ابْن عَاصِم وَيزِيد بن هَارُون وحجاج الْأَعْوَر وروح بن عبَادَة وطبقتهم وَعنهُ (س) (1) مَاتَ فِي ربيع الأول سنة ثَمَان وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ (2)
(تَمْيِيز) أَحْمد بن الْخَلِيل بن ثَابت البرجلاني بِضَم الْمُوَحدَة وَالْجِيم واسكان الرَّاء وَثَّقَهُ الْخَطِيب مَاتَ سنة سبع وَسبعين وَمِائَتَيْنِ (تَمْيِيز) أَحْمد بن الْخَلِيل مولى بني الْحَرْث بن نَوْفَل أَبُو عبد الله القومسي ضعفه أَبُو زرْعَة واتهمه أَبُو حَاتِم
(عخ) أَحْمد بن خَلاد سمع يزِيد بن هَارُون قَالَ المريسي وَأَبُو بكر الْأَصَم زنديقان وَعنهُ فِي (عخ) قَالَ أَبُو الْفضل بن حجر يحْتَمل أَن يكون الْخلال
(خَ) أَحْمد بن أبي دَاوُد الْمُنَادِي عَن روح بن عبَادَة وَعنهُ (خَ) فَرد حَدِيث (3) هُوَ مُحَمَّد بن عبيد الله يَأْتِي
(س) أَحْمد بن أبي رَجَاء الْمقري هُوَ ابْن نصر
(خَ) أَحْمد بن أبي رَجَاء الْهَرَوِيّ هُوَ أَحْمد بن عبد الله بن أَيُّوب
(خَ د س) أَحْمد بن أبي سُرَيج الرَّازِيّ هُوَ ابْن الصَّباح يأْتونَ (4)
(د س) أَحْمد بن (5) سعيد بن الحكم ابْن مُحَمَّد بن سَالم الجُمَحِي أَبُو جَعْفَر بن أبي مَرْيَم الْمصْرِيّ الْحَافِظ (6) عَن أَبِيه وَأبي الْيَمَان وحبِيب كَاتب مَالك وَسَأَلَ ابْن معِين عَن الرِّجَال وَعنهُ (د س) وَقَالَ لَا بَأْس بِهِ قَالَ ابْن يُونُس توفّي يَوْم عَرَفَة سنة ثَلَاث وَخمسين وَمِائَتَيْنِ
(خَ م د ت س) أَحْمد بن سعيد بن إِبْرَاهِيم الْأَشْقَر أَبُو عبد الله الرباطي الْمروزِي ثمَّ النَّيْسَابُورِي الْحَافِظ عَن وَكِيع وَعبد الرَّزَّاق ووهب بن جرير وَيَعْقُوب بن إِبْرَاهِيم وروح بن عبَادَة وطبقتهم وَعنهُ (خَ م د ت س) وَوَثَّقَهُ مَاتَ فِي سنة خمسين أَو فِي أول سنة سِتّ وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ
(د س) أَحْمد بن سعيد بن أبي مَرْيَم هُوَ ابْن سعيد بن الحكم يَأْتِي
(د) أَحْمد بن سعيد بن بشر الْهَمدَانِي أَبُو جَعْفَر الْمصْرِيّ عَن ابْن وهب وَالشَّافِعِيّ وَبشر ابْن بكر وَإِسْحَاق بن الْفُرَات وَجَمَاعَة وَعنهُ (د) وَآخَرُونَ قَالَ النَّسَائِيّ تفرد بِحَدِيث الْغَار من وَجه غَرِيب لَو رَجَعَ عَنهُ لحدثت عَنهُ وَلَيْسَ بِالْقَوِيّ قَالَ ابْن يُونُس توفّي سنة ثَلَاث وَخمسين وَمِائَتَيْنِ
(خَ م د ت ق) أَحْمد بن سعيد بن صَخْر الدَّارمِيّ أَبُو جَعْفَر السَّرخسِيّ بِفَتْح الْمُهْمَلَتَيْنِ ثمَّ مُعْجمَة سَاكِنة ثمَّ النَّيْسَابُورِي الْفَقِيه الْحَافِظ أحد الْأَئِمَّة عَن النَّضر بن شُمَيْل وَعُثْمَان بن عمر بن فَارس وَعبد الصَّمد بن عبد الْوَارِث وَسَعِيد بن عَامر الضبعِي وَأبي عَامر الْعَقدي وَأبي عَليّ الْحَنَفِيّ ووهب بن جرير وطبقتهم وَعنهُ (خَ م د ت ق) روى صَالح بن أَحْمد عَن أَبِيه قَالَ مَا قدم عَليّ خراساني أفقه مِنْهُ وَقَالَ حجاج بن الشَّاعِر مَا بالمشرق أنبل من أبي زرْعَة وَأبي حَاتِم وَابْن أبي واره وَأبي جَعْفَر الدَّارمِيّ مَاتَ سنة ثَلَاث وَخمسين وَمِائَتَيْنِ أرخه حُسَيْن القباني
