عِنْدَ فُلانٍقَالَ فَقَالَ لِي أَكَلْتَ عِنْدَهُ قُلْتُ نَعَمْقَالَ احْمَدْ (رَبَّكَ) أَكَلْتَ مَا لَا تَسْأَلُ عَنْهُيَعْنِي عَنْ كَسْبِهِ33 - سَمِعْتُ أَبَا يُوسُفَ الْغَسُولِيَّ يَقُولُ إِنَّهُ لَتَكْفِينِي فِي السَّنَةِ اثْنَا عَشَرَ دِرْهَمًا فِي كُلِّ شَهْرٍ دِرْهَمٌ وَمَا يَحْمِلُنِي عَلَى الْعَمَلِ إِلَّا أَلْسِنَةُ هَؤُلَاءِ الْقُرَّاءِ يَقُولُونَ أَبُو يُوسُفَ مِنْ أَيْنَ يَأْكُلُ34 - سَمِعْتُ أَبَا يُوسُفَ الْغَسُولِيَّ يَقُولُ أَنَا أَتَفَقَّهُ فِي مَطْعَمِي مِنْ سِتِّينَ سَنَةً35 - سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ قَدِمَ دَاوُدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ يَمَانٍ وَأَيْشِ كَانَ مَا كَانَ أَنْسَكَهُ36 - قَالَ قَالَ بِشْرُ بْنُ الْحَارِثِ سَمِعْتُ الْمُعَافَى بْنَ عِمْرَانَ يَقُولُ كَانَ عَشْرَةٌ فِيمَنْ مَضَى مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ يَنْظُرُونَ فِي الْحَلالِ النَّظَرَ الشَّدِيدَ لَا يُدْخِلُونَ بُطُونَهُمْ إِلَّا مَا يَعْرِفُونَ مِنَ الْحَلالِ وَإِلَّا اسْتَفُّوا التُّرَابَ ثُمَّ عَدَّ بِشْرٌوَإِبْرَاهِيمُ بْنُ أَدْهَمَوَسُلَيْمَانُ الْخَوَّاصِوَعَلِيُّ بْنُ الْفُضَيْلِوَأَبُو مُعَاوِيَةَ الْأَسْوَدُوُيُوسُفُ بْنُ أَسْبَاطٍوَوُهَيْبُ بْنُ الْوَرْدِوَحُذَيْفَةُ شَيْخٌ مِنْ أَهْلِ حَرَّانَوَدَاوُدُ الطَّائِيُّ فَعَدَّ عَشْرَةً كَانُوا لَا يُدْخِلُونَ بُطُونَهُمْ إِلَّا مَا
আবু আব্দুল্লাহ বলেন, আবু ইউসুফ আল-গাসুলি ইবনে ইদ্রিসের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন; তিনি এর দ্বারা পরহেযগারি উদ্দেশ্য করেছেন।৩২ - আমি আলি বিন শুয়াইবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি অমুক ব্যক্তির নিকট দুপুরে বিশ্রাম নিয়েছিলাম।তিনি বলেন, তখন তিনি আমাকে বললেন: তুমি কি তার কাছে খেয়েছ? আমি বললাম: হ্যাঁ।তিনি বললেন: (তোমার রবের) প্রশংসা করো যে তুমি এমন কিছু খেয়েছ যার সম্পর্কে তোমাকে প্রশ্ন করা হবে না।অর্থাৎ তার উপার্জন সম্পর্কে।৩৩ - আমি আবু ইউসুফ আল-গাসুলিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: এক বছরে আমার জন্য বারো দিরহামই যথেষ্ট, প্রতি মাসে এক দিরহাম। আর এই ক্বারিদের কথাবার্তা ছাড়া অন্য কোনো কিছুই আমাকে কাজ করতে বাধ্য করে না; তারা বলে, আবু ইউসুফ কোথা থেকে খায়?৩৪ - আমি আবু ইউসুফ আল-গাসুলিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ষাট বছর ধরে আমার খাবারের (বৈধতার) বিষয়ে গভীর বিচার-বিশ্লেষণ করছি।৩৫ - আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: দাউদ বিন ইয়াহইয়া বিন ইয়ামান আসলেন, আর তিনি কতই না বড় ইবাদতগুজার ও পরহেযগার ছিলেন!৩৬ - তিনি বলেন, বিশর বিন আল-হারিস বলেছেন: আমি মুয়াফা বিন ইমরানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: বিগত আলেমদের মধ্যে এমন দশজন ব্যক্তি ছিলেন যারা হালালের বিষয়ে অত্যন্ত কঠোরভাবে লক্ষ্য রাখতেন। তারা তাদের পেটে এমন কিছু প্রবেশ করাতেন না যা হালাল হিসেবে তারা নিশ্চিতভাবে চিনতেন না; অন্যথায় তারা মাটি ভক্ষণ করতেন। এরপর বিশর গণনা করলেন:ইব্রাহিম বিন আদহাম,সুলাইমান আল-খাওয়াস,আলি বিন আল-ফুযাইল,আবু মুয়াবিয়া আল-আসওয়াদ,ইউসুফ বিন আসবাত,উয়াইব বিন আল-ওয়ারদ,হাররানের জনৈক শায়খ হুযাইফা,দাউদ আত-তায়ি; এভাবে তিনি দশজন গণনা করলেন যারা তাদের পেটে এমন কিছু প্রবেশ করাতেন না যা...
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ١٥)
يَعْرِفُونَ مِنَ الْحَلالِ وَإِلَّا اسْتَفُّوا التُّرَابَ37 - سَمِعْتُ بِشْرًا يَقُولُ يَنْبَغِي لِلرَّجُلِ أَنْ يَنْظُرَ خُبْزَهُ مِنْ أَيْنَ هُوَ وَمَسْكَنَهُ الَّذِي سَكَنَهُ أَصْلُهُ مِنْ أَيْشِ هُوَ ثُمَّ يَتَكَلَّمُ38 - سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ مُقَاتِلٍ يَقُولُ يَنْبَغِي لِلرَّجُلِ أَنْ يَنْظُرَ رَغِيفَهُ مِنْ أَيْنَ هُوَ وَدِرْهَمَهُ مِنْ أَيْنَ39 - قَالَ سُفْيَانُ اعْمَلْ عَمَلَ الْأَبْطَالِ يَعْنِي كَسْبَ الْحَلالِ40 - حَدَّثَنِي عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ مُقَاتِلٍ سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ سَقَطَتْ نَفَقَةُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَدْهَمَ بِمَكَّةَ فَمَكَثَ خَمْسَةَ عَشَرَ يَوْمًا يَسْتَفُّ الرَّمْلَ41 - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ اللَّهَ طَيِّبٌ لَا يَقْبَلُ إِلَّا طَيِّبًا وَإِنَّ اللَّهَ أَمَرَ الْمُؤْمِنِينَ بِمَا أَمَرَ بِهِ الْمُرْسلين فَقَالَ {يَا أَيهَا الرُّسُلُ كُلُوا مِنَ الطَّيِّبَاتِ وَاعْمَلُوا صَالِحًا إِنِّي بِمَا تَعْمَلُونَ عَلِيمٌ} وَقَالَ {يَا أَيهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَنْفِقُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا كسبتم} ثُمَّ ذَكَرَ الرَّجُلَ يُطُيلُ السَّفَرَ أَشْعَثَ أَغْبَرَ يَمُدُّ يَدَيْهِ إِلَى السَّمَاءِ يَا رَبِّ يَا رَبِّ وَمَطْعَمُهُ حَرَامٌ وَمَشْرَبُهُ حَرَامٌ وَغُذِّيَ بِالْحَرَامِ فَأَنَّّى يُسْتَجَابُ لِذَلِكَ وَهَذَا لَفْظُ هَاشِمِ بْنِ الْقَاسِم
তারা হালাল চেনে, অন্যথায় তারা মাটি ভক্ষণ করে।37 - আমি বিশরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, একজন ব্যক্তির উচিত তার রুটি কোথা থেকে আসছে এবং সে যে বাসস্থানে বসবাস করছে তার উৎস কী, তা লক্ষ্য করা; এরপর সে কথা বলবে।38 - আমি মুহাম্মদ বিন মুকাতিলকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, একজন ব্যক্তির উচিত তার রুটি কোথা থেকে এবং তার দিরহাম কোথা থেকে আসছে তা লক্ষ্য করা।39 - সুফিয়ান বলেন, বীরদের ন্যায় আমল করো; অর্থাৎ হালাল উপার্জন।40 - আবদুস সামাদ বিন মুকাতিল আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যে, মক্কায় ইব্রাহিম বিন আদহামের খরচের পাথেয় ফুরিয়ে গিয়েছিল, ফলে তিনি পনের দিন বালু ভক্ষণ করে অতিবাহিত করেন।41 - আবু হুরায়রা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ পবিত্র, তিনি পবিত্র বস্তু ব্যতীত অন্য কিছু কবুল করেন না। আর আল্লাহ মুমিনদের সেই নির্দেশই দিয়েছেন যা তিনি রাসূলদের দিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, {হে রাসূলগণ! তোমরা পবিত্র বস্তুসমূহ হতে আহার করো এবং সৎকর্ম করো, নিশ্চয়ই তোমরা যা করো আমি সে বিষয়ে অবগত}। এবং তিনি বলেছেন, {হে মুমিনগণ! তোমরা যা উপার্জন করেছ তার মধ্য থেকে পবিত্র বস্তুসমূহ ব্যয় করো}। এরপর তিনি এমন এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করলেন, যে দীর্ঘ সফর করে, যার চুল উস্কোখুস্কো ও ধূলিধূসরিত, সে আকাশের দিকে তার দুই হাত প্রসারিত করে বলে, হে আমার প্রতিপালক! হে আমার প্রতিপালক! অথচ তার আহার হারাম, তার পানীয় হারাম এবং সে হারামে পুষ্ট হয়েছে। সুতরাং কীভাবে তার সেই প্রার্থনা কবুল করা হবে? এটি হাশিম বিন আল-কাসিমের শব্দবিন্যাস।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ١٦)
