0/0
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: -)
زوائد ابن الجوزي على مقاتل في الوجوه والنظائر   (فهد بن إبراهيم الضالع)

القسم: علوم القرآن وأصول التفسير


الكتاب: زوائد ابن الجوزي على مقاتل في الوجوه والنظائر

رسالة: ماجستير، جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية - كلية أصول الدين - قسم القرآن وعلومه

إعداد: فهد بن إبراهيم بن عبد الله الضالع

إشراف: بدر بن ناصر البدر

العام الجامعي: 1426 هـ - 2005 م

عدد الصفحات: 979

[كتاب إلكتروني بترقيم الشاملة]

تاريخ النشر بالشاملة: 22 ربيع الآخر 1443

মুকাতিলের 'আল-উজুহ ওয়ান নাযাইর'-এর উপর ইবনুল জাওযীর সংযোজনসমূহ   (ফাহাদ বিন ইব্রাহিম আদ-দালি)

বিভাগ: কুরআন বিজ্ঞান ও তাফসীরের মূলনীতি


গ্রন্থ: মুকাতিলের 'আল-উজুহ ওয়ান নাযাইর'-এর উপর ইবনুল জাওযীর সংযোজনসমূহ

গবেষণাপত্র: মাস্টার্স, ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় - উসুলুদ্দীন অনুষদ - কুরআন ও উলূমুল কুরআন বিভাগ

প্রস্তুতকারী: ফাহাদ বিন ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ আদ-দালি

তত্ত্বাবধানে: বদর বিন নাসের আল-বদর

শিক্ষাবর্ষ: ১৪২৬ হিজরি - ২০০৫ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯৭৯

[শামেলা নাম্বারিং অনুযায়ী ই-বুক]

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩

(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ১)
‌‌شكر وتقدير

وحيث إنه من لا يشكر الناس لا يشكر الله، فإنني أتوجه بالشكر العظيم لله تعالى على ما تفضل وأكرم من نعمه السابغة علي في هذا البحث، فهو المعين والمسدد فلست أحصي ثناءً عليه كما أثنى على نفسه تعالى.

كما أشكر والديّ الكريمين على توجيههما لي ووقوفهما معي واهتمامهما حتى لحظات النهاية من ذلك البحث.

وخيل الشكر مسرجة في مضمار جامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية، وكلية أصول الدين على وجه الخصوص، ممثلة بقسم القرآن وعلومه والذي رعاني بعد الله تعالى من لدن الدراسة الجامعية وها هو اليوم يمنحني فرصة المواصلة في الدراسات العليا.

وشذى الريحان لفضيلة شيخي الكريم الدكتور: بدر بن ناصر البدر الأستاذ المشارك بقسم القرآن وعلومه بجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية، والمشرف على هذه الرسالة والذي بذل كل ما بوسعه من إرشاد وتسديد، وأعطاني من نفيس وقته وجهده الشيء الكثير، وناقش خلال ذلك كله نقوش تربية، وأنوار قدوة، جعل الله قولي هذا من عاجل بشراه، وأنزله من الجنة الفردوس الأعلى، كما أشكر كل من تفضل عليّ برأي أو نصح أو إفادة.

وأتقدم بالشكر الجزيل لمن سيتفضلون بمناقشة هذه الرسالة، وإبداء ملحوظاتهم وتوجيهاتهم التي سأستفيد منها إن شاء الله.

كما لا يفوتني أن أشكر أهل بيتي الذين ساعدوني ووفروا لي الوقت والجهد، فجعل الله ذلك برهان مودة، وأحسن لهم الجزاء والمثوبة.

وبعد فقد بذلتُ قصارى جهدي في إخراج هذا البحث على أحسن ما يرام، فما كان فيه من صواب فمن الله، وما كان فيه من خطأ فمني ومن الشيطان، وأستغفر الله تعالى.

أسأل الله تعالى أن يجعل هذا العمل صالحاً، وهو سبحانه المستعان وعليه التكلان ولا حول ولا قوة إلا به.
কৃতজ্ঞতা ও স্বীকৃতি

যেহেতু যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না সে আল্লাহর প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না, তাই আমি এই গবেষণায় মহান আল্লাহ তাআলা আমার প্রতি যে অবারিত নেয়ামত ও অনুগ্রহ বর্ষণ করেছেন তার জন্য তাঁর দরবারে সুমহান কৃতজ্ঞতা নিবেদন করছি। তিনিই সাহায্যকারী এবং সঠিক পথপ্রদর্শক। আমি তাঁর প্রশংসা করে শেষ করতে পারব না, যেমনটি তিনি স্বয়ং নিজের প্রশংসা করেছেন।

আমি আমার সম্মানিত পিতামাতাকেও ধন্যবাদ জানাই তাঁদের দিকনির্দেশনা, আমার পাশে থাকা এবং এই গবেষণার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তাঁদের গভীর মনোযোগের জন্য।

কৃতজ্ঞতার অশ্ব ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশেষত উসুলুদ্দীন অনুষদের ময়দানে সজ্জিত, যার প্রতিনিধিত্ব করছে কুরআন ও উলূমুল কুরআন বিভাগ। মহান আল্লাহ তাআলার পর এই বিভাগটি স্নাতক পর্যায় থেকেই আমার তদারকি করেছে এবং আজ এটি আমাকে উচ্চতর গবেষণায় নিরবচ্ছিন্ন থাকার সুযোগ করে দিয়েছে।

এবং জান্নাতি সুঘ্রাণ আমার শ্রদ্ধেয় শাইখ ড. বদর বিন নাসের আল-বদর-এর জন্য, যিনি ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের কুরআন ও উলূমুল কুরআন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং এই গবেষণাপত্রের তত্ত্বাবধায়ক। তিনি নির্দেশনা প্রদান ও সংশোধনের ক্ষেত্রে তাঁর সাধ্যমতো সবকিছু উজাড় করে দিয়েছেন এবং তাঁর মূল্যবান সময় ও শ্রমের এক বিশাল অংশ আমাকে দান করেছেন। এই পুরো সময় জুড়ে তিনি শিক্ষার গভীর ছাপ ও আদর্শের আলোকবর্তিকা নিয়ে আলোচনা করেছেন। আল্লাহ তাআলা আমার এই বক্তব্যকে তাঁর জন্য দুনিয়াতেই দ্রুত সুসংবাদ হিসেবে কবুল করুন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউসের সুউচ্চ মাকাম দান করুন। সেই সাথে আমি তাঁদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাই যারা আমাকে কোনো মতামত, পরামর্শ বা তথ্য দিয়ে ঋণী করেছেন।

আমি তাঁদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি যারা এই গবেষণাপত্রটি পর্যালোচনার সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করবেন এবং তাঁদের মূল্যবান পর্যবেক্ষণ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করবেন, যা থেকে আমি ইনশাআল্লাহ উপকৃত হব।

সেই সাথে আমি আমার পরিবারের সদস্যদের কৃতজ্ঞতা জানাতে ভুলছি না যারা আমাকে সাহায্য করেছেন এবং আমার জন্য সময় ও শ্রমের সুযোগ করে দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা একে ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে কবুল করুন এবং তাঁদেরকে উত্তম প্রতিদান ও সওয়াব দান করুন।

পরিশেষে, আমি এই গবেষণাটিকে যথাসম্ভব নিখুঁতভাবে উপস্থাপনের জন্য আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। এতে যা কিছু সঠিক ও নির্ভুল রয়েছে তা আল্লাহর পক্ষ থেকে, আর যা কিছু ভুল রয়েছে তা আমার নিজের এবং শয়তানের পক্ষ থেকে; আমি মহান আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

আমি মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন এই কাজটিকে নেক আমল হিসেবে কবুল করেন। তিনিই একমাত্র সাহায্যস্থল এবং তাঁর ওপরই পূর্ণ ভরসা। তাঁর সাহায্য ব্যতীত কোনো উপায় নেই এবং কোনো শক্তি নেই।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ২)
‌‌المقدمة
ভূমিকা
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ৩)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على أشرف الأنبياء والمرسلين، وعلى آله وصحبه أجمعين، أما بعد:

فقد أنزل اللَّه عز وجل كتابه الكريم هدى للناس ورحمة، وأمرهم بتدبره وفهمه {أَفَلَا يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْآنَ أَمْ عَلَى قُلُوبٍ أَقْفَالُهَا} [محمد: 24]، لذا فقد عني علماء الإسلام بهذا الكتاب حفظاً وتلاوة وبياناً، وألفوا في ذلك المؤلفات التي تناولته بالشرح والبيان، سواء ما يتعلق بتفسيره، أو علومه المرتبطة به.

وإن من علومه التي تناولها العلماء (علم الوجوه والنظائر)، حيث ألف فيه جملة من العلماء جمعاً وحصراً لها، وبعد النظر والتأمل فيما كتبوه رأيت أنه لا زال بحاجة إلى من يحرر مسائله، ويحددها. لذا فقد يممت وجهي نحوه وبحثت عن أجمع كتاب ألف فيه لأقوم بدراسة ما فيه من الوجوه والنظائر، فكان كتاب الإمام عبد الرحمن بن الجوزي المتوفى سنة (597 هـ) (نزهة الأعين النواظر في علم الوجوه والنظائر)، حيث ضم في كتابه المنتخب المختار لدى جميع من سبقه من المؤلفين في الوجوه والنظائر، فأثبت ثلاث مائة وأربعاً وعشرين لفظة كل لفظة مشتملة على عدة أوجه، وحيث دُرس منها في رسالة لنيل درجة الدكتوراه مائة وسبع وسبعون لفظة - كما سيأتي بيانه - وبقي منها مائة وأربع وخمسون لفظة لم تدرس ولم يحقق النظر فيها. فدرستها دراسة تأصيلية، وقدمت عنها دراسة متكاملة، وفق الخطة التي سيأتي بيانها، ومهدت لذلك بتعريف موجز لمقاتل بن سليمان وابن الجوزي وكتابيهما، وعرضت بإيجاز أهم جهود العلماء في علم الوجوه والنظائر.

ومن ثم جاء هذا العمل موسوما بـ (زوائد ابن الجوزي على مقاتل في الوجوه والنظائر - دراسة تأصيلية وتطبيقية).
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক শ্রেষ্ঠ নবী ও রাসূলের ওপর, এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবীর ওপর। অতঃপর:

নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা তাঁর সম্মানিত কিতাব মানুষের জন্য হিদায়াত ও রহমত হিসেবে অবতীর্ণ করেছেন এবং তাদেরকে তা নিয়ে গভীর চিন্তা ও উপলব্ধি করার নির্দেশ দিয়েছেন: {তবে কি তারা কুরআন নিয়ে গবেষণা করে না? নাকি তাদের অন্তরসমূহে তালা লাগানো রয়েছে?} [মুহাম্মদ: ২৪]। এই কারণে ইসলামের আলেমগণ এই কিতাব সংরক্ষণ, তিলাওয়াত এবং ব্যাখ্যার মাধ্যমে এর বিশেষ যত্ন নিয়েছেন। তাঁরা এ বিষয়ে এমন সব গ্রন্থ রচনা করেছেন যা এর তাফসীর অথবা এর সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিজ্ঞানসমূহের ব্যাখ্যা ও বিবরণের সাথে সম্পৃক্ত।

আর কুরআনের বিজ্ঞানসমূহের মধ্যে অন্যতম একটি বিষয় যা নিয়ে আলেমগণ আলোচনা করেছেন তা হলো ‘ইলমুল উজূহ ওয়ান নাযাইর’ (শব্দের বহুমুখী অর্থ ও সদৃশ প্রয়োগের বিজ্ঞান)। একদল আলেম এই বিষয়টিকে একত্রিত ও সীমাবদ্ধ করার লক্ষ্যে অনেক গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁদের লিখিত বিষয়গুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনার পর আমি দেখলাম যে, এর মাসয়ালাসমূহ সংস্কার ও সুনির্দিষ্ট করার প্রয়োজন এখনো রয়ে গেছে। তাই আমি এই বিজ্ঞানের দিকে মনোনিবেশ করি এবং এ বিষয়ে রচিত সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থটির সন্ধান করি যাতে তাতে বিদ্যমান ‘উজূহ’ ও ‘নাযাইর’ নিয়ে গবেষণা করতে পারি। আর সেই গ্রন্থটি হলো ইমাম আবদুর রহমান ইবনুল জাওযী (মৃত্যু ৫৯৭ হি.) রচিত ‘নুযহাতুল আ'ইউনিন নাওয়াযির ফী ইলমিল উজূহ ওয়ান নাযাইর’। তিনি তাঁর এই কিতাবে ‘উজূহ ও নাযাইর’ বিষয়ে তাঁর পূর্ববর্তী সকল লেখকের মধ্য থেকে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ অংশগুলো অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি সেখানে তিনশ চব্বিশটি শব্দ সাব্যস্ত করেছেন, যার প্রতিটি শব্দ একাধিক অর্থের ধারক। এর মধ্য থেকে একটি পিএইচডি গবেষণাপত্রে একশ সাতাত্তরটি শব্দ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে—যেমনটি সামনে বিস্তারিত আসবে—এবং অবশিষ্ট একশ চুয়ান্নটি শব্দ রয়ে গিয়েছিল যা নিয়ে কোনো গবেষণা বা তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ হয়নি। ফলে আমি সেগুলো নিয়ে একটি মৌলিক গবেষণা করেছি এবং একটি পূর্ণাঙ্গ অধ্যয়ন পেশ করেছি, যা সামনে বর্ণিত পরিকল্পনার অনুসারী। এর ভূমিকা হিসেবে আমি মুকাতিল বিন সুলাইমান ও ইবনুল জাওযী এবং তাঁদের গ্রন্থদ্বয় সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত পরিচয় প্রদান করেছি এবং ‘উজূহ ও নাযাইর’ বিজ্ঞানে আলেমদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানসমূহ সংক্ষেপে তুলে ধরেছি।

অতঃপর এই কর্মটি ‘উজূহ ওয়ান নাযাইর শাস্ত্রে মুকাতিলের ওপর ইবনুল জাওযীর অতিরিক্ত সংযোগসমূহ - একটি মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণা’ নামে নামকরণ করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ৪)
‌‌أهمية الموضوع:

إن علم الوجوه والنظائر متعلق بكتاب اللَّه تعالى، ويشرف الشيء بشرف متعلقه، فهو يُعني بألفاظ القرآن الكريم التي يكثر ورودها في القرآن الكريم، وتختلف معانيها بحسب سياقها وما وصفت فيه، فهذه يسميها العلماء بـ (الوجوه)، فتتعدد الوجوه أو المعاني والألفاظ واحدة، أما النظائر فيقصد بها اتحاد الألفاظ والمعاني، وتتضح أهمية الدراسة عند الوقوف على كل وجه من الوجوه المذكورة بتصحيح أو تضعيف أو توجيه، والبحث عن علاقة لفظ الباب بالآية المذكورة والتماس سبب ذكرهم هذا الوجه فتارة يذكرونه باعتبار أصل اللفظ في اللغة، وتارة على المعنى المشهور للفظ في اللغة، وثالثة باعتبار السياق القرآني، ورابعة بتفسير القرآن بالقرآن، أو السنة أو عرف القرآن ومعهود معانيه؛ أو غير ذلك مما نقبت عنه في ثنايا البحث، وتتضح أهمية هذا الفن من علوم القرآن كما سيأتي في‌‌ أسباب اختيار الموضوع.

ومن هنا فإن دراسة علم الوجوه والنظائر من الأهمية بمكان لمعرفة ألفاظ القرآن الكريم المتشابهة ودلالاتها.

أسباب اختيار الموضوع:

دفعني إلى اختيار هذا الموضوع أسباب من أهمها:

1 - خدمة كتاب اللَّه الكريم، بدراسة جانب من جوانبه مما يتعلق بالألفاظ ومعانيها.

2 - ارتباط هذا العلم بالتفسير وعلوم القرآن، بل بعلوم أخرى كالعقيدة واللغة العربية والبلاغة، وغيرها مما يجعله جديراً بالعناية والدراسة.

3 - أهمية علم الوجوه والنظائر للمفسر والمتخصص في القرآن وعلومه، بحيث يعتبر بطريق آخر تفسيراً للقرآن بالقرآن، وهذا بلا شك أفضل وأحسن طرق التفسير، كما أنه يمكن عن طريقه الإحاطة بالمعاني القرآنية المتحدة والمختلفة، وألفاظها واحدة، في مكان واحد بسرعة ووضوح.

4 - أما اختياري لكتابي ابن الجوزي، ومقاتل بن سليمان فيمكن توضيحه بالتعريف بهما ثم وجه اختيارهما:
বিষয়ের গুরুত্ব:

নিশ্চয়ই 'আল-উজূহ ওয়ান নাযায়ির' (শব্দ ও অর্থের বৈচিত্র্য ও সমরূপতা) শাস্ত্র মহান আল্লাহর কিতাবের সাথে সংশ্লিষ্ট, আর কোনো বিষয়ের মর্যাদা তার সংশ্লিষ্ট বিষয়ের মর্যাদার মাধ্যমেই নির্ধারিত হয়। এটি পবিত্র কুরআনের সেই শব্দাবলি নিয়ে আলোচনা করে যা কুরআনে বারবার এসেছে এবং যা প্রসঙ্গ ও বর্ণনার ভিন্নতার কারণে ভিন্ন ভিন্ন অর্থ প্রদান করে। আলেমগণ একে 'আল-উজূহ' (দিক বা প্রকার) বলে অভিহিত করেছেন; যেখানে শব্দ এক কিন্তু অর্থ বা দিকের সংখ্যা একাধিক হয়। পক্ষান্তরে 'আন-নাযায়ির' বলতে শব্দ এবং অর্থের অভিন্নতাকে বোঝানো হয়। প্রতিটি উল্লিখিত অর্থকে সঠিক বা দুর্বল সাব্যস্ত করা অথবা এর ব্যাখ্যার ধরন নির্ণয় করার মাধ্যমে এই গবেষণার গুরুত্ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এছাড়া আলোচিত অধ্যায়ের শব্দের সাথে সংশ্লিষ্ট আয়াতের সম্পর্ক অনুসন্ধান করা এবং তাঁরা কেন এই অর্থটি উল্লেখ করেছেন তার কারণ খুঁজে বের করার মাধ্যমেও এর গুরুত্ব প্রকাশ পায়। কখনো কখনো তাঁরা শব্দটির আভিধানিক মূল অর্থের বিবেচনায় এটি উল্লেখ করেন, আবার কখনো ভাষায় শব্দটির প্রসিদ্ধ অর্থের ভিত্তিতে, কখনো কুরআনের প্রসঙ্গের বিবেচনায়, আবার কখনো কুরআন দ্বারা কুরআনের তাফসির, অথবা সুন্নাহর আলোকে, কিংবা কুরআনের নিজস্ব পরিভাষা ও পরিচিত অর্থের ভিত্তিতে এটি বর্ণনা করেন; অথবা এমন কোনো ভিত্তির ওপর যা আমি গবেষণার অভ্যন্তরে অনুসন্ধান করেছি। উলূমুল কুরআনের এই শাখার গুরুত্ব 'বিষয় নির্বাচনের কারণসমূহ' শীর্ষক অংশে আরও বিস্তারিত স্পষ্ট হবে।

এখান থেকেই পবিত্র কুরআনের সমরূপ শব্দাবলি এবং সেগুলোর নির্দেশক অর্থসমূহ জানার ক্ষেত্রে 'আল-উজূহ ওয়ান নাযায়ির' শাস্ত্রের অধ্যয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়।

বিষয় নির্বাচনের কারণসমূহ:

এই বিষয়টি নির্বাচনের পেছনে আমাকে বেশ কিছু কারণ অনুপ্রাণিত করেছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

১ - আল্লাহর মহান কিতাবের খেদমত করা, শব্দ ও অর্থের সাথে সংশ্লিষ্ট এর একটি দিক পর্যালোচনার মাধ্যমে।

২ - তাফসির ও উলূমুল কুরআনের সাথে এই শাস্ত্রের নিবিড় সম্পর্ক থাকা, এমনকি আকিদা, আরবি ভাষা, অলংকার শাস্ত্র (বালাগাত) এবং অন্যান্য শাস্ত্রের সাথেও এর সংশ্লিষ্টতা একে বিশেষ যত্ন ও অধ্যয়নের যোগ্য করে তুলেছে।

৩ - মুফাসসির এবং কুরআন ও উলূমুল কুরআনের বিশেষজ্ঞের নিকট 'আল-উজূহ ওয়ান নাযায়ির' শাস্ত্রের গুরুত্ব অপরিসীম; কারণ একে অন্যভাবে কুরআন দ্বারা কুরআনের তাফসির হিসেবে গণ্য করা হয়, যা নিঃসন্দেহে তাফসিরের সর্বোত্তম ও সুন্দরতম পদ্ধতি। এর মাধ্যমে কুরআনের সমরূপ ও ভিন্ন অর্থসমূহ, যেখানে শব্দ একই, তা এক স্থানে দ্রুত ও স্পষ্টভাবে অনুধাবন করা সম্ভব হয়।

৪ - ইবনুল জাওযী এবং মুকাতিল ইবনে সুলাইমানের কিতাবদ্বয় আমি কেন নির্বাচন করেছি, তা তাঁদের পরিচয় প্রদানের পর এবং তাঁদের কিতাব নির্বাচনের কারণ বর্ণনার মাধ্যমে স্পষ্ট করা হবে।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ৫)
‌‌أولاً: التعريف بهما:

ألف مقاتل بن سليمان البلخي المتوفى سنة 150 هـ كتابه الموسوم بـ (الأشباه والنظائر) وضمنه مائة وسبعاً وسبعين لفظة يذكر اللفظة ثم ما فيها من وجوه، وإذا كان للوجه نظائر ذكرها، وإن لم يكن لها نظائر اكتفى بذكر آية واحدة.

وألف أبو الفرج عبد الرحمن بن الجوزي المتوفى سنة 597 هـ كتابه الموسوم بـ (نزهة الأعين النواظر في علم الوجوه والنظائر) وضمنه ثلاث مائة وأربعاً وعشرين لفظة، يذكر أولاً معنى اللفظة في اللغة ثم ما فيها من وجوه.

وحيث تم دراسة الوجوه والنظائر في كتاب مقاتل من قبل الدكتور سليمان بن صالح القرعاوي، فإني قمت بدراسةٍ لما لم يدرس منها في كتاب ابن الجوزي.

 

‌‌ثانياً: وجه اختيار دراسة كتاب الوجوه والنظائر لابن الجوزي:

1 - مكانة ابن الجوزي وتضلعه في التفسير والوجوه والنظائر.

2 - حسن ترتيبه لكتابه وكونه رتب موضوعات كتابه على حروف الهجاء.

3 - اعتناؤه بدلالة اللفظ الذي يورده في الوجه من جهة اللغة.

4 - أن كتابه يعتبر انتقاء لما كتبه من تقدم كما أشار هو إلى ذلك في نهاية كتابه إذ يقول: "فهذا آخر ما انتخبت من كتب الوجوه والنظائر التي رتبها المتقدمون، ورفضت منها ما لا يصلح ذكره"(1).

5 - أن مؤلف ابن الجوزي في الوجوه والنظائر يعتبر نقلة بالنسبة لمن قبله، سيما أنه زاد على مقاتل ما يقرب من النصف.

6 - إشارة ابن الجوزي إلى حاجة كتابه إلى تحقيق الوجوه فيه؛ إذ يقول: "وقد تساهلت في ذكر كلمات نقلتها عن المفسرين، لو ناقش قائلها محقق لجمع بين كثير من الوجوه في وجه واحد "(2).

--------------------------------------------

(1) نزهة الأعين النواظر في الوجوه والنظائر ص 643.

(2) المصدر السابق، ص 643.
প্রথমত: তাদের পরিচয়:

মুকাতিল বিন সুলাইমান আল-বালখি (মৃত্যু ১৫০ হিজরি) তার ‘আল-আশবাহ ওয়ান নাযাইর’ নামক কিতাবটি রচনা করেন এবং এতে তিনি একশত সাতাত্তরটি শব্দ অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি প্রথমে শব্দটি উল্লেখ করেন, এরপর তাতে বিদ্যমান অর্থগত দিকসমূহ (উজুহ) বর্ণনা করেন। যদি কোনো দিকের সদৃশ বা সমজাতীয় উদাহরণ (নাযাইর) থাকে তবে তিনি তা উল্লেখ করেন, আর যদি কোনো সদৃশ না থাকে তবে তিনি কেবল একটি আয়াত উল্লেখ করেই ক্ষান্ত হন।

আবু আল-ফারাজ আবদুর রহমান ইবনুল জাওজি (মৃত্যু ৫৯৭ হিজরি) তার ‘নুযহাতুল আইয়ুনিন নাওয়াযির ফি ইলমিল উজুহি ওয়ান নাযাইর’ নামক কিতাবটি রচনা করেন এবং এতে তিনি তিনশত চব্বিশটি শব্দ অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি প্রথমে শব্দটির আভিধানিক অর্থ উল্লেখ করেন, তারপর তাতে বিদ্যমান অর্থগত দিকসমূহ বর্ণনা করেন।

যেহেতু মুকাতিলের কিতাবের ‘উজুহ’ এবং ‘নাযাইর’ বিষয়সমূহ নিয়ে ডক্টর সুলাইমান বিন সালিহ আল-কারআউয়ি ইতোপূর্বেই গবেষণা সম্পন্ন করেছেন, তাই আমি ইবনুল জাওজির কিতাবের সেই অংশগুলো নিয়ে গবেষণা করেছি যা পূর্বে আলোচিত হয়নি।

 

দ্বিতীয়ত: ইবনুল জাওজির ‘উজুহ ও নাযাইর’ কিতাবটি অধ্যয়নের জন্য নির্বাচনের কারণসমূহ:

১ - তাফসির এবং উজুহ ও নাযাইর শাস্ত্রে ইবনুল জাওজির উচ্চ মর্যাদা এবং গভীর পাণ্ডিত্য।

২ - কিতাবটির চমৎকার বিন্যাস এবং বর্ণানুক্রমিকভাবে এর বিষয়বস্তু সাজানো।

৩ - কোনো শব্দের যে অর্থ তিনি ‘দিক’ (উজুহ) হিসেবে পেশ করেন, তার ভাষাগত তাৎপর্যের প্রতি বিশেষ যত্নশীল হওয়া।

৪ - তার কিতাবটি পূর্ববর্তীদের রচনার একটি সুনিপুণ নির্যাস হিসেবে গণ্য, যেমনটি তিনি নিজেই তার কিতাবের শেষে ইঙ্গিত করে বলেছেন: “এটিই উজুহ ও নাযাইর বিষয়ক কিতাবসমূহ থেকে আমার নির্বাচিত শেষ অংশ যা পূর্ববর্তীরা বিন্যস্ত করেছিলেন; আমি সেখান থেকে এমন বিষয়গুলো বর্জন করেছি যা উল্লেখ করার যোগ্য নয়”(১)।

৫ - উজুহ ও নাযাইর শাস্ত্রে ইবনুল জাওজির সংকলনটি তার পূর্ববর্তীদের তুলনায় একধাপ উত্তরণ হিসেবে বিবেচিত, বিশেষ করে তিনি মুকাতিলের তুলনায় প্রায় অর্ধেক পরিমাণ বিষয় বৃদ্ধি করেছেন।

৬ - কিতাবটির দিকসমূহ বা উজুহগুলোর তাহকিকের (যাচাই-বাছাই) প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে ইবনুল জাওজির নিজের ইঙ্গিত; যেখানে তিনি বলেন: “মুফাসসিরদের থেকে বর্ণিত এমন কিছু শব্দ উল্লেখ করার ক্ষেত্রে আমি শিথিলতা প্রদর্শন করেছি, যা যদি কোনো গবেষক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করতেন, তবে তিনি অনেকগুলো দিককে একটি দিকের মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত করতে পারতেন”(২)।

--------------------------------------------

(১) নুযহাতুল আইয়ুনিন নাওয়াযির ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর, পৃষ্ঠা ৬৪৩।

(২) প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৬৪৩।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ৬)
وهذا يعني أنه قد تكثر الوجوه في اللفظ الواحد، مع أنها حين التدقيق والدراسة ترجع إلى أقل من العدد المثبت، كما أشار ابن الجوزي إلى ذلك آنفاً.

7 - أن ابن الجوزي أول من عرّف ذلك العلم، وأول من اعتنى بدلالة اللفظ الذي يورده في الوجه من جهة اللغة.

 

‌‌أهداف البحث:

1 - دراسة الوجوه والنظائر التي زادها ابن الجوزي على مقاتل بن سليمان دراسة تطبيقية.

2 - ربط علم الوجوه والنظائر بتفسير السلف.

3 - تحرير مأخذ ابن الجوزي لكل وجه من الوجوه في كل لفظ من الألفاظ بين السياق القرآني واللغة العربية أو غيرهما.

 

‌‌حدود البحث:

تم في هذا البحث دراسة ما زاده ابن الجوزي على مقاتل في الوجوه والنظائر دراسة تأصيلية، وعددها مائة وأربع وخمسون لفظة، مع تقديمي لها بتمهيد تناولت فيه تعريفا موجزا بمقاتل بن سليمان وابن الجوزي وكتابيهما، وعرضا موجزا بأهم جهود العلماء في علم الوجوه والنظائر.

 

‌‌الدراسات السابقة:

بعد تتبعي للموضوع ومراجعة الجامعات ومراكز البحوث، ظهر لي أن الكتابة في هذا الموضوع على نوعين:

الأول: جمع الألفاظ القرآنية التي يكثر ورودها في القرآن الكريم، ويبان معانيها التي استعملت فيها ومن هذه المؤلفات:

- الأشباه والنظائر لمقاتل بن سليمان البلخي.

- التصاريف ليحيى بن سلام.
এর অর্থ হলো, একটি শব্দের বহুবিধ অর্থ (আল-উজুহ) থাকতে পারে, যদিও সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনার সময় সেগুলো উল্লিখিত সংখ্যার চেয়ে কম হয়ে থাকে, যেমনটি ইবনুল জাওযী ইতিপূর্বে ইঙ্গিত দিয়েছেন।

৭ - ইবনুল জাওযীই প্রথম ব্যক্তি যিনি এই শাস্ত্রের সংজ্ঞা প্রদান করেছেন এবং ভাষাগত দিক থেকে অর্থের ক্ষেত্রে উল্লিখিত শব্দের তাৎপর্যের প্রতি সর্বপ্রথম গুরুত্বারোপ করেছেন।

 

‌‌গবেষণার উদ্দেশ্যসমূহ:

১ - মুকাতিল বিন সুলাইমানের উপর ইবনুল জাওযী 'আল-উজুহ ওয়ান নাযাইর' শাস্ত্রে যে বিষয়গুলো বৃদ্ধি করেছেন, সেটির একটি প্রায়োগিক অধ্যয়ন।

২ - 'আল-উজুহ ওয়ান নাযাইর' শাস্ত্রকে সালাফদের তাফসীরের সাথে সম্পৃক্ত করা।

৩ - কুরআনের প্রাসঙ্গিকতা এবং আরবি ভাষা বা অন্য কোনো উৎসের আলোকে প্রতিটি শব্দের প্রতিটি অর্থের ক্ষেত্রে ইবনুল জাওযীর ভিত্তি নিরূপণ করা।

 

‌‌গবেষণার পরিধি:

এই গবেষণায় মুকাতিলের ওপর ইবনুল জাওযী 'আল-উজুহ ওয়ান নাযাইর' শাস্ত্রে যা সংযোজন করেছেন, সেটির একটি মৌলিক ও তাত্ত্বিক অধ্যয়ন সম্পন্ন হয়েছে, যার সংখ্যা একশ চুয়ান্নটি শব্দ। এর পাশাপাশি আমি একটি ভূমিকা পেশ করেছি যাতে মুকাতিল বিন সুলাইমান ও ইবনুল জাওযী এবং তাঁদের গ্রন্থদ্বয় সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরেছি এবং 'আল-উজুহ ওয়ান নাযাইর' শাস্ত্রে আলেমদের গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টাসমূহের একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ প্রদান করেছি।

 

‌‌পূর্ববর্তী গবেষণাসমূহ:

বিষয়টি অনুসন্ধান এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা কেন্দ্র পর্যালোচনা করার পর আমার নিকট প্রতীয়মান হয়েছে যে, এই বিষয়ে লেখালেখি দুই ধরনের:

প্রথমত: পবিত্র কুরআনে অধিক ব্যবহৃত শব্দাবলি সংগ্রহ করা এবং সেগুলো যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে তা বর্ণনা করা। এই ধরণের গ্রন্থাবলির অন্তর্ভুক্ত হলো:

- মুকাতিল বিন সুলাইমান আল-বালখীর 'আল-আশবাহ ওয়ান নাযাইর'।

- ইয়াহইয়া বিন সাল্লামের 'আত-তাসারীফ'।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ৭)
- كشف السرائر في معنى الوجوه والنظائر لابن العماد.

- الوجوه والنظائر للدامغاني.

- الوجوه والنظائر لهارون بن موسى.

- وجوه القرآن للحيري.

وهي على تعددها تتفق في إيراد الألفاظ ووجوه معانيها وما فيها من نظائر، إلا أنها تختلف في دقة واستقصاء الوجوه في القرآن، فبعضهم مثلاً يجعلها أربعة للفظ الواحد وآخر خمسة، وغيرهما سبعة، وهكذا مما يجعل الحاجة ماسة إلى التأمل، والفحص الدقيق في الباعث على الاختلاف في تعدد الوجوه، أهي لمؤلف دون آخر؟ أم أن حقيقة الأمر ترجع إلى عدد أقل بعد التوجيه والتمحيص؟ أم غير ذلك مما توضحة الدراسة؟ ثم إن العرض الذي تناولته هذه المؤلفات يكاد يكون واحداً، فلم تتضمن توثيق هذه الوجوه ومن قال بها من السلف والمفسرين، ولم تشر إلى وجه الدلالة عليه من خلال السياق القرآني وعلاقته بالمعنى الأصلي للفظة.

والبحث الذي تناولته هو دراسة تطبيقية لجملة من الوجوه والنظائر لم يقدم لها دراسة

- حسب علمي - تؤصل هذه الوجوه وتبين ما يصح وما لا يصح منها، وتبين من قال بها من المفسرين سلفاً وخلفاً، ووجه الدلالة على المعنى من خلال السياق القرآني، والمعنى اللغوي أو غيرهما.

الثاني: القيام بدراسة علمية للوجوه والنظائر وموازنة ما كتبه المؤلفون الأوائل فيها، وهذه لم أعثر بعد تتبعي الجاد لما كتب حول العلم إلا على رسالة دكتوراه واحدة كتبها الدكتور / سليمان ابن صالح القرعاوي، ونال بها درجة الدكتوراه في قسم القرآن وعلومه بكلية أصول الدين بجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية بالرياض وهي بعنوان: (الوجوه والنظائر في القرآن - دراسة وموازنة)، ويتلخص عمله فيما يلي:

1 - أنه جعل كتاب مقاتل بن سليمان (الأشباه والنظائر) أساساً لدراسته، فقام بذكر جميع الألفاظ التي وردت عند مقاتل بن سليمان، وعددها مائة وسبع وسبعون لفظة وجعلها محور دراسته.
- ইবনুল ইমাদের 'কাশফুস সারাইর ফি মানাল উজূহ ওয়ান নাযাইর' (শব্দের বহুবিধ অর্থ ও সদৃশ রূপের রহস্য উন্মোচন)।

- দামগানির 'আল-উজূহ ওয়ান নাযাইর'।

- হারুন ইবনে মুসার 'আল-উজূহ ওয়ান নাযাইর'।

- হাইরির 'উজূহুল কুরআন'।

এই গ্রন্থগুলো সংখ্যায় একাধিক হলেও শব্দসমূহ, সেগুলোর বিবিধ অর্থ এবং সেগুলোর সদৃশ দৃষ্টান্তগুলো উল্লেখ করার ক্ষেত্রে তারা ঐকমত্য পোষণ করেন। তবে কোরআনে বর্ণিত অর্থের এই বিভিন্ন দিকগুলোর সুক্ষ্মতা ও পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে এগুলোর মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, কেউ একটি শব্দের জন্য চারটি অর্থ নির্ধারণ করেন, অন্যজন পাঁচটি, আবার অন্য কেউ সাতটি। এই বিষয়টি অর্থের এই বহুবিধ রূপের কারণ সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা করা এবং সুক্ষ্ম যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য করে তোলে। এই ভিন্নতা কি কেবল একজন লেখকের থেকে অন্য লেখকের দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্যের কারণে? নাকি প্রকৃত বিষয়টি যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনার পর আরও কম সংখ্যক অর্থের দিকেই প্রত্যাবর্তন করে? অথবা অন্য কোনো কারণ রয়েছে যা এই গবেষণার মাধ্যমে স্পষ্ট হবে? তাছাড়া এই গ্রন্থগুলোতে উপস্থাপনার ধরন প্রায় একই রকম; এতে এই অর্থগুলোর নির্ভরযোগ্যতা এবং সালাফ ও মুফাসসিরদের মধ্য থেকে কারা এই অর্থগুলো গ্রহণ করেছেন তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তদুপরি, কোরআনের প্রসঙ্গের (Context) আলোকে অর্থের নির্দেশ এবং শব্দের মূল আভিধানিক অর্থের সাথে এর সম্পর্কের বিষয়েও কোনো ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি।

আমি যে গবেষণাটি সম্পন্ন করেছি তা হলো 'উজূহ ও নাযাইর'-এর একগুচ্ছ প্রসঙ্গের ওপর একটি প্রায়োগিক অধ্যয়ন। আমার জানামতে, এর পূর্বে এমন কোনো গবেষণা সম্পন্ন হয়নি যা এই অর্থগুলোর যৌক্তিক ভিত্তি প্রদান করে এবং এগুলোর মধ্যে কোনটি গ্রহণযোগ্য আর কোনটি নয় তা স্পষ্ট করে। একইসাথে সালাফ ও পরবর্তী যুগের মুফাসসিরদের মধ্যে কারা এই মত পোষণ করেছেন এবং কোরআনের প্রাসঙ্গিকতা, ভাষাতাত্ত্বিক অর্থ বা অন্য কোনো মাধ্যমে অর্থের নির্দেশ করার দিকটিও এতে স্পষ্ট করা হয়েছে।

দ্বিতীয়ত: 'উজূহ ও নাযাইর' বিষয়ের ওপর একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা সম্পাদন করা এবং এ বিষয়ে প্রাচীন লেখকদের রচনার মধ্যে তুলনামূলক পর্যালোচনা করা। এই শাস্ত্রের ওপর লিখিত বিষয়াদি গুরুত্বের সাথে অনুসন্ধানের পর আমি ডক্টর সুলাইমান ইবনে সালেহ আল-কারআউয়ি কর্তৃক রচিত একটিমাত্র পিএইচডি অভিসন্দর্ভ খুঁজে পেয়েছি। তিনি রিয়াদের ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সউদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উসুলুদ্দিন অনুষদের 'কুরআন ও তার জ্ঞানসমূহ' বিভাগ থেকে এই অভিসন্দর্ভের মাধ্যমে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এর শিরোনাম হলো: 'আল-উজূহ ওয়ান নাযাইর ফিল কুরআন - দিরাসাতুন ওয়া মুওয়াযানাতুন' (কোরআনে শব্দের বহুবিধ অর্থ ও সদৃশ রূপ - একটি তুলনামূলক অধ্যয়ন)। তাঁর গবেষণার সারসংক্ষেপ নিম্নরূপ:

১ - তিনি মুকাতিল ইবনে সুলাইমানের 'আল-আশবাহ ওয়ান নাযাইর' গ্রন্থটিকে তাঁর গবেষণার মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তিনি মুকাতিল ইবনে সুলাইমানের গ্রন্থে বর্ণিত সকল শব্দ উল্লেখ করেছেন, যার সংখ্যা একশ সাতাত্তরটি এবং এগুলোকেই তিনি তাঁর গবেষণার মূল বিষয়বস্তু হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ৮)
2 - أنه رتب الألفاظ على حروف المعجم.

3 - أنه قام بدراسة موازنة لوجوه الألفاظ التي ذكرها مقاتل مع غيره من العلماء المؤلفين في الوجوه والنظائر.

4 - أنه ميز المتفق عليه من الوجوه والمختلف فيه منها، كما ميّز زيادة من زاد الوجوه على غيره من العلماء مع توضيح مواطن الاختلاف فيما بين العلماء في عدد الوجوه للفظ الواحد في دراسة موازنة بين المؤلفين.

ويلاحظ مما سبق أن عمل الدكتور سليمان القرعاوي عمل مميز ويشكر عليه، ووجه صلته بعملي يتلخص في الآتي:

أولاً:

أنه اعتمد على ألفاظ مقاتل فقط وعددها مائة وسبع وسبعون لفظة، واعتمدت على مالم يتناوله في الدراسة وهو ما أضافه ابن الجوزي عليه وعددها مائة وأربع وخمسون لفظة.

ثانياً:

أن جل دراسته تقوم على موازنة أقوال المؤلفين في الوجوه للفظة الواحدة التي ذكرها مقاتل وتمييز المتفق عليه والمختلف فيه بين المؤلفين في الوجوه والنظائر. أما عملي في دراستي فهو دراسة تطبيقية تعتمد على ما يلي:

1 - عزوت كل وجه من الوجوه ونظائره إلى من قال به من المفسرين سلفاً وخلفاً.

2 - ربطت كل وجه من الوجوه - التي ثبتت أنها وجوه - بمأخذها سواء من السياق القرآني، أو أصل اللفظ في اللغة، أو المعنى المشهور للفظ في اللغة العربية أو غيرها مما حكمته الدراسة.

 

‌‌منهج البحث:

وكان منهجي في البحث على النحو التالي:

1 - إحصاء الزوائد التي زادها ابن الجوزي على مقاتل وقد بلغ عددها مائة وأربع وخمسين لفظة.
২ - তিনি শব্দগুলোকে বর্ণানুক্রমিকভাবে বিন্যস্ত করেছেন।

৩ - তিনি মুকাতিল কর্তৃক উল্লিখিত শব্দগুলোর বিভিন্ন অর্থের (উজুহ) সাথে 'আল-উজুহ ওয়ান নাযাইর' বিষয়ে অধ্যয়নকারী অন্যান্য আলেমদের আলোচনার একটি তুলনামূলক অধ্যয়ন সম্পন্ন করেছেন।

৪ - তিনি বিভিন্ন অর্থের (উজুহ) মধ্যে সর্বসম্মত ও মতভেদপূর্ণ বিষয়গুলোকে পৃথক করেছেন; সেই সাথে তিনি এক আলেমের তুলনায় অন্য আলেমের বর্ণিত অতিরিক্ত অর্থগুলোকেও চিহ্নিত করেছেন এবং রচয়িতাদের মধ্যকার একটি তুলনামূলক অধ্যয়নের মাধ্যমে একটি শব্দের কতটি অর্থ হতে পারে সে বিষয়ে আলেমদের মধ্যকার মতভেদের ক্ষেত্রগুলো স্পষ্ট করেছেন।

উপরোক্ত আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, ডক্টর সুলাইমান আল-কারআউয়ি-এর কাজটি অত্যন্ত চমৎকার এবং প্রশংসার যোগ্য। আমার কাজের সাথে তাঁর কাজের সম্পর্কের দিকটি নিম্নোক্ত পয়েন্টগুলোতে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:

প্রথমত:

তিনি কেবল মুকাতিলের শব্দগুলোর ওপর নির্ভর করেছেন যার সংখ্যা একশত ৭৭টি; আর আমি তাঁর অধ্যয়নে যা অন্তর্ভুক্ত হয়নি—অর্থাৎ ইবনুল জাওযি তাঁর ওপর যা অতিরিক্ত যোগ করেছেন—তার ওপর নির্ভর করেছি, যার সংখ্যা একশত ৫৪টি শব্দ।

দ্বিতীয়ত:

তাঁর অধিকাংশ অধ্যয়ন মুকাতিল বর্ণিত একটি শব্দের বিভিন্ন অর্থের (উজুহ) ক্ষেত্রে রচয়িতাদের বক্তব্যের তুলনা এবং 'আল-উজুহ ওয়ান নাযাইর' বিষয়ে লেখকদের মধ্যে ঐকমত্য ও মতভেদ নির্ণয়ের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত। পক্ষান্তরে, আমার এই গবেষণাটি একটি প্রায়োগিক অধ্যয়ন যা নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর ওপর নির্ভরশীল:

১ - আমি প্রত্যেকটি অর্থ (ওয়াজহ) এবং তার সদৃশ উদাহরণগুলোকে (নাযাইর) সালাফ ও খালাফ (পূর্বসূরি ও উত্তরসূরি) মুফাসসিরগণের মধ্যে যারা সেই মত ব্যক্ত করেছেন, তাঁদের দিকে সম্বন্ধিত করেছি।

২ - আমি প্রতিটি অর্থকে—যা অর্থ হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে—তার উৎসের সাথে সংযুক্ত করেছি; চাই তা কুরআনের প্রেক্ষাপট (সিয়াক) থেকে হোক, কিংবা ভাষার মূল শব্দমূল থেকে হোক, অথবা আরবি ভাষায় শব্দটির প্রসিদ্ধ অর্থ থেকে হোক, কিংবা গবেষণায় নির্ধারিত অন্য কোনো উৎস থেকে হোক।

 

‌‌গবেষণার পদ্ধতি:

গবেষণায় আমার পদ্ধতি ছিল নিম্নরূপ:

১ - ইবনুল জাওযি মুকাতিলের ওপর যে অতিরিক্ত শব্দগুলো যুক্ত করেছেন তা গণনা করা, যার সংখ্যা একশত ৫৪টি শব্দে পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ৯)
2 - اعتماد طريقة ابن الجوزي في ترتيبه كتابه وبناء خطة البحث عليها وهي:

- ترتيب الأبواب حسب عدد الوجوه في الكتاب الواحد، فيقدم أبواب الوجهين على أبواب الثلاثة أوجه، ويقدم أبواب الثلاثة أوجه على أبواب الأربعة أوجه.

- إذا اتفق عدد الوجوه في أكثر من باب وتلك الأبواب ضمن كتاب واحد من الكتب العامة فإنه يرتبها على حروف العجم.

3 - إثبات عبارة ابن الجوزي.

4 - ثم قمت بالدراسة التفصيلية للألفاظ التي أوردها.

وطريقتي في الدراسة ما يلي:

ذكرت من قال بالوجه والنظير من السلف والمفسرين مما وجدته منسوبا إليهم في كتب التفسير وغيرها عند كل آية ذكرها ابن الجوزي، ثم بينت صحة هذا المعنى، فإن كان الوجه صحيحاً اكتفيت به، وإن كان ضعيفاً ذكرت القول الصحيح مبيناً وجه صحته وضعف الوجه المستدل له ثم أختم ذلك ببيان نتيجة الدراسة التي توصلت إليها.

4 - عزوت الآيات بذكر اسم السورة ورقم الآية.

5 - عزوت القراءات إلى قرائها، ووثقتها من كتب القراءات المعتبرة.

6 - خرجت الأحاديث والآثار، بعزوها إلى مصادرها، فإن كانت في الصحيحين اكتفيت بتخريجها منهما، أو من أحدهما، وإن لم تكن في الصحيحين فإني مع عزوها إلى مصادرها ذكرت درجتها صحة وضعفاً معتمداً في ذلك على كلام المحققين من أهل الحديث.

7 - نسبت الأقوال إلى قائليها مع عزوها إلى موضعها من كتبهم إن وجدت أو الكتب المعتبرة التي تنقل أقوالهم عند عدمها.

8 - التعريف بكل علم له قول أو رأي في هذه الرسالة.

9 - التعريف بالفرق والأماكن والبلدان.

10 - نسبت الأبيات الشعرية لقائليها ووثقتها من مصادرها حسب الاستطاعة.

11 - عرفت بما يحتاج إلى تعريف من الغريب والقبائل ونحو ذلك.

12 - علقت على ما دعت الحاجة للتعليق عليه.

13 - ذيلت الرسالة بالفهارس اللازمة كما ستأتي في خطة البحث.
2 - তাঁর কিতাব বিন্যস্ত করার ক্ষেত্রে ইবনুল জাওযীর পদ্ধতি অনুসরণ করা এবং তার ওপর ভিত্তি করে গবেষণার পরিকল্পনা প্রণয়ন করা, যা হলো:

- প্রতিটি পরিচ্ছেদে অর্থের সংখ্যার ভিত্তিতে অনুচ্ছেদগুলোকে সাজানো; ফলে তিনি দুই অর্থবিশিষ্ট অনুচ্ছেদগুলোকে তিন অর্থবিশিষ্ট অনুচ্ছেদগুলোর আগে স্থান দিয়েছেন এবং তিন অর্থবিশিষ্ট অনুচ্ছেদগুলোকে চার অর্থবিশিষ্ট অনুচ্ছেদগুলোর আগে স্থান দিয়েছেন।

- যদি একটি সাধারণ কিতাবের অন্তর্ভুক্ত একাধিক অনুচ্ছেদে অর্থের সংখ্যা সমান হয়, তবে তিনি সেগুলোকে বর্ণানুসারে বিন্যস্ত করেছেন।

3 - ইবনুল জাওযীর বক্তব্যসমূহ হুবহু বজায় রাখা।

4 - এরপর আমি তাঁর উল্লিখিত শব্দগুলোর বিস্তারিত পর্যালোচনা করেছি।

পর্যালোচনার ক্ষেত্রে আমার পদ্ধতি নিম্নরূপ:

ইবনুল জাওযী উল্লিখিত প্রতিটি আয়াতের ক্ষেত্রে সালাফ এবং মুফাসসিরগণের মধ্য থেকে যারা অর্থ ও সাদৃশ্য বর্ণনা করেছেন, তা তাফসির ও অন্যান্য কিতাবে তাঁদের প্রতি যেভাবে নিসবত করা হয়েছে, আমি তা উল্লেখ করেছি। এরপর আমি এই অর্থের বিশুদ্ধতা স্পষ্ট করেছি; যদি সেই অর্থটি সঠিক হয় তবে আমি তাতেই সীমাবদ্ধ থেকেছি, আর যদি তা দুর্বল হয় তবে সঠিক মতটি উল্লেখ করেছি এবং সেই সাথে তার সঠিক হওয়ার কারণ ও পূর্ববর্তী মতটির দুর্বলতার কারণ ব্যাখ্যা করেছি। সবশেষে আমি আমার গবেষণালব্ধ ফলাফল বিবৃত করার মাধ্যমে তা সমাপ্ত করেছি।

4 - আমি সূরার নাম এবং আয়াত নম্বর উল্লেখের মাধ্যমে আয়াতগুলোর উদ্ধৃতি দিয়েছি।

5 - আমি কিরাতগুলোকে তাদের পাঠকদের দিকে নিসবত করেছি এবং নির্ভরযোগ্য কিরাত গ্রন্থসমূহ হতে সেগুলোর প্রামাণিকতা নিশ্চিত করেছি।

6 - আমি হাদিস ও আসারগুলোর উৎস নির্দেশ করে তা তাখরিজ করেছি; যদি সেগুলো সহীহাইনে থাকে তবে আমি সেখান থেকেই তাখরিজ করার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থেকেছি, নতুবা মূল উৎসের উদ্ধৃতি দেওয়ার পাশাপাশি মুহাদ্দিসগণের তাহকিকের ওপর ভিত্তি করে তার বিশুদ্ধতা ও দুর্বলতার স্তর উল্লেখ করেছি।

7 - আমি উক্তিগুলোকে তাদের প্রবক্তাদের দিকে নিসবত করেছি এবং সম্ভব হলে তাঁদের নিজস্ব কিতাব থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছি, নতুবা নির্ভরযোগ্য অন্য কোনো কিতাব হতে উদ্ধৃত করেছি যেখানে তাঁদের উক্তিগুলো বর্ণিত হয়েছে।

8 - এই গবেষণাপত্রে যাদের কোনো বক্তব্য বা মতামত উদ্ধৃত হয়েছে, এমন প্রত্যেক বিশিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় প্রদান করেছি।

9 - বিভিন্ন দল, স্থান ও জনপদের পরিচয় দিয়েছি।

10 - কাব্য পঙক্তিগুলোকে তাদের কবিদের নামে নিসবত করেছি এবং সাধ্যানুযায়ী মূল উৎস থেকে সেগুলোর প্রামাণিকতা নিশ্চিত করেছি।

11 - অপরিচিত শব্দ, গোত্র এবং এ জাতীয় যা কিছু ব্যাখ্যার প্রয়োজন ছিল, তার পরিচয় প্রদান করেছি।

12 - যেখানে প্রয়োজন মনে হয়েছে সেখানে প্রয়োজনীয় টীকা প্রদান করেছি।

13 - গবেষণাপত্রের শেষে প্রয়োজনীয় নির্ঘণ্ট যুক্ত করেছি, যা গবেষণা পরিকল্পনায় বিস্তারিত আসবে।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ১০)
‌‌خطة البحث
গবেষণা পরিকল্পনা
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ১১)
خطة البحث:

تضمنت خطة البحث مقدمة وتمهيداً وبابين وخاتمة وفهارس وبيانها كما يلي:

- المقدمة:

وشملت أهمية الموضوع، وأسباب اختياره، والدراسات السابقة، ومنهجي فيه، وخطة البحث.

- التمهيد: وفيه ثلاثة مطالب:

المطلب الأول: تعريف موجز بمقاتل بن سليمان وكتابه (الأشباه والنظائر).

المطلب الثاني: تعريف موجز بابن الجوزي وكتابه (نزهة الأعين النواظر في علم الوجوه والنظائر).

المطلب الثالث: تعريف موجز بجهود العلماء في علم الوجوه والنظائر.

