(খণ্ড: ১)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: -)
الأسامي والكنى - أبو أحمد الحاكم - ت الأزهري القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: الأسامي والكنى
المؤلف: أبو أحمد الحاكم الكبير، محمد بن محمد بن أَحمد بن إِسحاق النيسابوري الكرابيسي (ت 378 هـ)
المحقق: أبو عمر محمد بن علي الأَزهري
الناشر: دار الفاروق للطباعة والنشر، القاهرة - مصر
الطبعة: الأولى، 1436 هـ - 2015 م
عدد الأجزاء: 5 أجزاء
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 4 صفر 1443
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমদ আল-হাকিম - আল-আযহারীর সম্পাদনা বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ
গ্রন্থ: আল-আসামী ওয়াল কুনা
লেখক: আবু আহমদ আল-হাকিম আল-কাবীর, মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন ইসহাক আন-নিশাপুরী আল-কারাবিসি (মৃত্যু ৩৭৮ হিজরি)
সম্পাদক: আবু উমর মুহাম্মাদ বিন আলী আল-আযহারী
প্রকাশক: দারুল ফারুক মুদ্রণ ও প্রকাশনা, কায়রো - মিশর
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৬ হিজরি - ২০১৫ খ্রিস্টাব্দ
খণ্ড সংখ্যা: ৫ খণ্ড
[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৪ সফর ১৪৪৩
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ٥)
تقديم
بسم الله الرحمن الرحيم
إن الحمد لله تعالى نحمده ونستعينه ونستغفره، ونعوذ بالله من شرور أنفسنا، ومن سيئات أعمالنا، من يهده الله فلا مضل له، ومن يضلل فلا هادي له، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله، وبعد.
هذه طبعة جديدة لكتاب "الأسامي والكنى" من تصنيف الحافظ الإمام أبي أحمد الحاكم، رحمه الله، وقد تميزت - بفضل الله ومَنِّه - أنها حققت على نسخة دار الكتب المصرية، وهي نسخة فريدة للكتاب، فاقت النسخة الأزهرية بالكثير من التراجم، وبما لا يحصى من التصويب والفوائد، وفيها خطبة المصنف، رحمه الله، والقدر المفقود من بداية الكتاب.
وقد صدر للكتاب طبعة قديمة بتحقيق فضيلة الشيخ يوسف الدخيل، رحمه الله، على نسخة خطية واحدة، وهي نسخة الأزهرية، وتبدأ بعد عدة ورقات من بداية الكتاب، وبالأحرى بترجمة أبي إسحاق إبراهيم بن سليمان بن أبي سرية الأزدي، وتنتهي بانتهاء حرف الخاء.
ثم صدر في شهر رمضان الماضي طبعة جديدة بتحقيق فضيلة الشيخ مؤيد بن حماد الحماد، حفظه الله، وهي إكمال لعمل الشيخ الدخيل، رحمه الله، على نفس النسخة الخطية، مع إكمالها بقطعة أخرى من محفوظات الأزهرية.
واليوم تأتي هذه الطبعة، وبها المئات من التراجم المستدركة على الطبعتين السابقتين من نسخة دار الكتب المصرية، وتصويب الاضطراب الحادث في ترتيب النسخة الأزهرية.
ভূমিকা
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য, আমরা তাঁরই প্রশংসা করি, তাঁরই কাছে সাহায্য চাই এবং তাঁরই নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আর আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের আমলসমূহের মন্দ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই। আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন তাকে কেউ পথভ্রষ্ট করতে পারে না, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তাকে কেউ পথ প্রদর্শন করতে পারে না। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসুল। অতঃপর।
এটি হাফেজ ইমাম আবু আহমদ আল-হাকিম (রহিমাহুল্লাহ) সংকলিত "আল-আসামী ওয়াল কুনা" নামক গ্রন্থের একটি নতুন সংস্করণ। আল্লাহর অনুগ্রহ ও দানে এটি বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত যে, এটি মিশরের 'দারুল কুতুব' পাণ্ডুলিপির ওপর ভিত্তি করে সম্পাদিত হয়েছে। এটি গ্রন্থটির একটি অনন্য পাণ্ডুলিপি, যা জীবনী বর্ণনার আধিক্য এবং অগণিত সংশোধন ও উপকারী তথ্যের দিক থেকে 'আযহারী' পাণ্ডুলিপিকেও ছাড়িয়ে গেছে। এতে গ্রন্থকারের (রহিমাহুল্লাহ) প্রদত্ত ভূমিকা এবং মূল গ্রন্থের শুরু থেকে হারিয়ে যাওয়া অংশটিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইতিপূর্বে শ্রদ্ধেয় শাইখ ইউসুফ আদ-দাখিল (রহিমাহুল্লাহ)-এর সম্পাদনায় গ্রন্থটির একটি পুরোনো সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছিল, যা একটি মাত্র পাণ্ডুলিপি তথা 'আযহারী' কপির ওপর ভিত্তি করে ছিল। সেই সংস্করণটি গ্রন্থের শুরু থেকে বেশ কিছু পৃষ্ঠা বাদ দিয়ে শুরু হয়েছিল, বিশেষ করে আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন সুলায়মান বিন আবি সারিয়্যাহ আল-আযদীর জীবনী থেকে, এবং তা 'খা' বর্ণের আলোচনার মাধ্যমে শেষ হয়েছিল।
অতঃপর গত রমজান মাসে শ্রদ্ধেয় শাইখ মুয়াইয়িদ বিন হাম্মাদ আল-হাম্মাদ (হাফিযাহুল্লাহ)-এর সম্পাদনায় একটি নতুন সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে। এটি শাইখ আদ-দাখিল (রহিমাহুল্লাহ)-এর কাজেরই একটি পরিপূরক, যা একই পাণ্ডুলিপির ওপর ভিত্তি করে এবং আযহারী সংগ্রহের অন্য একটি অংশের মাধ্যমে তা পূর্ণতা দেওয়া হয়েছে।
আর আজ এই সংস্করণটি প্রকাশিত হচ্ছে, যাতে মিশরের 'দারুল কুতুব' পাণ্ডুলিপি থেকে পূর্ববর্তী দুই সংস্করণের তুলনায় অতিরিক্ত শত শত জীবনী যুক্ত করা হয়েছে এবং 'আযহারী' পাণ্ডুলিপির বিন্যাসে যে বিশৃঙ্খলা ছিল তা সংশোধন করা হয়েছে।
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ٦)
ولا أنسى في هذا التقديم أن أنوه على الجهد الذي بذله أخي وحبيبي أبي محمد أحمد بن محمد الخضري، حفظه الله، في خدمة الكتاب من قبل ونشره الكترونيًا على النسخة الأزهرية، فجزاه الله خير الجزاء.
وما بذلته أم عمر الأزهرية في نسخ الكتاب ومقابلته، فجزاها الله خير الجزاء.
والحمد لله رب العالمين
وصلى الله على نبينا محمد وعلى آله وصحبه أجمعين
كتبه أبو عمر محمد بن علي الأزهري
الخميس 18 من صفر 1436 هجرية
الموافق 11 ديسمبر 2014 ميلادية.
এই মুখবন্ধে আমি আমার ভাই এবং প্রিয় আবু মুহাম্মদ আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-খুদরি—আল্লাহ তাকে হিফাজত করুন—এর সেই প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করতে চাই, যা তিনি ইতিপূর্বে এই কিতাবটির খিদমতে এবং আজহারী পাণ্ডুলিপির ভিত্তিতে এটি ইলেকট্রনিকভাবে প্রকাশ করার ক্ষেত্রে ব্যয় করেছেন। আল্লাহ তাকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন।
এবং উম্মু উমর আল-আজহারিয়া কিতাবটির প্রতিলিপি তৈরি এবং তা মূলের সাথে মিলিয়ে দেখার ক্ষেত্রে যে শ্রম দিয়েছেন, তার জন্যও আল্লাহ তাকে সর্বোত্তম প্রতিদান দান করুন।
সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।
আমাদের নবী মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সাহাবীর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
এটি লিখেছেন আবু উমর মুহাম্মদ বিন আলী আল-আজহারী
বৃহস্পতিবার, ১৮ই সফর ১৪৩৬ হিজরি
মোতাবেক ১১ই ডিসেম্বর ২০১৪ খ্রিস্টাব্দ।
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ٧)
الدراسة التمهيدية
المبحث الأول: ترجمة الإمام أبي أحمد الحاكم:
1 - اسمه، ولقبه، وكنيته، ونسبته.
2 - مولده.
3 - رحلته، وطلبه للعلم، وشيوخه.
4 - تلاميذه.
5 - أقوال أهل العلم فيه، وثناؤهم عليه، ومصنفاته.
6 - مصنفاته.
7 - حفظه، ومعرفته بالعلم، وتوليته القضاء.
8 - وفاته.
9 - مراجع ومصادر ترجمت له.
المبحث الثاني: كتاب الأسامي والكنى لأبي أحمد، رحمه الله، الحاكم دراسة وتحليلاً:
1 - وصف الكتاب.
2 - أهمية الكتاب.
3 - وصف النسخ الخطية المعتمدة في التحقيق.
4 - روايات وأسانيد الكتاب.
5 - وصف النسختين المطبوعتين.
6 - عملي في تحقيق الكتاب.
7 - نماذج مصورة من النسخ الخطية المعتمدة في التحقيق.
প্রারম্ভিক গবেষণা
প্রথম পরিচ্ছেদ: ইমাম আবু আহমাদ আল-হাকিমের জীবনী:
১ - তাঁর নাম, উপাধি, কুনিয়াহ ও বংশপরিচয়।
২ - তাঁর জন্ম।
৩ - তাঁর সফর, ইলম অন্বেষণ ও তাঁর শিক্ষকগণ।
৪ - তাঁর ছাত্রগণ।
৫ - তাঁর সম্পর্কে বিদগ্ধ পণ্ডিতদের উক্তি, তাঁর প্রশংসা এবং তাঁর রচনাবলি।
৬ - তাঁর রচনাবলি।
৭ - তাঁর মুখস্থশক্তি, ইলমি প্রজ্ঞা ও বিচারপতির দায়িত্ব পালন।
৮ - তাঁর মৃত্যু।
৯ - তাঁর জীবনীর তথ্যসূত্র ও উৎসসমূহ।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: আবু আহমাদ আল-হাকিম (রহিমাহুল্লাহ)-এর কিতাবুল আসামি ওয়াল কুনা- এর বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা:
১ - গ্রন্থের পরিচিতি।
২ - গ্রন্থের গুরুত্ব।
৩ - সম্পাদনায় (তাহকিক) ব্যবহৃত পাণ্ডুলিপিগুলোর বিবরণ।
৪ - গ্রন্থের রেওয়ায়েত ও সনদসমূহ।
৫ - মুদ্রিত সংস্করণ দুটির বিবরণ।
৬ - গ্রন্থটি সম্পাদনায় আমার কর্মপদ্ধতি।
৭ - সম্পাদনায় ব্যবহৃত পাণ্ডুলিপিগুলোর আলোকচিত্রের নমুনা।
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ٨)
المبحث الأولترجمة الإمام أبي أحمد الحاكم، رحمه الله(285 - 378 هـ) = (898 - 988 م)
1 - اسمه، ولقبه، وكنيته، ونسبته:هو الإمام، الحافظ، العلامة، الثبت، مُحَدِّث خُراسان، أبو أَحمَد، محمد بن محمد بن أَحمَد بن إسحاق، النَّيسابُورِي، الكَرابِيسِي
(1)، الحاكم الكبير
(2):
ولي قضاء طُوس، والشاش
(3).
2 - مولده:لم تذكر المصادر تاريخًا محددًا لمولده، وإنما ذكر أبو عبد الله الحاكم في ترجمته من" تاريخ نيسابور"
(4) أنه: "توفي سنة ثمان وسبعون وثلاث مئة، وله ثلاث وتسعون سنة".
فعليه يكون مولده سنة خمس وثمانين ومئتين
(5).
--------------------------------------------
প্রথম পরিচ্ছেদইমাম আবু আহমাদ আল-হাকিম (রহিমাহুল্লাহ)-এর জীবনী(২৮৫ - ৩৭৮ হিজরি) = (৮৯৮ - ৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ)
১ - তাঁর নাম, উপাধি, কুনিয়াত (উপনাম) ও নিসবাত (পরিচয়):তিনি হলেন ইমাম, হাফিজ, আল্লামা, অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিত্ব, খুরাসানের মুহাদ্দিস, আবু আহমাদ, মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে ইসহাক নিশাপুরী কারাবিসি
(১), আল-হাকিম আল-কাবির (বড় হাকিম)
(২):
তিনি তুস এবং শাশ অঞ্চলের কাজি (বিচারক) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন
(৩)।
২ - তাঁর জন্ম:উৎসগ্রন্থগুলোতে তাঁর জন্মের কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি, তবে আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম তাঁর 'তারিখে নিশাপুর'
(৪) কিতাবে তাঁর জীবনীতে উল্লেখ করেছেন যে: "তিনি তিনশত আটাত্তর হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন এবং সে সময় তাঁর বয়স ছিল তেরানব্বই বছর।"
সেই অনুযায়ী তাঁর জন্ম হয় দুইশত পঁচাশি হিজরি সনে
(৫)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ٩)
3 - رحلته، وطلبه للعلم، وشيوخه:وطلب هذا الشأن وهو كبير له نَيِّف وعشرون سنة
(1).
وقدم دمشق، وسَمِعَ بها: محمد بن خُرَيم، وأبا الجَهم بن طلَاّب، وسعيد بن عبد العزيز، ومحمد بن الفَيض بن فَضالة بن الصَّقر، ومحمد بن عبد الحميد الفَرغاني، وأبا الحسن بن جَوصا، وأبا عُبَيدَة أَحمَد بن عبد الله بن ذَكوان، وأبا العباس بن عتاب الزِّفتي، وأبا بكر محمد بن عبد السَّلَام بن عُثمان الفَزاري، ومحمد بن يوسف بن بِشر بن النَّضر الهَرَوي، وأبا بكر القاسم بن عِيسى العصار، وأبا الهَيثَم بن محمد بن أبي ثابت.
وبحمص: أبا علي الحسين بن محمد السَّكُونِي.
وعبد الرحمن بن عُبَيد الله بِحَلَب.
وببغداد: أبا القاسم البَغَوي، وأبا بكر الباغَندِي، ومحمد بن حُمَيد بن المجدِّر، وأبا بكر بن أبي داود، وأبا عمرو عبد الله بن عثمان العثماني، ويحيى بن محمد بن صاعد.
وبمكة: أبا جعفر الدَّيبُلي، وأبا الحسن القاسم بن محمد الجَدِّي.
وبالري: أبا القاسم العباس بن الفضل بن شاذان المقرئ، وأبا العباس أَحمَد بن عبد الرحمن بن خالد القَلَانِسِي.
وبالكوفة: عبد الله بن زيدان، ومحمد بن الحسين الخَثعَمِي، وأبا العباس محمد بن عبيد بن يوسف الصفار، وأبا الطيب الحسين بن موسى بأنطاكية.
وأبا عَرُوبة الحَرانِي بِحَران.
ومحمد بن إبراهيم بن شعيب الغازي بطَبَرِستان
(2).
--------------------------------------------
৩ - তাঁর ভ্রমণ, ইলম অন্বেষণ ও তাঁর শিক্ষকবৃন্দ:তিনি এই শাস্ত্র (হাদিস) অন্বেষণ শুরু করেন যখন তাঁর বয়স বিশ বছরের কিছু বেশি ছিল
(১)।
তিনি দামেস্কে আগমন করেন এবং সেখানে শ্রবণ করেন: মুহাম্মদ ইবনে খুরাইম, আবু আল-জাহম ইবনে তুল্লাব, সাঈদ ইবনে আব্দুল আজিজ, মুহাম্মদ ইবনে আল-ফায়দ ইবনে ফাদ্বালাহ ইবনে আস-সাক্বর, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল হামিদ আল-ফারগানী, আবু আল-হাসান ইবনে জাওসা, আবু উবাইদাহ আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে যাকওয়ান, আবু আল-আব্বাস ইবনে আত্তাব আজ-জিফতি, আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুস সালাম ইবনে উসমান আল-ফাজারী, মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ ইবনে বিশর ইবনে আন-নাদ্বর আল-হারাবী, আবু বকর আল-কাসিম ইবনে ঈসা আল-আসসার এবং আবু আল-হাইসাম মুহাম্মদ ইবনে আবি সাবিত।
আর হিমসে: আবু আলী আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ আস-সাকুনী।
এবং হালবে আব্দুর রহমান ইবনে উবাইদুল্লাহ।
বাগদাদে: আবুল কাসিম আল-বাগাভী, আবু বকর আল-বাগিন্দি, মুহাম্মদ ইবনে হুমাইদ ইবনে আল-মুজাদ্দির, আবু বকর ইবনে আবি দাউদ, আবু আমর আব্দুল্লাহ ইবনে উসমান আল-উসমানী এবং ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সায়িদ।
মক্কায়: আবু জাফর আদ-দাইবলি এবং আবু আল-হাসান আল-কাসিম ইবনে মুহাম্মদ আল-জাদ্দি।
রাই শহরে: আবুল কাসিম আব্বাস ইবনে আল-ফাদ্বল ইবনে শাযান আল-মুকরি এবং আবু আল-আব্বাস আহমদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে খালিদ আল-কালানিসি।
কুফায়: আব্দুল্লাহ ইবনে যাইদান, মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন আল-খাসআমি, আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ ইবনে ইউসুফ আস-সাফফার এবং আন্তাকিয়ায় আবু আত-তৈয়িব আল-হুসাইন ইবনে মুসা।
আর হাররানে আবু আরুবাহ আল-হাররানী।
এবং তাবারস্তানে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে শুয়াইব আল-গাজী
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ١٠)
4 - تلاميذه:حَدَّثَ عنه: أبو عبد الله الحاكم، وأبو عبد الرحمن السُّلَمِي، ومحمد بن علي الأصبهاني الجصاص، ومحمد بن أَحمَد الجارودي، وأبو بكر أَحمَد بن علي بن منجويه، وأبو حفص بن سرور، وصاعد بن محمد القاضي، وأبو سعد محمد بن عَبد الرحمن الكَنجَروذي، وأبو عثمان سعيد بن محمد بن محمد البَحِيري، وآخرون
(1).
5 - مكانته العلمية، وأقوال أهل العلم فيه:ذكره الحاكم ابن البَيِّع، فقال: هو إمام عَصرِه في هذه الصَّنعَة، كثير التَّصنيف، مُقَدَّم في معرفةٍ شُروط الصَّحِيح والأَسامي والكُنَى، طلب الحديث وهو ابن نَيِّف وعشرين سنة
… ، إلى أن قال: ولم يدخل مِصرَ، وكان مقدَّمًا في العدالة أولاً، ثم ولي القضاء في سنة ثلاث وثلاثين وثلاث مئة
… إلى أن قُلِّد قضاء الشاش، فَذَهَب وحَكَمَ أربعَ سنين وأشهرًا، ثم قُلِّد قضاء طُوس، وكنت أدخلُ إليه والمصنَّفات بينَ يَدَيه، فيحكُمُ ثمَّ يُقبِلُ على الكتب، ثمَّ أَتى نَيسابور سنة خمس وأربعين، ولزم مسجدَهُ ومَنزِلَهُ مُفيدًا مُقبلاً على العبادة والتصنيف، وأُريدَ غيرَ مرَّةٍ على القضاء والتزكية فيستعفي، قال: وكُفَّ بَصَرُه سنةَ ستٍّ وسبعين، ثم توفي وأنا غائب.
وقال الحاكم أيضًا: كان أبو أَحمَد من الصالحين الثابتين على سنن السَّلَف، ومن المُنصِفِين فيما نعتقدُةُ في أهل البيتِ والصحابة. قلد القضاء في أماكن
(2).
وقال الحاكم أيضًا: وهو حافظ عصره بهذه الديار
(3).وقال الخليلي: سمعت عبد الله بن أبي زرعة الحافظ يثني عليه ويخرجه
--------------------------------------------
৪ - তাঁর ছাত্রগণ:তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম, আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামী, মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-আসফাহানী আল-জাসসাস, মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-জারুদী, আবু বকর আহমদ ইবনে আলী ইবনে মানজুয়াইহ, আবু হাফস ইবনে সুরুর, সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ আল-কাজী, আবু সাদ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-কানজারুযী, আবু উসমান সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাহীরী এবং আরও অনেকে
(১)।
৫ - তাঁর ইলমী মাকাম এবং তাঁর সম্পর্কে আলিমদের উক্তি:হাকিম ইবনুল বাইয়ি তাঁর উল্লেখ করে বলেছেন: তিনি এই শাস্ত্রের (হাদিস শাস্ত্রের) নিজ যুগের ইমাম, প্রচুর রচনার অধিকারী, সহীহ হাদিসের শর্তাবলী এবং নাম ও উপনামের (কুনিয়া) বিচারে অগ্রগণ্য। তিনি বিশ বছরের কিছু বেশি বয়সে হাদিস অন্বেষণ শুরু করেন... পরিশেষে তিনি বলেন: তিনি মিশরে প্রবেশ করেননি। তিনি প্রথমে ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য ছিলেন, অতঃপর তিনি ৩৩৩ হিজরী সনে বিচারপতির (কাজী) দায়িত্ব লাভ করেন... পরিশেষে তাঁকে শাশ-এর বিচারপতির দায়িত্ব প্রদান করা হয়। তিনি সেখানে গিয়ে চার বছর কয়েক মাস বিচারকার্য পরিচালনা করেন। এরপর তাঁকে তূস-এর বিচারপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। আমি যখন তাঁর নিকট যেতাম, তখন তাঁর সামনে বিভিন্ন পাণ্ডুলিপি রাখা থাকত; তিনি বিচারকার্য শেষ করে কিতাবসমূহের প্রতি মনোনিবেশ করতেন। অতঃপর তিনি ৩ ৪৫ হিজরীতে নিসাবুরে আসেন এবং নিজের মসজিদ ও বাড়িতে অবস্থান করতে থাকেন, যা ছিল মানুষের জন্য ইলম বিতরণ, ইবাদত এবং গ্রন্থ রচনায় নিবেদিত। একাধিকবার তাঁকে বিচারকের পদ বা সাক্ষ্যদাতার বিশুদ্ধতা যাচাইয়ের (তাজকিয়াহ) দায়িত্ব নিতে বলা হলেও তিনি তা থেকে অব্যাহতি চান। হাকিম বলেন: ৩৭৬ হিজরীতে তাঁর দৃষ্টিশক্তি লোপ পায়, অতঃপর আমি অনুপস্থিত থাকাকালীন তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
হাকিম আরও বলেন: আবু আহমদ ছিলেন সেইসব সালেহীনদের অন্তর্ভুক্ত যারা সালাফদের আদর্শের ওপর অটল ছিলেন এবং আহলে বাইত ও সাহাবীগণের ব্যাপারে আমাদের বিশ্বাসের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অত্যন্ত ইনসাফকারী। তিনি বিভিন্ন স্থানে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেছেন
(২)।
হাকিম আরও বলেন: তিনি এই জনপদে তাঁর সময়ের হাফেয ছিলেন
(৩)। আল-খলীলী বলেন: আমি হাফেয আব্দুল্লাহ ইবনে আবু যুরআহকে তাঁর প্রশংসা করতে এবং তাঁর থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ١١)
في تصانيفه
(1).
وقال الحافظ ابن نقطة: إمام عصره في الصنعة، عدله أبو عمرو الحيري
(2).
وذكره أبو الوليد بن الدباغ في الحفاظ في الطبقة السابعة
(3).
وقال الذهبي: وكان من بحور العلم
(4).
6 - مصنفاته:قال الخليلي:" صاحب تصانيف عجيبة، صنف في الكنى سبعين جزءًا، وله من التصانيف غير ذلك رضيها العلماء"
(5).
وقال ابن الأثير: صاحب التصانيف الحسنة المشهورة
(6).
وقال الذهبي: مؤلف كتاب" الكنى" في عدة مجلدات
(7).
وذكر له أبو عبد الله الحاكم عدة من مصنفاته، ولكن جميع ما ذكره له فقد فيما فقد من تراث هذه الأمة، فذكر له:
1 - "المستخرج على صحيح البخاري".
2 - "المستخرج على صحيح مسلم".
3 - "المستخرج على جامع أبي عيسى الترمذي".
4 - "المستخرج على مختصر المزني".
5 - "كتاب العلل".
6 - "كتاب الشروط".
--------------------------------------------
তার গ্রন্থাবলীতে
(১)।
হাফিজ ইবনে নুকতাহ বলেন: (তিনি ছিলেন) ইলমে হাদিসের শিল্পে তাঁর যুগের ইমাম, আবু আমর আল-হাইরি তাঁকে নির্ভরযোগ্য বা ন্যায়পরায়ণ হিসেবে গণ্য করেছেন
(২)।
আবু আল-ওয়ালিদ ইবনে আদ-দাব্বাগ সপ্তম স্তরের (তবকা) হাফিজদের মধ্যে তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন
(৩)।
আয-যাহাবি বলেন: তিনি ছিলেন জ্ঞানের সমুদ্রসমূহের অন্যতম
(৪)।
৬ - তাঁর রচনাবলী:আল-খালিলি বলেন: "তিনি বিস্ময়কর রচনাবলীর প্রণেতা, 'আল-কুনা' (উপনাম) বিষয়ে সত্তর খণ্ড রচনা করেছেন এবং এছাড়া তাঁর আরও অনেক রচনা রয়েছে যা আলেমগণ পছন্দ করেছেন"
(৫)।
ইবনুল আসির বলেন: তিনি সুন্দর ও প্রসিদ্ধ রচনাবলীর অধিকারী
(৬)।
আয-যাহাবি বলেন: তিনি বেশ কয়েক খণ্ডে 'আল-কুনা' কিতাবের সংকলক
(৭)।
আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম তাঁর বেশ কিছু রচনার কথা উল্লেখ করেছেন, কিন্তু তিনি যা যা উল্লেখ করেছেন তাঁর সবই এই উম্মতের হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্যের সাথে বিলীন হয়ে গেছে। তিনি তাঁর নিম্নলিখিত গ্রন্থগুলোর কথা উল্লেখ করেছেন:
১ - "আল-মুস্তাখরাজ আলা সহিহ আল-বুখারি"।
২ - "আল-মুস্তাখরাজ আলা সহিহ মুসলিম"।
৩ - "আল-মুস্তাখরাজ আলা জামি আবু ঈসা আত-তিরমিজি"।
৪ - "আল-মুস্তাখরাজ আলা মুখতাসার আল-মুজানি"।
৫ - "কিতাবুল ইলাল"।
৬ - "কিতাবুশ শুরূত"।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ١٢)
7 - "كتاب الشيوخ والأبواب".
ولكن حفظ له مصنفات أخرى لم يذكرها، وهي:
8 - "الأسامي والكنى".
وسيأتي الحديث المفصل عنه في المبحث الثاني، إن شاء الله تعالى.
9 - "الأمالي".
وله نسخة خطية محفوظة بمكتبة كوبريلي باسطنبول بتركيا 1/ 138 [252/ 9] مجلس (و 87/أ - 89/ب)، ضمن مجموع.
10 - "شعار أصحاب الحديث".
وهو محفوظ ضمن مجاميع العمرية بدار الكتب الظاهرية بدمشق، مجموع 89 (ق 145 - 159).
وطبع مرة بتحقيق صبحي البدري السامرائي بدار الخلفاء بالكويت، ومرة بدار الفاروق الحديثة بالقاهرة.
11 - "العوالي عن مالك بن أنس".
طبع أولاً بالمطابع الموحدة بتونس سنة 1406 هـ = 1986 م بتحقيق محمد الشاذلي النيفر، وطبع مرة أخرى بدار الغرب الإسلامي سنة 1418 هـ = 1998 م بتحقيق محمد الحاج الناصر.
12 - "الفوائد".
لم يصلنا منه سوى الجزء العاشر والحادي عشر.
وهو محفوظ أيضًا ضمن مجاميع العمرية، مجموع 55 (ق 58 - 73).
وطبع في دار ابن حزم ببيروت سنة 1424 هـ = 2004 م، بتحقيق أحمد بن فارس السلوم.
وذكر له السمعاني في" التحبير في المعجم الكبير" 2/ 358:
13 - "حديثه عن هشام بن عمار، وغيره".
৭ - "কিতাবুশ শুয়ুখ ওয়াল আবওয়াব" (শায়খ ও অধ্যায়সমূহের কিতাব)।
কিন্তু তাঁর আরও কিছু সংকলন সংরক্ষিত রয়েছে যা তিনি উল্লেখ করেননি, সেগুলো হলো:
৮ - "আল-আসামী ওয়াল কুনা" (নাম ও উপনামসমূহ)।
ইনশাআল্লাহ তাআলা, দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা আসবে।
৯ - "আল-আমালী" (শ্রুতিলিপি)।
এর একটি পাণ্ডুলিপি তুরস্কের ইস্তাম্বুলের কোপরুলু লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে, ১/ ১৩৮ [২৫২/ ৯] মজলিস (পত্র ৮৭/ক - ৮৯/খ), একটি সংকলনের অন্তর্ভুক্ত।
১০ - "শিআর আসহাবিল হাদিস" (আসহাবুল হাদিসের বৈশিষ্ট্য)।
এটি দামেস্কের দারুল কুতুব আজ-জাহিরিয়ার ‘মাজমুআতুল উমরিয়্যাহ’-এর অন্তর্ভুক্ত, সংকলন ৮৯ (পত্র ১৪৫ - ১৫৯)-এ সংরক্ষিত রয়েছে।
এটি একবার কুয়েতের দারুল খুলাফাহ থেকে সুবহি আল-বদরি আস-সামাররাঈ-এর সম্পাদনায় এবং অন্যবার কায়রোর দারুল ফারুক আল-হাদিসাহ থেকে প্রকাশিত হয়েছে।
১১ - "আল-আওয়ালী আন মালিক ইবনে আনাস" (মালিক ইবনে আনাস থেকে বর্ণিত উচ্চ সনদধারী হাদিসসমূহ)।
এটি প্রথমত তিউনিসিয়ার আল-মাতাবি আল-মুওয়াহহিদা থেকে ১৪০৬ হিজরি = ১৯৮৬ সালে মুহাম্মদ আশ-শাজলি আন-নাইফার-এর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় এবং পুনরায় ১৪১৮ হিজরি = ১৯৯৮ সালে দারুল গরব আল-ইসলামি থেকে মুহাম্মদ আল-হাজ আন-নাসির-এর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
১২ - "আল-ফাওয়াইদ" (উপকারিতাসমূহ)।
আমাদের কাছে এর দশম ও একাদশ খণ্ড ব্যতীত অন্য কিছু পৌঁছেনি।
এটিও ‘মাজমুআতুল উমরিয়্যাহ’-এর অন্তর্ভুক্ত, সংকলন ৫৫ (পত্র ৫৮ - ৭৩)-এ সংরক্ষিত রয়েছে।
এটি ১৪২৪ হিজরি = ২০০৪ সালে বৈরুতের দার ইবনে হাযম থেকে আহমদ ইবনে ফারিস আস-সাল্লুম-এর সম্পাদনায় মুদ্রিত হয়েছে।
সামআনী ‘আত-তাহবির ফিল মুজামিল কাবির’-এ (২/ ৩৫৮) তাঁর আরও একটি কিতাবের কথা উল্লেখ করেছেন:
১৩ - "হিশাম ইবনে আম্মার ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণিত তাঁর হাদিসসমূহ।"
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ١٣)
وهو مفقود.
14 - "كتاب التاريخ"، ذكره الحاكم في" الكنى" أثناء ترجمته لسهيل بن عمرو، الترجمة رقم (1213).
وثم مصنفات أخرى نسبت له بطريق الخطأ، ومنها:
1 - "الأشعار المختارة والصحيحة منها والمعارة"
2 - "كتاب الرسائل". ذكرهما له البغدادي في" هدية العارفين" 2/ 51.
7 - حفظه، ومعرفته بالعلم، وتوليته القضاء:قال أبو عبد الرحمن السلمي
(1): سمعت أبا أَحمَد الحافظ يقول: حضرت مع الشيوخ عند أمير خُراسان نوح بن نَصر، فقال: من يحفظُ منكم حديث أبي بكر في الصدقات
(2)؟ فلم يكن فيهم من يَحفَظُه، وكان علي خُلقان وأنا في آخر الناس، فقلت لوزيره: أنا أحفَظُه، فقال: ها هنا فَتًى من نيسابور يحفَظُه، فقُدِّمت فَوقَهُم، ورويتُ الحديث، فقال الامير: مثل هذا لا يُضَيَّع، فَولَاّنِي قضاء الشاش.
قال أبو عبد الله بن البَيِّع: تغَيَّر حفظُ أبي أَحمَد لما كُفَّ، ولم يختَلِط قَطّ.
وسمعته يقول: كنت بالري وهم يقرؤون على عبد الرحمن بن أبي حاتم كتاب" الجرح والتعديل"، فقلت لابن عبدويه الوراق: هذه ضحكة، أراكم تقرؤون كتاب" تاريخ البخاري" على شيخكم على الوجه، وقد نسبتموه إلى أبي زرعة وأبي حاتم، فقال: يا أبا أَحمَد اعلم أن أبا زرعة، وأبا حاتم لما حمل إليهما" تاريخ البخاري" قالا: هذا علم لا يستغنى عنه، ولا يحسن بنا أن نذكره عن غيرنا، فأقعدا عبد الرحمن، فسألهما عن رجل بعد رجل، وزادا فيه ونقصا.
وسمعته يقول: سمعت أبا الحسين الغازي، يقول: سألت البخاري عن أبي
--------------------------------------------
এবং এটি নিখোঁজ।
১৪ - "কিতাবুত তারিখ", আল-হাকিম এটি "আল-কুনা" গ্রন্থে সুহাইল বিন আমরের জীবনী আলোচনার সময় উল্লেখ করেছেন, জীবনী নম্বর (১২১৩)।
আরও কিছু গ্রন্থ রয়েছে যা ভুলবশত তাঁর দিকে সম্বন্ধ করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে:
১ - "আল-আশআরুল মুখতারা ওয়াস সাহিহা মিনহা ওয়াল মুআরা"
২ - "কিতাবুর রাসায়িল"। বাগদাদি 'হাদিয়াতুল আরিফিন' ২/ ৫১-এ তাঁর জন্য এই দুটি গ্রন্থ উল্লেখ করেছেন।
৭ - তাঁর মুখস্থ শক্তি, ইলম সম্পর্কে তাঁর জ্ঞান এবং তাঁর বিচারকের দায়িত্ব গ্রহণ:আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামি
(১) বলেন: আমি আবু আহমাদ আল-হাফিজকে বলতে শুনেছি: আমি শাইখদের সাথে খোরাসানের আমির নূহ বিন নাসর-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি বললেন: আপনাদের মধ্যে কে সদকা বিষয়ে আবু বকরের হাদিসটি মুখস্থ জানেন
(২)? তাঁদের মধ্যে কেউই তা মুখস্থ জানতেন না। আমার পরনে জীর্ণ কাপড় ছিল এবং আমি সবার শেষে ছিলাম। তখন আমি আমিরের উজিরকে বললাম: আমি এটি মুখস্থ জানি। তিনি বললেন: এখানে নিশাপুরের এক যুবক আছেন যিনি এটি মুখস্থ জানেন। এরপর আমাকে তাঁদের সামনে আনা হলো এবং আমি হাদিসটি বর্ণনা করলাম। তখন আমির বললেন: এমন ব্যক্তিকে অবহেলা করা যায় না। এরপর তিনি আমাকে 'শাশ' অঞ্চলের কাজি (বিচারক) হিসেবে নিযুক্ত করলেন।
আবু আব্দুল্লাহ বিন আল-বাইয়ি বলেন: আবু আহমাদ যখন দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন তখন তাঁর মুখস্থ শক্তিতে পরিবর্তন এসেছিল, কিন্তু তিনি কখনো স্মৃতিভ্রম বা বিভ্রান্ত হননি।
আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: আমি রাই শহরে ছিলাম যখন তাঁরা আব্দুর রহমান বিন আবি হাতিমের নিকট "আল-জারহ ওয়াত তাদিল" কিতাবটি পড়ছিলেন। আমি ইবনে আবদুওয়াইহ আল-ওয়াররাককে বললাম: এটি তো একটি হাস্যকর ব্যাপার; আমি দেখছি আপনারা আপনাদের শাইখের নিকট "তারিখে বুখারি" কিতাবটি হুবহু পড়ছেন অথচ আপনারা এটিকে আবু যুরআ এবং আবু হাতিমের দিকে সম্বন্ধ করেছেন। তখন তিনি বললেন: হে আবু আহমাদ! জেনে রাখুন, যখন আবু যুরআ এবং আবু হাতিমের নিকট "তারিখে বুখারি" নিয়ে আসা হলো, তখন তাঁরা বললেন: এটি এমন এক ইলম যা ছাড়া চলা সম্ভব নয়, আর আমাদের জন্য এটি অন্য কারও সূত্র থেকে বর্ণনা করা মানানসই হবে না। তাই তাঁরা আব্দুর রহমানকে বসালেন এবং তিনি তাঁদেরকে একজন একজন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে লাগলেন, আর তাঁরা তাতে কিছু সংযোজন ও বিয়োজন করলেন।
আমি তাঁকে বলতে শুনেছি: আমি আবু আল-হুসাইন আল-গাজীকে বলতে শুনেছি: আমি বুখারিকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম আবু...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ١٤)
غسان، فقال: عن ما تسأل عنه؟ قلت: شأنه في التشيع، فقال: هو على مذهب أئمة أهل بلده الكوفيين، ولو رأيتم عُبَيد الله بن موسى، وأبا نعيم، وجماعة مشايخنا الكوفيين، لما سألتمونا عن أبي غسان.
قال ابن البَيِّع: وسمعت أبا أَحمَد يقول: سمعت أبا الحسين الغازي، يقول: سمعت عمرو بن علي، سمعت يحيى بن سعيد، يقول: عجبًا من أيوب السَّختِيانِي يَدَعُ ثابتًا البُناني لا يكتب عنه!
قيل: إن بعض العلماء نازَعَهُ أبو عبد الله بن البَيِّع في عُمَر بن زُرارة، وعمرو بن زُرارة النيسابوري، وقال: هما واحد، قال: فقلتُ لأبي أَحمَد الحاكم: ما تقول فيمن جعلهما واحدًا؟ فقال: من هذا الطَّبل؟.
قال الحاكم: أتينا أبا أَحمَد مع أبي علي الحافظ سنة أربعين، فقال أبو أَحمَد: قد غبتُ عنكم سبع عشرة سنة، فأفيدونا بكل سنة حديثًا، فقال بعضهم: حديث شعبة، عن خُبَيب، عن حفص بن عاصم، عن أبي سعيد مرفوعًا:" سبعة يظلهم الله"
(1).
فقال أبو أَحمَد: حدثنا أَحمَد بن عُمَير، حدثنا أَحمَد بن موسى، حدثنا مؤمل بن إسماعيل، عن شعبة، فقال السائل: عنه، عن عمرو بن مرزوق عالٍ، فقالوا له: يا أبا أَحمَد إنك لم تدخل مصر، قال: فأنتم قد دخلتموها، اذكروا ما فاتني بمصر، فقال بعضهم: حديث الليث في قصَّة الغار، فقال: حدثناه ابن داود، أخبرنا عيسى بن حماد، عنه، ثم ذكر أبو علي أحاديث استفادها، فذكرت أنا حديث الجساسة من طريق أبي العُمَيس، عن الشعبي، فقال: هذا فاتني.
أخبرنا أبو عبد الله محمد بن عبد السَّلَام التميمي، وأَحمَد بن هبة الله، قالا: أخبرتنا أم المؤيد زينب بنت عَبد الرحمن الشعرية إذنا، وزادنا أَحمَد، فقال: أنبأنا عبد المعز بن محمد البزاز، قالا: أخبرنا زاهر ابن طاهر المستملي، أخبرنا محمد بن عَبد الرحمن الخنزرودي، أخبرنا أبو أَحمَد الحافظ، حدثنا عُبَيد الله بن
--------------------------------------------
ঘাসসান, তিনি বললেন: "তুমি কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করছ?" আমি বললাম: "শিয়া মতবাদের (তাশাইয়ু) ক্ষেত্রে তার অবস্থা সম্পর্কে।" তিনি বললেন: "তিনি তার শহর কুফার ইমামদের মাযহাবের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। যদি তোমরা উবায়দুল্লাহ বিন মুসা, আবু নুয়াইম এবং আমাদের কুফি শায়খদের জামাতকে দেখতে, তবে তোমরা আমাদের কাছে আবু ঘাসসান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে না।"
ইবনুল বায়্যি' বলেন: আমি আবু আহমাদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবুল হুসাইন আল-গাযীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমর বিন আলীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া বিন সাঈদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: "আইয়ুব আস-সাখতিয়ানীকে দেখে বিস্ময় জাগে যে, তিনি সাবিত আল-বুনানিকে ছেড়ে দিচ্ছেন এবং তার থেকে (হাদিস) লিখছেন না!"
বলা হয়েছে যে: আবু আব্দুল্লাহ ইবনুল বায়্যি' জনৈক আলেমের সাথে উমর বিন যুরারা এবং আমর বিন যুরারা আন-নিশাপুরী সম্পর্কে বিতর্ক করলেন এবং বললেন: "তারা উভয়ই একই ব্যক্তি।" বর্ণনাকারী বলেন: আমি আবু আহমাদ আল-হাকিমকে বললাম: "যে ব্যক্তি এই দুজনকে এক ব্যক্তি মনে করে তার সম্পর্কে আপনি কী বলেন?" তিনি বললেন: "এই ঢোলটি (অসার ব্যক্তি) কে?"
আল-হাকিম বলেন: আমরা আবু আলী আল-হাফিজের সাথে তিনশত চল্লিশ হিজরি সনে আবু আহমাদের কাছে আসলাম। তখন আবু আহমাদ বললেন: "আমি তোমাদের থেকে সতের বছর অনুপস্থিত ছিলাম, তাই প্রতি বছরের বিনিময়ে আমাকে একটি করে হাদিস শুনিয়ে উপকৃত করো।" তখন তাদের মধ্যে কেউ একজন শু'বা থেকে, তিনি খুবাইব থেকে, তিনি হাফস বিন আসিম থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে মারফু সূত্রে বর্ণিত হাদিসটি উল্লেখ করলেন: "সাত শ্রেণির মানুষ যাদেরকে আল্লাহ ছায়া দান করবেন"
(১)।
তখন আবু আহমাদ বললেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন উমাইর, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন মুসা, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুয়াম্মাল বিন ইসমাঈল, শু'বা থেকে। তখন প্রশ্নকারী বলল: আমর বিন মারযুক থেকে শু'বার বর্ণনাটি আরও উচ্চ সনদ (আলি)। তারা তাকে বলল: "হে আবু আহমাদ! আপনি তো মিসরে প্রবেশ করেননি।" তিনি বললেন: "তোমরা তো সেখানে প্রবেশ করেছ; মিসরে আমার যা যা শ্রুতি হতে ছুটে গেছে তা তোমরা উল্লেখ করো।" তখন তাদের মধ্যে কেউ একজন গুহার ঘটনার বিষয়ে লাইসের হাদিসটি উল্লেখ করল। তিনি বললেন: "আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন ইবনু দাউদ, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ঈসা বিন হাম্মাদ, তিনি তার (লাইসের) থেকে।" এরপর আবু আলী আরও কিছু হাদিস উল্লেখ করলেন যা থেকে তিনি উপকৃত হয়েছিলেন। তখন আমি আবুল উমাইসের সূত্রে আশ-শাবী থেকে জাসসাসার (দাজ্জালের সংবাদবাহক) হাদিসটি উল্লেখ করলাম, তখন তিনি বললেন: "এটি আমার ছুটে গিয়েছিল।"
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আব্দুস সালাম আত-তামিমি এবং আহমদ বিন হিবাতুল্লাহ, তারা উভয়ই বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উম্মুল মুয়াইয়িদ যাইনাব বিনতে আব্দুর রহমান আশ-শারিয়্যাহ (অনুমতিক্রমে), এবং আহমদ আরও বর্ধিত করে বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল মুইজ বিন মুহাম্মাদ আল-বায্যায, তারা উভয়ই বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যাহির বিন তাহির আল-মুস্তামলি, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আল-খানযিরুদী, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ আল-হাফিজ, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ বিন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ١٥)
عثمان العثماني ببغداد، حدثنا علي بن عَبد الله، حدثنا محمد بن طلحة التيمي، حدثني أبو سهيل نافع بن مالك، عن سعيد بن المسيب، عن سعد، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم فيهم:" هذا العباس بن عَبد المطلب أجود قريش كفا وأوصلها".
8 - وفاته:قال أبو عبد الله الحافظ: مات أبو أَحمَد، وأنا غائب في شهر ربيع الأول سنة ثمان وسبعين وثلاث مئة، وله ثلاث وتسعون سنة.
وقال محمد بن حسين، المعروف بالخليفة النيسابوري في" تلخيص تاريخ نيسابور للحاكم"
(1):" توفى، رحمه الله، يوم الخميس الرابع والعشرين من الربيع الأول، سنة ثمان وسبعين وثلاث مئة، وهو ابن ثلاث وتسعين سنة، وصلى عليه الرئيس في ديوان الجين، ودفن في داره".
7 - مراجع ومصادر ترجمت له:- " الإرشاد في معرفة علماء الحديث" 3/ 847 (753)، لأبي يعلى الخليلي، توفي سنة 446.
- "التحبير في المعجم الكبير" 2/ 358، لأبي سعد عبد الكريم بن محمد السمعاني، توفي سنة 562.
- "تاريخ دمشق" 55/ 154 (6937)، لأبي القاسم ابن عساكر، توفي سنة 571.
- "فهرسة ابن خير الإشبيلي" (360)، لأبي بكر محمد بن خير بن عمر بن خليفة الأموي، توفي سنة 571.
- "المنتظم في تاريخ الملوك والأمم" 7/ 146، لابن الجوزي، توفي سنة 597.
- "بيان الوهم والإيهام الواقعين في كتاب الأحكام" 5/ 644، لأبي الحسن ابن القطان، توفي سنة 628.
- "التقييد لمعرفة رواة السنن والمسانيد" (109)، لابن نقطة، توفي سنة 629.
--------------------------------------------
বাগদাদে উসমান আল-উসমানী আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী বিন আব্দুল্লাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন তালহা আত-তাইমী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু সুহাইল নাফে বিন মালিক আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যাব থেকে, তিনি সাদ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁদের সম্পর্কে বলেছেন: "ইনি হলেন আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব, কুরাইশদের মধ্যে হাতের দানে (দানশীলতায়) শ্রেষ্ঠ এবং আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষায় সবচেয়ে অগ্রগামী।"
৮ - তাঁর মৃত্যু:আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফেজ বলেন: আবু আহমদ ইন্তেকাল করেছেন যখন আমি অনুপস্থিত ছিলাম, রবিউল আউয়াল মাসে তিনশত আটাত্তর হিজরীতে, এবং তাঁর বয়স হয়েছিল তিরানব্বই বছর।
মুহাম্মদ বিন হুসাইন, যিনি খলিফা আল-নিশাপুরী নামে পরিচিত, তিনি হাকিমের "তালখিস তারিখ নিশাপুর" গ্রন্থে
(১) বলেন: "তিনি—আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন—তিনশত আটাত্তর হিজরীর চব্বিশে রবিউল আউয়াল বৃহস্পতিবার ইন্তেকাল করেন। তখন তাঁর বয়স হয়েছিল তিরানব্বই বছর। দিওয়ান আল-জিনের প্রধান তাঁর জানাজা পড়ান এবং তাঁকে তাঁর নিজ বাড়িতে দাফন করা হয়।"
৭ - তাঁর জীবনী সম্বলিত তথ্যসূত্র ও উৎসসমূহ:- "আল-ইরশাদ ফি মা'রিফাতি উলামাউিল হাদিস" ৩/ ৮৪৭ (৭৫৩), আবু ইয়ালা আল-খালিলী রচিত, মৃত্যু ৪৪৬ হিজরী।
- "আত-তাহবীর ফিল মু'জামুল কাবির" ২/ ৩৫৮, আবু সাদ আব্দুল কারিম বিন মুহাম্মদ আস-সামআনী রচিত, মৃত্যু ৫৬২ হিজরী।
- "তারিখে দামেস্ক" ৫৫/ ১৫৪ (৬৯৩৭), আবুল কাসেম ইবনে আসাকির রচিত, মৃত্যু ৫৭১ হিজরী।
- "ফিহরিসত ইবনে খায়ের আল-ইশবিলী" (৩৬০), আবু বকর মুহাম্মদ বিন খায়ের বিন উমর বিন খলিফা আল-উমাবী রচিত, মৃত্যু ৫৭১ হিজরী।
- "আল-মুনতাজাম ফি তারিখিল মুলুক ওয়াল উমাম" ৭/ ১৪৬, ইবনুল জাওযী রচিত, মৃত্যু ৫৯৭ হিজরী।
- "বায়ানুল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম আল-ওয়াকিঈন ফি কিতাবিল আহকাম" ৫/ ৬৪৪, আবুল হাসান ইবনুল কাত্তান রচিত, মৃত্যু ৬২৮ হিজরী।
- "আত-তাকয়িদ লি-মা'রিফাতি রুওয়াতুস সুনান ওয়াল মাসানিদ" (১০৯), ইবনে নুকতাহ রচিত, মৃত্যু ৬২৯ হিজরী।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ١٦)
- "الكامل في التاريخ" 7/ 435، لأبي الحسن عز الدين ابن الأثير توفي سنة 630.
- "تلخيص تاريخ نيسابور للحاكم"، الترجمة رقم: (2288)، لمحمد بن حسين أَحمَد المعروف بالخليفة النيسابوري، توفي بعد سنة 717.
- "المختصر في أخبار البشر" 2/ 125، لأبي الفداء عماد الدين إسماعيل بن علي الملك المؤيد، توفي سنة 732.
- "مختصر طبقات العلماء" 3/ 168 (891)، لابن عبد الهادي، توفي سنة 744.
- "تاريخ الإسلام" 8/ 460 (359).
- "تذكرة الحفاظ" 3/ 976 - 979.
- "ذكر من يعتمد قوله في الجرح والتعديل" (500).
- "سير أعلام النبلاء" 16/ 370 (267).
- "العبر" 3/ 9 - 10.
- "المعين في طبقات المحدثين" (1299).
- "المقتنى في سرد الكنى" (132)، وسبعتها للذهبي، توفي سنة 748.
- "الوافي بالوفيات" 1/ 115.
- "نَكتُ الهَميان في نُكَت العِميان" 270 - 271، وكلاهما لخليل بن أيبك بن عبد الله الصَّفَدِي 764.
- "عيون التواريخ" 12/ 209/أ، لابن شاكر الكتبي، توفي سنة 764.
- "مرآة الجنان وعبرة اليقظان" 2/ 408، لليافعي توفي سنة 768.
- "طبقات الشافعية"، لعبد الرحيم بن الحسن الإسنوي توفي سنة 772.
- "شرح علل الترمذي" 1/ 422، ابن رجب الحنبلي 795.
- "ذيل ميزان الاعتدال" (754)، لأبي الفضل عبد الرحيم بن الحسين العراقي، توفي سنة 806.
- "التبيان لبديعة البيان" لابن ناصر الدين الدمشقي، توفي سنة 842.
- "আল-কামিল ফিত তারিখ" ৭/ ৪৩৫, আবুল হাসান ইযযুদ্দীন ইবনুল আসীর-এর রচিত, তিনি ৬৩০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
- "তালখিস তারিখু নিসাবুর লিল হাকিম", জীবনী নম্বর: (২২৮৮), মুহাম্মাদ ইবনে হুসাইন আহমদ-এর রচিত, যিনি আল-খলিফা আন-নিসাবুরি নামে পরিচিত, তিনি ৭১৭ হিজরির পর মৃত্যুবরণ করেন।
- "আল-মুখতাসার ফি আখবারিল বাশার" ২/ ১২৫, আবুল ফিদা ইমাদুদ্দীন ইসমাঈল ইবনে আলী আল-মালিকুল মুআইয়াদ-এর রচিত, তিনি ৭৩২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
- "মুখতাসার তাবাকাতিল উলামা" ৩/ ১৬৮ (৮৯১), ইবনে আব্দুল হাদী-এর রচিত, তিনি ৭৪৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
- "তারিখুল ইসলাম" ৮/ ৪৬০ (৩৫৯)।
- "তাযকিরাতুল হুফফায" ৩/ ৯৭৬ - ৯৭৯।
- "যিকরু মান ইউতামাদু কওলুহু ফিল জারহি ওয়াত তাদীল" (৫০০)।
- "সিয়ারু আলামিন নুবালা" ১৬/ ৩৭০ (২৬৭)।
- "আল-ইবার" ৩/ ৯ - ১০।
- "আল-মুঈন ফি তাবাকাতিল মুহাদ্দিসিন" (১২৯৯)।
- "আল-মুকতানা ফি সারদিল কুনা" (১৩২), এবং এই সাতটিই আয-যাহাবীর রচিত, তিনি ৭৪৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
- "আল-ওয়াফি বিল ওয়াফায়াত" ১/ ১১৫।
- "নাকতুল হামইয়ান ফি নুকাতির উমইয়ান" ২৭০ - ২৭১, এবং এই উভয়টিই খলীল ইবনে আইবাক ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সাফাদীর রচিত, যিনি ৭৬৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
- "উয়ুনুত তাওয়ারিখ" ১২/ ২০৯/আলিফ, ইবনে শাকির আল-কুতুবীর রচিত, তিনি ৭৬৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
- "মিরআতুল জিনান ওয়া ইবরাতুল ইয়াকযান" ২/ ৪০৮, আল-ইয়াফিয়ীর রচিত, তিনি ৭৬৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
- "তাবাকাতুশ শাফিয়্যাহ", আব্দুর রহীম ইবনুল হাসান আল-ইসনাভীর রচিত, তিনি ৭৭২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
- "শারহু ইলালিত তিরমিযী" ১/ ৪২২, ইবনে রাজাব আল-হাম্বলী, ৭৯৫ হিজরি।
- "যাইলু মীযানিল ইতিদাল" (৭৫৪), আবুল ফজল আব্দুর রহীম ইবনুল হুসাইন আল-ইরাকীর রচিত, তিনি ৮০৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
- "আত-তিবইয়ান লি বাদিআতিল বায়ান", ইবনে নাসিরুদ্দীন আদ-দিমাশকীর রচিত, তিনি ৮৪২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ١٧)
- "لسان الميزان" 9/ 6 (8733).
- "المعجم المفهرس" (1095، 1501). وكلاهما لابن حجر العسقلاني، توفي سنة 852.
- "النجوم الزاهرة في ملوك مصر والقاهرة 4/ 154، لابن تغري بردي، توفي سنة 874.
- "رونق الألفاظ بمعجم الحفاظ" 2/الورقة 112، مصورة معهد المخطوطات، لسبط ابن حجر العسقلاني يوسف بن شاهين، توفي سنة 899.
- "طبقات الحفاظ" 388، لجلال الدين السيوطي، توفي سنة 911.
- "كشف الظنون عن أسامي الكتب والفنون"، لحاجي خليفة، توفي سنة 1067.
- "شذرات الذهب في أخبار من ذهب" 3/ 93 لابن العماد عبد الحي بن أَحمَد بن محمد العكري، توفي سنة 1089.
- "هدية العارفين" 2/ 50 - 51، لإسماعيل البغدادي، توفي سنة 1339.
- "الرسالة المستطرفة لبيان مشهور الكتب المصنفة" 121، لمحمد بن جعفر بن إدريس الكتاني، توفي سنة 1345.
- "الأعلام" 7/ 20، لخير الدين الزركلي، توفي سنة 1396.
- "فهرس المخطوطات المصورة لمعهد المخطوطات العربيه" 2/ 11 للطفي عبد البديع.
- "معجم المؤلفين" لعمر رضا كحالة 3/ 620، توفي سنة 1408.
- "فهرس مخطوطات دار الكتب الظاهرية المنتخب من مخطوطات الحديث" (451) صفحة 343 للعلامة محمد ناصر الدين الألباني.
- "تاريخ التراث العربي" 1/ 1/411 - 412، لفؤاد سزكين.
- "بحوث في تاريخ السنة المشرفة"، للدكتور أكرم ضياء العمري 184، 185.
- "লিসানুল মিজান" ৯/ ৬ (৮৭৩৩)।
- "আল-মু'জামুল মুফাহরাস" (১০৯৫, ১৫০১)। এবং উভয়টিই ইবনে হাজার আল-আসকালানির রচিত, তিনি ৮৫২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
- "আন-নুজুমুজ জাহিরা ফি মুলুকি মিসর ওয়াল কাহিরা" ৪/ ১৫৪, ইবনে তাগরি বারদি রচিত, তিনি ৮৭৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
- "রাওনাকুল আলফাজ বিমু'জামিল হাফিজ" ২/পত্র ১১২, মা'হাদুল মাখতুতাত (পাণ্ডুলিপি ইনস্টিটিউট) এর অনুলিপি, ইবনে হাজার আল-আসকালানির দৌহিত্র ইউসুফ বিন শাহিন রচিত, তিনি ৮৯৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
- "তাবাকাতুল হুফফাজ" ৩৮৮, জালালুদ্দিন সুয়ূতি রচিত, তিনি ৯১১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
- "কাশফুয যুনুন আন আসামিল কুতুব ওয়াল ফুনুন", হাজি খলিফা রচিত, তিনি ১০৬৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
- "শাযারাতুয যাহাব ফি আখবারি মান যাহাব" ৩/ ৯৩, ইবনুল ইমাদ আব্দুল হাই বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-আকরি রচিত, তিনি ১০৮৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
- "হাদিয়াতুল আরিফিন" ২/ ৫০ - ৫১, ইসমাইল আল-বাগদাদি রচিত, তিনি ১৩৩৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
- "আর-রিসালাতুল মুস্তাতরিফা লি বয়ানি মাশহুরিল কুতুবিল মুসান্নাফা" ১২১, মুহাম্মদ বিন জাফর বিন ইদ্রিস আল-কাত্তানি রচিত, তিনি ১৩৪৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
- "আল-আ'লাম" ৭/ ২০, খাইরুদ্দিন আয-যিরিকলি রচিত, তিনি ১৩৯৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
- "ফিহরিসুল মাখতুতাতিল মুসাওয়ারা লি-মা'হাদিল মাখতুতাতিল আরাবিয়্যাহ" ২/ ১১, লুতফি আব্দুল বাদি রচিত।
- "মু'জামুল মুয়াল্লিফিন", উমর রেজা কাহহালা রচিত ৩/ ৬২০, তিনি ১৪০৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
- "ফিহরিসু মাখতুতাত দাউরিল কুতুবিত জাহিরিয়াহ আল-মুনতাখাব মিন মাখতুতাতিল হাদিস" (৪৫১) পৃষ্ঠা ৩৪৩, আল্লামা মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি রচিত।
- "তারিখুত তুরাসিল আরাবি" ১/ ১/৪১১ - ৪১২, ফুয়াদ সেজগিন রচিত।
- "বুহুস ফি তারিখিস সুন্নাতিল মুশাররাফা", ডক্টর আকরাম যিয়া আল-উমারি ১৮৪, ১৮৫।
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ١٨)
- "فهرس مجاميع المدرسة العمرية في دار الكتب الظاهرية" 461، 462، 463، للأستاذ ياسين محمد السواس.
- "الفهرس الشامل للثراث العربي المخطوط"، الحديث النبوي الشريف وعلومه ورجاله، مؤسسة آل البيت 1/ 191، 239، و 2/ 1030، للدكتور ناصر الدين الأسد.
"দারুল কুতুব আজ-জাহিরিয়্যায় মাদরাসা উমারিয়্যার সংকলনসমূহের নির্ঘণ্ট" ৪৬১, ৪৬২, ৪৬৩, অধ্যাপক ইয়াসিন মুহাম্মদ আস-সাওওয়াস রচিত।
- "আরবি পাণ্ডুলিপি ঐতিহ্যের পূর্ণাঙ্গ নির্ঘণ্ট", হাদিসে নববী, এর ইলমসমূহ এবং এর বর্ণনাকারীগণ, মুআসসাসাতু আহলিল বাইত ১/ ১৯১, ২৩৯ এবং ২/ ১০৩০, ডক্টর নাসিরুদ্দিন আল-আসাদ রচিত।
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ١٩)
المبحث الثاني:كتاب الأسامي والكنى لأبي أحمد الحاكم دراسة وتحليلاً
1 - وصف الكتابأوجز أبو أحمد الحاكم، رحمه الله، منهجه في تصنيف "الأسامي والكنى"، فبيّن في مقدمة الكتاب: أنه ذكر كنية النبي صلى الله عليه وسلم والصحابة والتابعين، وغيرهم من أهل العلم.
وذكر مع كناهم: أسماؤهم وأنسابهم وقبائلهم وبلدانهم.
وذكر بعض من حدّث عنهم وحدّثوا عنه، مع تبين جرح من ظهر منهم بعض أئمة العلم لسماع أو رواية.
وأخرج حديث مسند عن كل صحابي يستدل به على سماعه من النبي صلى الله عليه وسلم أو ذكر لروايته إياه، أو إدراكه عمره، عليه السلام.
وأفرد في كل باب منهم من يعرف منهم بكنيته ولا يقف على اسمه.
ورتَّبه على حروف المعجم، وابتدأه بمن كنيته أبو القاسم تيمنًا بكنية النبي صلى الله عليه وسلم، وجعل أول تراجم الكتاب، ترجمة النبي صلى الله عليه وسلم.
وذكر أنه سلك فيه مسلك الاختصار.
وذكر سبب تصنيفه للكتاب، وهو إجابته لطلب أحد أصحابه، في اقتراحه عليه أن يصنف كتابًا في الكنى على النحو الذي تقدم شرحه.
ولاحظت أثناء عملي في الكتاب أنه رتَّبَ الرواة المترجم لهم في الحرف الواحد على الطبقات، فيبدأ في كل باب بترجمة من له صحبة من النبي صلى الله عليه وسلم، ثم يترجم للتابعين، فمن بعدهم إلى أن يصل لترجمة شيوخه ومعاصريه.
وعندما يترجم لطبقة الصحابة، فإنه يبدأ بأهل بيت النبي صلى الله عليه وسلم، ثم بالمشهورين
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ:আবু আহমদ আল-হাকিমের কিতাব আল-আসামী ওয়াল-কুনা: একটি পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণমূলক অধ্যায়ন১ - কিতাবটির বর্ণনাআবু আহমদ আল-হাকিম (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর "আল-আসামী ওয়াল-কুনা" গ্রন্থ রচনার পদ্ধতি সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন। তিনি কিতাবের ভূমিকায় স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি এতে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), সাহাবীগণ, তাবিঈগণ এবং অন্যান্য ইলম অন্বেষণকারীদের উপনাম (কুনিয়া) উল্লেখ করেছেন।
তিনি তাদের উপনামের পাশাপাশি তাদের নাম, বংশপরিচয়, গোত্র এবং দেশের কথা উল্লেখ করেছেন।
তিনি তাদের মধ্য থেকে এমন কিছু ব্যক্তিদের কথা উল্লেখ করেছেন যাদের কাছ থেকে তারা হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং যারা তাদের কাছ থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। পাশাপাশি ইলমের ইমামগণের নিকট থেকে যাদের শ্রবণ বা বর্ণনার ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি (জারহ্) প্রকাশ পেয়েছে, তা-ও তিনি বর্ণনা করেছেন।
তিনি প্রত্যেক সাহাবীর পক্ষ থেকে একটি করে মুসনাদ হাদিস বর্ণনা করেছেন, যা দ্বারা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে তাঁর শ্রবণ করা, অথবা তাঁর বর্ণনা করা কিংবা তাঁর যুগ পাওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়।
তিনি প্রতিটি অধ্যায়ে এমন ব্যক্তিদের জন্য স্বতন্ত্র পরিচ্ছেদ রেখেছেন যারা কেবল তাদের উপনামেই পরিচিত এবং যাদের আসল নাম জানা যায়নি।
তিনি গ্রন্থটিকে বর্ণানুক্রমিক সাজিয়েছেন। বরকতের উদ্দেশ্যে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উপনাম অনুযায়ী 'আবুল কাসিম' উপনামধারীদের দিয়ে শুরু করেছেন এবং গ্রন্থের প্রথম জীবনী হিসেবে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর জীবনী সংকলন করেছেন।
তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই গ্রন্থে তিনি সংক্ষিপ্তকরণের পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন।
তিনি গ্রন্থটি রচনার কারণও উল্লেখ করেছেন। তা হলো তাঁর এক বন্ধুর অনুরোধ রক্ষা করা, যিনি তাঁকে উপরে বর্ণিত পদ্ধতিতে উপনামের উপর একটি গ্রন্থ রচনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
কিতাবটি নিয়ে কাজ করার সময় আমি লক্ষ্য করেছি যে, তিনি প্রতিটি বর্ণের অধীনে রাবীদের জীবনী স্তর অনুযায়ী সাজিয়েছেন। তিনি প্রতিটি অধ্যায়ে প্রথমে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীদের জীবনী দিয়ে শুরু করেন, এরপর তাবিঈদের জীবনী বর্ণনা করেন এবং এভাবে পর্যায়ক্রমে তাঁর নিজের শিক্ষক ও সমসাময়িকদের জীবনী পর্যন্ত পৌঁছান।
আর যখন তিনি সাহাবীদের স্তরের জীবনী আলোচনা করেন, তখন তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর আহলে বাইত দিয়ে শুরু করেন এবং এরপর প্রসিদ্ধ সাহাবীদের উল্লেখ করেন।
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
بالرواية، فيذكر المهاجرين، ثم الأنصار، وهكذا إلى أن يترجم لمن اختلف في صحبته.
ويصنع هكذا في طبقة التابعين، فيترجم أولاً لكبار التابعين، ثم لمن بعدهم في الرتبة حتى ينتهي من طبقتهم، فيترجم لتابعيهم بأسلوب فريد في التصنيف.
ولم يستوعب الحاكم في كتابه جميع من عرف بكناهم، ففاته ذكر جماعة في كل باب، واستدرك عليه جماعة من أهل العلم، كابن مندة، وابن عبد البر، والذهبي.
তিনি বর্ণনার ভিত্তিতে প্রথমে মুহাজিরদের আলোচনা করেন, অতঃপর আনসারদের; এভাবে ধারাবাহিকভাবে তিনি তাদের জীবনী বর্ণনা করেন যাদের সাহাবী হওয়ার বিষয়ে মতভেদ রয়েছে।
তাবিঈদের স্তরের ক্ষেত্রেও তিনি অনুরূপ পদ্ধতি অবলম্বন করেন। তিনি প্রথমে প্রবীণ তাবিঈদের জীবনী লিপিবদ্ধ করেন, এরপর মর্যাদাক্রম অনুযায়ী তাদের পরবর্তী স্তরের ব্যক্তিদের আলোচনা করেন যতক্ষণ না তাদের স্তরের বর্ণনা সমাপ্ত হয়। অতঃপর তিনি গ্রন্থ রচনার এক অনন্য শৈলীতে তাদের অনুসারীদের জীবনী বর্ণনা করেন।
আল-হাকিম তাঁর গ্রন্থে এমন সকল ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করতে পারেননি যারা তাদের উপনামের (কুনিয়াত) মাধ্যমে পরিচিত ছিলেন; ফলে প্রতিটি অধ্যায়েই একদল ব্যক্তির কথা উল্লেখ করতে তিনি চ্যুত হয়েছেন। পরবর্তীতে একদল বিদগ্ধ পণ্ডিত তাঁর এই অসম্পূর্ণতা পূরণ করেছেন (ইস্তিদরাক করেছেন), যেমন ইবনে মান্দাহ, ইবনে আবদিল বার এবং আয-যাহাবী।
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ٢١)
2 - أهمية الكتاب:يعدُّ كتاب "الأسامي والكنى" لأبي أحمد الحاكم من أهم الكتب التي صُنِّفَت في بابها، وذلك لغزارة مادته العلمية، وتنوع موارده، ولما ضمنه من الفوائد والنفائس، وقد سبقه في بابه جماعة من الكبار، كابن المديني، وأحمد بن حنبل، والبخاري، ومسلم، والنسائي، وأبي عروبة الحراني، فاستقى أبو أحمد من كتب هؤلاء وغيرهم، فحفظ في مصنفه جملاً كثيرة من هذه الكتب، هي اليوم في عداد المفقود، وكم من خطأ وقع في المطبوع منها، جاء على الصواب في "الأسامي والكنى" لأبي أحمد.
وقد تتبعت موارده في هذه القطع التي وصلتنا منه، ورتبتها، وهذا مسرد بها:
- كتاب الأنساب، لابن الكلبي، (مفقود).
وينقل منه، ولا يذكر إسناده إليه.
- كتاب "تسمية أصحاب علي بن أبي طالب رضي الله عنه"، لأبي نعيم الفضل بن دكين (مفقود).
ويرويه عن أبي الفضل محمد بن أحمد السلمي، عن يحيى بن ساسويه، عن أحمد بن عبد الله بن حكيم، عن أبي نعيم.
- كتاب "كنى الخلفاء" لسلمة بن الفضل، (مفقود).
ويرويه عن أبي الحسين الغازي محمد بن إبراهيم بن شعيب، عن محمد بن حميد التميمي، عن سلمة بن الفضل.
- كتاب "طبقات من أهل المدينة" لمحمد بن عمر الواقدي، وغيره من كتب الواقدي (مفقود).
ويرويها عن أبي عبد الله محمد بن أحمد الأصبهاني، عن الحسن بن الجهم بن مصقلة التيمي، عن الحسين بن الفرج البغدادي، عن الواقدي.
- كتاب "الأنساب" لأبي عبيد القاسم بن سلام، (مفقود).
- كتاب الهيثم بن عدي، (مفقود).
২ - গ্রন্থের গুরুত্ব:আবু আহমদ আল-হাকিম রচিত "আল-আসামী ওয়াল কুনা" গ্রন্থটি তার নিজ বিষয়ে রচিত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থগুলোর অন্যতম হিসেবে বিবেচিত। এর কারণ হলো এর জ্ঞানগর্ভ উপাদানের প্রাচুর্য, এর উৎসের বৈচিত্র্য এবং এতে সন্নিবেশিত মূল্যবান তথ্যাদি ও দুর্লভ বিষয়সমূহ। এই বিষয়ে তাঁর পূর্বে ইবনুল মাদিনী, আহমদ বিন হাম্বল, বুখারি, মুসলিম, নাসাঈ এবং আবু আরুবাহ আল-হাররানির মতো একদল বরেণ্য ইমাম গ্রন্থ রচনা করেছেন। আবু আহমদ তাঁদের এবং অন্যদের গ্রন্থ থেকে জ্ঞান আহরণ করেছেন এবং তাঁর এই সংকলনে সেসব গ্রন্থের অনেক উদ্ধৃতি সংরক্ষণ করেছেন, যা বর্তমানে বিলুপ্ত বা হারানো গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। এমনকি ঐসব গ্রন্থের মুদ্রিত সংস্করণে যে অনেক ভুল পরিলক্ষিত হয়, আবু আহমদের "আল-আসামী ওয়াল কুনা" গ্রন্থে তা নির্ভুলভাবে ফুটে উঠেছে।
আমি এই গ্রন্থের আমাদের কাছে পৌঁছানো অংশগুলোতে এর উৎসসমূহ অনুসরণ করেছি এবং সেগুলো বিন্যস্ত করেছি; নিচে তার একটি তালিকা দেওয়া হলো:
- কিতাবুল আনসাব, ইবনুল কালবি রচিত, (বিলুপ্ত)।
তিনি এটি থেকে উদ্ধৃতি প্রদান করেন, তবে এর সনদ উল্লেখ করেন না।
- কিতাবু "তাসমিয়াতু আসহাবি আলী বিন আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু", আবু নুয়াইম আল-ফাদল বিন দুকাইন রচিত (বিলুপ্ত)।
তিনি এটি বর্ণনা করেছেন আবু ফাদল মুহাম্মদ বিন আহমদ আস-সুলামি থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন সাসওয়াইহ থেকে, তিনি আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন হাকিম থেকে, তিনি আবু নুয়াইম থেকে।
- কিতাবু "কুনা আল-খুলাফা", সালামাহ বিন আল-ফাদল রচিত, (বিলুপ্ত)।
তিনি এটি বর্ণনা করেছেন আবু আল-হুসাইন আল-গাজি মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন শুআইব থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন হামিদ আত-তামিমি থেকে, তিনি সালামাহ বিন আল-ফাদল থেকে।
- কিতাবু "তাবাকাত মিন আহলিল মদিনা", মুহাম্মদ বিন উমর আল-ওয়াকিদি রচিত, এবং ওয়াকিদির অন্যান্য গ্রন্থ (বিলুপ্ত)।
তিনি এগুলো বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-আসবাহানি থেকে, তিনি হাসান বিন আল-জাহম বিন মাসকালাহ আত-তাইমি থেকে, তিনি আল-হুসাইন বিন আল-ফারাজ আল-বাগদাদি থেকে, তিনি ওয়াকিদি থেকে।
- কিতাবুল "আনসাব", আবু উবায়েদ আল-কাসিম বিন সাল্লাম রচিত, (বিলুপ্ত)।
- আল-হাইসাম বিন আদির গ্রন্থ, (বিলুপ্ত)।
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
ويرويه عن أبي الفضل محمد بن أحمد السلمي، عن يحيى بن ساسويه، عن أحمد بن عبد الله بن حكيم، عن الهيثم بن عدي.
- كتاب "الطبقات" لخليفة بن خياط، (مطبوع).
- كتاب "التاريخ" لخليفة بن خياط، (مطبوع).
وأغلب ما ينقله من "الطبقات"، ولكنه لم يفرق بينهما، ويرويهما عن محمد بن عيسى الجوزجاني، عن موسى بن زكريا، عن خليفة.
- كتاب عمرو بن علي الفلاس، لعله "العلل"، (مفقود).
ويرويه عن أبي الحسين الغازي، عنه.
- كتاب "تاريخ ابن معين"، رواية الدوري، (مطبوع) عدا أوراق خرمت منه. ويرويه من طريق محمد بن يعقوب، ومن طريق أبي العباس محمد بن إسحاق الثقفي، كلاهما عن الدوري.
- كتاب "تاريخ ابن معين"، رواية المفضل بن غسان الغلابي، (مفقود). ويرويه من طريق أبي العباس محمد بن إسحاق الثقفي، عن المفضل.
- كتاب "علل أحمد بن حنبل"، رواية عبد الله، (مطبوع).
كما أنه استقى من الروايات المختلفة عن الإمام أحمد، منها:
- رواية ابنه صالح:
ويرويها عن أبي بكر عبد الله بن محمد بن مسلم الاسفرائيني، عن صالح.
- رواية البغوي:
ويرويها مباشرة عن البغوي.
- رواية إبراهيم بن يعقوب الجوزجاني:
ويرويها عن أبي جعفر محمد بن عبد الرحمن الضبي، عن أحمد بن محمد بن الحجاج بن رشدين، عن الجوزجاني.
- رواية علي بن سعيد النسوي:
তিনি এটি বর্ণনা করেছেন আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন আহমদ আস-সুলামী থেকে, তিনি ইয়াহইয়া বিন সাসাওয়াইহ থেকে, তিনি আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন হাকিম থেকে, তিনি হাইসাম বিন আদি থেকে।
- খলিফা বিন খাইয়াতের গ্রন্থ "আত-তাবাকাত", (মুদ্রিত)।
- খলিফা বিন খাইয়াতের গ্রন্থ "আত-তারিখ", (মুদ্রিত)।
তিনি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে "আত-তাবাকাত" থেকে উদ্ধৃতি গ্রহণ করেন, তবে তিনি গ্রন্থ দুটির মধ্যে পার্থক্য করেননি। তিনি এ দুটি গ্রন্থ মুহাম্মদ বিন ঈসা আল-জুজাজানি থেকে, তিনি মুসা বিন জাকারিয়া থেকে এবং তিনি খলিফা থেকে বর্ণনা করেছেন।
- আমর বিন আলী আল-ফাল্লাসের গ্রন্থ, সম্ভবত এটি "আল-ইলাল", (বিলুপ্ত)।
তিনি এটি আবুল হুসাইন আল-গাজি থেকে এবং তিনি আল-ফাল্লাস থেকে বর্ণনা করেছেন।
- ইবনে মাঈনের গ্রন্থ "তারিখ", আদ-দুরির বর্ণনা, (মুদ্রিত), কিছু হারানো পাতা ব্যতীত। তিনি এটি মুহাম্মদ বিন ইয়াকুবের সূত্রে এবং আবুল আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইসহাক আস-সাকাফির সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ই আদ-দুরি থেকে বর্ণনা করেছেন।
- ইবনে মাঈনের গ্রন্থ "তারিখ", মুফাদ্দাল বিন গাসসান আল-গালাবি-র বর্ণনা, (বিলুপ্ত)। তিনি এটি আবুল আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইসহাক আস-সাকাফির সূত্রে মুফাদ্দাল থেকে বর্ণনা করেছেন।
- আহমদ বিন হাম্বলের গ্রন্থ "আল-ইলাল", আব্দুল্লাহর বর্ণনা, (মুদ্রিত)।
তেমনিভাবে তিনি ইমাম আহমদ থেকে বর্ণিত বিভিন্ন বর্ণনা থেকেও গ্রহণ করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে:
- তাঁর পুত্র সালিহের বর্ণনা:
তিনি এটি আবু বকর আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন মুসলিম আল-ইসফারায়িনি থেকে এবং তিনি সালিহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
- আল-বাগাউয়ির বর্ণনা:
তিনি এটি সরাসরি আল-বাগাউয়ি থেকে বর্ণনা করেছেন।
- ইব্রাহিম বিন ইয়াকুব আল-জুজাজানির বর্ণনা:
তিনি এটি আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আদ-দাব্বি থেকে, তিনি আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাজ্জাজ বিন রুশদিন থেকে এবং তিনি আল-জুজাজানি থেকে বর্ণনা করেছেন।
- আলী বিন সাঈদ আন-নাসায়ির বর্ণনা:
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
ويرويها عن أحمد بن محمد بن الحسن، عن علي بن سعيد النسوي.
- رواية محمد بن إسحاق الصاغاني:
ويرويها عن البغوي، عن الصاغاني.
- رواية محمد بن يحيى:
ويرويها عن مكي بن عبدان، عن محمد بن يحيى.
- رواية أبي أمية محمد بن إبراهيم:
ويرويها عن أبي نعيم الجرجاني، عن محمد بن إبراهيم.
- رواية المهنا بن يحيى:
ويرويها عن أبي العباس الثقفي، عن المهنا.
وجميع هذه الرويات مفقود الآن.
- كتاب "الكنى" للبخاري، (مطبوع) عدا نذرًا يسيرًا.
- كتاب "التاريخ الكبير" للبخاري، (مطبوع).
- كتاب "التاريخ الأوسط" للبخاري، (مطبوع).
- كتاب "التاريخ الصغير" للبخاري، (مفقود).
- كتاب "الضعفاء" للبخاري، (مطبوع). ويرويها أبي أحمد الحاكم، عن شيخه أبي أحمد محمد بن سليمان بن فارس، عن محمد بن إسماعيل البخاري.
- كتاب "الجامع الصحيح" للبخاري، (مطبوع).
- كتاب "الكنى" لمسلم، (مطبوع).
- كتاب "الصحيح" لمسلم، (مطبوع).
- كتاب "التاريخ" لأبي زرعة عبد الرحمن بن عمرو الدمشقي، (مطبوع).
ويرويه عن أبي الليث سلم بن معاذ التميمي، عن أبي زرعة.
- كتاب "الكنى" لأبي عروبة الحراني، (مفقود).
তিনি এটি আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান থেকে, তিনি আলী ইবনে সাঈদ আন-নাসায়ী থেকে বর্ণনা করেছেন।
- মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আস-সাগানির বর্ণনা:
তিনি এটি বাগাওয়ী থেকে, তিনি সাগানি থেকে বর্ণনা করেছেন।
- মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়ার বর্ণনা:
তিনি এটি মাক্কী ইবনে আবদান থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন।
- আবু উমাইয়া মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীমের বর্ণনা:
তিনি এটি আবু নুআইম আল-জুরজানি থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহীম থেকে বর্ণনা করেছেন।
- মুহান্না ইবনে ইয়াহইয়ার বর্ণনা:
তিনি এটি আবু আল-আব্বাস আস-সাকাফি থেকে, তিনি মুহান্না থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর এই সকল বর্ণনা বর্তমানে বিলুপ্ত।
- বুখারীর 'আল-কুনা' গ্রন্থ, (মুদ্রিত) সামান্য কিছু অংশ ব্যতীত।
- বুখারীর 'আত-তারিখুল কাবির' গ্রন্থ, (মুদ্রিত)।
- বুখারীর 'আত-তারিখুল আওসাত' গ্রন্থ, (মুদ্রিত)।
- বুখারীর 'আত-তারিখুস সাগির' গ্রন্থ, (বিলুপ্ত)।
- বুখারীর 'আদ-দুয়াফা' গ্রন্থ, (মুদ্রিত)। এটি আবু আহমাদ আল-হাকিম তাঁর শায়খ আবু আহমাদ মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান ইবনে ফারিস থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আল-বুখারী থেকে বর্ণনা করেছেন।
- বুখারীর 'আল-জামি আস-সহিহ' গ্রন্থ, (মুদ্রিত)।
- মুসলিমের 'আল-কুনা' গ্রন্থ, (মুদ্রিত)।
- মুসলিমের 'আস-সহিহ' গ্রন্থ, (মুদ্রিত)।
- আবু জুরআ আবদুর রহমান ইবনে আমর আদ-দিমাশকির 'আত-তারিখ' গ্রন্থ, (মুদ্রিত)।
তিনি এটি আবুল লাইস সালাম ইবনে মুয়ায আত-তামিমি থেকে, তিনি আবু জুরআ থেকে বর্ণনা করেছেন।
- আবু আরুবা আল-হাররানির 'আল-কুনা' গ্রন্থ, (বিলুপ্ত)।
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
- كتاب "المعجم" لأبي سعيد أحمد بن محمد بن زياد المعروف بابن الأعرابي، (مطبوع).
- كتاب "التفسير"، لأبي العباس الثقفي محمد بن إسحاق، (مفقود).
كما أن الحاكم أبا أحمد اهتم بالرواية اهتمامًا كبيرًا، فشحن كتابه بالأحاديث والآثار، وأطال النفس في بعض المواضع بذكر طرقها، واختلاف ألفاظها، وبيان عللها.
واهتم أيضًا بتبيين من ذُكِرَ فيه جرح من الرواة، فذكر فيهم أرسخ أقول أهل العلم، وفي بعض الأحيان يذكر ما آل إليه اجتهاده فيهم.
واحتوى الكتاب على تراجم جماعة من المتأخرين ممن عاصر الإمام أبي أحمد، ومن طبقة شيوخه، تكاد لا تجد مصدر ترجم لهم سوى هذا الكتاب.
وكان أبو أحمد واسع الرحلة، كثير الشيوخ، روى في كتابه هذا عن الكثير من شيوخه، وقد تجمع في مشيخة.
واحتوى الكتاب أيضًا على تعديل وتجريح لجماعة من الرواة غير المترجم لهم، يأتي ذلك عرضًا في سياق الترجمة.
ولأهمية الكتاب ونفاسته أصبح موردًا أصيلاً للكثير من كتب العلم، المتخصصة في الرجال، وغير المتخصصة، وأذكر منها على سبيل المثال:
- "الاستيعاب" لابن عبد البر، توفي سنة 463.
- و"الأنساب المتفقة" لأبي الفضل محمد بن طاهر المقدسي، المعروف بابن القيسراني، توفي سنة 507.
- و"الأنساب" للسمعاني، توفي سنة 562.
- و"تاريخ دمشق" لابن عساكر، توفي سنة 571.
- و"بيان الوهم والإيهام" لابن القطان، توفي سنة 628.
- و"تكملة الإكمال" لابن نقطة، توفي سنة 629.
- আবু সাঈদ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে যিয়াদ, যিনি ইবনুল আরাবি নামে পরিচিত, তার রচিত "আল-মু'জাম" গ্রন্থ (মুদ্রিত)।
- আবুল আব্বাস আস-সাকাফি মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক রচিত "আত-তাফসির" গ্রন্থ (হারিয়ে গেছে)।
তদ্রূপ হাকিম আবু আহমাদ বর্ণনাগুলোর প্রতি অত্যন্ত গুরুত্বারোপ করেছেন। ফলে তিনি তার কিতাবকে হাদিস ও আসার দ্বারা পূর্ণ করেছেন এবং কিছু কিছু স্থানে সেগুলোর সূত্রসমূহ (সনদ), শব্দের ভিন্নতা এবং সেগুলোর ত্রুটিসমূহ (ইল্লাত) বর্ণনার ক্ষেত্রে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন।
তিনি সেই সব রাবিদের (বর্ণনাকারী) অবস্থা স্পষ্ট করার প্রতিও গুরুত্ব দিয়েছেন যাদের ব্যাপারে 'জারহ' (সমালোচনা) করা হয়েছে। এক্ষেত্রে তিনি ইলমে দ্বীনের পণ্ডিতদের সবচেয়ে সুদৃঢ় উক্তিগুলো উল্লেখ করেছেন এবং কোনো কোনো সময় তাদের ব্যাপারে নিজের ইজতিহাদের ফলাফলও বর্ণনা করেছেন।
এই কিতাবটি ইমাম আবু আহমাদ-এর সমসাময়িক এবং তার উস্তাদদের স্তরের এমন একদল উত্তরসূরির জীবনী অন্তর্ভুক্ত করেছে, যাদের জীবনীর উৎস এই কিতাবটি ছাড়া অন্য কোথাও খুব একটা খুঁজে পাওয়া যায় না।
আবু আহমাদ ব্যাপক ইলমি সফর করেছিলেন এবং তাঁর উস্তাদদের সংখ্যা ছিল অনেক। তিনি তার এই কিতাবে তার অনেক উস্তাদ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তা এক বিশাল মাশয়াখাহ (উস্তাদদের তালিকা) আকারে সংকলিত হয়েছে।
কিতাবটিতে এমন একদল বর্ণনাকারীর 'তাদিল' (প্রশংসা) ও 'তাজরিহ' (সমালোচনা) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যাদের স্বতন্ত্র জীবনী এখানে বর্ণিত হয়নি, বরং তা অন্য জীবনীর আলোচনার প্রাসঙ্গিকতায় উঠে এসেছে।
গ্রন্থটির গুরুত্ব ও মূল্যবান হওয়ার কারণে এটি ইলমে রিজাল (বর্ণনাকারীদের শাস্ত্র) বিষয়ক এবং অন্যান্য শাস্ত্রীয় অনেক গ্রন্থের একটি মৌলিক উৎসে পরিণত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ আমি এর কয়েকটি উল্লেখ করছি:
- ইবনে আব্দুল বার (মৃত্যু ৪৬৩ হি.) রচিত "আল-ইস্তিআব" গ্রন্থ।
- আবুল ফজল মুহাম্মাদ ইবনে তাহের আল-মাকদিসি, যিনি ইবনুল কায়সারানি নামে পরিচিত (মৃত্যু ৫০৭ হি.), তার রচিত "আল-আনসাবুল মুত্তাফিকাহ" গ্রন্থ।
- সামআনি (মৃত্যু ৫৬২ হি.) রচিত "আল-আনসাব" গ্রন্থ।
- ইবনে আসাকির (মৃত্যু ৫৭১ হি.) রচিত "তারিখে দামেস্ক" গ্রন্থ।
- ইবনুল কাত্তান (মৃত্যু ৬২৮ হি.) রচিত "বায়ানুল ওয়াহমি ওয়াল ইহাম" গ্রন্থ।
- ইবনে নুকতাহ (মৃত্যু ৬২৯ হি.) রচিত "তাকমিলাতুল ইকমাল" গ্রন্থ।
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
- و"المعلم بشيوخ البخاري ومسلم" لابن خلفون، توفي سنة 636.
- و"الأحاديث المختارة" للضياء المقدسي، توفي سنة 643.
- و"المعجم في أصحاب القاضي الإمام أبي علي الصدفي"، لأبي عبد الله محمد بن عبد الله بن أبي بكر القضاعي المعروف بابن الأبار، توفي سنة 658.
- و"بغية الطلب في تاريخ حلب" لابن العديم، توفي سنة 660.
- و"تهذيب الأسماء واللغات".
- و"شرح صحيح مسلم".
- و"المجموع"، وثلاثتها للنووي، توفي سنة 676.
- و"الإمام في معرفة أحاديث الأحكام" تقي الدين أبي الفتح محمد بن علي وهب المشهور بابن دقيق العيد، توفي سنة 702.
- و"نصب الراية لأحاديث الهداية" عبد الله بن يوسف الزيلعي، توفي سنة 762.
- و"تنقيح التحقيق في أحاديث التعليق".
- و"الصارم المنكي في الرد على السبكي".
- و"المحرر في الحديث"، وثلاثتها لشمس الدين محمد بن أحمد بن عبد الهادي الحنبلي، توفي سنة 744.
- و"تحفة الأشراف".
- و"تهذيب الكمال"، وكلاهما للمزي توفي سنة 742.
- و"تذهيب التهذيب".
- و"تاريخ الإسلام".
- و"تذكرة الحفاظ".
- و"سير أعلام النبلاء".
- و"المغني في الضعفاء".
- এবং ইবনে খালফুন (মৃত্যু ৬৩৬ হিজরি) রচিত "আল-মুয়াল্লিমু বি-শুয়ুখিল বুখারি ওয়া মুসলিম"।
- এবং যিয়া আল-মাকদিসি (মৃত্যু ৬৪৩ হিজরি) রচিত "আল-আহাদিসুল মুখতারাহ"।
- এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আবু বকর আল-কুদায়ী, যিনি ইবনুল আব্বার নামে পরিচিত (মৃত্যু ৬৫৮ হিজরি), তাঁর রচিত "আল-মু'জামু ফি আসহাবিল কাজি আল-ইমাম আবি আলি আস-সাদাফি"।
- এবং ইবনুল আজিম (মৃত্যু ৬৬০ হিজরি) রচিত "বুগইয়াতুত তলাব ফি তারিখি হালাব"।
- এবং "তাহজিবুল আসমা ওয়াল লুগাত"।
- এবং "শারহু সহিহ মুসলিম"।
- এবং "আল-মাজমু'", এই তিনটি গ্রন্থই ইমাম আন-নববী (মৃত্যু ৬৭৬ হিজরি) এর।
- এবং তাকিউদ্দিন আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন আলি ওয়াহাব, যিনি ইবনু দাকিকিল ঈদ নামে প্রসিদ্ধ (মৃত্যু ৭০২ হিজরি), তাঁর রচিত "আল-ইমাম ফি মা'রিফাতি আহাদিসিল আহকাম"।
- এবং আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ আজ-যাইলায়ি (মৃত্যু ৭৬২ হিজরি) রচিত "নাসবুর রায়াহ লি-আহাদিসিল হিদায়াহ"।
- এবং "তানকিহুত তাহকিক ফি আহাদিসিত তা'লিক"।
- এবং "আস-সারিমুল মুনকি ফির রদ্দি আলাস সুবকি"।
- এবং "আল-মুহাররার ফিল হাদিস", এই তিনটি গ্রন্থই শামসুদ্দিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আব্দুল হাদি আল-হাম্বলি (মৃত্যু ৭৪৪ হিজরি) এর।
- এবং "তুহফাতুল আশরাফ"।
- এবং "তাহজিবুল কামাল", এই উভয় গ্রন্থই আল-মিযযি (মৃত্যু ৭৪২ হিজরি) এর।
- এবং "তাযহিবুত তাহজিব"।
- এবং "তারিখুল ইসলাম"।
- এবং "তাযকিরাতুল হুফফাজ"।
- এবং "সিয়ারু আ'লামিন নুবালা"।
- এবং "আল-মুগনি ফিজ যু'আফা"।
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
- و"ميزان الاعتدال".
- و"سير أعلام النبلاء"، وسبعتها للذهبي توفي سنة 748.
- و"إكمال تهذيب الكمال".
- و"شرح سنن ابن ماجة".
- و"شرح سنن أبي داود".
- و"الاكتفاء في تنقيح كتاب الضعفاء لابن الجوزي".
- و"الإنابة إلى معرفة المختلف فيهم من الصحابة"، وخمستها لمغلطاي، توفي سنة 762.
- و"طبقات الشافعية الكبرى" لابن السبكي، توفي سنة 771.
- و"تحفة الطالب بمعرفة أحاديث مختصر ابن الحاجب".
- و"مسند الفاروق" لابن كثير توفي سنة 774.
- و"فتح الباري" لابن رجب توفي سنة 795.
- و"الشذا الفياح من علوم ابن الصلاح" لإبراهيم بن موسى بن أيوب البرهان الأبناسي، توفي سنة 802.
- و"التقييد والإيضاح".
- و"الأربعين العشارية".
- و"ذيل ميزان الاعتدال"، وثلاثتها للعراقي، توفي سنة 806.
- و"أسد الغابة في معرفة الصحابة" عز الدين بن الأثير أبي الحسن علي بن محمد الجزري 630 هـ
- و"الاستخراج لأحكام الخراج - ابن رجب
- و"البدر المنير في تخريج الأحاديث والأثار الواقعة في الشرح الكبير"
- و"التوضيح في شرح الجامع الصحيح" لابن الملقن
- و"ذيل ميزان الاعتدال" للعراقي
- و"التبصرة والتذكرة" للعراقي
এবং "মিযানুল ইতিদাল"।
- এবং "সিয়ারু আলামিন নুবালা", এবং এই সাতটি গ্রন্থই যাহাবীর, যিনি ৭৪৮ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।
- এবং "ইকমালু তাহযিবিল কামাল"।
- এবং "শারহু সুনানে ইবনে মাজাহ"।
- এবং "শারহু সুনানে আবু দাউদ"।
- এবং ইবনুল জাওযী রচিত "আল-ইক্তিফা ফি তানকিহি কিতাবিদ দুয়াফা"।
- এবং "আল-ইনাবাহ ইলা মারিফাতিল মুখতালাফি ফিহিম মিনাস সাহাবাহ", এবং এই পাঁচটি গ্রন্থই মুগলতাই-এর, যিনি ৭৬২ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।
- এবং ইবনে সুবকী রচিত "তাবাকাতুশ শাফিইয়াতিল কুবরা", যিনি ৭৭১ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।
- এবং "তুহফাতুত তালিব বি-মারিফাতি আহাদিসি মুখতাসার ইবনিল হাজিব"।
- এবং ইবনে কাসীর রচিত "মুসনাদুল ফারূক", যিনি ৭৭৪ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।
- এবং ইবনে রজব রচিত "ফাতহুল বারী", যিনি ৭৯৫ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।
- এবং ইব্রাহিম ইবনে মুসা ইবনে আইয়ুব আল-বুরহান আল-আবনাসী রচিত "আশ-শাযাল ফাইয়াহ মিন উলুমি ইবনিস সালাহ", যিনি ৮০২ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।
- এবং "আত-তাকয়িদ ওয়াল ইদাহ"।
- এবং "আল-আরবাউনুল উশারিয়্যাহ"।
- এবং "যাইলু মিযানিল ইতিদাল", এবং এই তিনটি গ্রন্থই ইরাকীর, যিনি ৮০৬ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।
- এবং ইযযুদ্দীন ইবনুল আসীর আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-জাযারী (মৃত্যু ৬৩০ হিজরী) রচিত "আসাদুল গাবাহ ফি মারিফাতিস সাহাবাহ"।
- এবং ইবনে রজব রচিত "আল-ইসতিখরাজ লি-আহকামিল খারাজ"।
- এবং "আল-বাদরুল মুনীর ফি তাখরিজিল আহাদিসি ওয়াল আসারিল ওয়াকিআতি ফিশ শারহিল কাবীর"।
- এবং ইবনুল মুলাক্কিন রচিত "আত-তাওদিহ ফি শারহিল জামিইস সহীহ"।
- এবং ইরাকী রচিত "যাইলু মিযানিল ইতিদাল"।
- এবং ইরাকী রচিত "আত-তাবসিরাহ ওয়াত তাযকিরাহ"
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
- و"العوالي" لشمس الدين الجزري
- و"توضيح المشتبه في ضبط أسماء الرواة وأنسابهم وألقابهم وكناهم".
- و"التنقيح في حديث التسبيح"، وكلاهما لابن ناصر الدين، توفي سنة 842.
- و"إتحاف المهرة بالفوائد المبتكرة من أطراف العشرة".
- و"الإصابة في تمييز الصحابة".
- و"الأمالي المطلقة".
- و"الإيثار بمعرفة رواة الآثار".
- و"تبصير المنتبه بتحرير المشتبه"
- و"تعجيل المنفعة برجال الأربعة".
- و"تغليق التعليق".
- و"التلخيص الحبير".
- و"تهذيب التهذيب".
- و"فتح الباري بشرح صحيح البخاري".
- و"لسان الميزان".
- و"المطالب العالية بزوائد المسانيد الثمانية".
- و"النكت الظراف على تحفة الأشراف".
- و"نتائج الأفكار في تخريج أحاديث الأذكار".
- و"هدي الساري"، وجميعها لابن حجر، توفي سنة 852.
- শামসুদ্দিন আল-জাযারি রচিত "আল-আওয়ালি"
- এবং "তাওদিহুল মুশতাবিহ ফি দবতি আসমাইল রুওয়াত ওয়া আনসাবিহিম ওয়া আলকাবিহিম ওয়া কুনাহুম"।
- এবং "আত-তানকিহ ফি হাদিসিত তাসবিহ", এই উভয় গ্রন্থই ইবনু নাসিরুদ্দিনের, তিনি ৮৪২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
- এবং "ইতহাফুল মাহারা বিল ফাওয়াইদিল মুবতাকারা মিন আতরাফিল আশারা"।
- এবং "আল-ইসাবাহ ফি তাময়িজিস সাহাবা"।
- এবং "আল-আমালি আল-মুতলাকাহ"।
- এবং "আল-ইসার বি-মা’রিফাতি রুওয়াতিল আসার"।
- এবং "তাবসিরুল মুনতাবিহ বি-তাহরিরিল মুশতাবিহ"
- এবং "তা’জিলুল মানফায়াহ বি-রিজালিল আরবায়াহ"।
- এবং "তাগলিকুত তায়লিক"।
- এবং "আত-তালখিসুল হাবির"।
- এবং "তাহজিবুত তাহজিব"।
- এবং "ফাতহুল বারী বি-শারহি সহিহিল বুখারি"।
- এবং "লিসানুল মিজান"।
- এবং "আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-জাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়াহ"।
- এবং "আন-নুকাতিয জিরাফ আলা তুহফাতিল আশরাফ"।
- এবং "নাতাই জুল আফকার ফি তাখরিজি আহাদিসিল আজকার"।
- এবং "হাদিউস সারি", এই সবগুলোই ইবনু হাজারের গ্রন্থ, যিনি ৮৫২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
3 - وصف النسخ الخطية المعتمدة في التحقيق:اعتمدت في تحقيق الكتاب على أربع نسخ خطية:
النسخة الأولى:
أصلها محفوظ بدار الكتب المصرية
(1)، بمكتبة الشيخ محمد عبده، بالرقم 13/ تاريخ، وتقع في 319 ورقة، في كل ورقة لوحتان، ومسطرة كل لوحة 25 سطرًا، وخطها نسخ واضح، وهي تمثل نصف الكتاب، إذ تقع في مجلدين، الثاني منهما مفقود، والأول يبدأ ببداية الكتاب، وينتهي بنهاية ترجمة أبي عبد الله عبد الرَّحمَن بن عائِذ الأَزدِي بالرقم (3709)، وكتب في آخرها: "آخر المجلد الأول، ويتلوه في الثاني، إن شاء الله: أبو عبد الله عامِر بن عبد الله العنبَرِي التَّمِيمِي". ويقع المجلد الأول في سبع وعشرين جزءًا من أجزاء ناسخه.
وهي نسخة رائعة، متقنة جدًّا، قليلة السقط والخطأ، ولم يعرف ناسخها، ولا زمان نسخها، ولكن جاء في بدايتها: "قرأتُ على أبي بكر أحمد بن علي بن محمد بن منجويه الأصبهاني بنيسابور في شهور سنة أربع عشرة وأربع مئة، قلت له: أخبركم أبو أحمد محمد بن محمد بن أحمد بن إسحاق الحافظ".
ورمزت لها بالرمز (م).
النسخة الثانية:
أصلها محفوظ بالمكتبة الأزهرية
(2)، بالرقم [(138) 9032]، وتقع في 311 ورقة، في كل ورقة لوحتان، ومسطرتها مختلفة في حجم الثمن، وتبدأ بترجمة: "أبي إسحاق إبراهيم بن سليمان بن أبي سرية الأزدي" بالرقم (152)، وتنتهى بانتهاء ترجمة: "أبي عبد الله، ويقال: أبو العلاء كامل بن العلاء" بالرقم (3730)، وتقع في
--------------------------------------------
৩ - তাহকীকে (সম্পাদনায়) ব্যবহৃত পাণ্ডুলিপিগুলোর বিবরণ:কিতাবটির সম্পাদনায় আমি চারটি পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছি:
প্রথম পাণ্ডুলিপি:
এর মূল কপি মিসরের দারুল কুতুব-এ
(১) শায়খ মুহাম্মদ আবদুহ লাইব্রেরিতে ১৩/ইতিহাস নম্বরে সংরক্ষিত রয়েছে। এটি ৩১৯টি পত্রে বিন্যস্ত, প্রতি পত্রে দুটি করে পৃষ্ঠা রয়েছে এবং প্রতি পৃষ্ঠায় ২৫টি করে লাইন রয়েছে। এর লিপি স্পষ্ট 'নাসখ' লিপিতে লিখিত। এটি মূল কিতাবের অর্ধেক অংশকে উপস্থাপন করে; কেননা এটি ছিল দুই খণ্ডে, যার মধ্যে দ্বিতীয় খণ্ডটি নিখোঁজ। প্রথম খণ্ডটি কিতাবের শুরু থেকে শুরু হয়ে ৩৭০৯ নম্বর ক্রমিকে আবু আবদুল্লাহ আবদুর রহমান বিন আইজ আল-আজদী-এর জীবনীর সমাপ্তি পর্যন্ত বিস্তৃত। এর শেষে লেখা রয়েছে: "প্রথম খণ্ড সমাপ্ত, ইনশাআল্লাহ দ্বিতীয় খণ্ডে যা আসছে: আবু আবদুল্লাহ আমির বিন আবদুল্লাহ আল-আনবারী আত-তামিমী"। প্রথম খণ্ডটি লিপিকারের বিন্যাস অনুযায়ী সাতাশটি অংশে বিভক্ত।
এটি একটি চমৎকার ও অত্যন্ত নিখুঁত অনুলিপি, যাতে ভুলভ্রান্তি বা কোনো অংশ বাদ পড়ার হার খুবই সামান্য। এর লিপিকারের নাম বা এটি নকল করার সময়কাল জানা যায়নি। তবে এর শুরুতে উল্লেখ আছে: "আমি আবু বকর আহমদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন মানজুওয়াইহ আল-আসবাহানী-এর নিকট নিশাপুরে চারশ চৌদ্দ হিজরি সালের মাসগুলোতে পাঠ করেছি; আমি তাকে বললাম: আবু আহমদ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইসহাক আল-হাফিজ কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন।"
আমি এর জন্য (ম) প্রতীক ব্যবহার করেছি।
দ্বিতীয় পাণ্ডুলিপি:
এর মূল কপি আল-আজহার লাইব্রেরিতে
(২) [(১৩৮) ৯০৩২] নম্বরে সংরক্ষিত। এটি ৩১১টি পত্রে বিন্যস্ত, প্রতি পত্রে দুটি করে পৃষ্ঠা রয়েছে। এর পৃষ্ঠার আকার ভিন্ন ভিন্ন এবং এটি ১৫২ নম্বর ক্রমিকে 'আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন সুলায়মান বিন আবু সারিয়্যাহ আল-আজদী'-এর জীবনী দিয়ে শুরু হয়েছে এবং ৩৭৩০ নম্বর ক্রমিকে 'আবু আবদুল্লাহ, যাকে আবুল আলা কামিল বিন আল-আলা-ও বলা হয়'—এর জীবনীর সমাপ্তির মাধ্যমে শেষ হয়েছে। এটি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
عدة أجزاء بتجزئة الناسخ، ولا يعرف ناسخها ولا تاريخ نسخها، ولكن جاء في بداية الجزء الرابع بتجزئة ناسخه: "أخبرنا أبو المظفر القاسم بن الفضل بن عبد الواحد الصيدلاني، أخبرنا أبو مسعود سليمان بن إبراهيم الحافظ إجازة، أخبرنا أبو عبد الله الفسوي، أخبرنا أبو أحمد محمد بن محمد بن أحمد بن إسحاق الحافظ".
وجاء في بداية الجزء الخامس: "أخبرنا الشيخ محمد بن أحمد بن أبي الفرج بن ماشاذة، أخبرنا أبو مسعود سليمان بن إبراهيم بن محمد الحافظ إجازة، أخبرنا محمد بن علي بن عبد الملك الفسوي، أخبرنا أبو أحمد الحافظ".
وهي نسخة جيدة، وبها بعض السقط والخطأ، وعلى بعض أجزائها سماعات، وحواش لأبي الفرج الشافعي، وغيره، ولكنها مشوشرة الترتيب من حرف الدال إلى آخرها، وخرم منها عدة أوراق، ولا أدري إن كان ذلك في أصل النسخة الخطية، أم من تصوير المكتبة الأزهرية؟! ورمزت لها بالرمز (ز).
النسخة الثالثة:
وأصلها محفوظ بالمكتبة الأزهرية أيضًا
(1)، بالرقم [(228) 18929]، وتقع في 43 ورقة، في كل ورقة لوحتان، ومسطرتها 21 سطرًا، وخطها معتاد قديم، بخط الحافظ المنذري، رحمه الله، وانتهى من كتابتها في غرة المحرم من سنة أربعين وست مئة، وتبدأ بترجمة: "أبي عبد الله الأنصاري"، الترجمة رقم (4025)، وتنتهي بنهاية حرف العين، وكتب في آخرها: "آخر الجزء الثامن عشر، وهو آخر حرف العين، وبتمامه تم المجلد الثاني من كتاب الأسامي والكنى، يتلوه في المجلد الثالث، إن شاء الله تعالى حرف الغين". وكتب على طرتها: "الجزء الثاني من الأسامي والكنى، جمع الحافظ أبي أحمد محمد بن محمد بن إسحاق، رضي الله عنه".
وبالنسخة خرم في أولها، فلم يتثن لي معرفة راويها عن المصنف، وكذلك بها خرم في ثناياها أشرت إليه في موضعه، ورمزت لها بالرمز (ص).
--------------------------------------------
নকলকারীর বিন্যাস অনুযায়ী এটি বেশ কয়েকটি খণ্ডে বিভক্ত। এর নকলকারী বা নকলের তারিখ জানা যায়নি, তবে নকলকারীর বিন্যাস অনুযায়ী চতুর্থ খণ্ডের শুরুতে এসেছে: "আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মুজাফফর আল-কাসিম বিন আল-ফজল বিন আব্দুল ওয়াহিদ আস-সাইদালানি, আমাদের ইজাযাহ সূত্রে সংবাদ দিয়েছেন আবু মাসউদ সুলাইমান বিন ইবরাহিম আল-হাফিজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-ফাসাওয়ি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমদ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইসহাক আল-হাফিজ।"
পঞ্চম খণ্ডের শুরুতে এসেছে: "আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আবি আল-ফারাজ বিন মাশাযাহ, আমাদের ইজাযাহ সূত্রে সংবাদ দিয়েছেন আবু মাসউদ সুলাইমান বিন ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ আল-হাফিজ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আলি বিন আব্দুল মালিক আল-ফাসাওয়ি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমদ আল-হাফিজ।"
এটি একটি উন্নত মানের পাণ্ডুলিপি, এতে কিছু বিচ্যুতি ও ত্রুটি রয়েছে। এর কিছু অংশে 'সামাআত' (শ্রবণ পাঠ) এবং আবু আল-ফারাজ আশ-শাফেয়ি ও অন্যদের টীকা রয়েছে। তবে 'দাল' বর্ণ থেকে শেষ পর্যন্ত এর বিন্যাস এলোমেলো। এর বেশ কিছু পৃষ্ঠা হারিয়ে গেছে। আমি জানি না এটি মূল পাণ্ডুলিপিতেই ছিল নাকি আজহারিয়া লাইব্রেরির চিত্রায়নের ত্রুটি?! আমি এটিকে (যাই) 'ز' প্রতীক দিয়ে চিহ্নিত করেছি।
তৃতীয় পাণ্ডুলিপি:
এর মূল কপিটিও আজহারিয়া লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত
(১), যার নম্বর [(২২৮) ১৮৯২৯]। এটি ৪৩টি পত্রে বিন্যস্ত, প্রতি পত্রে দুটি করে পৃষ্ঠা রয়েছে এবং এর প্রতিটি পৃষ্ঠায় ২১টি করে লাইন রয়েছে। এর লিপি প্রাচীন ও সাধারণ ধাঁচের, যা হাফিজ আল-মুনজিরি (রহিমাহুল্লাহ)-এর হস্তাক্ষরে লিখিত। তিনি ৬৪০ হিজরি সনের মহররম মাসের শুরুতে এর অনুলিপি শেষ করেন। এটি "আবু আব্দুল্লাহ আল-আনসারি"-এর জীবনী (জীবনী নং ৪০২৫) দিয়ে শুরু হয়েছে এবং 'আইন' বর্ণের শেষে গিয়ে শেষ হয়েছে। এর শেষে লেখা রয়েছে: "আঠারোতম খণ্ডের সমাপ্তি, যা 'আইন' বর্ণের শেষ অংশ। এর মাধ্যমেই 'কিতাবুল আসামি ওয়াল কুনা'-এর দ্বিতীয় খণ্ড সম্পন্ন হলো। ইনশাআল্লাহ তাআলা তৃতীয় খণ্ডে 'গাইন' বর্ণ থেকে শুরু হবে।" এর প্রচ্ছদে লেখা আছে: "হাফিজ আবু আহমদ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইসহাক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) সংকলিত 'আল-াসামি ওয়াল কুনা'-এর দ্বিতীয় খণ্ড।"
পাণ্ডুলিপিটির শুরুতে কিছুটা অংশ বিচ্ছিন্ন রয়েছে, ফলে মূল গ্রন্থকারের থেকে বর্ণনাকারীর পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। একইভাবে এর মাঝখানের বিভিন্ন স্থানেও কিছু বিচ্ছিন্নতা রয়েছে যা আমি যথাস্থানে উল্লেখ করেছি। আমি এটিকে (সদ) 'ص' প্রতীক দিয়ে চিহ্নিত করেছি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
النسخة الرابعة:
وأصلها محفوظ بالمكتبة السليمية بأدرنه بتركيا، بالرقم 6/ 319 A، وتقع في 11 ورقة، في كل ورقة لوحتان، عد الورقة الأولى والأخيرة، فلكل منهما لوحة واحدة، ومسطرتها 35 سطرًا، وخطها قديم، وهي الجزء الثاني بتجزئة الناسخ، وتبدأ بترجمة أبي إسحاق إبراهيم بن محمد بن سعيد الصيدلاني النيسابوري الترجمة رقم (188)، وتنتهي بنهاية ترجمة أبي أحمد القاسم بن الحكم العرني قاضي همذان بالرقم (374).
وهي نسخة نفيسة، كتبت بخط الإمام أبي سعيد محمد بن علي بن عمرو بن مهدي النقاش الأصبهاني، وهو من روايته عن المصنف، رحمهما الله، وعلى النسخة سماعات عدة، أقدمها مؤرخ على طرة النسخة في ذي الحجة من سنة ثلاث عشرة وأربع مئة للفضل بن محمد بن عبد الله الإسكاف، ورمزت لها بالرمز (س).
চতুর্থ সংস্করণ:
এর মূল পাণ্ডুলিপিটি তুরস্কের এদিরনের সালিমিয়া লাইব্রেরিতে ৬/ ৩১৯ এ নম্বরে সংরক্ষিত আছে। এটি ১১টি পত্র সম্বলিত, যার প্রতিটি পত্রে দুটি করে পৃষ্ঠা রয়েছে; তবে প্রথম ও শেষ পত্রটি ব্যতিক্রম, সেগুলোর প্রতিটিতে কেবল একটি করে পৃষ্ঠা রয়েছে। এর প্রতি পৃষ্ঠায় ৩৫টি করে সারি রয়েছে এবং এর লিপি অত্যন্ত প্রাচীন। এটি অনুলিপিকারীর বিভাজন অনুযায়ী দ্বিতীয় খণ্ড। এটি আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আস-সাইদালানি আন-নিসাবুরির জীবনী (জীবনী নম্বর ১৮৮) দিয়ে শুরু হয়েছে এবং হামাদানের বিচারক আবু আহমদ আল-কাসিম ইবনুল হাকাম আল-আরানির জীবনীর (নম্বর ৩৭৪) সমাপ্তির মাধ্যমে শেষ হয়েছে।
এটি একটি অতি মূল্যবান পাণ্ডুলিপি, যা ইমাম আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আমর ইবনে মাহদি আন-নাক্কাশ আল-আসবাহানির হস্তলিপিতে লিখিত। এটি মূল গ্রন্থকারের নিকট থেকে তাঁর বর্ণিত রেওয়ায়েতভুক্ত, আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি রহম করুন। এই পাণ্ডুলিপির ওপর বেশ কয়েকটি শ্রুতি-লিপি (সামাআত) রয়েছে, যার মধ্যে প্রাচীনতমটি পাণ্ডুলিপির প্রচ্ছদ পৃষ্ঠায় ৪১৩ হিজরি সনের জিলহজ মাসে আল-ফজল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-ইসকাফের নামে তারিখযুক্ত। আমি একে (সীন) প্রতীক দ্বারা চিহ্নিত করেছি।
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ٣١)
4 - روايات وأسانيد الكتابومن خلال توصيف النسخ الخطية يتبين لنا أن الكتاب قد وصلتنا منه ثلاث روايات مختلفة عن المصنف، رحمه الله:
الأولى: وهي رواية ابن منجويه الأصبهاني:
وهو
(1): أحمد بن علي بن محمد بن إبراهيم بن منجويه، الحافظ، أبو بكر الأصبهاني اليزدي، نزيل نيسابور.
إمام كبير، وحافظ مشهور، وثقة صدوق.
صنف كتبًا كثيرة.
وروى عن: أبي بكر الإسماعيلي، وإبراهيم بن عبد الله النيسابوري، وابن نجيد، وأبي بكر بن المقرئ، وأبي مسلم عبد الرحمن بن محمد بن شهدل، وأبي عبد الله بن منده، وخلق كثير.
ورحل إلى بخارى، وسمرقند، وهراة، وجرجان، وإلى بلده أصبهان، وإلى الري.
روى عنه: أبو إسماعيل الأنصاري شيخ هراة، وأبو القاسم عبد الرحمن بن مندة، والحسن بن تغلب الشيرازي، وسعيد البقال، وعلي بن أحمد الأخرم المؤذن، وخلق من النيسابوريين كالبيهقي، والمؤذن، والحافظ أبو بكر الخطيب.
قال أبو إسماعيل الأنصاري: أخبرنا أبو بكر أحمد بن علي بن محمد بن إبراهيم الأصبهاني أحفظ من رأيت من البشر.
وقال: رأيت في حضري وسفري حافظًا ونصف حافظ، أما الحافظ فأحمد بن علي، وأما نصف الحافظ فالجارودي.
--------------------------------------------
৪ - গ্রন্থের বর্ণনা পরম্পরা ও সনদসমূহপাণ্ডুলিপিসমূহের বিবরণ থেকে আমাদের নিকট এটি স্পষ্ট হয় যে, গ্রন্থকারের (রাহিমাহুল্লাহ) নিকট থেকে এই কিতাবটি তিনটি ভিন্ন বর্ণনার (রিওয়ায়াত) মাধ্যমে আমাদের কাছে পৌঁছেছে:
প্রথমটি: আর তা হলো ইবন মানজুওয়াইহ আল-আসবাহানীর বর্ণনা:
তিনি হলেন
(১): আহমাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম বিন মানজুওয়াইহ, আল-হাফিয, আবু বকর আল-আসবাহানী আল-ইয়াযদি, যিনি নিশাপুরে বসবাস করতেন।
একজন মহান ইমাম, প্রসিদ্ধ হাফিয এবং বিশ্বস্ত ও সত্যবাদী বর্ণনাকারী।
তিনি অনেক গ্রন্থ রচনা করেছেন।
তিনি বর্ণনা করেছেন: আবু বকর আল-ইসমাঈলী, ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আন-নিশাপুরী, ইবন নুজায়দ, আবু বকর বিন আল-মুকরী, আবু মুসলিম আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন শাহদাল, আবু আব্দুল্লাহ বিন মান্দাহ এবং আরও অনেকের কাছ থেকে।
তিনি বুখারা, সমরকন্দ, হেরাত, জুরজান, নিজ শহর আসবাহান এবং রাই নগরীতে সফর করেছেন।
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: হেরাতের শায়খ আবু ইসমাঈল আল-আনসারী, আবু আল-কাসিম আব্দুর রহমান বিন মান্দাহ, আল-হাসান বিন তাগলিব আশ-শিরাজী, সাঈদ আল-বাক্কাল, আলী বিন আহমাদ আল-আখরাম আল-মুয়াযযিন এবং নিশাপুরের একদল লোক যেমন আল-বায়হাকী, মুয়াযযিন এবং হাফিয আবু বকর আল-খাতীব।
আবু ইসমাঈল আল-আনসারী বলেন: আবু বকর আহমাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহীম আল-আসবাহানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি মানুষের মধ্যে আমার দেখা সর্বশ্রেষ্ঠ হাফিয।
তিনি আরও বলেন: আমি আমার অবস্থানকালে ও সফরে একজন হাফিয এবং একজন অর্ধেক হাফিয দেখেছি। হাফিয হলেন আহমাদ বিন আলী, আর অর্ধেক হাফিয হলেন আল-জারুদী।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
وقال يحيى بن منده: كتب عنده عمنا عبد الرحمن بن منده الإمام كتاب "السنة" له، على كتاب أبي داود السجستاني، وغيره، وكان يثني عليه ثناء كثيرًا، وقال: سمعت منه المسندات الثلاثة للحسن بن سفيان.
توفي يوم الخميس خامس المحرم بنيسابور، وله إحدى وثمانون سنة.
وصنف على البخاري، ومسلم، والترمذي، وأبي داود.
الرواية الثانية:
رواية أبي سعيد محمد بن علي بن عمرو بن مهدي النقاش الأصبهاني توفي سنة أربع عشره وأربع
الرواية الثالثة: رواية أبي عبد الله الفسوي:
وهو
(1): محمد بن علي بن عبد الملك بن عمير، أبو عبد الله، الرؤاسي، الحافظ، الفَسَوي، الفارض:
حدّث عن: أبي أحمد الحاكم، وأبي سليمان أحمد بن محمد بن إبراهيم بن الخطاب الخطابي.
حدث عنه: أبو مسعود سليمان بن إبراهيم الحافظ، وأبو عمرو عثمان بن أبي بكر بن حمود الصدفي السفاقسي، وأبو عبد الله محمد بن عبد الواحد بن محمد بن الحسين بن حمدان الفقيه النيسابوري.
ويرويه عنه: أبي مسعود المِلَنجي:
وهو
(2): سليمان بن إبراهيم بن محمد بن سليمان الحافظ، العالم، المحدّث، المفيد، أبو مسعود، الأصبهاني المِلَنجي.
ولد في رمضان سنة سبع وتسعين وثلاث مئة.
--------------------------------------------
ইয়াহইয়া ইবনে মানদাহ বলেছেন: আমাদের চাচা ইমাম আবদুর রহমান ইবনে মানদাহ আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি এবং অন্যদের কিতাবের আদলে তাঁর কাছে তাঁর "আস-সুন্নাহ" কিতাবটি লিখেছেন, এবং তিনি তাঁর ভূয়সী প্রশংসা করতেন, এবং তিনি বলেছেন: আমি তাঁর থেকে হাসান ইবনে সুফিয়ানের তিনটি মুসনাদ শুনেছি।
তিনি নিসাবুরে মহররম মাসের পাঁচ তারিখ বৃহস্পতিবার ইন্তেকাল করেন এবং তাঁর বয়স হয়েছিল একাশি বছর।
এবং তিনি বুখারি, মুসলিম, তিরমিযি ও আবু দাউদের ওপর গ্রন্থ সংকলন করেছেন।
দ্বিতীয় বর্ণনা:
আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আমর ইবনে মাহদী আন-নাক্কাশ আল-আসফাহানির বর্ণনা, তিনি চারশ চৌদ্দ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন।
তৃতীয় বর্ণনা: আবু আব্দুল্লাহ আল-ফাসাওয়ির বর্ণনা:
তিনি হলেন
(১): মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে উমায়ের, আবু আব্দুল্লাহ, আর-রুআসি, আল-হাফিয, আল-ফাসাওয়ি, আল-ফারিজ:
তিনি হাদিস বর্ণনা করেছেন: আবু আহমদ আল-হাকিম এবং আবু সুলাইমান আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনুল খাত্তাব আল-খাত্তাবি থেকে।
তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন: আবু মাসউদ সুলাইমান ইবনে ইব্রাহিম আল-হাফিয, আবু আমর উসমান ইবনে আবু বকর ইবনে হাম্মুদ আস-সাদাফি আস-সাফাকিউসি এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে হামদান আল-ফকিহ আন-নিসাবুরি।
এবং তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেন আবু মাসউদ আল-মিলানজি:
তিনি হলেন
(২): সুলাইমান ইবনে ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আল-হাফিয, আল-আলিম, আল-মুহাদ্দিস, আল-মুফিদ, আবু মাসউদ, আল-আসফাহানি আল-মিলানজি।
তিনি তিনশ সাতানব্বই হিজরি সনের রমজান মাসে জন্মগ্রহণ করেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ١)
আল-আসামী ওয়াল কুনা - আবু আহমাদ আল-হাকিম - ত আল-আযহারী
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
وسمع: أبا عبد الله محمد بن إبراهيم الجرجاني، وأبا بكر بن مردويه، وأبا سعد أحمد بن محمد الماليني، وأبا سعيد محمد بن علي النقاش، وأبا نعيم، وأبا علي بن شاذان، وأبا بكر البرقاني، وأبا القاسم بن بشران، ونظراءهم.
وكتب الكثير، وجمع وصنّف.
سمع منه أبو نعيم شيخه.
وحدّث عنه: أبو بكر الخطيب، وهو أكبر منه، وإسماعيل بن محمد التيمي، وأحمد بن عمر الغازي، وآخرون.
قال السمعاني: كانت له معرفة بالحديث، جمع الأبواب، وصنف التصانيف، وخرّج على "الصحيحين"، سألت أبا سعد البغدادي عنه، فقال: لا بأس به، ووصفه بالرحلة والجمع، والكثرة، كان يملي علينا، فقام سائل يطلب، فقال سليمان: من شؤم السائل أن يسأل أصحاب المحابر، وسألت إسماعيل الحافظ عنه، فقال: حافظ، وأبوه حافظ.
وقال الذهبي: ضعفه يحيى بن منده، وقَبِلَهُ غيره، مشهور.
وقال ابن حجر: وهو من الحفاظ الأثبات، لا ينبغي أن يلتفت إلى مثل يحيى بن منده فيه، فإن بين الطائفتين أصحاب أبي نعيم وأصحاب أبي عبد الله بن منده إحنا وعداوة ظاهرة.
توفي في ذي القعدة سنة ست وثمانين، وله تسعون عاما غير أشهر.
ويرويه عنه: أبو المطهر الصيدلاني:
وهو
(1): القاسم بن الفضل بن عبد الواحد بن الفضل، الأصبهاني، الصيدلاني، الشيخ الجليل العالم المحدث، مسند أصبهان:
ولد سنة نيّف وسبعين وأربع مئة.
--------------------------------------------
এবং তিনি হাদীস শুনেছেন: আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-জুরজানি, আবু বকর বিন মারদুইয়াহ, আবু সা'দ আহমাদ বিন মুহাম্মদ আল-মালিনি, আবু সাঈদ মুহাম্মদ বিন আলী আন-নাক্কাশ, আবু নুআইম, আবু আলী বিন শাযান, আবু বকর আল-বারকানি, আবুল কাসিম বিন বিশরান এবং তাদের সমপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গের নিকট থেকে।
তিনি প্রচুর হাদীস লিখেছেন এবং তা সংকলন ও গ্রন্থনা করেছেন।
তাঁর নিকট থেকে তাঁর উস্তাদ আবু নুআইম হাদীস শুনেছেন।
তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন: আবু বকর আল-খতিব—যিনি তাঁর চেয়ে বয়সে বড় ছিলেন—এবং ইসমাঈল বিন মুহাম্মদ আত-তাইমি, আহমাদ বিন উমর আল-গাজী ও অন্যান্যরা।
আস-সামআনি বলেন: হাদীস শাস্ত্রে তাঁর গভীর পাণ্ডিত্য ছিল, তিনি বিভিন্ন অধ্যায় সংকলন করেছেন, কিতাবাদি রচনা করেছেন এবং 'সহীহাইন'-এর ওপর ভিত্তি করে 'তাখরিজ' করেছেন। আমি তাঁর সম্পর্কে আবু সা'দ আল-বাগদাদিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তিনি বললেন: তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই (তিনি নির্ভরযোগ্য), এবং তিনি তাঁকে দেশ ভ্রমণ, সংকলন ও প্রাচুর্যের বিশেষণে বিশেষিত করেন। তিনি আমাদের হাদীস লিখিয়ে দিচ্ছিলেন, এমতাবস্থায় একজন সাহায্যপ্রার্থী ভিক্ষা চেয়ে দাঁড়াল। তখন সুলাইমান বললেন: "সাহায্যপ্রার্থীর জন্য এটি দুর্ভাগ্যের বিষয় যে, সে দোয়াতধারীদের (ইলম অন্বেষণকারীদের) কাছে সাহায্য চায়।" আর আমি হাফিয ইসমাঈলকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তিনি বললেন: তিনি একজন হাফিয এবং তাঁর পিতাও হাফিয ছিলেন।
আয-যাহাবি বলেন: ইয়াহইয়া বিন মানদাহ তাঁকে দুর্বল বলেছেন, তবে অন্যরা তাঁকে গ্রহণ করেছেন; তিনি প্রসিদ্ধ।
ইবনে হাজার বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য হাফিযদের অন্তর্ভুক্ত। তাঁর ব্যাপারে ইয়াহইয়া বিন মানদাহর মতো ব্যক্তির মন্তব্যের দিকে ভ্রুক্ষেপ করা উচিত নয়। কেননা এই দুই দল—অর্থাৎ আবু নুআইমের অনুসারী এবং আবু আবদুল্লাহ বিন মানদাহর অনুসারীদের মধ্যে প্রকাশ্য রেষারেষি ও শত্রুতা বিদ্যমান ছিল।
তিনি চারশত ছিয়াশি হিজরির জিলকদ মাসে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর বয়স হয়েছিল কয়েক মাস কম নব্বই বছর।
তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন: আবু আল-মুতাহহির আস-সাইদালানি:
তিনি হলেন
(১): আল-কাসিম বিন আল-ফাদল বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আল-ফাদল, আসবাহানি, আস-সাইদালানি; অত্যন্ত সম্মানিত শায়খ, আলিম, মুহাদ্দিস এবং আসবাহানের প্রধান বর্ণনাকারী (মুসনিদ):
তিনি চারশত সত্তর হিজরির কয়েক বছর পর জন্মগ্রহণ করেন।
--------------------------------------------