(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: -)
أطراف الغرائب والأفراد   (ابن القيسراني محمد بن طاهر المقدسي)

القسم: العلل والسؤلات الحديثية


الكتاب: أطراف الغرائب والأفراد من حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم للإمام الدارقطني

المؤلف: أبو الفضل محمد بن طاهر بن علي بن أحمد المقدسي الشيباني، المعروف بابن القيسراني (ت 507هـ)

المحقق: محمود محمد محمود حسن نصار / السيد يوسف

الناشر: دار الكتب العلمية - بيروت

الطبعة: الأولى، 1419 هـ - 1998م

عدد الأجزاء: 5

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফরাদ   (ইবনুল কাইসারানি মুহাম্মাদ বিন তাহির আল-মাকদিসি)

বিভাগ: হাদিসের ইল্লাত (ত্রুটি) ও প্রশ্নাবলী


গ্রন্থ: ইমাম দারাকুতনি বর্ণিত আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসের আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফরাদ

লেখক: আবুল ফদল মুহাম্মাদ বিন তাহির বিন আলী বিন আহমাদ আল-মাকদিসি আশ-শাইবানি, ইবনুল কাইসারানি নামে পরিচিত (মৃত ৫০৭ হিজরি)

তাহকিক: মাহমুদ মুহাম্মাদ মাহমুদ হাসান নাসসার / আস-সাইয়্যিদ ইউসুফ

প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ - বৈরুত

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৯ হিজরি - ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দ

খণ্ড সংখ্যা: ৫

[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৪৩)
‌‌[مُقَدّمَة الْمُؤلف]

 

الْحَمد لله رب الْعَالمين وصلواته على سيدنَا مُحَمَّد وَآله وَصَحبه أَجْمَعِينَ

أما بعد:

فَإِن أَبَا الْحسن عَليّ بن عمر الْحَافِظ الدَّارَقُطْنِيّ رحمه الله خرج لنَفسِهِ فَوَائِد من الغرائب والأفراد دونت عَنهُ فنقلت وَأجْمع حفاظ عصره على تفوقه فِي علمه وجمعوا هَذَا الْكتاب مِنْهُ سِتّمائَة وَسمعت جمَاعَة من أهل الحَدِيث يذكرُونَ أنَّ عيب هَذَا الْكتاب إِيرَاده على غير تَرْتِيب وَأَنه لَو كَانَ مُرَتبا لعظمت بِهِ الْمَنْفَعَة وعمت وَأَنه لَا يُمكن اسْتِخْرَاج الْفَائِدَة مِنْهُ إِلَّا بعد مشقة وتعب.

فافتح كِتَابه بِحَدِيث لعَائِشَة رضي الله عنها أخبرناه أَبُو مُحَمَّد عبد الله بن مُحَمَّد بن عمر الْخَطِيب الصريفيني ( … . .) قَالَ: حَدثنَا أَبُو عبد الله مُحَمَّد بن عبد الْعَزِيز الْفَارِسِي الْفراء قَالَ: حَدثنَا أَبُو مُحَمَّد عبد الرَّحْمَن بن أَحْمد بن مُحَمَّد بن أبي شُرَيْح الْفَقِيه الْأنْصَارِيّ.

(ح) وأخبرناه أَبُو مُحَمَّد عبد الله بن الْحسن بن مُحَمَّد الْحسن الْخلال قَالَ: حَدثنَا أَبُو حَفْص عمر بن إِبْرَاهِيم الْمُقْرِئ الْكِنَانِي قَالَ وَأخْبرنَا أَبُو الْقَاسِم عبد الله بن مُحَمَّد بن عبد الْعَزِيز الْبَغَوِيّ قَالَ حَدثنَا عَليّ بن الْجَعْد قَالَ حَدثنَا سُفْيَان الثَّوْريّ عَن عَليّ بن الْأَقْمَر عَن أبي حُذَيْفَة عَن عَائِشَة قَالَت:

حكيت إنْسَانا فَقَالَ النَّبِي: ((مَا أحب أَنِّي حكيت إنْسَانا وَإِن لي كَذَا وَكَذَا وَكَلَامه عَلَيْهِ / وَيكون برحمته إِن شَاءَ الله تعالي.

ثمَّ أتبعه بِحَدِيث عمار بن يَاسر وعَلى من عهد السباق وَمِائَة جُزْء من أَجْزَائِهِ وَلما دخلت بَغْدَاد فِي أول رحلتي إِلَيْهَا وَذَلِكَ فِي سنة سبع وَسِتِّينَ وَأَرْبَعمِائَة كنت مَعَ جمَاعَة من طلاب الحَدِيث فِي بعض الْمَسَاجِد نَنْتَظِر شَيخنَا فَوقف علينا أَبُو الْحسن أَحْمد بن الْحسن الْمقري وَكيل الْقُضَاة بِبَغْدَاد فَقَالَ:
[লেখকের ভূমিকা]

 

সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং তাঁর সালাত ও রহমত বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মদ, তাঁর পরিবার ও তাঁর সকল সঙ্গীদের ওপর।

অতঃপর:

নিশ্চয়ই আবুল হাসান আলী ইবনে ওমর আল-হাফিজ আদ-দারাকুতনী (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) নিজের জন্য বিরল ও একক বর্ণনাসমূহ থেকে কিছু সংকলন চয়ন করেছিলেন যা তাঁর থেকে লিপিবদ্ধ ও বর্ণিত হয়েছে। তাঁর যুগের হাফিজগণ তাঁর ইলমি শ্রেষ্ঠত্বের বিষয়ে একমত পোষণ করেছেন এবং তাঁরা তাঁর থেকে ছয়শ’ অংশ বিশিষ্ট এই গ্রন্থটি সংকলন করেছেন। আমি একদল হাদীস বিশারদকে উল্লেখ করতে শুনেছি যে, এই গ্রন্থের ত্রুটি হলো এটি বিন্যস্তভাবে সাজানো হয়নি। যদি এটি সুবিন্যস্ত হতো তবে এর উপকারিতা অনেক মহান ও ব্যাপক হতো এবং অনেক পরিশ্রম ও কষ্ট ছাড়া এটি থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য বের করা সম্ভব হতো না।

সুতরাং তিনি তাঁর কিতাবটি আয়িশাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর একটি হাদীসের মাধ্যমে শুরু করেছেন। যা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ওমর আল-খতিব আস-সারিফিনি ( … . .), তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-ফারিসি আল-ফাররা, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুর রহমান ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবু শুরাইহ আল-ফকিহ আল-আনসারী।

(হ) এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ আল-হাসান আল-খাল্লাল, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু হাফস ওমর ইবনে ইব্রাহিম আল-মুকরি আল-কিনানী, তিনি বলেছেন এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাউয়ি, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলী ইবনুল জাদ, তিনি বলেছেন: আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুফিয়ান আস-সাওরি, আলী ইবনুল আকমার থেকে, তিনি আবু হুজাইফা থেকে, তিনি আয়িশাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমি এক ব্যক্তির নকল (ব্যঙ্গাত্মক অনুকরণ) করলাম, তখন নবী বললেন: "আমি পছন্দ করি না যে আমি কারো নকল করি, যদিও বিনিময়ে আমাকে অমুক অমুক জিনিস দেওয়া হয়।" এবং এর ওপর তাঁর মন্তব্য রয়েছে / এবং ইনশাআল্লাহ তাআলা আল্লাহর রহমতে এটি হবে।

অতঃপর তিনি আম্মার ইবনে ইয়াসিরের হাদীস এবং অগ্রগামীদের যুগ থেকে একশ’ অংশের অনুগামী হলেন। যখন আমি আমার প্রথম সফরে বাগদাদে প্রবেশ করলাম—আর সেটি ছিল চারশ সাতষট্টি হিজরি সালে—তখন আমি একদল হাদীসের ছাত্রের সাথে কোনো এক মসজিদে আমাদের শাইখের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। এমতাবস্থায় বাগদাদের বিচারকদের প্রতিনিধি আবু হাসান আহমদ ইবনে হাসান আল-মুকরি আমাদের নিকট এসে দাঁড়ালেন এবং বললেন:
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৪৪)
يَا أَصْحَاب الحَدِيث اسمعوا مَا أَقُول لكم فأنصتنا إِلَيْهِ فَقَالَ:

((كتاب الدَّارَقُطْنِيّ فِي الأَفراد)) غير مُرتب فَمن قدر مِنْكُم على ترتيبه أَفَادَ واستفاد.

فَوَقع إِذْ ذَاك فِي نَفسِي ترتيبه إِلَى أَن تسهّل الله عز وجل ذَلِك فِي سنة خَمْسمِائَة فحصلت نسخه بِخَط أبي الْحسن عَليّ بن مُحَمَّد الميداني الْحَافِظ نقلهَا فِي خطّ الدَّارَقُطْنِيّ وقابلها بِهِ فاستخرت الله عز وجل ورتبته على تَرْتِيب الْأَطْرَاف ليَكُون فَائِدَة لكل من عرض لَهُ حَدِيث أَرَادَ مَعْرفَته فَإِن أَصْحَابنَا قَدِيما وحديثا استدلوا على معرفَة الصَّحِيح بِمَا صنعه أَبُو مَسْعُود الدِّمَشْقِي رحمه الله وَغَيره من أَطْرَاف الصَّحِيحَيْنِ فاهتدوا بذلك إِلَى مَعْرفَته من غير مشقة وتعب.

وَأما الْغَرِيب والأفراد فَلَا يُمكن الْكَلَام عَلَيْهَا لكل أحد من النَّاس إِلَّا من برع فِي صَنْعَة الحَدِيث فَمن جمع بَين هذَيْن الْكِتَابَيْنِ أمكنه الْكَلَام على أَكثر الصَّحِيح والغريب والأفراد ثمَّ إِنَّا ذاكرون بعون الله أَمَام هَذَا الْكتاب نُبَذَا تدل على اسْتِحْقَاقه للاقتداء بِهِ والاعتماد / على قَوْله فَإنَّا رَأَيْنَاهُ استدرك على أبي بكر دَاوُد قَوْله على حَدِيث عبد الله بن وهب عَن عَمْرو بن الْحَارِث عَن عبد الرَّحْمَن بن الْقَاسِم عَن أَبِيه عَن ابْن عمر عَن رَسُول الله قَالَ:

((صَلَاة اللَّيْل مثنى مثنى)) .

قَالَ: إِن أبي دَاوُد لم يروه عَن ابْن وهب إِلَّا أَحْمد بن صَالح الْمقري.

قَالَ الدَّارَقُطْنِيّ مستدركاً عَلَيْهِ:

قد يُتَابِعه عِيسَى بن إِبْرَاهِيم الغافقي فَرَوَاهُ عَن ابْن وهب.

فَعلمنَا أَن فِيمَا خرّجه من الْأَحَادِيث إِنَّمَا تكلم على توثيقه واحتاط.

سَمِعت أَبَا الْحُسَيْن يحيى بن الْحُسَيْن الْعلوِي الْحُسَيْنِي بِالريِّ يَقُول: سَمِعت أَبَا عبد الله مُحَمَّد بن عبد الله الصُّورِي الْحَافِظ يَقُول: سَمِعت أَبَا مُحَمَّد عبد الْغَنِيّ بن سعيد الْحَافِظ الْمصْرِيّ يَقُول
হে হাদিস বিশারদগণ! আমি তোমাদের যা বলি তা শোনো। তখন আমরা তাঁর দিকে মনোযোগ দিলাম, তিনি বললেন:

আদ-দারা কুতনীর 'আল-আফরাদ' গ্রন্থটি বিন্যস্ত নয়। তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি এটি বিন্যস্ত করার সামর্থ্য রাখে, সে উপকৃত হবে এবং অন্যকেও উপকৃত করবে।

তখন আমার মনে এটি বিন্যস্ত করার আকাঙ্ক্ষা জাগল, যতক্ষণ না আল্লাহ মহান ও মহিমান্বিত তা সহজ করে দিলেন পাঁচশ হিজরি সালে। আমি হাফেজ আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-মায়দানীর হস্তলিখিত একটি পাণ্ডুলিপি পেলাম, যা তিনি আদ-দারা কুতনীর হস্তলিপি থেকে নকল করেছিলেন এবং তাঁর সাথে মিলিয়ে নিয়েছিলেন। অতঃপর আমি আল্লাহর কাছে ইস্তিখারা করলাম এবং একে 'আতরাফ' (মূল অংশসমূহ) পদ্ধতিতে বিন্যস্ত করলাম, যাতে এটি প্রত্যেকের জন্য উপকারী হয় যার সামনে কোনো হাদিস আসে এবং সে তা সম্পর্কে জানতে চায়। কেননা আমাদের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আলেমগণ সহিহ হাদিস চেনার ক্ষেত্রে আবু মাসউদ আদ-দিমাশকী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) এবং অন্যদের প্রণীত 'আতরাফ আস-সহিহাইন' এর মাধ্যমে প্রমাণ গ্রহণ করেছেন। ফলে তারা কোনো প্রকার কষ্ট ও ক্লান্তি ছাড়াই তা চেনার দিশা পেয়েছেন।

আর 'গারিব' ও 'আফরাদ' হাদিসসমূহের ব্যাপারে কথা বলা সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়, কেবল হাদিস শাস্ত্রে পারদর্শী ব্যক্তি ব্যতীত। সুতরাং যে ব্যক্তি এই দুটি কিতাবকে একত্রিত করবে, তার পক্ষে অধিকাংশ সহিহ, গারিব ও আফরাদ হাদিস নিয়ে আলোচনা করা সম্ভব হবে। অতঃপর আমরা আল্লাহর সাহায্যে এই কিতাবের শুরুতে এমন কিছু সারাংশ উল্লেখ করব যা তাঁর অনুসরণ এবং তাঁর কথার ওপর নির্ভর করার যোগ্যতাকে প্রমাণ করে। কেননা আমরা দেখেছি যে, তিনি আবু বকর দাউদের একটি বক্তব্যের ওপর সংশোধনমূলক সমালোচনা করেছেন; যা আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব থেকে, তিনি আমর ইবনুল হারিস থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনুল কাসিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইবনে ওমর থেকে এবং তিনি আল্লাহর রাসূল থেকে বর্ণিত হাদিস সম্পর্কে। আল্লাহর রাসূল বলেছেন:

"রাতের সালাত দুই রাকাত দুই রাকাত।"

তিনি (আবু বকর দাউদ) বলেছেন: ইবনে ওয়াহাব থেকে আহমাদ ইবনে সালেহ আল-মুকরি ছাড়া আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি।

আদ-দারা কুতনী এর প্রতিবাদে বলেন:

ঈসা ইবনে ইব্রাহিম আল-গাফেকীও এটি ইবনে ওয়াহাব থেকে বর্ণনা করেছেন।

এর মাধ্যমে আমরা জানতে পারলাম যে, তিনি যেসব হাদিস চয়ন করেছেন সেগুলোর নির্ভরযোগ্যতার ব্যাপারে তিনি আলোচনা করেছেন এবং পূর্ণ সতর্কতা অবলম্বন করেছেন।

আমি রাই নগরে আবুল হোসেন ইয়াহইয়া ইবনুল হোসেন আল-আলাভি আল-হুসাইনিকে বলতে শুনেছি: আমি হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সুরিকে বলতে শুনেছি: আমি মিশরের হাফেজ আবু মুহাম্মদ আব্দুল গনি ইবনে সাঈদকে বলতে শুনেছি...
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৪৫)
أحسن النَّاس كلَاما على حَدِيث رَسُول الله ثَلَاثَة: عَليّ بن الْمَدِينِيّ فِي زَمَانه. ومُوسَى بن هَارُون فِي زَمَانه. وَعلي بن عمر فِي زَمَانه.

وَكَانَ رحمه الله فِي زَمَانه بِمَنْزِلَة يحيى بن معِين فِي زَمَانه.

أَخذ عَنهُ حفاظ عصره معرفَة الحَدِيث وسألوه عَن الرِّجَال ودونوا ذَلِك عَنهُ فَمِمَّنْ دون كَلَامه فِي الرِّجَال وَسَأَلَهُ عَنْهُم من الْحفاظ: الْحَاكِم أَبُو عبد الله مُحَمَّد بن عبد الله النَّيْسَابُورِي وَأَبُو بكر البرقاني. وَأَبُو عبد الرَّحْمَن السّلمِيّ. وَحَمْزَة بن يُوسُف الْجِرْجَانِيّ. وَأَبُو نعيم الْأَصْبَهَانِيّ وَهَؤُلَاء من الغرباء.

وَأما أهل بَلَده فَلَا نعلم أحدا أَخذ / هَذَا الْعلم إِلَّا عَنهُ.

وَكَانَ عبد الغني بن سعيد الْحَافِظ يَقُول فِي تصانيفه مستدلاً:

قَالَ لي ذَلِك شَيخنَا عَليّ بن عمر. وَسمعت عَليّ بن عمر يَقُول ذَلِك.

وَرَأَيْت على النُّسْخَة بِخَط الميداني:

هَذَا إِنَّمَا ( … . .) جمَاعَة مِمَّن سمع هَذَا الْكتاب من الدَّارَقُطْنِيّ مِنْهُم:

أَبُو الْفَتْح بن أبي الفوارس. وَأَبُو بكر الْبَقَّال وَغَيرهمَا من حفاظ بَغْدَاد.

وَمن الغرباء:

الْحَاكِم أَبُو عبد الله. وَأَبُو سعيد الْإِسْمَاعِيلِيّ ابْن الإِمَام أبي بكر وَكَانَ رَحل بأولاده إِلَيْهِ. وَأَبُو مَسْعُود الدِّمَشْقِي صَاحب الثَّعْلَبِيّ وَأَبُو عبد الرَّحْمَن السّلمِيّ.

أخبرنَا أَبُو مُحَمَّد عبد الله بن يُوسُف الْجِرْجَانِيّ قَالَ أخبرنَا أَبُو بكر أَحْمد بن الْحُسَيْن الْبَيْهَقِيّ قَالَ: أخبرنَا الْحَاكِم أَبُو عبد الله، الْحَافِظ …

وقرأت على أبي بكر بن عَليّ الأديب بنيسابور أخْبركُم الْحَاكِم إجَازَة قَالَ:

ذكر أسامي مَشَايِخ من أهل الْعرَاق خَفِي على أَحْوَالهم فِي الْجرْح وَالتَّعْدِيل علقت أساميهم وعرضته على شَيخنَا أبي الْحسن عَليّ بن عمر الدَّارَقُطْنِيّ الْحَافِظ رحمه الله فعلق بِخَطِّهِ أساميهم مَا صَحَّ من أَحْوَالهم ثمَّ سَأَلته فشافهني بهَا.

وَهَذِه السؤالات عندنَا فِي جُزْء ضخم.

وَأخْبرنَا الْفضل بن أبي حَرْب الْجِرْجَانِيّ قَالَ أخبرنَا أَبُو عبد الرَّحْمَن مُحَمَّد بن الْحُسَيْن السُلمي فِيمَا أذن لنا فِي رِوَايَته عَنهُ قَالَ: سَمِعت أَبَا الْحسن عَليّ بن عمر الْحَافِظ وَسَأَلَهُ عَن: الْهَيْثَم بن خلف الدوري فَقَالَ: ثِقَة.

/ وَهَذِه السؤالات عندنَا أَيْضا فِي جُزْء ضخم فِي جَمِيع السؤالات 4 / أ
রাসূলুল্লাহর হাদীসের বিষয়ে মানুষের মাঝে সবচেয়ে সুন্দর আলোচনা করেছেন তিনজন: আপন যুগে আলী ইবনুল মাদীনী, আপন যুগে মূসা ইবনে হারুন এবং আপন যুগে আলী ইবনে উমর।

তিনি (রহিমাহুল্লাহ) আপন যুগে ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনের সমমর্যাদাপূর্ণ ছিলেন।

তাঁর সময়ের হাফিযগণ তাঁর কাছ থেকে হাদীস শাস্ত্রের জ্ঞান অর্জন করেছেন এবং তাঁরা তাঁকে রাবীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছেন এবং তা তাঁর থেকে লিপিবদ্ধ করেছেন। হাফিযদের মধ্যে যারা রাবীদের সম্পর্কে তাঁর আলোচনা লিপিবদ্ধ করেছেন এবং তাঁদের সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছেন তাঁরা হলেন: আল-হাকিম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আন-নাইসাবুরী, আবু বকর আল-বারকানী, আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামী, হামযাহ ইবনে ইউসুফ আল-জিরজানী এবং আবু নুয়াইম আল-আসফাহানী। এঁরা ছিলেন বহিরাগতদের মধ্যে।

আর তাঁর শহরের অধিবাসীদের সম্পর্কে আমরা জানি না যে কেউ এই ইলম অর্জন করেছে কেবল তাঁর মাধ্যম ছাড়া।

হাফিয আব্দুল গনি ইবনে সাঈদ তাঁর সংকলনসমূহে দলিল হিসেবে বলতেন:

আমাদের শাইখ আলী ইবনে উমর আমাকে এমনটি বলেছেন; এবং আমি আলী ইবনে উমরকে এমনটি বলতে শুনেছি।

এবং আমি পাণ্ডুলিপিতে আল-মাইদানীর হস্তাক্ষরে দেখেছি:

এটি নিশ্চয়ই ( … . .) যারা আদ-দারা কুতনী থেকে এই কিতাব শ্রবণ করেছেন এমন এক জামাত থেকে বর্ণিত, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন:

আবুল ফাতহ ইবনে আবিল ফাওয়ারিস, আবু বকর আল-বাক্কাল এবং বাগদাদের অন্যান্য হাফিযগণ।

এবং বহিরাগতদের মধ্যে:

আল-হাকিম আবু আব্দুল্লাহ, ইমাম আবু বকরের পুত্র আবু সাঈদ আল-ইসমাঈলী—যিনি তাঁর সন্তানদের নিয়ে তাঁর কাছে সফর করেছিলেন, আবু মাসউদ আদ-দিমাশকী যিনি আস-সালাবীর সাথী এবং আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামী।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ আল-জিরজানী, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনুল হুসাইন আল-বাইহাকী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাকিম আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিয …

এবং আমি নাইসাবুরে আবু বকর ইবনে আলী আল-আদীব-এর নিকট পাঠ করেছি, তিনি আপনাদের আল-হাকিম থেকে ইজাজতসূত্রে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন:

আমি ইরাকের এমন কিছু শাইখদের নাম উল্লেখ করেছি যাদের জারহ এবং তাদীল (দোষ-গুণ বিচার) সংক্রান্ত অবস্থা আমার কাছে অস্পষ্ট ছিল। আমি তাদের নামগুলো লিখে নিয়েছি এবং তা আমাদের শাইখ আবুল হাসান আলী ইবনে উমর আদ-দারা কুতনী আল-হাফিয (রহিমাহুল্লাহ)-এর নিকট পেশ করেছি। অতঃপর তিনি নিজ হস্তাক্ষরে তাদের অবস্থা সম্পর্কে যা সহীহ তা লিখে দিয়েছেন, এরপর আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি মৌখিকভাবে আমাকে তা জানিয়েছেন।

এই প্রশ্নমালাগুলো আমাদের নিকট একটি বৃহৎ খণ্ডে সংরক্ষিত আছে।

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-ফাদল ইবনে আবি হারব আল-জিরজানী, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুর রহমান মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন আস-সুলামী যা তিনি আমাদের নিকট বর্ণনা করার অনুমতি দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবুল হাসান আলী ইবনে উমর আল-হাফিযকে বলতে শুনেছি যখন তাঁকে হাইসাম ইবনে খালাফ আদ-দাওরী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেছিলেন: নির্ভরযোগ্য।

এবং এই প্রশ্নমালাগুলো আমাদের নিকট সকল প্রশ্নমালার অন্তর্ভুক্ত একটি বৃহৎ খণ্ডে রয়েছে ৪ / অ।
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৪৬)
( … .) .

وَأخْبرنَا أَبُو الْهَيْثَم إِسْمَاعِيل بن سعيد الْجِرْجَانِيّ قَالَ أخبرنَا أَبُو الْقَاسِم حَمْزَة بن يُوسُف السَّهْمِي الْحَافِظ قَالَ فِي مُقَدّمَة سؤالاته:

سَأَلت أَبَا الْحسن الدَّارَقُطْنِيّ قلت لَهُ:

إِذا قلت لفُلَان لين أيش تُرِيدُ بِهِ؟ .

قَالَ: لَا يكون سَاقِطا مَتْرُوك الحَدِيث وَلَكِن يكون مجروحاً بِشَيْء لَا يسْقط عَن الْعَدَالَة.

وَسَأَلته عَن من يكون كثير الْخَطَأ؟ .

فَقَالَ: إِن ينبهوه عَلَيْهِ وَيرجع عَنهُ فَلَا يسْقط وَإِن لم يرجع سقط.

وَأخْبرنَا أَحْمد بن الْحُسَيْن الْبَزَّاز بِبَغْدَاد قَالَ أخبرنَا أَبُو بكر البرقاني الْحَافِظ يَقُول: [سَمِعت] أَبَا الْحسن عَليّ بن عمر الدَّارَقُطْنِيّ يَقُول: عِكْرِمَة بن عمار عالي وثقة.

وَله عَنهُ سُؤَالَات فِي جُزْء ضخم.

وقرأت بِخَط أبي بكر أَحْمد بن مُحَمَّد بن أَحْمد بن (عَاتٍ) البرقاني الْحَافِظ رحمه الله: سَمِعت أَبَا مُحَمَّد عبد الْغَنِيّ رحمه الله وَقد جرى ذكر أبي الْحسن بن عقدَة فَقَالَ:

كَانَ حَمْزَة الْكِنَانِي يحدث عَنهُ وَيحسن القَوْل فِيهِ.

ثمَّ قَالَ عبد الْغَنِيّ: سَأَلت عَنهُ الدَّارَقُطْنِيّ فَقَالَ: من يحدث فَلَا يحفظ حَدِيثه وَأَبُو الْعَبَّاس كتاب يحفظ الْكثير وَيبعد أَن يكون كَاذِبًا ثمَّ قَالَ: غير أَنه عمل كِتَابه على كتاب البُخَارِيّ فِي الصَّحِيح وروى عَنهُ كل حَدِيث أخرجه البُخَارِيّ عَن سُفْيَان رب بعد إِذْ أضَاف مخرجه على أبي الْعَبَّاس أخرجه عَن رجل يُسَمِّيه / يُونُس بن يزِيد وَهَذَا يُونُس لَا يعرف فِي الدُّنْيَا وَلَا يدر من هُوَ وَمَعَ هَذَا فَمَا فِي هَذِه الْكتب خير وَأفضل من كتاب مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل البُخَارِيّ رحمه الله.

وَأخْبرنَا يحيى بن الْحُسَيْن الْبَغَوِيّ قَالَ أخبرنَا أَبُو بكر أَحْمد بن على الْحَافِظ قَالَ سَأَلت أَبَا نعيم - يَعْنِي أَحْمد بن عبد الله الْأَصْبَهَانِيّ عَن أبي بَحر مُحَمَّد بن الْحسن بن كوثر البربهاري فَقَالَ: كَانَ الدَّارَقُطْنِيّ يَقُول لنا.

اقتصروا من حَدِيث أبي بَحر على مَا أحفظ فَقَط عَنْهُم وَهَؤُلَاء أَئِمَّة الحَدِيث فِي الْآفَاق كل من أَخذ عَنهُ علم الحَدِيث وَاقْتَدوا بِهِ.

وَلما صنف أَبُو عبد الله الْحَاكِم كِتَابه المرسوم ((بِذكر أَئِمَّة الأقطار المزكيين
(... .) .

আবু হাইসাম ইসমাইল বিন সাঈদ আল-জুরজানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: হাফেজ আবুল কাসিম হামজা বিন ইউসুফ আস-সাহমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি তার জিজ্ঞাসাবলীর (সুয়ালাত) ভূমিকার মধ্যে বলেছেন:

আমি আবুল হাসান আদ-দারাকুতনিকে জিজ্ঞাসা করলাম, আমি তাকে বললাম:

যখন আপনি কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে ‘লায়্যিন’ (শিথিল) বলেন, তখন তা দ্বারা আপনি কী উদ্দেশ্য নেন? .

তিনি বললেন: সে ব্যক্তি হাদিস বর্ণনায় পুরোপুরি পরিত্যক্ত বা মাতরুক নয়, তবে সে এমন কিছু বিষয়ের কারণে সমালোচিত যা তাকে ন্যায়পরায়ণতার (আদালাত) মর্যাদা থেকে বিচ্যুত করে না।

আমি তাকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে অধিক ভুল করে? .

তিনি বললেন: যদি তাকে ভুলের বিষয়ে সতর্ক করা হয় এবং সে তা থেকে ফিরে আসে, তবে সে (যোগ্যতা থেকে) বিচ্যুত হবে না; আর যদি ফিরে না আসে, তবে সে বিচ্যুত হয়ে পড়বে।

বাগদাদে আহমদ বিন আল-হুসাইন আল-বাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: হাফেজ আবু বকর আল-বারকানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: [আমি শুনেছি] আবুল হাসান আলী বিন উমর আদ-দারাকুতনি বলতেন: ইকরিমাহ বিন আম্মার উচ্চমর্যাদাবান এবং নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)।

তার (বারকানি) নিকট আদ-দারাকুতনি থেকে বর্ণিত একটি বিশাল খণ্ডের জিজ্ঞাসাবলী রয়েছে।

আমি হাফেজ আবু বকর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন (আতি) আল-বারকানি (রহিমাহুল্লাহ)-এর হস্তলিপিতে পড়েছি: আমি আবু মুহাম্মদ আব্দুল গনি (রহিমাহুল্লাহ)-কে বলতে শুনেছি—সে সময় আবুল হাসান বিন উকদাহর প্রসঙ্গ আলোচিত হচ্ছিল—তখন তিনি বললেন:

হামজা আল-কিনানি তার থেকে হাদিস বর্ণনা করতেন এবং তার সম্পর্কে উত্তম মন্তব্য করতেন।

অতঃপর আব্দুল গনি বললেন: আমি ইবনে উকদাহ সম্পর্কে আদ-দারাকুতনিকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন: যে ব্যক্তি হাদিস বর্ণনা করে অথচ তার হাদিস মুখস্থ রাখে না (সে নির্ভরযোগ্য নয়), আর আবুল আব্বাস অনেক গ্রন্থ মুখস্থ রাখতেন এবং তার পক্ষে মিথ্যা বলা সুদূরপরাহত। অতঃপর তিনি বললেন: তবে তিনি তার কিতাবটি ইমাম বুখারির সহিহ গ্রন্থের আদলে সংকলন করেছেন এবং বুখারি সুফিয়ান থেকে যে সকল হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি তার সবগুলোই বর্ণনা করেছেন। প্রায়ই দেখা যায় যখন তিনি এর উৎস আবুল আব্বাসের দিকে সম্বন্ধ করেন, তখন তিনি তা ইউনুস বিন ইয়াজিদ নামক এক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেন। অথচ এই ইউনুস দুনিয়াতে পরিচিত নন এবং তিনি কে তাও জানা যায় না। এতদসত্ত্বেও মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-বুখারি (রহিমাহুল্লাহ)-এর কিতাবের চেয়ে উত্তম ও শ্রেষ্ঠ আর কোনো কিতাব এই গ্রন্থসমূহের মধ্যে নেই।

ইয়াহইয়া বিন আল-হুসাইন আল-বাগাওয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: হাফেজ আবু বকর আহমদ বিন আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেছেন: আমি আবু নুয়াইমকে—অর্থাৎ আহমদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আসফাহানিকে—আবু বাহর মুহাম্মদ বিন আল-হাসান bin কাওসার আল-বারবাহারি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: আদ-দারাকুতনি আমাদের বলতেন:

তোমরা আবু বাহরের হাদিসের ক্ষেত্রে কেবল সেই বর্ণনাগুলোর ওপর সীমাবদ্ধ থাকো যা আমি তাদের থেকে সংরক্ষণ করেছি। আর তারা হলেন বিভিন্ন অঞ্চলের হাদিসের ইমাম, যাদের থেকে হাদিস শাস্ত্র গ্রহণ করা হয়েছে এবং যাদের অনুসরণ করা হয়েছে।

যখন আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম তার ‘যিকরুল আইম্মাতিল আকতারিল মুযাক্কিয়্যিন’ (বিভিন্ন অঞ্চলের সত্যায়নকারী ইমামদের বর্ণনা) নামক কিতাবটি সংকলন করলেন—
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৪৭)
لرواة الْآثَار)) ذكر فِيهِ فِي كل عصر أَرْبَعَة مِمَّن يسْتَحق أَن يكون يُزكي إِلَى أَن انْتهى إِلَى الطَّبَقَة الْحَادِيَة عشر فَذكر فِيهَا أَرْبَعَة:

أَبُو الْحُسَيْن مُحَمَّد بن مُحَمَّد بن يَعْقُوب الْحَجَّاجِي. وَأَبُو الْحسن عَليّ بن عمر الدَّارَقُطْنِيّ. وَأَبُو عَليّ الْحُسَيْن الماسرجسي. وَأَبُو عبد الله مُحَمَّد بن الْعَبَّاس الضَّبِّيّ الْهَرَوِيّ.

ولعمري لِأَن كَانَ أنصف بِذكرِهِ عَليّ بن عمر فِي هَذِه الدرجَة أَنه تعصب لمشايخه فَذكر ثَلَاثَة وَإِن كَانُوا أجلاء معروفين إِلَّا أَن غَيرهم أولى بِهَذِهِ الْمرتبَة مِنْهُم إِذْ لَا خلاف نجده أَن أَبَا أَحْمد عبد الله بن عدي الْجِرْجَانِيّ إِمَام هَذَا النَّوْع أَعنِي الْجرْح وَالتَّعْدِيل / وَإِلَى كِتَابه الْمرجع فِي هَذَا الشَّأْن لم يذكرهُ وَلَا خَفِي عَلَيْهِ أَيْضا 5 / أمنزلة أبي حَاتِم بن حبَان البُستي وتحقيقه فِي الْجرْح وَالتَّعْدِيل. وَمن نظر فِي كِتَابَيْهِمَا عرف أَنه لم ينصفهما بِتَرْكِهِ ذكرهمَا. وَيذكر ثَلَاثَة تخفي معرفتهم على كثير من الْمُحدثين.

وَثمّ عَجب من الْحَاكِم تعصُبه عَفا الله عَنَّا وَعنهُ فَإِن الْحَاكِم فِيمَا أخبرنَا بِهِ عَنهُ بِحَق إِجَازَته مِنْهُ أَبُو بكر أَحْمد بن عَليّ الأديب فِي هَذَا الْكتاب ذكر الإِمَام الثَّانِي للطبقة الْحَادِي عشرَة من رُواة الْآثَار وَمَعْرِفَة الحَدِيث وَحفظه وَعلله وعدالة الروَاة وجرحهم أَبُو الْحسن عَليّ بن عمر الْحَافِظ الدَّارَقُطْنِيّ رضي الله عنه صَار وَاحِد عصره فِي الْحِفْظ والفهم والورع وإماماً فِي الْقُرَّاء والنحويين أول مَا دخلت بَغْدَاد كَانَ يحضر الْمجَالِس وسِنه دون الثَّلَاثِينَ وَكَانَ أحد الْحفاظ ثمَّ صَحِبنَا فِي رحلتي الثَّانِيَة وَقد زَاد على مَا كنت شاهدته فحج شَيخنَا أَبُو عبد الله بن أبي ذُهل سنة ثَلَاث وَخمسين وَانْصَرف فَكَانَ نصف حفظه وتفرده بالتقدم حَتَّى استكثرته فِي وَصفه إِلَى أَن حججْت سنة تسع وَسِتِّينَ.

فَانْصَرَفت إِلَى بَغْدَاد فأقمت بهَا زِيَارَة على أَرْبَعَة أشهر وَكثر اجتماعنا بالليالي فصادفته فَوق مَا كَانَ وصف الشَّيْخ أَبُو عبد الله / وَسَأَلته عَن الْعِلَل والشيوخ ودونت 5 / ب أجوبته عَن سؤالاتي وَقد سَمعهَا مني أَصْحَابِي.

سمع أَبَا الْقَاسِم ابْن بنت منيع وأقرانه بالعراقين ثمَّ أهل الشَّام ومصر على كبر السن وَحج واستفاد وَأفَاد. وَله مصنفات كَثِيرَة مفيدة يطول ذكره وَأَنا ذكر بِمَشِيئَة الله عز وجل من كَلَامه مَا يسْتَدلّ بِهِ على تقدمه فِي هَذَا الْعلم 0

قَالَ الْحَاكِم: ورد علينا كتاب شَيخنَا أبي عبد الرَّحْمَن السُلمي - سَلمه الله - من مَدِينَة السَّلَام يذكر بِخَط يَده وَفَاة الشَّيْخ الْحَافِظ أبي الْحسن عَليّ بن عمر الدَّارَقُطْنِيّ رَحْمَة الله عَلَيْهِ يَوْم الْخَمِيس لثمان خلون من ذِي الْقعدَة من سنة خمس وَثَمَانِينَ وثلاثمائة. وَرَدَ عليّ هَذَا الْكتاب غَدَاة يَوْم الِاثْنَيْنِ السَّابِع عشر من الْمحرم من سنة
আসার (রেওয়ায়েত) বর্ণনাকারীদের বর্ণনায়: তিনি এতে প্রত্যেক যুগের এমন চারজন ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন যারা প্রশংসার যোগ্য, যতক্ষণ না তিনি একাদশ স্তরে পৌঁছান এবং সেখানে চারজনের কথা উল্লেখ করেন:

আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আল-হাজ্জাজি। এবং আবু আল-হাসান আলি বিন উমর আদ-দারা কুতনি। এবং আবু আলি আল-হুসাইন আল-মাসারজাসি। এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-আব্বাস আদ-দাব্বি আল-হারাউই।

আমার জীবনের শপথ, যদিও তিনি আলি বিন উমরকে এই স্তরে উল্লেখ করে ন্যায়বিচার করেছেন, তবে তিনি তার শিক্ষকদের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করেছেন। তাই তিনি অন্য তিনজনের কথা উল্লেখ করেছেন, যদিও তাঁরা সুপরিচিত ও মর্যাদাবান ছিলেন, তবুও অন্য অনেকে তাঁদের চেয়ে এই মর্যাদার অধিক যোগ্য ছিলেন। কেননা আমরা এতে কোনো মতভেদ পাই না যে, আবু আহমাদ আব্দুল্লাহ বিন আদি আল-জুরজানি এই শাস্ত্রের অর্থাৎ জারাহ ও তাদিল-এর ইমাম ছিলেন—এবং এই বিষয়ে তাঁর কিতাবই হলো মূল রেফারেন্স—অথচ তিনি তাঁর কথা উল্লেখ করেননি। তদুপরি আবু হাতিম বিন হিব্বান আল-বুস্তির মর্যাদা এবং জারাহ ও তাদিল শাস্ত্রে তাঁর সূক্ষ্ম গবেষণা তাঁর কাছে অজানা ছিল না ৫ / ক। যে কেউ তাঁদের কিতাবদ্বয়ের দিকে নজর দেবে সে বুঝতে পারবে যে, তিনি তাঁদের উল্লেখ না করে তাঁদের প্রতি ইনসাফ করেননি। অথচ তিনি এমন তিনজনের নাম উল্লেখ করেছেন যাঁদের পরিচিতি অনেক মুহাদ্দিসের কাছেই অস্পষ্ট।

আল-হাকিমের পক্ষপাতিত্বের বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ পায়—আল্লাহ আমাদের এবং তাকে ক্ষমা করুন। আবু বকর আহমাদ বিন আলি আল-আদিব এই কিতাবে আল-হাকিম থেকে তাঁর ইজাজতসূত্রে আমাদের যা জানিয়েছেন তাতে রয়েছে: তিনি আসার বর্ণনাকারী এবং হাদিসের জ্ঞান, তার হেফজ, ইল্লাত (ত্রুটি), বর্ণনাকারীদের নির্ভরযোগ্যতা এবং জারাহ-এর ক্ষেত্রে একাদশ স্তরের দ্বিতীয় ইমাম হিসেবে হাফেজ আবু আল-হাসান আলি বিন উমর আদ-দারা কুতনি (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-কে উল্লেখ করেছেন। তিনি হেফজ, প্রজ্ঞা ও পরহেজগারিতে তাঁর যুগের অদ্বিতীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছিলেন এবং কারী ও ব্যাকরণবিদদের মাঝে ইমাম ছিলেন। আমি যখন প্রথম বাগদাদে প্রবেশ করি, তখন তিনি বিভিন্ন মজলিসে উপস্থিত হতেন অথচ তাঁর বয়স ছিল ত্রিশের কম, এবং তিনি তখন হাফেজদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। অতঃপর আমার দ্বিতীয় সফরে তিনি আমাদের সঙ্গী হন এবং তাঁর জ্ঞান আমি আগে যা প্রত্যক্ষ করেছিলাম তার চেয়েও বৃদ্ধি পেয়েছিল। আমাদের শাইখ আবু আব্দুল্লাহ বিন আবু যুহল ৩৫৩ হিজরিতে হজ করেন এবং ফিরে আসেন। তিনি দারা কুতনির হেফজ ও অনন্য অগ্রগতির প্রশংসা করতেন, এমনকি আমি সে বর্ণনাকে অত্যধিক মনে করতাম, যতক্ষণ না আমি ৩৬৯ হিজরিতে হজ করতে যাই।

অতঃপর আমি বাগদাদে ফিরে আসি এবং সেখানে চার মাস অবস্থান করি। রাতের বেলা আমাদের অনেক সাক্ষাৎ হতো। আমি তাঁকে শাইখ আবু আব্দুল্লাহর বর্ণনার চেয়েও উচ্চতর স্তরের অধিকারী হিসেবে পাই। আমি তাঁকে ইল্লাত এবং শাইখদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি এবং আমার প্রশ্নসমূহের উত্তরে তাঁর জবাবগুলো ৫ / খ লিপিবদ্ধ করি, যা আমার সাথিরা আমার কাছ থেকে শুনেছে।

তিনি আবুল কাসিম ইবন বিনতে মানি এবং ইরাকের উভয় অঞ্চলের তাঁর সমসাময়িকদের কাছ থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। এরপর বার্ধক্য অবস্থায় সিরিয়া ও মিশরের অধিবাসীদের নিকট থেকে ইলম হাসিল করেন। তিনি হজ পালন করেন এবং জ্ঞান অর্জন ও দান করেন। তাঁর অনেক উপকারী গ্রন্থ রয়েছে যার আলোচনা দীর্ঘ হবে। ইনশাআল্লাহ, মহান আল্লাহর ইচ্ছায় আমি তাঁর এমন কিছু কথা উল্লেখ করব যা এই শাস্ত্রে তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দেবে।

আল-হাকিম বলেন: মদিনাতুস সালাম (বাগদাদ) থেকে আমাদের শাইখ আবু আব্দুর রহমান আস-সুলামি (আল্লাহ তাঁকে নিরাপদ রাখুন)-এর একটি চিঠি আমাদের নিকট পৌঁছেছে। তিনি স্বহস্তে তাতে শাইখ হাফেজ আবু আল-হাসান আলি বিন উমর আদ-দারা কুতনি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন)-এর ইন্তেকালের কথা উল্লেখ করেছেন; তিনি ৩৮৫ হিজরির ৮ই জিলকদ বৃহস্পতিবার ইন্তেকাল করেছেন। এই চিঠিটি আমার নিকট ৩... সালের মহরম মাসের ১৭ তারিখ সোমবার সকালে পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৪৮)
[سِتّ] وَثَمَانِينَ وَقد قعدت للإملاء فَكثر الدُّعَاء والبكاء ثمَّ أمليت عَنهُ حَدِيثا وَذكرت بعده تَارِيخ وَفَاته من خطّ أبي عبد الرَّحْمَن ثمَّ شهِدت مَا يُفِيد أَنه لم يخلف على أَدِيم الأَرْض مثله فِي معرفَة حَدِيث رَسُول رب الْعَالمين صلوَات الله عَلَيْهِ وعَلى آله أَجْمَعِينَ وَكَذَلِكَ فِي حَدِيث أَصْحَابه المنتخبين وَالْأَئِمَّة من التَّابِعين وَاتِّبَاع التَّابِعين رضي الله عنهم أَجْمَعِينَ. قَالَ الْحَاكِم: حَدثنَا عَليّ بن عمر الْحَافِظ قَالَ حَدثنَا عبد الله بن مُحَمَّد بن عبد الْعَزِيز قَالَ حَدثنَا عَليّ بن الْجَعْد قَالَ أخبرنَا شُعْبَة وَقيس عَن 6 / أحبيب بن أبي ثَابت عَن مَيْمُون بن أبي شبيب عَن الْمُغيرَة بن شُعْبَة عَن النَّبِي / قَالَ: ((من حدث عني حَدِيثا وَهُوَ يرى أَنه كذب فَهُوَ أحد الْكَذَّابين)) .

فَسمِعت أَبَا الْحسن يَقُول: أخرجه مُسلم عَن أبي بكر بن أبي شيبَة عَن وَكِيع عَن شُعْبَة وَقيس.

فَظَاهر هَذَا الْخَبَر يدل على أَن كل من روى عَن النَّبِي حَدِيثا هُوَ شَاك فِيهِ أصحيح هُوَ أَو غير صَحِيح يكون كَأحد الْكَاذِبين إِذا لم يقل وَهُوَ يستيقن أَنه كذب والتحرز.

وَمن مثل ذَلِك كَانَ الْخُلَفَاء الراشدون المهديون وَالصَّحَابَة المنتجبون رضي الله عنهم يَتَّقُونَ كَثْرَة الحَدِيث عَن رَسُول اللهِ ويتشددون فِي ذَلِك مِنْهُم أَبُو بكر. وَعمر. وَعُثْمَان وَعلي. وَطَلْحَة. وَالزُّبَيْر. وَعبد الرَّحْمَن بن عَوْف. وَسعد بن أبي وَقاص. وَعبد الله بن مَسْعُود. والمقداد بن الْأسود وَأَبُو أَيُّوب الْأنْصَارِيّ وثوبان مولى رَسُول الله وَزيد بن أَرقم وَأنس بن مَالك وَعمْرَان بن حُصَيْن وَأَبُو هُرَيْرَة وَعبد الله بن عمر. وَعبد الله بن عَبَّاس. وَأَبُو الدَّرْدَاء. وَأَبُو قَتَادَة. وقرظة بن كَعْب. وَغَيرهم. وَكَانَ أَبُو بكر وَعمر يطالبان من روى لَهما حَدِيثا عَن رَسُول الله لم يسمعاه مِنْهُ بِإِقَامَة الْبَيِّنَة عَلَيْهِ ويتواعدانه فِي ذَلِك.

وَكَانَ عَليّ بن أبي طَالب رضي الله عنه يسْتَحْلف عَلَيْهِ.

وَكَانَ عبد الله بن مَسْعُود يتَغَيَّر عِنْد ذكر الحَدِيث عَن رَسُول الله / وتنتفخ أوداجه ويسيل عرقه وتدمع عَيناهُ وَيَقُول: أَو قَرِيبا من ذَلِك. أَو نَحْو ذَا أَو شبه هَذَا. كُله خوف من الزِّيَادَة وَالنُّقْصَان أَو السَّهْو وَالنِّسْيَان واحتياطاً للدّين وحفظاً للشريعة وحسماً لطمع طامع أَو زيغ زائغ أَن يجترئ فيحكى عَن رَسُول الله مالم يقلهُ أَو يدْخل فِي الدّين مَا لَيْسَ مِنْهُ وليقتدي بهم من يسمع مِنْهُم وَيَأْخُذ عَنْهُم فيقفوا أَثَرهم ويسلك طريقهم فاتبعهم على ذَلِك جمَاعَة من صالحي التَّابِعين فاقتفوا آثَارهم وَاتبعُوا طريقتهم فِي الذب عَن السّنَن والبحث عَن رواتها والتوقي فِي أَدَائِهَا مِنْهُم:
[৮৬] সালে আমি হাদিস শ্রুতিলিখনের জন্য বসলাম। তখন অনেক দোয়া ও কান্নাকাটি হলো। এরপর আমি তাঁর পক্ষ থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করলাম এবং আবু আবদুর রহমানের হাতের লেখা থেকে তাঁর মৃত্যুর তারিখ উল্লেখ করলাম। অতঃপর আমি এমন সাক্ষ্য প্রদান করলাম যা প্রমাণ করে যে, জগতসমূহের রবের রাসুলের—তাঁর ওপর এবং তাঁর সকল পরিবার-পরিজনের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক—হাদিসের জ্ঞানে এবং একইভাবে তাঁর মনোনীত সাহাবীগণ, তাবেঈগণের মধ্য থেকে ইমামগণ ও তাবে-তাবেঈগণের—আল্লাহ তাঁদের সবার প্রতি সন্তুষ্ট হোন—হাদিসের জ্ঞানে তাঁর মতো আর কাউকে জমিনের পিঠে তিনি রেখে যাননি। আল-হাকিম বলেন: আমাদের নিকট আলী বিন উমর আল-হাফিজ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আলী বিন আল-জাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শুবা ও কায়স আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাবিব বিন আবি সাবিত থেকে, তিনি মাইমুন বিন আবি শাবিব থেকে, তিনি মুগিরা বিন শুবা থেকে, তিনি নবী—তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক—থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমার পক্ষ থেকে এমন কোনো হাদিস বর্ণনা করে যা সে মিথ্যা বলে মনে করে, তবে সে মিথ্যাবাদীদের একজন।"

আমি আবুল হাসানকে বলতে শুনেছি: ইমাম মুসলিম এটি আবু বকর বিন আবি শায়বা থেকে, তিনি ওয়াকি থেকে, তিনি শুবা ও কায়স থেকে বর্ণনা করেছেন।

এই সংবাদের প্রকাশ্য অর্থ নির্দেশ করে যে, যে ব্যক্তিই নবী থেকে এমন কোনো হাদিস বর্ণনা করে যে বিষয়ে সে সন্দিহান—তা কি সঠিক নাকি সঠিক নয়—সে মিথ্যাবাদীদের একজনের মতো গণ্য হবে, যদি না সে এটি নিশ্চিতভাবে মিথ্যা হওয়া থেকে বেঁচে থাকে এবং সতর্কতা অবলম্বন করে।

এই কারণেই হিদায়েতপ্রাপ্ত খুলাফায়ে রাশেদীন এবং মনোনীত সাহাবীগণ—তাঁদের প্রতি আল্লাহ সন্তুষ্ট হোন—রাসুলুল্লাহর পক্ষ থেকে অধিক হাদিস বর্ণনা করা থেকে বেঁচে চলতেন এবং এ বিষয়ে কঠোরতা অবলম্বন করতেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন আবু বকর, উমর, উসমান, আলী, তালহা, জুবায়ের, আব্দুর রহমান বিন আউফ, সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস, আবদুল্লাহ বিন মাসউদ, মিকদাদ বিন আসওয়াদ, আবু আইয়ুব আনসারী, রাসুলুল্লাহর মুক্তদাস সাওবান, যায়েদ বিন আরকাম, আনাস বিন মালিক, ইমরান বিন হুসাইন, আবু হুরায়রা, আবদুল্লাহ বিন উমর, আবদুল্লাহ বিন আব্বাস, আবু দারদা, আবু কাতাদা, কারাজা বিন কাব ও অন্যান্যরা। আবু বকর ও উমর তাঁদের নিকট রাসুলুল্লাহর কোনো হাদিস বর্ণনা করা হলে—যা তাঁরা তাঁর থেকে শোনেননি—তার পক্ষে প্রমাণ উপস্থাপনের দাবি করতেন এবং এ বিষয়ে কড়া সতর্কবাণী প্রদান করতেন।

আলী বিন আবি তালিব—তাঁর প্রতি আল্লাহ সন্তুষ্ট হোন—এ বিষয়ে শপথ পাঠ করাতেন।

আবদুল্লাহ বিন মাসউদ রাসুলুল্লাহর হাদিস বর্ণনার সময় বিমর্ষ হয়ে পড়তেন, তাঁর ঘাড়ের রগ ফুলে উঠত, ঘাম ঝরত এবং চোখ দিয়ে পানি পড়ত। তিনি বলতেন: "অথবা এর কাছাকাছি" বা "এর মতো কিছু" বা "এর সদৃশ কিছু"। এর সবকিছুই ছিল হাদিসে বৃদ্ধি বা হ্রাসের ভয় থেকে, অথবা ভুল ও বিস্মৃতির ভয়ে, আর দ্বীনের সতর্কতা ও শরিয়তের হেফাযতের জন্য এবং কোনো লোভী বা পথভ্রষ্ট ব্যক্তি যেন রাসুলুল্লাহ যা বলেননি তা তাঁর নামে বলার দুঃসাহস না দেখায় অথবা দ্বীনের মধ্যে এমন কিছু অন্তর্ভুক্ত না করে যা তার অংশ নয়। আর যেন যারা তাঁদের থেকে শোনে ও গ্রহণ করে তারা তাঁদের অনুসরণ করে, তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে এবং তাঁদের পথে চলে। একদল নেককার তাবেঈ এ বিষয়ে তাঁদের অনুসরণ করেছিলেন, তাঁরা সুন্নাহর প্রতিরক্ষা, বর্ণনাকারীদের অনুসন্ধান এবং হাদিস বর্ণনায় সতর্কতার ক্ষেত্রে তাঁদের পদাঙ্ক ও পথ অনুসরণ করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন:
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৪৯)
سعيد بن الْمسيب. وَعلي بن الْحُسَيْن. وَعُرْوَة بن الزبير. وَعمر بن عبد الْعَزِيز. وَطَاوُس بن كيسَان وَمُحَمّد بن مُسلم الزُّهْرِيّ. وَأَبُو الزِّنَاد. وعامر الشّعبِيّ. وَإِبْرَاهِيم النَّخعِيّ وشرحبيل بن السمط وَعقبَة بن نَافِع الفِهري. وَمُحَمّد بن سِيرِين. وَأنس بن سِيرِين. وَالْحسن الْبَصْرِيّ وَأَبُو أَيُّوب السّخْتِيَانِيّ وسليم التَّيْمِيّ. وَعبد الله بن عون. وَيُونُس بن عبيد. وَالْحكم بن عُيَيْنَة وحبِيب. وحبِيب بن أبي ثَابت. وَمَنْصُور بن الْمُعْتَمِر. وسلك مسلكهم وحذا حذوهم فِي ذَلِك طوائف من الخالفين بعدهمْ مِنْهُم:

مَالك بن أنس وَشعْبَة بن الْحجَّاج. وسُفْيَان الثَّوْريّ وَحَمَّاد بن زيد / وسُفْيَان بن عُيَيْنَة. وزائدة بن قدامَة. وَزُهَيْر بن مُعَاوِيَة.

وَأخذ ذَلِك عَنْهُم وَقَامَ بِهِ جمَاعَة مِنْهُم:

يحيى بن سعيد الْقطَّان. وَعبد الرَّحْمَن بن مهْدي. وبزبد بن نفيع. وخَالِد بن الْحَارِث. وَبشر بن الْمفضل. وسُفْيَان بن حبيب. وَعبد الله بن الْمُبَارك. وَيحيى بن زَكَرِيَّا بن زَائِدَة. وَيحيى بن آدم. وَعبد الله بن إِدْرِيس. وَيزِيد بن هَارُون. وَجَرِير بن عبد الحميد. وبهز بن أَسد. وَهَارُون بن مُسلم. وَأَبُو كَامِل مطفر بن مدرك. وَأَبُو سَلمَة الْخُزَاعِيّ مَنْصُور بن سَلمَة. وَأَبُو عبد الله مُحَمَّد بن إِدْرِيس الشَّافِعِي. وَيحيى بن يحيى النَّيْسَابُورِي. وَأخذ ذَلِك عَنْهُم: أَبُو عبد الله أَحْمد بن مُحَمَّد بن حَنْبَل. وَعلي بن عبد الله الْمَدِينِيّ. وَيحيى بن معِين. وَأَبُو خَيْثَمَة زُهَيْر بن حَرْب. وَأَبُو بكر بن أبي شيبَة. وَمُحَمّد بن عبد الله بن نمير وَإِسْحَاق بن رَاهَوَيْه. وَخلف بن سَالم. وَأحمد بن صَالح. وَأَبُو عبيد الْقَاسِم بن سَلام. وَمُحَمّد بن عبد الرَّحْمَن الصَّيْرَفِي. وَمُحَمّد بن إِسْمَاعِيل البُخَارِيّ. وَمُسلم بن الْحجَّاج. وَأحمد بن مَنْصُور بن سيار. وَأَبُو زرْعَة. وَأَبُو حَاتِم الرازيان. وَإِبْرَاهِيم بن يَعْقُوب الْجوزجَاني. وَمُحَمّد بن أشكاب. وَمُحَمّد بن إِسْحَاق الصغاني وحمدان بن عمر الْوراق وَأَبُو دَاوُد السجسْتانِي. وَإِبْرَاهِيم بن أَزْرَق الْأَصْبَهَانِيّ. وَعبد الرَّحْمَن بن يُوسُف بن خرَاش. وَالْعَبَّاس بن مُحَمَّد الدوري. وجعفر بن أبي عمر الشَّيْبَانِيّ وَصَالح بن مُحَمَّد بن حبيب الْبَغْدَادِيّ الملقب. وَأَبُو / زرْعَة عبد الرَّحْمَن بن عَمْرو الدِّمَشْقِي. وَمُحَمّد بن هَارُون الفلاس يعرف (بمشيط) . وَأَبُو بكر الْأَثْرَم. وَإِبْرَاهِيم بن إِسْحَاق الْحَرْبِيّ وَعبد الله بن أَحْمد بن حَنْبَل. وَأَبُو أَحْمد مُحَمَّد بن عَبدُوس بن كَامِل. وَأَبُو عمرَان مُوسَى بن هَارُون. وَعبيد (الحجل) . وَالْحسن بن عَليّ الْعمريّ. وَأَبُو عبد الرَّحْمَن أَحْمد بن شُعَيْب النَّسَائِيّ. وَمُحَمّد بن إِسْحَاق بن خُزَيْمَة النَّيْسَابُورِي. وَأَبُو بكر البرديجي. وجعفر بن مُحَمَّد الْفرْيَابِيّ.
সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব। আলী ইবনুল হুসাইন। উরওয়াহ ইবনুল জুবায়র। উমর ইবনে আব্দুল আজীজ। তাউস ইবনে কায়সান। মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম আজ-জুহরী। আবুয যিনাদ। আমির আশ-শা'বী। ইবরাহীম আন-নাখয়ী। শুরাহবীল ইবনুস সিমত। উকবাহ ইবনে নাফি আল-ফিহরী। মুহাম্মদ ইবনে সীরীন। আনাস ইবনে সীরীন। আল-হাসান আল-বসরী। আবু আইয়ুব আস-সাখতিয়ানী। সুলাইম আত-তয়মী। আব্দুল্লাহ ইবনে আউন। ইউনুস ইবনে উবাইদ। আল-হাকাম ইবনে উয়ায়নাহ। হাবীব। হাবীব ইবনে আবু সাবিত। মানসুর ইবনুল মু'তামির। এবং তাদের পথ অনুসরণ করেছেন এবং এ বিষয়ে তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন তাদের পরবর্তী উত্তরসূরিদের বিভিন্ন জামাত, যাদের মধ্যে রয়েছেন:

মালিক ইবনে আনাস। শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ। সুফিয়ান আস-সাওরী। হাম্মাদ ইবনে যায়েদ। সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ। যায়িদাহ ইবনে কুদামা। জুহাইর ইবনে মুয়াবিয়া।

তাদের থেকে এই ইলম গ্রহণ করেছেন এবং তা প্রতিষ্ঠা করেছেন তাদের মধ্যকার একটি জামাত:

ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান। আব্দুর রহমান ইবনে মাহদী। ইয়াযীদ ইবনে নুফাই। খালিদ ইবনুল হারিস। বিশর ইবনুল মুফাদ্দাল। সুফিয়ান ইবনে হাবীব। আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক। ইয়াহইয়া ইবনে যাকারিয়া ইবনে যায়িদাহ। ইয়াহইয়া ইবনে আদম। আব্দুল্লাহ ইবনে ইদরীস। ইয়াযীদ ইবনে হারুন। জারীর ইবনে আব্দুল হামীদ। বাহয ইবনে আসাদ। হারুন ইবনে মুসলিম। আবু কামিল মুজাফ্ফার ইবনে মুদরিক। আবু সালামাহ আল-খুযাঈ মানসুর ইবনে সালামাহ। আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইদরীস আশ-শাফিঈ। ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া আন-নায়সাবুরী। এবং তাদের থেকে এই ইলম গ্রহণ করেছেন: আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাম্বল। আলী ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মাদীনী। ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন। আবু খাইসামাহ জুহাইর ইবনে হারব। আবু বকর ইবনে আবু শায়বাহ। মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর। ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ। খালাফ ইবনে সালিম। আহমাদ ইবনে সালিহ। আবু উবাইদ আল-কাসিম ইবনে সাল্লাম। মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান আস-সায়রাফী। মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল আল-বুখারী। মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজ। আহমাদ ইবনে মানসুর ইবনে সাইয়্যার। আবু যুরআহ। আবু হাতিম আর-রাযীদ্বয়। ইবরাহীম ইবনে ইয়াকুব আল-জুযজানী। মুহাম্মদ ইবনে আশকাব। মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাগানী। হামদান ইবনে উমর আল-ওয়াররাক। আবু দাউদ আস-সিজিস্তানী। ইবরাহীম ইবনে আযরাক আল-আসবাহানী। আব্দুর রহমান ইবনে ইউসুফ ইবনে খিরাশ। আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ আদ-দুরী। জাফর ইবনে আবু উমর আশ-শায়বানী। সালিহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাবীব আল-বাগদাদী যিনি উপাধিপ্রাপ্ত। আবু যুরআহ আব্দুর রহমান ইবনে আমর আদ-দিমাশকী। মুহাম্মদ ইবনে হারুন আল-ফাল্লাস যিনি (মুশাইত) নামে পরিচিত। আবু বকর আল-আছরাম। ইবরাহীম ইবনে ইসহাক আল-হারবী। আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল। আবু আহমাদ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুস ইবনে কামিল। আবু ইমরান মুসা ইবনে হারুন। উবাইদ (আল-হাজাল)। হাসান ইবনে আলী আল-উমারী। আবু আব্দুর রহমান আহমাদ ইবনে শুআইব আন-নাসায়ী। মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে খুযাইমাহ আন-নায়সাবুরী। আবু বকর আল-বারদীজী। জাফর ইবনে মুহাম্মদ আল-ফিরয়াবী।
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৫০)
وَعبد الله بن مُحَمَّد ابْن نَاجِية. وقاسم بن زَكَرِيَّا الْمُطَرز وَعبد الله بن مُحَمَّد بن عبد الْعَزِيز الْبَغَوِيّ. وَعبد الله بن سُلَيْمَان بن الْأَشْعَث وَيحيى بن مُحَمَّد صاعد وَعبد الله بن مُحَمَّد بن زِيَاد النَّيْسَابُورِي. وَغَيرهم مِمَّن يكثر تزدادهم أَمْسَكت عَن ذكرهم كَرَاهِيَة الإطالة وطلباً للاختصار فَلم يزل ذكرهم فِي الْعلم يتفقدون رُوَاة الْأَخْبَار وحمال الْآثَار ونقلة السّنَن ويختبرونهم ويعتبرون أَمرهم ويتفحصون عَنْهُم فَمن كَانَ مِنْهُم مَعْرُوفا بالسداد فِيمَا حمل والإتقان لما نقل كَانَ عدلا مَقْبُول الْخَبَر عِنْدهم وَمن كَانَ مِنْهُم دون هَذِه الطَّبَقَات فِي الْحِفْظ والإتقان إِلَّا أَن الْغَالِب عَلَيْهِم الْأَمَانَة والتحري للصدق والحقوه بهم فرووا عَنهُ ونقلوا خَبره.

أخبرنَا بِالْحَدِيثِ عَالِيا أَبُو مُحَمَّد الصريفيني رحمه الله فِي جملَة كتاب عَليّ بن الْجَعْد قَالَ أخبرنَا أَبُو الْقَاسِم بن شَبابَة قَالَ حَدثنَا / الْبَغَوِيّ قَالَ حَدثنَا عَليّ بن الْجَعْد قَالَ أخبرنَا شُعْبَة وَقيس بِالْحَدِيثِ قبله فَبِهَذَا اسْتدلَّ الْحَاكِم على أمامته وتقدمه مَعَ مَا نقل عَنهُ من السؤالات. وَقد سُئل أَبُو عبيد الله بن عبد الرَّحْمَن السَّمرقَنْدِي عَن معنى هَذَا الحَدِيث فَأجَاب لما أخبرنَا أَبُو عَامر مَحْمُود بن الْقَاسِم الْأَزْدِيّ بهراة قَالَ أخبرنَا عبد الْجَبَّار بن مُحَمَّد بن مُحَمَّد الْمروزِي أخبرنَا أَبُو الْعَبَّاس مُحَمَّد بن أَحْمد بن مَحْبُوب قَالَ حَدثنَا أَبُو عِيسَى التِّرْمِذِيّ قَالَ: سَأَلت أَبَا مُحَمَّد عبد الله بن عبد الرَّحْمَن عَن حَدِيث النَّبِي:

((من حدث عني وَهُوَ يرى أَنه كذب)) .

قلت لَهُ: من روى حَدِيثا وَهُوَ يعلم أَن إِسْنَاده خطأ تخَاف أَن يكون قد دخل فِي حَدِيث النَّبِي إِذا روى النَّاس حَدِيثا مُرْسلا فأسنده بَعضهم أَو قلب إِسْنَاده يكون قد دخل فِي هَذَا الحَدِيث؟

فَقَالَ: لَا إِنَّمَا معنى هَذَا الحَدِيث إِذا روى الرجل حَدِيثا وَلَا يعرف لذَلِك الحَدِيث عَن النَّبِي أصلا فَحدث بِهِ فَأَخَاف أَن يكون قد دخل فِي هَذَا الحَدِيث.

أخبرنَا يحيى بن الْحُسَيْن الْعلوِي قَالَ: سَمِعت أَحْمد بن مُحَمَّد بن أَحْمد الْبَزَّار يَقُول. وَبَلغنِي عَن رجا بن عِيسَى الْمصْرِيّ أَنه سَأَلَهُ يَوْمًا - يَعْنِي سَأَلَ الدَّارَقُطْنِيّ: - رأى الشَّيْخ بِمثل نَفسه فَافْتتحَ من جَوَابه فَقَالَ:

قَالَ الله عز وجل: (لَا تزكوا أَنفسكُم) . فألح عَلَيْهِ فَقَالَ:

إِن كَانَ فِي فن وَاحِد فقد رَأَيْته من هُوَ أفضل مني وَإِن كَانَ مِمَّن اجْتمع فِيهِ مَا اجْتمع فيّ فَلَا، فَإِن / كَانَ مفتتاً فِي عُلُوم كَثِيرَة على مَذْهَب الشَّافِعِي ويحفظ من الشّعْر أَشْيَاء كَثِيرَة يروي عَن ابْن بنت منيع رحمه الله فَمَا رَأَيْت مثله وَله تصانيف فِي الحَدِيث أَبُو حَامِد الاسفراييني.

أخبرنَا أَبُو بكر أَحْمد بن عَليّ قَالَ أخبرنَا أَبُو عبد الله الْحَاكِم فِي الأمالي قِرَاءَة
আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাজিয়াহ, কাসিম ইবনে জাকারিয়া আল-মুতাররিজ, আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাউয়ি, আবদুল্লাহ ইবনে সুলাইমান ইবনে আল-আশ‘আস, ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ সাঈদ এবং আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জিয়াদ আন-নাইসাবুরি। এ ছাড়াও আরও অনেকে রয়েছেন যাদের আধিক্যের কারণে এবং দীর্ঘায়নের আশঙ্কায় আমি তাদের নাম উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকলাম। ইলমের ময়দানে তাদের আলোচনা সর্বদা চলত, তারা সংবাদের বর্ণনাকারী, আছারের ধারক এবং সুন্নাহর বাহকদের সম্পর্কে খোঁজখবর নিতেন, তাদের পরীক্ষা করতেন, তাদের অবস্থা পর্যালোচনা করতেন এবং তাদের সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধান চালাতেন। তাদের মধ্যে যারা বর্ণনাকৃত বিষয়ে সঠিকতা এবং যা বর্ণনা করছেন তাতে পারদর্শিতার জন্য পরিচিত ছিলেন, তারা তাদের নিকট ন্যায়পরায়ণ ও গ্রহণযোগ্য বর্ণনাকারী হিসেবে গণ্য হতেন। আর যারা হিফয বা মুখস্থ শক্তি ও পারদর্শিতার ক্ষেত্রে এই স্তরের নিচে ছিলেন, কিন্তু আমানতদারি ও সত্যনিষ্ঠা যাদের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল, তারা তাদেরকেও উচ্চস্তরের বর্ণনাকারীদের সাথে যুক্ত করতেন এবং তাদের থেকে বর্ণনা গ্রহণ করতেন ও তাদের সংবাদগুলো পৌঁছে দিতেন।

আবু মুহাম্মদ আস-সারিফিনি (রহিমাহুল্লাহ) আলী ইবনে আল-জা'দের কিতাবসমূহের অন্তর্ভুক্ত উচ্চ সনদে একটি হাদীস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের আবু আল-কাসিম ইবনে শাবাবা সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, / আল-বাগাউয়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আলী ইবনে আল-জা'দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, শু'বা ও কায়স আমাদের নিকট এর পূর্বের হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এর মাধ্যমেই ইমাম আল-হাকিম তার ইমামত ও শ্রেষ্ঠত্বের ওপর দলিল পেশ করেছেন এবং তার থেকে বর্ণিত বিভিন্ন মাসআলাসমূহকেও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করেছেন। আবু উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান আস-সামারকান্দিকে এই হাদীসের অর্থ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন তিনি এর উত্তর প্রদান করেছিলেন। যেমনটি আমাদের আবু আমির মাহমুদ ইবনে আল-কাসিম আল-আযদি হিরাতে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের আব্দুল জাব্বার ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মারওয়াযি সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মাহবূব সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের আবু ঈসা আত-তিরমিযি হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমানকে নবির হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম:

((যে ব্যক্তি আমার পক্ষ থেকে এমন কোনো হাদীস বর্ণনা করল অথচ সে মনে করে যে তা মিথ্যা))।

আমি তাকে বললাম: যে ব্যক্তি কোনো হাদীস বর্ণনা করে অথচ সে জানে যে এর সনদ বা সূত্রটি ভুল, আপনি কি ভয় করেন যে সে কি নবির এই হাদীসের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে? যখন মানুষ একটি হাদীস 'মুরসাল' হিসেবে বর্ণনা করে, কিন্তু তাদের কেউ একে 'মুসনাদ' বা সংযুক্ত করে দেয় অথবা এর সনদ পরিবর্তন করে ফেলে, সে কি এই হাদীসের অন্তর্ভুক্ত হবে?

তিনি বললেন: না, বরং এই হাদীসের অর্থ হলো যখন কোনো ব্যক্তি এমন কোনো হাদীস বর্ণনা করে যার নবি থেকে বর্ণিত হওয়ার কোনো ভিত্তিই তার জানা নেই, তবুও সে তা বর্ণনা করে; তবে আমি আশঙ্কা করি যে সে এই হাদীসের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

ইয়াহইয়া ইবনে আল-হুসাইন আল-আলাউয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-বাযযারকে বলতে শুনেছি। এবং রাজা ইবনে ঈসা আল-মিসরি থেকে আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, তিনি একদিন তাকে—অর্থাৎ ইমাম আদ-দারা কুতনিকে—জিজ্ঞাসা করেছিলেন: শাইখ কি নিজের সমতুল্য কাউকে দেখেছেন? তিনি তার উত্তরের শুরুতে বললেন:

মহান আল্লাহ বলেছেন: (তোমরা নিজেদের পবিত্রতা বর্ণনা করো না)। এরপর তিনি যখন তাকে বারবার অনুরোধ করতে থাকলেন, তখন তিনি বললেন:

যদি কোনো একটি নির্দিষ্ট শাস্ত্রে হয়, তবে আমি এমন কাউকে দেখেছি যিনি আমার চেয়েও শ্রেষ্ঠ। কিন্তু যদি এমন কাউকে বোঝানো হয় যার মধ্যে ওইসব গুণের সমাবেশ ঘটেছে যা আমার মধ্যে রয়েছে, তবে না (দেখিনি)। কারণ / তিনি যদি শাফেয়ি মাযহাব অনুযায়ী বহু বিদ্যায় পারদর্শী হন এবং কবিতার অনেক কিছু মুখস্থ রাখেন, ইবনে বিনতে মানি' (রহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণনা করেন, তবে আমি তার মতো কাউকে দেখিনি; এবং হাদীস শাস্ত্রে তার অনেক গ্রন্থ রয়েছে, তিনি হলেন আবু হামিদ আল-ইসফিরায়িনি।

আবু বকর আহমদ ইবনে আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম 'আল-আমালি' গ্রন্থে পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৫১)
عَلَيْهِ وَأَنا أسمع قَالَ حَدثنَا إِمَام الحَدِيث فِي عصره أَبُو الْحسن عَليّ بن عمر بن أَحْمد بن مهْدي الْحَافِظ الْمقري الدَّارَقُطْنِيّ رضي الله عنه وأرضاه وَذكر حَدِيثا وَقَالَ عَقِيبه: وَأَنا أشهد أَنه لم يخلف على أَدِيم الأَرْض مثله فِي معرفَة الحَدِيث.

سَأَلت أَبَا الْقَاسِم سعيد بن على المريخاني الْحَافِظ بكير وَمَا رَأَيْت مثله قلت لَهُ:

أَرْبَعَة من الْحفاظ تعاصروا أَيهمْ أحفِظ؟

فَقَالَ: من؟ قلت: الدَّارَقُطْنِيّ بِبَغْدَاد. وَعبد الْغَنِيّ بِمصْر. وَأَبُو عبد الله بن مَنْدَه بأصبهان. وَأَبُو عبد الله الْحَاكِم بنيسابور.

فَسكت. فألححت عَلَيْهِ فَقَالَ:

أما الدَّارَقُطْنِيّ فأعلمهم بالعلل. وَأما عبد الْغَنِيّ فأعلمهم بالأنساب. وَأما أَبُو عبد الله بن مَنْدَه فأكثرهم حَدِيثا مَعَ معرفَة تَامَّة. وَأما الْحَاكِم فأحسنهم تصنيفاً. وَسمعت أَبَا الْحُسَيْن الْعلوِي يَقُول: سَمِعت القَاضِي أَبَا الطّيب طَاهِر بن عبد الله الطَّبَرِيّ الْفَقِيه يَقُول:

رَأَيْت الْحَاكِم أَبَا عبد الله بن نيسابور بَين يَدي أبي الْحسن عَليّ بن عمر الدَّارَقُطْنِيّ يسْأَله عَن أَشْيَاء فَلَمَّا خرجنَا من عِنْده قَالَ: مَا رَأَيْت مثله.

وقرأت يَوْمًا / على أبي إِسْحَاق إِبْرَاهِيم بن سعيد الحيال الْحَافِظ بِمصْر جُزْءا فَقلت على الْعَادة: وَرَضي الله عَن الشَّيْخ الْحَافِظ. فَقَالَ: لَا تقل الْحَافِظ إِنَّمَا الْحَافِظ الدَّارَقُطْنِيّ وَعبد الْغَنِيّ.

أخبرنَا يحيى بن الْحُسَيْن الْعلوِي بِالريِّ وَقَالَ أخبرنَا العَاصِي أَبُو الْحُسَيْن أَحْمد بن عَليّ بن التوزي قَالَ أخبرنَا أَبُو الْفَتْح بن أبي الفوارس الْحَافِظ قَالَ:

توفّي أَبُو الْحسن عَليّ بن عمر الدَّارَقُطْنِيّ الْحَافِظ يَوْم الْأَرْبَعَاء الثَّامِن من ذِي الْقعدَة من سنة خمس وَثَمَانِينَ وثلاثمائة. وَكَانَ قد انْتهى إِلَيْهِ علم هَذَا الشَّأْن وَمَا رَأينَا مثله فِي الْحِفْظ فِي جَمِيع عُلُوم الحَدِيث والقراءات وَالْأَدب كَانَ معِين.

أخبرنَا الشَّيْخ أَبُو غَالب شُجَاع بن فَارس الذهلي بِبَغْدَاد قَالَ أخبرنَا أَبُو بكر أَحْمد بن عَليّ الْحَافِظ قَالَ عَليّ بن عمر بن أَحْمد بن مهْدي بن مَسْعُود بن النُّعْمَان بن دِينَار بن عبد الله أَبُو الْحسن الدَّارَقُطْنِيّ كَانَ فريد عصره (وَربع) دهره ونسيج وَحده وَإِمَام وقته انْتهى إِلَيْهِ علم الْأَثر والمعرفة بعلل الحَدِيث وَأَسْمَاء الرِّجَال وأحوال الروَاة مَعَ الصدْق وَالْأَمَانَة والثقة وَالْعَدَالَة وَقبُول الشَّهَادَة وَصِحَّة الِاعْتِقَاد
তার নিকট পাঠ করা হচ্ছিল আর আমি শুনছিলাম, তিনি বললেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন তার যুগের হাদীস শাস্ত্রের ইমাম আবুল হাসান আলী বিন উমর বিন আহমাদ বিন মাহদী আল-হাফিয আল-মুকরি আদ-দারা কুতনী (আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হোন এবং তাকে সন্তুষ্ট করুন)। তিনি একটি হাদীস উল্লেখ করলেন এবং তার পরপরই বললেন: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, হাদীস শাস্ত্রের জ্ঞানে ভূপৃষ্ঠে তিনি নিজের সমতুল্য কাউকে রেখে যাননি।

আমি বুকাইরে হাফিয আবু আল-কাসিম সাঈদ বিন আলী আল-মারীখানীকে জিজ্ঞাসা করলাম—আর আমি তার মতো কাউকে দেখিনি—আমি তাকে বললাম:

চারজন হাফিয (হাদীস বিশারদ) সমসাময়িক ছিলেন, তাদের মধ্যে কে সবচেয়ে বড় হাফিয?

তিনি বললেন: তারা কারা? আমি বললাম: বাগদাদের দারা কুতনী, মিসরের আব্দুল গনী, আসফাহানের আবু আব্দুল্লাহ বিন মানদাহ এবং নিশাপুরের আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম।

তিনি চুপ থাকলেন। আমি তাকে বারবার অনুরোধ করলাম, তখন তিনি বললেন:

দারা কুতনী ইলমে ইলাল (হাদীসের সূক্ষ্ম ত্রুটি) সম্পর্কে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় জ্ঞানী। আর আব্দুল গনী নসব (বংশলতিকা) সম্পর্কে সবচেয়ে বড় জ্ঞানী। আবু আব্দুল্লাহ বিন মানদাহ পূর্ণ জ্ঞানসহ তাদের মধ্যে সর্বাধিক হাদীসের অধিকারী। আর আল-হাকিম তাদের মধ্যে সর্বোত্তম সংকলক। আমি আবু আল-হুসাইন আল-আলাওয়ীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ফকীহ কাযী আবু তাইয়িব তাহির বিন আব্দুল্লাহ আত-তাবারীকে বলতে শুনেছি:

আমি নিশাপুরের হাফিয আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিমকে আবুল হাসান আলী বিন উমর আদ-দারা কুতনীর সামনে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে দেখেছি। যখন আমরা তার নিকট থেকে বের হলাম, তিনি (আল-হাকিম) বললেন: আমি তার মতো আর কাউকে দেখিনি।

একদিন আমি মিসরের হাফিয আবু ইসহাক ইবরাহীম বিন সাঈদ আল-হিয়্যালের নিকট একটি অংশ পাঠ করলাম এবং প্রথা অনুযায়ী বললাম: আল্লাহ শাইখ আল-হাফিযের প্রতি সন্তুষ্ট হোন। তখন তিনি বললেন: তুমি হাফিয বলো না, প্রকৃত হাফিয হলেন দারা কুতনী এবং আব্দুল গনী।

রায় শহরে ইয়াহইয়া বিন আল-হুসাইন আল-আলাওয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-আসী আবুল হুসাইন আহমাদ বিন আলী বিন আত-তাওযী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফিয আবুল ফাতহ বিন আবিল ফাওয়ারিস, তিনি বলেন:

হাফিয আবুল হাসান আলী বিন উমর আদ-দারা কুতনী ৩৮৫ হিজরীর ৮ই যিলকদ বুধবার ইন্তেকাল করেন। এই শাস্ত্রের জ্ঞান তার নিকট এসে পূর্ণতা লাভ করেছিল এবং হিফযের ক্ষেত্রে হাদীস শাস্ত্রের সকল শাখা, কিরাআত এবং সাহিত্যে আমরা তার মতো কাউকে দেখিনি। তিনি ছিলেন জ্ঞানের আধার।

বাগদাদে শাইখ আবু গালিব শুজা বিন ফারিস আদ-যুহলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাফিয আবু বকর আহমাদ বিন আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আলী বিন উমর বিন আহমাদ বিন মাহদী বিন মাসঊদ বিন নুমান বিন দীনার বিন আব্দুল্লাহ আবুল হাসান আদ-দারা কুতনী ছিলেন তার যুগের অনন্য ও অপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্যক্তিত্ব, স্বীয় সময়ের ইমাম। হাদীস শাস্ত্রের জ্ঞান, ইলমে ইলাল (হাদীসের সূক্ষ্ম ত্রুটি), আসমাউর রিজাল (বর্ণনাকারীদের পরিচয়) এবং বর্ণনাকারীদের অবস্থা সম্পর্কে জ্ঞান তার মাধ্যমেই পূর্ণতা লাভ করেছিল। এর পাশাপাশি তিনি ছিলেন সত্যবাদিতা, আমানতদারিতা, নির্ভরযোগ্যতা, ন্যায়পরায়ণতা, সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা এবং সঠিক আকিদার অধিকারী।
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৫২)
وسلامة الْمَذْهَب والاضطلاع بعلوم سوى علم الحَدِيث مِنْهَا الْقرَاءَات كَانَ لَهُ فِيهَا كتابا مُختصراً موجزاً جمع الْأُصُول فِي أَبْوَاب عقدهَا أول الْكتاب سَمِعت بعض من يعتني بعلوم الْقرَاءَات يَقُول:

لم يُسبق أَبُو الْحسن فِي طَرِيقَته الَّتِي سلكها فِي عقد الْأَبْوَاب الْمُقدمَة فِي أول الْقرَاءَات والقراء بعده يسلكون طَرِيقَته فِي تصانيفهم.

/ أخبرنَا الْفضل بن أبي حَرْب بنيسابور قَالَ أخبرنَا أَبُو عبد الرَّحْمَن السّلمِيّ فِيمَا أذن لي فِي رِوَايَته عَنهُ قَالَ سَمِعت أَبَا الْحسن الدَّارَقُطْنِيّ يَقُول:

مَا فِي الدُّنْيَا ابغض إليّ من الْكَلَام.

سَمِعت أَبَا الْقَاسِم بكر بن عَليّ بن بكر بن عَليّ بن حَمَّاد البندار بِبَغْدَاد يَقُول: سَمِعت من عَليّ بن عمر الدَّارَقُطْنِيّ وَأخذت كتبي وَحَضَرت جَنَازَة الدَّارَقُطْنِيّ وَصلى عَلَيْهِ فِي الْمَسْجِد الَّذِي فِي دَار الْقطن سنة خمس وَثَمَانِينَ وثلائمائة وَكَانَ طوال أَبيض.

أخبرنَا يحيى بن الْحُسَيْن الْعلوِي قَالَ أخبرنَا الْعَاصِ أَبُو الْحُسَيْن أَحْمد بن عَليّ بن الْحُسَيْن بن التوزي قَالَ أخبرنَا أَبُو الْفَتْح مُحَمَّد بن أَحْمد بن أبي الفوارس الْحَافِظ وَفِي سنة خمس وَثَمَانِينَ توفّي أَبُو الْحسن عَليّ بن عمر الدَّارَقُطْنِيّ الْحَافِظ يَوْم الْأَرْبَعَاء الثَّامِن من ذِي الْقعدَة وَكَانَ قد انْتهى إِلَيْهِ علم هَذَا الشَّأْن وَمَا رَأينَا فِي الْحفاظ جَمِيع عُلُوم الحَدِيث والقراءات وَالْأَدب مقله وَكَانَ (مقن) .

وَكَانَ بَدو سَمَاعه الحَدِيث فِي أول سنة خمس عشرَة وثلاثمائة كَمَا أخبرنَا أَحْمد بن الْحسن الْبَزَّاز قَالَ أخبرنَا أَبُو بكر البرقاني الْحَافِظ قَالَ:

ذكرت لأبي الْحسن أخبرنَا عُبيد بن حَربُويه فَذكر من جلالته وَحفظه وَقَالَ لي: حدث عَنهُ أَبُو عبد الرَّحْمَن النَّسَائِيّ فِي الصَّحِيح وَلَعَلَّه مَاتَ قبله بِعشْرين سنة.

قلت: أَصله بغدادي؟

قَالَ: نعم. ثمَّ قَالَ لي: لم يحصل لي عَنهُ حرف وَقد مَاتَ بعد أَن كتبت الحَدِيث بِخمْس سِنِين.

ثمَّ قَالَ: كتبت فِي أول سنة خمس عشرَة وثلاثمائة.

‌‌فصل

 

أخبرنَا أَبُو عَمْرو عبد الْوَهَّاب ابْن الإِمَام أبي عبد الله بن مَنْدَه قَالَ قَالَ أبي زفر: حُكم الصَّحَابِيّ إِذا روى عَنْهُ تَابِعِيّ وَإِن كَانَ مَشْهُورا مثل الشّعبِيّ وَسَعِيد بن
এবং তাঁর মাযহাবের বিশুদ্ধতা এবং হাদিস শাস্ত্র ব্যতীত অন্যান্য শাস্ত্রে, বিশেষ করে কিরাআত শাস্ত্রে তাঁর পারদর্শিতা ছিল। এই বিষয়ে তাঁর একটি সংক্ষিপ্ত ও সংক্ষি্পত সার সম্বলিত কিতাব ছিল, যেখানে তিনি কিতাবটির শুরুতে বিন্যস্ত অধ্যায়সমূহে মূলনীতিগুলো সংকলন করেছিলেন। কিরাআত শাস্ত্রের চর্চা করেন এমন একজনকে আমি বলতে শুনেছি:

কিরাআত শাস্ত্রের শুরুতে ভূমিকা স্বরূপ অধ্যায় বিন্যাসে আবুল হাসান যে পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন, তাতে তাঁর পূর্বে কেউ অগ্রগামী ছিল না; এবং তাঁর পরবর্তী ক্বারীগণ তাঁদের রচনাবলিতে তাঁরই পদ্ধতি অনুসরণ করেছেন।

/ নিশাপুরে আল-ফাদল ইবনে আবি হারব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আবদুর রহমান আস-সুলামী আমাকে তাঁর থেকে যা বর্ণনা করার অনুমতি দিয়েছেন তাতে আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবুল হাসান আদ-দারাকুতনীকে বলতে শুনেছি:

দুনিয়াতে আমার কাছে ইলমুল কালামের (তাত্ত্বিক ধর্মতত্ত্ব) চেয়ে অধিক ঘৃণিত আর কিছুই নেই।

আমি বাগদাদে আবুল কাসিম বকর ইবনে আলী ইবনে বকর ইবনে আলী ইবনে হাম্মাদ আল-বান্দারকে বলতে শুনেছি: আমি আলী ইবনে উমর আদ-দারাকুতনীর নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছি এবং আমার কিতাবসমূহ গ্রহণ করেছি। আমি আদ-দারাকুতনীর জানাজায় উপস্থিত ছিলাম; তাঁর জানাজা তিনশত পঁচাশি হিজরি সনে 'দারুল কুতন'-এ অবস্থিত মসজিদে পড়ানো হয়েছিল। তিনি দীর্ঘদেহী ও গৌরবর্ণের ছিলেন।

ইয়াহইয়া ইবনুল হুসাইন আল-আলাওয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আস-আবুল হুসাইন আহমাদ ইবনে আলী ইবনুল হুসাইন ইবনুত তাওজী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে আবিল ফাওয়ারিস আল-হাফিজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনশত পঁচাশি হিজরি সনের ৮ই জিলকদ, বুধবার হাফিজ আবুল হাসান আলী ইবনে উমর আদ-দারাকুতনী ইন্তেকাল করেন। তাঁর কাছেই এই বিষয়ের (হাদিস শাস্ত্রের) জ্ঞান পূর্ণতা লাভ করেছিল। আমরা হাফিজদের মধ্যে হাদিস, কিরাআত এবং সাহিত্য—এই সকল বিষয়ে তাঁর মতো আর কাউকে দেখিনি। তিনি অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন।

এবং তাঁর হাদিস শ্রবণ করার শুরু ছিল তিনশত পনেরো হিজরির শুরুতে, যেমনটি আহমাদ ইবনুল হাসান আল-বাযযায আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর আল-বারকানী আল-হাফিজ আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন:

আমি আবুল হাসানের নিকট উবাইদ ইবনে হারবুয়াহ-এর কথা উল্লেখ করলাম। তিনি তাঁর মর্যাদা ও স্মৃতিশক্তির কথা স্মরণ করলেন এবং আমাকে বললেন: আবু আবদুর রহমান আন-নাসায়ী তাঁর থেকে 'আস-সহীহ'-এ বর্ণনা করেছেন এবং সম্ভবত তিনি তাঁর (দারাকুতনীর) কুড়ি বছর পূর্বেই ইন্তেকাল করেছেন।

আমি বললাম: তাঁর মূল নিবাস কি বাগদাদে?

তিনি বললেন: হ্যাঁ। অতঃপর তিনি আমাকে বললেন: তাঁর থেকে আমি একটি অক্ষরও লাভ করতে পারিনি, অথচ আমি হাদিস লেখা শুরু করার পাঁচ বছর পর তিনি ইন্তেকাল করেছেন।

অতঃপর তিনি বললেন: আমি তিনশত পনেরো হিজরির শুরুতে হাদিস লিখেছি।

‌‌পরিচ্ছেদ

 

ইমাম আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মানদাহ-র পুত্র আবু আমর আব্দুল ওয়াহহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা যফর বলেছেন: একজন সাহাবীর হুকুম বা বিধান যখন তাঁর থেকে কোনো তাবিঈ বর্ণনা করেন—যদিও তিনি আশ-শা'বী এবং সাঈদ ইবনে (মুসাইয়িব)-এর মতো প্রসিদ্ধ হন...
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৫৩)
الْمسيب ينْسب إِلَى الْجَهَالَة فَإِذا روى عَنهُ رَجُلان صَار مَشْهُورا وَاحْتج بِهِ على هَذَا مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل البُخَارِيّ. وَمُسلم بن الْحجَّاج [فِي] كِتَابَيْهِمَا الصَّحِيحَيْنِ إِلَّا أحرفاً من أثرهما وَأما الْغَرِيب من الحَدِيث كَحَدِيث الزُّهْرِيّ وَقَتَادَة وأشباههما من الْأَئِمَّة مِمَّن يجمع حَدِيثهمْ إِذا انْفَرد الرجل عَنْهُم بِالْحَدِيثِ يُسمى غَرِيبا وَإِذا روى عَنْهُم رجلَانِ وَثَلَاثَة واشتركوا فِي حَدِيث سمي عَزِيزًا. وَإِذا روى الْجَمَاعَة حَدِيثا سمي مَشْهُورا. قَالَ الْمَقْدِسِي:

اعْلَم أَن الغرائب والأفراد على خَمْسَة أَنْوَاع:

النَّوْع الأول:

غرائب وأفراد صَحِيحَة وَهُوَ أَن يكون الصَّحَابِيّ مَشْهُورا بِرِوَايَة جمَاعَة من التَّابِعين عَنهُ ثمَّ ينْفَرد بِحَدِيث عَنهُ أحد الروَاة الثِّقَات لم يروه عَنهُ غَيره وَيَرْوِيه عَن التَّابِعِيّ رجل وَاحِد من الأتباع ثِقَة وَكلهمْ من أهل الشُّهْرَة وَالْعَدَالَة وَهَذَا حد فِي معرفَة الْغَرِيب والفرد الصَّحِيح وَقد أخرج نَظَائِر فِي الْكِتَابَيْنِ.

وَالنَّوْع الثَّانِي:

من الْأَفْرَاد أَحَادِيث يَرْوِيهَا جمَاعَة من التَّابِعين عَن الصَّحَابِيّ ويرويها عَن كل وَاحِد مِنْهُم جمَاعَة فينفرد عَن بعض رواتها بالرواية عَنهُ رجل وَاحِد لم يرو ذَلِك الحَدِيث عَن ذَلِك الرجل غَيره من طرق تصح / فَإِن كَانَ قد رَوَاهُ عَن الطَّبَقَة الْمُتَقَدّمَة عَن شَيْخه إِلَّا أَنه من رِوَايَة هَذَا المتفرد عَن شَيْخه لم يرويهِ عَنهُ.

وَالنَّوْع الثَّالِث:

أَحَادِيث يتفرد بِزِيَادَة أَلْفَاظ فِيهَا وَاحِد عَن شَيْخه لم يرو تِلْكَ الزِّيَادَة غَيره عَن ذَلِك الشَّيْخ فينسب إِلَيْهِ التفرد بهَا وَينظر فِي حَاله.

وَالنَّوْع الرَّابِع:

متون اشتهرت عَن جمَاعَة من الصَّحَابَة أَو عَن وَاحِد مِنْهُم فَروِيَ ذَلِك الْمَتْن عَن غَيره من الصَّحَابَة مِمَّن لَا يعرف بِهِ إِلَّا من طَرِيق هَذَا الْوَاحِد وَلم يُتَابِعه عَلَيْهِ غَيره.

وَالنَّوْع الْخَامِس:

من التفرد أَسَانِيد ومتون ينْفَرد بهَا أهل بلد لَا تُوجد إِلَّا من روايتهم. وَسنَن ينْفَرد بِالْعَمَلِ بهَا أهل مصر لَا يعْمل بهَا فِي غير مصرهم. وَلَيْسَ هَذَا النَّوْع مِمَّا أَرَادَهُ الدَّارَقُطْنِيّ وَلَا ذكره فِي هَذَا الْكتاب إِلَّا أَن ذكرَاهُ فِي بَابه.

