(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: -)
نزهة الحفاظ (أبو موسى المديني)
القسم: كتب السنة
الكتاب: نزهة الحفاظ
المؤلف: محمد بن عمر بن أحمد بن عمر بن محمد الأصبهاني المديني، أبو موسى (ت 581هـ)
المحقق: عبد الرضى محمد عبد المحسن
الناشر: مؤسسة الكتب الثقافية - بيروت
الطبعة: الأولى، 1406
عدد الصفحات: 109
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
নুযহাতুল হুফফাজ (হাফেজদের প্রমোদভ্রমণ) (আবু মুসা আল-মাদিনী)
বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ
গ্রন্থ: নুযহাতুল হুফফাজ
লেখক: মুহাম্মদ বিন উমর বিন আহমদ বিন উমর বিন মুহাম্মদ আল-আসবাহানী আল-মাদিনী, আবু মুসা (মৃত্যু ৫৮১ হিজরি)
সম্পাদক: আব্দুর রিদা মুহাম্মদ আব্দুল মুহসিন
প্রকাশক: মুয়াসসাসাতুল কুতুব আল-সাকাফিয়্যাহ - বৈরুত
সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৬
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১০৯
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৩১)
الْحَمد لله الْمُوفق الْمُثبت الدَّاعِي الْمُجيب الْمَدْعُو الْقَرِيب وصلواته الأزكى الأوفى الأتم على الْخَلِيل الحبيب المخلص الْمُنِيب والموفق اللبيب مُحَمَّد المصطفي الْمُعَلَّى وعَلى آله وَأَصْحَابه أَجْمَعِينَ وَسلم (تَسْلِيمًا) كثيراأما بعد فقد أخبرنَا أَبُو عَليّ الْحسن بن أَحْمد الْمقري بانتقاء وَالِدي وقراءته عَلَيْهِ أَنبأَنَا أَبُو الْفضل عبيد الله بن عبد الله الْهَرَوِيّ قدم علينا سنة سِتّ وَثَلَاثِينَ أَنبأَنَا مُحَمَّد بن أَحْمد بن جَعْفَر بنيسابور حَدثنَا مُحَمَّد بن عبد الله بن حمدوية قَالَ سَمِعت أَبَا بكر الْأَبْهَرِيّ الْفَقِيه يَقُول سَمِعت أَبَا بكر بن أبي دَاوُد يَقُول لأبي على النَّيْسَابُورِي يَا أَبَا عَليّ إِبْرَاهِيم عَن ابراهيم عَن ابراهيم من همفَقَالَ أَبُو عَليّ إِبْرَاهِيم بن طهْمَان عَن إِبْرَاهِيم بن عَامر البَجلِيّ عَن إِبْرَاهِيم النَّخعِيّفَقَالَ أَحْسَنت يَا أَبَا عَليّثمَّ قرأته على الإِمَام الْحَافِظ قوام السّنة أبي الْقَاسِم إِسْمَاعِيل بن مُحَمَّد رحمه الله عَلَيْهِ قلت لَهُ أخْبركُم أَحْمد بن عَليّ بن خلف أَنبأَنَا الْحَاكِم أَبُو عبد الله قَالَ سَمِعت الْفَقِيه أَبَا بكر الْأَبْهَرِيّ وَذكر مثله سَوَاء
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাওফিকদাতা, সুপ্রতিষ্ঠিতকারী, আহ্বানকারী, কবুলকারী, যাঁর নিকট প্রার্থনা করা হয় এবং যিনি নিকটবর্তী। তাঁর অত্যন্ত পবিত্র, পরিপূর্ণ ও সর্বাঙ্গীণ দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর অন্তরঙ্গ বন্ধু, প্রিয়তম, একনিষ্ঠ, আল্লাহর প্রতি প্রত্যাবর্তনকারী, তাওফিকপ্রাপ্ত ও বুদ্ধিমান মুহাম্মদ মুস্তফার ওপর, যিনি সমুন্নত; এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবীর ওপর। তাঁদের প্রতি বর্ষিত হোক প্রচুর শান্তি।অতঃপর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী হাসান বিন আহমদ আল-মুকরি আমার পিতার চয়ন ও তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল উবাইদুল্লাহ বিন আবদুল্লাহ আল-হারাবী, তিনি আমাদের নিকট ৩৬ সালে আগমন করেন; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন জাফর নিশাপুরে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন হামদাওয়াহ; তিনি বলেন: আমি ফকিহ আবু বকর আল-আভহারীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু বকর বিন আবি দাউদকে আবু আলী আন-নিশাপুরীকে বলতে শুনেছি— হে আবু আলী! ইব্রাহিম থেকে ইব্রাহিম, তিনি ইব্রাহিম থেকে—এঁরা কারা?তখন আবু আলী বললেন: ইব্রাহিম বিন তাহমান, তিনি ইব্রাহিম বিন আমির আল-বাজালী থেকে, তিনি ইব্রাহিম আন-নাখায়ী থেকে বর্ণনা করেছেন।তখন তিনি বললেন: আপনি চমৎকার বলেছেন, হে আবু আলী!এরপর আমি এটি পাঠ করে শুনিয়েছি ইমাম হাফেজ কাওয়ামুস সুন্নাহ আবুল কাসিম ইসমাইল বিন মুহাম্মদের নিকট—আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন; আমি তাঁকে বলেছি: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আলী বিন খালাফ; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাকিম আবু আবদুল্লাহ; তিনি বলেন: আমি ফকিহ আবু বকর আল-আভহারীকে বলতে শুনেছি— এরপর তিনি হুবহু একই বিষয় উল্লেখ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৩২)
(قَالَ الشَّيْخ) فَلَمَّا وجدت ذَلِك كتبت أَحَادِيث من جنسه ونوعه إِذْ لم أجد من سبقني إِلَى تصنيفه وَجمعه واستخرت الله عز وجل وَبِه استعنت فَبَدَأت أَولا بِالْإِسْنَادِ الَّذِي ذهب إِلَيْهِ الحافظان الْمَذْكُورَان تغمدهما الله سُبْحَانَهُ بِالصَّوَابِ وَهُوَ مَا قرأته على الإِمَام الَّذِي لم أر مثله فِي طَرِيقَته أبي طَاهِر عبد الْكَرِيم بن أبي الْفَتْح الحسنابادي تفضل الله عَلَيْهِ بمغفرته قلت لَهُ أخْبركُم أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ الْحَافِظ فِيمَا أَذِنَ لَكَ فِي رِوَايَتِهِ قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ يَحْيَى بْنِ جَعْفَرٍ الإِمَامُ بِإِصْبَهَانَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَفْصٍ الْمَغَازِلِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَشْعَثِ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ الْفَضْلِ حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَبْدِيُّ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ أَبِيهِ وَالْحَارِثِ بْنِ سُوَيْدٍ قَالا رَجَعْنَا مِنْ مَكَّةَ فَمَرَرْنَا بِأَبِي ذَرٍّ رضي الله عنه فَقَالَ مِنْ أَيْنَ أَقْبَلْتُمَا قُلْنَا مِنَ الْحَجِّ قَالَ لَعَلَّكُمَا تَمَتَّعْتُمَا قُلْنَا لَا قَالَ فَلا تَفْعَلا لأَنَّهَا لَمْ تَكُنْ لأَحَدٍ غَيْرِنَاقَالَ أَبُو بَكْرٍ يَعْنِيَ ابْنَ أَبِي دَاوُدَ إِبْرَاهِيمُ الأَوَّلُ ابْنُ طَهْمَانَ وَالثَّانِي ابْنُ مُهَاجِرٍ وَالثَّالِثُ التَّيْمِيُّ
