(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: -)
الأحاديث التي سقطت من مطبوع المعجم الأوسط للطبراني القسم: كتب السنة
الكتاب: الأحاديث التي سقطت من مطبوع المعجم الأوسط للطبراني
استدراك وتحقيق: أ. د. سعد بن عبد الله بن عبد العزيز الحميد
أستاذ الحديث وعلومه بقسم الدراسات الإسلامية - جامعة الملك سعود بالرياض
بحث: منشور بمجلة مركز الخدمة للاستشارات البحثية واللغات، المجلد 19، العدد 56، أكتوبر 2017
(مجلة محكمة تصدر كل 3 شهور عن كلية الآداب - جامعة المنوفية - شبين الكوم)
عدد الصفحات: 28
[الترقيم موافق للمجلة]
تاريخ النشر بالشاملة: 28 ذو القعدة 1442
আত-তাবারানি রচিত ‘আল-মু’জামুল আওসাত’-এর মুদ্রিত সংস্করণ থেকে বাদ পড়া হাদিসসমূহ বিভাগ: হাদিসের কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: আত-তাবারানি রচিত ‘আল-মু’জামুল আওসাত’-এর মুদ্রিত সংস্করণ থেকে বাদ পড়া হাদিসসমূহ
ইস্তিদরাক ও তাহকিক: প্রফেসর ড. সা'দ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ আল-হুমাইদ
হাদিস ও হাদিস বিজ্ঞান বিষয়ের অধ্যাপক, ইসলামি শিক্ষা বিভাগ - কিং সাউদ বিশ্ববিদ্যালয়, রিয়াদ
গবেষণাপত্র: ‘সার্ভিস সেন্টার ফর রিসার্চ কনসালটেন্সি অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস’ সাময়িকীতে প্রকাশিত, ১৯তম ভলিউম, ৫৬তম সংখ্যা, অক্টোবর ২০১৭
(কলা অনুষদ - মনুফিয়া বিশ্ববিদ্যালয় - শিবিন আল-কোম থেকে প্রতি ৩ মাস অন্তর প্রকাশিত একটি পিয়ার-রিভিউড সাময়িকী)
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৮
[পৃষ্ঠা নম্বর সাময়িকীর মূল সংখ্যার অনুরূপ রাখা হয়েছে]
শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ২৮ জিলকদ ১৪৪২
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ১)
بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على خير خلقه أجمعين؛ نبينا محمد وعلى آله وصحبه والتابعين، وسلم تسليمًا كثيرًا، أما بعد:
فقد لقيت السُّنَّة من علماء الإسلام عنايةً حيرت المخالف والموافق، تجد الحديث عنها مسطورًا في عدد من المصنفات التي يممت شطر الموضوع عرضًا أو قصدًا؛ كـ "تقييد العلم"، و"الجامع، لأخلاق الراوي وآداب السامع"؛ كلاهما للخطيب البغدادي، و"الإلماع، في أصول الرواية وتقييد السماع" للقاضي عياض، و"أدب الإملاء والاستملاء" للسمعاني، و"السنة قبل التدوين" للدكتور محمد عجاج الخطيب، و"تدوين السنة" للدكتور بن مطر الزهراني، و"السنة ومكانتها في التشريع" للدكتور مصطفى السباعي، و"دراسات في الحديث النبوي" للدكتور محمد مصطفى الأعظمي، وغيرها كثير.
فالواجب على أهل الإسلام مواصلة ما بدأه أسلافهم من العناية بالسنة وما صُنِّف فيها، ومن ذلك: ما انتهجوه من التصنيف في استدراك الأسقاط، وتصحيح الأغلاط، وتعقب الأوهام، ونحو ذلك من أنواع الاستدراك والتعقب؛ مثل "الأوهام التي في مدخل أبي عبد الله الحاكم" لعبد الغني بن سعيد الأزدي، و"تهذيب مستمر الأوهام" لابن ماكولا، و"الاستدراك" لابن نقطة، و"بيان الوهم والإيهام" لابن القطان، و"تقييد المهمل، وتمييز المشكل" للجيّاني، وغيرها.
وفي العصر الحديث أنعم الله على الناس بنعمة الطباعة التي يستنسخ بها من الكتاب الواحد الكثير من النسخ.
لكن دفع الكتاب لهذه المطابع يتطلب جهدًا يسبقه؛ من جمع نسخ الكتاب، والمفاضلة بينها، واختيار منهج اختيار ما يُختَلَفُ فيه منها
… ، وغير ذلك مما عُرف بـ (التحقيق).
ويُعدّ كتاب "المعجم الأوسط" للحافظ أبي القاسم سليمان بن أحمد الطبراني (ت 360 هـ) من أمهات الكتب، وأهميته لا تخفى على أهل العلم كافة، وعلماء الحديث خاصة، وقد طبع ثلاث طبعات؛ إحداها بتحقيق د. محمود الطحان، والثانية بتحقيق الشيخين: طارق عوض الله، وعبد المحسن الحسيني، والثالثة بتحقيق الشيخين: أيمن صالح شعبان، وسيد أحمد
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর সৃষ্টির সেরা আমাদের নবী মুহাম্মাদের ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন, সাহাবীবর্গ ও তাবেয়ীদের ওপর, আরও বর্ষিত হোক অঢেল সালাম। অতঃপর:
নিশ্চয়ই ইসলামি স্কলারদের নিকট সুন্নাহ এমন যত্ন ও গুরুত্ব লাভ করেছে যা বিরোধী ও অনুসারী উভয়কেই বিস্মিত করেছে। আপনি এর আলোচনা এমন অসংখ্য গ্রন্থে লিপিবদ্ধ পাবেন যা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই বিষয়টিকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে; যেমন খতীব আল-বাগদাদী রচিত "তাকয়িদুল ইলম" এবং "আল-জামে লি আখলাকির রাবী ওয়া আদাবিস সামি"; এই উভয়টিই খতীব আল-বাগদাদীর রচনা, কাযী আইয়াযের "আল-ইলমা' ফি উসুলির রিওয়াহ ওয়া তাকয়িদিস সামা", সামআনীর "আদাবুল ইমলা ওয়াল ইস্তিমলা", ড. মুহাম্মাদ আজ্জাজ আল-খতীবের "আস-সুন্নাহ কবলাত তাদওয়ীন", ড. বিন মাতার আল-জাহরানীর "তাদওয়ীনুস সুন্নাহ", ড. মুস্তফা আস-সিবাঈর "আস-সুন্নাহ ওয়া মাকানাতুহা ফিত তাশরী'", ড. মুহাম্মাদ মুস্তফা আল-আযামীর "দিরাসাত ফিল হাদীস আন-নাবাবী" এবং এ জাতীয় আরও অনেক গ্রন্থ।
সুতরাং মুসলিমদের জন্য আবশ্যক হলো তাদের পূর্বসূরিরা সুন্নাহ এবং এ সংক্রান্ত রচনাবলীর যে যত্ন ও সেবা শুরু করেছিলেন তা অব্যাহত রাখা। এর অন্তর্ভুক্ত হলো: বিচ্যুতিগুলো চিহ্নিতকরণ, ভুল সংশোধন, ভ্রম বা ভ্রান্তি অনুসরণ এবং এ জাতীয় সংশোধনী ও পর্যালোচনামূলক রচনার যে নীতি তারা অবলম্বন করেছিলেন; যেমন আব্দুল গনি ইবনে সাঈদ আল-আযদি রচিত "আল-আওহাম আল্লাতি ফি মাদখালি আবি আবদিল্লাহ আল-হাকিম", ইবনে মাকুলার "তাহযীবু মুস্তামিররিল আওহাম", ইবনে নুকতাহর "আল-ইস্তিদরাক", ইবনুল কাত্তানের "বায়ানুল ওয়াহমি ওয়াল ইহম", আল-জাইয়্যানীর "তাকয়িদুল মুহমাল ওয়া তামিযুল মুশকিল" এবং অন্যান্য গ্রন্থসমূহ।
আর আধুনিক যুগে আল্লাহ তাআলা মানুষকে মুদ্রণযন্ত্রের নেয়ামত দান করেছেন, যার মাধ্যমে একটি বইয়ের অসংখ্য কপি তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।
কিন্তু একটি বইকে এই ছাপাখানাগুলোতে পাঠানোর পূর্বে অনেক শ্রমের প্রয়োজন হয়; যেমন বইটির বিভিন্ন পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করা, সেগুলোর মাঝে তুলনা করা এবং মতপার্থক্যপূর্ণ পাঠগুলোর মধ্য থেকে কোনোটি গ্রহণের মানদণ্ড নির্ধারণ করা
… , এবং এ জাতীয় আরও অনেক কাজ যা (তাহকীক) নামে পরিচিত।
হাফেজ আবু কাসেম সুলায়মান ইবনে আহমদ আত-তাবারানী (মৃত্যু ৩৬০ হিজরী) রচিত "আল-মু'জামুল আওসাত" গ্রন্থটি মূল উৎস গ্রন্থগুলোর অন্যতম হিসেবে গণ্য হয়। এর গুরুত্ব সকল আলেম সমাজের কাছে, বিশেষ করে হাদীস বিশারদদের কাছে অত্যন্ত সুস্পষ্ট। এটি তিনবার মুদ্রিত হয়েছে; একটি ড. মাহমুদ আত-তাহহানের সম্পাদনায়, দ্বিতীয়টি দুই শায়খ: তারিক আওয়াদুল্লাহ ও আব্দুল মুহসিন আল-হুসাইনীর সম্পাদনায় এবং তৃতীয়টি দুই শায়খ: আয়মান সালেহ শাবান ও সাঈদ আহমদের সম্পাদনায়।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ২)
إسماعيل.
وأفضل هذه الطبعات هي التي بتحقيق الشيخين: طارق عوض الله، وعبد المحسن الحسيني.
وقد اعتمد محققو هذه الطبعات على نسخة مصورة سقطت منها أربع ورقات- وفي كل ورقة وجهان- لكن واحدة منها تم استدراك أحاديثها من نسخة أخرى، وأما الورقات الثلاث الأخرى فإنها من نسخة وحيدة، وترتب على ذلك سقط ما تضمنته من أحاديث بلغ عددها ستة وأربعين (46) حديثًا، منها ستة أحاديث سقطها جزئي، وهي الأحاديث التي تكون في بداية ونهاية كل ورق والسقط في بعضها شبه كامل؛ كالحديث الأول في هذا الجزء، فإنه لم يوجد منه في المطبوع سوى كلمة (حدثنا)، ويقابله الحديث رقم (46) - وهو آخر الأحاديث في هذا الجزء- فإنه لم يسقط منه سوى صيغة التحديث، وشيخ الطبراني (حدثنا عمرو بن حازم الدمشقي)، وقد وضعت إشارة بيّنت فيها بداية السقط ونهايته في كل حديث من هذه الأحاديث الستة.
وقد ترددت كثيرًا في تخريج الأحاديث، وبيان عللها، والحكم عليها؛ وغير ذلك مما يتشوف له كل طالب علم، ولم يمنعني من ذلك إلا أن أحاديث الكتاب لم تُخرّج في المطبوع منه، وقد بلغت عدّتها (9489) حديثًا، فليس من المناسب تخريج هذا العدد القليل (46) حديثًا، وأحاديث أصل الكتاب لم تخرج.
واجتهدت في توثيق النص حسب المستطاع، وقد وُفّقت- بحمد الله- في معظم الأحاديث، فمنها ما يكون من الزوائد على الكتب الستة، فيذكره الهيثمي في "مجمع البحرين"، و"مجمع الزوائد"، وقد عُنيت بذكر فروقهما عن كل حديث يذكر فيهما من هذا الجزء.
وهناك أحاديث من الزوائد ومن غيرها يخرجها الطبراني في بعض كتبه الأخرى؛ كـ"المعجم الكبير"، و"المعجم الصغير"، و"مسند الشاميين"؛ بالإسناد نفسه، وقد ساعدني هذا كثيرًا في توثيق النص، وعُنيت بإثبات فروق هذه الأحاديث.
وقد يروي أحد العلماء الحديث من طريق الطبراني؛ كأبي نعيم في "الحلية"، والخطيب في "تاريخه"، والهروي في "ذم الكلام"، والشجري في "أماليه"، والسلفي في "المشيخة البغدادية"، وابن عساكر في
ইসমাঈল।
এই সংস্করণগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম হলো শায়খদ্বয়—তারিক আওয়াদুল্লাহ এবং আব্দুল মুহসিন আল-হুসাইনির তাহকিককৃত সংস্করণটি।
এই সংস্করণগুলোর মুহাক্কিকগণ এমন একটি পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছেন যেখান থেকে চারটি পাতা—যার প্রতিটিতে দুটি করে পার্শ্ব রয়েছে—হারিয়ে গিয়েছে। তবে সেগুলোর মধ্যে একটি পাতার হাদিসসমূহ অন্য একটি পাণ্ডুলিপি থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি তিনটি পাতা কেবল একটি পাণ্ডুলিপিতেই বিদ্যমান ছিল, ফলে সেগুলোতে থাকা হাদিসগুলো বাদ পড়ে গিয়েছে যার সংখ্যা ছেচল্লিশটি (৪৬)। এর মধ্যে ছয়টি হাদিস আংশিক বাদ পড়েছে, যা প্রতিটি পাতার শুরুতে বা শেষে ছিল এবং সেগুলোর কোনো কোনোটি প্রায় সম্পূর্ণই বাদ পড়েছে; যেমন এই খণ্ডের প্রথম হাদিসটি, যার মুদ্রিত সংস্করণে 'আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন' (হাদ্দাসানা) শব্দ ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যায়নি। এর বিপরীতে ৪৬ নম্বর হাদিসটি—যা এই খণ্ডের শেষ হাদিস—তা থেকে কেবল বর্ণনার শব্দ এবং তাবারানির উস্তাদের নাম (আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর বিন হাযিম আদ-দিমাশকি) বাদ পড়েছে। আমি এই ছয়টি হাদিসের প্রত্যেকটিতে যেখানে বাদ পড়া অংশ শুরু এবং শেষ হয়েছে সেখানে চিহ্ন দিয়ে তা স্পষ্ট করে দিয়েছি।
আমি হাদিসগুলোর তাখরিজ করা, সেগুলোর ত্রুটি (ইল্লাত) বর্ণনা করা এবং সেগুলোর মানের ব্যাপারে হুকুম প্রদান করার বিষয়ে দীর্ঘ সময় দ্বিধান্বিত ছিলাম; অথচ প্রত্যেক ইলম অন্বেষী এই বিষয়গুলো দেখার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করে। আমাকে এই কাজ থেকে কেবল এই বিষয়টিই বিরত রেখেছে যে, মূল গ্রন্থের মুদ্রিত অংশের হাদিসগুলোর তাখরিজ করা হয়নি, যার হাদিস সংখ্যা ৯৪৮৯টি পর্যন্ত পৌঁছেছে। তাই মূল গ্রন্থের হাদিসগুলোর তাখরিজ যেখানে হয়নি, সেখানে এই স্বল্প সংখ্যক (৪৬টি) হাদিসের তাখরিজ করা সমীচীন নয়।
আমি সাধ্যমতো মূল পাঠের প্রামাণ্যতা নিশ্চিত করার (তাওসিক) চেষ্টা করেছি এবং আল্লাহর প্রশংসায় আমি অধিকাংশ হাদিসের ক্ষেত্রে সফল হয়েছি। এগুলোর মধ্যে কিছু হাদিস এমন রয়েছে যা কুতুবে সিত্তাহর অতিরিক্ত (যাওয়ায়েদ), আল-হাইসামি তাঁর "মাজমাউল বাহরাইন" এবং "মাজমাউয যাওয়াইদ" গ্রন্থে সেগুলো উল্লেখ করেছেন। আমি এই খণ্ডে বর্ণিত প্রতিটি হাদিসের ক্ষেত্রে উক্ত দুই কিতাবের সাথে পাঠগত পার্থক্যসমূহ উল্লেখ করার ব্যাপারে গুরুত্ব প্রদান করেছি।
এখানে যাওয়ায়েদ ও অন্যান্য এমন কিছু হাদিস রয়েছে যা তাবারানি তাঁর অন্য কিছু কিতাবে একই সনদে বর্ণনা করেছেন; যেমন—"আল-মু'জামুল কাবীর", "আল-মু'জামুস সাগীর" এবং "মুসনাদুশ শামিয়্যিন"। এটি আমাকে মূল পাঠের প্রামাণ্যতা নিশ্চিত করতে অনেক সাহায্য করেছে এবং আমি এই হাদিসগুলোর পাঠগত পার্থক্যসমূহ সাব্যস্ত করার প্রতি বিশেষ যত্ন নিয়েছি।
কখনো কখনো কোনো কোনো আলেম তাবারানির সূত্র ধরে হাদিস বর্ণনা করেছেন; যেমন—আবু নুআইম তাঁর "আল-হিলয়াহ" গ্রন্থে, খতিব বাগদাদি তাঁর "তারিখ" গ্রন্থে, আল-হারাউয়ি তাঁর "যাম্মুল কালাম" গ্রন্থে, আশ-শাজারি তাঁর "আমালি" গ্রন্থে, আস-সালাফি তাঁর "আল-মাশিয়াখাতুল বাগদাদিয়্যাহ" গ্রন্থে এবং ইবনে আসাকির তাঁর...
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ৩)
"تاريخه"، والمزي في "تهذيب الكمال"، فعُنيت بذكر فروقهم إذا لم أجد توثيقًا للحديث فيما هو أولى منها؛ كـ "مجمع البحرين"، أو بعض كتب الطبراني الأخرى. وهذا كله فيما إذا كان الحديث بالإسناد نفسه بدءًا من شيخ الطبراني.
أما إذا اختلف شيخ الطبراني، فإني لا أُعنى بتوثيق الحديث في تلك الحال إلا إذا ضاق الأمر، ولم أجد توثيقًا للحديث من بدايته، فإني قد أحتاج لذكر من أخرجه من طريق شيخ شيخ الطبراني، خاصة إذا كان مُخَرّجًا عند الطبراني نفسه في شيء من كتبه؛ كما في الأحاديث (14)، و (28)، و (40 و 45).
وربما لا أجد من أخرج الحديث من الوجه الذي خرّجه الطبراني، فأستروح بالإشارة إلى الوجه المشهور الذي يتضح به سبب إخراج الطبراني لهذا الوجه الغريب؛ كما تراه في الحديث (27).
وقد يشير الطبراني في تعليقه على الحديث إلى رواية أخرى للحديث، ثم يسندها في "المعجم الأوسط" نفسه وبعض كتبه، فأخرّجه منها؛ كما في الحديث (4)، وربما أشار لرواية لم أجدها؛ كما تراه في الحديث (33)، وربما أشار لرواية رأيت مع تخريجها بيان شيء من الصنعة الحديثية المتعلقة بها؛ كما تراه في التعليق على الحديث (23)؛ حيث رأيت أن ما أشار إليه الطبراني هو الوجه المحفوظ للرواية، وأن ما أخرجه غير محفوظ، وأوضحت السبب- فيما ظهر لي- وأنه خطأ من شيخ الطبراني.
وربما احتجت إلى التخريج لضبط لفظٍ مشكل؛ كما تجده في التعليق على الحديث (24)، أو لمعالجة إشكال وقع في إسناد الطبراني كما تراه في التعليق على الحديث (43).
وبعد .. فهذا ما رأيت الحاجة تدعو إلى بيانه فيما يتعلق بطريقة العمل في هذا الجزء، وأسأل الله أن أكون قد وُفِّقت، وأستغفر الله من الزلل، وأسأله سبحانه الإخلاص في القول والعمل، وصلى الله وسلم على نبينا محمد.
كتبه: سعد بن عبد الله بن عبد العزيز الحميِّد
الرياض، بتاريخ 23/محرم/1439 هـ
তাঁর 'তারিখ', এবং মিজ্জি তাঁর 'তহজীবুল কামাল'-এ; ফলে আমি তাঁদের মধ্যকার পার্থক্যগুলো উল্লেখ করার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছি যখন আমি এর চেয়ে অগ্রাধিকারযোগ্য কিতাবসমূহে হাদিসটির সনাদগত উৎস খুঁজে পাইনি; যেমন- 'মাজমাউল বাহরাইন', অথবা তাবারানির অন্যান্য কিছু কিতাব। আর এ সবই তখন করা হয়েছে যখন হাদিসটি তাবারানির শাইখ থেকে শুরু করে একই সনদে বর্ণিত হয়েছে।
কিন্তু যদি তাবারানির শাইখ ভিন্ন হন, তবে আমি সাধারণত সেই অবস্থায় হাদিসের উৎস নির্ণয়ে মনোনিবেশ করি না, যদি না বিষয়টি জটিল হয়ে পড়ে এবং শুরু থেকে হাদিসটির কোনো প্রামাণ্য উৎস না পাই। সেক্ষেত্রে আমি তাবারানির শাইখের শাইখের সূত্রে যারা এটি বর্ণনা করেছেন তাদের উল্লেখ করার প্রয়োজন বোধ করি, বিশেষ করে যদি সেটি তাবারানির নিজেরই কোনো কিতাবে সংকলিত হয়ে থাকে; যেমনটি ১৪, ২৮, ৪০ এবং ৪৫ নম্বর হাদিসে দেখা যাবে।
কখনো কখনো তাবারানি যেভাবে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন, অন্য কাউকে সেভাবে বর্ণনা করতে পাই না। তখন আমি প্রসিদ্ধ বর্ণনাটির দিকে ইশারা করার মাধ্যমে স্বস্তি খুঁজি, যার দ্বারা তাবারানি কেন এই বিরল বর্ণনাটি সংকলন করেছেন তার কারণ স্পষ্ট হয়ে যায়; যেমনটি ২৭ নম্বর হাদিসে দেখা যাবে।
ইমাম তাবারানি কখনো কখনো হাদিসের ওপর তাঁর মন্তব্যে হাদিসটির অন্য কোনো বর্ণনার দিকে ইশারা করেন, অতঃপর তিনি নিজেই 'আল-মুজামুল আওসাত' বা তাঁর অন্য কোনো কিতাবে সেটি বর্ণনা করেন; ফলে আমি সেখান থেকে তা উদ্ধৃত করি, যেমনটি ৪ নম্বর হাদিসে রয়েছে। আবার কখনো তিনি এমন বর্ণনার প্রতি ইশারা করেন যা আমি খুঁজে পাইনি; যেমনটি ৩৩ নম্বর হাদিসে দেখা যাবে। কখনো তিনি এমন বর্ণনার দিকে ইশারা করেছেন যার উৎস নির্দেশ করার সাথে সাথে আমি সে সম্পর্কিত হাদিস শাস্ত্রীয় সূক্ষ্ম বিষয়ের বর্ণনা দেওয়া সমীচীন মনে করেছি; যেমনটি ২৩ নম্বর হাদিসের টীকায় দেখা যাবে। সেখানে আমি দেখেছি যে, তাবারানি যেদিকে ইশারা করেছেন সেটিই বর্ণনার সংরক্ষিত (মাহফুজ) রূপ, আর তিনি যা বর্ণনা করেছেন তা অসংরক্ষিত (গাইরে মাহফুজ)। আমি এর কারণ স্পষ্ট করেছি—যা আমার কাছে প্রতীয়মান হয়েছে—যে এটি তাবারানির শাইখের পক্ষ থেকে একটি ভুল ছিল।
কখনো কোনো জটিল শব্দের সঠিক রূপ নির্ধারণের জন্য আমার উৎস নির্দেশ করার প্রয়োজন হয়েছে; যেমনটি ২৪ নম্বর হাদিসের টীকায় পাওয়া যাবে। অথবা তাবারানির সনদে কোনো জটিলতা নিরসনের জন্য তা করা হয়েছে, যেমনটি ৪৩ নম্বর হাদিসের টীকায় দেখা যাবে।
পরিশেষে.. এই খণ্ডের কাজ সম্পাদনের পদ্ধতির ব্যাপারে যা কিছু স্পষ্ট করা প্রয়োজন বলে মনে করেছি তা এখানেই শেষ। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাকে তাওফিক দান করেন। আমি আমার ভুলভ্রান্তির জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাচ্ছি এবং তাঁর কাছে কথা ও কাজে একনিষ্ঠতা কামনা করছি। আমাদের নবী মুহাম্মাদের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।
লিখেছেন: সাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ আল-হুমাইদ
রিয়াদ, তারিখ: ২৩ মহররম, ১৪৩৯ হিজরি।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ৪)
السقط الأول (
1)(1) 1116 - حدَّثنا أحمد
(2)، قال: نا أبو جعفر
(3)، قال: نا حاتم بن إسماعيل، قال: نا عبد الملك بن [حسن]
(4)، عن عبد الرحمن بن أبي سعيد، عن عمارة بن حارثة
(5)، عن عمرو بن يثربي قال: خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: (لا يحل لامرئ من مال أخيه شيء إلا بطيب نفس منه). قلت: يا رسول الله، أرأيت إن لقيت غنمَ ابنِ عمّي، أجتزر منها شاة
(6)؟ فقال: (إن لقيتها نعجة تحمل شفرة [وأزنادًا]
(7) بخبت الجَمِيش
(8) فلا [تَهِجْها]
(9))
(10).
--------------------------------------------
প্রথম বিচ্যুতি (
১)(১) ১১১৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ
(২), তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর
(৩), তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাতিম ইবনে ইসমাইল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল মালিক ইবনে [হাসান]
(৪), তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবি সাঈদ থেকে, তিনি উমারাহ ইবনে হারিসাহ
(৫) থেকে, তিনি আমর ইবনে ইয়াসরিবি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন এবং বললেন: (কোনো ব্যক্তির জন্য তার ভাইয়ের সম্পদের কোনো কিছু তার মনের সন্তুষ্টি ব্যতীত হালাল নয়)। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি মনে করেন যদি আমি আমার চাচাতো ভাইয়ের বকরির পালের দেখা পাই, তবে কি আমি সেখান থেকে একটি বকরি জবাই করতে পারি
(৬)? তিনি বললেন: (যদি তুমি খাবাত আল-জামীশ নামক প্রান্তরে কোনো ভেড়িকে ছুরি [এবং চকমকি পাথর]
(৭) বহন করতে দেখো
(৮), তবে তুমি তাকে উত্যক্ত করো না [ধরো না])
(৯)(১০)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ৫)
لا يروى هذا الحديث عن عَمْرو بن يثربي إلا بهذا الإسناد، تفرد به عبد الملك بن [حسن]
(1).
(2) 1116/ 1 - حدَّثنا أحمد، قال: نا أبو جعفر، قال: نا مسكين بن بكير، عن شعبة، عن أبي رجاء
(2)، عن الحسن قال: سئل أنس عن النشرة (
3)؟ فقال: ذكروا أنها من عمل الشيطان (
4).