وَلكُل نوع من هَذِه الْأَنْوَاع شَوَاهِد وأدلة لم نذكرها للاختصار والمتبحر يعلم ذَلِك فِي أثْنَاء هَذَا الْكتاب.
আল-মুসাইয়িবকে অপরিচিতির দিকে সম্বন্ধ করা হয়, কিন্তু যখন তাঁর থেকে দুইজন ব্যক্তি বর্ণনা করেন, তখন তিনি প্রসিদ্ধ হয়ে যান। মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল আল-বুখারী এবং মুসলিম বিন আল-হাজ্জাজ তাঁদের দুই 'সহীহ' গ্রন্থে এর ওপর ভিত্তি করেই দলিল গ্রহণ করেছেন, তবে তাঁদের বর্ণনাসমূহের মধ্যে খুব সামান্য কিছু বিষয় ব্যতীত। আর হাদিসের মধ্যে 'গরীব' (অপ্রসিদ্ধ) হলো যেমন ইমাম যুহরী, কাতাদাহ এবং তাঁদের মতো ইমামদের হাদিস, যাঁদের হাদিসসমূহ সংকলন করা হয়; যখন তাঁদের থেকে কোনো একজন ব্যক্তি এককভাবে হাদিস বর্ণনা করেন, তখন তাকে 'গরীব' বলা হয়। আর যদি তাঁদের থেকে দুইজন বা তিনজন বর্ণনা করেন এবং একটি হাদিসে শরিক হন, তবে তাকে 'আযীয' বলা হয়। আর যদি একদল বর্ণনাকারী কোনো হাদিস বর্ণনা করেন, তবে তাকে 'মাশহূর' বলা হয়। আল-মাকদিসী বলেন:

জেনে রাখুন যে, 'গরায়েব' (অপ্রসিদ্ধ বর্ণনাসমূহ) এবং 'আফরাদ' (একক বর্ণনাসমূহ) পাঁচ প্রকার:

প্রথম প্রকার:

সহীহ স্তরের গরায়েব ও আফরাদ। তা হলো, সাহাবী এমন প্রসিদ্ধ হবেন যে একদল তাবিঈ তাঁর থেকে বর্ণনা করেন, অতঃপর তাঁর থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের মধ্যে কেবল একজন একক হয়ে যান যা অন্য কেউ তাঁর থেকে বর্ণনা করেনি। আবার সেই তাবিঈ থেকে তাবিঈদের অনুসারীদের মধ্য হতে একজন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি সেটি বর্ণনা করেন এবং তাঁদের সকলেই প্রসিদ্ধি ও ন্যায়নিষ্ঠার অধিকারী। এটি 'গরীব' এবং 'সহীহ ফারদ' চেনার একটি মাপকাঠি এবং দুই কিতাবে (বুখারী ও মুসলিম) এর সদৃশ বর্ণনা বিদ্যমান রয়েছে।

দ্বিতীয় প্রকার:

'আফরাদ'-এর মধ্য হতে এমন সব হাদিস যা একদল তাবিঈ সাহাবী থেকে বর্ণনা করেন এবং তাঁদের প্রত্যেকের থেকে একদল বর্ণনাকারী বর্ণনা করেন, অতঃপর তাঁদের কোনো কোনো বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনার ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তি একক হয়ে যান, যিনি ছাড়া অন্য কেউ সহীহ সনদে ওই ব্যক্তির থেকে সেই হাদিসটি বর্ণনা করেননি। যদিও পূর্ববর্তী স্তরের কেউ তাঁর শাইখ থেকে এটি বর্ণনা করে থাকতে পারেন, কিন্তু এই একক বর্ণনাকারীর বর্ণনায় তাঁর শাইখ থেকে অন্য কেউ তা বর্ণনা করেনি।

তৃতীয় প্রকার:

এমন সব হাদিস যাতে কোনো একজন বর্ণনাকারী তাঁর শাইখ থেকে অতিরিক্ত শব্দ বর্ণনায় একক হয়ে যান, যা ওই শাইখ থেকে অন্য কেউ সেই অতিরিক্ত অংশটুকু বর্ণনা করেনি; ফলে এই একক বর্ণনার সম্বন্ধ তাঁর দিকেই করা হয় এবং তাঁর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

চতুর্থ প্রকার:

এমন সব মতন (হাদিসের মূল পাঠ) যা একদল সাহাবী থেকে অথবা তাঁদের একজনের থেকে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে, অতঃপর সেই মতনটি অন্য এমন সাহাবী থেকে বর্ণিত হয়েছে যা কেবল এই একজন ব্যক্তির মাধ্যমেই জানা যায় এবং অন্য কেউ এ ব্যাপারে তাঁর অনুসরণ (মুতাবা'আত) করেনি।

পঞ্চম প্রকার:

একত্বের (তাফাররুদ) এমন সব সনদ ও মতন যাতে কোনো নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের অধিবাসীগণ একক হয়ে যান, যা তাঁদের বর্ণনা ছাড়া অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। অথবা এমন সব সুন্নাহ যার ওপর আমল করার ক্ষেত্রে কোনো একটি অঞ্চলের অধিবাসীগণ একক হয়ে যান, যা তাঁদের অঞ্চল ব্যতীত অন্য কোথাও আমল করা হয় না। এই প্রকারটি ইমাম দারা কুতনী এই কিতাবে উদ্দেশ্য করেননি এবং তিনি এটি এখানে উল্লেখও করেননি, তবে এর সংশ্লিষ্ট অধ্যায়ে তা উল্লেখ করা হয়েছে।

এই প্রকারগুলোর প্রত্যেকটির স্বপক্ষে অনেক সাক্ষ্য ও দলিল রয়েছে যা সংক্ষেপ করার উদ্দেশ্যে আমরা এখানে উল্লেখ করিনি; আর গভীর জ্ঞানের অধিকারী ব্যক্তি এই কিতাবের বিভিন্ন স্থানে তা জানতে পারবেন।
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৫৪)
ورُب حَدِيث صَحِيح مَتنه مخرج فِي الصَّحِيح إِلَّا أَن أَبَا الْحسن أورد هَاهُنَا من طَرِيق آخر ينْفَرد بروايته بعض المقلة وَله طرق صَحِيحَة على مَا بَيناهُ فيعتقد من لَا خبْرَة لَهُ بِالْحَدِيثِ أَن هَذَا الْأَمر لم يروه عَن هَذَا الرجل المتفرد بِهِ. لَيْسَ كَذَلِك فَإِن الروَاة يتَمَيَّز بَعضهم على بعض بِالْحِفْظِ والإتقان فَإِن عِيسَى بن يُونُس يروي عَن هِشَام بن عُرْوَة عَن أَخِيه عبد الله بن عُرْوَة عَن عُرْوَة عَن عَائِشَة حَدِيث أم زرع وَيَرْوِيه غَيره مِمَّن لَا يحفظ / عَن هِشَام غير أَبِيه عَن عَائِشَة. فَتلك الطَّرِيق الْمَشْهُورَة فيورده أَبُو الْحسن من هَذِه الرِّوَايَة الثَّانِيَة وَيذكر تفرده بِهِ عَن هِشَام وعَلى هَذَا الْمِثَال أَحَادِيث كَثِيرَة يخْتَلف الروَاة فِي إِيرَاد طرقها وينفرد بهَا رجل فيعد فِي أَفْرَاده وَيكون الصَّحِيح خِلَافه وَإِن كَانَت متونها صَحِيحَة ثَابِتَة من رِوَايَة الثِّقَات مِمَّن ينظر فِي تفرد بَاب الحَدِيث فِي هَذَا الْكتاب عَن غَيره فَإِن كَانَ من الْأَحَادِيث الْمَشْهُورَة الصَّحِيحَة عرف تفرد هَذَا الرَّاوِي وَأَنه قد رُوِيَ من غير وَجه من غير طَرِيقه وَإِن كَانَ حُكماً لم يرد إِلَّا من طَرِيق هَذَا المتفرد نظر فِي حَاله وَحَال رُوَاته عَن آخِرهم فَإِن كَانُوا هم من أهل الْعَدَالَة والثقة وَالْحِفْظ قبل مِنْهُ مَا تفرد بِهِ عَنْهُم وَقد تقدم بَابه وَهُوَ الصَّحِيح من الْأَفْرَاد وَإِن كَانُوا من أهل الْجرْح والضعف وَسُوء الْحِفْظ وَكَثْرَة الْخَطَأ لم يحْتَج بتفرده وَلم يعْتد بِهِ لَا سِيمَا الْأَحَادِيث الَّتِي يتفرد بروايتها أهل الْهَوَاء عَن الكذبة المتروكين والضعفاء والمجروحين عَن الثِّقَات أَو عَن أمثالهم من الضُّعَفَاء مثل تعلق معتقداتهم ومذاهبهم.

وَالله يعصمنا من الْأَهْوَاء المعتلة والانا المضمحلة بمنه ولطفه.

‌‌فصل

 

وتختصر على إِيرَاد أَطْرَاف مَا ذكر أَبُو الْحسن فِي فَوَائده لأَنا قصدنا ترتيبه.

وَأما الْغَرِيب والأفراد فِي الحَدِيث فأضعاف هَذَا وَلَيْسَ قصدنا استقصاء هَذَا النَّوْع.

ورتبناه على الْأَطْرَاف مُخْتَصرا للفائدة / لأَنا لَو أوردناه بأسانيده ومتونه لطال الْكتاب وَلم ينْتَفع بِهِ إِلَّا من كَانَ مسموعا لَهُ.

وَهَذَا الْكتاب لَو وَقع إِلَيْنَا عَن أَصْحَاب أبي الْحسن كَانَ عَالِيا وَلَا يَقع إِلَّا عَن رجلَيْنِ عَنهُ فَيكون نزولا لنا فَإنَّا نَظرنَا فَوَجَدنَا أسْند رجل عِنْده أَبُو الْقَاسِم الْبَغَوِيّ. وأقدمهم متونا أَبُو بكر بن أبي دَاوُد وَقد حدثونا عَن جمَاعَة من أصحابهما.

ثمَّ نَظرنَا فِي مولد أبي الْحسن فَقَرَأت بِخَط أبي الْحسن عَليّ بن مُحَمَّد الميداني رحمه الله على ظهر جُزْء من الْأَفْرَاد رِوَايَته عَن أبي طَالب العُشاري: توفّي أَبُو الْحسن عَليّ بن عمر الدَّارَقُطْنِيّ رحمه الله آخر نَهَار يَوْم الثُّلَاثَاء السَّابِع من ذِي الْقعدَة سنة خمس وثماني وَدفن فِي مَقَابِر قبر مَعْرُوف يَوْم الْأَرْبَعَاء وَكَانَ مولده لخمس خلون من
এমন অনেক সহীহ হাদিস রয়েছে যার মূল পাঠ (মতন) সহীহ গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে, তবে আবুল হাসান এখানে এমন একটি ভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে তা উল্লেখ করেছেন যা বর্ণনায় কেবল অল্প কিছু বর্ণনাকারীই একক। আমরা যেমনটি স্পষ্ট করেছি, এর সহীহ সূত্রও বিদ্যমান রয়েছে। ফলে হাদিস শাস্ত্রে যার অভিজ্ঞতা নেই, তিনি মনে করতে পারেন যে এই বিষয়টি কেবল এই একক ব্যক্তি ছাড়া আর কেউ বর্ণনা করেননি। বিষয়টি এমন নয়; বরং বর্ণনাকারীরা তাদের মুখস্থ শক্তি ও নির্ভুলতার বিচারে একে অপরের থেকে স্বতন্ত্র। যেমন, ঈসা ইবনে ইউনুস হিশাম ইবনে উরওয়া থেকে, তিনি তার ভাই আবদুল্লাহ ইবনে উরওয়া থেকে, তিনি উরওয়া থেকে এবং তিনি আয়েশা (রা.) থেকে উম্মে যর-এর হাদিস বর্ণনা করেছেন। আবার হিশাম ছাড়া অন্য কেউ তা বর্ণনা করেছেন যিনি হিশামের পিতা থেকে আয়েশা (রা.)-এর সূত্রে মুখস্থ রাখেননি। এটিই হলো প্রসিদ্ধ সূত্র। অতঃপর আবুল হাসান এটি এই দ্বিতীয় বর্ণনা থেকে উল্লেখ করেন এবং হিশাম থেকে তার একক হওয়ার কথা উল্লেখ করেন। এই উদাহরণের মতো আরও অনেক হাদিস রয়েছে যেখানে বর্ণনাকারীরা তাদের সূত্র বর্ণনায় ভিন্নমত পোষণ করেন এবং কোনো একজন তাতে একক হয়ে যান, ফলে তা তার একক বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত হয়। অথচ সহীহ বর্ণনাটি এর বিপরীত হয়, যদিও নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের বর্ণনায় তার মূল পাঠ (মতন) সহীহ ও সাব্যস্ত। এই কিতাবে হাদিসের কোনো নির্দিষ্ট অধ্যায়ে অন্যের বিপরীতে কোনো রাবীর একক বর্ণনার বিষয়টি বিচার করতে গেলে দেখা যায়, যদি তা প্রসিদ্ধ সহীহ হাদিসগুলোর অন্তর্ভুক্ত হয়, তবে এই রাবীর একক হওয়ার বিষয়টি জানা যায় এবং এটাও জানা যায় যে এটি তার সূত্র ছাড়া অন্যভাবেও বর্ণিত হয়েছে। আর যদি এমন কোনো বিধান হয় যা কেবল এই একক বর্ণনাকারীর মাধ্যমেই এসেছে, তবে তার অবস্থা এবং তার পরবর্তী সকল স্তরের বর্ণনাকারীদের অবস্থা যাচাই করা হবে। যদি তারা ন্যায়পরায়ণ, নির্ভরযোগ্য এবং প্রখর স্মৃতিশক্তির অধিকারী হন, তবে তাদের থেকে তার একক বর্ণনাটি গ্রহণ করা হবে—এ সম্পর্কে পূর্বেই আলোচনা করা হয়েছে এবং এটিই একক বর্ণনার ক্ষেত্রে সহীহ হওয়ার মানদণ্ড। আর যদি তারা আপত্তিকর, দুর্বল, মন্দ স্মৃতিশক্তি সম্পন্ন এবং অধিক ভুলকারী হন, তবে তার একক বর্ণনার দ্বারা দলিল গ্রহণ করা হবে না এবং তা ধর্তব্যও হবে না; বিশেষ করে ওই সকল হাদিস যা কুপ্রবৃত্তির অনুসারীরা (আহলে আহওয়া) মিথ্যাবাদী, পরিত্যক্ত এবং দুর্বল ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের থেকে বর্ণনা করে—চাই তারা নির্ভরযোগ্যদের থেকে বর্ণনা করুক অথবা তাদের মতো অন্য দুর্বলদের থেকে বর্ণনা করুক, যেমন তাদের আকিদা ও মাযহাবের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো।

আল্লাহ তাআলা তাঁর অনুগ্রহ ও দয়ায় আমাদের বিভ্রান্ত কুপ্রবৃত্তি এবং বিনাশী অহমিকা থেকে রক্ষা করুন।

‌‌অনুচ্ছেদ

 

আমরা আবুল হাসান তার 'ফাওয়াইদ' গ্রন্থে যা উল্লেখ করেছেন তার মূল অংশগুলো সংক্ষেপে সংকলন করব, কারণ আমাদের উদ্দেশ্য হলো তা বিন্যস্ত করা।

আর হাদিসের গরিব এবং একক বর্ণনাগুলো এর চেয়ে বহুগুণ বেশি, এই প্রকারের সবটুকুর গভীর অনুসন্ধান করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়।

আমরা উপকারের নিমিত্তে একে মূল অংশসমূহের (আতরাফ) ভিত্তিতে সংক্ষিপ্তভাবে সাজিয়েছি; কারণ আমরা যদি একে পূর্ণ সনদ ও মতনসহ উল্লেখ করতাম, তবে কিতাবটি দীর্ঘ হয়ে যেত এবং যারা তা সরাসরি শ্রবণ করেছেন তারা ছাড়া অন্য কেউ এর দ্বারা উপকৃত হতে পারত না।

এই কিতাবটি যদি আবুল হাসানের সরাসরি ছাত্রদের সূত্রে আমাদের নিকট পৌঁছাত, তবে তা উচ্চপর্যায়ের (আলি) সনদ হতো। কিন্তু তা তাঁর থেকে দুই জন ব্যক্তির মাধ্যম ছাড়া আমাদের নিকট পৌঁছেনি, ফলে এটি আমাদের জন্য নিচু পর্যায়ের (নুজুল) সনদ। আমরা বিচার করে দেখেছি যে, তাঁর কাছে সবচেয়ে দীর্ঘ সনদে বর্ণনাকারী ব্যক্তি হলেন আবু আল-কাসিম আল-বাগাওয়ি। আর মতন বা মূল পাঠের বিচারে তাদের মধ্যে অগ্রগণ্য হলেন আবু বকর ইবনে আবি দাউদ। তাদের একদল ছাত্র আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

অতঃপর আমরা আবুল হাসানের জন্ম নিয়ে অনুসন্ধান করলাম। আমি আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-মায়দানি (রহ.)-এর হস্তাক্ষরে একটি একক বর্ণনার পাণ্ডুলিপির পিঠে আবু তালিব আল-উশারি থেকে তাঁর বর্ণনা পাঠ করেছি: আবুল হাসান আলী ইবনে উমর আদ-দারাকুতনি (রহ.) ৩৮৫ হিজরি সালের যিলকদ মাসের সাত তারিখ মঙ্গলবার দিনের শেষ ভাগে ইন্তেকাল করেন এবং বুধবার মারূফ (কারখী)-এর কবরের পাশে সমাহিত করা হয়। তাঁর জন্ম হয়েছিল যিলকদ মাসের পাঁচ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর...
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৫৫)
ذِي الْقعدَة سنة سِتّ وثلاثمائة فكمل لَهُ سِتّ وَسَبْعُونَ سنة ويومان.

فعلى هَذَا يكون آخر سَمَاعه من الْبَغَوِيّ وَله إِحْدَى عشرَة سنة لِأَن الْبَغَوِيّ توفّي سنة سبع عشرَة.

وَمن ابْن أبي دَاوُد وَله عشر سِنِين لِأَنَّهُ توفّي سنة سِتّ عشرَة.

وتراه حدث عَنْهُمَا بالكثير. وَكَانَ لَهُ رحمه الله مذهبا فِي التَّدْلِيس سليم عَمَّا يسْقط الْعَدَالَة وَيخْفى على كثير من الْمُحدثين.

كَانَ يَقُول فِيمَا جمعه من الْبَغَوِيّ:

حَدثنَا أَبُو الْقَاسِم إملاء وَقِرَاءَة وقرىء عَلَيْهِ وَأَنا أسمع. وَيَقُول فِيمَا لم يسمع: قرىء على أبي الْقَاسِم الْبَغَوِيّ حَدثكُمْ فلَان وَلَا ينْسب إِلَى نَفسه من ذَلِك شَيْئا.

فَكَانَ إِيرَاد أَحَادِيثه على الْأَطْرَاف / ( … . .) ( {) لجَمِيع الْمُحدثين من روى 12 / أالكتاب من ( … . .) (} ) أَحَادِيثه ينْتَفع بِعِلْمِهِ وَيخرج آخَرُونَ أَطْرَاف هَذَا الْكتاب على فُصُول خَمْسَة يَهْتَدِي بهَا الطَّالِب إِلَى بغيته من غير تَعب.

‌‌فالفصل الأول:

 

الْمسند بِالْعشرَةِ فِي هَذَا الْكتاب.

‌‌والفصل الثَّانِي:

 

مسانيد من اشْتهر بِالْآبَاءِ من الصَّحَابَة رضي الله عنهم على المعجم وترتيب الروَاة مِنْهُم على المعجم أَيْضا فِي حِين كَثْرَة الروَاة عَنهُ.

‌‌الْفَصْل الثَّالِث:

من اشْتهر بالكنى وَإِن كَانَ لَهُ اسْم مَعْرُوف أَو لم يكن مثل أبي هُرَيْرَة والخدري والأشعري وَغَيرهم.

‌‌الْفَصْل الرَّابِع:

 

مَا أسْند عَن التسامي هَذَا النَّوْع من سمى وكنى على الْمِثَال الأول.

‌‌الْفَصْل الْخَامِس:

 

مَا تفرد بِهِ من الْمَرَاسِيل والمجاهيل وَمن لم يسم. ليعرف بِذَاكَ المسترشد مَقْصُوده.

وَالله الْمُسْتَعَان لذَلِك والمعين عَلَيْهِ إِنَّه سميع مُجيب.
৩১৬ হিজরির জিলকদ মাসে, ফলে তাঁর বয়স পূর্ণ হয়েছিল ছিয়াত্তর বছর দুই দিন।

এর ভিত্তিতে বাগাভী থেকে তাঁর সর্বশেষ হাদিস শ্রবণ হয়েছিল এগারো বছর বয়সে, কারণ বাগাভী ৩১৭ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।

আর ইবনে আবি দাউদ থেকে শ্রবণ করেছিলেন দশ বছর বয়সে, যেহেতু তিনি ৩১৬ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।

আপনি দেখবেন যে তিনি তাঁদের উভয়ের পক্ষ থেকে প্রচুর হাদিস বর্ণনা করেছেন। আর তাঁর (রহিমাহুল্লাহ) 'তাদলিস' (হাদিসের ত্রুটি গোপন করা) এর ক্ষেত্রে এমন একটি পদ্ধতি ছিল যা ন্যায়পরায়ণতাকে (আদালাত) নষ্ট করা থেকে মুক্ত ছিল এবং তা অনেক মুহাদ্দিসের নিকট অস্পষ্ট ছিল।

বাগাভীর কাছ থেকে সংগৃহীত হাদিসগুলোর ব্যাপারে তিনি বলতেন:

"আবুল কাসিম আমাদের নিকট শ্রুতলিপি (ইমলা) ও পাঠের (কিরাত) মাধ্যমে হাদিস বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এমতাবস্থায় যে আমি শুনছিলাম।" আর যা তিনি শুনেননি সে বিষয়ে বলতেন: "আবুল কাসিম আল-বাগাভীর সামনে পাঠ করা হয়েছে যে, অমুক আপনাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন," এবং তিনি এর কোনো কিছু নিজের দিকে সম্বন্ধ করতেন না।

সুতরাং তাঁর হাদিসসমূহ 'আতরাফ' (সূচিপত্র) পদ্ধতিতে উপস্থাপন করা হয়েছে / ( … . .) ( {) সকল মুহাদ্দিসের জন্য যারা ১২/আ-এর কিতাব থেকে বর্ণনা করেছেন ( … . .) (} ) তাঁর হাদিসসমূহ দ্বারা তাঁর ইলম থেকে উপকৃত হওয়া যায়। অন্যান্যরা এই কিতাবের 'আতরাফ'কে পাঁচটি অধ্যায়ে বিন্যস্ত করেছেন, যার মাধ্যমে ছাত্র কোনো ক্লান্তি ছাড়াই তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে।

‌‌প্রথম অধ্যায়:

 

এই কিতাবে দশজন (জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবী)-এর মুসনাদ।

‌‌দ্বিতীয় অধ্যায়:

 

সাহাবীগণ (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)-এর মধ্যে যারা তাঁদের পিতার নামে প্রসিদ্ধ তাঁদের মুসনাদসমূহ বর্ণনানুক্রমিক অভিধানের (মুজাম) বিন্যাসে, এবং যখন তাঁদের থেকে বর্ণনাকারীর সংখ্যা বেশি হয় তখন তাঁদের মধ্য থেকে বর্ণনাকারীদের বিন্যাসও বর্ণনানুক্রমিক অভিধানের ক্রমানুসারে করা হয়েছে।

‌‌তৃতীয় অধ্যায়:

যারা উপনামে (কুনিয়াত) প্রসিদ্ধ, চাই তাঁদের কোনো পরিচিত নাম থাকুক বা না থাকুক, যেমন আবু হুরায়রা, আল-খুদরি, আল-আশআরি এবং অন্যান্যরা।

‌‌চতুর্থ অধ্যায়:

 

যাদের নাম ও উপনাম প্রথম উদাহরণের মতো উল্লেখ করা হয়েছে তাদের বর্ণিত মুসনাদসমূহ।

‌‌পঞ্চম অধ্যায়:

 

যে সকল 'মুরাসাল' (ছিন্ন সূত্র), 'মাজহুল' (অজ্ঞাত পরিচয় বর্ণনাকারী) এবং যাদের নাম উল্লেখ করা হয়নি তাদের একক বর্ণনাগুলো; যাতে সত্যানুসন্ধানী ব্যক্তি তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে পারে।

আর এ বিষয়ের জন্য আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাওয়া হয় এবং তিনিই সাহায্যকারী, নিশ্চয়ই তিনি শ্রবণকারী ও কবুলকারী।
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৫৭)
-‌‌ مُسْند أبي بكر الصّديق رضي الله عنه

-

‌‌الْخُلَفَاء:

 

‌‌عمر بن الْخطاب أَمِير الْمُؤمنِينَ عَنهُ

 

1 - حَدِيث: اطلع عمر على أبي بكر وَهُوَ يَمُدُّ لِسَانه فَقَالَ: مَا تصنع يَا خَليفَة رَسُول الله … الحَدِيث.

تفرد بِهِ عبد الصَّمد بن عبد الْوَارِث عَن عبد الْعَزِيز بن مُحَمَّد الدَّرَاورْدِي عَن زيد بن أسلم عَن أَبِيه عَن عمر قَالَ: ابْن صاعد كَذَا قَالَ عبد الصَّمد أدرج الحَدِيث الْمسند بالموقوف وفَصَلهَ لنا عبد الله بن عمرَان / العابدي عَن الدَّرَاورْدِي عَن زيد عَن أَبِيه: أَن عمر اطلع أبي بكر وَهُوَ يذلع لِسَانه آخذه بِيَدِهِ فَقَالَ: مَا تصنع يَا خَليفَة رَسُول الله؟ فَقَالَ: وَهل أوردني الْمَوَارِد إِلَّا هَذَا.
-আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু আনহুর মুসনাদ

-

‌খলীফাগণ:

 

‌আমীরুল মুমিনীন উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু

 

১ - হাদীস: উমর আবু বকরের নিকট আসলেন এমতাবস্থায় যে তিনি (আবু বকর) নিজের জিহ্বা টেনে ধরছিলেন। তখন তিনি বললেন: হে আল্লাহর রাসূলের খলীফা! আপনি কী করছেন? ... হাদীস।

এটি এককভাবে আবদুস সামাদ ইবনে আব্দুল ওয়ারিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ আদ-দারওয়ার্দী থেকে, তিনি যায়িদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি উমর থেকে। ইবনে সাঈদ বলেন: আবদুস সামাদ এভাবেই বর্ণনা করেছেন; তিনি মুসনাদ হাদীসকে মাওকুফের সাথে সংমিশ্রিত করে ফেলেছেন। আর আব্দুল্লাহ ইবনে ইমরান আল-আবিদী আমাদের নিকট দারওয়ার্দী থেকে, তিনি যায়িদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে এটি পৃথকভাবে বর্ণনা করেছেন যে: উমর আবু বকরের নিকট আসলেন এমতাবস্থায় যে তিনি তাঁর হাত দিয়ে নিজের জিহ্বা টেনে ধরছিলেন, তখন উমর বললেন: হে আল্লাহর রাসূলের খলীফা! আপনি কী করছেন? তিনি (আবু বকর) বললেন: এটিই আমাকে ধ্বংসের পথে নিয়ে এসেছে।
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৫৮)
قَالَ ابْن صاعد هَذَا آخر الحَدِيث ثمَّ ابْتَدَأَ آخر فِي إثره.

قَالَ العابدي: حَدثنَا الدَّرَاورْدِي عَن زيد بن أسلم أَن رَسُول الله قَالَ: " مَا من عُضْو من الْأَعْضَاء إِلَّا ويشتكي إِلَى الله عز وجل مَا يلقى من اللِّسَان)) على حِدته.
ইবনে সাঈদ বলেন, এটি হাদিসের সমাপ্তি, অতঃপর তিনি এর পরপরই অন্য একটি হাদিস আরম্ভ করেন।

আবিদী বলেন: দারাওয়ার্দী আমাদের নিকট যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল বলেছেন: "শরীরের এমন কোনো অঙ্গ নেই যা জিহ্বার দ্বারা প্রাপ্ত কষ্টের বিষয়ে মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর কাছে পৃথকভাবে অভিযোগ করে না।"
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৫৯)
2 - حَدِيث: بَينا أَنا جَالس مَعَ رَسُول الله إِذْ جَاءَ رجل قد برص وَنفى على ظهر قدمه مثل المظفر. . الحَدِيث.

غَرِيب من حَدِيث سَالم بن عبد الله بن عمر عَن أَبِيه عَن جده عَن أبي بكر تفرد بِهِ الْوَازِع بن نَافِع عَنهُ وَتفرد بِهِ الْمُغيرَة بن (سقلاب) عَن الْوَازِع.

3 - حَدِيث: أَنه قَامَ خَطِيبًا فَقَالَ: إِن نَبِي الله قَامَ فِينَا عَام أول. . الحَدِيث. غَرِيب من حَدِيث حميد بن عبد الرَّحْمَن الْحِمْيَرِي عَن عبد الله بن عَبَّاس عَن عمر عَنهُ.

وغريب من حَدِيث سليم بن حَيَّان عَن قَتَادَة عَنهُ تفرد بِهِ الْأَصْمَعِي عبد الْملك قريب عَنهُ وَتفرد بِهِ يحيى بن سُوَيْد الْحَنَفِيّ عَن الْأَصْمَعِي.

وَتفرد بِهِ حَاتِم عَن يحيى.

وَرَوَاهُ فِي مَوضِع آخر وَقَالَ: تفرد بِهِ الْأَصْبَغ عَن سليم وصلَة عَن ابْن عَبَّاس.

‌‌عُثْمَان بن عَفَّان أَمِير الْمُؤمنِينَ عَن الصّديق

 

4 - حَدِيث: سَأَلت رَسُول / الله عَن نجاتنا. . الحَدِيث.
2 - হাদীস: আমি যখন রাসূলুল্লাহর সাথে উপবিষ্ট ছিলাম, তখন এক ব্যক্তি আসল যে শ্বেতী রোগে আক্রান্ত ছিল এবং তার পায়ের পাতার উপরিভাগে নখের মতো একটি স্থান (দাগ) অবশিষ্ট ছিল... হাদীস।

সালেম বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে এবং তিনি আবু বকর থেকে বর্ণনা করেছেন এমন হাদীস হিসেবে এটি গরীব। ওয়াজি' বিন নাফে' এটি তাঁর থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং মুগীরাহ বিন (সাকলাব) ওয়াজি' থেকে এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

3 - হাদীস: তিনি খুতবা দিতে দাঁড়ালেন এবং বললেন: আল্লাহর নবী গত বছর আমাদের মাঝে দাঁড়িয়েছিলেন... হাদীস। হুমাইদ বিন আব্দুর রহমান আল-হিময়ারী কর্তৃক আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস থেকে, তিনি উমর থেকে এবং তিনি তাঁর (আবু বকর) থেকে বর্ণনা করেছেন এমন হাদীস হিসেবে এটি গরীব।

এবং সুলাইম বিন হাইয়ান কর্তৃক কাতাদাহ থেকে, তিনি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এমন হাদীস হিসেবেও এটি গরীব; আসমাঈ আব্দুল মালিক কারীব এটি তাঁর থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং ইয়াহইয়া বিন সুওয়াইদ আল-হানাফী আসমাঈ থেকে এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

হাতিম এটি ইয়াহইয়া থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

তিনি এটি অন্য স্থানে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: আসবাগ এটি সুলাইম থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং সিলাহ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন।

‌‌আমীরুল মুমিনীন উসমান বিন আফফান সিদ্দীক থেকে বর্ণনা করেছেন

 

4 - হাদীস: আমি রাসূলুল্লাহকে আমাদের মুক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম... হাদীস।
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৬০)
تفرد بِهِ عبد الرَّحْمَن بن عَمْرو بن جبلة عَن عبد الْعَزِيز بن أبي سَلمَة عَن مُحَمَّد بن الْمُنْكَدر عَن جَابر عَن عُثْمَان عَنهُ.

وَاخْتلف عَنهُ فَرَوَاهُ سيار بن الْحسن البشري عَن ابْن جبلة عَن عبد الْعَزِيز بن الْمَاجشون عَن ابْن الْمُنْكَدر عَن جَابر عَن عُثْمَان عَن الصّديق.

وَرَوَاهُ داهر بن نوح عَن يُوسُف الْمَاجشون عَن ابْن الْمسيب عَن عُثْمَان عَن الصّديق.

‌‌عَليّ بن أبي طَالب أَمِير الْمُؤمنِينَ عَن الصّديق

 

5 - حَدِيث: أَنه سمع رَسُول الله يَقُول: ((مَا من عبد يُذنب. .)) الحَدِيث.

غَرِيب من حَدِيث شُعْبَة عَن أبي إِسْحَاق عَنهُ.

تفرد بِهِ مُوسَى بن مُحَمَّد بن عَطاء عَن إِسْمَاعِيل بن عَيَّاش عَنهُ وَرَوَاهُ عمر بن يزِيد قَاضِي الْمَدَائِن عَن أبي إِسْحَاق عَن عبد خير عَن عَليّ وَلم يروه عَنهُ غير دَاوُد بن مهْرَان وَهُوَ غَرِيب من حَدِيث أبي إِسْحَاق عَن عبد خير.

6 - حَدِيث: أَنه قَالَ: ((لَو مَنَعُونِي عقَالًا)) . . الحَدِيث. .

تفرد بِهِ سُلَيْمَان بن عَمْرو عَن عبد الْملك بن عُمَيْر عَن سُوَيْد بن غَفلَة عَن عَليّ.
আবদুর রহমান ইবনে আমর ইবনে জাবালা এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন আব্দুল আজিজ ইবনে আবু সালামাহ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি উসমান থেকে, তিনি তাঁর (রাসূলুল্লাহর) থেকে।

আর তাঁর সূত্রে বর্ণিত রেওয়ায়েতে মতভেদ হয়েছে; সাইয়ার ইবনুল হাসান আল-বিশরি এটি বর্ণনা করেছেন ইবনে জাবালা থেকে, তিনি আব্দুল আজিজ ইবনুল মাজিশুন থেকে, তিনি ইবনুল মুনকাদির থেকে, তিনি জাবির থেকে, তিনি উসমান থেকে, তিনি (আবু বকর) সিদ্দিকের সূত্রে।

আর দাহির ইবনে নুহ এটি বর্ণনা করেছেন ইউসুফ আল-মাজিশুন থেকে, তিনি ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি উসমান থেকে, তিনি (আবু বকর) সিদ্দিকের সূত্রে।

‌‌আমিরুল মুমিনিন আলি ইবনে আবি তালিব, তিনি (আবু বকর) সিদ্দিক থেকে বর্ণনা করেছেন

 

৫ - হাদিস: তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন: "এমন কোনো বান্দা নেই যে গুনাহ করে..." হাদিসের অবশিষ্টাংশ।

এটি শু'বাহর সূত্রে আবু ইসহাক থেকে তাঁর বর্ণনা হিসেবে গরিব (একক)।

মুসা ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আতা এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন ইসমাঈল ইবনে আইয়াশ থেকে, তিনি তাঁর থেকে। আর মাদায়েনের বিচারক উমর ইবনে ইয়াজিদ এটি বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবদ খাইর থেকে, তিনি আলি থেকে। দাউদ ইবনে মিহরান ব্যতীত অন্য কেউ তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেননি। আর এটি আবু ইসহাকের সূত্রে আবদ খাইরের বর্ণনা হিসেবে গরিব (একক)।

৬ - হাদিস: তিনি বলেছেন: "তারা যদি আমাকে একটি উটের রশি দিতেও অস্বীকার করত..." হাদিসের অবশিষ্টাংশ।

সুলায়মান ইবনে আমর এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন আব্দুল মালিক ইবনে উমাইর থেকে, তিনি সুয়াইদ ইবনে গাফালাহ থেকে, তিনি আলি থেকে।
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৬১)
7 - حَدِيث: قَالَ رَسُول الله: " إِذا رَأَيْت النَّاس يتنافسون فِي الدُّنْيَا. .)) الحَدِيث.

تفرد بِهِ بشير بن شُرَيْح أَخُو حَرْب بن شُرَيْح عَن أبي رَجَاء تفرد بِهِ عَنهُ عبد الرَّحْمَن بن عَمْرو بن جبلة.

‌‌أُسَامَة بن زيد عَن الصّديق

 

8 - حَدِيث: قَالَ أَبُو بكر الصّديق: إِن فتح الله عَلَيْكُم فاعط الْفَارِس سَهْمَيْنِ. . الحَدِيث.

تفرد بِهِ عبد الرَّحْمَن بن عَمْرو بن جبلة عَن عبد الله بن جَعْفَر الْمدنِي عَن زيد بن اسْلَمْ عَن عَطاء بن يسَار عَن أُسَامَة.

‌‌أنس بن مَالك عَن الصّديق

 

9 - حَدِيث: كَانَ أَبُو بكر إِذا رأى رَسُول الله مُقبلا أنشأ يَقُول: أَمِين.

(مصطفى للخير يدعوا … كضوء الْبَدْر قابله الظلام)

تفرد بِهِ مُحَمَّد بن عبد الله بن حميد مولى بني هَاشم عَن أَسْبَاط بن مُحَمَّد عَن أُسَامَة بن زيد عَن ربيعَة بن أبي عبد الرَّحْمَن عَنهُ.

10 - حَدِيث: ((فِي خمس من الْإِبِل شَاة)) . . الحَدِيث.
৭ - হাদিস: রাসূলুল্লাহ বলেছেন: "যখন তুমি দেখবে মানুষ দুনিয়ার মোহে একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করছে... " হাদিসটি।

এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন হারব বিন শুরাইহের ভাই বাশির বিন শুরাইহ, আবু রাজা থেকে। তাঁর থেকে এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান বিন আমর বিন জাবালাহ।

‌‌উসামা বিন যায়েদ, সিদ্দিক (রা.) থেকে

 

৮ - হাদিস: আবু বকর সিদ্দিক (রা.) বলেছেন: যদি আল্লাহ তোমাদের বিজয় দান করেন, তবে অশ্বারোহীকে দুই অংশ প্রদান করো... হাদিসটি।

এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান বিন আমর বিন জাবালাহ, আব্দুল্লাহ বিন জাফর আল-মাদানি থেকে, তিনি যায়েদ বিন আসলাম থেকে, তিনি আতা বিন ইয়াসার থেকে, তিনি উসামা থেকে।

‌‌আনাস বিন মালিক, সিদ্দিক (রা.) থেকে

 

৯ - হাদিস: আবু বকর (রা.) যখন রাসূলুল্লাহকে আসতে দেখতেন তখন তিনি আবৃত্তি করতেন: আমীন (বিশ্বস্ত)।

(মুস্তাফা কল্যাণের দিকে আহ্বান করেন … পূর্ণিমার চাঁদের আলোর ন্যায় যার সামনে অন্ধকার দূরীভূত হয়)

এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন বনী হাশিমের আযাদকৃত গোলাম মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন হুমাইদ, আসবাত বিন মুহাম্মদ থেকে, তিনি উসামা বিন যায়েদ থেকে, তিনি রাবিআহ বিন আবু আব্দুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর (আনাস) থেকে।

১০ - হাদিস: "পাঁচটি উটের ক্ষেত্রে একটি বকরি (যাকাত দিতে হবে)" . . হাদিসটি।
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৬২)
تفرد بِهِ نعيم بن حَمَّاد عَن مُعْتَمر عَن أَبِيه عَنهُ.

وَرَوَاهُ مُحَمَّد بن (مطفا) عَن نعيم وَرَفعه إِلَى النَّبِي.

11 - حَدِيث: أَن النَّبِي كَانَت لَهُ خرقَة إِذا تَوَضَّأ يمسح بهَا.
এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন নুআইম ইবনে হাম্মাদ, মুতামির থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর থেকে।

এবং এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে (মুতাফফা), নুআইম থেকে এবং তিনি এটি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন।

১১ - হাদিস: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর একটি কাপড়ের টুকরো ছিল, যা দিয়ে ওজু করার পর তিনি মুছতেন।
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৬৩)
كَذَا رَوَاهُ مُحَمَّد بن يحيى الصولي عَن أبي العيناء مُحَمَّد بن الْقَاسِم عَن أبي زيد سعيد بن أَوْس عَن أبي عَمْرو بن الْعَلَاء عَن أنس خلف عَنهُ.

وَرَوَاهُ عون بن عُمارة عَن أبي عَمْرو بن الْعَلَاء عَن إِيَاس بن صُبيح عَن رجل أَن النَّبِي كَانَت لَهُ خرقَة أَو منديل.

وَقَالَ غَيره عَن أبي عَمْرو عَن إِيَاس بن جَعْفَر عَن رجل عَن النَّبِي.

12 - حَدِيث: ((أُّمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ. .)) الحَدِيث.
একইভাবে এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আস-সুলী, আবুল আয়না মুহাম্মদ ইবনুল কাসিম থেকে, তিনি আবু যায়েদ সাঈদ ইবনে আওস থেকে, তিনি আবু আমর ইবনুল আলা থেকে, তিনি আনাস থেকে এবং তিনি তার পরবর্তী বর্ণনাকারী থেকে।

এবং আউন ইবনে উমারা এটি বর্ণনা করেছেন আবু আমর ইবনুল আলা থেকে, তিনি ইয়াস ইবনে সুবাইহ থেকে, তিনি এক ব্যক্তি থেকে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর একটি কাপড়ের টুকরো বা রুমাল ছিল।

এবং অন্যরা আবু আমর থেকে, তিনি ইয়াস ইবনে জাফর থেকে, তিনি এক ব্যক্তি থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন।

১২ - হাদিস: ((আমাকে মানুষের সাথে যুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে...)) সম্পূর্ণ হাদিস।
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৬৪)
تفرد بِهِ عمرَان الْقطَّان وَمعمر بن الزُّهْرِيّ عَن أنس عَنهُ.
ইমরান আল-কাত্তান এবং যুহরী থেকে মা’মার এটি আনাস থেকে, তিনি তাঁর থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৬৫)
وَتفرد بِهِ عَنهُ عَمْرو بن عَاصِم.

‌‌أَوسط بن عَمْرو البَجلِيّ عَن الصّديق

 

13 - / - حَدِيث: كنت عِنْد النَّبِي ((فجَاء رجل فَسلم. .)) الحَدِيث.

غَرِيب من حَدِيث أبي بكر عَن النَّبِي.

تفرد بِهِ سُلَيْمَان بن الرّبيع الْمهْدي عَن كَادِح بن رَحْمَة عَن ابْن لَهِيعَة عَن سليم بن عَامر عَنهُ.

‌‌بِلَال عَن الصّديق

 

14 - حَدِيث: قَوْله ((لَا تتوضأ من طَعَام أحل الله أكله)) .

تفرد بِهِ أسيد بن زيد عَن عَمْرو بن عمر عَن عمرَان بن مُسلم عَن سُوَيْد بن غَفلَة عَن بِلَال.
আমর ইবন আসিম তাঁর থেকে এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

‌‌সিদ্দিক থেকে আওসাত ইবন আমর আল-বাজালি

 

১৩ - / - হাদিস: আমি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট ছিলাম ((এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি এসে সালাম দিল...)) হাদিসটি।

নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত আবু বকরের হাদিস হিসেবে এটি গরিব।

সুলায়মান ইবনুর রবি আল-মাহদি এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন কাদিহ ইবনে রহমাহ থেকে, তিনি ইবনে লাহিয়াহ থেকে, তিনি সুলাইম ইবনে আমির থেকে, তিনি তাঁর থেকে।

‌‌সিদ্দিক থেকে বিলাল

 

১৪ - হাদিস: তাঁর বাণী ((আল্লাহ যে খাদ্য ভক্ষণ করা হালাল করেছেন তা থেকে অজু করো না))।

উসাইদ ইবন যায়িদ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন আমর ইবন উমর থেকে, তিনি ইমরান ইবন মুসলিম থেকে, তিনি সুওয়াইদ ইবন গাফালাহ থেকে, তিনি বিলাল থেকে।
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৬৬)
‌‌جَابر بن عبد الله عَن الصّديق

 

15 - حَدِيث: قَالَ رَسُول الله: ((من بدل دينه فَاقْتُلُوهُ)) .

تفرد بِهِ عبد الرَّحْمَن بن عَمْرو بن جبلة، عَن مُحَمَّد بن دِينَار الطَّاحِي، عَن عبيد الله بن زفر، عَن أبي نَضرة عَنهُ.

16 - حَدِيث: قَالَ عمر لأبي بكر: ((خير النَّاس))

الحَدِيث.

غَرِيب من حَدِيث مُحَمَّد بن الْمُنْكَدر عَن جَابر. تفرد بِهِ ابْن أَخِيه عبد الرَّحْمَن بن أخي مُحَمَّد. وَتفرد بِهِ عبد الله بن وَاقد الوَاسِطِيّ عَن عبد الرَّحْمَن.

17 - حَدِيث: أَن أَبَا بكر الصّديق دَعَا بِطَعَام قبل صَلَاة الْمغرب. . الحَدِيث.

غَرِيب من حَدِيث مَكْحُول الدِّمَشْقِي عَن جَابر عَنهُ.

تفرد بِهِ زيد بن وَاقد عَنهُ. وَتفرد بِهِ صَدَقَة بن خَالِد عَن زيد.
সিদ্দীক (আবু বকর) থেকে জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ

 

১৫ - হাদীস: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি তার দ্বীন পরিবর্তন করে, তাকে তোমরা হত্যা করো।"

এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান ইবনে আমর ইবনে জাবালা, তিনি মুহাম্মদ ইবনে দীনার আত-তাহী থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে যুফার থেকে, তিনি আবু নাদাহ থেকে, তিনি তাঁর (জাবির) সূত্রে।

১৬ - হাদীস: উমর (রা.) আবু বকর (রা.)-কে বললেন: "মানুষের মধ্যে সর্বোত্তম..."

আল-হাদীস।

মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির থেকে জাবিরের সূত্রে বর্ণিত এই হাদীসটি গরীব। এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র আব্দুর রহমান ইবনে আখী মুহাম্মদ। আর আব্দুর রহমান থেকে এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াকিদ আল-ওয়াসিতী।

১৭ - হাদীস: আবু বকর সিদ্দীক (রা.) মাগরিবের সালাতের পূর্বে খাবার আনালেন... আল-হাদীস।

মাকহুল আদ-দিমাশকী থেকে জাবিরের সূত্রে তাঁর (আবু বকর) থেকে বর্ণিত এই হাদীসটি গরীব।

এটি তাঁর থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন যায়েদ ইবনে ওয়াকিদ। আর যায়েদ থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন সাদাকা ইবনে খালিদ।
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৬৭)
‌‌جُبَير بن الْحُوَيْرِث بن نُقَيْد عَن الصّديق

 

18 - حَدِيث: ((مَا ببين بَيْتِي ومنبري رَوْضَة من رياض الْجنَّة)) .

غَرِيب / من حَدِيث عُرْوَة بن الزبير عَن جُبَير وغريب من حَدِيث يزِيد بن رقعان عَن عُرْوَة. تفرد بِهِ مُحَمَّد بن عمر الْوَاقِدِيّ عَن نَافِع عَن ثَابت عَن عبد الله بن الزبير عَن يزِيد وَرَوَاهُ فِي مَوضِع آخر من الْكتاب فَقَالَ فِيهِ: جُبَير بن الْحَارِث بن سعيد. وَالله أعلم.

‌‌زيد بن أَرقم عَن الصّديق

 

19 - حَدِيث: قَالَ: كَانَ لأبي بكر غُلَام يَأْتِيهِ ببغلته الحَدِيث وَفِيه أَن الله عز وجل حرم الْجنَّة على كل جَسَد غذي بِحرَام. . الحَدِيث.

تفرد بِهِ عبد الْوَاحِد بن زيد المتعبد عَن أسلم عَن مرّة الطّيب عَن زيد.
জুবাইর বিন আল-হুওয়াইরিস বিন নুকাইদ আস-সিদ্দীক থেকে

 

১৮ - হাদীস: ((আমার ঘর এবং আমার মিম্বরের মাঝখানের অংশটুকু জান্নাতের বাগানসমূহ থেকে একটি বাগান))।

গারীব / এটি জুবাইর থেকে উরওয়াহ বিন আল-যুবাইরের হাদীস থেকে এবং উরওয়াহ থেকে ইয়াজিদ বিন রুকা'আনের হাদীস থেকে গারীব। মুহাম্মাদ বিন উমর আল-ওয়াকিদী এটি বর্ণনায় একক হয়েছেন নাফি' থেকে, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আল-যুবাইর থেকে, তিনি ইয়াজিদ থেকে। তিনি কিতাবের অন্য এক স্থানে এটি বর্ণনা করেছেন এবং সেখানে বলেছেন: জুবাইর বিন আল-হারিস বিন সাঈদ। আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।

যায়েদ বিন আরকাম আস-সিদ্দীক থেকে

 

১৯ - হাদীস: তিনি বলেন: আবু বকরের একজন গোলাম ছিল যে তার নিকট তার খচ্চর নিয়ে আসত (হাদীসের অবশিষ্টাংশ)। আর এতে রয়েছে যে, আল্লাহ عز وجল সেই প্রতিটি দেহের জন্য জান্নাত হারাম করেছেন যা হারাম দ্বারা পুষ্ট হয়েছে। (হাদীস)।

আব্দুল ওয়াহিদ বিন যায়েদ আল-মুতাআব্বিদ এটি বর্ণনায় একক হয়েছেন আসলাম থেকে, তিনি মুররাহ আত-তাইয়িব থেকে, তিনি যায়েদ থেকে।
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৬৮)
وَرَوَاهُ فِي مَوضِع آخر من طَرِيق أبي إِسْحَاق عَن زيد وَقَالَ: تفرد بِهِ مُحَمَّد بن سلمَان عَن شريك عَن أبي إِسْحَاق.

‌‌زيد بن مُسلم بن حبيب الغيدي عَن الصّديق

 

20 - حَدِيث: أَنه قَالَ لأبي بكر إِنِّي عَالم بِالْبَحْرَيْنِ. . الحَدِيث.

وَفِيه: نعم الْقَوْم عبد الْقَيْس.

تفرد بِهِ عبد الرَّحْمَن بن جبلة عَن حبيب بن زيد بن مُسلم عَن أَبِيه.

‌‌سهل بن سعد عَن الصّديق

 

21 - حَدِيث: سَأَلت أَبَا بكر عَن الرجل يُصَلِّي خلف الإِمَام. الحَدِيث.

تفرد بِهِ عبد الرَّحْمَن بن عَمْرو بن جبلة عَن مُحَمَّد بن مثنى التَّيْمِيّ الْمدنِي عَن أبي حَازِم عَن سهل.
তিনি এটি অন্য স্থানে আবু ইসহাকের সূত্রে যায়েদ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: মুহাম্মাদ ইবন সালমান একে শারীক থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

‌যায়েদ ইবন মুসলিম ইবন হাবীব আল-গাইদী, সিদ্দীক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে

 

২০ - হাদীস: তিনি আবু বকরকে বলেছিলেন, আমি বাহরাইন সম্পর্কে অবগত... (হাদীসের অবশিষ্টাংশ)।

এতে আছে: আবদিল কায়েস কতই না উত্তম কওম।

এটি আবদুর রহমান ইবন জাবালাহ, হাবীব ইবন যায়েদ ইবন মুসলিম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

‌সাহল ইবন সাদ, সিদ্দীক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে

 

২১ - হাদীস: আমি আবু বকরকে ইমামের পেছনে নামাজরত ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম... (হাদীসের অবশিষ্টাংশ)।

এটি আবদুর রহমান ইবন আমর ইবন জাবালাহ, মুহাম্মাদ ইবন মুসান্না আত-তাইমী আল-মাদানী থেকে, তিনি আবু হাযিম থেকে, তিনি সাহল থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৬৯)
‌‌سعيد بن الْمسيب عَن الصّديق

 

22 - / - حَدِيث: الْعلم فِي (جنه)

الحَدِيث.

غَرِيب من حَدِيث الزُّهْرِيّ عَن سعيد. تفرد بِهِ الْوَلِيد بن سَلمَة الْأَزْدِيّ عَن عمر بن قيس عَنهُ.

‌‌سُنين أَبُو جميلَة عَن الصّديق

 

23 - حَدِيث: قَوْله: ((إِنَّا لَا نورث. .)) الحَدِيث.

تفرد بِهِ مُحَمَّد بن عَمْرو بن عَلْقَمَة عَن عبد الله بن نمير عَن عبد الله بن عمر عَن الزُّهْرِيّ عَنهُ.

‌‌الصنَابحِي عَن الصّديق

 

24 - حَدِيث: قَوْله:: ((إِن الله قد تصدق عَلَيْكُم بِثلث
সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব আস-সিদ্দিক (রা.) থেকে

 

২২ - / - হাদীস: জ্ঞান হলো (ঢাল) এর মধ্যে

হাদীসটি।

সাঈদের সূত্রে যুহরীর হাদীস হিসেবে এটি গরীব। এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন ওয়ালীদ ইবনে সালামাহ আল-আযদী, উমর ইবনে কায়সের সূত্রে তাঁর থেকে।

সুনাইন আবু জামিলা আস-সিদ্দিক (রা.) থেকে

 

২৩ - হাদীস: তাঁর বাণী: ((নিশ্চয়ই আমরা কোনো মিরাস রেখে যাই না...)) হাদীসটি।

এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনে আলকামা, আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি তাঁর থেকে।

আস-সুনাবিহী আস-সিদ্দিক (রা.) থেকে

 

২৪ - হাদীস: তাঁর বাণী: ((নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের উপর এক-তৃতীয়াংশ দ্বারা সদকা করেছেন...))
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৭০)
أَمْوَالكُم. .)) الحَدِيث.

تفرد بِهِ أَبُو إِسْمَاعِيل الإيلي وَأحمد بن حَفْص بن عمر بن مَيْمُون عَن ثَوْر بن يزِيد عَن مَكْحُول عَنهُ.

‌‌عبد الله بن عَبَّاس عَن الصّديق

 

25 - حَدِيث: شربت المَاء عِنْد أبي بكر. . الحَدِيث.

غَرِيب من حَدِيث الْمُعْتَمِر عَن أَبِيه عَن طَاوس.

تفرد بِهِ عبد الرَّحْمَن بن عَمْرو بن جبلة عَنهُ.

26 - حَدِيث: جَاءَ رجل إِلَى النَّبِي فَسَأَلَهُ عَن الرجل يبارز الرجل. . الحَدِيث.
তোমাদের ধন-সম্পদ...)) হাদীস।

এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন আবু ইসমাইল আল-আইলি এবং আহমদ বিন হাফস বিন উমর বিন মাইমুন; সাওরা বিন ইয়াজিদ থেকে, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি তাঁর থেকে।

‌‌আবদুল্লাহ বিন আব্বাস সিদ্দিক (রা.) থেকে

 

২৫ - হাদীস: আমি আবু বকরের কাছে পানি পান করলাম... হাদীস।

মুতামিরের বর্ণনায় তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাউস থেকে বর্ণিত এটি একটি গরীব (একক) হাদীস।

আবদুর রহমান বিন আমর বিন জাবালা এককভাবে এটি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

২৬ - হাদীস: একজন লোক নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এল এবং তাঁকে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করল যে অন্য ব্যক্তির সাথে দ্বন্দ্বযুদ্ধ করে... হাদীস।
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৭১)
تفرد بِهِ ابْن جبلة. هَذَا عَن مُسلم بن عبيد عَن مَرْدُود بن الْوَلِيد عَن ابْن عَبَّاس.

‌‌عبد الله بن عَمْرو بن الْعَاصِ عَن الصّديق

 

27 - حَدِيث: قلت: يَا رَسُول الله عَلمنِي دُعَاء. . الحَدِيث.

المعروق تفرد / بِهِ يزِيد بن أبي حبيب عَن أبي الْخَيْر مرْثَد بن عبد الله الْيَزنِي عَنهُ.

‌‌عبد الله بن الزبير عَن الصّديق

 

28 - حَدِيث: مَا رَأَيْت عَالما أحسن صَلَاة من ابْن جريج. وَأَخذهَا عَن عَطاء
ইবনে জাবালা এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন। এটি মুসলিম বিন উবায়েদ থেকে, তিনি মারদুদ বিন আল-ওয়ালিদ থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন।

‌‌আস-সিদ্দিক থেকে আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আস

 

২৭ - হাদিস: আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে একটি দোয়া শিখিয়ে দিন... (সম্পূর্ণ) হাদিস।

সুপরিচিত বর্ণনাটি ইয়াজিদ বিন আবি হাবিব এককভাবে বর্ণনা করেছেন, যা তিনি আবুল খায়ের মারসাদ বিন আবদুল্লাহ আল-ইয়াজানি থেকে এবং তিনি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।

‌‌আস-সিদ্দিক থেকে আবদুল্লাহ বিন আল-জুবায়ের

 

২৮ - হাদিস: আমি ইবনে জুরাইজের চেয়ে সুন্দর সালাত আদায়কারী কোনো আলেম দেখিনি। তিনি এটি আতা থেকে গ্রহণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) আতরাফুল গরাইব ওয়াল আফ্রাদ (পৃষ্ঠা: ৭২)
وَأَخذهَا عَن ابْن الزبير وَأَخذهَا من أبي بكر وَأَخذهَا من رَسُول الله.

تفرد بِهِ عبد الرَّزَّاق عَن ابْن جريج.

‌‌عبد الرَّحْمَن بن يَرْبُوع عَن الصّديق

 

29 - حَدِيث: سُئِلَ النَّبِي عَن أفضل الْأَعْمَال قَالَ: ((الْحَج والثج)) الحَدِيث.
এবং তিনি তা ইবনে আয-যুবাইর থেকে গ্রহণ করেছেন, এবং তিনি তা আবু বকর থেকে গ্রহণ করেছেন এবং তিনি তা আল্লাহর রাসূল থেকে গ্রহণ করেছেন।

আবদুর রাজ্জাক এককভাবে ইবনে জুরাইজ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

আস-সিদ্দিক থেকে আবদুর রহমান বিন ইয়ারবু

 

২৯ - হাদিস: নবীকে সর্বোত্তম আমল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বললেন: "হজ এবং রক্ত প্রবাহিত করা (কুরবানি)" হাদিস।