الباب الأول: الكلمات القرآنية الواردة على أربعة أوجه فأقل. وفيه ثلاثة فصول:

الفصل الأول: الكلمات القرآنية الواردة على وجهين. وفيه اثنا عشر مبحثا:

المبحث الأول: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف الألف. وفيه أربعة مطالب:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة أخلد.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة أسف.

المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة الإصر.

المطلب الرابع: دراسة وجوه كلمة أولى.

المبحث الثاني: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف الباء. وفيه ثلاثة مطالب:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة البرق.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة البعل.

المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة البلاء.

المبحث الثالث: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف الجيم. وفيه مطلبان:
গবেষণার রূপরেখা:

গবেষণার রূপরেখাটিতে একটি ভূমিকা, একটি উপক্রমণিকা, দুটি মূল খণ্ড, একটি উপসংহার এবং নির্ঘণ্টসমূহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং তার বিবরণ নিম্নরূপ:

- ভূমিকা:

এতে বিষয়ের গুরুত্ব, এটি নির্বাচনের কারণসমূহ, পূর্ববর্তী গবেষণাসমূহ, গবেষণায় আমার অনুসৃত পদ্ধতি এবং গবেষণার রূপরেখা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

- উপক্রমণিকা: এতে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: মুকাতিল ইবনে সুলাইমান এবং তাঁর রচিত গ্রন্থ (আল-আশবাহ ওয়ান নাযাইর)-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ইবনুল জাওযী এবং তাঁর রচিত গ্রন্থ (নুযহাতুল আ’ইয়ুন আন-নাওয়াযির ফি ইলমিল উজুহি ওয়ান নাযাইর)-এর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: উজুহ ও নাযাইর বিজ্ঞানে উলামায়ে কিরামের অবদানের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি।

প্রথম খণ্ড: চার বা ততোধিক কম অর্থে ব্যবহৃত কুরআনিক শব্দাবলি। এতে তিনটি অধ্যায় রয়েছে:

প্রথম অধ্যায়: দুই অর্থে ব্যবহৃত কুরআনিক শব্দাবলি। এতে বারোটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ‘আলিফ’ বর্ণের অন্তর্ভুক্ত কুরআনিক শব্দাবলির অর্থসমূহের পর্যালোচনা। এতে চারটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: ‘আখলাদা’ শব্দের অর্থসমূহের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ‘আসাফ’ শব্দের অর্থসমূহের পর্যালোচনা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: ‘আল-ইসর’ শব্দের অর্থসমূহের পর্যালোচনা।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: ‘আওলা’ শব্দের অর্থসমূহের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ‘বা’ বর্ণের অন্তর্ভুক্ত কুরআনিক শব্দাবলির অর্থসমূহের পর্যালোচনা। এতে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: ‘আল-বারক’ শব্দের অর্থসমূহের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ‘আল-বা’ল’ শব্দের অর্থসমূহের পর্যালোচনা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: ‘আল-বালা’ শব্দের অর্থসমূহের পর্যালোচনা।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ‘জীম’ বর্ণের অন্তর্ভুক্ত কুরআনিক শব্দাবলির অর্থসমূহের পর্যালোচনা। এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ১২)
المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الجزء.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة الجناح.

المبحث الرابع: دراسة وجوه الكلمة القرآنية الواردة على حرف الحاء.

وهي كلمة الحسن.

المبحث الخامس: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف الراء. وفيه خمسة مطالب:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الرعد.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة الرقبة.

المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة الرقيب.

المطلب الرابع: دراسة وجوه كلمة الركوب.

المطلب الخامس: دراسة وجوه كلمة الريب.

المبحث السادس: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف السين. وفيه خمسة مطالب:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الساق.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة السراج.

المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة السرابيل.

المطلب الرابع: دراسة وجوه كلمة السماع.

المطلب الخامس: دراسة وجوه كلمة السيد.

المبحث السابع: دراسة وجوه الكلمة القرآنية الواردة على حرف الصاد.

وهي كلمة الصوم.

المبحث الثامن: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف العين. وفيه مطلبان:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة العدوان.
প্রথম অনুচ্ছেদ: 'জুযউ' (অংশ) শব্দের বিবিধ অর্থের গবেষণা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: 'জানাহ' (ডানা/পাপ) শব্দের বিবিধ অর্থের গবেষণা।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: 'হা' বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দের বিবিধ অর্থের গবেষণা।

তা হলো 'হুসন' (সৌন্দর্য/উত্তম) শব্দ।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: 'রা' বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দসমূহের বিবিধ অর্থের গবেষণা। এতে পাঁচটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: 'রাদ' (বজ্র) শব্দের বিবিধ অর্থের গবেষণা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: 'রাকাবাহ' (ঘাড়/দাস) শব্দের বিবিধ অর্থের গবেষণা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: 'রাকীব' (তত্ত্বাবধায়ক) শব্দের বিবিধ অর্থের গবেষণা।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: 'রুকুব' (আরোহণ) শব্দের বিবিধ অর্থের গবেষণা।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ: 'রাইব' (সন্দেহ) শব্দের বিবিধ অর্থের গবেষণা।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: 'সীন' বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দসমূহের বিবিধ অর্থের গবেষণা। এতে পাঁচটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: 'সাক' (পা/পায়ের গোছা) শব্দের বিবিধ অর্থের গবেষণা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: 'সিরাজ' (প্রদীপ) শব্দের বিবিধ অর্থের গবেষণা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: 'সারাবীল' (পোশাক) শব্দের বিবিধ অর্থের গবেষণা।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: 'সামা' (শ্রবণ) শব্দের বিবিধ অর্থের গবেষণা।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ: 'সাইয়্যিদ' (নেতা/স্বামী) শব্দের বিবিধ অর্থের গবেষণা।

সপ্তম পরিচ্ছেদ: 'সদ' বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দের বিবিধ অর্থের গবেষণা।

তা হলো 'সাওম' (রোজা) শব্দ।

অষ্টম পরিচ্ছেদ: 'আইন' বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দসমূহের বিবিধ অর্থের গবেষণা। এতে দুইটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: 'উদওয়ান' (শত্রুতা/সীমালঙ্ঘন) শব্দের বিবিধ অর্থের গবেষণা।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ১৩)
المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة العورة.

المبحث التاسع: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف الغين. وفيه مطلبان:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة غد.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة الغم.

المبحث العاشر: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف القاف. وفيه مطلبان:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة القارعة.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة القلم.

المبحث الحادي عشر: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف الكاف. وفيه مطلبان:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الكرسي.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة كلا.

المبحث الثاني عشر: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف الميم. وفيه خمسة مطالب:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة المصباح.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة المطر.

المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة المعين.

المطلب الرابع: دراسة وجوه كلمة المكان.

المطلب الخامس: دراسة وجوه كلمة المنكر.

الفصل الثاني: الكلمات القرآنية الواردة على ثلاثة أوجه. وفيه ثمانية مباحث:

المبحث الأول: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف الألف. وفيه ستة مطالب:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الأفواه.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة الاستحياء.
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: 'আওরাহ' শব্দের বিভিন্ন অর্থের পর্যালোচনা।

নবম পরিচ্ছেদ: 'গাইন' বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দসমূহের বিভিন্ন অর্থের পর্যালোচনা। এতে দুইটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: 'গাদ' শব্দের বিভিন্ন অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: 'গাম' শব্দের বিভিন্ন অর্থের পর্যালোচনা।

দশম পরিচ্ছেদ: 'ক্বাফ' বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দসমূহের বিভিন্ন অর্থের পর্যালোচনা। এতে দুইটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: 'কারিয়াহ' শব্দের বিভিন্ন অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: 'কালাম' শব্দের বিভিন্ন অর্থের পর্যালোচনা।

একাদশ পরিচ্ছেদ: 'কাফ' বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দসমূহের বিভিন্ন অর্থের পর্যালোচনা। এতে দুইটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: 'কুরসি' শব্দের বিভিন্ন অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: 'কাল্লা' শব্দের বিভিন্ন অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বাদশ পরিচ্ছেদ: 'মীম' বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দসমূহের বিভিন্ন অর্থের পর্যালোচনা। এতে পাঁচটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: 'মিসবাহ' শব্দের বিভিন্ন অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: 'মাতার' শব্দের বিভিন্ন অর্থের পর্যালোচনা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: 'মাঈন' শব্দের বিভিন্ন অর্থের পর্যালোচনা।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: 'মাকান' শব্দের বিভিন্ন অর্থের পর্যালোচনা।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ: 'মুনকার' শব্দের বিভিন্ন অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অধ্যায়: তিনটি অর্থে ব্যবহৃত কুরআনিক শব্দসমূহ। এতে আটটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: 'আলিফ' বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দসমূহের বিভিন্ন অর্থের পর্যালোচনা। এতে ছয়টি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: 'আফওয়াহ' শব্দের বিভিন্ন অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: 'ইসতিহয়া' শব্দের বিভিন্ন অর্থের পর্যালোচনা।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ১৪)
المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة الأسفل.

المطلب الرابع: دراسة وجوه كلمة الأغلال.

المطلب الخامس: دراسة وجوه كلمة الأمانة.

المطلب السادس: دراسة وجوه كلمة أنّى.

المبحث الثاني: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف الباء. وفيه مطلبان:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة البهتان.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة البيع.

المبحث الثالث: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حروف الثاء والدال والذال. وفيه ثلاثة مطالب:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة ثم.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة الدابة.

المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة الذل.

المبحث الرابع: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف الراء. وفيه أربعة مطالب:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الرجز.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة الركوع.

المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة الرمي.

المطلب الرابع: دراسة وجوه كلمة الريح.

المبحث الخامس: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حروف السين والشين والصاد والعين. وفيه أربعة مطالب:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة السبح.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة الشقاء.

المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة الصبر.
তৃতীয় অনুচ্ছেদ: 'আসফাল' শব্দের বিবিধ অর্থ পর্যালোচনা।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: 'আগলল' শব্দের বিবিধ অর্থ পর্যালোচনা।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ: 'আমানাহ' শব্দের বিবিধ অর্থ পর্যালোচনা।

ষষ্ঠ অনুচ্ছেদ: 'আন্না' শব্দের বিবিধ অর্থ পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: 'বা' বর্ণ দ্বারা শুরু হওয়া কুরআনিক শব্দসমূহের বিবিধ অর্থ পর্যালোচনা। এতে দুইটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: 'বুহতান' শব্দের বিবিধ অর্থ পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: 'বাই' শব্দের বিবিধ অর্থ পর্যালোচনা।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: 'সা', 'দাল' ও 'যাল' বর্ণ দ্বারা শুরু হওয়া কুরআনিক শব্দসমূহের বিবিধ অর্থ পর্যালোচনা। এতে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: 'সুম্মা' শব্দের বিবিধ অর্থ পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: 'দাব্বাহ' শব্দের বিবিধ অর্থ পর্যালোচনা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: 'যুল' শব্দের বিবিধ অর্থ পর্যালোচনা।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: 'রা' বর্ণ দ্বারা শুরু হওয়া কুরআনিক শব্দসমূহের বিবিধ অর্থ পর্যালোচনা। এতে চারটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: 'রিজয' শব্দের বিবিধ অর্থ পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: 'রুকু' শব্দের বিবিধ অর্থ পর্যালোচনা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: 'রামি' শব্দের বিবিধ অর্থ পর্যালোচনা।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: 'রিহ' শব্দের বিবিধ অর্থ পর্যালোচনা।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: 'সিন', 'শিন', 'সদ' ও 'আইন' বর্ণ দ্বারা শুরু হওয়া কুরআনিক শব্দসমূহের বিবিধ অর্থ পর্যালোচনা। এতে চারটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: 'সাব্হ' শব্দের বিবিধ অর্থ পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: 'শিকা' শব্দের বিবিধ অর্থ পর্যালোচনা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: 'সবর' শব্দের বিবিধ অর্থ পর্যালোচনা।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ১৫)
المطلب الرابع: دراسة وجوه كلمة العزة.

المبحث السادس: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف الفاء. وفيه مطلبان:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الفرقان.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة الفصل.

المبحث السابع: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف القاف. وفيه مطلبان:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة القلب.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة القنوت.

المبحث الثامن: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف اللام. وفيه ثلاثة مطالب:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة لعل.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة لولا.

المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة لا.

الفصل الثالث: الكلمات القرآنية الواردة على أربعة أوجه. وفيه ثلاثة عشر مبحثا:

المبحث الأول: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف الباء. وفيه مطلبان:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة البحر.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة البلد.

المبحث الثاني: دراسة وجوه الكلمة القرآنية الواردة على حرف الثاء. وهي كلمة الثياب

المبحث الثالث: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف الحاء. وفيه أربعة مطالب:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الحبل.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة الحجاب.

المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة الحجر.

المطلب الرابع: دراسة وجوه كلمة الحديث.

المبحث الرابع: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف الخاء. وفيه أربعة مطالب:
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: ‘ইজ্জত’ শব্দের বহুবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: ‘ফা’ বর্ণের অধীনে আগত কুরআনিক শব্দাবলির বহুবিধ অর্থের পর্যালোচনা। এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ‘ফুরকান’ শব্দের বহুবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ‘ফাসল’ শব্দের বহুবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

সপ্তম পরিচ্ছেদ: ‘কাফ’ বর্ণের অধীনে আগত কুরআনিক শব্দাবলির বহুবিধ অর্থের পর্যালোচনা। এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ‘কালব’ শব্দের বহুবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ‘কুনূত’ শব্দের বহুবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

অষ্টম পরিচ্ছেদ: ‘লাম’ বর্ণের অধীনে আগত কুরআনিক শব্দাবলির বহুবিধ অর্থের পর্যালোচনা। এতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ‘লা-আল্লা’ শব্দের বহুবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ‘লাওলা’ শব্দের বহুবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ‘লা’ শব্দের বহুবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

তৃতীয় অধ্যায়: চার অর্থে ব্যবহৃত কুরআনিক শব্দাবলি। এতে তেরোটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ‘বা’ বর্ণের অধীনে আগত কুরআনিক শব্দাবলির বহুবিধ অর্থের পর্যালোচনা। এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ‘বাহর’ শব্দের বহুবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ‘বালাদ’ শব্দের বহুবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ‘সা’ বর্ণের অধীনে আগত কুরআনিক শব্দের বহুবিধ অর্থের পর্যালোচনা; আর তা হলো ‘সিয়াব’ শব্দ।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ‘হা’ বর্ণের অধীনে আগত কুরআনিক শব্দাবলির বহুবিধ অর্থের পর্যালোচনা। এতে চারটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: ‘হাবল’ শব্দের বহুবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ‘হিজাব’ শব্দের বহুবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ‘হিজর’ শব্দের বহুবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: ‘হাদিস’ শব্দের বহুবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: ‘খা’ বর্ণের অধীনে আগত কুরআনিক শব্দাবলির বহুবিধ অর্থের পর্যালোচনা। এতে চারটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ১৬)
المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الختم.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة الخزائن.

المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة الخزي.

المطلب الرابع: دراسة وجوه كلمة الخشوع.

المبحث الخامس: دراسة وجوه الكلمة القرآنية الواردة على حرف الدال وهي كلمة الدار.

المبحث السادس: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف السين. وفيه مطلبان:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة السفه.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة السلوك.

المبحث السابع: دراسة وجوه الكلمة القرآنية الواردة على حرف الشين. وهي كلمة الشيطان.

المبحث الثامن: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف العين. وفيه مطلبان:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة العفو.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة عن.

المبحث التاسع: دراسة وجوه الكلمة القرآنية الواردة على حرف الغين. وهي كلمة الغلبة.

المبحث العاشر: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف القاف. وفيه مطلبان:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة القبل.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة القدم.

المبحث الحادي عشر: دراسة وجوه الكلمة القرآنية الواردة على حرف اللام. وهي كلمة اللسان

المبحث الثاني عشر: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف النون. وفيه ثلاثة مطالب:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة النبات.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة النجاة.
প্রথম অনুচ্ছেদ: আল-খতম শব্দের অর্থগত দিকসমূহের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: আল-খাযাইন শব্দের অর্থগত দিকসমূহের পর্যালোচনা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: আল-খিযয়ু শব্দের অর্থগত দিকসমূহের পর্যালোচনা।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: আল-খুশু' শব্দের অর্থগত দিকসমূহের পর্যালোচনা।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: 'দাল' বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দ 'আদ-দার'-এর অর্থগত দিকসমূহের পর্যালোচনা।

ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: 'সিন' বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দসমূহের অর্থগত দিকসমূহের পর্যালোচনা। এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: আস-সাফাহ শব্দের অর্থগত দিকসমূহের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: আস-সুলুক শব্দের অর্থগত দিকসমূহের পর্যালোচনা।

সপ্তম পরিচ্ছেদ: 'শিন' বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দ 'আশ-শাইত্বান'-এর অর্থগত দিকসমূহের পর্যালোচনা।

অষ্টম পরিচ্ছেদ: 'আইন' বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দসমূহের অর্থগত দিকসমূহের পর্যালোচনা। এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: আল-আফ্উ শব্দের অর্থগত দিকসমূহের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: 'আন' শব্দের অর্থগত দিকসমূহের পর্যালোচনা।

নবম পরিচ্ছেদ: 'গাইন' বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দ 'আল-গালাবা'-এর অর্থগত দিকসমূহের পর্যালোচনা।

দশম পরিচ্ছেদ: 'ক্বাফ' বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দসমূহের অর্থগত দিকসমূহের পর্যালোচনা। এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: আল-ক্বুবুল শব্দের অর্থগত দিকসমূহের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: আল-ক্বদাম (পা) শব্দের অর্থগত দিকসমূহের পর্যালোচনা।

একাদশ পরিচ্ছেদ: 'লাম' বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দ 'আল-লিসান'-এর অর্থগত দিকসমূহের পর্যালোচনা।

দ্বাদশ পরিচ্ছেদ: 'নুন' বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দসমূহের অর্থগত দিকসমূহের পর্যালোচনা। এতে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: আন-নাবাত শব্দের অর্থগত দিকসমূহের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: আন-নাজাত শব্দের অর্থগত দিকসমূহের পর্যালোচনা।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ১৭)
المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة النظر.

المبحث الثالث عشر: دراسة وجوه الكلمة القرآنية الواردة على حرف الهاء. وهي كلمة الهوان.

الباب الثاني: الكلمات القرآنية الواردة على خمسة أوجه فأكثر. وفيه ثلاثة فصول:

الفصل الأول: الكلمات القرآنية الواردة على خمسة أوجه. وفيه اثناعشر مبحثاً:

المبحث الأول: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرفي الألف والباء. وفيه مطلبان:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الأمة.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة البقية.

المبحث الثاني: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف التاء. وفيه مطلبان:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة التأويل.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة التلاوة.

المبحث الثالث: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرفي الجيم والحاء. وفيه مطالبان:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الجنود.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة الحمد.

المبحث الرابع: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف الخاء. وفيه مطلبان:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الخوف.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة الخيانة.

المبحث الخامس: دراسة وجوه الكلمة القرآنية الواردة على حرف الزاي وهي كلمة الزينة.

المبحث السادس: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف السين. وفيه مطلبان:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة السحر.
তৃতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: আন-নাজর শব্দের বিভিন্ন দিকের পর্যালোচনা।

ত্রয়োদশ অনুচ্ছেদ: 'হা' বর্ণের অধীনে আগত কুরআনিক শব্দের বিভিন্ন দিকের পর্যালোচনা, যা হলো 'আল-হাওয়ান' শব্দ।

দ্বিতীয় অধ্যায়: যেসব কুরআনিক শব্দ পাঁচটি বা তার বেশি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: যেসব কুরআনিক শব্দ পাঁচটি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এতে বারোটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: 'আলিফ' এবং 'বা' বর্ণের অধীনে আগত কুরআনিক শব্দসমূহের বিভিন্ন দিকের পর্যালোচনা। এতে দুটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: আল-উম্মাহ শব্দের বিভিন্ন দিকের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: আল-বাকিয়্যাহ শব্দের বিভিন্ন দিকের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: 'তা' বর্ণের অধীনে আগত কুরআনিক শব্দসমূহের বিভিন্ন দিকের পর্যালোচনা। এতে দুটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: আত-তাবিল শব্দের বিভিন্ন দিকের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: আত-তিলাওয়াহ শব্দের বিভিন্ন দিকের পর্যালোচনা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: 'জিম' এবং 'হা' বর্ণের অধীনে আগত কুরআনিক শব্দসমূহের বিভিন্ন দিকের পর্যালোচনা। এতে দুটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: আল-জুনুদ শব্দের বিভিন্ন দিকের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: আল-হামদ শব্দের বিভিন্ন দিকের পর্যালোচনা।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: 'খা' বর্ণের অধীনে আগত কুরআনিক শব্দসমূহের বিভিন্ন দিকের পর্যালোচনা। এতে দুটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: আল-খাওফ শব্দের বিভিন্ন দিকের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: আল-খিয়ানাহ শব্দের বিভিন্ন দিকের পর্যালোচনা।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ: 'যা' বর্ণের অধীনে আগত কুরআনিক শব্দের বিভিন্ন দিকের পর্যালোচনা, যা হলো 'আয-যীনাহ' শব্দ।

ষষ্ঠ অনুচ্ছেদ: 'সিন' বর্ণের অধীনে আগত কুরআনিক শব্দসমূহের বিভিন্ন দিকের পর্যালোচনা। এতে দুটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: আস-সিহর শব্দের বিভিন্ন দিকের পর্যালোচনা।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ১৮)
المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة السماء.

المبحث السابع: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرفي الضاد والطاء وفيه مطالبان:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الضحك.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة الطائفة.

المبحث الثامن: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف العين. وفيه ثلاثة مطالب:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة العدل.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة على.

المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة العين.

المبحث التاسع: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حروف الفاء والقاف والكاف. وفيه ثلاثة مطالب:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الفرض.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة القول.

المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة الكتب.

المبحث العاشر: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف الميم. وفيه مطلبان:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة المدينة.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة مع.

المبحث الحادي عشر: دراسة وجوه الكلمة القرآنية الواردة على حرف النون وهي كلمة النكاح.

المبحث الثاني عشر: دراسة وجوه الكلمات القرآنية الواردة على حرف الواو. وفيه أربعة مطالب:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الوراء.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة الورود.
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ‘আস-সামা’ শব্দটির বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

সপ্তম পরিচ্ছেদ: ‘দাদ’ এবং ‘ত’ বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দাবলির বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা; এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: ‘আদ-দাহিক’ শব্দটির বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ‘আত-তাইফাহ’ শব্দটির বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

অষ্টম পরিচ্ছেদ: ‘আইন’ বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দাবলির বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা। এতে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: ‘আল-আদল’ শব্দটির বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ‘আলা’ শব্দটির বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: ‘আল-আইন’ শব্দটির বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

নবম পরিচ্ছেদ: ‘ফা’, ‘কাফ’ এবং ‘কাফ’ বর্ণসমূহের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দাবলির বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা। এতে তিনটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: ‘আল-ফারদ’ শব্দটির বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ‘আল-কাওল’ শব্দটির বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: ‘আল-কুতুব’ শব্দটির বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

দশম পরিচ্ছেদ: ‘মিম’ বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দাবলির বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা। এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: ‘আল-মদিনাহ’ শব্দটির বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ‘মা’আ’ শব্দটির বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

একাদশ পরিচ্ছেদ: ‘নুন’ বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দটির বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা, যা হলো ‘আন-নিকাহ’ শব্দটি।

দ্বাদশ পরিচ্ছেদ: ‘ওয়াও’ বর্ণের অধীনে বর্ণিত কুরআনিক শব্দাবলির বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা। এতে চারটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: ‘আল-ওয়ারা’ শব্দটির বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ‘আল-উরুুদ’ শব্দটির বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ১৯)
المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة الوضع.

المطلب الرابع: دراسة وجوه كلمة وقع.

الفصل الثاني: الكلمات القرآنية الواردة على ستة أوجه فأكثر وهي دون الإحدى عشر وجهاً. وفيه خمسة مباحث:

المبحث الأول: دراسة الكلمات القرآنية الواردة على ستة أوجه مرتبة على حروف المعجم. وفيه عشرة مطالب:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الإرسال.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة الاستواء.

المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة البعث.

المطلب الرابع: دراسة وجوه كلمة السرف.

المطلب الخامس: دراسة وجوه كلمة الطواف.

المطلب السادس: دراسة وجوه كلمة اللهو.

المطلب السابع: دراسة وجوه كلمة النداء.

المطلب الثامن: دراسة وجوه كلمة وجد.

المطلب التاسع: دراسة وجوه كلمة الوجه.

المطلب العاشر: دراسة وجوه كلمة الواو.

المبحث الثاني: دراسة الكلمات القرآنية الواردة على سبعة أوجه مرتبة على حروف المعجم. وفيه أربعة مطالب:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الإمساك.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة العهد.

المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة القصص.

المطلب الرابع: دراسة وجوه كلمة الكلمات.
তৃতীয় অনুচ্ছেদ: 'আল-ওয়াদ' (স্থাপন করা) শব্দের বিবিধ দিক পর্যালোচনা।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: 'ওয়াকাআ' (পতিত হওয়া) শব্দের বিবিধ দিক পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অধ্যায়: কুরআনের ঐ সকল শব্দ যা ছয় বা ততোধিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, তবে তা এগারোটির কম। এতে পাঁচটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: বর্ণানুক্রমিক বিন্যাসে ছয়টি অর্থে ব্যবহৃত কুরআনিক শব্দাবলি পর্যালোচনা। এতে দশটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: 'আল-ইরসাল' (প্রেরণ করা) শব্দের বিবিধ দিক পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: 'আল-ইসতিওয়া' (উঠা) শব্দের বিবিধ দিক পর্যালোচনা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: 'আল-বা'স' (পুনরুত্থান/প্রেরণ) শব্দের বিবিধ দিক পর্যালোচনা।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: 'আস-সারাফ' (সীমালঙ্ঘন) শব্দের বিবিধ দিক পর্যালোচনা।

পঞ্চম অনুচ্ছেদ: 'আত-তাওয়াফ' (প্রদক্ষিণ করা) শব্দের বিবিধ দিক পর্যালোচনা।

ষষ্ঠ অনুচ্ছেদ: 'আল-লাহও' (ক্রীড়া-কৌতুক) শব্দের বিবিধ দিক পর্যালোচনা।

সপ্তম অনুচ্ছেদ: 'আন-নিদা' (আহ্বান) শব্দের বিবিধ দিক পর্যালোচনা।

অষ্টম অনুচ্ছেদ: 'ওয়াজাদা' (পাওয়া) শব্দের বিবিধ দিক পর্যালোচনা।

নবম অনুচ্ছেদ: 'আল-ওয়াজহ' (মুখমণ্ডল/চেহারা) শব্দের বিবিধ দিক পর্যালোচনা।

দশম অনুচ্ছেদ: 'ওয়াও' বর্ণের বিবিধ দিক পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: বর্ণানুক্রমিক বিন্যাসে সাতটি অর্থে ব্যবহৃত কুরআনিক শব্দাবলি পর্যালোচনা। এতে চারটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম অনুচ্ছেদ: 'আল-ইমসাক' (আটকে রাখা) শব্দের বিবিধ দিক পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: 'আল-আহদ' (অঙ্গীকার) শব্দের বিবিধ দিক পর্যালোচনা।

তৃতীয় অনুচ্ছেদ: 'আল-কাসাস' (কাহিনি) শব্দের বিবিধ দিক পর্যালোচনা।

চতুর্থ অনুচ্ছেদ: 'আল-কালিমাত' (বাণীসমূহ) শব্দের বিবিধ দিক পর্যালোচনা।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ২০)
المبحث الثالث: دراسة الكلمة القرآنية الواردة على ثمانية أوجه وهي كلمة القتل.

المبحث الرابع: دراسة الكلمات القرآنية الواردة على تسعة أوجه. وفيه مطلبان:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة البيت.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة الصاحب.

المبحث الخامس: دراسة الكلمات القرآنية الواردة على عشرة أوجه مرتبة على حروف المعجم. وفيه عشرة مطالب:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الاتخاذ.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة الأذى.

المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة الأهل.

المطلب الرابع: دراسة وجوه كلمة الثقل.

المطلب الخامس: دراسة وجوه كلمة الرزق.

المطلب السادس: دراسة وجوه كلمة الصلاة.

المطلب السابع: دراسة وجوه كلمة العذاب.

المطلب الثامن: دراسة وجوه كلمة الغيب.

المطلب التاسع: دراسة وجوه كلمة القرب.

المطلب العاشر: دراسة وجوه كلمة القرية.

الفصل الثالث: الكلمات القرآنية الواردة على أحد عشر وجهاً فأكثر. وفيه أربعة مباحث:

المبحث الأول: دراسة الكلمات القرآنية الواردة على أحد عشر وجهاً مرتبة على حروف المعجم. وفيه أربعة مطالب:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الرجال.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة الشجر.

المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة القطع.
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: আটটি অর্থে ব্যবহৃত কুরআনিক শব্দ ‘আল-কাতল’ (হত্যা) নিয়ে আলোচনা।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: নয়টি অর্থে ব্যবহৃত কুরআনিক শব্দাবলি নিয়ে আলোচনা। এতে দুটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: ‘আল-বাইত’ (ঘর) শব্দের অর্থসমূহ নিয়ে আলোচনা।

দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: ‘আস-সাহিব’ (সাথী) শব্দের অর্থসমূহ নিয়ে আলোচনা।

পঞ্চম পরিচ্ছেদ: অভিধানের ক্রমানুসারে সাজানো দশটি অর্থে ব্যবহৃত কুরআনিক শব্দাবলি নিয়ে আলোচনা। এতে দশটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: ‘আল-ইত্তিখায’ (গ্রহণ করা) শব্দের অর্থসমূহ নিয়ে আলোচনা।

দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: ‘আল-আযা’ (কষ্ট) শব্দের অর্থসমূহ নিয়ে আলোচনা।

তৃতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: ‘আল-আহল’ (পরিবার/পরিজন) শব্দের অর্থসমূহ নিয়ে আলোচনা।

চতুর্থ উপ-পরিচ্ছেদ: ‘আস-সাকল’ (ভার/গুরুত্ব) শব্দের অর্থসমূহ নিয়ে আলোচনা।

পঞ্চম উপ-পরিচ্ছেদ: ‘আর-রিযক’ (জীবিকা) শব্দের অর্থসমূহ নিয়ে আলোচনা।

ষষ্ঠ উপ-পরিচ্ছেদ: ‘আস-সালাত’ (সালাত/নামাজ) শব্দের অর্থসমূহ নিয়ে আলোচনা।

সপ্তম উপ-পরিচ্ছেদ: ‘আল-আযাব’ (শাস্তি) শব্দের অর্থসমূহ নিয়ে আলোচনা।

অষ্টম উপ-পরিচ্ছেদ: ‘আল-গাইব’ (অদৃশ্য) শব্দের অর্থসমূহ নিয়ে আলোচনা।

নবম উপ-পরিচ্ছেদ: ‘আল-কুরব’ (নৈকট্য) শব্দের অর্থসমূহ নিয়ে আলোচনা।

দশম উপ-পরিচ্ছেদ: ‘আল-কুরইয়াহ’ (জনপদ) শব্দের অর্থসমূহ নিয়ে আলোচনা।

তৃতীয় অধ্যায়: এগারো বা তার বেশি অর্থে ব্যবহৃত কুরআনিক শব্দাবলি। এতে চারটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: অভিধানের ক্রমানুসারে সাজানো এগারোটি অর্থে ব্যবহৃত কুরআনিক শব্দাবলি নিয়ে আলোচনা। এতে চারটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: ‘আর-রিজাল’ (পুরুষগণ) শব্দের অর্থসমূহ নিয়ে আলোচনা।

দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: ‘আশ-শাজার’ (বৃক্ষ) শব্দের অর্থসমূহ নিয়ে আলোচনা।

তৃতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: ‘আল-কাত’ (কর্তন) শব্দের অর্থসমূহ নিয়ে আলোচনা।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ২১)
المطلب الرابع: دراسة وجوه كلمة الكتاب.

المبحث الثاني: دراسة الكلمات القرآنية الواردة على اثني عشر وجهاً مرتبة على حروف المعجم. وفيه أربعة مطالب:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الإتيان.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة الباء.

المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة القيام.

المطلب الرابع: دراسة وجوه كلمة الناس.

المبحث الثالث: دراسة الكلمات القرآنية الواردة على ثلاثة عشر وجهاً. وفيه مطلبان:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الرجل.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة الطهارة.

المبحث الرابع: دراسة الكلمات القرآنية الواردة على أكثر من ثلاثة عشر وجهاً وفيه مطالب:

المطلب الأول: دراسة وجوه كلمة الفتنة.

المطلب الثاني: دراسة وجوه كلمة الرحمة.

المطلب الثالث: دراسة وجوه كلمة الذكر.

المطلب الرابع: دراسة وجوه كلمة الخير.

المطلب الخامس: دراسة وجوه كلمة الإنسان.

الخاتمة:

ذكرت فيها أهم ما توصلت إليه من نتائج في هذا البحث.

الفهارس:

1 - فهرس الآيات القرآنية.

2 - فهرس الأحاديث النبوية.

3 - فهرس الأبيات الشعرية.

4 - فهرس الأعلام.

5 - فهرس الألفاظ المبينة معانيها.

6 - فهرس الفرق والقبائل والأماكن والبلدان.

7 - ثبت المصادر والمراجع.

8 - فهرس الموضوعات.
চতুর্থ উপ-পরিচ্ছেদ: 'কিতাব' শব্দের বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: বারোটি অর্থে ব্যবহৃত কুরআনিক শব্দাবলির পর্যালোচনা, যা বর্ণানুক্রমে বিন্যস্ত। এতে চারটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: 'ইতিয়ান' শব্দের বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: 'বা' বর্ণের বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

তৃতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: 'কিয়াম' শব্দের বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

চতুর্থ উপ-পরিচ্ছেদ: 'নাস' (মানুষ) শব্দের বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

তৃতীয় পরিচ্ছেদ: তেরোটি অর্থে ব্যবহৃত কুরআনিক শব্দাবলির পর্যালোচনা। এতে দুইটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: 'পা' শব্দের বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: 'তাহারাত' (পবিত্রতা) শব্দের বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

চতুর্থ পরিচ্ছেদ: তেরোটির অধিক অর্থে ব্যবহৃত কুরআনিক শব্দাবলির পর্যালোচনা। এতে কতিপয় উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:

প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: 'ফিতনা' শব্দের বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: 'রাহমত' (দয়া) শব্দের বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

তৃতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: 'জিকর' (স্মরণ) শব্দের বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

চতুর্থ উপ-পরিচ্ছেদ: 'খায়ের' (কল্যাণ) শব্দের বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

পঞ্চম উপ-পরিচ্ছেদ: 'ইনসান' (মানুষ) শব্দের বিবিধ অর্থের পর্যালোচনা।

উপসংহার:

এতে আমি এই গবেষণায় প্রাপ্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফলাফলগুলো উল্লেখ করেছি।

নির্ঘণ্টসমূহ:

১ - কুরআনিক আয়াতের নির্ঘণ্ট।

২ - হাদীসে নববীর নির্ঘণ্ট।

৩ - কাব্যসংকলনের নির্ঘণ্ট।

৪ - ব্যক্তিবর্গের নির্ঘণ্ট।

৫ - অর্থ ব্যাখ্যাত শব্দাবলির নির্ঘণ্ট।

৬ - দল-উপদল, গোত্র, স্থান ও দেশসমূহের নির্ঘণ্ট।

৭ - উৎস ও সহায়ক গ্রন্থপঞ্জি।

৮ - বিষয়সূচি।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ২২)
‌‌التمهيد
উপক্রমণিকা
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ২৩)
التمهيد:

اختلف العلماء في المراد بالنظائر على قولين، بعد اتفاقهم على أن المراد بالوجوه الأسماء المشتركة؛ يدل على هذا قول شيخ الإسلام ابن تيمية: «فالوجوه في الأسماء المشتركة، والنظائر في الأسماء المتواطئة، وقد ظن بعض أصحابنا المصنفين في ذلك أن الوجو والنظائر جميعا في الأسماء المشتركة(1)، فهي نظائر باعتبار اللفظ، ووجوه باعتبار المعنى، وليس الأمر على ما قاله بل كلامهم صريح في ما قلناه لمن تأمله»(2).

ولعل شيخ الإسلام يقصد بأصحابه؛ ابن الجوزي رحمهما الله، فهو حنبلي مثله إذ قال في كتابه: «واعلم أن معنى الوجوه والنظائر أن تكون الكلمة واحدة، ذُكرت في مواضع من القرآن على لفظ واحد، وحركة واحدة، وأريد بكل مكان معنى غير الآخر، وتفسير كل كلمة بمعنى غير معنى الأخرى هو الوجوه.

فإذن النظائر: اسم للألفاظ، والوجوه: اسم للمعاني فهذا الأصل في وضع علم الوجوه والنظائر»(3).

وليس من الضروري أن تكون الكلمة المشتركة على لفظ واحد وحركة واحدة كما هو رأي ابن الجوزي، لأن كتب الوجوه والنظائر جرت على استعمال اللفظة ومشتقاتها على السواء.

--------------------------------------------

(1) وهو أن تكون اللفظة محتملة لمعنيين أو أكثر. (الصاحبي ص 207).

(2) الفتاوى 13/ 276.

(3) نزهة الأعين النواظر ص 83.
ভূমিকা:

নাজাইর-এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে আলেমগণ দুটি মতে বিভক্ত হয়েছেন, যদিও তারা এ বিষয়ে একমত যে উজুহ বলতে সমোচ্চারিত শব্দসমূহকে (আসমা আল-মুশতারাকা) বোঝায়। শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর এই উক্তিটি এর প্রমাণ দেয়: "উজুহ হলো সমোচ্চারিত শব্দসমূহের ক্ষেত্রে এবং নাজাইর হলো সমার্থবোধক শব্দসমূহের (আসমা আল-মুতাওয়াত্বিআহ) ক্ষেত্রে। এই বিষয়ে গ্রন্থ সংকলনকারী আমাদের কোনো কোনো সাথী ধারণা করেছেন যে, উজুহ ও নাজাইর উভয়ই সমোচ্চারিত শব্দসমূহের অন্তর্ভুক্ত(১); ফলে শব্দের বিচারে সেগুলো নাজাইর এবং অর্থের বিচারে সেগুলো উজুহ। কিন্তু বিষয়টি তিনি যা বলেছেন তেমন নয়, বরং যে ব্যক্তি চিন্তা করবে তার নিকট তাদের বক্তব্য আমাদের কথার পক্ষেই স্পষ্ট"(২)।

সম্ভবত শায়খুল ইসলাম তাঁর সাথী বলতে ইবনুল জাওযীকে (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি রহম করুন) বুঝিয়েছেন, কারণ তিনিও তাঁর মতোই একজন হাম্বলী ছিলেন। তিনি তাঁর গ্রন্থে বলেছেন: "জেনে রেখো, উজুহ ও নাজাইর-এর অর্থ হলো শব্দটি এক হবে, যা কুরআনের বিভিন্ন স্থানে একই শব্দরূপে এবং একই হরকতে (স্বরচিহ্নে) উল্লিখিত হয়েছে, কিন্তু প্রতিটি স্থানে ভিন্ন ভিন্ন অর্থ উদ্দেশ্য নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি শব্দের এক অর্থের পরিবর্তে অন্য অর্থে ব্যাখ্যা করাকেই উজুহ বলা হয়।

অতএব, নাজাইর হলো শব্দাবলির নাম এবং উজুহ হলো অর্থাবলির নাম। উজুহ ও নাজাইর শাস্ত্রের ভিত্তি মূলত এটাই"(৩)।

ইবনুল জাওযীর মতানুসারে সমোচ্চারিত শব্দটি একই রূপ ও একই স্বরচিহ্নে হওয়া অপরিহার্য নয়, কারণ উজুহ ও নাজাইর বিষয়ক গ্রন্থাবলীতে শব্দ এবং তার রূপান্তরসমূহকে সমভাবেই ব্যবহার করা হয়েছে।

--------------------------------------------

(১) আর তা হলো শব্দটির দুই বা ততোধিক অর্থের সম্ভাবনা থাকা। (আস-সাহেবী, পৃ. ২০৭)।

(২) আল-ফাতাওয়া ১৩/২৭৬।

(৩) নুযহাতুল আইয়ুনিল নাওয়াযির, পৃ. ৮৩।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ২৪)
‌‌المطلب الأول:‌‌ تعريف موجز بمقاتل بن سليمان وكتابه (الوجوه والنظائر)(1).

تعريف موجز بمقاتل بن سليمان(2)

 

‌‌نسبه وولادته

هو مقاتل بن سليمان بن بشير(3)، أبو الحسن من أئمة التفسير، البلخي(4)، الأزدي بالولاء الخراساني المروزي.

أما ولادته فلم تنص كتب التراجم على تحديد سنة لها، وإن اجتهد بعض المعاصرين(5) في محاولة تقريبية لتحديد سنة ولادته؛ فإن معولهم بعض الآثار الواردة في شأنه منها:

1 - ماروي من قرب ولادته من وفاة الضحاك، المتوفى سنة 102 أو 105 هـ، كرواية سليمان بن إسحاق الجلاب قال: سُئل إبراهيم الحربي(6) عن مقاتل بن سليمان هل سمع من الضحاك بن مزاحم شيئا؟ قال: لا، مات الضحاك قبل أن يولد مقاتل بن سليمان بأربع سنين.

--------------------------------------------

(1) عنون له محققه د/ عبد الله شحاته بـ (الأشباه والنظائر). يقول د / مساعد الطيار: ثم إن المحقق عند حديثه عن مخطوطات الكتاب ذكر مصطلح الوجوه والنظائر، ثم ذكر تحته أنه وجد على النسخة الوحيدة التي اعتمدها في التحقيق عنوان الأشباه والنظائر. والظاهر أن هذا ليس من تسمية المؤلف، بل من تصرف غيره، إذ جاء في أول المخطوط:

«مما ألف أبو نصر من وجوه القرآن الكريم عن مقاتل بن سليمان … وهذا يعني أن كتاب مقاتل الوجوه وليس الأشباه» ينظر التفسير اللغوي د. مساعد الطيار ص 90.

(2) ينظر ترجمته في: الطبقات الكبرى 7/ 373، الجرح والتعديل 4/ 355، الفهرست ص 222، وفيات الأعيان 5/ 255 - 257، تهذيب الكمال 28/ 434 - 451، تهذيب التهذيب 4/ 143 - 146، وتقريب التهذيب ص 545 ن وميزان الاعتدال 4/ 173، شذرات الذهب 1/ 227، الإرشاد في معرفة علماء الحديث 9/ 228، وطبقات الحنابلة 1/ 68، حلية الأولياء 7/ 37، سير أعلام النبلاء 7/ 201، الأعلام 7/ 281، معجم المؤلفين 3/ 906، وغيرها.

(3) وقيل أن اسمه بشراً والصحيح المثبت هنا كما هو في أغلب المراجع، ومنها: وفيات الأعيان 5/ 255 - 257، وتهذيب التهذيب 4/ 143، والأعلام 7/ 281، ومعجم المؤلفين 3/ 905، وتقريب التهذيب ص 545.

(4) مدينة مشهورة بخراسان، وهي من أجل مدن خراسان وأذكرها وأوسعها خيراً. (معجم البلدان 1/ 479)

(5) مقدمة الأشباه والنظائر لمقاتل بن سليمان، تحقيق: عبد الله محمود شحاته.

(6) هو إبراهيم بن إسحاق الحربي، ولد 198 هـ كان إماما في العلم رأسا في الزهد، عارفا بالفقه، بصيرا بالأحكام، حافظا للحديث مميزا لعلله، قيما بالأدب جماعا للغة، صنف كتبا كثيرة منها (غريب الحديث) مات سنة 285 هـ (معجم الأدباء 1/ 112.سير أعلام النبلاء 3/ 356).
‌‌প্রথম পরিচ্ছেদ:‌‌ মুকাতিল বিন সুলায়মানের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি এবং তাঁর গ্রন্থ (আল-উজুহ ওয়া আন-নাযাইর)(১)।

মুকাতিল বিন সুলায়মানের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি(২)

 

‌‌তাঁর বংশ ও জন্ম

তিনি হলেন মুকাতিল বিন সুলায়মান বিন বাশির(৩), আবু আল-হাসান; তিনি তাফসিরের ইমামগণের অন্যতম, আল-বালখি(৪), আল-আযদি (বিলা সূত্রে), আল-খোরাসানি আল-মারওয়াযি।

তাঁর জন্মের ব্যাপারে জীবনীগ্রন্থসমূহ সুনির্দিষ্ট কোনো সাল উল্লেখ করেনি। যদিও কতিপয় সমকালীন লেখক(৫) তাঁর জন্মসাল নির্ধারণে একটি আনুমানিক চেষ্টা চালিয়েছেন; তবে তাঁদের নির্ভরতা হলো তাঁর সম্পর্কে বর্ণিত কিছু আছার (বর্ণনা), যার মধ্যে রয়েছে:

১ - দাহহাকের ইন্তেকালের সময়ের কাছাকাছি তাঁর জন্ম হওয়ার বর্ণনা। দাহহাক ১০২ অথবা ১০৫ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। যেমন সুলায়মান বিন ইসহাক আল-জাল্লাবের বর্ণনা; তিনি বলেন: ইব্রাহিম আল-হারবিকে(৬) মুকাতিল বিন সুলায়মান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, তিনি কি দাহহাক বিন মুযাহিম থেকে কিছু শুনেছেন? তিনি বললেন: না, মুকাতিল বিন সুলায়মান জন্মগ্রহণ করার চার বছর আগে দাহহাক মারা গেছেন।

--------------------------------------------

(১) গ্রন্থটির সম্পাদক ড. আবদুল্লাহ শাহাতাহ এর নামকরণ করেছেন (আল-আশবাহ ওয়া আন-নাযাইর)। ড. মুসাইদ আত-তাইয়ার বলেন: সম্পাদক যখন গ্রন্থটির পাণ্ডুলিপি সম্পর্কে আলোচনা করেছেন, তখন তিনি 'আল-উজুহ ওয়া আন-নাযাইর' পরিভাষাটি উল্লেখ করেছেন। অতঃপর তিনি এর নিচে উল্লেখ করেছেন যে, তাহকিকের ক্ষেত্রে তিনি যে একমাত্র পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছেন, তাতে শিরোনাম হিসেবে 'আল-আশবাহ ওয়া আন-নাযাইর' পাওয়া গেছে। দৃশ্যত এটি লেখকের দেওয়া নাম নয়, বরং অন্য কারো হস্তক্ষেপ। কারণ পাণ্ডুলিপির শুরুতে এসেছে:

«মুকাতিল বিন সুলায়মান থেকে বর্ণিত কুরআনের উজুহ (বিভিন্ন অর্থ) সম্পর্কে আবু নাসর যা সংকলন করেছেন... এর অর্থ হলো মুকাতিলের কিতাবটি হলো 'আল-উজুহ', 'আল-আশবাহ' নয়» দেখুন: আত-তাফসির আল-লুগাউয়ি, ড. মুসাইদ আত-তাইয়ার, পৃষ্ঠা ৯০।

(২) তাঁর জীবনী দেখুন: আত-তাবাকাত আল-কুবরা ৭/৩৭৩, আল-জারহ ওয়া আত-তাদিল ৪/৩৫৫, আল-ফিহরিসত পৃষ্ঠা ২২২, ওয়াফায়াতুল আইয়ান ৫/২৫৫-২৫৭, তাহযিবুল কামাল ২৮/৪৩৪-৪৫১, তাহযিবুত তাহযিব ৪/১৪৩-১৪৬, তাকরিবুত তাহযিব পৃষ্ঠা ৫৪৫, মিযানুল ইতিদাল ৪/১৭৩, শাযারাতুয যাহাব ১/২২৭, আল-ইরশাদ ফি মারিফাতি উলামাউল হাদিস ৯/২২৮, তাবাকাতুল হানাবিলা ১/৬৮, হিলয়াতুল আউলিয়া ৭/৩৭, সিয়ারু আলামিন নুবালা ৭/২০১, আল-আলাম ৭/২৮১, মুজামুল মুয়াল্লিফিন ৩/৯০৬ এবং অন্যান্য গ্রন্থ।

(৩) বলা হয়ে থাকে যে তাঁর নাম বাশার, তবে এখানে যা সাব্যস্ত করা হয়েছে সেটিই সঠিক এবং অধিকাংশ তথ্যসূত্রে এভাবেই এসেছে। যেমন: ওয়াফায়াতুল আইয়ান ৫/২৫৫-২৫৭, তাহযিবুত তাহযিব ৪/১৪৩, আল-আলাম ৭/২৮১, মুজামুল মুয়াল্লিফিন ৩/৯০৫ এবং তাকরিবুত তাহযিব পৃষ্ঠা ৫৪৫।

(৪) এটি খোরাসানের একটি প্রসিদ্ধ শহর। এটি খোরাসানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ, আলোচিত এবং সম্পদে সমৃদ্ধ শহর। (মুজামুল বুলদান ১/৪৭৯)

(৫) মুকাতিল বিন সুলায়মান রচিত 'আল-আশবাহ ওয়া আন-নাযাইর' এর ভূমিকা, সম্পাদনা: আবদুল্লাহ মাহমুদ শাহাতাহ।

(৬) তিনি হলেন ইব্রাহিম বিন ইসহাক আল-হারবি, তিনি ১৯৮ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইলম ও জ্ঞানের ইমাম এবং যুহদ বা দুনিয়াবিমুখতায় শীর্ষস্থানীয় ছিলেন। তিনি ফিকহ শাস্ত্রে অভিজ্ঞ, বিধিবিধানের বিষয়ে দূরদর্শী, হাদিস হাফেজ ও হাদিসের ত্রুটি (ইলল) চিহ্নিতকরণে পারদর্শী ছিলেন। তিনি সাহিত্যের সমঝদার এবং ভাষাবিজ্ঞানের সংকলক ছিলেন। তিনি অনেক কিতাব রচনা করেছেন, যার মধ্যে 'গারিবুল হাদিস' অন্যতম। তিনি ২৮৫ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন (মুজামুল উদাবা ১/১১২, সিয়ারু আলামিন নুবালা ৩/৩৫৬)।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ২৫)
2 - ماروي حول جداله في مسجد مرو(1) للجهم بن صفوان، المتوفى سنة 128 هـ، وكان يقص في الجامع بمرو، فقدم عليه جهم، فجلس إلى مقاتل فوقعت العصبية بينهما، فوضع كل واحد منهما على الآخر كتاباً ينقض على صاحبه.(2)

3 - أنه كان من المعمرين(3).

وهذه القرائن؛ لا يتضح من خلالها ما يجزم بتاريخ ولادته بحيث تطمئن إليه النفس.

وأما مكان ولادته ففي مدينة بلخ، من إقليم خراسان.

 

‌‌نشأته ورحلاته:

نشأ مقاتل في مدينة بلخ، ثم انتقل إلى مرو وفيها جادل الجهم بن صفوان، ثم تحول بعدها إلى البصرة(4)، ومنها إلى بغداد وكانت عاصمة الدولة العباسية، وكانت قبلة الراحلين لطلب العلم فصار له فيها مقام ومقال بين الخلفاء والأمراء والعلماء.

ومن بلخ تحول إلى مرو(5)، وخرج منها إلى العراق ومات بها(6)

وأصله من بلخ وانتقل إلى البصرة ودخل بغداد وحدث بها وكان مشهورا بتفسير كتاب الله العزيز» وله التفسير المشهور، وكان من العلماء الأجلاء حُكي عن الإمام الشافعي(7) أنه قال: الناس كلهم عيال على ثلاثة على مقاتل بن سليمان في التفسير، وعلى زهير ابن أبي سلمى في الشعر، وعلى أبي حنيفة في الكلام، وروي أن أبا جعفر المنصور كان جالسا فسقط عليه الذباب فطيره فعاد إليه وألح عليه وجعل يقع على وجهه وأكثر من السقوط عليه مرارا حتى أضجره فقال المنصور

--------------------------------------------

(1) ملاحظة: ذكر محقق الأشباه والنظائر لمقاتل بن سليمان أن هذه الواقعة في مدينة بلخ وأحال إلى تهذيب الكمال والصحيح المثبت هنا، ويؤثر هذا بالنظر إلى رحلات مقاتل رحمه الله.

(2) تهذيب الكمال في أسماء الرجال 28/ 439 - 441.

(3) تهذيب التهذيب 4/ 145.

(4) هي المعروفة العظمى بالعراق (معجم البلدان 1/ 430).

(5) مرو العظمى أشهر مدن خراسان (معجم البلدان 5/ 112)

(6) تهذيب الكمال في أسماء الرجال 28/ 445

(7) هو: محمد بن إدريس الإمام الشافعي أبو عبد الله بن العباس بن عثمان بن شافع بن السائب بن عبيد بن عبد بن يزيد بن هشام بن عبد المطلب بن عبد مناف جد رسول الله صلى الله عليه وسلم ولد سنة 150 هـ بغزة من مصنفاته (الرسالة) مات سنة 204 هـ (معجم الأدباء 6/ 452 سير أعلام النبلاء 10/ 5).
2 - মার্ভের মসজিদে জাহম ইবনে সাফওয়ানের সাথে তার বিতর্কের বর্ণনার ব্যাপারে, জাহম ১২৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি মার্ভের জামে মসজিদে ওয়াজ-নসীহত করতেন, এমতাবস্থায় জাহম তার কাছে আসেন এবং মুকাতিলের পাশে বসেন। এরপর তাদের উভয়ের মধ্যে প্রচণ্ড মতবিরোধ দেখা দেয় এবং তাদের প্রত্যেকেই অপরজনের মতবাদ খণ্ডন করে একটি করে কিতাব রচনা করেন।(1)

3 - তিনি দীর্ঘায়ু প্রাপ্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।(3)

আর এই সমস্ত আলামত বা ইঙ্গিতের মাধ্যমে তার জন্ম তারিখ নিশ্চিতভাবে স্পষ্ট হয় না, যার মাধ্যমে মনে প্রশান্তি আসতে পারে।

আর তার জন্মস্থানের কথা বললে, তা হলো খোরাসান অঞ্চলের বলখ শহরে।

 

‌‌তার বেড়ে ওঠা ও সফরসমূহ:

মুকাতিল বলখ শহরে বেড়ে ওঠেন, তারপর তিনি মার্ভে স্থানান্তরিত হন এবং সেখানে জাহম ইবনে সাফওয়ানের সাথে বিতর্ক করেন। এরপর তিনি বসরায় চলে যান(4), এবং সেখান থেকে আব্বাসীয় খিলাফতের রাজধানী বাগদাদে গমন করেন। বাগদাদ তখন ছিল জ্ঞানপিপাসু পর্যটকদের মিলনস্থল, ফলে সেখানে খলিফা, আমির ও উলামায়ে কিরামের কাছে তার একটি বিশেষ মর্যাদা ও বক্তব্যের স্থান তৈরি হয়।

তিনি বলখ থেকে মার্ভে স্থানান্তরিত হন(5), এবং সেখান থেকে ইরাকে গমন করেন ও সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন।(6)

তার মূল নিবাস ছিল বলখ, এরপর তিনি বসরায় স্থানান্তরিত হন এবং বাগদাদে প্রবেশ করে সেখানে হাদিস বর্ণনা করেন। তিনি মহান আল্লাহর কিতাবের তাফসিরের জন্য সুপ্রসিদ্ধ ছিলেন এবং তার একটি বিখ্যাত তাফসির গ্রন্থ রয়েছে। তিনি প্রথিতযশা আলেমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। ইমাম শাফেয়ী(7) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন: "সকল মানুষ তিন ব্যক্তির মুখাপেক্ষী; তাফসিরের ক্ষেত্রে মুকাতিল ইবনে সুলায়মানের, কবিতার ক্ষেত্রে জুহাইর ইবনে আবি সুলমার এবং ইলমে কালামের ক্ষেত্রে আবু হানিফার।" বর্ণিত আছে যে, আবু জাফর আল-মানসুর বসা ছিলেন, এমতাবস্থায় তার গায়ে একটি মাছি বসল। তিনি সেটি তাড়িয়ে দিলে তা আবার ফিরে এল এবং তাকে বিরক্ত করতে লাগল। মাছিটি বারবার তার মুখের ওপর বসতে থাকল যতক্ষণ না তিনি অতিষ্ঠ হয়ে উঠলেন। তখন মানসুর বললেন...

--------------------------------------------

(1) দ্রষ্টব্য: মুকাতিল ইবনে সুলায়মানের 'আল-আশবাহ ওয়ান নাযাইর' গ্রন্থের মুহাক্কিক উল্লেখ করেছেন যে, এই ঘটনাটি বলখ শহরে ঘটেছে এবং তিনি 'তহজীবুল কামাল' এর উদ্ধৃতি দিয়েছেন। তবে এখানে যা সাব্যস্ত করা হয়েছে সেটিই সঠিক এবং মুকাতিল রহ.-এর সফরসমূহের প্রতি লক্ষ করলে এটিই যুক্তিযুক্ত।

(2) তহজীবুল কামাল ফি আসমাইর রিজাল ২৮/৪৩৯ - ৪৪১।

(3) তহজীবুত তহজীব ৪/১৪৫।

(4) এটি ইরাকের বিখ্যাত সেই বৃহত্তর শহর (মুজামুল বুলদান ১/৪৩০)।

(5) মার্ভে আজমা খোরাসানের সবচেয়ে বিখ্যাত শহর (মুজামুল বুলদান ৫/১১২)।

(6) তহজীবুল কামাল ফি আসমাইর রিজাল ২৮/৪৪৫।

(7) তিনি হলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস ইমাম শাফেয়ী আবু আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস ইবনে উসমান ইবনে শাফে ইবনে সায়েব ইবনে উবায়েদ ইবনে আব্দ ইবনে ইয়াযিদ ইবনে হিশাম ইবনে আব্দুল মুত্তালিব ইবনে আব্দে মানাফ, যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পূর্বপুরুষ। তিনি ১৫০ হিজরিতে গাজায় জন্মগ্রহণ করেন। তার রচিত গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে (আর-রিসালাহ)। তিনি ২০৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন (মুজামুল উদাবা ৬/৪৫২, সিয়ারু আলামিন নুবালা ১০/৫)।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ২৬)
انظروا من بالباب فقيل له مقاتل بن سليمان فقال: علي به فأذن له فلما دخل عليه قال له: هل تعلم لماذا خلق الله تعالى الذباب؟ قال نعم؛ ليذل الله عز وجل به الجبابرة فسكت المنصور»(1)

 

‌‌شيوخه وتلاميذه:

تقدمت الإشارة إلى أن مقاتلاً من المعمرين، وأنه أيضاً تنقل بين بلخ ومرو والبصرة وبغداد، فترك ذلك أثراً بالغاً في كثافة الذين لقيهم من مشايخه وتلاميذه، ومن‌‌ أبرز مشايخه:

مجاهد بن جبر المكي، والضحاك بن مزاحم، وعبد الله بن بريدة بن الحصيب، وعطاء بن أبي رباح، ومحمد بن سيرين، وعمرو بن شعيب، وشرحبيل بن سعد، وسعيد بن كيسان المقبري، ومحمد بن شهاب الزهري، وثابت بن أسلم البناني، وزيد بن أسلم، وعبيد الله بن أبي بكر بن أنس بن مالك، وعطية بن سعد العوفي، ونافع مولى بن عمر، وأبو إسحاق عمرو بن عبد الله السبيعي، وأبو الزبير محمد بن مسلم المكي.

 

‌‌وأما تلاميذه، فمنهم:

إسماعيل بن عياش، وبقية بن الوليد الكلبي، وحرمى بن عمارة بن ثابت، وحماد بن قيراط النيسابوري، وحماد بن محمد الفزاري، وحمزة بن زياد الطوسي، وسعد بن الصلت قاضي شيراز، وأبونصير سعدان بن سعيد البلخي، وسفيان بن عيينة، وشبابة بن سوار، وأبو حيوة شريح بن يزيد الحمصي، وعبد الله بن المبارك، وعبد الرحمن بن سليمان بن أبي الجون، وعبد الرحمن بن محمد المحاربي، وعبد الرزاق بن همام، وعبد الصمد بن عبد الوارث، وعتاب بن محمد بن شوذب، وعلي بن الجعد، وعيسى بن أبي فاطمة وهو (ابن صبيح)، وعيسى بن يونس، وأبو نصر منصور بن عبد الحميد الباورذي، ونصر بن حماد الوراق، والوليد بن مزيد البيروتي، والوليد بن مسلم، ويحي بن شبل، ويوسف بن خالد السمني، وأبو الجنيد الضرير، وأبو يحيى عبد الحميد بن عبد الرحمن الحماني.

--------------------------------------------

(1) وفيات الأعيان 5/ 552 - 257
"দেখো দরজায় কে?" তাকে বলা হলো যে মুকাতিল ইবন সুলায়মান। তিনি বললেন: "তাকে আমার কাছে নিয়ে এসো।" তাকে অনুমতি দেওয়া হলো। যখন সে তার কাছে প্রবেশ করল, তখন তিনি তাকে বললেন: "তুমি কি জানো মহান আল্লাহ কেন মাছি সৃষ্টি করেছেন?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ; যাতে এর মাধ্যমে আল্লাহ প্রতাপশালী স্বৈরাচারীদের অপদস্থ করেন।" তখন মনসুর চুপ হয়ে গেলেন।(১)

 

‌‌তার উস্তাদ ও ছাত্রগণ:

পূর্বেই ইশারা করা হয়েছে যে, মুকাতিল দীর্ঘজীবী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং তিনি বলখ, মার্ভ, বসরা ও বাগদাদের মধ্যে ভ্রমণ করেছেন। এটি তার সেই সমস্ত উস্তাদ ও ছাত্রদের সংখ্যার আধিক্যের উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে যাদের সাথে তার সাক্ষাৎ হয়েছিল। আর‌‌ তার অন্যতম প্রধান উস্তাদগণ:

মুজাহিদ ইবন জাবর আল-মক্কি, আদ-দাহহাক ইবন মুজাহিম, আবদুল্লাহ ইবন বুরাইদাহ ইবনুল হুসাইব, আতা ইবন আবি রাবাহ, মুহাম্মদ ইবন সিরিন, আমর ইবন শুয়াইব, শুরাহবিল ইবন সাদ, সাঈদ ইবন কাইসান আল-মাকবুরি, মুহাম্মদ ইবন শিহাব আজ-জুহরি, সাবিত ইবন আসলাম আল-বুনানি, যাইদ ইবন আসলাম, উবাইদুল্লাহ ইবন আবি বকর ইবন আনাস ইবন মালিক, আতিয়্যাহ ইবন সাদ আল-আউফি, ইবন উমরের মুক্তদাস নাফি, আবু ইসহাক আমর ইবন আবদুল্লাহ আস-সাবিঈ এবং আবুয যুবাইর মুহাম্মদ ইবন মুসলিম আল-মক্কি।

 

‌‌এবং তার ছাত্রদের মধ্যে রয়েছেন:

ইসমাঈল ইবন আইয়াশ, বকিয়্যাহ ইবনুল ওয়ালিদ আল-কালবি, হারামি ইবন উমারাহ ইবন সাবিত, হাম্মাদ ইবন কিরাত আন-নিশাপুরি, হাম্মাদ ইবন মুহাম্মদ আল-ফাযারি, হামজা ইবন যিয়াদ আত-তুসি, শিরাজের বিচারক সাদ ইবন আস-সালত, আবু নাসির সাদান ইবন সাঈদ আল-বলখি, সুফিয়ান ইবন উয়াইনাহ, শাবাবাহ ইবন সাওয়ার, আবু হাইওয়াহ শুরাইহ ইবন ইয়াজিদ আল-হিমসি, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক, আবদুর রহমান ইবন সুলায়মান ইবন আবিল জাওন, আবদুর রহমান ইবন মুহাম্মদ আল-মুহারিবি, আবদুর রাজ্জাক ইবন হাম্মাম, আবদুস সামাদ ইবন আবদুল ওয়ারিস, ইত্তাব ইবন মুহাম্মদ ইবন শওজাব, আলী ইবনুল জাদ, ঈসা ইবন আবি ফাতিমা (যিনি ইবন সাবিহ), ঈসা ইবন ইউনুস, আবু নাসর মনসুর ইবন আবদুল হামিদ আল-বাওয়ারদি, নাসর ইবন হাম্মাদ আল-ওয়াররাক, ওয়ালিদ ইবন মজিদ আল-বাইরুতি, ওয়ালিদ ইবন মুসলিম, ইয়াহইয়া ইবন শিবল, ইউসুফ ইবন খালিদ আস-সামমানি, আবু জুনাইদ আদ-দারির এবং আবু ইয়াহইয়া আবদুল হামিদ ইবন আবদুর রহমান আল-হিমমানি।

--------------------------------------------

(১) ওফায়াতুল আইয়ান ৫/ ৫৫২ - ২৫৭
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ২৭)
‌‌منزلته في علم الحديث:

تكاد تجمع أقوال أئمة الجرح والتعديل على رد رواية مقاتل، بل واتهامه بالكذب والوضع في الحديث؛ فقد قال عباس الدوري والغلابي، عن يحيى بن معين(1) أنه قال: «ليس حديثه بشيء»، وعن الغلابي عن يحيى بن معين أيضاً: ليس بثقة، وقال محمد بن سعد(2): أصحاب الحديث يتقون حديثه وينكرونه، وقال البخاري(3): «منكر الحديث، سكتوا عنه»، وقال في موضع آخر: «لاشيء البتة»، وقال في موضع آخر: «ذاهب»، وقال أبو داود(4): «تركوا حديثه»، وقال النسائي(5): «كذاب»، وقال في موضع آخر: «الكذابون المعروفون بوضع الحديث على رسول الله صلى الله عليه وسلم أربعة، وذكر منهم، مقاتل يبن سليمان».وقال الذهبي(6):

--------------------------------------------

(1) هو: يحيى بن معين بن عون الغطفاني مولاهم البغدادي أحد الأئمة الأعلام روى عن ابن عيينة وأبي أسامة، وروى عنه البخاري ومسلم وأبو داود، مات بالمدينة سنة 203 هـ وحمل على سرير النبي وله نحو 77 سنة (طبقات الحفاظ 188. سير أعلام النبلاء 11/ 71).

(2) هو: محمد بن سعد بن منيع البصري الحافظ كاتب الواقدي نزيل بغداد روى عن أبي داود الطيالسي والواقدي، وهشيم وابن عيينة والوليد ابن مسلم وخلق، وروى عنه أبو بكر بن أبي الدنيا، والحارث بن أبي أسامة، من أهل العلم والفضل، وصنف كتابا كبيرا في طبقات الصحابة والتابعين ومن بعدهم إلى وقته مات سنة 230 هـ (طبقات الحفاظ 186. سير أعلام النبلاء 10/ 664).

(3) محمد بن إسماعيل بن إبراهيم بن المغيرة بن بردزيه الجعفي مولاهم ولاء إسلام أبو عبد الله البخاري الحافظ، أمير المؤمنين في حديث سيد المرسلين، من مصنفاته (التأريخ الكبير) وكان مولده في سنة 194 هـ ومات سنة 256 هـ ليلة عيد الفطر

(تقريب التهذيب ص 468. خلاصة تذهيب تهذيب الكمال 327).

(4) سليمان بن الأشعث بن إسحاق بن بشير بن شداد الأزدي السجستاني أبو داود ثقة حافظ مصنف السنن وغيرها من كبار العلماء من مات سنة 257 هـ (طبقات الحفاظ 265. تقريب التهذيب 250).

(5) أحمد بن شعيب بن علي بن سنان بن بحر بن دينار النسائي، أبو عبد الرحمن القاضي، الحافظ صاحب السنن، وأحد الأئمة المبرزين، والحفاظ الأعلام، مات سنة 304 هـ شهيدا عن 88 سنة (تقريب التهذيب 80. خلاصة تذهيب تهذيب الكمال 7).

(6) محمد بن أحمد بن عثمان بن قائماز الإمام العلامة الحافظ المقرئ مؤرخ الإسلام أبو عبد الله التركماني، الفارقي، الدمشقي، المعروف بالذهبي ولد سنة 673 هـ وطلب وله ثمان عشرة سنة، وسمع ببلاد كثيرة من خلائق يزيدون على ألف ومائتين، وله كثير من المصنفات منه (سير أعلام النبلاء) مات سنة 748 هـ ودفن بباب الصغير (طبقات الحفاظ 521. طبقات الشافعية 3/ 55).
‌ইলমে হাদিসে তাঁর মর্যাদা:

জারহ ও তা'দিলের ইমামগণের উক্তি প্রায় একমত যে মুকাতিলের বর্ণনা প্রত্যাখ্যান করতে হবে, বরং হাদিসের ক্ষেত্রে তাঁর ওপর মিথ্যাচার ও জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়েছে; আব্বাস আদ-দাওরি এবং আল-গালাবি ইয়াহিয়া ইবনে মাইন(১) থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: «তাঁর হাদিস কোনো ধর্তব্য নয়», এবং আল-গালাবি থেকে বর্ণিত হয়েছে যে ইয়াহিয়া ইবনে মাইন আরও বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য নন। মুহাম্মদ ইবনে সাদ(২) বলেছেন: হাদিস বিশারদগণ তাঁর হাদিস থেকে বেঁচে চলতেন এবং তা প্রত্যাখ্যান করতেন। ইমাম বুখারি(৩) বলেছেন: «তিনি মুনকারুল হাদিস (পরিত্যক্ত হাদিস বর্ণনাকারী), তাঁরা তাঁর সম্পর্কে নীরবতা অবলম্বন করেছেন», অন্য এক স্থানে তিনি বলেছেন: «আদৌ কিছু নয়», আবার অন্য স্থানে বলেছেন: «পরিত্যক্ত»। আবু দাউদ(৪) বলেছেন: «তাঁরা তাঁর হাদিস বর্জন করেছেন»। আন-নাসায়ি(৫) বলেছেন: «চরম মিথ্যাবাদী», অন্য এক স্থানে তিনি বলেছেন: «রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর হাদিস জাল করার জন্য প্রসিদ্ধ চরম মিথ্যাবাদী চারজন, তিনি তাদের মধ্যে মুকাতিল ইবনে সুলায়মানের কথা উল্লেখ করেছেন»। আয-যাহাবি(৬) বলেছেন:

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন: ইয়াহিয়া ইবনে মাইন ইবনে আউন আল-গাতাফানি, তাঁদের আযাদকৃত গোলাম, বাগদাদি। অন্যতম প্রধান ইমাম, তিনি ইবনে উইয়াইনাহ এবং আবু উসামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বুখারি, মুসলিম ও আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন। তিনি ২০৩ হিজরিতে মদিনায় ইন্তেকাল করেন এবং তাঁকে নবীর খাটিয়ায় বহন করা হয়েছিল। তাঁর বয়স ছিল প্রায় ৭৭ বছর (তাবাকাতুল হুফফাজ ১৮৮। সিয়ারু আলামিন নুবালা ১১/৭১)।

(২) তিনি হলেন: মুহাম্মদ ইবনে সাদ ইবনে মানি' আল-বসরি আল-হাফিজ, ওয়াকিদির লেখক, বাগদাদে বসবাসকারী। তিনি আবু দাউদ আত-তায়ালিসি, ওয়াকিদি, হুশায়ম, ইবনে উইয়াইনাহ, ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আবু বকর ইবনে আবিদ দুনিয়া এবং আল-হারিস ইবনে আবি উসামাহ বর্ণনা করেছেন। তিনি ইলম ও ফজল সম্পন্ন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি সাহাবী, তাবেয়ি এবং তাঁর পরবর্তী সময় পর্যন্ত ব্যক্তিদের ওপর 'তাবাকাত' নামে একটি বিশাল গ্রন্থ রচনা করেন। তিনি ২৩০ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন (তাবাকাতুল হুফফাজ ১৮৬। সিয়ারু আলামিন নুবালা ১০/৬৬৪)।

(৩) মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে ইবরাহিম ইবনে মুগিরা ইবনে বারদিযবাহ আল-জু'ফি, তাঁদের আযাদকৃত গোলাম, ইসলামি সম্পর্কের সূত্রে, আবু আব্দুল্লাহ আল-বুখারি আল-হাফিজ। সাইয়্যিদুল মুরসালিনের হাদিসের ক্ষেত্রে আমিরুল মুমিনীন। তাঁর রচিত গ্রন্থাবলির মধ্যে রয়েছে (আত-তারিখুল কাবির)। তাঁর জন্ম ১৯৪ হিজরিতে এবং তিনি ২৫৬ হিজরির ঈদুল ফিতরের রাতে ইন্তেকাল করেন।

(তাকরিবুত তাহযিব পৃ. ৪৬৮। খুলাসাতু তায়যিবি তাহযিবিল কামাল ৩২৭)।

(৪) সুলায়মান ইবনে আল-আশ'আস ইবনে ইসহাক ইবনে বাশির ইবনে শাদ্দাদ আল-আজদি আস-সিজিস্তানি, আবু দাউদ। নির্ভরযোগ্য হাফিজ, সুনান ও অন্যান্য গ্রন্থের লেখক, বড় আলেমদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি ২৫৭ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন (তাবাকাতুল হুফফাজ ২৬৫। তাকরিবুত তাহযিব ২৫০)।

(৫) আহমদ ইবনে শুআইব ইবনে আলি ইবনে সিনান ইবনে বাহর ইবনে দিনার আন-নাসায়ি, আবু আব্দুর রহমান আল-কাজি। হাফিজ, সুনান গ্রন্থের রচয়িতা এবং অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ইমাম ও প্রসিদ্ধ হাফিজ। তিনি ৩০৪ হিজরিতে ৮৮ বছর বয়সে শহিদ হিসেবে ইন্তেকাল করেন (তাকরিবুত তাহযিব ৮০। খুলাসাতু তায়যিবি তাহযিবিল কামাল ৭)।

(৬) মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে উসমান ইবনে কাইমায, ইমাম, আল্লামা, হাফিজ, মুকরি, ইসলামের ঐতিহাসিক, আবু আব্দুল্লাহ আত-তুর্কমানি আল-ফারিকি আদ-দিমাশকি, যিনি আয-যাহাবি নামে পরিচিত। তিনি ৬৭৩ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং আঠারো বছর বয়সে ইলম অর্জন শুরু করেন। তিনি বিভিন্ন দেশে এক হাজার দুইশ'রও বেশি শায়খের কাছ থেকে হাদিস শুনেছেন। তাঁর অনেক গ্রন্থ রয়েছে যার মধ্যে অন্যতম (সিয়ারু আলামিন নুবালা)। তিনি ৭৪৮ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন এবং বাবুস সগির-এ সমাহিত হন (তাবাকাতুল হুফফাজ ৫২১। তাবাকাতুশ শাফিয়্যাহ ৩/৫৫)।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ২৮)
» أجمعوا على تركه «، وقال ابن حجر(1): «كذبوه وهجروه».(2)

إمامته في التفسير وثناء العلماء عليه:

ولئن كان مقاتل مردوداً من جهة الرواية، فما أكثر أن تجد لقب المفسر يتصدر كلمات المترجمين له، ومما يثبت هذه السابقة والمزية له رحمه الله ماروي من وجوه عن الإمام الشافعي قوله:

«الناس كلهم عيال على ثلاثة؛ على مقاتل في التفسير، وعلى زهير بن أبي سلمى في الشعر، وعلى أبي حنيفة في الكلام».

وقال علي بن يونس، عن خال بن صبيح: قيل لحماد بن أبي حنيفة(3): «إن مقاتلاً أخذ التفسير عن الكلبي، قال: كيف يكون هذا؟ وهو أعلم بالتفسير من الكلبي؟».

وقال عبد الله بن المبارك(4) - وقد نظر في تفسير مقاتل -: «ما أحسن تفسيره لو كان ثقة، ياله من علم لو كان له إسناد».

ولما سئل مقاتل بن حيان(5): أنت أعلم أو مقاتل بن سليمان؟ قال: «ما وجدت علم مقاتل في علم الناس، إلا كالبحر الأخضر في سائر البحور»(6).

وبالنظر إلى تقدم حياته، وتعدد منابع معلوماته من خلال رحلاته، يتبين لنا أنه إمام في التفسير بل من أوائل من كتب في تفسير كتاب الله عز وجل كاملاً.

--------------------------------------------

(1) هو: شيخ الإسلام، وإمام الحفاظ في زمانه، وحافظ الديار المصرية بل حافظ الدنيا مطلقا، شهاب الدين، أبو الفضل أحمد بن علي بن محمد بن محمد بن علي بن محمود بن أحمد الكناني العسقلاني ثم المصري الشافعي ولد سنة 773 هـ وصنف ومنه (فتح الباري شرح صحيح البخاري) مات سنة 852 هـ (طبقات الحفاظ 558. طبقات المفسرين 329).

(2) تهذيب الكمال في أسماء الرجال 28/ 439 - 441 وسير أعلام النبلاء 6/ 65، وتقريب التهذيب ص 545.

(3) حماد بن أبي حنيفة الإمام وكان من أهل الخير والصلاح والفقه، وسمع الحديث من أبيه ومالك بن مغول ومات شابا مات سنة 212 (سير أعلام النبلاء 6/ 403. طبقات الحنفية 148).

(4) عبد الله بن المبارك بن واضح الحنظلي مولاهم أبو عبد الرحمن المروزي أحد الأئمة الأعلام وشيوخ الإسلام، قال: كتبت عن أربعة آلاف شيخ، ولد ابن المبارك سنة 118 ومات سنة 181 هـ (سير أعلام النبلاء 8/ 378. خلاصة تذهيب تهذيب الكمال 212).

(5) وهو: مقاتل بن حيان البكري مولاهم النبطي أبو بسطام البلخي الخراز روىعن مجاهد وعروة وسالم وروى عنه إبراهيم ابن أدهم وابن المبارك وثقه ابن معين، مات سنة 150 هـ تقريبا (سير أعلام النبلاء 6/ 341. خلاصة تذهيب تهذيب الكمال 386)

(6) تهذيب الكمال في أسماء الرجال 28/ 439 - 441 وسير أعلام النبلاء 6/ 65. وتهذيب التهذيب 4/ 145.
» "তারা তাকে বর্জন করার ব্যাপারে একমত হয়েছেন," এবং ইবনে হাজার(১) বলেছেন: "তারা তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন এবং বর্জন করেছেন।"(২)

তাফসির শাস্ত্রে তাঁর ইমামত এবং তাঁর সম্পর্কে উলামায়ে কেরামের প্রশংসা:

যদিও মুকাতিল বর্ণনার দিক থেকে প্রত্যাখ্যাত ছিলেন, তবে জীবনীকারদের বর্ণনায় তাঁর নামের আগে 'মুফাসসির' উপাধিটি অনেক বেশি পাওয়া যায়। তাঁর এই অগ্রগণ্যতা ও বিশেষত্বের বিষয়টি (রাহিমাহুল্লাহ) ইমাম শাফিঈ থেকে বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত এই উক্তি দ্বারা প্রমাণিত হয়:

«সকল মানুষ তিন শ্রেণির ওপর নির্ভরশীল; তাফসিরের ক্ষেত্রে মুকাতিলের ওপর, কবিতার ক্ষেত্রে যুহায়ের বিন আবি সুলমার ওপর এবং ইলমে কালামের ক্ষেত্রে আবু হানিফার ওপর।»

আলী বিন ইউনুস খালিদ বিন সাবিহ থেকে বর্ণনা করেন: হাম্মাদ বিন আবু হানিফাকে(৩) বলা হলো: «মুকাতিল কালবি থেকে তাফসির গ্রহণ করেছেন। তিনি বললেন: এটা কীভাবে সম্ভব? অথচ তিনি তাফসিরের ক্ষেত্রে কালবি অপেক্ষা অধিক জ্ঞানী ছিলেন?»

আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক(৪) - যিনি মুকাতিলের তাফসির দেখেছিলেন - বলেছেন: «তাঁর তাফসির কতই না চমৎকার হতো যদি তিনি নির্ভরযোগ্য হতেন! তাঁর যদি সনদ থাকত তবে তা কতই না মহান ইলম হতো!»

যখন মুকাতিল বিন হাইয়ানকে(৫) জিজ্ঞেস করা হলো: আপনি কি বেশি জ্ঞানী নাকি মুকাতিল বিন সুলাইমান? তিনি বললেন: «মানুষের ইলমের মাঝে আমি মুকাতিলের ইলমকে এমন পেয়েছি যেমন অন্য সকল সমুদ্রের মাঝে বিশাল সবুজ সমুদ্রের ন্যায়»(৬)।

তাঁর জীবনের অগ্রবর্তী সময়কাল এবং তাঁর সফরের মাধ্যমে তথ্যের বিবিধ উৎসের দিকে লক্ষ্য করলে আমাদের নিকট স্পষ্ট হয় যে, তিনি তাফসির শাস্ত্রের একজন ইমাম ছিলেন, বরং তিনি ছিলেন মহান আল্লাহর কিতাবের পূর্ণাঙ্গ তাফসির রচনাকারী প্রথম দিকের ব্যক্তিদের একজন।

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন: শাইখুল ইসলাম, তাঁর সময়ের হাফিজদের ইমাম, মিশরের হাফিজ বরং সাধারণভাবে জগতের হাফিজ, শিহাবুদ্দিন আবু আল-ফজল আহমাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন মাহমুদ বিন আহমাদ আল-কিনানি আল-আসকালানি, অতঃপর আল-মিসরি আশ-শাফিঈ। তিনি ৭৭৩ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং অনেক গ্রন্থ রচনা করেন যার মধ্যে রয়েছে (ফাতহুল বারি শারহুল সহিহ আল-বুখারি)। তিনি ৮৫২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন (তাবাকাতুল হুফফাজ ৫৫৮, তাবাকাতুল মুফাসসিরিন ৩২৯)।

(২) তাহজিবুল কামাল ফি আসমাইর রিজাল ২৮/ ৪৩৯ - ৪৪১ এবং সিয়ারু আ'লামিন নুবালা ৬/ ৬৫, এবং তাকরিবুত তাহজিব পৃষ্ঠা ৫৪৫।

(৩) ইমাম হাম্মাদ বিন আবু হানিফা। তিনি কল্যাণের অধিকারী, সৎ এবং ফকিহ ছিলেন। তিনি তাঁর পিতা এবং মালিক বিন মিগওয়াল থেকে হাদিস শুনেছেন। তিনি ২১২ হিজরিতে যুবক অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন (সিয়ারু আ'লামিন নুবালা ৬/ ৪০৩, তাবাকাতুল হানাফিয়্যাহ ১৪৮)।

(৪) আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক বিন ওয়াদিহ আল-হানজালি মাওলাহুম আবু আব্দুর রহমান আল-মারওয়াযি, যিনি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইমাম এবং শাইখুল ইসলাম। তিনি বলেছেন: আমি চার হাজার শাইখ থেকে ইলম লিপিবদ্ধ করেছি। ইবনুল মুবারক ১১৮ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন (সিয়ারু আ'লামিন নুবালা ৮/ ৩৭৮, খুলাসাতু তাযহিবি তাহজিবিল কামাল ২১২)।

(৫) তিনি হলেন: মুকাতিল বিন হাইয়ান আল-বাকরি মাওলাহুম আন-নাবতি আবু বিসতাম আল-বালখি আল-খাররায। তিনি মুজাহিদ, উরওয়াহ এবং সালিম থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে ইব্রাহিম বিন আদহাম ও ইবনুল মুবারক বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি আনুমানিক ১৫০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন (সিয়ারু আ'লামিন নুবালা ৬/ ৩৪১, খুলাসাতু তাযহিবি তাহজিবিল কামাল ৩৮৬)।

(৬) তাহজিবুল কামাল ফি আসমাইর রিজাল ২৮/ ৪৩৯ - ৪৪১ এবং সিয়ারু আ'লামিন নুবালা ৬/ ৬৫ এবং তাহজিবুত তাহজিব ৪/ ১৪৫।
(খণ্ড: ১) যাওয়াইদু ইবনিল জাওযী আলা মুকাতিল ফিল উজুহি ওয়ান নাযাইর (পৃষ্ঠা: ২৯)
وتفسيره يتميز بالبساطة، والشمولية التامة بمعاني الآيات ونظائرها في القرآن، فليس له نظير في بابه من حيث الإحاطة بالمعنى ثم اختيار الرأي الأقوى في الآية.

والذي يظهر أن مقاتلاً من أوائل من كتبوا في علوم القرآن فله كتاب (الوجوه والنظائر).

وجميع من جاء بعده استفاد منه كالزركشي، والسيوطي وغيرهما.

 

‌‌وفاته:

توفي رحمه الله تعالى سنة 150 هـ، وهذا ما عليه الأكثرون(1).

 

‌‌آثاره:

ترك مقاتل للمكتبة الإسلامية آثاراً أصلية ورثها كل خلف عن أسلافهم يستنيرون بها الطريق، وينهلون من بحورها الزاخرة بالفوائد والعلوم، ومن مؤلفاته رحمه الله:

1_ التفسير الكبير.

وهو مطبوع بتحقيق د/ عبد الله محمود شحاتة.

2_ الرد على القدرية.

3_ الناسخ والمنسوخ.

4_ نوادر التفسير. وهذه الثلاثة في حكم المفقود(2)

5_ الأشباه والنظائر في القرآن الكريم. وهو مطبوع بتحقيق د / عبد الله محمود شحاته.

6_ تفسير خمسمائة آية من كتاب الله.

مخطوطة بالمتحف البريطاني تحت رقم (OR 6333)، وهو تفسير مطول ويتضمن أحكاماً فقهيه(3).

7_ الأقسام واللغات.

8_ الآيات المتشابهات.

تعريف موجز بكتاب مقاتل (الوجوه والنظائر):

--------------------------------------------

(1) بخلاف الذهبي فإنه قال مات مقاتل سنة نيف وخمسين ومائة، انظر سير أعلام النبلاء 7/ 202

(2) معجم المؤلفين 3/ 906.

(3) مقدمة محقق الوجوه والنظائر.
তাঁর তাফসির সহজবোধ্যতা এবং কুরআনের আয়াতসমূহের অর্থ ও সেগুলোর অনুরূপ (নাজাইর) অর্থকে পূর্ণরূপে অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত। অর্থের পরিব্যাপ্তি এবং আয়াতে সবচেয়ে শক্তিশালী অভিমত নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিজ বিষয়ে এর কোনো নজির নেই।

যা স্পষ্ট হয় তা হলো, মুকাতিল হলেন উলুমুল কুরআনের (কুরআন বিষয়ক জ্ঞান) ক্ষেত্রে প্রথম দিককার লেখকদের একজন। তাঁর রচিত 'আল-উজুহ ওয়ান নাজাইর' নামক একটি গ্রন্থ রয়েছে।

তাঁর পরে যারাই এসেছেন, যেমন যারকাশী, সুয়ূতী এবং অন্যান্যরা, সকলেই তাঁর থেকে উপকৃত হয়েছেন।

 

‌‌তাঁর মৃত্যু:

তিনি (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন) ১৫০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন এবং অধিকাংশের মত এটিই(১)।

 

‌‌তাঁর রচনাবলি:

মুকাতিল ইসলামী গ্রন্থাগারের জন্য এমন কিছু মৌলিক কাজ রেখে গিয়েছেন যা পরবর্তী প্রজন্ম তাদের পূর্বসূরীদের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে লাভ করেছে; এর মাধ্যমে তারা পথ আলোকিত করে এবং এর জ্ঞানসমৃদ্ধ বিশাল সমুদ্র থেকে উপকারিতা ও জ্ঞান আহরণ করে। তাঁর (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) রচিত গ্রন্থসমূহের মধ্যে রয়েছে:

১_ আল-তাফসিরুল কাবির।

এটি ড. আব্দুল্লাহ মাহমুদ শাহাতাহ্-এর সম্পাদনায় মুদ্রিত হয়েছে।

২_ আর-রাদ্দু আলাল কাদারিয়া।

৩_ আন-নাসিখ ওয়াল মানসুখ।

৪_ নাওয়াদিরুত তাফসির। আর এই তিনটি বিলুপ্ত গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত(২)

৫_ আল-আশবাহ ওয়ান নাজাইর ফিল কুরআনিল কারীম। এটি ড. আব্দুল্লাহ মাহমুদ শাহাতাহ্-এর সম্পাদনায় মুদ্রিত হয়েছে।

৬_ তাফসিরু খামসি মিআতি আয়াতিন মিন কিতাবিল্লাহ।

এটি ব্রিটিশ মিউজিয়ামে সংরক্ষিত একটি পাণ্ডুলিপি যার নম্বর (OR 6333), এটি একটি দীর্ঘ তাফসির এবং এতে ফিকহী বিধানাবলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে(৩)।

৭_ আল-আকসাম ওয়াল লুগাত।

৮_ আল-আয়াতুল মুতাশাবিহাত।

মুকাতিলের গ্রন্থ 'আল-উজুহ ওয়ান নাজাইর'-এর একটি সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:

--------------------------------------------

(১) যাহাবীর মতভিন্নতা রয়েছে; তিনি বলেছেন মুকাতিল ১৫০ হিজরির কিছুকাল পরে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: সিয়ারু আলামিন নুবালা ৭/২০২

(২) মু'জামুল মুআল্লিফীন ৩/৯০৬।

(৩) আল-উজুহ ওয়ান নাজাইর-এর সম্পাদকের ভূমিকা।