42 - عَنْ سَلْمَانَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَنَظَّفُوا
৪২ - সালমান (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, তোমরা পরিচ্ছন্নতা অর্জন করো।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ١٧)
43 - قَالَ أَبُو بَكْرٍ وَسَمِعْتُ أَبَا صَالِحِ بْنَ مُشْكَانَ يَقُولُ قَالَ لِي جَعْفَرُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ أَقْرِئْ بِشْرَ بْنَ الْحَارِثِ مِنِّي السَّلامَ قَالَ فَقَالَ لِي قُلْ لَهُ إِنَّكَ ثَقِيلٌ فَتَخَفَّفْ يَعْنِي مِنَ الذُّنُوبِقَالَ أَبُو بَكْرٍ قُلْتُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ أَرْوِيهِ عَنْكَ فَأَجَازَهُ44 - أَسْبَاطٌ عَنْ مُجَاهدٍ قَالَ أَوْحَى اللَّهُ إِلَى دَاوُدَ عليه السلام اتَّقِ لَا يَأْخُذَكَ اللَّهُ عَلَى ذَنْبٍ لَا يَنْظُرُ إِلَيْكَ فِيهِ أَبَدًا فَتَلْقَاهُ حِينَ تَلْقَاهُ وَلَيْسَ لَكَ حُجَّةٌ45 - قَالَ سَمِعت (عمر) وبن ذَرٍّ يَقُولُ يَا عِبَادَ اللَّهِ لَا تَغْتَرُّوا بِطُولِ حِلْمِ اللَّهِ عَلَيْكُمْ وَاحْذَرُوا أَسَفَهُ (فَإِنَّّهُ) قَالَ تبارك وتعالى فِي كِتَابِهِ {فَلَمَّا آسفونا انتقمنا مِنْهُم}46 - سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ كَانَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِدْرِيسَ يَؤُمُّنَا وَكَانَ مُنْقَبِضًا يُصَلِّي ثُمَّ يَدْخُلُ قُلْتُ لَهُ أُجِيز بن إِدْرِيسَفَقَالَ لَهُ إِمَّا (أَنْ) تَخْتَارَنِي وَإِمَّا أَنْ تَخْتَارَ الْمَالَ (فَرَدَّ) الْمَالَ
৪৩ - আবু বকর বলেন, আমি আবু সলিহ ইবনে মুশক্যানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: জাফর ইবনে আবু খালিদ আমাকে বললেন, বিশর ইবনুল হারিসকে আমার পক্ষ থেকে সালাম জানাবেন। তিনি (আবু সলিহ) বলেন, তখন তিনি (বিশর) আমাকে বললেন: তাকে বলো যে তুমি ভারী হয়ে গেছ, তাই হালকা হও—অর্থাৎ গুনাহ থেকে।আবু বকর বলেন, আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: আমি কি এটি আপনার সূত্রে বর্ণনা করব? তিনি এর অনুমতি দিলেন।৪৪ - আসবাত মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহ দাউদ আলাইহিস সালামের প্রতি ওহী পাঠালেন যে, সাবধান হও, আল্লাহ যেন তোমাকে এমন কোনো পাপে পাকড়াও না করেন যার কারণে তিনি আর কখনোই তোমার দিকে তাকাবেন না; ফলে যখন তুমি তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করবে, তখন তোমার নিকট পেশ করার মতো কোনো দলিল থাকবে না।৪৫ - তিনি বলেন, আমি উমর ইবনে যরকে বলতে শুনেছি: হে আল্লাহর বান্দারা, তোমাদের প্রতি আল্লাহর দীর্ঘ সহনশীলতায় তোমরা প্রতারিত হয়ো না এবং তাঁর ক্রোধ থেকে সতর্ক থাকো। কারণ আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালা তাঁর কিতাবে বলেছেন, {অতঃপর যখন তারা আমাকে রাগান্বিত করল, আমি তাদের থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করলাম}।৪৬ - আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি: মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইদ্রিস আমাদের ইমামতি করতেন। তিনি অত্যন্ত নিভৃতচারী ছিলেন; সালাত আদায় করতেন এবং তারপর ভেতরে চলে যেতেন। আমি তাঁকে বললাম, ইবনে ইদ্রিস কি গ্রহণযোগ্য? তখন তাঁকে (ইবনে ইদ্রিসকে) বলা হলো: হয় তুমি আমাকে বেছে নাও, নতুবা সম্পদ বেছে নাও। তখন তিনি সম্পদ প্রত্যাখ্যান করলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ١٨)
فَقَالَ أَمَّا الَّذِي كَانَ فَإِنَّهُ بَعَثَ إِلَيْهِ بِمَالٍ يُفَرِّقُهُ فَرَدَّهُ وَلَمْ يَقْبَلْهُ47 - سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ كَانَ مُحَمَّدٌ أَفْضَلَ مِنْ أَبِيهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِدْرِيسَ48 - سَمِعْتُ عَبْدِ الْوَهَّابِ يَقُولُ كَانَ ابْنُ إِدْرِيسَ يُجْرِي عَلَى ابْنِهِ مُحَمَّدٍ وَعَلَى زَوْجَتِهِ عَشْرَةٌ فِي كُلِّ شَهْرٍ مِنْ قَطِيعَةِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ49 - قَالَ وَقَدِمَ مِنَ الْحَجِّ وَأَصْحَابُ الْحَدِيثِ عِنْدَ ابْنِهِ فَقَالُوا لَهُ الْحَدِيثَإِنْ حَدَّثْتَنَا وَإِلَّا شَكَوْنَاكَ إِلَى مُحَمَّدٍفَقَالَ أَنَا أُحَدِّثُكُمْ وَلا تَشْكُونِي إِلَيْهِ مَا يُكْرَهُ لِأَهْلِ الثُّغُورِ وَبَغْدَادَ50 - وَذُكِرَ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ أَبَا يُوسُفَ الْغَسُولِيَّ كَانَ يَقُولُ مَنْ مَلَكَ خَمْسِينَ دِرْهَمًا لَمْ أَرَ لَهُ أَنْ يَلْتَقِطَ يَعْنِي السَّبَلَفَقَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ يُرْوَى عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ فِي اللِّقَّاطِ وَلَمْ يَرَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بَأْسًا بِاللِّقَّاطِ يَعْنِي وَإِنْ مَلَكَ خَمْسِينَ دِرْهَمًا
তিনি বললেন, যা ঘটেছিল তা হলো, তিনি তাঁর কাছে কিছু সম্পদ পাঠিয়েছিলেন তা বিতরণ করার জন্য, কিন্তু তিনি তা ফেরত দেন এবং তা গ্রহণ করেননি।47 - আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন যে মুহাম্মদ তাঁর পিতা আব্দুল্লাহ বিন ইদরিসের চেয়ে উত্তম ছিলেন।48 - আমি আব্দুল ওয়াহহাবকে বলতে শুনেছি যে, ইবনে ইদরিস তাঁর পুত্র মুহাম্মদ এবং তাঁর স্ত্রীর জন্য প্রতি মাসে দশ (দিরহাম) বরাদ্দ করতেন, যা উমর ইবনুল খাত্তাবের বরাদ্দকৃত ভূমি থেকে প্রাপ্ত হতো।49 - তিনি বলেন, তিনি হজ থেকে ফিরে এলেন এবং হাদিস অন্বেষণকারীরা তাঁর পুত্রের নিকট উপস্থিত ছিল। তারা তাঁকে বলল, আপনি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করুন।যদি আপনি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেন তবে ভালো, অন্যথায় আমরা মুহাম্মদের কাছে আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ করব।তিনি বললেন, আমি তোমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করব, তোমরা তাঁর কাছে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করো না। সীমান্তবর্তী অঞ্চলের অধিবাসী এবং বাগদাদবাসীদের জন্য যা অপছন্দনীয়50 - আবু আব্দুল্লাহর নিকট উল্লেখ করা হলো যে, আবু ইউসুফ আল-গাসুলি বলতেন: যার নিকট পঞ্চাশ দিরহাম আছে, তার জন্য কুড়িয়ে নেওয়া (অর্থাৎ শস্য কুড়ানো) আমি সংগত মনে করি না।আবু আব্দুল্লাহ বললেন, শস্য কুড়ানোর বিষয়ে আবু দারদা থেকে বর্ণনা রয়েছে; আর আবু আব্দুল্লাহ শস্য কুড়ানোর মাঝে কোনো সমস্যা দেখতেন না, অর্থাৎ যদিও সে পঞ্চাশ দিরহামের মালিক হয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ١٩)
قُلْتُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ أَرْوِيهِ عَنْكَ فَأَجَازَهُ51 - عَبْدُ الرَّحْمَنِ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ أَنَّ رَجُلًا رَقَى إِلَي أَبِي الدَّرْدَاءِ وَهُوَ يَلْتَقِطُ حَبًّا فَكَأَنَّهُ اسْتَحْيَا فَقَالَ لَهُ ارْتَقِ أَوِ اصْعَدْ إِنَّ مِنْ فِقْهِكَ رِفْقَكَ فِي مَعِيشَتِكَ52 - وَسُئِلَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ عَنِ اللِّقَاطِ مِنْ مَزَارِعِ الْحَذَّمِ فَقَالَ تتوق أَحَبُّ إِلَيَّوَأُرَاهُ قَالَ سَنَةً كُنَّا نُحِبُّ نَتَوَقَّى مَزَارِعَهُمْ وَلَمْ يَرَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بِأَنْ يَدْخُلَ الرَّجُلُ يَأْخُذَ الشَّوْكَ وَالْكَلَأَ بَأْسًا53 - وَسَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ رَأَيْتُهُمْ بِطَرَسُوسَ يَتَوَقَّوْنَ أَمْرَ الْجَوَامِيسِ لَا يَسْتُرُونَ الْمُصَلِّيَ وَلا غَيْرَهُقِيلَ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ إِنَّ قَوْمًا يَتَوَقَّوْنَ أَنْ يُوقَدَ بِخِثْيِ الْجَوَامِيسِفَقَالَ نَعَمْ يُقَالُ إِن أَصْلُهَا لَيْسَ بِصَحِيحٍقِيلَ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ إِنَّهُمْ يَقُولُونَ إِنَّ مُعَاوِيَةَ بَعَثَ بِهَا إِلَيْهِمْقَالَ أرهم يُصَحِّحُونَ هَذَا54 - وَسَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ وَذَكَرَ الْجَوَامِيسَ الَّتِي بِطَرَسُوسَ
আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম, ‘আমি কি আপনার নিকট থেকে এটি বর্ণনা করতে পারি?’ তিনি এর অনুমতি দিলেন।৫১ - আবদুর রহমান, সুফিয়ান থেকে, তিনি মনসুর থেকে, তিনি সালিম ইবনে আবিল জা’দ থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি আবু দর্দা-র নিকট উপরে উঠে এল যখন তিনি শস্যদানা কুড়াচ্ছিলেন। এতে সে ব্যক্তি যেন কিছুটা লজ্জা পেল। তখন তিনি (আবু দর্দা) তাকে বললেন, ‘উপরে আসো বা আরোহণ করো, নিশ্চয়ই তোমার জীবনযাত্রায় পরিমিতিবোধ ও কোমলতা প্রদর্শন করা তোমার বিচক্ষণতার অন্তর্ভুক্ত।’৫২ - আবু আব্দুল্লাহকে হাজ্জামদের কৃষিজমি থেকে কুড়িয়ে নেওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, ‘তা থেকে বেঁচে থাকাই আমার কাছে অধিক পছন্দনীয়।’এবং আমার মনে হয় তিনি বলেছিলেন, ‘এক বছর আমরা তাদের জমিগুলো পরিহার করা পছন্দ করতাম।’ তবে কোনো ব্যক্তি যদি কাঁটা ও ঘাস সংগ্রহের জন্য (জমিতে) প্রবেশ করে, তবে তাতে আবু আব্দুল্লাহ কোনো দোষ দেখতেন না।৫৩ - আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, ‘আমি তারসুসের লোকদের দেখেছি তারা মহিষের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করত; তারা এগুলোকে নামাজির জন্য সুতরাহ (আড়াল) হিসেবে বা অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করত না।’আবু আব্দুল্লাহকে বলা হলো যে, ‘কিছু লোক মহিষের বিষ্ঠা দিয়ে আগুন জ্বালাতে সতর্কতা অবলম্বন করে (বিরত থাকে)।’তিনি বললেন, ‘হ্যাঁ, বলা হয় যে এগুলোর উৎস সঠিক নয়।’আবু আব্দুল্লাহকে বলা হলো যে, ‘তারা বলে মুয়াবিয়া এগুলো তাদের নিকট পাঠিয়েছিলেন।’তিনি বললেন, ‘আমি দেখছি তারা এটি সঠিক বলে সাব্যস্ত করছে।’৫৪ - আমি আবু আব্দুল্লাহকে তারসুসের মহিষগুলোর কথা উল্লেখ করতে শুনেছি।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
فَقَالَ أَصْلُهَا فَاسِدٌ يُقَالُ إِنَّ فَسَادَهَا مِنْ قِبَلِ بَنِي أُمَيَّةَ يَعْنِي غصبت مِنْهُمْقُلْتُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ أَرْوِيهِ عَنْكَ فَأَجَازَهُ55 - هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ عَنِ الْحَسَنِ قَالَ إِنَّ أَيْسَرَ النَّاسِ حِسَابًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ الَّذِينَ حَاسَبُوا أَنْفُسَهُمْ لِلَّهِ فِي الدُّنْيَا فَوَقَفُوا عِنْدَ هُمُومِهِمْ وَأَعْمَالِهِمْ، فِإِنْ كَانَ الَّذِي هَمُّوا بِهِ فِي الدُّنْيَا (مَضَوْا فِيهِ) وَإِنْ كَانَ عَلَيْهِمْ أَمْسَكُوا وَإِنَّمَا يَثْقُلُ الْحِسَابُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى الَّذِينَ جَازَفُوا الْأُمُورَ فِي الدُّنْيَا أَخَذُوهَا عَلَى غَيْرِ مُحَاسَبَةٍ فَوَجَدُوا اللَّهَ قَدْ أَحْصَى عَلَيْهِمْ مَثَاقِيلَ الذَّرِّ ثمَّ قَرَأَ {يَا ويلتنا مَا لهَذَا الْكِتَابِ لَا يُغَادِرُ صَغِيرَةً وَلا كَبِيرَةً إِلا أَحْصَاهَا وَوَجَدُوا مَا عَمِلُوا حَاضِرًا وَلا يَظْلِمُ رَبُّكَ أحدا}56 - حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ الْخَطَّابُ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا الْعَبَّاسِ الْحطاب يَقُولُ وُزَنْتُ عِشْرِينَ وَمِائَةَ ذَرَّةٍ بِحِذَاءِ خَرْدَلَةٍ أَوْ قَالَ شَعِيرَةٍوَأَكْثَرُ ظَنِّي أَنَّهُ قَالَ خَرْدَلَةٍ57 - حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ قُرَّةَ أَنَّ رَجُلًا أَخَذَ خَمْسًا وَعِشْرِينَ ذَرَّةً فَوَضَعَهَا فِي كِفَّةِ الْمِيزَانِ فَلَمْ تَمِلْ بِهَا عَيْنُ الْمِيزَانِ58 - حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ قُرَّةَ قَالَ بَعَثَ إِلَيَّ رَجُلٌ بِطَعَامٍ فَأَكَلْتُ مِنْهُ مَا أَكَلْتُ وَفَضُلَتْ مِنْهُ فَضْلَةً فَأَصْبَحْتُ وَقَدِ اسْوَدَّ مِنَ الذَّرِّ فَوَزَنْتُهُ بِذَرِّهِ ثُمَّ
তিনি বললেন, এগুলোর মূল উৎস ত্রুটিপূর্ণ। বলা হয়ে থাকে যে এর ত্রুটি বনু উমাইয়্যার পক্ষ থেকে এসেছে, অর্থাৎ তাদের নিকট থেকে এগুলো জবরদখল করা হয়েছে।আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম, আমি কি আপনার পক্ষ থেকে এটি বর্ণনা করব? তিনি এতে অনুমতি দিলেন।৫৫ - হাশিম ইবনুল কাসিম হাসান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: কিয়ামতের দিন সেই সব মানুষের হিসাব সবচেয়ে সহজ হবে যারা দুনিয়াতে আল্লাহর সন্তুষ্টির নিমিত্তে নিজেদের হিসাব নিজেরা নিয়েছে এবং তাদের সংকল্প ও কর্মের ক্ষেত্রে থমকে দাঁড়িয়ে চিন্তা করেছে। সুতরাং দুনিয়াতে তারা যা করার সংকল্প করেছে তা যদি (সঠিক) হয় তবে তারা তাতে অগ্রসর হয়েছে, আর যদি তা তাদের বিপক্ষে (ভুল) হয় তবে তারা তা থেকে বিরত থেকেছে। আর কিয়ামতের দিন হিসাব কেবল তাদের জন্য কঠিন হবে যারা দুনিয়াতে বিষয়গুলোকে কোনো বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই খামখেয়ালিভাবে সম্পাদন করেছে; তারা সেগুলো কোনো প্রকার হিসাব গ্রহণ ছাড়াই সম্পন্ন করেছিল। ফলে তারা দেখল যে আল্লাহ তাদের অণু পরিমাণ আমলও গণনা করে রেখেছেন। অতঃপর তিনি পাঠ করলেন: {হায় আমাদের দুর্ভোগ! এ কেমন আমলনামা যা ছোট কিংবা বড় কোনো কিছুকেই গণনা করা ছাড়া বাদ দেয়নি! তারা যা আমল করেছিল তা সামনে উপস্থিত পেল। আর আপনার প্রতিপালক কারও প্রতি জুলুম করেন না।}৫৬ - আহমাদ ইবনে আবি খালিদ আল-খাত্তাব আমার নিকট বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আবুল আব্বাস আল-খাত্তাবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছেন: আমি একটি সরিষার দানা—অথবা তিনি বলেছিলেন বার্লির দানার—বিপরীতে একশত বিশটি অণু ওজন করেছি।আমার প্রবল ধারণা যে তিনি সরিষার দানার কথাই বলেছিলেন।৫৭ - মুয়াবিয়া ইবনে কুররাহ বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি পঁচিশটি অণু গ্রহণ করল এবং তা পাল্লায় রাখল, কিন্তু পাল্লার কাঁটা তাতে বিন্দুমাত্রও হেলল না।৫৮ - মুয়াবিয়া ইবনে কুররাহ বলেন: এক ব্যক্তি আমার নিকট কিছু খাদ্য পাঠাল। আমি তা থেকে যা খাওয়ার খেলাম এবং কিছু অংশ অবশিষ্ট রইল। সকালে উঠে দেখলাম যে তা অণু (বা ক্ষুদ্র পিঁপড়া) দ্বারা কালো হয়ে আছে। অতঃপর আমি তা ঐ অণুসহ ওজন করলাম, তারপর...
