(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: -)
من روى عنهم البخاري في الصحيح   (ابن عدي)

القسم: التراجم والطبقات


الكتاب: أسامي من روى عنهم محمد بن إسماعيل البخاري من مشايخه (في جامعه الصحيح)

المؤلف: أبو أحمد عبد الله بن عدي بن عبد الله بن محمد ابن مبارك بن القطان الجرجاني (ت 365هـ)

المحقق: د. عامر حسن صبري

الناشر: دار البشائر الإسلامية - بيروت

الطبعة: الأولى، 1414

عدد الصفحات: 233

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

বুখারি তাঁর সহিহ গ্রন্থে যাদের থেকে বর্ণনা করেছেন   (ইবনে আদি)

বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ


গ্রন্থ: মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারি তাঁর শিক্ষকদের মধ্য থেকে যাদের থেকে (তাঁর জামে সহিহ গ্রন্থে) বর্ণনা করেছেন তাদের নামসমূহ

লেখক: আবু আহমদ আবদুল্লাহ ইবনে আদি ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুবারক ইবনুল কাত্তান আল-জুরজানি (মৃত্যু ৩৬৫ হিজরি)

গবেষক: ড. আমির হাসান সাবরি

প্রকাশক: দারুল বাশায়ির আল-ইসলামিয়া - বৈরুত

সংস্করণ: প্রথম، ১৪১৪

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৩৩

[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৪৭)
بِسم الله الرَّحْمَن الرَّحِيم صلى الله على مُحَمَّد وَآله وَسلم تَسْلِيمًا

ذكر أسامي من روى عَنهُ‌‌ مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل البُخَارِيّ من مشايخه الَّذين ذكرهم فِي جَامعه الصَّحِيح على حُرُوف المعجم وأنسابهم وبلدانهم وَمَا انْتهى الينا من أَخْبَار الْمَشْهُورين مِنْهُم ومعرفتهم وعلمهم وزهدهم

ونبدأ بِذكر نسب مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل ومولده وَصفته ومناقبه وَعلمه وَحفظه وَمَا امتحن بِهِ وَمَوته

قَالَ أَبُو أَحْمد عبد الله بن عدي الْحَافِظ الْجِرْجَانِيّ سَمِعت مُحَمَّد بن أَحْمد بن سَعْدَان البُخَارِيّ يَقُول أَبُو عبد الله مُحَمَّد إِسْمَاعِيل بن إِبْرَاهِيم بن الْمُغيرَة بن بردزبه
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আল্লাহ মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারবর্গের ওপর শান্তি ও অগণিত রহমত বর্ষণ করুন।

মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল আল-বুখারী তাঁর 'জামি আস-সহীহ' গ্রন্থে যে সকল শায়খ বা উস্তাদদের থেকে বর্ণনা করেছেন, বর্ণমালার ক্রমানুসারে তাঁদের নাম, বংশপরিচয়, দেশ এবং তাঁদের মধ্য থেকে প্রসিদ্ধ ব্যক্তিদের সংবাদ, পরিচিতি, জ্ঞান ও কৃচ্ছ্রসাধনা সংক্রান্ত আমাদের কাছে যা পৌঁছেছে তার বর্ণনা।

এবং আমরা মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈলের বংশপরিচয়, জন্ম, বৈশিষ্ট্য, গুণাবলি, জ্ঞান, মুখস্থ শক্তি, তিনি যে পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছিলেন এবং তাঁর মৃত্যু সংক্রান্ত আলোচনার মাধ্যমে শুরু করছি।

হাফিজ আবু আহমদ আবদুল্লাহ ইবনে আদি আল-জুরজানি বলেন, আমি মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে সা'দান আল-বুখারীকে বলতে শুনেছি যে, আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ হলেন ইসমাঈল ইবনে ইবরাহিম ইবনে আল-মুগিরা ইবনে বারদিজবাহ-এর পুত্র।
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৪৮)
البُخَارِيّ وبردز بِهِ مَجُوسِيّ مَاتَ عَلَيْهَا والمغيرة بن بردزبه أسم على يَد يمَان البُخَارِيّ الْجعْفِيّ ويمان هَذَا هُوَ أَبُو جد عبد الله بن مُحَمَّد المسندي وَمُحَمّد بن إِسْمَاعِيل جعفي وَقيل لِأَن
আল-বুখারী এবং বারদিযবাহ; তিনি একজন অগ্নিপূজক ছিলেন এবং সেই অবস্থাতেই মৃত্যুবরণ করেছেন। আর আল-মুগীরাহ ইবনে বারদিযবাহ ইয়ামান আল-বুখারী আল-জু'ফীর হাতে ইসলাম গ্রহণ করেন। আর এই ইয়ামান হলেন আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-মুসনাদীর প্রপিতামহ। এবং মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল হলেন জু'ফী; আর বলা হয়েছে যে কারণ...
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৪৯)
أَبَا جده أسلم على يَدي جد عبد الله بن مُحَمَّد المسندي وَقيل لَهُ مسندي لِأَنَّهُ كَانَ يطْلب الْمسند فِي حداثته

‌‌مولده

سَمِعت أَبَا عَليّ الْحسن بن الْحُسَيْن الْبَزَّاز البُخَارِيّ يَقُول ولد مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل البُخَارِيّ يَوْم الْجُمُعَة بعد صَلَاة الْجُمُعَة لثلاث عشرَة لَيْلَة خلت من شَوَّال سنة أَربع وَتِسْعين وَمِائَة

‌‌صفته

سَمِعت الْحسن بن الْحُسَيْن الْبَزَّاز يَقُول رَأَيْت مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل [2 ب] شَيخا نحيف الْجِسْم لَيْسَ بالطويل وَلَا بالقصير

‌‌مناقبه

سَمِعت مُحَمَّد بن يُوسُف الْفربرِي يَقُول سَمِعت النَّجْم بن
তাঁর প্রপিতামহ আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-মুসনাদীর পিতামহের নিকট ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। তাঁকে 'মুসনাদী' বলা হতো কারণ তিনি তাঁর যৌবনকালে মুসনাদ অনুসন্ধান করতেন।

‌‌তাঁর জন্ম

আমি আবু আলী আল-হাসান ইবনুল হুসাইন আল-বায্যায আল-বুখারিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আল-বুখারি একশ চুরানব্বই হিজরি সনের শাওয়াল মাসের তেরো দিন অতিবাহিত হওয়ার পর জুমার দিন জুমার নামাজের পর জন্মগ্রহণ করেছেন।

‌‌তাঁর শারীরিক বৈশিষ্ট্য

আমি আল-হাসান ইবনুল হুসাইন আল-বায্যাযকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈলকে [২ খ] একজন হালকা-পাতলা দেহের শায়খ হিসেবে দেখেছি, যিনি অতিরিক্ত দীর্ঘকায় ছিলেন না এবং খাটোও ছিলেন না।

‌‌তাঁর গুণাবলি

আমি মুহাম্মাদ ইবনে ইউসুফ আল-ফিরাবরিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আন-নাজম ইবনে...
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৫১)
فُضَيْل وَكَانَ من أهل الْمعرفَة وَالْفضل يَقُول رَأَيْت النَّبِي صلى الله عليه وسلم فِي الْمَنَام وَقد خرج من بَاب باستين قَرْيَة ببخارى وَخَلفه مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل البُخَارِيّ فَكلما خطا النَّبِي صلى الله عليه وسلم خطْوَة خطا مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل خطْوَة النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَرفع قدمه على قدم النَّبِي صلى الله عليه وسلم

سَمِعت عبد القدوس بن همام يَقُول سَمِعت عدَّة من الْمَشَايِخ يَقُولُونَ دون مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل البُخَارِيّ تراجم جَامعه بَين قبر
ফুদাইল —যিনি মারিফাত ও ফযীলতের অধিকারী ছিলেন— বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে স্বপ্নে দেখেছি যে, তিনি বুখারার বাস্তিন নামক একটি গ্রামের ফটক দিয়ে বের হয়েছেন এবং তাঁর পেছনে রয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আল-বুখারী। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছিলেন, মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈলও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সেই পদক্ষেপ অনুসরণ করছিলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পায়ের ওপর নিজের পা রাখছিলেন।

আমি আব্দুল কুদ্দুস ইবনে হাম্মামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি বেশ কয়েকজন শায়খকে বলতে শুনেছি যে, মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আল-বুখারী তাঁর ‘জামে’র পরিচ্ছেদসমূহ কবরের পার্শ্বে বসে লিপিবদ্ধ করেছেন।
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৫২)
النَّبِي صلى الله عليه وسلم ومنبره وَكَانَ يُصَلِّي لكل تَرْجَمَة رَكْعَتَيْنِ

حفظه وَعلمه ومعرفته بِالْحَدِيثِ

سَمِعت عدَّة مَشَايِخ يحكون أَن مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل البُخَارِيّ رحمه الله قدم بَغْدَاد فَسمع بِهِ أَصْحَاب الحَدِيث فَاجْتمعُوا وعمدوا الى
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর মিম্বর; আর তিনি প্রতিটি পরিচ্ছেদের শিরোনামের জন্য দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন।

তাঁর মুখস্থশক্তি, ইলম এবং হাদিস শাস্ত্রে তাঁর প্রজ্ঞা

আমি একাধিক শায়খকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারী (রহিমাহুল্লাহ) বাগদাদে আগমন করলেন। মুহাদ্দিসগণ তাঁর সংবাদ শুনতে পেয়ে একত্রিত হলেন এবং তাঁরা সংকল্প করলেন...
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৫৩)
مائَة حَدِيث فقلبوا متونها وأسانيدها ودخلوا متن هَذَا الْإِسْنَاد لإسناد آخر وَإسْنَاد هَذَا الْمَتْن لمتن آخر ودفعوها الى عشرَة أنفس الى كل رجل عشرَة أَحَادِيث وَأمرُوهُمْ إِذا حَضَرُوا الْمجْلس أَن يلْقوا ذَلِك على البُخَارِيّ وَأخذُوا الْموعد للمجلس فَحَضَرَ الْمجْلس جمَاعَة من أَصْحَاب الحَدِيث من الغرباء من أهل خُرَاسَان وَغَيرهَا وَمن البغدايين فَلَمَّا اطْمَأَن الْمجْلس بأَهْله انتدب اليه رجل من الْعشْرَة فَسَأَلَهُ عَن حَدِيث من تِلْكَ الْأَحَادِيث المقلوبة فَقَالَ البُخَارِيّ لَا أعرفهُ فَسَأَلَهُ عَن آخر فَقَالَ لَا أعرفهُ ثمَّ سَأَلَهُ عَن آخر فَقَالَ لَا أعرفهُ فَمَا زَالَ يلقِي عَلَيْهِ وَاحِدًا بعد وَاحِد حَتَّى فرغ من عشرته وَالْبُخَارِيّ يَقُول لَا أعرفهُ فَكَانَ الْفُقَهَاء مِمَّن حضر الْمجْلس يلْتَفت بَعضهم الى بعض وَيَقُول الرجل فهم وَمن كَانَ من غَيرهم يقْضِي على البُخَارِيّ بِالْعَجزِ وَالتَّقْصِير وَقلة الْفَهم ثمَّ انتدب رجل آخر من الْعشْرَة فَسَأَلَهُ عَن حَدِيث من تِلْكَ الْأَحَادِيث المقلوبة فَقَالَ البُخَارِيّ لَا أعرفهُ وَسَأَلَهُ عَن آخر فَقَالَ لَا أعرفهُ وَسَأَلَهُ عَن آخر فَقَالَ لَا أعرفهُ فَلم يزل يلقِي عَلَيْهِ وَاحِدًا بعد وَاحِد حَتَّى فرغ من عشرته وَالْبُخَارِيّ يَقُول لَا أعرف ثمَّ انتدب هَل الثَّالِث وَالرَّابِع الى تَمام الْعشْرَة حَتَّى فرغوا كلهم من الْأَحَادِيث المقلوبة وَالْبُخَارِيّ لَا يزيدهم على لَا أعرفهُ فَلَمَّا علم البُخَارِيّ أَنهم قد فرغوا الْتفت الى الأول مِنْهُم فَقَالَ أما حَدِيثك الأول فَهُوَ كَذَا وحديثك الثَّانِي فَهُوَ كَذَا وَالثَّالِث [3 ب] وَالرَّابِع على الْوَلَاء حَتَّى أَتَى على تَمام الْعشْرَة فَرد كل متن الى إِسْنَاده وكل إِسْنَاد الى مَتنه وَفعل بالأخرين مثل ذَلِك ورد متون الْأَحَادِيث كلهَا الى

