(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: -)
تحفة التحصيل في ذكر رواة المراسيل (ابن العراقي)
القسم: التراجم والطبقات
الكتاب: تحفة التحصيل في ذكر رواة المراسيل
المؤلف: أحمد بن عبد الرحيم بن الحسين الكردي الرازياني ثم المصري، أبو زرعة ولي الدين، ابن العراقي (ت 826 هـ)
المحقق: عبد الله نوارة
الناشر: مكتبة الرشد - الرياض
عدد الصفحات: 381
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকর রুওয়াতিল মারাসীল (ইবনুল ইরাকী)
বিভাগ: জীবনী ও স্তরসমূহ
গ্রন্থ: তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকর রুওয়াতিল মারাসীল
লেখক: আহমাদ বিন আব্দুর রাহীম বিন আল-হুসাইন আল-কুর্দী আর-রাযিয়ানী অতঃপর আল-মিসরী, আবু যুরআ ওয়ালীউদ্দীন, ইবনুল ইরাকী (মৃত্যু ৮২৬ হিজরী)
সম্পাদক: আব্দুল্লাহ নুওয়ারা
প্রকাশক: মাকতাবাতুর রুশদ - রিয়াদ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩৮১
[গ্রন্থের সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ١١)
بِسم الله الرَّحْمَن الرَّحِيم قَالَ شَيْخي الامام الْعَالم الْعَلامَة الْحَافِظ أَبُو زرْعَة ولي الدّين احْمَد ابْن شَيخنَا الإِمَام الْعَالم الْعَلامَة أبي الْفضل عبد الرَّحِيم بن الْحُسَيْن ابْن الْعِرَاقِيّ أبقاه الله تَعَالَى أما بعد الْحَمد لله الَّذِي نضر وُجُوه أهل السّنة ونضر وُجُوههم على فِئَة أهل الْفِتْنَة هَذَا استفتح بِهِ أَبْوَاب الْجنَّة وأسترجع بِهِ ميزَان الثَّوَاب يَوْم المحنة وَالصَّلَاة وَالسَّلَام على سيدنَا مُحَمَّد وَآله وَصَحبه الَّذين نظر إِلَيْهِم بِعَين الْمِنَّةفَإِن معرفَة الْمَرَاسِيل من اهم الْأَنْوَاع الَّتِي انْعَقَد على استحبابها الْإِجْمَاع وَقد صنف الإِمَام أَبُو مُحَمَّد ابْن الامام أبي حَاتِم الرَّازِيّ فِي ذَلِكمُرَتبا أَسمَاء الروَاة على حُرُوف المعجم موضحا لتِلْك المسالك وَعقد لذَلِك الإِمَام ابو سعيد العلائي فِي كِتَابه جَامع التَّحْصِيل فِي احكام الْمَرَاسِيل بَابا جمع فِيهِ فأوعى جمع بدعا وأبدع جمعافَرَأَيْت إِفْرَاده بتصنيف أولى وأبلغ فِي إِدْرَاك الْمَطْلُوب مِنْهُ واعلى فجمعته فِي هَذِه الأوراق مَعَ زيادات ضممتها اليه مِمَّا رَأَيْته فِي كَلَام النَّاس ووقفت عَلَيْهِ مُمَيّزا مَا زَاده العلائي ابْن أبي حَاتِم فِي أثْنَاء تَرْجَمته بِقَوْلِي فِي أَوله قَالَ العلائي … وَفِي آخِره انْتهى وَمَا زَاده عَلَيْهِ من تَرْجمهُ كَامِلَة برقم صُورَة ع مُقَابِله أَو فَوْقه وَمَا تَرْجَمَة بِقَوْلِي فِي أَوله قلت … وَفِي آخِره انْتهى وَمَا زِدْته من تَرْجَمَة كَامِلَة برقم ز مُقَابِله اَوْ فَوْقهوعَلى الله اعتمادي وَإِلَيْهِ تفويضي واستنادي
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে আমার শায়খ, ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, সুপণ্ডিত, হাফেজ আবু যুরআ ওয়ালীউদ্দীন আহমদ বিন আমাদের শায়খ ইমাম, বিজ্ঞ আলেম, সুপণ্ডিত আবুল ফজল আব্দুর রহীম বিন আল-হুসাইন আল-ইরাকী (আল্লাহ তাআলা তাকে দীর্ঘজীবী করুন) বলেন: হামদ ও সালাতের পর, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আহলে সুন্নাতের অনুসারীদের চেহারাকে উজ্জ্বল করেছেন এবং ফিতনাবাজ সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে তাদের বিজয়ী ও দীপ্তিময় করেছেন। এর মাধ্যমে আমি জান্নাতের দরজাসমূহ উন্মুক্ত করতে চাই এবং পরীক্ষার দিনে সওয়াবের পাল্লা পুনর্প্রাপ্ত হতে চাই। আর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার ও তাঁর সাহাবীদের ওপর, যাদেরকে তিনি অনুগ্রহের দৃষ্টিতে দেখেছেন।নিশ্চয়ই মারাসিল (মুরসাল হাদিসসমূহ) সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি শাখা, যার মুস্তাহাব হওয়ার ব্যাপারে ইজমা (ঐকমত্য) প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ইমাম আবু মুহাম্মাদ ইবনে ইমাম আবু হাতিম আল-রাজি এ বিষয়ে গ্রন্থ রচনা করেছেন।তিনি বর্ণনাকারীদের নামসমূহ বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজিয়েছেন এবং সেই পথসমূহ স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। ইমাম আবু সাঈদ আল-আলাঈ তাঁর 'জামিুত তাহসীল ফী আহকামিল মারাসীল' গ্রন্থে এ বিষয়ে একটি অধ্যায় নিবদ্ধ করেছেন এবং তাতে তিনি অত্যন্ত নিপুণভাবে ও চমৎকারভাবে অনেক তথ্য একত্রিত করেছেন।তাই আমি এই বিষয়টিকে একটি স্বতন্ত্র গ্রন্থ হিসেবে সংকলন করাকে অধিকতর উত্তম এবং উদ্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে অধিক কার্যকর ও উচ্চতর মনে করেছি। ফলে আমি এই পাতাগুলোতে কিছু অতিরিক্ত তথ্যসহ এটি সংকলন করেছি, যা আমি বিজ্ঞজনদের বক্তব্যের মধ্যে দেখেছি এবং যা অবগত হয়েছি। ইবনে আবু হাতিমের বর্ণিত জীবনীর মধ্যে আল-আলাঈ যা বৃদ্ধি করেছেন, তা আমি শুরুতে 'আল-আলাঈ বলেছেন' ... এবং শেষে 'সমাপ্ত' বলার মাধ্যমে পৃথক করেছি। আর আল-আলাঈ যেসব পূর্ণাঙ্গ জীবনী বৃদ্ধি করেছেন, তার বিপরীতে বা উপরে 'ع' (আইন) বর্ণ দ্বারা চিহ্নিত করেছি। আর আমি নিজে যা বর্ণনা করেছি তার শুরুতে 'আমি বলছি' ... এবং শেষে 'সমাপ্ত' লিখেছি। আর আমি যেসব পূর্ণাঙ্গ জীবনী বৃদ্ধি করেছি তার বিপরীতে বা উপরে 'ز' (যা) বর্ণ দ্বারা চিহ্নিত করেছি।আল্লাহর ওপরই আমার নির্ভরতা এবং তাঁর কাছেই আমার সমস্ত কাজ সমর্পণ ও আশ্রয়।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ١٣)
- حرف الْألف-أبان بن عُثْمَان بن عَفَّان قَالَ أَبُو بكر الْأَثْرَم قلت لأبي عبد الله يَعْنِي أَحْمد بن حَنْبَل أبان بن عُثْمَان سمع من أَبِيه قَالَ لَا من أَيْن سمع مِنْهُقَالَ العلائي لَهُ عَن أَبِيه فِي صَحِيح مُسلم حَدِيث لَا ينْكح الْمحرم وَلَا ينْكح انْتهىقلت فِي صَحِيح مُسلم وَفِي سنَن أبي دَاوُد التَّصْرِيح بِسَمَاعِهِ من أَبِيه للْحَدِيث الْمَذْكُور وَفِي سنَن أبي دَاوُد التَّصْرِيح بِسَمَاعِهِ مِنْهُ لحَدِيث ضمد الْمحرم عَيْنَيْهِ بِالصبرِ وَله رِوَايَة عَن أُسَامَة بن زيد فِي سنَن النَّسَائِيّ وَتوقف الْمزي فِي ذَلِك فَقَالَ إِن كَانَ مَحْفُوظًا انْتهىع أبان عَن أبي بن كَعْب وَعنهُ مُحَمَّد بن جحادة قَالَ ابو حَاتِم هُوَ مُرْسلقلت كَانَ ابْنه نقل عَنهُ ذَلِك فِي غير الْمَرَاسِيل انْتهى
- আলিফ বর্ণ-আবান ইবনে উসমান ইবনে আফফান। আবু বকর আল-আছরাম বলেন, আমি আবু আব্দুল্লাহ অর্থাৎ আহমদ ইবনে হাম্বলকে বললাম, আবান ইবনে উসমান কি তাঁর পিতা থেকে শ্রবণ করেছেন? তিনি বললেন, না, তিনি তাঁর থেকে কোথায় শ্রবণ করেছেন?আল-আলায়ী বলেন, সহীহ মুসলিমে তাঁর পিতার সূত্রে তাঁর একটি হাদীস বর্ণিত আছে: "মুহরিম ব্যক্তি (ইহরাম অবস্থায়) বিবাহ করবে না এবং তাকে বিবাহ দেওয়া হবে না।" সমাপ্ত।আমি বলি, সহীহ মুসলিম ও সুনানে আবু দাউদে উল্লিখিত হাদীসটি তিনি তাঁর পিতা থেকে শ্রবণ করেছেন বলে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে। সুনানে আবু দাউদে আরও রয়েছে যে, মুহরিম ব্যক্তির চোখে সবর (অ্যালোভেরা) লাগানোর হাদীসটিও তিনি তাঁর পিতা থেকে সরাসরি শুনেছেন। সুনানে নাসাঈতে উসামা ইবনে যায়েদ থেকে তাঁর একটি বর্ণনা রয়েছে এবং আল-মিযযী এ ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করে বলেছেন, "যদি এটি সংরক্ষিত (সহীহ) হয়ে থাকে।" সমাপ্ত।আবান, উবাই ইবনে কাব থেকে, আর তাঁর থেকে মুহাম্মদ ইবনে জুহাদা বর্ণনা করেছেন। আবু হাতিম বলেন, এটি মুরসাল।আমি বলি, তাঁর পুত্র তাঁর থেকে এটি 'আল-মারাসীল' গ্রন্থ ব্যতিরেকে অন্য গ্রন্থেও বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ١٤)
ابراهيم بن جرير بن عبد الله البَجلِيّ قَالَ ابو زرْعَة إِبْرَاهِيم بن جرير عَن عَليّ مُرْسلوَقَالَ ابو حَاتِم لم يسمع من أَبِيه شَيْئاقَالَ العلائي وَكَذَا قَالَ يحيى بن معِينز إِبْرَاهِيم بن سَالم بن أبي النَّضر الملقب بركان ذكر الْمزي انه روى عَن سعيد بن الْمسيب ثمَّ قَالَ وَفِيه نظر إِنَّمَا يروي عَنهُ ابوه ويوهمه ان ابْن حَيَّان ذكره فِي الثِّقَات وَفِي الطَّبَقَة الرَّابِعَة وَقَالَ لم يرو عَن أحد من التَّابِعينز إِبْرَاهِيم بن طهْمَان لم يدْرك الحكم قَالَ الذَّهَبِيّ فِي مُخْتَصر الْمُسْتَدْركز إِبْرَاهِيم بن عبد الله بن حنين رِوَايَته عَن عَليّ بن أبي طَالب فِي سنَن
ইবরাহিম ইবনে জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ আল-বাজালি। আবু জুরআ বলেছেন, আলী থেকে ইবরাহিম ইবনে জারীরের বর্ণনা মুরসাল।আবু হাতিম বলেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে কিছুই শোনেননি।আল-আলাঈ বলেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে মাঈনও অনুরূপ বলেছেন।(যাদ) ইবরাহিম ইবনে সালেম ইবনে আবুল নাযর, যাঁকে রুকান উপাধি দেওয়া হয়েছে। আল-মিযযী উল্লেখ করেছেন যে তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে বর্ণনা করেছেন, অতঃপর বলেছেন যে এতে সংশয় রয়েছে; আসলে তাঁর থেকে তাঁর পিতা বর্ণনা করেছেন। আর ইবনে হিব্বান তাঁকে 'আস-সিকাত' গ্রন্থে এবং চতুর্থ স্তরে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন যে তিনি কোনো তাবেঈ থেকে বর্ণনা করেননি।(যাদ) ইবরাহিম ইবনে তাহমান হাকামকে পাননি—আয-যাহাবি 'মুখতাসারুল মুস্তাদরাক' গ্রন্থে এমনটি বলেছেন।(যাদ) ইবরাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হুনাইন; আলী ইবনে আবি তালিব থেকে তাঁর বর্ণনা সুনান গ্রন্থসমূহে রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ١٥)
النَّسَائِيّ وَابْن مَاجَه وَقَالَ الْمزي لم يسمع مِنْهُ قَالَ ابْن حبَان روى عَن أَبِيه عَن عَليّإِبْرَاهِيم بن عبد الله بن عبد القارىء الْمدنِي عَن عَليّ رضي الله عنهقَالَ ابو زرْعَة مُرْسلقَالَ العلائي وَعَن يزِيد بن عبد الله بن خصيفَة وَقيل بَينهمَا رجل ذكره الْمزي انْتهىقلت هَذَا وَالله اعْلَم لم يرو إِبْرَاهِيم عَن يزِيد إِنَّمَا روى هُوَ عَنهُ كَمَا فِي عمل الْيَوْم وَاللَّيْلَة للنسائي وَقيل بَينهمَا يزِيد بن عبد الله الْكِنْدِيّ وَقد قَالَ الْمزي على الصَّحِيحوَقد ذكرته فِي حرف الْيَاء فِي يزِيد بن عبد اللهز إِبْرَاهِيم بن عبد الله بن معبد بن عَبَّاس عَن مَيْمُونَة أوردهُ ابْن حبَان فِي ثقاته فِي أَتبَاع التَّابِعين وَقَالَ لَا يَصح سَمَاعه من مَيْمُونَة وَفِي التَّهْذِيب للمزي ان رِوَايَته عَن مَيْمُونَة فِي صَحِيح مُسلم وَهُوَ وهم وَقد نبه عَلَيْهِ الْمزي فِي الْأَطْرَاف فِي مُسْند مَيْمُونَة عِنْد ذكر حَدِيثهَا صَلَاة فِي مَسْجِدي هَذَا وَرَوَاهُ البُخَارِيّ فِي التاربخ بِإِسْقَاط ابْن عَبَّاس وَقَالَ لَا يَصح فِيهِ ابْن عَبَّاس
আন-নাসায়ী এবং ইবনে মাজাহ বর্ণনা করেছেন; আল-মিযযী বলেছেন: তিনি তাঁর থেকে শ্রবণ করেননি। ইবনে হিব্বান বলেছেন: তিনি তাঁর পিতার সূত্রে আলী থেকে বর্ণনা করেছেন।ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল ক্বারী আল-মাদানী, আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন।আবু যুরআহ বলেছেন: এটি মুরসাল।আল-আলাঈ বলেছেন: এবং ইয়াযীদ বিন আব্দুল্লাহ বিন খুসাইফাহ থেকে; এবং বলা হয়েছে যে তাঁদের উভয়ের মাঝে এক ব্যক্তি রয়েছেন, যা আল-মিযযী উল্লেখ করেছেন। সমাপ্ত।আমি বলি: এটি—আল্লাহই ভালো জানেন—ইব্রাহিম ইয়াযীদ থেকে বর্ণনা করেননি, বরং ইয়াযীদই তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন, যেমনটি নাসায়ীর 'আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ' গ্রন্থে রয়েছে। এবং বলা হয়েছে যে তাঁদের মাঝে ইয়াযীদ বিন আব্দুল্লাহ আল-কিনদী রয়েছেন; আর আল-মিযযী বলেছেন যে এটিই সঠিক।আর আমি ইয়াযীদ বিন আব্দুল্লাহর আলোচনায় 'ইয়া' (ي) বর্ণে এটি উল্লেখ করেছি।যা: ইব্রাহিম বিন আব্দুল্লাহ বিন মা'বাদ বিন আব্বাস, মাইমুনাহ থেকে বর্ণনা করেছেন; ইবনে হিব্বান তাঁকে তাঁর 'সিকাত' (নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী) গ্রন্থে তাবি-তাবিঈনদের স্তরে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: মাইমুনাহ থেকে তাঁর শ্রবণ করা বিশুদ্ধ নয়। আর আল-মিযযীর 'তাহযীব' গ্রন্থে রয়েছে যে মাইমুনাহ থেকে তাঁর বর্ণনাটি সহীহ মুসলিম-এ রয়েছে, তবে এটি একটি ভ্রম। আল-মিযযী তাঁর 'আল-আতরাফ' গ্রন্থে মুসনাদে মাইমুনাহ-এর অধীনে তাঁর বর্ণিত হাদিস—'আমার এই মসজিদে সালাত'—প্রসঙ্গে এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। আর বুখারী তাঁর 'আত-তারিখ' গ্রন্থে 'ইবনে আব্বাস' শব্দটি বাদ দিয়ে এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন যে এতে 'ইবনে আব্বাস' শব্দটি থাকা সঠিক নয়।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ١٦)
ع إِبْرَاهِيم بن عبد الرَّحْمَن بن عَوْف ولد على عهد النَّبِي صلى الله عليه وسلم فَذكر فِي كتب الصَّحَابَة لذَلِك وَلَا رُؤْيَة لَهُ بل هُوَ تَابِعِيّ يروي عَن أَبِيه وَعمر رضي الله عنهماقلت قَالَ الْبَيْهَقِيّ فِي سنَنه لم يثبت لَهُ سَماع من عمر وَإِنَّمَا يُقَال انه رَآهُ انْتهىإِبْرَاهِيم بن أبي عبلة قَالَ ابو حَاتِم لم يدْرك عبَادَة بن الصَّامِتقَالَ العلائي وَذكر فِي التَّهْذِيب انه روى عَن ابْن عمر رضي الله عنهما وَلم يُدْرِكهُ بل هُوَ مُرْسل انْتهىقلت ذكر البُخَارِيّ فِي التَّارِيخ انه سمع من ابْن عمر وروى الطَّبَرَانِيّ فِي مُسْند الشاميين عَن إِبْرَاهِيم بن أبي عبلة قَالَ رَأَيْت ابْن عمر يحتبي يَوْم الْجُمُعَة وَالْإِمَام يخْطب فخفق الخفقات وَهُوَ محتبيوَقَول العلائي إِنَّه لم يُدْرِكهُ بل هُوَ مُرْسل لَيْسَ فِي كَلَام صَاحب التَّهْذِيب فَإِنِّي لم أره فِيهِ وَلم اجد للعلائي سلفا فِي ذَلِك الا ان الذَّهَبِيّ قَالَ فِي التذهيب ومختصر الْمُسْتَدْرك أَنه أرسل عَن ابْن عمرفَكَأَن العلائي اخذه مِنْهُ وَزَاد كَونه لم يُدْرِكهُ وَلم اجد للذهبي سلفا فِي الحكم على رِوَايَته عَنهُ بِالْإِرْسَال فَكَأَنَّهُ فهم ذَلِك من قَول ابْن ابي حَاتِم فِي
ইবরাহিম ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আউফ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে জন্মগ্রহণ করেন, তাই এ কারণে সাহাবীদের জীবনী বিষয়ক কিতাবসমূহে তাঁর উল্লেখ পাওয়া যায়। তবে (রাসূলুল্লাহর সাথে) তাঁর সাক্ষাত প্রমাণিত নয়, বরং তিনি একজন তাবিঈ। তিনি তাঁর পিতা এবং উমর (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন।আমি বলছি, আল-বায়হাকি তাঁর সুনান গ্রন্থে বলেছেন যে, উমর থেকে তাঁর সরাসরি শ্রবণ প্রমাণিত নয়; বরং বলা হয় যে তিনি তাঁকে দেখেছেন। সমাপ্ত।ইবরাহিম ইবনে আবি আবলা সম্পর্কে আবু হাতিম বলেছেন যে, তিনি উবাদাহ ইবনুস সামিতকে পাননি।আল-আলাঈ বলেছেন, আত-তাহযিব গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি ইবনে উমর (আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেছেন, কিন্তু তাঁকে পাননি; বরং তা মুরসাল। সমাপ্ত।আমি বলছি, বুখারি আত-তারিখ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি ইবনে উমর থেকে শুনেছেন। আর তাবারানি মুসনাদুশ শামিয়্যিন গ্রন্থে ইবরাহিম ইবনে আবি আবলা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: আমি ইবনে উমরকে জুমার দিনে ইমামের খুতবা প্রদানের সময় দুই পা পেটের সাথে মিলিয়ে বসে কাপড় দিয়ে বেঁধে রাখা (ইহতিবা) অবস্থায় দেখেছি। এমতাবস্থায় তিনি কিছুটা তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলেন।আল-আলাঈর এই বক্তব্য যে—'তিনি তাঁকে পাননি বরং এটি মুরসাল', তা তাহযিব প্রণেতার বক্তব্যে নেই। কারণ আমি সেখানে তা খুঁজে পাইনি। এ বিষয়ে আল-আলাঈর পূর্ববর্তী কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস আমি পাইনি; তবে আয-যাহাবি আত-তাযহিব এবং মুখতাসারুল মুস্তাদরাক গ্রন্থে বলেছেন যে, তিনি ইবনে উমর থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।সম্ভবত আল-আলাঈ এটি তাঁর থেকেই গ্রহণ করেছেন এবং সাথে 'তিনি তাঁকে পাননি' কথাটি যোগ করেছেন। ইবনে উমর থেকে তাঁর বর্ণনার ওপর মুরসাল হওয়ার হুকুম প্রদানের ক্ষেত্রে আয-যাহাবিরও কোনো পূর্বসূরি আমি খুঁজে পাইনি। সম্ভবত তিনি এটি ইবনে আবি হাতিমের বক্তব্য থেকে বুঝতে পেরেছেন যা...
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ١٧)
الْجرْح وَالتَّعْدِيل رأى ابْن عمر وَلم يقل سمع وَلَا روى وَلَيْسَ بإنصاف من الذَّهَبِيّ حكمه على رِوَايَته بِالْإِرْسَال بِعِبَارَة مُحْتَملَة مَعَ تصريحه هُوَ بروايته وتصريح البُخَارِيّ بِسَمَاعِهِ مِنْهُ واعجب من ذَلِك قَول العلائي انه لم يدْرك وَقَالَ الْمزي روى عَن عتبَة بن نمر وَلم يُدْرِكهُ انْتهىز إِبْرَاهِيم بن عبيد عَن ابْن عمر رِوَايَته عَنهُ فِي مُعْجم الطَّبَرَانِيّ الْكَبِير وَوجدت عَن الْحَافِظ أبي مُحَمَّد عبد الْمُؤمن بن خلف الدمياطي أَنه قَالَ لَا نَعْرِف لَهُ سَمَاعا مِنْهُع إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن الْحَارِث أَبُو إِسْحَاق الْفَزارِيّ الإِمَام الْمَشْهُور أخرج لَهُ البُخَارِيّ فِي بَاب غَزْو الْمَرْأَة الْبَحْر عَن أبي طوالة عبد الله بن عبد الرَّحْمَن عَن أنس قصَّة أم حرَام بنت ملْحَان ونوم النَّبِي صلى الله عليه وسلم عِنْدهَاوَذكر أَبُو بكر بن مرْدَوَيْه الْحَافِظ انه لم يسمع من أبي طوالة وَأَن الصَّوَاب مَا رَوَاهُ الْمسيب بن وَاضح عَن أبي إِسْحَاق الْفَزارِيّ عَن زَائِدَة عَن أبي طوالة وَفِي ذَلِك نظر لِأَن البُخَارِيّ لَا يَكْتَفِي بِمُجَرَّد إِمْكَان اللِّقَاء والفزاري لَيْسَ بمدلس وَالله أعلمإِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن الْحَنَفِيَّة عَن جده عَليّ رضي الله عنهقَالَ أَبُو زرْعَة مُرْسلإِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن طَلْحَة بن عبيد الله التَّيْمِيّ
'আল-জারহ ওয়াত-তাদিল' গ্রন্থে রয়েছে যে তিনি ইবনে উমরকে দেখেছেন, কিন্তু তিনি 'শুনেছেন' বা 'বর্ণনা করেছেন' এমনটি বলেননি। হাফেজ যাহাবীর পক্ষ থেকে তার বর্ণনাকে একটি সম্ভাব্য বা অস্পষ্ট বাক্যের মাধ্যমে 'ইরসাল' (বিচ্ছিন্ন) হিসেবে হুকুম দেওয়া ন্যায়সঙ্গত নয়; কারণ তিনি নিজেই তার বর্ণনার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন এবং ইমাম বুখারীও তার থেকে সরাসরি শোনার কথা স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছেন। এর চেয়েও বিস্ময়কর হলো আল-আলাই-এর উক্তি যে, তিনি তাকে পাননি। আর আল-মিযযী বলেছেন: তিনি উতবা বিন নামির থেকে বর্ণনা করেছেন, অথচ তিনি তাকে পাননি। সমাপ্ত।য (চিহ্ন): ইব্রাহিম বিন উবাইদ ইবনে উমর থেকে; ইমাম তাবারানির 'আল-মু'জাম আল-কাবীর'-এ তার থেকে তার বর্ণনাটি রয়েছে। আমি হাফেজ আবু মুহাম্মদ আব্দুল মুমিন বিন খালাফ আদ-দিমইয়াতির সূত্রে পেয়েছি যে তিনি বলেছেন: তার থেকে তার সরাসরি শোনার কথা আমাদের জানা নেই।আ (চিহ্ন): ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আল-হারিস আবু ইসহাক আল-ফাযারি, প্রখ্যাত ইমাম। ইমাম বুখারী 'নারীদের সমুদ্র অভিযান' অধ্যায়ে তার সূত্রে আবু তাওয়ালা আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আনাস থেকে উম্মে হারাম বিনতে মিলহানের ঘটনা এবং তাঁর নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিদ্রার হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।হাফেজ আবু বকর বিন মারদুওয়াই উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আবু তাওয়ালা থেকে হাদিস শোনেননি। বরং সঠিক হলো সেটি যা মুসায়্যিব বিন ওয়াদিহ আবু ইসহাক আল-ফাযারি থেকে, তিনি যায়িদা থেকে, তিনি আবু তাওয়ালা থেকে বর্ণনা করেছেন। তবে এ বিষয়টি পর্যালোচনার দাবি রাখে, কারণ ইমাম বুখারী কেবল সাক্ষাতের সম্ভাবনার ওপর ভিত্তি করে হাদিস গ্রহণ করেন না (বরং সাক্ষাত প্রমাণিত হওয়া শর্ত করেন) এবং আল-ফাযারি কোনো 'মুদাল্লিস' (তদলীসকারী) ছিলেন না। আল্লাহই ভালো জানেন।ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আল-হানাফিয়্যাহ তাঁর দাদা আলী রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন।আবু যুরআ বলেছেন: এটি মুরসাল।ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন তালহা বিন উবাইদুল্লাহ আত-তাইমি।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ١٨)
قَالَ الْمزي فِي التَّهْذِيب أَنه روى عَن عمر وَلم يُدْرِكهُ كَذَا قَالَ وَمَا أورد مَا مُسْتَنده فِي ذَلِك فقد ذكر ابْن أبي حَاتِم فِي الْجرْح وَالتَّعْدِيل أَنه روى عَنهُ وَلم يُنَبه على أَنه مُرْسل وَلم يذكر هَذَا فِي الْمَرَاسِيل وَلَا رَأَيْته فِي كَلَام غَيره وَلم أَقف على ذكر مولد إِبْرَاهِيم هَذَا وَلَا مبلغ سنه فَمن أَي يعرف ذَلِكقلت الَّذِي حكى كَونه توفّي سنة عشر وَمِائَة وأستبعد أَن يكون سمع مِنْهُ وَقَالَ الْمزي أَيْضا يرْوى عَن سعيد بن زيد وَلم يذكر سَمَاعاع إِبْرَاهِيم بن مهَاجر عَن عبد الله بن مَسْعُود حَدِيث عَلَيْكُم بِالْبَاءَةِ وإرساله ظَاهر لِأَن إِبْرَاهِيم هَذَا يروي عَن إِبْرَاهِيم النَّخعِيّ وطارق بن شهَاب وَنَحْوهمَاع إِبْرَاهِيم بن يزِيد التَّيْمِيّ قَالَ ابْن الْمَدِينِيّ لم يسمع مِنْهُ عَليّ وَلَا من ابْن عَبَّاس هَكَذَا فِي بعض النّسخ من الْمَرَاسِيل دون بَعْضهَاقَالَ العلائي قَالَ الدَّارَقُطْنِيّ لم يسمع من عَائِشَة وَلَا من حَفْصَة وَلَا أدْرك زمانهما وَقَالَ التِّرْمِذِيّ لَا نَعْرِف لإِبْرَاهِيم التَّيْمِيّ سَمَاعا من عَائِشَة