لم يرو هذا الحديث عن شعبة إلا مسكين.
(3) 1116/ 2 - حدثنا أحمد، قال: نا أبو جعفر، قال: نا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، قال: حدثني سعيد بن عبيد بن السباق، عن محمد بن أسامة بن زيد، عن أبيه أسامة بن زيد قال: لما ثقل رسول الله صلى الله عليه وسلم هبطت وهبط الناس معي إلى المدينة، فدخلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد أصْمَتَ
(5) ولا يتكلم، فجعل يرفع يده إلى السماء ثم يضعها علي؛ أعرف أنه يدعو لي
(6).
لا يروى هذا الحديث عن أسامة إلا بهذا الإسناد، تفرد به محمد بن إسحاق.
(4) 1116/ 3 - حدثنا أحمد، قال: نا أبو جعفر النفيلي، قال: نا عبد العزيز بن محمد، عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (من قرن حجًّا وعمرة كفاه لهما طوافًا واحدًا
(7) لم يحلل حتى يقضي حجه، ويحلل منهما جميعًا).
--------------------------------------------
আমর ইবনে ইয়াসরিবি থেকে এই হাদিসটি কেবল এই সনদেই বর্ণিত হয়েছে, আবদুল মালিক ইবন [হাসান]
(১) এটি বর্ণনায় একক হয়ে গেছেন।
(২) ১১১৬/ ১ - আমাদের কাছে আহমদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবু জাফর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে মিসকিন ইবনে বুকাইর বর্ণনা করেছেন, তিনি শুবা থেকে, তিনি আবু রাজা থেকে
(২), তিনি হাসান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আনাস (রা.)-কে নুশরাহ (ঝাড়ফুঁক) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল? তিনি বললেন: তারা উল্লেখ করেছেন যে এটি শয়তানের কাজ
(৪)।
শুবা থেকে এই হাদিসটি মিসকিন ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেননি।
(৩) ১১১৬/ ২ - আমাদের কাছে আহমদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবু জাফর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে সালামা বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি বলেন: আমার কাছে সাঈদ ইবনে উবাইদ ইবনে সাব্বাক বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মদ ইবনে উসামা ইবনে যায়েদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা উসামা ইবনে যায়েদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অসুস্থতায় কাতর হয়ে পড়লেন, তখন আমি এবং আমার সাথে মানুষজন মদিনার দিকে নেমে এলাম। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে প্রবেশ করলাম, তখন তিনি নীরব হয়ে গিয়েছিলেন
(৫) এবং কথা বলছিলেন না। এমতাবস্থায় তিনি তাঁর হাত আকাশের দিকে তুলছিলেন এবং তারপর তা আমার ওপর রাখছিলেন; আমি বুঝতে পারলাম যে তিনি আমার জন্য দোয়া করছেন
(৬)।
উসামা থেকে এই হাদিসটি কেবল এই সনদেই বর্ণিত হয়েছে, মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক এটি বর্ণনায় একক হয়ে গেছেন।
(৪) ১১১৬/ ৩ - আমাদের কাছে আহমদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবু জাফর আন-নুফাইলি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবদুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (যে ব্যক্তি হজ ও উমরাহ একত্রে পালন করবে, তার উভয়ের জন্য একটি তাওয়াফই যথেষ্ট হবে
(৭), সে তার হজ সম্পন্ন না করা পর্যন্ত হালাল হবে না, এবং উভয়টি থেকে একত্রে হালাল হবে)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ৬)
لم يرو هذا الحديث عن عبيد الله إلا عبد العزيز الدراوردي، وسفيان الثوري، ولم يروه عن سفيان إلا يحيى بن يمان
(1).
(5) 111
6/ 4 - حدثنا أحمد، قال: نا أبو جعفر، قال: نا داود بن عبد الرحمن العطار، عن هشام بن عروة، عن عثمان بن عروة، عن عروة، عن عائشة قالت: طيبت رسول الله صلى الله عليه وسلم لإحرامه وإحلاله بأطيب ما أجد.
(6) 1116/ 5 - حدثنا أحمد، قال: نا أبو جعفر، قال: نا بقية بن الوليد، عن مبشر بن عبيد، عن زيد بن أسلم، عن ابن عمر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (إن سهيلًا كان عشّارًا ظلومًا، فسخه الله شهابًا
(2)).
لم يرو هذا الحديث عن زيد إلا مبشر، تفرد به بقية.
--------------------------------------------
উবায়দুল্লাহ থেকে আব্দুল আজিজ আদ-দারাওয়ারদি এবং সুফিয়ান সাওরি ছাড়া আর কেউ এই হাদিসটি বর্ণনা করেননি। আর সুফিয়ান থেকে ইয়াহইয়া বিন ইয়ামান ছাড়া কেউ এটি বর্ণনা করেননি
(১)।
(৫) ১১১৬/ ৪ - আমাদের কাছে আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবু জাফর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে দাউদ বিন আব্দুর রহমান আল-আত্তার বর্ণনা করেছেন হিশাম বিন উরওয়া থেকে, তিনি উসমান বিন উরওয়া থেকে, তিনি উরওয়া থেকে, তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে তাঁর ইহরামের জন্য এবং ইহরাম খোলার জন্য আমার কাছে থাকা সর্বোত্তম সুগন্ধি মাখিয়ে দিয়েছিলাম।
(৬) ১১১৬/ ৫ - আমাদের কাছে আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আবু জাফর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বাকিয়্যাহ বিন ওয়ালিদ বর্ণনা করেছেন মুবাশশির বিন উবাইদ থেকে, তিনি যায়েদ বিন আসলাম থেকে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: (নিশ্চয়ই সুহাইল একজন অত্যন্ত অত্যাচারী কর-সংগ্রাহক ছিল, তাই আল্লাহ তাকে একটি উজ্জ্বল নক্ষত্রে রূপান্তরিত করে দিয়েছেন
(২))।
যায়েদ থেকে মুবাশশির ছাড়া আর কেউ এই হাদিসটি বর্ণনা করেননি, বাকিয়্যাহ এটি বর্ণনায় একক হয়েছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ৭)
(7) 1116/ 6 - حدثنا أحمد، قال: نا أبو جعفر، قال: نا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، عن حميد الطويل، عن أنس بن مالك، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: (إزرة المؤمن إلى نصف الساق، وإلى الكعبين فلا بأس، وما أسفل من الكعبين فلا خير فيه)
(1).
(8) 1116/ 7 - وبه
(2)، عن محمد بن إسحاق، عن عيسى بن عبد الله بن مالك، عن أبي سليمان زيد بن وهب الجهني، عن أبي الدرداء، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (من شهد أن لا إله إلا الله، وأن محمدًا عبده ورسوله مخلصًا دخل الجنة)
(3).
لم يرو هذا الحديث عن عيسى إلا محمد.
(9) 1116/ 8 - وبه، عن محمد بن إسحاق، قال: قال الزهري: حدثني حمزة بن عبد الله بن عمر، أن عائشة قالت: لما اسْتُعِزَّ
(4) برسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: (مروا أبا بكر فليصلّ بالناس)، قلت: يا رسول الله، إن أبا بكر رجل ضعيف الصوت، كثير البكاء إذا قرأ القرآن. قال: (مروه فليصلّ بالناس)، فقلت لحفصة: قولي. فقالت، فقال: (إنكن صواحبات يوسف! مروه فليصلّ بالناس!). قالت: والله ما قلت ذلك إلا أني كنت أحب أن يصرف ذلك عن أبي بكر، وعرفت أن الناس إن يحبوا
(5) رجلًا قام مقامه صلى الله عليه وسلم أبدًا، وأن الناس سيتشاءمون به في كل حدث، فكنت
--------------------------------------------
(৭) ১১১৬/ ৬ - আহমাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু জাফর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবন সালামাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক থেকে, তিনি হুমাইদ আত-তবিল থেকে, তিনি আনাস ইবন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি: (মুমিনের লুঙ্গি নলার অর্ধেক পর্যন্ত, আর টাখনু পর্যন্ত হলে তাতে কোনো সমস্যা নেই, এবং যা টাখনুর নিচে যাবে তাতে কোনো কল্যাণ নেই)
(১)।
(৮) ১১১৬/ ৭ - এবং পূর্বোক্ত সনদে
(২) মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক থেকে, তিনি ঈসা ইবন আব্দুল্লাহ ইবন মালিক থেকে, তিনি আবু সুলায়মান যাইদ ইবন ওয়াহব আল-জুহানি থেকে, তিনি আবুদ্দারদা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: (যে ব্যক্তি একনিষ্ঠভাবে সাক্ষ্য দেবে যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে)
(৩)।
ঈসা থেকে মুহাম্মাদ ছাড়া আর কেউ এই হাদিস বর্ণনা করেননি।
(৯) ১১১৬/ ৮ - এবং তাঁর থেকেই, মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: যুহরী বলেছেন: হামযাহ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন উমর আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, আয়েশা (রা.) বলেছেন: যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অসুস্থতা অত্যন্ত প্রবল হলো
(৪), তখন তিনি বললেন: (তোমরা আবু বকরকে নির্দেশ দাও যাতে সে মানুষদের নিয়ে সালাত আদায় করে)। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আবু বকর ক্ষীণ কণ্ঠের অধিকারী একজন মানুষ, তিনি যখন কুরআন পাঠ করেন তখন অনেক বেশি কাঁদেন। তিনি বললেন: (তাকে নির্দেশ দাও যাতে সে মানুষদের নিয়ে সালাত আদায় করে)। এরপর আমি হাফসাকে বললাম: তুমি বলো। হাফসা বললে তিনি বললেন: (তোমরা তো ইউসুফের (সময়কার) নারীদের মতো! তাকে নির্দেশ দাও যেন সে মানুষদের নিয়ে সালাত আদায় করে!)। আয়েশা (রা.) বলেন: আল্লাহর কসম, আমি এ কথা কেবল এ কারণেই বলেছিলাম যে, আমি চাচ্ছিলাম বিষয়টি যেন আবু বকরের ওপর থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়; কারণ আমি জানতাম যে, মানুষ সেই ব্যক্তিকে কখনোই ভালোবাসবে না
(৫) যে তাঁর (রাসূলের) স্থলাভিষিক্ত হবে এবং মানুষ প্রতিটি (নতুন) অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় তাকেই অপয়া মনে করবে; তাই আমি চেয়েছিলাম...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ৮)
أحب أن أصرف ذلك عن أبي بكر (
1). (10) 1116/ 9 - حدثنا أحمد بن إسحاق الخشاب الرقي، قال: نا عبد الله بن جعفر، قال: نا عبيد الله بن عمرو، عن زيد
(2)، عن أبي إسحاق، عن مجاهد، عن أبي هريرة، أن جبريل أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم يسلم عليه في بيته، وفي البيت ستر منصوب فيه تماثيل، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم: (ادخل)، فقال: (إنا لا ندخل بيتًا فيه تماثيل، فإن كنت لابد جاعلها في بيتك، فاجعلها وسائد أو بُسُطًا)
(3).
(11) 1116/ 10 - وعن
(4) أبي إسحاق، عن عاصم بن عمرو، عن عمير مولى عمر، قال: جاء نفر من العراق إلى عمر، فقال: ما جاء بكم؟ قالوا: جئناك لنسألك عن ثلاث، قال: ما هن؟ قالوا: صلاة الرجل في بيته تطوعًا ما هي؟ وما يحل للرجل من امرأته حائضًا؟ وعن الغسل من الجنابة؟ فقال عمر: أسحرة أنتم؟ قالوا: لا والله يا أمير المؤمنين ما نحن بسحرة. قال: أفكهنة أنتم؟ قالوا: لا. فقال: لقد سألتموني عن ثلاث ما سألني عنهن أحد منذ سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عنهن قبلكم، فقال: (أما صلاة الرجل في بيته تطوّعًا، فنورٌ، فنَوّرْ بيتك ما استطعت، وأما الحائض فلك ما فوق الإزار، وليس لك ما تحته، وأما الغسل من الجنابة، فتفرغ بيمينك على شمالك، ثم تدخل يدك في الإناء، فتغسل فرجك وما أصابك، ثم توضأ وضوءك للصلاة، ثم تفرغ على رأسك ثلاث مرات تدلك رأسك كل مرة)
(5).
