(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: -)
التمذهب – دراسة نظرية نقدية القسم: أصول الفقه
الكتاب: التمذهب (دراسة نظرية نقدية)
المؤلف: الدكتور خالد بن مساعد بن محمد الرويتع
أصل الكتاب: رسالة دكتوراه - قسم أصول الفقه بكلية الشريعة بالرياض بجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية.
الناشر: دار التدمرية الرياض - المملكة العربية السعودية
الطبعة: الأولى، 1434 هـ - 2013 م
عدد الأجزاء: 3 (متسلسلة الترقيم)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 25 صفر 1442
মাযহাব অনুসরণ – একটি তাত্ত্বিক ও সমালোচনামূলক অধ্যয়ন বিভাগ: উসুলুল ফিকহ
বই: মাযহাব অনুসরণ (একটি তাত্ত্বিক ও সমালোচনামূলক অধ্যয়ন)
লেখক: ডক্টর খালেদ বিন মুসাঈদ বিন মুহাম্মাদ আল-রুওয়াইতি
মূল গ্রন্থ: পিএইচডি থিসিস - ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের রিয়াদস্থ শরীয়াহ অনুষদের উসুলুল ফিকহ বিভাগ।
প্রকাশক: দারুত তাদমুরিয়্যাহ, রিয়াদ - সৌদি আরব রাজতন্ত্র
সংস্করণ: প্রথম، ১৪৩৪ হিজরি - ২০১৩ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ডের সংখ্যা: ৩ (ধারাবাহিক নম্বরকৃত)
[বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ২৫ সফর ১৪৪২
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১)
التَّمَذْهُب
دِرَاسَة نظريَّة نَقديَّة
تأليف
الدكتور خالد بن مساعد بن محمد الرُّوَيتِع
عضو هيئة التدريس بكلية الشريعة بالرياض
بجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية
دار التَّدْمُرِيَّة
মাযহাব অনুসরণ
একটি তাত্ত্বিক ও সমালোচনামূলক অধ্যয়ন
রচনায়
ডক্টর খালিদ বিন মুসাঈদ বিন মুহাম্মাদ আর-রুওয়াইতি‘
রিয়াদের শরীয়াহ অনুষদের শিক্ষক মণ্ডলীর সদস্য
ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাউদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে
দারুত তাদমুরিয়্যাহ
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২)
التَّمَذْهُب
دِرَاسَة نظريَّة نَقديَّة
تأليف
الدكتور خالد بن مساعد بن محمد الرُّوَيتِع
عضو هيئة التدريس بكلية الشريعة بالرياض
بجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية
المجلَّد الأوَّل
دار التَّدْمُرِيَّة
মাযহাব অনুসরণ
একটি তাত্ত্বিক ও সমালোচনামূলক গবেষণা
রচনায়
ডক্টর খালিদ বিন মুসাঈদ বিন মুহাম্মাদ আল-রুওয়াইতি
রিয়াদের শরীয়াহ অনুষদের শিক্ষক মণ্ডলীর সদস্য
ইমাম মুহাম্মাদ ইবন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে
প্রথম খণ্ড
দারুত তাদমুরিয়্যাহ
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩)
بسم الله الرحمن الرحيم
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৪)
التَّمَذْهُب
دِرَاسَة نظريَّة نَقديَّة (1)
মাযহাব অনুসরণ
একটি তাত্ত্বিক ও সমালোচনামূলক অধ্যয়ন (১)
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৫)
جَمِيعُ الحُقُوق مَحْفُوظَةٌ
الطَّبْعَة الأولى
1434 هـ - 2013 م
دَار التَّدْمُريَّة
الرياض - ص. ب: 26173 - الرمز البريدي: 11486
هاتف: 4924706 - 4925192 - فاكس: 4937130
Email: TADMORLA@HOTMAIL.COM
المملكة العربية السعودية
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রথম সংস্করণ
১৪৩৪ হিজরি - ২০১৩ খ্রিস্টাব্দ
দারুত তাদমুরিয়্যাহ
রিয়াদ - পোস্ট বক্স: ২৬১৭৩ - পোস্টাল কোড: ১১৪৮৬
ফোন: ৪৯২৪৭০৬ - ৪৯২৫১৯২ - ফ্যাক্স: ৪৯৩৭১৩০
ইমেইল: TADMORLA@HOTMAIL.COM
সউদী আরব রাজ্য
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৬)
أصل الكتاب رسالة علمية تقدم بها المولف إلى قسم أصول الفقه بكلية الشريعة بالرياض بجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية، لنيل درجة الدكتوراه وقد تكونت لجنة المناقشة من كل من:
الأستاذ الدكتور فهد بن محمد السدحان (المشرف على الرسالة) مقررًا
الأستاذ الدكتور أحمد بن محمد العنقري عضوًا
الأستاذ الدكتور محمد سعد بن أحمد اليوبي عضوًا
وقد نال الباحث درجة الدكتوراه في أصول الفقه بتقدير (ممتاز) مع مرتبة الشرف الأولى بتاريخ 24/ 11/ 1431 هـ.
এই গ্রন্থটি মূলত একটি গবেষণাপত্র যা লেখক ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের রিয়াদস্থ শরীয়াহ অনুষদের উসুলুল ফিকহ বিভাগে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের জন্য পেশ করেছিলেন। আর পরীক্ষা কমিটি নিম্নোক্ত সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয়েছিল:
প্রফেসর ডক্টর ফাহাদ বিন মুহাম্মদ আস-সাদহান (গবেষণাপত্র তত্ত্বাবধায়ক), আহ্বায়ক
প্রফেসর ডক্টর আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-আনকারি, সদস্য
প্রফেসর ডক্টর মুহাম্মদ সাদ বিন আহমদ আল-ইউবি, সদস্য
গবেষক ২৪/১১/১৪৩১ হিজরি তারিখে প্রথম শ্রেণীর সম্মানসহ ‘মুমতাজ’ (চমৎকার) ফলাফলসহ উসুলুল ফিকহ শাস্ত্রে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৭)
المقدمةوتشتمل على:
• أهمية الموضوعِ.
• أسباب اختيارِ الموضوعِ.
• أهداف الموضوعِ.
• الدراسات السابقةِ.
• خطة البحثِ.
• منهج البحثِ.
• الصعوبات التي واجهت الباحث.
• الشكر والتقدير.
ভূমিকাএতে রয়েছে:
• বিষয়ের গুরুত্ব।
• বিষয়টি নির্বাচনের কারণসমূহ।
• বিষয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ।
• পূর্ববর্তী গবেষণাসমূহ।
• গবেষণা পরিকল্পনা।
• গবেষণা পদ্ধতি।
• গবেষকের সম্মুখীন হওয়া প্রতিকূলতাসমূহ।
• কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন।
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৯)
الحمدُ لله الذي أنقذنا بنورِ العلمِ مِنْ ظلماتِ الجهالةِ، وهدانا بالاستبصارِ به عن الوقوعِ في عَمَايةِ الضّلالةِ، ونَصبَ لنا مِنْ شريعةِ محمدٍ صلى الله عليه وسلم أعلى عَلَمٍ، وأَوْضَحَ دلالةٍ، وكان ذلك أفضلَ ما منَّ به مِن النّعَمِ الجزيلةِ، والمنَحِ الجليلةِ، وأَنَالَه.
أحمدُه سبحانه، والحمدُ نعمةٌ منه مستفادةٌ، وأشكرُ له، والشكرُ أولُ الزيادةِ، وأشهدُ أنْ لا إله إلا الله وحده لا شريكَ له، الملكُ الحقُّ المُبِين، خالقُ الخلقِ أجمعين، وأشهدُ أنَّ محمدًا عبدُه ورسولُه، وحبيبُه وخليلُه، الصادقُ الأمينُ، والمبعوث رحمةً للعالمين، صلى الله عليه، وعلى آله وصحبِه، وسلَّم تسليمًا كثيرًا
(1)، أمَّا بعدُ:
فإنَّ الاشتغالَ بالعلمِ مِنْ أجلِّ القرباتِ، وأعظمِ الطاعاتِ، ومِن المعلومِ أنَّ مِنْ أشرفِ العلومِ ما كان سبيلًا إلى معرفةِ حُكمِ الله تعالى.
ولا يخفى على الدارسِ لعلومِ الشريعةِ ما لعلمِ أصولِ الفقهِ مِنْ قدرٍ كبيرٍ، وأثرٍ بليغٍ؛ إذ هو قاعدةُ الأحكامِ الشرعيةِ، وأساسُ الفروعِ الفقهيةِ
(2)، ومأوى الأئمةِ، وملجأ المجتهدين، يقولُ ابنُ دقيق العيد
(3) عنه:
--------------------------------------------
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের জ্ঞানের আলো দিয়ে মূর্খতার অন্ধকার থেকে রক্ষা করেছেন এবং এর মাধ্যমে অর্জিত অন্তর্দৃষ্টির দ্বারা পথভ্রষ্টতার অন্ধকূপে পতিত হওয়া থেকে পথ প্রদর্শন করেছেন। তিনি আমাদের জন্য মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শরিয়ত থেকে সুউচ্চ নিশান এবং সুস্পষ্ট পথনির্দেশ স্থাপন করেছেন। আর তা ছিল তাঁর প্রদানকৃত অঢেল নেয়ামত এবং মহান দানসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম।
আমি তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে তাঁর প্রশংসা করছি, আর এই প্রশংসাও তাঁর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত একটি নেয়ামত। আমি তাঁর শোকর করছি, আর শোকর হলো নেয়ামত বৃদ্ধির প্রাথমিক সোপান। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। তিনি প্রকৃত ও সুস্পষ্ট অধিপতি, সকল সৃষ্টির স্রষ্টা। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল, তাঁর প্রিয়তম বন্ধু ও খলীল, সত্যবাদী ও বিশ্বস্ত এবং বিশ্বজগতের জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরিত। তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের ওপর আল্লাহর অজস্র দয়া ও শান্তি বর্ষিত হোক
(১)। অতঃপর:
নিশ্চয়ই জ্ঞান অর্জনে আত্মনিয়োগ করা মহান নৈকট্য লাভ এবং শ্রেষ্ঠতম ইবাদতসমূহের অন্তর্ভুক্ত। আর এটি সুপরিচিত যে, শ্রেষ্ঠতম জ্ঞান হলো তা যা আল্লাহ তাআলার বিধান জানার পথ প্রশস্ত করে দেয়।
শরয়ি জ্ঞানের শিক্ষার্থীর কাছে উসূলে ফিকহ শাস্ত্রের উচ্চ মর্যাদা ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব গোপন নয়; কারণ এটিই হলো শরয়ি বিধানসমূহের মূল ভিত্তি এবং ফিকহি শাখা-প্রশাখাসমূহের বুনিয়াদ
(২), ইমামগণের আশ্রয়স্থল এবং মুজতাহিদগণের অবলম্বন। ইবনে দাকীকুল ঈদ
(৩) এই শাস্ত্র সম্পর্কে বলেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১০)
"أصولُ الفقهِ يَقْضِي، ولا يُقْضَى عليه"
(1).
ولقد اهتمَّ بعلمِ أصولِ الفقه كثير مِن العلماءِ السابقين واللاحقين، وتوجَّهَتْ عنايةُ كثيرٍ مِن الباحثين إلى الكتابةِ في مسائله، فكتبوا بحوثًا عديدةً، وحققوا مِنْ مصادرِه كتبًا مهمةً.
وقد أكرمني الله تعالى فَتَفَضَّل عليَّ، فَجَعَلَنِي أحدَ السالكين طريقَ العلمِ الشرعي، ونَظَمَنِي في سِلكِ أرباب المتعلمين لعلمِ أصولِ الفقهِ، وبعد حصولي - بحمدِ الله وتوفيقِه - على دَرجةِ الماجستيرِ في أصولِ الفقهِ، سارعتُ في الالتحاقِ ببرنامجِ الدكتوراه، وبعد إنهائي للفصلِ التمهيدي للبرنامجِ، صرتُ أتأمّلُ عددًا مِن الموضوعات التي يمكن أنْ أتقدمَ بها لتسجيلها، وكنتُ حريصًا على تلمُّسِ موضوعٍ ذي حيويةٍ وأصالةٍ، وبَعْدَ نظرٍ وتأمّلٍ وَقَعَ اختياري على موضوعِ: (التمذهب - دراسة نظرية نقدية)، ليكونَ ميدانًا لبحثي في مرحلةِ الدكتوراه، فتمّت الموافقةُ بحمدِ الله تعالى على تسجيلِه، ويسَّر اللهُ سبحانه وتعالى لي الكتابةَ فيه.
أهمية الموضوع:تتمثّلُ أهميةُ الموضوعِ في أمورٍ، منها:
أولًا: صلة موضوعِ التمذهبِ بأبوابِ الاجتهادِ والتقليدِ على وجه الخصوصِ؛ ولا يخفى ما لهذه الأبواب مِنْ كبيرِ أهميةٍ في مجالِ الدراساتِ الأصوليةِ.
ثانيًا: أنَّ التمذهبَ بأحدِ المذاهبِ الفقهيةِ المتبوعة هو ما استقرّتْ عليه صورة الاجتهادِ والتقليدِ المذهبيين في قرون متتابعةٍ.
ثالثًا: ارتباطُ التمذهبِ وصلتُه الوثيقةُ بطريقةِ التكوينِ العلمي، وكيفيةِ الترقي في طلبِ العلمِ الشرعي؛ إذ تلقي الفقه وأصوله، والبروزُ فيهما يعتمدُ على التأسيسِ في ضوءِ مذهب فقهي معيَّنٍ.
--------------------------------------------
"উসুলুল ফিকহ ফয়সালা প্রদান করে, এর ওপর কোনো কিছুর ফয়সালা চলে না"
(১).
পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আলেমদের অনেকে উসুলুল ফিকহ শাস্ত্রের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। গবেষকদের অনেকের মনোযোগ এই শাস্ত্রের মাসআলাসমূহ রচনার প্রতি নিবদ্ধ হয়েছে; ফলে তাঁরা বহু গবেষণা লিখে গেছেন এবং এর উৎসসমূহ থেকে গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থগুলো সম্পাদনা করেছেন।
মহান আল্লাহ আমাকে সম্মানিত ও অনুগ্রহ করেছেন এবং আমাকে শরয়ি ইলমের পথের পথিকদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। উসুলুল ফিকহ শাস্ত্রের শিক্ষার্থীদের কাতারে আমাকে শামিল করেছেন। আল্লাহর প্রশংসা ও তাওফিকে উসুলুল ফিকহে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের পর আমি দ্রুত পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হই। প্রোগ্রামের প্রাথমিক সেমিস্টার শেষ করার পর, আমি নিবন্ধনের জন্য বেশ কিছু বিষয় নিয়ে ভাবতে শুরু করি। আমি একটি প্রাণবন্ত ও মৌলিক বিষয় খুঁজে পাওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী ছিলাম। দীর্ঘ চিন্তা ও ধ্যানের পর আমি (আত-তামাযহুব: একটি তাত্ত্বিক ও সমালোচনামূলক সমীক্ষা) বিষয়টি নির্বাচন করি, যেন এটি আমার পিএইচডি পর্যায়ের গবেষণার ক্ষেত্র হয়। আল্লাহর প্রশংসায় এর নিবন্ধনের অনুমোদন সম্পন্ন হয় এবং মহান আল্লাহ আমার জন্য এতে লেখা সহজ করে দেন।
বিষয়ের গুরুত্ব:বিষয়ের গুরুত্ব কয়েকটি বিষয়ের মাঝে নিহিত, যার মধ্যে রয়েছে:
প্রথমত: বিশেষভাবে ইজতিহাদ ও তাকলিদ অধ্যায়গুলোর সাথে 'তামাযহুব' (মাযহাব অনুসরণ) বিষয়ের সম্পর্ক; আর উসুলি গবেষণার ক্ষেত্রে এই অধ্যায়গুলোর বিশাল গুরুত্ব কারো অজানা নয়।
দ্বিতীয়ত: অনুসরিত ফিকহি মাযহাবগুলোর কোনো একটির অনুসরণই হলো সেই রূপ, যার ওপর ধারাবাহিক শতাব্দীগুলোতে মাযহাবভিত্তিক ইজতিহাদ ও তাকলিদের বিষয়টি স্থির হয়েছে।
তৃতীয়ত: ইলমি গঠন প্রক্রিয়া এবং শরয়ি ইলম অর্জনে ধাপে ধাপে অগ্রসর হওয়ার পদ্ধতির সাথে তামাযহুবের গভীর ও নিবিড় যোগসূত্র। কেননা ফিকহ ও উসুল গ্রহণ এবং এগুলোতে ব্যুৎপত্তি লাভ করা মূলত একটি নির্দিষ্ট ফিকহি মাযহাবের আলোকে ভিত্তি স্থাপনের ওপর নির্ভরশীল।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১১)
رابعًا: صلةُ الموضوعِ بفقهِ النوازلِ، وطُرُقِ تخريجِ حكمِها في إطارِ مذهبٍ فقهي معيَّنٍ، ولا تخفى أهميةُ معالجةِ النوازلِ الفقهيةِ في ضوءِ ما قرره الأئمةُ المجتهدون.
خامسًا: وجودُ شيءٍ مِن اللبسِ والتداخلِ في أذهان بعضِ الناسِ بين التمذهبِ والتعصبِ المذهبي، بحيثُ يجعلونهما كالشيءِ الواحدِ، ويقعون في ذمِّ التعصبِ باسمِ التمذهبِ.
سادسًا: صلةُ الموضوعِ الوثيقةِ بمسألةِ: (الفتوى)، التي تلامسُ واقعنا اليوم أشدَّ ملامسةٍ، فتحريرُ القولِ في التمذهبِ له مِن الأثرِ في الفتوى قدرٌ كبيرٌ.
سابعًا: أنَّ في تأصيلِ موضوعِ التمذهب، وتكميلِ الحديثِ عنه مِنْ كافّةِ الجوانبِ المهمّةِ، إعانةً لمن طَرَقَ الَتمذهبَ برأيٍ فيه شيءٌ مِن التطرفِ، وعدم استيفاءٍ للأدلةِ - سواء أكان رأيُه مضادًّا للتمذهب، أم مناصرًا له - بأنْ يراجعَ نفسَه، ويتّهمَ رأيَه
(1)، ويعيدَ النظرَ في ضوءِ ما يظهرُ مِن الأدلةِ، ولا سيما إذا كان في طَرْقِ الموضوعِ مراعاةٌ لما قاله الطرفانِ.
أسباب اختيار الموضوع:يمكن تلخيصُ أسبابِ اختيارِ الموضوعِ في الآتي:
أولًا: ما تقدّم مِنْ بيانٍ لأهميةِ الموضوعِ، وقيمتِه العلمية؛ إذ يضمُّ كثيرًا مِن المباحثِ الأصوليةِ المهمّةِ، وعددًا مِن المسائلِ التي يحتاجُ إليها أغلبُ المنتسبين إلى العلمِ الشرعي.
ثانيًا: عدمُ وجودِ دراسةٍ علميةٍ وافيةٍ - في حدودِ اطلاعي - في موضوعِ التمذهبِ، بحيثُ يكتملُ الحديثُ عنه في الجانبِ التأصيلي،
--------------------------------------------
চতুর্থত: উদ্ভূত সমস্যাবলির (নাওয়াযিল) ফিকহ এবং কোনো নির্দিষ্ট ফিকহি মাযহাবের কাঠামোর মধ্যে থেকে সেগুলোর বিধান উদ্ভাবনের পদ্ধতির সাথে এই বিষয়ের সম্পর্ক; আর মুজতাহিদ ইমামগণ যা নির্ধারণ করেছেন তার আলোকে উদ্ভূত ফিকহি সমস্যাবলির সমাধানের গুরুত্ব কারো অজানা নয়।
পঞ্চমত: কিছু মানুষের মনে মাযহাব অনুসরণ (তামাযহুব) এবং মাযহাবী গোঁড়ামির (তাআসসুব) মধ্যে কিছুটা অস্পষ্টতা ও সংমিশ্রণ বিদ্যমান, যার ফলে তারা এই দুটিকে একই বস্তু মনে করে এবং মাযহাব অনুসরণের নামে মাযহাবী গোঁড়ামির নিন্দায় লিপ্ত হয়।
ষষ্ঠত: (ফতোয়া) সংক্রান্ত বিষয়ের সাথে এই প্রসঙ্গের গভীর সম্পর্ক, যা বর্তমানে আমাদের বাস্তবতাকে প্রবলভাবে স্পর্শ করে। সুতরাং মাযহাব অনুসরণের বিষয়ে বক্তব্য সুস্পষ্ট করার ফতোয়ার ক্ষেত্রে ব্যাপক প্রভাব রয়েছে।
সপ্তমত: মাযহাব অনুসরণের বিষয়টি তাত্ত্বিকভাবে উপস্থাপন করা এবং এর সকল গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা পূর্ণাঙ্গ করার মাধ্যমে এমন ব্যক্তিকে সহায়তা করা, যে মাযহাব অনুসরণের ক্ষেত্রে কোনো চরমপন্থী মত পোষণ করেছে অথবা দলিলের পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনায় ঘাটতি রেখেছে—তার মতটি মাযহাব অনুসরণের বিপক্ষে হোক বা পক্ষে। যাতে সে নিজেকে পুনর্বিবেচনা করতে পারে, নিজের মতের যথার্থতা নিয়ে সংশয় পোষণ করে
(১) এবং প্রকাশ্য দলিলের আলোকে পুনরায় দৃষ্টিপাত করে। বিশেষ করে যখন এই বিষয়টির আলোচনায় উভয় পক্ষের বক্তব্যের প্রতি লক্ষ্য রাখা হয়েছে।
বিষয় নির্বাচনের কারণসমূহ:বিষয় নির্বাচনের কারণসমূহ নিম্নোক্তভাবে সংক্ষেপ করা যেতে পারে:
প্রথমত: বিষয়ের গুরুত্ব এবং এর জ্ঞানতাত্ত্বিক মূল্য সম্পর্কে যা পূর্বে আলোচিত হয়েছে; যেহেতু এটি উসূল সংক্রান্ত অনেক গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা এবং এমন অনেক বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করে যা শরঈ ইলমের সাথে সম্পৃক্ত অধিকাংশ ব্যক্তির প্রয়োজন হয়।
দ্বিতীয়ত: আমার জানামতে মাযহাব অনুসরণের বিষয়ে এমন কোনো পর্যাপ্ত জ্ঞানতাত্ত্বিক গবেষণা নেই, যাতে এর তাত্ত্বিক বা মৌলিক দিকগুলো সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা করা হয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১২)
والجانبِ النقدي، وأكثرُ الكتاباتِ التي تناولتْ موضوعَ التمذهبِ لم تكن دراساتٍ علميةً متخصصةً، إضافةً: إلى عدم استيعابِها لشتاتِ الموضوع ومسائلِه.
ثالثًا: حيويةُ الموضوعِ؛ إذ يلامسُ موضوعُ التمذهب كافّة أحوالِ المتعلمين الذين سلكوا في طلب العلمِ الشرعي طريقَ التفقهِ عَلى مذهبٍ مِن المذاهبِ، ويلامس أيضًا: كلَّ مرحلةٍ يسيرُ فيها المتعلمُ في ضوءِ الطبقةِ التي ينتمي إليها.
ومِنْ جهةٍ أخرى: فإنَّ موضوعَ التمذهب مِن الموضوعاتِ التي شَغَلَتْ أذهانَ كثيرٍ مِن العلماءِ والباحثين والمتعلمينَ، فلا يُحصى في المعاصرين المادحون للتمذهبِ والحاثّون عليه، ولا يُحصى أيضًا الذامّون له، والمحذّرون منه
(1).
رابعًا: تتطلّبُ مادةُ موضوعِ التمذهب الاطلاعَ والنظرَ فيما كتبه العلماءُ والمحققون في عِدّةِ علومٍ، ويأتي عَلى رأسِ هذه العلومِ: علمُ أصول الفقه، وعلمُ الفقه، وعلمُ القواعد الفقهية، ولا يخفى ما في هذا الأمرِ مِنْ أهميةٍ وفائدةٍ بالنسبةِ للباحثِ.
أهداف الموضوع:حاولتُ في بحثي لموضوع: (التمذهب) أنْ أُحققَ الأهدافَ الآتية:
الأول: الإسهامُ في معالجةِ مسألةٍ مهمةٍ مِنْ مسائلِ علمِ أصولِ الفقهِ؛ وذلك بإيجادِ دراسةٍ علميةٍ وافيةٍ عن موضوعِ التمذهبِ مكتملةِ الجوانب؛ تشتملُ على الدراسةِ النظريةِ، والدراسةِ النقديةِ، ممَّا يسهمُ في خدمةِ العلمِ الشرعي، بجمع ما يتعلقُ بموضوع التمذهب عند الأصوليين والفقهاءِ.
--------------------------------------------
এবং সমালোচনামূলক দিক; মাযহাব অনুসরণের (আত-তামাযহুব) বিষয়টি নিয়ে রচিত অধিকাংশ লেখাই বিশেষায়িত বৈজ্ঞানিক গবেষণা ছিল না। উপরন্তু, সেগুলো বিষয়ের বিক্ষিপ্ত অংশ ও মাসআলাসমূহকে পূর্ণাঙ্গভাবে ধারণ করতে পারেনি।
তৃতীয়ত: বিষয়টির গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতা; কেননা মাযহাব অনুসরণের বিষয়টি শরয়ী জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে কোনো একটি মাযহাবের ভিত্তিতে ফিকহ চর্চার পথ অবলম্বনকারী সকল শিক্ষার্থীর প্রতিটি অবস্থাকে স্পর্শ করে। পাশাপাশি এটি শিক্ষার্থীর প্রতিটি স্তরকেও স্পর্শ করে, যে স্তরের আলোকে সে অগ্রসর হয়।
অন্যদিকে, মাযহাব অনুসরণের বিষয়টি এমন একটি বিষয় যা বহু আলেম, গবেষক এবং শিক্ষার্থীর চিন্তাজগতকে ব্যতিব্যস্ত রেখেছে। সমসাময়িকদের মধ্যে মাযহাব অনুসরণের প্রশংসা ও এতে উদ্বুদ্ধকারীদের সংখ্যা যেমন অগণিত, তেমনি এর নিন্দা ও এ থেকে সতর্ককারীদের সংখ্যাও অগণিত
(১)।
চতুর্থত: মাযহাব অনুসরণের বিষয়টি বেশ কিছু শাস্ত্রে আলেম ও গবেষকদের লেখনীসমূহ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনার দাবি রাখে। এসব শাস্ত্রের শীর্ষে রয়েছে: উসূলে ফিকহ, ফিকহ এবং কাওয়াইদে ফিকহিয়্যাহ। একজন গবেষকের জন্য এর গুরুত্ব ও উপকারিতা কারো অজানা নয়।
বিষয়ের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ:আমি আমার (মাযহাব অনুসরণ) বিষয়ক গবেষণায় নিম্নলিখিত লক্ষ্যসমূহ অর্জনের চেষ্টা করেছি:
প্রথমত: উসূলে ফিকহের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাসআলার সমাধানে অবদান রাখা; আর তা হলো মাযহাব অনুসরণের বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বৈজ্ঞানিক গবেষণা উপস্থাপন করা যা এর সকল দিককে অন্তর্ভুক্ত করে। এতে তাত্ত্বিক ও সমালোচনামূলক উভয় প্রকার আলোচনা থাকবে, যা উসূলবিদ ও ফকীহগণের নিকট মাযহাব অনুসরণ সংক্রান্ত আলোচনাগুলোকে একত্রিত করার মাধ্যমে শরয়ী ইলমের খিদমতে সহায়ক হবে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
الثاني: إيضاحُ حقيقةِ التمذهبِ، وإبرازُ معناه الاصطلاحي.
الثالث: إبرازُ الفرقِ بين التمذهب، وما قاربه مِن المصطلحاتِ، وخاصةً مصطلح: التقليد، ومصطلح: التعصب.
الرابع: تحريرُ القولِ في حكمِ التمذهب، وخاصةً التمذهب بأحدِ المذاهبِ الفقهيةِ الأربعةِ المشهورةِ.
الخامس: تحريرُ القولِ في عملِ المتمذهبِ إذا خالفَ مذهبُه دليلًا مِن السنّةِ.
السادس: بيانُ أنَّ التمذهبَ بمذهب معيّنٍ لا يعني الانغلاقَ والانحباسَ في دائرةٍ ضيقةٍ، إذا ما أُحسنَ السيرُ فيه.
الدراسات السابقة:لا أعلم - في حدود بحثي واطلاعي - وجودَ دراسةٍ علميةٍ بَحَثَت الموضوعَ مِنْ جميعِ جوانبِه، وإنَّما هناك عدّة مؤلفاتٍ وبحوثٍ علميةٍ تناولتْ بعضَ المسائلِ المتعلقةِ بالتمذهبِ، وهناك أيضًا رسائلُ علمية تطرّقت إلى مسألةٍ مِن مسائلِ الموضوعِ في بعضِ مباحثِها، وسأذكر أهمَّ المؤلفاتِ التي تحدثتْ عن التمذهبِ، والبحوثَ العلميةَ التي وقفت عليها:
الأولى: الدّرةُ البهيةُ في التقليدِ والمذهبيةِ مِنْ كلامِ شيخِ الإسلامِ أحمدَ بنِ عبدِ الحليمِ بنِ تيميةَ.
أعدَّها وعلَّق عليها: محمد شاكر الشريف، الناشر: مكتبة الصديق بمكة المكرمة، الطبعة الأولى، 1458 هـ.
يقعُ الكتابُ في إحدى وستين صفحةً، دونَ ورقات الفهارس، جَمَعَ المعدُّ كلامَ تقي الدين بنِ تيميةَ من كتابِ: (مجموع فتاوى شيخ الإسلام ابن تيمية)، وقسّم كتابَه إلى خمسةِ فصولٍ، وهي:
দ্বিতীয়: মাযহাব অনুসরণের প্রকৃত রূপ স্পষ্ট করা এবং এর পারিভাষিক অর্থ ফুটিয়ে তোলা।
তৃতীয়: মাযহাব অনুসরণ এবং এর নিকটবর্তী পরিভাষাগুলোর মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট করা, বিশেষ করে ‘তাকলীদ’ (অনুকরণ) এবং ‘তআসসুব’ (গোঁড়ামি) পরিভাষা দুটি।
চতুর্থ: মাযহাব অনুসরণের বিধান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত তুলে ধরা, বিশেষ করে প্রসিদ্ধ চারটি ফিকহি মাযহাবের কোনো একটি অনুসরণের ব্যাপারে।
পঞ্চম: কোনো মাযহাব অনুসারীর মাযহাব যদি সুন্নাহর কোনো দলিলের বিরোধী হয়, তবে তার করণীয় কী হবে—সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বক্তব্য প্রদান করা।
ষষ্ঠ: এটি স্পষ্ট করা যে, কোনো নির্দিষ্ট মাযহাব অনুসরণ করার অর্থ এই নয় যে, সংকীর্ণ গণ্ডিতে আবদ্ধ হওয়া বা অবরুদ্ধ হওয়া; যদি সেই পথে সঠিকভাবে চলা হয়।
পূর্ববর্তী গবেষণাসমূহ:আমার গবেষণা ও জানাশোনার পরিসরে আমি এমন কোনো একাডেমিক গবেষণার অস্তিত্ব সম্পর্কে অবগত নই যা এই বিষয়টি তার সকল দিক থেকে আলোচনা করেছে। তবে মাযহাব অনুসরণের সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু মাসআলা নিয়ে আলোচনা করে এমন বেশ কিছু গ্রন্থ ও একাডেমিক গবেষণা বিদ্যমান রয়েছে। এছাড়াও এমন কিছু গবেষণাপত্র রয়েছে যা তার কোনো কোনো অধ্যায়ে এই বিষয়ের কোনো একটি মাসআলা নিয়ে আলোচনা করেছে। মাযহাব অনুসরণ নিয়ে লিখিত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ এবং যেসব একাডেমিক গবেষণা আমি পেয়েছি, নিচে আমি সেগুলো উল্লেখ করছি:
প্রথমটি: শাইখুল ইসলাম আহমাদ বিন আব্দুল হালীম বিন তাইমিয়্যার বক্তব্য থেকে সংকলিত ‘তাকলীদ ও মাযহাব অনুসরণের ক্ষেত্রে উজ্জ্বল মুক্তা’ (আদ-দুররাতুল বাহিয়্যাহ)।
এটি প্রস্তুত ও টীকা প্রদান করেছেন: মুহাম্মদ শাকির আশ-শরীফ। প্রকাশক: মাকতাবাতুস সিদ্দিক, মক্কা মুকাররামা। প্রথম সংস্করণ, ১৪৫৮ হিজরি।
সূচিপত্রের পাতা বাদে বইটি একষট্টি পৃষ্ঠার। সংকলক এতে তাকীউদ্দীন ইবনে তাইমিয়্যার কথাগুলো ‘মাজমুউ ফাতাওয়া শাইখিল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ’ গ্রন্থ থেকে সংগ্রহ করেছেন এবং বইটিকে পাঁচটি অধ্যায়ে বিভক্ত করেছেন, সেগুলো হলো:
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
الفصل الأول: في تعريفِ التقليدِ.
التمذهب دراسة نظرية نقدية
الفصل الثاني: في التزامِ المذاهبِ.
الفصل الثالث: في الضرورةِ والتزامِ المذاهبِ.
الفصل الرابع: في آثارِ التعصبِ المذهبي.
الفصل الخامس: فيما يلزم مَنْ كان منتسبًا لمذهبٍ.
وقد علَّق معدُّ الكتابِ على الفصولِ السابقةِ، وتبلغُ بعضُ التعليقاتِ عدّةَ صفحاتٍ، وأغلبها منقولٌ مِن الكتبِ الآتيةِ: (الإحكام في أصول الأحكام) لأبي محمد بنِ حزمٍ، و (جامع بيان العلم وفضله) لأبي عمر بنِ عبدِ البر
(1)، و (إعلام الموقعين عن رب العالمين) لأبي عبدِ الله بنِ القيّمِ الجوزية، و (إيقاظ همم أولي الأبصار) لصالح الفلاني
(2)، و (إرشاد الفحول) للشوكاني.
--------------------------------------------
প্রথম পরিচ্ছেদ: তাকলিদের সংজ্ঞায়।
মাযহাব অনুসরণ: একটি তাত্ত্বিক ও সমালোচনামূলক অধ্যয়ন
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: মাযহাবসমূহ অনুসরণের আবশ্যকতা প্রসঙ্গে।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: প্রয়োজন এবং মাযহাব অনুসরণের আবশ্যকতা প্রসঙ্গে।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: মাযহাবগত গোঁড়ামির প্রভাব প্রসঙ্গে।
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: কোনো মাযহাবের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তির জন্য যা আবশ্যক।
আর বইটির সংকলক পূর্ববর্তী পরিচ্ছেদগুলোর ওপর টীকা প্রদান করেছেন, এবং কোনো কোনো টীকা কয়েক পৃষ্ঠা পর্যন্ত দীর্ঘ হয়েছে। যার অধিকাংশ নিম্নোক্ত বইসমূহ থেকে সংগৃহীত: আবু মুহাম্মদ বিন হাযম-এর (আল-ইহকাম ফি উসুলিল আহকাম), আবু উমর বিন আব্দুল বার-এর (জামি'উ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদলিহি)
(১), আবু আব্দুল্লাহ বিন আল-কায়্যিম আল-জাওযিয়্যাহ-এর (ই'লামুল মুয়াক্কি'ইন আন রাব্বিল আলামিন), সালিহ আল-ফুলানি-এর (ইকাজু হিমামি উলিল আবসার)
(২) এবং আশ-শাওকানি-এর (ইরশাদুল ফুহুল)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
والكتابُ مقتصرٌ على جمعِ كلامِ لقيّ الدينِ بنِ تيميةَ من (مجموع الفناوى) فقط، وجَمْعُ المعدِّ للكلام جيّدٌ، ونقولاتُه مفيدةٌ، وليس له في الرسالةِ سوى الجمعِ والترتيبِ.
الثانية: الردُّ على مِن اتَّبعَ غيرَ المذاهبِ الأربعة. للحافظ زينِ الدّينِ بنِ رجبٍ الحنبلي
(1)، تحقيق: الدكتور الوليد بن عبد الرحمن آل فريّان، الناشر: دار عالم الفوائد للنشر والتوزيع بمكة المكرمة، الطبعة الأولى، 1418 هـ.
تقعُ الرسالةُ في خمسين صفحةً تقريبًا مِن القطعٍ الصغيرِ، وقد تكلَّم المؤلّفُ فيها عن أَثرِ التمذهب في حفظِ الدّينِ، واستدلّ على المنعِ مِنْ تقليدِ غيرِ المذاهبِ الأربعةِ، ثمَّ عرَّجَ بالثناءِ على الإمامِ أحمدَ.
والكتابُ عبارةٌ عن رسالةٍ صغيرةٍ في مسألةٍ محددةٍ، كما هو ظاهرٌ مِنْ عنوانِها.
الثالثة: هديةُ السلطان إلى مسلمي بلادِ اليابان
(2) لمحمد سلطان
--------------------------------------------
বইটি শুধুমাত্র (মাজমুউল ফাতাওয়া) থেকে তাকিউদ্দিন ইবনে তাইমিয়্যাহর কথাগুলো সংগ্রহের মধ্যে সীমাবদ্ধ। সংকলকের করা এই সংগ্রহ অত্যন্ত উত্তম এবং তার উদ্ধৃতিগুলো উপকারী। এই পুস্তিকায় সংকলন ও বিন্যাস করা ছাড়া তার আর কোনো ভূমিকা নেই।
দ্বিতীয়টি: চার মাযহাব ব্যতীত অন্য কিছুর অনুসরণকারীদের প্রতিবাদ। হাফেজ যয়নুদ্দিন ইবনে রজব আল-হাম্বলীর লেখা
(১), সম্পাদনা: ডক্টর আল-ওয়ালিদ বিন আবদুর রহমান আল-ফারইয়ান, প্রকাশক: দারু আলিমিল ফাওয়াইদ পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন, মক্কা মুকাররমা, প্রথম সংস্করণ, ১৪১৮ হিজরি।
পুস্তিকাটি ছোট আকারের প্রায় পঞ্চাশ পৃষ্ঠার। লেখক এতে দ্বীন রক্ষায় মাযহাব অনুসরণের প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করেছেন এবং চার মাযহাব ব্যতীত অন্য কারো তাকলীদ (অন্ধ অনুসরণ) নিষিদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে দলিল পেশ করেছেন। এরপর তিনি ইমাম আহমাদের প্রশংসায় আলোকপাত করেছেন।
বইটি মূলত একটি নির্দিষ্ট মাসআলার ওপর ছোট একটি পুস্তিকা, যা এর শিরোনাম থেকেই স্পষ্ট।
তৃতীয়টি: জাপানের মুসলিমদের জন্য সুলতানের উপহার, মুহাম্মদ সুলতানের লেখা
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
المعصومي الخجندي
(1) حقق الكتابَ وقدَّم له: سليم بن عيد الهلالي، الناشر: دار ابن القيم بالدمام، ودار ابن عفان بالقاهرة، الطبعة الأولى، 1422 هـ.
يقع الكتابُ في سبعين صفحةً تقريبًا، وقد صدَّرَ المؤلِّفُ كتابَه ببيانِ حقيقةِ الإسلامِ والإيمانِ، ثم قرَّرَ رأيَه بأن مَن التزمَ مذهبًا واحدًا في كلِّ مسألةٍ، فهو متعصبٌ، ومَنعَ مِنْ تقليدِ شخصٍ بعينِه، وبيَّن أنَّ الواجبَ هو الاقتداءُ بالنبي صلى الله عليه وسلم فقط، دونَ غيرِه مِن العلماءِ وذَكَرَ الأدلةَ على هذا الأمرِ.
ثمَّ ذَكَرَ المؤلّفُ أنَّ مِنْ آثارِ المذاهبِ حدوثَ التفرقِ والاختلافِ بين المسلمين، ثمَّ دَعَا إلى العودةِ إلى الكتابِ والسنةِ.
والكتابُ كما هو ظاهر مِنْ عنوانِه في مسألةٍ واحدةٍ، وقد تعددتْ مصادرُ المؤلِّفِ في كتابِه.
والإضافةُ التي قمتُ بها في دراستي ممَّا لم يتضمنه الكتابُ على النحو الآتي:
--------------------------------------------
আল-মাসুমি আল-খুজান্দি
(১) গ্রন্থটি সম্পাদনা ও এর ভূমিকা লিখেছেন: সালিম বিন ঈদ আল-হিলালি, প্রকাশক: দার ইবনে আল-কাইয়্যিম দাম্মাম এবং দার ইবনে আফফান কায়রো, প্রথম সংস্করণ, ১৪২২ হিজরি।
গ্রন্থটি প্রায় সত্তর পৃষ্ঠার, এবং লেখক ইসলামের হাকিকত ও ঈমানের বর্ণনার মাধ্যমে তাঁর গ্রন্থটি শুরু করেছেন। অতঃপর তিনি তাঁর অভিমত ব্যক্ত করেছেন যে, যে ব্যক্তি প্রতিটি মাসআলায় একটি নির্দিষ্ট মাযহাব আঁকড়ে থাকে, সে গোঁড়া। তিনি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির তাকলিদ করতে নিষেধ করেছেন এবং স্পষ্ট করেছেন যে, ওয়াজিব হলো একমাত্র নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অনুসরণ করা, অন্য কোনো আলিমের নয়; এবং তিনি এ বিষয়ে দলীলসমূহ উল্লেখ করেছেন।
এরপর লেখক উল্লেখ করেছেন যে, মাযহাবসমূহের একটি প্রভাব হলো মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ ও মতভেদের সৃষ্টি হওয়া। অতঃপর তিনি কুরআন ও সুন্নাহর দিকে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।
গ্রন্থটি এর শিরোনাম থেকে যেমনটি স্পষ্ট হয় যে এটি একটি একক মাসআলার ওপর লিখিত, এবং গ্রন্থটিতে লেখকের উৎসের (তথা তথ্যসূত্রের) সংখ্যা অনেক।
আর আমি আমার গবেষণায় যা যোগ করেছি, যা গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত ছিল না, তা নিম্নরূপ:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
- الباب الأول: (الدراسة النظرية) في أغلبِ مباحثِه.
- أغلب الباب الثاني: (الدراسة النقدية)؛ إذ لم يتعرض المؤلِّفُ إلا لأثر سِلبي واحدٍ، وهو تفرقُ الأمةِ، ولم يذكرْ شيئًا مِن الآئارِ الإيجابيةِ للتمذهبِ.
الرابعة: اللامذهبيةُ أخطرُ بدعةٍ تهدِّد الشريعة الإسلامية. للدكتور محمد سعيد البوطي، الطبعة الثانية 1390 هـ.
يقع الكتابُ في مائةٍ وإحدى وأربعين صفحةً تقريبًا، وقد كان همُّ المؤلِّفِ في كتابِه في بيانِ الأدلةِ الدّالةِ على وجوبِ التمذهبِ بمذهب مِن المذاهبِ الفقهيةِ، والردِّ على رسالةِ محمد المعصومي: (هدية السلطانِ إلى مسلمي بلادِ اليابان).
خصّصَ المؤلِّفُ الصفحاتِ مِنْ (ص/27) إلى (ص/67) للردِّ على المانعين مِن التمذهبِ.
والصفحاتِ مِنْ (ص/ 68) إلى (ص/ 97) للأدلةِ الدّالةِ على مشروعيةِ التمذهبِ.
ثمَّ جَعَلَ المؤلِّفُ الصفحاتِ من (ص/98) إلى (ص/108) في بيانِ المناقشةِ التي جَرَتَ بينه، وبين أحدِ المعارضين للتمذهب، وقد وَصَفَ المؤلِّفُ الفصلَ الذي أَوْرَدَ فيه المناقشةَ بقولِه: "لعلَّ هذا الَفصلَ يفوقُ في الأهميةِ سائرَ فصولِ هذه الرسالةِ! "
(1).
وخصّصَ المؤلفُ في طبعةِ الكتاب الثانية الصفحات من (ص/ 111) إلى نهاية الكتاب للردِّ على كتابِ: (المذهبية المتعصِّبة هي البدعة)، للأستاذِ محمد عيد عباسي.
ويمكنُ تلخيصُ رأي المؤلِّفِ بأنَّه يَرَى وجوبَ تقليدِ مذهبٍ مِن
--------------------------------------------
- প্রথম অধ্যায়: এর অধিকাংশ আলোচনায় (তাত্ত্বিক গবেষণা)।
- দ্বিতীয় অধ্যায়ের অধিকাংশ: (সমালোচনামূলক গবেষণা); যেহেতু লেখক এখানে মাত্র একটি নেতিবাচক প্রভাব আলোচনা করেছেন, আর তা হলো উম্মতের বিভক্তি, এবং তিনি মাযহাব অনুসরণের কোনো ইতিবাচক প্রভাবের কথা উল্লেখ করেননি।
চতুর্থত: লা-মাযহাবিইয়াত ইসলামি শরীয়তের জন্য হুমকিস্বরূপ সবচেয়ে বিপজ্জনক বিদআত। ডক্টর মুহাম্মদ সাঈদ আল-বুতী রচিত, দ্বিতীয় সংস্করণ ১৩৯০ হিজরি।
বইটি প্রায় একশত একচল্লিশ পৃষ্ঠা সম্বলিত। লেখকের এই বইটির মূল উদ্দেশ্য ছিল ফিকহি মাযহাবগুলোর মধ্য থেকে কোনো একটি মাযহাব অনুসরণের আবশ্যকতা প্রমাণকারী দলিলগুলো বর্ণনা করা এবং মুহাম্মদ আল-মাসুমীর পুস্তিকা: (জাপানের মুসলিমদের প্রতি সুলতানের উপহার)-এর খণ্ডন করা।
লেখক ২৭ পৃষ্ঠা থেকে ৬৭ পৃষ্ঠা পর্যন্ত মাযহাব অনুসরণে যারা বাধা দেন তাদের খণ্ডনের জন্য বরাদ্দ করেছেন।
এবং ৬৮ পৃষ্ঠা থেকে ৯৭ পৃষ্ঠা পর্যন্ত মাযহাব অনুসরণের বৈধতা প্রমাণকারী দলিলসমূহের জন্য (নির্ধারণ করেছেন)।
এরপর লেখক ৯৮ পৃষ্ঠা থেকে ১০৮ পৃষ্ঠা পর্যন্ত মাযহাব অনুসরণের বিরোধিতাকারী একজনের সাথে তাঁর যে আলোচনা হয়েছিল তা বর্ণনার জন্য রেখেছেন। লেখক যে পরিচ্ছেদে এই আলোচনাটি উল্লেখ করেছেন, তার বর্ণনায় তিনি বলেছেন: "সম্ভবত এই পরিচ্ছেদটি গুরুত্বের দিক থেকে এই পুস্তিকার অন্যান্য সকল পরিচ্ছেদের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ!"
(১)।
আর লেখক বইটির দ্বিতীয় সংস্করণে ১১১ পৃষ্ঠা থেকে বইয়ের শেষ পর্যন্ত উস্তাদ মুহাম্মদ ঈদ আব্বাসীর রচিত (চরমপন্থী মাযহাব অনুসরণই হলো বিদআত) বইটির খণ্ডনে নির্দিষ্ট করেছেন।
লেখকের মতামতের সারসংক্ষেপ এভাবে করা যেতে পারে যে, তিনি কোনো একটি মাযহাবের তাকলীদ করা আবশ্যক মনে করেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
المذاهبِ الأربعةِ، ما دام المسلمُ عاجزًا عن الاجتهادِ في أدلةِ الأحكامِ، ولا يجوزُ له التعصّبُ في تقليدِه، وله إنْ شاءَ أنْ يلتزمَ بمذهبِه، وله أنْ لا يلتزمَ.
والكتابُ في جملتِه يبحثُ مسالةً واحدةً، وهي: (حكم التمذهب)، والدراسةُ التي قمتُ بها تزيدُ على ما في الكتابِ على النحوِ الآتي:
- الباب الأول: (الدراسة النظرية) أكثرُ مسائلِ الفصلِ الأولِ لم تَرِدْ في كتابِ: (اللامذهبية)، والفصل الثالث لم يَرِدْ له تأصيلٌ في الكتاب.
- الباب الثاني: (الدراسة النقدية) برمّته؛ إذ خلا كتابُ (اللامذهبية) مِن الدراسةِ النقديةِ للتمذهبِ.
إضافةً: إلى أنَّ كتابَ الدكتور محمد البوطي لا يسيرُ في مواضع منه وفقَ نمطِ البحوثِ العلميةِ، ولا يخلو مِن التعبيراتِ الإنشائيةِ.
الخامسة: المذهبيةُ المتعصِّبةُ هي البدعةُ (أو: بدعة التعصُّبِ المذهبي وآثارُها الخطيرة في جمودِ الفكرِ وانحطاط المسلمين). للأستاذ محمد عيد عباسي، الناشر: المكتبة الإسلامية بالأردن، الطبعة الثانية، 1406 هـ.
جاءَ الكتابُ في مجلّدِ واحدٍ في ثلاثمائةٍ وخمسين صفحةً، وقد جَعَلَ المؤلِّفُ في آخرِه ملحقًا في مائةِ وثمانين صفحةً.
حوى الكتابُ سبعةَ أبواب، وهي:
الباب الأول: رأيُنا في الاجتهادِ والتقليدِ، وموقفنُا مِن المذاهب وأئمتِها.
الباب الثاني: لماذا لا يجوز التزامُ مذهبٍ معيّنٍ؟
الباب الثالث: لماذا ندعو إلى العودةِ إلى السنةِ؟
الباب الرابع: واقعُ المذهبيةِ المتعصبةِ، ومآخذُنا عليها.
الباب الخامس: اعتراضاتٌ والجوابُ عليها.
চার মাযহাবের অনুসরণ করা, যতক্ষণ পর্যন্ত একজন মুসলিম আহকামের দলীলসমূহে ইজতিহাদ করতে অক্ষম থাকে। তবে তার জন্য তার অনুসরণের ক্ষেত্রে গোঁড়ামি করা বৈধ নয়। সে চাইলে নিজের মাযহাবের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে পারে, আবার চাইলে নাও থাকতে পারে।
সামগ্রিকভাবে বইটি একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে, আর তা হলো: (মাযহাব অনুসরণের বিধান)। আমি যে গবেষণাটি সম্পন্ন করেছি তা বইটিতে থাকা আলোচনার অতিরিক্ত হিসেবে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে:
- প্রথম অধ্যায়: (তাত্ত্বিক আলোচনা) প্রথম পরিচ্ছেদের অধিকাংশ মাসআলাই ‘আল-লা মাযহাবিয়্যাহ’ (মাযহাবহীনতা) বইটিতে উল্লেখ করা হয়নি। আর তৃতীয় পরিচ্ছেদের কোনো তাত্ত্বিক ভিত্তিও বইটিতে আসেনি।
- দ্বিতীয় অধ্যায়: (সমালোচনামূলক আলোচনা) এটি সম্পূর্ণভাবে নতুন; কারণ ‘আল-লা মাযহাবিয়্যাহ’ বইটি মাযহাব অনুসরণের সমালোচনামূলক পর্যালোচনামুক্ত ছিল।
এছাড়া: ডক্টর মুহাম্মদ আল-বূত্বীর বইটি কোনো কোনো স্থানে বৈজ্ঞানিক গবেষণার মানদণ্ড অনুযায়ী চলেনি এবং এটি আলঙ্কারিক বা আবেগীয় বর্ণনাভঙ্গি থেকে মুক্ত নয়।
পঞ্চম: গোঁড়া মাযহাববাদ হলো বিদআত (অথবা: মাযহাবী গোঁড়ামির বিদআত এবং চিন্তা-চেতনার স্থবিরতা ও মুসলিমদের অধঃপতনে এর ভয়াবহ প্রভাব)। রচনায়: উস্তাদ মুহাম্মদ ঈদ আব্বাসী, প্রকাশক: আল-মাকতাবাতুল ইসলামিয়্যাহ, জর্ডান, দ্বিতীয় সংস্করণ, ১৪০৬ হিজরী।
বইটি এক খণ্ডে ৩৫০ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত হয়েছে এবং লেখক এর শেষে ১৮০ পৃষ্ঠার একটি পরিশিষ্ট যুক্ত করেছেন।
বইটিতে সাতটি অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, সেগুলো হলো:
প্রথম অধ্যায়: ইজতিহাদ ও তাকলীদ বিষয়ে আমাদের অভিমত এবং মাযহাবসমূহ ও তাদের ইমামদের ব্যাপারে আমাদের অবস্থান।
দ্বিতীয় অধ্যায়: কেন নির্দিষ্ট একটি মাযহাব আঁকড়ে ধরা অপরিহার্য নয়?
তৃতীয় অধ্যায়: কেন আমরা সুন্নাহর দিকে ফিরে আসার আহ্বান জানাই?
চতুর্থ অধ্যায়: গোঁড়া মাযহাববাদের বাস্তবতা এবং এর ওপর আমাদের আপত্তিসমূহ।
পঞ্চম অধ্যায়: বিভিন্ন আপত্তি ও সেগুলোর উত্তর।
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
الباب السادس: جولةٌ مع البوطي في: (لا مذهبيتِه).
الباب السابع: كلمةٌ عن المناظرةِ بين الشيخِ ناصرٍ
(1)، وبين البوطي.
أمَّا ملحقُ الكتابِ فقد خصّصه المؤلفُ للردِّ على كتابِ: (اللامذهبية) للدكتور محمد البوطي.
ومَعَ أنَّ المؤلِّفَ قد عَقَدَ البابَ السادس، والملحقَ للردِّ على كتاب: (اللامذهبية) للدكتور محمد البوطي، إلا أنَّ السِّمَةَ الغالبةَ في كتابةِ المؤلِّفِ هي في الردِّ على كتاب الدكتور محمد البوطي.
والكتابُ كما هو ظاهر من عنوانِه يتحدث عن التعصبِ المذهبي وآثارِه، ومَعَ ذلك فقد تحدث عن الالتزامِ بالمذهبِ.
وقد طَرَقَ المؤلِّفُ عددًا مِن الآثارِ السلبيةِ للتمذهبِ في الصفحات من: (ص/135) إلى (ص/224)، وكان حديثُه عنها مِنْ حيثُ النقولُ حديثٌ جيدٌ، لكنَّه لم يخلُ مِن السخريةِ، والتندرِ بالمذاهبِ في عددٍ مِن المواطنِ
(2).
ولم يُشِر المؤلفُ إلى أيّ أثرٍ إيجابي للتمذهبِ.
والدراسةُ التي قمتُ بها تزيدُ على ما في الكتابِ على النحوِ الآتي:
--------------------------------------------
ষষ্ঠ অধ্যায়: বুতির (মাযহাবহীনতা) প্রসঙ্গে একটি পর্যালোচনা।
সপ্তম অধ্যায়: শায়খ নাসির
(১) এবং বুতির মধ্যকার বিতর্ক প্রসঙ্গে কিছু কথা।
বইটির পরিশিষ্টের কথা বলতে গেলে, লেখক এটি ডক্টর মুহাম্মদ বুতির ‘আল-লামাজহাবিয়াহ’ (মাযহাবহীনতা) বইটির খণ্ডনের জন্য নির্দিষ্ট করেছেন।
যদিও লেখক ষষ্ঠ অধ্যায় এবং পরিশিষ্টটি ডক্টর মুহাম্মদ বুতির ‘আল-লামাজহাবিয়াহ’ বইটির খণ্ডনের জন্য রেখেছেন, তবে লেখকের লেখনীর প্রধান বৈশিষ্ট্যই হলো ডক্টর মুহাম্মদ বুতির বইটির উত্তর প্রদান করা।
বইটির শিরোনাম থেকে যেমনটা প্রতীয়মান হয়, এটি মাযহাবী গোঁড়ামি এবং এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করে, তবুও এটি মাযহাব অনুসরণের বিষয়েও কথা বলেছে।
লেখক ১৩৫ থেকে ২২৪ পৃষ্ঠার মধ্যে মাযহাব অনুসরণের বেশ কিছু নেতিবাচক প্রভাব আলোচনা করেছেন। উদ্ধৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে তাঁর আলোচনা চমৎকার ছিল, তবে বেশ কিছু স্থানে এটি মাযহাবগুলোর প্রতি উপহাস এবং বিদ্রূপ থেকে মুক্ত ছিল না
(২)।
লেখক মাযহাব অনুসরণের কোনো ইতিবাচক প্রভাবের কথা উল্লেখ করেননি।
আমি যে অধ্যয়নটি করেছি তা বইটিতে থাকা তথ্যের সাথে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো যুক্ত করে:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২০)
- البابُ الأولُ: (الدراسة النظرية)، ليس لفصولِ هذا البابِ ومباحثِه أيُّ ذكرٍ في كتابِ الأستاذِ محمد عباسي، ما عدا الحديث عن حكمِ التمذهبِ.
- الباب الثاني: (الدراسة النقدية)، الزيادةُ عندي على ما ذكره الأستاذ محمد عباسي بذكرِ الآثارِ الإيجابيةِ للتمذهب، وأسباب الآثارِ السلبيةِ، وسُبُلِ علاجِها.
إضافةً: إلى أن كتابَ الأستاذِ محمد عباسي لا يسير في مواضع منه وفق نَمَطِ البحوثِ العلميةِ، ولا يخلو مِن التعبيراتِ الإنشائيةِ خاصةً فيما يوجهه مِنْ نقدِ للدكتورِ البوطي.
السادسة: موقفُ أهلِ الحديثِ مِن التعصّب المذهبي. للأستاذِ محمد عيد عباسي، الناشر: المكتبة الإسلامية بالأردن، الطبعة الأولى، 1410 هـ.
والكتابُ عبارةٌ عن رسالةٍ صغيرةٍ، استلها المؤلِّفُ مِنْ كتابِه: (بدعة التعصب المذهبي)، فذَكَرَ فيها: البابَ الأول، والبابَ الثاني، والبابَ الثالث.
السابعة: تعريفُ الراغبِ بحقيقةِ المذهبيةِ والمذاهب. للأستاذِ محمد عيد عباسي، الناشر: المكتبة الإسلامية بالأردن، الطبعة الأولى، 1410 هـ.
والكتابُ عبارةٌ عن رسالةٍ صغيرةٍ، استلها المؤلِّفُ مِنْ كتابِه: (بدعة التعصب المذهبي)، فذَكَرَ فيها: البابَ الرابع، والبابَ الخامس.
الثامنة: لزوم اتباع مذاهب الأئمة حسمًا للفوضى الدينية. للشيخِ محمد الحامد
(1) الناشر: مكتبة المنار بالأردن، الطبعة الثانية.
--------------------------------------------
প্রথম অধ্যায়: (তাত্ত্বিক আলোচনা), অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্বাসীর বইয়ে এই অধ্যায়ের পরিচ্ছেদ ও আলোচনার কোনো উল্লেখ নেই, কেবল মাযহাব অনুসরণের বিধানের আলোচনা ব্যতীত।
- দ্বিতীয় অধ্যায়: (সমালোচনামূলক আলোচনা), অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্বাসীর বর্ণনার তুলনায় আমার পক্ষ থেকে সংযোজন হলো—মাযহাব অনুসরণের ইতিবাচক প্রভাব, নেতিবাচক প্রভাবের কারণসমূহ এবং তা প্রতিকারের উপায়সমূহ উল্লেখ করা।
অধিকন্তু, অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্বাসীর বইটি কোনো কোনো স্থানে বৈজ্ঞানিক গবেষণার মানদণ্ড অনুযায়ী চলেনি এবং এতে আলঙ্কারিক বা আবেগীয় অভিব্যক্তির কমতি নেই, বিশেষ করে ডক্টর আল-বুতীর প্রতি তিনি যে সমালোচনা করেছেন তার ক্ষেত্রে।
ষষ্ঠ: মাযহাবী গোঁড়ামির প্রতি আহলে হাদিসদের অবস্থান। অধ্যাপক মুহাম্মদ ঈদ আব্বাসী রচিত, প্রকাশক: আল-মাকতাবাতুল ইসলামিয়্যাহ, জর্ডান, প্রথম সংস্করণ, ১৪১০ হিজরী।
বইটি একটি ছোট পুস্তিকা, যা লেখক তাঁর 'মাযহাবী গোঁড়ামির বিদআত' (বিদআতুহুত তাআসসুবিল মাযহাবী) নামক গ্রন্থ থেকে চয়ন করেছেন; সেখানে তিনি প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় অধ্যায় উল্লেখ করেছেন।
সপ্তম: মাযহাব ও মাযহাবীয় ব্যবস্থার স্বরূপ সম্পর্কে আগ্রহী ব্যক্তির পরিচিতি। অধ্যাপক মুহাম্মদ ঈদ আব্বাসী রচিত, প্রকাশক: আল-মাকতাবাতুল ইসলামিয়্যাহ, জর্ডান, প্রথম সংস্করণ, ১৪১০ হিজরী।
বইটি একটি ছোট পুস্তিকা, যা লেখক তাঁর 'মাযহাবী গোঁড়ামির বিদআত' নামক গ্রন্থ থেকে চয়ন করেছেন; সেখানে তিনি চতুর্থ ও পঞ্চম অধ্যায় উল্লেখ করেছেন।
অষ্টম: ধর্মীয় বিশৃঙ্খলা নিরসনে ইমামগণের মাযহাব অনুসরণের আবশ্যকতা। শেখ মুহাম্মদ আল-হামিদ এর লেখা
(১) প্রকাশক: মাকতাবাতুল মানার, জর্ডান, দ্বিতীয় সংস্করণ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২১)
الكتابُ عبارةٌ عن رسالةٍ صغيرةٍ، تقعُ في أربعين صفحةً مِن الحجمِ الصغيرِ.
والرسالةُ في أصلِها عبارةٌ عن إجابةٍ عن رسالةٍ أُرْسِلَتْ إلى المؤلِّف، تضمَّنَت سؤالًا عن أمورٍ تدورُ في مُجْمَلِها عن العملِ بالنصِّ الشرعي، والدعوةِ إلى اجتهادِ العلماءِ في الزَّمنِ الحاضرِ كما اجتهد الأئمةُ السابقون.
وقد استفتحَ المؤلِّفُ رسالتَه بذكر شروطِ الاجتهادِ إجمالًا، ووَصَفَ المؤلِّفُ مَنْ يدَّعي الاجتهادَ في زمانِه بأنه ناقصُ العقلِ، قليلُ العلمِ، رقيقُ الدِّينِ!
(1).
ثمَّ تولَّى الردَّ على مَنْ تمسّكَ ببعضِ العباراتِ الصادرةِ عن الأئمةِ التي تحضُّ على الاجتهادِ والأخذِ مِن الكتابِ والسنةِ مباشرةً.
ثمَّ ذَكَرَ المؤلِّفُ طبقاتِ الفقهاءِ، وبعد هذا عرَّجَ على التنويهِ بمكانةِ الإمامِ أبي حنيفةَ رحمه الله تعالى؛ دفاعًا عنه ضدَّ مَنْ رماه بقلّةِ الاعتناءِ بعلمِ الحديثِ.
والرسالةُ عبارةٌ عن إجابةِ عن سؤالٍ، ولا تسيرُ مسير البحوثِ العلميةِ.
التاسعة: حكمُ التقليدِ والتمذهب - حكم التعصب فيهما. لأحمدَ بنِ حجر البنعلي
(2) الناشر: مكتبة منار السبيل للنشر والتوزيع بالقاهرة، الطبعة الثانية، 1409 هـ.
--------------------------------------------
বইটি একটি ছোট পুস্তিকা (রিসালা) হিসেবে বিবেচিত, যা ছোট আকারের চল্লিশ পৃষ্ঠা সম্বলিত।
এই পুস্তিকাটি মূলত লেখকের কাছে প্রেরিত একটি পত্রের উত্তর, যাতে এমন কিছু বিষয়াবলী অন্তর্ভুক্ত ছিল যা মূলত শরয়ী নস (মূল পাঠ) অনুযায়ী আমল করা এবং বর্তমান যুগে আলেমদের ইজতিহাদ করার আহ্বানের সাথে সংশ্লিষ্ট, যেমনটি পূর্ববর্তী ইমামগণ ইজতিহাদ করেছিলেন।
লেখক তার পুস্তিকাটি ইজতিহাদের শর্তাবলি সংক্ষেপে বর্ণনার মাধ্যমে শুরু করেছেন। লেখক তার সমসাময়িক সময়ে যারা ইজতিহাদের দাবি করে, তাদেরকে নির্বোধ, স্বল্পজ্ঞানী এবং দুর্বল দ্বীনদার হিসেবে অভিহিত করেছেন!
(১)।
অতঃপর তিনি ঐ সকল ব্যক্তিদের খণ্ডন করেছেন যারা ইমামগণের পক্ষ থেকে বর্ণিত এমন কিছু উক্তি আঁকড়ে ধরে যা ইজতিহাদ করার এবং সরাসরি কিতাব ও সুন্নাহ থেকে বিধান গ্রহণ করার প্রতি উৎসাহিত করে।
এরপর লেখক ফকীহগণের স্তরসমূহ উল্লেখ করেছেন এবং এর পরে ইমাম আবু হানিফা (রাহিমাহুল্লাহ তায়ালা)-এর মর্যাদার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন; তাকে তাদের পক্ষ হতে প্রতিরক্ষা করার জন্য যারা তাকে হাদীস শাস্ত্রের প্রতি স্বল্প যত্নবান হওয়ার অপবাদ দিয়েছেন।
এই পুস্তিকাটি মূলত একটি প্রশ্নের উত্তর মাত্র, এটি কোনো তাত্ত্বিক গবেষণার ধারায় পরিচালিত হয়নি।
নবম: তাকলীদ ও মাযহাব অনুসরণের বিধান - এবং এই উভয় ক্ষেত্রে গোঁড়ামির বিধান। লেখক: আহমদ ইবন হাজার আল-বিনআলী
(২) প্রকাশক: মাকতাবাতু মানারুস সাবীল লিন-নাশরি ওয়াত-তাওযী, কায়রো, দ্বিতীয় সংস্করণ, ১৪০৯ হিজরী।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২২)
تكلَّم المؤلِّفُ عن مسألةِ: (حكمِ التقليدِ)، ثم ذَكَرَ الأدلةَ الموجبةَ للأخذِ بالدليلِ والاجتهادِ في الأحكامِ، وانتقل بعدها إلى الحديثِ عن مسألةِ: (حكمِ التمذهبِ)، دونَ ذكرِ تعريفِ له، فانتصر للقولِ المانعِ منه، وردَّ على القائلين بجوازِه.
ثمَّ أردفَ المسألةَ بذكرِ عيوبِ التعصبِ لمذهبٍ معيَّنٍ ومفاسدِه.
والكتابُ في جملتِه خالٍ مِن التوثيقِ العلمي.
العاشرة: تحقيقُ الاختلافِ في مرتبةِ الاتّباع، مع مقدماتٍ ضروريةٍ في قضيةِ الاجتهادِ والتقليدِ. (لم يُكتب اسم مؤلف الكتاب)
(1).
بنى المؤلِّفُ كتابَه على أربعةِ مباحث:
المبحث الأول: مقدماتٌ ضروريةٌ. وذَكَرَ تحته تسعَ مقدماتٍ ممهدةٍ للموضوعِ.
المبحث الثاني: في الاجتهادِ: تعريفُه وشروطُه، ومشروعية التقليدِ لمَنْ حازَ الاجتهادَ.
المبحث الثالث: ذَكَر فيه: التقليد: تعريفُه، ومشروعيتُه للعوام، والعامي لا يصحّ له مذهبٌ، والتقليد المشروع عند ابنِ حزم والشوكاني، ثمَّ التمذهبُ بين الغلاةِ، والجفاةِ.
المبحث الرابع: الاتِّباع: تعريفُه، إثباتُه، المذهبية المتعصبة، السلفية الغالية.
--------------------------------------------
লেখক ‘তাকলিদ-এর বিধান’ সংক্রান্ত মাসআলা নিয়ে আলোচনা করেছেন, এরপর আহকামের ক্ষেত্রে দলীল গ্রহণ ও ইজতিহাদ করার আবশ্যকতা সম্পর্কে প্রমাণাদি উল্লেখ করেছেন। এরপর তিনি ‘মাযহাব অনুসরণের বিধান’ সংক্রান্ত আলোচনার দিকে ধাবিত হয়েছেন এর কোনো সংজ্ঞা উল্লেখ ছাড়াই; তিনি মাযহাব অনুসরণে নিষেধাজ্ঞার মতকে সমর্থন করেছেন এবং যারা একে বৈধ বলেন তাদের জবাব দিয়েছেন।
এরপর তিনি কোনো নির্দিষ্ট মাযহাবের প্রতি গোঁড়ামির ত্রুটি ও এর অপকারিতা উল্লেখ করে বিষয়টির অনুবৃত্তি করেছেন।
সামগ্রিকভাবে বইটি বৈজ্ঞানিক প্রামাণিকতা (তথ্যসূত্র প্রদান) হতে মুক্ত।
দশম: ইত্তিবা-এর স্তরে মতভেদের বিশ্লেষণ, সাথে ইজতিহাদ ও তাকলিদ প্রসঙ্গে কিছু প্রয়োজনীয় ভূমিকা। (বইটির লেখকের নাম লেখা হয়নি)
(১)।
লেখক তার বইটিকে চারটি পরিচ্ছেদে বিন্যস্ত করেছেন:
প্রথম পরিচ্ছেদ: প্রয়োজনীয় ভূমিকা। এর অধীনে তিনি বিষয়টির অবতারণা স্বরূপ নয়টি ভূমিকা উল্লেখ করেছেন।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ইজতিহাদ প্রসঙ্গে: এর সংজ্ঞা, শর্তাবলি এবং যে ব্যক্তি ইজতিহাদের যোগ্যতা অর্জন করেছেন তার জন্য তাকলিদ করার বৈধতা।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: এতে তিনি উল্লেখ করেছেন: তাকলিদ: এর সংজ্ঞা, সাধারণ মানুষের জন্য এর বৈধতা, এবং সাধারণ ব্যক্তির জন্য কোনো মাযহাব থাকা সঠিক নয়। আরও রয়েছে ইবনে হাজম ও শাওকানির নিকট শরয়ি তাকলিদ, অতঃপর চরমপন্থী ও শিথিলপন্থীদের মাঝে মাযহাব অনুসরণের বিষয়টি।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: ইত্তিবা (অনুসরণ): এর সংজ্ঞা, এর প্রমাণাদি, গোঁড়া মাযহাবপ্রীতি এবং চরমপন্থী সালাফিবাদ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
ويتمتع مؤلفُ الكتابِ بالتوسطِ والاعتدالِ حينما تحدثَ عن مسألةِ: (حكمِ التمذهبِ).
والدراسة التي قمتُ بها تزيد على ما في الكتاب على النحو الآتي:
- الباب الأول: (الدراسة النظرية) في أكثر فصولِه ومباحثِه.
- الباب الثاني: (الدراسة النقدية) بكاملِه.
الحادية عشرة: التقليد وأحكامه. للدكتور سعد بن ناصر الشثري، الناشر: دار الوطن بالرياض، ودار الغيث بالرياض، الطبعة الأولى، 1416 هـ.
عرضَ المؤلِّفُ في أحدِ مباحثِ كتابِه من (ص/ 142) إلى (ص/145) مسألةَ التمذهبِ بشكلٍ مقتضبٍ، فذَكَرَ الأقوالَ دون نسبةِ، والأدلةَ، ثمَّ الترجيحَ.
الثانية عشرة: الاجتهاد والتقليد عند الإمام الشاطبي. للدكتور وليد بن فهد الودعان.
والدراسةُ رسالةُ ماجستير بقسم أصول الفقه بكلية الشريعة بالرياض بجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية، بإشراف الدكتور عبد العزيز بن عبد الرحمن المشعل، العام الجامعي: (1420 هـ).
تطرَّق الباحثُ إلى الحديثِ عن مسألةِ: (التمذهب عند الإمام الشاطبي) في النقطتين الآتيتين:
الأولى: تعريف التمذهب.
الثانية: حكمه عند الشاطبي.
الثالثة عشرة: الاجتهاد والتقليد والفتوى عند ابن تيمية - جمعًا وتوثيقًا ودراسةً، للباحثةِ: ريم بنت مسفر الشردان.
والدراسةُ رسالةُ ماجستير بقسم أصول الفقه بكلية الشريعة بالرياض
এই বইয়ের লেখক যখন 'মাযহাব অনুসরণের বিধান' বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন, তখন তিনি মধ্যপন্থা ও ভারসাম্য বজায় রেখেছেন।
আমি যে গবেষণাটি সম্পন্ন করেছি, তা বইটিতে বিদ্যমান বিষয়ের চেয়ে নিম্নোক্তভাবে আরও কিছু সংযোজন করে:
- প্রথম অধ্যায়: (তাত্ত্বিক আলোচনা) এর অধিকাংশ পরিচ্ছেদ ও উপ-পরিচ্ছেদে।
- দ্বিতীয় অধ্যায়: (পর্যালোচনামূলক আলোচনা) সম্পূর্ণ।
একাদশ: তাকলিদ ও এর বিধানসমূহ। ড. সা'দ বিন নাসির আশ-শাতরি রচিত, প্রকাশক: দারুল ওয়াতান, রিয়াদ এবং দারুল গাইস, রিয়াদ, প্রথম সংস্করণ, ১৪১৬ হিজরি।
লেখক তার বইয়ের একটি পরিচ্ছেদে (পৃষ্ঠা ১৪২ থেকে ১৪৫ পর্যন্ত) মাযহাব অনুসরণের বিষয়টি সংক্ষেপে উপস্থাপন করেছেন; সেখানে তিনি প্রবক্তাদের নাম উল্লেখ না করেই বিভিন্ন মত ও দলীল উল্লেখ করেছেন এবং এরপর প্রাধান্যপ্রাপ্ত মতটি বর্ণনা করেছেন।
দ্বাদশ: ইমাম শাতিবীর নিকট ইজতিহাদ ও তাকলিদ। ড. ওয়ালিদ বিন ফাহাদ আল-ওয়াদান রচিত।
এই গবেষণাটি ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের রিয়াদস্থ শরীয়াহ অনুষদের উসূলে ফিকহ বিভাগের একটি মাস্টার্স থিসিস, যা ড. আবদুল আজিজ বিন আবদুর রহমান আল-মিশআলের তত্ত্বাবধানে ১৪২০ হিজরি শিক্ষাবর্ষে সম্পন্ন হয়েছে।
গবেষক 'ইমাম শাতিবীর নিকট মাযহাব অনুসরণ' বিষয়টি নিয়ে নিম্নোক্ত দুটি পয়েন্টে আলোচনা করেছেন:
প্রথমত: মাযহাব অনুসরণের সংজ্ঞা।
দ্বিতীয়ত: শাতিবীর নিকট এর বিধান।
ত্রয়োদশ: ইবনে তাইমিয়ার নিকট ইজতিহাদ, তাকলিদ ও ফাতাওয়া—সংগ্রহ, প্রামাণ্যকরণ ও গবেষণা। গবেষক: রিম বিনতে মুসফির আশ-শারদান।
এই গবেষণাটি রিয়াদস্থ শরীয়াহ অনুষদের উসূলে ফিকহ বিভাগের একটি মাস্টার্স থিসিস।
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
بجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية، بإشراف الدكتور سعد بن ناصر الشثري، العام الجامعي (1424 هـ).
تطرَّقَت الباحثةُ إلى الحديثِ عن التمذهبِ عند ابنِ تيميةَ في النقطتين الآتيتين:
الأولى: تعريف التمذهب.
الثانية: حكمه عند ابن تيمية.
الرابعة عشرة: دراسةٌ تحليليةٌ موصلةٌ لتخريجِ الفروعِ على الأصولِ عند الأصوليين والفقهاء. للباحثِ: جبريل بن المهدي بن علي ميغا.
والدراسةُ رسالةُ دكتوراه بقسم الفقه وأصوله بجامعة أم القرى، كلية الشريعة والدراسات الإسلامية، فرع الفقه وأصوله، بإشراف الأستاذ الدكتور شعبان محمد إسماعيل، العام الجامعي (1421/ 1422 هـ).
تكلَّم الباحثُ عن التمذهبِ في الصفحات من (ص/734) إلى (ص/ 742) في ضوءِ النقطتين الآتيتين:
الأولى: تعريف التمذهب في: اللغة، والاصطلاح.
الثانية: تقسيم التمذهب إلى: تمذهب صحيح، وتمذهب فاسد.
ولم يخلُ حديثُ الباحثِ في النقطة الثانية من ذكرِ أدلةٍ في المسألة، لكنْ دونَ ترتيبِ الكلامِ، بحيث يُبدأ فيه بذكرِ الأقوال، ثم الأدلة، ثم الترجيح.
الخامسة عشرة: الانسلاخُ مِن المذاهب الفقهيةِ: حقيقتُه وأسبابُه، وآثارُه في الفقهِ الإسلامي. للباحثةِ: مليكة صوالَح.
والدراسةُ رسالةُ ماجستير في الفقه وأصوله بقسم الشريعة، بكلية العلوم الاجتماعية والعلوم الإسلامية بجامعة الحاج الأخضر جامعة الحاج لخضر بالجزائر، بإشراف الدكتور رضوان غربية، العام الجامعي: 1426/
ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে, ডক্টর সাদ বিন নাসির আশ-শাথরির তত্ত্বাবধানে, শিক্ষাবর্ষ (১৪২৪ হিজরি)।
গবেষক নিম্নোক্ত দুটি পয়েন্টে ইবনে তাইমিয়্যাহর দৃষ্টিতে মাজহাব অনুসরণ (তামাযহুব) সম্পর্কে আলোচনা করেছেন:
প্রথম: মাজহাব অনুসরণের সংজ্ঞা।
দ্বিতীয়: ইবনে তাইমিয়্যাহর নিকট এর বিধান।
চতুর্দশ: উসুলবিদ ও ফকিহদের নিকট উসুলের ভিত্তিতে ফুরু' (শাখা-প্রশাখা) উদ্ঘাটন বিষয়ক একটি বিশ্লেষণধর্মী গবেষণা। গবেষক: জিবরিল বিন আল-মাহদি বিন আলী মিগা।
এই গবেষণাটি উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শরিয়াহ ও ইসলামি শিক্ষা অনুষদের ফিকহ ও উসুলুল ফিকহ বিভাগের একটি ডক্টরেট থিসিস, ফিকহ ও উসুলুল ফিকহ শাখা, প্রফেসর ডক্টর শাবান মুহাম্মদ ইসমাইলের তত্ত্বাবধানে, শিক্ষাবর্ষ (১৪২১/ ১৪২২ হিজরি)।
গবেষক (পৃষ্ঠা ৭৩৪) থেকে (পৃষ্ঠা ৭৪২) পর্যন্ত নিম্নোক্ত দুটি পয়েন্টের আলোকে মাজহাব অনুসরণ সম্পর্কে আলোচনা করেছেন:
প্রথম: আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থে মাজহাব অনুসরণের সংজ্ঞা।
দ্বিতীয়: মাজহাব অনুসরণকে দুই ভাগে ভাগ করা: সঠিক মাজহাব অনুসরণ এবং ত্রুটিপূর্ণ মাজহাব অনুসরণ।
দ্বিতীয় পয়েন্টে গবেষকের আলোচনায় মাসআলাটির সপক্ষে দলিল উল্লেখের বিষয়টি বাদ পড়েনি, তবে আলোচনার বিন্যাস এমন ছিল না যেখানে প্রথমে অভিমতসমূহ, তারপর দলিলসমূহ এবং শেষে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মত উল্লেখ করা হয়।
পঞ্চদশ: ফিকহি মাজহাবসমূহ থেকে বিচ্ছিন্নতা: এর স্বরূপ, কারণসমূহ এবং ইসলামি ফিকহের ওপর এর প্রভাব। গবেষিকা: মালিকা সাওয়ালিহ।
এই গবেষণাটি আলজেরিয়ার হাজ আখদার বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান ও ইসলামি বিজ্ঞান অনুষদের শরিয়াহ বিভাগে ফিকহ ও উসুলুল ফিকহের ওপর একটি মাস্টার্স থিসিস, ডক্টর রিদওয়ান গারবিয়ার তত্ত্বাবধানে, শিক্ষাবর্ষ: ১৪২৬/
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
وإنْ كانَ عنوانُ الدراسةِ في الانسلاخِ مِن المذاهب، إلا أنَّ الباحثةَ قد تحدَّثتْ عن التمذهبِ باعتبارِه مِن المصطلحاتِ المرتبَطةِ بالانسلاخِ مِن المذاهبِ، فذكرتْ تعريفَه في الصفحتين (ص/ 19، 20).
ثم تحدَّثتْ عن نشأةِ المذاهبِ في الصفحات من (ص/ 41) إلى (ص/48).
ثم تحدَّثت الباحثةُ عن مسألةِ: (حكم التمذهب) في الصفحات من (ص/ 56) إلى (ص/ 63).
وقد توافر في دراسة الباحثة عناصر المسألة الخلافية: (الأقوال، الأدلة، الاعتراضات، الترجيح) في عرضها، وهذا ما لم يوجد في الدراسات السابقة.
السادسة عشرة: التمذهبُ - دراسةٌ تأصيليةٌ مقارنةٌ لمسائلِ وأحكامِ التمذهبِ. لعبد الفتاح بن صالح اليافعي، الناشر: مؤسسة الرسالة ببيروت، الطبعة الأولى، 1427 هـ.
الكتاب مطبوعٌ في مائتين وخمس وتسعين صفحةً مع الفهارسِ، وقد قدَّمَ للكتابِ بعضُ أهلِ العلمِ
(1)، وليس الكتابُ رسالةً علميةً.
وقد جعل المؤلِّفُ كتابَه في ستةِ فصولٍ:
الفصل الأول: في الاجتهاد، من (ص/ 37) إلى (ص/ 93)، والمباحث التي ذكرها:
المبحث الأول: مرتبةُ المجتهدِ المستقلِّ.
المبحث الثاني: مراتبُ غيرِ المجتهدِ المستقلِّ.
المبحث الثالث: خلو العصرِ مِن المجتهدِ المستقلِّ.
--------------------------------------------
যদ্যপি গবেষণার শিরোনামটি মাযহাব বর্জন বা বিচ্যুতি প্রসঙ্গে ছিল, তবুও গবেষক 'তামাদ্ধুব' (মাযহাব অনুসরণ) নিয়ে আলোচনা করেছেন যেহেতু এটি মাযহাব বিচ্যুতি বা বর্জনের সাথে সংশ্লিষ্ট একটি পরিভাষা; ফলে তিনি ১৯ ও ২০ নং পৃষ্ঠায় এর সংজ্ঞা উল্লেখ করেছেন।
অতঃপর তিনি ৪১ থেকে ৪৮ নং পৃষ্ঠায় মাযহাবসমূহের উদ্ভব নিয়ে আলোচনা করেছেন।
এরপর গবেষক ৫৬ থেকে ৬৩ নং পৃষ্ঠায় 'মাযহাব অনুসরণের বিধান' সংক্রান্ত মাসআলাটি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
গবেষকের এই গবেষণায় একটি ইখতিলাফি (মতপার্থক্যপূর্ণ) বিষয়ের উপাদানসমূহ—যেমন: মতসমূহ, দলিলসমূহ, আপত্তি এবং অগ্রাধিকার প্রদান (তারজীহ)—উপস্থাপনার ক্ষেত্রে বিদ্যমান রয়েছে, যা পূর্ববর্তী গবেষণাগুলোতে পাওয়া যায় না।
ষোড়শ: আত-তামাদ্ধুব—মাযহাব অনুসরণের মাসায়েল ও আহকামের একটি তুলনামূলক তাত্ত্বিক গবেষণা। লেখক: আবদুল ফাত্তাহ বিন সালেহ আল-ইয়াফিয়ী, প্রকাশক: মুআসসাসাতুর রিসালাহ, বৈরুত, প্রথম সংস্করণ, ১৪২৭ হিজরি।
সূচিপত্রসহ বইটি ২৯৫ পৃষ্ঠায় মুদ্রিত। কতিপয় আলেম গ্রন্থটির ভূমিকা লিখেছেন
(1), এবং বইটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণাপত্র (থিসিস) নয়।
লেখক তাঁর গ্রন্থটিকে ছয়টি অধ্যায়ে বিন্যস্ত করেছেন:
প্রথম অধ্যায়: ইজতিহাদ প্রসঙ্গে, ৩৭ থেকে ৯৩ নং পৃষ্ঠা পর্যন্ত। এতে তিনি যেসব পরিচ্ছেদ আলোচনা করেছেন:
প্রথম পরিচ্ছেদ: মুজতাহিদে মুস্তাকিল বা স্বাধীন মুজতাহিদের স্তর।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: মুজতাহিদে মুস্তাকিল ব্যতীত অন্যদের স্তরসমূহ।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: সমকাল মুজতাহিদে মুস্তাকিল থেকে শূন্য হওয়া প্রসঙ্গে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
المبحث الرابع: هل يُوجَدُ في زماننا مجتهدون مستقلون؟
المبحث الخامس: هل بابُ الاجتهادِ مغلق؟
الفصل الثاني: التمذهب والتقليد، من (ص/ 94) إلى (ص/ 198)، والمباحث التي ذكرها:
المبحث الأول: الإجماعُ على مشروعيةِ التمذهبِ والتقليدِ، ودليل ذلك.
المبحث الثاني: اعتراضاتُ المعترضين على التمذهبِ والتقليدِ، والجواب عنها.
المبحث الثالث: حكمُ لزومِ مذهبٍ.
المبحث الثالث: خروجُ المرءِ عن مذهبِه.
الفصل الثالث: حكمُ الخروجِ عن المذاهبِ الأربعةِ، من (ص/ 199) إلى (ص/ 212)، والمباحثُ التي ذكرها:
المبحث الأول: الإجماعُ على عدمِ الخروجِ إلى قولِ لم يُسْبَقْ إليه.
المبحث الثاني: حكايةُ الاتفاقِ على عدمِ جوازِ الخروجِ.
المبحث الثالث: حكمُ الخروجِ عن المذاهبِ عند الحنفيةِ.
المبحث الرابع: حكمُ الخروجِ عن المذاهبِ عند المالكيةِ.
المبحث الخامس: حكمُ الخروجِ عن المذاهبِ عند الشافعيةِ.
المبحث السادس: حكمُ الخروجِ عن المذاهبِ عند الحنابلةِ.
المبحث السابع: شروطُ جوازِ الخروج عند مَنْ يُجيزُه، والتوفيق بين القولين.
الفصل الرابع: هل مذهب الظاهرية معتبر؟ من (ص/ 213) إلى (ص/ 227)، والمباحث التي ذكرها:
المبحث الأول: حكايةُ الاتفاقِ على عدمِ الاعتبارِ.
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: আমাদের বর্তমান সময়ে কি কোনো স্বাধীন মুজতাহিদ বিদ্যমান আছেন?
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: ইজতিহাদের দ্বার কি রুদ্ধ?
দ্বিতীয় অধ্যায়: মাযহাব অনুসরণ ও তাকলীদ, (পৃষ্ঠা ৯৪) হতে (পৃষ্ঠা ১৯৮) পর্যন্ত, এবং এতে বর্ণিত পরিচ্ছেদসমূহ:
প্রথম পরিচ্ছেদ: মাযহাব অনুসরণ ও তাকলীদের বৈধতার ওপর ইজমা এবং এর প্রমাণ।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: মাযহাব অনুসরণ ও তাকলীদের বিষয়ে আপত্তিকারীদের আপত্তি এবং তার উত্তর।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: কোনো একটি মাযহাব অনুসরণ আবশ্যক হওয়ার বিধান।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: কোনো ব্যক্তির নিজ মাযহাব ত্যাগ করার বিধান।
তৃতীয় অধ্যায়: চার মাযহাবের বাইরে যাওয়ার বিধান, (পৃষ্ঠা ১৯৯) হতে (পৃষ্ঠা ২১২) পর্যন্ত, এবং এতে বর্ণিত পরিচ্ছেদসমূহ:
প্রথম পরিচ্ছেদ: পূর্বে কেউ ব্যক্ত করেননি এমন মতের দিকে যাওয়ার মাধ্যমে (মাযহাবের গণ্ডি) বহির্ভূত না হওয়ার ওপর ইজমা।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: (মাযহাবের গণ্ডি) বহির্ভূত হওয়া অবৈধ হওয়ার ওপর ঐকমত্যের বর্ণনা।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: হানাফী মাযহাব অনুযায়ী মাযহাবের গণ্ডি বহির্ভূত হওয়ার বিধান।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: মালিকী মাযহাব অনুযায়ী মাযহাবের গণ্ডি বহির্ভূত হওয়ার বিধান।
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: শাফিয়ী মাযহাব অনুযায়ী মাযহাবের গণ্ডি বহির্ভূত হওয়ার বিধান।
ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: হাম্বলী মাযহাব অনুযায়ী মাযহাবের গণ্ডি বহির্ভূত হওয়ার বিধান।
সপ্তম পরিচ্ছেদ: যারা (মাযহাবের গণ্ডি থেকে বের হওয়া) বৈধ মনে করেন তাদের নিকট এর শর্তাবলি এবং দুই মতের মধ্যে সমন্বয়।
চতুর্থ অধ্যায়: যাহেরী মাযহাব কি গ্রহণযোগ্য? (পৃষ্ঠা ২১৩) হতে (পৃষ্ঠা ২২৭) পর্যন্ত, এবং এতে বর্ণিত পরিচ্ছেদসমূহ:
প্রথম পরিচ্ছেদ: এটি অগ্রহণযোগ্য হওয়ার ওপর ঐকমত্যের বর্ণনা।
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
المبحث الثاني: مِنْ أقوالِ الحنفيةِ في ذلك.
المبحث الثالث: مِنْ أقوالِ المالكيةِ في ذلك.
المبحث الرابع: مِنْ أقوالِ الشافعيةِ في ذلك.
المبحث الخامس: مِنْ أقوالِ الحنابلةِ في ذلك.
المبحث السادس: أسبابُ عدمِ اعتبارِ مذهبِ الظاهريةِ.
المبحث السابع: مِنْ أقوالِ مَن لا ينتسب إلى المذاهبِ الأربعةِ.
الفصل الخامس: العملُ بالحديثِ الضعيفِ في الفضائلِ ونحوِها، من 228) إلى (ص/ 256)، والمباحث التي ذكرها تحته:
المبحث الأول: حكايةُ الاتفاقِ على العملِ بالحديثِ الضعيفِ في الفضائلِ.
المبحث الثاني: مِنْ أقوالِ أهلِ الحديثِ في ذلك.
المبحث الثالث: مِنْ أقوالِ أهلِ الفقهِ في ذلك.
المبحث الرابع: ثبوتُ الاستحبابِ والكراهةِ بالحديثِ الضعيفِ.
المبحث الرابع
(1): شروطُ العملِ بالحديثِ الضعيفِ.
المبحث الخامس: مجالاتُ العملِ بالحديثِ الضعيفِ.
الفصل السادس: متفرقاتٌ ذاتُ صلةٍ بالتمذهبِ، من (ص/ 257) إلى (ص/ 284)، والمباحث التي ذكرها تحته:
المبحث الأول: بين الفقهِ والحديثِ.
المبحث الثاني: فوضى علميةٍ لم يشهدْ لها التاريخ مثيل
(2).
--------------------------------------------
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: এ বিষয়ে হানাফিদের কতিপয় উক্তি।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: এ বিষয়ে মালিকিদের কতিপয় উক্তি।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: এ বিষয়ে শাফেয়িদের কতিপয় উক্তি।
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: এ বিষয়ে হাম্বলিদের কতিপয় উক্তি।
ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: জাহেরি মাজহাবকে গ্রহণযোগ্য না ধরার কারণসমূহ।
সপ্তম পরিচ্ছেদ: যারা চার মাজহাবের কোনোটির অন্তর্ভুক্ত নন, তাদের কতিপয় উক্তি।
পঞ্চম অধ্যায়: ফজিলত ও এই জাতীয় বিষয়াবলিতে জইফ হাদিসের ওপর আমল করা, (পৃষ্ঠা ২২৮) থেকে (পৃষ্ঠা ২৫৬) পর্যন্ত, এবং এর অধীনে তিনি যে পরিচ্ছেদগুলো উল্লেখ করেছেন:
প্রথম পরিচ্ছেদ: ফজিলতের ক্ষেত্রে জইফ হাদিসের ওপর আমল করার ব্যাপারে ঐকমত্যের বিবরণ।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: এ বিষয়ে মুহাদ্দিসদের কতিপয় উক্তি।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: এ বিষয়ে ফকিহদের কতিপয় উক্তি।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: জইফ হাদিসের মাধ্যমে মুস্তাহাব ও মাকরূহ সাব্যস্ত হওয়া।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ
(১): জইফ হাদিসের ওপর আমল করার শর্তাবলি।
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: জইফ হাদিসের ওপর আমল করার ক্ষেত্রসমূহ।
ষষ্ঠ অধ্যায়: মাজহাব অনুসরণের সাথে সংশ্লিষ্ট বিবিধ বিষয়াবলি, (পৃষ্ঠা ২৫৭) থেকে (পৃষ্ঠা ২৮৪) পর্যন্ত, এবং এর অধীনে তিনি যে পরিচ্ছেদগুলো উল্লেখ করেছেন:
প্রথম পরিচ্ছেদ: ফিকহ ও হাদিসের মাঝে।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: এক ইলমি বিশৃঙ্খলা, ইতিহাস যার কোনো নজির দেখেনি
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
المبحث الثالث: كيف يصلُ إلى المعتمدِ في مذهبِ الشافعيةِ؟
المبحث الرابع: سُلّمٌ تعليمي للمذهبِ الشافعي.
وقد أورد المؤلِّفُ تحتَ بعضِ المباحثِ السابقةِ فروعًا، وتحتَ بعضِ المطالبِ مسائل.
ويُعدُّ الكتابُ أول مؤلِّفٍ يحملُ اسمَ التمذهبِ، ومن أهمِّ الملحوظاتِ عليه، ما يأتي:
الأولى: مع أنَّ الكتابَ يحملُ اسمَ التمذهبِ، إلا أنَّ المؤلِّفَ لم يتكلمْ عن تعريفِ التمذهبِ في اللغةِ، والاصطلاحِ.
الثانية: كان منهجُ المؤلّفِ في كتابتِه معتمدًا اعتمادًا شبهَ تامٍّ على النقول، فمثلًا: أورد تحت مسألةِ: (شروط المجتهد المستقلِّ) نقولًا عدة، فمثلًا يقول: "شروطُ الاجتهاد عند الإمام الشافعي"
(1)، ويذكر تحته نقلًا عن الخطيب البغدادي
(2)، ثم يورد بعده عنوانًا جانبيًا: "شروط الاجتهاد عند الإمام أحمد"
(3)، وينقل عن شمسِ الدّينِ بنِ القيّمِ، وهكذا في غالب صفحاتِ الكتاب، وحين تحدث عن الشروط التي وضعها الأصوليونَ اكتفى بالنقلِ المجَرّدِ، فنَقَلَ عن بدرِ الدّينِ الزركشي نقلًا طويلًا في ثماني صفحات، دونَ أيّ تعليقٍ
(4).
--------------------------------------------
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: শাফেয়ী মাজহাবের নির্ভরযোগ্য মত (মু'তামাদ) প্রাপ্তির পদ্ধতি কী?
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: শাফেয়ী মাজহাবের শিক্ষা সোপান।
লেখক পূর্ববর্তী কিছু পরিচ্ছেদের অধীনে বিভিন্ন শাখা-প্রশাখা এবং কিছু প্রসঙ্গের অধীনে বিভিন্ন মাসআলা উল্লেখ করেছেন।
গ্রন্থটিকে 'আত-তামাযহুব' (মাজহাব অনুসরণ) নামধারী প্রথম রচনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়, এবং এর ওপর গুরুত্বপূর্ণ কিছু পর্যবেক্ষণ নিম্নরূপ:
প্রথমত: যদিও গ্রন্থটির নাম 'আত-তামাযহুব', তবুও লেখক মাজহাব অনুসরণের শাব্দিক ও পারিভাষিক সংজ্ঞা নিয়ে আলোচনা করেননি।
দ্বিতীয়ত: গ্রন্থটি রচনায় লেখকের পদ্ধতি ছিল প্রায় পুরোপুরি উদ্ধৃতি-নির্ভর। উদাহরণস্বরূপ: 'মুজতাহিদ মুস্তাকিল'-এর শর্তাবলি প্রসঙ্গে তিনি একাধিক উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন। যেমন তিনি বলেন: "ইমাম শাফেয়ীর নিকট ইজতিহাদের শর্তাবলি"
(১), এবং এর অধীনে আল-খতিব আল-বাগদাদী
(২) থেকে উদ্ধৃতি উল্লেখ করেন। অতঃপর তিনি একটি পার্শ্ব শিরোনাম দেন: "ইমাম আহমদের নিকট ইজতিহাদের শর্তাবলি"
(৩), এবং শামসুদ্দিন ইবনুল কাইয়্যিম থেকে উদ্ধৃতি প্রদান করেন। গ্রন্থের অধিকাংশ পৃষ্ঠায় এভাবেই করা হয়েছে। যখন তিনি উসুলবিদদের নির্ধারিত শর্তাবলি নিয়ে আলোচনা করেছেন, তখন তিনি কেবল সরাসরি উদ্ধৃতি দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছেন। যেমন তিনি বদরুদ্দিন আজ-যারকাশী থেকে কোনো মন্তব্য ছাড়াই আট পৃষ্ঠাব্যাপী একটি দীর্ঘ উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন
(৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
وفي المبحث الأول: (الإجماع على مشروعية التمذهب والتقليد ودليل ذلك)، مِن الفصلِ الثاني: (التمذهب والتقليد)، اكتفى المؤلِّفُ في غالبِ فروعِ المبحثِ
(1) التي ذكرها بالنقلِ المجردِ عن علماءِ المذاهبِ الأربعةِ.
وقد ظَهَرَ هذا الأمرُ - وهو اكتفاء المؤلّف بالنقلِ المجرّدِ عن علماءِ المذاهبِ الأربعةِ - فيما أورده تحت بعضِ المباحثِ، وظَهَرَ بصورةٍ أكبر فيما أورده تحت الفروعِ والمسائلِ.
الثالثة: نتَجَ عن اعتماد المؤلِّفِ على النقلِ عدمُ وجودِ تحريرٍ للمسألةِ، فلا تجد عنده عنوانًا: تحرير محل النزاع، أو الأقوال في المسألة، أو الموازنة والترجيح
… مع أنَّ كثيرًا مِن المسائلِ التي تحدثَ عنها هي محل خلافٍ عند الأصوليين، فمثلًا: ذكر المؤلِّفُ مسألةَ: (تجزؤ الاجتهاد)
(2)، وبيّن أنَّ العلماءَ اختلفوا فيها، ثمَّ نَقَلَ عن بدرِ الدّينِ الزركشي نقلين، ونَقَلَ عن أبي بكرٍ الجصاص نقلًا، ثمَّ نَقَلَ عن سعدِ الذينِ التفتازاني
(3) نقلًا في التوفيقِ بين القولينِ.
وحينما تكلَّم المؤلِّفُ عن مسألةِ: (حكم التمذهب)
(4) - وهي أهمُّ
--------------------------------------------
এবং প্রথম পরিচ্ছেদে: (মাযহাব অনুসরণ ও তাকলীদের বৈধতার উপর ইজমা এবং এর দলীল), দ্বিতীয় অধ্যায় থেকে: (মাযহাব অনুসরণ ও তাকলীদ), লেখক উক্ত পরিচ্ছেদের অধিকাংশ শাখায়
(১) যা তিনি উল্লেখ করেছেন, সেখানে চার মাযহাবের আলেমদের থেকে কেবল উদ্ধৃতি প্রদানের মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ থেকেছেন।
এই বিষয়টি—অর্থাৎ চার মাযহাবের আলেমদের থেকে কেবল উদ্ধৃতি প্রদানের মাধ্যমে লেখকের সীমাবদ্ধ থাকা—কিছু পরিচ্ছেদের অধীনে যা তিনি উপস্থাপন করেছেন তাতে প্রকাশ পেয়েছে, এবং শাখা ও মাসআলাসমূহের অধীনে তিনি যা উল্লেখ করেছেন তাতে এটি আরও বড় আকারে প্রকাশ পেয়েছে।
তৃতীয়ত: কেবল উদ্ধৃতির ওপর লেখকের নির্ভর করার ফলে মাসআলাসমূহের কোনো সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ (তাহরির) পাওয়া যায় না। তাই আপনি তার কাছে এমন কোনো শিরোনাম পাবেন না যেমন: বিবাদের মূল বিষয়ের বিশ্লেষণ, অথবা মাসআলার মতামতসমূহ, অথবা তুলনা ও প্রাধান্যদান (তরজীহ)
… যদিও তিনি যেসব মাসআলা নিয়ে আলোচনা করেছেন তার অনেকগুলোই উসূলবিদদের কাছে মতভেদের বিষয়। উদাহরণস্বরূপ: লেখক ‘ইজতিহাদের বিভাজন’ (তাজাযযুউল ইজতিহাদ)
(২) মাসআলাটি উল্লেখ করেছেন এবং স্পষ্ট করেছেন যে আলেমগণ এতে মতভেদ করেছেন। এরপর তিনি বদরুদ্দীন যারকাশি থেকে দুটি উদ্ধৃতি এবং আবু বকর জাসসাস থেকে একটি উদ্ধৃতি প্রদান করেছেন। এরপর তিনি সাদউদ্দীন তাফতাযানী
(৩) থেকে দুই মতের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধানকল্পে একটি উদ্ধৃতি পেশ করেছেন।
এবং যখন লেখক ‘মাযহাব অনুসরণের বিধান’ (হুকমুত তামাযহুব)
(৪) মাসআলাটি নিয়ে কথা বলেছেন—যা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আত-তামাযহুব - দিরাসাতুন নাযারিইয়াতুন নাক্বদিয়্যাহ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
مسألةٍ في موضوعِ التمذهبِ - لم يذكرْها في ضوءِ عناصرِ عَرضِ المسألةِ الخلافيةِ.
وفي هذا خللٌ بيّن، وضعفٌ ظاهرٌ في عرضِ المسائلِ الخلافيةِ.
الرابعة: ضعفُ التوثيقِ العلمي للكتابِ، فيما عدا النقول، فقد يحكي المؤلِّفُ إجماعًا، ولا يوثّقه
(1)، ولمَّا ذَكَرَ المؤلِّفُ اعتراضاتِ المعارضين للتمذهبِ
(2)، ذَكَرَها دونَ توثيقٍ لها.
الخامسة: تضمّنَ الكتابُ بعضَ الأشياءِ التي ليس لها أيّ صلةٍ بعنوانِ البحثِ، فمثلًا: أوردَ المؤلِّفُ في فاتحةِ كتابِه من (ص/ 15) إلى (ص/ 22) أسانيدَه وطرقَه لحديثٍ ذَكَرَه
(3)، ومِنْ (ص/ 88) إلى (ص/ 90) ذَكَرَ أثرًا عن عائشةَ رضي الله عنها
(4) رواه مسلسلًا.
وليس الكتابُ مناسبًا لذكرِ مثلِ هذه الأمورِ.
السادسة: في الكتاب بعض العبارات الإنشائية التي لا صلة لها بموضوع الكتاب
(5).
والدراسةُ التي قمتُ بها تزيدُ على ما في الكتابِ على النحوِ الآتي:
- الباب الأول: (الدراسة النظرية) في كثيرٍ مِن فصولِه ومباحثِه، إضافةً إلى اختلافِ منهجيّةِ عرضِ المسائلِ التي تحدَّثَ عنها المؤلّفُ، ووردتْ عندي.
--------------------------------------------
মাযহাব অনুসরণের বিষয়ের একটি মাসআলা - যা তিনি মতভেদপূর্ণ মাসআলা উপস্থাপনের উপাদানগুলোর আলোকে উল্লেখ করেননি।
আর এতে মতভেদপূর্ণ মাসআলা উপস্থাপনের ক্ষেত্রে একটি স্পষ্ট ত্রুটি এবং প্রকাশ্য দুর্বলতা রয়েছে।
চতুর্থ: কিতাবটির ইলমি প্রমাণের দুর্বলতা, উদ্ধৃতিগুলো ব্যতীত; কারণ লেখক কখনও ইজমা বর্ণনা করেন কিন্তু তার কোনো সূত্র বা প্রমাণ উল্লেখ করেন না
(১)। আবার যখন লেখক মাযহাব অনুসরণের বিরোধীদের আপত্তিগুলো উল্লেখ করেছেন
(২), তখন তিনি সেগুলোর কোনো সূত্র ছাড়াই তা উল্লেখ করেছেন।
পঞ্চম: কিতাবটি এমন কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করেছে যার সাথে গবেষণার শিরোনামের কোনো সম্পর্ক নেই। উদাহরণস্বরূপ: লেখক তার কিতাবের শুরুতে (পৃষ্ঠা ১৫ থেকে ২২ পর্যন্ত) তার বর্ণিত একটি হাদিসের সনদ ও সূত্রসমূহ উল্লেখ করেছেন
(৩), এবং (পৃষ্ঠা ৮৮ থেকে ৯০ পর্যন্ত) আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত একটি আছর
(৪) মুসালসাল হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
আর এই ধরণের বিষয়গুলো উল্লেখ করার জন্য এই কিতাবটি উপযুক্ত নয়।
ষষ্ঠ: কিতাবটিতে কিছু আলঙ্কারিক বাক্য রয়েছে যেগুলোর কিতাবের বিষয়ের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই
(৫)।
আর আমি যে গবেষণাটি করেছি তা কিতাবে যা আছে তার চেয়ে নিম্নোক্তভাবে সমৃদ্ধ:
- প্রথম অধ্যায়: (তাত্ত্বিক গবেষণা) এর অনেকগুলো পরিচ্ছেদ ও আলোচনায়, সেইসাথে লেখক যে মাসআলাগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং যা আমার লেখায় এসেছে তা উপস্থাপনের পদ্ধতিগত পার্থক্যের কারণে।
--------------------------------------------