(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: -)
فضائل بيت المقدس - الضياء المقدسي   (ضياء الدين المقدسي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: فضائل بيت المقدس

المؤلف: ضياء الدين أبو عبد الله محمد بن عبد الواحد المقدسي (ت 643هـ)

المحقق: محمد مطيع الحافظ

الناشر: دار الفكر - سورية

الطبعة: الأولى، 1405

عدد الصفحات: 97

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

বায়তুল মাকদিসের ফযীলত - যিয়া আল-মাকদিসি   (যিয়াউদ্দীন আল-মাকদিসি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


বই: বায়তুল মাকদিসের ফযীলত

লেখক: যিয়াউদ্দীন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি (মৃত্যু ৬৪৩ হিজরি)

তাহকীক: মুহাম্মদ মুতি আল-হাফিজ

প্রকাশক: দারুল ফিকর - সিরিয়া

সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৫

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯৭

[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর ছাপানো কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٣٩)
‌‌مَا ذُكِرَ فِي فَضْلِ بَيْتِ الْمَقْدِسِ

-‌‌ بَابُ قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم لَا تُشَدُّ الرِّحَالُ إِلَّا إِلَى ثَلَاثَةِ مَسَاجِدَ

-

رِوَايَةُ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رضي الله عنه

1 - أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ ضِيَاءُ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ أَبِي عَلِيٍّ النَّصْرِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ قُلْتُ لَهُ أَخْبَرَكُمُ الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي الْأَنْصَارِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ أَنْبَأَ عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بن عِيسَى المقريء أَنْبَأَ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ ثَنَا الْفَضْلُ بْنُ الْحُبَابِ الْجُمَحِيُّ بِالْبَصْرَةِ ثَنَا ابْنُ كَثِيرٍ وَأَبُو الْوَلِيدِ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ عَنْ قَزَعَةَ مَوْلَى زِيَادٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ ثَلَاثٌ قَالَهُنَّ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم أَوْ سَمِعْتُهُنَّ مِنْهُ آنَقْنَنِي وَأَعْجَبْنَنِي لَا تُسَافِرِ امْرَأَةٌ مَسِيرَةَ يَوْمَيْنِ وَلَا لَيْلَتَيْنِ إِلَّا وَمَعَهَا ذُو مَحْرَمٍ أَوْ زَوْجُهَا وَلَا صَوْمَ يَوْمَيْنِ يَوْمِ النَّحْرِ وَيوْمِ الفط وَلَا صَلَاةَ بَعْدَ الصُّبْحِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ وَبَعْدَ الْعَصْرِ
বায়তুল মাকদিসের মর্যাদা সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে

-‌‌ পরিচ্ছেদ: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য কোনো মসজিদের উদ্দেশ্যে সওয়ারি বাঁধা যাবে না

-

আবু সাঈদ আল-খুদরী রাযিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা

১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী জিয়া ইবনে আবিল কাসিম ইবনে আবু আলী আন-নাসরী, বাগদাদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। আমি তাঁকে বললাম, আপনাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন কাজী আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকী আল-আনসারী, তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আপনি তা শুনছিলেন। সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে ইব্রাহিম ইবনে ঈসা আল-মুকরি, সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-ফজল ইবনুল হুবাব আল-জুমাহী বসরায়, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবনে কাসীর ও আবু ওয়ালীদ, শু'বা থেকে, তিনি আব্দুল মালিক ইবনে উমায়ের থেকে, তিনি জিয়াদের মুক্তদাস কাযা'আ থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, তিনটি কথা যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন অথবা আমি তাঁর নিকট থেকে শুনেছি যা আমাকে মুগ্ধ ও আনন্দিত করেছে: কোনো নারী যেন দুই দিন ও দুই রাতের পথ সফর না করে তার সাথে কোনো মাহরাম অথবা তার স্বামী থাকা ব্যতীত; এবং দুই দিন রোজা রাখা যাবে না: নহরের দিন (কুরবানির ঈদ) এবং ফিতরের দিন (ঈদুল ফিতর); এবং ফজরের সালাতের পর থেকে সূর্য উদয় হওয়া পর্যন্ত কোনো সালাত নেই এবং আসরের পর (কোনো সালাত নেই)।
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٤٠)
حَتَّى تغرب الشَّمْس ولَا تُشَدُّ الرِّحَالُ إِلَّا إِلَى ثَلَاثَةِ مَسَاجِدَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَالْمَسْجِدِ الْأَقْصَى وَمَسْجِدِي هَذَا

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ أَبِي الْوَلِيدِ هِشَامِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُثَنَّى عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ كِلَاهُمَا عَنْ شُعْبَةَ بِنَحْوِهِ

 

‌‌رِوَايَةُ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه

2 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ الْمُبَارَكُ بْنُ أَبِي الْمَعَالِي يُعْرَفُ بِابْنِ الْمَعْطُوشِ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ قُلْتُ لَهُ أَخْبَرَكُمْ هِبَةُ اللَّه بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ قَالَ أَنْبَأَ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ أَنْبَأَ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ حَدَّثَنِي أَبِي ثَنَا سُفْيَانُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: تُشَدُّ الرِّحَالُ إِلَى ثَلَاثَةِ مَسَاجِد الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَمَسْجِدِي وَالْمَسْجِدِ الْأَقْصَى قَالَ سُفْيَانُ وَلَا تُشَدُّ الرِّحَالُ إِلَّا إِلَى ثَلَاثَةِ مَسَاجِدَ سَوَاءٌ

// صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْمَدْيَنِيِّ وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ عَنْ عَمْرٍو النَّاقِدِ كِلَاهُمَا عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ
যতক্ষণ না সূর্য অস্ত যায় এবং তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য কোথাও সফরের প্রস্তুতি নেওয়া যাবে না: মসজিদুল হারাম, মসজিদুল আকসা এবং আমার এই মসজিদ।

এটি একটি সহিহ হাদিস। ইমাম বুখারি এটি আবুল ওয়ালিদ হিশাম ইবনে আব্দুল মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম মুসলিম এটি মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে জাফর থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ই শু’বাহ থেকে এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

 

‌আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনা

২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহের আল-মুবারক ইবনে আবুল মা’আলি, যিনি ইবনুল মা’তুশ নামে পরিচিত। আমি বাগদাদে তাঁর নিকট পাঠ করে এটি শুনেছি। আমি তাঁকে বললাম, হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ কি আপনাদের নিকট পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন? তিনি বললেন, হাসান ইবনে আলী আমাদের জানিয়েছেন, আহমদ ইবনে জাফর আমাদের জানিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যুহরি থেকে, তিনি সাঈদ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য কোথাও সফরের প্রস্তুতি নেওয়া যাবে না: মসজিদুল হারাম, আমার এই মসজিদ এবং মসজিদুল আকসা। সুফিয়ান বলেন: এবং তিনটি মসজিদ ছাড়া অন্য কোথাও সফরের উদ্দেশ্যে সওয়ারি প্রস্তুত করা যাবে না—উভয় বাক্যের অর্থ একই।

// এটি সহিহ। ইমাম বুখারি এটি আলী ইবনুল মাদিনি থেকে বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম মুসলিম এটি আমর আন-নাকিদ থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ই সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٤١)
رِوَايَةُ بَصْرَةَ رضي الله عنه

3 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ الْمُؤَيَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الطُّوسِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِنَيْسَابُورَ قُلْتُ لَهُ أَخْبَرَكُمْ أَبُو مُحَمَّدٍ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ سَهْلِ بْنِ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْمَعْرُوفُ بِالسَّيِّدِيِّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ أَنْبَا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْبَحِيرِيُّ أَنْبَا أَبُو عَلِيٍّ زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ السَّرْخَسِيُّ أَنْبَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ الهَاشِمِيُّ بِبَغْدَادَ ثَنَا أَبُو مُصْعَبٍ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الزُّهْرِيُّ ثَنَا مَالِكٌ عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْهَادِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ التَّيْمِيّ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ قَالَ

خَرَجْتُ إِلَى الطُّورِ فَذَكَرَهُ ثُمَّ قَالَ فَلَقِيتُ بَصْرَةَ بْنَ أَبِي بَصْرَةَ الْغِفَارِيَّ فَقَالَ مِنْ أَيْنَ أَقْبَلْتَ فَقُلْتُ مِنَ الطُّورِ فَقَالَ لَوْ أدْرَكْتُكَ قَبْلَ أَنْ تَخْرُجَ مَا خَرَجْتَ إِلَيْهِ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ

لَا تُعْمَلُ الْمَطِيُّ إِلَّا إِلَى ثَلَاثَةِ مَسَاجِدَ إِلَى الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ أَوْ مَسْجِدِي هَذَا أَوْ إِلَى مَسْجِدِ إِيلِيَا أَوْ بَيْتِ الْمَقْدِسِ يَشُكُّ أَيُّهُمَا قَالَ

أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ السِّجِسْتَانِيُّ فِي سُنَنِهِ عَنِ الْقَعْنَبِيِّ عَبْدِ الله بن مُسلم بْنِ قَعْنَبٍ وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيُ فِي جَامِعِهِ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ مُوسَى عَنْ مَعْنِ بْنِ عِيسَى جَمِيعًا عَنْ مَالِكٍ وَرَوَاهُ النَّسَائِي فِي سُنَنِهِ عَنْ قُتَيْبَةَ بْنِ سَعِيدٍ عَنْ بَكْرِ بْنِ مُضَرَ كِلَاهُمَا عَن يزِيد بن عبد الله بْنِ الْهَادِ بِإِسْنَادِهِ نَحْوَهُ

وَقَدْ رَوَاهُ سَعِيدُ بْنُ أَبِي سَعِيدٍ المَقْبُري أَن أَبَا بَصْرَةَ جَمِيلَ بْنَ بَصْرَةَ لَقِيَ أَبَا هُرَيْرَةَ
বসরা (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর বর্ণনা

৩ - আবুল হাসান আল-মুআইয়াদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আত-তুসী নিসাবুরে আমার নিকট তাঁর পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমি তাঁকে বলেছি: আবু মুহাম্মদ হিবাতুল্লাহ ইবনে সাহল ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হুসাইন আল-সায়্যিদী কি আপনাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যখন আপনি শ্রবণ করছিলেন এবং তাঁর নিকট পাঠ করা হচ্ছিল? (তিনি বলেন:) আবু উসমান সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-বাহীরি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আলী যাহির ইবনে আহমদ আস-সারখাসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বাগদাদে আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে আব্দুস সামাদ আল-হাশিমী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুসআব আহমদ ইবনে আবু বকর আয-যুহরী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মালিক আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইয়াজিদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হাদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আল-হারিস আত-তাইমি থেকে, তিনি সালামাহ ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেন:

আমি তূর পর্বতের উদ্দেশ্যে বের হলাম, অতঃপর তিনি (হাদীসটি) উল্লেখ করলেন, তারপর বললেন: এরপর আমি বসরা ইবনে আবি বসরা আল-গিফারীর সাথে সাক্ষাৎ করলাম। তিনি বললেন: আপনি কোথা থেকে এসেছেন? আমি বললাম: তূর থেকে। তিনি বললেন: আপনি বের হওয়ার আগে যদি আমি আপনার নাগাল পেতাম, তবে আপনি সেখানে যেতেন না। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি:

তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য কোনোটির উদ্দেশ্যে (সফরের জন্য) সওয়ারি প্রস্তুত করা যাবে না; মসজিদুল হারাম, অথবা আমার এই মসজিদ, অথবা ইলিয়া মসজিদ বা বায়তুল মাকদিস। বর্ণনাকারী সন্দেহ করেছেন তিনি (রাসূলুল্লাহ ﷺ) এ দুটির কোনটি বলেছিলেন।

আবু দাউদ আস-সিজিস্তানী এটি তাঁর সুনান গ্রন্থে আল-কা'নবী আব্দুল্লাহ ইবনে মুসলিম ইবনে কা'নাব-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ইমাম তিরমিযী এটি তাঁর জামি গ্রন্থে ইসহাক ইবনে মুসা থেকে, তিনি মা'ন ইবনে ঈসা থেকে—উভয়ে মালিকের সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন। ইমাম নাসাঈ এটি তাঁর সুনান গ্রন্থে কুতাইবা ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি বকর ইবনে মুদার থেকে—উভয়ে ইয়াজিদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হাদের সূত্রে তাঁর সনদসহ অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

সাঈদ ইবনে আবু সাঈদ আল-মাকবুরিও বর্ণনা করেছেন যে, আবু বসরা জামিল ইবনে বসরা আবু হুরায়রার সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন।
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٤٢)
وَرَوَاهُ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ وَمَرْثَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْيَزَنِيُّ عَنْ أَبِي بَصْرَةَ الْغِفَارِيِّ وَقِيلَ هُوَ هُوَ وَاللَّهُ أَعْلَمُ

رِوَايَةُ عَلِيٍّ عليه السلام

4 - قريء عَلَى أَبِي الْفُتُوحِ أَسْعَدَ بْنِ مَحْمُودِ بْنِ خَلَفٍ الْعِجْلِيِّ الْمُفْتِي وَنَحْنُ نَسْمَعُ بِأَصْبَهَانَ أَخْبَرَتْكُمْ فَاطِمَةُ بنت عبد الله الْجَوْزَدَانِيَّةُ قِرَاءَةً عَلَيْهَا وَأَنْتُمْ تَسْمَعُونَ فَأَقَرَّ بِهِ أَنْبَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّد بن عبد الله بْنِ رَيْذَةَ أَنْبَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الطَّبَرَانِيُّ ثَنَا مَسْلَمَةُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ يَحْيَى بْنِ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ الْحَضْرَمِيُّ الْكُوفِيُّ قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ عَنْ حُجَيَّةَ بْنِ عَدِيٍّ عَنْ عَلِيٍّ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ

لَا تُشَدُّ الرِّحَالُ إِلَّا إِلَى ثَلَاثَةِ مَسَاجِدَ مَسْجِدِي هَذَا وَالْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَالْمَسْجِدِ الْأَقْصَى

لَا أَعْرِفُهُ إِلَّا مِنْ هَذَا الطَّرِيقِ وَاللَّهُ أَعْلَمُ

رِوَايَةُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما

5 - قريء عَلَى أَبِي مُحَمَّدٍ عَبْدِ الرَّزاقِ بْنِ نَصْرِ بْنِ مُسْلِمٍ النَّجَّارِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ سَنَةَ تِسْعٍ وَسَبْعِينَ وَخَمْسِ مِئَةٍ بِدِمَشْقَ أَخْبَرَكُمْ أَبُو عبد الله مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ أَبِي الْعَلَاءِ أَنْبَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ مَكِّيِّ بْنِ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْأَزْدِيُّ الْمِصْرِيُّ بِدِمَشْقَ أَنْبَا أَبُو عَلِيٍّ أَحْمَدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ خُرَّشِيدَ قَوْلَهُ أَنْبَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ الْمَرْوَزِيُّ الْمَعْرُوفُ
এটি উমর ইবনে আবদুর রহমান ইবনুল হারিস ইবনে হিশাম এবং মারসাদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-ইয়াজানি আবু বাসরা আল-গিফারি থেকে বর্ণনা করেছেন। বলা হয়েছে যে, তিনি তিনিই (একই ব্যক্তি), আর আল্লাহই ভালো জানেন।

আলী আলাইহিস সালামের বর্ণনা

৪ - আবু আল-ফুতুহ আসআদ ইবনে মাহমুদ ইবনে খালাফ আল-ইজলি আল-মুফতির সামনে এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা ইসফাহানে তা শ্রবণ করছিলাম। তিনি বলেন: ফাতিমা বিনতে আবদুল্লাহ আল-জাওজাদানিয়া তোমাদেরকে খবর দিয়েছেন যা তার সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং তোমরা শ্রবণ করেছ, অতঃপর তিনি তা স্বীকার করেছেন। আমাদের খবর দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে রাইজাহ, আমাদের খবর দিয়েছেন আবুল কাসিম সুলাইমান ইবনে আহমদ আত-তাবারানি, আমাদের বর্ণনা করেছেন মাসলামাহ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে ইসমাইল ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সালামাহ ইবনে কুহাইল আল-হাদরামি আল-কুফি। তিনি বলেন: আমার পিতা তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে, তিনি সালামাহ ইবনে কুহাইল থেকে, তিনি হুজায়্যাহ ইবনে আদি থেকে, তিনি আলী থেকে এবং আলী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন:

তিনটি মসজিদ ব্যতীত সফরের প্রস্তুতি নেওয়া যাবে না: আমার এই মসজিদ, মসজিদুল হারাম এবং মসজিদুল আকসা।

আমি এই পথ ব্যতীত এটি জানি না, আর আল্লাহই ভালো জানেন।

আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা-এর বর্ণনা

৫ - আবু মুহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক ইবনে নাসর ইবনে মুসলিম আন-নাজ্জারের সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমরা ৫৭৯ হিজরি সনে দামেস্কে শ্রবণ করছিলাম। আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আবিল আলা তোমাদেরকে খবর দিয়েছেন। আমাদের খবর দিয়েছেন আবুল হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে মাক্কি ইবনে উসমান ইবনে আবদুল্লাহ আল-আযদি আল-মিসরি দামেস্কে। আমাদের খবর দিয়েছেন আবু আলী আহমদ ইবনে উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে খুরশিদ তার বক্তব্য অনুযায়ী। আমাদের খবর দিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আল-মারওয়াজি যিনি পরিচিত...
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٤٣)
بَالْحَامِضِ ثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ عُبَيْدِ النَّهر تيري ثَنَا عَلِيُّ بْنُ يُونُسَ الْبَلْخِيُّ ثَنَا هِشَامُ بْنُ الْغَازِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ

لَا تُشَدُّ الْمَطِيُّ إِلَّا إِلَى ثَلَاثَةِ مَسَاجِدَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَمَسْجِدِي هَذَا وَمَسْجِدِ الْأَقْصَى

رِوَايَةُ أَبُو جَعْدٍ الضَمْرِيُّ وَسَمَّاهُ بَعْضُهُمْ أَدْرَعَ بْنَ جُنَادَةَ بْنِ الْمِزْدَادِ بْنِ عَبْدِ كَعْبِ بْنِ ضَمْرَةَ بْنِ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ مَنَاةَ بْنِ كِنَانَةَ بْنِ خُزَيْمَةَ بْنِ مُدْرِكَةَ بْنِ إِلْيَاسَ بْنِ مُضَرَ بْنِ نِزَارٍ رضي الله عنه

