القسم: علوم الحديث
الكتاب: بلغة الأريب في مصطلح آثار الحبيب
المؤلف: محمّد بن محمّد بن عبد الرزّاق الحسيني، أبو الفيض، الملقّب بمرتضى، الزَّبيدي (ت 1205هـ)
المحقق: عبد الفتاح أبو غدة
الناشر: مكتب المطبوعات الإسلامية - حلب
الطبعة: الثانية، 1408هـ
عدد الصفحات: 207
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
বিভাগ: হাদিস শাস্ত্র
কিতাব: বুলগাতুল আরিব ফি মুসতালাহি আসারিল হাবিব
লেখক: মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রাজ্জাক আল-হুসাইনি, আবুল ফায়জ, উপাধি মর্তুজা, আজ-জাবিদি (মৃ. ১২০৫ হি.)
সম্পাদক: আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ
প্রকাশক: মাকতাবুল মাতবুআত আল-ইসলামিয়্যাহ - আলেপ্পো
সংস্করণ: দ্বিতীয়, ১৪০৮ হি.
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২০৭
[বইটির নম্বরবিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
অথবা কোনো রাবি কিংবা শব্দকে অন্য রাবি বা শব্দ দ্বারা পরিবর্তনের মাধ্যমে যদি এমন হয় যে, কোনো একটি বর্ণনাকে অন্যটির ওপর প্রাধান্য দেওয়ার সুযোগ নেই, তবে তাকে 'পরস্পর বিরোধী' (مضطرب) বলা হয়। আর যদি হিফজ (স্মৃতিশক্তি) বা অন্য কোনো কারণে কোনো একটি বর্ণনা প্রাধান্য পায়, তবে সেই প্রাধান্যপ্রাপ্ত (راجح) বর্ণনার ওপরই নির্ভর করা হবে।
কখনও কখনও পরীক্ষার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে এটি করা হয় এবং প্রয়োজন শেষ হওয়া পর্যন্ত তা জায়েজ।
অথবা সনদে (إسناد) কিংবা মতনে (متن) নুকতার (বিন্দুর) পরিবর্তনের মাধ্যমে হলে তাকে 'বর্ণ-বিকৃত' (مصحف) বলা হয়। যেমন: ‘উতবাহ ইবনুন নাদার’ (عتبة بن الندر)-কে ‘নুন’ ও ‘দাল’-এর স্থলে ‘বা’ ও ‘যাল’ দিয়ে পড়া। অথবা যেমন সেই হাদিস— "যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখল এবং এরপর শাওয়ালের ছয়টি (ستاً) রোজা রাখল"— যেখানে কেউ 'ছয়টি' (ستاً)-এর স্থলে 'কিছু' (شيئاً) বলল।
অথবা যদি হারাকাত (স্বরচিহ্ন) পরিবর্তনের মাধ্যমে হয়, তবে তাকে 'স্বর-বিকৃত' (محرف) বলা হয়। যেমন: ‘সুলাইম’ (سليم)-কে পেশ (যম্মাহ) দিয়ে পড়ার পরিবর্তে যবর (ফাতহা) দিয়ে ‘সালাইম’ (سليم) পড়া অথবা এর বিপরীত।
হাদিস তার মূল শব্দেই পূর্ণাঙ্গভাবে বর্ণনা করা উত্তম। শব্দের গভীর অর্থ ও প্রায়োগিক দিক সম্পর্কে বিজ্ঞ ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারো জন্য হাদিসকে তার সমার্থক শব্দ দিয়ে পরিবর্তন করা কিংবা এর কোনো অংশ বাদ দেওয়া জায়েজ নয়; যাতে অসামঞ্জস্যপূর্ণ শব্দ দ্বারা পরিবর্তনের ঝুঁকি না থাকে। তবে যেসব জিকির বা দুআ নির্দিষ্ট শব্দের মাধ্যমে আদায় করা ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত অথবা যেগুলো ‘জাওয়ামিউল কালিম’ (সংক্ষিপ্ত অথচ ব্যাপক অর্থবোধক বাণী), সেগুলোর ক্ষেত্রে শব্দ পরিবর্তন করা যাবে না।
যদি হাদিসের অর্থে অস্পষ্টতা থাকে, অর্থাৎ শব্দটি অল্প ব্যবহৃত কিন্তু তার অর্থ অত্যন্ত সূক্ষ্ম হয়, তবে 'বিরল শব্দ' (غريب) সংক্রান্ত গ্রন্থসমূহ যেমন আন-নিহায়াহ ও আল-ফাইক অধ্যয়ন করার প্রয়োজন পড়ে।
অথবা শব্দটি অধিক ব্যবহৃত হওয়া সত্ত্বেও যদি তার অর্থে জটিলতা থাকে, তবে ‘জটিল’ (مشكل) বিষয়ক রচনাবলি যেমন তাহাবির কিতাব ও অন্যান্য গ্রন্থের সাহায্য নিতে হয়।