(শাইখ বলেন) যখন আমি তা পেলাম, তখন আমি এ জাতীয় এবং এই প্রকারের হাদিসসমূহ লিপিবদ্ধ করলাম, যেহেতু এই বিষয়গুলো শ্রেণীবদ্ধকরণ এবং সংকলনে আমার পূর্বে কাউকে খুঁজে পাইনি। আমি মহান আল্লাহর কাছে ইস্তিখারা করেছি এবং তাঁরই সাহায্য প্রার্থনা করেছি। অতঃপর আমি প্রথমে সেই সনদ দিয়ে শুরু করলাম, যা উল্লিখিত দুই হাফেজ (হাদিস বিশারদ) গ্রহণ করেছেন—আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তাঁদের সঠিক পথে পরিচালিত করুন। আর তা হলো যা আমি এমন একজন ইমামের নিকট পাঠ করেছি, যাঁর মতো ব্যক্তিত্ব তাঁর কর্মপদ্ধতিতে আমি আর দেখিনি, তিনি হলেন আবু তাহের আব্দুল কারিম ইবনে আবুল ফাতহ আল-হাসনাবাদি—আল্লাহ তাঁর প্রতি ক্ষমার অনুগ্রহ বর্ষণ করুন। আমি তাঁকে বললাম, আবু বকর ইবনে আবুল হাসান আল-হাফেজ কি আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন সেই মর্মে যা তিনি আপনাকে বর্ণনা করার অনুমতি দিয়েছেন? তিনি বললেন, আমাকে ইস্পাহানের ইমাম আবুল হাসান আলী ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে জাফর সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে হাফস আল-মাগাজিলি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান ইবনুল আশআস, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনুল ফজল, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমির আল-আবদি, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা এবং হারিস ইবনে সুওয়াইদ থেকে বর্ণনা করেন, তাঁরা উভয়ই বলেন: আমরা মক্কা থেকে ফিরছিলাম, পথিমধ্যে আবু যার (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর নিকট দিয়ে অতিক্রম করলাম। তিনি বললেন, তোমরা কোথা থেকে এসেছ? আমরা বললাম, হজ থেকে। তিনি বললেন, সম্ভবত তোমরা তামাত্তু হজ করেছ? আমরা বললাম, না। তিনি বললেন, তবে তোমরা তা করো না, কারণ এটি আমাদের ব্যতীত অন্য কারো জন্য ছিল না।আবু বকর অর্থাৎ ইবনে আবি দাউদ বলেন, প্রথম ইব্রাহিম হলেন ইবনে তাহমান, দ্বিতীয় জন ইবনে মুহাজির এবং তৃতীয় জন হলেন আত-তাইমি।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
قَالَ وَهَذَا الصَّوَابُ دُونَ مَا ذُكِرَ فِي الْحِكَايَةِ فَإِنَّهُ وَهْمٌ وتصحيف (والْحَدِيث) رَوَاهُ مُسلم فى صَحِيحه الْجَمُّ الْغَفِيرُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي ذَرٍّ رضي الله عنهوَأَخْبَرَنَاهُ أَبُو عَلِيٍّ الْحَدَّادُ فِي كِتَابِهِ حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ حَدَّثَنَا أَسْلَمُ بْنُ سَهْلٍ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمَخْزُومِيُّ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ السَّرِيِّ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بن طهْمَان عَن إِبْرَاهِيم بن مُهَاجِرٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ عَنْ أَبِيهِ وَالْحَارِثِ بْنِ سُوَيْدٍ قَالا(حجَجنَا فَفَعَلْنَا فَمَرَرْنَا بِأَبِي ذَرٍّ رضي الله عنه فَقَالَ مِنْ أَيْنَ أَقْبَلْتُمَاقُلْنَا حجَجنَا قَالَ فتمتعتم قُلْنَا لَا قَالَ أَحْسَنْتُمْ إِنَّمَا كَانَت
তিনি বললেন, আর এটিই সঠিক, বর্ণনায় যা উল্লেখ করা হয়েছে তা ব্যতীত; কেননা তা ছিল বিভ্রম ও অনুলিখনের ভুল (তাসহিফ)। (আর হাদিসটি) মুসলিম তাঁর সহীহ গ্রন্থে এক বিশাল বর্ণনাকারী দলের মাধ্যমে ইবরাহিম আত-তাইমি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু যার (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন।আবু আলী আল-হাদ্দাদ আমাদের তাঁর কিতাবে এটি জানিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু নুআইম আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, সুলায়মান আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, আসলাম ইবনে সাহল আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, সাঈদ ইবনে আবদুর রহমান আল-মাখজুমি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, বিশর ইবনাস সাররি আমাদের ইবরাহিম ইবনে তাহমান থেকে, তিনি ইবরাহিম ইবনে মুহাজির থেকে, তিনি ইবরাহিম আত-তাইমি থেকে, তিনি তাঁর পিতা ও হারিস ইবনে সুওয়াইদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন:(আমরা হজ করেছি এবং এর কার্যাদি সম্পাদন করেছি, এরপর আমরা আবু যার (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলাম। তখন তিনি বললেন: তোমরা কোথা থেকে এসেছ?আমরা বললাম: আমরা হজ করেছি। তিনি বললেন: তোমরা কি তামাত্তু করেছ? আমরা বললাম: না। তিনি বললেন: তোমরা উত্তম কাজ করেছ, তা তো ছিল...
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
الْمُتْعَة لنا خَاصَّة) رَوَاهُ الإِمَام مُسلمقَالَ وَلا أَعْرِفُ لابْنِ مُهَاجِرٍ عَنِ التَّيْمِيِّ غَيْرَ هَذَا الْحَدِيثِ وَلَهُ عَنِ النَّخَعِيِّ أَحَادِيثُ كَثِيرَةٌ وَقَوْلُهُ فِي الْحِكَايَةِ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَامِرٍ فَعَامِرٌ تَصْحِيفُ مُهَاجِرٍ وَيَدُلُّ عَلَى ذَلِكَ أَيْضًا أَنَّ الْبَجَلِيَّ هُوَ ابْنُ مُهَاجِرٍ وَابْنُ عَامِرٍ جُمَحِيُّ لَا بَجَلِيٌّ وَاللَّهُ أَعَلْمُوَمِمَّا يُؤَيّد ذَلِك مَا أَخْبَرَنَا غَانِم بن الْفضل أَبُو الْخَيْرِ وَسَعِيدُ بْنُ أَبِي الرَّجَاءِ قَالَا أَنبأَنَا ابراهيم بن مَنْصُور أَنبأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمُقْرِيِّ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْبَغْدَادِيُّ حَدثنَا مُحَمَّد بن عبد الله المحرمي حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ حَدَّثَنَا مُفَضَّلُ بْنُ مُهَلْهَلٍ عَنْ بَيَانٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي الشَّعْثَاءِ قَالَكُنْتُ مَعَ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ وَإِبْرَاهِيمَ النَّخَعِيِّ فَقُلْتُ لَهُ لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ أَجْمَعَ الْعَامَ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ فَقَالَ إِبْرَاهِيمُ النَّخَعِيُّ لَوْ كَانَ أَبُوكَ لَمْ يَهْتَمَّ بِذَلِكَوَقَالَ إِبْرَاهِيمُ التَّيْمِيُّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي ذَرٍّ رضي الله عنه (كَانَتِ
(মুতআ কেবল আমাদের জন্যই নির্দিষ্ট ছিল) ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন।তিনি বলেন: ইবনে মুহাজির থেকে আত-তাইমির সূত্রে এই হাদীসটি ছাড়া অন্য কোনো হাদীস আমার জানা নেই। তবে আন-নাখায়ীর সূত্রে তার অনেক হাদীস রয়েছে। বর্ণনায় তার উক্তি ‘ইব্রাহিম বিন আমির’-এর ক্ষেত্রে ‘আমির’ শব্দটি মূলত ‘মুহাজির’ শব্দের একটি লিখনশৈলীগত বিচ্যুতি। এর প্রমাণ এটিও যে, আল-বাজালি হলেন ইবনে মুহাজির, আর ইবনে আমির হলেন জুমাহি গোত্রের, বাজালি নন। আর আল্লাহই অধিক ভালো জানেন।একে যা সমর্থন করে তা হলো যা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন গানিম বিন আল-ফাদল আবুল খাইর এবং সাঈদ বিন আবিল রাজা; তারা বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইব্রাহিম বিন মানসুর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-মুকরি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন জাফর আল-বাগদাদি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-মুহাররামি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আদম, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুফাদ্দাল বিন মুহালহাল, বায়ানের সূত্রে আব্দুর রহমান বিন আবুল শা’সা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:আমি ইব্রাহিম আত-তাইমি এবং ইব্রাহিম আন-নাখায়ীর সাথে ছিলাম। তখন আমি তাকে বললাম, আমি এই বছর হজ ও ওমরাহ একত্রে পালন করার সংকল্প করেছি। তখন ইব্রাহিম আন-নাখায়ীয় বললেন, তোমার পিতা বেঁচে থাকলে তিনি এমন সংকল্প করতেন না।এবং ইব্রাহিম আত-তাইমি তার পিতার সূত্রে আবু যার (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, (এটি ছিল...
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
الْمُتْعَةُ لَنَا خَاصَّةً)
মুতআ আমাদের জন্য নির্দিষ্ট ছিল)
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
فنبدأ الْآن بِإِسْنَاد اجْتمع فِيهِ المحمدون تبركا باسم المصطفي صلى الله عليه وسلم ثمَّ نتبعه بِأَحَادِيث من جنسه على تَرْتِيب حُرُوف المعجم فِي أسامي الْأَسْمَاء الَّذين وَقعت رواياتهم بَعضهم عَن بعضوشرطت أَلا تكون أقل من ثَلَاثَة فَصَاعِدا لِأَن مادون الثَّلَاثَة يكثر وُقُوعه فِي الْأَسَانِيد فَلَا (مندوحة) من جمعه
সুতরাং আমরা এখন এমন একটি বর্ণনাসূত্র (ইসনাদ) দিয়ে শুরু করছি যেখানে মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নামের বরকত লাভের উদ্দেশ্যে 'মুহাম্মদ' নামধারী বর্ণনাকারীগণ একত্রিত হয়েছেন। অতঃপর আমরা সেই একই শ্রেণির হাদিসসমূহকে ঐ সকল ব্যক্তিদের নামের বর্ণানুক্রম অনুযায়ী ধারাবাহিকভাবে উল্লেখ করব, যাদের বর্ণনা একে অপরের থেকে বর্ণিত হয়েছে।এবং আমি এই শর্তারোপ করেছি যে, (একই নামের বর্ণনাকারী) তিন জন বা তার অধিক হতে হবে; কারণ তিন জনের কম হওয়ার বিষয়টি বর্ণনাসূত্রসমূহে অহরহ ঘটে থাকে, তাই তা সংকলন করার মাঝে বিশেষ কোনো অবকাশ নেই।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
(فصل)(المسلسل بالمحمدين)رِوَايَة أحد عشر من المحمدين بَعضهم عَن بعضحَدَّثَنِي أَوْحَدُ (وَقْتِهِ) فِي الْحِفْظِ أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ طَاهِرٍ الْمَقْدِسِيُّ رحمه الله لفظا سنة 555 هـ قَدِمَ عَلَيْنَا قَالَ إِنَّ أَبَا طَاهِرٍ مُحَمَّدَ بْنَ عَبْدِ الْوَهَّابِ الْبَزَّاز بِالريِّ أخبرنَا قَالَ أَنبأَنَا أَبُو الطَّاهِر مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بن حمدَان أَنبأَنَا أَبُو الْهَيْثَمِ مُحَمَّدُ بْنُ الْمَكِّيِّ أَنبأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ الْقُوَيْرِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ وَهْبٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَرْب حَدثنَا مُحَمَّد بن الْوَلِيد الزبيدِيّ أَنبأَنَا الزُّهْرِيُّ وَاسْمُهُ مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ زَيْنَب بنت أبي سَلمَة عَن أم سَلمَة رضي الله عنها أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَأَى فِي بَيْتِهَا جَارِيَةً فِي وَجههَا سفعة فَقَالَ اسْتَرْقُوا لَهَا
(পরিচ্ছেদ)(মুহাম্মদ নামের ব্যক্তিদের দ্বারা ধারাবাহিকভাবে বর্ণিত হাদিস)একে অপরের থেকে এগারোজন মুহাম্মদ নামক ব্যক্তির বর্ণনাহিফজ বা মুখস্থকরণের ক্ষেত্রে তাঁর সময়ের অদ্বিতীয় ব্যক্তিত্ব আবু আল-ফাদল মুহাম্মদ ইবন তাহির আল-মাকদিসি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) ৫৫৫ হিজরি সনে আমাদের কাছে আসার পর মৌখিকভাবে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাই শহরে আবু তাহির মুহাম্মদ ইবন আবদ আল-ওয়াহহাব আল-বায্যায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আবু আল-তাহির মুহাম্মদ ইবন আহমাদ ইবন আলি ইবন হামদান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আবু আল-হাইসাম মুহাম্মদ ইবন আল-মাক্কি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। মুহাম্মদ ইবন ইউসুফ আল-কুওয়াইরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। মুহাম্মদ ইবন ইসমাইল আল-বুখারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মদ ইবন খালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মদ ইবন ওয়াহাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মদ ইবন হারব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মদ ইবন আল-ওয়ালিদ আল-যুবাইদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। আল-যুহরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—যাঁর নাম মুহাম্মদ ইবন মুসলিম—তিনি উরওয়াহ ইবন আল-যুবাইর থেকে, তিনি যয়নব বিনত আবি সালামাহ থেকে, আর তিনি উম্মে সালামাহ (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) তাঁর ঘরে একটি ছোট মেয়েকে দেখলেন যার চেহারায় কালচে দাগ ছিল। তখন তিনি বললেন, "তোমরা তার জন্য রুকইয়াহ (ঝাড়ফুঁক)-এর ব্যবস্থা করো।"
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
فَإِن بهَا النظرة رَوَاهُ البخارىرِوَايَة عشرَة من المحمدين أَيْضا بَعضهم عَن بعضأَخْبَرَنَا أَبُو رَجَاء بْنُ أَحْمَدَ فِي كِتَابِهِ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الضراب الْهَمدَانِي بهاء حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَليّ بن مالحة الأَصْبَهَانِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ صَالِحٍ الصُّوفِيُّ وَمُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْعَبَّاسِوَقَرَأْتُهُ عَلَى الشَّيْخِ أَبِي الْعَبَّاسِ أَحْمَدَ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ أَبِي الْفَتْحِ الْمُؤَذِّنِ فِي الْجَامِعِ الْعَتِيقِ مَقَامًا قُلْتُ لَهُ أَخْبَرَكُمْ أَبُو مَنْصُورِ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ قَالُوا أَنبأَنَا الإِمَام أَبُو عبد الله مُحَمَّد بن إِسْحَاقَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَمْزَةَ بْنِ عمَارَة وَمُحَمّد بن عَمْرو بن الْبَحْتَرِيُّ قَالا حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى بْنِ حِبَّانَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْل هُوَ ابْنُ
কেননা তাতে লাবণ্য রয়েছে, এটি বুখারি বর্ণনা করেছেন।দশজন মুহাম্মদ নামীয় ব্যক্তির বর্ণনাও রয়েছে যারা একে অপরের থেকে বর্ণনা করেছেন।আবু রাজা বিন আহমদ তার কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমদ আদ-দাররাব আল-হামদানি সেখানে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আলী বিন মালিহা আল-আসবাহানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন সালেহ আস-সুফি এবং মুহাম্মদ বিন আলী বিন আহমদ বিন আল-আব্বাস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।এবং আমি এটি শায়খ আবুল আব্বাস আহমদ বিন আল-ফজল বিন আবুল ফাতহ আল-মুয়াজ্জিনের নিকট প্রাচীন মসজিদে (জামে আতিক) অবস্থানকালে পাঠ করেছি। আমি তাকে বললাম, আবু মনসুর বিন আবুল হাসান কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন? তারা বললেন, ইমাম আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ বিন হামজা বিন আমারা এবং মুহাম্মদ বিন আমর বিন আল-বাহতারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়ে বলেছেন, মুহাম্মদ বিন ঈসা বিন হিব্বান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন আল-ফজল—যিনি হলেন ইবনে—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
عَطِيَّةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ وَاسِعٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ يَحْرُمُ عَلَى النَّارِ كُلُّ هَيِّنٍ لَيِّنٍ سَهْلٍ قَرِيبٍ اخرجه الإِمَام أَحْمد فى الْمسندرَوَاهُ جَرِيرُ بْنُ سَعِيدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ وَاسِعٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ الْحَنَفِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه صَححهُ الْحَاكِمرِوَايَة عشرَة آخَرين مِمَّن يسمون مُحَمَّدًاأَخْبَرَنَا أَبُو الرَّجَاءِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عبد الله الضراب الهمذاني بهاء حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مَالِجَةَ الأَصْبَهَانِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّد بن عبد الله بن صَالِحٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ يُوسُفَ وَكَتَبَهُ إِلَيَّ عَالِيًا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ التَّاجِرُ رحمه الله مِنْ نَيْسَابُورَ أَنَّ أَبَا سَعِيدٍ مُحَمَّدَ بْنَ أَبْيِ عَمْرِو بْنِ الْفَضْلِ أَخْبَرَهُمْ حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ يُوسُفَ الأُمَوِيُّ حَدثنَا مُحَمَّد بن عبد الله بْنِ عَبْدِ الْحَكَمِ بْنِ أَعْيَنَ أَنبأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي فُدَيْكٍ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ وَاسْمُهُ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ الزُّهْرِيِّ وَهُوَ مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ عَنِ
আতিয়্যাহ থেকে বর্ণিত, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ওয়াসি থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে সিরিন থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (আল্লাহর রহমত ও শান্তি তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: "জাহান্নামের আগুনের জন্য প্রত্যেক ঐ ব্যক্তি হারাম যে কোমল, বিনম্র, সহজ-সরল এবং মানুষের নিকটবর্তী।" ইমাম আহমাদ এটি আল-মুসনাদ গ্রন্থে উদ্ধৃত করেছেন।জারির ইবনে সাঈদ এটি মুহাম্মদ ইবনে ওয়াসি থেকে, তিনি আবু সালিহ আল-হানাফি থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন) থেকে বর্ণনা করেছেন; ইমাম হাকিম এটিকে সহীহ বলেছেন।মুহাম্মদ নামে পরিচিত আরো দশজন ব্যক্তির বর্ণনা।আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আর-রাজা মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আদ-দাররাব আল-হামাদানি—সেখানে অবস্থানকালে—তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে আলি ইবনে মালিজাহ আল-আসবাহানি, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সালিহ, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইউসুফ। আর নাইশাপুর থেকে আবু বকর ইবনে আবিল হাসান আত-তাজির (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন) উচ্চ সনদে আমার নিকট এটি লিখে পাঠিয়েছেন যে, আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনে আবি আমর ইবনুল ফজল তাঁদেরকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইউসুফ আল-উমায়ি, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল হাকাম ইবনে আয়ান, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে আবি ফুদাইক, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি দি’ব—যার নাম মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান—তিনি ইবনে শিহাব আজ-জুহরি (যিনি হলেন মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম) থেকে...
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৪০)
السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ رضي الله عنهإِنَّ النِّدَاءَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ كَانَ أَوَّلُهُ إِذَا خَرَجَ الإِمَامُ فِي زَمَانِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَفِي زمَان أبي بكر وَفِي زَمَانِ عُمَرَ رضي الله عنهما إِذَا خَرَجَ الإِمَامُ وَإِذَا قَامَت الصَّلَاة حَتَّى زَمَانُ عُثْمَانَ رضي الله عنه فَكَثُرَ النَّاسُ فَزَادَ النِّدَاءَ الثَّالِثَ عَلَى الزَّوْرَاءِ فَثَبَتَ حَتَّى السَّاعَةِ اخرجه البخارىرِوَايَة عشرَة آخَرين مِنْهُمأَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْفَضْلِ الْمُؤَذِّنُ فِيمَا قَرَأْتُهُ عَلَيْهِ وَغَيْرُهُ قِرَاءَة عَلَيْهِ قَالَا أَنبأَنَا أَبُو مَنْصُورِ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ أَنبأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي يَعْقُوبَ الْحَافِظُ وَأخْبرنَا أَبُو الرَّجَاءِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ فِي كِتَابه أَنبأَنَا أَبُو
আস-সাইব ইবনে ইয়াজিদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত।নিশ্চয়ই জুমুআর দিনের আজান রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর যুগে এবং আবু বকর ও উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর যুগে ইমামের (মিম্বারে) বহির্গমনের সময় এবং সালাত শুরু হওয়ার (ইকামত) সময় পর্যন্তই সীমাবদ্ধ ছিল। পরিশেষে উসমান (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর জামানায় যখন লোকসংখ্যা বৃদ্ধি পেল, তখন তিনি যাওয়ারা নামক স্থানে তৃতীয় আজানটি বৃদ্ধি করেন। অতঃপর বর্তমান সময় পর্যন্ত এটিই বলবৎ রয়েছে। ইমাম বুখারী এটি বর্ণনা করেছেন।তাদের মধ্য হতে আরও দশজনের বর্ণনা।আবু আব্বাস আহমাদ ইবনুল ফজল আল-মুয়াজ্জিন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যা আমি তাঁর সম্মুখে পাঠ করেছি এবং অপর ব্যক্তিও তাঁর নিকট পাঠ করেছেন, তাঁরা বলেন: আবু মানসুর ইবনে আবুল হাসান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাফেজ মুহাম্মদ ইবনে আবু ইয়াকুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। এবং আবু রাজা মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ তাঁর কিতাবে আমাদের অবহিত করেছেন যে, আবু...
