(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: -)
إسعاف المبطأ برجال الموطأ (الجلال السيوطي)
القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: إسعاف المبطأ برجال الموطأ
المؤلف: عبد الرحمن بن أبي بكر، جلال الدين السيوطي (ت 911هـ)
الناشر: المكتبة التجارية الكبرى - مصر
سنة النشر:
عدد الصفحات: 36
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
ইসআফুল মুবাত্তি' বি-রিজালিল মুওয়াত্ত্বা (আল-জালাল আস-সুয়ূতী)
বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমুহ
গ্রন্থ: ইসআফুল মুবাত্তি' বি-রিজালিল মুওয়াত্ত্বা
লেখক: আব্দুর রহমান বিন আবু বকর, জালালুদ্দীন আস-সুয়ূতী (মৃত্যু: ৯১১ হিজরী)
প্রকাশক: আল-মাকতাবাতুত তিজারিয়াতুল কুবরা - মিশর
প্রকাশকাল:
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৬
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল হিজ্জাহ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ৪)
(حرف الْهمزَة) إِبْرَاهِيم بن عبد الله بن حنين الْهَاشِمِي مَوْلَاهُم أَبُو إِسْحَاق الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَأبي هُرَيْرَة وَعلي وَلم يسمع مِنْهُ وَعنهُ الزُّهْرِيّ وَزيد بن أسلم وَنَافِع وَابْن إِسْحَاق وعدة قَالَ بن سعد كَانَ ثِقَة كثير الحَدِيثإِبْرَاهِيم بن أبي عبلة شمر بن يقظان الْعقيلِيّ الْمَقْدِسِي وَيُقَال الدِّمَشْقِي روى عَن بن عمر وواثلة بن الْأَسْقَع وَأبي أُمَامَة وَأنس وَعنهُ مَالك وَاللَّيْث وَابْن الْمُبَارك وَخلق وَثَّقَهُ بن معِين وَابْن الْمَدِينِيّ وَالنَّسَائِيّ وَقَالَ أَبُو حَاتِم صَدُوق مَاتَ سنة اثْنَيْنِ وَخمسين وَمِائَة
(হামযা বর্ণ) ইব্রাহিম বিন আবদুল্লাহ বিন হুনাইন আল-হাশেমি, তাঁদের মুক্তদাস, আবু ইসহাক আল-মাদানি। তিনি তাঁর পিতা, আবু হুরাইরা এবং আলি থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি তাঁর থেকে সরাসরি শোনেননি। তাঁর থেকে যুহরি, জায়েদ বিন আসলাম, নাফি, ইবনে ইসহাক এবং একদল বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। ইবনে সাদ বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য ও প্রচুর হাদিস বর্ণনাকারী ছিলেন।ইব্রাহিম বিন আবি আবলা শিমর বিন ইয়াকজান আল-উকাইলি আল-মাকদিসি, তাঁকে দিমাস্কিও বলা হয়। তিনি ইবনে উমর, ওয়াসিলা বিন আল-আসকা, আবু উমামা এবং আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালেক, লাইস, ইবনুল মুবারক এবং এক বিশাল সংখ্যক বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাইন, ইবনুল মাদিনি এবং নাসাঈ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আবু হাতিম বলেন, তিনি সত্যবাদী; তিনি একশত বায়ান্ন হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ৫)
إِبْرَاهِيم بن عقبَة بن أبي عَيَّاش الْأَسدي المطرقي الْمدنِي روى عَن سعيد بن الْمسيب وَعُرْوَة بن الزبير وكريب وَعنهُ مَالك والسفيانان وَحَمَّاد بن زيد وَابْن الْمُبَارك وَثَّقَهُ أَحْمد وَيحيى وَالنَّسَائِيّ وَقَالَ بن الْمَدِينِيّ لَهُ عشر أَحَادِيثأُسَامَة بن زيد بن حَارِثَة بن شرَاحِيل الْكَلْبِيّ حب رَسُول الله صلى الله عليه وسلم ومولاه وَابْن حبه وَأمه أم أَيمن مولاته روى عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَعَن أَبِيه وبلال وَأم سَلمَة وَعنهُ عُرْوَة وَأَبُو عُثْمَان النَّهْدِيّ وَأَبُو وَائِل وَغَيرهم أمره النَّبِي صلى الله عليه وسلم على جَيش فيهم أَبُو بكر وَعمر وَقَالَ فِيهِ وَايْم الله إِن كَانَ لخليقا بالإمارة وَفِي صَحِيح البُخَارِيّ أَنه قَالَ لَهُ وللحسن اللَّهُمَّ إِنِّي أحبهما فأحبهما وزوجه فَاطِمَة بنت قيس وَكَانَ يَوْمئِذٍ بن خمس عشرَة سنة وَولد لَهُ فِي عهد النَّبِي صلى الله عليه وسلم كَذَا جزم بِهِ الْحَافِظ أَبُو الْفضل الْعِرَاقِيّ فِي شرح الْأَحْكَام وَذكره أَيْضا بن حجر وَقَالَ إِن جده حَارِثَة أسلم فَهَؤُلَاءِ أَرْبَعَة متوالدون صحابة وَتُوفِّي النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَهُوَ بن تسع عشرَة سنة وفضله عمر على ابْنه عبد الله فِي الْفَرْض وَقَالَ هُوَ أحب إِلَى رَسُول الله صلى الله عليه وسلم مِنْك سكن المزة مُدَّة ثمَّ تحول إِلَى الْمَدِينَة وَمَات بهَا وَقيل بوادي الْقرى سنة أَربع وَخمسينإِسْحَاق بن عبد الله بن أبي طَلْحَة الْأنْصَارِيّ الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَعَمه أنس وَعنهُ مَالك وَالْأَوْزَاعِيّ وَابْن عُيَيْنَة وَهَمَّام وَثَّقَهُ أَبُو زرْعَة وَأَبُو حَاتِم وَالنَّسَائِيّ وَقَالَ بن معِين ثِقَة حجَّة مَاتَ سنة أَربع وَثَلَاثِينَ وَمِائَةأسعد وَهُوَ أَبُو أُمَامَة بن سهل بن حنيف الْأنْصَارِيّ الْمدنِي ولد فِي حَيَاة النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَأرْسل عَنهُ وروى عَن عمر وَعُثْمَان وَأبي هُرَيْرَة وَابْن عَبَّاس وَجَمَاعَة وَعنهُ ابناه مُحَمَّد وَسَهل وَالزهْرِيّ وَيحيى الْأنْصَارِيّ وَخلق مَاتَ سنة مائَةأسلم الْمدنِي وَالِد زيد روى عَن مَوْلَاهُ عمر وَأبي بكر وَعُثْمَان ومعاذ وَغَيرهم وَعنهُ ابْنه وَنَافِع وَالقَاسِم بن مُحَمَّد قَالَ الْعجلِيّ ثِقَة من كبار التَّابِعين مَاتَ سنة ثَمَانِينَإِسْمَاعِيل بن أبي حَكِيم الْمدنِي روى عَن بن الْمسيب وَعُرْوَة وَالقَاسِم وَغَيرهم وَعنهُ مَالك وَابْن إِسْحَاق وَثَّقَهُ بن معِين وَالنَّسَائِيّ وَقَالَ أَبُو حَاتِم يكْتب حَدِيثه كَانَ عَاملا لعمر بن عبد الْعَزِيز مَاتَ سنة ثَلَاثِينَ وَمِائَةإِسْمَاعِيل بن مُحَمَّد بن ثَابت بن قيس بن شماس الْأنْصَارِيّ عَن جده ثَابت قلت يَا رَسُول الله خشيت أَن أكون قد هَلَكت الحَدِيث رَوَاهُ عَنهُ الزُّهْرِيّ وَهُوَ فِي موطأ سعيد بن عفير وَلم يرو لَهُ مَالك غَيره كَذَا فِي التَّذْكِرَة للحسيني قَالَ بن حجر إِنَّمَا تفرد سعيد بن عفير بقوله عَن ثَابت وَإِلَّا فقد تَابعه سعيد بن أبي أويس وجويرة بن أَسمَاء لَكِن قَالَا عَن مَالك عَن الزُّهْرِيّ عَن إِسْمَاعِيل بن مُحَمَّد بن ثَابت أَن ثَابت بن قيس قَالَ يَا رَسُول الله فَذكره مُرْسلا وَبِهَذَا جزم البُخَارِيّ فَقَالَ روى عَنهُ الزُّهْرِيّ مُرْسلا وَذكره بن حبَان فِي الثِّقَات وَقَالَ يرْوى عَن أنس روى عَنهُ أَبُو ثَابت من ولد ثَابت بن قيس قَالَ بن حجر وَلم يدْرك إِسْمَاعِيل جده فَإِنَّهُ قتل بِالْيَمَامَةِ وَقَالَ الدمياطي فِي أَنْسَاب الْخَزْرَج روى عَنهُ ابْنه عبد الخبيرإِسْمَاعِيل بن مُحَمَّد بن سعد بن أبي وَقاص الزُّهْرِيّ أَبُو مُحَمَّد الْمدنِي عَن أَبِيه وعميه عَامر وَمصْعَب وَأنس وَغَيرهم وَعنهُ مَالك وَصَالح بن كيسَان وَابْن جريج وَابْن عُيَيْنَة قَالَ بن معِين ثِقَة حجَّة مَاتَ سنة أَربع وَثَلَاثِينَ وَمِائَةأُميَّة بن عبد الله بن خَالِد بن أسيد بن أبي الْعيص الْأمَوِي الْمَكِّيّ روى عَن بن عمر وَعنهُ الزُّهْرِيّ وَطَائِفَة وَثَّقَهُ الْعجلِيّ ولاه عبد الْملك خُرَاسَان وَمَات سنة سبع وَثَمَانِينَ
ইব্রাহিম বিন উকবা বিন আবি আইয়াশ আল-আসাদি আল-মাতরাকি আল-মাদানি। তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব, উরওয়া বিন আল-জুবায়ের এবং কুরাইব থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে মালিক, দুই সুফিয়ান (সুফিয়ান সাওরি ও সুফিয়ান বিন উয়াইনা), হাম্মাদ বিন জায়েদ এবং ইবনুল মুবারক বর্ণনা করেছেন। আহমাদ, ইয়াহইয়া এবং নাসাঈ তাঁকে নির্ভরযোগ্য হিসেবে সত্যায়ন করেছেন। ইবনুল মাদিনি বলেছেন, তাঁর থেকে বর্ণিত দশটি হাদিস রয়েছে।ওসামা বিন জায়েদ বিন হারিসাহ বিন শুরাহবিল আল-কালবি; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রিয়পাত্র, তাঁর মুক্তদাস এবং তাঁর প্রিয়পাত্রের পুত্র। তাঁর মাতা উম্মে আয়মান ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুক্তদাসী। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তাঁর পিতা হারিসাহ, বিলাল এবং উম্মে সালামা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে উরওয়া, আবু উসমান আন-নাহদি, আবু ওয়াইল ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে এমন এক বাহিনীর সেনাপতি নিযুক্ত করেছিলেন যেখানে আবু বকর ও উমর উপস্থিত ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সম্পর্কে বলেছিলেন: "আল্লাহর কসম, তিনি নেতৃত্বের জন্য অবশ্যই উপযুক্ত ছিলেন।" সহীহ বুখারীতে বর্ণিত হয়েছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর এবং হাসানের জন্য বলেছিলেন: "হে আল্লাহ! আমি তাদের উভয়কে ভালোবাসি, সুতরাং আপনিও তাদের ভালোবাসুন।" তিনি ফাতিমা বিনতে কায়সকে বিবাহ করেন, তখন তাঁর বয়স ছিল পনেরো বছর। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবদ্দশাতেই তাঁর এক পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করে; হাফেজ আবু ফজল আল-ইরাকি 'শারহুল আহকাম'-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থে এই বিষয়ে নিশ্চিত মত দিয়েছেন। ইবনে হাজারও এটি উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন যে, তাঁর দাদা হারিসাহ ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, ফলে তাঁরা টানা চার প্রজন্মের সাহাবী ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাতের সময় তাঁর বয়স ছিল উনিশ বছর। উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু ভাতার ক্ষেত্রে তাঁকে নিজের পুত্র আবদুল্লাহর ওপর প্রাধান্য দিতেন এবং বলতেন: "তিনি তোমার চেয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে অধিক প্রিয় ছিলেন।" তিনি এক সময় 'মিযযাহ' নামক স্থানে বসবাস করতেন, পরবর্তীতে মদিনায় চলে আসেন এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন। কারো মতে চুয়ান্ন হিজরিতে 'ওয়াদিল কুরা' নামক স্থানে তাঁর মৃত্যু হয়।ইসহাক বিন আবদুল্লাহ বিন আবি তালহা আল-আনসারি আল-মাদানি। তিনি তাঁর পিতা এবং তাঁর চাচা আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে মালিক, আওজায়ী, ইবনে উয়াইনা এবং হাম্মাম বর্ণনা করেছেন। আবু জুরআ, আবু হাতিম এবং নাসাঈ তাঁকে নির্ভরযোগ্য হিসেবে সত্যায়ন করেছেন। ইবনে মাইন বলেছেন: "তিনি নির্ভরযোগ্য এবং দলিলযোগ্য।" তিনি একশ চৌত্রিশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।আসআদ, যিনি হলেন আবু উমামা বিন سهل বিন হুনাইফ আল-আনসারি আল-মাদানি। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবদ্দশায় জন্মগ্রহণ করেন এবং তাঁর থেকে মুরসাল বর্ণনা করেছেন। তিনি উমর, উসমান, আবু হুরায়রা, ইবনে আব্বাস ও এক জামাত সাহাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে তাঁর দুই পুত্র মুহাম্মদ ও سهل, যুহরি, ইয়াহইয়া আল-আনসারি এবং বহু সংখ্যক বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। তিনি একশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।আসলাম আল-মাদানি, জায়েদের পিতা। তিনি তাঁর মনিব উমর, আবু বকর, উসমান, মুয়াজ ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে তাঁর পুত্র জায়েদ, নাফে এবং কাসিম বিন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন। ইবনুল ইজলি বলেছেন: "তিনি প্রবীণ তাবেয়ীদের অন্তর্ভুক্ত একজন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি।" তিনি আশি হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।ইসমাইল বিন আবি হাকিম আল-মাদানি। তিনি ইবনুল মুসাইয়িব, উরওয়া, কাসিম ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে মালিক এবং ইবনে ইসহাক বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাইন এবং নাসাঈ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: "তাঁর হাদিস লিখে রাখা হয়।" তিনি উমর বিন আব্দুল আজিজের রাষ্ট্রীয় কর্মচারী ছিলেন। তিনি একশ ত্রিশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন সাবিত বিন কায়েস বিন শাম্মাস আল-আনসারি; তাঁর দাদা সাবিত থেকে বর্ণনা করেছেন: "আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আশঙ্কা করছি যে আমি ধ্বংস হয়ে গেছি..." হাদিসটি। যুহরি তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। এটি সাঈদ বিন উফাইরের 'মুয়াত্তা'-তে রয়েছে এবং ইমাম মালিক তাঁর থেকে এটি ব্যতীত অন্য কোনো হাদিস বর্ণনা করেননি; আল-হুসাইনি 'আত-তাযকিরা' গ্রন্থে এমনটিই বলেছেন। ইবনে হাজার বলেন, কেবল সাঈদ বিন উফাইরই এটি 'সাবিত থেকে' সরাসরি বর্ণনা করেছেন। অন্যথায় সাঈদ বিন আবি উওয়াইস এবং জুওয়াইরাহ বিন আসমা তাঁর অনুসরণ করলেও তাঁরা বলেছেন: মালিক থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন সাবিত থেকে যে সাবিত বিন কায়েস বলেছেন: "হে আল্লাহর রাসূল!"—এভাবে তাঁরা এটি মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারীও এই বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে বলেছেন: যুহরি তাঁর থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে 'আস-সিকাত' (নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন; তাঁর থেকে সাবিত বিন কায়েসের বংশধর আবু সাবিত বর্ণনা করেছেন। ইবনে হাজার বলেন, ইসমাইল তাঁর দাদাকে পাননি, কারণ সাবিত ইয়ামামার যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন। দামইয়াতি 'আনসাবুল খাজরাজ' গ্রন্থে বলেছেন, তাঁর পুত্র আব্দুল খাবীর তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস আল-জুহরি আবু মুহাম্মদ আল-মাদানি। তিনি তাঁর পিতা এবং তাঁর দুই চাচা আমির ও মুসআব এবং আনাস ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে মালিক, সালিহ বিন কায়সান, ইবনে জুরাইজ এবং ইবনে উয়াইনা বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাইন বলেছেন: "তিনি নির্ভরযোগ্য এবং দলিলযোগ্য।" তিনি একশ চৌত্রিশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।উমাইয়া বিন আবদুল্লাহ বিন খালিদ বিন আসিদ বিন আবিল আইস আল-উমাবি আল-মাক্কি। তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর নিকট থেকে যুহরি এবং একদল বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। ইবনুল ইজলি তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আব্দুল মালিক তাঁকে খুরাসানের গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন এবং তিনি সাতাশি হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ৬)
أنس بن مَالك بن النَّضر بن ضَمْضَم بن زيد بن حرَام الْأنْصَارِيّ النحاري أَبُو حَمْزَة خَادِم رَسُول الله صلى الله عليه وسلم روى عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَأبي بكر وَعمر وَعُثْمَان فِي آخَرين روى عَنهُ أَوْلَاده مُوسَى وَالنضْر وَأَبُو بكر وحفيداه ثُمَامَة وَحَفْص وَسليمَان التَّيْمِيّ وَحميد الطَّوِيل وَعَاصِم الْأَحول وخلائق لَا يُحصونَ خدم النَّبِي صلى الله عليه وسلم عشر سِنِين ودعا لَهُ فَقَالَ اللَّهُمَّ أَكثر مَاله وَولده وَأدْخل الْجنَّة كَانَ يُصَلِّي فيطيل الْقيام حَتَّى تقطر قدماه دَمًا مَاتَ سنة ثَلَاث وَتِسْعين وَقيل سنة اثْنَتَيْنِ وَقيل سنة إِحْدَى وَقيل سنة تسعينأَيُّوب بن أبي تَمِيمَة كيسَان السّخْتِيَانِيّ أَبُو بكر أحد الْأَئِمَّة الْأَعْلَام رأى أنسا وروى عَن الْحسن وَسَعِيد بن جُبَير وَخلق وَعنهُ شُعْبَة والسفيانان والجادان وخلائق وروى عَنهُ من شُيُوخه بن سِيرِين قَالَ الْحسن أَيُّوب سيد شباب أهل الْبَصْرَة وَقَالَ شُعْبَة كَانَ سيد الْفُقَهَاء وَقَالَ بن عُيَيْنَة مَا لقِيت مثله فِي التَّابِعين وَقَالَ بن معِين أَيُّوب أثبت من عون وَقَالَ أَشْعَث كَانَ جهد الْعلمَاء وَقَالَ بن سعد كَانَ ثِقَة حجَّة ثبتا فِي الحَدِيث جَامعا كثير الْعلم ولد سنة سِتّ وَسِتِّينَ وَمَات سنة إِحْدَى وَثَلَاثِينَ وَمِائَةأَيُّوب بن حبيب الْمدنِي روى عَن أبي الْمثنى وَعنهُ مَالك وفليح قَالَ النَّسَائِيّ ثِقَة(حرف الْبَاء) الْبَراء بن عَازِب بن الْحَارِث بن عدي الأوسي الْحَارِثِيّ أَبُو عمَارَة وَقيل أَبُو عَمْرو وَقيل أَبُو الطُّفَيْل نزل الْكُوفَة روى عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَعَن عَليّ وبلال وَأبي أَيُّوب فِي آخَرين وَعنهُ عبد الرَّحْمَن بن أبي ليلى وَأَبُو إِسْحَاق السبيعِي وخلائق شهد أحدا وَالْحُدَيْبِيَة وَمَا بعْدهَا قَالَ الْبَراء غزوت مَعَه خمس عشرَة غَزْوَة وَمَا قدم علينا الْمَدِينَة حَتَّى حفظت سورا من الْمفصل مَاتَ سنة إِحْدَى وَقيل اثْنَتَيْنِ وسبعنبسر بن سعيد الْمدنِي الزَّاهِد مولى بن الحصرمي روى عَن عُثْمَان وَسعد بن أبي وَقاص وَزيد بن ثَابت وَأبي هُرَيْرَة وَأبي سعيد وَغَيرهم وَعنهُ الزُّهْرِيّ وَبُكَيْر وَيَعْقُوب ابْنا الْأَشَج وَزيد بن أسلم وَثَّقَهُ بن معِين وَالنَّسَائِيّ وَغَيرهمَا وَقَالَ أَبُو حَاتِم لَا يسْأَل عَن مثله ملك بِالْمَدِينَةِ سنة مائَة وَهُوَ ثَمَان وَتِسْعينبسر بن محجن الديلِي وَقيل بشر روى عَن أَبِيه وَله صُحْبَة وَعنهُ زيد بن أسلمبشر بن يسَار الْحَارِثِيّ الْأنْصَارِيّ مَوْلَاهُم الْمدنِي روى عَن رَافع بن خديج وَجَابِر وَسَهل بن أبي خثمة وَعنهُ يحيى الْأنْصَارِيّ والوليد بن كثير وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ بن معِين وَقَالَ بن سعد كَانَ شَيخا كَبِيرا فَقِيها أدْرك عَامَّة أَصْحَاب رَسُول الله صلى الله عليه وسلم وَكَانَ قَلِيل الحَدِيثبصرة بن أبي بصرة جميل بن بصرة الْغِفَارِيّ لَهُ ولأبيه صُحْبَة لَهُ عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم حَدِيث وَاحِد رَوَاهُ عَنهُ أَبُو هُرَيْرَةبكير بن عبد الله بن الْأَشَج أَبُو عبد الله وَيُقَال أَبُو يُوسُف الْمدنِي نزيل مصر روى عَن أبي أُمَامَة بن سهل ومحمود بن نبيد وَسَعِيد بن الْمسيب وَخلق وَعنهُ ابْنه مخرمَة وَاللَّيْث وَابْن لَهِيعَة قَالَ بن الْمَدِينِيّ لم يكن بِالْمَدِينَةِ بعد كبار التَّابِعين أعلم من بن شهَاب وَيحيى الْأنْصَارِيّ وَبُكَيْر بن الْأَشَج وَقَالَ النَّسَائِيّ ثِقَة ثَبت وَقَالَ بن حبَان من ثِقَات أهل مصر وقرائهم مَاتَ سنة سبع وَعشْرين وَمِائَةبِلَال بن رَبَاح الحبشي مُؤذن رَسُول الله صلى الله عليه وسلم وَمولى أبي بكر الصّديق يكنى أَبَا عبد الله وَقيل أَبَا عبد الرَّحْمَن وَقيل أَبَا عبد الْكَرِيم وَقيل أَبَا عَمْرو وَهُوَ أحد السَّابِقين إِلَى الْإِسْلَام الَّذين عذبُوا فِي الله بِمَكَّة وَشهد بَدْرًا وَلم يُؤذن بعد النَّبِي صلى الله عليه وسلم لأحد من الْخُلَفَاء إِلَّا أَن عمر لما قدم الشَّام حِين فتحهَا أذن فَتذكر النَّاس النَّبِي صلى الله عليه وسلم فَلم ير باك أَكثر من يَوْمئِذٍ وَقَالَ النَّبِي صلى الله عليه وسلم لَهُ مَا دخلت الْجنَّة قطّ إِلَّا سَمِعت حشحشتك أَمَامِي وَقَالَ عمر أَبُو بكر سيدنَا وَأعْتق سيدنَا وَقَالَ أنس بِلَال سَابق الْحَبَشَة وَورد مَرْفُوعا وَسكن بِلَال داريا من عمل دمشق وَبهَا توفى سنة عشْرين وَله بضع وسنون سنة وَقيل دفن بحلب
আনাস ইবনে মালিক ইবনে নাদর ইবনে দামদাম ইবনে যায়েদ ইবনে হারাম আল-আনসারী আল-নাজ্জারি আবু হামজা, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খাদেম। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বকর, উমর, উসমান ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর সন্তান মূসা, নাদর ও আবু বকর; এবং তাঁর দুই পৌত্র সুমামা ও হাফস; সুলায়মান আল-তাইমি, হুমায়দ আল-তওয়ীল, আসিম আল-আহওয়াল এবং অসংখ্য মানুষ বর্ণনা করেছেন। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দশ বছর খিদমত করেছেন এবং নবীজি তাঁর জন্য দুআ করে বলেছিলেন: "হে আল্লাহ! আপনি তাঁর সম্পদ ও সন্তান বৃদ্ধি করে দিন এবং তাঁকে জান্নাতে দাখিল করুন।" তিনি সালাত আদায়কালে কিয়াম দীর্ঘ করতেন, এমনকি তাঁর দুই পা থেকে রক্ত ঝরতে শুরু করত। তিনি তিরানব্বই হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন; মতান্তরে বিরানব্বই, একানব্বই বা নব্বই হিজরীতে।আইয়ুব ইবনে আবি তামি মাহ কায়সান আল-সাখতিয়ানি আবু বকর; তিনি বিশিষ্ট ইমামদের অন্যতম। তিনি আনাস (রা.)-কে দেখেছেন এবং হাসান বসরী, সাঈদ ইবনে জুবায়ের ও আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে শু'বাহ, দুই সুফিয়ান (সাওরী ও ইবনে উইয়ায়না), দুই হাম্মাদ এবং অসংখ্য রাবী বর্ণনা করেছেন। তাঁর উস্তাদদের মধ্যে ইবনে সিরীনও তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। হাসান বসরী বলেছেন, "আইয়ুব বসরার যুবকদের নেতা।" শু'বাহ বলেছেন, "তিনি ফুকাহাদের নেতা ছিলেন।" ইবনে উইয়ায়না বলেছেন, "তাবেঈদের মধ্যে আমি তাঁর মতো কাউকে দেখিনি।" ইবনে মাইন বলেছেন, "আইয়ুব আউন অপেক্ষা অধিক নির্ভরযোগ্য।" আশআস বলেছেন, "তিনি আলেমদের চেষ্টার প্রতীক ছিলেন।" ইবনে সাদ বলেছেন, "তিনি নির্ভরযোগ্য, হুজ্জত, হাদীসে সুদৃঢ়, সমন্বয়কারী এবং অগাধ ইলমের অধিকারী ছিলেন।" তিনি ৬৬ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৩১ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।আইয়ুব ইবনে হাবীব আল-মাদানি; তিনি আবু মুসান্না থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে মালিক ও ফুলয়হ বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।(বা বর্ণ) আল-বারা ইবনে আজিব ইবনে হারিস ইবনে আদি আল-আওসী আল-হারিসি আবু উমারা; মতান্তরে আবু আমর বা আবু তুফায়ল। তিনি কুফায় বসতি স্থাপন করেছিলেন। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আলী, বিলাল, আবু আইয়ুব ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা, আবু ইসহাক আল-সাবি'ঈ এবং অসংখ্য মানুষ বর্ণনা করেছেন। তিনি উহুদ, হুদায়বিয়া এবং পরবর্তী যুদ্ধগুলোতে অংশগ্রহণ করেছেন। আল-বারা বলেন, "আমি তাঁর (নবীজির) সাথে পনেরটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। তিনি মদীনায় আসার পূর্বেই আমি মুফাসসাল অংশের সূরাসকল মুখস্থ করেছিলাম।" তিনি ৭১ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন; কেউ বলেছেন ৭২ হিজরীতে।বুসর ইবনে সাঈদ আল-মাদানি, দুনিয়াবিমুখ (যাহিদ), ইবনে আল-হুসরামির মুক্তদাস। তিনি উসমান, সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস, যায়েদ ইবনে সাবিত, আবু হুরায়রা, আবু সাঈদ ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে যুহরী, বুকায়র, ইয়াকুব - আশাজ-এর দুই পুত্র - এবং যায়েদ ইবনে আসলাম বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাইন, নাসায়ী ও অন্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আবু হাতিম বলেছেন, "তাঁর মতো ব্যক্তির ব্যাপারে প্রশ্ন তোলা হয় না।" তিনি ১০০ হিজরীতে মদীনায় মৃত্যুবরণ করেন, তখন তাঁর বয়স ছিল ৯৮ বছর।বুসর ইবনে মিহজান আদ-দীলি, মতান্তরে বিশর; তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর পিতার সাহচর্য (সাহাবী হওয়া) প্রমাণিত। তাঁর থেকে যায়েদ ইবনে আসলাম বর্ণনা করেছেন।বিশর ইবনে ইয়াসার আল-হারিসি আল-আনসারী তাঁদেরই মুক্তদাস, মাদানি। তিনি রাফে ইবনে খাদীজ, জাবির এবং সাহল ইবনে আবি হাসমা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইয়াহইয়া আল-আনসারী, ওয়ালিদ ইবনে কাসীর ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাইন তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে সাদ বলেছেন, "তিনি প্রবীণ শায়খ ও ফকীহ ছিলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অধিকাংশ সাহাবীর সান্নিধ্য পেয়েছিলেন। তবে তিনি কম হাদীস বর্ণনা করতেন।"বাসরা ইবনে আবি বাসরা জামিল ইবনে বাসরা আল-গিফারী। তিনি এবং তাঁর পিতা উভয়েই সাহাবী ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তাঁর মাত্র একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে যা আবু হুরায়রা বর্ণনা করেছেন।বুকায়র ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আশাজ আবু আবদুল্লাহ; মতান্তরে আবু ইউসুফ আল-মাদানি, যিনি মিশরে বসবাস করতেন। তিনি আবু উমামা ইবনে সাহল, মাহমুদ ইবনে লাবিদ, সাঈদ ইবনে মুসায়্যিব ও আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র মাখরামা, লায়স ও ইবনে লাহিয়া বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাদিনী বলেছেন, "প্রবীণ তাবেঈদের পর মদীনায় ইবনে শিহাব, ইয়াহইয়া আল-আনসারী এবং বুকায়র ইবনে আশাজ অপেক্ষা বড় কোনো আলেম ছিলেন না।" নাসায়ী তাঁকে নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ় বলেছেন। ইবনে হিব্বান বলেন, "তিনি মিশরের নির্ভরযোগ্য রাবী ও কারীদের অন্তর্ভুক্ত।" তিনি ১২৭ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।বিলাল ইবনে রাবাহ আল-হাবাশী, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুয়াযযিন এবং আবু বকর সিদ্দীকের মুক্তদাস। তাঁর কুনিয়াত আবু আবদুল্লাহ; মতান্তরে আবু আবদুর রহমান, আবু আবদুল করীম বা আবু আমর। তিনি ইসলামের সেই অগ্রবর্তীদের একজন যাদের মক্কায় আল্লাহর পথে অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছিল। তিনি বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইন্তেকালের পরে তিনি কোনো খলিফার জন্য আযান দেননি; তবে উমর যখন সিরিয়া বিজয়ের সময় সেখানে পদার্পণ করেন, তখন বিলাল আযান দেন। ফলে মানুষের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা মনে পড়ে যায় এবং সেদিনকার মতো এত অধিক রোদন আর কখনো দেখা যায়নি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সম্পর্কে বলেছিলেন, "আমি যখনই জান্নাতে প্রবেশ করেছি, তখনই আমার সামনে তোমার পায়ের শব্দ শুনেছি।" উমর বলতেন, "আবু বকর আমাদের নেতা এবং তিনি আমাদের নেতাকে (বিলালকে) মুক্ত করেছেন।" আনাস বর্ণনা করেন, "বিলাল হাবশীদের মধ্যে (ইসলামে) অগ্রবর্তী।" এটি মারফু সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। বিলাল দামেস্কের অধীনস্থ দারিয়া নামক স্থানে বসবাস করতেন এবং সেখানেই ২০ হিজরীতে ষাটোর্ধ্ব বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। কেউ বলেছেন তাঁকে হালাবে দাফন করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ৭)
(حرف الثَّاء) ثَابت بن قيس بن شماس الْأنْصَارِيّ الخزرجي خطيب الْأَنْصَار شهد أحدا وَمَا بعْدهَا وَشهد لَهُ النَّبِي صلى الله عليه وسلم بِالْجنَّةِ وَقَالَ نعم الرجل ثَابت اسْتشْهد بِالْيَمَامَةِ فِي خلَافَة الصّديق وَكَانَ أَمِير الْأَنْصَار يَوْمئِذٍ روى عَنهُ بنوه إِسْمَاعِيل وَقيس وَمُحَمّد وَأنس بن مَالك وَابْن أبي ليلى مُرْسلاثَوْر بن زيد الديلِي مَوْلَاهُم الْمدنِي روى عَن عِكْرِمَة وَجَمَاعَة وَعنهُ مَالك والداروردي وَسليمَان بن بِلَال وَآخَرُونَ وثقة بن معِين وَأَبُو زرْعَة وَالنَّسَائِيّ مَاتَ سنة خمس وَثَلَاثِينَ وَمِائَة(حرف الْجِيم) جَابر بن عبد الله بن عَمْرو بن حرَام بن ثَعْلَبَة الْأنْصَارِيّ السّلمِيّ الْمدنِي أَبُو عبد الله وَقيل أَبُو عبد الرَّحْمَن وَقيل أَبُو مُحَمَّد روى عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَأبي بكر وَعمر وَعلي فِي آخَرين وَعنهُ أَوْلَاده مُحَمَّد وَعقيل وَعبد الرَّحْمَن بن أبي رَبَاح وَمُحَمّد بن الْمُنْكَدر وخلائق غزا مَعَ النَّبِي صلى الله عليه وسلم تسع عشرَة غَزْوَة وَلم يشْهد بَدْرًا وَلَا أحدا مَنعه أَبُو واستغفر لَهُ النَّبِي صلى الله عليه وسلم لَيْلَة الْبَعِير خمْسا وَعشْرين مرّة وَكَانَت لَهُ حَلقَة فِي الْمَسْجِد يُؤْخَذ عَنهُ وَمَات بِالْمَدِينَةِ وَقيل بِمَكَّة وَقيل بقباء سنة ثَمَان وَسبعين وَقيل سنة تسع وَقيل سبع وَقيل أَربع وَقيل ثَلَاث وَقيل اثْنَتَيْنِجَابر بن عتبك بن النُّعْمَان بن عَمْرو الْأنْصَارِيّ الخزرجي السّلمِيّ قيل أَنه شهد بَدْرًا وَلم يثبت وَشهد مَا بعْدهَا من الْمشَاهد روى عَنهُ ابناه عبد الرَّحْمَن وَأَبُو سُفْيَان وَابْن أَخِيه عتِيك بن الْحَارِثجُبَير بن مطعم بن عدي بن نَوْفَل بن عبد منَاف النَّوْفَلِي أَبُو مُحَمَّد وَقيل أَبُو عدي الْمدنِي قدم فِي فدَاء أُسَارَى بدر ثمَّ أسلم يَوْم الْفَتْح وَقيل قبله وَكَانَ أحد الْأَشْرَاف قَالَ مُصعب الزبيرِي كَانَ من حكماء قُرَيْش وساداتهم وَكَانَ يُؤْخَذ عَنهُ النّسَب روى عَنهُ ابناه مُحَمَّد وَنَافِع وَسليمَان بن صرد وَسَعِيد بن الْمسيب وَجَمَاعَة مَاتَ سنة تسع وَخمسينالْجراح مولى أم حَبِيبَة وَيُقَال لَهُ أَبُو الْجراح يَأْتِي فِي الكنىجَعْفَر بن مُحَمَّد بن عَليّ بن حُسَيْن بن عَليّ بن أبي طَالب أَبُو عبد الله الْهَاشِمِي الْمدنِي الملقب بالصادق أحد الْأَعْلَام روى عَن أَبِيه وَعَطَاء وَعُرْوَة وَابْن الْمُنْكَدر وَعنهُ أَبُو حنيفَة وَمَالك وَيحيى الْأنْصَارِيّ وَهُوَ أكبر مِنْهُ وَشعْبَة والسفيانان وَخلق قَالَ بن معِين ثِقَة مَأْمُون وَقَالَ أَبُو حَاتِم ثِقَة لَا يسْأَل عَن مثله وَقَالَ بن حبَان من سَادَات أهل الْبَيْت وَعباد أَتبَاع التَّابِعين وعلماء أهل الْمَدِينَة ولد سنة ثَمَانِينَ مَاتَ سنة ثَمَان وَأَرْبَعين وَمِائَةجميل بن عبد الرَّحْمَن أَو بن عبد الله بن سُوَيْد أَو سوَادَة الْمُؤَذّن الْمدنِي أمه من درية سعد الْقرظ وَكَانَ يُؤذن فيهم ذكره بن الْحذاء فِي رجال الْمُوَطَّأ فَقَالَ سمع سعيد بن الْمسيب وَعمر بن عبد الْعَزِيز روى عَنهُ مَالك وَيحيى بن سعيد الْأنْصَارِيّ ذكره بن حجر فِي كِتَابه وأغفله الْحُسَيْنِي
(বর্ণ: ছা) ছাবিত বিন কায়স বিন শাম্মাস আল-আনসারী আল-খাজরাজী, আনসারদের খতীব। তিনি উহুদ ও পরবর্তী যুদ্ধগুলোতে অংশগ্রহণ করেছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর জান্নাতী হওয়ার সাক্ষ্য দিয়েছেন এবং বলেছেন: "ছাবিত কতই না উত্তম ব্যক্তি!" সিদ্দিক (আবু বকর)-এর খিলাফতকালে ইয়ামামার যুদ্ধে তিনি শাহাদাতবরণ করেন, সে সময় তিনি আনসারদের সেনাপতি ছিলেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র ইসমাঈল, কায়স ও মুহাম্মদ এবং আনাস বিন মালিক ও ইবনে আবি লায়লা মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।ছাওর বিন যায়দ আদ-দীলী, তাঁদের আযাদকৃত দাস, আল-মাদানী। তিনি ইকরিমাহ ও একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, আদ-দারওয়ারদী, সুলাইমান বিন বিলাল ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন, আবু যুরআহ এবং আন-নাসাঈ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ১৩৫ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।(বর্ণ: জীম) জাবির বিন আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন হারাম বিন ছালাবাহ আল-আনসারী আস-সুলামী আল-মাদানী, আবু আব্দুল্লাহ; বলা হয় আবু আব্দুর রহমান অথবা আবু মুহাম্মদ। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), আবু বকর, উমর ও আলীসহ অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর সন্তান মুহাম্মদ, আকীল, আব্দুর রহমান বিন আবি রাবাহ, মুহাম্মদ বিন আল-মুনকাদির এবং অগণিত লোক বর্ণনা করেছেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে উনিশটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। বদর ও উহুদে উপস্থিত থাকতে পারেননি কারণ তাঁর পিতা তাঁকে বাধা দিয়েছিলেন। উটের রাতে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর জন্য পঁচিশবার ক্ষমা প্রার্থনা করেছিলেন। মসজিদে তাঁর একটি পাঠচক্র ছিল যেখান থেকে ইলম গ্রহণ করা হতো। তিনি মদীনায় মৃত্যুবরণ করেন; কেউ কেউ বলেছেন মক্কায় অথবা কুবায়; বছরটি ছিল ৭৮ হিজরী। আবার বলা হয়েছে ৭৯, ৭৭, ৭৪, ৭৩ অথবা ৭২ হিজরী।জাবির বিন আতিক বিন নুমান বিন আমর আল-আনসারী আল-খাজরাজী আস-সুলামী। বলা হয় যে তিনি বদরে উপস্থিত ছিলেন, তবে তা প্রমাণিত নয়। তিনি পরবর্তী অন্যান্য যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন। তাঁর থেকে তাঁর দুই পুত্র আব্দুর রহমান ও আবু সুফিয়ান এবং তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র আতিক বিন আল-হারিস বর্ণনা করেছেন।জুবায়ের বিন মুতয়িম বিন আদী বিন নাওফাল বিন আব্দে মানাফ আন-নাওফালী, আবু মুহাম্মদ; বলা হয় আবু আদী আল-মাদানী। তিনি বদরের বন্দীদের মুক্তিপণ নিয়ে এসেছিলেন, অতঃপর মক্কা বিজয়ের দিন ইসলাম গ্রহণ করেন; কেউ কেউ বলেন তার আগে। তিনি অভিজাতদের একজন ছিলেন। মুসআব আয-যুবাইরী বলেন: তিনি কুরাইশদের প্রাজ্ঞ ও নেতাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং তাঁর থেকে বংশপরম্পরা শিক্ষা করা হতো। তাঁর থেকে তাঁর দুই পুত্র মুহাম্মদ ও নাফি এবং সুলাইমান বিন সুরাদ, সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যিব ও একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। তিনি ৫৯ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।আল-জাররাহ, উম্মে হাবীবার আযাদকৃত দাস। তাঁকে আবু আল-জাররাহ বলা হয়, তাঁর উল্লেখ কুনিয়া অধ্যায়ে আসবে।জাফর বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন হুসাইন বিন আলী বিন আবি তালিব আবু আব্দুল্লাহ আল-হাশিমী আল-মাদানী, যিনি 'আস-সাদিক' উপাধিতে ভূষিত। তিনি অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব। তিনি তাঁর পিতা এবং আতা, উরওয়াহ ও ইবনে আল-মুনকাদির থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আবু হানিফা, মালিক, ইয়াহইয়া আল-আনসারী—যিনি তাঁর চেয়ে বয়সে বড় ছিলেন—শু'বাহ, সুফিয়ান দ্বয় এবং অগণিত মানুষ বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত। আবু হাতিম বলেন: তিনি নির্ভরযোগ্য, তাঁর মতো ব্যক্তির সম্পর্কে প্রশ্নই ওঠে না। ইবনে হিব্বান বলেন: তিনি আহলে বাইতের নেতা, অনুসারী তাবিঈদের মধ্যকার অন্যতম ইবাদতগুজার এবং মদীনার আলেমদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি ৮০ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৪৮ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।জামিল বিন আব্দুর রহমান অথবা ইবনে আব্দুল্লাহ বিন সুওয়াইদ অথবা সাওয়াদাহ আল-মুআযযিন আল-মাদানী। তাঁর মা সা'দ আল-কারাযের বংশধর ছিলেন এবং জামিল তাঁদের মধ্যে আযান দিতেন। ইবনুল হাযযা 'রিজালুল মুওয়াত্তা' গ্রন্থে তাঁর উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যিব ও উমর বিন আব্দুল আজিজ থেকে শুনেছেন। তাঁর থেকে মালিক ও ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-আনসারী বর্ণনা করেছেন। ইবনে হাজার তাঁর কিতাবে তাঁর উল্লেখ করেছেন, তবে আল-হুসাইনী তাঁকে এড়িয়ে গেছেন।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ৮)
(حرف الْحَاء) الْحَارِث بن يَعْقُوب بن أبي فَاطِمَة الدوسي يَأْتِي فِي بن معيقيب فِي المبهماتحَارِثَة بن النُّعْمَان بن رَافع أَو نفيع بن زيد بن عبيد بن ثَعْلَبَة الْأنْصَارِيّ أَبُو عبد الله الْمدنِي شهد بَدْرًا وَاحِدًا والمشاهد كلهَا وَرَأى جِبْرِيل يكلم النَّبِي صلى الله عليه وسلم فَسلم عَلَيْهِمَا فَردا عَلَيْهِ وَكَانَ من الْفُضَلَاء روى عَنهُ عبد الله بن رَبَاح وَعبد الله بن عَامر بن ربيعَة وَغَيرهمَا يُقَال توفّي فِي إِمَارَة مُعَاوِيَةحرَام بن سعد وَيُقَال بن سَاعِدَة بن محيصة الْأنْصَارِيّ الْمدنِي وَقد نسب إِلَى جده روى عَن أَبِيه والبراء بن عَازِب وَعنهُ الزُّهْرِيّ قَالَ بن سعد كَانَ ثِقَة قَلِيل الحَدِيث مَاتَ بِالْمَدِينَةِ سنة ثَلَاث عشرَة وَمِائَةالْحسن بن مُحَمَّد بن عَليّ بن أبي طَالب أَو مُحَمَّد الْمدنِي روى عَن أَبِيه بن الْحَنَفِيَّة وَابْن عَبَّاس وَجَابِر وَسَلَمَة بن الْأَكْوَع وَعنهُ الزُّهْرِيّ وَعَمْرو بن دِينَار قَالَ الْعجلِيّ تَابِعِيّ ثِقَة وَهُوَ أول من وضع الأرجاء وَقَالَ الدَّارَقُطْنِيّ كَانَ أول من تكلم فِي الأرجاء وَهُوَ صَحِيح الحَدِيث وَقَالَ بن حبَان كَانَ من أفاضل أهل الْبَيْت وَكَانَ من أعلم النَّاس بالاختلاف وَقَالَ بن دِينَار مَا كَانَ الزُّهْرِيّ إِلَّا من غلمانه مَاتَ سنة خمس وَتِسْعين وَقيل إِحْدَى وَمِائَةحُصَيْن بن مُحصن الْأنْصَارِيّ الخطمي الْمدنِي روى عَن عمَّة لَهُ لَهَا صُحْبَة وَعَن هرمي بن عَمْرو الوَاقِفِي وَعنهُ بشير بن يسَار وَغَيره وَثَّقَهُ بن حبَانحَفْص بن عَاصِم بن عمر بن الْخطاب الْعَدوي أَبُو عَمْرو الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَعَمه عبد الله وَأبي هُرَيْرَة وَغَيرهم وَعنهُ بنوه عِيسَى وَعمر ورباح وَالزهْرِيّ وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَقَالَ بن حبَان من أفاضل أهل الْمَدِينَةحمْرَان بن أبان النمري مولى عُثْمَان بن عَفَّان أدْرك أَبَا بكر وروى عَن مَوْلَاهُ وَمُعَاوِيَة وَعنهُ أَبُو وَائِل وَعُرْوَة وَالْحسن وَزيد بن أسلم وَغَيرهم ذكره بن معِين فِي تَابِعِيّ أهل الْمَدِينَة ومحدثيهم وَوَثَّقَهُ بن حبَان وَكَانَ يُصَلِّي خلف عُثْمَان وَيفتح عَلَيْهِ وَكَانَ صَاحب إِذْنه وكاتبه قدم الْبَصْرَة فَكتب عَنهُ أَهلهَا وَمَات بعد سنة خمس وَسبعينحَمْزَة بن عبد الله بن عمر بن الْخطاب أَبُو عمَارَة الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَعَمَّته حَفْصَة وَعَائِشَة وَعنهُ الزُّهْرِيّ وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ الْعجلِيّ وَغَيرهحميد بن أبي حميد الطَّوِيل أَبُو عُبَيْدَة الْبَصْرِيّ مولى طَلْحَة الطلحات روى عَن أنس وَالْحُسَيْن وَعِكْرِمَة وَغَيرهم وَعنهُ مَالك وَشعْبَة والجادان والسفيانان وَخلق وَثَّقَهُ بن معِين وَأَبُو حَاتِم وَقَالَ مُؤَمل بن إِسْمَاعِيل عَن حَمَّاد عَامَّة مَا يرويهِ حميد عَن أنس سَمعه من ثَابت مَاتَ سنة ثَلَاث وَأَرْبَعين وَمِائَة وَهُوَ بن خمس وَسبعينحميد بن عبد الرَّحْمَن بن عَوْف أَبُو عبد الرَّحْمَن الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَأمه أم كُلْثُوم بنت عقبَة وَعمر وَعُثْمَان وَأبي هُرَيْرَة وَابْن عمر وَابْن عَبَّاس وَعنهُ ابْنه عبد الرَّحْمَن وَابْن أَخِيه سعد بن إِبْرَاهِيم وَالزهْرِيّ وَثَّقَهُ الْعجلِيّ وَأَبُو زرْعَة وَغَيرهمَا وَمَات سنة خمس وَتِسْعين وَقيل سنة خمس وَمِائَةحميد بن قيس الْأَعْرَج الْمَكِّيّ أَبُو صَفْوَان الْقَارِي روى عَن مُجَاهِد وَعِكْرِمَة وَجَمَاعَة وَعنهُ أَبُو حنيفَة وَمَالك والسفيانان وَابْن جريج وَغَيرهم قَالَ بن سعد كَانَ قارىء أهل مَكَّة وَكَانَ ثِقَة كثير الحَدِيث وَقَالَ بن عُيَيْنَة كَانَ أفرضهم وأحسبهم يَعْنِي أهل مَكَّة وَكَانُوا لَا يَجْتَمعُونَ إِلَّا على قِرَاءَته وَلم يكن بِمَكَّة أَقرَأ مِنْهُ وَمن عبد الله بن كثير وَكَانَ متيقظا مَاتَ سنة ثَلَاثِينَ وَمِائَةحَنْظَلَة بن قيس بن عَمْرو الْأنْصَارِيّ الزرقي الْمدنِي روى عَن رَافع بن خديج وَأبي هُرَيْرَة وَعنهُ الزُّهْرِيّ وَرَبِيعَة وَيحيى الْأنْصَارِيّ وَآخَرُونَ قَالَ الْوَاقِدِيّ كَانَ ثِقَة قَلِيل الحَدِيث
