(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: -)
ضعيف أبي داود - الأم   (ناصر الدين الألباني)

القسم: كتب السنة

الكتاب : ضعيف أبي داود - الأم

المؤلف : محمد ناصر الدين الألباني (المتوفى : 1420هـ)

دار النشر : مؤسسة غراس للنشر و التوزيع - الكويت

الطبعة : الأولى - 1423 هـ

عدد الأجزاء : 2

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

জঈফ আবি দাউদ - আল-উম্ম   (নাসেরুদ্দিন আল-আলবানী)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ

গ্রন্থ : জঈফ আবি দাউদ - আল-উম্ম

লেখক : মুহাম্মাদ নাসেরুদ্দিন আল-আলবানী (মৃত্যু : ১৪২০ হিজরী)

প্রকাশনী : মুয়াসসাসাতু গেরাস প্রকাশনী এবং পরিবেশনা - কুয়েত

সংস্করণ : প্রথম - ১৪২৩ হিজরী

খণ্ড সংখ্যা : ২

[গ্রন্থের সংখ্যাবিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলার প্রকাশনার তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: -)
الكتاب: ضعيف أبي داود - الأم

المؤلف: محمد ناصر الدين الألباني (المتوفى: 1420هـ)

دار النشر: مؤسسة غراس للنشر والتوزيع - الكويت

الطبعة: الأولى - 1423 هـ

عدد الأجزاء: 2

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع وهو مذيل بالحواشي]
কিতাব: জয়ীফ আবু দাউদ - আল-উম্ম

লেখক: মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানী (মৃত্যু: ১৪২০ হিজরী)

প্রকাশনী: মুয়াসসাসাতু গাস প্রকাশনা ও বিতরণ - কুয়েত

সংস্করণ: প্রথম - ১৪২৩ হিজরী

খণ্ড সংখ্যা: ২

[বইটির নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রণের অনুরূপ এবং এটি টীকা দ্বারা সমৃদ্ধ]
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ১)
ضعيف

سنن أبي داود

الإمام الحافظ سليمان بن الأشعث السجستاني

المتوفي سنة 275 هـ رحمه الله تعالي

تأليف

الإمام المحدث الشيخ محمد ناصر الدين الألباني

المتوفي سنة (1420 هـ) رحمه الله تعالي

وهو الكتاب (الأم) - كما سماه مؤلفه الشيخ رحمه الله والذي خرج فيه أحاديث مطولا

وتكلم على أسانيده ورجاله مفصلا تعديلا وتجريحا وتصحيحا وتضعيفا

وعلى النحو الذي انتهجه رحمه الله فى السلسلتين " الصحيحة " و " الضعيفة "

‌‌(1)

المجلد الأول

‌‌1 - 199

كتاب

(الطهارة - الصلاة)
জয়ীফ

সুনানে আবু দাউদ

আল-ইمام আল-হাফিজ সুলাইমান বিন আল-আশআদ আস-সিজিস্তানি

মৃত্যু: ২৭৫ হিজরি, আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন

রচনা

আল-ইমাম আল-মুহাদ্দিস আশ-শায়খ মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি

মৃত্যু: (১৪২০ হিজরি), আল্লাহ তাআলা তাঁর প্রতি রহম করুন

এটি হলো ‘আল-উম্ম’ (মূল) গ্রন্থ—যেমনটি এর লেখক শায়খ (রহিমাহুল্লাহ) এটি নামকরণ করেছেন—যাতে তিনি হাদিসসমূহ বিস্তারিতভাবে তাখরিজ করেছেন

এবং তিনি এর সনদ ও বর্ণনাকারীদের ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন জারহ-তাদিল (অযোগ্যতা ও নির্ভরযোগ্যতা) এবং তাসহিহ-তাদয়িফ (শুদ্ধায়ন ও দুর্বল আখ্যাদান) এর আলোকে

এবং এটি সেই পদ্ধতিতে রচিত যা তিনি (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর ‘আস-সিলসিলাতুস সহিহাহ’ এবং ‘আস-সিলসিলাতুদ জয়িফাহ’ গ্রন্থদ্বয়ে অনুসরণ করেছেন

‌‌(১)

প্রথম খণ্ড

‌‌১ - ১৯৯

কিতাব

(পবিত্রতা - সালাত)
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ২)
جميع حقوق الملكية الأدبية والفنية

محفوظة لدار غراس- الكويت وشريكهما

ويحظر طبع أو تصوير أو ترجمة أو إعادة تنضيد

الكتاب كاملا ومجزأ او تسجيله على أشرطة

كاسيت أو إدخاله على الكمبيوتر أو برمجته على

اسطوانات ضوئية إلا بموافقة خطيّة من الناشر.

الطبعة الأولى

1423 هـ

الناشر

مؤسسة غراس للنشر والتوزيع

الكويت- شارع الصحافة- مقابل مطابع الرأي العام التجارية

هاتف: 4819037- فاكس: 4838495 - هاتف وفاكس: 4578868

الجهراء: ص. ب: 2888- الرمز البريدي ت 01030
সমস্ত সাহিত্যিক এবং শৈল্পিক স্বত্ব

দার ঘারাস- কুয়েত এবং তাদের অংশীদারের জন্য সংরক্ষিত

এবং মুদ্রণ, চিত্রগ্রহণ, অনুবাদ বা পুনঃবিন্যাস করা নিষিদ্ধ

বইটির সম্পূর্ণ এবং আংশিক অংশ অথবা এটি ফিতায় রেকর্ড করা

ক্যাসেট বা কম্পিউটারে প্রবেশ করানো বা এটি প্রোগ্রাম করা

অপটিক্যাল ডিস্কের উপর, প্রকাশকের লিখিত অনুমতি ব্যতীত।

প্রথম সংস্করণ

১৪২৩ হিজরি

প্রকাশক

মুয়াসসাসাতু ঘারাস প্রকাশনা ও বিতরণ

কুয়েত- সাহাফা স্ট্রিট- আল-রাঈ আল-আম বাণিজ্যিক ছাপাখানার বিপরীতে

ফোন: ৪৮১৯০৩৭- ফ্যাক্স: ৪৮৩৮৪৯৫ - ফোন এবং ফ্যাক্স: ৪৫৭৮৮৬৮

আল-জাহরা: পি.ও. বক্স: ২৮৮৮- পোস্ট কোড: ০১০৩০
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ৩)
بسم الله الرحمن الرحيم

مقدمة الناشر

الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على نبينا محمد، وعلىآله

وصحبه أجمعين.

أما بعد:

فدونك- أخى القارئ! - " ضعيف سنن أبي داود "، نقدمه إليك؛ تتميماً

لقسيمه " صحيح سنن أبي داود "، كلاهما لشيخنا الوالد، العلامة المحدث أبي

عبد الرحمن محمد ناصر الدين الألباني- رحمه الله رحمة واسعة-، وبه نكون

قد أضفنا إلى المكتبة العلمية الإسلامية لبنة جديدة؛ لتكون كما أراد أسلافنا

من أهل العلم- رواد هذا الزمان، والسابقين في هذا الميدان-، فيشتد عودها،

وتستوي على سوقها؛ فإذا بها قائمة، تشهد لمؤلفيها بالبراعة، ولمصنفيها

باستقامة اليراعة.

أخي القارئ!

لسنا في حاجة إلى كثير كلام في هذه المقدمة للتعريف بالمؤلف والمؤلف؛

فقد بينا ذلك- جملة- في مقدمة قسيمه " الصحيح "، وهو مما ينطبق على

القسمين معاً؛ غير أن لنا- ههنا- بعض التنبيهات نلخصها بنقاط معدودات،

والله الموفق- لا رب سواه-؛ فنقول:

‌‌1- هذا " الضعيف " لم يضع له الشيخ رحمه الله مقدمة، وترك بضع
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

প্রকাশকের ভূমিকা

সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সকল সাহাবীর ওপর।

অতঃপর:

হে প্রিয় পাঠক! আপনার সম্মুখে "যঈফ সুনানে আবি দাউদ"; এর অপর অংশ "সহীহ সুনানে আবি দাউদ"-এর পরিপূরক হিসেবে আমরা এটি আপনার নিকট পেশ করছি। উভয় গ্রন্থই আমাদের শাইখ ও পিতৃপ্রতিম, আল্লামা মুহাদ্দিস আবু আবদুর রহমান মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আলবানী—আল্লাহ তাঁকে প্রশস্ত রহমতে সিক্ত করুন—এর রচিত। এর মাধ্যমে আমরা ইসলামি জ্ঞানতাত্ত্বিক লাইব্রেরিতে একটি নতুন ভিত্তি যুক্ত করলাম; যাতে এটি তেমন হয় যেমনটি আমাদের পূর্বসূরি আলেমগণ—যাঁরা এই যুগের অগ্রপথিক এবং এই ময়দানে পূর্বগামী ছিলেন—চেয়েছিলেন। ফলে এর কাঠামো শক্তিশালী হবে এবং তা তার কান্ডের ওপর উঠে দাঁড়াবে; এমতাবস্থায় তা সগৌরবে দাঁড়িয়ে থেকে তার রচয়িতার পারদর্শিতা এবং সংকলকের লেখনীর সত্যনিষ্ঠার সাক্ষ্য দেবে।

হে পাঠক!

লেখক এবং গ্রন্থ সম্পর্কে পরিচয় প্রদানের জন্য এই ভূমিকায় আমাদের দীর্ঘ আলোচনার প্রয়োজন নেই; কারণ আমরা তার অপর অংশ "সহীহ"-এর ভূমিকায় তা সামগ্রিকভাবে বর্ণনা করেছি, যা উভয় অংশের জন্যই প্রযোজ্য। তবে এখানে আমাদের কিছু সতর্কতা রয়েছে যা আমরা কয়েকটি পয়েন্টে সংক্ষেপে তুলে ধরছি। আল্লাহই তাওফিকদাতা—তিনি ছাড়া কোনো রব নেই—আমরা বলছি:

‌‌১- এই "যঈফ" অংশের জন্য শাইখ (রহিমাহুল্লাহ) কোনো ভূমিকা লিখে যাননি এবং তিনি কিছু...
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ৪)
ورقات فارغة في بدايته.

‌‌2- لقد عملنا على إمضاء وصاة شيخنا المصنف- رحمه الله بنقل ما أمر

بنقله من الأحاديث من " الصحيح " إلى " الضعيف " - وبالعكس-، كما كنا

أشرنا في مقدمة " الصحيح "، وقد نبهنا على هذا في الحاشية، فهي بهذا

سهلة التتبع.

‌‌3- ضبطنا نصوص الأبواب الفقهية وأرقامها تبعاً لما فعلناه في

" الصحيح ". (انظر مقدمة " الصحيح " /ص 6/فقرة 2) ، وذلك لتبقى الأبواب

وأرقامها منسجمة في الكتابين معاً؛ لسهولة الإطلاع والبحث والمراجعة.

وبعد:

فالله العظيم نسأل، وبأسمائه وصفاته نتوسل: أن يجزي شيخنا الوالد

خير الجزاء وأحسنه، وأن يرحمه رحمة واسعة، وأن يوسع في قبره، وينور له

فيه.

وأن يجزي من عمل في الكتاب خيراً- بجهد أو فكرة أو دلالة ذيلت

باسم (الناشر) -؛ إنه سبحانه خير مسؤول، وأعظم مأمول، ونعمته فأكرم بها

من منول.

وصلى الله على نبينا محمد، والحمد لله رب العالمين.

الناشر

21 جمادى الآخرة 1423 هـ

الموافق: 30/8/2002 م
এর শুরুতে কিছু শূন্য পাতা রয়েছে।

‌‌২- আমরা আমাদের শাইখ গ্রন্থকারের—আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন—অসিয়ত বাস্তবায়নের লক্ষে কাজ করেছি; তিনি যেসব হাদিস ‘সহিহ’ থেকে ‘জইফ’-এ এবং এর বিপরীতে (অর্থাৎ জইফ থেকে সহিহ-তে) স্থানান্তর করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তা সম্পাদন করার মাধ্যমে,

যেমনটি আমরা ‘সহিহ’ গ্রন্থের ভূমিকায় ইঙ্গিত দিয়েছিলাম। আমরা পাদটীকায় এ বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছি, যার ফলে এটি অনুসরণ করা সহজ হয়েছে।

‌‌৩- আমরা ফিকহি অধ্যায়গুলোর মূলপাঠ এবং সেগুলোর নম্বর ‘সহিহ’ গ্রন্থে আমাদের অনুসৃত পদ্ধতি অনুযায়ী সুবিন্যস্ত করেছি।

(‘সহিহ’-এর ভূমিকা দেখুন / পৃ. ৬ / অনুচ্ছেদ ২), যাতে উভয় গ্রন্থে অধ্যায়সমূহ এবং সেগুলোর নম্বর সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে; যেন তা দেখা, অনুসন্ধান ও পর্যালোচনার জন্য সহজ হয়।

অতঃপর:

আমরা মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করছি এবং তাঁর নামসমূহ ও গুণাবলির মাধ্যমে অসিলা করছি: তিনি যেন আমাদের পিতৃতুল্য শাইখকে

সর্বোত্তম ও সবচেয়ে সুন্দর প্রতিদান দান করেন, তাঁকে যেন ব্যাপক রহমতে সিক্ত করেন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করে দেন এবং তাতে তাঁর জন্য আলোকবর্তিকা দান করেন।

আর যারা এই কিতাবের কাজে শ্রম, চিন্তা বা দিকনির্দেশনার মাধ্যমে অবদান রেখেছেন—যাদের নামের শেষে (প্রকাশক) শব্দটি যুক্ত করা হয়েছে—আল্লাহ যেন তাদের উত্তম প্রতিদান দান করেন;

নিশ্চয়ই তিনি সুবহানাহু ওয়া তাআলা সর্বোত্তম প্রার্থনা শ্রবণকারী এবং সর্বশ্রেষ্ঠ আশাস্থল; আর তাঁর অনুগ্রহ কতই না মহৎ দান!

আল্লাহর দরুদ বর্ষিত হোক আমাদের নবী মুহাম্মাদের ওপর, আর সকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।

প্রকাশক

২১ জমাদিউল আখিরাত ১৪২৩ হিজরি

মোতাবেক: ৩০/০৮/২০০২ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ৫)
صورة الصفحة الأولي من الأصل المخطوط / " ضعيف سنن أبي داود''
মূল পাণ্ডুলিপির প্রথম পৃষ্ঠার চিত্র / "যঈফ সুনানে আবু দাউদ"
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ৭)
صورة الصفحة الأخيرة من الأصل المخطوط / " ضعيف سنن أبي داود''
মূল পাণ্ডুলিপির শেষ পৃষ্ঠার ছবি / "যঈফ সুনানে আবু দাউদ"
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ৯)
‌‌1- كِتابُ الطّهارةِ

‌‌1- باب التخلي عند قضاء الحاجة

[ليس تحته حديث على شرط كتابنا هذا. (انظر " الصحيح ") ]

‌‌2- من باب الرجل يتبوّأ لِبوْلِهِ

‌‌1- عن أبي التّيّاح: حدثني شيخ قال:

لما قدِم عبدُ الله بن عباس البصرة؛ فكان يحدِّث عن أبي موسى،

فكتب عبد الله إلى أبي موسى يسأله عن أشياء؟ فكتب إليه أبو موسى:

إني كنت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم، فأراد أن يبول، فأتى دمِثاً في

أصل جدار فبال، ثم قال صلى الله عليه وسلم:

" إذا أراد أحدكم أن يبول؛ فلْيرْتدْ لبوله موضعاً ".

(قلت: ضعفه البغوي والمنذري والنووي والعراقي) .

[إسناده (*) : حدثنا موسى: حدثنا حماد: أخبرنا أبو التياح] .

وعلته جهالة شيخ أبي التياح الذي لم يُسمّ، وهذه علة واضحة، حتى قال

النووي رحمه الله في " المجموع " () :

--------------------------------------------

(*) (تنبيه) : لم يذكر الشيخ رحمه الله أسانيد الأحاديث (1 و 2 و 4) على طريقته في

للكتابين " الصحيح " و " الضعيف "، وقد رأينا ذكرها للفائدة. (الناشر) .
১- পবিত্রতা অধ্যায়

১- প্রাকৃতিক হাজত পূরণের সময় নির্জনে যাওয়া সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ

[আমাদের এই গ্রন্থের শর্ত অনুযায়ী এর অধীনে কোনো হাদিস নেই। ("আস-সহিহ" দেখুন)]

২- প্রস্রাবের জন্য উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ থেকে

১- আবু আত-তায়্যাহ থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, আমাকে এক বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন:

যখন আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস বসরায় আসলেন; তখন তিনি আবু মুসা থেকে হাদিস বর্ণনা করতেন,

অতঃপর আবদুল্লাহ আবু মুসার নিকট কিছু বিষয় জানতে চেয়ে চিঠি লিখলেন? আবু মুসা তাকে লিখে পাঠালেন:

আমি একদিন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ছিলাম, তিনি প্রস্রাব করতে চাইলেন, অতঃপর তিনি একটি দেয়ালের পাদদেশে নরম ভূমিতে আসলেন

এবং প্রস্রাব করলেন, এরপর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন:

"তোমাদের কেউ যখন প্রস্রাব করার ইচ্ছা করে, সে যেন তার প্রস্রাবের জন্য একটি স্থান খুঁজে নেয়।"

(আমি বলছি: একে বাগাভী, মুনজিরি, নববী এবং ইরাকি দুর্বল বলেছেন)।

[সনদ (*): মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আবু আত-তায়্যাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন]।

আর এর ত্রুটি হলো আবু আত-তায়্যাহ-এর সেই শায়খ (শিক্ষক) এর পরিচয় অজ্ঞাত থাকা যার নাম উল্লেখ করা হয়নি, এবং এটি একটি স্পষ্ট ত্রুটি, এমনকি ইমাম

নববী (রহ.) "আল-মাজমু" গ্রন্থে বলেছেন:

--------------------------------------------

(*) (সতর্কবার্তা): শায়খ (রহ.) তাঁর "আস-সহিহ" ও "আদ-দায়ীফ" গ্রন্থদ্বয়ের রীতি অনুযায়ী (১, ২ ও ৪) নম্বর হাদিসগুলোর সনদ উল্লেখ করেননি,

আমরা ফায়দার জন্য সেগুলো উল্লেখ করা সমীচীন মনে করেছি। (প্রকাশক)।
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ১০)
" وإنما لم يصرحْ أبو داود بضعفه؛ لأنه ظاهر "! وقال المنذري في " مختصره "

(1/15) :

" فيه مجهول ".

ومنه تعلم أن رمز السيوطي له في " الجامع الصغير " بأنه: (حديث حسن) !

غير حسن.

وأما قول المناوي في " شرحه ":

" رمز المؤلف لحسنه، فإن أراد لشواهده؛ فمسلّم. وإن أراد لذاته؛ فقد قال

البغوي وغيره: حديث ضعيف، ووافقه الولي العراقي، فقال:

" ضعيف لجهالة راويه " "!

قلت: لست أدري ما هي هذه الشواهد التي أشار إليها المناوي؟! فإني لم أجد

للحديث ولا شاهداً واحداً يأخذ بعضده ويقويه، وما أعتقد أنه يوجد!

ويؤيدني في ذلك قول البغوي: " إنه حديث ضعيف "؛ فان فيه إشارة إلى أنه

لا يوجد ما يقويه؛ وإلا لقال: إسناد ضعيف، ولم يقل: حديث ضعيف.

والفرق بينهما واضح بيِّنٌ عند من له اطِّلاع على مصطلحاتهم في هذا الفن

الشريف.

وأما قول صاحب " عون المعبود " - تبعاً للشوكاني-:

" والحديث فيه مجهول، لكن لا يضر؛ فإن أحاديث الأمر بالتنزه عن البول

تفيد ذلك "!

يعني: على قاعدة " ما لا يقوم الواجب إلا به فهو واجب "؛ فإذا كان التنزه

من البول لا يتحقق إلا بارتياد وطلب مكان لين رخو؛ وجب ذلك.
"আর আবু দাউদ এর দুর্বলতার কথা স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেননি; কারণ এটি সুস্পষ্ট!" আর আল-মুনযিরি তাঁর "মুখতাসার"

(১/১৫) গ্রন্থে বলেছেন:

"এতে একজন মাজহুল (অজ্ঞাত) বর্ণনাকারী রয়েছে।"

এ থেকে আপনি জানতে পারলেন যে, "আল-জামি আস-সগির" গ্রন্থে সুয়ূতী একে যে সংকেত দিয়েছেন যে এটি: (হাসান হাদিস)!

তা সঠিক নয়।

আর তাঁর "শরহ" (ব্যাখ্যাগ্রন্থ)-এ আল-মানাবির উক্তি:

"লেখক এর হাসান হওয়ার সংকেত দিয়েছেন; যদি তিনি এর স্বপক্ষীয় প্রমাণের (শাওয়াহিদ) কারণে এটি উদ্দেশ্য করে থাকেন, তবে তা গ্রহণযোগ্য। আর যদি তিনি মূল হাদিসটি (লি-যাতিহি) উদ্দেশ্য করে থাকেন, তবে

আল-বাগাভী ও অন্যান্যরা বলেছেন: এটি একটি দুর্বল হাদিস। আল-ওয়ালী আল-ইরাকিও তাঁর সাথে একমত পোষণ করেছেন এবং বলেছেন:

'এর বর্ণনাকারী অজ্ঞাত হওয়ার কারণে এটি দুর্বল'!"

আমি বলছি: আল-মানাবি কোন সব স্বপক্ষীয় প্রমাণের (শাওয়াহিদ) প্রতি ইশারা করেছেন, তা আমার জানা নেই! কারণ আমি এই

হাদিসের এমন কোনো একটি শাহেদও (সমর্থক বর্ণনা) খুঁজে পাইনি যা একে শক্তিশালী বা সুদৃঢ় করে, আর আমি বিশ্বাস করি না যে এমন কিছুর অস্তিত্ব আছে!

আল-বাগাভীর এই উক্তিটিও আমাকে এ ব্যাপারে সমর্থন যোগায়: "এটি একটি দুর্বল হাদিস"; কেননা এতে একটি ইঙ্গিত রয়েছে যে,

একে শক্তিশালী করার মতো কিছু নেই; অন্যথায় তিনি বলতেন: "এর সনদ দুর্বল", তিনি "হাদিসটি দুর্বল" বলতেন না।

আর এই মহান শাস্ত্রের পরিভাষা সম্পর্কে যাদের জ্ঞান আছে, তাদের নিকট এই দুইয়ের মধ্যকার পার্থক্য অত্যন্ত সুস্পষ্ট।

আর আশ-শাওকানিকে অনুসরণ করে "আউনুল মাবুদ" এর লেখকের উক্তি:

"হাদিসটিতে একজন অজ্ঞাত বর্ণনাকারী আছে সত্য, কিন্তু তাতে কোনো ক্ষতি নেই; কেননা প্রস্রাব থেকে পবিত্রতা অর্জনের আদেশের হাদিসগুলো

একথাই প্রদান করে"!

অর্থাৎ: "যে কাজ ব্যতীত কোনো ওয়াজিব বা আবশ্যকীয় বিধান পালন করা সম্ভব নয়, সেই কাজটি করাও ওয়াজিব"—এই মূলনীতির ভিত্তিতে; সুতরাং যদি প্রস্রাব থেকে

পবিত্রতা অর্জন নরম ও শিথিল জায়গা অন্বেষণ করা ছাড়া সম্ভব না হয়, তবে তা করাও ওয়াজিব হয়ে দাঁড়ায়।
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ১১)
لكن هذا كله لا يدل على ثبوت هذه القصة، وهذا الأمر الخاص منه عليه

السلام، فوجب التوقف عن نسبته إليه صلى الله عليه وسلم، حتى تعلم صحته.

نعم؛ له شاهد من فعله عليه السلام في الارتياد، لكن سنده ضعيف؛ كما

بينه في " المجمع ".

والحديث رواه الحاكم (3/465- 466) ، والبيهقي (1/93) ، وأحمد (4/396

و399 و 414) ، والطيالسي (رقم 519) … أتمً منه.

‌‌3- باب ما يقول الرجل إذا دخل الخلاء

[ليس تحته حديث على شرط كتابنا هذا. (انظر " الصحيح ") ]

‌‌4- من باب كراهية استقبال القبلة عند قضاء الحاجة

‌‌2- عن أبي زيد عن معْقِلِ بن أبي معْقِل الأسدِي قال:

نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن نستقبل القِبْلتين ببول أو غائط.

قال أبو داود: " وأبو زيد: مولى بني ثعلبة ".

(قلت: منكر، وأبو زيد ليس بالمعروف، كما قال ابن المديني وغيره. وقال

الحافظ ابن حجر: " حديث ضعيف ") .

[إسناده: حدثنا موسى بن إسماعيل: حدثنا وهيب: حدثنا عمرو بن يحيى

عن أبي زيد] .

وقد سكت عليه أبو داود كما ترى! وتبعه المنذري في " مختصره "!

وقول ابن المديني المذكور نقله الحافظ في " تهذيب التهذيب ". وقال في
কিন্তু এসবের কোনোটিই এই কিসসা সাব্যস্ত হওয়া এবং তাঁর (আলাইহিস

সালাম) পক্ষ থেকে এই বিশেষ বিষয়টি ঘটার প্রমাণ দেয় না। অতএব, এর সত্যতা নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত এটি তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দিকে নিসবত করা থেকে বিরত থাকা ওয়াজিব।

হ্যাঁ; প্রস্রাবের স্থান তালাশ করার ব্যাপারে তাঁর (আলাইহিস সালাম) আমল থেকে এর একটি শাহেদ (সাক্ষ্য) রয়েছে, কিন্তু তার সনদ যঈফ; যেমনটি

"আল-মাজমা" গ্রন্থে বর্ণনা করা হয়েছে।

আর হাদিসটি বর্ণনা করেছেন আল-হাকিম (৩/৪৬৫-৪৬৬), আল-বায়হাকি (১/৯৩), আহমাদ (৪/৩৯৬,

৩৯৯ ও ৪১৪) এবং আত-তায়ালিসি (নং ৫১৯) … যা এটি থেকে অধিক পূর্ণাঙ্গ।

‌‌৩- অনুচ্ছেদ: কোনো ব্যক্তি শৌচাগারে প্রবেশের সময় যা বলবে

[আমাদের এই কিতাবের শর্ত অনুযায়ী এর অধীনে কোনো হাদিস নেই। ("আস-সহীহ" দেখুন)]

‌‌৪- প্রয়োজন পূরণের সময় কিবলার দিকে মুখ করা অপছন্দনীয় হওয়া বিষয়ক অনুচ্ছেদ হতে

‌‌২- আবু যাইদ থেকে বর্ণিত, তিনি মা'কিল ইবনে আবি মা'কিল আল-আসাদি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রস্রাব বা পায়খানার সময় আমাদের উভয় কিবলার দিকে মুখ করতে নিষেধ করেছেন।

আবু দাউদ বলেন: "আর আবু যাইদ হলেন বনু সা'লাবার মুক্তদাস"।

(আমি বলছি: এটি মুনকার, আর আবু যাইদ সুপরিচিত নন, যেমনটি ইবনুল মাদিনি ও অন্যান্যরা বলেছেন। এবং

হাফিজ ইবনে হাজার বলেছেন: "হাদিসটি যঈফ")।

[সনদ: মুসা ইবনে ইসমাইল আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: উহাইব আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন: আমর ইবনে ইয়াহইয়া

আমাদের নিকট আবু যাইদ থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন] ।

আপনি যেমনটি দেখছেন, আবু দাউদ এ বিষয়ে নীরব থেকেছেন! এবং আল-মুনজিরি তাঁর "মুখতাসার" গ্রন্থে তাঁর অনুসরণ করেছেন!

ইবনুল মাদিনির উল্লিখিত উক্তিটি হাফিজ "তাহযীবুত তাহযীব" গ্রন্থে নকল করেছেন। এবং তিনি বলেছেন:
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ১২)
مختصره " التقريب ":

" قيل: اسمه الوليد، مجهول ". وقال الذهبي في " مختصر سنن البيهقي ":

" لا يدْرى من هو؟! ". ولذلك قال الحافظ في " الفتح ":

" حديث ضعيف؛ لأن فيه راوياً مجهول الحال ".

ومن طريقه: رواه ابن ماجه أيضاً (1/134) ، والبيهقي في " سننه للكبرى "

(1/91) .

ومما سبق تعلم أن قول النووي في " المجموع " (2/80) :

" إسناده جيد "!

غير جيد، وإنما غره أبو داود بسكوته.