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৪১)
بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الضَّرَّابُ الهمذاني بهاء حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مَالِجَةَ الأَصْبَهَانِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّد بن عبد الله بن صَالِحٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي يَعْقُوب أَنبأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى أَبُو حَاتِمٍ الرَّازِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِدْرِيسَ بْنِ الْمُنْذِرِ وَهُوَ أَيْضًا أَبُو حَاتِمٍ الرَّازِيُّ الإِمَامُ الْمَشْهُورُ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ عَن مُحَمَّد بن عَمْرو وَعَن مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ عَبَّادٍ رضي الله عنه قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يخْطب بمنى أخرجه البخارى
বকর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আদ-দাররাব আল-হামাদানি সেখানে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আলী ইবনে মালিজাহ আল-আসফাহানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে সালিহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আবু ইয়াকুব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে ঈসা আবু হাতিম আর-রাজি আমাদের সংবাদ প্রদান করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইদরিস ইবনুল মুনযির—যিনি প্রখ্যাত ইমাম আবু হাতিম আর-রাজিও বটে—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-আনসারি আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে আমর এবং মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা রাবিআহ ইবনে আব্বাদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: "আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মিনায় খুতবা প্রদান করতে দেখেছি।" এটি বুখারি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
(فصل)(المسلسل بإبراهيم)رِوَايَة أَرْبَعَة مِمَّن يسمون إِبْرَاهِيم بَعضهم عَن بعض سوى الْمُتَقَدِّمينقَرَأْتُ عَلَى الأُسْتَاذِ الإِمَامِ أَبِي الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْحَافِظِ رحمه الله أَخْبَرَكُمْ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ أَبُو إِسْحَاقَ الطنان الْقفال بِقِرَاءَتِك عَلَيْهِ أَنبأَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ خُورْشِيدَ قَوْلَهُ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ بَطْحَاءَ الْمُحْتَسِبُ ثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْوَلِيدِ الْجَشَّاشُ حَدَّثَنَا أَبُو غَسَّانَ مَالِكُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ النَّهْدِيُّ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رضي الله عنه قَالَ
(পরিচ্ছেদ)(ইবরাহীম নামীয় রাবীদের ধারাক্রম)পূর্ববর্তীদের ব্যতীত এমন চারজন ব্যক্তির বর্ণনা যাদের প্রত্যেকের নাম ইবরাহীম এবং তাঁরা একে অপরের থেকে বর্ণনা করেছেন।আমি উস্তাদ, ইমাম আবুল কাসিম ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মদ আল-হাফিয (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)-এর নিকট পাঠ করেছি। তিনি বলেন, ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহীম আবু ইসহাক আত-তান্নান আল-কাফফাল তাঁর নিকট আপনার পাঠের মাধ্যমে আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু ইসহাক ইবরাহীম ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে খুরশীদ আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে বাতাহ আল-মুহতাসিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইসহাক ইবরাহীম ইবনে আল-ওয়ালীদ আল-জাশশাশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু গাসসান মালিক ইবনে ইসমাঈল আন-নাহদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসরাঈল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবুল আহওয়াস থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন-
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ آمُرَ رَجُلا يُصَلِّي بِالنَّاسِ ثُمَّ آمُر بِرِجَالٍ لَا يَشْهَدُونَ الصَّلاةَ تُشْعَلُ عَلَيْهِم بُيُوتهم نَارا اخرجه الشَّيْخَانِوَأَخْبَرَنَا الإِمَامُ أَبُو الْقَاسِمِ رحمه الله أَنبأَنَا ابراهيم بن مُحَمَّد أَنبأَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ بَطْحَاءَ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْعَبْسِيُّ بِالْكُوفَةِ أَنبأَنَا وَكِيعٌ عَنِ الأَعْمَشِ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أخرجه مُسلم وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَا تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ حَتَّى تُؤْمِنُوا وَلا تُؤْمِنُوا حَتَّى تَحَابُّوا أَوَلا أَدُلُّكُمْ عَلَى شَيْءٍ إِذَا
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আমি সংকল্প করেছিলাম যে, একজনকে আদেশ করব যেন সে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে, এরপর আমি এমন কিছু লোককে নির্দেশ দেব যারা সালাতে উপস্থিত হয় না এবং তাদের ঘরবাড়ি আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেব।" এটি শাইখাইন (বুখারী ও মুসলিম) বর্ণনা করেছেন।ইমাম আবুল কাসিম (রহিমাহুল্লাহ) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবরাহিম ইবনে আবদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবরাহিম ইবনে বাতহা আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, ইবরাহিম ইবনে আবদুল্লাহ আল-আবসি কুফায় আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, ওকি’ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন—এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন— "সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে না যতক্ষণ না মুমিন হবে, আর তোমরা মুমিন হতে পারবে না যতক্ষণ না একে অপরকে ভালোবাসবে। আমি কি তোমাদের এমন একটি বিষয়ের কথা বলে দেব না যা যখন..."
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
فَعَلْتُمُوهُ تَحَابَبْتُمْ أَفْشُوا السَّلامَ بَيْنَكُمْوَأخْبرنَا أخرجه الْحَافِظ ابو مُوسَى الإِمَامُ أَبُو الْقَاسِمِ رحمه الله أَنبأَنَا ابراهيم بن مُحَمَّد أَنبأَنَا مُحَمَّدِ بْنِ خُورْشِيدَ قَوْلَهُ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بن اسحاق الصُّوفِي بِالْكُوفَةِ حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ أَبِي رُوبَا قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَبْدِ الْمَلِكِ بن الْحر يَذْكُرُ عَنْ أَبِيهِ عَنْ طَلْحَةَ عَنْ خَيْثَمَةَ قَالَ كُنْتُ عِنْدَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رضي الله عنهما إِذْ جَاءَ قَهْرُمَانٌ لَهُ فَقَالَ أَعْطَيْت الرفيق قُوَّتَهُمْ قَالَ لَا قَالَ فَانْطَلِقْ فَأَعْطِهِمْ ثُمَّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَفَى بِالْمَرْءِ إِثْمًا أَنْ يَحْبِسَ عَمَّنْ يَمْلِكُ قُوَّتَهُ
তোমরা যদি তা করো তবে একে অপরকে ভালোবাসবে; তোমরা নিজেদের মধ্যে সালামের প্রচার করো।এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—এটি হাফিজ আবু মুসা বর্ণনা করেছেন—ইমাম আবুল কাসিম (রহিমাহুল্লাহ) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে খুরশিদ তাঁর উক্তিটি আমাদের জানিয়েছেন যে, কুফায় ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে ইসহাক আস-সুফি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, আবু হাফস উমর ইবনে আবি রুবা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুর রহমান ইবনে আবদুল মালিক ইবনুল হুরকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি তালহার সূত্রে, তিনি খাইসামার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিকট ছিলাম, তখন তাঁর একজন খাদেম এল। তিনি বললেন, "তুমি কি দাসদের তাদের খাদ্য দিয়েছ?" সে বলল, "না।" তিনি বললেন, "তবে যাও এবং তাদের খাদ্য প্রদান করো।" অতঃপর তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "কোনো ব্যক্তির পাপী হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে যাদের খাদ্যের দায়িত্বশীল তাদের খাদ্য আটকে রাখে।"
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৪৬)
رِوَايَة أَرْبَعَة آخَرين من الأبارهة بَعضهم عَن بعضأَخْبَرَنَا أَبُو الْخَيْر الْمُؤَدب وَزَوجته قَالَا أنبأتنا عَائِشَة العالمة قَالَت أَنبأَنَا أَبُو الْحُسَيْن بن مُحَمَّد الشِّيرَازِيّ حَدثنَا عبد الْوَاحِد بن بكر حَدثنَا إِبْرَاهِيم بن أبي نعيم هُوَ القتبي بغدادي حَدثنَا إِبْرَاهِيم بن نصر حَدثنَا إِبْرَاهِيم بن بشار الْخُرَاسَانِي قَالَسَمِعت ابراهيم بن أدهم يَقُول مَرَرْت بِبَعْض بِلَاد الشَّام فَرَأَيْت مَقْبرَة فَإِذا قبر عَال مشرف عَلَيْهِ مَكْتُوب فَقَرَأته فَإِذا فِيهِ عِبْرَة وَكَلَام حسن أخرجه أَبُو دَاوُد وَكَانَ يَقُول كثيرا زينها الله فَهِيَ مَجْلِسه
ইবরাহিম নামধারী আরও চারজনের বর্ণনা, যাঁরা একে অপরের থেকে বর্ণনা করেছেন।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-খায়র আল-মুয়াদ্দিব এবং তাঁর স্ত্রী; তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিদুষী আয়েশা; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ আল-শিরাজি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল ওয়াহিদ বিন বকর; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন আবি নুআইম—যিনি বাগদাদের কুতাবি; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন নাসর; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম বিন বাশশার আল-খুরাসানি, তিনি বলেন:আমি ইবরাহিম বিন আদহামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি শাম দেশের কোনো এক অঞ্চলের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম, তখন একটি কবরস্থান দেখতে পেলাম। সেখানে একটি উঁচু ও উন্নত কবর ছিল যার ওপর কিছু লেখা ছিল। আমি তা পাঠ করলাম এবং তাতে শিক্ষণীয় ও সুন্দর কথা দেখতে পেলাম। এটি আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন এবং তিনি প্রায়ই বলতেন: আল্লাহ একে সুশোভিত করেছেন, সুতরাং এটিই তাঁর মজলিস।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
قَالَ وَكَانَ إِبْرَاهِيم بن أدهم يَقُول داؤنا أمامنا وحاسيا بعد موتنا إِمَّا إِلَى الْجنَّة وَإِمَّا إِلَى النَّاررِوَايَة جمَاعَة آخَرين من الأبارهة بَعضهم عَن بعضأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي نَصْرٍ الْحَافِظُ أَنبأَنَا مَحْمُود بن جَعْفَر أَنبأَنَا أَحْمد بن مُوسَى أَنبأَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبَانِ بْنِ رُسْتَهْ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُسْلِمٍ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ يَسَارٍ الرَّمَادِيُّ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ دَاوُدَ بْنِ شَابُورَ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ رضي الله عنهأَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَنْ سَأَلَ وَلَهُ أَرْبَعُونَ دِرْهَمًا أَوْ قِيمَتُهَا فَهُوَ مُلْحِفٌ وَهُوَ مِثْلُ سفه المله أخرجه النسائى بِسَنَدِهِ وَلَفظه
তিনি বলেন, ইবরাহীম বিন আদহাম বলতেন, আমাদের ব্যাধি আমাদের সামনে এবং আমাদের মৃত্যুর পর এক অবধারিত পরিণতি—হয় জান্নাত, না হয় জাহান্নাম।একাধিক 'ইবরাহীম' নামীয় বর্ণনাকারীর বর্ণনা, যারা একে অপরের থেকে বর্ণনা করেছেন।শায়খ আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আবী নাসর আল-হাফিয আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মাহমুদ বিন জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ বিন মূসা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবরাহীম বিন আবান বিন রুস্তাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ বিন মুসলিম আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইবরাহীম বিন ইয়াসার আর-রামানী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সুফিয়ান বিন উয়াইনা আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন দাউদ বিন শাবুর থেকে, তিনি আমর বিন শুয়াইব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেছেন—যে, রাসূলুল্লাহ (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: "যার কাছে চল্লিশ দিরহাম বা তার সমমূল্যের সম্পদ থাকা সত্ত্বেও সে যাচ্ঞা করে, সে নাছোড়বান্দা যাচ্ঞাকারী এবং এটি গরম ছাই চিবানোর সমতুল্য।" ইমাম নাসায়ী তাঁর নিজস্ব সূত্রে ও শব্দে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
(فصل)(المسلسل بِإِسْمَاعِيل)قَرَأْتُ عَلَى أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ التَّاجِرِ قُلْتُ لَهُ أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ الْعَبْدِيُّ أَنبأَنَا أَبِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ يَعْقُوبَ (هُوَ الْبَغْدَادِيُّ) يَعْنِي بِمِصْرَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ هُوَ الْقَاضِي حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ حَدَّثَنَا أبي عَن يحيى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ وَعَطَاءِ بْنِ يَسَارٍأَنَّهُمَا أَتَيَا أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ رضي الله عنه فَسَأَلَاهُ عَن الحرورية فَقَالَا هَلْ سَمِعْتَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَذْكُرُهَا فَقَالَ لَا أَدْرِي مَا الْحَرُورِيَّةُ وَلَكِنِّي سَمِعْتَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُيَخْرُجُ فِي هَذِهِ الأُمَّةِ قَوْمٌ وَلَمْ يَقُلْ مِنْهَا قوم يحقرون صَلَاتكُمْ مَعَ صلَاتهم يقرأون الُقْرآنَ لَا يُجَاوِزُ حُلُوقَهُمْ أَوْ حَنَاجِرهمْ يَمْرُقُونَ من الدّين مروق السَّهْمُ مِنَ الرَّمِيَّةِ
(পরিচ্ছেদ)(ইসমাঈল নামীয় বর্ণনাকারীদের ধারাবাহিকতায় বর্ণিত মুসালসাল হাদিস)আমি আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আত-তাজিরের নিকট পাঠ করেছি। আমি তাঁকে বললাম, আবুল কাসিম আল-আবদি কি আপনাদের অবহিত করেছেন যে, আমার পিতা ইসমাঈল বিন ইয়াকুব (যিনি বাগদাদি) মিশরে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন? তিনি বলেন: ইসমাঈল বিন ইসহাক আল-কাদি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসমাঈল বিন আবু উওয়াইস আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা ইয়াহইয়া বিন সাঈদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম থেকে, তিনি আবু সালামাহ ও আতা বিন ইয়াসার থেকে বর্ণনা করেছেন যে,তাঁরা উভয়ে আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর নিকট উপস্থিত হলেন এবং তাঁকে হারুরিয়াহ সম্প্রদায় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তাঁরা বললেন: আপনি কি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাদের বিষয়ে আলোচনা করতে শুনেছেন? তিনি বললেন: হারুরিয়াহ কী তা আমি জানি না, তবে আমি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি:এই উম্মতের মধ্যে এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে—তিনি 'এই উম্মত থেকে' বলেননি—যাদের সালাতের তুলনায় তোমরা তোমাদের সালাতকে তুচ্ছ মনে করবে। তারা কুরআন পাঠ করবে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালি কিংবা গলদেশ অতিক্রম করবে না। তারা দ্বীন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমন শিকার ভেদ করে তির বেরিয়ে যায়।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৫০)
يَنْظُرُ الرَّامِي إِلَى سَهْمِهِ ثُمَّ إِلَى نصله ثمَّ إِلَى رصافه ويتمارى فِي الفوق هَل علق من الدَّم شَيْئا رَوَاهُ البخارى بِسَنَدِهِجمَاعَة آخَرُونَ مِنْهُمأَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بن أبي نصر التَّاجِر أَنبأَنَا أَبُو مَنْصُور المسهري أَنبأَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ اسحاق أَنبأَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ نَصْرٍ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ خَالِدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا مَالِكٍ الأَشْعَرِيَّ رضي الله عنه يَقُولُإِنَّ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ فِي حُجَّةِ الْوَدَاعِ فِي وَسْطِ أَيَّامِ الأَضْحَى أَلَيْسَ هَذَا يَوْمٌ حَرَامٌ قَالُوا بَلَى
তীরন্দাজ তার তীরের দিকে তাকাবে, তারপর তার ফলার দিকে, তারপর তার তীরের ফলার বাঁধনের (রসাফ) দিকে এবং সে তীরের উপরিভাগ (নক) নিয়ে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করবে যে তাতে রক্তের কোনো চিহ্ন লেগেছে কি না। ইমাম বুখারি তাঁর সনদে এটি বর্ণনা করেছেন।তাঁদের মধ্য থেকে আরও এক জামাতমুহাম্মদ ইবন আবু নাসর আত-তাজির আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মনসুর আল-মাসহারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন ইসহাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আলি ইবন মুহাম্মদ ইবন নাসর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসমাইল ইবন ইসহাক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল ইবন আবু উওয়াইস আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল ইবন আব্দুল্লাহ ইবন খালিদ ইবন সাঈদ ইবন আবু মারয়াম তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: আমি আবু মালিক আল-আশআরি (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছি—নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হজের সময় কোরবানির দিনগুলোর মাঝে বলেছিলেন, "এটি কি একটি সম্মানিত দিন নয়?" তাঁরা বললেন, "অবশ্যই।"
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৫১)
أَخْبَرَنَا بِهِ عَالِيًا أَبُو عَلِيٍّ الْحَدَّادُ حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ الْحَافِظُ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ حَدَّثَنَا عَبَّاسُ بْنُ الْفَضْلِ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ
আবু আলী আল-হাদ্দাদ উচ্চ সনদে আমাদের তা অবহিত করেছেন, তিনি বলেন, আবু নুআইম আল-হাফিজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, সুলায়মান ইবনে আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আব্বাস ইবনুল ফাদল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইসমাইল ইবনে আবি উয়াইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৫২)
رِوَايَة جمَاعَة آخَرين مِنْهُمأَخْبَرَنَا الإِمَامُ الأَجَلُّ أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ الْحَافِظُ قِرَاءَة عَلَيْهِ أَنبأَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ أَنبأَنَا أَبُو بكر بن جرير أَنبأَنَا مُوسَى بْنُ سَهْلانَ أَبُو عِمْرَانَ بِتُسْتَرَ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الْبَرْبَهَارِيُّ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عِيسَى الْعَطَّارُ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ زَكَرِيَّا عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُسْلِمٍ عَنِ الْحَسَنِ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ الْخُزَاعِيِّ رضي الله عنه قَالَمَا خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خُطَبَهُ قَطُّ إِلا أَمَرَنَا فِيهَا بِالصَّدَقَةِ وَنَهَانَا
তাদের অন্তর্ভুক্ত আরও একদলের বর্ণনামহামান্বিত ইমাম আবুল কাসিম ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন আল-ফাদল আল-হাফিয তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর বিন জারীর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তুস্তারের মুসা বিন সাহলান আবু ইমরান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ বিন আলী আল-বারবাহারী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসমাইল বিন ঈসা আল-আত্তার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি ইসমাইল বিন যাকারিয়া থেকে, তিনি ইসমাইল বিন মুসলিম থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি ইমরান বিন হুসাইন আল-খুযায়ী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখনই আমাদের উদ্দেশ্যে কোনো ভাষণ দিয়েছেন, তাতে তিনি অবশ্যই আমাদের সদকা করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং আমাদের নিষেধ করেছেন...
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
عَن الْمثلَة اخرجه النسائى من سنَنه
অঙ্গহানি প্রসঙ্গে; এটি নাসাঈ তাঁর সুনানে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
(فصل)(المسلسل بِإسْحَاق)رِوَايَة جمَاعَة اسْم كل وَاحِد مِنْهُم إِسْحَاق بَعضهم عَن بعضأخبرنَا إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد اللبناني أَنبأَنَا أَبُو عبد الله البقالي أَنبأَنَا أَبُو الْحسن الجبائي أَنبأَنَا أَبُو عَمْرو بن السماك أَبُو الْقَاسِم إِسْحَاق بن إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن سِنِين الْخُتلِي حَدثنَا إِسْحَاق بن بهْلُول حَدثنَا إِسْحَاق بن الطباع عَن سُفْيَان عَن مخالد عَن الشّعبِيّ قَالَ
(পরিচ্ছেদ)(ইসহাক নামীয় রাবীদের ধারাবাহিকতায় বর্ণিত হাদীস)এমন একদল বর্ণনাকারীর বর্ণনা যাদের প্রত্যেকের নাম ইসহাক এবং তারা একে অপরের থেকে বর্ণনা করেছেন।আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহীম বিন মুহাম্মদ আল-লুবনানি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-বাক্কালি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আল-জুবায়ি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর বিন আস-সাম্মাক আবুল কাসিম ইসহাক বিন ইবরাহীম বিন মুহাম্মদ বিন সিনীন আল-খুতালি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন বাহলুল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন আত-তাব্বা, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি মুখালিদ থেকে, তিনি আশ-শা'বী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
قيل للمهاجرين مِمَّن أَخَذْتُم الْكِتَابَةقَالُوا من أهل الْحيرَة فَقيل لأهل الْحيرَة مِمَّن أَخَذْتُم الْكِتَابَة قَالُوا من أهل الأنبار
মুহাজিরগণকে জিজ্ঞেস করা হলো, "আপনারা লিখন পদ্ধতি কার নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন?"তাঁরা বললেন, "হীরা-বাসীদের নিকট থেকে।" অতঃপর হীরা-বাসীদের জিজ্ঞেস করা হলো, "আপনারা লিখন পদ্ধতি কার নিকট থেকে গ্রহণ করেছেন?" তাঁরা বললেন, "আনবার-বাসীদের নিকট থেকে।"
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
(فصل)(المسلسل بالأحمدين)خَمْسَة من المسمين بِأَحْمَد يروي أَوَّلهمْ عَن آخِرهمقَرَأْتُ عَلَى أَبِي الْفَضْلِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الطُّوسِيِّ أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفَضْلِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ شَهْرَيَارَ سَنَةَ تِسْعٍ وَسِتِّينَ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُوسَى الْحَافِظُ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ السَّرِيِّ التَّمِيمِيُّ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُوسَى بْنِ إِسْحَاقَ الْحَمَّارُ الْكُوفِيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ النَّمَرِيُّ الْبَصْرِيُّ حَدَّثَنَا مُطَرِّفُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ عَنْ عَمِّهِ أَبِي سُهَيْلِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ رضي الله عنه قَالَبَيْنَمَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي سُوقِ الْخَيْلِ بِالْمَدِينَةِ يُجَهِّزُ بَعْثًا إِذْ أَقْبَلَ الْعَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ رضي الله عنه فَلَمَّا نَظَرَ إِلَيْهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قَالَهَذَا الْعَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ عَمُّ نَبِيِّكُمْ هَذَا أَجْوَدُ الْعَرَبِ كَفًّا وَأَوْصَلُهُمْ لِلرَّحِمِ أخرجه الإِمَام أَحْمد فى سَنَده
(অনুচ্ছেদ)(আহমাদ নামধারী ব্যক্তিদের দ্বারা বর্ণিত মুসালসাল বর্ণনা)আহমাদ নামধারী পাঁচজন ব্যক্তি, যাদের প্রথমজন শেষজন থেকে বর্ণনা করেছেনআমি আবু আল-ফজল আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ আত-তুসী-এর নিকট পাঠ করেছি; আবু আল-ফজল আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন শাহরিয়ার উনসত্তর হিজরি সনে আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু বকর আহমাদ বিন মুসা আল-হাফিয আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন; আহমাদ বিন মুহাম্মদ আস-সারী আত-তামিমী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন; আহমাদ বিন মুসা বিন ইসহাক আল-হাম্মার আল-কুফী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন; আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল ওয়াহহাব আন-নামারী আল-বাসরী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন; মুতাররিফ বিন আব্দুল্লাহ মালিক বিন আনাস থেকে, তিনি তাঁর চাচা আবু সুহাইল বিন মালিক থেকে, তিনি সাঈদ বিন আল-মুসায়্যিব থেকে, তিনি সা'দ বিন আবি ওয়াক্কাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেনআল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মদিনার ঘোড়ার বাজারে একটি সৈন্যবাহিনী প্রস্তুত করছিলেন, তখন আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) উপস্থিত হলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তাঁর দিকে তাকালেন, তখন বললেনইনি আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব, তোমাদের নবীর চাচা। ইনি আরবের মধ্যে হাতের দিক থেকে সবচেয়ে বড় দানবীর এবং আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষায় তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে অগ্রগামী। ইমাম আহমাদ এটি তাঁর মুসনাদে উদ্ধৃত করেছেন।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
رِوَايَة خَمْسَة آخَرين مِنْهُمقَرَأْتُ عَلَى أَبِي الْفَضْلِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الطُّوسِيِّ هَذَا أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفضل أَحْمد أَنبأَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي عِمْرَانَ الْقَطَّانُ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بن أَحْمد حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ الضَّبِّيُّ حَدثنَا محَاضِر بن الموزع حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رضي الله عنه أَنَّهُ كَانَ يَقُول لايغرنك يام رَجُلٍ وَلا صَلاتُهُ مَنْ شَاءَ صَامَ وَصَلَّى لَا دِينَ لِمَنْ لَا أَمَانَة لَهُجمَاعَة أُخْرَى مِمَّن يسمون بِأَحْمَدقَرَأْتُ عَلَى الْقَاضِي أَبِي سَهْلٍ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ الشَّيْخِ الْجَلِيلِ إِمَامِ الْجَامِعِ أَخْبَرَكُمْ أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بن أَحْمد أَنبأَنَا ابْن مُوسَى بن مردوية حَدثنِي أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْمَالِكِيُّ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بن مُوسَى الراملي حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْفَرَجِ الْحِمْصِيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَالِكِ بْنِ مِغْوَلٍ حَدَّثَنَا سَعِيدٌ الْجُرَيْرِيُّ عَنْ أَبِي نَضْرَةَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ رضي الله عنه عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَنْ عَزَّى
তাদের মধ্য থেকে অন্য পাঁচজনের বর্ণনাআমি আবু আল-ফজল আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-তুসির নিকট এটি পাঠ করেছি, আবু আল-ফজল আহমদ আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আহমদ ইবনে আবি ইমরান আল-কাত্তান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে ইউনুস আল-দাব্বি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাদির ইবনে আল-মুওয়াজ্জি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে উরওয়াহ তার পিতা থেকে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলতেন: কোনো ব্যক্তির রোজা এবং তার সালাত যেন তোমাকে বিভ্রান্ত না করে; যে চায় সে রোজা রাখতে পারে এবং সালাত আদায় করতে পারে, কিন্তু যার আমানতদারিতা নেই তার কোনো দ্বীন নেই।যাদের নাম আহমদ তাদের মধ্য থেকে অন্য একটি দলআমি বিচারক আবু সাহল আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ, যিনি একজন সম্মানিত শায়খ এবং জামে মসজিদের ইমাম, তার নিকট পাঠ করেছি, আবু মনসুর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইবনে মুসা ইবনে মারদুওয়াহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলায়মান আল-মালিকি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-রামলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে আল-ফারাজ আল-হিমসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রহমান ইবনে মালিক ইবনে মিগওয়াল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সাঈদ আল-জুরাইরি আবু নাজরা থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি সান্ত্বনা প্রদান করে...
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
مُصَابًا كَانَ لَهُ مِثْلُ أَجْرِهِرِوَايَة سِتَّة آخَرين من الأحامدأخبرنَا أَبُو الرَّجَاء أَحْمد بن مُحَمَّد بن أَحْمد الْكسَائي أَنبأَنَا أَبُو الْعَبَّاس أَحْمد بن مُحَمَّد بن ابراهيم الوزواني أَنبأَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُوسَى الْحَافِظ حَدثنَا أَحْمد بن شَيبَان الرَّمْلِيّ حَدثنَا عبد الرَّحْمَن بن مغرى حَدثنَا مخالد قَالَ سَمِعت الشّعبِيّ يَقُولالْعلم أَكثر من عدد الْقطر فَخذ من كل شَيْء ثمَّ قَالَ {فبشر عباد الَّذين يَسْتَمِعُون القَوْل فيتبعون أحْسنه}
বিপদগ্রস্ত হলে তার জন্য তার অনুরূপ সওয়াব থাকবে।আহমদ নামধারী আরও ছয়জনের বর্ণনাআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুুর রাজা আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-কিসায়ি, তিনি বলেন আমাদের জানিয়েছেন আবুল আব্বাস আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আল-ওয়াযওয়ানি, তিনি বলেন আমাদের জানিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন মুসা আল-হাফিয, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন শাইবান আর-রামলি, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান বিন মাগরা, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুখালিদ, তিনি বলেন আমি আশ-শা’বিকে বলতে শুনেছি:ইলম বা জ্ঞান বৃষ্টির ফোঁটার সংখ্যার চেয়েও অধিক, সুতরাং প্রতিটি বিষয় থেকে গ্রহণ করো। এরপর তিনি পাঠ করলেন: {অতঃপর সুসংবাদ দিন আমার সেই বান্দাদের, যারা মনোযোগ সহকারে কথা শোনে এবং তার মধ্যে যা উত্তম তা অনুসরণ করে।}
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
قَالَ ابْن شَيبَان هَذَا رخصَة فِي الانتخاب
ইবনে শায়বান বলেন, এটি নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটি ছাড়।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৬০)
(فصل)(المسلسل بِأَبَان)رِوَايَة أبان عَن أبان عَن أبانأَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ النَّاصِر أَنبأَنَا أَبُو الْقَاسِم وَعبد الْوَهَّاب أَنبأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ قَالا قَالَ وَالِدُنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عُتْبَةَ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ سَعِيدِ بن بشر حَدَّثَنَا أَبَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْكُوفِيُّ عَنْ أَبَانِ بْنِ عُثْمَانَ الأَحْمَرِ عَنْ أَبَانِ بْنِ تَغْلِبَ عَنْ أبي اسحاق عَن عَمْرو بن ذِي مرٍّ عَنْ عَلِيٍّ عَنِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَنْ كُنْتُ مَوْلاهُ فَعَلِيٌّ مَوْلَاهُ رَوَاهُ أخرجه الترمذى
(পরিচ্ছেদ)(আবান নামীয় রাবীদের পরম্পরা সংবলিত বর্ণনা)আবান হতে আবান, তাঁর হতে আবানের বর্ণনাআমাদের অবহিত করেছেন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আন-নাসির, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ও আব্দুল ওয়াহহাব, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব, তাঁরা উভয়ে বলেছেন যে, আমাদের পিতা আহমদ বিন হাসান বিন উতবাহ বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন সাঈদ বিন বিশর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবান বিন মুহাম্মদ আল-কুফি, তিনি আবান বিন উসমান আল-আহমার হতে, তিনি আবান বিন তাগলিব হতে, তিনি আবু ইসহাক হতে, তিনি আমর বিন যী মুর্র হতে, তিনি আলী (রা.) হতে এবং তিনি নবী (আল্লাহ তাঁর উপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "আমি যার মাওলা (অভিভাবক), আলীও তার মাওলা।" এটি তিরমিযী বর্ণনা ও সংকলন করেছেন।
(খণ্ড: ১)
নুযহাতুল হুফফায
(পৃষ্ঠা: ৬১)
الطَّبَرَانِيّ عَن عَليّ هَذَا
তাবারানী আলী থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।