(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: -)
المغني عن الحفظ والكتاب   (الوراني الموصلي)

القسم: العلل والسؤلات الحديثية


الكتاب: المغني عن الحفظ والكتاب (مطبوع مع جنة المرتاب بنقد المغني عن الحفظ والكتاب لأبي إسحاق الحويني)

المؤلف: عمر بن بدر بن سعيد الوراني الموصلي الحنفي، ضياء الدين، أبو حفص (ت 622هـ)

الناشر: دار الكتاب العربي - بيروت

الطبعة: الأولى، 1407 هـ

عدد الأجزاء: 1

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 15 ربيع الأول 1433

আল-মুগনি আনিল হিফজি ওয়াল কিতাব   (আল-ওয়ারানি আল-মাওসিলি)

বিভাগ: ইলাল ও হাদিস বিষয়ক প্রশ্নাবলী


কিতাব: আল-মুগনি আনিল হিফজি ওয়াল কিতাব (আবু ইসহাক আল-হুয়াইনীর ‘জান্নাতুল মুরতাব বি নাকদিল মুগনি আনিল হিফজি ওয়াল কিতাব’-এর সাথে মুদ্রিত)

লেখক: উমর বিন বদর বিন সাঈদ আল-ওয়ারানি আল-মাওসিলি আল-হানাফি، জিয়াউদ্দিন، আবু হাফস (মৃত্যু ৬২২ হিজরি)

প্রকাশক: দারুল কিতাব আল-আরাবি - বৈরুত

সংস্করণ: প্রথম، ১৪০৭ হিজরি

খণ্ড সংখ্যা: ১

[কিতাবের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৩

(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ২৫)
‌‌(بَاب فِي زِيَادَة ونقصانه وَأَنه قَول وَعمل)

قَالَ المُصَنّف: " لَا يَصح فِي هَذَا الْبَاب عَن رَسُول الله صلى الله عليه وسلم شَيْء ".
(ঈমানের বৃদ্ধি ও হ্রাস এবং এটি যে কথা ও কাজ হওয়া বিষয়ক অধ্যায়)

গ্রন্থকার বলেছেন: "এই বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কোনো কিছুই বিশুদ্ধভাবে বর্ণিত হয়নি।"
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ২৯)
‌‌بَاب (فِي المرجئة والجهمية والقدرية والأشعرية)

قَالَ المُصَنّف: " لَا يَصح فِي هَذَا الْبَاب عَن رَسُول الله صلى الله عليه وسلم شَيْء ".
অধ্যায় (মুরজিয়া, জাহমিয়া, কাদারিয়া এবং আশারিয়া প্রসঙ্গে)

গ্রন্থকার বলেছেন: "এই বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কোনো কিছুই বিশুদ্ধভাবে প্রমাণিত নয়।"
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ৫৩)
(3)‌‌ بَاب (فِي أَن كَلَام الله عز وجل قديم غير مَخْلُوق)

قَالَ ابْن الْجَوْزِيّ رحمه الله: " قد ورد فِي هَذَا الْبَاب أَحَادِيث، لَيْسَ فِيهَا شَيْء يثبت ".
(3)‌‌ অধ্যায়: মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর কালাম (বাণী) অনাদি এবং তা সৃষ্টি নয় হওয়ার বিষয়ে

ইবনুল জাওযী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) বলেছেন: "এই অধ্যায়ে কিছু হাদিস বর্ণিত হয়েছে, যার কোনোটিই প্রমাণিত নয়।"
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ৫৫)
‌‌بَاب (فِي خلق الْمَلَائِكَة)