(س) أَحْمد بن سعيد ابْن يَعْقُوب الْكِنْدِيّ أَبُو الْعَبَّاس الْحِمصِي عَن بَقِيَّة وَعُثْمَان بن سعيد بن كثير وَعنهُ (س) وَقَالَ لَا بَأْس بِهِ
أَحْمد بن سعيد الْحَرَّانِي (7) صَوَابه ابْن شُعَيْب يَأْتِي
(ز س ق) أَحْمد بن أبي السّفر هُوَ ابْن عبد الله يَأْتِي
(س) أَحْمد بن سُفْيَان النَّسَائِيّ أَو الْمروزِي أَبُو سُفْيَان عَن عبد الرَّزَّاق وَعون بن عمَارَة وَالْفِرْيَابِي وَأبي زيد الْهَرَوِيّ وَعنهُ (س) وَوَثَّقَهُ (8)
(س) أَحْمد بن سُلَيْمَان بن عبد الْملك الْجَزرِي الرهاوي بِضَم الْمُهْملَة أَبُو الْحُسَيْن الْحَافِظ أحد الْأَثْبَات الْمَشَاهِير عَن حُسَيْن الْجعْفِيّ وَيزِيد بن هَارُون وجعفر بن عون وَيزِيد بن الْحباب وَعبد الله بن وَاقد وَخلق وَعنهُ (س) فَأكْثر وَقَالَ ثِقَة مَأْمُون قَالَ أَبُو عرُوبَة كَانَ ثبتا فِي الْأَخْذ وَالْأَدَاء مَاتَ سنة إِحْدَى وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ
(خَ ت) أَحْمد بن سُلَيْمَان الْمروزِي هُوَ ابْن أبي الطّيب يَأْتِي
(خَ م د كن ق) أَحْمد بن سِنَان بنونين ابْن أَسد بن حبَان بِكَسْر الْمُهْملَة ثمَّ مُوَحدَة أَبُو جَعْفَر الْقطَّان الوَاسِطِيّ هَامِش
(1) قَالَ (س) وَأَبُو يحيى الْخفاف ثِقَة وَزَاد الْحَاكِم أَبُو عبد الله مَأْمُون اه تَهْذِيب
(2) أَحْمد بن أبي خلف عَن سُفْيَان وَعنهُ د فِي النِّكَاح كَذَا فِي رِوَايَة ابْن الْأَعرَابِي سنَن أبي دَاوُد وَبَاقِي الرِّوَايَات ابْن أبي خلف وَهُوَ الصَّوَاب فَهُوَ مُحَمَّد بن أَحْمد بن أبي خلف اه ملقن وَيَأْتِي فِي أَحْمد بن مُحَمَّد
(3) يَعْنِي يعرفهُ أهل بَغْدَاد بِمُحَمد كَمَا قَالَه ابْن الملقن ثمَّ قَالَ وَقيل إِنَّه اشْتبهَ على البُخَارِيّ فَسَماهُ أَحْمد اه
(4) أَحْمد بن زَنْجوَيْه قدم مصر قَالَ مسلمة بن قَاسم روى عَنهُ أَبُو دَاوُد فِي سنَنه وَأَهْمَلَهُ فِي التَّهْذِيب وَأَصله اه ملقن
(5) فِي نسختين من التَّهْذِيب وَابْن الملقن ابْن سعد بِسُكُون الْعين وَقَدمَاهُ على ابْن سعيد فَلْينْظر فَلَعَلَّ مَا هُنَا غلط اه
(6) وَفِي التَّهْذِيب عَن عَمه سعيد بن الحكم وَلم يذكر عَن أَبِيه فَلَعَلَّ مَا هُنَا غلط اه
(7) فتصحف لِأَنَّهُ وَقع فِي رِوَايَة التِّرْمِذِيّ أَحْمد بن شُعَيْب كَمَا فِي التَّهْذِيب وَالتِّرْمِذِيّ إِنَّمَا روى عَن الدَّارمِيّ عَنهُ فَقَوله روى عَنهُ التِّرْمِذِيّ وهم آخر كَمَا فِي التَّهْذِيب اه
(8) وَقَالَ مرّة لَا بَأْس بِهِ اه
ইবনে আসিম, ইয়াযিদ ইবনে হারুন, হাজ্জাজ আল-আওয়ার, রাওহ ইবনে উবাদাহ এবং তাঁদের সমপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (নাসায়ি) (১) বর্ণনা করেছেন। তিনি ২৪৮ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে মৃত্যুবরণ করেন। (২)