(12) 1116/ 11 - وعن
(6) زيد، عن محمد بن قيس النخعي، عن أبي الحكم البجلي، قال: دخلت على أبي هريرة وهو يحتجم، فقال: يا أبا الحكم، أتحتجم؟
--------------------------------------------
আমি এটি আবু বকর থেকে সরিয়ে নিতে পছন্দ করি (
১)। (১০) ১১১৬/ ৯ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে ইসহাক আল-খাশশাব আল-রিক্কি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে জাফর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উবায়দুল্লাহ ইবনে আমর, জায়েদ
(২) থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, জিবরাঈল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট তাঁর ঘরে তাঁকে সালাম দিতে আসলেন। এমতাবস্থায় ঘরে একটি পর্দা লটকানো ছিল যাতে ছবি ছিল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন: (প্রবেশ করুন), তিনি বললেন: (আমরা এমন ঘরে প্রবেশ করি না যাতে ছবি থাকে। সুতরাং যদি আপনি ঘরে তা রাখতেই চান, তবে সেগুলোকে বালিশ অথবা বিছানায় পরিণত করুন)
(৩)।
(১১) ১১১৬/ ১০ - এবং
(৪) আবু ইসহাক থেকে, তিনি আসিম ইবনে আমর থেকে, তিনি ওমরের মুক্তদাস উমায়ের থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: ইরাক থেকে একদল লোক ওমরের নিকট আসলেন। তিনি বললেন: তোমাদের কিসে নিয়ে এসেছে? তারা বলল: আমরা আপনার নিকট তিনটি বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে এসেছি। তিনি বললেন: সেগুলো কী? তারা বলল: একজন ব্যক্তির তার নিজের ঘরে নফল সালাত আদায় করা কেমন? এবং ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে একজন পুরুষের জন্য কী বৈধ? এবং জানাবাতের গোসল সম্পর্কে? তখন ওমর বললেন: তোমরা কি জাদুকর? তারা বলল: আল্লাহর শপথ না, হে আমিরুল মুমিনীন, আমরা জাদুকর নই। তিনি বললেন: তবে কি তোমরা গণক? তারা বলল: না। তখন তিনি বললেন: তোমরা আমাকে এমন তিনটি বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছ যা তোমাদের আগে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করার পর থেকে অন্য কেউ আমাকে জিজ্ঞাসা করেনি। তিনি বলেছিলেন: (ঘরে ব্যক্তির নফল সালাত হলো নূর, সুতরাং তোমার ঘরকে সাধ্যমত নূরান্বিত করো। আর ঋতুবতী নারীর ক্ষেত্রে তোমার জন্য লুঙ্গির ওপরের অংশ বৈধ, তবে নিচের অংশ তোমার জন্য বৈধ নয়। আর জানাবাতের গোসলের ক্ষেত্রে, তুমি তোমার ডান হাত দিয়ে বাম হাতের ওপর পানি ঢালবে, তারপর পাত্রের মধ্যে তোমার হাত প্রবেশ করাবে এবং তোমার লজ্জাস্থান ও যা লেগেছে তা ধৌত করবে, অতঃপর সালাতের অজুর ন্যায় অজু করবে, তারপর তোমার মাথায় তিনবার পানি ঢালবে এবং প্রতিবার তোমার মাথা মর্দন করবে)
(৫)।
(১২) ১১১৬/ ১১ - এবং
(৬) জায়েদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে কাইস আন-নাখায়ি থেকে, তিনি আবু আল-হাকাম আল-বাজালি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আবু হুরায়রার নিকট গেলাম যখন তিনি সিঙা লাগাচ্ছিলেন, তিনি বললেন: হে আবু আল-হাকাম, তুমি কি সিঙা লাগাও?
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ৯)
فقلت: ما احتجمت قط. قال أبو هريرة: أخبرنا أبو القاسم صلى الله عليه وسلم: أن جبريل أخبره: أن الحجامة من أنفع ما تداوى به الناس (
1). (13) 1116/ 12 - وعن زيد، عن عمرو بن مرة، عن سالم بن أبي الجعد، عن أبي أمامة الباهلي، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (إذا تمضمض أحدكم حطّ
(2) ما أصاب بفيه، وإذا غسل وجهه حطّ ما أصاب بوجهه، وإذا غسل يديه حطّ ما أصاب بيديه، وإذا مسح برأسه تناثرت خطاياه من أصول شعره، وإذا غسل قدميه حطّ ما أصاب برجليه)
(3).
(14) 1116/ 13 - وعن زيد، عن عمرو بن مرة، عن هلال بن يساف، عن عمرو بن راشد، عن وابصة بن معبد قال: أبصر رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلًا يصلي خلف الصف وحده، فأمره أن يعيد الصلاة
(4).
(15) 1116/ 14 - وعن زيد، عن المنهال بن عمرو، عن سعيد بن جبير، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم لعن من يمثل بالحيوان
(5).
--------------------------------------------
আমি বললাম: আমি কখনো হিজামা করিনি। আবু হুরায়রা বললেন: আবুল কাসেম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের জানিয়েছেন যে, জিবরাঈল তাকে সংবাদ দিয়েছেন: হিজামা হচ্ছে মানুষের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি চিকিৎসা (
১)। (১৩) ১১১৬/ ১২ - যায়েদ হতে বর্ণিত, তিনি আমর ইবনে মুররাহ হতে, তিনি সালিম ইবনে আবিল জাদ হতে, তিনি আবু উমামাহ আল-বাহিলি হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (তোমাদের কেউ যখন কুলি করে, তখন তার মুখ দ্বারা যা অর্জিত হয়েছে তা ঝরে যায়, যখন সে তার মুখমণ্ডল ধৌত করে, তখন তার মুখমণ্ডল দ্বারা যা অর্জিত হয়েছে তা ঝরে যায়, যখন সে তার দুই হাত ধৌত করে, তখন তার দুই হাত দ্বারা যা অর্জিত হয়েছে তা ঝরে যায়, যখন সে তার মাথা মাসাহ করে, তখন তার চুলের গোড়া থেকে তার পাপসমূহ ঝরে পড়ে, আর যখন সে তার দুই পা ধৌত করে, তখন তার দুই পা দ্বারা যা অর্জিত হয়েছে তা ঝরে যায়)
(২)।
(১৪) ১১১৬/ ১৩ - যায়েদ হতে বর্ণিত, তিনি আমর ইবনে মুররাহ হতে, তিনি হিলাল ইবনে ইয়াসাফ হতে, তিনি আমর ইবনে রাশিদ হতে, তিনি ওয়াবিসাহ ইবনে মাবাদ হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে কাতারের পেছনে একাকী সালাত আদায় করতে দেখলেন, তখন তিনি তাকে সালাত পুনরায় আদায় করার নির্দেশ দিলেন
(৩)।
(১৫) ১১১৬/ ১৪ - যায়েদ হতে বর্ণিত, তিনি মিনহাল ইবনে আমর হতে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের হতে, তিনি ইবনে উমর হতে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ ব্যক্তিকে অভিশাপ দিয়েছেন যে প্রাণীর অঙ্গহানি করে
(৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ১০)
(16) 1116/ 15 - وعن زيد، عن القاسم بن عوف الشيباني، قال: سمعت ابن عمر يقول: لقد عشت برهة من دهري وإن أحدنا يؤتى
(1) الإيمان قبل القرآن، وتنزل السورة على محمد صلى الله عليه وسلم، فنتعلم
(2) حلالها وحرامها وما ينبغي أن يقف عنده منها كما تعلمون أنتم القرآن، ثم لقد رأيت
(3) رجالًا يؤتى
(4) أحدهم القرآن قبل الإيمان، فيقرأ ما بين فاتحة الكتاب إلى خاتمته ما يدري ما آمره، ولا زاجره، وما ينبغي أن يقف عنده منه، وينثره نثر الدقل
(5).
(17) 1116/ 16 - وعن زيد، عن القاسم بن عوف، عن علي بن الحسين قال: حدثتنا أم سلمة زوج
(6) النبي صلى الله عليه وسلم؛ أن النبي صلى الله عليه وسلم بينا
(7) هو في بيتها وعنده نفر من أصحابه؛ إذ دخل رجل فقال: يا رسول الله، كم صدقة كذا وكذا من التمر؟ قال: (كذا وكذا)، فقال
(8) الرجل: فإن فلانًا تعدّى عليَّ، فأخذ كذا وكذا- زاد صاعًا- فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (فكيف إذا سعى عليكم من يتعدّى عليكم أشرّ
(9) من هذا؟!)، فقال الرجل: فكيف بنا يا رسول الله، إذا كان رجل منا غائبًا في إبله
(10) وماشيته وزرعه ونخله، فأدّى زكاة ماله، فتعدّى عليه الحق
(11)؟ فكيف يصنع يا رسول الله؟! فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: (من أدى زكاة ماله طيبة بها نفسه يريد بها وجه الله والدار الآخرة، لم
(12) يغيب منها شيئًا، وأقام الصلاة، وآتى الزكاة،
--------------------------------------------
(১৬) ১১১৬/ ১৫ - জায়েদ থেকে বর্ণিত, তিনি কাসিম ইবনে আওফ আশ-শাইবানী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি ইবনে উমরকে বলতে শুনেছি: আমি আমার জীবনের দীর্ঘ একটি সময় অতিবাহিত করেছি যখন আমাদের কাউকে কুরআনের পূর্বে ঈমান প্রদান করা হতো। আর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ওপর সূরা অবতীর্ণ হতো, তখন আমরা এর হালাল, হারাম এবং এতে কোথায় থামা উচিত (এর সীমারেখা) তা শিখতাম, যেভাবে তোমরা এখন কুরআন শিখছো। অতঃপর আমি এমন কিছু লোক দেখেছি যাদের কাউকে ঈমানের পূর্বে কুরআন প্রদান করা হয়, ফলে সে কিতাবের (কুরআনের) শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে ফেলে কিন্তু সে জানে না এর আদেশ কী, এর নিষেধ কী এবং এর কোথায় থামা উচিত। সে একে নিম্নমানের খেজুর ছিটিয়ে দেওয়ার মতো ছড়িয়ে দেয়।
(১৭) ১১১৬/ ১৬ - জায়েদ থেকে বর্ণিত, তিনি কাসিম ইবনে আওফ থেকে, তিনি আলী ইবনে হুসাইন থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী উম্মে সালামাহ্ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা তাঁর ঘরে ছিলেন এবং তাঁর কাছে তাঁর সাহাবীদের একটি দল উপস্থিত ছিল; এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি প্রবেশ করে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, নির্দিষ্ট পরিমাণ খেজুরের জাকাত কত? তিনি বললেন: (এত এবং এত)। তখন লোকটি বলল: অমুক ব্যক্তি আমার ওপর সীমালঙ্ঘন করেছে এবং সে এত এত নিয়েছে—সে এক সা’ অতিরিক্ত নিয়েছে—তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: (তখন কী অবস্থা হবে যখন তোমাদের ওপর এমন লোক নিয়োজিত হবে যে এর চেয়েও খারাপভাবে সীমালঙ্ঘন করবে?!)। তখন লোকটি বলল: হে আল্লাহর রাসূল, আমাদের তখন কী হবে, যদি আমাদের কোনো ব্যক্তি তার উট, গবাদি পশু, শস্য এবং খেজুর বাগানে ব্যস্ত থাকে এবং সে তার মালের জাকাত আদায় করে, এমতাবস্থায় তার পাওনার ক্ষেত্রে সীমালঙ্ঘন করা হয়? হে আল্লাহর রাসূল, সে তখন কী করবে?! তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: (যে ব্যক্তি সন্তুষ্টচিত্তে তার মালের জাকাত প্রদান করবে, যার মাধ্যমে সে আল্লাহর চেহারা এবং পরকাল প্রত্যাশা করবে, তা থেকে কিছুই গোপন করবে না, সালাত কায়েম করবে এবং জাকাত প্রদান করবে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ১১)
فتعدَّى عليه الحق، فأخذ سلاحه فقاتل فقتل- فهو شهيد) (
1). (18) 1117 - وعن زيد، عن عدي بن ثابت، عن أبي حازم، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: (من تطهر في بيته، ثم مشى إلى بيت من بيوت الله؛ ليؤدي فريضة الله، فخطوتاه
(2) إحداهما
(3) تحط خطيئة، والأخرى ترفع درجة)
(4).
--------------------------------------------
অন্যায়ভাবে তার অধিকার ক্ষুণ্ণ করা হলো, অতঃপর সে তার অস্ত্র গ্রহণ করল এবং যুদ্ধ করল ও নিহত হলো—সে একজন শহীদ) (
১)। (১৮) ১১১৭ - এবং যায়েদ থেকে বর্ণিত, তিনি আদী ইবনে সাবিত থেকে, তিনি আবু হাযেম থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: (যে ব্যক্তি নিজ ঘরে পবিত্রতা অর্জন করল, অতঃপর আল্লাহর ঘরসমূহের কোনো একটির দিকে হেঁটে গেল আল্লাহর কোনো একটি ফরজ বিধান আদায় করার জন্য, তার পদক্ষেপ দুটির একটি একটি করে পাপ মোচন করবে এবং অন্যটি একটি করে মর্যাদা বৃদ্ধি করবে)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ১২)
السقط الثاني (
1)(19) 3700 - حدثنا عمر بن حفص السدوسي، قال: نا أبو بلال الأشعري، قال: نا يحيى بن العلاء الرازي، عن عبد الأعلى بن عبد الله بن أبي فروة، عن قطن بن وهب، عن عبد الله بن عمر قال: مر رسول الله صلى الله عليه وسلم على مصعب بن عمير حين رجع من أحد، فوقف عليه وعلى أصحابه فقال: (أشهد أنكم أحياء عند الله، فزوروهم، وسلموا عليهم، فوالذي نفس محمد
(2) بيده لا يسلم
(3) عليهم أحد إلا ردوا إلى يوم القيامة)
(4).
لا يروى هذا الحديث
(5) عن ابن عمر إلا بهذا الإسناد، تفرد به أبو بلال الأشعري
(6).
(20) 3700/ 1 - حدثنا عمر بن حفص السدوسي، قال: نا عاصم بن علي، قال: نا أبو الأشهب العطاردي
(7)، عن أبي الحكم، عن أبي برزة؛ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول
(8): (إن مما أخشى
(9) عليكم
--------------------------------------------
দ্বিতীয় বিচ্যুতি (
১)(১৯) ৩৭০০ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর বিন হাফস আস-সাদুসী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বিলাল আল-আশআরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আল-আলা আর-রাজি, তিনি আব্দুল আলা বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি ফারওয়া থেকে, তিনি কাতান বিন ওয়াহাব থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন উমর থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উহুদ থেকে ফেরার সময় মুসআব বিন উমায়েরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন, তখন তিনি তাঁর এবং তাঁর সাথীদের নিকট দাঁড়ালেন এবং বললেন: (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে তোমরা আল্লাহর নিকট জীবিত, সুতরাং তোমরা তাদের যিয়ারত করো এবং তাদের সালাম প্রদান করো। সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ রয়েছে, কিয়ামত দিবস পর্যন্ত কেউ তাদের সালাম প্রদান করলে তারা অবশ্যই তার উত্তর দেবে।)
এই হাদিসটি ইবনে উমর থেকে কেবল এই সনদেই বর্ণিত হয়েছে, আবু বিলাল আল-আশআরি এটি বর্ণনায় একক।
(২০) ৩৭০০/ ১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উমর বিন হাফস আস-সাদুসী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আসিম বিন আলি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-আশহাব আল-আতারদি, আবু আল-হাকাম থেকে, তিনি আবু বারজাহ থেকে বর্ণনা করেন; রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলতেন: (আমি তোমাদের ব্যাপারে যা নিয়ে সবচেয়ে বেশি আশঙ্কা করি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ১৩)
شهوات الغي في بطونكم وفروجكم، ومضلات الهوي»
(1).
لا يروى هذا الحديث
(2) عن أبي برزة إلا بهذا الإسناد، تفرد به أبو الأشهب.
(21) 2/ 3700 - حدثنا عمر بن عبد العزيز بن مقلاص المصري، قال: نا سعيد بن عفير، قال: نا عبد الله بن وهب، عن يونس بن يزيد، عن إبراهيم بن أبي عبلة، عن عدي بن عدي الكندي، قال: سمعت العرس بن عميرة
(3) - وكان من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «إن المرء ليعمل بعمل أهل النار البرهة من دهره، ثم تعرض له الجادّة من جوادّ الجنة، فيعمل بها حتى يموت عليها؛ وذلك لما كُتب له، وإن الرجل ليعمل بعمل أهل الجنة البرهة من دهره، ثم تعرض له الجادّة من جوادّ النار، فيعمل بها حتى يموت عليها؛ وذلك لما كُتب له»
(4).
لم يرو هذا الحديث عن إبراهيم بن أبي عبلة إلا يونس بن يزيد، ولا عن يونس إلا ابن وهب، تفرد به سعيد بن عفير، ولا يروى عن العرس بن عميرة إلا بهذا الإسناد.
(22) 3/ 3700 - حدثنا عمر بن عبد الرحمن السلمي البصري، قال: نا حَوْثرة بن أَشْرس الِمنْقَري، قال: نا جعفر بن كيسان أبو معروف، عن عمرة بنت أرطاة العدويَّة، عن عائشة؛ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «لا تفنى أمتي إلا بالطعن والطاعون»، قلنا: يا رسول الله، هذا الطعن
--------------------------------------------
তোমাদের পেট ও লজ্জাস্থানের ভ্রষ্ট লালসা এবং প্রবৃত্তির বিভ্রান্তিগুলো।
(১)এই হাদীসটি আবু বারযাহ থেকে এই সনদ (সূত্র) ব্যতীত বর্ণিত হয়নি, আবু আল-আশহাব এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(২১) ২/ ৩৭০০ - উমর ইবনে আব্দুল আজীজ ইবনে মিকলাস আল-মিসরি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: সাঈদ ইবনে উফাইর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইউনুস ইবনে ইয়াযিদ থেকে, তিনি ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলাহ থেকে, তিনি আদি ইবনে আদি আল-কিন্দি থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল-উরাস ইবনে উমাইরাহকে
(৩)—যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন—বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: «নিশ্চয়ই কোনো ব্যক্তি তার জীবনের একটা দীর্ঘ সময় জাহান্নামীদের আমল করতে থাকে, অতঃপর তার সামনে জান্নাতের কোনো একটি পথ প্রকাশ পায়, তখন সে সেই অনুযায়ী আমল করে যতক্ষণ না সে ঐ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে; আর এটা তার জন্য যা লিপিবদ্ধ রয়েছে (তকদির) সেই অনুযায়ী হয়। আবার কোনো ব্যক্তি তার জীবনের একটা দীর্ঘ সময় জান্নাতীদের আমল করতে থাকে, অতঃপর তার সামনে জাহান্নামের কোনো একটি পথ প্রকাশ পায়, তখন সে সেই অনুযায়ী আমল করে যতক্ষণ না সে ঐ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে; আর এটা তার জন্য যা লিপিবদ্ধ রয়েছে সেই অনুযায়ী হয়»
(৪)।
ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলাহ থেকে এই হাদীসটি ইউনুস ইবনে ইয়াযিদ ব্যতীত অন্য কেউ বর্ণনা করেননি এবং ইউনুস থেকে ইবনে ওয়াহাব ব্যতীত অন্য কেউ বর্ণনা করেননি। সাঈদ ইবনে উফাইর এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং আল-উরাস ইবনে উমাইরাহ থেকে এই সনদ ব্যতীত এটি বর্ণিত হয়নি।
(২২) ৩/ ৩৭০০ - উমর ইবনে আব্দুর রহমান আস-সুলামি আল-বাসরি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হাওসারা ইবনে আশরাস আল-মিনকারি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: জাফর ইবনে কাইসান আবু মা'রূফ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আমরাহ বিনতে আরতাহ আল-আদাবিয়্যাহ থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আমার উম্মত ধ্বংস হবে না কেবল 'ত্বান' (বর্শার আঘাত) এবং 'ত্বাউন' (মহামারি) ব্যতীত», আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, এই 'ত্বান' (তো বুঝলাম)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ১৪)
قد عرفناه، فما الطاعون؟ قال: «غدة كغدة الإبل، المقيم فيها كالشهيد، والفار منها كالفار من الزحف»
(1).
لم
(2) يرو هذا الحديث عن عمرة بنت أرطاة- وهي بصرية- إلا جعفر بن كيسان، وهو بصري.
(23) 4/ 3700 - حدثنا عمر بن عبد الرحمن السلمي
(3)، قال: نا إبراهيم بن الحجاج السامي
(4)، قال: نا سلام أبو المنذر، عن عاصم بن بهدلة، عن أبي وائل، قال: قال عبد الله بن مسعود
(5): كنت في غنم لآل أبي معيط، فجاء النبي صلى الله عليه وسلم ومعه أبو بكر، فقال لي: «يا غلام، هل عندك لبن؟»، قلت
(6): نعم، ولكني مؤتمن. قال: «فهل عندك شاة لم يَنْزُ عليها الفحل؟»، قلت: نعم. فأتيته بشاة شطور
(7) - قال سلام: والشطور: التي ليس لها ضرع- فمسح النبي صلى الله عليه وسلم مكان الضرع- وما لها ضرع- فإذا ضرع حافل مملوء لبنًا، قال: فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم بصخرة منقورة، فاحتلب، ثم سقى أبا بكر وسقاني، ثم شرب، ثم قال للضرع: «اقلص»، فقلص، فرجع كما كان، فأنا رأيت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقلت: يا رسول الله، علّمني، فمسح على رأسي، وقال: «بارك الله فيك، فإنك
(8) غلام معلم»، فأسلمت، فأتيت النبي صلى الله
--------------------------------------------
আমরা তা জেনেছি, তবে প্লেগ কী? তিনি বললেন: «উটের কুঁজের মতো এক প্রকার গ্রন্থি। এতে যে অবস্থান করে সে শহীদের মতো, আর যে তা থেকে পালিয়ে যায় সে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়নকারীর মতো»
(১)।
আমরাহ বিনতে আরতাহ—যিনি একজন বসরী—তাঁর থেকে জাফর বিন কায়সান ব্যতীত অন্য কেউ এই হাদিসটি বর্ণনা করেননি, আর তিনিও একজন বসরী
(২)।
(২৩) ৪/ ৩৭০০ - উমর ইবনে আবদুর রহমান আস-সুলামী
(৩) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইবরাহীম ইবনুল হাজ্জাজ আস-সামী
(৪) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সালাম আবু আল-মুনজির আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আসিম বিন বাহদালাহ থেকে, তিনি আবু ওয়াইল থেকে, তিনি বলেন: আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ
(৫) বলেছেন: আমি আবু মুআইত পরিবারের মেষ চরাচ্ছিলাম। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আসলেন এবং তাঁর সাথে আবু বকরও ছিলেন। তিনি আমাকে বললেন: «হে যুবক, তোমার কাছে কি দুধ আছে?», আমি বললাম
(৬): হ্যাঁ, কিন্তু আমি আমানতদার। তিনি বললেন: «তোমার কাছে কি এমন কোনো বকরি আছে যার নিকট কোনো পাঠা (পুরুষ ছাগল) আসেনি?», আমি বললাম: হ্যাঁ। তারপর আমি তাঁর কাছে একটি শাতুর
(৭) বকরি নিয়ে আসলাম—সালাম বলেন: শাতুর হলো যার কোনো ওলান নেই—অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওলানের স্থানে হাত বুলালেন—অথচ সেটির কোনো ওলান ছিল না—হঠাৎ দেখা গেল তা ওলানে পরিপূর্ণ হয়ে দুধে ভরে গেছে। তিনি বলেন: তারপর আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে একটি গর্তযুক্ত পাথর নিয়ে এলাম, তিনি দুধ দোহন করলেন, তারপর আবু বকরকে পান করালেন এবং আমাকেও পান করালেন, তারপর তিনি নিজে পান করলেন। অতঃপর তিনি ওলানকে বললেন: «সংকুচিত হয়ে যাও», ফলে তা সংকুচিত হয়ে গেল এবং আগের মতো হয়ে গেল। আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর থেকে এটি চাক্ষুষ দেখলাম। তখন আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমাকে জ্ঞান দান করুন। তিনি আমার মাথায় হাত বুলালেন এবং বললেন: «আল্লাহ তোমার ওপর বরকত দান করুন, নিশ্চয়ই তুমি
(৮) একজন শিক্ষিত বালক।» অতঃপর আমি ইসলাম গ্রহণ করলাম এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি...) এর কাছে আসলাম।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ১৫)
عليه وسلم، فبينما نحن عنده على حراء؛ إذ نزلت عليه سورة المرسلات، فأخذتها وإنها لرطبة من فيه- أو إن فاه لرطب بها- فما أدري بأي الآيتين حتى ختمت: (وإذا قيل لهم اركعوا لا يركعون) [المرسلات: 48]، أو: (فبأي حديث بعده يؤمنون) [الأعراف: 185، المرسلات: 50]، فأخذت من فِي رسول الله صلى الله عليه وسلم سبعين سورة، وأخذت بقية القرآن من أصحابه. فبينما نحن على حراء، فما فَجِئنَا إلا قول النبي صلى الله عليه وسلم: «منعها منكم الذي منعكم منها»، فقلت: يا رسول الله وما ذاك؟ قال: «حيَّة خرجت من ناحية الجبل»
(1).
لم يرو هذا الحديث عن عاصم، عن أبي وائل إلا سلام أبو المنذر، تفرد به إبراهيم بن الحجاج، ورواه الناس عن عاصم، عن زرّ، عن عبد الله.
( .. ) 5/ 3700 - حدثنا عمر بن محمد بن الحارث الكلابي الواسطي، قال: نا حفص بن عمرو الربالي، قال: نا إسماعيل بن إبراهيم الكرابيسي، قال: نا ابن عون، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من سئل عن علم فكتمه، جاء ملجمً
(2) يوم القيامة بلجام من نار».
--------------------------------------------
সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক; এমতাবস্থায় যে আমরা হেরা পাহাড়ে তাঁর নিকট ছিলাম, তখন তাঁর ওপর সূরা আল-মুরসালাত নাযিল হলো। আমি তা গ্রহণ করলাম যখন এটি তাঁর পবিত্র মুখ থেকে সিক্ত ছিল - অথবা তাঁর মুখমণ্ডল এর দ্বারা সিক্ত ছিল - আমি জানি না কোন আয়াত দুটির মাধ্যমে তিনি শেষ করেছেন: (আর যখন তাদেরকে বলা হয়, রুকু করো, তারা রুকু করে না) [আল-মুরসালাত: ৪৮], অথবা: (অতঃপর এর পরে তারা আর কোন কথায় ঈমান আনবে?) [আল-আরাফ: ১৮৫, আল-মুরসালাত: ৫০]। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুখ থেকে সত্তরটি সূরা শিখেছি এবং কুরআনের অবশিষ্ট অংশ তাঁর সাহাবীদের থেকে গ্রহণ করেছি। আমরা যখন হেরা পাহাড়ে ছিলাম, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এই কথাটি ছাড়া আর কিছু আমাদের চমকে দেয়নি: "যিনি তোমাদের এটি থেকে বিরত রেখেছেন, তিনি একেও তোমাদের থেকে বিরত রেখেছেন।" আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, সেটি কী? তিনি বললেন: "একটি সাপ যা পাহাড়ের এক পাশ থেকে বেরিয়ে এসেছিল"
(১).
আসেম থেকে, তিনি আবু ওয়াইল থেকে—এই সূত্রে সালাম আবু আল-মুনযির ব্যতীত অন্য কেউ এই হাদীসটি বর্ণনা করেননি। ইব্রাহিম ইবনুল হাজ্জাজ এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন। তবে সাধারণ বর্ণনাকারীগণ আসেম থেকে, তিনি যির থেকে, তিনি আবদুল্লাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
( .. ) ৫/ ৩৭০০ - উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হারিস আল-কিলাবি আল-ওয়াসিতি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাফস ইবনে উমর আল-রাবালি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইসমাইল ইবনে ইব্রাহিম আল-কারাবিসি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইবনে আউন আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে সিরীন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: "যাকে কোনো জ্ঞান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো এবং সে তা গোপন করল, কিয়ামতের দিন সে আগুনের লাগাম পরিহিত অবস্থায় আসবে"
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ১৬)
لم يرو هذا الحديث عن ابن عون إلا إسماعيل بن إبراهيم الكرابيسي.
(24) 6/ 3700 - حدثنا عمر بن محمد بن عمرويه المخرمي
(1)، قال: نا أحمد بن بديل القاضي، قال: نا يحيى بن عيسى الرملي، عن الأعمش، عن زيد بن وهب، قال: سمعت عثمان بن عفان يقول: سمعت رسول الله صلي الله عليه وسلم يقول: «تقتل عمارًا الفئة الباغية»
(2).
لم يرو هذا الحديث عن الأعمش إلا يحيى بن عيسي.
(25) 7/ 3700 - حدثنا عمر بن إبراهيم أبو الأذان
(3)، قال: نا محمد بن علي بن خلف العطار، قال: نا سهل بن عامر البجلي، قال: نا أبو بكر بن عياش، عن مغيرة، عن إبراهيم، عن علقمة، عن عبد الله؛ أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «عليكم بالباءة، فمن لم يجد فعليه بالصوم؛ فإنه له وجاء»
(4).
لم يروه هذا الحديث عن مغيرة إلا أبو بكر بن عياش، ولا عن أبي بكر إلا سهل بن عامر، تفرد به محمد بن علي بن خلف.
(26) 8/ 3700 - حدثنا عمر بن إبراهيم، قال: نا عبد الملك بن هوذة بن خليفة، قال: حدثني عمرو بن خليفة، عن أبي عامر الخزاز، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد الخدري؛ أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى في نعليه فخلعهما، فلما قضى الصلاة قال: «إن جبريل أخبرني أن فيهما
--------------------------------------------
ইবনে আউন থেকে এই হাদীসটি ইসমাঈল বিন ইব্রাহীম আল-কারাবিসি ব্যতীত আর কেউ বর্ণনা করেননি।
(২৪) ৬/ ৩৭০০ - উমর বিন মুহাম্মদ বিন আমরুয়াহ আল-মাখরামী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আহমদ বিন বাদীল আল-কাদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া বিন ঈসা আর-রামলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আ'মাশ থেকে, তিনি যায়েদ বিন ওয়াহব থেকে, তিনি বলেন: আমি উসমান বিন আফফানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «বিদ্রোহী গোষ্ঠী আম্মারকে হত্যা করবে»।
আ'মাশ থেকে এই হাদীসটি ইয়াহইয়া বিন ঈসা ব্যতীত আর কেউ বর্ণনা করেননি।
(২৫) ৭/ ৩৭০০ - উমর বিন ইব্রাহীম আবু আল-আযান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন আলী বিন খালাফ আল-আত্তার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাহল বিন আমের আল-বাজালী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু বকর বিন আইয়াশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুগীরা থেকে, তিনি ইব্রাহীম থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ থেকে; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তোমাদের মধ্যে যার বিবাহের সামর্থ্য আছে সে যেন বিবাহ করে, আর যে সামর্থ্য রাখে না সে যেন রোজা রাখে; কারণ এটি তার জন্য যৌন উত্তেজনা দমনকারী (ঢাল স্বরূপ)»।
মুগীরা থেকে এই হাদীসটি আবু বকর বিন আইয়াশ ব্যতীত আর কেউ বর্ণনা করেননি, এবং আবু বকর থেকে সাহল বিন আমের ব্যতীত কেউ বর্ণনা করেননি। মুহাম্মদ বিন আলী বিন খালাফ এই হাদীসটি বর্ণনায় একক।
(২৬) ৮/ ৩৭০০ - উমর বিন ইব্রাহীম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুল মালিক বিন হাওজাহ বিন খলিফা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর বিন খলিফা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আমের আল-খাযযায থেকে, তিনি আবু নাযরা থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জুতা পরিহিত অবস্থায় সালাত আদায় করলেন এবং সেগুলো খুলে ফেললেন। সালাত শেষ করার পর তিনি বললেন: «নিশ্চয়ই জিবরাঈল আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, এ দুটিতে (ময়লা রয়েছে)...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ১৭)
أذى»
(1).
لم يرو هذا الحديث عن أبي عامر الخزاز إلا عمرو بن خليفة، تفرد به عبد الملك.
(27) 9/ 3700 - حدثنا عمر بن إبراهيم، قال: نا إسماعيل بن مسعود الجحدري، قال: نا عبيد الله بن عبد الله بن عون، عن أبيه، عن نافع، عن ابن عمر؛ أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «اللهم بارك لنا في مكَّتنا ومدينتنا، وفي يمننا، وفي شامنا» (
2).(28) 10/ 3700 - حدثنا عمر بن إسماعيل بن أبي غيلان الثقفي البغدادي، قال: نا داود بن عمرو الضبي، قال: نا عباد بن العوام، عن سفيان بن حسين، قال: نا يونس بن عبيد، عن عطاء بن أبي رباح، عن جابر قال: «نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الثُّنْيا، إلا أن يعلم ما هي»
(3).
لم يرو هذا الحديث عن يونس إلا سفيان بن حسين، تفرد به عباد بن العوام.
(29) 11/ 3700 - حدثنا عمر بن عبد الله بن [الحسن]
(4) بن حفص الَهْمداني الأصبهاني، قال: نا سلمة بن شبيب، قال: نا إبراهيم بن الحكم بن أبان، قال: حدثني أبي، عن عكرمة، قال: مرض أنس بن مالك، فجاءه رجل يعوده، فقال: يا أبا حمزة، لولا بُعْدُ منزلك لكنت آتيك كل يوم، فأُسَلِّم عليك.
قال عكرمة: وكان أنس مستلقيًا على فراشه، على وجهه منديل- أو قال: خِرْقة- فلما سمع أنس قول الرجل ألقى المنديل- أو قال: الخرقة- عن
--------------------------------------------
কষ্ট»
(১)।
আবু আমির আল-খাযযায থেকে আমর ইবনে খলিফা ব্যতীত অন্য কেউ এই হাদিসটি বর্ণনা করেননি, আব্দুল মালিক এতে একক হয়েছেন।
(২৭) ৯/ ৩৭০০ - ওমর ইবনে ইব্রাহিম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে ইসমাইল ইবনে মাসউদ আল-জহদারি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আউন তাঁর পিতা থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে ওমর থেকে বর্ণনা করেছেন; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মক্কায় ও আমাদের মদিনায়, আমাদের ইয়েমেনে এবং আমাদের শামে বরকত দান করুন» (২)।
(২৮) ১০/ ৩৭০০ - ওমর ইবনে ইসমাইল ইবনে আবি গাইলান আস-সাকাফি আল-বাগদাদি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: দাউদ ইবনে আমর আদ-দব্বি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্বাদ ইবনুল আওয়াম আমাদের কাছে সুফিয়ান ইবনে হুসাইন থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউনুস ইবনে উবাইদ আমাদের কাছে আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 'সুনিয়া' (চুক্তিতে অস্পষ্ট ব্যতিক্রম রাখা) হতে নিষেধ করেছেন, যদি না তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা থাকে»
(৩)।
ইউনুস থেকে সুফিয়ান ইবনে হুসাইন ব্যতীত অন্য কেউ এই হাদিসটি বর্ণনা করেননি, আব্বাদ ইবনুল আওয়াম এতে একক হয়েছেন।
(২৯) ১১/ ৩৭০০ - ওমর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল [হাসান]
(৪) ইবনে হাফস আল-হামদানি আল-আসবাহানি আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সালামাহ ইবনে শাবিব আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম ইবনুল হাকাম ইবনে আবান আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার কাছে ইকরিমা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আনাস ইবনে মালিক অসুস্থ হয়ে পড়লে এক ব্যক্তি তাঁকে দেখতে আসলেন এবং বললেন: হে আবু হামজা, যদি আপনার ঘরটি দূরে না হতো, তবে আমি প্রতিদিন আসতাম এবং আপনাকে সালাম দিতাম।
ইকরিমা বলেন: আনাস তাঁর বিছানায় শুয়ে ছিলেন, তাঁর চেহারার উপর একটি রুমাল ছিল—অথবা তিনি বলেছেন: এক টুকরো কাপড়—যখন আনাস লোকটির কথা শুনলেন, তখন তিনি তাঁর চেহারা থেকে রুমালটি—অথবা তিনি বলেছেন: কাপড়টি—সরিয়ে দিলেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ১৮)
وجهه، ثم استوى قاعدًا، فقال: أما إني
(1) سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من عاد مريضًا خاض في الرحمة حتى يبلغه، فإذا قعد عنده غمرته الرحمة»، قال أنس: فلما قال النبي صلى الله عليه وسلم ما قال، قلت: يا رسول الله، هذا العائدُ المريضَ، فما للمريض؟ فقال النبي صلى الله عليه وسلم: «إذا مرض العبد ثلاثة أيام خرج من ذنوبه كيوم ولدته أمه»
(2).
لم يرو هذا الحديث عن عكرمة إلا الحكم بن أبان، تفرد به ابنه إبراهيم.
--------------------------------------------
তাঁর চেহারা, এরপর তিনি উঠে বসে স্থির হলেন এবং বললেন: জেনে রাখো, আমি
(১) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি কোনো অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যায়, সে রহমতের মধ্যে অবগাহন করে যতক্ষণ না সে তার কাছে পৌঁছায়, আর যখন সে তার কাছে বসে, তখন রহমত তাকে পরিবেষ্টন করে নেয়», আনাস বললেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলার তা যখন বললেন, তখন আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, এটি তো অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে আসা ব্যক্তির জন্য, তবে অসুস্থ ব্যক্তির জন্য কী রয়েছে? তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: «যখন কোনো বান্দা তিন দিন অসুস্থ থাকে, তখন সে তার গুনাহ থেকে এমনভাবে নিষ্ক্রান্ত হয় যেন আজই তার মা তাকে জন্ম দিয়েছেন»
(২)।
ইকরিমাহ থেকে এই হাদিসটি হাকাম ইবনে আবান ব্যতীত আর কেউ বর্ণনা করেননি, তাঁর পুত্র ইব্রাহিম এটি বর্ণনায় একক ছিলেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ১৯)
من اسمه عثمان
(30) 12/ 3700 - حدثنا عثمان بن عمر الضَّبِّي، قال: نا محمد بن أبي بكر المقدَّمي، قال: نا معاوية بن عبد الكريم الضّالّ، عن الحسن، عن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الصلوات الخمس، والجمعة إلى الجمعة؛ كفارات لما بينهن ما اجتَنَب الكبائر»
(1).
لم يرو هذا الحديث عن معاوية إلا المقدمي.
(31) 3701 - حدثنا عثمان بن عمر الضّبِّي، قال: نا أبو عمر الضرير، قال: نا عدي بن الفضل، عن سعيد الجريري
(2)، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد الخدري، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إن الله خلق جنة عدن
(3) وبناها
(4) بيده؛ لبنة من ذهب، ولبنة من فضة، وجعل ملاطها
--------------------------------------------
যাদের নাম উসমান
(৩০) ১২/ ৩৭০০ - আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে উমর আদ-দাব্বী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর আল-মুক্বাদ্দামী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুয়াবিয়া ইবনে আব্দুল কারীম আদ-দাল, হাসান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: «পাঁচ ওয়াক্ত সালাত এবং এক জুমুআ থেকে পরবর্তী জুমুআ; এগুলোর মধ্যবর্তী সময়ের গুনাহের কাফফারা স্বরূপ, যতক্ষণ না কবিরা গুনাহে লিপ্ত হয়»
(১)।
মুক্বাদ্দামী ব্যতিরেকে মুয়াবিয়া থেকে এই হাদিসটি আর কেউ বর্ণনা করেননি।
(৩১) ৩৭০১ - আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে উমর আদ-দাব্বী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু উমর আদ-দারীর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আদী ইবনে আল-ফাদল, সাঈদ আল-জুরয়রী থেকে
(২), তিনি আবু নাদরা থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ আদন জান্নাত সৃষ্টি করেছেন এবং তা নিজ হাত দ্বারা নির্মাণ করেছেন
(৩)(৪); যার একটি ইট সোনার এবং একটি ইট রূপার, এবং এর সিমেন্ট বানিয়েছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ২০)
المسك، وترابها الزعفران، وحصباءها
(1) اللؤلؤ، ثم قال لها: تكلمي، فقالت: قد أفلح المؤمنون، فقالت الملائكة: طوبى لك منزل الملوك»
(2).
لم يرو هذا الحديث عن الجريري، إلا عدي بن الفضل.