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ٢١)
نَقَّيْتُهُ مِنَ الذَّرِّ فَوَزَنْتُهُ فَلَمْ يَزِدْ وَلَمْ يَنْقُصْ59 - عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ مَرَّ رَجُلٌ يَحْمِلُ حَشِيشًا فَتَنَاوَلَ رَجُلٌ مِنْهُ طَاقَةًفَقَالَ لَهُ ابْنُ عُمَرَ أَرَأَيْتَ لَوْ أَنَّ أَهْلَ مِنَى أَخَذُوا مِنْ هَذَا طَاقَةً طَاقَةًبَقِيَ مِنْهَا شَيْءٌ قَالَ لَاقَالَ فَلِمَ فَعَلْتَ60 - قَالَ وَبَلَغَنِي عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ حَرْبٍ سَمِعْتُ حَمَّادَ بْنَ زَيْدٍ يَقُولُ كُنْتُ مَعَ أَبِي فَأَخَذْتُ تِبْنَةً مِنْ حَائِطٍقَالَ فَقَالَ لِي لِمَ أَخَذْتَ قَالَ قُلْتُ إِنَّمَا هِيَ تِبْنَةٌ قَالَ لَوْ أَنَّ النَّاسَ أَخَذُوا تِبْنَةً تِبْنَةًكَانَ يَبْقَى فِي الْحَائِطِ تِبْنٌ أَوْ كَلامًا ذَا مَعْنَاهُ61 - عَنْ عُبَادَةَ إِنَّكُمْ لَتَعْمَلُونَ أَعْمَالًا هِيَ أَدَقُّ فِي أَعْيُنِكُمْ مِنَ الشَّعْرِ إِنْ كُنَّا لَنَعُدُّهَا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ الْمُوبِقَاتِ أَوْ مِنَ الْكَبَائِرِرُوَايَةٌ أَخْرَىقَالَ قُلْتُ لِأَبِي قَتَادَةَ فَكَيْفَ لَوْ أَدْرَكَ زَمَانَنَا هَذَا قَالَ كَانَ لِذَلِكَ أَقْوَلَ62 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلَّادٍ الْبَاهِلِيُّ سَمِعْتُ ابْنَ عُيَيْنَةَ يَقُولُ قَالَ
আমি তা ধূলিকণা থেকে পরিষ্কার করলাম, তারপর তা ওজন করলাম; ফলে তা বাড়লও না, কমলও না।৫৯ - ইবনে উমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি ঘাস নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন অন্য এক ব্যক্তি সেখান থেকে এক গুচ্ছ ঘাস নিলেন।তখন ইবনে উমর তাকে বললেন: তুমি কি মনে করো, যদি মিনার অধিবাসীরা প্রত্যেকেই এ থেকে এক গুচ্ছ এক গুচ্ছ করে নিতো,তবে কি এখান থেকে কিছু অবশিষ্ট থাকত? সে বলল: না।তিনি বললেন: তবে কেন তুমি তা করলে?৬০ - তিনি বলেন: সুলাইমান ইবন হারব থেকে আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, আমি হাম্মাদ ইবন যায়িদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতার সাথে ছিলাম, তখন আমি একটি দেয়াল থেকে খড়ের একটি টুকরো নিলাম।তিনি বলেন: তখন তিনি আমাকে বললেন: তুমি কেন তা নিলে? আমি বললাম: এটি তো সামান্য একটি খড় মাত্র। তিনি বললেন: মানুষ যদি একটি একটি করে খড় নিতো,তবে কি সেই দেয়ালে কোনো খড় অবশিষ্ট থাকত? অথবা তিনি এর সমার্থক কোনো কথা বলেছিলেন।৬১ - উবাদাহ থেকে বর্ণিত যে, নিশ্চয়ই তোমরা এমন সব আমল করছ যা তোমাদের চোখে চুলের চেয়েও সূক্ষ্ম; অথচ আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে সেগুলোকে ধ্বংসাত্মক গুনাহ বা কবিরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত মনে করতাম।অন্য বর্ণনা:তিনি বলেন: আমি আবু কাতাদাহকে বললাম, যদি তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের এই সময়টি পেতেন তবে কেমন হতো? তিনি বললেন: তিনি এই বিষয়ে আরও জোরালো কথা বলতেন।৬২ - আমাদের কাছে আবু বকর ইবন খাল্লাদ আল-বাহিলি বর্ণনা করেছেন, আমি ইবন উয়াইনাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন...
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
أَبُو حَازِمٍ لَوَدِدْتُ أَنَّ أَحَدَكُمْ يَتَّقِي عَلَى دِينِهِ كَمَا يَتَّقِي عَلَى نَعْلِهِ63 - سَأَلْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ عَنِ النُّزُولِ فِي دُورِ قَوْمٍ وَذَكَرْتُ مَنْ يُكْرَهُ نَاحِيَتُهُ بِعَبَّادَانَ أَوْ بِطَرَسُوسَفَقَالَ لَا يَنْزِلُهَافَقُلْتُ فَمَنْ مَرِضَ وَهُوَ فِيهَا تَرَى أَنْ يُعَادَقَالَ يُقَالُ لَهُ اخْرُجْ مِنْهَا أَوْ تَحَوَّلْ عَنْهَاقُلْتُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ إِنَّ ابْنَ الْمُبَارَكِ قَالَ إِنْ كَانَ عَالِمًا لَمْ أَرَ أَنْ يَنْزِلَ فِيهَا فَإِنْ كَانَ جَاهِلًا كَأَنَّهُ سَهْلٌقَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْعَالِمُ يُقْتَدَى بِهِ لَيْسَ الْعَالِمُ مِثْلَ الْجَاهِلِ64 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ سَمِعْتُ أَبَا الْعَبَّاسِ الصَّائِغَ يَقُولُ قَالَ لِي بِشْرُ بْنُ الْحَارِثِ أَقْرِئْ مُحَمَّدَ بْنَ مُقَاتِلٍ السَّلامَ وَقُلْ لَهُ قَدْ ذَهَبَ ثُلُثُكَ بِمُقَامِكَ فِي دَارِ مُبَارَكٍ (التُّرْكِيِّ)قَالَ فَأَتَيْتُ أَبَا جَعْفَر فاخبرته فَلَمَّا أدرت أَنْ أُوَدِّعَهُ قَالَ أَقْرِئْ بِشْرًا السَّلامَ وَقُلْ لَهُ قَدْ ذَهَبَ نِصْفُكَ بِمُقَامِكَ بِبَغْدَادَ65 - قَالَ وَسَمِعْتُ عَبَّاسًا الْعَنْبَرِيَّ يَقُولُ قَالَ لِي بِشْرُ بْنُ الْحَارِثِ مَا صَدَقَ اللَّهَ عَبْدٌ أَحَبَّ الْمُقَامَ بِهَا يَعْنِي بَغْدَادَ66 - قَالَ وَسَمِعْتُ بَعْضَ أَصْحَابِنَا يَقُولُ سَمِعْتُ حَسَنَ بْنَ الرَّبِيعِ يَقُولُ قُلْتُ لِبِشْرٍ أَيْشِ مُقَامُكَ بِبَغْدَادَ فَقَالَ لِي إِنِّي لَأُمْسِي بَيْنَهُمْ
আবু হাযিম বলেছেন: আমি আকাঙ্ক্ষা করি যে, তোমাদের কেউ যেন তার দ্বীনের ব্যাপারে ততটাই সাবধানতা অবলম্বন করে যেমন সে তার জুতার ব্যাপারে করে থাকে।৬৩ - আমি আবু আবদুল্লাহকে এক সম্প্রদায়ের বাড়িতে অবস্থান করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম এবং আববাদান বা তারসুসে যাদের সান্নিধ্য অপছন্দ করা হয় তাদের কথা উল্লেখ করলাম।তখন তিনি বললেন: সে যেন সেখানে অবস্থান না করে।আমি বললাম: তবে সেখানে থাকা অবস্থায় যদি কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ে, আপনি কি তাকে দেখতে যাওয়ার মত পোষণ করেন?তিনি বললেন: তাকে বলা হবে, সেখান থেকে বেরিয়ে পড় অথবা সেখান থেকে সরে যাও।আমি আবু আবদুল্লাহকে বললাম: ইবনুল মুবারাক বলেছেন, যদি সে আলেম হয় তবে আমি সেখানে তার অবস্থান করাকে সঙ্গত মনে করি না, আর যদি সে জাহেল হয় তবে বিষয়টি কিছুটা শিথিলযোগ্য।আবু আবদুল্লাহ বললেন: আলেমকে অনুসরণ করা হয়, আলেম জাহেলের মতো নয়।৬৪ - আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আমি আবুল আব্বাস আস-সাইগ-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: বিশর বিন আল-হারিস আমাকে বলেছেন, তুমি মুহাম্মদ বিন মুকাতিলকে সালাম জানাবে এবং তাকে বলবে যে, মুবারাক (তুর্কি)-এর বাড়িতে অবস্থানের কারণে তোমার এক-তৃতীয়াংশ চলে গেছে।তিনি বলেন: অতঃপর আমি আবু জাফরের কাছে আসলাম এবং তাকে বিষয়টি জানালাম। যখন আমি তাকে বিদায় জানাতে চাইলাম, তিনি বললেন: বিশরকে সালাম জানাবে এবং তাকে বলবে যে, বাগদাদে অবস্থানের কারণে তোমার অর্ধেক চলে গেছে।৬৫ - তিনি বলেন: আমি আব্বাস আল-আনবারিকে বলতে শুনেছি, বিশর বিন আল-হারিস আমাকে বলেছেন: কোনো বান্দা আল্লাহর প্রতি একনিষ্ঠ ও সত্যবাদী হয়নি যে ব্যক্তি সেখানে—অর্থাৎ বাগদাদে—অবস্থান করাকে ভালোবেসেছে।৬৬ - তিনি বলেন: আমি আমাদের জনৈক সঙ্গীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি হাসান বিন রাবীকে বলতে শুনেছি: আমি বিশরকে বললাম, বাগদাদে আপনার অবস্থানের স্বরূপ কী? তখন তিনি আমাকে বললেন: আমি তো কেবল তাদের মাঝেই সন্ধ্যা অতিবাহিত করি।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