একশতটি হাদীস; তারা এগুলোর মতন (মূল পাঠ) ও ইসনাদসমূহ (বর্ণনাসূত্র) উল্টে দিলেন এবং এই ইসনাদের মতনকে অন্য ইসনাদে এবং এই মতনের ইসনাদকে অন্য মতনে প্রবেশ করালেন। তারা এগুলো দশজন ব্যক্তির নিকট অর্পণ করলেন, প্রত্যেক ব্যক্তির নিকট দশটি করে হাদীস। তারা তাঁদের নির্দেশ দিলেন যেন তাঁরা মজলিসে উপস্থিত হয়ে বুখারীর সামনে সেগুলো পেশ করেন। মজলিসের সময় নির্ধারিত হলো এবং খুরাসান ও অন্যান্য অঞ্চলের আগন্তুক হাদীস বিশারদগণ এবং বাগদাদবাসীদের একটি জামাত সেখানে উপস্থিত হলেন। যখন মজলিস তার সদস্যদের নিয়ে স্থিতিশীল হলো, তখন সেই দশজনের মধ্য থেকে একজন ব্যক্তি অগ্রসর হলেন। তিনি তাঁকে সেই উল্টে দেওয়া হাদীসগুলোর মধ্য থেকে একটি হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। বুখারী বললেন, "আমি এটি জানি না।" তিনি তাঁকে অন্য একটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন, তিনি বললেন, "আমি এটি জানি না।" তারপর তিনি আরও একটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন, তিনি বললেন, "আমি এটি জানি না।" এভাবে তিনি একে একে তাঁর সামনে হাদীস পেশ করতে থাকলেন যতক্ষণ না তাঁর দশটি হাদীস শেষ হলো, আর বুখারী বলছিলেন, "আমি এটি জানি না।" তখন মজলিসে উপস্থিত ফকীহগণ একে অপরের দিকে তাকাচ্ছিলেন এবং বলছিলেন, "ব্যক্তিটি বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।" আর যারা অন্য স্তরের লোক ছিলেন, তারা বুখারীর অক্ষমতা, ত্রুটি ও স্বল্প বুদ্ধির বিচার করছিলেন। এরপর সেই দশজনের মধ্য থেকে দ্বিতীয় আরেকজন ব্যক্তি অগ্রসর হলেন এবং তাঁকে সেই উল্টে দেওয়া হাদীসগুলোর একটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। বুখারী বললেন, "আমি এটি জানি না।" তিনি তাঁকে অন্যটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন, তিনি বললেন, "আমি এটি জানি না।" তিনি আরও একটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন, তিনি বললেন, "আমি এটি জানি না।" এভাবে তিনি একে একে তাঁর সামনে হাদীস পেশ করতে থাকলেন যতক্ষণ না তাঁর দশটি হাদীস শেষ হলো, আর বুখারী বলছিলেন, "আমি জানি না।" এরপর তৃতীয়, চতুর্থ এবং এভাবে দশজন পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত সবাই একে একে অগ্রসর হলেন এবং তাঁরা সবাই সেই উল্টে দেওয়া হাদীসগুলো শেষ করলেন। বুখারী "আমি এটি জানি না" এর অতিরিক্ত কিছুই বলছিলেন না। যখন বুখারী বুঝতে পারলেন যে তাঁরা শেষ করেছেন, তখন তিনি তাঁদের প্রথম জনের দিকে ফিরলেন এবং বললেন, "তোমার প্রথম হাদীসটি ছিল এমন, দ্বিতীয় হাদীসটি এমন, তৃতীয় [৩ খ] এবং চতুর্থটি এমন..." এভাবে ধারাবাহিকভাবে দশটি পূর্ণ করলেন। তিনি প্রত্যেক মতনকে তার সঠিক ইসনাদের দিকে এবং প্রত্যেক ইসনাদকে তার সঠিক মতনের দিকে ফিরিয়ে দিলেন। অন্যদের ক্ষেত্রেও তিনি অনুরূপ করলেন এবং হাদীসের সমস্ত মতনগুলোকে তাদের নিজ নিজ বর্ণনাসূত্রে ফিরিয়ে দিলেন...

(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৫৪)
أسانيدها وأسانيدها الى متونها فَأقر لَهُ النَّاس بِالْحِفْظِ وَالْعلم وأذعنوا لَهُ بِالْفَضْلِ

وَكَانَ ابْن صاعد إِذا ذكر مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل البُخَارِيّ يَقُول الْكَبْش النطاح

‌‌امتحانه

ذكر لي جمَاعَة من الْمَشَايِخ أَن مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل البُخَارِيّ لما ورد نيسابور وَاجْتمعَ النَّاس وَعقد بِهِ الْمجْلس حسده من كَانَ فِي ذَلِك
সেগুলোর সনদসমূহ এবং তাদের মূল পাঠ পর্যন্ত সেগুলোর সনদসমূহ; ফলে মানুষ তাঁর হিফজ (স্মৃতিশক্তি) ও ইলমের স্বীকৃতি দিল এবং তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের প্রতি নতি স্বীকার করল।

আর ইবনে সাঈদ যখনই মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-বুখারীর কথা উল্লেখ করতেন, তখন তিনি বলতেন, 'শিং দিয়ে গুঁতো দেওয়া শক্তিশালী মেষ'।

‌‌তাঁর পরীক্ষা

একদল শায়খ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-বুখারী যখন নিশাপুরে আগমন করলেন এবং মানুষ সমবেত হলো ও তাঁর জন্য মজলিস কায়েম করা হলো, তখন সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিরা তাঁর প্রতি ঈর্ষান্বিত হলো।
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৫৫)
الْوَقْت من مَشَايِخ نيسابور لما رَأَوْا إقبال النَّاس إِلَيْهِ واجتماعهم عَلَيْهِ فَقيل يَا أَصْحَاب الحَدِيث إِن مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل يَقُول اللَّفْظ بِالْقُرْآنِ مَخْلُوق فامتحنوه فِي الْمجْلس فَلَمَّا حضر النَّاس مجْلِس البُخَارِيّ قَامَ
সেই সময়ের নিশাপুরের শায়খগণ যখন তাঁর প্রতি মানুষের আগ্রহ এবং তাঁর নিকট তাদের সমবেত হওয়া লক্ষ্য করলেন, তখন বলা হলো: হে হাদিস বিশারদগণ! নিশ্চয়ই মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল বলছেন যে, কুরআনের শব্দোচ্চারণ সৃষ্টি; সুতরাং আপনারা মজলিসে তাঁকে পরীক্ষা করুন। অতঃপর যখন লোকসকল বুখারীর মজলিসে উপস্থিত হলো, তখন জনৈক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে গেলেন।
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৫৬)
إِلَيْهِ رجل فَقَالَ يَا أَبَا عبد الله مَا تَقول فِي اللَّفْظ بِالْقُرْآنِ مَخْلُوق هُوَ أم غير مَخْلُوق فَأَعْرض عَنهُ البُخَارِيّ وَلم يجبهُ فَقَالَ الرجل يَا أَبَا عبد الله وَأعَاد عَلَيْهِ القَوْل فَأَعْرض عَنهُ [البُخَارِيّ] فَلم يجبهُ ثمَّ قَالَ فِي الثَّالِثَة فَالْتَفت إِلَيْهِ مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل فَقَالَ الْقُرْآن كَلَام الله غير مَخْلُوق وأفعال [4 أ] الْعباد مخلوقه والإمتحان بِدعَة فشغب الرجل وشغب النَّاس وَتَفَرَّقُوا عَنهُ وَقعد البُخَارِيّ فِي منزله

سَمِعت الْإِسْمَاعِيلِيّ يَقُول سَمِعت الفرهياني يَقُول سَمِعت
এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে আরয করল, "হে আবু আবদুল্লাহ! কুরআন পাঠের লফয (উচ্চারণ) সম্পর্কে আপনি কী বলেন? তা কি সৃষ্টি না কি অসৃষ্ট?" বুখারি তাঁর থেকে বিমুখ হলেন এবং তাকে উত্তর দিলেন না। লোকটি পুনরায় বলল, "হে আবু আবদুল্লাহ!" এবং তাঁর নিকট একই কথা পুনরায় ব্যক্ত করল। বুখারি [বুখারি] পুনরায় তাঁর থেকে বিমুখ হলেন এবং তাকে উত্তর দিলেন না। অতঃপর যখন সে তৃতীয়বার প্রশ্ন করল, তখন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল তাঁর দিকে ফিরে তাকালেন এবং বললেন, "কুরআন আল্লাহর কালাম, তা অসৃষ্ট; আর বান্দাদের কার্যাবলি [৪ আ] সৃষ্টি এবং (এ বিষয়ে কাউকে) পরীক্ষা করা বিদআত।" তখন সেই ব্যক্তি হট্টগোল শুরু করল এবং লোকেরাও হট্টগোল করল, আর তারা তাঁর নিকট হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল এবং বুখারি স্বীয় গৃহে অবস্থান করলেন।

আমি আল-ইসমাইলিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি আল-ফারহিয়ানিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি শুনেছি...
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৫৭)
عَمْرو بن مَنْصُور النَّيْسَابُورِي يَقُول سَمِعت مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل البُخَارِيّ وَسُئِلَ عَن اللَّفْظ بِالْقُرْآنِ فَقَالَ سَمِعت عبيد الله بن سعيد أَبَا قدامَة السَّرخسِيّ يَقُول سَمِعت يحيى بن سعيد الْقطَّان وَعبد الرَّحْمَن بن مهْدي يَقُولَانِ أَفعَال الْعباد مخلوقة سَمِعت أَبَا بكر الْإِسْمَاعِيلِيّ يَقُول سَمِعت الفرهياني يَقُول قيل لمُحَمد بن إِسْمَاعِيل أترجع عَمَّا قلت ليعود النَّاس اليك فَقَالَ لَا حَاجَة لي فيهم

আমর ইবনে মানসুর আন-নাইসাবুরী বলেন, আমি মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারিকে বলতে শুনেছি; যখন তাকে কুরআনের শব্দোচ্চারণ (লফজ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেন: আমি উবাইদুল্লাহ ইবনে সাঈদ আবু কুদামা আস-সারখাসিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলতেন: আমি ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান এবং আব্দুর রহমান ইবনে মাহদীকে বলতে শুনেছি, তারা বলতেন—বান্দাদের কার্যাবলি সৃষ্ট। আমি আবু বকর আল-ইসমাঈলিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল-ফারহিয়ানিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইলকে বলা হলো, "আপনি যা বলেছেন তা থেকে কি আপনি ফিরে আসবেন যাতে মানুষ আপনার কাছে পুনরায় ফিরে আসে?" তিনি উত্তরে বললেন, "তাদের ব্যাপারে আমার কোনো প্রয়োজন নেই।"

(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৫৮)
سَمِعت عبد الْمجِيد يَقُول سَمِعت أبي يَقُول سَمِعت حيكان بن مُحَمَّد بن يحيى يَقُول قلت لأبي با أَبَت مَا لَك وَلِهَذَا الرجل يَعْنِي مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل [وَأَنت] لست من رِجَاله فِي الْعلم قَالَ رَأَيْته بِمَكَّة يتبع شمخضة وشمخضة كُوفِي قدري فَبلغ ذَلِك مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل فَقَالَ دخلت مَكَّة وَلم أعرف بهَا احدا من الْمُحدثين

আমি আব্দুল মাজীদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি হায়কান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়াকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আমার পিতাকে বললাম, হে প্রিয় পিতা! এই ব্যক্তির অর্থাৎ মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইলের ব্যাপারে আপনার কী হয়েছে? অথচ আপনি ইলমের (জ্ঞানের) ক্ষেত্রে তাঁর পর্যায়ের লোক নন। তিনি বললেন: আমি তাকে মক্কায় শামখাযাহ-কে অনুসরণ করতে দেখেছি, আর শামখাযাহ ছিল কুফার একজন কাদারি (তাকদীর অস্বীকারকারী)। অতঃপর এই সংবাদ মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইলের কাছে পৌঁছালে তিনি বললেন: আমি মক্কায় প্রবেশ করেছি এমন অবস্থায় যে, সেখানে আমি মুহাদ্দিসগণের কাউকেই চিনতাম না।

(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৫৯)
وَكَانَ شمخضة هَذَا قد عرف الْمُحدثين فَكنت أتبعه ليقربني من الْمُحدثين فَأَي عيب فِي هَذَا
এবং এই শামখাদা মুহাদ্দিসগণের নিকট পরিচিত ছিলেন; তাই আমি তাঁর অনুগমন করতাম যেন তিনি আমাকে মুহাদ্দিসগণের নিকটবর্তী করে দেন। এতে দোষের কী আছে?
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৬০)
سَمِعت عبد القدوس بن عبد الْجَبَّار السَّمرقَنْدِي يَقُول جَاءَ مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل الى خرتنك
আমি আব্দুল কুদ্দুস ইবন আব্দুল জাব্বার আস-সামারকান্দিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবন ইসমাইল খারতাঙ্কে এসেছেন।
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৬১)
قَرْيَة من قرى سَمَرْقَنْد على فرسخين مِنْهَا وَكَانَ لَهُ بهَا أقرباء فَنزل عِنْدهم فَسَمعته لَيْلَة من اللَّيَالِي وَقد فرغ من صَلَاة اللَّيْل يَدْعُو [4 ب] وَيَقُول فِي دُعَائِهِ اللَّهُمَّ إِنَّه قد ضَاقَتْ عَليّ الأَرْض بِمَا رَحبَتْ فاقبضني إِلَيْك قَالَ فَمَا تمّ الشَّهْر حَتَّى قَبضه الله وقبره بخرتنك رَحمَه الله
সমরকন্দের গ্রামগুলোর মধ্য থেকে একটি গ্রাম যা সেখান থেকে দুই ফারসাখ দূরত্বে অবস্থিত। সেখানে তাঁর আত্মীয়-স্বজন ছিল, তাই তিনি তাঁদের নিকট অবস্থান করলেন। এক রাতে আমি তাঁকে শুনতে পেলাম, যখন তিনি রাতের সালাত সমাপ্ত করেছেন, তিনি দুআ করছেন [৪ খ] এবং তাঁর দুআয় বলছেন: "হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই পৃথিবী তার প্রশস্ততা সত্ত্বেও আমার নিকট সংকীর্ণ হয়ে গেছে, সুতরাং আপনি আমাকে আপনার নিকট তুলে নিন।" বর্ণনাকারী বলেন: মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই আল্লাহ তাঁকে তুলে নিলেন এবং তাঁর কবর খরতংকে অবস্থিত, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন।
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৬২)
‌‌مَوته

سَمِعت الْحسن بن الْحُسَيْن الْبَزَّاز البُخَارِيّ يَقُول توفّي مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل االبخاري لَيْلَة السبت عِنْد صَلَاة الْعشَاء لَيْلَة الْفطر وَدفن يَوْم الْفطر بعد صَلَاة الظّهْر يَوْم السبت مستهل شَوَّال سنة سِتّ وَخمسين وَمِائَتَيْنِ وعاش اثْنَتَيْنِ وَسِتِّينَ سنة إِلَّا ثَلَاثَة عشر يَوْمًا رحمه الله

سَمِعت الْحسن بن الْحُسَيْن الْبَزَّاز يَقُول إِبْرَاهِيم بن معقل يَقُول سَمِعت مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل البُخَارِيّ يَقُول مَا أدخلت فِي هَذَا الْكتاب يَعْنِي جَامعه إِلَّا مَا صَحَّ وَتركت من الصِّحَاح كي لَا يطول
তাঁর মৃত্যু

আমি হাসান ইবনুল হুসাইন আল-বায্যার আল-বুখারীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আল-বুখারী শনিবার রাতে ঈদুল ফিতরের রাতে এশার নামাজের সময় ইন্তেকাল করেন এবং শনিবার ঈদুল ফিতরের দিন জোহরের নামাজের পর তাঁকে দাফন করা হয়, যা ছিল দুইশত ছাপ্পান্ন হিজরি সনের শাওয়াল মাসের শুরু। তিনি তেরো দিন কম বাষট্টি বছর জীবিত ছিলেন, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।

আমি হাসান ইবনুল হুসাইন আল-বায্যারকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: ইবরাহিম ইবনে মাকিল বলেন: আমি মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আল-বুখারীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি এই কিতাবে—অর্থাৎ তাঁর জামে‘ গ্রন্থে—সহিহ ব্যতীত অন্য কিছু অন্তর্ভুক্ত করিনি এবং অনেক সহিহ হাদিস বর্জন করেছি যাতে এটি দীর্ঘ না হয়ে যায়।
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৬৩)
الْكتاب
কিতাব
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৬৪)
‌‌حرف الْألف

من اسْمه أَحْمد

1 - أَحْمد بن عبد الله بن يُونُس الْيَرْبُوعي الْكُوفِي

يكنى أَبَا عبد الله

من صالحي أهل الْكُوفَة ومتسننيها
বর্ণ আলিফ

যাঁদের নাম আহমদ

১ - আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইউনুস আল-ইয়ারবুয়ী আল-কুফী

তাঁর উপনাম আবু আব্দুল্লাহ

তিনি কুফাবাসীদের সৎকর্মশীল ব্যক্তিবর্গ এবং সুন্নাহর অনুসারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৬৫)
سَمِعت أَحْمد بن الْحَارِث الْمروزِي يَقُول سَمِعت إِبْرَاهِيم بن يزِيد ألبيوردي [الْحَافِظ] يَقُول سَمِعت أَحْمد بن يُونُس يَقُول قدمت الْبَصْرَة فَأتيت حَمَّاد بن زيد فَسَأَلته أَن يملي عَليّ شَيْئا من فَضَائِل عُثْمَان رضي الله عنه فَقَالَ لي من أَيْن أَنْت قلت من أهل الْكُوفَة [5 أ] فَقَالَ كُوفِي يطْلب فَضَائِل عُثْمَان وَالله لَا أمليتها عَلَيْك إِلَّا وَأَنا قَائِم

আমি আহমাদ বিন আল-হারিস আল-মারওয়াযীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইবরাহীম বিন ইয়াযীদ আল-বিওয়ার্দী [আল-হাফিজ]-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আহমাদ বিন ইউনুসকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি বসরায় আসলাম এবং হাম্মাদ বিন যায়দের নিকট উপস্থিত হলাম। অতঃপর আমি তাঁর কাছে আবেদন করলাম যেন তিনি আমাকে উসমান (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন)-এর ফযীলত সম্পর্কিত কিছু বিষয় লিখিয়ে দেন। তিনি আমাকে বললেন, "তুমি কোত্থেকে এসেছো?" আমি বললাম, "কুফাবাসীদের মধ্য থেকে।" [৫ ক] তখন তিনি বললেন, "এক কুফাবাসী উসমানের ফযীলত অন্বেষণ করছে! আল্লাহর কসম, আমি দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থা ব্যতীত এটি তোমাকে লিখিয়ে দেবো না।"

(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৬৬)
وَأَنت جَالس قَالَ فَقَامَ وأجلسني وأملى عَليّ وَكنت أسارقه النّظر فَكَانَ يملي وَهُوَ يبكي

2 - أَحْمد بن مُحَمَّد بن حَنْبَل بن هِلَال بن أَسد الشَّيْبَانِيّ

مروزي الأَصْل ولد بِبَغْدَاد وَمَات بهَا
এবং আপনি বসা অবস্থায়। তিনি বলেন: তখন তিনি উঠে দাঁড়ালেন এবং আমাকে বসালেন এবং আমাকে শ্রুতিলিপি প্রদান করলেন; আমি আড়চোখে তাঁর দিকে তাকাচ্ছিলাম, এমতাবস্থায় তিনি কাঁদছিলেন এবং শ্রুতিলিপি দিচ্ছিলেন।

২ - আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হাম্বল ইবনে হিলাল ইবনে আসাদ আশ-শায়বানি

তিনি মূলত মারওয়াজের বংশোদ্ভূত ছিলেন, বাগদাদে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই ইন্তেকাল করেন।
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৭০)
3 - أَحْمد بن صَالح الْمصْرِيّ أَبُو جَعْفَر يعرف بِابْن الطَّبَرِيّ

وَكَانَ أَبوهُ من أهل طبرستان من الْجند

سَمِعت عبد الله بن مُحَمَّد بن عبد الْعَزِيز يَقُول سَمِعت أَبَا بكر بن زَنْجوَيْه يَقُول قدمت
৩ - আহমদ ইবনে সালেহ আল-মিসরি আবু জাফর, যিনি ইবনুত তাবারি নামে পরিচিত।

তাঁর পিতা তাবারস্তানের অধিবাসী এবং সেনাবাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

আমি আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আবু বকর ইবনে জানজুয়াইহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি এসেছি...
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৭১)
مصر فَأتيت أَحْمد بن صَالح فَقَالَ لي من أَيْن أَنْت قلت من أهل بَغْدَاد فَقَالَ لي أَيْن مَنْزِلك من منزل أَحْمد بن حَنْبَل قلت أَنا من أَصْحَابه فَقَالَ لي تكْتب لي صفة مَنْزِلك والمحلة الَّتِي تسكنها فإنني أُرِيد أَن أوافي الْعرَاق حَتَّى تجمع بيني وَبَين أَحْمد بن حَنْبَل فَكتبت لَهُ فَوَافى أَحْمد بن صَالح إِلَى عَفَّان فِي سنة اثْنَتَيْ عشرَة فلقيني وَقَالَ الْموعد الَّذِي بيني وَبَيْنك فَذَهَبت بِهِ إِلَى أَحْمد بن حَنْبَل واستأذنت لَهُ فَقَالَ لي أَحْمد بن الطَّبَرِيّ فَقلت نعم فَأذن لَهُ فَرَحَّبَ بِهِ وقربه وَقَالَ بَلغنِي أَنَّك جمعت حَدِيث الزُّهْرِيّ فهات حَتَّى نتذاكر مَا روى الزُّهْرِيّ عَن أَصْحَاب رَسُول الله صلى الله عليه وسلم فَجعلَا يتذاكران فَمَا رَأَيْت [5 ب] مذاكرة أحسن من تِلْكَ وَمَا يغرب أَحدهمَا على الآخر حَتَّى فرغا فَقَالَ أَحْمد بن حَنْبَل لِأَحْمَد بن صَالح فهات حَتَّى نتذاكر مَا روى الزُّهْرِيّ عَن أَوْلَاد أَصْحَاب رَسُول الله صلى الله عليه وسلم فَجعلَا يتذاكران إِلَى أَن قَالَ أَحْمد بن حَنْبَل لِأَحْمَد بن صَالح عنْدك عَن الزُّهْرِيّ عَن مُحَمَّد بن جُبَير بن مطعم عَن أَبِيه عَن عبد الرَّحْمَن بن عَوْف [الزُّهْرِيّ] أَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم قَالَ مَا يسرني

মিশর। আমি আহমাদ বিন সালিহের নিকট আসলাম। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, "আপনি কোথা থেকে এসেছেন?" আমি বললাম, "আমি বাগদাদের অধিবাসী।" তিনি আমাকে বললেন, "আহমাদ বিন হাম্বলের বাড়ির তুলনায় আপনার বাড়িটি কোথায়?" আমি বললাম, "আমি তাঁর সাথীদের একজন।" তিনি আমাকে বললেন, "আপনি আপনার বাড়ির বিবরণ এবং যে মহল্লায় আপনি বসবাস করেন তা লিখে দিন। কেননা আমি ইরাকে আসার ইচ্ছা পোষণ করি যাতে আপনি আমার ও আহমাদ বিন হাম্বলের মাঝে সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে দেন।" আমি তাঁর জন্য তা লিখে দিলাম। অতঃপর আহমাদ বিন সালিহ (হিজরি) দুইশত বারো সালে আফফানের নিকট আসলেন। তিনি আমার সাথে সাক্ষাৎ করলেন এবং বললেন, "আমার ও আপনার মাঝে যে ওয়াদা ছিল (তা পূর্ণ করার সময় হয়েছে)।" আমি তাঁকে সাথে নিয়ে আহমাদ বিন হাম্বলের নিকট গেলাম এবং তাঁর জন্য অনুমতি চাইলাম। আহমাদ (বিন হাম্বল) আমাকে বললেন, "আহমাদ আত-তাবারী এসেছে কি?" আমি বললাম, "হ্যাঁ।" অতঃপর তিনি তাঁকে অনুমতি দিলেন, তাঁকে স্বাগত জানালেন এবং তাঁকে নিকটবর্তী করলেন। তিনি বললেন, "আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে আপনি যুহরীর হাদিসগুলো সংগ্রহ করেছেন। সুতরাং সেগুলো নিয়ে আসুন যাতে যুহরী আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের থেকে যা বর্ণনা করেছেন সে বিষয়ে আমরা পর্যালোচনা করতে পারি।" অতঃপর তাঁরা উভয়ে পর্যালোচনা শুরু করলেন। আমি [৫-খ] এর চেয়ে উত্তম কোনো পর্যালোচনা দেখিনি। তাঁরা শেষ করা পর্যন্ত একে অপরের ওপর কোনো বর্ণনাই অজানা ছিল না। অতঃপর আহমাদ বিন হাম্বল আহমাদ বিন সালিহকে বললেন, "এবার তবে আসুন আমরা যুহরী আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের সন্তানদের থেকে যা বর্ণনা করেছেন তা নিয়ে আলোচনা করি।" তাঁরা উভয়ে আলোচনা চালিয়ে গেলেন, এক পর্যায়ে আহমাদ বিন হাম্বল আহমাদ বিন সালিহকে বললেন, "আপনার কাছে কি যুহরী থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন জুবায়ের বিন মুতঈম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আব্দুর রহমান বিন আওফ [যুহরী] থেকে বর্ণিত কোনো হাদিস আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: 'আমি পছন্দ করি না...'"

(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৭২)
[أَن لي حمر النعم وَأَن لي] حلف المطيبين الحَدِيث فَقَالَ أَحْمد بن صَالح لِأَحْمَد بن حَنْبَل أَنْت الْأُسْتَاذ وتذكر مثل هَذَا فَقَالَ أَحْمد هَذَا رَوَاهُ عَن الزُّهْرِيّ رجل مَقْبُول وَهُوَ عبد الرَّحْمَن بن إِسْحَاق أَبُو شيبَة الوَاسِطِيّ وحدثناه عَن ذَلِك الرجل شَيْخَانِ ثقتان بشر بن
[আমার জন্য লাল উট থাকবে এবং আমার জন্য থাকবে] মুতায়্যিবীনদের চুক্তির হাদিসটি। অতঃপর আহমদ বিন সালেহ আহমদ বিন হাম্বলকে বললেন, আপনি তো উস্তাদ, অথচ আপনি এই ধরণের বর্ণনা উল্লেখ করছেন? তখন আহমদ বললেন, এটি জুহরি থেকে একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন, আর তিনি হলেন আব্দুর রহমান বিন ইসহাক আবু শায়বা আল-ওয়াসিতি। আর আমাদের নিকট এই ব্যক্তি থেকে এটি দুইজন নির্ভরযোগ্য শাইখ বর্ণনা করেছেন, তারা হলেন বিশর বিন
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৭৩)
مفضل واسماعيل بن علية فَقَالَ أَحْمد بن صَالح سَأَلتك بِاللَّه إِلَّا أمليته عَليّ فَقَالَ من الْكتاب فَقَامَ وَأخرج الْكتاب وأملاه عَلَيْهِ فأعجب بِهِ أَحْمد بن صَالح وَقَالَ لَو لم استفد بالعراق إِلَّا هَذَا الحَدِيث
মুফাদদ্বাল এবং ইসমাঈল ইবনুল উলইয়্যাহ। অতঃপর আহমাদ ইবনে সালিহ বললেন, "আমি আপনাকে আল্লাহর দোহাই দিয়ে বলছি, আপনি এটি আমাকে শ্রুতলিখন করিয়ে দিন।" তিনি বললেন, "মূল কিতাব থেকে?" অতঃপর তিনি উঠলেন এবং কিতাবটি বের করলেন ও তাঁকে তা শ্রুতলিখন করালেন। এতে আহমাদ ইবনে সালিহ মুগ্ধ হলেন এবং বললেন, "যদি আমি ইরাকে এই হাদিসটি ব্যতীত আর কিছুই অর্জন না করতাম, তবে এটিই যথেষ্ট হতো।"
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৭৪)
لَكَانَ كثيرا ثمَّ ودعه وَخرج من عِنْده

حَدثنِي عَبْدَانِ عَن وهب بن بَقِيَّة الوَاسِطِيّ عَن خَالِد الوَاسِطِيّ عَن عبد الرَّحْمَن بن إِسْحَاق عَن الزُّهْرِيّ بِمِائَة حَدِيث

سَمِعت أَحْمد بن عَاصِم الْأَقْرَع الْمصْرِيّ يَقُول سَمِعت أَبَا زرْعَة الدِّمَشْقِي يَقُول سَأَلت أَحْمد بن حَنْبَل عَن أَحْمد بن صَالح فَأثْنى عَلَيْهِ خيرا
তবে তা অনেক হতো, এরপর তিনি তাঁকে বিদায় জানালেন এবং তাঁর নিকট থেকে বেরিয়ে গেলেন।

আবদান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়াহব ইবনে বাকিয়্যাহ আল-ওয়াসিতি থেকে, তিনি খালিদ আল-ওয়াসিতি থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে ইসহাক থেকে, তিনি যুহরি থেকে একশত হাদিস বর্ণনা করেছেন।

আমি আহমদ ইবনে আসিম আল-আকরা আল-মিসরিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি আবু জুরআ আদ-দিমাশকিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি আহমদ ইবনে হাম্বলকে আহমদ ইবনে সালিহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, তখন তিনি তাঁর সম্পর্কে উত্তম প্রশংসা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৭৫)
4 - أَحْمد بن عِيسَى الْمصْرِيّ يُقَال لَهُ التسترِي

5 - أَحْمد بن الْمِقْدَام الْعجلِيّ يكنى أَبَا الْأَشْعَث من أهل البصره ثِقَة

سَمِعت عَبْدَانِ يَقُول سَمِعت أَبَا دَاوُد السجسْتانِي يَقُول لَا [6 أ]
৪ - আহমদ বিন ঈসা আল-মিসরি, তাকে আত-তুস্তারি বলা হয়।

৫ - আহমদ বিন আল-মিকদাম আল-ইজলি, তার উপনাম আবু আল-আশআস, তিনি বসরার অধিবাসী এবং নির্ভরযোগ্য।

আমি আবদানকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি আবু দাউদ আস-সিজিস্তানিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, না [৬ ক]
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৭৬)
أحدث عَن أبي الْأَشْعَث فَقلت لَهُ لم قَالَ لِأَنَّهُ كَانَ يعلم المجان قَالَ قلت وَكَيف كَانَ يعلمهُمْ قَالَ كَانَ بِالْبَصْرَةِ مجان يصرون صرر دَرَاهِم ويطرحونها على الطَّرِيق ويقعدون نَاحيَة فَإِذا مر الْمَار بالصرة فطاطأ ليأخذها فيصيحون من الحوانيت دع أَن دع أَن فَعلم أَبُو الْأَشْعَث الْمَارَّة بالصرر فَقَالَ صروا صرر من زجاج مثل صررهم فَإِذا [جزتم بصرة] الدَّرَاهِم فخذوها فَإِذا صاحوا فاطرحوا صرة الزّجاج واذهبوا بِالدَّرَاهِمِ فَأَنا لَا آخذ عَنهُ

আমি কি আবু আল-আশআাস থেকে বর্ণনা করব? আমি তাকে বললাম: কেন? তিনি বললেন: কারণ তিনি তামাশাকারীদের কৌশল শিক্ষা দিতেন। তিনি বলেন: আমি বললাম: তিনি তাদের কীভাবে শিক্ষা দিতেন? তিনি বললেন: বসরায় এমন কিছু তামাশাকারী ছিল যারা দিরহামের পুটলি বাঁধত এবং তা রাস্তার ওপর ফেলে রেখে এক পাশে গিয়ে বসে থাকত। যখন কোনো পথচারী সেই পুটলির পাশ দিয়ে অতিক্রম করত এবং তা তুলে নেওয়ার জন্য মাথা নিচু করত, তখন তারা দোকানগুলো থেকে চিৎকার করে বলত: "ছেড়ে দাও! ওটা ছেড়ে দাও!" অতঃপর আবু আল-আশআাস পথচারীদের এই পুটলির বিষয়ে শিক্ষা দিলেন। তিনি বললেন: তোমরা তাদের পুটলির মতো কাঁচের টুকরো ভরে কিছু পুটলি তৈরি করো। এরপর যখন তোমরা দিরহামের পুটলির পাশ দিয়ে অতিক্রম করবে তখন তা তুলে নেবে। আর যখন তারা চিৎকার করে উঠবে, তখন তোমরা তোমাদের কাঁচের পুটলিটি ফেলে দেবে এবং দিরহামগুলো নিয়ে চলে যাবে। (বর্ণনাকারী বললেন:) এই কারণেই আমি তাঁর থেকে হাদীস গ্রহণ করি না।

(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৭৭)
6 - أَحْمد بن شبيب بن سعيد الحبطي

من أهل مَكَّة

قبْلَة أهل الْعرَاق ووثقوه يروي عَن أَبِيه عَن يُونُس عَن الزُّهْرِيّ نُسْخَة لِلزهْرِيِّ

قيل لعَلي بن الْمَدِينِيّ نُسْخَة شبيب عَن يُونُس عَن الزُّهْرِيّ فَقَالَ كتبتها عَن ابْنه أَحْمد وَحدث ابْن وهب عَن شبيب بن سعيد وَالِد أَحْمد هَذَا باحاديث مَنَاكِير فَكَأَن شبيبا الَّذِي يحدث عَنهُ ابْن وهب غير شبيب الَّذِي يحدث عَنهُ ابْنه أَحْمد وَغَيره لِأَن أَحَادِيثهم عَنهُ مُسْتَقِيمًا وَأَحَادِيث ابْن وهب عَن مَنَاكِير
৬ - আহমাদ ইবনে শাবিব ইবনে সাঈদ আল-হাবতি

তিনি মক্কাবাসীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

তিনি ইরাকবাসীদের নিকট নির্ভরযোগ্যতার কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন এবং তাঁরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলে অভিহিত করেছেন। তিনি তাঁর পিতার সূত্রে ইউনুস থেকে এবং ইউনুস যুহরি থেকে ইমাম যুহরির একটি পাণ্ডুলিপি বর্ণনা করেন।

আলী ইবনুল মাদিনিকে শাবিবের সেই পাণ্ডুলিপি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যা ইউনুস ও যুহরি থেকে বর্ণিত। তখন তিনি বললেন, আমি এটি তাঁর ছেলে আহমাদের নিকট থেকে লিখেছি। ইবনে ওয়াহাব এই আহমাদের পিতা শাবিব ইবনে সাঈদের সূত্রে কিছু আপত্তিকর (মুনকার) হাদিস বর্ণনা করেছেন। ফলে মনে হয় যে, যে শাবিবের সূত্রে ইবনে ওয়াহাব বর্ণনা করেছেন, তিনি সেই শাবিব নন যাঁর সূত্রে তাঁর ছেলে আহমাদ এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। কেননা তাঁর সম্পর্কে তাঁদের বর্ণিত হাদিসগুলো সঠিক, অথচ ইবনে ওয়াহাবের বর্ণিত হাদিসগুলো আপত্তিকর (মুনকার)।
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৭৮)
7 - أَحْمد بن عبد الله بن عَليّ بن سُوَيْد بن مَيْمُون الْمَيْمُونِيّ

بَصرِي

8 - أَحْمد بن مُحَمَّد بن عون الْقوس
৭ - আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আলী বিন সুওয়াইদ বিন মাইমুন আল-মাইমুনি

বাসরি

৮ - আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আউন আল-কাউস
(খণ্ড: ১) মান রাওয়া আনহুমুল বুখারী ফিস সহীহ (পৃষ্ঠা: ৭৯)
مكي لَهُ كتاب فِي أَخْبَار مَكَّة وَيُقَال لَهُ الْأَزْرَقِيّ

9 - أَحْمد بن أبي دَاوُد أَبُو جَعْفَر الْمُنَادِي
মাক্কী, মক্কার ইতিহাস সংক্রান্ত তাঁর একটি গ্রন্থ রয়েছে এবং তাঁকে আল-আযরাকী বলা হয়।

৯ - আহমাদ বিন আবু দাউদ আবু জাফর আল-মুনাদী