--------------------------------------------
কস্তুরী, আর তার মাটি জাফরান, এবং তার নুড়ি পাথর
(১) হলো মুক্তা। অতঃপর তিনি তাকে বললেন: কথা বলো। সে বলল: অবশ্যই মুমিনগণ সফলকাম হয়েছে। তখন ফেরেশতারা বলল: রাজাদের এই আবাসস্থলের জন্য শুভকামনা
(২)।
আল-জারীরী থেকে আদী ইবনুল ফাদল ব্যতীত আর কেউ এই হাদিসটি বর্ণনা করেননি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ২১)
السقط الثالث (1)
(32) 4905 - حدثنا عمرو بن أبي الطاهر بن السرح، قال: نا سعيد بن أبي مريم، قال: أنا موسي بن يعقوب الزمعي، أن أبا الحويرث أخبره، أن نعيم بن عبد الله المجمر أخبره، أن أنس بن مالك أخبره، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «ثلاث من كن فيه فقد ذاق طعم الإيمان
(2): من كان لا شيء أحب إليه من الله ورسوله، ومن كان لأن يحرق بالنار أحبَّ إليه من أن يرتدّ عن دينه، ومن كان يحب لله ويبغض لله»
(3).
لم يرو هذا الحديث عن نعيم المجمر إلا أبو الحويرث، واسمه عبد الرحمن بن معاوية، ومحمد بن عمرو بن حلحلة
(4)، ولم يروه عن أبي الحويرث إلا موسي بن يعقوب، ولا عن موسى بن يعقوب إلا ابن أبي مريم. وأما حديث محمد بن عمرو بن حلحلة فرواه عبد الله بن جعفر المديني.
(33) 1/ 4905 - حدثنا عمرو بن أبي الطاهر بن السرح، قال: نا سعيد بن أبي مريم، قال: أنا موسي بن يعقوب الزمعي، قال: حدثني عباد بن أبي صالح السمّان مولى جويرية بنت الأحمس الغطفاني، أنه سمع أباه يقول: سمعت أبا هريرة يقول: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما من مسلم
--------------------------------------------
তৃতীয় বিচ্যুতি (বাদ পড়া অংশ) (১)
(৩২) ৪৯০৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর বিন আবি আল-তাহির বিন আল-সারহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আবি মারইয়াম, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুসা বিন ইয়াকুব আল-জামঈ, তাকে আবু আল-হুয়াইরিস সংবাদ দিয়েছেন, তাকে নুআইম বিন আবদুল্লাহ আল-মুজমির সংবাদ দিয়েছেন, তাকে আনাস বিন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু সংবাদ দিয়েছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «তিনটি গুণ যার মধ্যে থাকবে সে ঈমানের স্বাদ আস্বাদন করবে: যার কাছে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অপেক্ষা অন্য কোনো কিছু অধিক প্রিয় হবে না, যার কাছে আগুনে পুড়ে যাওয়া পুনরায় কুফরিতে ফিরে যাওয়ার চেয়ে অধিক প্রিয় হবে এবং যে ব্যক্তি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই ভালোবাসে ও আল্লাহর জন্যই ঘৃণা করে»
(৩)।
নুআইম আল-মুজমির থেকে আবু আল-হুয়াইরিস ব্যতীত আর কেউ এই হাদিসটি বর্ণনা করেননি, এবং তার নাম হলো আব্দুর রহমান বিন মুয়াবিয়া, এবং মুহাম্মদ বিন আমর বিন হালহালা
(৪)। আর আবু আল-হুয়াইরিস থেকে মুসা বিন ইয়াকুব ব্যতীত এবং মুসা বিন ইয়াকুব থেকে ইবনে আবি মারইয়াম ব্যতীত আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি। আর মুহাম্মদ বিন আমর বিন হালহালার হাদিসটি বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন জাফর আল-মাদিনী।
(৩৩) ১/ ৪৯০৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর বিন আবি আল-তাহির বিন আল-সারহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ বিন আবি মারইয়াম, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুসা বিন ইয়াকুব আল-জামঈ, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাদ বিন আবি সালিহ আস-সাম্মান, যিনি জুয়াইরিয়া বিনতে আল-আহমাস আল-গাতাফানি-এর আযাদকৃত দাস, তিনি তার পিতাকে বলতে শুনেছেন: আমি আবু হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «এমন কোনো মুসলিম নেই...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ২২)
يتوضأ للصلاة، فيمضمض، إلا خرج مع قطر الماء كل سيئة تكلم بها لسانه، ولا يستنشق إلا خرج مع قطر الماء كل سيئة وجد ريحها بأنفه، ولا يغسل وجهه إلا تناثر من عينيه مع قطر الماء كل سيئة نظر إليها بهما، [ولا يغسل شيئًا من يديه
(1) إلا خرج مع قطر الماء كل سيئة بطش بهما]
(2)، ولا يغسل شيئًا من رجليه إلا خرج مع قطر الماء كل سيئة مشي بهما إليها، فإذا خرج إلى المسجد كتب له بكل خطوة خطاها حسنة، ومحي [بها]
(3) عنه سيئة، حتى يأتي مقامه»
(4).
لم يرو هذا الحديث عن عباد بن أبي صالح إلا موسي بن يعقوب، تفرد به ابن أبي مريم.
(34) 2/ 4905 - حدثنا عمرو بن أبي الطاهر بن السرح، قال: نا سعيد بن أبي مريم، قال: أنا موسي بن يعقوب، قال: حدثني أبو حازم، قال: أخبرني القاسم بن محمد، أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يشبع شبعتين في يوم حتى مات
(5).
لم يرو هذا الحديث عن أبي حازم إلا موسي بن يعقوب.
(35) 3/ 4905 - حدثنا عمرو بن أبي الطاهر بن السرح، قال: نا سعيد بن أبي مريم، قال: أنا موسي بن يعقوب، قال: حدثني فائد مولى عبيد الله بن علي بن أبي رافع، أن إبراهيم بن عبد الرحمن بن أبي ربيعة أخبره، أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «لو رحم الله أحدًا من قوم نوح
(6) لرحم أم الصبي»، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كان نوح
(7) صلى الله عليه وسلم مكث في قومه ألف سنة إلا خمسين عامًا يدعوهم، حتى كان آخر زمانه،
--------------------------------------------
নামাযের জন্য ওযু করে, অতঃপর সে কুলি করে, ফলে পানির ফোঁটার সাথে তার জিহ্বা দ্বারা বলা প্রতিটি গুনাহ বের হয়ে যায়। আর সে নাক পরিষ্কার করে না, তবে পানির ফোঁটার সাথে তার নাক দিয়ে ঘ্রাণ নেওয়া প্রতিটি গুনাহ বের হয়ে যায়। আর সে তার মুখমণ্ডল ধোয় না, তবে পানির ফোঁটার সাথে তার দুই চোখ দিয়ে দেখা প্রতিটি গুনাহ ঝরে যায়। [আর সে তার হাতদ্বয়ের
(১) কোনো অংশ ধোয় না, তবে পানির ফোঁটার সাথে তার হাতদ্বয় দ্বারা করা প্রতিটি গুনাহ বের হয়ে যায়]
(২)। আর সে তার পা দুটির কোনো অংশ ধোয় না, তবে পানির ফোঁটার সাথে তার পা দুটি দিয়ে সেদিকে হেঁটে যাওয়া প্রতিটি গুনাহ বের হয়ে যায়। অতঃপর সে যখন মসজিদের দিকে বের হয়, তার প্রতিটি কদমের বিনিময়ে তার জন্য একটি নেকি লেখা হয় এবং তার থেকে একটি গুনাহ মিটিয়ে দেওয়া হয়, যতক্ষণ না সে তার স্থানে পৌঁছায়।
(৪)আব্বাদ বিন আবি সালিহ থেকে এই হাদিসটি কেবল মুসা বিন ইয়াকুব বর্ণনা করেছেন, ইবন আবি মারইয়াম এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(৩৪) ২/ ৪৯০৫ - আমর বিন আবি তাহির বিন আস-সারহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ বিন আবি মারইয়াম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুসা বিন ইয়াকুব আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আবু হাযিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: কাসিম বিন মুহাম্মদ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়েশা তাঁকে অবহিত করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যু পর্যন্ত একদিনে দুইবার পেট ভরে আহার করেননি।
(৫)আবু হাযিম থেকে এই হাদিসটি কেবল মুসা বিন ইয়াকুব বর্ণনা করেছেন।
(৩৫) ৩/ ৪৯০৫ - আমর বিন আবি তাহির বিন আস-সারহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ বিন আবি মারইয়াম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুসা বিন ইয়াকুব আমাদের অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: উবাইদুল্লাহ বিন আলি বিন আবি রাফে-এর মুক্ত দাস ফাইদ আমাকে হাদিস বর্ণনা করেছেন যে, ইবরাহিম বিন আবদুর রহমান বিন আবি রাবিয়া তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়েশা তাঁকে অবহিত করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «আল্লাহ যদি নূহ-এর কাওমের
(৬) কাউকে দয়া করতেন, তবে তিনি সেই শিশুর মা’কে দয়া করতেন», রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: «নূহ
(৭) সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কাওমের মাঝে পঞ্চাশ বছর কম এক হাজার বছর অবস্থান করে তাদের দাওয়াত দিয়েছিলেন, এমনকি তাঁর শেষ সময় পর্যন্ত...»
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ২৩)
وغرس شجرة فعظمت وذهبت كل مذهب، ثم قطعها، ثم جعل
(1) يعملها سفينة، ويمرون عليه فيسألونه؟ فيقول: أعملها سفينة. فيسخرون منه ويقولون: تعمل سفينة في البر، وكيف تجري؟! قال: سوف تعلمون. فلما فرغ منها وفار التنور وكثر الماء في السكك، خشيت أم الصبي عليه، وكانت تحبه حبًا شديدًا، فخرجت إلى الجبل حتى بلغت ثلثه
(2)، فلما بلغها الماء خرجت حتى بلغت
(3) ثلثي الجبل، فلما بلغها الماء خرجت به حتى استوت
(4) على الجبل، فلما بلغ الماء رقبتها
(5)، رفعته بيديها حتى ذهب بهما الماء، فلو رحم الله منهم أحدًا رحم أم
(6) الصبي»
(7).
لا يروى هذا الحديث عن عائشة إلا بهذا الإسناد، تفرد به موسي بن يعقوب.
(36) 4/ 4905 - حدثنا عمرو بن أبي الطاهر بن السرح، قال: نا سعيد بن أبي مريم، قال: أنا موسي بن يعقوب، قال: حدثتني عمتي قريبة بنت وهب بن عبد الله بن زمعة، أن أباها قالت له أم سلمة: إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «ما من امرئ يحيي أرضًا، فيشرب
(8) منها كبد حري، أو يصيب منه
(9) عافية، إلا كتب الله له به أجرًا»
(10).
لا يروى هذا الحديث عن أم سلمة إلا بهذا الإسناد، تفرد به موسي بن يعقوب.
(37) 5/ 4905 - حدثنا عمرو بن أبي الطاهر بن السرح، قال: نا سعيد
--------------------------------------------
এবং তিনি একটি গাছ রোপণ করলেন, ফলে তা বড় হলো এবং চারদিকে বিস্তৃত হলো। এরপর তিনি তা কাটলেন এবং সেটি দিয়ে
(১) একটি নৌকা তৈরি করতে লাগলেন। লোকেরা তাঁর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে জিজ্ঞাসা করত? তিনি বলতেন: আমি একটি নৌকা তৈরি করছি। তারা তাঁকে নিয়ে উপহাস করত এবং বলত: আপনি স্থলে নৌকা তৈরি করছেন, আর তা চলবে কীভাবে?! তিনি বলতেন: শীঘ্রই তোমরা জানতে পারবে। যখন তিনি তা থেকে অবসর হলেন এবং চুলা উপচে পড়ল ও অলিগলিতে পানি বেড়ে গেল, এক শিশুর মা তার সন্তানের ব্যাপারে ভীত হলো। সে তাকে অত্যন্ত ভালোবাসত। তাই সে পাহাড়ের দিকে বেরিয়ে পড়ল এবং তার এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত পৌঁছাল
(২)। যখন পানি তাকে স্পর্শ করল, সে আরও উপরে উঠল এবং পাহাড়ের দুই-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত
(৩) পৌঁছাল। পানি যখন তাকে স্পর্শ করল, সে তাকে নিয়ে পাহাড়ের উপরে উঠল
(৪)। যখন পানি তার ঘাড় পর্যন্ত পৌঁছে গেল
(৫), সে তাকে দুই হাত দিয়ে উপরে তুলে ধরল, এমনকি পানি তাদের উভয়কে ভাসিয়ে নিয়ে গেল। যদি আল্লাহ তাদের মধ্য থেকে কারো প্রতি দয়া করতেন, তবে সেই শিশুর মায়ের
(৬) প্রতি দয়া করতেন»
(৭).
আয়েশা (রা.) থেকে এই হাদিসটি কেবল এই সনদেই বর্ণিত হয়েছে, মূসা ইবনে ইয়াকুব এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(৩৬) ৪/ ৪৯০৫ - আমর ইবনে আবু তাহের ইবনে সারহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ ইবনে আবু মারইয়াম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মূসা ইবনে ইয়াকুব আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আমার ফুফু কুতাইবা বিনতে ওয়াহাব ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে জামআ আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, তাঁর পিতা উম্মে সালামাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «যে কোনো ব্যক্তি কোনো মৃত জমিনকে আবাদ করবে, অতঃপর সেখান থেকে কোনো প্রাণীকুল পান করবে
(৮) অথবা তা থেকে কোনো কল্যাণ লাভ করবে
(৯), আল্লাহ অবশ্যই তার বিনিময়ে তাকে সওয়াব দান করবেন»
(১০).
উম্মে সালামাহ (রা.) থেকে এই হাদিসটি কেবল এই সনদেই বর্ণিত হয়েছে, মূসা ইবনে ইয়াকুব এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(৩৭) ৫/ ৪৯০৫ - আমর ইবনে আবু তাহের ইবনে সারহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ২৪)
بن أبي مريم، قال: نا عبد الله بن عمر، قال: حدثني حاجب مولى زيد بن ثابت، قال: دخل عليّ زيد بن ثابت وأنا بالأسواف وقد اصطدت نُهَسًا- فأخذ بأذني، ثم لطم قفاي، وقال: أتصيد نُهَسًا وقد حرّم رسول الله صلى الله عليه وسلم ما بين لابتيها؟!
(1).
لم يرو هذا الحديث عن حاجب مولى زيد إلا عبد الله بن عمر، تفرد به ابن أبي مريم.
(38) 6/
4905 - حدثنا عمرو بن أبي الطاهر بن السرح، قال: نا سعيد بن أبي مريم، قال: أنا عبد الله بن عمر، عن جهم بن أبي الجهم، عن المسور بن مخرمة، عن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إن الله جعل الحق على لسان عمر وقلبه»
(2).
لم يرو هذا الحديث عن المسور بن مخرمة إلا جهم بن أبي
(3) الجهم، تفرد به عبد الله بن عمر.
(39) 7/ 4905 - حدثنا عمرو بن أبي الطاهر بن السرح، قال: نا سعيد بن أبي مريم، قال: أنا المغيرة بن عبد الرحمن، قال: حدثني أبو الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال: «إنه ليأتي الرجل العظيم السمين يوم القيامة، لا يزن جناح بعوضة»، قال: وقرأ: (فلا نقيم لهم يوم القيامة وزنًا) [الكهف: 105]
(4).
لم يرو هذا الحديث عن أبي الزناد إلا المغيرة بن عبد الرحمن، تفرد به ابن أبي مريم.
(40) 8/ 4905 - حدثنا عمرو بن أبي الطاهر بن السرح، قال: نا سعيد بن أبي مريم، قال: نا عبد الله بن المنيب بن عبد الله بن أبي أمامة بن ثعلبة، قال: حدثني أبي، عن عبد الله بن عطية بن عبد الله بن أنيس، أنه قال:
--------------------------------------------
ইবনে আবি মারইয়াম বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে উমর, তিনি বলেছেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যায়েদ ইবনে সাবিতের আযাদকৃত গোলাম হাজিব, তিনি বলেছেন: যায়েদ ইবনে সাবিত আমার নিকট আল-আসওয়াফ নামক স্থানে প্রবেশ করলেন—এমতাবস্থায় যে আমি একটি নুহাস (পাখি) শিকার করেছিলাম—অতঃপর তিনি আমার কান ধরলেন, তারপর আমার ঘাড়ে চপেটাঘাত করলেন এবং বললেন: তুমি কি নুহাস শিকার করছ অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনার দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী অঞ্চলকে হারাম ঘোষণা করেছেন?!
(১).
যায়েদের আযাদকৃত গোলাম হাজিব থেকে এই হাদীসটি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেননি, ইবনে আবি মারইয়াম এতে একক হয়েছেন।
(৩৮) ৬/
৪৯০৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে আবু তাহির ইবনুস সারাহ, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে আবি মারইয়াম, তিনি বলেছেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে উমর, জাহম ইবনে আবিল জাহম থেকে, তিনি মিসওয়ার ইবনে মাখরামাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «নিশ্চয়ই আল্লাহ সত্যকে উমরের জিহ্বায় ও তার অন্তরে স্থাপন করেছেন»
(২).
মিসওয়ার ইবনে মাখরামাহ থেকে এই হাদীসটি জাহম ইবনে আবি
(৩) আল-জাহম ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেননি, আব্দুল্লাহ ইবনে উমর এতে একক হয়েছেন।
(৩৯) ৭/ ৪৯০৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে আবু তাহির ইবনুস সারাহ, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে আবি মারইয়াম, তিনি বলেছেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুগিরা ইবনে আব্দুর রহমান, তিনি বলেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আবুয যিনাদ, তিনি আল-আ'রাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন: «কিয়ামতের দিন অবশ্যই একজন বিশাল দেহী স্থূলকায় মানুষ আসবে, কিন্তু আল্লাহর নিকট তার ওজন মশার ডানার সমানও হবে না», তিনি বললেন: এবং তিনি পাঠ করলেন: (অতঃপর আমি কিয়ামতের দিন তাদের জন্য কোনো ওজনের ব্যবস্থা রাখব না) [কাহাফ: ১০৫]
(৪).
আবুয যিনাদ থেকে এই হাদীসটি মুগিরা ইবনে আব্দুর রহমান ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেননি, ইবনে আবি মারইয়াম এতে একক হয়েছেন।
(৪০) ৮/ ৪৯০৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর ইবনে আবু তাহির ইবনুস সারাহ, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে আবি মারইয়াম, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনুল মুনীব ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি উমামাহ ইবনে সা'লাবাহ, তিনি বলেছেন: আমার নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আতিয়্যাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আনিস থেকে, তিনি বলেন:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ২৫)
أخبرنا أبو أمامة بن ثعلبة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «من تولى غير مواليه فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين، لا يقبل الله منه صرفًا ولا عدلًا، ومن حلف عند منبري هذا بيمين كاذبة يستحل بها مال امرئ مسلم بغير حق، فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين، لا يُقبل منه صرف ولا عدل»
(1).
لا يروى هذا الحديث بهذا الإسناد عن أبي أمامة بن ثعلبة إلا من هذا الوجه، تفرد به عبد الله بن المنيب.
(41) 9/ 4905 - حدثنا عمرو بن أبي الطاهر بن السرح، قال: نا يحيى بن بكير، قال: حدثني الليث، عن جعفر بن ربيعة، عن عكرمة، عن ابن عباس؛ أن رسول الله صلى الله عليه و سلم احتجم وهو صائم، فغشي عليه
(2).
لم يرو هذا الحديث عن جعفر بن ربيعة إلا الليث.
(42) 10/ 4905 - حدثنا عمرو بن أبي الطاهر بن السرح، قال: نا أحمد بن سعيد الفهري
(3)، قال: نا سليمان بن عبد الملك الهديري
(4)، قال: حدثني
--------------------------------------------
আবু উমামা ইবনে সা'লাবা আমাদের জানিয়েছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যে ব্যক্তি তার অভিভাবক ছাড়া অন্য কাউকে অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করবে, তার উপর আল্লাহ, ফেরেশতাকুল এবং সকল মানুষের লানত (অভিশাপ) বর্ষিত হোক। আল্লাহ তার কোনো ফরজ বা নফল ইবাদত কবুল করবেন না। আর যে ব্যক্তি আমার এই মিম্বরের পাশে দাঁড়িয়ে মিথ্যা শপথ করবে কোনো মুসলিম ব্যক্তির সম্পদ অন্যায়ভাবে আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে, তার উপর আল্লাহ, ফেরেশতাকুল এবং সকল মানুষের লানত বর্ষিত হোক। তার কোনো ফরজ বা নফল ইবাদত কবুল করা হবে না»
(১).
আবু উমামা ইবনে সা'লাবা থেকে এই সানাদে হাদীসটি কেবল এই সূত্রেই বর্ণিত হয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনুল মুনীব এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
(৪১) ৯/ ৪৯০৫ - আমর ইবনে আবু তাহের ইবনুল সারাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে বুকাইর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: লাইস ইবনে সাদ জাফর ইবনে রাবিআ থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেছেন যে; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোজা রাখা অবস্থায় শিঙা (হিজামা) লাগিয়েছিলেন, ফলে তিনি অচেতন হয়ে পড়েছিলেন
(২).
লাইস ইবনে সাদ ছাড়া আর কেউ জাফর ইবনে রাবিআ থেকে এই হাদীসটি বর্ণনা করেননি।
(৪২) ১০/ ৪৯০৫ - আমর ইবনে আবু তাহের ইবনুল সারাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনে সাঈদ আল-ফিহরি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান ইবনে আব্দুল মালিক আল-হুদাইরি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ২৬)
عمي عمر بن هارون
(1)، قال: حدثني عمرو بن فيروز مولى كريمة بنت
--------------------------------------------
আমার চাচা ওমর বিন হারুন
(১), তিনি বলেন: কারিমা বিনতের আযাদকৃত গোলাম আমর বিন ফিরোজ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ২৭)
المقداد بن عمرو
(1)، عن أبي هريرة، قال: سمعت عمر بن الخطاب، حدثنا عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ما سمعته منه، وكنت أكثرهم لزومًا لرسول الله صلى الله عليه وسلم، قال عمر: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما تلف مال في بر ولا بحر، إلا بحبس الزكاة»
(2).
لا يروى هذا الحديث عن عمر إلا بهذا الإسناد.
(43) 11/ 4905 - حدثنا عمرو بن أبي الطاهر بن السرح، قال: نا عبد المنعم بن بشير الأنصاري، قال: نا عبد الرحمن بن زيد بن أسلم، [عن أبيه]
(3)، عن عطاء بن يسار، عن أبي هريرة، قال: قال أبو سعيد الخدري: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لو كان الله باعثًا رسولًا بعدي
(4)؛ لبعث عمر بن الخطاب»
(5).
لم يرو هذا الحديث عن زيد بن أسلم إلا ابنه عبد الرحمن، تفرد به عبد المنعم بن بشير، ولا يروى عن أبي سعيد إلا بهذا الإسناد.
(44) 12/ 4905 - حدثنا عمرو بن حازم بن عمرو الدمشقي أبو الجهم، قال: نا سليمان بن عبد الرحمن ابن بنت شرحبيل، قال: نا هاشم بن أبي
--------------------------------------------
মিকদাদ ইবনে আমর
(১), আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি উমর ইবনুল খাত্তাবকে বলতে শুনেছি, তিনি আমাদের কাছে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এমন কিছু বর্ণনা করেছেন যা আমি তাঁর কাছ থেকে শুনেছি, আর আমি তাদের মধ্যে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সর্বাধিক লেগে থাকতাম। উমর বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «স্থলভাগে বা জলভাগে কোনো সম্পদ নষ্ট হয় না, কেবল যাকাত আটকে রাখার কারণেই তা হয়»
(২)।
উমর থেকে এই হাদিসটি কেবল এই সনদেই বর্ণিত হয়েছে।
(৪৩) ১১/ ৪৯০৫ - আমাদের কাছে আমর ইবনে আবি আল-তাহির ইবনে আস-সারহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আব্দুল মুনইম ইবনে বশীর আল-আনসারী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে আব্দুর রহমান ইবনে যায়েদ ইবনে আসলাম [তাঁর পিতা থেকে]
(৩) বর্ণনা করেছেন, তিনি আতা ইবনে ইয়াসার থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু সাঈদ আল-খুদরী বলেছেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: «যদি আল্লাহ আমার পরে কোনো রাসূল প্রেরণ করতেন, তবে তিনি উমর ইবনুল খাত্তাবকেই প্রেরণ করতেন»
(৫)।
যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে এই হাদিসটি তাঁর পুত্র আব্দুর রহমান ছাড়া আর কেউ বর্ণনা করেননি, আব্দুল মুনইম ইবনে বশীর এটি বর্ণনায় একক হয়ে গেছেন এবং আবু সাঈদ থেকে এটি কেবল এই সনদেই বর্ণিত হয়েছে।
(৪৪) ১২/ ৪৯০৫ - আমাদের কাছে আমর ইবনে হাযিম ইবনে আমর আদ-দিমাশকী আবুল জাহম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে সুলাইমান ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে বিনতে শুরাহবীল বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে হাশিম ইবনে আবি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদিসুল্লাতি সাকাতাত মিন মাতবুয়িল মুজামিল আওসাত লিত-তাবরানী
(পৃষ্ঠা: ২৮)
هريرة، عن زيد بن أسلم، عن أنس بن مالك قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتمّ الركوع والسجود، ويخف القيام والقعود»
(1).
(45) 13/ 4905 - حدثنا عمرو بن حازم الدمشقي
(2)، قال: نا سليمان بن عبد الرحمن، قال: نا عيسي بن يونس، عن سليمان التيمي، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «لا يمنعن أحدكم هيبة الناس أن يقول في
(3) الحق إذا رآه أو سمعه»
(4)لم يرو هذا الحديث عن سليمان التيمي إلا عيسي بن يونس.
--------------------------------------------
...হুরায়রাহ, যায়িদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকু এবং সাজদাহ পূর্ণ করতেন, আর কিয়াম (দাঁড়িয়ে থাকা) এবং কুউদ (বসে থাকা) সংক্ষিপ্ত করতেন।
(১).
(৪৫) ১৩/ ৪৯০৫ - আমর ইবনে হাযিম আদ-দিমাশকি
(২) আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান ইবনে আবদুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ঈসা ইবনে ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুলাইমান আত-তাইমি থেকে, তিনি আবু নাদরাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: «মানুষের ভয় যেন তোমাদের কাউকেও সত্য কথা বলা থেকে বিরত না রাখে যখন সে তা দেখে বা শোনে»
(৪)সুলাইমান আত-তাইমি থেকে ঈসা ইবনে ইউনুস ব্যতীত অন্য কেউ এই হাদিসটি বর্ণনা করেননি।
--------------------------------------------