وَكَأَنِّي أَطَأُ عَلَى الْجَمْرِ67 - وَقَالَ لِي عَبَّاسٌ الْعَنْبَرِيُّ قَالَ لِي بِشْرُ بْنُ الْحَارِثِ قَدْ أَظَلَّكَ هَذَا الشَّهْرُ يَعْنِي شَهْرَ رَمَضَانَ اخْرُج من هَا هُنَا فَارْتَدَّ لِصَوْمِكَقُلْتُ يَا أَبَا نَصْرٍ إِلَى أَيْنَقَالَ إِلَى الْمَدَائِنِ وَنَحْوِهِ68 - حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ فُضَيْلٍ قَالَ يُغْفَرُ لِلْجَاهِلِ سَبْعِينَ مَرَّةً حَتَّى يُغْفَرَ لِلْعَالِمِ مَرَّةً69 - سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ بْنَ شَمَّاسٍ يَقُولُ رَأَيْتُ الْفُضَيْلَ وَأَشَارَ إِلَى قَصْرِ أُمِّ جَعْفَرٍ بِمَكَّةَ فَقَالَ لَهُ يَغْفِرُ اللَّهُ لِصَاحِبَةِ هَذَا الْقَصْرِ سَبْعِينَ مَرَّةً مِنْ قَبْلِ أَنْ يَغْفِرَ لِي مَرَّةً هِيَ تَعْمَلُ الشَّيْءَ بِجَهْلٍ وَأَنَا أَعْمَلُهُ بِعِلْمٍ70 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ قَالَ قُلْتُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ كَتَبْتُ عَنْ سَيَّارٍ عَنْ جَعْفَرٍ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يُعْفَى عَنِ الْأُمِّيِّينَ قَبْلَ أَنْ يُعْفَى عَنِ الْعُلَمَاءِ
এবং মনে হচ্ছিল যেন আমি জ্বলন্ত অঙ্গারের ওপর পা রাখছি।৬৭ - আব্বাস আল-আনবারি আমাকে বললেন, বিশর ইবনুল হারিস আমাকে বলেছেন: এই মাসটি তোমার নিকট উপস্থিত হয়েছে, অর্থাৎ রমজান মাস। এখান থেকে বের হও এবং তোমার সিয়াম পালনের জন্য প্রস্তুতি নাও (ফিরে যাও)।আমি বললাম, হে আবু নাসর, কোথায় যাব?তিনি বললেন, মাদায়েন বা তার আশপাশের এলাকায়।৬৮ - সুফিয়ান আমাদের নিকট ফুযাইল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: একজন অজ্ঞ ব্যক্তিকে সত্তরবার ক্ষমা করা হবে, তার আগে যে একজন আলেমকে একবার ক্ষমা করা হবে।৬৯ - আমি ইবরাহিম ইবনে শাম্মাসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ফুযাইলকে দেখেছি—এমতাবস্থায় তিনি মক্কায় উম্মে জাফরের প্রাসাদের দিকে ইঙ্গিত করছিলেন—তিনি বললেন: আল্লাহ এই প্রাসাদের অধিকারিণীকে সত্তরবার ক্ষমা করবেন আমাকে একবার ক্ষমা করার আগেই; কারণ তিনি অজ্ঞতাবশত কাজ করেন, আর আমি তা জেনে-বুঝে করি।৭০ - আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম, আমি সাইয়্যার থেকে, জাফর থেকে, সাবিত থেকে এবং আনাস (রাযি.) সূত্রে নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে লিখেছি যে: আলেমদের ক্ষমা করার আগেই সাধারণ (নিরক্ষর) মানুষদের ক্ষমা করা হবে।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
قَالَ نَعَمْ71 - حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بِطَرَسُوسَ قُلْتُ شَاوَرْتُ بِشْرًا فِي الْخُرُوجِ إِلَى طَرَسُوسٍ قَالَ فَقَالَ لي أَذِنَتْ لَكَ أُمُّكَ قَالَ قُلْتُ نَعَمْقَالَ لَوْ كُنْتُ فِي غَيْرِ هَذِهِ الْمَدِينَةِ مَا أَشَرْتُ عَلَيْكَ بِمُفَارَقَتِهَا فَأَمَّا إِذَا أَذِنَتْ فَاخْرُجْ72 - سَمِعْتُ إِسْحَاقَ بْنَ بِشْرٍ يَقُولُ خَرَجْنَا مَعَ بِشْرٍ إِلَى بَابِ حَرْبٍ يَعْنِي الصَّحَرَاءَ قَالَ فَقَالَ لِي يَا أَبَا يَعْقُوبَ تَفَكَّرْتُ فِي هَذِهِ الْقَرْيَةِ وَمَنْ كَرِهَ الدُّخُولَ إِلَيْهَا وَاعْلَمْ أَنَّ الدَّبَّاغَ إِذَا كَانَ فِي الْمَدْبَغَةِ لَمْ يَشُمَّ رَائِحَتَهَا إِنَّمَا يَشُمُّ رَائِحَتَهَا مَنْ وَرَدَ عَلَيْهَا بَابُ مَا يُكْرَهُ مِنْ تَرْكِ السُّوقِ وَالْعَمَلِ73 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ قَالَ وَسَمِعْتُ رَجُلًا يَقُولُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ إِنِّي فِي كِفَايَةٍقَالَ الْزَمِ السُّوقَ تَصِلُ بِهِ الرَّحِمَ وَتَعَوَّدْ بِهِ74 - وَسَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ التِّجَارَةُ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ غَلَّةِ بَغْدَادَ75 - قُلْتُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ فِي عَمَلِ الْخُوصِ
তিনি বললেন, "হ্যাঁ"
৭১ - ইসহাক বিন ইসমাঈল তারসুসে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি তারসুসে যাওয়ার ব্যাপারে বিশরের সাথে পরামর্শ করলাম। তিনি আমাকে বললেন, "তোমার মা কি তোমাকে অনুমতি দিয়েছেন?" আমি বললাম, "হ্যাঁ।"
তিনি বললেন, "আমি যদি এই শহর ব্যতীত অন্য কোনো শহরে থাকতাম, তবে তোমাকে এটি ত্যাগ করার পরামর্শ দিতাম না। তবে যেহেতু তিনি অনুমতি দিয়েছেন, সেহেতু তুমি বের হও।"
৭২ - আমি ইসহাক বিন বিশরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমরা বিশরের সাথে 'বাবু হারব' অর্থাৎ মরুভূমির দিকে বের হলাম। তিনি আমাকে বললেন, "হে আবু ইয়াকুব, আমি এই জনপদ এবং যারা এখানে প্রবেশ করাকে অপছন্দ করেন তাদের সম্পর্কে চিন্তা করলাম। জেনে রেখো, চর্মকার যখন চামড়া পাকা করার কারখানায় থাকে, তখন সে তার দুর্গন্ধ পায় না; কেবল সেই ব্যক্তিই এর গন্ধ পায় যে সেখানে নতুন আসে।"
পরিচ্ছেদ: বাজার এবং কর্ম বর্জন করা যেখানে অপছন্দনীয়৭৩ - আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি এক ব্যক্তিকে আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি যে, "আমি সচ্ছলতার মধ্যেই আছি।"তিনি বললেন, "বাজারে যাতায়াত বজায় রাখো, এর মাধ্যমে তুমি আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করো এবং এর দ্বারা উপার্জনে অভ্যস্ত হও।"৭৪ - আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "বাগদাদের (জমি হতে প্রাপ্ত) আয়ের চেয়ে ব্যবসা করা আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়।"৭৫ - আমি আবু আব্দুল্লাহকে খেজুরের পাতার কাজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম—
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