‌‌5- باب الرخصة في ذلك

‌‌6- باب كيف التكشف عند الحاجة

[ليس تحتهما حديث على شرط كتابنا هذا. (انظر " للصحيح ") ]

‌‌7- باب كراهية الكلام عند الخلاء

‌‌3- حديث أبي سعيد قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول:

" لا يخرج الرجلان يضربان الغائط … ". (*)

--------------------------------------------

(*) هذا الحديث، أشار الشيخ رحمه الله إلى نقله إلى " الصحيح "، فانظره ثمة برقم

(11/م) . (الناشر) .
তাঁর সংক্ষিপ্ত সার 'তাকরিব'-এ বলা হয়েছে:

"বলা হয়েছে: তাঁর নাম আল-ওয়ালিদ, তিনি মাজহুল (অজ্ঞাত)।" এবং আয-যাহাবি 'মুখতাসারু সুনানি লিল-বাইহাকি'-তে বলেছেন:

"জানা যায় না তিনি কে?!" এই কারণেই হাফিয (ইবনে হাজার) 'ফাতহুল বারী'-তে বলেছেন:

"হাদিসটি যয়ীফ (দুর্বল); কারণ এতে একজন মাজহুলুল হাল (অজ্ঞাত পরিচয়) বর্ণনাকারী রয়েছেন।"

এবং তাঁর সূত্রেই এটি ইবনু মাজাহ (১/১৩৪) এবং আল-বাইহাকি তাঁর 'আস-সুনানুল কুবরা' (১/৯১)-তে বর্ণনা করেছেন।

আর পূর্বোক্ত আলোচনা হতে আপনি জানতে পারলেন যে, ইমাম আন-নববী 'আল-মাজমু' (২/৮০)-তে যা বলেছেন:

"এর সনদ জাইয়্যিদ (উত্তম)!"

তা সঠিক নয়, বরং আবু দাউদের নীরবতা তাঁকে বিভ্রান্ত করেছে।

‌‌৫- অনুচ্ছেদ: এ ব্যাপারে অনুমতির বর্ণনা

‌‌৬- অনুচ্ছেদ: প্রয়োজন পূরণের সময় সতর উন্মুক্ত করার পদ্ধতি

[আমাদের এই গ্রন্থের শর্তানুযায়ী এই দুটি অনুচ্ছেদের অধীনে কোনো হাদিস নেই। ('সহীহ' অংশ দেখুন)]

‌‌৭- অনুচ্ছেদ: শৌচাগারে কথা বলা অপছন্দনীয় হওয়া সম্পর্কে

‌‌৩- আবু সাঈদ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিস, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:

"দুইজন লোক মলত্যাগের উদ্দেশ্যে বের হয়ে..." (*)

--------------------------------------------

(*) এই হাদিসটি, শায়খ (রাহিমাহুল্লাহ) 'সহীহ' অংশে স্থানান্তরের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন, সুতরাং সেখানে ১১/মি. নম্বরে এটি দেখুন। (প্রকাশক)।
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ১৩)
‌‌8- باب أيرد السلام وهو يبول

‌‌9- باب في الرجل يذكر الله تعالى على غير طهر

[ليس تحتهما حديث على شرط كتابنا هذا. (انظر " الصحيح ") ]

‌‌10- باب الخاتم يكون فيه ذكر الله يُدْخلُ به الخلاء

‌‌4- عن همام عن ابن جريج عن الزهري عن أنس قال:

كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا دخل الخلاء وضع خاتمه.

قال أبو داود: " هذا حديث منكر، وإنما يعرف عن ابن جريج عن زياد

ابن سعد عن الزهري عن أنس: أن النبي صلى الله عليه وسلم اتخذ خاتماً من ورِق ثم

ألقاه … والوهم فيه من همام، ولم يروه إلا همام "!

(قلت: كلا؛ بل رواه غيره، وعلته الحقيقية: عنعنة ابن جريج؛ فإنه

مدلس. والحديث ضعفه الجمهور) .

[إسناده: حدثنا نصر بن علي عن أبي علي الحنفي عن همام] .

ومن طريقه: أخرجه النسائي أيضاً (8/178) ، والترمذي (1/325- طبع

بولاق) وفي " الشمائل " أيضاً (1/177) ، وابن ماجه (1/129) ، والحاكم

(1/187) ، والبيهقي (1/95) كلهم عن همام بن يحيى عن ابن جريج عن

الزهري … به.

وهذا إسناد ظاهره الصحة، وقد اغتر به الحاكم؛ فقال:

" صحيح على شرط الشيخين "! ووافقه الذهبي! وقال الترمذي:
৮- অনুচ্ছেদ: প্রস্রাব করা অবস্থায় সালামের উত্তর দেওয়া যায় কি

৯- অনুচ্ছেদ: অপবিত্র অবস্থায় মহান আল্লাহর যিকর করা সম্পর্কে

[এই দুটির অধীনে আমাদের এই কিতাবের শর্তানুযায়ী কোনো হাদিস নেই। (দেখুন "আস-সহীহ")]

১০- অনুচ্ছেদ: আল্লাহর যিকর খোদাই করা আংটি পরিহিত অবস্থায় শৌচাগারে প্রবেশ করা

৪- হাম্মাম থেকে বর্ণিত, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন শৌচাগারে প্রবেশ করতেন, তখন তাঁর আংটি খুলে রাখতেন।

আবু দাউদ বলেন: "এটি একটি মুনকার (অস্বীকৃত) হাদিস। এটি মূলত ইবনে জুরাইজ থেকে, যিয়াদ ইবনে সা'দ থেকে, যুহরী থেকে, আনাস সূত্রে এভাবে পরিচিত যে: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রূপার একটি আংটি তৈরি করেছিলেন, অতঃপর

তিনি তা ত্যাগ করেন... আর এক্ষেত্রে ভ্রমটি হাম্মামের পক্ষ থেকে হয়েছে, এবং হাম্মাম ছাড়া আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি!"

(আমি বলি: মোটেই নয়; বরং তিনি ছাড়াও অন্যরাও এটি বর্ণনা করেছেন। এর প্রকৃত ত্রুটি হলো ইবনে জুরাইজের 'আনআনা' (অস্পষ্টভাবে বর্ণনা করা); কেননা তিনি একজন

মুদাল্লিস (বর্ণনাসূত্র গোপনকারী)। আর অধিকাংশ আলেম হাদিসটিকে দুর্বল বলেছেন)।

[এর সনদ: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাসর ইবনে আলী, তিনি আবু আলী আল-হানাফী থেকে, তিনি হাম্মাম থেকে।]

আর তাঁর সূত্র ধরে এটি নাসায়ীও বর্ণনা করেছেন (৮/১৭৮), তিরমিযী (১/৩২৫ - বুলাক সংস্করণ)

এবং "শামায়েল"-এও (১/১৭৭), ইবনে মাজাহ (১/১২৯), হাকেম

(১/১৮৭), বায়হাকী (১/৯৫), তাঁরা সবাই হাম্মাম ইবনে ইয়াহইয়া থেকে, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে, তিনি

যুহরী থেকে... এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এটি এমন একটি সনদ যার বাহ্যিক রূপ সহীহ (বিশুদ্ধ), আর হাকেম এর দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন; তিনি বলেছেন:

"এটি শায়খায়নের (বুখারী ও মুসলিম) শর্তানুযায়ী সহীহ!" এবং যাহাবী তাঁর সাথে একমত পোষণ করেছেন! আর তিরমিযী বলেছেন:
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ১৪)
" حسن غريب "! وردّه النووي فقال:

" ضعفه الجمهور، وما ذكره الترمذي مردود عليه، والوهم فيه من همام، ولم

يروه إلا همام "!

كذا قال؛ وقد تبع فيه أبا داود كما ترى، وليس بصواب؛ فقد تابعه يحيى بن

المتوكل: عند الحاكم والبيهقي، ورجاله ثقات؛ كما قال الحافظ في " التلخيص "

(1/473) .

وتابعه يحيى بن الضريْسِ: عند الدارقطني، وهو ثقة.

فهذا يدفع القول بتفرّد همام به، ويرفع المسؤولية عنه.

ولذلك كان أقرب إلى الصواب قول النسائي- فيما نقلوا عنه-:

" هذا حديث غير محفوظ "؛ لأنه ليس فيه هذا الذي نفاه أبو داود وغيره.

وأيضاً لو ثبت أنه لم يروه غير همّام؛ لم يكن الحديث منكراً، ولم يجز أن يقال

فيه إلا: إنه غير محفوظ، كما قال النسائي؛ لأن المنكر- فيما اصطلحوا-: هو ما

تفرد به ضعيف، وأما إذا كان ثقة؛ فحديثه شاذ لا منكر، وهمام بن يحيى ثقة،

احتج به الشيخان وغيرهما! وفي " عون المعبود ":

" قال الحافظ ابن حجر: وقد نوزع أبو داود في حكمه على هذا الحديث

بالنكارة؛ مع أن رجاله رجال " الصحيحين ". والجواب: أنه حكم بذلك؛ لأن

هماماً تفرد به عن ابن جريج، وهمام- وإن كان من رجال " الصحيحين " - فإن

للشيخين لم يخرجا من رواية همام عن ابن جريج شيئاً؛ لأنه لما أخذ عنه كان

بالبصرة، والذين سمعوا من ابن جريج بالبصرة في حديثهم خلل من قبله، والخلل

في هذا الحديث من قبل ابن جريج، دلسه عن الزهري بإسقاط للواسطة- وهو زياد
"হাসান গারীব"! আন-নাবাবী এটি প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন:

"জমহুর (অধিকাংশ আলেম) এটিকে দুর্বল বলেছেন, এবং তিরমিযী যা উল্লেখ করেছেন তা প্রত্যাখ্যাত। এর মধ্যে বিভ্রান্তি ঘটেছে হাম্মামের পক্ষ থেকে, এবং হাম্মাম ছাড়া

আর কেউ এটি বর্ণনা করেননি!"

তিনি এমনই বলেছেন; আপনি যেমনটি দেখতে পাচ্ছেন, এক্ষেত্রে তিনি আবু দাউদকে অনুসরণ করেছেন। তবে এটি সঠিক নয়; কারণ ইয়াহইয়া ইবনুল

মুতাওয়াক্কিল তাঁর অনুসরণ করেছেন: হাকিম ও বাইহাকীর নিকট, এবং এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য (সিকাহ); যেমনটি হাফিয (ইবনে হাজার) "আত-তালখিস"

(১/৪৭৩) গ্রন্থে বলেছেন।

আর ইয়াহইয়া ইবনুল দুরাইসও দারা কুতনীতে তাঁর অনুসরণ করেছেন, এবং তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)।

সুতরাং এটি হাম্মামের এককভাবে বর্ণনা করার দাবিকে খণ্ডন করে এবং তাঁর উপর থেকে দায়ভার অপসারিত করে।

একারণেই ইমাম নাসায়ীর বক্তব্যটি—যা তাঁরা তাঁর থেকে উদ্ধৃত করেছেন—সত্যের অধিক নিকটবর্তী:

"এই হাদীসটি সংরক্ষিত (মাহফুজ) নয়"; কারণ এতে এমন কিছু নেই যা আবু দাউদ ও অন্যরা অস্বীকার করেছেন।

এছাড়াও, যদি এটি সাব্যস্ত হতো যে হাম্মাম ছাড়া অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেননি, তবুও হাদীসটি 'মুনকার' (পরিত্যক্ত) হতো না। আর এটি সম্পর্কে

'অসংরক্ষিত' (গাইরে মাহফুজ) ছাড়া অন্য কিছু বলা জায়েয হতো না, যেমনটি নাসায়ী বলেছেন। কারণ পরিভাষায় 'মুনকার' হলো:

যা কোনো দুর্বল বর্ণনাকারী এককভাবে বর্ণনা করেন। কিন্তু যদি বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) হন; তবে তাঁর হাদীস 'শায' (অসংগতিপূর্ণ) হয়, 'মুনকার' নয়।

আর হাম্মাম ইবনে ইয়াহইয়া একজন নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী, শাইখাইন (বুখারী ও মুসলিম) এবং অন্যরা তাঁর মাধ্যমে দলিল পেশ করেছেন! "আউনুল মাবুদ" গ্রন্থে রয়েছে:

"হাফিয ইবনে হাজার বলেন: আবু দাউদ এই হাদীসটিকে 'মুনকার' বলে যে হুকুম দিয়েছেন, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে; অথচ এর বর্ণনাকারীগণ "সহীহাইন"-এর বর্ণনাকারী। এর উত্তর হলো: তিনি এই ফয়সালা দিয়েছেন কারণ

হাম্মাম ইবনে জুরাইজ থেকে এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন। যদিও হাম্মাম "সহীহাইন"-এর অন্যতম বর্ণনাকারী, তবুও

শাইখাইন ইবনে জুরাইজ থেকে হাম্মামের বর্ণনায় কোনো কিছুই গ্রহণ করেননি; কারণ তিনি যখন তাঁর থেকে হাদীস গ্রহণ করেছিলেন, তখন তিনি

বসরায় ছিলেন। আর যাঁরা বসরায় ইবনে জুরাইজের নিকট থেকে হাদীস শুনেছেন, তাঁদের বর্ণনায় তাঁর পক্ষ থেকে ত্রুটি রয়েছে। আর

এই হাদীসের ত্রুটিটি ইবনে জুরাইজের পক্ষ থেকেই; তিনি যুহরী থেকে মধ্যবর্তী রাবীকে বাদ দিয়ে এটি 'তাদলীস' করেছেন—আর সেই মধ্যবর্তী রাবী হলেন যিয়াদ...
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ১৫)
ابن سعد-، ووهم همام في لفظه على ما جزم أبو داود وغيره، وهذا وجه حكمه

عليه بكونه منكراً. قال: وحكم النسائي عليه بكونه غير محفوظ أصوب؛ فإنه

شاذ في الحقيقة، إذ المنفرد به من شرط الصحيح؛ لكنه بالمخالفة صار حديثه شاذاً.

قال: وأما متابعة يحيى بن المتوكل له عن ابن جريج؛ فقد تفيد، لكن يحيى بن

معين قال فيه: لا أعرفه. أي: أنه مجهول العدالة. وذكره ابن حبان في

" الثقات "، وقال: كان يخطئ. قال: على أن للنظر مجالاً في تصحيح حديث

همام؛ لأنه مبني على أن أصله حديث الزهري في اتخاذ الخاتم، ولا مانع أن يكون

هذا متناً آخر غير ذلك المتن. وقد مال إلى هذا ابن حبان، فصححهما جميعاً. ولا

علة عندي إلا تدليس ابن جريج، فإن وجد عنه التصريح بالسماع؛ فلا مانع من

الحكم بصحته. انتهى كلام الحافظ في " نكته على ابن الصلاح " … ".

وقال شيخه الحافظ العراقي في " شرح علوم الحديث " (89) - وقد ساق

الحديث مثالاً للحديث المنكر-:

" وأما قول الترمذي بعد تخريجه له: (هذا حديث حسن صحيح غريب) ؛

فإنه أجرى حكمه على ظاهر الإسناد، وقول أبي داود والنسائي أولى بالصواب؛ إلا

أنه قد ورد من رواية غير همام: رواه الحاكم في " المستدرك "، والبيهقي في " سننه "

من رواية يحيى بن المتوكل عن ابن جريج، وصححه الحاكم على شرط

الشيخين، وضعفه البيهقي فقال: هذا شاهد ضعيف. وكأن البيهقي ظن [قلت:

وتبعه ابن القيم في " تهذيب السن "] أن يحيى بن المتوكل هو أبو عقِيل صاحب

بُهيّة، وهو ضعيف عندهم؛ وليس هو به! وإنما هو باهلي، يكنى أبا بكر؛ ذكره ابن

حبان في " الثقات ". ولا يقدح فيه قول ابن معين: لا أعرفه؛ فقد عرفه غيره،

وروى عنه نحو من عشرين نفساً، إلا أنه اشتهر تفرد همام به عن ابن جريج. والله

أعلم ".
ইবনে সাদ—এবং হাম্মাম এর শব্দচয়নে বিভ্রান্ত হয়েছেন যেমনটি আবু দাউদ এবং অন্যান্যরা নিশ্চিত করেছেন, এবং এটিই একে 'মুনকার' (অস্বীকৃত) হিসেবে হুকুম করার কারণ।

তিনি বলেন: নাসাঈর একে 'গাইরে মাহফুজ' (অসংরক্ষিত) হিসেবে হুকুম করা অধিক সঠিক; কারণ এটি প্রকৃতপক্ষে 'শায' (বিচ্ছিন্ন), যেহেতু এর একক বর্ণনাকারী সহিহ হাদিসের শর্তের অন্তর্ভুক্ত; তবে বিরোধিতার কারণে তার হাদিসটি শায হয়ে গিয়েছে।

তিনি বলেন: আর ইবনে জুরাইজ থেকে তার বর্ণনায় ইয়াহইয়া ইবনে মুতাওয়াক্কিল এর অনুসরণ (মুতাবায়াত) হয়তো ফলপ্রসূ হতো, কিন্তু ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন তার ব্যাপারে বলেছেন: আমি তাকে চিনি না। অর্থাৎ: তার ন্যায়পরায়ণতা অজ্ঞাত। ইবনে হিব্বান তাকে "আস-সিকাত" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: তিনি ভুল করতেন। তিনি বলেন: তবুও হাম্মামের হাদিসকে সহিহ বলার ব্যাপারে পর্যালোচনার অবকাশ রয়েছে; কারণ এর ভিত্তি হলো এটি আংটি ধারণ বিষয়ক যুহরীর হাদিসটির মূল অংশ, আর এই বর্ণনাটি সেই মতন (মূল পাঠ) ছাড়া অন্য কোনো মতন হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। ইবনে হিব্বান এই মতের দিকেই ঝুঁকেছেন এবং উভয়টিকেই সহিহ বলেছেন। আমার নিকট ইবনে জুরাইজের 'তাদলিস' ছাড়া অন্য কোনো ত্রুটি নেই; যদি তার পক্ষ থেকে সরাসরি শোনার (সামা') স্পষ্ট বর্ণনা পাওয়া যায়, তবে একে সহিহ হিসেবে হুকুম করতে কোনো বাধা নেই। ইবনে সালাহ-এর ওপর হাফেযের মন্তব্য (নুকাত)-এ তার আলোচনা এখানেই শেষ … ।

এবং তার উস্তাদ হাফেয ইরাকি "শারহু উলুমিল হাদিস" (৮৯) গ্রন্থে বলেছেন—যেখানে তিনি হাদিসটিকে মুনকার হাদিসের উদাহরণ হিসেবে উপস্থাপন করেছেন—:

"আর তিরমিযী হাদিসটি বর্ণনা করার পর যে বলেছেন: (এটি একটি হাসান সহিহ গারিব হাদিস); তা তিনি সনদের বাহ্যিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে হুকুম করেছেন, এবং আবু দাউদ ও নাসাঈর বক্তব্যই সত্যের অধিক নিকটবর্তী; তবে এটি হাম্মাম ছাড়া অন্য বর্ণনাকারীর সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে: হাকেম "আল-মুস্তাদরাক" গ্রন্থে এবং বায়হাকী তার "সুনান" গ্রন্থে ইয়াহইয়া ইবনে মুতাওয়াক্কিল থেকে ইবনে জুরাইজ সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন এবং হাকেম একে শাইখাইনের শর্তানুযায়ী সহিহ বলেছেন, আর বায়হাকী একে দুর্বল আখ্যা দিয়ে বলেছেন: এটি একটি দুর্বল শাহিদ (সমর্থক বর্ণনা)। যেন বায়হাকী ধারণা করেছেন [আমি বলছি: "তাহযিবুস সুনান" গ্রন্থে ইবনুল কাইয়্যিম তার অনুসরণ করেছেন] যে ইয়াহইয়া ইবনে মুতাওয়াক্কিল হলেন বুহাইয়্যার সাথী আবু আকিল, যিনি তাদের নিকট দুর্বল; অথচ তিনি সেই ব্যক্তি নন! বরং তিনি বাহিলী, তার উপনাম আবু বকর; ইবনে হিব্বান তাকে "আস-সিকাত" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। ইবনে মাঈনের উক্তি: 'আমি তাকে চিনি না'—তার জন্য দোষের নয়; কারণ অন্যরা তাকে চিনেছেন এবং তার থেকে প্রায় বিশজন ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন, তবে ইবনে জুরাইজ থেকে হাম্মামের একক বর্ণনাকারী হিসেবেই এটি প্রসিদ্ধি পেয়েছে। আর আল্লাহই ভালো জানেন।"

(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ১৬)
فثبت مما تقدم أن الحديث عن ابن جريج محفوظ، وأن علته القادحة في

صحته هي أن ابن جريج عنعنه ولم يصرح بسماعه له من الزهري. ولذلك علق

الحافظ القول بصحة الحديث بما إذا وجد فيه هذا السماع.

وأنى يوجد؟! فكل من رواه عنه قال فيه: (عن الزهري) ؛ وقد قيل: إنه لم

يسمعه من الزهري، كما في " التلخيص ".

وأما أن ابن جريج مدلس: فهذا مشهور عند القوم، قال الإمام أحمد رحمه

الله:

" إذا قال: أخبرنا وسمعت حسبك به ". وقال الذهبي في " الميزان ":

" هو أحد الأعلام الثقات، يدلس، وهو في نفسه مجمع على ثقته، قال

عبد الله بن أحمد بن حنبل: قال أبي: بعض هذه الأحاديث التي كان يرسلها

ابن جريج أحاديث موضوعة، كان ابن جريج لا يبالي من أين يأخذها، يعني:

قوله: أخبِرْتُ وحُدِّثْتُ عن فلان ".

‌‌11- ومن باب الاستبراء من البول

‌‌5- وقال أبو داود:

" وقال عاصم عن أبي وائل عن أبي موسى عن النبي صلى الله عليه وسلم قال:

" جسد أحدهم " … ".

(قلت: منكر) .

هكذا أورده المؤلف رحمه الله معلقاً، وسكت عليه هو والمنذري!

وليس بجيد؛ فإن عاصماً- وهو ابن بهدلة- وإن كان ثقة حسن الحديث، فقد
পূর্বোক্ত আলোচনা থেকে সাব্যস্ত হলো যে, ইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণিত হাদীসটি সংরক্ষিত (মাহফুয), এবং এর বিশুদ্ধতায় আঘাতকারী ত্রুটিটি হলো ইবনে জুরাইজ এটি 'আনা'না' (সরাসরি শ্রবণের শব্দ উল্লেখ না করে বর্ণনা) করেছেন এবং যুহরী থেকে এটি সরাসরি শোনার বিষয়টি স্পষ্ট করেননি। একারণেই হাফিজ হাদীসটি বিশুদ্ধ হওয়ার বিষয়টি এই শ্রবণের (সামা') নিশ্চয়তা পাওয়ার ওপর স্থগিত রেখেছেন।

আর তা কোথায় পাওয়া যাবে?! যারা তার থেকে এটি বর্ণনা করেছেন তারা সকলেই এতে বলেছেন: (যুহরী থেকে); আর বলা হয়েছে যে, তিনি এটি যুহরী থেকে শোনেননি, যেমনটি 'আত-তালখীস' গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।

ইবনে জুরাইজ যে মুদাল্লিস (তাদলীসকারী), তা আলেমদের নিকট সুপ্রসিদ্ধ। ইমাম আহমাদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেছেন:

"যখন তিনি বলেন: 'আমাদের সংবাদ দিয়েছেন' এবং 'আমি শুনেছি', তখন তা আপনার জন্য যথেষ্ট।" আর যাহাবী 'আল-মিযান' গ্রন্থে বলেছেন:

"তিনি প্রথিতযশা নির্ভরযোগ্য ইমামদের একজন, তিনি তাদলীস করতেন, তবে ব্যক্তিগতভাবে তিনি সর্বসম্মতভাবে নির্ভরযোগ্য। আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে হাম্বল বলেন: আমার পিতা বলেছেন: ইবনে জুরাইজ যে হাদীসগুলো মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করতেন তার কিছু জাল হাদীস ছিল। ইবনে জুরাইজ হাদীস গ্রহণের ক্ষেত্রে পরোয়া করতেন না যে তা কোথা থেকে নিচ্ছেন, অর্থাৎ তার এই উক্তি: 'আমাকে সংবাদ দেওয়া হয়েছে' এবং 'অমুক থেকে আমার কাছে হাদীস বর্ণনা করা হয়েছে'।"

‌‌১১- এবং পেশাব থেকে পবিত্রতা অর্জন অনুচ্ছেদ থেকে

‌‌৫- এবং আবু দাউদ বলেছেন:

"আসিম আবু ওয়ায়েল থেকে, তিনি আবু মূসা থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন:

"তাদের কারো শরীর" … "।

(আমি বলছি: এটি মুনকার)।

লেখক (রাহিমাহুল্লাহ) এটিকে এভাবে মুআল্লাক হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং তিনি ও মুনযিরী এ ব্যাপারে নীরব থেকেছেন!

কিন্তু এটি সমীচীন নয়; কারণ আসিম—যিনি ইবনে বাহদাল্লাহ—যদিও তিনি নির্ভরযোগ্য ও হাসান হাদীসের বর্ণনাকারী ছিলেন, তবুও তিনি...
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ১৭)
تكلموا فيه من قبل حفظه، فإذا روى ما يخالف فيه الثقات؛ لم يُحْتج به، كما

صنع في هذا الحديث، فقد رواه منصور عن أبي وائل فقال:

" ثوب أحدهم ". وفي رواية عنه:

" جلد أحدهم "؛ كما رواه المصنف قبيل هذه الرواية، وقد أوردناها في

" صحيحه "؛ لصحة إسنادها، وذكرنا هناك الحديث بتمامه فراجعه (رقم 17) .

ثم إنني لم أقف على رواية عاصم هذه، ولكني رأيت في " المجمع " (1/209)

ما نصه:

" وعن أبي موسى قال: رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يبول قاعداً، قد جافى بين

فخذيه، حتى جعلت آوي له من طول الجلوس، ثم جاء قابضاً بيده على ثلاث

وستين فقال: " إن صاحب بني إسرائيل كأن أشد على البول منكم، كان معه

مقراض، فإذا أصاب ثوْبهُ شيء من البول قصّه ". رواه الطبراني في " الكبير "،

وفيه علي بن عاصم، وكأن كثير الخطأ والغلط، وينبّه على غلطه؛ فلا يرجعُ؛

ويحْتقِر الحفاظ ".

قلت: وغلطه في هذا الحديث واضح؛ فإن صاحب بني إسرائيل كان ينكر

القص ولا يفعله، كما ثبت في " صحيحه " من حديث عبد الرحمن ابن حسنة،

ومن حديث أبي موسى أيضاً في " الصحيحين ".

‌‌12- باب البول قائماً

‌‌13- باب في الرجل يبول بالليل في الإناء ثم يضعه عنده

‌‌14- باب المواضع التي نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن البول فيها

[ليس تحت هذه الأبواب أحاديث على شرط كتابنا هذا. (انظر " الصحيح ") ]
তাঁর মুখস্থশক্তির ব্যাপারে সমালোচনা করা হয়েছে; ফলে তিনি যখন নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের (সিকাহ) বিপরীত কিছু বর্ণনা করেন, তখন তা দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্য হয় না, যেমনটি তিনি এই হাদিসের ক্ষেত্রে করেছেন। মানসুর আবু ওয়াইল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: "তাদের কারো পোশাক"। তাঁর থেকে অন্য একটি বর্ণনায় এসেছে: "তাদের কারো চামড়া"; যেমনটি গ্রন্থকার এই বর্ণনার কিছুটা আগে উল্লেখ করেছেন। আমরা এটি তাঁর "সহিহ" গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত করেছি, কারণ এর সনদ বিশুদ্ধ। সেখানে আমরা পূর্ণ হাদিসটি উল্লেখ করেছি, তাই সেটি দেখে নিন (নম্বর ১৭)।

এরপর আমি আসিমের এই বর্ণনার সন্ধান পাইনি, তবে আমি "আল-মাজমা" (১/২০৯) গ্রন্থে এই পাঠটি পেয়েছি:

যা বর্ণিত হয়েছে:

"আবু মুসা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বসে পেশাব করতে দেখেছি, তিনি তাঁর দুই উরুর মাঝে ফাঁক রেখেছিলেন, এমনকি দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার কারণে আমি তাঁর প্রতি সমব্যথী হচ্ছিলাম। এরপর তিনি তাঁর হাত দিয়ে তেষট্টির (সংখ্যার) ন্যায় মুষ্টিবদ্ধ করে আসলেন এবং বললেন: 'বনি ইসরায়েলের লোকেরা তোমাদের চেয়ে পেশাবের ব্যাপারে অনেক বেশি কঠোর ছিল; তাদের কাছে কাঁচি থাকত, যখন তাদের পোশাকে পেশাবের কিছু লাগত, তখন তারা তা কেটে ফেলত'।" এটি তাবারানি "আল-কাবির" গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন,

এর বর্ণনাকারীদের মধ্যে আলী ইবনে আসিম রয়েছেন, যিনি প্রচুর ভুল ও ত্রুটি করতেন; তাঁকে তাঁর ভুল সম্পর্কে সতর্ক করা হলেও তিনি তা সংশোধন করতেন না এবং তিনি হাফেজদের তুচ্ছজ্ঞান করতেন।

আমি (গ্রন্থকার) বলছি: এই হাদিসে তাঁর ভুলটি স্পষ্ট; কারণ বনি ইসরায়েলের সেই ব্যক্তিটি কেটে ফেলাকে অপছন্দ করতেন এবং তা করতেন না, যেমনটি আবদুর রহমান ইবনে হাসানা-র হাদিস থেকে তাঁর "সহিহ" গ্রন্থে সাব্যস্ত হয়েছে,

এবং আবু মুসা-র হাদিস থেকেও "সহিহাইন" (বুখারি ও মুসলিম)-এ সাব্যস্ত হয়েছে।

‌‌১২- অনুচ্ছেদ: দাঁড়িয়ে পেশাব করা

‌‌১৩- অনুচ্ছেদ: রাতে পাত্রে পেশাব করা এবং তা নিজের কাছে রাখা প্রসঙ্গে

‌‌১৪- অনুচ্ছেদ: যেসব স্থানে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পেশাব করতে নিষেধ করেছেন

[এই অনুচ্ছেদগুলোর অধীনে আমাদের এই গ্রন্থের শর্তানুযায়ী কোনো হাদিস নেই। (দেখুন "সহিহ")]
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ১৮)
‌‌15- ومن باب في البول في المُسْتحمِّ

‌‌6- عن الحسن عن عبد الله بن مغفّلٍ قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم:

" لا يبولنّ أحدُكم في مُسْتحمِّهِ ثم يغْتسِل فيه (وفي رواية: ثم يتوضأ

فيه) ؛ فإن عامة الوسْواسِ منه ".

(قلت: إسناده ضعيف، وقد أشار إلى ذلك الترمذي بقوله: " حديث

غريب ") .

إسناده: حدثنا أحمد بن محمد بن حنبل والحسن بن علي قالا: ثنا

عبد الرزاق- قال أحمد-: ثنا معمر: أخبرني أشعث- وقال الحسن: عن أشعث-

ابن عبد الله عن الحسن.

والرواية الثانية هي رواية أحمد.

وهذا إسناد رجاله كلهم ثقات؛ ولكن له علة خفية؛ وهي عنعنة الحسن- وهو

البصري-، فقد كان مدلساً، قال الحافظ في " التقريب ":

" ثقة فقيه فاضل مشهور، وكان يرسل كثيرا ويدلس ". وقال للذهبي في

" الميزان ":

" كان الحسن البصري كثير التدليس، فإذا قال في حديث: عن فلان؛ ضعف

احتجاجه، ولا سيما عمن قيل: إنه لم يسمع منهم، كأبي هريرة ونحوه ".

وهو- وإن كانوا قد ذكروا له سماعاً من عبد الله بن مغفل-؛ فليس معنى ذلك

أن كل حديث له عنه موصول سمعه منه، بل لا بد من تصريحه بالسماع من كل

صحابي يروي عنه، ليكون حجة خالياً من علة. هذا هو الذي يقتضيه علم

مصطلح الحديث.
১৫- গোসলখানায় প্রস্রাব করার অনুচ্ছেদ সম্পর্কে

৬- হাসান থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

"তোমাদের কেউ যেন তার গোসলখানায় প্রস্রাব না করে, অতঃপর সেখানে গোসল করে (অন্য বর্ণনায়: অতঃপর সেখানে ওযু করে); কারণ নিশ্চয়ই অধিকাংশ কুমন্ত্রণা তা থেকেই সৃষ্টি হয়।"

(আমি বলছি: এর সনদ দুর্বল, এবং তিরমিযী তাঁর এই উক্তির মাধ্যমে সেদিকেই ইঙ্গিত করেছেন: "হাদীসটি গরীব") ।

এর সনদ: আমাদের কাছে আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বল এবং হাসান বিন আলী বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেছেন: আমাদের কাছে আব্দুর রাজ্জাক বর্ণনা করেছেন- আহমাদ বলেছেন-: আমাদের কাছে মা'মার বর্ণনা করেছেন: আমাকে আশ'আস সংবাদ দিয়েছেন- হাসান বলেছেন: আশ'আস বিন আব্দুল্লাহ থেকে- তিনি হাসান থেকে।

দ্বিতীয় বর্ণনাটি আহমাদের বর্ণনা।

এটি এমন একটি সনদ যার সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য; কিন্তু এতে একটি গোপন ত্রুটি রয়েছে; আর তা হলো হাসান -যিনি বসরী- এর 'আন'আনা' (সরাসরি শ্রবণের শব্দ ব্যবহার না করে 'থেকে' শব্দ ব্যবহার করা), কেননা তিনি মুদাল্লিস (বর্ণনায় অস্পষ্টতা সৃষ্টিকারী) ছিলেন। আল-হাফিয 'আত-তাকরীব' গ্রন্থে বলেছেন:

"তিনি নির্ভরযোগ্য, ফকীহ, মর্যাদাবান ও প্রসিদ্ধ, তিনি প্রচুর 'ইরসাল' করতেন এবং 'তাদলীস' করতেন"। আয-যাহাবী 'আল-মিযান' গ্রন্থে বলেছেন:

"হাসান বসরী প্রচুর তাদলীস করতেন, তাই তিনি যখন কোনো হাদীসে 'অমুক থেকে' বলেন; তখন তাঁর দলিল হিসেবে পেশ করার যোগ্যতা দুর্বল হয়ে যায়, বিশেষ করে যাদের থেকে তাঁর শোনার ব্যাপারে সংশয় রয়েছে, যেমন আবু হুরায়রা ও তাঁর সমগোত্রীয় ব্যক্তিবর্গ" ।

যদিও তাঁরা উল্লেখ করেছেন যে আব্দুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল থেকে তাঁর শ্রুতি (হাদীস শ্রবণ) রয়েছে; তার অর্থ এই নয় যে তাঁর বর্ণিত প্রতিটি হাদীস যা তাঁর থেকে সরাসরি সূত্রযুক্ত তা তিনি সরাসরি তাঁর কাছ থেকে শুনেছেন। বরং তাঁর বর্ণিত প্রতিটি হাদীস যা তিনি কোনো সাহাবী থেকে বর্ণনা করেন, সেখানে তাঁর সরাসরি শোনার স্পষ্ট উল্লেখ থাকা আবশ্যক, যাতে তা ত্রুটিমুক্ত দলিল হতে পারে। হাদীস শাস্ত্রের পরিভাষা (মুসতালাহুল হাদীস) এটাই দাবি করে।
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ১৯)
فلا يُغتر بتتابع الناس بالاحتجاج بحديثه دونما نظر إلى تدليسه الذي اعترف

به الأئمة المتقدمون والمتأخرون!

والحديث في " المسند " (5/56) .

ورواه النسائي والترمذي وابن ماجه والحاكم عن أشعث … به. وقال الحاكم:

" صحيح على شرطهما "! ووافقه الذهبي!

وهو من أوهامهما؛ لأن أشعث بن عبد الله لم يخرج له الشيخان، وإنما أخرج

له البخاري تعليقاً.

وفيه عنعنة الحسن، وهو مما يضعف الاحتجاج بحديثه- بشهادة الذهبي نفسه

كما سلف-.

ومنه تعلم أن قول المنذري في " الترغيب ":

" إسناده صحيح متصل "!

ليس بصحيح، وقد أشار إلى ذلك مخرجه الترمذي حيث قال إنه:

" حديث غريب ".

‌‌16- باب النهي عن البول في الجُحْرِ

‌‌7- عن قتادة عن عبد الله بن سرْجِس:

أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن يُبْال في الجُحْرِ.

قالوا لقتادة: ما يُكْرهُ من البول في الجُحْرِ؟ قال:

كان يقال: إنها مساكِنُ الجن.
পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী ইমামগণ তাঁর যে ‘তাদলিস’-এর কথা স্বীকার করেছেন, তা লক্ষ্য না করে মানুষের তাঁর হাদীস দ্বারা একের পর এক দলীল পেশ করা দেখে বিভ্রান্ত হওয়া উচিত নয়

যা পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী ইমামগণ স্বীকার করেছেন!

আর হাদীসটি "মুসনাদ" (৫/৫৬)-এ রয়েছে।

এটি আশ‘আস …-এর সূত্রে নাসায়ী, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ এবং হাকিম বর্ণনা করেছেন। আর হাকিম বলেছেন:

"এটি তাঁদের (বুখারী ও মুসলিমের) শর্তানুযায়ী সহীহ!" এবং যাহাবী তাঁর সাথে একমত পোষণ করেছেন!

আর এটি তাঁদের উভয়েরই ভ্রম; কেননা আশ‘আস ইবনু আব্দুল্লাহ থেকে শাইখাইন (বুখারী ও মুসলিম) কোনো হাদীস বর্ণনা করেননি, বরং তাঁর থেকে

ইমাম বুখারী কেবল ‘তালীক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আর এতে আল-হাসানের ‘আনআনা’ (অস্পষ্ট বর্ণনাধারা) রয়েছে, যা তাঁর হাদীস দ্বারা দলীল পেশ করার বিষয়টিকে দুর্বল করে দেয়—খোদ যাহাবীর নিজের সাক্ষ্য অনুযায়ীই

যেমনটি পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে—।

এ থেকে আপনি জানতে পারবেন যে, "আত-তারগীব"-এ মুনযিরীর এই উক্তিটি:

"এর সনদ সহীহ ও মুত্তাসিল (নিরবচ্ছিন্ন)!"

সঠিক নয়; আর হাদীসটির সংকলক তিরমিযী নিজেই সেদিকে ইঙ্গিত করেছেন যখন তিনি বলেছেন যে এটি:

"গরীব হাদীস"।

‌‌১৬- পরিচ্ছেদ: গর্তে প্রস্রাব করার নিষেধাজ্ঞা

‌‌৭- কাতাদাহ থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু সারজিস থেকে বর্ণনা করেন:

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গর্তে প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন।

তাঁরা কাতাদাহকে জিজ্ঞেস করলেন: গর্তে প্রস্রাব করা কেন অপছন্দ করা হয়? তিনি বললেন:

বলা হতো যে, এগুলো জিনের বাসস্থান।
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ২০)
(قلت: ضعيف منقطع؛ أعله به ابن التركماني) .

أخرجه من طريق معاذ بن هشام: حدثني أبي عن قتادة.

ومن هذا الوجه: أخرجه النسائي والحاكم والبيهقي، وأحمد (5/82) .

ورجاله كلهم ثقات رجال الشيخين، ولكن له علة خفية- كما يأتي-. وقال

الحاكم:

" صحيح على شرطهما "! ووافقه الذهبي! ثم قال الحاكم:

" ولعل متوهماً يتوهم أن قتادة لم يذْكُرْ سماعه من عبد الله بن سرجس،

وليس هذا بمستبعد؛ فقد سمع قتادة من جماعة من الصحابة لم يسمع منهم

عاصم بن سليمان الأحول، وقد احتج مسلم بحديث عاصم عن عبد الله بن

سرجس- وهو من ساكني البصرة- "!

ومقصوده من ذلك إثبات إمكان لقاء قتادة لابن سرجس، وهو كاف في

الاتصال، كما عليه الجمهور؛ ولكن هذا مقيد بما إذا لم يكن للراوي معروفاً

بالتدليس.

أما والأمر ليس كذلك هنا؛ فلا! وذلك لأن قتادة قد ذكر في المدلسين كما

يتبين لك بمراجعة كتب القوم، كـ " التهذيب " وغيره.

وقد أورده الحاكم نفسه فيهم في كتابه " معرفة علوم الحديث " (ص 103) ،

لكنه ذكره في " المدلسين للذين لم يخرجوا من عداد الذين تقبل أخبارهم ".

على أن الحاكم قد صرح بخلاف مراده هنا، فقال في خاتمة الباب المشار إليه

منه (ص 111) :

" فليعلم صاحب الحديث أن الحسن لم يسمع من أبي هريرة … وأن قتادة لم
(আমি বলছি: এটি দুর্বল ও বিচ্ছিন্ন; ইবনুস তুর্কুমানী একে এই ত্রুটির কারণে দুর্বল বলেছেন) ।

তিনি এটি মু'আয ইবনে হিশামের সূত্রে বর্ণনা করেছেন: আমার পিতা আমার কাছে কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং এই সূত্র থেকে: এটি নাসায়ী, হাকিম, বায়হাকী এবং আহমাদ (৫/৮২) বর্ণনা করেছেন।

এর বর্ণনাকারীরা সবাই নির্ভরযোগ্য এবং শায়খাইনের (বুখারী ও মুসলিম) বর্ণনাকারী, তবে এতে একটি সূক্ষ্ম ত্রুটি রয়েছে- যা সামনে আসবে। হাকিম

বলেছেন:

"এটি তাদের শর্ত অনুযায়ী সহীহ"! এবং যাহাবী তার সাথে একমত হয়েছেন! অতঃপর হাকিম বলেন:

"হয়তো কেউ ধারণা করতে পারেন যে, কাতাদাহ আব্দুল্লাহ ইবনে সারজিস থেকে তার শ্রবণের কথা উল্লেখ করেননি,

আর এটি অসম্ভব নয়; কারণ কাতাদাহ এমন একদল সাহাবীর নিকট থেকে হাদীস শুনেছেন যাদের থেকে

আসিম ইবনে সুলাইমান আল-আহওয়াল শোনেননি, অথচ মুসলিম আব্দুল্লাহ ইবনে

সারজিস থেকে আসিমের হাদীস দ্বারা দলিল গ্রহণ করেছেন- যিনি বসরার অধিবাসী ছিলেন!"

এর দ্বারা তার উদ্দেশ্য হলো ইবনে সারজিসের সাথে কাতাদাহর সাক্ষাতের সম্ভাবনা প্রমাণ করা, যা অধিকাংশের মতে নিরবচ্ছিন্নতার জন্য যথেষ্ট; তবে এটি তখনই প্রযোজ্য যখন বর্ণনাকারী 'তাঁদলীস' (তথ্য গোপন) করার জন্য পরিচিত না হন।

কিন্তু এখানে বিষয়টি সেরকম নয়; তাই এটি গ্রহণযোগ্য নয়! এর কারণ হলো কাতাদাহকে 'মুদাল্লিস'দের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যেমনটি এই শাস্ত্রের বিশেষজ্ঞগণের কিতাবসমূহ যেমন "আত-তাহযীব" এবং অন্যান্য গ্রন্থসমূহ পর্যালোচনা করলে আপনার নিকট স্পষ্ট হবে।

স্বয়ং হাকিম তাকে তার কিতাব "মা'রিফাতু উলূমিল হাদীস" (পৃ. ১০৩)-এ তাদের মধ্যে উল্লেখ করেছেন,

তবে তিনি তাকে এমন "মুদাল্লিসদের মধ্যে উল্লেখ করেছেন যাদের বর্ণনা গ্রহণযোগ্যতা থেকে বিচ্যুত হয় না"।

অথচ হাকিম এখানে তার উদ্দেশ্যের বিপরীত কথা স্পষ্টভাবে বলেছেন, তিনি উল্লিখিত অধ্যায়ের শেষে (পৃ. ১১১) বলেছেন:

"হাদীস বিশারদদের জেনে রাখা উচিত যে, হাসান (বসরী) আবু হুরায়রা থেকে শ্রবণ করেননি … এবং কাতাদাহ শ্রবণ করেননি..."
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ২১)
يسمع من صحابي غير أنس ".

فثبت أن الحديث منقطع؛ فهو ضعيف بالرغم من ثقة رجاله. وبذلك أعله

ابن التركماني؛ حيث قال:

" قلت: روى ابن أبي حاتم عن حرب بن إسماعيل عن ابن حنبل قال: ما

أعلم قتادة روى عن أحد من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا عن أنس. قيل له: فابن

سرجس؟ فكأنه لم يره سماعاً ". قال الحافظ في " التلخيص " (1/465) :

" وأثبت سماعه منه: علي بن المديني، وصححه ابن خزيمة وابن السكن ".

قلت: الشبهة لا تزال قائمة؛ فاعلم ذلك.

‌‌17- باب ما يقول الرجل إذا خرج من الخلاء

‌‌18- باب كراهية مس الذكر باليمين في الاستبراء

[ليس تحتهما حديث على شرط كتابنا هذا. (انظر " للصحيح ") ]

‌‌19- باب الاستتار في الخلاء

‌‌8- عن الحُصيْنِ الحُبْراني عن أبي سعيد عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم

قال:

" منِ اكتحل فلْيُوتِرْ؛ من فعل فقد أحسن، ومن لا فلا حرج. ومنِ

استجمر فْليوُترْ؛ من فعل فقد أحسن، ومن لا فلا حرج. ومنْ أكل؛ فما

تخلّل فليلْفِظْ، وما لاك بلسانه فليبتلعْ؛ من فعل فقد أحسن، ومن لا فلا

حرج. ومن أتى الغائط فليستتر؛ فإن لم يجد إلا أن يجمع كثيباً من رمل
আনাস ব্যতীত অন্য কোনো সাহাবী থেকে শুনেছেন।"

সুতরাং প্রমাণিত হলো যে হাদীসটি মুনকাতি (বিচ্ছিন্ন); তাই এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও এটি যঈফ (দুর্বল)। এ কারণেই একে

ইবনুত তুর্কমানী ত্রুটিযুক্ত বলেছেন; যেখানে তিনি বলেছেন:

"আমি বলছি: ইবনু আবি হাতিম হারব বিন ইসমাঈল থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবনু হাম্বল থেকে, তিনি বলেছেন: আমার জানামতে

কাতাদাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোনো সাহাবী থেকে আনাস ব্যতীত কারো থেকে বর্ণনা করেননি। তাকে বলা হলো: ইবনু

সারজিস? যেন তিনি একে সরাসরি শোনা হিসেবে গণ্য করেননি।" হাফিয (ইবনু হাজার) "আত-তালখীস" গ্রন্থে (১/৪৬৫) বলেছেন:

"আলী ইবনুল মাদীনী তাঁর থেকে শোনা সাব্যস্ত করেছেন এবং ইবনু খুযায়মাহ ও ইবনুস সাকান একে সহীহ বলেছেন।"

আমি বলছি: সংশয়টি এখনও বিদ্যমান; তাই এটি জেনে রাখুন।

১৭- অধ্যায়: শৌচাগার থেকে বের হওয়ার সময় ব্যক্তি যা বলবে

১৮- অধ্যায়: ইস্তিবরার (শৌচ কার্যের) সময় ডান হাত দিয়ে লিঙ্গ স্পর্শ করার অপছন্দনীয়তা

[এই দুই অধ্যায়ের অধীনে আমাদের এই কিতাবের শর্তানুসারে কোনো হাদীস নেই। (দেখুন "সহীহ" গ্রন্থে)]

১৯- অধ্যায়: শৌচাগারে পর্দা বা আড়াল অবলম্বন করা

৮- হুসাইন আল-হুবরানী থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন

তিনি বলেছেন:

"যে ব্যক্তি সুরমা ব্যবহার করে সে যেন বেজোড় সংখ্যা রক্ষা করে; যে এমনটি করল সে ভালো করল, আর যে করল না তাতে কোনো দোষ নেই। আর যে

পাথরের সাহায্যে শৌচ (ইস্তিজমার) করল সে যেন বেজোড় সংখ্যা বজায় রাখে; যে এমনটি করল সে ভালো করল, আর যে করল না তাতে কোনো দোষ নেই। আর যে ব্যক্তি আহার করল; অতঃপর যা

দাঁতের ফাঁক থেকে খিলাল করে বের করল তা যেন সে ফেলে দেয়, আর যা জিহ্বা দিয়ে সংগ্রহ করল তা যেন সে গিলে ফেলে; যে এমনটি করল সে ভালো

করল, আর যে করল না তাতে কোনো দোষ নেই। আর যে ব্যক্তি শৌচকার্যে গেল সে যেন আড়াল গ্রহণ করে; যদি সে বালুর ঢিবি জমা করা ছাড়া অন্য কিছু না পায়"
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ২২)
فليستدبره؛ فإن الشيطان يلعب بمقاعد بني أدم؛ من فعل فقد أحسن، ومن

لا فلا حرج ".

قال أبو داود: " أبو سعيد الخير: هو من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم " (1) .

(قلت: إسناده ضعيف، وضعفه البيهقي وابن حجر) .

أخرجه من طريق عيسى عن ثور عن الحُصيْنِ الحبْرانِي.

قال أبو داود: " رواه أبو عاصم عن ثور قال: حصين الحِمْيرِيّ. ورواه عبد الملك

ابن الصباح عن ثور فقال: أبو سعيد الخير ".

ثم ذكر أبو داود الجملة المذكورة في الأصل.

والحديث أخرجه الطحاوي (1/72) ، والبيهقي عن عيسى بن يونس … به.

وأخرجه أحمد أيضاً (2/371) هكذا: سُريْجٌ: ثنا عيسى بن يونس عن ثور

عن الحُصيْن- كذا قال- عن أبي سعْد الخير- وكان من أصحاب عمر- عن أبي

هريرة.

وأخرجه الدارمي عن شيخه أبي عاصم- وهو الضّحّاك بن مخْلد النبِيل-: ثنا

ثور بن يزيد: ثنا حُصيْنٌ الحِمْيرِي: أخبرنا أبو سعيد الخير.

--------------------------------------------

(1) قال في " عون المعبود ": " غرض المؤلف من إيراد هذه الجملة: أن في رواية إبراهيم بن

موسى: أبا سعيد- بغير إضافة لفظ: الخير-؛ فهو ليس بصحابي؛ لأن أبا سعيد هذا- بغير

إضافة الخير- لا يعد في الصحابة، بل هو مجهول، وإنما يعد في الصحابة: أبو سعيد الخير "!

فلت: بل غرضه إثبات أن رواية إبراهيم مطلقة، ولذلك ساق بعدها رواية ابن الصباح

المقيدة: " أبو سعيد الخير "، وبنى المصنف عليها أنه من أصحاب للنبي صلى الله عليه وسلم.

هذا هو الذي يتبادر لي من ذلك؛ والله أعلم.
তিনি যেন তাকে পেছনের দিকে রাখেন; কারণ শয়তান আদম সন্তানের মলদ্বার নিয়ে খেলা করে; যে ব্যক্তি এমন করল সে উত্তম কাজ করল, আর যে তা করল না তাতে কোনো সমস্যা নেই।"

আবু দাউদ বলেন: "আবু সাঈদ আল-খায়র: তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত" (১)।

(আমি বলছি: এর সনদ দুর্বল, এবং বায়হাকী ও ইবনে হাজার একে দুর্বল বলেছেন)।

তিনি এটি ঈসার সূত্রে সাওর থেকে, তিনি হুসাইন আল-হাবরানী থেকে বর্ণনা করেছেন।

আবু দাউদ বলেন: "আবু আসিম এটি সাওর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: হুসাইন আল-হিময়ারি। আর আব্দুল মালিক ইবনাস সাব্বাহ এটি সাওর থেকে বর্ণনা করে বলেছেন: আবু সাঈদ আল-খায়র।"

অতঃপর আবু দাউদ মূল পাঠে উল্লিখিত বাক্যটি উল্লেখ করেছেন।

হাদীসটি তাহাবী (১/৭২) এবং বায়হাকী ঈসা ইবনে ইউনুস-এর সূত্রে... এর মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন।

আহমাদও এটি (২/৩৭১) এভাবে বর্ণনা করেছেন: সুরাইজ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনে ইউনুস থেকে, তিনি সাওর থেকে, তিনি হুসাইন থেকে—তিনি এভাবেই বলেছেন—তিনি আবু সাঈদ আল-খায়র থেকে—যিনি উমরের সঙ্গীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন—তিনি আবু হুরায়রা থেকে।

দারেমী তাঁর শাইখ আবু আসিম—যিনি দাহহাক ইবনে মাখলাদ আন-নাবীল—থেকে বর্ণনা করেছেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন সাওর ইবনে ইয়াযীদ: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন হুসাইন আল-হিময়ারি: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ আল-খায়র।

--------------------------------------------

(১) "আউনুল মাবুদ"-এ বলা হয়েছে: "এই বাক্যটি নিয়ে আসার মাধ্যমে লেখকের উদ্দেশ্য হলো: ইব্রাহিম ইবনে মুসার বর্ণনায় রয়েছে: আবু সাঈদ—'আল-খায়র' শব্দটির সংযুক্তি ছাড়াই—; ফলে তিনি সাহাবী নন; কারণ এই আবু সাঈদ—আল-খায়র শব্দটি যুক্ত না থাকলে—সাহাবীদের মধ্যে গণ্য হন না, বরং তিনি অজ্ঞাত (মাজহুল), আর সাহাবীদের মধ্যে কেবল 'আবু সাঈদ আল-খায়র'ই গণ্য হন!"

আমি বলছি: বরং লেখকের উদ্দেশ্য হলো এটি প্রমাণ করা যে ইব্রাহিমের বর্ণনাটি সাধারণ (মুতলাক), এজন্যই তিনি এরপর ইবনাস সাব্বাহর সুনির্দিষ্ট (মুকাইয়াদ) বর্ণনাটি উল্লেখ করেছেন: "আবু সাঈদ আল-খায়র", এবং গ্রন্থকার এর ওপর ভিত্তি করেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত।

এটাই আমার কাছে স্পষ্ট হয়; আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ২৩)
وهكذا أخرجه ابن ماجه (1/140) من طريقين عن عبد الملك بن الصباح عن

ثور … به.

وهذا إسناد ضعيف لأمرين:

الأول: جهالة حصين الحميري؛ قال الذهبي:

" لا يعرف ". والحافظ والخزرجي:

" مجهول ".

ولا يُغتر بتوثيق ابن حبان له حيث ذكره في " الثقات "؛ فإنه يورد فيه كثيراً من

المجهولين كما سبق تقريره؛ ولذلك لم يعرج على توثيقه هذا الحافظ وغيره.

الأمر الثاني: جهالة أبي سعيد هذا. وبه أعله المنذري؛ فقال (رقم 32) :

" وفي إسناده أبو سعيد الخير الحمصي، قال أبو زرعة الرازي: لا أعرفه.

قلت (1) : لقي أبا هريرة؟ قال: على هذا يوضع ". وقال الحافظ في " التلخيص ":

(1/457) :

" ومداره على أبي سعد الحبراني الحمصي، وفيه اختلاف. وقيل: إنه

صحابي- ولا يصح-. والراوي عنه حصين الحبراني، وهو مجهول. وقال أبو زرعة:

شيخ. وذكره ابن حبان في " الثقات "! وذكر الدارقطني الاختلاف فيه في

" العلل " ".

ثم استدركت فقلت: إن علة الحديث: هي جهالة حصين فقط.

وأما شيخه أبو سعيد الخير؛ فهو صحابي كما صرح به المؤلف وغيره؛ وإنما

--------------------------------------------

(1) قلت: القائل؛ هو ابن أبي حاتم- كما في " التهذيب " -.
এভাবে ইবনে মাজাহ (১/১৪০) আব্দুল মালিক ইবনুল সাবাহ-এর মাধ্যমে সাওর থেকে … এই সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

আর এই সনদটি (বর্ণনাসূত্রটি) দুটি কারণে দুর্বল:

প্রথমত: হুসাইন আল-হিমইয়ারীর পরিচয় অজ্ঞাত হওয়া (জাহালাত); আয-যাহাবী বলেন:

"তাকে চেনা যায় না।" আর আল-হাফিজ এবং আল-খাযরাজী বলেন:

"অজ্ঞাত (মাজহুল)।"

ইবনে হিব্বান তাকে "আস-সিকাত" গ্রন্থে উল্লেখ করে নির্ভরযোগ্য বলায় বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না; কেননা তিনি সেখানে অনেক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে উল্লেখ করে থাকেন যেমনটি ইতিপূর্বে সাব্যস্ত করা হয়েছে; এই কারণেই আল-হাফিজ এবং অন্যান্যরা তার এই নির্ভরযোগ্যকরণের (তাওসিক) প্রতি ভ্রুক্ষেপ করেননি।

দ্বিতীয় বিষয়: এই আবু সাঈদের পরিচয় অজ্ঞাত হওয়া। আল-মুনযিরি একে এই কারণেই ত্রুটিযুক্ত বলেছেন; তিনি বলেন (নং ৩২):

"আর এর সনদে আবু সাঈদ আল-খায়র আল-হিমসি রয়েছেন, আবু জুরআ আর-রাজি বলেন: আমি তাকে চিনি না।

আমি বললাম (১): তিনি কি আবু হুরায়রার সাথে সাক্ষাৎ করেছেন? তিনি বললেন: এর ওপর ভিত্তি করেই সনদটি সাজানো হয়েছে।" আর আল-হাফিজ "আত-তালখিস" (১/৪৫৭) গ্রন্থে বলেছেন:

"এর মূল ভিত্তি হলো আবু সা'দ আল-হাবরানি আল-হিমসি, আর তাকে নিয়ে মতভেদ রয়েছে। বলা হয়েছে যে তিনি একজন সাহাবী—কিন্তু তা সঠিক নয়। আর তার থেকে বর্ণনাকারী হলেন হুসাইন আল-হাবরানি, যিনি অজ্ঞাত (মাজহুল)। আবু জুরআ বলেন: তিনি একজন শায়খ। ইবনে হিব্বান তাকে 'আস-সিকাত' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন! আর আদ-দারাকুতনি 'আল-ইলাল' গ্রন্থে তার ব্যাপারে মতপার্থক্য উল্লেখ করেছেন।"

এরপর আমি সংশোধন করে বললাম: হাদিসটির ত্রুটি কেবল হুসাইনের পরিচয় অজ্ঞাত হওয়া।

আর তার শায়খ আবু সাঈদ আল-খায়র এর ব্যাপারে কথা হলো, তিনি একজন সাহাবী যেমনটি লেখক এবং অন্যান্যরা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন; আর মূলত

--------------------------------------------

(১) আমি বলছি: বক্তা হলেন ইবনে আবি হাতিম—যেমনটি "আত-তাহজিব" গ্রন্থে রয়েছে।
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ২৪)
اشتبه على من به أعله بأبي سعيد- وهو مجهول-، وقد رأيت في تخريج الحديث

أن أحداً لم يقل فيه: الحبراني، بل كل من نسبه منهم قال: الخير. وقد قال

الحافظ في " تهذيب التهذيب ":

" قلت: الصواب التفريق بينهما؛ فقد نص على كون أبي سعيد الخير

صحابياً؛ البخاري وأبو حاتم وابن حبان والبغوي وابن قانع وجماعة. وأما أبو سعيد

الحبراني فتابعي قطعاً، وإنما وهم بعض الرواة فقال في حديثه: عن أبي سعيد

الخير، ولعله تصحيف وحذف. والله أعلم ".

قلت: إن كان يعني ببعض الرواة: حصيناً الحميري المجهول؛ فلا كلام.

وإن كان أراد بعض الرواة عنه؛ فقد علمت أن الذين وقفنا على رواياتهم قد

اتفقوا على أنه أبو سعيد الخير؛ فتوهيمهم وهم.

وقد أشار أبو داود إلى أنه الصحابي بقوله- بعد أن ذكر للرواية الني صرحت

بأنه الخير-:

" هو من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ".

وكما فرق الحافظ بين الحبراني والخير في " التهذيب "؛ فكذلك فرق بينهما في

" التقريب "، فقال ما صورته:

" (د، ق) أبو سعيد الحبراني- بضم المهملة وسكون الموحدة- الحمصي، اسمه

زياد، وقيل: عامر، وقيل عمر، مجهول، من الثالثة.

(تمييز) أبو سعيد الخير- بفتح المعجمة وسكون التحتانية- الأنماري،

صحابي له حديث. وقد وهم من خلطه بالذي قبله، ووهم أيضاً من صحف

الذي قبله به ".
যিনি হাদীসটিকে ত্রুটিপূর্ণ সাব্যস্ত করেছেন, তিনি একে আবু সাঈদ -যিনি অজ্ঞাত- এর সাথে গুলিয়ে ফেলেছেন। আর আমি হাদীসের তাখরীজ করতে গিয়ে দেখেছি যে

তাদের মধ্যে কেউ তাকে ‘আল-হাবরানী’ বলেননি, বরং তাদের মধ্যে যারা তার সম্বন্ধ করেছেন তারা সকলেই তাকে ‘আল-খায়ের’ বলেছেন। হাফেজ (ইবনে হাজার) ‘তহজীবুত তহজীব’-এ বলেছেন:

“আমি বলি: সঠিক হলো এই দুজনকে পৃথক করা; কেননা আবু সাঈদ আল-খায়ের একজন সাহাবী হওয়ার বিষয়ে আল-বুখারী, আবু হাতিম, ইবনে হিব্বান, আল-বাগাভী, ইবনে কানে’ এবং একদল আলিম সুস্পষ্ট বর্ণনা করেছেন। পক্ষান্তরে আবু সাঈদ

আল-হাবরানী নিশ্চিতভাবেই একজন তাবেয়ী। মূলত কোনো কোনো বর্ণনাকারী ভ্রমবশত তার হাদীসের বর্ণনায় বলেছেন: আবু সাঈদ

আল-খায়ের থেকে; সম্ভবত এটি কোনো লেখনগত বিকৃতি ও বিলোপসাধন। আল্লাহ্ই সর্বজ্ঞ।”

আমি বলি: যদি ‘কোনো কোনো বর্ণনাকারী’ বলতে তিনি অজ্ঞাত হুসাইন আল-হিময়ারীকে উদ্দেশ্য করে থাকেন, তবে কোনো কথা নেই।

আর যদি তিনি তার পরবর্তী কোনো বর্ণনাকারীকে উদ্দেশ্য করে থাকেন, তবে আপনি জেনেছেন যে আমরা যাদের বর্ণনার সন্ধান পেয়েছি তারা

এ বিষয়ে একমত যে তিনি আবু সাঈদ আল-খায়ের; তাই তাদের ভ্রমগ্রস্ত বলাটাই একটি ভ্রম।

আবু দাউদও তিনি যে একজন সাহাবী সেদিকে ইঙ্গিত করেছেন—যে বর্ণনায় তাকে স্পষ্টভাবে

‘আল-খায়ের’ বলা হয়েছে তা উল্লেখ করার পর—তার এই উক্তির মাধ্যমে:

“তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত।”

হাফেজ যেভাবে ‘তহজীব’-এ আল-হাবরানী ও আল-খায়েরের মধ্যে পার্থক্য করেছেন, ঠিক তেমনি তিনি

‘তাকরীব’-এও তাদের মধ্যে পার্থক্য করেছেন এবং যা বলেছেন তা নিম্নরূপ:

“(দাউদ, কাজভিনী) আবু সাঈদ আল-হাবরানী —অব্যবহৃত বর্ণে (হা) পেশ এবং এক নুকতাযুক্ত বর্ণে (বা) সুকুনসহ— আল-হিমসী, তার নাম

যিয়াদ, কেউ বলেছেন: আমির, আবার কেউ বলেছেন উমর; তিনি একজন অজ্ঞাত বর্ণনাকারী, তৃতীয় স্তরের অন্তর্ভুক্ত।

(পার্থক্যকরণ) আবু সাঈদ আল-খায়ের —চিহ্নিত বর্ণে (খা) জবর এবং নিচের নুকতাযুক্ত বর্ণে (ইয়া) সুকুনসহ— আল-আনমারী,

তিনি একজন সাহাবী, তার থেকে হাদীস বর্ণিত হয়েছে। যে ব্যক্তি তাকে পূর্বোক্ত ব্যক্তির সাথে মিলিয়ে ফেলেছেন তিনি ভ্রমে পড়েছেন, আর যে ব্যক্তি পূর্বের নামটিকে এর সাথে বিকৃত করেছেন তিনিও ভ্রমে পড়েছেন।”
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ২৫)
ويلاحظ أنه ذكر أبا سعيد الخير تمييزاً له عن الذي قبله، ورمز له بأنه من رجال

أبي داود وابن ماجه! ولو عكس ذلك لأصاب؛ لا سبق ذكره من أنهما إنما أخرجاه

عن الخير، لا عن الحبراني كغيرهما؛ فتنبه.

ثم إن الحديث أشار البيهقي إلى تضعيفه، حيث قال عقب تخريجه:

" وهذا إن صح؛ فإنما أراد- والله أعلم- وتراً يكون بعد الثلاث ".

ولا يغتر بتعقب ابن التركماني له بقوله:

" قلت: أخرجه ابن حبان في " صحيحه " … "!

ولا بقول النووي في " المجموع " (2/55) :

" وهو حديث حسن "!

فإن الأول متعصب لمذهبه على البيهقي، ولو كان الحديث عليه لا له؛ لأجلب

عليه بخيله ورجِلِهِ! وابن حبان إنما رواه من طريق المجهول الذي تفرد هو بتوثيقه كما

سبق.

وأما النووي؛ فكأنه لا رأى سكوت أبي داود عليه؛ اغتر به وحسنه، مع أنه

نفسه قال في حديث آخر لأبي داود- فيه مثل هذه العلة-:

" وإنما لم يصرح أبو داود بضعفه؛ لأنه ظاهر ". انظر الحديث رقم (1) .

فلو قال مثل هذا في هذا؛ لوُفِّق. والمعصوم من عصمه الله وحده.

‌‌20- ومن " باب ما ينهى عنه أن يستنجى به "

‌‌21- باب الاستنجاء بالحجارة

[ليس تحتهما حديث على شرط كتابنا هذا. (انظر " الصحيح ") ]
লক্ষ্য করা যায় যে, তিনি আবু সাঈদ আল-খায়েরের কথা উল্লেখ করেছেন তাকে তার পূর্ববর্তীদের থেকে পৃথক করার জন্য, এবং তাকে আবু দাউদ ও ইবনে মাজাহর বর্ণনাকারীদের

অন্তর্ভুক্ত বলে সংকেত দিয়েছেন! যদি তিনি এর বিপরীতটি করতেন তবেই সঠিক হতো; কারণ ইতিপূর্বে উল্লেখিত হয়েছে যে, তারা অন্যান্যের মতো আল-হাবরানি থেকে নয়, বরং আল-খায়ের থেকেই তা

বর্ণনা করেছেন; সুতরাং বিষয়টি লক্ষ্য করুন।

এরপর আল-বায়হাকি হাদিসটিকে দুর্বল বলে ইঙ্গিত করেছেন, যেখানে তিনি হাদিসটি বর্ণনা করার পর বলেছেন:

"আর এটি যদি বিশুদ্ধ হয়; তবে তিনি এর দ্বারা উদ্দেশ্য করেছেন—আল্লাহই ভালো জানেন—এমন একটি বিতর যা তিন রাকাতের পরে হবে।"

আর ইবনে তুর্কুমানির এই বক্তব্য দ্বারা বিভ্রান্ত হওয়া উচিত নয় যেখানে তিনি তাকে খণ্ডন করে বলেছেন:

"আমি বলি: ইবনে হিব্বান এটি তার 'সহিহ' গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন … "!

কিংবা 'আল-মাজমু' (২/৫৫) গ্রন্থে ইমাম নববীর এই উক্তি দ্বারাও নয় যে:

"এটি একটি হাসান হাদিস"!

কেননা প্রথম ব্যক্তি [ইবনে তুর্কুমানি] আল-বায়হাকির বিপক্ষে তার মাযহাবের প্রতি অন্ধ অনুরাগী ছিলেন। আর যদি হাদিসটি তার মাযহাবের বিপক্ষে হতো, তবে তিনি এর বিরুদ্ধে

তার সর্বশক্তি নিয়োগ করতেন! আর ইবনে হিব্বান এটি কেবল একজন অজ্ঞাত বর্ণনাকারীর সূত্রে বর্ণনা করেছেন যাকে কেবল তিনিই নির্ভরযোগ্য বলেছেন, যেমনটি ইতিপূর্বে

অতিক্রান্ত হয়েছে।

আর ইমাম নববীর ক্ষেত্রে বলা যায় যে, সম্ভবত তিনি আবু দাউদের নীরবতা দেখে বিভ্রান্ত হয়েছেন এবং এটিকে হাসান বলেছেন, যদিও তিনি

নিজেই আবু দাউদের অন্য একটি হাদিস সম্পর্কে—যেটিতে একই ধরণের ত্রুটি ছিল—বলেছেন:

"আবু দাউদ এর দুর্বলতা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেননি কারণ এটি সুস্পষ্ট।" দেখুন হাদিস নং (১)।

যদি তিনি এই হাদিসের ক্ষেত্রেও একই কথা বলতেন, তবে তিনি সঠিক সিদ্ধান্ত দিতে পারতেন। আর নির্ভুল কেবল তিনিই যাকে একমাত্র আল্লাহ রক্ষা করেন।

‌‌২০- এবং "যা দিয়ে ইস্তিঞ্জা করা নিষিদ্ধ" সেই অনুচ্ছেদ থেকে

‌‌২১- পাথর দিয়ে ইস্তিঞ্জা করার অনুচ্ছেদ

[এই দুই অনুচ্ছেদের অধীনে আমাদের এই গ্রন্থের শর্ত অনুযায়ী কোনো হাদিস নেই। ('আস-সহিহ' দেখুন)]
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ২৬)
‌‌22- باب في الاستبراء

‌‌9- عن عائشة قالت:

بال رسولُ الله صلى الله عليه وسلم، فقام عمر خلفه بكوزٍ من ماء، فقال:

" ما هذا يا عمر؟! ".

فقال: هذا ماء تتوضأ به، قال:

" ما أُمرت كلما بلت أن أتوضأ، ولو فعلت لكانت سنة ".

(قلت: إسناده حسن (*) ، وقواه الدارقطني) .

إسناده: أخرجه من ثلاث طرق عن عبد الله بن يحيى التوأم أبي يعقوب عن

عبد الله بن أبي مليكة عن أمه عن عائشة.

وهذا إسناد حسن؛ عبد الله بن يحيى؛ قال الذهبي في " الميزان ":

" صويلح، ضعفه ابن معين، ومشاه غيره، وعن النسائي قولان ".

وعبد الله بن أبي مليكة ثقة من رجال الشيخين، وأمه اسمها ميمونة بنت

الوليد؛ قال الحافظ:

" ذكرها ابن حبان في (الثقات من التابعين) ، وأورد لها هذا الحديث ".

وقال في " التقريب " أنها:

--------------------------------------------

(*) هذا الحديث أشار الشيخ رحمه الله إلي نقله هنا من " الصحيح " قائلاً:

" ينقل إلى " الضعيف " للمخالفة. انظر " المشكاة " (368) ".
২২- পরিচ্ছেদ: ইস্তিবরা (প্রস্রাবের পর পবিত্রতা অর্জন) সম্পর্কে

৯- আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রস্রাব করলেন, তখন উমর (রা.) পানির একটি পাত্র নিয়ে তাঁর পেছনে দাঁড়ালেন। তখন তিনি (রাসূলুল্লাহ) বললেন:

"হে উমর, এটি কী?!"

তিনি বললেন: এটি পানি যা দিয়ে আপনি অজু করবেন। তিনি (রাসূলুল্লাহ) বললেন:

"আমি যখনই প্রস্রাব করি তখনই অজু করার জন্য আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয়নি, আর আমি যদি তা করতাম তবে তা সুন্নাত হয়ে যেত।"

(আমি বলছি: এর সনদ হাসান (*), এবং দারাকুতনী একে শক্তিশালী বলেছেন।)

এর সনদ: এটি আব্দুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া আত-তাউয়াম আবু ইয়াকুব থেকে তিনটি সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আবু মুলাইকা থেকে, তিনি তাঁর মা থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে।

এটি একটি হাসান সনদ; আব্দুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া সম্পর্কে যাহাবী "আল-মিজান" গ্রন্থে বলেছেন:

"তিনি মোটামুটি ভালো (সুওয়াইলিহ), ইবনে মায়ীন তাঁকে দুর্বল বলেছেন, তবে অন্যরা তাঁকে গ্রহণযোগ্য মনে করেছেন, আর নাসাঈ থেকে এ বিষয়ে দুটি মত বর্ণিত হয়েছে।"

আর আব্দুল্লাহ বিন আবু মুলাইকা হচ্ছেন শায়খাইন (বুখারী ও মুসলিম)-এর বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত একজন নির্ভরযোগ্য রাবী, এবং তাঁর মায়ের নাম মায়মুনা বিনতে আল-ওয়ালিদ; হাফেজ (ইবনে হাজার) বলেছেন:

"ইবনে হিব্বান তাঁকে (তাবেয়ীদের মধ্যে নির্ভরযোগ্যদের) তালিকায় উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর সূত্রে এই হাদিসটি উদ্ধৃত করেছেন।"

এবং তিনি "আত-তাকরীব" গ্রন্থে বলেছেন যে তিনি:

--------------------------------------------

(*) শায়খ (রহিমাহুল্লাহ) এই হাদিসটি এখান থেকে "সহীহ" (গ্রন্থ) থেকে সরিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন:

"বিরোধিতার কারণে একে 'যঈফ' (দুর্বল) গ্রন্থে স্থানান্তর করা হবে। দেখুন 'আল-মিশকাত' (৩৬৮)।"
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ২৭)
" ثقة ".

قلت: وأشار الدارقطني إلى توثيقها كما يأتي، وزعم المنذري (رقم 38) أنها

مجهولة.

والحديث أخرجه ابن ماجه، والدارقطني (23) ، والبيهقي، وأحمد (6/95)

من الوجه المذكور. وقال الدارقطني:

" لا بأس به. تفرد به أبو يعقوب التوأم، حدث به عنه جماعة من الرفعاء ".

وله شاهد من حديث ابن عباس نحوه. انظره في " صحيح النسائي " ( … ) .

‌‌23- باب في الاستنجاء بالماء

‌‌24- باب الرجل يدْلكُ يده بالأرض إذا استنجى

‌‌25- باب السواك

‌‌26- باب كيف يستاك؟

‌‌27- باب الرجل يستاك بسواك غيره

‌‌28- باب غسل السواك

‌‌29- باب السواك من الفطرة

‌‌30- باب السواك لمن قام من الليل

‌‌31- باب فرض الوضوء

[ليس تحت هذه الأبواب أحاديث على شرط كتابنا هذا. (انظر " الصحيح ") ]
"নির্ভরযোগ্য"।

আমি বলছি: আদ-দারা কুতনী তার নির্ভরযোগ্যতার দিকে ইঙ্গিত করেছেন যেমনটি সামনে আসছে, আর আল-মুনজিরি (৩৮ নং) দাবি করেছেন যে তিনি

অপরিচিত।

হাদিসটি ইবনে মাজাহ, আদ-দারা কুতনী (২৩), আল-বায়হাকী এবং আহমাদ (৬/৯৫)

উল্লিখিত সূত্রের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। আদ-দারা কুতনী বলেছেন:

"এতে কোনো সমস্যা নেই। আবু ইয়াকুব আত-তাওআম এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তাঁর থেকে একদল উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন রাবী এটি বর্ণনা করেছেন।"

ইবনে আব্বাসের হাদিস থেকে এর অনুরূপ একটি সমর্থক বর্ণনা রয়েছে। এটি "সহিহ নাসায়ী" তে দেখুন ( … ) ।

‌‌২৩- অধ্যায়: পানি দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা প্রসঙ্গে

‌‌২৪- অধ্যায়: ব্যক্তি ইস্তিঞ্জা করার পর তার হাত মাটিতে ঘষবে

‌‌২৫- অধ্যায়: মিসওয়াক

‌‌২৬- অধ্যায়: কীভাবে মিসওয়াক করবে?

‌‌২৭- অধ্যায়: অন্যের মিসওয়াক দিয়ে মিসওয়াক করা

‌‌২৮- অধ্যায়: মিসওয়াক ধৌত করা

‌‌২৯- অধ্যায়: মিসওয়াক ফিতরাতের অন্তর্ভুক্ত

‌‌৩০- অধ্যায়: যে ব্যক্তি রাতে (সালাতের জন্য) দাঁড়ায় তার জন্য মিসওয়াক

‌‌৩১- অধ্যায়: ওযুর ফরযসমূহ

[এই অধ্যায়গুলোর অধীনে আমাদের এই কিতাবের শর্তানুযায়ী কোনো হাদিস নেই। ("সহিহ" দেখুন)]
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ২৮)
‌‌32- باب الرجل يجدّد الوضوء من غير حدث

‌‌10- عن عبد الرحمن بن زياد عن غطيْفٍ (وفي رواية: أبي غُطيْف)

الهُذلِيِّ قال:

كنت عند عبد الله بن عمر، فلما نودي بالظهر توضّأ فصلى، فلما

نودي بالعصر توضأ، فقلت له؟! فقال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول:

" من توضأ على طهْرٍ؛ كتب الله له عشر حسنات ".

(قلت. إسناده ضعيف، وكذا قال الترمذي، وضعفه المنذري والعراقي

والحافظ، وكذا النووي، ونقل الاتفاق على ضعفه) .

إسناده: حدثنا محمد بن يحيي بن فارس: ثنا عبد الله بن يزيد المقرئ. (ح)

وثنا مسدد: ثنا عيسى بن يونس قالا: ثنا عبد الرحمن بن زياد عن غُطيْف.

قال أبو داود: " وأنا لحديث ابن يحيى أتقن عن غطيف. وقال محمد: عن

أبي غطيف الهذلي قال … ".

قلت: وفي نسخة: أضبط؛ بدل: أتقن.

وهذا إسناد ضعيف؛ لأن مداره على الإفريقي- وهو ضعيف- عن غطيف- أو

عن أبي غطيف- وهو مجهول لم يرو عنه غير الإفريقي.

والحديث أخرجه البيهقي (1/162) من طريق المؤلف.

وأخرجه الترمذي وابن ماجه من طريق الإفريقي … به. وقال الترمذي

(1/87 و 91) :
‌৩২- অনুচ্ছেদ: অপবিত্রতা (হাদাস) ব্যতীত কোনো ব্যক্তির পুনরায় ওজু করা

‌‌১০- আব্দুর রহমান ইবনে জিয়াদ হতে বর্ণিত, তিনি গুতায়েফ (এবং এক বর্ণনায়: আবু গুতায়েফ)

আল-হুজালী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমি আব্দুল্লাহ ইবনে উমরের নিকট ছিলাম। যখন যোহরের আযান দেওয়া হলো তখন তিনি ওজু করলেন এবং সালাত আদায় করলেন। এরপর যখন

আসরের আযান দেওয়া হলো তখন তিনি ওজু করলেন। আমি তাকে এই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন:

"যে ব্যক্তি পবিত্র থাকা অবস্থায় ওজু করবে, আল্লাহ তার জন্য দশটি নেকি লিখে দেবেন।"

(আমি বলছি: এর সনদ দুর্বল। তিরমিযীও অনুরূপ বলেছেন। মুনযিরী, ইরাকী,

হাফিজ এবং নববীও একে দুর্বল বলেছেন এবং এর দুর্বলতার বিষয়ে ঐকমত্য বর্ণনা করেছেন)।

সনদ: মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে ফারিস আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াযীদ আল-মুক্রী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন। (হ)

এবং মুসাদ্দাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: ঈসা ইবনে ইউনুস আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ই বলেছেন: আব্দুর রহমান ইবনে জিয়াদ আমাদের নিকট গুতায়েফ থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন।

আবু দাউদ বলেন: "আমি গুতায়েফ থেকে বর্ণিত ইবনে ইয়াহইয়ার হাদীসটিকে অধিক নির্ভরযোগ্য মনে করি। মুহাম্মদ বলেছেন: আবু

গুতায়েফ আল-হুজালী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন..."।

আমি বলছি: কোনো কোনো পাণ্ডুলিপিতে 'আতকান' (নির্ভরযোগ্য) শব্দের স্থলে 'আযবাত' (সঠিক) শব্দ রয়েছে।

আর এই সনদটি দুর্বল; কারণ এর মূল ভিত্তি হলো ইফ্রিকী—যিনি একজন দুর্বল বর্ণনাকারী—আর তিনি গুতায়েফ থেকে—অথবা

আবু গুতায়েফ থেকে—বর্ণনা করেছেন, যিনি একজন অজ্ঞাত (মাজহুল) ব্যক্তি এবং ইফ্রিকী ছাড়া অন্য কেউ তাঁর থেকে বর্ণনা করেননি।

হাদীসটি বায়হাকী (১/১৬২) গ্রন্থকারের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

আর তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ ইফ্রিকীর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী

(১/৮৭ ও ৯১) বলেছেন:
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ২৯)
" وهذا إسناد ضعيف ".

وضعفه المنذري في " الترغيب " (1/99 رقم 5) ، والعراقي في " تخريج

الإحياء " (1/120) ، وكذا البيهقي، حيث قال عقبه:

" عبد الرحمن بن زياد الإفريقي غير قوي ".

وكأنه ذهل عن جهالة شيخه! ورواه الطحاوي (1/25) … أتم منه.

وضعفه الحافظ أيضاً في " التلخيص " (2/184) . وقال النووي في " المجموع "

(1/470) :

" ضعيف متفق على ضعفه؛ وممن ضعفه الترمذي والبيهقي ".

(تنبيه) : وأما الحديث المشهور على الألسنة: " الوضوء على الوضوء نور على

نور "!

فلا أصل له من كلام النبي عليه السلام، كما أفاده المنذري والعراقي. قال

الأول:

" ولعله من كلام بعض السلف ".

‌‌33- باب ما يُنجِس الماء

‌‌34- باب ما جاء في بئر بضاعة

‌‌35- باب الماء لا يُجنب

‌‌36- باب البول في الماء الراكد

‌‌37- باب الوضوء بسؤر الكلب
"এবং এটি একটি দুর্বল সনদ।"

এবং মুনযিরী একে "আত-তারগীব" (১/৯৯, নং ৫) গ্রন্থে দুর্বল বলেছেন, এবং ইরাকী "তাখরীজুল ইহয়া" (১/১২০) গ্রন্থে, তেমনিভাবে বায়হাকীও, যেখানে তিনি এর পরেই বলেছেন:

"আব্দুর রহমান বিন যিয়াদ আল-ইফ্রিকী শক্তিশালী নন।"

যেন তিনি তাঁর উস্তাদের অজ্ঞাত থাকার বিষয়টি ভুলে গিয়েছেন! এবং তহাবী (১/২৫) এটি বর্ণনা করেছেন … যা এর চেয়ে পূর্ণাঙ্গ।

হাফেযও একে "আত-তালখীস" (২/১৮৪) গ্রন্থে দুর্বল বলেছেন। এবং নববী "আল-মাজমু" (১/৪৭০) গ্রন্থে বলেছেন:

"এটি দুর্বল, এর দুর্বলতার ওপর ঐক্যমত রয়েছে; যারা একে দুর্বল বলেছেন তাদের মধ্যে তিরমিযী ও বায়হাকীও রয়েছেন।"

(সতর্কবার্তা): আর মানুষের মুখে প্রচলিত প্রসিদ্ধ হাদিসটির ব্যাপারে: "ওযুর ওপর ওযু হচ্ছে নূরের ওপর নূর"!

নবী আলাইহিস সালামের বাণী হিসেবে এর কোনো ভিত্তি নেই, যেমনটি মুনযিরী এবং ইরাকী উল্লেখ করেছেন। প্রথমজন বলেছেন:

"সম্ভবত এটি কোনো সালাফের (পূর্বসূরীর) কথা।"

‌‌৩৩- অধ্যায়: যা পানিকে অপবিত্র করে

‌‌৩৪- অধ্যায়: বুযা'আ কূপ সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে

‌‌৩৫- অধ্যায়: পানি অপবিত্র হয় না

‌‌৩৬- অধ্যায়: বদ্ধ পানিতে প্রস্রাব করা

‌‌৩৭- অধ্যায়: কুকুরের উচ্ছিষ্ট পানি দিয়ে ওযু করা
(খণ্ড: ১) যয়ীফ আবূ দাউদ - আল-উম্ম (পৃষ্ঠা: ৩০)
‌‌38- باب سؤر الهرة

‌‌39- باب الوضوء بفضل وضوء المرأة

‌‌40- باب النهي عن ذلك

‌‌41- باب الوضوء بماء البحر

[ليس تحت هذه الأبواب أحاديث على شرط كتابنا هذا. (انظر " الصحيح ") ]

‌‌42- ومن " باب الوضوء بالنبيذ "

‌‌11- عن شرِيك عن أبي فزارة عن أبي زيد (زاد في رواية: أو زيد) عن

عبد الله بن مسعود:

أن النبي صلى الله عليه وسلم قال له ليلة الجن:

" ما في إِداوتِك؟ ". قال: نبيذ. قال:

" تمرة طيبةٌ، وماء طهُورٌ ".

(قلت: إسناده ضعيف، وضعفه البخاري والترمذي وأبو زرعة وابن عدي

وابن المنذر وابن عبد البر، وقال: إنه " حديث منكر ") .

إسناده: حدثنا هناد وسليمان بن داود العتكِي قالا: ثنا شريك.

قال أبو داود: " وقال سليمان بن داود: عن أبي زيد أو زيد. كذا قال شريك،

ولم يذكر هناد: ليلة الجن ".

قلت: وهذا سند ضعيف؛ وعلته أبو زيد هذا؛ فإنه مجهول اتفاقاً وكان نباذا
৩৮- বিড়ালের উচ্ছিষ্ট সংক্রান্ত অধ্যায়

৩৯- নারীর ওযুর অবশিষ্ট পানি দিয়ে ওযু করা সংক্রান্ত অধ্যায়

৪০- তা থেকে নিষেধ সংক্রান্ত অধ্যায়

৪১- সমুদ্রের পানি দিয়ে ওযু করা সংক্রান্ত অধ্যায়

[এই অধ্যায়গুলোর অধীনে আমাদের এই গ্রন্থের শর্তানুসারে কোনো হাদিস নেই। ("আস-সহীহ" দেখুন)]

৪২- এবং "নাবিয দিয়ে ওযু করা সংক্রান্ত অধ্যায়" থেকে

১১- শারীক থেকে, তিনি আবু ফাযারাহ থেকে, তিনি আবু যাইদ থেকে (এক বর্ণনায় অতিরিক্ত এসেছে: অথবা যাইদ), তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন যে:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিনদের রাতে তাঁকে বলেছিলেন:

"তোমার চামড়ার পাত্রে কী আছে?" তিনি বললেন: নাবিয। তিনি বললেন:

"উত্তম খেজুর এবং পবিত্র পানি।"

(আমি বলছি: এর সনদ দুর্বল; ইমাম বুখারী, তিরমিযী, আবু যুরআহ, ইবনু আদী, ইবনুল মুনযির এবং ইবনু আব্দুল বার একে দুর্বল বলেছেন। তিনি বলেছেন: এটি একটি "মুনকার হাদিস")।

সনদ: হান্নাদ ও সুলাইমান বিন দাউদ আল-আতাকী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তাঁরা বলেন: শারীক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।

আবু দাউদ বলেন: "সুলাইমান বিন দাউদ বলেছেন: আবু যাইদ অথবা যাইদ থেকে। শারীক এভাবেই বর্ণনা করেছেন, তবে হান্নাদ 'জিনদের রাত' এর বিষয়টি উল্লেখ করেননি।"

আমি বলছি: এটি একটি দুর্বল সনদ; আর এর ত্রুটি হলো এই আবু যাইদ; কেননা তিনি সর্বসম্মতভাবে অপরিচিত (মাজহুল) এবং তিনি নাবিয প্রস্তুতকারী ছিলেন।