আল-মিযযি 'আত-তাহযিব' গ্রন্থে বলেছেন যে, তিনি উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, অথচ তিনি তাকে পাননি। তিনি এমনই বলেছেন, কিন্তু এর স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ উল্লেখ করেননি। ইবনে আবি হাতিম 'আল-জারহ ওয়াত-তাদিল' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি তার থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এটি 'মুরসাল' (বিচ্ছিন্ন) বলে সতর্ক করেননি, এমনকি 'আল-মারাসিল' গ্রন্থেও এটি উল্লেখ করেননি। অন্য কারো বক্তব্যেও আমি এটি দেখিনি। আমি এই ইব্রাহিমের জন্ম তারিখ বা বয়সের কথা অবগত হইনি; তাহলে এটি কীভাবে জানা যাবে?আমি বলি, যার ব্যাপারে বর্ণিত হয়েছে যে তিনি ১১০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেছেন, তার পক্ষে তার থেকে সরাসরি শ্রবণ করাকে আমি সুদূরপরাহত মনে করি। আল-মিযযি আরও বলেছেন: তিনি সাঈদ বিন যায়েদ থেকে বর্ণনা করেন, তবে সরাসরি শ্রবণের কথা উল্লেখ করেননি।ইব্রাহিম বিন মুহাজির আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ থেকে 'তোমাদের বিয়ে করা উচিত' সংক্রান্ত হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। এর 'মুরসাল' হওয়া সুস্পষ্ট, কারণ এই ইব্রাহিম ইব্রাহিম আন-নাখয়ি, তারিক বিন শিহাব এবং তাদের সমপর্যায়ের ব্যক্তিদের থেকে বর্ণনা করে থাকেন।ইব্রাহিম বিন ইয়াযিদ আত-তয়মি। ইবনুল মাদিনি বলেছেন: তিনি আলী (রা.) থেকে শোনেননি এবং ইবনে আব্বাস (রা.) থেকেও শোনেননি। 'আল-মারাসিল' গ্রন্থের কিছু পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই রয়েছে, তবে সবগুলোতে নয়।আল-আলায়ি বলেন, আদ-দারা কুতনি বলেছেন: তিনি আয়েশা (রা.) এবং হাফসা (রা.) থেকে সরাসরি কিছু শোনেননি এবং তাদের সময়কালও পাননি। ইমাম তিরমিযি বলেছেন: ইব্রাহিম আত-তয়মি আয়েশা (রা.) থেকে সরাসরি শুনেছেন বলে আমাদের জানা নেই।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ١٩)
وَذكر الْحَافِظ ضِيَاء الدّين الْمَقْدِسِي أَن يحيى الْقطَّان قَالَ فِي رِوَايَة إِبْرَاهِيم التَّيْمِيّ عَن أنس فِي الْقبْلَة للصَّائِم لَا شي لم يسمعهُقَالَ العلائي وأظن هَذَا القَوْل من يحيى عَن سُلَيْمَان التَّيْمِيّقلت وَذكر أَبُو دَاوُد فِي الطَّهَارَة من سنَنه أَنه لم يسمع من عَائِشَة انْتهىع إِبْرَاهِيم بن يزِيد الْجَوْزِيّ ذكر الدَّارَقُطْنِيّ أَنه لم يلق أَيُّوب السّخْتِيَانِيّ وَلَا سمع مِنْهُإِبْرَاهِيم بن يزِيد النَّخعِيّ قَالَ شُعْبَة لم يسمع من أبي عبد الله الجدلي حَدِيث خُزَيْمَة بن ثَابت فِي الْمسْحوَقَالَ عَليّ بن الْمَدِينِيّ لم يلق احدا من أَصْحَاب النَّبِي صلى الله عليه وسلمقيل لَهُ فعائشةقَالَ هَذَا لم يروه غير سعيد بن أبي عرُوبَة عَن أبي معشر عَن إِبْرَاهِيم
হাফিজ জিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসি উল্লেখ করেছেন যে, ইয়াহইয়া আল-কাত্তান রোজা পালনকারীর চুম্বনের বিষয়ে আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত ইব্রাহিম আত-তাইমির বর্ণনার ক্ষেত্রে বলেছেন, এটি কিছুই নয়, তিনি তা শ্রবণ করেননি।আল-আলায়ী বলেন, আমার ধারণা ইয়াহইয়ার এই উক্তিটি সুলায়মান আত-তাইমি সম্পর্কে।আমি (গ্রন্থকার) বলছি, আবু দাউদ তাঁর সুনানের পবিত্রতা অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে শ্রবণ করেননি। সমাপ্ত।ইব্রাহিম বিন ইয়াজিদ আল-জাওজি: আদ-দারা কুতনি উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আইয়ুব আস-সাখতিয়ানির সাথে সাক্ষাৎ করেননি এবং তাঁর থেকে কোনো হাদিস শ্রবণ করেননি।ইব্রাহিম বিন ইয়াজিদ আন-নাখায়ি: শু’বাহ বলেছেন, তিনি আবু আব্দুল্লাহ আল-জাদালি থেকে মাসাহ সম্পর্কিত খুজাইমা বিন সাবিত (রা.)-এর হাদিসটি শ্রবণ করেননি।আলী ইবনুল মাদিনি বলেছেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের কারো সাথেই সাক্ষাৎ করেননি।তাঁকে বলা হলো, আয়েশা (রা.)-এর বিষয়টি কী?তিনি বললেন, এটি সাঈদ বিন আবি আরুবাহ ব্যতীত অন্য কেউ আবু মা’শার থেকে, তিনি ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ٢٠)
وَهُوَ ضَعِيف وَقد رأى أَبَا جُحَيْفَة وَزيد بن أَرقم وَابْن أبي اوفى وَلم يسمع مِنْهُموَقَالَ عَبَّاس بن مُحَمَّد الدوري سَمِعت من يحيى يَقُول أَدخل على عَائِشَة اظنه قَالَ وَهُوَ صبي وَقَالَ ابو حَاتِم لم يلق احدا من أَصْحَاب النَّبِي صلى الله عليه وسلم الا عَائِشَة وَلم يسمع مِنْهَا شَيْئا فَإِنَّهُ دخل عَلَيْهَا وَهُوَ صَغِير وَأدْركَ انسا وَلم يسمع مِنْهُوَقَالَ أَيْضا إِبْرَاهِيم النَّخعِيّ عَن عمر مُرْسلوَقَالَ أَبُو زرْعَة إِبْرَاهِيم النَّخعِيّ عَن عمر وَعلي وَسعد بن أبي وَقاص مُرْسلقَالَ العلائي هُوَ مكثر من الْإِرْسَال وَجَمَاعَة من الْأَئِمَّة صححوا مراسيله وَخص الْبَيْهَقِيّ ذَلِك بِمَا أرْسلهُ عَن ابْن مَسْعُودوَقَالَ عَليّ ابْن الْمَدِينِيّ لم يسمع من الْحَارِث بن قيس وَلَا من عَمْرو بن شُرَحْبِيل وروى عَن همام بن الْحَارِث عَنهُوَقَالَ الْأَعْمَش ذكر الشّعبِيّ إِبْرَاهِيم النَّخعِيّ قَالَ ذَاك الَّذِي يروي عَن مَسْرُوق وَلم يسمع مِنْهُ حرفا وَرِوَايَته عَن مَسْرُوق ثَابِتَة فِي الْكتبقلت وَفِي سنَن أبي دَاوُد عَن إِبْرَاهِيم ان عُثْمَان صلى أَرْبعا لِأَنَّهُ اتخذها وطنا وَهُوَ مُنْقَطع وَقد صرح بذلك مَعَ وضوحه الْمُنْذِرِيّ فِي مُخْتَصره
এবং তিনি দুর্বল। তিনি আবু জুহাইফা, যাইদ ইবনে আরকাম এবং ইবনে আবি আওফাকে দেখেছেন কিন্তু তাঁদের থেকে কোনো হাদিস শোনেননি।আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ আদ-দাওরি বলেন, আমি ইয়াহইয়াকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন—আমার ধারণা তিনি শৈশবকালে আয়িশার নিকট প্রবেশ করেছিলেন। আবু হাতিম বলেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্যে আয়িশা ব্যতীত আর কারো সাথে সাক্ষাৎ করেননি এবং তাঁর থেকেও কোনো কিছু শোনেননি, কারণ তিনি শিশু অবস্থায় তাঁর নিকট প্রবেশ করেছিলেন। তিনি আনাসকে পেয়েছেন কিন্তু তাঁর থেকে শোনেননি।তিনি আরও বলেন, ইব্রাহিম আন-নাখায়ি উমর থেকে যা বর্ণনা করেছেন তা মুরসাল।আবু জুরআ বলেন, উমর, আলী এবং সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস থেকে ইব্রাহিম আন-নাখায়ির বর্ণনা মুরসাল।আল-আলাঈ বলেন, তিনি প্রচুর পরিমাণে মুরসাল বর্ণনা করতেন। একদল ইমাম তাঁর মুরসাল বর্ণনাগুলোকে সহিহ বলে গণ্য করেছেন এবং বায়হাকী এটিকে ইবনে মাসউদ থেকে তাঁর মুরসাল বর্ণনার সাথে সুনির্দিষ্ট করেছেন।আলী ইবনুল মাদিনী বলেন, তিনি হারিস ইবনে কাইস এবং আমর ইবনে শারাহবিল থেকে শোনেননি, আর তিনি হাম্মাম ইবনুল হারিস থেকে তাঁদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।আমাশ বলেন, শা’বী ইব্রাহিম আন-নাখায়ি সম্পর্কে উল্লেখ করে বলেছেন—ঐ ব্যক্তি যে মাসরুক থেকে বর্ণনা করে অথচ তাঁর থেকে একটি অক্ষরও শোনেনি। অথচ কিতাবসমূহে মাসরুক থেকে তাঁর বর্ণনা সাব্যস্ত রয়েছে।আমি বলি, সুনানে আবু দাউদে ইব্রাহিমের সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, উসমান চার রাকাত সালাত আদায় করেছিলেন কারণ তিনি সেটিকে আবাস বানিয়েছিলেন। এটি মুনকাতি (সূত্রবিচ্ছিন্ন)। আল-মুন্দিরি তাঁর মুখতাসারে বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার পাশাপাশি এটি স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ٢١)
وَقَالَ ابْن حزم بعد ان ذكر لَهُ رِوَايَة عَن ابْن عَبَّاس لَا نَعْرِف لإِبْرَاهِيم سَمَاعا من ابْن عَبَّاسوَذكر فِي التَّهْذِيب روى عَن الْأَشْعَث بن أَوْس وَلم يسمع مِنْهُ انْتهىع إِبْرَاهِيم بن يُوسُف بن أبي إِسْحَاق السبيعِي قَالَ ابو نعيم لم يسمع من أَبِيه شَيْئاقَالَ العلائي رِوَايَته عَن أَبِيه فِي الصَّحِيح وَعَن جدهقلت رِوَايَته عَن جده لَيست فِي الصَّحِيح وَلَا فِي شَيْء من الْكتب السِّتَّة وَهِي بعيدَة من الِاتِّصَال انْتهىأحزاب أَبُو رهم السماعي من اهل الشَّام قَالَ ابو حَاتِم لَيست لَهُ صُحْبَةقَالَ العلائي هُوَ ابْن أسيد بِفَتْح الْهمزَة وَقيل بضَمهَا روى لَهُ ابْن مَاجَه عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم حَدِيث (من أفضل الشَّفَاعَة ان يشفع بَين الِاثْنَيْنِ فِي النِّكَاح)قَالَ البُخَارِيّ هُوَ تَابِعِيّع أَحْمَر بن عسيب عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم فِي الطَّاعُون عَنهُ مُسلم بن عبيد قَالَ ابْن عبد الْبر فِيهِ نظر أَي فِي صحبته
ইবনে হাজম, ইবনে আব্বাস থেকে তাঁর একটি বর্ণনা উল্লেখ করার পর বলেছেন, ইবনে আব্বাস থেকে ইব্রাহিমের কোনো শ্রবণের (সামা‘) কথা আমাদের জানা নেই।এবং 'আত-তাহজিব' গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি আশআস বিন আউস থেকে বর্ণনা করেছেন কিন্তু তার থেকে সরাসরি কিছু শোনেননি। সমাপ্ত।ইব্রাহিম বিন ইউসুফ বিন আবি ইসহাক আস-সুবাইয়ি সম্পর্কে আবু নুআইম বলেছেন, তিনি তার পিতা থেকে কিছুই শোনেননি।আল-আলাই বলেছেন, তার পিতার সূত্রে তার বর্ণনা 'সহিহ' গ্রন্থে বিদ্যমান, এবং তার দাদার সূত্রেও।আমি বলছি, তার দাদার সূত্রে তার বর্ণনা 'সহিহ' গ্রন্থে নেই এবং কুতুবে সিত্তাহর কোনোটিতেও নেই, আর এটি নিরবচ্ছিন্ন (মুত্তাসিল) হওয়া থেকে অনেক দূরে। সমাপ্ত।আহজাব আবু রুহাম আস-সামায়ি, তিনি সিরিয়াবাসীদের অন্তর্ভুক্ত। আবু হাতিম বলেছেন, তিনি সাহাবী নন।আল-আলাই বলেছেন, তিনি ইবনে আসিদ (হামজার জবর দিয়ে), আবার বলা হয়েছে ইবনে উসাইদ (হামজার পেশ দিয়ে)। ইবনে মাজাহ তার সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন: (সর্বোত্তম সুপারিশের অন্তর্ভুক্ত হলো বিবাহের বিষয়ে দুই ব্যক্তির মধ্যে সুপারিশ করা)।ইমাম বুখারি বলেছেন, তিনি একজন তাবেয়ি।আহমার বিন আসিব নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মহামারি সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন; তার থেকে মুসলিম বিন উবাইদ বর্ণনা করেছেন। ইবনে আব্দুল বার বলেছেন, তার সাহাবী হওয়ার বিষয়ে সংশয় রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ٢٢)
ز أَحْمد بن عبد الرَّحْمَن الْقرشِي المَخْزُومِي حجازي عَن سُفْيَان الثَّوْريّ وَلم يُدْرِكهُ قَالَه الْمزيع الْأَحْنَف بن قيس مَشْهُور أسلم على عهد رَسُول الله صلى الله عليه وسلم ودعا لَهُ وَلم تتفق لَهُ رُؤْيَته فَهُوَ تَابِعِيّ وَحَدِيثه مُرْسلالْأَخْنَس وَالِد بكير بن الْأَخْنَس قَالَ ابو حَاتِم لم يَصح لَهُ السماع من ابْن مَسْعُودأَرْطَاة بن الْمُنْذر قَالَ أَبُو حَاتِم لم يسمع من عبَادَة بن نسي شَيْئاقلت وَقَالَ الْمزي أدْرك عبد الله بن بسر وَظَاهره انه لم يسمع مِنْهُ وَقَالَ
আহমদ বিন আব্দুর রহমান আল-কুরাশি আল-মাখজুমি, হিজাজি; তিনি সুফিয়ান আস-সাওরি থেকে বর্ণনা করেছেন কিন্তু তাকে পাননি, একথা আল-মিযযি বলেছেন।আল-আহনাফ বিন কায়েস; তিনি সুপ্রসিদ্ধ। তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে ইসলাম গ্রহণ করেছেন এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য দুআ করেছেন, তবে তার সাথে রাসূলের সাক্ষাৎ ঘটেনি। সুতরাং তিনি একজন তাবিঈ এবং তার বর্ণিত হাদিস মুরসাল।আল-আখনাস, তিনি বুকাইর বিন আল-আখনাসের পিতা। আবু হাতিম বলেন, ইবনে মাসউদ থেকে তার হাদিস শ্রবণ সাব্যস্ত হয়নি।আরতাহ বিন আল-মুনজির। আবু হাতিম বলেন, তিনি উবাদাহ বিন নুসাই থেকে কিছুই শুনেননি।আমি বলছি, আল-মিযযি বলেছেন: তিনি আব্দুল্লাহ বিন বুসরের যুগ পেয়েছেন, তবে বাহ্যত তিনি তার থেকে কোনো হাদিস শুনেননি। এবং তিনি বলেছেন...
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
ابْن عَسَاكِر حدث عَنهُ وَظَاهره الِاتِّصَال انْتهى وَقَالَ الْمزي أَيْضا روى عَن عَمْرو بن الْأسود الْعَنسِي وَلم يُدْرِكهُ انْتهىازْدَادَ بن فساءة وَيُقَال يزْدَاد فَلذَلِك ذكره ابْن أبي حَاتِم فِي حرف الْيَاء الْفَارِسِي مولى بجير بن ريسان الْيَمَانِيّ عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم إِذا بَال أحدكُم فلينتر ذكره ثَلَاثًاقَالَ ابو حَاتِم لَيْسَ لَهُ صُحْبَةقَالَ العلائي وَحَدِيثه هَذَا فِي مُسْند احْمَد وَسنَن أبي دَاوُد وَابْن ماجة وَقَالَ ابْن عبد الْبر يُقَال لَهُ صُحْبَة أَكْثَرهم لَا يعرفونه وَقد قيل حَدِيثه مُرْسل انْتهىقلت لم يخرج أَبُو دَاوُد هَذَا الحَدِيث فِي سنَنه إِنَّمَا اخرجه فِي الْمَرَاسِيل انْتهىع ازهر بن حميضة روى عَن أبي بكر رضي الله عنه قَالَ ابْن عبد الْبر فِي صحبته نظرز أَزْهَر بن سعيد الْحرَازِي الْحِمصِي وَقيل إِنَّه الَّذِي بعده ذكر ابْن حبَان رِوَايَته عَن عمر بن الْخطاب وَأبي عُبَيْدَة بن الْجراح ساكتا عَلَيْهَا وَذكرهَا البُخَارِيّ ايضا وَلَكِن قَالَ هُوَ مُرْسل وَلَا يَصح
ইবনে আসাকির তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং বাহ্যত এর সনদ নিরবচ্ছিন্ন। সমাপ্ত। আল-মিযযিও বলেছেন যে, তিনি আমর ইবনুল আসওয়াদ আল-আনসি থেকে বর্ণনা করেছেন কিন্তু তাঁর সাক্ষাৎ পাননি। সমাপ্ত।ইযদাদ ইবনে ফাসাআহ, তাঁকে ইয়াযদাদও বলা হয়। এ কারণেই ইবনে আবি হাতিম তাঁকে 'ইয়া' বর্ণের অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন। তিনি পারস্যের অধিবাসী, বুজাইর ইবনে রাইসান আল-ইয়ামানির আযাদকৃত দাস। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন: "তোমাদের কেউ যখন প্রস্রাব করবে, তখন সে যেন তার পুরুষাঙ্গ তিনবার ঝেড়ে নেয়।"আবু হাতিম বলেছেন, তাঁর সাহাবী হওয়ার মর্যাদা নেই।আল-আলাই বলেছেন, তাঁর এই হাদীসটি মুসনাদে আহমাদ, সুনানে আবু দাউদ এবং ইবনে মাজাহ-তে রয়েছে। ইবন আব্দুল বারর বলেছেন, বলা হয় যে তিনি একজন সাহাবী, তবে অধিকাংশ মুহাদ্দিস তাঁকে চেনেন না। আর এটিও বলা হয়েছে যে তাঁর হাদীসটি মুরসাল। সমাপ্ত।আমি বলি, আবু দাউদ তাঁর সুনানে এই হাদীসটি বর্ণনা করেননি, বরং তিনি এটি আল-মারাসিল গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। সমাপ্ত।আইন— আযহার ইবনে হুমাইদাহ। তিনি আবু বকর রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবন আব্দুল বারর বলেছেন, তাঁর সাহাবী হওয়ার বিষয়ে সংশয় রয়েছে।যা— আযহার ইবনে সাঈদ আল-হারাযি আল-হিমসি। বলা হয় যে, তিনিই পরবর্তী ব্যক্তি। ইবনে হিব্বান উমর ইবনুল খাত্তাব এবং আবু উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ থেকে তাঁর বর্ণনা উল্লেখ করেছেন এবং সে বিষয়ে নীরব থেকেছেন। বুখারীও এটি উল্লেখ করেছেন, তবে তিনি বলেছেন এটি মুরসাল এবং সহীহ নয়।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
ع ازهر بن عبد الله الْحرَازِي الْحِمصِي عَن تَمِيم الدَّارِيّقَالَ فِي التَّهْذِيب لم يسمع مِنْهُ وَهُوَ مُرْسلإِسْحَاق بن سُوَيْد عَن عمر رضي الله عنه قَالَ ابو زرْعَة مُرْسلع إِسْحَاق بن عبد الله بن الْحَارِث بن كنَانَة أرسل عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم وَكَذَا عَن ابْن عَبَّاس فَإِنَّهُ لم يُدْرِكهُ قَالَه فِي التَّهْذِيبقلت لَيْسَ فِي التَّهْذِيب أَنه لم يدْرك ابْن عَبَّاس وَالَّذِي فِيهِ عَن أبي حَاتِم ان رِوَايَته عَنهُ وَعَن أبي هُرَيْرَة مُرْسلَة وَلم يقل انه لم يُدْرِكهُ لَا من عِنْد نَفسه وَلَا نقلا عَن غَيره انْتهىز إِسْحَاق بن عبد الله بن الْحَارِث بن نَوْفَل الْقرشِي الْهَاشِمِي رِوَايَته عَن
আজহার বিন আব্দুল্লাহ আল-হারাজি আল-হিমসি, তামীম আদ-দারি থেকেতিনি 'আত-তাহজিব' গ্রন্থে বলেছেন যে, তিনি তার থেকে শ্রবণ করেননি এবং এটি মুরসালইসহাক বিন সুওয়াইদ, উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে। আবু জুরআ বলেছেন: এটি মুরসালইসহাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হারিস বিন কিনানাহ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে মুরসাল বর্ণনা করেছেন এবং অনুরূপভাবে ইবনে আব্বাস থেকেও; কেননা তিনি তাকে পাননি। এটি 'আত-তাহজিব' গ্রন্থে বলা হয়েছেআমি বলছি, 'আত-তাহজিব' গ্রন্থে এটি নেই যে তিনি ইবনে আব্বাসকে পাননি। বরং তাতে আবু হাতিম থেকে যা বর্ণিত হয়েছে তা হলো, তার থেকে এবং আবু হুরায়রা থেকে তার বর্ণনা মুরসাল। তিনি এটি বলেননি যে তিনি তাকে পাননি—স্বীয় পক্ষ থেকেও নয়, কিংবা অন্যের থেকে উদ্ধৃতি হিসেবেও নয়। সমাপ্তইসহাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হারিস বিন নাওফাল আল-কুরাশি আল-হাশিমি, তার বর্ণনা... থেকে।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
النَّبِي صلى الله عليه وسلم فِي سنَن أبي دَاوُد وَهِي مُرْسلَة كَمَا صرح بِهِ فِي التَّهْذِيب وَهُوَ وَاضحبل ذكره ابْن حبَان فِي طبقَة أَتبَاع التَّابِعين وَذَلِكَ مقتضي أَنه لَا يصحح سَمَاعا من اُحْدُ الصَّحَابَة وَقد ذكر وَالِدي رِوَايَته عَن الْعَبَّاس بن عبد الْمطلب وَابْنه عبد الله بن عَبَّاس وَأبي هُرَيْرَة وَصفِيَّة بنت حييّ بن اخْطُبْ ساكتا عَلَيْهَاإِسْحَاق بن عبد الله بن أبي طَلْحَة عَن جدته ام سليمقَالَ أَبُو حَاتِم هُوَ مُرْسل وَعِكْرِمَة بن عمار يدْخل بَين إِسْحَاق وَأم سليم انساقَالَ أَبُو حَاتِم لم لم يدْرك إِسْحَاق ام سليم بَينهمَا انسإِسْحَاق بن يحيى بن طَلْحَة بن عبيد الله قيل لأبي زرْعَة أَحَادِيث إِسْحَاق ابْن يحيى بن طَلْحَة عَن عبَادَة فَقَالَ هِيَ مَرَاسِيلع إِسْحَاق بن حيى بن الْوَلِيد بن عبَادَة بن الصَّامِت عَن جد أَبِيه عبَادَة رضي الله عنه رِوَايَته عَنهُ فِي سنَن ابْن مَاجَهقَالَ التِّرْمِذِيّ لم يُدْرِكهُ وَقَالَ الْبَيْهَقِيّ مُرْسل
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সুনানে আবু দাউদে বর্ণিত হাদিসটি মুরসাল, যেমনটি আত-তাহজিব গ্রন্থে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং বিষয়টি সুস্পষ্ট।বরং ইবনে হিব্বান তাকে তাবে-তাবেঈনদের স্তরে উল্লেখ করেছেন এবং এটি দাবি করে যে, কোনো সাহাবী থেকে তার সরাসরি শ্রবণ প্রমাণিত নয়। আমার পিতা আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব, তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস, আবু হুরায়রা এবং সাফিয়া বিনতে হুয়াই ইবনে আখতাব থেকে তাঁর বর্ণনাগুলো কোনো মন্তব্য ছাড়াই উল্লেখ করেছেন।ইসহাক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি তালহা তাঁর দাদী উম্মে সুলাইম থেকে বর্ণনা করেছেন।আবু হাতিম বলেছেন এটি মুরসাল, এবং ইকরিমা ইবনে আম্মার ইসহাক ও উম্মে সুলাইমের মাঝে আনাসকে বর্ণনাকারী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছেন।আবু হাতিম বলেছেন ইসহাক উম্মে সুলাইমকে পাননি, তাঁদের মাঝে আনাস রয়েছেন।ইসহাক ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ। আবু জুরআকে উবাদাহ থেকে বর্ণিত ইসহাক ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে তালহার হাদিসগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, এগুলো মুরসাল।ইসহাক ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আল-ওয়ালিদ ইবনে উবাদাহ ইবনে আস-সামিত তাঁর প্রপিতামহ উবাদাহ (রাযিআল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁর এই বর্ণনা সুনানে ইবনে মাজাহ-তে বর্ণিত হয়েছে।তিরমিজি বলেছেন তিনি তাঁকে পাননি এবং বায়হাকী বলেছেন এটি মুরসাল।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
أَسد بن ودَاعَة قيل لأبي زرْعَة أَسد بن ودَاعَة عَن أبي هُرَيْرَة مُتَّصِل قَالَ مَا أرى قد رأى أَبَا امامة وَغَيرهإِسْرَائِيل بن يُونُس بن أبي إِسْحَاق السبيعِي قَالَ ابو حَاتِم لم يسمع من حبيب بن أبي ثَابت وَلَا من سَلمَة بن كهيل وَلَا من زبيد وَلَا من طَلْحَة بن مصرفأسعد بن سهل بن حنيف أَبُو امامة الْأنْصَارِيّ قَالَ ابْن أبي حَاتِم لَيست لَهُ صُحْبَةوَقَالَ ابو زرْعَة لم يسمع من عمرع الْأَسْقَع الْبكْرِيّ وَقيل ابْن الْأَسْقَع ذكره الإِمَام أَبُو الْفَضَائِل الصغاني فِيمَن فِي صحبته نظر وَقد اخْتلف فِيهَاع أسلم بن اوس بن بجرة الْأنْصَارِيّ قَالَ ابْن عبد الْبر فِي صحبته نظر
আসাদ ইবনে ওয়াদাআ। আবু যুরআ-কে জিজ্ঞাসা করা হলো, আবু হুরাইরাহ থেকে আসাদ ইবনে ওয়াদাআর বর্ণনা কি নিরবচ্ছিন্ন (মুত্তাসিল)? তিনি বললেন, আমি মনে করি না যে তিনি তাকে দেখেছেন, তবে তিনি আবু উমামাহ এবং অন্যদের দেখেছেন।ইসরাঈল ইবনে ইউনুস ইবনে আবু ইসহাক আস-সাবিঈ। আবু হাতিম বলেছেন, তিনি হাবীব ইবনে আবু সাবিত, সালামাহ ইবনে কুহাইল, যুবাইদ এবং তালহা ইবনে মুসাররিফ থেকে সরাসরি শোনেননি।আসআদ ইবনে সাহল ইবনে হুনাইফ আবু উমামাহ আল-আনসারী। ইবনে আবু হাতিম বলেছেন, তার সাহাবী হওয়ার মর্যাদা (সুহবাত) নেই।এবং আবু যুরআ বলেছেন, তিনি উমর থেকে সরাসরি শোনেননি।আল-আসকা আল-বাকরী, এবং বলা হয় ইবনুল আসকা। ইমাম আবুল ফাদায়েল আস-সাগানী তাকে ওই সকল ব্যক্তিদের মধ্যে উল্লেখ করেছেন যাদের সাহাবী হওয়ার বিষয়টি পর্যালোচনার দাবি রাখে (সন্দেহ রয়েছে), এবং এ বিষয়ে মতভেদ রয়েছে।আসলাম ইবনে আওস ইবনে বাজরাহ আল-আনসারী। ইবনে আব্দুল বার বলেছেন, তার সাহাবী হওয়ার বিষয়টি পর্যালোচনার দাবি রাখে।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
ع إِسْمَاعِيل بن امية روى لَهُ مُسلم عَن عِيَاض بن عبد الله عَن أبي سعيد فِي صفة الْفطرقَالَ الدَّارَقُطْنِيّ بَينه وَبَين عِيَاض الْحَارِث بن أبي ذُبَاب كَمَا زَاده بَعضهم وأكد ذَلِك بِأَنَّهُ روى عَن سعيد المَقْبُري عَن عِيَاض عَن أبي سعيد حَدِيث اخوف مَا أَخَاف عَلَيْكُمثمَّ قَالَ الدَّارَقُطْنِيّ لَا نعلم إِسْمَاعِيل روى عَن عِيَاض شَيْئاقلت فِي صَحِيح مُسلم عَن إِسْمَاعِيل انا عِيَاض وَذَلِكَ صَرِيح فِي سَمَاعه مِنْهُ انْتهىع إِسْمَاعِيل بن أبي إِسْحَاق أَبُو إِسْرَائِيل الْملَائي روى عَن الحكم عَن عبد الرَّحْمَن بن أبي ليلى عَن بِلَال حَدِيث لَا تثوبن فِي شَيْء من الصَّلَوَات الا فِي صَلَاة الْفجْرقَالَ التِّرْمِذِيّ وَلم يسمع هَذَا الحَدِيث من الحكم إِنَّمَا رَوَاهُ الْحسن بن عمَارَة عَن الحكم وَأَبُو إِسْرَائِيل لَيْسَ بِذَاكَ القوى عِنْد اهل الحَدِيثإِسْمَاعِيل بن أبي خَالِد الْكُوفِي قَالَ عَليّ بن الْمَدِينِيّ رأى أنسا رُؤْيَة وَلم يسمع مِنْهُ وَلم يرو عَن أبي وَائِل شَيْئا وَقَالَ أَيْضا لم يسمع من إِبْرَاهِيم التَّيْمِيّوَقَالَ ابْن أبي حَاتِم سَأَلت أبي هَل سمع إِسْمَاعِيل بن أبي خَالِد من أبي ظبْيَان قَالَ لَا اعلمه
ইসমাইল ইবন উমাইয়াহ; মুসলিম তার সূত্রে ইয়াদ ইবন আবদুল্লাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে সদকাতুল ফিতরের বর্ণনায় হাদিস রেওয়ায়েত করেছেন।দারাকুতনী বলেন, তার এবং ইয়াদের মাঝে হারিস ইবন আবু জুবাব রয়েছেন, যেমনটি কেউ কেউ অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন। তিনি এটি এই বলে দৃঢ় করেছেন যে, তিনি সাঈদ আল-মাকবুরির সূত্রে ইয়াদ থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে 'আমি তোমাদের জন্য যা সবচেয়ে বেশি ভয় করি' হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।অতঃপর দারাকুতনী বলেন, আমরা জানি না যে ইসমাইল ইয়াদ থেকে কিছু বর্ণনা করেছেন।আমি বলি, সহিহ মুসলিমে ইসমাইলের সূত্রে রয়েছে যে 'ইয়াদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন', আর এটি তার থেকে সরাসরি শ্রবণের ব্যাপারে সুস্পষ্ট। (সমাপ্ত)ইসমাইল ইবন আবি ইসহাক আবু ইসরাইল আল-মুলায়ী; তিনি হাকামের সূত্রে আবদুর রহমান ইবন আবি লায়লা থেকে, তিনি বিলালের সূত্রে 'ফজরের সালাত ছাড়া অন্য কোনো সালাতে তাসহিব করো না' হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।তিরমিজি বলেন, তিনি হাকাম থেকে এই হাদিসটি শোনেননি। এটি মূলত হাসান ইবন আম্মারা হাকাম থেকে বর্ণনা করেছেন। আর হাদিসবিশারদদের নিকট আবু ইসরাইল তেমন শক্তিশালী নন।ইসমাইল ইবন আবি খালিদ আল-কুফি; আলী ইবনুল মাদিনি বলেন, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে কেবল দেখেছেন, কিন্তু তার থেকে কিছু শোনেননি। তিনি আবু ওয়ায়েলের সূত্রেও কিছু বর্ণনা করেননি। তিনি আরও বলেছেন, তিনি ইবরাহিম আত-তাইমি থেকেও কিছু শোনেননি।ইবন আবি হাতিম বলেন, আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞাসা করলাম, ইসমাইল ইবন আবি খালিদ কি আবু জাবইয়ান থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন, আমি তা জানি না।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
وَقَالَ إِسْحَاق بن مَنْصُور قلت ليحيى بن معِين إِسْمَاعِيل بن ابي خَالِد عَن أبي ظبْيَان أسمع مِنْهُ قَالَ لَاقَالَ العلائي وروى أَبُو مُعَاوِيَة عَن إِسْمَاعِيل بن أبي خَالِد عَن قيس قَالَ قَالَت عَائِشَة رضي الله عنها وددت أَنِّي ثكلت عشرَة الحَدِيثقَالَ يحيى بن معِين هَذَا خطأ من أبي مُعَاوِيَة إِنَّمَا هُوَ إِسْمَاعِيل عَن رجل آخر غير قيس وَقَالَ يحيى الْقطَّان سَأَلت إِسْمَاعِيل بن أبي خَالِد عَن حَدِيث رَوَاهُ عَنهُ ابْن أبي عرُوبَة عَن الشّعبِيّ عَن ابْن عَبَّاس رضي الله عنهما أَربع لَيْسَ عَلَيْهِنَّ جباية فَقَالَ لَيْسَ من حَدِيثي وَذكر عِنْد يحيى بن سعيد الْقطَّان شَيْء يرْوى عَن إِسْمَاعِيل بن أبي خَالِد عَن الشّعبِيّ ان الْمُغيرَة بن شُعْبَة لما شهد عَلَيْهِ الثَّلَاثَة الحَدِيث فَقَالَ يحيى لَيْسَ بِصَحِيح وَذكر عِنْده قَول الشّعبِيّ فِي الْجِرَاحَات أَخْمَاسفَقَالَ يحيى كَانَ معي فَلم يُصَحِّحهُ إِسْمَاعِيل وَذكر يحيى حَدِيث إِسْمَاعِيل بن أبي خَالِد عَن عَامر يَعْنِي الشّعبِيّ عَن أَيمن بن خريم وَفِيه شعر فَقَالَ قَالَ لي إِسْمَاعِيل لم أسمع هَذَا الشّعْر من عَامروَقَالَ ابْن الْمَدِينِيّ قلت ليحيى يَعْنِي الْقطَّان مَا حملت عَن إِسْمَاعِيل عَن عَامر هِيَ صِحَاح قَالَ نعم الا ان فِيهَا حديثين اخاف ان لَا يكون سمعهماقلت ليحيى ماهما قَالَ قَالَ عَامر فِي رجل خير امراته فَلم تختر حَتَّى تفَرقا والاخر قَول عَليّ رضي الله عنه فِي رجل تزوج امْرَأَة على ان يعْتق أَبَاهَا انْتهىإِسْمَاعِيل بن أبي خَالِد الفدكي قَالَ ابْن أبي حَاتِم سَمِعت أبي يَقُول لم يدْرك الْبَراءقلت لَهُ فَحَدِيث يزِيد بن هَارُون عَن شَيبَان عَن يحيى بن أبي كثير عَن إِسْمَاعِيل بن أبي خَالِد الفدكي ان الْبَراء بن عَازِب رضي الله عنه حَدثهُ فِي الضَّحَايَا قَالَ هَذَا وهم وَهُوَ مُرْسل
ইসহাক বিন মানসুর বলেন, আমি ইয়াহইয়া বিন মাঈনকে জিজ্ঞাসা করলাম, ইসমাইল বিন আবি খালিদ কি আবু জাবইয়ান থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন, না।আলাইয়ী বলেন, আবু মুয়াবিয়া ইসমাইল বিন আবি খালিদ থেকে, তিনি কায়েস থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, "আমি যদি দশজন সন্তান হারাতাম..." (পুরো হাদিসটি)।ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, এটি আবু মুয়াবিয়ার একটি ভুল; মূলত এটি ইসমাইল অন্য এক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন, কায়েস থেকে নয়। ইয়াহইয়া আল-কাত্তান বলেন, আমি ইসমাইল বিন আবি খালিদকে একটি হাদিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যা ইবনে আবি আরুবাহ তার সূত্রে আশ-শা'বী থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেছেন: "চারটি জিনিসে কোনো খাজনা নেই।" তখন তিনি (ইসমাইল) বললেন, এটি আমার বর্ণিত হাদিস নয়। ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তানের সামনে এমন কিছু উল্লেখ করা হলো যা ইসমাইল বিন আবি খালিদ সূত্রে আশ-শা'বী থেকে বর্ণিত যে, মুগিরা বিন শু'বা যখন তার বিরুদ্ধে তিনজন সাক্ষ্য দিল... (পুরো হাদিসটি)। ইয়াহইয়া বললেন, এটি সহিহ নয়। তার নিকট জখমের দীয়ত পাঁচ ভাগে বিভক্ত হওয়ার বিষয়ে শা'বীর বক্তব্য উল্লেখ করা হলো।তখন ইয়াহইয়া বললেন, ইসমাইল আমার সাথে ছিলেন এবং তিনি এটিকে সহিহ বলেননি। ইয়াহইয়া ইসমাইল বিন আবি খালিদ সূত্রে আমির অর্থাৎ আশ-শা'বী থেকে, তিনি আয়মান বিন খুরাইম থেকে একটি হাদিস উল্লেখ করলেন যাতে কবিতা ছিল। তিনি বললেন, ইসমাইল আমাকে বলেছিলেন যে, আমি এই কবিতাটি আমিরের নিকট থেকে শুনিনি।ইবনুল মাদিনি বলেন, আমি ইয়াহইয়াকে (অর্থাৎ আল-কাত্তানকে) বললাম, আপনি ইসমাইল থেকে আমির সূত্রে যা গ্রহণ করেছেন তা কি সহিহ? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তবে এর মধ্যে দুটি হাদিস রয়েছে যেগুলি তিনি শুনেছেন কি না তা নিয়ে আমি আশঙ্কা করি।আমি ইয়াহইয়াকে জিজ্ঞাসা করলাম, সেই দুটি কী কী? তিনি বললেন, আমির কর্তৃক বর্ণিত এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে তার স্ত্রীকে নির্বাচনের সুযোগ দিয়েছিল কিন্তু তারা পৃথক হওয়ার আগ পর্যন্ত স্ত্রী কোনো কিছু নির্বাচন করেনি। আর অন্যটি হলো আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)-এর বক্তব্য এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে যে কোনো নারীকে এই শর্তে বিয়ে করেছে যে সে তার পিতাকে মুক্ত করে দেবে। সমাপ্ত।ইসমাইল বিন আবি খালিদ আল-ফাদাকি: ইবনে আবি হাতিম বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যে, তিনি আল-বারা-এর সাক্ষাৎ পাননি।আমি তাকে বললাম, তাহলে ইয়াজিদ বিন হারুন থেকে শাইবান সূত্রে, তিনি ইয়াহইয়া বিন আবি কাসির থেকে এবং তিনি ইসমাইল বিন আবি খালিদ আল-ফাদাকি থেকে বর্ণিত সেই হাদিসটি কী যাতে উল্লেখ আছে যে, আল-বারা বিন আযিব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) তাকে কুরবানি সম্পর্কে বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন, এটি একটি ভ্রম এবং এটি মুরসাল।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
ع إِسْمَاعِيل بن عبيد الله بن أبي المُهَاجر عَن فضَالة بن عبيد وَغَيره قَالَ فِي التَّهْذِيب هُوَ مُرْسلقلت لم يُصَرح بإرسال رِوَايَته عَنهُ بل قَالَ وَفِي سَمَاعه مِنْهُ نظرنعم جزم بإرسال رِوَايَته عَنهُ الذَّهَبِيّثمَّ قَالَ الْمزي وادرك الْحَارِث بن الْحَارِث الغامدي وَعبد الله بن عَمْرو وعطية بن عُرْوَة السَّعْدِيّ وَمُعَاوِيَة بن أبي سُفْيَان هَذَا كَلَامه وَهَذَا يَقْتَضِي ان لَهُ من هَؤُلَاءِ مُجَرّد إِدْرَاك لَا رِوَايَة وَفِي كتاب ابْن أبي حَاتِم عَن أَبِيه روى عَن عبد الله بن عَمْرو وَأنس بن مَالك والْحَارث ابْن الْحَارِث الغامدي وعطية السَّعْدِيّ وادرك مُعَاوِيَة هَذِه عِبَارَته وَمُقْتَضى إِطْلَاقه رِوَايَته عَنْهُم اتصالها لَا سِيمَا مَعَ مغايرته بَين رِوَايَته عَن هَؤُلَاءِ وَبَين إِدْرَاك مُعَاوِيَةوَذكره ابْن حبَان فِي ثقاته فِي طبقَة أَتبَاع التَّابِعين وَلم يذكر لَهُ رِوَايَة عَن اُحْدُ من الصَّحَابَةوَقَالَ الْعجلِيّ فِي ثقاته إِنَّه تَابِعِيّ انْتهىقَالَ العلائي لم يسمع من اُحْدُ من الصَّحَابَة الا من السَّائِب بن يزِيدقلت ذكر الْمزي رِوَايَته عَن انس بن مَالك ساكتا عَلَيْهَا وَكَذَا أَبُو حَاتِم كَمَا تقدم انْتهىإِسْمَاعِيل بن كثير الْمَكِّيّ أَبُو هَاشم روى عَن إِسْمَاعِيل بن ريَاح رِوَايَته عَنهُ فِي عمل الْيَوْم وَاللَّيْلَة للنسائي وَتوقف فِي ذَلِك الْمزي فَقَالَ إِن كَانَ مَحْفُوظًا وَقَالَ أَيْضا فِي حَدِيثه عَنهُ نظرع أسمر بن سَاعِدَة الْمَازِني وَالْأسود بن أبي الْأسود النَّهْدِيّ وَأسيد بن
ইসমাইল ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে আবিল মুহাজির, ফাদালা ইবনে উবাইদ এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। ‘আত-তাহজীব’-এ বলা হয়েছে যে, এটি মুরসাল।আমি বলছি, তার থেকে তার বর্ণনার ক্ষেত্রে মুরসাল হওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি, বরং তিনি বলেছেন: “তার থেকে তার শ্রবণের বিষয়টি প্রশ্নসাপেক্ষ।”হ্যাঁ, আয-যাহাবি তার থেকে তার বর্ণনার ক্ষেত্রে মুরসাল হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন।এরপর আল-মিযযি বলেছেন যে, তিনি আল-হারিস ইবনে আল-হারিস আল-গামিদি, আবদুল্লাহ ইবনে আমর, আতিয়্যাহ ইবনে উরওয়াহ আস-সা‘দি এবং মুআবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ানকে পেয়েছেন। এটি তার বক্তব্য, যা দাবি করে যে তাদের ক্ষেত্রে তার কেবল সমকাল প্রাপ্তি ঘটেছে, কোনো বর্ণনা নেই। ইবনে আবি হাতিমের কিতাবে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত হয়েছে: তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর, আনাস ইবনে মালিক, আল-হারিস ইবনে আল-হারিস আল-গামিদি এবং আতিয়্যাহ আস-সা‘দি থেকে বর্ণনা করেছেন এবং মুআবিয়াকে পেয়েছেন। এটি তার পাঠ। তাদের থেকে তার বর্ণনার ক্ষেত্রে তার সাধারণ বক্তব্যের দাবি হলো এর ধারাবাহিকতা, বিশেষ করে যেহেতু তিনি তাদের থেকে বর্ণনা এবং মুআবিয়ার সমকাল প্রাপ্তির মধ্যে পার্থক্য করেছেন।ইবনে হিব্বান তাকে তার ‘আস-সিকাত’ গ্রন্থে তাবি-তাবিঈনদের স্তরে উল্লেখ করেছেন এবং সাহাবীদের মধ্য থেকে কারো কাছ থেকে তার বর্ণনার কথা উল্লেখ করেননি।আল-ইজলি তার ‘আস-সিকাত’ গ্রন্থে বলেছেন যে, তিনি একজন তাবিঈ। সমাপ্ত।আল-আলাই বলেছেন: আস-সাইব ইবনে ইয়াযিদ ব্যতীত তিনি অন্য কোনো সাহাবীর থেকে কোনো শ্রবণ করেননি।আমি বলছি, আল-মিযযি আনাস ইবনে মালিক থেকে তার বর্ণনার কথা কোনো মন্তব্য ছাড়াই উল্লেখ করেছেন এবং আবু হাতিমও একইভাবে উল্লেখ করেছেন যেমনটি আগে অতিক্রান্ত হয়েছে। সমাপ্ত।ইসমাইল ইবনে কাসীর আল-মাক্কি আবু হাশিম। তিনি ইসমাইল ইবনে রিয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন। নাসাঈর ‘আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ’ গ্রন্থে তার থেকে তার বর্ণনা রয়েছে। আল-মিযযি এ ব্যাপারে দ্বিধা প্রকাশ করে বলেছেন, “যদি এটি সংরক্ষিত হয়ে থাকে।” তিনি আরও বলেছেন, তার থেকে তার বর্ণিত হাদিসের বিষয়ে প্রশ্ন রয়েছে।আসমার ইবনে সায়েদাহ আল-মাযিনি, আল-আসওয়াদ ইবনে আবিল আসওয়াদ আন-নাহদি এবং উসাইদ ইবনে...
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
صَفْوَان والأقطن والأقرع الْغِفَارِيّذكرهم الصغاني مِمَّن فِي صحبتهم نظر وَلم أر لَهُم ذكرا فِي الرِّوَايَة فكتبتهم احْتِيَاطًاع الْأسود بن سُفْيَان بن عبد الْأسد المَخْزُومِي كَذَلِك أَيْضا ذكره ابْن عبد الْبرالْأسود بن يزِيد اُحْدُ كبار التَّابِعين أدْرك النَّبِي صلى الله عليه وسلم مُسلما وَلم يره وَذكر فِي كتب الصَّحَابَة للمعاصرة فَليعلم ذَلِكالْأَشْعَث بن إِسْحَاق بن سعد بن أبي وَقاص عَن جدهقَالَ أَبُو زرْعَة مُرْسلاع امية بن خَالِد عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم أَنه كَانَ يستفتح بصعاليك الْمُهَاجِرين وَعنهُ أَبُو إِسْحَاق السبيعِيقَالَ ابْن عبد الْبر لَا تصح لَهُ صُحْبَة عِنْدِي والْحَدِيث مُرْسل
সাফওয়ান, আল-আক্বতান এবং আল-আক্বরা আল-গিফারীসগণী তাঁদের এমন ব্যক্তিদের মধ্যে উল্লেখ করেছেন যাদের সাহাবী হওয়ার বিষয়ে সংশয় রয়েছে। বর্ণনাসমূহে তাঁদের কোনো উল্লেখ আমি দেখিনি, তাই সতর্কতা হিসেবে তাঁদের নাম লিপিবদ্ধ করেছি।আল-আসওয়াদ বিন সুফিয়ান বিন আব্দুল আসাদ আল-মাখজুমী; একইভাবে ইবনে আব্দুল বারও তাঁর কথা উল্লেখ করেছেন।আল-আসওয়াদ বিন ইয়াজিদ; তিনি জ্যেষ্ঠ তাবিঈদের একজন। তিনি মুসলিম অবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগ পেয়েছেন কিন্তু তাঁকে দেখেননি। সমসাময়িক হওয়ার কারণে সাহাবীদের অভিধানসমূহে তাঁর কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তাই বিষয়টি জেনে রাখা উচিত।আল-আশআছ বিন ইসহাক বিন সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস, তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন।আবু যুরআহ একে মুরসাল বলেছেন।উমাইয়া বিন খালিদ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি মুহাজিরদের মধ্যে যারা নিঃস্ব ছিল, তাদের অসিলায় বিজয় প্রার্থনা করতেন। তাঁর থেকে আবু ইসহাক আস-সাবিঈ বর্ণনা করেছেন।ইবনে আব্দুল বার বলেছেন: আমার নিকট তাঁর সাহাবী হওয়া সাব্যস্ত নয় এবং হাদীসটি মুরসাল।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ٣١)
أُميَّة بن شبْل قَالَ إِبْرَاهِيم بن خَالِد الصَّنْعَانِيّ لم يلق عُرْوَة بن مُحَمَّد بن عَطِيَّةز أسيد بن أبي أسيد عَن امراة من المبايعات رِوَايَته عَنْهَا فِي سنَن أبي دَاوُد قَالَ الْمزي أَظُنهُ غير البراد فَإِن البراد لَيْسَ لَهُ شَيْء عَن الصَّحَابَة وَإِن يكنه فَإِن رِوَايَته عَن الْمَرْأَة مُنْقَطِعَةز أسيد بن عبد الرَّحْمَن الْخَثْعَمِي الفلسطيني ذكر الْمزي انه روى عَن عبد الله بن محيريز ثمَّ قَالَ وَالصَّحِيح ان بَينهمَا خَالِد بن دريك
উমাইয়াহ ইবন শিবল। ইব্রাহিম ইবন খালিদ আস-সানআনী বলেছেন যে, তিনি উরওয়াহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আতিয়্যাহর সাথে সাক্ষাৎ করেননি।(যায়) উসায়েদ ইবন আবি উসায়েদ, বায়আত গ্রহণকারী জনৈক মহিলার সূত্রে; তার থেকে বর্ণিত হাদিস সুনানে আবু দাউদে রয়েছে। আল-মিযযী বলেছেন, আমার ধারণা তিনি আল-বাররাদ ছাড়া অন্য কেউ, কেননা সাহাবীগণের থেকে আল-বাররাদের কোনো বর্ণনা নেই। আর যদি তিনি তিনিই হন, তবে উক্ত মহিলার থেকে তার বর্ণনাটি বিচ্ছিন্ন।(যায়) উসায়েদ ইবন আব্দুর রহমান আল-খাশআনী আল-ফিলিস্তিনী। আল-মিযযী উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবন মুহাইরীয থেকে বর্ণনা করেছেন; অতঃপর তিনি বলেছেন, সঠিক কথা হলো যে তাদের উভয়ের মাঝে খালিদ ইবন দুরাইক রয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
وَذكر ابْن أبي حَاتِم عَن أَبِيه وَابْن حبَان وَغَيرهمَا رِوَايَته عَن ابْن محيريز ساكتين عَلَيْهَا وَظَاهره الِاتِّصَالع أهبان بن أُخْت أبي ذَر وَعنهُ حميد بن عبد الرَّحْمَنقَالَ أَبُو عمر لَا تصح لَهُ صُحْبَة وَإِنَّمَا يروي عَن أبي ذَر رضي الله عنه ذكره ابْن حبَان فِي الثِّقَاتاوس بن عبد الله أَبُو الجوزاء الْبَصْرِيّ عَن عمر وَعلي رضي الله عنهماقَالَ ابو زرْعَة مُرْسلقلت رِوَايَته عَن عَائِشَة فِي صَحِيح مُسلم ذكره فِي كتاب الصَّلَاة وَذكر ابْن عبد الْبر فِي التَّمْهِيد انه لم يسمع من عَائِشَة وَحَدِيثه عَنْهَا مُرْسل انْتهى
ইবনে আবি হাতিম তাঁর পিতা থেকে এবং ইবনে হিব্বান ও অন্যান্যরা ইবনে মুহাইরিজ থেকে তাঁর বর্ণনা উল্লেখ করেছেন এবং তাঁরা এ বিষয়ে নীরবতা অবলম্বন করেছেন; আর এর বাহ্যিক অবস্থা হলো নিরবচ্ছিন্নতা।উহবান ইবনে উখতি আবি যার; এবং তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন হুমাইদ ইবনে আবদুর রহমান।আবু উমর বলেন, তাঁর সাহাবিত্ব সহিহ নয়, তিনি কেবল আবু যার (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন। ইবনে হিব্বান তাঁকে ‘আস-সিকাত’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।আউস ইবনে আবদুল্লাহ আবু আল-জাওযা আল-বাসরি; উমর ও আলী (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেছেন।আবু যুরআ বলেন, এটি মুরসাল।আমি বলি, আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে তাঁর বর্ণনা সহিহ মুসলিমে রয়েছে, যা তিনি সালাত অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন। ইবনে আবদিল বার ‘আত-তামহিদ’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে শোনেননি এবং তাঁর থেকে তাঁর হাদিস বর্ণনাটি মুরসাল। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
ع إِيَاس بن سهل الْجُهَنِيّ مُخْتَلف فِي صحبتهإِيَاس بن عبد الله بن أبي ذُبَاب قَالَ أَبُو بكر الْأَثْرَم قلت لأبي عبد الله يَعْنِي أَحْمد بن حَنْبَل إِيَاس بن عبد الله هُوَ إِيَاس بن عبد الله بن أبي ذُبَاب قَالَ لَا وَلَيْسَت لَهُ صُحْبَة روى عَنهُ اهل الْمَدِينَة وَكَذَلِكَ روى عَنهُ أهل مَكَّة يَعْنِي إِيَاس بن عبد اللهقَالَ العلائي لَهُ فِي السّنَن الثَّلَاثَة عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم حَدِيث (لَا تضربوا إِمَاء الله) وَأثبت ابْن عبد الْبر وَغَيره صحبته انْتهىقلت الحَدِيث الْمَذْكُور فِي سنَن أبي دَاوُد وَالنَّسَائِيّ وَابْن مَاجَه وَقَول العلائي السّنَن الثَّلَاثَة يُوهم ان مِنْهُم التِّرْمِذِيّ دون ابْن مَاجَه انْتهىع أَيمن بن خريم بن فاتك الْأَسدي مُخْتَلف فِي صحبته وَله عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلمقَالَ ابْن عبد الْبر أسلم مَعَ أَبِيه وَهُوَ غُلَام يفاعوَقَالَ فِيهِ الْعجلِيّ تَابِعِيّ ثِقَة وَكَذَلِكَ قَالَ الدَّارَقُطْنِيّ نَحْو هَذَا
আ. আইয়াস ইবনে সাহল আল-জুহানি, তাঁর সাহাবিত্ব (সাহাবী হওয়া) সম্পর্কে মতভেদ রয়েছে।আইয়াস ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি জুবাব। আবু বকর আল-আছরাম বলেন, আমি আবু আব্দুল্লাহকে—অর্থাৎ আহমাদ ইবনে হাম্বলকে—জিজ্ঞেস করলাম: আইয়াস ইবনে আব্দুল্লাহ কি আইয়াস ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আবি জুবাব? তিনি বললেন: না, এবং তাঁর সাহাবিত্ব নেই। মদীনার অধিবাসীগণ তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন এবং মক্কার অধিবাসীগণও তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন—অর্থাৎ আইয়াস ইবনে আব্দুল্লাহ।আল-আলায়ী বলেন: সুনানের তিনটি গ্রন্থে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তাঁর বর্ণিত হাদিস রয়েছে: (তোমরা আল্লাহর দাসীদের প্রহার করো না)। ইবনে আব্দুল বার এবং অন্যান্যরা তাঁর সাহাবিত্ব সাব্যস্ত করেছেন। সমাপ্ত।আমি বলছি: উল্লিখিত হাদিসটি সুনানে আবু দাউদ, নাসাঈ এবং ইবনে মাজাহ-তে রয়েছে। আল-আলায়ীর "সুনানের তিনটি গ্রন্থ" কথাটি এই বিভ্রম সৃষ্টি করে যে, এর দ্বারা তিরমিজি উদ্দেশ্য, ইবনে মাজাহ নয়। সমাপ্ত।আ. আয়মান ইবনে খুরাইম ইবনে ফাতিক আল-আসাদি। তাঁর সাহাবিত্ব সম্পর্কে মতভেদ রয়েছে এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তাঁর বর্ণনা রয়েছে।ইবনে আব্দুল বার বলেন: তিনি তাঁর পিতার সাথে ইসলাম গ্রহণ করেন যখন তিনি একজন বাড়ন্ত কিশোর ছিলেন।আল-ইজলি তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: তিনি একজন নির্ভরযোগ্য তাবিঈ। একইভাবে দারাকুতনীও এর অনুরুপ কথা বলেছেন।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
أَيمن بن ام أَيمن قَالَ احْمَد بن حَنْبَل حَدثنِي مُحَمَّد بن إِدْرِيس الشَّافِعِي رحمه الله قَالَ قَالَ لي مُحَمَّد بن الْحسن قد روى شريك حَدِيث مُجَاهِد عَن أَيمن بن أم أَيمن أخي أُسَامَة بن زيد لأمه قلت لَا علم لَك بأصحابنا أَيمن اخو أُسَامَة قتل مَعَ رَسُول الله صلى الله عليه وسلم يَوْم حنين قبل ان يُولد مُجَاهِد وَلم يبْق بعد النَّبِي صلى الله عليه وسلم فَيحدث عَنهُقَالَ العلائي وَكَذَا ذكر ابْن اسحاق أَيْضا أَيمن فِيمَن اسْتشْهد يَوْم حنين انْتهىقَالَ ابْن أبي حَاتِم سَأَلت أبي عَن حَدِيث رَوَاهُ الْحسن بن صَالح عَن مَنْصُور عَن الحكم عَن عَطاء وَمُجاهد عَن أَيمن وَكَانَ فَقِيها قَالَ يقطع السَّارِق فِي ثمن الْمِجَن وَكَانَ ثمن الْمِجَن على عهد رَسُول الله دِينَاراقَالَ أبي هُوَ مُرْسل وَأرى انه وَالِد عبد الْوَاحِد بن أَيمن وَلَيْسَت لَهُ صُحْبَةقلت روى النَّسَائِيّ الحَدِيث وَقَالَ مَا احسب ان لَهُ صُحْبَةوأفرد الْمزي فِي التَّهْذِيب راوى هَذَا الحَدِيث عَن ابْن ام أَيمن وَعَن وَالِد عبد الْوَاحِد ابْن أَيمن فجعلهم ثَلَاثَةأَيُّوب بن أبي تَمِيمَة السّخْتِيَانِيّ قَالَ ابو حَاتِم رأى انس بن مَالك وَلم يسمع مِنْهُ وَهُوَ مثل الاعمش
আইমান বিন উম্মে আইমান। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, মুহাম্মাদ বিন ইদরীস আশ-শাফিঈ (রহিমাহুল্লাহ) আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ বিন আল-হাসান আমাকে বলেছেন যে, শারীক মুজাহিদের সূত্রে আইমান বিন উম্মে আইমান—যিনি উসামা বিন যায়িদের বৈমাত্রেয় ভাই—তাঁর থেকে একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। আমি বললাম, আমাদের সাথীদের সম্পর্কে আপনার জ্ঞান নেই। উসামার ভাই আইমান মুজাহিদের জন্মের পূর্বেই হুনাইনের যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে শহীদ হয়েছিলেন এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরে বেঁচে ছিলেন না যে তাঁর থেকে হাদীস বর্ণনা করা যাবে।আল-আলাঈ বলেন, অনুরূপভাবে ইবনে ইসহাকও আইমানকে তাঁদের মধ্যে উল্লেখ করেছেন যাঁরা হুনাইনের যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন। সমাপ্ত।ইবনে আবি হাতিম বলেন, আমি আমার পিতাকে একটি হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছিলাম যা হাসান বিন সালিহ্ মানসুর থেকে, তিনি হাকাম থেকে, তিনি আতা ও মুজাহিদ থেকে এবং তাঁরা আইমান থেকে বর্ণনা করেছেন; আর তিনি (আইমান) ফকীহ ছিলেন। তিনি বলেছেন, ঢালের মূল্যের সমপরিমাণ চুরি করলে চোরের হাত কাটা হবে, আর রাসূলুল্লাহর যুগে ঢালের মূল্য ছিল এক দীনার।আমার পিতা বলেন, এটি মুরসাল। আমি মনে করি তিনি আবদুল ওয়াহিদ বিন আইমানের পিতা এবং তাঁর সাহচর্য (সাহাবী হওয়া) প্রমাণিত নয়।আমি বলছি, আন-নাসায়ী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, আমি মনে করি না যে তাঁর সাহচর্য রয়েছে।আর আল-মিযযী 'আত-তাহযীব' গ্রন্থে এই হাদীসের বর্ণনাকারীকে, ইবনে উম্মে আইমানকে এবং আবদুল ওয়াহিদ বিন আইমানের পিতাকে পৃথকভাবে উল্লেখ করেছেন; ফলে তিনি তাঁদেরকে তিনজন ভিন্ন ব্যক্তি হিসেবে গণ্য করেছেন।আইয়ুব বিন আবু তামীমাহ আস-সাখতিয়ানী। আবু হাতিম বলেন, তিনি আনাস বিন মালিককে দেখেছেন কিন্তু তাঁর থেকে কিছু শোনেননি, আর তিনি এ ক্ষেত্রে আল-আমাশের মতো।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
قَالَ العلائي وَكَذَا قَالَ أَحْمد بن حَنْبَل أَنه رأى أنسا وَلم يسمع مِنْهُ وَسُئِلَ أَحْمد هَل سمع من عَطاء بن يسَار قَالَ لَاوَقَالَ أَبُو حَاتِم لم يرو عَن أبي حَمْزَة شَيْئا إِنَّمَا روى عَن أبي جَمْرَة الضبعِي وَقَالَ البُخَارِيّ مَا أرى أَيُّوب سمع من أبي صَالح يَعْنِي السمانذكره التِّرْمِذِيّ عَنهُ فِي كتاب الْعِلَل فِي حَدِيث أبي هُرَيْرَة الْعمرَة الى الْعمرَة انْتهىز أَيُّوب بن يناق عَن أبي هُرَيْرَة وَعنهُ يُونُس بن الْحَارِث الطَّائِفِيقَالَ الدَّارَقُطْنِيّ لم يسمع من أبي هُرَيْرَة يَعْنِي يروي عَن ابْن الْمسيب عَنهُ
আল-আলাইয়ি বলেছেন এবং আহমাদ ইবন হাম্বলও অনুরূপ বলেছেন যে, তিনি আনাসকে দেখেছেন কিন্তু তাঁর থেকে কিছু শোনেননি। আর আহমাদকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: তিনি কি আতা ইবন ইয়াসার থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন: না।আবু হাতিম বলেছেন: তিনি আবু হামযাহ থেকে কিছুই বর্ণনা করেননি, বরং তিনি কেবল আবু জামরাহ আদ-দুবায়ি থেকে বর্ণনা করেছেন। আর বুখারি বলেছেন: আমি মনে করি না যে আইয়ুব আবু সলিহ—অর্থাৎ আস-সাম্মান—থেকে শুনেছেন।তিরমিযি এটি তাঁর থেকে 'কিতাবুল ইলাল'-এ আবু হুরায়রা বর্ণিত 'এক উমরাহ হতে অন্য উমরাহ' সংক্রান্ত হাদিসে উল্লেখ করেছেন। সমাপ্ত।আইয়ুব ইবন ইয়ানাক, আবু হুরায়রা থেকে; এবং তাঁর থেকে ইউনুস ইবনুল হারিস আত-তাইফি বর্ণনা করেছেন।দারা কুতনি বলেছেন: তিনি আবু হুরায়রা থেকে শোনেননি, অর্থাৎ তিনি ইবনুল মুসায়্যিবের সূত্রে তাঁর থেকে বর্ণনা করেন।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
- حرف الْبَاء-ع باذام أَبُو صَالح مولى ام هَانِيءقَالَ ابْن حبَان لم يسمع من ابْن عَبَّاسز بَحر بن مرار بن عبد الرَّحْمَن بن أبي بكرَة عَن جد أَبِيه أبي بكرَة رِوَايَته عَنهُ فِي سنَن ابْن مَاجَه وَذكر فِي التَّهْذِيب انه مُرْسل وَفِي مُسْند احْمَد ومعجم الطَّبَرَانِيّ الْأَوْسَط إِدْخَال عبد الرَّحْمَن بن أبي بكرَة بَين بَحر وَبَين أبي بكرَةز بديل بن ميسرَة الْعقيلِيّ روى عَن عبد الله بن الصَّامِت وَلم يسمع مِنْهُ كَمَا ذكره الْبَزَّار فِي مُسْند الْبَزَّار وَفِي ابْن مَاجَه عَن صَفِيَّة بنت شيبَة عَن الْمُغيرَة بن حَكِيم عَنْهَاع بريد بن أبي مَرْيَم عَن أبي مُوسَى الْأَشْعَرِيّقَالَ فِي التَّهْذِيب لم يسمع مِنْهُع بسر بن أَرْطَأَة وَيُقَال ابْن أبي أَرْطَأَة مُخْتَلف فِي صحبته وَله عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم حديثان أَحدهمَا فِي جَامع التِّرْمِذِيّ وَسنَن أبي دَاوُد وَالنَّسَائِيّ
বা অক্ষর-আ. বাযাম আবু সালিহ, উম্মে হানির মুক্তদাস।ইবন হিব্বান বলেছেন, তিনি ইবন আব্বাস থেকে শ্রবণ করেননি।য. বাহর বিন মুরার বিন আবদুর রহমান বিন আবি বাকরাহ, তার পিতার দাদা আবু বাকরাহ থেকে; তার সূত্রে বর্ণিত হাদিস সুনানে ইবন মাজাহ-তে রয়েছে। আত-তাহযীব গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে যে এটি মুরসাল। মুসনাদে আহমাদ এবং তাবারানির আল-মু'জাম আল-আওসাত-এ বাহর এবং আবু বাকরাহর মধ্যস্থলে আবদুর রহমান বিন আবি বাকরাহ-কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।য. বুদাইল বিন মাইসারা আল-উকাইলি; তিনি আবদুল্লাহ বিন আস-সামিত থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি তার থেকে শ্রবণ করেননি, যেমনটি আল-বাযযার ‘মুসনাদুল বাযযার’-এ উল্লেখ করেছেন। আর ইবন মাজাহ-তে সাফিয়্যাহ বিনতে শায়বাহ থেকে, তিনি মুগীরাহ বিন হাকিম থেকে, তিনি সাফিয়্যাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।আ. বুরাইদ বিন আবি মারইয়াম, আবু মুসা আল-আশআরি থেকে।আত-তাহযীব গ্রন্থে বলা হয়েছে যে, তিনি তার থেকে শ্রবণ করেননি।আ. বুসর বিন আরতাহ, তাকে ইবন আবি আরতাহ-ও বলা হয়; তার সাহাবী হওয়ার বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে তার বর্ণিত দুটি হাদিস রয়েছে, যার একটি জামি' আত-তিরমিযী, সুনানে আবু দাউদ ও আন-নাসায়ী-তে বিদ্যমান।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ٣٧)
وَعِنْده فِيهِ انه قَالَ سَمِعت رَسُول الله صلى الله عليه وسلم وَلذَلِك أثبت ابْن حبَان وَالدَّارَقُطْنِيّ وَغَيرهمَا لَهُ الصُّحْبَة وَقَالَ الْوَاقِدِيّ قبض رَسُول الله صلى الله عليه وسلم وَبسر صَغِير لم يسمع مِنْهُ وَحكى ابْن عبد الْبر عَن احْمَد بن حَنْبَل وَابْن معِين نَحْو هَذَابسر بن سعيد قَالَ ابو زرْعَة بسر بن سعيد عَن عمر مُرْسلع بشر بن شُعَيْب بن أبي حَمْزَة احْتج بِهِ البُخَارِيّ عَن أَبِيهوَقَالَ ابْن معِين لم يسمع من أَبِيه شَيْئا سَأَلُوهُ عَنْهَا يَعْنِي كتب أَبِيه فَقَالَ لم أسمعها من أبي إِنَّمَا صَاحب طب فَلم يزَالُوا بِهِ حَتَّى حَدثهمْ بهَاوَذكره غَيره ان رِوَايَته عَن أَبِيه إِنَّمَا هِيَ بِالْإِجَازَةِوَقَالَ ابو الْيَمَان سَمِعت شُعَيْب بن أبي حَمْزَة وَقد احْتضرَ يَقُول من أَرَادَ ان يسمع هَذِه الْكتب فليسمعها من ابْني فَإِنَّهُ قد سَمعهَا مني وَهَذَا يرد الْقَوْلَيْنِ الْأَوَّلين وَيُؤَيّد فعل البُخَارِيّ رحمه اللهبشر بن عَاصِم قَالَ أَبُو حَاتِم سَأَلت أبي عَن بشر بن عَاصِم هَل سمع من غيلَان بن سَلمَة فَقَالَ لَا هُوَ يُرْسل وَذَلِكَ ان غيلَان بن سَلمَة أسلم على عهد النَّبِي صلى الله عَلَيْهِ وَسلم
তার নিকট এই বিষয়ে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন, "আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি।" এই কারণেই ইবনে হিব্বান, দারা কুতনী এবং অন্যান্যগণ তার জন্য সাহাবী হওয়ার মর্যাদা সাব্যস্ত করেছেন। আল-ওয়াকিদী বলেন, "আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ইন্তেকাল করেন, বুসর তখন শিশু ছিলেন এবং তিনি তাঁর নিকট থেকে কিছু শোনেননি।" ইবনে আবদুল বার এই বিষয়ে আহমাদ ইবনে হাম্বল ও ইবনে মাঈন থেকে অনুরূপ অভিমত বর্ণনা করেছেন।বুসর বিন সাঈদ। আবু যুরআ বলেন, উমর থেকে বুসর বিন সাঈদের বর্ণনা মুরসাল (বিচ্ছিন্ন)।বিশর বিন শুআইব বিন আবি হামযাহ থেকে বর্ণিত; ইমাম বুখারী তার পিতার সূত্রে তার বর্ণনা দ্বারা দলিল পেশ করেছেন।ইবনে মাঈন বলেন, "তিনি তার পিতার কাছ থেকে কিছুই শোনেননি।" লোকেরা তাকে সেই কিতাবগুলো সম্পর্কে—অর্থাৎ তার পিতার কিতাবগুলো সম্পর্কে—জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, "আমি এগুলো আমার পিতার কাছ থেকে শুনিনি; আমি তো কেবল চিকিৎসা সংক্রান্ত কিতাবপত্রের অধিকারী ছিলাম।" কিন্তু তারা তার কাছে পিড়াপিড়ি করতে থাকলেন, শেষ পর্যন্ত তিনি তাদের নিকট সেগুলো বর্ণনা করলেন।অন্যান্যরা উল্লেখ করেছেন যে, তার পিতার সূত্রে তার বর্ণনাটি মূলত ইজাযতের (অনুমতি) ভিত্তিতে।আবুল ইয়ামান বলেন, আমি শুআইব বিন আবি হামযাহকে তার মৃত্যুশয্যায় বলতে শুনেছি, "যে ব্যক্তি এই কিতাবগুলো শুনতে চায়, সে যেন তা আমার ছেলের কাছ থেকে শুনে নেয়; কারণ সে এগুলো আমার কাছ থেকে শুনেছে।" এটি পূর্বোক্ত দুটি বক্তব্যকে খণ্ডন করে এবং ইমাম বুখারী (রহিমাহুল্লাহ)-এর কর্মকে সমর্থন করে।বিশর বিন আসিম। আবু হাতিম বলেন, আমি আমার পিতাকে বিশর বিন আসিম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, তিনি কি গায়লান বিন সালামাহ থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন, "না, তিনি মুরসাল বর্ণনা করেন। এর কারণ হলো, গায়লান বিন সালামাহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন।"
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ٣٨)
ع بشر بن الْمفضل قَالَ احْمَد بن حَنْبَل لم يسمع من ابْن طَاوس إِلَّا حَدِيثا وَاحِدًا اتَّقوا بَيْتا يُقَال لَهُ الْحمامع بشير بن أبي مَسْعُود عقبَة بن عَمْرو الْأنْصَارِيّ قَالَ ابْن عبد الْبر رأى النَّبِي صلى الله عليه وسلمقَالَ العلائي هُوَ مَعْدُود عِنْدهم من التَّابِعين قلت مدنِي تَابِعِيّ ذكره ابْن حبَان فِي الثِّقَاتع بشير بن نهيك حكى التِّرْمِذِيّ فِي الْعِلَل عَن البُخَارِيّ أَنه قَالَ لَا أرى لَهُ سَمَاعا من أبي هُرَيْرَة وَقد احْتج هُوَ وَمُسلم فِي كِتَابَيْهِمَا بروايته عَن أبي هُرَيْرَة وَالْجمع بَين ذَلِك أَن وكيعا روى عَن عمرَان بن حدير عَن أبي مجلز عَن بشير بن نهيك قَالَ أتيت أَبَا هُرَيْرَة بِكِتَاب وَقلت لَهُ هَذَا حَدِيث أرويه عَنْك قَالَ نعم وَالْإِجَازَة أحد انواع التَّحَمُّل فاحتج بِهِ الشَّيْخَانِ لذَلِك وَمَا ذكره التِّرْمِذِيّ لَيْسَ فِيهِ الا نفي السماع فَلَا تنَاقض
বিশর ইবনুল মুফাদদাল থেকে বর্ণিত, আহমাদ ইবনে হাম্বল বলেছেন, তিনি ইবনে তাউস থেকে মাত্র একটি হাদীস ব্যতীত আর কিছুই শোনেননি: "তোমরা এমন ঘর থেকে বেঁচে থাকো যাকে হাম্মাম (গোসলখানা) বলা হয়।"বাশির ইবনে আবি মাসউদ উকবাহ ইবনে আমর আল-আনসারী থেকে বর্ণিত, ইবনে আবদিল বারর বলেছেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছেন।আল-আলাই বলেছেন, তিনি তাদের নিকট তাবিঈদের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গণ্য। আমি বলছি, তিনি মদীনার একজন তাবিঈ, ইবনে হিব্বান তাকে নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীগণের (আস-সিকাত) তালিকায় উল্লেখ করেছেন।বাশির ইবনে নাহিক থেকে বর্ণিত, তিরমিযী 'আল-ইলাল' গ্রন্থে বুখারী থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: "আবু হুরায়রা থেকে তার সরাসরি শ্রবণের কোনো প্রমাণ আমি দেখি না।" অথচ তিনি (বুখারী) এবং মুসলিম তাদের গ্রন্থদ্বয়ে আবু হুরায়রা থেকে তার বর্ণনা দ্বারা দলিল পেশ করেছেন। এ বিষয়ের মধ্যে সমন্বয় হলো এই যে, ওয়াকি ইমরান ইবনে হুদাইর থেকে, তিনি আবু মিজলাজ থেকে এবং তিনি বাশির ইবনে নাহিক থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন: "আমি আবু হুরায়রার নিকট একটি পাণ্ডুলিপি নিয়ে আসলাম এবং তাকে বললাম, এগুলো কি আপনার পক্ষ থেকে আমার বর্ণিত হাদীস? তিনি বললেন, হ্যাঁ।" আর 'ইজাযাহ' (বর্ণনার অনুমতি) হলো হাদীস গ্রহণের অন্যতম একটি প্রকার, তাই শায়খাইন (বুখারী ও মুসলিম) এ কারণেই তাঁর বর্ণনা দ্বারা দলিল পেশ করেছেন। তিরমিযী যা উল্লেখ করেছেন তাতে কেবল সরাসরি শ্রবণের অস্বীকৃতি রয়েছে, সুতরাং এখানে কোনো বৈপরীত্য নেই।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ٣٩)
بَقِيَّة بن الْوَلِيد قَالَ أَبُو حَاتِم لم يسمع من ابْن عجلَان شَيْئاز بكر بن سوَادَة روى عَن عبد الله بن عَمْرو بن الْعَاصِ رِوَايَته عَنهُ فِي سنَن أبي دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ قَالَ النَّوَوِيّ فِي شرح الْمُهَذّب لم يسمع مِنْهُبكر بن عبد اله الْمُزنِيّ عَن أبي ذَر قَالَ ابو حَاتِم مُرْسلبكر بن الْقَاسِم عَن أبي بكر الصّديق قَالَ أَبُو زرْعَة مُرْسلز بكير بن أبي السمط ذكره الْحَاكِم فِي عُلُوم الحَدِيث فِيمَن عد فِي التَّابِعين وَلَيْسَ مِنْهُم وَقَالَ لم يَصح لَهُ عَن انس رِوَايَة إِنَّمَا إِنَّمَا أسقط قَتَادَة من الْوسطز بكير بن عبد الله الْأَشَج روى عَن عبد الله بن الْحَارِث بن جُزْء الزبيدِيّ
বাকিয়্যাহ বিন আল-ওয়ালিদ। আবু হাতিম বলেছেন: তিনি ইবনে আজলান থেকে কিছুই শোনেননি।বকর বিন সাওয়াদাহ। তিনি আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আল-আস থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর বর্ণনা সুনান আবু দাউদ ও তিরমিজিতে রয়েছে। আন-নববী ‘শারহুল মুহাযযাব’-এ বলেছেন: তিনি তাঁর থেকে শোনেননি।বকর বিন আবদুল্লাহ আল-মুযানী, আবু যার থেকে। আবু হাতিম বলেছেন: মুরসাল।বকর বিন আল-কাসিম, আবু বকর আস-সিদ্দিক থেকে। আবু যুরআ বলেছেন: মুরসাল।বুকাইর বিন আবিস সামত। আল-হাকিম ‘উলূমুল হাদীস’-এ তাঁকে তাঁদের মধ্যে উল্লেখ করেছেন যাদের তাবেঈদের অন্তর্ভুক্ত গণ্য করা হয়, অথচ তিনি তাঁদের অন্তর্ভুক্ত নন। তিনি বলেছেন: আনাস থেকে তাঁর কোনো বর্ণনা সহীহ নয়; তিনি কেবল মাঝখান থেকে কাতাদাহকে বাদ দিয়েছেন।বুকাইর বিন আবদুল্লাহ আল-আশাজ্জ। তিনি আবদুল্লাহ বিন আল-হারিস বিন জুজ আল-যুবাইদী থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
তুহফাতুত তাহসীল ফী যিকরি রুয়াতিল মারাসীল
(পৃষ্ঠা: ٤٠)
وَأبي امامة أسعد بن سهل بن حنيف وَرَبِيعَة بن عباد والسائب بن يزِيد ومحمود بن لبيدقَالَ الْحَاكِم فِي عُلُوم الحَدِيث إِنَّه عد فِي التَّابِعين وَلم يَصح سَمَاعه من الصَّحَابَة وَقَالَ أَيْضا لم يثبت سَمَاعه من عبد الله بن الْحَارِث ابْن جُزْء إِنَّمَا رواياته عَن التَّابِعين ذكره ابْن حبَان أَيْضا فِي أَتبَاع التَّابِعينع بِلَال بن سعد بن تَمِيم الْأَشْعَرِيّ وَيُقَال الْكِنْدِيّ الْقَاص عَن أبي الدَّرْدَاء رضي الله عنه وَذَلِكَ مُرْسل قَالَه فِي التَّهْذِيبع بِلَال بن مرداس عَن انس رضي الله عنه وَقيل هُوَ مُرْسل بل عَن خَيْثَمَة عَن انس ذكره فِي التَّهْذِيب أَيْضاز بِلَال بن يحيى الْعَبْسِي روى عَن عَليّقَالَ ابو مُحَمَّد الْمُنْذِرِيّ روى عَن النَّبِي صلى الله عليه وسلم مُرْسلا وروى عَن عمر وَهُوَ مَشْهُور بالرواية عَن حُذَيْفَة وَقيل عَنهُ بَلغنِي عَن حُذَيْفَة وَفِي سَمَاعه من عَليّ نظربَيَان بن بشر عَن عَلْقَمَة وَالْأسود قَالَ ابو حَاتِم هُوَ مُرْسل وَلم يدركهماقَالَ العلائي هُوَ تَابِعِيّ سمع انسا رضي الله عنه انْتهى
এবং আবু উমামাহ আসআদ বিন সাহল বিন হুনাইফ, রাবিআ বিন আব্বাদ, আস-সাইব বিন ইয়াজিদ এবং মাহমুদ বিন লাবিদ।আল-হাকিম 'উলুমুল হাদিস'-এ বলেছেন যে, তাকে তাবেয়ীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং সাহাবীদের থেকে তার সরাসরি শ্রবণ বিশুদ্ধভাবে প্রমাণিত নয়। তিনি আরও বলেছেন যে, আবদুল্লাহ বিন আল-হারিস ইবনে জুয থেকে তার শ্রবণ প্রমাণিত নয়; বরং তার বর্ণনাগুলো তাবেয়ীদের থেকে। ইবনে হিব্বানও তাকে তাবে-তাবেয়ীদের মধ্যে উল্লেখ করেছেন।আইন: বিলাল বিন সাদ বিন তামিম আল-আশআরি, যাকে আল-কিন্দি আল-কাসও বলা হয়, তিনি আবু দারদা (আল্লাহ তার উপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এটি 'মুরসাল'। 'আত-তাহজিব' গ্রন্থে এটি উল্লেখ করা হয়েছে।আইন: বিলাল বিন মিরদাস, আনাস (আল্লাহ তার উপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে। বলা হয়েছে যে এটি 'মুরসাল', বরং তা খাইসামার মাধ্যমে আনাস থেকে বর্ণিত। এটিও 'আত-তাহজিব' গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে।যা: বিলাল বিন ইয়াহইয়া আল-আবসি, তিনি আলী থেকে বর্ণনা করেছেন।আবু মুহাম্মদ আল-মুনজিরি বলেছেন: তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে 'মুরসাল' হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং উমর থেকেও বর্ণনা করেছেন। তিনি হুজাইফাহ থেকে বর্ণনার জন্য সুপরিচিত, আর তার পক্ষ থেকে বর্ণিত হয়েছে: "হুজাইফাহ থেকে আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে।" আলী থেকে তার সরাসরি শ্রবণের বিষয়ে সংশয় রয়েছে।বায়ান বিন বিশর, আলকামা ও আল-আসওয়াদ থেকে। আবু হাতিম বলেছেন: এটি 'মুরসাল' এবং তিনি তাদের সাক্ষাৎ পাননি।আল-আলাই বলেছেন: তিনি একজন তাবেয়ী, তিনি আনাস (আল্লাহ তার উপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে শুনেছেন। সমাপ্ত।