قَالَ أَرْجُو أَنْ يَكُونَ حَلالًا76 - حَدَّثَنَا أَبُو قُدَامَةَ عَنْ صَدَقَةَ الْمَرْوَزِيِّ قَالَ قُلْتُ لِيُوسُفَ بْنِ أَسْبَاطٍ سُوقُنَا سُوقُ مَرْوٍ قَدْ فَسَدَتْ أَوْ قَالَ فَاسِدَةٌ فَمُرْنِي بِشَيْءٍقَالَ عَلَيْكَ بِعَمَلِ الْخُوصِ77 - قُلْتُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ الثَّوْرِيُّ لِأَيِّ شَيْءٍ خَرَجَ إِلَى الْيَمَنِقَالَ خَرَجَ لِلتِّجَارَةِ وَلِلُقْيِ مَعْمَرٍقُلْتُ قَالُوا كَانَ لَهُ مِائَةُ دِينَارٍقَالَ أَمَّا سَبْعُونَ فَصَحِيحَةٌ بَابُ مَا يُسْتَحَبُّ مِنَ الْكَسْبِ78 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ سَمِعْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ يَقُولُ قَدْ أَمَرْتُهُمْ أَنْ يَخْتَلِفُوا إِلَى السُّوقِ وَأَنْ يَتَعَرَّضُوا لِلتِّجَارَةِ يَعْنِي وَلَدَهُ79 - قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ قَدْ رُوِيَ عَنْ عَائِشَةَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ أَطْيَبَ مَا أَكَلَ الرَّجُلُ مِنْ كَسْبِهِ وَإِنَّ وَلَدَهُ مِنْ كَسْبِهِ80 - سَمِعْتُ عَبْدِ الْوَهَّابِ يَقُولُ كَانَ هَاهُنَا قَوْمٌ قَدْ خَرَجُوا إِلَى الْمَدَائِنِ إِلَى شُعَيْبِ بْنِ حَرْبٍ فَمَا رَجَعُوا إِلَى دُورِهِمْ وَلَقَدْ قَامَ بَعْضُهُمْ ثَمَّ يَسْتَقِي الْمَاءَ وَكَانَ شُعَيْبٌ يَقُولُ لِبَعْضِهِمُ الَّذِي يَسْتَقِي لَوْ رَآكَ سُفْيَانُ
তিনি বললেন, "আমি আশা করি এটি হালাল হবে।"৭৬ - আবু কুদামাহ আমাদের নিকট সাদাকাহ আল-মারওয়াযী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইউসুফ ইবনে আসবাতকে বললাম, আমাদের মারও-এর বাজার নষ্ট হয়ে গেছে অথবা তিনি বললেন নষ্ট, তাই আমাকে কোনো কাজের নির্দেশ দিন।তিনি বললেন, "তোমার খেজুর পাতার কাজ করা উচিত।"৭৭ - আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম, সাওরী কেন ইয়ামেনে গিয়েছিলেন?তিনি বললেন, "তিনি ব্যবসার উদ্দেশ্যে এবং মা'মারের সাথে সাক্ষাত করতে গিয়েছিলেন।"আমি বললাম, "তারা বলে তাঁর কাছে একশ দিনার ছিল।"তিনি বললেন, "সত্তর দিনারের কথাটি সঠিক।" উপার্জনের ক্ষেত্রে যা মুস্তাহাব সেই পরিচ্ছেদ৭৮ - আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমি আবু আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি তাদেরকে বাজারে যাতায়াত করতে এবং ব্যবসায় লিপ্ত হতে নির্দেশ দিয়েছি, অর্থাৎ তাঁর সন্তানদের।৭৯ - আবু আব্দুল্লাহ বলেন, আয়েশা (রা.) থেকে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে: "নিশ্চয়ই মানুষ যা আহার করে তার মধ্যে সবচেয়ে উৎকৃষ্ট হলো তার নিজের উপার্জন, আর তার সন্তানও তার উপার্জনের অন্তর্ভুক্ত।"৮০ - আমি আব্দুল ওয়াহহাবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলছিলেন: এখানে একদল লোক ছিল যারা আল-মাদায়েনে শুআইব ইবনুল হারবের কাছে গিয়েছিল, এরপর তারা আর তাদের ঘরে ফিরে আসেনি। তাদের কেউ কেউ সেখানে পানি তোলার কাজে নিয়োজিত হয়ে গিয়েছিল। শুআইব সেই পানি উত্তোলনকারীদের একজনকে বলতেন, "যদি সুফিয়ান তোমাকে দেখতেন!"
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
لَقَرَّتْ عَيْنُهُ مَا يُسْتَحَبُّ مِنْ عَمَلِ الْمَدِينِ81 - حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ الْحَدِيثَ وَقَالَ كَانَ دَاوُدُ عليه السلام لَا يَأْكُلُ إِلَّا مِنْ عَمَلِ يَدَيْهِقُلْتُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ أَرْوِيهِ عَنْكَ فَأَجَازَهُ82 - سَيَّارٌ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ قَالَ كَانَ عَطَاءُ سَلْمَانَ الْفَارِسِيَّ رضي الله عنه خَمْسَةَ آلافٍ وَكَانَ أَمِيرًا عَلَى زُهَاءِ ثَلاثِينَ أَلْفًا مِنَ الْمُسْلِمِينَ وَكَانَ يَخْطُبُ النَّاسَ فِي عَبَاءَةٍ يَفْتَرِشُ بَعْضَهَا وَيَلْبَسُ بَعْضَهَا فَإِذَا خَرَجَ عَطَاؤُهُ أَمَضَاهُ وَيَأْكُلُ مِنْ شُغْلِ يَدَيْهِقُلْتُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ أَرْوِيهِفَأَجَازَهُ83 - أَبُو جَعْفَرٍ الْحَذَّاءُ عَنْ شُعَيْبِ بْنِ حَرْبٍ أَنَّهُ قَالَ لَا تَحْقِرَنَّ فَلْسًا تُطِيعُ اللَّهَ فِي كَسْبِهِ لَيْسَ الْفَلْسُ يُرَادُ إِنَّمَا الطَّاعَةُ تُرَادُ عَسَى أَنْ تَشْتَرِيَ بِهِ بَقْلًا فَلا يَسْتَقِرُّ فِي جَوْفِكَ حَتَّى يُغْفَرَ لَكَ
তার চক্ষু শীতল হতো ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির উপার্জনের বিষয়ে যা মুস্তাহাব৮১ - আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীসটি উল্লেখ করে বলেন: দাউদ আলাইহিস সালাম তাঁর নিজ হাতের উপার্জন ছাড়া আহার করতেন না।আমি আবু আব্দুল্লাহকে (ইমাম আহমাদকে) বললাম: আমি কি আপনার সূত্রে এটি বর্ণনা করব? তিনি এর অনুমতি দিলেন।৮২ - সাইয়্যার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান বলেছেন: সালমান আল-ফারিসি রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর সরকারি ভাতা ছিল পাঁচ হাজার এবং তিনি প্রায় ত্রিশ হাজার মুসলমানের আমীর ছিলেন। তিনি মানুষের সামনে এমন এক চাদর পরিহিত অবস্থায় ভাষণ দিতেন যার একাংশ তিনি বিছাতেন এবং অপরাংশ পরিধান করতেন। যখন তাঁর ভাতা আসত, তিনি তা বিলিয়ে দিতেন এবং তাঁর নিজ হাতের শ্রম থেকে অর্জিত খাদ্য আহার করতেন।আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: আমি কি এটি বর্ণনা করব?তিনি এর অনুমতি দিলেন।৮৩ - আবু জাফর আল-হাদ্দা শুআইব বিন হারব থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: তুমি সেই এক পয়সাকেও তুচ্ছ জ্ঞান করো না যা উপার্জনে তুমি আল্লাহর আনুগত্য করেছ। এখানে পয়সাটি উদ্দেশ্য নয়, বরং আল্লাহর আনুগত্যই উদ্দেশ্য। হতে পারে যে তুমি তা দিয়ে কোনো শাক-সবজি ক্রয় করলে, আর তা তোমার পেটে স্থির হওয়ার আগেই তোমাকে ক্ষমা করে দেওয়া হলো।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
84 - عَنْ لَيْثٍ عَنْ مُجَاهِدٍ قَالَ مَنْ أَعَزَّ نَفْسَهُ أَذَلَّ دِينَهُ وَمَنْ أَذَلَّ نَفْسَهُ أَعَزَّ دِينَهُ & بَابُ مَا يُكْرَهُ مِنَ الْعُزْلَةِ عَنِ النَّاسِ إِلَّا بِيَقِينٍ &85 - قُلْتُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ يَقْعُدُ الرَّجُلُ فِي بَيْتِهِ أَعْنِي يَتْرُكُ الْعَمَلَفَقَالَ أَخَافُ أَنْ يُخْرِجَهُ هَذَا إِلَى (أَمْرٍ)قُلْتُ إِلَى مِثْلِ أَيِّ شَيْءٍقَالَ يَتَوَقَّعُ أَنْ يُبْعَثَ إِلَيْهِ بِالشَّيْءِلَوْ خَرَجَ فَاحْتَرَفَ كَانَ أَعْجَبَ إِلَيَّ قُلْتُ فُإِذَا بُعِثَ إِلَيِهِ بِالشَّيْءِ فَلَمْ يَأْخُذْهُقَالَ هَكَذَا جَيِّدٌ86 - قُلْتُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ إِنَّ رَجُلًا قَالَ لَا أَكْتَسِبُ حَتَّى تَصِحَّ لِيَ النِّيَّةُ وَلَهُ عِيَالٌقَالَ إِذَا كَانَ يَجِبُ عَلَيْهِ نَفَقَتُهُمْ فَمِنَ النِّيَّةِ صِيَانَتُهُمْ87 - قَالَ وَسَأَلَ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ رَجُلانِ عَنِ الشَّيْءِ يَلْتَقِطَانِهِ مِثْلَ الْبَقْلِ وَنَحْوِهِفَقَالَ لَهُمَا تَعَرَّضَا لِلْعَمَلِ
৮৪ - লায়স থেকে বর্ণিত, মুজাহিদ বলেন: যে ব্যক্তি নিজের নফসকে সম্মানিত করল, সে তার দ্বীনকে লাঞ্ছিত করল; আর যে ব্যক্তি নিজের নফসকে তুচ্ছ করল, সে তার দ্বীনকে সম্মানিত করল। & মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা যে ক্ষেত্রে অপছন্দনীয়, দৃঢ় বিশ্বাস (একিন) ব্যতিরেকে &৮৫ - আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম, কোনো ব্যক্তি তার ঘরে বসে থাকে, অর্থাৎ সে কাজ করা ছেড়ে দেয়।তিনি বললেন, আমি আশঙ্কা করি যে এটি তাকে এমন একটি (বিষয়ের) দিকে নিয়ে যাবে।আমি বললাম, সেটি কীসের মতো?তিনি বললেন, সে প্রত্যাশা করবে যে তার কাছে কোনো কিছু পাঠানো হবে।যদি সে বাইরে বের হতো এবং কোনো পেশা অবলম্বন করত, তবে তা আমার কাছে অধিক পছন্দনীয় হতো। আমি বললাম, যদি তার কাছে কিছু পাঠানো হয় এবং সে তা গ্রহণ না করে?তিনি বললেন, এমনটা হলে ভালো।৮৬ - আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম, এক ব্যক্তি বলেছে: "যতক্ষণ না আমার নিয়ত বিশুদ্ধ হবে, ততক্ষণ আমি উপার্জন করব না", অথচ তার পরিবার-পরিজন রয়েছে।তিনি বললেন, যদি তাদের ভরণপোষণ তার ওপর ওয়াজিব হয়ে থাকে, তবে তাদের রক্ষণাবেক্ষণ ও সম্মান রক্ষা করাই নিয়তের অন্তর্ভুক্ত।৮৭ - তিনি বলেন, এবং দুইজন লোক আবু আব্দুল্লাহকে এমন কিছু কুড়িয়ে সংগ্রহ করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন যেমন শাক-সবজি ও অনুরূপ বস্তু।তিনি তাদের দুইজনকে বললেন, তোমরা কাজ করার চেষ্টা করো।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
88 - وَأَخْبَرَنِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ امْرَأَةً جَاءَتْهُ فَقَالَتْ إِنَّ رَجُلًا مِمَّنْ يَعْمَلُ الْخُوصَفَلَيْسَ يُقِيمُهُقَالَ فُقُلْتُ لَهَا إِنَّ الْخُوصَ أَمْرُهُ ضَيِّقٌ لَا يُقِيمُهُ لَوْ تَعَرَّضَ لِغَيْرِهِأُرَاهُ ذَكَرَ الْمَغَازِلَ89 - قَالَ أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ مَيْمُونٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ ابْنَ عَامِرٍ قَالَ لِابْنِ عُمَرَ يَا أَبَا عبد الرَّحْمَن مَا لَك لَا تَكَلَّمُقَالَ إِذَا طَابَتِ الْمَكْسَبَةُ زَكَتِ النَّفَقَةُ وَسَتُرَدُّ فَتَعَلَّمُ90 - عَن وهب بْنِ كَيْسَانَ قَالَ مَرَّ رَجُلٌ يَتَصَدَّقُ عَلَى الْمَسَاكِينِ فَقَالَ أَبُو هَمَّامٍ دِرْهَمٌ أُصِيبُهُ بِكَدٍّ يَعْرَقُ بِهِ جَبِينِي أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ صَدَقَةِ هَؤُلاءِ مِائَةَ أَلْفٍ وَمِائَةَ أَلْفٍ وَمِائَةَ أَلْفٍ91 - سَمِعْتُ عَبْدَ الْوَهَّابِ يَذْكُرُ عَنْ رَجُلٍ قَالَ قَالَ يُونُسُ بْنُ عُبَيْدٍ مَا السَّارِق عِنْدِي بِأَسْوَأ مِنَ التَّاجِرِ يَشْتَرِي الْمَتَاعَ إِلَى أَجَلٍ ثُمَّ يَضْرِبُ فِيهِ إِلَى الْبلدَانِ لَا يكْتَسب دِرْهَمًا بَعْدَ الْأَجَلِ إِلَّا كَانَ حَرَامًا تَرْكُ الْكِبْرِ وَلُزُومُ الْعَمَلِ92 - عَنْ لَيْثٍ عَنْ مُجَاهِدٍ قَالَ مَنْ لَمْ يَسْتَحِ مِنَ الْحَلالِ خَفَّتْ مُؤْنَتُهُ وَأَرَاحَ نَفْسَهُ وَقَلَّ كِبْرُهُ
৮৮ - আবু আব্দুল্লাহ আমাকে অবহিত করেছেন যে, এক মহিলা তাঁর কাছে এসে বলল, এক ব্যক্তি খেজুরের পাতা দিয়ে কাজ করে কিন্তু সে তা নিখুঁতভাবে করতে পারে না।তিনি বললেন, আমি তাকে বললাম, খেজুরের পাতার কাজের পরিধি সংকীর্ণ, সে তা নিখুঁত করতে পারবে না; সে যদি অন্য কিছু চেষ্টা করত।আমার মনে হয় তিনি সুতা কাটার চরকার কথা উল্লেখ করেছেন।৮৯ - তিনি বলেন, আমর ইবনে মাইমুন তাঁর পিতার সূত্রে আমাদের অবহিত করেছেন যে, ইবনে আমির ইবনে উমরকে বললেন, হে আবু আব্দুর রহমান! আপনার কী হলো যে আপনি কথা বলছেন না?তিনি বললেন, যখন উপার্জন পবিত্র হয় তখন ব্যয়ও বরকতময় হয়। আর শীঘ্রই তোমাদের (আল্লাহর কাছে) ফিরিয়ে নেওয়া হবে, তখন তোমরা জানতে পারবে।৯০ - ওয়াহাব ইবনে কায়সান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি অভাবীদের দান করতে করতে যাচ্ছিলেন। তখন আবু হাম্মাম বললেন, কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে উপার্জিত একটি দিরহাম, যা আমার কপালে ঘাম ঝরায়, তা আমার কাছে এদের দেওয়া এক লক্ষ, এক লক্ষ এবং এক লক্ষ দিরহাম সদকার চেয়েও অধিক প্রিয়।৯১ - আমি আব্দুল ওয়াহাবকে জনৈক ব্যক্তির সূত্রে উল্লেখ করতে শুনেছি, তিনি বলেন, ইউনুস ইবনে উবাইদ বলেছেন, আমার নিকট চোর সেই ব্যবসায়ীর চেয়ে অধিক মন্দ নয়, যে নির্দিষ্ট মেয়াদে পণ্য ক্রয় করে অতঃপর তা নিয়ে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ায়; মেয়াদের পর সে যে দিরহামই উপার্জন করে তা হারাম বৈ কিছু নয়। অহংকার বর্জন এবং কর্মে অবিচল থাকা৯২ - লাইস থেকে বর্ণিত, মুজাহিদ বলেন, যে ব্যক্তি হালাল উপার্জনের কাজে লজ্জাবোধ করে না, তার ভরণপোষণের বোঝা হালকা হয়ে যায়, সে নিজেকে শান্তিতে রাখে এবং তার অহংকার কমে যায়।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
93 - عَنْ أَيُّوبَ قَالَ كَانَ أَبُو قِلابَةَ يَحُثُّنَا عَلَى السُّوقِ
93 - আইয়ুব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু কিলাবা আমাদের বাজারে যাওয়ার ব্যাপারে উৎসাহিত করতেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ٣١)
94 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ قَالَ خَرَجَ عَلَيْنَا أَيُّوبُ فَقَالَ يَا معشر االشباب احْتَرِفُوا لَا تَحْتَاجُونَ أَنْ تَأْتُوا أَبْوَابَ هَؤُلاءِوَذَكَرَ مَنْ يُكْرَهُ الشِّرَاءُ مِنَ الْمَوْضِعِ الَّذِي يُكْرَهُ95 - قُلْتُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ مَا تَقُولُ فِيمَنْ بَنَى سُوقًا وَحَشَرَ النَّاسَ إِلَيْهَا غَصْبًا لِيَكُونَ الْبَيْعُ بِهَا وَالشِّرَاءُ تَرَى أَنْ يُشْتَرَى مِنْهَا فَقَالَ: تَجِدُ مَوْضِعًا غَيْرَهُ وَكَرِهَ الشِّرَاءَ مِنْهَا 0قِيلَ لَهُ مَنِ اشْتَرَى مِنَهَا يُشْتَرَى مِنْهُقَالَ إِذَا كَانَ بَيْنَكَ وَبَيْنَهُمْ رَجُلٌ فَهُوَ أَسْهَلُ وَلَمْ يَرَ بِهِ بَأْسًا
৯৪ - আবদুল ওয়াহহাব আস-সাকাফী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আইয়ুব আমাদের নিকট বের হয়ে আসলেন এবং বললেন: হে যুবদল, তোমরা কোনো পেশা বা কর্ম গ্রহণ করো, যাতে তোমাদের এদের দরজায় যাওয়ার প্রয়োজন না হয়।এবং তিনি তাদের কথা উল্লেখ করলেন যাদের কাছে যাওয়া অপছন্দীয়। অপছন্দীয় স্থান থেকে কেনাকাটা করা৯৫ - আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: আপনি সেই ব্যক্তি সম্পর্কে কী বলেন যে জবরদখল করে একটি বাজার নির্মাণ করেছে এবং সেখানে কেনাবেচা করার জন্য মানুষকে বাধ্য করেছে; আপনি কি মনে করেন যে সেখান থেকে কেনাকাটা করা যাবে? তিনি বললেন: তুমি এটি ব্যতীত অন্য কোনো স্থান খুঁজে নাও। এবং তিনি সেখান থেকে কেনাকাটা করা অপছন্দ করলেন।তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো: যে ব্যক্তি সেখান থেকে কেনাকাটা করেছে, তার থেকে কি কেনা যাবে?তিনি বললেন: যখন তোমার এবং তাদের মাঝে অন্য কোনো ব্যক্তি (মধ্যস্থতাকারী) থাকবে, তখন তা সহজতর হবে; এবং তিনি এতে কোনো অসুবিধা দেখতেন না।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
التَّنَزُّهُ عَنْ مُعَامَلَةِ مَنْ يُكْرَهُ96 - سَأَلْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ عَنِ مُعَامَلَةِ بَعْضِ النَّاسِفَقَالَ يَكُونُ بَيْنَكَ وَبَيْنَهُمْ رَجُلٌ لَوْ ذَهَبَ رَجُلٌ يَسْتَقْضِي لَضَاقَ عَلَيْهِ97 - وَقَدْ رُوِيَ عَنِ ابْنِ سِيرِينَ أَنَّهُ سَأَلَ عُبَيْدَةَ فَقَالَ وَيَجِدُ مِنْ ذَلِكِ بُدًّاقُلْتُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِفَقَالَ يُحْتَمَلُ أَنْ يَكُونَ عُبَيْدَةُ إِنَّمَا اسْتَفْهَمَ ابْنَ سِيرِينَقَالَ لَا98 - عَنْ هِشَامٍ قَالَ كَانَ الْحَسَنُ وَابْنُ سِيرِينَ يَكْرَهَانِ أَنْ يَشْتَرِيَا مِنَ الْعُمَّالِ شَيْئًا مُبَايَعَةُ مَنْ يُكْرَهُ نَاحِيَتُهُ وَأَهْلِ الْبِدَعِ99 - قُلْتُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ بِعْتُ ثَوْبًا مِنْ رَجُلٍ أَعْنِي أَكْرَهُ كَلامَهُ وَمُبَايَعَتَهُفَقَالَ دَعْ حَتَّى انْظُرَ فِيهَافَلَمَّا كَانَ بَعْدُ سَأَلْتُهُ
যাদের সংস্পর্শ অপছন্দনীয় তাদের সাথে লেনদেন থেকে বিরত থাকা96 - আমি আবু আব্দুল্লাহকে কিছু লোকের সাথে লেনদেন করার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলাম।তিনি বললেন: তোমার এবং তাদের মাঝে যেন কোনো ব্যক্তি (মাধ্যম হিসেবে) থাকে; কেননা কোনো ব্যক্তি যদি নিজেই পাওনা আদায় করতে যায়, তবে তা তার জন্য সংকীর্ণ হয়ে পড়ে।97 - ইবনে সিরিন থেকে বর্ণিত যে, তিনি উবাইদাহকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন এবং বলেছিলেন: সে কি তা থেকে বেঁচে থাকার কোনো উপায় পায়?আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম।তিনি বললেন: এমন সম্ভাবনা আছে যে উবাইদাহ কেবল ইবনে সিরিনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন।তিনি বললেন: না।98 - হিশাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: হাসান এবং ইবনে সিরিন সরকারি কর্মকর্তাদের নিকট থেকে কোনো কিছু ক্রয় করা অপছন্দ করতেন। যাদের অবস্থা অপছন্দনীয় এবং বিদআতিদের সাথে কেনাবেচা99 - আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম: আমি এমন এক ব্যক্তির কাছে একটি কাপড় বিক্রি করেছি যার সাথে কথা বলা এবং লেনদেন করা আমি অপছন্দ করি।তিনি বললেন: এটি স্থগিত রাখো যতক্ষণ না আমি এ বিষয়ে ভেবে দেখি।অতঃপর কিছু সময় অতিবাহিত হওয়ার পর আমি তাকে পুনরায় জিজ্ঞাসা করলাম।
(খণ্ড: ১)
আল-ওয়ারা - আল-মারওয়াযী
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
قَالَ تَوَقَّ أَنْ تَبِيعَهُقُلْتُ فَإِنْ بِعْتُهُ وَأَنَا لَا أَعْلَمُقَالَ إِنْ قَدَرْتَ أَنْ تَسْتَرِدَّ الْبَيْعَ فَافْعَلْقُلْتُ فَإِنْ لَمْ يمكنني أَتَصَدَّقُ بِالثَّمَنِقَالَ أَكْرَهُ أَنْ أَحْمِلَ النَّاسَ عَلَى هَذَا فَتَذْهَبَ أَمْوَالُهُمْقُلْتُ فَكَيْفُ أَصْنَعُ (قَالَ: مَا أَدْرِي أَكْرَهُ أَنْ أَتَكَلَّمَ فِيهَا بِشَيْءٍ، وَلَكِنَّ أَقَلَ مَا هَا هُنَا أَنْ تَتَصَدَّقَ بِالرِّبْحِ، وَتَتَوَقَّ مُبَايَعَتَهُمُ.)قَالَ أَبُو بَكْرٍ هَذِهِ الْمَسْأَلَةُ فِي الْجَهْمِيِّ وَحْدَهُ100 - قُلْتُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ يُرْوَى عَنْ يُوسُفَ بْنِ أَسْبَاطٍ أَنَّ الثَّوْرِيَّ وَابْنَ الْمُبَارَكِ اخْتَلَفَا فِي رَجُلٍ خَلَّفَ مَتَاعَهُ عِنْدَ غُلامِهِ فَبَاعَ ثَوْبَهُ مِمَّنْ يُكْرَهُ مُبَايَعَتُهُقَالَ قَالَ الثَّوْريُّ يُخْرِجُ قِيمَتَهُ يَعْنِي قِيمَةَ الثَّوْبِ وَقَالَ ابْنُ الْمُبَارَكِ يَتَصَدَّقُ بِالرِّبْحِ فَقَالَ الرَّجُلُ مَا أَجِدُ قَلْبِي يَسْكُنُ إِلَّا إِلَى أَنْ أَتَصَدَّقَ بِالْكِيسِ وَقَدْ كَانَ أَلْقَى الدَّرَاهِمَ فِي الْكِيسِفَقَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بَارَكَ اللَّهُ فِيهِ101 - وَسَأَلْتُ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ مَرَّةً أُخْرَى قُلْتُ أَبِيعُ الثَّوْبَ ثُمَّ يَتَبَيَّنُ بَعْدُ أَنَّهُ مِمَّنْ أَكْرَهُ قَالَ تصدق بِالرِّبْحِ سَمِعت إِسْحَق بْنَ أَبِي عَمْرٍو يَقُولُ سَأَلْتُ ابْنَ الْجَرَّاحِ عَنْ مُعَامَلَةِ أَهْلِ الْمَعَاصِي فَقَالَ
তিনি বললেন, "এটি বিক্রি করা থেকে বেঁচে থাকো।"আমি বললাম, "যদি আমি না জেনে তা বিক্রি করে ফেলি?"তিনি বললেন, "যদি তুমি বিক্রিটি ফেরত নিতে সক্ষম হও, তবে তা করো।"আমি বললাম, "যদি আমি সক্ষম না হই, তবে কি আমি এর মূল্য সদকা করে দেব?"তিনি বললেন, "আমি মানুষকে এর ওপর বাধ্য করতে অপছন্দ করি, যার ফলে তাদের ধন-সম্পদ নষ্ট হয়ে যাবে।"আমি বললাম, "তবে আমি কী করব?" (তিনি বললেন: "আমি জানি না, এ বিষয়ে কিছু বলতে আমি অপছন্দ করি। তবে এখানে ন্যূনতম করণীয় হলো মুনাফা সদকা করে দেওয়া এবং তাদের সাথে লেনদেন থেকে বেঁচে থাকা।")আবু বকর বললেন, "এই মাসআলাটি কেবল জাহমীর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।"১০০ - আমি আবু আব্দুল্লাহকে বললাম, ইউসুফ বিন আসবাত থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, সাওরী এবং ইবনুল মুবারক এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে মতভেদ করেছেন, যে তার গোলামের কাছে পণ্য রেখে গিয়েছিল, আর গোলাম তার কাপড়টি এমন একজনের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে যার সাথে লেনদেন করা অপছন্দনীয়।তিনি বললেন: সাওরী বলেছেন, সে কাপড়ের মূল্য দিয়ে দেবে। আর ইবনুল মুবারক বলেছেন, সে মুনাফা সদকা করে দেবে। তখন লোকটি বলল, "থলিটি সদকা না করা পর্যন্ত আমার অন্তর শান্ত হচ্ছে না," আর সে দিরহামগুলো থলির মধ্যে রেখেছিল।আবু আব্দুল্লাহ বললেন, "আল্লাহ তাকে বরকত দান করুন।"১০১ - আমি আবু আব্দুল্লাহকে অন্য এক সময় জিজ্ঞাসা করলাম, আমি বললাম: "আমি কাপড় বিক্রি করলাম, তারপর প্রকাশ পেল যে সে এমন ব্যক্তি যার কাছে বিক্রি করা আমি অপছন্দ করি।" তিনি বললেন: "মুনাফা সদকা করে দাও।" আমি ইসহাক বিন আবু আমরকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: "আমি ইবনুল জাররাহকে পাপাচারীদের সাথে লেনদেন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন..."