(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: -)
من اسمه عمرو من الشعراء (محمد بن داود بن الجراح)
القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: من اسمه عمرو من الشعراء
المؤلف: أبو عبد الله محمد بن داود بن الجراح (ت 296هـ)
[الكتاب مرقم آليا غير موافق للمطبوع]
عدد الصفحات: 34
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
কবিদের মধ্যে যাদের নাম আমর (মুহাম্মাদ ইবনে দাউদ ইবনুল জাররাহ)
বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ
কিতাব: কবিদের মধ্যে যাদের নাম আমর
লেখক: আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে দাউদ ইবনুল জাররাহ (মৃত্যু ২৯৬ হিজরি)
[কিতাবটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত যা মুদ্রিত সংস্করণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৪
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: -)
ـ[من اسمه عمرو من الشعراء]ـالمؤلف: أبو عبد الله محمد بن داود بن الجراح (المتوفى: 296هـ)[الكتاب مرقم آليا غير موافق للمطبوع]
[কবিদের মধ্যে যাদের নাম আমর]লেখক: আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে দাউদ ইবনুল জাররাহ (মৃত্যু: ২৯৬ হিজরি)[গ্রন্থটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত যা মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়]
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ১)
رسالة من محمد بن داود بن الجرّاحرحمه الله تعالى إلى أبي أحمد يحيى بن علي بن يحيى بن أبي منصور المنجم رحمه الله فيمنْ يُسمَّى من الشعراء عَمْراً كتبها لنفسه يوسف بن لؤلؤ بن عبد الله نفعه الله بالعلم بسم الله الرحمن الرحيم وبه أثق الرسالة إلى أبي أحمد يحيى بن علي بن يحيى، أدامَ الله عزَّه: أطال الله بقاءك، وأدام عزك، وأسبغ نعَمه عليك، وزاد فيها عندك، أَعلمتني - أعزك الله - عندما جرى بيننا من ذكر ما حُكي عن أبي سعيد الأصمعي فيمن قال الشعر من العرب في الجاهلية والإسلام، ممن اسمه عمرو، أنك لا تعرف منهم العدّة التي ذكر الأصمعي أنه وأبا مُحْرز خلف بن حيّان الأحمر عدّاهم، وهم ثلاًثون رجلاً، وسألتني تعريفك مَنْ أحصيتُه منهم وعرفته، ولم يَقُل - أعزَّكَ الله - هذان الأستاذان فيمَنْ عرفاه من مشهرَّيهم إلاّ الحق، ولكنّه قد قال الشعر الناسُ وفيهم المُقلُّ والمكثر في الجاهلية والإسلام ممن تضعف عدّتُه على من عرفه خلف والأصمعيُ أضعافاً، وحَدَث بعد وقتهما منهم جماعةُ، لا يجب أن يُعتدَّ عليهما بهم.وأنا متّبعٌ كلُّ مَنْ انتهى إليّ أنّه قال شيئاً سار له من الشعر من العَمْرين، وذاكرْ في باب كل واحد منهم ما يدلُّ على معرفته من أخباره ونسبه وشعره على اختصار، ولعلك - أيدك الله - لو تصفحت كُتبَكَ وجدتَ زيادة عليهم، ولعلي أُهْدي إليكَ مما كتبت به إلي إلى ما أنت به عليمَ وعليه مطلع، وليست بيننا محاسبة بحمد الله، والله يبقيك لإخوانك، ولا يعدمهم الانتفاع بَك، قائلاً وسائلاً.حدثني - أعزك الله - أبو علي عسل بن ذكوان النحوي، قال: حدّثنا أبو حاتم السجستاني عن أبي عُبيدة، قال: قيل لأبي عمرو بن العلاء: بماذا كُنيتَ، قال: العَمْرُ: سيف الذّهب، والعَمْر والعُمَر، يقال بالنصب والضمّ، والعَمْر: أحد عمور الأسنان، وهي مغارزها.وحدثني أبو محمد عبد الله بن مسلم بن قتيبة الديّنوري، وكتب إليً أبو علي محمد بن سعد السامي الكُرَّاني، قال ابن قتيبة: حدثنا أبو حاتم سهل بن محمد السجستاني، وقال الكرّاني: حدثنا أبو الفضل العباس بن الفرج الرياشي، قالا جميعاً: حدثنا الأصمعي عن عامر بن عبد الملك المِسْمَعي الملقب كرّدين، قال: قعدَ فتيان أحداث إلى أبي ضَمْضَم، ولم يسمّه الأصمعي ولا نَسبَه، وأُخبرتُ أنه النسابة المذّكور صاحب رؤبة بن العجاج فقال لهم: ما جاء بكم يا خبثاء؟ قالوا: جئنا لنحدثك ونؤنسك. قال: كلا، لكن قلتم كبر الشيخ ونتلعّبه، هذا لفظ الدينوري، قال الكرّاني: ونتلعب به، عسى أن نأخذ عليه سَقَطاً، قال: فأنشدهم لمائة شاعر، كلهم اسمه عمرو.قال الأصمعي: وقعدتُ أنا وخلف الأحمر فلم نقدر على اكثر من ثلاثين شاعراً، فقلتُ لعبد الله بن مسلم: أحسبُ إنساناً لو تتبع الشعراء بكتب من أشعار القبائل ومَنْ فيهم من المُقلّين لوجَد فيهم أكثرمما ذكر الأصمعي. فقال لي: أنت فارغ لذلك فافعله، فأخرجت له أسماءَ نيّفٍ وثلاثين رجلاً من مشهّري الجاهليين والإسلاميين القدماء وبضعة عشرَ رجلاً من الإسلاميين المُحدَثين، وعرضتهُ عليه فارتضاه، ونسختُه له، ثم حدثتُ بالحديث أبا العباس أحمد بن يحيى ثعلب رحمه الله، فسألني إن اكتبهم له ففعلتُ، فما أفادني فيهم زيادة، وقد تتبعتُ عندما جرى بيننا مَنْ في القبائل من الشعراء المكثرين والمُقلّين والفرسان والأعراب والمغمورين ومن حَدث إلى وقت الأصمعي من شعراء الإسلام وبعده، فأخرجت من ذلك، - على أني لم أتقصَّه ولم تطل المدّةُ فيه - أكثر من مائتي اسمٍ، ليس فيهم من حَدثَ بعد الأصمعي إلاّ نيّفً وعشرون رجلاً، وفيهم من قد رآه الأصمعي وبيّنت ذلك في هذا الكتاب، ومَنْ منهم من الجاهليين المخضرمين والإسلاميين والمُحدّثين، واستغفر الله عز وجل من التشاغل بما لا يؤدي إلى مرضاته، وأستقيله من كل عملٍ لا يتصل بما يقرَّب منه، وحسبي الله ونعم الوكيل.ولم أذكر - أعزك الله عز وجل في هؤلاء الشعراء عَمراً الجِنّي وما يروى له، إذ كنتُ إنما تعلمتُ أمرَ الإنس، وقد روى عفيف بن سالم الموصلي عن مجالد عن الشعبي عن تميم الداري، إن عمرو بن حَوْمانة الجنّي أحد جنِّ نصيبين الذين أسلموا على عهد رسول الله صلّى الله عليه وعلى آله وسلّم وروى هو وغيره له شعراً.
মুহাম্মদ বিন দাউদ বিন আল-জাররাহ (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন) এর পক্ষ থেকে আবু আহমদ ইয়াহইয়া বিন আলি বিন ইয়াহইয়া বিন আবি মনসুর আল-মুনাজ্জিম (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) এর নিকট সেইসব কবিদের বিষয়ে যাদের নাম ‘আমর’, যা ইউসুফ বিন লুলু বিন আব্দুল্লাহ নিজের ব্যবহারের জন্য লিখেছেন (আল্লাহ তাঁকে ইলমের দ্বারা উপকৃত করুন)। পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। তাঁর ওপরই আমি ভরসা করি। আবু আহমদ ইয়াহইয়া বিন আলি বিন ইয়াহইয়ার প্রতি পত্র, আল্লাহ তাঁর মর্যাদা বৃদ্ধি করুন: আল্লাহ আপনার হায়াত দীর্ঘ করুন, আপনার সম্মান বজায় রাখুন, আপনার ওপর তাঁর নেয়ামতসমূহ পরিপূর্ণ করুন এবং আপনার কাছে তা বৃদ্ধি করে দিন। আপনি আমাকে জানিয়েছেন—আল্লাহ আপনাকে সম্মানিত করুন—যখন আমাদের মাঝে আবু সাঈদ আল-আসমাঈর সেই বক্তব্য নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল যা তিনি জাহেলি ও ইসলামি যুগের আরব কবিদের মধ্যে ‘আমর’ নামধারী ব্যক্তিদের সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন। আপনি বলেছিলেন যে, আল-আসমাঈ এবং আবু মুহরিজ খালাফ বিন হাইয়ান আল-আহমার তাঁদের যে সংখ্যার কথা উল্লেখ করেছেন তা আপনার জানা নেই; তাঁরা ত্রিশজন ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছিলেন। আপনি আমাকে তাদের সম্পর্কে জানানোর অনুরোধ করেছেন যাদের আমি গণনা করেছি এবং চিনি। আল্লাহ আপনাকে সম্মানিত করুন, এই দুই উস্তাদ তাঁদের পরিচিত বিখ্যাত ব্যক্তিদের সম্পর্কে যা বলেছেন তা সত্যই বলেছেন। তবে জাহেলি ও ইসলামি যুগে অনেক মানুষ কবিতা বলেছেন, যাদের মধ্যে কেউ অল্প আবার কেউ অধিক কবিতা রচনা করেছেন। খালাফ ও আসমাঈ যাদের চিনেছিলেন, তাদের তুলনায় এই সংখ্যা কয়েক গুণ বেশি। আর তাঁদের সময়ের পরেও এমন একদল কবির আবির্ভাব ঘটেছে যাদের গণনার বাইরে রাখার জন্য তাঁদের দায়ী করা যায় না।আর আমি সেইসব ব্যক্তিদের অনুসরণ করছি যাদের সম্পর্কে আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে তাঁরা কবিতা বলেছেন এবং দুই ‘আমর’ (আমর ও উমর) এর মধ্যে যাদের কবিতা প্রসিদ্ধ হয়েছে। সংক্ষেপে প্রত্যেকের পরিচয় জানানোর জন্য তাদের সংবাদ, বংশ পরিচয় ও কবিতা এই অধ্যায়ে উল্লেখ করছি। আল্লাহ আপনাকে সাহায্য করুন, সম্ভবত আপনি যদি আপনার কিতাবসমূহ অনুসন্ধান করেন তবে তাদের সংখ্যার ওপর আরও আধিক্য খুঁজে পাবেন। আপনি যা জানেন এবং যে বিষয়ে অবগত আছেন, আমি যা লিখেছি তা থেকে হয়তো আপনাকে নতুন কিছু উপহার দিতে পারব। আল্লাহর প্রশংসায় আমাদের মাঝে কোনো হিসাব-নিকাশ নেই। আল্লাহ আপনাকে আপনার ভাইদের জন্য জীবিত রাখুন এবং আপনার মাধ্যমে তাদের উপকৃত হওয়ার সুযোগ দান করুন, বক্তা হিসেবে এবং জিজ্ঞাসু হিসেবে।আল্লাহ আপনাকে সম্মানিত করুন, আবু আলী আসাল বিন জাকওয়ান আন-নাহবী আমাকে বলেছেন, তিনি বলেছেন: আবু হাতিম আস-সিজিস্তানি আবু উবায়দাহ থেকে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আমর বিন আল-আলা-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: আপনার উপনাম (কুনিয়াত) কেন রাখা হলো? তিনি বললেন: ‘আল-আমর’ (العَمْرُ) মানে হলো স্বর্ণের তলোয়ার। ‘আল-আমর’ (العَمْر) এবং ‘আল-উমর’ (العُمَر) নসব (জবর) ও যম্ম (পেশ) উভয়ভাবে পড়া যায়। আর ‘আল-আমর’ বলতে দাঁতের মাড়িকেও বোঝায়।আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন মুসলিম বিন কুতায়বাহ আদ-দিনাওয়ারি আমাকে বর্ণনা করেছেন এবং আবু আলী মুহাম্মদ বিন সাদ আস-সামি আল-কুররানি আমাকে লিখেছেন; ইবনে কুতায়বাহ বলেছেন: আবু হাতিম সাহল বিন মুহাম্মদ আস-সিজিস্তানি আমাদের বর্ণনা করেছেন, এবং আল-কুররানি বলেছেন: আবুল ফজল আব্বাস বিন আল-ফারজ আর-রিয়াশি আমাদের বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই বলেছেন: আসমাঈ আমের বিন আব্দুল মালিক আল-মিসমায়ী (যার লকব কুরদিন) থেকে আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: একদল যুবক আবু দামদামের কাছে বসল—আসমাঈ তাঁর নাম বা বংশ পরিচয় উল্লেখ করেননি, তবে আমাকে জানানো হয়েছে যে তিনি সেই বিখ্যাত বংশবিদ (নাসসাব) যিনি রু’বাহ বিন আল-আজজাজের সঙ্গী ছিলেন—তিনি তাদের বললেন: হে পাপিষ্ঠরা! তোমরা কেন এসেছ? তারা বলল: আমরা এসেছি আপনার সাথে কথা বলতে এবং আপনার একাকিত্ব দূর করতে। তিনি বললেন: তা নয়, বরং তোমরা বলেছ বৃদ্ধ মানুষটি বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছেন, চলো তাঁর সাথে তামাশা করি—এটি দিনাওয়ারির শব্দ—আল-কুররানি বলেছেন: আমরা তাঁর সাথে তামাশা করি, হয়তো আমরা তাঁর কোনো ভুল ধরতে পারব। বর্ণনাকারী বলেন: এরপর তিনি তাদের সামনে এমন একশজন কবির কবিতা আবৃত্তি করলেন যাদের সবার নাম ছিল ‘আমর’।আসমাঈ বলেন: আমি এবং খালাফ আল-আহমার বসলাম এবং আমরা ত্রিশজনের বেশি কবির সন্ধান পেলাম না। আমি আবদুল্লাহ বিন মুসলিমকে বললাম: আমি মনে করি কোনো ব্যক্তি যদি গোত্রগুলোর কবিতার সংকলন (দিওয়ান) অনুসন্ধান করেন এবং তাদের মধ্যে যারা অল্প কবিতা বলেছেন তাদের খুঁজে বের করেন, তবে তিনি আসমাঈর উল্লেখ করা সংখ্যার চেয়েও অনেক বেশি পাবেন। তিনি আমাকে বললেন: আপনি তো এ কাজে অবসর আছেন, তাই আপনিই এটি করুন। অতঃপর আমি তাঁর সামনে জাহেলি ও প্রাচীন ইসলামি যুগের বিখ্যাত ব্যক্তিদের মধ্য থেকে ত্রিশের অধিক নাম এবং পরবর্তী যুগের (মুহদাস) ইসলামি কবিদের মধ্য থেকে দশের অধিক নাম উপস্থাপন করলাম। আমি যখন এটি তাঁর কাছে পেশ করলাম, তিনি তা পছন্দ করলেন এবং আমি তাঁর জন্য এটি নকল করে দিলাম। এরপর আমি আবু আব্বাস আহমদ বিন ইয়াহইয়া সা’লাবকে (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) এই ঘটনাটি শুনালাম। তিনি আমাকে সেগুলো লিখে দিতে বললেন এবং আমি তাই করলাম। তিনি আমাকে এর ওপর অতিরিক্ত কোনো তথ্য দিতে পারেননি। আমাদের আলোচনার পর আমি গোত্রগুলোর মধ্যে অধিক ও অল্প কবিতা রচনাকারী কবিদের, বীরদের, মরুবাসী আরবদের এবং অখ্যাত কবিদের মধ্য থেকে যাদের পাওয়া যায়, এবং আসমাঈর সময় পর্যন্ত যারা বর্তমান ছিলেন এবং পরবর্তী ইসলামি কবিদের মধ্য থেকে অনুসন্ধান করলাম। ফলে আমি—যদিও আমি পূর্ণাঙ্গভাবে অনুসন্ধান করিনি এবং এতে দীর্ঘ সময়ও ব্যয় করিনি—দুইশর বেশি নাম বের করতে সক্ষম হয়েছি। তাদের মধ্যে আসমাঈর পরবর্তী যুগের মাত্র বিশের কিছু বেশি লোক রয়েছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ এমনও আছেন যাদের আসমাঈ নিজে দেখেছিলেন, যা আমি এই কিতাবে স্পষ্ট করেছি। আর তাদের মধ্যে কারা জাহেলি, কারা মুখাদরাম (জাহেলি ও ইসলামি উভয় যুগ পেয়েছেন), কারা ইসলামি এবং কারা পরবর্তী যুগের কবি তাও উল্লেখ করেছি। আমি মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এমন কাজে লিপ্ত হওয়ার জন্য যা তাঁর সন্তুষ্টির দিকে নিয়ে যায় না, এবং আমি তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এমন প্রতিটি কাজ থেকে যা তাঁর নৈকট্য লাভের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়। আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক।আল্লাহ আপনাকে সম্মানিত করুন, আমি এই কবিদের মধ্যে ‘আমর আল-জিন্নী’ এবং তার কবিতা সম্পর্কে যা বর্ণনা করা হয় তা উল্লেখ করিনি। কারণ আমি কেবল ইনসান বা মানুষের বিষয়গুলোই অধ্যয়ন করেছি। আফিফ বিন সালিম আল-মাওসিলি মুজালিদ থেকে, তিনি শা’বী থেকে এবং তিনি তামিমে দারি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আমর বিন হাওমানাহ আল-জিন্নী ছিল নাসিবিনের জিনদের একজন, যারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। তিনি এবং অন্যান্যরা তাঁর কবিতা বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ২)
أطال الله بقاءك، وأدام عزَّك وكرامتك وسلامتك، وتمّم النعمة عليك وفيك.وكتُبَ في ذي الحجة من سنة خمس وتسعين ومائتين.بسم الله الرحمن الرحيموصلّى الله على محمدٍ وعلى آله أسماء الشعراء الجاهليين من العَمْرين من مُضَر 1 - عمرو، وهو هاشم جدّ رسول الله، ابن المغيرة، وهو عبد مناف، بن زيد، وهو قصيّ، يكنّى أبا نَضْلة، وفيه يقول مطرود بن كعب الخزاعي:عمرو العُلَى هشمَ الثريدَ لقومه … ورجالُ مكة مُسْنِتون عِجافُومن قوله، لما وردَ بعضُ مَنْ قصد البيت الحرام:عُذْتُ بما غاذَ به إبْرَهَمْفي رجزٍ له.2 - عمرو بن الحارث بن عبد مناة بن كنانة بن خزيمة، وهو الأحمر، ومن قوله أنشدنيه الحسن بن محمد الأموي، قال أنشدني محمد بن سعد الساقي:وإذا تكون كريهةٌ أُدعى لها … وإذا يُحاس الحَيسُ يُدعَى جُنْدبُوذكر المُفضل: أن هذّا القول لبعض ولد طيء، وكان يفضلُ جندباً أحد ولد ولده عليهم، ويقدّمه في الزاد وغيره على فرسان ولده، فقال لآخر منهم يُسمى عمراً:يا عمرو خَبّرني ولست بكاذبٍ … وأخوك صاحبك الذي لا يكذبُأمِنَ القضية أن إذا استغنيتم … وأمنتمُ، فأنا البعيدُ الأجنبُوإذا تكون كريهةٌ أُدعَى لها … وإذا يُحاس الحيسُ يُدعَى جُندبُولجندبٍ صفوُ المياهِ وعذبُها … ولي الملاحُ وماؤهنّ المجدبُعجباً لتلك قضيةً وإقامتي … فيكم على تلك القضية أعجبُهذّا وجَدّكم الصِّغارُ بعينه … لا أمَّ لي إن كان ذاك ولا أََبُ3 - عمرو بن عامر بن جِذْل الطعان، واسمه علقمة بن فِراس الكنانيَ، وهو الذّي يقول يصف بني ضبّة:نعم الفوارسُ، يومَ جيش مُحرَقِ … لحِقوا وهم يَذعُونَ: يالَ ضِرَارِ4 - عمرو بن كلثوم الكناني، من بني عُميس بن جَذيمة، فارس شاعر مشهور، ومن قوله أنشدنيه أحمد بن محمد بن بشر المرثدي:تركنا هامةً الجَدَليّ تزقو … أمام الجيش تحلم بالنعيقومن قوله أيضاً:وقد علمت عُليا كنانة أننّا … مطاعينُ في الهيجا، مطاعيمُ في المَحْلِومن قوله أيضاً:جزى الله عني مُدْلجاً أين أصبحت … جزاية بؤسَى حيثُ سارتْ وحَلّتِ5 - عمرو الأشعر الرَّقَبان بن حارثة بن ناشب بن سلامة بن سعد بن مالك الأسدي، ومن قوله:إنّا كذّلك كان عادتنا … لم نُغضِ من مَلكٍ على وِترِ6 - عمرو بن أُهبان بن دِثار الأسدي الفقعسي: قال:ألا يَنْهىَ عُرَينةَ عن مَلامي … قُدامةُ قد عجلتم بالمَلام7 - عمرو بن حكيم الأسدي الدُّبيري، وهو القائل في أرجوزة طويلة:نام طُفيل نومةً رِداحا … حتى إذا ما انبطحَ انْبطاحا8 - عمرو بن مَرْثد بن عُرْفُطة بن الطمّاح الأسدي الفقعسي، الذي يقول:يا راكباً بلّغ حبيبَ بن خالدٍ … فأسْدِ إلينا ما استطعتَ وألحِم9 - عمرو بن مسعود بن عمرو بن مُرارة الأسدي الفقعسي، يقول:أيبغى آلُ شدّاد علينا … ومايُرْعَى لشدّادٍ فَصيلُكصارفةِ البكاءِ لشجوِ أخرى … وما يبدو لعينيها نَطيِل10 - عمرو ذو الكلب الهذلي، أحد لحْيان، قديم شاعر مغوار، حدثني أحمد بن زهير بن حرب قال: خبرَّنا أبو عبد الله ابن الأعرابي قال: كان عمرو اللحياني المعروف بذي الكلب من رجال العرب وشعرائهم، وعشق امرأة من فَهْمٍ، يقال لها أمّ جُليحة فرصده قومها حتى ظفروا به فقتلوه، فأنشدني له أحمد بن زهير أشعاراً فيها، منها قوله: وكذا قال: غَزِية، ورواه غيره: غُزَية:غَزيّةُ آذنتْ قبلَ الزيالِ … وأمسى حبلَهُا رثَّ الوصالألا قالت غزيةُ إذ رأتني … ألم تُقتَل بأرضِ بني هلالأسرَّكِ لو قُتلتُ بأرضِ فهمٍ … وكلُّ قد أنابَ إلى امتهالومَقعَد كُرْبةٍ قد كنتُ فيها … مكان الإصبعين من القِبالِ
আল্লাহ আপনার হায়াত দীর্ঘ করুন, আপনার সম্মান, মর্যাদা ও নিরাপত্তা স্থায়ী করুন এবং আপনার ওপর ও আপনার মাঝে তাঁর নিআমত পূর্ণ করুন।আর এটি দুইশত পঁচানব্বই হিজরি সনের জিলহজ মাসে লিখিত হয়েছে।পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামেআল্লাহ তাআলা মুহাম্মদ (সা.) এবং তাঁর পরিবারবর্গের ওপর রহমত বর্ষণ করুন। মুদার গোত্রের 'আমর' নামধারী জাহেলী কবিদের নাম: ১ - আমর: তিনি হলেন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দাদা হাশিম। তিনি ইবনে মুগিরা, যিনি আবদে মানাফ ইবনে যায়েদ, আর যায়েদ হলেন কুসাঈ। তাঁর কুনিয়াত ছিল আবু নাযলাহ। তাঁর সম্পর্কে মাতরুদ ইবনে কাব আল-খুযায়ি বলেন:সুউচ্চ আমরের প্রশংসায়, যিনি তাঁর কওমের জন্য রুটি গুঁড়ো করে ঝোল তৈরি করেছিলেন … যখন মক্কার পুরুষরা অনাহার ও দুর্ভিক্ষের কারণে শীর্ণকায় ছিল।তাঁর একটি উক্তি, যখন পবিত্র কাবাঘরের উদ্দেশ্যে আসা কিছু লোক উপস্থিত হলো, তখন তিনি তাঁর একটি রাজায কবিতার ছন্দে বললেন:আমি সেই সত্তার আশ্রয় নিচ্ছি, যাঁর আশ্রয় ইব্রাহিম (আ.) নিয়েছিলেন।এটি তাঁর একটি রাজায কবিতার অংশ।২ - আমর ইবনুল হারিস ইবনে আবদে মানাত ইবনে কিনানাহ ইবনে খুযায়মাহ। তিনি আল-আহমার নামে পরিচিত। আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ আল-উমাওয়ি আমাকে তাঁর সম্পর্কে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ ইবনে সাদ আস-সাকি আমাকে শুনিয়েছেন:যখন কোনো বিপদ আসে তখন আমাকে ডাকা হয় … আর যখন সুস্বাদু খাবার তৈরি হয়, তখন জুনদাবকে ডাকা হয়।আল-মুফাদ্দাল উল্লেখ করেছেন যে, এই উক্তিটি তাই গোত্রের কোনো এক সন্তানের। সে তার এক নাতি জুনদাবকে অন্যদের চেয়ে বেশি পছন্দ করত এবং খাবার ও অন্যান্য বিষয়ে নিজের বীর সন্তানদের চেয়ে তাকে অগ্রাধিকার দিত। ফলে সে তাদের মধ্যে 'আমর' নামক একজনকে উদ্দেশ্য করে বলেছিল:হে আমর, আমাকে বলো আর তুমি তো মিথ্যাবাদী নও … এবং তোমার সঙ্গী তোমার ভাই যে মিথ্যা বলে না।এটা কি কোনো বিচার যে, যখন তোমরা সম্পদশালী ও নিরাপদ হও … তখন আমি হয়ে যাই দূরবর্তী পরজন।আর যখন কোনো বিপদ আসে তখন আমাকে ডাকা হয় … আর যখন সুস্বাদু খাবার তৈরি হয়, তখন জুনদাবকে ডাকা হয়।আর জুনদাবের জন্য থাকে স্বচ্ছ ও সুমিষ্ট পানি … আর আমার জন্য থাকে লোনা ও শুষ্ক পানি।এই বিচারে বিস্ময় জাগে, আর তোমাদের মাঝে আমার এই অবস্থায় টিকে থাকা … আরও বেশি বিস্ময়কর।এই তো অবস্থা, তোমাদের সামনেই অপমানের চিত্র বিদ্যমান … আমার মা-বাবা না থাকুক যদি এমনটাই হতে থাকে।৩ - আমর ইবনে আমির ইবনে জিযল আত-ত্বআন। তাঁর নাম ছিল আলক্বামাহ ইবনে ফিরাস আল-কিনানি। তিনিই বনূ যাব্বাহ-র বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছেন:কতই না চমৎকার সেই অশ্বারোহীরা, মুহরাকের বাহিনীর যুদ্ধের দিনে … তারা এসে মিলিত হয়েছিল এই বলে চিৎকার করতে করতে: হে যিরারের বংশধররা!৪ - আমর ইবনে কুলসুম আল-কিনানি, বনূ উমাইস ইবনে জাযিমাহ গোত্রের। তিনি একজন প্রখ্যাত বীর ও কবি। আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে বিশর আল-মারসাদি আমাকে তাঁর উক্তি শুনিয়েছেন:আমরা আল-জাদালির মস্তকটিকে চিৎকার করা অবস্থায় ফেলে রেখেছি … যা বাহিনীর সম্মুখে লাশের আগমনের দুঃসংবাদ দিচ্ছিল।তাঁর আরও উক্তি:কিনানাহর উচ্চ বংশীয়রা জেনে গেছে যে আমরা … যুদ্ধের ময়দানে যেমন প্রচণ্ড আঘাতকারী, তেমনি দুর্ভিক্ষের সময়ও অন্নদানকারী।তাঁর আরও উক্তি:আল্লাহ আমার পক্ষ থেকে মুদলিজ গোত্রকে প্রতিদান দিন তারা যেখানেই থাকুক … তারা যেখানেই যাক বা অবস্থান করুক না কেন, তাদের ওপর দুঃখের প্রতিদান নেমে আসুক।৫ - আমর আল-আشআর আর-রাক্ববান ইবনে হারিসাহ ইবনে নাশিব ইবনে সালামাহ ইবনে সাদ ইবনে মালিক আল-আসাদি। তাঁর কবিতা থেকে:আমাদের স্বভাব তো এমনই ছিল … আমরা কোনো রাজার পক্ষ থেকেও অন্যায় সহ্য করিনি।৬ - আমর ইবনে উহবান ইবনে দিসার আল-আসাদি আল-ফাকাসি। তিনি বলেন:কুদামাহ কেন উরায়নাকে আমার নিন্দা করা থেকে বিরত রাখে না … তোমরা তো খুব দ্রুতই নিন্দা করতে শুরু করেছো।৭ - আমর ইবনে হাকিম আল-আসাদি আদ-দুবাইরি। তিনি একটি দীর্ঘ রাজায কবিতায় বলেছেন:তুফাইল দীর্ঘ ঘুমে আচ্ছন্ন হলো … যতক্ষণ না সে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ল।৮ - আমর ইবনে মারসাদ ইবনে উরফুত্বাহ ইবনে আত-ত্বাম্মাহ আল-আসাদি আল-ফাকাসি। যিনি বলেন:হে আরোহী, হাবীব ইবনে খালিদের কাছে সংবাদ পৌঁছে দাও … তোমার যতটুকু সামর্থ্য আছে আমাদের সাহায্য করো এবং আমাদের সাথে যুক্ত হও।৯ - আমর ইবনে মাসউদ ইবনে আমর ইবনে মুরারাহ আল-আসাদি আল-ফাকাসি। তিনি বলেন:শাদ্দাদের বংশধরেরা কি আমাদের ওপর বিদ্রোহ করতে চায় … অথচ শাদ্দাদের জন্য তো একটি উটের বাচ্চারও যত্ন নেওয়া হয় না।যেন কান্নার সুর অন্য এক শোকের দিকে নিয়ে যাচ্ছে … অথচ তার চোখের সামনে কোনো অশ্রুই স্পষ্ট নয়।১০ - আমর যুল কালব আল-হুযালি, লিহিয়ান বংশের একজন। তিনি প্রাচীন যুগের একজন বিখ্যাত কবি ও সাহসী যোদ্ধা ছিলেন। আহমাদ ইবনে যুহায়ের ইবনে হারব আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আব্দুল্লাহ ইবনুল আরাবি আমাদের জানিয়েছেন যে, লিহিয়ান বংশীয় আমর, যিনি যুল কালব নামে পরিচিত, তিনি ছিলেন আরবদের প্রথিতযশা পুরুষ ও কবিদের একজন। তিনি ফাহম গোত্রের উম্মে জুলিহা নামক এক নারীর প্রেমে পড়েছিলেন। ফলে সেই নারীর গোত্রের লোকেরা তার ওপর নজর রাখে এবং সুযোগ বুঝে তাকে হত্যা করে। আহমাদ ইবনে যুহায়ের আমাকে সেই নারী সম্পর্কে তার কিছু কবিতা শুনিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে: (কেউ এটাকে গযিয়াহ এবং কেউ গুযাইয়াহ বলে বর্ণনা করেছেন):গযিয়াহ বিদায়ের পূর্বেই সংবাদ দিয়েছে … আর তার সাথে সম্পর্কের রশি দুর্বল হয়ে পড়েছে।আমাকে দেখে গযিয়াহ বলল … তুমি কি বনী হিলালের ভূমিতে নিহত হওনি?তুমি কি খুশি হতে যদি আমি ফাহম গোত্রের ভূমিতে নিহত হতাম … যেখানে সবাই মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছে?এবং সংকটের সেই স্থান যেখানে আমি ছিলাম … তা ছিল জুতার ফিতার দুই আঙুলের ব্যবধানের মতো সংকীর্ণ।
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ৩)
وخبرني بكلامٍ تكلمت به عشيقته لما قُتل، تصفه به فيه: ما وجدتم حجزتَه جافية، ولا عانتَه وافية، ولا ضالته كافية.الضالة: قوسٌ من شجر الضّال، وكافية: معوّجة. ومن قوله أنشدني ابن أبي خيثمة هذا الشعر له:كلُّ امريءٍ بطوَالِ العيشِ مكذوبُ … وكلُّ من غالبَ الأيامَ مغلوبُوكلُّ مَنْ حَجَّ بيتَ الله من رَجل … مُؤدٍ فمُدْركُهُ الوِلدانُ والشيِبُوكلُّ حيٍّ وإن طالتْ سلامتُهم … يوماً طريقتهم في الموتِ دُعبوببينا الفتى ناعمٌ راضٍ بعيشته … تيحَ له من نوازي الدهر شؤبوبوجنوبٌ أختهُ شاعرة محسنة، وفيه تقول ترثيه:سألتُ بعمروٍ أخي صَحبَهُ … فأفظعني حين ردّوا السؤالاأُتيحَ له نَمِرا أجْبُلفنالا لعَمركَ منه مَنالافأقسمُ يا عمرو لو نبّهاك … إذن نَبّها بِكَ داءً عُضالاإذن نَبَّها ليثَ عرَّيسةٍ … مُفيداً مُفيتاً نفوساً ومالا11 - عمرو بن هُمَيل اللحياني الهُذلي: من قوله:ألا مَنْ مُبلغُ الكعبيَّ عني … رسولاً أصلُها عندي ثبيتُ12 - عمرو بن الحُرَّ بن مَنيغ بن سعْنَة الضبّي، مدح أباه فقال:أبي مَدَحَ الأُدْمَ الهجانَ كأنّها … ظباءُ الشّقيق زيّنتها الصرائِمُفمن يأتِها من عائلٍ يَلْق كسوةً … ومَن يأتِها من جائعٍ فهو طاعمُ13 - عمرو بن أُبَير التميمي السعدي، من قوله:بني أسَدٍ إنّا تركنا سَراتكم … غداةَ التقينا حولها الطير تحجلُونحنُ طَعنّا مَعْقِلاً فكأنما … هوى مِن هواء يوم ذلك مَعْقِلفَظلّ مكبّاً والكتيبةُ حوله … يَمُجَُ دماً منه نياطْ وأَبْجَلُ14 - عمرو بن أسود الضبّي القائل:لهفَ نفسي على جَنابٍ إذا ما … دُعِيَ النكِسُ للطِّعانِ فهابا15 - عمرو بن أسود بن عبد الله بن سُعَيْدة التميمي الطُهَوي، يقول:بشرقيّ سَلْمىَ من أميمةَ منزلٌ … قديمٌ كعنوان الصحيفةِ طاسِمُ16 - عمرو بن عَدي بن زيد العِبادي التميمي المَرَئِي، شاعرٌ، وهو صاحب النعمان بن المنذر الذي سعى إلى كسرى أبرويز في قتله متئراً بأبيه، وهو الذي قال له وقد صار إلى باب كسرى فرآه واقفاً فقال: لئن سلمتُ لأُلحقنّكَ بأبيك. فقال له عمرو: امضِ نُعَيم فقد أخَّيْتُ لك آخيَّة لا يقلعها المُهر الأرِنُ: والإرَنُ: المَرَحُ والنشاطُ. فما أدخِل على كسرى أُرخِيتْ الستور في وجهه، وكان لا يقتل منْ عاينه فكلمه ثم أمرَ به إلى الحبس، فحُبِسَ بخانقين، ثم أمرَ بإلقائه تحت الفيلة فوطئته فقتلته، حدثني بذلك أبو جعفر أحمد بن عُبيد. وقد قال الأعشى يذكر النعمان:هُنالِك ما أنجاهُ عزّة مُلكِه … بساباطَ حتى مات وهو مُحَزْرَقُوقال فيه آخر: يريد كسرى:هو المُدْخِل النعمانَ بيتاَ سماؤه … بطون الفيول جوفَ بيتٍ مُسَودَبِ17 - عمرو بن مَوْهَبة بن جَرّوَل النهشليْ الذي يقول:كفرتُ عسى أن يجمع الله بيننا … على مثلها والخيلُ تعدو ثِقالُها18 - عمرو بن وَدْعان العُكّليْ، هو الذي يقول وأغارت عليه بنو عبسٍ فأخذوا زبيبة أمتَهُ السوداء أمّ عنترة بن شدّاد العبسي الفارس:زبيبةُ ثأركم يا آل عبسِ … وحقكم على بطلٍ خليعخذلتُ بها ابنَ مخرومٍ برمحي … وأولى لابن فاطمةَ الربيعولو أدركتُهُ لجرى إليه … برمحي ناجزُ الموت السريعِالربيع بن زياد العبسي: 19 - عمرو البختري بن طرفة بن عمرو بن الحصين بن ربيعة بن جعدة، وهو البختري الجعدي. من قوله:كأنَّ ديارَ الحيّ من طول عهدها … بناصفةِ البُردَين أخلاقُ سندسِأسائِلُها فاستعجمتْ عن كلامنا … وعيّتْ جوابَ السائل المُتنحِّسِوهو القائل لامرأته، أنشده الأصمعي: ولا تَنْكِحَي إنْ فَرَّقَ الدهرُ بيننا أغمَّ القَفَا والوَجْهِ، ليسَ بأنْزَعا
আর তিনি আমাকে সেই কথাগুলো জানালেন যা তার প্রেমিকা তার মৃত্যুর পর তাকে বর্ণনা করে বলেছিল: তোমরা তাকে মেদযুক্ত কোমরের অধিকারী পাওনি, তার নাভির নিচের অংশও অপ্রতুল ছিল না এবং তার ধনুকও অকেজো ছিল না।'দ্বালাহ' হলো 'দ্বাল' নামক গাছের কাঠ দিয়ে তৈরি ধনুক, আর 'কাফিয়াহ' অর্থ বাঁকানো। আর ইবনে আবি খাইসামা আমাকে তার এই কবিতাটি শুনিয়েছেন:দীর্ঘ জীবনের প্রত্যাশায় প্রতিটি মানুষই প্রতারিত … আর সময়ের ওপর জয়ী হওয়া প্রত্যেকেই একদিন পরাজিত।আল্লাহর ঘর হজকারী প্রতিটি পদব্রজ অভিযাত্রী … যাকে শিশু ও বৃদ্ধরা একসময় স্পর্শ করে (অর্থাৎ আয়ু ফুরিয়ে যায়)।প্রতিটি জীবিত প্রাণী, যদিও তাদের নিরাপত্তা দীর্ঘ হয় … একদিন মৃত্যুর পথে তাদের যাত্রা অন্ধকারাচ্ছন্ন ও কঠিন হবে।যখন এক যুবক সুখী ও তার জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট থাকে … তখন সময়ের আকস্মিক বিপদরাশি তার ওপর আপতিত হয়।এবং জুনুব ছিলেন তার বোন, যিনি একজন উত্তম নারী কবি ছিলেন। তিনি তার স্মরণে শোকগাঁথা গেয়ে বলেছিলেন:আমি আমার ভাই আমরের সাথীদের কাছে তার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম … যখন তারা উত্তর দিল, তখন তা আমাকে আতঙ্কিত করল।পাহাড়ের একটি চিতা তার জন্য ওত পেতে ছিল … তোমার জীবনের কসম, সেটি তার কাছ থেকে যা পাওয়ার ছিল তা কেড়ে নিল।হে আমর! আমি শপথ করে বলছি, যদি তারা তোমাকে জাগিয়ে দিত … তবে তারা এক দুরারোগ্য ব্যাধিকেই (অজেয় যোদ্ধা) জাগিয়ে তুলত।তবে তারা তার গুহায় থাকা এক সিংহকেই জাগিয়ে তুলত … যে জীবন ও সম্পদ বিলিয়ে দেয় আবার ছিনিয়েও নেয়।১১ - আমর বিন হুমাইল আল-লিহইয়ানি আল-হুজালি: তার উক্তি থেকে:ওহে, কা'বি গোত্রের কাছে আমার পক্ষ থেকে কে এই বার্তা পৌঁছে দেবে … এমন এক দূতের মাধ্যমে যার ভিত্তি আমার কাছে সুদৃঢ়।১২ - আমর বিন আল-হুর বিন মানিগ বিন সা'নাহ আদ-দাব্বি, তিনি তার পিতার প্রশংসা করে বলেন:আমার পিতা সেই ধবধবে সাদা উটগুলোর প্রশংসা করেছেন যা দেখে মনে হয় … সেগুলো যেন আশ-শাকিকের হরিণ যাদের চওড়া বন্ধনী দিয়ে সাজানো হয়েছে।অভাবী কেউ তাদের কাছে এলে সে পোশাক পায় … আর ক্ষুধার্ত কেউ এলে সে তৃপ্তিসহকারে আহার পায়।১৩ - আমর বিন উবাইর আত-তামিমি আস-সা'দি, তার উক্তি থেকে:হে বনু আসাদ! আমাদের সাক্ষাতের প্রভাতে আমরা তোমাদের সর্দারদের এমন অবস্থায় ফেলে এসেছি … যে তাদের চারপাশে পাখিরা লাফালাফি করছিল।আমরা মা'কিলকে বর্শা দিয়ে আঘাত করলাম, ফলে সে যেন … সেই দিনে আকাশ থেকে নিচে খসে পড়ল।সে উপুড় হয়ে পড়ে থাকল আর তার চারদিকে তখনো সৈন্যদল … তার শিরা-উপশিরা থেকে রক্ত ঝরছিল।১৪ - আমর বিন আসওয়াদ আদ-দাব্বি, যিনি বলেছেন:জানাবের জন্য আমার আফসোস, যখন … ভীরু ব্যক্তিকে যুদ্ধের জন্য ডাকা হয়েছিল আর সে ভয়ে পিছিয়ে গিয়েছিল।১৫ - আমর বিন আসওয়াদ বিন আব্দুল্লাহ বিন সুয়াইদাহ আত-তামিমি আত-তুহাবি বলেন:সালমা পাহাড়ের পূর্ব দিকে উমাইমার এক প্রাচীন আবাসস্থল … যা অনেকটা পুরনো কাগজের ফিকে হয়ে যাওয়া লিপির মতো।১৬ - আমর বিন আদি বিন যাইদ আল-ইবাদি আত-তামিমি আল-মারাঈ, তিনি একজন কবি ছিলেন। তিনি নুমান বিন মুনজিরের সেই সাথী যিনি কিসরা পারভেজের কাছে গিয়ে তার পিতার হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। যখন তিনি কিসরার দরবারে পৌঁছালেন এবং তাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলেন, তখন কিসরা তাকে বলেছিল: "যদি আমি বেঁচে যাই, তবে আমি তোমাকে তোমার পিতার কাছে পাঠিয়ে দেব।" তখন আমর তাকে বললেন: "হে নুয়াইম, এগিয়ে যাও! আমি তোমার জন্য এমন এক শক্ত খুঁটি তৈরি করেছি যা কোনো চঞ্চল ও শক্তিশালী ঘোড়াও উপড়াতে পারবে না।" এখানে 'ইরান' অর্থ আনন্দ ও চাঞ্চল্য। এরপর যখন তাকে কিসরার সামনে আনা হলো, তখন তার মুখের ওপর পর্দা ফেলে দেওয়া হলো; কারণ কিসরা তাকে হত্যা করত না যাকে সে স্বচক্ষে দেখত। তারপর কিসরা তার সাথে কথা বলল এবং তাকে কারারুদ্ধ করার আদেশ দিল। তাকে খানাকিনে বন্দী করে রাখা হলো। এরপর তাকে হাতিদের পায়ের নিচে ফেলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলো, ফলে হাতিরা তাকে পিষ্ট করে মেরে ফেলল। আবু জাফর আহমাদ বিন উবাইদ আমাকে এই ঘটনা শুনিয়েছেন। আল-আশা নুমান বিন মুনজিরের কথা উল্লেখ করে বলেছেন:সেখানে তার রাজত্বের প্রতাপ তাকে বাঁচাতে পারেনি … সাবাত নামক স্থানে, শেষ পর্যন্ত সে সেখানেই অবরুদ্ধ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করল।অন্য একজন কবি কিসরাকে উদ্দেশ্য করে তার সম্পর্কে বলেছেন:তিনিই নুমানকে এমন এক ঘরে ঢুকিয়েছিলেন যার ছাদ ছিল … হাতিদের পেট, আর সেই ঘরের ভেতরটা ছিল অন্ধকারাচ্ছন্ন।১৭ - আমর বিন মাওহাবাহ বিন জারওয়াল আন-নাহশালি, যিনি বলেন:আমি অস্বীকার করলাম এই আশায় যে আল্লাহ হয়তো আমাদের একত্র করবেন … এমন এক অবস্থায় যখন ঘোড়াগুলো ভারাক্রান্ত হয়ে দ্রুতবেগে ছুটে চলবে।১৮ - আমর বিন ওয়াদআন আল-উক্কালি, তিনি সেই ব্যক্তি যিনি বলেছিলেন যখন বনু আবস তার ওপর আক্রমণ চালিয়ে তার কৃষ্ণাঙ্গ দাসী জবিবাকে কেড়ে নিয়েছিল, যিনি ছিলেন বীর যোদ্ধা আন্তারা বিন শাদ্দাদ আল-আবাসির মা:হে বনু আবস! জবিবাই তোমাদের প্রতিশোধের লক্ষ্য … আর এক দুঃসাহসী বীরের ওপর তোমাদের অধিকার।আমি তার কারণেই ইবনে মাখরুমকে আমার বর্শা দিয়ে আঘাত করতে ব্যর্থ হয়েছি … আর ফাতিমার পুত্র রবীআ-ই ছিল এর অধিক যোগ্য।যদি আমি তাকে পেতাম, তবে আমার বর্শার আঘাতে দ্রুত মৃত্যু তার দিকে ধাবিত হতো।রবীআ বিন জিয়াদ আল-আবাসি: ১৯ - আমর আল-বাখতারি বিন তরফাহ বিন আমর বিন আল-হুসাইন বিন রাবিয়াহ বিন জা'দাহ, তিনি বাখতারি আল-জা'দি নামে পরিচিত। তার উক্তি থেকে:দীর্ঘকালের ব্যবধানে গোত্রের আবাসস্থলগুলো যেন … বুর্দাইন নামক স্থানে জীর্ণ রেশমি কাপড়ের মতো পড়ে আছে।আমি তাকে প্রশ্ন করি, কিন্তু সে আমাদের কথার কোনো উত্তর দেয় না … এবং অনুসন্ধানকারীর প্রশ্নের উত্তর দিতে সে অক্ষমতা প্রকাশ করে।আর তিনি সেই ব্যক্তি যিনি তার স্ত্রীকে লক্ষ্য করে বলেছিলেন—যা আসমায়ি বর্ণনা করেছেন: "যদি সময় আমাদের মাঝে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দেয়, তবে এমন কাউকে বিয়ে করো না যার ঘাড় ও মুখমণ্ডল লোমশ এবং কপাল প্রশস্ত নয়।"
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ৪)
ضَرُوباً بلَحْيَيْه على عَظم زَوْرِه … إذا القومُ هَمّوا بالفَعالِ تقنَّعاويُذكر أنهما لهُدبة بن خَشرم العُذري في امرأته، قالهما لما أقيدَ بزيادة بن زيد ابن عمّه.20 - عمرو بن ربيعة بن عامر الجعدي، يقول:يا هندُ هلا سألتِ القومَ إذ حشدوا … يومَ الوقيعة عن قُرَّان ما فعلا21 - عمرو بن ليلى العامري، من عامر بن ربيعة من قوله:إنً أبانا لعَمري عامراً رجلٌ … قد ولَّدَ الغولَ لا يَسْطيعُها بَشَرُوالناسُ والنملُ لا يُحصَى عديدُهم … والأُسْدُ أكثرُ شيءٍ بعدُ والنُمُرُ22 - عمرو بن عامر بن ربيعة بن عامر بن صعصعة، يقول:ثلاثةٌ رَهْطٍ أصفقوا لابن عَلّةٍ … فليس على الرهط الأعزّة مَنْدَمُ23 - عمرو بن الأحوص بن خالد العامري، من عامر بن ربيعة.يقول:أبلغ بني ثورٍ بأنَّ لغدرهم … من الله حُوباً، والقويّ المُزمِّلِ24 - عمرو بن حَرملة بن سدْرَة بن عمرو بن عامر بن ربيعة، القائل:إنّي لعَفُّ لا أخادنُ جارتي … إذا راعَ لمّاعُ الخِصاص المُخادِعُحياءً وإعراضاً وكان سجيّتي … عفافاً إذا قادَ الرجالَ المطامعُ25 - عمرو بن سلَمة الكلابي، أبو جَحْوش من أبي بكر بن كلاب، القائل:ألا هل أتى عبدَ العزيزِ ومُحْقِباً … وظَبْيانَ أتي قد مَللتُ مكانيامَلِلتُ ثَوائي بالمدينة لا أرى … من الناسِ إلاّ العِلْجَ يَحْدو السُوَانيا26 - عمرو بن قُريَط بن عَبد بن أبي بكر بن كلاب العامري.من قوله: أنَخْتُها بعد حَوْلٍ سَبْعةً جُدُداً يسفي على رحلها بالكوفة المُوزُأبلغ ربيعةَ أني لست ناسِيَهمْ … إن الحبيبَ على العِلاّت مذكورُ27 - عمرو بن البَراء الكلابي، من بني الصَّمُوت، القائل:أبعدَ الهدى والبينّات وبعدما … لداتُك صُلعانُ الرجال وشيبهُاتذكرتَ ليلى دُرَةً حارثيةً … بنجرانَ تنأى عن نواكَ شعوبها28 - عمرو بن حسّان الكلابي، من بني أبي بكر من كلاب.من قوله:قلْ للتي شقّتْ عليكَ إزارَها … فإنَّ سفاهاً فقحْليُّ تباعلُهكرهتَ طِرادَ الخيل تعثر بالقنا … وما تُعْطَ مربوطاً فإنّك قاتِلُه29 - عمرو بن الحارث بن الشَريد السُلمي، أبو الخنساء.يقول:أبى الصبر مالا أستطيعُ دفاعهُ … وأنَّ يميني أُفردَتْ من شمالياأقولُ وقد عايَنْتُ ذُلاً ووَحْدةً … ألا ليتَ صخراً حاضريُ ومُعاويا30 - عمرو بن خالِد بن الشريد السُلمي.يقول:هذا مقامي وأمرَّتُ أمري … فبشروا بالثُكلِ أمَّ عَمْرو31 - عمرو بن الأَسلع العبسي، فارس شاعر أدرك بثأره بجفر الهباءة من بني بدر بن عمرو الفزاري، وفي ذلك يقول:أتتكَ كأنَّها عقبانُ دَجْنٍ … تَجاوَبُ في حناجرها اليَراعُوفيه يقول حُذيفة بن بدرٍ لأخيه حَمَلٍ حين قال، له حَمَلُّ: البَقيَّة يا عمرو. فقال حُذيفة:اتّقِ مأثورَ الكلام، أخبرنا بذلك محمد بن يحيى المروزي عن الجاحظ.32 - عمرو بن الجَوْن الفزاري، أمُّهُ هند ابنة بدر بن عمرو.من قوله:ولو أنَّ أمّي من سواكم لأُلْفِيتْ … لقيسِ بن سعدٍ دون أرضهما الرَّقْمُ33 - عمرو بن سيّار الفزاري، أخو قطبة بن سيّار، هو الذي يقول:ألا يا مَنْ لرأيٍ قد عصاني … وقلبٍ قد أَبى إلاّ الحنيناونفسٍ ما تزال الدهرَ تَهفو … كأنَّ بها لِما تلقى جنونا34 - عمرو بن أنس بن هُزلة بن مَعْشَر الغَنويْ، من جلاّن.يقول:أَبتْ إبلي إلاّ تَذكُّرَ قومِها … وقَومِكِ أنأى من سُهَيل وأَنْزَحُ- ربيعه
তার দুই চোয়াল দিয়ে তার বুকের হাড়ের ওপর আঘাতকারী ... যখন কওম কোনো মহৎ কাজের সংকল্প করে, তখন সে নিজেকে আবৃত করে।বলা হয়ে থাকে যে, এই কবিতা দুটি হুদবা ইবন খাশরাম আল-উযরি তার স্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেছিলেন; তিনি এটি তখন বলেছিলেন যখন তাকে তার চাচাতো ভাই যিয়াদ ইবন যায়দকে হত্যার দায়ে কিসাস বা দণ্ড প্রদানের জন্য আনা হয়েছিল।২০ - আমর ইবন রাবিআ ইবন আমির আল-জাদি, তিনি বলেন:হে হিন্দ! তুমি কি কওমকে জিজ্ঞেস করলে না যখন তারা সমবেত হয়েছিল ... যুদ্ধের দিনে কুররানের ব্যাপারে তারা কী করেছিল?২১ - আমর ইবন লায়লা আল-আমিরি, আমির ইবন রাবিআ গোত্রের। তার উক্তি:আমার জীবনের শপথ! আমাদের পিতা আমির এমন এক পুরুষ ... যিনি ঘুল (মরুদানব) জন্ম দিয়েছেন, কোনো মানুষ যাকে কাবু করতে পারে না।মানুষ এবং পিঁপড়া, যাদের সংখ্যা গণনা করা যায় না ... আর সিংহ ও চিতাবাঘের সংখ্যা এর চেয়েও অধিক।২২ - আমর ইবন আমির ইবন রাবিআ ইবন আমির ইবন সা'সা'আ, তিনি বলেন:তিনজনের একটি দল ইবন আল্লার সাথে একমত হয়েছিল ... তাই মর্যাদাবান দলের জন্য কোনো অনুশোচনা নেই।২৩ - আমর ইবনুল আহওয়াস ইবন খালিদ আল-আমিরি, আমির ইবন রাবিআ গোত্রের।তিনি বলেন:বনু সাওরকে সংবাদ পৌঁছে দাও যে, তাদের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে ... আল্লাহর পক্ষ থেকে রয়েছে মহাপাপ, এবং সেই শক্তিশালী সত্তার পক্ষ থেকে যিনি বস্ত্রাবৃত।২৪ - আমর ইবন হারমালা ইবন সিদরা ইবন আমর ইবন আমির ইবন রাবিআ, যিনি বলেন:আমি অত্যন্ত পবিত্র স্বভাবের, আমি আমার প্রতিবেশী নারীর সাথে অবৈধ বন্ধুত্ব করি না ... যখন কোনো প্রতারক ছিদ্রপথে কুদৃষ্টি দিয়ে আতঙ্কিত করে।লজ্জা এবং বিমুখতা আমার স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য ছিল ... এটিই পবিত্রতা, যখন লোভ-লালসা পুরুষদের পরিচালিত করে।২৫ - আমর ইবন সালামা আল-কিলাবি, আবু জাহওয়াশ, যিনি আবু বকর ইবন কিলাব বংশের। তিনি বলেন:আবদুল আজিজ, মুহকিব এবং যাবয়ানের কাছে কি সংবাদ পৌঁছেনি ... যে আমি আমার অবস্থানে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি?আমি মদীনায় অবস্থানে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি, সেখানে আমি ... কেবল সেই অনারব শক্তিশালী লোকেদেরই দেখি যারা পানি টানার উটগুলো হাঁকিয়ে নেয়।২৬ - আমর ইবন কুরাইত ইবন আবদ ইবন আবু বকর ইবন কিলাব আল-আমিরি।তার উক্তি থেকে: আমি সাতটি নতুন বছর পরে তাকে বসিয়েছি, কুফার প্রবল বাতাস তার হাওদার ওপর ধুলোবালি ছিটাচ্ছিল।রাবিআ গোত্রকে জানিয়ে দাও যে আমি তাদের ভুলে যাইনি ... নিশ্চয়ই প্রিয়জন শত প্রতিকূলতার মাঝেও স্মরিত হয়।২৭ - আমর ইবনুল বারা আল-কিলাবি, বনু সামুত গোত্রের। তিনি বলেন:সঠিক পথ প্রাপ্তি ও সুস্পষ্ট প্রমাণের পর এবং তোমার সমবয়সীরা ... যখন টেকো ও বৃদ্ধ হয়ে গেছে, তখন কি তোমার মনে পড়ল?তুমি হারিস গোত্রের মুক্তাসম লায়লাকে স্মরণ করলে ... নাজরানে থাকা অবস্থায়, যার গোত্রগুলো তোমার গন্তব্য থেকে অনেক দূরে।২৮ - আমর ইবন হাসসান আল-কিলাবি, বনু আবু বকর ইবন কিলাব গোত্রের।তার উক্তি থেকে:তাকে বলো যে তোমার জন্য তার কাপড় ছিঁড়েছে ... নিশ্চয়ই বোকামি হচ্ছে ফিকহলিদের বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।তুমি ঘোড়দৌড় অপছন্দ করতে যা বল্লমের আঘাতে হোঁচট খায় ... আর যাকে বাঁধা অবস্থায় পাও তাকেই তুমি হত্যা করো।২৯ - আমর ইবনুল হারিস ইবনুল শারীদ আস-সুলামি, আবু আল-খানসা।তিনি বলেন:ধৈর্য সেই বিষয়কে অস্বীকার করেছে যা আমি প্রতিহত করতে সক্ষম নই ... আর আমার ডান হাতটি আমার বাম হাত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।আমি বলি, যখন আমি লাঞ্ছনা ও একাকীত্ব প্রত্যক্ষ করেছি ... হায়! যদি সাখর এবং মুয়াবিয়া আজ আমার সাথে উপস্থিত থাকত!৩০ - আমর ইবন খালিদ ইবনুল শারীদ আস-সুলামি।তিনি বলেন:এটিই আমার অবস্থান এবং আমি আমার কাজকে সুদৃঢ় করেছি ... সুতরাং আমরের মাকে সন্তান হারানোর সুসংবাদ দাও।৩১ - আমর ইবনুল আসলা' আল-আবাসি, একজন অশ্বারোহী কবি যিনি জাফর আল-হাবাআহ নামক স্থানে বনু বদর ইবন আমর আল-ফাযারি থেকে তার প্রতিশোধ গ্রহণ করেছিলেন। এ সম্পর্কে তিনি বলেন:তারা তোমার কাছে এসেছে যেন তারা কালো মেঘের ঈগল ... তাদের কণ্ঠে বংশীধ্বনি প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল।এই প্রসঙ্গে হুযায়ফা ইবন বদর তার ভাই হামালকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, যখন হামাল তাকে বলেছিল: "হে আমর, কিছু অবশিষ্ট রাখো (রেহাই দাও)"। তখন হুযায়ফা বলেছিলেন:প্রচলিত মন্দ কথা থেকে বেঁচে থাকো। আমাদের এই বিষয়ে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া আল-মারওয়াযি, আল-জাহিযের সূত্রে।৩২ - আমর ইবনুল জাওন আল-ফাযারি, তার মা বিন্ত বদর ইবন আমর।তার উক্তি থেকে:আমার মা যদি তোমাদের ছাড়া অন্য কারোর হতো, তবে দেখা যেত ... কায়স ইবন সা'দের জন্য তাদের ভূখণ্ডের নিকটেই রয়েছে রাকম নামক স্থানটি।৩৩ - আমর ইবন সাইয়্যার আল-ফাযারি, কুতবা ইবন সাইয়্যারের ভাই। তিনি সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:ওহে! এমন কোনো বিবেকের অধিকারী আছে কি যে আমার অবাধ্য হয়েছে ... এবং এমন এক হৃদয়ের যে কেবল হাহাকার করতেই জানে?আর এমন এক সত্তার যে সর্বদা অস্থির থাকে ... যেন তার সম্মুখীন হওয়া পরিস্থিতির কারণে সে উন্মাদ হয়ে গেছে।৩৪ - আমর ইবন আনাস ইবন হুযলা ইবন মা'শার আল-গানাবি, জাল্লান গোত্রের।তিনি বলেন:আমার উটগুলো তাদের স্বগোত্রীয়দের স্মরণ করা ছাড়া শান্ত হতে চায় না ... অথচ তোমার কওম সুহাইল নক্ষত্র থেকেও অনেক দূরে এবং বিচ্ছিন্ন।- রাবিআ।
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ৫)
35 - عمرو بن قميئة بن قيس بن ثعلبة، شاعر كبير، معمر، مجيد مُقِلّ، مختار الشعر على قلته، يقال إنّه أرمى على مائة سنة، ذكر أبو عبد الله محمد بن عبد الله بن يعقوب بن داود قال: حدثني أبو عمرو الشيباني قال: نزل امرؤ القيس ببكر بن وائل فضرب قبّته وقال: هل فيكم من يقول الشعر؟ قالوا: شيخ كبير قد خلا من عمره وأتوه بعمرو بن قميئة فلما أنشده شعره أعجب به فاستصحبه وكان معه إلى الروم، قال وأنشدني أبو عمرو الشيباني له:كأنّي وقد جاوزتُ تسعينَ حِجًة … خلعتُ بها عني عِذَار لِجامِرمتني بناتُ الدهرِ من حيث لا أرى … فكيف بمَن يُرمى وليس برامِفلو أنها نَبْلٌ إذن لاتقَّيتُها … ولكنما أُرْمَى بغيرِ سهامِعلى الراحتين مرةً وعلى العصا … أنوءُ ثلاثاً بعدَهُنَّ قياميوأهْوَنُ كفٍّ لا غَيرُكَ ضيرَةً يدٌ بين أَيدٍ في إناءِ طعامِ يَدٌ من غريبٍ أو قريبٍ أتت به شآميةٌ غبراءٌ ذاتُ قَتامِ وأَفني وما أُفْنِي من الدهرِ ليلةً ولم يُغْنِ ما افنيت سِلْكَ نظامِ وأنشد له:لا تَغْبِطِ المرءَ إن يُقال له … أمسى فلانٌ بسّنهِ حَكَماإن يُمْسِ في خفضِ عيشةٍ فلقد … أخنى على الوجهِ طولُ ما سَلِماقال اليعقوبي: وقال رَوح بن عُبادة، وهو من قيس بن ثعلبة صليبةً: كان امرؤ القيس أملك من أن يقول شعراً، وكل شعر يُروى عنه فهو لعمرو بن قميئة. وهذا القول إذا صحَّ عن رَوح لا يخلو من قلّة فهم منه بما بين نمط شعر امرىء القيس وشعر عمرو بن قميئة، وإن كان عمرو محسناً في شعره فليس هو من نظراء امرىء القيس في غزارة الشعر وإصابة المعنى وحسن التشبيهات، وإنما صحب امرأ القيس مدة يسيرة. أو من عصبية على امرىء القيس لعمرو، وليس مكان امرىء القيس من بيت الملك مانعاً له عن قول الشعر. وقد قال امرؤ القيس مما يعاب عليه ومما ليس مشبهاً للملك الذي نشأ فيه وطلبه إلى أن أتى عليه أجله، وقد استجار في طيء جاراً بعد جارٍ، كلّهم أو أكثرهم يغدر به ويتهضّمه حتى حصل على أعْنُزٍ له، وسيقت إبله، فقال:إذا ما لم يكنْ إبلٌ فمِعْزَى … كأنَّ قُرونَ جلَّتِها عِصيُّإذا ما قام حالِبُها أَرَنَّتْ … كأنَّ الحيَّ صبَّحَهم نِعَيُّفتملأَ بيتنا أَقِطَاً وسَمْناً … وحسبُك من غِنىً شِبَعٌ ورِيُّوقد ثبتت أبو عبيدة وغيره من الرواة أمر عمرو بن قميئة مع امرىء القيس، ووصفوا أنّه إياه عَنَى بقوله:بكَى صَاحِبي لمّا رأى الدَّربَ دوننا … وأيقنَ أنَّا لاحِقانِ بقيصرافقلتُ له لا تَبكِ عينُكَ إنَّما … نُحاولُ مُلكاُ أو نَموُتَ فَنُعذَراوكان أعلمني أبو محمد بن قتيبة الدينوري في خبر حدثنيه، لستُ أقوم عليه: أن عمرو بن قميئة هلك في سفر امرىء القيس إلى الروم، فلا أدري في إصعادِه إليه أو في انحداره. ومات امرؤ القيس في منصرفه عن ملك الروم بأنقرة، وقبره هناك معروف.وحُكي لي عن المأمون أنه رآه ورأى صورته هناك في حجر.ولا يُعرف لعمرو بن قميئة خبر بعد صحبته امرأ القيس. وكان امرؤ القيس معتقداً للحلف بين من تحالف من أحياء ربيعة واليمن، وفي ذلك يقول:يا راكباً ابلغ ذوي حلْفِنا … مَنْ كان من كِندةَ أو وائلِوالحيَّ عبدَ القيس حيث انتوَوا … من سَعفِ البحرين والساحلِإنَّا وإيّاهم وما بيننا … كموضِعِ الزَّوْرِ من الكاهلِ36 - عمرو بن سعد بن مالك بن ضُبيعة بن قيس بن ثعلبة، وهو المرقّش الأكبر. ذكر أبو عبد الله بن مسلم الدينوري: أن اسمه عمرو، وأخبرني غيره: أنَّ لقيطَ بن بُكير سمّاه عمراً. وحدثني أبو بكر أحمد بن أبي خيثمة قال أخبرني عبد الله بن أبي كريم عن إسحاق بن مرار أبي عمرو الشيباني: أنّ اسمه عوف بن سعد، وفي نسب ابن الكلبي اسمه عوف. وهو جاهلي قديم جيد الشعر.والمرقّش االأصغر ابن أخيه، وطرفة ابن أخي المرقش الأصغر.ومن قول المرقش الأكبر القصيدة المعروفة:
৩৫ - আমর ইবনে কামিয়াহ ইবনে কায়স ইবনে সা'লাবা; তিনি একজন মহান কবি, দীর্ঘজীবী এবং অত্যন্ত উঁচু মানের কিন্তু অল্প সংখ্যক কাব্য রচয়িতা। তার কবিতা সংখ্যায় কম হলেও তা সংকলিত ও সমাদৃত। বলা হয় যে, তিনি একশ বছরেরও বেশি বেঁচে ছিলেন। আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াকুব ইবনে দাউদ উল্লেখ করেছেন, তিনি বলেন: আবু আমর আশ-শাইবানি আমাকে বলেছেন: ইমরু আল-কায়স বকর ইবনে ওয়ায়েল গোত্রের নিকট অবতরণ করে নিজের তাবু স্থাপন করলেন এবং বললেন: তোমাদের মধ্যে কি এমন কেউ আছে যে কবিতা বলতে পারে? তারা বলল: এক বৃদ্ধ লোক আছে যার জীবন সায়াহ্ন উপস্থিত। তারা তার নিকট আমর ইবনে কামিয়াহকে নিয়ে এল। যখন তিনি তাকে তার কবিতা শোনালেন, তখন তিনি তাতে মুগ্ধ হলেন এবং তাকে নিজের সঙ্গী করে নিলেন। রোম (বাইজেন্টাইন) অভিমুখে যাওয়ার সময় তিনি তার সাথেই ছিলেন। তিনি বলেন, আবু আমর আশ-শাইবানি আমাকে তার (আমরের) এই কবিতাটি শুনিয়েছেন:মনে হচ্ছে আমি যেন নব্বইটি বছর অতিক্রম করেছি … যার মাধ্যমে আমি আমার লাগাম খুলে ফেলেছি।কালের কন্যারা (বিপদাপদ) আমাকে এমন স্থান থেকে নিক্ষেপ করেছে যা আমি দেখতে পাই না … যে নিক্ষিপ্ত হয় অথচ সে নিজে নিক্ষেপকারী নয়, তার অবস্থা কেমন হতে পারে?সেগুলো যদি তীর হতো তবে আমি তা থেকে আত্মরক্ষা করতাম … কিন্তু আমাকে এমন কিছু দ্বারা নিক্ষেপ করা হচ্ছে যা তীর নয়।কখনও দুই হাতের তালুর ওপর ভর দিয়ে, আবার কখনও লাঠির ওপর … তিনবার নড়ার চেষ্টা করার পর আমার দাঁড়ানো সম্ভব হয়।আর সবচেয়ে তুচ্ছ হাত হলো—আপনার কোনো ক্ষতি না করেই বলছি—খাবারের পাত্রে অন্য অনেক হাতের মাঝে থাকা একটি হাত। সেটি কোনো অপরিচিতের হাত হতে পারে বা এমন কোনো আত্মীয়ের, যাকে ধূলিধূসরিত অন্ধকারময় শামী (সিরীয়) বাতাস বয়ে এনেছে। আমি নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছি, কিন্তু মহাকালের একটি রাতও আমি ক্ষয় করতে পারিনি, আর আমি যা নিঃশেষ করেছি তা কোনো সুশৃঙ্খল সুতার মতোও কাজে আসেনি। তিনি তার আরও কবিতা শুনিয়েছেন:কোনো ব্যক্তিকে ঈর্ষা করো না যখন তার সম্পর্কে বলা হয় … অমুক ব্যক্তি বার্ধক্যের কারণে বিজ্ঞ ও বিচারকে পরিণত হয়েছে।সে যদি স্বাচ্ছন্দ্যের জীবনেও উপনীত হয়, তবুও দীর্ঘ সময় নিরুপদ্রব থাকা তার চেহারার লাবণ্য কেড়ে নিয়েছে।ইয়াকুবি বলেন: রাওহ ইবনে উবাদা—যিনি কায়স ইবনে সা'লাবা গোত্রের বিশুদ্ধ বংশোদ্ভূত—বলেছেন: ইমরু আল-কায়স কবিতা বলার চেয়ে রাজত্ব করতেই বেশি আগ্রহী ছিলেন, আর তার নামে বর্ণিত প্রতিটি কবিতাই মূলত আমর ইবনে কামিয়াহর। রাওহর এই উক্তিটি যদি সঠিক হয়ে থাকে, তবে তা ইমরু আল-কায়স এবং আমর ইবনে কামিয়াহর কবিতার শৈলীর পার্থক্য বোঝার ক্ষেত্রে তার অপরিপক্বতারই বহিঃপ্রকাশ। যদিও আমর তার কবিতায় পারদর্শী ছিলেন, তবুও কবিতার প্রাচুর্য, অর্থের সঠিক প্রয়োগ এবং চমৎকার উপমা প্রদানের ক্ষেত্রে তিনি ইমরু আল-কায়সের সমকক্ষ নন। আমর খুব অল্প সময়ের জন্য ইমরু আল-কায়সের সাহচর্যে ছিলেন। অথবা হতে পারে এটি ইমরু আল-কায়সের বিরুদ্ধে এবং আমরের প্রতি পক্ষপাতের কারণে বলা হয়েছে। ইমরু আল-কায়সের রাজবংশীয় মর্যাদা তাকে কবিতা বলা থেকে বিরত রাখার মতো কোনো কারণ ছিল না। ইমরু আল-কায়স এমন কিছু কবিতাও বলেছেন যার সমালোচনা করা হয় এবং যা সেই রাজকীয় মর্যাদার সাথে মানানসই নয় যাতে তিনি বেড়ে উঠেছিলেন এবং মৃত্যু পর্যন্ত যা তিনি অন্বেষণ করেছেন। তিনি তায় গোত্রে একের পর এক আশ্রয়প্রার্থী হয়েছিলেন, কিন্তু তাদের সবাই বা অধিকাংশ তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল এবং তাকে লাঞ্ছিত করেছিল, এমনকি শেষ পর্যন্ত তার কাছে কেবল কয়েকটি ছাগলই অবশিষ্ট ছিল এবং তার উটগুলো ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তখন তিনি বলেছিলেন:যদি উট না থাকে তবে ছাগলই সই … মনে হয় যেন তাদের পালের শিংগুলো একেকটি লাঠি।যখন তাদের দোহনকারী দাঁড়ায়, তখন তারা শব্দ করে … যেন গোত্রের কাছে ভোরে মৃত্যুর সংবাদ পৌঁছেছে।তা আমাদের ঘরকে পনির এবং ঘি দিয়ে পূর্ণ করে দেয় … সচ্ছলতার জন্য তোমার পেটভরা খাবার এবং তৃষ্ণা মেটানোই যথেষ্ট।আবু উবাইদা এবং অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ ইমরু আল-কায়সের সাথে আমর ইবনে কামিয়াহর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা বর্ণনা করেছেন যে, ইমরু আল-কায়স তার এই উক্তিতে তাকেই বুঝিয়েছেন:আমার সাথী কেঁদেছিল যখন সে দেখল আমাদের সামনে গিরিপথ … এবং নিশ্চিত হলো যে আমরা কায়সারের (রোম সম্রাট) কাছে পৌঁছাব।তখন আমি তাকে বললাম, তুমি কেঁদো না, কারণ আমরা … হয় রাজত্ব পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করব অথবা বীরের মতো মৃত্যুবরণ করব।আবু মুহাম্মদ ইবনে কুতাইবা আদ-দিনাওয়ারি আমাকে একটি সংবাদে জানিয়েছিলেন যা আমি পুরোপুরি নিশ্চিত নই যে: আমর ইবনে কামিয়াহ রোম অভিমুখে ইমরু আল-কায়সের সফরের সময় মারা যান; আমি জানি না তা সেখানে যাওয়ার পথে নাকি ফেরার পথে। আর ইমরু আল-কায়স রোম সম্রাট থেকে ফেরার পথে আঙ্কারায় মৃত্যুবরণ করেন এবং সেখানে তার কবর সুপরিচিত।আল-মামুন সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে যে, তিনি তাকে এবং সেখানে একটি পাথরে খোদাই করা তার প্রতিকৃতি দেখেছিলেন।ইমরু আল-কায়সের সাহচর্যের পর আমর ইবনে কামিয়াহর আর কোনো খবর পাওয়া যায় না। ইমরু আল-কায়স রাবিয়া এবং ইয়ামেনের গোত্রগুলোর মধ্যকার চুক্তিতে বিশ্বাসী ছিলেন, আর সে সম্পর্কে তিনি বলেন:হে আরোহী, আমাদের মিত্রদের কাছে সংবাদ পৌঁছে দাও … যারা কিনদাহ অথবা ওয়ায়েল গোত্রের।এবং আব্দুল কায়স গোত্র যেখানেই অবস্থান করুক … বাহরাইনের উপকূলীয় অঞ্চলে।নিশ্চয়ই আমরা এবং তারা, আর আমাদের মধ্যকার সম্পর্ক … ঘাড়ের সাথে পিঠের উপরিভাগের সংযোগস্থলের মতো।৩৬ - আমর ইবনে সাদ ইবনে মালিক ইবনে দুবাইআহ ইবনে কায়স ইবনে সা'লাবা, যিনি আল-মুরাক্কিশ আল-আকবার নামে পরিচিত। আবু আবদুল্লাহ ইবনে মুসলিম আদ-দিনাওয়ারি উল্লেখ করেছেন যে, তার নাম আমর। অন্য একজন আমাকে জানিয়েছেন যে, লাকিত ইবনে বুকাইর তার নাম আমর রেখেছিলেন। আবু বকর আহমদ ইবনে আবি খাইসামা আমাকে বলেছেন, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আবি কারিম থেকে এবং তিনি ইসহাক ইবনে মিরার আবু আমর আশ-শাইবানি থেকে বর্ণনা করেছেন যে: তার নাম আউফ ইবনে সাদ, এবং ইবনুল কালবির বংশতালিকায় তার নাম আউফ পাওয়া যায়। তিনি একজন প্রাচীন জাহেলি কবি এবং অত্যন্ত উঁচু মানের কবিতা রচয়িতা।আল-মুরাক্কিশ আল-আসগার তার ভ্রাতুষ্পুত্র এবং তারাফাহ হলো আল-মুরাক্কিশ আল-আসগারের ভ্রাতুষ্পুত্র।আল-মুরাক্কিশ আল-আকবারের সুপরিচিত কাসিদাগুলো থেকে কিছু অংশ:
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ৬)
هل بالديارِ أنْ تُجيبَ صَمَمْ … لو كان حيُّ بها لتَكلَّمْالدارُ وحشٌ والرسومُ كما … رقَّشَ في ظهرِ الأَديمِ قَلَمْليس على طُولِ الحياةِ نَدَمْ … ومن وراء المرء ما يَعْلمْ37 - عمرو بن حرملة، المرقّش الأصغر حدثني أبو بكر أحمد بن أبي خيثمة، قال أخبرنا غيث بن عبد الكريم الباهلي، قال: المرقش الأصغر: عمرو بن حرملة بن سعد بن مالك. وذكر الدينوري أن اسمه ربيعة بن سفيان بن سعد بن مالك، وأن المرقش الأكبر عمّه أخو أبيه، وهو الذي يقول:أَمِنْ حُلُمٍ أصبحتَ تَنكُتُ واجماً … وقد تعتري الأَحلامُ مَنْ كانَ نائمافمنْ يَلْقَ خيراً يَحمد الناسُ أمرَه … ومَن يغوِ لا يَعْدَمْ على الغيِّ لائماومن قوله:فمَنْ مُبلِغُ الأقوامَ أنَّ مرقّشاً … أَضحى على الأقوامِ عِبئاً مثُقْلاوكانت صاحبة الأول أسماء، وصاحبة الثاني فاطمة ابنة عجلان.38 - عمرو بن العبد بن سفيان بن سعد بن مالك بن ضُبيعة بن قيس بن ثعلبة، وهو طَرَفة، قال أبو عبيدة: كان أُطردَ بسبب هجائه آل المنذر اللخميين، فلحق بالحبشة، وسُمّي بها طرفة بقوله في قصيدته:لا تعجلا بالبكاء اليومَ مُطّرفاً … ولا أميريكما بالدار إذ وَقَفاوأنشدني أحمد بن أبي خيثمة عن عبد الله بن أبي كريم عن أبي عمرو الشيباني لطرفة:فوَجدي بسلمى فوقَ وجدِ مرقّش … بأسماءَ إذ لا تستفيقُ عواذِلُةُلَعَمْرِي لَمَوتُ لا عقُوبةَ بعدَهُ … لذي البَثِّ أشفى من هَوىً لا يُزايلُهُحدثني ابن أبي خيثمة عن الأثرم عن أبي عبيدة: أن لبيد بن ربيعة قال - وقد سُئِل عن الشعراء -: أشعر الناس الملك الضِلّيل، يريد امرأ القيس، ثم الغلام القتيل ابن العشرين، يريد طَرَفة، ثم صاحب المِحْجَن، يعني نفسه. وقال غير أبي بكر إنه قال: ثم الشيخ أبو عقيل، يعني نفسه.قال أبو عبيدة: ورفع لبيد رحمه الله نفسه فوق مقداره في الشعر.39 - عمرو بن قَطَن يلقب جِهنّام، وهو ابن قطن بن المنذر بن عِبدان بن حُذافة بن حبيب بن ثعلبة، وهو مهاجي أعشى بني قيس بن ثعلبة، الذي يقول فيه الأعشى:دَعَوْتُ خَليلي مِسْحَلاً ودَعَوْا له … جِهنّامَ، جَدْعاً للهجينِ المذمَّمِومسحل: شيطان الأعشى فيما زعموا.ومن قول جهنّام:أمُجّاعُ تَزْعمٌ لو أنني … لقيتُ ابن حوّاءَ ما ضرَّنيبلى إنْ يدٌ قبضتْ خمسَها … عليك مكاناً من الأَمكنِ40 - عمرو بن مرثد بن سعد بن مالك بن ضبيعة هو المشهور بكرم الأولاد السادة الفرسان.وفيه يقول طرفة بن العبد:فلو شاءَ ربي كنتُ قيسَ بنَ خالدٍ … ولو شاءَ ربي كنتُ عمرو بنَ مَرْثَدِفأصبحتُ ذا مالٍ كثيرٍ وزارني … بَنونَ كرامٌ سادةٌ لمُسوَّدِومن قول عمرو، ويروى لجدّه سعد بن مالك:يا بؤسَ للحرب التي … وضعتْ أَراهِطَ فاستراحواوالحربُ لا يبقى لجا … مِحِها التخيّلُ والمِراحُإلاّ الفتى الصبّار في النَجدَاتِ والفرسُ الوَقاحومن قوله:لعَمرُ أبيك ما مالي بنخل … ولا طَهْفٍ يطير به الغبارُقال الطائي: الطَهفُ: طعام يشبه الذُرَة.حدثني ابن مهرويه قال: حدثني سهل بن محمد أو غيره قال: قلت لأبي عبيدة: ما الطهف؟ قال: لا أدري فقلت لكيسان أبي سليمان، فقال: هو التِبْنُ فقلت ذلك لأبي عبيدة، فقل: خذ عنه.41 - عمرو بن عبد الله، ذو الكف الأشل بن حُنيف بن ثعلبة بن سعد بن ضُبيعة بن قيس بن ثعلبة، يكنّى أبا جلاّن، فارس شاعر، يقول في فرسه: أَمِنْ دَعَةٍ شهرين عَضَّ رياطَه ونازعَ أطرافَ الجِلالِ المُزَرَّرِفأبْشِر برَبٍ لا تُعرَّى جيادُهُ … وحَرْبٍ تلظّى كالحريقِ المُسَعَّرومن قوله:رَددنا لقاحَ المرءِ جلَاّنَ بعدما … أهَلَّ ورَجَّى الغُنْمَ منها السميدعُ42 - عمرو بن حُباشة بن قِرْواس بن رِزاح بن حبيب بن ثعلبة بن سعد بن قيس بن ثعلبة.الذي يقول:
গৃহগুলোর কি এই ক্ষমতা আছে যে তারা বধিরতার উত্তর দিবে? … যদি সেখানে কোনো জীবিত ব্যক্তি থাকত তবে সে অবশ্যই কথা বলত।বাড়িটি নির্জন এবং এর চিহ্নগুলো এমন … যেন চামড়ার উপরিভাগে কলম দিয়ে নকশা করা হয়েছে।দীর্ঘ জীবনের জন্য কোনো অনুশোচনা নেই … আর মানুষের অগোচরে যা আছে সে তা জানে।৩৭ - আমরো ইবনে হারমালাহ, আল-মুরাক্কিশ আল-আসগার। আবু বকর আহমদ ইবনে আবি খাইসামা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, গাইস ইবনে আবদিল কারিম আল-বাহিলি আমাদের জানিয়েছেন যে, আল-মুরাক্কিশ আল-আসগার হলেন: আমরো ইবনে হারমালাহ ইবনে সাদ ইবনে মালিক। দিনাওয়ারী উল্লেখ করেছেন যে তার নাম রাবিআহ ইবনে সুফিয়ান ইবনে সাদ ইবনে মালিক, আর আল-মুরাক্কিশ আল-আকবার হলেন তার চাচা (পিতার ভাই), যিনি বলেছিলেন:তুমি কি কোনো স্বপ্নের কারণে বিষণ্ণ হয়ে মাটিতে দাগ কাটছ? … অথচ স্বপ্ন তো ঘুমন্ত ব্যক্তির ওপর ভর করতে পারে।যে ব্যক্তি কল্যাণের দেখা পায়, মানুষ তার কাজের প্রশংসা করে … আর যে পথভ্রষ্ট হয়, সে তার পথভ্রষ্টতার জন্য কোনো না কোনো নিন্দুক অবশ্যই পায়।তার আরও কিছু পংক্তি:গোত্রগুলোর কাছে কে এই বার্তা পৌঁছে দিবে যে, মুরাক্কিশ … গোত্রগুলোর ওপর এক ভারী বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।প্রথমজনের প্রেয়সী ছিল আসমা এবং দ্বিতীয়জনের প্রেয়সী ছিল ফাতিমা বিনতে আজলান।৩৮ - আমরো ইবনুল আবদ ইবনে সুফিয়ান ইবনে সাদ ইবনে মালিক ইবনে দুবাইআহ ইবনে কায়স ইবনে সালাবা, তিনি হলেন তারাফা। আবু উবাইদাহ বলেন: আল-মুনজির আল-লাখমি রাজবংশকে ব্যঙ্গ করার কারণে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল, ফলে তিনি হাবশায় চলে যান। তার কবিতার এই চরণের কারণে তাকে সেখানে তারাফা নামকরণ করা হয়:আজ চোখের প্রান্তভাগ (মুতাররিফ) দিয়ে কাঁদতে তাড়াহুড়ো করো না … আর না তোমাদের সেই দুই নেতার জন্য, যখন তারা সেই বাড়িতে দাঁড়িয়েছিল।আহমদ ইবনে আবি খাইসামা, আবদুল্লাহ ইবনে আবি কারিম থেকে এবং তিনি আবু আমরো আশ-শাইবানি থেকে আমার কাছে তারাফার এই কবিতাটি পাঠ করেছেন:সালমার প্রতি আমার ব্যাকুলতা মুরাক্কিশের আসমার প্রতি ব্যাকুলতার চেয়েও বেশি … যখন তার নিন্দুকরা ক্ষান্ত হয় না।আমার জীবনের কসম, এমন মৃত্যু যার পরে আর কোনো শাস্তি নেই … তা শোকাতুর ব্যক্তির জন্য এমন প্রেম থেকে অধিক আরামদায়ক যা তাকে ছেড়ে যায় না।ইবনে আবি খাইসামা আল-আসাম থেকে এবং তিনি আবু উবাইদাহ থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে: লাবিদ ইবনে রাবিআহকে যখন কবিদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেছিলেন—মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ কবি হলেন সেই 'ভবঘুরে রাজা' (আল-মালিকু আদ-দিললিল), অর্থাৎ ইমরুল কায়স; তারপর সেই 'নিহত কিশোর' যে বিশ বছর বয়সে মারা গিয়েছিল, অর্থাৎ তারাফা; তারপর 'আংটাযুক্ত লাঠির অধিকারী' (সাহিবুল মিহজান), অর্থাৎ তিনি নিজে। আবু বকর ব্যতীত অন্য বর্ণনাকারীগণ বলেন যে, তিনি বলেছিলেন: এরপর 'বৃদ্ধ আবু আকিল', অর্থাৎ তিনি নিজে।আবু উবাইদাহ বলেন: লাবিদ (আল্লাহ তার ওপর রহম করুন) কবিতায় নিজের মর্যাদাকে বাস্তবের চেয়েও উঁচুতে তুলে ধরেছিলেন।৩৯ - আমরো ইবনে ক্বাতান, যার উপাধি জিহিন্নাম। তিনি হলেন ক্বাতান ইবনুল মুনজির ইবনে আবদান ইবনে হুজাফা ইবনে হাবিব ইবনে সালাবার পুত্র। তিনি বনু কায়স ইবনে সালাবার কবি আল-আশার সাথে কাব্যযুদ্ধে লিপ্ত হতেন। তার সম্পর্কেই আল-আশা বলেছিলেন:আমি আমার বন্ধু মিসহালকে (এক জিন) ডেকেছিলাম, আর তারা তার জন্য ডাকল … জিহিন্নামকে; সেই নিন্দিত হীনের জন্য অপমান অবধারিত।মানুষের ধারণা অনুযায়ী মিসহাল ছিল আল-আশার সঙ্গী শয়তান।জিহিন্নামের কিছু কথা:হে মুজ্জা', তুমি কি ধারণা করো যে যদি আমি … হাওয়ার পুত্রের সাথে সাক্ষাৎ করতাম তবে সে আমার কোনো ক্ষতি করতে পারত না?হ্যাঁ, যদি কোনো হাত তার পাঁচ আঙ্গুল তোমার ওপর … কোনো এক স্থানে মুষ্টিবদ্ধ করত (তবে বুঝতে পারতে)।৪০ - আমরো ইবনে মারসাদ ইবনে সাদ ইবনে মালিক ইবনে দুবাইআহ। তিনি তার সন্তানদের দানশীলতা এবং তাদের বীর ও নেতা হওয়ার কারণে প্রসিদ্ধ ছিলেন।তার সম্পর্কে তারাফা ইবনুল আবদ বলেন:যদি আমার প্রতিপালক চাইতেন তবে আমি কায়স ইবনে খালিদ হতাম … আর যদি আমার প্রতিপালক চাইতেন তবে আমি আমরো ইবনে মারসাদ হতাম।তবে আমি হতাম প্রচুর সম্পদের অধিকারী এবং আমার কাছে আসত … সম্মানিত ও নেতা পর্যায়ের সন্তানগণ, যারা এক নেতার সন্তান।আমরো এর কিছু উক্তি, যা তার দাদা সাদ ইবনে মালিকের বলেও বর্ণিত আছে:আফসোস সেই যুদ্ধের জন্য যা … বিভিন্ন দলকে ধরাশায়ী করেছে, ফলে তারা চিরবিশ্রাম লাভ করেছে।যুদ্ধ তার জেদি নেতার জন্য কোনো কল্পনা … বা আমোদ-প্রমোদ অবশিষ্ট রাখে না।কেবল সেই যুবক ছাড়া যে বিপদাপদে ধৈর্যশীল এবং সেই ঘোড়া যা অত্যন্ত শক্তিশালী।তার আরও উক্তি:তোমার পিতার জীবনের কসম, আমার সম্পদ খেজুর বাগান নয় … আর না তা 'তাহফ' যা ধুলোর সাথে উড়ে যায়।আত-তাঈ বলেন: 'তাহফ' হলো ভুট্টার মতো এক প্রকার খাদ্য।ইবনে মাহরুওয়াইহ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাহল ইবনে মুহাম্মদ বা অন্য কেউ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, আমি আবু উবাইদাহকে বললাম: 'তাহফ' কী? তিনি বললেন: আমি জানি না। তখন আমি আবু সুলাইমান কায়সানকে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন: তা হলো খড় বা তুষ। আমি আবু উবাইদাহকে তা জানালে তিনি বললেন: তার থেকেই জ্ঞান গ্রহণ করো।৪১ - আমরো ইবনে আবদুল্লাহ, যুল কাফ্ফ আল-আশাল ইবনে হুনায়েফ ইবনে সালাবা ইবনে সাদ ইবনে দুবাইআহ ইবনে কায়স ইবনে সালাবা। তার উপনাম ছিল আবু জাল্লান। তিনি একাধারে বীর ও কবি ছিলেন। তিনি তার ঘোড়া সম্পর্কে বলেন: দুই মাসের আরামের কারণে কি সে তার জিনের ফিতা কামড়ে ধরছে … আর বোতামযুক্ত ঝুলের প্রান্তভাগ নিয়ে টানাটানি করছে?তবে এমন এক রবের সুসংবাদ গ্রহণ করো যার ঘোড়াগুলো কখনো নগ্ন (প্রস্তুতিহীন) থাকে না … আর এমন এক যুদ্ধের যা প্রজ্বলিত আগুনের মতো লেলিহান।তার আরও উক্তি:আমরা জাল্লান নামক ব্যক্তির দুগ্ধবতী উষ্ট্রীগুলো ফিরিয়ে দিয়েছি … যখন সামাইদা নামক ব্যক্তি চিৎকার করে উঠল এবং সেখান থেকে গনিমতের আশা করল।৪২ - আমরো ইবনে হুবাহশাহ ইবনে কিরওয়াস ইবনে রিজাহ ইবনে হাবিব ইবনে সালাবা ইবনে সাদ ইবনে কায়স ইবনে সালাবা।যিনি বলেন:
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ৭)
ولو شَهَدتني يومَ خِضْرم سَرَّها … وقوفي على صدر المُقام ومُقْدَميوقال أيضاً:ماذا أرَدتَ إلى ثلاث صنابرٍ … حُمّ الجذوع بهنَّ ليثٌ أغلبُ43 - عمرو بن الحارث بن همام، يلقب ابن زبابة وهو من بني تيم الله بن ثعلبة. والزبابة فأرة من فأر الحرّة.ومن قوله، أنشدنيه أحمد بن يحيى عن ابن الأعرابي:ما لِدَدٍ ما لِدَدٍ ما لَهُ؟ … يبكي وقد نعّمتُ، ما بالُه؟نُبّئْتُ لأياً عارضاً رُمْحَه … في سِنةٍ يُوعِدُ أخوالهُوتلك منه غير مأمونةٍ … أن يفعل الشيء الذي قالَهُإنّي وأخوالي بني عائشٍ … كالليث إذ يمنعُ أشبالهإنك يا عمرو وترك الندى … كالعبد إذ قيَّد أجمالهُ44 - عمرو بن شيبان بن ذُهل بن ثعلبة بن عُكابة.يقول:وهل خُبّرتَ قبلكَ يَشكُريّاً … تَسُدُّ عليَّ عِزَّتُه الطريقا45 - عمرو بن لأيّ بن مَوْأَلَة بن عائذ بن ثعلبة، من بني تيم الله بن ثعلبة، الذي يقول:عمرو بن هندٍ إنَّ مَهْلكةً … قولُ السّفَاهِ وشدَّةُ الغَشْمِ46 - عمرو بن قيس بن شُراحيل بن مُرّه، وهو الذي يجيب ذَريح بن جَزْء، فيقول له:بنو الحِصْنِ أصحابُ الثنيّة والأُلَى … غداة قِضاتٍ حَلَّقوا منهم اللّممْيريد يوم التحالق، يوم الحارث بن عُباد على تغلب.47 - عمرو بن مُرّة الشيباني.هو الذي يقول في تميم:أَصبنا عبدَ شمسٍ يوم قَوٍّ … ولم تنفع غَداةَ اذٍ مُناها48 - عمرو بن ثعلبة بن أسعد بن همّام بن مرّة الشيباني.هو الذي يقول، أنشدنيها ثعلب وغيره:تَجانَفَ رضوانُ عن ضيفِهِ … ألم تأتِ رضوانَ عني النُذُرْوحسبُكَ في القومِ أن يعلموا … بأنك فيهم غِنيٌّ مُضِرْفأنتَ مِحَلُّك دونَ العرا … قِ تَباعدَ رفدُك من أن تَصُرْوأنتَ مَسِيخْ كلحم الحُوارِ … فلا أنتَ حلوٌ ولا أنتَ مُرَفأَيّهْ بَوْطَبيك تحتَ الروا … قِ واسْعَ رويداً ولا تنبهِرْ49 - عمرو الأَصمّ، أبو مفروق الشيباني، وهو عمرو بن قيس بن مسعود بن عامر بن أبي ربيعة بن ذُهل بن شيبان.هو الذي يقول في يوم المقاد، وكان على بني تغلب: إنّ المَقاد به قتلَى مصرّعة أودَتْ بها منكم ذُهَلُ بنُ شيبانِ 50 - عمرو بن خالد بن محمود بن عمرو بن مرثد الضُبَعي، يقول:إنّ الفوارسَ يومَ ناعِجة النقا … نعمَ الفوارسُ من بني سيّارِلحقوا على لُحُقِ الأياطل كالقنا … قُودٍ تُعَدُّ لكلِّ يوم غِوارِ51 - عمرو بن مالك بن زيد بن عائش بن مالك بن تيم الله بن ثعلبة بن عكابة.يقول:بعواضة الذّفَرى مُكايلةٍ … كَوماءَ مَوقِعُ رَحْلِها جَسْرُ52 - عمرو بن كلثوم بن مالك بن عتّاب بن زهير بن جُشَم التغلبي، ويكنّى أبا الأسود، شاعر فارس مقدّم سيدٌ فاتك، ولابنه الأسود شعرٌ، وهو بيت تغلب. أخبرني أبو بكر أحمد بن أبي خيثمة قال: حدثنا علي بن المغيرة الأثرم، عن أبي عبيدة قال: عمرو بن كلثوم صاحب قصيدة واحدة جيدة ليست له ثانية مثلها، وهي قوله:ألا هُبّي بصحنكِ فاصبحينا … ولا تبقي خمورَ الأندرينامُشعشَعةً كأنَّ الحُصَّ فيها … إذا ما الماءُ خالطها سَخِيناحدثني أبو العباس ثعلب قال: يريد فعلنا من السخاء، وليس يريد سخونة الماء، وفيها يقول:صددتِ الكأسَ عنّا أمَّ عمروا … وكان الكأس مجراها اليميناوما شرُّ الثلاثةِ أمَّ عمرو … بصاحبك الذي لا تُصْبحينا
যদি তুমি খিযরামের দিনে আমাকে দেখতে, তবে তা তোমাকে আনন্দিত করত … মাকামের সম্মুখভাগে আমার অবস্থান ও আমার অগ্রযাত্রা।তিনি আরও বলেন:তিনটি কড়কড়ে শুকনা কাঠের টুকরো দিয়ে তুমি কী করতে চেয়েছিলে? … যার গোড়ায় এক শক্তিশালী সিংহ অবস্থান করছে।৪৩ - আম্র বিন আল-হারিস বিন হাম্মাম, তাকে ইবনে জুবাবাহ উপাধি দেওয়া হয় এবং তিনি বনু তায়মুল্লাহ বিন সা’লাবাহ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। জুবাবাহ হলো হাররা অঞ্চলের এক প্রকার ইঁদুর।তার কবিতা থেকে আহমদ বিন ইয়াহইয়া ইবনুল আ’রাবি সূত্রে আমাকে শুনিয়েছেন:লিদাদ-এর কী হলো? তার কী হয়েছে? … সে কাঁদছে কেন অথচ আমি তাকে নেয়ামত দিয়েছি, তার বিষয় কী?আমাকে জানানো হয়েছে যে, লা’ই তার বর্শাটি আড়াআড়িভাবে ধরে আছে … এবং ঘুমের ঘোরে সে তার মামাদের ভয় দেখাচ্ছে।আর তার পক্ষ থেকে এ বিষয়টি নিশ্চিত নয় যে, … সে যা বলেছে তা করে দেখাবে।আমি এবং আমার মামারা বনু আইশ গোত্রের, … ঠিক সেই সিংহের মতো যে তার শাবকদের রক্ষা করে।হে আম্র! তোমার দানশীলতা ত্যাগ করাটা … ঠিক সেই গোলামের মতো যে তার উটগুলোকে বেঁধে রাখে।৪৪ - আম্র বিন শায়বান বিন জুহল বিন সা’লাবাহ বিন উকাবাহ।তিনি বলেন:তোমার পূর্বে কি এমন কোনো ইয়াশকুবি ব্যক্তির খবর শুনেছ, … যার প্রতাপ আমার পথ আটকে দেয়?৪৫ - আম্র বিন লা’ই বিন মাওআলাহ বিন আইজ বিন সা’লাবাহ, বনু তায়মুল্লাহ বিন সা’লাবাহ গোত্র থেকে, যিনি বলেন:হে আম্র বিন হিন্দ! নিশ্চয়ই ধ্বংসের কারণ হলো … মূর্খতাপূর্ণ কথা এবং চরম জুলুম।৪৬ - আম্র বিন কায়স বিন শুরাহিল বিন মুররাহ। তিনি যারিহ বিন জায-এর উত্তর দিতে গিয়ে বলেন:বনু হিসন হলো সানিয়্যাহর অধিবাসী এবং তারা সেই লোক, … যারা যুদ্ধের ভোরে প্রতিপক্ষের চুল মুণ্ডন করে দিয়েছিল।তিনি ‘আল-তাহালুক’ দিবসের কথা বুঝিয়েছেন, যা ছিল তাগলিব গোত্রের বিরুদ্ধে হারিস বিন উবাদের যুদ্ধের দিন।৪৭ - আম্র বিন মুররাহ আশ-শায়বানি।তিনি তামীম গোত্র সম্পর্কে বলেন:আমরা কাও-এর যুদ্ধে আবদে শামসকে পাকড়াও করেছি … সেদিন তাদের আকাঙ্ক্ষা কোনো কাজে আসেনি।৪৮ - আম্র বিন সা’লাবাহ বিন আস’আদ বিন হাম্মাম বিন মুররাহ আশ-শায়বানি।তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি বলেন (সা’লাব ও অন্যরা আমাকে এটি শুনিয়েছেন):রিদওয়ান তার মেহমান থেকে বিমুখ হয়েছে … রিদওয়ানের কাছে কি আমার পক্ষ থেকে সতর্ককারী পৌঁছেনি?তোমার সম্প্রদায়ের মধ্যে এটিই জানার জন্য যথেষ্ট যে, … তুমি তাদের জন্য এক ক্ষতিকর প্রাচুর্য।তোমার অবস্থান তো ইরাকের নিচু ভূমিতে … তোমার সাহায্য এতই দূরে যে তা পাওয়া দুঃসাধ্য।তুমি তো উটের বাচ্চার বিস্বাদ মাংসের মতো, … তুমি মিষ্টিও নও, আবার তেতোও নও।তাঁবুর নিচে তোমার মশক দুটির মুখ খুলে দাও … আর ধীরে চলো, হাঁপিয়ে যেও না।৪৯ - আম্র আল-আসাম্ম, আবু মাফরুক আশ-শায়বানি, তিনি হলেন আম্র বিন কায়স বিন মাসউদ বিন عامر বিন আবি রাবিয়াহ বিন জুহল বিন শায়বান।তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি আল-মাকাদ দিবসের যুদ্ধে বনু তাগলিবের বিরুদ্ধে বলেছিলেন: আল-মাকাদে অনেক নিহত ব্যক্তি মাটিতে লুটিয়ে আছে, যাদের তোমাদের মধ্য থেকে জুহল বিন শায়বান গোত্র ধ্বংস করেছে।
৫০ - আম্র বিন খালিদ বিন মাহমুদ বিন আম্র বিন মারসাদ আদ-দুবায়ি, তিনি বলেন:না’ইজাতুন নাকার যুদ্ধের দিনে সেই অশ্বারোহীরা … বনু সাইয়ারের কতই না চমৎকার অশ্বারোহী ছিল!তারা দীর্ঘদেহী ও কৃশকায় ঘোড়ার পিঠে বর্শার মতো ক্ষিপ্র গতিতে আক্রমণ করেছিল, … যা প্রতিদিনের অতর্কিত হামলার জন্য প্রস্তুত রাখা হতো।৫১ - আম্র বিন মালিক বিন যাইদ বিন আইশ বিন মালিক বিন তায়মুল্লাহ বিন সা’লাবাহ বিন উকাবাহ।তিনি বলেন:চওড়া কানের সেই উটনিটির বিনিময়ে, … যার বিশাল কুঁজের ওপর হাওদা বসানোর জায়গাটি অত্যন্ত মজবুত।৫২ - আম্র বিন কুলসুম বিন মালিক বিন আত্তাব বিন যুহাইর বিন জুশাম আত-তাগলিবি, তার উপনাম আবু আল-আসওয়াদ। তিনি একজন অশ্বারোহী কবি, সমঝদার নেতা ও সাহসী লড়াকু ব্যক্তি ছিলেন। তার পুত্র আসওয়াদেরও কবিতা রয়েছে এবং সেটিই তাগলিব গোত্রের প্রধান ঘরানা। আবু বকর আহমদ বিন আবি খায়সামাহ আমাকে বলেছেন: আলী বিন আল-মুগিরাহ আল-আসরাম আবু উবায়দাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে: আম্র বিন কুলসুম কেবল একটি চমৎকার কাসিদার রচয়িতা, এর সমতুল্য দ্বিতীয় কোনো কবিতা তার নেই। আর তা হলো তার এই উক্তি:ওহে সাকী! ওঠো তোমার পেয়ালা নিয়ে আমাদের সকালের পানীয় দাও … আর আন্দারিনের শরাব থেকে কিছুই অবশিষ্ট রেখো না।এমন স্বচ্ছ পানীয় যেন তাতে জাফরান মেশানো হয়েছে, … যখন তাতে পানি মেশানো হয় তখন তা উথলে ওঠে।আবু আল-আব্বাস সা’লাব আমাকে বলেছেন: এখানে কবি ‘সাখিনা’ শব্দ দিয়ে দানশীলতা (সাখা) বুঝিয়েছেন, পানির উষ্ণতা (সাখুনাহ) নয়। এতে তিনি আরও বলেন:হে উম্মে আম্র! তুমি আমাদের থেকে পেয়ালাটি সরিয়ে নিলে, … অথচ পেয়ালাটি ডান দিক থেকেই আবর্তিত হচ্ছিল।হে উম্মে আম্র! সেই তিনজনের মধ্যে তোমার সেই সাথী তো নিকৃষ্ট নয়, … যাকে তুমি সকালে পানীয় পান করাওনি।
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ৮)
الرواة جميعاً يروونهما له، والمفضل يذكر إنهما لعمرو بن عَدِي بن أخت جَذيمة الوضّاح، وأنَّ الحنَّ استهوته، ثم أفلت منها فطلب الريف، ووقع إلى مالك وعقيل نديمي جَذيمة فأسعفاه، ثم شربا ولم يسقياه، فقال البيتين فنسباه فلما انتسب ألبساه حلَّةً كريمة وقلَّما أظفاره وأخذا شَعر وحملاه إلى خاله، فلما رآه حكَّمهما، فاحتكما منادمته، فضربت بهما وبه العرب المثل.وفيها وعيدٌ من عمرو بن كلثوم لعمرو بن هند، منه قوله:تَهدَّدَننا وأوْعِدْنا رويداً … متى كنّا لأمكَ مَقْتوَيناقلت للدينوري: ما واحدُه؟ قال: مَقتاء مثل مغزاء وجمعه مقتوين.حدثنا أبو بكر أحمد بن أبي خيثمة عن الأثرم عن أبي عبيدة بخبر مقتل عمرو بن هند وكان يُسمّى مضرِّطُ الحجارة لشدة عقوبته، وليس هذا الكتاب موضع ذكره.وجملته أنْه سيد العرب وأمُّهُ سيّدة نسائها، وأنّه لا هضيمة على عربيّ في أن تخدم أمُّه أمَّه، فقيل له: إن عمرو بن كلثوم لا يُقرُّ ذلك، فأمر بإحضاره وإحضار أمّهِ، وهي ليلى بنت كُليب وائل، وخرج مُتَبدِّياً، وجعل أمَّ عمرو مع أمِّه، وأقعد عمراً معه، وأمر أمَّه باستخدامها، فقالت لها: يا هند ناوليني كذا، فقالت: لتَقُمْ صاحبة الحاجة إلى حاجتها، فأعادت الجواب، فقالت: لتفعلنّ ما أمرتُك به. فقالت: واذُلاّه يا آل تغلب، قال: فسمع عمرو بن كلثوم الكلام، وسيفُ الملك معلّق على قائمة الفسطاط، فوثب فاستلَّهُ ثم ضرب به عنق عمرو بن هند، وخرج إلى باب الفسطاط فنادى في تغلب، فنهبوا العسكر، وتخلّص أمّه وقومه، رحل بهم، فما زال عزيزاً منيعاً، بعدُ، لا يُطمع فيه إلى أن قتل نفسه بشرب الخمر صرفاً لما أسنَّ وتضعَّفه بنوه وبنو أخيه، وفي ذلك يقول جابر بن حُنَيّ التغلبي:لعَمرُكَ ما عمرو بن هند وقد دعا … لتخدمَ ليلى أمَّه بمُوفَّقِفقام ابن كلثومٍ إلى السيف مُغْضَباً … فأمسكَ من نَدْمانِه بالمُخْنَّقِ53 - عمرو بن ناشرة بن المُسْتَعر بن ماويَة بن عمرو بن شيبان بن ذُهل بن ثعلبة بن عكابة بن صعب بن علي بن بكر بن وائل.شاعر قديم هو الذي أزال رئاسة يَشكُر بن بكر عن ربيعة وقتل فرخ النسر الذي كان ليشكر اللخمي، فانتقلت الرئاسة إلى ولد ثعلبة بن عكابة، وهو الحِصْن، وقال في ذلك:نحن هدمنا عزَّ يَشْكُرَ بعدما … مَضت حِقبة تحمي الرياضَ وتغشمُونحن وطئنا هامةَ الفرخِ إذْ عَسا … على حين لا يُغشى ولا يتظلمُونحن سلبنا البكر جمعاً مكوَّساً … فأصبح فينا لحمُهُ يُتقسَّمُ54 - عمرو بن حُنَيّ التغلبي فارس مذكور، أنشدني أبو بكر عن أبي خيثمة قال أنشدنا علي بن المغيرة الأثرم عن أبي عبيدة، له:وكنّا إذا الجَبّارُ صَعَّر خدَّه … أقمنا له من مَيلهِ فتقوّماقال يريد: فتقوّم أنت، وهذا البيت يُروى في قصيدة المتلمّس التي أولها:يُعيّرني أُمّيِ رجالٌ ولن ترى … أخا كرمٍ إلاّ بأنْ يتكرَّماويقول فيها:وكنّا إذا الجبّار صعّر خدّه … أقمنا له من ميلهِ فتقوّماومن قصيدة عمرو بن حُنيّ:أَنِفْتُ لهم من عَقْلِ عمرو بن مرثدٍ … إذا وَرَدْوا ماءً ورُمْح ابنِ هَرْثَمِ55 - عمرو بن عِكَبّ العجليّ يقول:هل بالديار أبا الهلّوات من صَمَمِ … أم هل عليكَ بأتْي الدار من لَمَمِ56 - عمرو بن عبد الله بن معاوية بن عبد سعد بن جُشَم العِجلي، القائل: إذا أُخمِدَ النيرانُ من حَذَرِ القرَى رأيتَ سنا ناري يُشَبُّ اضْطِرامُها 57 - عمرو بن الحارث بن عبد الله بن قيس بن حارثة العِجلي، أبو هَوْبر، وهو أبو هانئ.من قوله:وأبدلتَه من العجيبة إذ شتا … رغائبَ هَزْلَى ما ينام جَزوعُها58 - عمرو بن قيس كِبْد الحَصاة، من ضُبيعة بن عجل بن لُجيم، وهو الذي يقول:صبوتَ، وبعضُ الجهل ما يُتذكَّرُ … وصبرُكَ عن ليلى أعفُّ وأسترُونُبِئتُ أنَّ الحيَّ كلباً وطيّئاً … وغسانَ أنصارُعليها السَنوَّرُ
বর্ণনাকারীগণ সকলেই এই দু’টি কবিতা তার বলে বর্ণনা করেছেন। আল-মুফাদ্দাল উল্লেখ করেছেন যে, এই দু’টি কবিতা জাযীমা আল-ওয়াজ্জাহ-এর ভাগ্নে আমর ইবনে আদী-এর। তার সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, জ্বিনেরা তাকে মোহাচ্ছন্ন করে নিয়ে গিয়েছিল, তারপর সে তাদের থেকে মুক্তি পেয়ে লোকালয়ের সন্ধান করে। সে জাযীমার দুই মদ্যপায়ী সঙ্গী মালিক ও আকীলের কাছে গিয়ে পৌঁছালে তারা তাকে সাহায্য করে। এরপর তারা মদ্যপান করে কিন্তু তাকে পান করায়নি। তখন সে এই দু’টি চরণ পাঠ করে, যা শুনে তারা তাকে চিনে ফেলে। যখন সে নিজের পরিচয় দিল, তখন তারা তাকে একটি মূল্যবান পোশাক পরিধান করিয়ে দেয়, তার নখ কেটে দেয় এবং চুল ছেঁটে তার মামার কাছে নিয়ে যায়। মামা যখন তাকে দেখলেন, তখন তিনি ওই দুই ব্যক্তিকে তাদের ইচ্ছানুযায়ী পুরষ্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। তারা তার সাথে মদ্যপানের সঙ্গী হওয়ার প্রার্থনা করল। আরবদের মধ্যে তাদের ও তার দৃষ্টান্ত দেওয়া হয়।এতে আমর ইবনে কুলসুম কর্তৃক আমর ইবনে হিন্দের প্রতি একটি হুমকি রয়েছে, যার মধ্যে তার এই উক্তিটিও আছে:তুমি আমাদের ভয় দেখাও এবং ধীরেসুস্থে আমাদের হুমকি দাও … কবে থেকে আমরা তোমার মায়ের ভৃত্য হয়ে গেলাম?আমি আদ-দিনাওয়ারীকে জিজ্ঞাসা করলাম: এর একবচন কী? তিনি বললেন: মাকতা, যেমন মাগযা; আর এর বহুবচন মাকতাওয়াইনা।আবু বকর আহমদ ইবনে আবি খাইসামা আমাদের আল-আছরাম থেকে এবং তিনি আবু উবায়দা থেকে আমর ইবনে হিন্দের হত্যার কাহিনী বর্ণনা করেছেন। তার কঠোর শাস্তির কারণে তাকে 'মুদাররিতুল হিজারাহ' (পাথরকে বায়ুত্যাগে বাধ্যকারী) বলা হতো। এই বইটি তার বিস্তারিত আলোচনার স্থান নয়।সারকথা হলো, সে ছিল আরবদের নেতা এবং তার মা ছিলেন আরব নারীদের নেত্রী। কোনো আরবের কাছেই এতে হীনম্মন্যতার কিছু ছিল না যে তার মা অন্য কারো মায়ের সেবা করবে। কিন্তু তাকে বলা হলো যে, আমর ইবনে কুলসুম এটি স্বীকার করবে না। তখন সে আমর ইবনে কুলসুম ও তার মা লায়লা বিনতে কুলাইব বিন ওয়ায়েলকে উপস্থিত করার আদেশ দিল। সে মরু এলাকায় বেরিয়ে গেল এবং আমরের মাকে নিজের মায়ের সাথে রাখল এবং আমরকে নিজের সাথে বসাল। সে তার মাকে নির্দেশ দিল যেন সে আমরের মাকে দিয়ে কোনো কাজ করিয়ে নেয়। আমরের মা তাকে বললেন: হে হিন্দ, আমাকে অমুক জিনিসটি দাও। তিনি উত্তর দিলেন: যার প্রয়োজন সে নিজেই গিয়ে নিজের প্রয়োজন পূরণ করুক। সে পুনরায় একই কথা বলল, তখন তিনি বললেন: আমি তোমাকে যা আদেশ করছি তা অবশ্যই করবে। তখন আমরের মা চিৎকার করে উঠলেন: হায় লাঞ্ছনা! হে তাগলিব গোত্র! বর্ণনাকারী বলেন, আমর ইবনে কুলসুম এই কথা শুনতে পেলেন। তখন সম্রাটের তলোয়ারটি তাঁবুর খুঁটিতে ঝুলানো ছিল। তিনি লাফিয়ে উঠে তা বের করলেন এবং তা দিয়ে আমর ইবনে হিন্দের গর্দান উড়িয়ে দিলেন। এরপর তিনি তাঁবুর দরজার দিকে বেরিয়ে গিয়ে তাগলিব গোত্রকে ডাকলেন। তারা সৈন্যবাহিনীকে লুণ্ঠন করল এবং তার মা ও কওমকে মুক্ত করে নিয়ে রওনা হলেন। এরপর থেকে তিনি চিরকাল অত্যন্ত সম্মানিত ও অজেয় ছিলেন, কেউ তার ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারত না। অবশেষে বার্ধক্যে উপনীত হয়ে এবং নিজের ও ভাইয়ের সন্তানদের অবহেলা দেখে অতিরিক্ত মদ্যপানে তিনি প্রাণ ত্যাগ করেন। এ প্রসঙ্গে জাবির ইবনে হুনাই আত-তাগলিবি বলেন:তোমার জীবনের শপথ! আমর ইবনে হিন্দ যখন লায়লাকে তার মায়ের সেবা করতে ডেকেছিল, তখন সে মোটেই সফল হতে পারেনি।ইবনে কুলসুম রাগান্বিত হয়ে তরবারির দিকে ছুটে গেল … আর তার মদ্যপায়ী সঙ্গীদের টুঁটি চেপে ধরল।53 - আমর ইবনে নাশিরা ইবনে আল-মুস্তা’ইর ইবনে মাওয়িয়া ইবনে আমর ইবনে শায়বান ইবনে যুহাল ইবনে ছালাবা ইবনে উকাবা ইবনে সা’ব ইবনে আলী ইবনে বকর ইবনে ওয়ায়েল।তিনি একজন প্রাচীন কবি। তিনিই রবীয়া গোত্রের ওপর ইয়াশকর ইবনে বকরের নেতৃত্ব খতম করেছিলেন এবং ইয়াশকর আল-লাখমীর মালিকানাধীন ফারখ আন-নাসরকে হত্যা করেছিলেন। ফলে নেতৃত্ব ছালাবা ইবনে উকাবার সন্তানদের কাছে হস্তান্তরিত হয়, আর সেটিই হলো আল-হিসন। এ সম্পর্কে তিনি বলেছেন:আমরা ইয়াশকরের সম্মান ধূলিসাৎ করেছি, দীর্ঘকাল তারা চারণভূমি রক্ষা ও দাপট দেখানোর পর।আমরা ফারখের মস্তক পদদলিত করেছি যখন সে অবাধ্য হয়েছিল … এমন এক সময়ে যখন তাকে কেউ আক্রমণ করত না বা জুলুম করত না।আমরা বকরের সমস্ত সম্পদ ছিনিয়ে নিয়েছি … ফলে তাদের গোশত আমাদের মাঝে বণ্টিত হতে লাগল।54 - আমর ইবনে হুনাই আত-তাগলিবি একজন প্রসিদ্ধ বীর। আবু বকর আবু খাইসামা থেকে এবং তিনি আলী ইবনে আল-মুগীরা আল-আছরাম থেকে এবং তিনি আবু উবায়দা থেকে তার এই কবিতাটি আমাকে শুনিয়েছেন:অত্যাচারী যখন অহংকারে মুখ ঘুরিয়ে নিত … তখন আমরা তার বক্রতা সোজা করে দিতাম।তিনি বলেন, এর অর্থ হলো: তুমি সোজা হয়ে যাও। এই চরণটি আল-মুতালম্মিসের সেই কাসিদাতেও বর্ণিত হয়েছে যার শুরু হলো:কিছু লোক আমার মায়ের কারণে আমাকে তুচ্ছজ্ঞান করে, অথচ তুমি … কোনো সম্মানিত ব্যক্তিকে সম্মান প্রদর্শন ছাড়া দেখবে না।সেখানে তিনি বলেন:অত্যাচারী যখন অহংকারে মুখ ঘুরিয়ে নিত তখন আমরা তার বক্রতা সোজা করে দিতাম।আর আমর ইবনে হুনাইয়ের কাসিদার অন্তর্ভুক্ত হলো:আমি আমর ইবনে মারছাদের রক্তপণ গ্রহণের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছি … যখন তারা পানি সংগ্রহের স্থানে আসত এবং ইবনে হারছামের বর্শার মুখোমুখি হতো।55 - আমর ইবনে ইকাব আল-ইজলি বলেন:হে বাতুলতার পিতা! এ গৃহগুলোতে কি কোনো বধিরতা রয়েছে? … নাকি এই গৃহে আসা তোমার ওপর কোনো উন্মাদনা নিয়ে এসেছে?56 - আমর ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে আবদু সা’দ ইবনে জুশাম আল-ইজলি। তিনি বলেছিলেন: যখন মেহমানদারির ভয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়, তখন তুমি আমার আগুনের শিখাকে প্রজ্জ্বলিত দেখবে। 57 - আমর ইবনে আল-হারিছ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে কাইস ইবনে হারিসা আল-ইজলি, আবু হাওবার, এবং তিনি আবু হানী।তার উক্তি থেকে:শীতকালে তুমি একে এক বিস্ময়কর বস্তুর দ্বারা পরিবর্তন করেছ … যা জরাজীর্ণ উষ্ট্রীগুলোর আকাঙ্ক্ষিত বস্তু, যার যন্ত্রণায় আর্তনাদকারী ঘুমাতে পারে না।58 - আমর ইবনে কাইস কিবদুল হাসাহ, যিনি জুবাইয়া ইবনে ইজল ইবনে লুজাইম গোত্রের। তিনি সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:তুমি প্রেমে পড়েছ, আর কিছু মূর্খতা তো স্মরণ করাই হয় … লায়লা থেকে তোমার ধৈর্য বেশি পবিত্র ও পর্দার অন্তরালে।আমাকে জানানো হয়েছে যে, কালব, তাই ও গাসসান গোত্র … তার জন্য রক্ষাকবচ ও সাহায্যকারী হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ৯)
ونحنُ أناسٌ ليس فينا خليفةٌ … من الناس إلاّ أنتَ تُعطِي وتَغفِرُ59 - عمرو بن شُجَيرة العِجلي، وشجيرة أُمُّه، وكانت سبيَّة، وهو الذي يقول:ألا هل أتى هنداً على نأي دارها … وغربتها أَنّي ثأرتُ المُكفَّفا60 - عمرو بن الوازع الحَنفي، صاحب يوم النشّاش، على بني تميم. هو الذي يقول:أَجدّا بسُعْدَى السيرَ إذ بنتُما بها … وقُولا لسُعدَى لا حُبّيّ بنِ عامِرِفقد بُدّلتْ ركباً حثاثاً بأهلها … ومن كِنّها في السترِ سَيْرَ الهواجرِإذا نحنُ شئنا زوجتنا رماحُنا … كما زوّجتنا من بنات المُهاجِرِ61 - عمرو بن عبد العُزَّى بن سُحيم بن مُرّ بن الدُول الحنفي.هو الذي يقول:يميناً لا يزال بذاتِ كَهْفٍ … وبين المِسْحَلينِ صَدىً يُنادِني62 - عمرو بن شِمْر بن عمرو بن عبد الله الحنفي.هو الذي يقول:ويومَ حُقَيْقٍ قد غدوتُ بفِتْيةٍ … كمثل الأُسودِ حارداً بسنانيهِ63 - عمرو بن عُصْم الضُبيعي.من قوله:لِيهَنْكِ أنْ أضحتْ ركابُك بُدَّناً … وأضحتْ ركابي كالحُنِيّ المُخيّمِعَوامِلَ فيما يُكْرمُ المرءُ نفسَه … رجاءَ ثوابٍ، لستُ فيها بمُجْرمِ64 - عمرو بن أسْوَى بن عِسَاس بن ليث بن حُداد بن ظالم العبدي، من بني وديعة بن لُكَيز.هو الذي يقول:أحَفّت برَيْمانٍ لتندى عَريَّةً … تواعِسُ بعد الضَرْعِ قَضَّاً وأَثْلبَافباتَ بذات القَصْرِ يفري صِلالَه … سَحائِقٌ لم تترك لعينين نيسباومن قوله:ألا أبلغا عمرو بنَ قيسٍ رسالةً … فلا تجزَعن عن ثائِب الحربِ واصْبرْ65 - عمرو بن جُبَير بن سليمة العَبدي البكري هو الذي يقول:.لعمرُك لو لاقيتَ عمرو بن فَرْتنا … لآب به من شاهد السيف عاذِرُ66 - عمرو بن حنثر العبدي - وقالوا بالخاء - أنشد له مؤرّج:سائل قَمّيئةَ هل أغشيتُهُ فرسي … أم هل كررتُ عليه ثم ثَنَيتُ67 - عمرو بن قُرصَة بن عازب بن صُلَيع بن قيس بن ذُهل بن عامر بن كنانة بن يشكر.هو الذي يقول:ونحن جلبنا الخيلَ من كل شازبٍ … وشازبةٍ، تُعْطي قليلاً مؤيداًيُنَبّهْنَ أسْرابَ القطا من مبيته … إذا ما القطا من آخر الليلِ هُجَّدا68 - عمرو بن ثُمامة بن البار. وهو المعروف بالقعقاع اليشكري، في قوله:ألا أيها القلبُ الكئيبُ المُفجَعُ … تجمَلْ بصبرٍ، آل مُيّةَ ودّعوافلا تهلكنْ إنْ فارقوك فإنني … بذي المرْفق الزاكي عليَّ مُفْجعُ69 - عمرو بن جَبَلة بن باعث بن صريم، الغُبري اليشكري.من قوله:فأبلغ بني ماويّة الصيْد بيْهسا … وقيسا، ولا تترك شُريحا ولا عمْرا70 - عمرو بن الأَحَرّ بن الأخضر بن هلال بن ربيعة بن خطمة بن الحارث بن جلاّن بن عَنَزَة.يقول:أبلغ بني عوفٍ وأبلغْ مُحاربا … وأبلغْ بني جلاّن ما الحقُّ يُسْألُوهِزّانَ بلّغْ حيثُ حلّتْ ديارُها … فما من أخٍ إلاّ عليه مُعوّلُ71 - عمرو بن مالك بن القُدار العَنَزي.يقول لحاتِم الطائي، وكان أسيراً فيهم:أحاتِمُ إنَّا لا نُجيع أسيرَنا … وأنتَ طليقُ الجوعِ إنْ كان نالَكاأحاتِمُ قد جرَّبتَنا فوجدتنا … ليوثاً لدى الهيجاءِ، إنَّا كذالكا72 - عمرو، اسمٌ زوّرهُ أعرابيّ من بني ذُهل، فصار مماتُعيَّر به ذُهل. حدثني أحمد بن محمد بن راشد، قال: حدثني محمد بن إبراهيم الحِنّائي بمصر، قال: حدثنا أحمد بن المقدام في إسناد ذ كرَهُ قال: توفي رجل من بني عِجلٍ فبني على قبره بناءٌ، وكان يضاف عند قبره الأضياف، فإذا كان الليل، جاء رجل من أهل العِجلي، فنظرَ كم ثَمَّ من ضيف، فجاءهم من النزل على قدر ذلك.فمرَّ فجاء رجل من بني ذُهل، فجاء الرجل الموكَّل بالأضياف وقد جاء الليل
আমরা এমন এক দল লোক যাদের মধ্যে মানুষ হিসেবে আপনি ছাড়া আর কোনো খলিফা নেই, যিনি দান করেন এবং ক্ষমা করেন।৫৯ - আমর ইবনে শুজাইরা আল-ইজলি; শুজাইরা ছিলেন তার মা, যিনি যুদ্ধবন্দিনী ছিলেন। তিনি সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:ওহে, হিন্দের কাছে কি তার সুদূর আবাসের সংবাদ পৌঁছেছে এবং তার প্রবাস জীবনের খবর, যে আমি সেই হস্তকর্তিত (বা হাত বাঁধা) ব্যক্তির প্রতিশোধ গ্রহণ করেছি?৬০ - আমর ইবনে আল-ওয়াজিউ আল-হানাফি, বনু তামিমে গোত্রের বিরুদ্ধে সংঘটিত ইয়াওমুন নাশাশ-এর বীর। তিনি সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:সুআদা কি সত্যিই দ্রুত যাত্রা করল যখন তোমরা তাকে ছেড়ে বিচ্ছিন্ন হলে? সুআদাকে বলো, সে যেন আমিরের পুত্র হুবায়বকে ভালো না বাসে।সে তার স্বজনদের বদলে দ্রুতগামী আরোহীদের বেছে নিয়েছে এবং তার পর্দার অন্তরাল থেকে সে মধ্যাহ্নের প্রখর উত্তাপে পথ চলছে।যদি আমরা চাই তবে আমাদের বর্শাগুলো আমাদের বিয়ে দেবে, যেমন তারা মুহাজিরদের কন্যাদের সাথে আমাদের বিয়ে দিয়েছিল।৬১ - আমর ইবনে আবদিল উযযা ইবনে সুহাইম ইবনে মুর ইবনে আদ-দুল আল-হানাফি।তিনি সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:শপথ করছি, যাতু কাহফ এবং আল-মিসহালাইন নামক স্থানের মধ্যবর্তী স্থানে সর্বদা একটি প্রতিধ্বনি আমাকে ডাকছে।৬২ - আমর ইবনে শিমর ইবনে আমর ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হানাফি।তিনি সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:হুকাইকের যুদ্ধের দিন আমি একদল টগবগে যুবককে নিয়ে সকালবেলা বের হয়েছিলাম, যারা ছিল ক্রুদ্ধ সিংহের মতো আর আমার হাতে ছিল তীক্ষ্ণ বর্শা।৬৩ - আমর ইবনে উছম আদ-দুবাইয়ি।তার উক্তি থেকে:তোমার জন্য কল্যাণ হোক যে তোমার উটগুলো হৃষ্টপুষ্ট হয়েছে, অথচ আমার উটগুলো তাঁবুর বাঁকানো খুঁটির মতো কৃশ হয়ে গেছে।মানুষ যা দ্বারা নিজেকে সম্মানিত করে, আমি সেই কাজে সচেষ্ট আছি সওয়াবের আশায়; আমি এতে কোনো অপরাধী নই।৬৪ - আমর ইবনে আসওয়া ইবনে ইসাস ইবনে লাইছ ইবনে হুদাদ ইবনে জালিম আল-আবদি, বনু ওয়াদিয়া ইবনে লুকাইয গোত্রের।তিনি সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:সে কি রাইমানের চারপাশ ঘিরে রেখেছে যেন সে অনাবৃত অবস্থায় সিক্ত হতে পারে, যা ওলান শুকিয়ে যাওয়ার পর পাথর ও কাঁকরের উপর আছড়ে পড়ছে?সে যাতুল কাসর নামক স্থানে রাত কাটিয়েছে তার চামড়া বিদীর্ণ করে; জরাজীর্ণ বস্তুসমূহ চোখের জন্য কোনো চিহ্ন বাকি রাখেনি।তার আরও একটি উক্তি:ওহে, আমর ইবনে কায়সকে একটি বার্তা পৌঁছে দাও যে, যুদ্ধের পুনরাবৃত্তিতে ভীত হয়ো না এবং ধৈর্য ধরো।৬৫ - আমর ইবনে জুবায়ের ইবনে সালিমা আল-আবদি আল-বাকরি, তিনি সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:তোমার জীবনের শপথ, যদি তুমি আমর ইবনে ফারতনার দেখা পেতে, তবে তরবারির প্রত্যক্ষদর্শী তার পক্ষ থেকে একটি অজুহাত নিয়ে ফিরে আসত।৬৬ - আমর ইবনে হানছার আল-আবদি—কারো মতে এটি 'খা' দিয়ে (খানছার)—মুয়াররিজ তার এই কবিতাটি পাঠ করেছেন:কামিয়াহকে জিজ্ঞেস করো, আমি কি আমার ঘোড়া নিয়ে তাকে আচ্ছন্ন করেছিলাম, নাকি আমি তার ওপর আক্রমণ করে পুনরায় ফিরে এসেছিলাম?৬৭ - আমর ইবনে কুরসাহ ইবনে আযিব ইবনে সুলাইয়ি ইবনে কায়স ইবনে যুহল ইবনে আমির ইবনে কিনানা ইবনে ইয়াশ কুর।তিনি সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:আমরা প্রতিটি কৃশ ঘোড়া ও ঘোটকী নিয়ে এসেছি, যারা সামান্য দানেই শক্তিশালী হয়ে ওঠে।তারা বালিহাঁসের ঝাককে তাদের বিশ্রামের স্থান থেকে জাগিয়ে তোলে, যখন রাতের শেষভাগে বালিহাঁসগুলো ঘুমে মগ্ন থাকে।৬৮ - আমর ইবনে ছুমামা ইবনে আল-বার। তিনি আল-কাক্কা আল-ইয়াশকুরি নামে পরিচিত। তার উক্তিতে আছে:হে শোকাতুর ও ব্যথিত হৃদয়, ধৈর্যের সাথে নিজেকে সংযত করো; মাইয়্যাহর পরিবার বিদায় নিয়েছে।তারা যদি তোমাকে ছেড়ে চলেও যায় তবুও তুমি ধ্বংস হয়ে যেও না, কারণ আমি সেই পবিত্র কনুইওয়ালার বিরহে শোকার্ত।৬৯ - আমর ইবনে জাবালা ইবনে বাইছ ইবনে সারিম, আল-গুবরি আল-ইয়াশকুরি।তার উক্তি থেকে:বনু মাওয়ীয়ার সাহসী পুরুষ বাইহাস ও কায়সকে সংবাদ পৌঁছে দাও, আর শুরাইহ ও আমরকে বাদ দিও না।৭০ - আমর ইবনে আল-আহার ইবনে আল-আখদার ইবনে হিলাল ইবনে রাবিয়া ইবনে খাতমা ইবনে আল-হারিছ ইবনে জাল্লান ইবনে আনাযা।তিনি বলেন:বনু আওফকে সংবাদ দাও, মুহারিবকে সংবাদ দাও এবং বনু জাল্লানকে জানিয়ে দাও যে হক সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।হিজযান গোত্র যেখানেই অবস্থান করুক সেখানে সংবাদ পৌঁছে দাও, কারণ এমন কোনো ভাই নেই যার ওপর নির্ভর করা যায় না।৭১ - আমর ইবনে মালিক ইবনে আল-কুদার আল-আনাজি।তিনি হাতিম তাঈকে বলেছিলেন যখন তিনি তাদের কাছে বন্দী ছিলেন:হে হাতিম, আমরা আমাদের বন্দীকে ক্ষুধার্ত রাখি না, আর ক্ষুধার কষ্ট যদি তোমাকে স্পর্শ করে থাকে তবে এখন তুমি তা থেকে মুক্ত।হে হাতিম, তুমি আমাদের পরীক্ষা করেছ এবং যুদ্ধের ময়দানে আমাদের সিংহ হিসেবে পেয়েছ; নিশ্চয়ই আমরা তেমনই।৭২ - আমর, এটি একটি নাম যা বনু যুহলের জনৈক বেদুইন জাল করেছিল, ফলে এটি যুহল গোত্রের জন্য একটি বিদ্রূপের বিষয়ে পরিণত হয়। আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে রাশিদ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: মিশরে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আল-হিন্নায়ি আমাকে বলেছেন, তিনি বলেছেন: আহমাদ ইবনে আল-মিকদাম আমাদের কাছে একটি সনদে বর্ণনা করেছেন যে, বনু ইজল গোত্রের এক ব্যক্তি মারা গেলে তার কবরের উপর একটি স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল এবং তার কবরের পাশে মেহমানদের আপ্যায়ন করা হতো। যখন রাত হতো, ইজল গোত্রের এক ব্যক্তি এসে দেখত সেখানে কতজন মেহমান আছে, অতঃপর সে সেই অনুযায়ী তাদের জন্য মেহমানদারির সামগ্রী নিয়ে আসত।একবার বনু যুহল গোত্রের এক ব্যক্তি সেখান দিয়ে অতিক্রম করল, অতঃপর মেহমানদের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিটি রাতের আঁধারে সেখানে এল...
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ১০)
فلما رآه الذُهلي نزعَ قلنسوته فوضعها على ركبته وقال: قُمْ يا عمرو. فذهب الرجل فجاءه بنُزُل رجلين. فقال فيهم شاعرٌ يهجوهم بذلك:إذا أَنْفَذَ الذُهليُّ ما في جِرابِهِ … تلفَّتَ، هل يلقى برابيَةٍ قَبرافإنْ قيل: قبرٌ من لُجيمٍ ببلدةٍ … أناخَ وسَمَّى رأسَ رُكبتِهِ عَمْرااليمن // 73 - عمرو بن المنذر الملك بن امريء القيس اللخمي. وأمه أمامة ابنة عمرو بن الحارث الكِندي، وبها يُعرف. وهو أصغر ولد المنذر، وكان ولد المنذر الملوك الأكابر، وهم عمرو الأكبر والمنذر وقابوس، لعمتها هند ابنة الحارث الكندي،. فطلقها المنذر بن امرىء القيس وتزوج ابنة أخيها، وقال:كَبِرتْ وأدركها بناتُ أخٍ لها … فأَزلن إمّتَها بركضٍ مُعجلالإمّةُ: النعمة فلما مات المنذر وملك ابنه الأكبر عمرو في المنذر، ردَّ إلى أخيه قابوس أمر البادية، ولم يرُدّ إلى عمرو بن أُمامة شيئاً فقال:ألإبْنِ أُمَكَ ما بَدا … ولك الخورنقُ والسّديرُفلأَمنعنّ منابتَ الضَمْران إذ مُنِع القُصورُبكتائب تَرْدِى كما … تَرْدى إلى الجيفِ النسورُإنّا بني العَلاّتِ تُقضَى دون شاهدِنا الأمورُثم خرج مُغاضباً لأخيه وقصد اليمن فأطاعته مُراد، فأقبل بها يقودها نحو العراق، حتى إذا سارَ بها لياليَ تلاومتْ مرادُ بينها وكرهت المسير معه، وثار به المشكوح هبيرة بن عبد يغوث وقتله، ولما أُحيطَ به ضاربهم بسيفه حتى قُتِل، وقال:لقد عرفتُ الموتَ قبلَ ذَوقِهِ … إنَّ الجبانَ حَتْفُه من فَوْقِهِكل امرىء مقاتلٌ، عن طوقِهِ … كالثور يحمي جلْدَه بَروْقِهِوبهذا تمثل عامر بن فُهيرة الشهيد رحمه الله يومَ بئر معونة، حين هاجروا إلى المدينة فاجتووها. حدثني بذلك أحمد بن أبي خيثمة عن أحمد بن أيوب عن إبراهيم بن سعد عن محمد بن إسحق.74 - عمرو بن الحارث بن عمرو أبو شُرحبيل الكندي، هو الذي يقول يرثي أخاه شُرحبيل المقتول بالكُلابِ، وقتلته تغلب:إنَّ جنبي عن الفراشِ لنَابِي … كتجافي الأَسَرَّ فوق الظّرابِمن حديثٍ نمى إليَّ فما أطعم نوماً ولا أُسيغ شرابيمْرّة كالذُعافِ يكتمها النا … سُ على حرِّ مَلَّةٍ، كالشهابِيا ابنَ أُمّي ولو شهدتك إذتد … عو تميماً وأنتَ غيرُ مُجابِ75 - عمرو بن الإطْنابة، وهي أمُّهُ، وأبوه عامر بن زيد مناة بن مالك بن الأَغرّ الخزرجي.شاعر فارسٌ معروف.حدثني أبو بكر أحمد بن زهير، قال: حدثنا سليمان بن أبي شيخ عن محمد بن الحكم عن عوانة بن الحكم الكلبي، وحدثني محمد بن راشد قال: حدثنا مسعود بن بشر قال: حدثنا ابن داحة عن ابن دأب. قال: قال معاوية بن أبي سفيان لقد هممتُ بالهرب يومَ صِفين، فما ردَّني إلاّ ما ذكرتُ من أبيات عمرو بن الإطنابة، حين يقول:أَبَتْ لي عِفّتي وأبى بلائي … وأخذي الحمد بالثَمن الربَيحِوقولي كلما جشأَتْ لنفسي … مكانَكِ، تُحْمدي أو تستريحيواقدامي على المكروِه نفسي … وضربي هامة البَطلِ المُشيحلأَدفعَ عن مآثِر صالحاتٍ … وأحمي، بعدُ، عن حَسبِ صريحقال: فقلتُ: الله لتُحامِيَنّ عن الشاة والبعير ولأَفِرنَّ عن المُلكَ! قال: فصبرتُ حتى آلَ الأمرُ إلى ما آلَ إليه.وحدثني أبو عبد الله محمد بن علي بن حمزة العباسي بإسناده، قال: لما قَتل الحارثُ بن ظالم المرقي خالدَ بن جعفر بن كلاب نائماً في قُبّة النعمان مُتّئِراً بزهير بن جَذيمة العبسي، قال فيه الناسُ وفي قتله إياه نائماً، وكان الحارثُ يغاور الأوس والخررج بالمدينة لقرب دارهم منهم، فقال عمرو بن الإطنابة:أبلغ الحارثَ بن ظالمٍ الُمو … عدَ وَالناذرَ النُذورَ عَلَيّاإتما تقتلُ النيامَ ولا تقتُلُ يقظانَ ذا سلاحٍ كمِيّاومعي عُدَّتي معَابلُ كالخمْرِ، وأعددتُ صارماً مشرفياقال: فأتاه الحارث بن ظالم متخفياً فدقَّ بابَه ليلاً ثم قال: إني مستجير، قال: قد أَجرتُكَ.
যখন যুহলি তাকে দেখলেন, তখন তিনি নিজের টুপি খুলে হাঁটুর ওপর রাখলেন এবং বললেন: হে আমর, ওঠো। এরপর লোকটি চলে গেল এবং দু’জনের জন্য আতিথেয়তাস্বরূপ খাবার নিয়ে এল। তখন জনৈক কবি তাদের বিদ্রুপ করে এই কবিতাটি বললেন:যখন যুহলি তার থলির যা কিছু আছে তা শেষ করে ফেলে … তখন সে এদিক-ওদিক তাকায় যে, কোনো টিলার ওপর কোনো কবর পাওয়া যায় কি নাযদি বলা হয়, এই জনপদে লুজাইমের কোনো কবর আছে … তবে সে উট বসায় এবং নিজের হাঁটুর অগ্রভাগকে 'আমর' বলে নামকরণ করেইয়ামান // ৭৩ - আমর ইবনুল মুনযির আল-মালিক ইবনু ইমরুল কাইস আল-লাখমি। তার মা উমামা বিনতে আমর ইবনুল হারিস আল-কিন্দি, যার মাধ্যমেই সে পরিচিত। সে ছিল মুনযিরের কনিষ্ঠ সন্তান। মুনযিরের বড় সন্তানরা ছিলেন মহান রাজন্যবর্গ—তারা হলেন আমর আল-আকবার, মুনযির এবং কাবুস—হিন্দ বিনতে হারিস আল-কিন্দির গর্ভজাত তার ফুফুর কারণে। মুনযির ইবনু ইমরুল কাইস তাকে তালাক দিয়ে তার ভ্রাতুষ্পুত্রীকে বিয়ে করেন এবং বলেন:সে বৃদ্ধা হয়ে গেছে এবং তার ভ্রাতুষ্পুত্রীরা তাকে ছাড়িয়ে গেছে … তারা দ্রুত ধাবমান হয়ে তার সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য কেড়ে নিয়েছে'আল-ইম্মাহ' অর্থ হলো নেয়ামত বা সুখ। যখন মুনযির মারা গেলেন এবং তার বড় ছেলে আমর ইবনুল মুনযির ক্ষমতায় বসলেন, তখন তিনি তার ভাই কাবুসকে মরু অঞ্চলের দায়িত্ব অর্পণ করলেন, কিন্তু আমর ইবনু উমামাকে কিছুই দিলেন না। তখন সে বলল:তোমার মায়ের সন্তানের জন্য কি যা প্রকাশিত হয়েছে তা-ই … আর তোমার জন্য খাওয়ারনাক ও সাদির (বিখ্যাত প্রাসাদদ্বয়)?যখন অট্টালিকাগুলো থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, তখন আমি অবশ্যই যমরান বৃক্ষের চারণভূমি রক্ষা করবএমন সেনাদল নিয়ে যারা ছুটে চলে … যেমন শকুনরা পচা লাশের দিকে ছুটে আসেআমরা বিমাতা ভাই, আমাদের অনুপস্থিতিতেই বিষয়গুলোর ফয়সালা হয়ে যায়অতঃপর সে তার ভাইয়ের প্রতি রাগান্বিত হয়ে বেরিয়ে পড়ল এবং ইয়ামানের দিকে রওনা হলো। মুরাদ গোত্র তার আনুগত্য করল। সে তাদের ইরাকের দিকে নেতৃত্ব দিয়ে নিয়ে আসতে লাগল। কয়েক রাত পথ চলার পর মুরাদ গোত্র নিজেদের মধ্যে একে অপরকে তিরস্কার করতে লাগল এবং তার সাথে পথ চলা অপছন্দ করল। তখন হুবাইরা ইবনু আবদ ইয়াগুস আল-মাশকূহ তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করল এবং তাকে হত্যা করল। যখন তাকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলা হলো, তখন সে তলোয়ার দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করল যতক্ষণ না সে নিহত হলো। সে বলেছিল:আমি আস্বাদনের পূর্বেই মৃত্যুকে চিনেছি … নিশ্চয়ই কাপুরুষের মৃত্যু তার উপর দিক থেকেই আসেপ্রত্যেক ব্যক্তিই তার সাধ্যমতো লড়াই করে … যেমন বৃষ তার শিং দিয়ে নিজের চামড়া রক্ষা করেশহীদ আমির ইবনু ফুহাইরা (রা.) বিরে মাউনার দিন এই কবিতাটিই পাঠ করেছিলেন, যখন তারা মদিনায় হিজরত করেছিলেন এবং সেখানকার আবহাওয়া তাদের প্রতিকূল হয়েছিল। আহমাদ ইবনু আবি খাইসামা, আহমাদ ইবনু আইয়ুব থেকে, তিনি ইবরাহিম ইবনু সাদ থেকে এবং তিনি মুহাম্মদ ইবনু ইসহাক থেকে আমার কাছে এই বর্ণনাটি ব্যক্ত করেছেন।৭৪ - আমর ইবনুল হারিস ইবনু আমর আবু শুরাহবিল আল-কিন্দি। তিনি সেই ব্যক্তি যিনি কুলাব যুদ্ধে নিহত তার ভাই শুরাহবিলের শোকগাথায় কবিতা বলেছিলেন; তাকে তাগলিব গোত্র হত্যা করেছিল:শয্যা থেকে আমার পাঁজর দূরে সরে যাচ্ছে … যেমন মরুভূমির পাথুরে টিলার ওপর গর্ভবতী উটনীর পেট আলাদা থাকেসেই সংবাদের কারণে যা আমার কাছে পৌঁছেছে, তাই আমি ঘুমের স্বাদ পাচ্ছি না এবং পানীয়ও গলায় নামছে নাসেই তিক্ততা যা বিষের মতো, মানুষ যা গোপন রাখে … জ্বলন্ত আগুনের উত্তাপের মতো কিংবা উল্কাপিন্ডের মতোহে আমার মায়ের সন্তান! যদি আমি তোমার পাশে উপস্থিত থাকতাম যখন তুমি তামীম গোত্রকে ডাকছিলে … অথচ তোমার ডাকে কেউ সাড়া দিচ্ছিল না৭৫ - আমর ইবনুল ইত্নাবা। ইত্নাবা তার মায়ের নাম, আর তার বাবা আমের ইবনু যাইদ মানাত ইবনু মালিক ইবনুল আগার আল-খাজরাজি।তিনি একজন সুপরিচিত বীর কবি ছিলেন।আবু বকর আহমাদ ইবনু জুহাইর আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান ইবনু আবি শাইখ আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনুল হাকাম থেকে এবং তিনি আওয়ানা ইবনুল হাকাম আল-কালবি থেকে বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মদ ইবনু রাশিদ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মাসউদ ইবনু বিশর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনু দাহা আমাদের কাছে ইবনু দা’ব থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: মুআবিয়া ইবনু আবি সুফিয়ান বলেছেন: সিফফিনের যুদ্ধে আমি পলায়নের সংকল্প করেছিলাম, কিন্তু আমর ইবনুল ইত্নাবার এই পঙক্তিগুলো মনে পড়ার পরই আমি ফিরে এসেছি, যখন তিনি বলেছিলেন:আমার আত্মমর্যাদা এবং আমার ধৈর্য আমাকে বিরত রেখেছে … আর উচ্চমূল্যে প্রশংসা অর্জন করাআর যখনই আমার আত্মা অস্থির হয়ে উঠত, তখনই আমি তাকে বলতাম: নিজের স্থানে স্থির থাকো, প্রশংসা পাবে অথবা চিরশান্তি পাবেআর অপছন্দনীয় পরিস্থিতির সামনে আমার অটল থাকা … এবং বীর যোদ্ধার মস্তকে আমার আঘাত করাযাতে আমি সৎকর্মের গৌরবোজ্জ্বল চিহ্নগুলো রক্ষা করতে পারি … এবং এরপর এক পরিচ্ছন্ন বংশমর্যাদাকে হেফাযত করতে পারিতিনি (মুআবিয়া) বলেন: তখন আমি মনে মনে বললাম, আল্লাহর কসম! তুমি কি ভেড়া ও উটের জন্য লড়াই করবে আর রাজত্ব ছেড়ে পালিয়ে যাবে? তিনি বলেন: এরপর আমি ধৈর্য ধরলাম, শেষ পর্যন্ত বিষয়টি যেখানে পৌঁছানোর সেখানে পৌঁছাল।আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনু আলী ইবনু হামজাহ আল-আব্বাসি তার সনদে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হারিস ইবনু জালিম আল-মুরকি যখন নুমানের তাঁবুর নিচে ঘুমন্ত অবস্থায় খালিদ ইবনু জাফর ইবনু কিলাবকে যুহাইর ইবনু জাযিমা আল-আবসীর হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে হত্যা করল, তখন মানুষ তার সম্পর্কে এবং ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে হত্যা করা নিয়ে নানা কথা বলতে লাগল। হারিস মদিনার কাছাকাছি বসবাসের কারণে আওস ও খাজরাজ গোত্রের ওপর অতর্কিত আক্রমণ চালাত। তখন আমর ইবনুল ইত্নাবা বললেন:হারিস ইবনু জালিমের কাছে আমার এই বার্তা পৌঁছে দাও … যে আমাকে ভয় দেখায় এবং আমার বিরুদ্ধে মানত করেতুমি তো কেবল ঘুমন্তদের হত্যা করো, কিন্তু কোনো সশস্ত্র জাগ্রত বীর যোদ্ধাকে হত্যা করো নাআমার সাথে আমার সরঞ্জাম রয়েছে—তলোয়ার যা মদের মতো চকচকে, আর আমি প্রস্তুত রেখেছি এক ধারালো মাশরাফি তলোয়ারবর্ণনাকারী বলেন: এরপর হারিস ইবনু জালিম ছদ্মবেশে তার কাছে এলো এবং রাতে তার দরজায় করাঘাত করল। তারপর বলল: আমি আশ্রয়প্রার্থী। সে (আমর) বলল: আমি তোমাকে আশ্রয় দিলাম।
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ১১)
قال: إنّ لي أمراً أريدُك له فاستلئِمْ في سلاحك ففعل، فقال: اجتهدْ، قال: لا مزيدَ فيما فعلتُ.قال: اخرجْ معي، فخرجَ ومع الحارث سيفهُ.فلما بَعُدَ عن البيوت، قال: أنا الحارث بنُ ظالم وقد استلأَمتَ ولستَ نائماً فخذ جذرَكَ.قال: ملكتَ فأَسجحْ. فجزَّ ناصيتَه وخلَّى سبيله، فرجع إلى منزله.76 - عمرو بن سفيان بن حمار بن الحارث بن أوس، وهو مُعَقّرِ البارقي، وبارقُ من الأَزد.قال الهيثم بن عَدِي فيما أخبرني عنه ابنه محمد: إنما لُقّبَ مُعقِراً لقوله في العُقاب:لنا ناهِضٌ في الوكرِ قد مَهّدتْ له … كما مَهدتْ للبعلِ حسناءُ عاقِرُوهذه قصيدته المشهورة وفيها يقول:معاويةُ بن الجَون ذُبيانُ حولَه … وحشانُ في جمع الرِّباب مُكاثِرُفجئنا إلى جمعٍ كأنَّ زُهاءَهُ … جرادٌ هفا في هَبوةٍ متطايرُوخبّرها الوُرّادُ أنْ ليس بينها … وبين قُرى نَجرانَ والدَربِ كافِرُفأَلقتْ عَصاها واستقرَّ بها النَّوى … كما قرَّ عيناً بالإيابِ المُسافِرُوأُخبرتُ عن محمد بن أنس عن حمّاد الراوية، قال: حدثَني معقل بن أبي بكر الهُذلي الراوية، وكان قد بلغ مائة سنة، قال: حدثني أبي، قال: شهدتُ يوم جَبَلة، يومَ أقبل ابنا الجَوُن معاوية وحسّان الكِنْديَّان هذا في تميم وهذا في قيس، وكان معقرّ بن حمار البارقي في بني تميم، فقال هذا الشعر، فقلتُ لأبي: كم كانت خيل الحييّن، مع ما يُكثر معقرّ منها؟ قال: كان مع الفريقين نحوٌ من أربعين فارساً.77 - عمرو بن عَديّ بن نصر اللخمي، جدُّ النعمان بن المنذر وآبائه الملوك، يقول من رواية المُفضَّل:صددتِ الكأسَ عنَّا أمَّ عمرو … وكان الكأسُ مجراها اليميناوماشرُّ الثلاثة أمَّ عمرو … بصاحبكِ الذي لا تصبحينا78 - عمرو ابن أبي عُمارة الخُنيسي الأَزدي.يقول:دعوتُ فثابتْ من خُنيسٍ عِصاب … إلى الضِربِ مشيَ المُحنِقاتِ الروَاقِلِ79 - عمرو بن أشيم الأزْدي الحُدَّاني الذي يقول:شاقتكَ أظعانٌ بكرنَ بُكورا … وتجاسرتْ عن ذ ي الأَصابعِ زُورا80 - عمرو بن طَلَّة وهي أمُّه، وأبوه معاوية بن عمرو بن مبذول، يُعرَف بابن طلَّة، بن مالك بن النجار الخزرج.من قوله - ويقال إنّه للحارث بن عبد العُزّى الخررجي، وكان عمرو بن طلَّة قائد الخزرج في حربهم مع الأوس:أصَحا أم قد نهى ذكَرَهُ … أم قضَى من لَذّةٍ وَطَرَهْ؟أم تذكرتَ الشبابَ وما … ذِكُركَ الشباب أو عُصُرَه81 - عمرو بن امرىء القيس، من بني الحادث بن الخزرج يقول في مالك بن العجلان النجَّاري:يا مال والسيّدُ المعمَّمْ قد … يُبْطرُه بعضَ رأيه السَرَفُنحنُ بما عندنا وأنت بما … عندكَ راضٍ، والأمرُ مُختلِفُفأَبدِ سيماك يعرفوكَ بما … يبدون سيماهُم فيعَترِفوا82 - عمرو بن رفاعة الواقِفي الأَوسي، من قوله:إمَّا تَربَنا وقد خَفَّتْ مَجالِسُنُا … والموتُ أمرٌ لهذا الناسِ مكتوبُفقد غَنَينَا وفينا سامِرٌ عَثِجٌ … وساكِنٌ كَأَتيّ الليلِ مرهوبُمنَّا الذي هو ما إنْ طُرَّ شارِبُه … والعانِسون ومنَّا المَرْدُ والشِيبُ83 - عمرو بن سيَّار بن مُرَّة السَّكوني، أبو النَيْل يقول:لججنا ولجّتْ هذه في التَغضبِ … ولُطَّ القناعُ دوننا بالتَّنقُّبِويُروى هذا الشعر لحُجيّة بن المُضرّب الكندي في ولد أخيه مَعْدان بن المضرَّب، أنشدته عائشة أم المؤمنين، رضوان الله عليها، أخاها عبد الرحمن بن أبي بكر في أمر القاسم بن محمد بن أبي بكر وأخيه، لما قُتِلَ محمد أبوهما بمصر.
তিনি বললেন: "আমার এমন একটি কাজ আছে যার জন্য আমি তোমাকে চাই, সুতরাং তুমি তোমার বর্ম ও অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হও।" সে তা-ই করল। তিনি বললেন: "প্রস্তুতি নাও।" সে বলল: "আমি যা করেছি তার চেয়ে বেশি আর সম্ভব নয়।"তিনি বললেন: "আমার সাথে বের হও।" ফলে সে বের হলো এবং হারিসের সাথে তার তলোয়ার ছিল।যখন সে ঘরবাড়ি থেকে দূরে চলে গেল, তিনি বললেন: "আমি হারিস বিন জালিম। তুমি অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়েছো এবং তুমি ঘুমিয়ে নেই, সুতরাং তোমার আত্মরক্ষা করো।"সে বলল: "আপনি তো জয়ী হয়েছেন, এখন দয়া প্রদর্শন করুন।" তখন তিনি তার কপালের চুল কেটে দিলেন এবং তাকে ছেড়ে দিলেন, ফলে সে তার বাড়িতে ফিরে গেল।৭৬ - আমর বিন সুফিয়ান বিন হিমার বিন আল-হারিস বিন আওস, তিনি হলেন মুয়াক্কির আল-বারিকি, আর বারিক আজদ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত।হাইসাম বিন আদি তাঁর পুত্র মুহাম্মদ সূত্রে আমাকে যা জানিয়েছেন তাতে তিনি বলেছেন: তাকে 'মুয়াক্কির' উপাধি দেওয়া হয়েছিল ঈগল সম্পর্কে তাঁর এই কথার কারণে:আমাদের কুলায় একটি শক্তিশালী পাখি আছে যার জন্য শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে … যেমনটি একজন নিঃসন্তান রূপবতী নারী তার স্বামীর জন্য শয্যা প্রস্তুত করেআর এটিই তাঁর সেই বিখ্যাত কাসিদা যাতে তিনি বলেছেন:মুয়াবিয়া বিন আল-জাওন, যার চারপাশে জুবইয়ান রয়েছে … এবং হাসান রিবাবদের দলে সংখ্যাবৃদ্ধি করছেঅতঃপর আমরা এমন এক বাহিনীর কাছে আসলাম যাদের বিশালতা যেন … ধূলিঝড়ে উড়ন্ত পঙ্গপালএবং সংবাদদাতারা খবর দিল যে, তার মধ্যে … এবং নাজরানের জনপদ ও পথের মধ্যে কোনো অবিশ্বাসী নেইঅতঃপর সে তার যাত্রা থামাল এবং গন্তব্য স্থির হলো … যেমন কোনো মুসাফিরের প্রত্যাবর্তনের পর তার চক্ষু শীতল হয়এবং মুহাম্মদ বিন আনাস সূত্রে হাম্মাদ আল-রাবিয়া থেকে আমার কাছে বর্ণনা করা হয়েছে, তিনি বলেন: আমাকে মাকাল বিন আবি বকর আল-হুজালি আল-রাবিয়া বর্ণনা করেছেন, তাঁর বয়স একশ বছর হয়েছিল, তিনি বলেন: আমাকে আমার পিতা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি জাবালার যুদ্ধে উপস্থিত ছিলাম, যেদিন আল-জাওনের দুই পুত্র মুয়াবিয়া এবং হাসান আল-কিন্দি দ্বয় আগমন করেছিলেন, একজন তামিমে এবং অন্যজন কাইসে। মুয়াক্কির বিন হিমার আল-বারিকি বনু তামিমে ছিলেন, তখন তিনি এই কবিতাটি বলেছিলেন। আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞাসা করলাম: দুই গোত্রের ঘোড়সওয়ার কতজন ছিল, যদিও মুয়াক্কির তা বাড়িয়ে বলেছেন? তিনি বললেন: দুই দলের সাথে প্রায় চল্লিশজন ঘোড়সওয়ার ছিল।৭৭ - আমর বিন আদি বিন নাসর আল-লাখমি, তিনি নুমান বিন আল-মুনজির এবং তাঁর রাজকীয় পিতৃপুরুষদের পিতামহ, মুফাদদালের বর্ণনা থেকে তিনি বলেন:হে উম্মে আমর, তুমি আমাদের কাছ থেকে পানপাত্র সরিয়ে নিয়েছ … অথচ পানপাত্র ডান দিক দিয়ে প্রবাহিত হওয়াই রীতি ছিলহে উম্মে আমর, সেই তিনজনের মধ্যে কে সর্বাপেক্ষা মন্দ … যে তোমার সেই সাথী যাকে তুমি প্রভাতকালীন পানীয় দিচ্ছ না৭৮ - আমর ইবনে আবি উমারা আল-খুনিসি আল-আজদি।তিনি বলেন:আমি আহ্বান করলাম, তখন খুনিসের এক দল জমায়েত হলো … যুদ্ধের দিকে প্রবল গমনে পদচারণা করে৭৯ - আমর বিন আশয়াম আল-আজদি আল-হুদ্দানি, যিনি বলেন:ভোরে যাত্রা করা উষ্ট্রীরা তোমাকে ব্যাকুল করেছে … এবং তারা জি আল-আসাবি হতে বক্রপথে সাহস করে এগিয়ে গেছে৮০ - আমর বিন তাল্লা, তাল্লা হলো তাঁর মায়ের নাম, আর তাঁর পিতা হলেন মুয়াবিয়া বিন আমর বিন মাবজুল, তিনি ইবনে তাল্লা বিন মালিক বিন আল-নাজ্জার আল-খাজরাজি নামে পরিচিত।তাঁর উক্তি থেকে - এবং বলা হয় যে এটি আল-হারিস বিন আবদিল উজ্জা আল-খাজরাজির, এবং আমর বিন তাল্লা আওসদের সাথে যুদ্ধে খাজরাজদের সেনাপতি ছিলেন:সে কি সুস্থ হয়েছে, নাকি তার স্মৃতি তাকে বাধা দিয়েছে … নাকি সে তার আনন্দের প্রয়োজন মিটিয়েছে?নাকি তুমি যৌবনকে স্মরণ করেছ, আর তোমার … যৌবন বা তার সময়ের স্মৃতি কেমন?৮১ - আমর বিন ইমরাউল কায়েস, বনু আল-হারিস বিন আল-খাজরাজ গোত্র থেকে, তিনি মালিক বিন আল-আজলান আন-নাজ্জারি সম্পর্কে বলেন:হে মালিক, পাগড়িধারী সরদার … তার কিছু সিদ্ধান্তকে অপব্যয় দাম্ভিক করে তুলতে পারেআমাদের কাছে যা আছে তাতে আমরা এবং তোমার কাছে যা … আছে তাতে তুমি সন্তুষ্ট, আর বিষয়টি ভিন্নসুতরাং তোমার চিহ্ন প্রকাশ করো যেন তারা তোমাকে চেনে … তারা তাদের চিহ্ন প্রকাশ করলে তারা স্বীকার করবে৮২ - আমর বিন রিফাআ আল-ওয়াকিফি আল-আওসি, তাঁর উক্তি থেকে:হয়তো আমরা ধ্বংস হব যখন আমাদের সভাগুলো হালকা হয়ে যাবে … আর মৃত্যু এমন এক বিষয় যা মানুষের জন্য নির্ধারিতনিশ্চয়ই আমরা ঐশ্বর্যশালী ছিলাম এবং আমাদের মধ্যে বড় জমায়েত ছিল … এবং ছিল এমন বাসিন্দা যারা রাতের আগন্তুকের মতো ভীতিপ্রদআমাদের মধ্যে সে আছে যার গোঁফ এখনও গজায়নি … এবং কুমারীগণ, আর আমাদের মধ্যে আছে যুবক ও বৃদ্ধ৮৩ - আমর বিন সাইয়্যার বিন মুররা আস-সাকুনি, আবু আল-নাইল, তিনি বলেন:আমরা জেদ করলাম এবং সেও রাগান্বিত হয়ে জেদ করল … আর আমাদের সামনে নেকাব দিয়ে পর্দা টেনে দেওয়া হলোএবং এই কবিতাটি হুজাইয়্যা বিন আল-মুদাররিব আল-কিন্দি তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র মা'দান বিন আল-মুদাররিব সম্পর্কে বলেছেন বলে বর্ণিত আছে। উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা তাঁর ভাই আব্দুর রহমান বিন আবি বকরকে আল-কাসিম বিন মুহাম্মদ বিন আবি বকর এবং তাঁর ভাইয়ের ব্যাপারে এটি আবৃত্তি করেছিলেন, যখন তাদের পিতা মুহাম্মদ মিশরে নিহত হন।
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ১২)
84 - عمرو بن عبد مناة الخزاعي، كذا قال ابن أبي خيثمة، وهو ابن عبد مناف عند بعض الرواة، وله أشعارٌ كثيرة. أخبرنا أبو بكر أحمد بن أبي خيثمة عن أبي عبد الرحمن الغلابي عن علي بن صالح عن ابن دأب، قال: كان أول عاشقٍ في العرب، صدقَ في عشقه، عمرو بن عبد مناة، وكان مذكوراً بحُسن الحديث وجودة الشعر. فرأى ليلةً ابنة عُيينة الخزاعية تجتاز إلى بيت لها فعشقها، وهام حتى كان النوم قد امتنع عليه إلاّ بحيث يرى بيوت أهلها، وفي ذلك يقول:أُوسَّدُ أحجاراً ودَقْعاء نائياً … مَبيتَ عَسيفِ الحيّ غير المكرَّمِأرى بيتَ ليلى حين أُغِلقَ بابُه … ألذَّ وأشهى من مِهادٍ مُقرَّمِثم قتله زوج ليلى، وحدثنا ابن أْبي خيثمة بحديثه. ومن قول عمرو بن عبد مناة، أنشدنيه أحمد بن محمد بن بشر:أرى العهدَ من ليلى حديثاً ونائياً … هو النأيُ لا نأيَ الحبيب ليالياهو النأيُ لا أنْ تشحَطَ الدارُ مرةً … ولكنَّ نأيَ الدارِ ألاّ تلاقياومنه أخذَ المحدث قوله:بيناً هو البينُ لابَيْنَ النَّوى زمناً … ولا التنقّل من دار إلى دارِ85 - عمرو بن جابر بن كعب المُنتكِث الخزاعي، شاعر قديم ذكر محمد بن الهيثم بن عَدي عن أبيه أنه سُمّي المُنتكِثُ لقوله:فإنْ يخرجوا في القوم أفرح بخَرجِهمْ … وإن ينكثوا يوماً من الدهر أنكثُ86 - عمرو بن جعدة بن فهد بن عبد الله الخزاعي، القائل:صدفتْ أُميمة لاتَ حينَ صُدُوفِ … عنّي وآذنَ صُحبتي: بخُفوفِلما رأيتُهم كأنَّ نبالَهم … بالجزع من نَقْرَى نِجاءُ خريفِوعرفت أنْ مَن يَثْقَفوه يتركوا … للضَبْعِ أْو يصطاف شرَّ مصيفِأيقنتُ أنْ لا شيءَ يُنجْي منهم … إلَاّ تفاوت جَمِّ كلِ وظيفِ87 - عمرو بن الحارث بن عمرو الخزاعي، القائل:نحن ولينا البيتَ من بعدِ جُرْهُمِ … لنمنعه من كل باغٍ وآثمِونتركُ ما يُهْدَى له لا نمسُّه … نخاف عقابَ الله عند المحارمِ88 - عمرو بن براقة الهَمدَاني النِهْمي، شاعرٌ فارسٌ مُقدَّم صعلوك، ومن قوله:عرفتْ حنيفةُ إذ رأتْ بمُبايضٍ … نِهْماً، شِعارهُم المبينُ: نَزالِوقصيدته المشهورة الجيدة:تقول سُليمى لا تعرَّضْ لتلفةٍ … وليلُك من ليل الصعاليكِ نائمُوكيفَ ينامُ الليل مَنْ جُلُّ مالِه … حُسامٌ كلونِ الملح، أبيضُ صارمُصموتٌ إذا عضَّ الضريبة لم يَدعْ … بها طمعاً، طوعُ اليدين مُكارمُألمْ تعلمي أنَّ الصعاليكَ نومُهم … قليلُّ، إذا نامَ الخليُّ المسالمُإذا الليل أدْجَى واستقلتْ نجومُهُ … وصاحَ من الإفراطِ هائمٌ جواثِمٌ89 - عمرو بن مالك النخعي ثم الكعبي من بني والان.هو الذي يقول:ومرَّتْ تسحبُ الريطة تدعو يا بني كعبألا من يُبْصِر العارضَ قد أوفى على الشِعبِ90 - عمرو بن ثعلبة بن غِياث بن مِلْقط بن عمرو بن ثعلبة بن رومان بن جُنْدَب بن خارجة الطائي.هو الذي يقول:مهْمَا لِيَ الليلة، مَهْمَا لِيَه … أَوْدَى بنعلنيَّ وسرْباليَهْالخيلُ قد تُجشم أربابَها الشِقَ وقد تَعْتَسِفُ الدَّاوِيَهْإنك قد يكفيكَ دَرْءَ الفتى … وبغيَه أن تُرْكَضَ العاليةأنشد ثعلب هذه القصيدة لابن عبدل الأَسدي.91 - عمرو بن الحارث بن مُضاض الجرهمي، القائل:كأنْ لم يكن بين الحَجُونِ إلى الصَّفَا … أنيسٌ ولم يَسْمُر بمكَّةَ سامِرُبلى نحن كنّا أَهلها فأَزالنا … صُروفُ الليالي والجُدودُ العواثِرُأنشدني ذلك علي بن أبي الأَزهر قال: أخبرنا أحمد بن عبد الله الزهري عن عبد الملك بن هشام عن زياد بن عبد الله البكّائي عن محمد بن اسحق قال: وعنه زالت ولاية البيت عن جرهم إلى خزاعة.92 - عمرو بن عُزَيَّة المَعْني، هو الذي يقول:
৮৪ - আমর ইবনে আবদ মানাত আল-খুজায়ি। ইবনে আবি খাইসামা এমনটিই বলেছেন, তবে কোনো কোনো বর্ণনাকারীর মতে তিনি ইবনে আবদ মানাফ। তাঁর অনেক কবিতা রয়েছে। আবু বকর আহমাদ ইবনে আবি খাইসামা আমাদের আবু আবদুর রহমান আল-গুলাবি থেকে, তিনি আলি ইবনে সালিহ থেকে এবং তিনি ইবনে দাব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আরবদের মধ্যে প্রথম প্রেমিক যে তার প্রেমে সত্যনিষ্ঠ ছিল, সে হলো আমর ইবনে আবদ মানাত। সে মিষ্টভাষী এবং চমৎকার কবি হিসেবে সুপরিচিত ছিল। এক রাতে সে উইয়াইনা আল-খুজায়িয়ার কন্যাকে তাঁর ঘরের দিকে যেতে দেখে তাঁর প্রেমে পড়ে যায় এবং এমন ব্যাকুল হয়ে পড়ে যে, প্রেয়সীর পরিবারের ঘরগুলো দেখা যায় এমন স্থান ছাড়া অন্য কোথাও তার ঘুম আসত না। এ প্রসঙ্গে সে বলে:আমি পাথর ও দূরবর্তী ধূলিময় মাটিকে বালিশ বানাই … যেন আমি গোত্রের কোনো এক অবহেলিত ভৃত্য।যখন লায়লার ঘরের দরজা বন্ধ হয়ে যায়, তখন সেই ঘর দেখা আমার কাছে … কারুকার্যখচিত শয্যার চেয়েও অধিক তৃপ্তিদায়ক ও প্রিয় মনে হয়।অতঃপর লায়লার স্বামী তাকে হত্যা করে। ইবনে আবি খাইসামা আমাদের নিকট তাঁর কাহিনী বর্ণনা করেছেন। আমর ইবনে আবদ মানাতের একটি কবিতা আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে বিশর আমাকে শুনিয়েছেন:আমি লায়লার প্রতিশ্রুতিকে নতুন এবং সুদূরপ্রসারী মনে করি … এই বিচ্ছেদই প্রকৃত বিচ্ছেদ, প্রিয়তমার কেবল রাতগুলোর বিচ্ছেদ নয়।প্রকৃত বিচ্ছেদ কেবল ঘরবাড়ি দূরে সরে যাওয়া নয় … বরং প্রকৃত বিচ্ছেদ হলো ঘরবাড়ি এমন দূরে যাওয়া যেখানে আর কখনো দেখা হবে না।পরবর্তীকালের কবিরা তাঁর এই কথা থেকেই গ্রহণ করেছেন:বিদায়বেলার বিচ্ছেদই প্রকৃত বিচ্ছেদ, সময়ের দীর্ঘ দূরত্ব নয় … কিংবা এক ঘর থেকে অন্য ঘরে চলে যাওয়াও বিচ্ছেদ নয়।৮৫ - আমর ইবনে জাবির ইবনে কাব আল-মুনতাকিছ আল-খুজায়ি। তিনি একজন প্রাচীন কবি। মুহাম্মদ ইবনে হাইসাম ইবনে আদি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তাঁর নিচের এই কবিতাটির কারণে তাঁকে 'আল-মুনতাকিছ' (চুক্তি ভঙ্গকারী) উপাধি দেওয়া হয়েছে:যদি তারা তাদের কওমের সাথে বেরিয়ে পড়ে, তবে আমি তাদের বের হওয়াতে আনন্দিত হই … আর যদি তারা কোনোদিন চুক্তি ভঙ্গ করে, তবে আমিও ভঙ্গ করি।৮৬ - আমর ইবনে জাদাহ ইবনে ফাহদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-খুজায়ি, যিনি বলেছেন:উমাইমা মুখ ফিরিয়ে নিল, অথচ এটি বিমুখ হওয়ার সময় ছিল না … সে আমার সঙ্গীদের দ্রুত চলে যাওয়ার সংবাদ দিল।যখন আমি তাদের দেখলাম, যেন তাদের তীরের ফলকগুলো … নাকরা নামক প্রান্তরে শরতের বৃষ্টির প্রবল স্রোতের মতো।আমি বুঝতে পারলাম যে, তারা যাকে বাগে পাবে তাকে হায়েনার খাদ্যে পরিণত করবে … অথবা সে নিকৃষ্টতম গ্রীষ্মকাল অতিবাহিত করবে।আমি নিশ্চিত হলাম যে, তাদের হাত থেকে বাঁচার কোনো উপায় নেই … ঘোড়াগুলোর দ্রুতবেগে ছুটে পালানো ছাড়া।৮৭ - আমর ইবনে হারিস ইবনে আমর আল-খুজায়ি, যিনি বলেছেন:আমরা জুরহুম গোত্রের পর পবিত্র কাবার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পেয়েছি … যাতে প্রত্যেক সীমালঙ্ঘনকারী ও পাপাচারী থেকে একে রক্ষা করতে পারি।এর জন্য যা উপহার হিসেবে আনা হয় তা আমরা স্পর্শ না করেই রেখে দিই … কারণ পবিত্র বস্তুসমূহের অবমাননার ক্ষেত্রে আমরা আল্লাহর শাস্তিকে ভয় করি।৮৮ - আমর ইবনে বারাকাহ আল-হামদানি আল-নিহমি। তিনি একজন কবি, বীর অশ্বারোহী এবং বরেণ্য সালুক (ভবঘুরে যোদ্ধা)। তাঁর কবিতার মধ্যে রয়েছে:হানিফা গোত্র যখন মুবায়িজ নামক স্থানে নিহম গোত্রকে দেখেছিল, তখন তারা চিনেছিল … তাদের সুস্পষ্ট রণধ্বনি ছিল: 'নিচে নেমে এসো'।এবং তাঁর বিখ্যাত ও চমৎকার কাসিদাটি হলো:সুলাইমা বলে, তুমি নিজেকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিও না … যখন অন্যান্য সালুকদের রাত ঘুমের মধ্য দিয়ে কাটে।কীভাবে সে ব্যক্তি রাতভর ঘুমাতে পারে, যার মূল সম্পদই হলো … লবণের রঙের মতো ধবধবে সাদা ও ধারালো একটি তলোয়ার।যা আঘাত করলে কোনো শব্দ হয় না, যখন তা লক্ষ্যবস্তুকে কর্তন করে তখন আর কোনো আশা অবশিষ্ট রাখে না … এটি দুহাতের অনুগত এক সম্মানিত হাতিয়ার।তুমি কি জানো না যে সালুকদের ঘুম খুবই সামান্য … যখন চিন্তামুক্ত ও শান্ত মানুষগুলো শান্তিতে ঘুমায়।যখন রাত গভীর হয় এবং নক্ষত্রগুলো অস্তগামী হয় … আর গভীর নিদ্রায় মগ্ন পাখিরা জেগে ওঠে চিৎকার করে।৮৯ - আমর ইবনে মালিক আল-নাখায়ি, অতঃপর আল-কাবি, যিনি বনু ওয়ালান গোত্রের লোক।তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি বলেছিলেন:সে তার ওড়না টেনে হেঁচড়ে চলে গেল এবং হে বনু কাব বলে ডাকতে লাগল।শোনো, কে আছ যে সেই মেঘমালাকে দেখবে যা গিরিপথের ওপর ছেয়ে গেছে।৯০ - আমর ইবনে ছালাবা ইবনে গিয়াছ ইবনে মিলকাত ইবনে আমর ইবনে ছালাবা ইবনে রুমান ইবনে জুনদুব ইবনে খারিজা আল-তায়ি।তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি বলেছিলেন:আজ রাতে আমার কী হলো, হায় আমার কী হলো … আমার জুতো জোড়া আর গায়ের চাদরটি হারিয়ে গেল।ঘোড়া কখনো তার মালিককে কষ্টে ফেলে দেয় … আবার কখনো দুর্গম মরুভূমি পাড়ি দিতে সাহায্য করে।যুবকের আক্রমণ এবং তার সীমালঙ্ঘন ঠেকাতে তোমার জন্য এটুকুই যথেষ্ট … যে তার বল্লমটি যেন ছুড়ে মারা হয়।ছালাব এই কাসিদাটি ইবনে আবদাল আল-আসাদির বলে উল্লেখ করেছেন।৯১ - আমর ইবনে হারিস ইবনে মুদাদ আল-জুরহুমি, যিনি বলেছিলেন:মনে হয় যেন আল-হাজুন থেকে আস-সাফা পর্যন্ত কোনো বন্ধু ছিল না … এবং মক্কায় কোনো গল্পগুজবকারী রাত কাটায়নি।হ্যাঁ, আমরাই ছিলাম এর অধিবাসী, কিন্তু কালের বিবর্তন … আর দুর্ভাগ্যের চাকা আমাদের উচ্ছেদ করেছে।আলি ইবনে আবি আল-আযহার আমাকে এটি শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-যুহরি আমাদের বর্ণনা করেছেন আবদুল মালিক ইবনে হিশাম থেকে, তিনি যিয়াদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-বাক্কায়ি থেকে এবং তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক থেকে। তিনি বলেন: তাঁর সময় থেকেই কাবার অভিভাবকত্ব জুরহুম গোত্র থেকে খুজায়ি গোত্রের কাছে চলে যায়।৯২ - আমর ইবনে উযাইয়াহ আল-মানি, তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ১৩)
أبلغ بني ثُعَلٍ بأنَّ دياركم … قفرٌ إلى الكَرْمينِ فالصيَّاحلولا بنو عمرو بن سِنْبِسَ أصبحتْ … أنعامُكم نَفَلاً بغير سلاج93 - عمرو بن يسار بن قرواش بن مالك بن عمرو الطائي.هو الذي يقول:إنْ اسطعْتِ يوماً أنْ تكوني لمحجَنٍ … قُبيلَ رحَيلِ القومِ عرسَ الكرَّوسِإذن تعلقي في رَحْلِ أبيضَ ماجدٍ … طويل نجاد السيفِ ليس بأكوَسِ94 - عمرو بن الأَبْجَر الطائي البحتري، هو الذي يقول:وقالوا: قد جُننتَ فقلتُ: كَلاّ … وربّي ما جُننتُ ولا انتشَيْتُ95 - عمرو بن النَّبيت الطائي البحتري، هو الذي يقول:إنّي وإنْ كان ابنُ عمّي عاتباً … لمُقانِفٌ من دونه وورائهومُعدُّه نصري وإنْ كان امرءاً … مترَحْرجاً في أرضِه وسمائِهِ96 - عمرو بن قِعاس بن عبد يَغوث بن محرِّش بن مالك بن عوف المرادي، هو الذي يقول:بنو غُطَيف أُسرَتي في الوغى … هم خيُر من يَعلو متون الرحَالسائل بنا حِمْيَر يومَ الوغى … إذا استحقّوا هَدَجاً كالرئال97 - عمرو بن عمّار الخطيب الطائي، خطيب شاعرٌ، كان صحبَ النعمان بن المنذر ونادمه، وكان النعمانُ أبرشَ أحمرَ معربداً، فعربَد عليه يوماً فقتله، فقال في ذلك أبو قُردودة الطائي، أنشدناه المروزي عن الجاحظ:لقد نهيتُ ابنَ عمَّار وقلتُ له … لا تقْربَنْ أحمرَ العينين والشعَرَهإنَّ الملوكَ متى تنزل بساحتِهم … يوماً تطِرْ بكَ من نيرانِهم شررَهَيا جفَنَةً كإزاءِ الحوضِ قد هدموا … ومَنطقاً مثل وشي اليُمْنة الحِبَره98 - عمرو بن الخُثَارم البَجَلي، من بني عسيرة.حدّثني عبد الله بن مسلم بن قتيبة قال: الخُثارم: المتطير، وأنشدني في ذلك شعراً.وأنشدني محمد بن شيبان عن حمّاد بن اسحق عن أبيه لعمرو بن الخثارم يقوله في بني أفصى بن نذير بن قَسْر بن عبقر بن أنمار البَجليين، قال: وكان إذا نزلَ بهم ضيف حسبوا مالَه وعرفوه، فإن ماتَ له بعيرٌ أو شاة أخلفوه عليه، وإنْ ماتَ أو واحدٌ من أهله أو ولده وَدَوْه وإذا شخصَ عنهم بلغوا ما منه وأحسنوا إليه:أَلا مَنْ كان مُغتَرِباً فإنّي … لغُربتِه على أَفصَى دليلُيعينون الغنيَّ على غناه … ويثرو في جوارهم القليلُومن قول عمرو بن الخثارم البجلي:فإنَّ بلادَ قومِكَ قد أُبيْحَتْ … وحلَّ مكانهم حيُّ شطيرُ99 - عمرو بن شراحيل الهَمْداني، أبو بكر القائل يؤنب أبا كُرزٍ بفرارِه عنه: تركوا أبا بكرٍ يُنادي قائماً قُطعَتْ دعائمهُم بقطعٍ مُوصلِيا ليتهم كانوا نساءً حُيّضاً … كل امرىء منهم ينول بمِغْزَلِ100 - عمرو بن قيس بن مسعود المُرادي.يقول يرثي امرأته:سُعيدَ قُومِي على سُعْدَى فبكّيها … فلستِ مُحْصيَةً كل الذي فيهافي مأتمٍ كرياضِ الروضِ قد قرحتْ … من البكاء على سُعَدى مآقيها101 - عمرو بن ذكوان الحضرمي، من قوله:أحيا أباهُ هَاشَمُ بنُ حَرْمَلَهْيوم الهباتَين ويومَ اليَعملَهْوالخيلُ تعدو بالحديدِ مُثقلَه102 - عمرو بن رَبَاه بن نَصْب بن بَدّاء بن نهد الهمْداني المُرْهِبي، له شعر.103 - عمرو الفوارس بن عامر بن سعد بن سمّى بن مالك بن بشر بن وهب الله بن شهران بن عِفْرِس، وهو ابن ذي الجوشن الخثعمي، يقول:تناسيتَ يا ذا الجوشن الأمرَ قد خلا … وأنت تُجدُّ اليومَ ما أنتَ ذاكر104 - عمرو بن الصَعِق الخَثْعَمي، يقول:أبكيت الجبالَ بغير شَجوٍ … وهل تبكي من الحُزن السِلامُ105 - عمرو بن خالد الهمْداني السَّبيعيّ، هو الذي يقول:وما كان في نَسْرِ هِجَفٍّ قتلتَهُ … بوادي حُراضٍ ما تعُدُّ مُرادُهجفّ: عظيم عتيق.106 - عمرو بن الفَضْفاض الجُهَني، هو الذي يقول:بشكو الدوار إذا ما قمتُ أرحلُهُ … ريّا المزاد ويشكو الوردُ اقلالي
বনু সুআলকে জানিয়ে দাও যে তোমাদের আবাসভূমি... কারমাইন থেকে সাইয়াহ পর্যন্ত জনশূন্য বিরাণ ভূমি।যদি আমর ইবনে সিনবিস এর সন্তানরা না থাকত, তবে তোমাদের গবাদি পশুরা কোনো যুদ্ধ ছাড়াই লুণ্ঠিত সম্পদে পরিণত হতো।৯৩ - আমর ইবনে ইয়াসার ইবনে কারওয়াশ ইবনে মালিক ইবনে আমর আত-তাঈ।তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:যদি তুমি কোনো দিন কাফেলার প্রস্থানের অল্প আগে কাররাউস-এর কনের ন্যায় মিহজানের হতে পারো,তবে এক মহৎ শ্বেতকায় ব্যক্তির উটের জিনে ঝুলে পড়ো, যার তলোয়ারের বেল্ট দীর্ঘ এবং যে নির্বোধ নয়।৯৪ - আমর ইবনে আল-আবজার আত-তাঈ আল-বুহতারি। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:তারা বলল, "তুমি পাগল হয়ে গেছ"; আমি বললাম, "কখনোই না, আমার রবের কসম! আমি পাগল হইনি এবং মাতালও হইনি।"৯৫ - আমর ইবনে আন-নাবিত আত-তাঈ আল-বুহতারি। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:আমার চাচাতো ভাই আমার প্রতি অসন্তুষ্ট হলেও, আমি তার সম্মুখে ও পশ্চাতে তাকে রক্ষাকারী।সে কোনো সংকটে নিপতিত হলেও আমার সাহায্য তার জন্য প্রস্তুত রয়েছে, যদিও সে তার জমিনে ও আসমানে সংকটাপন্ন হয়।৯৬ - আমর ইবনে কি'আস ইবনে আবদ ইয়াগুস ইবনে মুহাররিশ ইবনে মালিক ইবনে আউফ আল-মুরাদি। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:বনু গুতায়েফ যুদ্ধের ময়দানে আমার পরিবার; উটের পিঠে আরোহণকারীদের মধ্যে তারাই শ্রেষ্ঠ।যুদ্ধের দিন হিমইয়ার গোত্রকে আমাদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করো, যখন তারা উটপাখির বাচ্চার মতো কাঁপতে কাঁপতে পলায়ন করছিল।৯৭ - আমর ইবনে আম্মার আল-খাতিব আত-তাঈ। তিনি একজন বাগ্মী ও কবি ছিলেন। তিনি নুমান ইবনুল মুনযিরের সান্নিধ্যে থাকতেন এবং তার মদ্যপানের সঙ্গী ছিলেন। নুমান ছিলেন শ্বেতী রোগাক্রান্ত, লাল বর্ণের এবং মাতাল অবস্থায় আক্রমণাত্মক। একদিন সে মাতাল অবস্থায় তার ওপর চড়াও হয়ে তাকে হত্যা করে। এ বিষয়ে আবু কুরদুদা আত-তাঈ কবিতা রচনা করেন, যা মারওয়াযি আমাদের নিকট আল-জাহিযের সূত্রে বর্ণনা করেছেন:আমি ইবনে আম্মারকে নিষেধ করেছিলাম এবং তাকে বলেছিলাম, "তুমি লাল চোখ ও লাল চুলের অধিকারীর কাছে যেও না।"নিশ্চয়ই রাজাদের আঙিনায় যখন তুমি উপস্থিত হবে, কোনো একদিন তাদের আগুনের ফুলকি তোমাকে স্পর্শ করবেই।হায়! সেই বড় পাত্র যা হাউজের কিনারার মতো ছিল যা তারা ধ্বংস করে দিয়েছে, আর সেই বাকশৈলী যা ছিল ইয়ামানি কারুকাজ করা কাপড়ের মতো সুন্দর।৯৮ - আমর ইবনে আল-খুসারাম আল-বাজালি, বনু আসিরা গোত্রের।আবদুল্লাহ ইবনে মুসলিম ইবনে কুতায়বা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: 'খুসারাম' অর্থ কুলক্ষণ গ্রহণকারী ব্যক্তি, এবং তিনি এ বিষয়ে আমাকে একটি কবিতা শুনিয়েছেন।মুহাম্মাদ ইবনে শায়বান হাম্মাদ ইবনে ইসহাকের সূত্রে তার পিতার নিকট থেকে আমর ইবনে আল-খুসারামের কবিতাটি শুনিয়েছেন, যা তিনি বনু আফসা ইবনে নাযীর ইবনে কাসর ইবনে আবকার ইবনে আনমার আল-বাজালিয়্যিনদের সম্পর্কে বলেছিলেন। তিনি বলেন: যখন তাদের কাছে কোনো মেহমান আসত, তারা তার সম্পদের হিসাব রাখত এবং তা চিনে রাখত। যদি তার কোনো উট বা ভেড়া মারা যেত, তবে তারা তাকে তার বিকল্প প্রদান করত। আর যদি সে নিজে বা তার পরিবারের কেউ অথবা তার সন্তান মারা যেত, তবে তারা রক্তপণ প্রদান করত। আর সে যখন তাদের নিকট থেকে বিদায় নিত, তারা তাকে গন্তব্যে পৌঁছে দিত এবং তার সাথে উত্তম ব্যবহার করত:শোনো! যে ব্যক্তি প্রবাসে আছে, আমি তার প্রবাস জীবনের কষ্টের জন্য বনু আফসার দিকে পথপ্রদর্শক।তারা ধনীর ধনাঢ্যতায় সাহায্য করে এবং তাদের প্রতিবেশী হলে সামান্য সম্পদও বৃদ্ধি পায়।আমর ইবনে আল-খুসারাম আল-বাজালির উক্তি থেকে আরও রয়েছে:নিশ্চয়ই তোমার গোত্রের ভূমি লুণ্ঠিত হয়েছে এবং তাদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে এক দূরবর্তী গোত্র।৯৯ - আমর ইবনে শারাহিল আল-হামদানি, আবু বকর। তিনি আবু কুরযকে তার থেকে পলায়ন করার কারণে তিরস্কার করে বলেন: তারা আবু বকরকে দাঁড়িয়ে চিৎকার করা অবস্থায় ফেলে রেখে গেল; তাদের খুঁটিগুলো ছিন্ন হয়ে গেছে।হায়! তারা যদি ঋতুবতী নারী হতো, যাদের প্রত্যেকে টাকু দিয়ে সুতা কাটত।১০০ - আমর ইবনে কায়স ইবনে মাসউদ আল-মুরাদি।তিনি তার স্ত্রীর শোকগাথায় বলেন:হে সুআইদা! দাঁড়াও এবং সু'দার জন্য ক্রন্দন করো, তুমি তার সব গুণের কথা গণনা করে শেষ করতে পারবে না।এমন এক শোকাতুর সমাবেশে যা বাগানের মতো, যেখানে সু'দার জন্য কাঁদতে কাঁদতে চোখের কোণগুলো ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেছে।১০১ - আমর ইবনে যাকওয়ান আল-হাদরামি। তার উক্তি থেকে:হাশিম ইবনে হারমালা তার পিতাকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন'হিবাতাইন' এবং 'ইয়া'মালা'র দিনেযখন ঘোড়াগুলো লোহার বর্মের ভারে দ্রুত ধাবিত হচ্ছিল।১০২ - আমর ইবনে রাবাহ ইবনে নাসব ইবনে বাদ্দা ইবনে নাহদ আল-হামদানি আল-মুরহিবি। তার কাব্য রয়েছে।১০৩ - আমর আল-ফাওয়ারিস ইবনে আমির ইবনে সাদ ইবনে সাম্মা ইবনে মালিক ইবনে বিশর ইবনে ওয়াহাবুল্লাহ ইবনে শাহরান ইবনে ইফরিস। তিনি যুল জাওশান আল-খাসআমি এর পুত্র। তিনি বলেন:হে যুল জাওশান! তুমি অতীত বিষয়গুলো ভুলে গিয়েছ, অথচ আজ তুমি সেই বিষয়গুলো নতুন করে তুলছ যা তুমি স্মরণ করছ।১০৪ - আমর ইবনে আস-সাইক আল-খাসআমি। তিনি বলেন:তুমি কোনো দুঃখ ছাড়াই পাহাড়গুলোকে কাঁদিয়েছ; পাথর কি কখনো দুঃখে কাঁদতে পারে?১০৫ - আমর ইবনে খালিদ আল-হামদানি আস-সাবিঈ। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:তুমি হুররায উপত্যকায় যে হিজাফকে হত্যা করেছ, মুরাদ গোত্র তাকে কিছুই মনে করে না।হিজাফ: বিশাল ও প্রাচীন।১০৬ - আমর ইবনে আল-ফাদফাদ আল-জুহানি। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:সে মাথা ঘোরার অভিযোগ করে যখন আমি তাকে যাত্রার জন্য প্রস্তুত করি, অথচ তার পানির মশক পূর্ণ থাকে; কিন্তু সে আমার স্বল্প উপস্থিতির অভিযোগ করে।
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ১৪)
إنّا ثلاثةُ رَهطً عنك في شُغُلٍ … بياننا مُبْرزٌ عن حالِنا جَاليحُقَ له أن يُلاقى وسطَ معركةٍ … في فِتيةٍ بسُيوفِ الهند أَبطالِيَبغونَ ما ابتغى مَلْقَى نفوسهم … فيهم عُراةٌ من الأموالِ أمثاليومن قوله:ماذا رُزِئن من الرجالِ نفوسهم … يومَ العقيقِ ويومَ نَعْفِ الأثْولِ107 - عمرو بن صَيفيّ الجُهني من بني خِزامة.وهو الذي يقول:تركتُ أبا لأمٍ يُوشّجُ نَسْلَها … وأنقذتُ من طول العناوةِ مَعْقِلاومن قوله: تُذكّرِني ولا تَذْكُرُ.108 - عمرو بن الحارث بن أبي شمر الجُهني.القائل:تقاربي هُمَيمُ لا أبَالكِ … لا بدَّ أنّي ثالغٌ قذالكِكلُّ قِتالِ القومِ قد بَدالكِ109 - عمرو بن المُراد البَلَوي، أحد بني عوفٍ بن وَدْم بن هِنْيء البلوي، يقول للنخّار بن أَوسٍ العُذري الراوية، واستلحق بطناً من بَليّ بن عمرو بن الحاف بن قضاعة، وذكر أنهم من قومه:وقد كنتَ يا نخّارُ ما تدّعيهم … وتُعرِضُ عنهم في السنين العوارقيُمنّيهم النخّارُ إلحاقَ نسبةٍ … بَلأيْ، وما النخّارُ فينا بصادق110 - عمرو بن ذي الرحَا القيني، يقول:بكرتْ عليَّ تلومني وَتُغضّبُ … ومتى تُردْنِي بالملامةِ تُصْعِبِبكرتْ عليَّ فلم يزلْ مصخابها … بغريضِ غاديةٍ ورَاحِ أَصهبِ111 - عمرو بن أوس بن أسماء بن رِباب بن معاوية بن بلال بن سُلَّى بن رِفاعة بن عُذرة بن عدي الجرميّ.هو الذي يقول:فأَجلَتْ سماءُ البيتِ عنّا وعنهمُ … فريقين محبورٌ يُسَرُّ وهاربُكأَنّهم والنقعُ ينَجابُ عنهم … رعيلُ نعامٍ لَفَّهُ القَطرُ آيبُ112 - عمرو بن قُدامة العَذري، من بني عامر.يقول:يا عمرو مَنْ لليزَازِ خصمٍ جَائرٍ … بالعُرمِ إذ حضرَ الصديقُ فأضلعا113 - عمرو بن قُعيَط العُذري، من بني هند.يقول:إنْ كنتِ باكيةً من كُبرِ مرزئةٍ … فابكي الكرامَ بني عمرو بن شمّاسِمن كلِ أبيضَ نصُل السيف معْقلُه … كأنَّما يُهتدَى منه بمِقْباسِ114 - عمرو بن شَراحِيل بن عبد العُزى بن امرىء القيس الكلبي، من عبد وُدٍ. من قوله:تركتُ كعباً وكعبٌ قائمٌ رَدِنٌ … كأنَّه من جمالِي الريفِ مهشومُيا كعبُ إنّا قديماً أهلُ سابقةٍ … فينا السلامُ وفينا المجدُ والخِيْمُ115 - عمرو بن عروة بن العدّاء الكلبي الأجداري، يقول:تباغت عَديُّ بينهما وتفاضلتْ … إليَّ وأهلُ العلمِ قاضٍ وحاكمُومن قوله:بَني أمّ عَقّاسٍ أَقرّوا خدودكم … على خِزْيةٍ عثّارُها يَتثوَّرُ116 - عمرو بن زيد بن المُتَمنّي بن عبد الله بن الشجب بن عبد وُدّ الكلبي. يقول:فلو كنتُ بعض المُقرنينَ وعاجزاً … لكنتُ أسيراً فيٍ جبال مُحاربِوقفتُ على عمرو الذبابَ غُدّيةً … ورَوَّحتُه بالأمسِ عن ذي تَناضُب117 - عمرو بن الأَسود الكلبي الاجداري.يقول:وإنْ يكُ صادقاً بالتَّيم ظنّي … يشبُّ الحربَ ألويةٌ كرِامُفما أدري وعَلِّي سوفَ أدري … أحَلٌ مالُ أَهيْبَ أم حرامُأهْيَب: قبيلة.وأَهيبُ معشرٌ من جِذم كلبٍ … لهم نسبٌ وآلهم قُدَامُ118 - عمرو بن عبد وُدٍّ الحارث بن كعب بن الوكّاء الكلبي، وهو ابن شُعاث الأَصغر.يقول:ولو شكرتْ بهراءُ يوماً لنعمةٍ … إذن شكرتْ يومَ المُسيح ابنَ أصْرَم119 - عمرو بن جُنادة الخُزاعي.يقول:فلا والله ما أكسو غُلاماً … دعا لحْيانَ ثوباً ما حَيِيتُالمُخَضرمون // من مُضَر 120 - عمرو بن عبدوُدّ، من بني عامر بن لؤي، فارس قريش وشاعرُها. قالى حماد بن إسحق الموصلي: أخبرني هشام ابن الكلبي: أته كان نديم أبي طالب بن عبد المطلب في الجاهلية.
আমরা তিনজনের একটি দল তোমার কাজ থেকে দূরে ব্যস্ত … আমাদের বক্তব্য আমাদের অবস্থাকে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তোলে।রণক্ষেত্রের মাঝখানে একদল বীর যুবকের সাথে ভারতীয় তরবারি নিয়ে তার মুখোমুখি হওয়াটাই তার জন্য সমীচীন …।তারা তা-ই চায় যা তাদের প্রাণ চায় … তাদের মধ্যে আমার মতো রিক্তহস্ত নিঃস্বরাও রয়েছে।তার উক্তি থেকে:আকিকের দিনে এবং নাফে আল-আছওয়ালের দিনে মানুষের প্রাণ কী বিপদেরই না সম্মুখীন হয়েছিল!১০৭ - আমর ইবনে সায়ফি আল-জুহানি, বনু খুজামা গোত্রের।তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:আমি এমন এক মাতামহকে ছেড়ে এসেছি যে বংশধারাকে জটিল করে তোলে … আর দীর্ঘ বন্দিদশা থেকে মাকিলকে উদ্ধার করেছি।তার উক্তি থেকে: তুমি আমাকে মনে করিয়ে দাও, কিন্তু নিজে স্মরণ করো না।১০৮ - আমর ইবনে আল-হারিস ইবনে আবি শিমর আল-জুহানি।যিনি বলেন:হে হুমায়ম, কাছে এসো, তোমার পিতা না থাকুক … তোমার মাথার পশ্চাৎভাগ চূর্ণ করা আমার জন্য অনিবার্য।গোত্রের সমস্ত লড়াই তোমার সামনে স্পষ্ট হয়ে গেছে।১০৯ - আমর ইবনে আল-মুরাদ আল-বালাউই, বনু আউফ ইবনে ওয়াদম ইবনে হানি আল-বালাউই-এর একজন। তিনি বর্ণনাকারী নাখখার ইবনে আউস আল-উজরিকে উদ্দেশ্য করে বলছিলেন, যখন তিনি বালি ইবনে আমর ইবনে আল-হাফ ইবনে কুদাআ-এর একটি শাখাকে (নিজের বংশের সাথে) জুড়ে দিতে চেয়েছিলেন এবং উল্লেখ করেছিলেন যে তারা তার গোত্রের লোক:হে নাখখার, তুমি তো তাদের নিজের বলে দাবি করতে না … এবং দুর্ভিক্ষের বছরগুলোতে তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখতে।নাখখার তাদের অতি কষ্টে বংশগত সম্পর্কের আশা দিচ্ছে … অথচ আমাদের মাঝে নাখখার কোনো সত্যবাদী নয়।১১০ - আমর ইবনে জির-রাহা আল-কাইনি, তিনি বলেন:তিনি ভোরে উঠে আমাকে ভর্ৎসনা করছেন এবং ক্রুদ্ধ হচ্ছেন … যখনই তুমি আমাকে তিরস্কার করতে চাও, তা আমার জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।তিনি ভোরে আমার কাছে এলেন এবং তার উচ্চকণ্ঠ চলতেই থাকল … প্রভাতের আর্দ্রতা ও লালচে মদের মাঝে।১১১ - আমর ইবনে আউস ইবনে আসমা ইবনে রিবাব ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে বিলাল ইবনে সুল্লা ইবনে রিফায়া ইবনে উজরা ইবনে আদি আল-জারমি।তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:ঘরের আকাশ আমাদের ও তাদের থেকে অপসৃত হলো … একদল ছিল আনন্দিত ও সুখী, অন্যদল ছিল পলায়নপর।তাদের থেকে যখন ধূলিকণা অপসৃত হচ্ছিল, তখন তাদের মনে হচ্ছিল … যেন উটপাখির একটি দল, যাদের বৃষ্টির ধারা তাড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে।১১২ - আমর ইবনে কুদামা আল-উজরি, বনু আমির গোত্রের।তিনি বলেন:হে আমর, উরম-এর অন্যায়কারী শত্রুর মোকাবিলায় কে আছে … যখন বন্ধু উপস্থিত হয়েও দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েছিল?১১৩ - আমর ইবনে কুয়াইত আল-উজরি, বনু হিন্দ গোত্রের।তিনি বলেন:যদি তুমি কোনো বড় বিপদে কাঁদতে চাও … তবে বনু আমর ইবনে শাম্মাসের সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য কাঁদো।যাদের প্রত্যেকের শুভ্র কপাল তলোয়ারের আশ্রয়ে থাকে … যেন তাদের থেকে আগুনের স্ফুলিঙ্গের মাধ্যমে পথ খুঁজে পাওয়া যায়।১১৪ - আমর ইবনে শারাহিল ইবনে আবদিল উজ্জা ইবনে ইমরুল কায়েস আল-কালবি, আবদ উদ গোত্রের। তার উক্তি থেকে:আমি কাবকে ছেড়ে এসেছি যখন কাব সুদৃঢ় ও ঋজু ছিল … যেন সে গ্রাম্য উটগুলোর মতো চূর্ণবিচূর্ণ।হে কাব, আমরা প্রাচীনকাল থেকেই অগ্রগামী লোক … আমাদের মধ্যেই শান্তি এবং আমাদের মধ্যেই গৌরব ও স্বভাবজাত মর্যাদা নিহিত।১১৫ - আমর ইবনে উরওয়া ইবনে আল-আদ্দা আল-কালবি আল-আজদারি, তিনি বলেন:আদী গোত্র নিজেদের মাঝে বাগবিতণ্ডা ও শ্রেষ্ঠত্ব জাহির করছিল … আর জ্ঞানীরা ছিল মীমাংসাকারী ও বিচারক।তার উক্তি থেকে:হে উম্মে আক্কাসের সন্তানেরা, তোমাদের গালকে অপমানের ওপর স্থির রাখো … যার হোঁচট খাওয়া ব্যক্তি বারবার পড়ে যায়।১১৬ - আমর ইবনে জাইদ ইবনে আল-মুতামান্নি ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আশ-শাজাব ইবনে আবদ উদ আল-কালবি। তিনি বলেন:আমি যদি শিকলবদ্ধ এবং অক্ষমদের কেউ হতাম … তবে মুহারিবের পাহাড়গুলোতে বন্দি হয়ে থাকতাম।আমি ভোরবেলায় আমরের লাশের পাশে মাছির মতো স্থির হয়ে দাঁড়িয়েছিলাম … এবং গতকাল তাকে তানাদুব নামক স্থান থেকে বিশ্রাম দিয়েছিলাম।১১৭ - আমর ইবনে আল-আসওয়াদ আল-কালবি আল-আজদারি।তিনি বলেন:যদি তাইম গোত্র সম্পর্কে আমার ধারণা সত্য হয় … তবে উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন পতাকাসমূহ যুদ্ধের আগুন জ্বালিয়ে দেবে।আমি জানি না, তবে হয়তো শীঘ্রই জানব … আহইয়াব গোত্রের সম্পদ কি হালাল নাকি হারাম?আহইয়াব: একটি গোত্র।আহইয়াব হলো কালব বংশের একটি গোষ্ঠী … তাদের বংশমর্যাদা আছে এবং তাদের পরিবার অতি প্রাচীন।১১৮ - আমর ইবনে আবদ উদ আল-হারিস ইবনে কাব ইবনে আল-ওয়াক্কা আল-কালবি, তিনি ছোট শুআসের পুত্র।তিনি বলেন:বাহরা গোত্র যদি কোনো দিন নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করত … তবে তারা মসীহ ইবনে আসরামের দিনের শুকরিয়া আদায় করত।১১৯ - আমর ইবনে জুনাদা আল-খুজায়ি।তিনি বলেন:আল্লাহর কসম, আমি এমন কোনো যুবককে পোশাক দেব না … যে সারা জীবন লিহইয়ান গোত্রকে ডেকেছে।মুখাদরামগণ // মুদার গোত্র থেকে ১২০ - আমর ইবনে আবদ উদ, বনু আমির ইবনে লুয়াই গোত্র থেকে, কুরাইশদের অশ্বারোহী বীর ও তাদের কবি। হাম্মাদ ইবনে ইসহাক আল-মাওসিলি বলেছেন: হিশাম ইবনে আল-কালবি আমাকে জানিয়েছেন যে, তিনি জাহেলিয়াত যুগে আবু তালিব ইবনে আব্দুল মুত্তালিবের সহচর ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ১৫)
وحدثني الحسن بن محمد بن فهم عن سعيد بن يحيى عن أبيه عن محمد بن إسحق بإسناده وعن الحسن بن حمّاد سجادة عن يجيى بن سعيد الأموي بحديث مقتل عمرو بن عبدودّ يوم الخندق، قال: كان عمرو ممن حضر يوم بدر حارب فارتشتْهُ، الجراحات وهو مثبت، وأفلت ولم يحضر يوم أُحُد وحضر يوم الخنلق فأقبل بتنزَّى الى القتال وينادي بالبراز، ويقف وراء الخنلق فيُنشد:ولقد بححِتُ من الندا … ءِ لجمعهم هل من مُبارِزْووقفتُ إذ وقفَ المُشجَّعُ موقفَ القرن المُناجَزْفأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم علي بن أبي طالب عليه السلام بالخروج إليه، فخرج إليه راجلاً، فقال له: انتسب، فتسمّى، فقال له: ابن أخي لقد كنت أراك صبيّاً عند أمّك فأومِّل أن تكون للاّتِ والعُزَّى نصيراً. فقال له: إن الله تعالى أنزل على ابن عمي كتاباً وشرع له ديناً ولا يرضى غيره وكلّ ما كان عليه آباؤنا باطل وضلال.قال: ما أحبُّ أن أجزي أبا طالب عن مودته بقتلك.قال: يعينُ الله عليك، فنزل إليه عمرو واجتلدا، قال: فلما سُمع التكبير من تحت العجاجة عُلِم أن علياً قتله، وكان ذلك أول الفتح على رسول الله صلى الله عليه وسلم. 121 - عمرو بن قميئة الليثي، عدو الله وعدوّ رسوله صلى الله عليه وسلم، والذي تولى الأثم العظيم من كسر رباعية رسول الله صلى الله عليه وسلم وشجّه في وجهه يوم أحُد، وكان فارس قريش، وتعاهد هو وأُبيّ بن خلف الجُمحي وابن شهاب جدُّ الفقيه الزُهري وعتبة ابن أبي وقاص، على قتله صلى الله عليه وسلم. فردّ الله ابن شهاب بغيظه، وقصده أبيّ بن خلف، فأخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم الحربة من الحارث بن الصِمَّة الأنصاري فطعنه بها طعنة خفية لم تصل الى حلقه. فلم يَسرْ إلاّ ليلتين حتى احتقن به الدم فقتله الله، ثم أفضى عدو الله عمرو بن قميئة إليه وقد خفَّ عنه أصحابه، فجرحه وانصرف إلى قريش فبشرهم بقتله، وامتحن الله المسلمين بالجِراح والانحياز واستشهد منهم من خُتِم له بالرحمة، فلما تحاجزوا وصعد المسلمون الجبل، قال أبو سفيان بأعلى صوته: اُعْلُ هُبِلْ. فقال له عمر بن الخطاب بأمر النبي صلى الله عليه وسلم: الله أعلى وأجل، لا سواء قتلانا في الجنة وقتلاكم في النار.فقال أبو سفيان: من المتكلم قال: عمر بن الخطاب. قال: نشدتُكَ الله هل قُتلَ صاحبكم؟ قال: لا والله، إنه ليسمع كلامك الآن.قال: قبحُ الله ابن قميئة، أنت والله أصدق عندي منه وأبرُّ.ولابن قميئة شعر.122 - عمرو بن أبي أُحيحة سعيد بن العاص بن أمية بن عبد شمس.أسلم في أول الاسلام واستشهد يوم أجنادين بالشام، وكان أسلم قبله أخوه خالد بن سعيد، يقال: إنه خامس المسلمين، ثم أسلم عمرو بن سعيد وكتما اسلامهما عن أبيهما أبي أحيحة فمات بالظريبة من أرض الطائف، فأظهروا إسلامهما، فقال أخوهما أبان بن سعيد، وقد أسلم بعد ذلك:ألا ليت ميتاً بالظريية شاهدٌ … بما يفتري في الدين عمرو وخالدُأطاعا بنا أمرَ الوُشاةِ فأصبحا … نُكابد من أعداننا مَنْ نُكابِدُفأجابه عمرو بن سعيد:أخي ما أَخي لا شاتمُ أنا عِرضَه … ولا هو عن سوءِ المقالةِ مُقْصِرُيقول إذا اشتدَّتْ عليه أمورُه … أَلَا ليت مَيْتاً بالظريبةِ يُنْشَرُفَدعْ عنك مَيْتاً قد مضى لسبيله … وأَقبلْ على الحيّ الذّي هو أفقرُأنشدني ذلك أحمد بن أبي خيثمة عن أحمد بن محمد بن أيوب عن إبراهيم بن سعد عن محمد بن إسحق، قال: ولما غزا رسول الله صلى الله عليه وسلم الطائف مرَّ بقبر أبي أحيحة، فقال أبو بكر الصدّيق رضوان الله عليه: لعن الله صاحب هذا القبر فإنّه كان شديد العداوة لله ولرسوله. فقال خالد بن سعيد: لعن الله أبا قُحافة فإنه كان لا يُقري الضيف ولايُعين على النوائب. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: لا يؤذى مسلم بسبِّ كافرٍ.123 - عمرو بن العاص بن وائل السهمي القرشي.يكنّى أبا عبد الله، صاحب رسول الله صلّى الله عليه وعلى آله وسلّم، هاجر إليه إلى المدينة في الهدنة التي كانت بينه صلى الله عليه وسلم وبين قريش، واستعمله، وعمل لأبي بكر وعمر وعثمان رضوان الله عليهم - صدراً من خلافته، وكان يُهاجي وهو بمكة حسّان بن ثابت وكعب بن مالك وعبد الله بن رواحة فيمن كان يهاجيهم من شعراء قريش، وسمع حسّان شعره فقال: هو عاقلُّ وليس بالشاعر، وعُمّر عمراً طويلاً.
হাসান বিন মুহাম্মদ বিন ফাহম সাঈদ বিন ইয়াহইয়া থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন ইসহাক থেকে তার সনদে এবং হাসান বিন হাম্মাদ সাজ্জাদাহ ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-উমাবি থেকে খন্দকের যুদ্ধের দিন আমর বিন আব্দুউদ্দ-এর নিহত হওয়ার ঘটনা বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমর তাদের মধ্যে ছিলেন যারা বদরের যুদ্ধে উপস্থিত হয়ে যুদ্ধ করেছিলেন এবং জখমপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, যার চিহ্ন তার শরীরে বিদ্যমান ছিল। তিনি উহুদের যুদ্ধে উপস্থিত হতে পারেননি, তবে খন্দকের যুদ্ধে উপস্থিত হয়েছিলেন। তিনি যুদ্ধের জন্য উদ্যত হয়ে এগিয়ে আসছিলেন এবং লড়াইয়ের জন্য দ্বন্দ্বযোদ্ধা আহ্বান করছিলেন। তিনি খন্দকের (পরিখার) পেছনে দাঁড়িয়ে আবৃত্তি করছিলেন:আমি তাদের দলের কাছে চিৎকার করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি, কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী আছে কি?আমি সেখানে দাঁড়িয়েছিলাম যেখানে সাহসী বীররাও দাঁড়িয়ে পড়ে মুখোমুখি যুদ্ধের সময়।তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলী বিন আবি তালিব আলাইহিস সালামকে তার মোকাবিলায় বের হওয়ার নির্দেশ দিলেন। তিনি পদব্রজে তার দিকে বেরিয়ে গেলেন। আমর তাকে জিজ্ঞেস করল: তোমার বংশ পরিচয় দাও। আলী নিজের পরিচয় দিলেন। তখন আমর তাকে বলল: হে ভ্রাতুষ্পুত্র, আমি তোমাকে তোমার মায়ের কাছে শিশু হিসেবে দেখেছিলাম এবং আশা করেছিলাম যে তুমি লাত ও উজ্জার সাহায্যকারী হবে। তখন আলী তাকে বললেন: নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ আমার চাচাতো ভাইয়ের উপর একটি কিতাব নাজিল করেছেন এবং তার জন্য একটি দ্বীন নির্ধারণ করেছেন, তিনি এটি ছাড়া অন্য কিছুতে সন্তুষ্ট হবেন না; আর আমাদের পূর্বপুরুষরা যে অবস্থায় ছিল তার সবই বাতিল ও ভ্রষ্টতা।আমর বলল: আবু তালিবের বন্ধুত্বের প্রতিদানস্বরূপ আমি তোমাকে হত্যা করতে পছন্দ করি না।আলী বললেন: আল্লাহ তোমার বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করবেন। তখন আমর ঘোড়া থেকে নামলেন এবং তারা একে অপরের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হলেন। বর্ণনাকারী বলেন: যখন ধূলিঝড়ের মধ্য থেকে তাকবীরের ধ্বনি শোনা গেল, তখন বোঝা গেল যে আলী তাকে হত্যা করেছেন। আর এটিই ছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য বিজয়ের সূচনা। ১২১ - আমর বিন কামিয়াহ আল-লাইসি, আল্লাহর শত্রু ও তাঁর রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) শত্রু, যে উহুদের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনের দাঁত ভেঙে দেওয়া এবং তাঁর মুখমণ্ডল জখম করার মতো মহাপাপের দায়িত্ব নিয়েছিল। সে ছিল কুরাইশদের অশ্বারোহী বীর। সে, উবাই বিন খালাফ আল-জুমাহি, ফকীহ যুহরির দাদা ইবনে শিহাব এবং উতবা ইবনে আবি ওয়াক্কাস মিলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে হত্যার শপথ নিয়েছিল। আল্লাহ ইবনে শিহাবকে তার ক্রোধসহ ফিরিয়ে দিলেন। উবাই বিন খালাফ তাঁর সংকল্প করল, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হারিস বিন সিম্মাহ আনসারির কাছ থেকে একটি বর্শা নিয়ে তাকে আঘাত করলেন। এটি ছিল একটি সামান্য আঘাত যা তার কণ্ঠনালী পর্যন্ত পৌঁছায়নি। তবে সে মাত্র দুই রাত অতিবাহিত হওয়ার পর রক্ত জমাট বেঁধে মারা গেল, আল্লাহ তাকে ধ্বংস করলেন। অতঃপর আল্লাহর শত্রু আমর বিন কামিয়াহ তাঁর (রাসূলের) নিকটবর্তী হলো যখন তাঁর সাহাবীরা তাঁর কাছ থেকে সরে গিয়েছিলেন, তখন সে তাঁকে আহত করল এবং কুরাইশদের কাছে ফিরে গিয়ে তাঁকে হত্যার সুসংবাদ দিল। আল্লাহ মুসলিমদের জখম ও বিপর্যয়ের মাধ্যমে পরীক্ষা করলেন এবং তাদের মধ্যে যারা রহমতের মোহরসহ মৃত্যুবরণ করার ছিল তারা শহীদ হলেন। যখন উভয় পক্ষ একে অপরের থেকে পৃথক হলো এবং মুসলিমরা পাহাড়ে আরোহণ করল, তখন আবু সুফিয়ান উচ্চৈঃস্বরে বলল: হুবালের জয় হোক। তখন ওমর বিন খাত্তাব নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশে তাকে বললেন: আল্লাহ সুউচ্চ ও মহান। আমাদের নিহতরা জান্নাতে আর তোমাদের নিহতরা জাহান্নামে, তারা সমান নয়।আবু সুফিয়ান বলল: কথা কে বলছে? তিনি বললেন: ওমর বিন খাত্তাব। আবু সুফিয়ান বলল: আল্লাহর কসম দিয়ে তোমাকে জিজ্ঞেস করছি, তোমাদের সাথি (মুহাম্মদ) কি নিহত হয়েছেন? তিনি বললেন: না, আল্লাহর কসম! তিনি এখন তোমার কথা শুনছেন।আবু সুফিয়ান বলল: ইবনে কামিয়াহকে আল্লাহ কলঙ্কিত করুন, আল্লাহর কসম, তুমি আমার কাছে তার চেয়ে বেশি সত্যবাদী ও পুণ্যবান।ইবনে কামিয়াহর কিছু কবিতা আছে।১২২ - আমর বিন আবি উহাইহা সাঈদ বিন আল-আস বিন উমাইয়া বিন আব্দে শামস।তিনি ইসলামের শুরুর দিকে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং শামের আজনানদাইনের যুদ্ধে শহীদ হন। তার আগে তার ভাই খালিদ বিন সাঈদ ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন; বলা হয় যে তিনি পঞ্চম ইসলাম গ্রহণকারী ব্যক্তি। এরপর আমর বিন সাঈদ ইসলাম গ্রহণ করেন এবং তারা তাদের পিতা আবু উহাইহার কাছে নিজেদের ইসলাম গ্রহণের কথা গোপন রাখেন। আবু উহাইহা তায়েফের জমিনের জারিবাহ নামক স্থানে মারা যান, এরপর তারা তাদের ইসলাম গ্রহণের কথা প্রকাশ করেন। তখন তাদের ভাই আবান বিন সাঈদ, যিনি পরে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, বলেছিলেন:হায়! জারিবাহতে মৃত ব্যক্তিটি যদি সাক্ষী থাকত... দ্বীনের ব্যাপারে আমর ও খালিদ যা কিছু উদ্ভাবন করেছে তার ওপর।তারা আমাদের বিরুদ্ধে চোগলখোরদের কথা মেনে নিয়েছে, ফলে এখন আমরা... আমাদের শত্রুদের মধ্য থেকে যাদের মোকাবিলা করছি তাদের কারণে কষ্ট ভোগ করছি।আমর বিন সাঈদ তার জবাবে বলেছিলেন:আমার ভাই, সে কেমন ভাই যে আমার সম্মান ক্ষুণ্ন করে না... আবার মন্দ কথা বলা থেকেও বিরত থাকে না।যখন তার পরিস্থিতি কঠিন হয়ে পড়ে তখন সে বলে... হায়! জারিবাহতে মৃত ব্যক্তিটি যদি পুনরুত্থিত হতো।তবে সেই মৃত ব্যক্তিকে ছেড়ে দাও যে তার পথে চলে গেছে... আর সেই জীবিতের দিকে তাকাও যে অত্যন্ত অভাবগ্রস্ত।আহমদ বিন আবি খাইসামাহ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আইয়ুব থেকে, তিনি ইব্রাহিম বিন সাদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন ইসহাক থেকে আমাকে এটি শুনিয়েছেন। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন তায়েফ অভিযান করেন, তখন তিনি আবু উহাইহার কবরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। আবু বকর সিদ্দিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) বললেন: এই কবরের অধিপতির ওপর আল্লাহর লানত হোক, কেননা সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ঘোর শত্রু ছিল। তখন খালিদ বিন সাঈদ বললেন: আবু কুহাফার ওপর আল্লাহর লানত হোক, কেননা সে মেহমানদারি করত না এবং বিপদ-আপদে সাহায্য করত না। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: কাফেরকে গালি দেওয়ার মাধ্যমে কোনো মুসলিমকে কষ্ট দেওয়া যাবে না।১২৩ - আমর ইবনুল আস বিন ওয়াইল আস-সাহমি আল-কুরাশি।তার উপনাম আবু আব্দুল্লাহ। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী ছিলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও কুরাইশদের মধ্যকার সন্ধিকালীন সময়ে মদিনায় হিজরত করেছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সা.) তাকে আমিল (প্রশাসক) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন। তিনি আবু বকর, ওমর ও উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম)-এর খিলাফতের শুরুর দিকেও দায়িত্ব পালন করেছেন। মক্কায় থাকাকালীন কুরাইশ কবিদের মধ্যে তিনি হাসসান বিন সাবিত, কাব বিন মালিক ও আব্দুল্লাহ বিন রাওয়াহাকে ব্যঙ্গ করে কবিতা লিখতেন। হাসসান তার কবিতা শুনে বলেছিলেন: সে বুদ্ধিমান কিন্তু কবি নয়। তিনি দীর্ঘায়ু লাভ করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ১৬)
حدثني محمد بن خلف بن حيّان قال: حدثنا أبوحُذافة السهمي قال: سمعت مالك بن أنس يقول: قال عمرو بن العاص إنّي لَفي شَرْب من قريش في الجاهلية إذ رأيتُ في دار الخطاب بن نُفيل ناراً، فقلت: ما هذا؟ فقالوا: ولِدَ له مولود، فقلت ما سمّاه؟ قالوا: عُمَر، فإذا كان هذا على ما قاله مالك، فليس يكون في الشرب إلاّ رجل له عشرون سنة أو أكثر منها، وتوفي عُمَر رحمه الله عليه في سنة ثلاث وعشرين، وهو ابن ثلاث وستين سنة، ذلك أكثر القول فيه، عليه معاوية والشعبي وغيرهما، وولُدُهُ يصفون أنّه توفي لسبع وخمسين سنة. وبقي عمرو بن العاص بعده تسع عشرة سنة لأنّه هَلَك في سنة اثنتين وأربعين، ولا يُشَّك في أنّه تجاوز المائة سنة ولم يُقصِّرعنها، وكان بعد صرف عمر رحمه الله إياه عن مصر، قد لزم ضيعته بفلسطين متنحيّاً عن أمر الطاعنين على عثمان، ثم غمس يده من أمر صفّين والحكومة بين المسلمين فيما فعله، وجعل له معاوية ولاية مصر ومالها فلم يتقلّدها إلاّ سنتين وأشهراً، حتى توفي.وكان وردان مولاه لمّا عقد له مولاه ما عنده بينه وبينه من أمر مصر، أقبل يحكُّ عَقِبَهُ وعمرو غافلُّ عنه، فلمّا خرج قال له: إنما أذكرتك أن تشترط مصر لعَقِبكَ من بعدك، قال: ما شعرتُ.وأخبرني عمر بن شبّة: أن وردان كان فوق عمرو بن العاص في المكر والدهاء والحيلة.وأخبرني أبو زيد عمر بن شبة: أن عمر بن الخطاب كان إذا رأى رجلاً يتلجلج في كلامه ويشكّ في رأيه، قال: إن الذي خلقك وخلق عمرو بن العاص واحد.وحدّثني أبو زيد عمر بن شبّة قال: قال عمرو بن العاص: ما رأيتُ رجلاً يكلّم عمر بن الخطاب إلاّ رحمتُهُ، لأنه كان أعقلّ من أن يخدعه أحد، وأَتقى لله من أن يخدع أحداً.وأنشدنا ابو بكر أحمد بن أبي خيثمة عن دعبل، لعمرو:مُعاويَ لا أُعطيكَ ديني ولم أُصِبْ … به منكَ دُنيا فانظرنْ كيفَ تصنعْفإنْ تعطيني مصراً فأَرْبِحْ بصفقةٍ … أخذتَ بها شيخاً يَضُرّ وينفَعُأخبرني أبو البختري عبد الله بن محمد بن شاكر العنبري قال: حدثنا يزيد بن هارون، قال: أخبرنا عبد الملك بن قُدامة، قال: أخبرنا عمرو بن شُعيب بن محمد بن عبد الله بن عمرو بن العاص، قال: قال عمرو بن العاص يوم صِفّين:مَرِجَ الدينُ فأعددتُ له … مُقرَع الحاركِ مروي الثَبَجْجَرْشُعاً أعظمه جُفْرتَهُ … فاذا ابتلّ من الماءِ حدَجْ124 - عمرو بن عبد الله، أبو عَزَّة الجُمحي، كان أحد شعراء قريش، وحضر يوم بدر معها، فأسره المسلمون فمَنَّ عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم لمكان فقره وبناته وعاهده إلا يظاهر عليه بقولٍ ولا فعل، فلمّا اجتمعت قريش فترافدت على غزوة أحد، قال له صفوان بن أميّة في الخروج، فقال: كيف بما أعطيتُ محمداً، فقال: لك الله إنّي أنقل بناتك إلى بناتي فيصيبهنّ ما أصابهنّ من خير وشرّ. فخرج إلى بطونِ كِنانة يُحرضهم على مظاهرة قريش على غزو رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول:أَيهاً بني عبد مناة الرُّزَّامْ … أنتم حُماةٌ وأبوكم حامْلا تَعدونّي نصرَكم بعد العامْ … لا تسلموني لا يحلُّ اسلامْفاستجلب قبائل كنانة وحضر الوقعة يوم أحُد، فأظفر الله رسوله صلى الله عليه وسلم، به أسيراً فذكر له عياله وبناته ويدَه عنده، فأمر عليه السلام بضرب عنقه، وقال: لا تمسح عارضيك وتقول خدعتُ محمداً مرتين.وقال صلى الله عليه وسلم: لا يُلْدَغ المؤمنُ من جُحْرٍ مرَّتين. حدّثنا ذلك علي بن الحسن بن عرفة، قال: حدّثنا أحمد بن محمد بن أيوب عن إبراهيم بن سعد عن محمد بن إسحق.125 - عمرو بن ظالم بن سفيان، أبو الأسود الدِّيلي، من كنانة، أدرك حياة رسول الله صلى الله عليه وسلم، وهاجر إلى البصرة على عهد عمر رضي الله عنه، واستعمله علي بن أبي طالب عليه السلام، على البصرة خلافة عبد الله بن العباس، وكان شيعةً له، يميل إليه، ويقول بفضله حتى توفي. ومن شعره أنشده عمر بن شبّة:أَمنتُ على السرَّ امرءاً غيرَ حازمِ … ولكنّه في الودِّ غيرُ مُريبِأذاعَ به في الناسِ حتى كأنّما … بعلياء، نارٌ أُوقِدتْ بثُقوبِوما كلُّ ذي لُبٍّ بمؤتّيك نُصحَه … ولا كلُّ مُؤتٍ نصحه بلبيبِ
মুহাম্মদ বিন খালাফ বিন হাইয়ান আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু হুজাফা আস-সাহমী আমাদের বলেছেন, তিনি বলেন: আমি মালিক বিন আনাসকে বলতে শুনেছি: আমর ইবনুল আস বলেছেন, জাহেলিয়াতের যুগে আমি কুরাইশদের এক পানাহার সভায় ছিলাম, তখন খাত্তাব বিন নুফাইলের বাড়িতে একটি আগুন দেখতে পেলাম। আমি বললাম: এটা কী? তারা বলল: তার একটি সন্তান জন্ম নিয়েছে। আমি বললাম: তিনি তার কী নাম রেখেছেন? তারা বলল: উমর। মালিকের কথা অনুযায়ী যদি এমনটি হয়, তবে সেই পানাহার সভায় অংশগ্রহণকারী ব্যক্তির বয়স অবশ্যই বিশ বছর বা তার বেশি হবে। উমর (রাহিমাহুল্লাহ) তেইশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, তখন তাঁর বয়স ছিল তেষট্টি বছর—এটিই তাঁর সম্পর্কে অধিকাংশের মত, মুয়াবিয়া, আশ-শা'বী এবং অন্যান্যরাও একমত। তবে তাঁর সন্তানরা বর্ণনা করেন যে, তিনি সাতান্ন বছর বয়সে মারা গেছেন। আমর ইবনুল আস তাঁর পর উনিশ বছর বেঁচে ছিলেন, কারণ তিনি বিয়াল্লিশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তাঁর বয়স একশ বছর অতিক্রম করেছিল এবং এর কম ছিল না। উমর (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁকে মিসরের শাসনভার থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর তিনি ফিলিস্তিনে তাঁর খামারবাড়িতে অবস্থান করেন এবং উসমানের সমালোচনায় লিপ্ত ব্যক্তিদের থেকে দূরে থাকেন। অতঃপর তিনি সিফফিনের ঘটনা এবং মুসলমানদের মধ্যকার সালিশি ব্যবস্থায় নিজের হাত নিমজ্জিত করেন। মুয়াবিয়া তাঁকে মিসরের শাসনভার এবং সেখানকার সম্পদের দায়িত্ব দেন, তবে মৃত্যুর পূর্বে তিনি মাত্র দুই বছর কয়েক মাস সেখানে দায়িত্বরত ছিলেন।তাঁর গোলাম ওয়ারদান, যখন তাঁর মনিব মিসর সংক্রান্ত চুক্তি সম্পাদন করছিলেন, তখন সে তাঁর গোড়ালিতে ঘষা দিচ্ছিল অথচ আমর সেদিকে খেয়াল করছিলেন না। যখন তিনি বের হলেন, ওয়ারদান তাঁকে বলল: আমি আপনাকে কেবল এটি মনে করিয়ে দিতে চেয়েছিলাম যে, আপনি যেন আপনার পরবর্তী প্রজন্মের জন্য মিসরের শর্তারোপ করেন। তিনি বললেন: আমি তা বুঝতে পারিনি।উমর বিন শাব্বাহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে: ওয়ারদান কূটবুদ্ধি ও চাতুর্যে আমর ইবনুল আসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ ছিল।আবু যায়েদ উমর বিন শাব্বাহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন: উমর বিন আল-খাত্তাব যখন কোনো ব্যক্তিকে তার কথাবার্তায় তোতলাতে বা তার মতামতে দ্বিধাগ্রস্ত হতে দেখতেন, তখন বলতেন: "যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং যিনি আমর ইবনুল আসকে সৃষ্টি করেছেন, তিনি এক।"আবু যায়েদ উমর বিন শাব্বাহ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনুল আস বলেছেন: আমি উমর বিন আল-খাত্তাবের সাথে কথা বলছে এমন কোনো ব্যক্তিকে দেখিনি যার প্রতি আমি করুণা বোধ করিনি; কারণ উমর ছিলেন কাউকে প্রতারণা করতে না পারার মতো অত্যন্ত বুদ্ধিমান এবং কাউকে প্রতারণা করার চিন্তা থেকেও আল্লাহর প্রতি অত্যন্ত মুত্তাকি।আবু বকর আহমদ বিন আবি খায়সামা দু'বিল থেকে আমরের কবিতা আমাদের শুনিয়েছেন:হে মুয়াবিয়া, আমি তোমাকে আমার দ্বীন দেব না যতক্ষণ না তোমার কাছ থেকে দুনিয়া লাভ করি, অতএব দেখ তুমি কী করছ।যদি তুমি আমাকে মিসর দাও, তবে এই চুক্তিতে লাভবান হও, যার বিনিময়ে তুমি এমন এক বৃদ্ধকে গ্রহণ করছ যে ক্ষতিও করতে পারে আবার উপকারও করতে পারে।আবুল বাখতারি আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন শাকির আল-আনবারি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াযিদ বিন হারুন আমাদের বলেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল মালিক বিন কুদামা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমর বিন শুয়াইব বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন ইবনুল আস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনুল আস সিফফিনের যুদ্ধে বলেছিলেন:দ্বীন অস্থির হয়ে পড়েছে, তাই আমি এর জন্য প্রস্তুত করেছি শক্ত পিঠ ও চওড়া চুতড় বিশিষ্ট এক ঘোড়াকে।বিশাল আকৃতির এই ঘোড়াটি তার পেটের প্রশস্ততার কারণে পানির স্পর্শে ফুলে ওঠা উটের পিঠের জিনের মতো হয়ে যায়।১২৪ - আমর বিন আব্দুল্লাহ, আবু আজ্জাহ আল-জুমাহি। তিনি কুরাইশদের একজন কবি ছিলেন। তিনি তাদের সাথে বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মুসলমানরা তাঁকে বন্দী করলে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর দারিদ্র্য এবং কন্যাদের কথা বিবেচনা করে তাঁর প্রতি অনুগ্রহ করেন এবং তাঁর থেকে অঙ্গীকার নেন যে তিনি তাঁর বিরুদ্ধে কোনো কথা বা কাজে সহায়তা করবেন না। যখন কুরাইশরা একত্রিত হয়ে উহুদ যুদ্ধের জন্য একে অপরকে সাহায্য করল, তখন সাফওয়ান বিন উমাইয়া তাঁকে যুদ্ধে বের হওয়ার কথা বলল। তিনি বললেন: আমি মুহাম্মদকে যে অঙ্গীকার দিয়েছি তার কী হবে? সাফওয়ান বলল: আল্লাহর কসম, আমি তোমার কন্যাদের আমার কন্যাদের কাছে নিয়ে আসব, তাদের ভাগ্যে ভালো-মন্দ তা-ই জুটবে যা আমার কন্যাদের ভাগ্যে জুটবে। ফলে তিনি কিনানার গোত্রগুলোর কাছে বের হলেন এবং রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য কুরাইশদের সাহায্য করতে তাদের উসকানি দিতে লাগলেন। তিনি বলছিলেন:হে বনু আবদে মানাত আল-রুজ্জাম! তোমরা হলে রক্ষক এবং তোমাদের পিতাও ছিল রক্ষক।এই বছরের পর তোমাদের সাহায্যের ক্ষেত্রে আমাকে এড়িয়ে যেয়ো না। আমাকে ত্যাগ করো না, ইসলাম গ্রহণ করা বৈধ নয়।এভাবে তিনি কিনানা গোত্রগুলোকে সমবেত করেন এবং উহুদ যুদ্ধে উপস্থিত হন। আল্লাহ তাঁর রাসুলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর ওপর বিজয়ী করেন এবং তিনি বন্দী হন। তিনি পুনরায় তাঁর পরিবার ও কন্যাদের কথা এবং তাঁর প্রতি আগে করা উপকারের কথা উল্লেখ করেন। কিন্তু নবী (আলাইহিস সালাম) তাঁর গর্দান উড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং বলেন: "তুমি তোমার গাল ফুলিয়ে এ কথা বলতে পারবে না যে, আমি মুহাম্মদকে দুইবার প্রতারণা করেছি।"এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "মুমিন এক গর্ত থেকে দুইবার দংশিত হয় না।" এটি আমাদের বর্ণনা করেছেন আলী বিন হাসান বিন আরাফাহ, তিনি বলেন: আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আইয়ুব আমাদের বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন সা'দ থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন ইসহাক থেকে।১২৫ - আমর বিন জালিম বিন সুফিয়ান, আবু আল-আসওয়াদ আদ-দিলি। তিনি কিনানা গোত্রের লোক ছিলেন। তিনি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর জীবনকাল পেয়েছিলেন এবং উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর যুগে বসরায় হিজরত করেন। আলী বিন আবি তালিব (আলাইহিস সালাম) আব্দুল্লাহ বিন আব্বাসের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে তাঁকে বসরার দায়িত্বে নিযুক্ত করেন। তিনি তাঁর অনুসারী ছিলেন, তাঁর প্রতি অনুরাগী ছিলেন এবং মৃত্যু অবধি তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের কথা বলতেন। উমর বিন শাব্বাহ তাঁর কিছু কবিতা আমাদের শুনিয়েছেন:আমি এমন এক ব্যক্তির কাছে গোপন কথা আমানত রেখেছি যে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ নয়, কিন্তু ভালোবাসার ক্ষেত্রে সে সন্দেহাতীত।সে মানুষের মধ্যে তা এমনভাবে প্রচার করেছে যেন কোনো উঁচু স্থানে ছিদ্রযুক্ত পাত্রে আগুন জ্বালানো হয়েছে।প্রত্যেক বুদ্ধিমান ব্যক্তি তোমাকে সঠিক পরামর্শ দেবে না এবং প্রত্যেক পরামর্শদাতা বুদ্ধিমান হয় না।
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ১৭)
ولكنْ متى ما يُجْمعَا عند واحدٍ … فحُق له من طاعةٍ بنصيبِومن قوله، وكان مجاوراً لبني قُشير، وهم عثمانية:يقولُ الأرذلون بنو قُشَيرٍ … طوالَ الدهرِ ما تنسىَ عليّاأحبُّ محمداً حبّاً شديداً … وعبّاساً وحمزةَ والوصيّافإنْ يكُ حبُّهم رَشَداً أُصِبْهُ … ولستُ بمخطىءٍ إنْ كان غيّاقال: فقيل له: شككت. فقال: ما شك الله عز وجل حين قال (وإنّا وإيّاكم لعلى هدى أو في ضلالٍ مبين) .وحدثني أبو زيد عمر بن شبّة قال: لما وقعت الفتنة أيام ابن الزبير بالبصرة، مرّ أبو الأسود على مجلس بني قشير فقال: يا بني قُشير على ماذا أجمع رأيكم في هذه الفتنة؟ قالوا: ولمَ تسألنا يا أبا الأسود؟ قال: لأُخالفه فإن الله لا يجمعكم على هُدَى.وأنشدني أبو زيد في هذا المعنى:إذا اشتبه الأمران يوماً واشكلا … عليَّ ولم أعرفْ صواباً ولم أدرِعلى محمد فقلت لمفإن قال قولاً قلت شيئاً خلافهلأن126 - عمرو بن شأس الأسدي، يكنى أبا عِرار، شاعر مقدَّم، أسلم في صدر الإسلام، وشهر وقعة القادسية.أنشدنا حمّاد بن إسحاق الموصلي، من قوله:وبيضٍ تطلّى بالعبير كانَّما … يطأنَ، وإنْ أعنَقْهنَ بي جَددَاً وحَلاْلهوتُ بها يوماً ويوماً بشاربٍ … إذا قلتَ مغلوباً وجدتَ له عَقْلاًإذا ماجرتْ فيه المُدامُ كأنَّما … يُصادي هجاناً ردَّ عن شولهِ فَحْلاومن قوله:وقد يُدَوّمِ ريقَ الطّامع الأَملُوهو يقول في ابنه عِرار بن عمرو:فإنَّ عِراراً إنْ يكنْ غير واضحٍ … فإنّي أُحِبُّ الجَوْنَ ذا المنكب العَمَمْأرادتْ عِراراً بالهوانِ ومَنْ يُرِد … عِراراً لعمري بالهوانِ فقد ظَلمْومن أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم الذي يُروى عنهم حديثه، رجل يُقال له عمرو بن شأس وهو أسلمي خُزاعي، وليس بهذا، وليس يُروى لذاك شعر.وحديثُه قولُه صلى الله عليه وسلم: لا تؤذِني في عليّ يا عمرو بن شأس.127 - عمرو بن الأَهْتَم المِنْقَري، واسم الأهتم سِنان، بن سُمَيّ، سيّد من سادات قومه، وبيت من بيوت الخطابة واللَسَن، ولم يزل ذلك معروفاً لهم منذ الجاهلية، وفي الإسلام متصلاً. ووفد عمرو بن الأهتم على رسول الله صلى الله عليه وسلم، في وفد بني تميم وبايعه، وكان حديث السنِّ.حدثني أبو زيد عمر بن شبّة قال: حدّثنا أبو عبيدة معمر بن المثنى أن قيس بن عاصم ضرب وجه سنان بن سُميّ في يوم الكُلاب في شيءٍ جرى بينهما بقوسٍ عربية فهتمَ فاه، فعُرف بعد ذلك بالأهتم.وحدّثني ابو أحمد محمد بن موسى بن حمّاد البربري عن ابن أبي السري عن ابن الكلبي قال: لمّا أمر النبي صلى الله عليه وسلم لوفدِ بني تميم بجوائزهم، قال: هل بقي منكم أحد؟ فقال قيس بن عاصم: غلامٌ منّا يحفظ ركابنا، فأمر له النبي صلى الله عليه وسلم بمثل ما أمر لكل واحد منهم، فقال عمرو بن الأهتم يهجو قيساً وينفيه:ظللتَ مفترشاً هِلْباكَ تشتمني … عند الرسولِ، فلم تصدُق ولم تُصِبِإنْ تبغضونا فإنَّ الرومَ أصلكمُ … والرومُ لا تملِكُ البغضاءَ للعربِسُدْنَا فسؤدَدُنا عِزُّ وسؤدَدُكم … مؤخَّرٌ عند أصلِ العُجْبِ والذَنَبِفقال قيس يعارضه بمثل قوله:جاءتْ بكم فقرةٌ من أهلها … حيريّة، ليس كما يزعمونلولا دفاعي كنتم أعبُدا … مسكنها الحيرةُ والسَّيْلحونوحدثني أبو بكر محمد بن خلف قال: حدثنا عليّ بن حرب، قال: حدثنا الهيثم بن محفوظ قال: حدثنا أبو المُقوّم يحيى بن سالم الأنصاري عن الحَكم عن مقسم عن ابن عباس قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعمرو بن الأهتم: يا عمرو كيف الزبرقان فيكم؟ قال: يا رسول الله شديد العارضة، مُطاعٌ في أدانيه، مانعٌ ما وراء ظهره.قال: والله يا رسول الله لقد حسدني، وإنّه ليعلم مني أكثر مما قال. فقال عمرو: أمّا إذا أبيتَ، فأنت والله ما علمت زمر المروءة، ضيقُ العطنِ، حديث الغِنى، أحمق الأب، لئيم الخالِ، والله يا رسول الله ما كذبت في الأولى ولقد صدقت في الثانية، ولكني رضيت فقلت أحسن ماعلمت، وسخطتُ فقلت أسوأ ما علمت.
কিন্তু যখনই এই দুটি এক ব্যক্তির মধ্যে একত্রিত হয়... তখন আনুগত্যে তার একটি অংশ প্রাপ্য হয়।তাঁর উক্তি থেকে, তিনি বনী কুশায়রের প্রতিবেশী ছিলেন এবং তারা ছিল উসমানপন্থী:বনী কুশায়রের নীচ ব্যক্তিরা বলে … সারা জীবনেও কি আলীকে ভুলবে না?আমি মুহাম্মদকে প্রবলভাবে ভালোবাসি … এবং আব্বাস, হামযা ও ওয়াসিকে (আলী)।যদি তাদের ভালোবাসা সঠিক পথ হয় তবে আমি তা পেয়েছি … আর যদি তা ভ্রষ্টতা হয় তবেও আমি ভুলকারী নই।বর্ণনাকারী বলেন: তাকে বলা হলো: আপনি সন্দেহ করেছেন। তিনি বললেন: আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা কি সন্দেহ করেছিলেন যখন তিনি বলেছিলেন: "নিশ্চয় আমরা অথবা তোমরা হেদায়েতের ওপর অথবা স্পষ্ট ভ্রষ্টতায় রয়েছি"।আবু যায়েদ উমর ইবনে শাব্বাহ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে যুবায়েরের সময় যখন বসরার ফিতনা দেখা দিল, তখন আবু আল-আসওয়াদ বনী কুশায়রের মজলিসের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি বললেন: হে বনী কুশায়র, এই ফিতনায় তোমাদের ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত কী? তারা বলল: হে আবু আল-আসওয়াদ, আপনি কেন আমাদের জিজ্ঞাসা করছেন? তিনি বললেন: যাতে আমি তার বিরোধিতা করতে পারি, কারণ আল্লাহ তোমাদের হেদায়েতের ওপর একত্রিত করবেন না।আবু যায়েদ আমাকে এই অর্থেই আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন:যদি কোনোদিন দুটি বিষয় আমার কাছে অস্পষ্ট ও জটিল হয়ে পড়ে … এবং আমি সঠিকটি জানতে না পারি ও বুঝতে না পারি।মুহাম্মদের ওপর, তখন আমি বললাম কেনযদি তিনি কোনো কথা বলেন তবে আমি তার বিপরীত কিছু বলব কারণ১২৬ - আমর ইবনে শাস আল-আসাদী, তার উপনাম আবু ইরার, তিনি একজন অগ্রগণ্য কবি। তিনি ইসলামের সূচনালগ্নে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং কদিসিয়ার যুদ্ধে প্রসিদ্ধি লাভ করেন।হাম্মাদ ইবনে ইসহাক আল-মাওসিলি আমাদের তার উক্তি থেকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন:এবং শ্বেতাঙ্গিনী নারী যারা সুগন্ধি মাখে, যেন তারা … পদচারণা করছে, যদিও তারা আমাকে সমতল ও বন্ধুর ভূমিতে দ্রুত নিয়ে যাচ্ছে।আমি একদিন তাদের নিয়ে আমোদ করেছি এবং অন্য একদিন এমন মদ্যপায়ীর সাথে … যার সম্পর্কে তুমি মদমত্ত মনে করলেও তার বুদ্ধিকে সজাগ পাবে।যখন তার মধ্যে সুরা প্রবাহিত হয়, তখন সে যেন … শুভ্র উষ্ট্রীর সাথে খেলা করে যা তার পাল থেকে পুরুষ উটকে তাড়িয়ে দেয়।তাঁর উক্তি থেকে:আশা কখনো আকাঙ্ক্ষাকারীর লালাকে দীর্ঘস্থায়ী করে।তিনি তাঁর পুত্র ইরার ইবনে আমর সম্পর্কে বলেন:যদি ইরার উজ্জ্বল বর্ণের না-ও হয় … তবুও আমি দীর্ঘ কাঁধবিশিষ্ট শ্যামলকে ভালোবাসি।সে ইরারকে অপমান করতে চেয়েছিল; আমার জীবনের শপথ, যে ইরারকে … অপমান করতে চায় সে অবশ্যই জুলুম করেছে।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্যে যাদের থেকে হাদিস বর্ণিত হয়েছে, তাদের মধ্যে আমর ইবনে শাস নামে এক ব্যক্তি আছেন, যিনি আসলামী খুযায়ী। তিনি এই ব্যক্তি নন এবং ওই সাহাবী থেকে কোনো কবিতা বর্ণিত হয়নি।তাঁর বর্ণিত হাদিস হলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: হে আমর ইবনে শাস, আলীর ব্যাপারে আমাকে কষ্ট দিও না।১২৭ - আমর ইবনে আল-আহতাম আল-মিনকারি। আহতামের নাম সিনান ইবনে সুমাইয়ি। তিনি তাঁর গোত্রের সরদারদের একজন ছিলেন এবং তাঁর বংশটি বাগ্মিতা ও সুবক্তা হওয়ার জন্য প্রসিদ্ধ। জাহেলি যুগ থেকে তাঁদের এই খ্যাতি ছিল এবং ইসলামেও তা অব্যাহত থাকে। আমর ইবনে আল-আহতাম বনী তামীম গোত্রের প্রতিনিধি দলের সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বাইয়াত গ্রহণ করেন, তখন তিনি অল্পবয়সী ছিলেন।আবু যায়েদ উমর ইবনে শাব্বাহ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু উবায়দাহ মা'মার ইবনুল মুসান্না আমাদের বলেছেন যে, কিলাবের যুদ্ধে তাঁদের মধ্যে ঘটে যাওয়া কোনো এক ঘটনায় কায়েস ইবনে আসিম সিনান ইবনে সুমাইয়ির মুখে একটি আরবি ধনুক দিয়ে আঘাত করেন, যার ফলে তাঁর দাঁত ভেঙে যায়। এরপর থেকে তিনি 'আহতাম' (দন্তহীন) নামে পরিচিত হন।আবু আহমাদ মুহাম্মদ ইবনে মুসা ইবনে হাম্মাদ আল-বারবারি আমাকে ইবনুল কালবি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনী তামীমের প্রতিনিধি দলকে তাঁদের পুরস্কার প্রদানের নির্দেশ দিলেন, তখন তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: তোমাদের আর কেউ বাকি আছে কি? কায়েস ইবনে আসিম বললেন: আমাদের এক কিশোর আমাদের বাহনগুলো পাহারা দিচ্ছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকেও অন্যদের মতো পুরস্কার প্রদানের নির্দেশ দিলেন। তখন আমর ইবনে আল-আহতাম কায়েসের নিন্দা করে এবং তাকে তুচ্ছ করে বললেন:তুমি রাসূলের কাছে বসে তোমার চুলের ওপর ভর দিয়ে আমাকে গালি দিতে থাকলে … তুমি সত্যও বলোনি এবং সঠিক কাজও করোনি।যদি তোমরা আমাদের ঘৃণা করো তবে জেনে রাখো যে রোমানরাই তোমাদের মূল উৎস … আর রোমানরা আরবদের প্রতি ঘৃণা পোষণ করা ছাড়া কিছু জানে না।আমরা শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করেছি এবং আমাদের শ্রেষ্ঠত্ব সম্মানের, আর তোমাদের শ্রেষ্ঠত্ব … অহংকার ও নীচতার মূলে পড়ে আছে।কায়েস তার কথার প্রতিবাদে অনুরূপ পঙ্ক্তি বললেন:তোমাদেরকে তোমাদের স্বজনদের অভাব … হীরা অঞ্চলে নিয়ে এসেছিল, তারা যেমন দাবি করে বিষয়টি তেমন নয়।আমার প্রতিরক্ষা না থাকলে তোমরা দাসে পরিণত হতে … যাদের বসতি হতো হীরা ও সাইলাহুন।আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে খালাফ আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে হারব আমাদের বলেছেন যে, হাইসাম ইবনে মাহফুজ আমাদের বলেছেন যে, আবু আল-মুকুওয়াম ইয়াহইয়া ইবনে সালিম আল-আনসারী হাকাম থেকে, তিনি মিকসাম থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন যে: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমর ইবনে আল-আহতামকে বললেন: হে আমর, তোমাদের মধ্যে যিবরিকান কেমন? তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, তিনি অত্যন্ত বাগ্মী, অনুসারীদের মধ্যে মান্যবর এবং স্বীয় বংশের রক্ষক।যিবরিকান বললেন: আল্লাহর শপথ, হে আল্লাহর রাসূল! সে আমাকে হিংসে করেছে, অথচ সে আমার সম্পর্কে যা বলেছে তার চেয়ে বেশি জানে। তখন আমর বললেন: যখন আপনি অস্বীকার করলেন, তখন শুনুন, আল্লাহর শপথ—আমার জানা মতে আপনি পৌরুষহীন, সংকীর্ণমনা, হঠাৎ ধনী হওয়া ব্যক্তি, যার পিতা নির্বোধ এবং মামা নীচ। আল্লাহর শপথ, হে আল্লাহর রাসূল! আমি প্রথমবারেও মিথ্যা বলিনি এবং দ্বিতীয়বারেও সত্য বলেছি; তবে আমি যখন সন্তুষ্ট ছিলাম তখন আমার জানা সেরা কথাটি বলেছি, আর যখন ক্ষুব্ধ হয়েছি তখন আমার জানা নিকৃষ্ট কথাটি বলেছি।
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ১৮)
فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن من البيان لسحرا.وحدثني عسل بن ذكوان النحوي، قال: حدّثنا العباس بن ميمون قال: حدثنا بن عائشة، قال: حدثنا حمّاد بن زيد قال: حدّثنا محمد بن الزبير الحنظلي. قال عَسَل: وحدثنيه أبو حرب محمد بن خالد المهلّبي قال: حدثنا محمد بن عبّاد المهلبي عن أبيه عن محمد بن الزبير وفي الحديثين اختلاف ألفاظ. 128 - عمرو بن يثربيّ الضبّي، فارس بني ضبّة يوم الجمل، وقد قيل إن اسمه عَمِيرة بن يثربي، وقيل: إن عميرة أخوه.وحدثني ابن أبي خيثمة عن دعبل: أن أسمه عمرو بن يثربي وكان عثمان بن عفّان استقضاه على البصرة ثم خرج مع عائشة، وقتل يوم الجمل ثلاثة من قُرَّاء الكوفة المعدودين رحمهم الله من أصحاب عليّ رضوان الله عليه: عِلباء بن الهيثم المُرادي وهند بن عمرو الجملي من مُراد أيضاً وزيد بن صُوحان العبدي، وارتجز فقال:إنْ ينكروني فأنا ابن يثربيقاتلُ عِلباء وهند الجمليثم ابن صُوحانَ على دين عليوقتله عمّار بن ياسر رضي الله عنه في ذلك اليوم. وكان عمرو بن يثربيّ قبل ذلك من العُبّاد المعروفين.وحدثني أبو بكر أحمد بن أبي خيثمة قال: حدثنا وهب بن جرير عن أبيه عن ابن عون عن أبي رجاء العُطارِدي.قال: سمعت ابن يثربي يرتجز يوم الجمل:نحن بنو ضبّة أصحاب الجملْوالموتُ أحلى عندنا من العسلْننعى ابن عفّان بأطراف الأَسلْرُدّوا علينا شيخَنا ثمَ بَجَلْومن قوله:أَلا قُل للزبير وصاحبيه … وطلحةَ والذين هم النُّضَار129 - عمرو بن أبي حمزة الهُذَلي، أخو بني قُريم.قال:بَلّغوا قومَنا الصواهلَ أنّا … قد نبذنا بَحِلْيةَ الأَوزاراحين لا نَنْظُر المطيَّ ولكن … طارَ في حبلِ لاحقٍ ما طارا130 - عمرو بن المستوغر بن زمعة، بن كعب بن سعد بن زيد مناة بن تميم.يزعم بعض الرواة أنّه عُمِّرَ ثلاثمائة وخمسين سنة، وهذا باطل، والمشهور من أمره، أنه حضر أمر الجاهلية الجهلاء وبقي إلى آخر أيام معاوية بن أبي سفيان. قالوا: بينه وبين مضر عشرة أباء، وبين عمرو بن قميئة المعمرَّ وبين نزار عشرون أباً، وهذا فوقه في قُعْدُد النسب وطرافته وبُعده، وقد يكون مثل هذا. حدثني محمد بن أحمد قال: حدثنا مسعود بن بشر قال: حدثنا الأصمعي قال: حدّثنا أبو عمرو بن العلاء وعقبة بن رؤلة. وحدثني عبد الله بن مسلم بن قتيبة: أنَّ المستوغر مرَّ بعكاظ، وعلى ظهره ابنُ ابنه يحمله شيخاً هرماً، وأُعيِيَ من حمله فوضعه بالأرض وقال: عنّيتَني صغيراً وكبيراً، فقال له رجلٌ: يا عبد الله اتقول هذا لأبيك؟ قال: أنا جدُّه. قال: ما رأيت شيخاً أكذبَ منك، مازدتَ لو كنتَ المستوغر بن زمعة، قال: فأنّا المستوغر.وذكرمحمد بن الهيثم بن عَدِي عن أبيه: أنَّه سُمّي المستوغر بقوله في شعره:ينشُّ الماءُ في الرَّبلاتِ منها … نشيشَ الرَضْف في اللَّبنِ الوغيرِ131 - عمرو بن حبيب الثقفي، أبو مِحْجَن، فارس شاعر له صحبة، وكان مستهتراً بالشراب، كثير القول فيه، فحدّه عمربن الخطاب رضي الله عنه مرَّات، ثم أخرجه الى العراق فشرب به فضربه سعد بن أبي وقاص وسجنه في قصر العُذيب، وكان سعد مريضاً في القصر، فأقام المسلمون في حرب القادسية أياماً ووجهت الأعاجم قوماً إلى القصر ليأخذوا مَن فيه، فاحتال أبو محجن حتى ركب فرس سعدٍ عن غير علمه وخرج فأوقعَ بهم ورآه سعد، فلما انصرف بالظفر خلّى سبيله وقال: لا أضربك بعدها في الشراب.فقال: فإنّي لا أذوقها أبداً.أخبرني أبو حنيفة إسماعيل بن عبد الله قال: دخل ابن أبي محجن على معاوية، فقال له: أبوك الذي يقول:إذا مت فادْفِنّيّ إلى أَصل كَرْمةٍ … يُروِّي عظامي بعد موتي عروقُهاولا تَدْفِنَنّي بالفلاة فإنّني … أخافُ إذا ما مُتُّ ألَاّ أذوقَهافقال: يا أمير المؤمنين بل هو الذي يقول:لا تسأَلي الناسَ عن مالي وكثرتِه … وسائلي القومَ عن جودي وعن خُلُقينُعطي السنانَ غداةَ الروعِ حصّتَه … وعاملُ الرمحِ أرويه من العَلَقِ
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: নিশ্চয়ই কিছু বক্তব্য জাদুতুল্য।এবং আমাকে আসাল বিন যাকওয়ান আন-নাহভী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে আব্বাস বিন মায়মুন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে ইবনে আইশা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে হাম্মাদ বিন যায়েদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ বিন যুবায়ের আল-হানজালী বর্ণনা করেছেন। আসাল বলেছেন: আর আমার কাছে এটি আবু হারব মুহাম্মদ বিন খালিদ আল-মুহাল্লাবী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ বিন আব্বাদ আল-মুহাল্লাবী তার পিতা থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন যুবায়ের থেকে বর্ণনা করেছেন। আর এই দুটি বর্ণনার শব্দচয়নে ভিন্নতা রয়েছে। ১২৮ - আমর বিন ইয়াসরিবি আদ-দাব্বি, জঙ্গে জামালের দিন বনু দাব্বার অশ্বারোহী বীর। বলা হয়ে থাকে যে তার নাম উমাইরা বিন ইয়াসরিবি, আবার কেউ বলেন উমাইরা তার ভাই।এবং ইবনে আবি খাইসামা দি'বিল থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন: তার নাম ছিল আমর বিন ইয়াসরিবি এবং উসমান বিন আফফান তাকে বসরার বিচারক নিযুক্ত করেছিলেন। এরপর তিনি আয়েশার সাথে বের হন এবং জঙ্গে জামালের দিন আলীর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) সাথীদের মধ্য হতে কুফার প্রখ্যাত তিন ক্বারিকে হত্যা করেন—আল্লাহ তাদের ওপর রহম করুন। তারা হলেন: ইলবা বিন হাইসাম আল-মুরাদি, মুরাদ গোত্রেরই হিন্দ বিন আমর আল-জামালি এবং যায়েদ বিন সুহান আল-আবদি। এরপর তিনি রণসঙ্গীত গেয়ে বলেন:তারা যদি আমাকে অস্বীকার করে, তবে জেনে রাখো আমি ইয়াসরিবির পুত্রইলবা ও হিন্দ আল-জামালির হত্যাকারীঅতঃপর আলীর দ্বীনের ওপর অটল থাকা ইবনে সুহানেরও হত্যাকারীএবং সেদিন আম্মার বিন ইয়াসির (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তাকে হত্যা করেন। আমর বিন ইয়াসরিবি এর আগে প্রখ্যাত ইবাদতগুজারদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।এবং আবু বকর আহমদ বিন আবি খাইসামা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: ওয়াহাব বিন জারির তার পিতা থেকে, তিনি ইবনে আউন থেকে, তিনি আবু রাজা আল-উতারিদি থেকে বর্ণনা করেছেন।তিনি বলেন: আমি ইবনে ইয়াসরিবিকে জঙ্গে জামালের দিন রণসঙ্গীত গাইতে শুনেছি:আমরা বনু দাব্বা, উটের সাথীমৃত্যু আমাদের কাছে মধুর চেয়েও মিষ্টিআমরা বর্শার ফলায় ইবনে আফফানের মৃত্যুর খবর দিই (প্রতিশোধ নিই)আমাদের নেতাকে আমাদের কাছে ফিরিয়ে দাও, তবেই সব চুকে যাবেএবং তার পঙক্তিমাালার মধ্য থেকে:ওহে, তুমি যুবায়ের ও তার দুই সাথীকে বলো … এবং তালহা ও তারা যারা অভিজাত সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত১২৯ - আমর বিন আবি হামজা আল-হুজালি, বনু কুরাইমের ভ্রাতা।তিনি বলেন:আমাদের সম্প্রদায়ের দ্রুতগামী ঘোড়াগুলোকে পৌঁছে দাও যে … আমরা হিলইয়াতে আমাদের বোঝাগুলো ফেলে দিয়েছিযখন আমরা বাহনের দিকে তাকাই না, বরং … যা ওড়ার তা দ্রুতগামী অশ্বের রশিতে উড়ে গিয়েছে১৩০ - আমর বিন আল-মুস্তাওগির বিন যামআহ, বিন কাব বিন সাদ বিন যায়েদ মানাত বিন তামীম।কিছু বর্ণনাকারী দাবি করেন যে তিনি ৩৫০ বছর বেঁচে ছিলেন, যা ভিত্তিহীন। তার ব্যাপারে প্রসিদ্ধ তথ্য হলো, তিনি জাহেলিয়াতের অন্ধকার যুগ প্রত্যক্ষ করেছিলেন এবং মুয়াবিয়া বিন আবু সুফিয়ানের শেষ দিনগুলো পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তারা বলেন: তার এবং মুদারের মধ্যে দশজন পূর্বপুরুষের ব্যবধান, আর দীর্ঘজীবী আমর বিন কামিয়া এবং নিযারের মধ্যে বিশজন পূর্বপুরুষের ব্যবধান। বংশপরম্পরার নৈকট্য ও বিরলতার দিক থেকে তিনি তার ঊর্ধ্বে, আর এমনটি হওয়া সম্ভব। আমার কাছে মুহাম্মদ বিন আহমদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: মাসউদ বিন বিশর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আল-আসমায়ী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু আমর বিন আল-আলা এবং উকবা বিন রুআলা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন। আর আমার কাছে আব্দুল্লাহ বিন মুসলিম বিন কুতাইবা বর্ণনা করেছেন: আল-মুস্তাওগির একবার উকায মেলা অতিক্রম করছিলেন, আর তার পিঠে ছিল তার নাতির ছেলে, যাকে তিনি এক জরাজীর্ণ বৃদ্ধ অবস্থায় বহন করছিলেন। তাকে বহন করতে করতে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়লেন এবং তাকে মাটিতে নামিয়ে রেখে বললেন: তুমি শৈশবেও আমাকে ক্লান্ত করেছ এবং বার্ধক্যেও। তখন এক ব্যক্তি তাকে বলল: হে আল্লাহর বান্দা! তুমি তোমার পিতার সম্পর্কে এমন কথা বলছ? তিনি বললেন: আমি তার পরদাদা। লোকটি বলল: আমি তোমার চেয়ে বড় মিথ্যাবাদী বৃদ্ধ আর দেখিনি; তুমি যদি মুস্তাওগির বিন যামআহও হতে তবুও এর বেশি কিছু হতে পারতে না। তিনি বললেন: আমিই সেই মুস্তাওগির।মুহাম্মদ বিন আল-হাইসাম বিন আদি তার পিতা থেকে উল্লেখ করেছেন: তার কবিতায় একটি চরণের কারণে তাকে 'মুস্তাওগির' নাম দেওয়া হয়েছে:ঊরুর ভাঁজে পানি কলকল শব্দ করছে … তপ্ত দুধে গরম পাথর নিক্ষেপ করলে যেমন শব্দ হয়১৩১ - আমর বিন হাবিব আস-সাকাফি, আবু মিহজান, একজন অশ্বারোহী বীর ও কবি, যিনি সাহাবী ছিলেন। তিনি মদ্যপানে আসক্ত ছিলেন এবং এ বিষয়ে অনেক কথা বলতেন। ফলে উমর বিন আল-খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তাকে কয়েকবার দণ্ড প্রদান করেন। এরপর তাকে ইরাকে পাঠিয়ে দিলে সেখানেও তিনি মদ্যপান করেন। তখন সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস তাকে প্রহার করেন এবং উদাইব দুর্গে কারারুদ্ধ করেন। সাদ তখন দুর্গে অসুস্থ অবস্থায় ছিলেন। কادسিয়ার যুদ্ধে মুসলমানরা বেশ কয়েক দিন অবস্থান করেন এবং পারসিকরা দুর্গে অবস্থানকারীদের পাকড়াও করার জন্য একদল সৈন্য পাঠায়। তখন আবু মিহজান এক কৌশল অবলম্বন করেন এবং সাদের অজান্তেই তার ঘোড়ায় চড়ে যুদ্ধক্ষেত্রে বেরিয়ে পড়েন এবং শত্রুদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। সাদ তাকে যুদ্ধ করতে দেখেছিলেন। যখন তিনি বিজয় নিয়ে ফিরে এলেন, সাদ তাকে মুক্তি দিলেন এবং বললেন: এরপর মদ্যপানের জন্য আমি তোমাকে আর প্রহার করব না।তখন তিনি বললেন: তাহলে আমিও আর কখনো এর স্বাদ গ্রহণ করব না।আমাকে আবু হানিফা ইসমাইল বিন আব্দুল্লাহ অবহিত করেছেন, তিনি বলেছেন: আবু মিহজানের পুত্র মুয়াবিয়ার কাছে গেলে তিনি তাকে বললেন: তোমার পিতাই কি সেই ব্যক্তি যিনি বলেছিলেন:যখন আমি মারা যাব, আমাকে আঙ্গুর গাছের শিকড়ের পাশে দাফন করো … যাতে মৃত্যুর পর আমার হাড়গুলো ওর শিকড় থেকে রস পায়আমাকে মরুভূমিতে দাফন করো না, কারণ আমি ভয় পাই … পাছে মৃত্যুর পর আমি আর ওর স্বাদ না পাইতখন তিনি বললেন: হে আমিরুল মুমিনীন! বরং তিনি সেই ব্যক্তি যিনি বলেছিলেন:মানুষের কাছে আমার ধন-সম্পদ ও তার প্রাচুর্য সম্পর্কে জিজ্ঞেস করো না … বরং লোকদের আমার দানশীলতা ও চরিত্র সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করোযুদ্ধের প্রভাতে আমরা বল্লমের অগ্রভাগকে তার প্রাপ্য অংশ দিই … আর বর্শার ফলাকে আমি গাঢ় লাল রক্তে সিক্ত করি।
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ১৯)
والقومُ أعلمُ أنّي من سُراتِهم … إذا سما بَصَرُ الرِعْديدةِ الفَرِقِفقال: لئن كنّا أسأنا، لا نُسيء الفعال، وأمر له بصِلةٍ.132 - عمرو بن مسعود الثقفي.أخبرني أبو حنيفة إسماعيل بن عبد الله قال: حدّثني أبو عاصم محمود بن عاصم الشيباني قال: كان عمرو بن مسعود أخا عروة بن مسعود بن معتّب الثقفي، صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم والشهيد بالطائف وكان عمرو صديق أبي سفيان بن حرب ينزل عليه كلما ورد الطائف فكبرت سِنُّه وامتدت أيامه وأثكل ولده، فشخص نحو معاوية بن أبي سفيان، وقد تمّ الأمر له واستُخلفَ فلم يُعرَف ببابه، فأقام عليه مدة، إلى أن أذن معاوية إذناً عامّاً، فدخل عليه، ومثل بين السماطين فأنشده قصيدة طويلة وصف فيها ما كان بينه ولين أبيه وما مرَّعليه من الزمان وما أصيب به من ماله وولده ومن حجاب معاوية وأولها:أَصبحتُ شيخاً كبيراً هامةً لغَدٍ … تزقو لدى جَدَثي أو لا فبعد غَدِأودى الزمانُ حَلوباتي وما جمعتْ … كفّاي من سَبَدِ الأموالِ واللبدِحتى أحالَ على مَنْ كان لي عَضُداً … يا للرجال، فلستُ اليومَ ذا عَضُدِوالله لو كان يا خيرَ الخلائفِ ما … لاقيتُ في أُحُدٍ ذلّتْ ذُرَى اُحُدِقال: فبكى معاوية وقرّبَه إليه وبرّه وأكرمَه ووصلَه بصِلة سنية، وردّه إلى الطائف وكتب إلى عامله يوصيه به، فلم ينشب أن مات.ومما قاله أيضاً لمعاوية:ما بالُ شيخك مخنوقاً بجِرّته … طال الثواءُ به دهراً وقد صَبَراأبَاكَ تُرعد كفّاه بمحْجنهِ لم يترك الدهرُ من أولادهِ ذَكرا فاذكرُ أباك أبا سفيان فاحفظه في خلِّهِ، فلقد ضيّعتَه عُصُرا وقد كتب إلى عبد الله بن أحمد بن سوادة مولي بني هاشم قال: حدثني الغضبان بن المنخل البجلي قال: حدثني خالي الحكم بن موسى السلولي قال: حدثني أبو عيسى موسى بن أبي بكر البكري قال: قدم عمرو بن مسعود السُلمي هذا، قال إنه من بني سُليم، على معاوية، وكان صديق أبي سفيان، فلم يصل إليه شهرين، فكلمه عبد الله بن جعفر فيه فقال: ما علمت أنّه باقٍ، وأذن له فذكر الحديث وأنشد الشعر، قال: فقال له: وكم كان ولدُك؟ قال: عشرة كلهم قد رعى عليّ وكفاني، فماتوا وبقي الإناث وذهب مالي، فأمر له بدياتِهم وبرّه وحمله وكتب إلى عامله بالمدينة أن يُدني مجلسه ويقضي حوائجه.وفي شعره الذي أنشدنيه أبو حنيفة ما يُصدّق حديث ابن سوادة أنّه أقام بباب معاوية شهرين فأمّا نسبه إلى سليم وما حكي أنّه وصلَه به فهو مضطرب، وكذلك إسناده.قد مرَّ شهرٌ وشهرٌ لا يُرَى طمعٌ … يدنيه منكَ وهذا الموت قد حَضَراأفنىَ حلوبتَه واجتاح آلتَه … لم يترك الدهرُ من أبنائِه ذَكَرا133 - عمرو بن سفيان، أبو الأعور السُلمي، فارس أهل الشام، كان فيمن كفر وغدر برسُلِ رسول الله صلى الله عليه وسلم. فقنِتَ رسول الله صلى الله عليه وسلم شهراً يدعو على قبائل من سليم، منها رِعْل وذَكوان وعُصيّة، وقال فيها صلى الله عليه وسلم: عصت الله ورسوله، وسمَّى عمرو بن سفيان باسمه.حدثنا بذلك علي بن الحسن بن عرفة قال: حدثنا أبن أيوب عن إبراهيم بن سعد عن محمد بن إسحق.وفي حديث آخرحدثنيه ابن شاهين: أنه صلى الله عليه وسلم لعن عمرو بن سفيان وسهيلاً ذا الأسنان وأبا سفيان.وأسلم أبو الأعور بعد ذلك، وحضر فتوح الروم بالشام وأبلى ورَأَسَ هناك، ثم كان رئيس القيسية يوم صِفّين وعظيم القدر عند معاوية، ومشهور الخبر ويقول الشعر.حدثنا أبو بحر أحمد بن إسحاق بن البهلول التنوخي قال: حدثني أبي عز، إسحاق بن زياد السامي عن شبيب بن شيبة عن خالد بن صفوان بن عبد الله بن الأهتم: أنّ معاوية غَرِضَ بجلسائه فقال لحاجبه: اطلب لي قوماً يحدّثوني سواهم، فوجد ببابه أبا الأَعور ومعن بن يزيد بن الأخنس ونصرَ بن الحجاج بن علاط السُلميّين فأدخلهم فخاطبهم معاوية وخاطبوه بكلام طويل، ثم أمر بإخراجهم، فكتب إليه أبو الأعور:معاوِيَ إمّا التمست الرجا … لَ فتلك التي مثلها يُلْتَمسْفقد امكنتكَ لعمري الأمور … من الكاشفي عنكَ ما قد لبسْمِنِ ايرادِ أمرِ وإصدارِه … وهَمّ تطاولَ فيه النَفَسْ
আর কওম জানে যে আমি তাদের সম্ভ্রান্তদের অন্তর্ভুক্ত... যখন ভীতু-কাপুরুষদের দৃষ্টি উপরে উঠে যায়।তিনি বললেন: যদি আমরা মন্দ আচরণ করে থাকি, তবে আমরা কার্যে মন্দ করব না; এবং তিনি তার জন্য উপঢৌকনের নির্দেশ দিলেন।১৩২ - আমর ইবনে মাসউদ আস-সাকাফী।আবু হানিফা ইসমাইল ইবনে আব্দুল্লাহ আমাকে জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আসিম মাহমুদ ইবনে আসিম আশ-শাইবানী আমাকে বলেছেন যে: আমর ইবনে মাসউদ ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবী এবং তায়েফে শহীদ উরওয়াহ ইবনে মাসউদ ইবনে মুআত্তিব আস-সাকাফীর ভাই। আমর ছিলেন আবু সুফিয়ান ইবনে হারবের বন্ধু। তিনি যখনই তায়েফে আসতেন, আমরের কাছে অবস্থান করতেন। অতঃপর তার বয়স অনেক বেড়ে যায়, জীবন দীর্ঘ হয় এবং তিনি তার সন্তানদের হারান। এরপর তিনি মুআবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ানের দরবারে গমন করেন। তখন মুআবিয়ার শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং তিনি খলিফা নিযুক্ত হয়েছেন। কিন্তু তার দরবারে আমরকে চেনা সম্ভব হয়নি। তিনি সেখানে দীর্ঘকাল অবস্থান করেন, অবশেষে মুআবিয়া যখন সাধারণ অনুমতির ঘোষণা দিলেন, তখন তিনি তার কাছে প্রবেশ করলেন। তিনি দুই সারির মাঝখানে দাঁড়িয়ে তাকে একটি দীর্ঘ কবিতা শোনালেন, যাতে তিনি তার ও তার পিতার মধ্যকার সম্পর্ক, কালের বিবর্তন, ধন-সম্পদ ও সন্তানাদির বিয়োগ এবং মুআবিয়ার দ্বাররক্ষীদের প্রতিবন্ধকতা বর্ণনা করেন। কবিতার শুরু ছিল এরূপ:আমি আজ এক অতি বৃদ্ধে পরিণত হয়েছি, আগামীকালের একটি খুলি মাত্র... যা আমার কবরের পাশে চিৎকার করবে, অথবা আগামী পরশু আমি শেষ হয়ে যাব।কাল আমার দুগ্ধবতী উটগুলো এবং আমার দুই হাতের অর্জিত সকল স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ধ্বংস করে দিয়েছে।এমনকি সে তাদেরও গ্রাস করেছে যারা ছিল আমার বাহুস্বরূপ... হায় লোকসকল, আজ আমি কোনো সাহায্যকারী বাহুহীন।আল্লাহর কসম, হে শ্রেষ্ঠ খলিফা, আমি যা সহ্য করেছি তা যদি উহুদ পাহাড়ে ঘটত... তবে উহুদের সুউচ্চ শিখরগুলোও নুয়ে পড়ত।বর্ণনাকারী বলেন: মুআবিয়া কেঁদে ফেললেন এবং তাকে নিজের কাছে টেনে নিলেন, তার প্রতি সদয় হলেন, তাকে সম্মানিত করলেন এবং তাকে একটি চমৎকার উপঢৌকন প্রদান করলেন। অতঃপর তাকে তায়েফে ফেরত পাঠালেন এবং তার গভর্নরের কাছে তাকে দেখাশোনার জন্য অসিয়ত করে চিঠি লিখলেন। এর অল্পকাল পরেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।মুআবিয়ার উদ্দেশে তিনি আরও বলেছিলেন:তোমার বৃদ্ধের কী হলো যে সে তার রোমন্থনে শ্বাসরুদ্ধ প্রায়... দীর্ঘকাল সে সেখানে অবস্থান করছে এবং ধৈর্য ধরেছে।তোমার পিতার হাত তার লাঠি নিয়ে কাঁপছে, কাল তার সন্তানদের মধ্য থেকে কোনো পুরুষকে অবশিষ্ট রাখেনি। সুতরাং তোমার পিতা আবু সুফিয়ানের কথা স্মরণ করো এবং তার বন্ধুর অধিকার রক্ষা করো, নিশ্চয়ই তুমি দীর্ঘকাল তাকে অবহেলা করেছ। বনু হাশিমের আযাদকৃত দাস আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে সাওয়াদাহ লিখেছেন, তিনি বলেন: গদবান ইবনে আল-মুনখাল আল-বাজালি আমাকে বলেছেন, তিনি বলেন: আমার মামা আল-হাকাম ইবনে মুসা আস-সালুলি আমাকে বলেছেন, তিনি বলেন: আবু ঈসা মুসা ইবনে আবি বকর আল-বাকরি আমাকে বলেছেন: এই আমর ইবনে মাসউদ আস-সুলামী—তিনি বলেন যে তিনি বনু সুলাইম গোত্রের—মুআবিয়ার কাছে এসেছিলেন। তিনি ছিলেন আবু সুফিয়ানের বন্ধু। কিন্তু দুই মাস পর্যন্ত তিনি মুআবিয়ার সাক্ষাৎ পাননি। অতঃপর আবদুল্লাহ ইবনে জাফর তার বিষয়ে কথা বললে মুআবিয়া বললেন: তিনি যে এখনও জীবিত আছেন তা আমি জানতাম না। এরপর তিনি তাকে অনুমতি দিলেন এবং কবিতা পাঠ ও পূর্বোক্ত ঘটনার উল্লেখ হলো। বর্ণনাকারী বলেন: মুআবিয়া তাকে জিজ্ঞেস করলেন: তোমার কতজন সন্তান ছিল? তিনি বললেন: দশজন, তারা সবাই আমার দেখাশোনা করত এবং আমার কাজ করে দিত। তারা মারা গেছে এবং এখন শুধু কন্যারা অবশিষ্ট আছে আর আমার সম্পদও শেষ হয়ে গেছে। মুআবিয়া তখন তার সন্তানদের রক্তপণ হিসেবে অর্থ প্রদানের নির্দেশ দিলেন, তার সাথে সদ্ব্যবহার করলেন, তাকে বাহন দান করলেন এবং মদিনার গভর্নরের কাছে চিঠি লিখলেন যেন তাকে তার মজলিসে স্থান দেওয়া হয় এবং তার প্রয়োজনগুলো পূরণ করা হয়।আবু হানিফা আমাকে যে কবিতাটি শুনিয়েছেন তাতে ইবনে সাওয়াদাহর বর্ণনার সত্যতা পাওয়া যায় যে তিনি মুআবিয়ার দরজায় দুই মাস অবস্থান করেছিলেন। তবে তার সুলাইম গোত্রের সাথে সম্পৃক্ততা এবং তার প্রাপ্ত অর্থ সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে তা অসংলগ্ন, ঠিক যেমন তার বর্ণনাসূত্রও ত্রুটিপূর্ণ।এক মাস অতিবাহিত হলো, আরও এক মাস চলে গেল অথচ কোনো আশার আলো দেখা গেল না... যা তাকে তোমার কাছে নিয়ে আসবে, অথচ মৃত্যু ঘনিয়ে এসেছে।কাল তার দুগ্ধবতী উটগুলো নিঃশেষ করেছে এবং তার সহায়-সম্বল কেড়ে নিয়েছে... তার সন্তানদের মধ্য থেকে কোনো পুরুষকে অবশিষ্ট রাখেনি।১৩৩ - আমর ইবনে সুফিয়ান, আবু আল-আওয়ার আস-সুলামী। সিরিয়াবাসীদের অশ্বারোহী বীর। তিনি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা কুফরি করেছিল এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দূতদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মাস পর্যন্ত কুনুত পড়ে বনু সুলাইমের কিছু গোত্রের বিরুদ্ধে বদদোয়া করেছিলেন, যার মধ্যে রিল, জাকওয়ান এবং উসাইয়্যাহ অন্তর্ভুক্ত ছিল। তাদের সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন: তারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্যতা করেছে; এবং তিনি আমর ইবনে সুফিয়ানের নাম উল্লেখ করেছিলেন।আলী ইবনে আল-হাসান ইবনে আরাফাহ আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবনে আইয়ুব ইব্রাহিম ইবনে সাদ থেকে এবং তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক থেকে আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন।ইবনে শাহীন কর্তৃক বর্ণিত অন্য একটি হাদিসে এসেছে: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমর ইবনে সুফিয়ান, সুহাইল যুল আসনান এবং আবু সুফিয়ানকে অভিশাপ দিয়েছেন।অতঃপর আবু আল-আওয়ার ইসলাম গ্রহণ করেন এবং সিরিয়ায় রোমানদের বিরুদ্ধে বিজয়ে অংশগ্রহণ করেন। সেখানে তিনি বীরত্ব প্রদর্শন করেন এবং নেতৃত্বের আসীন হন। এরপর সিফফিনের যুদ্ধে তিনি কাইসিয়া গোত্রের প্রধান ছিলেন। মুআবিয়ার কাছে তার অনেক সম্মান ছিল, তার বীরত্বগাঁথা সুপরিচিত এবং তিনি কবিতাও রচনা করতেন।আবু বাহর আহমাদ ইবনে ইসহাক ইবনে আল-বাহলুল আত-তানুখি আমাদের বলেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা ইজ্জু ইসহাক ইবনে জিয়াদ আস-সামি শাবীব ইবনে শাইবাহ থেকে এবং তিনি খালিদ ইবনে সাফওয়ান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আল-আহতাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে: মুআবিয়া তার সহচরদের প্রতি বিরক্তি বোধ করে তার দ্বাররক্ষীকে বললেন: আমার জন্য অন্য কিছু লোক খুঁজে আনো যারা আমার সাথে কথা বলবে। তখন দরজায় আবু আল-আওয়ার, মান ইবনে ইয়াজিদ ইবনে আল-আখনাস এবং নাসর ইবনে আল-হাজ্জাজ ইবনে আলাত আস-সুলামীকে পাওয়া গেল। তাদের ভেতরে আনা হলো এবং মুআবিয়া তাদের সাথে দীর্ঘ আলাপচারিতা করলেন। এরপর তাদের বের করে দেওয়ার আদেশ দিলে আবু আল-আওয়ার তাকে লিখে পাঠালেন:হে মুআবিয়া, আপনি যদি পুরুষদের খোঁজ করেন... তবে এরাই তারা যাদের মতো বীরদেরই সন্ধান করা উচিত।আমার জীবনের কসম, বিষয়গুলো আপনাকে সুযোগ করে দিয়েছে... তাদের মাধ্যমে যারা আপনার সকল সংশয় দূর করে দেবে।কোনো কাজের পরিকল্পনা করা এবং তা বাস্তবায়ন করা... এবং এমন সংকল্প যা দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকে।
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ২০)
فإمّا تُرْدنا لهَنْي الجمال … ومدِّ الدِلاءِ وجرِّ الفَرَسْواطراقنا بعد ثني السؤال … فليس بنا يا ابن هندٍ خَرَسْ134 - عمرو بن أحمر بن العمرَّد الباهلي، من بني قرَّاص، شاعر فصيحٌ مقدّم على جميع نظرائه في فنون الشعر وغريبه.وقد أسلم وغزا مغازي الروم وأُصيب بعينه هناك، وتوفي على عهد عثمان بن عفّان رضي الله عنه، وهو أحد العُور المحسنين من الشعراء أنشدني أبو العباس محمد بن يزيد المبرد لعمرو بن أحمر في عينه:ضُمّا وسادي فإنَّ الليلَ قد برَدا … وانّ مَنْ كان يرجو النومَ قد هَجَدافما على الجانب الوحشي مرتفَقٌ … ولا على الظّهر ما لم تجعلا سَنَداشُلّتْ أناملُ مَخْشِيٍّ فلا اجثبرتْ … ولا استعانَ بضاحي كفّه أبداأَصارَنِي سهمُهُ أعشَى وغادَرَه … سيفُ ابنِ عَيْساء يشكو النحرَ والكمراأهْوَى لها مِشْقصاً حَشْراً فشَبْرَقها … وكنتُ أدعو قَذاها الإثمد القَرِداقال لي المبّرد: الإثمد الذي لم يُنعم سحقُه ومثله الحَتِرُ.135 - عمرو بن شُبَيل الثقفي، من بني عتّاب بن مالك بن كعب بن عمرو بن سعد، له شعر.136 - عمرو بن قبيصة وهو ابن الطيفانية الدارمي أحد بني زيد بن عبد الله بن دارم يقول:إذا ما تذكرتُ ابني يزيد تصعدتْ … إلى الصدرِ أحشائي وأسلمني ظهري- ربيعة -137 - عمرو الرحال بن النعمان بن البراء بن أسعد بن عبد الله بن سعد بن مرة بن ذهل بن شيبان، أنشد له دعبل:عضت بنو هندٍ بأَير أبيهم … هل كنتَ الا عاقداً لمجيرِإذ خيلُهم تردى عليَّ فضولها … ورجالُهم في الكوكبِ المسعورِوأنشدنى له المرثدى.سألوا البقية والرماحُ تنوشهم … شرقى الأسنة والنحور من الدمِفتركتُ في نقع العجاجةِ منهم … جزراً لساغبةٍ ونسرٍ قشعمهذا البيت الأخير في قصيدة عنترة الميمية.138 - عمرو بن شقيق من بني عمرو بن سدوس، له أشعار في يوم النشاش.139 - عمرو بن العديل العبدي القائل:ذهلتَ عن الصبا إلا القصيدا … وراجعت الأنابة والسجودا- اليمن -140 - عمرو بن الحمق الخزاعي رضي الله عنه صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو ممن أعان على عثمان رضي الله عنه وحضر قتله ومن قوله:يا عمرو يا ابنَ الحمق بن عمرو … من معشرٍ شُم الأُنوفِ زهرِ141 - عمرو بن الجموح بن زيد الخررجي صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم، والشهيد يوم أحد، وقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو يخرج إلى أُحُد قولا يعذره به في التخلف عنه لمكان عَرَجِهِ فقال: والله يا رسول الله إني لأَطمع أن أطأ بعرجتي هذه في الجنة، وقبره معروف في قبورالشهداء بأُحد ومن قوله:أَتوبُ إلى الله مما مضى … وأَستغفُر الله من نارِهوأُثني عليه بآلائه … بأعلان قلبي وإسرارهوكان أُسلم قبل هجرة النبي صلى الله عليه وسلم بعد أن أمتنع من الأسلام مدة وقد فشا بالمدينة، فعدا فتيان من قومه قد أسلموا على صنمه فكسروه وألقوه في بئر وقرنوا به كلباً ميتاً فقال:بالله لو كنت إلهاً لم تكن … أنتَ وكلب وسط بئرِ في قرنْثم أَسلم.142 - عمرو بن معدي كرب الزبيدي الفارس المشهور، يكنّى أبا ثور، جعله ابن سلام رابع فرسان العرب المذكورين، وحكي عن خلف الأحمر وغيره تقدمه عليهم أخبر بذلك أبو خليفة بن الحباب قال: حدثنا محمد بن سلام، وأخبرني أبو بكر بن زهير قال حدثنا الأثرم أن أبا عبيدة معمر بن المثنى قال كانت العرب لا تزيد فيمن تعد من الفرسان أو الشعراء أو الخطباء على ثلاثة نفر، وذكر أن العرب مجمعة على أن فرسانها في الجاهلية ثلاثة: عتيبة بن الحارث بن شهاب اليربوعي، وعامر بن الطفيل العامري وبسطام بن قيس بن مسعود الشيباني، ولم يذكر أبو عبيدة عمرو بن معدي كرب فيهم.وأخبرنا أبو سعيد بن شاهين قال حدثنا ابن النطاح قال حدثنا أبو عبيدة قال: كان عمرو بن معدي كرب يقدم على زيد الخيل في البأس والنجدة، ولا يُعلم له في الجاهلية أسيرٌ.
হয়তো আপনি আমাদের উটগুলোর সেবার জন্য, বালতি টানতে এবং ঘোড়া পরিচালনা করতে আমাদের পেতে চান … আর আমাদের মাথা নিচু করা প্রশ্নের পুনরাবৃত্তির পরে; হে হিন্দের পুত্র, আমরা কিন্তু বোবা নই।১৩৪ - আমর বিন আহমার বিন আল-আমররাদ আল-বাহিলি, বনী কুরাস গোত্রের, একজন প্রাঞ্জলভাষী কবি যিনি কাব্যকলা ও এর বিরল শব্দ চয়নে তাঁর সকল সমসাময়িকদের অগ্রজ ছিলেন।তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং রোমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন যেখানে তিনি তাঁর একটি চোখ হারান। তিনি উসমান বিন আফফান (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর শাসনামলে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি সেই সকল একচক্ষু বিশিষ্ট কবিদের একজন যারা চমৎকার কাব্য রচনা করতেন। আবু আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইয়াজিদ আল-মুবাররাদ আমাকে আমর বিন আহমারের নিজের চোখ সম্পর্কে এই কবিতাটি শুনিয়েছেন:আমার বালিশ দুটি গুছিয়ে রাখো, কারণ রাত শীতল হয়ে এসেছে … আর যে ঘুমের প্রত্যাশী ছিল সে এখন গভীর ঘুমে মগ্ন।বন্য প্রাণীর পার্শ্বদেশের মতো আমার এক পাশে কোনো আরাম নেই … আর পিঠের ওপরও কোনো স্বস্তি নেই যতক্ষণ না তোমরা দুজনে ঠেস দেওয়ার ব্যবস্থা করো।মখশীর আঙ্গুলগুলো অবশ হয়ে যাক, যেন তা আর কখনো জোড়া না লাগে … এবং সে যেন তার হাতের তালু দিয়ে আর কখনোই সাহায্য নিতে না পারে।তার তীর আমাকে অন্ধ করে দিয়েছে এবং তাকে রেখে গেছে … ইবনে আইসার তলোয়ার তার বক্ষদেশ ও নাভি নিয়ে অভিযোগ করছে।সে তার দিকে একটি তীক্ষ্ণ তীরের অগ্রভাগ ছুঁড়ে মেরেছিল যা তাকে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে … আর আমি তার চোখের ময়লাকে দানাদার ইসমিদ (সুরমা) বলে ডাকতাম।আল-মুবাররাদ আমাকে বলেছেন: ইসমিদ হলো এমন সুরমা যা সূক্ষ্মভাবে চূর্ণ করা হয়নি এবং 'হাতর' শব্দটিও এর অনুরূপ।১৩৫ - আমর বিন শুবাইল আস-সাকাফি, বনী আত্তাব বিন মালিক বিন কাব বিন আমর বিন সাদ গোত্রের, তাঁর কাব্য রয়েছে।১৩৬ - আমর বিন কাবিদাহ, যিনি ইবনে আত-তাইফানিয়্যাহ আদ-দারিমি নামে পরিচিত, বনী যাইদ বিন আব্দুল্লাহ বিন দারিম গোত্রের একজন, তিনি বলেন:যখনই আমি আমার দুই পুত্র ইয়াজিদের কথা স্মরণ করি, তখন আমার হৃদয়ের অন্তঃস্থল … বক্ষদেশ পর্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং আমার পিঠ আমাকে ছেড়ে দেয়।- রাবিয়া -১৩৭ - আমর আল-রাহহাল বিন আন-নুমান বিন আল-বারা বিন আসয়াদ বিন আব্দুল্লাহ বিন সাদ বিন মুররা বিন যুহাল বিন শায়বান, দাবিল তাঁর একটি কবিতা শুনিয়েছেন:বনী হিন্দ তাদের পিতার লজ্জাস্থান কামড়ে ধরেছে … তুমি কি কেবল এক আশ্রিতের জন্য চুক্তিবদ্ধ ছিলে না?যখন তাদের ঘোড়াগুলো আমার ওপর ধেয়ে আসছিল … আর তাদের পুরুষেরা জ্বলন্ত নক্ষত্রের মতো ক্ষিপ্র ছিল।আর আল-মারসাদি আমাকে তাঁর এই কবিতাটি শুনিয়েছেন:তারা প্রাণভিক্ষা চাইছিল যখন বর্শাগুলো তাদের বিদ্ধ করছিল … বর্শার অগ্রভাগ তাদের ডানে এবং তাদের বক্ষদেশ রক্তে রঞ্জিত ছিল।আমি ধূলিঝড়ের মধ্যে তাদের মৃতদেহগুলো এমনভাবে ফেলে এসেছি … যা ক্ষুধার্ত বন্যপ্রাণী ও বৃদ্ধ শকুনদের আহার হয়েছিল।এই শেষ পঙক্তিটি আনতারা'র মিমিয়্যাহ কাসিদার অন্তর্ভুক্ত।১৩৮ - আমর বিন শাকীক, বনী আমর বিন সাদূস গোত্রের, নাশাশের যুদ্ধ সম্পর্কে তাঁর কবিতা রয়েছে।১৩৯ - আমর বিন আল-আদীল আল-আবদী, যিনি বলেছিলেন:তুমি যৌবনকে বিস্মৃত হয়েছ কবিতা ছাড়া … এবং ফিরে এসেছ অনুশোচনা ও সিজদায়।- ইয়ামেন -১৪০ - আমর বিন আল-হামিক আল-খুজায়ি (রাযিয়াল্লাহু আনহু), রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবী। তিনি উসমান (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর বিরুদ্ধে সাহায্যকারী এবং তাঁর হত্যাকাণ্ডের সময় উপস্থিত ছিলেন। তাঁর উক্তির মধ্যে রয়েছে:হে আমর, হে আমরের পুত্র হামিক … এমন এক কওমের অন্তর্ভুক্ত যাদের নাসিকা সুউচ্চ এবং মুখমণ্ডল উজ্জ্বল।১৪১ - আমর বিন আল-জামুহ বিন যাইদ আল-খাযরাজি, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবী এবং উহুদ যুদ্ধের শহীদ। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উহুদ অভিমুখে যাত্রার সময় তাঁর পঙ্গুত্বের কারণে যুদ্ধে না যাওয়ার অনুমতি দিয়ে তাঁকে সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন, তখন তিনি বলেছিলেন: আল্লাহর শপথ, হে আল্লাহর রাসুল! আমি আশা রাখি যে আমার এই পঙ্গু পা দিয়েই আমি জান্নাতে হাঁটব। তাঁর কবর উহুদের শহীদদের কবরের মধ্যে সুপরিচিত। তাঁর উক্তির মধ্যে রয়েছে:আমি আল্লাহর কাছে তওবা করছি যা অতীতে ঘটে গেছে … এবং তাঁর আগুনের ভয় থেকে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।আমি তাঁর নেয়ামতের জন্য তাঁর প্রশংসা করছি … প্রকাশ্যে এবং হৃদয়ের অন্তরালে।তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হিজরতের আগেই ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। মদিনায় ইসলাম ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি বেশ কিছুকাল ইসলাম গ্রহণে বিরত ছিলেন। পরে তাঁর গোত্রের কিছু যুবক যারা ইসলাম গ্রহণ করেছিল, তারা তাঁর মূর্তির ওপর চড়াও হয়ে সেটি ভেঙে ফেলে এবং একটি মৃত কুকুরের সাথে বেঁধে কূপে নিক্ষেপ করে। তখন তিনি বলেছিলেন:আল্লাহর শপথ! তুমি যদি ইলাহ হতে, তবে তুমি … আর একটি কুকুর একসাথে কূপের ভেতর থাকতে না।এরপর তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন।১৪২ - আমর বিন মাদি কারিব আল-জুবাইদি, একজন বিখ্যাত অশ্বারোহী বীর, তাঁর উপনাম আবু সাওর। ইবনে সাল্লাম তাঁকে আরবের উল্লেখযোগ্য চার বীরের মধ্যে চতুর্থ স্থান দিয়েছেন। খালাফ আল-আহমার এবং অন্যরা তাঁকে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ বলে বর্ণনা করেছেন। এ কথা আবু খলিফা বিন আল-হুবাব জানিয়েছেন। তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন সাল্লাম আমাদের জানিয়েছেন এবং আবু বকর বিন জুহাইর আমাকে জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-আসরম আমাদের জানিয়েছেন যে, আবু উবাইদা মা'মার বিন আল-মুসান্না বলেছেন, আরবরা তাদের বীর, কবি বা বাগ্মীদের সংখ্যা তিনজনের বেশি গণনা করত না। তিনি উল্লেখ করেন যে, আরবরা একমত ছিল যে জাহেলি যুগের বীর ছিল তিনজন: উতাইবাহ বিন আল-হারিস বিন শিহাব আল-ইয়ারবুয়ি, আমির বিন আত-তুফাইল আল-আমিরি এবং বিস্তাম বিন কায়েস বিন মাসউদ আশ-শায়বানি। আবু উবাইদা তাদের মধ্যে আমর বিন মাদি কারিবের নাম উল্লেখ করেননি।আবু সাঈদ বিন শাহিন আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনে আন-নাত্তাহ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু উবাইদা বলেছেন: আমর বিন মাদি কারিব বীরত্ব ও সাহসিকতায় যাইদ আল-খাইলের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব রাখতেন এবং জাহেলি যুগে তাঁর কোনো বন্দীর কথা জানা যায় না।
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ২১)
وكان عمرو قد أسلم في حياة رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم ارتد مع مرتدة اليمن وحارب عمال رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم عاد الى الإسلام، وأخرجه عمر بن الخطاب في بعث العراق فشهد فتوح فارس وأبلى فيها فكتب عمر بن الخطاب إلى سعد بن أبي وقاص أن يستشيره في الحرب وطليحة بن خويلد الأسدي ولا يوليهما شيئاً من أمر المسلمين، وأخباره في غاراته في الجاهلية وقتله من قتل من الفرسان مشهورة وكثير منها أكاذيب.حدثني أحمد بن زهير قال حدثنا محمد بن سلام أراه عن عبد الملك بن الماجشون قال: كان عمرو بن معدي كرب في مسجد الكوفة يحدث بأيامه في الجاهلية إذ قال: فلقيت أنس بن مدرك الخثعمي فطعنته فقتلته وأنس في القوم فقال أنس: حلاّ أبا ثور: ها أنا جالساً اسمعك فقال: اسكت ويحك نوزغ هذه النزارية، نوزعها نكفها وذكر أحمد بن الهيثم الفراسي قال: حدثني عمي أبو فراس قال: حدثنا ابن الكلبي قال: كانت الفرسان تتواقت على خيولها في الكناسة بالكوفة فتتحدث، قال فوقف جماعة من الأشراف فيهم خالد بن الصقعب النهدي وطلع عليهم عمرو بن معدي كرب فقالوا، يا أبا ثورحدثنا ببعض عجائبك، فابتدأ بذكر أمر جرم حين حالفت بني زبيد وإغارتهم على الحارث بن كعب وحلفائها من نهد وإخوتها وساق خبرهم فقال فيه: فلقيتني بنو نهد مسترعفين بخالد بن الصقعب، فضربته بالصعصامة ضربةً فرقت بها بين شقيه، فسقط الى الأرض من كلا جانبيه فقال له خالد: إن قتيلك يا أبا ثور يسمع حديثك، قال: إنما أنت محدث فاسمع.وأخبرنا ابن شاهين قال: حدثنا ابن النطاح قال: حدثني أبو عبيدة معمر قال: كان عمرو بن معدي كرب يوم القادسية قد أرمق على مائة سنة.وحدثني عسل بن ذكوان قال: حدثنا أبو حاتم السجستاني قال كان خلف الأحمر مولى الأشعريين يتعصب لعمر بن معدي كرب ويفرط في الإشادة بذكره، فقال له بعض أصحابه يوماً: إنه كذاب، فقال: إن كان يكذب في المقال فإنه كان يصدق في الفعال.وأخبرنا محمد بن إسماعيل بن يعقوب الأعلم قال: حدثنا محمد بن سلام قال: قال يونس بن حبيب: أبت العرب إلا أنّ عمراً كان يكذب، وله أشعار كثيرة جياد، أنشدنا له محمد بن يحيف المروزي عن الجاحظ قصيدته التي أوّلها.أمن ريحانة الداعي السميعُ … يؤرقني وأصحابي هجوعُوفيها يقول:إذا لم تستطع شيئاً فدعه … وجاوزه الى ما تستطيعومما استحسن تشبيهه فيه:ترى السرحان مفترشاً يديه … كأنَّ بياضَ لبتهِ صديعُومن قوله المختار.ظللتُ كأني للرماح دريّةً … أقاتلُ عن أبنَاءِ جَرمٍ وفرّتِوجاشت اليّ النفسُ أوّلَ مرّةٍ … فرُدّت على مكروهها فاستقرتِوالبيت الأول من أمضّ ما هُجَي به أحدٌ والبيت الثاني من أصدق ما قاله فارسٌ.143 - عمرو بن سالم بن حصيرة الخزاعي المُلَحي: من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم، وبسببه كان فتح مكة.حدثني محمد بن الأزهر قال حدثنا سعيد بن يحيى الأموي عن أبيه عن محمد بن إسحق قال: كانت راية خزاعة يوم الفتح وهم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم مع عمرو بن سالم هذا.وأخبرني أحمد بن أبي خيثمة قال حدثنا أحمد بن محمد عن إبراهيم ابن سعد عن محمد بن إسحق بإسناده قال: لها هادن رسول الله صلى الله عليه وسلم قريشاً السنين التي كتب بها الكتاب بالحديبية كانت خزاعة مسلمها وكافرها في عقد النبي صلى الله عليه وسلم وكانت بكر بن عبد مناة في عقد قريش وبين بكر وخزاعة مغاورات، وفشا الإسلام في خزاعة وانتصفت من بكر فشكت بكر ذلك إلى قريش فأعانتها سراً ودسّت اليها الرجال والسلاح فبيتوا خزاعة على ماءٍ لهم يقال له الوثير، فقتلوهم قتلاً ذريعاً، فخرج عمرو بن سالم حتى قدم المدينة على النبي صلى الله عليه وسلم فأنشده:لا هُمَّ إني ناشدٌ محمدا … حلفَ أَبيه وأَبينا الأَتلداكنت أباً براً وكنا ولدا … إن قريشاً أَخلفتكَ الموعداونقضتْ ميثاقكَ المؤكدا … وزعمت أن لستَ تدعو أحداوهم أذلُّ وأقلُّ عدداً … وطرَّقونا بالوثير هُجّدافقتلّونا ركّعاً وسُجّدا … فانصر هداك الله نصراً أيِّداوادعُ عبادَ الله يأتوا مددا … فيهم رسول الله قد تجرَّدا
আমর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবদ্দশায় ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, এরপর তিনি ইয়ামেনের মুরতাদদের সাথে ধর্মত্যাগী হয়ে যান এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিযুক্ত আমিলদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন। অতঃপর তিনি পুনরায় ইসলামের দিকে ফিরে আসেন। উমর ইবনুল খাত্তাব তাকে ইরাকের যুদ্ধাভিযানে প্রেরণ করলে তিনি পারস্য বিজয়ে অংশগ্রহণ করেন এবং সেখানে অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন। উমর ইবনুল খাত্তাব সা’দ ইবনে আবি ওয়াক্কাসকে এই মর্মে পত্র লেখেন যে, তিনি যেন যুদ্ধের বিষয়ে তার (আমর) এবং তুলায়হা ইবনে খুওয়াইলিদ আল-আসাদীর সাথে পরামর্শ করেন, কিন্তু তাদের কাউকেই মুসলমানদের কোনো বিষয়ের নেতৃত্বে নিযুক্ত না করেন। জাহেলী যুগে তার বিভিন্ন লুণ্ঠন অভিযান এবং পারস্যের বীর যোদ্ধাদের হত্যা করার ঘটনাবলি অত্যন্ত প্রসিদ্ধ, যদিও এর মধ্যে অনেকগুলোই মিথ্যা।আহমদ ইবনে যুহাইর আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবনে সালাম—আমার ধারণা তিনি আব্দুল মালিক ইবনুল মাজীশূন থেকে—বর্ণনা করেছেন যে, আমর ইবনে মা’দি কারিব কুফার মসজিদে বসে জাহেলী যুগে তার কাটানো দিনগুলোর কথা বলছিলেন। একপর্যায়ে তিনি বললেন: "অতঃপর আমি আনাস ইবনে মুদরিক আল-খাসআমীর মুখোমুখি হলাম এবং তাকে বর্শার আঘাতে হত্যা করলাম।" অথচ আনাস সেই মজলিসেই উপস্থিত ছিলেন। তখন আনাস বললেন: "হে আবু সাওর, থামুন! আমি তো এখানেই বসে আপনার কথা শুনছি।" তখন আমর বললেন: "চুপ করো, তোমার ধ্বংস হোক! আমরা তো কেবল এই নিযারীদের বিভ্রান্ত করছিলাম (অর্থাৎ তাদের কাছে বীরত্ব প্রকাশ করছিলাম)।" আহমদ ইবনুল হাইসাম আল-ফারাসি উল্লেখ করেছেন যে, তার চাচা আবু ফিরাস তাকে ইবনুল কালবীর সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, ঘোড়সওয়াররা কুফার কিনাসা নামক স্থানে তাদের ঘোড়ার ওপর চড়ে সমবেত হতো এবং আলাপ-আলোচনা করত। একদল গণ্যমান্য ব্যক্তি সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন যাদের মধ্যে খালিদ ইবনে সাক’আব আন-নাহদীও ছিলেন। এমতাবস্থায় আমর ইবনে মা’দি কারিব সেখানে উপস্থিত হলে তারা বললেন, "হে আবু সাওর, আমাদের কাছে আপনার কিছু বিস্ময়কর বীরত্বের কাহিনী বর্ণনা করুন।" তখন তিনি জুরম গোত্র যখন বনু যুবায়দের সাথে মৈত্রী চুক্তি করেছিল এবং হারিস ইবনে কাব ও তাদের মিত্র নাহদ ও তাদের ভাইদের ওপর আক্রমণ করেছিল, সেই ঘটনা বর্ণনা করতে শুরু করলেন। তিনি বললেন: "নাহদ গোত্রের লোকজন খালিদ ইবনে সাক’আবের নেতৃত্বে আমার মুখোমুখি হলো। তখন আমি আমার ‘সামসামা’ (তলোয়ার) দিয়ে তাকে এমন এক আঘাত করলাম যে, তার শরীরের দুই পার্শ্ব আলাদা হয়ে গেল এবং সে তার উভয় দিক নিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল।" তখন খালিদ তাকে বললেন: "হে আবু সাওর, আপনার হাতে নিহত ব্যক্তিটি নিজেই আপনার এই বর্ণনা শুনছে!" আমর বললেন: "তুমি তো কেবল একজন শ্রোতা, তাই শুনতে থাকো।"ইবনে শাহীন আমাদের জানিয়েছেন, তিনি ইবনুন নাত্তাহ থেকে এবং তিনি আবু উবাইদাহ মা’মার থেকে বর্ণনা করেছেন যে, কাদিসিয়ার যুদ্ধের দিন আমর ইবনে মা’দি কারিবের বয়স একশ বছরের কাছাকাছি হয়েছিল।আসাল ইবনে যাকওয়ান আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু হাতিম আস-সিজিস্তানি আমাদের বলেছেন যে, আশআরীদের মুক্ত দাস খালফ আল-আহমার আমর ইবনে মা’দি কারিবের প্রতি অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট ছিলেন এবং তার বীরত্বগাথা আলোচনায় অতিশয়োক্তি করতেন। একদিন তার এক সঙ্গী তাকে বললেন: "সে তো একজন মিথ্যাবাদী।" তিনি উত্তরে বললেন: "যদি সে কথায় মিথ্যা বলে থাকে, তবে সে কাজে সত্যবাদী ছিল।"মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল ইবনে ইয়াকুব আল-আলাম আমাদের জানিয়েছেন, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে সালাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ইউনুস ইবনে হাবীব বলেছেন: আরবরা আমরকে মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত করার বিষয়ে একমত ছিল, তবে তার অনেক চমৎকার কবিতা রয়েছে। মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহাইফ আল-মারওয়াযী আল-জাহিজের সূত্রে আমাদের কাছে আমরের সেই কাসিদাটি আবৃত্তি করেছেন যার শুরুটা হলো:রায়হানার সেই আহ্বানকারী কি শুনতে পাচ্ছে? ... যা আমাকে বিনিদ্র রাখে যখন আমার সাথীরা গভীর ঘুমে মগ্ন।সেই কবিতায় তিনি বলেন:যখন তুমি কোনো কিছু করতে সক্ষম হবে না, তখন তা ছেড়ে দাও; এবং যা তুমি করতে পারবে সেই দিকে অগ্রসর হও।তার চমৎকার উপমাগুলোর মধ্যে একটি হলো:তুমি নেকড়েটিকে দেখবে তার সামনের দুই হাত বিছিয়ে রেখেছে; যেন তার বুকের শুভ্রতা একটি ফাটল।তার নির্বাচিত কবিতাগুলোর মধ্যে রয়েছে:আমি বর্শার লক্ষ্যবস্তু হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম; আমি জুরম সন্তানদের হয়ে যুদ্ধ করছিলাম অথচ তারা পলায়ন করেছিল।প্রথম দিকে আমার প্রাণ কেঁপে উঠেছিল; কিন্তু পরে যখন তাকে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির (যুদ্ধের) ওপর অবিচল রাখা হলো, তখন তা স্থির হলো।প্রথম পংক্তিটি হলো কাউকে হেয় করার জন্য বলা সবচেয়ে কঠোর বাক্যগুলোর একটি এবং দ্বিতীয় পংক্তিটি হলো কোনো বীর যোদ্ধার বলা সবচেয়ে সত্যনিষ্ঠ উক্তিগুলোর একটি।১৪৩ - আমর ইবনে সালিম ইবনে হাসিরা আল-খুযাঈ আল-মুলাহী: তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অন্যতম সাহাবী এবং তার কারণেই মক্কা বিজয় সংঘটিত হয়েছিল।মুহাম্মাদ ইবনুল আযহার আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি সাঈদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-উমাবী থেকে, তিনি তার পিতা থেকে এবং তিনি মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন যে, মক্কা বিজয়ের দিন খুযাআ গোত্রের ঝাণ্ডা এই আমর ইবনে সালিমের হাতে ছিল এবং তারা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলেন।আহমদ ইবনে আবি খাইসামা আমাকে জানিয়েছেন, তিনি আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ থেকে, তিনি ইব্রাহিম ইবনে সা’দ থেকে এবং তিনি মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক থেকে তার সনদে বর্ণনা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হুদায়বিয়াতে কুরাইশদের সাথে যুদ্ধবিরতির চুক্তি সম্পাদন করেন, তখন খুযাআ গোত্রের মুসলিম ও অমুসলিম সকলেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হয়। আর বকর ইবনে আবদে মানাত গোত্র কুরাইশদের চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হয়। বকর ও খুযাআ গোত্রের মধ্যে পুরনো শত্রুতা ছিল। খুযাআ গোত্রের মধ্যে ইসলাম ছড়িয়ে পড়েছিল এবং তারা বকর গোত্রের ওপর প্রাধান্য বিস্তার করেছিল। বকর গোত্র কুরাইশদের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ করলে কুরাইশরা গোপনে তাদের সাহায্য করে এবং তাদের কাছে লোকবল ও অস্ত্রশস্ত্র পাঠিয়ে দেয়। অতঃপর তারা ‘ওয়াসীর’ নামক জলাধারের কাছে খুযাআ গোত্রের ওপর অতর্কিত আক্রমণ চালায় এবং তাদের নির্মমভাবে হত্যা করে। তখন আমর ইবনে সালিম মদিনায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে এই কবিতাটি আবৃত্তি করেন:হে আল্লাহ, আমি মুহাম্মাদের কাছে বিচার চাইছি; তার পিতার এবং আমাদের পিতার সেই প্রাচীন চুক্তির দোহাই দিয়ে।আপনি ছিলেন এক দয়ালু পিতা এবং আমরা ছিলাম আপনার সন্তান; নিশ্চয়ই কুরাইশরা আপনার সাথে কৃত ওয়াদা ভঙ্গ করেছে।তারা আপনার সুদৃঢ় অঙ্গীকার ভেঙে দিয়েছে; এবং তারা ধারণা করেছে যে আপনি কাউকে সাহায্যের জন্য ডাকবেন না।অথচ তারা সংখ্যায় অতি নগণ্য এবং লাঞ্ছিত; তারা ওয়াসীর নামক স্থানে আমাদের ওপর রাতের আঁধারে আক্রমণ করেছে।তারা আমাদের রুকু ও সিজদারত অবস্থায় হত্যা করেছে; অতএব আপনি এমন সাহায্য করুন যা আল্লাহর পক্ষ থেকে সুদৃঢ় হবে।আল্লাহর বান্দাদের ডাকুন তারা যেন সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে; যাদের মধ্যে আল্লাহর রাসুল যুদ্ধের জন্য সুসজ্জিত হয়ে উপস্থিত থাকবেন।
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ২২)
أبيض مثل البدر يسمو مصعدا … في فيلق كالبحر حين أزبدافاستحل رسول الله صلى الله عليه وسلم بنكث قريش العهد غزوهم، وقال ورأى سحابة: إنّ هذه السحابة لتستهلّ بنصر بني كعب بن عمرو، وهم خزاعة، وخرج صلى الله عليه وسلم في عشرة آلاف رجل من قريش والأنصار وبطون العرب، ففتح الله عز وجل عليه مكة ودخلها عنوةً، فمنّ على أهلها، وقال: إذهبوا فأنتم طلقاء. 144 - عمرو بن أُحيحة بن الجلاح الأَوسي، وأحيحة يكنى أبا عمرو وليس يروى عنه خبر، ولكن أبا مخنف ذكره في خبر علي بن أبي طالب عليه السلام، وأنشد له في خطبة الحسن بن علي عليه السلام.حسنُ الخيرِ إنّه لعلّيٍ … قامَ فينا مقامَ ناهٍ خطيبٍ145 - عمرو بن فروة بن عون الأنصاري من قوله يوم الجمل:يا معشرَ الأنصارِ جدّوا تغلبوا … ذبّوا بأطرافِ الرماحِ واضربوا146 - عمرو بن سعد بن معاذ الأشهلي من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم، وهو بيت الأوس، ومن قوله:لسنا نبالي مَن غزا ومَنْ جلسْ … ومن صُلي بحربنها ومن خَرِس147 - عمرو بن جعده الأنصاري يقول:يا عمروُ يا عمروُ يا ابنَ الجحدرِ … أصبت كعباً في العجاجِ الأكدرِ148 - عمرو بن عبد الله المرادي يقول في يوم الجمل لما عقر جمل عائشة أم المؤمنين رضى الله عنها، وكان مع عليّ بن أبي طالب عليه السلام.عقرت ولم أعقر بها من هوانها … عليَّ ولكني رهبت المهالكاومن قوله يرد على الضبّي الذي ارتجز بالجمل وقد أخذ بخطامه:لم يغضبوا لله إلا للجمل … كم قائلٍ منهم لأخرَ لا شلل149 - عمرو بن أبي الجبر بن عمرو بن شرحبيل الكندي، أنشدنا له أحمد بن زهير عن دعبل له:تهددني كأنكَ ذو رعين … بأنعم عيشةٍ أو ذو نواسِفكم قد كان قبلك من نعيم … وملك كان في الأَقوام راستبدّل بعد ثروته وأضحى … تنقّل من أناس في أناسِوأنشدنا هذا الشعر عمر بن شبّة قال حدثنا أبو بكر أحمد بن معاوية بن بكر بإسناده أنه لعمرو بن معدي كرب قاله في سعد بن أبي وقاص.150 - عمرو بن مالك الجهني، له شعر.151 - عمرو بن مرة بن عبس بن مالك بن محرّث بن مازن بن رواعة الجهني، له شعر، وقد أسلم وحسن إسلامه منه قوله:الم تر أن الله أظهر دينَه … وبيّنَ فرقانَ القُرانِ لعامرِعمرو بن مرة هذا صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم ممن هاجر إلى الشام وأقام بها، ودعاه معاوية بن أبي سفيان إلى أن يحوّل نسب قضاعة إلى معد بن عدنان فقال له: أصعدني المنبر وإجمع لي الناس، فلما فعل قال:يا أيّها الداعي آدْعُنا وأَبْصرِ … قضاعةٌ من مالكِ بن حميرِالنسبُ المعروفُ غيرُ المنكرِثم حدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه رأى قوماً من حمير قد أسلموا وهاجروا فقال له: هؤلاء قومك، حدثنيه محمد بن راشد قال حدثني عبد الله بن محمد بن سنان قال حدثنا إبراهيم بن المنذر الحزامي قال: حدثني حرملة بن عبد العزيز بن الربيع بن سبرة قال: عثمان وعمرو ابنا مضرس بن عثمان الجهنيان عن أبيهما وذوي السن من قومهما عن عمروبن مرة وهما ابنا عمه.الإسلاميون إلى آخر أيام بني أميّة152 - عمرو بن سعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل العدوي وهو أحد العشرة الذين شهد لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم بالجنة وقد انقرض ولد سعيد بن زيد رحمةُ الله عليه.أنشدني محمد بن شيبان قال: أنشدنا حمّاد بن إسحق الموصلي عن أبيه لعمرو بن سعيد بن زيد.أمن آل ليلى بالملا متربّعُ … كما لاح وشمٌ في الذراع مرجّعُظللتُ بروحاء الطريق كأنني … أخو حيةٍ أوصالُه تتقطّعوأتبع ليلى حيث سارت وخيمتْ … وما للناسُ الا آلفُ ومودعُ153 - عمرو بن الوليد بن عقبة بن أبي مُعَيط الأمويّ، يُعرف بأبي قطيفة، شاعر محسن، وأحسن شعره في الحنين إلى وطنه بالمدينة - وكان أهل المدينة نفوا بني أميّة عنها ثم نفاهم ابن الزبير بعد ذلك إلى الشام، فأكثر القول في التشوق إلى المدينة.
পূর্ণিমার চাঁদের মতো শুভ্র যে ওপরে ওঠে … সমুদ্রের মতো ফেনিল এক বিশাল বাহিনীর মাঝে।কুরাইশদের অঙ্গীকার ভঙ্গের কারণে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা বৈধ মনে করলেন। তিনি একটি মেঘমালা দেখে বললেন: নিশ্চয়ই এই মেঘমালা বনু কা'ব বিন আমর—যারা খুজাআ গোত্রভুক্ত—তাদের বিজয়ের ঘোষণা দিচ্ছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরাইশ, আনসার এবং আরব গোত্রগুলোর দশ হাজার লোক নিয়ে বের হলেন। অতঃপর মহান আল্লাহ তাঁর জন্য মক্কা জয় করে দিলেন এবং তিনি সেখানে বলপূর্বক প্রবেশ করলেন। এরপর তিনি মক্কাবাসীদের প্রতি অনুগ্রহ করলেন এবং বললেন: তোমরা যাও, তোমরা মুক্ত। ১৪৪ - আমর বিন উহাইহা বিন আল-জুলাহ আল-আওসী। উহাইহার উপনাম ছিল আবু আমর। তাঁর সম্পর্কে কোনো বর্ণনা পাওয়া যায় না, তবে আবু মুখনাফ আলী বিন আবি তালিব (আলাইহিস সালাম)-এর বর্ণনায় তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন এবং হাসান বিন আলী (আলাইহিস সালাম)-এর খুতবার প্রেক্ষাপটে তাঁর একটি কবিতা আবৃত্তি করেছেন।উত্তমের কল্যাণ নিশ্চয়ই আলীর জন্য … তিনি আমাদের মাঝে নিষেধকারী খতিব হিসেবে দাঁড়িয়েছেন।১৪৫ - আমর বিন ফারওয়া বিন আওন আল-আনসারী, উটের যুদ্ধের দিন তাঁর পঙ্ক্তিমালা থেকে:হে আনসার সম্প্রদায়! প্রচেষ্টা করো, তবেই বিজয়ী হবে … বর্শার অগ্রভাগ দিয়ে প্রতিরোধ করো এবং আঘাত হানো।১৪৬ - আমর বিন সা'দ বিন মুআজ আল-আশহালী, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণের অন্তর্ভুক্ত এবং তিনি আওস গোত্রের সম্ভ্রান্ত পরিবারের। তাঁর পঙ্ক্তিমালা থেকে:আমরা তোয়াক্কা করি না কে যুদ্ধে গেল আর কে বসে থাকল … এবং কে যুদ্ধের আগুনে পুড়ল আর কে নীরব থাকল।১৪৭ - আমর বিন জাদা আল-আনসারী বলেন:হে আমর! হে আমর! হে জাহদারের পুত্র! … তুমি ধূলিময় আঁধারে কা’বকে পেয়েছিলে।১৪৮ - আমর বিন আব্দুল্লাহ আল-মুরাদী। তিনি উটের যুদ্ধের দিন বলেছিলেন যখন উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)-এর উটটির পা কাটা হয়েছিল। তিনি আলী বিন আবি তালিব (আলাইহিস সালাম)-এর সাথে ছিলেন।আমি পা কেটেছি, কিন্তু তার প্রতি অবজ্ঞাবশত আমি তার পা কাটিনি … বরং আমি ধ্বংসের আশঙ্কা করেছিলাম।এবং এটি তাঁর পঙ্ক্তিমালা থেকে, যা তিনি সেই দাব্বি গোত্রীয় ব্যক্তির জবাবে বলেছিলেন যে উটের যুদ্ধের দিন রাজয পাঠ করছিল এবং উটের লাগাম ধরে ছিল:তারা আল্লাহর জন্য রাগান্বিত হয়নি, হয়েছে কেবল উটের জন্য … তাদের কতজনই না অন্যকে বলছিল—হাত যেন অবশ না হয়!১৪৯ - আমর বিন আবিল জাবর বিন আমর বিন শুরাহবিল আল-কিন্দি। আহমদ বিন জুহাইর আমাদের কাছে দি'বিলের সূত্রে তাঁর এই কবিতাটি পাঠ করেছেন:তুমি আমাকে এমনভাবে হুমকি দিচ্ছ যেন তুমি 'জু রাইন' … পরম সুখের জীবনে আছো, অথবা যেন তুমি 'জু নুওয়াস'।তোমার আগে কতই না নেয়ামত ছিল … এবং রাজত্ব ছিল যা জাতিগুলোর মাঝে সুপ্রতিষ্ঠিত ছিল।ধন-সম্পদের পর তা পরিবর্তিত হয়ে গেল এবং পরিস্থিতি এমন হলো যে … তা এক জনপদ থেকে অন্য জনপদে স্থানান্তরিত হতে থাকল।উমর বিন শাব্বাহ আমাদের কাছে এই কবিতাটি পাঠ করেছেন; তিনি বলেন, আবু বকর আহমদ বিন মুয়াবিয়া বিন বকর তাঁর সনদে আমাদের জানিয়েছেন যে, এটি আমর বিন মা'দী কারিবের কবিতা এবং তিনি এটি সা'দ বিন আবি ওয়াক্কাস সম্পর্কে বলেছিলেন।১৫০ - আমর বিন মালিক আল-জুহানি; তাঁর কবিতা রয়েছে।১৫১ - আমর বিন মুররাহ বিন আবস বিন মালিক বিন মুহরিস বিন মাজিন বিন রাওয়াহা আল-জুহানি; তাঁর কবিতা রয়েছে। তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং তাঁর ইসলাম সুন্দর হয়েছিল। তাঁর পঙ্ক্তিমালা থেকে একটি হলো:তুমি কি দেখনি যে আল্লাহ তাঁর দ্বীনকে বিজয়ী করেছেন … এবং আমিরের কাছে কুরআনের ফুরকান স্পষ্ট করেছেন?এই আমর বিন মুররাহ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একজন সাহাবী ছিলেন, যিনি শামে হিজরত করেছিলেন এবং সেখানে বসবাস করতেন। মুয়াবিয়া বিন আবি সুফিয়ান তাঁকে কুদাআ গোত্রের বংশধারাকে মা'দ বিন আদনানের দিকে পরিবর্তন করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তখন তিনি তাকে বললেন: আমাকে মিম্বরে উঠতে দিন এবং মানুষের সমাবেশ করুন। যখন তিনি তাই করলেন, তখন তিনি বললেন:হে আহ্বানকারী! আমাদের ডাকো এবং প্রত্যক্ষ করো … কুদাআ হলো মালিক বিন হিমইয়ারের বংশধর।এটি সুবিদিত বংশধারা, যা অস্বীকার করার মতো নয়।অতঃপর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করলেন যে, তিনি হিমইয়ার গোত্রের এক দলকে দেখেছিলেন যারা ইসলাম গ্রহণ করে হিজরত করেছিলেন, তখন তিনি তাকে বলেছিলেন: এরা তোমার কওম। মুহাম্মদ বিন রাশিদ এটি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন যে আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন সিনান আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন যে ইব্রাহিম বিন মুনজির আল-হিযামি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন যে হারমালা বিন আব্দুল আজিজ বিন রাবী' বিন সাবরাহ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন: উসমান ও আমর—মুদাররিস বিন উসমানের দুই পুত্র—আল-জুহানিদ্বয় তাদের পিতা এবং তাদের কওমের প্রবীণ ব্যক্তিদের সূত্রে আমর বিন মুররাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, আর তারা দুজনে ছিলেন তাঁর চাচাতো ভাই।উমাইয়া বংশের শেষ সময় পর্যন্ত ইসলামী যুগের কবিগণ১৫২ - আমর বিন সাঈদ বিন যাইদ বিন আমর বিন নুফাইল আল-আদাবী। তিনি সেই দশজনের অন্তর্ভুক্ত যাদের জন্য রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জান্নাতের সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাঈদ বিন যাইদ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর বংশধর বিলুপ্ত হয়ে গেছে।মুহাম্মদ বিন শায়বান আমার কাছে আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ বিন ইসহাক আল-মাওসিলি তাঁর পিতার সূত্রে আমর বিন সাঈদ বিন যাইদ-এর পঙ্ক্তিমালা আমাদের কাছে আবৃত্তি করেছেন।মালার প্রান্তরে লাইলার পরিজনদের কি বসতবাড়ি আছে … যেমন বাহুতে উল্কি নতুন করে ফুটে ওঠে?আমি পথের রুহাতে এমনভাবে অবস্থান করলাম যেন আমি … সেই সাপের মতো যার দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছে।আর আমি লাইলার অনুসরণ করি সে যেখানেই যায় এবং তাবু খাটায় … মানুষের মাঝে তো কেবল পরিচিত বন্ধু অথবা বিদায় জানানো লোকই থাকে।১৫৩ - আমর বিন আল-ওয়ালিদ বিন উকবা বিন আবি মুআইত আল-উমায়ি, যিনি আবু কাতিফা নামে পরিচিত; একজন দক্ষ কবি। তাঁর শ্রেষ্ঠ কবিতাগুলো মদিনার প্রতি স্বদেশপ্রেম ও স্মৃতিকাতরতা নিয়ে রচিত—মদিনাবাসীরা উমাইয়া বংশকে সেখান থেকে বহিষ্কার করেছিল, এরপর ইবনুল জুবায়ের তাদেরকে শামে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। ফলে মদিনার আকাঙ্ক্ষায় তিনি প্রচুর কবিতা রচনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ২৩)
وأخبرني محمد بن شيبان عن حماد بن إسحق الموصلي عن أبيه قال: كان عمرو بن الوليد كثير شعر الرأس والوجه والجسد، فكني أبا قطيفة بذلك، وأنشد له في تشوقه إلى المدينة.القصر فالنخل فالجماء بينهما … أشهى إلى النفس من أبواب جيرونِإلى البلاط فما حازت قرائنه … دور نزحن عن الفحشَاء والهونِالقصر قصر سعد بن العاص، والبلاط والقرائن دور آل سعيد بن العاص، والجمّاء بئر بالعقيق عذبة طيبة، وباب جيرون دمشق، وأنشد أبو زيد عمر بن شبة في ذلك.الا ليتَ شعري هل تغيّر بعدنا … جنوب المصلى أو كعهدي القرائنوهل أدؤرٌ حولَ البلاطِ عوامرٌ … من الحي أم هل بالمدينة ساكنُإذا برقت نحو الحجازِ سحابةٌ … دعا الشوقَ مني برقُها المتيامنُفلم أنأَ عنها رغبة عن بلادِها … ولكنّه ما قدرَ الله كائنُأخبرني محمد بن شيبان قال: حدثنا حماد بن إسحق عن أبيه عن الحسن بن عتبة، وهو غورك اللهبي: كان الوليد بن يزيد يقول: أُريد الحجّ ولا أقدر على الحج لأنّ أهل المدينة يستقبلونني بصوتي معبد.القصر فالنخل فالجمّاء بينهما.و: الا ليت شعري هل تغير بعدنا.وأنشد له أبو زيد أيضاً.ليتَ شعري وأين مني ليتُ … أعلى العهد يَلْبَنٌ فبِرامٌأم كعهدي البقيعُ أم غيَّرته … بعدي الحادثاتُ والأيامُوتبدَّلتُ من مساكنٍ قومي … والقصور التي بها الآطامُكلَّ قصرٍ مشيّدٍ ذى أواسٍ … تتغنّى على ذَراه الحمامُويقومي بُدّلت عكاً ولخماً … وجذاماً وأَين مني جذامُولحي بين العُرَيضِ وسلعٍ … حيث أرسى أوتاده الأسلامُأقرِ قومي السلامَ إن جئت عني … وقليلٌ مني لقومي السلامُحدثنا أحمد بن عمار قال: أخبرنا محمد بن إسحق بن صوما أو محمد بن أحمد بن صدقة قال: بلغ عبد الله بن الزبيرهذا الشعر فقال: وعليه السلام ورحمة الله وبركاته، ليرجع مأذوناً له به، قال: فارتحل ليرجع نحو الحجاز، فمات في الطريق، ومن قوله لعبد الملك بن مروان.نُبئتُ أن ابن القلمّس عابني … ومن ذا من الناس الصحيحُ المسلّموأنشدني أحمد بن عمار قال: أنشدني محمد بن يونس بن الوليد لأبي قطيفة، ولم أسمع بها إلا من ابن عمار!الا ليت شعري هل تغيّر بعدنا … قباءٌ وهل زالَ العقيقُ وحاضرُهوهل برحت بطماءُ قبر محمدٍ … أراهط غرّ من قريش تباكرُهلها منتهى حبي وجُلُّ مودتي … وصفو الهوى مني وللناس سائره154 - عمرو بن شيبان بن ظالم من بني جلس بن نُفاثة بن الدُئل بن بكر بن كنانه، له أشعار.155 - عمرو بن سعيد بن العاص بن سعيد بن العاص، يلقب بالأشدق، وهو الذي قتله عبد الملك بن مروان على الخلافة أنشدني له محمد بن راشد قال: أنشدني الهيثم بن مروان عن روح بن إبراهيم بن مسلم بن ذكوان مولى مروان لعمرو يقوله قي معاوية، وكان عرض عليه قضاء دين سعيد بن العاص، فقال: بل أبيع أمواله، فأعانه بألف ألف درهم.جزتك الرحمُ عنّا يا ابنَ حربٍ … جزاءً يُستحق به الثوابُعرضتَ قضاءَ ما أوصى سعيدٌ … به من دَينِهِ والحربُ بابُفقلتُ الله يقضي الدَينَ عنه … بكسرِ المال ذاك له ثوابُوقد عابتْ معاويةَ بن حَربٍ … رجالٌ من بني فهرٍ غضابُومن قوله:لعمرل إني في العلاء لذو سُرى … ويا لليلِ عن بعض السُرى لنؤومُ156 - عمرو القباع بن عوف بن معبد بن زرارة بن عُدُس من قوله:أَنا القُباع وابن أمّ الغمرِ … إن كنتَ لا تدري فأني أدري157 - عمرو القنا الأَزرقي الخارجي، تميمي فارس الأزارقة، حدثني أحمد بن أبي خيثمة قال: حدثنا خالد بن خداش قال: صلّى عمرو القنا ليلة حتى أصبح وهو في عسكر الأزارقة، ثم حضر الصلاة مع قَطَري بن الفجاءة ثم سبح حتى ارتفعت الشمس، ثم صلّى صلاة الضحى، فأخذ حجراً فكتب في قبلته:
মুহাম্মদ বিন শায়বান আমাকে হাম্মাদ বিন ইসহাক আল-মাওসিলি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমর বিন আল-ওয়ালিদের মাথায়, মুখে ও শরীরে প্রচুর চুল ছিল, এ কারণে তাঁর উপনাম রাখা হয়েছিল আবু কাতিফা। তিনি মদিনার প্রতি তাঁর ব্যাকুলতা প্রকাশ করে কবিতা আবৃত্তি করেছেন।প্রাসাদ, খেজুর বাগান এবং এ দুটির মাঝে অবস্থিত আল-জাম্মা … দামেস্কের জাইরুন তোরণের চেয়েও আমার মনের কাছে অধিক প্রিয়।আল-বালাত এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো … এমন সব ঘর যা অশ্লীলতা ও লাঞ্ছনা থেকে মুক্ত।এখানে প্রাসাদ বলতে সাঈদ বিন আল-আসের প্রাসাদকে বোঝানো হয়েছে। বালাত এবং কারাইন হলো সাঈদ বিন আল-আসের বংশধরদের ঘরসমূহ। আল-জাম্মা হলো আকিক উপত্যকার একটি সুপেয় ও চমৎকার কূপ। জাইরুন হলো দামেস্কের একটি তোরণ। এ বিষয়ে আবু যাইদ উমর বিন শাব্বাহ কবিতা আবৃত্তি করেছেন—হায়! আমি যদি জানতাম, আমাদের চলে আসার পর … মুসাল্লার দক্ষিণ দিক কি বদলে গেছে, নাকি আল-কারাইন আমার দেখা সেই আগের মতোই আছে!আর বালাতের চারপাশের ঘরগুলোতে কি … গোত্রের লোকজন আবাদ আছে, নাকি মদিনায় অন্য কেউ বসবাস করছে?যখনই হিজাজের দিকে কোনো মেঘ চমকায় … তার দক্ষিণ প্রান্তের বিজলি আমার ভেতরে ব্যাকুলতা জাগিয়ে দেয়।আমি সে দেশ ছেড়ে আসিনি তার প্রতি কোনো অনীহা থেকে … বরং আল্লাহ যা নির্ধারণ করেছেন তা ঘটবেই।মুহাম্মদ বিন শায়বান আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ বিন ইসহাক তাঁর পিতা থেকে, তিনি আল-হাসান বিন উতবা (যিনি গুরক আল-লাহাবি নামে পরিচিত) থেকে বর্ণনা করেন: আল-ওয়ালিদ বিন ইয়াজিদ বলতেন: আমি হজ্জ করার ইচ্ছা পোষণ করি কিন্তু হজ্জ করতে পারছি না, কারণ মদিনাবাসীরা মা’বাদের সুরে এই গান গেয়ে আমাকে অভ্যর্থনা জানায়—প্রাসাদ, খেজুর বাগান এবং এ দুটির মাঝে অবস্থিত আল-জাম্মা।এবং: হায়! আমি যদি জানতাম, আমাদের চলে আসার পর কি বদলে গেছে।আবু যাইদ তাঁর সম্পর্কে আরও আবৃত্তি করেছেন—হায়! আমি যদি জানতাম—আর আমার সেই আকাঙ্ক্ষা কোথায়— … ইয়ালবান ও বিরাম কি তাদের সেই আগের অবস্থায় আছে?নাকি আল-বাকী আমার স্মৃতিতে যেমন ছিল তেমনই আছে, নাকি … কালের আবর্তন ও দিনরাত্রি আমার অগোচরে তাকে বদলে দিয়েছে?আমি আমার স্বগোত্রীয়দের আবাসস্থলগুলোর পরিবর্তে গ্রহণ করেছি … এমন সব প্রাসাদ যাতে দুর্গ রয়েছে।এমন সব সুদৃঢ় প্রাসাদ যার ভিত্তি সুগভীর … যার চূড়ায় বসে কবুতর গান গায়।আর আমার গোত্রের বিনিময়ে আমি পেয়েছি আক্ক, লাখম … ও জুযাম গোত্রকে; আর জুযাম গোত্রের সাথে আমার সম্পর্কই বা কোথায়?আর আল-উরাইদ ও সাল’ পাহাড়ের মধ্যবর্তী সেই বসতির বিনিময়ে … যেখানে ইসলাম তার তাবু গেড়েছিল।যদি আমার পক্ষ থেকে সেখানে যাও তবে আমার গোত্রকে সালাম দিও … যদিও আমার পক্ষ থেকে আমার গোত্রের জন্য এই সালাম সামান্যই।আহমদ বিন আম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন সাওমা অথবা মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন সাদাকাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ বিন আল-জুবাইরের কাছে এই কবিতা পৌঁছালে তিনি বললেন: তার ওপরও আল্লাহর শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক, সে অনুমতিপ্রাপ্ত হয়ে ফিরে আসুক। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর তিনি হিজাজের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন, কিন্তু পথিমধ্যে মৃত্যুবরণ করলেন। আব্দুল মালিক বিন মারওয়ানকে উদ্দেশ্য করে তাঁর একটি উক্তি হলো—আমাকে জানানো হয়েছে যে, ইবনে আল-কালাম্মাস আমার দোষ ধরেছে … মানুষের মধ্যে কে আছে যে ত্রুটিমুক্ত ও নিখুঁত?আহমদ বিন আম্মার আমাকে কবিতা আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন ইউনুস বিন আল-ওয়ালিদ আমার নিকট আবু কাতিফার কবিতা আবৃত্তি করেছেন, যা আমি ইবনে আম্মার ছাড়া আর কারো কাছে শুনিনি—হায়! আমি যদি জানতাম, আমাদের চলে আসার পর … কুবা কি বদলে গেছে? আকিক উপত্যকা ও তার অধিবাসীরা কি বিলীন হয়ে গেছে?মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কবরের ধূলি কি এখনও ঘিরে আছে … কুরাইশ বংশের সেই মর্যাদাবান দলগুলো, যারা প্রত্যুষে সেখানে সমবেত হতো?তার জন্যই আমার ভালোবাসার শেষ সীমা এবং বন্ধুত্বের মূল অংশ … আমার হৃদয়ের অকৃত্রিম অনুরাগ তার জন্য, আর বাকিদের জন্য কেবল অবশিষ্টাংশ।১৫৪ - আমর বিন শায়বান বিন জালিম; তিনি বনু জালস বিন নুফাথা বিন আদ-দুয়িল বিন বকর বিন কিনানা গোত্রের লোক, তাঁর কিছু কবিতা রয়েছে।155 - আমর বিন সাঈদ বিন আল-আস বিন সাঈদ বিন আল-আস, তাঁর উপাধি ছিল 'আল-আশদাক'। খিলাফতের প্রশ্নে আব্দুল মালিক বিন মারওয়ান তাঁকে হত্যা করেছিলেন। তাঁর সম্পর্কে মুহাম্মদ বিন রাশিদ আমার নিকট কবিতা আবৃত্তি করেছেন, তিনি বলেন: হাইসাম বিন মারওয়ান আমাকে রাওহ বিন ইব্রাহিম বিন মুসলিম বিন জাকওয়ান (যিনি মারওয়ানের মুক্তদাস ছিলেন) থেকে আমর সম্পর্কে শুনিয়েছেন, যা তিনি মুয়াবিয়া সম্পর্কে বলেছিলেন। মুয়াবিয়া তাঁর নিকট সাঈদ বিন আল-আসের ঋণ পরিশোধের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু তিনি বলেছিলেন: বরং আমি তাঁর সম্পদ বিক্রি করব। অতঃপর মুয়াবিয়া তাঁকে দশ লক্ষ দিরহাম দিয়ে সাহায্য করেছিলেন।হে ইবনে হারব, আমাদের পক্ষ থেকে আত্মীয়তার বন্ধন আপনাকে … এমন প্রতিদান দিক যার মাধ্যমে সওয়াব অর্জিত হয়।সাঈদ তাঁর যে ঋণের বিষয়ে অসিয়ত করে গেছেন, আপনি তা পরিশোধের প্রস্তাব দিয়েছেন … যখন যুদ্ধের দ্বার উন্মুক্ত ছিল।আমি বললাম, আল্লাহ তাঁর পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধ করে দেবেন … সম্পদ ব্যয় করার মাধ্যমে, আর তা তাঁর জন্য সওয়াবের কাজ।বনু ফিহর গোত্রের কিছু রাগান্বিত ব্যক্তি … মুয়াবিয়া বিন হারবের সমালোচনা করেছে।তাঁর উক্তিগুলোর মধ্যে একটি হলো—আমার জীবনের কসম, শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের পথে আমি রাতের বেলায় পথচারী … আর কত রাতই না এমন যায় যখন রাতের ভ্রমণের একাংশে আমরা নিদ্রামগ্ন থাকি।১৫৬ - আমর আল-কুব্বা বিন আউফ বিন মাবাদ বিন জুরারা বিন আদাস-এর উক্তি থেকে—আমিই আল-কুব্বা এবং উম্মুল গামরের পুত্র … যদি তুমি না জানো, তবে জেনে রেখো আমি জানি।১৫৭ - আমর আল-কানা আল-আযরাকি আল-খারেজি, তিনি তামীম গোত্রের লোক এবং আযরাকিদের অশ্বারোহী ছিলেন। আহমদ বিন আবি খাইসামা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: খালিদ বিন খাদাশ আমাদের বলেছেন: আমর আল-কানা এক রাতে ভোর পর্যন্ত নামাজ পড়েন যখন তিনি আযরাকিদের সেনাদলে ছিলেন। অতঃপর তিনি কাতারি বিন আল-ফুজাআহ-র সাথে নামাজে উপস্থিত হন। এরপর সূর্য না ওঠা পর্যন্ত তাসবিহ পাঠ করেন, তারপর চাশতের নামাজ পড়েন। এরপর তিনি একটি পাথর নিলেন এবং তার কিবলার দিকে লিখলেন:
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ২৪)
لا خير في الدنيا لمن لم يكن له … من الله في دار القرارِ نصيبُفحسبي من الدنيا دلاصٌ حصينةٌ … وأجرد خوار العنان نجيبُفي أبيات، ثم أخذ رمحه فعمل في المسلمين عملاً مارأوا مثله من أحد. حدثني محمد بن يحيى قال: حدثنا الجاحظ عن القريعي قال: قلت ليونس بن حبيب: أين كان عمرو القنا من جذل الطعان وملاعب الأسنة، فقال: لا بل أين كان جذل الطعان وملاعب الأسنة من عمرو القنا، ومات موتاً ولم يقتل. فقال الحجاج: لا وألت نفس الجبان، هذا عمرو القنا مات، حتف أنفه. 158 - عمرو بن حُكَيْم بنُ مُعَيَّة بن أبي صعبة التميمي من ربيعة الجوع، يقول:هل تعرف الدارة من ام وهب … إذ هي خودٌ عجبٌ من العجبْفيما اشتهت من خبزٌ برٍّ وَحَلب … تقتل كلَ ذات زوجٍ وعزبْ159 - عمرو بن حُرثان ذي الاصبع العدواني، نزل خراسان وهو شاعر فارس، ضربه أمية بن عبد الله بن خالد بن أَسِيد حداً في الشراب - فهجاه فقال -:لعمري لقد ضيعت ثغراً وليته … أبا جعل أفٍ لفعلكَ من فعلِفلو كنت حراً يا أمية ماجداً … زحفت إلى الأعداء في الخيل والرجلِولكن أبي قلبُ جبانٌ ونيةٌ … تقصر عن فعل الكرام ذوي الفصلِعذرت قريشاً أن يجودوا ويبخلوا … فما لبني سوداء والجود والبخلمغازيل اكفال إذا الحربُ شمّرت … وحلمُ بني السوداء شرٌ من الجهلِرأيتُ بني السوداء ليسوا بسادةٍ … ولا قادة عند الحفاظِ على الأصلِوقال فيه أيضاً.أضاع أمير المؤمنين ثغورَنا … وأطمع فينا المشركين ابنُ خالدِوباتَ على خور الحشايا منعماً … يلاعبُ أمثال المها في المجاسِدوبتنا جلوساً في الحديد وتارةً … قياماً ننادي ربنا في المساجدإذا هتف العصفورُ طارَ فؤادُه … وليثٌ حديدُ النابِ عند الثرائِدأخبرني أبو حنيفة إسماعيل بن عبد الله، ومحمد بن أحمد عن مسعود بن بشر عن إبراهيم بن داحة قال: فقال له عبد الملك بن مروان: مالك ولابن حُرثان، قال: وجب عليه حد فأقمته قال: فهلا درأته عنه بالشبهة فو الله ما يسرني أنه لحقني ما لحق علقمة بن علاثة من بيت الأعشى وأن لي ما على الأرض، ثم أنشد بعض أبيات الأعشى الصادية في علقمة.160 - عمرو بن عتاب التيمي تيم الرِباب أحد بني رُبَيْع من قوله يرثي أخاه عباد بن عتاب:كأنَّه لم يكن ميتٌ ولا حزنٌ … ولا رزيةٌ دهرٍ قبل عبْادِ161 - عمرو بن رياح المزني من بني جآوة بن عثمان، يهجو أبا وجزة السعدي:أنا ابن أوسٍ وعثمان الأُلى بلغوا … مع الرسول تمامَ الألف وانتسبواوما وفى معه من غيرهم أحدٌ … ألفاً وما خذلوا عنه ولا نكبوا162 - عمرو بن أمية بن عمرو بن سعيد بن العاص بن أبي أحيحة سعيد بن العاص بن أُمية، له شعرصالح، وأكثر ما يروى له في هجاء عمّته أم موسى بنت عمرو بن سعيد ورميه إياها بمتطبب نصراني يقال له وهب، أنشدني محمد بن القاسم بن مهروية قال: أنشدنا روح بن فرج الحرمازي، قال: أنشدنا هشام ابن الكلبي له:لا بارك الرحمن في عمتي … وزادها في ضعفها ضَعْفَهما زوجت من رجل سيّد … يا زيد الا عجّلت حتفهولا رأينا قط زوجاً لها … أبلى جديداً عندها خفّهِوأنشدني له محمد بن الهيثم بن عدي عن أبيه في المتطبب:يا ليتني كنت وهباً كي تطاوعني … فيما هويت من الأشياء عمتناإذن لكنت قريياً من مودتها … وأَنجحت عندها يا زيد حاجتنايريد وهب أموراً كنت آمنها … يردنا عن هوى ربي ويلفتناقسٌّ وضيءٌ لطيفُ الخصر مختلقٌ … هانت على عمتي في القس سخطتناوأنشد له أيضاً فيها:لا بارك الرحمنُ في عمّتي … ما أبعد الأيمان من قلبهاتلك أم موسى بنت عمرو التي … لم تخش في القسيس من ربهايا عبد لاتأسي على بعدها … فالبعد خير لك من قربها
দুনিয়াতে সেই ব্যক্তির জন্য কোনো কল্যাণ নেই যার চিরস্থায়ী নিবাসে আল্লাহর নিকট থেকে কোনো অংশ নেই। … দুনিয়া থেকে আমার জন্য একটি মজবুত বর্মই যথেষ্ট … আর একটি দ্রুতগামী ও অবাধ্য লাগামহীন ঘোড়া যে অনুগত। কিছু পঙক্তি আবৃত্তি করার পর তিনি তাঁর বল্লম নিলেন এবং মুসলিমদের মধ্যে এমন এক বীরত্ব প্রদর্শন করলেন যা তারা আগে কারো থেকে দেখেনি। মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আমাকে বলেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-জাহিজ আল-কুরাইয়ী থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইউনুস ইবনে হাবীবকে জিজ্ঞাসা করলাম: যুদ্ধের ময়দানে বর্শার খেলায় আমর আল-কানা কোথায় ছিল? তিনি উত্তর দিলেন: বরং বর্শার খেলা আমর আল-কানা-এর কাছে কোথায় ছিল? তিনি স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন, তাঁকে হত্যা করা হয়নি। তখন হাজ্জাজ বলল: কাপুরুষের প্রাণ যেন রক্ষা না পায়, এই আমর আল-কানা স্বাভাবিকভাবে (বিছানায়) মারা গেল। ১৫৮ - আমর ইবনে হুকাইম ইবনে মুআইয়্যাহ ইবনে আবি সাবাআ আল-তামিমি, সে বলে: তুমি কি উম্মে ওয়াহাবের ঘরটিকে চিনতে পেরেছ? … যখন সে ছিল এক চমৎকার ও বিস্ময়কর রূপসী নারী। গমের রুটি আর দুধের মধ্যে সে যা কামনা করত … তা বিবাহিত ও অবিবাহিত সকলকেই মোহিত করে হত্যা করে। ১৫৯ - আমর ইবনে হুরসান যিল আসবা আল-আদওয়ানী, তিনি খুরাসানে বসতি স্থাপন করেছিলেন এবং তিনি একজন কবি ও বীর যোদ্ধা ছিলেন। উমাইয়া ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে خالد ইবনে আসীদ মদ্যপানের অভিযোগে তাঁর ওপর হদ (শাস্তি) প্রয়োগ করেন—ফলে তিনি তাঁর নিন্দা করে বললেন: আমার জীবনের কসম! তুমি সেই সীমান্তকে নষ্ট করেছ যার দায়িত্ব তোমাকে দেওয়া হয়েছিল, … হে আবা জাআল! তোমার এই কাজের জন্য ধিক্কার! হে উমাইয়া! তুমি যদি একজন মহৎ ও স্বাধীনচেতা মানুষ হতে, … তবে তুমি অশ্বারোহী ও পদাতিক বাহিনী নিয়ে শত্রুর দিকে অগ্রসর হতে। কিন্তু তোমার পিতা ছিলেন একজন কাপুরুষ এবং তোমার সংকল্প ছিল ত্রুটিপূর্ণ, … যা উচ্চমর্যাদা সম্পন্ন মহৎ ব্যক্তিদের কর্ম থেকে অনেক দূরে। কুরাইশরা দান করুক বা কৃপণতা করুক, তা ক্ষমার যোগ্য, … কিন্তু কৃষ্ণাঙ্গ নারীর সন্তানদের দান বা কৃপণতার সাথে কী সম্পর্ক! যুদ্ধের সময় তারা পিঠ প্রদর্শনকারী অযোগ্য ব্যক্তি, … আর এই কৃষ্ণাঙ্গ নারীর সন্তানদের সহনশীলতা মূর্খতার চেয়েও অধম। আমি দেখলাম কৃষ্ণাঙ্গ নারীর সন্তানরা নেতা নয়, … আর আভিজাত্য রক্ষার সময় তারা পরিচালকও নয়। তিনি তাঁর সম্পর্কে আরও বলেন: আমিরুল মুমিনীন আমাদের সীমান্তগুলোকে অরক্ষিত করে দিয়েছেন, … আর ইবনে খালিদ আমাদের ওপর মুশরিকদের লোভাতুর করে তুলেছে। সে নরম বিছানায় আয়েশে রাত কাটিয়েছে, … আর রেশমি কাপড়ের ললনাদের সাথে ক্রীড়ায় মত্ত ছিল। আমরা লোহার বর্মে বসে রাত কাটিয়েছি, … আর কখনো মসজিদে দাঁড়িয়ে আমাদের রবের কাছে প্রার্থনা করেছি। চড়ুই পাখি কিচিরমিচির করলে তাঁর হৃদপিণ্ড উড়ে যায়, … অথচ সুরুয়া পানের সময় সে তীক্ষ্ণ দাঁতওয়ালা সিংহ। আবু হানিফা ইসমাইল ইবনে আব্দুল্লাহ এবং মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আমাকে মাসউদ ইবনে বিশর থেকে, তিনি ইব্রাহিম ইবনে দাহা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান তাঁকে (উমাইয়াকে) বললেন: তোমার এবং ইবনে হুরসানের মধ্যে কী হয়েছে? তিনি বললেন: তাঁর ওপর হদ ওয়াজিব হয়েছিল, তাই আমি তা কার্যকর করেছি। আব্দুল মালিক বললেন: তুমি কেন সন্দেহের অবকাশ রেখে তা মওকুফ করলে না? আল্লাহর কসম! আলকামাহ ইবনে উলাসাহ আল-আশার কবিতার কারণে যে অপমানের শিকার হয়েছিল, তেমন অপমান যদি আমার হতো আর তার বিনিময়ে আমি পুরো পৃথিবীর মালিক হতাম, তবুও আমি তাতে খুশি হতাম না। এরপর তিনি আলকামাহ-এর নিন্দায় আল-আশার কিছু পঙক্তি পাঠ করলেন। ১৬০ - আমর ইবনে আত্তাব আল-তয়মী, তিনি রিবাব গোত্রের বনু রুবাই-এর অন্তর্ভুক্ত। তিনি তাঁর ভাই আব্বাদ ইবনে আত্তাব-এর শোকগাঁথায় বলেছেন: যেন আব্বাদের আগে কোনো মৃত্যু ছিল না, কোনো শোক ছিল না, … আর কালের কোনো দুর্যোগও ছিল না। ১৬১ - আমর ইবনে রিয়াহ আল-মুযানী, তিনি বনু জাওয়া ইবনে উসমান গোত্রের। তিনি আবু ওয়াজযা আল-সাদি-এর নিন্দা করে বলেন: আমি আউস ও উসমানের বংশধর, যারা প্রথম সারিতে ছিলেন … রাসুলের সাথে এক হাজার সংখ্যা পূর্ণ করেছিলেন এবং নিজেদের পরিচয় দিয়েছিলেন। তাদের ছাড়া অন্য কেউ তাঁর সাথে এক হাজারের পূর্ণ প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি, … তারা তাঁকে ছেড়ে যায়নি এবং বিচ্যুতও হয়নি। ১৬২ - আমর ইবনে উমাইয়া ইবনে আমর ইবনে সাঈদ ইবনে আস। তাঁর কবিতা বেশ সুন্দর। তাঁর অধিকাংশ বর্ণিত কবিতা তাঁর ফুফু উম্মে মুসা বিনতে আমর ইবনে সাঈদ-এর নিন্দায় রচিত। তিনি তাঁর ফুফুকে ওহাব নামক এক খ্রিস্টান চিকিৎসকের সাথে অভিযুক্ত করেছিলেন। মুহাম্মদ ইবনে কাসিম ইবনে মাহরুয়াহ আমাকে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট রুহ ইবনে ফারাজ আল-হুরমাযী পাঠ করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হিশাম ইবনুল কালবি তাঁর এই কবিতাটি পাঠ করেছেন: রহমান আমার ফুফুর ওপর বরকত না দিন, … বরং তাঁর দুর্বলতাকে আরও বাড়িয়ে দিন। হে যায়েদ! সে যে কোনো নেতা ব্যক্তিকে বিয়ে করেছে, … সে তাঁর মৃত্যুকে ত্বরান্বিত করেছে। আমরা কখনো তাঁর এমন কোনো স্বামীকে দেখিনি, … যার জুতো তাঁর কাছে পুরনো হওয়ার সুযোগ পেয়েছে। মুহাম্মদ ইবনে হাইসাম ইবনে আদি তাঁর পিতার সূত্রে সেই চিকিৎসকের সম্পর্কে আমাকে শুনিয়েছেন: হায়! আমি যদি ওহাব হতাম, তবে আমাদের ফুফু … আমার পছন্দের বিষয়গুলোতে আমার অনুগত হতেন। তবে আমি তাঁর ভালোবাসার খুব নিকটে থাকতাম, … আর হে যায়েদ! আমাদের প্রয়োজনগুলো তাঁর কাছে সফল হতো। ওহাব এমন কিছু চায় যা থেকে আমি নিরাপদ থাকতে চাইতাম, … সে আমাদের রবের ভালোবাসা থেকে আমাদের সরিয়ে নিতে চায় এবং বিচ্যুত করে। সে একজন উজ্জ্বল ও সুশ্রী যাজক, … আর সেই যাজকের কারণে আমার ফুফুর কাছে আমাদের অসন্তুষ্টি তুচ্ছ হয়ে গেছে। তাঁর সম্পর্কে তিনি আরও পাঠ করেছেন: রহমান আমার ফুফুর ওপর বরকত না দিন, … তাঁর অন্তর থেকে ঈমান কতই না দূরে! সেই উম্মে মুসা বিনতে আমর, যে … সেই পাদ্রীর ব্যাপারে তাঁর রবকে ভয় করেনি। হে আব্দ! তাঁর দূরত্বে তুমি আফসোস করো না, … কারণ তাঁর নৈকট্যের চেয়ে তাঁর দূরত্বই তোমার জন্য উত্তম।
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ২৫)
قولي لها أفاً ولا تجزعي … ولا تخافي الحوب في جنبهاوأنشد له أيضاً فيها:لعن الله عمتي … ولحا من يحبهاعمرها الله لا أزا … ل حياتي أسبّهابعدها ماعلمت مني سواء وقربها163 - عمرو بن الفرزدق بن عبد الله السلولي، من قيس عيلان شاعر سائر الشعر، وجده العجير من المحسنين، ويكنى أبا الفرزدق.164 - عمرو بن معاوية بن المنتفق العقيلي، فارس مشهور كان يتقلّد الصوائف أيام بني أمية، وهو الذي فضل الخيل العراب على الهجن والبراذين في المغازي، وقال في ذلك:إني امرؤ للخيل عندي مزيّة … على فارس البرذون أو فارس البغلوقال أيضاً:دعانا أبو حرب وقد حال بينه … من الدرب طود مشرف ولهوب165 - عمرو بن رئاب الأسدي الجُذَمي، وهو عمّ العتير الشاعر الذي وفد على المهدي ومن قول عمرو بن رئاب:منّا بنو لجأ وآلُ مضرّسٍ … وبنو الشريدِ وفارسُ النّمامِ166 - عمرو بن الصُدَيّ الغَنَوي، من بني حويرثة، يقول في قتل وكيع بن زفر بن الحارث الكلابي، وزياد بن عمرو العقيلي:نحن قتلنا العامريين عَنوةً … زياداً وصلنا بعده بوكيع167 - عمرو بن حنظلة التميمي، بصري، وأخبرنا أبو محمد بن أبي أُمامة قال: أخبرنا أبو الحسن المدائني قال: حضر عمرو بن حنظلة يوم الرَبَذَة، وكان يوم استؤصل فيه أهل الشام مع حبيش بن دلجة القيني، وكان مروان بن الحكم لما بويع له بالشام أنفذه لمثل ما أنفذ له يزيد بن معاوية مسلم بن عقبة، فلم يصده عن المدينة أحد، واستسلموا له، وهرب عامل ابن الزبير إلى مكة، فأنفذ عمر بن عبيد الله بن معمر أو الحارث بن عبد الله بن أبي ربيعة عامل ابن الزبير بالبصرة الحنتف بن السجف في ألف من الأساورة وبني تميم، وخرج إليهم حبيش بن دلجة، فلتوه بالربدة، فقتلوه وقتلوا جيشه، وكان الحجاج بن يوسف فيهم وأبوه، فهربا على بعير يعتقبانه حتى وردا الشام، وصلب حبيش بن دلجة وهو أول مصلوب في الإسلام فقال عمرو بن حنظلة التميمي:فدى لامرىء سوى حبيشاً على العصا … قدامة قبل الناس من آل أجدراأناخ له شر المطايا مطيةً … وكان حبيش قد طغى وتجبراوقال حبيشٌ للجنودَ تقدموا … وظن قتال القوم قنداً وسكّرافلاقتهم خيلٌ لنا فارسيةٌ … أساورةٌ تدعو يزيدَ المسوّرافما كان إلا أن تراءَوا كلا ولا … قتالَ حُبيشٍ ساعةُ ثم أدبرولما التقوا ولى الشآمون هُرَّبا … عزينَ وأجلوا عن حُبيشٍ مُقطّراوأفلتنا الحجاجُ ركضاً ولوبه … لحقنا لغادرنا الجُرَيّ مُعفراًكأن أيورُ الحميريين غدوةً … طراثيثُ أعلى جلدها قد تقشَّرا- ربيعة -168 - عمرو بن الأيهم بن أفلت التغلبي، نصراني شاعر محسن كثير الشعر جيد الهجاء والفخر، وبعض الرواة يسميه عمير بن الأيهم، وروى أو عكرمة عامر بن عمران الضبي قال: قيل للأخطل وهو يموت: على من تخلف قومك؟ قال: على العميرين، يريد القطامي عمير بن شييم، وعمير بن الأيهم ولعله صغره، وقد رووا له الشعر الذي أوله:ما بال من سفّه أحلامه … أن قيل يوماً إنَّ عمراً سكورلعمرو بن الأيهم، وهذا يدل على أن اسمه عمراً إن كان الشعر له.ومن قول عمرو بن الأيهم في هجائه قيساًلمن الدار قُد عفت ومحاها … نسجٌ ريحٍ وصائباتُ السحابِومن قوله فيهم:لا يجوزن أرضَنا مضريٌ … بخفيرٍ ولا بغيرِ خفيرِإشربا ما اشتهيتما إنَّ قيساً … من قتيلٍ وهاربٍ وأسيرٍشربةً تترك الفقير غنياً … حسنَ الظنِ واثقاً بالحبورنعِّماني بشربةٍ من طِلاءٍ … نعمةَ النِّيمِ من شَبا الزمهريرِ
তাকে বলো উফ এবং ঘাবড়িয়ো না … আর তার পাঁজরের পাশে পাপের ভয় কোরো নাতার সম্পর্কে তিনি আরও আবৃত্তি করেছেন:আল্লাহ আমার ফুফুকে লানত করুন … আর যে তাকে ভালোবাসে তাকে লাঞ্ছিত করুনআল্লাহ তার জীবন দীর্ঘ করুন যাতে আমি … সারাজীবন তাকে গালি দিতে পারিতার দূরে থাকা বা কাছে থাকাকে আমি সমানই জ্ঞান করি১৬৩ - আমর ইবনুল ফারাযদাক ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সালুলি, কায়স আয়লান গোত্রের একজন সুপরিচিত কবি। তার দাদা আল-উজায়র ছিলেন একজন সদাচারী ব্যক্তি, আর আমরের কুনিয়ত ছিল আবু ফারাযদাক।১৬৪ - আমর ইবনে মুয়াবিয়া ইবনুল মুনতাফিক আল-উখাইলি, একজন বিখ্যাত অশ্বারোহী যিনি উমাইয়া আমলে গ্রীষ্মকালীন অভিযানসমূহের নেতৃত্ব দিতেন। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি যুদ্ধে তুর্কি ঘোড়া এবং খচ্চরের চেয়ে খাঁটি আরবি ঘোড়াকে প্রাধান্য দিতেন এবং সে সম্পর্কে তিনি বলেন:আমি এমন এক ব্যক্তি যার কাছে অশ্বারোহীর বিশেষ মর্যাদা রয়েছে … তুর্কি ঘোড়া বা খচ্চরের আরোহীর উপরেতিনি আরও বলেন:আবু হারব আমাদের ডেকেছিলেন যখন তার মাঝে … গিরিপথ, সুউচ্চ পর্বত এবং অগ্নিশিখা আড়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিল১৬৫ - আমর ইবনে রিআব আল-আসাদি আল-জুজামি, তিনি কবি আল-উতাইরের চাচা যিনি আল-মাহদীর কাছে প্রতিনিধি হিসেবে গিয়েছিলেন। আমর ইবনে রিআবের উক্তি সমূহের মধ্যে রয়েছে:আমাদের মধ্য থেকে বনু লাজা এবং মুদাররিসের বংশধর … এবং বনু শারীদ ও আন-নাম্মাম এর অশ্বারোহী১৬৬ - আমর ইবনুল সদাই আল-গানাভি, বনু হুয়াইরিসা গোত্রের। ওকি ইবনে যফর ইবনুল হারিস আল-কিলাবি এবং যিয়াদ ইবনে আমর আল-উকাইলির হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে তিনি বলেন:আমরা জোরপূর্বক আমির গোত্রের দুইজনকে হত্যা করেছি … যিয়াদ এবং তার পরে আমরা ওকি পর্যন্ত পৌঁছেছি১৬৭ - আমর ইবনে হানযালা আত-তামিমি, বসরাবাসী। আবু মুহাম্মদ ইবনে আবি উমামা আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল হাসান আল-মাদায়িনি আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনে হানযালা রাবাযার যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন। এটি এমন এক দিন ছিল যখন হুবায়েশ ইবনে দালজাহ আল-কায়নির সাথে সিরিয়াবাসীদের সমূলে নির্মূল করা হয়েছিল। মারওয়ান ইবনে হাকাম যখন সিরিয়ায় বাইয়াত গ্রহণ করেন, তখন তিনি তাকে ঠিক সেভাবেই পাঠিয়েছিলেন যেভাবে ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়া মুসলিম ইবনে উকবাহকে পাঠিয়েছিলেন। মদিনার কেউ তাকে বাধা দেয়নি এবং তারা তার কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল। ইবনুল জুবায়েরের গভর্নর মক্কায় পালিয়ে যান। এরপর বসরায় ইবনুল জুবায়েরের গভর্নর উমর ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে মা'মার অথবা আল-হারিস ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি রাবিআ আল-হান্তাফ ইবনুল সাজাফকে এক হাজার আসাওয়িরা (পারস্য অশ্বারোহী) এবং বনু তামিম গোত্রের সৈন্যসহ পাঠালেন। হুবায়েশ ইবনে দালজাহ তাদের বিরুদ্ধে বেরিয়ে এলেন এবং রাবাযাতে তারা তার মুখোমুখি হলো। তারা তাকে এবং তার বাহিনীকে হত্যা করল। হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ এবং তার পিতা তাদের সাথে ছিলেন, তারা দুজনে একটি উটের পিঠে পালাক্রমে চড়ে পালিয়ে সিরিয়ায় পৌঁছালেন। হুবায়েশ ইবনে দালজাহকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছিল এবং তিনি ছিলেন ইসলামে প্রথম ক্রুশবিদ্ধ ব্যক্তি। এ সম্পর্কে আমর ইবনে হানযালা আত-তামিমি বলেন:সেই ব্যক্তির জন্য উৎসর্গ হোক যে হুবায়েশকে শূলের উপর সোজা করে রেখেছিল … আজদার বংশের কুদামা সবার আগে এটি করেছিলসে তার জন্য নিকৃষ্টতম বাহনকে বসিয়েছিল … অথচ হুবায়েশ ইতিপূর্বে অবাধ্য ও অহংকারী হয়ে উঠেছিলহুবায়েশ সৈন্যদের বলেছিল এগিয়ে যাও … সে ভেবেছিল কওমের সাথে লড়াই বুঝি মিছরি আর চিনিকিন্তু তাদের মুখোমুখি হয়েছিল আমাদের পারস্য ঘোড়াগুলো … সেই আসাওয়িরা যারা ইয়াজিদ আল-মুসাউওয়ারকে ডাকছিলএকে অপরের মুখোমুখি হতে না হতেই … হুবায়েশের লড়াই বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি বরং সে পিঠ প্রদর্শন করলযখন তারা মিলিত হলো, সিরীয়রা পালিয়ে গেল … বিচ্ছিন্ন হয়ে এবং তারা হুবায়েশকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে গেলহাজ্জাজ আমাদের হাত থেকে দৌড়ে পালিয়ে গেল, যদি তার কাছে … আমরা পৌঁছাতে পারতাম তবে সেই বিশ্বাসঘাতককে ধূলিমলিন অবস্থায় ফেলে আসতামসকালে হিময়ারিদের পুরুষাঙ্গগুলো যেন … তুরাসীস উদ্ভিদ যার উপরিভাগের চামড়া ছাড়িয়ে ফেলা হয়েছে- রাবিআ -১৬৮ - আমর ইবনুল আইহাম ইবনে আফলাত আত-তাগলিবি, একজন খ্রিস্টান কবি, যিনি অত্যন্ত দক্ষ এবং যার প্রচুর কবিতা রয়েছে। তিনি নিন্দা এবং আত্মশ্লাঘায় পারদর্শী ছিলেন। কিছু বর্ণনাকারী তাকে উমাইর ইবনুল আইহাম নামে ডাকেন। আবু ইকরামা আমির ইবনে উমরান আদ-দাব্বি বর্ণনা করেছেন যে, আখনতালকে যখন মৃত্যুশয্যায় জিজ্ঞেস করা হলো: আপনি আপনার কওমকে কার কাছে রেখে যাচ্ছেন? তিনি বললেন: দুই উমাইরের কাছে। এর দ্বারা তিনি আল-কাতামি উমাইর ইবনে শুয়াইম এবং উমাইর ইবনুল আইহামকে বুঝিয়েছেন। সম্ভবত তিনি তুচ্ছতা প্রকাশে এমনটি বলেছেন। তারা তার সেই কবিতাটি বর্ণনা করেছেন যার শুরুটা হলো:সেই ব্যক্তির কী হলো যে তার বুদ্ধিকে তুচ্ছ করল … যখন একদিন বলা হলো যে আমর অতিশয় মদ্যপএটি আমর ইবনুল আইহামের কবিতা, আর এটি প্রমাণ করে যে তার নাম আমর ছিল যদি এই কবিতাটি তার হয়ে থাকে।কায়স গোত্রের নিন্দায় আমর ইবনুল আইহামের উক্তি থেকে:কার এই বসতি যা জীর্ণ হয়ে গেছে এবং যাকে মিটিয়ে দিয়েছে … বায়ুর প্রবাহ এবং মেঘের বর্ষণতাদের সম্পর্কে তার আরও উক্তি:মুদার গোত্রের কেউ যেন আমাদের ভূমি অতিক্রম না করে … কোনো দেহরক্ষী নিয়ে বা দেহরক্ষী ছাড়াতোমরা দুজনে যা ইচ্ছা পান করো, নিশ্চয়ই কায়স গোত্র … হয় নিহত, নয় পলাতক অথবা বন্দিএমন এক পানীয় যা দরিদ্রকে ধনী করে দেয় … সুধারণাসম্পন্ন এবং আনন্দের প্রতি আস্থাশীলআমাকে খাঁটি শরাব পান করিয়ে ধন্য করো … যা হাড়কাঁপানো শীতের মধ্যে রেশমি বস্ত্রের মতো আরামদায়ক
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ২৬)
شبا كل شيء حده، وقال لنا أحمد بن يحيى ثلب وقد أنشدنا هذا الشعر ما النيم؟ فقال له جعفر المؤدب المعروف بالشاعر النيم أعزك الله نصف بالفارسية، فقال: فأنا ترجمان لست صاحب لغة، ثم حدثنا عن سلمة عن الفراء عن الصقيل العقيلي قال: النيم الفرو، ومن هذا أخذ القائل شعره.نشربها صرفاً وممزوجة … يميلُ منها عنقُ البازلِإذا شربنا خمسةً خمسةً … فقد لبسنَا الفروَ من داخِل169 - عمرو بن حسان بن هانئ بن مسعود بن قيس بن خالد من بني الحارث بن همام بن مرة بن ذهل بن شيبان صاحب شراب استفرغ شعره في وصف المجالس والندامى والخمر وأسبابها، وأنشد له حماد بن إسحق وغيره، ويروى لعمرو بن الأيهم التغلبي.ما بال قوم أغربوا...... أن قيل يوماً إن عمراً سكورْإن أَكُ مسكيراً فلا أشرب … وغلاً ولا يسلم مني البعيدْقاتلك الله من مشروبةٍ … لو أن ذا مرَّةٍ عنك صبورْالزقُّ مُلكٌ لمن كان له … والملك منه طويل وقصيرْمنه الصبوح الذي يجعلني … ليث عِفِرّين ومالي كثيرْفأَول الليل فقرم ماجد … وآخر الليل فضبعان عثوروأنت ان تلقك أرُبية … منهم يلاقيك غلامٌ غريرْأو أشمط اللمة يوماً به … من صدأ الدرع ويوماً عبيرْيسعى إلى الموت به قارحٌ … أحكمه الصُنعُ مِجشُّ ضمورْوأنشدني ابن أبي خيثمة لعمرو بن حسان هذاأَلا يا أمَّ عمروٍ لاتلومي … إذا اجتمَع النَدامى والعمائمأفي نابين بالهما أُسافٌ … تاوّه طلتي ما إن تنامبالهما: باعهما فشرب، بأثمانهما، وطلته زوجته.170 - عمرو بن عبد الله بن معاوية بن عبد بن سعد بن جشم بن قيس بن سعد بن عجل الذي يقول:إذا أُخمِدَ النيرانَ من حذرِ القُرى … رأيتَ سنا نارِي يُشبّ اضطَرامُها171 - عمرو بن مبرّدة، وقالوا: مبرّد العبدي، من محارب عبد القيس، أنشد له دعبل:نهيتكم أن تحملوا هجناءكم … على خيلكم يوم الرهان فتدركوافتفتر كفاه ويسقط سوطه … وتحدر ساقاه فما يتحركُوهل يستوي المرآن هذا ابنُ حرةٍ … وهذا ابن أخرى طهرها متشركوأدركه خالاته فاختزلنه … ألا إنَّ عرق السوء لا بدّ مدركُويقال: إنّ بني عبد الملك بن مروان استبقوا بين يديه فسبقوا جميعاً مسلمة بن عبد الملك فأنشد عبد الملك هذا الشعر فأجابه مسلمة بشعر مثله.172 - عمرو بن أوس بن عُصْبَة العبدي أخو أبي الجويرية عيسى بن أوس، وهو الذي يقول في علي بن عبد الله بن عباس رضى الله عنهم:يا ابنَ صريحِ الحسبِ المهذبِ … أنت النجيبُ للنجيب المنجبِوقد رووها له في العريان بن الهيثم بن الاسود النخعي يقول فيها:عريان يا طيّب يا ابن الطيبِ173 - عمرو بن الهذيل الربعي، هو الذي يقول:فدىً لسيوفٍ من ربيعة بحبحتْ … أخاها سجستاناً بُجِيرَ بن سَلهبِ174 - عمرو بن ذكينة الربعي الخارجي - من الشراة، حدثني أبو بكر محمد بن راشد قال: حدثنا سعد بن محمد قال: حدثنا عبد الوهاب بن نجدة الحوطي، عن الوليد بن مسلم عن الأوزاعي قال: لما استخلف عمر بن عبد العزيز رضى الله عنه كتب إليه رجل من الحرورية يقال له عمرو بن ذكينة بأبيات من شعره:قل للمولّى على الإسلام مؤتنفاً … وقد نُرى أنه رثُ القوى واهِأزرى به معشرٌ غذّوه مأكلة … بنخوةِ العزِ والأترافِ والباهِإنّا شرينا بدينِ الله أنفسنا … نبغي بذاكِ إليه أعظَم الجاهِنبغي الولاة بحدِ السيفِ عن سَرَفٍ … كفى بذاكَ لهم من زاجرٍ ناهِفأنْ قصدتَ سبيلَ الحقِ يا عمرا … آخاكَ في اللهِ أمثالي وأشباهيوإنْ لحقتَ يقومٍ كنتَ واحدهم … في جورٍ سيفهِم فالحكمُ للهِ
সবকিছুই তার সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া ছালাব আমাদের এই কবিতাটি পাঠ করে শোনালেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, ‘নীম’ (النيم) কী? তখন কবি হিসেবে পরিচিত জাফর আল-মুয়াদ্দিব তাকে বললেন: হে আল্লাহ আপনাকে সম্মানিত করুন, এটি ফারসি ভাষায় ‘অর্ধেক’। তখন ছালাব বললেন: আমি তো একজন অনুবাদক, ভাষাবিদ নই। এরপর সালামাহ আল-ফাররা থেকে এবং তিনি আল-সাকিল আল-উকায়লি থেকে আমাদের বর্ণনা করেছেন যে, ‘নীম’ অর্থ হলো পশমি চামড়া বা লোমশ বস্ত্র। এই অর্থ থেকেই কবি তার চরণে এটি গ্রহণ করেছেন।আমরা তা পান করি খাঁটি ও মিশ্রিত অবস্থায় … যাতে বলিষ্ঠ উটের গর্দানও হেলে পড়ে।যখন আমরা পাঁচ পাঁচ পাত্র করে পান করি … তখন আমরা ভেতর থেকে পশমি পোশাক পরিধান করি।১৬৯ - আমর ইবনে হাসান ইবনে হানি ইবনে মাসউদ ইবনে কায়স ইবনে খালিদ, যিনি বনু হারিস ইবনে হাম্মাম ইবনে মুররা ইবনে জুহাল ইবনে শায়বান গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। তিনি শরাব বা মদ্যপানের অনুরাগী ছিলেন। তার অধিকাংশ কবিতা মজলিস, সহচর, মদ এবং এর অনুষঙ্গ বর্ণনায় ব্যয়িত হয়েছে। হাম্মাদ ইবনে ইসহাক এবং অন্যরা তার কবিতা পাঠ করেছেন। এই কবিতাগুলো আমর ইবনে আল-আইয়াম আল-তাগলিবি-র প্রতিও আরোপ করা হয়।সেই সম্প্রদায়ের কী হলো যারা দেশান্তরিত হয়েছে...... যখন একদিন বলা হলো যে আমর একজন মাতাল।আমি যদি মাতাল হই, তবে আমি … প্রবঞ্চনা করে পান করি না, আর দূরবর্তী ব্যক্তিও আমার হাত থেকে রক্ষা পায় না।আল্লাহ তোমাকে ধ্বংস করুন হে পানীয় … যদি কোনো ধৈর্যশীল ব্যক্তি তোমার ব্যাপারে ধৈর্য ধারণ করত।মদের পাত্র তার মালিকানাধীন যার কাছে তা থাকে … আর এর রাজত্ব দীর্ঘ বা সংক্ষিপ্ত হতে পারে।এর প্রভাতী সুধা আমাকে … শক্তিশালী সিংহের মতো করে তোলে এবং আমার সম্পদ হয়ে যায় অঢেল।রাতের শুরুতে তিনি একজন মহান সর্দার … আর রাতের শেষে তিনি পতনোন্মুখ হায়েনার মতো।তুমি যদি তাদের কোনো গোত্রের সাথে সাক্ষাৎ করো … তবে তোমার সাথে এক অসংকোচ কিশোরের দেখা হবে।অথবা এমন এক সাদা-কালো কেশধারী বৃদ্ধের দেখা মিলবে, যে একদিন … বর্মের মরিচায় ধূসরিত আর অন্যদিন সুগন্ধিতে সুবাসিত।মরণের দিকে তাকে নিয়ে ধাবিত হয় এক শক্তিশালী অশ্ব … যার গঠন সুনিপুণ, বলিষ্ঠ এবং ক্ষিপ্র।ইবনে আবি খাইসামা আমর ইবনে হাসানের এই কবিতাটি আমাকে পাঠ করে শুনিয়েছেন:হে উম্মে আমর, তুমি তিরস্কার করো না … যখন মদ্যপায়ী এবং পাগড়িধারীরা সমবেত হয়।দুটি উট কি বিক্রয় হয়েছে যাদের মাধ্যমে মদ কেনা হয়েছে … আমার স্ত্রী আহাজারি করছে এবং সে ঘুমাচ্ছে না।‘বিলহিমা’ (بالهما) অর্থ: তিনি উট দুটি বিক্রি করেছেন এবং এর মূল্য দিয়ে পান করেছেন। ‘তাল্লাতুহু’ (طلته) অর্থ তার স্ত্রী।১৭০ - আমর ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে আবদ ইবনে সাদ ইবনে জুশাম ইবনে কায়স ইবনে সাদ ইবনে আজল, যিনি বলেন:যখন মেহমানদারির ভয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয় … তখন তুমি আমার আগুনের শিখাকে প্রজ্জ্বলিত হতে দেখবে।১৭১ - আমর ইবনে মুবাররাদা, কেউ কেউ বলেন: মুবাররাদ আল-আবদি, তিনি মুহারিব আবদ আল-কায়স গোত্রের। দিবিল তার এই কবিতা পাঠ করেছেন:আমি তোমাদের নিষেধ করেছিলাম তোমাদের সংকর ঘোড়াগুলোকে … প্রতিযোগিতার দিন তেজী ঘোড়ার সাথে চালনা করতে, পাছে তোমরা ধরা পড়ে যাও।ফলে তার হাতের মুঠি শিথিল হয়ে যায়, চাবুক পড়ে যায় … আর তার পায়ের নলি নুয়ে পড়ে এবং সে আর নড়াচড়া করতে পারে না।দুই ব্যক্তি কি সমান হতে পারে? একজন স্বাধীন নারীর সন্তান … আর অন্যজন এমন নারীর সন্তান যার পবিত্রতা প্রশ্নবিদ্ধ।তার খালাদের স্বভাব তাকে পেয়ে বসেছে এবং তারা তাকে অন্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে … জেনে রেখো, মন্দ বংশধারা অবশ্যই আত্মপ্রকাশ করবে।বলা হয় যে, আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ানের ছেলেরা তার সামনে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছিল এবং মাসলামা ইবনে আব্দুল মালিক সবার আগে চলে গিয়েছিলেন। তখন আব্দুল মালিক এই কবিতাটি পাঠ করেন এবং মাসলামা অনুরূপ কবিতার মাধ্যমে তাকে উত্তর দেন।১৭২ - আমর ইবনে আউস ইবনে উসবা আল-আবদি, তিনি আবু জুয়াইরিয়া ঈসা ইবনে আউসের ভাই। তিনি আলী ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) সম্পর্কে বলেন:হে বিশুদ্ধ বংশীয় ও মার্জিত চরিত্রের অধিকারী … আপনি এক শ্রেষ্ঠ পিতার শ্রেষ্ঠ সন্তান।কেউ কেউ এটি উরিয়ান ইবনে আল-হাইসাম ইবনে আল-আসওয়াদ আল-নাখায়ি সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন, যাতে বলা হয়েছে:হে উরিয়ান, হে পবিত্র, হে পবিত্রের সন্তান।১৭৩ - আমর ইবনে আল-হুযাইল আল-রাব’ই, যিনি বলেন:রাবিয়া গোত্রের সেই তলোয়ারগুলোর ওপর উৎসর্গিত হোক, যা রক্ষা করেছে … তাদের ভাই সাজিস্তানি বুজাইর ইবনে সালহাবকে।১৭৪ - আমর ইবনে যুকাইনা আল-রাব’ই আল-খারিজি - তিনি শারাত (খারেজি) সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত। আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে রাশিদ আমাকে বলেছেন, তিনি বলেন: সাদ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুল ওয়াহাব ইবনে নাজদা আল-হুতি আমাদের বর্ণনা করেছেন ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম থেকে, তিনি আওজাই থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: যখন ওমর ইবনে আবদুল আজিজ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) খলিফা নিযুক্ত হলেন, তখন হারুরিয়া (খারেজি) সম্প্রদায়ের আমর ইবনে যুকাইনা নামক এক ব্যক্তি তাকে উদ্দেশ্য করে কিছু কবিতা লিখে পাঠান:ইসলামের নতুন অভিভাবককে বলো … আমরা যাকে দুর্বল ও জীর্ণ শক্তির অধিকারী মনে করতাম।একদল লোক তাকে কলঙ্কিত করেছে, যারা তাকে ক্ষমতার দম্ভ … বিলাসিতা এবং লালসার গ্রাস হিসেবে লালন করেছে।আমরা আল্লাহর দ্বীনের বিনিময়ে আমাদের জীবন উৎসর্গ করেছি … এর মাধ্যমে আমরা আল্লাহর কাছে মহান মর্যাদা কামনা করি।আমরা তলোয়ারের আঘাতে সীমালঙ্ঘনকারী শাসকদের সরিয়ে দিতে চাই … তাদের জন্য এটিই কঠোর সতর্ককারী হিসেবে যথেষ্ট।হে ওমর, তুমি যদি হকের পথ অনুসরণ করো … তবে আমার মতো লোকেরাই আল্লাহর সন্তুষ্টিতে তোমার ভাই হবে।আর যদি তুমি সেই সম্প্রদায়ের সাথে মিশে যাও যাদের তুমি প্রতিনিধিত্ব করছিলে … তাদের তলোয়ারের অন্যায়ের মাঝে, তবে চূড়ান্ত ফয়সালা আল্লাহর কাছেই।
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ২৭)
فلما ورد الكتاب على عمر قال: أتعرفون هذا الرجل قالوا: نعم يا أمير المؤمنين، له نجدة وبصيرة وعارضة شديدة وقد شهد مواطن كثيرة، قال: فالذي أنكره أنا أكثر من الذي أنكر وإن كنت أكره الشعر، أجبه يا مسلمة بن عبد الملك، قال: يا أمير المؤمنين دع عدوّ الله يمت بغيظه، قال لئن كافأناه بالسرور غيظاً وبالموعظة صدوداً ما أتصفناه، أجب الرجل كذا وكذا فأجابه مسلمة على لسان عمر، وهذا خطأ لأن مسلمة في ذلك الوقت كان ببلاد الروم ولعله غيره:يا أيها الرجل المُهدي نصيحتَه … إن المحاسنَ والتوفيق باللهِإن كان أمرٌ من السلطانِ تنكره … فما عرى الدين والاسلام بالواهيهذا الكتاب كتاب الله نقرأه … مصدُق الوحي فينا آمرٌ ناهيإذا نهانا وقفنا عند ناجزةٍ … بعون ربي على طوعٍ وإكراهِفقد يزلُّ الذي يبغي الهدى رهقاً … عند السويةِ وهو العالمُ الداهيالملكُ يا عمرو ملكُ الله خالِقنا … والحكمُ يا عمرو مردودٌذ إلى اللهفلما ورد الكتاب على عمرو قال: والله لا أحل ولا أعقد ولا أحل ولا أحرم حتى أتي هذا الرجل، فإن وافق فعله قوله كنت له صديقاً وسيفاً صقيلا، وإن أبى أذنت له بحرب، وانتميت له إلى صحب، فخرج في عدة من أصحابه، فلما قدموا على عمر استأذنوا عليه فدخلوا فقالوا: السلام عليك يا إنسان فقال: وعليكم يا ناس، قالوا: لا حكم إلا لله قال: لا حكم إلا لله، وأنا عبد من عبيد الل، وأنتم إخواني في الله، ابتليت برعايتكم في أرض الله، أيّكم عمرو؟ قال أنا عمرو، وأنت أمير المؤمنين حقاً، فأعزّك الله بالنصر، قال: فما الذي نقمتم؟ وما أخرجكم علينا؟ قالوا: تنصف المظلوم، وتجيب الضعيف، قال: لكم ذلك، قالوا: ما فعل إخواننا بالقسطنطينية؟ قتال قد بعثت اليهم بالزاد، وآذنتهم بالقفل، فخرج من عنده إنسان وهم يقولون: والله لا اختلف عليك منا اثنان ما دمت حياً يا عمر.- اليمن - // 175 - عمرو بن سنّة الخزاعي، يقول في عبيد الله بن زياد:عبيدَ الله لا أخشاكَ إني … أبى لي منصبي وأبى بيانيفمالك قد حليت بذكر عمرو … كما حلي اللسان يهيذبانومن قوله:لا عشت إن لم أتخذ بواقرا … حمرَ القروعِ صيّبا خناجرا176 - عمرو بن عامر الحارثي، يعرف بابن هند من أهل نجران، أنشدني أحمد بن زهير عن دعبل له:أرقتُ للوعةِ همّ سَرى … فبتُ أَراعي النجومَ المثولاإذا قلتُ ولتْ تداعت لها … غياطلُ تؤيسني أن تزولا177 - عمرو بن قُراد الزيادي الحارثي من أهل نجران، أنشد له أحمد بن زهير عن دعبل:هلكت قَنانٌ غيرَ أن شِرارَها … بقيت وأولُها لئامُ المنصبِقصبٌ تهزهزه الرياحُ كأنهم … عند الهياج نعامُ وادٍ مجدبِسرِقون حينَ يُكَشَّفون لسوءَةٍ … قَصِفون في عقدِ الأمورِ الغيّبِ178 - عمرو بن يزيد بن هلال بن سعد بن عمرو بن سلمان النخعي كوفي أنشد له دعبل في إبراهيم بن الأشتر يعاتبه:أبلغ لديك أبا النعمان معتبةً … فهل لديكَ لمن يرجوكَ معتتبُفي شعر له.179 - عمرو بن الحضين بن النعمان بن عمرو بن حُظَيَّان بن وابش بن دهمة بن شاكر بن ربيعة بن مالك الهمداني، له شعر.180 - عمرو بن دويرة البجلي، سحمي كوفي، أخبرني أحمد بن أبي خيثمة، عن دعبل بن علي، وذكر أبو طالب بن سوادة عن محمد بن الحسن الجعفري عن الحسن بن يزيد القرشي عن أبي بكر الوالبي قال: كان لعمرو بن دويرة السحمي أخ قد كلف بابنة عم لهما، وكان أبوها يبغضه ويأباه، فشكاه إلى خالد القسري، فحبسه ثم أطلقه بعد مدة، فلم يلبث أن تسور الجدار عليها، فأتى به أخوتها خالداً ومعهم جماعة يشهدون أنهم وجدوه في منزلهم، وادعوا عليه السرق فسأله، فصدَّقهم، ليدفع الفضيحة عن الجارية، فأراد خالد قطعه، فرفع عمرو أخوه إلى خالد رقعة فيها:أخالد قد والله أُوطِئتَ عشوةً … وما العاشقُ المظلومُ فينا بسارقِأقرَّ بما لم يأته المرءُ إنّه … رأى القطعَ خيراً من فضيحةِ عاتِقِ
যখন ওমরের কাছে পত্রটি পৌঁছাল, তিনি বললেন: তোমরা কি এই ব্যক্তিকে চেনো? তারা বলল: হ্যাঁ, হে আমিরুল মুমিনীন, তার সাহস, অন্তর্দৃষ্টি এবং বাকপটুতা প্রখর এবং সে অনেক যুদ্ধক্ষেত্রে উপস্থিত ছিল। তিনি বললেন: আমি যা অস্বীকার করি তা তার অস্বীকারের চেয়েও বেশি, যদিও আমি কবিতা অপছন্দ করি। হে মাসলামা ইবনে আবদুল মালিক, তুমি এর উত্তর দাও। মাসলামা বললেন: হে আমিরুল মুমিনীন, আল্লাহর শত্রুকে তার ক্ষোভেই মরতে দিন। তিনি বললেন: যদি আমরা তার ক্ষোভের প্রতিদান আনন্দ দিয়ে এবং তার বিমুখতার প্রতিদান উপদেশ দিয়ে না দেই, তবে আমরা তার প্রতি ইনসাফ করলাম না। লোকটিকে এভাবে এভাবে উত্তর দাও। এরপর মাসলামা ওমরের পক্ষ থেকে উত্তর দিলেন, তবে এটি ভুল কারণ মাসলামা সেই সময়ে রোম দেশে ছিলেন, সম্ভবত এটি অন্য কেউ ছিলেন:হে নসিহতকারী ব্যক্তি, যে নসিহত পেশ করেছ... নিশ্চয়ই সকল কল্যাণ ও তাওফিক আল্লাহর পক্ষ থেকে।যদি সুলতানের পক্ষ থেকে এমন কোনো বিষয় থাকে যা তুমি অপছন্দ করো... তবে দ্বীন ও ইসলাম কোনো দুর্বল বিষয় নয়।এই কিতাব আল্লাহর কিতাব যা আমরা পাঠ করি... আমাদের মাঝে ওহীর সত্যায়নকারী, আদেশকারী ও নিষেধকারী।যখন তিনি আমাদের নিষেধ করেন, তখন আমরা তৎক্ষণাৎ থেমে যাই... আমার রবের সাহায্যে, স্বেচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায়।হেদায়াত প্রত্যাশী ব্যক্তি ক্লান্তিতে পদস্খলিত হতে পারে... সঠিক পথের নিকটবর্তী হওয়া সত্ত্বেও, অথচ সে একজন বিজ্ঞ ও চতুর ব্যক্তি।হে আমর, রাজত্ব আমাদের স্রষ্টা আল্লাহর রাজত্ব... এবং হে আমর, সকল ফয়সালা আল্লাহর দিকেই ফিরে যায়।যখন আমরের কাছে পত্রটি পৌঁছাল, সে বলল: আল্লাহর কসম, আমি কোনো সমাধান বা সিদ্ধান্ত দেব না এবং কোনো কিছু হালাল বা হারাম করব না যতক্ষণ না আমি এই ব্যক্তির কাছে আসছি। যদি তার কাজ তার কথার সাথে মিলে যায়, তবে আমি তার বন্ধু ও ধারালো তলোয়ার হব। আর যদি সে অস্বীকার করে, তবে আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দেব এবং তার বিরুদ্ধে দল গঠন করব। এরপর সে তার কয়েকজন সাথীসহ বেরিয়ে পড়ল। যখন তারা ওমরের কাছে পৌঁছাল, তারা অনুমতি চাইল এবং প্রবেশ করে বলল: আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক, হে মানুষ। তিনি বললেন: আর তোমাদের ওপরও শান্তি হোক, হে মানুষগণ। তারা বলল: আল্লাহর বিধান ছাড়া আর কোনো বিধান নেই। তিনি বললেন: আল্লাহর বিধান ছাড়া আর কোনো বিধান নেই; আমি আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে একজন বান্দা মাত্র, আর তোমরা আল্লাহর পথে আমার ভাই। আল্লাহর জমিনে তোমাদের দেখাশোনার দায়িত্ব দিয়ে আমাকে পরীক্ষা করা হয়েছে। তোমাদের মধ্যে আমর কে? সে বলল: আমি আমর, আর আপনিই প্রকৃতপক্ষে আমিরুল মুমিনীন, আল্লাহ আপনাকে বিজয়ের মাধ্যমে সম্মানিত করুন। তিনি বললেন: তোমাদের অভিযোগ কী? আর কেনইবা তোমরা আমাদের বিরুদ্ধে বের হয়েছ? তারা বলল: আপনি মজলুমের প্রতি ইনসাফ করবেন এবং দুর্বলের ডাকে সাড়া দেবেন। তিনি বললেন: তোমাদের জন্য তাই হবে। তারা বলল: কনস্টান্টিনোপলে আমাদের ভাইদের কী অবস্থা? তিনি বললেন: যুদ্ধ চলছে, আমি তাদের কাছে রসদ পাঠিয়েছি এবং তাদের ফিরে আসার অনুমতি দিয়েছি। এরপর একজন লোক সেখান থেকে বের হয়ে গেল এবং তারা বলছিল: আল্লাহর কসম, হে ওমর, আপনি যতদিন বেঁচে আছেন আমাদের মধ্যে দুইজন লোকও আপনার ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করবে না।- ইয়েমেন - // ১৭৫ - আমর ইবনে সুন্নাহ আল-খুজায়ী, উবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদ সম্পর্কে বলেন:হে উবায়দুল্লাহ, আমি তোমাকে ভয় পাই না... কারণ আমার বংশমর্যাদা ও আমার বাগ্মিতা আমাকে তা থেকে বিরত রাখে।তোমার কী হয়েছে যে তুমি আমরের আলোচনায় মত্ত হয়েছ... যেমন জিহ্বা অনর্গল কথা বলতে মত্ত হয়।তার আরও বাণী:আমি যেন বেঁচে না থাকি যদি না আমি লাল শিংবিশিষ্ট ক্ষিপ্র ষাঁড়গুলোকে খঞ্জরের মতো ব্যবহার করি।১৭৬ - আমর ইবনে আমির আল-হারিসী, যিনি ইবনে হিন্দ নামে পরিচিত, নাজরানের অধিবাসী। আহমাদ ইবনে জুহাইর দা’বেল সূত্রে তার কবিতা আমাকে শুনিয়েছেন:আমি দুশ্চিন্তার ব্যাকুলতায় নির্ঘুম রাত কাটিয়েছি... এবং স্থির নক্ষত্রদের পর্যবেক্ষণ করে রাত পার করেছি।যখন আমি ভাবলাম সেগুলো চলে গেছে, তখন অন্ধকারের স্তূপ আবার ঘনিয়ে এল... যা আমাকে নিরাশ করে দিল যে সেগুলো আদৌ দূর হবে না।১৭৭ - নাজরানের অধিবাসী আমর ইবনে কুরাদ আজ-জিয়াদী আল-হারিসী, আহমাদ ইবনে জুহাইর দা’বেল সূত্রে তার কবিতা শুনিয়েছেন:কানান গোষ্ঠী ধ্বংস হয়েছে, তবে তাদের নিকৃষ্ট অংশটুকু রয়ে গেছে... যাদের পূর্বপুরুষরা ছিল নীচ বংশীয়।তারা বাতাসের দোলায় দোদুল্যমান নলখাগড়ার মতো... যুদ্ধের সময় তারা যেন কোনো এক শুষ্ক মরু উপত্যকার উটপাখি।যখন তাদের কুকর্ম উন্মোচিত হয় তখন তারা চোর... কিন্তু গোপন বিষয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় তারা অতি ভঙ্গুর।১৭৮ - আমর ইবনে ইয়াজিদ ইবনে হিলাল ইবনে সাদ ইবনে আমর ইবনে সালমান আন-নাখায়ী কুফী। দা’বেল তার কবিতা পাঠ করেছেন যেখানে তিনি ইব্রাহিম ইবনে আল-আশতারকে তিরস্কার করছেন:আবু নুমানকে আমার পক্ষ থেকে ভর্ৎসনা পৌঁছে দাও... যে তোমার কাছে আশা রাখে তার প্রতি কি তোমার কোনো ক্ষমা আছে? তার কবিতার অংশ।১৭৯ - আমর ইবনে আল-হুদাইন ইবনে আন-নুমান ইবনে আমর ইবনে হুযাইয়ান ইবনে ওয়াবশ ইবনে দাহমাহ ইবনে শাকের ইবনে রাবিআ ইবনে মালিক আল-হামদানী, তার কবিতা রয়েছে।১৮০ - আমর ইবনে দুওয়াইরা আল-বাজালী, সাহমী কুফী। আহমাদ ইবনে আবি খাইসামা দা’বেল ইবনে আলী সূত্রে আমাকে জানিয়েছেন এবং আবু তালিব ইবনে সাওয়াদাহ, মুহাম্মাদ ইবনে আল-হাসান আল-জা’ফারি থেকে, তিনি হাসান ইবনে ইয়াজিদ আল-কুরাশি থেকে, তিনি আবু বকর আল-ওয়ালিবি থেকে বর্ণনা করেছেন: আমর ইবনে দুওয়াইরা আস-সাহমীর এক ভাই ছিল যে তাদের এক চাচাতো বোনের প্রেমে মত্ত ছিল। মেয়েটির বাবা তাকে অপছন্দ করত এবং প্রত্যাখ্যান করত। সে খালিদ আল-কাসরির কাছে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করল। খালিদ তাকে বন্দি করলেন এবং কিছুকাল পর মুক্তি দিলেন। মুক্তি পাওয়ার পর সে পুনরায় মেয়েটির বাড়ির দেয়াল টপকাল। তখন মেয়েটির ভাইয়েরা একদল লোককে নিয়ে তাকে খালিদের কাছে ধরে নিয়ে এল এবং তারা সাক্ষ্য দিল যে তারা তাকে তাদের ঘরে পেয়েছে। তারা তার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ আনল। খালিদ তাকে জিজ্ঞাসা করলে সে তাদের কথা স্বীকার করে নিল, যাতে মেয়েটির সম্মান রক্ষা পায় এবং সে অপবাদ থেকে বেঁচে যায়। খালিদ তার হাত কাটার নির্দেশ দিতে চাইলেন। তখন তার ভাই আমর খালিদের কাছে একটি চিরকুট পেশ করল যাতে লেখা ছিল:হে খালিদ, আল্লাহর কসম আপনি অন্ধকারে পা দিয়েছেন... আমাদের মাঝে এই মজলুম প্রেমিক চোর নয়।সে এমন অপরাধ স্বীকার করেছে যা সে করেনি, কারণ... সে কুমারী মেয়ের অপবাদের চেয়ে নিজের হাত কাটাকেই উত্তম মনে করেছে।
(খণ্ড: ১)
মান ইসমুহু আমরু মিনাশ শুআরা
(পৃষ্ঠা: ২৮)
ومثلُ الذي في قلبه حلَّ قلبَها … فكن أنت تجلو اليومَ عن قلبِ عاشقِولولا الذي قد خفتُ من قطع كفِّه … لألفيتُ في أمرِ الهوى غير ناطقِإذا مُدتْ الغاياتُ في السبقِ للعلى … فأنت ابن عبد الله أولُ سابقِفأرسل خالد مولى له يثق به يسأل عن الخبر سراً، فأتاه بتصحيح ما قال عمرو، وأخذه بتزويجه، فامتنع وقال: ليس بكفؤ لها، قال: بلى والله، إنه لكفؤ لها إذ بذل كفّه عنها، ولئن لم تزوجه لأُزوجنّه وأنت كاره، فزوّجه وساق خالد عنه المهر، فكان يسمى العاشق إلى أن مات.181 - عمرو بن مرة بن عبد يغوث بن مالك بن الحارث بن شجب النهدي، هو الذي يقول في خبر له مع علي بن أبي طالب صلوات الله عليه في شعر له:رهنتُ يميني عن قضاعة كلها … فأبتُ حميداً فيهم غيرَ مغلقِ182 - عمرو بن عبد العزيز الحمصي الطائي، من قوله:سُمتُ المديحَ رحالاً دونَ نَقْدِهم … صدٌ قبيحٌ ولفظٌ ليس بالحسنِ183 - عمرو بن مِخْلَى الكلبي، من أهل الشام، ويقولون: ابن مخلاة، ومخلاة الحمار، وأخبرت عن حمزة المصري مؤدب ولد يزيد بن عبد الله أنه ابن ذي المخلاة، فأمّا أبو زيد عمر بن شبة، فحدثني عن عبد الله بن محمد بن حكيم الطائي عن خالد بن سعيد بن العاص عن أبيه أن ابن المخلاة قال في زينب إبنة سعيد بن العاص وأمها إبنه عثمان بن عفان، وكان خطبها الوليد بن عبد الملك وعبد الله بن يزيد بن معاوية، ولجّا فيها وتغايرا، يخاطب الوليد:فتاةٌ أبوها ذو العصابة وابنُه … وعثمانُ ما أكفاؤها بكثيرِفأان تفتلتها والخلافة تنقلب … بأكرم علقي منبرٍ وسريرِوكان ابن مخلاة شاعر آل مروان، وفيهم يقول يذكر ما كان من قومه في معاونة مروان بن الحكم في يوم مرج راهط.ضربنا لكم عن منبرِ الملك أهلَه … بجَيرونَ إذ لا تستطيعون منبراوأيام صدقٍ كلها قد علمتم … نصرنا ويوم المرج نصراً مؤزرا- المحدثون في أيام بني العباس -وأكثرهم كان بعد الأصمعي وخلف إلا نُفَيرْ لعلهما لم يعرفاهم.184 - عمرو بن مُسلّم أبو مضر المُسَلّم الرياحي مديني حسن الشعر يمدح ويهجو، وله حظ من أدب، وكان على عهد المنصور والمهدي، حدثني محمد بن الحسن الزُرَقي قال: حدثني عبد الله بن شبيب قال: حدثني محمد بن عبد الله بن أبي عتيق البكري قال: حدثني أبو المسلّم عمرو بن المسلّم قال: جئت الحسن بن علي بن الحسن بن الحسن بن الحسن بن علي صلوات الله عليهم أمتدحه، وهو بينبع، وهو أخو حسين صاحب فخ، قال: فلما رآني قال: لا حيا الله ولا سلم، يا عاض كذا، فقلت: لم ذاك أعزّك الله؟ قال: ألست القائل في محمد بن خالد بن عمرو بن عثمان رضي الله عنه:يا ابنَ الذي حنَّ الحصى في يمينه … وأكرمَ من وافي جمارَ المحصّبِوخير إمام كان بعد ثلاثةٍ … مَضَوا سَلَفاً أرواحُهم لم تشعَّبهو الثالثُ الهادي بهدي محمدٍ … على رغمِ أنفِ الساخِط المتعتبقال: قلت: نعم أعزّك الله، أنا قائل ذاك، ووالله لئن احتملتُ رحلي حتى أصيّر هذه الحرَّة بيني وبينك ليأتينك معنى ما قال زهير:لئن حللتُ بجوٍّ في بني أسدِ … في دين عمروٍ وحالتْ بيننا فَدَكُليأتينكَ منّي منطقٌ قذِعٌ … باقٍ كما دَنّس القِبطيّة الوَدكُقال: فقال: أدنُ لا حياكَ الله، فأوسع لي إلى جنبه، وأوقر لي رواحلي تمراً، وحدثني ابن أبي خيثمة ومحمد بن الحسن الزُرَقي قالا: حدثنا عبد الله بن شبيب عن ميسرة بن عبد الله الكلابي عن أبيه أن أبا المسلّم أنشده لنفسه:ألا يا لقومٍ للفؤادِ المعذَّبِ … وعينٍ تمادتْ في البكا والتنحبِوقلبٍ كئيبٍ لا يزال يهيضه … لميّةَ رَبْعً ذو أَمارٍ وملعبِليالي لا تُوليك إلا تحبُباً … إلينا ألا أهلاً بذاكَ التحببِأقمنَا بذاكَ العيشِ ثم انتحى لنا … من الدهر صرفُ المِرّة المتقلّبِوأنشدني محمد بن الحسن الزُرَقي قال: أنشدني أبو سعيد.
যিনি তার হৃদয়ে আছেন, তিনি তার হৃদয়েও স্থান লাভ করেছেন … তাই আজ আপনিই প্রেমিকের হৃদয় থেকে বিষাদ দূর করুন।তার কব্জি কাটার যে ভয় আমি করেছি তা যদি না থাকতো … তবে প্রেমের বিষয়ে আমাকে আপনি নির্বাক পেতেন না।শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিযোগিতায় যখন চূড়ান্ত লক্ষ্যসমূহ নির্ধারিত হয় … তখন হে আব্দুল্লাহর পুত্র, আপনিই সবার অগ্রগামী।অতঃপর খালিদ তার এক বিশ্বস্ত মুক্তদাসকে সংবাদটি গোপনে জানার জন্য পাঠালেন। সে আমরের কথার সত্যতা নিয়ে ফিরে এল। তিনি তাকে বিয়ের জন্য ধরলেন, কিন্তু সে অস্বীকার করে বলল: সে তার সমকক্ষ নয়। তিনি বললেন: হ্যাঁ আল্লাহর কসম, সে অবশ্যই তার সমকক্ষ যেহেতু সে তার জন্য নিজের কব্জি বিলিয়ে দিয়েছে। যদি তুমি তাদের বিয়ে না দাও, তবে তোমার অনিচ্ছা সত্ত্বেও আমি তাদের বিয়ে দেব। অতঃপর তিনি তাদের বিয়ে দিলেন এবং খালিদ তার পক্ষ থেকে মোহরানা পরিশোধ করলেন। এরপর থেকে তাকে মৃত্যু পর্যন্ত 'আশিক' (প্রেমিক) বলে ডাকা হতো।১৮১ - আমর বিন মুররাহ বিন আবদ ইয়াগুস বিন মালিক বিন আল-হারিস বিন শাজাব আন-নাহদি। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি আলী বিন আবি তালিব (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক) সম্পর্কে তাঁর একটি কবিতায় বলেছেন:আমি সমগ্র কুদাআহ গোত্রের বিপরীতে আমার ডান হাত বন্ধক রেখেছি … অতঃপর তাদের মাঝে প্রশংসিত অবস্থায় ফিরে এসেছি, আমি আবদ্ধ হইনি।১৮২ - আমর বিন আব্দুল আজিজ আল-হিমসি আত-তাই, তাঁর উক্তি থেকে:আমি প্রশংসার উপঢৌকন নিয়ে বাহনসমূহকে হাঁকিয়েছি তাদের প্রাপ্তি ব্যতীতই … এক কুৎসিত বিমুখতা এবং এমন ভাষা যা সুন্দর নয়।১৮৩ - আমর বিন মিখলা আল-কালবি, শামের অধিবাসী। কেউ কেউ বলেন: ইবনে মিখলাত, এবং মিখলাতুল হিমার। হামজাহ আল-মিসরি (যিনি ইয়াজিদ বিন আব্দুল্লাহর সন্তানদের শিক্ষক ছিলেন) থেকে আমাকে জানানো হয়েছে যে, তিনি ইবনু জিল মিখলাত। আর আবু জাইদ উমর বিন শাব্বাহ আমাকে আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন হাকিম আত-তাই থেকে, তিনি খালিদ বিন সাইদ বিন আল-আস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ইবনুল মিখলাত সাইদ বিন আল-আসের কন্যা জাইনাব সম্পর্কে বলেছিলেন (তার মা ছিলেন উসমান বিন আফফানের কন্যা), যাকে ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিক এবং আব্দুল্লাহ বিন ইয়াজিদ বিন মুয়াবিয়া বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন এবং তাকে নিয়ে তারা বিবাদ ও ঈর্ষায় লিপ্ত ছিলেন। তিনি ওয়ালিদকে উদ্দেশ্য করে বলেন:এমন এক তরুণী যার পিতা নেতা এবং তার পুত্রও … এবং উসমানও, তার সমকক্ষ খুব বেশি নেই।যদি তুমি তাকে ছিনিয়ে নাও আর খেলাফত আবর্তিত হতে থাকে … মিম্বর ও সিংহাসনের সবচেয়ে সম্মানিত সম্পদের সাথে।ইবনে মিখলাত ছিলেন মারওয়ান বংশের কবি। তিনি মারজ রাহিতের যুদ্ধে মারওয়ান বিন আল-হাকামকে তাঁর গোত্রের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে বলেন:আমরা মিম্বরের অধিকারীদের নিকট থেকে তোমাদের জন্য রাজকীয় মিম্বর কেড়ে নিয়েছি জাইরুনে … যখন তোমরা মিম্বরের সামর্থ্য রাখতে না।এবং সত্যের সেই দিনসমূহ তোমরা সবাই জানো … আমরা সাহায্য করেছি এবং মারজের দিনে ছিল এক শক্তিশালী বিজয়।- আব্বাসীয় আমলের আধুনিক কবিগণ -তাদের অধিকাংশ আল-আসমাঈ এবং খালাফ-এর পরের সময়ের ছিলেন, নুফাইর ব্যতীত, সম্ভবত তারা তাদের চিনতেন না।১৮৪ - আমর বিন মুসলিম আবু মুদার আল-মুসাল্লাম আর-রিয়াহি। তিনি মদিনার অধিবাসী এবং চমৎকার কবিতার অধিকারী ছিলেন। তিনি প্রশংসা ও নিন্দা উভয়ই করতেন এবং সাহিত্যে তাঁর বিশেষ দখল ছিল। তিনি আল-মানসুর ও আল-মাহদির আমলে ছিলেন। মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আজ-জুযাকি আমাকে বলেছেন: আব্দুল্লাহ বিন শাবিব আমাকে বলেছেন: মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি আতিক আল-বাকরি আমাকে বলেছেন: আবুল মুসাল্লাম আমর বিন আল-মুসাল্লাম আমাকে বলেছেন: আমি হাসান বিন আলী বিন হাসান বিন হাসান বিন হাসান বিন আলী (তাঁদের সবার ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক)-এর নিকট তাঁর প্রশংসা গাইতে গেলাম যখন তিনি ইয়ানবুতে ছিলেন। তিনি ফাক-এর অধিপতি হুসাইনের ভাই। তিনি যখন আমাকে দেখলেন, বললেন: আল্লাহ তোমাকে দীর্ঘায়ু না দিন এবং সালামত না রাখুন, ওহে অমুকের কামড়দানকারী! আমি বললাম: কেন এমন বলছেন হে মহান ব্যক্তি? তিনি বললেন: তুমিই কি মুহাম্মদ বিন খালিদ বিন আমর বিন উসমান (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) সম্পর্কে এই কথা বলোনি:হে তাঁর পুত্র, যাঁর ডান হাতে কঙ্কড়রা তাসবিহ পাঠ করেছিল … এবং আল-মুহাসসাব-এর পাথর নিক্ষেপস্থলে আগমনকারীদের মধ্যে যিনি সবচেয়ে সম্মানিত।এবং তিনজনের পরে যিনি শ্রেষ্ঠ ইমাম ছিলেন … যাঁরা গত হয়েছেন এবং যাঁদের আত্মা বিচলিত হয়নি।মুহাম্মদের হেদায়েতের মাধ্যমে তিনিই হলেন তৃতীয় হেদায়েতকারী … অসন্তুষ্ট ও তিরস্কারকারীর নাক ধুলোয় ধূসরিত করে।তিনি (আমর) বললেন: আমি বললাম: হ্যাঁ, আল্লাহ আপনাকে সম্মানিত করুন, আমিই তা বলেছি। আল্লাহর কসম, আমি যদি আমার আসবাবপত্র তুলে নিই এবং এই পাথুরে ভূমিকে আমার ও আপনার মাঝে প্রাচীর বানাই, তবে আপনার নিকট জুহাইরের সেই কথার মর্মার্থ পৌঁছে যাবে:আমি যদি বনু আসাদ গোত্রের মাঝে কোনো উপত্যকায় অবস্থান করি … আমরের দ্বীনের ওপর আর ফাদাক যদি আমাদের মাঝে অন্তরায় হয়।তবে আমার পক্ষ থেকে আপনার কাছে এমন কঠোর ভাষা পৌঁছাবে … যা অবশিষ্ট থাকবে যেমন কিবতি কাপড়ে চর্বির দাগ লেগে থাকে।তিনি (হাসান) বললেন: কাছে এসো, আল্লাহ তোমাকে দীর্ঘায়ু না দিন। অতঃপর তিনি তাঁর পাশে আমাকে জায়গা করে দিলেন এবং আমার বাহনগুলোকে খেজুরে পূর্ণ করে দিলেন। ইবনে আবি খাইসামাহ এবং মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আজ-জুযাকি আমাকে বলেছেন: আব্দুল্লাহ বিন শাবিব থেকে, তিনি মায়সারা বিন আব্দুল্লাহ আল-কিলাবি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আবুল মুসাল্লাম তাকে নিজের কিছু কবিতা শুনিয়েছেন:ওহে আমার কওম, এই ব্যথিত হৃদয়ের জন্য কার সাহায্য চাইব … এবং সেই চোখের জন্য যা অশ্রু বিসর্জন ও বিলাপ করে চলেছে।এবং এক বিষণ্ন হৃদয়ের জন্য যা মিয়ার সেই আবাসের স্মরণে বারবার ভেঙে পড়ছে … যার চিহ্ন ও ক্রীড়াভূমি এখনও বিদ্যমান।সেই সব রাত যখন তোমার প্রতি ভালোবাসা ছাড়া আমাদের আর কিছুই ছিল না … স্বাগতম সেই ভালোবাসাকে।আমরা সেই জীবনে অতিবাহিত করছিলাম, অতঃপর কালের কঠোর পরিবর্তন … আমাদের দিকে ধাবিত হলো।এবং মুহাম্মদ বিন আল-হাসান আজ-জুযাকি আমাকে শুনিয়েছেন যে আবু সাঈদ তাকে শুনিয়েছেন।