6 - أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرٍ الصَّيْدَلَانِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ قُلْتُ لَهُ أَخْبَرَكُمْ مَحْمُودُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الصَّيْرَفِيُّ وَأَنْتَ حَاضِرٌ أَنْبَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ فَاذْشَاهَ أَنْبَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الطَّبَرَانِيُّ ثَنَا الْحَضْرَمِيُّ وَمُوسَى بْنُ هَارُونَ قَالَا ثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَمْرٍو الْأَشْعَثِيُّ ثَنَا عَشْرُ بْنُ الْقَاسِمِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ عُبَيْدَةَ بْنِ سِفْيَانَ عَنْ أَبِي الْجَعْدِ الضَّمْرِيُّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم

لَا تُشَدُّ الرِّحَالُ إِلَّا إِلَى الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَمَسْجِدِي وَمَسْجِدِ الْأَقْصَى

رِوَايَةُ وَاثِلَةَ بْنِ الْأَسْقَعِ رضي الله عنه

7 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضَائِلَ الْفَضْلُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ الْفَضْلِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الصَّيْدَلَانِيُّ فِي كِتَابِهِ أَنَّ الْحَسَنَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ الْحسن المقريء أَخْبَرَهُمْ قِرَاءَةً عَلَيْهِ أَنْبَا أَبُو نَعِيمٍ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَكَرِيَّا الْأَطْرُوشُ مِنْ
আল-হামিজ হতে বর্ণিত, ইয়াকুব ইবনে উবাইদ আন-নাহর তেরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আলী ইবনে ইউনুস আল-বালখি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনুল গাজ নাফি হতে, তিনি ইবনে উমর হতে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেছেন:

তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য কোনো স্থানের উদ্দেশ্যে সাওয়ারি প্রস্তুত করা যাবে না: মাসজিদুল হারাম, আমার এই মসজিদ এবং মাসজিদুল আকসা।

আবু জা'দ আদ-দুমারি এর বর্ণনা; তাদের মধ্যে কেউ কেউ তাকে আদরা ইবনে জুনাদা ইবনুল মিজদাদ ইবনে আবদ কা'ব ইবনে দামরা ইবনে বকর ইবনে আবদ মানাত ইবনে কিনানা ইবনে খুজাইমা ইবনে মুদরিকা ইবনে ইলিয়াস ইবনে মুদার ইবনে নিজার (রাদিয়াল্লাহু আনহু) নামে অভিহিত করেছেন।

৬ - আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে নাসর আস-সাইদালানি ইসফাহানে আমার পাঠকালে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমি তাকে বললাম: মাহমুদ ইবনে ইসমাইল আস-সাইরাফি কি আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন যখন আপনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন? তিনি বলেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হুসাইন ইবনে ফাদশাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন সুলায়মান ইবনে আহমদ আত-তাবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-হাদরামি ও মুসা ইবনে হারুন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তারা বলেন সাঈদ ইবনে আমর আল-আশআসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আশর ইবনুল কাসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আমর হতে, তিনি উবাইদাহ ইবনে সুফিয়ান হতে, তিনি আবু জা'দ আদ-দুমারি হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

মাসজিদুল হারাম, আমার মসজিদ এবং মাসজিদুল আকসা ব্যতীত অন্য কোনো স্থানের উদ্দেশ্যে সফর করা যাবে না।

ওয়াসিলা ইবনুল আসকা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এর বর্ণনা।

৭ - আবুল ফাদায়েল আল-ফাদল ইবনুল কাসিম ইবনুল ফাদল ইবনে আবদিল ওয়াহিদ আস-সাইদালানি তার কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনুল হাসান আল-মুকরি তাকে পাঠ করে শোনানোর মাধ্যমে তাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু নুআইম আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম আবদুর রহমান ইবনুল আব্বাস ইবনে আবদুর রহমান ইবনে জাকারিয়া আল-আত রুশ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন... হতে
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٤٤)
لَفْظِهِ ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَزَّازُ هُوَ أَبُو جَعْفَرٍ ثَنَا الْعَلَاءُ بْنُ عَمْرٍو الْحَنَفِيُّ ثَنَا أَيُّوبُ بْنُ مُدْرَكٍ عَنْ مَكْحُولٍ عَنْ وَاثِلَةَ بْنِ الْأَسْقَعِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَا تُشَدُّ الرِّحَالُ إِلَّا إِلَى ثَلَاثَةِ مَسَاجِدَ مَسْجِدِ الْحَرَامِ وَمَسْجِدِي وَمَسْجِدِ بَيْتِ الْمَقْدِسِ

لَا أَعْلَمُ أَنِّي كَتَبْتُهُ مِنْ حَدِيثِ وَاثِلَةَ إِلَّا مِنْ هَذَا الْوَجْهِ مِنْ رِوَايَةِ أَيُّوبَ بْنِ مدرك وَهُوَ من الْمُتَكَلِّمين فِيهَا وَاللَّهُ أَعْلَمُ

 

-‌‌ بَابٌ فِي قَوْلِهِ تَعَالَى {بَابٌ بَاطِنُهُ فِيهِ الرَّحْمَةُ وَظَاهره من قبله الْعَذَاب}

-

8 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَجْدِ الْفَضْلُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ الْبانْيَاسِيُّ الْمُعَدَّلُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ سَنَةَ سَبْعٍ وَسَبْعِينَ وَخَمْسِ مِئَةٍ بِدِمَشْقَ قِيلَ لَهُ أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْفضل مُحَمَّد وَأَبُو الْحَسَنِ عَلِيٌّ ابْنَا الْحَسَنِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْمَوَازِينِيُّ أَنْبَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى بْنِ سُلْوَانَ الْمَازِنِيُّ ثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْفَضْلُ بْنُ جَعْفَرٍ التَّمِيمِيُّ الْمُؤَذِّنُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ قَالَ أَنْبَا أَبُو بَكْرٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ الْفَرَجِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْهَاشِمِيُّ ثَنَا أَبُو مُسْهِرٍ عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ مُسْهِرٍ ثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَنْ زِيادِ بْنِ أَبِي سَوْدَةَ قَالَ

رُئِيَ عُبَادَةُ بْنُ الصَّامِتِ وَهُوَ عَلَى سُورِ بَيْتِ الْمَقْدِسِ الشَّرْقِيِّ وَهُوَ يَبْكِي قَالَ فَقِيلَ مَا يبكيك يَا أَبُو الْوَلِيدِ قَالَ مِنْ هَهُنَا أَخْبَرَنَا رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ رَأَى جَهَنَّمَ

9 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو طَالِبٍ الْخِضْرُ بْنُ هِبَةِ الله بن أَحْمد بن عبد الله بْنِ طَاوُسٍ قِرَاءَةً
তাঁর শব্দে; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আহমদ বিন আলী আল-খাজ্জাজ, যিনি আবু জাফর; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আল-আলা বিন আমর আল-হানাফী; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আইয়ুব বিন মুদরিক, মাকহুল থেকে, তিনি ওয়াসিলা বিন আল-আসকা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য কোথাও (ইবাদতের উদ্দেশ্যে) সফর করা যাবে না: মসজিদুল হারাম, আমার এই মসজিদ এবং বায়তুল মুকাদ্দাস মসজিদ।"

আইয়ুব বিন মুদরিকের এই বর্ণনা সূত্র ব্যতিরেকে ওয়াসিলার হাদিস থেকে এটি আমি লিখেছি বলে আমার জানা নেই, আর তিনি (আইয়ুব) এমন বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত যাদের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে সমালোচনা রয়েছে। আর আল্লাহই ভালো জানেন।

 

-‌‌ মহান আল্লাহর বাণী: {একটি প্রাচীর বা দরজা, যার অভ্যন্তরভাগে রহমত রয়েছে এবং যার বহির্ভাগ আযাবের দিক} সম্পর্কিত অধ্যায়

-

৮ - আবুল মাজদ আল-ফজল বিন আল-হুসাইন বিন ইব্রাহিম বিন সুলাইমান বিন আল-বানিয়াসি আল-মুআদ্দাল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর সামনে পড়ার মাধ্যমে এবং আমি তা শুনছিলাম দামেস্কে পাঁচশ সাতাত্তর হিজরি সনের রমজান মাসে। তাঁকে বলা হয়েছিল: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল মুহাম্মদ এবং আবুল হাসান আলী—আল-হাসান বিন আল-হুসাইন আল-মাওয়াজিনির দুই পুত্র—আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আলী বিন ইয়াহইয়া বিন সিলওয়ান আল-মাজিনী; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবুল কাসেম আল-ফজল বিন জাফর আত-তামিমি আল-মুয়াজ্জিন তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আবদুর রহমান বিন আল-কাসিম বিন আল-ফারাজ বিন আবদুল ওয়াহিদ আল-হাশিমী; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আবু মুসহির আবদুল আ'লা বিন মুসহির; আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন সাঈদ বিন আবদুল আজিজ জিয়াদ বিন আবি সাওদাহ থেকে, তিনি বলেন:

উবাদা বিন আস-সামিতকে বায়তুল মুকাদ্দাসের পূর্ব দিকের প্রাচীরের ওপর দেখা গেল এবং তিনি কাঁদছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো: হে আবু ওয়ালীদ, আপনি কেন কাঁদছেন? তিনি বললেন: এখান থেকেই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের সংবাদ দিয়েছিলেন যে, তিনি জাহান্নাম দেখেছিলেন।

৯ - এবং আবু তালিব আল-খিজর বিন হিবাতুল্লাহ বিন আহমদ বিন আবদুল্লাহ বিন তাউস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন পাঠের মাধ্যমে
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٤٥)
عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ فِي شَوَّالٍ سَنَةَ سَبْعٍ وَسَبْعِينَ وَخَمْسِ مِئَةٍ بِدِمَشْقَ قِيلَ لَهُ أَخْبَرَكُمُ الشَّرِيفُ النَّسِيبُ أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْحُسَيْنِيُّ أنبا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ يَحْيَى أنبا الْفَضْلُ بْنُ جَعْفَرٍ ثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْعَبَّاسِ بْنِ الْوَلِيدِ الْقُرَشِيُّ إِمْلَاءً ثَنَا مُوسَى بْنُ سَهْلٍ ثَنَا يَزِيدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ مِرْشَلِ ثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ ثَابِتِ بْنِ ثَوْبَانَ قَالَ حَدَّثَنِي زِيَادُ بْنُ أَبِي سَوْدَةَ أَنَّهُ سَمِعَ أَخَاهُ عُثْمَانَ بْنَ أَبِي سَوْدَةَ قَالَ

رَأَيْتُ عُبَادَةَ بْنَ الصَّامِتِ وَهُوَ وَاضِعٌ صَدْرَهُ عَلَى جِدَارِ الْمَسْجِدِ مُشْرِفٌ عَلَى وَادِي جَهَنَّمَ يَبْكِي فَقُلْتُ أَبَا الْوَلِيدِ مَا يُبْكِيكَ قَالَ هَذَا الْمَكَانُ الَّذِي أَنْبَأَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ رَأَى فِيهِ جَهَنَّم

10 - وَأَخْبَرَنَا هِبَةُ اللَّهِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ الْمُظَفَّرِ بْنِ السِّبْطِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نسْمع بِبَغْدَاد أَن أَبَا الْحُسَيْنِ مُحَمَّدَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ الْفَرَّاءِ أَخْبَرَهُمْ عَلَيْهِ أنبا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ بْنِ النَّصِيبِيُّ إِجَازَةً قَالَ أنبا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْوَاسِطِيِّ ثَنَا عِيسَى بْنُ عبد الله بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْوَرَّاقُ قَالَ أَخْبَرَنِي عَلِيُّ بْنُ جَعْفَرٍ الرَّازِيُّ ثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ ثَنَا أَبُو عُمَيْرٍ النَّحَّاسُ ثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ عَنِ الْأَوْزَاعِيِّ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ قَالَ

رُئِيَ عُبَادَةُ بْنُ الصَّامِتِ عَلَى شَرْقِيِّ مَسْجِدِ بَيْتِ الْمَقْدِسِ يَبْكِي فَقِيلَ لَهُ مَا يُبْكِيكَ فَقَالَ مِنْ هَهُنَا حَدَّثَنِي حِبِّي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ رَأَى مَلَكًا يُقَلِّبُ جَمْرًا كَالْقِطْفِ
তার নিকট পাঠ করা হলো এবং আমরা তা শুনছিলাম ৫৭৭ হিজরি সালের শাওয়াল মাসে দামেস্কে। তাকে বলা হলো, আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন শরিফ নাসিব আবুল কাসেম আলী ইবনে ইবরাহিম আল-হুসাইনি, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে ইয়াহইয়া থেকে, তিনি ফাদল ইবনে জাফর থেকে, আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনে আব্বাস ইবনে ওয়ালিদ আল-কুরাশি আমাদের নিকট শ্রুতলিখন হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিনি মুসা ইবনে সাহল থেকে, তিনি ইয়াজিদ ইবনে খালিদ ইবনে মিরশাল থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবনে সাবিত ইবনে সাওবান থেকে, তিনি বলেন যে জিয়াদ ইবনে আবি সাওদাহ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে তিনি তার ভাই উসমান ইবনে আবি সাওদাহকে বলতে শুনেছেন:

আমি উবাদাহ ইবনে সামিতকে দেখলাম যে তিনি মসজিদের দেয়ালের ওপর বুক রেখে জাহান্নামের উপত্যকার দিকে তাকিয়ে কাঁদছেন। আমি বললাম, হে আবুল ওয়ালিদ! আপনাকে কিসে কাঁদাচ্ছে? তিনি বললেন, এটিই সেই স্থান যার ব্যাপারে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানিয়েছিলেন যে তিনি সেখানে জাহান্নাম দেখেছিলেন।

১০ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিবাতুল্লাহ ইবনে হাসান ইবনে মুজাফফর ইবনে সিবত, তার নিকট পাঠকালে আমরা বাগদাদে শুনছিলাম যে, আবুল হুসাইন মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে হুসাইন ইবনে আল-ফাররা তাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আব্দুল আজিজ ইবনে আহমদ ইবনে উমর ইবনে নাসিবির নিকট থেকে অনুমতিক্রমে বর্ণনা করেন, তিনি আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-ওয়াসিতি থেকে, ঈসা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল আজিজ আল-ওয়াররাক আমাদের বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন যে আলী ইবনে জাফর আর-রাজি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবুল আব্বাস মুহাম্মাদ ইবনে হাসান ইবনে কুতাইবাহ থেকে, তিনি আবু উমাইর আন-নাহহাস থেকে, তিনি ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম থেকে, তিনি আওজায়ি থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসির থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে বর্ণনা করেন:

উবাদাহ ইবনে সামিতকে বাইতুল মাকদিস মসজিদের পূর্ব দিকে কাঁদতে দেখা গেল। তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, আপনাকে কিসে কাঁদাচ্ছে? তিনি বললেন, এখান থেকেই আমার প্রিয়তম আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বর্ণনা করেছিলেন যে, তিনি একজন ফেরেশতাকে আঙ্গুরের থোকার মতো আগুনের অঙ্গার উল্টেপাল্টে নাড়াচাড়া করতে দেখেছিলেন।
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٤٦)
11 - أخبرنَا أَبُو عبد الله مُحَمَّدُ بْنُ حَمْدِ بْنِ حَامِدِ بْنِ غَيَّاثٍ الْأَرْتَاحِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْه وَأَنَا أَسْمَعُ بِمِصْرَ قِيلَ لَهُ أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْحِسَيْنِ بْنِ عُمَرَ الْمَوْصِلِيُّ الْفَرَّاءُ فِي كِتَابِهِ أنبا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ حَمُودِ بْنِ الدَّلِيلِ الصَّوَّافُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ أنبا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ الْوَاسِطِيُّ الْبَّزَّازُ بِالْقُدْسِ ثَنَا أَبُو حَفْصٍ عَمَرُ بْنُ الفْضَلِ بْنِ الْمُهَاجِرِ الرَّبْعِيُّ ثَنَا أَبِي ثَنَا الْوَلِيدُ حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ زَيْدٍ الْحَرَّارُ ثَنَا رُقَادُ ثَنَا صَدَقَةُ بْنُ يَزِيدَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَنْ عَطِيَّةَ بن قيس عَن عبد الله بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ

فِي هَذِهِ الآيَةِ {فَضُرِبَ بَيْنَهُمْ بِسُورٍ لَهُ بَابٌ بَاطِنُهُ فِيهِ الرَّحْمَةُ} قَالَ هُوَ سُورُ بَيْتِ الْمَقْدِسِ الشَّرْقِيُّ

 

-‌‌ بَابٌ فِي قَوْلِ الْمَلَائِكَةِ الْمُوَكَّلِينَ فِي الْمَسَاجِدِ الثَّلَاثَةِ

-

12 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَبِي الْبَقَاءِ العَاقُولِيُّ بِبَغْدَادَ أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ مُحَمَّدٍ الْقَزَّازُ أَخْبَرَهُمْ قِرَاءَةً عَلَيْهِ أنبا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ ثَابِتٍ الْخَطِيبُ أَنْبَا الْقَاضِي أَبُو الْعَلَاءِ مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ الْوَاسِطِيُّ ثَنَا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بن الْفرج الْخلال المقريء ثَنَا أَبُو حَامِدٍ أَحْمَدُ بْنُ رجا بْنِ عَبِيدَةَ قَدِمَ عَلَيْنَا لِلْحِجِ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ الْبَصْرِيُّ ثَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ الْبَلْخِيُّ ثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ ثَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ عَنْ حَمَّادٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ قَالَ رَسُولُ اللَّه صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
১১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ বিন হামদ বিন হামিদ বিন গিয়াস আল-আরতাহি, তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি মিসরে শুনছিলাম, তাঁকে বলা হয়েছে: আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আলী বিন আল-হুসাইন বিন উমর আল-মাওসিলি আল-ফাররা তাঁর কিতাবে, আমাদের জানিয়েছেন আবুল হুসাইন মুহাম্মাদ বিন হামুদ বিন আদ-দালিল আস-সাওয়াফ, তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে, আমাদের জানিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ আল-ওয়াসিতি আল-বাজ্জায বায়তুল মুকাদ্দাসে, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু হাফস উমর বিন আল-ফাযল বিন আল-মুহাজির আর-রাবঈ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আমার পিতা, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-ওয়ালিদ, আমার কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন যায়িদ আল-হাররার, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন রুরাদ, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সাদাকা বিন ইয়াযিদ, সাঈদ বিন আব্দুল আযীয থেকে, তিনি আতিয়্যাহ বিন কায়েস থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আস থেকে

এই আয়াত সম্পর্কে: {অতঃপর তাদের মাঝে একটি প্রাচীর স্থাপন করা হবে, যাতে একটি দরজা থাকবে; এর অভ্যন্তরভাগে থাকবে রহমত}, তিনি বলেন: এটি হলো বায়তুল মুকাদ্দাসের পূর্বদিকের প্রাচীর।

 

-‌‌ পরিচ্ছেদ: তিন মসজিদে নিয়োজিত ফেরেশতাদের বক্তব্য সম্পর্কে

-

১২ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আল-হাসান বিন আবিল বাকা আল-আকুলী বাগদাদে যে, আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ আল-কাযযায তাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর সামনে পাঠ করার মাধ্যমে, আমাদের জানিয়েছেন আবু বকর আহমাদ বিন সাবিত আল-খাতীব, আমাদের জানিয়েছেন বিচারক আবুল আলা মুহাম্মাদ বিন ইয়াকুব আল-ওয়াসিতি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবুল হাসান আহমাদ বিন জাফর বিন মুহাম্মাদ বিন আল-ফারাজ আল-খাল্লাল আল-মুকরি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু হামিদ আহমাদ বিন রাজা বিন আবিদাহ যিনি হজ্জের উদ্দেশ্যে আমাদের কাছে এসেছিলেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক আল-বাসরি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুওয়াইদ বিন নাসর আল-বালখি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন ইবনুল মুবারক, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন সুফিয়ান আস-সাওরী, হাম্মাদ থেকে, তিনি ইব্রাহীম থেকে, তিনি আলক্বামাহ থেকে, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন...
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٤٧)
لِلَّهِ ثَلَاثَةُ أَمْلَاكٍ مَلَكٌ مُوَكَّلٌ بِالْكَعْبَةِ وَمَلَكٌ مُوَكَّلٌ بِمَسْجِدِي وَمَلَكٌ مُوَكَّلٌ بِالْمَسْجِدِ الْأَقْصَى فَأَمَّا الْمُوَكَّلُ بِالْكَعْبَةِ فَيُنَادِي فِي كُلِّ يَوْمٍ مَنْ تَرَكَ فَرَائِضَ اللَّهِ خَرَجَ مِنْ أَمَانِ اللَّهِ وَأَمَّا الْمَلَكُ الْمُوَكَّلُ بِمَسْجِدِي هَذَا فَيُنَادِي فِي كُلِّ يَوْمٍ مَنْ تَرَكَ سُنَّةَ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَرِدِ الْحَوْضَ وَلَمْ تُدْرِكْهُ شَفَاعَةُ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم وَأَمَّا الْمَلَكُ الْمُوَكَّلُ بِالْمَسْجِدِ الْأَقْصَى فَيُنَادِي فِي كُلِّ يَوْمٍ مَنْ كَانَ طُعْمَتُهُ حَرَامًا كَانَ عَمَلُهُ مَضْرُوبًا بِهِ وَجْهُهُ

أَنْكَرَ الْخَطِيبُ هَذَا الْحَدِيثَ قَالَ وَرِجَالُ إِسْنَادِهِ كُلُّهُمْ ثِقَاتٌ مَعْرُوفُونَ سِوَى الْبَصْرِيِّ وَأَحْمَدَ بْنِ رَجَاءَ فَإِنَّهُمَا مَجْهُولَانِ وَاللَّهُ أَعْلَمُ

 

-‌‌ بَابُ أَيُّ مَسْجِدٍ وُضِعَ فِي الْأَرْضِ أَوَّلًا

-

13 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُسْلِمٍ الْمُؤَيَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْأُخْوَةِ بِأَصْبَهَانَ أَنَّ زَاهِرَ بْنَ طَاهِرٍ الشَّحَّامِيّ أَخْبَرَهُمْ قِرَاءَةً عَلَيْهِ أنبا أَبُو الْحَسَنِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ فِي آخَرِينَ قَالُوا أنبا أَبُو الْحُسَيْنِ الْخَفَّافُ أَنبا أَبُو الْعَبَّاسِ السَّرَّاجُ حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ أنبا عِيسَى بْنُ يُونُسَ ثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي ذَرٍ قَالَ

قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ مَسْجِدٍ وُضِعَ فِي الْأَرْضِ أَوَلًا قَالَ الْمَسْجِدُ الْحَرَامُ فَقُلْتَ يَا رَسُولَ اللَّه ثُمَّ أَيُّ قَالَ ثُمَّ الْمَسْجِدُ الْأَقْصَى قُلْتُ كَمْ
আল্লাহর জন্য রয়েছে তিনজন ফেরেশতা; একজন ফেরেশতা কাবার দায়িত্বে নিয়োজিত, একজন ফেরেশতা আমার মসজিদে নিয়োজিত এবং একজন ফেরেশতা মসজিদে আকসায় নিয়োজিত। কাবার দায়িত্বে নিয়োজিত ফেরেশতা প্রতিদিন ঘোষণা করেন, "যে ব্যক্তি আল্লাহর ফরজসমূহ বর্জন করল, সে আল্লাহর নিরাপত্তা থেকে বের হয়ে গেল।" আর আমার এই মসজিদে নিয়োজিত ফেরেশতা প্রতিদিন ঘোষণা করেন, "যে ব্যক্তি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত বর্জন করল, সে হাউজে (কাওসার) আসতে পারবে না এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুপারিশ তাকে স্পর্শ করবে না।" আর মসজিদে আকসায় নিয়োজিত ফেরেশতা প্রতিদিন ঘোষণা করেন, "যার আহার্য হারাম, তার আমল তার মুখের ওপর ছুড়ে মারা হবে।"

আল-খতিব এই হাদিসটিকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেছেন, এর সনদের বর্ণনাকারীরা বসরী এবং আহমদ বিন রাজা ব্যতীত সকলেই নির্ভরযোগ্য ও সুপরিচিত; কারণ তারা উভয়েই অপরিচিত। আর আল্লাহই ভালো জানেন।

 

-‌‌ পরিচ্ছেদ: পৃথিবীতে সর্বপ্রথম কোন মসজিদ স্থাপন করা হয়েছিল

-

১৩ - আবু মুসলিম আল-মুআইয়িদ বিন আবদুর রহিম বিন আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-উখওয়াহ ইসফাহানে আমাদের খবর দিয়েছেন যে, জাহির বিন তাহির আশ-শাহামি তাদের কাছে পাঠ করে শুনিয়েছেন, আমাদের খবর দিয়েছেন আবুল হাসান আহমদ বিন আবদুর রহিম ও আরও অনেকে, তারা বলেছেন আমাদের খবর দিয়েছেন আবুল হুসাইন আল-খাফফাফ, আমাদের খবর দিয়েছেন আবুল আব্বাস আস-সাররাজ, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন ইসহাক বিন ইবরাহিম, আমাদের খবর দিয়েছেন ঈসা বিন ইউনুস, আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন আল-আমাশ, ইবরাহিম আত-তাইমি থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! পৃথিবীতে সর্বপ্রথম কোন মসজিদটি স্থাপন করা হয়েছিল? তিনি বললেন, "মসজিদুল হারাম।" আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! তারপর কোনটি? তিনি বললেন, "তারপর মসজিদে আকসা।" আমি বললাম, কত (সময়ের ব্যবধান)?
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٤٨)
كَانَ بَيْنَهُمَا قَالَ أَرْبَعُونَ سَنَةً ثُمَّ حَيْثُمَا أَدْرَكَتْكَ الصَّلَاةُ فَصَلِّ فَهُوَ لَكَ مَسْجِدٌ

رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ فُي صَحِيحِهِ عَنْ مُوسَى بْنِ إَسْمَاعِيلَ وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ عَنْ أَبِي كَامِلٍ الْفُضَيْلِ بْنِ الْحُسَيْنِ كِلَاهُمَا عَنْ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ زِيادٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مَهْرَانَ الْأَعْمَشِ

14 - أنبا الْإِمَامُ أَبُو عبد الله مُحَمَّدُ بْنُ حَمْدِ بْنِ حَامِدِ الأرتاحي قِرَاءَة عَلَيْهِ بِمصْر أَن أَبَا الْحُسَيْنِ عَلِيَّ بْنَ الْحُسَيْنِ بْنِ عُمَرَ الْمَوْصِلِيَّ أَخْبَرَهُمْ فِي كِتَابِهِ أنبا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ حَمُودِ بْنِ الدَّلِيلِ الصَّوَّافُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ أنبا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ الْوَاسِطِيُّ الْبَّزَّازُ بِالْقُدْسِ ثَنَا أَبُو حَفْصٍ عَمَرُ بْنُ الفْضَلِ بْنِ الْمُهَاجِرِ الرَّبْعِيُّ ثَنَا أَبِي ثَنَا الْوَلِيدُ حَدَّثَنِي أَبُو الْحَسَنِ الطَّحَانُ هَوُ إِسْحَاقُ بْنُ الْحَسَنِ ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي ابْنُ لُهَيْعَةَ عَنْ يَزِيدِ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ قَالَ أَخْبَرَنِي عَطَاءُ بْنُ أَبِي رَبَاحٍ عَنْ عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ

إِنَّ مَكَةَ بلد عظمه الله وَعظم رَحمته خَلَقَ مَكَةَ وَحَفَّهَا بِالْمَلَائِكَةِ قَبْلَ أَنْ يَخْلُقَ شَيْئًا مِنَ الْأَرْضِ يَوْمَئِذٍ كُلَّهَا بِأَلفِ عَامٍ وَوَصَلَ الْمَدِينَةَ بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ ثُمَّ خَلَقَ الْأَرْضَ كُلَّهَا بَعْدَ أَلْفِ عَامٍ خَلْقًا وَاحِدًا

وَالصَّوَابُ وَوَصَلَهَا بِالْمَدِينَةِ وَوَصَلَ الْمَدِينَةَ بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ
(তিনি) বললেন, "তাদের দুইয়ের মাঝে চল্লিশ বছরের ব্যবধান ছিল। অতঃপর যেখানেই সালাতের সময় হবে সেখানেই সালাত আদায় করো, কারণ সেটিই তোমার জন্য মসজিদ।"

ইমাম বুখারী তাঁর সহিহ গ্রন্থে মুসা ইবনে ইসমাইল থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং মুসলিম তাঁর সহিহ গ্রন্থে আবু কামিল আল-ফুজাইল ইবনে আল-হুসাইন থেকে এটি বের করেছেন। তাঁরা উভয়েই আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে যিয়াদ থেকে, তিনি সুলাইমান ইবনে মাহরান আল-আমাশ থেকে বর্ণনা করেছেন।

১৪ - ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে হামদ ইবনে হামিদ আল-আরতাহি মিশরে তাঁর নিকট পাঠকালে আমাদের জানিয়েছেন যে, আবু আল-হুসাইন আলী ইবনে আল-হুসাইন ইবনে উমর আল-মাওসিলি তাদের কাছে তাঁর কিতাবে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে হামুদ ইবনে আদ-দালিল আস-সাওয়াফ তাঁর নিকট পাঠকালে আমাদের জানিয়েছেন যে, আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-ওয়াসিতি আল-বাজজায কুদসে আমাদের জানিয়েছেন যে, আবু হাফস উমর ইবনে আল-ফজল ইবনে আল-মুহাজির আর-রিবয়ি আমাদের বলেছেন যে, আমার পিতা আমাদের বলেছেন যে, আল-ওয়ালিদ আমাদের বলেছেন যে, আবু আল-হাসান আত-তাহহান (যিনি মূলত ইসহাক ইবনে আল-হাসান) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আব্দুল্লাহ ইবনে সালিহ আমাদের বলেছেন যে, ইবনে লাহিআহ ইয়াজিদ ইবনে আবি হাবিব থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আতা ইবনে আবি রাবাহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী আয়েশা (রা.) থেকে আমাকে জানিয়েছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

নিশ্চয়ই মক্কা এমন এক শহর যাকে আল্লাহ মহান করেছেন এবং তাঁর রহমতকে মহান করেছেন। তিনি মক্কা সৃষ্টি করেছেন এবং ফেরেশতাদের দ্বারা একে পরিবেষ্টিত করেছেন পৃথিবীর অন্য কোনো অংশ সৃষ্টি করার এক হাজার বছর পূর্বে। আর তিনি মদিনাকে বাইতুল মাকদিসের সাথে সংযুক্ত করেছেন, অতঃপর এক হাজার বছর পর সমগ্র পৃথিবীকে একযোগে সৃষ্টি করেছেন।

আর সঠিক হলো: তিনি একে (মক্কাকে) মদিনার সাথে সংযুক্ত করেছেন এবং মদিনাকে বাইতুল মাকদিসের সাথে সংযুক্ত করেছেন।
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٤٩)
-‌‌ بَابُ فَضْلِ الصَّلَاةِ بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ

-

15 - أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرٍ الْأَصْبَهَانِيُّ بِهَا أَنَّ أُمَّ إِبْرَاهِيمَ فَاطِمَةَ بِنْتَ عَبْدِ اللَّهِ الْجَوْزَدَانِيَّةَ أَخْبَرَتْهُمْ قِرَاءَةً عَلَيْهَا أنبا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَيْذَةَ أَنْبَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الطَّبَرَانِيُّ ثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْفِرْيَابِيُّ ثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدِّمَشْقِيُّ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ شَابُورٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ رُوَيْمٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الدَّيْلَمِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ

إِنَّ سُلَيْمَانَ سَأَلَ اللَّهَ ثَلَاثًا فَأَعْطَاهُ اثْنَتَيْنِ وَأَرْجُو أَنْ يَكُونَ أَعْطَاهُ اللَّهُ الثَالِثَةَ سَأَلَهُ بِأَنْ يحكم بِحكم يوطيء حُكْمَهُ فَأُعْطِيَ وَسَأَلَهُ مُلْكًا لَا يَنْبَغِي لِأَحَدٍ مِنْ بَعْدِهِ فَأَعْطَاهُ وَسَأَلَهُ أَيُّمَا عَبْدٍ أَتَى بَيْتَ الْمَقْدُسِ لَا يُرِيدُ إِلَّا الصَّلَاةَ فِيهِ أَنْ يَكُونَ مِنْ خَطِيئَتِهِ كَيَوْمِ وَلَدَتْهُ أَمُّهُ

رَوَاهُ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ بْنُ مَاجَهْ وَأَبُو عبد الرَّحْمَن النَّسَائِيّ مِنْ رِوَايَةِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ فَيْرُوزٍ الدَّيْلَمِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو بِنَحْوِهِ

16 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَجْدِ زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَامِدٍ الثَّقَفِيُّ بِأَصْبَهَانَ أَنَّ أَبَا عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنَ بْنَ عَبْدِ الْمَلِكِ الْأَدِيبَ أَخْبَرَهُمْ قِرَاءَةً عَلَيْهِ أنبا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَنْصُورٍ سِبْطُ بَحْرَوَيْهِ أنبا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيٍّ أنبا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى ثَنَا عَمْرُو بْنُ الْحُصَيْنِ ثَنَا يَحْيَى بْنُ الْعَلَاءِ ثَنَا ثَوْرُ بْنُ يَزِيدَ عَنْ زِيَادِ بْنِ أَبِي سَوْدَةَ عَنْ أَبِي أُمَامَة قَالَ
পরিচ্ছেদ: বাইতুল মাকদিসে সালাত আদায়ের ফজিলত

-

১৫ - আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন নাসর আল-আসবাহানি আমাদের সেখানে সংবাদ দিয়েছেন যে, উম্মে ইব্রাহিম ফাতিমা বিনত আব্দুল্লাহ আল-জাওযদানিয়্যাহ তাদের নিকট পঠিত শ্রবণে সংবাদ দিয়েছেন যে, তাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন রাইদাহ, তাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম সুলাইমান বিন আহমদ আত-তাবারানি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাফর বিন মুহাম্মদ আল-ফিরইয়াবি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান বিন আব্দুর রহমান আদ-দিমাশকি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন শুআইব বিন শাবুর, উরওয়াহ বিন রুয়াইম থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আদ-দাইলামি থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি:

সুলাইমান আল্লাহর নিকট তিনটি বিষয় চেয়েছিলেন, যার মধ্যে আল্লাহ তাঁকে দুটি দান করেছেন এবং আমি আশা করি যে আল্লাহ তাঁকে তৃতীয়টিও দান করেছেন। তিনি আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করেছিলেন যেন তিনি এমন বিচার ফয়সালা করেন যা আল্লাহর ফয়সালার সাথে সংগতিপূর্ণ হয়, অতঃপর তাঁকে তা দান করা হয়েছে। তিনি প্রার্থনা করেছিলেন এমন এক রাজত্বের জন্য যা তাঁর পরে আর কারো জন্য শোভনীয় হবে না, অতঃপর তাঁকে তা দান করা হয়েছে। আর তিনি প্রার্থনা করেছিলেন যে, কোনো বান্দা যদি কেবল সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যেই বাইতুল মাকদিসে আসে, তবে সে যেন তার পাপসমূহ থেকে এমনভাবে মুক্ত হয়ে যায় যেমনটি তার মা তাকে ভূমিষ্ঠ করার দিনে সে (নিষ্পাপ) ছিল।

এটি আবু আব্দুল্লাহ বিন মাজাহ এবং আবু আব্দুর রহমান আন-নাসায়ি, আব্দুল্লাহ বিন ফিরুজ আদ-দাইলামির সূত্রে আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

১৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মাজদ যাহির বিন আহমদ বিন হামিদ আস-সাকাফি আসবাহানে যে, আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আব্দুল মালিক আল-আদিব তাদের নিকট পঠিত শ্রবণে সংবাদ দিয়েছেন যে, তাকে সংবাদ দিয়েছেন ইব্রাহিম বিন মনসুর সিবত বাহরুইয়াহ, তাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আলী, তাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা আহমদ বিন আলী বিন আল-মুসান্না, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমর বিন আল-হুসাইন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া বিন আল-আলা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সাওরী বিন ইয়াজিদ, যিয়াদ বিন আবি সাওদা থেকে, তিনি আবু উমামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন-
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٥٠)
قَالَتْ مَيْمُونَةُ بِنْتُ الْحَارِثِ زَوْجُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَا رَسُولَ اللَّهِ أَفْتِنَا فِي بَيْتِ الْمَقْدِسِ قَالَ أَرْضُ الْمَحْشَرِ وَالْمَنْشَرِ إِيتُوهُ فَصَلُّوا فِيهِ فَإِنَّ صَلَاةً فِيهِ كَأَلْفِ صَلَاةٍ فِيمَا سِوَاهُ قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ مَنْ لَمْ يُطِقْ مَحْمَلًا إِلَيْهِ قَالَ فَلْيُهْدِ لَهُ زَيْتًا يُسْرَجُ فِيهِ فَمَنْ أَهْدَى إِلَيْهِ شَيْئًا كَانَ كَمَنْ صَلَّى فِيهِ

كَذَا رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ عَمْرُو بْنُ الْحُصَيْنِ عَنْ يَحْيَى بْنِ الْعَلَاءِ وَكِلَاهُمَا لَا يُحْتَجُّ بِحَدِيثِهِ وَالْمَعْرُوفُ حَدِيثُ مَيْمُونَةَ بِنْتِ سَعْدٍ مَوْلَاةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَيْسَتْ بِابْنَةِ الْحَارِثِ
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী মায়মুনা বিনতুল হারিস বলেন, হে আল্লাহর রাসূল, বাইতুল মাকদিস সম্পর্কে আমাদের ফতোয়া প্রদান করুন। তিনি বললেন: এটি হাশর ও পুনরুত্থানের ভূমি। তোমরা সেখানে যাও এবং তাতে সালাত আদায় করো; কেননা সেখানে এক ওয়াক্ত সালাত অন্য স্থানের এক হাজার সালাতের সমান। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল, যদি কেউ সেখানে পৌঁছানোর সামর্থ্য না রাখে তবে তার ব্যাপারে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন: তবে সে যেন সেখানে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের জন্য তেল হাদিয়া পাঠায়। সুতরাং যে ব্যক্তি সেখানে কিছু হাদিয়া পাঠাবে, সে যেন সেখানেই সালাত আদায় করল।

আমর ইবনুল হুসাইন এই হাদিসটি ইয়াহইয়া ইবনুল আলা থেকে এভাবেই বর্ণনা করেছেন। তাদের উভয়ের বর্ণিত হাদিস দলিল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। প্রসিদ্ধ হলো আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আযাদকৃত দাসী মায়মুনা বিনতু সা’দ-এর বর্ণিত হাদিস, তিনি হারিসের কন্যা নন।
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٥١)
17 - أَخْبَرَنَا بِهِ أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الصَّيْدَلَانِيُّ بِأَصْبَهَانَ أَنَّ مَحْمُودَ بْنَ إِسْمَاعِيلَ الصَّيْرَفِيَّ أَخْبَرَهُمْ وَهُوَ حَاضِرٌ أنبا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ فَاذْشَاهَ أَنْبَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ ثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ الزُّبَيْرِ الْحَلَبِيُّ ثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ النُّفَيْلِيُّ ثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ عَنْ ثَوْرِ بْنِ يَزِيدَ عَنْ زِيَادِ بْنِ أَبِي سَوْدَةَ عَنْ أَخِيهِ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي سَوْدَةَ عَنْ مَيْمُونَةَ مَوْلَاةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَفْتِنَا فِي بَيْتِ الْمَقْدِسِ فَقَالَ أَرْضُ الْمَنْشَرِ والْمَحْشَرِ إَيتُوهُ فَصَلُّوا فِيهِ فَإِنَّ صَلَاةً فِيهِ كَأَلْفِ صَلَاةٍ قَالَتْ أَرَأَيْتَ إِنْ لَمْ نُطِقْ أَنْ نَتَحَمَلَ إِلَيْهِ أَوْ نَأْتِيَهُ قَالَ فَأَهْدِينَ إِلَيْهِ زَيْتًا يُسْرَجُ فِيهِ فَإِنَّ مَنْ أَهْدَى لَهُ كَانَ كَمَنْ صَلَّى فِيهِ وَهَذَا هُوَ الْمَشْهُورُ

18 - أَخْبَرَنا أَبُو عَلِيِّ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ أَبِي عَلِيٍّ النَّصْرِيُّ أَنَّ الْقَاضِيَ أَبَا ب بكر مُحَمَّد بن عبد الباقي الْأَنْصَارِيَّ أَخْبَرَهُمْ قِرَاءَة ًعَلَيْهِ أنبا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ سُكَيْنَةَ أنبا أَبُو الْقَاسِمِ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيٍّ الصَّيْدَلَانِيُّ ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَفْصٍ ثَنَا أَبِي حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ عَنِ الْحَجَّاجِ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَبِي الخَلِيلِ عَنْ عبد الله بْنِ الصَّامِتِ عَنْ أَبِي ذَرٍّ أَنَّهُ قَالَ

تَذَاكَرْنَا وَنَحْنُ عِنْدَ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم أَيُّمَا أَفْضَلُ مَسْجِدُ رَسُولِ اللَّه صلى الله عليه وسلم أَمْ
১৭ - আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আহমদ আস-সাইদালানি ইসফাহানে, মাহমুদ বিন ইসমাইল আস-সাইরাফি তাদের সংবাদ দিয়েছেন যখন তিনি উপস্থিত ছিলেন, সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন ফাদশাহ, সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান বিন আহমদ বিন আইয়ুব, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইয়াকুব বিন ইসহাক বিন আল-জুবাইর আল-হালাবি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু জাফর আন-নুফাইলি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ঈসা বিন ইউনুস, সাওরের নিকট থেকে, তিনি জিয়াদ বিন আবি সাওদাহ থেকে, তিনি তার ভাই উসমান বিন আবি সাওদাহ থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আযাদকৃত দাসী মাইমুনাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের বায়তুল মাকদিস সম্পর্কে ফতোয়া দিন। তিনি বললেন: এটি পুনরুত্থান ও হাশরের (সমবেত হওয়ার) ভূমি। তোমরা সেখানে যাও এবং তাতে সালাত আদায় করো, কারণ সেখানে এক ওয়াক্ত সালাত আদায় করা এক হাজার সালাতের সমতুল্য। তিনি বললেন, আপনি কি মনে করেন যদি আমরা সেখানে যাওয়ার বা পৌঁছানোর সামর্থ্য না রাখি? তিনি বললেন: তবে সেখানে প্রদীপ জ্বালাবার জন্য তেল হাদিয়া পাঠাও, কেননা যে সেখানে তেল হাদিয়া পাঠাবে সে ঐ ব্যক্তির ন্যায় হবে যে সেখানে সালাত আদায় করেছে। আর এটিই হচ্ছে প্রসিদ্ধ বর্ণনা।

১৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী বিন আবিল কাসিম বিন আবু আলী আন-নাসরি যে, কাযী আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি আল-আনসারি তাদের সংবাদ দিয়েছেন যখন তার নিকট পাঠ করা হচ্ছিল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আলী বিন আল-হুসাইন বিন সাকিনাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম উবাইদুল্লাহ বিন আহমদ বিন আলী আস-সাইদালানি, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন হাফস, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম বিন তাহমান, হাজ্জাজ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আবুল খালীল থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আস-সামিত থেকে, তিনি আবু যার থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন:

আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকটে থাকাকালীন পরস্পর আলোচনা করছিলাম যে, কোনটি অধিক উত্তম—রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মসজিদ নাকি...
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٥٢)
بَيْتُ الْمَقْدِسِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَاةٌ فِي مَسْجِدِي أَفْضَلُ مِنْ أَرْبَعِ صَلَوَاتٍ فِيهِ وَلَنِعْمَ الْمُصَلَّى وَلَيُوشِكَنَّ لَأَنْ يَكُونَ لِلْرَجُلِ مِثْلُ سِيَةِ قَوْسِهِ مِنَ الْأَرْضِ حَيْثُ يَرَى بَيت الْمُقَدّس خيرا لَهُ مِنَ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا

19 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَلَاءِ عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ أَبِي الرَّجَاءِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْأَصْبَهَانِيُّ إِجَازَةً أَن أَبَا عَلِيٍّ الْحَسَنَ بْنَ أَحْمَدَ بن حسن الْمُقْرِئ أخْبرهُم قرءة عَلَيْهِ أَنْبَا أَبُو نَعِيمٍ أَحْمَدُ بن عبد الله أَنْبَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الطَّبَرَانِيُّ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ نَصْرٍ هُوَ الْهَمْدَانِيُّ ثَنَا هِشَامُ بن عمار ثَنَا أَبُو خطاب حَمَّادٌ الدِّمَشْقِيُّ عَنْ رُزَيْقٍ أَبِي عبد الله الْأَلْهَانِيِّ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم

صَلَاةُ الرَّجُلِ فِي بَيْتِهِ بِصَلَاةٍ وَصَلَاتُهُ فِي مَسْجِدِ الْقَبَائِلِ بِخَمْسٍ وَعِشْرِينَ صَلَاةً وَصَلَاةٌ فِي الْمَسْجِدِ الَّذِي يُجَمَّعُ يَعْنِي فِيهِ بِخَمْسِ مِئَةٍ صَلَاةٍ وَصَلَاتُهُ فِي الْمَسْجِدِ الْأَقْصَى بِخَمْسِينَ أَلْفَ صَلَاةٍ وَصَلَاتُهُ فِي مَسْجِدِ الْكَعْبَة بمئة أَلْفِ صَلَاةٍ وَصَلَاتُهُ فِي مَسْجِدِي هَذَا بِخَمْسِينَ أَلْفَ صَلَاةٍ

رَوَاهُ أَبُو عبد الله بْنُ مَاجَهْ فِي سُنَنِهِ عَنْ هِشَامِ بْنِ عَمَّارٍ الدِّمَشْقِيُّ

20 - أَخْبَرَنَا الشَّيْخ الإِمَام أَبُو عبد الله مُحَمَّدُ بْنُ حَمْدِ بْنِ حَامِدِ بْنِ غَيَّاثٍ الْأَرْتَاحِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْه وَنَحْنُ نَسْمَعُ بِمِصْرَ قِيلَ لَهُ أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْحِسَيْنِ بْنِ عُمَرَ الْمَوْصِلِيُّ الْفَرَّاءُ فِي كِتَابه أنبا أَو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ حَمُودِ بْنِ الدَّلِيلِ الصَّوَّافُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ أنبا أَبُو بَكْرٍ
বাইতুল মাকদিস। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: আমার এই মসজিদে এক ওয়াক্ত সালাত সেখানে চার ওয়াক্ত সালাতের চেয়ে উত্তম। আর তা কতই না চমৎকার সালাত আদায়ের স্থান! অচিরেই এমন এক সময় আসবে যখন একজন মানুষের জন্য তার ধনুকের রশির পরিমাণ জমিন থাকা—যেখান থেকে সে বাইতুল মাকদিস দেখতে পাবে—তার কাছে দুনিয়া ও তার মধ্যে যা কিছু আছে তার চেয়েও অধিক প্রিয় হবে।

১৯ - আবুল আলা আবদুস সামাদ ইবনে আবি আল-রাজা ইবনে আহমদ ইবনে আবদুল ওয়াহিদ আল-আসবাহানি আমাদের ইজাজতসূত্রে অবহিত করেছেন যে, আবু আলি আল-হাসান ইবনে আহমদ ইবনে হাসান আল-মুকরি তাদের নিকট পাঠ করার সময় সংবাদ দিয়েছেন, আবু নুয়াইম আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম সুলাইমান ইবনে আহমদ আত-তাবারানি সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মাদ ইবনে নাসর আল-হামদানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হিশাম ইবনে আম্মার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু খাত্তাব হাম্মাদ আদ-দিমাশকি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, রুজাইক আবু আবদুল্লাহ আল-আলহানি থেকে, তিনি আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

কোনো ব্যক্তির তার ঘরে সালাত আদায় করা এক সালাতের সমান, আর মহল্লার মসজিদে তার সালাত পঁচিশ সালাতের সমান। আর যে মসজিদে জুমার সালাত আদায় করা হয় তাতে সালাত আদায় করা পাঁচশ সালাতের সমান। আর মসজিদুল আকসায় তার সালাত পঞ্চাশ হাজার সালাতের সমান, কাবার মসজিদে তার সালাত এক লক্ষ সালাতের সমান এবং আমার এই মসজিদে তার সালাত পঞ্চাশ হাজার সালাতের সমান।

আবু আবদুল্লাহ ইবনে মাজাহ তাঁর সুনান গ্রন্থে হিশাম ইবনে আম্মার আদ-দিমাশকি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

২০ - শাইখ ইমাম আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে হামদ ইবনে হামিদ ইবনে গিয়াস আল-আরতাহি মিসরে আমাদের উপস্থিতিতে পাঠ করার সময় আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তাকে বলা হলো: আবুল হাসান আলি ইবনে আল-হুসাইন ইবনে উমর আল-মাওসিলি আল-ফাররা তাঁর কিতাবে আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হুসাইন মুহাম্মাদ ইবনে হামুদ ইবনে আদ-দালিল আস-সাওয়াফ পাঠ করার সময় তাকে সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٥٣)
مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ الْوَاسِطِيُّ الْبَّزَّازُ بِالْقُدْسِ ثَنَا أَبُو حَفْصٍ عَمَرُ بْنُ الفْضَلِ بْنِ الْمُهَاجِرِ الرَّبْعِيُّ ثَنَا أَبِي ثَنَا الْوَلِيدُ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ النُّعْمَانِ ثَنَا سُلَيْمَان بن عبد الرحمن ثَنَا أَبُو عَبْدِ الْمَلِكِ الْجَزَرِيُّ عَن غَالب بن عبد الله عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم

من صلى فى الْبَيْت الْمَقْدِسِ غُفِرَتْ ذُنُوبُهُ كُلُّهَا وَقَالَ اللَّهُ تَعَالَى {هَلْ يَنْظُرُونَ إِلا أَنْ يَأْتِيَهُمُ اللَّهُ فِي ظُلَلٍ من الْغَمَام وَالْمَلَائِكَة} إِلَى بَيْتِ الْمَقْدِسِ

 

-‌‌ بَابٌ فِي الصَّلَاةِ إِلَى بَيْتِ الْمَقْدِسِ

21 - أَخْبَرَنَا أَبُو زرْعَة عبيد الله بْنُ مُحَمَّدِ اللِّفْتِوَانِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ قُلْتُ لَهُ أَخْبَرَكُمْ أَبُو عبد الله الْحُسَيْن بن عبد الملك الْخَلَّالُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ أنبا أَبُو الْفضل عبد الرحمن بْنُ أَحْمَدَ الرَّازِيُّ أنبا جَعْفَرُ بن عبد الله أَنْبَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ الرُّويَانِيُّ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ ثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ الْبَرَّاءِ بْنِ عَازِبٍ قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ بَيْتِ الْمَقْدِسِ سِتَةَ عَشَرَ شَهْرًا أَوْ سَبْعَةَ عَشَرَ شَهْرًا سُفْيَانُ شَكَّ ثُمَّ صَرَفَنَا إِلَى الْقِبْلَةِ

رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ وَمُسْلِمٌ جَمِيعًا عَنْ أَبِي مُوسَى مُحَمَّدِ بْنِ الْمُثَنَّى عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ

22 - وَأَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمد عبد الله بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي الْمَجْدِ الْحَرْبِيُّ بِهَا أَنَّ هِبَةَ اللَّهِ بْنَ
মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মদ আল-ওয়াসিতি আল-বাযযায আল-কুদসে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু হাফস উমর ইবনুল ফাদল ইবনুল মুহাজির আর-রাবঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল-ওয়ালিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনুন নুমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: সুলাইমান ইবন আবদুর রহমান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আবদুল মালিক আল-জাযারি গালিব ইবন আবদুল্লাহ থেকে, তিনি আতা ইবন আবি রাবাহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন—

“যে ব্যক্তি বায়তুল মাকদিসে সালাত আদায় করবে, তার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।” এবং আল্লাহ তাআলা বলেছেন: {তারা কি কেবল এরই অপেক্ষা করছে যে, মেঘের ছায়ায় আল্লাহ ও ফেরেশতাগণ তাদের নিকট আগমন করবেন} বায়তুল মাকদিসের দিকে।

 

-‌‌ বায়তুল মাকদিসের দিকে ফিরে সালাত আদায় সম্পর্কিত অধ্যায়

২১ - আবু যুরআ উবাইদুল্লাহ ইবন মুহাম্মদ আল-লিফতিওয়ানি ইসফাহানে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আমি তাঁকে বললাম: আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবন আবদুল মালিক আল-খাল্লাল তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আপনাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল ফজল আবদুর রহমান ইবন আহমদ আর-রাযি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: জাফর ইবন আবদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু বকর মুহাম্মদ ইবন হারুন আর-রুয়ানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবন বাশশার আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান থেকে, তিনি আবু ইসহাক থেকে, তিনি বারা ইবন আযিব (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাথে ষোলো মাস বা সতেরো মাস পর্যন্ত বায়তুল মাকদিসের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করেছি—সুফিয়ান (মাসের সংখ্যার ব্যাপারে) সন্দেহ পোষণ করেছেন—অতঃপর তিনি আমাদেরকে (কাবার) কিবলার দিকে ফিরিয়ে দিলেন।

বুখারী ও মুসলিম উভয়েই এটি আবু মুসা মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না থেকে, তিনি ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

২২ - এবং আবু আহমদ আবদুল্লাহ ইবন আহমদ ইবন আবিল মাজদ আল-হারবি সেখানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, হিবাতুল্লাহ ইবন...
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٥٤)
مُحَمَّدِ أَخْبَرَهُمْ قِرَاءَةً عَلَيْهِ أنبا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ أَنْبَأَ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَر ثَنَا عبد الله بْنُ أَحْمَدَ حَدَّثَنِي أَبِي ثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ عَنْ زائِدَةَ عَنْ سِمِاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم وَأَصْحَابُهُ إِلَى بَيْتِ الْمَقْدِسِ سِتَةَ عَشَرَ شَهْرًا ثُمَّ صُرِفَتِ الْقِبْلَةُ بَعْدُ

23 - وَأَخْبَرَنَا الْمُبَارَكُ بْنُ أَبِي الْمَعَالِي الْحَرِيِميُّ أَنّ أَبَا الْقَاسِمِ هِبَةَ اللَّهِ أَخْبَرَهُمْ قِرَاءَةً عَلَيْهِ أنبا أَبُو عَلِيِّ بْنُ الْمُذْهِبِ أنبا أَبُو بَكْرٍ الْقُطَيْعِيُّ ثَنَا عبد الله بْنُ أَحْمَدَ ثَنَا أَبِي ثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّاٍد ثَنَا أَبُو عُوَانَةَ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ

كَانَ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي وَهُوَ فِي مَكَةَ نَحْوَ بَيْتِ الْمَقْدِسِ وَالْكَعْبَةُ بَيْنَ يَدي وَبَعْدَمَا هَاجَرَ إِلَى الْمَدِينَةِ سِتَةَ عَشَرَ شَهْرًا ثُمَّ صُرِفَ إِلَى الْكَعْبَةِ رَوَاهُمَا الْإِمَامُ أَحْمَدُ فِي مُسْنَدِهِ

24 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ الْمُبَارَكُ بْنُ أَبِي الْمَعَالِي بْنِ الْمَعْطُوشِ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِالْجَانِبِ الْغَرْبِيِّ مِنْ بَغْدَادَ قُلْتُ لَهُ أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ أنبا الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ أنبا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ حَدَّثَنِي أَبِي ثَنَا عَفَّانُ ثَنَا حَمَّادُ عَنْ ثَابت عَن أنس أَن الرَّسُول اللَّه صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي نَحْوَ بَيْتِ الْمَقْدِسِ فَنَزَلَتْ {قَدْ نَرَى تَقَلُّبَ وَجْهِكَ فِي السَّمَاءِ فَلَنُوَلِّيَنَّكَ قِبْلَةً تَرْضَاهَا فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ}
মুহাম্মদ তাদেরকে পাঠ করে শুনিয়েছেন, আল-হাসান ইবনে আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনে জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, হুসাইন ইবনে আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যায়িদাহ থেকে, তিনি সিমাক থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগণ ষোলো মাস পর্যন্ত বায়তুল মাকদিসের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করেছেন, অতঃপর কিবলা পরিবর্তন করা হয়।

২৩ - এবং আল-মুবারক ইবনে আবিল মা'আলি আল-হারিমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ তাদেরকে পাঠ করে শুনিয়েছেন, আবু আলী ইবনুল মুযহিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু বকর আল-কুতাইয়ি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু আওয়ানাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমাশ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় থাকা অবস্থায় বায়তুল মাকদিসের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করতেন এবং কাবা তাঁর সামনে থাকত। মদিনায় হিজরত করার পর তিনি ষোলো মাস (বায়তুল মাকদিসের দিকে ফিরে সালাত আদায় করেছেন), অতঃপর কাবার দিকে কিবলা পরিবর্তন করা হয়। ইমাম আহমাদ তাঁর মুসনাদে উভয় বর্ণনাটি উল্লেখ করেছেন।

২৪ - আবু তাহির আল-মুবারক ইবনে আবিল মা'আলি ইবনুল মা'তুশ বাগদাদের পশ্চিম পার্শ্বে আমার পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আমি তাঁকে বললাম: আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আপনাদের নিকট পাঠ করে শুনিয়েছেন, আল-হুসাইন ইবনে আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনে জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, আফফান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাবিত থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বায়তুল মাকদিসের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করতেন, অতঃপর নাজিল হলো: {নিশ্চয়ই আমি আপনার মুখ বারবার আকাশের দিকে উঠতে দেখছি। অতএব আমি অবশ্যই আপনাকে এমন কিবলার দিকে ফিরিয়ে দেব যা আপনি পছন্দ করেন। সুতরাং এখন আপনি আপনার মুখ মসজিদুল হারামের দিকে ফিরিয়ে নিন।}
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٥٥)
) فَمَرَّ رَجُلٌ وَهُمْ رُكُوعٌ فِي صَلَاةِ الْفَجْرِ وَقَدْ صَلَّوْا رَكْعَةً فَنَادَى أَلا إِن قبْلَة قَدْ حُوِّلَتْ ألَّا إِنَّ الْقِبْلَةَ قَدْ حُوِّلَتْ إِلَى الْكَعْبَةِ فَمَالُوا كَمَا هُوَ نَحْوَ الْقِبْلَةِ

رَوَاهُ مُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ عَنْ عَفَّانَ

25 - أَخْبَرَنا أَبُو مُسلم الْمُؤَيد بن عبد الرحيم بن أَحْمد بن الاخوة أَن أَبَا الْقَاسِمِ زَاهِرَ بْنَ طَاهِرٍ الشَّحَّامِيّ أَخْبَرَهُمْ قِرَاءَةً عَلَيْهِ أنبا أَبُو بَكْرٍ يَعْقُوبُ بْنُ أَحْمَدَ الصرفي فِي آخَرِينَ قَالُوا أنبا أَبُو الْحُسَيْنِ الْخَفَّافُ أَنبا أَبُو الْعَبَّاسِ السَّرَّاجُ ثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى ثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ عِيسَى بْنِ الطَّبَّاعِ

قَالَ السَّرَّاجُ وَحَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ ثَنَا أَبُو عَاصِمٍ جَمِيعًا عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ عَن عبد الله بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ

كَانَ أَهْلُ قُبَاءَ يُصَلُّونَ قِبَلَ الشَّامِ فَأَتَاهُمْ آتٍ فَقَالَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَدْ أُنْزَلَ عَلَيْهِ الْقُرْآنُ فَتَوَجَّهَ إِلَى الْقِبْلَةِ فَاسْتَدَارُوا إِلَى الْقِبْلَةِ فَاسْتَقْبَلُوهَا
) এক ব্যক্তি অতিক্রম করছিলেন যখন তাঁরা ফজরের সালাতে রুকু অবস্থায় ছিলেন এবং তাঁরা এক রাকাত সালাত আদায় করেছিলেন। তখন তিনি উচ্চস্বরে ঘোষণা করলেন যে, জেনে রেখো কিবলা পরিবর্তন করা হয়েছে, জেনে রেখো কিবলা কাবার দিকে পরিবর্তন করা হয়েছে। ফলে তাঁরা যে অবস্থায় ছিলেন সেভাবেই কিবলার দিকে ঘুরে গেলেন।

এটি ইমাম মুসলিম তাঁর সহীহ গ্রন্থে আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ থেকে, তিনি আফফান থেকে বর্ণনা করেছেন।

২৫ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসলিম আল-মুয়াইয়িদ বিন আবদুর রহিম বিন আহমাদ বিন আল-ইখওয়াহ যে, আবুল কাসিম জাহির বিন তাহির আশ-শাহহামি তাঁদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু বকর ইয়াকুব বিন আহমাদ আস-সারফি ও অন্যান্যরা তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা বলেছেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আল-খাফফাফ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-আব্বাস আস-সাররাজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ বিন মুসা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন ঈসা বিন আত-তাব্বা।

আস-সাররাজ বলেন, আমাদের নিকট যিয়াদ বিন আইয়ুবও হাদীস বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবু আসিম বর্ণনা করেছেন, তাঁরা সকলে মালিক বিন আনাস থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন দিনার থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন:

কুবার অধিবাসীরা সিরিয়ার দিকে মুখ করে সালাত আদায় করছিলেন। তখন জনৈক আগন্তুক তাঁদের নিকট এসে বললেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ওপর কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে এবং তিনি কিবলার দিকে মুখ করেছেন। তখন তাঁরা কিবলার দিকে ঘুরে গেলেন এবং কিবলামুখী হলেন।
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٥٦)
وَقَالَ السَّرَّاجُ ثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدُّورِيُّ ثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ ثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلَالٍ حَدثنِي عبد الله بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ

بَيْنَمَا النَّاسُ فِي صَلَاةِ الصُّبْحِ فِي قُبَاءَ جَاءَهُمْ رَجُلٌ فَقَالَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أُنْزِلَ عَلَيْهِ اللَّيْلَةَ قُرْآنٌ وَأُمِرَ أَنْ يَسْتَقْبِلَ الْكَعْبَةَ قَالَ فَاسْتَقْبَلُوهَا وَكُلُّ وَجْهِ النَّاسِ إِلَى الشَّام فاستداروا بوجهم إِلَى الْكَعْبَةِ

رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ وَمُسْلِمٌ عَنْ قُتَيْبَةَ بْنِ سَعِيدٍ عَنْ مَالِكٍ بِمَعْنَاهُ

 

-‌‌ بَابُ فَضْلِ صَخْرَةِ بَيْتِ الْمَقْدِسِ

26 - أَخْبَرَنَا أَبُو هَاشِمٍ الْحُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ الجرباذقاني الْمُؤَدب بأصبهان أَن أَبَا الْخَيْرِ مُحَمَّدَ بْنَ أَحْمَدَ أَخْبَرَهُمْ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَهُوَ حَاضِرٌ أنبا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ الذَّكْوَانِيُّ أنبا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُوسَى بْنِ مَرْدَوَيْهِ الْحَافِظُ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ … ... . بْنِ إِبْرَاهِيمَ ثَنَا عبد الله بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَخْرِ بْنِ الْقَاسِمِ ثَنَا أَبُو عَاصِمٍ الضَّحَّاكُ بْنُ مَخْلَدٍ ثَنَا شَبِيبُ بْنُ بِشْرٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ الْعَبَّاس قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْأَنْهَارُ أَرْبَعَةٌ سَيْحَانُ وَجَيْحَانُ وَالنِّيلُ وَالْفُرَاتُ فَأَمَّا سَيْحَانُ فَنَهْرُ بَلْخٍ وَأَمَّا جَيْحَانُ فَدِجْلَةُ وَأَمَّا النِّيلُ فَنَهْرُ مِصْرَ وَأَمَّا الْفُرَاتُ فَفُرَاتُ الْكُوفَةِ فَكُلُّ مَا يَشْرَبُهُ ابْنُ آدْمَ فَهُوَ مِنْ هَذِهِ الْأَرْبَعَةِ الْأَنْهَارِ تَخْرُجُ مِنْ تَحْتِ الصَّخْرَةِ

27 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ الْمُظَفَّرِ بْنِ السِّبْطِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ بِبَغْدَاد
আস-সাররাজ বলেন, আল-আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ আদ-দুরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, খালিদ ইবনে মাখলাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, সুলাইমান ইবনে বিলাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে দিনার ইবনে উমর থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন

যখন লোকজন কুবায় ফজরের সালাতে ছিলেন, তখন জনৈক ব্যক্তি তাদের নিকট এসে বললেন যে, আজ রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে এবং তাকে কাবার দিকে মুখ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, অতঃপর তারা কাবার অভিমুখী হলেন, অথচ লোকজনের অভিমুখ ছিল সিরিয়ার দিকে; ফলে তারা তাদের চেহারা কাবার দিকে ঘুরিয়ে নিলেন

ইমাম বুখারি ও মুসলিম এটি কুতায়বা ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি মালিক থেকে অনুরূপ অর্থে বর্ণনা করেছেন

 

-‌‌ পরিচ্ছেদ: বাইতুল মাকদিসের পাথরের মর্যাদা

২৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হাশিম আল-হুসাইন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-জুরবাদাকানি আল-মুআদ্দিব আসফাহানে, আবু আল-খায়ের মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ তাদের সংবাদ দিয়েছেন তার নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন, তাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আহমাদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ আদ-দাকওয়ানি, তাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমাদ ইবনে মুসা ইবনে মারদুওয়াইহ আল-হাফিজ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে … ... . ইবনে ইব্রাহিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাখর ইবনে আল-কাসিম, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আসিম আদ-দাহহাক ইবনে মাখলাদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শাবিব ইবনে বিশর ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: নদী চারটি—সাইহান, জাইহান, নীল ও ফোরাত। সাইহান হলো বালখের নদী, জাইহান হলো দজলা, নীল হলো মিশরের নদী এবং ফোরাত হলো কুফার ফোরাত। আদম সন্তান যা পান করে, তার সবই এই চারটি নদী থেকে উৎপন্ন, যা (বাইতুল মাকদিসের) সেই পাথরের তলদেশ থেকে নির্গত হয়

২৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ ইবনে আল-হাসান ইবনে আল-মুজাফফর ইবনে আস-সিবত, বাগদাদে তাকে পাঠ করে শোনানোর মাধ্যমে।
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٥٧)
أَن أَبَا الْحُسَيْنِ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ الْفَرَّاءِ أخْبرهُم قِرَاءَة عَلَيْهِ أنبا عبد العزيز بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ بْنِ النَّصِيبِيِّ إِجَازَةً أنبا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْوَاسِطِيِّ الْمَقْدِسِيُّ الْخَطِيبُ ثَنَا عُمَرُ هُوَ ابْنُ الْفَضْلِ بْنِ المُهَاجر الربعِي ثَنَا أبي ثناالوليد هُوَ ابْنُ حَمَّادٍ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ النُّعْمَانِ ثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ عبد الرحمن ثَنَا أَبُو عبد الملك الْجَزَرِيُّ عَنْ غَالِبِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنِ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ

الْأَنْهَارُ كُلُّهَا وَالسَّحَابُ وَالْبِحَارُ وَالرِّيَاحُ مِنْ تَحْتِ صَخْرَةِ بَيْتِ الْمَقْدِسِ

28 - وَبِهِ ثَنَا الْوَليِدُ ثَنَا إِبْرَاهِيمُ هُوَ ابْنُ مُحَمَّدٍ ثَنَا آدَمُ عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ عَنِ الرَّبِيعِ بْنِ أَنَسٍ عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ

فِي قَوْلِهِ تَعَالَى {إِلَى الأَرْضِ الَّتِي بَارَكْنَا فِيهَا لِلْعَالَمِينَ} قَالَ مِنْ بَرَكَتِهَا أَنَّ كُلَّ مَاءٍ عَذْبٍ يَخْرُجُ مِنْ أَصْلِ صَخْرَةِ بَيْتِ الْمَقْدِسِ

29 - وَبِهِ ثَنَا إِبْرَاهِيُم بْنُ مُحَمَّدٍ ثَنَا زُهَيْرُ ثَنَا دَاوُدُ بْنُ هِلَالٍ عَنِ الصَّلْتِ بْنِ دِينَارٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ نَوْفٍ الْبِكَالِيّ قَالَ

الصَّخْرَةُ يَخْرُجُ مِنْ تَحْتِهَا أَنْهَارٌ مِنَ الْجَنَّةِ سَيْحَانُ وَجيْحَانُ وَالْفُرَاتُ وَالنِّيلُ
আবু আল-হুসাইন বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন আল-ফাররা তাদের নিকট পাঠ করে শুনিয়েছেন যে, আব্দুল আজিজ বিন আহমদ বিন উমর বিন আন-নাসিবি তাকে ইজাজতসূত্রে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি আবু বকর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-ওয়াসিতি আল-মাকদিসি আল-খাতিব হতে, তিনি উমর (যিনি ইবনুল ফাদল বিন আল-মুহাজির আর-রাবঈ) হতে, তিনি তাঁর পিতা হতে, তিনি ওয়ালিদ (যিনি ইবনে হাম্মাদ) হতে, তিনি মুহাম্মদ বিন আন-নুমান হতে, তিনি সুলায়মান বিন আব্দুর রহমান হতে, তিনি আবু আব্দুল মালিক আল-জাজারি হতে, তিনি গালিব বিন উবাইদুল্লাহ হতে, তিনি আবুয যিনাদ হতে, তিনি আল-আরাজ হতে, তিনি আবু হুরায়রা হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন:

সকল নদ-নদী, মেঘমালা, সমুদ্র এবং বায়ু বায়তুল মাকদিসের পাথরের নিচ থেকে উৎপন্ন হয়।

২৮ - এবং একই সূত্রে আমাদের নিকট ওয়ালিদ বর্ণনা করেছেন, তিনি ইবরাহিম (যিনি ইবনে মুহাম্মদ) হতে, তিনি আদম হতে, তিনি আবু জাফর হতে, তিনি রাবি বিন আনাস হতে, তিনি আবুল আলিয়াহ হতে বর্ণনা করেন

মহান আল্লাহর এই বাণী প্রসঙ্গে: {সেই ভূখণ্ডের দিকে যা আমি বিশ্ববাসীর জন্য বরকতময় করেছি}, তিনি বলেছেন: এর বরকতের অন্তর্ভুক্ত হলো এই যে, সকল সুপেয় পানি বায়তুল মাকদিসের পাথরের মূলদেশ থেকে নির্গত হয়।

২৯ - এবং একই সূত্রে আমাদের নিকট ইবরাহিম বিন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি জুহাইর হতে, তিনি দাউদ বিন হিলাল হতে, তিনি আস-সালত বিন দিনার হতে, তিনি আবু সালিহ হতে, তিনি নাওফ আল-বিকালি হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন

এই পাথরটির নিচ থেকে জান্নাতের নদীসমূহ নির্গত হয়: সাইহান, জাইহান, ফুরাত এবং নীল।
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٥٨)
30 - أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْهَمْدَانِيِّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ قُلْتُ لَهُ أَخْبَرَكُمْ أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدَ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ خَلَفٍ إِجَازَةً أنبا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ بْنِ النَّصِيبِيُّ إِجَازَةً أنبا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْوَاسِطِيُّ ثَنَا عِيسَى هُوَ ابْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ الْوَرَّاقُ ثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ جَعْفَرٍ الرَّازِيُّ بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ ثَنَا الْعَبَّاس بن أَحْمد بن عبد الله ثَنَا عبد الله بْنُ عُمَيْرَةَ الْمَقْدِسِيُّ ثَنَا بَكْرُ بْنُ زِيَادٍ الْبَاهِلِيُّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم

لَمَّا أُسْرِيَ بِي إِلَى بَيْتِ الْمَقْدِسِ مَرَّ بِي جِبْرِيلُ إِلَى قَبْرِ إِبْرَاهِيمَ عليه السلام فَقَالَ انْزِلْ صَلِّ هَهُنَا رَكْعَتَيْنِ فَإِنَّ هَهُنَا قَبْرَ أَبِيكَ إِبْرَاهِيمَ عليه السلام ثُمَّ مَرَّ بِي بِبَيْتِ لَحْمٍ فَقَالَ انْزِلْ فَصَلِّ هَهُنَا رَكْعَتَيْنِ فَإِنَّ هَهُنَا وُلِدَ أَخُوكَ عِيسَى عليه السلام ثُمَّ أَتَى بِي الصَّخْرَةَ فَقَالَ مِنْ هَهُنَا عَرَجَ رَبُّكَ إِلَى السَّمَاءِ فَأَلْهَمَنِي اللَّهُ أَنْ قُلْتُ نَحْنُ بِمَوْضِعٍ عَرَجَ مِنْهُ رَبِّي إِلَى السَّمَاءِ فَصَلَّيْتُ بِالنَّبِيينَ ثُمَّ عُرِجَ بِي إِلَى السَّمَاء

31 - وَأَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو مُوسَى مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَبِي عِيسَى الْمَدْيَنِيُّ فِي كِتَابِهِ أَنَّ أَبَا طَاهِرٍ إِسْحَاقَ بْنَ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الرَّاشْتِيْنَانِيّ أَخْبَرَهُمْ قِرَاءَةً عَلَيْهِ أنبا أَبُو الْقَاسِمِ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي عَلِيٍّ أنبا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ حَيَّانَ ثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الرَّمْلِيُّ ثَنَا خُشَيْشُ بْنُ أَصْرَمَ وَالْمُؤَمَّلُ بْنُ إِهَابٍ قَالَا ثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ أنبا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ وَهْبِ بْنِ مُنَبِّهٍ قَالَ
30 - সাঈদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হামদানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বাগদাদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; আমি তাঁকে বললাম: আবুল হোসেন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল হোসেন ইবনে মুহাম্মদ ইবনে খালাফ আপনাকে ইজাজাত সূত্রে সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল আজিজ ইবনে আহমাদ ইবনে উমর আন-নাসিবি ইজাজাত সূত্রে সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আল-ওয়াসিতি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ঈসা (যিনি ইবনে উবায়দুল্লাহ আল-ওয়াররাক) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবুল হাসান আলি ইবনে জাফর আর-রাজি বায়তুল মাকদিসে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্বাস ইবনে আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবদুল্লাহ ইবনে উমাইরা আল-মাকদিসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, বাকর ইবনে জিয়াদ আল-বাহিলি আবদুল্লাহ ইবনে মুবারক থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে আবি আরুবা থেকে, তিনি কাতাদা থেকে, তিনি যুরারা ইবনে আওফা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

যখন আমাকে বায়তুল মাকদিসে নৈশভ্রমণে (ইসরা) নিয়ে যাওয়া হলো, জিবরীল আমাকে ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম-এর কবরের নিকট দিয়ে নিয়ে গেলেন এবং বললেন: নামুন এবং এখানে দুই রাকাত সালাত আদায় করুন, কেননা এখানে আপনার পিতা ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম-এর কবর। অতঃপর তিনি আমাকে বাইতে লাহম (বেথলেহেম)-এর নিকট দিয়ে নিয়ে গেলেন এবং বললেন: নামুন এবং এখানে দুই রাকাত সালাত আদায় করুন, কারণ এখানেই আপনার ভাই ঈসা আলাইহিস সালাম জন্মগ্রহণ করেছেন। এরপর তিনি আমাকে সেই সাখরার (পাথর) নিকট নিয়ে এলেন এবং বললেন: এখান থেকেই আপনার রব আসমানের দিকে উঠেছেন। তখন আল্লাহ আমাকে ইলহাম করলেন এবং আমি বললাম: আমরা এমন স্থানে রয়েছি যেখান থেকে আমার রব আসমানের দিকে উঠেছেন। অতঃপর আমি নবীদের নিয়ে সালাত আদায় করলাম এবং এরপর আমাকে আসমানের দিকে নিয়ে যাওয়া হলো।

31 - এবং হাফেজ আবু মুসা মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে আবি ঈসা আল-মাদিনি তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আবু তাহের ইসহাক ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ আর-রাশতিনানি তাঁদের নিকট পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, আবুল কাসিম ইবনে আবি বকর ইবনে আবি আলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর ইবনে হাইয়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইসহাক ইবনে ইসমাইল আর-রামলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, খুশাইশ ইবনে আসরাম ও মুআম্মাল ইবনে ইহাব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেন: আবদুর রাজ্জাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মা’মার যুহরি থেকে, তিনি ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বিহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٥٩)
قَالَ اللَّهُ لِصَخْرَةِ بَيْتِ الْمَقْدِسِ يَا صَخْرَةَ بَيْتِ الْمَقْدِسِ أَنْتِ عَرْشِي الْأَدْنَى مِنْكِ اسْتَوَيْتُ إِلَى السَّمَاءِ وَفِيكِ جَنَّتِي وَنَارِي وَفِيكِ جَزَائِي وَعِقَابِي فَطُوبَى لِمَنْ رَآكِ ثُمَّ طُوبَى لِمَنْ رَآكِ ثُمَّ طُوبَى لِمَنْ رَآكِ

32 - وَبِهِ عَنْ وَهْبِ بْنِ مُنَبِّهٍ قَالَ

قَالَ تَعَالَى لِصَخْرَةِ بَيْتِ الْمَقْدِسِ عَلَيْكِ أَضَعُ عَرْشِي وَإِلَيْكِ أَحْشُرُ خَلْقِي وَلَأُفَجِّرَنَّ أَنْهَارَكِ خَمْرًا وَعَسَلًا وَلَبَنًا

33 - وَبِهِ أنبا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ ثَنَا إِبْرَاهِيمُ هُوَ ابْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ حَدَّثَنَا أَبُو شُرَحْبِيلٍ الْحِمْصِيُّ ثَنَا أَبُو الْيَمَانِ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ عَمْرٍو عَنْ شُرَيْحِ بْنِ عُبَيْدٍ عَنْ أَبِي شَمَرٍ الْأُرْدُنِيِّ عَنْ كَعْبٍ قَالَ

إِنَّ اللَّهَ تبارك وتعالى نَظَرَ إِلَى الْأَرْضِ فَقَالَ إِنِّي واطيء عَلَى بَعْضِكِ فَاسْتَبَقَتْ إِلَيْهِ الْجِبَالُ وَتَضَعْضَعَتِ الصَّخْرَةُ فَشَكَرَ لَهَا ذَلِكَ فَوَضَعَ عَلَيْهَا قَدَمَهُ فَقَالَ هَذَا مَقَامِي وَمَحْشَرُ خَلْقِي وَهَذِهِ جَنَّتِي وَهَذِهِ نَارِي وَهَذَا مَوْضِعُ مِيزَانِي وَأَنَا دَيَّانُ الدِّينِ

 

-‌‌ بَابُ ذِكْرِ أَنَّ بَيْتَ الْمَقْدِسِ لَا يَدْخُلُهَا الدَّجَّالُ

-

34 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَصْر بِأَصْبَهَانَ أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ عَبْدِ اللَّهِ الْجَوْزَدَانِيَّةَ أَخْبَرَتْهُمْ قِرَاءَةً عَلَيْهَا أنبا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَيْذَةَ أَنْبَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ ثَنَا جَعْفَرُ بْنُ أَحْمَدَ الشَّامِيُّ ثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ ثَنَا فِرْدَوْسُ الْأَشْعَرِيُّ عَنْ مَسْعُودِ بْنِ سُلَيْمَانَ عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ فِي الدَّجَّالِ مَا شُبِّهَ عَلَيْكُمْ مِنْهُ فَإِنِّ اللَّهَ عز وجل لَيْسَ بِأَعْورَ يَخْرُجُ فَيَكُونُ
আল্লাহ বায়তুল মাকদিসের পাথরের উদ্দেশে বলেছেন: হে বায়তুল মাকদিসের পাথর, তুমি হলে আমার নিকটতম আরশ। তোমা হতেই আমি আসমানের দিকে উঠেছি। তোমার মাঝেই আমার জান্নাত ও জাহান্নাম। তোমার মাঝেই আমার পুরস্কার ও শাস্তি। সুতরাং সুসংবাদ তার জন্য যে তোমাকে দেখেছে, তারপর সুসংবাদ তার জন্য যে তোমাকে দেখেছে, তারপর সুসংবাদ তার জন্য যে তোমাকে দেখেছে।

৩২ - এবং একই সনদে ওয়াহাব ইবনে মুনাব্বিহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন:

মহান আল্লাহ বায়তুল মাকদিসের পাথরের উদ্দেশে বলেছেন: তোমার উপরেই আমি আমার আরশ স্থাপন করব, তোমার দিকেই আমি আমার সৃষ্টিজগতকে একত্রিত করব এবং আমি অবশ্যই তোমার নহরসমূহকে শরাব, মধু ও দুধে প্রবাহিত করব।

৩৩ - এবং একই সনদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম—তিনি হলেন মুহাম্মদ ইবনে হাসান—আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু শুরাহবিল আল-হিমসি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-ইয়ামান, সাফওয়ান ইবনে আমর হতে, তিনি শুরাইহ ইবনে উবাইদ হতে, তিনি আবু শামার আল-উর্দুনী হতে, তিনি কাব হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

নিশ্চয়ই আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালা জমিনের দিকে দৃষ্টিপাত করলেন এবং বললেন, "আমি তোমার কোনো এক অংশের উপর পা রাখব।" তখন পাহাড়গুলো তাঁর দিকে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হলো, আর পাথরটি বিনত হলো। আল্লাহ তার এই কাজের কদর করলেন এবং তার উপর আল্লাহর পা রাখলেন। এরপর বললেন, "এটিই আমার অবস্থানস্থল এবং আমার মাখলুকাতের হাশরের ময়দান। এটিই আমার জান্নাত, এটিই আমার জাহান্নাম, এটিই আমার মিজানের স্থান এবং আমিই বিচার দিবসের অধিপতি।"

 

-‌‌ পরিচ্ছেদ: বায়তুল মাকদিসে দাজ্জাল প্রবেশ করতে না পারা প্রসঙ্গে

-

৩৪ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসফাহানের মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে নাসর যে, ফাতেমা বিনতে আবদুল্লাহ আল-জাওযদানিয়াহ তাদের নিকট পাঠ করে সংবাদ দিয়েছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে রাইজাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান ইবনে আহমদ, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জাফর ইবনে আহমদ আশ-শামী, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু কুরাইব, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ফিরদাউস আল-আশআরি, মাসউদ ইবনে সুলাইমান হতে, তিনি হাবিব ইবনে আবি সাবিত হতে, তিনি মুজাহিদ হতে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর হতে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি দাজ্জাল সম্পর্কে বলেছেন: "তার বিষয়ে তোমাদের নিকট যা অস্পষ্ট মনে হতে পারে (তা জেনে রেখো), নিশ্চয়ই আল্লাহ আযযা ওয়া জাল ট্যারা নন। সে বের হবে এবং..."
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٦٠)
فِي الْأَرْضِ أَرْبَعِينَ صَبَاحًا يَرِدُ مِنْهَا كُلَّ مَنْهَلٍ إِلَّا الْكَعْبَةَ وَبَيْتَ الْمَقْدِسِ وَالْمَدِينَةَ الشَّهْرُ كَالْجُمُعَةِ وَالْجُمُعَةُ كَالْيَوْمِ وَمَعَهُ جَنَّةٌ وَنَارٌ فَنَارُهُ جَنَّةٌ وَجَنَّتُهُ نَارٌ مَعَهُ جَبَلٌ مِنْ خُبْزٍ وَنَهْرٌ مِنْ مَاءٍ يَدْعُو بِرَجُلٍ لَا يُسَلِّطُهُ اللَّهُ إِلَّا عَلَيْهِ فَيَقُولُ مَا تَقُولُ فِيهِ فَيَقُولُ أَنْتَ عَدُوُّ اللَّهِ وَأَنْتَ الدَّجَّالُ الْكَذَّابُ فَيَدْعُو بِمِنْشَار فَيَضَعَهُ حَذْوَ رَأْسِهِ فَيَشُقُّهُ حَتَى يَقَعَ بِالْأَرْضِ ثُمَّ يُحْييهِ فَيَقُولُ لَهُ مَا تَقُولُ فِيهِ فَيَقُولُ وَاللَّهِ مَا كَنْتُ أَشَدَّ بَصِيرَةً مِنِّي فِيكَ الْآنَ أَنْتَ عَدُوُّ اللَّهِ الدَّجَّالُ الْكَذَّابُ الَّذِي أَخْبَرَنَا عَنْكَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ فَيَهْوِي إِلَيْهِ بِسَيْفِهِ فَلَا يَسْتَطِيعُهُ فَيَقُولُ أَخِّرُوهُ عَنِّي

35 - أَخْبَرَنَا زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَامِدٍ الثَّقَفِيُّ بِأَصْبَهَانَ أَنَّ الْحُسَيْنَ بْنَ عَبْدِ الْمَلِكِ الْأَدِيبَ أَخْبَرَهُمْ قِرَاءَةً عَلَيْهِ أنبا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَنْصُورٍ أنبا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَلِيٍّ أنبا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى ثَنَا خَلَفُ بْنُ هِشَامٍ ثَنَا أَبُو عُوَانَةَ عَنِ الْأَسْوَدِ بْنِ قَيْسٍ عَنْ ثَعْلَبَةَ بْنِ عَبَّادٍ عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ قَالَ

قَامَ يَوْمًا خَطِيبًا فَذَكَرَ فِي خُطْبَتِهِ حَدِيثًا عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ إِنِّي بَيْنَمَا أَنَا وَغُلَامٌ مِنَ الْأَنْصَارِ نَرْمِي غَرَضَيْنِ لَنَا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذْ طَلَعَتِ الشَّمْسُ فَكَانَتْ فِي عَيْنِ النَّاظِرِ قَيْدَ رُمْحٍ أَوْ رُمْحَيْنِ مِنَ الْأُفُقِ فَاسْوَدَّتْ حَتَّى آضَتْ كَأَنَهَا تَنُومَةٌ قَالَ فَقُلْنَا أَحَدُنَا لِصَاحِبِهِ انْطَلِقْ إِلَى مَسْجِدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَيُحْدِثَنَّ لَهُ شَأْنُ هَذِهِ الشَّمْسِ الْيَوْمَ فِي أُمَّتِهِ حَدِيثًا قَالَ فَدُفِعْنَا إِلَى الْمَسْجِدِ فَوَافَقْنَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ خَرَجَ لِلْنَّاسِ فَاسْتَقَامَ فَصَلَّى بِنَا كَأَطْوَلِ مَا قَامَ فِي
পৃথিবীতে চল্লিশ দিন অবস্থান করবে, সে সময় সে কাবা, বায়তুল মাকদিস এবং মদিনা ছাড়া প্রতিটি পানির ঘাটে পৌঁছাবে। একটি মাস হবে একটি জুমার (সপ্তাহের) মতো, আর একটি জুমা হবে একটি দিনের মতো। তার সাথে থাকবে জান্নাত ও জাহান্নাম; কিন্তু তার জাহান্নাম হবে জান্নাত এবং তার জান্নাত হবে জাহান্নাম। তার সাথে থাকবে রুটির পাহাড় এবং পানির নদী। সে এমন এক ব্যক্তিকে ডাকবে যার ওপর ছাড়া আল্লাহ তাকে অন্য কারো ওপর ক্ষমতা দেবেন না। সে তাকে জিজ্ঞেস করবে, "তুমি আমার সম্পর্কে কী বলো?" সে উত্তর দেবে, "তুমি আল্লাহর শত্রু এবং তুমি দাজ্জাল, চরম মিথ্যাবাদী।" তখন সে (দাজ্জাল) একটি করাত আনবে এবং তা তার মাথার মাঝখানে রেখে তাকে দ্বিখণ্ডিত করে ফেলবে, এমনকি সে মাটিতে পড়ে যাবে। এরপর সে তাকে পুনর্জীবিত করবে এবং বলবে, "এখন তুমি আমার সম্পর্কে কী বলো?" সে বলবে, "আল্লাহর কসম, তোমার সম্পর্কে এখন আমার চেয়ে বেশি নিশ্চিত আর কেউ নেই। তুমি আল্লাহর শত্রু, সেই দাজ্জাল ও চরম মিথ্যাবাদী যার সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের সংবাদ দিয়েছিলেন।" বর্ণনাকারী বলেন, এরপর দাজ্জাল তলোয়ার নিয়ে তার দিকে তেড়ে আসবে কিন্তু তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। তখন সে বলবে, "তাকে আমার থেকে দূরে সরিয়ে দাও।"

৩৫ - আসফাহানে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাহির বিন আহমদ বিন হামিদ আস-সাকাফি যে, হুসাইন বিন আব্দুল মালিক আল-আদিব তাদের নিকট পাঠ করে শুনিয়েছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম বিন মানসুর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আলী, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আলী বিন আল-মুসান্না, আমাদের বর্ণনা করেছেন খালাফ বিন হিশাম, আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু আওয়ানাহ, আসওয়াদ বিন কায়স থেকে, তিনি সা'লাবাহ বিন আব্বাদ থেকে, তিনি সামুরাহ বিন জুনদুব থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

একদিন তিনি খতিব হিসেবে দাঁড়ালেন এবং তাঁর খুতবায় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করলেন। তিনি বললেন, আমি এবং আনসারদের এক কিশোর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে আমাদের দুটি লক্ষ্যে তীর নিক্ষেপ করছিলাম, এমতাবস্থায় সূর্য উদিত হলো এবং দিগন্ত থেকে তা দর্শকের চোখে এক বা দুই বর্শা পরিমাণ উঁচুতে ছিল। অতঃপর তা কালো হয়ে গেল, এমনকি সেটি 'তানুমাহ' (কালো উদ্ভিদ) এর মতো হয়ে গেল। তিনি বলেন, তখন আমাদের একজন তার সঙ্গীকে বলল, "চলো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মসজিদে যাই, আজ তাঁর উম্মতের মাঝে এই সূর্যের অবস্থার কারণে অবশ্যই নতুন কোনো প্রসঙ্গের অবতারণা হবে।" তিনি বলেন, এরপর আমরা মসজিদের দিকে দ্রুত অগ্রসর হলাম এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এমন অবস্থায় পেলাম যখন তিনি মানুষের উদ্দেশ্যে বেরিয়েছেন। অতঃপর তিনি সোজা হয়ে দাঁড়ালেন এবং আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন, যা ছিল তাঁর দীর্ঘতম কিয়াম (দাঁড়ানো)...
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٦١)
صَلَاةٍ قَطُّ مَا نَسْمَعُ لَهُ صَوْتًا ثُمَّ رَكَعَ ثُمَّ سَجَدَ بِنَا كَأَطْوَلِ مَا سَجَدَ بِنَا فِي صَلَاةٍ قَطُّ لَمْ نَسْمَعْ لَهُ صَوْتًا ثُمَّ قَامَ فَفَعَلَ مِثْلَ ذَلِكَ بِالرَّكْعَةِ الثَّانِيَةِ ثُمَّ جَلَسَ فَوَافَقَ جُلُوسُهُ تَجَلِّيَ الشَّمْسِ فَسَلَّمَ وَانْصَرَفَ وَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ وَشَهِدَ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَشَهِدَ أَنَّهُ عَبْدُ اللَّهِ وَرَسُولُهُ ثُمَّ قَالَ

يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ رَسُولٌ أُذَكِّرُكُمُ اللَّهَ عز وجل إِنْ كُنْتُمْ تَعْلَمُونَ أَنِّي قَصَّرْتُ عَنْ شَيْءٍ مِنْ تَبْلِيغِ رِسَالَاتِ رَبِّي عز وجل لَمَا أَخْبَرْتُمُونِي فَقَالَ النَّاسُ نَشْهَدُ أَنَّكَ قَدْ بَلَّغْتَ رِسَالَاتِ رَبِّكَ وَنَصَحْتَ لِأُمَّتِكَ وَقَضَيْتَ الَّذِي عَلَيْكَ ثُمَّ قَالَ أَمَّا بَعْدُ فَإِنَّ رِجَالًا يَزْعُمُونَ أَنَّ كُسُوفَ هَذِهِ الشَّمْسِ وَكُسُوفَ هَذَا الْقَمَرِ وَزَوَالَ هَذِهِ النُّجُومِ عَنْ مَطَالِعِهَا لَمَوْتِ رِجَالٍ عُظَمَاءٍ مِنْ أَهْلِ الْأَرْضِ وَإِنَّهُمْ قَدْ كَذَبُوا وَلَكِنَّهَا آياتُ اللَّهِ عز وجل يَعْتَبِرُ بِهَا عِبَادُهُ لِيَنْظُرَ مَنْ يَحْدُثُ لَهُ مِنْهُمْ تَوْبَةٌ وَإِنِّي وَاللَّهِ لَقَدْ رَأَيْتُ مَا أَنْتُمْ لَاقُونَ فِي أَمْرِ دُنْيَاكُمْ وَآخِرَتِكُمْ مَنْذُ قُمْتُ أُصَلِّي وَإِنَّهُ وَاللَّهِ مَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى يَخْرُجَ ثَلَاثُونَ كَذَّابًا آخِرُهُمُ الْأَعْوَرُ الدَّجَّالُ مَمْسُوحُ عَيْنِ الْيُسْرَى كَأَنَّهَا عَيْنُ أَبِي تَحْيَا شَيْخٌ مِنَ الْأَنْصَارِ بَيْنَهُ وَبَيْنَ حُجْرَةِ عَائِشَةَ رضي الله عنها حِينَئِذٍ وَإِن مَتَى يَخْرُجُ فَإِنَّهُ سَوْفَ يَزْعُمُ أَنَّهُ اللَّهُ عز وجل فَمَنْ آمَنَ بِهِ وَصَدَّقَهُ وَاتَّبَعَهُ فَلَيْسَ يَنْفَعُهُ عَمَلٌ صَالِحٌ مِنْ عَمَلٍ سَلَفَ وَإِنَّهُ سَيَظْهَرُ عَلَى الْأَرْضِ كُلِّهَا غَيْرَ الْحَرَمِ وَبَيْتِ الْمَقْدِسِ وَإِنَّهُ يَسُوقُ الْمُسْلِمِينَ إِلَى بَيْتِ الْمَقْدِسِ فَيُحْصَرُونَ حَصْرًا شَدِيدًا ويُوزَلُونَ أَزَلًا شَدِيدًا قَالَ الْأَسْوَدُ تِسْعَ عَشَرَة ظَنِّي أَنَّهُ قَدْ حَدَّثَنِي أَنَّ عِيسَى بْنَ مَرْيَمَ صلى الله عليه وسلم يُصْبِحُ فِيهِمْ فَيَهْزِمُهُ اللَّهُ عز وجل وَجُنُودَهُ حَتَّى إِنَّ أَصْلَ الْحَائِطِ أَوْ جِذْمَ الشَّجَرِ لَيُنَادِي يَا مَؤْمِنُ هَذَا
কোনো সালাতেই নয়, আমরা তাঁর কোনো শব্দ শুনতে পাইনি। এরপর তিনি রুকু করলেন, তারপর আমাদের নিয়ে সিজদা করলেন; এটি ছিল আমাদের সাথে তাঁর করা দীর্ঘতম সিজদা, যাতেও আমরা তাঁর কোনো শব্দ শুনতে পাইনি। এরপর তিনি দাঁড়ালেন এবং দ্বিতীয় রাকাআতেও অনুরূপ করলেন। এরপর তিনি বসলেন এবং তাঁর বসা শেষ হওয়ার সাথে সাথে সূর্য আলোকিত হয়ে গেল। তারপর তিনি সালাম ফেরালেন এবং ফিরে দাঁড়ালেন। তিনি আল্লাহর প্রশংসা ও মহিমা বর্ণনা করলেন এবং সাক্ষ্য দিলেন যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং সাক্ষ্য দিলেন যে তিনি আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। অতঃপর তিনি বললেন:

হে লোকসকল! আমি কেবল একজন মানুষ ও রাসূল। আমি তোমাদের মহামহিম আল্লাহ সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি; তোমরা যদি জেনে থাকো যে আমি আমার প্রতিপালকের রিসালাত পৌঁছানোর ক্ষেত্রে কোনো বিষয়ে ত্রুটি করেছি, তবে তোমরা আমাকে তা জানাও। তখন লোকেরা বলল, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আপনি আপনার প্রতিপালকের রিসালাত পৌঁছিয়েছেন, আপনার উম্মতকে সদুপদেশ দিয়েছেন এবং আপনার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছেন। এরপর তিনি বললেন, অতঃপর: নিশ্চয়ই কিছু লোক ধারণা করে যে, এই সূর্যের গ্রহণ, এই চাঁদের গ্রহণ এবং এই নক্ষত্ররাজির কক্ষপথ থেকে বিচ্যুতি পৃথিবীর কোনো মহান ব্যক্তির মৃত্যুর কারণে ঘটে। অথচ তারা মিথ্যা বলেছে। বরং এগুলো মহামহিম আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত, যার মাধ্যমে তিনি তাঁর বান্দাদের উপদেশ দেন যাতে তিনি দেখেন যে তাদের মধ্যে কার তাওবাহ করার আগ্রহ জাগে। আল্লাহর কসম! আমি সালাতে দাঁড়ানোর পর থেকে তোমাদের দুনিয়া ও আখিরাতের বিষয়ে যা কিছুর সম্মুখীন হবে তার সবই দেখেছি। আর আল্লাহর কসম! কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না ত্রিশজন চরম মিথ্যাবাদীর আবির্ভাব ঘটে, যাদের সর্বশেষ হলো একচোখ কানা দাজ্জাল, যার বাম চোখটি মোছা বা সমান, যেন তা আনসারদের এক বৃদ্ধ ব্যক্তি আবু ইয়াহইয়ার চোখের মতো। সে সময় তিনি (আবু ইয়াহইয়া) আয়েশা (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন)-এর কামরার মাঝামাঝি এলাকায় থাকতেন। আর যখনই সে বের হবে, তখন সে দাবি করবে যে সে-ই মহামহিম আল্লাহ। সুতরাং যে ব্যক্তি তার ওপর ঈমান আনবে, তাকে সত্য বলে বিশ্বাস করবে এবং তার অনুসরণ করবে, তার পূর্বের কোনো সৎ আমল তার উপকারে আসবে না। আর সে মক্কা-মদিনার হারাম এলাকা এবং বায়তুল মাকদিস ছাড়া সমগ্র পৃথিবীতে আধিপত্য বিস্তার করবে। সে মুসলিমদের বায়তুল মাকদিসের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাবে এবং সেখানে তারা তীব্রভাবে অবরুদ্ধ হবে এবং চরম সংকটে নিপতিত হবে। আসওয়াদ বলেন: ঊনিশ; আমার ধারণা তিনি আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, ঈসা ইবনে মারইয়াম (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) ভোরে তাদের মাঝে উপস্থিত হবেন, অতঃপর মহামহিম আল্লাহ তাকে এবং তার বাহিনীকে পরাজিত করবেন। এমনকি দেয়ালের গোড়া বা গাছের কাণ্ড ডেকে বলবে: হে মুমিন! এই তো...
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٦٢)
كَافِر مستتر بِي تَعَالَى فَاقْتُلْهُ وَإِنْ يَكُنْ ذَلِكَ كَذَلِكَ حَتَّى تَرَوا أُمُورًا عِظَامًا يَتَفَاقَمُ شَأْنُهَا فِي أَنْفُسِكُمْ وَتَسَاءَلُونَ بَيْنَكُمْ هَلْ كَانَ نَبِيُّكُمْ صلى الله عليه وسلم ذَكَرَ لَكُمْ مِنْهَا ذِكْرًا حَتَّى تَزُولَ جِبَالٌ عَنْ مَرَاتِبِهَا قَالَ ثُمَّ عَلَى أَثَرِ ذَلِكَ الْقَبْضِ ثُمَّ قَبَضَ أَصَابِعَهُ ثُمَّ قَالَ مَرَّةً أَخْرَى وَقَدْ حَفِظْتُ مَا قَالَ فَذَكَرَ هَذَا فَمَا قَدَّمَ كَلِمَةً عَلَى مَنْزِلَتِهَا وَلَا أَخَّرَ أَخْرَى رَوَاهُ الِإمَامَ أَحْمَدُ فِي مُسْنَدِهِ بِطُولِهِ بِنَحْوهِ عَنْ أَبِي كَامِلٍ عَنْ زُهَيْرٍ عَنِ الْأَسْوَدِ وَرَوَى أَبُو دَاوُدَ وَالتِّرْمِذِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ وَالنَّسَائِيُّ طَرَفًا مِنْهُ وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ

36 - أَخْبَرَنا أَبُو طَاهِرٍ الْمُبَارَكُ بْنُ أَبِي الْمَعَالِي بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ الْحَرِيمِيُّ بِبَغْدَادَ أَنَّ هِبَةَ اللَّه بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ أَخْبَرَهُمْ قِرَاءَةً عَلَيْهِ أنبا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ أَنْبَأَ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ حَدَّثَنَا أَبِي ثَنَا يَزِيدُ أنبا ابْنُ عَوْنٍ عَنْ مُجَاهِدٍ قَالَ
আমার মধ্যে লুকায়িত এক কাফির, মহান আল্লাহর শপথ, তাকে হত্যা করো। আর যদি বিষয়টি এমনই হয়, তবে যতক্ষণ না তোমরা এমন সব মহান বিষয়াদি প্রত্যক্ষ করবে যার গুরুত্ব তোমাদের অন্তরে প্রকট হবে এবং তোমরা পরস্পরকে জিজ্ঞাসা করবে যে, তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি তোমাদের নিকট এর কোনো উল্লেখ করেছিলেন? এমনকি পাহাড়সমূহ তাদের স্বস্থান থেকে অপসারিত হবে। তিনি বললেন: অতঃপর সেই মুষ্টিবদ্ধ করার পরে, তিনি পুনরায় তাঁর আঙ্গুলগুলো মুষ্টিবদ্ধ করলেন, এরপর তিনি আবারও বললেন—এবং তিনি যা বলেছিলেন আমি তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করেছি—অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করলেন এবং কোনো শব্দকে তার স্থান থেকে আগে বা পিছে করেননি। ইমাম আহমাদ এটি তাঁর মুসনাদে বিস্তারিতভাবে অনুরূপ অর্থে আবু কামিল থেকে, তিনি জুহাইর থেকে, তিনি আসওয়াদ থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ ও নাসাঈ এর কিয়দাংশ বর্ণনা করেছেন এবং তিরমিযী বলেছেন: এটি হাসান সহীহ হাদীস।

৩৬ - বাগদাদে আবু তাহির আল-মুবারক ইবনে আবিল মাআলি ইবনে আবিল কাসিম আল-হারিমী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ তাঁদের নিকট পাঠ করার মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন যে, আল-হাসান ইবনে আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আহমাদ ইবনে জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আব্দুল্লাহ ইবনে আহমাদ আমাদের বলেছেন, আমার পিতা আমাদের বলেছেন, ইয়াযীদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে আউন থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি বলেন:
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٦٣)
كُنَّا سِتَ سِنِينَ عَلَيْنَا جُنَادَةُ بْنُ أَبِي أُمَيَّةَ فَقَامَ فَخَطَبَنَا فَقَالَ أَتَيْنَا رَجُلًا مِنْ أَصْحَابِ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم فَدَخَلْنَا عَلَيْه فَقُلْنَا حَدِّثْنَا مَا سَمِعْتَ مِنْ رَسُوِل اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَا تُحَدِّثْنَا مَا سَمِعْتَ مِنَ النَّاسِ فَشَدَّدْنَا عَلَيْهِ فَقَالَ قَامَ رَسُولُ اللَّه صلى الله عليه وسلم فِينَا فَقَال أُنْذِرُكُمُ الْمَسِيحَ وَهُوَ مَمْسُوحُ الْعَيْنِ قَالَ أَحْسَبُهُ قَالَ الْيُسْرَى يَسِيرُ مَعَهُ جِبَالُ الْخُبْزِ وَأَنْهَارُ الْمَاءِ عَلَامَتُهُ يَمْكُثُ فِي الْأَرْضِ أَرْبَعِينَ صَبَاحًا يَبْلُغُ سُلْطَانُهُ كَلَّ مَنْهَلٍ لَا يَأْتِي أَرْبَعَةَ مَسَاجِدَ الْكَعْبَةَ وَمَسْجِدَ الرَّسُولِ وَالْمَسْجِدَ الْأَقْصَى وَالطُّورَ وَمَهْمَا كَانَ مِنْ ذَلِكَ فَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ عز وجل لَيْسَ بِأَعْوَرَ

قَالَ ابْنُ عَوْنٍ وَأَحْسَبُهُ قَدْ قَالَ يُسَلَّطُ على رجل فيقتله ثمَّ يحيه وَلَا يُسَلَّطُ عَلَى غَيْرِهِ كَذَا رَوَاهُ الِإمَامُ أَحْمَدُ وَقَدْ رَوَاهُ أَيْضًا عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنِ الْأَعْمَشِ وَعَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ مَنْصُورٍ والْأَعْمَشِ كِلاهُمَا عَنْ مُجَاهِدٍ بِنَحْوِهِ
আমরা ছয় বছর অতিবাহিত করেছিলাম যখন জুনদাহ ইবনে আবি উমাইয়াহ আমাদের দায়িত্বে (গভর্নর) ছিলেন। তিনি দাঁড়িয়ে আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন এবং বললেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তির নিকট গেলাম এবং তাঁর নিকট প্রবেশ করলাম। অতঃপর আমরা বললাম, আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট থেকে যা শুনেছেন তা আমাদের নিকট বর্ণনা করুন এবং মানুষের নিকট থেকে যা শুনেছেন তা আমাদের নিকট বর্ণনা করবেন না। আমরা তাঁর নিকট এই বিষয়ে পীড়াপীড়ি করলাম। তখন তিনি বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে বললেন: আমি তোমাদেরকে মাসীহ (দাজ্জাল) সম্পর্কে সতর্ক করছি; তার একটি চোখ মোছা বা অন্ধ। বর্ণনাকারী বলেন, আমার ধারণা তিনি বলেছিলেন—বাম চোখ। তার সাথে রুটির পাহাড় এবং পানির নহরসমূহ থাকবে। তার চিহ্ন হলো সে জমিনে চল্লিশ দিন অবস্থান করবে। তার আধিপত্য প্রতিটি পানির ঘাটে পৌঁছাবে, তবে সে চারটি মসজিদে প্রবেশ করতে পারবে না: কাবা, রাসূলের মসজিদ, মাসজিদুল আকসা এবং তূর পর্বত। এমতাবস্থায় যা-ই ঘটুক না কেন, তোমরা জেনে রেখো যে, আল্লাহ মহা পরাক্রমশালী ও মহান, তিনি একচক্ষু বিশিষ্ট নন।

ইবনে আউন বলেন, আমার ধারণা তিনি এ-ও বলেছিলেন যে, তাকে (দাজ্জালকে) একজন ব্যক্তির ওপর আধিপত্য দেওয়া হবে, যাকে সে হত্যা করবে এবং অতঃপর পুনরায় জীবিত করবে, তবে সে আর অন্য কারো ওপর এমন আধিপত্য পাবে না। ইমাম আহমাদ এভাবেই এটি বর্ণনা করেছেন। এছাড়া তিনি এটি মুহাম্মদ ইবনে জাফর থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে, তিনি আমাশ থেকে; এবং আবদুর রাজ্জাক থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে, তিনি মনসুর ও আমাশ উভয় থেকে, তাঁরা মুজাহিদ থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٦٤)
-‌‌ بَابُ مُقَامِ الْمُسْلِمِينَ بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ وَقْتَ خُرُوجِ الدَّجَّالِ وَحِصَارِهِ لَهُمْ بِهَا

-

37 - أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ بَرَكَاتُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ طَاهرٍ الْقُرَشِيُّ الْخَشْوَعِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِدِمَشْقَ قِيلَ لَهُ أَخْبَرَكُمْ عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ حَمْزَةَ السَّلَمِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنْتَ تَسْمَعُ أَنْبَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْكِتَّانِيُّ الْحَافِظُ أنبا أَبُو الْقَاسِمِ تَمَّامُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرٍ الرَّازِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ فِي دَارِهِ بِدِمَشْقَ أنبا أَبُو الْحَسَنِ خَيْثَمَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ حَيْدَرَةَ الْأَطْرَابُلْسِيُّ إِمْلَاءً فِي رَبِيعٍ الآخِرِ مِنْ سَنَةِ أَرْبَعِينَ وَثَلَاثِ مِئَةٍ ثَنَا أَبُو عُتْبَةَ أَحْمَدُ بْنُ الْفَرَجِ الْحِجَازِيُّ بِحِمْصَ ثَنَا ضَمْرَةُ بْنُ ربيعَة ثَنَا السيباني عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْحَضْرَمِيِّ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ قَالَ

خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَكَانَ أَكْثَرُ خُطْبَتِهِ مَا يُحَدِّثُنَا عَنِ الدَّجَّالِ وَيُحَذِّرُنَاهُ فَكَانَ مِنْ قَوْلِهِ يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّهَا لَمْ تَكُنْ فِتْنَةٌ عَلَى وَجْهِ الْأَرْضِ أَعْظَمَ مِنْ فِتْنَةِ الدَّجَّالِ إِنَّ اللَّهَ عز وجل لَمْ يَبْعَثْ نَبِيًّا إِلَّا حَذَّرَ أُمَّتَهُ الدَّجَّالَ وَأَنَا آخِرُ الْأَنْبِيَاءِ وَأَنْتُمْ آخِرُ الْأُمَمِ وَهُوَ خَارِجٌ فِيكُمْ لَا مَحَالَةَ فَإِنْ يَخْرُجُ فِيكُمْ وَأَنَا فِيكُمْ فَأَنَا حَجِيجُ كُلِّ مُسْلِمٍ وَإِنْ يخرج بعدِي فَكل امريء حَجِيجُ نَفْسِهِ وَاللَّهُ خَلِيفَتِي عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ إِنَّهُ يَخْرُجُ مِنْ خَلَّةٍ بَيْنَ الشَّامِ وَالْعِرَاقِ فَيَعِيثُ يَمِينًا وَيَعِيثُ شِمَالًا يَا عِبَادَ الله اثبتوا فَإِنَّهُ يبتديء فَيَقُولُ أَنَا نَبِيٌّ وَلَا نَبِيَّ بعدِي ثمَّ يبتديء فَيَقُولُ أَنَا رَبُّكُمْ وَلَنْ تَرَوْا رَبَّكُمْ حَتَّى تَمُوتُوا وَإِنَّهُ أَعْوَر وَإِنَّ رَبَّكُمْ
-‌‌দাজ্জালের আত্মপ্রকাশের সময় এবং সেখানে তাদের ওপর তার অবরোধ চলাকালীন বায়তুল মাকদিসে মুসলিমদের অবস্থানের পরিচ্ছেদ

-

৩৭ - আবু তাহির বারাকাত ইবনে ইব্রাহিম ইবনে তাহির আল-কুরাশি আল-খাশুয়ি দামেস্কে আমাদের নিকট পাঠ করে শুনিয়েছেন এবং আমি তা শুনছিলাম; তাঁকে বলা হলো: আব্দুল কারিম ইবনে হামজাহ আস-সালামি আপনার নিকট পাঠ করে শুনিয়েছেন এবং আপনি তা শুনছিলেন যে, আবু মুহাম্মাদ আব্দুল আজিজ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-কিত্তানি আল-হাফিজ আমাদের অবহিত করেছেন, আবু আল-কাসিম তাম্মাম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর আর-রাজি দামেস্কে তাঁর নিজ গৃহে আমাদের নিকট পাঠ করে শুনিয়েছেন যে, আবুল হাসান খায়সামাহ ইবনে সুলাইমান ইবনে হাইদারাহ আল-আত্রাবুলুসি তিনশ চল্লিশ হিজরীর রবিউস সানি মাসে শ্রুতলিখন করিয়েছেন যে, আবু উতবাহ আহমাদ ইবনে আল-ফারাজ আল-হিজাজি হিমস শহরে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, দামরাহ ইবনে রাবিয়াহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আস-সায়বানি আমাদের নিকট আমর ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাদরামি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু উমামাহ আল-বাহিলি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ প্রদান করলেন। তাঁর ভাষণের অধিকাংশ জুড়েই ছিল দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা এবং তিনি আমাদের এ ব্যাপারে সতর্ক করছিলেন। তাঁর ভাষণের মধ্যে ছিল: "হে লোকসকল! পৃথিবীর বুকে দাজ্জালের ফিতনার চেয়ে বড় কোনো ফিতনা কখনও ছিল না। আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা এমন কোনো নবী প্রেরণ করেননি যিনি তাঁর উম্মতকে দাজ্জাল সম্পর্কে সতর্ক করেননি। আর আমি শেষ নবী এবং তোমরা শেষ উম্মত। সে তোমাদের মধ্যেই আত্মপ্রকাশ করবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। যদি সে আমার উপস্থিতিতে আত্মপ্রকাশ করে, তবে আমিই প্রত্যেক মুসলিমের পক্ষ থেকে তার মোকাবিলাকারী। আর যদি সে আমার পরে আত্মপ্রকাশ করে, তবে প্রত্যেক ব্যক্তিই নিজের পক্ষে তার মোকাবিলাকারী হবে। আর আল্লাহ প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আমার পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক। সে সিরিয়া ও ইরাকের মধ্যবর্তী এক জনপদ থেকে আত্মপ্রকাশ করবে। সে ডানে ও বামে ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে। হে আল্লাহর বান্দারা! তোমরা অটল থেকো। কারণ সে (নিজের দাবি) শুরু করবে এবং বলবে: আমি একজন নবী, অথচ আমার পরে আর কোনো নবী নেই। এরপর সে পুনরায় শুরু করবে এবং বলবে: আমি তোমাদের রব। অথচ তোমরা তোমাদের রবকে মৃত্যুবরণ করার আগে দেখতে পাবে না। আর সে তো একচোখা, অথচ তোমাদের রব...
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٦٥)
لَيْسَ بِأَعْوَرَ وَإِنَّهُ مَكْتُوبٌ بَيْنَ عَيْنَيْهِ كَافِرٌ يَقْرَأُهُ كُلُّ مُؤْمِنٍ فَمَنْ لَقِيَهُ مِنْكُمْ فَلْيَتْفُلْ فِي وَجْهِهِ وَإِنَّ مِنْ فِتْنَتِهِ أَنَّ مَعَهُ جَنَّةً وَنَارًا فَنَارُهُ جَنَّةٌ وَجَنَّتُهُ نَارٌ فَمَنِ ابْتُلِيَ بِنَارِهِ فَلْيَقْرَأْ فَوَاتِحَ سُورَةِ الْكَهْفِ وَيَسْتَغِيثُ بِاللَّهِ عز وجل تَكُنْ عَلَيْهِ بَرْدًا وَسَلَامًا كَمَا كَانَتْ عَلَى إِبْرَاهِيمَ صلى الله عليه وسلم وَذَكَرَ الْحَدِيثَ وَفِيهِ

তিনি টেরা বা একচক্ষুহীন নন। আর নিশ্চয়ই তার দুই চোখের মাঝখানে ‘কাফির’ লেখা থাকবে, যা প্রত্যেক মুমিন ব্যক্তি পড়তে পারবে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তার মুখোমুখি হবে, সে যেন তার চেহারায় থুতু নিক্ষেপ করে। আর তার ফিতনার অন্তর্ভুক্ত হলো এই যে, তার সাথে জান্নাত ও জাহান্নাম থাকবে; তবে তার জাহান্নাম হলো জান্নাত এবং তার জান্নাত হলো জাহান্নাম। অতএব যাকে তার আগুনের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হবে, সে যেন সূরা আল-কাহাফের শুরুর আয়াতগুলো পাঠ করে এবং মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে। তবে তা তার জন্য শীতল ও শান্তিদায়ক হয়ে যাবে, যেমনটি ইব্রাহীম (আলাইহিস সালাম)-এর ওপর হয়েছিল। তিনি হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তাতে রয়েছে—

(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٦٦)
فَقَالَتْ أَمُّ شَرِيكٍ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَأَيْنَ الْمُسْلِمُونَ قَالَ بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ يَخْرُجُ حَتَّى يُحَاصِرَهُمْ وَإِمُامُ الْمُسْلِمِينَ يَوْمَئِذٍ رَجُلٌ صَالِحٌ فَيُقَالُ لَهُ صَلِّ الصُّبْحَ فَإِذَا كَبَّرَ وَدَخَلَ فِي الصَّلَاة نَزَلَ عِيسَى بْنَ مَرْيَمَ صلى الله عليه وسلم فَإِذَا رَآهُ ذَلِكَ الرَّجُلُ عَرَفَهُ فَيَرْجِعُ يَمْشِي الْقَهْقَرَى لِيَتَقَدَّمَ عِيسَى صلى الله عليه وسلم فَيَضَعُ يَدَهُ بَيْنَ كَتِفَيْه ثُمَّ يَقُولُ صَلِّ فَإِنَّمَا أُقِيمَتِ الصَّلَاة لَك فَيصَلي عِيسَى صلى الله عليه وسلم وَرَاءَهُ فَيَقُولُ افْتَحُوا الْبَابَ فَيَفْتَحُوهُ وَمَعَ الدَّجَّالِ يَوْمَئِذٍ سَبْعُونَ أَلْفَ يَهُودِيٍّ كَلُّهُمْ ذُو سَاجٍ وَسَيْفٍ مُحَلى فَإِذَا نَظَرَ إِلَى عِيسَى صلى الله عليه وسلم ذَابَ كَمَا يَذُوبُ الرَّصَاصُ فِي النَّارِ وَكَمَا يَذُوبُ الْمِلْحُ فِي الْمَاءِ ثُمَّ يَخْرُجُ هَارِبًا فَيَقَُول عِيسَى صلى الله عليه وسلم أَنَّ لِي فِيكَ ضَرْبَةً لَنْ تَفَوِّتَنِي بِهَا فَيُدْرِكُهُ عِنْدَ بَابِ لُدٍّ الشَّرْقِيِّ فَيَقْتُلُهُ فَلَا يُبْقِي شَيْءٌ مِمَّا خَلَقَ اللَّهُ عز وجل شَيْئًا يَتَوَارَى بِهِ يَهُودِيُّ إِلَّا أَنْطَقَ اللَّهُ ذَلِكَ الشَّيءَ لَا شَجَرَةٌ وَلَا حَجَرٌ وَلَا دَابَّةٌ إِلَّا قَالَ يَا عَبْدَ اللَّهِ الْمُسْلِمَ هُنَا يَهُودِيٌّ فَاقْتُلْهُ إِلَّا الْغَرْقَدَةَ فَإِنَّهَا مِنْ شَجَرِهِمْ لَا تَنْطِقُ قَالَ وَيَكُونُ عِيسَى فِي أُمَّتِي حَكَمًا عَدْلًا وَإِمَامًا مُقْسِطًا فَيَقْتُلُ الْخِنْزِيرَ وَيَدُقُّ الصَّلِيبَ وَيَضَعُ الْجِزْيَة وَلَا يَسْعَى عَلَى شَاةٍ وَلَا بَعِيرٍ وَتُرْفَعُ الشَّحْنَاءُ وَالْبَغْضَاءُ وَالتَّبَاغُضُ وَتُنْزَعُ حُمَّةُ كُلِّ ذِي دَابَّةٍ حَتَّى تَلْقَى الْوَلِيدَةُ الْأَسَدَ فَلَا يَضُرُّهَا وَيَكُونُ الذِّئْبُ فِي الْغَنَمِ كَأَنَّهُ كَلْبُهَا وَتُمْلَأُ الْأَرْضُ مِنَ الْإِسْلَامِ وَيُسْلَبُ الْكُفَّارُ
তখন উম্মু শারিক বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সেদিন মুসলমানরা কোথায় থাকবে? তিনি বললেন, বায়তুল মাকদিসে। সে (দাজ্জাল) বের হবে এবং তাদের অবরুদ্ধ করে ফেলবে। সেদিন মুসলমানদের ইমাম হবেন একজন নেককার ব্যক্তি। তাকে বলা হবে, ফজরের সালাত পড়ান। যখন তিনি তাকবীর দেবেন এবং সালাতে প্রবেশ করবেন, তখন ঈসা ইবনে মারিয়াম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অবতীর্ণ হবেন। যখন সেই ব্যক্তি তাঁকে দেখবেন, তিনি তাঁকে চিনে ফেলবেন। তখন তিনি পেছনে সরে আসতে থাকবেন যাতে ঈসা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সামনে এগিয়ে যান। তখন ঈসা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর হাত সেই ব্যক্তির দুই কাঁধের মাঝখানে রাখবেন এবং বলবেন, আপনিই সালাত পড়ান, কারণ আপনার জন্যই ইকামাত দেওয়া হয়েছে। অতঃপর ঈসা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর পেছনে সালাত আদায় করবেন। এরপর তিনি বলবেন, দরজাটি খুলে দাও। তারা সেটি খুলে দেবে। সেদিন দাজ্জালের সাথে সত্তর হাজার ইহুদি থাকবে, যাদের প্রত্যেকের পরনে থাকবে তায়ালাসান চাদর এবং সুসজ্জিত তলোয়ার। যখন সে ঈসা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দিকে তাকাবে, তখন সে গলতে শুরু করবে যেমন সীসা আগুনে গলে যায় এবং লবণ পানিতে গলে যায়। এরপর সে পালিয়ে যেতে শুরু করবে। তখন ঈসা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলবেন, তোমার জন্য আমার কাছে এমন এক আঘাত রয়েছে যা থেকে তুমি কোনোভাবেই রেহাই পাবে না। অতঃপর তিনি তাকে পূর্ব লুদ দরজার নিকট ধরে ফেলবেন এবং তাকে হত্যা করবেন। তখন মহান আল্লাহ যা কিছু সৃষ্টি করেছেন তার কোনো কিছুই কোনো ইহুদিকে লুকিয়ে থাকতে দেবে না, বরং আল্লাহ সেই বস্তুকে বাকশক্তি দান করবেন। কোনো গাছ, পাথর বা চতুষ্পদ জন্তু এমন থাকবে না যা বলবে না যে, হে আল্লাহর মুসলিম বান্দা! এই তো এখানে একজন ইহুদি, একে হত্যা করো। তবে গারকাদ গাছ ছাড়া, কারণ সেটি তাদের বৃক্ষ, তাই সে কথা বলবে না। তিনি বলেন, ঈসা আমার উম্মতের মাঝে একজন ন্যায়পরায়ণ বিচারক এবং ইনসাফকারী নেতা হিসেবে থাকবেন। তিনি শূকর নিধন করবেন, ক্রুশ ভেঙে ফেলবেন এবং জিজিয়া রহিত করবেন। তখন জাকাত সংগ্রহের জন্য গবাদি পশুর পেছনে কোনো ছোটাছুটি করা হবে না। মানুষের মধ্য থেকে পারস্পরিক বিদ্বেষ, শত্রুতা ও ঘৃণা দূর হয়ে যাবে। এমনকি সকল বিষধর প্রাণীর বিষ হরণ করা হবে, ফলে ছোট শিশু সিংহের সাথে খেলা করলেও তা তার কোনো ক্ষতি করবে না। নেকড়ে বাঘ ভেড়ার পালের সাথে এমনভাবে থাকবে যেন সেটি তাদের পাহারাদার কুকুর। পৃথিবী ইসলামে পরিপূর্ণ হয়ে যাবে এবং কাফিরদের থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হবে।
(খণ্ড: ১) ফাযাইলু বাইতিল মাকদিস - আদ-দিয়াউল মাকদিসী (পৃষ্ঠা: ٦٧)
مُلْكَهُمْ فَلَا يَكُونُ مُلْكٌ إِلَّا الْإِسْلَام وَتَكُونُ الْأَرْضُ كَفَاثُورِ الْفِضَّةِ تُنْبِتُ نَبَاتَهَا كَمَا كَانَتْ عَلَى عَهْدِ آدم صلى الله عليه وسلم يَجْتَمِعُ النَّفَرُ عَلَى الْقُطْفِ فَيُشْبِعُهُمْ وَيَجْتَمِعُ النَّفَرُ عَلَى الرُّمَّانَةِ وَيَكُونُ الثَّوْرُ بِكَذَا وَكَذَا مِنَ الْمَالِ وَيَكوُنُ الْفَرَسُ بِالدُّرَيْهِمَاتِ

رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ عَنْ عِيسَى بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ ضَمْرَةَ بِإِسْنَادِهِ نَحْوَهِ وَرَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمّدٍ الْمُحَارِبِيِّ عَنْ أَبِي رَافِعٍ إِسْمَاعِيلَ بْنِ رَافِعٍ عَنْ أَبِي زُرْعَةَ يَحْيَى بْنِ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ وَأَسْقَطَ مِنْ إَسْنَادِهِ عَمْرَو بْنَ عَبْدِ اللَّهِ

 

-‌‌ بَابٌ فِي السُّكْنَى بِبَيْتِ الْمَقْدِسِ وَذِكْرُ فَتْحِهَا

-

38 - أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ سِبْطُ حُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَنْدَهْ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِأَصْبَهَانَ قُلْتُ لَهُ أَخْبَرَتْكُمْ فَاطِمَةُ بِنْتُ عَبْدِ اللَّهِ قِرَاءَةً
তাদের রাজত্ব। সুতরাং ইসলাম ছাড়া আর কোনো রাজত্ব থাকবে না এবং জমিন রূপার তস্তার মতো হয়ে যাবে। এটি এমনভাবে উদ্ভিদ উৎপন্ন করবে যেমনটি আদম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর যুগে ছিল। একদল লোক একটি আঙ্গুরের থোকার ওপর একত্রিত হবে এবং তা তাদের পরিতৃপ্ত করবে। একদল লোক একটি ডালিমের ওপর একত্রিত হবে। তখন একটি ষাঁড়ের দাম হবে এত এত পরিমাণ অর্থ এবং একটি ঘোড়া পাওয়া যাবে মাত্র কয়েক দিরহামে।

আবু দাউদ এটি ঈসা ইবনে মুহাম্মাদ থেকে, তিনি দামরাহ থেকে তার সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাজাহ এটি আলী ইবনে মুহাম্মাদ থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ আল-মুহারিবি থেকে, তিনি আবু রাফে ইসমাঈল ইবনে রাফে থেকে, তিনি আবু জুরআহ ইয়াহইয়া ইবনে আবি আমর আশ-শায়বানি থেকে, তিনি আবু উমামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তার সনদ থেকে আমর ইবনে আব্দুল্লাহকে বাদ দিয়েছেন।

 

-‌‌ বাইতুল মাকদিসে বসবাস এবং তার বিজয়ের আলোচনা সংক্রান্ত পরিচ্ছেদ

-

৩৮ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ, যিনি হুসাইন ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মানদাহ-এর দৌহিত্র। আমি ইসফাহানে তাকে পাঠ করে শোনানোর সময় তাকে বললাম: ফাতিমা বিনতু আব্দুল্লাহ কি আপনাদের নিকট পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন?