(খণ্ড: ১) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: -)
كتاب العلل الواقع بآخر جامع الترمذي - ت بشار   (الترمذي)

القسم: العلل والسؤلات الحديثية


الكتاب: العلل الصغير

المؤلف: أبو عيسى محمد بن عيسى الترمذي (ت 279 هـ)

حققه وخرج أحاديثه وعلق عليه: بشار عواد معروف

الناشر: دار الغرب الإسلامي - بيروت

الطبعة: الأولى، 1996 م

عدد الأجزاء: (مطبوع بآخر الجزء 6 من جامع الترمذي)

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 20 صفر 1443

জামি' আত-তিরমিযীর শেষে সংযোজিত কিতাবুল ইলাল - বাশশার কর্তৃক সম্পাদিত   (আত-তিরমিযী)

বিভাগ: ইল্লাল এবং হাদীস বিষয়ক প্রশ্নাবলী


গ্রন্থ: আল-ইলাল আস-সাগীর

লেখক: আবু ঈসা মুহাম্মদ বিন ঈসা আত-তিরমিযী (মৃ. ২৭৯ হি.)

তাহকীক, তাখরীজ ও টীকা প্রদান করেছেন: বাশশার আওয়াদ মারুফ

প্রকাশক: দারুল গারব আল-ইসলামী - বৈরুত

সংস্করণ: প্রথম, ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: (জামি' আত-তিরমিযীর ৬ষ্ঠ খণ্ডের শেষে মুদ্রিত)

[গ্রন্থের ক্রমবিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ২০ সফর ১৪৪৩

(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২২৭)
‌‌كِتَابُ الْعِلَلِ

جَمِيعُ مَا فِي هَذَا الْكِتَابِ مِنَ الْحَدِيثِ فَهُوَ مَعْمُولٌ بِهِ، وَقَدْ أَخَذَ بِهِ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مَا خَلَا حَدِيثَيْنِ حَدِيثَ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم جَمَعَ بَيْنَ الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ بِالْمَدِينَةِ وَالْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ مِنْ غَيْرِ خَوْفٍ وَلَا سَفَرٍ وَلَا مَطَرٍ، وَحَدِيثَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ: إِذَا شَرِبَ الْخَمْرَ فَاجْلِدُوهُ، فَإِنْ عَادَ فِي الرَّابِعَةِ فَاقْتُلُوهُ. وَقَدْ بَيَّنَّا عِلَّةَ الْحَدِيثَيْنِ جَمِيعًا فِي الْكِتَابِ.
কিতাবুল ইলাল

এই কিতাবের অন্তর্ভুক্ত সকল হাদিসই আমলযোগ্য এবং আলেমগণের একটি অংশ তা গ্রহণ করেছেন, কেবল দুটি হাদিস ব্যতীত। ইবনে আব্বাসের বর্ণিত হাদিস যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোনো ভয়-ভীতি, সফর কিংবা বৃষ্টি ছাড়াই মদীনায় যোহর ও আসর এবং মাগরিব ও এশা একত্রে আদায় করেছিলেন। এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর হাদিস যাতে তিনি বলেছেন: "যদি কেউ মদ পান করে তবে তাকে বেত্রাঘাত করো, অতঃপর সে যদি চতুর্থবার পুনরায় তা করে তবে তাকে হত্যা করো।" আমরা এই কিতাবে উভয় হাদিসেরই ইল্লত (ত্রুটি) স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছি।
(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২২৮)
وَمَا ذَكَرْنَا فِي هَذَا الْكِتَابِ مِنِ اخْتِيَارِ الْفُقَهَاءِ. فَمَا كَانَ فِيهِ مِنْ قَوْلِ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ فَأَكْثَرُهُ مَا حَدَّثَنَا بِهِ مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ الْكُوفِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ سُفْيَانَ، وَمِنْهُ مَا حَدَّثَنِي بِهِ أَبُو الْفَضْلِ مَكْتُومُ بْنُ الْعَبَّاسِ التِّرْمِذِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ الْفِرْيَابِيُّ عَنْ سُفْيَانَ.

وَمَا كَانَ مِنْ قَوْلِ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ فَأَكْثَرُهُ مَا حَدَّثَنَا بِهِ إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى الْأَنْصَارِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَعْنُ بْنُ عِيسَى الْقَزَّازُ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ.

وَمَا كَانَ فِيهِ مِنْ أَبْوَابِ الصَّوْمِ فَأَخْبَرَنَا بِهِ أَبُو مُصْعَبٍ الْمَدِينِيُّ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، وَبَعْضُ كَلَامِ مَالِكٍ مَا أَخْبَرَنَا بِهِ مُوسَى بْنُ حِزَامٍ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ.

وَمَا كَانَ فِيهِ مِنْ قَوْلِ ابْنِ الْمُبَارَكِ فَهُوَ مَا حَدَّثَنَا بِهِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ الْآمُلِيُّ عَنْ أَصْحَابِ ابْنِ الْمُبَارَكِ عَنْهُ، وَمِنْهُ مَا رُوِيَ عَنْ أَبِي وَهْبٍ مُحَمَّدِ بْنِ مُزَاحِمٍ، عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ، وَمِنْهُ مَا رُوِيَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ اللهِ، وَمِنْهُ مَا رُوِيَ عَنْ عَبْدَانَ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ، عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ، وَمِنْهُ مَا رُوِيَ عَنْ حِبَّانَ بْنِ مُوسَى، عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ، وَمِنْهُ مَا رُوِيَ عَنْ وَهْبِ بْنِ زَمْعَةَ، عَنْ فَضَالَةَ النَّسَوِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ الْمُبَارَكِ، وَلَهُ رِجَالٌ مُسَمَّوْنَ سِوَى مَنْ ذَكَرْنَا عَنِ ابْنِ الْمُبَارَكِ

وَمَا كَانَ فِيهِ مِنْ قَوْلِ الشَّافِعِيِّ فَأَكْثَرُهُ مَا أَخْبَرَنِي بِهِ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الزَّعْفَرَانِيُّ، عَنِ الشَّافِعِيِّ.
আমরা এই কিতাবে ফকীহগণের যে সকল ইখতিয়ার বা পছন্দনীয় মতামত উল্লেখ করেছি, তন্মধ্যে সুফিয়ান আস-সাওরীর যে সকল বক্তব্য রয়েছে, তার অধিকাংশ আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবন উসমান আল-কুফী বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদুল্লাহ ইবন মুসা, সুফিয়ান থেকে। আর কিছু অংশ আমার নিকট আবুল ফজল মাকতুম ইবনুল আব্বাস আত-তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন ইউসুফ আল-ফিরয়াবী, সুফিয়ান থেকে।

আর মালিক ইবন আনাসের যে সকল বক্তব্য রয়েছে, তার অধিকাংশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবন মুসা আল-আনসারী। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মা'ন ইবন ঈসা আল-কাযযায, মালিক ইবন আনাস থেকে।

আর এতে সিয়াম (রোজা) অধ্যায়সমূহের মধ্যে যা কিছু রয়েছে, তা আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসআব আল-মাদীনী, মালিক ইবন আনাস থেকে। আর মালিকের কিছু বক্তব্য আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন মুসা ইবন হিযাম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন মাসলামাহ আল-কা'নাবী, মালিক ইবন আনাস থেকে।

আর এতে ইবনুল মুবারকের যে সকল কথা রয়েছে, তা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবন আবদাহ আল-আমুলী, ইবনুল মুবারকের সহচরদের সূত্রে তাঁর থেকে। আর তার কিছু অংশ বর্ণিত হয়েছে আবু ওয়াহাব মুহাম্মাদ ইবন মুযাহিম থেকে, তিনি ইবনুল মুবারক থেকে। কিছু অংশ বর্ণিত হয়েছে আলী ইবনুল হাসান থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে। কিছু অংশ বর্ণিত হয়েছে আবদান থেকে, তিনি সুফিয়ান ইবন আবদিল মালিক থেকে, তিনি ইবনুল মুবারক থেকে। কিছু অংশ বর্ণিত হয়েছে হিব্বান ইবন মুসা থেকে, তিনি ইবনুল মুবারক থেকে। কিছু অংশ বর্ণিত হয়েছে ওয়াহাব ইবন যাম'আহ থেকে, তিনি ফাদালাহ আন-নাসাবী থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক থেকে। আর ইবনুল মুবারক থেকে বর্ণনাকারী হিসেবে আমরা যাদের উল্লেখ করেছি তারা ছাড়াও আরও কিছু নামোল্লেখিত ব্যক্তি রয়েছেন।

আর এতে শাফিঈ-এর যে সকল বক্তব্য রয়েছে, তার অধিকাংশ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন হাসান ইবন মুহাম্মাদ আয-যা'ফারানী, শাফিঈ থেকে।
(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২২৯)
وَمَا كَانَ مِنَ الْوُضُوءِ وَالصَّلَاةِ فَحَدَّثَنَا بِهِ أَبُو الْوَلِيدِ الْمَكِّيُّ عَنِ الشَّافِعِيِّ.

وَمِنْهُ مَا حَدَّثَنَا بِهِ أَبُو إِسْمَاعِيلَ التِّرْمِذِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ يَحْيَى الْقُرَشِيُّ الْبُوَيْطِيُّ، عَنِ الشَّافِعِيِّ، وَذُكِرَ فِيهِ أَشْيَاءُ عَنِ الرَّبِيعِ، عَنِ الشَّافِعِيِّ، وَقَدْ أَجَازَ لَنَا الرَّبِيعُ ذَلِكَ وَكَتَبَ بِهِ إِلَيْنَا.

وَمَا كَانَ فِيهِ مِنْ قَوْلِ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ وَإِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، فَهُوَ مَا أَخْبَرَنَا بِهِ إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، عَنْ أَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ، إِلَّا مَا فِي أَبْوَابِ الْحَجِّ وَالدِّيَاتِ وَالْحُدُودِ، فَإِنِّي لَمْ أَسْمَعْهُ مِنْ إِسْحَاقَ بْنِ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنِي بِهِ مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى الْأَصَمُّ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ مَنْصُورٍ، عَنْ أَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ.

وَبَعْضُ كَلَامِ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ أَخْبَرَنَا بِهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَفْلَحَ، عَنْ إِسْحَاقَ، وَقَدْ بَيَّنَّا هَذَا عَلَى وَجْهِهِ فِي الْكِتَابِ الَّذِي فِيهِ الْمَوْقُوفُ.

وَمَا كَانَ فِيهِ مِنْ ذِكْرِ الْعِلَلِ فِي الْأَحَادِيثِ وَالرِّجَالِ وَالتَّارِيخِ، فَهُوَ مَا اسْتَخْرَجْتُهُ مِنْ كِتَابِ التَّارِيخِ، وَأَكْثَرُ ذَلِكَ مَا نَاظَرْتُ بِهِ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْمَاعِيلَ، وَمِنْهُ مَا نَاظَرْتُ بِهِ عَبْدَ اللهِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَأَبَا زُرْعَةَ، وَأَكْثَرُ ذَلِكَ عَنْ مُحَمَّدٍ، وَأَقَلُّ شَيْءٍ فِيهِ عَنْ عَبْدِ اللهِ وَأَبِي زُرْعَةَ، وَلَمْ أَرَ أَحَدًا بِالْعِرَاقِ وَلَا بِخُرَاسَانَ فِي مَعْنَى الْعِلَلِ وَالتَّارِيخِ وَمَعْرِفَةِ الْأَسَانِيدِ كَبِيرَ أَحَدٍ أَعْلَمَ مِنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ.
অজু ও সালাত বিষয়ক যা কিছু রয়েছে, তা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু আল-ওয়ালিদ আল-মাক্কী, ইমাম আশ-শাফিঈর সূত্রে।

আর এর মধ্যে কিছু অংশ আবু ইসমাইল আত-তিরমিযী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইউসুফ ইবনে ইয়াহইয়া আল-কুরাশী আল-বুওয়াইতী বর্ণনা করেছেন ইমাম আশ-শাফিঈর সূত্রে। আর এতে আর-রাবী’র সূত্রে আশ-শাফিঈ থেকে কিছু বিষয় উল্লিখিত হয়েছে; আর-রাবী’ আমাদের এর অনুমতি দিয়েছেন এবং এ বিষয়ে আমাদের কাছে লিখেছেন।

আর এতে আহমাদ ইবনে হাম্বল ও ইসহাক ইবনে ইব্রাহীমের যে সকল বক্তব্য রয়েছে, তা হলো যা ইসহাক ইবনে মানসুর আমাদের কাছে আহমাদ ও ইসহাকের সূত্রে খবর দিয়েছেন। তবে হজ, দিয়াত (রক্তপণ) ও হুদূদ (দণ্ডবিধি) অধ্যায়সমূহের বিষয়গুলো ব্যতীত; কেননা আমি তা ইসহাক ইবনে মানসুরের নিকট থেকে সরাসরি শুনিনি। বরং মুহাম্মাদ ইবনে মুসা আল-আসাম্ম আমাকে তা ইসহাক ইবনে মানসুরের মাধ্যমে আহমাদ ও ইসহাকের সূত্রে জানিয়েছেন।

আর ইসহাক ইবনে ইব্রাহীমের কিছু বক্তব্য আমাদের কাছে মুহাম্মাদ ইবনে আফলাহ ইসহাকের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। আমরা এই বিষয়টি বিস্তারিতভাবে সেই কিতাবে বর্ণনা করেছি যাতে 'মাওকুফ' বর্ণনাগুলো রয়েছে।

আর এতে হাদিসের ত্রুটি (ইলাল), বর্ণনাকারী ও ইতিহাস সম্পর্কে যা কিছু উল্লিখিত হয়েছে, তা আমি 'কিতাবুত তারিখ' থেকে চয়ন করেছি। এর অধিকাংশ বিষয় নিয়ে আমি মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইলের সাথে আলোচনা ও পর্যালোচনা করেছি। আর কিছু বিষয় নিয়ে আমি আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ও আবু জুর’আহ-এর সাথে আলোচনা করেছি। এর বেশিরভাগই মুহাম্মাদ (ইবনে ইসমাইল) থেকে বর্ণিত এবং খুব সামান্য অংশ আব্দুল্লাহ ও আবু জুর’আহ থেকে নেওয়া। আর ইলাল, ইতিহাস ও সনদ সম্পর্কে জ্ঞানের ক্ষেত্রে আমি ইরাক কিংবা খোরাসানে মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইলের চেয়ে অধিক বিজ্ঞ বড় কোনো ব্যক্তিকে দেখিনি।
(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩০)
وَإِنَّمَا حَمَلَنَا عَلَى مَا بَيَّنَّا فِي هَذَا الْكِتَابِ مِنْ قَوْلِ الْفُقَهَاءِ وَعِلَلِ الْحَدِيثِ؛ لِأَنَّا سُئِلْنَا عَنْ هَذَا، فَلَمْ نَفْعَلْهُ زَمَانًا، ثُمَّ فَعَلْنَاهُ؛ لِمَا رَجَوْنَا فِيهِ مِنْ مَنْفَعَةِ النَّاسِ، لِأَنَّا قَدْ وَجَدْنَا غَيْرَ وَاحِدٍ مِنَ الْأَئِمَّةِ تَكَلَّفُوا مِنَ التَّصْنِيفِ مَا لَمْ يُسْبَقُوا إِلَيْهِ، مِنْهُمْ هِشَامُ بْنُ حَسَّانَ، وَعَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ جُرَيْجٍ، وَسَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، وَمَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، وَحَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، وَعَبْدُ اللهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، وَيَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، وَوَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، وَغَيْرُهُمْ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ وَالْفَضْلِ، صَنَّفُوا فَجَعَلَ اللهُ فِي ذَلِكَ مَنْفَعَةً كَثِيرَةً، فَنَرْجُو لَهُمْ بِذَلِكَ الثَّوَابَ الْجَزِيلَ عِنْدَ اللهِ لِمَا نَفَعَ اللهُ الْمُسْلِمِينَ بِهِ، فَهُمُ الْقُدْوَةُ فِيمَا صَنَّفُوا.

وَقَدْ عَابَ بَعْضُ مَنْ لَا يَفْهَمُ عَلَى أَهْلِ الْحَدِيثِ الْكَلَامَ فِي الرِّجَالِ، وَقَدْ وَجَدْنَا غَيْرَ وَاحِدٍ مِنَ الْأَئِمَّةِ مِنَ التَّابِعِينَ قَدْ تَكَلَّمُوا فِي الرِّجَالِ، مِنْهُمُ الْحَسَنُ الْبَصْرِيُّ وَطَاوُسٌ تَكَلَّمَا فِي مَعْبَدٍ الْجُهَنِيِّ، وَتَكَلَّمَ سَعِيدُ بْنُ جُبَيْرٍ فِي طَلْقِ بْنِ حَبِيبٍ، وَتَكَلَّمَ إِبْرَاهِيمُ النَّخَعِيُّ وَعَامِرٌ الشَّعْبِيُّ فِي الْحَارِثِ الْأَعْوَرِ.

وَهَكَذَا رُوِيَ عَنْ أَيُّوبَ السَّخْتِيَانِيِّ وَعَبْدِ اللهِ بْنِ عَوْنٍ وَسُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ وَشُعْبَةَ بْنِ الْحَجَّاجِ وَسُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَمَالِكِ بْنِ أَنَسٍ وَالْأَوْزَاعِيِّ وَعَبْدِ اللهِ بْنِ الْمُبَارَكِ وَيَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الْقَطَّانِ وَوَكِيعِ بْنِ الْجَرَّاحِ وَعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَهْدِيٍّ، وَغَيْرِهِمْ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنَّهُمْ تَكَلَّمُوا فِي الرِّجَالِ وَضَعَّفُوا.

وَإِنَّمَا حَمَلَهُمْ عَلَى ذَلِكَ عِنْدَنَا - وَاللهُ أَعْلَمُ - النَّصِيحَةُ لِلْمُسْلِمِينَ، لَا يُظَنُّ بِهِمْ أَنَّهُمْ أَرَادُوا الطَّعْنَ عَلَى النَّاسِ أَوِ الْغِيبَةَ، إِنَّمَا أَرَادُوا عِنْدَنَا أَنْ
আমরা এই কিতাবে ফকীহগণের মতামত এবং হাদিসের ত্রুটিসমূহ সম্পর্কে যা বর্ণনা করেছি, তার পেছনে কারণ এই যে, আমাদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ সময় আমরা তা করিনি, অতঃপর মানুষের উপকারের আশায় আমরা তা করেছি। কারণ আমরা দেখেছি যে, ইমামদের মধ্যে অনেকেই এমন কিছু সংকলনের শ্রম স্বীকার করেছেন যা তাঁদের পূর্বে করা হয়নি। তাঁদের মধ্যে হিশাম ইবনে হাসান, আব্দুল মালিক ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে জুরাইজ, সাঈদ ইবনে আবি আরুবাহ, মালিক ইবনে আনাস, হাম্মাদ ইবনে সালামাহ, আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারক, ইয়াহইয়া ইবনে জাকারিয়া ইবনে আবি যায়িদাহ, ওকী ইবনুল জাররাহ, আব্দুর রহমান ইবনে মাহদী এবং অন্যান্য জ্ঞান ও মর্যাদার অধিকারী ব্যক্তিগণ রয়েছেন। তাঁরা গ্রন্থনা করেছেন এবং আল্লাহ তাতে প্রভূত কল্যাণ দান করেছেন। তাই আল্লাহ মুসলিমদের তাঁদের মাধ্যমে উপকৃত করার কারণে আমরা তাঁদের জন্য আল্লাহর নিকট মহাপুরস্কারের প্রত্যাশা করি। সুতরাং তাঁরা তাঁদের সংকলিত বিষয়ে অনুসরণযোগ্য আদর্শ।

যাদের সঠিক বুঝ নেই, তাদের কেউ কেউ বর্ণনাকারীদের সম্পর্কে আলোচনা করার কারণে আহলুল হাদিসগণের দোষারোপ করেছেন। অথচ আমরা তাবিয়ী ইমামদের অনেকেরই দেখা পেয়েছি যারা বর্ণনাকারীদের সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন। তাঁদের মধ্যে হাসান বসরী ও তাউস মাবাদ আল-জুহানী সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন, সাঈদ ইবনে জুবায়ের তালক ইবনে হাবীব সম্পর্কে কথা বলেছেন এবং ইবরাহীম নাখায়ী ও আমির আশ-শাবী হারিস আল-আওয়ার সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।

অনুরূপভাবে আইয়ুব সাখতিয়ানী, আব্দুল্লাহ ইবনে আউন, সুলায়মান আত-তায়মী, শু’বাহ ইবনুল হাজ্জাজ, সুফিয়ান সাওরী, মালিক ইবনে আনাস, আওযায়ী, আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারক, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান, ওকী ইবনুল জাররাহ এবং আব্দুর রহমান ইবনে মাহদী ও অন্যান্য আলিমদের থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তাঁরা বর্ণনাকারীদের সমালোচনা করেছেন এবং তাঁদের দুর্বল সাব্যস্ত করেছেন।

আমাদের নিকট—এবং আল্লাহই ভালো জানেন—তাঁদেরকে এই কাজে যা উদ্বুদ্ধ করেছে তা হলো মুসলিমদের প্রতি কল্যাণকামিতা। তাঁদের সম্পর্কে এমন ধারণা করা সমীচীন নয় যে, তাঁরা মানুষের মানহানি বা গীবত করার ইচ্ছা করেছিলেন। বরং আমাদের মতে তাঁরা চেয়েছিলেন যে
(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩১)
يُبَيِّنُوا ضَعْفَ هَؤُلَاءِ؛ لِكَيْ يُعْرَفُوا؛ لِأَنَّ بَعْضَهُمْ مِنَ الَّذِينَ ضُعِّفُوا كَانَ صَاحِبَ بِدْعَةٍ، وَبَعْضَهُمْ كَانَ مُتَّهَمًا فِي الْحَدِيثِ، وَبَعْضَهُمْ كَانُوا أَصْحَابَ غَفْلَةٍ وَكَثْرَةِ خَطَإٍ، فَأَرَادَ هَؤُلَاءِ الْأَئِمَّةُ أَنْ يُبَيِّنُوا أَحْوَالَهُمْ شَفَقَةً عَلَى الدِّينِ وَتَثَبُّتًا؛ لِأَنَّ الشَّهَادَةَ فِي الدِّينِ أَحَقُّ أَنْ يُتَثَبَّتَ فِيهَا مِنَ الشَّهَادَةِ فِي الْحُقُوقِ وَالْأَمْوَالِ.
তারা যেন এদের দুর্বলতা বর্ণনা করেন, যাতে এদেরকে চেনা যায়; কেননা যাদের দুর্বল সাব্যস্ত করা হয়েছে তাদের কেউ কেউ বিদআতি ছিলেন, কেউ হাদিসের বিষয়ে অভিযুক্ত ছিলেন, আবার কেউ ছিলেন অমনোযোগী ও অত্যধিক ভুলকারী। তাই এই ইমামগণ দ্বীনের প্রতি মমত্ববোধ ও সত্যতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে তাদের অবস্থা স্পষ্ট করতে চেয়েছেন; কারণ দ্বীনি বিষয়ে সাক্ষ্যপ্রদান, অধিকার ও সম্পদ সংক্রান্ত সাক্ষ্যপ্রদানের চেয়ে অধিকতর যাচাই-বাছাই ও সতর্কতা অবলম্বনের দাবি রাখে।
(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩১)
وَأَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، قَالَ: سَأَلْتُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيَّ وَشُعْبَةَ وَمَالِكَ بْنَ أَنَسٍ وَسُفْيَانَ بْنَ عُيَيْنَةَ عَنِ الرَّجُلِ تَكُونُ فِيهِ تُهْمَةٌ أَوْ ضَعْفٌ أَسْكُتُ؟ أَوْ أُبَيِّنُ؟ قَالُوا: بَيِّنْ.

এবং মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন: আমি সুফিয়ান আস-সাওরী, শু'বাহ, মালিক ইবনে আনাস এবং সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যার মধ্যে (হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে) কোনো অভিযোগ বা দুর্বলতা রয়েছে—আমি কি এ বিষয়ে চুপ থাকব? নাকি তা স্পষ্ট করে বলে দেব? তাঁরা বললেন: স্পষ্ট করে বলে দাও।

(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩১)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، قَالَ: «قِيلَ» لِأَبِي بَكْرِ بْنِ عَيَّاشٍ : إِنَّ أُنَاسًا يَجْلِسُونَ وَيَجْلِسُ إِلَيْهِمُ النَّاسُ، وَلَا يَسْتَأْهِلُونَ، فَقَالَ أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ: كُلُّ مَنْ جَلَسَ جَلَسَ إِلَيْهِ النَّاسُ، وَصَاحِبُ السُّنَّةِ إِذَا مَاتَ أَحْيَا اللهُ ذِكْرَهُ، وَالْمُبْتَدِعُ لَا يُذْكَرُ.

মুহাম্মদ ইবনে রাফি আন-নায়সাবূরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে আদম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর ইবনে আইয়াশকে বলা হলো: কিছু লোক (শিক্ষাদানের আসনে) বসে এবং মানুষও তাদের কাছে বসে, অথচ তারা এর যোগ্য নয়। তখন আবু বকর ইবনে আইয়াশ বললেন: যে কেউ বসবে, মানুষ তার কাছে বসবেই। তবে সুন্নাহর অনুসারী যখন মৃত্যুবরণ করেন, আল্লাহ তাঁর আলোচনাকে জীবিত রাখেন, আর বিদআতীকে স্মরণ করা হয় না।

(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩১)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ شَقِيقٍ، قَالَ: أَخْبَرَنَا النَّضْرُ بْنُ عَبْدِ اللهِ الْأَصَمُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ زَكَرِيَّا، عَنْ عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ قَالَ: «كَانَ فِي الزَّمَنِ الْأَوَّلِ لَا يَسْأَلُونَ عَنِ الْإِسْنَادِ،» فَلَمَّا وَقَعَتِ الْفِتْنَةُ سَأَلُوا عَنِ الْإِسْنَادِ؛ لِكَيْ يَأْخُذُوا حَدِيثَ أَهْلِ السُّنَّةِ، وَيَدَعُوا حَدِيثَ أَهْلِ الْبِدَعِ.

 

মুহাম্মদ ইবন আলী ইবন হাসান ইবন শাকীক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, নাদর ইবন আবদুল্লাহ আল-আসাম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, ইসমাঈল ইবন জাকারিয়া আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আসিম থেকে, তিনি ইবন সীরীন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "প্রাথমিক যুগে তারা (লোকেরা) সনদ বা সূত্রের ধারা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করত না। অতঃপর যখন ফিতনা দেখা দিল, তখন তারা সনদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে শুরু করল; যেন তারা আহলুস সুন্নাহর হাদিস গ্রহণ করতে পারে এবং বিদআতিদের হাদিস বর্জন করতে পারে।"

 

(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩২)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَانَ يَقُولُ: قَالَ عَبْدُ اللهِ بْنُ الْمُبَارَكِ : «الْإِسْنَادُ» عِنْدِي مِنَ الدِّينِ، لَوْلَا الْإِسْنَادُ لَقَالَ مَنْ شَاءَ مَا شَاءَ، فَإِذَا قِيلَ لَهُ: مَنْ حَدَّثَكَ؟ بَقِيَ.

আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনুল হাসান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদানকে বলতে শুনেছি, আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক বলেছেন: "ইসনাদ (সূত্রপরম্পরা) আমার নিকট দ্বীনের অন্তর্ভুক্ত; যদি ইসনাদ না থাকত, তবে যে কেউ যা ইচ্ছা তা-ই বলত। সুতরাং যখন তাকে জিজ্ঞেস করা হয়: 'আপনার নিকট কে বর্ণনা করেছেন?', তখন সে হতভম্ব (নিরুত্তর) হয়ে যায়।"

(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩২)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا حِبَّانُ بْنُ مُوسَى، قَالَ: ذُكِرَ لِعَبْدِ اللهِ بْنِ الْمُبَارَكِ حَدِيثٌ، فَقَالَ: يُحْتَاجُ لِهَذَا أَرْكَانٌ مِنْ آجُرٍّ، يَعْنِي أَنَّهُ ضَعَّفَ إِسْنَادَهُ.

মুহাম্মদ ইবনে আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হিব্বান ইবনে মুসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারকের নিকট একটি হাদিস উল্লেখ করা হলো, তখন তিনি বললেন: "এর জন্য পোড়ামাটির ইটের খুঁটি প্রয়োজন।" অর্থাৎ, তিনি এর সনদকে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন।

(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩২)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ زَمْعَةَ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ الْمُبَارَكِ أَنَّهُ تَرَكَ حَدِيثَ الْحَسَنِ بْنِ عُمَارَةَ، وَالْحَسَنِ بْنِ دِينَارٍ، وَإِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْأَسْلَمِيِّ، وَمُقَاتِلِ بْنِ سُلَيْمَانَ، وَعُثْمَانَ الْبُرِّيِّ، وَرَوْحِ بْنِ مُسَافِرٍ، وَأَبِي شَيْبَةَ الْوَاسِطِيِّ، وَعَمْرِو بْنِ ثَابِتٍ، وَأَيُّوبَ بْنِ خُوطٍ، وَأَيُّوبَ بْنِ سُوَيْدٍ، وَنَصْرِ بْنِ طَرِيفٍ أَبِي جَزْءٍ، وَالْحَكَمِ، وَحَبِيبٍ، الْحَكَمُ رَوَى لَهُ حَدِيثًا فِي كِتَابِ الرِّقَاقِ ثُمَّ تَرَكَهُ، وَحَبِيبٌ لَا أَدْرِي.
আহমাদ ইবনে আবদাহ আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ওয়াহাব ইবনে জামআহ আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি হাসান ইবনে উমারা, হাসান ইবনে দিনার, ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ আল-আসলামি, মুকাতিল ইবনে সুলাইমান, উসমান আল-বুররি, রওহ ইবনে মুসাফির, আবু শায়বাহ আল-ওয়াসিতি, আমর ইবনে সাবিত, আইয়ুব ইবনে খুত, আইয়ুব ইবনে সুওয়াইদ, নাসর ইবনে তারিফ আবু জায, আল-হাকাম এবং হাবিবের হাদিস বর্জন করেছেন। আল-হাকাম—তার থেকে তিনি কিতাবুর রিকাকে একটি হাদিস বর্ণনা করেছিলেন, পরবর্তীতে তা বর্জন করেছেন; আর হাবিবের ব্যাপারে আমি জানি না।
(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩২)
قَالَ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ: وَسَمِعْتُ عَبْدَانَ قَالَ: كَانَ عَبْدُ اللهِ بْنُ الْمُبَارَكِ قَرَأَ أَحَادِيثَ بَكْرِ بْنِ خُنَيْسٍ، فَكَانَ أَخِيرًا إِذَا أَتَى عَلَيْهَا أَعْرَضَ عَنْهَا، وَكَانَ لَا يَذْكُرُهُ.

আহমদ ইবনে আবদাহ বলেন: আমি আবদানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক বকর ইবনে খুনাইসের হাদিসসমূহ পাঠ করতেন; অতঃপর শেষ দিকে যখন তিনি সেগুলোর সম্মুখীন হতেন, তখন তিনি তা থেকে বিমুখ হতেন এবং তিনি তাঁর কথা উল্লেখ করতেন না।

(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩২)
قَالَ أَحْمَدُ: وَحَدَّثَنَا أَبُو وَهْبٍ قَالَ: سَمَّوْا لِعَبْدِ اللهِ بْنِ الْمُبَارَكِ

 

⦗ص: 233⦘

رَجُلًا يُتَّهَمُ فِي الْحَدِيثِ، فَقَالَ: لَأَنْ أَقْطَعَ الطَّرِيقَ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْ أَنْ أُحَدِّثَ عَنْهُ.
আহমদ বলেন: এবং আমাদের নিকট আবু ওয়াহব বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: তারা আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারকের নিকট এমন এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করলেন

 

⦗পৃষ্ঠা: ২৩৩⦘

যাকে হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে অভিযুক্ত করা হতো। অতঃপর তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই আমার নিকট দস্যুবৃত্তি করাও তার পক্ষ থেকে হাদীস বর্ণনা করার চেয়ে অধিক প্রিয়।"
(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩৩)
وَأَخْبَرَنِي مُوسَى بْنُ حِزَامٍ قَالَ: سَمِعْتُ يَزِيدَ بْنَ هَارُونَ يَقُولُ: لَا يَحِلُّ لِأَحَدٍ أَنْ يَرْوِيَ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ عَمْرٍو النَّخَعِيِّ الْكُوفِيِّ.
এবং মূসা ইবনে হিযাম আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি ইয়াযীদ ইবনে হারুনকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: সুলাইমান ইবনে আমর আন-নাখায়ী আল-কূফী থেকে বর্ণনা করা কারও জন্য বৈধ নয়।
(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩৩)
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو يَحْيَى الْحِمَّانِيُّ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا حَنِيفَةَ يَقُولُ: مَا رَأَيْتُ أَحَدًا أَكْذَبَ مِنْ جَابِرٍ الْجُعْفِيِّ، وَلَا أَفْضَلَ مِنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ.
মাহমুদ ইবনে গাইলান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু ইয়াহইয়া আল-হিমমানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু হানিফাকে বলতে শুনেছি: আমি জাবির আল-জু'ফীর চেয়ে বড় মিথ্যাবাদী আর কাউকে দেখিনি, এবং আতা ইবনে আবি রাবাহর চেয়ে শ্রেষ্ঠ আর কাউকে দেখিনি।
(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩৩)
وَسَمِعْتُ الْجَارُودَ يَقُولُ: سَمِعْتُ وَكِيعًا يَقُولُ: لَوْلَا جَابِرٌ الْجُعْفِيُّ لَكَانَ أَهْلُ الْكُوفَةِ بِغَيْرِ حَدِيثٍ، وَلَوْلَا حَمَّادٌ لَكَانَ أَهْلُ الْكُوفَةِ بِغَيْرِ فِقْهٍ.
আমি আল-জারুদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ওয়াকি'কে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: যদি জাবির আল-জু'ফী না থাকতেন তবে কুফাবাসী হাদিসবিহীন থাকত, আর যদি হাম্মাদ না থাকতেন তবে কুফাবাসী ফিকহবিহীন থাকত।
(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩৩)
وَسَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ الْحَسَنِ يَقُولُ: كُنَّا عِنْدَ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ فَذَكَرُوا

 

⦗ص: 234⦘

مَنْ تَجِبُ عَلَيْهِ الْجُمُعَةُ، فَذَكَرُوا فِيهِ عَنْ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنَ التَّابِعِينَ وَغَيْرِهِمْ، فَقُلْتُ: فِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حَدِيثٌ؟ فَقَالَ: عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم؟ قُلْتُ: نَعَمْ. حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ نُصَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْمُعَارِكُ بْنُ عَبَّادٍ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «الْجُمُعَةُ عَلَى مَنْ آوَاهُ اللَّيْلُ إِلَى أَهْلِهِ» قَالَ: فَغَضِبَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، وَقَالَ: اسْتَغْفِرْ رَبَّكَ، اسْتَغْفِرْ رَبَّكَ، مَرَّتَيْنِ.

وَإِنَّمَا فَعَلَ هَذَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ؛ لِأَنَّهُ لَمْ يُصَدِّقْ هَذَا عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم لِضَعْفِ إِسْنَادِهِ؛ لِأَنَّهُ لَمْ يَعْرِفْهُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَالْحَجَّاجُ بْنُ نُصَيْرٍ يُضَعَّفُ فِي الْحَدِيثِ، وَعَبْدُ اللهِ بْنُ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيُّ ضَعَّفَهُ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ جِدًّا فِي الْحَدِيثِ.

فَكُلُّ مَنْ رُوِيَ عَنْهُ حَدِيثٌ مِمَّنْ يُتَّهَمُ أَوْ يُضَعَّفُ لِغَفْلَتِهِ وَكَثْرَةِ خَطَئِهِ، وَلَا يُعْرَفُ ذَلِكَ الْحَدِيثُ إِلَّا مِنْ حَدِيثِهِ- فَلَا يُحْتَجُّ بِهِ.

وَقَدْ رَوَى غَيْرُ وَاحِدٍ مِنَ الْأَئِمَّةِ عَنِ الضُّعَفَاءِ، وَبَيَّنُوا أَحْوَالَهُمْ لِلنَّاسِ.
এবং আমি আহমদ বিন হাসানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমরা আহমদ বিন হাম্বলের নিকট ছিলাম, তখন তারা আলোচনা করছিলেন

 

⦗পৃষ্ঠা: ২৩৪⦘

যাদের ওপর জুমুআ ওয়াজিব হয় তাদের সম্পর্কে। তারা এ বিষয়ে তাবিঈ ও অন্যদের মধ্য থেকে কতিপয় আলেমদের উদ্ধৃতি উল্লেখ করলেন। তখন আমি বললাম: এই বিষয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কি কোনো হাদিস আছে? তিনি বললেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে? আমি বললাম: হ্যাঁ। হাজ্জাজ বিন নুসায়ের আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুআরিক বিন আব্বাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আব্দুল্লাহ বিন সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «জুমুআ (ওয়াজিব) তার ওপর যাকে রাত তার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয় (অর্থাৎ যে রাতে বাড়ি ফিরে আসতে পারে)» রাবী বলেন: এতে আহমদ বিন হাম্বল রাগান্বিত হলেন এবং বললেন: তোমার রবের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করো, তোমার রবের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করো—এভাবে তিনি দুইবার বললেন।

আহমদ বিন হাম্বল এমনটি এই কারণেই করেছিলেন যে, তিনি এর সনদের দুর্বলতার কারণে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই বর্ণনাটিকে নির্ভরযোগ্য মনে করেননি; কারণ তিনি এটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে (সহিহ সূত্রে) জানতেন না। আর হাজ্জাজ বিন নুসায়ের হাদিসের ক্ষেত্রে দুর্বল এবং আব্দুল্লাহ বিন সাঈদ আল-মাকবুরিকে ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান হাদিসের ক্ষেত্রে অত্যন্ত দুর্বল সাব্যস্ত করেছেন।

সুতরাং যার থেকেই কোনো হাদিস বর্ণিত হয়েছে এবং সে (মিথ্যাচারের জন্য) অভিযুক্ত কিংবা অসতর্কতা ও ভুলের আধিক্যের কারণে দুর্বল সাব্যস্ত, আর সেই হাদিসটি কেবল তার বর্ণনা থেকেই জানা যায়—তবে তা দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না।

অবশ্য অনেক ইমাম দুর্বল রাবীদের থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং তারা মানুষের কাছে তাদের (রাবীদের) অবস্থা স্পষ্ট করে দিয়েছেন।
(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩৪)
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ الْمُنْذِرِ الْبَاهِلِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ، قَالَ: قَالَ لَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ: اتَّقُوا الْكَلْبِيَّ، فَقِيلَ لَهُ: فَإِنَّكَ تَرْوِي عَنْهُ، قَالَ: أَنَا أَعْرِفُ صِدْقَهُ مِنْ كَذِبِهِ.

ইবরাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-মুনজির আল-বাহিলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়ালা ইবনে উবাইদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আস-সাওরি আমাদের বলেছেন: তোমরা কালবি থেকে সতর্ক থাকো। তখন তাঁকে বলা হলো: কিন্তু আপনি তো তাঁর থেকে বর্ণনা করেন! তিনি বললেন: আমি তাঁর সত্যকে তাঁর মিথ্যা থেকে আলাদা করে চিনি।

(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩৪)
وَأَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَفَّانُ عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، قَالَ: لَمَّا مَاتَ الْحَسَنُ الْبَصْرِيُّ اشْتَهَيْتُ

 

⦗ص: 235⦘

كَلَامَهُ، فَتَتَبَّعْتُهُ عَنْ أَصْحَابِ الْحَسَنِ، فَأَتَيْتُ بِهِ أَبَانَ بْنَ أَبِي عَيَّاشٍ، فَقَرَأَهُ عَلَيَّ كُلَّهُ عَنِ الْحَسَنِ، فَمَا أَسْتَحِلُّ أَنْ أَرْوِيَ عَنْهُ شَيْئًا.

وَقَدْ رَوَى عَنْ أَبَانَ بْنِ أَبِي عَيَّاشٍ غَيْرُ وَاحِدٍ مِنَ الْأَئِمَّةِ، وَإِنْ كَانَ فِيهِ مِنَ الضَّعْفِ وَالْغَفْلَةِ مَا وَصَفَهُ أَبُو عَوَانَةَ وَغَيْرُهُ، فَلَا يُغْتَرُّ بِرِوَايَةِ الثِّقَاتِ عَنِ النَّاسِ؛ لِأَنَّهُ يُرْوَى عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، أَنَّهُ قَالَ: إِنَّ الرَّجُلَ لَيُحَدِّثُنِي فَمَا أَتَّهِمُهُ، وَلَكِنْ أَتَّهِمُ مَنْ فَوْقَهُ.

وَقَدْ رَوَى غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ النَّخَعِيِّ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْنُتُ فِي وِتْرِهِ قَبْلَ الرُّكُوعِ.

وَرَوَى أَبَانُ بْنُ أَبِي عَيَّاشٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ النَّخَعِيِّ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْنُتُ فِي وِتْرِهِ قَبْلَ الرُّكُوعِ، هَكَذَا رَوَى سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ عَنْ أَبَانَ بْنِ أَبِي عَيَّاشٍ.

وَرَوَى بَعْضُهُمْ عَنْ أَبَانَ بْنِ أَبِي عَيَّاشٍ بِهَذَا الْإِسْنَادِ نَحْوَ هَذَا، وَزَادَ فِيهِ: قَالَ عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْعُودٍ: أَخْبَرَتْنِي أُمِّي أَنَّهَا بَاتَتْ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَرَأَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَنَتَ فِي وِتْرِهِ قَبْلَ الرُّكُوعِ.

وَأَبَانُ بْنُ أَبِي عَيَّاشٍ وَإِنْ كَانَ قَدْ وُصِفَ بِالْعِبَادَةِ وَالِاجْتِهَادِ، فَهَذَا حَالُهُ فِي الْحَدِيثِ، وَالْقَوْمُ كَانُوا أَصْحَابَ حِفْظٍ، فَرُبَّ رَجُلٍ وَإِنْ كَانَ صَالِحًا لَا يُقِيمُ الشَّهَادَةَ وَلَا يَحْفَظُهَا، فَكُلُّ مَنْ كَانَ مُتَّهَمًا فِي الْحَدِيثِ

 

⦗ص: 236⦘

بِالْكَذِبِ أَوْ كَانَ مُغَفَّلًا يُخْطِئُ الْكَثِيرَ فَالَّذِي اخْتَارَهُ أَكْثَرُ أَهْلِ الْحَدِيثِ مِنَ الْأَئِمَّةِ أَنْ لَا يُشْتَغَلَ بِالرِّوَايَةِ عَنْهُ؛ أَلَا تَرَى أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ الْمُبَارَكِ حَدَّثَ عَنْ قَوْمٍ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ، فَلَمَّا تَبَيَّنَ لَهُ أَمْرُهُمْ تَرَكَ الرِّوَايَةَ عَنْهُمْ.
মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আফফান আবু আওয়ানাহ থেকে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যখন হাসান বসরী ইন্তেকাল করলেন, তখন আমি তাঁর কথাগুলো (সংগ্রহ করতে) আগ্রহী হলাম,

 

⦗পৃষ্ঠা: ২৩৫⦘

অতঃপর আমি হাসানের ছাত্রদের কাছ থেকে সেগুলো তালাশ করলাম। এরপর আমি সেগুলো নিয়ে আবান ইবনে আবি আইয়াশের কাছে আসলাম, তিনি আমার কাছে হাসানের পক্ষ থেকে তার পুরোটাই পাঠ করলেন। কিন্তু আমি তার থেকে কোনো কিছু বর্ণনা করা হালাল মনে করি না।

আইম্মাদের মধ্যে একাধিক ব্যক্তি আবান ইবনে আবি আইয়াশ থেকে বর্ণনা করেছেন। যদিও তার মধ্যে দুর্বলতা ও অসতর্কতা বিদ্যমান ছিল যা আবু আওয়ানাহ ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। সুতরাং মানুষের কাছ থেকে নির্ভরযোগ্যদের বর্ণনার কারণে বিভ্রান্ত হওয়া উচিত নয়; কারণ ইবনে সিরিন থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন: নিশ্চয়ই কোনো ব্যক্তি যখন আমার কাছে হাদিস বর্ণনা করে, তখন আমি তাকে অভিযুক্ত করি না, বরং আমি তার উপরের স্তরের (সূত্র) ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করি।

একাধিক ব্যক্তি ইবরাহিম নাখয়ি থেকে, তিনি আলকামা থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বিতর নামাজে রুকুর আগে কুনুত পড়তেন।

আর আবান ইবনে আবি আইয়াশ ইবরাহিম নাখয়ি থেকে, তিনি আলকামা থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বিতর নামাজে রুকুর আগে কুনুত পড়তেন। সুফিয়ান সাওরি এভাবেই আবান ইবনে আবি আইয়াশ থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং তাদের কেউ কেউ আবান ইবনে আবি আইয়াশ থেকে এই সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন এবং তাতে অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন যে: আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ বলেছেন: আমার মা আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে রাত কাটিয়েছিলেন। অতঃপর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর বিতর নামাজে রুকুর আগে কুনুত পড়তে দেখেছেন।

আর আবান ইবনে আবি আইয়াশ যদিও ইবাদত ও কঠোর সাধনার গুণে গুণান্বিত ছিলেন, কিন্তু হাদিসের ক্ষেত্রে এটিই তার অবস্থা। আর ওই ব্যক্তিবর্গ ছিলেন মুখস্থশক্তির অধিকারী। সুতরাং অনেক মানুষ নেককার হওয়া সত্ত্বেও সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপস্থাপন করতে পারে না এবং তা মুখস্থ রাখতে পারে না। তাই হাদিসের ক্ষেত্রে যে কেউ অভিযুক্ত হবে

 

⦗পৃষ্ঠা: ২৩৬⦘

মিথ্যার অভিযোগে অথবা সে যদি অসতর্ক হয় এবং অনেক ভুল করে, তবে আইম্মাদের মধ্য থেকে অধিকাংশ আহলে হাদিস যে বিষয়টি পছন্দ করেছেন তা হলো—তার থেকে হাদিস বর্ণনায় মশগুল না হওয়া। আপনি কি দেখেন না যে, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক একদল আহলে ইলম থেকে হাদিস বর্ণনা করেছিলেন, কিন্তু যখন তাদের অবস্থা তাঁর কাছে স্পষ্ট হলো, তখন তিনি তাদের থেকে হাদিস বর্ণনা করা ছেড়ে দিয়েছিলেন।
(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩৬)
أَخْبَرَنِي مُوسَى بْنُ حِزَامٍ قَالَ: سَمِعْتُ صَالِحَ بْنَ عَبْدِ اللهِ يَقُولُ: كُنَّا عِنْدَ أَبِي مُقَاتِلٍ السَّمَرْقَنْدِيِّ، فَجَعَلَ يَرْوِي عَنْ عَوْنِ بْنِ أَبِي شَدَّادٍ الْأَحَادِيثَ الطِّوَالَ، الَّتِي كَانَتْ تُرْوَى فِي وَصِيَّةِ لُقْمَانَ، وَقَتْلِ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، وَمَا أَشْبَهَ هَذِهِ الْأَحَادِيثَ، فَقَالَ لَهُ ابْنُ أَخِي أَبِي مُقَاتِلٍ: يَا عَمِّ، لَا تَقُلْ: حَدَّثَنَا عَوْنٌ؛ فَإِنَّكَ لَمْ تَسْمَعْ هَذِهِ الْأَشْيَاءَ! قَالَ: يَا بُنَيَّ، هُوَ كَلَامٌ حَسَنٌ.

وَسَمِعْتُ الْجَارُودَ يَقُولُ: كُنَّا عِنْدَ أَبِي مُعَاوِيَةَ، فَذَكَرَ لَهُ حَدِيثَ أَبِي مُقَاتِلٍ عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِي ظِبْيَانَ قَالَ: سُئِلَ عَلِيٌّ عَنْ كَوْرِ الزَّنَابِيرِ، قَالَ: لَا بَأْسَ بِهِ، هُوَ بِمَنْزِلَةِ صَيْدِ الْبَحْرِ. فَقَالَ أَبُو مُعَاوِيَةَ: مَا أَقُولُ: إِنَّ صَاحِبَكُمْ كَذَّابٌ، وَلَكِنَّ هَذَا الْحَدِيثَ كَذِبٌ.

وَقَدْ تَكَلَّمَ بَعْضُ أَهْلِ الْحَدِيثِ فِي قَوْمٍ مِنْ أَجِلَّةِ أَهْلِ الْعِلْمِ وَضَعَّفُوهُمْ مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِمْ، وَوَثَّقَهُمْ آخَرُونَ مِنَ الْأَئِمَّةِ لِجَلَالَتِهِمْ وَصِدْقِهِمْ، وَإِنْ كَانُوا قَدْ وَهِمُوا فِي بَعْضِ مَا رَوَوْا، وَقَدْ تَكَلَّمَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ فِي مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو ثُمَّ رَوَى عَنْهُ.
মুসা বিন হিযাম আমাকে জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি সালিহ বিন আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি: আমরা আবু মুকাতিল আস-সামারকান্দির কাছে ছিলাম। তিনি আউন বিন আবি শাদ্দাদ থেকে সেই দীর্ঘ হাদিসগুলো বর্ণনা করতে শুরু করলেন, যা লোকমানের অসিয়ত, সাঈদ বিন জুবায়েরের হত্যাকাণ্ড এবং এই জাতীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে বর্ণিত হতো। তখন আবু মুকাতিলের ভ্রাতুষ্পুত্র তাকে বললেন: ‘হে চাচা, আপনি বলবেন না যে আউন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; কারণ আপনি তো এসব শোনেননি!’ তিনি বললেন: ‘হে বৎস, এটি তো উত্তম কথা।’

এবং আমি জারুদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমরা আবু মুয়াবিয়ার কাছে ছিলাম। তখন তাঁর কাছে আবু মুকাতিলের একটি হাদিস উল্লেখ করা হলো, যা তিনি সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে, তিনি আমাশ থেকে, তিনি আবু জিবইয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি (আবু জিবইয়ান) বলেন: আলী (রা.)-কে ভীমরুলের চাকা (বাসা) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বললেন: ‘এতে কোনো অসুবিধা নেই, এটি সমুদ্রের শিকারের সমপর্যায়ের।’ তখন আবু মুয়াবিয়া বললেন: ‘আমি বলছি না যে তোমাদের সঙ্গী একজন মিথ্যাবাদী, তবে এই হাদিসটি মিথ্যা।’

হাদিস বিশারদগণের কেউ কেউ ইলমের অধিকারী শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের একদল সম্পর্কে সমালোচনা করেছেন এবং তাদের মুখস্থ শক্তির দুর্বলতার কারণে তাদের দুর্বল বলেছেন। আবার অন্য ইমামগণ তাদের মর্যাদা ও সত্যবাদিতার কারণে তাদের নির্ভরযোগ্য বলেছেন, যদিও তারা তাদের বর্ণিত কিছু বিষয়ে ভুলের শিকার হয়েছিলেন। ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান মুহাম্মদ বিন আমর সম্পর্কে সমালোচনা করেছেন, আবার পরবর্তীতে তাঁর থেকেই হাদিস বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩৬)
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ الْقُدُّوسِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعَطَّارُ الْبَصْرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَلِيُّ ابْنُ الْمَدِينِيِّ قَالَ: سَأَلْتُ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَلْقَمَةَ فَقَالَ: تُرِيدُ الْعَفْوَ؟ أَوْ تُشَدِّدُ؟ قُلْتُ: لَا، بَلْ أُشَدِّدُ، فَقَالَ: لَيْسَ هُوَ مِمَّنْ تُرِيدُ، كَانَ يَقُولُ: أَشْيَاخُنَا أَبُو سَلَمَةَ وَيَحْيَى بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ

 

⦗ص: 237⦘

حَاطِبٍ.
আবু বকর আব্দুল কুদ্দুস ইবনে মুহাম্মদ আল-আত্তার আল-বাসরী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনুল মাদীনী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদকে মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনে আলকামা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তখন তিনি বললেন: আপনি কি শিথিলতা চান? নাকি কঠোরতা? আমি বললাম: না, বরং আমি কঠোরতা চাই। তিনি বললেন: তিনি তেমন (স্তরের বর্ণনাকারী) নন যাকে আপনি খুঁজছেন। তিনি বলতেন: আমাদের শায়খগণ হলেন আবু সালামাহ এবং ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে

 

⦗পৃষ্ঠা: ২৩৭⦘

হাতিব।
(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩৭)
قَالَ يَحْيَى: وَسَأَلْتُ مَالِكَ بْنَ أَنَسٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو فَقَالَ فِيهِ نَحْوَ مَا قُلْتُ. قَالَ عَلِيٌّ: قَالَ يَحْيَى: وَمُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو أَعْلَى مِنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ وَهُوَ عِنْدِي فَوْقَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَرْمَلَةَ. قَالَ عَلِيٌّ: فَقُلْتُ لِيَحْيَى: مَا رَأَيْتَ مِنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَرْمَلَةَ؟ قَالَ: لَوْ شِئْتُ أَنْ أُلَقِّنَهُ لَفَعَلْتُ. قُلْتُ: كَانَ يُلَقَّنُ؟ قَالَ: نَعَمْ. قَالَ عَلِيٌّ: وَلَمْ يَرْوِ يَحْيَى عَنْ شَرِيكٍ وَلَا عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَيَّاشٍ وَلَا عَنِ الرَّبِيعِ بْنِ صُبَيْحٍ وَلَا عَنِ الْمُبَارَكِ بْنِ فَضَالَةَ.

وَإِنْ كَانَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ قَدْ تَرَكَ الرِّوَايَةَ عَنْ هَؤُلَاءِ، فَلَمْ يَتْرُكِ الرِّوَايَةَ عَنْهُمْ أَنَّهُ اتَّهَمَهُمْ بِالْكَذِبِ، وَلَكِنَّهُ تَرَكَهُمْ لِحَالِ حِفْظِهِمْ. وَذُكِرَ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ أَنَّهُ كَانَ إِذَا رَأَى الرَّجُلَ يُحَدِّثُ عَنْ حِفْظِهِ مَرَّةً هَكَذَا وَمَرَّةً هَكَذَا لَا يَثْبُتُ عَلَى رِوَايَةٍ وَاحِدَةٍ تَرَكَهُ.

وَقَدْ حَدَّثَ عَنْ هَؤُلَاءِ الَّذِينَ تَرَكَهُمْ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ عَبْدُ اللهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، وَوَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، وَغَيْرُهُمْ مِنَ الْأَئِمَّةِ.

وَهَكَذَا تَكَلَّمَ بَعْضُ أَهْلِ الْحَدِيثِ فِي سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، وَمُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، وَحَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، وَمُحَمَّدِ بْنِ عَجْلَانَ، وَأَشْبَاهِ هَؤُلَاءِ مِنَ الْأَئِمَّةِ، إِنَّمَا تَكَلَّمُوا فِيهِمْ مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِمْ فِي بَعْضِ مَا رَوَوْا، وَقَدْ حَدَّثَ عَنْهُمُ الْأَئِمَّةُ.
ইয়াহইয়া বলেন: আমি মালিক ইবন আনাসকে মুহাম্মদ ইবন আমর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তখন তিনি তার ব্যাপারে আমি যা বলেছি অনুরূপই বলেছিলেন। আলী বলেন: ইয়াহইয়া বলেছেন: মুহাম্মদ ইবন আমর সুহাইল ইবন আবি সালিহ-এর তুলনায় উচ্চমর্যাদার এবং আমার কাছে তিনি আবদুর রহমান ইবন হারমালাহ-এর ঊর্ধ্বে। আলী বলেন: আমি ইয়াহইয়াকে জিজ্ঞাসা করলাম: আপনি আবদুর রহমান ইবন হারমালাহ-এর মাঝে কী দেখেছিলেন? তিনি বললেন: আমি যদি তাকে কোনো কথা মুখে তুলে দিতে চাইতাম, তবে আমি তা করতে পারতাম। আমি বললাম: তাকে কি কোনো কথা মুখে তুলে দেয়া যেত? তিনি বললেন: হ্যাঁ। আলী বলেন: ইয়াহইয়া শরীক, আবু বকর ইবন আইয়াশ, রাবী ইবন সাবিহ এবং মুবারক ইবন ফাদালাহ থেকে বর্ণনা করেননি।

যদিও ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আল-কাত্তান এদের থেকে বর্ণনা করা বর্জন করেছিলেন, তবে তিনি তাদেরকে মিথ্যার দায়ে অভিযুক্ত করে বর্জন করেননি, বরং তাদের মুখস্থশক্তির দুর্বলতার কারণে তাদের বর্জন করেছিলেন। ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি যখন দেখতেন কোনো ব্যক্তি তার স্মৃতি থেকে হাদীস বর্ণনা করার সময় একবার একভাবে এবং অন্যবার অন্যভাবে বর্ণনা করছে এবং কোনো একটি বর্ণনার ওপর অটল থাকছে না, তখন তিনি তাকে বর্জন করতেন।

ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আল-কাত্তান যাদেরকে বর্জন করেছিলেন, তাদের থেকে আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক, ওয়াকী ইবনুল জাররাহ, আবদুর রহমান ইবন মাহদী এবং অন্যান্য ইমামগণ হাদীস বর্ণনা করেছেন।

অনুরূপভাবে একদল হাদীস বিশারদ সুহাইল ইবন আবি সালিহ, মুহাম্মদ ইবন ইসহাক, হাম্মাদ ইবন সালামাহ, মুহাম্মদ ইবন আজলান এবং তাদের সমপর্যায়ের ইমামগণের সমালোচনা করেছেন। তারা কেবল তাদের বর্ণিত কিছু হাদীসের মুখস্থশক্তির (হিফযের) দিক থেকে তাদের সমালোচনা করেছেন, অথচ ইমামগণ তাদের থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩৭)
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا عَلِيُّ ابْنُ الْمَدِينِيِّ قَالَ: قَالَ لَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ: كُنَّا نَعُدُّ سُهَيْلَ بْنَ أَبِي صَالِحٍ ثَبْتًا فِي

 

⦗ص: 238⦘

الْحَدِيثِ.
আল-হাসান বিন আলী আল-হুলওয়ানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনুল মাদীনী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান বিন উইয়াইনাহ আমাদের বলেছেন: আমরা সুহাইল বিন আবি সালিহকে নির্ভরযোগ্য গণ্য করতাম

 

⦗পৃষ্ঠা: ২৩৮⦘

হাদীসের ক্ষেত্রে।
(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩৮)
وَحَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ قَالَ: قَالَ سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ: كَانَ مُحَمَّدُ بْنُ عَجْلَانَ ثِقَةً مَأْمُونًا فِي الْحَدِيثِ.

وَإِنَّمَا تَكَلَّمَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ عِنْدَنَا فِي رِوَايَةِ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلَانَ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللهِ قَالَ: قَالَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ: قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ عَجْلَانَ: أَحَادِيثُ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ بَعْضُهَا: سَعِيدٌ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَبَعْضُهَا: سَعِيدٌ عَنْ رَجُلٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، فَاخْتَلَطَتْ عَلَيَّ فَصَيَّرْتُهَا عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، فَإِنَّمَا تَكَلَّمَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عِنْدَنَا فِي ابْنِ عَجْلَانَ لِهَذَا.

وَقَدْ رَوَى يَحْيَى عَنِ ابْنِ عَجْلَانَ الْكَثِيرَ.
এবং ইবনু আবু উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান ইবনু উয়ায়নাহ বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনু আজলান হাদিসের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত ছিলেন।

আর ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল-কাত্তান আমাদের নিকট সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে মুহাম্মদ ইবনু আজলানের বর্ণনার ব্যাপারে সমালোচনা করেছেন: আবু বকর আমাদের নিকট আলী ইবনু আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ বলেছেন: মুহাম্মদ ইবনু আজলান বলেছেন: সাঈদ আল-মাকবুরির হাদিসগুলোর কিছু ছিল সাঈদ থেকে আবু হুরায়রা সূত্রে, আর কিছু ছিল সাঈদ থেকে অন্য এক ব্যক্তির মাধ্যমে আবু হুরায়রা সূত্রে; কিন্তু সেগুলো আমার নিকট ওলটপালট হয়ে যাওয়ায় আমি সবগুলোকে সরাসরি সাঈদ থেকে আবু হুরায়রা সূত্রে সাব্যস্ত করেছি। মূলত এই কারণেই ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আমাদের নিকট ইবনু আজলানের সমালোচনা করেছেন।

আর ইয়াহইয়া ইবনু আজলান থেকে প্রচুর হাদিস বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩৮)
وَهَكَذَا مَنْ تَكَلَّمَ فِي ابْنِ أَبِي لَيْلَى إِنَّمَا تَكَلَّمَ فِيهِ مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِ، قَالَ عَلِيٌّ: قَالَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ: رَوَى شُعْبَةُ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ أَخِيهِ عِيسَى، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ أَبِي أَيُّوبَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الْعُطَاسِ. قَالَ يَحْيَى: ثُمَّ لَقِيتُ ابْنَ أَبِي لَيْلَى، فَحَدَّثَنَا عَنْ أَخِيهِ عِيسَى، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عَلِيٍّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.

وَيُرْوَى عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى نَحْوُ هَذَا غَيْرَ شَيْءٍ، كَانَ يَرْوِي الشَّيْءَ مَرَّةً هَكَذَا وَمَرَّةً هَكَذَا، يُغَيِّرُ الْإِسْنَادَ، وَإِنَّمَا جَاءَ هَذَا مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِ؛ لِأَنَّ أَكْثَرَ مَنْ مَضَى مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ كَانُوا لَا يَكْتُبُونَ، وَمَنْ كَتَبَ مِنْهُمْ إِنَّمَا كَانَ يَكْتُبُ لَهُمْ بَعْدَ السَّمَاعِ.
একইভাবে, যারা ইবনে আবি লায়লা সম্পর্কে সমালোচনা করেছেন, তারা মূলত তাঁর মুখস্থশক্তির দিক থেকেই সমালোচনা করেছেন। আলী বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান বলেছেন: শু'বা বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি তাঁর ভাই ঈসা থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি আবু আইয়ুব থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে হাঁচি দেওয়া সংক্রান্ত বিষয়ে। ইয়াহইয়া বলেন: এরপর আমি ইবনে আবি লায়লার সাথে সাক্ষাৎ করলাম, তখন তিনি আমাদের নিকট তাঁর ভাই ঈসা থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে, তিনি আলী থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করলেন।

ইবনে আবি লায়লা থেকে এই জাতীয় আরও অনেক কিছু বর্ণিত হয়েছে; তিনি একই বিষয় কখনো এইভাবে আবার কখনো ঐভাবে বর্ণনা করতেন এবং সনদ পরিবর্তন করে ফেলতেন। আর এটি মূলত তাঁর মুখস্থশক্তির কারণেই ঘটত; কারণ পূর্ববর্তী আলেমদের অধিকাংশই হাদীস লিখে রাখতেন না, আর তাঁদের মধ্যে যারা লিখতেন তারা মূলত শ্রবণের পরেই তা লিখে নিতেন।
(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩৯)
وَسَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ الْحَسَنِ يَقُولُ: سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ يَقُولُ: ابْنُ أَبِي لَيْلَى لَا يُحْتَجُّ بِهِ.

وَكَذَلِكَ مَنْ تَكَلَّمَ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ فِي مُجَالِدِ بْنِ سَعِيدٍ وَعَبْدِ اللهِ بْنِ لَهِيعَةَ وَغَيْرِهِمَا إِنَّمَا تَكَلَّمُوا فِيهِمْ مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِمْ وَكَثْرَةِ خَطَئِهِمْ، وَقَدْ رَوَى عَنْهُمْ غَيْرُ وَاحِدٍ مِنَ الْأَئِمَّةِ، فَإِذَا تَفَرَّدَ أَحَدٌ مِنْ هَؤُلَاءِ بِحَدِيثٍ وَلَمْ يُتَابَعْ عَلَيْهِ لَمْ يُحْتَجَّ بِهِ، كَمَا قَالَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ: ابْنُ أَبِي لَيْلَى لَا يُحْتَجُّ بِهِ، إِنَّمَا عَنَى إِذَا تَفَرَّدَ بِالشَّيْءِ، وَأَشَدُّ مَا يَكُونُ هَذَا إِذَا لَمْ يَحْفَظِ الْإِسْنَادَ، فَزَادَ فِي الْإِسْنَادِ أَوْ نَقَصَ أَوْ غَيَّرَ الْإِسْنَادَ أَوْ جَاءَ بِمَا يَتَغَيَّرُ فِيهِ الْمَعْنَى، فَأَمَّا مَنْ أَقَامَ الْإِسْنَادَ وَحَفِظَهُ وَغَيَّرَ اللَّفْظَ، فَإِنَّ هَذَا وَاسِعٌ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ إِذَا لَمْ يَتَغَيَّرْ بِهِ الْمَعْنَى.
আমি আহমাদ বিন হাসানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আহমাদ বিন হাম্বলকে বলতে শুনেছি: ইবনে আবি লায়লা-কে দলিল হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না।

একইভাবে আলেমদের মধ্য থেকে যারা মুজালিদ বিন সাঈদ, আব্দুল্লাহ বিন লাহিয়া এবং অন্যদের বিষয়ে সমালোচনা করেছেন, তারা মূলত তাদের স্মৃতিশক্তি এবং ভুলের আধিক্যের কারণেই তাদের বিষয়ে কথা বলেছেন। আর ইমামদের মধ্যে একাধিক ব্যক্তি তাদের থেকে বর্ণনা করেছেন। সুতরাং যখন তাদের কেউ কোনো হাদিস বর্ণনায় একক হয়ে যান এবং তার কোনো সমর্থনকারী না থাকে, তখন তাকে দলিল হিসেবে গ্রহণ করা হয় না; যেমনটি আহমাদ বিন হাম্বল বলেছেন: "ইবনে আবি লায়লা-কে দলিল হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না"। তিনি এর মাধ্যমে মূলত এটিই বুঝিয়েছেন যখন তিনি কোনো বর্ণনায় একক হয়ে যান। আর এটি সবচেয়ে গুরুতর হয় যখন তিনি সনদ ঠিকমতো স্মরণ রাখতে পারেন না, ফলে সনদে কোনো কিছু বাড়িয়ে দেন অথবা কমিয়ে দেন অথবা সনদ পরিবর্তন করে ফেলেন অথবা এমন কিছু বর্ণনা করেন যাতে অর্থের পরিবর্তন ঘটে। তবে যারা সনদ ঠিক রেখেছেন এবং তা মুখস্থ রেখেছেন কিন্তু শব্দের পরিবর্তন করেছেন, আলেমদের নিকট এটি শিথিলযোগ্য বিষয়, যদি এর দ্বারা অর্থের কোনো পরিবর্তন না ঘটে।
(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩৯)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، عَنِ الْعَلَاءِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ وَاثِلَةَ بْنِ الْأَسْقَعِ، قَالَ: إِذَا حَدَّثْنَاكُمْ عَلَى الْمَعْنَى فَحَسْبُكُمْ.
মুহাম্মদ ইবনে বাশশার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবদুর রহমান ইবনে মাহদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুয়াবিয়া ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-আলা ইবনুল হারিস থেকে, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি ওয়াসিলা ইবনুল আসকা থেকে; তিনি বলেন: যখন আমরা তোমাদের নিকট অর্থের ভিত্তিতে বর্ণনা করি, তখন তোমাদের জন্য সেটুকুই যথেষ্ট।
(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩৯)
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، قَالَ: أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ قَالَ: كُنْتُ أَسْمَعُ الْحَدِيثَ مِنْ عَشَرَةٍ، اللَّفْظُ مُخْتَلِفٌ وَالْمَعْنَى وَاحِدٌ.
আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে মুসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুর রাজ্জাক, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মা'মার, আইয়ুব থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সিরিন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি দশজন থেকে হাদীস শুনতাম, শব্দগুলো ভিন্ন ভিন্ন হতো কিন্তু অর্থ অভিন্ন থাকত।
(খণ্ড: ٦) কিতাবুল ইলাল আল-ওয়াকি বি-আখিরি জামিয়িত তিরমিযী - ত বাশশার (পৃষ্ঠা: ২৩৯)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ الْأَنْصَارِيُّ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، قَالَ: كَانَ إِبْرَاهِيمُ النَّخَعِيُّ، وَالْحَسَنُ، وَالشَّعْبِيُّ، يَأْتُونَ بِالْحَدِيثِ عَلَى الْمَعَانِي، وَكَانَ الْقَاسِمُ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ سِيرِينَ، وَرَجَاءُ بْنُ حَيْوَةَ، يُعِيدُونَ الْحَدِيثَ عَلَى حُرُوفِهِ.
আহমাদ ইবন মানী' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল্লাহ আল-আনসারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইবন আওন থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ইবরাহীম আন-নাখায়ী, হাসান এবং আশ-শাবী হাদীসের মর্মার্থ অনুযায়ী বর্ণনা করতেন। আর আল-কাসিম ইবন মুহাম্মাদ, মুহাম্মাদ ইবন সীরীন এবং রাজা ইবন হাইওয়াহ হাদীসকে এর হুবহু শব্দে শব্দে বর্ণনা করতেন।