(হা বর্ণ) আল-হারিস ইবনে ইয়াকুব ইবনে আবি ফাতিমা আদ-দাওসি। তিনি মুবহামাত (অস্পষ্ট বর্ণনাকারী) অধ্যায়ে ইবনে মুআইকিবের বর্ণনায় আসবেন।হারিসা ইবনে আন-নুমান ইবনে রাফে‘, মতান্তরে নুফাই‘ ইবনে যাইদ ইবনে উবাইদ ইবনে সালাবা আল-আনসারি আবু আব্দুল্লাহ আল-মাদানি। তিনি বদর, উহুদ এবং সকল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি জিবরীল (আলাইহিস সালাম)-কে নবীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাথে কথা বলতে দেখেছিলেন এবং তাঁদের উভয়কে সালাম দিয়েছিলেন; তাঁরাও তাঁর সালামের উত্তর দিয়েছিলেন। তিনি শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তাঁর থেকে আব্দুল্লাহ ইবনে রাবাহ, আব্দুল্লাহ ইবনে আমির ইবনে রাবিয়া এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। বলা হয়, তিনি মুয়াবিয়ার শাসনামলে ইন্তেকাল করেন।হারাম ইবনে সাদ, মতান্তরে ইবনে সাইদা ইবনে মুহায়য়িসা আল-আনসারি আল-মাদানি। তাঁকে তাঁর দাদার দিকেও সম্বন্ধ করা হয়। তিনি তাঁর পিতা এবং আল-বারা ইবনে আজিব থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে যুহরি বর্ণনা করেছেন। ইবনে সাদ বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য ও অল্প হাদিস বর্ণনাকারী ছিলেন। তিনি একশত তেরো হিজরিতে মদীনায় ইন্তেকাল করেন।আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি ইবনে আবি তালিব, মতান্তরে মুহাম্মদ আল-মাদানি। তিনি তাঁর পিতা ইবনুল হানাফিয়্যাহ, ইবনে আব্বাস, জাবির এবং সালামা ইবনুল আকওয়া থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে যুহরি এবং আমর ইবনে দিনার বর্ণনা করেছেন। আল-ইজলি বলেন, তিনি একজন নির্ভরযোগ্য তাবেয়ি এবং তিনিই প্রথম ইরজা (মুরজিয়া মতবাদ) প্রবর্তন করেন। আদ-দারা কুতনি বলেন, তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি ইরজা নিয়ে কথা বলেন এবং তিনি সহিহ হাদিস বর্ণনাকারী। ইবনে হিব্বান বলেন, তিনি আহলে বাইতের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং মতপার্থক্য সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সর্বাধিক জ্ঞানী ছিলেন। ইবনে দিনার বলেন, যুহরি কেবল তাঁর ছাত্রদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি পঁচানব্বই হিজরিতে ইন্তেকাল করেন, মতান্তরে একশত এক হিজরিতে।হুসাইন ইবনে মুহসিন আল-আনসারি আল-খাতমি আল-মাদানি। তিনি তাঁর জনৈক সাহাবি ফুফু এবং হারমি ইবনে আমর আল-ওয়াকিফি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বশির ইবনে ইয়াসার এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।হাফস ইবনে আসিম ইবনে উমর ইবনুল খাত্তাব আল-আদাবি আবু আমর আল-মাদানি। তিনি তাঁর পিতা, চাচা আব্দুল্লাহ, আবু হুরায়রা এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র ইসা, উমর, রাবাহ এবং যুহরি বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ি তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং ইবনে হিব্বান বলেছেন, তিনি মদীনার শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত।হুমরান ইবনে আবান আন-নামারি, উসমান ইবনে আফফানের মুক্তদাস। তিনি আবু বকরের সময়কাল পেয়েছেন এবং তাঁর মনিব ও মুয়াবিয়া থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আবু ওয়াইল, উরওয়াহ, আল-হাসান, যাইদ ইবনে আসলাম এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাইন মদীনার তাবেয়ি ও মুহাদ্দিসদের তালিকায় তাঁর নাম উল্লেখ করেছেন এবং ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি উসমানের পেছনে নামাজ পড়তেন এবং তিনি কিরাতে ভুল করলে তাঁকে লোকমা দিতেন (সংশোধন করে দিতেন)। তিনি তাঁর অনুমতিদাতা (দ্বাররক্ষী) ও লেখক ছিলেন। তিনি বসরায় এসেছিলেন এবং সেখানকার অধিবাসীরা তাঁর থেকে হাদিস লিখেছিলেন। তিনি পঁচাত্তর হিজরির পর ইন্তেকাল করেন।হামযা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনুল খাত্তাব আবু উমারা আল-মাদানি। তিনি তাঁর পিতা, ফুফু হাফসা এবং আয়েশা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে যুহরি এবং একটি দল বর্ণনা করেছেন। আল-ইজলি এবং অন্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।হুমাইদ ইবনে আবি হুমাইদ আত-তবিল আবু উবাইদা আল-বাসরি, তালহা আত-তালহাতের মুক্তদাস। তিনি আনাস, হুসাইন, ইকরিমা এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, শুবা, দুই হাম্মাদ এবং দুই সুফিয়ানসহ এক বিশাল জনসমষ্টি বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাইন এবং আবু হাতিম তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। মুআম্মাল ইবনে ইসমাইল হাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেন যে, হুমাইদ আনাস থেকে যা কিছু বর্ণনা করেন তার অধিকাংশ তিনি সাবিত থেকে শুনেছেন। তিনি একশত তেতাল্লিশ হিজরিতে পঁচাত্তর বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।হুমাইদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আউফ আবু আব্দুর রহমান আল-মাদানি। তিনি তাঁর পিতা, মাতা উম্মু কুলসুম বিনতে উকবা, উমর, উসমান, আবু হুরায়রা, ইবনে উমর এবং ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আব্দুর রহমান, ভ্রাতুষ্পুত্র সাদ ইবনে ইবরাহিম এবং যুহরি বর্ণনা করেছেন। আল-ইজলি, আবু যুরআ এবং অন্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি পঁচানব্বই হিজরিতে ইন্তেকাল করেন, মতান্তরে একশত পাঁচ হিজরিতে।হুমাইদ ইবনে কায়েস আল-আরাজ আল-মাক্কি আবু সাফওয়ান আল-কারি। তিনি মুজাহিদ, ইকরিমা এবং এক দল থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আবু হানিফা, মালিক, দুই সুফিয়ান, ইবনে জুরাইজ এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে সাদ বলেন, তিনি মক্কাবাসীদের কারি ছিলেন এবং তিনি নির্ভরযোগ্য ও প্রচুর হাদিস বর্ণনাকারী ছিলেন। ইবনে উয়াইনা বলেন, তিনি মক্কাবাসীদের মধ্যে ফরায়েজ (উত্তরাধিকার আইন) এবং হিসাববিজ্ঞানে সর্বাধিক পারদর্শী ছিলেন। তাঁরা তাঁর কিরাত ছাড়া অন্য কোনো কিছুর ওপর ঐকমত্য পোষণ করতেন না এবং মক্কায় তাঁর ও আব্দুল্লাহ ইবনে কাসিরের চেয়ে বড় কোনো কারি ছিল না। তিনি অত্যন্ত প্রখর মেধার অধিকারী ছিলেন। তিনি একশত ত্রিশ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।হানজালা ইবনে কায়েস ইবনে আমর আল-আনসারি আজ-জুরাকি আল-মাদানি। তিনি রাফে‘ ইবনে খাদিজ এবং আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে যুহরি, রাবিয়া, ইয়াহইয়া আল-আনসারি এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। আল-ওয়াকিদি বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য এবং অল্প হাদিস বর্ণনাকারী ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ৯)
(حرف الْخَاء) خَالِد بن زيد بن كُلَيْب أَبُو أَيُّوب الْأنْصَارِيّ الخزرجي روى عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَعَن أبي بن كَعْب وَعنهُ الْبَراء بن عَازِب وَجَابِر بن سُبْرَة وَابْن الْمسيب وَعُرْوَة قَالَ الْخَطِيب حضر الْعقبَة وَشهد بَدْرًا وأحدا والمشاهد كلهَا وَنزل عَلَيْهِ النَّبِي صلى الله عليه وسلم حِين قدم الْمَدِينَة فِي الْهِجْرَة وَحضر مَعَ عَليّ النهروان وَمَات بالروم غازيا فِي خلَافَة مُعَاوِيَة سنة اثْنَتَيْنِ وَخمسين وقبره فِي أصل سور الْقُسْطَنْطِينِيَّةخَالِد بن الْوَلِيد بن الْمُغيرَة بن عبد الله بن عمر بن مَخْزُوم أَبُو سُفْيَان المَخْزُومِي سيف الله أسلم قبل الْفَتْح وَبعد الْحُدَيْبِيَة وَشهد غَزْوَة مُؤْتَة وَكَانَ النَّصْر على يَده روى عَنهُ بن خَالَته بن عَبَّاس وَقيس بن أبي حَازِم وَجبير بن نفَيْل وَأَبُو وَائِل وَأَبُو الْعَالِيَة وَآخَرُونَ وَاسْتَعْملهُ أَبُو بكر على قتال أهل الرِّدَّة ثمَّ وَجهه إِلَى الْعرَاق ثمَّ الشَّام وَأمره عَلَيْهَا مَاتَ بحمص سنة إِحْدَى وَعشْرين وَقيل بِالْمَدِينَةِخبيب بن عبد الرَّحْمَن بن خبيب بن يسَاف الْأنْصَارِيّ أَبُو الْحَرْث الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَعَمَّته أنيسَة وَلها صُحْبَة وَحَفْص بن عَاصِم وَغَيرهم وَعنهُ شُعْبَة أحد شُيُوخه وَمَالك وَثَّقَهُ بن معِين وَغَيره وَمَات زمن مَرْوَان بن مُحَمَّدخَلاد بن السَّائِب بن خَلاد الْأنْصَارِيّ الخزرجي الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَزيد بن خَالِد الْجُهَنِيّ وَعنهُ ابْنه خَالِد وحبان بن وَاسع وَغَيرهمَا وَثَّقَهُ بن حبَان(حرف الدَّال) دَاوُد بن الْحصين الْأمَوِي مَوْلَاهُم أَبُو سُلَيْمَان الْمدنِي روى عَن عِكْرِمَة والأعرج وَجَمَاعَة وَعنهُ مَالك وَابْن إِسْحَاق وَطَائِفَة وَثَّقَهُ بن معِين وَضَعفه أَبُو حَاتِم وَقَالَ لَوْلَا أَن مَالِكًا روى عَنهُ لترك حَدِيثه وَقَالَ أَبُو دَاوُد أَحَادِيثه عَن عِكْرِمَة مَنَاكِير وَقَالَ بن حبَان من أهل الْحِفْظ والإتقان مَاتَ سنة خمس وَثَلَاثِينَ وَمِائَة عَن اثْنَتَيْنِ وَسبعين سنة(حرف الذَّال) ذكْوَان أَبُو صَالح السمان الزيات الْمدنِي روى عَن سعد وَأبي الدَّرْدَاء وَأبي هُرَيْرَة وَعَائِشَة وَخلق وَعنهُ بنوه سُهَيْل وَصَالح وَعبد الله وَعَطَاء بن أبي رَبَاح وَالْأَعْمَش وخلائق قَالَ أحد شهد الدَّار زمن عُثْمَان وَكَانَ ثِقَة من أجل النَّاس وأوثقهم وَقَالَ بن الْمَدِينِيّ ثِقَة ثَبت وَقَالَ بن سعد كثير الحَدِيث مَاتَ بِالْمَدِينَةِ سنة إِحْدَى وَمِائَة(حرف الرَّاء) رَافع بن إِسْحَاق الْأنْصَارِيّ مَوْلَاهُم الْمدنِي روى عَن أبي أَيُّوب وَأبي سعيد الْخُدْرِيّ وَعنهُ إِسْحَاق بن عبد الله بن أبي طَلْحَة وَثَّقَهُ النَّسَائِيّرَافع بن خديج الْأنْصَارِيّ الْحَارِثِيّ أَبُو عبد الله الْمدنِي شهد أحدا وَمَا بعْدهَا وَله أَحَادِيث روى عَنهُ بن عمر وَابْن الْمسيب وَطَائِفَة وَطَاوُس وَعَطَاء وَخلق مَاتَ فِي أول سنة أَربع وَسبعين عَن سِتّ وَثَمَانِينَ سنةربيعَة بن أبي عبد الرَّحْمَن فروخ التَّيْمِيّ مولى آل الْمُنْكَدر أَبُو عُثْمَان وَيُقَال أَبُو عبد الرَّحْمَن الْمدنِي الْفَقِيه أحد الْأَعْلَام الْمَعْرُوف بربيعة الرَّأْي شيخ مَالك روى عَن أنس والسائب بن يزِيد وَابْن الْمسيب وَخلق وَعنهُ مَالك وَيحيى الْأنْصَارِيّ وَشعْبَة وَالْأَوْزَاعِيّ وَاللَّيْث وخلائق قَالَ أَحْمد ثِقَة وَأَبُو الزِّنَاد أعلم مِنْهُ وَقَالَ يَعْقُوب بن شيبَة ثِقَة ثَبت أحد مفتي الْمَدِينَة وَقَالَ الْخَطِيب كَانَ فَقِيها عَالما حَافِظًا للفقه والْحَدِيث أخد عَنهُ مَالك الْفِقْه وَقَالَ ذهبت حلاوة الْفِقْه مُنْذُ مَاتَ ربيعَة أقدمه السفاح ليوليه الْقَضَاء فَمَاتَ بالأنبار سنة سِتّ وَثَلَاثِينَ وَمِائَة
(খা বর্ণ) খালিদ বিন যায়িদ বিন কুলাইব আবু আইয়ুব আল-আনসারী আল-খাজরাজী। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং উবাই বিন কা’ব থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন আল-বারা বিন আযিব, জাবির বিন সুবরাহ, ইবনুল মুসাইয়িব এবং উরওয়াহ। খতীব বলেন, তিনি ‘আকাবা’র শপথ ও বাইয়াতে উপস্থিত ছিলেন এবং বদর, উহুদসহ সকল যুদ্ধ প্রত্যক্ষ করেছেন। হিজরতের সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মদিনায় আসেন, তখন তিনি তার ঘরেই মেহমান হিসেবে অবস্থান করেছিলেন। তিনি আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে নাহরাওয়ান যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন। মুয়াবিয়ার খিলাফতকালে ৫২ হিজরীতে তিনি রোম দেশে (বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য) জিহাদরত অবস্থায় ইন্তেকাল করেন এবং তার কবর কনস্টান্টিনোপল প্রাচীরের পাদদেশে অবস্থিত।খালিদ বিন আল-ওয়ালিদ বিন আল-মুগীরা বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন মাখযুম আবু সুফিয়ান আল-মাখযুমী, সাইফুল্লাহ (আল্লাহর তলোয়ার)। তিনি মক্কা বিজয়ের আগে এবং হুদাইবিয়ার সন্ধির পরে ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি মুতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন এবং তার মাধ্যমেই বিজয় অর্জিত হয়েছিল। তার থেকে তার খালাতো ভাই ইবনে আব্বাস, কাইস বিন আবি হাযিম, জুবায়ের বিন নুফাইল, আবু ওয়ায়েল, আবু আল-আলিয়া এবং আরও অনেকে বর্ণনা করেছেন। আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে ধর্মত্যাগীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য নিযুক্ত করেছিলেন, তারপর তাকে ইরাক এবং পরবর্তীতে শামে পাঠান এবং সেখানকার আমীর নিযুক্ত করেন। তিনি ২১ হিজরীতে হিমস শহরে ইন্তেকাল করেন, কেউ কেউ বলেন মদিনায়।খুবাইব বিন আব্দুর রহমান বিন খুবাইব বিন ইয়াসাফ আল-আনসারী আবু আল-হারিস আল-মাদানী। তিনি তার পিতা এবং ফুফু আনীসা (যিনি একজন সাহাবী ছিলেন), হাফস বিন আসিম এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার অন্যতম উস্তাদ শু’বাহ এবং ইমাম মালিক বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন এবং অন্যরা তাকে নির্ভরযোগ্য বলে অভিহিত করেছেন। তিনি মারওয়ান বিন মুহাম্মাদের শাসনামলে ইন্তেকাল করেন।খাল্লাদ বিন আস-সাইব বিন খাল্লাদ আল-আনসারী আল-খাজরাজী আল-মাদানী। তিনি তার পিতা এবং যায়িদ বিন খালিদ আল-জুহানী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার পুত্র খালিদ, হিব্বান বিন ওয়াসি এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।(দাল বর্ণ) দাউদ বিন আল-হুসাইন আল-উমাবী (তাদের আযাদ করা দাস), আবু সুলাইমান আল-মাদানী। তিনি ইকরিমাহ, আল-আ’রাজ এবং একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে মালিক, ইবনে ইসহাক এবং একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন, তবে আবু হাতিম তাকে দুর্বল বলেছেন এবং বলেছেন, যদি ইমাম মালিক তার থেকে বর্ণনা না করতেন তবে তার হাদিস পরিত্যক্ত হতো। আবু দাউদ বলেছেন, ইকরিমাহ থেকে বর্ণিত তার হাদিসগুলো ‘মুনকার’ (অস্বীকৃত)। তবে ইবনে হিব্বান তাকে হিফয ও দৃঢ়তার অধিকারী হাফেজদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি ১৩৫ হিজরীতে ৭২ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।(যাল বর্ণ) যাকওয়ান আবু সালিহ আস-সাম্মান আয-যাইয়্যাত আল-মাদানী। তিনি সা’দ, আবু আদ-দারদা, আবু হুরায়রা, আয়েশা এবং এক বিশাল জামাত থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার পুত্র সুহাইল, সালিহ ও আব্দুল্লাহ এবং আতা বিন আবি রাবাহ, আল-আ’মাশসহ অসংখ্য লোক বর্ণনা করেছেন। আহমাদ ইবনে হাম্বল বলেছেন, তিনি উসমানের যমানায় ‘আদ-দার’ (অবরোধের সময়) উপস্থিত ছিলেন। তিনি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও মানুষের মধ্যে অত্যন্ত উচ্চমর্যাদাবান ও বিশ্বস্ত ছিলেন। ইবনুল মাদীনী বলেছেন, তিনি নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ় বর্ণনাকারী। ইবনে সা’দ বলেছেন, তিনি প্রচুর হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি ১০১ হিজরীতে মদিনায় ইন্তেকাল করেন।(রা বর্ণ) রাফি বিন ইসহাক আল-আনসারী (তাদের আযাদ করা দাস), আল-মাদানী। তিনি আবু আইয়ুব এবং আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি তালহা বর্ণনা করেছেন। ইমাম নাসায়ী তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।রাফি বিন খাদীজ আল-আনসারী আল-হারিসী আবু আব্দুল্লাহ আল-মাদানী। তিনি উহুদ এবং তার পরবর্তী যুদ্ধগুলোতে অংশগ্রহণ করেছেন। তার বর্ণিত অনেক হাদিস রয়েছে। তার থেকে ইবনে উমর, ইবনুল মুসাইয়িব, একদল রাবী, তাউস, আতা এবং অসংখ্য লোক বর্ণনা করেছেন। তিনি ৭৪ হিজরীর শুরুতে ৮৬ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।রবী’আহ বিন আবি আব্দুর রহমান ফাররুখ আত-তাইমী, আল-মুনকাদির বংশের আযাদ করা দাস, আবু উসমান; তাকে আবু আব্দুর রহমান আল-মাদানী ফকীহও বলা হয়। তিনি অন্যতম প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব এবং ‘রবী’আতুল রায়’ হিসেবে সুপরিচিত। তিনি ইমাম মালিকের উস্তাদ। তিনি আনাস, আস-সাইব বিন ইয়াযিদ, ইবনুল মুসাইয়িব এবং অসংখ্য লোক থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইমাম মালিক, ইয়াহইয়া আল-আনসারী, শু’বাহ, আওযায়ী, লাইস এবং অসংখ্য লোক বর্ণনা করেছেন। ইমাম আহমাদ বলেছেন, তিনি নির্ভরযোগ্য, তবে আবু আয-যিনাদ তার চেয়ে বেশি জ্ঞানী। ইয়াকুব বিন শাইবাহ বলেছেন, তিনি নির্ভরযোগ্য ও সুদৃঢ় বর্ণনাকারী এবং মদিনার অন্যতম মুফতী। খতীব বাগদাদী বলেছেন, তিনি একজন ফকীহ, আলিম এবং ফিকহ ও হাদিসের হাফেজ ছিলেন। ইমাম মালিক তার কাছ থেকে ফিকহ শাস্ত্র অর্জন করেছেন। ইমাম মালিক বলতেন, রবী’আহর মৃত্যুর পর থেকে ফিকহের মিষ্টতা চলে গেছে। খলীফা আস-সাফফাহ তাকে বিচারপতির দায়িত্ব দেওয়ার জন্য তলব করেছিলেন, অতঃপর তিনি ১৩৬ হিজরীতে আনবারে ইন্তেকাল করেন।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ১০)
رِفَاعَة بن رَافع بن مَالك بن العجلان الْأنْصَارِيّ المرزقي أَبُو معَاذ الْمدنِي شهد بَدْرًا مَعَ النَّبِي صلى الله عليه وسلم وروى عَنهُ وَعَن أبي بكر وَعبادَة وَعنهُ ابناه معَاذ وَعبيد وَآخَرُونَ مَاتَ فِي أول خلَافَة مُعَاوِيَة(حرف الزَّاي) زرْعَة بن عبد الرَّحْمَن بن جرهد الْأَسْلَمِيّ الْمدنِي وَيُقَال اسْم أَبِيه مُسلم وَلَا يَصح روى عَن أَبِيه وجده الْفَخْذ عَورَة وَعنهُ سَالم أَبُو النَّضر وَأَبُو الزِّنَاد وَثَّقَهُ النَّسَائِيّزفر بن صعصعة بن مَالك عَن أبي هُرَيْرَة وَقيل عَن أَبِيه عَن أبي هُرَيْرَة وَهُوَ الْمَحْفُوظ روى عَنهُ إِسْحَاق بن عبد الله بن أبي طَلْحَة وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَغَيرهزِيَاد بن سعد الْخُرَاسَانِي أَبُو عبد الرَّحْمَن نزيل مَكَّة ثمَّ الْيمن روى عَن الزُّهْرِيّ وَصَالح مولى التَّوْأَمَة وَأبي الزبير وَعَمْرو بن دِينَار وَعنهُ مَالك وَابْن جريج وَابْن عُيَيْنَة وَقَالَ كَانَ أثبت أَصْحَاب الزُّهْرِيّ وَثَّقَهُ أَحْمد والمديني وَالنَّسَائِيّ وَآخَرُونَزيد بن أسلم الْمدنِي الْفَقِيه أحد الْأَعْلَام مولى عمر أَبُو أُسَامَة وَقيل أَبُو عبد الله روى عَن أَبِيه وَابْن عمر وَجَابِر وَأبي هُرَيْرَة وَخلق وَعنهُ بنوه أُسَامَة وَعبد الرَّحْمَن وَعبد الله وَمَالك والسفيانان وخلائق قَالَ يَعْقُوب بن شيبَة ثِقَة من أهل الْفِقْه وَالْعلم وَكَانَ عَالما بالتفسير لَهُ فِيهِ كتاب توفّي فِي الْعشْر الأول من ذِي الْحجَّة سنة سِتّ وَثَلَاثِينَ وَمِائَةزيد بن أبي أنيسَة واسْمه زيد أَيْضا أَبُو أُسَامَة الْجَزرِي روى عَن الحكم وَشهر بن حَوْشَب وَطَلْحَة بن مصرف وَعَطَاء وَعنهُ مَالك وَأَبُو حنيفَة وَآخَرُونَ قَالَ بن سعد كَانَ ثِقَة فَقِيها راوية لعلم كثير الحَدِيث مَاتَ سنة خمس وَعشْرين وَمِائَةزيد بن ثَابت بن الضَّحَّاك بن لوذان بن عَمْرو بن عبد عَوْف بن غنم بن مَالك بن النجار الْأنْصَارِيّ الْمدنِي أَبُو سعيد وَقيل أَبُو خَارِجَة روى عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَعنهُ ابناه سُلَيْمَان وخارجة وَابْن عمر وَأنس وَعُرْوَة وخلائق وَكَانَ كَاتب الْوَحْي قدم النَّبِي صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَة وعمره إِحْدَى عشرَة سنة وَكَانَ أَبوهُ قتل يَوْم بُعَاث فَقَرَأَ زيد سبع عشرَة سُورَة قبل الْهِجْرَة فأعجب النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَقَالَ يَا زيد تعلم لي كتاب يهود فتعلم كتاب العبرانية أَو السريانية فِي سبع عشرَة لَيْلَة وَهُوَ أحد من جمع الْقُرْآن على عهد النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَقَالَ فِيهِ أفرضكم زيد وَشهد بيعَة الرضْوَان وندبه أَبُو بكر لجمع الْقُرْآن ثمَّ عُثْمَان وَكَانَ عمر إِذا حج اسْتَخْلَفَهُ على الْمَدِينَة وَأخذ بن عَبَّاس بركابه وَقَالَ هَكَذَا أمرنَا أَن نَفْعل بعلمائنا وكبرائنا رَوَاهُ الْحَاكِم فِي الْمُسْتَدْرك وعده مَسْرُوق فِي السِّتَّة الَّذين هم أَصْحَاب الْفَتْوَى من الصَّحَابَة مَاتَ سنة خمس وَأَرْبَعين وَقيل سنة ثَمَان وَأَرْبَعين وَقيل إِحْدَى وَخمسين وَلما مَاتَ قَالَ أَبُو هُرَيْرَة مَاتَ حبر الْأمةزيد بن خَالِد الْجُهَنِيّ الْمدنِي أَبُو عبد الرَّحْمَن وَقيل أَبُو طَلْحَة وَقيل أَبُو زرْعَة عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَعَن عُثْمَان وَأبي طَلْحَة وَغَيرهمَا وَعنهُ ابناه خَالِد وَأَبُو حَرْب وَعَطَاء بن يسَار وَأَبُو سَلمَة بن عبد الرَّحْمَن وَغَيرهم وَكَانَ صَاحب لِوَاء جُهَيْنَة يَوْم الْفَتْح مَاتَ سنة ثَمَان وَسبعين بِالْمَدِينَةِ عَن خمس وَثَمَانِينَ سنة وَقيل سنة ثَمَان وَسِتِّينَ وَقيل سنة خمسين بِمصْر وَهُوَ بن ثَمَان وَسبعين وَقيل سنة اثْنَتَيْنِ وَسبعين وَهُوَ بن ثَمَانِينَ وَقيل بِالْكُوفَةِ فِي آخر خلَافَة مُعَاوِيَة
রিফায়া বিন রাফে বিন মালিক বিন আল-আজলান আল-আনসারী আল-মারজাকী আবু মুয়াজ আল-মাদানী; তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন এবং তাঁর থেকে, আবু বকর ও উবাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর দুই পুত্র মুয়াজ ও উবাইদ এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। তিনি মুয়াবিয়ার খিলাফতের শুরুর দিকে মৃত্যুবরণ করেন।(যায় বর্ণ) যুরআহ বিন আব্দুর রহমান বিন জারহাদ আল-আসলামী আল-মাদানী, বলা হয় তাঁর পিতার নাম মুসলিম কিন্তু তা সঠিক নয়। তিনি তাঁর পিতা ও দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন: "উরু সতর"। তাঁর থেকে সালেম আবু আন-নাদর এবং আবুয যিনাদ বর্ণনা করেছেন। ইমাম নাসাঈ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।যুফার বিন সা’সাআহ বিন মালিক; আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, আবার বলা হয় তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এটিই সংরক্ষিত মত। তাঁর থেকে ইসহাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি তালহা বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ এবং অন্যান্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।যিয়াদ বিন সাদ আল-খুরাসানী আবু আব্দুর রহমান, মক্কায় এবং পরবর্তীতে ইয়ামেনে বসবাসকারী। তিনি যুহরী, সালেহ মাওলা আত-তাওআমাহ, আবুয যুবাইর এবং আমর বিন দীনার থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, ইবনে জুরাইজ এবং ইবনে উয়াইনাহ বর্ণনা করেছেন। ইবনে উয়াইনাহ বলেছেন যে, তিনি যুহরীর ছাত্রদের মধ্যে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ছিলেন। ইমাম আহমাদ, মাদিনী, নাসাঈ এবং অন্যান্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।যাইদ বিন আসলাম আল-মাদানী আল-ফকিহ, অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব, উমরের মুক্তদাস, আবু উসামাহ, আবার বলা হয় আবু আব্দুল্লাহ। তিনি তাঁর পিতা, ইবনে উমর, জাবির, আবু হুরায়রা এবং আরও অসংখ্য ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্রগণ উসামাহ, আব্দুর রহমান, আব্দুল্লাহ এবং মালিক, দুই সুফিয়ান এবং অসংখ্য লোক বর্ণনা করেছেন। ইয়াকুব বিন শাইবাহ বলেছেন: তিনি ফিকহ ও ইলমের অধিকারী একজন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি ছিলেন। তিনি তাফসীর শাস্ত্রে অভিজ্ঞ ছিলেন এবং এ বিষয়ে তাঁর একটি কিতাব রয়েছে। তিনি একশত ছত্রিশ হিজরী সালের জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিনের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন।যাইদ বিন আবি আনীসাহ, তাঁর নামও যাইদ, আবু উসামাহ আল-জাযারি। তিনি হাকাম, শাহর বিন হাওশাব, তালহা বিন মুসাররিফ এবং আতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, আবু হানিফা এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে সাদ বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ফকিহ এবং অধিক হাদিস বর্ণনাকারী ছিলেন। তিনি একশত পঁচিশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।যাইদ বিন সাবিত বিন আদ-দাহহাক বিন লুযান বিন আমর বিন আবদ আওফ বিন গানাম বিন মালিক বিন আন-নাজ্জার আল-আনসারী আল-মাদানী, আবু সাঈদ এবং বলা হয় আবু খারিজাহ। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে তাঁর দুই পুত্র সুলাইমান ও খারিজাহ এবং ইবনে উমর, আনাস, উরওয়াহ এবং অসংখ্য লোক বর্ণনা করেছেন। তিনি ওহী লেখক ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মদীনায় আগমন করেন তখন তাঁর বয়স ছিল এগারো বছর। তাঁর পিতা বুয়াস যুদ্ধে নিহত হয়েছিলেন। হিজরতের আগেই যাইদ সতেরোটি সূরা পাঠ করেছিলেন যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মুগ্ধ করেছিল। তিনি বলেছিলেন: হে যাইদ, আমার জন্য ইহুদিদের লিপি শিখে নাও। অতঃপর তিনি সতেরো রাতের মধ্যে হিব্রু অথবা সিরীয় ভাষা শিখে ফেলেন। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে কুরআন সংকলনকারীদের অন্যতম একজন ছিলেন। তাঁর সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন: তোমাদের মধ্যে মিরাস শাস্ত্র সম্পর্কে সবচাইতে জ্ঞানী হলো যাইদ। তিনি বায়আতুর রিদওয়ানে উপস্থিত ছিলেন। আবু বকর তাঁকে কুরআন সংগ্রহের জন্য নিয়োজিত করেন এবং পরবর্তীতে উসমানও। উমর যখন হজে যেতেন তখন তাঁকে মদীনায় তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে রেখে যেতেন। ইবনে আব্বাস তাঁর বাহনের রেকাব ধরতেন এবং বলতেন: আমাদেরকে আমাদের আলেম ও বড়দের সাথে এমনই আচরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এটি হাকেম তাঁর মুস্তাদরাক গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। মাসরুক তাঁকে সেই ছয়জন সাহাবীর অন্তর্ভুক্ত করেছেন যারা ফতোয়া প্রদানের অধিকারী ছিলেন। তিনি পঁয়তাল্লিশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন, মতান্তরে আটচল্লিশ বা একান্ন হিজরীতে। তাঁর মৃত্যুর পর আবু হুরায়রা বলেছিলেন: আজ উম্মতের মহা পণ্ডিত মৃত্যুবরণ করলেন।যাইদ বিন খালিদ আল-জুহানি আল-মাদানী, আবু আব্দুর রহমান, মতান্তরে আবু তালহা বা আবু যুরআহ। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে এবং উসমান ও আবু তালহা সহ আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর দুই পুত্র খালিদ ও আবু হারব এবং আতা বিন ইয়াসার, আবু সালামাহ বিন আব্দুর রহমান ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। তিনি মক্কা বিজয়ের দিন জুহাইনাহ গোত্রের পতাকাবাহী ছিলেন। তিনি আটাত্তর হিজরীতে পঁচাশি বছর বয়সে মদীনায় মৃত্যুবরণ করেন। মতান্তরে আটষট্টি হিজরীতে, আবার বলা হয় পঞ্চাশ হিজরীতে মিশরে আটাত্তর বছর বয়সে, অথবা বাহাত্তর হিজরীতে আশি বছর বয়সে, আবার বলা হয় কুফায় মুয়াবিয়ার খিলাফতের শেষ দিকে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ১১)
زيد بن رَبَاح الْمدنِي روى عَن أبي عبد الله الْأَغَر وَعنهُ مَالك قَالَ أَبُو حَاتِم مَا أرى بحَديثه بَأْسا وَوَثَّقَهُ بن عبد الْبر وَابْن حبَان وَقتل سنة إِحْدَى وَأَرْبَعين وَمِائَةزيد بن طَلْحَة بن ركَانَة يَأْتِي فِي يزِيدزيد بن عبد الله بن عمر بن الْخطاب الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَعبد الله بن عبد الرَّحْمَن بن أبي بكر الصّديق وَعنهُ حفيده عمر بن مُحَمَّد وَنَافِع وَثَّقَهُ بن حبَانزيد بن عَيَّاش أَبُو عَيَّاش الزرقي الْمدنِي روى عَن سعد بن أبي وَقاص وَغَيره وَعنهُ عبد الله بن يزِيد وَعمْرَان بن أبي أنس وَغَيرهمَا وَثَّقَهُ الدَّارَقُطْنِيّ(حرف السِّين) سَالم بن أبي أُميَّة الْقرشِي أَبُو النَّضر الْمدنِي روى عَن أنس والسائب بن يزِيد وَسليمَان بن يسَار وَعنهُ مَالك وَابْن إِسْحَاق وَاللَّيْث والسفيانان وَثَّقَهُ أَحْمد وَجَمَاعَة مَاتَ سنة تسع وَعشْرين وَمِائَةسَالم بن عبد الله بن عمر بن الْخطاب أَبُو عمر وَقيل أَبُو عبد الله أحد الْأَئِمَّة الْفُقَهَاء السَّبْعَة بِالْمَدِينَةِ روى عَن أَبِيه وَأبي هُرَيْرَة وَغَيرهمَا وَعنهُ ابْنه أَبُو بكر وَابْن شهَاب وخلائق قَالَ بن الْمسيب كَانَ عبد الله أشبه ولد عمر بِهِ وَكَانَ سَالم أشبه ولد عبد الله بِهِ وَقَالَ مَالك لم يكن أحد فِي زمَان سَالم أشبه بِمن مضى فِي الصَّالِحين فِي الزّهْد وَالْفضل والعيش مِنْهُ وَذكر بن عُيَيْنَة أَن هِشَام بن عبد الْملك دخل الْكَعْبَة فَإِذا هُوَ بسالم فَقَالَ سلني حَاجَة قَالَ إِنِّي أستحي من الله أَن أسأَل فِي بَيته غَيره فَلَمَّا خرج قَالَ لَهُ سلني الْآن فَقَالَ وَالله مَا سَأَلت الدُّنْيَا من يملكهَا فَكيف أسأَل من لَا يملكهَا فَكيف أسأَل من لَا يملكهَا مَاتَ فِي ذِي الْقعدَة وَقيل ذِي الْحجَّة سنة سِتّ وَمِائَة وَقيل سنة سبعسَالم أَبُو الْغَيْث الْمدنِي مولى عبد الله بن مُطِيع الْعَدوي روى عَن أبي هُرَيْرَة وَغَيره وَعنهُ ثَوْر بن زيد وَصَفوَان بن سليم وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَابْن معِينالسَّائِب بن خَلاد بن سُوَيْد الْأنْصَارِيّ أَبُو سهلة لَهُ صُحْبَة وَرِوَايَة روى عَنهُ ابْنه خَلاد وَعَطَاء بن يسَار وَغَيرهمَاالسَّائِب بن يزِيد بن سعيد بن ثُمَامَة الْكِنْدِيّ لَهُ ولأبيه صُحْبَة روى عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَعَن أَبِيه وخاله الْعَلَاء بن الْحَضْرَمِيّ وَعمر وَعُثْمَان وَطَلْحَة وَسعد وَجَمَاعَة وَعنهُ ابْنه عبد الله وَالزهْرِيّ وَيحيى الْأنْصَارِيّ وَخلق مَاتَ سنة إِحْدَى وَتِسْعين وَقيل سنة سِتّ وَقيل سنة ثَمَان وَثَمَانِينَ عَن ثَمَان وَثَمَانِينَ سنةسعد بن إِسْحَاق بن كَعْب بن عجْرَة الْقُضَاعِي ثمَّ الْبلوى الْمدنِي حَلِيف الْأَنْصَار روى عَن أَبِيه وعميه عبد الْملك وَزَيْنَب وَأنس وَأبي سعيد المَقْبُري وَعنهُ مَالك وَشعْبَة وَالثَّوْري وَابْن جريج وَخلق وَثَّقَهُ بن معِين وَالنَّسَائِيّ وَغَيرهمَا وَمَات بعد الْأَرْبَعين وَمِائَةسعد بن عبيد أَبُو عبيد الزُّهْرِيّ الْمدنِي مولى عبد الرَّحْمَن بن أَزْهَر روى عَن عمر وَعلي وَعُثْمَان وَأبي هُرَيْرَة وَعنهُ الزُّهْرِيّ وَجَمَاعَة قَالَ بن سعد كَانَ من الْقُرَّاء وَأهل الْفِقْه ثِقَة مَاتَ بِالْمَدِينَةِ سنة ثَمَان وَتِسْعينسعد بن أبي وَقاص مَالك بن أبي أهيب بن عبد منَاف بن زهرَة بن كلاب بن مرّة الزُّهْرِيّ أَبُو إِسْحَاق أحد الْعشْرَة وَأول من رمى بِسَهْم فِي سَبِيل الله وَفَارِس الْإِسْلَام وحارس رَسُول الله صلى الله عليه وسلم حَيْثُ قَالَ لَيْت رجلا صَالحا يَحْرُسنِي اللَّيْلَة وسابع سَبْعَة فِي الْإِسْلَام وَأحد السِّتَّة أهل الثَّوْريّ وَأحد السِّتَّة الَّذين توفّي رَسُول الله صلى الله عليه وسلم وَهُوَ عَنْهُم رَاض وَأحد من فدَاه رَسُول الله صلى الله عليه وسلم بِأَبِيهِ وَأمه وَأحد مجابي الدعْوَة وَأحد الرُّمَاة الَّذين لَا يخطئون دَعَا لَهُ النَّبِي صلى الله عليه وسلم اللَّهُمَّ سدد رميته وأجب دَعوته وَهُوَ الَّذِي تولى قتال فَارس وكوف الْكُوفَة روى عَنهُ بنوه إِبْرَاهِيم وَعمر وَمُحَمّد وعامر وَمصْعَب وَعَائِشَة وَابْن عَبَّاس وَابْن عمر وَآخَرُونَ وَكَانَ مِمَّن قعد فِي الْفِتْنَة وَلزِمَ بَيته وَأمر أَهله أَن لَا يخبروه من أَخْبَار النَّاس بِشَيْء حَتَّى تَجْتَمِع الْأمة على إِمَام مَاتَ بالعقيق على عشرَة أَمْيَال من الْمَدِينَة وَحمل على الرّقاب إِلَى البقيع سنة خمس وَخمسين وَقيل سنة سِتّ وَقيل سبع وَقيل ثَمَان وَقيل أَربع عَن ثَلَاث وَثَمَانِينَ وَقيل اثْنَتَيْنِ وَثَمَانِينَ وَقيل أَربع وَسبعين
জায়েদ বিন রাবাহ আল-মাদানি। তিনি আবু আবদুল্লাহ আল-আগার থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে মালিক বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন, "আমি তাঁর হাদিসে কোনো সমস্যা দেখি না।" ইবনে আবদুল বার এবং ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ১৪১ হিজরি সনে নিহত হন।জায়েদ বিন তালহা বিন রুকানা; তাঁর বিবরণ ইয়াজিদ-এর আলোচনায় আসবে।জায়েদ বিন আবদুল্লাহ বিন উমর বিন আল-খাত্তাব আল-মাদানি। তিনি তাঁর পিতা এবং আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান বিন আবু বকর আস-সিদ্দিক থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর নাতি উমর বিন মুহাম্মদ এবং নাফি বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।জায়েদ বিন আইয়াশ আবু আইয়াশ আজ-জুরাকি আল-মাদানি। তিনি সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আবদুল্লাহ বিন ইয়াজিদ, ইমরান বিন আবু আনাস এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। আদ-দারাকুতনি তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।(সীন বর্ণ) সালিম বিন আবি উমাইয়্যাহ আল-কুরাশি আবু আন-নাদর আল-মাদানি। তিনি আনাস, সায়িব বিন ইয়াজিদ এবং সুলায়মান বিন ইয়াসার থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, ইবনে ইসহাক, আল-লাইস এবং দুই সুফিয়ান বর্ণনা করেছেন। আহমাদ এবং একদল বিশেষজ্ঞ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ১২৯ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।সালিম বিন আবদুল্লাহ বিন উমর বিন আল-খাত্তাব আবু উমর; মতান্তরে আবু আবদুল্লাহ। তিনি মদিনার সাতজন প্রসিদ্ধ ফকিহ ইমামের একজন। তিনি তাঁর পিতা, আবু হুরাইরা এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আবু বকর, ইবনে শিহাব এবং এক বিশাল জনগোষ্ঠী বর্ণনা করেছেন। ইবনে আল-মুসাইয়িব বলেন, "উমরের সন্তানদের মধ্যে আবদুল্লাহ তাঁর সবচেয়ে বেশি সদৃশ ছিলেন, আর সালিম তাঁর পিতা আবদুল্লাহর সবচেয়ে বেশি সদৃশ ছিলেন।" মালিক বলেন, "যুহদ (দুনিয়াবিমুখতা), শ্রেষ্ঠত্ব এবং জীবনযাপনের ক্ষেত্রে সালিমের যুগে তাঁর মতো পূর্ববর্তী পুণ্যবানদের সদৃশ আর কেউ ছিল না।" ইবনে উইয়াইনাহ উল্লেখ করেছেন যে, হিশাম বিন আবদুল মালিক কাবাঘরে প্রবেশ করে সালিমকে দেখতে পান এবং বলেন, "আমার কাছে আপনার কোনো প্রয়োজনে কিছু চান।" তিনি বললেন, "নিশ্চয়ই আমি আল্লাহর ঘরে থাকাবস্থায় তাঁর ছাড়া অন্য কারো কাছে কিছু চাইতে লজ্জা বোধ করি।" যখন তিনি বের হলেন, হিশাম তাঁকে বললেন, "এখন আমার কাছে চান।" তিনি বললেন, "আল্লাহর কসম, আমি তো দুনিয়া তাঁর কাছেই চাইনি যিনি এর প্রকৃত মালিক, তবে এমন ব্যক্তির কাছে কীভাবে চাইব যে এর মালিক নয়?" তিনি ১০৬ হিজরি সনের জিলকদ মাসে, মতান্তরে জিলহজ মাসে মৃত্যুবরণ করেন; কারো মতে এটি ১০৭ হিজরি।সালিম আবু আল-গাইস আল-মাদানি, তিনি আবদুল্লাহ বিন মুতি আল-আদাউয়ির মুক্তদাস। তিনি আবু হুরাইরা ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে সাওর বিন জায়েদ, সাফওয়ান বিন সুলাইম এবং একদল রাবি বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ি ও ইবনে মাঈন তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।সায়িব বিন খাল্লাদ বিন সুওয়াইদ আল-আনসারি আবু সাহলা। তিনি সাহাবি এবং তাঁর থেকে হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র খাল্লাদ, আতা বিন ইয়াসার এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন।সায়িব বিন ইয়াজিদ বিন সাঈদ বিন সুমামাহ আল-কিন্দি। তিনি এবং তাঁর পিতা উভয়ই সাহাবি। তিনি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে এবং তাঁর পিতা, মামা আলা বিন আল-হাদরামি, উমর, উসমান, তালহা, সাদ এবং একদল সাহাবি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আবদুল্লাহ, জুহরি, ইয়াহইয়া আল-আনসারি এবং এক বিশাল দল বর্ণনা করেছেন। তিনি ৯১ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন, মতান্তরে ৯৬ বা ৮৮ হিজরি সনে; তখন তাঁর বয়স ছিল ৮৮ বছর।সাদ বিন ইসহাক বিন কাব বিন উজরা আল-কুদায়ি, অতঃপর আল-বালাউয়ি আল-মাদানি, আনসারদের মিত্র। তিনি তাঁর পিতা, দুই চাচা আবদুল মালিক ও জায়নাব, আনাস এবং আবু সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, শুবা, সাওরি, ইবনে জুরাইজ এবং এক বিশাল দল বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন, নাসায়ি ও অন্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ১৪০ হিজরির পর মৃত্যুবরণ করেন।সাদ বিন উবাইদ আবু উবাইদ আজ-জুহরি আল-মাদানি, আবদুর রহমান বিন আজহারের মুক্তদাস। তিনি উমর, আলী, উসমান ও আবু হুরাইরা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে জুহরি ও একদল রাবি বর্ণনা করেছেন। ইবনে সাদ বলেন, তিনি কারি ও ফকিহদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং নির্ভরযোগ্য ছিলেন। তিনি ৯৮ হিজরি সনে মদিনায় মৃত্যুবরণ করেন।সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস মালিক বিন আবি উহাইব বিন আবদ মানাফ বিন জুহরা বিন কিলাব বিন মুররা আজ-জুহরি আবু ইসহাক। তিনি জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশজনের একজন এবং আল্লাহর রাস্তায় প্রথম তীর নিক্ষেপকারী। তিনি ইসলামের অশ্বারোহী বীর এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রক্ষী ছিলেন; যখন রাসুলুল্লাহ বলেছিলেন, "হায়! যদি কোনো নেককার ব্যক্তি আজ রাতে আমাকে পাহারা দিত।" তিনি ইসলাম গ্রহণকারী প্রথম সাতজনের সপ্তম ব্যক্তি, শুরা কমিটির ছয়জনের একজন এবং সেই ছয়জনের একজন যাঁদের ওপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সন্তুষ্ট অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। তিনি সেই ব্যক্তিদের একজন যাঁদের জন্য রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর পিতা-মাতাকে উৎসর্গ করার কথা বলেছিলেন। তিনি মুজাবুদ দাওয়াহ (যাঁর দোয়া কবুল হয়) এবং লক্ষ্যভেদী তীরন্দাজদের একজন ছিলেন। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর জন্য দোয়া করেছিলেন: "হে আল্লাহ! তার লক্ষ্য স্থির করে দিন এবং তার দোয়া কবুল করুন।" তিনিই পারস্য যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং কুফা শহর পত্তন করেছিলেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্রগণ—ইব্রাহিম, উমর, মুহাম্মদ, আমির, মুসআব ও আয়েশা এবং ইবনে আব্বাস, ইবনে উমর ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। তিনি সেই ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা ফিতনার সময় নির্জনতা অবলম্বন করেছিলেন এবং নিজ ঘরে অবস্থান করেছিলেন; তিনি তাঁর পরিবারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন তারা মানুষের কোনো সংবাদ তাঁকে না জানায় যতক্ষণ না উম্মত কোনো একজন ইমামের ওপর ঐক্যবদ্ধ হয়। তিনি মদিনা থেকে দশ মাইল দূরে আকিক নামক স্থানে মৃত্যুবরণ করেন এবং কাঁধে বহন করে জান্নাতুল বাকিতে নিয়ে আসা হয়। তাঁর মৃত্যু ৫৫ হিজরি সনে হয়েছিল, মতান্তরে ৫৬, ৫৭, ৫৮ বা ৫৪ হিজরি সনে; তখন তাঁর বয়স ছিল ৮৩ বছর, মতান্তরে ৮২ বা ৭৪ বছর।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ১২)
