(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: -)
اللباب في تهذيب الأنساب القسم: الأنساب
الكتاب: اللباب في تهذيب الأنساب
المؤلف: عز الدين ابن الأثير الجزري [ت 630 هـ]
الناشر: دار صادر - بيروت
الطبعة: 1400 هـ - 1980 م
وصَوّرَتْها: مكتبة المثنى بغداد
تنبيهات:
1 - نُقِل في صدر هذه الطبعة ترجمة المؤلف من كتاب «وفيات الأعيان» بتحقيق د. إحسان عباس، هكذا! وليس ذلك من تقديمه لها
2 - سبَق إلى نَشر الكتاب مكتبةُ القدسي بالقاهرة في 3 أجزاء تِباعًا بالأعوام 1356 - 1369 هـ
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আল-লুবাব ফি তাহযিবিল আনসাব বিভাগ: বংশবিদ্যা
বই: আল-লুবাব ফি তাহযিবিল আনসাব
লেখক: ইযযুদ্দিন ইবনুল আসীর আল-জাযারি [মৃত্যু ৬৩০ হিজরি]
প্রকাশক: দার সাদির - বৈরুত
সংস্করণ: ১৪০০ হিজরি - ১৯৮০ খ্রিস্টাব্দ
পুনর্মুদ্রণ করেছে: মাকতাবাতুল মুসান্না বাগদাদ
দ্রষ্টব্যসমূহ:
১ - এই সংস্করণের শুরুতে লেখকের জীবনী ড. ইহসান আব্বাসের তাহকীককৃত «ওয়াফায়াতুল আইয়ান» গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃত করা হয়েছে, হুবহু এভাবেই! এবং এটি তার (সম্পাদকের) ভূমিকা থেকে নেওয়া হয়নি।
২ - কায়রোর মাকতাবাতুল কুদসি ১৩৫৬ - ১৩৬৯ হিজরি সালের মধ্যে ধারাবাহিকভাবে ৩ খণ্ডে এই বইটি আগে প্রকাশ করেছিল।
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ রাখা হয়েছে]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ১৬)
المصرية سوى الْمُخْتَصر الْمَذْكُور وَله كتاب أَخْبَار الصَّحَابَة رضوَان الله عَلَيْهِم فِي سِتّ مجلدات كبار
وَلما وصلت إِلَى حلب فِي أَوَاخِر سنة سِتّ وَعشْرين وسِتمِائَة كَانَ عز الدّين الْمَذْكُور مُقيما بهَا فِي صُورَة الضَّيْف عِنْد الطواشي شهَاب الدّين طغريل الْخَادِم أتابك الْملك الْعَزِيز ابْن الْملك الظَّاهِر صَاحب حلب وَكَانَ الطواشي كثير الإقبال عَلَيْهِ حسن الِاعْتِقَاد فِيهِ مكرما لَهُ فاجتمعت بِهِ فَوَجَدته رجلا مكملا فِي الْفَضَائِل وكرم الْأَخْلَاق وَكَثْرَة التَّوَاضُع فلازمت الترداد إِلَيْهِ وَكَانَ بَينه وَبَين الْوَالِد رَحمَه الله تَعَالَى مؤانسة أكيدة فَكَانَ بِسَبَبِهَا يُبَالغ فِي الرِّعَايَة وَالْإِكْرَام ثمَّ إِنَّه سَافر إِلَى دمشق فِي أثْنَاء سنة سبع وَعشْرين ثمَّ عَاد إِلَى حلب فِي أثْنَاء سنة ثَمَان وَعشْرين فجريت مَعَه على عَادَة الترداد والملازمة وَأقَام قَلِيلا ثمَّ توجه إِلَى الْموصل
وَكَانَت وِلَادَته فِي رَابِع جُمَادَى الأول سنة خمس وَخمسين وَخَمْسمِائة بِجَزِيرَة ابْني عمر وهم من أَهلهَا وَتُوفِّي فِي شعْبَان سنة ثَلَاثِينَ وسِتمِائَة رَحمَه الله تَعَالَى بالموصل
মিশরীয় রচনাবলির মধ্যে উল্লিখিত সংক্ষিপ্তসার ব্যতীত তাঁর আর কোনো রচনা নেই। এবং সাহাবায়ে কেরামের (আল্লাহ তাঁদের ওপর সন্তুষ্ট হোন) সংবাদ সংবলিত ছয়টি বৃহৎ খণ্ডে তাঁর একটি গ্রন্থ রয়েছে।
আমি যখন ৬২৬ হিজরি সনের শেষভাগে হালবে পৌঁছালাম, তখন উল্লিখিত ইযযুদ্দীন সেখানে হালবের অধিপতি আল-মালিকুজ জাহিরের পুত্র আল-মালিকুল আযীযের আতাবেক, খাদেম শিহাবুদ্দীন তুঘরিল তাওয়াশীর নিকট মেহমান হিসেবে অবস্থান করছিলেন। উক্ত তাওয়াশী তাঁর প্রতি অত্যন্ত মনোযোগী ছিলেন, তাঁর প্রতি সুধারণা পোষণ করতেন এবং তাঁকে যথেষ্ট সম্মান করতেন। অতঃপর আমি তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করলাম এবং তাঁকে গুণাবলি, চারিত্রিক মহত্ত্ব ও অধিক বিনয়ের দিক থেকে একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে পেলাম। ফলে আমি তাঁর নিকট নিয়মিত যাতায়াত করতে শুরু করলাম। আমার পিতা (আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন) এবং তাঁর মধ্যে এক নিবিড় হৃদ্যতা ছিল, যার কারণে তিনি আমার প্রতি অতিশয় যত্ন ও সম্মান প্রদর্শন করতেন। অতঃপর তিনি ৬২৭ হিজরি সনের মাঝামাঝি সময়ে দামেস্কে সফর করেন এবং পুনরায় ৬২৮ হিজরি সনের মাঝামাঝি সময়ে হালবে ফিরে আসেন। তখন আমি আমার নিয়মিত অভ্যাস অনুযায়ী তাঁর নিকট যাতায়াত ও সঙ্গদান অব্যাহত রাখি। তিনি সেখানে অল্পকাল অবস্থান করার পর মসুলের অভিমুখে রওয়ানা হন।
তাঁর জন্ম ৫৫৫ হিজরি সনের ৪ঠা জমাদিউল আউয়াল তারিখে জাজিরাতে ইবনু ওমরে হয়েছিল এবং তাঁরা সেখানকারই অধিবাসী ছিলেন। তিনি ৬৩০ হিজরি সনের শাবান মাসে মসুলে ইন্তেকাল করেন, আল্লাহ তাআলা তাঁর ওপর রহম করুন।
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ১৭)
-
حرف الْألف-
-
بَاب الْأَلفَيْنِ وَمَا يثلثهما-
قلت فَاتَهُ
الآبجي بعد الْألف الممدودة بَاء مُوَحدَة مَفْتُوحَة وجيم - هَذِه النِّسْبَة إِلَى آبج مَوضِع بِبِلَاد الْعَجم ينْسب إِلَيْهِ أَبُو عبد الله بن مُحَمَّد بن محمويه الآبجي روى عَن أَبِيه وَغَيره روى عَنهُ أَبُو النَّصْر مُحَمَّد بن مُحَمَّد بن يُوسُف الْفَقِيه أخرج الْحَاكِم أَبُو عبد الله حَدِيثه فِي الأمالي
الآبري بِفَتْح الْألف الممدودة وَضم الْبَاء المنقوطة بِوَاحِدَة وَفِي آخرهَا الرَّاء الْمُهْملَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى آبر وَهِي قَرْيَة من قرى سجستان وَالْمَشْهُور بالانتساب إِلَيْهَا أَبُو الْحسن مُحَمَّد بن الْحُسَيْن بن إِبْرَاهِيم بن عَاصِم الآبري
الآبسكوني بِفَتْح الْألف الممدودة وَضم الْبَاء الْمُوَحدَة وَسُكُون السِّين الْمُهْملَة وَضم الْكَاف وَفِي آخرهَا النُّون - هَذِه النِّسْبَة إِلَى قَرْيَة أَو بليدَة على سَاحل الْبَحْر بنواحي طبرستان وإليها ينْسب بَحر آبسكون اشْتهر بِهَذِهِ النِّسْبَة أَبُو الْعَلَاء أَحْمد بن صَالح بن مُحَمَّد بن صَالح التَّمِيمِي الآبسكوني كَانَ ينزل بصور بَلْدَة على سَاحل بَحر الرّوم مِمَّا يَلِي الشَّام
الآبندوني بِفَتْح الْألف الممدودة وَالْبَاء الْمُوَحدَة وَسُكُون النُّون وَضم الدَّال الْمُهْملَة وَفِي آخرهَا النُّون - هَذِه النِّسْبَة إِلَى آبندون وَهِي قَرْيَة من قرى جرجان مِنْهَا أَبُو بكر أَحْمد بن مُحَمَّد بن عَليّ بن إِبْرَاهِيم بن يُوسُف بن سعيد الْجِرْجَانِيّ الآبندوني
-
আলিফ বর্ণ-
-
দুই আলিফ এবং তাদের পরবর্তী তৃতীয় বর্ণের অধ্যায়-
আমি বলছি, তিনি এটি ছেড়ে গেছেন:
আল-আবাজি: দীর্ঘ আলিফের পর একটি নুক্তাবিশিষ্ট 'বা' এর ওপর ফাতহা এবং এরপর 'জিম'—এই নিসবত বা সম্বন্ধটি পারস্যের আবাজ নামক একটি স্থানের দিকে। এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত করা হয় আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মাহমুওয়াইহ আল-আবাজিকে। তিনি তাঁর পিতা ও অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আবু আল-নাসর মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইউসুফ আল-ফকিহ। আল-হাকিম আবু আব্দুল্লাহ তাঁর হাদিস 'আল-আমালি' গ্রন্থে সংকলন করেছেন।
আল-আবারি: দীর্ঘ আলিফের ওপর ফাতহা এবং একটি নুক্তাবিশিষ্ট 'বা' এর ওপর দাম্মা এবং শেষে নুক্তাহীন 'রা'—এই নিসবতটি আবর নামক একটি গ্রামের দিকে, যা সিজিস্তানের গ্রামগুলোর অন্তর্ভুক্ত। এই নিসবতে প্রসিদ্ধ ব্যক্তি হলেন আবু আল-হাসান মুহাম্মাদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আসিম আল-আবারি।
আল-আবাসকুনি: দীর্ঘ আলিফের ওপর ফাতহা, একটি নুক্তাবিশিষ্ট 'বা' এর ওপর দাম্মা, নুক্তাহীন 'সিন' এর ওপর সুকুন, 'কাফ' এর ওপর দাম্মা এবং শেষে 'নুন'—এই নিসবতটি তাবারিস্তানের পার্শ্ববর্তী সমুদ্র উপকূলের একটি গ্রাম বা ছোট শহরের দিকে। এরই দিকে সম্বন্ধ করে আবাসকুন সাগর নামকরণ করা হয়েছে। এই নিসবতে প্রসিদ্ধি লাভ করেছেন আবু আল-আলা আহমাদ ইবনে সালিহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সালিহ আল-তামিমি আল-আবাসকুনি। তিনি রোম সাগরের উপকূলে সিরিয়ার নিকটবর্তী সুর নামক শহরে অবস্থান করতেন।
আল-আবানদুনি: দীর্ঘ আলিফ এবং একটি নুক্তাবিশিষ্ট 'বা' এর ওপর ফাতহা, 'নুন' এর ওপর সুকুন, নুক্তাহীন 'দাল' এর ওপর দাম্মা এবং শেষে 'নুন'—এই নিসবতটি আবানদুন নামক একটি গ্রামের দিকে, যা জুরজানের গ্রামগুলোর অন্তর্ভুক্ত। সেখানকারই একজন হলেন আবু বকর আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলি ইবনে ইব্রাহিম ইবনে ইউসুফ ইবনে সাঈদ আল-জুরজানি আল-আবানদুনি।
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ১৮)
الآبنوسي بِمد الْألف وَفتح الْبَاء الْمُوَحدَة أَو سكونها وَضم النُّون وَفِي آخرهَا السِّين الْمُهْملَة بعد الْوَاو - هَذِه النِّسْبَة إِلَى آبنوس وَهُوَ نوع من الْخشب البحري وَيعْمل مِنْهُ أَشْيَاء وانتسب جمَاعَة إِلَى تجارتها ونجارتها مِنْهُم أَبُو الْحُسَيْن مُحَمَّد بن أَحْمد بن مُحَمَّد بن عَليّ بن الآبنوسي الصَّيْرَفِي من أهل بَغْدَاد
الآبي بِالْألف الممدودة وَبعدهَا الْبَاء الْمُوَحدَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى آبة وَهِي قَرْيَة من قرى أَصْبَهَان هَكَذَا ذكره أَبُو بكر أَحْمد بن مُوسَى بن مرْدَوَيْه الْحَافِظ وَقَالَ غَيره إِن آبة قَرْيَة من ساوة مِنْهَا جرير بن عبد الحميد الآبي الضَّبِّيّ سكن الرّيّ
الْآجُرِيّ بِفَتْح الْألف الممدودة وَضم الْجِيم وَتَشْديد الرَّاء الْمُهْملَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى عمل الْآجر وَبيعه وَنسب إِلَى درب الْآجر أَيْضا وَالْمَشْهُور بِهَذَا الانتساب من القدماء أَبُو بكر مُحَمَّد بن خَالِد بن يزِيد الْآجُرِيّ
الآجنقاني بِالْألف الممدودة وَكسر الْجِيم وَسُكُون النُّون وَفتح الْقَاف - وَهِي قَرْيَة من قرى سرخس يُقَال لَهَا آجنكان مِنْهَا أَبُو الْفضل مُحَمَّد بن عبد الْوَاحِد الآجنقاني
الآخري بِفَتْح الْألف الممدودة وَضم الْخَاء وَفِي آخرهَا الرَّاء الْمُهْملَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى آخر وَهِي قَصَبَة دهستان بَين جرجان وبلاد خُرَاسَان هَكَذَا ذكره الْخَطِيب أَبُو بكر الْحَافِظ وَقَالَ السَّمْعَانِيّ وأظن أَنِّي قَرَأت بِخَط أبي عبد الله مُحَمَّد بن عبد الْوَاحِد الدقاق الْحَافِظ الْأَصْبَهَانِيّ أَن آخر قَرْيَة بدهستان وَهُوَ دخل تِلْكَ الْبِلَاد وَعرف الْمَوَاضِع وَالْمَشْهُور بِهَذَا الانتساب أَبُو الْقَاسِم إِسْمَاعِيل بن أَحْمد بن مُحَمَّد بن أَحْمد بن حَفْص بن عمر الآخري
الْآدَمِيّ بِمد الْألف وَفتحهَا وَفتح الدَّال الْمُهْملَة وَفِي آخرهَا الْمِيم - هَذِه النِّسْبَة إِلَى آدم وَهُوَ اسْم لبَعض أجداد المنتسب إِلَيْهِ وَإِن كَانَت هَذِه
আল-আবানুসী: আলিফ-এর দীর্ঘ উচ্চারণ (মদ), বা-এর যবর (ফাতহা) অথবা জযম (সুকুন), নূন-এর পেশ (যম্মা) এবং শেষে ওয়ಾವ್-এর পর নুক্তাহীন সীন সহযোগে। এই নিসবত বা সম্বন্ধটি 'আবানুস' (আবলুস)-এর দিকে, যা এক প্রকার সামুদ্রিক কাঠ এবং তা দিয়ে বিভিন্ন জিনিস তৈরি করা হয়। একদল মানুষ এর ব্যবসা ও কাঠমিস্ত্রির কাজের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন, তাদের মধ্যে বাগদাদের অধিবাসী আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-আবানুসী আস-সাইরাফী অন্যতম।
আল-আবী: দীর্ঘ আলিফ এবং এরপর বা সহযোগে। এই নিসবতটি 'আবাহ' এর দিকে, যা ইসফাহানের গ্রামগুলোর মধ্যে একটি। হাফেজ আবু বকর আহমাদ বিন মুসা বিন মারদাওয়াইহ এভাবেই উল্লেখ করেছেন। অন্যরা বলেছেন যে, আবাহ হলো সাওয়াহ অঞ্চলের একটি গ্রাম। এখান থেকেই আগত জারীর বিন আব্দুল হামিদ আল-আবী আদ-দাব্বী রাই শহরে বসবাস করতেন।
আল-আজুররী: দীর্ঘ আলিফ-এর যবর, জীম-এর পেশ এবং নুক্তাহীন রা-এর তাশদীদ সহযোগে। এই নিসবতটি ইট (আজুর) তৈরি ও বিক্রয়ের সাথে সম্পর্কিত। এছাড়া একে 'দারব আল-আজুর' (ইটের গলি)-এর দিকেও সম্বন্ধ করা হয়। প্রাচীনদের মধ্যে এই নিসবতে প্রসিদ্ধ ব্যক্তি হলেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন খালিদ বিন ইয়াযীদ আল-আজুররী।
আল-আজানকানী: দীর্ঘ আলিফ, জীম-এর যের (কাসরা), নূন-এর জযম (সুকুন) এবং কাফ-এর যবর সহযোগে। এটি সারাখস অঞ্চলের একটি গ্রাম যাকে আজানকান বলা হয়। এখান থেকেই আগত আবু আল-ফজল মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-আজানকানী।
আল-আখুরী: দীর্ঘ আলিফ-এর যবর, খা-এর পেশ এবং শেষে নুক্তাহীন রা সহযোগে। এই নিসবতটি 'আখুর'-এর দিকে, যা জুরজান ও খুরাসান অঞ্চলের মধ্যবর্তী দিহিস্তানের একটি প্রধান শহর। হাফেজ আল-খাতীব আবু বকর এভাবেই বর্ণনা করেছেন। আস-সামআনী বলেছেন, আমার মনে পড়ে আমি হাফেজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আদ-দাক্কাক আল-আসফাহানীর হস্তলিপিতে পড়েছি যে, আখুর দিহিস্তানের একটি গ্রাম। তিনি সেই অঞ্চলে ভ্রমণ করেছেন এবং স্থানগুলো সম্পর্কে অবগত ছিলেন। এই নিসবতে প্রসিদ্ধ ব্যক্তি হলেন আবু আল-কাসিম ইসমাঈল বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন হাফস বিন উমর আল-আখুরী।
আল-আদমী: আলিফ-এর দীর্ঘ উচ্চারণ ও যবর, নুক্তাহীন দাল-এর যবর এবং শেষে মীম সহযোগে। এই নিসবতটি 'আদম' নামের দিকে, যিনি এই নিসবত গ্রহণকারীর জনৈক পূর্বপুরুষ ছিলেন, যদিও এটি...
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ১৯)
النِّسْبَة لجَمِيع ولد آدم عليه السلام وَلَكِن اخْتصَّ بِهَذِهِ النِّسْبَة رجل وَهُوَ أَبُو بكر أَحْمد بن مُحَمَّد بن آدم بن عبد الله الْآدَمِيّ الشَّاشِي من أهل الشاش نسب إِلَى جده آدم
قلت فَاتَهُ نسب أبي الْقَاسِم عَليّ بن عمر بن إِسْحَاق يلقب بِآدَم وَيعرف بالآدمي الاستراباذي وَيُقَال لَهُ الهمذاني أَيْضا رَحل فِي طلب الحَدِيث فَسمع فاروقا الْخطابِيّ وَأَبا بكر الْقطيعِي وَغَيرهمَا
الآذرمي بِمد الْألف وَفتح الذَّال الْمُعْجَمَة وَسُكُون الرَّاء وَفِي آخرهَا الْمِيم هَذِه النِّسْبَة إِلَى آذرم وظني أَنَّهَا من قرى أذنة بَلْدَة من الثغر مِنْهَا أَبُو عبد الرَّحْمَن عبد الله بن مُحَمَّد بن إِسْحَاق الآذرمي قلت إِنَّمَا هُوَ بِهَمْزَة مَفْتُوحَة غير ممدودة سَيذكرُ فِي بَابه
الآذيني بِالْألف الممدودة والذال الْمُعْجَمَة الْمَكْسُورَة بعْدهَا الْيَاء آخر الْحُرُوف الساكنة وَالنُّون - هَذِه النِّسْبَة إِلَى آذينوه وَهُوَ اسْم لجد أَحْمد بن الْحسن بن آذينوه الْأَصْبَهَانِيّ الآذيني نزل نَصِيبين يروي عَن أبي بكر أَحْمد بن عِيسَى بن زيد اللَّخْمِيّ الخشاب التنيسِي روى عَنهُ إِبْرَاهِيم بن مُحَمَّد بن حَمْزَة الْحَافِظ الْأَصْبَهَانِيّ وَكتب عَنهُ فِي رحلته إِلَى نَصِيبين م
الآذيوخاني بِمد الْألف وَكسر الذَّال الْمُعْجَمَة وَضم الْيَاء المنقوطة بِاثْنَتَيْنِ من تحتهَا وَسُكُون الْوَاو وَفتح الْخَاء الْمُعْجَمَة وَفِي آخرهَا النُّون - هَذِه النِّسْبَة إِلَى آذيوخان قَالَ وظني أَنَّهَا من قرى نهاوند مِنْهَا أَبُو سعد الْفضل بن عبد الله بن عَليّ بن عمر بن عبد الله بن يُوسُف الآذيوخاني
الآرهني بِمد الْألف وَسُكُون الرَّاء أَو كسرهَا وَفتح الْهَاء وَفِي آخرهَا النُّون - هَذِه النِّسْبَة إِلَى آرهن وَهِي من قرى طخارستان بَلخ خرج مِنْهَا
এই নিসবতটি (সম্বন্ধ) আদম আলাইহিস সালামের সকল সন্তানের জন্যই প্রযোজ্য, তবে এই নিসবতের সাথে একজন ব্যক্তি বিশেষভাবে বিশিষ্ট হয়েছেন, তিনি হলেন আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আদম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আদামী আশ-শাশী। তিনি শাশের অধিবাসী ছিলেন এবং তাঁর দাদা আদমের দিকে সম্বন্ধিত হয়েছেন।
আমি বলি, লেখক আবুল কাসেম আলী ইবনে উমর ইবনে ইসহাকের নিসবত উল্লেখ করতে ভুলে গেছেন, যাঁর উপাধি ছিল আদম এবং তিনি আল-আদামী আল-ইস্তরাবাদি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁকে আল-হামদানিও বলা হতো। তিনি হাদিস সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সফর করেছেন এবং ফারুক আল-খাত্তাবি, আবু বকর আল-কুতায়ি ও অন্যান্যদের নিকট থেকে হাদিস শুনেছেন।
আল-আযরামী (আলিফ মদ্সহ, যাল বর্ণে ফাতহা, রা বর্ণে সাকিন এবং শেষে মীম): এই নিসবতটি আযরামের দিকে। আমার ধারণা এটি সীমান্ত এলাকার শহর আদানাহ-এর একটি গ্রাম। সেই জনপদের অন্তর্ভুক্ত হলেন আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-আযরামী। আমি বলি, এটি মূলত মদ্ বিহীন ফাতহা যুক্ত হামযা দিয়ে হবে, যা অচিরেই তার নিজ অধ্যায়ে আলোচিত হবে।
আল-আযীনী (আলিফ মদ্সহ, যাল বর্ণে কাসরা, এরপর সুকুন যুক্ত ইয়া এবং নূন): এই নিসবতটি আযীনুহ-এর দিকে। এটি আহমদ ইবনে হাসান ইবনে আযীনুহ আল-আসবাহানি আল-আযীনীর দাদার নাম। তিনি নাসিবিনে বসবাস করতেন। তিনি আবু বকর আহমদ ইবনে ঈসা ইবনে যায়িদ আল-লাখমি আল-খাশ্শাব আত-তান্নীসি থেকে বর্ণনা করেন। তাঁর থেকে ইবরাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হামযাহ আল-হাফিজ আল-আসবাহানি বর্ণনা করেছেন এবং নাসিবিন সফরের সময় তাঁর থেকে হাদিস লিখে নিয়েছেন।
আল-আযীউখানি (আলিফ মদ্সহ, যাল বর্ণে কাসরা, দুই নুক্তা বিশিষ্ট ইয়া বর্ণে পেশ, ওয়াও বর্ণে সাকিন, খা বর্ণে ফাতহা এবং শেষে নূন): এই নিসবতটি আযীউখান-এর দিকে। লেখক বলেন, আমার ধারণা এটি নাহাওয়ান্দ-এর একটি গ্রাম। সেই জনপদের অন্তর্ভুক্ত হলেন আবু সাদ আল-ফাযল ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আলী ইবনে উমর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ আল-আযীউখানি।
আল-আরাহানী (আলিফ মদ্সহ, রা বর্ণে সাকিন অথবা কাসরা, হা বর্ণে ফাতহা এবং শেষে নূন): এই নিসবতটি আরাহান-এর দিকে। এটি বালখের তুখারিস্তানের অন্তর্ভুক্ত একটি গ্রাম। সেখান থেকে আত্মপ্রকাশ করেছেন...
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ২০)
جمَاعَة من الْعلمَاء مِنْهُم أَبُو
… كَانَ إِمَامًا مفتيا صَار شيخ الْإِسْلَام ببلخ م
الآزاذاني بِالْألف الممدودة وَالزَّاي الْمَفْتُوحَة والذال الْمُعْجَمَة بَين الْأَلفَيْنِ وَفِي آخرهَا النُّون - هَذِه النِّسْبَة إِلَى آزذان وَهِي قَرْيَة من قرى أَصْبَهَان إِن شَاءَ الله مِنْهَا أَبُو عبد الرَّحْمَن قُتَيْبَة بن مهْرَان الآزاذاني المقرىء
الآزاذواري بِمد الْألف وَفتح الزَّاي وَسُكُون الذَّال الْمُعْجَمَة وَفِي آخرهَا الرَّاء - هَذِه النِّسْبَة إِلَى آزاذوار وَهِي قَرْيَة مَعْرُوفَة من قرى جُوَيْن من نواحي نيسابور مِنْهَا إِبْرَاهِيم بن عبد الرَّحْمَن بن سهل الآزاذواري أَبُو مُوسَى
الآسي بِمد الْألف وَفِي آخرهَا السِّين الْمُهْملَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى الآس وَهُوَ مُحَمَّد بن عَليّ بن عبد القاهر بن الْخضر بن عَليّ الفرضي الآسي الْمَعْرُوف بِابْن آسه وَإِنَّمَا عرف بِهَذَا لِأَن جده ولد تَحت آسة يَعْنِي شَجَرَة الآس وَهُوَ من أهل بَغْدَاد
الآغزوني بِمد الْألف وَفتح الْغَيْن الْمُعْجَمَة وَضم الزَّاي وَفِي آخرهَا النُّون - هَذِه النِّسْبَة إِلَى آغزون وَهِي قَرْيَة من قرى بُخَارى مِنْهَا أَبُو عبد الله عبد الْوَاحِد بن مُحَمَّد بن عبد الله بن أَيمن بن عبد الله بن مرّة بن الْأَحْنَف بن قيس التَّمِيمِي الآغزوني قلت وَقد ذكر فِي الأغذونى بِالْقصرِ والذال الْمُعْجَمَة حافد هَذَا عبد الْوَاحِد وَهُوَ حاشد بن عبد الله الْقصير ابْن عبد الْوَاحِد بن مُحَمَّد وَقد ذكرنَا الْكَلَام عَلَيْهِ هُنَاكَ فليطلب مِنْهُ
الآفراني بِمد الْألف وَضم الْفَاء وبالراء وَفِي آخرهَا نون - هَذِه النِّسْبَة إِلَى قَرْيَة بنسف يُقَال لَهَا آفران على فَرسَخ مِنْهَا كَانَ بهَا جمَاعَة من الْعلمَاء
একদল আলেম, তাদের মধ্যে আবু
... তিনি ইমাম ও মুফতি ছিলেন এবং বলখে শাইখুল ইসলাম হয়েছিলেন।
আল-আযাযানি: দীর্ঘ আলিফ, যবরযুক্ত যা এবং দুই আলিফের মাঝে নুক্তাযুক্ত যাল সহকারে, শেষে নুন। এই নিসবতটি আযাযান-এর দিকে, যা আস্পাহানের গ্রামগুলোর একটি, ইনশাআল্লাহ। সেখান থেকে (আবির্ভূত হয়েছেন) ক্বারী আবু আব্দুর রহমান কুতাইবা ইবনে মিহরান আল-আযাযানি।
আল-আযাযাওয়ারি: দীর্ঘ আলিফ, যবরযুক্ত যা এবং সাকিনযুক্ত নুক্তাযুক্ত যাল সহকারে, শেষে রা। এই নিসবতটি আযাযাওয়ার-এর দিকে, যা নিশাপুরের পার্শ্ববর্তী জুওয়াইন অঞ্চলের একটি পরিচিত গ্রাম। সেখান থেকে (আবির্ভূত হয়েছেন) আবু মুসা ইবরাহিম ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে সাহল আল-আযাযাওয়ারি।
আল-আসি: দীর্ঘ আলিফ এবং শেষে নুক্তাবিহীন সিন সহকারে। এই নিসবতটি আল-আস এর সাথে সম্পৃক্ত, আর তিনি হলেন মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আব্দুল কাহির ইবনে আল-খিদর ইবনে আলী আল-ফারাযি আল-আসি, যিনি ইবনে আসাহ নামে পরিচিত। তাকে এই নামে পরিচিতি দেওয়ার কারণ হলো, তার দাদা একটি আসাহ অর্থাৎ আস গাছের নিচে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি বাগদাদের অধিবাসী ছিলেন।
আল-আগযুনি: দীর্ঘ আলিফ, যবরযুক্ত নুক্তাযুক্ত গাইন এবং পেশযুক্ত যা সহকারে, শেষে নুন। এই নিসবতটি আগযুন-এর দিকে, যা বুখারার গ্রামগুলোর একটি। সেখান থেকে (আবির্ভূত হয়েছেন) আবু আব্দুল্লাহ আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আয়মান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুররা ইবনে আহনাফ ইবনে কাইস আল-তামিমি আল-আগযুনি। আমি বলছি, আল-আগযুনি (হ্রস্ব আলিফ ও নুক্তাযুক্ত যাল সহকারে) এ এই আব্দুল ওয়াহিদের পৌত্রকে উল্লেখ করা হয়েছে, আর তিনি হলেন হাশেদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-কাসির ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে মুহাম্মদ। আমি সেখানে তার ব্যাপারে আলোচনা উল্লেখ করেছি, তাই সেখান থেকে তা অনুসন্ধান করা উচিত।
আল-আফরানি: দীর্ঘ আলিফ, পেশযুক্ত ফা এবং রা সহকারে, শেষে নুন। এই নিসবতটি নাসাফ-এর একটি গ্রামের দিকে যাকে আফরান বলা হয়, যা সেখান থেকে এক ফারসাখ দূরে অবস্থিত। সেখানে একদল আলেম ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ২১)
والمحدثين قَدِيما وحديثا فَمنهمْ أَبُو مُوسَى الوثير بن الْمُنْذر بن جنك بن رمانة الآفراني النَّسَفِيّ
الآلوزاني بِفَتْح الْألف وَاللَّام وَضم الْوَاو وَفتح الزَّاي وَفِي آخرهَا النُّون - هَذِه النِّسْبَة إِلَى آلوزان وَهِي قَرْيَة من قرى سرخس مِنْهَا سُورَة ابْن الْحسن الآلوزاني يروي عَن مُحَمَّد بن الْحسن صَاحب أبي حنيفَة م
الآليني بِمد الْألف وَكسر اللَّام وَسُكُون الْيَاء المنقوطة بِاثْنَتَيْنِ من تحتهَا وَفِي آخرهَا النُّون - هَذِه النِّسْبَة إِلَى آلين وَهِي إِحْدَى قرى مرو من أَسْفَل نهر خارقان مِنْهَا فرات بن النَّضر الآليني كَانَ يلْزم عبد الله بن الْمُبَارك
الْآمِدِيّ بِمد الأف وَكسر الْمِيم وَفِي آخرهَا الدَّال الْمُهْملَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى آمد وَهِي مَدِينَة من ديار بكر خرج مِنْهَا جمَاعَة من الْعلمَاء فِي كل فن مِنْهُم أَبُو بكر مُحَمَّد بن عُثْمَان الْآمِدِيّ وَغَيره
الآمري بِفَتْح الْهمزَة ومدها وَكسر الْمِيم وَفِي آخرهَا الرَّاء على وزن العامري - هَذِه اللَّفْظَة تشبه النِّسْبَة وَهُوَ الآمري بن مهرَة بن حيدان بن عَمْرو بن الحاف بن قضاعة من وَلَده الْمُهلب بن العبيثر من بني الْقَمَر بن يلطومي بن الآمري قَالَه ابْن مَاكُولَا
قلت فَاتَهُ
الآمرية وَهِي نِسْبَة إِلَى الْآمِر بِأَحْكَام الله أبي عَليّ الْمَنْصُور بن المستعلي بِاللَّه أبي الْقَاسِم أَحْمد بن الْمُسْتَنْصر بِاللَّه أبي تَمِيم معد بن الظَّاهِر لإعزاز دين الله أبي الْحسن عَليّ بن الْحَاكِم بِأَمْر الله أبي عَليّ الْمَنْصُور بن الْعَزِيز بِاللَّه أبي الْمَنْصُور نزار ابْن الْمعز لدين الله أبي تَمِيم معد بن الْمَنْصُور بِاللَّه أبي الطَّاهِر إِسْمَاعِيل بن الْقَائِم بِأَمْر الله أبي الْقَاسِم مُحَمَّد بن الْمهْدي بِاللَّه أبي مُحَمَّد عبيد الله الْعلوِي كَانَ الْآمِر وآباؤه من الْمعز وَمن بعده قد ملكوا مصر وخطب لَهُم فِيهَا بالخلافة وَمن فَوق الْمعز الْمهْدي وَمن بعده قد ملكوا أفريقية وخطب لَهُم فِيهَا بالخلافة وأخبارهم
...এবং প্রাচীন ও আধুনিক যুগের মুহাদ্দিসগণ। তাদের মধ্যে একজন হলেন আবু মুসা আল-ওয়াসীর বিন আল-মুনজির বিন জাঙ্ক বিন রুমানা আল-আফরানি আন-নাসাফি।
আল-আলুজানি (আলিফ ও লামের ফাতহাহ, ওয়াও-এর যম্মাহ, যা-এর ফাতহাহ এবং শেষে নুন সহযোগে) — এই নিসবতটি 'আলুজান'-এর দিকে, যা সারাখস-এর গ্রামসমূহের একটি। এই বংশের অন্তর্ভুক্ত হলেন সুরাহ বিন আল-হাসান আল-আলুজানি, যিনি আবু হানিফার সহচর মুহাম্মদ ইবনুল হাসান থেকে বর্ণনা করেন।
আল-আলিনি (আলিফের মাদ, লামের কাসরাহ, নিচে দুই নুকতাযুক্ত ইয়া-এর সুকুন এবং শেষে নুন সহযোগে) — এই নিসবতটি 'আলিন'-এর দিকে, যা মার্ভ-এর অন্যতম গ্রাম এবং খারকান নদীর ভাটি অঞ্চলে অবস্থিত। এই বংশের অন্তর্ভুক্ত হলেন ফুরাত ইবনুন নাসর আল-আলিনি, যিনি আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারকের সান্নিধ্যে থাকতেন।
আল-আমিদি (আলিফের মাদ, মিমের কাসরাহ এবং শেষে নুকতাহীন দাল সহযোগে) — এই নিসবতটি 'আমিদ'-এর দিকে, যা দিয়ার বকর অঞ্চলের একটি শহর। সেখান থেকে প্রতি বিষয়ে একদল আলেম বের হয়েছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন উসমান আল-আমিদি এবং আরও অনেকে।
আল-আমিরি (হামজার ফাতহাহ ও মাদ, মিমের কাসরাহ এবং শেষে রা সহযোগে, 'আমিরি' শব্দের ওজনে) — এই শব্দটি নিসবত বা সম্বন্ধের সদৃশ। তিনি হলেন আমিরি বিন মাহরাহ বিন হায়দান বিন আমর বিন আল-হাফ বিন কুদাআহ। তার সন্তানদের মধ্যে মুহাল্লাব বিন আল-উবাইসার আল-কামার বিন ইয়ালতুমি বিন আমিরি বংশের অন্তর্ভুক্ত। ইবনে মাকুলা এটি উল্লেখ করেছেন।
আমি বলছি, তিনি এটি উল্লেখ করতে বাদ দিয়েছেন:
আল-আমিরিয়্যাহ; এটি আল-আমির বি-আহকামিল্লাহ আবু আলী আল-মানসুর বিন আল-মুস্তালি বিল্লাহ আবু আল-কাসিম আহমাদ বিন আল-মুসতানসির বিল্লাহ আবু তামিম মা'দ বিন আজ-জাহির লি-ই'জাজি দিনিল্লাহ আবু আল-হাসান আলী বিন আল-হাকিম বি-আমরিল্লাহ আবু আলী আল-মানসুর বিন আল-আজিজ বিল্লাহ আবু আল-মানসুর নিযার ইবনুল মুইজ লি-দিনিল্লাহ আবু তামিম মা'দ বিন আল-মানসুর বিল্লাহ আবু আত-তাহির ইসমাইল বিন আল-কায়েম বি-আমরিল্লাহ আবু আল-কাসিম মুহাম্মদ বিন আল-মাহদি বিল্লাহ আবু মুহাম্মদ উবায়দুল্লাহ আল-আলাভির প্রতি সম্বন্ধযুক্ত। আল-আমির এবং তার পূর্বপুরুষগণ আল-মুইজ থেকে শুরু করে পরবর্তীগণ মিশরের অধিপতি ছিলেন এবং সেখানে তাদের নামে খিলাফতের খুতবা পাঠ করা হতো। আর আল-মুইজের ঊর্ধ্বে আল-মাহদি এবং তার উত্তরসূরিগণ আফ্রিকা শাসন করেছেন এবং সেখানেও তাদের নামে খিলাফতের খুতবা দেওয়া হতো। তাদের বৃত্তান্ত...
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ২২)
مَشْهُورَة فِي التواريخ وَإِنَّمَا قيل لهَذِهِ الطَّائِفَة آمرية لأَنهم يَعْتَقِدُونَ إلهية الْآمِر وَعوده إِلَى الدُّنْيَا ورجعته إِلَيْهَا وَملكه لَهَا وهم كَثِيرُونَ إِلَى الْآن
فَاتَهُ الآمري نِسْبَة إِلَى الْآمِر وَهُوَ الْمطعم بن حرَام بن جذام بطن من جذام حرَام بِفَتْح الْحَاء الْمُهْملَة وبالراء
الآملي بِمد الْألف الْمَفْتُوحَة وَضم الْمِيم - هَذِه النِّسْبَة إِلَى موضِعين أَحدهمَا آمل طبرستان وَهِي القصبة للناحية خرج مِنْهَا جمَاعَة من الْعلمَاء فِي كل فن وَأكْثر من ينْسب إِلَيْهَا يعرف بالطبري وطبرستان اسْم للناحية وَأكْثر أهل الْعلم من أهل طبرستان من آمل وَالثَّانِي آمل جيحون وَيَقُول لَهَا النَّاس آموية وَيُقَال لَهَا آمل الشط أَيْضا وآمل الْمَفَازَة لِأَنَّهَا على طرف الْبَريَّة فَمِمَّنْ ينْسب إِلَى الأول أَحْمد بن عَبدة الآملي يروي عَن عبد الله بن عُثْمَان روى عَنهُ أَبُو دَاوُد السجسْتانِي وَمِمَّنْ ينْسب إِلَى الثَّانِي عبد الله بن حَمَّاد الآملي روى عَن يحيى بن معِين وَغَيره
الآمويي آموية بِالْألف الممدودة وَالْمِيم المضمومة وَالْيَاء الْمُعْجَمَة بنقطتين من تحتهَا - بَلْدَة على طرف جيحون مِمَّا يَلِي مرو اشتهرت بِهَذَا الِاسْم وَالصَّحِيح أَنَّهَا آمل جيحون وَالنِّسْبَة إِلَيْهَا آملي على مَا ذكرنَا فَمِمَّنْ ينْسب إِلَى آمل جيحون خلف بن مُحَمَّد الْخيام
-
بَاب الْألف وَالْبَاء-
الأباحتي بِالْبَاء الْمُوَحدَة الْمَفْتُوحَة بَين الْأَلفَيْنِ وَفتح الْحَاء الْمُهْملَة وَفِي آخرهَا التَّاء ثَالِث الْحُرُوف - هَذِه النِّسْبَة إِلَى طَائِفَة من الْكَفَرَة الملعونة لِأَن هَذِه النِّسْبَة إِلَى إِبَاحَة الْأَشْيَاء الَّتِي حرمهَا الشَّرْع وَيَقُولُونَ اعْمَلُوا مَا شِئْتُم وَلَا جنَاح عَلَيْكُم
এটি ইতিহাসে প্রসিদ্ধ। আর এই গোষ্ঠীকে আমিরিয়া বলা হয়, কারণ তারা আল-আমিরের ইলাহ হওয়া এবং দুনিয়ায় তাঁর প্রত্যাবর্তন, ফিরে আসা ও রাজত্ব করার বিশ্বাস পোষণ করে। তারা এখন পর্যন্ত সংখ্যায় অনেক।
আল-আমেরি নিসবতটি (সম্বন্ধ) লেখক থেকে বাদ পড়েছে, যা আল-আমিরের দিকে সম্বন্ধযুক্ত; আর তিনি হলেন আল-মুতয়িম বিন হারাম বিন জুজাম, যা জুজামের একটি শাখা। হারাম শব্দটি নুক্তাহীন হা বর্ণের উপর ফাতহা এবং রা বর্ণ যোগে।
আল-আমুলি: আলিফের ওপর মদ ও ফাতহা এবং মিমে পেশ যোগে। এই সম্বন্ধটি দুটি স্থানের দিকে করা হয়। প্রথমটি তাবারিস্তানের আমুল, যা সেই অঞ্চলের প্রধান শহর; সেখান থেকে প্রতিটি শাস্ত্রে একদল আলেম বের হয়েছেন। যারা এই স্থানের দিকে সম্বন্ধযুক্ত হন, তাদের অধিকাংশই তাবারী নামে পরিচিত। তাবারিস্তান হলো সেই অঞ্চলের নাম, আর তাবারিস্তানের অধিকাংশ আলেম আমুলের অধিবাসী। দ্বিতীয়টি হলো জাইহুনের আমুল, যাকে মানুষ আমুয়িয়াহ বলে থাকে। একে আমুলুশ শাত এবং আমুলুল মাফাযাহ-ও বলা হয়, কারণ এটি মরুভূমির প্রান্তে অবস্থিত। প্রথম স্থানের দিকে সম্বন্ধযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন আহমাদ বিন আবদাহ আল-আমুলি, যিনি আব্দুল্লাহ বিন উসমান থেকে বর্ণনা করেন এবং তাঁর থেকে আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি বর্ণনা করেছেন। আর দ্বিতীয় স্থানের দিকে সম্বন্ধযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন হাম্মাদ আল-আমুলি, যিনি ইয়াহইয়া বিন মাইন ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন।
আল-আমুয়ি: আলিফ মামদুদা, মিমে পেশ এবং নিচে দুই নুক্তাযুক্ত ইয়া যোগে। এটি জাইহুনের তীরে মার্ভ-এর নিকটবর্তী একটি শহর, যা এই নামেই প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। সঠিক কথা হলো এটিই জাইহুনের আমুল, আর এর নিসবত হলো আমুলি, যেমনটি আমরা উল্লেখ করেছি। জাইহুনের আমুলের দিকে সম্বন্ধযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন খালাফ বিন মুহাম্মদ আল-খাইয়াম।
-
আলিফ ও বা অধ্যায়-
আল-আবাহাতি: দুই আলিফের মাঝে ফাতহা যুক্ত এক নুক্তাওয়ালা বা, এবং নুক্তাহীন হা বর্ণের উপর ফাতহা ও শেষে তৃতীয় বর্ণ তা যোগে। এই সম্বন্ধটি একদল অভিশপ্ত কাফিরের দিকে, কারণ এই নিসবতটি শরীয়ত কর্তৃক হারামকৃত বিষয়াবলিকে বৈধ করার দিকে ইঙ্গিত করে। তারা বলে: তোমরা যা ইচ্ছা করো, তোমাদের ওপর কোনো গুনাহ নেই।
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ২৩)
الْأَبَّار بِفَتْح الْألف وَتَشْديد الْبَاء المنقوطة بِوَاحِدَة وَفِي آخرهَا الرَّاء - هَذِه النِّسْبَة إِلَى عمل الإبر وَهِي جمع الإبرة الَّتِي يخاط بهَا الثِّيَاب مِمَّن ينْسب إِلَيْهَا أَحْمد بن عَليّ الْأَبَّار يروي عَنهُ دعْلج بن أَحْمد وَقيل هُوَ نِسْبَة إِلَى أبار النّخل وَهُوَ خطأ
الإباضي بِكَسْر الْألف وَفتح الْبَاء الْمُوَحدَة وَفِي آخرهَا الضَّاد الْمُعْجَمَة هَذِه النِّسْبَة إِلَى جمَاعَة من الْخَوَارِج يُقَال لَهُم الإباضية وهم أَصْحَاب الْحَارِث الإباضي وَيُقَال لهَذِهِ الْفرْقَة الحارثية أَيْضا والإباضية جمَاعَة مُخْتَلفَة العقائد يكفر بَعضهم بَعْضًا
الأباوردي بِفَتْح الْبَاء الْمُوَحدَة بَين الْأَلفَيْنِ بعدهمَا الْوَاو الْمَفْتُوحَة وَسُكُون الرَّاء وَفِي آخرهَا الدَّال الْمُهْملَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى بليدَة بخراسان يُقَال لَهَا باورد وَيلْحق فِي أَولهَا الْألف وَيُقَال لَهَا أبيورد أَيْضا وَهُوَ الْأَشْهر وَقد ذكر على الْوُجُوه الثَّلَاثَة واشتهر بِهَذِهِ النِّسْبَة الَّتِي فِي هَذِه التَّرْجَمَة أَبُو طَاهِر مُحَمَّد بن عبد الله بن مُحَمَّد بن الْعَبَّاس بن مُوسَى بن إِبْرَاهِيم الْوراق الأباوردي الْمَعْرُوف بِابْن أبي القطري
الْأَبَح بِفَتْح الْألف وَالْبَاء المنقوطة بِوَاحِدَة وَفِي آخرهَا الْحَاء الْمُشَدّدَة الْمُهْملَة والأبح الرجل الْمُتَغَيّر الصَّوْت من بحة فِيهِ وَعرف بِهَذِهِ الصّفة عمر ابْن حَمَّاد بن سعيد الْأَبَح عداده فِي أهل الْبَصْرَة م
قلت فَاتَهُ
الأبدي بِضَم الْهمزَة وَتَشْديد الْبَاء الْمُوَحدَة وَبعدهَا دَال مُهْملَة - نِسْبَة إِلَى أبدة مَدِينَة بالأندلس من كورة جيان بناها عبد الرَّحْمَن بن الحكم وجددها ابْنه مُحَمَّد ينْسب إِلَيْهَا أَبُو الْعَبَّاس أَحْمد بن البني الأبدي روى عَنهُ أَبُو مُحَمَّد عبد الحميد بن مُحَمَّد بن عبد الحميد الْأمَوِي شيخ الْحَافِظ أبي طَاهِر السلَفِي
الأبذوي بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْبَاء المنقوطة بِوَاحِدَة وَفتح الذَّال
আল-আব্বারি: আলিফ যবর যুক্ত, এক নুকতাযুক্ত বা বর্ণে তাশদীদ এবং শেষে রা রয়েছে। এই নিসবতটি (সম্বন্ধ) সুঁই তৈরির পেশার সাথে সম্পৃক্ত। এটি ‘ইবরাহ’ শব্দের বহুবচন, যা দিয়ে কাপড় সেলাই করা হয়। যারা এই নিসবতে পরিচিত তাদের মধ্যে রয়েছেন আহমাদ বিন আলী আল-আব্বারি, তাঁর থেকে দু’লাজ বিন আহমাদ বর্ণনা করেছেন। বলা হয়ে থাকে যে, এটি খেজুর গাছের পরাগায়নকারীর (আব্বারি) দিকে নিসবত করা হয়েছে, তবে তা ভুল।
আল-ইবাদি: আলিফের নিচে যের, এক নুকতাযুক্ত বা বর্ণে যবর এবং শেষে নুকতাযুক্ত দ্বদ রয়েছে। এই নিসবতটি খাওয়ারিজদের একটি দলের দিকে করা হয় যাদেরকে ইবাদিয়া বলা হয়। তারা হারিস আল-ইবাদির অনুসারী। এই দলটিকে হারিসিয়াও বলা হয়। ইবাদিয়া গোষ্ঠীটি বিভিন্ন আকিদায় বিভক্ত, তারা একে অপরকে কাফির সাব্যস্ত করে।
আল-আবাওয়ারদি: দুই আলিফের মাঝখানে এক নুকতাযুক্ত বা বর্ণে যবর, এরপর ওয়াও যবর যুক্ত, রা সাকিন এবং শেষে দাল রয়েছে। এই নিসবতটি খোরাসানের একটি ছোট শহরের দিকে, যাকে বাওয়ার্দ বলা হয়। এর শুরুতে আলিফ যুক্ত করা হয় এবং একে আবিওয়ার্দও বলা হয়, যা অধিক প্রসিদ্ধ। এটি এই তিনটি রূপেই উল্লিখিত হয়েছে। এই নিসবতে যিনি প্রসিদ্ধি লাভ করেছেন তিনি হলেন আবু তাহির মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্বাস বিন মুসা বিন ইব্রাহিম আল-ওয়াররাক আল-আবাওয়ারদি, যিনি ইবনে আবিল কাতারি নামে পরিচিত।
আল-আবাহ: আলিফ ও এক নুকতাযুক্ত বা বর্ণে যবর এবং শেষে তাশদীদযুক্ত হা রয়েছে। ‘আবাহ’ সেই ব্যক্তিকে বলা হয় যার কণ্ঠস্বর কর্কশতা বা স্বরভঙ্গের কারণে পরিবর্তিত হয়ে গেছে। এই বৈশিষ্ট্যে পরিচিত হয়েছেন উমর ইবনে হাম্মাদ বিন সাঈদ আল-আবাহ, তিনি বসরার অধিবাসীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
আমি বলছি, এটি তার (মূল লেখকের) দৃষ্টি এড়িয়ে গেছে।
আল-উবাদি: হামযায় পেশ, এক নুকতাযুক্ত বা বর্ণে তাশদীদ এবং এরপর দাল রয়েছে। এটি আন্দালুসের জিয়ান প্রদেশের উবাদা শহরের দিকে নিসবত। শহরটি আব্দুর রহমান বিন হাকাম নির্মাণ করেন এবং তাঁর পুত্র মুহাম্মদ এটি সংস্কার করেন। এই নিসবতের অন্তর্ভুক্ত হলেন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আল-বুন্নি আল-উবাদি, তাঁর থেকে আবু মুহাম্মদ আব্দুল হামিদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল হামিদ আল-উমায়বী বর্ণনা করেছেন, যিনি হাফিজ আবু তাহির আস-সিলাফির উস্তাদ ছিলেন।
আল-আবযাউয়ি: আলিফ যবর যুক্ত, এক নুকতাযুক্ত বা সাকিন এবং যাল যবর যুক্ত...
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ২৪)
الْمُعْجَمَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أبذى وَهُوَ بطن من تجيب إِن شَاءَ الله وَالْمَشْهُور بِهَذِهِ النِّسْبَة حَيْوَة بن مرْثَد التجِيبِي الأبذوي قلت هُوَ من تجيب وَهُوَ أبذى بن عدي بن أَشْرَس بن شبيب بن السّكُون نسب ولد أَشْرَس إِلَى أمّهم تجيب بنت ثَوْبَان المذحجية م
قلت فَاتَهُ
الإبراهيمي وَهِي نِسْبَة إِلَى الْجد وَعرف بهَا أَبُو مُحَمَّد عبد الله ابْن عَطاء بن عبد الله بن أبي مَنْصُور بن الْحسن بن إِبْرَاهِيم الإبراهيمي الخباز الْهَرَوِيّ الْوَاعِظ سمع شيخ الْإِسْلَام عبد الله بن مُحَمَّد الْأنْصَارِيّ وَأَبا الْحسن الداوودي وَغَيرهمَا روى عَنهُ زَاهِر بن طَاهِر النَّيْسَابُورِي وشيرويه الديلمي وَغَيرهمَا وَتُوفِّي سنة سِتّ وَسبعين وَأَرْبَعمِائَة
الأبرجي بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْبَاء الْمُوَحدَة وَالرَّاء الْمَفْتُوحَة وَفِي آخرهَا الْجِيم - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أبرجة وَهُوَ اسْم لجد أَحْمد بن إِبْرَاهِيم بن أبي يحيى أبرجة الْمَدِينِيّ الأبرجي من أهل أَصْبَهَان م
الأبردي بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْبَاء الْمُوَحدَة وَضم الرَّاء وَفِي آخرهَا الدَّال الْمُهْملَة هَذِه النِّسْبَة إِلَى الْأَبْرَد وَهُوَ بطن من الصدف وَالْمَشْهُور بِهِ أَحْمد بن يُونُس بن سُوَيْد الصَّدَفِي الأبردي لَهُ ذكر فِي الْأَخْبَار م
الأبرص بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْبَاء الْمُوَحدَة وَفتح الرَّاء وَفِي آخرهَا الصَّاد الْمُهْملَة - عرف بهَا عبد الرَّحِيم بن سعيد الأبرص الشَّامي أَخُو مُحَمَّد ابْن سعيد المصلوب وَكَانَ زنديقا وَغَيره
الأبرقوهي بِفَتْح الْألف وَالْبَاء المنقوطة بِوَاحِدَة وَسُكُون الرَّاء وَضم الْقَاف فِي آخرهَا الْهَاء - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أبرقوه وَهِي بليدَة بنواحي أَصْبَهَان على عشْرين فرسخا مِنْهَا وَالْمَشْهُور بالانتساب إِلَيْهَا أَبُو الْحسن هبة الله ابْن الْحسن بن مُحَمَّد الأبرقوهي الْفَقِيه
আল-মু'জামাহ (বিন্দুযুক্ত) - এই নিসবতটি (সম্বন্ধ) আবযা-এর দিকে, যা তুজীব গোত্রের একটি শাখা, ইনশাআল্লাহ। এই নিসবতে পরিচিত ব্যক্তি হলেন হাইওয়াহ ইবনে মারসাদ আত-তুজীবী আল-আবযাবী। আমি বলি, তিনি তুজীব গোত্রের। আর তিনি হলেন আবযা ইবনে আদি ইবনে আশরাস ইবনে শাবীব ইবনে আস-সুকুন। আশরাসের সন্তানদের তাদের মা তুজীব বিনতে সাওবান আল-মাযহিজিয়্যাহর দিকে সম্বন্ধ করা হয়েছে। (ম)
আমি বলি, তাঁর থেকে বাদ পড়েছে:
আল-ইবরাহিমি - এটি একটি নিসবত যা দাদার নামের দিকে করা হয়েছে। এই নামে পরিচিত আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আতা ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি মানসুর ইবনে আল-হাসান ইবনে ইবরাহিম আল-ইবরাহিমি আল-খাব্বায আল-হারাওয়ি আল-ওয়ায়িজ। তিনি শায়খুল ইসলাম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-আনসারি, আবুল হাসান আদ-দাউদি এবং আরও অনেকের নিকট থেকে শুনেছেন। তাঁর নিকট থেকে যাহির ইবনে তাহির আন-নাইসাবুরি, শিরুয়াহ আদ-দাইলামি এবং আরও অনেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি ৪৭৬ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।
আল-আবরাজি - আলিফে ফাতহাহ (যবর), বা-এ সুকুন, রাতে ফাতহাহ এবং শেষে জীম। এই নিসবতটি আবরাজাহ-এর দিকে, যা আহমাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে আবি ইয়াহইয়া আবরাজাহ আল-মাদিনি আল-আবরাজি-এর দাদার নাম। তিনি আসফাহান অধিবাসী ছিলেন। (ম)
আল-আবারদি - আলিফে ফাতহাহ, বা-এ সুকুন, রাতে যম্মাহ (পেশ) এবং শেষে দাল। এই নিসবতটি আল-আবারদ-এর দিকে, যা সাদাফ গোত্রের একটি শাখা। এই নামে প্রসিদ্ধ হলেন আহমাদ ইবনে ইউনুস ইবনে সুওয়াইদ আস-সাদাফি আল-আবারদি। ইতিহাসে তাঁর উল্লেখ রয়েছে। (ম)
আল-আবরাস - আলিফে ফাতহাহ, বা-এ সুকুন, রাতে ফাতহাহ এবং শেষে সাদ। এই নামে পরিচিত ছিলেন আবদুর রহিম ইবনে সাইদ আল-আবরাস আশ-শামি, যিনি মুহাম্মদ ইবনে সাইদ আল-মাসলুবের ভাই ছিলেন; তিনি একজন যিন্দিক ছিলেন। এছাড়াও আরও অনেকে।
আল-আবরাকুহি - আলিফে ফাতহাহ, এক নুক্তাওয়ালা বা-এ ফাতহাহ, রাতে সুকুন, ক্বাফ-এ যম্মাহ এবং শেষে হা। এই নিসবতটি আবরাকুহ-এর দিকে, যা আসফাহান অঞ্চলের একটি ছোট শহর, এটি আসফাহান থেকে বিশ ফারসাখ দূরে অবস্থিত। এই নিসবতে প্রসিদ্ধ হলেন আবুল হাসান হিবাতুল্লাহ ইবনে আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ আল-আবরাকুহি আল-ফকিহ।
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ২৫)
الأبريسمي بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْبَاء وَكسر الرَّاء وَسُكُون الْيَاء وَفتح السِّين وَفِي آخرهَا الْمِيم - هَذِه اللَّفْظَة لمن يعْمل الأبريسم وَالثيَاب مِنْهُ ويبيعها ويشتغل بهَا وَفِيهِمْ كَثْرَة مِنْهُم أَبُو نصر أَحْمد بن محد بن أَحْمد بن الْحسن الأبريسمي هُوَ ابْن أبي بكر من أهل نيسابور توفّي بِبَغْدَاد فِي ربيع الأول من سنة إِحْدَى وَسبعين وثلثمائة
الإبرينقي بِكَسْر الْألف وَسُكُون الْبَاء المنقوطة بِوَاحِدَة وَكسر الرَّاء وَسُكُون الْيَاء المنقوطة بِاثْنَتَيْنِ من تحتهَا وَفتح النُّون وَفِي آخرهَا الْقَاف - هَذِه النِّسْبَة إِلَى إبرينق وَهِي قَرْيَة من قرى مرو وَيُقَال لَهَا إبرينة خرج مِنْهَا جمَاعَة مِنْهُم أَبُو الْحسن عَليّ بن مُحَمَّد الدهان الإبرينقي كَانَ فَقِيها صَالحا توفّي فِي شَوَّال سنة ثَلَاث وَعشْرين وَخَمْسمِائة م
الإبري بِكَسْر الْألف وَفتح الْبَاء المنقوطة بِوَاحِدَة وَفِي آخرهَا الرَّاء الْمُهْملَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى بيع الإبر وعملها وَهِي جمع إبرة وَهِي الَّتِي يخاط بهَا وَالْمَشْهُور بِهَذَا الانتساب أَبُو الْقَاسِم عمر بن مَنْصُور بن يزِيد الإبري وَغَيره
الْأَبْزَارِيِّ بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْبَاء المنقوطة وَفتح الزَّاي وَفِي آخرهَا الرَّاء - هَذِه النِّسْبَة إِلَى شَيْئَيْنِ أَحدهمَا إِلَى بيع الأبزار وَهِي أَشْيَاء تتَعَلَّق بِالْقدرِ وَالْمَشْهُور بِهَذِهِ النِّسْبَة أَبُو عبد الله مُحَمَّد بن زيد بن عَليّ بن جَعْفَر بن مُحَمَّد بن مَرْوَان بن رَاشد الْأَبْزَارِيِّ توفّي فِي صفر سنة سبع وَسبعين وثلثمائة وَمثل هَذِه النِّسْبَة إِلَى قَرْيَة بِالْقربِ من نيسابور على فرسخين مِنْهَا خرج مِنْهَا حَامِد بن مُوسَى الْأَبْزَارِيِّ وَغَيره
الأبغري بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْبَاء الْمُعْجَمَة بِوَاحِدَة وَفتح الْغَيْن الْمُعْجَمَة وَفِي آخرهَا الرَّاء - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أبغر وَهِي نَاحيَة بسمرقند فِيهَا قرى مُتَّصِلَة مِنْهَا أَبُو يزِيد خَالِد بن كردة الأبغري السَّمرقَنْدِي م
الأبلي هَذِه النِّسْبَة إِلَى بَلْدَة قديمَة على أَرْبَعَة فراسخ من الْبَصْرَة وَهِي
আল-আবরিসামি (আলিফে ফাতহাহ, বা-তে সুকুন, র-তে কাসরাহ, ইয়া-তে সুকুন এবং সিন-এ ফাতহাহ যোগে এবং শেষে মিম) - এই শব্দটি তাদের জন্য ব্যবহৃত হয় যারা রেশম (আবরিসাম) ও তা থেকে প্রস্তুতকৃত পোশাক তৈরি করে, বিক্রি করে বা রেশমের কাজে নিয়োজিত থাকে। তাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন, যাদের মধ্যে অন্যতম হলেন আবু নাসর আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আল-হাসান আল-আবরিসামি। তিনি আবু বকরের পুত্র এবং নিশাপুরের অধিবাসী ছিলেন। তিনি ৩৭১ হিজরির রবিউল আউয়াল মাসে বাগদাদে মৃত্যুবরণ করেন।
আল-ইবরিনিক্বি (আলিফে কাসরাহ, এক নুকতাওয়ালা বা-তে সুকুন, র-তে কাসরাহ, নিচে দুই নুকতাওয়ালা ইয়া-তে সুকুন এবং নুন-এ ফাতহাহ যোগে এবং শেষে ক্বাফ) - এই নিসবতটি ইবরিনিক্ব-এর দিকে, যা মার্ভের গ্রামগুলোর মধ্য হতে একটি গ্রাম। একে ইবরিনাহ-ও বলা হয়। সেখান থেকে একদল লোক বের হয়েছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন মুহাম্মাদ আদ-দাহহান আল-ইবরিনিক্বি। তিনি একজন নেককার ফকিহ ছিলেন। তিনি ৫২৩ হিজরির শাওয়াল মাসে মৃত্যুবরণ করেন।
আল-ইবরি (আলিফে কাসরাহ, এক নুকতাওয়ালা বা-তে ফাতহাহ এবং শেষে নুকতাহীন র যোগে) - এই নিসবতটি সুঁই (ইবার) বিক্রয় এবং তা তৈরির দিকে, যা ‘ইবরাহ’ শব্দের বহুবচন; এর মাধ্যমে সেলাই কাজ করা হয়। এই নিসবতে প্রসিদ্ধ হলেন আবুল কাসিম উমর বিন মানসুর বিন ইয়াজিদ আল-ইবরি এবং আরও অনেকে।
আল-আবজারি (আলিফে ফাতহাহ, নুকতাওয়ালা বা-তে সুকুন এবং যা-তে ফাতহাহ যোগে এবং শেষে র) - এই নিসবতটি দুটি বিষয়ের দিকে নির্দেশ করে। একটি হলো মশলা (আবজার) বিক্রয় করা, যা রান্নার হাড়িপাতিলের সাথে সম্পর্কিত। এই নিসবতে প্রসিদ্ধ হলেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন যাইদ বিন আলী বিন জাফর বিন মুহাম্মাদ বিন মারওয়ান বিন রাশিদ আল-আবজারি। তিনি ৩৭৭ হিজরির সফর মাসে মৃত্যুবরণ করেন। অনুরূপভাবে, এই নিসবতটি নিশাপুরের নিকটবর্তী দুই ফারসাখ দূরত্বে অবস্থিত একটি গ্রামের দিকেও করা হয়, যেখান থেকে হামিদ বিন মুসা আল-আবজারি এবং অন্যান্যরা বের হয়েছেন।
আল-আবগারি (আলিফে ফাতহাহ, এক নুকতাওয়ালা বা-তে সুকুন এবং গাইন-এ ফাতহাহ যোগে এবং শেষে র) - এই নিসবতটি আবগার-এর দিকে, যা সমরকন্দের একটি এলাকা এবং যেখানে পরষ্পর সংলগ্ন অনেক গ্রাম রয়েছে। সেখান থেকে এসেছেন আবু ইয়াজিদ খালিদ বিন কুরদাহ আল-আবগারি আস-সামারকান্দি।
আল-উবুল্লি - এই নিসবতটি বসরা থেকে চার ফারসাখ দূরত্বে অবস্থিত একটি প্রাচীন শহরের দিকে, এবং তা হলো...
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ২৬)
الْيَوْم من الْبَصْرَة وَقيل إِنَّهَا من جنان الدُّنْيَا وَمِمَّنْ اشْتهر بِالنِّسْبَةِ إِلَيْهَا أَبُو هَاشم كثير بن سليم الأبلي وَهُوَ من أَهلهَا وَهُوَ الَّذِي يُقَال لَهُ كثير بن عبد الله يضع الحَدِيث على أنس وَيَرْوِيه عَنهُ وَلَا تحل رِوَايَة حَدِيثه
الْأَبْنَاء يُقَال فِي التَّعْرِيف فلَان من الْأَبْنَاء وَالنِّسْبَة إِلَيْهِ أبناوي وكل من ولد بِالْيمن من أَبنَاء الْفرس الَّذين وجههم كسْرَى مَعَ سيف بن ذِي يزن فَلَيْسَ من الْعَرَب ويسمونهم الْأَبْنَاء فَمِمَّنْ ينْسب هَذِه النِّسْبَة طَاوُوس ابْن كيسَان وَهَمَّام ووهب ابْنا مُنَبّه وَغَيرهم
قلت فَاتَهُ الْأَبْنَاء وهم ولد سعد بن زيد مَنَاة بن تَمِيم غير كَعْب وَعَمْرو وَالْأَبْنَاء الْحَارِث وعوانة وجشم وعبشمس وَمَالك وعَوْف وهبيرة ونجدة وَقيل الْأَبْنَاء خَمْسَة من ولد سعد بن زيد مَنَاة وهم عبشمس وَمَالك وعَوْف وعوانة وجشم مِنْهُم إِيَاس بن قَتَادَة حَامِل الدِّيات حِين قَاتل الْأَحْنَف ابْن قيس للأزد وَهُوَ ابْن أُخْت الْأَحْنَف وَعَبدَة بن الطَّبِيب الشَّاعِر وَيُقَال إِن عَبدة كَانَ حَبَشِيًّا
وَفَاته أَيْضا الْأَبْنَاء وهم بطن من بني سعد بن بكر وإياهم عَنى عَبدة بن الطَّبِيب بقوله
(لَو أَن حَيا من الْأَبْنَاء إِذْ فزعوا
… رَأَوْا سَبِيلا إِلَى طيرورة طاروا)
وَلَا أعرف أحدا من رُوَاة الحَدِيث ينْسب إِلَى هَذَا الْبَطن هَكَذَا ذكر بعض الْعلمَاء هَذَا الْبَيْت من شعر عَبدة وَجعله فِي بني سعد بن بكر وَالَّذِي أَظُنهُ أَنه عَنى الْأَبْنَاء من تَمِيم لِأَنَّهُ مِنْهُم وَالله أعلم
الأبوذي بِضَم الْألف وَالْبَاء الْمُوَحدَة وَفِي آخرهَا ذال مُعْجمَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أبوذ بطن من الصدف مِنْهُم أَحْمد بن يُونُس بن سُوَيْد الأبوذي قلت هَذَا أَحْمد بن يُونُس هُوَ الْمَذْكُور فِي الأبردي بالراء وَالدَّال الْمُهْملَة
আজ এটি বসরার অন্তর্গত এবং বলা হয় যে এটি দুনিয়ার জান্নাতগুলোর একটি। যারা এর সাথে সম্পৃক্ততার (নিসবত) কারণে প্রসিদ্ধ হয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন আবু হাশিম কাসীর বিন সালিম আল-উবুল্লী, তিনি সেখানকার অধিবাসী ছিলেন। তিনিই সেই ব্যক্তি যাকে কাসীর বিন আবদুল্লাহ বলা হয়, যিনি আনাস (রা.)-এর নামে হাদিস জাল করতেন এবং তা বর্ণনা করতেন, ফলে তার হাদিস বর্ণনা করা জায়েজ নয়।
আল-আবনা: পরিচয় প্রদানের ক্ষেত্রে বলা হয় অমুক ব্যক্তি 'আল-আবনা' গোত্রের এবং এর নিসবত হলো 'আবনাওয়ী'। পারসিকদের সেই সন্তানদের মধ্য থেকে যারা ইয়ামেনে জন্মগ্রহণ করেছে, যাদেরকে কিসরা (পারস্য সম্রাট) সাইফ বিন যি ইয়াযানের সাথে পাঠিয়েছিলেন, তারা আরবদের অন্তর্ভুক্ত নয়। তাদেরকে 'আল-আবনা' বলা হয়। যারা এই নিসবতে পরিচিত তাদের মধ্যে রয়েছেন তাউস ইবনে কায়সান এবং মুনাব্বিহের দুই পুত্র হাম্মাম ও ওয়াহাব এবং আরও অনেকে।
আমি বলি: তিনি ‘আল-আবনা’ সম্পর্কে আরেকটি তথ্য ছেড়ে গেছেন, তারা হলেন সাদ বিন যায়েদ মানাত বিন তামীমের সন্তানগণ, কাব এবং আমর ব্যতীত। এই ‘আবনা’রা হলেন হারিস, আওয়ানা, জুশাম, আবদু শামস, মালিক, আউফ, হুবায়রা এবং নাজদাহ। কেউ কেউ বলেন যে সাদ বিন যায়েদ মানাতের সন্তানদের মধ্যে ‘আল-আবনা’ হলো পাঁচজন: আবদু শামস, মালিক, আউফ, আওয়ানা এবং জুশাম। তাদের মধ্যে রয়েছেন ইয়াস বিন কাতাদাহ, যিনি দিয়াত (রক্তপণ) বহনকারী ছিলেন যখন আল-আহনাফ বিন কায়েস আসদ গোত্রের সাথে যুদ্ধ করেছিলেন, তিনি ছিলেন আহনাফের ভাগ্নে। আরও রয়েছেন কবি আবদাহ বিন আত-তাবীব, এবং বলা হয় যে আবদাহ হাবশী (আবিসিনীয়) ছিলেন।
তিনি আরও একদল ‘আল-আবনা’র কথা ছেড়ে গেছেন যারা বনু সাদ বিন বকর গোত্রের একটি শাখা। আবদাহ বিন আত-তাবীব তার কবিতায় তাদের উদ্দেশ্য করেই বলেছেন:
(যদি আবনা গোত্রের কোনো জীবিত ব্যক্তি ভীত হয়ে উড়ার কোনো পথ দেখতে পেত, তবে তারা উড়ে পালাত)
হাদিস বর্ণনাকারীদের মধ্যে এই শাখার দিকে সম্পৃক্ত কাউকে আমি চিনি না। কিছু আলেম আবদাহর কবিতার এই পঙক্তিটি এভাবেই উল্লেখ করেছেন এবং একে বনু সাদ বিন বকরের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তবে আমার ধারণা হলো, তিনি তামীম গোত্রের ‘আল-আবনা’দের বুঝিয়েছেন, কারণ তিনি তাদেরই অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। আল্লাহই ভালো জানেন।
আল-আবুযী: আলিফ এবং বা বর্ণের পেশ (যম্মাহ) সহযোগে এবং শেষে দাল (ذ) বর্ণ। এই নিসবতটি ‘আবুয’ নামক আস-সাদাফ গোত্রের একটি শাখার সাথে সম্পৃক্ত। তাদের মধ্যে রয়েছেন আহমদ বিন ইউনুস বিন সুওয়াইদ আল-আবুযী। আমি বলি: এই আহমদ বিন ইউনুসই হলেন সেই ব্যক্তি যাকে রা (ر) এবং দাল (د) বর্ণ সহযোগে ‘আল-আবরদী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ২৭)
وَأَحَدهمَا تَصْحِيف من الآخر وَالصَّحِيح بِالْوَاو وَالدَّال الْمُهْملَة
الْأَبْهَرِيّ بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْبَاء الْمُوَحدَة وَفتح الْهَاء وَفِي آخرهَا الرَّاء - هَذِه النِّسْبَة إِلَى موضِعين أَحدهمَا إِلَى أبهر وَهِي بليدَة بِالْقربِ من زنجان خرج مِنْهَا جمَاعَة من الْفُقَهَاء والمحدثين والصوفية مِنْهُم أَبُو بكر مُحَمَّد بن عبد الله بن مُحَمَّد بن صَالح التَّمِيمِي الْمَالِكِي الْأَبْهَرِيّ وَكَانَت وِلَادَته سنة تسع وَثَمَانِينَ وَمِائَتَيْنِ ووفاته فِي شَوَّال سنة خمس وَسبعين وثلثمائة وَالثَّانِي إِلَى قَرْيَة من قرى أَصْبَهَان اسْمهَا أبهر خرج مِنْهَا جمَاعَة من الْمُحدثين مِنْهُم إِبْرَاهِيم بن الْحجَّاج الْأَبْهَرِيّ وَغَيره
قلت فَاتَهُ
الأبياري بِفَتْح الْهمزَة وَسُكُون الْبَاء الْمُوَحدَة وَفتح الْيَاء تحتهَا نقطتان وَبعد الْألف رَاء - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أبيار قَرْيَة من أَعمال مصر يبين نخلها للمنحدر من مصر إِلَى الْإسْكَنْدَريَّة مِنْهَا أَبُو الْحسن عَليّ بن إِسْمَاعِيل بن أَسد الربعِي ثمَّ الأبياري حدث عَن مُحَمَّد بن عَليّ بن يحيى الدقاق حدث عَنهُ الْحَافِظ أَبُو طَاهِر السلَفِي إجَازَة توفّي سنة ثَمَان عشرَة وَخَمْسمِائة
الأبيوردي بِفَتْح الْألف وَكسر الْبَاء الْمُوَحدَة وَسُكُون الْيَاء الْمُعْجَمَة بِاثْنَتَيْنِ من تَحت وَفتح الْوَاو وَسُكُون الرَّاء وَفِي آخرهَا الدَّال الْمُهْملَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أبيورد وَهِي بَلْدَة من بِلَاد خرسان وَقد نسب إِلَيْهَا الباوردي وَسَيذكر فِي الْبَاء وَالْمَشْهُور بِهَذِهِ النِّسْبَة وَهِي الصَّحِيحَة أَبُو الْعَبَّاس أَحْمد بن مُحَمَّد بن سعيد الأبيوردي أحد الْفُقَهَاء الشافعيين بِبَغْدَاد وَسمع الحَدِيث وَكَانَت وِلَادَته سنة تسع وَخمسين وثلثمائة وَمَات فِي جُمَادَى الْآخِرَة سنة خمس وَعشْرين وَأَرْبَعمِائَة بِبَغْدَاد
الأبي بِفَتْح الْألف وبالباء الْمُوَحدَة الْمُشَدّدَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أَب وَهِي قَرْيَة بِالْيمن مِنْهَا أَبُو مُحَمَّد عبد الله بن الْحسن بن الْفَيَّاض الأبي الْهَاشِمِي
এবং তাদের একটি অন্যটির ভুল পাঠ (তাশহিফ), আর সঠিক হলো ওয়াও এবং নুকতাহীন দাল সহযোগে।
আল-আবহারি: আলিফ-এর যবর, এক নুকতাযুক্ত বা-এর সাকিন, হা-এর যবর এবং শেষে রা সহযোগে—এই নিসবতটি (সম্বন্ধ) দুটি স্থানের দিকে। একটি হলো আবহার, যা জানজানের নিকটবর্তী একটি ছোট শহর। সেখান থেকে একদল ফকিহ, মুহাদ্দিস এবং সুফি বের হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সালিহ আত-তামিমি আল-মালিকি আল-আবহারি। তাঁর জন্ম হয়েছিল ২৮৯ হিজরিতে এবং মৃত্যু ৩৭৫ হিজরির শাওয়াল মাসে। দ্বিতীয়টি হলো আসফাহানের একটি গ্রাম, যার নাম আবহার। সেখান থেকে একদল মুহাদ্দিস বের হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ইব্রাহিম ইবনুল হাজ্জাজ আল-আবহারি এবং আরও অনেকে।
আমি বলি: এটি তাঁর দৃষ্টি এড়িয়ে গেছে।
আল-আবিয়ারি: হামজা-এর যবর, এক নুকতাযুক্ত বা-এর সাকিন এবং নিচে দুই নুকতাযুক্ত ইয়া-এর যবর, এরপর আলিফের পর রা সহযোগে—এই নিসবতটি মিশরের অন্তর্ভুক্ত আবিয়ার নামক গ্রামের দিকে। মিশর থেকে আলেকজান্দ্রিয়া যাওয়ার পথে অবরোহণকারীর কাছে এর খেজুর গাছগুলো স্পষ্ট প্রতিভাত হয়। সেখান থেকে এসেছেন আবুল হাসান আলি ইবনে ইসমাইল ইবনে আসাদ আর-রাবঈ, অতঃপর আল-আবিয়ারি। তিনি মুহাম্মদ ইবনে আলি ইবনে ইয়াহইয়া আদ-দাক্কাক থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে হাফেজ আবু তাহির আস-সিলাফি ইজাজতসূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি ৫১৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
আল-আবিওয়ার্দি: আলিফ-এর যবর, এক নুকতাযুক্ত বা-এর যের, নিচে দুই নুকতাযুক্ত ইয়া-এর সাকিন, ওয়াও-এর যবর, রা-এর সাকিন এবং শেষে নুকতাহীন দাল সহযোগে—এই নিসবতটি আবিওয়ার্দ নামক স্থানের দিকে, যা খোরাসানের একটি শহর। এর দিকে আল-বাওয়ার্দি হিসেবেও নিসবত করা হয়, যা ‘বা’ বর্ণে সামনে উল্লেখ করা হবে। তবে এই নিসবতটিই (আল-আবিওয়ার্দি) প্রসিদ্ধ এবং এটিই সঠিক। আবু আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাঈদ আল-আবিওয়ার্দি বাগদাদের শাফেয়ী ফকিহগণের অন্যতম। তিনি হাদিস শ্রবণ করেছেন। তাঁর জন্ম হয়েছিল ৩৫৯ হিজরিতে এবং তিনি ৪২৫ হিজরির জমাদিউল আখিরা মাসে বাগদাদে মৃত্যুবরণ করেন।
আল-আব্বি: আলিফ-এর যবর এবং এক নুকতাযুক্ত বা-এর তাশদিদ সহযোগে—এই নিসবতটি আব্ব নামক স্থানের দিকে, যা ইয়েমেনের একটি গ্রাম। সেখান থেকে এসেছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে হাসান ইবনে আল-ফাইয়াদ আল-আব্বি আল-হাশেমি।
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ২৮)
قلت فَاتَهُ
الأبي بِضَم الْهمزَة وَتَشْديد الْبَاء - نِسْبَة إِلَى أَبَة قَرْيَة من أَعمال تونس بأفريقية مِنْهَا أَبُو الْقَاسِم عبد الرَّحْمَن بن عبد الْمُعْطِي الْأنْصَارِيّ الأبي روى عَن عمر بن إِسْمَاعِيل البرقي وَغَيره كَذَلِك ضَبطه السلَفِي
-
بَاب الْألف وَالتَّاء-
الأتشندي بِضَم الْألف وَسُكُون التَّاء المنقوطة من فَوْقهَا بِاثْنَتَيْنِ وَضم الشين الْمُعْجَمَة وَسُكُون النُّون وَفِي آخرهَا الدَّال الْمُهْملَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أتشند وَهِي قَرْيَة من أَعمال نسف مِنْهَا أَبُو المظفر مُحَمَّد بن أَحْمد بن مُحَمَّد بن حَامِد الْكَاتِب الأتشندي النَّسَفِيّ سمع الحَدِيث
-
بَاب الْألف والثاء-
الأثاربي بِفَتْح الْألف والثاء الْمُثَلَّثَة وَكسر الرَّاء وَفِي آخرهَا الْبَاء الْمُوَحدَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أثارب وَهِي قلعة حَصِينَة بَين حلب وأنطاكية مِنْهَا أَبُو الْمَعَالِي مُحَمَّد بن هياج بن مناذر بن عَليّ الأثاربي الْأنْصَارِيّ
الْأَثْرَم بِفَتْح الْألف وَسُكُون الثَّاء الْمُثَلَّثَة وَفتح الرَّاء وَفِي آخرهَا الْمِيم - هَذِه اللَّفْظَة لمن كَانَت سنه متفتتة وَعرف بِهِ بعض أجداد المنتسب وَهُوَ أَبُو الْعَبَّاس أَحْمد بن مُحَمَّد بن حَمَّاد بن إِبْرَاهِيم بن ثَعْلَب الْأَثْرَم الْبَصْرِيّ ومولده بسر من رأى سنة أَرْبَعِينَ وَمِائَتَيْنِ توفّي بِالْبَصْرَةِ سنة سِتّ وَثَلَاثِينَ وثلثمائة وَأَبُو الْحسن عَليّ بن الْمُغيرَة الْأَثْرَم صَاحب النَّحْو واللغة وَغَيرهمَا
الأثري بِفَتْح الْألف والثاء الْمُثَلَّثَة وَفِي آخرهَا الرَّاء - هَذِه النِّسْبَة إِلَى
আমি বলি, তিনি যা উল্লেখ করতে সক্ষম হননি:
আল-উব্বী: হামযাহ-তে পেশ এবং বা-তে তাশদীদ সহকারে - এটি আফ্রিকার তিউনিসিয়া অঞ্চলের উব্বাহ নামক একটি গ্রামের দিকে নিসবত। সেখান থেকে রয়েছেন আবুল কাসিম আবদুর রহমান ইবনে আব্দুল মু’তী আল-আনসারী আল-উব্বী। তিনি উমর ইবনে ইসমাইল আল-বারকী এবং অন্যান্যদের থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। আস-সালাফী একইভাবে এর উচ্চারণ নির্ধারণ করেছেন।
-
আলিফ এবং তা অধ্যায়
-
আল-আতশুন্দী: আলিফে পেশ, উপরে দুই নুকতাযুক্ত তা-তে সুকুন, শীম-এ পেশ, নূন-এ সুকুন এবং শেষে দাল সহকারে - এই নিসবতটি আতশুন্দ নামক গ্রামের দিকে, যা নাসাফ অঞ্চলের একটি গ্রাম। সেখান থেকে রয়েছেন আবুল মুজাফফর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হামিদ আল-কাতিব আল-আতশুন্দী আন-নাসাফী; তিনি হাদিস শ্রবণ করেছেন।
-
আলিফ এবং সা অধ্যায়
-
আল-আসারিবী: আলিফ এবং তিন নুকতাযুক্ত সা-তে জবর, রা-তে যের এবং শেষে এক নুকতাযুক্ত বা সহকারে - এই নিসবতটি আসারিবের দিকে, যা হালব এবং আনতাকিয়ার মধ্যবর্তী একটি সুরক্ষিত দুর্গ। সেখান থেকে রয়েছেন আবুল মা’আলী মুহাম্মদ ইবনে হাইয়্যাজ ইবনে মুনাযির ইবনে আলী আল-আসারিবী আল-আনসারী।
আল-আছরাম: আলিফে জবর, তিন নুকতাযুক্ত সা-তে সুকুন, রা-তে জবর এবং শেষে মীম সহকারে - এই শব্দটি এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যার দাঁত ভেঙে গিয়েছে; আর এটি উক্ত বংশের কোনো একজন পূর্বপুরুষের উপাধি হিসেবে পরিচিত ছিল। তিনি হলেন আবুল আব্বাস আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে সা’লাব আল-আছরাম আল-বাসরী। তাঁর জন্ম ২৪০ হিজরীতে সামাররায় এবং মৃত্যু ৩৩৬ হিজরীতে বসরায়। এবং আবুল হাসান আলী ইবনে আল-মুগীরা আল-আছরাম, যিনি ব্যাকরণ ও অভিধান শাস্ত্রের পণ্ডিত ছিলেন।
আল-আসারী: আলিফ এবং তিন নুকতাযুক্ত সা-তে জবর এবং শেষে রা সহকারে - এই নিসবতটি...
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ২৯)
الْأَثر يَعْنِي الحَدِيث وَطَلَبه واتباعه واشتهر بِهَذِهِ النِّسْبَة أَبُو بكر سعيد بن عبد الله بن عَليّ الأثري الطوسي ولد سنة ثَلَاث عشرَة وَأَرْبَعمِائَة وَتُوفِّي فِي رَجَب سنة تسعين وَأَرْبَعمِائَة بنيسابور
الأثط بِفَتْح الْألف والثاء الْمُثَلَّثَة والطاء الْمُهْملَة الْمُشَدّدَة فِي آخرهَا هَذِه الصّفة تقال للرجل الكوسج وَالْمَشْهُور بهَا أَبُو الْعَلَاء أَحْمد بن صَالح الأثط الصُّورِي
الإثنا عشري بِالْألف الْمَكْسُورَة وَسُكُون الثَّاء الْمُثَلَّثَة وَالنُّون الْمَفْتُوحَة بعْدهَا الْألف وَالْعين الْمُهْملَة والشين الْمُعْجَمَة المفتوحتين وَفِي آخرهَا الرَّاء - هَذِه النِّسْبَة إِلَى طَائِفَة يُقَال لَهَا الإثنا عشرِيَّة من الشِّيعَة وهم يَعْتَقِدُونَ فِي اثْنَي عشر إِمَامًا وهم الطَّائِفَة الْمَعْرُوفَة بالإمامية
-
بَاب الْألف وَالْجِيم-
قلت فَاتَهُ
الأجذمي بِفَتْح الْهمزَة وَسُكُون الْجِيم وَفتح الذَّال الْمُعْجَمَة وَبعدهَا مِيم - نِسْبَة إِلَى الأجذم بن ثَعْلَبَة بن مَازِن بن مر بن أبي عزم بن عوكلان بن الزّهْد بن الْحَارِث بن عدي بطن من عاملة مِنْهُم ثَعْلَبَة بن سَلامَة بن جحدم ابْن عَمْرو بن الأجذم ولي الْأُرْدُن
الْأَجِير بِفَتْح الْألف وَكسر الْجِيم وَبعدهَا الْيَاء الْمُعْجَمَة بِاثْنَتَيْنِ من تحتهَا وَفِي آخرهَا الرَّاء - قَالَ السَّمْعَانِيّ مَا عرفت بِهَذَا الْوَصْف أحدا إِلَّا فِي تَارِيخ نسف من جمع أبي الْعَبَّاس المستغفري قَالَ أحيد الْأَجِير غير مَنْسُوب أرَاهُ كَانَ أجِير طفيل بن زيد التَّمِيمِي فِي بَيته أدْرك مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل البُخَارِيّ م
আল-আসার মানে হলো হাদীস, তা অন্বেষণ এবং তার অনুসরণ। এই নিসবতে (সম্পর্কযুক্ত পরিচয়ে) প্রসিদ্ধ হয়েছেন আবু বকর সাঈদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আলী আল-আসারী আত-তুসী। তিনি চারশ তেরো হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন এবং চারশ নব্বই হিজরি সনের রজব মাসে নিশাপুরে মৃত্যুবরণ করেন।
আল-আসাউত; আলিফ এবং সা (তিন নুকতা বিশিষ্ট) এ জবর এবং শেষে তা (নুকতা বিহীন) এ তাশদীদ সহকারে। এই বিশেষণটি এমন ব্যক্তির জন্য ব্যবহৃত হয় যার দাড়ি পাতলা। এতে প্রসিদ্ধ হলেন আবুল আলা আহমাদ ইবনে সালিহ আল-আসাউত আস-সুরি।
আল-ইছনা আশারি; আলিফে কাসরা (জের), সা (তিন নুকতা বিশিষ্ট) এ সুকুন, নুনে ফাতহা (জবর) এবং এরপর আলিফ, আর আইন (নুকতা বিহীন) ও শীন (নুকতা বিশিষ্ট) উভয়টিতে ফাতহা এবং শেষে রা সহকারে। এই নিসবতটি শিয়াদের একটি দলের দিকে, যাদেরকে ইছনা আশারিয়া বলা হয়। তারা বারোজন ইমামের প্রতি বিশ্বাস রাখে এবং তারা ইমামিয়া নামে পরিচিত দল।
-
আলিফ এবং জীম অধ্যায়-
আমি বলছি, তার থেকে যা ছুটে গেছে:
আল-আজদামী; হামযায় ফাতহা (জবর), জীমে সুকুন এবং যাল (নুকতা বিশিষ্ট) এ ফাতহা ও পরবর্তীতে মীম সহকারে। এটি আজদাম ইবনে ছালাবা ইবনে মাযিন ইবনে মুর ইবনে আবি আযম ইবনে আওকালান ইবনে যুহদ ইবনে হারিস ইবনে আদি-এর দিকে নিসবত, যা আমিলা গোত্রের একটি শাখা। তাদের অন্তর্ভুক্ত হলেন ছালাবা ইবনে সালামা ইবনে জাহদাম ইবনে আমর ইবনে আজদাম, যিনি জর্ডানের শাসনভার গ্রহণ করেছিলেন।
আল-আজীর; আলিফে ফাতহা (জবর), জীমে কাসরা (জের) এবং এর পরে নিচে দুই নুকতা বিশিষ্ট ইয়া এবং শেষে রা সহকারে। সামআনী বলেন: আবুল আব্বাস আল-মুসতাগফিরীর সংকলিত 'তারিখে নাসাফ' ব্যতীত অন্য কোথাও আমি এই বিশেষণে কাউকে চিনতে পারিনি। তিনি বলেছেন: আহাইদ আল-আজীর, যার কোনো বংশীয় নিসবত নেই। আমি মনে করি তিনি তোফায়েল ইবনে যায়েদ আল-তামিমির বাড়িতে তার মজুর বা কর্মী ছিলেন। তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-বুখারীর সাক্ষাৎ পেয়েছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৩০)
-
بَاب الْألف والحاء-
الاحتياطي بِكَسْر الْألف وَسُكُون الْحَاء الْمُهْملَة وَكسر التَّاء المنقوطة بِاثْنَتَيْنِ من فَوْقهَا بعْدهَا الْيَاء المنقوطة بِاثْنَتَيْنِ من تحتهَا وَفِي آخرهَا الطَّاء الْمُهْملَة - هَذِه النِّسْبَة عرف بهَا أَبُو الْحسن بن عبد الرَّحْمَن بن عباد بن الْهَيْثَم بن الْحسن الاحتياطي
الأحجني بِفَتْح الْألف والحاء الْمُهْملَة الساكنة وَفتح الْجِيم وَفِي آخرهَا النُّون - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أحجن وَهُوَ بطن من الأزد قَالَ أَحْمد بن الْحباب لَهب بن أحجن بن كَعْب بن الْحَارِث بن كَعْب بن عبد الله بن مَالك بن نصر ابْن الأزد م
الأحدب بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْحَاء الْمُهْملَة وَفتح الدَّال الْمُهْملَة أَيْضا وَفِي آخرهَا الْبَاء المنقوطة بِوَاحِدَة - اشْتهر بِهِ أَبُو مُحَمَّد الرّبيع بن عبد الله بن خطَّاف الأحدب لحدب فِي ظَهره وَهُوَ الانحناء والنتوء وَغَيره
الأحدبي بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْحَاء الْمُهْملَة وَضم الدَّال الْمُهْملَة وَفِي آخرهَا الْبَاء الْمُوَحدَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أحدب بِالضَّمِّ وَهُوَ أحدب بن القياتة ابْن غافق بطن من غافق والمنتسب إِلَيْهِ أَبُو مُوسَى عِيسَى بن إِبْرَاهِيم بن عِيسَى بن مثرود الأحدبي مولى غافق توفّي يَوْم الثُّلَاثَاء لثلاث عشرَة خلت من صفر سنة إِحْدَى وَسِتِّينَ وَمِائَتَيْنِ وَكَانَ مولده سنة سبعين وَمِائَة م
الأحدوثي بِضَم الْألف وَسُكُون الْحَاء وَضم الدَّال الْمُهْمَلَتَيْنِ وَفِي آخرهَا الثَّاء الْمُثَلَّثَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى الأحدوث وَهُوَ بطن من ناهض من حَضرمَوْت والمنتسب إِلَيْهِ أَبُو نعيم خير بن نعيم بن بزَّة بن كريب الْحَضْرَمِيّ الأحدوثي قَاضِي مصر توفّي سنة سبع وَثَلَاثِينَ وَمِائَة
الأحروجي بِضَم الْألف وَسُكُون الْحَاء الْمُهْملَة وَضم الرَّاء وَفِي آخرهَا
আলিফ এবং হা অধ্যায়-
আল-ইতিয়াতি: আলিফে কাসরা (জের), নুকতাহীন হ-তে সুকুন, উপরে দুই নুকতাবিশিষ্ট তা-তে কাসরা, এরপর নিচে দুই নুকতাবিশিষ্ট ইয়া এবং শেষে নুকতাহীন ত (ত্বোয়া) — এই নিসবত (বংশনাম) দ্বারা পরিচিত হয়েছেন আবুল হাসান বিন আবদুর রহমান বিন আব্বাদ বিন আল-হায়সাম বিন আল-হাসান আল-ইতিয়াতি।
আল-আহজানি: আলিফ ও নুকতাহীন হ-তে ফাতহা (জবর) এবং হ-টি সাকিন (সুকুনযুক্ত), জীমে ফাতহা এবং শেষে নুন — এই নিসবতটি ‘আহজান’-এর দিকে সম্পর্কিত, যা আজদ গোত্রের একটি শাখা। আহমদ ইবনুল হুবাব বলেছেন: লাহিব বিন আহজান বিন কাব বিন আল-হারিস বিন কাব বিন আবদুল্লাহ বিন মালিক বিন নাসর ইবনে আজদ। (ম)
আল-আহদাব: আলিফে ফাতহা, নুকতাহীন হ-তে সুকুন, নুকতাহীন দাল-এও ফাতহা এবং শেষে এক নুকতাবিশিষ্ট বা — এর দ্বারা প্রসিদ্ধ হয়েছেন আবু মুহাম্মদ আর-রাবি বিন আবদুল্লাহ বিন খাত্তাফ আল-আহদাব, তার পিঠে কুঁজো ভাব থাকার কারণে, যা হলো পিঠ বাঁকা হওয়া ও হাড় বেরিয়ে আসা ইত্যাদি।
আল-আহদাবি: আলিফে ফাতহা, নুকতাহীন হ-তে সুকুন, নুকতাহীন দাল-এ দাম্মাহ (পেশ) এবং শেষে এক নুকতাবিশিষ্ট বা — এই নিসবতটি ‘আহদুব’ (দাল-এ পেশসহ) নামের দিকে সম্পর্কিত; তিনি হলেন আহদুব বিন আল-কাইয়াহ বিন গাফিক, যা গাফিক গোত্রের একটি শাখা। এর সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তি হলেন আবু মুসা ঈসা বিন ইবরাহিম বিন ঈসা বিন মাসরুদ আল-আহদাবি, যিনি গাফিকের আযাদকৃত গোলাম ছিলেন। তিনি ২৬১ হিজরির ১৩ই সফর মঙ্গলবার ইন্তেকাল করেন এবং তার জন্ম হয়েছিল ১৭০ হিজরিতে। (ম)
আল-উহদুসি: আলিফে দাম্মাহ, নুকতাহীন হ-তে সুকুন এবং নুকতাহীন দাল-এ দাম্মাহ, আর শেষে তিন নুকতাবিশিষ্ট সা — এই নিসবতটি ‘উহদুস’-এর দিকে সম্পর্কিত, যা হাজরামাউতের নাহিদ গোত্রের একটি শাখা। এর সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তি হলেন আবু নুআইম খায়ের বিন নুআইম বিন বাযযাহ বিন কুরাইব আল-হাদরামি আল-উহদুসি, যিনি মিসরের কাজি (বিচারক) ছিলেন; তিনি ১৩৭ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।
আল-উহরুজি: আলিফে দাম্মাহ, নুকতাহীন হ-তে সুকুন, রা-তে দাম্মাহ এবং শেষে...
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৩১)
الْجِيم - هَذِه النِّسْبَة إِلَى الأحروج وَهُوَ بطن من هَمدَان والمنتسب إِلَيْهِ أَبُو عَليّ ثُمَامَة بن شفي الأحروجي الْهَمدَانِي توفّي فِي خلَافَة هِشَام بن عبد الْملك قبل الْعشْرين وَمِائَة
الأحسبيني بِفَتْح الْألف وَالسِّين الْمُهْملَة بَينهمَا الْحَاء الساكنة الْمُهْملَة وَبعدهَا الْبَاء الْمُوَحدَة الْمَفْتُوحَة وَالْيَاء الساكنة آخر الْحُرُوف وَفِي آخرهَا النُّون - هَذِه النِّسْبَة إِلَى الأحسبين وَهُوَ قَبيلَة من حَضرمَوْت مِنْهَا سَلمَة بن كهيل الأحسبيني وَيُقَال إِن أحسبين هُوَ عقبَة بن شهَاب بن نمر بن نمير بن ضنعج الشَّاعِر وَالله أعلم قَالَ ذَلِك ابْن حبيب عَن ابْن الْكَلْبِيّ
الأحصبي بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْحَاء الْمُهْملَة إِن شَاءَ الله أَو الْخَاء الْمُعْجَمَة وَفِي آخرهَا الْبَاء الْمُوَحدَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى الأحصبي مَوضِع بِبِلَاد الْيمن مِنْهَا أَبُو الْفَتْح أَحْمد بن عبد الرَّحْمَن بن الْحُسَيْن الأحصبي الْوراق نزل الأحصبين
الأحمدي بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْحَاء الْمُهْملَة وَفتح الْمِيم وَفِي آخرهَا الدَّال الْمُهْملَة - وَالْمَشْهُور بِهَذِهِ النِّسْبَة أَبُو عِيسَى الْعَبَّاس بن أَحْمد بن مطروح ابْن سراج بن مُحَمَّد بن عبد الله الْأَزْدِيّ النَّحْوِيّ الأحمدي من أهل مصر توفّي فِي جُمَادَى الأولى من سنة ثَلَاث وَخمسين وثلثمائة
الْأَحْمَر بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْحَاء الْمُهْملَة وَفِي آخرهَا الرَّاء - هَذِه اللَّفْظَة صفة للرجل الَّذِي فِيهِ الْحمرَة وَهِي من الألوان واشتهر بهَا جمَاعَة مِنْهُم أَبُو عبد الله جَعْفَر بن زِيَاد الْأَحْمَر الْكُوفِي ضَعِيف توفّي سنة سبع وَسِتِّينَ وَمِائَة
الأحمري بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْحَاء الْمُهْملَة وَفتح الْمِيم وَفِي آخرهَا الرَّاء - هَذِه النِّسْبَة إِلَى الْأَحْمَر قَالَ وظني أَنه بطن من الأزد وَالْمَشْهُور بِهَذَا الانتساب أَبُو ظلال هِلَال ابْن أبي مَالك الْأَعْمَى الأحمري الْقَسْمَلِي من
জীম — এই নিসবতটি (সম্বন্ধ) আল-আহুরুজ-এর দিকে, যা হামদান গোত্রের একটি শাখা। এই নিসবতধারী ব্যক্তি হলেন আবু আলী সুমামাহ ইবনে শুফায় আল-আহুরুজি আল-হামদানি। তিনি হিশাম ইবনে আব্দুল মালিকের খিলাফতকালে ১২০ হিজরির পূর্বে মৃত্যুবরণ করেন।
আল-আহসাবিনি: আলিফ এবং সীন মুহমালাহর ফাতহাহ (যবর) সহ, তাদের মাঝে হা মুহমালাহ সাকিন, এরপর বাহ মুওয়াহহাদাহ (এক নুক্তাবিশিষ্ট) ফাতহাহযুক্ত, এরপর বর্ণমালার শেষ বর্ণ ইয়া সাকিন এবং শেষে নুন — এই নিসবতটি আল-আহসাবিন-এর দিকে, যা হাজরামাউতের একটি গোত্র। সালামাহ ইবনে কুহাইল আল-আহসাবিনি তাদের অন্তর্ভুক্ত। বলা হয় যে, আহসাবিন হলেন কবি আকাবাহ ইবনে শিহাব ইবনে নিমর ইবনে নুমাইর ইবনে জিনা'জ। আল্লাহই ভালো জানেন। ইবনে হাবিব ইবনুল কালবি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
আল-আহসাবি: আলিফের ফাতহাহ এবং ইনশাআল্লাহ হা মুহমালাহ অথবা খা মু'জামাহ-এর সুকুনসহ এবং শেষে বাহ মুওয়াহহাদাহ — এই নিসবতটি ইয়ামানের আল-আহসাবি নামক একটি স্থানের দিকে। আবু আল-ফাতহ আহমাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আল-হুসাইন আল-আহসাবি আল-ওয়াররাক সেখান থেকে আগত, তিনি আল-আহসাবিনে বসতি স্থাপন করেছিলেন।
আল-আহমাদি: আলিফের ফাতহাহ, হা মুহমালাহর সুকুন, মিমের ফাতহাহ এবং শেষে দাল মুহমালাহ — এই নিসবতে প্রসিদ্ধ হলেন মিশরের অধিবাসী আবু ঈসা আল-আব্বাস ইবনে আহমাদ ইবনে মাত্রুহ ইবনে সিরাজ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আজদি আন-নাহবি আল-আহমাদি। তিনি ৩৫৩ হিজরির জুমাদাল উলা মাসে মৃত্যুবরণ করেন।
আল-আহমার: আলিফের ফাতহাহ, হা মুহমালাহর সুকুন এবং শেষে রা — এই শব্দটি সেই ব্যক্তির বিশেষণ যার গায়ের রঙে লালিমা রয়েছে, আর এটি রঙের অন্যতম একটি নাম। একদল ব্যক্তি এই নামে প্রসিদ্ধ হয়েছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ জাফর ইবনে যিয়াদ আল-আহমার আল-কুফি। তিনি যঈফ (দুর্বল) ছিলেন এবং ১৬৭ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
আল-আহমারি: আলিফের ফাতহাহ, হা মুহমালাহর সুকুন, মিমের ফাতহাহ এবং শেষে রা — এই নিসবতটি আল-আহমার-এর দিকে। তিনি (গ্রন্থকার) বলেন, আমার ধারণা এটি আযদ গোত্রের একটি শাখা। এই নিসবতে প্রসিদ্ধ হলেন আবু যিলাল হিলাল ইবনে আবি মালিক আল-আ’মা আল-আহমারি আল-কাসমালি।
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৩২)
أهل الْبَصْرَة الْأَزْدِيّ الأحمري وَفِي نسبه اخْتِلَاف وَغَيره
الأحمسي بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْحَاء الْمُهْملَة وَفتح الْمِيم وَفِي آخرهَا السِّين الْمُهْملَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أحمس وَهِي طَائِفَة من بجيلة نزلُوا الْكُوفَة وَقيل إِن أحمس هُوَ أحمس بن ضبيعة بن ربيعَة بن نزار بن معد بن عدنان من وَلَده جمَاعَة من الْعلمَاء وَفِي الْيمن أحمس بن الْغَوْث بن أَنْمَار بن أراش بن عَمْرو بن الْغَوْث بن زيد بن كهلان رُوِيَ أَن رَسُول الله صلى الله عليه وسلم بَارك على خيل أحمس ورجالها قلت هَذَا معنى مَا ذكره السَّمْعَانِيّ وَهُوَ غير مُسْتَقِيم لِأَن قَوْله أحمس من بجيلة صَحِيح وَقَوله وَقيل إِن أحمس هُوَ أحمس بن ضبيعة بن ربيعَة بن نزار فَهَذَا يُوهم أَن هَذَا أحمس قيل إِنَّه من بجيلة وَقيل من ضبيعة وَلَيْسَ كَذَلِك وَإِنَّمَا فِي بجيلة أحمس وَفِي ضبيعة أحمس وَأما قَوْله وَفِي الْيمن أحمس بن الْغَوْث بن أَنْمَار بن أراش ابْن عَمْرو بن الْغَوْث بن زيد بن كهلان فَهَذَا يدل على أَنه قد ظن أَن أحمس بجيلة غير أحمس بن الْغَوْث لِأَنَّهُ قد رأى تَارَة أحمس من بجيلة وَتارَة من الْيمن وَهُوَ أحمس بن الْغَوْث وظنهما اثْنَيْنِ وهما وَاحِد لِأَن أحمس بجيلة هُوَ ابْن الْغَوْث بن أَنْمَار وَدَلِيله قَوْله بَارك رَسُول الله صلى الله عليه وسلم على خيل أحمس ورجالها وَهَذَا فعله رَسُول الله صلى الله عليه وسلم لما هدم جرير بن عبد الله البَجلِيّ ذَا الخلصة فَدَعَا لأحمس بجيلة
الْأَحْنَف بِفَتْح الْألف وَالنُّون بَينهمَا الْحَاء الْمُهْملَة الساكنة وَفِي آخرهَا الْفَاء - هَذَا لقب جمَاعَة من الْمُحدثين لحنف بهم مِنْهُم أَبُو عبد الله مُحَمَّد ابْن عبد الله بن خَليفَة بن الْجَارُود الْأَحْنَف وَغَيره
الأحنفي بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْحَاء الْمُهْملَة وَفتح النُّون وَفِي آخرهَا الْفَاء - هَذِه النِّسْبَة إِلَى الْأَحْنَف وَهُوَ اسْم لبَعض أجداد المنتسب إِلَيْهِ مِنْهُم أَبُو إِسْحَاق بن يَعْقُوب بن إِسْحَاق الأحنفي الْجوزجَاني من ولد الْأَحْنَف
বসরাবাসী আল-আযদী আল-আহমারী; তার বংশপরিচয়ের ক্ষেত্রে মতভেদ রয়েছে এবং অন্যান্যরা।
আল-আহমাসী: আলিফের উপর ফাতহাহ (যবর), নুক্তাবিহীন ‘হা’ বর্ণের উপর সুকুন (জযম) এবং মীম বর্ণের উপর ফাতহাহ (যবর) যোগে, আর এর শেষে রয়েছে নুক্তাবিহীন ‘সীন’। এই নিসবত বা সম্বন্ধটি ‘আহমাস’ এর দিকে, যা বাজীলা গোত্রের একটি দল; তারা কূফায় বসবাস শুরু করেছিল। বলা হয় যে, এই আহমাস হলেন আহমাস বিন দ্বাবিয়াহ বিন রাবী’আহ বিন নিযার বিন মা’দ বিন আদনান, যার বংশধরদের মধ্যে একদল আলেম রয়েছেন। আর ইয়ামেনে রয়েছে আহমাস বিন আল-গাওস বিন আনমার বিন আরাশ বিন আমর বিন আল-গাওস বিন যায়েদ বিন কাহলান। বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আহমাস গোত্রের ঘোড়া ও পুরুষদের জন্য বরকতের দোয়া করেছেন। আমি বলছি, এটি সাম’আনী যা উল্লেখ করেছেন তার সারমর্ম, তবে তা সুবিন্যস্ত নয়; কারণ তার এই কথাটি যে ‘বাজীলা গোত্রের আহমাস’ তা সঠিক, কিন্তু তার এই কথাটি যে ‘বলা হয় আহমাস হলেন আহমাস বিন দ্বাবিয়াহ বিন রাবী’আহ বিন নিযার’—এটি এই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে যে এই আহমাস সম্ভবত বাজীলা গোত্রের অথবা দ্বাবিয়াহ গোত্রের। অথচ বিষয়টি তেমন নয়; বরং বাজীলা গোত্রেও আহমাস রয়েছে এবং দ্বাবিয়াহ গোত্রেও আহমাস রয়েছে। আর তার এই কথা যে, ‘ইয়ামেনে রয়েছে আহমাস বিন আল-গাওস বিন আনমার বিন আরাশ...’, এটি প্রমাণ করে যে তিনি ধারণা করেছেন বাজীলা গোত্রের আহমাস এবং আহমাস বিন আল-গাওস দুইজন ভিন্ন সত্তা। কারণ তিনি কখনো আহমাসকে বাজীলা গোত্র থেকে দেখেছেন, আবার কখনো ইয়ামেন থেকে দেখেছেন—যিনি হলেন আহমাস বিন আল-গাওস—ফলে তিনি তাদেরকে দুইজন মনে করেছেন, অথচ তারা মূলত একই। কারণ বাজীলার আহমাস মূলত আল-গাওস বিন আনমারেরই পুত্র। এর প্রমাণ হলো তাঁর এই কথা যে, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আহমাস গোত্রের ঘোড়া ও পুরুষদের জন্য বরকতের দোয়া করেছেন’; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটি তখন করেছিলেন যখন জারীর বিন আব্দুল্লাহ আল-বাজালী যুল-খালাসাহ ধ্বংস করেছিলেন, তখন তিনি বাজীলার আহমাস গোত্রের জন্য দোয়া করেছিলেন।
আল-আহনাফ: আলিফ ও নূন বর্ণের উপর ফাতহাহ (যবর), এই দুইয়ের মাঝে নুক্তাবিহীন ‘হা’ বর্ণটি সুকুন (জযম) যুক্ত এবং এর শেষে রয়েছে ‘ফা’। এটি একদল মুহাদ্দিসের উপাধি যা তাদের পায়ের বক্রতার কারণে দেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে রয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন খলীফা বিন আল-জারূদ আল-আহনাফ এবং অন্যান্যরা।
আল-আহনাফী: আলিফের উপর ফাতহাহ (যবর), নুক্তাবিহীন ‘হা’ বর্ণে সুকুন (জযম) এবং নূন বর্ণের উপর ফাতহাহ (যবর) যোগে, এর শেষে রয়েছে ‘ফা’। এই নিসবত বা সম্বন্ধটি আল-আহনাফ এর দিকে, যা এই বংশের কোনো এক পূর্বপুরুষের নাম। তাদের মধ্যে রয়েছেন আবু ইসহাক বিন ইয়াকুব বিন ইসহাক আল-আহনাফী আল-জাওযাজানী, যিনি আল-আহনাফের বংশধর।
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
ابْن قيس فنسب إِلَيْهِ توفّي بِدِمَشْق سنة سِتّ وَخمسين وَمِائَتَيْنِ
الأحوصي بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْحَاء الْمُهْملَة وَفتح الْوَاو بعده الصَّاد الْمُهْملَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى الْأَحْوَص وَهُوَ اسْم لوالد المنتسب إِلَيْهِ وَهُوَ أَبُو مُحَمَّد عبد الله بن الْأَحْوَص بن عمار بن عبد الله الأحوصي
الْأَحول بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْحَاء الْمُهْملَة - هَذَا من الْحول فِي الْعين مِنْهُم عَامر بن عبد الْوَاحِد الْأَحول من أهل الْبَصْرَة وَعَاصِم الْأَحول كُوفِي أَصله من الْبَصْرَة وَمَات سنة اثْنَتَيْنِ أَو ثَلَاث وَأَرْبَعين وَمِائَة
الأحلافي بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْحَاء الْمُهْملَة وَفِي آخرهَا فَاء - هَذِه النِّسْبَة إِلَى الأحلاف وَهِي بطن من كلب قَالَ فَإِنِّي سَمِعت جمَاعَة من الكلبيين فِي بَريَّة السماوة وَكنت إِذا سَأَلتهمْ عَن أنسابهم يَقُول كل وَاحِد مِنْهُم فلَان الأحلافي وهم كَانُوا من كلب وَالْمَشْهُور بِهَذِهِ النِّسْبَة يَعْقُوب الأحلافي الْمُؤَذّن الْعجلِيّ من أهل الْكُوفَة
قلت فَاتَهُ النِّسْبَة إِلَى الأحلاف من قُرَيْش لَهُم ذكر فِي حلف المطيبين فَإِن قُريْشًا افْتَرَقت فرْقَتَيْن الْفرْقَة الأولى بَنو عبد منَاف وَمَعَهُمْ بَنو أَسد بن عبد الْعُزَّى وَبَنُو زهرَة وَبَنُو تيم بن مرّة وَبَنُو الْحَارِث بن فهر والفرقة الثَّانِيَة بَنو عبد الدَّار بن قصي وَمَعَهُمْ بَنو مَخْزُوم وَبَنُو سهم وَبَنُو جمح وَبَنُو عدي ابْن كَعْب فَأخْرج بَنو عبد منَاف جَفْنَة مَمْلُوءَة طيبا فغمسوا أَيْديهم فِيهَا وتعاقدوا فسموا المطيبين وتعاقد الطَّائِفَة الْأُخْرَى وَمَعَهُمْ أحلافهم عِنْد الْكَعْبَة حلفا مؤكدا أَنهم لَا يتخاذلون وَلَا يسلم بَعضهم بَعْضًا فسموا الأحلاف فَكَانَت قُرَيْش تَقول فلَان من الأحلاف وَفُلَان من المطيبين
وَفَاته أَيْضا الأحلافي نِسْبَة إِلَى أحد قبيلي ثَقِيف فَإِن ثقيفا ولد عوفا وجشم فولد عَوْف عدَّة بطُون وهم الأحلاف مِنْهُم عُرْوَة بن مَسْعُود ابْن معتب بن مَالك بن كَعْب بن عَمْرو بن سعد بن عَوْف الَّذِي قَتله قومه
ইবনে কায়েস, তাই তার দিকেই নিসবত বা সম্বন্ধযুক্ত করা হয়েছে; তিনি দুইশত ছাপ্পান্ন হিজরি সনে দামেস্কে মৃত্যুবরণ করেন।
আল-আহওয়াসি: আলিফ বর্ণে ফাতহা, অব্যবহৃত (নুকতাহীন) হা বর্ণে সুকুন এবং এরপর ওয়াও বর্ণে ফাতহা ও অব্যবহৃত (নুকতাহীন) সাদ বর্ণ সহযোগে। এই নিসবতটি আল-আহওয়াস এর দিকে নির্দেশ করে, যা এই নিসবতধারীর পিতার নাম। তিনি হলেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনুল আহওয়াস ইবনে আম্মার ইবনে আবদুল্লাহ আল-আহওয়াসি।
আল-আহওয়াল: আলিফ বর্ণে ফাতহা এবং অব্যবহৃত (নুকতাহীন) হা বর্ণে সুকুন সহযোগে। এটি চোখের টেরা ভাব থেকে উদ্ভূত। তাদের মধ্যে রয়েছেন বসরার অধিবাসী আমির ইবনে আবদুল ওয়াহিদ আল-আহওয়াল এবং আসিম আল-আহওয়াল; আসিম কুফার অধিবাসী হলেও তার মূল ছিল বসরা এবং তিনি একশত বিয়াল্লিশ বা তেতাল্লিশ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন।
আল-আহলাফি: আলিফ বর্ণে ফাতহা, অব্যবহৃত (নুকতাহীন) হা বর্ণে সুকুন এবং শেষে ফা বর্ণ সহযোগে। এই নিসবতটি আল-আহলাফ এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত, যা কালব গোত্রের একটি শাখা। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, আমি সামাওয়া মরুভূমিতে কালব গোত্রের একদল লোকের নিকট শুনেছি; যখন আমি তাদের বংশ পরিচয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতাম, তখন তাদের প্রত্যেকেই বলতেন— অমুক আল-আহলাফি। তারা কালব গোত্রভুক্ত ছিলেন। এই নিসবতে প্রসিদ্ধ ব্যক্তি হলেন কুফার অধিবাসী ইয়াকুব আল-আহলাফি আল-মুয়াজ্জিন আল-ইজলি।
আমি (গ্রন্থকার) বলছি, তিনি (মূল লেখক) কুরাইশদের 'আল-আহলাফ' নিসবতটি উল্লেখ করতে ভুলে গেছেন, যাদের কথা 'হিলফুল মুতায়্যাবীন' (সুগন্ধি মাখানোদের অঙ্গীকার) এ বর্ণিত হয়েছে। কুরাইশরা দুই দলে বিভক্ত হয়েছিল। প্রথম দল ছিল বনু আবদে মানাফ, তাদের সাথে ছিল বনু আসাদ ইবনে আবদিল উযযা, বনু জুহরা, বনু তাইম ইবনে মুররা এবং বনু হারিস ইবনে ফিহর। আর দ্বিতীয় দল ছিল বনু আবদুদ দার ইবনে কুসাই, তাদের সাথে ছিল বনু মাখজুম, বনু সাহাম, বনু জুমাহ এবং বনু আদি ইবনে কাব। অতঃপর বনু আবদে মানাফ সুগন্ধি পূর্ণ একটি পাত্র বের করে তাতে তাদের হাত ডুবিয়ে অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়, ফলে তাদের 'মুতায়্যাবীন' (সুগন্ধি মাখানো দল) বলা হয়। আর অপর দলটি এবং তাদের মিত্ররা কাবার নিকটে এই মর্মে সুদৃঢ় অঙ্গীকার করে যে, তারা একে অপরকে অসহায় অবস্থায় ছেড়ে দেবে না এবং একে অপরকে অন্যের হাতে সোপর্দ করবে না, ফলে তাদের 'আহলাফ' (মিত্রপক্ষ) নামকরণ করা হয়। কুরাইশরা বলত— অমুক আহলাফভুক্ত এবং অমুক মুতায়্যাবীনভুক্ত।
তার নিকট আরও বাদ পড়েছে সাকিফ গোত্রের দুটি উপদলের একটির দিকে সম্বন্ধযুক্ত 'আল-আহলাফি' নিসবতটি। কেননা সাকিফ গোত্রে আউফ ও জুশাম জন্মগ্রহণ করেছিল। অতঃপর আউফের বংশে কয়েকটি শাখা জন্ম নেয় যারা মূলত 'আহলাফ' নামে পরিচিত। তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন উরওয়া ইবনে মাসউদ ইবনে মুআত্তিব ইবনে মালিক ইবনে কাব ইবনে আমর ইবনে সাদ ইবনে আউফ, যাকে তার স্বগোত্রীয়রা হত্যা করেছিল।
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
لما دعاهم إِلَى الْإِسْلَام وَله صُحْبَة والمغيرة بن شُعْبَة بن أبي عَامر بن معتب وَمِنْهُم الْحجَّاج بن يُوسُف بن الحكم بن أبي عقيل بن مَسْعُود بن عَامر بن معتب وَغَيرهم وَولد مَالك يذكرُونَ فِي الْمَالِكِي
-
بَاب الْألف وَالْخَاء-
الأخباري بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْخَاء الْمُعْجَمَة وَفتح الْبَاء الْمُوَحدَة وَفِي آخرهَا الرَّاء - هَذِه النِّسْبَة إِلَى الْأَخْبَار وَيُقَال لمن يَحْكِي الحكايات والقصص والنوادر الأخباري واشتهر بِهَذِهِ النِّسْبَة جمَاعَة مِنْهُم أَبُو عبد الرَّحْمَن الْهَيْثَم ابْن عدي الأخباري الطَّائِي توفّي بِفَم الصُّلْح سنة سِتّ وَمِائَتَيْنِ
أخدري هَذَا اسْم يشبه النِّسْبَة وَهُوَ أُسَامَة بن أخدري التَّمِيمِي الشقري لَهُ صُحْبَة وَفد على رَسُول الله صلى الله عليه وسلم مُسلم
الأخسيكثي بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْخَاء الْمُعْجَمَة وَكسر السِّين الْمُهْملَة وَسُكُون الْيَاء المنقوطة بِاثْنَتَيْنِ من تحتهَا وَفتح الْكَاف وَفِي آخرهَا الثَّاء الْمُثَلَّثَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أخسيكث وَهِي من بِلَاد فرغانة خرج مِنْهَا جمَاعَة من الْعلمَاء قَدِيما وحديثا مِنْهُم الأخوان أَبُو الْوَفَاء مُحَمَّد بن مُحَمَّد بن الْقَاسِم الأخسيكثي كَانَ إِمَامًا فِي اللُّغَة والتواريخ وَتُوفِّي بعد سنة عشْرين وَخَمْسمِائة وَأَخُوهُ أَبُو رشاد أَحْمد بن مُحَمَّد بن الْقَاسِم كَانَ أديبا فَاضلا شَاعِرًا
الْأَخْفَش بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْخَاء الْمُعْجَمَة وَفتح الْفَاء وَفِي آخرهَا شين مُعْجمَة - وَمَعْنَاهُ أَصْغَر الْعين مَعَ سوء بصر فِيهَا وَالْمَشْهُور بِهَذِهِ الصّفة أَبُو الْحسن عَليّ بن سُلَيْمَان بن الْفضل الْأَخْفَش النَّحْوِيّ كَانَ ثِقَة توفّي سنة خمس عشرَة وثلثمائة
যখন তিনি তাদের ইসলামের দিকে আহ্বান করেন এবং তাঁর সাহচর্য রয়েছে, আর মুগীরাহ বিন শুবা বিন আবু আমির বিন মুআত্তিব, এবং তাদের মধ্যে রয়েছে হাজ্জাজ বিন ইউসুফ বিন হাকাম বিন আবু আকিল বিন মাসউদ বিন আমির বিন মুআত্তিব ও অন্যান্যরা; আর মালিকের সন্তানদের আল-মালিকী অংশে উল্লেখ করা হয়।
-
আলিফ ও খা অধ্যায়-
আল-আখবারী: আলিফের উপর ফাতহাহ, মু'জাম খ-এর উপর সুকুন, মুওয়াহ্হাদাহ বা-এর উপর ফাতহাহ এবং এর শেষে রা রয়েছে। - এই নিসবতটি 'আখবার' (সংবাদ বা ইতিহাস)-এর দিকে। যারা কিসসা, কাহিনী ও দুর্লভ ঘটনাবলী বর্ণনা করেন তাদের 'আখবারী' বলা হয়। এই নিসবতে একদল লোক প্রসিদ্ধি লাভ করেছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন আবু আবদুর রহমান হাইসাম ইবনে আদি আল-আখবারী আত-তায়ী, যিনি দুইশত ছয় হিজরীতে ফাম্মুস সুলহ-এ মৃত্যুবরণ করেন।
আখদারী: এটি এমন একটি নাম যা নিসবতের সদৃশ। তিনি হলেন উসামাহ বিন আখদারী আত-তামিমী আশ-শাকরী, তাঁর সাহচর্য রয়েছে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে মুসলিম হিসেবে প্রতিনিধি হয়ে এসেছিলেন।
আল-আখসীকাষী: আলিফের উপর ফাতহাহ, মু'জাম খ-এর উপর সুকুন, মুহমালাহ সীন-এর নিচে কাসরাহ, নিচে দুই নুকতাযুক্ত ইয়া-এর উপর সুকুন, কাফ-এর উপর ফাতহাহ এবং এর শেষে মুসাল্লাসাহ সা রয়েছে। - এই নিসবতটি 'আখসীকাষ' এর দিকে, যা ফারগানা অঞ্চলের একটি শহর। সেখান থেকে প্রাচীন ও আধুনিক যুগে একদল আলেম বের হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুই ভাই রয়েছেন: আবু আল-ওয়াফা মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন কাসিম আল-আখসীকাষী, তিনি ভাষা ও ইতিহাসে ইমাম ছিলেন এবং পাঁচশত বিশ হিজরীর পর মৃত্যুবরণ করেন; এবং তাঁর ভাই আবু রাশাদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন কাসিম, যিনি একজন সাহিত্যিক, গুণী ও কবি ছিলেন।
আল-আখফাশ: আলিফের উপর ফাতহাহ, মু'জাম খ-এর উপর সুকুন, ফা-এর উপর ফাতহাহ এবং এর শেষে মু'জাম শীন রয়েছে। - এর অর্থ হলো দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হওয়াসহ চোখ ছোট হওয়া। এই গুণে প্রসিদ্ধ হলেন আবুল হাসান আলী বিন সুলাইমান বিন ফজল আল-আখফাশ আন-নাহবী, তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন এবং তিনশত পনেরো হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন।
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
الأخموري بِضَم الْألف وَسُكُون الْخَاء المنقوطة وَضم الْمِيم وَفِي آخرهَا الرَّاء - هَذِه النِّسْبَة إِلَى الأخمور وهم بطن من المغافر نزلُوا مصر مِنْهُم وَزِير بن شُعَيْب بن كُلَيْب الأخموري يُقَال لَهُ الخامري وَهُوَ مَنْسُوب إِلَى هَذَا الْبَطن من المصريين
الإخميمي بِكَسْر الْألف وَسُكُون الْخَاء الْمُعْجَمَة وَالْيَاء المنقوطة بِاثْنَتَيْنِ من تحتهَا بَين الميمين المكسورتين - هَذِه النِّسْبَة إِلَى إخميم وَهِي بَلْدَة من ديار مصر فِي الصَّعِيد على طَرِيق الْحَاج مِنْهَا أَبُو الْفَيْض ذُو النُّون بن إِبْرَاهِيم الإخميمي الزَّاهِد صَاحب كرامات توفّي فِي ذِي الْقعدَة سنة خمس وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ
قلت وَقد ذكر السَّمْعَانِيّ جمَاعَة بعده ثمَّ قَالَ وَأَبُو الْفَيْض ذُو النُّون ابْن إِبْرَاهِيم الْمصْرِيّ الإخميمي النوبي كَانَ أَصله من النّوبَة وَكَانَ من قَرْيَة إخميم فَنزل مصر وَكَانَ حكيما فصيحا زاهدا وَجه إِلَيْهِ المتَوَكل على الله فَحمل إِلَى حَضرته بسر من رأى حَتَّى رَآهُ وَسمع كَلَامه ثمَّ انحدر إِلَى بَغْدَاد وَعَاد إِلَى مصر وَقيل إِن اسْمه ثَوْبَان وَذُو النُّون لقب لَهُ وَقد روى عَن مَالك توفّي فِي سنة خمس وَأَرْبَعين وَمِائَتَيْنِ لليلتين خلتا من ذِي الْقعدَة فظنهما اثْنَيْنِ وهما وَاحِد وَلَعَلَّه حَيْثُ رأى فِي بعض الْكتب الْمصْرِيّ وَفِي بَعْضهَا النوبي ظنهما كَذَلِك وَالله أعلم على أَن السَّمْعَانِيّ قد ذكر فِي كِتَابه مثل هَذَا فِي تراجم كَثِيرَة يذكر الْوَاحِد فِي التَّرْجَمَة مرَّتَيْنِ وَرُبمَا ذكره ثَلَاث مَرَّات فَلَا أعلم هَل اشْتبهَ عَلَيْهِ أَو رداءة فِي التصنيف وَقد تركت الِاسْتِدْرَاك عَلَيْهِ وَإِنَّمَا ذكرت هَذَا هَهُنَا ليعلم أَن الْبَاقِي الَّذِي لم أذكرهُ مثله وَالله أعلم
الأخنسي بِفَتْح الْألف وَسُكُون الْخَاء الْمُعْجَمَة وَكسر السِّين الْمُهْملَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى الْأَخْنَس بن شريق وَهُوَ من ثَقِيف نسبا وَوَلَاء فَمن النّسَب عُثْمَان بن مُحَمَّد بن الْمُغيرَة بن الْأَخْنَس بن شريق الأخنسي وَمن الْوَلَاء عبد الله
আল-আখমুরি: আলিফ বর্ণে পেশ (যম্মাহ), নুক্তাযুক্ত খা বর্ণে সাকিন, মিম বর্ণে পেশ এবং শেষে রা বর্ণ—এই সম্বন্ধটি আল-আখমুর-এর দিকে। তারা মাগাফির গোত্রের একটি শাখা যারা মিশরে বসতি স্থাপন করেছিল। তাদের অন্তর্ভুক্ত হলেন ওয়াযির বিন শুআইব বিন কুলাইব আল-আখমুরি; তাকে আল-খামিরিও বলা হয়। তিনি মিশরীয়দের এই শাখাটির সাথে সম্বন্ধযুক্ত।
আল-ইখমিমি: আলিফ বর্ণে যের (কাসরাহ), নুক্তাযুক্ত খা বর্ণে সাকিন এবং নিচে দুই নুক্তাবিশিষ্ট ইয়া বর্ণ যা দুটি যেরযুক্ত মিম বর্ণের মাঝে অবস্থিত—এই সম্বন্ধটি ইখমিম-এর দিকে। এটি মিশরের সাঈদ অঞ্চলের একটি শহর যা হাজীদের রাস্তার ওপর অবস্থিত। সেখানকার অধিবাসী ছিলেন আবুল ফয়য যুন-নুন বিন ইবরাহিম আল-ইখমিমি; তিনি একজন বিরাগী (যাহেদ) ও অলৌকিক ক্ষমতার (কারামত) অধিকারী ছিলেন। তিনি দুইশত পয়তাল্লিশ হিজরি সালের যিলকদ মাসে মৃত্যুবরণ করেন।
আমি বলছি: আস-সামআনি তার পরে একটি দলের কথা উল্লেখ করেছেন, অতঃপর বলেছেন: আবুল ফয়য যুন-নুন ইবনে ইবরাহিম আল-মিসরি আল-ইখমিমি আল-নুবি; তার বংশমূল ছিল নুবিয়া থেকে এবং তিনি ইখমিম গ্রামের অধিবাসী ছিলেন। অতঃপর তিনি মিশরে বসবাস করেন। তিনি একজন প্রজ্ঞাবান, বাগ্মী ও বিরাগী ছিলেন। আল-মুতাওয়াক্কিল আলাল্লাহ তার কাছে দূত পাঠান এবং তাকে সামাররায় (সুররা মান রাআ) খলিফার দরবারে নিয়ে আসা হয়, যতক্ষণ না খলিফা তাকে দেখেন এবং তার কথা শোনেন। এরপর তিনি বাগদাদে যান এবং পুনরায় মিশরে ফিরে আসেন। বলা হয় যে, তার নাম ছিল সাওবান এবং যুন-নুন ছিল তার উপাধি। তিনি ইমাম মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি দুইশত পয়তাল্লিশ হিজরি সালের যিলকদ মাসের দুই দিন অতিবাহিত হওয়ার পর মৃত্যুবরণ করেন। তবে তিনি (সামআনি) তাদের দুজনকে ভিন্ন ব্যক্তি মনে করেছেন অথচ তারা মূলত একই ব্যক্তি। সম্ভবত তিনি কোনো কোনো কিতাবে 'আল-মিসরি' এবং কোনোটিতে 'আল-নুবি' দেখে তাদের ভিন্ন ব্যক্তি মনে করেছেন। আল্লাহই ভালো জানেন। উল্লেখ্য যে, আস-সামআনি তার কিতাবে এমন বহু জীবনীতে একই কাজ করেছেন যে, তিনি একই ব্যক্তিকে দুইবার উল্লেখ করেছেন, এমনকি কখনো কখনো তিনবারও উল্লেখ করেছেন। আমি জানি না এটি কি তার নিকট অস্পষ্ট ছিল নাকি বিন্যাসের ত্রুটি। আমি তার ওপর এই সংশোধন করা ছেড়ে দিয়েছি; এখানে কেবল এটি উল্লেখ করলাম যাতে জানা যায় যে, আমি যেগুলো উল্লেখ করিনি সেগুলোও একই রূপ। আল্লাহই ভালো জানেন।
আল-আখনাসি: আলিফ বর্ণে যবর (ফাতহা), নুক্তাযুক্ত খা বর্ণে সাকিন এবং নুক্তাবিহীন সিন বর্ণে যের (কাসরাহ)—এই সম্বন্ধটি আখনাস বিন শারিক-এর দিকে। তিনি বংশগতভাবে এবং মৈত্রীর (ওয়ালা) দিক থেকে সাকিফ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। বংশগত দিক থেকে যেমন: উসমান বিন মুহাম্মদ বিন আল-মুগিরাহ বিন আল-আখনাস বিন শারিক আল-আখনাসি; আর মৈত্রীর দিক থেকে হলেন আব্দুল্লাহ।
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
ابْن أبي نجيح وَاسم أبي نجيح يسَار الأخنسي مولى الْأَخْنَس بن شريق وَغَيرهمَا
قلت فَاتَهُ الأخنسية طَائِفَة من الْخَوَارِج نسبوا إِلَى رجل اسْمه الْأَخْنَس وَمن مَذْهَبهم أَن السَّيِّد يَأْخُذ من زَكَاة عَبده وَيُعْطِيه من زَكَاته إِذا احْتَاجَ وافتقر
وَقد فَاتَهُ
الأخيلي بِفَتْح الْهمزَة وَسُكُون الْخَاء الْمُعْجَمَة وَفتح الْيَاء تحتهَا نقطتان وَبعدهَا لَام - هَذِه النِّسْبَة إِلَى الأخيل واسْمه كَعْب بن مُعَاوِيَة بن عبَادَة بن عقيل ينْسب إِلَيْهِ جمَاعَة مِنْهُم ليلى بنت حُذَيْفَة بن شَدَّاد بن كَعْب بن مُعَاوِيَة ابْن عبَادَة الشاعرة الْمَشْهُورَة الَّتِي يَقُول فِيهَا تَوْبَة بن الْحمير
(وَلَو أَن ليلى الأخيلية سلمت
… عَليّ ودوني جندل وصفائح)
أدْركْت الْإِسْلَام وَمَاتَتْ أَيَّام الْحجَّاج الْحمير بِضَم الْحَاء الْمُهْملَة وَفتح الْمِيم وَتَشْديد الْيَاء تحتهَا نقطتان وَآخره رَاء
-
بَاب الْألف وَالدَّال-
الأدرعي بِفَتْح الْألف وَسُكُون الدَّال الْمُهْملَة وَفتح الرَّاء وَفِي آخرهَا الْعين الْمُهْملَة - هَذِه النِّسْبَة لجَماعَة من العلويين ينسبون إِلَى الأدرع وَهُوَ لقب أبي جَعْفَر مُحَمَّد بن الْأَمِير عبيد الله الْكُوفِي الْمَعْرُوف بالطبيب ابْن عبد الله ابْن الْحسن بن جَعْفَر بن الْحسن بن الْحسن بن عَليّ بن أبي طَالب مِنْهُم أَبُو أَحْمد مُحَمَّد بن أبي عبد الله بن الْحسن الْمَعْرُوف بالشعراني ابْن أبي عبد الله الْوَاعِظ بخراسان ابْن الْقَاسِم بن الأدرع الأدرعي وَجَمَاعَة بقزوين م
قلت فَاتَهُ
الأدرمي بِفَتْح الْهمزَة وَسُكُون الدَّال الْمُهْملَة وَفتح الرَّاء وَبعدهَا مِيم -
ইবনে আবি নাজিহ, এবং আবি নাজিহ-এর নাম হলো ইয়াসার আল-আখনাসি, যিনি আখনাস ইবনে শারিকের মুক্তদাস ছিলেন এবং আরও অনেকে।
আমি বলছি: তিনি 'আখনাসিয়্যাহ' শব্দটি ছেড়ে গিয়েছেন। এটি খারিজিদের একটি দল, যারা আখনাস নামক এক ব্যক্তির দিকে নিজেদের নিসবত বা সম্বন্ধ করে। তাদের মতাদর্শ হলো, মনিব তার দাসের জাকাত থেকে গ্রহণ করতে পারবে এবং দাস অভাবগ্রস্ত ও দরিদ্র হলে মনিব তাকে জাকাত দিতে পারবে।
এবং তিনি আরও ছেড়ে গিয়েছেন:
আল-আখয়ালি (হামযাহ-তে ফাতহা, খ-তে সুকুন, নিচে দুই নুকতা বিশিষ্ট ইয়া-তে ফাতহা এবং এরপর লাম) - এই নিসবতটি 'আখয়াল'-এর দিকে। তার নাম কাব ইবনে মুআবিয়াহ ইবনে উবাদাহ ইবনে আকিল। একদল লোক তার দিকে নিজেদের সম্বন্ধ করে, তাদের মধ্যে রয়েছেন বিখ্যাত মহিলা কবি লায়লা বিনতে হুজাইফাহ ইবনে শাদ্দাদ ইবনে কাব ইবনে মুআবিয়াহ ইবনে উবাদাহ, যার সম্পর্কে তাওবাহ ইবনুল হুমাইর বলেছেন:
(যদি লায়লা আল-আখয়ালিয়া আমাকে সালাম দিত... অথচ আমার উপরে থাকতো পাথর ও কবরের ফলক।)
তিনি ইসলাম লাভ করেছিলেন এবং হাজ্জাজ-এর যুগে মৃত্যুবরণ করেন। আল-হুমাইর (হা-তে দাম্মাহ, মিম-এ ফাতহা এবং নিচে দুই নুকতা বিশিষ্ট ইয়া-তে তাশদিদ ও শেষে রা)।
-
আলিফ ও দাল অধ্যায়-
আল-আদরা'ই (আলিফে ফাতহা, দাল-এ সুকুন, রা-তে ফাতহা এবং শেষে আইন) - এই নিসবতটি আলবিগণের একটি দলের জন্য, যারা নিজেদের আল-আদরা' এর দিকে সম্বন্ধ করে। এটি আমীর উবায়দুল্লাহ আল-কুফি-এর পুত্র আবু জাফর মুহাম্মাদ-এর উপাধি, যিনি চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি আবদুল্লাহ ইবনুল হাসান ইবনে জাফর ইবনুল হাসান ইবনুল হাসান ইবনে আলি ইবনে আবি তালিব-এর বংশধর। তাদের মধ্যে রয়েছেন আবু আহমাদ মুহাম্মাদ ইবনে আবি আবদুল্লাহ ইবনুল হাসান, যিনি খোরাসানে আশ-শারানি ইবনে আবি আবদুল্লাহ আল-ওয়াইজ নামে পরিচিত ছিলেন, যিনি আল-কাসিম ইবনুল আদরা' আল-আদরা'ই-এর পুত্র। এছাড়া কাজভিনেও একদল লোক রয়েছেন।
আমি বলছি, তিনি ছেড়ে গিয়েছেন:
আল-আদরামি (হামযাহ-তে ফাতহা, দাল-এ সুকুন, রা-তে ফাতহা এবং এরপর মিম) -
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
هَذِه النِّسْبَة إِلَى الأدرم وَهُوَ تيم بن غَالب بن فهر بن مَالك بن النَّضر ابْن كنَانَة بن خُزَيْمَة وَإِنَّمَا قيل لَهُ الأدرم لِأَنَّهُ كَانَ نَاقص الذقن وَيُقَال فِي النِّسْبَة إِلَيْهِ أدرمي لَا تيمي وهم من قُرَيْش الظَّوَاهِر مِنْهُم ابْن خطل واسْمه غَالب بن عبد الله بن عبد منَاف بن أسعد بن جَابر بن كَبِير بن تيم بن غَالب قتل يَوْم فتح مَكَّة كَافِرًا أَمر النَّبِي صلى الله عليه وسلم بقلته فَقتل كَذَا سَمَّاهُ ابْن الْكَلْبِيّ وَسَماهُ مُحَمَّد بن إِسْحَاق عبد الله بن خطل
وَفَاته
الأدومي بِفَتْح الْهمزَة ودال مُهْملَة وواو وَمِيم - هَذِه النِّسْبَة إِلَى الأدوم ابْن السكسك مِنْهُم مُعَاوِيَة بن عبد الْأَعْلَى كَانَ أَشد الْعَرَب أَيَّام مَرْوَان بن مُحَمَّد الْحمار
الإدريسي بِكَسْر الْألف وَسُكُون الدَّال الْمُهْملَة وَكسر الرَّاء وَسُكُون الْيَاء الْمُعْجَمَة بِاثْنَتَيْنِ من تحتهَا وَفِي آخرهَا السِّين الْمُهْملَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى إِدْرِيس وَهُوَ اسْم لبَعض أجداد المنتسب إِلَيْهِ وَالْمَشْهُور بِهَذِهِ النِّسْبَة أَبُو سعد عبد الرَّحْمَن بن مُحَمَّد بن مُحَمَّد بن عبد الله بن إِدْرِيس بن الْحسن بن الْحسن الإستراباذي صَاحب تَارِيخ سَمَرْقَنْد توفّي سلخ ذِي الْحجَّة سنة خمس وَأَرْبَعمِائَة بسمرقند وَأَبُو الْقَاسِم مَحْمُود بن إِسْمَاعِيل الإدريسي الطريثيثي
قلت فَاتَهُ أَبُو الْقَاسِم سعيد بن مُحَمَّد بن الْحسن الإدريسي إِمَام جَامع صور سمع صَالح بن أَحْمد القَاضِي وَغَيره روى عَنهُ سهل بن بشر وروى عَن أبي الْحسن عَليّ بن مُحَمَّد الأديب عَن أَبِيه فِي الصُّوفِيَّة
(ألام على حبي رجَالًا تعاقدوا
… على الْبر وَالتَّقوى مَعَ الضّر والفقر)
(لباسهم أدنى اللبَاس تواضعا
… وعيشهم عَيْش أدق من الشّعْر)
(إِذا وجدوا قوتا فيا خير مطعم
… وَإِن فقدوا فالشكر للصمد الْوتر)
الأدمِيّ بِفَتْح الْألف وَالدَّال الْمُهْملَة وَفِي آخرهَا الْمِيم - هَذِه النِّسْبَة
এই নিসবতটি (বংশনাম) আল-আদরাম-এর দিকে সম্পর্কিত, আর তিনি হলেন তাইম ইবনে গালিব ইবনে ফিহর ইবনে মালিক ইবনে আন-নাদর ইবনে কিনানাহ ইবনে খুজাইমাহ। তাঁকে আদরাম বলা হতো কারণ তাঁর চিবুক ছিল ছোট। তাঁর দিকে সম্বন্ধ করে 'আদরামী' বলা হয়, 'তাইমী' নয়। তাঁরা কুরাইশে জাহির (বহিঃস্থ কুরাইশ)-এর অন্তর্ভুক্ত। তাঁদের মধ্যে ইবনে খাতাল অন্যতম, তাঁর নাম গালিব ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবদ মানাফ ইবনে আসআদ ইবনে জাবির ইবনে কাবির ইবনে তাইম ইবনে গালিব। মক্কা বিজয়ের দিন তিনি কাফির অবস্থায় নিহত হন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন, ফলে তাঁকে হত্যা করা হয়। ইবনুল কালবী তাঁকে এই নামেই অভিহিত করেছেন, আর মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক তাঁর নাম বলেছেন আবদুল্লাহ ইবনে খাতাল।
তিনি যা উল্লেখ করতে ছেড়ে গেছেন
আল-আদুমী: হামযাতে ফাতহা, দাল-এ কোনো নুকতা নেই (মুহমালাহ), ওয়াও এবং মীম সহযোগে—এই নিসবতটি আদুম ইবনে আস-সাকসাক-এর দিকে সম্পর্কিত। তাঁদের মধ্যে মুয়াবিয়া ইবনে আবদিল আলা অন্যতম, যিনি মারওয়ান ইবনে মুহাম্মদ আল-হিমার-এর যুগে আরবদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তি ছিলেন।
আল-ইদরীসী: আলিফের নিচে কাসরা, দাল-এ সুকুন (মুহমালাহ), রা-তে কাসরা, ইয়া-তে সুকুন (নিচে দুই নুকতা বিশিষ্ট মু'জামাহ) এবং শেষে সীন (মুহমালাহ) সহযোগে—এই নিসবতটি ইদরীস নামক ব্যক্তির দিকে, যা এই বংশের সাথে সম্পর্কিত কোনো এক পূর্বপুরুষের নাম। এই নিসবতে প্রসিদ্ধ হলেন আবু সা'দ আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইদরীস ইবনে আল-হাসান ইবনে আল-হাসান আল-ইস্তারাবাদযী, যিনি 'তারিখে সমরকন্দ'-এর রচয়িতা। তিনি ৪০৫ হিজরি সনের যিলহজ মাসের শেষ দিনে সমরকন্দে মৃত্যুবরণ করেন। এবং আবুল কাসিম মাহমুদ ইবনে ইসমাঈল আল-ইদরীসী আত-তুরাইসী।
আমি বলছি: তিনি উল্লেখ করতে ছেড়ে গেছেন আবুল কাসিম সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান আল-ইদরীসীকে, যিনি সুর (টায়ার) শহরের জামে মসজিদের ইমাম ছিলেন। তিনি সালিহ ইবনে আহমদ আল-কাদি ও অন্যদের নিকট থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। সাহল ইবনে বিশর তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন। আর তিনি সুফিবাদ বিষয়ে আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-আদীব থেকে, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন:
(আমি সেই সব লোকেদের ভালোবাসার কারণে নিন্দিত হই, যারা অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়েছে
… কষ্ট ও দারিদ্র্য সত্ত্বেও পুণ্য ও তাকওয়ার ওপর।)
(বিনয়বশত তাদের পোশাক অতি সাধারণ
… এবং তাদের জীবন যাপন চুলের চেয়েও সূক্ষ্ম।)
(যদি তারা আহার খুঁজে পায় তবে তা অতি উত্তম খাবার
… আর যদি না পায়, তবে সকল কৃতজ্ঞতা সেই অমুখাপেক্ষী ও একক সত্তার জন্য।)
আল-আদামী: আলিফ ও দাল-এ ফাতহা (মুহমালাহ) এবং শেষে মীম—এই নিসবতটি ওয়ানমা...
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
إِلَى من يَبِيع الْأدم وَفِيهِمْ كَثْرَة مِنْهُم أَبُو عَليّ الْحسن بن الْفضل الأدمِيّ وَأَبُو قُتَيْبَة سلم بن الْفضل بن طَاهِر الأدمِيّ وَغَيرهمَا
الأدوي بِضَم الْألف وَفتح الدَّال الْمُهْملَة وَفِي آخرهَا الْوَاو - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أُدي وَهُوَ بطن من الْخَزْرَج من الْأَنْصَار وَهُوَ أُدي بن سعد بن عَليّ بن أَسد بن شاردة بن تزيد بن جشم بن الْخَزْرَج مِنْهُ معَاذ بن جبل م
قلت تزيد بِالتَّاءِ فَوْقه نقطتان
الأديمي بِفَتْح الْألف وَكسر الدَّال الْمُهْملَة وَسُكُون الْيَاء المنقوطة بِاثْنَتَيْنِ من تحتهَا وَفِي آخرهَا الْمِيم - هَذِه النِّسْبَة إِلَى الْأَدِيم وَهُوَ بطن من خولان والمنتسب إِلَيْهِ أَبُو الْقَاسِم سعيد بن عبد الْعَزِيز بن أبان بن أبي حَيَّان الأديمي توفّي لليلة بقيت من شَوَّال سنة ثَمَان وَثَمَانِينَ وَمِائَتَيْنِ
-
بَاب الْألف والذال-
الْأَذْرَعِيّ بِفَتْح الْألف وَسُكُون الذَّال الْمُعْجَمَة وَفتح الرَّاء وَفِي آخرهَا الْعين الْمُهْملَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أَذْرُعَات وَهِي نَاحيَة بِالشَّام وَالْمَشْهُور بِالنِّسْبَةِ إِلَيْهَا مُحَمَّد بن أبي الزعيزعة الْأَذْرَعِيّ وَغَيره
قلت فَاتَهُ
الأذرمي بِفَتْح الْهمزَة وَسُكُون الذَّال وَفتح الرَّاء وَفِي آخرهَا مِيم - نِسْبَة إِلَى أذرمة وَهِي قَرْيَة عِنْد نَصِيبين من الجزيرة مِنْهَا أَبُو عبد الرَّحْمَن عبد الله بن مُحَمَّد بن إِسْحَاق الأذرمي النصيبي روى عَن ابْن عُيَيْنَة وَغَيره روى عَنهُ أَبُو دَاوُد السجسْتانِي وَالنَّسَائِيّ وَغَيرهمَا وَقد ذكره فِي الْألف الممدودة وَهُوَ غير صَحِيح
যারা চামড়া বিক্রি করে তাদের দিকে (এই সম্বন্ধটি করা হয়), তাদের মধ্যে অনেকের আধিক্য রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আল-ফাদল আল-আদামি এবং আবু কুতাইবা সালাম ইবনে আল-ফাদল ইবনে তাহির আল-আদামি ও অন্যান্যরা।
আল-আদুবি: আলিফে পেশ এবং নুকতাহীন দালে জবর সহকারে এবং শেষে ওয়াও - এই সম্বন্ধটি আদুয়্যি-এর দিকে, যা আনসারদের খাযরাজ গোত্রের একটি শাখা। আর তিনি হলেন আদুয়্যি ইবনে সাদ ইবনে আলী ইবনে আসাদ ইবনে শারাদাহ ইবনে তায়যিদ ইবনে জুশাম ইবনে আল-খাযরাজ। তার থেকে মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) রয়েছেন।
আমি বলছি: তায়যিদ শব্দটি উপরে দুই নুকতা বিশিষ্ট 'তা' দিয়ে।
আল-আদিমি: আলিফে জবর, নুকতাহীন দালে যের এবং নিচে দুই নুকতা বিশিষ্ট ইয়া-এর সাকিন সহকারে এবং শেষে মীম - এই সম্বন্ধটি আল-আদিম-এর দিকে, যা খাওলান গোত্রের একটি শাখা। আর এর সাথে সম্বন্ধযুক্ত ব্যক্তি হলেন আবুল কাসিম সাঈদ ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে আবান ইবনে আবু হাইয়ান আল-আদিমি। তিনি ২৮৮ হিজরীর শাওয়াল মাসের একদিন বাকি থাকতে মৃত্যুবরণ করেন।
-
আলিফ ও যাল পরিচ্ছেদ-
আল-আযরায়ী: আলিফে জবর, নুকতাযুক্ত যালে সাকিন এবং রা-তে জবর সহকারে এবং শেষে নুকতাহীন আইন - এই সম্বন্ধটি আযরুয়াত-এর দিকে, যা শামের একটি অঞ্চল। এই সম্বন্ধের অন্তর্ভুক্ত প্রসিদ্ধ ব্যক্তি হলেন মুহাম্মদ ইবনে আবি আয-যুআইজুআহ আল-আযরায়ী ও অন্যান্যরা।
আমি বলছি: তিনি বাদ দিয়েছেন:
আল-আযরামি: হামজায় জবর, যালে সাকিন এবং রা-তে জবর সহকারে এবং শেষে মীম - এটি আযরামা-এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত, যা জাজিরা অঞ্চলের নাসিবিনের নিকটবর্তী একটি গ্রাম। সেখান থেকে আবু আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-আযরামি আন-নাসিবি রয়েছেন। তিনি ইবনে উইয়াইনাহ ও অন্যান্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তার থেকে আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি, নাসায়ী ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন। তিনি একে আলিফে মামদুদা এর অধীনে উল্লেখ করেছেন, যা সঠিক নয়।
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
الأذني بِفَتْح الْألف والذال الْمُعْجَمَة وَفِي آخرهَا النُّون - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أذنة وَهِي من مشاهير الْبلدَانِ بساحل الشَّام عِنْد طرسوس وانتقل إِلَيْهَا جمَاعَة من الْعلمَاء للمرابطة مِنْهُم أَبُو بكر مُحَمَّد بن عَليّ بن أَحْمد بن دَاوُد الْكِنَانِي الأذني وَغَيره
-
بَاب الْألف وَالرَّاء-
الأربنجني بِفَتْح الْألف وَسُكُون الرَّاء وَكسر الْبَاء الْمُوَحدَة وَسُكُون النُّون وَفتح الْجِيم وَكسر النُّون الْأَخِيرَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى بليدَة من بليدات السغد بسمرقند يُقَال لَهَا أربنجن وَبَعْضهمْ يسْقط الْألف وَيَقُول ربنجن وَقد ذكرتها فِي الْألف وَفِي الرَّاء لهَذَا الْمَعْنى وَالْمَشْهُور بالانتساب إِلَيْهَا أَبُو بكر أَحْمد بن مُحَمَّد بن مُوسَى بن رَجَاء الأربنجني كَانَ فَقِيها حنفيا توفّي سنة تسع وَسِتِّينَ وثلثمائة وَغَيره
الأربنجي بِفَتْح الْألف وَسُكُون الرَّاء وَكسر الْبَاء الْمُوَحدَة وَسُكُون النُّون وبالجيم فِي آخرهَا - قَالَ رَأَيْت هَذِه النِّسْبَة فِي تَارِيخ مَدِينَة السَّلَام وظني أَنه أسقط النُّون من آخرهَا وَهُوَ أربنجني فَإِن لم يكن ذَلِك فَالله أعلم وَهُوَ وهب بن جميل بن الْفضل الأربنجي وَغَيره
الأربقي بِفَتْح الْألف وَسُكُون الرَّاء وَفتح الْبَاء الْمُوَحدَة وَفِي آخرهَا الْقَاف - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أربق وَهِي قَرْيَة من قرى رامهرمز إِحْدَى بِلَاد خوزستان مِنْهَا أَبُو طَاهِر عَليّ بن أَحْمد بن الْفضل الرامَهُرْمُزِي الأربقي
الإربلي بِكَسْر الْألف وَسُكُون الرَّاء وَكسر الْبَاء الْمُوَحدَة وَفِي آخرهَا اللَّام - هَذِه النِّسْبَة إِلَى إربل وَهِي قلعة على مرحلَتَيْنِ من الْموصل كَانَ فِيهَا جمَاعَة من الْعلمَاء مِنْهُم أَبُو أَحْمد الْقَاسِم بن المظفر الشهرزوري الشَّيْبَانِيّ
আল-আযানি (আলিফ এবং মু'জাম যাল-এর ফাতহা যোগে এবং শেষে নুন) - এই নিসবতটি আযানা-র দিকে, যা শাম দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের এবং তারসুসের নিকটবর্তী একটি বিখ্যাত শহর। সীমান্ত পাহারার জন্য আলেমদের একটি দল সেখানে স্থানান্তরিত হয়েছিলেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আহমদ ইবনে দাউদ আল-কিনানি আল-আযানি এবং অন্যান্যরা।
-
আলিফ এবং রা-এর অধ্যায়-
আল-আরবানজানি (আলিফের ফাতহা, রা-এর সুকুন, বা-এর কাসরা, নুন-এর সুকুন, জিম-এর ফাতহা এবং শেষ নুন-এর কাসরা যোগে) - এই নিসবতটি সমরকন্দের সুগদ অঞ্চলের একটি ছোট শহরের দিকে, যাকে আরবানজান বলা হয়। কেউ কেউ আলিফকে বাদ দিয়ে রাবানজান বলেন; আমি এই কারণে এটি আলিফ এবং রা উভয় বর্ণেই উল্লেখ করেছি। এই নিসবতে প্রসিদ্ধ ব্যক্তি হলেন আবু বকর আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুসা ইবনে রাজা আল-আরবানজানি, তিনি একজন হানাফি ফকিহ ছিলেন এবং ৩৬৯ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন, এবং অন্যান্যরা।
আল-আরবানজি (আলিফের ফাতহা, রা-এর সুকুন, বা-এর কাসরা, নুন-এর সুকুন এবং শেষে জিম যোগে) - তিনি বলেন: আমি এই নিসবতটি তারিখ মাদিনাতুস সালাম-এ দেখেছি এবং আমার ধারণা যে এর শেষ থেকে নুন বাদ পড়ে গেছে এবং তা মূলত আরবানজানি ছিল; আর যদি তা না হয় তবে আল্লাহই ভালো জানেন। তিনি হলেন ওয়াহাব ইবনে জামিল ইবনে ফাদল আল-আরবানজি এবং অন্যান্যরা।
আল-আরবাকি (আলিফের ফাতহা, রা-এর সুকুন, বা-এর ফাতহা এবং শেষে কাফ যোগে) - এই নিসবতটি আরবাক-এর দিকে, যা খুজিস্তানের অন্যতম শহর রামহুরমুযের একটি গ্রাম। সেখান থেকে রয়েছেন আবু তাহির আলী ইবনে আহমদ ইবনে ফাদল আল-রামহুরমুযি আল-আরবাকি।
আল-ইরবিলি (আলিফের কাসরা, রা-এর সুকুন, বা-এর কাসরা এবং শেষে লাম যোগে) - এই নিসবতটি ইরবিল-এর দিকে, যা মসুল থেকে দুই মঞ্জিল দূরত্বের একটি দুর্গ। সেখানে আলেমদের একটি দল ছিলেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন আবু আহমদ আল-কাসিম ইবনুল মুজাফফর আশ-শাহরাযুরি আশ-শায়বানি।
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৪০)
وَغَيره وَأَبُو سُلَيْمَان دَاوُد بن مُحَمَّد بن الْحسن بن أبي خَالِد الإربلي الْموصِلِي شَاب فَاضل ورد مرو متفقها وَنزل الْمدرسَة الحورانية فِي حُدُود سنة عشْرين وَخَمْسمِائة وَكَانَ يشْتَغل بِالْحَدِيثِ وَطَلَبه سمع مَعنا حَدِيث الْحَارِث بن أبي أُسَامَة بن أبي مَنْصُور مُحَمَّد بن عَليّ بن مَحْمُود الكراعي وَخرج إِلَى مَا وَرَاء النَّهر بعد أَن أَقَامَ عندنَا مُدَّة ثمَّ رَأَيْت جُزْءا مَعَ الْحسن بن شَافِع الدِّمَشْقِي شَاب سمع مَعنا الحَدِيث بمرو وسمرقند أَنه كتب عَنهُ شَيْئا فِي سنة نَيف وَثَلَاثِينَ وَخَمْسمِائة بحدود الْموصل م
الأرتياني بِفَتْح الْألف وَسُكُون الرَّاء وَكسر التَّاء ثَالِث الْحُرُوف وَفتح الْيَاء آخر الْحُرُوف بعْدهَا الْألف وَفِي آخرهَا النُّون - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أرتيان وَهِي قَرْيَة من قرى استوا بنواحي نيسابور مِنْهَا أَبُو عبد الله الْحسن بن إِسْمَاعِيل ابْن عَليّ الأرتياني النَّيْسَابُورِي توفّي بعد الْعشْرَة والثلثمائة م
الأرجاني بِفَتْح الْألف وَسُكُون الرَّاء وَفتح الْجِيم وَفِي آخرهَا النُّون - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أرجان وَهِي من كور الأهواز من بِلَاد خوزستان وَيُقَال لَهَا أرغان بالغين وَالْمَشْهُور بالانتساب إِلَيْهَا أَبُو إِسْحَاق إِبْرَاهِيم بن أَحْمد بن زيد الأرجاني وَغَيره
قلت فَاتَهُ
الأرحايي بِفَتْح الْهمزَة وَسُكُون الرَّاء وَبِالْحَاءِ الْمُهْملَة الْمَفْتُوحَة وَبعد الْألف يَاء تحتهَا نقطتان - هَذِه النِّسْبَة إِلَى الأرحا قَرْيَة قريبَة من وَاسِط مِنْهَا أَبُو السعادات عَليّ بن أبي الْكَرم بن عَليّ الأرحايي الضَّرِير سمع من أبي الْوَقْت وَتُوفِّي سنة تسع وسِتمِائَة
الأرحبي بِفَتْح الْهمزَة وَسُكُون الرَّاء وَفتح الْحَاء الْمُهْملَة وَفِي آخرهَا الْبَاء الْمُوَحدَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى بني أرحب وهم بطن من هَمدَان ولد أرحب ابْن دعام بن مَالك بن مُعَاوِيَة بن صَعب بن دومان بن بكيل بن جشم بن خيوان
এবং অন্যান্যরা। আর আবু সুলায়মান দাউদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আবি খালিদ আল-ইরবিলি আল-মাওসিলি একজন গুণী যুবক ছিলেন। তিনি ফকীহ হিসেবে মার্ভে আগমন করেন এবং পাঁচশত বিশ হিজরি সালের কাছাকাছি সময়ে হাওরানীয় মাদরাসায় অবস্থান করেন। তিনি হাদীস চর্চা ও অন্বেষণে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি আমাদের সাথে আবু মনসুর মুহাম্মদ বিন আলী বিন মাহমুদ আল-কারায়ীর নিকট হারিস বিন আবি উসামার হাদীস শ্রবণ করেছেন। আমাদের নিকট কিছুকাল অবস্থানের পর তিনি মা-ওয়ারাউন নাহরের (ট্রান্সঅক্সিয়ানা) দিকে চলে যান। অতঃপর আমি হাসান বিন শাফি আদ-দিমাশকীর নিকট একটি পাণ্ডুলিপি দেখি—যিনি একজন যুবক এবং আমাদের সাথে মার্ভ ও সমরকন্দে হাদীস শ্রবণ করেছেন—যে তিনি তার নিকট থেকে পাঁচশত ত্রিশের কিছু পরে মোসলের সীমানায় কিছু লিখেছিলেন। ম
আল-আরতিয়ানী: আলিফের উপর ফাতহা, র-এর উপর সুকুন, তৃতীয় বর্ণ ত-এর নিচে কাসরা এবং শেষ বর্ণ ইয়া-এর উপর ফাতহা, এরপর একটি আলিফ এবং শেষে নুন। এই নিসবতটি হলো আরতিয়ানের দিকে, যা নিশাপুরের পার্শ্ববর্তী ইস্তুওয়া অঞ্চলের গ্রামগুলোর মধ্যে একটি গ্রাম। সেখান থেকে আবু আব্দুল্লাহ আল-হাসান বিন ইসমাইল ইবনে আলী আল-আরতিয়ানী আন-নিশাপুরী প্রসিদ্ধি লাভ করেছেন, যিনি তিনশ দশ হিজরির পরে মৃত্যুবরণ করেন। ম
আল-আরজানী: আলিফের উপর ফাতহা, র-এর উপর সুকুন, জীম-এর উপর ফাতহা এবং শেষে নুন। এই নিসবতটি হলো আরজানের দিকে, যা খুজিস্তান অঞ্চলের আহওয়াজ প্রদেশের একটি জেলা। একে গাইন বর্ণ সহযোগে 'আরগান'ও বলা হয়। এই নিসবতে প্রসিদ্ধি লাভ করেছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম বিন আহমদ বিন যায়েদ আল-আরজানী এবং অন্যান্যরা।
আমি বলছি, তিনি এটি বাদ দিয়েছেন:
আল-আরহায়ী: হামযার উপর ফাতহা, র-এর উপর সুকুন, বিন্দুহীন হা-এর উপর ফাতহা এবং আলিফের পরে নিচে দুই বিন্দুবিশিষ্ট ইয়া। এই নিসবতটি হলো আরহা-এর দিকে, যা ওয়াসিত শহরের নিকটবর্তী একটি গ্রাম। সেখান থেকে আবুস সাআদাত আলী বিন আবিল কারাম বিন আলী আল-আরহায়ী আদ-দারীর (অন্ধ) প্রসিদ্ধি লাভ করেছেন; তিনি আবুল ওয়াক্তের নিকট হাদীস শ্রবণ করেছেন এবং ছয়শত নয় হিজরি সালে মৃত্যুবরণ করেন।
আল-আরহাবী: হামযার উপর ফাতহা, র-এর উপর সুকুন, বিন্দুহীন হা-এর উপর ফাতহা এবং শেষে এক বিন্দুবিশিষ্ট বা। এই নিসবতটি হলো বনু আরহাবের দিকে; তারা হামদান গোত্রের একটি শাখা। তারা আরহাব বিন দুআম বিন মালিক বিন মুআবিয়া বিন সাব বিন দুমান বিন বাকিল বিন জুশাম বিন খায়ওয়ানের বংশধর।
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৪১)
ابْن نوف بن هَمدَان وَالْمَشْهُور بِهَذِهِ النِّسْبَة أَبُو حُذَيْفَة سَلمَة بن صهيبة الأرحبي من التَّابِعين وَغَيره
الأرخسي بِضَم الْألف وَالرَّاء وَسُكُون الْخَاء الْمُعْجَمَة وَكسر السِّين الْمُهْملَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أرخس وَهِي من قرى سَمَرْقَنْد من نَاحيَة شارذان على أَرْبَعَة فراسخ مِنْهَا ينْسب إِلَيْهَا الْعَبَّاس بن عبد الله الأرخسي وَيُقَال أَيْضا الرخسي
الأردبيلي بِفَتْح الْألف وَسُكُون الرَّاء وَضم الدَّال الْمُهْملَة وَكسر الْبَاء الْمُوَحدَة وَسُكُون الْيَاء المنقوطة من تحتهَا وَفِي آخرهَا اللَّام - هَذِه النِّسْبَة إِلَى بَلْدَة يُقَال لَهَا أردبيل من أذربيجان لَعَلَّه بناها أردبيل بن أردميني بن لنطي بن يونان فنسبت إِلَيْهِ مِنْهَا أَبُو الْحسن يَعْقُوب بن مُوسَى الأردبيلي سكن بَغْدَاد وَتُوفِّي بهَا سنة إِحْدَى وَثَمَانِينَ وثلثمائة وَغَيره
الأردستاني بِفَتْح الْألف وَسُكُون الرَّاء وَفتح الدَّال وَسُكُون السِّين الْمُهْمَلَتَيْنِ وَفتح التَّاء المنقوطة من فَوْقهَا بِاثْنَتَيْنِ وَفِي آخرهَا النُّون - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أردستان وَهِي بَلْدَة قريبَة من أصفهان على طرف الْبَريَّة على ثَمَانِيَة عشر فرسخا من أصفهان وَقيل بِكَسْر الْألف وَالدَّال فَمِمَّنْ ينْسب إِلَيْهَا أَبُو مُحَمَّد عبد الله بن يُوسُف بن أَحْمد بن ماموية الأردستاني الْمَعْرُوف بالأصفهاني نزيل نيسابور توفّي سنة تسع وَأَرْبَعمِائَة
الآدني هَذِه النِّسْبَة إِلَى أردن بِضَم الْألف وَسُكُون الرَّاء الْمُهْملَة وَضم الدَّال الْمُهْملَة وَتَشْديد النُّون فِي آخرهَا - وَهِي من بِلَاد الْغَوْر من سَاحل الشَّام وَبهَا نهر كَبِير يخرج من بحيرة طبرية وطبرية من الأردني وَخرج مِنْهَا جمَاعَة من الْعلمَاء قَدِيما وحديثا فَمنهمْ أَبُو سَلمَة الحكم بن عبد الله بن خطَّاف الأردني وَعبادَة بن نسبي الأردني وَغَيرهمَا
الأرزكياني بِفَتْح الْألف وَسُكُون الرَّاء وَفتح الزَّاي وَكسر الْكَاف
নওফ বিন হামদানের বংশধর এবং এই নিসবত (বংশনাম) দ্বারা প্রসিদ্ধ হলেন আবু হুযায়ফা সালামা বিন সুহাইবা আল-আরহাবী, যিনি তাবেয়ীদের অন্তর্ভুক্ত এবং অন্যান্যরা।
আল-আরখাসি: আলিফ ও রা-তে পেশ (যম্মাহ), খা মু'জামাহ-তে সুকুন এবং সিন মুহমালাহ-তে কাসরা (জের) সহ। এই নিসবতটি আরখাস এর দিকে সম্পৃক্ত, যা সমরখন্দের একটি গ্রাম, শারযান অঞ্চলের অন্তর্গত এবং সেখান থেকে চার ফরসাখ দূরত্বে অবস্থিত। আল-আব্বাস বিন আব্দুল্লাহ আল-আরখাসি এর দিকে সম্পৃক্ত এবং একে আর-রুখাসিও বলা হয়।
আল-আরদাবিলি: আলিফে ফাতহাহ (যবর), রা-তে সুকুন, দাল মুহমালাহ-তে পেশ (যম্মাহ), বা মুওয়াহহাদাহ-তে কাসরা (জের), নিচে দুই নুক্তাযুক্ত ইয়া-তে সুকুন এবং শেষে লাম সহ। এই নিসবতটি আজারবাইজানের আরদাবিল নামক একটি শহরের দিকে সম্পৃক্ত। সম্ভবত এটি আরদাবিল বিন আরদামিনি বিন লান্তি বিন ইউনান নির্মাণ করেছিলেন, তাই এটি তার নামে পরিচিত হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন আবুল হাসান ইয়াকুব বিন মুসা আল-আরদাবিলি, যিনি বাগদাদে বসবাস করতেন এবং সেখানে ৩৮১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন এবং অন্যান্যরা।
আল-আরদাস্তানি: আলিফে ফাতহাহ (যবর), রা-তে সুকুন, দাল ও সিন মুহমালাহ-তে ফাতহাহ ও সুকুন, উপরে দুই নুক্তাযুক্ত তা-তে ফাতহাহ এবং শেষে নুন সহ। এই নিসবতটি আরদাস্তান এর দিকে সম্পৃক্ত। এটি ইসফাহানের নিকটবর্তী একটি শহর, যা মরুভূমির প্রান্তে এবং ইসফাহান থেকে আঠারো ফরসাখ দূরে অবস্থিত। কেউ কেউ আলিফ ও দাল-এর নিচে কাসরা (জের) দিয়েও পড়েছেন। যারা এর দিকে সম্পৃক্ত তাদের মধ্যে রয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ বিন আহমাদ বিন মামুওয়াইহ আল-আরদাস্তানি, যিনি আল-আস্ফাহানি নামে পরিচিত এবং নিশাপুরে বসবাস করতেন; তিনি ৪০৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন।
আল-আর্দানি: এই নিসবতটি আর্দান (জর্ডান) এর দিকে সম্পৃক্ত, যা আলিফে পেশ (যম্মাহ), রা মুহমালাহ-তে সুকুন, দাল মুহমালাহ-তে পেশ এবং শেষে নুন-এ তাশদিদ সহ উচ্চারিত হয়। এটি শাম (সিরিয়া) উপকূলের গাওর অঞ্চলের একটি দেশ। সেখানে একটি বড় নদী রয়েছে যা তাবারিয়াহ হ্রদ থেকে উৎপন্ন হয়েছে এবং তাবারিয়াহ জর্ডানের অন্তর্ভুক্ত। প্রাচীন ও আধুনিক কালে এখান থেকে একদল আলেম বের হয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন আবু সালামা আল-হাকাম বিন আব্দুল্লাহ বিন খাত্তাফ আল-আর্দানি, উবাদাহ বিন নাসাবি আল-আর্দানি এবং আরও অনেকে।
আল-আরযাকিয়ানি: আলিফে ফাতহাহ (যবর), রা-তে সুকুন, যা-তে ফাতহাহ এবং কাফ-এ কাসরা (জের) সহ।
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৪২)
وَبعدهَا الْيَاء آخر الْحُرُوف - وَهُوَ اسْم لجد المنتسب إِلَيْهِ وَهُوَ أَبُو عبد الله مُحَمَّد بن الْحسن بن عَليّ بن الْحسن بن نصر ابْن الأرزكيان الأرزكياني البُخَارِيّ أسلم جده الأرزكيان على يَد عَليّ بن أبي طَالب عليه السلام توفّي أَبُو عبد الله فِي شعْبَان سنة أَرْبَعِينَ وثلثمائة م
الأرزناني بِفَتْح الْألف وَسُكُون الرَّاء وَضم الزَّاي وبالألف الساكنة بَين النونين - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أرزنان وَهِي من قرى أصفهان قَالَ هَكَذَا سَمِعت شَيخنَا أَبَا سعد أَحْمد بن مُحَمَّد الْحَافِظ بأصفهان والمنتسب إِلَيْهَا أَبُو الْقَاسِم الْحسن بن أَحْمد بن مُحَمَّد الأرزناني الْمعلم الْأَعْمَى مَاتَ سنة ثَلَاث وَخمسين وَأَرْبَعمِائَة وَأَبُو جَعْفَر مُحَمَّد بن عبد الرَّحْمَن بن زِيَاد الْأَصْفَهَانِي الأرزناني الْحَافِظ من الْحفاظ الْأَثْبَات وَتُوفِّي سنة سبع عشرَة وثلثمائة
الأرزني بِفَتْح الْهمزَة وَسُكُون الرَّاء وَفتح الزَّاي وَفِي آخرهَا النُّون - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أرزن وَهِي مَدِينَة بديار بكر وَالْمَشْهُور بِهِ أَبُو غَسَّان عَيَّاش بن إِبْرَاهِيم الأرزني حدث عَن حَمَّاد بن عَمْرو النصيبي وَغَيره م
الأرزي بِفَتْح الْألف وَضم الرَّاء وَكسر الزَّاي وتشديدها - الْمَشْهُور بِهَذِهِ النِّسْبَة مُحَمَّد بن عبد الله الأرزي وَبَعْضهمْ يَقُول الرزي بِحَذْف الْهمزَة مَنْسُوب إِلَى طبخ الرز أَو الْأرز توفّي بِبَغْدَاد سنة إِحْدَى وَثَلَاثِينَ وَمِائَتَيْنِ م
الأرسابندي أرسابند من قرى مرو على فرسخين مِنْهَا كَانَ بهَا جمَاعَة من الْعلمَاء والمحدثين مِنْهُم مُحَمَّد بن عمرَان الأرسابندي وَأَبُو الْفضل مُحَمَّد ابْن الْفضل الأرسابندي وَغَيرهمَا م
الأرسوفي هَذِه النِّسْبَة إِلَى أرسوف بِضَم الْهمزَة وَسُكُون الرَّاء الْمُهْملَة وَفِي آخرهَا فَاء - وَهِي مَدِينَة على سَاحل بَحر الشَّام وَبهَا كَانَ جمَاعَة من الْعلمَاء
এরপরে রয়েছে অক্ষরমালার শেষ বর্ণ ‘ইয়া’। এটি তাঁর দাদার নাম যার দিকে সম্বন্ধ করা হয়েছে, আর তিনি হলেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন আলী বিন আল-হাসান বিন নাসর ইবনুল আরজাকিয়ান আল-আরজাকিয়ানি আল-বুখারি। তাঁর দাদা আরজাকিয়ান আলী বিন আবি তালিব (তাঁর ওপর শান্তি বর্ষিত হোক)-এর হাতে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। আবু আবদুল্লাহ ৩৪০ হিজরি সালের শাবান মাসে মৃত্যুবরণ করেন।
আল-আরজানানি: আলিফে ফাতহাহ (যবর), রা-তে সুকুন (জযম), যা-তে দাম্মাহ (পেশ) এবং দুই নূনের মাঝে একটি সাকিন আলিফসহ। এই নিসবতটি ‘আরজানান’-এর দিকে, যা ইসফাহানের একটি গ্রাম। তিনি বলেন: আমি ইসফাহানে আমাদের শাইখ আবু সা’দ আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-হাফিজকে এভাবেই বলতে শুনেছি। এর সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন আবু আল-কাসিম আল-হাসান বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-আরজানানি আল-মুআল্লিম আল-আ’মা (অন্ধ শিক্ষক), যিনি ৪৫৩ হিজরি সালে মৃত্যুবরণ করেন। এছাড়া আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জিয়াদ আল-আসফাহানি আল-আরজানানি আল-হাফিজ, যিনি একজন নির্ভরযোগ্য হাফেজ ছিলেন এবং ৩১৭ হিজরি সালে ইন্তেকাল করেন।
আল-আরজানি: হামযাহতে ফাতহাহ (যবর), রা-তে সুকুন (জযম), যা-তে ফাতহাহ (যবর) এবং শেষে নূন। এই নিসবতটি ‘আরজান’-এর দিকে, যা দিয়ার বকর অঞ্চলের একটি শহর। এই নামে প্রসিদ্ধ হলেন আবু গাসসান আইয়াশ বিন ইব্রাহিম আল-আরজানি, যিনি হাম্মাদ বিন আমর আন-নাসিবি এবং অন্যদের থেকে বর্ণনা করেছেন।
আল-উরযি: আলিফে ফাতহাহ (যবর), রা-তে দাম্মাহ (পেশ) এবং যা-তে কাসরাহ (যের) ও তাশদিদসহ। এই নিসবতে প্রসিদ্ধ হলেন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-উরযি। কেউ কেউ হামযাহ বিলুপ্ত করে ‘আর-রুযি’ বলেন। এটি চাল বা ভাত রান্নার সাথে সম্পর্কিত। তিনি ২৩১ হিজরি সালে বাগদাদে মৃত্যুবরণ করেন।
আল-আরসাবান্দি: আরসাবান্দ মার্ভের একটি গ্রাম, যা সেখান থেকে দুই ফারসাখ দূরে অবস্থিত। সেখানে একদল আলেম ও মুহাদ্দিস ছিলেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইমরান আল-আরসাবান্দি এবং আবু আল-ফজল মুহাম্মদ বিন আল-ফজল আল-আরসাবান্দি ও অন্যান্যরা।
আল-আরসুফি: এই নিসবতটি ‘আরসুফ’-এর দিকে, হামযাহতে দাম্মাহ (পেশ), নুকতাহীন রা-তে সুকুন (জযম) এবং শেষে ফা-সহ। এটি শাম সাগরের উপকূলে অবস্থিত একটি শহর এবং সেখানে একদল আলেম ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
والمرابطين مِنْهُم أَبُو يحيى زَكَرِيَّا بن نَافِع الأرسوفي وَغَيره م
الأرغياني بِفَتْح الْألف وَسُكُون الرَّاء وَكسر الْغَيْن الْمُعْجَمَة وَفتح الْيَاء المنقوطة بِاثْنَتَيْنِ من تحتهَا وَفِي آخرهَا النُّون - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أرغيان وَهِي اسْم لناحية من نواحي نيسابور بهَا عدَّة من الْقرى ينْسب إِلَيْهَا جمَاعَة من الْعلمَاء مِنْهُم الْحَاكِم أَبُو الْفَتْح سهل بن أَحْمد بن عَليّ الأرغياني توفّي مستهل الْمحرم سنة تسع وَتِسْعين وَأَرْبَعمِائَة وَغَيره م
الأرفودي بِفَتْح الْألف وَسُكُون الرَّاء وَضم الْفَاء وَفِي آخرهَا الدَّال الْمُهْملَة - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أرفود وَهِي قَرْيَة من قرى كرمينية بِالْقربِ مِنْهَا ينْسب إِلَيْهَا أَبُو أَحْمد أَحْمد بن مُحَمَّد بن مَحْفُوظ الأرفودي توفّي بِقرب الثَّمَانِينَ والثلثمائة م
الأرقمي بِفَتْح الْهمزَة وَسُكُون الرَّاء وَفتح الْقَاف وَفِي آخِره مِيم - وَهِي نِسْبَة غرير بن طَلْحَة بن عبد الله بن عُثْمَان بن الأرقم الأرقمي حكى عَن عَطاء بن أبي رَبَاح روى عَنهُ مُحَمَّد بن يحيى الْكِنَانِي م
قلت فَاتَهُ الأرقمي نِسْبَة إِلَى الأراقم وهم جشم وَمَالك وَعَمْرو وثعلبة وَمُعَاوِيَة والْحَارث أَوْلَاد بكر بن حبيب بن عَمْرو بن غنم بن تغلب بن وَائِل وَفِيهِمْ يَقُول مهلهل
(زَوجهَا فقدها الأراقم فِي
… جنب وَكَانَ الخباء من أَدَم)
ينْسب إِلَيْهِم كثير فَمن بني جشم عَمْرو بن كُلْثُوم بن مَالك بن عتاب بن سعد ابْن زُهَيْر بن جشم وَمِنْهُم كُلَيْب ومهلهل ابْنا ربيعَة بن الْحَارِث بن زُهَيْر ابْن جشم وَمن بني مَالك بن بكر الأخطل الشَّاعِر واسْمه غياث بن غوث ابْن الصَّلْت بن طارقة بن سيحان بن عَمْرو بن فدوكس بن عَمْرو بن مَالك وَمن بني عَمْرو بن بكر الْوَلِيد بن طريف بن عَامر بن هريم بن حُبَيْش بن هريم بن الْحَارِث بن أبي حَارِثَة بن صفي بن حييّ بن عَمْرو بن مَالك بن بكر
এবং তাদের মধ্যকার সীমান্তরক্ষীদের (মুরাবিতিন) অন্তর্ভুক্ত হলেন আবু ইয়াহইয়া জাকারিয়া ইবনে নাফি আল-আরসুফি ও অন্যান্যরা।
আল-আরগিয়ানি: আলিফের ফাতহাহ (যবর), রা-এর সুকুন, নুক্তাযুক্ত গাইনের কাসরাহ (যের), নিচে দুই নুক্তাবিশিষ্ট ইয়া-এর ফাতহাহ (যবর) এবং শেষে নুন যোগে। এই নিসবত বা সম্বন্ধটি আরগিয়ানের দিকে, যা নিশাপুরের একটি অঞ্চলের নাম; সেখানে বেশ কিছু গ্রাম রয়েছে। এই স্থানের দিকে একদল আলেম সম্পৃক্ত, যাদের মধ্যে রয়েছেন আল-হাকিম আবু আল-ফাতহ সাহল ইবনে আহমাদ ইবনে আলি আল-আরগিয়ানি, তিনি চারশত নিরানব্বই হিজরির মহররম মাসের শুরুতে মৃত্যুবরণ করেন, এবং আরও অনেকে।
আল-আরফুদি: আলিফের ফাতহাহ (যবর), রা-এর সুকুন, ফা-এর দাম্মাহ (পেশ) এবং শেষে নুক্তাবিহীন দাল যোগে। এই নিসবতটি আরফুদের দিকে, যা কারমিনিয়্যাহ-র নিকটবর্তী একটি গ্রাম। এর দিকে সম্পৃক্ত করা হয় আবু আহমাদ আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মাহফুজ আল-আরফুদিকে, যিনি তিনশত আশি হিজরির কাছাকাছি সময়ে মৃত্যুবরণ করেন।
আল-আরকামি: হামজার ফাতহাহ (যবর), রা-এর সুকুন, কাফ-এর ফাতহাহ (যবর) এবং শেষে মিম যোগে। এটি গুরইরা ইবনে তালহা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উসমান ইবনে আল-আরকাম আল-আরকামির নিসবত। তিনি আতা ইবনে আবি রাবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-কিনানি বর্ণনা করেছেন।
আমি (গ্রন্থকার) বলি: তিনি আল-আরকামি নিসবতটি উল্লেখ করতে বাদ দিয়েছেন যা আল-আরাকিমের দিকে সম্পৃক্ত। তারা হলেন জুশাম, মালিক, আমর, সালাবা, মুয়াবিয়া এবং আল-হারিস—বকর ইবনে হাবিব ইবনে আমর ইবনে গানম ইবনে তাগলিব ইবনে ওয়াইল-এর সন্তানগণ। তাদের সম্পর্কে মুহালহিল বলেন:
(তার স্বামী তাকে আল-আরাকিমের মধ্যে হারিয়েছে
… পার্শ্বে, আর তাঁবুটি ছিল চামড়ার তৈরি)
তাদের দিকে অনেককেই সম্পৃক্ত করা হয়। বনু জুশাম থেকে রয়েছেন আমর ইবনে কুলসুম ইবনে মালিক ইবনে ইত্তাব ইবনে সাদ ইবনে জুহাইর ইবনে জুশাম। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন রাবিয়া ইবনে আল-হারিস ইবনে জুহাইর ইবনে জুশামের দুই পুত্র কুলাইব ও মুহালহিল। বনু মালিক ইবনে বকর থেকে রয়েছেন কবি আল-আখতাল, যার নাম গিয়াস ইবনে গাওস ইবনে আস-সালত ইবনে তরিকাহ ইবনে সাইহান ইবনে আমর ইবনে ফাদাওকাস ইবনে আমর ইবনে মালিক। বনু আমর ইবনে বকর থেকে রয়েছেন আল-ওয়ালিদ ইবনে তারিফ ইবনে আমির ইবনে হারিম ইবনে হুবাইশ ইবনে হারিম ইবনে আল-হারিস ইবনে আবি হারিসা ইবনে সাফী ইবনে হাইয়ি ইবনে আমর ইবনে মালিক ইবনে বকর।
(খণ্ড: ১)
আল-লুবাব ফী তাহযীবিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
ابْن حبيب بن عَمْرو بن غنم بن تغلب الْخَارِجِي غرير بِضَم الْغَيْن الْمُعْجَمَة وَفتح الرَّاء بعْدهَا يَاء مُعْجمَة بِاثْنَتَيْنِ من تحتهَا وَآخره رَاء ثَانِيَة وحبِيب بن عَمْرو بِضَم الْحَاء الْمُهْملَة وَفتح الْبَاء الْمُوَحدَة وَسُكُون الْيَاء تحتهَا نقطتان وَآخره بَاء مُوَحدَة والأخطل غياث بِكَسْر الْغَيْن الْمُعْجَمَة وَفتح الْيَاء تحتهَا نقطتان وَآخره ثاء مُثَلّثَة وَهِي أَيْضا نِسْبَة إِلَى الأرقم بن النُّعْمَان بن عَمْرو بن وهب ابْن ربيعَة بن مُعَاوِيَة الأكرمين بطن من كِنْدَة مِنْهُم عدي بن عميرَة بن فَرْوَة ابْن رزارة بن الأرقم وَكَانُوا بِالْكُوفَةِ فَلَمَّا انْتقل عَليّ عَلَيْهِ الرِّضَا إِلَيْهَا سَارُوا عَنْهَا إِلَى الشَّام فأنزلهم مُعَاوِيَة الرها وشهدوا مَعَه صفّين
وَفَاته
الأرمنازي بِفَتْح الْهمزَة وَسُكُون الرَّاء وَفتح الْمِيم وَالنُّون وَبعد الْألف زَاي - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أرمناز وَهِي قَرْيَة بِالشَّام من أَعمال حلب مِنْهَا غيث بن عَليّ بن عبد السَّلَام الصُّورِي الأرمنازي وَأَبُو الْفرج بن أبي الْحسن خطيب صور سمع أَحْمد بن أبي الْحَدِيد والخطيب أَبَا بكر الْبَغْدَادِيّ وَغَيرهمَا روى عَنهُ أَبُو الْحُسَيْن وَأَبُو الْقَاسِم ابْنا الْحسن بن هبة الله بن عَسَاكِر الدمشقيان وَغَيرهمَا وَتُوفِّي فِي صفر سنة تسع وَخَمْسمِائة
الأرمني بِفَتْح الْألف وَسُكُون الرَّاء وَفتح الْمِيم وَفِي آخرهَا نون - هَذِه النِّسْبَة إِلَى بِلَاد الأرمن وَهِي طَائِفَة من الرّوم خرج مِنْهَا جمَاعَة من الموَالِي وسمعوا مَعَ ساداتهم الحَدِيث مِنْهُم أَبُو النَّجْم بدر بن عبد الله الشيحي الأرمني غُلَام عبد المحسن بن مُحَمَّد بن عَليّ التَّاجِر توفّي فِي شهر رَمَضَان سنة اثْنَتَيْنِ وَثَلَاثِينَ وَخَمْسمِائة م
الأرموي بِضَم الْألف وَسُكُون الرَّاء وَفتح الْمِيم وَفِي آخرهَا الْوَاو - هَذِه النِّسْبَة إِلَى أرمية وَهِي من بِلَاد أذربيجان وَالْمَشْهُور بِالنِّسْبَةِ إِلَيْهَا جمَاعَة مِنْهُم أَبُو عبد الله الْحُسَيْن بن عبد الله بن مُحَمَّد بن الشويخ الأرموي
ইবন হুবায়ব বিন আমর বিন গানম বিন তাগলিব আল-খারিজী। 'গুরয়াইর' শব্দটি গাইন বর্ণে পেশ, রা বর্ণে জবর, এরপর নিচে দুই নুকতা বিশিষ্ট ইয়া এবং শেষে দ্বিতীয় একটি রা বর্ণের মাধ্যমে গঠিত। হুবায়ব বিন আমর শব্দটি হা বর্ণে পেশ, বা বর্ণে জবর, নিচে দুই নুকতা বিশিষ্ট ইয়া বর্ণে সুকুন এবং শেষে বা বর্ণের মাধ্যমে গঠিত। আল-আখতাল গিয়াস শব্দটি গাইন বর্ণে জের, নিচে দুই নুকতা বিশিষ্ট ইয়া বর্ণে জবর এবং শেষে তিন নুকতা বিশিষ্ট সা বর্ণের মাধ্যমে গঠিত। এটি আরকাম বিন নুমান বিন আমর বিন ওয়াহাব বিন রাবিআ বিন মুয়াবিয়া আল-আকরামাইন-এর বংশের দিকেও একটি সম্বন্ধ (নিসবত), যারা কিনদাহ গোত্রের একটি শাখা। তাদের অন্তর্ভুক্ত হলেন আদি বিন উমাইরা বিন ফারওয়া বিন রাজারা বিন আল-আরকাম। তারা কুফায় বসবাস করতেন। অতঃপর যখন আলী (তাঁর প্রতি সন্তুষ্টি বর্ষিত হোক) সেখানে স্থানান্তরিত হলেন, তারা সেখান থেকে সিরিয়ার দিকে চলে গেলেন। মুয়াবিয়া তাদেরকে রাহা নামক স্থানে বসবাস করতে দেন এবং তারা তাঁর সাথে সিফফিনের যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন।
তাঁর মৃত্যু
আল-আরমানাযি: হামযা বর্ণে জবর, রা বর্ণে সুকুন, মিম ও নুন বর্ণে জবর এবং আলিফ বর্ণের পর ঝা বর্ণের মাধ্যমে গঠিত। এই নিসবতটি আরমানাযের দিকে, যা সিরিয়ার হালাব (আলেপ্পো) অঞ্চলের একটি গ্রাম। সেখান থেকে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন গায়িস বিন আলী বিন আব্দুস সালাম আস-সুরি আল-আরমানাযি এবং আবুল ফরাজ বিন আবুল হাসান, যিনি সোরের (Tyre) খতিব ছিলেন। তিনি আহমদ বিন আবুল হাদিদ এবং খতিব আবু বকর আল-বাগদাদি ও অন্যান্যদের কাছ থেকে হাদিস শ্রবণ করেছেন। তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন আবু আল-হুসাইন এবং আবুল কাসিম, যারা আল-হাসান বিন হিবাতুল্লাহ বিন আসাকির আদ-দিমাশকি-এর দুই পুত্র এবং অন্যান্যরা। তিনি পাঁচশ নয় হিজরি সনের সফর মাসে মৃত্যুবরণ করেন।
আল-আরমানি: আলিফ বর্ণে জবর, রা বর্ণে সুকুন, মিম বর্ণে জবর এবং শেষে নুন বর্ণের মাধ্যমে গঠিত। এই নিসবতটি আরমেনিয়া ভূখণ্ডের দিকে। এটি রোমানদের একটি গোষ্ঠী। সেখান থেকে অনেক আযাদকৃত দাস বেরিয়েছেন যারা তাদের মুনিবদের সাথে হাদিস শ্রবণ করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন আবু আন-নাজম বদর বিন আব্দুল্লাহ আশ-শিহি আল-আরমানি, যিনি আব্দুল মুহসিন বিন মুহাম্মদ বিন আলী আত-তাজিরের গোলাম ছিলেন। তিনি পাঁচশ বত্রিশ হিজরি সনের রমজান মাসে মৃত্যুবরণ করেন।
আল-উরমুবি: আলিফ বর্ণে পেশ, রা বর্ণে সুকুন, মিম বর্ণে জবর এবং শেষে ওয়াও বর্ণের মাধ্যমে গঠিত। এই নিসবতটি উরমিয়ার দিকে, যা আজারবাইজান ভূখণ্ডের একটি শহর। এই নিসবতে পরিচিত ব্যক্তিদের মধ্যে একদল রয়েছেন, যাদের একজন হলেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আশ-শুয়াইখ আল-উরমুবি।