(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: -)
مشيخة أبي بكر بن عبد الدائم القسم: كتب السنة
الكتاب: مشيخة أبي بكر بن أحمد بن عبد الدائم المقدسي الحنبلي
المؤلف: القاسم بن محمد بن يوسف بن محمد ابن أبي يدّاس البرزالي الاٍشبيلي ثم الدمشقيّ، أبو محمد، عَلَم الدين (ت 739 هـ)
المحقق: إبراهيم صالح [ت 1443 هـ]
الناشر: دار البشائر - دمشق - سوريا
الطبعة: الأولى، 1417 هـ - 1997 م
عدد الصفحات: 100
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু বকর বিন আব্দুল দায়িমের মাশয়াখাত (শিক্ষক তালিকা) বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আবু বকর বিন আহমাদ বিন আব্দুল দায়িম আল-মাকদিসি আল-হাম্বলি-এর মাশয়াখাত
লেখক: আল-কাসিম বিন মুহাম্মদ বিন ইউসুফ বিন মুহাম্মদ ইবনে আবি ইয়াদাস আল-বিরজালি আল-ইশবিলি অতঃপর আদ-দিমাশকি, আবু মুহাম্মদ, আলামুদ্দিন (মৃত্যু ৭৩৯ হিজরি)
সম্পাদক: ইব্রাহিম সালিহ [মৃত্যু ১৪৪৩ হিজরি]
প্রকাশক: দারুল বাশায়ির - দামেস্ক - সিরিয়া
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৭ হিজরি - ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১০০
[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٢٣)
36 -
بِسم الله الرَّحْمَن الرَّحِيمأَخْبرنِي الشَّيْخ الإِمَام الْفَقِيه شهَاب الدّين إِبْرَاهِيم بن أَحْمد بن عبد الْوَاحِد بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ
أخبرنَا الْمسند أَبُو بكر بن الْمسند الْمُحدث أبي الْعَبَّاس أَحْمد بن عبد الدَّائِم الْمَقْدِسِي إجَازَة
شيخ أول
إِبْرَاهِيمُ بْنُ بَرَكَاتِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بن طَاهِر الخشوعيأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ بَرَكَاتِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ طَاهِرٍ الْخُشُوعِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي ثَالِثِ ذِي الْقَعْدَةِ سنة 632 بقرية كفر بَطنا مِنْ غُوطَةِ دِمَشْقَ بِقِرَاءَةِ الْحَافِظِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ
৩৬ -
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামেশেখ ইমাম ফকিহ শিহাবুদ্দীন ইবরাহীম বিন আহমদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ তার নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন।
মুসনিদ আবু বকর বিন মুসনিদ মুহাদ্দিস আবু আব্বাস আহমদ বিন আব্দুল দায়িম আল-মাকদিসী ইজাজাহ বা অনুমতির মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
প্রথম শেখ
ইবরাহীম বিন বারাকাত বিন ইবরাহীম বিন তাহের আল-খুশুয়ীশেখ আবু ইসহাক ইবরাহীম বিন বারাকাত বিন ইবরাহীম বিন তাহের আল-খুশুয়ী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, যখন ৬৩২ হিজরির ৩রা জিলকদ তারিখে দামেস্কের গুতার কাফর বাতনা গ্রামে তাকে পড়ে শোনানো হচ্ছিল এবং আমি তা শুনছিলাম; এটি হাফেজ আবু আব্দুল্লাহর পাঠের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছিল।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٢٤)
الْبِرْزَالِيِّ أَنَا أَبُو الْفَهْمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي الْعَجَائِزِ الْأَزْدِيُّ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ سَنَةَ 571 بِدَارِ الْحَدِيثِ النُّورِيَّةِ بِدِمَشْقَ بِحُضُورِ شَيْخِنَا الْحَافِظِ أَبِي مُحَمَّدٍ الْقَاسِمِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَسَاكِرٍ أَنَا أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْحِنَّائِيُّ سَنَةَ 503 بِجَامِعِ دِمَشْقَ قَالَ قرىء عَلَى أَبِي الْحَسَنِ عَلِيِّ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ نَصْرَوَيْهِ بْنِ سَخْتَامَ الْفَقِيهِ السَّمَرْقَنْدِيِّ قَدِمَ عَلَيْنَا دِمَشْقَ طَالِبًا لِلْحَجِّ سَنَةَ 441 أَنا أَبُو الْفَضْلِ مَنْصُورُ بْنُ نَصْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ الْكَاغَدِيُّ ثَنَا أَبُو عَمْرٍو الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ الْعَطَّارُ ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ بْنِ بُكَيْرِ بْنِ الْحَارِثِ الْعَبْسِيُّ ثَنَا وَكِيعُ بْنُ
আল-বির্জালি: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাহম আবদুর রহমান বিন আবদুল আজিজ বিন আবিল আজায়িজ আল-আজদি—৫৭১ হিজরি সনের রমজান মাসে দামেস্কের দারুল হাদিস আন-নুরিয়্যাহ-তে আমাদের শায়খ হাফেজ আবু মুহাম্মদ আল-কাসিম বিন আলি বিন আসাকিরের উপস্থিতিতে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-হিন্নায়ি ৫০৩ হিজরি সনে দামেস্কের জামে মসজিদে। তিনি বলেন: ফকিহ সমরকান্দি আবুল হাসান আলি বিন ইব্রাহিম বিন নাসরাওয়াই বিন সাখতামের নিকট পাঠ করা হয়েছে, যখন তিনি ৪৪১ হিজরি সনে হজের উদ্দেশ্যে আমাদের নিকট দামেস্কে এসেছিলেন। তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল মানসুর বিন নাসর বিন আবদুর রহিম আল-কাগাদি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর আল-হুসাইন বিন আলি আল-আত্তার। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন আবদুল্লাহ বিন উমর বিন বুকাইর বিন আল-হারিস আল-আবসি। আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়াকি বিন...
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٢٥)
الْجَرَّاحِ بْنِ مُلَيْحٍ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ اللَّهُ تَعَالَى يَا آدَمُ قُمْ فَابْعَثْ بَعْثَ النَّارِ فَيَقُولُ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ فِي يَدَيْكَ وَمَا بَعْثُ النَّارِ قَالَ فَيَقُولُ الله من كل ألف تسعمئة وَتِسْعَةً وَتِسْعِينَ
قَالَ فَحِينَئِذٍ يَشِيبُ الْمَوْلُودُ {وَتَضَعُ كُلُّ ذَاتِ حَمْلٍ حَمْلَهَا وَتَرَى النَّاسَ سُكَارَى وَمَا هُمْ بِسُكَارَى وَلَكِنَّ عَذَابَ اللَّهِ شَدِيدٌ} الْحَج 3
قَالَ فَيَقُولُونَ وَأَيُّنَا ذَلِكَ الْوَاحِدُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تسعمئة وَتِسْعَةً وَتِسْعِينَ مِنْ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ وَمِنْكُمْ وَاحِدٌ
قَالَ النَّاسُ اللَّهُ أَكْبَرُ
فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنِّي لَأَرْجُو أَنْ تَكُونُوا رُبُعَ أَهْلِ الْجَنَّةِ وَإِنِّي لَأَرْجُو أَنْ تَكُونُوا ثُلُثَ أَهْلِ الْجَنَّةِ وَإِنِّي لَأَرْجُو أَنْ تَكُونُوا نِصْفَ أَهْلِ الْجَنَّةِ
আল-জাররাহ ইবনে মুলাইহ থেকে বর্ণিত, তিনি আল-আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মহান আল্লাহ বলবেন: "হে আদম! উঠুন এবং জাহান্নামের দলকে বের করুন।" তিনি বলবেন: "আমি আপনার দরবারে হাজির ও উপস্থিত এবং সকল কল্যাণ আপনার দুই হাতে। আর জাহান্নামের দল কী?" আল্লাহ বলবেন: "প্রতি হাজারে নয়শত নিরানব্বই জন।"
তিনি বললেন: "সেই সময়ে নবজাতক বৃদ্ধ হয়ে যাবে এবং 'প্রত্যেক গর্ভবতী তার গর্ভপাত করবে এবং আপনি মানুষকে মাতাল সদৃশ দেখবেন, অথচ তারা মাতাল নয়; বরং আল্লাহর আজাব অত্যন্ত কঠিন'।" আল-হজ ৩
তিনি বলেন, তারা বলল: "আমাদের মধ্যে সেই একজন কে?" আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "নয়শত নিরানব্বই জন ইয়াজুজ ও মাজুজ থেকে এবং তোমাদের মধ্য থেকে একজন।"
লোকেরা বলল: "আল্লাহ মহান।"
অতঃপর আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "নিশ্চয়ই আমি আশা করি যে তোমরা জান্নাতবাসীদের এক-চতুর্থাংশ হবে। আমি আরও আশা করি যে তোমরা জান্নাতবাসীদের এক-তৃতীয়াংশ হবে। আর আমি আশা করি যে তোমরা জান্নাতবাসীদের অর্ধেক হবে।"
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٢٦)
فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا أَنْتُمْ يَوْمَئِذٍ إِلَّا كَالشَّعْرَةِ الْبَيْضَاءِ فِي الثَّوْرِ الْأَسْوَدِ أَوْ كَالشَّعْرَةِ السَّوْدَاءِ فِي الثَّوْرِ الْأَبْيَضِ
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ فِي الصَّحِيحِ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ نَصْرٍ عَنْ أَبِي أُسَامَةَ حَمَّادِ بْنِ أُسَامَةَ عَنِ الْأَعْمَشِ بِهِ
أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ بَرَكَاتِ الْخُشُوعِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الْأَوَّلِ سَنَةَ 634 بقرية كفر بَطنا قَالَ أَنا وَالِدِي أَبُو طَاهِرٍ بَرَكَاتُ
شَيْخٌ آخَرُ 2
অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "সেদিন তোমরা কেবল একটি কালো ষাঁড়ের গায়ে একটি সাদা লোমের মতো অথবা একটি সাদা ষাঁড়ের গায়ে একটি কালো লোমের মতো হবে।"
ইমাম বুখারী এটি তাঁর 'সহীহ' গ্রন্থে ইসহাক ইবনে নাসর হতে, তিনি আবু উসামা হাম্মাদ ইবনে উসামা হতে, তিনি আল-আমাশ হতে এই সনদে বর্ণনা করেছেন।
আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে বারাকাত আল-খুশুয়ী আমাদের সংবাদ প্রদান করেছেন যখন তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শ্রবণ করছিলাম ৬৩৪ হিজরি সনের রবিউল আউয়াল মাসে কাফর বাতনা গ্রামে। তিনি বললেন, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা আবু তাহের বারাকাত।
অন্য একজন শাইখ 2
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٢٧)
شَيْخٌ آخَرُ 3
جَعْفَرُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ يَحْيَى الْهَمْدَانِيُّ2 - أَخْبَرَنَا أَبُو الفَضْلِ جَعْفَرُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ أَبِي الْبَرَكَاتِ بْنِ جَعْفَر بن يحيى الْهَمدَانِي الإسْكَنْدراني قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ أَنا أَبُو طَاهِر
37 - أأَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ السِّلَفِيُّ الْأَصْبَهَانِيُّ أَنا الرَّئِيسُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْقَاسِمُ بْنُ الفَضْلِ بْنِ أَحَمْدَ بْنِ أَحْمَدَ الثَّقَفِيُّ سَنَةَ 488 بِأَصْبَهَانَ ثَنَا أَبُو الْفَتْحِ هِلَالُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ سَعْدَانَ بِمَدِينَةِ السَّلَامِ فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الْآخِرِ سَنَةَ 412 نَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَيَّاشٍ نَا أَبُو الْأَشْعَثِ أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ الْعِجْلِيُّ سَنَةَ 249 نَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ جَابِرِ بْنِ
অন্য একজন শাইখ 3
জাফর বিন আলী বিন হিবাতুল্লাহ বিন জাফর বিন ইয়াহইয়া আল-হামদানি2 - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল জাফর বিন আলী বিন হিবাতুল্লাহ আবিল বারাকাত বিন জাফর বিন ইয়াহইয়া আল-হামদানি আল-ইসকান্দারানি, তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এমতাবস্থায় যে আমি তা শুনছিলাম: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের
37 - আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইব্রাহিম আস-সিলাফি আল-আসবেহানি: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আর-রাইস আবু আব্দুল্লাহ আল-কাসিম বিন আল-ফজল বিন আহমাদ বিন আহমাদ আস-সাকাফি, ৪৮৮ হিজরি সনে আসবেহানে: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবুল ফাতহ হিলাল বিন মুহাম্মাদ বিন জাফর বিন সাদান, ৪১২ হিজরি সনের রবিউল আখির মাসে মদিনাতুস সালাম (বাগদাদ) শহরে: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন ইয়াহইয়া বিন আইয়াশ: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবুল আশআছ আহমাদ বিন আল-মিকদাম আল-ইজলি, ২৪৯ হিজরি সনে: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হাম্মাদ বিন যায়েদ, আমর বিন দিনার থেকে, তিনি জাবির বিন...
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٢٨)
عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنهما
أَنَّ رَجُلًا أَتَى الْمَسْجِدَ وَالنَّبيُّ صلى الله عليه وسلم يَخْطُبُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَصَلَّيْتَ يَا فُلَانُ قَالَ لَا قَالَ قُمْ وَارْكَعْ
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ أَبِي النُّعْمَانِ وَأَخْرَجَهُ مُسلِمٌ عَنْ قُتَيْبَةَ وَأَبِي الرَّبِيعِ وَأَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ حَرْبٍ وَأَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ وَالنَّسَائِيُّ عَنْ قُتَيْبَةَ كُلُّهُمْ عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ بِهِ
فَوَقَعَ لَنَا بَدلًا عَالِيًا
وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ أَيْضًا عَنْ أَبِي بَكْرٍ وَيَعْقُوبَ الدَّوْرَقِيِّ عَنْ
আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত।
এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করলেন এমতাবস্থায় যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জুমার দিন খুতবা দিচ্ছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেন, "হে অমুক! তুমি কি সালাত আদায় করেছ?" সে বলল, "না"। তিনি বললেন, "দাঁড়াও এবং (দুই রাকাত) রুকু করো।"
ইমাম বুখারি এটি আবু নুমান হতে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি কুতাইবাহ ও আবু রবি হতে বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবু দাউদ এটি সুলাইমান ইবনে হারব হতে বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিজি ও ইমাম নাসাঈ এটি কুতাইবাহ হতে বর্ণনা করেছেন। তারা সকলেই হাম্মাদ ইবনে যাইদ-এর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
এভাবে এটি আমাদের নিকট উচ্চমানের 'বাদাল' (বিকল্প সনদ) হিসেবে পৌঁছেছে।
ইমাম মুসলিম এটি আরও বর্ণনা করেছেন আবু বকর ও ইয়াকুব আদ-দাওরাকি হতে...
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٢٩)
إِسْمَاعِيلَ بْنِ عُلَيَّةَ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ
وَأَخْرَجَهُ أَيْضًا عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ رَافِعٍ وَعَبْدِ بْنِ حُمَيْدٍ كِلَاهُمَا عَنْ عبد الرَّزَّاق عَن ابْن جريح عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ
وَأَخْرَجَهُ أَيْضًا عَنْ بُنْدَارٍ عَنْ غُنْدَرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ
وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْأَعْلَى عَنْ خَالِدٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ
ইসমাইল ইবনে উলাইয়্যাহ আইয়ুব থেকে, তিনি আমর ইবনে দিনার থেকে।
এবং তিনি এটি মুহাম্মাদ ইবনে রাফে‘ ও আবদ ইবনে হুমায়দ থেকেও বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই আবদুর রাজ্জাক থেকে, তিনি ইবনে জুরায়জ থেকে, তিনি আমর ইবনে দিনার থেকে।
এবং তিনি এটি বুন্দার থেকেও বর্ণনা করেছেন, তিনি গুন্দার থেকে, তিনি শু‘বাহ থেকে, তিনি আমর ইবনে দিনার থেকে।
এবং নাসায়ি এটি মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল আ‘লা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি খালিদ থেকে, তিনি শু‘বাহ থেকে, তিনি আমর ইবনে দিনার থেকে।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٣٠)
وَأَخْرَجَهُ أَيْضًا عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَسَنِ وَيُوسُفَ بْنِ سَعِيدِ بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ حَجَّاجٍ عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ
فَوَقع لنا عَالِيا
فِي وَبِالْإِسْنَادِ إِلَى الثَّقَفِيِّ نَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ الْحَرَشِيُّ الْحِيرِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِنَيْسَابُورَ فِي ذِي الْقَعْدَةِ سَنَةَ 409 أَنا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْقِلٍ الْمَيْدَانِيُّ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الذُّهْلِيُّ نَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ نَا أَبِي عَنْ صَالِحٍ وَهُوَ ابْنُ كَيْسَانَ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ أَخْبَرَنِي أَبُو أُمَامَةَ بْنُ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ رضي الله عنه يَقُولُ
এবং তিনি এটি ইব্রাহিম বিন আল-হাসান এবং ইউসুফ বিন সাঈদ বিন মুসলিম থেকে, তাঁরা হাজ্জাজ থেকে, তিনি ইবনে জুরাইজ থেকে এবং তিনি আমর বিন দিনার থেকে বর্ণনা করেছেন।
ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চ সনদে পৌঁছেছে।
এবং আস-সাকাফির সনদে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিচারক আবু বকর আহমদ বিন আল-হাসান আল-হারশি আল-হিরি, ৪০৯ হিজরি সনের জিলকদ মাসে নিশাপুরে তাঁর সম্মুখে পাঠের মাধ্যমে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন মাকিল আল-মাইদানি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া আজ-জুহলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব বিন ইব্রাহিম বিন সাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি সালেহ থেকে—যিনি ইবনে কায়সান—তিনি ইবনে শিহাব থেকে; আমাকে আবু উমামা বিন সাহল বিন হুনাইফ সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বলতে শুনেছেন:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٣١)
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنَمَا أَنَا نَائِمٌ رَأَيْتُ النَّاسَ يُعْرَضُونَ عَلَيَّ وَعَلَيْهِمْ قُمُصٌ مِنْهَا مَا يَبْلُغُ الثَّدْيَ وَمِنْهَا مَا يَبْلُغُ دُونَ ذَلِكَ وَمَرَّ عَلَيَّ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَعَلَيْهِ قَمِيصٌ يَجُرُّهُ
قَالُوا مَاذَا أَوَّلْتَ ذَلِكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ الدّين
وَأخرجه الْبُخَارِيُّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ
وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ زُهَيْرٍ وَالْحُلْوَانِيِّ وَعَبْدِ بْنِ حُمَيْدٍ
وَأَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ عَنْ عَبْدِ بْنِ حُميْدٍ
وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى الذُّهْلِيِّ النَّيْسَابُورِيِّ خَمْسَتُهُمْ عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بِهِ
فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا لِلْبُخَارِيِّ وَمُسْلِمٍ وَالتِّرْمِذِيِّ وَمُوَافَقَةً لِلنَّسَائِيِّ بِعُلُوٍّ وَالْحَمْدُ للَّهِ 4
وَبِهِ إِلَى الثَّقَفِيِّ ثَنَا هِلَالُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ سَعْدَانَ نَا الْحُسَيْنُ بْنُ يَحْيَى ابْنِ عَيَّاشٍ الْقَطَّانِ نَا أَبُو الْأَشْعَثِ أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ الْعِجْلِيُّ
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “আমি ঘুমানো অবস্থায় দেখলাম যে, লোকেদের আমার সামনে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তাদের পরিধানে ছিল জামা, যার কোনোটি বুক পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছিল আবার কোনোটি তার চেয়ে ছোট। আর ওমর ইবনুল খাত্তাব আমার পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন এমতাবস্থায় যে, তাঁর গায়ে একটি দীর্ঘ জামা ছিল যা তিনি টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন।”
তাঁরা জিজ্ঞেস করলেন, “হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এর কী ব্যাখ্যা করেছেন?” তিনি বললেন, “দ্বীন (ধর্ম)।”
এবং ইমাম বুখারী এটি আলী ইবনে আব্দুল্লাহ হতে বর্ণনা করেছেন।
এবং ইমাম মুসলিম এটি যুহাইর, হুলওয়ানি এবং আব্দ ইবনে হুমাইদ হতে বর্ণনা করেছেন।
এবং ইমাম তিরমিজি এটি আব্দ ইবনে হুমাইদ হতে বর্ণনা করেছেন।
এবং ইমাম নাসায়ী এটি মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-জুহলি আন-নিশাপুরী হতে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা পাঁচজনই এটি ইয়াকুব ইবনে ইবরাহিম হতে এই সনদে বর্ণনা করেছেন।
ফলে এটি আমাদের নিকট বুখারী, মুসলিম ও তিরমিজির বর্ণনার তুলনায় ‘বাদাল’ (বিকল্প সনদ) এবং উচ্চতর সনদের মাধ্যমে নাসায়ীর বর্ণনার সাথে ‘মুয়াফাকাত’ (ঐক্য) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। আর সকল প্রশংসা আল্লাহরই জন্য। ৪
এবং একই সনদে সাকাফি পর্যন্ত; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিলাল ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে জাফর ইবনে সাদান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুসাইন ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আইয়াশ আল-কাত্তান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আশ'আস আহমদ ইবনে আল-মিকদাম আল-ইজলি।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٣٢)
نَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ جَمِيلِ بْنِ مُرَّةَ عَنْ أَبِي الْوَضِيءِ عَنْ أَبِي بَرْزَةَ الْأَسْلَميِّ قَالَ
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْبَيِّعَانِ بِالْخِيَارِ مَا لم يَتَفَرَّقَا
37 - ب أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ عَنْ مُسَدَّدٍ
وَأَخْرَجَهُ ابْنُ مَاجَهْ عَنْ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدَةَ الضَّبِّيِّ وَأَبِي الْأَشْعَثِ أَحْمَدَ بْنِ الْمِقْدَامِ الْعِجْلِيِّ كُلُّهُمْ عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ بِهِ
فَوَقَعَ مُوَافَقةً وَبَدَلًا بِعُلُوٍّ
وَأَبُو الْوَضِيءِ اسْمُهُ عَبَّادُ بْنُ نُسَيْبٍ
5 - وَبِهِ إِلَى الثَّقَفِيِّ ثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بِشْرَانَ ثَنَا
আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনে যায়েদ, তিনি জামিল ইবনে মুররাহ থেকে, তিনি আবু আল-ওয়াদি' থেকে, তিনি আবু বারযাহ আল-আসলামি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন—
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "ক্রেতা ও বিক্রেতা যতক্ষণ পর্যন্ত পরস্পর বিচ্ছিন্ন না হয়, ততক্ষণ তাদের (ক্রয়-বিক্রয় চুক্তি বহাল রাখা বা বাতিল করার) ইখতিয়ার থাকে।"
৩৭ - খ. এটি ইমাম আবু দাউদ মুসাদ্দাদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং এটি ইমাম ইবনে মাজাহ আহমাদ ইবনে আবদাহ আদ-দাব্বি ও আবু আল-আশ’আছ আহমাদ ইবনে আল-মিকদাম আল-ইজলি থেকে বর্ণনা করেছেন; তারা সকলে হাম্মাদ ইবনে যায়েদের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।
ফলে এটি উচ্চতর সনদের মাধ্যমে 'মুওয়াফাকাহ' (সঙ্গতি) ও 'বাদাল' (বিকল্প) হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।
আর আবু আল-ওয়াদি'-এর নাম হলো আব্বাদ ইবনে নুসাইব।
৫ - এবং একই সনদে আত-ছাকাফি পর্যন্ত: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে বিশরান, তিনি বর্ণনা করেছেন—
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٣٣)
إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الصَّفَّارُ ثَنَا سَعْدَانُ بْنُ نَصْرِ بْنِ مَنْصُورٍ ثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَمْرٍو سَمِعَ جَابِرَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنهما يَقُولُ
لَمَّا نَزَلَ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم {قُلْ هُوَ الْقَادِرُ عَلَى أَنْ يَبْعَثَ عَلَيْكُمْ عَذَابًا مِنْ فَوْقِكُمْ} الْأَنْعَام 65 قَالَ أَعُوذُ بِوَجْهِكَ {أَوْ مِنْ تَحْتِ أَرْجُلِكُمْ} الْأَنْعَام 65 قَالَ أَعُوذُ بِوَجْهِك {أَوْ يَلْبِسَكُمْ شِيَعًا وَيُذِيقَ بَعْضَكُمْ بَأْسَ بَعْضٍ} الْأَنْعَام 65 قَالَ هَاتَانِ أَهْوَنُ أَوْ أَيْسَرُ
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْمَدِينِيِّ
وَأَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ عَنِ ابْنِ أَبِي عُمَرَ كِلَاهُمَا عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ
فَوَقَعَ بَدَلًا عَالِيًا
6 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ جَعْفَرُ بْنُ عَلِيٍّ الْهَمْدَانِيُّ أَنا أَبُو طَاهِرٍ السِّلَفِيُّ
ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসমাঈল আস-সাফফার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সা’দান ইবনে নাসর ইবনে মানসুর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ আমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলতে শুনেছেন:
যখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওপর নাযিল হলো: {বলুন, তিনি তোমাদের ওপর তোমাদের ওপরের দিক থেকে আজাব পাঠাতে সক্ষম} [আল-আনআম ৬৫], তিনি বললেন: "আমি আপনার চেহারার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" {অথবা তোমাদের পায়ের নিচ থেকে} [আল-আনআম ৬৫], তিনি বললেন: "আমি আপনার চেহারার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।" {অথবা তোমাদের বিভিন্ন দলে বিভক্ত করে দিতে এবং তোমাদের এককে অন্যের যুদ্ধের স্বাদ আস্বাদন করাতে} [আল-আনআম ৬৫], তিনি বললেন: "এই দুটি অধিক সহজ বা সহজতর।"
ইমাম বুখারী এটি আলী ইবনুল মাদীনী থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং ইমাম তিরমিযী এটি ইবনে আবী উমর থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়েই সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
ফলে এটি একটি উচ্চতর পর্যায়ের বিকল্প সনদ (বাদাল আলী) হিসেবে সাব্যস্ত হলো।
৬ - এবং আবুল ফজল জাফর ইবনে আলী আল-হামদানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তাহের আস-সিলাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٣٤)
الْحَافِظُ أَنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ زَكَرِيَّا الطُّرَيْثِيثِيُّ مِنْ أَصْلِ سَمَاعِهِ أنبا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ دَاوُدَ الرَّزَّازُ ثَنَا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ابْن السَّمَّاكِ نَا الْحَسَنُ بْنُ عَمْرٍو السَّبِيعِيُّ قَالَ سَمِعْتُ بِشْرَ بْنَ الْحَارِثِ يَقُولُ
أَوْحَى اللَّهُ إِلَى دَاوُدَ لَا تَتَّخِذْ بَيْنِي وَبَيْنَكَ عَالِمًا مَفْتُونًا فَيَصُدَّكَ بِسُكْرِهِ عَنْ طَرِيقِ مَحَبَّتِي أُولَئِكَ قُطَّاعُ طَرِيقِ عِبَادِي
7 - وَأَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَلِيٍّ المقرىء الْإِسْكَنْدَرَانِيُّ أَنا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ السِّلَفِيُّ أَنا أَبُو مُسْلِمٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ ثَابِتٍ السِّمْنَانِيُّ سَنَةَ 494 أَنا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ شَاذَانَ أَنا أبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ أَيُّوبَ الْعَبَّادَانِيُّ سَنَةَ 344 ثَنَا عَلِيُّ بْنُ حَرْبٍ الطَّائِيُّ
আল-হাফিজ (হাফিজ উপাধিধারী) বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে আলী ইবনুল হুসাইন ইবনে যাকারিয়া আত-তুরাইথীসী, তার মূল শ্রবণ থেকে। আমাদের খবর দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে দাউদ আর-রাজ্জাজ। আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু আমর উসমান ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুস সাম্মাক। আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন হাসান ইবনে আমর আস-সাবিঈ, তিনি বলেন: আমি বিশর ইবনুল হারিসকে বলতে শুনেছি:
আল্লাহ দাউদ (আলাইহিস সালাম)-এর প্রতি ওহী পাঠালেন: "আমার এবং তোমার মাঝে কোনো মোহগ্রস্ত আলেমকে রেখো না, নতুবা সে তার মত্ততার দ্বারা তোমাকে আমার ভালোবাসার পথ থেকে বিচ্যুত করে দেবে। ওরাই হলো আমার বান্দাদের পথের ডাকাত।"
7 - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জা'ফর ইবনে আলী আল-মুকরি আল-ইসকান্দারানী। আমাদের খবর দিয়েছেন আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আস-সিলাফী। আমাদের খবর দিয়েছেন আবু মুসলিম আব্দুর রহমান ইবনে উমর ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে সাবিত আস-সিমনানী ৪৯৪ হিজরি সনে। আমাদের খবর দিয়েছেন আবু আলী হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে শাযান। আমাদের খবর দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে সুলাইমান ইবনে আইয়ুব আল-আব্বাদানী ৩৪৪ হিজরি সনে। আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আলী ইবনে হারব আত-তাঈ।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٣٥)
سَنَةَ 264 بِسَامَرَّاءَ ثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ ثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ
فِي قَوْلِهِ عز وجل {إِلا مَنْ أَذِنَ لَهُ الرَّحْمَنُ وَقَالَ صَوَابًا} النبأ 38 أَي قَالَ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فِي الدُّنْيَا
8 - أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ أَبِي الْحَسَنِ الْهَمْدَانِيُّ أَنا أَبُو طَاهِرٍ السِّلَفيُّ أَنا أَبُو مُسْلِمٍ السِّمْنَانِيُّ الْقَاضِيُّ أَنا أَبُو عَلِيِّ بْنِ شَاذَانَ أَنا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ يَحْيَى الْأَدَمِيُّ نَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ الْعُطَارِدِيُّ نَا أَبُو مُعَاوِيَةَ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ قَوْلَ سُبْحَانَ اللَّهِ وَالْحَمْدُ للَّهِ وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ أَحَبُّ إِليَّ مِمَّا طَلَعَتْ عَلَيْهِ الشَّمْسُ
9 - وَأَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَليّ الإسْكَنْدراني أَنا أَحْمد 38 أبْنُ مُحَمَّدٍ
২৬৪ সালে সামাররায়; আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া, আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইসমাইল ইবনে আবি খালিদ, আবু সালিহ থেকে বর্ণিত
মহান আল্লাহর বাণী {পরম করুণাময় যাকে অনুমতি দেবেন এবং যে সঠিক কথা বলবে সে ব্যতীত} [আন-নাবা: ৩৮] সম্পর্কে তিনি বলেন, অর্থাৎ সে দুনিয়াতে বলেছিল 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'।
৮ - জাফর ইবনে আবিল হাসান আল-হামদানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু তাহির আস-সিলাফি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুসলিম আস-সিমনানি আল-কাজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলি ইবনে শাযান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আল-হুসাইন আহমদ ইবনে উসমান ইবনে ইয়াহইয়া আল-আদামি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ ইবনে আব্দুল জব্বার আল-উতারিদি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু মুয়াবিয়া আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আমাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "নিশ্চয়ই 'সুবহানাল্লাহ', 'আলহামদুলিল্লাহ', 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' এবং 'আল্লাহু আকবার' বলা আমার কাছে তার চেয়ে অধিক প্রিয় যার ওপর সূর্য উদিত হয়।"
৯ - এবং জাফর ইবনে আলী আল-ইসকান্দারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমদ ৩৮ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٣٦)
الْحَافِظُ أَنا أَبُو غَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ الْبَاقِلَّانِيُّ أَنا أَبُو عَليّ ابْن شَاذَانَ أَنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَن ابْن الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدٍ الْهَمَذَانِيُّ الْقَاضِي قَدِمَ عَلَيْنَا حَاجًّا سَنَةَ 349 نَا إِبْرَاهِيمُ بن الْحُسَيْن بن دازيل نَا آدَمُ بْنُ أَبِي إِيَاسٍ نَا شُعْبَةُ نَا قَتَادَةُ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه قَالَ
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْبُزَاقُ فِي الْمَسْجِدِ خَطِيئَةٌ وَكَفَّارَتُهَا دَفْنُهَا
10 - وَبِهَذَا الْإِسْنَادِ قَالَ
لَمَّا أَرَادَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَكْتُبَ إِلَى الرُّومِ قيل لَهُ إِنَّهُم لن يقرؤوا كِتَابَكَ
হাফিজ বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু গালিব মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে আহমদ আল-বাকিলানি; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী ইবনে শাযান; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আবদুর রহমান ইবনুল হাসান ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উবাইদ আল-হামাযানি আল-কাজি—তিনি ৩৪৯ হিজরি সনে হাজি হিসেবে আমাদের নিকট এসেছিলেন; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনুল হুসাইন ইবনে দাযিল; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আদম ইবনে আবি ইয়াস; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে, তিনি বলেন:
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "মসজিদে থুতু ফেলা একটি গুনাহ এবং এর কাফফারা (প্রায়শ্চিত্ত) হলো তা পুঁতে ফেলা।"
10 - এবং এই একই সনদে তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন:
যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রোমীয়দের নিকট পত্র লিখতে চাইলেন, তখন তাঁকে বলা হলো যে, নিশ্চয়ই তারা আপনার পত্র পাঠ করবে না।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٣٧)
إِذَا لَمْ يَكُنْ مَخْتُومًا فَاتَّخَذَ خَاتَمًا مِنْ فِضَّةٍ وَنَقَشَ فِيهِ مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ
قَالَ أَنَسٌ وَكَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى بَيَاضِهِ فِي يَدِهِ
11 - وَبِهَذَا الْإِسْنَادِ قَالَ
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم اللَّهُمَّ لَا عَيْشَ إِلَّا عَيْشُ الْآخِرَةِ فَاغْفِرْ لِلْأَنْصَارِ وَالْمُهَاجِرَةِ
وُلِدَ جَعْفَرٌ الْهَمْدَانِيُّ فِي صَفَرٍ سنة 546 بالاسكندرية وَمَاتَ بِدِمَشْقَ فِي صَفَرٍ أَيْضًا سَنَةَ 636 وَدُفِنَ بِمَقْبَرَةِ الصُّوفِيَّةِ ظَاهِرَ دِمَشْقَ
যখন কোনো সিলমোহর ছিল না, তখন তিনি রূপার একটি আংটি গ্রহণ করলেন এবং তাতে ‘মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল’ খোদাই করলেন।
আনাস (রা.) বলেন, আমি যেন তাঁর হাতে সেটির শুভ্রতার দিকে তাকিয়ে আছি।
১১ - এবং এই সনদেই তিনি বলেন:
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: হে আল্লাহ! আখিরাতের জীবন ছাড়া কোনো (প্রকৃত) জীবন নেই, অতএব আপনি আনসার ও মুহাজিরদের ক্ষমা করে দিন।
জাফর আল-হামদানী ৫৪৬ হিজরীর সফর মাসে আলেকজান্দ্রিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ৬৩৬ হিজরীর সফর মাসেই দামেস্কে মৃত্যুবরণ করেন এবং দামেস্কের বহির্ভাগে সুফিয়া গোরস্তানে সমাহিত হন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٣٨)
شَيْخٌ آخَرُ 4
الْحُسَيْنُ بْنُ الْمُبَارَكِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى الزَّبِيدِيُّ الْبَغْدَادِيُّ12 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْفَقِيهُ الْعَالِمُ الْمُسْنِدُ بَقِيَّةُ الْمَشَايِخِ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُبَارَكِ بْنِ الشَّيْخِ الْإِمَامِ أبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْمُسْلِمِ بْنِ مُوسَى بْنِ عِمْرَانَ الزَّبِيدِيُّ الْبَغْدَادِيُّ قَدِمَ عَلَيْنَا قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا حَاضِرٌ أَسْمَعُ فِي سَنَةِ 630 بِجَامِعِ الصَّالِحِيَّةِ ظَاهِرَ دِمَشْقَ أَنا أَبُو الْوَقْتِ عَبْدُ الْأَوَّلِ بْنُ عِيسَى بْنِ شُعَيْبِ بْنِ إِسْحَاقَ السِّجْزِيُّ الْهَرَوِيُّ الصُّوفِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِبَغْدَادَ أَنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أبِي مَسْعُودٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ الْفَارِسِيُّ أَنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ
অন্য একজন শাইখ ৪
আল-হুসাইন বিন আল-মুবারক বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া আজ-জাবিদি আল-বাগদাদি১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, ফকিহ, আলেম, মুসনিদ এবং মাশায়েখদের উত্তরসূরি আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আবু বকর আল-মুবারক বিন শাইখুল ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া বিন আলি বিন আল-মুসলিম বিন মুসা বিন ইমরান আজ-জাবিদি আল-বাগদাদি। তিনি আমাদের নিকট আগমন করেন; তাঁর সম্মুখে পাঠ করা হয় এবং আমি তখন উপস্থিত থেকে শ্রবণ করছিলাম। এটি ছিল ৬৩০ হিজরি সনে দামেস্কের উপকণ্ঠে সালিহিয়া জামে মসজিদে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ওয়াকত আব্দুল আউয়াল বিন ঈসা বিন শুআইব বিন ইসহাক আস-সিজজি আল-হারাউয়ি আস-সুফি, তাঁর সম্মুখে পাঠকালে আমি বাগদাদে তা শ্রবণ করি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন আবু মাসউদ আব্দুল আজিজ আল-ফারিসি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ আব্দুর রহমান বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٣٩)
يَحْيَى بْنِ مَخْلَدٍ الْأَنْصَارِيُّ الزَّاهِدُ أَنا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ نَا أَبُو الْجَهْمِ الْعَلَاءُ بْنُ مُوسَى الْبَاهِلِيُّ مِنْ كِتَابِهِ فِي مَنْزِلِهِ فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الْأَوَّلِ مِنْ سَنَةِ 227 نَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ
عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ أَدْرَكَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ فِي رَكْبٍ وَعُمَرُ يَحْلِفُ بِأَبَوَيْهِ فَنَادَاهُمْ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم إِنَّ اللَّهَ عز وجل نَهَاكُمْ أَنْ تَحْلِفُوا بِآبَائِكُمْ فَمَنْ كَانَ حَالِفًا فَلْيَحْلِفْ بِاللَّهِ عز وجل وَإِلَّا فَلْيَصْمُتْ
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ قُتَيْبَةَ
وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ رُمْحٍ وَقُتَيْبَةَ أَيْضًا
كِلَاهُمَا عَنِ اللَّيْثِ
فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا عَالِيًا
وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ أَيْضًا عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ
ইয়াহইয়া ইবনে মাখলাদ আল-আনসারী আজ-জাহিদ বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-বাগাভী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল জাহম আল-আলা ইবনে মুসা আল-বাহিলি—তার কিতাব হতে তার নিজ গৃহে ২২৭ হিজরি সনের রবিউল আউয়াল মাসে—তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন লাইস ইবনে সাদ, নাফি থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর থেকে
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত যে, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাবকে একটি আরোহী দলের মধ্যে পেলেন এমতাবস্থায় যে, উমর তার পিতার নামে শপথ করছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে ডেকে বললেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তোমাদেরকে তোমাদের পিতৃপুরুষদের নামে শপথ করতে নিষেধ করেছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি শপথ করতে চায়, সে যেন আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা-র নামে শপথ করে, অন্যথায় সে যেন নীরব থাকে।"
ইমাম বুখারি এটি কুতাইবা থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং ইমাম মুসলিম এটি মুহাম্মদ ইবনে রুমহ ও কুতাইবা থেকেও বর্ণনা করেছেন।
তারা উভয়ই লাইস থেকে বর্ণনা করেছেন।
ফলে এটি আমাদের নিকট একটি উচ্চমানের 'বাদাল' (উচ্চস্তরের বিকল্প সনদ) হিসেবে সাব্যস্ত হলো।
এবং ইমাম মুসলিম এটি আব্দুল মালিক ইবনে শুআইব থেকেও বর্ণনা করেছেন, তিনি তার পিতা থেকে এবং তিনি তার দাদা থেকে।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٤٠)
اللَّيْثِ عَنْ عُقَيْلِ بْنِ خَالِدٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمِ بْنِ عبد الله عَن أَبِيه 38 ب عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما نَحْو مَا أخرجناه
فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا
كَأَنَّ شَيْخَنَا ابْنَ الزَّبِيدِيِّ سَمِعَهُ مِنْ مُسْلِمٍ
13 - وَبِالْإِسْنَادِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ نَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ نَافِعٍ عَن ابْن عمر أَنه قَالَ
سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُول أَيّمَا مَمْلُوك بَين شُرَكَاء فَأعتق أحدهم نصِيبه فَإِنَّهُ يقوم من مَال الَّذِي أعتق قيمَة عدل فَيعتق إِن بلغ ذَلِك مَاله
أخرجه مُسلم عَن قُتَيْبَة وَمُحَمَّدِ بْنِ رُمْحٍ كِلَاهُمَا عَنِ اللَّيْث بن سعد
فَوَقَعَ لَنَا بَدلًا عَالِيًا
وَأَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُد عَن أَحْمد بن صَالح الْمصْرِيّ
লায়স, তিনি উকাইল ইবনে খালিদ থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সালিম ইবনে আবদুল্লাহ থেকে, তিনি তার পিতা ৩৮ ব আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে যা আমরা বর্ণনা করেছি তার অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
এটি আমাদের নিকট উচ্চ সনদে পৌঁছেছে।
মনে হয় যেন আমাদের শাইখ ইবনুষ-যাবাঁদী এটি ইমাম মুসলিম থেকে শুনেছেন।
১৩ - এবং আবুল জাহম পর্যন্ত পূর্বোক্ত সনদে, লায়স ইবনে সা’দ নাফি’ থেকে এবং তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন:
আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: “যদি কোনো গোলাম একাধিক অংশীদারের মালিকানায় থাকে, অতঃপর তাদের কেউ নিজের অংশটি মুক্ত করে দেয়, তবে ন্যায়সংগতভাবে সেই গোলামের মূল্য নির্ধারণ করা হবে এবং যে ব্যক্তি তার অংশ মুক্ত করেছে তার সম্পদ থেকে তা পরিশোধ করা হবে; যদি তার নিকট সেই পরিমাণ সম্পদ থাকে (তবে পুরো গোলামই মুক্ত হয়ে যাবে)।”
ইমাম মুসলিম এটি কুতাইবা এবং মুহাম্মাদ ইবনে রুমহ উভয়ের সূত্রে লায়স ইবনে সা’দ থেকে বর্ণনা করেছেন।
এটি আমাদের নিকট উচ্চ পর্যায়ের ‘বাদল’ হিসেবে পৌঁছেছে।
এবং আবু দাউদ এটি আহমাদ ইবনে সালিহ আল-মিসরী থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٤١)
وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَعْقُوب بن عبد الله الزبيرِي
كِلَاهُمَا عَن ابْن وهب عَنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ عبيد الله بن أبي جَعْفَر عَن بكير بن عبد الله الْأَشَج عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ نَحوه
فَوَقع عَالِيا
وَكَأن شَيْخَنَا ابْنَ الزَّبِيدِيِّ سَمِعَهُ مِنْ أبي دَاوُد وَالنَّسَائِيّ
14 - وَبِالْإِسْنَادِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ نَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ نَافِعٍ
أَنا عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ تَطْلِيقَةً وَاحِدَةً فَأَمَرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُرَاجِعَهَا ثُمَّ يُمْسِكَهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ تَحِيضَ عِنْدَهُ حَيْضَةً أُخْرَى ثُمَّ يُمْسِكَها حَتَّى تَطْهُرَ مِنْ حَيْضَتِهَا فَإِنْ أَرَادَ أَنْ يُطَلِّقَهَا فَلْيُطَلِّقْهَا حِينَ تَطْهُرُ مِنْ قَبْلِ أَنْ يُجَامِعَهَا فَتِلْكَ الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ أَنْ يُطَلَّقَ لَهَا النِّسَاءُ
وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ إِذَا سُئِلَ عَنْ ذَلِكَ قَالَ أَمَّا أَنْتَ طَلَّقْتَ امْرَأَتَكَ تَطْلِيقَةً أَوْ تَطْلِيقَتَيْنِ فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَمَرَنِي بِهَذَا فَإِنْ كُنْتَ طَلَّقْتَهَا ثَلَاثًا فَقَدْ حَرُمَتْ عَلَيْكَ حَتَّى تَنْكِحَ زَوْجًا غَيْرَكَ وَعَصَيْتَ اللَّهَ فِيمَا أَمَرَكَ من طَلَاق امْرَأَتك
وَأخرجه البُخَارِيّ عَن قُتَيْبَة
أخرجه مُسْلِمٌ عَنْ قُتَيْبَةَ أَيْضًا ويَحْيَى بْنِ يَحْيَى وَمُحَمَّدِ بْنِ رُمْحٍ
নাসাঈ এটি মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে আবদুল্লাহ আল-যুবায়রী থেকে বর্ণনা করেছেন।
তাঁরা উভয়ই ইবন ওয়াহাব থেকে, তিনি লাইস ইবনে সাদ থেকে, তিনি উবায়দুল্লাহ ইবনে আবু জাফর থেকে, তিনি বুকায়র ইবনে আবদুল্লাহ আল-আশাজ থেকে, তিনি নাফে’ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
ফলে এটি উচ্চ সনদে পরিণত হয়েছে।
এবং মনে হয় আমাদের শায়খ ইবন আল-যুবাইদী এটি আবু দাউদ ও নাসাঈ থেকে শুনেছেন।
১৪ - এবং আবুল জাহমের সনদে, লাইস ইবনে সাদ আমাদের নিকট নাফে’ থেকে বর্ণনা করেছেন—
যে, আবদুল্লাহ ইবনে উমর তাঁর স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় এক তালাক প্রদান করেছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে আদেশ দিলেন যেন তিনি তাকে ফিরিয়ে নেন, অতঃপর তাকে নিজের কাছে রেখে দেন যতক্ষণ না সে পবিত্র হয়, পুনরায় আবার ঋতুবতী হয়, এবং এরপর পুনরায় পবিত্র হয়। এরপর যদি তিনি তাকে তালাক দিতে চান, তবে যেন সহবাস করার পূর্বেই পবিত্র অবস্থায় তালাক দেন। আর এটিই সেই ইদ্দত (সময়কাল), যার প্রতি লক্ষ্য রেখে মহিলাদের তালাক দিতে আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন।
আবদুল্লাহ ইবনে উমরকে যখন এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হতো, তখন তিনি বলতেন: তুমি যদি তোমার স্ত্রীকে এক বা দুই তালাক দিয়ে থাকো, তবে (জেনে রেখো) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এমনই নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু যদি তুমি তাকে তিন তালাক দিয়ে থাকো, তবে সে তোমার জন্য হারাম হয়ে গেছে যতক্ষণ না সে অন্য কোনো স্বামীকে বিবাহ করে; আর তুমি তোমার স্ত্রীকে তালাক প্রদানের ক্ষেত্রে আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করেছ।
বুখারী এটি কুতাইবা থেকে বর্ণনা করেছেন।
মুসলিমও এটি কুতাইবা, ইয়াহইয়া ইবনে ইয়াহইয়া এবং মুহাম্মদ ইবনে রুমহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٤٢)
ثَلَاثَتُهُمْ عَنِ اللَّيْثِ بِهِ
فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا عَالِيًا لَهُمَا
وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ أَيْضًا عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ مَنْصُورٍ الْكَوْسَجِ عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ رَبِّهِ الْحِمْصِيِّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ حَرْبٍ الْأَبْرَشِ الْخَوْلَانِيِّ الْحِمْصِيِّ عَنْ أَبِي الهُذَيْلِ مُحَمَّدِ بْنِ الْوَلِيدِ الزُّبَيْدِيِّ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ
فَكَأَنَّ شَيْخَنَا سَمِعَهُ مِنْ مُسْلِمٍ
15 - وَبِهِ إلَى أَبِي الْجَهْمِ نَا لَيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ
أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ سَأَلَ رَسُولَ الله قَالَ أَيَرْقُدُ أَحَدُنَا وَهُوَ جُنُبٌ قَالَ نَعَمْ إِذَا تَوَضَّأَ أَحَدُكُمْ فَلْيَرْقُدْ
তাদের তিনজনই লাইস হতে এটি বর্ণনা করেছেন।
ফলে এটি আমাদের নিকট তাদের উভয়ের তুলনায় একটি উচ্চ পর্যায়ের 'বাদাল' (বিকল্প উচ্চ সনদ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।
এবং ইমাম মুসলিমও এটি বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে মানসুর আল-কাওসাজ হতে, তিনি ইয়াজিদ ইবনে আবদে রাব্বিহি আল-হিমসি হতে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে হারব আল-আবরাশ আল-খাওলানি আল-হিমসি হতে, তিনি আবু আল-হুযাইল মুহাম্মদ ইবনে আল-ওয়ালিদ আজ-জুবাইদি হতে, তিনি জুহরি হতে, তিনি সালিম হতে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর হতে।
ফলে মনে হচ্ছে যেন আমাদের শাইখ এটি সরাসরি ইমাম মুসলিমের কাছ থেকেই শুনেছেন।
১৫ - এবং উক্ত সনদে আবু আল-জাহম পর্যন্ত; লাইস ইবনে সাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন নাফে হতে, তিনি আবদুল্লাহ হতে।
নিশ্চয়ই উমর ইবনুল খাত্তাব আল্লাহর রাসূলকে জিজ্ঞাসা করলেন: আমাদের কেউ কি অপবিত্র অবস্থায় ঘুমাতে পারে? তিনি বললেন: হ্যাঁ, যখন তোমাদের কেউ ওজু করবে, তখন সে যেন ঘুমায়।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٤٣)
أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ قُتَيْبَةَ عَنِ اللَّيْثِ
فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا عَالِيًا لَهُ
وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ كَثِيرٍ الْحَرَّانِيِّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَثِيرٍ الْبَصْرِيِّ عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ وَعَنْ إِبْرَاهِيم بن يَعْقُوب 39 أالْجُوزَجَانِيِّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَثِيرٍ عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ
كِلَاهُمَا عَنِ ابْنِ عُمَرَ
وَعَنْ هِلَالِ بْنِ الْعَلَاءِ الرَّقِّيِّ عَنْ يَعْلَى بْنِ عُبَيْدٍ عَنْ وُهَيْبِ بْنِ خَالِدٍ عَنْ أَيُّوبَ السَّخْتِيَانِيِّ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ
এটি বুখারী বর্ণনা করেছেন কুতায়বা থেকে, তিনি লায়স থেকে।
ফলে এটি আমাদের নিকট তার জন্য একটি উচ্চতর বিকল্প (বদল আলী) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।
আর এটি নাসাঈ বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে কাসীর আল-হাররানী থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে কাসীর আল-বাসরী থেকে, তিনি আওযাঈ থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে। এবং ইবরাহীম ইবনে ইয়াকুব ৩৯-ক আল-জূযাজানী থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে কাসীর থেকে, তিনি আওযাঈ থেকে, তিনি যুহরী থেকে, তিনি সালিম থেকে।
তাঁরা উভয়ে ইবনে উমর থেকে।
এবং হিলাল ইবনুল আলা আর-রাক্কী থেকে, তিনি ইয়ালা ইবনে উবাইদ থেকে, তিনি উহাইব ইবনে খালিদ থেকে, তিনি আইয়ুব আস-সাখতিয়ানী থেকে, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٤٤)
وَعَنْ بُنْدَارٍ عَنِ ابْنِ مَهْدِيٍّ عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ عَنْ مَنْصُورِ بْنِ الْمُعْتَمِرِ عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ
وَلَمْ يُذْكَرْ فِي هَذِهِ الرِّوَايَةِ عُمَرُ رضي الله عنه فَبِاعْتِبَارِ الْعَدَدِ كَأَنَّ شَيْخِي سَمِعَهُ مِنَ النَّسَائِيِّ
16 - وَبِهِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ نَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَامَ فَقَالَ لَا يَحْلُبَنَّ أَحَدٌ مَاشِيَةَ أَحَدٍ بِغَيْرِ إِذْنِهِ أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَنْ تُؤْتَى مَشْرُبَتُهُ فيُكْسَرَ بَابُ خِزَانَتِهِ فَيُنْقَلَ طَعَامُهُ وَإِنَّمَا تَخْزُنُ لَهُمْ ضُرُوعُ مَوَاشِيهِمْ أَطْعِمَاتِهِم فَلَا يَحْلُبَنَّ أحد مَاشِيَة امرىء بَغَيْرِ إِذْنِهِ
أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ قُتَيْبَةَ بْنِ سَعِيدٍ وَمُحَمَّدِ بْنِ رُمْحٍ كِلَاهُمَا عَنِ اللَّيْثِ بِهِ
فَوَقَعَ بَدَلًا عَالِيًا لَهُ
এবং বুন্দার থেকে, তিনি ইবনে মাহদী থেকে, তিনি সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে, তিনি মানসুর ইবনুল মুতামির থেকে, তিনি সালিম ইবনে আবিল জাদ থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন।
এবং এই বর্ণনায় উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর নাম উল্লেখ করা হয়নি। ফলে বর্ণনাকারীর সংখ্যার বিচারে মনে হয় যেন আমার শায়খ এটি নাসায়ী থেকে শুনেছেন।
১৬ - এবং একই সনদে আবুল জাহম পর্যন্ত; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন লাইস বিন সাদ, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি দাঁড়িয়ে বললেন: "তোমাদের কেউ যেন অনুমতি ব্যতীত অন্যের গবাদি পশুর দুধ দোহন না করে। তোমাদের কেউ কি এটা পছন্দ করবে যে, তার খাদ্যভাণ্ডারে কেউ প্রবেশ করুক, তার ভাণ্ডারের দরজা ভেঙে ফেলুক এবং তার খাদ্যসামগ্রী সরিয়ে নিয়ে যাক? মূলত তাদের গবাদি পশুর ওলানগুলোই তাদের জন্য তাদের খাদ্য জমা করে রাখে। সুতরাং কেউ যেন অনুমতি ব্যতীত কোনো ব্যক্তির গবাদি পশুর দুধ দোহন না করে।"
ইমাম মুসলিম এটি কুতাইবা বিন সাঈদ এবং মুহাম্মদ বিন রুমহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়েই লাইস থেকে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
ফলে এটি তাঁর জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের 'বাদাল' (বিকল্প সনদ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٤٥)
وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ عَنْ أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْحَكَمِ أَخِي مُحَمَّدٍ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ بَكْرِ بْنِ مُضَرَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُسَامَةَ بْنِ الْهَادِ عَنْ مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ بِهِ
فَوَقَعَ عَالِيًا كَأَنَّ شَيْخَنَا سَمِعَهُ مِنَ النَّسَائِيِّ
17 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ الْمُبَارك بن مُحَمَّد ابْن الزَّبِيدِيِّ فِي سَنَةِ 630 قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنا أسمع وَأَنا أَبُو الْوَقْتِ عَبْدُ الْأَوَّلِ بْنُ عِيسَى السِّجْزِيُّ بِبَغْدَادَ فِي سَنَةِ 553 أَنا الْإِمَامُ أَبُو الْحَسَنِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُظَفَّرِ الدَّاوُدِيُّ فِي سَنَةِ 465 أَنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمُّوَيْهِ الحَمُّويِيُّ السَّرَخْسِيُّ فِي سَنَةِ 381 أَنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ بْنِ مَطَرِ بْنِ بِشْرِ بْنِ صَالِحٍ الفَرَبْرِيُّ فِي سَنَةِ 316 ثَنَا الْإِمَامُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْبُخَارِيُّ فِي سَنَةِ 248 وَفِي سَنَةِ 52 ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سِنَانٍ نَا سَلِيمٌ هُوَ ابْنُ حَيَّانَ الْهُذَلِيُّ نَا سَعِيدُ بْنُ مِينَاءَ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنهما قَالَ
আর নাসাঈ এটি বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আবদুর রহমান বিন আবদুল্লাহ বিন আবদুল হাকাম থেকে—যিনি মুহাম্মাদের ভাই—তিনি ইসহাক বিন বকর বিন মুদার থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি ইয়াজিদ বিন আবদুল্লাহ বিন উসামা বিন আল-হাদ থেকে, তিনি মালিক থেকে, তিনি নাফে'র মাধ্যমে এটি বর্ণনা করেছেন।
ফলে এটি একটি উচ্চমানের (আলি) সনদে পরিণত হলো, যেন আমাদের শায়খ এটি সরাসরি নাসাঈর নিকট থেকে শুনেছেন।
১৭ - আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আল-মুবাসরাক বিন মুহাম্মাদ ইবনুয-জাবিদি ৬৩০ হিজরি সনে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমি তা শুনছিলাম। [তিনি বলেন:] আবু আল-ওয়াক্ত আবদুল আওয়াল বিন ঈসা আস-সিজযি ৫৫৩ হিজরি সনে বাগদাদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। [তিনি বলেন:] ইমাম আবু আল-হাসান আবদুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন আল-মুজাফফর আদ-দাউদি ৪৬৫ হিজরি সনে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। [তিনি বলেন:] আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হাম্মুওয়াইহ আল-হাম্মুয়ি আস-সারাখসি ৩৮১ হিজরি সনে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। [তিনি বলেন:] আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইউসুফ বিন মাতার বিন বিশর বিন সালিহ আল-ফারাবরি ৩১৬ হিজরি সনে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। [তিনি বলেন:] ইমাম আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল বিন ইবরাহিম আল-বুখারি ২৪৮ হিজরি সনে এবং ৫২ হিজরি সনে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। [তিনি বলেন:] মুহাম্মাদ বিন সিনান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, [তিনি বলেন:] সালিম—যিনি ইবনু হাইয়ান আল-হুযালি—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, [তিনি বলেন:] সাঈদ বিন মিনা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাবির বিন আবদুল্লাহ (আল্লাহ তাদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে, তিনি বলেন—
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٤٦)
قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَثَلِي وَمَثَلُ الْأَنْبِيَاءِ كَرَجُلٍ بَنَى دَارًا فأَكْمَلَهَا وَأَحْسَنَهَا إِلَّا مَوْضِعَ لَبِنَةٍ فَجَعَلَ النَّاسُ يَدْخُلُونَهَا وَيَتَعَجَّبُونَ وَيَقُولُونَ لَوْلَا مَوْضِعُ اللَّبِنَةِ
أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ عَنِ الْبُخَارِيِّ فَوَقَعَ لَنَا مُوَافَقَةً عَالِيًا
18 - وَبِالْإِسْنَادِ إِلَى الْبُخَارِيِّ نَا الْمَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ نَا يزِيد بن أَبِي عُبَيْدٍ قَالَ
كُنْتُ آتِي مَعَ سَلَمَةَ بْنِ الْأَكْوَعِ فَيُصَلِّي عِنْدَ الْأُسْطُوَانَةِ الَّتِي عِنْدَ الْمُصْحَفِ فَقُلْتُ يَا أَبَا مُسْلِمٍ أَرَاكَ تَتَحَرَّى الصَّلَاةَ عِنْدَ هَذِهِ الْأُسْطُوَانَةِ قَالَ فَإِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَتَحرَّى الصَّلَاة عِنْدهَا
39 - ب أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُثَنَّى عَنِ الْمَكِّيِّ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بِهِ
فَوَقَعَ لَنَا بَدلًا عَالِيًا
19 - وَبِهِ إِلَى الْبُخَارِيِّ ثَنَا الْمَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ أَنا الْجُعَيْدُ هُوَ ابْنُ عَبْدِ
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, "আমার উদাহরণ এবং (পূর্ববর্তী) নবীদের উদাহরণ সেই ব্যক্তির মতো, যে একটি ঘর নির্মাণ করল এবং তাকে পূর্ণাঙ্গ ও সুন্দর করল, কেবল একটি ইটের স্থান ব্যতীত। অতঃপর মানুষ তাতে প্রবেশ করতে লাগল এবং বিস্ময় প্রকাশ করতে লাগল আর বলতে লাগল, যদি এই ইটের স্থানটি পূর্ণ করা হতো!"
তিরমিযী এটি বুখারী থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চ পর্যায়ের মুওয়াফাকাত হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।
18 - এবং বুখারী পর্যন্ত সনদের মাধ্যমে, মাক্কী ইবনে ইব্রাহীম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, ইয়াযীদ ইবনে আবু উবাইদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
আমি সালামাহ ইবনুল আকওয়া-এর সাথে আসতাম, তিনি মুসহাফের নিকটবর্তী খুঁটির পাশে সালাত আদায় করতেন। আমি বললাম, হে আবু মুসলিম! আমি আপনাকে এই খুঁটির কাছে সালাত আদায়ের ব্যাপারে বিশেষ যত্নবান হতে দেখছি। তিনি বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এর কাছে সালাত আদায়ের ব্যাপারে যত্নবান হতে দেখেছি।
39 - খ. মুসলিম এটি মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না থেকে, তিনি মাক্কী ইবনে ইব্রাহীম থেকে উক্ত সনদে বর্ণনা করেছেন।
ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চ পর্যায়ের বাদাল হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।
19 - এবং একই সনদে বুখারী পর্যন্ত, মাক্কী ইবনে ইব্রাহীম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, জুআইদ—যিনি ইবনে আবদ—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٤٧)
الرَّحْمَنِ الْمَدَنِيُّ عَنْ عَائِشَةَ بِنْتِ سعد أَنا أَبَاهَا قَالَ
تَشَكَّيْتُ بِمَكَّةَ شَكْوَى شَدِيدًا فَجَاءَنِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَعُودُنِي فَقُلْتُ يَا نَبِيَّ اللَّهِ إِنِّي أَتْرُكُ مَالًا وَإِنِّي لَمْ أَتْرُكْ إِلَّا ابْنَةً وَاحِدَة فَأُوصِي بِثُلُثَيْ مَالِي وَأَتْرُكُ الثُّلُثَ فَقَالَ لَا قُلْتُ فَأُوصِي بِالنِّصْفِ وَأَتْرُكُ النِّصْفَ قَالَ لَا قُلْتُ فَأُوصِي بِالثُّلُثِ وَأَتْرُكُ لَهَا الثُّلُثَيْنِ قَالَ الثُّلُثُ وَالثُّلُثُ كَثِيرٌ
ثُمَّ وَضَعَ يَدَهُ عَلَى جَبْهَتِهِ ثُمَّ مَسَحَ يَدَهُ عَلَى وَجْهِي وَبَطْنِي ثُمَّ قَالَ اللَّهُمَّ اشْفِ سَعْدًا وَأَتْمِمْ لَهُ هِجْرَتَهُ
فَمَا زِلْتُ أَجِدُ بَرْدَ يَدِهِ عَلَى كَبِدِي فِيمَا يُخَالُ إِلَيَّ حَتَّى السَّاعَةِ
أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ عَنْ هَارُونَ الْحَمَّالِ عَنْ مَكِّيِّ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بِهِ
فَوَقَعَ لَنَا بَدلًا عَالِيًا
আবদুর রহমান আল-মাদানি আয়েশা বিনতে সাদ থেকে বর্ণনা করেন যে, তাঁর পিতা তাঁকে জানিয়েছেন যে তিনি বলেছেন
আমি মক্কায় অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে পড়ি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে আসেন। আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর নবী! আমি প্রচুর সম্পদ রেখে যাচ্ছি এবং আমার একমাত্র কন্যা ব্যতীত আর কোনো উত্তরাধিকারী নেই। এমতাবস্থায় আমি কি আমার সম্পদের দুই-তৃতীয়াংশ ওসিয়ত করব এবং এক-তৃতীয়াংশ রেখে যাব?’ তিনি বললেন, ‘না।’ আমি বললাম, ‘তবে কি অর্ধেক ওসিয়ত করব এবং অর্ধেক রেখে যাব?’ তিনি বললেন, ‘না।’ আমি বললাম, ‘তবে কি এক-তৃতীয়াংশ ওসিয়ত করব এবং তার জন্য দুই-তৃতীয়াংশ রেখে যাব?’ তিনি বললেন, ‘এক-তৃতীয়াংশ, আর এক-তৃতীয়াংশও অনেক’
তারপর তিনি তাঁর হাত তাঁর (সাদের) কপালের ওপর রাখলেন, এরপর তাঁর হাত আমার মুখমণ্ডল ও পেটের ওপর বুলিয়ে দিলেন এবং বললেন, ‘হে আল্লাহ! আপনি সাদকে আরোগ্য দান করুন এবং তার হিজরত পূর্ণ করে দিন’
আমার কাছে যেমনটি প্রতিভাত হয়, আমি এখনো পর্যন্ত আমার কলিজায় তাঁর হাতের শীতলতা অনুভব করছি
ইমাম আবু দাউদ এটি হারুন আল-হাম্মাল থেকে এবং তিনি মাক্কী ইবনে ইব্রাহিম থেকে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন
ফলে এটি আমাদের জন্য একটি উচ্চতর বিকল্প সনদ (বদল আলিন) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٤٨)
وَالْجُعَيْدُ تَابِعِيٌّ سَمِعَ مِنَ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ
20 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ الْمُبَارَكِ بْنِ مُحَمَّد ابْن الزَّبَيدِيِّ فِي ذِي الْقَعْدَةِ سَنَةِ 630 أَنا الْإِمَامُ أَبُو الفَضْلِ جَعْفَرُ بْنُ زَيْدِ بْنِ جَامِعِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ الرَّزَّاقِ الْحَمَوِيُّ عُرِفَ بِأَبِي زَيْدٍ فِي سَنَةِ 553 أَنا أَبُو سَعْدٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ بْنِ أَحْمَدَ هُوَ ابْنُ الطُّيُورِيِّ أَنا أَبُو طَالِبِ ابْن غَيْلَانَ أَنا أَبُو بَكْرٍ الشَّافِعِيُّ نَا مُضَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ نَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ نَا زُهَيْرٌ عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما قَالَ
এবং জুয়াইদ একজন তাবেয়ি, তিনি সায়িব ইবন ইয়াযিদ থেকে শুনেছেন।
২০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আল-মুবারক বিন মুহাম্মদ ইবনুল জাবাইদি ৬৩০ হিজরির জিলকদ মাসে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবুল ফজল জাফর বিন যাইদ বিন জামি বিন আল-হুসাইন বিন আবদুর রাজ্জাক আল-হামাউয়ি—যিনি আবু যাইদ নামে পরিচিত—৫৫৩ হিজরি সালে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ আহমদ বিন আবদুল জাব্বার বিন আহমদ—তিনি হলেন ইবনুত তুয়ুরি—তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব ইবনু গাইলান, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আশ-শাফিঈ, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুজার বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবদুর রহমান, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন যুহাইর, তিনি মুসা বিন উকবা থেকে, তিনি নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর (আল্লাহ তাঁদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٤٩)
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَا تُسَافِرُوا بِالْقُرْآنِ إِلَى أَرْضِ الْعَدُوِّ مَخَافَةَ أَنْ يَنَالهُ الْعَدو
21 - وَأخْبرنَا الْحُسَيْن ابْن الزُّبَيْدِيِّ أَنا الْإِمَامُ أَبُو الْفُتُوحِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ الطَّائِيُّ الْهَمْدَانِيُّ فِي شَوَّالٍ سَنَةَ 551 أَنا الْقَاضِي أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ الْفَرَائِضِيُّ أَنا أَبُو سَعِيدٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى بْنِ الْفَضْلِ بْنِ شَاذَانَ الصَّيْرَفِيُّ أَنا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الصَّفَّارُ ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى الْبِرْتِيُّ ثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ ثَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِي سُفْيَانَ عَنْ جَابِرٍ رضي الله عنه قَالَ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "শত্রুরা তা পেয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তোমরা কুরআন নিয়ে শত্রু ভূখণ্ডে সফর করো না।"
২১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হুসাইন ইবনুয যুবাইদী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইমাম আবুল ফুতুহ মুহাম্মদ ইবনু মুহাম্মদ ইবনু আলী ইবনু মুহাম্মদ আত-তাঈ আল-হামদানী ৫৫১ হিজরির শাওয়াল মাসে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাযী আবুল কাসিম ইসমাঈল ইবনুল হাসান ইবনু আলী আল-ফারাইযী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাঈদ মুহাম্মদ ইবনু মুসা ইবনুল ফাযল ইবনু শাযান আস-সাইরাফী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনু আব্দুল্লাহ আস-সাফফার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনু মুহাম্মদ ইবনু ঈসা আল-বিরতী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু নুয়াইম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান আস-সাওরী, তিনি আল-আমাশ থেকে, তিনি আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি জাবির (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٥٠)
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم النَّاسُ تَبَعٌ لِقُرَيْشٍ فِي الْخَيْرِ وَالشَّرِّ
حَدِيثٌ صَحِيحٌ مُخَرَّجٌ فِي الصَّحِيحَيْنِ
وُلِدَ الْحُسَيْنُ ابْن الزَّبِيدِيِّ فِي سَنَةِ 545 بِبَغْدَادَ وَتُوُفِّيَ بِهَا يَوْمَ الِاثْنَيْنِ خَامِسَ صَفَرٍ سَنَةَ 631 وَدُفِنَ مِنَ الْغَدِ
شَيْخٌ آخَرُ 5
سَالِمُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ هبة الله بن مَحْفُوظ ابْن صصرى الدِّمَشْقِي22 - 40 أأَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الْأَمِينُ جَمَالُ الْأُمَنَاءِ أَبُو الْغَنَائِمِ سَالِمُ بْنُ الْحَافِظِ أبي الْمَوَاهِب الْحَسَنِ بْنِ هِبَةِ اللَّهِ بْنِ مَحْفُوظِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ صَصْرَى الرَّبَعِيُّ التَّغْلِبِيُّ الدِّمَشْقِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الْآخِرِ سَنَةَ 631 أَنا أَبُو الْفَتْح عبيد االله بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ نَجَا بْنِ شَاتِيلَ بِقِرَاءَةِ وَالِدي عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِبَغْدَادَ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ سَنَةَ 578 أَنا الْحَاجِبُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّد بن عَليّ ابْن العلاف المقرىء أَنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ بْنِ حَفْصٍ المقرىء الحمامي أَنا عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عِمْرَانَ بْنِ الْحَجَّاجِ بْنِ
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মানুষ কল্যাণ ও অকল্যাণ উভয় ক্ষেত্রে কুরাইশদের অনুসারী।
এটি একটি সহীহ হাদীস যা সহীহাইন (বুখারী ও মুসলিম)-এ বর্ণিত হয়েছে।
আল-হুসাইন ইবনে আয-যাবায়েদী ৫৪৫ হিজরীতে বাগদাদে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই ৬৩১ হিজরীর ৫ সফর সোমবার ইন্তেকাল করেন এবং পরের দিন তাকে দাফন করা হয়।
অন্য একজন শাইখ ৫
সালিম ইবনুল হাসান ইবনে হিবাতুল্লাহ ইবনে মাহফুজ ইবনে সাসরা আদ-দিমাশকী২২ - ৪০ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশ্বস্ত শাইখ, আমানতদারদের সৌন্দর্য, আবুল গানায়িম সালিম ইবনুল হাফিজ আবিল মাওয়াহিব আল-হাসান ইবনে হিবাতুল্লাহ ইবনে মাহফুজ ইবনুল হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে আহমাদ ইবনুল হুসাইন ইবনে সাসরা আর-রাবাঈ আত-তাগলিবি আদ-দিমাশকী। এটি ৬৩১ হিজরীর রবিউস সানি মাসে তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাজা ইবনে শাতিল। ৫৭৮ হিজরীর রমজান মাসে বাগদাদে আমার পিতার পাঠের মাধ্যমে এবং আমার শ্রবণে তিনি এটি বর্ণনা করেছেন। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাজিব আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনুল আল্লাফ আল-মুকরি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী ইবনে আহমাদ ইবনে উমর ইবনে হাফস আল-মুকরি আল-হাম্মামি। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনুল হাসান ইবনে আলী ইবনে ইমরান ইবনুল হাজ্জাজ ইবনে...
(খণ্ড: ১)
মাশইয়খাতু আবী বকর বিন আব্দুল দায়িম
(পৃষ্ঠা: ٥١)
كَيْسَانَ قِرَاءَةً عَلَيْهِ نَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سِرَاجٍ نَا عَبَّادُ بْنُ ثَابِتٍ نَا أَبُو مَرْيَمَ عَبْدُ الْغَفَّارِ بْنُ الْقَاسِمِ عَنْ عَطِيَّةَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ رضي الله عنه قَالَ
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ اللَّهُ تبارك وتعالى عَبْدِي تَرَكَ شَهْوَتَهُ مِنَ الطَّعَامِ مِنْ أَجْلِي فَالصَّوْمُ لِي وَأَنَا أَجْزِي بِهِ
ثُمَّ قَالَ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَخَلُوفٌ مِنْ فَمِ الصَّائِمِ أَطْيَبُ عِنْدَ اللَّهِ مِنْ رِيحِ الْمِسْك
23 - وَبِهَذَا الْإِسْنَادِ قَالَ
কায়সানের নিকট পাঠ করা হয়েছে; তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আবদুর রহমান বিন সিরাজ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্বাদ বিন সাবিত, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মারইয়াম আবদুল গাফফার বিন আল-কাসিম, আতিয়্যাহ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন—
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালা বলেন: "আমার বান্দা কেবল আমারই জন্য খাবারের প্রবৃত্তি বর্জন করেছে; সুতরাং রোজা আমারই জন্য এবং আমি নিজেই এর প্রতিদান দেব।"
অতঃপর তিনি বললেন, "সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ রয়েছে, অবশ্যই রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট কস্তুরীর সুগন্ধির চেয়েও অধিক প্রিয়।"
২৩ - এবং এই একই সনদে তিনি বলেছেন—