سعيد بن جُبَير بن هِشَام الْوَالِبِي مَوْلَاهُم أَبُو مُحَمَّد يوقال أَبُو عبد الله الْكُوفِي أحد الْأَئِمَّة الْأَعْلَام روى عَن بن عمر وَابْن عَبَّاس وَابْن الزبير وَأبي سعيد وَطَائِفَة وَعنهُ الْأَعْمَش وَسَلَمَة بن كهيل وخلائق وَكَانَ يخْتم الْقُرْآن فِي كل لَيْلَتَيْنِ وَكَانَ بن عَبَّاس إِذا أَتَاهُ أهل الْكُوفَة يستفتونه يَقُول أَلَيْسَ فِيكُم سعيد بن جُبَير قَتله الْحجَّاج شَهِيدا فِي شعْبَان سنة خمس وَتِسْعين وَهُوَ بن سبع وَخمسين وَقيل تسع وَأَرْبَعين قَالَ مَيْمُون بن مهْرَان وَلَقَد مَاتَ وَمَا على ظهر الأَرْض أحد إِلَّا وَهُوَ مُحْتَاج إِلَى علمهسعيد بن أبي سعيد كيسَان المَقْبُري أَبُو سعيد الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَأبي هُرَيْرَة وَأبي سعيد الْخُدْرِيّ وَابْن عمر وَأنس وَآخَرين وَعنهُ مَالك وَاللَّيْث وَابْن أبي ذِئْب وخلائق وَاتَّفَقُوا على توثيقه وَقَالَ الْوَاقِدِيّ كبر وَاخْتَلَطَ قبل مَوته بِأَرْبَع سِنِين مَاتَ سنة ثَلَاث وَعشْرين وَمِائَةسعيد بن سَلمَة المَخْزُومِي روى عَن الْمُغيرَة بن أبي بردة عَن أبي هُرَيْرَة حَدِيث الْبَحْر هُوَ الطّهُور مَاؤُهُ وَعنهُ صَفْوَان بن سليم والجلاح أَبُو كثير وَثَّقَهُ النَّسَائِيّسعيد وَقيل سعد بن عَمْرو بن سليم الْأنْصَارِيّ الزرقي روى عَن أَبِيه وَالقَاسِم بن مُحَمَّد وَغَيرهمَا وَعنهُ مَالك وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ بن معِين وَابْن حبَان مَاتَ سنة أَربع وَثَلَاثِينَ وَمِائَةسعيد بن عَمْرو بن شُرَحْبِيل الْأنْصَارِيّ الْمدنِي روى عَن أَبِيه عَن جده وَعنهُ مَالك والداروردي وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ النَّسَائِيّسعيد بن الْمسيب بن حزن بن أبي وهب بن عَمْرو بن عائل بن عمرَان بن مَخْزُوم أَبُو مُحَمَّد المَخْزُومِي الْمدنِي سيد فُقَهَاء التَّابِعين روى عَن أَبِيه وَعَن عمر وَاخْتلف فِي سَمَاعه مِنْهُ وَعَن عُثْمَان وَعلي وَأبي مُوسَى فِي آخَرين وَعنهُ الزُّهْرِيّ وَيحيى بن سعيد الْأنْصَارِيّ وَآخَرُونَ قَالَ قَتَادَة مَا رَأَيْت أحد قطّ أعلم بالحلال وَالْحرَام مِنْهُ وَقَالَ مَكْحُول مَا لقِيت أعلم مِنْهُ وَقَالَ سُلَيْمَان بن مُوسَى إِنَّه أفقه التَّابِعين وَقَالَ أَحْمد إِنَّه أفضل التَّابِعين وَقَالَ بن الْمَدِينِيّ لَا أعلم أحدا فِي التَّابِعين أوسع علما مِنْهُ وَهُوَ عِنْدِي أجل التَّابِعين وَقَالَ أَحْمد إِنَّه أفضل التَّابِعين وَقَالَ بن الْمَدِينِيّ لَا أعلم أحدا فِي التَّابِعين أوسع علما مِنْهُ وَهُوَ عِنْدِي أجل التَّابِعين وَقَالَ أَبُو حَاتِم لَيْسَ فِي التَّابِعين أنبل مِنْهُ وَقَالَ بن حبَان هُوَ سيد التَّابِعين وَقَالَ الشَّافِعِي وَأحمد وَغير وَاحِد مَرَاسِيل بن الْمسيب صِحَاح مَاتَ سنة ثَلَاث وَقيل أَربع وَتِسْعين ومولده سنة خمس عشرَة وَقيل سبع عشرَة وَقيل إِحْدَى وَعشْرينسعيد بن أبي هِنْد الْفَزارِيّ الْمدنِي مولى سَمُرَة روى عَن بن عَبَّاس وَأبي هُرَيْرَة وَأبي مُوسَى وَطَائِفَة وَعنهُ ابْنه عبد الله وَابْن إِسْحَاق وَنَافِع وَيزِيد بن أبي حبيب وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ بن حبَان وَغَيره مَاتَ فِي أول خلَافَة هِشَامسُفْيَان بن أبي زُهَيْر واسْمه القرد الْأَزْدِيّ الشنائي لَهُ صُحْبَة وَرِوَايَة روى عَنهُ بن الزبير والسائب بن يزِيد وَعُرْوَة عداده فِي أهل الْمَدِينَةسَلمَة بن دِينَار أَبُو حَازِم الْأَعْرَج الزَّاهِد روى عَن سهل بن سعد وَعَن بن عَمْرو وَابْن عمر وَلم يسمع مِنْهُمَا وَعَن مُحَمَّد بن الْمُنْكَدر وَسَعِيد بن الْمسيب وَأم الدَّرْدَاء الصُّغْرَى وَأبي إِدْرِيس الْخَولَانِيّ وَعنهُ الزُّهْرِيّ وَهُوَ أكبر مِنْهُ وَمَالك والسفيانان والحمادان وَخلق وَكَانَ ثِقَة كثير الحَدِيث وَكَانَ يقص فِي مَسْجِد الْمَدِينَة مَاتَ بعد سنة أَرْبَعِينَ وَمِائَةسَلمَة بن صَفْوَان بن سَلمَة الْأنْصَارِيّ الزرقي الْمدنِي روى عَن أبي سَلمَة بن عبد الرَّحْمَن وَيزِيد بن ركَانَة وَعنهُ مَالك وَابْن إِسْحَاق وفليح وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ النَّسَائِيّسُلَيْمَان بن يسَار الْهِلَالِي أَبُو أَيُّوب الْمدنِي أحد الْأَعْلَام روى عَن زيد بن ثَابت وَأبي هُرَيْرَة وَعَائِشَة وَابْن عَبَّاس والمقداد وَجَابِر ومولاته مَيْمُونَة وَأم سَلمَة وَطَائِفَة وَعنهُ ابْنه عبد الله وَمَكْحُول وَقَتَادَة وَالزهْرِيّ وَخلق قَالَ الزُّهْرِيّ كَانَ من الْعلمَاء وَقَالَ النَّسَائِيّ أحد الْأَئِمَّة وَقَالَ أَبُو زرْعَة ثِقَة مَأْمُون فَاضل عَابِد مَاتَ سنة سبع وَمِائَة وَله ثَلَاث وَسَبْعُونَ سنة
সাঈদ ইবনে জুবায়ের ইবনে হিশাম আল-ওয়ালিবি, তাঁদের মুক্তদাস, আবু মুহাম্মদ, মতান্তরে আবু আব্দুল্লাহ আল-কুফি। তিনি অন্যতম শীর্ষ ইমাম। তিনি ইবনে ওমর, ইবনে আব্বাস, ইবনে যুবায়ের, আবু সাঈদ এবং একদল বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আল-আমাশ, সালামা ইবনে কুহায়ল এবং বহু সংখ্যক বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। তিনি প্রতি দুই রাতে একবার কুরআন খতম করতেন। ইবনে আব্বাস যখন কুফাবাসী ফতোয়া জিজ্ঞেস করতে আসতেন, তখন তিনি বলতেন: "তোমাদের মাঝে কি সাঈদ ইবনে জুবায়ের নেই?" হাজ্জাজ তাঁকে পঁচানব্বই হিজরির শাবান মাসে শহীদ করেন। তখন তাঁর বয়স ছিল সাতান্ন বছর, মতান্তরে উনপঞ্চাশ বছর। মাইমুন ইবনে মিহরান বলেন: "তিনি যখন মৃত্যুবরণ করেন, তখন ভূপৃষ্ঠের প্রতিটি মানুষই তাঁর জ্ঞানের মুখাপেক্ষী ছিল।"সাঈদ ইবনে আবু সাঈদ কায়সান আল-মাকবুরি, আবু সাঈদ আল-মাদানি। তিনি তাঁর পিতা, আবু হুরায়রা, আবু সাঈদ আল-খুদরি, ইবনে ওমর, আনাস এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালেক, আল-লাইস, ইবনে আবু যিব এবং বহু সংখ্যক বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। সকলে তাঁকে নির্ভরযোগ্য হওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছেন। আল-ওয়াকিদি বলেছেন: তিনি বার্ধক্যে উপনীত হয়ে মৃত্যুর চার বছর আগে স্মৃতিভ্রমের শিকার হয়েছিলেন। তিনি একশ তেইশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।সাঈদ ইবনে সালামা আল-মাখযুমি। তিনি আল-মুগিরা ইবনে আবু বুরদা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে সমুদ্র বিষয়ক হাদিস "এর পানি পবিত্র" বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে সাফওয়ান ইবনে সুলাইম এবং আল-জুলাহ আবু কাসির বর্ণনা করেছেন। নাসায়ি তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।সাঈদ—মতান্তরে সাদ—ইবনে আমর ইবনে সুলাইম আল-আনসারি আজ-যুরাকি। তিনি তাঁর পিতা এবং কাসিম ইবনে মুহাম্মদ প্রমুখ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালেক এবং একদল বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাইন ও ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি একশ চৌত্রিশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।সাঈদ ইবনে আমর ইবনে শুরাহবিল আল-আনসারি আল-মাদানি। তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালেক, আদ-দারওয়ারদি এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। নাসায়ি তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।সাঈদ ইবনে আল-মুসাইয়িব ইবনে হাযন ইবনে আবু ওয়াহাব ইবনে আমর ইবনে আইল ইবনে ইমরান ইবনে মাখযুম, আবু মুহাম্মদ আল-মাখযুমি আল-মাদানি। তিনি তাবেয়িদের ফকিহদের সরদার। তিনি তাঁর পিতা থেকে এবং ওমর থেকে বর্ণনা করেছেন—তবে ওমরের থেকে তাঁর সরাসরি শোনার বিষয়ে মতভেদ আছে—এবং ওসমান, আলী, আবু মুসা প্রমুখ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে যুহরি, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-আনসারি এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। কাতাদা বলেন: "আমি হালাল ও হারাম বিষয়ে তাঁর চেয়ে অধিক জ্ঞানী কাউকে দেখিনি।" মাকহুল বলেন: "আমি তাঁর চেয়ে বড় আলেমের সাক্ষাৎ পাইনি।" সুলাইমান ইবনে মুসা বলেন: "তিনি তাবেয়িদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ফকিহ।" আহমাদ বলেন: "তিনি তাবেয়িদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ।" ইবনে আল-মাদিনি বলেন: "তাবেয়িদের মধ্যে তাঁর চেয়ে বিস্তৃত জ্ঞানের অধিকারী কাউকে আমি জানি না এবং তিনি আমার নিকট তাবেয়িদের মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাবান।" আবু হাতিম বলেন: "তাবেয়িদের মধ্যে তাঁর চেয়ে বেশি সম্মানিত কেউ নেই।" ইবনে হিব্বান বলেন: "তিনি তাবেয়িদের সরদার।" শাফেয়ি, আহমাদ এবং আরও অনেকে বলেছেন: "ইবনে আল-মুসাইয়িবের মুরসাল বর্ণনাগুলো সহিহ।" তিনি তেরানব্বই হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, মতান্তরে চুরানব্বই হিজরিতে। তাঁর জন্ম পনেরো হিজরিতে, মতান্তরে সতেরো হিজরিতে, আবার বলা হয় একুশ হিজরিতে।সাঈদ ইবনে আবু হিন্দ আল-ফাযারি আল-মাদানি, সামুরার মুক্তদাস। তিনি ইবনে আব্বাস, আবু হুরায়রা, আবু মুসা এবং একদল থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহ, ইবনে ইসহাক, নাফে, ইয়াজিদ ইবনে আবু হাবিব এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান ও অন্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি হিশামের খিলাফতের শুরুতে মৃত্যুবরণ করেন।সুফিয়ান ইবনে আবু জুহায়ের, তাঁর নাম আল-কিরদ আল-আসম্প্রতি আযদি আশ-শানাঈ। তাঁর সাহচর্য (সাহাবিয়াত) ও বর্ণনা রয়েছে। তাঁর থেকে ইবনে যুবায়ের, সায়েব ইবনে ইয়াজিদ এবং উরওয়া বর্ণনা করেছেন। তিনি মদিনাবাসীদের অন্তর্ভুক্ত।সালামা ইবনে দিনার, আবু হাযেম আল-আরাজ, প্রখ্যাত যাহিদ (তপস্বী)। তিনি সাহল ইবনে সাদ থেকে বর্ণনা করেছেন। এছাড়া ইবনে আমর ও ইবনে ওমর থেকে বর্ণনা করেছেন যদিও তাঁদের থেকে সরাসরি শোনেননি। আরও বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আল-মুনকাদির, সাঈদ ইবনে আল-মুসাইয়িব, উম্মুদ দারদা আস-সুগরা এবং আবু ইদ্রিস আল-খাওলানি থেকে। তাঁর থেকে যুহরি বর্ণনা করেছেন—অথচ তিনি তাঁর চেয়ে বয়সে বড়—মালেক, দুই সুফিয়ান, দুই হাম্মাদ এবং এক বিশাল জনগোষ্ঠী বর্ণনা করেছেন। তিনি নির্ভরযোগ্য ও প্রচুর হাদিসের অধিকারী ছিলেন। তিনি মদিনার মসজিদে ওয়াজ করতেন। তিনি একশ চল্লিশ হিজরির পর মৃত্যুবরণ করেন।সালামা ইবনে সাফওয়ান ইবনে সালামা আল-আনসারি আজ-যুরাকি আল-মাদানি। তিনি আবু সালামা ইবনে আব্দুর রহমান ও ইয়াজিদ ইবনে রুমানা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালেক, ইবনে ইসহাক, ফুলাইহ এবং একটি দল বর্ণনা করেছেন। নাসায়ি তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।সুলাইমান ইবনে ইয়াসার আল-হিলালি, আবু আইয়ুব আল-মাদানি, অন্যতম শ্রেষ্ঠ আলেম। তিনি যায়েদ ইবনে সাবিত, আবু হুরায়রা, আয়েশা, ইবনে আব্বাস, মিকদাদ, জাবের, তাঁর মনিব মাইমুনা এবং উম্মে সালামা ও একদল বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহ, মাকহুল, কাতাদা, যুহরি এবং বহু সংখ্যক বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। যুহরি বলেন: "তিনি আলেমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।" নাসায়ি বলেন: "অন্যতম ইমাম।" আবু যুরআ বলেন: "নির্ভরযোগ্য, বিশ্বস্ত, মর্যাদাবান ও ইবাদতগুজার।" তিনি একশ সাত হিজরিতে তিয়াত্তর বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ১৩)
سمي الْقرشِي المَخْزُومِي أَبُو عبد الله الْمدنِي عَن مَوْلَاهُ أبي بكر بن عبد الرَّحْمَن بن الْحَارِث وَسَعِيد بن الْمسيب وَأبي صَالح السمان وَغَيرهم وَعنهُ مَالك وَسُهيْل بن أبي صَالح وَيحيى الْأنْصَارِيّ وهما من أقرانه والسفيانان وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ أَحْمد وَأَبُو حَاتِم قتلته الحرورية يَوْم قديدسهل بن أبي حثْمَة واسْمه عبد الله وَقيل عَامر بن سَاعِدَة الْأنْصَارِيّ الْمدنِي لَهُ صُحْبَة وَرِوَايَة روى عَنهُ ابْنه مُحَمَّد وَصَالح بن خَوات وَعُرْوَة وَنَافِع بن جُبَير وَجَمَاعَة قَالَ أَبُو حَاتِم بَايع تَحت الشَّجَرَة وَكَانَ دَلِيل النَّبِي صلى الله عليه وسلم لَيْلَة أحد وَشهد الْمشَاهد كلهَا إِلَّا بَدْرًاسهل بن حنيف بن وهب الْأنْصَارِيّ أَبُو ثَابت شهد بَدْرًا والمشاهد كلهَا روى عَنهُ ابناه أَبُو أُمَامَة أسعد وَعبد الله وَابْن أبي ليلى وَآخَرُونَ قَالَ بن عبد الْبر ثَبت يَوْم أحد وَشهد مَعَ عَليّ صفّين وَمَات بِالْكُوفَةِ سنة ثَمَان وَثَلَاثِينَسهل بن سعد بن مَالك بن خَالِد الْأنْصَارِيّ السَّاعِدِيّ الْمدنِي آخر من مَاتَ من الصَّحَابَة بِالْمَدِينَةِ مَاتَ سنة ثَمَان وَثَمَانِينَ وَقيل سنة إِحْدَى وَتِسْعين وَهُوَ بن مائَة سنة روى عَنهُ ابْنه عَيَّاش وَالزهْرِيّ وَآخَرُونَسُهَيْل بن أبي صَالح ذكْوَان السمان أَبُو يزِيد الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَابْن الْمسيب وَعبد الله بن دِينَار وَطَائِفَة وَعنهُ مَالك وَالْأَعْمَش وَرَبِيعَة وهما من شُيُوخه ومُوسَى بن عقبَة وَهُوَ من أقرانه وَابْن جريج وَشعْبَة والسفيانان والحمادان وَخلق وَثَّقَهُ بن عُيَيْنَة وَالْعجلِي وَابْن عدي وَغَيرهمسُوَيْد بن النُّعْمَان بن مَالك بن عَامر الْأنْصَارِيّ الْمدنِي أحد أَصْحَاب الشَّجَّة وَقيل إِنَّه شهد أحدا وَمَا بعْدهَا روى عَنهُ بشير بن يسَار(حرف الشين) شُرَحْبِيل بن سعيد بن سعد بن عبَادَة الْأنْصَارِيّ روى عَن أَبِيه وجده وَعنهُ ابْنه عَمْرو وَعبد الله بن مُحَمَّد بن عقيل وَثَّقَهُ بن حبَانشريك بن عبد الله بن أبي نمر الْمدنِي روى عَن أنس وَابْن الْمسيب وَعَطَاء وَطَائِفَة وَعنهُ مَالك وَالثَّوْري وَأَبُو حَمْزَة وَآخَرُونَ قَالَ بن سعد ثِقَة كثير الحَدِيث وَوَثَّقَهُ أَيْضا النَّسَائِيّ وَابْن معِين وَابْن عدي مَاتَ بعد سنة أَرْبَعِينَ وَمِائَةشُعَيْب بن مُحَمَّد بن عبد الله بن عَمْرو بن العَاصِي الْقرشِي وَقد نسب إِلَى جده روى عَن أَبِيه وجده وَعَن عبَادَة بن الصَّامِت وَابْن عمر وَابْن عَبَّاس وَمُعَاوِيَة وَعنهُ ابناه عمر وَعَمْرو ثَابت الْبنانِيّ وَعَطَاء الْخُرَاسَانِي وَغَيرهم وَثَّقَهُ بن حبَان(حرف الصَّاد) صَالح بن خَوات بن جُبَير الْأنْصَارِيّ الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَسَهل بن أبي حثْمَة وَعنهُ ابْنه خَوات وعامر بن عبد الله بن الزبير وَالقَاسِم بن مُحَمَّد وَغَيرهم وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَغَيرهصَالح بن كيسَان الْمدنِي مولى غفار عَن بن عمر وَابْن الزبير وَسَالم وَنَافِع وَطَائِفَة وَعنهُ مَالك وَابْن جريج وَعَمْرو بن دِينَار وَابْن إِسْحَاق وَابْن عُيَيْنَة وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ أَحْمد وَابْن معِين وَجَمَاعَة مَاتَ بعد أَرْبَعِينَ وَمِائَة وَهُوَ بن مائَة ونيف وَسِتِّينَ سنةصعصعة بن مَالك بَصرِي روى عَن أبي هُرَيْرَة فِي الرُّؤْيَا وَعنهُ ابْنه زفير وَابْن أَخِيه صابىء بن يسَار وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَابْن حبَان وَقَالَ روى عَن أبي هُرَيْرَة وَمَا أَظُنهُ لقِيهصَفْوَان بن سليم الْمدنِي الزُّهْرِيّ مَوْلَاهُم الْفَقِيه روى عَن مَوْلَاهُ حميد بن عبد الرَّحْمَن بن عَوْف وَعَن بن عمر وَأنس وَعبد الله بن جَعْفَر وَجَمَاعَة وَعنهُ مَالك وَزيد بن أسلم وَابْن الْمُنْكَدر وَاللَّيْث والسفيانان وَخلق قَالَ بن سعد كَانَ ثِقَة كثير الحَدِيث عابدا وَقَالَ أَحْمد هَذَا رجل يستشفي بحَديثه وَينزل الْقطر من السَّمَاء بِذكرِهِ وَقَالَ يَعْقُوب بن شيبَة ثِقَة ثَبت مَشْهُور بِالْعبَادَة مَاتَ سنة أَربع وَعشْرين وَمِائَة
সুমাই আল-কুরাশি আল-মাখজুমি আবু আব্দুল্লাহ আল-মাদানি। তিনি তাঁর মাওলা আবু বকর বিন আব্দুর রহমান বিন আল-হারিস, সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব, আবু সালিহ আস-সাম্মান ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, সুহাইল বিন আবু সালিহ এবং ইয়াহইয়া আল-আনসারি বর্ণনা করেছেন, যারা তাঁর সমসাময়িক ছিলেন। এছাড়াও দুই সুফইয়ান এবং অন্যান্যরা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। আহমদ ও আবু হাতিম তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। কাদিদ-এর যুদ্ধের দিন হারুরিয়াগণ তাঁকে হত্যা করে।সাহল বিন আবি হাসমাহ, তাঁর নাম আব্দুল্লাহ, বলা হয় আমির বিন সায়েদাহ আল-আনসারি আল-মাদানি। তাঁর সাহচর্য ও বর্ণনা রয়েছে। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র মুহাম্মদ, সালিহ বিন খাওয়ারাত, উরওয়াহ, নাফি বিন জুবাইর এবং একদল রাবি বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেন, তিনি বৃক্ষের নিচে বায়আত গ্রহণ করেছিলেন এবং উহুদ যুদ্ধের রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পথপ্রদর্শক ছিলেন। বদর ব্যতীত তিনি সকল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।সাহল বিন হুনাইফ বিন ওয়াহাব আল-আনসারি আবু সাবিত। তিনি বদর এবং সকল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর দুই পুত্র আবু উমামাহ আসআদ ও আব্দুল্লাহ, ইবনে আবি লাইলা এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে আব্দুল বার বলেন, তিনি উহুদ যুদ্ধের দিন দৃঢ় ছিলেন এবং আলী (রা.)-এর সাথে সিফফিনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি আটত্রিশ হিজরিতে কুফায় মৃত্যুবরণ করেন।সাহল বিন সাদ বিন মালিক বিন খালিদ আল-আনসারি আস-সায়েদি আল-মাদানি। তিনি মদিনায় মৃত্যুবরণকারী সর্বশেষ সাহাবি। তিনি আটাশি হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, মতান্তরে একানব্বই হিজরিতে, তখন তাঁর বয়স ছিল একশ বছর। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আইয়াশ, জুহরি এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন।সুহাইল বিন আবু সালিহ যাকওয়ান আস-সাম্মান আবু ইয়াজিদ আল-মাদানি। তিনি তাঁর পিতা, ইবনুল মুসাইয়িব, আব্দুল্লাহ বিন দিনার এবং একদল থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, আমাশ, রাবিয়াহ (যাঁরা তাঁর উস্তাদদের অন্তর্ভুক্ত), মুসা বিন উকবাহ (যিনি তাঁর সমসাময়িক), ইবনে জুরাইজ, শু'বাহ, দুই সুফইয়ান, দুই হাম্মাদ এবং বহু সংখ্যক বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। ইবনে উয়াইনাহ, আল-ইজলি, ইবনে আদি এবং অন্যান্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।সুয়াইদ বিন আন-নুমান বিন মালিক বিন আমির আল-আনসারি আল-মাদানি। তিনি বৃক্ষের নিচে বায়আত গ্রহণকারীদের একজন। বলা হয় তিনি উহুদ ও পরবর্তী যুদ্ধসমূহে অংশগ্রহণ করেছেন। তাঁর থেকে বাশির বিন ইয়াসার বর্ণনা করেছেন।(শিন বর্ণ) শুরাহবিল বিন সাঈদ বিন সাদ বিন উবাদাহ আল-আনসারি। তিনি তাঁর পিতা ও দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আমর, আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আকিল বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।শারিক বিন আব্দুল্লাহ বিন আবি নামির আল-মাদানি। তিনি আনাস, ইবনুল মুসাইয়িব, আতা এবং একদল রাবি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, সাওরি, আবু হামজাহ এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে সাদ বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য এবং প্রচুর হাদিস বর্ণনাকারী ছিলেন। নাসায়ি, ইবনে মাইন এবং ইবনে আদিও তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি একশ চল্লিশ হিজরির পরে মৃত্যুবরণ করেন।শুআইব বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আস আল-কুরাশি। কখনও তাঁকে তাঁর দাদার দিকে সম্বন্ধ করা হয়। তিনি তাঁর পিতা ও দাদা থেকে এবং উবাদাহ বিন আস-সামিত, ইবনে উমর, ইবনে আব্বাস ও মুয়াবিয়া থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর দুই পুত্র উমর ও আমর, সাবিত আল-বুনানি, আতা আল-খুরাসানি এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।(সদ বর্ণ) সালিহ বিন খাওয়ারাত বিন জুবাইর আল-আনসারি আল-মাদানি। তিনি তাঁর পিতা ও সাহল বিন আবি হাসমাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র খাওয়ারাত, আমির বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-জুবাইর, কাসিম বিন মুহাম্মদ এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। নাসায়ি এবং অন্যান্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।সালিহ বিন কাইসান আল-মাদানি, গিফার গোত্রের মাওলা। তিনি ইবনে উমর, ইবনে আল-জুবাইর, সালিম, নাফি এবং একদল থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, ইবনে জুরাইজ, আমর বিন দিনার, ইবনে ইসহাক, ইবনে উয়াইনাহ এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। আহমদ, ইবনে মাইন এবং একদল উলামা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি একশ চল্লিশ হিজরির পরে মৃত্যুবরণ করেন, তখন তাঁর বয়স ছিল একশ ষাট বছরের কিছু বেশি।সা'সাআহ বিন মালিক আল-বাসরি। তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে স্বপ্ন সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র জুফাইর এবং তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র সাবি বিন ইয়াসার বর্ণনা করেছেন। নাসায়ি ও ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং বলেছেন: তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেছেন কিন্তু আমার মনে হয় না তিনি তাঁর সাক্ষাৎ পেয়েছেন।সাফওয়ান বিন সুলাইম আল-মাদানি আজ-জুহরি (তাঁদের মাওলা), তিনি একজন ফকিহ। তিনি তাঁর মাওলা হুমাইদ বিন আব্দুর রহমান বিন আউফ, ইবনে উমর, আনাস, আব্দুল্লাহ বিন জাফর এবং একদল রাবি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, যাইদ বিন আসলাম, ইবনুল মুনকাদির, লাইস, দুই সুফইয়ান এবং বহু সংখ্যক রাবি বর্ণনা করেছেন। ইবনে সাদ বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য, অধিক হাদিস বর্ণনাকারী এবং ইবাদতগুজার ছিলেন। ইমাম আহমদ বলেন, এটি এমন এক ব্যক্তি যাঁর হাদিসের মাধ্যমে আরোগ্য কামনা করা হয় এবং যাঁর স্মরণে আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষিত হয়। ইয়াকুব বিন শাইবাহ বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য, সুদৃঢ় এবং ইবাদতের জন্য প্রসিদ্ধ ছিলেন। তিনি একশ চব্বিশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ১৪)
صَفْوَان بن عبد الله الْأَكْبَر بن صَفْوَان بن أُميَّة الجُمَحِي الْمَكِّيّ روى عَن جده وَعلي وَسعد وَأبي الدَّرْدَاء وَابْن عمر وَحَفْصَة وَعنهُ الزُّهْرِيّ وَأَبُو الزبير الْمَكِّيّ وَعَمْرو بن دِينَار وَغَيرهم وَثَّقَهُ الْعجلِيّصفي بن زِيَاد الْأنْصَارِيّ أَبُو زِيَاد الْمدنِي مولى أَفْلح روى عَن أبي سعيد الْخُدْرِيّ وَأبي الْبشر السّلمِيّ وَابْن السَّائِب وَعنهُ مَالك وَسَعِيد المَقْبُري وَابْن أبي ذِئْب وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ بن حبَان وَغَيره(حرف الضَّاد) الضَّحَّاك بن قيس بن خَالِد الْقرشِي أَبُو أنيس الفِهري مُخْتَلف فِي صحبته روى عَنهُ مُعَاوِيَة وَأنس وَالشعْبِيّ وَسَعِيد بن جُبَير وَخلق شهد فتح دمشق وسكنها ثمَّ غلب عَلَيْهَا بعد يزِيد ودعا إِلَى بيعَة بن الزبير ثمَّ دَعَا إِلَى نَفسه وَقتل بمرج راهط فِي قِتَاله لمروان بن الحكم سنة أَربع أَو خمس وَسِتِّينَضَمرَة بن سعيد بن أبي حنة بالنُّون وَقيل بِالْبَاء الْمُوَحدَة الْأنْصَارِيّ الْمدنِي روى عَن عَمه حجاج بن عمر وَأبي سعيد وَأنس وَعنهُ ابْنه مُوسَى وَمَالك وَابْن عُيَيْنَة وفليح وعدة وَثَّقَهُ أَحْمد وَيحيى وَغَيرهمَا(حرف الطَّاء) طَاوس بن كيسَان الْيَمَانِيّ أَبُو عبد الرَّحْمَن الْحِمْيَرِي أحد الْأَئِمَّة الْأَعْلَام روى عَن أبي هُرَيْرَة وَزيد بن ثَابت وَزيد بن أَرقم وَجَابِر وَابْن عمر وَابْن عَبَّاس وَعَائِشَة وَعنهُ ابْنه عبد الله وَمُجاهد وَالزهْرِيّ وخلائق قَالَ بن حبَان كَانَ من عباد أهل الْيمن وَمن سَادَات التَّابِعين حج أَرْبَعِينَ حجَّة وَكَانَ مستجاب الدعْوَة مَاتَ سنة سِتّ وَمِائَةطَلْحَة بن عبد الْملك الْأَيْلِي روى عَن الْقَاسِم بن مُحَمَّد وَغَيره وَعنهُ مَالك وَيحيى الْقطَّان وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ أَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ وَجَمَاعَةطَلْحَة بن عبيد الله بن عُثْمَان الْقرشِي التَّيْمِيّ أَبُو مُحَمَّد الْمدنِي أحد الْعشْرَة الْمَشْهُود لَهُم بِالْجنَّةِ شهد أحدا وَسَائِر الْمشَاهد بعْدهَا وارى رَسُول الله صلى الله عليه وسلم بِيَدِهِ يَوْم أحد فشلت روى عَنهُ بنوه مُوسَى وَعِيسَى وَيحيى وَعمْرَان وَإِسْحَاق وَقيس بن أبي حَازِم وَأَبُو عُثْمَان النَّهْدِيّ وعدة قتل يَوْم الْجمل لعشر خلون من جُمَادَى الْآخِرَة سنة سِتّ وَثَلَاثِينَ وَله أَربع وَسِتُّونَ سنة قَالَ الْعجلِيّ يُقَال إِن مَرْوَان قَتلهطَلْحَة بن عبيد الله بن كريز بن جَابر الْخُزَاعِيّ الكعبي روى عَن الْحُسَيْن وَابْن عمر وَأبي الدَّرْدَاء وَعَائِشَة وَغَيرهم وَعنهُ مَالك وَابْن إِسْحَاق وَحَمَّاد بن سملة وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ أَحْمد وَالنَّسَائِيّ(حرف الْعين) عَاصِم بن عدي الْمدنِي الْعجْلَاني الْقُضَاعِي حليق الْأَنْصَار شهد أحدا وَمَا بعْدهَا روى عَنهُ أَبُو البداح وَسَهل بن سعد وَالشعْبِيّ مَاتَ سنة خمس وَأَرْبَعين وَهُوَ بن مائَة وَعشْرين سنة وَهُوَ مِمَّن ضرب لَهُ فِي بدر بِسَهْم وَلم يشهدهاعَامر بن سعد بن أبي وَقاص الزُّهْرِيّ الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَعُثْمَان وَالْعَبَّاس وَعَائِشَة وَأبي هُرَيْرَة وَأبي سعيد وَجَمَاعَة وَعنهُ ابْنه دَاوُد وَابْن أُخْته سعد بن إِبْرَاهِيم وَسَالم أَبُو النَّضر وَالزهْرِيّ وَابْن الْمُنْكَدر وَعَمْرو بن دِينَار وَخلق وَثَّقَهُ بن حبَان وَمَات سنة سِتّ وَتِسْعين وَيُقَال سنة ثَلَاث وَمِائَة
সাফওয়ান বিন আব্দুল্লাহ আল-আকবার বিন সাফওয়ান বিন উমাইয়া আল-জুমাহি আল-মাক্কী। তিনি তাঁর দাদা, আলী, সাদ, আবু দারদা, ইবনে উমর ও হাফসা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন যুহরী, আবু যুবায়ের আল-মাক্কী, আমর বিন দীনার ও অন্যান্যরা। আল-ইজলী তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।সাফী বিন যিয়াদ আল-আনসারী আবু যিয়াদ আল-মাদানী, আফলাহ-এর মুক্তদাস। তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী, আবু আল-বিশর আস-সুলামী ও ইবনে আস-সাইব থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন মালিক, সাঈদ আল-মাকবুরী, ইবনে আবী যিব ও একদল রাবী। ইবনে হিব্বান ও অন্যান্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।(বর্ণ: দাদ) আদ-দাহহাক বিন কাইস বিন খালিদ আল-কুরাশী আবু আনীস আল-ফিহরী। তাঁর সাহাবী হওয়ার বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। তাঁর থেকে মুয়াবিয়া, আনাস, শা'বী, সাঈদ বিন জুবায়ের ও বহু লোক বর্ণনা করেছেন। তিনি দামেস্ক বিজয়ে উপস্থিত ছিলেন এবং সেখানে বসবাস করতেন। অতঃপর ইয়াজীদের পর তিনি সেখানে বিজয়ী হন এবং ইবনে যুবায়েরের বাইয়াতের দিকে আহ্বান জানান, এরপর নিজের জন্য আহ্বান জানান। ৬৫ হিজরী মতান্তরে ৬৪ হিজরীতে মারজ রাহিতে মারওয়ান বিন আল-হাকামের সাথে যুদ্ধে তিনি নিহত হন।দামরা বিন সাঈদ বিন আবী হান্না (নুন দিয়ে, কেউ কেউ বা দিয়ে বলেছেন) আল-আনসারী আল-মাদানী। তিনি তাঁর চাচা হাজ্জাজ বিন উমর, আবু সাঈদ ও আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর ছেলে মূসা, মালিক, ইবনে উয়াইনা, ফুলাইহ ও আরও অনেকে বর্ণনা করেছেন। আহমাদ, ইয়াহইয়া ও অন্যান্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।(বর্ণ: ত) তাউস বিন কায়সান আল-ইয়ামানী আবু আব্দুর রহমান আল-হিময়ারী। তিনি অন্যতম প্রধান ইমাম। তিনি আবু হুরায়রা, যায়েদ বিন সাবিত, যায়েদ বিন আরকাম, জাবির, ইবনে উমর, ইবনে আব্বাস ও আয়েশা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর ছেলে আব্দুল্লাহ, মুজাহিদ, যুহরী ও বহু লোক বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান বলেন, তিনি ইয়ামেনের ইবাদতগুজার এবং তাবেয়ীদের সর্দারদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি চল্লিশবার হজ করেছেন এবং তিনি মুস্তাজাবুদ দাওয়াহ (যার দোয়া কবুল হয়) ছিলেন। তিনি ১০৬ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।তালহা বিন আব্দুল মালিক আল-আইলী। তিনি আল-কাসিম বিন মুহাম্মদ ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, ইয়াহইয়া আল-কাত্তান ও একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। আবু দাউদ, নাসাঈ ও একদল আলিম তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।তালহা বিন উবাইদুল্লাহ বিন উসমান আল-কুরাশী আত-তাইমী আবু মুহাম্মদ আল-মাদানী। তিনি জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশজন সাহাবীর একজন। তিনি উহুদ এবং পরবর্তী সকল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। উহুদ যুদ্ধের দিন তিনি নিজের হাত দিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রক্ষা করেছিলেন, ফলে তাঁর হাতটি অবশ হয়ে যায়। তাঁর থেকে তাঁর ছেলেরা—মূসা, ঈসা, ইয়াহইয়া, ইমরান ও ইসহাক এবং কাইস বিন আবী হাযিম, আবু উসমান আন-নাহদী ও আরও অনেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি জুমাদাল আখিরা মাসের দশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর উটের যুদ্ধে (জঙ্গে জামাল) ৩৬ হিজরীতে নিহত হন, তখন তাঁর বয়স ছিল চৌষট্টি বছর। আল-ইজলী বলেন, বলা হয়ে থাকে যে মারওয়ান তাঁকে হত্যা করেছিল।তালহা বিন উবাইদুল্লাহ বিন কারীয বিন জাবির আল-খুযাঈ আল-কা'বী। তিনি হুসাইন, ইবনে উমর, আবু দারদা, আয়েশা ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, ইবনে ইসহাক, হাম্মাদ বিন সালামাহ ও একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। আহমাদ ও নাসাঈ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।(বর্ণ: আঈন) আসিম বিন আদী আল-মাদানী আল-আজলানী আল-কুদায়ী, আনসারদের মিত্র। তিনি উহুদ এবং পরবর্তী যুদ্ধসমূহে অংশ নিয়েছেন। তাঁর থেকে আবু আল-বাদ্দাহ, সাহল বিন সাদ ও শা'বী বর্ণনা করেছেন। তিনি ৪৫ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন, তখন তাঁর বয়স ছিল একশ বিশ বছর। তিনি তাঁদের অন্তর্ভুক্ত যাদের জন্য বদর যুদ্ধে গনীমতের অংশ বরাদ্দ করা হয়েছিল, যদিও তিনি তাতে উপস্থিত ছিলেন না।আমির বিন সা'দ বিন আবী ওয়াক্কাস আয-যুহরী আল-মাদানী। তিনি তাঁর পিতা, উসমান, আব্বাস, আয়েশা, আবু হুরায়রা, আবু সাঈদ ও একদল সাহাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর ছেলে দাউদ, ভাগ্নে সা'দ বিন ইবরাহীম, সালিম আবু আন-নাদর, যুহরী, ইবনে আল-মুনকাদির, আমর বিন দীনার ও বহু লোক বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ৯৬ হিজরীতে মতান্তরে ১০৩ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ১৫)
عَامر بن عبد الله بن الزبير بن الْعَوام الْأَسدي أَبُو الْحَارِث الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَأنس وَجَمَاعَة وَعنهُ مَالك وفليح وَسَعِيد المَقْبُري وَابْن عجلَان وَخلق وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَيحيى وَأَبُو حَاتِم وَقَالَ أَحْمد ثِقَة من أوثق النَّاسعَامر بن وَاثِلَة روى عَن عبد الله بن عمر وَأبي الطُّفَيْل اللَّيْثِيّ ولد عَام أحد روى عَنهُ قَتَادَة وَالزهْرِيّ وَأَبُو الزبير وَعَمْرو بن دِينَار وَخلق نزل الْكُوفَة ثمَّ مَكَّة وَمَات بهَا سنة مائَة وَيُقَال سنة سبع وَمِائَة وهوآخر الصَّحَابَة موتاعَائِذ الله بن عبد الله بن عَمْرو أَبُو إِدْرِيس الْخَولَانِيّ القارىء العابد أَبوهُ صَحَابِيّ وَولد هُوَ فِي حَيَاة النَّبِي صلى الله عليه وسلم روى عَن عمر ومعاذ وَأبي وبلال وَأبي ذَر وَأبي الدَّرْدَاء وَحُذَيْفَة وَأبي هُرَيْرَة وعدة وَعنهُ الزُّهْرِيّ وَمَكْحُول وَبشر بن عبيد الله وَآخَرُونَ قَالَ مَكْحُول مَا رَأَيْت أعلم من أبي إِدْرِيس وَقَالَ الزُّهْرِيّ كَانَ قَاض أهل الشَّام وقاضيهم مَاتَ سنة ثَمَانِينَعباد بن تَمِيم بن غزيَّة الْأنْصَارِيّ الْمَازِني الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَله صُحْبَة وَعَن عَمه عبد الله بن زيد بن عَاصِم وَأبي بشير الْأنْصَارِيّ وَأبي سعيد الْخُدْرِيّ وَغَيرهم وَعنهُ الزُّهْرِيّ وَيحيى الْأنْصَارِيّ وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَغَيرهعباد بن زِيَاد بن أَبِيه أَبُو حَرْب الَّذِي استلحق أَبَاهُ مُعَاوِيَة بن أبي سُفْيَان عَن عُرْوَة بن الْمُغيرَة بن شُعْبَة وَغَيره وَعنهُ الزُّهْرِيّ وَمَكْحُول وَوَثَّقَهُ بن حبَان ولاه مُعَاوِيَة سجستان فغزا بِلَاد الْهِنْد وَمَات بقرية جرود سنة مائَةعباد بن عبد الله بن الزبير بن الْعَوام الْأَسدي الْمدنِي روى عَن أَبِيه وجدته أَسمَاء وَعَائِشَة وَعمر بن الْخطاب وَغَيرهم وَعنهُ ابْنه يحيى وَابْن أَخِيه عبد الْوَاحِد بن حَمْزَة وَابْن عَمه هِشَام بن عُرْوَة وَابْن أبي مليكَة وَغَيرهم وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَقَالَ الزبير بن بكار كَانَ على قَضَاء أَبِيه بِمَكَّة وَكَانَ أصدق النَّاس لهجةعبَادَة بن الصَّامِت بن قيس بن أهوم الْأنْصَارِيّ الخزرجي أَبُو الْوَلِيد الْمدنِي شهد العقبتين وَكَانَ أحد النُّقَبَاء وَشهد بَدْرًا وأحدا وبيعة الرضْوَان والمشاهد كلهَا روى عَنهُ ابْنه الْوَلِيد وحفيده عبَادَة بن الْوَلِيد وَأَبُو أُمَامَة وَأنس وَجبير بن نفير وَخلق وَكَانَ من سَادَات الصَّحَابَة مَاتَ بِالشَّام فِي خلَافَة مُعَاوِيَةعبَادَة بن الْوَلِيد بن عبَادَة بن الصَّامِت الْمدنِي روى عَن أَبِيه وجده وَجَابِر بن عبد الله وَأبي أَيُّوب وَأبي سعيد وَعَائِشَة وَغَيرهم وَعنهُ بن إِسْحَاق وَيحيى الْأنْصَارِيّ وَابْن عجلَان وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَأَبُو زرْعَةعبد الله بن الأرقم بن عبد يَغُوث الزُّهْرِيّ أسلم عَام الْفَتْح وَكتب للنَّبِي صلى الله عليه وسلم ثمَّ لأبي بكر وَعمر روى عَنهُ أسلم مولى عمر وَعبد الله بن عتبَة بن مَسْعُود وَغَيرهمَاعبد الله بن أنيس الْجُهَنِيّ أَبُو يحيى الْمدنِي حَلِيف الْأَنْصَار شهد الْعقبَة مَعَ السّبْعين من الْأَنْصَار وَشهد أحدا وَالْخَنْدَق وَمَا بعدهمَا وَبَعثه رَسُول الله صلى الله عليه وسلم سَرِيَّة وَحده روى عَنهُ بنوه حَمْزَة وَعبد الله وعطية وَعَمْرو وَجَابِر بن عبد الله وَأَبُو أُمَامَة بن ثَعْلَبَة وعدة مَاتَ سنة أَربع وَخمسينعبد الله بن أبي بكر بن مُحَمَّد بن عَمْرو بن حزم الْأنْصَارِيّ الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَأنس وَحميد بن نَافِع وَعباد بن تَمِيم وَعُرْوَة وَطَائِفَة وَعنهُ مَالك وَالزهْرِيّ أحد شُيُوخه وَهِشَام بن عُرْوَة وَابْن جريج والسفيانان وَخلق قَالَ أَحْمد حَدِيثه شِفَاء وَوَثَّقَهُ بن معِين وَأَبُو حَاتِم وَالنَّسَائِيّ وَغَيرهم وَقَالَ بن سعد كَانَ ثِقَة كثير الحَدِيث عَالما مَاتَ سنة خمس وَثَلَاثِينَ وَيُقَال سنة ثَلَاثِينَ وَمِائَة وَهُوَ بن سبعين سنةعبد الله بن حنين الْهَاشِمِي مَوْلَاهُم روى عَن عَليّ وَابْن عمر وَابْن عَبَّاس وَأبي أَيُّوب والمسور وَعنهُ ابْنه إِبْرَاهِيم وخَالِد بن معدان وَمُحَمّد بن الْمُنْكَدر وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ بن حبَانعبد الله بن دِينَار أَبُو عبد الرَّحْمَن روى عَن مَوْلَاهُ عبد الله بن عمر وَأنس وَسليمَان بن يسَار وَنَافِع وَجَمَاعَة وَعنهُ مَالك وَأَبُو حنيفَة وَسَعِيد والسفيانان وَيحيى الْأنْصَارِيّ وَثَّقَهُ أَحْمد وَغَيره مَاتَ سنة سبع وَعشْرين وَمِائَةعبد الله بن ذكْوَان أَبُو عبد الرَّحْمَن الْمدنِي مولى بني أُميَّة الْمَعْرُوف بِأبي الزِّنَاد وَهُوَ لقبه وَكَانَ يغْضب مِنْهُ أحد الْأَئِمَّة روى عَن بن عمر وَأنس وَسَعِيد بن الْمسيب والأعرج فَأكْثر وَغَيرهم وَعنهُ ابناه أَبُو الْقَاسِم وَعبد الرَّحْمَن وَمَالك وَاللَّيْث والسفيانان ومُوسَى بن عقبَة وَابْن إِسْحَاق وَخلق قَالَ البُخَارِيّ أصح أَسَانِيد أبي هُرَيْرَة أَبُو الزِّنَاد عَن الْأَعْرَج عَن أبي هُرَيْرَة قَالَ الْوَاقِدِيّ مَاتَ فَجْأَة فِي رَمَضَان سنة ثَلَاثِينَ وَمِائَة وَهُوَ بن سِتّ وَسِتِّينَ
আমির ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আল-জুবায়ের ইবনুল আওয়াম আল-আসাদি আবু আল-হারিস আল-মাদানি। তিনি তার পিতা, আনাস এবং একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে মালিক, ফুরাইহ, সাঈদ আল-মাকবুরি, ইবনে আজলান এবং একদল লোক বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ী, ইয়াহইয়া এবং আবু হাতিম তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আহমাদ বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য এবং মানুষের মধ্যে অন্যতম বিশ্বস্ত ব্যক্তি।আমির ইবনে ওয়াসিলা। তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর এবং আবু আল-তুফায়েল আল-লাইসি থেকে বর্ণনা করেছেন। ওহুদ যুদ্ধের বছর তার জন্ম। তার থেকে কাতাদাহ, জুহরি, আবু আল-জুবায়ের, আমর ইবনে দিনার এবং একদল লোক বর্ণনা করেছেন। তিনি কুফায়, এরপর মক্কায় বসতি স্থাপন করেন এবং সেখানেই ১০০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। কারো মতে ১০৭ হিজরিতে। তিনি সাহাবীদের মধ্যে সর্বশেষ মৃত্যুবরণকারী।আইযুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আমর আবু ইদ্রিস আল-খাওলানি, ক্বারী ও ইবাদতকারী। তার পিতা একজন সাহাবী ছিলেন এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবদ্দশায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি উমর, মুয়াজ, উবাই, বিলাল, আবু যর, আবু আল-দারদা, হুজাইফা, আবু হুরায়রা এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে জুহরি, মাকহুল, বিশর ইবনে উবাইদুল্লাহ এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। মাকহুল বলেন, আমি আবু ইদ্রিসের চেয়ে বড় জ্ঞানী কাউকে দেখিনি। জুহরি বলেন, তিনি শামের অধিবাসীদের বিজ্ঞতম ফকীহ ও তাদের বিচারক ছিলেন। তিনি ৮০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।আব্বাদ ইবনে তামীম ইবনে গাজিয়া আল-আনসারী আল-মাযিনী আল-মাদানি। তিনি তার পিতা (যিনি সাহাবী ছিলেন), তার চাচা আবদুল্লাহ ইবনে যায়েদ ইবনে আসিম, আবু বশীর আল-আনসারী, আবু সাঈদ আল-خুদরী এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে জুহরি, ইয়াহইয়া আল-আনসারী এবং একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ী এবং অন্যান্যরা তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।আব্বাদ ইবনে যিয়াদ ইবনে আবিহি আবু হারব, যার পিতা (যিয়াদ)-কে মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান নিজের বংশের অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। তিনি উরওয়া ইবনে আল-মুগীরা ইবনে শুবা এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে জুহরি ও মাকহুল বর্ণনা করেছেন এবং ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। মুয়াবিয়া তাকে সিজিস্তানের গভর্নর নিযুক্ত করেন, ফলে তিনি ভারত অভিযান করেন এবং ১০০ হিজরিতে জারুদ গ্রামে মৃত্যুবরণ করেন।আব্বাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আল-জুবায়ের ইবনুল আওয়াম আল-আসাদি আল-মাদানি। তিনি তার পিতা, তার দাদী আসমা, আয়েশা, উমর ইবনুল খাত্তাব এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার পুত্র ইয়াহইয়া, ভ্রাতুষ্পুত্র আবদুল ওয়াহিদ ইবনে হামজা, চাচাতো ভাই হিশাম ইবনে উরওয়া, ইবনে আবি মুলাইকা এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ী তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। জুবায়ের ইবনে বাক্কার বলেন, তিনি মক্কায় তার পিতার বিচারকার্যে নিযুক্ত ছিলেন এবং তিনি ছিলেন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সত্যবাদী কণ্ঠের অধিকারী।উবাদা ইবনে আস-সামিত ইবনে কায়েস ইবনে আহওয়াম আল-আনসারী আল-خাজরাজী আবু আল-ওয়ালীদ আল-মাদানি। তিনি উভয় আকাবায় উপস্থিত ছিলেন এবং অন্যতম প্রধান নেতা ছিলেন। তিনি বদর, ওহুদ, বায়আতে রিদওয়ান এবং সমস্ত যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। তার থেকে তার পুত্র ওয়ালীদ, নাতি উবাদা ইবনে আল-ওয়ালীদ, আবু উমামা, আনাস, জুবায়ের ইবনে নুফায়ের এবং বহু লোক বর্ণনা করেছেন। তিনি ছিলেন সাহাবীদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেতা। মুয়াবিয়ার খেলাফতকালে তিনি শামে মৃত্যুবরণ করেন।উবাদা ইবনে আল-ওয়ালীদ ইবনে উবাদা ইবনে আস-সামিত আল-মাদানি। তিনি তার পিতা, তার দাদা, জাবির ইবনে আবদুল্লাহ, আবু আইয়ুব, আবু সাঈদ, আয়েশা এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইবনে ইসহাক, ইয়াহইয়া আল-আনসারী, ইবনে আজলান এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ী এবং আবু যুরআ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।عبدالله ইবনে আল-আরকাম ইবনে আবদ ইয়াগুস আজ-জুহরি। তিনি মক্কা বিজয়ের বছর ইসলাম গ্রহণ করেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য এবং পরবর্তীতে আবু বকর ও উমরের জন্য ওহী বা পত্র লিখেছেন। তার থেকে উমরের আযাদকৃত গোলাম আসলাম, আবদুল্লাহ ইবনে উতবা ইবনে মাসউদ এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন।عبدالله ইবনে উনাইস আল-জুহানি আবু ইয়াহইয়া আল-মাদানি, যিনি আনসারদের মিত্র ছিলেন। তিনি সত্তর জন আনসারীর সাথে আকাবায় উপস্থিত ছিলেন এবং ওহুদ, খন্দক ও পরবর্তী যুদ্ধগুলোতে অংশগ্রহণ করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে একাকী একটি বিশেষ অভিযানে পাঠিয়েছিলেন। তার থেকে তার পুত্রগণ হামজা, আবদুল্লাহ, আতিয়্যাহ ও আমর এবং জাবির ইবনে আবদুল্লাহ, আবু উমামা ইবনে সা’লাবা এবং একদল লোক বর্ণনা করেছেন। তিনি ৫৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।عبدالله ইবনে আবি বকর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনে হাযম আল-আনসারী আল-মাদানি। তিনি তার পিতা, আনাস, হুমায়দ ইবনে নাফে, আব্বাদ ইবনে তামীম, উরওয়া এবং একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে মালিক, জুহরি (যিনি তার অন্যতম শিক্ষক), হিশাম ইবনে উরওয়া, ইবনে জুরাইজ, দুই সুফিয়ান এবং বহু লোক বর্ণনা করেছেন। আহমাদ বলেছেন, তার হাদীস নিরাময়স্বরূপ। ইবনে মাঈন, আবু হাতিম, আন-নাসায়ী এবং অন্যান্যরা তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে সাদ বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য, অধিক হাদীস বর্ণনাকারী ও বিজ্ঞ আলেম ছিলেন। তিনি ১৩৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, কারো মতে ১৩০ হিজরিতে এবং সে সময় তার বয়স ছিল ৭০ বছর।عبدالله ইবনে হুনাইন আল-হাশেমি, তাদের আযাদকৃত গোলাম। তিনি আলী, ইবনে উমর, ইবনে আব্বাস, আবু আইয়ুব এবং আল-মিসওয়ার থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার পুত্র ইব্রাহিম, খালিদ ইবনে মাদান, মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।عبدالله ইবনে দিনার আবু আবদুর রহমান। তিনি তার মনিব আবদুল্লাহ ইবনে উমর, আনাস, সুলাইমান ইবনে ইয়াসার, নাফে এবং একদল লোক থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে মালিক, আবু হানিফা, সাঈদ, দুই সুফিয়ান এবং ইয়াহইয়া আল-আনসারী বর্ণনা করেছেন। আহমাদ ও অন্যান্যরা তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ১২৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।عبدالله ইবনে যাকওয়ান আবু আবদুর রহমান আল-মাদানি, বনু উমাইয়াদের আযাদকৃত গোলাম, যিনি আবু আজ-যিনাদ নামে পরিচিত। এটিই ছিল তার উপাধি এবং তিনি এতে রাগান্বিত হতেন। তিনি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইমাম ছিলেন। তিনি ইবনে উমর, আনাস, সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব এবং আল-আরাজ থেকে প্রচুর বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার দুই পুত্র আবু আল-কাসিম ও আবদুর রহমান এবং মালিক, লাইস, দুই সুফিয়ান, মুসা ইবনে উকবা, ইবনে ইসহাক এবং বহু লোক বর্ণনা করেছেন। আল-বুখারী বলেছেন, আবু হুরায়রার সবচেয়ে বিশুদ্ধতম সনদ হলো: আবু আজ-যিনাদ, আল-আরাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে। আল-ওয়াকিদী বলেন, তিনি ১৩০ হিজরির রমজান মাসে হঠাৎ মৃত্যুবরণ করেন এবং সে সময় তার বয়স ছিল ৬৬ বছর।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ১৬)
عبد الله بن الزبير بن الْعَوام بن خويلد بن أَسد الْمَكِّيّ أمه أَسمَاء بنت أبي بكر الصّديق هَاجَرت بِهِ حملا فولدته بعد الْهِجْرَة بِعشْرين شهرا وَهُوَ أول مَوْلُود ولد بِالْمَدِينَةِ بعد الْهِجْرَة وَكَانَ فصيحا لسنا شجاعا وَكَانَ أكلس لَا لحية لَهُ روى عَنهُ أَوْلَاده عَامر وَعباد وَأم عَمْرو وَأَخُوهُ عُرْوَة وثابت الْبنانِيّ وَغَيرهم حضر وقْعَة اليرموك مَعَ أَبِيه وَشهد خطْبَة عمر بالجابية وبويع لَهُ بالخلافة بعد موت يزِيد بن مُعَاوِيَة سنة أَربع وَقيل خمس وَسِتِّينَ وَغلب على الْحجاز والعراقين واليمن ومصر وَأكْثر الشَّام وَكَانَت ولَايَته تسع سِنِين ثمَّ جهز لَهُ عبد الله بن مَرْوَان الْحجَّاج فحاربه وظفر بِهِ فَقتله وصلبه وَذَلِكَ فِي سنة ثَلَاث وَسبعينعبد الله بن زيد بن عَاصِم الْأنْصَارِيّ الْمَازِني الْمدنِي لَهُ ولأبويه صُحْبَة شهد أحدا وروى عَنهُ بن أَخِيه عباد بن تَمِيم وَسَعِيد بن الْمسيب وَطَائِفَة قتل بِالْحرَّةِ فِي ذِي الْحجَّة سنة ثَلَاث وَسِتِّينَ وَهُوَ بن سبعين سنةعبد الله بن سَلام بن الْحَرْث الإسرائيلي أَبُو يُوسُف أسلم عِنْد قدوم النَّبِي صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَة وَشهد لَهُ النَّبِي صلى الله عليه وسلم بِالْجنَّةِ وَأنزل الله فِيهِ وَشهد شَاهد من بني إِسْرَائِيل على مثله وَقَوله قل كفى بِاللَّه شَهِيدا بيني وَبَيْنكُم وَمن عِنْده علم الْكتاب روى عَنهُ ابْنه يُوسُف وَأنس وَأَبُو هُرَيْرَة وَطَائِفَة وَشهد مَعَ عمر بن الْخطاب فتح بَيت الْمُقَدّس والجابية مَاتَ بِالْمَدِينَةِ سنة ثَلَاث وَأَرْبَعينعبد الله بن عَامر بن ربيعَة الْعَنزي أَبُو مُحَمَّد الْمدنِي الصَّحَابِيّ روى عَنهُ أُميَّة بن هِنْد الزُّهْرِيّ وَيحيى الْأنْصَارِيّ وَجَمَاعَة مَاتَ سنة خمس وَثَمَانِينَعبد الله بن عَبَّاس بن عبد الْمطلب الْهَاشِمِي أَبُو الْعَبَّاس بن عمر رَسُول الله صلى الله عليه وسلم وترجمان الْقُرْآن كَانَ يُقَال لَهُ الحبر وَالْبَحْر رأى جِبْرِيل مرَّتَيْنِ ودعا لَهُ النَّبِي صلى الله عليه وسلم بالحكمة مرَّتَيْنِ وروى عَنهُ ابْنه عَليّ وَأنس وَأَبُو أُمَامَة بن سهل وَأَبُو الشعْثَاء وَأَبُو الْعَالِيَة وَسَعِيد بن الْمسيب وَعَطَاء وَطَاوُس وَمُجاهد وَخلق مَاتَ بِالطَّائِف سنة ثَمَان وَسِتِّينَ وَهُوَ بن إِحْدَى أَو اثْنَتَيْنِ وَسبعين سنةعبد الله بن عبد الله بن جَابر وَيُقَال بن جبر بن عتِيك بن الْحَارِث وَأنس وَابْن عمر وَعنهُ مَالك وَشعْبَة ومسعر وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ بن معِين وَأَبُو حَاتِم وَالنَّسَائِيّعبد الله بن عبد الله بن الْحَارِث بن نَوْفَل الْهَاشِمِي أَبُو يحيى الْمدنِي عَن أَبِيه وَعبد الرَّحْمَن بن عَوْف وَابْن عَليّ وَجَمَاعَة وَعنهُ الزُّهْرِيّ وَغَيره وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَقَتله السمُوم سنة تسع وَتِسْعينعبد الله بن عبد الله بن أبي صعصعة الْأنْصَارِيّ الْمدنِي عَن أبي سعيد الْخُدْرِيّ وَعنهُ ابناه مُحَمَّد وَعبد الرَّحْمَن وَثَّقَهُ النَّسَائِيّعبد الله بن عبد الرَّحْمَن بن معمر بن خرم الْأنْصَارِيّ أَبُو طوالة الْمدنِي قاضيها روى عَن أنس وَسَعِيد بن الْمسيب وَأبي سَلمَة بن عبد الرَّحْمَن وعدة وَعنهُ مَالك وَالْأَوْزَاعِيّ وَيحيى الْأنْصَارِيّ وَخلق وَثَّقَهُ أَحْمد وَيحيى وَغير وَاحِد وَتُوفِّي فِي آخر أَيَّام بني أُميَّةعبد الله بن أبي قُحَافَة واسْمه عُثْمَان الْقرشِي التَّيْمِيّ أَبُو بكر الصّديق خَليفَة رَسُول الله صلى الله عليه وسلم وَصَاحبه ووزيره وَأول من أسلم روى عَنهُ ولداه عبد الرَّحْمَن وَعَائِشَة وَعمر وَعلي وَزيد وَابْن عمر وَابْن عَبَّاس وَخلق سبق النَّاس إِلَى الْإِسْلَام وَشهد بَدْرًا وأحدا والمشاهد كلهَا وَولي الْخلَافَة بعد النَّبِي صلى الله عليه وسلم سنتَيْن وأشهرا وَتُوفِّي فِي جُمَادَى الأولى سنة ثَلَاث عشرَة وَهُوَ بن ثَلَاث وَسِتِّينَ سنة وَدفن مَعَ النَّبِي صلى الله عليه وسلم فِي حجرَة عَائِشَة
আব্দুল্লাহ ইবনুল যুবায়র ইবনুল আওয়াম ইবনে খুওয়াইলিদ ইবনে আসাদ আল-মক্কী। তাঁর মা আসমা বিনতে আবু বকর আস-সিদ্দীক। তিনি তাঁকে গর্ভে নিয়ে হিজরত করেছিলেন এবং হিজরতের বিশ মাস পর তিনি জন্মগ্রহণ করেন। হিজরতের পর মদীনায় তিনিই প্রথম নবজাতক। তিনি অত্যন্ত বাগ্মী, সুবক্তা এবং সাহসী ছিলেন। তাঁর দাড়ি ছিল না। তাঁর থেকে তাঁর সন্তান আমের, আব্বাদ, উম্মে আমর এবং তাঁর ভাই উরওয়াহ, সাবিত আল-বুনানী ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। তিনি তাঁর পিতার সাথে ইয়ারমুকের যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন এবং জাবিয়াতে উমর (রা.)-এর খুতবায় অংশগ্রহণ করেন। ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়ার মৃত্যুর পর চৌষট্টি হিজরীতে, মতান্তরে পঁয়ষট্টি হিজরীতে তাঁর খেলাফতের বায়আত গ্রহণ করা হয়। তিনি হিজাজ, দুই ইরাক (কুফা ও বসরা), ইয়ামেন, মিসর এবং শামের অধিকাংশ অঞ্চলের ওপর আধিপত্য বিস্তার করেন। তাঁর শাসনকাল ছিল নয় বছর। এরপর আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান তাঁর বিরুদ্ধে হাজ্জাজকে প্রেরণ করেন, হাজ্জাজ তাঁর সাথে যুদ্ধ করে জয়ী হয় এবং তাঁকে হত্যা করে শূলে চড়ায়। এটি তিয়াত্তর হিজরীর ঘটনা।আব্দুল্লাহ ইবনে যায়েদ ইবনে আসিম আল-আনসারী আল-মাযিনী আল-মাদানী। তিনি এবং তাঁর পিতামাতা সাহাবী ছিলেন। তিনি উহুদের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তাঁর থেকে তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র আব্বাদ ইবনে তামীম, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব এবং একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। তিনি তেষট্টি হিজরীর যিলহজ মাসে হাররার যুদ্ধে শহীদ হন, তখন তাঁর বয়স ছিল সত্তর বছর।আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম ইবনুল হারিস আল-ইসরাঈলী, আবু ইউসুফ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় আগমনের সময় তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জান্নাতী হওয়ার সাক্ষ্য দেন। আল্লাহ তাআলা তাঁর সম্পর্কে নাযিল করেন: "বনী ইসরাঈলের একজন সাক্ষী এর অনুরূপ বিষয়ের সাক্ষ্য দিয়েছে..." এবং আল্লাহর এই বাণীও তাঁর সম্পর্কে: "বলুন, আমার ও তোমাদের মধ্যে সাক্ষী হিসেবে আল্লাহ এবং যার কাছে কিতাবের জ্ঞান আছে সে-ই যথেষ্ট।" তাঁর থেকে তাঁর পুত্র ইউসুফ, আনাস, আবু হুরায়রা এবং একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। তিনি উমর ইবনুল খাত্তাবের সাথে বাইতুল মুকাদ্দাস বিজয় এবং জাবিয়াতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি তেতাল্লিশ হিজরীতে মদীনায় মৃত্যুবরণ করেন।আব্দুল্লাহ ইবনে আমের ইবনে রাবীআহ আল-আনাযী, আবু মুহাম্মদ আল-মাদানী, সাহাবী। তাঁর থেকে উমাইয়া ইবনে হিন্দ আয-যুহরী, ইয়াহইয়া আল-আনসারী এবং এক জামাত বর্ণনা করেছেন। তিনি পঁচাশি হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব আল-হাশিমী, আবু আল-আব্বাস, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চাচাতো ভাই এবং কুরআনের মুখপাত্র। তাঁকে 'আল-হাবর' (মহাজ্ঞানী) এবং 'আল-বাহর' (জ্ঞানের সমুদ্র) বলা হতো। তিনি জিবরাঈলকে দুইবার দেখেছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর প্রজ্ঞার জন্য দুইবার দুআ করেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আলী, আনাস, আবু উমামাহ ইবনে সাহল, আবুশ শাওসা, আবুল আলিয়াহ, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব, আতা, তাউস, মুজাহিদ এবং এক বিশাল জনপদ বর্ণনা করেছেন। তিনি আটষট্টি হিজরীতে তায়েফে মৃত্যুবরণ করেন, তখন তাঁর বয়স ছিল একাত্তর বা বাহাত্তর বছর।আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে জাবির, মতান্তরে ইবনে জাবর ইবনে আতীক ইবনুল হারিস। আনাস ও ইবনে উমর তাঁর থেকে এবং তাঁর থেকে মালিক, শুবা, মিসআর ও এক জামাত বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন, আবু হাতিম এবং নাসায়ী তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস ইবনে নাওফাল আল-হাশিমী, আবু ইয়াহইয়া আল-মাদানী। তিনি তাঁর পিতা, আব্দুর রহমান ইবনে আউফ, ইবনে আলী এবং এক জামাত থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে যুহরী ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। নিরানব্বই হিজরীতে লু হাওয়া বা বিষাক্ত তপ্ত বায়ু তাঁকে হত্যা করে।আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি সা'সাআহ আল-আনসারী আল-মাদানী। তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে তাঁর দুই পুত্র মুহাম্মদ ও আব্দুর রহমান বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে মামার ইবনে খাযম আল-আনসারী, আবু তুওয়ালা আল-মাদানী, মদীনার কাযী। তিনি আনাস, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব, আবু সালামাহ ইবনে আব্দুর রহমান ও কয়েকজন থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, আওযায়ী, ইয়াহইয়া আল-আনসারী এবং এক বিশাল জনপদ বর্ণনা করেছেন। আহমদ, ইয়াহইয়া এবং আরও অনেকে তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি উমাইয়াদের শেষ যুগে মৃত্যুবরণ করেন।আব্দুল্লাহ ইবনে আবি কুহাফা, যাঁর নাম উসমান আল-কুরাশী আত-তাইমী, আবু বকর আস-সিদ্দীক। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খলীফা, তাঁর সাথী ও উযীর এবং সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণকারী। তাঁর থেকে তাঁর দুই সন্তান আব্দুর রহমান ও আয়েশা এবং উমর, আলী, যায়েদ, ইবনে উমর, ইবনে আব্বাস এবং এক বিশাল জনপদ বর্ণনা করেছেন। তিনি মানুষের মধ্যে ইসলামের দিকে অগ্রগামী ছিলেন এবং বদর, উহুদসহ সকল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পর তিনি দুই বছর কয়েক মাস খেলাফতের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি তেরো হিজরীর জুমাদাল উলা মাসে মৃত্যুবরণ করেন, তখন তাঁর বয়স ছিল তেষট্টি বছর। তাঁকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে আয়েশার কামরায় দাফন করা হয়।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ১৭)
عبد الله بن عدي الْأنْصَارِيّ روى عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَقيل عَن رجل من الْأَنْصَار عَنهُ وَعنهُ عبيد الله بن عدي بن الْخِيَار قَالَ بَعضهم هُوَ عبد الله بن عدي بن الْحَمْرَاء الزُّهْرِيّ وَفرق بَينهمَا بن عبد الْبر فَقَالَ قد جَعلهمَا بعض النَّاس وَاحِدًا وَذَلِكَ خطأ وَغلط وَالصَّوَاب أَنَّهُمَا اثْنَان وَكَذَا ذكره بن حبَان فِي الصَّحَابَة من كتاب الثِّقَات تمييزا بَينه وَبَين بن الْحَمْرَاء وَكَذَا الْحَافِظ أَبُو الْحجَّاج الْمدنِي وَحَدِيث هَذَا فِي مُسْند أَحْمد وَلَيْسَ لَهُ فِي الْكتب السِّتَّة رِوَايَة وَأما بن الْحَمْرَاء فَحَدِيثه عِنْد الزُّهْرِيّ وَالنَّسَائِيّ وَابْن ماجةعبد الله بن عمر بن الْخطاب الْقرشِي الْعَدوي أَبُو عبد الرَّحْمَن الْمَكِّيّ أسلم قَدِيما مَعَ أَبِيه وَهُوَ صَغِير بل رُوِيَ أَنه أول مَوْلُود ولد فِي الْإِسْلَام واستصغر يَوْم أحد وَشهد الخَنْدَق وَمَا بعْدهَا وَقَالَ فِيهِ النَّبِي صلى الله عليه وسلم إِنَّه رجل صَالح وروى عَنهُ بنوه سَالم وَحَمْزَة وَعبد الله وبلال وَزيد وَعبيد الله وَعمر وحفيداه مُحَمَّد بن زيد وَأَبُو بكر بن عبيد الله ومولاه نَافِع وَزيد بن أسلم وَالزهْرِيّ وَعَطَاء وَخلق وَمُسْنَده عَن تَقِيّ بن مخلد ألفا حَدِيث وسِتمِائَة وَثَلَاثُونَ حَدِيثا قَالَ بن مَسْعُود إِن من أملك شباب قُرَيْش لنَفسِهِ عَن الدُّنْيَا عبد الله بن عمر توفّي سنة ثَلَاث وَقيل سنة أَربع وَسبعينعبد الله بن عَمْرو بن العَاصِي بن وَائِل السَّهْمِي أسلم قبل أَبِيه وَكَانَ أَصْغَر مِنْهُ بِإِحْدَى عشرَة سنة روى عَنهُ ابْنه مُحَمَّد بخلف وحفيده شُعَيْب بن مُحَمَّد وَجبير بن نفير وَسَعِيد بن الْمسيب وَعُرْوَة وَطَاوُس وَخلق مَاتَ ليَالِي الْحرَّة سنة ثَلَاث وَسِتِّينَ وَهُوَ بن ثَلَاث وَسبعين سنةعبد الله بن عَمْرو بن عُثْمَان بن عَفَّان الْأمَوِي الْمَعْرُوف بالمطرف لحسنه روى عَن أَبِيه وَأمه فَاطِمَة بنت الْحُسَيْن وَرَافِع بن خديج وَابْن عَبَّاس وَالْحسن بن عَليّ وَجَمَاعَة وروى عَنهُ ابْنه مُحَمَّد الْمَعْرُوف بالديباج وَالزهْرِيّ وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَكَانَ شريفا جوادا ممدحا مَاتَ بِمصْر سنة سِتّ وَتِسْعينعبد الله بن الْفضل بن الْعَبَّاس بن ربيعَة الْهَاشِمِي الْمدنِي روى عَن أنس والأعرج وَنَافِع بن جُبَير روى عَنهُ مَالك ومُوسَى بن عقبَة وَطَائِفَة وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَأَبُو حَاتِم وَابْن معِينعبد الله بن قيس بن سليم أَبُو مُوسَى الْأَشْعَرِيّ اسْتَعْملهُ النَّبِي صلى الله عليه وسلم على زبيد وعدن وساحل الْيمن وَاسْتَعْملهُ عمر على الْكُوفَة وَقَالَ فِيهِ النَّبِي صلى الله عليه وسلم لقد أُوتِيَ مِزْمَارًا من مَزَامِير آل دَاوُد روى عَنهُ أَوْلَاده إِبْرَاهِيم وَأَبُو بردة وَأَبُو بكر ومُوسَى وَأنس بن مَالك وَسَعِيد بن الْمسيب وَخلق مَاتَ سنة أَربع وَأَرْبَعين وَله نَيف وَسِتُّونَ سنةعبد الله بن كَعْب بن مَالك الْأنْصَارِيّ السّلمِيّ الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَعُثْمَان وَأبي أَيُّوب وَجَابِر وعدة روى عَنهُ ابْنه عبد الرَّحْمَن وَإِخْوَته مُحَمَّد وَعبد الرَّحْمَن ومعبد وَالزهْرِيّ وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ أَبُو زرْعَة وَغَيره وَمَات سنة سبع أَو ثَمَان وَتِسْعينعبد الله بن مَالك بن العشب واسْمه جُنْدُب بن نَضْلَة الْأَزْدِيّ الْمَعْرُوف بِابْن بُحَيْنَة وَهِي أمه الصَّحَابِيّ روى عَنهُ ابْنه عَليّ وَحَفْص بن عَاصِم والأعرج وَجَمَاعَة قَالَ بن سعد كَانَ فَاضلا ناسكا يَصُوم الدَّهْرعبد الله بن مُحَمَّد بن عَليّ بن أبي طَالب الْهَاشِمِي أَبُو هَاشم الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَغَيره وَعنهُ الزُّهْرِيّ وَسَالم بن الْجَعْد وَعَمْرو بن دِينَار وعدة وَثَّقَهُ الْعجلِيّ وَابْن سعد وَالنَّسَائِيّ مَاتَ سنة ثَمَان وَتِسْعينعبد الله بن يحيى بن جُنَادَة الجُمَحِي نزيل بَيت الْمُقَدّس روى عَن أبي مَحْذُورَة الْمُؤَذّن وَعبادَة بن الصَّامِت وَأبي سعيد وَطَائِفَة وَعنهُ عبد الْملك بن أبي مَحْذُورَة وَمَكْحُول وَالزهْرِيّ وَآخَرُونَ قَالَ الْعجلِيّ ثِقَة من خِيَار النَّاس مَاتَ فِي خلَافَة عمر بن عبد الْعَزِيز
আবদুল্লাহ ইবনে আদি আল-আনসারি। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, আবার বলা হয় যে জনৈক আনসারি ব্যক্তির মাধ্যমে তিনি নবীজি থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে উবায়দুল্লাহ ইবনে আদি ইবনুল খিয়ার বর্ণনা করেছেন। তাদের কেউ কেউ বলেছেন যে, তিনি হলেন আবদুল্লাহ ইবনে আদি ইবনুল হামরা আল-জুহরি। ইবনে আবদিল বার এই দুইজনের মধ্যে পার্থক্য করেছেন এবং বলেছেন যে, কিছু মানুষ তাদের উভয়কে এক ব্যক্তি গণ্য করেছেন, যা ভুল ও ভ্রান্তি। সঠিক হলো তারা দুইজন পৃথক ব্যক্তি। ইবনে হিব্বানও তার 'কিতাবুত থিকাত'-এ সাহাবীদের পরিচ্ছেদে ইবনুল হামরার সাথে পার্থক্য করার জন্য তাকে এভাবেই উল্লেখ করেছেন। হাফেজ আবু হাজ্জাজ আল-মাদানিও অনুরূপ উল্লেখ করেছেন। তার হাদিস মুসনাদে আহমদে রয়েছে, তবে ছয়টি কিতাবে (সুনানে সিত্তাহ) তার কোনো বর্ণনা নেই। পক্ষান্তরে ইবনুল হামরার হাদিস জুহরি, নাসায়ি ও ইবনে মাজাহর নিকট রয়েছে।আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনুল খাত্তাব আল-কুরাশি আল-আদাবি, আবু আবদুর রহমান আল-মাক্কি। তিনি শৈশবে পিতার সাথে অনেক আগে ইসলাম গ্রহণ করেন। এমনকি বর্ণিত আছে যে, তিনি ইসলামে জন্মগ্রহণকারী প্রথম শিশু। ওহুদ যুদ্ধের দিন তাকে ছোট গণ্য করা হয়েছিল, তবে তিনি খন্দক ও পরবর্তী যুদ্ধগুলোতে অংশগ্রহণ করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সম্পর্কে বলেছেন, "নিশ্চয়ই তিনি একজন নেককার মানুষ।" তার থেকে তার পুত্ররা—সালিম, হামজা, আবদুল্লাহ, বিলাল, জায়েদ, উবায়দুল্লাহ, উমর এবং তার দুই পৌত্র মুহাম্মদ বিন জায়েদ ও আবু বকর বিন উবায়দুল্লাহ, আর তার মুক্তদাস নাফে, জায়েদ বিন আসলাম, জুহরি, আতা ও বহু লোক বর্ণনা করেছেন। তাকি ইবনে মাখলাদের সংকলিত তার মুসনাদে এক হাজার ছয়শত ত্রিশটি হাদিস রয়েছে। ইবনে মাসউদ বলেছেন, "কুরাইশ যুবকদের মধ্যে আবদুল্লাহ ইবনে উমর দুনিয়ার প্রতি সবচেয়ে বেশি আত্মসংযমী ছিলেন।" তিনি তিয়াত্তর হিজরি মতান্তরে চুয়াত্তর হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস ইবনে ওয়ায়িল আস-সাহমি। তিনি তার পিতার আগে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং তিনি তার পিতার চেয়ে মাত্র এগারো বছরের ছোট ছিলেন। তার থেকে তার পুত্র মুহাম্মদ (মতভেদসহ), পৌত্র শুয়াইব বিন মুহাম্মদ, জুবায়ের বিন নুফাইর, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব, উরওয়া, তাউস ও বহু লোক বর্ণনা করেছেন। তিনি তেষট্টি হিজরিতে হাররার যুদ্ধের রাতগুলোতে তেয়াত্তর বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে উসমান ইবনে আফফান আল-উমাবি। সৌন্দর্যের কারণে তিনি আল-মুতরিফ নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি তার পিতা, মাতা ফাতিমা বিনতুল হুসাইন, রাফে ইবনে খাদিজ, ইবনে আব্বাস, হাসান ইবনে আলী ও একটি জামাত থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার পুত্র মুহাম্মদ (যিনি আল-দিবাজ নামে পরিচিত), জুহরি ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইমাম নাসায়ি তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি অত্যন্ত অভিজাত, দানশীল ও প্রশংসিত ব্যক্তি ছিলেন। ছিয়ানব্বই হিজরিতে মিশরে তার মৃত্যু হয়।আবদুল্লাহ ইবনে ফাদল ইবনুল আব্বাস ইবনে রাবিয়া আল-হাশেমি আল-মাদানি। তিনি আনাস, আল-আরাজ ও নাফে ইবনে জুবায়ের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে মালেক, মুসা ইবনে উকবা ও একটি দল বর্ণনা করেছেন। ইমাম নাসায়ি, আবু হাতেম ও ইবনে মাঈন তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।আবদুল্লাহ ইবনে কায়স ইবনে সুলাইম, আবু মুসা আল-আশআরি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জাবিদ, এডেন ও ইয়েমেনের উপকূলীয় অঞ্চলের শাসনকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন। উমর তাকে কুফার গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সম্পর্কে বলেছেন, "তাকে দাউদ পরিবারের বাঁশির সুরের ন্যায় সুর দান করা হয়েছে।" তার থেকে তার সন্তান ইবরাহিম, আবু বুরদাহ, আবু বকর ও মুসা এবং আনাস ইবনে মালিক, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব ও বহু লোক বর্ণনা করেছেন। চুয়াল্লিশ হিজরিতে ষাট বছরের কিছু বেশি বয়সে তার মৃত্যু হয়।আবদুল্লাহ ইবনে কাব ইবনে মালিক আল-আনসারি আস-সুলামি আল-মাদানি। তিনি তার পিতা, উসমান, আবু আইয়ুব, জাবির ও একদল সাহাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার পুত্র আবদুর রহমান, ভাই মুহাম্মদ, আবদুর রহমান ও মাবাদ এবং জুহরি ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। আবু জুরআ ও অন্যরা তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি সাতানব্বই বা আটানব্বই হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।আবদুল্লাহ ইবনে মালিক ইবনুল উশাব, তার নাম জুনদুব ইবনে নাদলা আল-আজদি। তিনি তার মাতা বুহাইনার নামানুসারে ইবনে বুহাইনা নামে পরিচিত সাহাবী। তার থেকে তার পুত্র আলী, হাফস বিন আসিম, আল-আরাজ ও একটি জামাত বর্ণনা করেছেন। ইবনে সাদ বলেছেন, "তিনি অত্যন্ত ফযিলতপূর্ণ ইবাদতগুজার ব্যক্তি ছিলেন, তিনি সারা বছর নফল রোজা রাখতেন।"আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আবি তালিব আল-হাশেমি, আবু হাশেম আল-মাদানি। তিনি তার পিতা ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে জুহরি, সালিম বিন জা'দ, আমর বিন দিনার ও একদল রাবি বর্ণনা করেছেন। ইজলি, ইবনে সাদ ও নাসায়ি তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি আটানব্বই হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে জুনদাদা আল-জুমাহি। তিনি বায়তুল মাকদিসের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি মুয়াজ্জিন আবু মাহজুরা, উবাদাহ ইবনুস সামিত, আবু সাঈদ ও একদল সাহাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আবদুল মালিক বিন আবু মাহজুরা, মাকহুল, জুহরি ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইজলি বলেছেন, "তিনি নির্ভরযোগ্য এবং সর্বোত্তম মানুষের অন্তর্ভুক্ত।" তিনি উমর ইবনে আবদুল আজিজের খেলাফতকালে ইন্তেকাল করেন।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ১৮)
عبد الله بن نطاس الْمدنِي روى عَن جَابر وَعنهُ هَاشم بن هِشَام بن عتبَة فَقَطعبد الله بن دِينَار بن مكرم الْأَسْلَمِيّ روى عَن خَاله عَمْرو بن شَاس وَله صُحْبَة وَأبي هُرَيْرَة وَعُرْوَة بن الزبير روى عَنهُ مُحَمَّد بن إِبْرَاهِيم التَّيْمِيّ وَأَبُو الزِّنَاد وعدة وَثَّقَهُ النَّسَائِيّعبد الله بن وَاقد بن عبد الله بن عمر الْعمريّ الْمدنِي أرسل عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم وروى عَن جده وَعَائِشَة روى عَنهُ الزُّهْرِيّ وَعمر بن مُحَمَّد الْعمريّ وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ بن حبَان مَاتَ سنة تسع عشرَة وَمِائَةعبد الله بن يزِيد بن زيد الْأنْصَارِيّ الخطمي شهد مَعَ النَّبِي صلى الله عليه وسلم الْحُدَيْبِيَة وَولي إمرة الْكُوفَة روى عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَعَن عمر وَحُذَيْفَة وَأبي أَيُّوب والبراء وعدة روى عَنهُ ابْنه مُوسَى وسبطه عدي بن ثَابت وَابْن سِيرِين وَأَبُو إِسْحَاق السبيعِي وَآخَرُونَ أنكر مُصعب الزبيرِي صحبته وأثبتها أَبُو حَاتِم وَغَيرهعبد الله بن يزِيد المَخْزُومِي الْمقري الْأَعْوَر عَن أبي مَكَّة بن عبد الرَّحْمَن وَعُرْوَة وعدة روى عَنهُ مَالك وَيحيى بن أبي بشير وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ أَحْمد وَيحيى وَالنَّسَائِيّ مَاتَ سنة ثَمَان وَأَرْبَعين وَمِائَةعبد الله الصنَابحِي وَيُقَال أَبُو عبد الله مُخْتَلف فِي صحبته روى عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَعَن أبي بكر وَعبادَة بن الصَّامِت روى عَنهُ عَطاء بن يسَار قَالَ البُخَارِيّ وهم مَالك فِي قَوْله عبد الله الصنَابحِي إِنَّمَا هُوَ أَبُو عبد الله واسْمه عبد الرَّحْمَن بن عبلة وَلم يسمع من النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَكَذَا قَالَ غير وَاحِد وَقَالَ يحيى بن معِين عبد الله الصنَابحِي يروي عَنهُ المدنيون يشبه أَن تكون لَهُ صُحْبَةعبد الحميد بن عبد الرَّحْمَن بن زيد بن الْخطاب الْعَدوي أَبُو عمر الْمدنِي الْأَعْرَج روى عَن أَبِيه وَابْن عَبَّاس وَمُسلم بن يسَار وَجَمَاعَة روى بنوه زيد وَعَمْرو وَعبد الْكَبِير وَالزهْرِيّ وَقَتَادَة وَغَيرهم وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَالْعجلِي وَجَمَاعَة وَولي الْكُوفَة لعمر بن عبد الْعَزِيز وَكَانَ أَبُو الزِّنَاد كَاتبه مَاتَ فِي خلَافَة هِشَام بن عبد الْملكعبد ربه بن سعيد بن قيس الْأنْصَارِيّ الْمدنِي روى عَن أبي أُمَامَة بن سهل وَعمرَة بنت عبد الرَّحْمَن والأعرج وعدة روى عَنهُ مَالك وَعَطَاء بن رَبَاح وَشعْبَة والسفيانان وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ أَحْمد وَيحيى وَغير وَاحِد مَاتَ سنة تسع وَثَلَاثِينَ وَمِائَةعبد الرَّحْمَن بن بجيد روى عَنهُ سعيد المَقْبُري وَزيد بن أسلم وَمُحَمّد بن إِبْرَاهِيم التَّيْمِيّ وَغَيرهم ذكره بن حبَان فِي التَّابِعين من الثِّقَاتعبد الرَّحْمَن بن جرهد الْأَسْلَمِيّ روى عَن أَبِيه حَدِيث الْفَخْذ عَورَة روى عَنهُ ابْنه زرْعَة وَالزهْرِيّ وَأَبُو الزِّنَاد فِي مُسْند حَدِيثه اخْتِلَافعبد الرَّحْمَن بن الْحَارِث بن هِشَام المَخْزُومِي أَبُو مُحَمَّد الْمدنِي روى عَن عمر وَعُثْمَان وَعلي وَأبي هُرَيْرَة وَعَائِشَة وَحَفْصَة وَأم سَلمَة روى عَنهُ بنوه أَبُو بكر وَعِكْرِمَة والمغيرة وَأَبُو قلَابَة وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ بن حبَان مَاتَ سنة ثَلَاث وَأَرْبَعينعبد الرَّحْمَن بن الْحباب الْأنْصَارِيّ السّلمِيّ عَن أبي قَتَادَة فِي النَّهْي عَن الخليطين روى عَنهُ بكير بن الْأَشَج وَغَيره وَثَّقَهُ بن حبَان وَهُوَ غير عبد الرَّحْمَن بن الْحباب الْأنْصَارِيّ السّلمِيّ بن أخي الْحر الْيُسْر قَالَ الْحَافِظ الْمزي وَيحْتَمل أَن يكون إِيَّاهعبد الرَّحْمَن بن حَرْمَلَة بن عَمْرو الْأَسْلَمِيّ أَبُو حَرْمَلَة الْمدنِي روى عَن سعيد بن الْمسيب وحَنْظَلَة بن عَليّ وَجَمَاعَة وَعنهُ مَالك وَالثَّوْري وَالْأَوْزَاعِيّ وَيحيى الْقطَّان وَآخَرُونَ قَالَ النَّسَائِيّ لَيْسَ بِهِ بَأْس وَقَالَ أَبُو حَاتِم يكْتب حَدِيثه وَلَا يحْتَج بِهِ مَاتَ سنة خمس وَأَرْبَعين وَمِائَة
عبدالله ইবনে নাতাস আল-মাদানি। তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে শুধুমাত্র হাশিম ইবনে হিশাম ইবনে উতবাহ বর্ণনা করেছেন।আবদুল্লাহ ইবনে দিনার ইবনে মুকরিম আল-আসলামি। তিনি তাঁর মামা আমর ইবনে শাস (যিনি সাহাবি ছিলেন), আবু হুরায়রা এবং উরওয়াহ ইবনে যুবাইর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আত-তাইমি, আবুয যিনাদ এবং আরও অনেকে বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ি তাঁকে বিশ্বস্ত বলেছেন।আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াকিদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উমর আল-উমরি আল-মাদানি। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুরসাল বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর দাদা ও আয়িশা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আয-জুহরি, উমর ইবনে মুহাম্মদ আল-উমরি এবং একদল রাবি বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে বিশ্বস্ত বলেছেন। তিনি ১১৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াযিদ ইবনে যাইদ আল-আনসারি আল-খাতমি। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে হুদায়বিয়ায় উপস্থিত ছিলেন এবং কুফার শাসনভার পরিচালনা করেছেন। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, উমর, হুযাইফাহ, আবু আইয়ুব, আল-বারা এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র মুসা, দৌহিত্র আদি ইবনে সাবিত, ইবনে সিরিন, আবু ইসহাক আস-সাবিঈ এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। মুসআব আজ-যুবাইরি তাঁর সাহাবি হওয়া অস্বীকার করেছেন, তবে আবু হাতিম ও অন্যরা তা সাব্যস্ত করেছেন।আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াযিদ আল-মাখযুমি আল-মুকরি আল-আওয়ার। তিনি আবু মক্কাহ ইবনে আবদুর রহমান, উরওয়াহ এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, ইয়াহইয়া ইবনে আবি বাশির এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। আহমাদ, ইয়াহইয়া এবং আন-নাসায়ি তাঁকে বিশ্বস্ত বলেছেন। তিনি ১৪৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।আবদুল্লাহ আস-সুনাবিহি, তাঁকে আবু আবদুল্লাহও বলা হয়। তাঁর সাহাবি হওয়ার বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবু বকর এবং উবাদাহ ইবনে সামিত থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আতা ইবনে ইয়াসার বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারি বলেন, মালিকের 'আবদুল্লাহ আস-সুনাবিহি' বলাটা ভ্রম; মূলত তিনি হলেন আবু আবদুল্লাহ এবং তাঁর নাম আবদুর রহমান ইবনে আবলাহ, আর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সরাসরি শোনেননি। আরও অনেকে এমনটিই বলেছেন। তবে ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন বলেন, আবদুল্লাহ আস-সুনাবিহি থেকে মদিনাবাসীরা বর্ণনা করেন এবং সম্ভবত তিনি সাহাবি ছিলেন।আবদুল হামিদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে যাইদ ইবনুল খাত্তাব আল-আদাবি আবু উমর আল-মাদানি আল-আ'রাজ। তিনি তাঁর পিতা, ইবনে আব্বাস, মুসলিম ইবনে ইয়াসার এবং একদল রাবি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর পুত্রগণ—যাইদ, আমর ও আবদুল কাবীর এবং আয-জুহরি, কাতাদাহ ও অন্যরা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ি, আল-ইজলি এবং একদল বিশেষজ্ঞ তাঁকে বিশ্বস্ত বলেছেন। তিনি উমর ইবনে আবদুল আজিজের পক্ষে কুফার গভর্নর নিযুক্ত হয়েছিলেন এবং আবুয যিনাদ তাঁর লেখক ছিলেন। তিনি হিশাম ইবনে আবদুল মালিকের খিলাফতকালে মৃত্যুবরণ করেন।আবদু রাব্বিহি ইবনে সাঈদ ইবনে কাইস আল-আনসারি আল-মাদানি। তিনি আবু উমামাহ ইবনে সাহল, আমরাহ বিনতে আবদুর রহমান, আল-আ'রাজ এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, আতা ইবনে আবি রাবাহ, শু'বাহ, দুই সুফিয়ান এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। আহমাদ, ইয়াহইয়া এবং আরও অনেকে তাঁকে বিশ্বস্ত বলেছেন। তিনি ১৩৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।আবদুর রহমান ইবনে বুজাইদ। তাঁর থেকে সাঈদ আল-মাকবুরি, যাইদ ইবনে আসলাম, মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহিম আত-তাইমি এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে বিশ্বস্ত তাবেঈদের মধ্যে উল্লেখ করেছেন।আবদুর রহমান ইবনে জারহাদ আল-আসলামি। তিনি তাঁর পিতার নিকট থেকে 'উরূ সতর' সম্পর্কিত হাদিস বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র যুরআহ, আয-জুহরি এবং আবুয যিনাদ বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণিত হাদিসের সনদে মতভেদ রয়েছে।আবদুর রহমান ইবনে আল-হারিস ইবনে হিশাম আল-মাখযুমি আবু মুহাম্মদ আল-মাদানি। তিনি উমর, উসমান, আলী, আবু হুরায়রা, আয়িশা, হাফসা এবং উম্মে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্রগণ—আবু বকর, ইকরিমাহ ও আল-মুগিরা এবং আবু কিলাবাহ ও একদল রাবি বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে বিশ্বস্ত বলেছেন। তিনি ৪৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।আবদুর রহমান ইবনে আল-হুবাব আল-আনসারি আস-সুলামি। তিনি আবু কাতাদাহ থেকে দুই প্রকারের খেজুরের মিশ্রণ তৈরির নিষেধ সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বুকাইর ইবনুল আশাজ্জ ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে বিশ্বস্ত বলেছেন। তিনি আল-হুর আল-ইয়ুসর এর ভ্রাতুষ্পুত্র আবদুর রহমান ইবনে আল-হুবাব আল-আনসারি আস-সুলামি থেকে ভিন্ন ব্যক্তি। তবে হাফিজ আল-মিযযি বলেন, সম্ভবত তাঁরা একই ব্যক্তি।আবদুর রহমান ইবনে হারমালাহ ইবনে আমর আল-আসলামি আবু হারমালাহ আল-মাদানি। তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব, হানজালাহ ইবনে আলী এবং একদল রাবি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, সাওরি, আওযাই, ইয়াহইয়া আল-কাত্তান এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ি বলেন, তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। আবু হাতিম বলেন, তাঁর হাদিস লিখে রাখা যাবে কিন্তু তা দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি ১৪৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ১৯)
عبد الرَّحْمَن بن سعد بن مَالك الْأنْصَارِيّ أَبُو مُحَمَّد بن أبي سعيد الْخُدْرِيّ الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَعَمه قَتَادَة بن النُّعْمَان وَغَيرهمَا روى عَنهُ ابناه ربيح وَسَعِيد وَزيد بن أسلم وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ مَاتَ سنة اثْنَتَيْ عشرَة وَمِائَة عَن سبع وَسبعين سنةعبد الرَّحْمَن بن عبد الله بن عبد الرَّحْمَن بن أبي صغصغة الْأنْصَارِيّ الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَالزهْرِيّ وَغَيرهمَا روى عَنهُ مَالك وَابْن عُيَيْنَة وَيحيى الْأنْصَارِيّ وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَأَبُو حَاتِم مَاتَ فِي خلَافَة الْمَنْصُورعبد الرَّحْمَن بن أبي عمْرَة الْأنْصَارِيّ الْمدنِي القَاضِي روى عَن أَبِيه وجدته نهشة وَعُثْمَان وَأبي هُرَيْرَة وَعبادَة بن الصَّامِت وعدة روى عَنهُ مَالك وهلال بن عَليّ وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ بن سعد وَغَيرهعبد الرَّحْمَن بن عَوْف بن عبد عَوْف الْقرشِي أَبُو مُحَمَّد الزُّهْرِيّ أحد السَّابِقين الْأَوَّلين وَأحد الْعشْرَة الْمَشْهُود لَهُم بِالْجنَّةِ هَاجر الهجرتين وَشهد بَدْرًا والمشاهد كلهَا روى عَنهُ بنوه إِبْرَاهِيم وَحميد وَأَبُو سَلمَة وَمصْعَب وَابْن أَخِيه الْمسور بن مخرمَة وَآخَرُونَ مَاتَ سنة اثْنَتَيْنِ وَثَلَاثِينَ عَن خمس وَسبعين سنةعبد الرَّحْمَن بن الْقَاسِم بن مُحَمَّد بن أبي بكر الصّديق الْمدنِي الْفَقِيه عَن أَبِيه وَأسلم مولى عمر وَسَعِيد بن الْمسيب وَمُحَمّد بن جَعْفَر بن الزبير وعدة روى عَنهُ مَالك وَسماك بن حَرْب وَأَيوب وَالزهْرِيّ وَحميد الطَّوِيل والسفيانان وَخلق وَثَّقَهُ أَحْمد وَغير وَاحِد مَاتَ بِالشَّام سنة سِتّ وَعشْرين وَمِائَةعبد الرَّحْمَن بن كَعْب بن مَالك الْأنْصَارِيّ أَبُو الْخطاب الْمدنِي روى عَن أَبِيه وأخيه عبد الله وَعَائِشَة وَجَابِر وَغَيرهم روى عَنهُ ابناه عبد الله وَكَعب وَأَبُو أُمَامَة بن سمْعَان وَالزهْرِيّ وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ بن حبَان مَاتَ فِي خلَافَة هِشَامعبد الرَّحْمَن بن أبي ليلى واسْمه يسَار وَيُقَال بِلَال الْأنْصَارِيّ الأوسي أَبُو عِيسَى الْكُوفِي أرسل عَن عمر وروى عَن أَبِيه وَعُثْمَان وَعلي ومعاذ وبلال وَابْن مَسْعُود وَغَيرهم روى عَنهُ ابْنه عِيسَى وَعَمْرو بن مَيْمُون الأودي وَالْأَعْمَش وَأَبُو إِسْحَاق السبيعِي وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ بن معِين وَالْعجلِي مَاتَ سنة ثَلَاث وَثَمَانِينَعبد الرَّحْمَن بن هُرْمُز الْأَعْرَج أَبُو دَاوُد الْمدنِي عَن أبي هُرَيْرَة وَابْن عَبَّاس وَمُعَاوِيَة وَأبي سعيد وَطَائِفَة روى عَنهُ الزُّهْرِيّ وَأَبُو الزبير وَأَبُو الزِّنَاد وَخلق وَثَّقَهُ يحيى وَالْعجلِي وَغير وَاحِد مَاتَ بالإسكندرية سنة سَبْعَة عشر وَمِائَةعبد الرَّحْمَن بن وَعلة السبائي الْمصْرِيّ عَن بن عمر وَابْن عَبَّاس روى عَنهُ زيد بن أسلم وَيحيى الْأنْصَارِيّ وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَابْن معِين وَالْعجلِيعبد الرَّحْمَن بن يَعْقُوب الْجُهَنِيّ الْمدنِي مولى الحرقة روى عَن أَبِيه وَأبي هُرَيْرَة وَأبي سعيد وَابْن عمر وَجَمَاعَة روى عَنهُ ابْنه الْعَلَاء وَمُحَمّد بن إِبْرَاهِيم التَّيْمِيّ وَغَيرهمَا قَالَ النَّسَائِيّ لَيْسَ بِهِ بَأْسعبد الْكَرِيم بن مَالك الْجَزرِي أَبُو سعيد الْحَرَّانِي الْأمَوِي مَوْلَاهُم عَن سعيد بن الْمسيب وَعبد الرَّحْمَن بن أبي ليلى وَسَعِيد بن جُبَير وَطَاوُس وَعِكْرِمَة وَطَائِفَة وروى عَنهُ مَالك وَابْن جريج والسفيانان وَخلق وَثَّقَهُ أَحْمد وَالْعجلِي وَغير وَاحِد وَقَالَ الْحميدِي عَن سُفْيَان كَانَ حَافِظًا وَقَالَ بن سعد كَانَ ثِقَة كثير الحَدِيث مَاتَ سنة سبع وَعشْرين وَمِائَةعبد الْملك بن أبي بكر بن عبد الرَّحْمَن بن الْحَارِث المَخْزُومِي الْمدنِي أرسل عَن أبي هُرَيْرَة وَأم سَلمَة وروى عَن أَبِيه وخارجة بن زيد وَنَافِع وَغَيرهم وروى عَنهُ الزُّهْرِيّ وَأَبُو حنيفَة وَابْن جريج وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَابْن سعدعبد الْمجِيد بن سُهَيْل بن عبد الرَّحْمَن بن عَوْف الزُّهْرِيّ أَبُو مُحَمَّد الْمدنِي روى عَن عَمه أبي سَلمَة وَسَعِيد بن الْمسيب وَأبي صَالح ذكْوَان روى عَنهُ مَالك والداروردي وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَابْن معِين
আবদুর রহমান বিন সাদ বিন মালিক আল-আনসারী আবু মুহাম্মদ বিন আবি সাঈদ আল-খুদরী আল-মাদানী। তিনি তাঁর পিতা এবং চাচা কাতাদাহ বিন নুমান ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর দুই পুত্র রাবীহ ও সাঈদ এবং যায়দ বিন আসলাম ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি একশত বারো হিজরীতে সাতাত্তর বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।আবদুর রহমান বিন আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান বিন আবি সা’সা’আহ আল-আনসারী আল-মাদানী। তিনি তাঁর পিতা ও জুহরী এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, ইবনে উইয়াইনাহ, ইয়াহইয়া আল-আনসারী ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী এবং আবু হাতিম তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি মানসুরের খিলাফতকালে মৃত্যুবরণ করেন।আবদুর রহমান বিন আবি আমরাহ আল-আনসারী আল-মাদানী আল-কাজী। তিনি তাঁর পিতা, দাদী নাহশাহ, উসমান, আবু হুরায়রা, উবাদাহ বিন সামিত ও এক দল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, হিলাল বিন আলী এবং একটি জামাত বর্ণনা করেছেন। ইবনে সাদ ও অন্যান্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।আবদুর রহমান বিন আউফ বিন আবদ আউফ আল-কুরাশী আবু মুহাম্মদ আল-জুহরী। তিনি ইসলামের প্রাথমিক অগ্রগামীদের (সাবেকুনে আউয়ালুন) একজন এবং জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশজনের (আশারায়ে মুবাশশারা) অন্যতম। তিনি দুই বার হিজরত করেছিলেন এবং বদরসহ সকল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্রগণ—ইব্রাহিম, হুমায়দ, আবু সালামাহ, মুসআব—এবং তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্র আল-মিসওয়ার বিন মাখরামাহ ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। তিনি বত্রিশ হিজরীতে পঁচাত্তর বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।আবদুর রহমান বিন কাসিম বিন মুহাম্মদ বিন আবি বকর আস-সিদ্দীক আল-মাদানী আল-ফকীহ। তিনি তাঁর পিতা, উমরের মুক্তদাস আসলাম, সাঈদ বিন মুসাইয়িব, মুহাম্মদ বিন জাফর বিন জুবায়ের ও এক দল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, সিমাক বিন হারব, আইয়ুব, জুহরী, হুমায়দ আত-তবিল, উভয় সুফিয়ান এবং এক বিশাল সংখ্যক রাবী বর্ণনা করেছেন। আহমাদসহ একাধিক ইমাম তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি একশত ছাব্বিশ হিজরীতে শামে মৃত্যুবরণ করেন।আবদুর রহমান বিন কাব বিন মালিক আল-আনসারী আবু আল-খাত্তাব আল-মাদানী। তিনি তাঁর পিতা, ভাই আবদুল্লাহ, আয়েশা, জাবির ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর দুই পুত্র আবদুল্লাহ ও কাব এবং আবু উমামাহ বিন সামআন, জুহরী ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি হিশামের খিলাফতকালে মৃত্যুবরণ করেন।আবদুর রহমান বিন আবি লায়লা, তাঁর নাম ইয়াসার, মতান্তরে বিলাল, আল-আনসারী আল-আউসী আবু ঈসা আল-কুফী। তিনি উমর থেকে মুরসাল বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর পিতা, উসমান, আলী, মুয়ায, বিলাল, ইবনে মাসউদ ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র ঈসা, আমর বিন মাইমুন আল-আউদী, আমাশ, আবু ইসহাক আস-সাবিঈ ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন ও ইজলী তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি তিরাশি হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।আবদুর রহমান বিন হুরমুয আল-আরাজ আবু দাউদ আল-মাদানী। তিনি আবু হুরায়রা, ইবনে আব্বাস, মুয়াবিয়া, আবু সাঈদ এবং এক দল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে জুহরী, আবু জুবায়ের, আবু যিনাদ ও এক বিশাল সংখ্যক রাবী বর্ণনা করেছেন। ইয়াহইয়া, ইজলী এবং একাধিক ইমাম তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি একশত সতেরো হিজরীতে আলেকজান্দ্রিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন।আবদুর রহমান বিন ওয়ালাহ আস-সাবায়ী আল-মিসরী। তিনি ইবনে উমর ও ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে যায়দ বিন আসলাম, ইয়াহইয়া আল-আনসারী ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী, ইবনে মাঈন ও ইজলী তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।আবদুর রহমান বিন ইয়াকুব আল-জুহানী আল-মাদানী, আল-হুরকাহর মুক্তদাস। তিনি তাঁর পিতা, আবু হুরায়রা, আবু সাঈদ, ইবনে উমর ও এক জামাত রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আলা এবং মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আত-তাইমী ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী বলেছেন: তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই।আবদুল কারীম বিন মালিক আল-জাজারী আবু সাঈদ আল-হাররানী আল-উমাবী (তাঁদের মুক্তদাস)। তিনি সাঈদ বিন মুসাইয়িব, আবদুর রহমান বিন আবি লায়লা, সাঈদ বিন জুবায়ের, তাউস, ইকরিমাহ ও এক দল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, ইবনে জুরাইজ, উভয় সুফিয়ান এবং এক বিশাল সংখ্যক রাবী বর্ণনা করেছেন। আহমাদ, ইজলী ও একাধিক ইমাম তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। হুমায়দী সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি হাফিয ছিলেন। ইবনে সাদ বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য এবং প্রচুর হাদিসের অধিকারী ছিলেন। তিনি একশত সাতাশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।আবদুল মালিক বিন আবি বকর বিন আবদুর রহমান বিন হারিস আল-মাখজুমী আল-মাদানী। তিনি আবু হুরায়রা ও উম্মে সালামাহ থেকে মুরসাল বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর পিতা, খারিজাহ বিন যায়দ, নাফি ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে জুহরী, আবু হানিফা, ইবনে জুরাইজ ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী ও ইবনে সাদ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।আবদুল মজীদ বিন সুহাইল বিন আবদুর রহমান বিন আউফ আল-জুহরী আবু মুহাম্মদ আল-মাদানী। তিনি তাঁর চাচা আবু সালামাহ, সাঈদ বিন মুসাইয়িব এবং আবু সালিহ যাকওয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, দারাওয়ার্দী ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী ও ইবনে মাঈন তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ২০)
عبيد الله بن سلمَان الْأَغَر روى عَن أَبِيه وروى عَنهُ مَالك وَسليمَان بن بِلَال وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ بن معِين وَأَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّعبيد الله بن عبد الله بن عتبَة بن مَسْعُود الْهُذلِيّ أَبُو عبد الله الْمدنِي الْأَعْمَى أحد الْفُقَهَاء السَّبْعَة بِالْمَدِينَةِ روى عَن أَبِيه وَابْن عَبَّاس وَابْن عمر والنعمان بن بشير وَأبي هُرَيْرَة وَأبي سعيد وَعَائِشَة ومَيْمُونَة وَأم سَلمَة وَغَيرهم وروى عَنهُ الزُّهْرِيّ وَسَالم أَبُو النَّضر وَسعد بن إِبْرَاهِيم وَطَائِفَة وَثَّقَهُ أَبُو زرْعَة وَالْعجلِي وَغير وَاحِد مَاتَ سنة أَربع أَو خمس وَتِسْعين وَقيل سنة ثَمَان وَتِسْعينعبيد الله بن عبد الرَّحْمَن وَقيل عبد الله قيل إِنَّه بن أبي ذُبَاب وَقيل بن السَّائِب بن عمر عَن عبيد بن حنين عَن أبي هُرَيْرَة فِي قِرَاءَة قل هُوَ الله أحد وروى عَنهُ مَالك قَالَ أَبُو حَاتِم شيخ وَحَدِيثه مُسْتَقِيمعبيد الله بن عدي بن الْخِيَار النَّوْفَلِي الْمدنِي روى عَن عمر وَعُثْمَان وَعلي والمقداد وَجَمَاعَة وروى عَنهُ عُرْوَة وَعَطَاء بن يزِيد وَغَيرهمَا وَثَّقَهُ الْعجلِيّ وَقَالَ بن سعد كَانَ ثِقَة قَلِيل الحَدِيث مَاتَ بِالْمَدِينَةِ فِي خلَافَة الْوَلِيد بن عبد الْملكعبيد بن جريج التَّيْمِيّ مَوْلَاهُم الْمدنِي روى عَن بن عَمْرو وَابْن عَبَّاس روى عَنهُ سعيد المَقْبُري وَزيد بن أسلم وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَأَبُو زرْعَةعبيد بن حنين الْمدنِي روى عَن الْحسن وَابْن عَبَّاس وَابْن عمر وَأبي هُرَيْرَة روى عَنهُ سَالم أَبُو النَّضر وَيحيى الْأنْصَارِيّ وَآخَرُونَ قَالَ بن سعد كَانَ ثِقَة وَلَيْسَ بِكَثِير الحَدِيث مَاتَ بِالْمَدِينَةِ سنة خمس وَمِائَة وَله خمس وَسَبْعُونَ سنةعبيد بن السباق الثَّقَفِيّ الْمدنِي روى عَن زيد بن ثَابت وَابْن عَبَّاس ومَيْمُونَة وَجُوَيْرِية روى عَنهُ ابْنه سعيد وَالزهْرِيّ وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ بن حبَانعبيد بن فَيْرُوز الشَّيْبَانِيّ مَوْلَاهُم أَبُو الضَّحَّاك الْكُوفِي عَن الْبَراء بن عَازِب روى عَنهُ سُلَيْمَان بن عبد الرَّحْمَن الدِّمَشْقِي وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَأَبُو حَاتِمعُبَيْدَة بن سُفْيَان بن الْحَارِث الْحَضْرَمِيّ الْمدنِي روى عَن أبي هُرَيْرَة وَأبي الْجَعْد الضمرِي روى عَنهُ إِسْمَاعِيل بن أبي حَكِيم وَمُحَمّد بن عَمْرو بن عَلْقَمَة وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَالْعجلِيعتْبَان بن مَالك بن عمر بن العجلان الْأنْصَارِيّ شهد بَدْرًا وروى عَنهُ أنس وَغَيره قَالَ بن عبد الْبر عمي وَمَات فِي خلَافَة مُعَاوِيَةعُثْمَان بن أبي الْعَاصِ الثَّقَفِيّ أَبُو عبد الله لَهُ صُحْبَة وَرِوَايَة اسْتَعْملهُ النَّبِي صلى الله عليه وسلم على الطَّائِف ثمَّ أقره أَبُو بكر وَعمر روى عَنهُ الْحسن وَابْن سِيرِين وَسَعِيد بن الْمسيب وَجَمَاعَة مَاتَ سنة إِحْدَى وَخمسينعُثْمَان بن عَفَّان بن أبي الْعَاصِ بن أُميَّة بن عبد شمس بن عبد منَاف الْقرشِي الْأمَوِي أَبُو عَمْرو أَمِير الْمُؤمنِينَ ذُو النورين أسلم قَدِيما وَهَاجَر الهجرتين وَشهد لَهُ النَّبِي صلى الله عليه وسلم بِالْجنَّةِ وَتُوفِّي وَهُوَ عَنهُ رَاض روى عَنهُ بنوه أبان وَسَعِيد وَعَمْرو ومواليه حمْرَان وَزيد وَأَبُو سهلة وَأَبُو صَالح وَخلق بُويِعَ بالخلافة بعد قتل عمر وَقتل شَهِيدا مَظْلُوما بِالْمَدِينَةِ يَوْم الْجُمُعَة لثمان عشرَة خلت من ذِي الْحجَّة سنة خمس وَثَلَاثِينَعدي بن ثَابت الْأنْصَارِيّ الْكُوفِي روى عَن أَبِيه والبراء بن عَازِب وَجَمَاعَة روى عَنهُ أَبُو حنيفَة وَالْأَعْمَش وَأَبُو إِسْحَاق السبيعِي وَيحيى الْأنْصَارِيّ وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ أَحْمد وَالنَّسَائِيّ وَالْعجلِي مَاتَ سنة سِتّ عشرَة وَمِائَةعرَاك بن مَالك الْغِفَارِيّ الْمدنِي روى عَن بن عَبَّاس وَابْن عمر وَأبي هُرَيْرَة وَعَائِشَة وَجَمَاعَة وروى عَنهُ ابناه خثيم وَعبد الله وَسليمَان بن يسَار وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ أَبُو زرْعَة وَأَبُو حَاتِم مَاتَ بِالْمَدِينَةِ فِي خلَافَة يزِيد بن عبد الْملك
উবাইদুল্লাহ বিন সালমান আল-আগার। তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার থেকে বর্ণনা করেছেন মালিক, সুলাইমান বিন বিলাল এবং একটি দল। ইবনে মাঈন, আবু দাউদ ও নাসাঈ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন উতবাহ বিন মাসউদ আল-হুযালী আবু আব্দুল্লাহ আল-মাদানি আল-আ'মা। তিনি মদিনার সাতজন প্রসিদ্ধ ফকীহদের একজন। তিনি তার পিতা, ইবনে আব্বাস, ইবনে উমর, নুমান বিন বাশির, আবু হুরায়রা, আবু সাঈদ, আয়েশা, মাইমুনা, উম্মে সালামাহ এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে যুহরি, সালিম আবু আন-নাদর, সা'দ বিন ইব্রাহিম এবং একটি দল বর্ণনা করেছেন। আবু যুরআ, ইজলি এবং আরও অনেকে তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি পঁচানব্বই বা ছিয়ানব্বই হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন, মতান্তরে আটানব্বই হিজরীতে।উবাইদুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান, বলা হয় আব্দুল্লাহ। আরও বলা হয় যে তিনি ইবনে আবু যুবাব, আবার বলা হয় ইবনে আস-সাইব বিন উমর। তিনি উবাইদ বিন হুনাইন থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে 'কুল হুয়াল্লাহু আহাদ' পাঠের বিষয়ে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে মালিক বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি একজন শায়খ এবং তার হাদিস সঠিক।উবাইদুল্লাহ বিন আদি বিন আল-খিয়ার আন-নাওফালি আল-মাদানি। তিনি উমর, উসমান, আলী, মিকদাদ এবং একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে উরওয়াহ, আতা বিন ইয়াজিদ এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইজলি তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে সাদ বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন কিন্তু স্বল্প হাদিস বর্ণনাকারী। ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালিকের খিলাফতকালে তিনি মদিনায় মৃত্যুবরণ করেন।উবাইদ বিন জুরাইজ আত-তাইমি, তাদের মুক্তদাস, আল-মাদানি। তিনি ইবনে আমর এবং ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে সাঈদ আল-মাকবুরি, যাইদ বিন আসলাম এবং একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ এবং আবু যুরআ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।উবাইদ বিন হুনাইন আল-মাদানি। তিনি হাসান, ইবনে আব্বাস, ইবনে উমর এবং আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে সালিম আবু আন-নাদর, ইয়াহইয়া আল-আনসারি এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে সাদ বলেছেন: তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন তবে অধিক হাদিস বর্ণনাকারী ছিলেন না। তিনি ১০৫ হিজরীতে মদিনায় মৃত্যুবরণ করেন এবং তার বয়স হয়েছিল পঁচাত্তর বছর।উবাইদ বিন আস-সাব্বাক আস-সাকাফি আল-মাদানি। তিনি যাইদ বিন সাবিত, ইবনে আব্বাস, মাইমুনা এবং জুয়াইরিয়া থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার পুত্র সাঈদ, যুহরি এবং আরও অনেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।উবাইদ বিন ফাইরুজ আশ-শাইবানী, তাদের মুক্তদাস, আবু আদ-দাহহাক আল-কুফি। তিনি বারা বিন আযিব থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে সুলাইমান বিন আব্দুর রহমান আদ-দিমাশকি বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ এবং আবু হাতিম তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।উবাইদাহ বিন সুফিয়ান বিন আল-হারিস আল-হাদরামি আল-মাদানি। তিনি আবু হুরায়রা এবং আবু আল-জা'দ আদ-দামরি থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইসমাইল বিন আবু হাকিম, মুহাম্মদ বিন আমর বিন আলক্বামা এবং একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ এবং ইজলি তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।ইতবান বিন মালিক বিন উমর বিন আল-আজলান আল-আনসারি। তিনি বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। তার থেকে আনাস এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে আব্দুল বার বলেছেন: তিনি দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছিলেন এবং মুয়াবিয়ার খিলাফতকালে মৃত্যুবরণ করেন।উসমান বিন আবিল আস আস-সাকাফি আবু আব্দুল্লাহ। তার সাহচর্য ও রেওয়ায়াত রয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে তায়েফের শাসক নিযুক্ত করেছিলেন, এরপর আবু বকর এবং উমর তাকে সেখানে বহাল রাখেন। তার থেকে হাসান, ইবনে সিরিন, সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যিব এবং একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। তিনি ৫১ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।উসমান বিন আফফান বিন আবিল আস বিন উমাইয়া বিন আব্দ শামস বিন আব্দ মানাফ আল-কুরাইশি আল-উমাবি আবু আমর, আমিরুল মুমিনীন, জুন-নুরাইন। তিনি শুরুতেই ইসলাম গ্রহণ করেন এবং দুই বার হিজরত করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার জান্নাতী হওয়ার সাক্ষ্য দিয়েছেন এবং তিনি যখন ইন্তেকাল করেন তখন তিনি তার প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন। তার থেকে তার পুত্র আবান, সাঈদ ও আমর এবং তার মুক্তদাস হুমরান, যাইদ, আবু সাহলাহ, আবু সালিহ এবং অসংখ্য লোক বর্ণনা করেছেন। উমরের শাহাদাতের পর খিলাফতের জন্য তার হাতে বাইয়াত গ্রহণ করা হয়। তিনি ৩৫ হিজরীর ১৮ই যিলহজ্জ শুক্রবার মদিনায় মজলুম অবস্থায় শহীদ হন।আদি বিন সাবিত আল-আনসারি আল-কুফি। তিনি তার পিতা, বারা বিন আযিব এবং একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আবু হানিফা, আমাশ, আবু ইসহাক আস-সাবিঈ, ইয়াহইয়া আল-আনসারি এবং আরও অনেকে বর্ণনা করেছেন। আহমাদ, নাসাঈ এবং ইজলি তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ১১৬ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।ইরাক বিন মালিক আল-গিফারি আল-মাদানি। তিনি ইবনে আব্বাস, ইবনে উমর, আবু হুরায়রা, আয়েশা এবং একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার দুই পুত্র খুসাইম ও আব্দুল্লাহ এবং সুলাইমান বিন ইয়াসার ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। আবু যুরআ এবং আবু হাতিম তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইয়াজিদ বিন আব্দুল মালিকের খিলাফতকালে মদিনায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ২১)
عُرْوَة بن الزبير بن الْعَوام الْأَسدي أَبُو عبد الله الْمدنِي روى عَن أَبِيه وأخيه عبد الله وَعلي بن أبي طَالب وابنيه الْحسن وَالْحُسَيْن وَزيد بن ثَابت وَسَعِيد بن زيد وَعَائِشَة وَغَيرهم وروى عَنهُ بنوه عبد الله وَمُحَمّد وَعُثْمَان وَهِشَام وَيحيى وَأَبُو سَلمَة بن عبد الرَّحْمَن وَسليمَان بن يسَار الزُّهْرِيّ وَخلق قَالَ بن عُيَيْنَة أعلم النَّاس بِحَدِيث عَائِشَة ثَلَاثَة الْقَاسِم وَعُرْوَة وَعمرَة بنت عبد الرَّحْمَن وَكَانَ يَصُوم الدَّهْر مَاتَ سنة أَربع وَتِسْعينعَطاء بن أبي مُسلم واسْمه عبد الله وَيُقَال ميسرَة الْخُرَاسَانِي أَبُو أَيُّوب الْبَلْخِي أحد الْأَعْلَام نزل الشَّام وروى عَن الزُّهْرِيّ وَسَعِيد بن الْمسيب وَخلق وروى عَنهُ أَبُو حنيفَة وَمَالك وَشعْبَة وَالثَّوْري وَحَمَّاد بن سَلمَة وعدة وَثَّقَهُ بن معِين وَأَبُو حَاتِم وَالدَّارَقُطْنِيّ وَقَالَ بن حبَان كَانَ رَدِيء الْحِفْظ كثير الْوَهم مَاتَ سنة خمس وَثَلَاثِينَ وَمِائَةعَطاء بن يزِيد اللَّيْثِيّ أَبُو مُحَمَّد روى عَن أبي أَيُّوب وَأبي هُرَيْرَة وَأبي سعيد وَغَيرهم وروى عَنهُ ابْنه سُلَيْمَان وَالزهْرِيّ وَسُهيْل بن أبي صَالح وَغَيرهم وَثَّقَهُ بن الْمَدِينِيّ وَغَيره وَكَانَ كثير الحَدِيث مَاتَ سنة سبع وَمِائَة عَن ثِنْتَيْنِ وَثَمَانِينَ سنةعَطاء بن يسَار الْهِلَالِي أَبُو مُحَمَّد الْمدنِي القَاضِي روى عَن بن مَسْعُود وَزيد بن ثَابت وَابْن عمر وَأبي هُرَيْرَة وَعَائِشَة ومولاته مَيْمُونَة وَأم سليم وَخلق وروى عَنهُ أَبُو حنيفَة وَزيد بن أسلم وَأَبُو سَلمَة بن عبد الرَّحْمَن وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ بن معِين وَأَبُو زرْعَة وَالنَّسَائِيّ وَغَيرهم مَاتَ سنة ثَلَاثَة وَمِائَة وَقيل سنة أَربع وَتِسْعين وَهُوَ بن أَربع وَثَمَانِينَ سنةعَلْقَمَة بن أبي عَلْقَمَة واسْمه بِلَال الْمدنِي روى عَن أُميَّة مرْجَانَة وَأنس وَجَمَاعَة وورى عَنهُ مَالك وَسليمَان بن بِلَال وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ أَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ وَابْن معِين وَقَالَ بن سعد لَهُ أَحَادِيث صَالِحَةعَلْقَمَة بن وَقاص اللَّيْثِيّ الْفَزارِيّ الْمدنِي روى عَن عمر وَعَائِشَة وَمُعَاوِيَة وَغَيرهم وروى عَنهُ أَبنَاء عبد الله وَعَمْرو وَالزهْرِيّ وَمُحَمّد بن إِبْرَاهِيم التَّيْمِيّ وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَابْن سعد مَاتَ بِالْمَدِينَةِ فِي خلَافَة عبد الْملك بن مَرْوَانعَليّ بن الْحُسَيْن بن عَليّ بن أبي طَالب الْهَاشِمِي أَبُو الْحُسَيْن الْمدنِي زين العابدين روى عَن أَبِيه وَعَمه الْحسن وَابْن عَبَّاس والمسور وَأبي هُرَيْرَة وَعَائِشَة وَأم سَلمَة وَصفِيَّة بنت حييّ وَطَائِفَة وروى عَنهُ بنوه مُحَمَّد وَزيد وَعبد الله وَالْحكم بن عتيبة وَزيد بن أسلم وَالزهْرِيّ وَطَاوُس وأخرون قَالَ الزُّهْرِيّ مَا رَأَيْت قُريْشًا أفضل مِنْهُ وَقَالَ بن سعد كَانَ ثِقَة مَأْمُونا كثير الحَدِيث عَالِيا رفيعا ورعا وَقَالَ بن أبي شيبَة أصح الْأَسَانِيد الزُّهْرِيّ عَن عَليّ بن الْحُسَيْن عَن أَبِيه عَن عَليّ مَاتَ سنة اثْنَتَيْنِ وَتِسْعينعَليّ بن أبي طَالب واسْمه عبد منَاف بن عبد الْمطلب أَبُو الْحسن الْهَاشِمِي بن عَم رَسُول الله صلى الله عليه وسلم نَشأ عِنْد النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَصلى مَعَه أول النَّاس وَشهد بَدْرًا والمشاهد سوى تَبُوك فَإِنَّهُ اسْتَخْلَفَهُ فِيهَا على الْمَدِينَة وَبَعثه إِلَى الْيمن قَاضِيا وَضرب بِيَدِهِ فِي صَدره وَقَالَ اللَّهُمَّ اهد قلبه وسدد لِسَانه ومناقبه كَثِيرَة روى عَنهُ بنوه الْحسن وَالْحُسَيْن وَعمر وَمُحَمّد بن الْحَنَفِيَّة وَخلق بُويِعَ لَهُ بالخلافة يَوْم قتل عُثْمَان وَقتل لَيْلَة الْجُمُعَة لثلاث عشرَة بقيت من رَمَضَان سنة أَرْبَعِينَ بِالْكُوفَةِ وَهُوَ بن ثَلَاث وَسِتِّينَ سنةعَليّ بن عبد الرَّحْمَن المعادي الْأنْصَارِيّ روى عَن جَابر وَابْن عمر وروى عَنهُ الزُّهْرِيّ وَمُسلم بن أبي مَرْيَم وَثَّقَهُ أَبُو زرْعَة وَالنَّسَائِيّعَليّ بن يحيى بن خَلاد الْأنْصَارِيّ الزرقي عَن أَبِيه وَعم أَبِيه رِفَاعَة بن رَافع وَغَيرهمَا وروى عَنهُ ابْنه يحيى وَإِسْحَاق بن عبد الله بن أبي طَلْحَة ونعيم المجمر وَبُكَيْر بن الْأَشَج وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ بن معِين وَالنَّسَائِيّ مَاتَ سنة تسع وَعشْرين وَمِائَة
উরওয়াহ বিন আল-যুবাইর বিন আল-আওয়াম আল-আসাদী আবু আবদুল্লাহ আল-মাদানী। তিনি তার পিতা, তার ভাই আবদুল্লাহ, আলী বিন আবি তালিব, আলীর দুই পুত্র হাসান ও হুসাইন, যায়েদ বিন সাবিত, সাঈদ বিন যায়েদ, আয়েশা এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার পুত্রগণ আবদুল্লাহ, মুহাম্মাদ, উসমান, হিশাম, ইয়াহইয়া এবং আবু সালামাহ বিন আবদুর রহমান, সুলাইমান বিন ইয়াসার, জুহরী ও অসংখ্য লোক বর্ণনা করেছেন। ইবনে উয়াইনা বলেন, আয়েশার হাদীস সম্পর্কে সবচেয়ে বিজ্ঞ ব্যক্তি তিনজন: আল-কাসিম, উরওয়াহ এবং আমরা বিনতে আবদুর রহমান। তিনি আজীবন রোজা রাখতেন। তিনি চুরানব্বই হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।আতা বিন আবি মুসলিম, যার নাম আবদুল্লাহ এবং বলা হয় মাইসারা আল-খুরাসানী আবু আইয়ুব আল-বালখী; অন্যতম প্রধান আলেম। তিনি শামে (সিরিয়া) বসতি স্থাপন করেন। তিনি জুহরী, সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যিব এবং বহু লোক থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আবু হানিফা, মালিক, শু'বাহ, সাওরী, হাম্মাদ বিন সালামাহ এবং একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন, আবু হাতিম এবং দারা কুতনী তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তবে ইবনে হিব্বান বলেছেন, তার মুখস্থ শক্তি দুর্বল ছিল এবং তিনি প্রচুর ভুল করতেন। তিনি একশত পঁয়ত্রিশ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।আতা বিন ইয়াজিদ আল-লাইসী আবু মুহাম্মাদ। তিনি আবু আইয়ুব, আবু হুরায়রা, আবু সাঈদ এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার পুত্র সুলাইমান, জুহরী, সুহাইল বিন আবি সালিহ এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে আল-মাদিনী ও অন্যান্যরা তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি প্রচুর হাদীস বর্ণনাকারী ছিলেন। তিনি একশত সাত হিজরীতে বিরাশি বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।আতা বিন ইয়াসার আল-হিলালী আবু মুহাম্মাদ আল-মাদানী, যিনি একজন বিচারক ছিলেন। তিনি ইবনে মাসউদ, যায়েদ বিন সাবিত, ইবনে উমর, আবু হুরায়রা, আয়েশা, তার কর্ত্রী মায়মুনা, উম্মে সুলাইম এবং বহু লোক থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আবু হানিফা, যায়েদ বিন আসলাম, আবু সালামাহ বিন আবদুর রহমান এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন, আবু যুরআ, নাসাঈ এবং অন্যান্যরা তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি একশত তিন হিজরীতে, মতান্তরে চুরানব্বই হিজরীতে চুরাশি বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।আলকামা বিন আবি আলকামা, যার নাম বিলাল আল-মাদানী। তিনি উম্মে মারজানা, আনাস এবং একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে মালিক, সুলাইমান বিন বিলাল এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। আবু দাউদ, নাসাঈ এবং ইবনে মাঈন তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে সাদ বলেছেন, তার বর্ণিত হাদীসসমূহ উত্তম।আলকামা বিন ওয়াক্কাস আল-লাইসী আল-ফাজারী আল-মাদানী। তিনি উমর, আয়েশা, মুয়াবিয়া এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার দুই পুত্র আবদুল্লাহ ও আমর, জুহরী, মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম আত-তাইমী এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ এবং ইবনে সাদ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি আব্দুল মালিক বিন মারওয়ানের খিলাফতকালে মদীনায় ইন্তেকাল করেন।আলী বিন আল-হুসাইন বিন আলী বিন আবি তালিব আল-হাশেমী আবু আল-হুসাইন আল-মাদানী, যিনি জয়নুল আবেদিন নামে পরিচিত। তিনি তার পিতা, তার চাচা হাসান, ইবনে আব্বাস, মিসওয়ার, আবু হুরায়রা, আয়েশা, উম্মে সালামাহ, সাফিয়্যাহ বিনতে হুয়াই এবং একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার পুত্রগণ মুহাম্মাদ, যায়েদ, আবদুল্লাহ এবং হাকাম বিন উতাইবা, যায়েদ বিন আসলাম, জুহরী, তাউস এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। জুহরী বলেন, আমি কুরাইশদের মধ্যে তার চেয়ে শ্রেষ্ঠ কাউকে দেখিনি। ইবনে সাদ বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য, আমানতদার, প্রচুর হাদীস বর্ণনাকারী, উচ্চমর্যাদা সম্পন্ন, সুউচ্চ ব্যক্তিত্ব এবং পরহেজগার ছিলেন। ইবনে আবি শাইবা বলেন, সবচেয়ে সহীহ সনদ হলো জুহরী, তিনি আলী বিন আল-হুসাইন থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আলী থেকে। তিনি বিরানব্বই হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।আলী বিন আবি তালিব, যার নাম আবদে মানাফ বিন আবদুল মুত্তালিব আবু আল-হাসান আল-হাশেমী; তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চাচাতো ভাই। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তত্ত্বাবধানে বেড়ে ওঠেন এবং মানুষের মধ্যে সর্বপ্রথম তার সাথে সালাত আদায় করেন। তিনি বদর এবং তাবুক ব্যতীত সকল যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন, কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে মদীনায় স্থলাভিষিক্ত করেছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বিচারক হিসেবে ইয়ামানে প্রেরণ করেছিলেন এবং তার হাত দিয়ে আলীর বুকে আঘাত করে বলেছিলেন, "হে আল্লাহ, তার অন্তরকে হিদায়াত দিন এবং তার জবানকে অটল রাখুন।" তার অসংখ্য ফজিলত রয়েছে। তার থেকে তার পুত্র হাসান, হুসাইন, উমর, মুহাম্মাদ বিন আল-হানাফিয়্যাহ এবং বহু লোক বর্ণনা করেছেন। উসমান নিহত হওয়ার দিন তার হাতে খিলাফতের বায়াত গ্রহণ করা হয়। তিনি চল্লিশ হিজরীর রমজান মাসের তেরো দিন বাকি থাকতে জুমার রাতে কুফায় শহীদ হন। তখন তার বয়স ছিল তেষট্টি বছর।আলী বিন আবদুর রহমান আল-মুয়াদী আল-আনসারী। তিনি জাবির ও ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে জুহরী এবং মুসলিম বিন আবি মারিয়াম বর্ণনা করেছেন। আবু যুরআ এবং নাসাঈ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।আলী বিন ইয়াহইয়া বিন খাল্লাদ আল-আনসারী আজ-জুরাকী। তিনি তার পিতা এবং তার পিতার চাচা রিফায়া বিন রাফে ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার পুত্র ইয়াহইয়া, ইসহাক বিন আবদুল্লাহ বিন আবি তালহা, নুআইম আল-মুজমির, বুকাইর বিন আল-আশাজ্জ এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন এবং নাসাঈ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি একশত ঊনত্রিশ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ২২)
عمَارَة بن عبد الله بن بن سماك الْأنْصَارِيّ أَبُو أَيُّوب الْمدنِي وَقد ينْسب إِلَى جده وَأَبوهُ الَّذِي قيل عَنهُ إِنَّه الدَّجَّال روى عَن جَابر بن عبد الله وَسَعِيد بن الْمسيب وَعَطَاء وروى عَنهُ مَالك وَالضَّحَّاك بن عُثْمَان وَغَيرهمَا وَثَّقَهُ بن معِين وَالنَّسَائِيّعمر بن الحكم السّلمِيّ روى عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم قَوْله لِلْجَارِيَةِ أَيْن الله روى عَنهُ عَطاء بن يسَار قَالَه مَالك عَن هِلَال عَن عَطاء وَقَالَ يحيى بن أبي كثير عَن هِلَال عَن عَطاء عَن مُعَاوِيَة بن الحكم السّلمِيّ وَهُوَ الْمَحْفُوظ وَسَيَأْتِيعمر بن الْخطاب بن نفَيْل بن عبد الْعُزَّى الْقرشِي الْعَدوي أَبُو حَفْص أَمِير الْمُؤمنِينَ ولد عَام ثَلَاث عشرَة من عَام الْفِيل ودعا النَّبِي صلى الله عليه وسلم لَهُ أَن يعز الله بِهِ الْإِسْلَام فَأجَاب الله دعاءه فِيهِ وَهَاجَر وَشهد الْمشَاهد وَتُوفِّي النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَهُوَ عَنهُ رَاض وَولي الْخلَافَة بعد أبي بكر بِعَهْد مِنْهُ فَسَار السِّيرَة العمرية الَّتِي تضرب بحسنها الْأَمْثَال وَأنزل نَفسه من مَال الله بِمَنْزِلَة وَإِلَى الْيَتِيم إِن اسْتغنى عَنهُ استعف وَإِن احْتَاجَ اقْترض بِالْمَعْرُوفِ فَإِذا أيسر قضى وَفتح الْفتُوح الْكَثِيرَة بِالشَّام وَالْعراق ومصر وَدون الدَّوَاوِين فِي الْعَطاء وَهُوَ أول من سمي أَمِير الْمُؤمنِينَ وَأول من أرخ التَّارِيخ من الْهِجْرَة وَأول من اتخذ الدرة قتل يَوْم الْأَرْبَعَاء سنة ثَلَاث بَقينَ من ذِي الْحجَّة سنة ثَلَاث وَعشْرين وَله ثَلَاث وَسِتُّونَ سنةعمر بن أبي سَلمَة واسْمه عبد الله بن عبد الْأسد المَخْزُومِي الْمدنِي ربيب النَّبِي صلى الله عليه وسلم روى عَنهُ وَعَن أمه أم سَلمَة وروى عَنهُ ثَابت الْبنانِيّ وَسَعِيد بن الْمسيب وَعُرْوَة وَعَطَاء وعدة ولد بِأَرْض الْحَبَشَة فِي السّنة الثَّانِيَة من الْهِجْرَة وَاسْتَعْملهُ عَليّ بن أبي طَالب على فَارس والبحرين مَاتَ بِالْمَدِينَةِ سنة ثَلَاث وَثَمَانِينَعمر بن عبد الْعَزِيز بن مَرْوَان بن الحكم الْأمَوِي الْمدنِي ثمَّ الدِّمَشْقِي أَمِير الْمُؤمنِينَ وَالْإِمَام الْعَادِل روى عَن أنس وَصلى أنس خَلفه وَقَالَ مَا رَأَيْت أحدا أشبه صَلَاة برَسُول الله صلى الله عليه وسلم من هَذَا الْفَتى وروى عَن الرّبيع بن سُبْرَة والسائب بن يزِيد وَسَعِيد بن الْمسيب وَجَمَاعَة وروى عَنهُ ابناه عبد الله وَعبد الْعَزِيز وَأَبُو سَلمَة بن عبد الرَّحْمَن وَالزهْرِيّ وهما من شُيُوخه قَالَ بن سعد كَانَ ثِقَة مَأْمُونا لَهُ فقه وَعلم وورع وروى حَدِيثا كثيرا وَكَانَ إِمَام عدل أَقَامَ فِي الْخلَافَة سنتَيْن وَنصفا وَمَات يَوْم الْجُمُعَة لعشر بَقينَ من رَجَب سنة إِحْدَى وَمِائَة وَله أَرْبَعُونَ سنة إِلَّا أشهراعَمْرو بن عُثْمَان بن عَفَّان الْأمَوِي روى عَن أُسَامَة بن زيد وروى عَنهُ عَليّ زين العابدين قَالَه مَالك عَن الزُّهْرِيّ عَنهُ وَقَالَ سَائِر الروَاة عَن الزُّهْرِيّ عَن عَليّ بن الْحُسَيْن عَن عَمْرو بن عُثْمَان قَالَ الْحَافِظ الْمزي وَهُوَ الْمَحْفُوظعمر بن كثير بن أَفْلح الْمدنِي مولى أبي أَيُّوب روى عَن بن عمر وَكَعب بن مَالك وَنَافِع مولى أبي قَتَادَة وَجَمَاعَة وروى عَنهُ بن عون وَيحيى الْأنْصَارِيّ وَغَيرهمَا وَثَّقَهُ النَّسَائِيّعَمْرو بن الْحَارِث بن يَعْقُوب بن عبد الله الْأنْصَارِيّ أَبُو أُميَّة الْمصْرِيّ مولى قيس بن سعد روى عَن أَبِيه وَالزهْرِيّ وَسَالم أبي النَّضر وَخلق وروى عَنهُ مَالك وَابْن وهب وَهُوَ راويته وَثَّقَهُ بن معِين وَالنَّسَائِيّ وَغير وَاحِد وَقَالَ أَبُو حَاتِم كَانَ أحفظ أهل زَمَانه مَاتَ سنة سبع وَقيل ثَمَان وَأَرْبَعين وَمِائَة وَله سِتّ وَخَمْسُونَ سنةعَمْرو بن رَافع مولى عمر قَالَ كنت أكتب مُصحفا لأم الْمُؤمنِينَ حَفْصَة الحَدِيث وروى عَنهُ زيد بن أسلم وَأَبُو جَعْفَر الباقر وَنَافِع وَثَّقَهُ بن حبَان وَلَيْسَت لَهُ رِوَايَة فِي الْكتب السِّتَّة وَلَا مُسْند أحدعَمْرو بن سليم بن خلدَة الزرقي الْأنْصَارِيّ الْمدنِي روى عَن بن عمر وَابْن الزبير وَأبي هُرَيْرَة وَأبي سعيد وَغَيرهم وروى عَنهُ ابْنه سعيد وَالزهْرِيّ وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَابْن سعد
আমারা বিন আবদুল্লাহ বিন সিমাক আল-আনসারী আবু আইয়ুব আল-মাদানী। কখনো তাকে তার দাদার দিকে সম্বন্ধ করা হয়। তার পিতা সম্পর্কে বলা হয় যে সে দাজ্জাল। তিনি জাবির বিন আবদুল্লাহ, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব এবং আতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে বর্ণনা করেছেন মালিক, যাহহাক বিন উসমান এবং আরও অনেকে। ইবনে মাঈন এবং নাসায়ী তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।উমর বিন আল-হাকাম আস-সুলামী। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে দাসীকে উদ্দেশ্য করে তাঁর এই বাণী বর্ণনা করেছেন: "আল্লাহ কোথায়?" তাঁর থেকে আতা বিন ইয়াসার বর্ণনা করেছেন। এটি মালিক হিলালের সূত্রে আতা থেকে বর্ণনা করেছেন। ইয়াহিয়া বিন আবু কাসির হিলালের সূত্রে আতা থেকে মুয়াবিয়া বিন হাকাম আস-সুলামীর বর্ণনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন; এটিই সংরক্ষিত বর্ণনা এবং সামনে এটি আসবে।উমর বিন আল-খাত্তাব বিন নুফায়েল বিন আব্দুল উযযা আল-কুরাশী আল-আদাবী আবু হাফস আমীরুল মুমিনীন। তিনি হস্তী বছরের তেরো বছর পর জন্মগ্রহণ করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর জন্য দুআ করেছিলেন যে, আল্লাহ যেন তাঁর মাধ্যমে ইসলামকে শক্তিশালী করেন। আল্লাহ তাঁর ব্যাপারে সেই দুআ কবুল করেন। তিনি হিজরত করেন এবং সকল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন ইন্তেকাল করেন, তখন তিনি তাঁর ওপর সন্তুষ্ট ছিলেন। তিনি আবু বকরের পরে তাঁরই নির্দেশে খেলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি উমরীয় নীতি অনুসরণ করেছিলেন যা তার সৌন্দর্যের কারণে প্রবাদে পরিণত হয়েছে। তিনি আল্লাহর সম্পদ থেকে নিজেকে একজন এতিমের অভিভাবকের অবস্থানে রাখতেন; যদি অভাবমুক্ত থাকতেন তবে বিরত থাকতেন, আর অভাবী হলে নিয়মানুযায়ী ঋণ নিতেন, অতঃপর সচ্ছল হলে পরিশোধ করতেন। তিনি সিরিয়া, ইরাক এবং মিশরে অনেক বিজয় সম্পন্ন করেন। তিনি ভাতার জন্য রেজিস্টার বা দিওয়ান প্রবর্তন করেন। তিনিই প্রথম ব্যক্তি যাকে আমীরুল মুমিনীন বলা হয় এবং তিনিই প্রথম হিজরত থেকে তারিখ গণনা শুরু করেন। তিনিই প্রথম চাবুক ব্যবহার করেন। তিনি ২৩ হিজরীর যিলহজ মাসের তিন দিন বাকি থাকতে বুধবার শাহাদাতবরণ করেন। তখন তাঁর বয়স ছিল তেষট্টি বছর।উমর বিন আবি সালামাহ, তাঁর নাম আবদুল্লাহ বিন আব্দুল আসাদ আল-মাখজুমী আল-মাদানী। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পালিত পুত্র। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং তাঁর মা উম্মে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে সাবিত আল-বুনানী, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব, উরওয়াহ, আতা এবং আরও অনেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি হিজরতের দ্বিতীয় বছরে হাবাশার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেন। আলী বিন আবি তালিব তাঁকে পারস্য ও বাহরাইনের শাসক হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন। তিনি ৮৩ হিজরীতে মদিনায় ইন্তেকাল করেন।উমর বিন আব্দুল আজিজ বিন মারওয়ান বিন আল-হাকাম আল-উমাবী আল-মাদানী, অতঃপর আদ-দিমাশকী, আমীরুল মুমিনীন এবং ন্যায়পরায়ণ ইমাম। তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন এবং আনাস তাঁর পেছনে নামাজ পড়েছেন এবং বলেছেন: "আমি এই যুবকের চেয়ে আর কাউকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নামাজের সঙ্গে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ নামাজ পড়তে দেখিনি।" তিনি রাবী বিন সাবরা, সাইব বিন ইয়াজিদ, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব এবং একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর দুই পুত্র আবদুল্লাহ ও আব্দুল আজিজ, আবু সালামাহ বিন আব্দুর রহমান এবং যুহরী বর্ণনা করেছেন—আর তাঁরা দুজন তাঁর উস্তাদদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। ইবনে সাদ বলেন: তিনি ছিলেন নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত, তাঁর ফিকহ, ইলম ও পরহেজগারি ছিল। তিনি অনেক হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি ছিলেন একজন ন্যায়পরায়ণ ইমাম। তিনি আড়াই বছর খেলাফতে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি ১০১ হিজরীর রজব মাসের দশ দিন বাকি থাকতে জুমার দিন ইন্তেকাল করেন। কয়েক মাস কম তাঁর বয়স ছিল চল্লিশ বছর।আমর বিন উসমান বিন আফফান আল-উমাবী। তিনি উসামা বিন যায়েদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আলী জয়নুল আবেদিন বর্ণনা করেছেন—এটি মালিক যুহরীর সূত্রে তাঁর থেকে উল্লেখ করেছেন। অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ যুহরীর সূত্রে আলী বিন আল-হুসাইন থেকে, তিনি আমর বিন উসমান থেকে বর্ণনা করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন। হাফেজ মিযযী বলেন: এটিই সংরক্ষিত বর্ণনা।উমর বিন কাসীর বিন আফলাহ আল-মাদানী, আবু আইয়ুবের মুক্তদাস। তিনি ইবনে উমর, কাব বিন মালিক, আবু কাতাদার মুক্তদাস নাফে এবং একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইবনে আউন, ইয়াহিয়া আল-আনসারী এবং আরও অনেকে বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।আমর বিন আল-হারিস বিন ইয়াকুব বিন আবদুল্লাহ আল-আনসারী আবু উমাইয়া আল-মিসরী, কায়েস বিন সা'দ-এর মুক্তদাস। তিনি তাঁর পিতা, যুহরী, সালিম আবু আন-নাযর এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক এবং ইবনে ওয়াহাব বর্ণনা করেছেন এবং তিনি ছিলেন তাঁর বর্ণনাকারী। ইবনে মাঈন, নাসায়ী এবং একাধিক ইমাম তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি তাঁর সময়ের শ্রেষ্ঠ হাফেজ ছিলেন। তিনি ১৪৭ হিজরীতে, মতান্তরে ১৪৮ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন। তাঁর বয়স ছিল ছাপ্পান্ন বছর।আমর বিন রাফে, উমরের মুক্তদাস। তিনি বলেন: "আমি উম্মুল মুমিনীন হাফসার জন্য একটি মুসহাফ লিখছিলাম"—হাদিসটি তিনি বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে যায়েদ বিন আসলাম, আবু জাফর আল-বাকির এবং নাফে বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। কুতুবে সিত্তাহ বা কোনো মুসনাদ গ্রন্থে তাঁর কোনো বর্ণনা নেই।আমর বিন সুলাইম বিন খালদাহ আজ-জুরাকী আল-আনসারী আল-মাদানী। তিনি ইবনে উমর, ইবনুয যুবায়ের, আবু হুরায়রা, আবু সাঈদ এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র সাঈদ, যুহরী এবং একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী এবং ইবনে সাদ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ২৩)
عَمْرو بن شُرَحْبِيل بن سعيد بن سعد بن عبَادَة الْأنْصَارِيّ روى عَن أَبِيه عَن جده وَعنهُ ابناه سعيد وَعبد الرَّحْمَن وَغَيرهمَا وَثَّقَهُ بن حبَانعَمْرو بن شُعَيْب بن مُحَمَّد بن عبد الله بن عَمْرو بن الْعَاصِ السَّهْمِي أَبُو إِبْرَاهِيم الْقرشِي روى عَن أَبِيه وَسَالم وَسَعِيد بن الْمسيب وَمُجاهد وَطَاوُس وعدة وروى عَنهُ أَبُو حنيفَة وَالْأَوْزَاعِيّ وَأَيوب وَابْن جريج وَخلق قَالَ يحيى الْقطَّان إِذا روى عَنهُ الثِّقَات فَهُوَ ثِقَة مُحْتَج بِهِ وَقَالَ البُخَارِيّ رَأَيْت أَحْمد بن حَنْبَل وَعلي بن الْمَدِينِيّ وَإِسْحَاق بن رَاهَوَيْه وَأَبا عبيد وَعَامة أَصْحَابنَا يحتجون بِحَدِيث عَمْرو بن شُعَيْب عَن أَبِيه عَن جده مَا تَركه أحد من الْمُسلمين وَقَالَ بن رَاهَوَيْه وَقَالَ بن حبَان فِي رِوَايَته عَن أَبِيه عَن جده مَنَاكِير كَثِيرَة لَا يجوز عِنْدِي الِاحْتِجَاج بِشَيْء مِنْهَا مَاتَ سنة ثَمَان عشرَة وَمِائَةعَمْرو بن الْعَاصِ بن وَائِل الْقرشِي السَّهْمِي أسلم سنة ثَمَان قبل الْفَتْح بأشهر وَأمره النَّبِي صلى الله عليه وسلم على جَيش ذَات السلَاسِل روى عَنهُ ابْنه عبد الله ومولاه أَبُو قيس وَعُرْوَة وَآخَرُونَ سكن مصر وَمَات بهَا سنة اثْنَيْنِ وَأَرْبَعين وَله سَبْعُونَ سنةعَمْرو بن عبد الله بن كَعْب بن مَالك الْأنْصَارِيّ السّلمِيّ روى عَن نَافِع بن جُبَير وروى عَنهُ يزِيد بن حَفْصَة وَثَّقَهُ النَّسَائِيّعَمْرو بن عَلْقَمَة بن وَقاص اللَّيْثِيّ روى عَن أَبِيه وبلال بن الْحَارِث وَله صُحْبَة وروى عَنهُ ابْنه مُحَمَّد وَثَّقَهُ بن حبَانعَمْرو بن أبي عَمْرو ميسرَة مولى الْمطلب بن عبد الله بن حنْطَب الْقرشِي المَخْزُومِي أَبُو عُثْمَان الْمدنِي عَن مَوْلَاهُ الْمطلب وَأنس بن مَالك وَسَعِيد بن جُبَير وَعِكْرِمَة وَغَيرهم وروى عَنهُ مَالك وَابْن إِسْحَاق والداروردي وَخلق وَثَّقَهُ أَبُو زرْعَة وَقَالَ أَحْمد لَيْسَ بِهِ بَأْس وَقَالَ بن معِين لَيْسَ بِحجَّةعَمْرو بن معَاذ بن سعد بن معَاذ الْأنْصَارِيّ الأشْهَلِي روى عَن جدته حَوَّاء وروى عَنهُ زيد بن أسلم وَثَّقَهُ بن حبَان وروى لَهُ أَحْمد فِي الْمسند وَلَيْسَ لَهُ رِوَايَة فِي الْكتب السِّتَّةعَمْرو بن يحيى بن عمَارَة بن أبي حسن الْأنْصَارِيّ الْمَازِني الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَعبادَة بن سهل وعدة وروى عَنهُ مَالك وَيحيى بن أبي كثير والسفيانان والحمادان وَشعْبَة وَيحيى الْأنْصَارِيّ وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَأَبُو حَاتِمعمرَان بن مُحَمَّد بن عبد الرَّحْمَن بن أبي ليلى روى عَن أَبِيه وروى عَنهُ ابْنه مُحَمَّد وَعُثْمَان بن أبي شيبَة وَثَّقَهُ بن حبَانعُمَيْر بن سَلمَة الضمرِي لَهُ صُحْبَة وَرِوَايَة وَعنهُ عِيسَى بن طَلْحَةعُمَيْر بن عبد الله الْهِلَالِي مولى الْعَبَّاس بن عبد الْمطلب وَيُقَال مولى عبد الله بن عَبَّاس وَيُقَال مولى أم الْفضل الْمدنِي روى عَن مولاته أم الْفضل وَابْن عَبَّاس وَأُسَامَة بن زيد وَجَمَاعَة وروى عَنهُ سَالم أَبُو النَّضر والأعرج وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَابْن حبَان مَاتَ سنة أَربع وَمِائَةعُوَيْمِر بن مَالك وَيُقَال بن عَامر الْأنْصَارِيّ الخزرجي أَبُو الدَّرْدَاء أسلم يَوْم بدر وَشهد أحدا فأبلى يَوْمئِذٍ روى عَنهُ ابْنه بِلَال وَزَوجته أم الدَّرْدَاء وَجبير بن نفير وَخلق وألحقه عمر بالبدريين فِي الْعَطاء مَاتَ سنة اثْنَيْنِ وَثَلَاثِينَالْعَلَاء بن عبد الرَّحْمَن بن يَعْقُوب الحرقي الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَابْن عمر وَأنس وَطَائِفَة وروى عَنهُ ابْنه شبْل وَمَالك والسفيانان وَشعْبَة وَخلق وَثَّقَهُ أَحْمد وَغَيره وَقَالَ بن معِين لَيْسَ حَدِيثه بِحجَّةعِيَاض بن عبد الله بن سعد بن أبي سرح الْقرشِي العامري روى عَن جَابر وَابْن عمر وَأبي سعيد وَأبي هُرَيْرَة وروى عَنهُ زيد بن أسلم وَبُكَيْر بن الْأَشَج وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَابْن معِين وَقَالَ بن يُونُس ولد بِمَكَّة وَقدم مصر مَعَ أَبِيه ثمَّ رَجَعَ إِلَى مَكَّة فَمَاتَ بهَا
আমর বিন শুরাহবীল বিন সাঈদ বিন সা'দ বিন উবাদাহ আল-আনসারী। তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার দুই পুত্র সাঈদ ও আবদুর রহমান এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।আমর বিন শুয়াইব বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আস আস-সাহমী আবু ইব্রাহিম আল-কুরাশী। তিনি তার পিতা, সালিম, সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব, মুজাহিদ, তাউস এবং একদল বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আবু হানিফা, আওজায়ী, আইয়ুব, ইবনে জুরাইজ এবং অসংখ্য মানুষ বর্ণনা করেছেন। ইয়াহইয়া আল-কাত্তান বলেন: যখন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিরা তার থেকে বর্ণনা করেন, তখন তিনি নির্ভরযোগ্য ও দলিলযোগ্য। ইমাম বুখারী বলেন: আমি আহমদ বিন হাম্বল, আলী বিন আল-মাদীনী, ইসহাক বিন রাহওয়াইহ, আবু উবায়েদ এবং আমাদের প্রায় সকল সাথীকে দেখেছি তারা আমর বিন শুয়াইব-এর হাদিস (যা তিনি তার পিতা ও দাদা থেকে বর্ণনা করেন) দ্বারা দলিল পেশ করেন; মুসলিমদের মধ্যে কেউ তা বর্জন করেননি। ইবনে রাহওয়াইহও অনুরূপ বলেছেন। তবে ইবনে হিব্বান তার পিতা ও দাদা থেকে বর্ণিত রেওয়ায়াত সম্পর্কে বলেছেন: এতে অনেক মুনকার (অস্বীকৃত) বিষয় রয়েছে, আমার নিকট এর কোনো কিছু দ্বারা দলিল পেশ করা বৈধ নয়। তিনি ১১৮ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।আমর বিন আল-আস বিন ওয়াইল আল-কুরাশী আস-সাহমী। তিনি বিজয়ের কয়েক মাস আগে ৮ হিজরীতে ইসলাম গ্রহণ করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে 'জাতুস সালাসিল' অভিযানের সেনাপতি নিযুক্ত করেছিলেন। তার থেকে তার পুত্র আবদুল্লাহ, তার মুক্তদাস আবু কায়েস, উরওয়াহ এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। তিনি মিশরে বসবাস করতেন এবং সেখানেই ৪২ হিজরীতে সত্তর বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।আমর বিন আবদুল্লাহ বিন কাব বিন মালিক আল-আনসারী আস-সুলামী। তিনি নাফে বিন জুবায়ের থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার থেকে ইয়াজিদ বিন হাফসাহ বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ী তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।আমর বিন আলকামাহ বিন ওয়াক্কাস আল-লায়সী। তিনি তার পিতা ও বিলাল বিন আল-হারিস থেকে বর্ণনা করেছেন; তার সাহচর্য (সাহাবী হওয়া) সাব্যস্ত আছে। তার থেকে তার পুত্র মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।আমর বিন আবি আমর মায়সারা, আল-মুত্তালিব বিন আবদুল্লাহ বিন হানতাব আল-কুরাশী আল-মাখজুমীর মুক্তদাস, আবু উসমান আল-মাদানী। তিনি তার মুনিব আল-মুত্তালিব, আনাস বিন মালিক, সাঈদ বিন জুবায়ের, ইকরিমা ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে মালিক, ইবনে ইসহাক, আদ-দারওয়ারদী এবং অসংখ্য মানুষ বর্ণনা করেছেন। আবু জুরআ তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আহমদ বলেন: তার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। ইবনে মাইন বলেন: তিনি দলিলযোগ্য নন।আমর বিন মুয়াজ বিন সা'দ বিন মুয়াজ আল-আনসারী আল-আশহালী। তিনি তার দাদি হাওয়া থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে জাইদ বিন আসলাম বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আহমদ তার জন্য আল-মুসনাদ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, তবে 'কুতুবুস সিত্তাহ' (ছয়টি কিতাব)-এ তার কোনো বর্ণনা নেই।আমর বিন ইয়াহইয়া বিন উমারা বিন আবি হাসান আল-আনসারী আল-মাজিনী আল-মাদানী। তিনি তার পিতা, উবাদাহ বিন সাহল ও একদল বর্ণনাকারী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে মালিক, ইয়াহইয়া বিন আবি কাসীর, দুই সুফিয়ান, দুই হাম্মাদ, শু'বাহ, ইয়াহইয়া আল-আনসারী এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ী ও আবু হাতিম তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।ইমরান বিন মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন আবি লায়লা। তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার থেকে তার পুত্র মুহাম্মদ ও উসমান বিন আবি শায়বাহ বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।উমাইর বিন সালামাহ আদ-দামরী। তার সাহচর্য ও বর্ণনা রয়েছে। তার থেকে ঈসা বিন তালহা বর্ণনা করেছেন।উমাইর বিন আবদুল্লাহ আল-হিলালী, আল-আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিবের মুক্তদাস। বলা হয় তিনি আবদুল্লাহ বিন আব্বাসের মুক্তদাস, আবার বলা হয় তিনি উম্মুল ফাদল আল-মাদানীর মুক্তদাস। তিনি তার মুনিব উম্মুল ফাদল, ইবনে আব্বাস, উসামা বিন জাইদ ও একটি দল থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে সালিম আবু আন-নাদর ও আল-আ'রাজ বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ী ও ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ১০৪ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।উওয়াইমির বিন মালিক, কারো মতে ইবনে আমির আল-আনসারী আল-খাজরাজী আবু আদ-দারদা। তিনি বদরের দিন ইসলাম গ্রহণ করেন এবং উহুদে উপস্থিত ছিলেন এবং সেদিন বীরত্ব প্রদর্শন করেন। তার থেকে তার পুত্র বিলাল, তার স্ত্রী উম্মুদ দারদা, জুবায়ের বিন নুফায়র এবং অসংখ্য লোক বর্ণনা করেছেন। ওমর তাকে ভাতার ক্ষেত্রে বদরী সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। তিনি ৩২ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।আল-আলা বিন আবদুর রহমান বিন ইয়াকুব আল-হুরাকী আল-মাদানী। তিনি তার পিতা, ইবনে ওমর, আনাস ও একদল থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার পুত্র শিবল, মালিক, দুই সুফিয়ান, শু'বাহ এবং অসংখ্য লোক বর্ণনা করেছেন। আহমদ ও অন্যরা তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে মাইন বলেন: তার হাদিস দলিলযোগ্য নয়।ইয়াদ বিন আবদুল্লাহ বিন সা'দ বিন আবি সারহ আল-কুরাশী আল-আমিরী। তিনি জাবির, ইবনে ওমর, আবু সাঈদ ও আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে জাইদ বিন আসলাম, বুকায়ের বিন আল-আশাজ্জ এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ী ও ইবনে মাইন তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে ইউনুস বলেন: তিনি মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন এবং তার পিতার সাথে মিশরে আসেন, তারপর পুনরায় মক্কায় ফিরে যান এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ২৪)
عِيسَى بن طَلْحَة بن عبيد الله التَّيْمِيّ روى عَن أَبِيه وَأبي هُرَيْرَة وَعَائِشَة وَغَيرهم وروى عَنهُ ابْنا أَخِيه إِسْحَاق وَطَلْحَة ابْنا يحيى وَالزهْرِيّ وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَابْن معِين وَالْعجلِي وَغَيرهم وَقَالَ بن سعد كَانَ ثِقَة كثير الحَدِيث مَاتَ فِي خلَافَة عمر بن عبد الْعَزِيز(حرف الْفَاء) فُضَيْل بن أبي عبد الله الْمدنِي روى عَن الْقَاسِم بن مُحَمَّد وَعبد الله بن دِينَار وروى عَنهُ مَالك وَبُكَيْر بن الْأَشَج وَثَّقَهُ بن حبَان(حرف الْقَاف) قبيصَة بن ذُؤَيْب بن حلحلة الْخُزَاعِيّ الْمدنِي ولد عَام الْفَتْح وروى عَن عُثْمَان وَابْن عَوْف وَحُذَيْفَة وَزيد بن ثَابت وَعَائِشَة وَأم سَلمَة وَجَمَاعَة وروى عَنهُ ابْنه إِسْحَاق وَأَبُو قلَابَة وَالزهْرِيّ وَمَكْحُول وَآخَرُونَ قَالَ الزُّهْرِيّ كَانَ من عُلَمَاء هَذِه الْأمة وَقَالَ مَكْحُول مَا رَأَيْت أحدا أعلم مِنْهُ مَاتَ بِالشَّام سنة سِتّ أَو سبع وَثَمَانِينَقطن بن وهب بن عُوَيْمِر الْمدنِي روى عَن عبيد بن عُمَيْر وَغَيره وروى عَنهُ مَالك وَالضَّحَّاك بن عُثْمَان وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ بن حبَان وَقَالَ أَبُو حَاتِم صَالح الحَدِيثالْقَعْقَاع بن حَكِيم الْكِنَانِي الْمدنِي روى عَن أبي هُرَيْرَة وَابْن عمر وَجَابِر وَعَائِشَة وعدة وروى عَنهُ سعيد المَقْبُري وَعَمْرو بن دِينَار وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ أَحْمد وَيحيى وَغَيرهمَا(حرف الْكَاف) كريب بن أبي مُسلم أَبُو رشدين الْحِجَازِي روى عَن مَوْلَاهُ بن عَبَّاس وَابْن عمر وَزيد بن ثَابت وَأُسَامَة وَعَائِشَة ومَيْمُونَة وَأم سَلمَة وروى عَنهُ ابناه رشدين وَمُحَمّد وَبُكَيْر بن الْأَشَج وَمَكْحُول ومُوسَى بن عقبَة وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَابْن معِين وَابْن سعد مَاتَ سنة ثَمَان وَتِسْعينكَعْب بن عجْرَة الْأنْصَارِيّ الْمدنِي أسلم وَشهد الْمشَاهد روى عَنهُ بنوه إِسْحَاق وَالربيع وَعبد الْملك وَمُحَمّد وَجَمَاعَة مَاتَ سنة إِحْدَى وَخمسينكَعْب بن نَافِع الْحِمْيَرِي أَبُو إِسْحَاق الْمَعْرُوف بكعب الْأَحْبَار من مسلمة أهل الْكتاب روى عَن عمر وصهيب وروى عَنهُ بن عمر وَابْن عَبَّاس وَآخَرُونَ قَالَ أَبُو الدَّرْدَاء إِن عِنْد أَمِير الحميدية لعلما كثيرا وَقَالَ مُعَاوِيَة كَانَ من أصدق هَؤُلَاءِ الَّذين يحدثُونَ عَن الْكتاب قَالَ بن سعد نزل حمص وَمَات بهَا سنة اثْنَيْنِ وَثَلَاثِينَ وَقَالَ بن حبَان بلغ مائَة سنة وَأَرْبع سِنِينكَعْب بن مَالك بن أبي كَعْب واسْمه عَمْرو بن الْقَيْن الْأنْصَارِيّ السّلمِيّ أَبُو عبد الله الْمدنِي الشَّاعِر أحد الثَّلَاثَة الَّذين خلفوا وَأحد السّبْعين لَيْلَة الْعقبَة روى عَنهُ أَوْلَاده عبد الله وَعبيد الله وَعبد الرَّحْمَن وَمُحَمّد ومعبد وَأَبُو أُمَامَة الْبَاهِلِيّ وَجَابِر وَغَيرهم قَالَ بن البرقي وَغَيره مَاتَ بِالْمَدِينَةِ قبل الْأَرْبَعين وَقَالَ الْوَاقِدِيّ مَاتَ سنة خمسين وَله سبع وَسَبْعُونَ سنة
ঈসা বিন তালহা বিন উবাইদুল্লাহ আত-তাইমী। তিনি তাঁর পিতা, আবু হুরায়রা, আয়েশা এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর দুই ভ্রাতুষ্পুত্র ইসহাক ও তালহা (ইয়াহইয়ার পুত্রদ্বয়), জুহরী এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইমাম নাসাঈ, ইবনে মাঈন, ইজলী এবং আরও অনেকে তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে সাদ বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য ও প্রচুর হাদিস বর্ণনাকারী ছিলেন। তিনি ওমর বিন আব্দুল আজিজের খিলাফতকালে ইন্তেকাল করেন।(বর্ণ ফা) ফুদাইল বিন আবু আব্দুল্লাহ আল-মাদানী। তিনি কাসিম বিন মুহাম্মদ এবং আব্দুল্লাহ বিন দীনার থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালেক ও বুকায়র বিন আশাজ্জ বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।(বর্ণ ক্বাফ) কাবিদাহ বিন যুয়াইব বিন হুলহালা আল-খুযাঈ আল-মাদানী। তিনি ফাতহে মক্কার বছর জন্মগ্রহণ করেন। তিনি উসমান, ইবনে আওফ, হুযাইফা, যাইদ বিন সাবিত, আয়েশা, উম্মে সালামা এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র ইসহাক, আবু কিলাবা, জুহরী, মাকহুল এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। জুহরী বলেন, তিনি এই উম্মতের আলেমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। মাকহুল বলেন, আমি তাঁর চেয়ে অধিক জ্ঞানী আর কাউকে দেখিনি। তিনি ৮৬ বা ৮৭ হিজরীতে সিরিয়ায় ইন্তেকাল করেন।ক্বাতান বিন ওয়াহাব বিন উওয়াইমির আল-মাদানী। তিনি উবাইদ বিন উমাইর এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালেক, দাহহাক বিন উসমান এবং একদল বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং আবু হাতিম বলেছেন, তিনি হাদিসে নির্ভরযোগ্য।আল-ক্বা’ক্বা’ বিন হাকিম আল-কিনানী আল-মাদানী। তিনি আবু হুরায়রা, ইবনে ওমর, জাবির, আয়েশা এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে সাঈদ আল-মাকবুরী, আমর বিন দীনার এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। আহমদ, ইয়াহইয়া এবং আরও অনেকে তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।(বর্ণ কাফ) কুরাইব বিন আবু মুসলিম আবু রুশদিন আল-হিজাজী। তিনি তাঁর মনিব ইবনে আব্বাস, ইবনে ওমর, যাইদ বিন সাবিত, উসামা, আয়েশা, মায়মুনা এবং উম্মে সালামা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর দুই পুত্র রুশদিন ও মুহাম্মদ, বুকায়র বিন আশাজ্জ, মাকহুল, মুসা বিন উকবা এবং আরও অনেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম নাসাঈ, ইবনে মাঈন এবং ইবনে সাদ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ৯৮ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।কাব বিন উজরা আল-আনসারী আল-মাদানী। তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং সকল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্রগণ—ইসহাক, রাবী, আব্দুল মালিক, মুহাম্মদ এবং একদল বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। তিনি ৫১ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।কাব বিন নাফে আল-হিময়ারী আবু ইসহাক, যিনি কাব আল-আহবার নামে পরিচিত। তিনি আহলে কিতাবের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তিনি ওমর এবং সুহাইব থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইবনে ওমর, ইবনে আব্বাস এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। আবু দারদা বলেন, হিময়ারী নেতার কাছে প্রচুর জ্ঞান রয়েছে। মুয়াবিয়া বলেন, কিতাব থেকে যারা বর্ণনা করেন, তাঁদের মধ্যে তিনি সবচেয়ে সত্যবাদী ছিলেন। ইবনে সাদ বলেন, তিনি হিমস শহরে বসবাস শুরু করেন এবং ৩২ হিজরীতে সেখানে ইন্তেকাল করেন। ইবনে হিব্বান বলেন, তিনি ১০৪ বছর বয়স লাভ করেছিলেন।কাব বিন মালেক বিন আবু কাব—তাঁর নাম আমর বিন ক্বাইন আল-আনসারী আস-সুলামী আবু আব্দুল্লাহ আল-মাদানী। তিনি একজন কবি ছিলেন। তিনি সেই তিনজনের একজন যারা (তাবুক যুদ্ধে) পেছনে থেকে গিয়েছিলেন এবং সত্তর জনের সেই একজন যারা আকাবার রাতে উপস্থিত ছিলেন। তাঁর থেকে তাঁর সন্তান আব্দুল্লাহ, উবাইদুল্লাহ, আব্দুর রহমান, মুহাম্মদ, মাবাদ এবং আবু উমামা আল-বাহিলী, জাবির ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে বারক্বী ও অন্যরা বলেন, তিনি ৪০ হিজরীর আগে মদীনায় ইন্তেকাল করেন। ওয়াকিদী বলেন, তিনি ৫০ হিজরীতে ৭৭ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ২৫)
(حرف الْمِيم) مَالك بن أَوْس بن الْحدثَان النَّضر الْمدنِي مُخْتَلف فِي صحبته أرسل وروى عَن عمر وَعُثْمَان وَعلي وَالْعَبَّاس وَطَلْحَة وللزبير وَسعد وَابْن عَوْف وَجَمَاعَة وروى عَنهُ الزُّهْرِيّ وَمُحَمّد بن الْمُنْكَدر وَآخَرُونَ قَالَ البُخَارِيّ وَابْن معِين وَأَبُو حَاتِم لَا تصح لَهُ صُحْبَة وَقَالَ بن فراس ثِقَة مَاتَ سنة اثْنَيْنِ وَتِسْعين عَن أَربع وَتِسْعين سنةمَالك بن أبي عَامر الأصبحي أَبُو أنس جد الإِمَام مَالك روى عَن عمر وَعُثْمَان وَطَلْحَة وَعقيل بن أبي طَالب وَأبي هُرَيْرَة وَعَائِشَة وَغَيرهم وروى عَنهُ بنوه أنس وَالربيع وَأَبُو سُهَيْل نفاع وَسليمَان بن يسَار وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَغير مَاتَ سنة أَربع وَسبعينمحجن بن أبي محجن الديلِي لَهُ صُحْبَة وَرِوَايَة وَعنهُ ابْنه بشر وَيُقَال بسرمُحَمَّد بن إِبْرَاهِيم بن الْحَارِث الْقرشِي التَّيْمِيّ الْمدنِي روى عَن جَابر بن عبد الله وَأبي سعيد وَعَائِشَة وَأنس وَخلق وروى عَنهُ ابْنه مُوسَى وَيحيى الْأنْصَارِيّ وَالْأَوْزَاعِيّ وَطَائِفَة وَثَّقَهُ بن معِين وَأَبُو حَاتِم وَالنَّسَائِيّ وَغَيرهم وَقَالَ أَحْمد فِي حَدِيثه شَيْء يروي أَحَادِيث مَنَاكِير مَاتَ سنة تسع عشرَة وَقيل سنة عشْرين وَمِائَة وَهُوَ رَاوِي حَدِيث إِنَّمَا الْأَعْمَال بِالنِّيَّةِ فِي رُوَاته مُحَمَّد بن الْحسنمُحَمَّد بن أبي أُمَامَة بن سهل بن حنيف الْأنْصَارِيّ الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَأَبَان بن عُثْمَان وروى عَنهُ مَالك وَيحيى الْأنْصَارِيّ وَابْن إِسْحَاق وَثَّقَهُ بن معِين وَغَيرهمُحَمَّد بن أبي بكر بن عَوْف الثَّقَفِيّ الْحِجَازِي روى عَن أنس وروى عَنهُ مَالك وَابْنه أَبُو بكر عبد الله وَشعْبَة وَالضَّحَّاك وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ النَّسَائِيّمُحَمَّد بن أبي بكر بن مُحَمَّد بن عَمْرو بن حزم الْأنْصَارِيّ قَاضِي الْمَدِينَة روى عَن أَبِيه وَالزهْرِيّ وَطَائِفَة وروى عَنهُ مَالك وَابْنه عبد الرَّحْمَن وَشعْبَة والسفيانان وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَأَبُو حَاتِم مَاتَ سنة اثْنَيْنِ وَثَلَاثِينَ وَمِائَة عَن اثْنَيْنِ وَسبعين سنةمُحَمَّد بن جُبَير بن مطعم الْقرشِي النَّوْفَلِي أَبُو سعيد الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَعمر وَمُعَاوِيَة وَابْن عَبَّاس وروى عَنهُ بنوه إِبْرَاهِيم وَجبير وَسَعِيد وَعَمْرو وَالزهْرِيّ وَعَمْرو بن دِينَار وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ الْعجلِيّ وَابْن خرَاش وَغَيرهمَا وَمَات فِي خلَافَة عمر بن عبد الْعَزِيزمُحَمَّد بن سِيرِين الْأنْصَارِيّ أَبُو بكر بن أبي عمْرَة الْبَصْرِيّ من سبي عين التَّمْر روى عَن مَوْلَاهُ أنس وَأبي قَتَادَة وَأبي سعيد وَأبي هُرَيْرَة وَابْن عمر وَابْن عَبَّاس وَعَائِشَة وَخلق وروى عَنهُ ثَابت وَأَيوب وَابْن عون وَعَاصِم الْأَحول وَقَتَادَة وَخلق وَثَّقَهُ أَحْمد وَيحيى وَغير وَاحِد وَقَالَ بن سعد كَانَ ثِقَة مَأْمُونا عَالِيا رفيعا فَقِيها إِمَامًا كثير الْعلم ورعا وَكَانَ بِهِ صمم وَقَالَ بن حبَان كَانَ من أورع أهل الْبَصْرَة وَكَانَ فَقِيها فَاضلا حَافِظًا متقنا يعبر الرُّؤْيَا رأى ثَلَاثِينَ من أَصْحَاب النَّبِي صلى الله عليه وسلم مَاتَ فِي شَوَّال سنة عشر وَمِائَة بعد الْحسن بِمِائَة ينوم وَهُوَ بن سبع وَسبعين سنةمُحَمَّد بن عبد الله بن الْحَارِث بن نَوْفَل الْهَاشِمِي روى عَن سعد بن أبي وَقاص وَمُعَاوِيَة وَغَيرهمَا وروى عَنهُ الزُّهْرِيّ وَعمر بن عبد الْعَزِيز وَثَّقَهُ بن حبَانمُحَمَّد بن عبد الله بن زيد الْأنْصَارِيّ الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَأبي مَسْعُود الْأنْصَارِيّ وروى عَنهُ ابْنه عبد الله ونعيم المجمر وَغَيرهمَا وَثَّقَهُ بن حبَانمُحَمَّد بن عبد الله بن عبد الرَّحْمَن بن أبي صعصعة الْأنْصَارِيّ أَبُو عبد الرَّحْمَن الْمَازِني الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَعباد بن تَمِيم وَغَيرهمَا وروى عَنهُ مَالك وَابْن عُيَيْنَة وَابْن إِسْحَاق وَوَثَّقَهُ مَاتَ سنة تسع وَثَلَاثِينَ وَمِائَةمُحَمَّد بن عبد الرَّحْمَن بن ثَوْبَان العامري مَوْلَاهُم الْمدنِي روى عَن زيد بن ثَابت وَجَابِر وَابْن عمر وَأبي سعيد وَأبي هُرَيْرَة وعدة وروى عَنهُ أَخُوهُ سُلَيْمَان وَالزهْرِيّ وَيحيى الْأنْصَارِيّ وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَابْن سعد وَأَبُو زرْعَة وَقَالَ أَبُو حَاتِم لَا يسْأَل عَن مثله
(বর্ণ ‘মীম’) মালিক ইবনে আওস ইবনে আল-হাদাছান আন-নাদর আল-মাদানি। তাঁর সাহচর্য (সহাবস্থান) নিয়ে মতভেদ আছে; তিনি সরাসরি বর্ণনা করেছেন (মুরসাল) এবং উমর, উসমান, আলী, আব্বাস, তালহা, জুবাইর, সাদ, ইবনে আউফ এবং একদল সাহাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন যুহরি, মুহাম্মদ ইবনুল মুনকাদির এবং আরও অনেকে। বুখারি, ইবনে মাইন এবং আবু হাতিম বলেছেন, তাঁর সাহচর্য প্রমাণিত নয়। ইবনে ফিরাত বলেছেন, তিনি নির্ভরযোগ্য। তিনি ৯২ হিজরিতে ৯৪ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।মালিক ইবনে আবি আমির আল-আসবাহি আবু আনাস, তিনি ইমাম মালিকের দাদা। তিনি উমর, উসমান, তালহা, আকিল ইবনে আবি তালিব, আবু হুরায়রা, আয়েশা ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্রগণ—আনাস, রাবি, আবু সুহাইল নাফে এবং সুলাইমান ইবনে ইয়াসার ও একটি জামাত বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ ও অন্যান্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ৭৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।মিহজান ইবনে আবি মিহজান আদ-দাইলি। তাঁর সাহচর্য ও বর্ণনা রয়েছে। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র বিশর বর্ণনা করেছেন, যাকে বুসর-ও বলা হয়।মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনুল হারিস আল-কুরাশি আত-তাইমি আল-মাদানি। তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ, আবু সাঈদ, আয়েশা, আনাস এবং বহু সংখ্যক লোক থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র মুসা, ইয়াহইয়া আল-আনসারি, আওজাই এবং একদল লোক বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাইন, আবু হাতিম, নাসাঈ ও অন্যান্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তবে ইমাম আহমদ বলেছেন, তাঁর হাদিসে কিছু ব্যাপার আছে, তিনি কিছু প্রত্যাখ্যাত হাদিস বর্ণনা করেন। তিনি ১১৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, মতান্তরে ১২০ হিজরি। তিনি ‘নিশ্চয়ই আমলসমূহ নিয়তের ওপর নির্ভরশীল’ হাদিসের একজন বর্ণনাকারী; এর বর্ণনাকারীদের মধ্যে মুহাম্মদ ইবনুল হাসানও রয়েছেন।মুহাম্মদ ইবনে আবি উমামা ইবনে সাহল ইবনে হুনাইফ আল-আনসারি আল-মাদানি। তিনি তাঁর পিতা এবং আবান ইবনে উসমান থেকে বর্ণনা করেছেন। মালিক, ইয়াহইয়া আল-আনসারি এবং ইবনে ইসহাক তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাইন ও অন্যান্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।মুহাম্মদ ইবনে আবি বকর ইবনে আউফ আস-সাকাফি আল-হিজাজি। তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন। মালিক, তাঁর পুত্র আবু বকর আব্দুল্লাহ, শু'বা, দাহহাক এবং একদল লোক তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।মুহাম্মদ ইবনে আবি বকর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আমর ইবনে হাযম আল-আনসারি, মদিনার কাজি। তিনি তাঁর পিতা, যুহরি এবং একদল লোক থেকে বর্ণনা করেছেন। মালিক, তাঁর পুত্র আব্দুর রহমান, শু'বা, দুই সুফিয়ান এবং অন্যরা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ এবং আবু হাতিম তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ১৩২ হিজরিতে ৭২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।মুহাম্মদ ইবনে জুবাইর ইবনে মুতইম আল-কুরাশি আন-নাওফালি আবু সাঈদ আল-মাদানি। তিনি তাঁর পিতা, উমর, মুয়াবিয়া এবং ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্রগণ—ইব্রাহিম, জুবাইর, সাঈদ, আমর এবং যুহরি, আমর ইবনে দিনার ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। ইজলি, ইবনে খিরাশ এবং অন্যান্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি উমর ইবনে আব্দুল আজিজের খিলাফতকালে মৃত্যুবরণ করেন।মুহাম্মদ ইবনে সিরিন আল-আনসারি আবু বকর ইবনে আবি আমরা আল-বাসরি, তিনি আইনুত তামরের বন্দীদের বংশধর। তিনি তাঁর মনিব আনাস, আবু কাতাদা, আবু সাঈদ, আবু হুরায়রা, ইবনে উমর, ইবনে আব্বাস, আয়েশা এবং বহু সংখ্যক লোক থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে সাবিত, আইয়ুব, ইবনে আউন, আসিম আল-আহওয়াল, কাতাদা এবং বহু সংখ্যক লোক বর্ণনা করেছেন। আহমদ, ইয়াহইয়া এবং আরও অনেকে তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে সাদ বলেছেন, তিনি ছিলেন নির্ভরযোগ্য, আমানতদার, উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন, উন্নত চরিত্রের অধিকারী, ফকিহ, ইমাম, অগাধ ইলমের অধিকারী ও পরহেযগার; তিনি কানে কিছুটা কম শুনতেন। ইবনে হিব্বান বলেন, তিনি বসরার সবচেয়ে পরহেযগার ব্যক্তিদের একজন ছিলেন। তিনি ছিলেন ফকিহ, ফযিলতপূর্ণ, হাফেজ, সুদক্ষ এবং স্বপ্নের ব্যাখ্যাকারী। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ত্রিশজন সাহাবীকে দেখেছিলেন। তিনি ১১০ হিজরির শাওয়াল মাসে হাসান বসরির মৃত্যুর একশ দিন পর মৃত্যুবরণ করেন, তখন তাঁর বয়স ছিল সাতাত্তর বছর।মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিস ইবনে নাওফাল আল-হাশেমি। তিনি সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস, মুয়াবিয়া ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। যুহরি এবং উমর ইবনে আব্দুল আজিজ তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে যায়েদ আল-আনসারি আল-মাদানি। তিনি তাঁর পিতা এবং আবু মাসউদ আল-আনসারি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহ, নুয়াইম আল-মুজমির ও অন্যান্যরা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আবি সা'সাআহ আল-আনসারি আবু আব্দুর রহমান আল-মাজিনি আল-মাদানি। তিনি তাঁর পিতা, আব্বাদ ইবনে তামিম ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। মালিক, ইবনে উয়াইনা এবং ইবনে ইসহাক তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ১৩৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।মুহাম্মদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে ছাওবান আল-عامরি (তাঁদের মুক্তদাস) আল-মাদানি। তিনি যায়েদ ইবনে সাবিত, জাবির, ইবনে উমর, আবু সাঈদ, আবু হুরায়রা এবং আরও কয়েকজনের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর ভাই সুলাইমান, যুহরি এবং ইয়াহইয়া আল-আনসারি তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ, ইবনে সাদ এবং আবু যুরআহ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। আবু হাতিম বলেছেন, তাঁর মতো ব্যক্তিত্বের নির্ভরযোগ্যতা সম্পর্কে প্রশ্ন করার প্রয়োজন নেই।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ২৬)
مُحَمَّد بن عبد الرَّحْمَن بن نَوْفَل الْأَسدي أَبُو الْأسود الْمدنِي يَتِيم عُرْوَة روى عَن عُرْوَة وَسَالم وَنَافِع وَعِكْرِمَة وَعلي بن الْحُسَيْن وعدة وروى عَنهُ مَالك وَهِشَام وَالزهْرِيّ وَشعْبَة وَاللَّيْث وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَغَيره مَاتَ فِي آخر دولة بني أُميَّةمُحَمَّد بن عَليّ بن أبي طَالب الْهَاشِمِي أَبُو الْقَاسِم الْمدنِي الْمَعْرُوف بِابْن الْحَنَفِيَّة وَاسْمهَا خَوْلَة من سبي الْيَمَامَة روى عَن أَبِيه وَعُثْمَان وعمار وَأبي هُرَيْرَة وَمُعَاوِيَة وَابْن عَبَّاس وروى عَنهُ بنوه الْخمس إِبْرَاهِيم وَالْحسن وَعبد الله وَعمر وَعون وَعَطَاء بن أبي رَبَاح وَمُنْذِر الثَّوْريّ وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ الْعجلِيّ وَغَيره وَقَالَ إِبْرَاهِيم بن عبد الله بن الْجُنَيْد لَا نعلم أحدا أسْند عَن عَليّ عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم أَكثر وَلَا أصح مِمَّا أسْند مُحَمَّد بن الْحَنَفِيَّة مَاتَ برضوى سنة ثَلَاث وَسبعين عَن خمس وَسِتِّينَ وَدفن بِالبَقِيعِمُحَمَّد بن عمَارَة بن عَمْرو بن حزم الْأنْصَارِيّ الْمدنِي روى عَن مُحَمَّد بن إِبْرَاهِيم التَّيْمِيّ وَجَمَاعَة وروى عَنهُ مَالك وَأَبُو عَاصِم وَغَيرهمَا وَثَّقَهُ بن معِين وَلينه أَبُو حَاتِممُحَمَّد بن عَمْرو بن حلحلة الديلِي الْمدنِي روى عَن الزُّهْرِيّ وَمُحَمّد بن عمر وَابْن عَطاء وَجَمَاعَة وروى عَنهُ مَالك وَابْن إِسْحَاق والداروردي وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَابْن معِينمُحَمَّد بن عَمْرو بن عَلْقَمَة بن وَقاص اللَّيْث الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَنَافِع وَأبي سَلمَة بن عبد الرَّحْمَن وَخلق وروى عَنهُ مَالك وَشعْبَة والسفيانان وَخلق وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَابْن الْمَدِينِيّ وَابْنه يحيى الْقطَّان وَأَبُو حَاتِم مَاتَ سنة أَربع وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِمُحَمَّد بن مُسلم بن تدرس الْأَسدي أَبُو الزبير الْمَكِّيّ عَن جَابر وَابْن عمر وَابْن عَبَّاس وَابْن الزبير وَعَائِشَة وَخلق وروى أَبُو حنيفَة وَمَالك وَشعْبَة وَالْأَعْمَش والسفيانان وَحَمَّاد بن سَلمَة وَخلق وَثَّقَهُ بن الْمَدِينِيّ وَابْن معِين وَالنَّسَائِيّ وَضَعفه بن عُيَيْنَة وَغَيره مَاتَ سنة ثَمَان وَعشْرين وَمِائَةمُحَمَّد بن مُسلم بن عبد الله بن عبيد الله بن شهَاب الزُّهْرِيّ أَبُو بكر الْمدنِي أحد الْأَعْلَام نزل الشَّام وروى عَن سهل بن سعد وَابْن عمر وَجَابِر وَأنس وَغَيرهم من الصَّحَابَة وَخلق مِمَّن بعدهمْ وروى عَنهُ أَبُو حنيفَة وَمَالك وَعَطَاء بن أبي رَبَاح وَعمر بن عبد الْعَزِيز وهما من شُيُوخه وروى عَنهُ بن دِينَار وَابْن عُيَيْنَة وَالْأَوْزَاعِيّ وَاللَّيْث وَابْن جريج وَخلق كثير قَالَ أَبُو بكر بن مَيْمُونَة رأى عشرَة من أَصْحَاب النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَكَانَ من أحفظ أهل زَمَانه وَأَحْسَنهمْ سياقا بمتون الْأَخْبَار وَكَانَ فَقِيها فَاضلا وَقَالَ اللَّيْث مَا رَأَيْت عَالما قطّ أجمع من بن شهَاب وَلَا أَكثر علما مِنْهُ قَالَ وَكَانَ بن شهَاب يَقُول مَا اسْتوْدعت قلبِي قطّ فَنسيته مَا سنة أَربع وَعشْرين وَمِائَةمُحَمَّد بن مسلمة بن سَلمَة الْأنْصَارِيّ الْحَارِثِيّ الْمدنِي حَلِيف بني عبد الْأَشْهَل شهد بَدْرًا والمشاهد وَكَانَ من فضلاء الصَّحَابَة واستخلفه النَّبِي صلى الله عليه وسلم فِي بعض غَزَوَاته وروى عَنهُ ابْنه مَحْمُود والمسور بن مخرمَة وَجَابِر وَآخَرُونَ مَاتَ بِالْمَدِينَةِ سنة اثْنَيْنِ وَأَرْبَعينمُحَمَّد بن الْمُنْكَدر بن عبد الله بن الهدير التَّيْمِيّ روى عَن أَبِيه وَجَابِر وَابْن عمر وَابْن عَبَّاس وَأبي أَيُّوب وَأبي هُرَيْرَة وَعَائِشَة وَخلق وروى عَنهُ ابْنه يُوسُف والمنكدر وَالزهْرِيّ وَأَبُو حنيفَة وَمَالك وَشعْبَة والسفيانان وَخلق قَالَ بن عُيَيْنَة كَانَ من معادن الصدْق ويجتمع إِلَيْهِ الصالحون وَوَثَّقَهُ بن معِين وَأَبُو حَاتِم مَاتَ سنة ثَلَاثِينَ وَيُقَال سنة إِحْدَى وَثَلَاثِينَ وَمِائَةمُحَمَّد بن النُّعْمَان بن بشير الْأنْصَارِيّ أَبُو سعيد الْمدنِي وروى عَن أَبِيه وجده وروى عَنهُ الزُّهْرِيّ وَثَّقَهُ الْعجلِيّ
মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন নাওফাল আল-আসাদি আবু আল-আসওয়াদ আল-মাদানি, তিনি উরওয়ার এতীম হিসেবে পরিচিত। তিনি উরওয়াহ, সালিম, নাফে, ইকরিমাহ, আলী বিন আল-হুসাইন এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালেক, হিশাম, যুহরি, শু'বাহ, লাইস ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ি ও অন্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি বনু উমাইয়া শাসনের শেষ দিকে মৃত্যুবরণ করেন।মুহাম্মদ বিন আলী বিন আবি তালিব আল-হাশিমী আবু আল-কাসিম আল-মাদানি, যিনি ইবনুল হানফিয়্যাহ নামে পরিচিত। তাঁর মায়ের নাম খাওলাহ, যিনি ইয়ামামার যুদ্ধবন্দিনীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি তাঁর পিতা, উসমান, আম্মার, আবু হুরাইরাহ, মুয়াবিয়াহ ও ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পাঁচ পুত্র—ইব্রাহিম, হাসান, আব্দুল্লাহ, উমর ও আউন—এবং আতা বিন আবি রাবাহ, মুনজির আস-সাওরি ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। আল-ইজলি ও অন্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-জুনায়েদ বলেন: ইবনুল হানফিয়্যাহ আলী (রা.)-এর সূত্রে নবী (সা.) থেকে যা বর্ণনা করেছেন, তার চেয়ে বেশি ও সহীহ বর্ণনা আর কারো আছে বলে আমাদের জানা নেই। তিনি তিয়াত্তর হিজরিতে পঁয়ষট্টি বছর বয়সে রাদওয়া নামক স্থানে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁকে বাকী’তে দাফন করা হয়।মুহাম্মদ বিন উমারাহ বিন আমর বিন হাযম আল-আনসারী আল-মাদানি। তিনি মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আত-তাইমি ও একদল রাবীর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালেক, আবু আসিম ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন, তবে আবু হাতিম তাঁকে কিছুটা দুর্বল (লায়্যিন) গণ্য করেছেন।মুহাম্মদ বিন আমর বিন হালহালাহ আদ-দীলি আল-মাদানি। তিনি যুহরি, মুহাম্মদ বিন উমর, ইবনে আতা ও একদল রাবীর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালেক, ইবনে ইসহাক, আদ-দারওয়ার্দি ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ি ও ইবনে মাঈন তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।মুহাম্মদ বিন আমর বিন আলকামাহ বিন ওয়াক্কাস আল-লাইসি আল-মাদানি। তিনি তাঁর পিতা, নাফে, আবু সালামাহ বিন আব্দুর রহমান এবং বহু সংখ্যক রাবীর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালেক, শু'বাহ, দুই সুফিয়ান (আস-সাওরি ও ইবনে উয়ায়নাহ) এবং বহু সংখ্যক রাবী বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ি, ইবনে আল-মাদিনি, তাঁর পুত্র ইয়াহইয়া আল-কাত্তান ও আবু হাতিম তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ২৪৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।মুহাম্মদ বিন মুসলিম বিন তাদরাস আল-আসাদি আবু জুবায়ের আল-মাক্কী। তিনি জাবের, ইবনে উমর, ইবনে আব্বাস, ইবনুল জুবায়ের, আয়েশা (রা.) ও বহু সংখ্যক রাবীর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আবু হানিফা, মালেক, শু'বাহ, আমাশ, দুই সুফিয়ান, হাম্মাদ বিন সালামাহ ও বহু সংখ্যক রাবী বর্ণনা করেছেন। ইবনে আল-মাদিনি, ইবনে মাঈন ও আন-নাসায়ি তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন, তবে ইবনে উয়ায়নাহ ও অন্যরা তাঁকে দুর্বল বলেছেন। তিনি ১২৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।মুহাম্মদ বিন মুসলিম বিন আব্দুল্লাহ বিন উবাইদুল্লাহ বিন শিহাব আয-যুহরি আবু বকর আল-মাদানি। তিনি একজন শীর্ষস্থানীয় জ্ঞানতাপস ছিলেন এবং সিরিয়ায় বসবাস করতেন। তিনি সাহল বিন সাদ, ইবনে উমর, জাবের, আনাস (রা.) ও অন্যান্য সাহাবীদের থেকে এবং তাঁদের পরবর্তী বহু সংখ্যক রাবীর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আবু হানিফা, মালেক, আতা বিন আবি রাবাহ ও উমর বিন আব্দুল আজিজ বর্ণনা করেছেন, অথচ তাঁরা দুজন তাঁর উস্তাদ ছিলেন। এছাড়াও ইবনে দীনার, ইবনে উয়ায়নাহ, আওযাঈ, লাইস, ইবনে জুরাইজ ও অসংখ্য রাবী তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু বকর বিন মাইমুনাহ বলেন: তিনি নবী (সা.)-এর দশজন সাহাবীকে দেখেছেন। তিনি তাঁর সময়ের সবচেয়ে বড় হাফেজ (মুখস্থকারী) এবং হাদীসের মতন বর্ণনায় সবচেয়ে পারদর্শী ছিলেন। তিনি একজন ফকীহ ও মর্যাদাবান ব্যক্তি ছিলেন। লাইস বলেন: আমি ইবনে শিহাবের চেয়ে পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানী ও অধিক ইলমের অধিকারী আর কাউকে দেখিনি। ইবনে শিহাব বলতেন: আমি আমার হৃদয়ে যা কিছু গচ্ছিত রেখেছি তা কখনো ভুলে যাইনি। তিনি ১২৪ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।মুহাম্মদ বিন মাসলামাহ বিন সালামাহ আল-আনসারী আল-হারিসী আল-মাদানি। তিনি বনু আব্দুল আশহালের মিত্র ছিলেন। তিনি বদর ও অন্যান্য সকল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি মর্যাদাবান সাহাবীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং নবী (সা.) তাঁর কিছু যুদ্ধের সময় তাঁকে মদিনায় নিজের প্রতিনিধি নিযুক্ত করেছিলেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র মাহমুদ, মিসওয়ার বিন মাখরামাহ, জাবের ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। তিনি ৪২ হিজরিতে মদিনায় মৃত্যুবরণ করেন।মুহাম্মদ বিন আল-মুনকাদির বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হাদীর আত-তাইমি। তিনি তাঁর পিতা, জাবের, ইবনে উমর, ইবনে আব্বাস, আবু আইয়ুব, আবু হুরাইরাহ, আয়েশা (রা.) ও বহু সংখ্যক রাবীর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র ইউসুফ, মুনকাদির, যুহরি, আবু হানিফা, মালেক, শু'বাহ, দুই সুফিয়ান ও বহু সংখ্যক রাবী বর্ণনা করেছেন। ইবনে উয়ায়নাহ বলেন: তিনি ছিলেন সততার খনি এবং নেককার ব্যক্তিরা তাঁর কাছে সমবেত হতেন। ইবনে মাঈন ও আবু হাতিম তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ১৩০ হিজরিতে অথবা বলা হয় ১৩১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।মুহাম্মদ বিন আন-নু'মান বিন বশীর আল-আনসারী আবু সাঈদ আল-মাদানি। তিনি তাঁর পিতা ও দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে যুহরি বর্ণনা করেছেন। আল-ইজলি তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ২৭)
مُحَمَّد بن يحيى بن حبَان بن منقذ الْأنْصَارِيّ الْمَازِني الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَعَمه وَاسع بن حبَان وَابْن عمر وَرَافِع بن خديج وَأنس وعدة وروى عَنهُ مَالك وَابْن إِسْحَاق وَاللَّيْث وَخلق وَكَانَت لَهُ حَلقَة فِي مَسْجِد النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَكَانَ يُفْتِي وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَابْن معِين وَأَبُو حَاتِم وَغَيرهم مَاتَ بِالْمَدِينَةِ سنة إِحْدَى وَعشْرين وَمِائَة عَن أَربع وَسبعين سنةمَحْمُود بن الرّبيع بن سراقَة الْأنْصَارِيّ أَبُو نعيم الْمدنِي روى عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَعَن أبي أَيُّوب وَعبادَة بن الصَّامِت وَغَيرهم وروى عَنهُ أنس وَالزهْرِيّ وَمَكْحُول مَاتَ سنة تسع وَتِسْعين وَهُوَ بن ثَلَاث وَتِسْعينمحيصة بن مَسْعُود الْأنْصَارِيّ لَهُ صُحْبَة وَرِوَايَة وَعنهُ ابْنه سعد وَابْن ابْنه حرَام وَجَمَاعَةمخرمَة بن بكير بن عبد الله بن الْأَشَج الْقرشِي مَوْلَاهُم أَبُو الْمُنْذر الْمدنِي روى عَن أَبِيه وعامر بن عبد الله بن الزبير وروى عَنهُ مَالك وَابْن لَهِيعَة وَابْن وهب وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ أَحْمد وَقَالَ لم يسمع من أَبِيه شَيْئا وَقَالَ النَّسَائِيّ لَيْسَ بِهِ بَأْس مَاتَ سنة تسع وَخمسين وَمِائَةمخرمَة بن سُلَيْمَان الْأَسدي الْمدنِي روى عَن بن الزبير وَأَسْمَاء بنت أبي بكر وكريب وعدة وروى عَنهُ مَالك وعياض بن عبد الله الفِهري وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ بن معِين وَقَالَ الْوَاقِدِيّ قتلته الحرورية بِقديد سنة ثَلَاثِينَ وَمِائَة وَهُوَ بن سبعين سنةمَسْعُود بن الحكم بن الرّبيع الزرقي الْأنْصَارِيّ أَبُو هَارُون الْمدنِي روى عَن عمر وَعُثْمَان وَعلي وَأمه وَلها صُحْبَة وروى عَنهُ بنوه الْأَرْبَعَة إِسْمَاعِيل وَعِيسَى ويوسف وَقيس وَمُحَمّد بن الْمُنْكَدر وَالزهْرِيّ وَآخَرُونَ قَالَ بن عبد الْبر كَانَ سريا لَهُ قدر وجلالة بِالْمَدِينَةِ وَبعد فِي جملَة التَّابِعين وكبارهممُسلم بن أبي مَرْيَم واسْمه يسَار الْمدنِي روى عَن بن عمر وَأبي سعيد الْخُدْرِيّ وَجَمَاعَة وروى عَنهُ مَالك وَشعْبَة والسفيانان وَابْن جريج وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ أَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ وَابْن معِين وَمَات فِي خلَافَة الْمَنْصُورالْمسور بن رِفَاعَة بن أبي مَالك الْقرظِيّ الْمدنِي روى عَن عَمه ثَعْلَبَة بن أبي مَالك وَابْن عَبَّاس وَجَمَاعَة وروى عَنهُ مَالك وَابْن إِسْحَاق وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ بن حبَان وَمَات سنة ثَمَان وَثَلَاثِينَ وَمِائَة حَدِيثه فِي مُسْند أَحْمد وَلَيْسَ لَهُ رِوَايَة فِي الْكتب السِّتَّةالْمسور بن مخرمَة بن نَوْفَل بن أهب بن عبد منَاف بن زهرَة الْقرشِي أَبُو عبد الرَّحْمَن الزُّهْرِيّ لَهُ ولأبيه صُحْبَة وَرِوَايَة روى عَن عَليّ بن الْحُسَيْن وَعُرْوَة بن الزبير وَسَعِيد بن الْمسيب ومروان بن مُعَاوِيَة وَجَمَاعَة مَاتَ سنة أَربع وَسِتِّينَالْمطلب بن عبد الله بن حنْطَب المَخْزُومِي الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَجَابِر وَابْن عمر وَابْن عَبَّاس وَأبي هُرَيْرَة وَعَائِشَة وعدة وروى عَنهُ ابناه الحكم وَعبد الْعَزِيز وَابْن جريج وَالْأَوْزَاعِيّ وَطَائِفَة وَثَّقَهُ أَبُو زرْعَة وَالدَّارَقُطْنِيّ وَقَالَ بن سعد لَا يحْتَج بحَديثهالْمطلب بن أبي ودَاعَة واسْمه الْحَارِث بن ضبيرة الْقرشِي أَبُو عبد الله السَّهْمِي لَهُ ولأبيه صُحْبَة وَرِوَايَة وهما من مسلمة الْفَتْح روى عَنهُ بنوه جَعْفَر وَعبد الرَّحْمَن وَكثير والسائب بن يزِيد وَغَيرهممعَاذ بن جبل بن عَمْرو بن أَوْس الْأنْصَارِيّ الخزرجي أَبُو عبد الرَّحْمَن الْمدنِي شهد الْعقبَة وبدرا والمشاهد كلهَا وَكَانَ أحد الْأَرْبَعَة من الْأَنْصَار الَّذين جمعُوا الْقُرْآن على عهد النَّبِي صلى الله عليه وسلم روى عَنهُ جَابر وَابْن عمر وَابْن عَبَّاس وَأَبُو مُوسَى وَخلق مَاتَ فِي طاعون عمواسمعَاذ بن سعد أَو سعد بن معَاذ أحد المجهولين روى حَدِيثه مَالك عَن نَافِع عَن رجل من الْأَنْصَار عَن معَاذ بن سعد أَو سعد بن معَاذ أخبرهُ أَن جَارِيَة لَهُ كَانَت ترعى غنما بسلع الحَدِيثمُعَاوِيَة بن الحكم السّلمِيّ لَهُ صُحْبَة وَرِوَايَة وَعنهُ ابْنه كثير وَعَطَاء بن يسَار وَأَبُو سَلمَة بن عبد الرَّحْمَنمُعَاوِيَة بن أبي سُفْيَان واسْمه صحر بن حَرْب الْأمَوِي الْقرشِي هُوَ من مسلمة الْفَتْح وَكتب هُوَ للنَّبِي صلى الله عليه وسلم وولاه عمر الشَّام بعد أَخِيه يزِيد ثمَّ أقره عُثْمَان وَتَوَلَّى الْخلَافَة نزل لَهُ عَنْهَا الْحسن قَالَ بن إِسْحَاق كَانَ أَمِيرا عشْرين سنة وَخَلِيفَة عشْرين سنة روى عَنهُ أَبُو ذَر وَأَبُو سعيد وَابْن عَبَّاس وَمُحَمّد بن الْحَنَفِيَّة وَخلق مَاتَ فِي رَجَب سنة سِتِّينَ وَيُقَال سنة تسع وَخمسين وَهُوَ بن اثْنَتَيْنِ وَثَمَانِينَ سنة
মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে হাব্বান ইবনে মুনকিয আল-আনসারী আল-মাযিনী আল-মাদানী। তিনি তাঁর পিতা, তাঁর চাচা ওয়াসি ইবনে হাব্বান, ইবনে উমর, রাফে ইবনে খাদীজ, আনাস এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালেক, ইবনে ইসহাক, আল-লাইস এবং বহু সংখ্যক লোক বর্ণনা করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মসজিদে তাঁর একটি ইলমী পাঠচক্র ছিল এবং তিনি ফতোয়া দিতেন। আন-নাসায়ী, ইবনে মাঈন, আবু হাতিম এবং অন্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য (সিকাহ) হিসেবে গণ্য করেছেন। তিনি ১২১ হিজরীতে চুয়াত্তর বছর বয়সে মদীনায় মৃত্যুবরণ করেন।মাহমুদ ইবনে আর-রাবী ইবনে সুরাকা আল-আনসারী আবু নুআইম আল-মাদানী। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আবু আইয়ুব ও উবাদাহ বিন সামিত সহ অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আনাস, যুহরী ও মাকহুল বর্ণনা করেছেন। তিনি ৯৯ হিজরীতে তিয়ানব্বই বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।মুহাইয়্যিসা ইবনে মাসউদ আল-আনসারী। তাঁর সাহচর্য (সাহাবী হওয়া) ও রেওয়ায়েত রয়েছে। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র সাদ, পৌত্র হারাম এবং একদল লোক বর্ণনা করেছেন।মাখরামা ইবনে বুকাইর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল আশাজ আল-কুরাশী, তাঁদের মুক্তদাসী, আবু আল-মুনযির আল-মাদানী। তিনি তাঁর পিতা এবং আমের ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল যুবাইর থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালেক, ইবনে লাহীআহ, ইবনে ওয়াহাব এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। আহমদ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং বলেছেন যে, তিনি তাঁর পিতা থেকে সরাসরি কিছু শুনেননি। আন-নাসায়ী বলেছেন: তাঁর বর্ণনায় কোনো সমস্যা নেই। তিনি ১৫৯ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।মাখরামা ইবনে সুলাইমান আল-আসাদী আল-মাদানী। তিনি ইবনুল যুবাইর, আসমা বিনতে আবু বকর, কুরাইব এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালেক, ইয়াদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-ফিহরী এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ওয়াকিদী বলেন: ১৩০ হিজরীতে হারুরিয়া (খারেজী) সম্প্রদায় তাঁকে কুদাইদ নামক স্থানে হত্যা করে, তখন তাঁর বয়স ছিল সত্তর বছর।মাসউদ ইবনে হাকাম ইবনে আর-রাবী আয-যুরাকী আল-আনসারী আবু হারুন আল-মাদানী। তিনি উমর, উসমান, আলী এবং তাঁর মা (যিনি সাহাবী ছিলেন) থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর চার পুত্র—ইসমাঈল, ঈসা, ইউসুফ ও কায়স এবং মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির, যুহরী ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে আব্দুল বারর বলেন: তিনি মদীনায় অত্যন্ত মর্যাদাবান ও প্রভাবশালী ব্যক্তি ছিলেন এবং প্রথম সারির প্রবীণ তাবেয়ীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।মুসলিম ইবনে আবু মারিয়াম, তাঁর নাম ইয়াসার আল-মাদানী। তিনি ইবনে উমর, আবু সাঈদ আল-খুদরী এবং একদল লোক থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালেক, শুবা, দুই সুফিয়ান (আস-সাওরী ও ইবনে উয়াইনা), ইবনে জুরাইজ এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। আবু দাউদ, আন-নাসায়ী ও ইবনে মাঈন তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি খলীফা মনসুরের শাসনকালে মৃত্যুবরণ করেন।মিসওয়ার ইবনে রিফায়া ইবনে আবু মালেক আল-কুরাযী আল-মাদানী। তিনি তাঁর চাচা সালাবা ইবনে আবু মালেক, ইবনে আব্বাস এবং একদল লোক থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালেক, ইবনে ইসহাক এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ১৩৮ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর হাদীস মুসনাদে আহমদে রয়েছে, তবে কুতুবে সিত্তাহ (বিখ্যাত ছয়টি কিতাব)-এ তাঁর কোনো বর্ণনা নেই।মিসওয়ার ইবনে মাখরামা ইবনে নওফাল ইবনে উহাইব ইবনে আব্দ মানাফ ইবনে যুহরা আল-কুরাশী আবু আব্দুর রহমান আয-যুহরী। তাঁর এবং তাঁর পিতার সাহচর্য ও রেওয়ায়েত রয়েছে। তিনি আলী ইবনুল হুসাইন, উরওয়া ইবনুল যুবাইর, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব, মারওয়ান ইবনে মুআবিয়া এবং একদল লোক থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি ৬৪ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।মুত্তালিব ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হানতাব আল-মাখযূমী আল-মাদানী। তিনি তাঁর পিতা, জাবের, ইবনে উমর, ইবনে আব্বাস, আবু হুরায়রা, আয়েশা এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর দুই পুত্র হাকাম ও আব্দুল আজিজ এবং ইবনে জুরাইজ, আওযায়ী ও একদল লোক বর্ণনা করেছেন। আবু যুরআ ও দারা কুতনী তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন, কিন্তু ইবনে সাদ বলেছেন: তাঁর হাদীস দলিল হিসেবে গ্রহণীয় নয়।মুত্তালিব ইবনে আবু ওয়াদায়া, তাঁর নাম হারিস ইবনে দাবীরা আল-কুরাশী আবু আব্দুল্লাহ আস-সাহমী। তাঁর এবং তাঁর পিতার সাহচর্য ও রেওয়ায়েত রয়েছে এবং তাঁরা উভয়েই মক্কা বিজয়ের সময় ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র জাফর, আব্দুর রহমান, কাসীর এবং সায়িব ইবনে ইয়াযীদ সহ অন্যরা বর্ণনা করেছেন।মুআয ইবনে জাবাল ইবনে আমর ইবনে আওস আল-আনসারী আল-খাযরাজী আবু আব্দুর রহমান আল-মাদানী। তিনি আকাবা, বদর এবং সকল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি আনসারদের সেই চারজনের একজন ছিলেন যারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে কুরআন সংকলন করেছিলেন। তাঁর থেকে জাবের, ইবনে উমর, ইবনে আব্বাস, আবু মুসা এবং অসংখ্য লোক বর্ণনা করেছেন। তিনি আমওয়াসের প্লেগ মহামারীতে মৃত্যুবরণ করেন।মুআয ইবনে সাদ অথবা সাদ ইবনে মুআয, অজ্ঞাত (মাজহুল) ব্যক্তিদের একজন। মালেক তাঁর হাদীস বর্ণনা করেছেন নাফে থেকে, তিনি জনৈক আনসারী ব্যক্তি থেকে, তিনি মুআয ইবনে সাদ অথবা সাদ ইবনে মুআয থেকে; যিনি তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তাঁর এক দাসী সাল্ পাহাড়ে বকরী চরাচ্ছিল—এই মর্মে হাদীসটি বর্ণিত।মুআবিয়া ইবনে হাকাম আস-সুলামী। তাঁর সাহচর্য ও রেওয়ায়েত রয়েছে। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র কাসীর, আতা ইবনে ইয়াসার এবং আবু সালামা ইবনে আব্দুর রহমান বর্ণনা করেছেন।মুআবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ান, তাঁর নাম সাখর ইবনে হারব আল-উমাবী আল-কুরাশী। তিনি মক্কা বিজয়ের পর ইসলাম গ্রহণকারীদের অন্তর্ভুক্ত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর লেখক ছিলেন। উমর তাঁকে তাঁর ভাই ইয়াযীদের পর শামের গভর্নর নিযুক্ত করেন, অতঃপর উসমানও তাঁকে বহাল রাখেন। তিনি খিলাফতের দায়িত্ব পালন করেন এবং হাসান তাঁর অনুকূলে খিলাফত থেকে সরে দাঁড়ান। ইবনে ইসহাক বলেন: তিনি বিশ বছর আমীর এবং বিশ বছর খলীফা ছিলেন। তাঁর থেকে আবু যার, আবু সাঈদ, ইবনে আব্বাস, মুহাম্মাদ ইবনুল হানাফিয়্যাহ এবং বহু লোক বর্ণনা করেছেন। তিনি ৬০ হিজরীর রজব মাসে মৃত্যুবরণ করেন, কারও মতে ৫৯ হিজরীতে; তখন তাঁর বয়স ছিল বিরাশি বছর।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ২৮)
معبد بن كَعْب بن مَالك الْأنْصَارِيّ السّلمِيّ الْمدنِي روى عَن أمه وَكَانَت صلت إِلَى الْقبْلَتَيْنِ وروى عَن أَخَوَيْهِ عبد الله وَعبيد الله وَعَن جَابر بن عبد الله وَأبي قَتَادَة وروى عَنهُ بن إِسْحَاق وَمُحَمّد بن عمر وحلحلة وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ بن حبَانالْمُغيرَة بن أبي بردة حجازي من بني عبد الدَّار روى عَن أبي هُرَيْرَة وروى عَنهُ سعيد بن سَلمَة المَخْزُومِي وَثَّقَهُ النَّسَائِيّالْمُغيرَة بن شُعْبَة بن أبي عَامر أَبُو عِيسَى الثَّقَفِيّ أسلم عَام الخَنْدَق وَأول مشاهده الْحُدَيْبِيَة روى عَنهُ بنوه عُرْوَة وَحَمْزَة وعفار ووراد كَاتبه وَالشعْبِيّ وَخلق قَالَ بن سعد كَانَ يُقَال لَهُ مُغيرَة الرَّأْي وَكَانَ ذَا دهاء مَاتَ سنة خمسينالْمِقْدَاد بن عَمْرو بن ثَعْلَبَة الْكِنْدِيّ أَبُو الْأسود الْمَعْرُوف بِابْن الْأسود وَكَانَ الْأسود بن عبد يَغُوث قد تبناه وَهُوَ صَغِير فَعرف بِهِ شهد بَدْرًا والمشاهد كلهَا وَكَانَ فِرَاسًا يَوْم بدر وَلم يثبت أَنه شَهِدَهَا فَارس غَيره روى عَنهُ عَليّ وَابْن مَسْعُود وَابْن عَبَّاس وَجَمَاعَة مَاتَ سنة ثَلَاث وَثَلَاثِينَمُوسَى بن أبي تَمِيم الْمدنِي روى عَن سعيد بن يسَار وروى عَنهُ مَالك وَسليمَان بن بِلَال قَالَ أَبُو حَاتِم ثِقَة لَيْسَ بِهِ بَأْسمُوسَى بن عقبَة بن أبي عَيَّاش الْقرشِي مَوْلَاهُم الْمدنِي روى عَن أم خَالِد بنت خَاله وَلها صُحْبَة وَنَافِع وَسَالم وَالزهْرِيّ وَخلق وروى عَنهُ مَالك وَشعْبَة والسفيانان وَابْن جريج وَخلق وَثَّقَهُ أَحْمد وَيحيى وَأَبُو حَاتِم وَغير وَاحِد وَقَالَ معن وغبره كَانَ مَالك إِذا سُئِلَ عَن الْمَغَازِي يَقُول عَلَيْك بمغازي الرجل الصَّالح مُوسَى بن عقبَة فَإِنَّهَا أصح الْمَغَازِي مَاتَ سنة إِحْدَى وَأَرْبَعين وَمِائَةمُوسَى بن ميسرَة الديلِي أَبُو عُرْوَة الْمدنِي روى عَن عِكْرِمَة وَسَعِيد بن أبي هِنْد وَجَمَاعَة وروى عَنهُ مَالك وَغَيره وَثَّقَهُ يحيى وَالنَّسَائِيّ(حرف النُّون) نَافِع بن جُبَير بن مطعم الْقرشِي الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَعلي وَابْن عَبَّاس وَأبي هُرَيْرَة وَعَائِشَة وَأم سَلمَة وعدة وروى عَنهُ الزُّهْرِيّ وَعُرْوَة وَعبد الله بن الْفضل الْهَاشِمِي وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ الْعجلِيّ وَأَبُو زرْعَة وَقَالَ بن خرَاش أحد الْأَئِمَّة وَكَانَ يحْتَج مَاشِيا وناقته تقاد مَاتَ سنة تسع وَتِسْعيننَافِع بن عَبَّاس وَيُقَال بن عَيَّاش الْأَقْرَع أَبُو مُحَمَّد وَعلي أبي قَتَادَة وَيُقَال مولى عقيل بنت طلق الغفارية وَيُقَال مولى أُسَامَة وَيُقَال إنَّهُمَا اثْنَان روى عَن أبي قَتَادَة وَأبي هُرَيْرَة وروى عَنهُ الزُّهْرِيّ وَسَالم أَبُو النَّضر وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ النَّسَائِيّنَافِع بن مَالك بن أبي عَامر الأصبحي أَبُو سُهَيْل الْمدنِي عَم الإِمَام مَالك روى عَن أَبِيه وَابْن عمر وَسَعِيد بن الْمسيب وَعلي بن الْحُسَيْن وَجَمَاعَة وروى عَنهُ مَالك وَالزهْرِيّ وَإِسْمَاعِيل بن جَعْفَر بن أبي كثير وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ أَحْمد وَأَبُو حَاتِم وَالنَّسَائِيّنَافِع بن سرجس الديلمي مولى عبد الله بن عمر أَبُو عبد الله الْمدنِي روى عَن مَوْلَاهُ وَرَافِع بن خديج وَأبي هُرَيْرَة وَعَائِشَة وَأم سَلمَة وَطَائِفَة وروى عَنهُ بنوه عبد الله وَأَبُو بكر وَعمر وَالزهْرِيّ ومُوسَى بن عقبَة وَأَبُو حنيفَة وَمَالك وَاللَّيْث وَخلق قَالَ البُخَارِيّ أصح الْأَسَانِيد مَالك عَن نَافِع عَن بن عمر وَقَالَ مَالك كنت إِذا سَمِعت من نَافِع يحدث عَن بن عمر لَا أُبَالِي أَن لَا أسمعهُ من غَيره مَاتَ سنة سبع عشرَة وَمِائَة
মা'বাদ ইবনে কা'ব ইবনে মালিক আল-আনসারী আস-সুলামী আল-মাদানী। তিনি তাঁর মাতা থেকে বর্ণনা করেছেন, যিনি উভয় কিবলার দিকে মুখ করে সালাত আদায় করেছিলেন। তিনি তাঁর দুই ভাই আব্দুল্লাহ ও উবাইদুল্লাহ এবং জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ ও আবু কাতাদা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইবনে ইসহাক, মুহাম্মদ ইবনে আমর, হালহালা এবং একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।আল-মুগীরা ইবনে আবি বুরদাহ হিজাজী, বনু আবদুদ দার গোত্রের। তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে সাঈদ ইবনে সালামাহ আল-মাখজুমী বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ী তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।আল-মুগীরা ইবনে শু'বাহ ইবনে আবি আমির আবু ঈসা আস-সাকাফী। তিনি খন্দকের যুদ্ধের বছর ইসলাম গ্রহণ করেন এবং তাঁর প্রথম প্রত্যক্ষ যুদ্ধ ছিল হুদাইবিয়া। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র উরওয়াহ, হামজাহ ও আফফার এবং তাঁর লেখক ওয়াররাদ, আশ-শা'বী এবং বহু লোক বর্ণনা করেছেন। ইবনে সা'দ বলেন, তাঁকে 'মুগীরাহ আর-রায়' বলা হতো এবং তিনি অত্যন্ত বিচক্ষণ ছিলেন। তিনি পঞ্চাশ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।আল-মিকদাদ ইবনে আমর ইবনে সা'লাবা আল-কিন্দি আবু আল-আসওয়াদ, যিনি ইবনুল আসওয়াদ নামে পরিচিত। আসওয়াদ ইবনে আবদ ইয়াগুস তাঁকে শৈশবে দত্তক নিয়েছিলেন, ফলে তিনি তাঁর নামেই পরিচিত হন। তিনি বদর এবং সমস্ত যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। বদরের দিন তিনি অশ্বারোহী ছিলেন এবং তিনি ছাড়া অন্য কেউ অশ্বারোহী হিসেবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে প্রমাণিত হয়নি। তাঁর থেকে আলী, ইবনে মাসউদ, ইবনে আব্বাস এবং একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। তিনি তেত্রিশ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।মুসা ইবনে আবি তামীম আল-মাদানী। তিনি সাঈদ ইবনে ইয়াসার থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে মালিক ও সুলাইমান ইবনে বিলাল বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য, তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই।মুসা ইবনে উকবা ইবনে আবি আইয়াশ আল-কুরাশী, তাঁদের মুক্তদাস, আল-মাদানী। তিনি তাঁর মামাতো বোন উম্মে খালিদ বিনতে খালিদ (যিনি সাহাবী ছিলেন), নাফে', সালিম, আয-যুহরী এবং বহু সংখ্যক লোক থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, শু'বা, দুই সুফিয়ান, ইবনে জুরাইজ এবং বহু লোক বর্ণনা করেছেন। আহমাদ, ইয়াহইয়া, আবু হাতিম এবং আরও অনেকে তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। মা'ন এবং অন্যরা বলেন, ইমাম মালিককে যখন যুদ্ধাভিযান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হতো, তখন তিনি বলতেন: "তোমরা নেককার ব্যক্তি মুসা ইবনে উকরার যুদ্ধাভিযানের ইতিহাস অনুসরণ করো, কারণ তা সবচেয়ে সঠিক যুদ্ধাভিযানের ইতিহাস।" তিনি একশত একচল্লিশ হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।মুসা ইবনে মাইসারা আদ-দাইলী আবু উরওয়াহ আল-মাদানী। তিনি ইকরিমাহ, সাঈদ ইবনে আবি হিন্দ এবং একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। ইয়াহইয়া ও আন-নাসায়ী তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।(নূন বর্ণ) নাফে' ইবনে জুবায়ের ইবনে মুতইম আল-কুরাশী আল-মাদানী। তিনি তাঁর পিতা, আলী, ইবনে আব্বাস, আবু হুরায়রা, আয়েশা, উম্মে সালামা এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আয-যুহরী, উরওয়াহ, আব্দুল্লাহ ইবনুল ফাদল আল-হাশিমী এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। আল-ইজলী ও আবু যুরআ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে খিরাশ বলেন, তিনি ইমামগণের অন্যতম; তিনি পায়ে হেঁটে হজ্জ করতেন আর তাঁর উট তাঁর সামনে টেনে নেওয়া হতো। তিনি নিরানব্বই হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।নাফে' ইবনে আব্বাস, মতান্তরে ইবনে আইয়াশ আল-আকরা' আবু মুহাম্মদ। কেউ বলেছেন তিনি আবু কাতাদার মুক্তদাস, আবার কেউ বলেছেন তিনি তুলাইক আল-গিফারিয়ার কন্যা আকীলার মুক্তদাস, আবার কেউ বলেছেন ওসামার মুক্তদাস। কেউ কেউ বলেছেন তারা দুজন পৃথক ব্যক্তি। তিনি আবু কাতাদা ও আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আয-যুহরী, সালিম আবু আন-নদর এবং একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ী তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।নাফে' ইবনে মালিক ইবনে আবি আমির আল-আসবাহী আবু সুহাইল আল-মাদানী, তিনি ইমাম মালিকের চাচা। তিনি তাঁর পিতা, ইবনে উমর, সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব, আলী ইবনুল হুসাইন এবং একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, আয-যুহরী, ইসমাঈল ইবনে জাফর ইবনে আবি কাসীর এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। আহমাদ, আবু হাতিম এবং আন-নাসায়ী তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।নাফে' ইবনে সারজিস আদ-দাইলামী, আব্দুল্লাহ ইবনে উমরের মুক্তদাস, আবু আব্দুল্লাহ আল-মাদানী। তিনি তাঁর মনিব, রাফে' ইবনে খাদীজ, আবু হুরায়রা, আয়েশা, উম্মে সালামা এবং একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহ, আবু বকর ও উমর এবং আয-যুহরী, মুসা ইবনে উকবা, আবু হানিফা, মালিক, আল-লাইস এবং বহু লোক বর্ণনা করেছেন। বুখারী বলেন, সবচেয়ে বিশুদ্ধতম সনদ হলো: মালিক, নাফে' থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে। মালিক বলেন, আমি যখন নাফেকে ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করতে শুনতাম, তখন অন্য কারও থেকে তা না শুনলেও আমি পরোয়া করতাম না। তিনি একশত সতেরো হিজরীতে ইন্তেকাল করেন।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ২৯)
نبيه بن وهب بن عُثْمَان بن أبي طَلْحَة الحَجبي روى عَن أبي هُرَيْرَة وَمُحَمّد بن الحنيفية وَأَبَان بن عُثْمَان وَعنهُ بنوه عبد الْأَعْلَى وَعبد الْجَبَّار وَعبد الْعَزِيز وَأَيوب بن مُوسَى وَنَافِع وَابْن إِسْحَاق وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَغَيرهالنُّعْمَان بن بشير بن سعد الْأنْصَارِيّ الْمدنِي ولد فِي السّنة الثَّانِيَة من الْهِجْرَة وروى عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَعَن خَال عبد الله بن رَوَاحَة وَعمر وَعَائِشَة وَعنهُ ابْنه مُحَمَّد ومولاه حبيب بن سَالم وَالشعْبِيّ وَآخَرُونَ ولي الْكُوفَة فِي عهد مُعَاوِيَة ثمَّ ولي حمص لِابْنِ الزبير فَلَمَّا تمردت أَهلهَا خرج هَارِبا فَاتبعهُ خَالِد بَان خلي فَقتله وَذَلِكَ سنة أَربع وَسِتِّينَنعيم بن عبد الله المجمر أَبُو عبد الله الْمدنِي روى عَن جَابر وَابْن عمر وَأبي هُرَيْرَة وَأنس وَجَمَاعَة وَعنهُ ابْنه مُحَمَّد وَمَالك وَسعد بن أبي هِلَال وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ بن معِين وَأَبُو حَاتِم وَغَيرهمَا(حرف الْهَاء) هَاشم بن هِشَام بن عتبَة بن أبي وَقاص الزُّهْرِيّ الْمدنِي روى عَن سعيد بن الْمسيب وعامر بن سعد وَجَمَاعَة وَعنهُ مَالك وَأَبُو أُسَامَة وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ يحيى وَالنَّسَائِيّهَاشم بن عُرْوَة بن الزبير بن الْعَوام الْأَسدي الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَعَمه عبد الله بن الزبير وَطَائِفَة وَعنهُ أَبُو حنيفَة وَمَالك وَشعْبَة والسفيانان والحمادان وَخلق قَالَ بن الْمَدِينِيّ لَهُ نَحْو أَرْبَعمِائَة حَدِيث وَقَالَ بن سعد كَانَ ثِقَة ثبتا كثير الحَدِيث حجَّة وَثَّقَهُ أَبُو حَاتِم وَغَيره وَقَالَ عبد الرَّحْمَن بن خرَاش كَانَ مَالك لَا يرضاه مَاتَ سنة خمس وَأَرْبَعين وَمِائَةهِلَال بن أُسَامَة هُوَ بن عَليّ بن أُسَامَة العامري مَوْلَاهُم الْمدنِي وَهُوَ بن أبي مَيْمُونَة روى عَن أنس وَعَطَاء وَأبي سَلمَة بن عبد الرَّحْمَن وَغَيرهم وَعنهُ مَالك وفليح بن سُلَيْمَان وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ بن حبَان وَقَالَ أَبُو حَاتِم شيخ يكْتب حَدِيثه(حرف الْوَاو) وَاسع بن حبَان بن منقذ الْأنْصَارِيّ الْمدنِي روى عَن بن عمر وَأبي سعيد وَجَابِر وَجَمَاعَة وَعنهُ بن حبَان وَابْن أَخِيه مُحَمَّد بن يحيى بن حبَان وَثَّقَهُ أَبُو زرْعَةوَاقد بن عَمْرو بن سعد بن معَاذ الْأنْصَارِيّ أَبُو عبد الله الْمدنِي روى عَن أنس وَجَابِر وَنَافِع بن جُبَير وَيحيى الْأنْصَارِيّ وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ أَبُو زرْعَة وَابْن سعد وَمَات سنة عشْرين وَمِائَةالْوَلِيد بن عبَادَة بن الصَّامِت الْأنْصَارِيّ أَبُو عبَادَة الْمدنِي روى عَن أَبِيه وَعنهُ ابْنه عبَادَة وَعَطَاء بن أبي رَبَاح وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ بن سعد وَكَانَ قَلِيل الحَدِيث مَاتَ بِالشَّام فِي خلَافَة عبد الْملك بن مَرْوَانالْوَلِيد بن عبد الله بن صياد روى عَن الْمطلب بن عبد الله بن حنْطَب وَعنهُ مَالك بِحَدِيث مُرْسلا فِي الْغَيْبَةوهب بن كيسَان الْقرشِي مَوْلَاهُم أَبُو نعيم الْمدنِي الْمعلم روى عَن جَابر وَابْن عمر وَابْن عَبَّاس وَابْن الزبير وَأَسْمَاء وعدة وَعنهُ مَالك وَابْن إِسْحَاق وَأَيوب السّخْتِيَانِيّ وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَابْن سعد مَاتَ سنة سبع وَعشْرين وَمِائَة
নাবীহ বিন ওয়াহাব বিন উসমান বিন আবি তালহা আল-হাজাবি। তিনি আবু হুরায়রা, মুহাম্মদ বিন আল-হানাফিয়্যাহ এবং আবান বিন উসমান থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার পুত্রগণ যথাক্রমে আবদুল আ'লা, আবদুল জাব্বার এবং আবদুল আজিজ বর্ণনা করেছেন। এছাড়াও আইয়ুব বিন মুসা, নাফে', ইবনে ইসহাক এবং একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। ইমাম নাসাঈ ও অন্যান্যরা তাকে বিশ্বস্ত হিসেবে সত্যায়ন করেছেন।আন-নু'মান বিন বাশীর বিন সা'দ আল-আনসারী আল-মাদানী। তিনি হিজরী দ্বিতীয় বর্ষে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), মামা আবদুল্লাহ বিন রাওয়াহা, উমর ও আয়েশা থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার পুত্র মুহাম্মদ, তার মুক্তদাস হাবীব বিন সালেম, আশ-শা'বী এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। তিনি মুয়াবিয়ার শাসনামলে কুফার গভর্নর ছিলেন এবং পরবর্তীতে ইবনুল জুবায়েরের পক্ষে হিমসের গভর্নর নিযুক্ত হন। যখন হিমসবাসী বিদ্রোহ করল, তিনি পলায়নরত অবস্থায় বের হলেন এবং খালিদ বিন খাল্লী তাকে অনুসরণ করে হত্যা করেন; আর তা ছিল চৌষট্টি হিজরী সনের ঘটনা।নুআইম বিন আবদুল্লাহ আল-মুজমির, আবু আবদুল্লাহ আল-মাদানী। তিনি জাবের, ইবনে উমর, আবু হুরায়রা, আনাস এবং একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার পুত্র মুহাম্মদ, মালেক, সা'দ বিন আবি হিলাল এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন, আবু হাতিম এবং অন্যান্যরা তাকে বিশ্বস্ত হিসেবে সত্যায়ন করেছেন।(হা বর্ণ) হাশিম বিন হিশাম বিন উতবা বিন আবি ওয়াক্কাস আয-যুহরী আল-মাদানী। তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়্যিব, আমের বিন সা'দ এবং একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে মালেক, আবু উসামা এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। ইয়াহইয়া ও নাসাঈ তাকে বিশ্বস্ত বলেছেন।হাশিম বিন উরওয়াহ বিন আল-যুবাইর বিন আল-আওয়াম আল-আসাদী আল-মাদানী। তিনি তার পিতা, চাচা আবদুল্লাহ বিন আল-যুবাইর এবং একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে আবু হানিফা, মালেক, শু'বা, দুই সুফিয়ান (সুফিয়ান সাওরী ও সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা), দুই হাম্মাদ (হাম্মাদ বিন যায়েদ ও হাম্মাদ বিন সালামাহ) এবং বহু সংখ্যক বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। ইবনুল মাদীনী বলেন, তার থেকে বর্ণিত প্রায় চারশত হাদীয় রয়েছে। ইবনে সা'দ বলেন, তিনি বিশ্বস্ত, সুদৃঢ়, প্রচুর হাদীয় বর্ণনাকারী এবং প্রামাণ্য ব্যক্তিত্ব ছিলেন। আবু হাতিম ও অন্যান্যরা তাকে বিশ্বস্ত বলেছেন। তবে আবদুর রহমান বিন খিরাশ বলেন যে, মালেক তার প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন না। তিনি একশত পঁয়তাল্লিশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।হিলাল বিন উসামা; তিনি হলেন হিলাল বিন আলী বিন উসামা আল-আমেরী, তাদের মুক্তদাস, আল-মাদানী। তিনি ইবনে আবি মাইমুনা নামেও পরিচিত। তিনি আনাস, আতা, আবু সালামাহ বিন আবদুর রহমান এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে মালেক, ফুলাইহ বিন সুলাইমান এবং একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাকে বিশ্বস্ত বলেছেন এবং আবু হাতিম বলেছেন যে, তিনি এমন একজন শায়খ যার হাদীয় লিখে রাখা হয়।(ওয়াও বর্ণ) ওয়াসি' বিন হিব্বান বিন মুনকিয আল-আনসারী আল-মাদানী। তিনি ইবনে উমর, আবু সাঈদ, জাবের এবং একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে ইবনে হিব্বান এবং তার ভ্রাতুষ্পুত্র মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন হিব্বান বর্ণনা করেছেন। আবু যুর'আ তাকে বিশ্বস্ত বলেছেন।ওয়াকিদ বিন আমর বিন সা'দ বিন মুআয আল-আনসারী, আবু আবদুল্লাহ আল-মাদানী। তিনি আনাস, জাবের, নাফে' বিন জুবাইর, ইয়াহইয়া আল-আনসারী এবং একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু যুর'আ ও ইবনে সা'দ তাকে বিশ্বস্ত বলেছেন এবং তিনি একশত বিশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।আল-ওয়ালীদ বিন উবাদাহ বিন আস-সামিত আল-আনসারী, আবু উবাদাহ আল-মাদানী। তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে তার পুত্র উবাদাহ, আতা বিন আবি রাবাহ এবং একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। ইবনে সা'দ তাকে বিশ্বস্ত বলেছেন এবং তার বর্ণিত হাদীয়ের সংখ্যা কম ছিল। তিনি আব্দুল মালেক বিন মারওয়ানের খেলাফতকালে সিরিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন।আল-ওয়ালীদ বিন আব্দুল্লাহ বিন সইয়াদ। তিনি আল-মুত্তালিব বিন আব্দুল্লাহ বিন হানতাব থেকে বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম মালেক গীবত সম্পর্কে তার থেকে একটি মুরসাল হাদীয় বর্ণনা করেছেন।ওয়াহাব বিন কায়সান আল-কুরাশী, তাদের মুক্তদাস, আবু নুআইম আল-মাদানী, যিনি একজন শিক্ষক ছিলেন। তিনি জাবের, ইবনে উমর, ইবনে আব্বাস, ইবনুল যুবাইর, আসমা এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তার থেকে মালেক, ইবনে ইসহাক, আইয়ুব আস-সাখতিয়ানী এবং অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ ও ইবনে সা'দ তাকে বিশ্বস্ত বলেছেন। তিনি একশত সাতাশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ৩০)
(حرف الْيَاء) يحنس بن أبي مُوسَى الْأَسدي مَوْلَاهُم أَبُو مُوسَى الْمدنِي روى عَن عمر وَابْن عمر وَالزُّبَيْر وَأبي هُرَيْرَة وَعَائِشَة وَغَيرهم وَعنهُ قطن بن وهب وَمُحَمّد بن إِبْرَاهِيم التَّيْمِيّ وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ النَّسَائِيّيحيى بن سعد بن قيس الْأنْصَارِيّ أَبُو سعيد الْمدنِي قاضيها روى عَن أنس وعدي بن ثَابت وَعلي بن الْحُسَيْن وَخلق وَعنهُ أَبُو حنيفَة وَمَالك وَشعْبَة والسفيانان والحمادان وَاللَّيْث وَخلق قَالَ بن الْمَدِينِيّ لَهُ نَحْو ثَلَاثمِائَة حَدِيث وَقَالَ بن سعد ثِقَة كثير الحَدِيث حجَّة ثَبت وعده السُّفْيانَانِ من الْحفاظ وَقَالَ أَحْمد يحيى بن سعد أثبت النَّاس مَاتَ سنة ثَلَاث وَأَرْبَعين وَمِائَةيحيى بن عمَارَة بن أبي حُسَيْن الْأنْصَارِيّ الْمَازِني الْمدنِي روى عَن أبي سعيد وَأنس وَغَيرهمَا وَعنهُ ابْنه عَمْرو وَالزهْرِيّ وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَابْن إِسْحَاقيزِيد بن ركَانَة وَيُقَال بن طَلْحَة بن ركَانَة بن عبد يزِيد الْقرشِي المطلبي لَهُ صُحْبَة وَرِوَايَة وَعنهُ ابناه عَليّ وَعبد الرَّحْمَن وَأَبُو جَعْفَر الباقر وَسَلَمَة بن صَفْوَان وَغَيرهم حَدِيثه فِي مُسْند أَحْمد وَلَيْسَ لَهُ فِي الْكتب السِّتَّة رِوَايَةيزِيد بن رُومَان الْأَسدي أَبُو روح الْمدنِي روى عَن بن الزبير وَأنس وعدة وَعنهُ مَالك وَابْن إِسْحَاق وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَابْن معِين وَابْن سعد وَكَانَ عَالما كثير الحَدِيث مَاتَ سنة ثَلَاثِينَ وَمِائَةيزِيد بن زناد وَيُقَال بن أبي زناد واسْمه ميسرَة وَيُقَال إنَّهُمَا اثْنَان عَن مُحَمَّد بن كَعْب الْقرظِيّ وَعنهُ مَالك وَابْن إِسْحَاق وَغَيرهمَا وَثَّقَهُ النَّسَائِيّيزِيد بن عبد الله بن أُسَامَة بن الْهَاد اللَّيْثِيّ أَبُو عبد الله الْمدنِي روى عَم عُمَيْر أبي اللَّحْم وثعلبة بن أبي مَالك وَخلق وَعنهُ مَالك وَالثَّوْري وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ بن معِين وَالنَّسَائِيّ وَابْن سعد مَاتَ بِالْمَدِينَةِ سنة تسع وَثَلَاثِينَ وَمِائَةيزِيد بن عبد الله بن حَصِيفَةَ الْكِنْدِيّ الْمدنِي وَقد نسب إِلَى جده روى عَن أَبِيه والسائب بن يزِيد وَطَائِفَة وَعنهُ مَالك والسفيانان وَابْن جريج وَخلق وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَابْن معِين وَأَبُو حَاتِم وَغَيرهميزِيد بن عبد الله بن قسيط اللَّيْثِيّ الْمدنِي روى عَن بن عمر وَأبي هُرَيْرَة وَعَطَاء بن يسَار وعدة وَعنهُ ابناه عبد الله وَالقَاسِم وَمَالك وَابْن إِسْحَاق وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَابْن سعد وَغَيرهمَا مَاتَ سنة اثْنَيْنِ وَعشْرين وَمِائَةيزِيد مولى المنبعث مدنِي روى عَن أبي هُرَيْرَة وريد بن خَالِد الْجُهَنِيّ وَعنهُ ابْنه عبد الله وَيحيى الْأنْصَارِيّ وعدة وَثَّقَهُ بن حبَانيَعْقُوب بن عبد الله بن الْأَشَج الْمدنِي عَن سعيد بن الْمسيب وَعَطَاء بن أبي رَبَاح وكريب وعدة وَعنهُ بن إِسْحَاق وَاللَّيْث وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ بن معِين وَالنَّسَائِيّ وَابْن سعد وَقَالَ اسْتشْهد فِي الْبَحْر سنة اثْنَيْنِ وَعشْرين وَمِائَةيُونُس بن يُوسُف وَيُقَال يُوسُف بن يُونُس حماس اللَّيْثِيّ الْمدنِي روى عَن سعيد بن الْمسيب وَغَيره وَعنهُ مَالك وَابْن جريج وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ النَّسَائِيّ وَكَانَ من الْعباد مجاب الدعْوَة(بَاب فِي الكنى) أَبُو إِدْرِيس الْخَولَانِيّ عَائِذ الله بن عبد الله تقدمأَبُو أسلمة أسعد بن سهل بن حنيف الْأنْصَارِيّ تقدم
(বর্ণ: ইয়া) ইউহাননাস বিন আবি মুসা আল-আসাদি, তাঁদের মুক্তকৃত গোলাম, আবু মুসা আল-মাদানি। তিনি উমর, ইবনে উমর, যুবাইর, আবু হুরায়রা, আয়িশা এবং অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে কাতান বিন ওয়াহাব, মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-তাইমি এবং একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।ইয়াহইয়া বিন সা’দ বিন কাইস আল-আনসারি, আবু সা’দ আল-মাদানি, মদিনার বিচারক। তিনি আনাস, আদি বিন সাবিত, আলী বিন আল-হুসাইন এবং অসংখ্য রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আবু হানিফা, মালিক, শু’বাহ, দুই সুফিয়ান, দুই হাম্মাদ, লাইস এবং বহু সংখ্যক রাবী বর্ণনা করেছেন। ইবনুল মাদিনি বলেছেন, তাঁর প্রায় তিনশ হাদীস রয়েছে। ইবনে সা’দ বলেছেন, তিনি নির্ভরযোগ্য, প্রচুর হাদীসের অধিকারী, নির্ভরযোগ্য দলিল ও সুদৃঢ়। দুই সুফিয়ান তাঁকে হাফেজদের অন্তর্ভুক্ত গণ্য করেছেন। আহমাদ বলেছেন, ইয়াহইয়া বিন সা’দ মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সুদৃঢ়। তিনি একশ তেতাল্লিশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।ইয়াহইয়া বিন উমারাহ বিন আবি হুসাইন আল-আনসারি আল-মাযিনি আল-মাদানি। তিনি আবু সা’দ, আনাস এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আমর, যুহরি এবং একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ এবং ইবনে ইসহাক তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।ইয়াজিদ বিন রুকানা—মতান্তরে ইবনে তালহা বিন রুকানা বিন আবদ ইয়াজিদ আল-কুরাশি আল-মুত্তালিবি। তাঁর সাহচর্য ও বর্ণনা রয়েছে। তাঁর থেকে তাঁর দুই পুত্র আলী ও আবদুর রহমান, আবু জাফর আল-বাকির, সালামাহ বিন সাফওয়ান এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। তাঁর বর্ণিত হাদীস মুসনাদে আহমাদে রয়েছে, তবে কুতুবে সিত্তাহ বা ছয়টি কিতাবে তাঁর কোনো বর্ণনা নেই।ইয়াজিদ বিন রুমান আল-আসাদি, আবু রুহ আল-মাদানি। তিনি ইবনে যুবাইর, আনাস এবং বেশ কয়েকজন থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক ও ইবনে ইসহাক বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ, ইবনে মাঈন ও ইবনে সা’দ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি একজন আলেম ও প্রচুর হাদীসের অধিকারী ছিলেন। তিনি একশ ত্রিশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।ইয়াজিদ বিন যিনাদ—মতান্তরে ইবনে আবি যিনাদ, যাঁর নাম ছিল মাইসারা; বলা হয় যে তাঁরা দুইজন ভিন্ন ব্যক্তি। তিনি মুহাম্মদ বিন কাব আল-কুরাজি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, ইবনে ইসহাক এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।ইয়াজিদ বিন আবদুল্লাহ বিন উসামাহ বিন আল-হাদ আল-লাইসি, আবু আবদুল্লাহ আল-মাদানি। তিনি উমায়ের আবু আল-লাহম, সা’লাবা বিন আবি মালিক এবং বহু সংখ্যক রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, সাওরি এবং অন্য অনেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন, নাসাঈ এবং ইবনে সা’দ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি একশ উনচল্লিশ হিজরীতে মদিনায় মৃত্যুবরণ করেন।ইয়াজিদ বিন আবদুল্লাহ বিন হাসিফাহ আল-কিন্দি আল-মাদানি; তাঁকে তাঁর দাদার দিকেও সম্বন্ধ করা হয়। তিনি তাঁর পিতা, সায়েব বিন ইয়াজিদ এবং একদল রাবী থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, দুই সুফিয়ান, ইবনে জুরাইজ এবং বহু সংখ্যক রাবী বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ, ইবনে মাঈন, আবু হাতিম এবং অন্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।ইয়াজিদ বিন আবদুল্লাহ বিন কুসাইত আল-লাইসি আল-মাদানি। তিনি ইবনে উমর, আবু হুরায়রা, আতা বিন ইয়াসার এবং বেশ কয়েকজন থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর দুই পুত্র আবদুল্লাহ ও কাসিম, মালিক, ইবনে ইসহাক এবং অন্য অনেকে বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ, ইবনে সা’দ এবং অন্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি একশ বাইশ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।ইয়াজিদ, মুনবাইসের মুক্তকৃত গোলাম, মাদানি। তিনি আবু হুরায়রা ও যায়েদ বিন খালিদ আল-জুহানি থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আবদুল্লাহ, ইয়াহইয়া আল-আনসারি এবং বেশ কয়েকজন বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।ইয়াকুব বিন আবদুল্লাহ বিন আল-আশাজ আল-মাদানি। তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব, আতা বিন আবি রাবাহ, কুরাইব এবং বেশ কয়েকজন থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে ইবনে ইসহাক, লাইস এবং অন্য অনেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন, নাসাঈ ও ইবনে সা’দ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি বলেছেন, তিনি একশ বাইশ হিজরীতে সমুদ্রে শহীদ হন।ইউনুস বিন ইউসুফ—মতান্তরে ইউসুফ বিন ইউনুস হাম্মাস আল-লাইসি আল-মাদানি। তিনি সাঈদ বিন আল-মুসাইয়িব এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, ইবনে জুরাইজ এবং একটি দল বর্ণনা করেছেন। নাসাঈ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি ইবাদতগুজারদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং তাঁর দোয়া কবুল হতো।(পরিচ্ছেদ: কুনিয়াত বা উপনাম প্রসঙ্গে) আবু ইদ্রিস আল-খাওলানি, আইযুল্লাহ বিন আবদুল্লাহ, তাঁর আলোচনা পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।আবু আসলামাহ আস’আদ বিন সাহল বিন হুনাইফ আল-আনসারি, তাঁর আলোচনা পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ৩১)
أَبُو أُسَامَة البلوي الْأنْصَارِيّ اسْمه إِيَاس وَيُقَال عبد الله بن ثَعْلَبَة لَهُ صُحْبَة وَرِوَايَة وَعنهُ ابْنه عبد الله وَعبد الله بن كَعْب بن مَالك وَجَمَاعَةأَبُو أَيُّوب الْأنْصَارِيّ خَالِد بن زيد تقدمأَبُو البراح عدي بن عَاصِم الْأنْصَارِيّ روى عَن أَبِيه وَعنهُ ابْنه عَاصِم وَغَيره قَالَ الْوَاقِدِيّ أَبُو البراح لقب غلب عَلَيْهِ ويكنى أَبَا عَمْرو وَقَالَ بن سعد كَانَ ثِقَة قَلِيل الحَدِيث مَاتَ سنة عشر وَمِائَة وَله أَربع وَثَمَانُونَ سنةأَبُو بردة بن نيار البلوي اسْمه هاني وَقيل الْحَارِث بن عَمْرو حَلِيف الْأَنْصَار شهد بَدْرًا والمشاهد كلهَا روى عَنهُ بن أُخْته الْبَراء بن عَازِب وَجَابِر بن عبد الله وَجَمَاعَة مَاتَ سنة إِحْدَى أَو اثْنَيْنِ أَو خمس وَأَرْبَعينأَبُو بشر الْأنْصَارِيّ الْمَازِني وَيُقَال السَّاعِدِيّ قَالَ بن عبد الْبر لَا يُوقف لَهُ على اسْم صَحِيح وَلَا سَمَّاهُ من يوثق بِهِ لَهُ صُحْبَة وَرِوَايَة وَشهد بيعَة الرضْوَان وَلَيْسَ فِي الصَّحَابَة أَبُو بشر غَيره روى عَنهُ أَوْلَاده وَعباد بن تَمِيم وَمُحَمّد بن فضَالة وَعمارَة بن عزية وَغَيرهم مَاتَ بعد الْحرَّةأَبُو بكر بن عبد الرَّحْمَن بن الْحَارِث بن هِشَام الْقرشِي المَخْزُومِي أحد الْفُقَهَاء السَّبْعَة قيل اسْمه مُحَمَّد وَقيل أَبُو بكر وكنيته أَبُو عبد الرَّحْمَن وَالصَّحِيح أَن اسْمه وكنيته وَاحِد وَكَانَ مكفوفا روى عَن أَبِيه وَأبي مَسْعُود الْأنْصَارِيّ وَأبي هُرَيْرَة وَعَائِشَة وَأم سَلمَة وعدة وَعنهُ بنوه سَلمَة وَعبد الله وَعمر وَعبد الْملك ومولاه سمى وَمُجاهد وَالزهْرِيّ وَالشعْبِيّ وَطَائِفَة وَثَّقَهُ الْعجلِيّ وَغَيره وَقَالَ بن خرَاش هُوَ أحد أَئِمَّة الْمُسلمين مَاتَ سنة ثَلَاث وَتِسْعينأَبُو بكر بن عبيد الله بن عبد الله بن عمر بن الْخطاب روى عَن جده وَعنهُ الزُّهْرِيّ وَغَيره وَثَّقَهُ أَبُو زرْعَة وَقَالَ أَبُو حَاتِم لَا يُسمىأَبُو بكر بن عمر بن عبد الرَّحْمَن بن عبد الله بن عمر بن الْخطاب روى عَن عَم أَبِيه سَالم بن عبد الله وَنَافِع وَهِشَام بن عُرْوَة وعدة وَعنهُ مَالك وَإِبْرَاهِيم بن طهْمَان وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ اللالكاني وَغَيرهأَبُو بكر بن نَافِع الْقرشِي مولى بن عمر روى عَن أَبِيه وَسَالم وَغَيرهمَا وَعنهُ مَالك والداروردي وَآخَرُونَ وَثَّقَهُ أَحْمد وَأَبُو دَاوُد وَغَيرهمَا وَقَالَ بن عدي أَرْجُو أَنه لَا بَأْس بِهِأَبُو بكر الصّديق عبد الله بن عُثْمَان تقدمأَبُو ثَعْلَبَة الخشي جرثوم بن ناشر وَيُقَال بن لاشر وَيُقَال عبر ذَلِك قدم على النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يتجهز إِلَى حنين فَأسلم وَضرب لَهُ بسهمه وَبَايع بيعَة الرضْوَان روى عَنهُ جرير بن نفير وَأَبُو إِدْرِيس الْخَولَانِيّ وعدة مَاتَ بِالشَّام سنة خمس وَسبعينأَبُو الْجراح روى عَن مولاته أم حَبِيبَة وَعُثْمَان بن عَفَّان وَعنهُ سَالم بن عبد الله بن عمر وَغَيره وَثَّقَهُ بن حبَان وَيُقَال اسْمه الزبيرأَبُو جهيم بن الْحَارِث بن الصمَّة الْأنْصَارِيّ لَهُ صُحْبَة وَرِوَايَة روى عَنهُ بسر بن سعيد مولى بن الْحَضْرَمِيّ وَعُمَيْر مولى بن عَبَّاسأَبُو حارم الْأَعْرَج سَلمَة بن دِينَار تقدمأَبُو حميد السَّاعِدِيّ الْأنْصَارِيّ قيل اسْمه عبد الرَّحْمَن وَقيل الْمُنْذر بن سعد وَقَالَ أَحْمد اسْمه عبد الرَّحْمَن بن سعد بن الْمُنْذر لَهُ صُحْبَة وَرِوَايَة وَعنهُ جَابر وعباس بن سهل وَجَمَاعَة بَقِي إِلَى آخر خلَافَة مُعَاوِيَةأَبُو الدَّرْدَاء عُوَيْمِر تقدمأَبُو رَافع القبطي مولى النَّبِي صلى الله عليه وسلم اسْمه إِبْرَاهِيم وَقيل أسلم شهد أحدا وَالْخَنْدَق وَمَا بعدهمَا روى عَنهُ أَوْلَاده الْحسن وَرَافِع وَعبيد الله وسلمى وَعلي بن الْحُسَيْن وَطَائِفَة مَاتَ بِالْمَدِينَةِ بعد عُثْمَان بِيَسِيرأبز الزبير مُحَمَّد بن مُسلم تقدمأَبُو السَّائِب الْأنْصَارِيّ مَوْلَاهُم الْمدنِي روى عَن أبي سعيد وَأبي هُرَيْرَة والمغيرة بن شُعْبَة وَعنهُ الزُّهْرِيّ وَشريك وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ بن حبَانأَبُو سعيد الْخُدْرِيّ سعد بن مَالك الْأنْصَارِيّ أحد عُلَمَاء الصَّحَابَة ومكثرهم وَأحد من بَايع تَحت الشَّجَرَة أول مشاهده الخَنْدَق وغزا مَعَ النَّبِي صلى الله عليه وسلم ثِنْتَيْ عشرَة غَزْوَة وَكَانَ مِمَّن حفظ عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم سننا كَثِيرَة وعلما جما وَكَانَ من نجباء الصَّحَابَة وعلمائهم وفضلائهم روى عَنهُ الشّعبِيّ وَعَطَاء وَنَافِع وَابْن الْمسيب وَخلق مَاتَ سنة أَربع وَسبعين وَله نَيف وَسَبْعُونَ
আবু উসামা আল-বালাবি আল-আনসারি। তাঁর নাম ইয়াস, আবার বলা হয় আব্দুল্লাহ ইবনে সা'লাবা। তাঁর সাহচর্য ও বর্ণনা রয়েছে। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহ, আব্দুল্লাহ ইবনে কা'ব ইবনে মালিক এবং একটি দল বর্ণনা করেছেন।আবু আইয়ুব আল-আনসারি খালিদ ইবনে যায়িদ, পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।আবু আল-বাররা আদি ইবনে আসিম আল-আনসারি। তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আসিম ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। ওয়াকিদি বলেন, আবু আল-বাররা এমন এক উপাধি যা তাঁর ওপর প্রবল হয়ে গিয়েছিল এবং তাঁর কুনিয়াত ছিল আবু আমর। ইবনে সাদ বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য এবং অল্প হাদিস বর্ণনাকারী ছিলেন। তিনি ১১০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর বয়স হয়েছিল চুরাশি বছর।আবু বুরদা ইবনে নিয়ার আল-বালাবি। তাঁর নাম হানি, আবার বলা হয় হারিস ইবনে আমর। তিনি আনসারদের মিত্র ছিলেন। তিনি বদর এবং সমস্ত যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর ভাগ্নে বারা ইবনে আযিব, জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ এবং একটি দল বর্ণনা করেছেন। তিনি একচল্লিশ, বিয়াল্লিশ অথবা পঁয়তাল্লিশ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।আবু বিশর আল-আনসারি আল-মাযিনি, আবার বলা হয় আস-সা’য়িদি। ইবনে আব্দুল বার বলেন, তাঁর কোনো সঠিক নাম জানা যায় না এবং নির্ভরযোগ্য কেউ তাঁকে নামকরণ করেননি। তাঁর সাহচর্য ও বর্ণনা রয়েছে এবং তিনি বাইয়াতে রিদওয়ানে অংশগ্রহণ করেছেন। সাহাবীদের মধ্যে তিনি ছাড়া আর কোনো আবু বিশর নেই। তাঁর থেকে তাঁর সন্তানগণ, আব্বাদ ইবনে তামীম, মুহাম্মাদ ইবনে ফাদালা, উমারা ইবনে উযাইয়া এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। তিনি হাররার যুদ্ধের পরে মৃত্যুবরণ করেন।আবু বকর ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আল-হারিস ইবনে হিশাম আল-কুরাশি আল-মাখযুমি। তিনি সাতজন প্রসিদ্ধ ফকিহর একজন। বলা হয় তাঁর নাম মুহাম্মাদ, আবার বলা হয় আবু বকর। তাঁর কুনিয়াত আবু আব্দুর রহমান। সঠিক মত হলো যে, তাঁর নাম ও কুনিয়াত একই। তিনি দৃষ্টিহীন ছিলেন। তিনি তাঁর পিতা, আবু মাসউদ আল-আনসারি, আবু হুরায়রা, আয়েশা, উম্মে সালামা এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্রগণ সালামা, আব্দুল্লাহ, উমর, আব্দুল মালিক এবং তাঁর মুক্তদাস সুমাই, মুজাহিদ, যুহরি, শা'বি এবং একদল বর্ণনা করেছেন। আল-ইজলি ও অন্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে খিরাশ বলেন, তিনি মুসলিমদের ইমামদের একজন। তিনি ৯৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।আবু বকর ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে আল-খাত্তাব। তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে যুহরি ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। আবু যুরআ তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং আবু হাতিম বলেছেন যে তাঁকে নামকরণ করা হয়নি।আবু বকর ইবনে উমর ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে আল-খাত্তাব। তিনি তাঁর পিতার চাচা সালিম ইবনে আব্দুল্লাহ, নাফি, হিশাম ইবনে উরওয়া এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, ইব্রাহিম ইবনে তাহমান এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। আল-লালকানি ও অন্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।আবু বকর ইবনে নাফি আল-কুরাশি, ইবনে উমরের মুক্তদাস। তিনি তাঁর পিতা, সালিম এবং আরও অনেকের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক, দারওয়ারদি এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। আহমাদ, আবু দাউদ ও অন্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। ইবনে আদি বলেছেন, আমি আশা করি তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই।আবু বকর আস-সিদ্দিক আব্দুল্লাহ ইবনে উসমান, পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।আবু সা'লাবা আল-খুশানি জুরসুম ইবনে নাশির, বলা হয় ইবনে লাশির, আবার এর বিপরীতও বলা হয়। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে উপস্থিত হন যখন তিনি হুনাইনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। অতঃপর তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং তাঁর জন্য তাঁর অংশ নির্ধারণ করা হয়। তিনি বাইয়াতে রিদওয়ানে অংশগ্রহণ করেন। তাঁর থেকে জারীর ইবনে নুফাইর, আবু ইদ্রিস আল-খাওলানি এবং অনেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি ৭৫ হিজরিতে শামে মৃত্যুবরণ করেন।আবু আল-জাররাহ। তিনি তাঁর মনিব উম্মে হাবিবা এবং উসমান ইবনে আফফান থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে সালিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ও অন্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং বলা হয় তাঁর নাম যুবাইর।আবু জুহাইম ইবনে আল-হারিস ইবনে আস-সিম্মাহ আল-আনসারি। তাঁর সাহচর্য ও বর্ণনা রয়েছে। তাঁর থেকে বুসর ইবনে সাঈদ (ইবনুল হাদরামির মুক্তদাস) এবং উমাইর (ইবনে আব্বাসের মুক্তদাস) বর্ণনা করেছেন।আবু হাযিম আল-আ'রাজ সালামা ইবনে দিনার, পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।আবু হুমাইদ আস-সা’য়িদি আল-আনসারি। বলা হয় তাঁর নাম আব্দুর রহমান, আবার বলা হয় মুনযির ইবনে সাদ। আহমাদ বলেন, তাঁর নাম আব্দুর রহমান ইবনে সাদ ইবনে আল-মুনযির। তাঁর সাহচর্য ও বর্ণনা রয়েছে। তাঁর থেকে জাবির, আব্বাস ইবনে সাহল এবং একটি দল বর্ণনা করেছেন। তিনি মুয়াবিয়ার খিলাফতের শেষ পর্যন্ত জীবিত ছিলেন।আবু আদ-দারদা উওয়াইমির, পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।আবু রাফি আল-কিবতি, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুক্তদাস। তাঁর নাম ইব্রাহিম, আবার বলা হয় আসলাম। তিনি উহুদ, খন্দক এবং পরবর্তী যুদ্ধগুলোতে অংশগ্রহণ করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর সন্তানগণ হাসান, রাফি, উবাইদুল্লাহ এবং সালমা এবং আলী ইবনুল হুসাইন ও একদল বর্ণনা করেছেন। উসমানের শাহাদাতের অল্পকাল পরেই তিনি মদিনায় মৃত্যুবরণ করেন।আবু আয-যুবাইর মুহাম্মাদ ইবনে মুসলিম, পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।আবু আস-সাইব আল-আনসারি মাদানি। তিনি আবু সাঈদ, আবু হুরায়রা ও মুগিরা ইবনে শু'বা থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে যুহরি, শারিক ও একটি দল বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।আবু সাঈদ আল-খুদরি সা’দ ইবনে মালিক আল-আনসারি। সাহাবীদের মধ্যকার অন্যতম আলেম এবং অধিক হাদিস বর্ণনাকারীদের একজন। তিনি গাছের নিচে বাইয়াত গ্রহণকারীদেরও একজন ছিলেন। তাঁর প্রথম যুদ্ধ ছিল খন্দক এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে বারোটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনেক সুন্নাহ ও প্রচুর জ্ঞান সংরক্ষণকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি সাহাবীদের মধ্যে অত্যন্ত মর্যাদাশীল, আলেম ও গুণীজনদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তাঁর থেকে শা’বি, আতা, নাফি, ইবনুল মুসাইয়িব এবং এক বিশাল জনগোষ্ঠী বর্ণনা করেছেন। তিনি ৭৪ হিজরিতে সত্তর বছরের কিছু বেশি বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
ইসআফুল মুবাত্তাউ বি রিজালিল মুয়াত্তা
(পৃষ্ঠা: ৩২)
أَبُو سعيد المَقْبُري الْمدنِي أحد الْأَئِمَّة اسْمه كيسَان روى عَن عمر وقلي وَأُسَامَة وَعبد الله بن سَلام وَجَمَاعَة وَعنهُ ابْنه سعد وحفيده عبد الله وَعَمْرو بن أبي عَمْرو وعدة قَالَ النَّسَائِيّ لَا بَأْس بِهِ وَقَالَ الْوَاقِدِيّ كَانَ ثِقَة كثير الحَدِيث مَاتَ سنة مائَةأَبُو سُفْيَان مولى عبد الله بن أبي أَحْمد بن جحش الْقرشِي الْأَسدي وَقَالَ الدَّارَقُطْنِيّ اسْمه وهب وَقَالَ غَيره اسْمه قزمان روى عَن أبي سعيد وَأبي هُرَيْرَة وَجَمَاعَة وَعنهُ ابْنه عبد الله وَدَاوُد بن الْحصين وَغَيرهمَا قَالَ بن سعد ثِقَة قَلِيل الحَدِيثأَبُو سَلمَة بن عبد الرَّحْمَن بن عَوْف الزُّهْرِيّ قيل اسْمه عبد الله وَقيل إِسْمَاعِيل وَقيل اسْمه كنيته روى عَن أَبِيه وَعُثْمَان وَجَابِر وَابْن عمر وَعَائِشَة وَأم سَلمَة وَخلق وَثَّقَهُ بن سعد وَغَيره وَكَانَ فَقِيها إِمَامًا مَاتَ بِالْمَدِينَةِ سنة أَربع وَتِسْعين عَن ثِنْتَيْنِ وَسبعين سنةأَبُو سُهَيْل بن مَالك اسْمه نَافِع تقدمأَبُو شُرَيْح الْخُزَاعِيّ الْعَدوي قيل اسْمه خويلد وَقيل عبد الرَّحْمَن بن عمر وَأسلم يَوْم الْفَتْح روى عَنهُ نَافِع بن جُبَير وَسَعِيد المَقْبُري وَجَمَاعَة مَاتَ بِالْمَدِينَةِ سنة ثَمَان وَسِتِّينَأَبُو صَالح السمان ذكْوَان تقدمأَبُو الطُّفَيْل عَامر بن وَاثِلَة تقدمأَبُو طَلْحَة الْأنْصَارِيّ زيد بن سهل بن الْأسود أحد النُّقَبَاء لَيْلَة الْعقبَة شهد بَدْرًا والمشاهد روى عَنهُ ابْنه عبد الله وربيبه أنس بن مَالك وَابْن عَبَّاس وعدة مَاتَ سنة أَربع وَثَلَاثِينَأَبُو عبد الله الْأَغَر سلمَان الْمدنِي روى عَن أبي هُرَيْرَة وَأبي سعيد وَأبي أَيُّوب وَأبي الدَّرْدَاء وَغَيرهم وَعنهُ بنوه عبد الله وَعبيد الله وَعبيد وَبُكَيْر بن الْأَشَج وَالزهْرِيّ وَجَمَاعَة وَثَّقَهُ شُعْبَة وَغَيرهأَبُو عَطِيَّة الْأَشْجَعِيّ روى عَن أبي هُرَيْرَة وَعنهُ بكير بن الْأَشَج لَا رِوَايَة لَهُ فِي الْكتب السِّتَّة وَلَا فِي الْمسندأَبُو عمْرَة الْأنْصَارِيّ وَقيل عبد الرَّحْمَن بن أبي عمْرَة روى عَن زيد بن خَالِد الْجُهَنِيّ وَعنهُ عبد الله بن عَمْرو بن عُثْمَان بن عَفَّان أَبُو الْغَيْث سَالم مولى بن مُطِيع تقدمأَبُو قَتَادَة الْأنْصَارِيّ فَارس النَّبِي صلى الله عليه وسلم قيل اسْمه الْحَارِث وَقيل النُّعْمَان وَقيل عَمْرو بن ربعي السّلمِيّ شهد أحدا وَمَا بعْدهَا من الْمشَاهد روى عَنهُ ابناه عبد الله وثابت وَجَابِر بن عبد الله وَأنس وَخلق مَاتَ سنة أَربع وَخمسين عَن سبعين سنةأَبُو ليلى بن عبد الله بن عبد الرَّحْمَن بن سهل الْأنْصَارِيّ الْمدنِي روى عَن سهل بن أبي حثْمَة وَرِجَال من كبراء قومه حَدِيث الْقسَامَة وَعنهُ مَالك وَقَالَ بن سعد اسْمه عبد الله بن سهل بن عبد الرَّحْمَن وَكَذَا هُوَ فِي الْمسند أَبُو الْمثنى الْجُهَنِيّ الْمدنِي روى عَن سعد بن أبي وَقاص وَأبي سعيد وَعنهُ أَيُّوب بن حبيب الزُّهْرِيّ وَثَّقَهُ بن معِين وَقَالَ بن الْمَدِينِيّ مَجْهُولأَبُو مُحَمَّد الْأَقْرَع نَافِع بن عَبَّاس تقدمأَبُو مرّة مولى عقيل بن أبي طَالب حجازي مَشْهُور بكنيته واسْمه يزِيد روى عَن مَوْلَاهُ وَعَمْرو بن العَاصِي وَأبي الدَّرْدَاء وَغَيرهم وَعنهُ سَالم أَبُو النَّضر وَأَبُو جَعْفَر الباقر وَآخَرُونَ قَالَ الْوَاقِدِيّ كَانَ شَيخا قَدِيماأَبُو مَسْعُود عقبَة بن عَمْرو بن ثَعْلَبَة الْأنْصَارِيّ البدري شهد الْعقبَة الثَّانِيَة وَاخْتلف فِي شُهُوده بَدْرًا وَمن أنكرهُ قَالَ نزل بَدْرًا فنسب إِلَيْهَا روى عَنهُ بن بشير ورِبْعِي بن حِرَاش وَأَبُو وَائِل وَخلق مَاتَ سنة أَرْبَعِينَ
আবু সাঈদ আল-মাকবুরি আল-মাদানি, অন্যতম ইমাম। তাঁর নাম কায়সান। তিনি উমর, আলী, উসামাহ, আব্দুল্লাহ বিন সালাম এবং একটি দল থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র সাদ, পৌত্র আব্দুল্লাহ, আমর বিন আবি আমর এবং একদল রাবী বর্ণনা করেছেন। আন-নাসায়ী বলেছেন, তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। আল-ওয়াকিদি বলেছেন, তিনি নির্ভরযোগ্য এবং প্রচুর হাদিস বর্ণনাকারী ছিলেন। তিনি ১০০ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন।আবু সুফিয়ান, আব্দুল্লাহ বিন আবি আহমদ বিন জাহশ আল-কুরাশি আল-আসাদির মুক্তদাস। আদ-দারাকুতনি বলেছেন, তাঁর নাম ওয়াহাব। অন্যরা বলেছেন, তাঁর নাম কুজমান। তিনি আবু সাঈদ, আবু হুরায়রা এবং একটি দল থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহ, দাউদ বিন আল-হুসাইন এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। ইবনে সাদ বলেছেন, তিনি নির্ভরযোগ্য এবং অল্প হাদিস বর্ণনাকারী।আবু সালামাহ বিন আব্দুর রহমান বিন আউফ আজ-জুহরি। বলা হয় তাঁর নাম আব্দুল্লাহ, আবার বলা হয় ইসমাইল, আবার বলা হয় তাঁর কুনিয়াতই (উপনাম) তাঁর নাম। তিনি তাঁর পিতা, উসমান, জাবির, ইবনে উমর, আয়েশা, উম্মে সালামাহ এবং অসংখ্য ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে সাদ ও অন্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তিনি একজন ফকিহ ও ইমাম ছিলেন। তিনি ৯৪ হিজরি সনে বাহাত্তর বছর বয়সে মদীনায় ইন্তেকাল করেন।আবু সুহাইল বিন মালিক, তাঁর নাম নাফে, যা পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।আবু শুরাইহ আল-খুজায়ি আল-আদাউয়ি। বলা হয় তাঁর নাম খুয়াইলিদ, আবার বলা হয় আব্দুর রহমান বিন আমর। তিনি মক্কা বিজয়ের দিন ইসলাম গ্রহণ করেন। তাঁর থেকে নাফে বিন জুবায়ের, সাঈদ আল-মাকবুরি এবং একটি দল বর্ণনা করেছেন। তিনি ৬৮ হিজরি সনে মদীনায় ইন্তেকাল করেন।আবু সালিহ আস-সাম্মান যাকওয়ান, পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।আবু তুফাইল আমির বিন ওয়াসিলা, পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।আবু তালহা আল-আনসারি যায়েদ বিন সাহল বিন আল-আসওয়াদ, আকাবার রাতের অন্যতম নকিব (প্রধান)। তিনি বদর এবং সকল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহ, তাঁর সৎপুত্র আনাস বিন মালিক, ইবনে আব্বাস এবং অনেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি ৩৪ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন।আবু আব্দুল্লাহ আল-আগারর সালমান আল-মাদানি। তিনি আবু হুরায়রা, আবু সাঈদ, আবু আইয়ুব, আবু দারদা এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর পুত্রগণ— আব্দুল্লাহ, উবায়দুল্লাহ, উবাইদ এবং বুকাইর বিন আল-আশাজ্জ, আজ-জুহরি ও একটি দল বর্ণনা করেছেন। শু’বাহ ও অন্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন।আবু আতিয়্যাহ আল-আশজায়ি। তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে বুকাইর বিন আল-আশাজ্জ বর্ণনা করেছেন। কুতুবে সিত্তা (ছয়টি প্রধান হাদিস গ্রন্থ) এবং মুসনাদ গ্রন্থে তাঁর কোনো বর্ণনা নেই।আবু আমরাহ আল-আনসারি, বলা হয় তাঁর নাম আব্দুর রহমান বিন আবি আমরাহ। তিনি যায়েদ বিন খালিদ আল-জুহানি থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন উসমান বিন আফফান বর্ণনা করেছেন। আবু গাইস সালিম, ইবনে মুতি’র মুক্তদাস, পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।আবু কাতাদাহ আল-আনসারি, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অশ্বারোহী যোদ্ধা। বলা হয় তাঁর নাম আল-হারিস, আবার বলা হয় আন-নুমান, আবার বলা হয় আমর বিন রাবঈ আস-সুলামি। তিনি উহুদ এবং পরবর্তী সকল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর দুই পুত্র আব্দুল্লাহ ও সাবিত, জাবির বিন আব্দুল্লাহ, আনাস এবং অসংখ্য ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন। তিনি ৫৪ হিজরি সনে সত্তর বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।আবু লায়লা বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন সাহল আল-আনসারি আল-মাদানি। তিনি সাহল বিন আবি হাসমাহ এবং তাঁর গোত্রের বড়দের থেকে কাসামাহ সংক্রান্ত হাদিস বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে মালিক বর্ণনা করেছেন। ইবনে সাদ বলেছেন, তাঁর নাম আব্দুল্লাহ বিন সাহল বিন আব্দুর রহমান; মুসনাদ গ্রন্থেও এভাবেই আছে। আবু মুসান্না আল-জুহানি আল-মাদানি। তিনি সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস ও আবু সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে আইয়ুব বিন হাবিব আজ-জুহরি বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাঈন তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং ইবনুল মাদিনি বলেছেন, তিনি মাজহুল (অপরিচিত)।আবু মুহাম্মদ আল-আকরা নাফে বিন আব্বাস, পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে।আবু মুররাহ, আকিল বিন আবি তালিবের মুক্তদাস। তিনি হিজাজি এবং তাঁর কুনিয়াত দ্বারা প্রসিদ্ধ, তাঁর নাম ইয়াজিদ। তিনি তাঁর মনিব (আকিল), আমর বিন আল-আস, আবু দারদা এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে সালিম আবু নাদর, আবু জাফর আল-বাকির এবং অন্যরা বর্ণনা করেছেন। আল-ওয়াকিদি বলেছেন, তিনি একজন প্রাচীন শায়খ ছিলেন।আবু মাসউদ উকবাহ বিন আমর বিন সালাবা আল-আনসারি আল-বাদরি। তিনি দ্বিতীয় আকাবায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি বদর যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন কি না তা নিয়ে মতভেদ আছে; যারা অস্বীকার করেন তারা বলেন যে, তিনি বদরে বসবাস করতেন তাই সেদিকে সম্বন্ধ করে তাঁকে ‘বাদরি’ বলা হয়। তাঁর থেকে ইবনে বাশির, রিবঈ বিন হিরাশ, আবু ওয়ায়িল এবং অসংখ্য ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন। তিনি ৪০ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন।