(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: -)
المنتقى - ابن الجارود - ت الحويني القسم: كتب السنة
الكتاب: المنتقى من السنن المسندة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
اسم المؤلف: أبو محمد عبد الله بن علي بن الجارود النيسابوري (ت 307 هـ)
حقق أصله وعلق عليه: أبو إسحاق الحويني
الناشر: دار التقوى - القاهرة
الطبعة: الأولى، 1428 هـ - 2007 م
عدد الصفحات: 414
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع، وهو ضمن خدمة التخريج]
تاريخ النشر بالشاملة: 27 محرم 1443
আল-মুনতাকা - ইবনুল জারুদ - তাহকীক: আল-হুওয়াইনী বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত মুসনাদ সুনানসমূহের সংকলন আল-মুনতাকা
লেখকের নাম: আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন আলী বিন আল-জারুদ আন-নিসাপুরী (মৃত্যু ৩০৭ হিজরি)
মূল পাঠ্য সম্পাদনা ও টীকা প্রদান: আবু ইসহাক আল-হুওয়াইনী
প্রকাশক: দারুত তাকওয়া - কায়রো
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২৮ হিজরি - ২০০৭ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪১৪
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ, এবং এটি তাখরীজ পরিষেবার অন্তর্ভুক্ত]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২৭ মহররম ১৪৪৩
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٩)
(1)
بَابُ فَرْضِ الْوُضُوءِقَالَ اللهُ عز وجل: {يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلاةِ}، الْآيَةَ.
الدَّلِيلُ عَلَى أَنَّ هَذَا عَلَى بَعْضِ الْقَائِمِينَ دُونَ بَعْضٍ:
(১)
ওযুর ফরয হওয়ার অধ্যায়মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ বলেছেন: {হে মুমিনগণ, যখন তোমরা সালাতের জন্য দণ্ডায়মান হও}, আয়াতটি।
এর প্রমাণ যে, এই নির্দেশটি সালাতের জন্য দণ্ডায়মান হওয়া কিছু ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, অন্যদের জন্য নয়:
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٩)
1 - مَا حَدَّثَنَاهُ عَبْدُ اللهِ بْنُ هَاشِمٍ ، قَالَ: ثَنَا يَحْيَى - يَعْنِي ابْنَ سَعِيدٍ - (ح)، وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ ، ثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ جَمِيعًا، عَنْ سُفْيَانَ ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بُرَيْدَةَ ، عَنْ أَبِيهِ رضي الله عنه، قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَتَوَضَّأُ عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ، فَلَمَّا كَانَ يَوْمُ الْفَتْحِ تَوَضَّأَ وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ فَصَلَّى الصَّلَوَاتِ بِوُضُوءٍ وَاحِدٍ، فَقَالَ عُمَرُ رضي الله عنه: يَا رَسُولَ اللهِ، إِنَّكَ فَعَلْتَ شَيْئًا لَمْ تَكُنْ تَفْعَلُهُ قَالَ:
إِنِّي عَمْدًا فَعَلْتُهُ يَا عُمَرُ».
الْحَدِيثُ لِإِسْحَاقَ وَلَمْ يَذْكُرِ ابْنُ هَاشِمٍ: وَمَسَحَ عَلَى خُفَّيْهِ.
১ - আমাদের নিকট এটি বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন হাশিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া—অর্থাৎ ইবন সাঈদ—(হা), এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবন মানসুর ও আবদুর রহমান ইবন মাহদী উভয়েই সুফিয়ান থেকে, তিনি আলকামা ইবন মারসাদ থেকে, তিনি সুলাইমান ইবন বুরাইদা থেকে, তিনি তাঁর পিতা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রত্যেক সালাতের সময় অজু করতেন। যখন মক্কা বিজয়ের দিন এলো, তখন তিনি অজু করলেন এবং তাঁর মোজার ওপর মাসাহ করলেন এবং এক অজু দিয়েই সকল সালাত আদায় করলেন। তখন উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এমন একটি কাজ করলেন যা আপনি আগে কখনো করেননি। তিনি বললেন:
হে উমর, আমি জেনেশুনেই এটি করেছি।»
হাদিসটি ইসহাকের শব্দানুযায়ী, তবে ইবন হাশিম ‘এবং তাঁর মোজার ওপর মাসাহ করলেন’ অংশটি উল্লেখ করেননি।
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٩)
(2) بَابُ الْوُضُوءِ مِنَ الرِّيحِ
(২) বায়ু নির্গত হওয়ার কারণে অজু সম্পর্কিত অধ্যায়
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ٩)
2 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ مَرْزُوقٍ ، قَالَا: حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ ، ثَنَا شُعْبَةُ ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «لَا وُضُوءَ إِلَّا مِنْ صَوْتٍ أَوْ رِيحٍ».
২ - মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া এবং ইবরাহিম ইবনে মারযুক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: ওয়াহাব ইবনে জারির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, শু'বাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুহাইল ইবনে আবি সালিহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «শব্দ কিংবা বায়ু নির্গত হওয়া ব্যতীত উযু (আবশ্যক) নেই»।
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
3 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ خَشْرَمٍ ، أَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ ، وَعَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ ، عَنْ عَمِّهِ ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِذَا وَجَدَ أَحَدُكُمْ فِي الصَّلَاةِ شَيْئًا فَلَا يَنْصَرِفُ حَتَّى يَجِدَ رِيحًا أَوْ يَسْمَعَ صَوْتًا».
৩ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে খাশরাম, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনুল উয়াইনাহ, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব থেকে এবং আব্বাদ ইবনে তামীম তাঁর চাচা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «তোমাদের মধ্যে কেউ যখন সালাতে কিছু অনুভব করে, তখন সে যেন সালাত ত্যাগ না করে যতক্ষণ না সে ঘ্রাণ পায় অথবা শব্দ শোনে।»
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
(3) بَابُ الْوُضُوءِ مِنَ الْغَائِطِ وَالْبَوْلِ وَالنَّوْمِ
(3)মলত্যাগ, প্রস্রাব এবং নিদ্রা হতে ওজু করার পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
4 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ يَزِيدَ ، قَالَ: أَنَا سُفْيَانُ ، عَنْ عَاصِمٍ ، عَنْ زِرٍّ قَالَ: أَتَيْتُ صَفْوَانَ بْنَ عَسَّالٍ الْمُرَادِيَّ رضي الله عنه فَقَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَأْمُرُنَا إِذَا كُنَّا سَفْرًا أَوْ مُسَافِرِينَ أَنْ لَا نَنْزِعَ خِفَافَنَا ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ وَلَيَالِيَهُنَّ إِلَّا مِنْ جَنَابَةٍ، وَلَا نَنْزِعَ مِنْ غَائِطٍ، وَلَا بَوْلٍ، وَلَا نَوْمٍ».
৪ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন ইয়াযীদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফইয়ান সংবাদ দিয়েছেন আসিম থেকে, তিনি যির থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি সাফওয়ান ইবন আসসাল আল-মুরাদী (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-এর নিকট আসলাম। তিনি বললেন: «আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) আমাদের আদেশ করতেন যখন আমরা সফরে থাকতাম বা মুসাফির হতাম, যেন আমরা আমাদের চামড়ার মোজাগুলো তিন দিন ও তিন রাত না খুলি; তবে জানাবাত (অপবিত্রতা) ব্যতীত। আর মলত্যাগ, মূত্রত্যাগ ও ঘুমের কারণে যেন আমরা সেগুলো না খুলি।»
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
(4) بَابُ الْوُضُوءِ مِنَ الْمَذْيِ
(৪) মযী নির্গত হওয়ার কারণে ওযু করার অধ্যায়
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
5 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى ، قَالَ: نَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ ، قَالَ: أَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ ، عَنْ سَالِمٍ أَبِي النَّضْرِ ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ ، عَنِ الْمِقْدَادِ بْنِ الْأَسْوَدِ ، قَالَ: «سَأَلْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الرَّجُلِ يَدْنُو مِنْ أَهْلِهِ فَيُمْذِي، فَقَالَ: إِذَا وَجَدَ أَحَدُكُمْ شَيْئًا مِنْ ذَلِكَ فَلْيَنْضَحْ فَرْجَهُ»، يَعْنِي: يَغْسِلُهُ وَيَتَوَضَّأُ.
৫ - মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উসমান ইবনে উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মালিক ইবনে আনাস আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন সালিম আবু আন-নাদর থেকে, তিনি সুলাইমান ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি মিকদাদ ইবনুল আসওয়াদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, যে তার স্ত্রীর নিকটবর্তী হয় এবং তার মজি (বীর্যপাতের পূর্বের তরল) নির্গত হয়। তখন তিনি বললেন: "তোমাদের কেউ যখন এমন কিছুর সম্মুখীন হয়, তখন সে যেন তার লজ্জাস্থান ধৌত করে"», অর্থাৎ: তিনি তা ধৌত করবেন এবং অজু করবেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
6 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هِشَامٍ الْمَرْوَزِيُّ بِبَغْدَادَ، ثَنَا أَبُو بَكْرٍ - يَعْنِي ابْنَ عَيَّاشٍ -
⦗ص: 11⦘عَنْ أَبِي حُصَيْنٍ ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ ، عَنْ عَلِيٍّ رضي الله عنه، قَالَ: «كُنْتُ رَجُلًا مَذَّاءً فَاسْتَحْيَيْتُ أَنْ أَسْأَلَ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم لِأَنَّ ابْنَتَهُ كَانَتْ تَحْتِي، فَأَمَرْتُ رَجُلًا فَسَأَلَهُ، فَقَالَ: مِنْهُ الْوُضُوءُ».
৬ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে হিশাম আল-মারওয়াযী বাগদাদে বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু বকর—অর্থাৎ ইবনে আইয়াশ—বর্ণনা করেছেন,
⦗পৃষ্ঠা: ১১⦘আবু হুসাইন থেকে, তিনি আবু আবদুর রহমান আস-সুলামী থেকে, তিনি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি এমন একজন ব্যক্তি ছিলাম যার অধিক মাযী নির্গত হতো। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কন্যা আমার বিবাহাধীনে থাকায় তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে আমি লজ্জাবোধ করছিলাম। তাই আমি এক ব্যক্তিকে নির্দেশ দিলাম এবং তিনি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন। অতঃপর তিনি বললেন: "এতে ওজু করতে হবে"»।
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١١)
7 - حَدَّثَنَا بَحْرُ بْنُ نَصْرٍ ، قَالَ: ثَنَا ابْنُ وَهْبٍ ، حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ ، عَنِ الْعَلَاءِ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنْ حِزَامِ بْنِ حَكِيمٍ ، عَنْ عَمِّهِ عَبْدِ اللهِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ: «سَأَلْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: وَأَمَّا الْمَاءُ بَعْدَ الْمَاءِ هُوَ الْمَذْيُ، وَكُلُّ فَحْلٍ يُمْذِي، فَتَغْسِلُ مِنْ ذَلِكَ فَرْجَكَ وَأُنْثَيَيْكَ وَتَوَضَّأْ وُضُوءَكَ لِلصَّلَاةِ».
৭ - আমাদের নিকট বাহর ইবনে নাসর হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবনে ওয়াহাব হাদীস বর্ণনা করেছেন, মুয়াবিয়া ইবনে সালিহ আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আলা ইবনে আল-হারিস থেকে, তিনি হিজাম ইবনে হাকিম থেকে, তিনি তাঁর চাচা আবদুল্লাহ ইবনে সাদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: "আর পানির পর যে পানি (নির্গত হয়) তা হলো মযী; আর প্রত্যেক পুরুষই মযী নির্গত করে। সুতরাং তুমি এ কারণে তোমার লজ্জাস্থান ও অণ্ডকোষদ্বয় ধৌত করো এবং নামাযের ওযূর ন্যায় ওযূ করো"»।
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١١)
(5) - بَابُ مَا جَاءَ فِي الْوُضُوءِ مِنَ الْقَيْءِ
(৫) - বমি করার কারণে অজু করার বিধান বিষয়ক অধ্যায়
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١١)
8 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى ، قَالَ: نَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ حُسَيْنٍ الْمُعَلِّمِ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ ، عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ ، عَنْ يَعِيشَ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ مَعْدَانَ بْنِ طَلْحَةَ ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رضي الله عنه: «أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَاءَ فَأَفْطَرَ، قَالَ: فَلَقِيتُ ثَوْبَانَ فِي مَسْجِدِ دِمَشْقَ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ، فَقَالَ: صَدَقَ، أَنَا صَبَبْتُ لَهُ الْوَضُوءَ».
৮ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবদুস সামাদ ইবনে আবদুল ওয়ারিস, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি হুসাইন আল-মুয়াল্লিম থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি আল-আওযায়ী থেকে, তিনি ইয়ায়িশ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি মা'দান ইবনে তালহা থেকে, তিনি আবু দারদা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে: «রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বমি করলেন, ফলে তিনি রোজা ভেঙে ফেললেন। তিনি (মা'দান) বলেন: এরপর আমি দামেস্কের মসজিদে সাওবানের সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং তাঁর নিকট বিষয়টি উল্লেখ করলাম। তখন তিনি বললেন: তিনি সত্য বলেছেন, আমিই তাঁর ওযুর জন্য পানি ঢেলে দিয়েছিলাম।»
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
(6) بَابٌ فِي الْوُضُوءِ مِنَ النَّوْمِ
(৬) নিদ্রা হতে উযূ করার পরিচ্ছেদ
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
9 - حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُقْرِئِ وَعَبْدُ اللهِ بْنُ هَاشِمٍ ، وَمَحْمُودُ بْنُ آدَمَ قَالُوا: ثَنَا سُفْيَانُ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «إِذَا قَامَ أَحَدُكُمْ مِنْ نَوْمِهِ فَلَا يَغْمِسْ يَدَهُ فِي وَضُوئِهِ حَتَّى يَغْسِلَهَا ثَلَاثًا، فَإِنَّهُ لَا يَدْرِي أَيْنَ بَاتَتْ يَدُهُ».
قَالَ ابْنُ الْمُقْرِئِ مَرَّةً: حَيْثُ بَاتَتْ يَدُهُ. وَالْحَدِيثُ لِابْنِ الْمُقْرِئِ.
৯ - ইবনুল মুকরি, আবদুল্লাহ বিন হাশেম এবং মাহমুদ বিন আদম আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জুহরি থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের কেউ যখন ঘুম থেকে ওঠে, সে যেন তার হাত ওযুর পানির পাত্রে না ডুবায় যতক্ষণ না সে তা তিনবার ধৌত করে; কেননা সে জানে না তার হাতটি রাতে কোথায় ছিল।"
ইবনুল মুকরি একবার বলেছেন: "তার হাতটি কোথায় রাত যাপন করেছে।" আর এই হাদিসের পাঠটি ইবনুল মুকরির।
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
10 - حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ آدَمَ ، قَالَ: نَا سُفْيَانُ ، عَنْ عَمْرٍو ، سَمِعَ كُرَيْبًا ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما، قَالَ: «بِتُّ عِنْدَ خَالَتِي مَيْمُونَةَ، فَرَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَامَ مِنَ اللَّيْلِ إِلَى سِقَاءٍ، فَأَخَذَ مِنْهُ مَاءً، فَتَوَضَّأَ وُضُوءًا خَفِيفًا يُقَلِّلُهُ وَيُخَفِّفُهُ، قَالَ: فَصَنَعْتُ مِثْلَ الَّذِي صَنَعَ، فَقُمْتُ عَنْ شِمَالِهِ فَحَوَّلَنِي عَنْ يَمِينِهِ، ثُمَّ صَلَّى مَا شَاءَ اللهُ أَنْ يُصَلِّيَ، ثُمَّ نَامَ حَتَّى نَفَخَ، ثُمَّ أَتَاهُ الْمُنَادِي فَقَامَ إِلَى الصَّلَاةِ وَلَمْ يَتَوَضَّأْ».
১০ - মাহমুদ বিন আদম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর থেকে, তিনি কুরাইবকে বলতে শুনেছেন, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি আমার খালা মায়মুনার নিকট রাত্রিযাপন করেছিলাম। আমি দেখলাম আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে একটি পানির পাত্রের দিকে উঠলেন এবং তা থেকে পানি নিয়ে সংক্ষিপ্তভাবে অযু করলেন, তিনি পানি কম ব্যবহার করলেন এবং অযু হালকা করলেন। তিনি বলেন: তিনি যেমনটি করেছেন আমিও তেমনটি করলাম। অতঃপর আমি তাঁর বাম পাশে দাঁড়ালাম, তখন তিনি আমাকে ঘুরিয়ে তাঁর ডান পাশে নিয়ে আসলেন। এরপর তিনি যতক্ষণ আল্লাহ চাইলেন সালাত আদায় করলেন। তারপর তিনি ঘুমিয়ে পড়লেন, এমনকি তাঁর নাক ডাকার শব্দ শোনা গেল। এরপর আহ্বানকারী তাঁর নিকট আসলেন, তখন তিনি সালাতের জন্য দাঁড়িয়ে গেলেন এবং নতুন করে অযু করলেন না।»
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
11 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى ، وَأَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ قَالَا: نَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ ، قَالَ: نَا سُفْيَانُ ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ ، عَنْ كُرَيْبٍ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنهما، قَالَ: «بِتُّ عِنْدَ خَالَتِي مَيْمُونَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ، فَقَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مِنَ اللَّيْلِ يُصَلِّي، ثُمَّ اضْطَجَعَ فَنَامَ حَتَّى نَفَخَ، قَالَ: ثُمَّ جَاءَهُ بِلَالٌ فَآذَنَهُ بِالصَّلَاةِ، فَقَامَ فَصَلَّى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ».
১১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া এবং আহমাদ ইবনে ইউসুফ, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুর রাজ্জাক, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুফিয়ান, সালামাহ ইবনে কুহাইল থেকে, তিনি কুরাইব থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি আমার খালা মাইমুনা বিনতে আল-হারিসের নিকট রাত যাপন করেছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে সালাত আদায়ের জন্য দাঁড়ালেন। এরপর তিনি কাত হয়ে শুয়ে পড়লেন এবং ঘুমালেন, এমনকি তাঁর নিশ্বাসের শব্দ শোনা যাচ্ছিল। তিনি বলেন: এরপর বিলাল তাঁর নিকট এসে তাঁকে সালাতের সংবাদ দিলেন, তখন তিনি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করলেন এবং নতুন করে অজু করলেন না।»
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٣)
12 - حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ ، قَالَ: نَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ ، عَنِ ابْنِ عَجْلَانَ ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «تَنَامُ عَيْنِي وَلَا يَنَامُ قَلْبِي».
১২ - আমাদের নিকট ইয়াকুব বিন ইবরাহিম আদ-দাওরাকি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইয়াহইয়া বিন সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনুল আজলান হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «আমার চক্ষু ঘুমায়, কিন্তু আমার অন্তর ঘুমায় না»।
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٣)
(7) الطَّهَارَةُ لِلْمُغْمَى عَلَيْهِ
(৭) সংজ্ঞাহীন ব্যক্তির পবিত্রতা
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٣)
13 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى ، قَالَ: نَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو ، قَالَ: نَا زَائِدَةُ ، قَالَ: نَا مُوسَى بْنُ أَبِي عَائِشَةَ ، عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ اللهِ ، قَالَ: «دَخَلْتُ عَلَى عَائِشَةَ رضي الله عنها فَقُلْتُ لَهَا: أَلَا تُحَدِّثِينِي عَنْ مَرَضِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم؟ قَالَتْ: بَلَى، ثَقُلَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: أَصَلَّى النَّاسُ؟ فَقُلْنَا: لَا، هُمْ يَنْتَظِرُونَكَ يَا رَسُولَ اللهِ، فَقَالَ: ضَعُوا لِي مَاءً فِي الْمِخْضَبِ، فَفَعَلْنَا، قَالَتْ: فَاغْتَسَلَ ثُمَّ ذَهَبَ لِيَنُوءَ فَأُغْمِيَ عَلَيْهِ، ثُمَّ أَفَاقَ، فَقَالَ: أَصَلَّى النَّاسُ؟ فَقُلْنَا: لَا هُمْ يَنْتَظِرُونَكَ يَا رَسُولَ اللهِ، فَقَالَ: ضَعُوا لِي مَاءً فِي الْمِخْضَبِ، فَفَعَلْنَا، قَالَتْ: فَاغْتَسَلَ ثُمَّ ذَهَبَ لِيَنُوءَ فَأُغْمِيَ عَلَيْهِ، ثُمَّ أَفَاقَ، فَقَالَ: أَصَلَّى النَّاسُ؟ فَقُلْنَا: لَا، هُمْ يَنْتَظِرُونَكَ يَا رَسُولَ اللهِ، فَقَالَ: ضَعُوا لِي مَاءً فِي الْمِخْضَبِ، فَفَعَلْنَا، فَاغْتَسَلَ ثُمَّ ذَهَبَ لِيَنُوءَ فَأُغْمِيَ عَلَيْهِ، ثُمَّ أَفَاقَ فَقَالَ: أَصَلَّى النَّاسُ؟ فَقُلْنَا: لَا هُمْ يَنْتَظِرُونَكَ يَا رَسُولَ اللهِ، قَالَتْ: وَالنَّاسُ عُكُوفٌ فِي الْمَسْجِدِ يَنْتَظِرُونَ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم لِصَلَاةِ الْعِشَاءِ الْآخِرَةِ، قَالَتْ: فَأَرْسَلَ إِلَى أَبِي بَكْرٍ أَنْ
⦗ص: 14⦘يُصَلِّيَ بِالنَّاسِ».
১৩ - আমাদের নিকট মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুআবিয়া ইবনে আমর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট যায়িদাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুসা ইবনে আবি আইশা বর্ণনা করেছেন, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: «আমি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর নিকট প্রবেশ করলাম এবং তাকে বললাম: আপনি কি আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অসুস্থতা সম্পর্কে কিছু বলবেন না? তিনি বললেন: অবশ্যই, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অসুস্থতায় কাতর হয়ে পড়লেন, তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন: মানুষ কি সালাত আদায় করেছে? আমরা বললাম: না, হে আল্লাহর রাসূল! তারা আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। তিনি বললেন: আমার জন্য একটি বড় পাত্রে পানি রাখো। আমরা তা করলাম। আয়েশা (রা.) বললেন: অতঃপর তিনি গোসল করলেন এবং ভর দিয়ে ওঠার চেষ্টা করলেন, তখন তিনি মূর্ছা গেলেন। এরপর তিনি জ্ঞান ফিরে পেলেন এবং বললেন: মানুষ কি সালাত আদায় করেছে? আমরা বললাম: না, হে আল্লাহর রাসূল! তারা আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। তিনি বললেন: আমার জন্য একটি বড় পাত্রে পানি রাখো। আমরা তা করলাম। আয়েশা (রা.) বললেন: অতঃপর তিনি গোসল করলেন এবং ভর দিয়ে ওঠার চেষ্টা করলেন, তখন তিনি মূর্ছা গেলেন। এরপর তিনি জ্ঞান ফিরে পেলেন এবং বললেন: মানুষ কি সালাত আদায় করেছে? আমরা বললাম: না, হে আল্লাহর রাসূল! তারা আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। তিনি বললেন: আমার জন্য একটি বড় পাত্রে পানি রাখো। আমরা তা করলাম। এরপর তিনি গোসল করলেন এবং ভর দিয়ে ওঠার চেষ্টা করলেন, তখন তিনি মূর্ছা গেলেন। এরপর তিনি জ্ঞান ফিরে পেলেন এবং বললেন: মানুষ কি সালাত আদায় করেছে? আমরা বললাম: না, হে আল্লাহর রাসূল! তারা আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। আয়েশা (রা.) বললেন: আর মানুষ মসজিদে ইশার সালাতের জন্য রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর অপেক্ষায় অবস্থান করছিলেন। আয়েশা (রা.) বলেন: অতঃপর তিনি আবু বকরের নিকট লোক পাঠালেন যেন
⦗পৃষ্ঠা: ১৪⦘তিনি মানুষের সাথে সালাত আদায় করেন।»
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
(8) طَهَارَةُ الْمُشْرِكِ إِذَا أَسْلَمَ
(৮) মুশরিক যখন ইসলাম গ্রহণ করে তার পবিত্রতা অর্জন
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
14 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَرْزُوقٍ ، قَالَ: نَا أَبُو عَامِرٍ ، عَنْ سُفْيَانَ ، عَنِ الْأَغَرِّ ، عَنْ خَلِيفَةَ بْنِ حُصَيْنِ بْنِ قَيْسِ بْنِ عَاصِمٍ ، عَنْ جَدِّهِ قَيْسِ بْنِ عَاصِمٍ : «أَنَّهُ أَسْلَمَ فَأَمَرَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَغْتَسِلَ بِمَاءٍ وَسِدْرٍ».
১৪ - আমাদের নিকট ইব্রাহীম ইবনে মারজুক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আমির বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান থেকে, তিনি আল-আগার থেকে, তিনি খলীফা ইবনে হুসাইন ইবনে কাইস ইবনে আসিম থেকে, তিনি তাঁর দাদা কাইস ইবনে আসিম থেকে বর্ণনা করেন যে: «তিনি ইসলাম গ্রহণ করলে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে পানি ও কুল (বরই) পাতা দিয়ে গোসল করার নির্দেশ দেন।»
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
15 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى ، قَالَ: نَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ ، قَالَ: نَا عُبَيْدُ اللهِ وَعَبْدُ اللهِ ابْنَا عُمَرَ ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه: «أَنَّ ثُمَامَةَ الْحَنَفِيَّ أُسِرَ، فَأَسْلَمَ فَأَمَرَهُ أَنْ يَغْتَسِلَ، فَاغْتَسَلَ وَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: لَقَدْ حَسُنَ إِسْلَامُ أَخِيكُمْ».
১৫ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুর রাজ্জাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট উবায়দুল্লাহ ও আব্দুল্লাহ—উমরের দুই পুত্র—বর্ণনা করেছেন, সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) হতে বর্ণনা করেন: «সুমামা আল-হানাফী বন্দি হয়েছিলেন, অতঃপর তিনি ইসলাম গ্রহণ করলেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে গোসল করার নির্দেশ দিলেন। ফলে তিনি গোসল করলেন এবং দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: তোমাদের ভাইয়ের ইসলাম অবশ্যই সুন্দর হয়েছে»।
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
(9) الْوُضُوءُ مِنْ مَسِّ الذَّكَرِ
(৯) পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করার কারণে ওযু
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
16 - حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُقْرِئِ ، قَالَ: نَا سُفْيَانُ ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ ، قَالَ: تَذَاكَرَ أَبِي وَعُرْوَةُ مَا يُتَوَضَّأُ مِنْهُ، فَذَكَرَ عُرْوَةُ وَذَكَرَ، حَتَّى ذَكَرَ الْوُضُوءَ مَنْ مَسِّ الذَّكَرِ، قَالَ أَبِي: لَمْ أَسْمَعْ بِهِ، فَقَالَ: أَخْبَرَنِي مَرْوَانُ ، عَنْ بُسْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ مَسَّ ذَكَرَهُ فَلْيَتَوَضَّأْ»، قُلْنَا: أَرْسِلْ إِلَيْهَا، فَأَرْسَلَ حَرَسِيًّا أَوْ
⦗ص: 15⦘رَجُلًا فَجَاءَ الرَّسُولُ بِذَلِكَ.
১৬ - আমাদের নিকট ইবনুল মুকরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফইয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আবু বকর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমার পিতা ও উরওয়াহ অযু ভঙ্গের কারণসমূহ নিয়ে আলোচনা করছিলেন। তখন উরওয়াহ বিভিন্ন বিষয়ের বর্ণনা দিচ্ছিলেন, এমনকি তিনি লিঙ্গ স্পর্শ করার কারণে অযু করার বিষয়টিও উল্লেখ করলেন। আমার পিতা বললেন: আমি এ সম্পর্কে শুনিনি। তখন তিনি বললেন: আমাকে মারওয়ান বুসরাহ থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি তার লিঙ্গ স্পর্শ করবে, সে যেন অযু করে।» আমরা বললাম: তার (বুসরাহ) কাছে লোক পাঠান। তখন তিনি একজন দেহরক্ষী বা
⦗পৃষ্ঠা: ১৫⦘ব্যক্তিকে পাঠালেন। অতঃপর সেই প্রেরিত ব্যক্তি একই সংবাদ নিয়ে আসলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٥)
17 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ ، نَا أَبُو أُسَامَةَ ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ مَرْوَانَ ، عَنْ بُسْرَةَ بِنْتِ صَفْوَانَ أَنَّهَا سَمِعَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «إِذَا مَسَّ أَحَدُكُمْ ذَكَرَهُ فَلْيَتَوَضَّأْ».
১৭ - ইসহাক বিন মনসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি মারওয়ান থেকে, তিনি বুসরাহ বিনতে সাফওয়ান থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন: «তোমাদের কেউ যখন তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করে, তখন সে যেন অজু করে নেয়।»
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٥)
18 - حَدَّثَنَا أَبُو الْأَزْهَرِ أَحْمَدُ بْنُ الْأَزْهَرِ ، قَالَ: نَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ عُثْمَانَ ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ مَرْوَانَ ، عَنْ بُسْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ مَسَّ ذَكَرَهُ فَلْيَتَوَضَّأْ».
18/ 2 - قَالَ عُرْوَةُ: سَأَلْتُ بُسْرَةَ فَصَدَّقَتْهُ.
১৮ - আবু আল-আযহার আহমদ ইবন আল-আযহার আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবন আবি ফুদাইক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি রাবীআহ ইবন উসমান থেকে, তিনি হিশাম ইবন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি মারওয়ান থেকে, তিনি বুসরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে ব্যক্তি তার লিঙ্গ স্পর্শ করবে, সে যেন ওযু করে।»
১৮/ ২ - উরওয়াহ বলেন: আমি বুসরাহকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছি এবং তিনি এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٥)
19 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْفَرَجِ الْحِمْصِيُّ ، قَالَ: نَا بَقِيَّةُ ، قَالَ: حَدَّثَنِي الزُّبَيْدِيُّ ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ شُعَيْبٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ جَدِّهِ ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «أَيُّمَا رَجُلٍ مَسَّ فَرْجَهُ فَلْيَتَوَضَّأْ وَأَيُّمَا امْرَأَةٍ مَسَّتْ فَرْجَهَا فَلْتَتَوَضَّأْ».
১৯ - আহমাদ ইবনুল ফারাজ আল-হিমসি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বাকিয়্যাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আয-যুবাইদি আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনু শুআইব আমার নিকট তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «যে কোনো পুরুষ তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে সে যেন ওযু করে এবং যে কোনো নারী তার লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে সে যেন ওযু করে»।
(খণ্ড: ১)
আল-মুন্তাকা - ইবনুল জারুদ - ত আল-হুওয়াইনী
(পৃষ্ঠা: ١٦)
(10) مَا رُوِيَ فِي إِسْقَاطِ الْوُضُوءِ مِنْهُ
(১০)তা থেকে ওযু রহিত হওয়া সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে