(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: -)
مشيخة ابن البخاري   (ابن الظاهري)

القسم: كتب السنة

الكتاب: مشيخة ابن البخاري

المؤلف: أحمد بن محمد بن عبد الله، أبو العباس، جمال الدين ابن الظاهري، الحنفي (ت 696هـ)

المحقق: د. عوض عتقي سعد الحازمي

الناشر: دار عالم الفؤاد - مكة / السعودية

الطبعة: الأولى، 1419 هـ

عدد الأجزاء: 3

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

মাশয়াখাত ইবনে আল-বুখারি   (ইবনুজ জাহিরি)

বিভাগ: হাদিসের কিতাবসমূহ

কিতাব: মাশয়াখাত ইবনে আল-বুখারি

গ্রন্থকার: আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ, আবু আল-আব্বাস, জামালুদ্দীন ইবনুজ জাহিরি, আল-হানাফি (মৃ. ৬৯৬ হিজরি)

সম্পাদক: ড. আওয়াদ আতিকি সাদ আল-হাজিমি

প্রকাশক: দার আলাম আল-ফুয়াদ - মক্কা / সৌদি আরব

সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৯ হিজরি

খণ্ড সংখ্যা: ৩

[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৩৩)
‌‌‌‌(الْجُزْء الأول من مشيخة الإِمَام الْعَالم بَقِيَّة المسندين رحْلَة الْمُحدثين بغية الطالبين، مُلْحق الأحفاد بالأجداد، حَسَنَة دهره، فَخر الدّين أبي الْحسن عَليّ بن أَحْمد بن عبد الْوَاحِد الْمَقْدِسِي الْحَنْبَلِيّ، الْمَعْرُوف بِابْن البُخَارِيّ. تَخْرِيج الإِمَام الْحَافِظ، معِين طلبة الحَدِيث، وعمدتهم، جمال الدّين أبي الْعَبَّاس أَحْمد بن مُحَمَّد بن عبد الله الظَّاهِرِيّ الْحَنَفِيّ لَهُ تغمدهم الله برحمته وإيانا إِنَّه أرْحم الرَّاحِمِينَ فِيهِ وَالِده، وَمُحَمّد بن كَامِل، وَعلي بن رَيَّان، وَسعد بن عبد الله)

فارغة

 

‌‌(الشَّيْخُ الْأَوَّلُ شَمْسُ الدِّينِ، أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي أَحْمَدَ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مَنْصُورٍ السَّعْدِيُّ الْمَقْدِسِيُّ الْحَنْبَلِيُّ رحمه الله وَهُوَ وَالِدُ الْمُؤلف. (564 هـ - 623 هـ))

فارغة

بسم الله الرحمن الرحيم

وَصَلَّى اللَّهُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَآلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلَّمَ

(1 / 1 / 1) أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَام بَقِيَّة السندين رِحْلَةُ وَقْتِهِ، حَسَنَةُ دَهْرِهِ، مُلْحَقُ الْأَحْفَادِ بِالْأَجْدَادِ، فَخْرُ الدِّينِ، أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ الْمَقْدِسِيُّ - أَثَابَهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ وَإِيَّانَا بِرَحْمَتِهِ - بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ غَيْرَ مَرَّةٍ، قُلْتُ لَهُ: أَخْبَرَكَ وَالِدُكَ، الْإِمَامُ شَمْسُ الدِّينِ مُفْتِي الْمُسْلِمِينَ، أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي أَحْمَدَ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مَنْصُورٍ السَّعْدِيُّ الْمَقْدِسِيُّ الْحَنْبَلِيُّ رحمه الله قِرَاءَةً [عَلَيْهِ] وَأَنْتَ تَسْمَعُ بِحِمْصَ - الْمَحْرُوسَةِ - فِي شَهْرِ رَجَب من سنة إِحْدَى عشرَة وسِتمِائَة، أَنَا أَبُو السَّعَادَاتِ، نَصْرُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْقَزَّازُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِبَغْدَادَ فِي الْمُحَرَّمِ
‌‌‌‌(প্রথম খণ্ড আলেম ইমাম, বর্ণনাকারীদের অবশিষ্টাংশ, মুহাদ্দিসগণের সফরের কেন্দ্রবিন্দু, জ্ঞানান্বেষীদের লক্ষ্য, নাতিদের দাদাদের সাথে সংযুক্তকারী, যুগের সৌন্দর্য, ফখর উদ্দীন আবুল হাসান আলী বিন আহমাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসী আল-হানবালী-এর মাশয়িখা (শিক্ষকবৃন্দের তালিকা) থেকে, যিনি ইবনুল বুখারী নামে পরিচিত। এটি সংকলন করেছেন ইমাম হাফেজ, হাদীস শিক্ষার্থীদের সাহায্যকারী ও তাদের প্রধান অবলম্বন, জামালুদ্দীন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আজ-জাহেরী আল-হানাফী। আল্লাহ তাদের এবং আমাদের প্রতি রহম করুন, নিশ্চয়ই তিনি দয়ালুদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু। এতে রয়েছেন তাঁর পিতা, মুহাম্মাদ বিন কামিল, আলী বিন রাইয়ান এবং সা’দ বিন আব্দুল্লাহ।)

ফাঁকা

 

‌‌(প্রথম শাইখ: শামসুদ্দীন, আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আবু আহমাদ আব্দুল ওয়াহিদ বিন আহমাদ বিন আব্দুর রহমান বিন ইসমাইল বিন মনসুর আস-সাদী আল-মাকদিসী আল-হানবালী, আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন; তিনি হলেন লেখকের পিতা। (৫৬৪ হিজরি - ৬২৩ হিজরি))

ফাঁকা

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

এবং আমাদের নেতা মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবার-পরিজন ও তাঁর সাথীদের প্রতি আল্লাহর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।

(১ / ১ / ১) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম শাইখ, উচ্চতর সনদধারীদের অবশিষ্টাংশ, তাঁর সময়ের সফরের গন্তব্য, যুগের সৌন্দর্য, নাতিদের দাদাদের সাথে সংযুক্তকারী, ফখর উদ্দীন আবুল হাসান আলী বিন আহমাদ আল-মাকদিসী—আল্লাহ তাঁকে জান্নাত দান করুন এবং তাঁর রহমতে আমাদেরও—একাধিকবার তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। আমি তাকে বলেছি: আপনার পিতা, ইমাম শামসুদ্দীন, মুসলিমদের মুফতি, আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আবু আহমাদ আব্দুল ওয়াহিদ বিন আহমাদ বিন আব্দুর রহমান বিন ইসমাইল বিন মনসুর আস-সাদী আল-মাকদিসী আল-হানবালী (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহম করুন) আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন যখন তাঁর কাছে পাঠ করা হয়েছিল এবং আপনি শুনছিলেন সুরক্ষিত হিমস শহরে—৬১১ হিজরি সনের রজব মাসে; তিনি বলেন: আবুল সাআদাত নাসরুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-কায্যায আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যখন তাঁর কাছে পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি শুনছিলাম বাগদাদে মহররম মাসে।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৩৪)
من سنة ثَلَاث وَثَمَانِينَ وَخَمْسمِائة، أَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ، الْمُبَارَكُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ بْنِ أَحْمَدَ الصَّيْرَفِيُّ الْمَعْرُوفُ بِابْنِ الطُّيُورِيِّ أَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ الْفَالِيُّ، أَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ، أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خَرْبَانَ الْقَاضِي، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ، مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ جَارست
৫৮৩ হিজরি সাল থেকে; ইবনুত তুয়ূরী নামে পরিচিত আবু আল-হুসাইন আল-মুবারক ইবনে আব্দুল জাব্বার ইবনে আহমাদ আল-সাইরাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আল-হাসান আলী ইবনে আহমাদ আল-ফালী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন: আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ ইবনে ইসহাক ইবনে খারবান আল-কাজী এবং আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে জারসাত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৩৫)
النَّجِيرَمِيُّ، قَالَا: نَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ بكر بن مُحَمَّد بن عبد الرَّزَّاق ابْن دَاسَةَ، نَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، نَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ عَنْ ثَوْرِ بْنِ
আন-নাজিরামী, তাঁরা উভয়ই বললেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবূ বকর মুহাম্মাদ ইবনে বকর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুর রাজ্জাক ইবনে দাসাহ্, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে উমর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালীদ ইবনে মুসলিম, তিনি সাওর ইবনে... থেকে।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৩৬)
يَزِيدَ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَمْرٍو السُّلَمِيِّ عَنْ عِرْبَاضِ بْنِ سَارِيَةَ رضي الله عنه.

قَالَ: صَلَّى لَنَا رَسُول الله صلى الله عليه وسلم َ -‌‌ الْغَدَاةَ، ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَيْنَا، فَوَعَظَنَا مَوْعِظَةً بَلِيغَةً، ذَرَفَتْ مِنْهَا الْعُيُونُ، وَوَجِلَتْ مِنْهَا الْقُلُوبُ. فَقَالَ قَائِلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّ هَذِهِ لَمَوْعِظَةُ مُوَدِّعٍ فَمَاذَا تَعْهَدُ إِلَيْنَا؟ قَالَ:
ইয়াজিদ, খালিদ বিন মাদান থেকে, তিনি আবদুর রহমান বিন আমর আস-সুলামী থেকে, তিনি ইরবাদ বিন সারিয়াহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন।

তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন -‌‌প্রাতঃকালীন সালাত, অতঃপর তিনি আমাদের দিকে অভিমুখ করলেন এবং আমাদের এক অত্যন্ত মর্মস্পর্শী নসিহত প্রদান করলেন, যাতে চক্ষুসমূহ অশ্রুসিক্ত হলো এবং অন্তরসমূহ প্রকম্পিত হলো। তখন এক ব্যক্তি বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! এটি তো বিদায়ী নসিহতের মতো মনে হচ্ছে, সুতরাং আপনি আমাদের কী নির্দেশ দিচ্ছেন? তিনি বললেন:
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৩৭)
" أُوصِيكُمْ بِتَقْوَى اللَّهِ وَالسَّمْعِ وَالطَّاعَةِ، وَإِنْ عَبْدًا حَبَشِيًّا، فَإِنَّهُ من يعِيش مِنْكُمْ فَسَيَرَى اختلافاًُ كَثِيرًا، فَعَلَيْكُمْ بِسُنَّتِي وَسُنَّةِ الْخُلَفَاءِ الرَّاشِدِينَ الْمَهْدِيِّينَ، عَضُّوا عَلَيْهَا بِالنَّوَاجِذِ، وَإِيَّاكُمْ وَمُحْدَثَاتِ الْأُمُورِ، فَإِنَّ كُلَّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ ".

(00 / 1 / 2) وَأَخْبَرَنَاهُ أَعْلَى مِنْ هَذَا بِدَرَجَةٍ الشَّيْخُ أَبُو عَلِيٍّ حَنْبَلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْفَرَجِ بْنِ سَعَادَةَ الْبَغْدَادِيُّ الرُّصَافِيُّ الْمُكَبِّرُ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِالْجَامِعِ الْمُظَفَّرِيِّ بِالصَّالِحِيَّةِ ظَاهِرَ دِمَشْقَ الْمَحْرُوسَةِ، أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ الْحُصَيْنِ الشَّيْبَانِيُّ
আমি তোমাদেরকে আল্লাহর তাকওয়া এবং শ্রবণ ও আনুগত্য করার অসিয়ত করছি, যদিও সে (নেতা) একজন হাবশি গোলাম হয়। কারণ তোমাদের মধ্যে যারা আমার পর জীবিত থাকবে, তারা অচিরেই অনেক মতভেদ দেখতে পাবে। সুতরাং তোমরা আমার সুন্নাহ এবং হিদায়াতপ্রাপ্ত খুলাফায়ে রাশিদীনের সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরবে। তোমরা তা মাড়ির দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে থাকবে। আর তোমরা দ্বীনের নব উদ্ভাবিত বিষয়সমূহ থেকে বেঁচে থাকবে, কারণ প্রত্যেক বিদআতই হলো পথভ্রষ্টতা।

(০০ / ১ / ২) এবং আমাদের কাছে এটি এর চেয়ে এক স্তর উচ্চ সনদে বর্ণনা করেছেন শায়খ আবু আলী হাম্বাল ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল ফারাজ ইবনে সাআদাহ আল-বাগদাদি আর-রুসাফি আল-মুকাব্বির; তাঁর সামনে এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি দামেস্কের সুরক্ষিত অঞ্চলের সালেহিয়্যাহর জামে মুজাফফারিতে তা শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনুল হুসাইন আশ-শায়বানি।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৩৮)
قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِبَغْدَادَ، أَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُذْهِبِ التَّمِيمِيُّ، أَنَا أَبُو بَكْرٍ، أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ، نَا أَبُو عبد الرَّحْمَن، عبد الله بن الْإِمَامِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدَ بْنِ
তাঁর সম্মুখে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি বাগদাদে তা শ্রবণ করেছি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল মুজহিব আত-তামিমী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান ইবনে মালিক আল-কাতিয়ী; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুর রহমান আবদুল্লাহ ইবনে ইমাম আবু আবদিল্লাহ আহমাদ ইবনে...
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৩৯)
مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي رحمه الله نَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، نَا ثَوْرُ بْنُ يَزِيدَ، نَا خَالِدُ بْنُ مَعْدَانَ حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَمْرٍو السُّلَمِيُّ، وَحُجْرُ بْنُ حُجْرٍ قَالَا: أَتَيْنَا الْعِرْبَاضَ بْنَ سَارِيَةَ وَهُوَ مِمَّنْ نَزَلَ فِيهِ {وَلا عَلَى الَّذِينَ إِذَا مَا أَتَوْكَ لِتَحْمِلَهُمْ قُلْتَ لَا أَجِدُ مَا أحملكم عَلَيْهِ} فَسَلَّمْنَا، وَقُلْنَا أَتَيْنَاكَ زَائِرِينَ وَعَائِدِينَ وَمُقْتَبِسِينَ، فَقَالَ عِرْبَاضٌ رضي الله عنه: صَلَّى بِنَا رَسُولُ الله صلى الله عليه وسلم َ -‌‌ الصُّبْح ذَاتَ يَوْمٍ، ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَيْنَا بِوَجْهِهِ، فَوَعَظَنَا مَوْعِظَةً بَلِيغَةً ذَرَفَتْ مِنْهَا الْعُيُونُ، وَوَجِلَتْ مِنْهَا الْقُلُوبُ، فَقَالَ قَائِلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، كَأَنَّ هَذِهِ مَوْعِظَةُ مُوَدِّعٍ، فَمَاذَا تَعْهَدُ إِلَيْنَا؟ ،
মুহাম্মদ ইবনে হাম্বল বলেন: আমার পিতা (রাহিমাহুল্লাহ) আমাকে জানিয়েছেন, আল-ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম আমাদের জানিয়েছেন, সাওর ইবনে ইয়াজিদ আমাদের জানিয়েছেন, খালিদ ইবনে মাদানি আমাদের জানিয়েছেন, আবদুর রহমান ইবনে আমর আস-সুলামি এবং হুজর ইবনে হুজর আমাকে জানিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: আমরা ইরবায ইবনে সারিয়ার নিকট আসলাম, আর তিনি তাঁদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যাঁদের সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছিল: {আর তাদের উপরও কোনো দোষ নেই, যারা আপনার কাছে এসেছিল যাতে আপনি তাদের বাহনের ব্যবস্থা করেন এবং আপনি বলেছিলেন: আমি তোমাদের জন্য কোনো বাহন খুঁজে পাচ্ছি না}। আমরা সালাম দিলাম এবং বললাম, আমরা আপনার নিকট যিয়ারতকারী, সাক্ষাৎপ্রার্থী এবং জ্ঞান অন্বেষণকারী হিসেবে এসেছি। তখন ইরবায (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বললেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদিন -‌‌সকালে আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন, অতঃপর তিনি আমাদের দিকে তাঁর মুখমণ্ডল দ্বারা অভিমুখী হলেন এবং আমাদের এক মর্মস্পর্শী উপদেশ দিলেন যাতে চোখগুলো থেকে অশ্রু ঝরল এবং অন্তরসমূহ প্রকম্পিত হলো। তখন একজন বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, এটি যেন কোনো বিদায়ী ব্যক্তির উপদেশ, সুতরাং আপনি আমাদের কী অসিয়ত করছেন?‌ ,
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৪০)
فَقَالَ: " أُوصِيكُمْ بِتَقْوَى اللَّهِ وَالسَّمْعِ وَالطَّاعَةِ، وَإِنْ عَبْدًا حَبَشِيًّا، فَإِنَّهُ مَنْ يَعِشْ مِنْكُمْ بَعْدِي، فَسَيَرَى اخْتِلَافًا كَثِيرًا، فَعَلَيْكُمْ بِسُنَّتِي وَسُنَّةِ الْخُلَفَاءِ الرَّاشِدِينَ الْمَهْدِيِّينَ، تَمَسَّكُوا بِهَا وَعَضُّوا عَلَيْهَا بِالنَّوَاجِذِ وَإِيَّاكُمْ وَمُحْدَثَاتِ الْأُمُورِ، فَإِنَّ كُلَّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ، وَكُلَّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ ".

(00 / 1 / 3) وَأَخْبَرَنَا أَعْلَى مِنْ هَذِهِ الرِّوَايَةِ بِدَرَجَةٍ وَمِنَ الْأُولَى بِدَرَجَتَيْنِ الْقَاضِي أَبُو الْمَكَارِمِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْأَصْفَهَانِيُّ اللَّبَّانُ فِي كِتَابِهِ إِلَيَّ مِنْ أَصْبَهَانَ - وَلَيْسَ عَلَى بَسِيطِ الْأَرْضِ مِمَّنْ يَرْوِي عَنْهُ سِوَايَ -، أَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحسن الْحداد المقريء، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَا أَبُو نُعَيْمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ
অতঃপর তিনি বললেন: "আমি তোমাদেরকে আল্লাহভীতি এবং শ্রবণ ও আনুগত্যের উপদেশ দিচ্ছি, যদি সে একজন হাবশি দাসও হয়। কারণ, তোমাদের মধ্যে যারা আমার পর জীবিত থাকবে, তারা অনেক মতভেদ দেখতে পাবে। সুতরাং তোমরা আমার সুন্নাত এবং হিদায়াতপ্রাপ্ত খুলাফায়ে রাশিদীনের সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরবে। তোমরা তা দৃঢ়ভাবে ধরবে এবং মাড়ির দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে থাকবে। আর তোমরা দ্বীনের নব-উদ্ভাবিত বিষয়সমূহ থেকে বেঁচে থাকবে, কেননা প্রতিটি নব-উদ্ভাবিত বিষয়ই বিদআত এবং প্রতিটি বিদআতই ভ্রষ্টতা।"

(০০ / ১ / ৩) এবং আমাদের নিকট এই বর্ণনার চেয়ে এক স্তর উচ্চ এবং প্রথম বর্ণনার চেয়ে দুই স্তর উচ্চ সনদে আল-কাজি আবু আল-মাকারিম আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-আসফাহানি আল-লাব্বান ইস্পাহান থেকে আমার নিকট প্রেরিত তাঁর পত্রে বর্ণনা করেছেন—আর পৃথিবীর বুকে আমি ছাড়া তাঁর থেকে বর্ণনা করার মতো আর কেউ অবশিষ্ট নেই—। তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে আল-হাসান আল-হাদ্দাদ আল-মুকরি বর্ণনা করেছেন; তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু নুয়াইম আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে...
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৪১)
أَحْمَدَ بْن إِسْحَاقَ الْحَافِظُ، نَا فَارُوقٌ - يَعْنِي ابْنَ عَبْدِ الْكَبِيرِ الْخَطَّابِيَّ - وَحَبِيبٌ - يَعْنِي ابْنَ الْحَسَنِ - فِي جَمَاعَةٍ.

(000 / 1 / 4) ح وَأَنَا الشَّيْخُ الْمُعَمَّرُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي زَيْدِ بْنِ حَمَدٍ الْأَصْفَهَانِيُّ، الْكَرَّانِيُّ - إِجَازَةً - مِنْ أَصْبَهَانَ - وتفردت فِي
আহমদ ইবনে ইসহাক আল-হাফিয, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফারুক—অর্থাৎ ইবনে আব্দুল কাবীর আল-খাত্তাবি—এবং হাবীব—অর্থাৎ ইবনে আল-হাসান—একদলের সাথে।

(০০০ / ১ / ৪) হা এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন প্রবীণ শায়খ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আবি যাইদ ইবনে হামাদ আল-আস্ফাহানি আল-কাররানি—ইজাযাহ সূত্রে—আস্ফাহান থেকে—এবং আমি এতে একক হয়েছি।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৪২)
الدُّنْيَا بِالرِّوَايَةِ عَنْهُ - أَنَا أَبُو مَنْصُورٍ مَحْمُودُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُحَمَّدٍ الصَّيْرَفِيُّ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّد بن الْحُسَيْن بن فاذ شاه.

(000 / 1 / 5) ح - وَأَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدٌ وَأُمُّ هَانِيء
তাঁর থেকে বর্ণনার মাধ্যমে বিশ্ব — আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মনসুর মাহমুদ ইবনে ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আস-সায়রাফি, তাঁর সম্মুখে পাঠ করা হয়েছে এমতাবস্থায় যে আমি তা শুনছিলাম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে ফায শাহ।

(০০০ / ১ / ৫) হা — এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ এবং উম্মু হানি।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৪৩)
عَفِيفَةُ، ابْنَا أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْأَصْفَهَانِيُّ الْفَارْفَانِيُّ فِي كِتَابَيْهِمَا إِلَيْنَا مِنْ أَصْبَهَانَ قَالَا: أَخْبَرَتْنَا أُمُّ إِبْرَاهِيمَ فَاطِمَةُ بِنْتُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ الْجَوْزَدَانِيَّةُ قِرَاءَةً عَلَيْهَا وَنَحْنُ نَسْمَعُ: قَالَتْ: أَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَيْذَةَ، قَالَا: أَنَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ
আফিফাহ এবং আহমদ ইবন আবদুল্লাহ আল-আসবাহানি আল-ফারফানির দুই সন্তান আসবাহান থেকে আমাদের নিকট প্রেরিত তাঁদের পত্রে বলেছেন: উম্মু ইবরাহিম ফাতিমাহ বিনত আবদুল্লাহ ইবন আহমদ আল-জাওযদানিয়্যাহ তাঁর নিকট পঠিত হওয়া অবস্থায় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং আমরা তা শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেছেন: আবু বকর মুহাম্মাদ ইবন আবদুল্লাহ ইবন রাইযাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তাঁরা উভয়ে বলেন: আবুল কাসিম সুলায়মান ইবন আহমদ ইবন আইয়ুব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৪৪)
الطَّبَرَانِيُّ الْحَافِظُ، قَالُوا: أَنَا أَبُو مُسْلِمٍ الْكَشِّيُّ، نَا أَبُو عَاصِمٍ النَّبِيلُ، عَنْ ثَوْرِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَمْرٍو السُّلَمِيِّ، عَنِ الْعِرْبَاضِ بْنِ سَارِيَةَ رضي الله عنه قَالَ: صَلَّى لَنَا رَسُول
হাফেজ আত-তাবারানী, তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসলিম আল-কাশশি, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু আসিম আন-নাবিল, তিনি সাওর ইবনে ইয়াজিদ থেকে, তিনি খালিদ ইবনে মাদান থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আমর আস-সুলামি থেকে, তিনি ইরবাদ ইবনে সারিয়াহ (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূল আমাদের সালাত পড়ালেন
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৪৫)
اللَّهِ صلى الله عليه وسلم َ -‌‌ صَلَاةَ الصُّبْح، ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَيْنَا بِوَجْهِهِ، فَوَعَظَنَا مَوْعِظَةً بَلِيغَةً ذَرَفَتْ مِنْهَا الْأَعْيُنُ، وَوَجِلَتْ مِنْهَا الْقُلُوبُ، فَقَالَ قَائِلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، كَأَنَّهَا مَوْعِظَةُ مُوَدِّعٍ، فَأَوْصِنَا، قَالَ: " أُوصِيكُمْ بِتَقْوَى اللَّهِ وَالسَّمْعِ وَالطَّاعَةِ، وَإِنْ كَانَ عَبْدًا حَبَشِيًّا، فَإِنَّهُ مَنْ يَعِشْ مِنْكُمْ فَسَيَرَى اخْتِلَافًا كَثِيرًا، فَعَلَيْكُمْ بِسُنَّتِي وَسُنَّةِ الْخُلَفَاءِ الرَّاشِدِينَ الْمَهْدِيِّينَ بَعْدِي عَضُّوا عَلَيْهَا بِالنَّوَاجِذِ، وَإِيَّاكُمْ وَمُحْدَثَاتِ الْأُمُورِ، فَإِنَّ كُلَّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ ".

هَذَا حَدِيثٌ شَامِيُّ الْإِسْنَادِ حَدَّثَ بِهِ الْإِمَامُ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ رحمه الله فِي " مُسْنَدِهِ " مِنْ طُرُقٍ أَحَدُهَا عَنْ أَبِي عَاصِمٍ، الضَّحَّاكِ بْنِ مَخْلَدٍ
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) -‌‌ ফজরের সালাত আদায় করলেন, তারপর আমাদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বসলেন। অতঃপর তিনি আমাদের এক মর্মস্পর্শী উপদেশ দিলেন যাতে চোখগুলো অশ্রুসিক্ত হলো এবং অন্তরগুলো প্রকম্পিত হলো। তখন একজন বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! এটি যেন বিদায়কালীন উপদেশ, তাই আমাদের কিছু অসিয়ত করুন। তিনি বললেন: "আমি তোমাদেরকে আল্লাহর তাকওয়া এবং কথা শোনার ও আনুগত্য করার অসিয়ত করছি, যদিও সে একজন হাবশী গোলাম হয়। কেননা তোমাদের মধ্যে যারা আমার পর বেঁচে থাকবে, তারা শীঘ্রই দেখবে অনেক মতবিরোধ। সুতরাং তোমরা আমার সুন্নাত এবং আমার পরবর্তী হিদায়াতপ্রাপ্ত খুলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরবে। তোমরা তা মাড়ির দাঁত দিয়ে মজবুতভাবে কামড়ে ধরে থাকবে। আর তোমরা নতুন উদ্ভাবিত বিষয়গুলো থেকে সতর্ক থাকবে, কারণ প্রত্যেক বিদ'আতই হলো পথভ্রষ্টতা।"

এই হাদিসটির সনদ শামী (সিরীয়)। ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বাল (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর "মুসনাদ" গ্রন্থে একাধিক সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন, যার একটি আবু আসিম আদ-দাহহাক ইবনে মাখলাদ থেকে বর্ণিত।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৪৬)
النَّبِيلِ، فَوَافَقْنَاهُ بِعُلُوٍّ فِي هَذِهِ الرِّوَايَةِ.

وَرَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ فِي " السُّنَّةِ " مِنْ " سُنَنِهِ " عَنِ الْإِمَامِ أَحْمَدَ عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ مُسْلِمٍ كَمَا رَوَيْنَاهُ فِي الرِّوَايَةِ الثَّانِيَةِ، فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةً عَالِيَةً لَهُ.

وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ فِي " الْعِلْمِ " مِنْ " جَامعه " عَن أبي مُحَمَّد
আন-নাবীল; আর আমরা এই বর্ণনায় উচ্চ সনদের মাধ্যমে তাঁর সাথে ঐকমত্যে পৌঁছেছি।

এবং আবু দাউদ এটি তাঁর ‘সুনান’ গ্রন্থের ‘আস-সুন্নাহ’ অধ্যায়ে ইমাম আহমাদ থেকে, তিনি আল-ওয়ালীদ ইবনে মুসলিম থেকে বর্ণনা করেছেন, যেমনটি আমরা দ্বিতীয় বর্ণনায় বর্ণনা করেছি; ফলে তাঁর সাথে আমাদের একটি উচ্চপর্যায়ের ঐকমত্য (মুওয়াফাক্বাহ) অর্জিত হয়েছে।

এবং তিরমিযী এটি তাঁর ‘জামে’ গ্রন্থের ‘আল-ইলম’ অধ্যায়ে আবু মুহাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৪৭)
فارغة
ফাঁকা
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৪৮)
الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ الْخَلالِ، عَنْ أَبِي عَاصِمٍ، كَمَا أَخْرَجْنَاهُ فِي الرِّوَايَةِ الثَّالِثَةِ فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا عَالِيًا لَهُ.

আল-হাসান ইবনে আলী আল-খাল্লাল, আবু আসিম থেকে, যেমনটি আমরা তৃতীয় বর্ণনায় উদ্ধৃত করেছি; ফলে এটি আমাদের নিকট তার জন্য একটি উচ্চতর স্থলাভিষিক্ত (বদল আলী) বর্ণনা হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।

(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৪৯)
(2 / 2 / 6) - حَدَّثَنَا وَالِدِي - بِحِمْصَ، أَنَا أَبُو السَّعَادَاتِ نَصْرُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْقَزَّازُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِبَغْدَادَ، أَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ الْمُبَارَكُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ بْنِ أَحْمَدَ الصَّيْرَفِيُّ، أَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ الفالي، أَنا أَبُو عبد الله ابْن خَرْبَانَ الْقَاضِي، وَأَبُو عَبْدِ اللَّهِ النَّجِيرَمِيُّ قَالَا: نَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرِ بْنِ دَاسَةَ نَا أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ سَهْلٍ ثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ قَالَ ابْنُ دَاسَةَ: وَنَا أَبُو دَاوُدَ.

(000 / 2 / 7) ح وَأَنَا أَعْلَى مِنْ هَذَا بِدَرَجَةٍ الشَّيْخُ أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْمَرِ بْنِ، يَحْيَى الْبَغْدَادِيُّ الْمُؤَدِّبُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَا أَبُو الْفَتْح مُفْلِح بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الدُّومِيُّ
(২ / ২ / ৬) - আমার পিতা হিমসে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুস সা'আদাত নাসরুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ আল-কাযযায—তাঁকে পাঠ করে শুনানো হয়েছে এবং আমি বাগদাদে তা শুনছিলাম—তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হুসাইন আল-মুবারক ইবনে আব্দুল জাব্বার ইবনে আহমাদ আস-সাইরাফি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে আহমাদ আল-ফালি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ ইবনে খারবান আল-কাদি এবং আবু আব্দুল্লাহ আন-নাজিরামি। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে বকর ইবনে দাসাহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সাহল, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুতাইবা ইবনে সাঈদ। ইবনে দাসাহ বলেন: এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ।

(০০০ / ২ / ৭) (হা) এবং আমি এর চেয়ে এক স্তর উচ্চ সনদে সংবাদ পেয়েছি: শাইখ আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মা'মার ইবনে ইয়াহইয়া আল-বাগদাদি আল-মুয়াদ্দিব—তাঁকে পাঠ করে শুনানো হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম—তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ মুফলিহ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আদ-দুমি।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৫০)
(الْوَرَّاقُ) قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِبَغْدَادَ، أَنَا الْحَافِظُ أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ ثَابِتٍ الْخَطِيبُ الْبَغْدَادِيُّ قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى الْقَاضِي أَبِي عُمَرَ الْقَاسِمِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ الْعَبَّاسِ الْهَاشِمِيِّ بِالْبَصْرَةِ، أَنَا
(আল-ওয়াররাক) তার নিকট পাঠ করা অবস্থায় এবং আমি বাগদাদে তা শুনছিলাম; হাফেজ আবু বকর আহমদ বিন আলী বিন সাবিত আল-খতিব আল-বাগদাদী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমি বসরার কাজী আবু উমর আল-কাসিম বিন জাফর বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আব্বাস আল-হাশিমীর নিকট পাঠ করেছি, তিনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৫১)
أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَمْرٍو اللُّؤْلُؤِيُّ، ثَنَا أَبُو دَاوُدَ سُلَيْمَانُ بْنُ الْأَشْعَثِ بْنِ إِسْحَاقَ السِّجِسْتَانِيُّ الْحَافِظُ، ثَنَا قُتَيْبَةُ، نَا اللَّيْث بن سعد، عَن عقيل بن خَالِد، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ الزُّهْرِيِّ قَالَ: أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رَضِيَ اللَّهُ
আবু আলী মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আমর আল-লুলুয়ী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফেয আবু দাউদ সুলাইমান বিন আশআস বিন ইসহাক আস-সিজিস্তানী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কুতাইবাহ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন লাইস বিন সাদ, উকাইল বিন খালিদ থেকে, ইবনে শিহাব আজ-জুহরী থেকে, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন উবায়দুল্লাহ বিন আবদুল্লাহ বিন উতবাহ বিন মাসউদ, আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত—
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৫২)
عَنهُ - قَالَ: " لما توفّي رَسُول الله صلى الله عليه وسلم َ -‌‌ وَاسْتُخْلِفَ أَبُو بَكْرٍ رضي الله عنه، وَكَفَرَ مَنْ كَفَرَ مِنَ الْعَرَبِ، قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ لِأَبِي بَكْرٍ رضي الله عنه: كَيْفَ تقَاتل النَّاس، وَقد قَالَ رَسُول الله صلى الله عليه وسلم َ -: " أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَقُولُوا لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، فَمَنْ قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، عَصَمَ مِنِّي مَالَهُ وَنَفْسَهُ، وَحِسَابَهُ عَلَى اللَّهِ.

قَالَ أَبُو بَكْرٍ: " لَأُقَاتِلَنَّ مَنْ فَرَّقَ بَيْنَ الصَّلَاةِ وَالزَّكَاةِ، فَإِنَّ الزَّكَاةَ حَقُّ الْمَالِ، وَاللَّهِ لَوْ مَنَعُونِي عِقَالًا كَانُوا يُؤَدُّونَهُ إِلَى رَسُول الله صلى الله عليه وسلم َ -‌‌ لَقَاتَلْتُهُمْ عَلَى مَنْعِهِ "، قَالَ عُمَرُ رضي الله عنه: " فَوَاللَّهِ مَا هُوَ إِلَّا أَنْ رَأَيْتُ اللَّهَ قَدْ شَرَح صَدْرَ أَبِي بَكْرٍ لِلْقِتَالِ، فَعَرَفْتُ أَنَّهُ الْحَقُّ ".
তাঁর থেকে বর্ণিত - তিনি বলেন: "যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকাল করলেন -‌‌ এবং আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে খলিফা নিযুক্ত করা হলো এবং আরবদের মধ্যে যারা কুফরি করার ছিল তারা কুফরি করল, তখন উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললেন: আপনি কীভাবে মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন, অথচ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: 'আমি মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা বলে যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই। সুতরাং যে ব্যক্তি বলল—আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, সে আমার থেকে তার ধন-সম্পদ ও প্রাণ রক্ষা করে নিল, আর তার হিসাব আল্লাহর জিম্মায়।'

আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন: 'আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব যে সালাত ও জাকাতের মধ্যে পার্থক্য করবে। কেননা জাকাত হলো সম্পদের হক। আল্লাহর কসম, যদি তারা আমাকে একটি উটের রশি দিতেও অস্বীকার করে যা তারা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট প্রদান করত -‌‌ তবে তা দিতে অস্বীকার করার কারণে আমি অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব।' উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: 'আল্লাহর কসম, আমি কেবল এটাই দেখলাম যে আল্লাহ তাআলা যুদ্ধের জন্য আবু বকরের বক্ষ উন্মুক্ত করে দিয়েছেন, ফলে আমি বুঝতে পারলাম যে এটিই সত্য' ।"
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৫৩)
(00 / 2 / 8) - وَأَخْبَرَنَاهُ أَعْلَى مِنَ الرِّوَايَةِ الثَّانِيَةِ بِدَرَجَةٍ، وَمِنَ الْأُولَى بِدَرَجَتَيْنِ: الشَّيْخُ أَبُو الْمَجْدِ زَاهِرُ بْنُ أَبِي طَاهِرٍ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي غَانِمٍ حَامِدِ بْنِ أَبِي طَاهِرٍ أَحْمَدَ بْنِ / مَحْمُودٍ الثَّقَفِيُّ الْأَصْبَهَانِيُّ فِي كِتَابِهِ إِلَيْنَا مِنْ أَصْبَهَانَ، أَنَا زَاهِرُ بْنُ طَاهِرِ بْنِ مُحَمَّدٍ الشَّحَّامِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنا
(০০ / ২ / ৮) - এবং তিনি আমাদেরকে এটি দ্বিতীয় বর্ণনার চেয়ে এক স্তর এবং প্রথম বর্ণনার চেয়ে দুই স্তর উচ্চতর সনদে সংবাদ দিয়েছেন: শায়খ আবুল মাজদ যাহির বিন আবি তাহির আহমাদ বিন আবি গানিম হামিদ বিন আবি তাহির আহমাদ বিন / মাহমুদ আস-সাকাফি আল-আসফাহানি আসফাহান থেকে আমাদের নিকট প্রেরিত তাঁর কিতাবে [জানিয়েছেন], আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যাহির বিন তাহির বিন মুহাম্মদ আশ-শাহামি তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন...
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৫৪)
أَسْمَعُ، أَنَا أَبُو سَعْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْكَنْجَرُوذِيُّ، أَنَا أَبُو نَصْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ أَحْمَدَ الْمَرْوَانِيُّ، نَا أَبُو الْعَبَّاسِ السراج، ثَنَا
আমি শ্রবণ করছি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সা'দ মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান আল-কাঞ্জরূযী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর আহমাদ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আহমাদ আল-মারওয়ানী, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু আল-আব্বাস আস-সাররাজ, আমাদের বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৫৫)
قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، نَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عُقَيْلِ بْنِ خَالِدٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ قَالَ: أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: " لَمَّا تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم َ -،‌‌ وَاسْتُخْلِفَ أَبُو بَكْرٍ رضي الله عنه، وَكَفَرَ مَنْ كَفَرَ مِنَ الْعَرَبِ، قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ لِأَبِي بَكْرٍ رضي الله عنهما: كَيْفَ تقَاتل النَّاس وَقد قَالَ رَسُول الله صلى الله عليه وسلم َ -: " أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَقُولُوا لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، فَمَنْ قَالَ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ عَصَمَ مِنِّي مَالَهُ وَنَفْسَهُ إِلَّا بِحَقِّهَا، وَحِسَابُهُ عَلَى اللَّهِ عز وجل "؟ .

فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ: وَاللَّهِ، لَأُقَاتِلَنَّ مَنْ فَرَّقَ بَيْنَ الصَّلَاةِ وَالزَّكَاةِ، فَإِنَّ الزَّكَاةَ حَقُّ الْمَالِ. وَاللَّهِ، لَوْ مَنَعُونِي عِقَالًا كَانُوا يُؤَدُّونَهُ إِلَى رَسُولِ الله صلى الله عليه وسلم َ -‌‌ لَقَاتَلْتُهُمْ عَلَى مَنْعِهِ ".

فَقَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رضي الله عنه: " فَوَاللَّهِ، مَا هُوَ إِلَّا أَنَّنِي رَأَيْتُ اللَّهَ قَدْ شَرَح صَدْرَ أَبِي بَكْرٍ لِلْقِتَالِ، فَعَرَفْتُ أَنَّهُ الْحَقُّ
".
কুতায়বাহ ইবনে সাঈদ, লাইস ইবনে সা'দ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি উকাইল ইবনে খালিদ থেকে, তিনি জুহরী থেকে, তিনি বলেন: আমাকে উবাইদুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উতবাহ ইবনে মাসউদ সংবাদ দিয়েছেন আবু হুরায়রা (আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে, তিনি বলেন: "যখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইন্তেকাল করলেন, এবং আবু বকর (আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হোন) খলিফা নিযুক্ত হলেন, আর আরবদের মধ্যে যারা কুফরি করার তারা কুফরি করল, তখন ওমর ইবনুল খাত্তাব আবু বকরকে (আল্লাহ তাদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) বললেন: আপনি কীভাবে মানুষের সাথে যুদ্ধ করবেন অথচ আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: 'আমি মানুষের সাথে যুদ্ধ করার জন্য আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা বলে—আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। অতএব যে ব্যক্তি বলল—আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, সে আমার থেকে তার সম্পদ ও জীবন নিরাপদ করে নিল, তবে তার হক ব্যতীত, আর তার হিসাব আল্লাহর (মহা পরাক্রমশালী ও মহিমান্বিত) জিম্মায়'?"।

অতঃপর আবু বকর বললেন: আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব যে সালাত ও জাকাতের মধ্যে পার্থক্য করবে, কেননা জাকাত হলো সম্পদের হক। আল্লাহর কসম, যদি তারা আমাকে একটি উটের রশি দিতেও অস্বীকার করে যা তারা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে প্রদান করত, তবে তা দিতে অস্বীকার করার কারণে আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব"।

তখন ওমর ইবনুল খাত্তাব (আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হোন) বললেন: "আল্লাহর কসম, বিষয়টি আর কিছুই ছিল না বরং আমি দেখলাম যে আল্লাহ আবু বকরের অন্তর যুদ্ধের জন্য প্রশস্ত করে দিয়েছেন, ফলে আমি বুঝতে পারলাম যে এটিই সত্য
"।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৫৬)
رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ وَمُسْلِمٌ وَأَبُو دَاوُدَ، وَالتِّرْمِذِيُّ وَالنَّسَائِيُّ فِي كتبهمْ عَن قتبية بْنِ سَعِيدٍ، فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةً عَالِيَةً لِخَمْسَتِهِمْ وَللَّه الْحَمد.
এটি বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী এবং নাসাঈ তাঁদের কিতাবসমূহে কুতায়বাহ ইবনে সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে তাঁদের পাঁচজনের সূত্রে এটি আমাদের নিকট উচ্চমানের সনদগত মিল (মুওয়াফাকাতুন আলিয়্যাহ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে; আর সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই জন্য।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৫৭)
(3 / 3 / 9) - وَأَخْبَرَنَا وَالِدِي الْإِمَامُ الْعَلَّامَةُ أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ رحمه الله قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَا أَبُو الْمَعَالِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ صَابِرٍ السُّلَمِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِدِمَشْقَ، أَنَا الشَّرِيفُ النَّسِيبُ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْعَبَّاسِ الْحُسَيْنِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَحْمَدَ الْكَتَّانِيُّ، وَالْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ اللَّبَّادُ، وَأَحْمَدُ بْنُ عبد الرَّحْمَن
(৩ / ৩ / ৯) - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা ইমাম আল্লামা আবু আল-আব্বাস আহমদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ (আল্লাহ তাঁর প্রতি দয়া করুন), তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি শুনছিলাম; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মাআলি আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান বিন আহমদ বিন সাবির আস-সুলামি, দামেস্কে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি শুনছিলাম; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উচ্চ বংশীয় শরীফ আবু আল-কাসিম আলী বিন ইব্রাহিম বিন আল-আব্বাস আল-হুসাইনি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যখন আমি শুনছিলাম; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ বিন আহমদ আল-কাত্তানি, আল-হাসান বিন আলী আল-লাব্বাদ এবং আহমদ বিন আব্দুর রহমান।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৫৮)
الطرائفي سنة خمس وَأَرْبَعين وَأَرْبَعمِائَة قَالُوا: أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ الْقَاسِمِ، أَنَا عَمِّي أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ مَعْرُوفٍ، نَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الْقَاضِي، نَا أَبُو بكر
আল-তরাইফি চারশত পঁয়তাল্লিশ সনে; তাঁরা বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আবদুর রহমান বিন উসমান বিন আল-কাসিম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার চাচা আবু আলি মুহাম্মাদ বিন আল-কাসিম বিন মারুফ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আহমাদ বিন আলি আল-কাদি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর।
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৫৯)
ابْن أَبِي شَيْبَةَ، نَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الْأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ حُذَيْفَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ الله
ইবন আবী শায়বাহ্, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুআবিয়াহ্, তিনি আমাশ থেকে, তিনি ইবরাহীম থেকে, তিনি হাম্মাম ইবনুল হারিস থেকে, তিনি হুযায়ফাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল বলেছেন—
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৬০)
- صلى الله عليه وسلم َ -: "‌‌ لَا يدْخل الْجنَّة قَتَّات " - يَعْنِي نمام -.

(000 / 3 / 10) - وَأَخْبَرَنَاهُ أَعْلَى مِنْ هَذِهِ الرِّوَايَةِ بِدَرَجَتَيْنِ الشَّيْخُ أَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ مَعْمَرٍ الدَّارَقَزِّيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، أَنَا أَبُو غَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْبَنَّاءِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِبَغْدَادَ، أَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الْجَوْهَرِيُّ، أَنَا
আল্লাহ তাঁর উপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন -: "‌‌ চোগলখোর জান্নাতে প্রবেশ করবে না " - অর্থাৎ নাম্মাম -।

(০০০ / ৩ / ১০) - এবং আমাদের নিকট এই বর্ণনার চেয়ে দুই স্তর উচ্চতর সনদে এটি বর্ণনা করেছেন শায়খ আবু হাফস উমর ইবনে আবি বকর ইবনে মা’মার আদ-দারাকাজ্জি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম; তিনি বলেন, আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব আহমদ ইবনুল হাসান ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল বান্না, বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম; তিনি বলেন, আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-জাওহারি, আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন...
(খণ্ড: ১) মাশয়াখাতু ইবনিল বুখারী (পৃষ্ঠা: ১৬১)
أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ، ثَنَا أَبُو عَلِيٍّ بِشْرُ بْنُ مُوسَى، ثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ الْفَضْلُ بْن دُكَيْنٍ ثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ هَمَّامٍ قَالَ: كُنَّا جُلُوسًا مَعَ حُذَيْفَةَ رضي الله عنه فَقِيلَ لَهُ: إِنَّ رَجُلًا يَرْفَعُ الْحَدِيثَ إِلَى عُثْمَانَ، فَقَالَ حُذَيْفَةُ رضي الله عنهما: سَمِعت رَسُول الله صلى الله عليه وسلم َ -‌‌ يَقُولُ: " لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ قَتَّاتٌ ".
আবু বকর আহমদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান ইবনে মালিক আল-কাতিয়ী, আবু আলী বিশর ইবনে মুসা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু নুয়াইম আল-ফজল ইবনে দুকাইন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান মানসুর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবরাহিম থেকে, তিনি হাম্মাম থেকে বর্ণনা করেন। তিনি (হাম্মাম) বলেন: আমরা হুজায়ফা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)-এর সাথে বসা ছিলাম, তখন তাঁকে বলা হলো: জনৈক ব্যক্তি উসমানের নিকট কথা পৌঁছে দেয়। তখন হুজায়ফা (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) বললেন: আমি আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-কে বলতে শুনেছি— "চোগলখোর জান্নাতে প্রবেশ করবে না।"