(পার্থক্যকারী) আহমদ ইবনুল খলিল ইবনে সাবিত আল-বুরজুলানি (বা বর্ণে পেশ, জিম বর্ণে জবর এবং রা বর্ণে সাকিন যোগে)। আল-খতিব তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ২৭৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। (পার্থক্যকারী) আহমদ ইবনুল খলিল, বনু হারিস ইবনে নাওফলের আযাদকৃত গোলাম, আবু আব্দুল্লাহ আল-কাউমাসী। আবু যুরআ তাঁকে দুর্বল বলেছেন এবং আবু হাতিম তাঁকে অভিযুক্ত করেছেন।
(বুখারি - খালকু আফআলিল ইবাদ) আহমদ ইবনে খাল্লাদ। তিনি ইয়াযিদ ইবনে হারুন থেকে শুনেছেন যে, তিনি বলেছেন: আল-মারিসি এবং আবু বকর আল-আসাম হলো দুইজন যিন্দিক। তাঁর থেকে (খালকু আফআলিল ইবাদ গ্রন্থে) বর্ণনা করা হয়েছে। আবুল ফজল ইবনে হাজার বলেন, সম্ভবত তিনি আল-খাল্লাল হবেন।
(বুখারি) আহমদ ইবনে আবি দাউদ আল-মুনাদি। তিনি রাওহ ইবনে উবাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে (বুখারি) বর্ণনা করেছেন। তিনি এককভাবে একটি হাদিস (৩) বর্ণনা করেছেন। তিনি মূলত মুহাম্মাদ ইবনে উবাইদুল্লাহ, যার বর্ণনা সামনে আসবে।
(নাসায়ি) আহমদ ইবনে আবি রাজা আল-মুকরি। তিনি হলেন ইবনে নাসর।
(বুখারি) আহমদ ইবনে আবি রাজা আল-হারাবি। তিনি হলেন আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আইয়ুব।
(বুখারি, আবু দাউদ, নাসায়ি) আহমদ ইবনে আবি সুরাইজ আর-রাজি। তিনি হলেন ইবনুল সাব্বাহ, তাঁদের বর্ণনা সামনে আসবে। (৪)
(আবু দাউদ, নাসায়ি) আহমদ ইবনে (৫) সাঈদ ইবনুল হাকাম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সালিম আল-জুমাহি, আবু জাফর ইবনে আবি মারিয়াম আল-মিসরি, আল-হাফিয। (৬) তিনি তাঁর পিতা, আবুল ইয়ামান এবং মালিকের লেখক হাবিব থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি ইবনে মাঈনকে বর্ণনাকারীদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তাঁর থেকে (আবু দাউদ ও নাসায়ি) বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, তাঁর বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই। ইবনে ইউনুস বলেন, তিনি ২৫৩ হিজরির আরাফাতের দিনে মৃত্যুবরণ করেন।
(বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি, নাসায়ি) আহমদ ইবনে সাঈদ ইবনে ইব্রাহিম আল-আশকার, আবু আব্দুল্লাহ আর-রিবাতী আল-মারওয়াজি, পরবর্তীতে আন-নাইসাবুরি, আল-হাফিয। তিনি ওয়াকি, আব্দুর রাজ্জাক, ওয়াহাব ইবনে জারির, ইয়াকুব ইবনে ইব্রাহিম, রাওহ ইবনে উবাদাহ এবং তাঁদের সমপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি ও নাসায়ি) বর্ণনা করেছেন এবং তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ২৫০ হিজরিতে অথবা ২৪৬ হিজরির শুরুর দিকে মৃত্যুবরণ করেন।
(আবু দাউদ, নাসায়ি) আহমদ ইবনে সাঈদ ইবনে আবি মারিয়াম। তিনি হলেন ইবনে সাঈদ ইবনুল হাকাম, যাঁর বর্ণনা সামনে আসবে।
(আবু দাউদ) আহমদ ইবনে সাঈদ ইবনে বিশর আল-হামদানি, আবু জাফর আল-মিসরি। তিনি ইবনে ওয়াহাব, আশ-শাফিঈ, বিশর ইবনে বকর, ইসহাক ইবনুল ফুরাত এবং এক জামাত বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (আবু দাউদ) ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ি বলেন, তিনি গুহার হাদিসটি এককভাবে একটি অদ্ভুত সূত্রে বর্ণনা করেছেন; যদি তিনি এটি থেকে ফিরে আসতেন তবে আমি তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করতাম, তিনি খুব একটা শক্তিশালী নন। ইবনে ইউনুস বলেন, তিনি ২৫৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
(বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি, ইবনে মাজাহ) আহমদ ইবনে সাঈদ ইবনে সাখর আদ-দারিমি, আবু জাফর আস-সারখাসি (উভয় সিন বর্ণে জবর, এরপর সাকিন শিন বর্ণ যোগে), পরবর্তীতে আন-নাইসাবুরি, ফকিহ, আল-হাফিয এবং অন্যতম ইমাম। তিনি আন-নাদর ইবনে শুমাইল, উসমান ইবনে উমর ইবনে ফারিস, আব্দুস সামাদ ইবনে আব্দুল ওয়ারিস, সাঈদ ইবনে আমির আদ-দুবায়ী, আবু আমির আল-আকদি, আবু আলী আল-হানাফি, ওয়াহাব ইবনে জারির এবং তাঁদের সমপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি ও ইবনে মাজাহ) বর্ণনা করেছেন। সালিহ ইবনে আহমদ তাঁর পিতা (ইমাম আহমদ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: আমার কাছে খোরাসান থেকে তাঁর চেয়ে বড় কোনো ফকিহ আসেনি। হাজ্জাজ ইবনে শায়ের বলেছেন: প্রাচ্যে আবু যুরআ, আবু হাতিম, ইবনে আবি ওয়ারা এবং আবু জাফর আদ-দারিমির চেয়ে শ্রেষ্ঠ কেউ নেই। তিনি ২৫৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, হুসাইন আল-কাব্বানি এভাবেই তারিখ উল্লেখ করেছেন।
(নাসায়ি) আহমদ ইবনে সাঈদ ইবনে ইয়াকুব আল-কিন্দি, আবু আব্বাস আল-হিমসি। তিনি বাকিয়্যাহ এবং উসমান ইবনে সাঈদ ইবনে কাসির থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (নাসায়ি) বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, তাঁর বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই।
আহমদ ইবনে সাঈদ আল-হাররানি। (৭) সঠিক হলো ইবনে শুআইব, যাঁর বর্ণনা সামনে আসবে।
(তিরমিজি - শামায়িল, নাসায়ি, ইবনে মাজাহ) আহমদ ইবনে আবি আস-সাফর। তিনি হলেন ইবনে আব্দুল্লাহ, যাঁর বর্ণনা সামনে আসবে।
(নাসায়ি) আহমদ ইবনে সুফিয়ান আন-নাসায়ি অথবা আল-মারওয়াজি, আবু সুফিয়ান। তিনি আব্দুর রাজ্জাক, আউন ইবনে উমারা, আল-ফিরইয়াবি এবং আবু যায়েদ আল-হারাবি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (নাসায়ি) বর্ণনা করেছেন এবং তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। (৮)
(নাসায়ি) আহমদ ইবনে সুলাইমান ইবনে আব্দুল মালিক আল-জাজারি আল-রুহাউয়ি (র বর্ণে পেশ যোগে), আবু আল-হুসাইন আল-হাফিয, অন্যতম সুপ্রসিদ্ধ নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি। তিনি হুসাইন আল-জু'ফি, ইয়াযিদ ইবনে হারুন, জাফর ইবনে আউন, ইয়াযিদ ইবনুল হুবাব, আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াকিদ এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে (নাসায়ি) প্রচুর বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত। আবু আরুবা বলেছেন, হাদিস গ্রহণ ও বর্ণনার ক্ষেত্রে তিনি অত্যন্ত সুদৃঢ় ছিলেন। তিনি ২৬১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
(বুখারি, তিরমিজি) আহমদ ইবনে সুলাইমান আল-মারওয়াজি। তিনি হলেন ইবনে আবি আল-তৈয়ব, যাঁর বর্ণনা সামনে আসবে।
(বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসায়ি - আল-কুনি, ইবনে মাজাহ) আহমদ ইবনে সিনান (দুইটি নুন বর্ণ যোগে) ইবনে আসাদ ইবনে হিব্বান (হা বর্ণে যের এবং এরপর বা বর্ণ যোগে), আবু জাফর আল-কাত্তান আল-ওয়াসিতি। পার্শ্বটীকা:
(১) (নাসায়ি) এবং আবু ইয়াহিয়া আল-খাফফাফ বলেছেন তিনি নির্ভরযোগ্য, আর আল-হাকিম আবু আব্দুল্লাহ বৃদ্ধি করে বলেছেন তিনি বিশ্বস্ত - তাহযিব।
(২) আহমদ ইবনে আবি খালাফ সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে 'দাউদ' (আবু দাউদ) বিবাহ অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন। ইবনুল আরাবির 'সুনানে আবু দাউদ'-এর বর্ণনায় এমনটিই এসেছে। তবে বাকি বর্ণনাসমূহে এটি 'ইবনে আবি খালাফ' হিসেবে এসেছে এবং সেটিই সঠিক। তিনি হলেন মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ ইবনে আবি খালাফ - আল-মুলাক্কিন। তাঁর বর্ণনা আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ-এর অধীনে সামনে আসবে।
(৩) অর্থাৎ বাগদাদের অধিবাসীরা তাঁকে মুহাম্মাদ নামে চিনতেন, যেমনটি ইবনুল মুলাক্কিন বলেছেন। এরপর তিনি বলেন, বলা হয়ে থাকে যে ইমাম বুখারির এ ব্যাপারে সন্দেহ হয়েছিল, তাই তিনি তাঁর নাম আহমদ রেখেছেন।
(৪) আহমদ ইবনে যানজুয়াইহ মিসরে এসেছিলেন। মাসলামাহ ইবনে কাসিম বলেন, আবু দাউদ তাঁর সুনানে তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। তবে তাহযিব ও এর মূল গ্রন্থে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে - আল-মুলাক্কিন।
(৫) তাহযিবের দুটি পাণ্ডুলিপিতে এবং ইবনুল মুলাক্কিনের কাছে এটি 'ইবনে সাদ' (আইন বর্ণে সাকিন যোগে) এবং তিনি তাঁকে 'ইবনে সাঈদ'-এর আগে রেখেছেন। এটি খতিয়ে দেখা দরকার, সম্ভবত এখানে যা আছে তা ভুল।
(৬) তাহযিব গ্রন্থে তাঁর চাচা সাঈদ ইবনুল হাকাম থেকে বর্ণিত হয়েছে, সেখানে তাঁর পিতার কথা উল্লেখ নেই। সম্ভবত এখানে যা আছে তা ভুল।
(৭) এটি লেখায় ভুল হয়েছে; কারণ তিরমিজির বর্ণনায় 'আহমদ ইবনে শুআইব' এসেছে যেমনটি তাহযিব-এ রয়েছে। আর তিরমিজি মূলত আদ-দারিমি থেকে তাঁর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তাই তিরমিজি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন - এই কথাটি আরেকটি ভুল, যেমনটি তাহযিব-এ রয়েছে।
(৮) তিনি একবার বলেছেন, তাঁর বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই।