(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: -)
مجموع فيه مصنفات أبي جعفر ابن البختري القسم: كتب السنة
الكتاب: مجموع فيه مصنفات أبي جعفر ابن البختري
المؤلف: أبو جعفر محمد بن عمرو بن البختري بن مدرك بن سليمان البغدادي الرزاز (ت 339هـ)
المحقق: نبيل سعد الدين جرار
الناشر: دار البشائر الاسلامية - لبنان / بيروت [ضمن سلسلة مجاميع الأجزاء الحديثية (1)]
الطبعة: الأولى، 1422هـ - 2001 م
عدد الصفحات: 482
أعده للشاملة: يا باغي الخير أقبل
مصدر الكتاب/ ملفات مصححة من المحقق
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 2 ربيع الأول 1433
আবু জাফর ইবনুল বাখতারীর সংকলিত রচনাবলী বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আবু জাফর ইবনুল বাখতারীর সংকলিত রচনাবলী
লেখক: আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আমর বিন আল-বাখতারী বিন মুদরিক বিন সুলাইমান আল-বাগদাদী আর-রাজজাজ (মৃত্যু ৩৩৯ হিজরি)
সম্পাদক: নাবিল সাদ উদ্দিন জাররার
প্রকাশক: দারুল বাশাইর আল-ইসলামিয়্যাহ - লেবানন / বৈরুত [হাদিসের জুযসমূহের সংকলন সিরিজের অন্তর্ভুক্ত (১)]
সংস্করণ: প্রথম, ১৪২২ হিজরি - ২০০১ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪৮২
শামেলার জন্য প্রস্তুত করেছেন: ইয়া বাবিয়াল খায়ের আকবিল
কিতাবের উৎস/ সম্পাদক কর্তৃক সংশোধিত ফাইলসমূহ
[কিতাবের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৩
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: -)
مجاميع الأجزاء الحديثية (1)
مجموع فيه مصنفات أبي جعفر ابن البختري
محمد بن عمرو ابن البختري البغدادي الرزار
(251 - 339 هـ)
تحقيق
نبيل سعد الدين جرار
دار البشائر الإسلامية
الطبعة الأولى
1422 هـ - 2001 م
হাদিস বিষয়ক পুস্তিকাসমগ্র (১)
যাতে আবু জাফর ইবনুল বাখতারীর রচনাবলী সংকলিত হয়েছে
মুহাম্মদ বিন আমর ইবনুল বাখতারী আল-বাগদাদী আর-রাজ্জার
(২৫১ - ৩৩৯ হিজরি)
সম্পাদনা
নাবিল সা'দ উদ্দীন জাররার
দারুল বাশায়ির আল-ইসলামিয়্যাহ
প্রথম সংস্করণ
১৪২২ হিজরি - ২০০১ খ্রিস্টাব্দ
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١٠٧)
الجزء فيه ستة مجالس من أمالي أَبِي جَعْفَرمُحَمَّد بْن عَمْرو بْن الْبَخْتَرِيِّ الرزاز عَنْ شيوخه
رِوَايَةُ أَبِي نصر أَحْمَد بْن مُحَمَّد بْن أَحْمَد بْن حسنون النرسي عنه
رواية أبي الفوارس طراد بن محمد بن علي الزينبي عنه
رواية الكاتبة شهدة بنت أحمد بن الفرج الإبري رحمه الله عنه
رواية أبي القاسم عَبْد اللطيف بْن مُحَمَّد بْن
عَبْد الله سبط ابن التعاويذي عنها
سماع محمد بن أحمد بن إبراهيم بن عيسى بن محمد منه
আবু জাফরের আমালি (শ্রুতিলিপি) থেকে সংগৃহীত ছয়টি মজলিস সংবলিত খণ্ডমুহাম্মদ বিন আমর বিন আল-বাখতারি আল-রাজ্জাজ তাঁর শিক্ষকদের নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন
তাঁর নিকট থেকে আবু নাসর আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হাসনুন আল-নারসির বর্ণনা
তাঁর নিকট থেকে আবু আল-ফাওয়ারিস তিরাদ বিন মুহাম্মদ বিন আলী আল-জায়নাবীর বর্ণনা
তাঁর নিকট থেকে লেখিকা শুহদাহ বিনতে আহমদ বিন আল-ফারাজ আল-ইবরী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন)-এর বর্ণনা
তাঁর নিকট থেকে আবু আল-কাসিম আব্দুল লতিফ বিন মুহাম্মদ বিন
আব্দুল্লাহ সিবত ইবনে আল-তাআবিজির বর্ণনা
তাঁর নিকট থেকে মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ইবরাহিম বিন ঈসা বিন মুহাম্মদের শ্রবণ (সামা)
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١٠٨)
بسم الله الرحمن الرحيم
رب وفق وتمم واختم بخير، يا كريم يا الله يا كريم
أخبرنا الشيخ الأجل الإمام العالم الثقة الحاجب أبو القاسم عَبْد اللطيف بْن مُحَمَّد بْن عَبْد الله سبط ابن التعاويذي بقراءتي عليه وذلك في الثالث عشر من شهر شعبان من سنة ثلاث وثلاثين وستمئة ببغداد المحروسة بمسجد لله تعالى بدار الخلافة عمرها الله عز وجل، قلت له: أخبرتكم الكاتبة فخر النساء شهدة ابنة أحمد بن الفرج بن عمر الإبري قراءة عليها وأنت تسمع في رجب سنة ثلاث وسبعين وخمسمئة قالت: أخبرنا أبو الْفَوَارِسِ طِرَادِ بْن مُحَمَّد بْن عَلِي الزَّيْنَبِيِّ قراءة عليه في يوم الاثنين مستهل ذي الحجة سنة تسعين وأربعمئة، قال: أخبرنا أبو نصر أَحْمَد بْن مُحَمَّد بْن أَحْمَد بْن حسنون النرسي قراءة عليه وأنا أسمع في شهر رمضان سنة إحدى عشرة وأربعمئة، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْن الْبَخْتَرِيِّ الرَّزَّازِ إملاء يوم الجمعة لإحدى عشرة بقين من شهر ربيع الأول سنة سبع وثلاثين وثلاثمئة قال:
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
হে রব! তাওফিক দান করুন, পূর্ণতা দান করুন এবং কল্যাণের সাথে সমাপ্ত করুন; হে দয়াময়, হে আল্লাহ, হে দয়াময়।
সুমহান শাইখ, ইমাম, প্রাজ্ঞ আলেম, নির্ভরযোগ্য হাজিব আবুল কাসিম আবদুল লতিফ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুত তাআবিযির নাতি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। আর এটি ছিল ৬৩৩ হিজরি সনের তেরোই শাবান, সুরক্ষিত বাগদাদের খিলাফত প্রাসাদে অবস্থিত আল্লাহর একটি মসজিদে—যা আল্লাহ আবাদ রাখুন। আমি তাঁকে বললাম: লেখিকা ফাখরুন নিসা শুহদাহ বিনতে আহমাদ ইবনুল ফারাজ ইবনে উমর আল-ইবরি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, যখন আপনি তা শুনছিলেন, আর এটি ছিল ৫৭৩ হিজরি সনের রজব মাসে। তিনি বলেন: আবুল ফাওয়ারিস তিরাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী আয-যাইনাবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে, ৪৯০ হিজরি সনের যিলহজ মাসের শুরুতে সোমবার দিনে। তিনি বলেন: আবু নাসর আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে হাসনুন আন-নারসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম, ৪১১ হিজরি সনের রমজান মাসে। তিনি বলেন: আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনে আমর ইবনুল বাখতারি আর-রাজজায আমাদের নিকট ৩৩৭ হিজরি সনের রবিউল আউয়াল মাসের এগারো দিন অবশিষ্ট থাকতে জুমুআর দিনে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١٠٩)
1 - حدثنا سعدان بن نصر بن منصور البزاز، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الْحَجَّاجِ بْنِ أَرْطَاةَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ الْجَزَّارِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى في فضاء ليس بين يديه شئ.
১ - সাদান ইবনে নাসর ইবনে মানসুর আল-বাজজায আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুআবিয়া আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, হাজ্জাজ ইবনে আরতাহ থেকে, তিনি আল-হাকাম থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আল-জাযযার থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন যে: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক) এমন এক উন্মুক্ত স্থানে সালাত আদায় করেছেন যার সম্মুখে কোনো কিছু ছিল না।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١٠٩)
2 - حَدَّثَنَا سَعْدَانُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ مُوسَى، عَنْ عَطَاءِ بْنِ مِينَاءَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: سَجَدْنَا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي {إِذَا السَّمَاءُ انْشَقَّتْ}، وَ {اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ}.
২ - আমাদের নিকট সা'দান ইবনে নাসর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি আইয়ুব ইবনে মুসা থেকে, তিনি আতা ইবনে মিনা থেকে, আর তিনি আবু হুরাইরাহ (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমরা নবী (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর সাথে {যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে} এবং {পাঠ করুন আপনার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন} তিলাওয়াতের সময় সিজদাহ করেছি।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١٠٩)
3 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الدَّقِيقِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا ⦗ص: 110⦘ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبَانٍ الْوَرَّاقُ، قَالَ: حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبَانٍ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا دَخَلَ السُّوقَ قَالَ: بِسْمِ اللَّهِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا فِي هَذِهِ السُّوقِ وَخَيْرَ مَا فِيهَا، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ مَا فِيهَا، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ أَنْ أُصِيبَ / فِيهَا صَفْقَةً خَاسِرَةً.
৩ - মুহাম্মদ বিন আব্দুল মালিক আদ-দাকিকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ⦗পৃষ্ঠা: ১১০⦘ ইসমাঈল বিন আবান আল-ওয়াররাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ বিন আবান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আলকামা বিন মারসাদ থেকে, তিনি ইবনে বুরাইদা থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন বাজারে প্রবেশ করতেন তখন বলতেন: আল্লাহর নামে; হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট এই বাজারে যা রয়েছে তার কল্যাণ এবং এতে যা কিছু আছে তার কল্যাণ প্রার্থনা করছি। আর আমি আপনার নিকট এর অনিষ্ট এবং এতে যা কিছু আছে তার অনিষ্ট থেকে আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট এতে / কোনো লোকসানি চুক্তিতে পতিত হওয়া থেকে আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١١٠)
4 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ الْمُنَادِي، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ يُوسُفَ الأَزْرَقُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ خِلاسِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ: أَنَّ رَجُلَيْنِ تَدَارَءَا فِي بَيْعٍ وَلَيْسَتْ بَيْنَهُمَا بَيِّنَةٌ، فَأَمَرَهُمَا رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ يَتَسَاهَمَا عَلَى الْيَمِينِ إِنْ أَحَبَّا أَوْ كَرِهَا.
৪ - মুহাম্মদ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে ইয়াজীদ আল-মুনাদী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসহাক ইবনে ইউসুফ আল-আযরাক আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ ইবনে আবু আরূবাহ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি খিলাস ইবনে আমর থেকে, তিনি আবু রাফি থেকে এবং তিনি আবু হুরাইরাহ থেকে বর্ণনা করেন যে: দুই ব্যক্তি একটি কেনাবেচা নিয়ে বিবাদে লিপ্ত হলো অথচ তাদের উভয়ের নিকট কোনো প্রমাণ ছিল না, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে শপথ করার বিষয়ে লটারি করার নির্দেশ দিলেন, তারা তা পছন্দ করুক বা অপছন্দ করুক।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١١٠)
5 - حَدَّثَنَا عَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدُّورِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ
⦗ص: 111⦘ أَبِي بُكَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنه: أَنَّ النبي صلى الله عليه وسلم قال: لا تُجْزِئُ صَلاةٌ لا يُقِيمُ الرَّجُلُ صُلْبَهُ فِي الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ.
قَالَ عَبَّاسٌ: هَذَا حَدِيث لَمْ يَرْوِهِ غَيْرُ يَحْيَى، وَهُوَ حَدِيثٌ غَرِيبٌ جِدًّا.
৫ - আব্বাস ইবনে মুহাম্মাদ আদ-দুরী আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে
⦗পৃষ্ঠা: ১১১⦘ আবি বুকাইর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইসরাঈল আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি আমাশ থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান থেকে, আর তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: সেই ব্যক্তির সালাত যথেষ্ট হবে না, যে রুকু ও সিজদাহয় নিজের পিঠ সোজা করে না।
আব্বাস বলেন: এই হাদিসটি ইয়াহইয়া ব্যতীত অন্য কেউ বর্ণনা করেননি এবং এটি অত্যন্ত গারিব (অপ্রসিদ্ধ) হাদিস।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١١١)
6 - حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدُّورِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنِ الأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِنَّمَا مَثَلُ الصَّلَوَاتِ الْخَمْسِ كمثل نهر جاري عَلَى بَابِ أحدكم يغتسل منه كل يوم خمس مرات، فَمَاذَا يَبْقَى مِنْ دَرَنِهِ؟
⦗ص: 112⦘ قَالَ الْعَبَّاسُ: وَهَذَا حديث غريب.
৬ - আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ আদ-দুরী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আ'মাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “নিশ্চয়ই পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের উদাহরণ তোমাদের কারো দরজার সামনে প্রবাহিত একটি নদীর মতো, যাতে সে প্রতিদিন পাঁচবার গোসল করে; তবে কি তার শরীরে কোনো ময়লা অবশিষ্ট থাকবে?”
⦗পৃষ্ঠা: ১১২⦘ আব্বাস বলেন: এই হাদীসটি গরীব।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١١٢)
7 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ الْعُطَارِدِيُّ، قَالَ: حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لا تَسُبُّوا أَصْحَابِي، فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَوْ أَنَّ أَحَدَكُمْ أَنْفَقَ مِثْلَ أُحُدٍ ذَهَبًا مَا أَدْرَكَ مُدَّ أَحَدِهِمْ وَلا نَصِيفَهُ.
৭ - আহমাদ ইবনে আব্দুল জাব্বার আল-উতারিদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু মুআবিয়া আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আ'মাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমরা আমার সাহাবীদের গালি দিও না। সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, তোমাদের কেউ যদি উহুদ পাহাড় সমপরিমাণ স্বর্ণও ব্যয় করো, তবুও তা তাদের কারো এক 'মুদ' (এক অঞ্জলি) কিংবা তার অর্ধেকের সমপরিমাণ মর্যাদায় পৌঁছাতে পারবে না।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١١٢)
8 - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي طَالِبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، قَالَ: أَخْبَرَنَا بَحْرُ بْنُ كُنَيْزٍ السَّقَّاءُ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: إِذَا حضرت الصلاة وحضر العشاء فابدؤوا بالعشاء.
৮ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া বিন আবু তালিব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ বিন হারুন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বাহর বিন কুনাইয আস-সাক্কা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: যখন নামাযের সময় উপস্থিত হয় এবং রাতের খাবারও উপস্থিত থাকে, তখন তোমরা রাতের খাবার দিয়ে শুরু করো।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١١٢)
9 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الدَّقِيقِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَلَمُ بْنُ ⦗ص: 113⦘ سَلامٍ الْوَاسِطِيُّ، قَالَ: أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سُهَيْلٍ وَأَخِيهِ صَالِحِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِمَا، عَنْ / رَجُلٍ مِنْ أَسْلَمَ: أَنَّهُ لُدِغَ فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَشَكَا ذَلِكَ إِلَيْهِ، فَقَالَ: لَوْ قُلْتَ حِينَ أَمْسَيْتَ: أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ، لَمْ يَضُرَّكَ شَيْءٌ.
৯ - মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল মালিক আদ-দাকিকি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সালাম ইবনে ⦗পৃষ্ঠা: ১১৩⦘ সালাম আল-ওয়াসিতি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শু'বা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি সুহাইল ও তাঁর ভাই সালিহ ইবনে আবি সালিহ থেকে, তাঁরা তাঁদের পিতা থেকে, তিনি / আসলাম গোত্রের জনৈক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন যে: তিনি দংশিত হয়েছিলেন, এরপর তিনি নবী (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক)-এর নিকট এসে সে বিষয়ে অভিযোগ করলেন। তখন তিনি (নবী) বললেন: "তুমি যদি সন্ধ্যাবেলায় বলতে: ‘আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ বাণীসমূহের মাধ্যমে তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট হতে আশ্রয় প্রার্থনা করছি’, তবে কোনো কিছুই তোমার ক্ষতি করতে পারত না।"
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١١٣)
10 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ الطَّبَّاعُ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو جَعْفَرٍ عَمِّي، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عِكْرِمَةَ وَسَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه أَنَّهُ أَفْطَرَ بِعَرَفَةَ، أُتِيَ بِرُمَّانٍ فَأَكَلَهُ، وَقَالَ: حَدَّثَتْنِي أُمُّ الْفَضْلِ: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَفْطَرَ بِعَرَفَةَ، أَتَتْهُ بِلَبَنٍ فشرب.
১০ - মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আত-তাব্বা' আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার চাচা আবু জাফর আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আইয়ুব থেকে, তিনি ইকরিমাহ ও সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আরাফায় সিয়াম পালন করেননি; তাঁর নিকট ডালিম আনা হলে তিনি তা আহার করেন। তিনি বলেন: উম্মুল ফজল আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরাফায় সিয়াম পালন করেননি, তিনি (উম্মুল ফজল) তাঁর নিকট দুধ নিয়ে আসলে তিনি তা পান করেন।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١١٤)
11 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ الْحَسَنِ الصِّقَلِّيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أبو عمر الحوضي، قال: حدثنا هشام الدستوائي، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: لا تَرْتَدِي بِثَوْبٍ وَاحِدٍ، وَلا تَشْتَمِلْ بِهِ اشْتِمَالَ الصَّمَّاءِ.
১১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মূসা ইবনুল হাসান আস-সিকাল্লী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু উমর আল-হাওযী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম আদ-দাস্তুওয়ায়ী, আবু যুবাইর থেকে, তিনি জাবির (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমরা কেবল একটি কাপড় পরিধান করো না এবং ইশতিমালুস সাম্মা (এমনভাবে কাপড় গায়ে জড়ানো যাতে হাত বের করার পথ না থাকে) পদ্ধতিতে কাপড় পরিধান করো না।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١١٤)
12 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْفَرَجِ بْنِ عُبَيْدٍ الْجُشَمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَارِمُ أَبُو النُّعْمَانِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى فِي جَوْفِ الْبَيْتِ.
১২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনুল ফারাজ ইবনু উবাইদ আল-জুশামি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আরিম আবু আন-নুমান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনু যাইদ, তিনি আমর ইবনু দিনার থেকে, তিনি ইবনু উমর থেকে বর্ণনা করেন যে: নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাবার অভ্যন্তরে সালাত আদায় করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١١٤)
13 - حَدَّثَنَا ابْن أَبِي الْعَوَّامِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ، قَالَ: سَمِعْتُ ⦗ص: 115⦘ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ يَسْأَلُ أَبَا النَّضْرِ هَاشِمَ بْنَ الْقَاسِمِ عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ، فَسَمِعْتُ هَاشِمَ بْنَ الْقَاسِمِ يَقُولُ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ النعمان القرشي، قال: أخبرنا زيد بن حبان، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: لا يَجْتَمِعُ حُبُّ هَؤُلاءِ الأَرْبَعَةِ إِلا فِي قَلْبِ مُؤْمِنٍ: أَبُو بَكْرٍ، وَعُمَرُ، وَعُثْمَانُ، وَعَلِيٌّ رضي الله عنهم.
১৩ - ইবন আবি আল-আওয়াম মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি ⦗পৃষ্ঠা: ১১৫⦘ আবু আব্দুল্লাহ আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাম্বলকে আবু আন-নাদর হাশিম বিন আল-কাসিমকে এই হাদিসটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে শুনেছি। তখন আমি হাশিম বিন আল-কাসিমকে বলতে শুনেছি: আমাদের নিকট আব্দুল আজিজ বিন আন-নুমান আল-কুরাশি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জায়েদ বিন হিব্বান, আতা থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: এই চারজনের ভালোবাসা কেবল মুমিনের হৃদয়েই একত্রিত হয়: আবু বকর, উমর, উসমান এবং আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١١٥)
14 - حدثنا عيسى بن عبد الله بن دلويه الْعَسْكَرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَابِقٍ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: إِنَّ أُمَّتَكُمْ هَذِهِ وَفَّتْ سَبْعِينَ أُمَّةً، أَنْتُمْ خَيْرُهَا وَأَكْرَمُهَا عَلَى اللَّهِ تبارك وتعالى.
১৪ - ঈসা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে দালওয়াই আল-আসকারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে সাবিক আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসরাঈল থেকে, তিনি বাহয ইবনে হাকিম থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: তোমাদের এই উম্মত সত্তরটি উম্মত পূর্ণ করেছে, তোমরা তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং বরকতময় ও সুউচ্চ আল্লাহর নিকট সর্বাধিক সম্মানিত।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١١٦)
15 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ أَبِي الْحَنِينِ، / قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ الأَسَدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَنْصُورُ بْنُ أَبِي الأَسْوَدِ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ لِعَلِيٍّ رضي الله عنه يَوْمَ غَدِيرِ خُمٍّ: مَنْ كُنْتُ مَوْلاهُ فَعَلِيٌّ مَوْلاهُ، اللَّهُمَّ وَالِ مَنْ وَالاهُ، وَعَادِ مَنْ عَادَاهُ
১৫ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আবিল হানীন বর্ণনা করেছেন, / তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আস-সলত আল-আসাদী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মানসুর বিন আবিল আসওয়াদ বর্ণনা করেছেন, মুসলিম থেকে, আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে গাদীরে খুমের দিনে আলীর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) উদ্দেশ্যে বলতে শুনেছি: "আমি যার মাওলা, আলীও তার মাওলা। হে আল্লাহ! যে তাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে আপনিও তাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করুন, এবং যে তার সাথে শত্রুতা করে আপনিও তার সাথে শত্রুতা করুন।"
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١١٦)
16 - حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْخَلِيلِ الْبُرْجُلانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْوَاقِدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: كُنَّا نُصَلِّي مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم الْعَصْرَ، ثُمَّ يَذْهَبُ الذَّاهِبُ إِلَى قُبَاءَ فَيَأْتِيهِمْ وَالشَّمْسُ مرتفعة.
১৬ - আহমাদ ইবনুল খলীল আল-বুরজুলানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-ওয়াকিদী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মা’মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আয-যুহরী থেকে, আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে আসরের সালাত আদায় করতাম, অতঃপর কোনো ব্যক্তি কুবার দিকে রওনা হতো এবং যখন সে তাদের নিকট পৌঁছাত তখনো সূর্য উঁচুতে থাকত।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١١٦)
17 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ ثَوَابٍ التَّغْلِبِيُّ سَنَةَ خَمْسٍ وستين ومئتين، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ ابْنُ أُخْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَهْدِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا رِبْعِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْجَارُودِ بْنِ أَبِي سَبْرَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ ⦗ص: 117⦘ الْحَجَّاجِ، قَالَ: حَدَّثَنِي الْجَارُودُ بْنُ أَبِي سَبْرَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ رضي الله عنه، قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إِذَا سَافَرَ وَأَرَادَ أَنْ يَتَطَوَّعَ بِالصَّلاةِ اسْتَقْبَلَ بِنَاقَتِهِ الْقِبْلَةَ، فَكَبَّرَ ثُمَّ صَلَّى حَيْثُ توجهت إليه.
১৭ - আল-হাসান ইবনে সাওয়াব আল-তাগলিবি দুইশত পঁষট্টি হিজরি সনে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আব্দুর রহমান ইবনে মাহদির ভাগ্নে আবু বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রিবঈ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-জারুদ ইবনে আবি সাবরা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমর ইবনুল ⦗পৃষ্ঠা: ১১৭⦘ হাজ্জাজ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-জারুদ ইবনে আবি সাবরা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সফরে থাকতেন এবং নফল সালাত আদায়ের ইচ্ছা পোষণ করতেন, তখন তিনি তাঁর উটনিকে কিবলার অভিমুখী করতেন এবং তাকবির পাঠ করতেন, এরপর বাহনটি যেদিকেই মুখ করত সেদিকেই তিনি সালাত আদায় করতেন।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١١٧)
18 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْهَيْثَمِ بْنِ الْمُهَلَّبِ، قَالَ: حَدَّثَنَا آدَمُ بْنُ أَبِي إِيَاسٍ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي دَاوُدَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِيدٍ، عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: نَوِّرُوا بِالْفَجْرِ فَإِنَّهُ أَعْظَمُ لِلأَجْرِ
১৮ - ইবরাহীম ইবনুল হাইসাম ইবনুল মুহাল্লাব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আদম ইবনে আবু ইয়াস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শু'বা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু দাউদ থেকে, তিনি যায়েদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি মাহমুদ ইবনে লাবীদ থেকে, তিনি রাফি ইবনে খাদীজ (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলেছেন: তোমরা ফজরকে ফর্সা (আলোকিত) করো, কারণ তা সওয়াবের ক্ষেত্রে অধিক মহান।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١١٧)
19 - حَدَّثَنَا سَعْدَانُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ شَبِيبٍ الْمُسْلِيُّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ قَيْسٍ الْمُلائِيِّ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ - أَوْ قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ الْمَلِكِ بْنَ عُمَيْرٍ - عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ الأَنْصَارِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: الْحَلالُ بَيِّنٌ وَالْحَرَامُ بَيِّنٌ وَبَيْنَهُمَا مُشْتَبِهَاتٌ، ⦗ص: 118⦘ فَمَنْ تَرَكَهُنَّ اسْتَبْرَأَ لِعِرْضِهِ وَدِينِهِ، وَمَنْ رَكِبَهُنَّ يُوشِكُ أَنْ يَرْكَبَ الْحَرَامَ، كَالْمُرْتِعِ إِلَى جَنْبِ الْحِمَى فَيُوشِكُ أَنْ يَرْتَعَ، وَلِكُلِّ مَلِكٍ حِمًى، / وَإِنَّ حِمَى اللَّهِ عز وجل مَحَارِمُهُ.
১৯ - সা’দান ইবনে নাসর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উমর ইবনে শাবীব আল-মুসলি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে কায়স আল-মুলায়ি থেকে, তিনি আব্দুল মালিক ইবনে উমায়ের থেকে—অথবা তিনি বলেছেন: আমি আব্দুল মালিক ইবনে উমায়ের থেকে শুনেছি—তিনি নুমান ইবনে বশীর আল-আনসারী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: হালাল স্পষ্ট এবং হারামও স্পষ্ট, আর এ দুটির মধ্যবর্তী বিষয়সমূহ অস্পষ্ট; ⦗পৃষ্ঠা: ১১৮⦘ সুতরাং যে ব্যক্তি সেগুলো বর্জন করল, সে নিজের সম্মান ও দ্বীনকে পবিত্র রাখল। আর যে ব্যক্তি সেগুলোয় লিপ্ত হলো, সে হারামে পতিত হওয়ার উপক্রম হলো। যেমন কোনো রাখাল সংরক্ষিত চারণভূমির পাশে গবাদি পশু চরায়, ফলে অচিরেই সে চারণভূমিতে পশু ঢুকে পড়ার উপক্রম হয়। জেনে রেখো, প্রত্যেক বাদশাহরই একটি সংরক্ষিত এলাকা থাকে। আর আল্লাহর সংরক্ষিত এলাকা হলো তাঁর হারামকৃত বা নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١١٩)
الْمَجْلِسُ الثَّانِي20 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو إِمْلاءً فِي مَجْلِسٍ ثَانٍ عَلَى الْوَلاءِ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعْدَانُ بْنُ نَصْرِ بْنِ مَنْصُورٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ سَابِقٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ أَبِيهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ، قَالَ: وَاللَّهِ إِنِّي لأَسْمَعُ قَوْلَ مُعَتِّبِ بْنِ قُشَيْرٍ أَخِي بَنِي عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ وَالنُّعَاسُ يَغْشَانِي، مَا أَسْمَعُهُ إِلا كَالْحُلْمِ، لَوْ كَانَ لَنَا مِنَ الأمر شيء ما قتلنا ها هنا.
দ্বিতীয় মজলিস২০ - মুহাম্মাদ ইবনে আমর আমাদের কাছে ধারাবাহিক দ্বিতীয় মজলিসে শ্রুতিলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সা’দান ইবনে নাসর ইবনে মানসুর আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সাদাকা ইবনে সাবিক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর আমার কাছে তাঁর পিতা আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর থেকে এবং তিনি যুবাইর ইবনুল আওয়াম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর শপথ, আমি বনু আমর ইবনে আউফ গোত্রের ভাই মুআত্তিব ইবনে কুশাইরের কথা শুনছিলাম যখন তন্দ্রা আমাকে আচ্ছন্ন করে রেখেছিল; আমি তার কথা স্বপ্নের মতো শুনছিলাম—‘যদি এই বিষয়ে আমাদের কোনো কর্তৃত্ব থাকত, তবে আমাদের এখানে হত্যা করা হতো না।’
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١١٩)
21 - حَدَّثَنَا سَعْدَانُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا غَسَّانُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: لَيَأْتِيَنَّ عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ لا يبالي أحدهم بما أَخَذَ الْمَالَ، بِحَلالٍ أَمْ بِحَرَامٍ.
২১ - আমাদের নিকট সা’দান ইবনে নাসর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট গাসসান ইবনে উবাইদ বর্ণনা করেছেন ইবনে আবি যি’ব থেকে, তিনি সাঈদ আল-মাকবুরি থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন) বলেছেন: মানুষের ওপর অবশ্যই এমন এক সময় আসবে যখন তাদের কেউ পরোয়া করবে না যে সে কীভাবে সম্পদ গ্রহণ করল, হালাল উপায়ে না কি হারাম উপায়ে।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١٢٠)
22 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَوْحٍ الْمَدَائِنِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا شَبَابَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرِو بْنُ الْعَلاءِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: مَنْ حَلَفَ فَقَالَ إِنْ شَاءَ اللَّهُ فَلا حنث عليه.
২২ - আবদুল্লাহ ইবন রুহ আল-মাদায়িনী আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: শাবাবাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আমর ইবনুল আলা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যে ব্যক্তি শপথ করল এবং বলল ‘ইনশাআল্লাহ’ (যদি আল্লাহ চান), তবে তার ওপর শপথ ভঙ্গের কোনো দায় থাকবে না।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١٢٠)
23 - حدثنا إبراهيم بن الهيثم البلدي، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ الْمِصِّيصِيُّ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ: هَذَانِ سَيِّدَا كُهُولِ أَهْلِ الْجَنَّةِ مِنَ الأَوَّلِينَ وَالآخِرِينَ إِلا النَّبِيِّينَ والمرسلين.
২৩ - ইব্রাহিম ইবনুল হাইসাম আল-বালাদি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে কাসীর আল-মিসসিসী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আওযায়ী থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবু বকর ও উমর সম্পর্কে বলেছেন: “নবী ও রাসূলগণ ব্যতীত এই দু’জন জান্নাতের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল বয়স্ক ব্যক্তির সরদার।”
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١٢٠)
24 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَنْصُورٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَكَمِ، قَالَ: حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ مُسَافِرٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ بَهْدَلَةَ، عَنْ زِرِّ بْنِ حُبَيْشٍ، عَنْ عَلِيٍّ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم: يَا عَلِيُّ هَذَانِ سَيِّدَا كُهُولِ / أَهْلِ الْجَنَّةِ مِنَ الأَوَّلِينَ وَالآخِرِينَ مَا خَلا النَّبِيِّينَ وَالْمُرْسَلِينَ، لا تُخْبِرْهُمَا، فَمَا تَكَلَّمْتُ حَتَّى مَاتَا، يَعْنِي أَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ رضي الله عنهما.
২৪ - আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মানসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আহমাদ ইবনুল হাকাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাওহ ইবনে মুসাফির আসিম ইবনে বাহদালা থেকে, তিনি জির ইবনে হুবাইশ থেকে, আর তিনি আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন। আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বলেছেন: "হে আলী! এই দুইজন জান্নাতের বয়োজ্যেষ্ঠদের সরদার, তারা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল মানুষের মধ্য থেকে (শ্রেষ্ঠ), তবে নবী ও রাসূলগণ ব্যতীত। তুমি তাদেরকে এই সংবাদ দিও না।" (আলী বলেন) ফলে তারা মৃত্যুবরণ করা পর্যন্ত আমি এ বিষয়ে কোনো কথা বলিনি। অর্থাৎ আবু বকর ও উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)।
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١٢١)
25 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ الْخُتَّلِيُّ الْحَرْبِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي أُسَامَةَ - يَعْنِي الرَّقِّيَّ - قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَعْفَرٍ، عَنْ غَيْرِ واحد ابْنِ سِيرِينَ، وَغَيْرِهِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الْهَمْدَانِيِّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه يَرْفَعُ الْحَدِيثَ إِلَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: مَنْ قَالَ: لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ، لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ، لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ لا شَرِيكَ لَهُ، لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ لَهُ الْمَلِكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ، لا حَوْلَ وَلا قُوَّةَ إِلا بِاللَّهِ، يَعْقِدُهُنَّ خَمْسًا بِأَصَابِعِهِ، ثُمَّ قَالَ: مَنْ قَالَهُنَّ فِي يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ أَوْ شَهْرٍ ثُمَّ مَاتَ مِنْ ذَلِكَ الْيَوْمِ أَوْ تِلْكَ اللَّيْلَةِ، أَوْ ذَلِكَ الشَّهْرِ غُفِرَ لَهُ ذنبه.
২৫ - মুহাম্মদ ইবনুল হাসান আল-খুত্তালি আল-হারবি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনু আবি উসামাহ — অর্থাৎ আর-রাক্কি — আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট জাফর হতে, তিনি ইবনু সিরিন ও আরও একাধিক ব্যক্তি হতে, তাঁরা আবু ইসহাক আল-হামদানি হতে, তিনি আবু সালেহ হতে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি হাদিসটিকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত উন্নীত (মারফু) করেছেন। তিনি বলেছেন: "যে ব্যক্তি বলে: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক এবং আল্লাহ মহান; আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তিনি একক; আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, তাঁর কোনো শরিক নেই; আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, সকল রাজত্ব তাঁরই এবং সকল প্রশংসা তাঁরই; আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, আল্লাহর সাহায্য ব্যতীত কোনো উপায় ও কোনো শক্তি নেই," তিনি তাঁর আঙ্গুল দিয়ে এই পাঁচটি বাক্য গণনা করলেন। তারপর বললেন: "যে ব্যক্তি কোনো দিনে ও রাতে অথবা কোনো মাসে এগুলো পাঠ করবে, অতঃপর সেই দিনে বা সেই রাতে অথবা সেই মাসে তার মৃত্যু হবে, তবে তার গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।"
(খণ্ড: ১)
মাজমুউ ফীহি মুসান্নাফাতু আবী জাফর ইবনুল বাখতারী
(পৃষ্ঠা: ١٢١)
26 - حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ حَاتِمٍ الدُّورِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَطَاءً يَقُولُ: سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ رضي الله عنه يَقُولُ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: لَوْ أَنَّ لابن آدم ملء وادي مالا ⦗ص: 122⦘ لأَحَبَّ أَنْ يَكُونَ لَهُ مِثْلُهُ، وَلا يَمْلأُ نَفْسَ ابْنِ آدَمَ إِلا التُّرَابُ، وَاللَّهُ عز وجل يَتُوبُ عَلَى مَنْ تَابَ، قَالَ: فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: فَلا أَدْرِي أَمِنَ الْقُرْآنِ هُوَ أَمْ لا.
২৬ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাস ইবন মুহাম্মদ ইবন হাতিম আদ-দুরি, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাজ্জাজ ইবন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন জুরাইজ, তিনি বলেন: আমি আতা-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি ইবন আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: যদি আদম সন্তানের জন্য সম্পদপূর্ণ একটি উপত্যকা থাকত ⦗পৃষ্ঠা: ১২২⦘ তবে সে তার অনুরূপ আরও একটির আকাঙ্ক্ষা করত। আর আদম সন্তানের উদর (অন্তর) মাটি ব্যতীত অন্য কিছু দ্বারা পূর্ণ হবে না। আর মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ সেই ব্যক্তির তাওবা কবুল করেন যে তাওবা করে। বর্ণনাকারী বলেন: অতঃপর ইবন আব্বাস বললেন: আমি জানি না এটি কুরআনের অংশ কি না।