(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: -)
القسطاس في علم العروض (الزمخشري)
القسم: العروض والقوافي
الكتاب: القسطاس في علم العروض
المؤلف: أبو القاسم محمود بن عمرو بن أحمد، الزمخشري جار الله (ت 538هـ)
المحقق: الدكتور فخر الدين قباوة
الناشر: مكتبة المعارف بيروت - لبنان
الطبعة: الثانية المجددة، 1410 هـ 1989 م
عدد الصفحات: 131
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 11 محرم 1433
আল-কিসতাস ফি ইলমিল আরুজ (আল-যামাখশারী)
বিভাগ: ইলমুল আরুজ ও কাওয়াসি
গ্রন্থ: আল-কিসতাস ফি ইলমিল আরুজ
লেখক: আবুল কাসেম মাহমুদ ইবনে আমর ইবনে আহমদ, আল-যামাখশারী জারুল্লাহ (মৃত্যু ৫৩৮ হি.)
মুহাক্কিক: ডক্টর ফখরুদ্দিন কাবাওয়া
প্রকাশক: মাকতাবাতুল মাআরিফ বৈরুত - লেবানন
সংস্করণ: দ্বিতীয় পরিমার্জিত সংস্করণ, ১৪১০ হিজরী ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৩১
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১১ মুহররম ১৪৩৩
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
المقدمةبسم الله الرحمن الرحيمربّ يّسرْ، بفضلك، وكرمك.قال الشيخ الإمام الأجلّ العلامة، جار الله، فخرُ خوَارزم، أبو القاسم، محمود بن عمر الزمخشريّ، رحمه الله تعالى: أسألُ الله الذي عَدَّلَ موازينَ قِسطِه، وعايرَ مكاييل
ভূমিকাপরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।হে আমার রব, আপনার অনুগ্রহ ও বদান্যতায় সহজ করে দিন।অতি সম্মানিত শায়খ, ইমাম, আল্লামা, জারুল্লাহ, খাওয়ারিজমের গর্ব, আবুল কাসিম মাহমুদ বিন উমর আল-জামাশারি (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) বলেন: আমি সেই আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি, যিনি তাঁর ইনসাফের তুলাদণ্ডসমূহ সুষম করেছেন এবং পরিমাপের পাত্রসমূহ যাচাই করেছেন
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
قَبضِه وبسِطِه، ودعا في كتابه بالويل، على المطفّفين في الكيل، وكره لعباده السَّرَف والبخس، وحظر عليهم الشطط والوكس، أن يحملني على السَّويَّةِ فيما أُورد وأُصْدِرُ، والاقتصاد فيما آتي وأذرُ. ويأخذَ بيدي، إلى وزن الأمور بميزان العقل السليم، فإنه المعيار المعتدل والقسطاس المستقيم، حتى أكون من القائمين
তাঁর সংকীর্ণ করা ও প্রশস্ত করার মাধ্যমে; তিনি তাঁর কিতাবে মাপে কম প্রদানকারীদের জন্য ধ্বংসের সংবাদ দিয়েছেন, এবং তাঁর বান্দাদের জন্য অপব্যয় ও অবমূল্যায়ন অপছন্দ করেছেন, আর তাদের ওপর বাড়াবাড়ি ও লোকসান নিষিদ্ধ করেছেন; [আমি প্রার্থনা করি] তিনি যেন আমাকে আমার প্রতিটি পদক্ষেপে ন্যায়ের ওপর পরিচালিত করেন এবং আমার প্রতিটি কাজে পরিমিতিবোধ দান করেন। আর তিনি যেন আল্লাহর হাত দিয়ে আমার হাত ধরে আমাকে সুস্থ বিবেকের মানদণ্ডে বিষয়সমূহ পরিমাপ করার পথে চালিত করেন, কেননা তা-ই হলো ভারসাম্যপূর্ণ মাপকাঠি ও সঠিক তুলাদণ্ড, যাতে আমি ন্যায়নিষ্ঠদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারি।
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
على الحق وبه، والذاهبين عن الصواب وإليه. وأحمده، وأصلّي على خير خلقه، محمدٍ، وآله، وعلى الذين انتهجوا منهجهم في بدء الأمر ومآله.أعلم أنَّ أصناف العلوم الأدبية ترتقي إلى اثني عشر صنفاً: الأول: علم اللغة.والثاني: علم الأبنية.والثالث: علم الاشتقاق.
সত্যের ওপর এবং সত্যের মাধ্যমেই (তিনি প্রতিষ্ঠিত), আর যারা ভ্রান্তি ত্যাগ করে সঠিক পথের দিকে ধাবমান। আমি তাঁর প্রশংসা করছি এবং তাঁর সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ সত্তা মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ এবং যারা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তাঁদের পথ অনুসরণ করেছেন, তাঁদের প্রতি দরুদ পাঠ করছি।জেনে রাখুন যে, সাহিত্য বিষয়ক শাস্ত্রসমূহ বারোটি শ্রেণিতে বিভক্ত: প্রথমটি: ভাষা বিজ্ঞান।দ্বিতীয়টি: শব্দগঠন বিজ্ঞান।তৃতীয়টি: শব্দমূল প্রতিপাদন বিজ্ঞান।
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
والرابع: علم الإِعراب.والخامس: علم المعاني.والسادس: علم البيان.والسابع: علم العروض.والثامن: علم القوافي.والتاسع: إنشاء النثر.والعاشر: قرض الشعر.والحادي عشر: علم الكتابة.والثاني عشر: المحاضرات.
চতুর্থত: ই’রাব (ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ) শাস্ত্র।পঞ্চমত: ইলমুল মাআনি (শব্দার্থতত্ত্ব)।ষষ্ঠত: ইলমুল বায়ান (অলঙ্কার শাস্ত্র)।সপ্তমত: ইলমুল আরূয (ছন্দতত্ত্ব)।অষ্টমত: ইলমুল কাওয়াফি (অন্ত্যমিল শাস্ত্র)।নবমত: গদ্য রচনা।দশমত: কাব্য রচনা।একাদশত: লিখন শিল্প শাস্ত্র।দ্বাদশত: ভাষণ ও সাহিত্যিক আলোচনা।
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
ولَعَهدي بهذه الأصناف لا يُسمَعُ لها صدًى، ولا تُرى لها عينٌ ولا أثر، فيما بين أهل بلادنا، وساكنه ديارنا. اللهمَّ إلَاّ متنَ اللغةِ، هكذا غُفلاً لا يَسِمهُ التحقيق، وعرياناً لا يُشمل بالإتقان، إلى أن قيَّضَ اللهُ للعَمَى أن تنكشف ضبابته، وللجهل أن تنقشع ربابته، بيُمن نَقيبةِ سيّدنا ومولانا، الإِمام الأستاذ الرئيس الأجلّ، فريدِ العصر، فخرِ العرب والعجم، جمالِ الزمان، نجمِ
আমার জানামতে এই সকল শ্রেণির কোনো প্রতিধ্বনি শোনা যেত না এবং আমাদের দেশের অধিবাসী ও আমাদের জনপদে বসবাসকারীদের মাঝে এগুলোর কোনো চিহ্ন বা অস্তিত্ব দেখা যেত না। তবে কেবল ভাষার মূল পাঠটুকু ব্যতীত, যা ছিল গবেষণার ছাপহীন এক অবহেলিত অবস্থায় এবং নিপুণতার পোশাকহীন এক নগ্ন অবস্থায়; যতক্ষণ না আল্লাহ অন্ধত্বের কুয়াশা উন্মোচন করার এবং মূর্খতার মেঘমালা অপসারিত করার ব্যবস্থা করলেন আমাদের নেতা ও অভিভাবক—ইমাম, উস্তাদ, মহিমান্বিত প্রধান, যুগের অনন্য বিস্ময়, আরব ও অনারবদের গৌরব, মহাকালের সৌন্দর্য এবং... এর নক্ষত্রের চারিত্রিক মাহাত্ম্যের বরকতে।
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ১৮)
الدّين، أدام الله عزَّ الفضلِ وأهلهِ، بإطالة بقائه، وإدامة علائه. لا جرَمَ أنه فتح الأبواب إلى تلك الفضائل، ورفع الحجب دون أولئك المناقب، مُفهِمّاً ومُوقِفّاً، ومُرشداً ومطرّفاً، ومُرشّحاً ومُرغبّاً. حتى أنهجتِ المسالكُ، واتلأبَّتِ الأساليب، وهزَّ الأدبُ مَناكبَه، وأرخى الفضل ذوائبه، وغادر بذلك آثاراً أبقى من
দ্বীন—আল্লাহ তাআলা তাঁর হায়াতকে দীর্ঘায়িত করে এবং তাঁর উচ্চমর্যাদাকে অক্ষয় রেখে শ্রেষ্ঠত্ব ও এর ধারক-বাহকদের মর্যাদা চিরস্থায়ী করুন। নিঃসন্দেহে তিনি সেই সকল সদ্গুণের দ্বার উন্মোচন করেছেন এবং সেই সকল মহৎ গুণাবলির সম্মুখ হতে আবরণসমূহ অপসারিত করেছেন; তিনি (বিষয়সমূহ) বোধগম্যকারী ও পরিচয় করিয়ে দাতা, পথপ্রদর্শক ও নবদিগন্তের উন্মোচনকারী এবং (যোগ্যরূপে) প্রস্তুতকারী ও অনুরাগীকারী। এমনকি এর ফলে পথসমূহ সুস্পষ্ট হয়েছে এবং কর্মপদ্ধতিসমূহ সুসংহত হয়েছে; সাহিত্য সগৌরবে বিকশিত হয়েছে এবং শ্রেষ্ঠত্ব তার কল্যাণকে অবারিত করেছে। আর এর মাধ্যমে তিনি এমন সব কীর্তি রেখে গেছেন যা... অপেক্ষা অধিকতর স্থায়ী।
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ১৯)
المسند لا ينمحي رقمُها، ولا ينطمس رسمهُا. فمتى تفوَّهنا بحرف من الأصناف المعدودة فهو التقاط من ذلك المعدِن، واستقاء من ذلك المَصبّ.وقد لاحت لي، ببركات الانتماء إلى حَضْرته، ومَيامن الانضواء إلى سُدَّتِه، طريقةٌ في باب العروض عذراء، ما أظنُّها وُطئت قبلي. فعمدتُ إلى تحرير هذه النسخة منها، وأوفدتُها على مجلسه العالي،
যার ভিত্তিপ্রস্তর কখনো মুছে যায় না এবং যার চিহ্ন বিলুপ্ত হয় না। সুতরাং যখনই আমরা পরিগণিত বিষয়সমূহ হতে কোনো অক্ষর উচ্চারণ করি, তখন তা সেই আকর বা খনি থেকেই চয়ন করা এবং সেই উৎসস্থল থেকেই আহরণ করা।আর তাঁর সান্নিধ্যে সম্পৃক্ত হওয়ার বরকতে এবং তাঁর উচ্চাসনে আশ্রয় লাভের কল্যাণে ছন্দশাস্ত্রে (ইলমুল আরূয) আমার নিকট এমন এক অভিনব পদ্ধতি প্রকাশিত হয়েছে, যা ইতিপূর্বে আর কেউ স্পর্শ করেছে বলে আমার মনে হয় না। তাই আমি এর একটি অনুলিপি সংকলন করতে ব্রতী হয়েছি এবং তাঁর উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন মজলিসে তা প্রেরণ করেছি।
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ২০)
لأفّخِمَ شأنها، وأعلي مكانها، بمدّ يده إِليها، واطّلاِع عينه عليها. فإنه شريعة للفضائل يُحام حواليها، ومدينة للعلوم والآداب يهاجَرُ إليها.
যাতে আমি এর মর্যাদাকে মহিমান্বিত করতে পারি এবং এর অবস্থানকে উচ্চকিত করতে পারি—এর প্রতি তাঁর হাত প্রসারিত করার মাধ্যমে এবং এর ওপর তাঁর চোখের দৃষ্টি নিবদ্ধ করার মাধ্যমে। কেননা এটি সদ্গুণাবলির এমন এক উৎস যার চারদিকে সকলে আবর্তিত হয় এবং জ্ঞান ও শিষ্টাচারের এমন এক নগরী যার দিকে হিজরত করা হয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ২১)
فصلأُقدّمُ، بين يدي الخوض فيما أنا بصدده، مقدّمةً. وهي أنَّ بناء الشعر العربي على الوزن المُخترعِ، الخارج عن بحور شعر العرب، لا يَقدحُ في كونه شعراً عندَ بعضهم. وبعضُهم أبى ذلك، وزعم أنه لا يكون شعراً حتى يُحامَى فيه وزن من أوزانهم.والذي ينصر المذهب الأول هو أن حَدَّ الشعر لفظٌ، موزونٌ، مقفّى، يدلّ على معنى. فهذه أربعة أشياء: اللفظ، المعنى، الوزن، القافية. فاللفظ وحده هو الذي يقع فيه الاختلاف بين العرب والعجم. فإنَّ العربيّ يأتي به عربيّاً، والعجميّ يأتي به عجميّاً. وأما الثلاثة الأُخر
পরিচ্ছেদআমি যে বিষয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি, তাতে প্রবেশের পূর্বে একটি ভূমিকা উপস্থাপন করছি। তা হলো, আরবের প্রচলিত ছন্দের পরিধির বাইরের কোনো নব-উদ্ভাবিত ছন্দের ভিত্তিতে আরবি কবিতা নির্মাণ করা কারো কারো মতে তা কবিতা হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি সৃষ্টি করে না। আবার কেউ কেউ তা অস্বীকার করেছেন এবং দাবি করেছেন যে, তাদের (আরবদের) প্রচলিত ছন্দসমূহের কোনো একটি ছন্দ সংরক্ষিত না হওয়া পর্যন্ত তা কবিতা হিসেবে গণ্য হবে না।প্রথম মতটিকে যা সমর্থন করে তা হলো, কবিতার সংজ্ঞা হলো এমন শব্দ, যা ছন্দোবদ্ধ ও অন্ত্যমিলযুক্ত এবং যা কোনো অর্থের ওপর নির্দেশ করে। সুতরাং এখানে চারটি বিষয় রয়েছে: শব্দ, অর্থ, ছন্দ ও অন্ত্যমিল। কেবল শব্দের ক্ষেত্রেই আরব ও অনারবদের মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। কেননা আরব ব্যক্তি তা আরবিতে নিয়ে আসে এবং অনারব ব্যক্তি তা অনারবি ভাষায় নিয়ে আসে। আর অবশিষ্ট তিনটি বিষয়ের ক্ষেত্রে...
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ২২)
فالأمر فيها على التَّساوي بين الأمم قاطبة. ألا ترى أنا لو علمنا قصيدة على قافية، لم يُقَفّ بِها أحدٌ من شعراء العرب، ساغ ذلك مساغاً لا مجالَ فيه للإِنكار.وكذلك لو اخترعنا معاني، لم يسبقونا إليها، لم يكن بنا بأس، بل يُعدّ ذلك من جملة المزايا وذلك لأن الأمم عن آخرها متساوية بالنسبة إلى المعاني والقوافي والافتنان فيها، لا اختصاص لها بأمة دون
এক্ষেত্রে বিষয়টি সকল জাতির মধ্যে সমভাবে বিদ্যমান। আপনি কি লক্ষ্য করেন না যে, আমরা যদি এমন কোনো অন্ত্যমিল সম্বলিত কবিতা রচনা করি যা আরব কবিদের কেউ পূর্বে ব্যবহার করেননি, তবে তা এমনভাবে গ্রহণযোগ্য হবে যে তা অস্বীকার করার কোনো অবকাশ থাকবে না।একইভাবে আমরা যদি এমন কোনো নতুন ভাবার্থের অবতারণা করি যাতে তারা আমাদের চেয়ে অগ্রগামী হননি, তবে তাতে আমাদের কোনো দোষ নেই, বরং একে অন্যতম শ্রেষ্ঠত্ব হিসেবে গণ্য করা হবে। কেননা সকল জাতিই তাদের আদ্যোপান্ত ভাবার্থ, অন্ত্যমিল এবং এতে সৃজনশীলতা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে সমপর্যায়ের; এ বিষয়টি অন্য কোনো জাতিকে বাদ দিয়ে কেবল নির্দিষ্ট কোনো জাতির জন্য বিশেষায়িত নয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ২৩)
غيرها. فكذلك الوزنُ، لتساوي الناس في معرفته، والإحاطة بأن الشيئين إذا توازنا، وليس لأحدهما رُجحان على الآخر، فقد عادل هذا ذاك ككفَّتيِ الميزان.ثم إنَّ من تعاطى التصنيف في العروض، من أهل هذا المذهب، فليس غرضه الذي يؤمّه أن يحصر الأوزان التي إذا بُني
অন্যান্য। তদ্রূপ ওজনও একইরূপ, যেহেতু মানুষ এটি অনুধাবনে এবং এই বিষয়টি অবগত হতে সমান যে, যখন দুটি বস্তু ভারসাম্যপূর্ণ হয় এবং একটির ওপর অন্যটির কোনো প্রাধান্য না থাকে, তখন একটি অপরটির সমতুল্য হয়, ঠিক যেমন তুলাদণ্ডের দুই পাল্লা।অতঃপর, এই মতাদর্শের অনুসারীদের মধ্যে যারা ছন্দবিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ রচনায় ব্রতী হয়েছেন, তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এটি নয় যে তারা এমন সব ছন্দকে সীমাবদ্ধ করবেন যা যদি গঠন করা হয়
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ২৪)
الشعر على غيرها لم يكن شعراً عربيّاً، وأنَّ ما يرجع إلى حديث الوزن مقصور على هذه البحور الستةَ عشرَ لا يتجاوزها. إنما الغرض حصر الأوزان التي قالت العرب عليها أشعارهَا. فليس تجاوز مقولاتها بمحظور في القياس، على ما ذكرت.فالحاصل أنّ الشعر العربيّ، من حيث هو عربيّ، يفتقر قائله إلى أن يطأ أعقاب العرب فيه، فيما يصير به عربياً. وهو اللفظ فقط، لأنهم هم المختصّون به. فوجب تلقيه من قِبَلِهم. فأما أخواته البواقي فلا اختصاص لهم بها البتة، لتشارك العرب والعجم فيها.
অন্য কোনো ছন্দে রচিত কবিতা আরবি কবিতা হিসেবে গণ্য হবে না; আর ছন্দমাত্রার আলোচনার বিষয়টি এই ষোলোটি বাহরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ, যা অতিক্রম করা সম্ভব নয়। এর উদ্দেশ্য হলো কেবল সেই ওজনগুলোকে সীমাবদ্ধ করা, যার ওপর ভিত্তি করে আরবরা তাদের কবিতা রচনা করেছে। সুতরাং আমি যা উল্লেখ করেছি, সেই অনুযায়ী কিয়াসের ক্ষেত্রে তাদের বক্তব্যসমূহকে অতিক্রম করা নিষিদ্ধ নয়।সারকথা হলো, আরবি কবিতা তার আরবিয়াতের দিক থেকে রচয়িতার জন্য আবশ্যক করে তোলে যে, সে ঐ বিষয়গুলোতে আরবদের পদাঙ্ক অনুসরণ করবে, যার মাধ্যমে তা আরবি হিসেবে পরিগণিত হয়। আর তা কেবল শব্দের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, কেননা তারাই এতে বিশিষ্ট। তাই এটি তাদের নিকট হতেই গ্রহণ করা আবশ্যক। তবে কবিতার অবশিষ্ট অনুষঙ্গগুলোতে তাদের কোনো একক বিশেষত্ব নেই, কারণ আরব ও অনারব উভয়ই তাতে সমান অংশীদার।
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ২৫)
فصلأساس الشعرأعلم أنّ أساس بناء الشعر شيئان:
পরিচ্ছেদকবিতার ভিত্তিজেনে রাখুন যে, কবিতার কাঠামোর ভিত্তি হলো দুটি বিষয়:
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ২৬)
أحدهما مُركَّب من حرفين: إمَّا متحرّكٍ وساكنٍ، واسمه سَبَبٌ خفيفٌ، مثل لُنْ من فَعُولُنْ. وإمَّا متحرّكين، واسمه سببٌ ثقيل، مثل عَلَ من مُفاعَلَتُنْ.والثاني مركَّب من ثلاثة أحرف: إمَّا متحرّكَين يتوسطهما ساكن، واسمه وَتدٌ مفروق، مثل لاتُ من مَفْعُولاتُ. وإمَّا متحرّكين يعَقبُهما ساكن، واسمه وَتِدٌ مجموع، مثل عِلُنْ من فاعِلُنْ.وإذا اقترنَ السببان متقدّمِاً الثقيلُ منهما على الخفيف سُميَّ ذلك
এর একটি হলো দুই অক্ষর বিশিষ্ট: হয় একটি হরকতযুক্ত ও একটি স্থির, যার নাম ‘সাবাবে খাফিফ’ (লঘু কারণ), যেমন ‘ফাউলুন’-এর অন্তর্গত ‘লুন’। অথবা দুটিই হরকতযুক্ত, যার নাম ‘সাবাবে সাকিল’ (গুরু কারণ), যেমন ‘মুফাআলাতুন’-এর অন্তর্গত ‘আলা’।এবং দ্বিতীয়টি তিন অক্ষর বিশিষ্ট: হয় দুটি হরকতযুক্ত যার মাঝখানে একটি স্থির অক্ষর রয়েছে, যার নাম ‘ওয়াতাদে মাফরুক’ (বিচ্ছিন্ন খুঁটি), যেমন ‘মাফউলাতু’-এর অন্তর্গত ‘লাতু’। অথবা দুটি হরকতযুক্ত যার শেষে একটি স্থির অক্ষর থাকে, যার নাম ‘ওয়াতাদে মাজমু’ (সম্মিলিত খুঁটি), যেমন ‘ফাইলুন’-এর অন্তর্গত ‘ইলুন’।আর যখন দুটি ‘সাবাব’ একত্রে যুক্ত হয় এবং তাদের মধ্যে ভারীটি হালকাটির আগে আসে, তখন তাকে বলা হয়...
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ২৭)
الفاصلةَ الصُّغرَى، مثل مُتَفا من مُتفاعِلُنْ. وإذا اقترن السبب الثقيل والوتد المجموع متقدّماً السبب على الوتد سُمَّي ذلك الفاصلةَ الكبرى، مثل فَعَلَتُنْ. ومنهم من سُمَّي الأولى فاصلة، والثانية فاضلة بالضاد المعجمة.ثم إنه يَتركَّب منهما ثمانية أجزاء، تُسمَّى الأفاعيل
ক্ষুদ্র ফাসিলাহ, যেমন মুতফাউইলুন-এর মুতফা অংশ। আর যখন সাবাব-ই সাকীল এবং ওয়াতাদ-ই মাজমু এমনভাবে যুক্ত হয় যেখানে সাবাব ওয়াতাদের পূর্বে থাকে, তখন তাকে বৃহৎ ফাসিলাহ বলা হয়, যেমন ফাআলাতুন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ প্রথমটিকে ফাসিলাহ এবং দ্বিতীয়টিকে দাদ বর্ণ যোগে ফাদিলাহ বলে অভিহিত করেছেন।অতঃপর এগুলোর সমন্বয়ে আটটি অংশ গঠিত হয়, যেগুলোকে আফাউইল বলা হয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ২৮)
والتَّفاعيل: اثنان منهما خماسيَّان، وستَّة سباعيّة. فأحد الخماسيين متركب من وتد مجموع، بعده سبب خفيف، وهو فَعُولُنْ. والثاني عكس هذا، أعني أنَّ سببه متقدّم على وتده، وهو فاعِلُنْ. ألا ترى أنك لو قلبت فعولن فقلت لُنْ فَعُو كان بوزن فاعلن. وكذلك لو قلبت فاعلن فقلت عِلُنْ فا كان بوزن فَعُولُنْ.وأما السباعية فإنها على ثلاثة أصناف:
তফাইলসমূহ: এদের মধ্যে দুইটি পঞ্চবর্ণী এবং ছয়টি সপ্তবর্ণী। পঞ্চবর্ণীদ্বয়ের মধ্যে একটি অতায়ে মাজমু’ দ্বারা গঠিত, যার পরে একটি সাবাবে খফিফ রয়েছে; আর সেটি হলো ফাউলুন। দ্বিতীয়টি এর বিপরীত, অর্থাৎ এর সাবাব তার অতা-এর পূর্বে আসে; আর সেটি হলো ফাইলুন। আপনি কি লক্ষ্য করছেন না যে, আপনি যদি ফাউলুন-কে উল্টে দিয়ে লুন-ফাউ বলেন, তবে তা ফাইলুন-এর ওজনে রূপান্তরিত হয়। একইভাবে, যদি আপনি ফাইলুন-কে উল্টে দিয়ে ইলুন-ফা বলেন, তবে তা ফাউলুন-এর ওজনে রূপান্তরিত হয়।আর সপ্তবর্ণী তফাইলগুলোর ক্ষেত্রে সেগুলো তিন প্রকারের:
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ২৯)
منها ما هو متركب من سببين خفيفين ووتد مجموع، وهو ثلاثة أجزاء، وتسمى أركاناً أيضاً: أحدها سبباه متقدّمان على وتده المجموع، وهو مسَتْفعِلُنْ.والثاني عكس هذا، أعني أن وتده متقدّم على سببيه، وهو مَفاعِيلُنْ. ألا ترى أنك لو قلت عِيْلُنْ مفا كان بوزن مُستَفْعِلُنْ. وكذلك لو قلت عِلُنْ مُسْتَفْ كان بوزن مَفاعِيلُنْ.والثالث سبباه يكتنفان وتده، وهو فاعِلاتُنْ.ومنها ما تركَّب من سببين: ثقيل وخفيف، وهو الذي يسمونه الفاصلة، ومن وتد مجموع. وهو جزءان:
এগুলোর মধ্যে এমন কিছু রয়েছে যা দুটি লঘু সবব এবং একটি মাজমু' ওয়াতাদ দ্বারা গঠিত। এটি তিনটি অংশবিশিষ্ট এবং এগুলোকে রুকনও বলা হয়: এর একটি হলো যার সবব দুটি তার মাজমু' ওয়াতাদের অগ্রবর্তী থাকে, আর তা হলো ‘মুসতাফ-ইলুন’।দ্বিতীয়টি এর বিপরীত, অর্থাৎ এর ওয়াতাদ তার সবব দুটির অগ্রবর্তী থাকে, আর তা হলো ‘মাফা-ঈলুন’। আপনি কি দেখছেন না যে, আপনি যদি ‘ঈলুন মাফা’ বলেন তবে তা ‘মুসতাফ-ইলুন’ এর ওজনে হবে। একইভাবে আপনি যদি ‘ইলুন মুসতাফ’ বলেন তবে তা ‘মাফা-ঈলুন’ এর ওজনে হবে।তৃতীয়টি হলো যার সবব দুটি তার ওয়াতাদকে পরিবেষ্টন করে রাখে, আর তা হলো ‘ফা-ইলাতুন’।আবার এগুলোর মধ্যে এমন কিছু রয়েছে যা দুটি সবব—একটি গুরু ও একটি লঘু—এবং একটি মাজমু' ওয়াতাদ দ্বারা গঠিত। একে তারা ‘ফাসিলা’ নামে অভিহিত করেন। এটি দুই প্রকার:
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ৩০)
أحدهما وتده مقدّم على فاصلته، وهو مُفاعَلَتُنْ.والثاني عكس هذا، أعني أن فاصلته متقدّمة على وتده، وهو مُتَفاعِلُنْ. ألا ترى أنك لو قلبت فقلت عِلُنْ مُتَفا وازنَ مُفاعَلَتُنْ. وكذلك لو قلت عَلَتُنْ مُفا وازنَ مُتَفاعِلُنْ.ومنها ما تركَّب من سببين خفيفين ووتد مفروق، وهو مَفْعُولاتُ وحده.فهذه هي الأصول التي بُنيَت أوزان العرب، عن آخرها،
এর একটির ওয়াতাদ তার ফাসিলার অগ্রবর্তী, আর তা হলো মুফায়ালাতুন।আর দ্বিতীয়টি এর বিপরীত, অর্থাৎ তার ফাসিলা তার ওয়াতাদের অগ্রবর্তী হয়, আর তা হলো মুতাফায়িলুন। আপনি কি দেখছেন না যে, আপনি যদি উল্টে দিয়ে বলেন ‘ইলুন মুতাফা’, তবে তা ‘মুফায়ালাতুন’-এর ওজনের সমতুল্য হয়? অনুরূপভাবে যদি আপনি বলেন ‘আলাতুন মুফা’, তবে তা ‘মুতাফায়িলুন’-এর ওজনের সমতুল্য হয়।এবং এগুলোর মধ্যে এমনটিও রয়েছে যা দুটি সাবাবে খফিফ এবং একটি ওয়াতাদে মাফরুক দ্বারা গঠিত, আর তা হলো কেবল ‘মাফউলাতু’।এগুলিই হলো সেই মূলনীতিসমূহ যার ওপর ভিত্তি করে আরবদের সমস্ত কাব্যছন্দ আদ্যোপান্ত নির্মিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ৩১)
عليها، لا يشذّ منها شيء عنها. ولكلّ واحد من هذه الأصول فروع تتشعَّب منه.ف فَعُولُنْ له ستة فروع: فَعُولُ، فَعُولْ، فَعْلُنْ، فَعْلُ، فَعُلْ، فَعْ.فالأول: المقبوض. والقَبْضُ: إسقاطُ الخامس الساكن.والثاني: المقصور. والقَصْر: إسقاط ساكن السبب وتسكين متحركة.والثالث: الأثلم. والثَّلْم: أن تَخرِمَ سالماً والخَرْم: أن تُسقط أول الوتد المجموع في أول البيت. والسالم: الجزء الذي
এর উপর, তা থেকে কোনো কিছুই বিচ্যুত হয় না। এবং এই মূলনীতিগুলোর প্রত্যেকটির এমন শাখা রয়েছে যা তা থেকে বিচ্ছুরিত হয়।সুতরাং 'ফাউলুন'-এর ছয়টি শাখা রয়েছে: ফাউলু, ফাউল, ফালুন, ফালু, ফাউল, ফা।প্রথমটি হলো: মাকবুজ। আর 'কাবজ' হলো: পঞ্চম সাকিন বর্ণটি বিলুপ্ত করা।দ্বিতীয়টি হলো: মাকসুর। আর 'কাসর' হলো: সাবাবের সাকিন বর্ণটি বিলুপ্ত করা এবং তার পূর্বের হরকতযুক্ত বর্ণটিকে সাকিন করা।তৃতীয়টি হলো: আসলাম। আর 'সালম' হলো: সালিম রুকনকে 'খারম' করা; আর 'খারম' হলো: পংক্তির শুরুতে ওয়াতাদে মাজমু-এর প্রথম বর্ণটি বিলুপ্ত করা। আর 'সালিম' হলো: সেই রুকন যা
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ৩২)
لا زِحاف فيه فيصير عُوْلُنْ، ويردّ إلى فَعْلُنْ.والرابع: الأثرم. والثَّرْم: أن تَخرم مقبوضاً، فيصير عُولُ، ويردّ إلى فَعْلُ.والخامس: المحذوف. والحَذْف: إسقاط السبب الخفيف من آخر الجزء فيصير فَعُو، ويردّ إلى فَعُلْ.والسادس: الأبتر. والبَتْر أن يجتمع فيه الحذف والقطع. والقطع في الوتد كالقصر في السبب.وفاعِلُن له فرعان: فَعِلُنْ، فَعْلُنْ.فالأول: المخبون. والخَبْنُ أن تُسقِط ثاني سببه.
এতে কোনো যিহাফ নেই, ফলে তা ‘উউলুন’-এ পরিণত হয় এবং ‘ফালুন’-এ রূপান্তরিত হয়।চতুর্থটি হলো আল-আছরাম। আর ‘ছারম’ হলো মাকবুজকে ‘খারম’ করা, ফলে তা ‘উউলু’-তে পরিণত হয় এবং ‘ফালু’-তে রূপান্তরিত হয়।পঞ্চমটি হলো আল-মাহযুফ। ‘হাফ’ হলো রুকন বা অংশের শেষ থেকে সাবাব খাফিফ ফেলে দেওয়া, ফলে তা ‘ফাউ’-তে পরিণত হয় এবং একে ‘ফাউল’ ধরা হয়।ষষ্ঠটি হলো আল-আবতার। ‘বাতর’ হলো যাতে হাফ এবং কাত একত্রিত হয়। আর ওয়াতাদের মধ্যে ‘কাত’ করা সাবাবের মধ্যে ‘কাসর’ করার মতো।‘ফাইলুন’-এর দুটি শাখা রয়েছে: ‘ফাইলুন’ এবং ‘ফালুন’।প্রথমটি হলো আল-মাখবুন। ‘খাবন’ হলো সাবাবের দ্বিতীয় বর্ণটি বিলুপ্ত করা।
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
والثاني: المقطوع. صار فاعِلْ فردّ إلى فَعْلُنْ.ومُسْتَفْعِلُنْ له أحد عشر فرعاً: مَفاعِلُنْ مُفْتَعِلُنْ، فَعَلتُنْ، مُستَفْعِلُ، مفَاعِلُ، مفَعْوُلُنْ، فَعُولُنْ، مُستفْعِلانْ، مفَاعِلانْ، مُفْتَعِلانْ، فَعَلتَانْ.فالأول: المخبون. وقد ذكرنا الخَبْن. صار مُتَفْعِلُنْ، فردَّ إلى مَفاعِلُنْ.والثاني: المَطويّ. والطَّيّ: إسقاط ساكن ثاني سببيه، وهو الفاء، فيصير مُسْتَعِلُنْ، ويردّ إلى مُفْتَعِلُنْ.والثالث: المخبول. والخبل: أن يُجمع عليه الخبن والطيّ، فيصير مُتَعِلُنْ، ويردّ إلى فَعَلَتُنْ.والرابع: المكفوف. والكفّ: إسقاط السابع الساكن.
এবং দ্বিতীয়টি: মাকতু'। এটি ফা-ইল হয়ে যায়, অতঃপর একে ফাউলুন-এ রূপান্তরিত করা হয়।এবং মুসতাফ'ইলুন-এর এগারোটি শাখা রয়েছে: মাফা'ইলুন, মুফতা'ইলুন, ফালাতুন, মুসতাফ'ইলু, মাফা'ইলু, মাফ'উলুন, ফাউলুন, মুসতাফ'ইলান, মাফা'ইলান, মুফতা'ইলান, ফালাতান।প্রথমটি: মাখবুন। আমরা ইতিপূর্বে খবন সম্পর্কে আলোচনা করেছি। এটি মুতফ'ইলুন হয়ে যায়, অতঃপর একে মাফা'ইলুন-এ রূপান্তরিত করা হয়।দ্বিতীয়টি: মাতউয়ী। আর তয় হলো: এর দুটি সাবাব-এর দ্বিতীয় সুকুনযুক্ত বর্ণকে বিলুপ্ত করা, আর তা হলো 'ফা', ফলে এটি মুসতা'ইলুন হয়ে যায় এবং একে মুফতা'ইলুন-এ রূপান্তরিত করা হয়।তৃতীয়টি: মাখবুল। আর খাবল হলো: যাতে খবন এবং তয় উভয়টি একত্রিত হয়, ফলে এটি মুতা'ইলুন হয়ে যায় এবং একে ফালাতুন-এ রূপান্তরিত করা হয়।চতুর্থটি: মাকফুফ। আর কাফ হলো: সপ্তম সুকুনযুক্ত বর্ণকে বিলুপ্ত করা।
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
والخامس: المشكول. والشَّكل: أن يجمع عليه الخبن والكفّ. فيصير مُتَفْعِلُ، ويردّ إلى مَفاعِلُ.والسادس: المقطوع. صار مُستَفْعِلْ، فردّ إلى مَفْعُولُنْ.والسابع: المكبولُ، وهو المخبون المقطوع. صار مُتَفْعِلْ، فردّ إلى فَعُولُنْ.والثامن: المُذال. والإِذالة: أن يُزاد على تعريته حرف ساكن. والُمعرَّى لقب الجزء السالم من الزيادة.والتاسع: المُذال المَخبون. صار مُتَفْعِلانْ، فردّ إلى مَفاعِلانْ.
পঞ্চমটি হলো: মাশকুল। শাকল হলো: এতে খাবন এবং কাফ একত্রিত হওয়া। ফলে এটি ‘মুতফাউইলু’ হয়ে যায় এবং ‘মাফাউইলু’-তে রূপান্তরিত হয়।ষষ্ঠটি হলো: মাকতু। এটি ‘মুস্তাফইল’ হয়ে যায় এবং ‘মাফলুন’-এ রূপান্তরিত হয়।সপ্তমটি হলো: মাকবুল। এটি হলো খাবনযুক্ত মাকতু। এটি ‘মুতফাউইল’ হয়ে যায় এবং ‘ফাউলুন’-এ রূপান্তরিত হয়।অষ্টমটি হলো: মুযাল। ইযালা হলো: এর বর্ধিত অংশহীন (মুআরা) রূপের উপর একটি সাকিন অক্ষর বৃদ্ধি করা। আর ‘মুআরা’ হলো সেই অংশের উপাধি যা বৃদ্ধি থেকে নিরাপদ বা মুক্ত।নবমটি হলো: খাবনযুক্ত মুযাল। এটি ‘মুতফাউইলান’ হয়ে যায় এবং ‘মাফাউইলান’-এ রূপান্তরিত হয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
والعاشر: المُذال المَطويّ. صار مُسْتَعِلانْ، فردّ إلى مُفْتَعِلانْ.والحادي عشر: المُذال المَخبول. صار مُتَعِلانْ، فردّ إلى فَعَلتَانْ.ومَفاعِيلُنْ له سبعة فروع: مفَاعِلُنْ، مفَاعِيلُ، مَفاعِيلْ، فَعُولُنْ، مَفْعُولُنْ، فاعِلُنْ، مَفْعُولُ.فالأول: المقبوض.والثاني: المكفوف.والثالث: المقصور.والرابع: المحذوق. صار مَفاعِيْ، فنقل إلى فَعُولُنْ.والخامس: الأخرم. والخَرْم: أن تخرم سالماً. صار فاعِيلُنْ، فردّ إلى مَفْعُولُنْ.والسادس: الأشتر. والشَّتْرُ: أن تخرم مقبوضاً فيصير فاعِلُنْ.
দশমটি: মুযাল মাতউই। এটি মুসতা'ইলান হয়েছে, অতঃপর একে মুফতা'ইলান-এ রূপান্তরিত করা হয়েছে।একাদশটি: মুযাল মাখবুল। এটি মুতা'ইলান হয়েছে, অতঃপর একে ফা'আলতান-এ রূপান্তরিত করা হয়েছে।এবং মাফা'ইলুন-এর সাতটি শাখা রয়েছে: মাফা'ইলুন, মাফা'ইলু, মাফা'ইল, ফাউলুন, মাফ'উলুন, ফা'ইলুন, মাফ'উলু।প্রথমটি: মাকবুদ।দ্বিতীয়টি: মাকফুফ।তৃতীয়টি: মাকসুর।চতুর্থটি: মাহযুক। এটি মাফা'ঈ হয়েছে, অতঃপর একে ফাউলুন-এ স্থানান্তরিত করা হয়েছে।পঞ্চমটি: আখরাম। আর খারম হলো: সালিম রুকনকে খণ্ডিত করা। এটি ফা'ইলুন হয়েছে, অতঃপর একে মাফ'উলুন-এ রূপান্তরিত করা হয়েছে।ষষ্ঠটি: আশতার। আর শাতর হলো: মাকবুদ রুকনকে খণ্ডিত করা, ফলে তা ফা'ইলুন-এ পরিণত হয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
والسابع: الأخرب. والخَرْب: أن تخرم مكفوفاً. فيصير فاعِيلُ، ويردّ إلى مَفْعُولُ.وفاعِلاتُنْ له أحد عشر فرعاً: فَعِلاتُنْ، فاعِلاتُ، فَعِلاتُ، فاعِلانْ، فَعِلانْ، فاعِلُنْ، فَعِلُنْ، فَعْلُنْ مَفْعُولُنْ، فاعِلِيَّانْ، فَعِليَّانْ.فالأول: المخبون. وإنما يُسمَّى مخبوناً إذا وقع في أول البيت.فأمَّا إذا وقع في حشوه فاسمه الصَّدْر. والصدر هو الذي خُبِنَ بالمعاقبة. والمعاقبة: أن يجوز إثبات الحرفين معاً، ولا يجوز إسقاطهما معاً. فالألف من فاعلاتن والنون منه، أو من فاعلاتن غيِره الواقعِ قبله يتعاقبان. فلك أن تقول فاعلاتن فا أو فاعلاتُ فا أو
এবং সপ্তমটি হলো: আল-আখরাব। আর আল-খারব হলো কোনো মাকফূফ রুকনকে খরম করা (প্রথম অক্ষর বিলোপ করা)। এতে তা 'ফাঈলু' তে পরিণত হয় এবং তাকে 'মাফঊলু' রুকনে রূপান্তর করা হয়।আর 'ফায়িলাতুন' এর এগারোটি শাখা রয়েছে: ফায়িলাতুন, ফায়িলাতু, ফায়িলাতু, ফায়িলান, ফায়িলান, ফায়িলুন, ফায়িলুন, ফালুন, মাফঊলুন, ফায়িলিয়্যান, ফায়িলিয়্যান।প্রথমটি হলো: মাখবূন। একে কেবল তখনই মাখবূন বলা হয় যখন তা পঙক্তির শুরুতে আসে।তবে যখন তা পঙক্তির মাঝখানে (হাশউ) আসে, তখন তার নাম হয় আস-সদর। আর আস-সদর হলো তা-ই যা মুআকাবা (পর্যায়ক্রমিক বিনিময়) এর মাধ্যমে খাবন করা হয়েছে। আর মুআকাবা হলো: উভয় বর্ণকে একসাথে বহাল রাখা বৈধ হওয়া, কিন্তু উভয়কে একসাথে বিলুপ্ত করা বৈধ না হওয়া। সুতরাং 'ফায়িলাতুন'-এর আলিফ এবং তার নুন, অথবা তার পূর্বে অবস্থিত অন্য 'ফায়িলাতুন'-এর নুন পরস্পর একে অপরের স্থলাভিষিক্ত হয়। অতএব আপনি বলতে পারেন 'ফায়িলাতুন ফা' অথবা 'ফায়িলাতু ফা' অথবা...
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
فاعلاتُنْ فَ. وليس لك أن تقول فاعلاتُ فَ. والجزء السالم من المعاقبة يُسمَّى بريئاً.والثاني: المكفوف. وإذا كان بالمعاقبة فاسمه العجز.والثالث: المشكول. ولا يخلو فَعِلاتُ من أن يقع في أول البيت، أو في حشوه. فإن وقع في أول البيت يُسمَّى المشكولَ العجز.وإن وقع في الحشو يُسمَّى المشكولَ الطرفين، لأنه عوقب خبنه وكفه قبلاً وبعداً. وقد أجاز الخليل وأصحابة المعاقبة بين ساكني السببين الملتقيين، من آخر المصراع الأول، وأول المصراع الثاني. وأباها غيره.والرابع: المقصور. صار فاعِلاتْ، فردّ إلى فاعِلانْ.والخامس: المقصور المخبون. صار فَعِلات، فردّ إلى فَعِلانْ.والسادس: المحذوف. صار فاعلا، فردّ إلى فاعِلُنْ.والسابع: المحذوف المخبون. صار فَعِلا فردّ إلى فَعِلُنْ
ফা'ইলাতুন। আর তোমার জন্য ফা'ইলাতু বলার অবকাশ নেই। আর মুআকাবাহ (পরস্পর পরিবর্তন) থেকে মুক্ত রুকন বা অংশকে 'বারী' (মুক্ত) বলা হয়।দ্বিতীয়টি: আল-মাকফূফ। আর যদি তা মুআকাবাহ-এর সাথে হয়, তবে তার নাম হবে 'আল-আজয'।তৃতীয়টি: আল-মাশকূল। আর ফা'ইলাতু রুকনটি চরণের শুরুতে অথবা এর মধ্যভাগে (হাশউ) আসা থেকে মুক্ত নয়। যদি তা চরণের শুরুতে আসে, তবে তাকে 'আল-মাশকূল আল-আজয' বলা হয়।আর যদি তা চরণের মধ্যভাগে (হাশউ) আসে, তবে তাকে 'আল-মাশকূল আত-তারাফাইন' বলা হয়; কারণ এর খাব্ন এবং কাফ্ফ উভয় দিক থেকেই মুআকাবাহ বা পরিবর্তনের শিকার হয়েছে। আল-খলীল এবং তাঁর সঙ্গীরা প্রথম চরণের শেষ এবং দ্বিতীয় চরণের শুরুর মিলিত দুই 'সবব'-এর সুকুনযুক্ত বর্ণদ্বয়ের মাঝে মুআকাবাহ-কে বৈধ বলেছেন। অন্যরা তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।চতুর্থটি: আল-মাকসূর। এটি ফা'ইলাত হয়ে যায়, অতঃপর তাকে ফা'ইলান-এ রূপান্তরিত করা হয়।পঞ্চমটি: আল-মাকসূর আল-মাখবূন। এটি ফা'ইলাত হয়ে যায়, অতঃপর তাকে ফা'ইলান-এ রূপান্তরিত করা হয়।ষষ্ঠটি: আল-মাহযূফ। এটি ফা'ইলা হয়ে যায়, অতঃপর তাকে ফা'ইলুন-এ রূপান্তরিত করা হয়।সপ্তমটি: আল-মাহযূফ আল-মাখবূন। এটি ফা'ইলা হয়ে যায়, অতঃপর তাকে ফা'ইলুন-এ রূপান্তরিত করা হয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
والثامن: الأبتر. صار فاعِلْ، فردّ إلى فَعْلُنْ.والتاسع: المُشَّعث. والتشعيث: أن تُسقط أحد متحرّكي وتده.فيصير فاعاتُنْ أو فالاتُنْ، ويردّ إلى مَفْعُولُنْ. أو أن تَخْبِنَ، وتسكن أول حرف من وتده، فيصير فَعْلاتُنْ، ثم يردّ إلى مَفعُولُنْ.والعاشر: المُسبَّغُ. والتَّسبيغُ في السبب كالإِذالة في الوتد.صار فاعِلاتانْ، فردّ إلى فاعِلِيَّانْ.
অষ্টমটি হলো: আবতার। এটি 'ফা-ইল' হয়ে যায়, অতঃপর একে 'ফালুন' শব্দে ফিরিয়ে আনা হয়।নবমটি হলো: মুশাআসা। আর 'তাশঈস' হলো: এর 'ওয়াতাদ'-এর দুটি সচল অক্ষরের একটিকে বিলোপ করা।ফলে এটি 'ফা-আ-তুন' অথবা 'ফা-লা-তুন' হয়ে যায় এবং একে 'মাফুলুন' শব্দে ফিরিয়ে আনা হয়। অথবা একে 'খাবন' করা এবং এর 'ওয়াতাদ'-এর প্রথম অক্ষরকে সাকিন করা, তখন এটি 'ফা-লা-তুন' হয়ে যায়, অতঃপর একে 'মাফুলুন' শব্দে ফিরিয়ে আনা হয়।দশমটি হলো: মুসাববাগ। আর 'সাবাব'-এর ক্ষেত্রে 'তাসবিগ' হলো 'ওয়াতাদ'-এর ক্ষেত্রে 'ইযালা'-এর মতো।এটি 'ফা-ইলা-তান' হয়ে যায়, অতঃপর একে 'ফা-ই-লি-য়ান' শব্দে ফিরিয়ে আনা হয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
والحادي عشر: المُسبَّغ المخبون. فيصير فَعِليّانْ.ومُفاعَلَتُنْ له ثمانية فروع: مَفاعِيلُنْ، مَفاعِلُنْ، مَفاعِيلُ، فَعُولُنْ، مَفْتَعِلُنْ، مَفْعُولُنْ، فاعِلُنْ، مَفْعُولُ.فالأول: المَعصوب. والعَصْب: تسكين الخامس حتى يصير مُفاعَلْتُنْ، ويردّ إلى مَفاعِيلُنْ.والثاني: المَعقول. والعَقْل: إسقاط خامسه بعد إسكانه، حتى يصير مُفاعَتُنْ، ويردّ إلى مَفاعِلُنْ.والثالث: المنقوص. والنَّقْص: الكفّ بعد العَصْب، حتى يصير مُفاعَلْتُ، ويردّ إلى مَفاعِيلُ.
একাদশতম: আল-মুসাব্বাগ আল-মাখবুন। ফলে এটি ফায়িলিয়ান-এ পরিণত হয়।এবং মুফাআলাতুন-এর আটটি শাখা রয়েছে: মাফাইলুন, মাফাইলুন, মাফাইলু, ফাউলুন, মুফতাইিলুন, মাফুলুন, ফাইলুন, মাফুলু।প্রথমটি: আল-মাসুব। আর আসব হলো: পঞ্চম বর্ণকে সাকিন করা যতক্ষণ না তা মুফাআলতুন-এ পরিণত হয় এবং তা মাফাইলুন-এ রূপান্তরিত হয়।দ্বিতীয়টি: আল-মাকুল। আর আকল হলো: পঞ্চম বর্ণকে সাকিন করার পর তা বিলুপ্ত করা, যতক্ষণ না তা মুফাআতুন-এ পরিণত হয় এবং তা মাফাইলুন-এ রূপান্তরিত হয়।তৃতীয়টি: আল-মানকুস। আর নাকস হলো: আসব-এর পর কাফ করা, যতক্ষণ না তা মুফাআলতু-তে পরিণত হয় এবং তা মাফাইলু-তে রূপান্তরিত হয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ৪০)
فالحاصل أن بين ساكني سببيه، بعد ما عُصب، معاقبةً.فإسقاط الأول يسمَّى عقلاً. وإسقاط الثاني يسمَّى نقصاً.والرابع: المقطوف. والقَطْف: الحذف بعد العصب، حتى يصير مَفاعِلْ، ويردّ إلى فَعُولُنْ.والخامس: الأعضب. والعَضْبُ: أن تخرم سالماً، فيصير فاعَلَتُنْ. ويردّ إلى مُفْتعِلُنْ.
পরিশেষে সারকথা হলো যে, আসব হওয়ার পর এর সববদ্বয়ের সুকুনবিশিষ্ট বর্ণ দুটির মধ্যে মুআকাবা বা পর্যায়ক্রমিক অবস্থান সৃষ্টি হয়।প্রথমটিকে বিলোপ করাকে আকল বলা হয় এবং দ্বিতীয়টিকে বিলোপ করাকে নাকস বলা হয়।চতুর্থ প্রকার হলো মাকতুফ। ক্বাতফ হলো আসব করার পর হাজফ করা, যতক্ষণ না তা মাফাইল ওজনে পরিণত হয় এবং একে ফাউলুন ওজনে রূপান্তরিত করা হয়।পঞ্চম প্রকার হলো আদাব। আদব হলো সুস্থ বা মূল রুকনটিকে খারম করা, যার ফলে তা ফা-আলাতুন হয়ে যায় এবং একে মুফতাইলুন ওজনে রূপান্তরিত করা হয়।
(খণ্ড: ১)
আল-ক্বিসতাস ফী ইলমিল আরূদ
(পৃষ্ঠা: ৪১)
والسادس: الأقصم. والقَصْم: أن تخرم معصوباً. فيصير فاعَلْتُنْ، ويردّ إلى مَفْعُولُنْ.والسابع: الأجمّ. والجَمَمُ: أن تخرم معقولاً. فيصير فاعَتُنْ، ويردّ إلى فاعِلُنْ.والثامن: الأعقص. والعَقْصُ: أن تخرم منقوصاً. فيصير فاعَلْتُ، ويردّ إلى مَفْعولُ.ومُتَفاعِلُنْ له خمسة عشر فرعاً: مُسْتَفْعِلُنْ، مَفاعِلُنْ مُفْتَعِلُنْ، فَعِلاتُنْ، مَفْعُولُنْ، فَعِلُنْ، فَعْلُنْ، مُتَفاعِلانْ، مُستفْعِلانْ، مُفاعِلانْ، مُفْتَعِلانْ، مُتَفاعِلاتُنْ، مُستَفْعِلاتُنْ، مُفاعِلاتُنْ، مُفْتَعِلاتُنْ.فالأول: المضمر، والإضمار: أن تسكن الثاني. فيصير مُتْفاعِلُنْ، ويردّ إلى مُستَفْعِلُنْ.
ষষ্ঠ: আল-আকসাম। আর কাসম হলো: মাসুব-এর খরম করা (প্রথম অক্ষর বিলুপ্ত করা)। ফলে তা ‘ফা-আলতুন’-এ পরিণত হয় এবং একে ‘মাফ-উলুন’-এর দিকে ফিরিয়ে নেয়া হয়।সপ্তম: আল-আজাম। আর জামাম হলো: মাকুল-এর খরম করা। ফলে তা ‘ফা-আতুন’-এ পরিণত হয় এবং একে ‘ফা-ইলুন’-এর দিকে ফিরিয়ে নেয়া হয়।অষ্টম: আল-আ’কাস। আর আকস হলো: মানকুস-এর খরম করা। ফলে তা ‘ফা-আলতু’-তে পরিণত হয় এবং একে ‘মাফ-উলু’-র দিকে ফিরিয়ে নেয়া হয়।এবং ‘মুতফা-ইলুন’-এর পনেরটি শাখা রয়েছে: মুসতাফ-ইলুন, মাফা-ইলুন, মুফতা-ইলুন, ফা-ইলাতুন, মাফ-উলুন, ফা-ইলুন, ফা’লুন, মুতাফা-ইলান, মুসতাফ-ইলান, মুফা-ইলান, মুফতা-ইলান, মুতাফা-ইলাতুন, মুসতাফ-ইলাতুন, মুফা-ইলাতুন, মুফতা-ইলাতুন।প্রথমটি: আল-মুদমার। আর ইদমার হলো: দ্বিতীয় অক্ষরকে সাকিন করা। ফলে তা ‘মুত-ফা-ইলুন’-এ পরিণত হয় এবং একে ‘মুসতাফ-ইলুন’-এর দিকে ফিরিয়ে নেয়া হয়।