عَن أبي هُرَيْرَة رَضِي الله تَعَالَى عَنهُ قَالَ: قَالَ رَسُول الله صلى الله عليه وسلم: " يُؤمر جِبْرِيل كل غَدَاة، فَيدْخل بَحر النُّور، فينغمس فِيهِ انغماسة ثمَّ يخرج فينفض انتفاضة سبعين ألف قَطْرَة (!) يخلق تَعَالَى من قَطْرَة ملكا … الحَدِيث ". قَالَ عبد الْغَنِيّ بن سعيد الْحَافِظ رحمه الله: " لَهُ طرق. وَلَا يَصح عَن رَسُول الله صلى الله عليه وسلم فَمِنْهَا شَيْء وَلَا من غَيرهَا ".
পরিচ্ছেদ (ফেরেশতাদের সৃষ্টি প্রসঙ্গে)

আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "প্রতিদিন সকালে জিবরাঈলকে আদেশ করা হয়, তখন তিনি নূরের সমুদ্রে প্রবেশ করেন এবং তাতে একবার ডুব দেন। এরপর তিনি বের হয়ে শরীর ঝাড়া দেন যাতে সত্তর হাজার ফোঁটা ঝরে। মহান আল্লাহ প্রতিটি ফোঁটা থেকে একজন করে ফেরেশতা সৃষ্টি করেন … (পুরো হাদীস)।" হাফেজ আব্দুল গনী ইবনে সাঈদ (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: "এর একাধিক সূত্র রয়েছে। তবে এর কোনোটিই এবং এ বিষয়ক অন্য কোনো বর্ণনাও রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে সাব্যস্ত বা সহীহ নয়।"
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ৫৭)
‌‌بَاب (فِي التَّسْمِيَة بِمُحَمد أَو أَحْمد)

قَالَ أَبُو حَاتِم الرَّازِيّ: " قد ورد فِي هَذَا الْبَاب أَحَادِيث عَن رَسُول الله صلى الله عليه وسلم لَيْسَ فِيهَا مَا يَصح ".
পরিচ্ছেদ (মুহাম্মদ বা আহমদ নামে নামকরণের বিষয়ে)

আবু হাতিম আর-রাজি বলেছেন: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই পরিচ্ছেদে বেশ কিছু হাদিস বর্ণিত হয়েছে, তবে সেগুলোর মধ্যে কোনোটিই বিশুদ্ধ নয়।"
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ৫৯)
‌‌بَاب (فِي الْعقل)

قَالَ أَبُو جَعْفَر الْعقيلِيّ: " لَا يثبت فِي هَذَا الْمَتْن شَيْء ". وَقَالَ أَبُو حَاتِم: " لَيْسَ عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم خبر صَحِيح من الْعقل ".
পরিচ্ছেদ (বুদ্ধি প্রসঙ্গে)

আবু জাফর আল-উকাইলি বলেছেন: "এই বিষয়ে কোনো কিছুই প্রমাণিত নয়।" এবং আবু হাতেম বলেছেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বুদ্ধি সম্পর্কে কোনো সহীহ বর্ণনা নেই।"
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ৭৭)
‌‌بَاب (فِي تعمير الْخضر وإلياس)

سَأَلَ إِبْرَاهِيم الْحَرْبِيّ بن حَنْبَل عَن تعمير الْخضر وإلياس وأنهما باقيان يريان ويروى عَنْهُمَا فَقَالَ: " من أحَال على غَائِب لم ينتصف مِنْهُ، وَمَا ألْقى هَذَا بَين النَّاس إِلَّا الشَّيْطَان ". وَسُئِلَ البُخَارِيّ رحمه الله عَن الْخضر وإلياس: هَل هما فِي الْأَحْيَاء؟ فَقَالَ: " كَيفَ يكون هَذَا وَقد قَالَ النَّبِي صلى الله عليه وسلم: " لَا يبْقى على رَأس مائَة سنة مِمَّن هُوَ على ظهر الأَرْض الْيَوْم أحد ". وَقَالَ ابْن الْجَوْزِيّ: " وَمَا جعلنَا لبشر من قبلك الْخلد ".
অধ্যায় (খিজির ও ইলিয়াসের দীর্ঘায়ু প্রসঙ্গে)

ইব্রাহিম আল-হারবি ইবনে হাম্বলকে খিজির ও ইলিয়াসের দীর্ঘায়ু সম্পর্কে এবং তারা কি এখনও বেঁচে আছেন, তাদের কি দেখা যায় এবং তাদের থেকে কি বর্ণনা করা হয়—এই বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তখন তিনি বললেন: "যে ব্যক্তি কোনো অনুপস্থিত ব্যক্তির দোহাই দেয়, তার থেকে সত্য উদ্ঘাটিত হয় না। শয়তানই মানুষের মাঝে এই বিষয়টি ছড়িয়ে দিয়েছে।" ইমাম বুখারীকে (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) খিজির ও ইলিয়াস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: তারা কি জীবিতদের অন্তর্ভুক্ত? তিনি বললেন: "এটি কীভাবে সম্ভব, অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: 'আজ যারা পৃথিবীর পৃষ্ঠে বিদ্যমান, একশ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর তাদের কেউই আর অবশিষ্ট থাকবে না'।" এবং ইবনুল জাওযী বলেন: "আমি আপনার পূর্বে কোনো মানুষের জন্য চিরস্থায়ী জীবন নির্ধারণ করিনি।"
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ৮৩)
‌‌بَاب (طلب الْعلم فَرِيضَة)
অধ্যায় (জ্ঞান অন্বেষণ করা ফরজ)
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ১০৫)
‌‌بَاب (من سُئِلَ عَن علم فكتم)

قَالَ أَحْمد بن حَنْبَل: " لَا يَصح فِي هَذَا الْبَاب شَيْء ".
পরিচ্ছেদ (যাকে কোনো জ্ঞান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে সে তা গোপন করে)

আহমাদ ইবন হাম্বল বলেছেন: "এই পরিচ্ছেদে কোনো কিছুই সহীহ নয়।"
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ১২১)
‌‌بَاب (ذكر فَضَائِل الْقُرْآن)

قد ورد: " من قَرَأَ سُورَة كَذَا فَلهُ أجر كَذَا " من أول الْقُرْآن إِلَى آخِره … قَالَ ابْن الْمُبَارك: " أَظن الزَّنَادِقَة وَضَعتهَا ". قَالَ المُصَنّف: " فَلم يَصح فِي هَذَا الْبَاب شَيْء غير قَوْله فِي فَاتِحَة الْكتاب لأبي: 1 - " أَلا أعلمك سُورَة هِيَ أعظم سُورَة فِي الْقُرْآن؟ الْحَمد لله رب الْعَالمين … ". 2 - وَقَوله عليه الصلاة والسلام: " الْبَقَرَة وَآل عمرَان غمامتان ". 3 - وَفِي آيَة الْكُرْسِيّ لأبي بن كَعْب: " أَتَدْرِي أَي آيَة من كتاب الله مَعَك أعظم؟ قَالَ: " الله لَا إِلَه إِلَّا هُوَ الْحَيّ القيوم ". 4 - وَقَوله: " يُؤْتى يَوْم الْقِيَامَة بِالْقُرْآنِ وَأَهله الَّذين كَانُوا يعلمُونَ بِهِ فِي الدُّنْيَا تقدمهم سُورَة الْبَقَرَة ". 5 - و … " إِن الشَّيْطَان يفر من الْبَيْت الَّذِي تقْرَأ فِيهِ سُورَة الْبَقَرَة ". 6 - وَقَوله: " من قَرَأَ بالآيتين من آخر سُورَة الْبَقَرَة كفتاه ".
পরিচ্ছেদ (কুরআনের ফজিলত বর্ণনা প্রসঙ্গে)

বর্ণিত হয়েছে: "যে ব্যক্তি অমুক সূরা পাঠ করবে তার জন্য অমুক প্রতিদান রয়েছে" - কুরআনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত … ইবনুল মুবারক বলেন: "আমার মনে হয় যিনদীরা এগুলো তৈরি করেছে।" গ্রন্থকার বলেন: "এই পরিচ্ছেদে উবাইকে সূরা ফাতিহা সম্পর্কে বলা নিম্নোক্ত কথাটি ছাড়া অন্য কিছুই বিশুদ্ধ নয়: ১ - "আমি কি তোমাকে এমন একটি সূরা শিখিয়ে দেব না যা কুরআনের সবচেয়ে মহান সূরা? (তা হলো) সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি সৃষ্টিজগতের পালনকর্তা … "। ২ - এবং তাঁর (সা.) বাণী: "সূরা আল-বাকারা এবং আলে ইমরান হলো দুটি মেঘমালার মতো।" ৩ - এবং আয়াতুল কুরসি সম্পর্কে উবাই ইবনে কাবের ক্ষেত্রে বর্ণিত: "তুমি কি জানো আল্লাহর কিতাবের কোন আয়াতটি তোমার কাছে সবচেয়ে মহান? তিনি বললেন: আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সর্বসত্তার ধারক।" ৪ - এবং তাঁর বাণী: "কিয়ামতের দিন কুরআন এবং এর অধিকারীদের নিয়ে আসা হবে যারা দুনিয়াতে সে অনুযায়ী আমল করত, তাদের অগ্রভাগে থাকবে সূরা আল-বাকারা।" ৫ - এবং … "নিশ্চয়ই শয়তান সেই ঘর থেকে পলায়ন করে যে ঘরে সূরা আল-বাকারা পাঠ করা হয়।" ৬ - এবং তাঁর বাণী: "যে ব্যক্তি সূরা আল-বাকারার শেষ দুটি আয়াত পাঠ করবে, তা তার জন্য যথেষ্ট হবে।"
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ১২২)
7 - وَقَول الشَّيْطَان لأبي هُرَيْرَة رضي الله عنه: " إِذا أويت إِلَى فراشك فاقرأ آيَة الْكُرْسِيّ، فَإِنَّهُ لن يزَال عَلَيْك من الله حَافظ، وَلَا يقربك شَيْطَان. فَقَالَ النَّبِي صلى الله عليه وسلم: " صدق وَهُوَ كذوب ". 8 - وَفِي الْكَهْف: " من قَرَأَ مِنْهَا عشر آيَات أَمن من فتْنَة الدَّجَّال ". 9 - و … " قل هُوَ الله أحد تعدل ثلث الْقُرْآن " … 10 - وَفِي المعوذتين: " أنزل عَليّ آيَات لم ير مِثْلهنَّ قطّ:
৭ - এবং আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর প্রতি শয়তানের উক্তি: "যখন তুমি তোমার বিছানায় আশ্রয় নেবে, তখন আয়াতুল কুরসি পাঠ করো, তাহলে আল্লাহর পক্ষ থেকে সর্বদা তোমার ওপর একজন রক্ষক থাকবে এবং কোনো শয়তান তোমার নিকটবর্তী হবে না।" নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "সে তোমাকে সত্য বলেছে, অথচ সে চরম মিথ্যাবাদী।" ৮ - এবং সূরা আল-কাহাফ সম্পর্কে: "যে ব্যক্তি এর দশটি আয়াত পাঠ করবে, সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে।" ৯ - এবং ... "বলো, তিনিই আল্লাহ এক—এটি কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমতুল্য" ... ১০ - এবং মুআউওয়াযাতাইন সম্পর্কে: "আমার ওপর এমন কিছু আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে, যার সদৃশ ইতিপূর্বে কখনো দেখা যায়নি:
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ১৪৭)
‌‌بَاب (فِي فَضَائِل أبي بكر الصّديق)

مِنْهَا: 1 - " أَنه تَعَالَى يتجلى للنَّاس عَامَّة، وَلأبي بكر الصّديق خَاصَّة " 2 - و: " مَا صب الله فِي صَدْرِي شَيْئا، إِلَّا صببته فِي صدر أبي بكر ". 3 - و: " كَانَ إِذا اشتاق إِلَى الْجنَّة قبل شيبَة أبي بكر ". 4 - و: " أَنا وَأَبُو بكر كفرسي رهان ". 5 - و: " إِن الله تَعَالَى لما اخْتَار الْأَرْوَاح، اخْتَار روح أبي بكر ". إِلَى غير ذَلِك مِمَّا يعرف وَضعه ببديهة الْعُقُول. قَالَ ابْن الْجَوْزِيّ رحمه الله:

" لم أر هَذِه الْأَحَادِيث أثرا فِي الصَّحِيح وَلَا فِي الْمَوْضُوع وَإِنَّمَا تسمع من الْعَوام ".
অধ্যায় (আবু বকর সিদ্দিকের মর্যাদা প্রসঙ্গে)

সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: ১ - "নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা সাধারণ মানুষের জন্য সাধারণভাবে এবং আবু বকর সিদ্দিকের জন্য বিশেষভাবে প্রকাশিত হবেন।" ২ - এবং: "আল্লাহ আমার বক্ষে যা কিছু ঢেলে দিয়েছেন, তার প্রতিটি বিষয়ই আমি আবু বকরের বক্ষে ঢেলে দিয়েছি।" ৩ - এবং: "তিনি যখন জান্নাতের আকাঙ্ক্ষা করতেন, তখন আবু বকরের পাকা চুলে চুম্বন করতেন।" ৪ - এবং: "আমি এবং আবু বকর প্রতিযোগিতার দুই ঘোড়ার ন্যায়।" ৫ - এবং: "আল্লাহ তাআলা যখন রূহসমূহ নির্বাচন করেছিলেন, তখন তিনি আবু বকরের রূহকে নির্বাচন করেছিলেন।" ইত্যাদি আরও এমন সব বর্ণনা রয়েছে যার বানোয়াট হওয়ার বিষয়টি সাধারণ বিচারবুদ্ধি দ্বারাই অনুধাবন করা যায়। ইবনুল জাওজি (রহ.) বলেছেন:

"আমি এই হাদিসগুলোর কোনো ভিত্তি সহীহ বর্ণনায় দেখিনি, এমনকি বানোয়াট হাদিসের সংকলনগুলোতেও পাইনি; বরং এগুলো কেবল সাধারণ মানুষের মুখে মুখে শোনা যায়।"
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ১৪৯)
‌‌بَاب (فضل عَليّ بن أبي طَالب)

قد ورد أَنه سُئِلَ: من يحمل رَايَتك يَوْم الْقِيَامَة؟ فَقَالَ: الَّذِي كَانَ يحملهَا فِي الدُّنْيَا. عَليّ بن أبي طَالب. قَالَ ابْن مردوية:

" لَيْسَ فِيهَا مَا يَصح ".
পরিচ্ছেদ (আলী বিন আবি তালিবের ফযীলত)

বর্ণিত হয়েছে যে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: কিয়ামতের দিন আপনার ঝান্ডা কে বহন করবে? তিনি বললেন: যে ব্যক্তি দুনিয়াতে এটি বহন করত। অর্থাৎ আলী বিন আবি তালিব। ইবনে মারদুবাইহ্ বলেন:

"এর মধ্যে সহীহ কিছুই নেই।"
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ১৫১)
‌‌بَاب (فَضَائِل قبائل الْعَرَب)

سُئِلَ عَن بني عَامر فَقَالَ:

" جمل أَزْهَر " وَعَن بني تيم فَقَالَ:

" هضبة حَمْرَاء " … الحَدِيث بِطُولِهِ. قَالَ الْعقيلِيّ:

" الرِّوَايَة فِي هَذَا الْبَاب لَيْسَ فِيهَا شَيْء يَصح ".
পরিচ্ছেদ (আরব গোত্রসমূহের ফযীলত)

বনু আমির সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন:

"একটি উজ্জ্বল উট" এবং বনু তায়ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন:

"একটি লাল পাহাড়" … সম্পূর্ণ হাদীস। উকায়লী বলেছেন:

"এই পরিচ্ছেদের বর্ণনাসমূহের মধ্যে বিশুদ্ধ বা সহীহ কিছুই নেই।"
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ১৫৩)
‌‌بَاب (فضل بَيت الْمُقَدّس، والصخرة، وعسقلان، وقزوين)

قَالَ المُصَنّف:

" لَا يَصح فِي هَذَا الْبَاب شَيْء عَن رَسُول الله صلى الله عليه وسلم غير ثَلَاثَة أَحَادِيث فِي بَيت الْمُقَدّس ". أَحدهَا: " لَا تشد الرّحال إِلَّا إِلَى ثَلَاثَة مَسَاجِد، وَالْآخر: أَنه سُئِلَ عَن أول بَيت وضع فِي الأَرْض؟ فَقَالَ: الْمَسْجِد الْحَرَام، ثمَّ قيل: مَاذَا؟! قَالَ: ثمَّ الْمَسْجِد الْأَقْصَى. قيل: كم بَينهمَا؟ قَالَ: أَرْبَعُونَ عَاما. وَالْآخر: " أَن الصَّلَاة فِيهِ تعدل سَبْعمِائة صَلَاة ".
অধ্যায় (বায়তুল মুকাদ্দাস, সাখরা, আসকালান এবং কাযউইন-এর ফযীলত)

গ্রন্থকার বলেছেন:

"বায়তুল মুকাদ্দাস সম্পর্কে তিনটি হাদীস ব্যতীত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এই অধ্যায়ে আর কোনো কিছুই বিশুদ্ধভাবে প্রমাণিত নয়।" সেগুলোর একটি হলো: "তিনটি মসজিদ ব্যতীত (ইবাদতের উদ্দেশ্যে) সফর করা যাবে না।" অন্যটি হলো: তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, পৃথিবীতে সর্বপ্রথম কোন ঘরটি নির্মাণ করা হয়েছে? তিনি বললেন: "মসজিদুল হারাম।" অতঃপর জিজ্ঞেস করা হলো: "এরপর কোনটি?" তিনি বললেন: "এরপর মসজিদুল আকসা।" জিজ্ঞেস করা হলো: "এই দুটির মধ্যে ব্যবধান কতটুকু?" তিনি বললেন: "চল্লিশ বছর।" আর অন্যটি হলো: "নিশ্চয়ই সেখানে সালাত আদায় করা সাতশত সালাতের সমান।"
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ১৬৫)
‌‌بَاب (فِي فضل مُعَاوِيَة)

قَالَ إِسْحَق بن إِبْرَاهِيم الْحَنْظَلِي:

لَا يَصح عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم فِي فضل مُعَاوِيَة بن أبي سُفْيَان شَيْء ".
অধ্যায় (মুয়াবিয়ার মর্যাদা প্রসঙ্গে)

ইসহাক বিন ইব্রাহিম আল-হানজালি বলেছেন:

"মুয়াবিয়া বিন আবু সুফিয়ানের মর্যাদা সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সহিহ কোনো কিছুই প্রমাণিত নয়।"
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ১৬৯)
‌‌بَاب (مَا ورد فِي مدح أبي حنيفَة وَالشَّافِعِيّ وذمهما)

قَالَ المُصَنّف:

" لَا يَصح فِي هَذَا الْبَاب عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم شَيْء على الْخُصُوص ".
পরিচ্ছেদ (আবু হানিফা ও শাফিঈ-র প্রশংসা ও নিন্দা বিষয়ে যা বর্ণিত হয়েছে)

গ্রন্থকার বলেন:

"এই পরিচ্ছেদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বিশেষভাবে কোনো কিছুই সাব্যস্ত নয়।"
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ১৭১)
(17)‌‌ بَاب (إِذا بلغ المَاء قُلَّتَيْنِ لم يحمل خبثاً)

قَالَ المُصَنّف:

" لم يَصح فِي هَذَا الْبَاب عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم شَيْء، وَفِي " الصَّحِيحَيْنِ " ضد ذَلِك (!) ".
(১৭)‌‌ অধ্যায় (যখন পানি দুই কুল্লা পরিমাণ হয়, তখন তা অপবিত্রতা ধারণ করে না)

গ্রন্থকার বলেছেন:

"এই অধ্যায়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কোনো কিছুই সহীহভাবে প্রমাণিত নয়, আর 'সহীহাইন'-এ এর বিপরীত বর্ণিত হয়েছে (!)"।
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ১৭৩)
‌‌بَاب (فِي المَاء المشمس)

قَالَ الْعقيلِيّ: " لَا يَصح فِي المَاء المشمس حَدِيث إِنَّمَا يرْوى فِيهِ شَيْء عَن عمر بن الْخطب ".
অধ্যায়: রোদে গরম করা পানি প্রসঙ্গে

আল-উকাইলি বলেছেন: "রোদে গরম করা পানি সম্পর্কে কোনো হাদিস বিশুদ্ধ নয়; এ বিষয়ে কেবল উমর ইবনুল খাত্তাব থেকে কিছু বর্ণনা পাওয়া যায়।"
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ১৭৭)
‌‌بَاب (فِي التَّسْمِيَة على الْوضُوء)

قَالَ أَحْمد: " لَيْسَ فِيهِ شَيْء يثبت ".
অধ্যায় (ওযুর শুরুতে বিসমিল্লাহ পাঠ প্রসঙ্গে)

আহমাদ বলেছেন: "এ বিষয়ে সাব্যস্ত বা প্রমাণিত কোনো কিছু নেই।"
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ১৯৫)
‌‌بَاب (كَرَاهِيَة الْإِسْرَاف فِي الْوضُوء)

قد ورد: " أَن للْوُضُوء شَيْطَانا يُقَال لَهُ الولهان، فَاتَّقُوا وسواس المَاء ". قَالَ التِّرْمِذِيّ: " وَلَا يَصح فِي هَذَا الْبَاب شَيْء عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم ".
পরিচ্ছেদ (ওযুতে অপচয় করার অপছন্দনীয়তা)

বর্ণিত হয়েছে যে: "নিশ্চয়ই ওযুর জন্য একজন শয়তান রয়েছে যাকে ওলহান বলা হয়, অতএব তোমরা পানির কুমন্ত্রণা থেকে বেঁচে থাকো।" ইমাম তিরমিযী বলেছেন: "এবং এই পরিচ্ছেদে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে কোনো কিছুই সহীহ হিসেবে সাব্যস্ত হয়নি।"
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ১৯৯)
‌‌بَاب (فِي التنشيف من الْوضُوء)

قَالَ التِّرْمِذِيّ: " لَا يَصح فِي هَذَا الْبَاب عَن رَسُوله صلى الله عليه وسلم شَيْء ".
পরিচ্ছেদ (ওযুর পর পানি মোছা প্রসঙ্গে)

ইমাম তিরমিযী বলেন: "আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে এই পরিচ্ছেদে কোনো কিছুই সহীহ নয়।"
(খণ্ড: ১) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: -)
المغني عن الحفظ والكتاب   (الوراني الموصلي)

القسم: العلل والسؤلات الحديثية


الكتاب: المغني عن الحفظ والكتاب (مطبوع مع جنة المرتاب بنقد المغني عن الحفظ والكتاب لأبي إسحاق الحويني)

المؤلف: عمر بن بدر بن سعيد الوراني الموصلي الحنفي، ضياء الدين، أبو حفص (ت 622هـ)

الناشر: دار الكتاب العربي - بيروت

الطبعة: الأولى، 1407 هـ

عدد الأجزاء: 1

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 15 ربيع الأول 1433

মুখনি আনিল হিফয ওয়াল কিতাব   (আল-ওয়াররানি আল-মাওসিলি)

বিভাগ: হাদীসের ইল্লত (ত্রুটি) ও প্রশ্নাবলী


গ্রন্থ: মুখনি আনিল হিফয ওয়াল কিতাব (আবু ইসহাক আল-হুওয়াইনীর 'জান্নাতুল মুরতাব বি নাকদিল মুখনি আনিল হিফয ওয়াল কিতাব'-এর সাথে মুদ্রিত)

লেখক: উমর বিন বদর বিন সাঈদ আল-ওয়াররানি আল-মাওসিলি আল-হানাফী, যিয়াউদ্দীন, আবু হাফস (মৃত্যু ৬২২ হিজরী)

প্রকাশক: দারুল কিতাব আল-আরাবি - বৈরুত

সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৭ হিজরী

খণ্ড সংখ্যা: ১

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৩

(খণ্ড: ২) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ২০৫)
‌‌بَاب (تَخْلِيل اللِّحْيَة وَمسح الْأُذُنَيْنِ والرقبة)

قَالَ المُصَنّف: " لَا يَصح فِي هَذَا الْبَاب شَيْء عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم ".
অধ্যায় (দাড়ির খিলাল করা এবং দুই কান ও ঘাড় মাসেহ করা)

গ্রন্থকার বলেন: "এই বিষয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে কোনো কিছুই বিশুদ্ধভাবে বর্ণিত হয়নি।"
(খণ্ড: ২) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ২২৫)
‌‌بَاب (الْوضُوء بنبيذ التَّمْر)

قد ورد من طرق. قَالَ أَبُو زرْعَة: " هَذَا الحَدِيث لَيْسَ بِصَحِيح ".
পরিচ্ছেদ (খেজুরের নাবিয দিয়ে ওযু করা)

এটি বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। আবু যুরআ বলেছেন: "এই হাদিসটি সহিহ নয়।"
(খণ্ড: ২) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ২২৯)
‌‌بَاب (أَن لمس النِّسَاء لَا ينْقض الْوضُوء)

قَالَ البُخَارِيّ: " لَا يَصح فِي هَذَا الْبَاب عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم شَيْء ".
অধ্যায় (নারীদের স্পর্শ করা অজু ভঙ্গ করে না)

ইমাম বুখারী বলেছেন: "এই বিষয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে কোনো কিছুই সহিহভাবে প্রমাণিত নয়।"
(খণ্ড: ২) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ২৩১)
‌‌بَاب (الْأَمر بِالْغسْلِ لمن غسل مَيتا)

قَالَ أَحْمد: " لَا يثبت فِي هَذَا حَدِيث صَحِيح ".
পরিচ্ছেদ (মৃত ব্যক্তিকে গোসলদানকারীর জন্য গোসল করার নির্দেশ)

আহমাদ বলেছেন: "এই বিষয়ে কোনো সহীহ হাদীস প্রমাণিত নয়।"
(খণ্ড: ২) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ২৪৭)
‌‌بَاب (النَّهْي عَن دُخُول الْحمام)

قَالَ المُصَنّف: " لم يَصح فِي هَذَا الْبَاب شَيْء، عَن رَسُول الله صلى الله عليه وسلم ".
অধ্যায় (হাম্মামে প্রবেশ করার নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে)

গ্রন্থকার বলেন: "আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এই অধ্যায়ে কোনো কিছুই বিশুদ্ধভাবে প্রমাণিত হয়নি।"
(খণ্ড: ২) আল-মুগনী আনিল হিফযি ওয়াল কিতাব (পৃষ্ঠা: ২৫৫)
‌‌بَاب (بِسم الله الرَّحْمَن الرَّحِيم آيَة من كل سُورَة)

قَالَ المُصَنّف: " لَا يَصح فِي هَذَا الْبَاب شَيْء عَن رَسُول الله صلى الله عليه وسلم ".
অধ্যায় (বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম প্রতিটি সূরার একটি আয়াত)

গ্রন্থকার বলেন: "এই বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে কোনো কিছুই সহীহ নয়।"