(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: -)
خلاصة تذهيب تهذيب الكمال   (الخزرجي، صفي الدين)

القسم: التراجم والطبقات


الكتاب: خلاصة تذهيب تهذيب الكمال في أسماء الرجال (وعليه إتحاف الخاصة بتصحيح الخلاصة للعلامة الحافظ البارع علي بن صلاح الدين الكوكباني الصنعاني)

المؤلف: أحمد بن عبد الله بن أبي الخير بن عبد العليم الخزرجي الأنصاري الساعدي اليمني، صفي الدين (ت بعد 923هـ)

المحقق: عبد الفتاح أبو غدة

الناشر: مكتب المطبوعات الإسلامية/دار البشائر - حلب / بيروت

الطبعة: الخامسة، 1416 هـ

عدد الصفحات: 501

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

খুলাসাতু তাযহীবি তাহযীবিল কামাল   (আল-খাযরাজী, সফীউদ্দীন)

বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ


গ্রন্থ: খুলাসাতু তাযহীবি তাহযীবিল কামাল ফী আসমাইর রিজাল (এবং এর সাথে রয়েছে আল্লামা আল-হাফিয আল-বারী' আলী বিন সালাহুদ্দীন আল-কাওকাবানী আস-সানআনী কর্তৃক টীকা সংকলন ইত্তেহাফুল খাসসাহ বি-তাসহীহিল খুলাসাহ)

লেখক: আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আবিল খায়ের বিন আব্দুল আলীম আল-খাযরাজী আল-আনসারী আস-সাঈদী আল-ইয়ামানী, সফীউদ্দীন (মৃত্যু ৯২৩ হিজরীর পর)

সম্পাদক: আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ

প্রকাশক: মাকতাবুল মাতবুআতিল ইসলামিয়্যাহ/দারুল বাশায়ির - হালাব / বৈরুত

সংস্করণ: পঞ্চম، ১৪১৬ হিজরী

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫০১

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল হিজ্জাহ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ١)
(اعْلَم) أَن استمداد الْمُؤلف فِي هَذَا الْكتاب من تذهيب الْحَافِظ الذَّهَبِيّ وتقريب الْحَافِظ بن حجر وإكمال بن مَاكُولَا والمؤتلف والإكمال لِلْحَافِظِ عبد الْغَنِيّ الْمَقْدِسِي وَالْجمع لأبي الْفضل بن طَاهِر وَالْمِيزَان للذهبي وَقد صَححهُ الْمُؤلف مُقَابلَة بعد التَّمام ثمَّ إِنِّي علقت على حَاشِيَة هَذِه النُّسْخَة بعض مَا تَركه حَسْبَمَا وجدته فِي كتب أَسمَاء الرِّجَال كالتهذيب وَكتاب ابْن الملقن وَغَيرهمَا مَعَ مزِيد الْبَحْث والتدقيق هَذَا وَهُوَ الْحَافِظ صفي الدّين أَحْمد بن عبد الله بن أبي الْخَيْر بن عبد الْعَلِيم بن عبد الله بن عَليّ بن حسن الخزرجي الْأنْصَارِيّ السَّاعِدِيّ ولد رحمه الله سنة تِسْعمائَة وصنف هَذَا الْكتاب سنة تِسْعمائَة وَثَلَاث وَعشْرين تغمده الله برحمته وَأَسْكَنَهُ بحبوحة جنته اه من طرة الأَصْل وَقد أثبتنا بِهَامِش هَذَا المطبوع جَمِيع المعلقات الْمَذْكُورَة وأضفنا إِلَيْهَا من ضبط الْغَرِيب من أَسمَاء الرِّجَال والبلدان مَا عثرنا عَلَيْهِ فِي الْقَامُوس وَغَيره تتميما للفائدة وتعميما للعائدة وَالله الْمُسْتَعَان

(জেনে রাখুন) যে, এই কিতাবে লেখকের তথ্যসূত্র হলো হাফেজ যাহাবীর ‘তাযহিব’, হাফেজ ইবনে হাজারের ‘তাকরিব’, ইবনে মাকুলার ‘ইকমাল’, হাফেজ আব্দুল গনি আল-মাকদিসীর ‘আল-মু’তালিফ ওয়াল ইকমাল’, আবুল ফজল বিন তাহিরের ‘আল-জামউ’ এবং যাহাবীর ‘আল-মিযান’। লেখক গ্রন্থটি সমাপ্ত করার পর মূল পাণ্ডুলিপির সাথে মিলিয়ে এটি সংশোধন করেছেন। অতঃপর আমি এই পাণ্ডুলিপির টীকায় লেখক যা ছেড়ে গিয়েছিলেন তা থেকে কিছু বিষয় যুক্ত করেছি, যা আমি রিজাল শাস্ত্রের গ্রন্থসমূহ যেমন ‘তাহযিব’, ইবনে মুলাক্কিনের কিতাব এবং অন্যান্য গ্রন্থে অধিকতর অনুসন্ধান ও সূক্ষ্ম যাচাইয়ের মাধ্যমে পেয়েছি। ইনি হলেন হাফেজ সফিউদ্দিন আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আবিল খায়ের বিন আব্দুল আলিম বিন আব্দুল্লাহ বিন আলী বিন হাসান আল-খাযরাজি আল-আনসারি আস-সাঈদী। তিনি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন) নয়শত হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন এবং নয়শত তেইশ হিজরি সনে এই কিতাবটি রচনা করেন। আল্লাহ তাঁকে তাঁর রহমতে আবৃত করুন এবং জান্নাতের প্রশস্ততম স্থানে স্থান দিন। মূল কিতাবের ওপরের টীকা থেকে উদ্ধৃতি সমাপ্ত। আমরা এই মুদ্রিত কপির পার্শ্বটীকায় উল্লেখিত সকল সংযুক্তিগুলো অন্তর্ভুক্ত করেছি এবং এতে বর্ণনাকারীদের নাম ও বিভিন্ন স্থানের কঠিন শব্দগুলোর সঠিক উচ্চারণ যুক্ত করেছি যা আমরা ‘আল-কামুস’ ও অন্যান্য গ্রন্থে পেয়েছি, যাতে এর উপকারিতা পূর্ণ হয় এবং কল্যাণ ব্যাপক হয়। আর আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করা হয়।

(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ٢)
‌‌بِسم الله الرَّحْمَن الرَّحِيم

 

الْحَمد لله الْعَلِيم الْحَكِيم الْفَرد الصَّمد الْعَظِيم وَأشْهد أَن لَا إِلَه إِلَّا الله وَحده لَا شريك لَهُ شَهَادَة واقية من عَذَاب الْجَحِيم مبوئة دَار الْخلد وَالنَّعِيم وَأشْهد أَن سيدنَا مُحَمَّدًا عَبده النَّبِي الْكَرِيم وَرَسُوله الرؤوف الرَّحِيم الْحَلِيم وعَلى آله وَأَصْحَابه وَسلم تَسْلِيمًا كثيرا مَقْرُونا بالتبجيل والتعظيم

(وَبعد) فَهَذَا مُخْتَصر فِي أَسمَاء الرِّجَال اختصرته من تذهيب تَهْذِيب الْكَمَال وضبطت مَا يحْتَاج إِلَى ضَبطه فِي غَالب الْأَحْوَال وزدت فِيهِ زيادات مفيدة ووفيات عديدة من الْكتب الْمُعْتَمدَة والنقول المسندة أسأَل الله تَعَالَى التَّوْفِيق وَالْهدى إِلَى سَوَاء الطَّرِيق بمنه وَكَرمه آمين

‌‌فصل فِي ذكر الْكتب الَّتِي احتوى هَذَا الْمُخْتَصر وَأَصله على رجالها

 

صَحِيح البُخَارِيّ (1) وعلامته خَ وَمَا كَانَ فِيهِ تَعْلِيقا فعلامته خت وجزء الْقِرَاءَة لَهُ ز وَرفع الْيَدَيْنِ لَهُ ي وَالْأَدب الْمُفْرد لَهُ بخ وأفعال العبادله عخ وصحيح مُسلم علامته م وَمَا كَانَ فِي مُقَدّمَة صَحِيحه مق وَسنَن أبي دَاوُد وعلامتها د والمراسيل لَهُ مد وَالْقدر لَهُ قد والناسخ والمنسوخ لَهُ خد وَتفرد أهل الْأَمْصَار بالسنن لَهُ ف وفضائل الْأَنْصَار لَهُ صد ومسائل أَحْمد لَهُ ل ومسند مَالك لَهُ كد وجامع التِّرْمِذِيّ وعلامته ت وَالشَّمَائِل لَهُ تمّ وَسنَن النَّسَائِيّ علامتها س وَكتاب عمل يَوْم وَلَيْلَة لَهُ سي وخصائص على لَهُ ص ومسند عَليّ لَهُ عس ومسند مَالك لَهُ كن وَسنَن ابْن مَاجَه علامتها ق وَالتَّفْسِير لَهُ فق فَإِن اجْتمع السِّتَّة فالرمز ع أَو الْأَرْبَعَة فالرمز ع أومن ذكر فِي هَذَا الْكتاب وَلَيْسَت لَهُ رِوَايَة هَامِش

(1) اعْلَم أَن الأَصْل الْمعول عَلَيْهِ فِي الطَّبْع بيدنا وضعت فِيهِ هَذِه العلامات فِي وسط الْأَسْمَاء كأحمد بن إِبْرَاهِيم مثلا وضعت فِيهِ العلامات الَّتِي هِيَ (دفق) أَو (م د ت ق) مثلا على مُدَّة بَين الْمِيم وَالدَّال وَلما لم يَتَيَسَّر لنا ذَلِك فِي الطَّبْع وَضعنَا رمز كل اسْم قبله بَين قوسين كَمَا ترى اه مصححة
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

 

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়, একক, অভাবমুক্ত এবং মহান। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। এমন এক সাক্ষ্য যা জাহান্নামের আজাব থেকে রক্ষাকারী এবং চিরস্থায়ী জান্নাত ও নিআমতের আবাসে স্থান করে দেবে। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমাদের নেতা মুহাম্মদ তাঁর বান্দা, সম্মানিত নবী এবং তাঁর অত্যন্ত দয়ালু, পরম করুণাময় ও সহনশীল রাসূল। তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীদের ওপর বর্ষিত হোক সম্মান ও মর্যাদাপূর্ণ অবারিত সালাম ও শান্তি।

(অতঃপর) এটি বর্ণনাকারীদের নামের একটি সংক্ষিপ্তসার, যা আমি 'তাযহীবু তাহযীবিল কামাল' থেকে সংক্ষিপ্ত করেছি। অধিকাংশ ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো স্পষ্ট করা প্রয়োজন ছিল, আমি সেগুলো নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করেছি। আর এতে নির্ভরযোগ্য কিতাবসমূহ এবং সনদভিত্তিক উদ্ধৃতির আলোকে আমি অনেক উপকারী তথ্য ও মৃত্যুসন যোগ করেছি। আমি মহান আল্লাহর কাছে তাঁর অনুগ্রহ ও দয়ায় সঠিক পথের তাওফিক ও হিদায়াত প্রার্থনা করি। আমিন।

‌‌এই সংক্ষিপ্তসার এবং এর মূল গ্রন্থে যেসব কিতাবের বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তাদের বর্ণনার পরিচ্ছেদ

 

সহীহ বুখারী (১), এর চিহ্ন হলো 'খ'। এতে যা তালীক (ঝুলন্ত সূত্র) হিসেবে এসেছে, তার চিহ্ন হলো 'খত'। তাঁর রচিত 'জুযউল কিরাআত'-এর চিহ্ন 'য'। 'রাফউল ইয়াদাইন'-এর জন্য 'ইয়া'। 'আল-আদাবুল মুফরাদ'-এর জন্য 'বা-খ'। 'আফআলুল ইবাদিলা'-এর জন্য 'আইন-খ'। সহীহ মুসলিমের চিহ্ন হলো 'মীম'। তাঁর সহীহ-এর মুকাদ্দিমায় (ভূমিকা) যা আছে, তার চিহ্ন হলো 'মীম-কাফ'। সুনানে আবু দাউদ, এর চিহ্ন হলো 'দাল'। তাঁর 'আল-মারাসিল'-এর চিহ্ন 'মীম-দাল'। 'আল-কদর'-এর চিহ্ন 'কাফ-দাল'। 'আন-নাসিখ ওয়াল মানসুখ'-এর চিহ্ন 'খা-দাল'। 'তাফাররুদু আহলিল আমসার'-এর চিহ্ন 'ফা'। 'ফাযাইলুল আনসার'-এর চিহ্ন 'সদ-দাল'। ইমাম আহমদের 'মাসাইল'-এর জন্য 'লাম'। ইমাম মালিকের 'মুসনাদ'-এর জন্য 'কাফ-দাল'। জামি আত-তিরমিযী, এর চিহ্ন হলো 'তা'। তাঁর 'আশ-শামাইল'-এর জন্য 'তা-মীম'। সুনানে নাসাঈ, এর চিহ্ন হলো 'সীন'। তাঁর 'আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ'-এর জন্য 'সীন-ইয়া'। 'খাসায়িসু আলী'-এর জন্য 'সদ'। 'মুসনাদু আলী'-এর জন্য 'আইন-সীন'। ইমাম মালিকের 'মুসনাদ'-এর জন্য 'কাফ-নুন'। সুনানে ইবনে মাজাহ, এর চিহ্ন হলো 'কাফ'। তাঁর 'তফসীর'-এর জন্য 'ফা-কাফ'। যদি ছয়জন ইমামই ঐকমত্য হন, তবে প্রতীক হবে 'আইন'। অথবা যদি চারজন (সুনান গ্রন্থকার) হন, তবে প্রতীক হবে 'আইন'। আর যাকে এই কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে কিন্তু তার কোনো বর্ণনা নেই, তার জন্য 'হাশিয়া' (টীকা)।

(১) জেনে রাখুন যে, আমাদের কাছে থাকা ছাপার মূল পাণ্ডুলিপিতে এই চিহ্নগুলো নামের মাঝখানে বসানো ছিল। উদাহরণস্বরূপ, 'আহমদ বিন ইব্রাহিম'-এর ক্ষেত্রে (দাল-ফা-কাফ) অথবা (মীম-দাল-তা-কাফ) চিহ্নগুলো 'মীম' ও 'দাল'-এর মধ্যবর্তী টানের ওপর বসানো হয়েছিল। কিন্তু ছাপার ক্ষেত্রে আমাদের পক্ষে তা করা সহজসাধ্য না হওয়ায় আমরা প্রত্যেক নামের প্রতীক তার আগে বন্ধনীর ভেতর স্থাপন করেছি, যেমনটি আপনি দেখছেন। ইতি—সংশোধনকারী।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ٣)
فِي الْكتب فالرمز عَلَيْهِ تَمْيِيز (1) وَقد أَخْبرنِي بالتذهيب شَيخنَا الْحَافِظ أَبُو فَارس عز الدّين فَهد الْمَكِّيّ إجَازَة مِنْهُ عَن الإِمَام شرف الدّين أبي الْفَتْح مُحَمَّد بن الْحَافِظ زين الدّين أبي بكر ابْن الْحُسَيْن المراغي عَن أَبِيه قَالَ أَنبأَنَا الْحَافِظ الْحجَّة شمس الدّين أَبُو عبد الله أَحْمد بن عُثْمَان الذَّهَبِيّ رَحمَه الله تَعَالَى آمين

‌‌كتاب الرِّجَال وَهُوَ قِسْمَانِ وخاتمة

 

‌‌الْقسم الأول فِي ترتيبهم على الْأَسْمَاء

 

- ‌‌(حرف الْألف)

-

‌‌(من اسْمه أَحْمد)

 

(دفق) أَحْمد بن إِبْرَاهِيم بن خَالِد أَبُو عَليّ الْموصِلِي نزيل بَغْدَاد عَن إِبْرَاهِيم بن سعد وَحَمَّاد بن زيد وَشريك وعبثر بن الْقَاسِم وَخلق وَعنهُ د فَرد حَدِيث وَكتب عَنهُ ابْن معِين وَقَالَ لَيْسَ بِهِ بَأْس قَالَ مُوسَى بن هَارُون الْحمال مَاتَ فِي سنة سِتّ (2) وَثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

(كن) أَحْمد بن إِبْرَاهِيم بن فيل بِكَسْر الْفَاء أَبُو الْحسن الْأَسدي البالسي بموحدة نزيل أنطاكية عَن أَحْمد بن يُونُس وَعبد الْوَهَّاب بن بجدة وَأبي مُصعب الزُّهْرِيّ وطبقتهم وَعنهُ (كن) وَثَّقَهُ ابْن عَسَاكِر مَاتَ سنة أَربع وَثَمَانِينَ وَمِائَتَيْنِ

(م ت د ق) أَحْمد بن إِبْرَاهِيم بن كثير بن زيد بن أَفْلح الْعَبْدي النكري بِضَم النُّون الْبَغْدَادِيّ الدَّوْرَقِي (3) الْحَافِظ أَخُو (4) يَعْقُوب عَن هشيم وَيزِيد بن زُرَيْع وَحَفْص بن غياث وَابْن مهْدي وَخلق وَعنهُ (م د ت ق) قَالَ أَبُو حَاتِم صَدُوق وَقَالَ جزرة صَالح ثِقَة قَالَ السراج مَاتَ (5) سنة سِتّ وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ عَن ثَمَان وَسبعين سنة

(س) أَحْمد بن إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن عبد الله بن بكار بن عبد الْملك بن الْوَلِيد بن بسر بِضَم الْمُوَحدَة ابْن أبي أَرْطَاة البسري أَبُو عبد الْملك الدِّمَشْقِي عَن أبي الجماهير (6) وَإِسْحَاق الفراديسي وَأبي مُصعب وَإِبْرَاهِيم بن الْمُنْذر الْحزَامِي وَخلق صَدُوق لَهُ رحْلَة وَمَعْرِفَة وَعنهُ (س) (7) مَاتَ فِي شَوَّال سنة تسع وَثَمَانِينَ وَمِائَتَيْنِ

(س ق) أَحْمد بن الْأَزْهَر بن منيع الْعَبْدي مَوْلَاهُم أَبُو الْأَزْهَر النَّيْسَابُورِي الْحَافِظ عَن عبد الله بن نمير وأسباط بن مُحَمَّد وَأبي أُسَامَة وَعبد الرَّزَّاق وطبقتهم وَعنهُ س ق وَأَبُو زرْعَة وَابْن خُزَيْمَة وَخلق قَالَ أَبُو حَاتِم وَصَالح (8) جزرة صَدُوق وَقَالَ النَّسَائِيّ لَا بَأْس بِهِ (9) ونقم عَلَيْهِ حَدِيثه عَن عبد الرَّزَّاق فِي فَضَائِل عَليّ لكنه توبع عَلَيْهِ قَالَ أَحْمد بن سيار مَاتَ سنة إِحْدَى وَسِتِّينَ وَقَالَ (10) الغساني سنة ثَلَاث وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ

(خَ) أَحْمد بن إِسْحَاق بن الْحصين بن جَابر السّلمِيّ المطوعي أَبُو إِسْحَاق البُخَارِيّ السرماري بِسُكُون الْمُهْملَة الثَّانِيَة وبضم الأولى أحد فرسَان الْإِسْلَام كَانَ عديم النظير فِي الشجَاعَة (11) مَعَ الْعلم والزهد عَن يعلى بن عبيد وَعبيد الله بن مُوسَى وَجَمَاعَة وَعنهُ (خَ) وَوَثَّقَهُ وَعبيد الله بن وَاصل وَقَالَ مَاتَ سنة اثْنَتَيْنِ وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ

(م د ت س) أَحْمد بن إِسْحَاق بن زيد بن عبد الله بن أبي إِسْحَاق الْحَضْرَمِيّ مَوْلَاهُم أَبُو إِسْحَاق الْبَصْرِيّ أَخُو يَعْقُوب الْقَارِي عَن عِكْرِمَة بن عمار وَهَمَّام ووهيب وَحَمَّاد بن سَلمَة وَطَائِفَة وَعنهُ أَبُو بكر بن أبي شيبَة وَأَبُو خَيْثَمَة (12) وَأحمد بن الْحسن التِّرْمِذِيّ وَعبد بن حميد وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ أَبُو حَاتِم (13) وَغَيره قَالَ ابْن سعد مَاتَ سنة إِحْدَى عشرَة هَامِش

(1) المُرَاد بالتمييز حَيْثُ يتَّفق اسْم رَاوِيَيْنِ وَاسم أَبِيهِمَا وَكَانَ أَحدهمَا من رجال الْكتب الْمُتَقَدّم ذكرهَا وَالْآخر لَيْسَ كَذَلِك فَذكره للتمييز اه (2) وَقيل خمس اه ابْن الملقن (3) الدَّوْرَقِي نِسْبَة إِلَى بلد بالأهواز (3) قَالَه أَبُو أَحْمد الْحَاكِم وَغَيره وَيعرف ببرق وَوَقع فِي التَّهْذِيب أَن الدورقية نوع من القلانس وَكَذَا ذكره الدمياطي وَقَالَ لَا معنى لَهُ إِنَّمَا هِيَ بلد وَكَذَا وَقع فِي اللالكائي لِأَنَّهُ كَانَ يلبس القلانس الطوَال وَقَالَ فِي الْكَمَال كَانَ أَبوهُ ناسكا فِي زَمَانه وَمن كَانَ ينْسك فِي ذَلِك الزَّمَان يُسمى دورقيا ثمَّ حكى الأول وَقَالَ السَّمْعَانِيّ أَنَّهَا بلد بِفَارِس وَقيل بخوزستان وَقَالَ ابْن خلفون فِي ثقاته مَوضِع بِالْبَصْرَةِ اه ابْن الملقن

(4) وَكَانَ أَصْغَر مِنْهُ بِسنتَيْنِ اه

(5) بالعسكر يَوْم السبت اه ملقن

(6) مُحَمَّد بن عُثْمَان اه

(7) وَقَالَ لابأس بِهِ وَالطَّبَرَانِيّ وَقَالَ أَبُو الْقَاسِم ثِقَة اه

(8) جزرة محركة لقب صَالح ابْن مُحَمَّد الْحَافِظ اه قَامُوس

(9) وَقَالَ الْحَاكِم أَبُو أَحْمد مَا حدث من أصل كِتَابه فَهُوَ أصح وَرَأَيْت ابْن خُزَيْمَة إِذا حدث عَنهُ قَالَ حَدثنَا أَبُو الْأَزْهَر وَكتب فِي كِتَابه حَدثنَا أَبُو الْأَزْهَر من أَصله وَحدثنَا تلقينا وَذَلِكَ أَنه قد كبر فَرُبمَا تلقن مَا يخْشَى اه تَهْذِيب

(10) فِي التَّهْذِيب القباني وَبِقَوْلِهِ جزم ابْن عَسَاكِر فِي نبله اه

(11) قَالَ ابْن الملقن فِي كِتَابه فِي الرِّجَال يضْرب بشجاعته الْمثل قتل ألفا من التّرْك اه

(12) زُهَيْر بن حَرْب

(13) وَالنَّسَائِيّ وَقَالَ أَحْمد بن حَنْبَل لم يكن بِهِ بَأْس تركته من أجل ابْن أكتم دخل لَهُ فِي شَيْء اه ميزَان
বইসমূহে প্রতীকের ব্যবহার হলো পার্থক্যকারী (১)। আমাদের শাইখ হাফেজ আবু ফারেস ইযযুদ্দীন ফাহদ আল-মাক্কি ইজাজতসূত্রে ইমাম শরাফুদ্দীন আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন হাফেজ যাইনুদ্দীন আবু বকর ইবনুল হুসাইন আল-মারায়ি থেকে, তিনি তার পিতা থেকে আমাকে সোনালী হরফে অলঙ্করণ সম্পর্কে অবহিত করেছেন; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজুল হুজ্জাহ শামসুদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ আহমদ বিন উসমান আয-যাহাবি (রহমতুল্লাহি তায়ালা আলাইহি, আমিন)।

‌‌পুরুষ (বর্ণনাকারী) বিষয়ক গ্রন্থ এবং এটি দুই ভাগে ও একটি উপসংহারে বিভক্ত

 

‌‌প্রথম ভাগ: নাম অনুযায়ী তাদের বিন্যাস

 

- ‌‌(আলিফ বর্ণ)

-

‌‌(যাদের নাম আহমাদ)

 

(দ, ফ, ক) আহমদ বিন ইবরাহিম বিন খালিদ আবু আলী আল-মাওসিলি, বাগদাদে বসবাসকারী। তিনি ইবরাহিম বিন সাদ, হাম্মাদ বিন যায়েদ, শারিক, আবসার বিন কাসিম ও আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আবু দাউদ (দ) একটি একক হাদিস বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন তার থেকে (হাদিস) লিখেছেন এবং বলেছেন যে তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। মুসা বিন হারুন আল-হাম্মাল বলেন, তিনি দুইশ ছত্রিশ (২) হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।

(ক, ন) আহমদ বিন ইবরাহিম বিন ফিল (ফা-এর নিচে কাসরা দিয়ে), আবু আল-হাসান আল-আসাদি আল-বালিসি, আন্তাকিয়ায় বসবাসকারী। তিনি আহমদ বিন ইউনুস, আব্দুল ওয়াহহাব বিন নাজদাহ, আবু মুসআব আজ-যুহরি ও তাদের সমসাময়িকদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে (ক, ন) বর্ণনা করেছেন। ইবনে আসাকির তাকে নির্ভরযোগ্য (সেকাহ) বলেছেন। তিনি দুইশ চুরাশি হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।

(ম, ত, দ, ক) আহমদ বিন ইবরাহিম বিন কাসির বিন যায়েদ বিন আফলাহ আল-আবদি আন-নাকরি (নুন পেশ দিয়ে), আল-বাগদাদি আদ-দাওরাকি (৩), তিনি একজন হাফেজ এবং ইয়াকুবের (৪) ভাই। তিনি হুশাইম, ইয়াজিদ বিন জুরাই, হাফস বিন গিয়াস, ইবনে মাহদি ও আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে (ম, দ, ত, ক) বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি সত্যবাদী (সাদুক)। জাযারাহ বলেছেন: তিনি নেককার এবং নির্ভরযোগ্য (সেকাহ)। সিরাজ বলেন, তিনি দুইশ ছেচল্লিশ (৫) হিজরি সনে আটাত্তর বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

(স) আহমদ বিন ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন বাক্কার বিন আব্দুল মালিক বিন আল-ওয়ালিদ বিন বুসর (বা-এর উপর পেশ দিয়ে) ইবনে আবি আরতাহ আল-বুসরি আবু আব্দুল মালিক আদ-দিমাশকি। তিনি আবু আল-জামাহির (৬), ইসহাক আল-ফারাতিসি, আবু মুসআব, ইবরাহিম বিন আল-মুনজির আল-হিযামি ও আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি সত্যবাদী (সাদুক), জ্ঞান অন্বেষণে তার ভ্রমণ এবং ইলম ছিল। তার থেকে (স) বর্ণনা করেছেন (৭)। তিনি দুইশ উননব্বই হিজরি সনের শাওয়াল মাসে মৃত্যুবরণ করেন।

(স, ক) আহমদ বিন আল-আজহার বিন মানি’ আল-আবদি (তাদের মুক্ত করা দাস), আবু আল-আজহার আন-নিসাবুরি, তিনি হাফেজ। তিনি আব্দুল্লাহ বিন নুমাইর, আসবাত বিন মুহাম্মদ, আবু উসামাহ, আব্দুর রাজ্জাক ও তাদের সমসাময়িকদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে (স, ক), আবু যুরআহ, ইবনে খুজাইমাহ ও আরও অনেকে বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম এবং সালেহ (৮) জাযারাহ বলেছেন যে তিনি সত্যবাদী (সাদুক)। নাসাঈ বলেছেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই (৯)। তার থেকে বর্ণিত আব্দুর রাজ্জাকের মাধ্যমে আলীর ফযিলত বিষয়ক হাদিসটির সমালোচনা করা হয়েছে, তবে অন্যান্য বর্ণনাকারীদের দ্বারাও তা সমর্থিত হয়েছে। আহমদ বিন সাইয়্যার বলেন, তিনি দুইশ একষট্টি সনে মৃত্যুবরণ করেন। আল-গাসসানি (১০) বলেন, তিনি দুইশ তেষট্টি হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।

(খ) আহমদ বিন ইসহাক বিন আল-হুসাইন বিন জাবির আস-সুলামি আল-মুতাওয়িয়ি, আবু ইসহাক আল-বুখারি আস-সুরমারি (দ্বিতীয় সিনের সুকুন এবং প্রথম সিনের পেশ দিয়ে)। তিনি ইসলামের বীর যোদ্ধাদের একজন ছিলেন। ইলম এবং যুহদ (পরহেজগারি)-এর পাশাপাশি বীরত্বেও তিনি ছিলেন অতুলনীয় (১১)। তিনি ইয়া’লা বিন উবাইদ, উবাইদুল্লাহ বিন মুসা ও একদল বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বুখারি (খ) বর্ণনা করেছেন এবং তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। উবাইদুল্লাহ বিন ওয়াসিল বলেছেন, তিনি দুইশ বিয়াল্লিশ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।

(ম, দ, ত, স) আহমদ বিন ইসহাক বিন যায়েদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি ইসহাক আল-হাদরামি (তাদের মুক্ত করা দাস), আবু ইসহাক আল-বাসরি, কারি ইয়াকুবের ভাই। তিনি ইকরিমাহ বিন আম্মার, হাম্মাম, উহাইব, হাম্মাদ বিন সালামাহ ও একদল বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আবু বকর বিন আবি শাইবাহ, আবু খাইসামাহ (১২), আহমদ বিন আল-হাসান আত-তিরমিজি, আবদ বিন হুমাইদ ও একদল বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম (১৩) ও অন্য অনেকে তাকে নির্ভরযোগ্য (সেকাহ) বলেছেন। ইবনে সাদ বলেন, তিনি দুইশ এগারো সনে মৃত্যুবরণ করেন। টিকা:

(১) পার্থক্যকরণ বলতে উদ্দেশ্য হলো, যেখানে দুইজন বর্ণনাকারীর নাম এবং তাদের পিতার নাম একই হয়ে যায়, এবং তাদের একজন উপরের উল্লিখিত গ্রন্থসমূহের বর্ণনাকারী হন আর অন্যজন তা নন; এমতাবস্থায় পার্থক্য করার জন্য এটি উল্লেখ করা হয়েছে। (২) বলা হয়েছে পঁচিশ সনে—ইবনুল মুলাক্কিন। (৩) আদ-দাওরাকি: আহওয়াজের একটি শহরের নিসবত। আবু আহমদ আল-হাকিম ও অন্যরা এটি বলেছেন। তাকে ‘বারক্ব’ নামেও চেনা হতো। ‘আত-তাহযিব’ গ্রন্থে এসেছে যে, দাওরাকিয়াহ হলো এক প্রকার টুপি। আদ-দামিয়াতিও এমনটি উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন এর কোনো অর্থ নেই, বরং এটি একটি শহর। আল-লালকাই-তেও এটি এসেছে কারণ তিনি লম্বা টুপি পরিধান করতেন। ‘আল-কামাল’ গ্রন্থে এসেছে যে, তার পিতা তার সময়ের একজন আবেদ (উপাসক) ছিলেন; আর সে সময়ে যারা ইবাদতে মগ্ন থাকতেন তাদের ‘দাওরাকি’ বলা হতো। এরপর তিনি প্রথম মতটি উল্লেখ করেন। আস-সামআনি বলেন, এটি পারস্যের একটি শহর, কেউ বলেছেন এটি খুজিস্তানে। ইবনে খালাফুন তার ‘আস-সিকাত’ গ্রন্থে বলেছেন এটি বসরার একটি স্থান—ইবনুল মুলাক্কিন।

(৪) তিনি তার থেকে দুই বছরের ছোট ছিলেন।

(৫) আসকারে, শনিবার দিনে—মুলাক্কিন।

(৬) মুহাম্মদ বিন উসমান।

(৭) তিনি বলেছেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। আর তাবারানি ও আবু আল-কাসিম বলেছেন: নির্ভরযোগ্য।

(৮) জাযারাহ (হরকতযুক্ত): এটি হাফেজ সালেহ ইবনে মুহাম্মদের উপাধি—কামুস।

(৯) আবু আহমদ আল-হাকিম বলেছেন: তিনি তার মূল পাণ্ডুলিপি থেকে যা বর্ণনা করেছেন তা অধিক বিশুদ্ধ। আমি ইবনে খুজাইমাহকে দেখেছি যখন তার থেকে বর্ণনা করতেন, বলতেন ‘আবু আল-আজহার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন’ এবং তার কিতাবে লিখতেন ‘আবু আল-আজহার আমাদের নিকট তার মূল পাণ্ডুলিপি থেকে বর্ণনা করেছেন’। আর আমাদের নিকট তিনি মৌখিকভাবে বর্ণনা করেছেন, কারণ তিনি বৃদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন এবং মাঝেমধ্যে অন্যের শিখিয়ে দেওয়া কথা গ্রহণ করার আশঙ্কা তৈরি হতো—তাহযিব।

(১০) তাহযিব গ্রন্থে ‘আল-কাব্বানি’ এসেছে; আর ইবনে আসাকির তার ‘আন-নুবলা’ গ্রন্থে এই মতটিকেই সুনিশ্চিত করেছেন।

(১১) ইবনুল মুলাক্কিন তার বর্ণনাকারী বিষয়ক গ্রন্থে বলেছেন, তার বীরত্ব উদাহরণ হিসেবে দেওয়া হতো, তিনি এক হাজার তুর্কিকে হত্যা করেছিলেন।

(১২) যুহাইর বিন হারব।

(১৩) এবং নাসাঈও। আহমদ বিন হাম্বল বলেছেন: তার বর্ণনায় কোনো সমস্যা ছিল না, তবে ইবনে আকসামের কারণে আমি তাকে ত্যাগ করেছি কারণ তিনি কোনো এক বিষয়ে তার সাথে জড়িত হয়ে পড়েছিলেন—মিযান।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ٤)
وَمِائَتَيْنِ

(د) أَحْمد بن إِسْحَاق بن عِيسَى الْأَهْوَازِي أَبُو إِسْحَاق الْبَزَّار آخِره مُهْملَة عَن أَحْمد الزبيرِي وَأبي عبد الرَّحْمَن الْمقري وَعنهُ (د) قَالَ النَّسَائِيّ صَالح مَاتَ سنة خمسين وَمِائَتَيْنِ

(ق) أَحْمد بن إِسْمَاعِيل بن مُحَمَّد أَبُو حذافة السَّهْمِي الْمدنِي نزيل بَغْدَاد سَمَاعه من مَالك للموطأ صَحِيح عَن إِبْرَاهِيم بن سعد والدراوردي وَابْن أبي الزِّنَاد وَمُسلم بن خَالِد وَعنهُ (ق) وَجَمَاعَة قَالَ أَبُو حَاتِم مَتْرُوك وَقَالَ الدَّارَقُطْنِيّ ضَعِيف (1) قَالَ ابْن مخلد مَاتَ يَوْم عيد الْفطر بِبَغْدَاد سنة تسع وَخمسين وَمِائَتَيْنِ عَن نَحْو مائَة سنة

(خَ) أَحْمد بن (2) إشكاب بِإِسْكَان الْمُعْجَمَة الْحَضْرَمِيّ أَبُو عبد الله الصفار الْكُوفِي ثمَّ الْمصْرِيّ وَقيل أَحْمد بن معمر بن إشكاب وَقيل أَحْمد بن (3) عبد الله بن إشكاب الْحَافِظ عَن شريك وَعبد السَّلَام بن حَرْب وَمُحَمّد بن فُضَيْل وَعنهُ (خَ) وَطَائِفَة قَالَ أَبُو حَاتِم ثِقَة مَأْمُون قَالَ ابْن يُونُس مَاتَ سنة سبع أَو ثَمَان عشرَة وَمِائَتَيْنِ

(بخ) أَحْمد بن أَيُّوب بن رَاشد الضَّبِّيّ الشعيري بِفَتْح الْمُعْجَمَة وَكسر الْمُهْملَة ثمَّ تَحْتَانِيَّة أَبُو الْحسن الْبَصْرِيّ عَن عبد الْوَارِث ومسلمة بن عَلْقَمَة وَعنهُ (بخ) وَجَمَاعَة

(ت ق) أَحْمد بن بديل بِمُهْملَة مُصَغرًا ابْن قُرَيْش بن بديل بن الْحَرْث اليامي بتحتانية أَبُو جَعْفَر الْكُوفِي قاضيها وقاضي هَمدَان عَن أبي بكر بن عَيَّاش وَحَفْص بن غياث وعثام بن عَليّ وَمُحَمّد بن فُضَيْل وطبقتهم وَعنهُ (ت ق) وَخلق قَالَ النَّسَائِيّ لَا بَأْس بِهِ وَقَالَ الدَّارَقُطْنِيّ فِيهِ لين وَقَالَ ابْن عدي يكْتب حَدِيثه على ضعفه قَالَ (4) مطين مَاتَ سنة ثَمَان وَخمسين وَمِائَتَيْنِ

(خَ ت ق) أَحْمد بن بشير بِالْفَتْح مولى عَمْرو بن حُرَيْث أَبُو بكر الْكُوفِي عَن هِشَام بن عُرْوَة وَالْأَعْمَش وشبيب بن بشر وَعنهُ مُحَمَّد بن نمير وَمُحَمّد بن مهْرَان والأشج وَمُحَمّد بن سَلام وَخلق قَالَ يحيى لَيْسَ بِهِ بَأْس وَقَالَ أَبُو زرْعَة صَدُوق وَقَالَ النَّسَائِيّ لَيْسَ بِذَاكَ الْقوي وَضَعفه الدَّارَقُطْنِيّ (5) قَالَ هَارُون بن حَاتِم مَاتَ سنة سبع وَتِسْعين وَمِائَة لَهُ فِي (خَ) فَرد حَدِيث

(تَمْيِيز) أَحْمد بن بشير بغدادي مُتَأَخّر ضَعِيف فصل بَينه وَبَين الَّذِي قبله الْخَطِيب

(س) أَحْمد بن بكار بن أبي مَيْمُونَة الْأمَوِي مَوْلَاهُم أَبُو عبد الرَّحْمَن الْحَرَّانِي عَن أبي مُعَاوِيَة وَمُحَمّد ومسلمة الْحَرَّانِي ووكيع وَجَمَاعَة وَعنهُ (س) وَقَالَ لَا بَأْس بِهِ قَالَ أَبُو عرُوبَة الْحَرَّانِي مَاتَ فِي صفر سنة أَربع وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ

(ع) أَحْمد بن أبي بكر الْقَاسِم بن الْحَرْث بن زُرَارَة بن مُصعب ابْن عبد الرَّحْمَن بن عَوْف الزُّهْرِيّ أَبُو مُصعب الْمدنِي قاضيها عَن مَالك وَعبد الْمُهَيْمِن بن سهل وَصَالح ابْن قدامَة ويوسف الْمَاجشون وَعنهُ (ع) لَكِن س بِوَاسِطَة وَخلق قَالَ أَبُو حَاتِم وَأَبُو زرْعَة صَدُوق (6) وَقَالَ الزبير مَاتَ وَهُوَ فَقِيه الْمَدِينَة بِلَا مدافعة وَقَالَ الذَّهَبِيّ كَانَ إِمَامًا فِي السّنة وَالْأَحْكَام فَقِيها فصيحا بليغا قَالَ السراج توفّي فِي رَمَضَان سنة اثْنَتَيْنِ (7) وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ عَن تسعين سنة فَأكْثر لَهُ فِي (م) فَرد (8) حَدِيث

(ق) أَحْمد بن ثَابت الجحدري بجيم ثمَّ مُهْملَة أَبُو بكر الْبَصْرِيّ عَن ابْن عُيَيْنَة وَيحيى الْقطَّان ووكيع وطبقتهم وَعنهُ (ق) كَانَ حَيا فِي سنة خمسين وَمِائَتَيْنِ

(م) أَحْمد بن جَعْفَر المعقري (9) بِفَتْح الْمِيم ثمَّ مُهْملَة سَاكِنة وَكسر الْقَاف اليمني ثمَّ الْمَكِّيّ عَن النَّضر بن مُحَمَّد وَعنهُ (م) وَابْن أبي دَاوُد وَأَبُو عرُوبَة مَاتَ سنة خمس وَخمسين وَمِائَتَيْنِ

(م د س) أَحْمد بن جناب بِفَتْح الْجِيم وَتَخْفِيف النُّون ابْن الْمُغيرَة المصِّيصِي الحدثي بِفَتْح الْمُهْمَلَتَيْنِ ثمَّ مُثَلّثَة أَبُو الْوَلِيد عَن عِيسَى بن يُونُس وَغَيره وَعنهُ (م د) (10) وَأحمد بن حَنْبَل وَأَبُو يعلى قَالَ جزرة صَدُوق وَقَالَ ابْن أبي عَاصِم مَاتَ سنة ثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

(م د) أَحْمد بن جواس بتَشْديد الْوَاو آخِره هَامِش

(1) قَالَ الْخَطِيب لم يكن يتَعَمَّد الْكَذِب (4) اه ميزَان

(2) بِكَسْر الْهمزَة اه قَامُوس

(3) كَذَا فِي اللالكائي والمزي وَذكره غَيره مُصَغرًا أَفَادَ ذَلِك ابْن الملقن قَالَ وَيُقَال اسْم إِشْكَال مجمع اه

(4) مطين بِفَتْح الْيَاء الثَّقِيلَة بعد الْمُهْملَة الْمَفْتُوحَة بِصِيغَة الْمَفْعُول لقب أبي جَعْفَر الْحَضْرَمِيّ اه من عُلُوم الحَدِيث لِابْنِ الصّلاح واسْمه مُحَمَّد بن عبد الله بن سُلَيْمَان اه ميزَان

(5) وَقَالَ يعْتَبر تحديثه وَقَالَ عُثْمَان الدَّارمِيّ مَتْرُوك اه ميزَان

(6) وَقَالَ أَحْمد بن أبي خَيْثَمَة فِي تَارِيخه خرجنَا فِي سنة 219 إِلَى مَكَّة فَقلت لأبي عَمَّن أكتب فَقَالَ لَا تكْتب عَن أبي مُصعب واكتب عَمَّن شِئْت قلت لَعَلَّه نَهَاهُ عَنهُ لدُخُوله فِي الْقَضَاء والمظالم وَإِلَّا فَهُوَ ثِقَة نَادِر الْغَلَط اه من نبلاء الطَّبَقَة وَفِيه قَالَ الزبير بن بكار كَانَ أَبُو مُصعب على شرطة عبد الله ابْن الْحسن الْهَاشِمِي عَامل الْمَأْمُون على الْمَدِينَة اه

(7) وَقَالَ ابْن عبد الْبر سنة إِحْدَى وَأَرْبَعين اه

(8) وَهُوَ حَدِيث السّفر قِطْعَة من الْعَذَاب بِطُولِهِ اه ابْن الملقن

(9) معقر مَوضِع بِالْيمن اه

(10) وَالنَّسَائِيّ عَن رجل اه ملقن
এবং দুইশ।

(দাউদ) আহমদ বিন ইসহাক বিন ঈসা আল-আহওয়াজি আবু ইসহাক আল-বায্যার, নামের শেষ অক্ষরটি নুকতাহীন ‘রা’, তিনি আহমদ আয-যুবাইরি ও আবু আব্দুর রহমান আল-মুকরি থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (দাউদ)। নাসায়ী বলেছেন: তিনি সালেহ (ভালো)। তিনি দুইশ পঞ্চাশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(মাজাহ) আহমদ বিন ইসমাইল বিন মুহাম্মদ আবু হুযাফা আস-সাহমি আল-মাদানি, বাগদাদের অধিবাসী। মালিকের নিকট থেকে তার ‘মুয়াত্তা’ শ্রবণ করা সহীহ। তিনি ইব্রাহিম বিন সাদ, আদ-দারাওয়ার্দি, ইবনে আবিয যিনাদ ও মুসলিম বিন খালিদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (মাজাহ) ও একদল রাবী। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি পরিত্যক্ত (মাতরূক)। দারা قطনি বলেছেন: তিনি দুর্বল (যঈফ)। (১) ইবনে মাখলাদ বলেছেন: তিনি দুইশ উনষাট হিজরীতে ঈদুল ফিতরের দিন বাগদাদে প্রায় একশ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

(বুখারি) আহমদ বিন (২) ইশকাবে (শীন সাকিনযুক্ত) আল-হাদরামি আবু আব্দুল্লাহ আস-সাফফার আল-কুফি, অতঃপর আল-মাসরি। কেউ কেউ বলেছেন আহমদ বিন মুয়াম্মার বিন ইশকাবে, আবার কেউ বলেছেন আহমদ বিন (৩) আব্দুল্লাহ বিন ইশকাবে আল-হাফিজ। তিনি শারীক, আব্দুস সালাম বিন হারব ও মুহাম্মদ বিন ফুদাইল থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (বুখারি) ও একদল রাবী। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত। ইবনে ইউনুস বলেছেন: তিনি দুইশ সতেরো বা আঠারো হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(বুখারি - তালীক) আহমদ বিন আইয়ুব বিন রাশিদ আদ-দব্বি আশ-শুয়াইরি (শীন বর্ণে ফাতহা ও আইনি কাসরা এবং এরপর ইয়া), আবু আল-হাসান আল-বাসরি। তিনি আব্দুল ওয়ারিস ও মাসলামা বিন আলকামা থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (বুখারি - তালীক) ও একদল রাবী।

(তিরমিযি, মাজাহ) আহমদ বিন বুদাইল (তাসগীরের সীগায়) বিন কুরাইশ বিন বুদাইল বিন আল-হারিস আল-ইয়ামি (শেষে ইয়া যুক্ত), আবু জাফর আল-কুফি। তিনি কুফা ও হামদানের বিচারক (কাযী) ছিলেন। তিনি আবু বকর বিন আইয়াশ, হাফস বিন গিয়াস, উসাম বিন আলী, মুহাম্মদ বিন ফুদাইল ও তাদের সমসাময়িকদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (তিরমিযি, মাজাহ) ও বহু সংখ্যক রাবী। নাসায়ী বলেছেন: এতে কোনো অসুবিধা নেই। দারা قطনি বলেছেন: তার মধ্যে কিছুটা শিথিলতা রয়েছে। ইবনে আদি বলেছেন: দুর্বলতা সত্ত্বেও তার হাদীস লেখা যায়। (৪) মুতাইয়িন বলেছেন: তিনি দুইশ আটান্ন হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(বুখারি, তিরমিযি, মাজাহ) আহমদ বিন বাশির (বা বর্ণে ফাতহা), আমর বিন হুরেইসের আযাদকৃত দাস, আবু বকর আল-কুফি। তিনি হিশাম বিন উরওয়া, আল-আমাশ ও শাবীব বিন বিশর থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন নুমাইর, মুহাম্মদ বিন মেহরান, আল-আশাজ, মুহাম্মদ বিন সালাম ও বহু সংখ্যক রাবী। ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বলেছেন: এতে কোনো অসুবিধা নেই। আবু যুরআ বলেছেন: তিনি সত্যবাদী। নাসায়ী বলেছেন: তিনি খুব একটা শক্তিশালী নন। দারা قطনি তাকে দুর্বল বলেছেন। (৫) হারুন বিন হাতিম বলেছেন: তিনি একশ সাতানব্বই হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। বুখারিতে তার কেবল একটি হাদীস রয়েছে।

(পার্থক্যকারী) আহমদ বিন বাশির বাগদাদি, পরবর্তী যুগের ও দুর্বল। আল-খতিব তার এবং তার পূর্ববর্তী রাবীর মধ্যে পার্থক্য করেছেন।

(নাসায়ী) আহমদ বিন বাক্কার বিন আবি মাইমুনা আল-উমাবি, তাদের আযাদকৃত দাস, আবু আব্দুর রহমান আল-হাররানি। তিনি আবু মুয়াবিয়া, মুহাম্মদ, মাসলামা আল-হাররানি, ওয়াকি ও একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (নাসায়ী) এবং তিনি বলেছেন: এতে কোনো অসুবিধা নেই। আবু আরূবা আল-হাররানি বলেছেন: তিনি দুইশ চুয়াল্লিশ হিজরীর সফর মাসে মৃত্যুবরণ করেন।

(ছয় কিতাব) আহমদ বিন আবি বকর আল-কাসিম বিন আল-হারিস বিন যুরারা বিন মুসআব বিন আব্দুর রহমান বিন আউফ আয-যুহরি, আবু মুসআব আল-মাদানি। তিনি মদীনার বিচারক (কাযী) ছিলেন। তিনি মালিক, আব্দুল মুহাইমিন বিন সাহল, সালিহ বিন কুদামা ও ইউসুফ আল-মাজিশুন থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (ছয় কিতাব), তবে নাসায়ী বর্ণনা করেছেন মধ্যস্থতার মাধ্যমে। তার থেকে অসংখ্য রাবী বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম ও আবু যুরআ বলেছেন: তিনি সত্যবাদী। (৬) যুবাইর বলেছেন: তিনি কোনো বিতর্ক ছাড়াই মদীনার ফকীহ হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন। আয-যাহাবি বলেছেন: তিনি সুন্নাহ ও আহকামের ইমাম, ফকীহ ও অত্যন্ত বাগ্মী ছিলেন। আস-সাররাজ বলেছেন: তিনি দুইশ বিয়াল্লিশ হিজরীর (৭) রমজান মাসে নব্বই বছরেরও বেশি বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। মুসলিম শরীফে তার কেবল একটি (৮) হাদীস রয়েছে।

(মাজাহ) আহমদ বিন সাবিত আল-জহদারি (জীম ও এরপর নুকতাহীন হা), আবু বকর আল-বাসরি। তিনি ইবনে উয়াইনা, ইয়াহইয়া আল-কাত্তান, ওয়াকি ও তাদের সমসাময়িকদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (মাজাহ)। তিনি দুইশ পঞ্চাশ হিজরী পর্যন্ত জীবিত ছিলেন।

(মুসলিম) আহমদ বিন জাফর আল-মা'কারি (৯) (মীমে ফাতহা, এরপর আইন সাকিন ও কাফে কাসরা), ইয়ামানি ও পরবর্তীতে মক্কি। তিনি আন-নদর বিন মুহাম্মদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (মুসলিম), ইবনে আবি দাউদ ও আবু আরূবা। তিনি দুইশ পঞ্চান্ন হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(মুসলিম, দাউদ, নাসায়ী) আহমদ বিন জানাব (জীমে ফাতহা ও নূনে তাশদীদ নেই), ইবনুল মুগিরা আল-মাসসিসি আল-হাদাছি (উভয় হা বর্ণে ফাতহা ও শেষে ছা), আবু আল-ওয়ালিদ। তিনি ঈসা বিন ইউনুস ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (মুসলিম, দাউদ) (১০), আহমদ বিন হাম্বল ও আবু ইয়ালা। জাযারা বলেছেন: তিনি সত্যবাদী। ইবনে আবি আসিম বলেছেন: তিনি দুইশ ত্রিশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(মুসলিম, দাউদ) আহমদ বিন জাওয়াস (ওয়াও বর্ণে তাশদীদসহ), শেষে মলাট।

(১) আল-খতিব বলেছেন: তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বলতেন না। (মিযানুল ইতিদাল)

(২) হামযা বর্ণে কাসরা (জের) দিয়ে। (কামুস)

(৩) লালাকায়ী ও মিযযি এভাবেই উল্লেখ করেছেন। অন্যরা একে তাসগীর (ছোটকারী শব্দ) হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যা ইবনুল মুলাক্কিন বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: বলা হয় তার নাম ইশকাব মাজমা।

(৪) মুতাইয়িন: তশদীদযুক্ত ইয়া বর্ণে ফাতহাসহ, মাফউল এর ওজনে। এটি আবু জাফর আল-হাদরামির উপাধি। (ইবনে সালাহর উলূমুল হাদীস থেকে)। তার নাম হলো মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন সুলাইমান। (মিযান)

(৫) তিনি (দারা قطনি) বলেছেন: তার হাদীস বিবেচনা করা যায়। উসমান আদ-দারিমি বলেছেন: তিনি পরিত্যক্ত। (মিযান)

(৬) আহমদ বিন আবি খাইসামা তার ইতিহাসে বলেছেন: ২১৯ হিজরীতে আমরা মক্কায় গেলাম, তখন আমি আমার পিতাকে বললাম: আমি কার নিকট থেকে হাদীস লিখব? তিনি বললেন: আবু মুসআব ব্যতীত যার থেকে ইচ্ছা হাদীস লেখ। আমি বলছি: সম্ভবত তিনি তাকে বিচারকের পদ গ্রহণ ও জুলুমের সাথে সংশ্লিষ্টতার কারণে নিষেধ করেছিলেন, নতুবা তিনি নির্ভরযোগ্য এবং তার ভুল খুব কমই হতো। (সিয়ারু আলামিন নুবালা)। তাতে জুবাইর বিন বাক্কার বলেছেন: আবু মুসআব মদীনায় মামুনের গভর্নর আব্দুল্লাহ বিন হাসান আল-হাশিমির পুলিশ বাহিনীর প্রধান ছিলেন।

(৭) ইবনে আব্দুল বার বলেছেন: দুইশ একচল্লিশ হিজরীতে।

(৮) আর সেটি হলো সফরের দীর্ঘ হাদীস: "সফর হলো আযাবের একটি অংশ"। (ইবনুল মুলাক্কিন)

(৯) মা'কার হলো ইয়ামানের একটি স্থান।

(১০) এবং নাসায়ী একজন ব্যক্তির মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। (মুলাক্কিন)
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ٥)
مُهْملَة الْحَنَفِيّ أَبُو عَاصِم الْكُوفِي عَن أبي الْأَحْوَص سَلام وَابْن الْمُبَارك وَابْن عُيَيْنَة وَعبيد الله الْأَشْجَعِيّ وَعنهُ (م د) ومطين وَقَالَ ثِقَة (1) كَانَ لَا يخضب مَاتَ فِي الْمحرم سنة ثَمَان وَثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

(تَمْيِيز) أَحْمد بن جواس الاستوائي أَبُو جَعْفَر النَّيْسَابُورِي (2)

(خَ) أَحْمد بن الْحجَّاج الذهلي الْبكْرِيّ بِفَتْح الْمُوَحدَة أَبُو الْعَبَّاس الْمروزِي السينَانِي بِكَسْر الْمُهْملَة وَسُكُون التَّحْتَانِيَّة ثمَّ بنونين بَينهمَا ألف عَن حَاتِم بن إِسْمَاعِيل وَابْن عُيَيْنَة وَابْن الْمُبَارك وَأنس بن عِيَاض وَعنهُ (خَ) وَقَالَ مَاتَ سنة اثْنَتَيْنِ وَعشْرين وَمِائَتَيْنِ وَقَالَ ابْن أبي خَيْثَمَة (3) كَانَ صَدُوقًا (4)

(س) أَحْمد بن حَرْب بن مُحَمَّد بن عَليّ بن حَيَّان بتحتانية ابْن مَازِن الطَّائِي أَبُو عَليّ أَو أَبُو بكر الْموصِلِي ثمَّ (5) الأذني عَن ابْن عُيَيْنَة وَأبي مُعَاوِيَة وَابْن علية وَمُحَمّد بن فُضَيْل وَخلق وَعنهُ (س) وَقَالَ لَا بَأْس بِهِ (6) وَقَالَ (7) ابْن أبي حَاتِم صَدُوق مَاتَ بأذنة سنة ثَلَاث وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ عَن تسعين سنة

(خَ ت) أَحْمد بن الْحسن بن جنيدب بنُون بعد الْجِيم مُصَغرًا التِّرْمِذِيّ أَبُو الْحسن الْحَافِظ الجوال كَانَ من تلامذة أَحْمد بن حَنْبَل عَن أبي عَاصِم وَالْفِرْيَابِي ويعلى بن عبيد وَمُحَمّد بن مُصعب وَعبيد الله بن مُوسَى وطبقتهم وَعنهُ (خَ ت) وَابْن خُزَيْمَة وَقَالَ كَانَ أحد أوعية الحَدِيث مَاتَ (8) سنة خمسين تَقْرِيبًا

(م ت) أَحْمد بن الْحسن بن خرَاش بِكَسْر الْمُعْجَمَة وَفتح الرَّاء الْخُرَاسَانِي الْبَغْدَادِيّ أَبُو جَعْفَر عَن ابْن مهْدي والعقدي وَعبد الصَّمد بن عبد الْوَارِث وَأبي نعيم وطبقتهم وَعنهُ (م ت) وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ الْخَطِيب مَاتَ سنة اثْنَتَيْنِ وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ عَن سِتِّينَ سنة (9) إِلَّا عشْرين يَوْمًا

(خَ د س) أَحْمد بن حَفْص بن عبد الله بن رَاشد السّلمِيّ أَبُو عَليّ بن أبي عَمْرو النَّيْسَابُورِي قاضيها عَن أَبِيه وَالْحُسَيْن بن الْوَلِيد الْقرشِي والجارود بن يزِيد وَعنهُ (خَ د س) (10) وَقَالَ صَدُوق وبخط أبي عَمْرو الْمُسْتَمْلِي تَارِيخ وَفَاته فِي الْمحرم سنة ثَمَان وَخمسين (11) وَمِائَتَيْنِ وَصلى عَلَيْهِ خلق

(م ت س) أَحْمد بن الحكم هُوَ ابْن عبد الله بن الحكم يَأْتِي

(س) أَحْمد بن حَمَّاد بن مُسلم التجِيبِي بِضَم الْمُثَنَّاة أَو فتحهَا وَكسر الْجِيم بعْدهَا ثمَّ تَحْتَانِيَّة سَاكِنة ثمَّ مُوَحدَة مَوْلَاهُم أَبُو جَعْفَر الْمصْرِيّ أَخُو زغبة (12) عَن ابْن أبي مَرْيَم وَيحيى بن بكير وَعبد الْغفار الْحَرَّانِي وَعنهُ (س) وَقَالَ صَالح وَابْن يُونُس وَقَالَ ثِقَة مَأْمُون مَاتَ سنة (13) تسع وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ عَن أَربع وَتِسْعين سنة

(خَ سي) أَحْمد بن حميد الطريثيثي (14) بطاء وَرَاء مهملتين ومثلثتين مُصَغرًا أَبُو الْحسن الملقب بدار أم سَلمَة الْكُوفِي الْحَافِظ عَن الْقَاسِم المَسْعُودِيّ وَابْن الْمُبَارك وَعبيد الله الْأَشْجَعِيّ وَحَفْص بن غياث وَعنهُ (خَ) والدارمي وَأحمد بن حَنْبَل (15) وَأَبُو حَاتِم الرَّازِيّ وَثَّقَهُ الْعجلِيّ (16) قَالَ مطين مَاتَ سنة عشْرين وَمِائَتَيْنِ

(ع) أَحْمد بن حَنْبَل هُوَ ابْن مُحَمَّد

(د ق) أَحْمد بن أبي الْحوَاري هُوَ ابْن عبد الله يأتيان

(زيج ع) أَحْمد بن خَالِد الذَّهَبِيّ الْكِنْدِيّ أَبُو سعيد الْحِمصِي عَن يُونُس وَأبي إِسْحَاق وَإِسْرَائِيل بن يُونُس وَجَمَاعَة وَعنهُ (زبخ ع) وَحميد بن زَنْجوَيْه والذهلي وَعَمْرو بن عُثْمَان وَثَّقَهُ ابْن معِين قَالَ ابْن أبي عَاصِم مَاتَ سنة أَربع عشرَة وَمِائَتَيْنِ

(ت س) أَحْمد بن خَالِد الْخلال بِمُعْجَمَة وَتَشْديد اللَّام أَبُو جَعْفَر الْبَغْدَادِيّ الْفَقِيه عَن ابْن عُيَيْنَة وَإِسْحَاق الْأَزْرَق وَشُعَيْب بن حَرْب ومعن الْقَزاز وَجَمَاعَة وَعنهُ (ت س) قَالَ أَبُو حَاتِم كَانَ ثِقَة حبرًا فَاضلا عدلا رضَا صَدُوقًا قَالَ ابْن قَانِع مَاتَ (17) فِي سنة سبع وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ

(س) أَحْمد بن الْخَلِيل التَّاجِر أَبُو عَليّ الْبَغْدَادِيّ نزيل نيسابور عَن عَليّ هَامِش

وَقَالَ ابْن أبي حَاتِم روى عَنهُ مُحَمَّد بن مُسلم وَأحسن الثَّنَاء عَلَيْهِ وَقَالَ ابْن طَاهِر روى (5) عَنهُ مُسلم ثَلَاثَة أَحَادِيث فِي الْإِيمَان وَالْوُضُوء وَالصَّلَاة اه ملقن

(2) عَن أَحْمد بن يُونُس الْيَرْبُوعي وَهُوَ من أَقْرَان مُسلم اه ملقن

(3) ابْن أبي خَيْثَمَة أَحْمد بن زُهَيْر صَاحب التَّارِيخ اه

(4) وَعنهُ البُخَارِيّ والدارمي وَابْن الضريس اه ابْن الملقن

(5) أذنة بلد قرب طرسوس اه قَامُوس

(6) وَأَبُو بكر بن أبي دَاوُد اه

(7) ابْن أبي حَاتِم اسْمه عبد الرَّحْمَن بن مُحَمَّد بن إِدْرِيس اه

(8) فِي ابْن الملقن مَاتَ سنة خمس وَمِائَتَيْنِ اه

(9) قَالَ ابْنه سمعته يَقُول هَذَا قبل مَوته بساعة اه

(10) وَمُسلم فِي غير الصَّحِيح اه

(11) قَالَ ابْن الملقن وَيُقَال سنة سِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ اه

(12) يَعْنِي عِيسَى بن حَمَّاد زعبة الْآتِي اه

(13) وَفِي التَّهْذِيب وَابْن الملقن سنة سِتّ وَتِسْعين فَلَعَلَّ مَا هُنَا وهم اه

(14) طريثيث قَرْيَة بنيسابور اه قَامُوس

(15) وَالدَّارَقُطْنِيّ اه ابْن الملقن

(16) أَحْمد بن عبد الله بن صَالح اه

(17) بسر من رأى وَقَالَ غَيره سنة سِتّ وَأَرْبَعين اه من التَّهْذِيب وَفِي نُسْخَة مِنْهُ وَكَذَا ابْن الملقن سنة أَربع وَأَرْبَعين فَلْينْظر اه
আবু আসিম আল-কوفي আল-হানাফি; তিনি আবু আল-আহওয়াস সালাম, ইবনুল মুবারক, ইবনে উয়ায়না এবং উবায়দুল্লাহ আল-আশজা'ঈ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (মুসলিম ও আবু দাউদ) এবং মুতাইয়্যিন বর্ণনা করেছেন। মুতাইয়্যিন তাঁকে নির্ভরযোগ্য (১) বলেছেন। তিনি চুলে বা দাড়িতে কলপ ব্যবহার করতেন না। তিনি ২৩৮ হিজরির মুহাররম মাসে মৃত্যুবরণ করেন।

(পার্থক্যকারী) আহমদ বিন জাওওয়াস আল-ইস্তিওয়ায়ী আবু জাফর আল-নিশাপুরী (২)।

(বুখারি) আহমদ বিন আল-হাজ্জাজ আল-জুহলি আল-বাকরি, আবু আল-আব্বাস আল-মারওয়াযি আল-সিনানি; তিনি হাতিম বিন ইসমাইল, ইবনে উয়ায়না, ইবনুল মুবারক এবং আনাস বিন ইয়াদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (বুখারি) বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন যে, তিনি ২২২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। ইবনে আবি খাইসামা (৩) বলেছেন যে, তিনি সত্যবাদী (৪) ছিলেন।

(নাসাঈ) আহমদ বিন হারব বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন হাইয়ান বিন মাযেন আল-তাঈ, আবু আলী অথবা আবু বকর আল-মাওসিলি, অতঃপর (৫) আল-আযানি; তিনি ইবনে উয়ায়না, আবু মুয়াবিয়া, ইবনে উলাইয়া, মুহাম্মদ বিন ফুদাইল এবং একদল বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (নাসাঈ) বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন যে, তাঁর বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই (৬)। ইবনে আবি হাতিম (৭) বলেছেন যে, তিনি সত্যবাদী। তিনি ২৬৩ হিজরিতে আযানায় নব্বই বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

(বুখারি ও তিরমিযি) আহমদ বিন আল-হাসান বিন জুনাইদাব আল-তিরমিযি, আবু আল-হাসান আল-হাফিয আল-জাউওয়াল; তিনি আহমদ বিন হাম্বলের ছাত্রদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি আবু আসিম, আল-ফিরইয়াবি, ইয়ালা বিন উবাইদ, মুহাম্মদ বিন মুসআব, উবায়দুল্লাহ বিন মুসা এবং তাঁদের সমসাময়িকদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (বুখারি ও তিরমিযি) এবং ইবনে খুযাইমা বর্ণনা করেছেন। ইবনে খুযাইমা বলেছেন যে, তিনি হাদিসের ভাণ্ডারসমূহের অন্যতম ছিলেন। তিনি (৮) আনুমানিক ২৫০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(মুসলিম ও তিরমিযি) আহমদ বিন আল-হাসান বিন খিরাশ আল-খুরাসানি আল-বাগদাদি, আবু জাফর; তিনি ইবনে মাহদি, আল-আকাদি, আবদুস সামাদ বিন আব্দুল ওয়ারিস, আবু নুয়াইম এবং তাঁদের সমসাময়িকদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (মুসলিম ও তিরমিযি) এবং একদল বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। খতিব তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ২৪২ হিজরিতে বিশ দিন কম ষাট বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন (৯)।

(বুখারি, আবু দাউদ ও নাসাঈ) আহমদ বিন হাফস বিন আব্দুল্লাহ বিন রাশিদ আল-সুলামি, আবু আলী বিন আবি আমর আল-নিশাপুরী, যিনি সেখানকার বিচারক (কাজি) ছিলেন; তিনি তাঁর পিতা, হুসাইন বিন আল-ওয়ালিদ আল-কুরাশি এবং আল-জারুদ বিন ইয়াযিদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (বুখারি, আবু দাউদ ও নাসাঈ) (১০) বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন যে, তিনি সত্যবাদী। আবু আমর আল-মুস্তামলির হস্তলিপিতে তাঁর মৃত্যু তারিখ ২৫৮ হিজরির (১১) মুহাররম মাসে উল্লেখ আছে এবং অনেক মানুষ তাঁর জানাজায় শরিক হয়েছিলেন।

(মুসলিম, তিরমিযি ও নাসাঈ) আহমদ বিন আল-হাকাম; তিনি হলেন ইবনে আব্দুল্লাহ বিন আল-হাকাম, যাঁর বর্ণনা সামনে আসবে।

(নাসাঈ) আহমদ বিন হাম্মাদ বিন মুসলিম আল-তুজিবি, আবু জাফর আল-মিসরি, যিনি যুগবাহর ভাই (১২); তিনি ইবনে আবি মারিয়াম, ইয়াহইয়া বিন বুকাইর এবং আব্দুল গাফফার আল-হাররানি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (নাসাঈ) বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন যে, তিনি নেককার মানুষ ছিলেন। ইবনে ইউনুস বলেছেন যে, তিনি নির্ভরযোগ্য ও আমানতদার ছিলেন। তিনি (১৩) ২৬৯ হিজরিতে চুরানব্বই বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

(বুখারি ও নাসাঈর আল-সুনান আল-কুবরা) আহমদ বিন হুমাইদ আল-তুরাইসিসি, আবু আল-হাসান, যাঁর উপাধি ছিল 'দারু উম্মে সালামাহ', আল-কوفي আল-হাফিয; তিনি কাসিম আল-মাসউদি, ইবনুল মুবারক, উবায়দুল্লাহ আল-আশজা'ঈ এবং হাফস বিন গিয়াস থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (বুখারি), আল-দারিমি, আহমদ বিন হাম্বল (১৫) এবং আবু হাতিম আল-রাজি বর্ণনা করেছেন। আল-ইজলি (১৬) তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। মুতাইয়্যিন বলেছেন যে, তিনি ২২০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(সকল কিতাব) আহমদ বিন হাম্বল; তিনি হলেন ইবনে মুহাম্মদ।

(আবু দাউদ ও ইবনে মাজাহ) আহমদ বিন আবি আল-হাওয়ারি; তিনি হলেন ইবনে আব্দুল্লাহ, তাঁদের দুজনের বর্ণনা সামনে আসবে।

(বুখারির জুয ও অন্যান্য) আহমদ বিন খালিদ আল-যাহাবি আল-কিন্দি, আবু সাঈদ আল-হিমসি; তিনি ইউনুস, আবু ইসহাক, ইসরাইল বিন ইউনুস এবং একদল বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (বুখারির জুয ও অন্যান্য), হুমাইদ বিন যানজুওয়াইহ, আল-জুহলি এবং আমর বিন উসমান বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে আবি আসিম বলেছেন যে, তিনি ২১৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(তিরমিযি ও নাসাঈ) আহমদ বিন খালিদ আল-খাল্লাল, আবু জাফর আল-বাগদাদি আল-ফকিহ; তিনি ইবনে উয়ায়না, ইসহাক আল-আযরাক, শুআইব বিন হারব, মা'ন আল-কাযযায এবং একদল বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (তিরমিযি ও নাসাঈ) বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন যে, তিনি নির্ভরযোগ্য, বিজ্ঞ আলেম, শ্রেষ্ঠ, ন্যায়পরায়ণ, গ্রহণযোগ্য এবং সত্যবাদী ছিলেন। ইবনে কানি' বলেছেন যে, তিনি (১৭) ২৪৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(নাসাঈ) আহমদ বিন আল-খলিল আল-তাজির, আবু আলী আল-বাগদাদি, যিনি নিশাপুরে বসবাস করতেন; তিনি আলী (থেকে বর্ণনা করেছেন)... পার্শ্বটীকা:

ইবনে আবি হাতিম বলেছেন যে, মুহাম্মদ বিন মুসলিম তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর উচ্চসিত প্রশংসা করেছেন। ইবনে তাহির বলেছেন যে, মুসলিম (৫) তাঁর থেকে ঈমান, ওজু এবং নামাজ অধ্যায়ে তিনটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। [ইবনুল মুলাক্কিন]

(২) আহমদ বিন ইউনুস আল-ইয়ারবুয়ি থেকে বর্ণনা করেছেন, এবং তিনি মুসলিমের সমসাময়িকদের অন্তর্ভুক্ত। [ইবনুল মুলাক্কিন]

(৩) ইবনে আবি খাইসামা হলেন আহমদ বিন যুহাইর, যিনি ইতিহাসের কিতাব রচয়িতা।

(৪) তাঁর থেকে বুখারি, আল-দারিমি এবং ইবনে আল-দুরাইস বর্ণনা করেছেন। [ইবনুল মুলাক্কিন]

(৫) আযানা হলো তারসুসের নিকটবর্তী একটি শহর। [কামুস]

(৬) এবং আবু বকর বিন আবি দাউদও বর্ণনা করেছেন।

(৭) ইবনে আবি হাতিমের নাম হলো আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন ইদ্রিস।

(৮) ইবনুল মুলাক্কিনের বর্ণনায় আছে যে, তিনি ২০৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(৯) তাঁর পুত্র বলেছেন যে, আমি মৃত্যুর এক ঘণ্টা আগে তাঁকে এটি বলতে শুনেছি।

(১০) এবং মুসলিম তাঁর সহিহ গ্রন্থ ব্যতীত অন্য গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।

(১১) ইবনুল মুলাক্কিন বলেছেন যে, বলা হয়ে থাকে তিনি ২৬০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেছেন।

(১২) অর্থাৎ ঈসা বিন হাম্মাদ যুগবাহ, যাঁর বর্ণনা সামনে আসবে।

(১৩) আল-তাহযীব এবং ইবনুল মুলাক্কিনের কিতাবে ২৯৬ হিজরি আছে, সম্ভবত এখানে যা আছে তা ভুল হতে পারে।

(১৪) তুরাইসিস হলো নিশাপুরের একটি গ্রাম। [কামুস]

(১৫) এবং আল-দারাকুতনিও তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। [ইবনুল মুলাক্কিন]

(১৬) আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন সালিহ।

(১৭) 'সুররা মান রাআ' (সামাররা) নামক স্থানে; অন্যরা বলেছেন ২৪৬ হিজরিতে। এটি আল-তাহযীব থেকে নেওয়া। তার একটি পাণ্ডুলিপিতে এবং ইবনুল মুলাক্কিনের মতে ২৪৪ হিজরি বলা হয়েছে, যা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ٦)
ابْن عَاصِم وَيزِيد بن هَارُون وحجاج الْأَعْوَر وروح بن عبَادَة وطبقتهم وَعنهُ (س) (1) مَاتَ فِي ربيع الأول سنة ثَمَان وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ (2)

(تَمْيِيز) أَحْمد بن الْخَلِيل بن ثَابت البرجلاني بِضَم الْمُوَحدَة وَالْجِيم واسكان الرَّاء وَثَّقَهُ الْخَطِيب مَاتَ سنة سبع وَسبعين وَمِائَتَيْنِ (تَمْيِيز) أَحْمد بن الْخَلِيل مولى بني الْحَرْث بن نَوْفَل أَبُو عبد الله القومسي ضعفه أَبُو زرْعَة واتهمه أَبُو حَاتِم

(عخ) أَحْمد بن خَلاد سمع يزِيد بن هَارُون قَالَ المريسي وَأَبُو بكر الْأَصَم زنديقان وَعنهُ فِي (عخ) قَالَ أَبُو الْفضل بن حجر يحْتَمل أَن يكون الْخلال

(خَ) أَحْمد بن أبي دَاوُد الْمُنَادِي عَن روح بن عبَادَة وَعنهُ (خَ) فَرد حَدِيث (3) هُوَ مُحَمَّد بن عبيد الله يَأْتِي

(س) أَحْمد بن أبي رَجَاء الْمقري هُوَ ابْن نصر

(خَ) أَحْمد بن أبي رَجَاء الْهَرَوِيّ هُوَ أَحْمد بن عبد الله بن أَيُّوب

(خَ د س) أَحْمد بن أبي سُرَيج الرَّازِيّ هُوَ ابْن الصَّباح يأْتونَ (4)

(د س) أَحْمد بن (5) سعيد بن الحكم ابْن مُحَمَّد بن سَالم الجُمَحِي أَبُو جَعْفَر بن أبي مَرْيَم الْمصْرِيّ الْحَافِظ (6) عَن أَبِيه وَأبي الْيَمَان وحبِيب كَاتب مَالك وَسَأَلَ ابْن معِين عَن الرِّجَال وَعنهُ (د س) وَقَالَ لَا بَأْس بِهِ قَالَ ابْن يُونُس توفّي يَوْم عَرَفَة سنة ثَلَاث وَخمسين وَمِائَتَيْنِ

(خَ م د ت س) أَحْمد بن سعيد بن إِبْرَاهِيم الْأَشْقَر أَبُو عبد الله الرباطي الْمروزِي ثمَّ النَّيْسَابُورِي الْحَافِظ عَن وَكِيع وَعبد الرَّزَّاق ووهب بن جرير وَيَعْقُوب بن إِبْرَاهِيم وروح بن عبَادَة وطبقتهم وَعنهُ (خَ م د ت س) وَوَثَّقَهُ مَاتَ فِي سنة خمسين أَو فِي أول سنة سِتّ وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ

(د س) أَحْمد بن سعيد بن أبي مَرْيَم هُوَ ابْن سعيد بن الحكم يَأْتِي

(د) أَحْمد بن سعيد بن بشر الْهَمدَانِي أَبُو جَعْفَر الْمصْرِيّ عَن ابْن وهب وَالشَّافِعِيّ وَبشر ابْن بكر وَإِسْحَاق بن الْفُرَات وَجَمَاعَة وَعنهُ (د) وَآخَرُونَ قَالَ النَّسَائِيّ تفرد بِحَدِيث الْغَار من وَجه غَرِيب لَو رَجَعَ عَنهُ لحدثت عَنهُ وَلَيْسَ بِالْقَوِيّ قَالَ ابْن يُونُس توفّي سنة ثَلَاث وَخمسين وَمِائَتَيْنِ

(خَ م د ت ق) أَحْمد بن سعيد بن صَخْر الدَّارمِيّ أَبُو جَعْفَر السَّرخسِيّ بِفَتْح الْمُهْمَلَتَيْنِ ثمَّ مُعْجمَة سَاكِنة ثمَّ النَّيْسَابُورِي الْفَقِيه الْحَافِظ أحد الْأَئِمَّة عَن النَّضر بن شُمَيْل وَعُثْمَان بن عمر بن فَارس وَعبد الصَّمد بن عبد الْوَارِث وَسَعِيد بن عَامر الضبعِي وَأبي عَامر الْعَقدي وَأبي عَليّ الْحَنَفِيّ ووهب بن جرير وطبقتهم وَعنهُ (خَ م د ت ق) روى صَالح بن أَحْمد عَن أَبِيه قَالَ مَا قدم عَليّ خراساني أفقه مِنْهُ وَقَالَ حجاج بن الشَّاعِر مَا بالمشرق أنبل من أبي زرْعَة وَأبي حَاتِم وَابْن أبي واره وَأبي جَعْفَر الدَّارمِيّ مَاتَ سنة ثَلَاث وَخمسين وَمِائَتَيْنِ أرخه حُسَيْن القباني

(س) أَحْمد بن سعيد ابْن يَعْقُوب الْكِنْدِيّ أَبُو الْعَبَّاس الْحِمصِي عَن بَقِيَّة وَعُثْمَان بن سعيد بن كثير وَعنهُ (س) وَقَالَ لَا بَأْس بِهِ

أَحْمد بن سعيد الْحَرَّانِي (7) صَوَابه ابْن شُعَيْب يَأْتِي

(ز س ق) أَحْمد بن أبي السّفر هُوَ ابْن عبد الله يَأْتِي

(س) أَحْمد بن سُفْيَان النَّسَائِيّ أَو الْمروزِي أَبُو سُفْيَان عَن عبد الرَّزَّاق وَعون بن عمَارَة وَالْفِرْيَابِي وَأبي زيد الْهَرَوِيّ وَعنهُ (س) وَوَثَّقَهُ (8)

(س) أَحْمد بن سُلَيْمَان بن عبد الْملك الْجَزرِي الرهاوي بِضَم الْمُهْملَة أَبُو الْحُسَيْن الْحَافِظ أحد الْأَثْبَات الْمَشَاهِير عَن حُسَيْن الْجعْفِيّ وَيزِيد بن هَارُون وجعفر بن عون وَيزِيد بن الْحباب وَعبد الله بن وَاقد وَخلق وَعنهُ (س) فَأكْثر وَقَالَ ثِقَة مَأْمُون قَالَ أَبُو عرُوبَة كَانَ ثبتا فِي الْأَخْذ وَالْأَدَاء مَاتَ سنة إِحْدَى وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ

(خَ ت) أَحْمد بن سُلَيْمَان الْمروزِي هُوَ ابْن أبي الطّيب يَأْتِي

(خَ م د كن ق) أَحْمد بن سِنَان بنونين ابْن أَسد بن حبَان بِكَسْر الْمُهْملَة ثمَّ مُوَحدَة أَبُو جَعْفَر الْقطَّان الوَاسِطِيّ هَامِش

(1) قَالَ (س) وَأَبُو يحيى الْخفاف ثِقَة وَزَاد الْحَاكِم أَبُو عبد الله مَأْمُون اه تَهْذِيب

(2) أَحْمد بن أبي خلف عَن سُفْيَان وَعنهُ د فِي النِّكَاح كَذَا فِي رِوَايَة ابْن الْأَعرَابِي سنَن أبي دَاوُد وَبَاقِي الرِّوَايَات ابْن أبي خلف وَهُوَ الصَّوَاب فَهُوَ مُحَمَّد بن أَحْمد بن أبي خلف اه ملقن وَيَأْتِي فِي أَحْمد بن مُحَمَّد

(3) يَعْنِي يعرفهُ أهل بَغْدَاد بِمُحَمد كَمَا قَالَه ابْن الملقن ثمَّ قَالَ وَقيل إِنَّه اشْتبهَ على البُخَارِيّ فَسَماهُ أَحْمد اه

(4) أَحْمد بن زَنْجوَيْه قدم مصر قَالَ مسلمة بن قَاسم روى عَنهُ أَبُو دَاوُد فِي سنَنه وَأَهْمَلَهُ فِي التَّهْذِيب وَأَصله اه ملقن

(5) فِي نسختين من التَّهْذِيب وَابْن الملقن ابْن سعد بِسُكُون الْعين وَقَدمَاهُ على ابْن سعيد فَلْينْظر فَلَعَلَّ مَا هُنَا غلط اه

(6) وَفِي التَّهْذِيب عَن عَمه سعيد بن الحكم وَلم يذكر عَن أَبِيه فَلَعَلَّ مَا هُنَا غلط اه

(7) فتصحف لِأَنَّهُ وَقع فِي رِوَايَة التِّرْمِذِيّ أَحْمد بن شُعَيْب كَمَا فِي التَّهْذِيب وَالتِّرْمِذِيّ إِنَّمَا روى عَن الدَّارمِيّ عَنهُ فَقَوله روى عَنهُ التِّرْمِذِيّ وهم آخر كَمَا فِي التَّهْذِيب اه

(8) وَقَالَ مرّة لَا بَأْس بِهِ اه
ইবনে আসিম, ইয়াযিদ ইবনে হারুন, হাজ্জাজ আল-আওয়ার, রাওহ ইবনে উবাদাহ এবং তাঁদের সমপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (নাসায়ি) (১) বর্ণনা করেছেন। তিনি ২৪৮ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে মৃত্যুবরণ করেন। (২)

(পার্থক্যকারী) আহমদ ইবনুল খলিল ইবনে সাবিত আল-বুরজুলানি (বা বর্ণে পেশ, জিম বর্ণে জবর এবং রা বর্ণে সাকিন যোগে)। আল-খতিব তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ২৭৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। (পার্থক্যকারী) আহমদ ইবনুল খলিল, বনু হারিস ইবনে নাওফলের আযাদকৃত গোলাম, আবু আব্দুল্লাহ আল-কাউমাসী। আবু যুরআ তাঁকে দুর্বল বলেছেন এবং আবু হাতিম তাঁকে অভিযুক্ত করেছেন।

(বুখারি - খালকু আফআলিল ইবাদ) আহমদ ইবনে খাল্লাদ। তিনি ইয়াযিদ ইবনে হারুন থেকে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেন: আল-মারিসি এবং আবু বকর আল-আসাম হলো দুইজন যিন্দিক। তাঁর থেকে (খালকু আফআলিল ইবাদ গ্রন্থে) বর্ণনা করা হয়েছে। আবুল ফজল ইবনে হাজার বলেন, সম্ভবত তিনি আল-খাল্লাল হবেন।

(বুখারি) আহমদ ইবনে আবি দাউদ আল-মুনাদি। তিনি রাওহ ইবনে উবাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে (বুখারি) বর্ণনা করেছেন। তিনি এককভাবে একটি হাদিস (৩) বর্ণনা করেছেন। তিনি মূলত মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদুল্লাহ, যার বর্ণনা সামনে আসবে।

(নাসায়ি) আহমদ ইবনে আবি রাজা আল-মুকরি। তিনি হলেন ইবনে নাসর।

(বুখারি) আহমদ ইবনে আবি রাজা আল-হারাবি। তিনি হলেন আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আইয়ুব।

(বুখারি, আবু দাউদ, নাসায়ি) আহমদ ইবনে আবি সুরাইজ আর-রাজি। তিনি হলেন ইবনুল সাব্বাহ, তাঁদের বর্ণনা সামনে আসবে। (৪)

(আবু দাউদ, নাসায়ি) আহমদ ইবনে (৫) সাঈদ ইবনুল হাকাম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সালিম আল-জুমাহি, আবু জাফর ইবনে আবি মারিয়াম আল-মিসরি, আল-হাফিয। (৬) তিনি তাঁর পিতা, আবুল ইয়ামান এবং মালিকের লেখক হাবিব থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি ইবনে মাঈনকে বর্ণনাকারীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তাঁর থেকে (আবু দাউদ ও নাসায়ি) বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, তাঁর বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই। ইবনে ইউনুস বলেন, তিনি ২৫৩ হিজরির আরাফাতের দিনে মৃত্যুবরণ করেন।

(বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি, নাসায়ি) আহমদ ইবনে সাঈদ ইবনে ইব্রাহিম আল-আশকার, আবু আব্দুল্লাহ আর-রিবাতী আল-মারওয়াজি, পরবর্তীতে আন-নাইসাবুরি, আল-হাফিয। তিনি ওয়াকি, আব্দুর রাজ্জাক, ওয়াহাব ইবনে জারির, ইয়াকুব ইবনে ইব্রাহিম, রাওহ ইবনে উবাদাহ এবং তাঁদের সমপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি ও নাসায়ি) বর্ণনা করেছেন এবং তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ২৫০ হিজরিতে অথবা ২৪৬ হিজরির শুরুর দিকে মৃত্যুবরণ করেন।

(আবু দাউদ, নাসায়ি) আহমদ ইবনে সাঈদ ইবনে আবি মারিয়াম। তিনি হলেন ইবনে সাঈদ ইবনুল হাকাম, যাঁর বর্ণনা সামনে আসবে।

(আবু দাউদ) আহমদ ইবনে সাঈদ ইবনে বিশর আল-হামদানি, আবু জাফর আল-মিসরি। তিনি ইবনে ওয়াহাব, আশ-শাফিঈ, বিশর ইবনে বকর, ইসহাক ইবনুল ফুরাত এবং এক জামাত বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (আবু দাউদ) ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ি বলেন, তিনি গুহার হাদিসটি এককভাবে একটি অদ্ভুত সূত্রে বর্ণনা করেছেন; যদি তিনি এটি থেকে ফিরে আসতেন তবে আমি তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করতাম, তিনি খুব একটা শক্তিশালী নন। ইবনে ইউনুস বলেন, তিনি ২৫৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি, ইবনে মাজাহ) আহমদ ইবনে সাঈদ ইবনে সাখর আদ-দারিমি, আবু জাফর আস-সারখাসি (উভয় সিন বর্ণে জবর, এরপর সাকিন শিন বর্ণ যোগে), পরবর্তীতে আন-নাইসাবুরি, ফকিহ, আল-হাফিয এবং অন্যতম ইমাম। তিনি আন-নাদর ইবনে শুমাইল, উসমান ইবনে উমর ইবনে ফারিস, আব্দুস সামাদ ইবনে আব্দুল ওয়ারিস, সাঈদ ইবনে আমির আদ-দুবায়ী, আবু আমির আল-আকদি, আবু আলী আল-হানাফি, ওয়াহাব ইবনে জারির এবং তাঁদের সমপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি ও ইবনে মাজাহ) বর্ণনা করেছেন। সালিহ ইবনে আহমদ তাঁর পিতা (ইমাম আহমদ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমার কাছে খোরাসান থেকে তাঁর চেয়ে বড় কোনো ফকিহ আসেনি। হাজ্জাজ ইবনে শায়ের বলেছেন: প্রাচ্যে আবু যুরআ, আবু হাতিম, ইবনে আবি ওয়ারা এবং আবু জাফর আদ-দারিমির চেয়ে শ্রেষ্ঠ কেউ নেই। তিনি ২৫৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, হুসাইন আল-কাব্বানি এভাবেই তারিখ উল্লেখ করেছেন।

(নাসায়ি) আহমদ ইবনে সাঈদ ইবনে ইয়াকুব আল-কিন্দি, আবু আব্বাস আল-হিমসি। তিনি বাকিয়্যাহ এবং উসমান ইবনে সাঈদ ইবনে কাসির থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (নাসায়ি) বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, তাঁর বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই।

আহমদ ইবনে সাঈদ আল-হাররানি। (৭) সঠিক হলো ইবনে শুআইব, যাঁর বর্ণনা সামনে আসবে।

(তিরমিজি - শামায়িল, নাসায়ি, ইবনে মাজাহ) আহমদ ইবনে আবি আস-সাফর। তিনি হলেন ইবনে আব্দুল্লাহ, যাঁর বর্ণনা সামনে আসবে।

(নাসায়ি) আহমদ ইবনে সুফিয়ান আন-নাসায়ি অথবা আল-মারওয়াজি, আবু সুফিয়ান। তিনি আব্দুর রাজ্জাক, আউন ইবনে উমারা, আল-ফিরইয়াবি এবং আবু যায়েদ আল-হারাবি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (নাসায়ি) বর্ণনা করেছেন এবং তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। (৮)

(নাসায়ি) আহমদ ইবনে সুলাইমান ইবনে আব্দুল মালিক আল-জাজারি আল-রুহাউয়ি (র বর্ণে পেশ যোগে), আবু আল-হুসাইন আল-হাফিয, অন্যতম সুপ্রসিদ্ধ নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি। তিনি হুসাইন আল-জু'ফি, ইয়াযিদ ইবনে হারুন, জাফর ইবনে আউন, ইয়াযিদ ইবনুল হুবাব, আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াকিদ এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (নাসায়ি) প্রচুর বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত। আবু আরুবা বলেছেন, হাদিস গ্রহণ ও বর্ণনার ক্ষেত্রে তিনি অত্যন্ত সুদৃঢ় ছিলেন। তিনি ২৬১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(বুখারি, তিরমিজি) আহমদ ইবনে সুলাইমান আল-মারওয়াজি। তিনি হলেন ইবনে আবি আল-তৈয়ব, যাঁর বর্ণনা সামনে আসবে।

(বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ি - আল-কুনি, ইবনে মাজাহ) আহমদ ইবনে সিনান (দুইটি নুন বর্ণ যোগে) ইবনে আসাদ ইবনে হিব্বান (হা বর্ণে যের এবং এরপর বা বর্ণ যোগে), আবু জাফর আল-কাত্তান আল-ওয়াসিতি। পার্শ্বটীকা:

(১) (নাসায়ি) এবং আবু ইয়াহিয়া আল-খাফফাফ বলেছেন তিনি নির্ভরযোগ্য, আর আল-হাকিম আবু আব্দুল্লাহ বৃদ্ধি করে বলেছেন তিনি বিশ্বস্ত - তাহযিব।

(২) আহমদ ইবনে আবি খালাফ সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে 'দাউদ' (আবু দাউদ) বিবাহ অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন। ইবনুল আরাবির 'সুনানে আবু দাউদ'-এর বর্ণনায় এমনটিই এসেছে। তবে বাকি বর্ণনাসমূহে এটি 'ইবনে আবি খালাফ' হিসেবে এসেছে এবং সেটিই সঠিক। তিনি হলেন মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ ইবনে আবি খালাফ - আল-মুলাক্কিন। তাঁর বর্ণনা আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ-এর অধীনে সামনে আসবে।

(৩) অর্থাৎ বাগদাদের অধিবাসীরা তাঁকে মুহাম্মাদ নামে চিনতেন, যেমনটি ইবনুল মুলাক্কিন বলেছেন। এরপর তিনি বলেন, বলা হয়ে থাকে যে ইমাম বুখারির এ ব্যাপারে সন্দেহ হয়েছিল, তাই তিনি তাঁর নাম আহমদ রেখেছেন।

(৪) আহমদ ইবনে যানজুয়াইহ মিসরে এসেছিলেন। মাসলামাহ ইবনে কাসিম বলেন, আবু দাউদ তাঁর সুনানে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। তবে তাহযিব ও এর মূল গ্রন্থে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে - আল-মুলাক্কিন।

(৫) তাহযিবের দুটি পাণ্ডুলিপিতে এবং ইবনুল মুলাক্কিনের কাছে এটি 'ইবনে সাদ' (আইন বর্ণে সাকিন যোগে) এবং তিনি তাঁকে 'ইবনে সাঈদ'-এর আগে রেখেছেন। এটি খতিয়ে দেখা দরকার, সম্ভবত এখানে যা আছে তা ভুল।

(৬) তাহযিব গ্রন্থে তাঁর চাচা সাঈদ ইবনুল হাকাম থেকে বর্ণিত হয়েছে, সেখানে তাঁর পিতার কথা উল্লেখ নেই। সম্ভবত এখানে যা আছে তা ভুল।

(৭) এটি লেখায় ভুল হয়েছে; কারণ তিরমিজির বর্ণনায় 'আহমদ ইবনে শুআইব' এসেছে যেমনটি তাহযিব-এ রয়েছে। আর তিরমিজি মূলত আদ-দারিমি থেকে তাঁর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তাই তিরমিজি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন - এই কথাটি আরেকটি ভুল, যেমনটি তাহযিব-এ রয়েছে।

(৮) তিনি একবার বলেছেন, তাঁর বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ٧)
الْحَافِظ عَن أبي مُعَاوِيَة وَيحيى الْقطَّان ووكيع وَابْن مهْدي وَإِسْحَاق الْأَزْرَق وَمُحَمّد بن فُضَيْل وَيزِيد ابْن هَارُون وطبقتهم وَعنهُ (خَ م د كن ق) وَخلق قَالَ أَبُو حَاتِم ثِقَة صَدُوق وَقَالَ ابْن أبي حَاتِم إِمَام أهل زَمَانه قَالَ ابْن عَسَاكِر توفّي سنة سِتّ وَقيل ثَمَان وَقيل تسع وَخمسين وَمِائَتَيْنِ

(س) أَحْمد ابْن سيار بتَشْديد التَّحْتَانِيَّة ابْن أَيُّوب الْمروزِي أَبُو الْحسن الْفَقِيه إِمَام أهل الحَدِيث فِي بَلَده علما وأدبا وزهدا وورعا كَانَ يُقَاس بِابْن الْمُبَارك فِي عصره الْحَافِظ عَن عَبْدَانِ وَيحيى وَبُكَيْر وَعَفَّان وَسليمَان بن حَرْب وَمُحَمّد بن كثير وطبقتهم وَعنهُ (س) وَقَالَ ثِقَة لَا بَأْس بِهِ وَقَالَ ابْن أبي حَاتِم رَأَيْت أبي يطنب فِي مدحه ويذكره بالفقه وَالْعلم وَقَالَ الدَّارَقُطْنِيّ رَحل إِلَى الشَّام ومصر وصنف وَهُوَ ثِقَة فِي الحَدِيث مَاتَ سنة ثَمَان وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ عَن سبعين سنة (1) وَثَلَاثَة أشهر

(خَ خد س) أَحْمد بن شبيب بن سعيد الحبطي بِفَتْح الْمُهْملَة وَالْمُوَحَّدَة التَّمِيمِي أَبُو عبد الله الْبَصْرِيّ ثمَّ الْمَكِّيّ عَن أَبِيه وَيزِيد بن زُرَيْع ومروان بن مُعَاوِيَة وَعبد الله بن رَجَاء الْمَكِّيّ وَعنهُ (خَ) وَأَبُو زرْعَة وَمُحَمّد بن يحيى قَالَ أَبُو حَاتِم ثِقَة صَدُوق (2) قَالَ ابْن أبي عَاصِم مَاتَ سنة تسع وَعشْرين وَمِائَتَيْنِ (3)

أَحْمد بن شُعَيْب بن عَليّ بن سِنَان بنونين بن بَحر بن دِينَار النَّسَائِيّ أَبُو عبد الرَّحْمَن القَاضِي الْحَافِظ صَاحب السّنَن وَأحد الْأَئِمَّة المبرزين والحفاظ الْأَعْلَام طوف وَسمع بخراسان وَالْعراق وَالْجِبَال والحجاز ومصر وَالشَّام والجزيرة من خلق مذكورين فِي تراجمهم من هَذَا الْمُخْتَصر وَغَيره وَعنهُ ابْن حَوْضِي الْحَافِظ والطَّحَاوِي وَقَالَ إِمَام من أَئِمَّة الْمُسلمين والعقيلي وَابْن يُونُس وَابْن عدي وَابْن السّني وَخلق وَقَالَ أَبُو عَليّ النَّيْسَابُورِي حَدثنَا النَّسَائِيّ الإِمَام فِي الحَدِيث بِلَا مدافعة توفّي بفلسطين (4) وَقيل بالرملة (5) وَدفن بِبَيْت الْمُقَدّس وَقيل بِمَكَّة سنة أَربع وثلثمائة شَهِيدا رَحمَه الله تَعَالَى وَرَضي عَنهُ عَن ثَمَان وَثَمَانِينَ سنة

(خَ د ت س) أَحْمد بن أبي شُعَيْب هُوَ ابْن عبد الله يَأْتِي

(خَ د تمّ) أَحْمد بن صَالح الْمصْرِيّ أَبُو جَعْفَر الطَّبَرِيّ أحد كبار الْحفاظ بِمصْر عَن وهب بن جرير وَابْن عُيَيْنَة وَابْن أبي فديك وَعبد الرَّزَّاق وَطَائِفَة وَعنهُ (خَ د) وَثَّقَهُ أَحْمد وَيحيى وَابْن الْمَدِينِيّ وَأَبُو حَاتِم وَجَمَاعَة (6) قَالَ أَبُو دَاوُد كَانَ يقوم كل لحن فِي الحَدِيث قَالَ أَبُو نعيم مَا قدم علينا أحد أعلم بِحَدِيث أهل الْحجاز من هَذَا الْفَتى يعنيه قَالَ البُخَارِيّ وَتُوفِّي فِي سنة ثَمَان وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ عَن ثَمَان وَسبعين سنة

(س) أَحْمد ابْن صَالح الْبَغْدَادِيّ عَن مُحَمَّد بن يحيى (7) وَعنهُ (س) قَالَ الْحَافِظ ابْن حجر لَيْسَ هُوَ كيلجة وكيلجة لقب مُحَمَّد بن صَالح الْبَغْدَادِيّ وَسَيَأْتِي

(خَ د س) أَحْمد بن الصَّباح النَّهْشَلِي أَبُو جَعْفَر بن أبي سُرَيج بجيم مصغر الرَّازِيّ الْمقري الْحَافِظ عَن وَكِيع ومروان بن مُعَاوِيَة وَيحيى الْقطَّان وَأبي مُعَاوِيَة وَخلق وَعنهُ (خَ د س) وَوَثَّقَهُ توفّي بعد الْأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ

(خَ ت) أَحْمد بن أبي الطّيب سُلَيْمَان الْبَغْدَادِيّ أَبُو سُلَيْمَان نزيل الرّيّ عَن إِبْرَاهِيم بن سعد وَجَرِير بن عبد الحميد وَأبي الْمليح وَابْن الْمُبَارك وَعنهُ (خَ) فَرد حَدِيث (8) مُتَابعَة وَأَبُو زرْعَة وَقَالَ كَانَ حَافِظًا قيل أصدوق قَالَ على هَذَا يوضع (9) مَاتَ فِي حُدُود الثَّلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

(س) أَحْمد بن أبي ظَبْيَة بِمُعْجَمَة ثمَّ مُوَحدَة ثمَّ تَحْتَانِيَّة عِيسَى بن سُلَيْمَان الدَّارمِيّ أَبُو مُحَمَّد الْجِرْجَانِيّ الزَّاهِد قَاضِي قومس عَن أَبِيه وَحَمْزَة الزيات وَيُونُس بن أبي إِسْحَاق وَعنهُ الْحُسَيْن بن عِيسَى الدَّامغَانِي وَغَيره قَالَ أَبُو حَاتِم يكْتب حَدِيثه قَالَ البُخَارِيّ مَاتَ سنة ثَلَاث وَمِائَتَيْنِ

(ق) أَحْمد بن عَاصِم بن عَنْبَسَة الْعَبادَانِي أَبُو هَامِش

(1) قَالَه ابْن مَاكُولَا وَقَالَ ابْن الملقن عَن سِتِّينَ ونيف اه

(2) وَقَالَ الْأَزْدِيّ مُنكر (7) الحَدِيث غير مرضِي اه ميزَان

(3) وَقَالَ فِي النبل أَن وَفَاته سنة تسع وَثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ وَقَالَ اللالكائي سنة سِتّ وَعشْرين وَمِائَتَيْنِ اه ابْن الملقن

(4) قَالَه أَبُو سعيد بن يُونُس إِلَّا أَنه قَالَ سنة ثَلَاث وثلاثمائة اه تَهْذِيب

(5) قَالَ الْحَاكِم أَبُو عبد الله حسده مَشَايِخ مصر فَخرج إِلَى الرملة فَسئلَ عَن فَضَائِل مُعَاوِيَة فَأمْسك عَنهُ فضربوه فِي الْجَامِع فَقَالَ أَخْرجُونِي إِلَى مَكَّة فأخرجوه عليلا فَمَاتَ بهَا شَهِيدا وَقَالَ الْحَاكِم عَن مَشَايِخ مصر أَنه خرج مِنْهَا آخر عمره إِلَى دمشق فَسئلَ بهَا عَن مُعَاوِيَة وفضائله فَقَالَ أَلا يرضى رَأْسا بِرَأْس حَتَّى يفضل فَمَا زَالُوا يدْفَعُونَ فِي حضنيه حَتَّى أخرج من الْمَسْجِد ثمَّ حمل إِلَى مَكَّة وَدفن بهَا اه تَهْذِيب

(6) وَسمع مِنْهُ النَّسَائِيّ وَلم يحدث عَنهُ وَتكلم فِيهِ وَلم يتَكَلَّم فِيهِ بِحجَّة لِأَنَّهُ طرده من مَجْلِسه فَإِنَّهُ كَانَ لَا يحدث أحدا حَتَّى يشْهد عِنْده رجلَانِ أَنه من أهل الْخَيْر وَالْعَدَالَة فَدخل عَلَيْهِ النَّسَائِيّ بِلَا إِذن وَلم يَأْته بِالْبَيِّنَةِ فَأخْرجهُ اه ملقن

(7) وَلَعَلَّ الصَّوَاب يحيى بن مُحَمَّد كَمَا فِي التَّهْذِيب وَغَيره اه

(8) فِي مَنَاقِب الصّديق اه ملقن

(9) وَقَالَ أَبُو حَاتِم ضَعِيف الحَدِيث اه ملقن
আল-হাফেজ; তিনি আবু মুয়াবিয়া, ইয়াহইয়া আল-কাত্তান, অকি’, ইবনুল মাহদি, ইসহাক আল-আজরাক, মুহাম্মদ বিন ফুদায়েল, ইয়াজিদ বিন হারুন এবং তাদের সমসাময়িকদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে (বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈর আল-কুবরা এবং ইবনে মাজাহ) ও এক বিশাল সৃষ্টি বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ও সত্যবাদী। ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: তিনি তার সময়ের আহলে ইলমের ইমাম। ইবনে আসাকির বলেছেন: তিনি ২৫৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন; বলা হয়েছে ২৫৮ হিজরিতে, আবার বলা হয়েছে ২৫৯ হিজরিতে।

(নাসাঈ) আহমদ বিন সাইয়্যার—নিচের ইয়া-তে তাশদীদ হবে—ইবনে আইয়ুব আল-মারওয়াযী, আবুল হাসান আল-ফকিহ; তিনি ইলম, আদব, যুহদ ও তাকওয়ার ক্ষেত্রে নিজ শহরের আহলে হাদিসের ইমাম ছিলেন। তার যুগে তাকে ইবনুল মুবারকের সাথে তুলনা করা হতো। তিনি হাফেজ; আবদান, ইয়াহইয়া, বুকাইর, আফফান, সুলাইমান বিন হারব, মুহাম্মদ বিন কাসীর ও তাদের সমসাময়িকদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে (নাসাঈ) বর্ণনা করেছেন এবং তাকে নির্ভরযোগ্য ও এতে কোনো সমস্যা নেই বলে অভিহিত করেছেন। ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: আমি আমার পিতাকে তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হতে দেখেছি এবং তিনি তার ফিকহ ও ইলমের কথা উল্লেখ করতেন। দারাকুতনী বলেছেন: তিনি শাম ও মিশরে সফর করেছেন এবং গ্রন্থ সংকলন করেছেন; তিনি হাদিস বর্ণনায় নির্ভরযোগ্য। তিনি ২৬৮ হিজরিতে সত্তর বছর তিন মাস বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। (১)

(বুখারি, বুখারির আদাবুল মুফরাদ, নাসাঈ) আহমদ বিন শাবীব বিন সাঈদ আল-হাবাতী—হ এবং ব-তে ফাতহাহ হবে—আত-তামিমী, আবু আব্দুল্লাহ আল-বাসরী, অতঃপর মক্কী। তিনি তার পিতা, ইয়াজিদ বিন যুরাই’, মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া এবং আব্দুল্লাহ বিন রাজা আল-মক্কী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে (বুখারি), আবু যুরআহ এবং মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ও সত্যবাদী। (২) ইবনে আবি আসিম বলেছেন: তিনি ২২৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। (৩)

আহমদ বিন শুআইব বিন আলী বিন সিনান—দুইটি নুন সহ—বিন বাহর বিন দীনার আন-নাসাঈ, আবু আব্দুর রহমান আল-কাজী, আল-হাফেজ, সুনান গ্রন্থের রচয়িতা এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইমাম ও প্রথিতযশা হাফেজ। তিনি খুরাসান, ইরাক, আল-জিবার, হিজাজ, মিশর, শাম এবং জাজিরা সফর করেছেন এবং এই সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ ও অন্যান্য গ্রন্থে যাদের জীবনী বর্ণিত হয়েছে এমন অসংখ্য ব্যক্তির নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। তার থেকে হাফেজ ইবনে হাওযী, আত-তাহাবী বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: তিনি মুসলিমদের ইমামগণের অন্যতম। এছাড়াও উকাইলি, ইবনে ইউনুস, ইবনে আদি, ইবনে আস-সুন্নী এবং বহু লোক তার থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু আলী আন-নাইসাবুরী বলেছেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ইমাম আন-নাসাঈ, যিনি হাদিসের ক্ষেত্রে কোনো বিতর্ক ছাড়াই ইমাম। তিনি ফিলিস্তিনে (৪) মৃত্যুবরণ করেন, বলা হয়েছে রামলায়, (৫) এবং বাইতুল মুকাদ্দাসে তাকে দাফন করা হয়। আবার বলা হয়েছে, তিনি ৩০৩ হিজরিতে মক্কায় শহীদ হিসেবে মৃত্যুবরণ করেন, আল্লাহ তাআলা তার প্রতি রহম করুন এবং তার ওপর সন্তুষ্ট হন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।

(বুখারি, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ) আহমদ বিন আবি শুআইব; তিনি হলেন ইবনে আব্দুল্লাহ, যার আলোচনা সামনে আসবে।

(বুখারি, আবু দাউদ, তিরমিযীর শামাইল) আহমদ বিন সালিহ আল-মিসরী, আবু জাফর আত-তাবারী; মিশরের বড় হাফেজদের একজন। তিনি ওয়াহাব বিন জারীর, ইবনে উয়াইনাহ, ইবনে আবি ফুদাইক, আব্দুর রাজ্জাক ও এক দলের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে (বুখারি ও আবু দাউদ) বর্ণনা করেছেন। আহমদ, ইয়াহইয়া, ইবনুল মাদীনী, আবু হাতিম এবং এক জামাত (৬) তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আবু দাউদ বলেছেন: তিনি হাদিসের যেকোনো ভুল সংশোধন করে দিতেন। আবু নুয়াইম বলেছেন: এই যুবকের চেয়ে হিজাজবাসীদের হাদিস সম্পর্কে অধিক জ্ঞাত কেউ আমাদের নিকট আসেনি। বুখারি বলেছেন: তিনি ২৪৮ হিজরিতে ৭৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

(নাসাঈ) আহমদ বিন সালিহ আল-বাগদাদী; তিনি মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া (৭) থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার থেকে (নাসাঈ) বর্ণনা করেছেন। হাফেজ ইবনে হাজার বলেছেন: তিনি ‘কাইলাজাহ’ নন; কাইলাজাহ হলো মুহাম্মদ বিন সালিহ আল-বাগদাদীর উপাধি, যা সামনে আসবে।

(বুখারি, আবু দাউদ, নাসাঈ) আহমদ বিন আস-সাব্বাহ আন-নাহশালী, আবু জাফর বিন আবি সুরাইজ—জীম সহ ক্ষুদ্রার্থবোধক শব্দ—আর-রাযী, আল-মুকরি, আল-হাফেজ। তিনি অকি’, মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া, ইয়াহইয়া আল-কাত্তান, আবু মুয়াবিয়া এবং এক বিশাল জনগোষ্ঠীর থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে (বুখারি, আবু দাউদ, নাসাঈ) বর্ণনা করেছেন এবং তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ২৪০ হিজরির পর মৃত্যুবরণ করেন।

(বুখারি, তিরমিযী) আহমদ বিন আবিত তায়্যিব সুলাইমান আল-বাগদাদী, আবু সুলাইমান; তিনি রাই শহরের অধিবাসী ছিলেন। তিনি ইব্রাহিম বিন সাদ, জারীর বিন আব্দুল হামিদ, আবুল মালিহ ও ইবনুল মুবারক থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে (বুখারি) এককভাবে হাদিস (৮) সমর্থক বর্ণনা হিসেবে গ্রহণ করেছেন এবং আবু যুরআহ বর্ণনা করেছেন। আবু যুরআহ বলেছেন: তিনি হাফেজ ছিলেন। জিজ্ঞাসা করা হলো: তিনি কি সত্যবাদী? তিনি বললেন: হ্যাঁ, এভাবেই তাকে গণ্য করা হয়। (৯) তিনি ২৩০ হিজরির কাছাকাছি সময়ে মৃত্যুবরণ করেন।

(নাসাঈ) আহমদ বিন আবি যাবিয়াহ—প্রথমে যাল, অতঃপর বা, অতঃপর ইয়া—ঈসা বিন সুলাইমান আদ-দারিমি, আবু মুহাম্মদ আল-জুরজানী, যাহিদ, কুমুস শহরের বিচারক। তিনি তার পিতা, হামজাহ আয-যাইয়াত ও ইউনুস বিন আবি ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে হুসাইন বিন ঈসা আদ-দামেগানী ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তার হাদিস লিখে রাখা যায়। বুখারি বলেছেন: তিনি ২০৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(ইবনে মাজাহ) আহমদ বিন আসিম বিন আনবাসাহ আল-আব্বাদানী, আবু হামিশ।

(১) ইবনে মাকুলা এটি বলেছেন। ইবনুল মুলাক্কিন বলেছেন: ষাট বছরের কিছু বেশি থেকে। সমাপ্ত।

(২) আল-আযদি বলেছেন: তিনি হাদিস বর্ণনায় মুনকার এবং সন্তোষজনক নন। সমাপ্ত—মীযান।

(৩) আন-নুবালা গ্রন্থে বলা হয়েছে যে, তার মৃত্যু ২৩৯ হিজরিতে। লালকাঈ বলেছেন ২২৬ হিজরিতে। সমাপ্ত—ইবনুল মুলাক্কিন।

(৪) আবু সাঈদ বিন ইউনুস এটি বলেছেন, তবে তিনি ৩০৩ হিজরির কথা উল্লেখ করেছেন। সমাপ্ত—তাহযীব।

(৫) হাকিম আবু আব্দুল্লাহ বলেছেন: মিশরের মাশায়েখগণ তার প্রতি ঈর্ষান্বিত ছিলেন, ফলে তিনি রামলায় চলে যান। সেখানে তাকে মুয়াবিয়ার ফজিলত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি তা এড়িয়ে যান; ফলে তারা তাকে জামে মসজিদে প্রহার করে। তিনি বললেন: আমাকে মক্কায় নিয়ে চলো। তাকে অসুস্থ অবস্থায় বের করে আনা হলো এবং তিনি সেখানেই শহীদ হিসেবে মৃত্যুবরণ করেন। হাকিম মিশরের মাশায়েখদের সূত্রে আরও বর্ণনা করেছেন যে, জীবনের শেষ দিকে তিনি মিশর থেকে দামেস্কে যান। সেখানে তাকে মুয়াবিয়া ও তার ফজিলত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন: "সে কি সমান সমান হওয়াতে সন্তুষ্ট নয় যে আবার শ্রেষ্ঠত্বও প্রকাশ করতে হবে?" তারা তাকে দুই পাঁজরে অনবরত আঘাত করতে থাকল যতক্ষণ না তাকে মসজিদ থেকে বের করে দেওয়া হয়। এরপর তাকে মক্কায় নিয়ে আসা হয় এবং সেখানেই তাকে দাফন করা হয়। সমাপ্ত—তাহযীব।

(৬) নাসাঈ তার থেকে হাদিস শুনেছেন কিন্তু বর্ণনা করেননি। তিনি তার সমালোচনা করেছেন, যদিও তা কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ছিল না। কারণ তিনি তাকে তার মজলিস থেকে বের করে দিয়েছিলেন। নিয়ম ছিল যে, যতক্ষণ পর্যন্ত দুইজন ব্যক্তি কোনো ছাত্রের ভালো মানুষ ও ন্যায়পরায়ণ হওয়ার সাক্ষ্য না দিত, ততক্ষণ তিনি তাকে হাদিস শোনাতেন না। নাসাঈ অনুমতি ছাড়াই তার নিকট প্রবেশ করেন এবং কোনো সাক্ষ্যও পেশ করেননি, ফলে তিনি তাকে বের করে দেন। সমাপ্ত—মুলাক্কিন।

(৭) সম্ভবত সঠিক নাম হলো ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ, যেমনটি তাহযীব ও অন্যান্য কিতাবে এসেছে। সমাপ্ত।

(৮) আবু বকর সিদ্দীকের মর্যাদা বর্ণনায়। সমাপ্ত—মুলাক্কিন।

(৯) আবু হাতিম বলেছেন: হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। সমাপ্ত—মুলাক্কিন।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ٨)
صَالح نزيل بَغْدَاد عَن سعيد بن عَامر الضبعِي وَعنهُ (ق) وَجمع

(بخ) أَحْمد بن عَاصِم الْبَلْخِي أَبُو مُحَمَّد الزَّاهِد عَن عبد الرَّزَّاق وحيوة بن شُرَيْح وَعنهُ (خَ) فَرد حَدِيث وَثَّقَهُ ابْن حبَان وَقَالَ أَبُو عَاصِم مَجْهُول توفّي سنة سبع وَعشْرين وَمِائَتَيْنِ

(تَمْيِيز) أَحْمد بن عَاصِم الْأَنْطَاكِي من أَقْرَان بشر الحافي والمحاسبي

(خَ) أَحْمد بن عبد الله بن أَيُّوب الْحَنَفِيّ أَبُو الْوَلِيد بن أبي رَجَاء الْهَرَوِيّ عَن ابْن عُيَيْنَة وَالْقطَّان وَيحيى بن آدم وَعنهُ (خَ) وَأَبُو حَاتِم وَقَالَ صَدُوق وَقَالَ الْحَاكِم هُوَ إِمَام أهل زَمَانه مَاتَ (1) فِي سنة اثْنَتَيْنِ وَثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

(م ت س) أَحْمد بن عبد الله بن الحكم بن أبي فَرْوَة الْهَاشِمِي أَبُو الْحُسَيْن بن الْكرْدِي الْبَصْرِيّ عَن غنْدر وَيحيى الْقطَّان ومروان ابْن مُعَاوِيَة وَعنهُ (م ت س) وَوَثَّقَهُ توفّي سنة سبع وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ

(خَ د) أَحْمد بن عبد الله ابْن سُهَيْل هُوَ ابْن عبيد الله يَأْتِي

(خَ د ت س) أَحْمد بن عبد الله بن أبي شعيبب مُسلم القرسي أَبُو الْحسن الْحَرَّانِي عَن أَبِيه وَزُهَيْر بن مُعَاوِيَة والحرث بن عُمَيْر وَعِيسَى بن يُونُس وَعنهُ (خَ د ت س) وحفيده عبد الله بن الْحسن وَثَّقَهُ أَبُو حَاتِم قَالَ مُحَمَّد بن يحيى بن كثير مَاتَ سنة ثَلَاث أَو اثْنَتَيْنِ وَثَلَاثِينَ (2) وَمِائَتَيْنِ لَهُ فِي (خَ) فَرد حَدِيث (3)

(خَ د س) أَحْمد بن عبد الله بن عَليّ بن سُوَيْد بن منجوف بِفَتْح أَوله وَإِسْكَان النُّون وَضم الْجِيم السدُوسِي أَبُو بكر المنجوفي الْمصْرِيّ وَقد ينْسب إِلَى جده عَن يحيى الْقطَّان وَابْن مهْدي وَأبي دَاوُد الطَّيَالِسِيّ وروح بن عبَادَة وَعنهُ (خَ د س) وَقَالَ صَالح توفّي سنة ثِنْتَيْنِ وَخمسين وَمِائَتَيْنِ

(س) أَحْمد بن عبد الله بن عَليّ بن أبي المضاء بِفَتْح أَوله وَتَخْفِيف الْمُعْجَمَة وبالمد المصِّيصِي قاضيها قيل أَن (س) روى عَنهُ (4) قَالَ الْحَافِظ أَبُو الْحجَّاج وَلم أَقف على رِوَايَته عَنهُ

(ت س ق) أَحْمد بن عبد الله بن مُحَمَّد بن عبد الله بن أبي السّفر بِفَتْح السِّين وَالْفَاء سعيد بن مُحَمَّد بِضَم التَّحْتَانِيَّة وَكسر الْمِيم الْهَمدَانِي أَبُو عُبَيْدَة الْكُوفِي عَن عبد الله بن نمير وَأبي أُسَامَة وَعبد الصَّمد بن عبد الْوَارِث وَأبي عُبَيْدَة الْحداد وَعنهُ (ت س ق) قَالَ أَبُو حَاتِم شيخ قَالَ مطين مَاتَ سنة ثَمَان وَخمسين وَمِائَتَيْنِ

(د ق) أَحْمد بن عبد الله بن مَيْمُون ابْن الْعَبَّاس الْغَطَفَانِي التغلبي بمثناة ثمَّ مُعْجمَة أَبُو الْحسن بن أبي الْحوَاري الزَّاهِد أحد الْأَعْلَام كُوفِي سكن دمشق عَن ابْن عُيَيْنَة وَأبي مُعَاوِيَة وَحَفْص بن غياث وَابْن وهب وَعنهُ (د ق) قَالَ ابْن معِين أَظن أهل دمشق يسقيهم الله تَعَالَى بِهِ الْغَيْث قَالَ الْجُنَيْد هُوَ رَيْحَانَة الشَّام قَالَ أَبُو زرْعَة الدِّمَشْقِي مَاتَ سنة سِتّ وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ ومولده سنة أَربع وَسِتِّينَ

(ق) أَحْمد بن عبد الله بن يُوسُف العرعري بمهملات عَن يزِيد بن أبي حَكِيم الْعَدنِي وَعنهُ (ق)

(ع) أَحْمد بن عبد الله بن يُونُس بن عبد الله بن قيس الْيَرْبُوعي التَّمِيمِي أَبُو عبد الله الْكُوفِي الْحَافِظ عَن عَاصِم الْعمريّ وَابْن أبي ذِئْب وَابْن أبي ليلى وَالثَّوْري وَإِسْرَائِيل وزائدة وَزُهَيْر وَخلق وَعنهُ (خَ م د) وَأَبُو زرْعَة وَعبد ابْن حميد قَالَ أَحْمد فِيهِ شيخ الْإِسْلَام (5) قَالَ البُخَارِيّ مَاتَ بِالْكُوفَةِ سنة سبع وَعشْرين وَمِائَتَيْنِ عَن أَربع وَتِسْعين سنة

(د) أَحْمد بن عبد الْجَبَّار بن مُحَمَّد بن عمر بن عُطَارِد التَّمِيمِي العطاردي أَبُو عمر الْكُوفِي أحد الضُّعَفَاء سَمَاعه للسيرة صَحِيح قيل إِن (د) روى عَنهُ قَالَ الْمزي لم أَقف على ذَلِك مَاتَ سنة اثْنَتَيْنِ وَسبعين وَمِائَتَيْنِ ومولده سنة سبع وَسبعين وَمِائَة

(ت س ق) أَحْمد بن عبد الرَّحْمَن بن بكار بن عبد الْملك بن الْوَلِيد بن بسر بن أبي أَرْطَاة البسري أَبُو الْوَلِيد بن بكار الدِّمَشْقِي نزيل بَغْدَاد عَن الْوَلِيد بن مُسلم ومروان بن مُعَاوِيَة وَعبد الرَّزَّاق وَعنهُ (ت س ق) قَالَ هَامِش

(1) بهراة قَالَه ابْن طَاهِر اه ابْن الملقن

(2) وَقيل سنة أَرْبَعِينَ وَقيل إِحْدَى وَأَرْبَعين اه ملقن

(3) فِي تَفْسِير سُورَة بَرَاءَة وَهُوَ حَدِيث كَعْب بن مَالك اه ملقن

(4) وَوَثَّقَهُ ذكره صَاحب النبل اه

(5) وَقَالَ أَبُو حَاتِم كَانَ ثِقَة متقنا اه ملقن
সালেহ, বাগদাদের অধিবাসী, সাঈদ বিন আমির আদ-দুবায়ী থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে (ইবনে মাজাহ) বর্ণনা করেছেন। তিনি (হাদিস) সংকলন করেছেন।

(বুখারি - আল-আদাবুল মুফরাদ) আহমাদ বিন আসিম আল-বালখি আবু মুহাম্মাদ আজ-জাহিদ; তিনি আব্দুর রাজ্জাক এবং হাইওয়াহ বিন শুরাইহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (বুখারি) একটি মাত্র হাদিস বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং আবু আসিম বলেছেন তিনি অপরিচিত। তিনি দুইশ সাতাশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(পার্থক্যকারী) আহমাদ বিন আসিম আল-আনতাকি; তিনি বিশর আল-হাফি এবং আল-মুহাসিবির সমসাময়িক ছিলেন।

(বুখারি) আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আইয়ুব আল-হানাফি আবু আল-ওয়ালিদ বিন আবি রাজা আল-হারাউই; তিনি ইবনে উয়ায়নাহ, আল-কাত্তান এবং ইয়াহইয়া বিন আদম থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (বুখারি) এবং আবু হাতিম বর্ণনা করেছেন। তিনি (আবু হাতিম) বলেছেন: সত্যবাদী। আল-হাকিম বলেছেন: তিনি তাঁর সময়ের ইমাম ছিলেন। তিনি (১) দুইশ বত্রিশ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।

(মুসলিম, তিরমিজি ও নাসাঈ) আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হাকাম বিন আবি ফারওয়াহ আল-হাশেমি আবু আল-হুসাইন বিন আল-কুরদি আল-বাসরি; তিনি গুন্দার, ইয়াহইয়া আল-কাত্তান এবং মারওয়ান ইবনুল মুয়াবিয়া থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (মুসলিম, তিরমিজি ও নাসাঈ) বর্ণনা করেছেন এবং তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি দুইশ সাতচল্লিশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(বুখারি ও আবু দাউদ) আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ ইবনে সুহাইল; তিনি হলেন ইবনে উবায়দুল্লাহ, যাঁর আলোচনা সামনে আসবে।

(বুখারি, আবু দাউদ, তিরমিজি ও নাসাঈ) আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি শুআইব মুসলিম আল-কুরাশি আবু আল-হাসান আল-হাররানি; তিনি তাঁর পিতা, জুহাইর বিন মুয়াবিয়া, হারিস বিন উমাইর এবং ঈসা বিন ইউনুস থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (বুখারি, আবু দাউদ, তিরমিজি ও নাসাঈ) এবং তাঁর নাতি আব্দুল্লাহ বিন আল-হাসান বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বিন কাসির বলেন: তিনি দুইশ বত্রিশ বা তেত্রিশ হিজরিতে (২) মৃত্যুবরণ করেন। বুখারিতে (খ) তাঁর একটি একক হাদিস (৩) রয়েছে।

(বুখারি, আবু দাউদ ও নাসাঈ) আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আলী বিন সুয়াইদ বিন মানজুফ (শুরুতে ফাতহা, নুন সাকিন এবং জিম-এ পেশ সহ), আস-সাদূসি আবু বকর আল-মানজুফি আল-বাসরি; কখনো তাঁর দাদার দিকে সম্বন্ধ করা হয়। তিনি ইয়াহইয়া আল-কাত্তান, ইবনুল মাহদি, আবু দাউদ আত-তায়ালিসি এবং রাওহ বিন উবাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (বুখারি, আবু দাউদ ও নাসাঈ) বর্ণনা করেছেন। সালেহ বলেছেন: তিনি দুইশ বাহান্ন হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(নাসাঈ) আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আলী বিন আবি আল-মাদা (শুরুতে ফাতহা, মু'জাম বর্ণে তাশদিদহীন এবং মাদ সহ), আল-মাসসিসি, সেখানকার বিচারক। বলা হয় যে, (নাসাঈ) তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (৪)। হাফেজ আবু আল-হাজ্জাজ বলেন: আমি তাঁর থেকে উনার বর্ণনার ব্যাপারে অবগত হতে পারিনি।

(তিরমিজি, নাসাঈ ও ইবনে মাজাহ) আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি আস-সাফার (সিন এবং ফা বর্ণে ফাতহা সহ), সাঈদ বিন মুহাম্মাদ (প্রথমে পেশ এবং মিমে কাসরা সহ), আল-হামদানি আবু উবাইদাহ আল-কুফি; তিনি আব্দুল্লাহ বিন নুমাইর, আবু উসামাহ, আব্দুস সামাদ বিন আব্দুল ওয়ারিস এবং আবু উবাইদাহ আল-হাদ্দাদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (তিরমিজি, নাসাঈ ও ইবনে মাজাহ) বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেন: তিনি একজন শাইখ। মুতাইন বলেন: তিনি দুইশ আটান্ন হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(আবু দাউদ ও ইবনে মাজাহ) আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মাইমুন ইবনুল আব্বাস আল-গাতাফানি আত-তাগলিবি (প্রথমে তা, এরপর মু'জাম বর্ণ), আবু আল-হাসান বিন আবিল হাওয়ারি আজ-জাহিদ, অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব, কুফি, দামেশকে বসবাস করতেন। তিনি ইবনে উয়ায়নাহ, আবু মুয়াবিয়া, হাফস বিন গিয়াস এবং ইবনে ওয়াহাব থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (আবু দাউদ ও ইবনে মাজাহ) বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন বলেন: আমার ধারণা দামেশকবাসীদের আল্লাহ তায়ালা তাঁর উসিলায় বৃষ্টি দান করেন। জুনায়েদ বলেন: তিনি সিরিয়ার সুগন্ধি ফুল। আবু জুরআ আদ-দিমাশকি বলেন: তিনি দুইশ ছেচল্লিশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর জন্ম একশ চৌষট্টি হিজরিতে।

(ইবনে মাজাহ) আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ আল-আরআরি (হরফগুলো নুকতাহীন); তিনি ইয়াজিদ বিন আবি হাকিম আল-আদানি থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে (ইবনে মাজাহ) বর্ণনা করেছেন।

(ছয় ইমাম) আহমাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইউনুস বিন আব্দুল্লাহ বিন কাইস আল-ইয়ারবুয়ি আত-তামিমি আবু আব্দুল্লাহ আল-কুফি আল-হাফেজ; তিনি আসিম আল-উমরি, ইবনে আবি জিব, ইবনে আবি লায়লা, আস-সাওরি, ইসরাঈল, জাইদাহ, জুহাইর এবং এক বিশাল গোষ্ঠী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (বুখারি, মুসলিম ও আবু দাউদ) এবং আবু জুরআ ও আব্দ বিন হুমাইদ বর্ণনা করেছেন। আহমাদ তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: তিনি শাইখুল ইসলাম (৫)। বুখারি বলেন: তিনি দুইশ সাতাশ হিজরিতে চুরানব্বই বছর বয়সে কুফায় মৃত্যুবরণ করেন।

(আবু দাউদ) আহমাদ বিন আব্দুল জাব্বার বিন মুহাম্মাদ বিন উমর বিন উতারিদ আত-তামিমি আল-উতারিদি আবু উমর আল-কুফি, দুর্বল বর্ণনাকারীদের একজন। সিরাত গ্রন্থের ক্ষেত্রে তাঁর শ্রবণ বিশুদ্ধ। বলা হয় যে, (আবু দাউদ) তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। আল-মিজ্জি বলেন: আমি এই ব্যাপারে অবগত হতে পারিনি। তিনি দুইশ বাহাত্তর হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর জন্ম একশ সাতাত্তর হিজরিতে।

(তিরমিজি, নাসাঈ ও ইবনে মাজাহ) আহমাদ বিন আব্দুর রহমান বিন বাক্কার বিন আব্দুল মালিক বিন আল-ওয়ালিদ বিন বুসর বিন আবি আরতাহ আল-বুসরি আবু আল-ওয়ালিদ বিন বাক্কার আদ-দিমাশকি, বাগদাদের অধিবাসী; তিনি আল-ওয়ালিদ বিন মুসলিম, মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া এবং আব্দুর রাজ্জাক থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (তিরমিজি, নাসাঈ ও ইবনে মাজাহ) বর্ণনা করেছেন। টিকা:

(১) হেরাতে; এটি ইবনে তাহির বলেছেন। সমাপ্ত - ইবনুল মুলাক্কিন।

(২) বলা হয়েছে দুইশ চল্লিশ হিজরি, আবার বলা হয়েছে একচল্লিশ হিজরি। সমাপ্ত - মুলাক্কিন।

(৩) সূরা বারায়াত-এর তাফসিরে, এটি কাব বিন মালিকের হাদিস। সমাপ্ত - মুলাক্কিন।

(৪) এবং তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন; 'আন-নুবলা' গ্রন্থের লেখক এটি উল্লেখ করেছেন। সমাপ্ত।

(৫) আবু হাতিম বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ও সুনিপুণ ছিলেন। সমাপ্ত - মুলাক্কিন।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ٩)
الْمزي لم أَقف على رِوَايَة النَّسَائِيّ عَنهُ وَقَالَ أَبُو حَاتِم صَدُوق قَالَ إِسْمَاعِيل السكرِي لم يسمع من الْوَلِيد وَكَانَ محللا (1) قَالَ ابْن قَانِع مَاتَ فِي رَمَضَان سنة ثَمَان وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ

(د) أَحْمد بن عبد الرَّحْمَن بن عبد الله بن سعد الدشتكي (2) بِفَتْح الدَّال والمثناة بَينهمَا مُعْجمَة سَاكِنة حمدَان الْمقري عَن أَبِيه وَعبد الله بن أبي جَعْفَر وَعنهُ (د) قَالَ أَبُو حَاتِم صَدُوق قَالَ فِي التَّقْرِيب تغير بِآخِرهِ

(م) أَحْمد بن عبد الرَّحْمَن بن وهب الفهمي (3) بِالْفَاءِ أَبُو عبيد الله بحشل بِفَتْح الْمُوَحدَة والمعجمة بَينهمَا مُهْملَة سَاكِنة الْمقري عَن عَمه عبد الله وَبشر بن بكر والسافقي وَعنهُ (م) وَثَّقَهُ مُحَمَّد بن عبد الله بن عبد الحكم وَعبد الْملك بن شُعَيْب وَقَالَ ابْن يُونُس لَا تقوم بِهِ حجَّة توفّي سنة أَربع وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ

(ق) أَحْمد بن عبد الرَّحْمَن المَخْزُومِي عَن الثَّوْريّ وَلم يُدْرِكهُ وَأحمد بن مُحَمَّد الْأَزْرَق وَعنهُ (ق)

(خَ س ق) أَحْمد بن عبد الْملك بن وَاقد الْأَسدي مَوْلَاهُم أَبُو يحيى الْحَرَّانِي وَقد ينْسب إِلَى جده عَن حَمَّاد بن زيد وَأبي عوَانَة وبكار بن عبد الْعَزِيز وَأبي الْمليح وَعنهُ (خَ) وَأحمد بن حَنْبَل وَأَبُو بكر بن أبي شيبَة وَأَبُو زرْعَة قَالَ أَبُو حَاتِم كَانَ نَظِير النُّفَيْلِي فِي الصدْق والإتقان قَالَ مُحَمَّد بن يحيى بن كثير مَاتَ (4) سنة إِحْدَى وَعشْرين وَمِائَتَيْنِ

(د س) أَحْمد ابْن عبد الْوَاحِد بن وَاقد التَّمِيمِي أَبُو عبد الله بن عبود بِفَتْح الْمُهْملَة وَضم الْمُوَحدَة الثَّقِيلَة الدِّمَشْقِي عَن أبي مسْهر وَالْفِرْيَابِي وآدَم بن أبي إِيَاس ومروان بن مُحَمَّد وَعنهُ (د س) قَالَ وَكَانَ ثِقَة قَالَ ابْن دُحَيْم مَاتَ فِي ثواني شَوَّال سنة أَربع وَخمسين وَمِائَتَيْنِ

(تَمْيِيز) أَحْمد بن عبد الْوَاحِد الرَّمْلِيّ أَبُو جَعْفَر شيخ لِابْنِ أبي حَاتِم (5)

(تَمْيِيز) أَحْمد بن عبد الْوَاحِد أَبُو عبد الله (6) الجوبري بِفَتْح الْجِيم وَالْمُوَحَّدَة وَسُكُون الْوَاو بَينهمَا مَاتَ سنة خمس وثلثمائة

(سي عس) أَحْمد بن عبد الْوَهَّاب ابْن نجدة بِفَتْح النُّون وَسُكُون الْجِيم الحوطي بِفَتْح الْمُهْملَة وَالْوَاو سَاكِنة أَبُو عبد الله (7) الْجبلي بِفَتْح الْجِيم وَالْمُوَحَّدَة الشَّامي عَن أَبِيه وَأحمد بن خَالِد الْوَهْبِي وَمُحَمّد بن مُصعب وَعنهُ (سي عس) وَخلق آخِرهم الطَّبَرَانِيّ لقِيه بجبلة سنة تسع وَسبعين وَمِائَتَيْنِ (8) وفيهَا مَاتَ

(م ع أ) أَحْمد بن عَبدة بِسُكُون الْمُوَحدَة بن مُوسَى الضَّبِّيّ أَبُو عبد الله الْبَصْرِيّ عَن حَمَّاد بن زيد وَأبي عوَانَة وَعبد الْوَاحِد بن زِيَاد وَعبد الْوَارِث وفضيل بن عِيَاض وَخلق وَعنهُ (م ع أ) وَثَّقَهُ (9) أَبُو حَاتِم وَالنَّسَائِيّ مَاتَ سنة خمس وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ

(د ت) أَحْمد بن عَبدة الآملي بِمد الْهمزَة وَضم الْمِيم آمل جيحون عَن عَبْدَانِ وَعلي بن الْحسن بن شَقِيق وَمُحَمّد بن أعين وَعنهُ (د ت)

(خَ د) أَحْمد بن عبيد الله بن سُهَيْل الغداني بِضَم الْمُعْجَمَة وَفتح الْمُهْملَة (10) آخِره نون أَبُو عبد الله الْبَصْرِيّ عَن مَنْصُور بن أبي الْأسود وغسان بن عَوْف وَجَرِير بن عبد الحميد وَعنهُ (خَ) (11) فَرد (12) حَدِيث (د) قَالَ أَبُو حَاتِم صَدُوق مَاتَ سنة أَربع وَقيل سبع وَعشْرين وَمِائَتَيْنِ (13) (14)

(ت س) أَحْمد بن أبي عبيد الله بشر (15) السليمي بِالْفَتْح وتحتانية بعد اللَّام الْأَزْدِيّ أَبُو عبد الله الْبَصْرِيّ عَن يزِيد بن زُرَيْع وَعبد الْأَعْلَى وَعمر بن عَليّ الْمقدمِي وَعنهُ (ت س) وَوَثَّقَهُ مَاتَ بعد الْأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ

(د) هَامِش

(1) يحلل النِّسَاء للرِّجَال وَيُعْطِي الشَّيْء فيطلق وَقَالَ النَّسَائِيّ صَالح وَقَالَ الباغندي سَمِعت إِسْمَاعِيل بن عبد الله السكرِي يَقُول لم يسمع أَبُو الْوَلِيد البسري من الْوَلِيد بن مُسلم شَيْئا قطّ وَكَانَ سيىء الْحَال بِدِمَشْق وَلَو شهد عِنْدِي وَأَنا قَاض على تمرتين يَعْنِي لم أجز شَهَادَته وبكار لم أجز شَهَادَته قطّ وهما جَمِيعًا كذابان وَقَالَ الْخَطِيب لَيْسَ هُوَ عندنَا كَذَلِك بل كَانَ من أهل الصدْق اه تَهْذِيب

(2) دشتك قَرْيَة من قرى الرّيّ اه

(3) هَذَا وهم من الْمُؤلف فَفِي التَّهْذِيب وَغَيره الفِهري اه

(4) وَبِه جزم الكلاباذي وَقَالَ ابْن طَاهِر سنة اثْنَتَيْنِ وَعشْرين اه ملقن

(5) وَقَالَ مَحَله الصدْق اه تَهْذِيب

(6) هُوَ شيخ لِابْنِ عدي وجوبر قَرْيَة من قرى دمشق اه ملقن

(7) جبلة قَرْيَة بِالشَّام اه

(8) هَذِه رِوَايَة الْكَمَال وَقَالَ أَبُو أَحْمد بن جَعْفَر بن الْمُنَادِي مَاتَ سنة إِحْدَى وَثَمَانِينَ وَمِائَتَيْنِ اه تَهْذِيب

(9) وَقَالَ ابْن خرَاش تكلم النَّاس فِيهِ وَلم يصدق ابْن خرَاش فِي قَوْله هَذَا فالرجل حجَّة اه ميزَان

(10) مُخَفّفَة نِسْبَة إِلَى غُدَانَة بن يَرْبُوع بن حَنْظَلَة ابْن مَالك بن زيد بن مَنَاة بن تَمِيم اه تَهْذِيب

(11) قَالَ الْمزي قَالَ صَاحب السبل أَنه روى عَنهُ مُسلم وَهُوَ وهم إِنَّمَا روى عَن الَّذِي بعده وَهُوَ السليمي اه

(12) لَعَلَّه الَّذِي فِي بَاب إتْيَان الْيَهُود رَسُول الله اه

(13) أَحْمد بن عبيد الله ذكر صَاحب زهرَة الْمُتَكَلّم فِي أَسمَاء مشاهير الْمُحدثين أَن (د) روى عَنهُ وَأَهْمَلَهُ الشَّيْخ اه قن

(14) أَحْمد بن أبي عقيل هُوَ عِنْدِي أَخُو عبد الْغَنِيّ الْمصْرِيّ روى عَنهُ فِيمَا قَالَه ابْن حلقون وَأَهْمَلَهُ الشَّيْخ اه قن

(15) وسليمة من ولد فهم بن مَالك من الأزد اه قن
আল-মিযযী বলেন: আমি তাঁর থেকে নাসাঈর কোনো বর্ণনা পাইনি। আবু হাতিম বলেন: তিনি সাদুক (সত্যবাদী)। ইসমাঈল আস-সুক্কারী বলেন: তিনি ওয়ালীদ থেকে কোনো শ্রবণ করেননি এবং তিনি মুহাল্লিল (১) ছিলেন। ইবনুল কানি' বলেন: তিনি দুইশত আটচল্লিশ হিজরীর রমজান মাসে ইন্তেকাল করেন।

(দ) আহমদ বিন আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ বিন সাদ আদ-দাশতাকী (২), দাল ও তা বর্ণের উপরে ফাতহা এবং উভয়ের মাঝে শীন বর্ণটি সাকিন; হামদান আল-মুকরী। তিনি তাঁর পিতা এবং আব্দুল্লাহ বিন আবু জাফর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (দ)। আবু হাতিম বলেন: তিনি সাদুক (সত্যবাদী)। 'আত-তাকরীব' গ্রন্থে বলা হয়েছে: শেষ বয়সে তাঁর স্মৃতিশক্তির পরিবর্তন ঘটেছিল।

(ম) আহমদ বিন আব্দুর রহমান বিন ওয়াহাব আল-ফাহমী (৩), ফা বর্ণের সাথে; আবু উবাইদুল্লাহ। তাঁর লকব 'বাহশাল' (বা এবং শীন বর্ণের উপরে ফাতহা এবং মাঝে হা বর্ণটি সাকিন)। তিনি আল-মুকরী। তিনি তাঁর চাচা আব্দুল্লাহ, বিশর বিন বকর এবং আস-সাফাকী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (ম)। মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল হাকাম এবং আব্দুল মালিক বিন শুয়াইব তাঁকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলেছেন। ইবনে ইউনুস বলেন: তাঁর দ্বারা দলিল প্রতিষ্ঠিত হয় না। তিনি দুইশত চৌষট্টি হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।

(ক) আহমদ বিন আব্দুর রহমান আল-মাখযূমী। তিনি সাওরী থেকে বর্ণনা করেছেন অথচ তাঁকে পাননি; এবং আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-আযরাক থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (ক)।

(খ স ক) আহমদ বিন আব্দুল মালিক বিন ওয়াকিদ আল-আসাদী, তাঁদের আযাদকৃত দাস, আবু ইয়াহইয়া আল-হাররানী। কখনো কখনো তাঁকে তাঁর দাদার দিকে সম্বন্ধ করা হয়। তিনি হাম্মাদ বিন যায়েদ, আবু আওয়ানাহ, বাক্কার বিন আব্দুল আজিজ এবং আবুল মালিহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (খ), আহমদ বিন হাম্বল, আবু বকর বিন আবু শাইবা এবং আবু যুরআহ। আবু হাতিম বলেন: তিনি সত্যবাদিতা ও নির্ভুলতায় আন-নুফাইলীর সমকক্ষ ছিলেন। মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন কাসীর বলেন: তিনি (৪) দুইশত একুশ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।

(দ স) আহমদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন ওয়াকিদ আত-তামীমী, আবু আব্দুল্লাহ বিন আব্বুদ; আইন বর্ণের উপর ফাতহা এবং বা বর্ণের উপর পেশ ও তাশদীদ। তিনি দামেশকী। তিনি আবু মুসহির, আল-ফিরইয়াবী, আদম বিন আবু ইয়াস এবং মারওয়ান বিন মুহাম্মদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (দ স)। তিনি বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) ছিলেন। ইবনে দুহাইম বলেন: তিনি দুইশত চুয়ান্ন হিজরীর শাওয়াল মাসের দ্বিতীয় ভাগে ইন্তেকাল করেন।

(পার্থক্যকারী) আহমদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আর-রামলী, আবু জাফর। তিনি ইবনে আবু হাতিমের উস্তাদ (৫)।

(পার্থক্যকারী) আহমদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আবু আব্দুল্লাহ (৬) আল-জওবারী। জীম ও বা বর্ণের উপর ফাতহা এবং উভয়ের মাঝে ওয়াও বর্ণটি সাকিন। তিনি তিনশত পাঁচ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।

(সি আস) আহমদ বিন আব্দুল ওয়াহাব বিন নাজদাহ, নুন বর্ণের উপর ফাতহা এবং জীম বর্ণটি সাকিন; আল-হুতী, হা ও ওয়াও বর্ণ সাকিন। আবু আব্দুল্লাহ (৭) আল-জাবালী, জীম ও বা বর্ণের উপর ফাতহা। তিনি শামী। তিনি তাঁর পিতা, আহমদ বিন খালিদ আল-ওয়াহবী এবং মুহাম্মদ বিন মুসাব থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (সি আস) এবং একদল বর্ণনাকারী যাদের সর্বশেষ হলেন তাবারানী। তিনি দুইশত উনআশি হিজরীতে জাবালহ নামক স্থানে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেন (৮) এবং সেই বছরই তিনি ইন্তেকাল করেন।

(ম আ আ) আহমদ বিন আবদাহ, বা বর্ণটি সাকিন; ইবনে মূসা আদ-দাব্বী, আবু আব্দুল্লাহ আল-বসরী। তিনি হাম্মাদ বিন যায়েদ, আবু আওয়ানাহ, আব্দুল ওয়াহিদ বিন যিয়াদ, আব্দুল ওয়ারিস, ফুযাইল বিন ইয়াদ এবং একদল বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (ম আ আ)। আবু হাতিম এবং নাসাঈ তাঁকে নির্ভরযোগ্য (৯) বলেছেন। তিনি দুইশত পঁয়তাল্লিশ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।

(দ ত) আহমদ বিন আবদাহ আল-আমুলী, হামযার উপর মদ এবং মীম বর্ণের উপর পেশ। তিনি আমুল জাইহুনের অধিবাসী। তিনি আবদান, আলী বিন হাসান বিন শাকীক এবং মুহাম্মদ বিন আয়ুন থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (দ ত)।

(খ দ) আহমদ বিন উবাইদুল্লাহ বিন সুহাইল আল-গাদানী, গাইন বর্ণের উপর পেশ এবং দাল বর্ণের উপর ফাতহা (১০), শেষে নুন রয়েছে। আবু আব্দুল্লাহ আল-বসরী। তিনি মনসুর বিন আবুল আসওয়াদ, গাসসান বিন আওফ এবং জারীর বিন আব্দুল হামীদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (খ) বর্ণনা করেছেন (১১) একটি মাত্র (১২) হাদিস; এবং (দ) বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেন: তিনি সাদুক (সত্যবাদী)। তিনি দুইশত সাতাশ হিজরীতে, মতান্তরে সাতাশ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন (১৩) (১৪)।

(ত স) আহমদ বিন আবু উবাইদুল্লাহ বিশর (১৫) আস-সুলাইমী, সীন বর্ণের উপর ফাতহা এবং লামের পরে ইয়া বর্ণটি যুক্ত; আল-আযদী, আবু আব্দুল্লাহ আল-বসরী। তিনি ইয়াযীদ বিন যুরাই', আব্দুল আলা এবং উমর বিন আলী আল-মুকাদ্দামী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (ত স) এবং তাঁকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলা হয়েছে। তিনি দুইশত চল্লিশ হিজরীর পর ইন্তেকাল করেন।

(দ) পাদটীকা

(১) তিনি পুরুষদের জন্য নারীদের হালাল করতেন (হালালা) এবং তাঁকে কিছু দিলে তিনি তা বৈধ করে দিতেন। নাসাঈ বলেন: তিনি সালিহ। আল-বাগিনদী বলেন: আমি ইসমাঈল বিন আব্দুল্লাহ আস-সুক্কারীকে বলতে শুনেছি যে, আবু ওয়ালীদ আল-বিসরী ওয়ালীদ বিন মুসলিম থেকে কখনো কিছু শোনেননি। দামেশকে তাঁর অবস্থা শোচনীয় ছিল। তিনি যদি আমার নিকট বিচারক থাকাকালীন দুটি খেজুরের সাক্ষ্যও দিতেন, আমি তাঁর সাক্ষ্য গ্রহণ করতাম না। বাক্কার এবং তিনিও—উভয়েই মিথ্যাবাদী। আল-খাতীব বলেন: আমাদের নিকট তিনি তেমন নন, বরং তিনি সত্যবাদী লোকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। — তাহযীব।

(২) দাশতাক রয় নগরীর একটি গ্রাম।

(3) এটি লেখকের ভ্রম; কেননা 'তাহযীব' ও অন্যান্য গ্রন্থে এটি 'আল-ফিহরী' হিসেবে এসেছে।

(৪) আল-কিলাবাযী এটি নিশ্চিতভাবে বলেছেন। ইবনে তাহির বলেন: দুইশত বাইশ হিজরী। — মুলাক্কিন।

(৫) তিনি বলেন: তাঁর অবস্থান সত্যবাদিতার (সাদুক)। — তাহযীব।

(৬) তিনি ইবনে আদীর উস্তাদ। জওবার দামেশকের একটি গ্রাম। — মুলাক্কিন।

(৭) জাবালহ শামের একটি গ্রাম।

(৮) এটি আল-কামালের বর্ণনা। আবু আহমদ বিন জাফর বিন আল-মুনাদী বলেন: তিনি দুইশত একাশি হিজরীতে ইন্তেকাল করেন। — তাহযীব।

(৯) ইবনে খিরাশ বলেন: মানুষ তাঁর সম্পর্কে নেতিবাচক কথা বলেছে; কিন্তু ইবনে খিরাশ তাঁর এই কথায় সত্যবাদী নন, কারণ এই ব্যক্তি একজন হুজ্জাত (দলিলযোগ্য ব্যক্তি)। — মীযান।

(১০) তাশদীদ বিহীন; এটি গুদানাহ বিন ইয়ারবু বিন হানযালা বিন মালিক বিন যায়েদ বিন মানাত বিন তামীম-এর দিকে সম্বন্ধ। — তাহযীব।

(১১) আল-মিযযী বলেন: 'সুবুল' গ্রন্থকার বলেছেন যে, মুসলিম তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, কিন্তু এটি একটি ভ্রম; তিনি মূলত এর পরের জন অর্থাৎ আস-সুলাইমী থেকে বর্ণনা করেছেন।

(১২) সম্ভবত এটি সেই হাদিস যা ইহুদীদের রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নিকট আসার অধ্যায়ে রয়েছে।

(১৩) আহমদ বিন উবাইদুল্লাহ; 'যোহরাতুল মুতাকাল্লিম' গ্রন্থের লেখক প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিসদের নামের তালিকায় উল্লেখ করেছেন যে, (দ) তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে শায়খ (মিযযী) তা এড়িয়ে গেছেন। — কুন।

(১৪) আহমদ বিন আবু আকীল; আমার মতে তিনি আব্দুল গানী আল-মিসরীর ভাই। ইবনে হালকুন যা বলেছেন সে অনুযায়ী তিনি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে শায়খ এটি এড়িয়ে গেছেন। — কুন।

(১৫) সুলাইমাহ হলো আযদ গোত্রের ফাহাম বিন মালিকের বংশধর। — কুন।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ١٠)
أَحْمد بن عبيد بن نَاصح بِمُهْملَة الْهَاشِمِي مَوْلَاهُم أَبُو جَعْفَر الْبَغْدَادِيّ أَبُو عصيدة (1) النَّحْوِيّ روى (د) عَن أَحْمد بن عبيد عَن مُحَمَّد بن سعد عَن أبي الْوَلِيد يَقُولُونَ قبيصَة بن وَقاص لَهُ صُحْبَة فَقيل أَنه أَبُو عصيدة وَقيل الغداني وَالله أعلم

(خَ م س ق) أَحْمد بن عُثْمَان بن حَكِيم بن دِينَار الأودي بِفَتْح الْهمزَة وَسُكُون الْوَاو أَبُو عبد الله الْكُوفِي عَن أَبِيه وجعفر بن عون وَأبي نعيم وَعبيد الله بن مُوسَى وَعنهُ (خَ م س ق) وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ مَاتَ (2) سنة إِحْدَى وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ

(م ت س) أَحْمد بن عُثْمَان بن أبي عُثْمَان عبد النُّور بن عبد الله بن سِنَان بنونين النَّوْفَلِي أَبُو الجوزاء بِالْجِيم وَالزَّاي الْبَصْرِيّ الناسك عَن إِبْرَاهِيم السمان وقريش بن أنس ووهب بن جرير وَعنهُ (م ت س) قَالَ أَبُو حَاتِم ثِقَة وَقَالَ ابْن أبي عَاصِم مَاتَ سنة سِتّ وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ

(س) أَحْمد بن عَليّ بن سعيد بن إِبْرَاهِيم الْأمَوِي أَبُو بكر بن عَليّ الْمروزِي الْحَافِظ عَن عَليّ بن الْجَعْد وَيحيى بن معِين وَأبي نصر التمار وَأحمد بن حَنْبَل وَخلق وَعنهُ (س) فَأكْثر وَوَثَّقَهُ قَالَ أَحْمد بن نَاصح مَاتَ بِدِمَشْق سنة اثْنَتَيْنِ وَتِسْعين وَمِائَتَيْنِ عَن تسعين سنة أَو دونهَا

(عخ) أَحْمد بن عَليّ المنجوفي وَهُوَ ابْن عبد الله تقدم

(د) أَحْمد بن عَليّ النميري بِضَم النُّون والنمري (3) بِفتْحَتَيْنِ إِمَام مَسْجِد سلمية عَن ثَوْر بن يزِيد وأرطاة بن الْمُنْذر وَعنهُ مَحْمُود بن خَالِد الدِّمَشْقِي فَقَط قَالَ أَبُو حَاتِم (4) أرى أَحَادِيثه مُسْتَقِيمَة

(م ل) أَحْمد بن عمر بن حَفْص بن جهم بن وَاقد الوكيعي أَبُو جَعْفَر الْمقري الْكُوفِي الْجلاب بِالْجِيم الضَّرِير نزيل بَغْدَاد عَن أبي مُعَاوِيَة وَابْن فُضَيْل ووكيع وَعنهُ (م ل) وَثَّقَهُ ابْن معِين وَغَيره (5) قَالَ وليت الْمَظَالِم بمرو اثْنَتَيْ عشرَة سنة فَلم يرد عَليّ حكم إِلَّا وَأَنا أحفظ فِيهِ حَدِيثا (6) مَاتَ سنة خمس وَثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

(خَ) أَحْمد بن عمر الْحِمْيَرِي أَبُو جَعْفَر حمدَان السمسار الْبَغْدَادِيّ المخرمي بِضَم الْمِيم وَفتح الْخَاء الْمُعْجَمَة عَن أبي النَّضر وروح بن عبَادَة وَعنهُ (خَ) مَقْرُونا بِغَيْرِهِ (7) فَرد حَدِيث وَثَّقَهُ الْخَطِيب مَاتَ سنة ثَمَان وَخمسين وَمِائَتَيْنِ

(م د س ق) أَحْمد بن عَمْرو بن عبد الله ابْن عَمْرو بن السَّرْح بمهملات الثَّانِيَة سَاكِنة الْأمَوِي مَوْلَاهُم أَبُو الطَّاهِر الْمصْرِيّ الْفَقِيه عَن ابْن عُيَيْنَة والوليد بن مُسلم ووكيع وَابْن الْقَاسِم وَالشَّافِعِيّ وَخلق وَعنهُ (م د 8 س ق) قَالَ أَبُو حَاتِم لَا بَأْس بِهِ مَاتَ سنة خمسين وَمِائَتَيْنِ

(د) أَحْمد بن عَمْرو الْعُصْفُرِي أَبُو الْعَبَّاس الْبَصْرِيّ عَن يَعْقُوب بن إِسْحَاق الْحَضْرَمِيّ وَعنهُ (د) حَدِيثا فِي السُّؤَال بِوَجْه الله وَإِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن أبي حَمْزَة لم يذكرهُ الذَّهَبِيّ وَلَا ابْن حجر

(خَ د س) أَحْمد بن أبي عَمْرو عَن أَبِيه هُوَ ابْن حَفْص

(خَ د س) أَحْمد بن أبي عَمْرو السّلمِيّ هُوَ ابْن حَفْص تقدم

(د) أَحْمد بن أبي عَمْرو وَأَبُو الْعَبَّاس (9) القلوري فِي الكنى (10)

(خَ م س ق) أَحْمد بن عِيسَى بن حسان الْمصْرِيّ الْمَعْرُوف (11) بالتستري هَامِش

(1) يحدث عَن الْأَصْمَعِي وَمُحَمّد بن مُصعب مَنَاكِير قَالَه ابْن عدي وَقَالَ الْحَاكِم أَبُو أَحْمد لَا يُتَابع فِي جلّ حَدِيثه اه تَهْذِيب وَفِي الْمِيزَان قَالَ ابْن عدي هُوَ عِنْدِي من أهل الصدْق مَعَ هَذَا كُله اه

(2) يَوْم عَاشُورَاء قَالَه الْمزي وَمن تبعه وَوَقع فِي الكلاباذي سنة اثْنَتَيْنِ وَمِائَتَيْنِ وَصَححهُ بِخَطِّهِ وَهُوَ عَجِيب بالتضبيب والتصحيح أولى وَجزم اللالكائي بِأَنَّهُ سنة سِتِّينَ اه ملقن

(3) وَيُقَال النمري بِفتْحَتَيْنِ اه

(4) وَقَالَ مُحَمَّد بن الْحُسَيْن الْأَزْدِيّ مَتْرُوك اه ميزَان

(5) عبد الله بن أَحْمد وَابْن عَبدُوس اه

(6) تَمَامه فَلم أحتج إِلَى الرَّأْي وَلَا إِلَى أَهله اه ملقن

(7) وَفِي ثِقَات ابْن حبَان وَعنهُ يزِيد بن عبد ربه الجرجسي يعرف فَلَعَلَّهُ هَذَا روى لَهُ (د) حَدِيثا وَاحِدًا وَهُوَ فِي النَّهْي عَن الصَّلَاة حاقنا حَتَّى يتخفف اه قن

(8) وَقَالَ ثِقَة وَقَالَ أَبُو سعيد ابْن يُونُس قَالَ ابْن خلف كَانَ لَا يحفظ اه تَهْذِيب

(9) القلوري بِفَتْح الْقَاف وَاللَّام وَالْوَاو الْمُشَدّدَة وَفِي آخِره الرَّاء نِسْبَة إِلَى قلورة اسْم لجد عمر بن إِبْرَاهِيم بن قلورة من أهل بلد الْحَطب اه من أَنْسَاب ابْن السَّمْعَانِيّ

(10) هُوَ أَحْمد بن عَمْرو الْعُصْفُرِي الْمَذْكُور هُنَا وَسَيَأْتِي للْمُصَنف فِي تراجم الكنى وَلَعَلَّه نقل عبارَة التَّهْذِيب تبعا لأصله وَهُوَ يترجم فِي الكنى وَتَبعهُ فِي هَذِه الْعبارَة ابْن الملقن لكنه ترْجم فِي الكنى فَقَالَ أَبُو الْعَبَّاس القلوري بِفَتْح الْقَاف وَاللَّام كَمَا ضَبطه ابْن السَّمْعَانِيّ وَغَيره الْعُصْفُرِي الْبَصْرِيّ وَوَقع بِخَط ابْن المهندس كسرهَا قَالَ عَليّ بن الْمَدِينِيّ اسْمه مُحَمَّد ابْن عمر بن الْعَبَّاس وَقيل عمر وَقيل عَمْرو بن الْعَبَّاس وَقيل أَحْمد بن عَمْرو بن عُبَيْدَة قَالَ فِي النّيل وَهُوَ أصح قلت وَكَذَا سَمَّاهُ أَكْثَرهم وَقيل عبدل كَانَ ينزل دور خُزَاعَة روى عَن يَعْقُوب بن إِسْحَاق الْحَضْرَمِيّ وَجمع وَعنهُ (د) وَسَماهُ فِي بعض الرِّوَايَات عَنهُ مُحَمَّدًا وكناه فِي بَعْضهَا عَنهُ وَلم يسمه وَابْن صاعد وَأَبُو عرُوبَة وَالْبَزَّار وَجمع مَاتَ سنة ثَلَاث وَخمسين وَمِائَتَيْنِ حَدِيثه عِنْد (د) لَا تسْأَل بِوَجْه الله إِلَّا الْجنَّة قَالَ الزيني وَابْن شاهين تفرد بِهِ الْحَضْرَمِيّ يَعْقُوب بن إِسْحَاق وَلَا أعلم حدث بِهِ إِلَّا القلوري وَهُوَ حَدِيث غَرِيب انْتهى كَلَام ابْن الملقن

(11) قَالَه فِي النبل وَقَالَ ابْن الملقن الْمَعْرُوف بالتستري كَانَ يتجر إِلَيْهَا فَعرف بذلك اه
আহমদ বিন উবাইদ বিন নাসিহ হাশেমী, তাদের মাওলা, আবু জাফর আল-বাগদাদী, আবু আসিদা (১) আন-নাহবী। তিনি (দ) বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন উবাইদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ বিন সা’দ থেকে, তিনি আবু আল-ওয়ালিদ থেকে। তারা বলেন যে, কুবাইসা বিন ওয়াক্কাস সাহাবী ছিলেন। আবার বলা হয়েছে যে, তিনি আবু আসিদা, আবার বলা হয়েছে আল-গাদানী। আল্লাহই ভালো জানেন।

(খ ম স ক) আহমদ বিন উসমান বিন হাকিম বিন দিনার আল-আওদী, হামযাহ-তে ফাতহা এবং ওয়াও-তে সুকুন, আবু আব্দুল্লাহ আল-কুফী। তিনি তার পিতা, জাফর বিন আউন, আবু নুয়াইম এবং উবাইদুল্লাহ বিন মূসা থেকে বর্ণনা করেছেন। আর তার থেকে বর্ণনা করেছেন (খ ম স ক)। নাসাঈ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি দুইশত একষট্টি (২) হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(ম ত স) আহমদ বিন উসমান বিন আবি উসমান আব্দুল নূর বিন আব্দুল্লাহ বিন সিনান (দুইটি নূন সহ) আন-নাওফালী, আবু আল-জাওযা (জীম এবং ঝা সহ), আল-বাসরী, ইবাদতগুজার ব্যক্তি। তিনি ইবরাহীম আস-সাম্মান, কুরাইশ বিন আনাস এবং ওয়াহাব বিন জারীর থেকে বর্ণনা করেছেন। আর তার থেকে বর্ণনা করেছেন (ম ত স)। আবু হাতিম বলেছেন: নির্ভরযোগ্য। ইবনে আবি আসিম বলেছেন: তিনি দুইশত ছেচল্লিশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(স) আহমদ বিন আলী বিন সাঈদ বিন ইবরাহীম আল-উমাবী, আবু বকর বিন আলী আল-মারওয়াযী, হাফিয। তিনি আলী বিন আল-জাদ, ইয়াহইয়া বিন মাঈন, আবু নাসর আত-তাম্মার, আহমদ বিন হাম্বল এবং এক বিশাল জামাত থেকে বর্ণনা করেছেন। আর তার থেকে (স) অনেক বর্ণনা করেছেন এবং তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আহমদ বিন নাসিহ বলেন: তিনি দুইশত বিরানব্বই হিজরীতে দামেশকে মৃত্যুবরণ করেন, তখন তার বয়স ছিল নব্বই বা তার কিছু কম।

(আ.খ) আহমদ বিন আলী আল-মানজুফী; তিনি ইবনে আব্দুল্লাহ, যার আলোচনা পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে।

(দ) আহমদ বিন আলী আন-নুমাইরী, নূন-এ যম্মাহ সহ, এবং আন-নামারী (৩), দুই ফাতহা সহ, সালামিয়াহ মসজিদের ইমাম। তিনি সাওর বিন ইয়াযীদ এবং আরতাহ বিন আল-মুনযির থেকে বর্ণনা করেছেন। আর তার থেকে কেবল মাহমুদ বিন খালিদ আদ-দামেশকী বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম (৪) বলেছেন: আমি তার হাদীসগুলোকে সঠিক হিসেবে দেখি।

(ম ল) আহমদ বিন উমর বিন হাফস বিন জাহম বিন ওয়াকিদ আল-ওয়াকিঈ, আবু জাফর আল-মুকরী আল-কুফী, আল-জাল্লাব (জীম সহ), অন্ধ, বাগদাদে বসবাসকারী। তিনি আবু মুয়াবিয়া, ইবনে ফুযাইল এবং ওয়াকি' থেকে বর্ণনা করেছেন। আর তার থেকে বর্ণনা করেছেন (ম ল)। ইবনে মাঈন এবং অন্যরা (৫) তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি বলেন: আমি মার্ভে বারো বছর পর্যন্ত মানুষের অভিযোগ নিষ্পত্তির (মাযালিম) বিচারক ছিলাম, আমার কাছে এমন কোনো বিচার আসেনি যার স্বপক্ষে আমার কোনো হাদীস মুখস্থ ছিল না (৬)। তিনি দুইশত পঁয়ত্রিশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(খ) আহমদ বিন উমর আল-হিময়ারী, আবু জাফর হামদান আস-সিমসার আল-বাগদাদী আল-মাখরামী (মীম-এ যম্মাহ এবং খা-তে ফাতহা সহ)। তিনি আবু আন-নাদর এবং রাওহ বিন উবাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। আর তার থেকে বর্ণনা করেছেন (খ) অন্যদের সাথে মিলিয়ে (৭), তিনি একক বর্ণনাকারী। আল-খতীব তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি দুইশত আটান্ন হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(ম দ স ক) আহমদ বিন আমর বিন আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে আস-সারহ, দ্বিতীয় অক্ষরে সুকুন সহ, আল-উমাবী, তাদের মাওলা, আবু আত-তাহির আল-মিসরী, ফকীহ। তিনি ইবনে উয়াইনাহ, ওয়ালিদ বিন মুসলিম, ওয়াকি', ইবনে আল-কাসিম, শাফিঈ এবং এক বিশাল জামাত থেকে বর্ণনা করেছেন। আর তার থেকে বর্ণনা করেছেন (ম দ ৮ স ক)। আবু হাতিম বলেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। তিনি দুইশত পঞ্চাশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(দ) আহমদ বিন আমর আল-উসফুরী, আবু আল-আব্বাস আল-বাসরী। তিনি ইয়াকুব বিন ইসহাক আল-হাদরামী থেকে বর্ণনা করেছেন। আর তার থেকে (দ) বর্ণিত হয়েছে আল্লাহর চেহারার মাধ্যমে চাওয়ার বিষয়ে একটি হাদীস। এছাড়া ইবরাহীম বিন মুহাম্মদ বিন আবি হামযাহ বর্ণনা করেছেন। যাহাবী এবং ইবনে হাজার তার কথা উল্লেখ করেননি।

(খ দ স) আহমদ বিন আবি আমর, তার পিতা থেকে; তিনি হলেন ইবনে হাফস।

(খ দ স) আহমদ বিন আবি আমর আস-সুলামী; তিনি হলেন ইবনে হাফস, যার আলোচনা পূর্বে হয়েছে।

(দ) আহমদ বিন আবি আমর; এবং আবু আল-আব্বাস (৯) আল-কাল্লুরী উপনামের অধ্যায়ে (১০)।

(খ ম স ক) আহমদ বিন ঈসা বিন হাসসান আল-মিসরী, (১১) আত-তুস্তারি নামে পরিচিত। পার্শ্বটীকা:

(১) তিনি আস-সামাঈ এবং মুহাম্মদ বিন মুসআব থেকে প্রত্যাখ্যাত (মুনকার) হাদীস বর্ণনা করেন, ইবনে আদী এমনটি বলেছেন। আবু আহমদ আল-হাকিম বলেছেন: তার অধিকাংশ হাদীসের অনুসরণ করা হয় না। আর আল-মিযান গ্রন্থে আছে, ইবনে আদী বলেছেন: এই সবকিছুর পরেও তিনি আমার কাছে সত্যবাদী লোকদের অন্তর্ভুক্ত। সমাপ্ত।

(২) আশুরার দিনে; আল-মিযযী এবং তার অনুসারীরা এমনটি বলেছেন। আল-কিলাবাযী গ্রন্থে এসেছে দুইশত দুই হিজরী এবং তিনি স্বহস্তে এটি সংশোধন করেছেন, যা আশ্চর্যজনক; তবে সংশোধনী সহকারে দুইশত একষট্টি হিজরী হওয়াই অধিক যুক্তিযুক্ত। আল-লালকাঈ দৃঢ়ভাবে বলেছেন যে এটি দুইশত ষাট হিজরী। সমাপ্ত। মুলাক্কিন।

(৩) আর বলা হয় আন-নামারী, দুই ফাতহা সহ। সমাপ্ত।

(৪) আর মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আল-আযদি বলেছেন: তিনি পরিত্যক্ত (মাতরুক)। সমাপ্ত। মিযান।

(৫) আব্দুল্লাহ বিন আহমদ এবং ইবনে আব্দুস। সমাপ্ত।

(৬) এর পূর্ণরূপ হলো: ফলে আমার রায়ের (ব্যক্তিগত অভিমত) বা রায়পন্থীদের প্রতি মুখাপেক্ষী হওয়ার প্রয়োজন হয়নি। সমাপ্ত। মুলাক্কিন।

(৭) ইবনে হিব্বানের 'আস-সিকাত' গ্রন্থে আছে: তার থেকে ইয়াযীদ বিন আব্দু রাব্বিহি আল-জুরজুসী বর্ণনা করেছেন, তিনি পরিচিত। সম্ভবত ইনিই তিনি, যার থেকে (দ) একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং তা হলো প্রস্রাব চেপে রেখে নামায পড়তে নিষেধ করা সংক্রান্ত, যতক্ষণ না সে হালকা হয়। সমাপ্ত। কান।

(৮) আর তিনি বলেছেন নির্ভরযোগ্য। আবু সাঈদ ইবনে ইউনুস বলেছেন, ইবনে খালাফ বলেছেন: তিনি মুখস্থ রাখতে পারতেন না। সমাপ্ত। তাহযীব।

(৯) আল-কাল্লুরী, কাফ এবং লাম-এ ফাতহা এবং ওয়াও-তে তাশদীদ সহ, শেষে রা। এটি উমর বিন ইবরাহীম বিন কাল্লুরীর দাদার নাম 'কাল্লুরা' এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত, যিনি বালাদুল হাতাব-এর অধিবাসী ছিলেন। সমাপ্ত। ইবনে সামআনীর আনসাব থেকে।

(১০) তিনি হলেন এখানে উল্লিখিত আহমদ বিন আমর আল-উসফুরী। গ্রন্থকার অচিরেই উপনামের জীবনীসমূহে তার কথা নিয়ে আসবেন। সম্ভবত তিনি তার মূল উৎসের অনুকরণে তাহযীব-এর ইবারতটি নকল করেছেন, যেখানে উপনামের অধ্যায়ে জীবনী দেওয়া হয়েছে। ইবনুল মুলাক্কিনও এই ইবারতে তাকে অনুসরণ করেছেন, কিন্তু তিনি উপনামের অধ্যায়ে জীবনী উল্লেখ করে বলেছেন: আবু আল-আব্বাস আল-কাল্লুরী, কাফ এবং লাম-এ ফাতহা সহ যেমনটি ইবনে সামআনী ও অন্যরা নির্ধারণ করেছেন, আল-উসফুরী আল-বাসরী। ইবনুল মুহানদিসের হস্তলিপিতে এটি কাসরা সহ পাওয়া গেছে। আলী বিন আল-মাদীনী বলেছেন: তার নাম মুহাম্মদ বিন উমর বিন আল-আব্বাস। আবার বলা হয়েছে উমর, আবার বলা হয়েছে আমর বিন আল-আব্বাস, আবার বলা হয়েছে আহমদ বিন আমর বিন উবাইদাহ। আন-নীল গ্রন্থে বলা হয়েছে: এটিই সবচেয়ে সঠিক। আমি (গ্রন্থকার) বলছি: অধিকাংশ ইমাম তাকে এই নামেই ডেকেছেন। আবার বলা হয়েছে আব্দুল। তিনি খুযাআ গোত্রের পাড়ায় বসবাস করতেন। তিনি ইয়াকুব বিন ইসহাক আল-হাদরামী থেকে বর্ণনা করেছেন এবং অনেক সংগ্রহ করেছেন। তার থেকে (দ) বর্ণনা করেছেন এবং কোনো কোনো বর্ণনায় তার নাম মুহাম্মদ বলেছেন, আবার কোনোটিতে নাম উল্লেখ না করে কেবল উপনাম উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও ইবনে সায়িদ, আবু আরূবাহ, আল-বাযযার এবং এক জামাত তার থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি দুইশত তিপ্পান্ন হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। তার হাদীসটি (দ)-এর নিকট রয়েছে: "আল্লাহর চেহারার অসীলায় জান্নাত ব্যতীত অন্য কিছু চাওয়া যাবে না।" আয-যাইনী এবং ইবনে শাহীন বলেছেন: ইয়াকুব বিন ইসহাক আল-হাদরামী এটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং আল-কাল্লুরী ব্যতীত অন্য কেউ এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই, আর এটি একটি গরীব (অল্প সংখ্যক সূত্রে বর্ণিত) হাদীস। ইবনুল মুলাক্কিনের বক্তব্য এখানেই সমাপ্ত।

(১১) আন-নুবল গ্রন্থে তিনি এমনটি বলেছেন। ইবনুল মুলাক্কিন বলেছেন: আত-তুস্তারি নামে পরিচিত, কারণ তিনি সেখানে ব্যবসা করতেন, তাই তিনি এই নামে পরিচিতি লাভ করেন। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ١١)
عَن الْمفضل بن فضَالة وَابْن وهب وأزهر السمان وَعنهُ (خَ م س ق) قَالَ النَّسَائِيّ لَيْسَ بِهِ بَأْس قَالَ الذَّهَبِيّ وَلم أجد لَهُ حَدِيثا مُنْكرا وَقَالَ الْخَطِيب لم أر لمن تكلم فِيهِ حجَّة توجب ترك الِاحْتِجَاج بحَديثه (1) مَاتَ سنة ثَلَاث وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ (2) بسر من رأى قَالَه ابْن قَانِع

(د) أَحْمد ابْن الْفُرَات بن خَالِد الضَّبِّيّ أَبُو مَسْعُود الرَّازِيّ الْحَافِظ أحد الْأَعْلَام نزل أَصْبَهَان عَن حُسَيْن الْجعْفِيّ وَعبد الله بن نمير وَيزِيد بن هَارُون وَعبد الرَّزَّاق وَخلق وَعنهُ (د) قَالَ كتبت ألف ألف وَخَمْسمِائة ألف (3) قَالَ أَبُو الشَّيْخ كَانَ (4) من الْحفاظ الْكِبَار قَالَ ابْن عدي لم أجد لَهُ رِوَايَة مُنكرَة مَاتَ (5) سنة ثَمَان وَخمسين وَمِائَتَيْنِ (6)

(س) أَحْمد بن فضَالة النَّسَائِيّ أَبُو الْمُنْذر أَخُو عبيد الله عَن عبد الرَّزَّاق وَأبي عَاصِم وَعبيد الله بن مُوسَى وَعنهُ (س) وَقَالَ لَا بَأْس بِهِ قَالَ ابْن عَسَاكِر مَاتَ سنة سبع وَخمسين وَمِائَتَيْنِ (7)

(د) أَحْمد بن مُحَمَّد بن إِبْرَاهِيم الأبلي بِضَم الْهمزَة وَالْمُوَحَّدَة أَبُو بكر الْعَطَّار عَن شَيبَان قَالَ (ج) وجدت عَن شَيبَان وَلم أسمع مِنْهُ فَحَدَّثنَاهُ أَبُو بكر صَاحب (8) لنا ثِقَة عَنهُ قَالَ ابْن داسة هُوَ أَحْمد بن مُحَمَّد هَذَا مَاتَ سنة ثَمَان وَسبعين وَمِائَتَيْنِ

(تَمْيِيز) أَحْمد بن مُحَمَّد الْمروزِي ابْن بنت مُحَمَّد بن حَاتِم السمين نزيل بَغْدَاد ثِقَة نبيل (9)

(د) أَحْمد ابْن مُحَمَّد بن أَحْمد بن مُحَمَّد بن أبي خلف الْبَغْدَادِيّ عَن ابْن عُيَيْنَة وَغَيره وَعنهُ (د) فِي رِوَايَة ابْن الْأَعرَابِي وَابْن داسة حَدِيث لَا تضربوا إِمَاء الله وَحده فَقَط قَالَ مطين مَاتَ سنة ثَلَاث وَثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

(د) أَحْمد بن مُحَمَّد بن أَيُّوب الْبَغْدَادِيّ أَبُو جَعْفَر النَّاسِخ (10) صَاحب الْمَغَازِي حدث عَن إِبْرَاهِيم بن سعد وَأبي بكر بن عَيَّاش بمناكير وَعنهُ (د) فَرد حَدِيث فِي أَذَان بِلَال وَثَّقَهُ الْحَرْبِيّ وَتكلم فِيهِ (11) أَحْمد وَابْن معِين قَالَ السراج مَاتَ سنة ثَمَان وَعشْرين وَمِائَتَيْنِ

(د) أَحْمد ابْن مُحَمَّد بن ثَابت الْخُزَاعِيّ أَبُو الْحسن بن شبويه بِفَتْح الْمُعْجَمَة وَضم الْمُوَحدَة الْمروزِي عَن ابْن عُيَيْنَة وَالنضْر بن شُمَيْل وَعبد الرَّزَّاق ووكيع وَعنهُ (د) وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَكَانَ مُجَاهدًا قَالَ مطين مَاتَ (12) سنة ثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ عَن سِتِّينَ سنة روى (خَ) فِي الْوضُوء وتقصير الصَّلَاة وَالْأَضَاحِي وَالْجهَاد عَن أَحْمد بن مُحَمَّد بن عبد الله بن الْمُبَارك قَالَ الدَّارَقُطْنِيّ هُوَ ابْن شبويه وَقَالَ الكلاباذي إِنَّه أَحْمد بن مُحَمَّد بن مُوسَى مرْدَوَيْه (13) وَرجحه الْمروزِي

(س) أَحْمد بن مُحَمَّد بن جَعْفَر الطرسوسي عَن عَاصِم بن النَّضر وَعنهُ (س) قَالَ ابْن عَسَاكِر هُوَ مُحَمَّد بن أَحْمد بن جَعْفَر الوكيعي فقد ذكره النَّسَائِيّ فِي شُيُوخه

(خَ م د) أَحْمد بن مُحَمَّد بن حَنْبَل الشَّيْبَانِيّ أَبُو عبد الله الْمروزِي (14) ثمَّ الْبَغْدَادِيّ الْفَقِيه الْعلم الْحَافِظ الْحجَّة ولد سنة أَربع وَسِتِّينَ وَمِائَة عَن هشيم وَإِبْرَاهِيم بن هَامِش

(1) وَقَالَ أَبُو دَاوُد سَمِعت يحيى بن معِين يحلف بِاللَّه الَّذِي لَا إِلَه إِلَّا هُوَ أَنه كَذَّاب وَقَالَ أَبُو زرْعَة عبيد الله بن عبد الْكَرِيم الْفَزارِيّ رَأَيْت أهل مصر يَشكونَ فِي أَن أَحْمد بن عِيسَى وَأَشَارَ إِلَى لِسَانه كَانَ يَقُول الْكَذِب اه

(2) وَقَالَ الكلاباذي بِبَغْدَاد يروي عَنهُ (خَ) فِي غَزْوَة حنين وَغَيره مَوضِع اه ملقن

(3) فَأخذت من ذَلِك ثلثمِائة ألف فِي التَّفْسِير وَالْأَحْكَام والفوائد وَغَيرهَا اه تَهْذِيب وَترْجم لَهُ الذَّهَبِيّ فِي الْمِيزَان فَقَالَ ذكره ابْن عدي فأساء فَإِنَّهُ مَا أبدى شَيْئا غير أَن ابْن عقدَة روى عَن ابْن خرَاش وَفِيهِمَا رفض وبدعة قَالَ أَن ابْن الْفُرَات يكذب عمدا وَقَالَ ابْن عدي لَا أعرف لَهُ رِوَايَة مُنكرَة قلت فَبَطل قَول ابْن خرَاش اه

(4) وصنف الْمسند والكتب قَالَ أَحْمد مَا تَحت أَدِيم السَّمَاء أحفظ مِنْهُ

(5) بأصبهان اه قن

(6) (أَحْمد) بن الْقرح أَبُو عتبَة الْحِمصِي عَن بَقِيَّة وَعنهُ النَّسَائِيّ فِي الكنى وَأطلق ابْن عَسَاكِر فِي تَارِيخه والصيرفي فِي كِتَابه أَن النَّسَائِيّ روى عَنهُ اه قن قَالَ فِي الْمِيزَان ضعفه مُحَمَّد بن عَوْف الطَّائِي وَقَالَ ابْن عدي لَا يحْتَج بِهِ قلت هُوَ وسط وَقَالَ ابْن أبي حَاتِم مَحَله الصدْق مَاتَ سنة نَيف وَسبعين بحمص اه

(7) أَحْمد بن الْمثنى هُوَ أَحْمد بن عَليّ بن الْمثنى أَبُو عَليّ الْموصِلِي قَالَ الْمزي روى عَنهُ فِي الكنى وَلم نجده فِي نُسْخَة الْمزي اه

(8) عبارَة التَّهْذِيب قَالَ (د) فِي حَدِيث شَيبَان بن فروخ عَن مُحَمَّد بن رَاشد المكحولي عَن سُلَيْمَان بن مُوسَى عَن عَمْرو بن شُعَيْب عَن أَبِيه عَن جده كَانَ النَّبِي يقوم دم الخطا على أهل الْقرى الحَدِيث وجدت فِي كتابي عَن شَيبَان وَلم أسمعهُ مِنْهُ فَحَدَّثنَاهُ أَبُو بكر صَاحب الخ اه

(9) مَاتَ بِبَغْدَاد سنة 282 اه قن

(10) قَالَ الْمزي كَانَ يورق للفضل بن يحيى الْبَرْمَكِي اه

(11) لم نجد فِي التَّهْذِيب وَالْمِيزَان مَا يشْعر أَن أَحْمد تكلم فِيهِ بل أثنى عَلَيْهِ وَقَالَ مرّة يسئل عَنهُ فَإِن كَانَ لَا بَأْس بِهِ حمل عَنهُ وَإِنَّمَا تكلم فِيهِ يحيى وَيَعْقُوب بن أبي شيبَة فَأطَال كَمَا يُرَاجع من التَّهْذِيب وَقَالَ إِبْرَاهِيم الْحَرْبِيّ كَانَ وراقا للفضل ثِقَة لَو قيل لَهُ اكذب مَا أحسن أَن يكذب اه

(12) بطرسوس وَقيل بالنيل اه قن

(13) هُوَ السمسار فَأَيّهمَا كَانَ فَهُوَ ثِقَة اه قن

(14) خرج من مرو حملا ثمَّ ولد بِبَغْدَاد اه قن
মুফাদদাল ইবনে ফাদালা, ইবনে ওয়াহাব এবং আজহার আস-সাম্মান থেকে বর্ণিত। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (খ, ম, স, ক)। নাসায়ী বলেছেন: তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। যাহাবি বলেছেন: আমি তাঁর কোনো প্রত্যাখ্যাত (মুনকার) হাদিস পাইনি। খতিব বলেছেন: তাঁর সমালোচনা করেছেন এমন কারো কাছে আমি এমন কোনো প্রমাণ দেখিনি যা তাঁর হাদিসকে দলিল হিসেবে গ্রহণ করা বর্জন করাকে আবশ্যক করে। (১) তিনি ২৪৩ হিজরি সনে (২) 'সুররা মান রাআ' নামক স্থানে ইন্তেকাল করেন; ইবনে কানি' এ কথা বলেছেন।

(দ) আহমদ ইবনুল ফুরাত ইবনে খালিদ আদ-দাব্বি আবু মাসউদ আর-রাজি আল-হাফিজ। অন্যতম প্রধান ইমাম। আসফাহানে বসতি স্থাপন করেছিলেন। হুসাইন আল-জু'ফি, আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর, ইয়াজিদ ইবনে হারুন, আব্দুর রাজ্জাক এবং এক বিশাল দল থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (দ) বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন: আমি পনেরো লক্ষ (৩) হাদিস লিখেছি। আবুশ শায়খ বলেছেন: তিনি (৪) বড় হাফেজদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। ইবনে আদি বলেছেন: আমি তাঁর কোনো প্রত্যাখ্যাত বর্ণনা পাইনি। তিনি (৫) ২৫৮ হিজরি সনে (৬) ইন্তেকাল করেন।

(স) আহমদ ইবনে ফাদালা আন-নাসায়ী আবু আল-মুনজির, উবাইদুল্লাহর ভাই। আব্দুর রাজ্জাক, আবু আসিম ও উবাইদুল্লাহ ইবনে মুসা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (স) বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। ইবনে আসাকির বলেছেন: তিনি ২৫৭ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন। (৭)

(দ) আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আল-উবুল্লি (হামজা ও বা বর্ণে পেশযুক্ত) আবু বকর আল-আত্তার। শায়বান থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি (জ) বলেছেন: আমি শায়বানের পাণ্ডুলিপিতে পেয়েছি কিন্তু তাঁর থেকে সরাসরি শুনিনি; তবে আমাদের একজন বিশ্বস্ত বন্ধু আবু বকর আমাদের কাছে তাঁর পক্ষ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন (৮)। ইবনে দাসা বলেন: তিনি এই আহমদ ইবনে মুহাম্মদ। তিনি ২৭৮ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন।

(পার্থক্যকারী) আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-মারওয়াজি, মুহাম্মদ ইবনে হাতিম আস-সাম্মানের নাতি। বাগদাদে বসবাসকারী, বিশ্বস্ত ও মর্যাদাশীল। (৯)

(দ) আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি খালাফ আল-বাগদাদি। ইবনে উয়াইনা ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (দ) ইবনে আল-আরাবি ও ইবনে দাসা বর্ণিত একটি মাত্র হাদিস বর্ণনা করেছেন: "তোমরা আল্লাহর দাসীদের প্রহার করো না।" মুতাইন বলেছেন: তিনি ২৩৩ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন।

(দ) আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আইয়ুব আল-বাগদাদি আবু জাফর আন-নাসিখ (১০), 'মাগাজি' গ্রন্থের রচয়িতা। ইব্রাহিম ইবনে সা'দ ও আবু বকর ইবনে আইয়াশ থেকে কিছু প্রত্যাখ্যাত বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (দ) বেলাল (রা.)-এর আজান সংক্রান্ত একটি একক হাদিস বর্ণনা করেছেন। হারবি তাঁকে বিশ্বস্ত বলেছেন, তবে আহমদ ও ইবনে মাঈন তাঁর সমালোচনা করেছেন। (১১) সাররাজ বলেছেন: তিনি ২২৮ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন।

(দ) আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাবিত আল-খুজায়ি আবুল হাসান ইবনে শাবওয়াইহি (শিন বর্ণে জবর ও বা বর্ণে পেশযুক্ত), আল-মারওয়াজি। ইবনে উয়াইনা, নাদর ইবনে শুমাইল, আব্দুর রাজ্জাক ও ওয়াকি' থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (দ) বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী তাঁকে বিশ্বস্ত বলেছেন এবং তিনি মুজাহিদ ছিলেন। মুতাইন বলেছেন: তিনি (১২) ২৩০ হিজরি সনে ষাট বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। (খ) তে অজু, নামাজ সংক্ষেপ করা, কোরবানি ও জিহাদ অধ্যায়ে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক থেকে বর্ণনা করেছেন। দারা কুতনি বলেছেন: তিনি ইবনে শাবওয়াইহি। কিলাবাদি বলেছেন: তিনি আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুসা মারদুওয়াইহি (১৩)। আর মারওয়াজি একেই প্রধান্য দিয়েছেন।

(স) আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর আত-তারসুসি। আসিম ইবনে নাদর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (স) বর্ণনা করেছেন। ইবনে আসাকির বলেছেন: তিনি মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে জাফর আল-ওয়াকি'য়ি; নাসায়ী তাঁর উস্তাদদের মধ্যে তাঁকে উল্লেখ করেছেন।

(খ, ম, দ) আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাম্বল আশ-শায়বানি আবু আব্দুল্লাহ আল-মারওয়াজি (১৪), অতঃপর আল-বাগদাদি। ফকিহ, ইমাম, হাফেজ এবং দলিলস্বরূপ। তিনি ১৬৪ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন। হুশাইম ও ইব্রাহিম ইবনে হামিশ থেকে বর্ণনা করেছেন...

(১) আবু দাউদ বলেছেন: আমি ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনকে আল্লাহর কসম করে বলতে শুনেছি—যিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই—যে তিনি (আহমদ ইবনে ঈসা) একজন চরম মিথ্যাবাদী। আবু যুরআ উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল কারিম আল-ফাজারি বলেছেন: আমি মিশরের অধিবাসীদের দেখেছি তারা আহমদ ইবনে ঈসা সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করত এবং তিনি নিজের জিহ্বার দিকে ইঙ্গিত করে বলতেন যে সে মিথ্যা বলত। ইতি।

(২) কিলাবাদি বলেছেন: বাগদাদে। তাঁর থেকে (খ) হুনাইন যুদ্ধ ও অন্যান্য স্থানে বর্ণনা করেছেন। ইতি মুলক্কিন।

(৩) সেখান থেকে আমি তিন লক্ষ হাদিস তাফসির, আহকাম (বিধান), ফাওয়ায়েদ ও অন্যান্য বিষয়ে গ্রহণ করেছি। ইতি তাহজিব। যাহাবি আল-মিজানে তাঁর জীবনীতে বলেছেন: ইবনে আদি তাঁকে উল্লেখ করেছেন এবং অন্যায় করেছেন, কারণ তিনি এমন কিছু প্রকাশ করেননি যা আপত্তিজনক, শুধু ইবনে উকদা ইবনে খিরাস থেকে বর্ণনা করেছেন—আর তাঁদের উভয়ের মধ্যেই শিয়া মতবাদ ও বিদআত ছিল। তিনি দাবি করেছেন যে ইবনে ফুরাত জেনেশুনে মিথ্যা বলতেন। ইবনে আদি বলেছেন: আমি তাঁর কোনো প্রত্যাখ্যাত বর্ণনা জানি না। আমি (যাহাবি) বলি: ইবনে খিরাসের কথা বাতিল হয়ে গেল। ইতি।

(৪) তিনি মুসনাদ ও অন্যান্য কিতাব সংকলন করেছেন। আহমদ বলেছেন: আসমানের নিচে তাঁর চেয়ে বড় হাফেজ আর কেউ নেই।

(৫) আসফাহানে। ইতি কুন।

(৬) (আহমদ) ইবনুল কারাহ আবু উতবা আল-হিমসি। বাকিয়্যাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে নাসায়ী 'আল-কুনা' গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। ইবনে আসাকির তাঁর ইতিহাসে এবং সাইরাফি তাঁর কিতাবে সাধারণভাবে উল্লেখ করেছেন যে নাসায়ী তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। ইতি কুন। 'মিজান' গ্রন্থে বলা হয়েছে: মুহাম্মদ ইবনে আউফ আত-তায়ি তাঁকে দুর্বল বলেছেন। ইবনে আদি বলেছেন: তাঁকে দলিল হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না। আমি (যাহাবি) বলি: তিনি মাঝারি মানের। ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: তিনি সত্যবাদী। তিনি ১৭০ ও কিছু বছর পরে হিমসে ইন্তেকাল করেন। ইতি।

(৭) আহমদ ইবনুল মুসান্না। তিনি হলেন আহমদ ইবনে আলী ইবনুল মুসান্না আবু আলী আল-মাওসিলি। মিজ্জি বলেছেন: তিনি 'আল-কুনা' গ্রন্থে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে আমরা মিজ্জির কপিতে তা পাইনি। ইতি।

(৮) তাহজিবের ভাষ্য: শায়বান ইবনে ফাররুখ-এর হাদিসে (দ) বলেছেন, মুহাম্মদ ইবনে রাশিদ আল-মাকহুলি থেকে, তিনি সুলাইমান ইবনে মুসা থেকে, তিনি আমর ইবনে শুআইব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে নবী (সা.) গ্রামবাসীর ওপর অনিচ্ছাকৃত হত্যার রক্তপণ নির্ধারণ করেছিলেন... (হাদিস)। আমি আমার কিতাবে শায়বানের সূত্রে এটি পেয়েছি কিন্তু তাঁর থেকে শুনিনি, অতঃপর আমাদের বন্ধু আবু বকর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন...। ইতি।

(৯) তিনি বাগদাদে ২৮২ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন। ইতি কুন।

(১০) মিজ্জি বলেছেন: তিনি ফাদল ইবনে ইয়াহইয়া আল-বারমাকির অনুলিপিকারক ছিলেন। ইতি।

(১১) তাহজিব ও মিজানে আমরা এমন কিছু পাইনি যা নির্দেশ করে যে ইমাম আহমদ তাঁর সমালোচনা করেছেন, বরং তিনি তাঁর প্রশংসা করেছেন। একবার তাঁকে তাঁর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেছিলেন, যদি কোনো সমস্যা না থাকে তবে তাঁর থেকে বর্ণনা গ্রহণ করা হবে। মূলত ইয়াহইয়া ও ইয়াকুব ইবনে আবি শায়বা তাঁর সমালোচনা করেছেন এবং দীর্ঘ আলোচনা করেছেন যা তাহজিব থেকে দেখা যেতে পারে। ইব্রাহিম আল-হারবি বলেছেন: তিনি ফাদলের অনুলিপিকারক ছিলেন এবং বিশ্বস্ত ছিলেন; যদি তাঁকে মিথ্যা বলতে বলা হতো তবে তিনি জানতেন না কীভাবে মিথ্যা বলতে হয়। ইতি।

(১২) তারসুসে, মতান্তরে নাইলে। ইতি কুন।

(১৩) তিনি ছিলেন দালালি বা ব্যবসা সংশ্লিষ্ট। তাদের মধ্যে যিনিই হোন না কেন, তিনি বিশ্বস্ত। ইতি কুন।

(১৪) তিনি গর্ভস্থ অবস্থায় মারভ থেকে বের হন এবং বাগদাদে জন্মগ্রহণ করেন। ইতি কুন।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ١٢)
سعد وَجَرِير وَعَمْرو بن عبيد وَيحيى بن أبي زَائِدَة وَعبد الرَّزَّاق وَابْن علية والوليد بن مُسلم ووكيع وَابْن مهْدي وَالْقطَّان وَابْن عُيَيْنَة وغندور وَعَفَّان وخلائق وَعنهُ (خَ م د) (1) وَالشَّافِعِيّ وَابْن مهْدي وَالْأسود بن عَامر وَيزِيد بن عَامر من شُيُوخه وَابْن معِين وَابْن الْمَدِينِيّ والكوسج والأثرم وَأَبُو زرْعَة وَخلق آخِرهم موتا أَبُو الْقَاسِم الْبَغَوِيّ قَالَ الشَّافِعِي خرجت من بَغْدَاد وَمَا خلفت بهَا أفقه وَلَا أورع وَلَا أزهد من أَحْمد بن حَنْبَل وَقد أفردت تَرْجَمته بالتصنيف وَقيل إِنَّه كَانَ يحفظ ألف ألف حَدِيث توفّي (2) سنة إِحْدَى وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ رَحمَه الله تَعَالَى وَرَضي عَنهُ

(س) أَحْمد بن مُحَمَّد ابْن عبيد الله بن أبي رَجَاء الثغري بمثلثة بعْدهَا مُعْجمَة سَاكِنة أَبُو جَعْفَر الطرسوسي المصِّيصِي النجار بِالْجِيم عَن شُعَيْب بن حَرْب وحجاج الْأَعْوَر وَعنهُ (س) وَقَالَ لَا بَأْس بِهِ

(قد) أَحْمد بن مُحَمَّد بن الْمُعَلَّى الْآدَمِيّ أَبُو بكر الْبَصْرِيّ عَن أبي نعيم وعارم وَأبي حُذَيْفَة النَّهْدِيّ وَعنهُ (قد) (3)

(س) أَحْمد بن مُحَمَّد بن الْمُغيرَة بن سِنَان بنونين وَقيل سيار بتحتانية وَآخره رَاء العوهي بِفَتْح الْعين وَسُكُون الْوَاو بعْدهَا هَاء الْأَزْدِيّ أَبُو حميد الْحِمصِي عَن أبي الْمُغيرَة والمعافي الطهوي وَعُثْمَان بن سعيد بن كثير وَعنهُ (س) وَابْن أبي حَاتِم وَقَالَ ثِقَة مَاتَ سنة أَربع وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ

(خَ ت س) أَحْمد بن مُحَمَّد بن مُوسَى الْمروزِي أَبُو الْعَبَّاس السمسار مرْدَوَيْه الْحَافِظ عَن ابْن الْمُبَارك وَجَرِير بن عبد الحميد وَإِسْحَاق الْأَزْرَق وَعنهُ (خَ ت س) وَقَالَ لَا بَأْس بِهِ مَاتَ سنة خمس وَثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

(ق) أَحْمد ابْن مُحَمَّد بن نيزك بِكَسْر النُّون وَفتح الزَّاي بعد التَّحْتَانِيَّة الساكنة الْبَغْدَادِيّ أَبُو جَعْفَر الطوسي عَن أبي أُسَامَة وروح بن عبَادَة وَالْأسود بن عَامر وَعنهُ (ق) قَالَ ابْن عقدَة فِي أمره نظر قَالَ الْخَطِيب مَاتَ سنة ثَمَان وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ

(تَمْيِيز) أَحْمد بن مُحَمَّد بن نيزك الهمذاني بِمُعْجَمَة أَبُو الْعَبَّاس القومسي (4) توفّي سنة خمس وَسبعين وَمِائَتَيْنِ

(س) أَحْمد بن مُحَمَّد بن هانىء الطَّائِي أَو الْكَلْبِيّ أَبُو بكر الْأَثْرَم الْخُرَاسَانِي الْبَغْدَادِيّ الإسكاف الْفَقِيه الْحَافِظ أحد الْأَعْلَام وَصَاحب السّنَن عَن أَحْمد ابْن حَنْبَل وَأبي نعيم وَعَفَّان والقعنبي وَخلق وَعنهُ (س) قَالَ ابْن حبَان فِي الثِّقَات كَانَ من خِيَار عباد الله مَاتَ بعد السّبْعين وَمِائَتَيْنِ قَالَه ابْن قَانِع

(خَ) أَحْمد بن مُحَمَّد بن الْوَلِيد بن عقبَة ابْن الْأَزْرَق بن عَمْرو بن الْحَرْث الْأَزْرَقِيّ أَبُو الْوَلِيد أَو أَبُو مُحَمَّد الْمَكِّيّ عَن مَالك وَإِبْرَاهِيم بن سعد وَدَاوُد الْعَطَّار وفضيل بن عِيَاض وَعنهُ (خَ) (5) وَثَّقَهُ أَبُو حَاتِم توفّي سنة سبع عشرَة (6) وَقيل سنة اثْنَتَيْنِ وَعشْرين وَمِائَتَيْنِ

(تَمْيِيز) أَحْمد بن مُحَمَّد بن عون الْمَكِّيّ أَبُو الْحسن القواس النبال الْمقري توفّي سنة خمس وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ قد خلطه بَعضهم بِالَّذِي قبله فَوَهم

(ق) أَحْمد بن مُحَمَّد بن يحيى بن سعيد الْقطَّان أَبُو سعيد الْبَصْرِيّ عَن جده وَابْن نمير وَابْن مهْدي وَعنهُ (ق) وَابْن أبي حَاتِم وَقَالَ كَانَ صَدُوقًا قَالَ ابْن مخلد مَاتَ سنة ثَمَان وَخمسين وَمِائَتَيْنِ

(خَ) أَحْمد بن مُحَمَّد عَن ابْن الْمُبَارك تقدم الْكَلَام عَلَيْهِ

(س) أَحْمد بن مصرف بن عَمْرو الْيَاء بتحتانية الْكُوفِي عَن أبي أُسَامَة وَزيد بن الْحباب وَمُحَمّد بن بشر الْعَبْدي وَعنهُ (س) قَالَ ابْن حبَان مُسْتَقِيم الحَدِيث

(س) أَحْمد بن الْمُعَلَّى بن يزِيد الْأَسدي أَبُو بكر الدِّمَشْقِي قاضيها نِيَابَة عَن أبي زرْعَة روى عَنهُ وَعَن هِشَام بن عمار وَإِبْرَاهِيم بن الْعَلَاء وَعنهُ (س) مَاتَ (7) سنة سِتّ وَثَمَانِينَ وَمِائَتَيْنِ

(م د س) أَحْمد ابْن الْمفضل الْأمَوِي مولى عُثْمَان بن عَفَّان الْحَفرِي بِفَتْح الْمُهْملَة وَالْفَاء أَبُو عَليّ الْكُوفِي عَن الثَّوْريّ وأسباط بن نضر وَإِسْرَائِيل وَعنهُ أَبُو بكر وَعُثْمَان ابْنا أبي شيبَة وَأَبُو حَاتِم وَقَالَ كَانَ صَدُوقًا (8) هَامِش

(1) قد رمز لَهُ فِي التَّهْذِيب (ع) رمز الْجَمَاعَة وَكَذَلِكَ ذكره ابْن الملقن فَلْينْظر مَا وَجه اقْتِصَاره هُنَا على ثَلَاثَة وَأخرج لَهُ البُخَارِيّ فِي آخر الْمَغَازِي اه ملقن

(2) فِي ربيع الأول وَقيل فِي رَجَب عَن سبع وَسبعين سنة اه ملقن

(3) وَفِي النَّاسِخ وَالْقدر اه قن

(4) عَن مُسَدّد بن مسرهد وَغَيره وَعنهُ إِبْرَاهِيم بن حَمْدَوَيْه السَّمرقَنْدِي وَجَمَاعَة اه تَهْذِيب

(5) فِي الْوضُوء والجنائز وَغير ذَلِك اه ملقن

(6) وَقَالَ صَاحب النبل مَاتَ بعد سنة سبع وَمِائَتَيْنِ أَو فِيهَا وَعَن الْخَطِيب أَنه مَاتَ سنة ثَمَان وَأَرْبَعين اه

(7) قَالَ مُحَمَّد بن الْفَيْض وَزَاد فِي التَّهْذِيب فِي رَمَضَان اه

(8) وَقَالَ الْأَزْدِيّ مُنكر الحَدِيث اه ميزَان
সা’দ, জারীর, আমর ইবনে উবাইদ, ইয়াহইয়া ইবনে আবি যাইদাহ, আব্দুর রাজ্জাক, ইবনে উলাইয়াহ, ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম, ওয়াকী’, ইবনে মাহদী, আল-কাত্তান, ইবনে উইয়াইনাহ, গুন্দুর, আফফান এবং আরও বহু তিলক। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ) (১) এবং শাফিয়ী, ইবনে মাহদী, আসওয়াদ ইবনে আমের, ইয়াযীদ ইবনে আমের (যিনি তাঁর উস্তাদদের অন্তর্ভুক্ত), ইবনে মাইন, ইবনে আল-মাদিনী, আল-কূসাজ, আল-আছরাম, আবু যুরআ এবং এক বিশাল সৃষ্টি যার মধ্যে সর্বশেষ মৃত্যুবরণকারী হলেন আবু আল-কাসিম আল-বাগাভী। ইমাম শাফিয়ী বলেন, আমি বাগদাদ থেকে বের হয়েছি এমন অবস্থায় যে, সেখানে আহমদ ইবনে হাম্বলের চেয়ে বড় ফকীহ, বড় মুত্তাকী এবং বড় যাহিদ আর কাউকে রেখে আসিনি। তাঁর জীবনী স্বতন্ত্র কিতাবে সংকলিত হয়েছে। বলা হয়ে থাকে যে, তিনি দশ লক্ষ হাদীস মুখস্থ জানতেন। তিনি (২) দুইশত একচল্লিশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন এবং তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন।

(নাসায়ী) আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আবি রাজা আস-সাগরী, ছা-এর পর সাকিন যুক্ত শীন বর্ণ বিশিষ্ট, আবু জাফর আত-তারসূসী আল-মাসসীসী আন-নাজ্জার (জীম সহযোগে)। তিনি শুআইব ইবনে হারব ও হাজ্জাজ আল-আওয়ার থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইমাম নাসায়ী বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই।

(আবু দাউদ আল-কাদার) আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-মুআল্লা আল-আদামী আবু বকর আল-বাসরী। তিনি আবু নুআইম, আরিম ও আবু হুযাইফা আন-নাহদী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আবু দাউদ (৩) বর্ণনা করেছেন।

(নাসায়ী) আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-মুগীরা ইবনে সিনান (দুইটি নূন সহযোগে), মতান্তরে সাইয়্যার (ইয়া এবং শেষে রা), আল-আওহী (আইন বর্ণে ফাতহা ও ওয়াও বর্ণে সাকিন এবং এরপর হা যুক্ত), আল-আযদী আবু হুমাইদ আল-হিমসী। তিনি আবু আল-মুগীরা, আল-মুআফী আত-তাহবী এবং উসমান ইবনে সাঈদ ইবনে কাসীর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইমাম নাসায়ী ও ইবনে আবি হাতিম বর্ণনা করেছেন এবং তিনি (ইবনে আবি হাতিম) বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ)। তিনি দুইশত চৌষট্টি হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(বুখারী, তিরমিযী, নাসায়ী) আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল-মারওয়াযী আবু আল-আব্বাস আস-সিমসার মারদাওয়াইহ আল-হাফিয। তিনি ইবনে আল-মুবারক, জারীর ইবনে আব্দুল হামীদ এবং ইসহাক আল-আযরাক থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বুখারী, তিরমিযী ও নাসায়ী বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম নাসায়ী বলেছেন: তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। তিনি দুইশত পঁয়ত্রিশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(ইবনে মাজাহ) আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাইযাক (নূন বর্ণে কাসরা ও ইয়া-এর পর যায় বর্ণে ফাতহা), আল-বাগদাদী আবু জাফর আত-তূসী। তিনি আবু উসামাহ, রাওহ ইবনে উবাদাহ ও আসওয়াদ ইবনে আমের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন। ইবনে উকদাহ তাঁর ব্যাপারে বলেছেন: তাঁর বিষয়ে পর্যবেক্ষণ রয়েছে। আল-খতীব বলেন, তিনি দুইশত আটচল্লিশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(পার্থক্যকারী) আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাইযাক আল-হামাদানী (যাল বর্ণ যোগে) আবু আল-আব্বাস আল-কূমাসী (৪)। তিনি দুইশত পঁচাত্তর হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(নাসায়ী) আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হানী আত-তাঈ অথবা আল-কালবী আবু বকর আল-আছরাম আল-খুরাসানী আল-বাগদাদী আল-ইস্কাফ আল-ফকীহ আল-হাফিয। তিনি অন্যতম ইমাম এবং আস-সুনান গ্রন্থের রচয়িতা। তিনি আহমদ ইবনে হাম্বল, আবু নুআইম, আফফান ও আল-কানাবী এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইমাম নাসায়ী বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান ‘আত-সিকাত’ গ্রন্থে বলেছেন: তিনি আল্লাহর উত্তম বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। ইবনে কানি’র মতে তিনি দুইশত সত্তর হিজরীর পর মৃত্যুবরণ করেন।

(বুখারী) আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-ওয়ালীদ ইবনে উকবাহ ইবনে আল-আযরাক ইবনে আমর ইবনে আল-হারিস আল-আযরাকী আবু আল-ওয়ালীদ অথবা আবু মুহাম্মদ আল-মাক্কী। তিনি মালিক, ইব্রাহিম ইবনে সা’দ, দাউদ আল-আত্তার ও ফুদাইল ইবনে ইয়াদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইমাম বুখারী (৫) বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি দুইশত সতের হিজরীতে (৬), মতান্তরে দুইশত বাইশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(পার্থক্যকারী) আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আউন আল-মাক্কী আবু আল-হাসান আল-কাওয়াস আন-নাব্বাল আল-মুকরী। তিনি দুইশত পঁয়তাল্লিশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। কেউ কেউ তাঁকে তাঁর পূর্ববর্তী ব্যক্তির সাথে মিলিয়ে ফেলেছেন, যা একটি ভুল ধারণা।

(ইবনে মাজাহ) আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান আবু সাঈদ আল-বাসরী। তিনি তাঁর দাদা, ইবনে নুমাইর ও ইবনে মাহদী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইবনে মাজাহ ও ইবনে আবি হাতিম বর্ণনা করেছেন এবং তিনি (ইবনে আবি হাতিম) বলেছেন: তিনি সত্যবাদী (সাদূক) ছিলেন। ইবনে মাখলাদ বলেন, তিনি দুইশত আটান্ন হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(বুখারী) আহমদ ইবনে মুহাম্মদ, ইবনে আল-মুবারক থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁর আলোচনা ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।

(নাসায়ী) আহমদ ইবনে মুসাররিফ ইবনে আমর আল-ইয়ামী (নিচে দুই নুক্তা বিশিষ্ট ইয়া যোগে), আল-কূফী। তিনি আবু উসামাহ, যায়িদ ইবনে আল-হুবাব ও মুহাম্মদ ইবনে বিশর আল-আবদী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইমাম নাসায়ী বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান বলেন: তাঁর হাদীস সঠিক ও সুসংগত।

(নাসায়ী) আহমদ ইবনে আল-মুআল্লা ইবনে ইয়াযীদ আল-আসাদী আবু বকর আদ-দিমাশকী। তিনি আবু যুরআর প্রতিনিধি হিসেবে সেখানকার বিচারক ছিলেন। তিনি তাঁর থেকে (আবু যুরআ), হিশাম ইবনে আম্মার ও ইব্রাহিম ইবনে আল-আলা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইমাম নাসায়ী বর্ণনা করেছেন। তিনি (৭) দুইশত ছিয়াশি হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ী) আহমদ ইবনে আল-মুফাদদাল আল-উমাবী, উসমান ইবনে আফফানের মুক্তদাস, আল-হাফারি (হা ও ফা বর্ণে ফাতহা যোগে), আবু আলী আল-কূফী। তিনি ছাওরী, আসবাত ইবনে নাসর ও ইসরাঈল থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আবু বকর ও উসমান (আবু শায়বাহর দুই পুত্র) এবং আবু হাতিম বর্ণনা করেছেন এবং তিনি (আবু হাতিম) বলেছেন: তিনি সত্যবাদী (সাদূক) ছিলেন (৮)। পার্শ্বটীকা:

(১) আত-তাহযীব গ্রন্থে তাঁর জন্য (আইন) প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছে যা জামাআতের (ষষ্ঠ ইমামের) প্রতীক। ইবনে আল-মুলাক্কিনও অনুরূপ উল্লেখ করেছেন। সুতরাং এখানে কেন মাত্র তিনজনের প্রতীকে সীমাবদ্ধ থাকা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ইমাম বুখারী তাঁর থেকে মাগাযী অধ্যায়ের শেষে বর্ণনা করেছেন। ইতি - মুলাক্কিন।

(২) রবিউল আউয়াল মাসে, মতান্তরে রজব মাসে সাতাত্তর বছর বয়সে। ইতি - মুলাক্কিন।

(৩) নাসিখ ও কাদার গ্রন্থে। ইতি - কুন।

(৪) তিনি মুসাদ্দাদ ইবনে মুসারহাদ ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইব্রাহিম ইবনে হামদাওয়াইহ আস-সামারকান্দী এবং একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। ইতি - তাহযীব।

(৫) ওযু, জানাযা ও অন্যান্য অধ্যায়ে। ইতি - মুলাক্কিন।

(৬) সানি’উন নুবলা-এর লেখক বলেন: তিনি দুইশত সাত হিজরীর পর অথবা সেই বছরই মৃত্যুবরণ করেন। আল-খতীব থেকে বর্ণিত যে, তিনি দুইশত আটচল্লিশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। ইতি।

(৭) মুহাম্মদ ইবনে আল-ফায়দ এটি বলেছেন, আর তাহযীব গ্রন্থে রমজান মাস যুক্ত করা হয়েছে। ইতি।

(৮) আল-আযদি বলেন: তিনি মুনকারুল হাদীস। ইতি - মীযান।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ١٣)
من الشِّيعَة توفّي سنة خمس عشرَة وَمِائَتَيْنِ

(خَ ت س ق) أَحْمد بن الْمِقْدَام بن سُلَيْمَان بن الْأَشْعَث الْعجلِيّ أَبُو الْأَشْعَث الْبَصْرِيّ الْحَافِظ عَن حَمَّاد بن زيد وَجزم الْقطيعِي وَيزِيد بن زُرَيْع وفضيل ابْن عِيَاض وَخلق وَعنهُ (خَ ت س ق) وَثَّقَهُ أَبُو حَاتِم وَصَالح بن مُحَمَّد وَطعن أَبُو دَاوُد (1) فِي مرويه مَاتَ سنة ثَلَاث وَخمسين وَمِائَتَيْنِ عَن بضع وَتِسْعين سنة

(م) أَحْمد بن الْمُنْذر بن جارود الْبَصْرِيّ أَبُو بكر الْقَزاز عَن ابْن أبي فديك وَزيد بن الْحباب وَعنهُ (م) صَحِيح الحَدِيث توفّي (2) سنة ثَلَاث وَمِائَتَيْنِ

(م) أَحْمد بن مَنْصُور ابْن أبي رَاشد الْحَنْظَلِي أَبُو صَالح الْمروزِي زاج بزاي وجيم بعد الْألف عَن النَّضر بن شُمَيْل وحسين الْجعْفِيّ وروح بن عبَادَة وَأبي عَامر الْعَقدي وَعنهُ (م) (3) وَأَبُو حَاتِم وَقَالَ صَدُوق توفّي (4) سنة ثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

(ق) أَحْمد بن مَنْصُور بن سيار بتحتانية الرَّمَادِي أَبُو بكر الْحَافِظ الْبَغْدَادِيّ صنف الْمسند عَن يزِيد بن هَارُون وَزيد بن الْحباب وَعبد الرَّزَّاق وَعُثْمَان بن عمر بن فَارس وَخلق وَعنهُ (ق) وَثَّقَهُ أَبُو حَاتِم وَالدَّارَقُطْنِيّ وَطعن فِيهِ أَبُو دَاوُد لِأَنَّهُ كَانَ (5) يقف توفّي سنة خمس وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ عَن ثَلَاث وَثَمَانِينَ سنة

(ع) أَحْمد بن منيع بن عبد الرَّحْمَن الْبَغَوِيّ أَبُو جَعْفَر الْأَصَم الْحَافِظ صَاحب الْمسند عَن هشيم وَابْن عُيَيْنَة وَابْن الْمُبَارك ومروان بن شُجَاع وَأبي بكر بن عَيَّاش وَخلق وَعنهُ (خَ م ع أ) لَهُ فِي (خَ) فَرد حَدِيث أَقَامَ نَحْو أَرْبَعِينَ سنة يخْتم فِي كل ثَلَاث وَثَّقَهُ صَالح جزرة وَالنَّسَائِيّ مَاتَ سنة (6) أَربع وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ عَن أَربع وَثَمَانِينَ سنة

(ق) أَحْمد بن مُوسَى بن معقل الْمصْرِيّ الْمقري صَدُوق قَالَ الْحَافِظ أَبُو الْفضل لم يذكرهُ الْمزي روى عَنهُ ابْن مَاجَه فِي الطَّهَارَة

(خَ) أَحْمد بن مُوسَى عَن إِبْرَاهِيم بن سعد وَعنهُ (خَ) هُوَ ابْن مُحَمَّد بن مُوسَى مرْدَوَيْه

(س) أَحْمد بن نَاصح المصِّيصِي أَبُو عبد الله عَن هَاشم بن الْقَاسِم وَابْن إِدْرِيس وَعنهُ (س) وَقَالَ صَالح

(ت س) أَحْمد بن نصر بن أبي زِيَاد الْقرشِي أَبُو عبد الله ابْن أبي جَعْفَر النَّيْسَابُورِي الْمقري الزَّاهِد الْفَقِيه الْحَافِظ أحد الْأَئِمَّة عَن أُسَامَة وأزهر السمان وحسين الْجعْفِيّ وَحَمَّاد بن مسْعدَة وَخلق وَعنهُ (ت س) قَالَ أَحْمد بن سيار كَانَ ثِقَة صَاحب سنة قَالَ الْحَاكِم فَقِيه أهل الحَدِيث فِي عصره توفّي فِي ذِي الْقعدَة سنة خمس وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ عَن أَربع وَثَمَانِينَ سنة

(س) أَحْمد بن نصر بن شَاكر الدِّمَشْقِي أَبُو الْحسن بن أبي رَجَاء الْمقري صَدُوق عَن صَفْوَان بن صَالح وَهِشَام بن عمار وَعنهُ (س) فِي الكنى توفّي سنة اثْنَتَيْنِ وَتِسْعين وَمِائَتَيْنِ (7)

(ل) أَحْمد بن نصر بن مَالك الْخُزَاعِيّ أَبُو عبد الله عَن مَالك وَحَمَّاد بن زيد وهشيم وَابْن عُيَيْنَة وَعنهُ ابْن معِين وَمُحَمّد بن يُوسُف الطباع كَانَ من أهل الْعلم وَالْعَمَل وَالْأَمر بِالْمَعْرُوفِ وَالنَّهْي عَن الْمُنكر قَتله الواثق بِيَدِهِ لامتناعه من القَوْل بِخلق الْقُرْآن سنة إِحْدَى وَثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ وَلما ضربت عُنُقه قَالَ رَأسه لَا إِلَه إِلَّا الله قَالَ أَحْمد رحمه الله لقد جاد بِنَفسِهِ

(خَ) أَحْمد بن النَّصْر بن عبد الْوَهَّاب النَّيْسَابُورِي أَبُو الْفضل الْحَافِظ عَن إِسْحَاق وَعبيد الله بن معَاذ وَعنهُ (خَ) وَلم ينْسبهُ قَالَ الْحَاكِم هُوَ أحد أَرْكَان الحَدِيث

(تَمْيِيز) أَحْمد بن نصر بن طَالب الْحَافِظ أَبُو طَالب الإِمَام ذكرته تمييزا

(س) أَحْمد بن نفَيْل بِضَم النُّون السكونِي الْكُوفِي عَن حَفْص بن غياث وَعنهُ (س) (8) قَالَ الْمزي لم أَقف على رِوَايَته

(ل) أَحْمد بن هَاشم بن أبي الْعَبَّاس الرَّمْلِيّ عَن ضَمرَة بن ربيعَة وَعنهُ (ل) قَالَ أَبُو حَاتِم صَدُوق (9) لَيْسَ بِحجَّة

(س) أَحْمد بن الْهَيْثَم بن حَفْص الثغري بمثلثة قَاضِي طرسوس عَن حَرْمَلَة بن يحيى (10) وَعِيسَى بن دَاوُد الضَّبِّيّ وَعنهُ (س)

(خَ) أَحْمد بن وَاقد عَن هَامِش

(1) وَقَالَ ابْن الملقن لين لأجل مزاحه اه وَقَالَ الذَّهَبِيّ فِي الْمِيزَان كَانَ يعلم المجان المجون وَذكر لَهُ قصَّة اه

(2) بِالْبَصْرَةِ فِي ذِي الْقعدَة قَالَه مُوسَى بن هَارُون اه تَهْذِيب

(3) قَالَ الْمزي فِي هَامِش التَّهْذِيب لم يرو عَنهُ مُسلم فِي صَحِيحه وَلَا ذكره أحد فِي رِجَاله الَّذين روى عَنْهُم فِي الصَّحِيح اه

(4) هَذَا لم يثبت فِي تَهْذِيب الْكَمَال وَلَا فِي ابْن الملقن وَفِي نُسْخَة بدله قَالَ الْحَاكِم أَبُو عبد الله توفّي سنة ثَمَان أَو سبع وَخمسين وَمِائَتَيْنِ اه

(5) أَي فِي خلق الْقُرْآن اه

(6) وَفِي الكلاباذي بِخَط الْخَطِيب سنة ثَلَاث وَأَرْبَعين اه ملقن

(7) قَالَه أَبُو مُحَمَّد بن نَاصح الْمُفَسّر وَزَاد فِي الْمحرم اه تَهْذِيب

(8) وَقَالَ لَا بَأْس بِهِ اه

(9) وَيكْتب حَدِيثه اه

(10) فِي التَّهْذِيب مُوسَى بدل عِيسَى فحرر اه
শিয়াদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, ২১৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(বুখারি, তিরমিজি, নাসায়ি ও ইবনে মাজাহ) আহমদ বিন মিকদাম বিন সুলাইমান বিন আশ’আস আল-ইজলি আবু আল-আশ’আস আল-বাসরি আল-হাফিজ। তিনি হাম্মাদ বিন যায়িদ, আল-কাতীঈ (যেমনটি নিশ্চিত করেছেন), ইয়াযিদ বিন যুরাই', ফুযাইল বিন ইয়ায ও আরও অনেকের নিকট থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (বুখারি, তিরমিজি, নাসায়ি ও ইবনে মাজাহ)। আবু হাতিম ও সালিহ বিন মুহাম্মদ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন, তবে আবু দাউদ (১) তার বর্ণিত হাদিস সম্পর্কে সমালোচনা করেছেন। তিনি ২৫৩ হিজরিতে নব্বই বছরের কিছু বেশি বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

(মুসলিম) আহমদ বিন মুনযির বিন জারুদ আল-বাসরি আবু বকর আল-কাযযায। তিনি ইবনে আবি ফুদাইক ও যায়িদ বিন আল-হুবাব থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (মুসলিম)। তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য (সহিহুল হাদিস)। তিনি (২) ২০৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(মুসলিম) আহমদ বিন মনসুর ইবনে আবি রাশিদ আল-হানযালি আবু সালিহ আল-মারওয়াযি যাজ (আলিফের পরে ঝা এবং জিম)। তিনি আন-নাদর বিন শুমাইল, হুসাইন আল-জু’ফি, রাউহ বিন উবাদাহ ও আবু আমির আল-আকাদি থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (মুসলিম) (৩) ও আবু হাতিম। আবু হাতিম তাকে সত্যবাদী (সাদুক) বলেছেন। তিনি (৪) ২৩০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(ইবনে মাজাহ) আহমদ বিন মনসুর বিন সাইয়ার আর-রামারদি (নিচে এক নুফতাহ যুক্ত ইয়া) আবু বকর আল-হাফিজ আল-বাগদাদি। তিনি ‘আল-মুসনাদ’ সংকলন করেছেন। তিনি ইয়াযিদ বিন হারুন, যায়িদ বিন আল-হুবাব, আব্দুর রাজ্জাক, উসমান বিন উমর বিন ফারিস ও আরও অনেকের থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (ইবনে মাজাহ)। আবু হাতিম ও আদ-দারা কুতনি তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন, তবে আবু দাউদ তার সমালোচনা করেছেন কারণ তিনি (৫) কুরআন সৃষ্টির মাসআলায় নীরব (ওয়াকফ) থাকতেন। তিনি ২৬৫ হিজরিতে ৮৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

(ছয় কিতাব) আহমদ বিন মানী’ বিন আব্দুর রহমান আল-বাগাওয়ি আবু জাফর আল-আসাম আল-হাফিজ। তিনি ‘আল-মুসনাদ’ এর প্রণেতা। তিনি হুশাইম, ইবনে উয়াইনাহ, ইবনুল মুবারক, মারওয়ান বিন শুজা, আবু বকর বিন আইয়াশ ও আরও অনেকের থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি, নাসায়ি ও ইবনে মাজাহ)। বুখারি শরীফে তার থেকে মাত্র একটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তিনি প্রায় চল্লিশ বছর প্রতি তিন দিনে একবার কুরআন খতম করতেন। সালিহ জাযরাহ ও আন-নাসায়ি তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি (৬) ২৪৪ হিজরিতে ৮৪ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

(ইবনে মাজাহ) আহমদ বিন মুসা বিন মাকিল আল-মিসরি আল-মুকরি। তিনি সত্যবাদী (সাদুক)। হাফিজ আবু আল-ফদল বলেছেন, আল-মিযযি তার কথা উল্লেখ করেননি। ইবনে মাজাহ পবিত্রতা অধ্যায়ে তার থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন।

(বুখারি) আহমদ বিন মুসা; তিনি ইব্রাহিম বিন সাদ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার থেকে বর্ণনা করেছেন (বুখারি)। তিনি হলেন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মুসা মারদাওয়াইহ।

(নাসায়ি) আহমদ বিন নাসিহ আল-মাসসিসি আবু আব্দুল্লাহ। তিনি হাশিম বিন আল-কাসিম ও ইবনে ইদ্রিস থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (নাসায়ি) এবং তিনি তাকে ‘সালিহ’ (উত্তম) বলেছেন।

(তিরমিজি ও নাসায়ি) আহমদ বিন নাসর বিন আবি যিয়াদ আল-কুরাশি আবু আব্দুল্লাহ ইবনে আবি জাফর আন-নাইসাবুরি আল-মুকরি। তিনি একজন আবিদ (যাহিদ), ফকিহ, হাফিজ এবং ইমামদের অন্যতম। তিনি উসামা, আযহার আস-সাম্মান, হুসাইন আল-জু’ফি, হাম্মাদ বিন মাসআদাহ ও আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (তিরমিজি ও নাসায়ি)। আহমদ বিন সাইয়ার বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ও সুন্নাহর অনুসারী ছিলেন। আল-হাকিম বলেছেন: তিনি তার যুগের হাদিস বিশারদদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ফকিহ ছিলেন। তিনি ২৪৫ হিজরির যিলকদ মাসে ৮৪ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

(নাসায়ি) আহমদ বিন নাসর বিন শাকির আদ-দিমাশকি আবু আল-হাসান বিন আবি রাজা আল-মুকরি। তিনি সত্যবাদী (সাদুক)। তিনি সাফওয়ান বিন সালিহ ও হিশাম বিন আম্মার থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (নাসায়ি) তার ‘আল-কুনা’ গ্রন্থে। তিনি ২৯২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন (৭)।

(আবু দাউদ) আহমদ বিন নাসর বিন মালিক আল-খুযাঈ আবু আব্দুল্লাহ। তিনি মালিক, হাম্মাদ বিন যায়িদ, হুশাইম ও ইবনে উয়াইনাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইবনে মাঈন ও মুহাম্মদ বিন ইউসুফ আত-তাব্বা’ বর্ণনা করেছেন। তিনি ইলম, আমল, সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধকারী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। কুরআন সৃষ্টি সংক্রান্ত ভ্রান্ত মতবাদ গ্রহণ করতে অস্বীকার করায় খলিফা ওয়াসিক নিজ হাতে তাকে হত্যা করেন। এটি ২৩১ হিজরির ঘটনা। যখন তার শিরশ্ছেদ করা হলো, তখন তার কর্তিত মস্তক থেকে উচ্চারিত হলো— ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’। ইমাম আহমদ (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) বলেছেন: তিনি তার জীবনকে আল্লাহর পথে উৎসর্গ করেছেন।

(বুখারি) আহমদ বিন নাসর বিন আব্দুল ওয়াহহাব আন-নাইসাবুরি আবু আল-ফদল আল-হাফিজ। তিনি ইসহাক ও উবাইদুল্লাহ বিন মুয়ায থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (বুখারি), তবে তার বংশ পরিচয় উল্লেখ করেননি। আল-হাকিম বলেছেন: তিনি হাদিস শাস্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ।

(পার্থক্যকারী) আহমদ বিন নাসর বিন তালিব আল-হাফিজ আবু তালিব আল-ইমাম। আমি তাকে কেবল পার্থক্য করার জন্য উল্লেখ করেছি।

(নাসায়ি) আহমদ বিন নুফাইল (নুন অক্ষরে পেশ যুক্ত) আস-সাকুনি আল-কুফি। তিনি হাফস বিন গিয়াস থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার থেকে বর্ণনা করেছেন (নাসায়ি) (৮)। আল-মিযযি বলেছেন: আমি তার বর্ণিত হাদিস সম্পর্কে অবগত হতে পারিনি।

(আবু দাউদ) আহমদ বিন হাশিম বিন আবি আব্বাস আর-রামলি। তিনি দামরাহ বিন রাবিয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার থেকে বর্ণনা করেছেন (আবু দাউদ)। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি সত্যবাদী (সাদুক) (৯), তবে দলীল হিসেবে গণ্য নন।

(নাসায়ি) আহমদ বিন হাইসাম বিন হাফস আস-সাগরি (তিন নুকতা বিশিষ্ট ছা)। তিনি তারসুসের বিচারক (কাজি) ছিলেন। তিনি হারমালাহ বিন ইয়াহইয়া (১০) ও ঈসা বিন দাউদ আদ-দাব্বি থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার থেকে বর্ণনা করেছেন (নাসায়ি)।

(বুখারি) আহমদ বিন ওয়াকিদ থেকে... পার্শটীকা:

(১) ইবনুল মুলাক্কিন বলেছেন, কৌতুক করার কারণে তিনি শিথিল ছিলেন। আয-যাহাবি ‘আল-মিযান’ গ্রন্থে বলেছেন: তিনি লম্পটদের লম্পটামি শেখাতেন এবং তিনি এ সংক্রান্ত একটি ঘটনা উল্লেখ করেছেন।

(২) বসরার যিলকদ মাসে, এটি মুসা বিন হারুন ‘তাহযীব’ গ্রন্থে বলেছেন।

(৩) আল-মিযযি ‘তাহযীব’ এর টীকায় বলেছেন: মুসলিম তার ‘সহিহ’ গ্রন্থে তার থেকে কোনো হাদিস বর্ণনা করেননি এবং তার থেকে বর্ণনা করেছেন এমন রাবীদের তালিকায় কেউ তার উল্লেখ করেননি।

(৪) এটি ‘তাহযীবুল কামাল’ কিংবা ইবনুল মুলাক্কিনের গ্রন্থে প্রমাণিত নয়। এর পরিবর্তে অন্য এক পান্ডুলিপিতে আছে: আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম বলেছেন, তিনি ২৫৮ বা ২৫৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(৫) অর্থাৎ কুরআন সৃষ্টি হওয়ার মাসআলায়।

(৬) আল-কালাবাযি গ্রন্থে খতিবের হস্তাক্ষরে আছে: ২৪৩ হিজরি।

(৭) এটি আবু মুহাম্মদ বিন নাসিহ আল-মুফাসসির বলেছেন এবং মুহররম মাসের কথা যোগ করেছেন।

(৮) এবং তিনি বলেছেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই।

(৯) এবং তার হাদিস লিখে রাখা হয়।

(১০) ‘তাহযীব’ গ্রন্থে ঈসার পরিবর্তে মুসা রয়েছে, এটি সংশোধনযোগ্য।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ١٤)
حَمَّاد بن زيد وَعنهُ (خَ) هُوَ ابْن عبد الْملك تقدم

(س) أَحْمد بن يحيى بن زَكَرِيَّا الأودي أَبُو جَعْفَر الْكُوفِي العابد الصُّوفِي عَن مُحَمَّد بن بشر وَأبي أُسَامَة وَزيد بن الْحباب وَعنهُ (س) (1) مَاتَ فِي ربيع الأول سنة أَربع وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ

(س) أَحْمد بن يحيى بن مُحَمَّد بن كثير الْحَرَّانِي قَالَ صَاحب النبل ذكره (س) فِي شُيُوخه

(س) أَحْمد بن يحيى بن الْوَزير بن سُلَيْمَان التجِيبِي مولى بني سوم بطن من تجيب الْمصْرِيّ عَن أَبِيه وَابْن وهب وَالشَّافِعِيّ وَعنهُ (س) وَوَثَّقَهُ قَالَ ابْن يُونُس كَانَ عَالما بالشعر والآداب وَالْأَخْبَار وَأَيَّام النَّاس توفّي سنة خمس وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ

(خَ) أَحْمد ابْن يزِيد بن إِبْرَاهِيم الْحَرَّانِي أَبُو الْحسن بن (2) الورتنيس بِفَتْح الْوَاو والمثناة بَينهمَا رَاء سَاكِنة وَكسر النُّون ثمَّ مُهْملَة عَن زُهَيْر بن مُعَاوِيَة وَغَيره وَعنهُ البيكندي قَالَ أَبُو حَاتِم ضَعِيف (3) لَهُ فِي (خَ) فَرد حَدِيث مُتَابعَة فِي عَلَامَات النُّبُوَّة

(تَمْيِيز) أَحْمد بن يزِيد بن روح الفلسطيني عَن مُحَمَّد بن خَالِد بن عتمة وَعنهُ أَبُو عُمَيْر عِيسَى بن النّحاس

(خَ) أَحْمد بن يَعْقُوب المَسْعُودِيّ أَبُو عبد الله الْكُوفِي عَن عبد الرَّحْمَن بن الغسيل وَإِسْحَاق بن سعد بن عَمْرو وَعنهُ (خَ) (4) موثق توفّي سنة بضع عشرَة وَمِائَتَيْنِ

(م د س ق) أَحْمد بن يُوسُف بن حَاتِم السّلمِيّ أَبُو الْحسن حمدَان النَّيْسَابُورِي الْحَافِظ عَن حَفْص بن عبد الله وَحَفْص بن عبد الرَّحْمَن وجعفر بن عون وَعبد الرَّزَّاق وَخلق وَعنهُ (م د س ق) (5) وَثَّقَهُ مُسلم وَالدَّارَقُطْنِيّ قَالَ الْحَاكِم هُوَ أحد أَعْلَام الحَدِيث كثير الرحلة وَاسع الْفَهم مَاتَ سنة أَربع (6) وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ فِي عشر التسعين

(ع) أَحْمد بن يُونُس هُوَ ابْن عبد الله بن يُونُس

(خَ) أَحْمد عَن أَبِيه هُوَ ابْن حَفْص

(خَ) أَحْمد عَن بهز هُوَ أَحْمد بن سعيد ابْن صَخْر

(خَ) أَحْمد عَن الْأنْصَارِيّ هُوَ ابْن مُحَمَّد بن حَنْبَل

(خَ) أَحْمد عَن ابْن وهب اتّفق الْحفاظ فِي الْجُمْلَة على أَنه ابْن صَالح أَو ابْن عِيسَى وَقَالَ ابْن مَنْدَه البُخَارِيّ إِذا روى عَن ابْن عِيسَى نسبه (7)

(خَ) أَحْمد بن عبيد الله بن معَاذ هُوَ ابْن النَّضر قَالَه الحاكمان

(خَ) أَحْمد عَن فليح هُوَ ابْن يُونُس أَو ابْن النَّضر أَو ابْن حَنْبَل

(خَ) أَحْمد عَن مُحَمَّد بن أبي بكر الْمقدمِي قيل هُوَ ابْن سيار وَالله أعلم

‌‌(من اسْمه آدم)

 

(خَ د ت س) آدم بن أبي إِيَاس ناهية وَقيل عبد الرَّحْمَن التَّمِيمِي مَوْلَاهُم والتميمي الْخُرَاسَانِي أَبُو الْحسن الْعَسْقَلَانِي عَن ابْن أبي ذِئْب وَشعْبَة وسُفْيَان والمسعودي وحريز بن عُثْمَان وَعنهُ (خَ) وَأحمد بن الْأَزْهَر والدارمي وَأَبُو حَاتِم وَقَالَ ثِقَة (8) مَأْمُون متعبد من خِيَار خلق الله مَاتَ سنة عشْرين أَو إِحْدَى وَعشْرين (9) عَن ثَلَاثِينَ سنة

(م ت س) آدم بن سُلَيْمَان (10) الْقرشِي مَوْلَاهُم الْكُوفِي عَن سعيد بن جُبَير وَعَطَاء وَنَافِع وَعنهُ شُعْبَة وَإِسْرَائِيل وسُفْيَان وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ لَهُ فِي (م) فَرد حَدِيث

(خَ س) آدم بن عَليّ الْعجلِيّ الشَّيْبَانِيّ أَو الْبكْرِيّ وَقَالَ البُخَارِيّ هما وَاحِد عَن ابْن عمْرَة وَعنهُ إِسْرَائِيل وَأَبُو الْأَحْوَص وَثَّقَهُ ابْن معِين (11)

‌‌(من اسْمه أبان)

 

(ت) أبان بن إِسْحَاق الْأَسدي الْكُوفِي النَّحْوِيّ عَن الصَّباح بن مُحَمَّد وَعنهُ أَبُو أُسَامَة وَمُحَمّد ويعلى ابْنا عبيد وَثَّقَهُ الْعجلِيّ (12) وَغَيره

(م ع أ) أبان بن تغلب بمثناة ومعجمة ثمَّ لَام مَكْسُورَة الربعِي أَبُو سعيد الْكُوفِي الْقَارِي أحد الْأَئِمَّة عَن الحكم بن عتيبة وَعِكْرِمَة وعدي ابْن ثَابت وَخلق وَعنهُ شُعْبَة وَابْن الْمُبَارك وَابْن عُيَيْنَة وَأَبُو مُعَاوِيَة وَخلق وَثَّقَهُ أَحْمد وَيحيى وَأَبُو حَاتِم هَامِش

(1) ثِقَة روى عَنهُ البُخَارِيّ فِي تَارِيخه اه قن

(2) فِي ابْن الملقن الورتنيسي بياء النِّسْبَة وَكَذَا فِي الْمِيزَان فَوَهم الْمُؤلف اه وورتنيس كخندريس بلد بنواحي إفريقية قَامُوس قَالَ ابْن السَّمْعَانِيّ الورتنيس قَرْيَة من قرى حران إِلَى آخر كَلَامه وَفِي الْحَاشِيَة مَا لَفظه قلت إِنَّمَا هِيَ نِسْبَة إِلَى أحد أجداد الْمَذْكُور فَإِنَّمَا هُوَ أَحْمد بن يزِيد بن إِبْرَاهِيم بن الورتنيس وَقَالَ الْحَاكِم أَبُو أَحْمد يُقَال إِن الورتنيس اسْمه إِبْرَاهِيم قَالَ ابْن حبَان فِي الثِّقَات وَهُوَ الَّذِي يُقَال لَهُ أَحْمد بن الورتنيس اه

(3) قَالَ فِي الْمِيزَان ضعفه أَبُو حَاتِم وَمَشاهُ غَيره اه

(4) فِي الْعِيدَيْنِ والديات وَغير مَوضِع اه ملقن

(5) وَالْبُخَارِيّ فِي غير الصَّحِيح اه

(6) وَقيل سنة ثَلَاث وَاقْتصر عَلَيْهَا الْكَمَال وحكاهما ابْن عَسَاكِر فِي نبله فَقَالَ سنة أَربع وَيُقَال سنة ثَلَاث اه ملقن

(7) وَإِذا قَالَ ثَنَا أَحْمد عَن ابْن وهب فَهُوَ ابْن صَالح الْمصْرِيّ وَقيل فِيهِ غير ذَلِك كَمَا حَكَاهُ ابْن الملقن اه

(8) وَقَالَ ابْن معِين ثِقَة رُبمَا حدث عَن قوم ضعفاء وَقَالَ النَّسَائِيّ لَا بَأْس بِهِ اه تَهْذِيب

(9) أَي وَمِائَتَيْنِ وَقَوله عَن ثَلَاثِينَ سنة فِي التَّهْذِيب وَهُوَ ابْن ثَمَان وَثَمَانِينَ سنة فَلَعَلَّ مَا هُنَا غلط اه

(10) وَهُوَ أَبُو يحيى بن آدم وَلم يُدْرِكهُ ابْنه اه تَهْذِيب

(11) وجبلة بن سحيم اه تَهْذِيب

(12) قَالَ ابْن معِين لَا بَأْس بِهِ اه قن
হাম্মাদ বিন যায়েদ, তাঁর থেকে (বুখারি) বর্ণনা করেছেন; তিনি হলেন ইবনে আব্দুল মালিক, তাঁর আলোচনা পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।

(নাসাঈ) আহমদ বিন ইয়াহইয়া বিন যাকারিয়া আল-আওদি আবু জাফর আল-কুফি, ইবাদতগুজার ও সুফি; তিনি মুহাম্মদ বিন বিশর, আবু উসামা এবং যায়েদ বিন হুবাব থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (নাসাঈ) বর্ণনা করেছেন (১)। তিনি ২৬৪ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে মৃত্যুবরণ করেন।

(নাসাঈ) আহমদ বিন ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন কাসীর আল-হাররানি; 'আন-নুবালা' (সিয়ারু আলামিন নুবালা) গ্রন্থের লেখক বলেছেন: (নাসাঈ) তাঁকে তাঁর শিক্ষকদের মধ্যে উল্লেখ করেছেন।

(নাসাঈ) আহমদ বিন ইয়াহইয়া বিন আল-ওয়াজীর বিন সুলাইমান আত-তুজিবি, মিসরের তুজিব গোত্রের একটি শাখার মুক্তদাস; তিনি তাঁর পিতা, ইবনে ওয়াহাব এবং আশ-শাফিঈ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (নাসাঈ) বর্ণনা করেছেন এবং তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে ইউনুস বলেছেন: তিনি কবিতা, সাহিত্য, ইতিহাস এবং সমকালীন ঘটনাবলীতে পণ্ডিত ছিলেন। তিনি ২৬৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(বুখারি) আহমদ ইবনে ইয়াযীদ বিন ইব্রাহিম আল-হাররানি আবু আল-হাসান বিন (২) আল-ওয়ারতানিস (ওয়ারতানিস শব্দটি ওয়াও-এর জবর এবং পরবর্তী দুই নুকতাওয়ালা ইয়া-এর মাঝে রা সাকিন এবং নুন-এর নিচে যের, এরপর সিন সহযোগে)। তিনি যুহায়ের বিন মুয়াবিয়া ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আল-বাইকান্দি বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি দুর্বল (৩)। বুখারিতে ‘আলামাতুন নুবুওয়াহ’ (নবুওয়াতের নিদর্শনাবলী) অধ্যায়ে তাঁর একটি একক মুতাবিআত (সমর্থনমূলক) হাদিস রয়েছে।

(পার্থক্যকারী) আহমদ বিন ইয়াযীদ বিন রুহ আল-ফিলিস্তিনি; তিনি মুহাম্মদ বিন খালিদ বিন আতমাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে আবু উমাইর ঈসা বিন আন-নাহহাস বর্ণনা করেছেন।

(বুখারি) আহমদ বিন ইয়াকুব আল-মাসউদি আবু আব্দুল্লাহ আল-কুফি; তিনি আব্দুর রহমান বিন আল-গাসিল এবং ইসহাক বিন সাদ বিন আমর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (বুখারি) বর্ণনা করেছেন (৪)। তিনি নির্ভরযোগ্য; ২১০ হিজরির কিছুকাল পরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ) আহমদ বিন ইউসুফ বিন হাতিম আস-সুলামি আবু আল-হাসান হামদান আন-নাইসাবুরি আল-হাফিজ; তিনি হাফস বিন আব্দুল্লাহ, হাফস বিন আব্দুর রহমান, জাফর বিন আউন, আব্দুর রাজ্জাক এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ) বর্ণনা করেছেন (৫)। মুসলিম ও দারা কুতনি তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। হাকিম বলেছেন: তিনি হাদিসের অন্যতম ইমাম, অধিক সফরকারী এবং গভীর প্রজ্ঞার অধিকারী ছিলেন। তিনি ২৬৪ হিজরিতে (৬) নব্বই বছরের কাছাকাছি বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

(ছয় ইমাম) আহমদ বিন ইউনুস; তিনি হলেন ইবনে আব্দুল্লাহ বিন ইউনুস।

(বুখারি) আহমদ তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি হলেন ইবনে হাফস।

(বুখারি) আহমদ বাহজ থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি হলেন আহমদ বিন সাইদ ইবনে সাখর।

(বুখারি) আহমদ আল-আনসারি থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি হলেন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন হাম্বল।

(বুখারি) আহমদ ইবনে ওয়াহাব থেকে বর্ণনা করেছেন; হাফেজগণ সামগ্রিকভাবে একমত যে, তিনি হলেন ইবনে সালিহ অথবা ইবনে ঈসা। ইবনে মানদাহ বলেছেন: বুখারি যখন ইবনে ঈসা থেকে বর্ণনা করেন, তখন তাঁর বংশপরিচয় উল্লেখ করেন (৭)।

(বুখারি) আহমদ বিন উবাইদুল্লাহ বিন মুয়াজ; তিনি হলেন ইবনে আন-নাদর, এ কথা দুই হাকিম (আবু আহমদ ও আবু আব্দুল্লাহ) বলেছেন।

(বুখারি) আহমদ ফুলাইহ থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি হলেন ইবনে ইউনুস অথবা ইবনে আন-নাদর অথবা ইবনে হাম্বল।

(বুখারি) আহমদ মুহাম্মদ বিন আবু বকর আল-মুকাদ্দামি থেকে বর্ণনা করেছেন; বলা হয়েছে তিনি হলেন ইবনে সাইয়ার, আল্লাহই ভালো জানেন।

‌‌(যাঁদের নাম আদম)

 

(বুখারি, আবু দাউদ, তিরমিজি, নাসাঈ) আদম বিন আবু ইয়াস নাহিয়াহ, মতান্তরে আব্দুর রহমান আত-তামিমি আল-খুরাসানি আল-আসকালানি আবু আল-হাসান; তিনি ইবনে আবু যিব, শু’বাহ, সুফিয়ান, আল-মাসউদি এবং হারীজ বিন উসমান থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (বুখারি), আহমদ বিন আল-আযহার, আদ-দারিমি এবং আবু হাতিম বর্ণনা করেছেন। তিনি (আবু হাতিম) বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য (৮), আমানতদার এবং আল্লাহর সর্বোত্তম সৃষ্টিদের অন্তর্ভুক্ত একজন ইবাদতগুজার ব্যক্তি। তিনি ২২০ অথবা ২২১ হিজরিতে (৯) আশি বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

(মুসলিম, তিরমিজি, নাসাঈ) আদম বিন সুলাইমান (১০) আল-কুরাশি আল-কুফি; তিনি সাঈদ বিন জুবাইর, আতা এবং নাফে থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে শু’বাহ, ইসরাঈল এবং সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। মুসলিমে তাঁর একটি মাত্র একক হাদিস রয়েছে।

(বুখারি, নাসাঈ) আদম বিন আলী আল-ইজলি আশ-শাইবানি অথবা আল-বাকরি; বুখারি বলেছেন: উভয়ই একই ব্যক্তি। তিনি ইবনে উমরাহ থেকে এবং তাঁর থেকে ইসরাঈল ও আবু আল-আহওয়াস বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন (১১)।

‌‌(যাঁদের নাম আবান)

 

(তিরমিজি) আবান বিন ইসহাক আল-আসাদি আল-কুফি আন-নাহবি; তিনি সাবাহ বিন মুহাম্মদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আবু উসামা, মুহাম্মদ ও ইয়ালা—উবাইদের দুই পুত্র বর্ণনা করেছেন। আল-ইজলি (১২) ও অন্যান্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

(মুসলিম ও চার সুনান) আবান বিন তাগলিব (তা-এর জবর এবং গাইন সাকিন, এরপর লাম-এর নিচে যের) আর-রাবায়ী আবু সাঈদ আল-কুফি আল-ক্বারি; তিনি ইমামদের অন্যতম। তিনি হাকাম বিন উতাইবাহ, ইকরিমাহ, আদি ইবনে সাবিত এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে শু’বাহ, ইবনুল মুবারক, ইবনে উয়াইনাহ, আবু মুয়াবিয়া এবং আরও অনেকে বর্ণনা করেছেন। আহমদ, ইয়াহইয়া এবং আবু হাতিম তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। পার্শ্বটীকা:

(১) তিনি নির্ভরযোগ্য, বুখারি তাঁর ‘তারিখ’ গ্রন্থে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। ইতি, কানূনী।

(২) ইবনুল মুলাক্কিনের মতে ‘আল-ওয়ারতানিসি’ (নিসবতের ইয়া সহযোগে), আল-মিজান গ্রন্থেও অনুরূপ রয়েছে; তাই লেখকের এই বর্ণনাটি ভ্রম হতে পারে। আর ‘ওয়ারতানিস’ হলো আফ্রিকার পার্শ্ববর্তী খান্দারিসের মতো একটি শহর—কামুস। ইবনে সাময়ানি বলেছেন: ওয়ারতানিস হলো হাররানের একটি গ্রাম... (বাকি কথা পর্যন্ত)। টীকায় রয়েছে: আমি বলি, এটি উক্ত ব্যক্তির কোনো এক পূর্বপুরুষের নিসবত বা সম্পর্ক মাত্র, মূলত তিনি হলেন আহমদ বিন ইয়াযীদ বিন ইব্রাহিম বিন আল-ওয়ারতানিস। হাকিম আবু আহমদ বলেছেন: বলা হয় যে, ওয়ারতানিস তাঁর নাম ছিল ইব্রাহিম। ইবনে হিব্বান ‘আস-সিকাত’ গ্রন্থে বলেছেন: তাঁকে আহমদ বিন আল-ওয়ারতানিস বলা হতো। ইতি।

(৩) ‘আল-মিজান’ গ্রন্থে বলা হয়েছে: আবু হাতিম তাঁকে দুর্বল বলেছেন, তবে অন্যরা তাঁকে গ্রহণযোগ্য বলেছেন। ইতি।

(৪) দুই ঈদ, দিয়াত (রক্তপণ) এবং অন্যান্য স্থানে তাঁর বর্ণনা রয়েছে। ইতি, মুলাক্কিন।

(৫) এবং বুখারি তাঁর ‘সহিহ’ ব্যতীত অন্য গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। ইতি।

(৬) মতান্তরে ২৬৩ হিজরি, আল-কামাল এই মতটিই গ্রহণ করেছেন এবং ইবনে আসাকির তাঁর ‘নুবলা’ গ্রন্থে উভয়টি উল্লেখ করে বলেছেন ২৬৪ হিজরি, তবে কেউ কেউ ২৬৩ হিজরিও বলেছেন। ইতি, মুলাক্কিন।

(৭) আর যখন তিনি বলেন: ‘আমাদের নিকট আহমদ ইবনে ওয়াহাব থেকে বর্ণনা করেছেন’, তখন তিনি হলেন আহমদ বিন সালিহ আল-মিসরি। এ ব্যাপারে আরও অন্যান্য কথা বলা হয়েছে যা ইবনুল মুলাক্কিন উল্লেখ করেছেন। ইতি।

(৮) ইবনে মাঈন বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য, তবে কখনও কখনও দুর্বলদের থেকে বর্ণনা করতেন। নাসাঈ বলেছেন: তাঁর বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই। ইতি, তাহযিব।

(৯) অর্থাৎ ২২০ বা ২২১ হিজরি। আর তাঁর ত্রিশ বছর বয়সের কথাটি ‘তাহযিব’ গ্রন্থে রয়েছে ৮৮ বছর বয়স হিসেবে, সুতরাং সম্ভবত এখানকার তথ্যটি ভুল। ইতি।

(১০) তিনি হলেন আবু ইয়াহইয়া বিন আদমের পিতা, তবে তাঁর পুত্র তাঁকে পাননি। ইতি, তাহযিব।

(১১) এবং জাবাল্লাহ বিন সুহাইম। ইতি, তাহযিব।

(১২) ইবনে মাঈন বলেছেন: তাঁর বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই। ইতি, কানূনী।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ١٥)
وَقَالَ الْجوزجَاني زائغ مَذْمُوم وَالْمذهب يَعْنِي التَّشَيُّع قَالَ ابْن (1) قنجويه مَاتَ سنة إِحْدَى وَأَرْبَعين وَمِائَة

(مد) أبان بن سُلَيْمَان صَوَابه زبان يَأْتِي فِي الزَّاي

(خت ع أ) أبان بن صَالح ابْن عُمَيْر بن عبيد الْقرشِي التَّمِيمِي وَلَاء أَبُو بكر (2) الْمدنِي عَن أنس وَمُجاهد وَالْحسن وَعَطَاء وَعنهُ ابْن جريج وَعبد الله بن أبي جَعْفَر وَابْن إِسْحَاق وَثَّقَهُ ابْن معِين وَأَبُو حَاتِم وَوهم ابْن حزم فجهله وَابْن عبد الْبر فضعفه قَالَ ابْن سعد ولد سنة سِتِّينَ وَمَات بعسقلان سنة خمس عشرَة وَمِائَة

(بخ م س) أبان بن صمعة بِكَسْر الْمُهْملَة (3) وَإِسْكَان الْمِيم الْأنْصَارِيّ الْبَصْرِيّ عَن مسْهر وَجَابِر بن عَمْرو وَعنهُ يحيى الْقطَّان ووكيع ومكي وَثَّقَهُ ابْن معِين وَقَالَ ابْن عدي إِنَّمَا عيب عَلَيْهِ اخْتِلَاطه لما كبر وَلم ينْسب إِلَى الضعْف أخرج لَهُ (م) مُتَابعَة مَاتَ سنة ثَلَاث وَخمسين وَمِائَة

(د) أبان بن طَارق الْبَصْرِيّ قَالَ ابْن عدي لَهُ نَحْو حديثين أَو ثَلَاثَة عَن نَافِع (4) وَعنهُ درست بن زِيَاد وخَالِد بن الْحَرْث قَالَ أَبُو زرْعَة شيخ مَجْهُول

(ع أ) أبان بن عبد الله بن أبي حَازِم البَجلِيّ الأحمسي الْكُوفِي عَن عَمه عُثْمَان وَعَطَاء وَعنهُ الثَّوْريّ وَابْن الْمُبَارك وَشُعَيْب بن حَرْب قَالَ يحيى ثِقَة ثِقَة وَقَالَ أَحْمد صَدُوق صَالح قَالَ ابْن حبَان فحش خَطؤُهُ وَانْفَرَدَ بِالْمَنَاكِيرِ وَقَالَ ابْن عدي لم أجد لَهُ حَدِيثا مُنْكرا (5) مَاتَ فِي خلَافَة أبي جَعْفَر الْمَنْصُور

(بخ م ع أ) أبان بن عُثْمَان بن عَفَّان الْأمَوِي أَبُو سعيد أَو أَبُو عبد الله الْمدنِي عَن أَبِيه وَزيد بن ثَابت وَعنهُ ابْنه عبد الرَّحْمَن وَالزهْرِيّ وَأَبُو الزِّنَاد قَالَ الْقطَّان فُقَهَاء الْمَدِينَة عشرَة مِنْهُم أبان وَقَالَ الْعجلِيّ ثِقَة وَقَالَ خَليفَة (6) مَاتَ سنة خمس وَمِائَة

(د) أبان بن أبي عَيَّاش بتحتانية فَيْرُوز أَو دِينَار الْعَبْدي وَلَاء أَبُو إِسْمَاعِيل الْبَصْرِيّ عَن أنس وَسَعِيد بن جُبَير وَعنهُ عمرَان الْقطَّان وفضيل بن عِيَاض وَغَيرهمَا قَالَ أَحْمد وَالْفَلَّاس وَابْن معِين مَتْرُوك لَهُ فِي السّنَن فَرد (7) حَدِيث فِي رِوَايَة ابْن الْأَعرَابِي عَن الرواس مَاتَ فِي حُدُود الْأَرْبَعين وَمِائَة

(خَ م د ت س) أبان بن يزِيد الْعَطَّار أَبُو يزِيد الْبَصْرِيّ أحد الْأَثْبَات الْمَشَاهِير عَن الْحسن وَأبي عمرَان الْجونِي وَقَتَادَة وَبُدَيْل بن ميسرَة وَعنهُ ابْن الْمُبَارك وَيحيى الْقطَّان وَأَبُو دَاوُد الطَّيَالِسِيّ وهدبة بن خَالِد قَالَ أَحْمد ثَبت فِي كل الْمَشَايِخ وَقَالَ ابْن معِين وَالنَّسَائِيّ ثِقَة حَدِيثه فِي (خَ) مُتَابعَة توفّي بعد (8) السِّتين وَمِائَة

‌‌(من اسْمه إِبْرَاهِيم)

 

(بخ ت) إِبْرَاهِيم بن أدهم بن مَنْصُور بن يزِيد بن جَابر الْعجلِيّ أَو التَّمِيمِي أَبُو إِسْحَاق الْبَلْخِي ثمَّ الشَّامي أحد الزهاد الْأَعْلَام عَن مَنْصُور وَأبي جَعْفَر مُحَمَّد بن عَليّ وَعنهُ الثَّوْريّ وَالْأَوْزَاعِيّ وشقيق الْبَلْخِي وخادمه إِبْرَاهِيم بن بشار قَالَ النَّسَائِيّ ثِقَة مَأْمُون أحد الزهاد قَالَ البُخَارِيّ مَاتَ سنة اثْنَتَيْنِ (9) وَسِتِّينَ وَمِائَة

(مق د ت) إِبْرَاهِيم بن إِسْحَاق بن عِيسَى الْبنانِيّ بنونين بعد الْمُوَحدَة مَوْلَاهُم أَبُو إِسْحَاق الطَّالقَانِي نزيل مرو عَن مَالك وَابْن الْمُبَارك وَدَاوُد الْعَطَّار وَعنهُ أَحْمد بن حَنْبَل وحسين الْبَلْخِي وعباس الدوري قَالَ يَعْقُوب بن شيبَة (10) ثِقَة مرجىء قَالَ غُنْجَار توفّي بمرو سنة خمس عشرَة وَمِائَتَيْنِ

(ت ق) إِبْرَاهِيم بن إِسْحَاق المَخْزُومِي هُوَ ابْن الفضيل

(د ت ق) إِبْرَاهِيم بن إِسْمَاعِيل بن أبي حَبِيبَة الْأنْصَارِيّ الأشْهَلِي مَوْلَاهُم أَبُو إِسْمَاعِيل الْمدنِي عَن دَاوُد بن الْحصين ومُوسَى بن عقبَة وَعنهُ ابْن أبي فديك وَسَعِيد بن أبي مَرْيَم والقعنبي وَثَّقَهُ أَحْمد وَقَالَ ابْن معِين لَيْسَ بِشَيْء وَقَالَ البُخَارِيّ (11) مُنكر الحَدِيث قَالَ ابْن سعد مَاتَ سنة خمس وَسِتِّينَ وَمِائَة عَن اثْنَتَيْنِ وَثَمَانِينَ سنة

(ق) إِبْرَاهِيم بن إِسْمَاعِيل بن رزين فِي ابْن سُلَيْمَان

(د) هَامِش

(1) فِي التَّهْذِيب منجويه بميم أَوله اه (أبان) بن ثَابت الأوسي الطَّبَرِيّ كَانَ أَبوهُ مَعَ عَليّ فِي حروبه وَله صُحْبَة روى عَن أَبِيه عدَّة استدركه الدمياطي على الْكَمَال وَقَالَ روى لَهُ (ق) وَلم أره فِي التَّهْذِيب اه قن

(2) وَقيل الْمَكِّيّ

(3) ثمَّ عين مُهْملَة كَمَا فِي شرح مُسلم وَضبط الصَّاد فِيهِ بِالْفَتْح اه من بَاب فصل إِزَالَة الْأَذَى عَن الطَّرِيق

(4) ابْن عمر حَدِيث من دعى فَلم يجب إِلَخ وَقَالَ ابْن عدي لَا يعرف إِلَّا بِهَذَا الحَدِيث وَله غير هَذَا الحَدِيث وَلَيْسَ لَهُ أنكر من هَذَا الحَدِيث وَهُوَ مَعْرُوف بِهِ وَوَقع فِي الْكَمَال رِوَايَة التِّرْمِذِيّ لَهُ اه قن

(5) عبارَة التَّهْذِيب مُنكر الْمَتْن فاذكره وَأَرْجُو أَنه لَا بَأْس بِهِ اه

(6) كَذَا فِي التَّهْذِيب وَجزم بِهِ فِي الكاشف وَخَلِيفَة لم يذكر هَذَا إِنَّمَا ذكر أَن يزِيد بن عبد الْملك توفّي سنة 105 اه قن

(7) وَهُوَ فِي الْمُحَافظَة على الْخمس اه قن

(8) عبارَة قن بضع وَسِتِّينَ اه

(9) قَالَه أَبُو عبد الله بن مَنْدَه عَن أبي دَاوُد سُلَيْمَان بن الْأَشْعَث عَن أبي تَوْبَة الرّبيع ابْن نَافِع وَقَالَ البُخَارِيّ سنة إِحْدَى وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ وَدفن بسوقين حصن بِبِلَاد الرّوم وَدفن على سَاحل الْبَحْر اه تَهْذِيب

(10) وَيحيى بن معِين اه تَهْذِيب

(11) وَقَالَ النَّسَائِيّ ضَعِيف وَقَالَ الدَّارَقُطْنِيّ مَتْرُوك اه تَهْذِيب
আল-জুজাজানি বলেছেন: বিচ্যুত ও নিন্দিত এবং মাযহাবের দিক থেকে সে শিয়া। ইবনে (১) কুনজুওয়াইহ বলেন: তিনি একশত একচল্লিশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(মাদ) আবান ইবনে সুলাইমান; সঠিক হলো যাব্বান, যা 'যা' (ز) বর্ণের অধীনে আসবে।

(খাত, আইন, আলিফ) আবান ইবনে সালেহ ইবনে উমাইর ইবনে উবাইদ আল-কুরাশি আত-তামিমি (বিমুক্ত দাস), আবু বকর (২) আল-মাদানি। তিনি আনাস, মুজাহিদ, হাসান এবং আতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইবনে জুরাইজ, আবদুল্লাহ ইবনে আবি জাফর এবং ইবনে ইসহাক বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন ও আবু হাতিম তাকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলেছেন। ইবনে হাজম তাকে অজ্ঞাত (মাজহুল) বলে ভুল করেছেন এবং ইবনে আবদিল বার তাকে দুর্বল বলে ভুল করেছেন। ইবনে সাদ বলেন: তিনি ষাট হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং একশত পনেরো হিজরিতে আসকালানে মৃত্যুবরণ করেন।

(বখ, মিম, সিন) আবান ইবনে সামআ—মুহমালাহ (সা-দ) বর্ণে কাসরা (৩) এবং মিমে সুকুন যোগে—আল-আনসারি আল-বাসরি। তিনি মুসহির ও জাবির ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইয়াহইয়া আল-কাত্তান, অকি ও মক্কি বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে আদি বলেন: বার্ধক্যে তার স্মৃতিভ্রম (ইখতিলাত) হওয়ার কারণে তাকে দোষারোপ করা হয়েছে, তবে তাকে দুর্বলতার দিকে সম্বন্ধ করা হয়নি। মুসলিম (ম) তার বর্ণনা মুতাবাআ হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তিনি একশত তিপ্পান্ন হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(দাল) আবান ইবনে তারিক আল-বাসরি। ইবনে আদি বলেন: নাফি (৪) থেকে তার প্রায় দুই বা তিনটি হাদিস রয়েছে। তার থেকে দুরুস্ত ইবনে যিয়াদ এবং খালিদ ইবনুল হারিস বর্ণনা করেছেন। আবু জুরআ বলেন: তিনি একজন অজ্ঞাত (মাজহুল) শায়খ।

(আইন, আলিফ) আবান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি হাযিম আল-বাজালি আল-আহমাসি আল-কুফি। তিনি তার চাচা উসমান ও আতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে সাওরি, ইবনুল মুবারাক এবং শুআইব ইবনুল হারব বর্ণনা করেছেন। ইয়াহইয়া বলেন: নির্ভরযোগ্য, নির্ভরযোগ্য (সিকাহ সিকাহ)। আহমাদ বলেন: সত্যবাদী, নেককার মানুষ। ইবনে হিব্বান বলেন: তার ভুলগুলো অত্যন্ত জঘন্য এবং তিনি একাকী মুনকার বর্ণনা করতেন। ইবনে আদি বলেন: আমি তার কোনো মুনকার (৫) হাদিস পাইনি। তিনি আবু জাফর আল-মানসুরের খেলাফতকালে মৃত্যুবরণ করেন।

(বখ, মিম, আইন, আলিফ) আবান ইবনে উসমান ইবনে আফফান আল-উমাওয়ি, আবু সাঈদ অথবা আবু আবদুল্লাহ আল-মাদানি। তিনি তার পিতা এবং যাইদ ইবনে সাবিত থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার পুত্র আবদুর রহমান, যুহরি এবং আবুয যিনাদ বর্ণনা করেছেন। আল-কাত্তান বলেন: মদিনার দশজন ফকিহ ছিলেন, তাদের মধ্যে আবান একজন। আল-ইজলি বলেন: নির্ভরযোগ্য। খলিফা (৬) বলেন: তিনি একশত পাঁচ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(দাল) আবান ইবনে আবি আইয়াশ—নিচে নুকতাযুক্ত ইয়াহ বর্ণে—ফিরুজ অথবা দিনার আল-আবদি (বিমুক্ত দাস), আবু ইসমাইল আল-বাসরি। তিনি আনাস এবং সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইমরান আল-কাত্তান, ফুদাইল ইবনে ইয়াদ এবং অন্যারা বর্ণনা করেছেন। আহমাদ, ফাল্লাস এবং ইবনে মাঈন বলেন: তিনি পরিত্যক্ত (মাতরুক)। সুনান গ্রন্থে তার একক একটি (৭) হাদিস রয়েছে ইবনুল আরাবির বর্ণনায় রাওয়াস থেকে। তিনি একশত চল্লিশ হিজরির দিকে মৃত্যুবরণ করেন।

(খা, মিম, দাল, তা, সিন) আবান ইবনে ইয়াজিদ আল-আত্তার, আবু ইয়াজিদ আল-বাসরি। তিনি প্রখ্যাত নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিদের অন্যতম। তিনি হাসান, আবু ইমরান আল-জাওনি, কাতাদাহ এবং বুদাইল ইবনে মুয়াস্সিরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইবনুল মুবারাক, ইয়াহইয়া আল-কাত্তান, আবু দাউদ আত-তায়ালিসি এবং হুদবাহ ইবনে খালিদ বর্ণনা করেছেন। আহমাদ বলেন: তিনি সকল শায়খদের ক্ষেত্রে সুদৃঢ়। ইবনে মাঈন ও নাসায়ি বলেন: নির্ভরযোগ্য। বুখারিতে (খা) তার হাদিস মুতাবাআ হিসেবে এসেছে। তিনি একশত ষাটের (৮) পরে মৃত্যুবরণ করেন।

‌‌(যাদের নাম ইবরাহিম)

 

(বখ, তা) ইবরাহিম ইবনে আদহাম ইবনে মানসুর ইবনে ইয়াজিদ ইবনে জাবির আল-ইজলি অথবা আত-তামিমি, আবু ইসহাক আল-বালখি, অতঃপর আশ-শামি। তিনি অন্যতম প্রসিদ্ধ জাহিদ (দুনিয়াবিমুখ ব্যক্তি)। তিনি মানসুর ও আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনে আলি থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে সাওরি, আওযায়ি, শাকিক আল-বালখি এবং তার খাদেম ইবরাহিম ইবনে বাশশার বর্ণনা করেছেন। নাসায়ি বলেন: নির্ভরযোগ্য ও আমানতদার, অন্যতম জাহিদ। বুখারি বলেন: তিনি একশত বাষট্টি (৯) হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(মাক, দাল, তা) ইবরাহিম ইবনে ইসহাক ইবনে ঈসা আল-বানানি—বা বর্ণের পরে দুই নুন যোগে—তাদের মুক্ত দাস, আবু ইসহাক আত-তালিকানি, মার্ভের অধিবাসী। তিনি মালিক, ইবনুল মুবারাক এবং দাউদ আল-আত্তার থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আহমাদ ইবনে হাম্বল, হুসাইন আল-বালখি এবং আব্বাস আদ-দুরি বর্ণনা করেছেন। ইয়াকুব ইবনে শাইবাহ (১০) বলেন: নির্ভরযোগ্য ও মুরজিয়া। গুনজার বলেন: তিনি মার্ভে দুইশত পনেরো হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(তা, কাফ) ইবরাহিম ইবনে ইসহাক আল-মাখযুমি; তিনি ইবনুল ফুদাইল।

(দাল, তা, কাফ) ইবরাহিম ইবনে ইসমাইল ইবনে আবি হাবিবা আল-আনসারি আল-আশহালি (তাদের মুক্ত দাস), আবু ইসমাইল আল-মাদানি। তিনি দাউদ ইবনুল হুসাইন এবং মুসা ইবনে উকবা থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইবনে আবি ফুদাইক, সাঈদ ইবনে আবি মারিয়াম এবং কানাবি বর্ণনা করেছেন। আহমাদ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে মাঈন বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য কিছু নন। বুখারি (১১) বলেন: তিনি মুনকারুল হাদিস। ইবনে সাদ বলেন: তিনি একশত পঁয়ষট্টি হিজরিতে বিরাশি বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

(কাফ) ইবরাহিম ইবনে ইসমাইল ইবনে রাজিন; ইবনে সুলাইমানের অধীনে দ্রষ্টব্য।

(দাল) হাশিয়া

(১) তাহযীব-এ বর্ণিত আছে এটি শুরুতে মিম দিয়ে 'মানজুওয়াইহ'। (আবান) ইবনে সাবিত আল-আওসি আত-তাবারী। তার পিতা আলীর সাথে যুদ্ধে শরিক ছিলেন এবং তিনি সাহাবী ছিলেন। তিনি তার পিতা থেকে বেশ কিছু বর্ণনা করেছেন। দামইয়াতি একে 'আল-কামাল' গ্রন্থের ওপর সংযোজন করেছেন এবং বলেছেন: ইবনে মাজাহ (কাফ) তার থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে আমি এটি তাহযীব-এ দেখিনি।

(২) কেউ কেউ আল-মাক্কি বলেছেন।

(৩) এরপর আইন মুহমালাহ, যেমনটি শারহ মুসলিম-এ রয়েছে। সেখানে সোয়াদ বর্ণে ফাতহা দিয়ে শব্দটিকে নির্ধারণ করা হয়েছে। অনুচ্ছেদ: রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরানো।

(৪) ইবনে উমর বর্ণিত হাদিস: যাকে দাওয়াত দেয়া হলো অথচ সে কবুল করলো না...। ইবনে আদি বলেন: তিনি এই হাদিস ছাড়া আর পরিচিত নন। তার আরও কিছু হাদিস থাকলেও এটিই সবচেয়ে বেশি মুনকার এবং এর মাধ্যমেই তিনি পরিচিত। আল-কামাল গ্রন্থে এসেছে যে তিরমিযী তার থেকে বর্ণনা করেছেন।

(৫) তাহযীব-এর বক্তব্য হলো: মতন বা হাদিসের মূল পাঠের দিক থেকে মুনকার, তাই এটি স্মরণ রেখো। তবে আমি আশা করি তার বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই।

(৬) তাহযীব-এ এভাবেই রয়েছে এবং আল-কাশিফ গ্রন্থেও এটি দৃঢ়ভাবে বলা হয়েছে। তবে খলিফা এটি উল্লেখ করেননি, তিনি শুধু ইয়াজিদ ইবনে আব্দুল মালিকের মৃত্যু ১০৫ হিজরিতে হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন।

(৭) এটি পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের হিফাজত সম্পর্কিত।

(৮) কুনজুওয়াইহ এর ভাষ্য হলো একশত ষাটের কিছু পরে।

(৯) আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মানদাহ এটি আবু দাউদ সুলাইমান ইবনুল আশআস থেকে, তিনি আবু তাওবা আর-রাবি ইবনে নাফি থেকে বর্ণনা করেছেন। বুখারি বলেছেন একশত একষট্টি হিজরি। তাকে রোমান অঞ্চলের দুর্গ সুকাইন-এ দাফন করা হয়েছে সমুদ্রতীরবর্তী স্থানে। (তাহযীব)

(১০) এবং ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন। (তাহযীব)

(১১) নাসায়ি বলেছেন দুর্বল, দারাকুতনি বলেছেন পরিত্যক্ত (মাতরুক)। (তাহযীব)
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ١٦)
إِبْرَاهِيم بن إِسْمَاعِيل بن عبد الْملك بن أبي مَحْذُورَة عَن جده وَعنهُ أَبُو جَعْفَر النُّفَيْلِي

(خت ق) إِبْرَاهِيم بن إِسْمَاعِيل بن مجمع الْأنْصَارِيّ أَبُو إِسْحَاق الْمدنِي عَن سَالم وَعَمْرو بن دِينَار وَعنهُ عبد الْعَزِيز ابْن أبي حَازِم (1) ووكيع قَالَ ابْن معِين لَيْسَ حَدِيثه (2) بِشَيْء

(ت) إِبْرَاهِيم بن إِسْمَاعِيل بن يحيى بن سَلمَة بن كهيل الْحَضْرَمِيّ أَبُو إِسْحَاق الْكُوفِي عَن أَبِيه وَأبي نعيم وَعنهُ (ت) اتهمه (3) أَبُو زرْعَة قَالَ مطين مَاتَ سنة ثَمَان وَخمسين وَمِائَتَيْنِ

(سي) إِبْرَاهِيم بن إِسْمَاعِيل الصَّائِغ عَن حجاج بن فرافصة وَعنهُ يحيى بن يحيى مَاتَ (4) سنة ثَمَان وَسبعين وَمِائَة

(ق) إِبْرَاهِيم بن إِسْمَاعِيل الْيَشْكُرِي قيل هُوَ التبَّان عَن إِبْرَاهِيم بن إِسْمَاعِيل بن أبي حَبِيبَة وَعنهُ أَبُو كريب

(ق د) إِبْرَاهِيم بن إِسْمَاعِيل أَو عَكسه حجازي عَن أبي هُرَيْرَة وَابْن عَبَّاس وَعَائِشَة وَعنهُ عَمْرو بن دِينَار وَغَيره قَالَ أَبُو حَاتِم مَجْهُول وَأثْنى عَلَيْهِ غَيره بِالدّينِ لَهُ فِي (د) فَرد حَدِيث

(بخ د) إِبْرَاهِيم بن أبي أسيد بِالْفَتْح البراد الْمدنِي عَن جده لأمه أبي هُرَيْرَة وَعنهُ سُلَيْمَان بن بِلَال وَغَيره قَالَ أَبُو حَاتِم مَحَله الصدْق

(ق) إِبْرَاهِيم بن أعين الْعجلِيّ الْبَصْرِيّ ثمَّ الْمصْرِيّ عَن إِسْرَائِيل وَأبي الْأَشْهب وَعنهُ اللَّيْث وَإِسْرَائِيل من شُيُوخه وَأَبُو سعيد الْأَشَج قَالَ الْحَافِظ الذَّهَبِيّ هُوَ ضَعِيف

(د) إِبْرَاهِيم بن بشار الرَّمَادِي أَبُو إِسْحَاق الْبَصْرِيّ الْحَافِظ الزَّاهِد عَن ابْن عُيَيْنَة فَأكْثر وَأغْرب وَأبي مُعَاوِيَة وَعنهُ (د) قَالَ ابْن معِين وَأحمد كَانَ يملي على النَّاس مَا لم يسمعوه من سُفْيَان قَالَ أَحْمد كَانَ يُغير الْأَلْفَاظ فَتكون زِيَادَة فِي الحَدِيث وَقَالَ ابْن حبَان (5) كَانَ ضابطا مثبتا مَاتَ سنة ثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ أَو قبلهَا أَو بعْدهَا

(تَمْيِيز) إِبْرَاهِيم بن بشار الْخُرَاسَانِي خَادِم إِبْرَاهِيم بن أدهم وَثَّقَهُ ابْن حبَان

(س) إِبْرَاهِيم ابْن أبي بكر الأخنسي الْمَكِّيّ وَيُقَال ابْن بكير عَن طَاوس وَمُجاهد وَعنهُ ابْن أبي نجيح وَابْن جريج

(د س ق) إِبْرَاهِيم بن أبي بكر بن أبي شيبَة هُوَ ابْن عبيد الله يَأْتِي

(د س ق) إِبْرَاهِيم بن جرير ابْن عبد الله البَجلِيّ عَن أَبِيه قَالَ يحيى (6) لم يسمع مِنْهُ وَعَن ابْن أَخِيه أبي زرْعَة وَعنهُ أبان ابْن عبد الله وَشريك قَالَ ابْن عدي أَحَادِيثه مُسْتَقِيمَة بَقِي إِلَى حُدُود الْعشْرين وَمِائَة

(خَ كد) إِبْرَاهِيم بن الْحَرْث بن إِسْمَاعِيل الْبَغْدَادِيّ أَبُو إِسْحَاق نزيل نيسابور عَن يزِيد بن هَارُون وَيحيى بن أبي بكير الْكرْمَانِي وَأبي النَّضر وَعنهُ (خَ 7 كد) قَالَ أَبُو عَمْرو الْمُسْتَمْلِي مَاتَ فِي الْمحرم سنة خمس وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ

(ل) إِبْرَاهِيم بن الْحَرْث بن مُصعب بن الْوَلِيد بن عبَادَة بن الصَّامِت الْأنْصَارِيّ الْعَبَّادِيّ أَبُو إِسْحَاق الْبَغْدَادِيّ عَن أَحْمد (8) وَابْن الْمَدِينِيّ وَعنهُ (ل) قَالَ أَبُو حَاتِم غزا الرّوم سنة نَيف وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ

(س) إِبْرَاهِيم بن حبيب بن الشَّهِيد الْأَزْدِيّ مَوْلَاهُم الْبَصْرِيّ عَن أَبِيه وَعنهُ ابْنه إِسْحَاق وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَله عِنْده فَرد حَدِيث قَالَ البُخَارِيّ مَاتَ سنة (9) ثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

(د ت ق) إِبْرَاهِيم بن أبي حَبِيبَة هُوَ ابْن إِسْمَاعِيل بن أبي حَبِيبَة وَقد مر

(س) إِبْرَاهِيم بن الْحجَّاج بن زيد السَّامِي بِمُهْملَة أَبُو إِسْحَاق النَّاجِي بنُون الْبَصْرِيّ أحد عُلَمَاء الحَدِيث عَن الحمادين وَأَبَان الْعَطَّار وَعنهُ (س) قَالَ ابْن حبَان فِي الثِّقَات مَاتَ (10) سنة إِحْدَى وَثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

(س) إِبْرَاهِيم بن الْحجَّاج النيلي بِكَسْر النُّون وَثَّقَهُ ابْن حبَان قَالَ ابْن قَانِع مَاتَ سنة اثْنَتَيْنِ وَثَلَاثِينَ (11)

(د س فق) إِبْرَاهِيم بن الْحسن بن الْهَيْثَم الْخَثْعَمِي بمثلثة أَبُو إِسْحَاق المقسمي بِكَسْر الْمِيم المصِّيصِي عَن مخلد بن يزِيد والحرث بن عَطِيَّة وَعنهُ (د س فق) وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ (12)

(فق) إِبْرَاهِيم بن الحكم بن أبان الْعَدنِي عَن أَبِيه وَعنهُ ابْن رَاهَوَيْه وَجَمَاعَة قَالَ ابْن معِين لَيْسَ بِشَيْء وَقَالَ هَامِش

(1) وَأَبُو نعيم اه قن

(2) وروى لَهُ ابْن مَاجَه وَاسْتشْهدَ بِهِ البُخَارِيّ فِي بَدْء الْخلق اه قن قَالَ ابْن عدي وَمَعَ ضعفه يكْتب حَدِيثه وَلَا يحْتَج بِهِ اه

(3) وَقَالَ ابْن أبي حَاتِم كتب أبي حَدِيثه وَلم يَأْته وَلم يذهب بِي إِلَيْهِ زهادة فِيهِ قَالَ الْعقيلِيّ لم يكن إِبْرَاهِيم يُقيم الحَدِيث وَكَانَ ابْن نمير لَا يرضاه ويضعفه قَالَ روى أَحَادِيث مَنَاكِير اه تَهْذِيب

(4) فِي التَّهْذِيب قَالَ أَبُو بكر ابْن أبي عَاصِم مَاتَ سنة سبع وَثَمَانِينَ وَمِائَة اه بِلَفْظِهِ

(5) وَقَالَ الْأَزْدِيّ صَدُوق لكنه يهم فِي الحَدِيث اه تَهْذِيب

(6) الْكُوفِي قيل مَاتَ أَبوهُ وَهُوَ حمل وَمِنْهُم من نسبه إِلَى الْكَذِب اه تَهْذِيب

(7) روى عَنهُ (تخ) حديثين فِي تَفْسِير الْحَج حَدِيث وَفِي الْوَصَايَا حَدِيث اه

(8) وَكَانَ أَبُو عبد الله يعظمه وَيرْفَع من قدره ويحتمله فِي أَشْيَاء لَا يحْتَمل فِيهَا غَيره بَسطه فِي الْكَلَام بِحَضْرَتِهِ ويتوقف أَبُو عبد الله فِي الْجَواب عَن الشَّيْء فيجيب بِحَضْرَة أبي عبد الله فيعجبه وَيَقُول جَزَاك الله خيرا يَا أَبَا إِسْحَاق اه تَهْذِيب

(9) لفظ التَّهْذِيب سنة ثَلَاث وَمِائَتَيْنِ اه

(10) وَقَالَ مُوسَى بن هَارُون الْحمال الْحَافِظ سنة ثَلَاث وَثَلَاثِينَ اه

(11) وَمِائَتَيْنِ اه تَهْذِيب

(12) مَاتَ سنة 229 قَالَه أَبُو إِسْحَاق إِبْرَاهِيم بن الأدهم السوقيني اه تَهْذِيب
ইব্রাহীম বিন ইসমাঈল বিন আব্দুল মালিক বিন আবি মাহজুরা: তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে আবু জাফর আন-নুফাইলি বর্ণনা করেছেন।

(খত ক) ইব্রাহীম বিন ইসমাঈল বিন মুজাম্মি আল-আনসারী আবু ইসহাক আল-মাদানী: সালিম ও আমর বিন দীনার থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আব্দুল আজীজ ইবনে আবি হাযিম (১) ও অকী বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন বলেছেন, তাঁর হাদীস (২) ধর্তব্য নয়।

(ত) ইব্রাহীম বিন ইসমাঈল বিন ইয়াহইয়া বিন সালামাহ বিন কুহাইল আল-হাদরামী আবু ইসহাক আল-কূফী: তাঁর পিতা ও আবু নুয়াইম থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (ত) বর্ণনা করেছেন। আবু জুরআ তাঁর প্রতি (মিথ্যাচারের) অভিযোগ তুলেছেন (৩)। মুতাইন বলেছেন, তিনি ২৫৮ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেছেন।

(সি) ইব্রাহীম বিন ইসমাঈল আস-সাইগ: হাজ্জাজ বিন ফারাফিসা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া বর্ণনা করেছেন। তিনি (৪) ১৭৮ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেছেন।

(ক) ইব্রাহীম বিন ইসমাঈল আল-ইয়াশকরী: বলা হয় তিনি আত-তাব্বান। ইব্রাহীম বিন ইসমাঈল বিন আবি হাবীবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আবু কুরাইব বর্ণনা করেছেন।

(ক দ) ইব্রাহীম বিন ইসমাঈল অথবা এর বিপরীত: হিজাজী। আবু হুরায়রা, ইবনে আব্বাস ও আয়েশা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আমর বিন দীনার ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি অপরিচিত (মাজহুল)। অন্যরা তাঁর দ্বীনদারীর প্রশংসা করেছেন। (দ)-তে তাঁর একটি একক হাদীস রয়েছে।

(বখ দ) ইব্রাহীম বিন আবি আসীদ আল-বাররাদ আল-মাদানী (আসীদ শব্দটি ফাতহা দিয়ে): তাঁর মাতামহ আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে সুলাইমান বিন বিলাল ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তাঁর স্থান সত্যবাদিতার স্তরে।

(ক) ইব্রাহীম বিন আইয়ুন আল-ইজলী আল-বসরী, অতঃপর আল-মিসরী: ইসরাঈল ও আবু আল-আশহাব থেকে বর্ণনা করেছেন। লাইস ও ইসরাঈল তাঁর উস্তাদদের অন্তর্ভুক্ত। তাঁর থেকে আবু সাঈদ আল-আশাজ বর্ণনা করেছেন। হাফিজ আয-জাহাবী বলেছেন: তিনি দুর্বল।

(দ) ইব্রাহীম বিন বাশশার আর-রামাদী আবু ইসহাক আল-বসরী, আল-হাফিজ, আয-যাহিদ: ইবনে উইয়াইনা থেকে প্রচুর ও বিরল বর্ণনা করেছেন এবং আবু মুআবিয়া থেকেও। তাঁর থেকে (দ) বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন ও আহমাদ বলেছেন: তিনি মানুষের নিকট এমন হাদীস বর্ণনা করতেন যা তারা সুফিয়ান থেকে শোনেনি। আহমাদ বলেছেন: তিনি শব্দ পরিবর্তন করতেন ফলে হাদীসে বৃদ্ধি ঘটত। ইবনে হিব্বান বলেছেন (৫): তিনি প্রখর স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন ও নির্ভরযোগ্য ছিলেন। তিনি ২৩০ হিজরীতে অথবা তার আগে বা পরে মৃত্যুবরণ করেছেন।

(পার্থক্যকারী) ইব্রাহীম বিন বাশশার আল-খুরাসানী: ইব্রাহীম বিন আদহামের সেবক। ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

(স) ইব্রাহীম ইবনে আবি বকর আল-আখনাসী আল-মক্কী: তাঁকে ইবনে বুকাইরও বলা হয়। তাউস ও মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইবনে আবি নাজীহ ও ইবনে জুরাইজ বর্ণনা করেছেন।

(দ স ক) ইব্রাহীম বিন আবি বকর বিন আবি শায়বাহ: তিনি হলেন ইবনে উবায়দুল্লাহ, যা সামনে আসবে।

(দ স ক) ইব্রাহীম বিন জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বাজালী: তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। ইয়াহইয়া বলেছেন (৬): তিনি তাঁর পিতা থেকে শোনেননি। তিনি তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র আবু জুরআ থেকেও বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আবান ইবনে আব্দুল্লাহ ও শারীক বর্ণনা করেছেন। ইবনে আদী বলেছেন: তাঁর হাদীসসমূহ সঠিক। তিনি ১২০ হিজরীর কাছাকাছি সময় পর্যন্ত জীবিত ছিলেন।

(খ কদ) ইব্রাহীম বিন আল-হারিস বিন ইসমাঈল আল-বাগদাদী আবু ইসহাক: নিশাপুরের অধিবাসী। ইয়াযীদ বিন হারুন, ইয়াহইয়া বিন আবি বুকাইর আল-কিরমানী ও আবুল নাদর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (খ ৭ কদ) বর্ণনা করেছেন। আবু আমর আল-মুস্তামলী বলেছেন: তিনি ২৬৫ হিজরীর মহররম মাসে মৃত্যুবরণ করেছেন।

(ল) ইব্রাহীম বিন আল-হারিস বিন মুসআব বিন আল-ওয়ালীদ বিন উবাদাহ বিন আস-সামিত আল-আনসারী আল-আব্বাদী আবু ইসহাক আল-বাগদাদী: আহমাদ (৮) ও ইবনে আল-মাদীনী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (ল) বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি ২৪০ হিজরীর কিছু পরে রোম অভিযানে শরীক ছিলেন।

(স) ইব্রাহীম বিন হাবীব বিন আশ-শহীদ আল-আযদি আল-বসরী (তাদের মুক্তদাস): তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র ইসহাক বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং তাঁর নিকট তাঁর একটি একক হাদীস রয়েছে। বুখারী বলেছেন: তিনি ২৩০ হিজরীতে (৯) মৃত্যুবরণ করেছেন।

(দ ত ক) ইব্রাহীম বিন আবি হাবীবাহ: তিনি ইব্রাহীম বিন ইসমাঈল বিন আবি হাবীবাহ, যার আলোচনা গত হয়েছে।

(স) ইব্রাহীম বিন আল-হাজ্জাজ বিন যায়েদ আস-সামী (সীন বর্ণ দিয়ে) আবু ইসহাক আন-নাজী (নূন বর্ণ দিয়ে) আল-বসরী: হাদীস বিশারদদের অন্যতম। দুই হাম্মাদ ও আবান আল-আত্তার থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (স) বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান 'আস-সিকাত' গ্রন্থে বলেছেন: তিনি ২৩১ হিজরীতে (১০) মৃত্যুবরণ করেছেন।

(স) ইব্রাহীম বিন আল-হাজ্জাজ আন-নীলী (নূন বর্ণে কাসরা দিয়ে): ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে কানি বলেছেন: তিনি ২৩২ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেছেন (১১)।

(দ স ফক) ইব্রাহীম বিন আল-হাসান bin আল-হাইসাম আল-খাসআনী (সা বর্ণ দিয়ে) আবু ইসহাক আল-মিকসামী (মীম বর্ণে কাসরা দিয়ে) আল-মাসসীসী: মাখলাদ বিন ইয়াযীদ ও আল-হারিস বিন আতিয়্যাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (দ স ফক) বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন (১২)।

(ফক) ইব্রাহীম বিন আল-হাকাম বিন আবান আল-আদানী: তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইবনে রাহওয়াইহি ও একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন বলেছেন: তিনি উল্লেখযোগ্য কেউ নন। এবং পার্শ্বটীকায় বলা হয়েছে:

(১) এবং আবু নুয়াইম।

(২) ইবনে মাজাহ তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং বুখারী 'বাদউল খালক' অধ্যায়ে তাঁর বর্ণনাকে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন। ইবনে আদী বলেছেন: তাঁর দুর্বলতা সত্ত্বেও তাঁর হাদীস লেখা যাবে কিন্তু তা দলীল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।

(৩) ইবনে আবি হাতিম বলেছেন: আমার পিতা তাঁর হাদীস লিখেছেন কিন্তু তাঁর কাছে যাননি এবং তাঁর প্রতি অনীহা হেতু আমাকেও নিয়ে যাননি। উকাইলী বলেছেন: ইব্রাহীম হাদীস যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে পারতেন না। ইবনে নুমাইর তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন না এবং তাঁকে দুর্বল বলেছেন। তিনি বলেছেন: তিনি প্রত্যাখ্যাত (মুনকার) হাদীস বর্ণনা করেছেন - তাহযীব।

(৪) তাহযীব গ্রন্থে আছে: আবু বকর ইবনে আবি আসিম বলেছেন: তিনি ১৮৭ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেছেন।

(৫) আল-আযদি বলেছেন: তিনি সত্যবাদী কিন্তু হাদীস বর্ণনায় ভুল করতেন - তাহযীব।

(৬) আল-কূফী। বলা হয়েছে, তাঁর পিতা মারা যান যখন তিনি গর্ভে ছিলেন। কেউ কেউ তাঁকে মিথ্যাচারের দিকে নিসবত করেছেন - তাহযীব।

(৭) তাঁর থেকে (তখ) হজ্জের তাফসীর অধ্যায়ে একটি হাদীস এবং অসিয়ত অধ্যায়ে একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন।

(৮) আবু আব্দুল্লাহ (আহমাদ) তাঁকে সম্মান করতেন এবং তাঁর মর্যাদা বৃদ্ধি করতেন এবং তাঁর এমন অনেক কথা সহ্য করতেন যা অন্যদের ক্ষেত্রে করতেন না। তাঁর উপস্থিতিতে তিনি স্বচ্ছন্দে কথা বলতেন। আবু আব্দুল্লাহ কোনো বিষয়ের উত্তরে ইতস্তত করলে তিনি তাঁর উপস্থিতিতেই উত্তর দিতেন, যা ইমাম আহমাদকে মুগ্ধ করত এবং তিনি বলতেন: হে আবু ইসহাক! আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন - তাহযীব।

(৯) তাহযীবের শব্দ অনুযায়ী ২০৩ হিজরীতে।

(১০) হাফিজ মুসা বিন হারুন আল-হাম্মাল বলেছেন: ২৩৩ হিজরীতে।

(১১) এবং ২০০ (অর্থাৎ ২৩২ হিজরীতে) - তাহযীব।

(১২) তিনি ২২৯ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেছেন, এটি আবু ইসহাক ইব্রাহীম বিন আল-আদহাম আস-সুকাইনী বলেছেন - তাহযীব।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ١٧)
الْجوزجَاني سَاقِط

(د) إِبْرَاهِيم بن حَمْزَة بن سُلَيْمَان بن أبي يحيى الرَّمْلِيّ أَبُو إِسْحَاق الْبَزَّار عَن زيد بن أبي الزَّرْقَاء وضمرة بن ربيعَة وَعنهُ (د) قَالَ أَبُو حَاتِم صَدُوق

(خَ د س) إِبْرَاهِيم بن حَمْزَة بن مُحَمَّد ابْن حَمْزَة بن مُصعب بن عبد الله بن الزبير بن الْعَوام الْأَسدي أَبُو إِسْحَاق الْمدنِي عَن إِبْرَاهِيم بن سعد وَابْن أبي حَازِم وحاتم بن إِسْمَاعِيل وَعنهُ (خَ) وَأَبُو زرْعَة والذهلي قَالَ أَبُو حَاتِم وَابْن سعد صَدُوق قَالَ البُخَارِيّ مَاتَ سنة ثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

(خَ م مد ت س) إِبْرَاهِيم بن حميد بن عبد الرَّحْمَن الرُّؤَاسِي بِضَم الرَّاء وَبعد الْهمزَة ألف أَبُو إِسْحَاق الْكُوفِي عَن إِسْمَاعِيل بن أبي خَالِد وَالْأَعْمَش وَهِشَام بن عُرْوَة وَعنهُ يحيى بن آدم وشهاب بن عباد (1) وَثَّقَهُ ابْن معِين وَأَبُو حَاتِم مَاتَ سنة ثَمَان وَسبعين وَمِائَة

(تَمْيِيز) إِبْرَاهِيم بن حميد بن عبد الرَّحْمَن بن عَوْف لزهري قَالَ ابْن حبَان مَاتَ سنة ثَمَان وَتِسْعين وَمِائَة

(ع) إِبْرَاهِيم بن حنين هُوَ ابْن عبد الله بن حنين يَأْتِي

(د س) إِبْرَاهِيم بن خَالِد بن عبيد الصَّنْعَانِيّ أذن بمسجدها سبعين سنة أَبُو مُحَمَّد عَن معمر فَرد حَدِيث وَالثَّوْري وَعنهُ أَحْمد وَابْن الْمَدِينِيّ وَسَلَمَة بن شبيب وَثَّقَهُ أَحْمد وَابْن معِين مَاتَ على رَأس الْمِائَتَيْنِ

(م د ق) إِبْرَاهِيم بن خَالِد بن الْيَمَان الْكَلْبِيّ أَبُو ثَوْر الْبَغْدَادِيّ الْفَقِيه أحد الْأَئِمَّة الْمُجْتَهدين عَن ابْن عُيَيْنَة وَأبي مُعَاوِيَة ووكيع وَالشَّافِعِيّ وَعنهُ (م 2 دق) قَالَ أَحْمد هُوَ عِنْدِي فِي مسلاخ الثَّوْريّ (3) وَقَالَ النَّسَائِيّ ثِقَة مَأْمُون أحد الْفُقَهَاء قَالَ ابْن حبَان كَانَ من أَئِمَّة الدُّنْيَا مَاتَ سنة أَرْبَعِينَ وَمِائَتَيْنِ

(مق) إِبْرَاهِيم بن خَالِد الْيَشْكُرِي عَن أبي الْوَلِيد وَعنهُ (مق) قيل هُوَ أَبُو ثَوْر قَالَ ابْن حجر أنكر ذَلِك ابْن حلقون وَذكر الْحَاكِم وَابْن عَسَاكِر أَن (م) روى عَن أبي ثَوْر

(م) إِبْرَاهِيم بن دِينَار التمار أَبُو إِسْحَاق الْبَغْدَادِيّ عَن هشيم وَيحيى بن حَمَّاد وحجاج بن مُحَمَّد وروح بن عبَادَة وَخلق وَعنهُ (م) وَأَبُو زرْعَة وَوَثَّقَهُ قَالَ الْبَغَوِيّ مَاتَ سنة اثْنَتَيْنِ وَثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

(م د س) إِبْرَاهِيم بن زِيَاد الْبَغْدَادِيّ أَبُو إِسْحَاق سبلان بِفَتْح الْمُهْملَة وَالْمُوَحَّدَة عَن هشيم وَحَمَّاد بن زيد وَعباد بن عباد وَعنهُ (م) فَرد حَدِيث (د) وَأَبُو زرْعَة وَجَمَاعَة قَالَ النَّسَائِيّ لَيْسَ بِهِ بَأْس وَقَالَ أَحْمد إِذا مَاتَ سبلان ذهب علم عباد بن عباد قَالَ مُوسَى بن هَارُون مَاتَ (4) سنة ثَمَان وَعشْرين وَمِائَتَيْنِ

(د) إِبْرَاهِيم بن سَالم بن أبي أُميَّة الْقرشِي التَّمِيمِي أَبُو إِسْحَاق الْمدنِي بردَان بِفَتْح الْمُوَحدَة والمهملتين عَن أَبِيه وَابْن الْمسيب وَعنهُ سُلَيْمَان بن بِلَال وَصَفوَان بن عِيسَى قَالَ ابْن سعد ثِقَة مَاتَ سنة ثَلَاث وَخمسين وَمِائَة

(ع) إِبْرَاهِيم بن سعد بن إِبْرَاهِيم بن عبد الرَّحْمَن بن عَوْف الزُّهْرِيّ أَبُو إِسْحَاق الْمدنِي نزيل بَغْدَاد وقاضيها وَأحد الْأَعْلَام عَن أَبِيه وَالزهْرِيّ وَصَالح بن كيسَان وَابْن إِسْحَاق وَخلق وَعنهُ ابْنه يَعْقُوب وَعبد الصَّمد بن عبد الْوَارِث وَيزِيد بن هَارُون وَيحيى بن يحيى وَأحمد بن حَنْبَل وَخلق وَثَّقَهُ أَحْمد وَيحيى بن معِين وَأَبُو حَاتِم وَالْعجلِي مَاتَ سنة ثَلَاث وَثَمَانِينَ وَمِائَة وَقيل أَربع وَثَمَانِينَ عَن ثَلَاث أَو خمس وَسبعين سنة

(خَ م س ق) إِبْرَاهِيم بن سعد بن أبي وَقاص الزُّهْرِيّ أَبُو إِسْحَاق الْمدنِي عَن أَبِيه وَأُسَامَة بن زيد وَعنهُ حبيب بن أبي ثَابت وَأَبُو جَعْفَر الباقر وَثَّقَهُ ابْن سعد (5)

(م ع أ) إِبْرَاهِيم ابْن سعيد الطَّبَرِيّ الْجَوْهَرِي أَبُو إِسْحَاق الْبَغْدَادِيّ الْحَافِظ صَاحب الْمسند عَن ابْن عُيَيْنَة وَأبي أُسَامَة وَعبد الْوَهَّاب الثَّقَفِيّ ووكيع وَخلق وَعنهُ (م ع أ) وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ والخطيب مَاتَ سنة تسع وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ قَالَه ابْن قَانِع وَقيل بعد الْخمسين مرا بطابعين زربة لَهُ فِي (م) حَدِيث أَو حديثان

(د) إِبْرَاهِيم بن سعيد الْمدنِي عَن نَافِع وَعنهُ قُتَيْبَة قَالَ أَبُو دَاوُد (6) وَلَيْسَ لَهُ هَامِش

(1) فِي صَلَاة الْكُسُوف ومواضع اه قن

(2) خَارج الصَّحِيح اه تَهْذِيب

(3) تَمام الْكَلَام أعرفهُ بِالسنةِ مُنْذُ خمسين سنة اه تَهْذِيب

(4) فِي ذِي الْحجَّة

(5) ذكره البُخَارِيّ فِي الطِّبّ والمناقب أه ملقن

(6) وَقَالَ ابْن عدي لَيْسَ بِمَعْرُوف اه
জাওজাজানি বলেছেন: তিনি বর্জিত।

(আবু দাউদ) ইবরাহিম বিন হামজাহ বিন সুলাইমান বিন আবি ইয়াহইয়া আর-রামলি আবু ইসহাক আল-বায্যার। তিনি জায়েদ বিন আবিল জারকা এবং দামরাহ বিন রাবিয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (আবু দাউদ)। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি সত্যবাদী।

(বুখারি, আবু দাউদ, নাসায়ি) ইবরাহিম বিন হামজাহ বিন মুহাম্মদ বিন হামজাহ বিন মুসআব বিন আবদুল্লাহ বিন আজ-জুবাইর বিন আল-আওয়াম আল-আসাদি আবু ইসহাক আল-মাদানি। তিনি ইবরাহিম বিন সাদ, ইবনে আবি হাজিম এবং হাতিম বিন ইসমাইল থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (বুখারি), আবু যুরআহ এবং আদ-যুহলি। আবু হাতিম এবং ইবনে সাদ বলেছেন: তিনি সত্যবাদী। বুখারি বলেছেন: তিনি ২৩০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(বুখারি, মুসলিম, আল-মুন্তাখা, তিরমিজি, নাসায়ি) ইবরাহিম বিন হুমাইদ বিন আবদুর রহমান আর-রুআসি (র-এর ওপর পেশ এবং হামযাহ-এর পর আলিফ যোগে), আবু ইসহাক আল-কুফি। তিনি ইসমাইল বিন আবি খালিদ, আল-আমাশ এবং হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আদম এবং শিহাব বিন আব্বাদ (১)। ইবনে মাঈন এবং আবু হাতিম তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ১৭৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(পার্থক্যকারী) ইবরাহিম বিন হুমাইদ বিন আবদুর রহমান বিন আউফ আজ-জুহরি। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি ১৯৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(ছয় ইমাম) ইবরাহিম বিন হুনাইন। তিনি হলেন ইবনে আবদুল্লাহ বিন হুনাইন, যার আলোচনা সামনে আসবে।

(আবু দাউদ, নাসায়ি) ইবরাহিম বিন খালিদ বিন উবাইদ আস-সানআনি। তিনি সানআ-এর মসজিদে সত্তর বছর আজান দিয়েছেন। আবু মুহাম্মদ। তিনি মা’মার থেকে একটি একক হাদিস এবং সাওরি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আহমদ, ইবনুল মাদিনি এবং সালামাহ বিন শাবিব। আহমদ এবং ইবনে মাঈন তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ২০০ হিজরির শুরুর দিকে মৃত্যুবরণ করেন।

(মুসলিম, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ) ইবরাহিম বিন খালিদ বিন আল-ইয়ামান আল-কালবি আবু সাওর আল-বাগদাদি আল-ফকিহ, অন্যতম মুজতাহিদ ইমাম। তিনি ইবনে উয়ায়নাহ, আবু মুয়াবিয়া, ওয়াকি এবং শাফেয়ি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (মুসলিম, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)। আহমদ বলেছেন: আমার কাছে তিনি সাওরির মতো (৩)। নাসায়ি বলেছেন: নির্ভরযোগ্য, আমানতদার ও অন্যতম ফকিহ। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ইমামদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি ২৪০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(ইবনে মাজাহ-এর মুকাদ্দিমা) ইবরাহিম বিন খালিদ আল-ইয়াশকুরি। তিনি আবু ওয়ালিদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (ইবনে মাজাহ-এর মুকাদ্দিমা)। বলা হয় যে, তিনি আবু সাওর। ইবনে হাজার বলেছেন: ইবনে হালকুন তা অস্বীকার করেছেন। আল-হাকিম এবং ইবনে আসাকির উল্লেখ করেছেন যে, (মুসলিম) আবু সাওর থেকে বর্ণনা করেছেন।

(মুসলিম) ইবরাহিম বিন দিনার আত-তাম্মার আবু ইসহাক আল-বাগদাদি। তিনি হুশাইম, ইয়াহইয়া বিন হাম্মাদ, হাজ্জাজ বিন মুহাম্মদ, রওহ বিন উবাদাহ ও আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (মুসলিম) ও আবু যুরআহ এবং তাঁরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। বাগবি বলেছেন: তিনি ২৩২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ি) ইবরাহিম বিন যিয়াদ আল-বাগদাদি আবু ইসহাক সাবলান (সিন ও বা-এর ফাতাহ যোগে)। তিনি হুশাইম, হাম্মাদ বিন জায়েদ এবং আব্বাদ বিন আব্বাদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (মুসলিম) - একটি একক হাদিস - (আবু দাউদ), আবু যুরআহ এবং একটি জামাত। নাসায়ি বলেছেন: তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। আহমদ বলেছেন: সাবলান যখন মারা যাবেন, তখন আব্বাদ বিন আব্বাদের ইলম বিদায় নেবে। মুসা বিন হারুন বলেছেন: তিনি ২১৮ হিজরিতে (৪) মৃত্যুবরণ করেন।

(আবু দাউদ) ইবরাহিম বিন সালিম বিন আবি উমাইয়াহ আল-কুরাশি আত-তামিমি আবু ইসহাক আল-মাদানি বারদান (বা এবং দাল-এর ফাতাহ যোগে)। তিনি তাঁর পিতা এবং ইবনুল মুসাইয়্যিব থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন সুলাইমান বিন বিলাল এবং সাফওয়ান বিন ঈসা। ইবনে সাদ বলেছেন: নির্ভরযোগ্য। তিনি ১৫৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(ছয় ইমাম) ইবরাহিম বিন সাদ বিন ইবরাহিম বিন আবদুর রহমান বিন আউফ আজ-জুহরি আবু ইসহাক আল-মাদানি, বাগদাদের অধিবাসী ও সেখানকার বিচারপতি এবং অন্যতম প্রথিতযশা ইমাম। তিনি তাঁর পিতা, যুহরি, সালিহ বিন কাইসান, ইবনে ইসহাক ও আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন তাঁর ছেলে ইয়াকুব, আবদুস সামাদ বিন আবদুল ওয়ারিস, ইয়াজিদ বিন হারুন, ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া, আহমদ বিন হাম্বল ও আরও অনেকে। আহমদ, ইয়াহইয়া বিন মাঈন, আবু হাতিম এবং আল-ইজলি তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ১৮৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, মতান্তরে ১৮৪ হিজরিতে, ৭৩ বা ৭৫ বছর বয়সে।

(বুখারি, মুসলিম, নাসায়ি, ইবনে মাজাহ) ইবরাহিম বিন সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস আজ-জুহরি আবু ইসহাক আল-মাদানি। তিনি তাঁর পিতা এবং উসামা বিন জায়েদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন হাবিব বিন আবি সাবিত এবং আবু জাফর আল-বাকির। ইবনে সাদ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন (৫)।

(মুসলিম ও অন্যান্য) ইবরাহিম বিন সাঈদ আত-তাবারী আল-জাওহারি আবু ইসহাক আল-বাগদাদি আল-হাফেজ, ‘মুসনাদ’-এর রচয়িতা। তিনি ইবনে উয়ায়নাহ, আবু উসামাহ, আবদুল ওয়াহহাব আস-সাকাফি, ওয়াকি ও আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (মুসলিম ও অন্যান্য)। নাসায়ি ও খতিব তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে কানি’ বলেছেন, তিনি ২৪৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন; মতান্তরে ২৫০ হিজরির পরে। তিনি যারবাহর সীমান্তে পাহারাদার ছিলেন। (মুসলিম)-এ তাঁর বর্ণিত একটি বা দুটি হাদিস রয়েছে।

(আবু দাউদ) ইবরাহিম বিন সাঈদ আল-মাদানি। তিনি নাফে থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন কুতাইবাহ। আবু দাউদ বলেছেন (৬) এবং তাঁর কোনো পাদটীকা নেই।

(১) সূর্যগ্রহণের নামাজে ও অন্যান্য স্থানে।

(২) সহিহর বাইরে।

(৩) কথার পূর্ণতা হলো: আমি তাঁকে পঞ্চাশ বছর ধরে সুন্নাহর অনুসারী হিসেবে জানি।

(৪) জিলহজ মাসে।

(৫) বুখারি তাঁর আলোচনা চিকিৎসা ও মর্যাদা অধ্যায়ে করেছেন।

(৬) ইবনে আদি বলেছেন: তিনি পরিচিত নন।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ١٨)
كثير حَدِيث

(ق) إِبْرَاهِيم بن سُلَيْمَان بن رزين الأردني بِضَم الْهمزَة وَالدَّال بَينهمَا رَاء سَاكِنة ثمَّ نون أَبُو إِسْمَاعِيل الْمُؤَدب نزيل بَغْدَاد عَن عَاصِم بن أبي النجُود وَابْن أبي خَالِد وَعنهُ يحيى بن يحيى وَأَبُو بكر بن أبي شيبَة (1) وَضَعفه ابْن معِين وَالنَّسَائِيّ وَالدَّارَقُطْنِيّ

(ت ق) إِبْرَاهِيم بن سُلَيْمَان الْأَفْطَس الدِّمَشْقِي عَن مَكْحُول والوليد بن عبد الرَّحْمَن الجرشِي وَعنهُ إِسْمَاعِيل بن عَيَّاش وَيحيى ابْن حَمْزَة قَالَ ابْن دُحَيْم ثِقَة ثَبت

(بخ د) إِبْرَاهِيم بن سُوَيْد بن حَيَّان بتحتانية (2) الْمدنِي عَن أنيس وَعَمْرو بن أبي عَمْرو وَعنهُ ابْن وهب وَسَعِيد بن أبي مَرْيَم وَثَّقَهُ ابْن معِين وَأَبُو زرْعَة وَله فِي (خَ) فَرد حَدِيث

(م ع أ) إِبْرَاهِيم بن سُوَيْد النَّخعِيّ الْكُوفِي الْأَعْوَر عَن عَلْقَمَة وَالْأسود وَعنهُ سَلمَة ابْن كهيل وزبيد اليامي (3) وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ

(تَمْيِيز) إِبْرَاهِيم بن أبي سُوَيْد هُوَ ابْن الْفضل يَأْتِي

(ت فق) إِبْرَاهِيم بن شماس أَوله مُعْجمَة السَّمرقَنْدِي أَبُو إِسْحَاق نزيل بَغْدَاد عَن ابْن الْمُبَارك وَعنهُ أَحْمد بن حَنْبَل وَأَبُو زرْعَة قَالَ الإدريسي كَانَ شجاعا مبارزا عَالما فَاضلا ثِقَة ثبتا كثير الْغَزْو متعصبا لأهل السّنة قتل بِظَاهِر سَمَرْقَنْد سنة إِحْدَى وَعشْرين وَمِائَتَيْنِ

(خَ م د س ق) إِبْرَاهِيم بن شمر بِالْكَسْرِ هُوَ ابْن أبي عبلة يَأْتِي

(د) إِبْرَاهِيم بن صَالح بن دِرْهَم الْبَاهِلِيّ أَبُو مُحَمَّد الْبَصْرِيّ عَن أَبِيه وَعنهُ حبَان بن هِلَال قَالَ البُخَارِيّ لَا يُتَابع على حَدِيثه وَقَالَ الدَّارَقُطْنِيّ ضَعِيف

(ت) إِبْرَاهِيم بن صَدَقَة الْبَصْرِيّ عَن يُونُس بن عبيد (4) وَعنهُ مُحَمَّد بن أبان الْبَلْخِي

(مد) إِبْرَاهِيم ابْن طريف شَامي موثق عَن ابْن محيريز وَمُحَمّد بن كَعْب وَعنهُ الْأَوْزَاعِيّ فَقَط

(ع) إِبْرَاهِيم بن طهْمَان بن شُعَيْب الْهَرَوِيّ نزيل نيسابور ثمَّ مَكَّة وَبهَا مَاتَ سنة (5) ثَمَان وَسِتِّينَ وَمِائَة وَكَانَ أحد الْأَعْلَام عَن آدم بن عَليّ وَسماك بن حَرْب وَمُحَمّد بن زِيَاد وَأبي الزبير وَمَنْصُور وَخلق وَعنهُ أَبُو حنيفَة أكبر مِنْهُ وَصَفوَان بن سُلَيْمَان شَيْخه وَيحيى بن أبي كثير وَمُحَمّد بن سَابق وَابْن الْمُبَارك وَخلق وَثَّقَهُ أَحْمد وَأَبُو دَاوُد وَأَبُو حَاتِم وَصَالح بن مُحَمَّد قَالَ أَحْمد كَانَ مرجئا شَدِيد الرَّد على الْجَهْمِية وَقيل إِنَّه رَجَعَ عَن الإرجاء توفّي سنة ثَلَاث وَسِتِّينَ

(د س) إِبْرَاهِيم بن عَامر بن مَسْعُود بن أُميَّة بن خلف الْكُوفِي عَن ابْن الْمسيب وعامر البَجلِيّ وَعنهُ شُعْبَة وسُفْيَان وَثَّقَهُ ابْن معِين (6)

(س) إِبْرَاهِيم ابْن أبي الْعَبَّاس السامري بِفَتْح الْمِيم وشدد الرَّاء ابْن مَاكُولَا عَن أبي معشر وَشريك وَعنهُ أَحْمد بن حَنْبَل وَمُحَمّد بن رَافع وَثَّقَهُ الدَّارَقُطْنِيّ (7) قَالَ ابْن سعد اخْتَلَط فحجبه أَهله حَتَّى مَاتَ لَهُ عِنْده (8) فَرد حَدِيث

(س) إِبْرَاهِيم بن عبد الله بن أَحْمد الْخلال بمعجمه أَبُو إِسْحَاق الْمروزِي عَن ابْن الْمُبَارك وَعنهُ (س) قَالَ ابْن حبَان فِي الثِّقَات مَاتَ سنة إِحْدَى وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ

(ت ق) إِبْرَاهِيم بن عبد الله بن حَاتِم الْهَرَوِيّ أَبُو عبد الله الْحَافِظ نزيل بَغْدَاد عَن هشيم وَعباد بن الْعَوام وَإِسْمَاعِيل بن جَعْفَر وَخلق وَعنهُ (ت ق) قَالَ الدَّارَقُطْنِيّ ثِقَة ثَبت وَضَعفه أَبُو دَاوُد وَغَيره لوقفه فِي الْقُرْآن قَالَ الْحَرْث بن أبي أُسَامَة مَاتَ بسر من رأى سنة أَربع وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ عَن سِتّ وَسِتِّينَ

(ت) إِبْرَاهِيم بن عبد الله بن الْحَرْث بن حَاطِب الْمدنِي صَدُوق عَن عَطاء وَعبد الله بن دِينَار وَعنهُ أَبُو النَّضر والقعنبي

(ع) إِبْرَاهِيم بن عبد الله بن حنين مولى الْعَبَّاس أَبُو إِسْحَاق الْمدنِي عَن أَبِيه وَأبي هُرَيْرَة وَأرْسل عَن عَليّ وَعنهُ زيد بن أسلم (9) وَالزهْرِيّ والوليد بن كثير وَدَاوُد بن قيس وَنَافِع وَخلق وَثَّقَهُ ابْن سعد وَالنَّسَائِيّ قَالَ الذَّهَبِيّ مَاتَ سنة بضع عشرَة وَمِائَة

(سي) إِبْرَاهِيم بن عبد الله بن عبد الْقَارِي بِالتَّشْدِيدِ عَن عَليّ مُرْسلا وَعَن ابْن عَبَّاس وَعنهُ الجعيد بن عبد الرَّحْمَن

(بخ م د ت هَامِش

(1) لفظ التَّهْذِيب قَالَ أَبُو دَاوُد وَمُعَاوِيَة بن صَالح عَن يحيى بن معِين ثِقَة وَزَاد مُعَاوِيَة صَحِيح الْكتاب كتبت عَنهُ وَقَالَ أَبُو قدامَة عَن يحيى لَيْسَ بِهِ بَأْس وَقَالَ الْعجلِيّ وَالدَّارَقُطْنِيّ ثِقَة وَقَالَ النَّسَائِيّ لَيْسَ بِهِ بَأْس انْتهى مُخْتَصرا فَلَعَلَّ مَا هُنَا سَهْو اه

(2) فِي التَّهْذِيب الْمَدِينِيّ

(3) فِي الْمِيزَان قَالَ ابْن معِين مَشْهُور وَوَثَّقَهُ غَيره وَضَعفه أَبُو عبد الرَّحْمَن النَّسَائِيّ اه بِلَفْظِهِ

(4) قَالَ أَبُو حَاتِم شيخ وَقَالَ عَليّ بن الْحُسَيْن بن الْجُنَيْد مَحَله الصدْق اه تَهْذِيب

(5) وَهُوَ الصَّوَاب كَمَا فِي التَّهْذِيب وَقَوله بعد توفّي سنة ثَلَاث وهم أَن صَحَّ مَا فِي التَّهْذِيب وَلَعَلَّ لَفْظَة ثَلَاث تحرفت عَن ثَمَان قَالَه ابْن الملقن اه

(6) وَالنَّسَائِيّ وَقَالَ أَبُو حَاتِم صَدُوق لَا بَأْس بِهِ اه

(7) وَأحمد وَأَبُو عوَانَة وَقَالَ أَبُو حَاتِم شيخ اه

(8) وَهُوَ حَدِيث حرمت الْخمر لعينها قليلها وكثيرها وَمَا أسكر من كل شراب اه تَهْذِيب

(9) فِي جَزَاء الصَّيْد اه
প্রচুর হাদিস বর্ণনাকারী

(ক্ব) ইব্রাহিম বিন সুলায়মান বিন রাজীন আল-উর্দুনী; হামযাহ ও দাল-এ পেশ এবং উভয়ের মাঝে রা সাকিন, এরপর নুন। আবু ইসমাইল আল-মুয়াদ্দিব, বাগদাদে বসবাসকারী। আসেম বিন আবি আন-নাজুদ ও ইবনে আবি খালিদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া ও আবু বকর বিন আবি শায়বাহ (১) বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন, নাসায়ি ও দারা কুতনী তাকে দুর্বল বলেছেন।

(ত, ক্ব) ইব্রাহিম বিন সুলায়মান আল-আফতাস আদ-দিমাশকী; মাকহুল ও ওয়ালিদ বিন আব্দুর রহমান আল-জুরাশী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইসমাইল বিন আইয়াশ ও ইয়াহইয়া বিন হামযাহ বর্ণনা করেছেন। ইবনে দুহাইম বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ়।

(বখ, দ) ইব্রাহিম বিন সুওয়াইদ বিন হাইয়ান—ইয়ামূলক (২)—আল-মাদানী; আনিস ও আমর বিন আবি আমর থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইবনে ওয়াহাব ও সাঈদ বিন আবি মারইয়াম বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন ও আবু যুরআহ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। বুখারিতে (আল-আদাবুল মুফরাদে) তার একটি মাত্র হাদিস রয়েছে।

(ম, আ, অ) ইব্রাহিম বিন সুওয়াইদ আন-নাখায়ি আল-কুফি আল-আওয়ার; আলক্বামাহ ও আসওয়াদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে সালামাহ বিন কুহাইল ও যুবাইদ আল-ইয়ামী (৩) বর্ণনা করেছেন। নাসায়ি তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

(পার্থক্যকারী) ইব্রাহিম বিন আবি সুওয়াইদ; তিনি হলেন ইবনুল ফাযল, যার আলোচনা সামনে আসবে।

(ত, ফক্ব) ইব্রাহিম বিন শাম্মাস—শিন বর্ণ দিয়ে—আস-সামারকান্দী আবু ইসহাক, বাগদাদে বসবাসকারী। ইবনুল মুবারক থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আহমদ বিন হাম্বল ও আবু যুরআহ বর্ণনা করেছেন। ইদ্রিসী বলেন: তিনি ছিলেন সাহসী যোদ্ধা, আলেম, ফযিলতপূর্ণ, নির্ভরযোগ্য, সুদৃঢ়, প্রচুর জিহাদে অংশগ্রহণকারী এবং আহলুস সুন্নাহর পক্ষে কঠোর কণ্ঠস্বর। ২২১ হিজরিতে সমরকন্দের উপকণ্ঠে তিনি শহীদ হন।

(খ, ম, দ, স, ক্ব) ইব্রাহিম বিন শিমর—শিন-এ যের দিয়ে—তিনি হলেন ইবনে আবি আবলাহ, যার আলোচনা সামনে আসবে।

(দ) ইব্রাহিম বিন সালিহ বিন দিরহাম আল-বাহিলি আবু মুহাম্মদ আল-বাসরী; স্বীয় পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে হিব্বান বিন হিলাল বর্ণনা করেছেন। বুখারি বলেন: তার হাদিসের অনুসরণ করা হয় না (তিনি একক বর্ণনায় নির্ভরযোগ্য নন)। দারা কুতনী বলেন: তিনি দুর্বল।

(ত) ইব্রাহিম বিন সাদাক্বাহ আল-বাসরী; ইউনুস বিন উবাইদ (৪) থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে মুহাম্মদ বিন আবান আল-বালখী বর্ণনা করেছেন।

(মদ) ইব্রাহিম বিন তারিফ; শামী (সিরীয়), নির্ভরযোগ্য গণ্য। ইবনে মুহাইরিয ও মুহাম্মদ বিন কা’ব থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে কেবল আওযায়ী বর্ণনা করেছেন।

(আ) ইব্রাহিম বিন তাহমান বিন শুআইব আল-হারাউয়ী; নিশাপুরে এবং পরবর্তীতে মক্কায় বসবাসকারী এবং সেখানেই ১৬৮ (৫) হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি শীর্ষস্থানীয় ইমামদের একজন ছিলেন। আদম বিন আলী, সিমাক বিন হারব, মুহাম্মদ বিন যিয়াদ, আবু যুবাইর, মানসুর ও একদল বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আবু হানিফাহ—যিনি তার চেয়ে বয়সে বড় ছিলেন—এবং তার উস্তাদ সাফওয়ান বিন সুলায়মান, ইয়াহইয়া বিন আবি কাসীর, মুহাম্মদ বিন সাবিক্ব, ইবনুল মুবারক ও একদল বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। আহমদ, আবু দাউদ, আবু হাতিম ও সালিহ বিন মুহাম্মদ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আহমদ বলেন: তিনি মুরজিআ ছিলেন এবং জাহমিয়াদের কঠোর প্রতিবাদকারী ছিলেন। বলা হয়ে থাকে যে, তিনি ইরজা (মুরজিআ মতবাদ) থেকে ফিরে এসেছিলেন। ১৬৩ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।

(দ, স) ইব্রাহিম বিন আমের বিন মাসউদ বিন উমাইয়াহ বিন খালাফ আল-কুফি; ইবনুল মুসাইয়িব ও আমের আল-বাজালী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে শু’বাহ ও সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন (৬) তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

(স) ইব্রাহিম বিন আবিল আব্বাস আস-সামেরী—মীম-এ যবর ও রা-এ তাশদীদ দিয়ে—ইবনে মাকুলা; আবু মাশার ও শারীক থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আহমদ বিন হাম্বল ও মুহাম্মদ বিন রাফে বর্ণনা করেছেন। দারা কুতনী (৭) তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে সা’দ বলেন: শেষ বয়সে তার স্মৃতিভ্রম ঘটেছিল, তাই তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তার পরিবারের লোকেরা তাকে লোকচক্ষুর আড়ালে রাখেন। তার সূত্রে তার (ইবনে সা’দের) নিকট একটি (৮) মাত্র একক হাদিস রয়েছে।

(স) ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ আল-খাল্লাল—খ বর্ণ দিয়ে—আবু ইসহাক আল-মারওয়াযী; ইবনুল মুবারক থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে নাসায়ি (স) বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাকে 'আস-সিক্বাত' (নির্ভরযোগ্যদের তালিকা) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। ২৪১ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।

(ত, ক্ব) ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন হাতিম আল-হারাউয়ী আবু আব্দুল্লাহ আল-হাফিয, বাগদাদে বসবাসকারী। হুশাইম, আব্বাদ বিন আওয়াম, ইসমাইল বিন জাফর ও একদল বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তিরমিজি ও ইবনে মাজাহ (ত, ক্ব) বর্ণনা করেছেন। দারা কুতনী বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ়। আবু দাউদ ও অন্যান্যরা তাকে দুর্বল বলেছেন কুরআন (মাখলুক্ব কি না এ বিষয়ে) তার নীরব অবস্থানের কারণে। হারিস বিন আবি উসামাহ বলেন: তিনি 'সাররা মান রাআ' (সামাররা) নগরে ২৪৪ হিজরিতে ৬৬ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।

(ত) ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হারিস বিন হাতিব আল-মাদানী; সত্যবাদী। আতা ও আব্দুল্লাহ বিন দীনার থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আবুল নাযর ও আল-ক্বায়নাবী বর্ণনা করেছেন।

(আ) ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন হুনাইন; আব্বাসের আযাদ করা গোলাম, আবু ইসহাক আল-মাদানী। স্বীয় পিতা ও আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং আলী থেকে মুরসাল বর্ণনা করেছেন। তার থেকে যায়িদ বিন আসলাম (৯), যুহরী, ওয়ালিদ বিন কাসীর, দাউদ বিন কায়স, নাফে ও একদল বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। ইবনে সা’দ ও নাসায়ি তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। যাহাবী বলেন: তিনি একশত দশ হিজরির কিছুকাল পর ইন্তেকাল করেন।

(সি) ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল ক্বারী—তাশদীদ দিয়ে; আলী থেকে মুরসাল এবং ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে জুআইদ বিন আব্দুর রহমান বর্ণনা করেছেন।

(বখ, ম, দ, ত—পার্শ্বটীকা)

(১) 'আত-তাহযীব' গ্রন্থের ভাষ্য হলো: আবু দাউদ ও মুয়াবিয়া বিন সালিহ ইয়াহইয়া বিন মাঈন থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নির্ভরযোগ্য। মুয়াবিয়া আরও যোগ করেছেন যে, তার পাণ্ডুলিপি সহিহ, আমি তার থেকে লিখেছি। আবু কুদামাহ ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। ইজলী ও দারা কুতনী তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। নাসায়ি বলেছেন, তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই—সংক্ষিপ্ত উদ্ধৃতি শেষ। সুতরাং এখানে যা উল্লেখ করা হয়েছে (দুর্বল বলা) তা সম্ভবত কোনো ভুল বা অসতর্কতা।

(২) 'আত-তাহযীব' গ্রন্থে আছে: আল-মাদীনী।

(৩) 'আল-মিযান' গ্রন্থে আছে: ইবনে মাঈন বলেছেন তিনি প্রসিদ্ধ, এবং অন্যান্যরা তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন, তবে আবু আব্দুর রহমান নাসায়ি তাকে দুর্বল বলেছেন।

(৪) আবু হাতিম বলেছেন: তিনি একজন শায়খ (শিক্ষক)। আলী বিন আল-হুসাইন বিন আল-জুনাইদ বলেছেন: তিনি সত্যবাদী হওয়ার স্তরে আছেন—তাহযীব।

(৫) এটিই সঠিক যেমনটি 'আত-তাহযীব' গ্রন্থে আছে। এরপরে 'সালাসা' (তিন) বছরে ইন্তেকাল করার যে কথা বলা হয়েছে, 'আত-তাহযীব'-এর তথ্য সঠিক হলে তা ভ্রম। সম্ভবত 'সালাসা' (তিন) শব্দটি 'সামানিয়া' (আট) থেকে বিকৃত হয়ে গেছে; ইবনুল মুলাক্কিন এমনটিই বলেছেন।

(৬) এবং নাসায়িও নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি সত্যবাদী, তার বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই।

(৭) এবং আহমদ ও আবু আওয়ানাহও নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আবু হাতিম বলেছেন তিনি একজন শায়খ (শিক্ষক)।

(৮) আর সেটি হলো এই হাদিস: "মদ তার সত্তার কারণেই হারাম করা হয়েছে, তা পরিমাণে কম হোক বা বেশি, আর যা কিছু নেশা উদ্রেক করে..."—তাহযীব।

(৯) শিকারের বিনিময় অধ্যায়ে।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ١٩)
س) إِبْرَاهِيم بن عبد الله بن قارظ بقاف آخِره مُعْجمَة صَدُوق عَن أَبِيه وَعَن أبي هُرَيْرَة وَمُعَاوِيَة وَعنهُ عمر بن عبد الْعَزِيز وَأَبُو سَلمَة وَيحيى بن أبي كثير

(ت) إِبْرَاهِيم بن عبد الله بن قريم برَاء مصغر الْأنْصَارِيّ قَاضِي الْمَدِينَة عَن مَالك حِكَايَة وَعنهُ أَبُو إِسْحَاق بن مُوسَى فِي علل الْجَامِع

(م س ق) إِبْرَاهِيم بن عبد الله بن قيس الْأَشْعَرِيّ الْكُوفِي حنكه النَّبِي وَسَماهُ ودعا لَهُ عَن أَبِيه والمغيرة بن شُعْبَة وَعنهُ الشّعبِيّ وَعمارَة بن عُمَيْر وَثَّقَهُ الْعجلِيّ مَاتَ فِي حُدُود السّبْعين لَهُ فِي (م) فَرد حَدِيث

(سي ق) إِبْرَاهِيم بن عبد الله بن مُحَمَّد بن إِبْرَاهِيم الْعَبْسِي بموحدة أَبُو شيبَة بن أبي بكر (1) الْكُوفِي عَن عبيد الله بن مُوسَى وخَالِد بن مخلد وَعنهُ (سي ق) قَالَ أَبُو حَاتِم صَدُوق قَالَ ابْن عقدَة مَاتَ سنة خمس وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ

(م د س ق) إِبْرَاهِيم بن عبد الله بن معبد بن الْعَبَّاس بن عبد الْمطلب الْهَاشِمِي الْمدنِي عَن ابْن عَبَّاس وَأَبِيهِ وَعنهُ أَخُوهُ عَبَّاس وَنَافِع وَابْن جريج

(ت) إِبْرَاهِيم بن عبد الله بن الْمُنْذر الْبَاهِلِيّ الصَّنْعَانِيّ عَن وَكِيع ويعلى بن عبيد وَجَمَاعَة وَعنهُ (ت) وَغَيره

(م د س ق) إِبْرَاهِيم بن عبد الْأَعْلَى الْجعْفِيّ مَوْلَاهُم الْكُوفِي عَن صَدَقَة بن يسَار وسُويد بن غَفلَة وَعنهُ يُونُس بن أبي إِسْحَاق وَالثَّوْري وَثَّقَهُ أَحْمد وَالنَّسَائِيّ

(خَ د س) إِبْرَاهِيم بن عبد الرَّحْمَن ابْن إِسْمَاعِيل السكْسكِي مولى صخير بِضَم الْمُهْملَة وَفتح الْمُعْجَمَة مصغر أَبُو إِسْمَاعِيل الْكُوفِي عَن عبد الله ابْن أبي أوفى وَعنهُ الْعَوام بن حَوْشَب ومسعر ضعفه شُعْبَة وَأحمد بن حَنْبَل قَالَ النَّسَائِيّ لَيْسَ بِذَاكَ الْقوي (2) وَقَالَ ابْن عدي لم أجد لَهُ حَدِيثا مُنكر الْمَتْن لَهُ فِي (خَ) (3) فَرد حَدِيث

(خَ س ق) إِبْرَاهِيم بن عبد الرَّحْمَن بن عبد الله بن أبي ربيعَة المَخْزُومِي الْمدنِي عَن جَابر وَعَائِشَة وَأم كُلْثُوم وَعنهُ ابناه إِسْمَاعِيل ومُوسَى وَالزهْرِيّ وَثَّقَهُ ابْن حبَان لَهُ فِي (خَ) (4) فَرد حَدِيث

(خَ م د س ق) إِبْرَاهِيم ابْن عبد الرَّحْمَن بن عَوْف الزُّهْرِيّ أَبُو إِسْحَاق أَو أَبُو مُحَمَّد الْمدنِي سمع عمر وَأمه أم كُلْثُوم بنت عقبَة (5) لَهُ رِوَايَة عَن أبي بكرَة وَعَمْرو عُثْمَان وَعلي وعمار وَعنهُ ابناه صَالح وَسعد وَمُحَمّد بن عَمْرو بن عَلْقَمَة قَالَ يَعْقُوب بن أبي شيبَة ثِقَة قَالَ الفلاس مَاتَ سنة سِتّ وَتِسْعين عَن خمس وَسبعين سنة

(د ت س) إِبْرَاهِيم بن عبد الرَّحْمَن بن مهْدي الْبَصْرِيّ عَن جَعْفَر بن سُلَيْمَان وَابْن عُيَيْنَة وَعنهُ الْفضل بن سهل الْأَعْرَج وَأَبُو أُميَّة قَالَ ابْن عدي لم أجد لَهُ حَدِيثا مُنْكرا يحكم عَلَيْهِ بالضعف من أَجله (6)

(ت) إِبْرَاهِيم بن عبد الرَّحْمَن بن يزِيد بن أُميَّة عَن نَافِع (7) وَعنهُ سلم بن قُتَيْبَة مَجْهُول

(ق) إِبْرَاهِيم بن عبد السَّلَام بن عبد الله بن باباه بِفَتْح الموحدتين المَخْزُومِي الْمَكِّيّ عَن ابْن أبي ذِئْب وَعنهُ مُحَمَّد بن عبد الله بن سَابُور وَغَيره قَالَ ابْن عدي عِنْدِي أَنه مِمَّن يسرق الحَدِيث روى الْمَنَاكِير

(عخ ت س) إِبْرَاهِيم بن عبد الْعَزِيز بن عبد الْملك بن أبي مَحْذُورَة الجُمَحِي أَبُو إِسْمَاعِيل الْمَكِّيّ عَن أَبِيه صَدُوق يخطىء وَعنهُ الْحميدِي وَالشَّافِعِيّ

(س) إِبْرَاهِيم بن عبد الْعَزِيز بن مَرْوَان بن شُجَاع الْجَزرِي عَن الْحسن بن مُحَمَّد بن أعين وَعنهُ (س) وَقَالَ صَالح

(ت س) إِبْرَاهِيم بن عبد الْملك القناد بقاف أَبُو إِسْمَاعِيل الْبَصْرِيّ عَن قَتَادَة وَيحيى بن أبي كثير وَعنهُ لوين وَإِسْحَاق بن أبي إِسْرَائِيل قَالَ الْعقيلِيّ يهم قَالَ النَّسَائِيّ لَا بَأْس بِهِ

(خَ م د س ق) إِبْرَاهِيم بن أبي عبلة بِسُكُون الْمُوَحدَة شمر بن أبي الْيَقظَان الْعقيلِيّ بِالضَّمِّ (8) أَبُو إِسْمَاعِيل أَو أَبُو الْعَبَّاس الْمَقْدِسِي أَو الرَّمْلِيّ عَن أبي أُمَامَة وَأنس وَعقبَة بن وساج وَخلق وَعنهُ الْأَوْزَاعِيّ وَمَالك وَاللَّيْث وَابْن الْمُبَارك وَمُحَمّد بن حمير وَيحيى بن حَمْزَة وَخلق وَثَّقَهُ ابْن معِين والذهلي وَأَبُو حَاتِم وَالنَّسَائِيّ قَالَ ضَمرَة بن ربيعَة توفّي سنة اثْنَتَيْنِ وَخمسين هَامِش

(1) ابْن أبي شيبَة اه تَهْذِيب

(2) وَهُوَ إِلَى الصدْق أقرب وَيكْتب حَدِيثه اه قن

(3) فِي الْجِهَاد والشهادات اه قن

(4) قَالَ ابْن الملقن أخرج لَهُ (خَ) فِي الْأَطْعِمَة اه

(5) ابْن أبي معيط اه

(6) وروى عَن الثِّقَات الْمَنَاكِير اه تَهْذِيب

(7) روى لَهُ التِّرْمِذِيّ فِي الْوَدَاع اه

(8) أَو أَبُو سعيد أَو أَبُو إِسْحَاق اه تَهْذِيب
(স) ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ বিন কারিজ; ক্বাফ সহযোগে এবং শেষে নুকতাযুক্ত বর্ণ (য)। তিনি সাদুক (সত্যবাদী), তাঁর পিতা এবং আবু হুরায়রা ও মুয়াবিয়া (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে উমর বিন আব্দুল আজিজ, আবু সালামা এবং ইয়াহইয়া বিন আবি কাসীর বর্ণনা করেছেন।

(ত) ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ বিন কুরাইম; রা-এর সাথে তাসগীর (ক্ষুদ্রার্থবোধক শব্দ), আল-আনসারী, মদীনার বিচারক। তিনি মালিক থেকে একটি ঘটনা বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আবু ইসহাক বিন মুসা 'ইলালুল জামি' গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।

(ম স ক্ব) ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ বিন কাইস আল-আশআরী আল-কুফী। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর তাহনিক করেছেন, তাঁর নামকরণ করেছেন এবং তাঁর জন্য দোয়া করেছেন। তিনি তাঁর পিতা এবং মুগীরা বিন শু'বা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে শাবী এবং আমারা বিন উমাইর বর্ণনা করেছেন। আল-ইজলী তাঁকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলেছেন। সত্তর হিজরির কাছাকাছি সময়ে তিনি ইন্তেকাল করেন। মুসলিম শরীফে তাঁর একক একটি হাদীস রয়েছে।

(সি ক্ব) ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম আল-আবসী; 'বা' বর্ণ সহযোগে, আবু শাইবা বিন আবি বকর (১) আল-কুফী। তিনি উবায়দুল্লাহ বিন মুসা এবং খালিদ বিন মাখলাদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (সি ক্ব) বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি সাদুক (সত্যবাদী)। ইবনে উকদাহ বলেছেন: তিনি ২৬৫ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।

(ম দ স ক্ব) ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ বিন মাবাদ বিন আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব আল-হাশিমী আল-মাদানী। তিনি ইবনে আব্বাস এবং তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর ভাই আব্বাস, নাফে' এবং ইবনে জুরাইজ বর্ণনা করেছেন।

(ত) ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-মুনজির আল-বাহিলী আস-সানআনী। তিনি ওয়াকী', ইয়ালা বিন উবাইদ এবং এক জামাত থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (ত) এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন।

(ম দ স ক্ব) ইবরাহীম বিন আব্দুল আলা আল-জু'ফী, তাঁদের মুক্তদাস, আল-কুফী। তিনি সাদাকা বিন ইয়াসার এবং সুওয়াইদ বিন গাফলা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইউনুস বিন আবি ইসহাক এবং সাওরী বর্ণনা করেছেন। আহমদ এবং নাসাঈ তাঁকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলেছেন।

(খ দ স) ইবরাহীম বিন আব্দুর রহমান বিন ইসমাইল আস-সাকসাকী, সাখীর-এর মুক্তদাস; সাখীর শব্দটি সোয়াদ-এর পেশ এবং খা-এর জবরসহ তাসগীর (ক্ষুদ্রার্থবোধক)। আবু ইসমাইল আল-কুফী। তিনি আব্দুল্লাহ বিন আবি আওফা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আল-আওয়াম বিন হাউশাব এবং মিসআর বর্ণনা করেছেন। শু'বা এবং আহমদ বিন হাম্বল তাঁকে দুর্বল বলেছেন। নাসাঈ বলেছেন: তিনি ততটা শক্তিশালী নন (২)। ইবনে আদী বলেছেন: আমি তাঁর এমন কোনো হাদীস পাইনি যার মূল পাঠ (মাতন) মুনকার। বুখারী শরীফে (৩) তাঁর একক একটি হাদীস রয়েছে।

(খ স ক্ব) ইবরাহীম বিন আব্দুর রহমান বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি রাবীআ আল-মাখজুমী আল-মাদানী। তিনি জাবির, আয়েশা এবং উম্মে কুলসুম থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর দুই পুত্র ইসমাইল ও মুসা এবং যুহরী বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। বুখারী শরীফে (৪) তাঁর একক একটি হাদীস রয়েছে।

(খ ম দ স ক্ব) ইবরাহীম বিন আব্দুর রহমান বিন আউফ আজ-জুহরী, আবু ইসহাক অথবা আবু মুহাম্মদ আল-মাদানী। তিনি উমর এবং তাঁর মা উম্মে কুলসুম বিনতে উকবাহ (৫) থেকে শুনেছেন। আবু বাকরা, আমর, উসমান, আলী এবং আম্মার থেকেও তাঁর বর্ণনা রয়েছে। তাঁর থেকে তাঁর দুই পুত্র সালেহ ও সাদ এবং মুহাম্মদ বিন আমর বিন আলকামা বর্ণনা করেছেন। ইয়াকুব বিন আবি শাইবা বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য। ফাল্লাস বলেছেন: তিনি পঁচাত্তর বছর বয়সে ৯৬ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।

(দ ত স) ইবরাহীম বিন আব্দুর রহমান বিন মাহদী আল-বাসরী। তিনি জাফর বিন সুলাইমান এবং ইবনে উইয়াইনা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ফজল বিন সাহল আল-আরাজ এবং আবু উমাইয়া বর্ণনা করেছেন। ইবনে আদী বলেছেন: আমি তাঁর এমন কোনো মুনকার হাদীস পাইনি যার কারণে তাঁকে দুর্বল বলা যায় (৬)।

(ত) ইবরাহীম বিন আব্দুর রহমান বিন ইয়াযীদ বিন উমাইয়া। তিনি নাফে' (৭) থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে সালম বিন কুতাইবা বর্ণনা করেছেন। তিনি মাজহুল (অপরিচিত)।

(ক্ব) ইবরাহীম বিন আব্দুস সালাম বিন আব্দুল্লাহ বিন বাবাহ; দুই 'বা' বর্ণের জবরের সাথে, আল-মাখজুমী আল-মক্কী। তিনি ইবনে আবি যিব থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন সাবুর এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে আদী বলেছেন: আমার মতে তিনি হাদীস চুরি করতেন এবং মুনকার (পরিত্যক্ত) বর্ণনা করতেন।

(এখ ত স) ইবরাহীম বিন আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল মালিক বিন আবি মাহজুরা আল-জুমাহী, আবু ইসমাইল আল-মক্কী। তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি সাদুক (সত্যবাদী) তবে ভুল করেন। তাঁর থেকে হুমায়দী এবং শাফেয়ী বর্ণনা করেছেন।

(স) ইবরাহীম বিন আব্দুল আজিজ বিন মারওয়ান বিন শুজা আল-জাজারী। তিনি হাসান বিন মুহাম্মদ বিন আয়ন থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (স) বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: তিনি সালেহ (উত্তম)।

(ত স) ইবরাহীম বিন আব্দুল মালিক আল-কানাদ; ক্বাফ সহযোগে, আবু ইসমাইল আল-বাসরী। তিনি কাতাদা এবং ইয়াহইয়া বিন আবি কাসীর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে লুওয়াইন এবং ইসহাক বিন আবি ইসরাঈল বর্ণনা করেছেন। আল-উকাইলী বলেছেন: তিনি ভ্রমে পতিত হন। নাসাঈ বলেছেন: এতে কোনো অসুবিধা নেই।

(খ ম দ স ক্ব) ইবরাহীম বিন আবি আবলা; 'বা' বর্ণের সুকুনসহ, শাম্মার বিন আবুল ইয়াকজান আল-উকাইলী; আইনের পেশ সহযোগে (৮)। আবু ইসমাইল অথবা আবুল আব্বাস আল-মাকদিসী অথবা আর-রামলী। তিনি আবু উমামা, আনাস, উকবাহ বিন ওয়াসাজ এবং অসংখ্য ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আওযাঈ, মালিক, লাইস, ইবনুল মুবারক, মুহাম্মদ বিন হিমইয়ার, ইয়াহইয়া বিন হামযা এবং অসংখ্য লোক বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন, যুহলী, আবু হাতিম এবং নাসাঈ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। জামরা বিন রাবীআ বলেছেন: তিনি ১৫২ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। টিকা:

(১) ইবনে আবি শাইবা। সমাপ্ত - তাহযীব।

(২) তবে তিনি সত্যবাদিতার নিকটবর্তী এবং তাঁর হাদীস লিপিবদ্ধ করা হয়। সমাপ্ত - ক্বন।

(৩) জিহাদ এবং সাক্ষ্য অধ্যায়ে। সমাপ্ত - ক্বন।

(৪) ইবনুল মুলাক্কিন বলেছেন: বুখারী (খ) খাদ্য অধ্যায়ে তাঁর বর্ণনা এনেছেন। সমাপ্ত।

(৫) ইবনে আবি মুআইত। সমাপ্ত।

(৬) তিনি নির্ভরযোগ্যদের থেকে মুনকার (অগ্রহণযোগ্য) বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত - তাহযীব।

(৭) তিরমিযী তাঁর থেকে 'বিদায়' অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত।

(৮) অথবা আবু সাঈদ অথবা আবু ইসহাক। সমাপ্ত - তাহযীব।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ٢٠)
وَمِائَة بفلسطين لَهُ فِي (م) فَرد حَدِيث

(م) إِبْرَاهِيم بن عبيد بن رِفَاعَة بن رَافع بن مَالك بن العجلان الْأنْصَارِيّ ابْن بنت كَعْب بن مَالك الْمدنِي عَن جَابر وَمُحَمّد بن كَعْب وَعنهُ عِيَاض بن عبد الله الفِهري وَثَّقَهُ أَبُو زرْعَة لَهُ فِي (م) فَرد حَدِيث

(ت ق) إِبْرَاهِيم بن عُثْمَان الْعَبْسِي بموحدة أَبُو شيبَة الْكُوفِي قَاضِي وَاسِط عَن خَاله الحكم بن عتيبة وَأبي إِسْحَاق وَجَمَاعَة وَعنهُ كَاتبه يزِيد بن هَارُون وَوَصفه بِالْعَدْلِ فِي الْقَضَاء ضعفه ابْن معِين وَأَبُو دَاوُد وَقَالَ النَّسَائِيّ (1) مَتْرُوك مَاتَ (2) سنة اثْنَتَيْنِ وَخمسين وَمِائَة

(د ق) إِبْرَاهِيم بن عَطاء بن أبي مَيْمُونَة الْبَصْرِيّ عَن أَبِيه وَعنهُ نصر بن عَليّ الْأَكْبَر وَأَبُو عَاصِم قَالَ ابْن معِين صَالح

(م د س ق) إِبْرَاهِيم بن عقبَة مولى الزبير مدنِي عَن ابْن الْمسيب وكريب وَعنهُ مَالك والسفيانان وَثَّقَهُ أَحْمد وَابْن معِين (3)

(د) إِبْرَاهِيم ابْن عقيل بن معقل الصَّنْعَانِيّ عَن أَبِيه (4) وَعنهُ أَحْمد بن حَنْبَل وَأَبُو هِشَام القَاضِي

(ق) إِبْرَاهِيم بن عَليّ بن الْحُسَيْن بن أبي رَافع الْمدنِي عَن أَبِيه وَكثير الْمُزنِيّ وَعنهُ إِبْرَاهِيم بن الْمُنْذر وَأحمد بن إِبْرَاهِيم الدَّوْرَقِي قَالَ ابْن معِين لَيْسَ بِهِ بَأْس قَالَ البُخَارِيّ فِي أمره نظر قَالَ الدَّارَقُطْنِيّ (5) ضَعِيف

(د س) إِبْرَاهِيم بن عمر بن كيسَان الصَّنْعَانِيّ أَبُو إِسْحَاق الْيَمَانِيّ عَن وهب بن مانوس ووهب بن مُنَبّه وَعنهُ ابْنه عبد الله وَعبد الرَّزَّاق قَالَ ابْن معِين قَالَ ابْن حبَان كَانَ من الْعباد الخشن (6)

(خَ ع أ) إِبْرَاهِيم بن عمر بن مطرف مولى بني هَاشم أَبُو إِسْحَاق بن أبي الْوَزير الْمَكِّيّ ثمَّ الْبَصْرِيّ عَن عبد الرَّحْمَن بن الغسيل وَنَافِع بن عمر وَمَالك وَعنهُ ابْن الْمثنى وَابْن بشار قَالَ أَبُو حَاتِم لَا بَأْس بِهِ قَالَ البُخَارِيّ مَاتَ (7) بعد أبي عَاصِم النَّبِيل

(ت) إِبْرَاهِيم بن عمر صنعاني غير ابْن كيسَان عَن النُّعْمَان بن أبي شيبَة وَعنهُ مُحَمَّد بن رَافع

(مد) إِبْرَاهِيم بن عَمْرو أَو عمر الصَّنْعَانِيّ الشَّامي عَن الْوَضِين بن عَطاء وَعنهُ مُحَمَّد بن الْحسن بن آتش وجعفر بن سُلَيْمَان

(ت) إِبْرَاهِيم بن أبي عَمْرو الْغِفَارِيّ الْمدنِي عَن أبي بكر بن الْمُنْكَدر وَعنهُ ابْنه عبد الله بن إِبْرَاهِيم مَجْهُول

(د) إِبْرَاهِيم بن الْعَلَاء بن الضَّحَّاك الزبيدِيّ بِالضَّمِّ زبريق بِكَسْر الزَّاي وَالرَّاء بَينهمَا مُوَحدَة سَاكِنة الْحِمصِي عَن إِسْمَاعِيل بن عَيَّاش وَبَقِيَّة وَعنهُ (د) قَالَ أَبُو حَاتِم صَدُوق (8) وَقَالَ غَيره مَاتَ سنة خمس وَثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

(د س ق) إِبْرَاهِيم بن عُيَيْنَة الْهِلَالِي أَخُو سُفْيَان يكنى أَبَا إِسْحَاق كُوفِي عَن يحيى بن سعيد التَّيْمِيّ وَصَالح بن حسان وَعنهُ حَمْزَة الزيات وَابْن معِين وَالْفَلَّاس قَالَ النَّسَائِيّ (9) لَيْسَ بِالْقَوِيّ قَالَ ابْن أبي عَاصِم مَاتَ سنة (10) تسع وَتِسْعين وَمِائَة

(ت ق) إِبْرَاهِيم بن الْفضل أَو ابْن إِسْحَاق المَخْزُومِي أَبُو إِسْحَاق الْمدنِي عَن المَقْبُري وَعبد الله بن مُحَمَّد بن عقيل وَعنهُ إِسْمَاعِيل بن إِبْرَاهِيم التَّيْمِيّ ووكيع قَالَ البُخَارِيّ مُنكر (11) الحَدِيث

(ع) إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن الْحَرْث بن أَسمَاء بن خَارِجَة بن حصن بن حُذَيْفَة الْفَزارِيّ أَبُو إِسْحَاق الْكُوفِي ثمَّ المصِّيصِي الْحَافِظ أحد الْأَعْلَام عَن خَالِد الْحذاء وَحميد الطَّوِيل وَأبي طوالة وَمَالك ومُوسَى بن عقبَة وَالْأَعْمَش وَخلق وَعنهُ الْأَوْزَاعِيّ وَالثَّوْري من شُيُوخه وَمُعَاوِيَة بن عَمْرو وَمُحَمّد بن سَلام وَمُحَمّد بن عقبَة وَخلق قَالَ أَبُو حَاتِم ثِقَة مَأْمُون إِمَام قَالَ الْعجلِيّ صَاحب سنة إِذا دخل الثغر رجل مُبْتَدع أخرجه كثير الحَدِيث فَقِيه قَالَ الفضيل ابْن عِيَاض رَأَيْت النَّبِي فِي النّوم وَإِلَى جنبه فُرْجَة فَذَهَبت لأجلس فَقَالَ هَذَا مجْلِس أبي إِسْحَاق الْفَزارِيّ قَالَ البُخَارِيّ مَاتَ سنة سِتّ وَثَمَانِينَ وَقَالَ ابْن سعد ثَمَان وَقيل هَامِش

(1) وَقَالَ أَبُو أَحْمد بن عدي لَهُ أَحَادِيث صَالِحَة وَهُوَ ضَعِيف على مَا بَينته وَهُوَ وَإِن نسبوه إِلَى الضعْف خير من إِبْرَاهِيم بن أبي حَيَّة اه تَهْذِيب

(2) فِي التَّهْذِيب مَا لَفظه مَاتَ فِي خلَافَة هَارُون سنة تسع وَسِتِّينَ وَمِائَة اه فَلْينْظر

(3) وَالنَّسَائِيّ اه تَهْذِيب

(4) قَالَ ابْن معِين لَيْسَ بِهِ بَأْس وَقَالَ الْعجلِيّ ثِقَة اه

(5) وَقَالَ أَبُو أَحْمد هُوَ وسط اه

(6) قَالَ ابْن معِين ثِقَة وَقَالَ النَّسَائِيّ لَيْسَ بِهِ بَأْس اه

(7) وَقَالَ ابْن الملقن إِنَّه وَقع فِي الْكَمَال أَن إِبْرَاهِيم توفّي سنة ثَلَاث وَثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ اه

(8) قَالَ أَبُو أَحْمد بن عدي سَمِعت أَحْمد بن عُمَيْر يَقُول سَمِعت مُحَمَّد بن عَوْف يَقُول وَذكرت لَهُ حَدِيث إِبْرَاهِيم ابْن الْعَلَاء عَن بَقِيَّة عَن مُحَمَّد ابْن زِيَاد عَن أبي أُمَامَة عَن النَّبِي استعتبوا الْخَيل فَإِنَّهَا تعتب فَقَالَ رَأَيْته على ظهر كِتَابه مُلْحقًا فأنكرته فَقلت لَهُ فَتَركه قَالَ ابْن عون وَهَذَا من عمل ابْنه مُحَمَّد بن إِبْرَاهِيم كَانَ يُسَوِّي الْأَحَادِيث وَأما أَبوهُ فَشَيْخ غير مُتَّهم لم يكن يفعل من هَذَا شَيْئا اه

(9) وَقَالَ إِبْرَاهِيم بن عبد الله ابْن الْجُنَيْد كَانَ مُسلما صَدُوقًا لم يكن من أَصْحَاب الحَدِيث قَالَ أَبُو حَاتِم شيخ يَأْتِي بمناكير اه

(10) وَقَالَ مُحَمَّد بن عبد الله الْحَضْرَمِيّ سنة سبع وَتِسْعين اه

(11) وَكَذَا قَالَ النَّسَائِيّ وَقَالَ فِي مَوضِع آخر لَيْسَ بِثِقَة وَلَا يكْتب حَدِيثه وَقَالَ ابْن عدي وَمَعَ ضعفه يكْتب حَدِيثه وَلَا يجوز الِاحْتِجَاج بِهِ اه
ফিলিস্তিনে একশত হিজরিতে, মুসলিম গ্রন্থে তাঁর একটি একক হাদিস রয়েছে।

(ম) ইবরাহীম ইবন উবাইদ ইবন রিফআহ ইবন রাফি’ ইবন মালিক ইবনুল আজলান আল-আনসারী, কা’ব ইবন মালিক আল-মাদানীর দৌহিত্র। তিনি জাবির ও মুহাম্মদ ইবন কা’ব হতে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইয়াদ ইবন আব্দুল্লাহ আল-ফিহরী বর্ণনা করেছেন। আবু যুরআহ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। মুসলিম গ্রন্থে তাঁর একটি একক হাদিস রয়েছে।

(ত ক) ইবরাহীম ইবন উসমান আল-আবসী, আবু শায়বাহ আল-কুফী, ওয়াসিত নগরীর বিচারক। তিনি তাঁর মামা হাকাম ইবন উতাইবাহ, আবু ইসহাক ও এক দল বর্ণনাকারী হতে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর লেখক ইয়াযীদ ইবন হারুন বর্ণনা করেছেন এবং বিচারকার্যে তাঁকে ন্যায়পরায়ণ হিসেবে অভিহিত করেছেন। ইবন মাঈন ও আবু দাউদ তাঁকে দুর্বল বলেছেন। নাসাঈ বলেছেন (১) তিনি পরিত্যক্ত। তিনি (২) একশত বায়ান্ন হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(দ ক) ইবরাহীম ইবন আতা ইবন আবি মাইমুনাহ আল-বাসরী। তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে নাসর ইবন আলী আল-আকবর ও আবু আসিম বর্ণনা করেছেন। ইবন মাঈন বলেছেন: তিনি সৎ।

(ম দ স ক) ইবরাহীম ইবন উকবাহ, যুবায়রের মুক্তদাস, মদিনার অধিবাসী। তিনি ইবনুল মুসায়্যিব ও কুরায়ব হতে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক ও দুই সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন। আহমাদ ও ইবন মাঈন তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন (৩)।

(দ) ইবরাহীম ইবন আকীল ইবন মাকিল আস-সানআনী। তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেছেন (৪)। তাঁর থেকে আহমাদ ইবন হাম্বল ও আবু হিশাম আল-কাদী বর্ণনা করেছেন।

(ক) ইবরাহীম ইবন আলী ইবনুল হুসাইন ইবন আবি রাফি’ আল-মাদানী। তিনি তাঁর পিতা ও কাসীর আল-মুযানী হতে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইবরাহীম ইবনুল মুনযির ও আহমাদ ইবন ইবরাহীম আদ-দাওরাকী বর্ণনা করেছেন। ইবন মাঈন বলেছেন: তাঁর বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই। বুখারী বলেছেন: তাঁর ব্যাপারে সংশয় রয়েছে। দারাকুতনী বলেছেন (৫) তিনি দুর্বল।

(দ স) ইবরাহীম ইবন উমর ইবন কায়সান আস-সানআনী, আবু ইসহাক আল-ইয়ামানী। তিনি ওয়াহাব ইবন মানুস ও ওয়াহাব ইবন মুনাব্বিহ হতে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রাজ্জাক বর্ণনা করেছেন। ইবন মাঈন (তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন)। ইবন হিব্বান বলেছেন: তিনি কঠোর সাধকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন (৬)।

(খ উ আ) ইবরাহীম ইবন উমর ইবন মুতাররিফ, বনু হাশিমের মুক্তদাস, আবু ইসহাক ইবন আবিল ওয়ায়ীর আল-মাক্কী, অতপর আল-বাসরী। তিনি আব্দুর রহমান ইবনুল গাসীল, নাফি’ ইবন উমর ও মালিক হতে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইবনুল মুসান্না ও ইবন বাশশার বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তাঁর বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই। বুখারী বলেছেন: তিনি (৭) আবু আসিম আন-নাবীল এর পরে মৃত্যুবরণ করেছেন।

(ত) ইবরাহীম ইবন উমর সানআনী, তিনি ইবন কায়সান ব্যতীত অন্যজন। নুমান ইবন আবি শায়বাহ হতে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে মুহাম্মদ ইবন রাফি’ বর্ণনা করেছেন।

(মদ) ইবরাহীম ইবন আমর অথবা উমর আস-সানআনী আশ-শামী। ওয়াযীন ইবন আতা হতে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবন আতাশ ও জাফর ইবন সুলাইমান বর্ণনা করেছেন।

(ত) ইবরাহীম ইবন আবি আমর আল-গিফারী আল-মাদানী। তিনি আবু বকর ইবনুল মুনকাদির হতে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহ ইবন ইবরাহীম বর্ণনা করেছেন। তিনি অজ্ঞাত।

(দ) ইবরাহীম ইবনুল আলা ইবনুজ জাহহাক আয-যুবাইদী, পেশে যবরীক, হিমসবাসী। তিনি ইসমাঈল ইবন আইয়াশ ও বাকিয়্যাহ হতে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (দ) (আবু দাউদ) বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি সত্যবাদী (৮)। অন্যরা বলেছেন তিনি দুইশত পঁয়ত্রিশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(দ স ক) ইবরাহীম ইবন উয়াইনাহ আল-হিলালী, সুফিয়ানের ভাই, উপনাম আবু ইসহাক, কুফাবাসী। ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আত-তাইমী ও সালিহ ইবন হাসসান হতে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে হামযাহ আয-যাইয়াত, ইবন মাঈন ও আল-ফাল্লাস বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ বলেছেন (৯) তিনি শক্তিশালী নন। ইবন আবি আসিম বলেন, তিনি (১০) একশত নিরানব্বই হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(ত ক) ইবরাহীম ইবনুল ফাযল অথবা ইবন ইসহাক আল-মাখযূমী, আবু ইসহাক আল-মাদানী। তিনি মাকবুরী ও আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ ইবন আকীল হতে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইসমাঈল ইবন ইবরাহীম আত-তাইমী ও ওয়াকী’ বর্ণনা করেছেন। বুখারী বলেছেন (১১) তিনি মুনকারুল হাদিস।

(উ) ইবরাহীম ইবন মুহাম্মদ ইবনুল হারিস ইবন আসমা ইবন খারিজাহ ইবন হিসন ইবন হুযাইফা আল-ফাযারী, আবু ইসহাক আল-কুফী, অতপর আল-মিসসীসী, আল-হাফিয, অন্যতম ইমাম। তিনি খালিদ আল-হায্যা, হুমাইদ আত-তবীল, আবু তাওয়ালা, মালিক, মুসা ইবন উকবাহ, আল-আ’মাশ ও আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর উস্তাদদের মধ্যে আওযাঈ ও সাওরী এবং মুআবিয়া ইবন আমর, মুহাম্মদ ইবন সালাম, মুহাম্মদ ইবন উকবাহ ও অসংখ্য বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য, আমানতদার ও ইমাম। আজলী বলেছেন: তিনি সুন্নাহর অনুসারী ছিলেন। যখন সীমান্তে কোনো বিদআতি লোক আসত, তিনি তাকে বের করে দিতেন। তিনি প্রচুর হাদিসের অধিকারী ও ফকীহ ছিলেন। ফুযাইল ইবন ইয়াদ বলেন: আমি স্বপ্নে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখলাম এবং তাঁর পাশে একটি খালি জায়গা ছিল। আমি সেখানে বসার উপক্রম করলে তিনি বললেন, ‘এটি আবু ইসহাক আল-ফাযারীর বসার স্থান’। বুখারী বলেছেন, তিনি একশত ছিয়াশি হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেছেন। ইবন সা’দ বলেছেন একশত আশি। কেউ কেউ বলেন পাদটীকা:

(১) আবু আহমাদ ইবন আদী বলেছেন: তাঁর কিছু ভালো হাদিস রয়েছে তবে আমি যেমন বর্ণনা করেছি তিনি দুর্বল। দুর্বলতার দিকে সম্বন্ধ করা সত্ত্বেও তিনি ইবরাহীম ইবন আবি হাইয়াহ অপেক্ষা উত্তম। - তাহযীব।

(২) তাহযীব গ্রন্থে এসেছে: তিনি হারুনের খিলাফতকালে একশত ঊনসত্তর হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। বিষয়টি বিবেচনা সাপেক্ষ।

(৩) এবং নাসাঈও। - তাহযীব।

(৪) ইবন মাঈন বলেছেন: তাঁর বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই এবং আজলী বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য।

(৫) আবু আহমাদ বলেছেন: তিনি মাঝারি স্তরের।

(৬) ইবন মাঈন বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য। নাসাঈ বলেছেন: তাঁর বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই।

(৭) ইবনুল মুলাক্কিন বলেছেন: 'আল-কামাল' গ্রন্থে এসেছে যে ইবরাহীম দুইশত তেত্রিশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(৮) আবু আহমাদ ইবন আদী বলেন: আমি আহমাদ ইবন উমাইরকে বলতে শুনেছি, তিনি মুহাম্মদ ইবন আওফকে বলতে শুনেছেন যে, তিনি ইবরাহীম ইবনুল আলার একটি হাদিসের কথা উল্লেখ করেছেন যা বাকিয়্যাহ থেকে বর্ণিত, মুহাম্মদ ইবন যিয়াদ হতে, তিনি আবু উমামাহ হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন: "তোমরা ঘোড়ার যত্ন নাও, নিশ্চয়ই তা ফলপ্রসূ।" তিনি বললেন: আমি এটি তাঁর পাণ্ডুলিপির পিঠে পরে সংযুক্ত করা অবস্থায় দেখেছি, তাই আমি এটি প্রত্যাখ্যান করেছি। ইবন আওন বলেন: এটি তাঁর ছেলে মুহাম্মদ ইবন ইবরাহীমের কাজ, সে হাদিসগুলো সংশোধন করত। তবে তাঁর পিতা কোনো অপবাদে অভিযুক্ত নন, তিনি এ ধরনের কিছুই করতেন না।

(৯) ইবরাহীম ইবন আব্দুল্লাহ ইবনুল জুনাইদ বলেছেন: তিনি মুসলিম ও সত্যবাদী ছিলেন, তবে তিনি হাদিসের ইমামদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি একজন শায়খ যিনি মুনকার বর্ণনা নিয়ে আসতেন।

(১০) মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ আল-হাদরামী বলেছেন: একশত সাতানব্বই হিজরিতে।

(১১) নাসাঈও একই কথা বলেছেন এবং অন্য স্থানে বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য নন এবং তাঁর হাদিস লিখে রাখা যাবে না। ইবন আদী বলেছেন: তাঁর দুর্বলতা সত্ত্বেও তাঁর হাদিস লিখে রাখা হবে তবে তাঁকে প্রমাণ হিসেবে পেশ করা জায়েজ নয়।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ٢١)
خمس وَثَمَانِينَ وَمِائَة رَحمَه الله تَعَالَى آمين

(د) إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن حَاطِب الجُمَحِي الْكُوفِي عَن ابْن الْمسيب وَعنهُ عُثْمَان بن حَكِيم الْأنْصَارِيّ وَشعْبَة بن الْحجَّاج

(د) إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن خازم بمعجمتين السَّعْدِيّ التَّمِيمِي أَبُو إِسْحَاق بن أبي مُعَاوِيَة الْكُوفِي عَن أَبِيه وَأبي بكر بن عَيَّاش وَعنهُ (د) قَالَ أَبُو زرْعَة صَدُوق صَاحب سنة مَاتَ سنة سِتّ وَثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

(ت س) إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن سعد بن أبي وَقاص الزُّهْرِيّ الْمدنِي ثمَّ الْكُوفِي عَن أَبِيه وَعنهُ يُونُس بن أبي إِسْحَاق وَمُحَمّد بن مهَاجر وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَقَالَ ابْن حبَان لم يسمع عَن صَحَابِيّ

(بخ م ع أ) إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن طَلْحَة بن عبيد الله التَّيْمِيّ أَبُو إِسْحَاق الْمدنِي عَن عَمه عمرَان وَأبي أسيد وَأبي هُرَيْرَة وَعنهُ طَلْحَة بن يحيى وَسعد ابْن إِبْرَاهِيم وَعبد الرَّحْمَن بن حميد وَثَّقَهُ الْعجلِيّ وَكَانَ يُسمى أَسد قُرَيْش مَاتَ سنة عشر وَمِائَة عَن أَربع وَسبعين

(س ق) إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن الْعَبَّاس بن عُثْمَان بن شَافِع المطلبي الْمَكِّيّ ابْن عَم الإِمَام الشَّافِعِي عَن أَبِيه وجده لأمه مُحَمَّد بن عَليّ بن شَافِع وَابْن عُيَيْنَة وَعنهُ (ق) وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ مَاتَ سنة سبع أَو ثَمَان وَثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

(ق) إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن عبد الله بن جحش الْأَسدي الْمدنِي صَدُوق عَن أَبِيه وَعنهُ عبد الله بن عَمْرو أَخُوهُ عبيد الله بن عمر

(د س) إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن عبد الله بن عبيد الله بن معمر المعمري التَّيْمِيّ أَبُو إِسْحَاق قَاضِي الْبَصْرَة عَن ابْن عُيَيْنَة وَيحيى الْقطَّان وَجَمَاعَة وَعنهُ (د س) وَثَّقَهُ الدَّارَقُطْنِيّ توفّي سنة خمسين وَمِائَتَيْنِ (م س) ابراهيم بن مُحَمَّد بن عرْعرة بمهملات السَّامِي بِمُهْملَة الْقرشِي أَبُو اسحاق الْبَصْرِيّ الْحَافِظ نزيل بَغْدَاد عَن مُعْتَمر بن سُلَيْمَان وجعفر بن سُلَيْمَان وغندر وَعنهُ (م) وَعُثْمَان بن خززاد وَقَالَ أحفظ من رَأَيْت أَرْبَعَة فَذكر مِنْهُم إِبْرَاهِيم قَالَ ابْن معِين ثِقَة (1) وَقَالَ أَبُو حَاتِم صَدُوق قَالَ مُوسَى بن هَارُون مَاتَ (2) سنة إِحْدَى وَثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن أبي عَطاء فِي ابْن أبي يحيى

(ت عس ق) إِبْرَاهِيم ابْن مُحَمَّد بن عَليّ بن أبي طَالب الْهَاشِمِي (3) الْمدنِي صَدُوق عَن جده مُرْسلا وَأَبِيهِ وَأنس وَعنهُ ياسين الْعجلِيّ وَعمر مولى غفرة

(ع) إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن الْمُنْتَشِر بن الأجدع الْهَمدَانِي الْكُوفِي عَن أَبِيه وَقيس بن مُسلم وَعنهُ شُعْبَة والسفيانان وَثَّقَهُ أَحْمد وَأَبُو حَاتِم وَقَالَ جَعْفَر الْأَحْمَر كَانَ أفضل من رَأينَا بِالْكُوفَةِ

(ق) إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن أبي يحيى سمْعَان وَهُوَ (4) إِبْرَاهِيم بن أبي يحيى وَإِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن أبي عَطاء الْأَسْلَمِيّ أَبُو إِسْحَاق الْمدنِي أحد الْأَعْلَام على ضعفه عَن مُوسَى بن وردان وَغَيره قَالَ السُّبْكِيّ هُوَ كَمَا قَالَ ابْن عدي وَعنهُ الشَّافِعِي وَوَثَّقَهُ الثَّوْريّ وَيحيى بن آدم قَالَ أَحْمد كَانَ قدريا معتزليا جهميا كل بلَاء فِيهِ ترك النَّاس حَدِيثه يضع قَالَ الْقطَّان وَابْن معِين كَذَّاب وَقَالَ ابْن عقدَة لَيْسَ بمنكر الحَدِيث وَقَالَ ابْن عدي هُوَ كَمَا قَالَ ابْن عقدَة مَاتَ سنة أَربع وَثَمَانِينَ وَمِائَة لَهُ فِي (ق) فَرد حَدِيث

(ق) إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن يُوسُف بن سُرَيج بجيم الْفرْيَابِيّ بِكَسْر الْفَاء آخِره مُوَحدَة أَبُو إِسْحَاق الْمَقْدِسِي عَن ضَمرَة وَأَيوب بن سُوَيْد والوليد بن مُسلم وَعنهُ (ق) قَالَ أَبُو حَاتِم صَدُوق

(ق) إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد الزُّهْرِيّ أَبُو إِسْحَاق الْحلَبِي نزيل الْبَصْرَة عَن أبي دَاوُد وَأبي عَاصِم وَعنهُ (ق) قَالَ ابْن حبَان فِي الثِّقَات يخطىء

(ق) إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد (5) عَن مُعَاوِيَة بن عبد الله ابْن جَعْفَر وَعنهُ ابْن عُيَيْنَة وَغَيره هُوَ ابْن (6) مُحَمَّد بن عَليّ بن عبد الله بن جَعْفَر الْهَاشِمِي صَدُوق

(بخ ت ق) إِبْرَاهِيم بن الْمُخْتَار التَّمِيمِي أَبُو إِسْمَاعِيل الرَّازِيّ حبوية بِفَتْح الْمُهْملَة وَضم الْمُوَحدَة عَن شُعْبَة وَابْن جريج وَعنهُ فَرْوَة بن أبي المغراء وَمُحَمّد بن عبد الحميد قَالَ أَبُو حَاتِم (7) صَالح الحَدِيث هَامِش

(1) مَعْرُوف بِالْحَدِيثِ مَشْهُور بِالطَّلَبِ كيس الْكتاب لكنه يفْسد نَفسه يدْخل فِي كل شَيْء واستنكر عَلَيْهِ أَحْمد مَا يرويهِ عَن ابْن عَبَّاس أَن النَّبِي كَانَ يزور الْبَيْت كل لَيْلَة وَقَالَ كذب وزور وَمَا سَمِعُوهُ مِنْهُ اه تَهْذِيب

(2) لسبع بَقينَ من رَمَضَان اه تَهْذِيب

(3) الْمَعْرُوف أَبوهُ بِابْن الْحَنَفِيَّة وَهُوَ أَخُو عبد الله وَالْحسن وَعمر اه

(4) عبارَة التَّهْذِيب هُوَ إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن أبي يحيى وَمِنْهُم من قَالَ فِيهِ ابْن مُحَمَّد ابْن أبي عَطاء وَقد ينْسب إِلَى جده اه

(5) ابْن أبي طَالب عَن أَبِيه عَن عَليّ كَذَا فِي التَّهْذِيب فَلَعَلَّ مَا هُنَا سَهْو اه

(6) عبارَة التَّهْذِيب وَقَالَ ابْن أبي حَاتِم عَن أَبِيه هُوَ إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن عَليّ الخ اه

(7) وَقَالَ أَبُو دَاوُد لَا بَأْس بِهِ اه تَهْذِيب
১৮৫ হিজরি, আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন, আমিন।

(আবু দাউদ) ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন হাতিব আল-জুমাহি আল-কুফি; ইবনুল মুসাইয়িব থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে উসমান বিন হাকিম আল-আনসারি ও শু’বাহ বিন হাজ্জাজ বর্ণনা করেছেন।

(আবু দাউদ) ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন খাযিম (উভয় বর্ণে নুক্তাযুক্ত) আস-সাদি আত-তামিমি আবু ইসহাক বিন আবি মুয়াবিয়া আল-কুফি; তাঁর পিতা ও আবু বকর বিন আইয়াশ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে (আবু দাউদ) বর্ণনা করেছেন। আবু জুরআ বলেছেন: সত্যবাদী ও সুন্নাহর অনুসারী। তিনি ২৩৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(তিরমিজি ও নাসাঈ) ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস আজ-জুহরি আল-মাদানি অতঃপর আল-কুফি; তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে ইউনুস বিন আবি ইসহাক ও মুহাম্মদ বিন মুহাজির বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি কোনো সাহাবী থেকে শোনেননি।

(বুখারি - খালক আফআলিল ইবাদ, মুসলিম, চার সুনান ও আহমদ) ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন তালহা বিন উবাইদুল্লাহ আত-তাইমি আবু ইসহাক আল-মাদানি; তাঁর চাচা ইমরান, আবু আসিদ ও আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে তালহা বিন ইয়াহিয়া, সাদ বিন ইব্রাহিম ও আবদুর রহমান বিন হুমাইদ বর্ণনা করেছেন। আল-ইজলি তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং তাঁকে 'কুরাইশের সিংহ' বলা হতো। তিনি ১১০ হিজরিতে ৭৪ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

(নাসাঈ ও ইবনে মাজাহ) ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আল-আব্বাস বিন উসমান বিন শাফি আল-মুত্তালিবি আল-মাক্কি; ইমাম শাফিঈর চাচাতো ভাই। তিনি তাঁর পিতা এবং মাতামহ মুহাম্মদ বিন আলী বিন শাফি ও ইবনে উইয়াইনাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে (ইবনে মাজাহ) বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ২৩৭ বা ২৩৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(ইবনে মাজাহ) ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন জাহশ আল-আসাদি আল-মাদানি; সত্যবাদী। তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে আব্দুল্লাহ বিন আমর ও তাঁর ভাই উবাইদুল্লাহ বিন উমর বর্ণনা করেছেন।

(আবু দাউদ ও নাসাঈ) ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন উবাইদুল্লাহ বিন মা’মার আল-মা’মারি আত-তাইমি আবু ইসহাক, বসরার বিচারক; ইবনে উইয়াইনাহ, ইয়াহিয়া আল-কাত্তান ও এক জামাত থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে (আবু দাউদ ও নাসাঈ) বর্ণনা করেছেন। আদ-দারাকুতনি তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ২৫০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। (মুসলিম ও নাসাঈ) ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আরআরা আস-সামি আল-কুরাশি আবু ইসহাক আল-বসরি আল-হাফিজ, বাগদাদের বাসিন্দা; মুতামার বিন সুলাইমান, জাফর বিন সুলাইমান ও গুন্দার থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে (মুসলিম) ও উসমান বিন খুরাযাদ বর্ণনা করেছেন। তিনি (উসমান) বলেছেন: আমি যাদের দেখেছি তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হাফেজ চারজন, অতঃপর তিনি তাদের মধ্যে ইব্রাহিমের কথা উল্লেখ করেন। ইবনে মাঈন বলেছেন: নির্ভরযোগ্য। (১) আবু হাতিম বলেছেন: সত্যবাদী। মুসা বিন হারুন বলেছেন: তিনি (২) ২৩১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আবি আতা: ইবনে আবি ইয়াহইয়ার জীবনীতে দ্রষ্টব্য।

(তিরমিজি, নাসাঈ - মুসনাদে আলী, ইবনে মাজাহ) ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আবি তালিব আল-হাশেমি (৩) আল-মাদানি; সত্যবাদী। তিনি তাঁর দাদা থেকে মুরসাল হিসেবে এবং তাঁর পিতা ও আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইয়াসিন আল-ইজলি ও গাফরার মুক্তদাস উমর বর্ণনা করেছেন।

(ছয় কিতাব) ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আল-মুনতাশির বিন আল-আজদা আল-হামদানি আল-কুফি; তাঁর পিতা ও কায়েস বিন মুসলিম থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে শু’বাহ ও দুই সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন। আহমদ ও আবু হাতিম তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং জাফর আল-আহমার বলেছেন: কুফায় আমরা যত মানুষ দেখেছি তিনি তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ছিলেন।

(ইবনে মাজাহ) ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আবি ইয়াহইয়া সিমান, আর তিনি হলেন (৪) ইব্রাহিম বিন আবি ইয়াহইয়া এবং ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আবি আতা আল-আসলামি আবু ইসহাক আল-মাদানি; তাঁর দুর্বলতা থাকা সত্ত্বেও তিনি অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি মুসা বিন ওয়ারদান ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। আস-সুবকি বলেছেন: তিনি তেমনই যেমন ইবনে আদি বলেছেন। তাঁর থেকে শাফিঈ বর্ণনা করেছেন এবং আস-সাওরি ও ইয়াহিয়া বিন আদম তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আহমদ বলেছেন: তিনি কাদারি, মুতাজিলি এবং জাহমি ছিলেন; যাবতীয় মুসিবত তাঁর মধ্যে ছিল। মানুষ তাঁর হাদিস ত্যাগ করেছে, তিনি হাদিস জাল করতেন। আল-কাত্তান ও ইবনে মাঈন বলেছেন: চরম মিথ্যাবাদী। ইবনে উকদাহ বলেছেন: তাঁর হাদিস মুনকার (প্রত্যাখ্যাত) নয়। ইবনে আদি বলেছেন: তিনি তেমনই যেমন ইবনে উকদাহ বলেছেন। তিনি ১৮৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। ইবনে মাজাহ-তে (ক) তাঁর একক একটি হাদিস রয়েছে।

(ইবনে মাজাহ) ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন সুরাইজ আল-ফিরইয়াবি আবু ইসহাক আল-মাকদিসি; দামরাহ, আইয়ুব বিন সুওয়াইদ ও ওয়ালিদ বিন মুসলিম থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে (ইবনে মাজাহ) বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: সত্যবাদী।

(ইবনে মাজাহ) ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ আজ-জুহরি আবু ইসহাক আল-হালাবি, বসরার বাসিন্দা; আবু দাউদ ও আবু আসিম থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে (ইবনে মাজাহ) বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান ‘আত-সিকাত’ গ্রন্থে তাঁর উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন যে তিনি ভুল করেন।

(ইবনে মাজাহ) ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ (৫) মুয়াবিয়া বিন আব্দুল্লাহ বিন জাফর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে ইবনে উইয়াইনাহ ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। তিনি হলেন (৬) ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন জাফর আল-হাশেমি; সত্যবাদী।

(বুখারি - খালক আফআলিল ইবাদ, তিরমিজি ও ইবনে মাজাহ) ইব্রাহিম বিন আল-মুখতার আত-তামিমি আবু ইসমাইল আর-রাজি হাব্বুইয়াহ; শু’বাহ ও ইবনে জুরাইজ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে ফারওয়া বিন আবি আল-মাগরা ও মুহাম্মদ বিন আব্দুল হামিদ বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম (৭) বলেছেন: হাদিসের ক্ষেত্রে তিনি উপযুক্ত (সালিহ)। পার্শ্বটীকা:

(১) হাদিসের জন্য সুপরিচিত, অন্বেষণের জন্য প্রসিদ্ধ, সুন্দর পাণ্ডুলিপির অধিকারী; তবে তিনি সব কিছুতে নাক গলিয়ে নিজেকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন। আহমদ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত তাঁর সেই হাদিসটিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন যাতে বলা হয়েছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি রাতে বাইতুল্লাহ জিয়ারত করতেন। তিনি (আহমদ) বলেছেন: এটি মিথ্যা ও বানোয়াট, তারা এটি তাঁর থেকে শোনেনি। — তাহজিব।

(২) রমজান মাস শেষ হতে সাত দিন বাকি থাকতে। — তাহজিব।

(৩) তাঁর পিতা ‘ইবনুল হানাফিয়্যাহ’ নামে পরিচিত এবং তিনি আব্দুল্লাহ, হাসান ও উমরের ভাই। — প্রাগুক্ত।

(৪) ‘তাহজিব’-এর বর্ণনা অনুযায়ী: তিনি হলেন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আবি ইয়াহইয়া, আর কেউ কেউ তাঁকে ইবনে মুহাম্মদ বিন আবি আতা বলেছেন এবং কখনো কখনো তাঁকে তাঁর দাদার দিকে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়। — প্রাগুক্ত।

(৫) ইবনে আবি তালিব, তাঁর পিতা থেকে, তিনি আলী থেকে; ‘তাহজিব’-এ এভাবেই আছে, তাই এখানে যা আছে তা সম্ভবত ভুলবশত হয়েছে। — প্রাগুক্ত।

(৬) ‘তাহজিব’-এর বর্ণনা অনুযায়ী: ইবনে আবি হাতিম তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি হলেন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আলী... শেষ পর্যন্ত। — প্রাগুক্ত।

(৭) আবু দাউদ বলেছেন: তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। — তাহজিব।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ٢٢)
قَالَ البُخَارِيّ فِيهِ نظر توفّي سنة اثْنَتَيْنِ وَثَمَانِينَ وَمِائَة

(د) إِبْرَاهِيم بن مخلد الطَّالقَانِي عَن رشدين بن سعد وَابْن الْمُبَارك وَعنهُ (د) وَثَّقَهُ ابْن حبَان

(بخ) إِبْرَاهِيم بن مَرْزُوق الثَّقَفِيّ مَوْلَاهُم الْبَصْرِيّ عَن أَبِيه ومُوسَى بن أنس وَعنهُ أَبُو بكر بن أبي الْأسود وَمُحَمّد بن سعد الْخُزَاعِيّ قَالَ أَبُو حَاتِم يكْتب حَدِيثه

(س) إِبْرَاهِيم بن مَرْزُوق الْأمَوِي مَوْلَاهُم أَبُو إِسْحَاق الْبَصْرِيّ ثمَّ الْمصْرِيّ عمي قبل مَوته وَكَانَ يخطىء وَلَا يرجع عَن وهب بن جرير وروح بن عبَادَة وَعنهُ (س) وَقَالَ (1) صَالح قَالَ ابْن يُونُس مَاتَ سنة سبعين وَمِائَتَيْنِ

(مد س ق) إِبْرَاهِيم بن مرّة الدِّمَشْقِي عَن أَيُّوب بن سُلَيْمَان وَعَطَاء وَعنهُ صَدَقَة السمين وَالْأَوْزَاعِيّ قَالَ النَّسَائِيّ لَيْسَ بِهِ بَأْس

(د) إِبْرَاهِيم ابْن مَرْوَان الطاطري بمهملات الثَّانِيَة مَكْسُورَة عَن أَبِيه وَعنهُ (د) قَالَ أَبُو حَاتِم صَدُوق

(ت ق) إِبْرَاهِيم بن مَرْوَان الرقاشِي صَوَابه أَزْهَر بن مَرْوَان

(د تمّ س ق) إِبْرَاهِيم بن المستمر العروقي بِضَم الْمُهْمَلَتَيْنِ الْعُصْفُرِي أَبُو إِسْحَاق النَّاجِي بالنُّون الْبَصْرِيّ عَن أَبِيه وَأبي دَاوُد وَأبي عَامر الْعَقدي وَعنهُ (د تمّ س ق) قَالَ النَّسَائِيّ صَدُوق

(ق) إِبْرَاهِيم بن مُسلم الْعَبْدي الهجري بِفَتْح الْهَاء والجسم أَبُو إِسْحَاق الْكُوفِي عَن عبد الله بن أبي أوفى وَأبي الْأَحْوَص عَوْف بن مَالك وَعنهُ شُعْبَة والسفيانان ضعفه النَّسَائِيّ وَغَيره قَالَ ابْن عدي إِنَّمَا أَنْكَرُوا عَلَيْهِ كَثْرَة رِوَايَته عَن أبي الْأَحْوَص عَن عبد الله وعامتها مُسْتَقِيمَة

(خَ ز س ق) إِبْرَاهِيم بن الْمُنْذر بن عبد الله بن الْمُنْذر بن الْمُغيرَة ابْن عبد الله بن خَالِد بن حزَام بالزاي الْأَسدي الْحزَامِي أَبُو إِسْحَاق الْمدنِي أحد كبار الْعلمَاء الْمُحدثين عَن مَالك وَابْن عُيَيْنَة ومعن بن عِيسَى وَعنهُ (خَ ق) وَثَّقَهُ ابْن معِين وَالنَّسَائِيّ وَأَبُو حَاتِم وَالدَّارَقُطْنِيّ وذمه أَحْمد لكَونه خلط فِي الْقُرْآن قَالَ يَعْقُوب الْفَسَوِي مَاتَ سنة سِتّ وَثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

(م ع أ) إِبْرَاهِيم بن مهَاجر بن جَابر البَجلِيّ أَبُو إِسْحَاق الْكُوفِي عَن إِبْرَاهِيم النَّخعِيّ وَصفِيَّة بنت شيبَة وَعنهُ الثَّوْريّ وزائدة وَأَبُو عوَانَة قَالَ ابْن الْمَدِينِيّ لَهُ نَحْو أَرْبَعِينَ حَدِيثا وَقَالَ الْقطَّان (2) لم يكن بِالْقَوِيّ

(تَمْيِيز) إِبْرَاهِيم بن مهَاجر بن مِسْمَار أحد الضُّعَفَاء

(د) إِبْرَاهِيم بن مهْدي الْبَغْدَادِيّ ثمَّ المصِّيصِي عَن شريك وَعلي بن مسْهر وَأبي الْمليح وَأبي عوَانَة وَخلق وَعنهُ (د) وَثَّقَهُ أَبُو حَاتِم قَالَ ابْن قَانِع مَاتَ سنة خمس وَعشْرين وَمِائَتَيْنِ

(تَمْيِيز) إِبْرَاهِيم بن مهْدي الْأَيْلِي بِالضَّمِّ أَبُو إِسْحَاق الْبَصْرِيّ رمي بِالْوَضْعِ (3)

(س) إِبْرَاهِيم بن مُوسَى بن جميل الْأمَوِي مَوْلَاهُم الأندلسي ثمَّ الْمصْرِيّ عَن ابْن عبد الحكم وَعنهُ (س) فِي الكنى وَثَّقَهُ ابْن يُونُس وَقَالَ مَاتَ (4) سنة ثَلَاثمِائَة

(ع) إِبْرَاهِيم بن مُوسَى بن يزِيد التَّمِيمِي أَبُو إِسْحَاق الْفراء الصَّغِير الرَّازِيّ الْحَافِظ أحد بحور الحَدِيث وَكَانَ أَحْمد يُنكر على من يَقُول الصَّغِير وَيَقُول هُوَ كَبِير فِي الْعلم وَالْجَلالَة عَن أبي الْأَحْوَص سَلام وَالْفضل بن مُوسَى وَعبد الْوَارِث وخَالِد الطَّحَّان وحاتم بن إِسْمَاعِيل وَخلق وَكَانَ ذَا رحْلَة وَاسِعَة وَعنهُ (خَ م د) والذهلي وَأَبُو حَاتِم قَالَ أَبُو زرْعَة كتبت عَنهُ مائَة ألف حَدِيث وَهُوَ أتقن وأحفظ من أبي بكر بن أبي شيبَة وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ مَاتَ بعد الْعشْرين وَمِائَتَيْنِ

(ع) إِبْرَاهِيم بن ميسرَة الطَّائِفِي ثمَّ الْمَكِّيّ الْحَافِظ عَن وهب بن عبد الله الثَّقَفِيّ وَأنس وَابْن الْمسيب وَجَمَاعَة وَعنهُ ابْن جريج والسفيانان وَأَيوب وَشعْبَة قَالَ ابْن الْمَدِينِيّ لَهُ نَحْو سِتِّينَ حَدِيثا وَثَّقَهُ أَحْمد قَالَ ابْن عُيَيْنَة أَخْبرنِي إِبْرَاهِيم من لم تَرَ عَيْنَاك مثله قَالَ البُخَارِيّ مَاتَ قَرِيبا من سنة اثْنَتَيْنِ وَثَلَاثِينَ وَمِائَة

(خت د س) إِبْرَاهِيم بن مَيْمُون الْمروزِي أَبُو إِسْحَاق الصَّانِع عَن نَافِع وَأبي الزبير وَعنهُ أَبُو حَمْزَة السكرِي وَدَاوُد هَامِش

(1) وَقَالَ فِي مَوضِع آخر لَا بَأْس بِهِ وَقَالَ فِي مَوضِع آخر لَيْسَ لي بِهِ علم وَقَالَ الدَّارَقُطْنِيّ ثِقَة يخطىء وَلَا يرجع اه تَهْذِيب

(2) وَقَالَ ابْن مهْدي عَن سُفْيَان الثَّوْريّ لَا بَأْس بِهِ وَقَالَ النَّسَائِيّ لَيْسَ بِالْقَوِيّ فِي الحَدِيث وَقَالَ فِي مَوضِع آخر لَيْسَ بِهِ بَأْس وَقَالَ ابْن عدي هُوَ عِنْدِي أصلح من إِبْرَاهِيم الهجري وَحَدِيثه يكْتب فِي الضُّعَفَاء اه

(3) مَاتَ سنة ثَمَان وومائتين اه تَهْذِيب

(4) بِمصْر اه تَهْذِيب
বুখারি বলেছেন: তার ব্যাপারে সংশয় রয়েছে। তিনি একশত বিরাশি হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন।

(দা) ইবরাহিম ইবনে মুখাল্লাদ আত-তালিকানি: রিশদিন ইবনে সাদ ও ইবনুল মুবারাক থেকে বর্ণনা করেছেন। আর তার থেকে বর্ণনা করেছেন (আবু দাউদ)। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

(বু) ইবরাহিম ইবনে মারজুক আস-সাকাফি, তাদের আযাদকৃত দাস, বসরি: তার পিতা এবং মুসা ইবনে আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আবু বকর ইবনে আবিল আসওয়াদ ও মুহাম্মদ ইবনে সাদ আল-খুজায়ি বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তার হাদিস লেখা যাবে।

(না) ইবরাহিম ইবনে মারজুক আল-উমাউয়ি, তাদের আযাদকৃত দাস, আবু ইসহাক আল-বসরি, অতঃপর আল-মিসরি: মৃত্যুর পূর্বে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছিলেন। তিনি ভুল করতেন এবং তা থেকে ফিরে আসতেন না। ওয়াহাব ইবনে জারির ও রাওহ ইবনে উবাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (নাসায়ি)। সালিহ বলেছেন (১)... ইবনে ইউনুস বলেছেন: তিনি দু'শত সত্তর হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন।

(দা, না, মা) ইবরাহিম ইবনে মুররাহ আদ-দিমাশকি: আইয়ুব ইবনে সুলাইমান ও আতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে সাদাকাহ আস-সামিন ও আওযায়ি বর্ণনা করেছেন। নাসায়ি বলেছেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই।

(দা) ইবরাহিম ইবনে মারওয়ান আত-তাতারি: দ্বিতীয় বর্ণটি নুকতাহীন এবং যের যুক্ত। তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (আবু দাউদ)। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি সত্যবাদী।

(তি, মা) ইবরাহিম ইবনে মারওয়ান আর-রাকাশি: এর সঠিক নাম হলো আযহার ইবনে মারওয়ান।

(দা, তি-শামায়েল, না, মা) ইবরাহিম ইবনে আল-মুস্তামির আল-উরুকি: নুকতাহীন বর্ণদ্বয়ে পেশ যুক্ত। আল-উসফুরি, আবু ইসহাক আন-নাজি (নুন বর্ণ সহযোগে), বসরি: তার পিতা, আবু দাউদ ও আবু আমির আল-আকাদি থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (আবু দাউদ, তিরমিযি শামায়েল, নাসায়ি ও ইবনে মাজাহ)। নাসায়ি বলেছেন: তিনি সত্যবাদী।

(মা) ইবরাহিম ইবনে মুসলিম আল-আবদি আল-হাজারি: হা এবং জিম বর্ণে যবর যুক্ত। আবু ইসহাক আল-কুফি: আবদুল্লাহ ইবনে আবি আওফা এবং আবুল আহওয়াস আউফ ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে শু'বাহ ও দুই সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন। নাসায়ি ও অন্যান্যরা তাকে দুর্বল বলেছেন। ইবনে আদি বলেছেন: তারা কেবল আবুল আহওয়াস থেকে আবদুল্লাহর সূত্রে তার অধিক বর্ণনার কারণে তাকে অপছন্দ করেছেন, তবে তার অধিকাংশ বর্ণনাই সঠিক।

(বু, না, মা) ইবরাহিম ইবনে আল-মুনযির ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আল-মুনযির ইবনে আল-মুগিরা ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে খালিদ ইবনে হিযাম (যা বর্ণ সহযোগে), আল-আসাদি আল-হিযামি, আবু ইসহাক আল-মাদানি: প্রথিতযশা হাফেজ আলেমদের অন্যতম। মালিক, ইবনে উয়াইনাহ ও মা'ন ইবনে ঈসা থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (বুখারি ও ইবনে মাজাহ)। ইবনে মায়িন, নাসায়ি, আবু হাতিম ও দারা কুতনি তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তবে ইমাম আহমদ কুরআনের বিষয়ে তার বিভ্রান্তির কারণে তার নিন্দা করেছেন। ইয়াকুব আল-ফাসাওয়ি বলেছেন: তিনি দু'শত ছত্রিশ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন।

(মু, ৪) ইবরাহিম ইবনে মুহাজির ইবনে জাবির আল-বাজালি, আবু ইসহাক আল-কুফি: ইবরাহিম আন-নাখায়ি ও সাফিয়্যাহ বিনতে শাইবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে সাওরি, যায়িদাহ ও আবু আওয়ানাহ বর্ণনা করেছেন। ইবনুল মাদিনি বলেছেন: তার প্রায় চল্লিশটি হাদিস রয়েছে। কাত্তান বলেছেন (২): তিনি শক্তিশালী ছিলেন না।

(পার্থক্যকারী) ইবরাহিম ইবনে মুহাজির ইবনে মিসমার: দুর্বল বর্ণনাকারীদের একজন।

(দা) ইবরাহিম ইবনে মাহদি আল-বাগদাদি, অতঃপর আল-মাসসিসি: শারিক, আলি ইবনে মুশহির, আবু মালিহ ও আবু আওয়ানাহসহ একদল বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (আবু দাউদ)। আবু হাতিম তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে কানি' বলেছেন: তিনি দু'শত পঁচিশ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন।

(পার্থক্যকারী) ইবরাহিম ইবনে মাহদি আল-আইলি: পেশ যুক্ত আলিফ বর্ণে শুরু। আবু ইসহাক আল-বসরি: তার বিরুদ্ধে হাদিস জাল করার অভিযোগ রয়েছে (৩)।

(না) ইবরাহিম ইবনে মুসা ইবনে জামিল আল-উমাউয়ি, তাদের আযাদকৃত দাস, আন্দালুসি, অতঃপর আল-মিসরি: ইবনে আব্দুল হাকাম থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (নাসায়ি) 'আল-কুনা' গ্রন্থে। ইবনে ইউনুস তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং বলেছেন: তিনি তিনশত হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন (৪)।

(৬) ইবরাহিম ইবনে মুসা ইবনে ইয়াযিদ আত-তামিমি, আবু ইসহাক আল-ফাররা আস-সগির আর-রাজি, আল-হাফিজ: হাদিসের অন্যতম সমুদ্র। ইমাম আহমদ তাকে 'সগির' (ছোট) বলা অপছন্দ করতেন এবং বলতেন: তিনি জ্ঞান ও মর্যাদায় অনেক বড়। আবুল আহওয়াস সালাম, আল-ফাদল ইবনে মুসা, আবদুল ওয়ারিস, খালিদ আত-তাহহান ও হাতিম ইবনে ইসমাইলসহ একদল বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি ব্যাপক সফরকারী ছিলেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন (বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ), যুহলি ও আবু হাতিম। আবু যুরআহ বলেন: আমি তার থেকে এক লক্ষ হাদিস লিখেছি। তিনি আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহর চেয়েও অধিক সুদৃঢ় ও হিফযের অধিকারী। নাসায়ি তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি দু'শত বিশ হিজরির পর ইন্তেকাল করেন।

(৬) ইবরাহিম ইবনে মাইসারা আত-তাইফি, অতঃপর আল-মক্কি, আল-হাফিজ: ওয়াহাব ইবনে আবদুল্লাহ আস-সাকাফি, আনাস, ইবনুল মুসাইয়িব ও একদল রাবি থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইবনে জুরাইজ, দুই সুফিয়ান, আইয়ুব ও শু'বাহ বর্ণনা করেছেন। ইবনুল মাদিনি বলেন: তার প্রায় ষাটটি হাদিস রয়েছে। ইমাম আহমদ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে উয়াইনাহ বলেন: ইবরাহিম আমাকে এমন একজনের সংবাদ দিয়েছেন যার মতো তোমার দু'চোখ কখনো দেখেনি। বুখারি বলেন: তিনি একশত বত্রিশ হিজরি সনের কাছাকাছি সময়ে ইন্তেকাল করেন।

(বু, দা, না) ইবরাহিম ইবনে মাইমুন আল-মারওয়াযি, আবু ইসহাক আস-সানি': নাফি ও আবু যুবায়ের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আবু হামযা আস-সুক্কারি ও দাউদ বর্ণনা করেছেন।

(১) অন্য স্থানে বলেছেন: তাতে কোনো সমস্যা নেই। আবার অন্য স্থানে বলেছেন: তার সম্পর্কে আমার কোনো জ্ঞান নেই। দারা কুতনি বলেছেন: নির্ভরযোগ্য, তবে ভুল করতেন এবং তা থেকে ফিরে আসতেন না। ইতি তাহযিব।

(২) ইবনে মাহদি সুফিয়ান সাওরি থেকে বর্ণনা করেছেন: তাতে কোনো সমস্যা নেই। নাসায়ি বলেছেন: হাদিসের ক্ষেত্রে তিনি শক্তিশালী নন। অন্য স্থানে বলেছেন: তাতে কোনো সমস্যা নেই। ইবনে আদি বলেছেন: আমার নিকট তিনি ইবরাহিম হাজারির চেয়ে অধিক সঠিক এবং দুর্বলদের মধ্যে তার হাদিস লেখা যাবে। ইতি।

(৩) তিনি দু'শত আট হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন। ইতি তাহযিব।

(৪) মিশরে। ইতি তাহযিব।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ٢٣)
الْعَطَّار وَثَّقَهُ ابْن معِين (1) قيل قَتله أَبُو مُسلم سنة إِحْدَى وَثَلَاثِينَ وَمِائَة

(ت) إِبْرَاهِيم بن مَيْمُون الصَّنْعَانِيّ أَو الزبيدِيّ بِالْفَتْح عَن ابْن طَاوس وَعنهُ عبد الرَّزَّاق وَيحيى بن سليم وَثَّقَهُ ابْن معِين

(سي) إِبْرَاهِيم بن مَيْمُون الْكُوفِي عَن أبي الْأَحْوَص الْجُشَمِي وَعنهُ شُعْبَة وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ

(د ت ق) إِبْرَاهِيم بن أبي مَيْمُونَة حجازي عَن أبي صَالح وَعنهُ يُونُس الطَّائِفِي

(ع) إِبْرَاهِيم بن نَافِع المَخْزُومِي أَبُو إِسْحَاق الْمَكِّيّ الْحَافِظ عَن عَطاء وَسليمَان الْأَحول وَمُسلم بن يناق وَعنهُ أَبُو عَامر الْعَقدي وَأَبُو نعيم وخلاد بن يحيى وَابْن الْمُبَارك وَخلق قَالَ ابْن مهْدي (2) كَانَ أوثق شيخ بِمَكَّة

(بخ د س ق) إِبْرَاهِيم بن نشيط بِفَتْح النُّون ابْن يُوسُف الوعلاني بِإِسْكَان الْعين وَبعد اللَّام ألف وَنون الْمروزِي أَبُو بكر الْمصْرِيّ دخل على عبد الله بن الْحَرْث بن جُزْء عَن نَافِع وَالزهْرِيّ وَكَعب بن عَلْقَمَة وَعنهُ اللَّيْث وَابْن الْمُبَارك وَابْن وهب وَثَّقَهُ أَبُو حَاتِم (3) قَالَ يحيى بن بكير مَاتَ سنة إِحْدَى أَو اثْنَتَيْنِ وَسِتِّينَ وَمِائَة

(خَ ع أ) إِبْرَاهِيم بن أبي الْوَزير هُوَ ابْن عمر مر

(تمّ س) إِبْرَاهِيم بن هَارُون الْبَلْخِي العابد عَن حَاتِم بن إِسْمَاعِيل ورواد بن الْجراح وَعنهُ (تمّ س) وَوَثَّقَهُ

(ت) إِبْرَاهِيم بن يحيى بن مُحَمَّد بن عباد بن هانىء الشجري كَانَ ينزل الشَّجَرَة بِذِي الحليفة عَن أَبِيه وَإِبْرَاهِيم بن سعد وَعنهُ مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل (4) التِّرْمِذِيّ ضعفه أَبُو حَاتِم وَوَثَّقَهُ ابْن حبَان

(ق) إِبْرَاهِيم بن أبي يحيى هُوَ ابْن مُحَمَّد مر

(ع) إِبْرَاهِيم بن يزِيد بن شريك التَّيْمِيّ تيم الربَاب أَبُو أَسمَاء الْكُوفِي العابد الْقدْوَة يُرْسل وَيُدَلس عَن عَائِشَة مُرْسلا وَأَبِيهِ وَأنس وَعَمْرو بن مَيْمُون والحرث بن سُوَيْد وَعنهُ الحكم بن عتيبة وَالْأَعْمَش وَغَيره وَثَّقَهُ ابْن معِين وَقَالَ أَبُو زرْعَة ثِقَة مرجىء وَقَالَ الْأَعْمَش كَانَ إِذا سجد تَجِيء العصافير تنقر على ظَهره وَقَالَ لي مَا أكلت مُنْذُ أَرْبَعِينَ لَيْلَة إِلَّا حَبَّة عِنَب مَاتَ سنة اثْنَتَيْنِ وَتِسْعين وَقيل سنة أَربع وَقيل أَن الْحجَّاج قَتله

(ع) إِبْرَاهِيم بن يزِيد بن قيس بن الْأسود النَّخعِيّ أَبُو عمرَان الْكُوفِي الْفَقِيه يُرْسل كثيرا عَن عَلْقَمَة وَهَمَّام بن الْحَرْث وَالْأسود بن يزِيد وَأبي عُبَيْدَة بن عبد الله ومسروق عَن عَائِشَة فِي (د س ق) وَخلق وَعنهُ (5) الحكم وَمَنْصُور وَالْأَعْمَش وَابْن عون وزبيد وَخلق وَكَانَ لَا يتَكَلَّم إِلَّا إِذا سُئِلَ قَالَ مُغيرَة كُنَّا نهاب إِبْرَاهِيم كَمَا يهاب الْأَمِير وَقَالَ الْأَعْمَش كَانَ إِبْرَاهِيم يتوقى الشُّهْرَة وَلَا يجلس إِلَى الأسطوانة وَقيل إِنَّه لم يسمع من عَائِشَة (6) قَالَ أَبُو نعيم مَاتَ سنة سِتّ وَتِسْعين وَقَالَ عَمْرو بن عَليّ سنة خمس آخر السّنة وَولد سنة خمسين وَقيل سنة سبع وَأَرْبَعين

(س) إِبْرَاهِيم بن يزِيد يزرانبه بِفَتْح التَّحْتَانِيَّة والمهملة بَينهمَا زَاي سَاكِنة ثمَّ نون بعد الْألف وموحدة مولى عَمْرو بن حُرَيْث كُوفِي عَن رَقَبَة بن مصقلة وَابْن أبي خَالِد وَعنهُ أَبُو كريب وَأَبُو سعيد الْأَشَج قَالَ أَبُو حَاتِم يكْتب حَدِيثه وَلَا يحْتَج بِهِ

(ت س) إِبْرَاهِيم بن يزِيد الخوزي بِضَم الْمُعْجَمَة وَسُكُون الْوَاو وَكسر الزَّاي مولى عمر بن عبد الْعَزِيز الْمَكِّيّ عَن طَاوس وَعَطَاء وَعنهُ وَكِيع ومروان بن مُعَاوِيَة قَالَ أَحْمد مَتْرُوك (7) مَاتَ سنة إِحْدَى وَخمسين وَمِائَة

(د ت س) إِبْرَاهِيم بن يَعْقُوب بن إِسْحَاق الْجوزجَاني بِضَم الْجِيم الأولى وَبعد الْوَاو زَاي وَآخره نون السَّعْدِيّ أَبُو يَعْقُوب الْحَافِظ (8) نزيل دمشق عَن عبد الصَّمد وروح بن عبَادَة وحسين الْجعْفِيّ وَزيد بن الْحباب وَخلق كثير وَعنهُ (د ت س) وَوَثَّقَهُ (9) وَكَانَ أَحْمد يكاتبه إِلَى دمشق (10) وَقَالَ الدَّارَقُطْنِيّ كَانَ من الْحفاظ المصنفين وَقد رمي بِالنّصب توفّي (11) سنة تسع وَخمسين وَمِائَتَيْنِ

(خَ م د ت س) إِبْرَاهِيم بن يُوسُف بن إِسْحَاق بن أبي إِسْحَاق السبيعِي عَن أَبِيه وَعنهُ إِسْحَاق السَّلُولي وَأَبُو كريب قَالَ أَبُو حَاتِم هَامِش

(1) وَغَيره وَقَالَ أَبُو حَاتِم يكْتب حَدِيثه وَلَا يحْتَج بِهِ اه تَهْذِيب

(2) وَوَثَّقَهُ أَحْمد وَيحيى بن معِين اه تَهْذِيب

(3) وَأَبُو زرْعَة وَالدَّارَقُطْنِيّ اه

(4) وَمُحَمّد بن إِسْمَاعِيل البُخَارِيّ خَارج الصَّحِيح اه تَهْذِيب

(5) الحكم هُوَ ابْن عتيبة وزبيد هُوَ اليامي اه

(6) قَالَ يحيى بن معِين مَرَاسِيل إِبْرَاهِيم أحب إِلَيّ من مَرَاسِيل الشّعبِيّ قَالَ الشّعبِيّ مَا ترك إِبْرَاهِيم بعده أعلم مِنْهُ قَالَ أَبُو بكر ابْن شُعَيْب بن الحبحاب وَلَا الْحسن وَلَا ابْن سِيرِين قَالَ وَلَا الْحسن وَلَا ابْن سِيرِين وَلَا من أهل الْبَصْرَة وَلَا من أهل الْكُوفَة وَلَا من أهل الْحجاز وَفِي رِوَايَة وَلَا بِالشَّام اه

(7) قَالَ ابْن عدي وَهُوَ فِي عداد من يكْتب حَدِيثه وَإِن كَانَ قد نسب إِلَى الضعْف اه تَهْذِيب

(8) مُصَنف الْجرْح وَالتَّعْدِيل اه

(9) وَالدَّارَقُطْنِيّ أَيْضا وَقَالَ كَانَ فِيهِ انحراف عَن عَليّ بن أبي طَالب قَالَ عبد الله ابْن أَحْمد بن عديس كُنَّا عِنْد إِبْرَاهِيم بن يَعْقُوب الْجوزجَاني فالتمس من يذبح لَهُ دجَاجَة فَتعذر عَلَيْهِ فَقَالَ يَا قوم تعذر عَليّ من يذبح لي دجَاجَة وَعلي بن أبي طَالب قتل سبعين ألفا فِي وَقت وَاحِد اه من مُعْجم الْبلدَانِ لياقوت الْحَمَوِيّ من تَرْجَمَة الْجوزجَاني فِيهِ

(10) ويكرمه إِكْرَاما شَدِيدا اه

(11) مستهل ذِي الْقعدَة اه
আল-আত্তার, ইবনে মুঈন তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন (১)। বলা হয় যে, ১৩১ হিজরিতে আবু মুসলিম তাকে হত্যা করেন।

(তি) ইব্রাহিম বিন মাইমুন আস-সানআনি অথবা আজ-জুবাইদি (ফাতহা যোগে), তিনি বর্ণনা করেছেন ইবনে তাউস থেকে এবং তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাজ্জাক ও ইয়াহইয়া বিন সুলাইম। ইবনে মুঈন তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

(সি) ইব্রাহিম বিন মাইমুন আল-কুফি, আবু আল-আহওয়াস আল-জুশামি থেকে। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন শু'বাহ। আন-নাসায়ী তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

(দা তি ক) ইব্রাহিম বিন আবি মাইমুনাহ হিজাজি, আবু সালিহ থেকে। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন ইউনুস আত-তায়েফি।

(আ) ইব্রাহিম বিন নাফে আল-মাখজুমি আবু ইসহাক আল-মাক্কি আল-হাফিজ, আতা, সুলাইমান আল-আহওয়াল এবং মুসলিম বিন ইয়ানাক থেকে। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আবু আমির আল-আকাদি, আবু নুআইম, খাল্লাদ বিন ইয়াহইয়া, ইবনুল মুবারক এবং একদল রাবি। ইবনে মাহদি বলেছেন (২): তিনি মক্কায় সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য শায়খ ছিলেন।

(বুখ দা স ক) ইব্রাহিম বিন নাশিত (নুন বর্ণে ফাতহা যোগে) বিন ইউসুফ আল-ওয়াইলানি (আইন বর্ণে সুকুন এবং লাম এর পরে আলিফ ও নুন), আল-মারওয়াজি আবু বকর আল-মিসরি। তিনি আবদুল্লাহ বিন আল-হারিস বিন জায-এর নিকট প্রবেশ করেছিলেন। নাফে, যুহরি এবং কাব বিন আলকামা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আল-লাইস, ইবনুল মুবারক এবং ইবনে ওয়াহাব। আবু হাতিম তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন (৩)। ইয়াহইয়া বিন বুকাইর বলেন: তিনি ১৬১ বা ১৬২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(খা আ আ) ইব্রাহিম বিন আবিল ওয়াজির, তিনি ইবনে ওমর, পূর্বে অতিবাহিত হয়েছেন।

(তাম স) ইব্রাহিম বিন হারুন আল-বালখি আল-আবিদ, হাতিম বিন ইসমাইল ও রাওয়াদ বিন আল-জাররাহ থেকে। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (তাম স) এবং তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

(তি) ইব্রাহিম বিন ইয়াহইয়া বিন মুহাম্মদ বিন আব্বাদ বিন হানি আশ-শাজারি, তিনি যুল হুলাইফার আশ-শাজারাহ নামক স্থানে অবস্থান করতেন। তার পিতা এবং ইব্রাহিম বিন সাদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল (৪) আত-তিরমিজি। আবু হাতিম তাকে দুর্বল বলেছেন এবং ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

(ক) ইব্রাহিম বিন আবি ইয়াহইয়া, তিনি ইবনে মুহাম্মদ, পূর্বে অতিবাহিত হয়েছেন।

(আ) ইব্রাহিম বিন ইয়াজিদ বিন শারিক আত-তাইমি, তাইমে রাবাব, আবু আসমা আল-কুফি, ইবাদতকারী, অনুকরণীয় আদর্শ। তিনি ইরসাল এবং তাদলিস করতেন। আয়েশা (রা.) থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন, এবং তাঁর পিতা, আনাস, আমর বিন মাইমুন ও হারিস বিন সুওয়াইদ থেকে। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আল-হাকাম বিন উতাইবা, আল-আমাশ ও অন্যান্যরা। ইবনে মুঈন তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আবু জুরআ বলেছেন: নির্ভরযোগ্য, মুরজিয়াহ মতাবলম্বী। আল-আমাশ বলেন: যখন তিনি সেজদা করতেন, তখন চড়ুই পাখি এসে তার পিঠে ঠোকর দিত। তিনি আমাকে বলেছিলেন: আমি চল্লিশ রাত আঙ্গুরের একটি দানা ছাড়া কিছুই খাইনি। তিনি ৯২ হিজরিতে মারা যান, বলা হয় ৯৪ হিজরিতে, এবং এও বলা হয় যে হাজ্জাজ তাকে হত্যা করেছিলেন।

(আ) ইব্রাহিম বিন ইয়াজিদ বিন কায়স বিন আল-আসওয়াদ আন-নাখয়ি, আবু ইমরান আল-কুফি, ফকিহ। তিনি প্রচুর ইরসাল করতেন। আলকামা, হাম্মাম বিন আল-হারিস, আল-আসওয়াদ বিন ইয়াজিদ, আবু উবাইদাহ বিন আবদুল্লাহ, মাসরুক, আয়েশা (রা.) থেকে (দা স ক) এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (৫) আল-হাকাম, মানসুর, আল-আমাশ, ইবনে আউন, জুবাইদ এবং আরও অনেকে। তাকে প্রশ্ন না করা পর্যন্ত তিনি কথা বলতেন না। মুগীরা বলেন: আমরা ইব্রাহিমকে এমনভাবে ভয় পেতাম যেমন শাসককে ভয় করা হয়। আল-আমাশ বলেন: ইব্রাহিম খ্যাতি এড়িয়ে চলতেন এবং পিলারের কাছে বসতেন না। বলা হয় যে তিনি আয়েশা (রা.) থেকে সরাসরি শোনেননি (৬)। আবু নুআইম বলেন: তিনি ৯৬ হিজরিতে মারা যান। আমর বিন আলী বলেন: ৯৫ হিজরির শেষ ভাগে। তিনি ৫০ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন, বলা হয় ৪৭ হিজরিতে।

(স) ইব্রাহিম বিন ইয়াজিদ ইজরানবাহ (ইয়া এবং সিন বর্ণে ফাতহা, মাঝে যা সাকিন, এরপর আলিফের পরে নুন ও বা), আমর বিন হুরাইসের মুক্তদাস, কুফি। রকাবাহ বিন মাসকালাহ এবং ইবনে আবি খালিদ থেকে। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আবু কুরাইব এবং আবু সাঈদ আল-আশাজ। আবু হাতিম বলেন: তার হাদিস লেখা যাবে কিন্তু তা দ্বারা দলিল পেশ করা যাবে না।

(তি স) ইব্রাহিম বিন ইয়াজিদ আল-খুজি (খ বর্ণে যম্মাহ, ওয়াও সাকিন এবং যা বর্ণে কাসরা), ওমর বিন আব্দুল আজিজের মুক্তদাস, মাক্কি। তাউস এবং আতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন ওয়াকি এবং মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া। আহমাদ বলেন: মাতরুক (পরিত্যক্ত) (৭)। তিনি ১৫১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(দা তি স) ইব্রাহিম বিন ইয়াকুব বিন ইসহাক আল-জুজজানি (প্রথম জিম বর্ণে যম্মাহ, ওয়াও-এর পরে যা এবং শেষে নুন), আস-সাদি আবু ইয়াকুব আল-হাফিজ (৮), দামেস্কের অধিবাসী। আব্দুস সামাদ, রাওহ বিন উবাদাহ, হুসাইন আল-জুফি, জায়েদ বিন আল-হুবাব এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (দা তি স) এবং তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন (৯)। আহমাদ দামেস্কে তাঁর কাছে চিঠিপত্র লিখতেন (১০)। আদ-দারাকুতনি বলেন: তিনি হাফিজ ও গ্রন্থকারদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে নসব (আলী রা.-এর প্রতি বিদ্বেষ)-এর অভিযোগ তোলা হয়েছিল। তিনি ২৫৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন (১১)।

(খা ম দা তি স) ইব্রাহিম বিন ইউসুফ বিন ইসহাক বিন আবি ইসহাক আস-সাবিঈ। তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন ইসহাক আস-সালুলি ও আবু কুরাইব। আবু হাতিম বলেন...

(১) এবং অন্যান্যরা; আবু হাতিম বলেন, তার হাদিস লেখা হবে কিন্তু তা দ্বারা দলিল পেশ করা যাবে না। ইতি তাহজিব।

(২) এবং আহমাদ ও ইয়াহইয়া বিন মুঈন তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইতি তাহজিব।

(৩) এবং আবু জুরআ ও আদ-দারাকুতনি। সমাপ্ত।

(৪) এবং মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-বুখারি ‘সহিহ’ গ্রন্থের বাইরে। ইতি তাহজিব।

(৫) আল-হাকাম হলেন ইবনে উতাইবা এবং জুবাইদ হলেন আল-ইয়ামি। সমাপ্ত।

(৬) ইয়াহইয়া বিন মুঈন বলেন: ইব্রাহিমের মুরসাল বর্ণনাগুলো আমার নিকট আশ-শাবির মুরসাল বর্ণনার চেয়ে অধিক পছন্দনীয়। আশ-শাবি বলেন: ইব্রাহিম তার পেছনে তার চেয়ে বড় কোনো আলেম রেখে যাননি। আবু বকর বিন শুআইব বিন আল-হাবহাব বলেন: হাসান (বাসরি) এবং ইবনে সিরিনও তার চেয়ে বড় নন। তিনি বললেন: হাসান, ইবনে সিরিন এমনকি বসরা, কুফা বা হিজাজবাসীর মধ্যেও কেউ তার চেয়ে বড় ছিল না। এক বর্ণনায় এসেছে, এমনকি সিরিয়াতেও নয়। সমাপ্ত।

(৭) ইবনে আদি বলেন: তিনি সেই ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যাদের হাদিস লেখা যায়, যদিও তাকে দুর্বলতার দিকে নিসবত করা হয়েছে। ইতি তাহজিব।

(৮) ‘জারহ ওয়া তাদিল’ গ্রন্থের লেখক। সমাপ্ত।

(৯) এবং আদ-দারাকুতনিও, এবং তিনি বলেন: তার মধ্যে আলী বিন আবি তালিবের প্রতি বিমুখতা ছিল। আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন উদাইস বলেন: আমরা ইব্রাহিম বিন ইয়াকুব আল-জুজজানির কাছে ছিলাম, তিনি কাউকে খুঁজছিলেন যে তাকে একটি মুরগি জবাই করে দেবে, কিন্তু কাউকে পেলেন না। তখন তিনি বললেন: হে লোক সকল! আমার জন্য একটি মুরগি জবাই করার মতো কাউকে পাওয়া গেল না, অথচ আলী বিন আবি তালিব এক সময়ে সত্তর হাজার মানুষ হত্যা করেছিলেন! ইতি ইয়াকুত আল-হামাভির ‘মুজামুল বুলদান’ থেকে জুজজানির জীবনীতে।

(১০) এবং তাকে অত্যন্ত সম্মান করতেন। সমাপ্ত।

(১১) যিলকদ মাসের শুরুতে। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ٢٤)
يكْتب حَدِيثه وَقَالَ مَاتَ سنة ثَمَان وَتِسْعين وَمِائَة قبل أَبِيه وَمَات إِسْحَاق قبل أبي إِسْحَاق

(س) إِبْرَاهِيم بن يُوسُف بن مَيْمُون الْبَاهِلِيّ الماكياني بِكَسْر الْكَاف وَفتح التَّحْتَانِيَّة وَآخره نون الْبَلْخِي الْفَقِيه عَن مَالك فَرد حَدِيث وَحَمَّاد بن زيد وَشريك وَعنهُ (س) وَوَثَّقَهُ قَالَ ابْن حبَان كَانَ ظَاهره الإرجاء وباطنه السّنة مَاتَ سنة تسع وَثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

(سي) إِبْرَاهِيم بن يُوسُف الْحَضْرَمِيّ الصَّيْرَفِي الْكُوفِي عَن خلف بن خَليفَة وَابْن عُيَيْنَة وَابْن الْمُبَارك وَعنهُ (سي) وَقَالَ لَيْسَ بِالْقَوِيّ وَوَثَّقَهُ غَيره مَاتَ سنة تسع وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ

(س) إِبْرَاهِيم بن يُونُس الْبَغْدَادِيّ نزيل طرسوس يلقب بحرمي بمهملتين بِلَفْظ النّسَب عَن أَبِيه يُونُس بن مُحَمَّد وَعُثْمَان بن عمر بن فَارس وَعنهُ (س) وَقَالَ صَدُوق

(خَ) إِبْرَاهِيم عَن صَالح وَعنهُ عبد الْعَزِيز بن عبد الله هُوَ ابْن سعد الزُّهْرِيّ

(ت) إِبْرَاهِيم عَن كَعْب بن عجْرَة وَعنهُ زبيد وَلَيْسَ هُوَ بالنخعي

(سي) إِبْرَاهِيم عَن ابْن الْهَاد يحْتَمل أَن يكون ابْن سعد

(عس) إِبْرَاهِيم عَن يحيى وَعنهُ زُهَيْر

(خَ) إِبْرَاهِيم عَن الْوَلِيد بن مُسلم وَعنهُ (خَ) هُوَ ابْن مُوسَى الْفراء

(خَ) إِبْرَاهِيم عَن أَبِيه عَن جده وَعنهُ أَحْمد بن مُحَمَّد الْأَزْرَقِيّ هُوَ ابْن سعد بن إِبْرَاهِيم بن عبد الرَّحْمَن بن عَوْف

(ع) إِبْرَاهِيم التَّيْمِيّ هُوَ ابْن يزِيد

(ت س) إِبْرَاهِيم الخوزي هُوَ ابْن يزِيد

(خَ د س) إِبْرَاهِيم السكْسكِي هُوَ ابْن عبد الرَّحْمَن

(خت د س) إِبْرَاهِيم الصَّانِع هُوَ ابْن مَيْمُون

(ت ق) إِبْرَاهِيم أَبُو إِسْحَاق المَخْزُومِي وَهُوَ ابْن الْفضل

(ع) إِبْرَاهِيم النَّخعِيّ هُوَ ابْن يزِيد

(ق) إِبْرَاهِيم الهجري هُوَ ابْن مُسلم تقدمُوا

‌‌(من اسْمه الْأَحْوَص)

 

(م د ت س) الْأَحْوَص بن جَوَاب بِفَتْح الْجِيم وَتَشْديد الْوَاو الضَّبِّيّ أَبُو الْجَواب الْكُوفِي عَن ابْن أبي ليلى وَيُونُس بن أبي إِسْحَاق وَعنهُ زُهَيْر بن حَرْب وَمُحَمّد بن نمير وعباس ابْن مُحَمَّد قَالَ ابْن معِين ثِقَة وَمرَّة ثِقَة لَيْسَ بِذَاكَ وَقَالَ أَبُو حَاتِم صَدُوق مَاتَ سنة إِحْدَى عشرَة وَمِائَتَيْنِ

(ق) الْأَحْوَص بن حَكِيم بن عُمَيْر الْعَنسِي بالنُّون الْحِمصِي العابد رأى أنسا وَعبد الله بن بسر عَن أَبِيه وخَالِد بن معدان وَعنهُ بَقِيَّة وَابْن عُيَيْنَة قَالَ النَّسَائِيّ (1) ضَعِيف

‌‌(من اسْمه إِدْرِيس)

 

(فق) إِدْرِيس بن سِنَان بنونين الصَّنْعَانِيّ أَبُو الياس عَن جده لأمه وهب (2) وَأبي جَعْفَر الباقر وَعنهُ الحكم بن أبان وَابْنه عبد الْمُنعم بن إِدْرِيس قَالَ ابْن عدي (3) أَرْجُو أَنه هَامِش

(1) وَقَالَ ابْن عدي لَهُ رِوَايَات وَهُوَ مِمَّن يكْتب حَدِيثه وَقد حدث عَنهُ جمَاعَة من الثِّقَات وَلَيْسَ فِيمَا يرويهِ شَيْء مُنكر إِلَّا أَنه يَأْتِي بأسانيد لَا يُتَابع عَلَيْهَا وَهُوَ مِمَّن قدم الرّيّ مَعَ الْمهْدي سنة ثَمَان وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ اه

(2) هُوَ ابْن مُنَبّه اه

(3) وَقَالَ الدَّارَقُطْنِيّ مَتْرُوك اه ميزَان
তাঁর হাদিস লিখে রাখা হয়। তিনি বলেন যে তিনি তাঁর পিতার পূর্বে একশত আটানব্বই হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন এবং ইসহাক তাঁর পিতা আবু ইসহাকের পূর্বে মৃত্যুবরণ করেন।

(নাসাঈ) ইবরাহিম বিন ইউসুফ বিন মাইমুন আল-বাহিলি আল-মাকিয়ানি (কাফ বর্ণের নিচে কাসরা এবং ইয়া বর্ণের উপরে ফাতহা সহ, শেষে নুন), আল-বালখি, আল-ফকিহ। তিনি মালেক (যিনি একটি হাদিসে একক), হাম্মাদ বিন যায়েদ এবং শারিক থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (নাসাঈ) বর্ণনা করেছেন এবং তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে হিব্বান বলেছেন: বাহ্যিকভাবে তিনি ইরজা মতবাদের অনুসারী মনে হলেও অন্তরে সুন্নাহর অনুসারী ছিলেন। তিনি দুইশত উনচল্লিশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(নাসাঈ - আল-মুজতাবা) ইবরাহিম বিন ইউসুফ আল-হাদরামি আস-সাইরাফি আল-কুফি। তিনি খালাফ বিন খালিফা, ইবনে উয়াইনা এবং ইবনুল মুবারক থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (নাসাঈ - আল-মুজতাবা) বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: তিনি শক্তিশালী নন, তবে অন্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি দুইশত ঊনপঞ্চাশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(নাসাঈ) ইবরাহিম বিন ইউনুস আল-বাগদাদি, যিনি তারসুসে বসবাস করতেন। তাঁকে 'হারামি' উপাধি দেওয়া হয়েছিল (দুটি নুক্তাবিহীন হরফ তথা হা এবং রা-এর সাথে সম্বন্ধসূচক শব্দে)। তিনি তাঁর পিতা ইউনুস বিন মুহাম্মদ এবং উসমান বিন উমর বিন ফারিস থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (নাসাঈ) বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: তিনি সত্যবাদী।

(বুখারি - তালিদ) ইবরাহিম, সালিহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন। তিনি হলেন ইবনে সাদ আজ-জুহরি।

(তিরমিজি) ইবরাহিম, কাব বিন উজরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে জুবাইদ বর্ণনা করেছেন। তিনি আন-নাখয়ি নন।

(নাসাঈ - আল-মুজতাবা) ইবরাহিম, ইবনুল হাদ থেকে বর্ণনা করেছেন। সম্ভবত তিনি ইবনে সাদ।

(নাসাঈ - মুসনাদ আলি) ইবরাহিম, ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে জুহাইর বর্ণনা করেছেন।

(বুখারি - তালিদ) ইবরাহিম, ওয়ালিদ বিন মুসলিম থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে (বুখারি - তালিদ) বর্ণনা করেছেন। তিনি হলেন ইবনে মুসা আল-ফাররা।

(বুখারি - তালিদ) ইবরাহিম, তাঁর পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-আজরাকি বর্ণনা করেছেন। তিনি হলেন ইবনে সাদ বিন ইবরাহিম বিন আব্দুর রহমান বিন আউফ।

(ছয়টি কিতাব) ইবরাহিম আত-তাইমি। তিনি হলেন ইবনে ইয়াজিদ।

(তিরমিজি ও নাসাঈ) ইবরাহিম আল-খুজি। তিনি হলেন ইবনে ইয়াজিদ।

(বুখারি - তালিদ, আবু দাউদ ও নাসাঈ) ইবরাহিম আস-সাকসাকি। তিনি হলেন ইবনে আব্দুর রহমান।

(বুখারি - তালিদ, আবু দাউদ ও নাসাঈ) ইবরাহিম আস-সানি। তিনি হলেন ইবনে মাইমুন।

(তিরমিজি ও ইবনে মাজাহ) ইবরাহিম আবু ইসহাক আল-মাখজুমি। তিনি হলেন ইবনুল ফাদল।

(ছয়টি কিতাব) ইবরাহিম আন-নাখয়ি। তিনি হলেন ইবনে ইয়াজিদ।

(ইবনে মাজাহ) ইবরাহিম আল-হাজরি। তিনি হলেন ইবনে মুসলিম। তাঁদের বর্ণনা পূর্বে গত হয়েছে।

‌‌(যাঁদের নাম আল-আহওয়াস)

 

(মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি ও নাসাঈ) আল-আহওয়াস বিন জওয়াব (জীম-এর ফাতহা এবং ওয়াও-এর তাশদীদ সহ), আদ-দাব্বি, আবু আল-জওয়াব আল-কুফি। তিনি ইবনে আবি লায়লা এবং ইউনুস বিন আবি ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে জুহাইর বিন হারব, মুহাম্মদ বিন নুমাইর এবং আব্বাস বিন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য; অন্যবার বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য, তবে তেমন (উচ্চমানের) নন। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি সত্যবাদী। তিনি দুইশত এগারো হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(ইবনে মাজাহ) আল-আহওয়াস বিন হাকিম বিন উমাইর আল-আনসি (নুন সহ), আল-হিমসি, যিনি একজন ইবাদতগুজার ছিলেন। তিনি আনাস এবং আব্দুল্লাহ বিন বুসরকে দেখেছেন। তিনি তাঁর পিতা এবং খালিদ বিন মাদানের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বাকিয়্যাহ এবং ইবনে উয়াইনা বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ বলেছেন (১): তিনি দুর্বল।

‌‌(যাঁদের নাম ইদ্রিস)

 

(ফাদাইল ও ইবনে মাজাহ) ইদ্রিস বিন সিনান (দুটি নুন সহ), আস-সানআনি, আবু ইলিয়াস। তিনি তাঁর মাতামহ ওয়াহাব (২) এবং আবু জাফর আল-বাকির থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে হাকাম বিন আবান এবং তাঁর পুত্র আব্দুল মুনইম বিন ইদ্রিস বর্ণনা করেছেন। ইবনে আদি বলেছেন (৩): আমি আশা করি যে তিনি... পাদটীকা

(১) ইবনে আদি বলেছেন: তাঁর বর্ণনা রয়েছে এবং তিনি এমন একজন ব্যক্তি যাঁর হাদিস লিখে রাখা হয়। তাঁর থেকে একদল নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর বর্ণনায় আপত্তিকর (মুনকার) কিছু নেই, তবে তিনি এমন কিছু সনদ উল্লেখ করেন যেগুলোর কোনো সমর্থন পাওয়া যায় না। তিনি সেই সব ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যারা ২৬৮ হিজরীতে মাহদীর সাথে রাই শহর সফর করেছিলেন। সমাপ্ত।

(২) তিনি হলেন ইবনে মুনাব্বিহ। সমাপ্ত।

(৩) এবং আদ-দারা কুতনি বলেছেন: তিনি পরিত্যক্ত। সমাপ্ত - আল-মিযান।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ٢٥)
من الضُّعَفَاء الَّذين يكْتب حَدِيثهمْ

(ق) إِدْرِيس بن صبيح بِالْفَتْح عَن ابْن الْمسيب وَعنهُ حَمَّاد ابْن عبد الرَّحْمَن (1) قَالَ أَبُو حَاتِم (2) مَجْهُول

(ع) إِدْرِيس بن يزِيد الأودي أَبُو عبد الله الْكُوفِي عَن طَلْحَة بن مصرف وَسماك وعلقمة بن مرْثَد وَعنهُ ابْنه عبد الله ووكيع وَمُحَمّد ويعلى ابْنا عبيد وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ

‌‌(من اسْمه أَزْرَق)

 

الْأَزْرَق بن عَليّ بن مُسلم الْحَنَفِيّ أَبُو الجهم الْكُوفِي عَن حسان الْكرْمَانِي وَيحيى ابْن أبي كثير (3) وَعنهُ أَبُو زرْعَة قَالَ ابْن حبَان ثِقَة يغرب

(خَ د س) أَزْرَق بن قيس الحرثي بلحرث ابْن كَعْب بَصرِي عَن أبي بَرزَة وَعبد الله بن عَمْرو وَأنس وَعنهُ الحمادان وَشعْبَة وَوَثَّقَهُ النَّسَائِيّ قَالَ الذَّهَبِيّ بَقِي إِلَى حُدُود الْعشْرين وَمِائَة

‌‌(من اسْمه أَزْهَر)

 

(خَ س) أَزْهَر بن جميل بن جنَاح الْهَاشِمِي مَوْلَاهُم أَبُو مُحَمَّد الشطي بِفَتْح الشين الْمُعْجَمَة الْبَصْرِيّ عَن الْحَرْث بن وجيه وَمُحَمّد بن سَوَاء وَعنهُ (خَ) فَرد حَدِيث (س) وَقَالَ لَا بَأْس بِهِ (4) قَالَ أَبُو نصر الكلاباذي مَاتَ سنة إِحْدَى وَخمسين وَمِائَتَيْنِ

(عس) أَزْهَر بن رَاشد الْبَصْرِيّ عَن أنس وَعنهُ الْعَوام بن حَوْشَب قَالَ أَبُو حَاتِم مَجْهُول

(س) أَزْهَر بن رَاشد الْكَاهِلِي عَن الْخضر بن القواس وَأبي عَاصِم التمار وَعنهُ مَرْوَان بن مُعَاوِيَة وَعَطَاء بن مُسلم ضعفه ابْن معِين

(تَمْيِيز) أَزْهَر بن رَاشد الْهَوْزَنِي بِفَتْح الْهَاء وَالزَّاي بَينهمَا وَاو سَاكِنة آخِره نون أَبُو الْوَلِيد الشَّامي من أَتبَاع التَّابِعين وَقد غلط من ذكره فِي الصَّحَابَة

(خَ م د ت س) أَزْهَر بن سعد الْبَاهِلِيّ مَوْلَاهُم أَبُو بكر السمان الْبَصْرِيّ عَن سُلَيْمَان التَّيْمِيّ وَيُونُس وَابْن عون وَعنهُ ابْن الْمَدِينِيّ وَإِسْحَاق وَبُنْدَار والذهلي وَثَّقَهُ ابْن سعد مَاتَ سنة ثَلَاث وَمِائَتَيْنِ عَن أَربع وَثَمَانِينَ سنة

(بخ د س ق) أَزْهَر بن سعيد الْحرَازِي الْحِمْيَرِي الْحِمصِي صَدُوق عَن أبي أُمَامَة وَعَاصِم بن حميد وغضيف وَعنهُ الزبيدِيّ وَمُعَاوِيَة بن صَالح قَالَ ابْن سعد مَاتَ سنة تسع وَثَلَاثِينَ وَمِائَة

(ت) أَزْهَر بن سِنَان بنونين الْقرشِي أَبُو خَالِد الْبَصْرِيّ عَن مُحَمَّد بن وَاسع وَابْن جدعَان وَعنهُ الحكم بن سُفْيَان وَيزِيد بن هَارُون قَالَ ابْن معِين لَيْسَ بِشَيْء وَقَالَ ابْن عدي لَيست أَحَادِيثه بالمنكرة وَأَرْجُو أَنه لَا بَأْس بِهِ

(د ت س) أَزْهَر بن عبد الله بن جَمِيع الْحرَازِي الْحِمْيَرِي الْحِمصِي ناصبي صَدُوق اللهجة وَجزم البُخَارِيّ بِأَنَّهُ ابْن سعيد عَن النُّعْمَان بن بشير وَعنهُ الْخَلِيل بن مرّة وَصَفوَان بن عَمْرو

(د س ق) أَزْهَر بن الْقَاسِم الرَّاسِبِي بمهملتين وموحدة أَبُو بكر الْمَكِّيّ عَن زَكَرِيَّا بن إِسْحَاق والمثنى بن سعيد وَعنهُ أَحْمد وَإِسْحَاق وَمُحَمّد بن رَافع وَثَّقَهُ أَحْمد وَقَالَ أَبُو حَاتِم لَا يحْتَج بِهِ

(ت ق) أَزْهَر بن مَرْوَان الرقاشِي بِالْقَافِ النواء بِفَتْح النُّون فريخ آخِره مُعْجمَة مصغر فرخ الْبَصْرِيّ عَن الْحَرْث بن شهَاب وَحَمَّاد بن زيد وَعنهُ (ت ق) قَالَ ابْن حبَان مُسْتَقِيم الحَدِيث مَاتَ سنة ثَلَاث وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ

أَزْهَر السمان فِي ابْن سعد

‌‌(من اسْمه أُسَامَة)

 

(د) أُسَامَة بن أخدري بِفَتْح الْهمزَة وَإِسْكَان الْمُعْجَمَة وَفتح الْمُهْملَة الأولى الشقري بِفَتْح الْمُعْجَمَة وَالْقَاف صَحَابِيّ نزل الْبَصْرَة لَهُ حَدِيث رَوَاهُ عَنهُ ابْن أَخِيه بشير بن مَيْمُون

(خَ) أُسَامَة بن جَعْفَر الْمدنِي عَن هِشَام بن عُرْوَة وَعنهُ أَبُو ثَابت مُحَمَّد بن عبيد الله فَرد حَدِيث (5) فِي الْكتاب بمتابعة جمَاعَة وَقد ضعفه الْأَزْدِيّ بِلَا حجَّة

(ق) أُسَامَة بن زيد بن أسلم الْعَدوي الْمدنِي عَن أَبِيه وَسَالم وَنَافِع وَعنهُ ابْن الْمُبَارك وَابْن وهب ضعفه أَحْمد وَابْن معِين من قبل حفظه قَالَ هَامِش

(1) الْكَلْبِيّ اه

(2) قَالَ ابْن حبَان فِي الثِّقَات يخطىء على قلَّة اه ميزَان

(3) عبارَة التَّهْذِيب يحيى ابْن أبي بكير وَلَعَلَّه الصَّوَاب اه

(4) وَذكره ابْن حبَان فِي كتاب الثِّقَات اه

(5) عَن عَائِشَة أَن نَاسا يَأْتُونَا بِاللَّحْمِ الحَدِيث اه تَهْذِيب
দুর্বল বর্ণনাকারীদের মধ্য থেকে যাদের হাদীস লিখে রাখা হয়

(ইবনে মাজাহ) ইদ্রিস বিন সাবিহ (সিনে জবর সহকারে), ইবনুল মুসাইয়িবের সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং তার থেকে হাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান বর্ণনা করেছেন (১)। আবু হাতিম বলেন: তিনি অজ্ঞাত (মাজহুল)।

(ছয় ইমাম) ইদ্রিস বিন ইয়াযীদ আল-আওদী আবু আব্দুল্লাহ আল-কুফি, তালহা বিন মুসাররিফ, সিমাক এবং আলকামা বিন মারসাদ থেকে বর্ণনা করেছেন; তার থেকে তার ছেলে আব্দুল্লাহ, ওয়াকী, মুহাম্মদ এবং ইয়ালা—উবাইদের দুই ছেলে—বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ী তাকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলেছেন।

‌‌(যাদের নাম আযরাক)

 

আল-আযরাক বিন আলী বিন মুসলিম আল-হানাফী আবু আল-জাহম আল-কুফি, হাসান আল-কিরমানী এবং ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর (৩) থেকে বর্ণনা করেছেন; তার থেকে আবু যুরআ বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য (সিকাহ), তবে কদাচিৎ অপরিচিত হাদীস বর্ণনা করেন (ইউগরিব)।

(বুখারী, আবু দাউদ, নাসায়ী) আযরাক বিন কায়স আল-হারিসি (বিলহারিস ইবনে কাব), বসরার অধিবাসী। তিনি আবু বারযাহ, আব্দুল্লাহ বিন আমর এবং আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে দুই হাম্মাদ এবং শু'বাহ বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ী তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আয-যাহাবী বলেছেন: তিনি একশত বিশ হিজরী পর্যন্ত জীবিত ছিলেন।

‌‌(যাদের নাম আযহার)

 

(বুখারী, নাসায়ী) আযহার বিন জামিল বিন জানাহ আল-হাশেমী (তাদের আযাদকৃত দাস), আবু মুহাম্মদ আশ-শাত্তী (শিন অক্ষরে জবর সহ), বসরার অধিবাসী। তিনি আল-হারিস বিন ওয়াজিহ এবং মুহাম্মদ বিন সাওয়া থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইমাম বুখারী এককভাবে একটি হাদীস এবং ইমাম নাসায়ী বর্ণনা করেছেন এবং নাসায়ী বলেছেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই (৪)। আবু নাসর আল-কালাবাদি বলেন: তিনি দুইশত একান্ন হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(নাসায়ী - মুসনাদে আলী) আযহার বিন রাশিদ আল-বসরী, আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আল-আওয়াম বিন হাওশাব বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেন: তিনি অজ্ঞাত (মাজহুল)।

(নাসায়ী) আযহার বিন রাশিদ আল-কাহিলী, আল-খিদর বিন আল-কুওয়াস এবং আবু আসিম আত-তাম্মার থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে মারওয়ান বিন মুয়াবিয়া এবং আতা বিন মুসলিম বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন তাকে দুর্বল বলেছেন।

(পার্থক্যকারী বিশেষ উল্লেখ) আযহার বিন রাশিদ আল-হাওযানী (হা এবং যা-তে জবর এবং মাঝখানে সাকিন ওয়াও, শেষে নুন), আবু আল-ওয়ালীদ আশ-শামী। তিনি তাবে-তাবেঈনদের অন্তর্ভুক্ত। যারা তাকে সাহাবীদের মধ্যে উল্লেখ করেছেন তারা ভুল করেছেন।

(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসায়ী) আযহার বিন সাদ আল-বাহিলী (তাদের আযাদকৃত দাস), আবু বকর আস-সাম্মান আল-বসরী। তিনি সুলায়মান আত-তায়মী, ইউনুস এবং ইবনে আউন থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইবনুল মাদীনী, ইসহাক, বুন্দার এবং আয-যুহলী বর্ণনা করেছেন। ইবনে সাদ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি চুরাশি বছর বয়সে দুইশত তিন হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(বুখারীর আদাবুল মুফরাদ, আবু দাউদ, নাসায়ী, ইবনে মাজাহ) আযহার বিন সাঈদ আল-হারযী আল-হিমইয়ারী আল-হিমসী। তিনি সত্যবাদী (সাদুক)। আবু উমামা, আসিম বিন হুমাইদ এবং গুদাইফ থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আয-যুবাইদী এবং মুয়াবিয়া বিন সালিহ বর্ণনা করেছেন। ইবনে সাদ বলেন: তিনি একশত উনচল্লিশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

(তিরমিযী) আযহার বিন সিনান (দুইটি নুন সহ) আল-কুরাশী আবু খালিদ আল-বসরী। তিনি মুহাম্মদ বিন ওয়াসি এবং ইবনে জাদআন থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আল-হাকাম বিন সুফিয়ান এবং ইয়াযীদ বিন হারুন বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন বলেন: তিনি ধর্তব্য নন। ইবনে আদী বলেন: তার হাদীসগুলো মুনকার (পরিত্যক্ত) নয় এবং আমি আশা করি তার বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই।

(আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসায়ী) আযহার বিন আব্দুল্লাহ বিন জামী আল-হারযী আল-হিমইয়ারী আল-হিমসী। তিনি নাসিবী (আহলে বাইত বিদ্বেষী), তবে কথা বলায় সত্যবাদী (সাদুক)। ইমাম বুখারী নিশ্চিতভাবে বলেছেন যে তিনি ইবনে সাঈদ। তিনি নুমান বিন বশির থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আল-খালীল বিন মুররাহ এবং সাফওয়ান বিন আমর বর্ণনা করেছেন।

(আবু দাউদ, নাসায়ী, ইবনে মাজাহ) আযহার বিন আল-কাসিম আর-রাসিবী (দুইটি সিন এবং একটি বা সহ), আবু বকর আল-মাক্কী। যাকারিয়া বিন ইসহাক এবং মুসান্না বিন সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আহমদ, ইসহাক এবং মুহাম্মদ বিন রাফে বর্ণনা করেছেন। ইমাম আহমদ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং আবু হাতিম বলেছেন: তাকে দলিল হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না।

(তিরমিযী, ইবনে মাজাহ) আযহার বিন মারওয়ান আর-রাকাশী (কাফ অক্ষর সহ), আন-নাউওয়া (নুন অক্ষরে জবর সহ), ফুরাইখ (ফারখ শব্দের ক্ষুদ্রার্থ রূপ, শেষে খা সহ), বসরার অধিবাসী। আল-হারিস বিন শিহাব এবং হাম্মাদ বিন যায়েদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইমাম তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তার হাদীস সঠিক (মুস্তাকিম)। তিনি দুইশত তেতাল্লিশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।

আযহার আস-সাম্মান: ইবনে সাদের জীবনীতে দ্রষ্টব্য।

‌‌(যাদের নাম উসামা)

 

(আবু দাউদ) উসামা বিন আখদারী (হামজায় জবর, খা সাকিন এবং প্রথম দালে জবর সহ), আশ-শাক্করী (শিন এবং কাফে জবর সহ)। তিনি একজন সাহাবী, বসরায় বসবাস করতেন। তার বর্ণিত হাদীস রয়েছে যা তার ভাতিজা বশির বিন মায়মুন তার থেকে বর্ণনা করেছেন।

(বুখারী) উসামা বিন জাফর আল-মাদানী, হিশাম বিন উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আবু সাবিত মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন। কিতাবে একদল বর্ণনাকারীর অনুসরণে (মুতাবিয়াত) তার একটি মাত্র হাদীস (৫) রয়েছে। আল-আযদি কোনো প্রমাণ ছাড়াই তাকে দুর্বল বলেছেন।

(ইবনে মাজাহ) উসামা বিন যায়েদ বিন আসলাম আল-আদাবী আল-মাদানী, তার পিতা, সালিম এবং নাফে থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইবনুল মুবারক এবং ইবনে ওয়াহাব বর্ণনা করেছেন। ইমাম আহমদ এবং ইবনে মাঈন তার মুখস্থ শক্তির (হিফয) কারণে তাকে দুর্বল বলেছেন। টীকা:

(১) আল-কালবী। সমাপ্ত।

(২) ইবনে হিব্বান ‘আস-সিকাত’ গ্রন্থে বলেছেন: অল্প বর্ণনা করলেও তিনি ভুল করেন। সমাপ্ত। (মিযান)।

(৩) ‘আত-তহযীব’ গ্রন্থের ইবারত হলো: ইয়াহইয়া ইবনে আবি বুকাইর এবং সম্ভবত এটিই সঠিক। সমাপ্ত।

(৪) ইবনে হিব্বান তাকে ‘আস-সিকাত’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। সমাপ্ত।

(৫) আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত যে, কিছু লোক আমাদের কাছে গোশত নিয়ে আসত... হাদীস। সমাপ্ত। (তহযীব)।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ٢٦)
ابْن سعد توفّي فِي خلَافَة الْمَنْصُور

(ع) أُسَامَة بن زيد بن حَارِثَة الْكَلْبِيّ أَبُو مُحَمَّد وَأَبُو زيد الْأَمِير حب رَسُول الله وَابْن حبه وَابْن حاضنته أم أَيمن لَهُ مائَة وَثَمَانِية وَعِشْرُونَ حَدِيثا اتفقَا على خَمْسَة عشر وَانْفَرَدَ كل مِنْهُمَا بحديثين وَعنهُ ابْن عَبَّاس وَإِبْرَاهِيم بن سعد بن أبي وَقاص وَعُرْوَة وَأَبُو وَائِل وكثيرون أمره النَّبِي على جَيش فيهم أَبُو بكر وَعمر وَشهد مُؤْتَة قَالَت عَائِشَة من كَانَ يحب الله وَرَسُوله فليحب أُسَامَة توفّي بوادي الْقرى وَقيل بِالْمَدِينَةِ سنة أَربع وَخمسين عَن خمس وَسبعين سنة

(خت م ع أ) أُسَامَة بن زيد اللَّيْثِيّ مَوْلَاهُم أَبُو زيد الْمدنِي عَن إِبْرَاهِيم بن حنين وبعجة الْجُهَنِيّ وَابْن الْمسيب وَطَاوُس وَعنهُ أَبُو ضَمرَة وَأَبُو أُسَامَة وَزيد بن الْحباب وَثَّقَهُ ابْن معِين وَقَالَ ابْن عدي لَيْسَ بِهِ بَأْس (1) مَاتَ سنة ثَلَاث وَخمسين وَمِائَة عَن بضع وَسبعين سنة

(ع أ) أُسَامَة بن شريك الثَّعْلَبِيّ بمثلثة الذبياني صَحَابِيّ لَهُ ثَمَانِيَة أَحَادِيث وَعنهُ زِيَاد ابْن علاقَة وَعلي بن الْأَقْمَر

(ع أ) أُسَامَة بن عُمَيْر الْهُذلِيّ الْبَصْرِيّ صَحَابِيّ لَهُ سَبْعَة أَحَادِيث وَعنهُ ابْنه أَبُو الْمليح فَقَط تفرد عَنهُ زِيَاد على الصَّحِيح

‌‌(من اسْمه أَسْبَاط)

 

(ع) أَسْبَاط بن مُحَمَّد بن عبد الرَّحْمَن مولى السَّائِب بن يزِيد أَبُو مُحَمَّد الْكُوفِي عَن الْأَعْمَش وزَكَرِيا بن أبي زَائِدَة وَعنهُ أَحْمد (2) وَإِسْحَاق وَأَبُو الْأَزْهَر قَالَ ابْن عمار سمعنَا مِنْهُ ثَلَاثَة آلَاف وَقَالَ النَّسَائِيّ لَيْسَ بِهِ بَأْس قَالَ الذَّهَبِيّ مَاتَ سنة مِائَتَيْنِ لَهُ فِي (خَ) فَرد حديت

(خت م ع أ) أَسْبَاط (3) بن نضر الهمذاني أَبُو يُوسُف وَأَبُو نضر الْكُوفِي عَن سماك بن حَرْب وَعنهُ عَمْرو بن حَمَّاد وَثَّقَهُ ابْن معِين قَالَ النَّسَائِيّ لَيْسَ بِالْقَوِيّ

(خَ) أَسْبَاط الْبَصْرِيّ أَبُو اليسع عَن هِشَام الدستوَائي وَعنهُ مُحَمَّد بن عبد الله بن حَوْشَب لَهُ عِنْده فَرد حَدِيث مُتَابعَة قَالَ أَبُو حَاتِم مَجْهُول

(تَمْيِيز) أَسْبَاط بن اليسع الذهلي مُتَأَخّر مَاتَ سنة ثَلَاث وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ

‌‌(من اسْمه إِسْحَاق)

 

(مد ت س ق) إِسْحَاق بن إِبْرَاهِيم بن حبيب بن الشَّهِيد الشهيدي أَبُو يَعْقُوب الْبَصْرِيّ عَن أَبِيه وعتاب بن بشير والمحاربي وَعنهُ (مد ت س ق) قَالَ الدَّارَقُطْنِيّ (4) ثِقَة مَأْمُون توفّي سنة سبع وَخمسين وَمِائَتَيْنِ

(ق) إِسْحَاق بن إِبْرَاهِيم بن دَاوُد الْبَصْرِيّ السواق عَن الْقطَّان وَابْن مهْدي وَعنهُ (ق) قَالَ ابْن حبَان (5) مُسْتَقِيم الحَدِيث

(ق) إِسْحَاق بن إِبْرَاهِيم بن سعيد الْمُزنِيّ مَوْلَاهُم الصَّواف عَن صَفْوَان بن سليم وَعنهُ إِبْرَاهِيم بن الْمُنْكَدر وَيَعْقُوب ابْن حميد بن كاسب قَالَ أَبُو زرْعَة مُنكر الحَدِيث

(د س) إِسْحَاق بن إِبْرَاهِيم بن سُوَيْد البلوي أَبُو يَعْقُوب الرَّمْلِيّ عَن آدم (6) وَعلي بن عَبَّاس وَعنهُ (د 7 س) وَوَثَّقَهُ مَاتَ (8) سنة أَربع وَخمسين وَمِائَتَيْنِ

(خَ) إِسْحَاق بن إِبْرَاهِيم بن عبد الرَّحْمَن بن منيع الْبَغَوِيّ أَبُو يَعْقُوب لُؤْلُؤ وَقيل يؤيؤ بتحتانيتين عَن وَكِيع وَإِسْحَاق الْأَزْرَق وَعنهُ (خَ) وَثَّقَهُ الدَّارَقُطْنِيّ (9) توفّي (10) سنة تسع وَعشْرين وَمِائَتَيْنِ

(د) إِسْحَاق بن إِبْرَاهِيم بن الضَّيْف هُوَ ابْن الضَّيْف

(ق) إِسْحَاق بن إِبْرَاهِيم بن عُمَيْر المَسْعُودِيّ الْكُوفِي عَن جده وَعُمَيْر وَعنهُ الْمطلب بن زِيَاد قَالَ البُخَارِيّ لَا يُتَابع فِي رفع حَدِيثه (11)

(بخ) إِسْحَاق بن إِبْرَاهِيم بن الْعَلَاء الْحِمصِي ابْن زبريق عَن بَقِيَّة وَابْن مسْهر وَعنهُ (بخ) قَالَ أَبُو حَاتِم لَا بَأْس بِهِ قَالَ النَّسَائِيّ لَيْسَ بِثِقَة (12)

(خَ د) إِسْحَاق بن إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد الْبَاهِلِيّ أَبُو يَعْقُوب الصَّواف الْبَصْرِيّ عَن أَحْمد بن إِسْحَاق الْحَضْرَمِيّ وَبدل بن المحبر ومعاذ بن هِشَام وَيزِيد بن هَارُون وَخلق وَعنهُ (خَ د) وَثَّقَهُ ابْن حبَان قَالَ ابْن أبي هَامِش

(1) وَضَعفه الْقطَّان وَقَالَ أَحْمد لَيْسَ بِشَيْء وَقَالَ النَّسَائِيّ لَيْسَ بِالْقَوِيّ اه تَهْذِيب

(2) وَالثَّوْري وَضَعفه فِيهِ اه

(3) وَيُقَال ابْن نصر بِالْمُهْمَلَةِ اه

(4) وَكَذَا قَالَ النَّسَائِيّ اه

(5) فِي كتاب الثِّقَات اه

(6) ابْن أبي إِيَاس اه

(7) لم يذكر فِي التَّهْذِيب أَن النَّسَائِيّ روى عَنهُ وَلم يرمز لَهُ إِلَّا أَنه كتب فِي الْهَامِش مَا لَفظه ذكر فِي النبل أَنه روى عَنهُ النَّسَائِيّ أَيْضا وَلم أَقف على ذَلِك بعد اه

(8) فِي الْمحرم اه تَهْذِيب

(9) وَقَالَ ابْن أبي حَاتِم صَدُوق اه تَهْذِيب

(10) فِي شعْبَان اه

(11) عَن الْقَاسِم بن عبد الرَّحْمَن من أعتق غُلَاما وَله مَال فَمَاله للَّذي أعْتقهُ يعرف إِسْحَاق بِهَذَا الحَدِيث وَلَيْسَ لَهُ فِيمَا أعرف إِلَّا حديثان أَو ثَلَاثَة اه تَهْذِيب

(12) قَالَ أَبُو سعيد بن يُونُس توفّي بِمصْر يَوْم الثُّلَاثَاء لثمان بَقينَ من رَمَضَان سنة ثَمَان وَثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ اه تَهْذِيب
ইবনে সাদ খলিফা আল-মানসুরের খেলাফতকালে ইন্তেকাল করেন।

(আইন) উসামা বিন যায়েদ বিন হারিসা আল-কালবি, আবু মুহাম্মদ এবং আবু যায়েদ আল-আমির। তিনি আল্লাহর রাসূলের প্রিয়ভাজন এবং তাঁর প্রিয়ভাজনের পুত্র; এবং তাঁর লালনকারিনী উম্মে আয়মানের পুত্র। তাঁর একশত আটাশটি হাদীস রয়েছে। বুখারী ও মুসলিম পনেরটি হাদীসে একমত হয়েছেন এবং তাঁরা প্রত্যেকে এককভাবে দুইটি করে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে ইবনে আব্বাস, ইব্রাহিম বিন সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস, উরওয়াহ, আবু ওয়ায়েল এবং আরও অনেকে বর্ণনা করেছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে একটি সেনাবাহিনীর আমীর নিযুক্ত করেছিলেন যে বাহিনীতে আবু বকর ও উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) ছিলেন। তিনি মুতার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) বলেন: যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসে সে যেন উসামাকে ভালোবাসে। তিনি ওয়াদিল কুরা-তে ইন্তেকাল করেন, আবার বলা হয়েছে যে তিনি ৫৪ হিজরীতে পঁচাত্তর বছর বয়সে মদিনায় ইন্তেকাল করেন।

(খাই ত ত ম আইন আলিফ) উসামা বিন যায়েদ আল-লাইসী, তাঁদের মুক্তদাস, আবু যায়েদ আল-মাদানি। তিনি ইব্রাহিম বিন হুনাইন, বা’জাহ আল-জুহানি, ইবনুল মুসায়্যিব এবং তাউস থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে আবু দামরা, আবু উসামা এবং যায়েদ বিন হুবাব বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং ইবনে আদি বলেছেন যে তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। (১) তিনি ১৫৩ হিজরীতে সত্তর বছরের কিছু বেশি বয়সে মারা যান।

(আইন আলিফ) উসামা বিন শারিক আস-সালাবি (তিন নুকতাযুক্ত সা যোগে) আজ-জুবইয়ানি, তিনি একজন সাহাবী। তাঁর আটটি হাদীস রয়েছে। তাঁর নিকট থেকে জিয়াদ ইবনে ইলাকা এবং আলী বিন আকতাম বর্ণনা করেছেন।

(আইন আলিফ) উসামা বিন উমাইর আল-হুজালি আল-বাসরি, তিনি একজন সাহাবী। তাঁর সাতটি হাদীস রয়েছে। তাঁর নিকট থেকে কেবল তাঁর পুত্র আবু মালিহ বর্ণনা করেছেন; সঠিক মতানুসারে জিয়াদ তাঁর থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

‌‌(যাঁদের নাম আসবাত)

 

(আইন) আসবাত বিন মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান, আস-সাইব বিন ইয়াজিদের মুক্তদাস, আবু মুহাম্মদ আল-কুফি। তিনি আমাশ এবং জাকারিয়া বিন আবি যায়িদা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে আহমাদ (২), ইসহাক এবং আবু আল-আজহার বর্ণনা করেছেন। ইবনে আম্মার বলেন, আমরা তাঁর থেকে তিন হাজার হাদীস শুনেছি। নাসাঈ বলেছেন তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। আজ-জাহাবি বলেন, তিনি ২০০ হিজরীতে মারা যান। বুখারীতে তাঁর একটি একক হাদীস রয়েছে।

(খাই ত ত ম আইন আলিফ) আসবাত (৩) বিন নাসর আল-হামদানি, আবু ইউসুফ এবং আবু নাসর আল-কুফি। তিনি সিমাক বিন হারব থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে আমর বিন হাম্মাদ বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। নাসাঈ বলেন, তিনি শক্তিশালী নন।

(খা) আসবাত আল-বাসরি, আবু আল-ইয়াসা। তিনি হিশাম আদ-দাস্তাওয়াই থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন হাওশাব বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট আসবাতের একটি একক অনুবর্তী (মুতাবিআহ) হাদীস আছে। আবু হাতিম বলেছেন তিনি অজ্ঞাত (মাজহুল)।

(পার্থক্যকারী) আসবাত বিন ইয়াসা আজ-জুহলি, তিনি পরবর্তী যুগের লোক, ২৬৩ হিজরীতে মারা যান।

‌‌(যাঁদের নাম ইসহাক)

 

(মিম দাল তা সিন কাফ) ইসহাক বিন ইব্রাহিম বিন হাবিব বিন আশ-শহীদ আশ-শহীদী, আবু ইয়াকুব আল-বাসরি। তিনি তাঁর পিতা, আত্তাব বিন বশির এবং আল-মুহারিবি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে (মিম দাল তা সিন কাফ বর্ণনাকারীগণ) বর্ণনা করেছেন। দারা কুতনী (৪) বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত। ২৫৭ হিজরীতে তিনি ইন্তেকাল করেন।

(কাফ) ইসহাক বিন ইব্রাহিম বিন দাউদ আল-বাসরি আস-সাওয়াক। তিনি আল-কাত্তান এবং ইবনে মাহদি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে (কাফ) বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান (৫) বলেন, তাঁর হাদীস সঠিক (মুস্তাকিমুল হাদিস)।

(কাফ) ইসহাক বিন ইব্রাহিম বিন সাঈদ আল-মুজানি, তাঁদের মুক্তদাস, আস-সাওয়াফ। তিনি সাফওয়ান বিন সুলাইম থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে ইব্রাহিম বিন আল-মুনকাদির এবং ইয়াকুব ইবনে হুমাইদ বিন কাসিব বর্ণনা করেছেন। আবু জুরআ বলেন, তিনি মুনকারুল হাদীস (অগ্রহণযোগ্য হাদীস বর্ণনাকারী)।

(দাল সিন) ইসহাক বিন ইব্রাহিম বিন সুওয়াইদ আল-বালাউই, আবু ইয়াকুব আর-রামলি। তিনি আদম (৬) এবং আলী বিন আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে (দাল ৭ সিন) বর্ণনা করেছেন এবং তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ২৫৪ হিজরীতে মারা যান (৮)।

(খা) ইসহাক বিন ইব্রাহিম বিন আবদুর রহমান বিন মানি’ আল-বাগাওয়ি, আবু ইয়াকুব লু’লু’, আবার বলা হয়েছে ইয়ুয়ু (নিচে দুই নুকতা বিশিষ্ট ইয়া যোগে)। তিনি অকি’ এবং ইসহাক আল-আজরাক থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে (খা) বর্ণনা করেছেন। দারা কুতনী (৯) তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ২২৯ হিজরীতে (১০) ইন্তেকাল করেন।

(দাল) ইসহাক বিন ইব্রাহিম বিন আদ-দইফ; তিনি ইবনুল দইফ নামে পরিচিত।

(কাফ) ইসহাক বিন ইব্রাহিম বিন উমাইর আল-মাসউদি আল-কুফি। তিনি তাঁর দাদা এবং উমাইর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে আল-মুত্তালিব বিন জিয়াদ বর্ণনা করেছেন। বুখারী বলেন, মারফু হাদীস বর্ণনায় তাঁর অনুসরণ করা হয় না (১১)।

(বা খা) ইসহাক বিন ইব্রাহিম বিন আল-আলা আল-হিমসি ইবনে জিবরিক। তিনি বাকিয়্যাহ এবং ইবনে মুশহির থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে (বা খা) বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেন, তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। নাসাঈ বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নন (১২)।

(খা দাল) ইসহাক বিন ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ আল-বাহিলি, আবু ইয়াকুব আস-সাওয়াফ আল-বাসরি। তিনি আহমাদ বিন ইসহাক আল-হাদরামি, বদল বিন আল-মুহাব্বার, মুয়ায বিন হিশাম, ইয়াজিদ বিন হারুন এবং আরও অনেক থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে (খা দাল) বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে আবি হামিশ বলেছেন...

(১) আল-কাত্তান তাঁকে দুর্বল বলেছেন এবং আহমাদ বলেছেন তিনি কিছুই নন, এবং নাসাঈ বলেছেন তিনি শক্তিশালী নন—তাহজিব।

(২) এবং সাওরিও, তবে তাঁর ক্ষেত্রে তিনি তাঁকে দুর্বল বলেছেন।

(৩) এবং তাঁকে ইবনে নাসর (সাদ বর্ণ দিয়ে) বলা হয়।

(৪) এবং নাসাঈও একই কথা বলেছেন।

(৫) কিতাবুস সিকাত গ্রন্থে।

(৬) ইবনে আবি ইয়াস।

(৭) তাহজিব গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়নি যে নাসাঈ তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর জন্য কোনো সংকেতও দেওয়া হয়নি, তবে এর টীকায় লেখা হয়েছে যে, আন-নুবলা গ্রন্থে উল্লেখ আছে যে নাসাঈও তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে আমি এখনও তা নিশ্চিত হতে পারিনি।

(৮) মহররম মাসে—তাহজিব।

(৯) এবং ইবনে আবি হাতিম বলেছেন তিনি সত্যবাদী—তাহজিব।

(১০) শাবান মাসে।

(১১) কাসিম বিন আবদুর রহমান থেকে বর্ণিত: “যে ব্যক্তি কোনো গোলামকে মুক্ত করে দিল এবং তার সম্পদ ছিল, তবে তার সম্পদ সেই ব্যক্তির হবে যে তাকে মুক্ত করেছে।” ইসহাক এই হাদীসের মাধ্যমেই পরিচিত এবং আমার জানামতে তাঁর মাত্র দুটি বা তিনটি হাদীস রয়েছে—তাহজিব।

(১২) আবু সাঈদ বিন ইউনুস বলেন, তিনি মিসরে ২৩৮ হিজরীর রমজান মাসের আট দিন বাকি থাকতে মঙ্গলবার দিন ইন্তেকাল করেন—তাহজিব।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ٢٧)
عَاصِم مَاتَ سنة ثَلَاث وَخمسين وَمِائَتَيْنِ

(خَ م د ت س) إِسْحَاق بن إِبْرَاهِيم بن مخلد بن إِبْرَاهِيم بن مطر الْحَنْظَلِي أَبُو (1) مُحَمَّد بن رَاهَوَيْه (2) الإِمَام الْفَقِيه الْحَافِظ الْعلم ولد سنة إِحْدَى وَسِتِّينَ وَمِائَة عَن مُعْتَمر بن سُلَيْمَان والدراوردي وَابْن عُيَيْنَة وَبَقِيَّة وَابْن علية وَخلق بالحجاز وَالشَّام وَالْعراق وخراسان وَعنهُ (خَ م د ت س) وَقَالَ ثِقَة مَأْمُون أحد الْأَئِمَّة قَالَ أَحْمد لَا أعلم لإسحاق نَظِير إِسْحَاق عندنَا من أَئِمَّة الْمُسلمين وَإِذا حَدثَك أَبُو يَعْقُوب أَمِير الْمُؤمنِينَ فتمسك بِهِ وَقَالَ الْخفاف أمْلى علينا إِسْحَاق أحد عشر ألف حَدِيث من حفظه ثمَّ قَرَأَهَا يَعْنِي فِي كِتَابه فَمَا زَاد وَلَا نقص وَقَالَ إِبْرَاهِيم بن أبي طَالب أمْلى إِسْحَاق الْمسند كُله من حفظه قَالَ (3) البُخَارِيّ توفّي (4) سنة ثَمَان وَثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

(خَ د) إِسْحَاق بن إِبْرَاهِيم بن نصر النجاري السَّعْدِيّ وَقيل السغدي بِضَم الْمُهْملَة وَإِسْكَان الْمُعْجَمَة عَن حُسَيْن الْجعْفِيّ وَعبد الرَّزَّاق وَعنهُ (خَ 5 د) قَالَ اللالكائي توفّي (6) سنة اثْنَتَيْنِ وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ

(خَ د) إِسْحَاق بن إِبْرَاهِيم بن يزِيد مولى (7) عمر بن عبد الْعَزِيز أَبُو النَّصْر الفراديسي الدِّمَشْقِي عَن يحيى بن حَمْزَة وَإِسْمَاعِيل بن عَيَّاش وَابْن أبي حَازِم وَعنهُ (خَ د) وَمُحَمّد بن عَوْف قَالَ أَبُو زرْعَة كَانَ من الثِّقَات (8) ولد سنة ثَلَاث وَأَرْبَعين وَمِائَة وَتُوفِّي (9) سنة سبع وَعشْرين وَمِائَتَيْنِ

(س) إِسْحَاق بن إِبْرَاهِيم بن يُونُس المنجنيقي كَانَ يجلس بِقرب منجنيق بِجَامِع مصر فلقب بِهِ الْبَغْدَادِيّ أَبُو يَعْقُوب الْوراق الْحَافِظ عَن سُوَيْد ابْن سعيد وهناد وَابْن أبي الشَّوَارِب وَخلق وَعنهُ (س) قَالَ الْمزي لم أَقف على رِوَايَته عَنهُ قَالَ ابْن عدي كَانَ شَيخا صَالحا ثِقَة قَالَ ابْن يُونُس توفّي (10) سنة أَربع وثلثمائة

(د ت ق) إِسْحَاق بن إِبْرَاهِيم الثَّقَفِيّ أَبُو يَعْقُوب الْكُوفِي عَن ابْن الْمُنْكَدر وَأبي إِسْحَاق وَعنهُ يحيى بن أبي زَائِدَة وَأَبُو نعيم قَالَ ابْن عدي روى عَن الثِّقَات مَا لَا يُتَابع عَلَيْهِ وَوَثَّقَهُ ابْن حبَان

(د ق) إِسْحَاق بن إِبْرَاهِيم الحنيني بِمُهْملَة ونونين مصغر أَبُو يَعْقُوب الْمدنِي نزيل طرسوس عَن أُسَامَة بن زيد بن أسلم وَالثَّوْري وَعنهُ عَليّ بن مَيْمُون وَمُحَمّد بن عَوْف قَالَ ابْن عدي ضَعِيف (11) قَالَ مطين مَاتَ سنة سِتّ عشرَة وَمِائَتَيْنِ

(بخ د س) إِسْحَاق بن أبي إِسْرَائِيل إِبْرَاهِيم كامجر بِفَتْح الْكَاف وَالْمِيم بَينهمَا ألف بِإِسْكَان الْجِيم الْمروزِي أَبُو يَعْقُوب نزيل بَغْدَاد الْحَافِظ عَن شريك وَإِبْرَاهِيم بن سعد وَحَمَّاد بن زيد وَخلق وَعنهُ (بخ د) وَأحمد بن عَليّ الْمروزِي وَثَّقَهُ ابْن معِين وَالدَّارَقُطْنِيّ وَقَالَ صَالح بن مُحَمَّد جزرة كَانَ يقف (12) قَالَ مُوسَى بن هَارُون مَاتَ (13) سنة خمس وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ وَقَالَ (14) الْبَغَوِيّ سنة سِتّ عَن خمس وَتِسْعين

(س) إِسْحَاق بن إِسْمَاعِيل بن عبد الله بن زَكَرِيَّا الْمذْحِجِي بِإِسْكَان الذَّال الْمُعْجَمَة وَكسر الْمُهْملَة أَبُو يَعْقُوب الرَّمْلِيّ النّحاس عَن آدم بن أبي إِيَاس وَمُحَمّد بن رمح وَعنهُ (س) وَقَالَ (15) لَا أَدْرِي مَا هُوَ قَالَ الْمزي لم أَقف على رِوَايَته عَنهُ

(س ق) إِسْحَاق ابْن إِسْمَاعِيل بن الْعَلَاء أَو عبد الْأَعْلَى بِالْفَتْح أَبُو يَعْقُوب عَن ابْن عُيَيْنَة وسلامة بن روح وَعنهُ (س ق) قَالَ ابْن يُونُس توفّي (16) بإيلة سنة ثَمَان وَخمسين وَمِائَتَيْنِ

(د) إِسْحَاق بن إِسْمَاعِيل الطَّالقَانِي أَبُو يَعْقُوب الْيَتِيم الْبَغْدَادِيّ عَن ابْن عُيَيْنَة ومعتمر بن سُلَيْمَان وَعنهُ (د) قَالَ ابْن معِين صَدُوق وَوَثَّقَهُ الدَّارَقُطْنِيّ قَالَ الْبَغَوِيّ مَاتَ سنة ثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

(د ق) إِسْحَاق بن أسيد بِالْفَتْح الْأنْصَارِيّ أَبُو عبد الرَّحْمَن الْخُرَاسَانِي وَأَبُو مُحَمَّد الْمروزِي ثمَّ الْمصْرِيّ عَن رَجَاء بن حَيْوَة وَعَطَاء الْخُرَاسَانِي وَعنهُ يحيى بن أَيُّوب وَاللَّيْث قَالَ أَبُو حَاتِم لَا يشْتَغل (17) بِهِ

(م س) إِسْحَاق بن هَامِش

(1) فِي التَّهْذِيب أَبُو يَعْقُوب اه

(2) قَالَ أَبُو الْفضل أَحْمد بن سَلمَة سَمِعت إِسْحَاق بن إِبْرَاهِيم يَقُول قَالَ لي عبد الله بن طَاهِر لم قيل لَك ابْن رَاهَوَيْه وَمَا معنى هَذَا وَهل تكره أَن يُقَال لَك هَذَا قَالَ اعْلَم أَيهَا الْأَمِير أَن أبي ولد فِي طَرِيق مَكَّة فَقَالَت المراوزة رَاهَوَيْه بِأَنَّهُ ولد فِي الطَّرِيق وَكَانَ أبي يكره هَذَا وَأما أَنا فلست أكرهه اه تَهْذِيب

(3) الْقَائِل القباني لَا البُخَارِيّ كَذَا فِي التَّهْذِيب اه

(4) لَيْلَة النّصْف من شعْبَان عَن 77 سنة اه

(5) لَيْسَ فِي التَّهْذِيب ذكر أبي دَاوُد اه

(6) يَوْم الْجُمُعَة غرَّة شهر ربيع الآخر اه

(7) وَقيل مولى أُخْته اه

(8) وَوَثَّقَهُ الدَّارَقُطْنِيّ وَأَبُو حَاتِم الرَّازِيّ وَغَيرهمَا اه

(9) فِي ربيع الأول اه

(10) يَوْم الْجُمُعَة فِي جُمَادَى الْآخِرَة اه تَهْذِيب

(11) وَمَعَ ضعفه يكْتب حَدِيثه وَذكره ابْن حبَان فِي كتاب الثِّقَات وَقَالَ كَانَ يخطىء اه تَهْذِيب

(12) كَانَ يَقُول الْقُرْآن كَلَام الله وَيقف قَالَ السَّاجِي وتركوه لموْضِع الْوَقْف وَكَانَ صَدُوقًا اه تَهْذِيب

(13) قَالَ ابْن قَانِع فِي شعْبَان بسر من رأى اه تَهْذِيب

(14) وَقَالَ كَانَ ثِقَة مَأْمُونا إِلَّا أَنه كَانَ قَلِيل الْعقل اه

(15) وَقَالَ فِي مَوضِع آخر صَالح وَقَالَ الْحَافِظ أَبُو نعيم حدث بِأَحَادِيث من حفظه فَأَخْطَأَ فِيهَا اه

(16) فِي رَمَضَان اه

(17) أَي مَتْرُوك اه
আসিম ২৫৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি, নাসায়ি) ইসহাক ইবনে ইবরাহীম ইবনে মাখলাদ ইবনে ইবরাহীম ইবনে মাতার আল-হানজালি, আবু (১) মুহাম্মদ ইবনে রাহওয়াইহ (২), ইমাম, ফকিহ, হাফিজ এবং প্রথিতযশা আলেম। তিনি ১৬১ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মুতামির ইবনে সুলাইমান, আল-দারওয়ারদি, ইবনে উইয়াইনা, বাকিয়্যাহ, ইবনে উলাইয়্যাহ এবং হিজাজ, শাম, ইরাক ও খুরাসানের অসংখ্য আলেমের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি ও নাসায়ি। বলা হয়েছে যে, তিনি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত (সিকাহ ও মামুন) এবং অন্যতম ইমাম। ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল বলেছেন: আমি ইসহাকের সমতুল্য কাউকে জানি না; আমাদের নিকট ইসহাক মুসলিমদের ইমামদের অন্তর্ভুক্ত। আর যখন আমিরুল মুমিনিন আবু ইয়াকুব (ইসহাক) তোমার নিকট হাদিস বর্ণনা করবেন, তখন তা দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরো। আল-খাফফাফ বলেন: ইসহাক তাঁর স্মৃতি থেকে আমাদের নিকট ১১,০০০ হাদিস শ্রুতলিপি দিয়েছেন, এরপর তিনি সেগুলো পাঠ করেছেন (অর্থাৎ কিতাব দেখে), তাতে কোনো কম-বেশি হয়নি। ইবরাহীম ইবনে আবু তালিব বলেন: ইসহাক পুরো মুসনাদ গ্রন্থটি স্মৃতি থেকে শ্রুতলিপি দিয়েছেন। (৩) বুখারি (৪) বলেন: তিনি ২৩৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(বুখারি, আবু দাউদ) ইসহাক ইবনে ইবরাহীম ইবনে নাসর আল-নাজ্জারি আল-সাদি; কেউ কেউ বলেছেন সুগদি (সিন অক্ষরে পেশ এবং গাইন অক্ষরে জজম)। তিনি হুসাইন আল-জুফি ও আবদুর রাজ্জাক থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (বুখারি (৫) ও আবু দাউদ)। লালকায়ী বলেন: তিনি (৬) ২৪২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(বুখারি, আবু দাউদ) ইসহাক ইবনে ইবরাহীম ইবনে ইয়াযিদ, উমর ইবনে আবদুল আজিজের (৭) মুক্তদাস, আবু আল-নাযর আল-ফারাতিসি আল-দিমাশকি। তিনি ইয়াহইয়া ইবনে হামযাহ, ইসমাইল ইবনে আইয়াশ ও ইবনে আবি হাযিম থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (বুখারি ও আবু দাউদ) এবং মুহাম্মদ ইবনে আউফ। আবু যুরআ বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্যদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন (৮)। তিনি ১৪৩ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন এবং (৯) ২২৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(নাসায়ি) ইসহাক ইবনে ইবরাহীম ইবনে ইউনুস আল-মানজানিয়াকি। তিনি মিশরের জামে মসজিদে মানজানিকের (এক প্রকার নিক্ষেপক যন্ত্র) নিকটে বসতেন বলে তাকে এই উপাধি দেওয়া হয়েছিল। তিনি বাগদাদি, আবু ইয়াকুব আল-ওয়াররাক আল-হাফিজ। তিনি সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ, হান্নাদ, ইবনে আবি আল-শাওয়ারিব এবং আরও অনেকের নিকট থেকে হাদিস শুনেছেন। তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন (নাসায়ি)। আল-মিযযি বলেন: তাঁর থেকে নাসায়ির বর্ণনার ব্যাপারে আমি নিশ্চিত হতে পারিনি। ইবনে আদি বলেন: তিনি একজন নেককার ও নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) শায়খ ছিলেন। ইবনে ইউনুস বলেন: তিনি (১০) ৩০৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(আবু দাউদ, তিরমিজি, ইবনে মাজাহ) ইসহাক ইবনে ইবরাহীম আল-সাকাফি আবু ইয়াকুব আল-কুফি। তিনি ইবনে আল-মুনকাদির ও আবু ইসহাক থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইয়াহইয়া ইবনে আবি যায়িদা ও আবু নুয়াইম বর্ণনা করেছেন। ইবনে আদি বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্যদের থেকে এমন সব হাদিস বর্ণনা করেন যা সমর্থিত নয় (লা ইউতাবাউ আলাইহি)। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) বলেছেন।

(আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ) ইসহাক ইবনে ইবরাহীম আল-হুনাইনি আবু ইয়াকুব আল-মাদানি, তিনি তারসুসের অধিবাসী ছিলেন। তিনি উসামা ইবনে যায়েদ ইবনে আসলাম ও সাওরি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আলী ইবনে মাইমুন ও মুহাম্মদ ইবনে আউফ বর্ণনা করেছেন। ইবনে আদি বলেন: তিনি দুর্বল (১১)। মুতাইন বলেন: তিনি ২১৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(বুখারি - আদাবুল মুফরাদ, আবু দাউদ, নাসায়ি) ইসহাক ইবনে আবি ইসরাঈল ইবরাহীম কামজার (কাফ ও মিম জবরযুক্ত এবং মাঝে আলিফ, জিম জজমযুক্ত), আল-মারওয়াযি আবু ইয়াকুব, বাগদাদের অধিবাসী হাফিজ। তিনি শারিক, ইবরাহীম ইবনে সাদ ও হাম্মাদ ইবনে যায়েদ এবং অনেকের নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (বুখারি - আদাবুল মুফরাদ, আবু দাউদ) এবং আহমদ ইবনে আলী আল-মারওয়াযি। ইবনে মাইন ও দারা কুতনি তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। সালিহ ইবনে মুহাম্মদ জাযরা বলেন: তিনি থমকে যেতেন (ওয়াকফ করতেন) (১২)। মুসা ইবনে হারুন বলেন: তিনি (১৩) ২৪৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। আল-বাগাওয়ি (১৪) বলেন: তিনি ৯৫ বছর বয়সে ২৪৬ হিজরিতে মারা যান।

(নাসায়ি) ইসহাক ইবনে ইসমাইল ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে যাকারিয়া আল-মাযহিজী আবু ইয়াকুব আল-রামলি আল-নাহহাস। তিনি আদম ইবনে আবি ইয়াস ও মুহাম্মদ ইবনে রুমহ থেকে হাদিস শুনেছেন। তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন (নাসায়ি) এবং (১৫) বলেছেন যে আমি জানি না তিনি কেমন ছিলেন। আল-মিযযি বলেন: তাঁর থেকে নাসায়ির বর্ণনার ব্যাপারে আমি নিশ্চিত হতে পারিনি।

(নাসায়ি, ইবনে মাজাহ) ইসহাক ইবনে ইসমাইল ইবনে আল-আলা অথবা ইবনে আবদিল আলা, আবু ইয়াকুব। তিনি ইবনে উইয়াইনা ও সালামাহ ইবনে রুহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন (নাসায়ি ও ইবনে মাজাহ)। ইবনে ইউনুস বলেন: তিনি (১৬) আইলা নামক স্থানে ২৫৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(আবু দাউদ) ইসহাক ইবনে ইসমাইল আল-তালকানি আবু ইয়াকুব আল-ইয়াতিম আল-বাগদাদি। তিনি ইবনে উইয়াইনা ও মুতামির ইবনে সুলাইমান থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন (আবু দাউদ)। ইবনে মাইন বলেন: তিনি অত্যন্ত সত্যবাদী। দারা কুতনি তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আল-বাগাওয়ি বলেন: তিনি ২৩০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ) ইসহাক ইবনে আসিদ আল-আনসারি আবু আবদুর রহমান আল-খুরাসানি, আবু মুহাম্মদ আল-মারওয়াযি, পরবর্তীতে মিশরের অধিবাসী। তিনি রাজা ইবনে হাইওয়াহ ও আতা আল-খুরাসানি থেকে হাদিস শুনেছেন। তাঁর থেকে ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব ও লাইস বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেন: তাকে নিয়ে যেন সময় নষ্ট করা না হয় (১৭)।

(মুসলিম, নাসায়ি) ইসহাক ইবনে হামিশ।

(১) আল-তাহযিব গ্রন্থে রয়েছে: আবু ইয়াকুব। সমাপ্ত।

(২) আবু আল-ফাযল আহমদ ইবনে সালামাহ বলেন: আমি ইসহাক ইবনে ইবরাহীমকে বলতে শুনেছি যে, আবদুল্লাহ ইবনে তাহির আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন: কেন আপনাকে ইবনে রাহওয়াইহ বলা হয়? এর অর্থ কী? আপনাকে কি এই নামে ডাকলে আপনি অপছন্দ করেন? তিনি উত্তরে বলেন: হে আমির, জেনে রাখুন, আমার পিতা মক্কার পথে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, তাই মারওয়াযবাসীরা তাকে রাহওয়াইহ (পথে জন্ম নেওয়া) বলত। আমার পিতা এটি অপছন্দ করতেন, তবে আমি এটি অপছন্দ করি না। সমাপ্ত, তাহযিব।

(৩) কথাটি আল-কাব্বানি বলেছেন, বুখারি নন। আল-তাহযিব গ্রন্থে এমনটিই রয়েছে। সমাপ্ত।

(৪) শাবান মাসের মাঝামাঝি রাতে ৭৭ বছর বয়সে। সমাপ্ত।

(৫) আল-তাহযিব গ্রন্থে আবু দাউদের কোনো উল্লেখ নেই। সমাপ্ত।

(৬) রবিউল আউয়াল মাসের প্রথম জুমাবারে। সমাপ্ত।

(৭) বলা হয়েছে যে, তিনি তাঁর বোনের মুক্তদাস ছিলেন। সমাপ্ত।

(৮) দারা কুতনি ও আবু হাতিম আল-রাযি এবং আরও অনেকে তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। সমাপ্ত।

(৯) রবিউল আউয়াল মাসে। সমাপ্ত।

(১০) জুমাদিউল আখিরা মাসের জুমাবারে। সমাপ্ত, তাহযিব।

(১১) তাঁর দুর্বলতা সত্ত্বেও তাঁর হাদিস লিখে রাখা হতো। ইবনে হিব্বান তাকে সিকাহ (নির্ভরযোগ্য) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন যে তিনি ভুল করতেন। সমাপ্ত, তাহযিব।

(১২) তিনি বলতেন যে কুরআন আল্লাহর কালাম এবং এটুকু বলেই থমকে যেতেন (অর্থাৎ কুরআন মাখলুক কি না সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতেন না)। আল-সাজি বলেন: তাঁর এই থমকে যাওয়ার (ওয়াকফ) কারণেই আলেমগণ তাকে ত্যাগ করেছেন, যদিও তিনি সত্যবাদী ছিলেন। সমাপ্ত, তাহযিব।

(১৩) ইবনে কানি বলেন: শাবান মাসে 'সুররা মান রাআ' নামক স্থানে। সমাপ্ত, তাহযিব।

(১৪) তিনি আরও বলেছেন যে, তিনি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত ছিলেন, তবে তাঁর বোধশক্তি কিছুটা কম ছিল। সমাপ্ত।

(১৫) অন্য স্থানে তিনি তাকে নেককার (সালিহ) বলেছেন। হাফিজ আবু নুয়াইম বলেন: তিনি স্মৃতি থেকে কিছু হাদিস বর্ণনা করতে গিয়ে ভুল করেছেন। সমাপ্ত।

(১৬) রমজান মাসে। সমাপ্ত।

(১৭) অর্থাৎ তিনি ত্যাজ্য বা পরিত্যক্ত (মাতরুক)। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ٢٨)
بكر بن مُضر الْمصْرِيّ أَبُو يَعْقُوب عَن أَبِيه فَقَط وَعنهُ الرّبيع الخبري قَالَ ابْن يُونُس ثِقَة مَاتَ سنة ثَمَانِي عشرَة وَمِائَتَيْنِ لَهُ فِي (م) فَرد حَدِيث

(س) إِسْحَاق بن أبي بكر الْمدنِي الْأَعْوَر عَن إِبْرَاهِيم ابْن حنين وَعنهُ زيد بن الْحباب والعقدي قَالَ ابْن معِين صَالح

(د) إِسْحَاق بن جِبْرِيل الْبَغْدَادِيّ صَدُوق عَن يزِيد بن هَارُون وَعنهُ

(د) إِسْحَاق بن الْجراح الأذني بِفَتْح الْهمزَة والمعجمة عَن جَعْفَر بن عون وهَاشِم بن الْقَاسِم وَعنهُ (د)

(ز ت ق) إِسْحَاق بن جَعْفَر بن مُحَمَّد بن عَليّ بن الْحُسَيْن ابْن عَليّ بن أبي طَالب الْهَاشِمِي أَبُو مُوسَى الْمدنِي عَن عبد الله بن جَعْفَر المخرمي وَعنهُ إِبْرَاهِيم بن الْمُنْذر قَالَ ابْن معِين مَا أرَاهُ إِلَّا صَدُوقًا

(د) إِسْحَاق بن الْحَرْث فِي إِسْحَاق بن عبد الله بن الْحَرْث

(ق) إِسْحَاق بن حَازِم بن أبي حَازِم الْبَزَّار الْمدنِي (1) قدري عَن مُحَمَّد بن كَعْب وَعبد الله بن مقسم وَعنهُ ابْن معِين وخَالِد بن مخلد وَثَّقَهُ أَحْمد وَابْن معِين

(قد) إِسْحَاق بن حَكِيم عَن (2) ابْن إِدْرِيس وَعنهُ الْحسن بن الصَّباح مَجْهُول

(خَ ع أ) إِسْحَاق بن رَاشد الْحَرَّانِي أَو الرقي أَبُو سُلَيْمَان عَن سَالم وَمَيْمُون بن مهْرَان وَعنهُ عتاب بن بشير وَعبيد الله بن عَمْرو وَثَّقَهُ ابْن معِين (3)

(خَ م د ت س) إِسْحَاق بن رَاهَوَيْه مر فِي ابْن إِبْرَاهِيم

(ق) إِسْحَاق بن الرّبيع الْعَطَّار أَبُو حَمْزَة الْأَيْلِي بِضَم الْهمزَة الْبَصْرِيّ عَن الْحسن وَابْن سِيرِين وَعنهُ الْأَصْمَعِي وشيبان قَالَ أَبُو حَاتِم حسن الحَدِيث (4) يكْتب حَدِيثه

(تَمْيِيز) إِسْحَاق بن الرّبيع الْعُصْفُرِي أَبُو إِسْمَاعِيل الْكُوفِي مُتَأَخّر

(د) إِسْحَاق بن سَالم مولى بني (5) نَوْفَل بن عدي عَن أبي هُرَيْرَة وَعنهُ أنيس وَمُحَمّد ابْنا أبي يحيى الأسلميان

(صد) إِسْحَاق بن سعد بن عبَادَة الْأنْصَارِيّ عَن أَبِيه وَعنهُ سعيد الصَّواف

(خَ م د ت ق) إِسْحَاق بن سعيد بن عَمْرو بن سعيد بن الْعَاصِ الْأمَوِي الْكُوفِي عَن أَبِيه وَعِكْرِمَة بن خَالِد وَعنهُ ابْن عُيَيْنَة ووكيع وَأَبُو نعيم وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ قَالَ أَبُو دَاوُد مَاتَ سنة (6) سبعين

(ق) إِسْحَاق بن سعيد الْمدنِي الصَّواف مر فِي ابْن إِبْرَاهِيم

(ع) إِسْحَاق بن سُلَيْمَان الْقَيْسِي بِالْقَافِ مَوْلَاهُم الْكُوفِي أَبُو يحيى الرَّازِيّ أحد الْفُضَلَاء عَن أَفْلح بن حميد وحَنْظَلَة بن أبي سُفْيَان وَدَاوُد بن قيس وَعنهُ أَبُو الْأَزْهَر وَأحمد بن أبي رَجَاء وَعَمْرو النَّاقِد قَالَ الكوسج كَانَ يبكي كل سَاعَة وَثَّقَهُ ابْن سعد وَابْن معِين وَجَمَاعَة مَاتَ سنة مِائَتَيْنِ فِي أَولهَا قَالَه أَبُو دَاوُد

(خَ م د س) إِسْحَاق بن سُوَيْد بن هُبَيْرَة الْعَدوي التَّمِيمِي عَن أبي قَتَادَة ومعاذة العدوية وَيحيى بن يعمر وَعنهُ الحمادان وَابْن علية وَعبد الْوَهَّاب الثَّقَفِيّ وَثَّقَهُ أَحْمد بن حَنْبَل (7) قَالَ ابْن سعد توفّي سنة إِحْدَى وَثَلَاثِينَ وَمِائَة لَهُ فِي (خَ) فَرد حَدِيث مَقْرُونا بِغَيْرِهِ

(د س) إِسْحَاق بن سُوَيْد الرَّمْلِيّ مر فِي إِسْحَاق بن إِبْرَاهِيم

(خَ س) إِسْحَاق بن شاهين الوَاسِطِيّ أَبُو بشر عَن خَالِد بن عبد الله وَابْن عُيَيْنَة وَعنهُ (خَ س) وَقَالَ لَا بَأْس بِهِ توفّي بعد الْخمسين وَمِائَتَيْنِ وَقد جَاوز الْمِائَة

(د) إِسْحَاق بن الصَّباح الْكِنْدِيّ الأشعثي الْكُوفِي نزيل مصر عَن سعيد بن أبي مَرْيَم وسريج بن يُونُس وَعنهُ (د) توفّي سنة سبع وَسبعين وَمِائَتَيْنِ (د) اسحق بن (8) الضَّيْف بِمُعْجَمَة الْبَاهِلِيّ أَبُو يَعْقُوب العسكري الْبَصْرِيّ نزيل مصر عَن النَّضر بن شُمَيْل وحجاج الْأَعْوَر وَعنهُ (د) قَالَ الْمزي لم أَقف على رِوَايَته عَنهُ (9) قَالَ أَبُو زرْعَة صَدُوق

(ت ق) إِسْحَاق بن طَلْحَة بن عبيد الله التَّيْمِيّ الْأَمِير عَن أَبِيه وَعَائِشَة وَعنهُ ابْنه مُعَاوِيَة وابنا أَخِيه إِسْحَاق وَطَلْحَة ابْنا يحيى توفّي بِالريِّ سنة سِتّ وَخمسين

(ع) إِسْحَاق بن طَلْحَة بن أبي طَلْحَة فِي ابْن عبد الله

(ق) إِسْحَاق بن عبد الله بن جَعْفَر بن أبي طَالب الْهَاشِمِي الْمدنِي عَن أَبِيه هَامِش

(1) هَذِه اللَّفْظَة لَيست فِي التَّهْذِيب فَلْينْظر اه

(2) اسْمه عبد الله اه

(3) ذكر بَعضهم أَنه مَاتَ بسجستان فِي خلَافَة أبي جَعْفَر الْمَنْصُور اه تَهْذِيب

(4) وَقَالَ الفلاس ضَعِيف الحَدِيث اه

(5) قَوْله نَوْفَل بن عدي مقلوب وَإِنَّمَا هُوَ عدي بن نَوْفَل كَذَا فِي التَّهْذِيب اه

(6) وَقَالَ البُخَارِيّ سنة سِتّ وَسبعين وَفِي التَّهْذِيب وَمِائَة اه

(7) وَابْن معِين وَالنَّسَائِيّ وَابْن سعيد اه تَهْذِيب

(8) وَيُقَال ابْن إِبْرَاهِيم بن الضَّيْف كَمَا مر اه

(9) وَذكره أَبُو الْقَاسِم فِي التَّارِيخ وَقَالَ روى عَنهُ أَبُو دَاوُد وَلم يقل فِي سنَنه اه
বকর বিন মুদর আল-মিসরি আবু ইয়াকুব, কেবল তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আল-রবী আল-খাবারি। ইবনে ইউনুস বলেন: নির্ভরযোগ্য; দুইশত আঠারো হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেছেন। (ম) গ্রন্থে তাঁর একটি একক হাদীস রয়েছে।

(স) ইসহাক বিন আবি বকর আল-মাদানি আল-আওয়ার, ইবরাহীম ইবনে হুনাইন থেকে। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন যায়েদ বিন আল-হুবাব এবং আল-আকাদি। ইবনে মাইন বলেন: সৎ।

(দ) ইসহাক বিন জিবরীল আল-বাগদাদী, সত্যবাদী, ইয়াযীদ বিন হারুন থেকে। তাঁর থেকে (দ) বর্ণনা করেছেন।

(দ) ইসহাক বিন আল-জাররাহ আল-আযানী (হামযাহ এবং মু'জামাহ এর জবর সহ), জাফর বিন আউন এবং হাশিম বিন আল-কাসিম থেকে। তাঁর থেকে (দ) বর্ণনা করেছেন।

(য ত ক) ইসহাক বিন জাফর বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-হুসাইন ইবনে আলী বিন আবি তালিব আল-হাশিমী আবু মুসা আল-মাদানি, আবদুল্লাহ বিন জাফর আল-মাখরামি থেকে। তাঁর থেকে ইবরাহীম বিন আল-মুনযির বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাইন বলেন: আমি তাঁকে কেবল সত্যবাদী হিসেবেই দেখি।

(দ) ইসহাক বিন আল-হারিস, ইসহাক বিন আবদুল্লাহ বিন আল-হারিস-এর আলোচনায় দ্রষ্টব্য।

(ক) ইসহাক বিন হাযেম বিন আবি হাযেম আল-বাযযার আল-মাদানি (১) কাদারি মতাবলম্বী, মুহাম্মদ বিন কাব এবং আবদুল্লাহ বিন মিকসাম থেকে। তাঁর থেকে ইবনে মাইন এবং খালিদ বিন মাখলাদ বর্ণনা করেছেন। আহমদ এবং ইবনে মাইন তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।

(কদ) ইসহাক বিন হাকীম, (২) ইবনে ইদরীস থেকে। তাঁর থেকে আল-হাসান বিন আস-সাব্বাহ বর্ণনা করেছেন; তিনি অপরিচিত।

(খ আ আ) ইসহাক বিন রাশিদ আল-হাররানি অথবা আর-রাক্কি আবু সুলাইমান, সালিম এবং মায়মুন বিন মিহরান থেকে। তাঁর থেকে আত্তাব বিন বশীর এবং উবায়দুল্লাহ বিন আমর বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাইন তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন (৩)।

(খ ম দ ত স) ইসহাক বিন রাহাওয়াইহ, ইবনে ইবরাহীম-এর আলোচনায় অতিক্রান্ত হয়েছে।

(ক) ইসহাক বিন আল-রবী আল-আত্তার আবু হামযাহ আল-আইলি (হামযাহ এর পেশ সহ) আল-বাসরি, আল-হাসান এবং ইবনে সীরীন থেকে। তাঁর থেকে আল-আসমাঈ এবং শাইবান বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেন: হাদীসে সুন্দর (৪), তাঁর হাদীস লিপিবদ্ধ করা হয়।

(পার্থক্যকারী) ইসহাক বিন আল-রবী আল-উসফুরি আবু ইসমাঈল আল-কুফি, পরবর্তী যুগের।

(দ) ইসহাক বিন সালিম, বনু (৫) নাওফাল বিন আদীর মুক্তদাস, আবু হুরায়রা থেকে। তাঁর থেকে আনীস এবং মুহাম্মদ—আবু ইয়াহইয়া আল-আসলামীর দুই পুত্র—বর্ণনা করেছেন।

(সদ) ইসহাক বিন সাদ বিন উবাদাহ আল-আনসারী, তাঁর পিতা থেকে। তাঁর থেকে সাঈদ আস-সাওয়াফ বর্ণনা করেছেন।

(খ ম দ ত ক) ইসহাক বিন সাঈদ বিন আমর বিন সাঈদ বিন আল-আস আল-উমাবী আল-কুফি, তাঁর পিতা এবং ইকরিমা বিন খালিদ থেকে। তাঁর থেকে ইবনে উইয়াইনাহ, ওয়াকি এবং আবু নুআইম বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আবু দাউদ বলেন: তিনি (৬) সত্তর হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেছেন।

(ক) ইসহাক বিন সাঈদ আল-মাদানি আস-সাওয়াফ, ইবনে ইবরাহীম-এর আলোচনায় অতিক্রান্ত হয়েছে।

(আ) ইসহাক বিন সুলাইমান আল-কায়সী (ক্বাফ সহ) তাদের মুক্তদাস আল-কুফি আবু ইয়াহইয়া আর-রাজি, অন্যতম গুণী ব্যক্তি, আফলাহ বিন হুমাইদ, হানজালা বিন আবি সুফিয়ান এবং দাউদ বিন কায়েস থেকে। তাঁর থেকে আবু আল-আযহার, আহমদ বিন আবি রাজা এবং আমর আন-নাকিদ বর্ণনা করেছেন। আল-কাওসাজ বলেন: তিনি প্রতি মুহূর্তে কাঁদতেন। ইবনে সাদ, ইবনে মাইন এবং একদল ইমাম তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আবু দাউদ বলেন: দুইশত হিজরির শুরুতে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন।

(খ ম দ স) ইসহাক বিন সুওয়াইদ বিন হুবায়রা আল-আদাবী আত-তামীমী, আবু কাতাদাহ, মুয়াযাহ আল-আদাবিয়্যাহ এবং ইয়াহইয়া বিন ইয়ামার থেকে। তাঁর থেকে দুই হাম্মাদ, ইবনে উলাইয়্যাহ এবং আবদুল ওয়াহহাব আস-সাকাফী বর্ণনা করেছেন। আহমদ বিন হাম্বল (৭) তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে সাদ বলেন: একশত একত্রিশ হিজরিতে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। (খ) গ্রন্থে তাঁর একটি একক হাদীস অন্য বর্ণনার সাথে যুক্ত অবস্থায় রয়েছে।

(দ স) ইসহাক বিন সুওয়াইদ আর-রামলী, ইসহাক বিন ইবরাহীম-এর আলোচনায় অতিক্রান্ত হয়েছে।

(খ স) ইসহাক বিন শাহীন আল-ওয়াসিতী আবু বিশর, খালিদ বিন আবদুল্লাহ এবং ইবনে উইয়াইনাহ থেকে। তাঁর থেকে (খ স) বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। তিনি দুইশত পঞ্চাশ হিজরির পর মৃত্যুবরণ করেছেন এবং একশত বছর পার করেছিলেন।

(দ) ইসহাক বিন আস-সাব্বাহ আল-কিন্দী আল-আশআসী আল-কুফি, মিশরে বসবাসকারী, সাঈদ বিন আবি মারয়াম এবং সুরাইজ বিন ইউনুস থেকে। তাঁর থেকে (দ) বর্ণনা করেছেন। তিনি দুইশত ৭৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেছেন।

(দ) ইসহাক বিন (৮) আদ-দাইফ (মুজামাহ সহ) আল-বাহিলী আবু ইয়াকুব আল-আসকারী আল-বাসরি, মিশরে বসবাসকারী, আন-নদর বিন শুমাইল এবং হাজ্জাজ আল-আওয়ার থেকে। তাঁর থেকে (দ) বর্ণনা করেছেন। আল-মিযযী বলেন: আমি তাঁর থেকে তাঁর বর্ণনা সম্পর্কে অবগত হতে পারিনি (৯)। আবু যুরআ বলেন: সত্যবাদী।

(ত ক) ইসহাক বিন তালহা বিন উবায়দুল্লাহ আত-তাইমী আল-আমীর, তাঁর পিতা এবং আয়েশা থেকে। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র মুয়াবিয়া এবং তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র ইসহাক ও তালহা—ইয়াহইয়ার দুই পুত্র—বর্ণনা করেছেন। তিনি ছাপ্পান্ন হিজরিতে রাই-তে মৃত্যুবরণ করেছেন।

(আ) ইসহাক বিন তালহা বিন আবি তালহা, ইবনে আবদুল্লাহ-এর আলোচনায় দ্রষ্টব্য।

(ক) ইসহাক বিন আবদুল্লাহ বিন জাফর বিন আবি তালিব আল-হাশিমী আল-মাদানি, তাঁর পিতা থেকে।

হাশিয়া (টীকা):

(১) এই শব্দটি 'আত-তাহযীব' গ্রন্থে নেই, সুতরাং বিষয়টি লক্ষ রাখতে হবে। ইতি।

(২) তাঁর নাম আবদুল্লাহ। ইতি।

(৩) তাঁদের কেউ উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আবু জাফর আল-মনসুরের খিলাফতকালে সিজিস্তানে মৃত্যুবরণ করেছেন। ইতি তাহযীব।

(৪) আল-ফাল্লাস বলেন: হাদীসে দুর্বল। ইতি।

(৫) তাঁর উক্তি 'নাওফাল বিন আদী' ওলটপালট হয়ে গেছে, মূলত এটি হবে 'আদী বিন নাওফাল', তাহযীব গ্রন্থে এমনই রয়েছে। ইতি।

(৬) ইমাম বুখারী বলেছেন: একশত ছিয়াত্তর হিজরি, এবং তাহযীব গ্রন্থেও (একশত ছিয়াত্তর) রয়েছে। ইতি।

(৭) এবং ইবনে মাইন, নাসায়ী ও ইবনে সাঈদ। ইতি তাহযীব।

(৮) বলা হয়ে থাকে ইসহাক বিন ইবরাহীম বিন আদ-দাইফ, যেমনটি অতিক্রান্ত হয়েছে। ইতি।

(৯) আবু আল-কাসিম 'তারীখ' গ্রন্থে তাঁকে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: আবু দাউদ তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি তাঁর 'সুনান' গ্রন্থে তা বলেননি। ইতি।
(খণ্ড: ১) খুলাসাতু তাযহীবী তাহযীবিল কামাল (পৃষ্ঠা: ٢٩)
وَعنهُ أَخُوهُ إِسْمَاعِيل وَكثير بن زيد الْأَسْلَمِيّ

(ع أ) إِسْحَاق بن عبد الله بن الْحَرْث بن كنَانَة الْقرشِي أَو الثَّقَفِيّ عَن ابْن عَبَّاس مُرْسلا كَذَا قَالَه ابْن أبي حَاتِم لَكِن فِي سنَن أبي دَاوُد التَّصْرِيح بِسَمَاعِهِ مِنْهُ وَعَن عَامر بن سعد وَعنهُ ابناه عبد الرَّحْمَن وَهِشَام قَالَ النَّسَائِيّ (1) لَيْسَ بِهِ بَأْس

(د) إِسْحَاق بن عبد الله بن الْحَرْث بن نَوْفَل الْهَاشِمِي أَبُو يَعْقُوب عَن أَبِيه وَأبي هُرَيْرَة وَعنهُ قَتَادَة وثابت وَحميد وَثَّقَهُ الْعجلِيّ

(ع) إِسْحَاق بن عبد الله بن أبي طَلْحَة زيد بن سهل الْأنْصَارِيّ أَبُو يحيى الْمدنِي عَن أَبِيه وَأنس والطفيل بن أبي بن كَعْب وَعنهُ حَمَّاد بن سَلمَة وَابْن عُيَيْنَة وَمَالك قَالَ ابْن معِين ثِقَة حجَّة قَالَ ابْن سعد توفّي سنة اثْنَتَيْنِ وَثَلَاثِينَ وَمِائَة وَقَالَ الفلاس سنة أَربع

(د ت ق) إِسْحَاق ابْن عبد الله بن أبي فَرْوَة مولى عُثْمَان مدنِي عَن مُجَاهِد وَعَمْرو بن شُعَيْب وَعنهُ اللَّيْث وَيحيى بن حَمْزَة قَالَ البُخَارِيّ (2) تَرَكُوهُ مَاتَ سنة أَربع وَأَرْبَعين وَمِائَة على الصَّحِيح

(ز م د س) إِسْحَاق بن عبد الله الْمدنِي هُوَ مولى زَائِدَة سَيَأْتِي

(س) إِسْحَاق بن عبد الْوَاحِد الْقرشِي الْموصِلِي رحال مُصَنف عَن حَمَّاد بن زيد وَمَالك وَعنهُ ابْن وارة وَغَيره مَاتَ سنة سِتّ وَعشْرين وَمِائَتَيْنِ

(ق) إِسْحَاق بن عبيد الله بن أبي مليكَة التَّيْمِيّ عَن ابْن أبي مليكَة وَعنهُ الْوَلِيد بن مُسلم وَأسد بن مُوسَى قَالَ ابْن حجر وَعِنْدِي أَن الَّذِي أخرج لَهُ ابْن مَاجَه إِسْحَاق بن عبد الله بن أبي المُهَاجر وَهُوَ مَقْبُول

(د) إِسْحَاق ابْن عُثْمَان الْكلابِي أَبُو يَعْقُوب الْبَصْرِيّ عَن الْحسن وَعمر بن عبد الْعَزِيز وَعنهُ ابْن مهْدي وَمُسلم بن إِبْرَاهِيم وَثَّقَهُ أَبُو حَاتِم

(م صد) إِسْحَاق بن عمر بن سليط الْهُذلِيّ أَبُو يَعْقُوب الْبَصْرِيّ عَن مبارك ابْن فضَالة وَحَمَّاد بن سَلمَة وَسليمَان بن الْمُغيرَة وَعنهُ (م صد) قَالَ أَبُو حَاتِم صَدُوق قَالَ ابْن طَاهِر توفّي سنة ثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ

(تَمْيِيز) إِسْحَاق بن عمر الْقرشِي الْمُؤَدب من طبقَة الَّذِي قبله

(ت) إِسْحَاق ابْن عمر عَن عَائِشَة وَعنهُ سعيد بن أبي هِلَال قَالَ التِّرْمِذِيّ لَيْسَ إِسْنَاده بِمُتَّصِل وَتَركه الدَّارَقُطْنِيّ

(بخ) إِسْحَاق بن الْعَلَاء مر فِي ابْن إِبْرَاهِيم بن الْعَلَاء

(م ت س ق) إِسْحَاق بن عِيسَى بن نجيح الْبَغْدَادِيّ أَبُو يَعْقُوب بن الطباع نزل أذنة عَن مَالك وَأبي الْأَشْهب وَجَرِير بن حَازِم وَعنهُ أَحْمد بن حَنْبَل وَأَبُو خَيْثَمَة وَمُحَمّد بن رَافع قَالَ أَبُو حَاتِم صَدُوق قَالَ ابْن سعد مَاتَ سنة خمس عشرَة وَمِائَتَيْنِ

(مد) إِسْحَاق بن عِيسَى الْقشيرِي أَبُو هَاشم ابْن بنت دَاوُد بن أبي هِنْد الْبَصْرِيّ عَن الْأَعْمَش وَمَالك بن مغول وَعنهُ قُتَيْبَة وَأَبُو كريب وَثَّقَهُ الْخَطِيب

(خَ) إِسْحَاق بن أبي عِيسَى عَن خَالِد بن عبد الله وَيزِيد بن هَارُون وَعنهُ (خَ) فَرد حَدِيث قَالَ الكلاباذي هُوَ إِسْحَاق بن جِبْرِيل (3) وَقَالَ بعض الشُّيُوخ هُوَ الكوسج

(س) إِسْحَاق بن الْفُرَات بن الْجَعْد الْكِنْدِيّ التجِيبِي أَبُو نعيم الْفَقِيه الْمقري قاضيها عَن أبي الْهَيْثَم وَيحيى بن أَيُّوب وَعنهُ مُحَمَّد بن الحكم وَابْن السَّرْح وَثَّقَهُ أَبُو عوَانَة وَقَالَ ابْن يُونُس فِي حَدِيثه أَحَادِيث كَأَنَّهَا مَقْلُوبَة توفّي سنة أَربع وَمِائَتَيْنِ

(ق) إِسْحَاق بن أبي الْفُرَات بكر الْمدنِي عَن سعيد المَقْبُري وَعنهُ عبد الْملك بن قدامَة

(ق) إِسْحَاق بن قبيصَة بن ذُؤَيْب الْخُزَاعِيّ صَدُوق يُرْسل (4) روى عَن أَبِيه وَكَعب الْأَحْبَار وَعنهُ برد بن سِنَان وَعُثْمَان بن عَطاء بَقِي إِلَى حُدُود الْعشْرين وَمِائَة

(د ت س) إِسْحَاق بن كَعْب بن عجْرَة الْمدنِي عَن أَبِيه وَعنهُ ابْنه سعد قتل يَوْم الْحرَّة سنة ثَلَاث وَسِتِّينَ

(خَ ت ق) إِسْحَاق بن مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل بن عبد الله بن أبي فَرْوَة مولى عُثْمَان أَبُو يَعْقُوب الْمدنِي عَن مَالك وَنَافِع والقارىء وَعنهُ (خَ) وَعَن مُحَمَّد غير مَنْسُوب عَنهُ قَالَ أَبُو حَاتِم صَدُوق كتبه صَحِيحَة ذهب بَصَره فَرُبمَا لقن ووهاه أَبُو دَاوُد جدا قَالَ البُخَارِيّ مَاتَ هَامِش

(1) وَقَالَ أَبُو زرْعَة ثِقَة اه

(2) وَقَالَ أَحْمد لَا يكْتب حَدِيثه وَلَا تحل الرِّوَايَة عَنهُ اه

(3) قَالَ ابْن طَاهِر سَمِعت أَبَا الْقَاسِم الْحساب يَقُول أَنبأَنَا الْحَاكِم أَبُو عبد الله قَالَ قلت لأبي أَحْمد يَعْنِي الْحَاكِم وَلأبي عبد الله بن الأخرم الْحَافِظ من إِسْحَاق ابْن أبي عِيسَى هَذَا فَلم يعرفاه وَقد حَدثنِي خَالِد بن مُحَمَّد البُخَارِيّ عَن بعض شُيُوخه أَنه إِسْحَاق الكوسج اه

(4) عَن عمر ابْن الْخطاب اه تَهْذِيب
এবং তার থেকে তার ভাই ইসমাঈল ও কাসীর বিন যায়িদ আল-আসলামী বর্ণনা করেছেন।

(আইন আলিফ) ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হারিস বিন কিনানাহ আল-কুরাশী অথবা আস-সাকাফী, ইবনে আব্বাস থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন, ইবনে আবু হাতিম এরূপই বলেছেন; তবে সুনানে আবু দাউদে তার থেকে সরাসরি শোনার স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। তিনি আমির বিন সা'দ থেকেও বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার দুই পুত্র আব্দুর রহমান ও হিশাম বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী বলেছেন: (১) তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই।

(দাল) ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হারিস বিন নাওফাল আল-হাশিমি আবু ইয়াকুব, তার পিতা ও আবু হুরাইরা থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে কাতাদাহ, সাবিত ও হুমায়িদ বর্ণনা করেছেন। ইজলী তাকে বিশ্বস্ত বলেছেন।

(আইন) ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আবু তালহা যায়িদ বিন সাহল আল-আনসারী আবু ইয়াহইয়া আল-মাদানি, তার পিতা, আনাস ও তুফাইল বিন উবাই বিন কাব থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে হাম্মাদ বিন সালামাহ, ইবনে উইয়াইনাহ ও মালিক বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন বলেছেন: তিনি বিশ্বস্ত ও দলিলযোগ্য। ইবনে সা'দ বলেন: তিনি একশত বত্রিশ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন এবং ফাল্লাস বলেন: একশত চৌত্রিশ হিজরিতে।

(দাল তা কফ) ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আবু ফারওয়াহ, উসমানের আযাদকৃত দাস, মাদানি; মুজাহিদ ও আমর বিন শুয়াইব থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে লাইস ও ইয়াহইয়া বিন হামযাহ বর্ণনা করেছেন। বুখারী বলেছেন: (২) মুহাদ্দিসগণ তাকে বর্জন করেছেন। বিশুদ্ধ মতানুসারে তিনি একশত চুয়াল্লিশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(যা মিম দাল সিন) ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ আল-মাদানি, তিনি যায়িদার আযাদকৃত দাস, সামনে তার আলোচনা আসবে।

(সিন) ইসহাক বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-কুরাশী আল-মাওসিলি, পর্যটক ও গ্রন্থকার; হাম্মাদ বিন যায়িদ ও মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইবনে ওয়ারাহ ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। তিনি দুইশত ছাব্বিশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(কফ) ইসহাক বিন উবাইদুল্লাহ বিন আবু মুলাইকাহ আত-তাইমি, ইবনে আবু মুলাইকাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ওয়ালিদ বিন মুসলিম ও আসাদ বিন মুসা বর্ণনা করেছেন। ইবনে হাজার বলেন: আমার মতে ইবনে মাজাহ যার থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন তিনি হলেন ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আবু আল-মুহাজির এবং তিনি গ্রহণযোগ্য।

(দাল) ইসহাক বিন উসমান আল-কিলাবি আবু ইয়াকুব আল-বাসরি, হাসান ও উমর বিন আব্দুল আজিজ থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইবনে মাহদি ও মুসলিম বিন ইব্রাহিম বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম তাকে বিশ্বস্ত বলেছেন।

(মিম সদ) ইসহাক বিন উমর বিন সুলাইত আল-হুজালি আবু ইয়াকুব আল-বাসরি, মুবারক বিন ফাদালাহ, হাম্মাদ বিন সালামাহ ও সুলাইমান বিন আল-মুগিরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে (মিম সদ) বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি সত্যবাদী। ইবনে তাহির বলেন: তিনি দুইশত ত্রিশ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।

(পার্থক্যকারী) ইসহাক বিন উমর আল-কুরাশী আল-মুয়াদ্দিব, তিনি পূর্বোক্ত ব্যক্তির সমসাময়িক স্তরের।

(তা) ইসহাক বিন উমর, আয়েশা থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে সাঈদ বিন আবু হিলাল বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী বলেছেন: তার সনদ নিরবচ্ছিন্ন নয় এবং দারা কুতনি তাকে বর্জন করেছেন।

(বিখ) ইসহাক বিন আল-আলা, ইব্রাহিম বিন আল-আলা অনুচ্ছেদে তার কথা অতিক্রান্ত হয়েছে।

(মিম তা সিন কফ) ইসহাক বিন ঈসা বিন নাজীহ আল-বাগদাদি আবু ইয়াকুব ইবনুত তিব্বা', আযানাহ-তে বসতি স্থাপন করেছিলেন; তিনি মালিক, আবু আল-আশহাব ও জারির বিন হাযিম থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আহমদ বিন হাম্বল, আবু খাইসামাহ ও মুহাম্মদ বিন রাফে' বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি সত্যবাদী। ইবনে সা'দ বলেন: তিনি দুইশত পনেরো হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।

(মীম-দাল) ইসহাক বিন ঈসা আল-কুশাইরী আবু হাশেম, দাউদ বিন আবু হিন্দের দৌহিত্র, আল-বাসরি; আমাশ ও মালিক বিন মিগওয়াল থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে কুতাইবা ও আবু কুরাইব বর্ণনা করেছেন। খতিব তাকে বিশ্বস্ত বলেছেন।

(খা) ইসহাক বিন আবু ঈসা, খালিদ বিন আব্দুল্লাহ ও ইয়াযিদ বিন হারুন থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে (খা) একটি মাত্র হাদিস বর্ণনা করেছেন। কালাবাদি বলেন: তিনি হলেন ইসহাক বিন জিবরাইল। (৩) কোনো কোনো শাইখ বলেছেন: তিনি হলেন আল-কাওসাজ।

(সিন) ইসহাক বিন আল-ফুরাত বিন আল-জা'দ আল-কিন্দি আত-তুজিবি আবু নুআইম, ফকিহ, ক্বারী ও মিশরের বিচারক; আবু আল-হাইসাম ও ইয়াহইয়া বিন আইয়ুব থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে মুহাম্মদ বিন আল-হাকাম ও ইবনুস সারহ বর্ণনা করেছেন। আবু আওয়ানাহ তাকে বিশ্বস্ত বলেছেন। ইবনে ইউনুস বলেন: তার বর্ণনায় এমন কিছু হাদিস রয়েছে যা উল্টে গেছে বলে মনে হয়। তিনি দুইশত চার হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।

(কফ) ইসহাক বিন আবু আল-ফুরাত বকর আল-মাদানি, সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আব্দুল মালিক বিন কুদামাহ বর্ণনা করেছেন।

(কফ) ইসহাক বিন কাবিজাহ বিন জুআইব আল-খুযায়ি, তিনি সত্যবাদী তবে মুরসাল বর্ণনা করেন; (৪) তিনি তার পিতা ও কাব আল-আহবার থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বুরদ বিন সিনান ও উসমান বিন আতা বর্ণনা করেছেন। তিনি একশত বিশ হিজরি নাগাদ জীবিত ছিলেন।

(দাল তা সিন) ইসহাক বিন কাব বিন উজরাহ আল-মাদানি, তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার পুত্র সা'দ বর্ণনা করেছেন। তিনি তেষট্টি হিজরিতে হাররার যুদ্ধের দিনে শহীদ হন।

(খা তা কফ) ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন আব্দুল্লাহ বিন আবু ফারওয়াহ, উসমানের আযাদকৃত দাস, আবু ইয়াকুব আল-মাদানি; মালিক, নাফি' এবং আল-ক্বারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে (খা) এবং মুহাম্মদ (যার বংশ পরিচয় উল্লেখ করা হয়নি) বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি সত্যবাদী, তার লিখিত কিতাবসমূহ সহিহ; তবে তার দৃষ্টিশক্তি চলে যাওয়ার পর তাকে হয়তো ভুল শিখিয়ে দেওয়া হতো। আবু দাউদ তাকে অত্যন্ত দুর্বল বলেছেন। বুখারী বলেছেন: তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন।

(১) এবং আবু যুরআ বলেছেন: তিনি বিশ্বস্ত। সমাপ্ত।

(২) এবং আহমদ বলেছেন: তার হাদিস লেখা যাবে না এবং তার থেকে বর্ণনা করা বৈধ নয়। সমাপ্ত।

(৩) ইবনে তাহির বলেন: আমি আবুল কাসিম আল-হিসাবকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাকেম আবু আব্দুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবু আহমদ অর্থাৎ হাকেম এবং হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ বিন আখরামকে জিজ্ঞেস করেছি যে, এই ইসহাক বিন আবু ঈসা কে? তারা তাকে চিনতে পারেননি। তবে খালেদ বিন মুহাম্মদ আল-বুখারী তার জনৈক উস্তাদের সূত্রে আমাকে বলেছেন যে, তিনি হলেন ইসহাক আল-কাওসাজ। সমাপ্ত।

(৪) উমর বিন আল-খাত্তাব থেকে। সমাপ্ত, তাহযীব।