(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: -)
الأربعون في الحث على الجهاد القسم: كتب السنة
الكتاب: الأربعون في الحث على الجهاد
المؤلف: ثقة الدين، أبو القاسم علي بن الحسن بن هبة الله المعروف بابن عساكر (ت 571هـ)
الناشر: دار الخلفاء للكتاب الإسلامي - الكويت
عدد الصفحات: 117
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
জিহাদে উদ্বুদ্ধকরণে চল্লিশ হাদিস বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
বই: জিহাদে উদ্বুদ্ধকরণে চল্লিশ হাদিস
লেখক: সিকাতুদ্দীন, আবুল কাসিম আলি ইবনুল হাসান ইবনে হিবাতুল্লাহ, যিনি ইবনে আসাকির নামে পরিচিত (মৃ. ৫৭১ হি.)
প্রকাশক: দারুল খুলাফা লিল কিতাবিল ইসলামি - কুয়েত
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১১৭
[বইটির নম্বরবিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ صَلَّى اللَّهُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَآلِهِ وَسَلَّمَ
الْحَمْدُ للَّهِ رَافِعِ السَّبْعِ الشِّدَادِ وَبَاسِطِ الأَرْضِ تَحْتَهَا كَالْمِهَادِ وَمُثَبِّتِهَا بِرَاسِيَاتِ الْجِبَالِ وَالأَطْوَادِ وَجَاعِلِهَا لَهَا كَيْ لَا يَمْتَد كالاوتاد المنزه عَن اتخاد الصَّاحِبَةِ وَالأَوْلادِ الْمُتَعَالِي عَنْ الاسْتِنْجَادِ بِالشُّرَكَاءِ وَالأَنْدَادِ أَحْمَدُهُ عَلَى نِعَمِهِ الَّتِي لَا تُحْصَى بِالتِّعْدَادِ وَأُؤْمِنُ بِهِ إِيمَانَ مَنْ وَحَّدَهُ عَنِ الأَضْدَادِ واشهد ان لَا آله الاهو مُبْدِعُ الْحَيَوَانِ وَالْجَمَادِ شَهَادَةً أَجْعَلُهَا ذُخْرًا لِيَوْمِ الْمَعَادِ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ الْهَادِي إِلَى الرَّشَادِ وَالْفَاتِحُ سَبِيلَ الْحَقِّ بَعْدَ الانْقِفَالِ والانسداد وَالْمُخْتَار من العترة الطَّاهِر وَالسَّادَةِ الأَمْجَادِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَعَلَى آلِهِ وَأَصْحَابِهِ صَلاةً دَائِمَةً إِلَى يَوْمِ التَّنَادِ
أَمَّا بَعْدُ
فَإِنَّ الْمَلِكَ الْعَادِلَ الزَّاهِدَ الْمُجَاهِدَ الْمُرَابِطَ وَفَّقَهُ اللَّهُ لِلسَّدَادِ وَأَعَانَهُ عَلَى الْقِيَامِ بِمَصَالِحِ الْعباد وأمده من فَضله بِصَالح الإمداد وأعز
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আল্লাহ আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গের ওপর সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সপ্ত সুদৃঢ় আকাশকে উচ্চে স্থাপন করেছেন, জমিনকে এর নিচে শয্যার ন্যায় বিছিয়েছেন এবং বিশাল ও সুদৃঢ় পাহাড়সমূহের মাধ্যমে একে স্থির করেছেন। তিনি পাহাড়গুলোকে পেরেকের মতো স্থাপন করেছেন যাতে এটি নড়াচড়া না করে। তিনি স্ত্রী ও সন্তান গ্রহণ থেকে পবিত্র; তিনি শরিক ও সমকক্ষদের সাহায্য প্রার্থনা করা থেকে ঊর্ধ্বে। আমি তাঁর ঐসকল নিআমতের জন্য তাঁর প্রশংসা করছি যা গণনা করে শেষ করা যায় না এবং তাঁর প্রতি এমন ঈমান পোষণ করছি যেমন সেই ব্যক্তি করে যে তাঁকে সকল প্রতিপক্ষ থেকে মুক্ত করে একত্ববাদ ঘোষণা করে। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই, তিনি প্রাণী ও জড় জগতের অভিনব স্রষ্টা। এটি এমন এক সাক্ষ্য যা আমি পরকালের পাথেয় হিসেবে সঞ্চয় করছি। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা ও রাসূল, যিনি সঠিক পথের দিশারী এবং রুদ্ধ ও অবরুদ্ধ হওয়ার পর সত্যের পথ উন্মুক্তকারী। তিনি পবিত্র বংশ ও মহিমান্বিত নেতৃবৃন্দের মধ্য থেকে মনোনীত। আল্লাহ তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার ও সাহাবীগণের ওপর কিয়ামত দিবস পর্যন্ত নিরন্তর সালাত বর্ষণ করুন।
অতঃপর,
নিশ্চয়ই ন্যায়পরায়ণ, দুনিয়াবিমুখ, মুজাহিদ ও সীমান্ত পাহারাদার বাদশাহ—আল্লাহ তাঁকে সঠিক পথে চলার তাওফিক দান করুন, বান্দাদের কল্যাণে কাজ করার শক্তি দান করুন, তাঁর অনুগ্রহে তাঁকে উত্তম সাহায্য প্রদান করুন এবং সম্মানিত করুন...
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
نَصْرَهُ بِجُنْدِهِ وَشَدَّ أَزْرَهُ بِالأَمْدَادِ أُحِبُّ أَنْ أَجْمَعَ لَهُ أَرْبَعِينَ حَدِيثًا فِي الْجِهَادِ تَكُونُ وَاضِحَةَ الْمَتْنِ مُتَّصِلَةَ الإِسْنَادِ تَحْرِيضًا لِلْمُجَاهِدِينَ الأَجْلادِ وَأُولِي الْهِمَمِ الْعَالِيَةِ وَالسَّوَاعِدِ الشِّدَادِ وَذَوِي الْمُرْهَفَاتِ الْمَاضِيَةِ وَالأَسِنَّةِ الْحِدَادِ لِيَكُونَ لَهُمْ تَحْضِيضًا عَلَى الصِّدْقِ عِنْدَ اللِّقَاءِ وَالْجِلادِ وَتَحْرِيضًا عَلَى قَلْعِ ذَوِي الْكُفْرِ وَالْعِنَادِ الَّذِينَ سَعَوْا بِكُفْرِهِمْ فِي الْبِلادِ وَأَكْثَرُوا فِيهَا مِنَ الْبَغْيِ وَالْفَسَادِ صَبَّ عَلَيْهِمْ رَبُّنَا سَوْطَ عَذَابٍ إِنَّهُ لَبِالْمِرْصَادِ فَسَارَعْتُ إِلَى امْتِثَالِ مَا الْتُمِسَ مِنَ الْمُرَادِ وَجَمَعْتُ لَهُ مَا يَرْتَضِيهِ أَهْلُ الْمِعْرِفَةِ وَالانْتِقَادِ وَاجْتَهَدْتُ فِي جَمْعِهَا غَايَةَ الاجْتِهَادِ رَجَاءَ أَنْ يَحْصُلَ لِي أَجْرُ التَّبْصِيرِ وَالإِرْشَادِ وَاللَّهُ الْمُوَفِّقُ لِلصَّوَابِ فِي الإِصْدَارِ وَالإِيرَادِ وَالْمُسَدِّدُ فِي الأَقْوَالِ فِي الإِسْهَابِ وَالاقْتِصَادِ
أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الأَدِيبُ بِأَصْبَهَانَ أَنا أَبُو الْقَاسِمِ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَنْصُورٍ أَنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّد بن ابراهيم بن الْمقري انا ابو
...তাঁর সাহায্য তাঁর বাহিনীর মাধ্যমে এবং তাঁর শক্তি বৃদ্ধি করেছেন সাহায্য-সহযোগিতার মাধ্যমে। আমি তাঁর জন্য জিহাদ বিষয়ক এমন চল্লিশটি হাদিস সংকলন করতে পছন্দ করেছি যার মূল পাঠ হবে স্পষ্ট এবং যার সনদ হবে অবিচ্ছিন্ন। এটি হবে ধৈর্যশীল মুজাহিদদের জন্য, সুউচ্চ হিম্মত ও শক্তিশালী বাহু বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য এবং ধারালো তলোয়ার ও তীক্ষ্ণ বর্শার অধিকারীদের জন্য এক বিশেষ উৎসাহ প্রদানকারী। যাতে করে এটি তাদের জন্য যুদ্ধের ময়দানে ও সংঘাতের সময় সত্যনিষ্ঠ থাকার প্রেরণা যোগায় এবং সেই কুফর ও হঠকারিতা অবলম্বনকারীদের সমূলে উৎপাটন করতে প্ররোচিত করে, যারা জনপদে তাদের কুফরি দ্বারা বিচরণ করেছে এবং সেখানে সীমালঙ্ঘন ও ফাসাদ বৃদ্ধি করেছে। আমাদের রব তাদের উপর শাস্তির চাবুক বর্ষণ করেছেন; নিশ্চয়ই তিনি সতর্ক পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। তাই যা চাওয়া হয়েছে তা বাস্তবায়নে আমি দ্রুত অগ্রসর হলাম এবং তাঁর জন্য এমন কিছু সংকলন করলাম যা বিজ্ঞ ও সূক্ষ্মদর্শী আলেমগণ পছন্দ করবেন। এই সংকলনে আমি সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা ব্যয় করেছি, এই আশায় যে আমি যেন সঠিক পথের দিশা ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার সওয়াব অর্জন করতে পারি। আল্লাহই হলেন প্রতিটি কাজ শুরু ও শেষ করার ক্ষেত্রে সঠিক পথের তাওফীকদাতা এবং সংক্ষিপ্ত বা বিস্তারিত—সব ধরনের কথার ক্ষেত্রে সঠিক দিকনির্দেশনা দানকারী।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আব্দুল মালিক আল-আদীব আসবাহানে, তিনি বলেন— আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ইবরাহীম ইবনে মানসুর, তিনি বলেন— আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে ইবরাহীম ইবনুল মুকরি, তিনি বলেন— আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু...
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৪৯)
يعلى احمد بن عَلِيٍّ ثَنَا عَمْرُو بْنُ حُصَيْنٍ عَنِ ابْنِ عُلاثَةَ عَنْ خَصِيفٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
مَنْ حَفِظَ عَلَى أُمَتِّي أَرْبَعِينَ حَدِيثًا فِيمَا يَنْفَعُهُمْ مِنْ أَمْرِ دِينِهِمْ بُعِثَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنَ الْعُلَمَاءِ وَفَضْلُ الْعَالِمِ عَلَى العابد سبعين دَرَجَةً اللَّهُ أَعْلَمُ بِمَا بَيْنَ كُلِّ دَرَجَتَيْنِ
ইয়ালা আহমদ বিন আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমর বিন হুসাইন, তিনি ইবনুল উলাসা থেকে, তিনি খাসিফ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
“যে ব্যক্তি আমার উম্মতের উপকারের লক্ষ্যে তাদের দ্বীনি বিষয়ে চল্লিশটি হাদিস মুখস্থ রাখবে, কিয়ামতের দিন তাকে আলেমদের অন্তর্ভুক্ত করে পুনরুত্থিত করা হবে। আর একজন আবেদের ওপর একজন আলেমের মর্যাদা সত্তর স্তর বেশি। প্রতিটি দুই স্তরের মধ্যবর্তী ব্যবধান সম্পর্কে আল্লাহই সর্বাধিক পরিজ্ঞাত।”
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৫০)
الْحَدِيثُ الأَوَّلُأَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عُمَرَ بْنِ السَّمَرْقَنْدِيِّ بِبَغْدَادَ أَنا ابو الْحسن أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النَّقُّورِ ثَنَا عِيسَى بْنُ عَلِيِّ بْنِ عِيسَى إِمْلاءً ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ ثَنَا مَنْصُورُ بْنُ
প্রথম হাদিসবাগদাদে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ইসমাইল ইবনে আহমাদ ইবনে উমর ইবনে আস-সামারকান্দি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আন-নাক্কুর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন ঈসা ইবনে আলী ইবনে ঈসা, তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ আল-বাগাওয়ী, তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন মনসুর ইবনে
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৫১)
أَبِي مُزَاحِمٍ ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنِ ابْنِ الْمُسَيِّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ
سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَيُّ الإِيمَانِ أَفْضَلُ قَالَ إِيمَانٌ بِاللَّهِ عز وجل فَسُئِلَ ثُمَّ مَاذَا قَالَ ثُمَّ الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عز وجل قِيلَ ثُمَّ مَاذَا قَالَ حَجٌّ مَبْرُورٌ
رَوَاهُ مُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ عَنْ مَنْصُورٍ
আবু মুযাহিম আমাদের নিকট ইবরাহীম ইবন সা’দ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি যুহরী থেকে, তিনি ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হলো, কোন ঈমান সবচেয়ে উত্তম? তিনি বললেন, মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর প্রতি ঈমান। পুনরায় জিজ্ঞাসা করা হলো, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, অতঃপর আল্লাহর পথে জিহাদ করা। পুনরায় জিজ্ঞাসা করা হলো, তারপর কোনটি? তিনি বললেন, হজ্জে মাবরুর।
ইমাম মুসলিম তাঁর সহীহ গ্রন্থে মানসূর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৫২)
الْحَدِيثُ الثَّانِيأَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الشَّيْبَانِيُّ قَالَ
أَنا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ التَّمِيمِيُّ أَنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ الْقَطِيعِيُّ
দ্বিতীয় হাদিসআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আশ-শাইবানি, তিনি বলেছেন:
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলি আল-হাসান বিন আলি বিন মুহাম্মদ আত-তামিমি, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন জাফর বিন হামদান আল-কাতীয়ি।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৫৩)
ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ حَنْبَلٍ حَدَّثَنِي أَبِي ثَنَا سُفْيَانُ ثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي مُرَاوِحٍ عَنْ أَبِي ذَرٍّ قَالَ
قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ الْعَمَلِ أَفْضَلُ قَالَ إِيمَانٌ بِاللَّهِ وَجِهَادٌ فِي سَبِيلِهِ
قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَأَيُّ الرِّقَابِ أَفْضَلُ قَالَ أَنْفَسُهَا عِنْدَ أَهْلِهَا وَأَغْلاهَا ثَمَنًا قَالَ فَإِنْ لَمْ أَجِدْ قَالَ تعْيين ضَائِعًا أَوْ تَصْنَعُ لأَخْرَقَ قَالَ فَإِنْ لَمْ أَسْتَطِعْ قَالَ تَكُفُّ أَذَاكَ عَنِ النَّاسِ فَإِنَّهَا صَدَقَة تصدق بهَا نَفسك
عبدুল্লাহ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাম্বল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, সুফিয়ান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, হিশাম ইবনে উরওয়াহ তাঁর পিতা থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু মুরাউয়িহ থেকে, তিনি আবু যার (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:
আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! কোন আমলটি সর্বোত্তম? তিনি বললেন: আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা এবং তাঁর পথে জিহাদ করা।
আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! কোন প্রকারের দাস মুক্ত করা সর্বোত্তম? তিনি বললেন: যা তার মালিকের নিকট অধিক মূল্যবান এবং যার মূল্য সবচেয়ে বেশি। তিনি বললেন, যদি আমি তা করতে না পারি? তিনি বললেন: তুমি কোনো অসহায়কে সাহায্য করবে অথবা কোনো অদক্ষ ব্যক্তির কাজ করে দেবে। তিনি বললেন, যদি আমি তাও না পারি? তিনি বললেন: তুমি মানুষের ক্ষতি করা থেকে নিজেকে বিরত রাখবে, কারণ এটি তোমার নিজের জন্য তোমার পক্ষ থেকে একটি সদকা।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৫৪)
مُتَّفَقٌ عَلَى صِحَّتِهِ رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مُوسَى عَنْ هِشَامٍ وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ عَنْ أَبِي الرَّبِيعِ وَخَلَفِ بْنِ هِشَامٍ عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ عَنْ هِشَامٍ وَكَذَا قَالَ فِي الْحَدِيثِ صَانِعًا بِالصَّادِ
الْحَدِيثُ الثَّالِثُأَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي الأَنْصَارِيُّ بِبَغْدَاد
এর বিশুদ্ধতার ওপর ঐকমত্য হয়েছে। ইমাম বুখারী এটি উবায়দুল্লাহ ইবন মুসা থেকে, তিনি হিশাম থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি আবু রাবি ও খালাফ ইবন হিশাম থেকে, তাঁরা হাম্মাদ ইবন যায়িদ থেকে এবং তিনি হিশাম থেকে বর্ণনা করেছেন। একইভাবে তিনি হাদিসে ‘সানি‘আন’ শব্দটি ‘সাদ’ বর্ণযোগে ব্যক্ত করেছেন।
তৃতীয় হাদিসআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ ইবন আব্দুল বাকী আল-আনসারী বাগদাদে।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
أَنا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَوْهَرِيُّ أَنا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُظَفَّرِ الْحَافِظُ أَنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ الْحَارِثِ ثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ ثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُسْلِمٍ الْقَسْمَلِيُّ ثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ الْهَمْدَانِيُّ عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ الأَعْمَالِ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ عز وجل قَالَ أَنْ تُصَلِّيَ الصَّلَوَاتِ لِمَوَاقِيتِهَا قُلْتُ ثُمَّ أَيٌّ قَالَ بِرُّ الْوَالِدَيْنِ قُلْتُ ثُمَّ أَيٌّ قَالَ الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَلَوِ اسْتَزَدْتُهُ لَزَادَنِي
আমি আবু মুহাম্মদ আল-হাসান ইবনে আলী আল-জাওহারী থেকে সংবাদ প্রাপ্ত হয়েছি, তিনি বলেন, আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবনুল মুজাফফর আল-হাফিয আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান ইবনুল হারিস আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, শাইবান ইবনে ফাররুখ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আব্দুল আজিজ ইবনে মুসলিম আল-কাসমালী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু ইসহাক আল-হামদানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবি আল-আহওয়াস থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কাছে কোন আমল সবচেয়ে বেশি প্রিয়? তিনি বললেন: "সময়মতো সালাতসমূহ আদায় করা।" আমি বললাম, এরপর কোনটি? তিনি বললেন: "পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণ।" আমি বললাম, এরপর কোনটি? তিনি বললেন: "আল্লাহর পথে জিহাদ করা।" আমি যদি তাঁর কাছে আরও জানতে চাইতাম, তবে তিনি আমাকে আরও বলতেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
اخرجه البُخَارِيّ وَمُسلم فِي صَحِيحهمَا مِنْ حَدِيثِ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ عَنِ ابْنِ مَسْعُود
الْحَدِيثُ الرَّابِعُأَخْبَرَنَا أَبُو الْمُظَفَّرِ عَبْدُ الْمُنْعِمِ بن الأُسْتَاذِ الإِمَامِ أَبِي الْقَاسِمِ عَبْدِ
ইমাম বুখারি এবং মুসলিম তাঁদের সহিহদ্বয়ে আবু আমর আশ-শাইবানি থেকে, তিনি ইবনে মাসউদ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
চতুর্থ হাদিসআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মুজাফফর আব্দুল মুনয়িম ইবনুল উস্তাজ আল-ইমাম আবিল কাসিম আব্দুল
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
الْكَرِيمِ بْنِ هَوَازِنَ أَنا أَبِي أَنا أَبُو نعيم عبد الْملك بن الْحسن الاسفرائيني أَنا أَبُو عَوَانَةَ يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ الْحَافِظُ ثَنَا ابو بكر مُحَمَّد ابْن عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَشْعَثِ الدِّمَشْقِيُّ وَمُوسَى بْنُ سَعيِدٍ الدَّنْدَانِيُّ وَأَبُو حَاتِمٍ الرَّازِيُّ وَأَبُو إِسْمَاعِيلَ التِّرْمِذِيّ قَالُوا ثَنَا ابو تَوْبَة الرّبيع ابْن نَافِعٍ ثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ سَلامٍ عَنْ أَخِيهِ زَيْدِ بْنِ سَلامٍ أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا سَلامٍ حَدَّثَنَا النُّعْمَانُ بْنُ بَشِيرٍ قَالَ كُنْتُ عِنْدَ مِنْبَر رَسُول
আল-কারীম বিন হওয়াযিন; আমাকে আমার পিতা সংবাদ দিয়েছেন; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আব্দুল মালিক বিন আল-হাসান আল-ইসফারায়িনী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আওয়ানা ইয়াকুব বিন ইসহাক আল-হাফিয; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আল-আশআস আদ-দিমাশকী, মূসা বিন সাঈদ আদ-দান্দানী, আবু হাতিম আর-রাযী এবং আবু ইসমাঈল আত-তিরমিযী; তাঁরা বললেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু তাওবা আর-রাবী ইবনে নাফে; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুয়াবিয়া বিন সাল্লাম তাঁর ভাই যায়দ বিন সাল্লাম থেকে যে, তিনি আবু সাল্লামকে বলতে শুনেছেন; আমাদের নিকট নুমান বিন বশীর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলের মিম্বারের নিকট ছিলাম...
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
الله صلى الله عليه وسلم يَوْم الْجُمُعَة فَقَالَ رَجُلٌ مَا أُبَالِي أَنْ لَا أَعْمَلَ عَمَلا بَعْدَ الإِسْلامِ إِلا أَنْ أَسْقِيَ الْحَاجَّ وَقَالَ الآخَرُ لَا أُبَالِي أَنْ لَا أَعْمَلَ عَمَلا بَعْدَ الإِسْلامِ إِلا أَنْ أُعَمِّرَ الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ وَقَالَ الآخَرُ الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عز وجل أَفْضَلُ مِمَّا قُلْتُمْ فَزَجَرَهُمْ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَقَالَ لَا تَرْفَعُوا أَصْوَاتَكُمْ عِنْدَ مِنْبَرِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يَوْمُ الْجُمُعَةِ وَلَكِنْ إِذَا صَلَّيْتُ الْجُمُعَةَ دخلت فاستفتيه فِيمَا اخْتَلَفْتُمْ فِيهِ فَأَنْزَلَ اللَّهُ عز وجل {أَجَعَلْتُمْ سِقَايَةَ الْحَاجِّ وَعِمَارَةَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ كَمَنْ آمَنَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ وَجَاهَدَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ لَا يَسْتَوُونَ عِنْدَ اللَّهِ وَاللَّهُ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ} التَّوْبَة 19
رَوَاهُ مُسْلِمٌ فِي صَحِيحِهِ عَنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيِّ عَنْ ابي تَوْبَة
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট জুমার দিন এক ব্যক্তি বলল, "ইসলাম গ্রহণের পর হাজীদের পানি পান করানো ব্যতীত অন্য কোনো আমল না করলে আমি পরোয়া করি না।" অন্যজন বলল, "ইসলাম গ্রহণের পর মসজিদুল হারাম আবাদ করা ব্যতীত অন্য কোনো আমল না করলে আমি পরোয়া করি না।" অপরজন বলল, "মহান আল্লাহর পথে জিহাদ করা তোমরা যা বলেছ তার চেয়ে উত্তম।" তখন উমর ইবনুল খাত্তাব তাদের ধমক দিলেন এবং বললেন, "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মিম্বরের নিকট তোমরা উচ্চস্বরে কথা বলো না, বিশেষ করে আজ জুমার দিন। তবে আমি যখন জুমার সালাত শেষ করব, তখন ভেতরে প্রবেশ করে তোমরা যে বিষয়ে মতভেদ করছ সে সম্পর্কে তাঁর কাছে জিজ্ঞাসা করব।" অতঃপর মহান আল্লাহ এই আয়াত নাযিল করলেন: {তোমরা কি হাজীদের পানি পান করানো এবং মসজিদুল হারাম আবাদ করাকে সেই ব্যক্তির সমতুল্য গণ্য করেছ, যে আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান এনেছে এবং আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে? তারা আল্লাহর নিকট সমান নয়। আর আল্লাহ যালিম সম্প্রদায়কে পথ প্রদর্শন করেন না।} (সূরা আত-তাওবাহ: ১৯)।
এটি ইমাম মুসলিম তাঁর সহিহ গ্রন্থে হাসান ইবনে আলী আল-হুলওয়ানি হতে, তিনি আবু তাওবাহ সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
الْحَدِيثُ الْخَامِسُأَخْبَرَنَا أَبُو غَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْبَنَّا بِبَغْدَادَ أَنا ابو الْحسن مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الآبَنُوسِيِّ ثَنَا ابو اسحاق ابراهيم ابْن مُحَمَّدِ بْنِ الْفَتْحِ الْجِلِّيُّ الْمِصِّيصِيُّ ثَنَا أَبُو يُوسُفَ مُحَمَّدُ بْنُ سُفْيَانَ بْنِ مُوسَى الصَّفَّارُ الْمِصِّيصِيُّ ثَنَا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ رَحْمَةَ بْنِ نُعَيْمٍ الأَصْبَحِيُّ الْمِصِّيصِيُّ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الْمُبَارَكِ يَقُولُ
পঞ্চম হাদীসআমাদেরকে বাগদাদে আবু গালিব আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনু আহমাদ ইবনুল বান্না সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদেরকে আবুল হাসান মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনুল আবানুসী সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবু ইসহাক ইবরাহীম ইবনু মুহাম্মাদ ইবনুল ফাতহ আল-জিলী আল-মিসসীসী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবু ইউসুফ মুহাম্মাদ ইবনু সুফইয়ান ইবনু মূসা আস-সাফফার আল-মিসসীসী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবু উসমান সাঈদ ইবনু রাহমাহ ইবনু নুআইম আল-আসবাহী আল-মিসসীসী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারককে বলতে শুনেছি:
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৬০)
أَنا الأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ حَدَّثَنِي هِلالُ بْنُ أَبِي مَيْمُونَةَ أَنَّ عَطَاءَ بْنَ يَسَارٍ حَدَّثَهُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ سَلامٍ حَدَّثَهُ أَوْ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلامٍ قَالَ
تَذَاكَرْنَا بَيْنَنَا فَقُلْنَا أَيُّكُمْ يَأْتِي رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَسْأَلُهُ أَيُّ الأَعْمَالِ أَحَبُّ إِلَى اللَّهِ عز وجل قَالَ فَهِبْنَا أَنْ يَقُومَ مِنَّا أَحَدٌ قَالَ فَأَرْسَلَ إِلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلا رَجُلا حَتَّى جَمَعَنَا فَجَعَلَ يُشِيرُ بَعْضُنَا إِلَى بَعْضٍ فَقَرَأَ عَلَيْنَا {سَبَّحَ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَات وَمَا فِي الأَرْض وَهُوَ الْعَزِيز الْحَكِيم يَا أَيهَا الَّذِينَ آمَنُوا لِمَ تَقُولُونَ مَا لَا تَفْعَلُونَ} مِنْ أَوَّلِهَا إِلَى آخِرِهَا فَتَلاهَا عَلَيْنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلامٍ مِنْ أَوَّلِهَا إِلَى آخِرِهَا قَالَ هِلالٌ فَتَلاهَا عَلَيْنَا عَطَاءُ بْنُ يَسَارٍ مِنْ أَوَّلِهَا إِلَى آخِرِهَا قَالَ يَحْيَى فَتَلاهَا عَلَيْنَا هِلالٌ مِنْ أَوَّلِهَا إِلَى آخِرِهَا قَالَ الأَوْزَاعِيُّ فَتَلاهَا عَلَيْنَا يَحْيَى مِنْ أَوَّلِهَا إِلَى اخرها
আমি আওযায়ী, আমার নিকট ইয়াহইয়া ইবনে আবি কাসীর বর্ণনা করেছেন, আমার নিকট হিলাল ইবনে আবি মায়মুনা বর্ণনা করেছেন যে, আতা ইবনে ইয়াসার তাঁকে বর্ণনা করেছেন যে, আবদুল্লাহ ইবনে সালাম তাঁকে বর্ণনা করেছেন অথবা তিনি বলেছেন, আমার নিকট আবু সালামাহ ইবনে আবদুর রহমান আবদুল্লাহ ইবনে সালাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন:
আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছিলাম এবং বললাম যে, তোমাদের মধ্যে কে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা করবে যে, কোন আমল মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর নিকট সর্বাধিক প্রিয়? তিনি বললেন, তখন আমাদের মধ্য হতে কেউ উঠে দাঁড়াতে ভয় পাচ্ছিলাম। তিনি বললেন, অতঃপর আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের প্রত্যেকের নিকট লোক পাঠালেন যতক্ষণ না তিনি আমাদের একত্রিত করলেন। তখন আমরা একে অপরের দিকে ইশারা করতে লাগলাম। এরপর তিনি আমাদের সামনে পাঠ করলেন: {আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করে; আর তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। হে মুমিনগণ! তোমরা যা করো না, তা কেন বলো?} - এর শুরু হতে শেষ পর্যন্ত। অতঃপর আবদুল্লাহ ইবনে সালাম তা আমাদের নিকট এর শুরু হতে শেষ পর্যন্ত তিলাওয়াত করলেন। হিলাল বললেন, অতঃপর আতা ইবনে ইয়াসার তা আমাদের নিকট এর শুরু হতে শেষ পর্যন্ত তিলাওয়াত করলেন। ইয়াহইয়া বললেন, অতঃপর হিলাল তা আমাদের নিকট এর শুরু হতে শেষ পর্যন্ত তিলাওয়াত করলেন। আওযায়ী বললেন, অতঃপর ইয়াহইয়া তা আমাদের নিকট এর শুরু হতে শেষ পর্যন্ত তিলাওয়াত করলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৬১)
الْحَدِيثُ السَّادِسُأَخْبَرَنَا أَبُو الْمُظَفَّرِ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ الْقُشْيَرِيُّ أَنا أَبُو سَعْدٍ مُحَمَّدُ بْنُ
ষষ্ঠ হাদিসআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মুজাফ্ফার বিন আবি আল-কাসেম আল-কুশাইরী, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু সাদ মুহাম্মদ বিন
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৬২)
عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَدِيبُ أَنا أَبُو عَمْرٍو مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَمْدَانَ أَنا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى ثَنَا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ ثَنَا أَبَانُ بْنُ يَزِيدَ ثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثيِرٍ أَنَّ زَيْدًا حَدَّثَهُ أَنَّ أَبَا سَلامٍ حَدَّثَهُ أَنَّ الْحَارِثَ الأَشْعَرِيَّ حَدَّثَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ
إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى أَمَرَ يَحْيَى بْنَ زَكَرِيَّا عليهما السلام بِخَمْسِ كَلِمَاتٍ يَعْمَلُ بِهِنَّ وَيَأْمُرُ بَنِي إِسْرَائِيلَ يَعْمَلُونَ بِهِنَّ وَأَنَّ عِيسَى بْنَ مَرْيَمَ عليه السلام قَالَ لَهُ إِنَّ اللَّهَ أَمَرَكَ بِخَمْسِ كَلِمَاتٍ تَعْمَلُ بِهِنَّ
আবদুর রহমান আল-আদিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু আমর মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হামদান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু ইয়ালা আহমদ বিন আলী বিন আল-মুসান্না আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, হুদবাহ বিন খালিদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবান বিন ইয়াজিদ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, ইয়াহইয়া বিন আবি কাসীর আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন যে, যাইদ তাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, আবু সালাম তাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, হারিস আল-আশআরি তাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন
নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা ইয়াহইয়া ইবনে জাকারিয়া (আলাইহিমাস সালাম)-কে পাঁচটি বিষয়ের নির্দেশ দিয়েছেন যেন তিনি সে অনুযায়ী আমল করেন এবং বনী ইসরাঈলকেও তা পালনের নির্দেশ দেন। আর ঈসা ইবনে মারিয়াম (আলাইহিস সালাম) তাকে বলেছিলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে পাঁচটি বিষয়ের নির্দেশ দিয়েছেন যাতে আপনি সে অনুযায়ী আমল করেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৩)
وَتَأْمُرُ بِهِنَّ بَنِي إِسْرَائِيلَ يَعْمَلُونَ بِهِنَّ فَإِمَّا أَنْ تَأْمُرَهُمْ وَإِمَّا أَنْ آمُرَهُمْ قَالَ إِنَّكَ إِنْ تَسْبِقْنِي بِهِنَّ خَشِيتُ أَنْ أُعَذَّبَ أَوْ يُخْسَفَ بِي قَالَ فَجَمَعَ النَّاسَ فِي بَيْتِ الْمُقَدّس حَتَّى امتلاء وَقَعَدَ النَّاسُ عَلَى الشُّرُفَاتِ قَالَ فَوَعَظَهُمْ قَالَ إِنَّ اللَّهَ أَمَرَنِي بِخَمْسِ كَلِمَاتٍ أَعْمَلُ بِهِنَّ وآمركم ان تعملوا بِهن اولهن ان تعبدو اللَّهَ وَلا تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا وَأَنَّ مَثَلَ مَنْ أَشْرَكَ بِاللَّهِ كَمَثَلِ رَجُلٍ اشْتَرَى عَبْدًا مِنْ خَالِصِ مَالِهِ بِذَهَبٍ أَوْ وَرِقٍ قَالَ هَذِهِ دَارِي وَهَذَا عَمَلِي فَاعْمَلْ وَأَدِّ إِلَيَّ فَجَعَلَ يَعْمَلُ وَيُؤَدِّي إِلَى غَيْرِ سَيِّدِهِ فَأَيُّكُمْ يَسُرُّهُ أَنْ يَكُونَ عَبْدُهُ كَذَلِكَ فَإِنَّ اللَّهَ خَلَقَكُمْ وَرَزَقَكُمْ فَلا تُشْرِكُوا بِه شَيْئًا وَآمُرُكُمْ بِالصَّلاةِ فَإِذَا صَلَّيْتُمْ فَلا تَلْتَفِتُوا وَآمُرُكُمْ بِالصِّيَامِ وَأَنَّ مَثَلَ ذَلِكَ كَمَثَلِ رَجُلٍ كَانَتْ مَعَهُ صُرَّةٌ فِيهَا مِسْكٌ وَمَعَهُ عِصَابَةٌ كُلُّهُمْ يُعْجِبُهُمْ أَنْ يَجِدَ رِيحَهَا فَإِنَّ الصَّائِمَ عِنْدَ اللَّهِ يَعْنِي أَطْيَبَ مِنْ رِيحِ الْمِسْكِ وَآمُرُكُمْ بِالصَّدَقَةِ فَإِنَّ مَثَلَ ذَلِكَ كَمَثَلِ رَجُلٍ أَسَرَهُ الْعَدُوُّ وَقَامُوا إِلَيْهِ فَأَوْثَقُوا يَدَهُ إِلَى عُنُقِهِ فَقَالَ هَلْ لَكُمْ أَنْ أَفْدِيَ نَفْسِي مِنْكُمْ قَالَ فَجَعَلَ يُعْطِيهِمُ الْقَلِيلَ وَالْكَثِيرَ لِيَفُكَّ نَفْسَهُ مِنْهُمْ وَآمُرُكُمْ بِذِكْرِ اللَّهِ كَثِيرًا وَأَنَّ مَثَلَ ذَلِكَ كَمَثَلِ رَجُلٍ طَلَبَهُ الْعَدُوُّ سِرَاعًا فِي أَثَرِهِ حَتَّى أَتَى عَلَى حِصْنٍ حَصِينٍ فَأَحْرَزَ نَفْسَهُ فِيهِ كَذَلِكَ الْعَبْدُ لَا يُحْرِزُ نَفْسَهُ مِنَ الشَّيْطَانِ إِلا بِذْكِر اللَّهِ عز وجل
وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
وَأَنَا آمركُم بِخمْس أَمرنِي الله بِهن الْجَمَاعَة والسمع وَالطَّاعَةِ وَالْهِجْرَةِ وَالْجِهَادِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عز وجل فَمَنْ فَارَقَ الْجَمَاعَةَ قِيدَ شِبْرٍ
এবং আপনি বনী ইসরাঈলকে এগুলোর আদেশ করবেন যেন তারা তা পালন করে। হয় আপনি তাদের আদেশ করুন, নতুবা আমি তাদের আদেশ করব। তিনি বললেন, নিশ্চয়ই আপনি যদি এ ব্যাপারে আমার অগ্রগামী হন তবে আমি আশঙ্কা করছি যে আমাকে শাস্তি দেওয়া হবে অথবা আমাকে জমিনে ধসিয়ে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, অতঃপর তিনি বায়তুল মাকদিসে মানুষকে সমবেত করলেন এমনকি তা পূর্ণ হয়ে গেল এবং মানুষ বারান্দায় বসে পড়ল। তিনি বলেন, অতঃপর তিনি তাদের উপদেশ দিলেন। তিনি বললেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাকে পাঁচটি বিষয়ের নির্দেশ দিয়েছেন যেন আমি সে অনুযায়ী আমল করি এবং আপনাদেরকেও আদেশ করছি যেন আপনারা সে অনুযায়ী আমল করেন। সেগুলোর প্রথমটি হলো, আপনারা আল্লাহর ইবাদত করবেন এবং তাঁর সাথে কোনো কিছুকে শরিক করবেন না। আর আল্লাহর সাথে যে শরিক করে তার উদাহরণ হলো এমন এক ব্যক্তির মতো, যে নিজের খাঁটি সম্পদ সোনা বা রুপার বিনিময়ে একজন দাস ক্রয় করল। সে বলল, এটি আমার ঘর এবং এটি আমার কাজ, সুতরাং তুমি কাজ করো এবং (পারিশ্রমিক) আমাকে প্রদান করো। কিন্তু সে কাজ করতে লাগল এবং তার মনিব ছাড়া অন্য কাউকে তা প্রদান করতে লাগল। তোমাদের মধ্যে কে এমন আছে যে তার দাসটি এমন হোক তা পছন্দ করবে? নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের রিযিক দিয়েছেন, সুতরাং তাঁর সাথে কোনো কিছুকে শরিক করো না। আর আমি তোমাদেরকে সালাতের আদেশ দিচ্ছি, সুতরাং যখন তোমরা সালাত আদায় করবে তখন এদিক-ওদিক তাকাবে না। আর আমি তোমাদেরকে সিয়াম পালনের আদেশ দিচ্ছি। এর উদাহরণ হলো এমন এক ব্যক্তির মতো যার কাছে একটি থলি আছে যাতে মিশক রয়েছে এবং তার সাথে একদল লোক আছে যাদের সবাই তার ঘ্রাণে মুগ্ধ হচ্ছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে রোজাদারের মুখের ঘ্রাণ মিশকের ঘ্রাণের চেয়েও বেশি সুগন্ধিময়। আর আমি তোমাদেরকে সদকা করার আদেশ দিচ্ছি। এর উদাহরণ হলো এমন এক ব্যক্তির মতো যাকে শত্রুপক্ষ বন্দি করেছে এবং তারা আল্লাহর সৃষ্টির হাত তার ঘাড়ের সাথে শক্ত করে বেঁধে ফেলেছে। অতঃপর সে বলল, আমি কি তোমাদের কাছ থেকে মুক্তিপণ দিয়ে নিজেকে মুক্ত করতে পারি? বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর সে তাদের অল্প ও অধিক সম্পদ দিতে লাগল যাতে সে নিজেকে তাদের থেকে মুক্ত করতে পারে। আর আমি তোমাদেরকে বেশি বেশি আল্লাহর জিকিরের আদেশ দিচ্ছি। এর উদাহরণ হলো এমন এক ব্যক্তির মতো যার পেছনে শত্রু দ্রুতবেগে তাড়া করছে, শেষ পর্যন্ত সে এক সুরক্ষিত দুর্গে এসে পৌঁছাল এবং সেখানে নিজেকে রক্ষা করল। তদ্রূপ বান্দাও শয়তান থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে না আল্লাহর জিকির ছাড়া।
আর আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
আর আমি তোমাদেরকে পাঁচটি বিষয়ের নির্দেশ দিচ্ছি যেগুলোর নির্দেশ আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন: জামাতবদ্ধ থাকা, শ্রবণ ও আনুগত্য করা, হিজরত এবং আল্লাহর পথে জিহাদ। সুতরাং যে ব্যক্তি জামাত থেকে এক বিঘত পরিমাণও বিচ্ছিন্ন হলো...
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৪)
خَلَعَ يَعْنِي رِبْقَةَ الإِسْلامِ مِنْ رَأْسِهِ إِلا أَنْ يَرْجِعَ وَمْن دَعَا بِدَعْوَى الْجَاهِلِيَّةِ فَإِنَّهُ مِنْ جُثَا جَهَنَّمَ
قِيلَ وَإِنْ صَامَ وَصَلَّى قَالَ
وَإِنْ صَامَ وَصَلَّى فَادْعُوا بِدَعْوَى اللَّهِ الَّذِي سَمَّى اللَّهُ بِهِ الْمُسْلِمِينَ الْمُؤْمِنِينَ عِبَادَ اللَّهِ
أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الْبُخَارِيِّ عَنْ مُوسَى بْنِ
তিনি তার মাথা থেকে ইসলামের বন্ধন ছিন্ন করলেন, যতক্ষণ না তিনি ফিরে আসেন; আর যে ব্যক্তি জাহিলিয়াতের আহ্বান জানাবে, সে জাহান্নামের আগুনের স্তূপের অন্তর্ভুক্ত হবে।
জিজ্ঞেস করা হলো, "যদিও সে সিয়াম পালন করে এবং সালাত আদায় করে?" তিনি বললেন,
"যদিও সে সিয়াম পালন করে এবং সালাত আদায় করে। সুতরাং তোমরা আল্লাহর দেওয়া সেই আহ্বানে ডাকো, যে নামে আল্লাহ তোমাদের নামকরণ করেছেন—মুসলিম, মুমিন ও আল্লাহর বান্দা হিসেবে।"
এটি ইমাম তিরমিযী বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ ইবন ইসমাঈল আল-বুখারী থেকে, তিনি মূসা ইবন... থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
إِسْمَاعِيلَ التَّبُوذَكِيِّ عَنْ أَبَانٍ
وَقَوْلُهُ قِيدَ شِبْرٍ أَيْ قَدْرَ شِبْرٍ
الْحَدِيثُ السَّابِعُأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ الْفَقِيهُ بِنَيْسَابُورَ أَنا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ خلف انا مُحَمَّد بن عبد الله بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْجَوْزَقِيِّ أَنا أَبُو حَامِدِ بْنُ الشَّرْقِيِّ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى ثَنَا مُحَمَّد بن
ইসমাইল আত-তাবুযাকী, আবান থেকে।
এবং তাঁর উক্তি "এক বিঘত পরিমাণ" অর্থাৎ বিঘত সমপরিমাণ।
সপ্তম হাদীসনিশাপুরে আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আল-ফাদল আল-ফকিহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আহমদ বিন মানসুর বিন খালাফ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আল-জাওযাকী; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু হামিদ বিন আশ-শারকী; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া; আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন...
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৬)
يُوسُفَ ثَنَا الأَوْزَاعِيُّ عَنِ الزُّهْرِيِّ حَدَّثَنِي عَطَاءُ بْنُ يَزِيدَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ
جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَيُّ النَّاسِ خَيْرٌ قَالَ رَجُلٌ جَاهَدَ بِنَفْسِهِ وَمَالِهِ وَرَجُلٌ فِي شِعْبٍ مِنَ الشِّعَابِ يَعْبُدُ رَبَّهُ وَيَدَعُ النَّاسَ مِنْ شَرِّهِ
رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ عَنِ الدَّارِمِيِّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ
الْحَدِيثُ الثَّامِنُأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ أَنا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ أَنا أَبُو
ইউসুফ, আওযায়ি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আয-যুহরি থেকে, আতা ইবনে ইয়াযিদ আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ থেকে, তিনি বলেন:
এক জনৈক বেদুইন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! কোন ব্যক্তি সর্বোত্তম? তিনি বললেন, সেই ব্যক্তি যে নিজের জান ও মাল দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করে এবং সেই ব্যক্তি যে পাহাড়ের কোনো এক গিরিপথে অবস্থান করে নিজের রবের ইবাদত করে এবং মানুষকে নিজের অনিষ্ট থেকে নিরাপদ রাখে।
এটি বুখারি মুহাম্মাদ ইবনে ইউসুফ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং মুসলিম আদ-দারিমি থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে ইউসুফ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
অষ্টম হাদীসআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনুল ফাযল, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে মানসুর, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু...
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الشَّيْبَانِيُّ أَنا أَبُو الْعَبَّاسِ الدَّغُولِيُّ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ثَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ ثَنَا هَمَّامٌ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جُحَادَةَ ح قَالَ وَأَخْبَرَنَا الشَّيْبَانِيُّ أَنا أَبُو حَامِدِ بْنُ الشَّرْقِيِّ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى وَعَلِيُّ بْنُ سَعِيدٍ النَّسَوِيُّ وَأَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ السُّلَمِيُّ قَالُوا ثَنَا عَفَّانُ بْنُ مُسْلِمٍ ثَنَا هَمَّامٌ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جُحَادَةَ بن أَن ابا حُصَيْن حَدثهُ ان ذاكوان أَبَا صَالِحٍ حَدَّثَهُ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ حَدَّثَهُ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ عَلِّمْنِي عَمَلا يَعْدِلُ الْجِهَادَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ قَالَ لَا أَجِدُهُ قَالَ هَلْ تَسْتَطِيعُ إِذَا خَرَجَ الْمُجَاهِدُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَنْ تَدْخُلَ مَسْجِدَكَ فَتَقُومَ لَا تَفْتُرُ وَتَصُومَ وَلا تُفْطِرُ قَالَ لَا أَسْتَطِيعُ ذَلِكَ
قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ إِنَّ فَرَسَ الْمُجَاهِدِ يَسْتَنُّ فِي طُولِهِ فَيُكْتَبُ لَهُ حَسَنَات
বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আশ-শাইবানী; আবু আব্বাস আদ-দাগুলি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাইল আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন; আফফান ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন; হাম্মাম আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন; মুহাম্মাদ ইবনে জুহাদাহ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন। (হ) এবং শাইবানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু হামিদ ইবনে শারকী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া, আলী ইবনে সাঈদ আন-নাসায়ী এবং আহমাদ ইবনে ইউসুফ আস-সুলামী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তাঁরা বলেছেন, আফফান ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; হাম্মাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; মুহাম্মাদ ইবনে জুহাদাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আবু হুসাইন তাঁকে হাদিস শুনিয়েছেন যে, যাকওয়ান আবু সালিহ তাঁকে হাদিস শুনিয়েছেন যে, আবু হুরায়রা (রা.) তাঁকে হাদিস শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বলল, “হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন একটি আমল শিখিয়ে দিন যা আল্লাহর পথে জিহাদের সমতুল্য হয়।” তিনি বললেন, “আমি এমন কোনো আমল পাচ্ছি না।” তিনি বললেন, “আল্লাহর পথে জিহাদকারী যখন জিহাদে বের হয়, তখন কি তুমি তোমার মসজিদে প্রবেশ করে অবিরাম নামাজে দাঁড়িয়ে থাকতে পারবে—যেখানে কোনো শৈথিল্য আসবে না—এবং বিরতিহীনভাবে রোজা রাখতে পারবে?” সে বলল, “আমি এটি করতে সক্ষম নই।”
আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, “নিশ্চয়ই মুজাহিদের ঘোড়া যখন তার দীর্ঘ রশিতে আবদ্ধ থেকে বিচরণ করে, তখনও তার বিনিময়ে মুজাহিদের জন্য নেকি লেখা হয়।”
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ إِسْحَاقَ عَنْ عَفَّانَ بْنِ مُسْلِمٍ
الْحَدِيثُ التَّاسِعُأَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ سَهْلِ بْنِ عُمَرَ الْفَقِيهُ أَنا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ أَنا أَبُو عَلِيٍّ زَاهِرُ بْنُ أَحْمَدَ الْفَقِيهُ انا ابراهيم ابْن عَبْدِ الصَّمَدِ الْهَاشِمِيُّ ثَنَا أَبُو مُصْعَبٍ أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الزُّهْرِيُّ ثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنِ الأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ
ইমাম বুখারী এটি ইসহাক থেকে, তিনি আফফান ইবনে মুসলিম থেকে বর্ণনা করেছেন।
নবম হাদীসআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মাদ হিবাতুল্লাহ ইবনে সাহল ইবনে উমর আল-ফকিহ, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আবু উসমান সাঈদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ, তিনি সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী জাহির ইবনে আহমদ আল-ফকিহ, তিনি সংবাদ দিয়েছেন ইবরাহিম ইবনে আব্দুস সামাদ আল-হাশেমি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আবু মুসআব আহমদ ইবনে আবু বকর আয-যুহরি, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন মালিক ইবনে আনাস, তিনি আবুয যিনাদ থেকে, তিনি আল-আ’রাজ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৯)
مَثَلُ الْمُجَاهِدِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَمَثَلِ الصَّائِمِ الْقَائِم الرائم الَّذِي لَا يَفْتُرُ صَلاةً وَلا صِيَامًا حَتَّى يَرْجِعَ
رَوَاهُ مَالِكٌ فِي الْمُوَطَّإِ
الْحَدِيثُ الْعَاشِرُأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ أَنا أَبُو الْقَاسِمِ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَنْصُورٍ أَنا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ أَنا أَبُو يَعْلَى أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ التَّمِيمِيُّ ثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ ثَنَا جَرِيرٌ عَنْ عُمَارَةَ عَنْ أَبِي زُرْعَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
تَضَمَّنَ اللَّهُ عز وجل لِمَنْ خَرَجَ فِي سَبِيلِهِ لَا يُخرجهُ إِلَّا يجهاد فِي سَبِيلِي وَإِيمَانٌ بِي وَتَصْدِيقٌ بِرَسُولِي فَهُوَ عَلَيَّ ضَامِنٌ أَنْ أُدْخِلَهُ الْجَنَّةَ أَوْ أُرْجِعَهُ إِلَى مَسْكَنِهِ الَّذِي خَرَجَ مِنْهُ نَائِلا مَا نَالَ مِنْ أَجْرٍ أَوْ غَنِيمَةٍ وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ مَا مِنْ كَلْمٍ يُكْلَمُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ إِلا
আল্লাহর পথে জিহাদকারীর উদাহরণ হলো সেই রোজা পালনকারী ও সালাতে দণ্ডায়মান একনিষ্ঠ ব্যক্তির ন্যায়, যে ফিরে না আসা পর্যন্ত সালাত ও সিয়ামে কোনো শৈথিল্য প্রদর্শন করে না।
ইমাম মালিক এটি মুওয়াত্তায় বর্ণনা করেছেন।
দশম হাদিসআবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন বিন আবদুল মালিক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম ইবরাহিম বিন মানসুর, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইয়ালা আহমদ বিন আলী আত-তামিমি, তিনি বলেন আবু খাইসামা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন জারির আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন উমারা থেকে, তিনি আবু জুরআ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা সেই ব্যক্তির জিম্মাদার হয়েছেন যে তাঁর পথে বের হয়—যাকে কেবল আমার পথে জিহাদ, আমার প্রতি ঈমান এবং আমার রাসূলের প্রতি বিশ্বাস ব্যতীত অন্য কিছু বের করেনি—সে আমার ওপর জিম্মাদারিতে রয়েছে যে, আমি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাব অথবা তাকে তার সেই আবাসে সওয়াব ও গনিমতসহ ফিরিয়ে দেব যেখান থেকে সে বের হয়েছিল। সেই সত্তার শপথ যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, আল্লাহর পথে যে কোনো জখমই হওয়া হোক না কেন তা কেবল...
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৭০)
جَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ كَهَيْئَتِهِ يَوْمَ كُلِمَ لَوْنُهُ لون الدَّم وريحه ريح الْمسك وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لَوْلا أَنْ أَشُقَّ عَلَى الْمُسْلِمِينَ مَا قَعَدْتُ خِلافَ سَرِيَّةٍ تَغْزُو فِي سَبِيل الله ابدا وَلَكِن لااجد سَعَةً وَيَشُقُّ عَلَيْهِمْ أَنْ يَتَخَلَّفُوا عَنِّي وَالَّذِي نفس مُحَمَّد بِيَدِهِ لَوَدِدْت أَنْ أَغْزُوَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَأُقْتَلَ ثُمَّ أَغْزُوَ فَأُقْتَلَ ثُمَّ أَغْزُوَ فَأُقْتَلَ
رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ حَرَمِيِّ بْنِ حَفْصٍ عَنْ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ زِيَادٍ عَنْ عُمَارَةَ بْنِ الْقَعْقَاعِ وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ عَنْ أَبِي خَيْثَمَةَ
وَالْكَلْمُ الْجَرْحُ وَجَمْعُهُ كُلُومٌ وَكِلامٌ وَقَوْلُهُ خِلافَ سَرِيَّةٍ أَيْ بَعْدَهَا
الْحَدِيثُ الْحَادِي عَشَرَأَخْبَرَنَا أَبُو الْمُظَفَّرِ عَبْدُ الْمُنْعِمِ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ الْقُشَيْرِيُّ أَنا أَبِي أَبُو الْقَاسِمِ أَنا أَبُو نُعَيْمٍ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ الْحَسَنِ أَنا أَبُو عَوَانَةَ الْحَافِظُ ثَنَا يُونُس
কিয়ামতের দিন সে ওই অবস্থায় আসবে যে অবস্থায় সে আহত হয়েছিল; তার রঙ হবে রক্তের রঙের মতো এবং তার ঘ্রাণ হবে কস্তুরীর ঘ্রাণ। সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, যদি মুসলিমদের জন্য কষ্টকর না হতো, তবে আমি আল্লাহর পথে যুদ্ধরত কোনো ক্ষুদ্র বাহিনীর পেছনে কখনো বসে থাকতাম না। কিন্তু আমি পর্যাপ্ত সামর্থ্য খুঁজে পাই না এবং আমার পেছনে রয়ে যাওয়া তাদের জন্য কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, আমি অবশ্যই আকাঙ্ক্ষা করি যে আমি আল্লাহর পথে যুদ্ধ করি ও নিহত হই, পুনরায় যুদ্ধ করি ও নিহত হই, অতঃপর পুনরায় যুদ্ধ করি ও নিহত হই।
এটি ইমাম বুখারী হারামী বিন হাফস থেকে, তিনি আব্দুল ওয়াহিদ বিন যিয়াদ থেকে, তিনি উমারাহ বিন আল-কাকা থেকে বর্ণনা করেছেন। আর ইমাম মুসলিম এটি আবু খাইসামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর ‘কালম’ শব্দের অর্থ হলো ক্ষত, এর বহুবচন হলো ‘কুলুম’ ও ‘কিলাম’। আর তাঁর বাণী ‘খিলাফা সারিয়্যাহ’ এর অর্থ হলো ‘তার পরে’।
একাদশ হাদীসআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মুজাফফর আব্দুল মুনইম বিন আব্দুল কারীম আল-কুশাইরী, তিনি বলেন: আমাকে আমার পিতা আবু আল-কাসিম সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাকে আবু নুআইম আব্দুল মালিক বিন আল-হাসান সংবাদ দিয়েছেন, হাফেয আবু আওয়ানাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইউনুস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৭১)
ابْن عَبْدِ الأَعْلَى ثَنَا ابْنُ وَهْبٍ أَخْبَرَنِي أَبُو هانىء الْخَوْلانِيُّ عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحُبُلِيِّ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ
يَا أَبَا سَعِيدٍ مَنْ رَضِيَ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِالإِسْلامِ دِينًا وَبِمُحَمَّدٍ نَبِيًّا وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةُ
قَالَ فَعَجِبَ لَهَا أَبُو سَعِيدٍ قَالَ أَعِدْهَا عَلَيَّ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَفَعَلَ ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
وَأَخْرَى يَرْفَعُ اللَّهُ بِها الْعَبْدَ مِائَةَ دَرَجَةٍ فِي الْجَنَّةِ مَا بَيْنَ كُلِّ دَرَجَتَيْنِ كَمَا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالأَرْضِ قَالَ وَمَا هِيَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ عز وجل
رَوَاهُ مُسْلِمٌ عَنْ سَعِيدِ بْنِ مَنْصُورٍ عَنِ ابْنِ وَهْبٍ
الْحَدِيثُ الثَّانِي عَشَرَأَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ الْحَافِظُ أَنا عَبْدُ
ইবন আব্দুল আলা বর্ণনা করেছেন, ইবন ওয়াহাব আমাদের বলেছেন, আবু হানি আল-খাওলানি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুর রহমান আল-হুবুলি থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
“হে আবু সাঈদ! যে ব্যক্তি আল্লাহকে প্রতিপালক হিসেবে, ইসলামকে জীবনবিধান হিসেবে এবং মুহাম্মদকে নবী হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট হলো, তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে গেল।”
তিনি (রাবী) বলেন, এতে আবু সাঈদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বিস্ময় প্রকাশ করলেন এবং বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! আমার নিকট এটি পুনরায় ব্যক্ত করুন।” তিনি তা করলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন:
“এবং অপর একটি আমল রয়েছে যার মাধ্যমে আল্লাহ জান্নাতে বান্দার মর্যাদা একশত স্তর বৃদ্ধি করে দেন, যার প্রতি দুই স্তরের মধ্যবর্তী দূরত্ব আসমান ও যমীনের মধ্যবর্তী দূরত্বের সমান।” তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “হে আল্লাহর রাসূল! সেটি কী?” তিনি বললেন, “মহামহিম আল্লাহর পথে জিহাদ।”
এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবন মানসুর থেকে, তিনি ইবন ওয়াহাব থেকে।
দ্বাদশ হাদীসআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসেম ইসমাঈল ইবন মুহাম্মদ ইবন আল-ফজল আল-হাফিজ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল...
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৭২)
الْوَهَّابِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ أَنا وَالِدِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ أَنا مُحَمَّدُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ الْحَسَنِ ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الأَزْهَرِ ثَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ ثَنَا فُلَيْحُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ هِلالِ بْنِ عَلِيٍّ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ قَالَ فُلَيْحٌ وَلا أَعْلَمُهُ إِلا قَالَ وَابْنُ أَبِي عَمْرَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
فِي الْجَنَّةِ مِائَةُ دَرَجَةٍ مَا بَيْنَ كُلِّ دَرَجَتَيْنِ كَمَا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالأَرْضِ أَعَدَّهَا اللَّهُ لِلْمُجَاهِدِينَ فِي سَبِيلِهِ فَإِذَا سَأَلْتُمُ اللَّهَ فَاسْأَلُوهُ الْفِرْدَوْسَ فَإِنَّهُ وَسَطُ الْجَنَّةِ وَأَعْلَى الْجَنَّةِ وَمِنْهُ تَفَجَّرُ أَنْهَارُ الْجَنَّةِ وَفَوْقَهُ عَرْشُ الرَّحْمَنِ عز وجل
هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ
আল-ওয়াহহাব বিন মুহাম্মাদ বিন ইসহাক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা আবু আব্দুল্লাহ, তিনি বলেন: আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আল-হুসাইন বিন আল-হাসান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আহমাদ বিন আল-আযহার, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ইউনুস বিন মুহাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন ফুলইহ বিন সুলাইমান, হিলাল বিন আলী থেকে, তিনি আতা বিন ইয়াসার থেকে বর্ণনা করেন। ফুলইহ বলেন: আর আমি কেবল এটাই জানি যে তিনি এবং ইবন আবি আমরাহ আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
জান্নাতে একশতটি স্তর রয়েছে, যার প্রতি দুই স্তরের মধ্যবর্তী ব্যবধান আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী দূরত্বের ন্যায়। আল্লাহ তাআলা তাঁর রাস্তায় জিহাদকারীদের জন্য তা প্রস্তুত রেখেছেন। সুতরাং যখন তোমরা আল্লাহর কাছে চাইবে, তখন ফেরদাউস চাইবে। কেননা তা হলো জান্নাতের মধ্যবর্তী ও সর্বোচ্চ স্তর, আর সেখান থেকেই জান্নাতের নহরসমূহ প্রবাহিত হয় এবং তার উপরে রয়েছে মহান দয়াময় আল্লাহর আরশ।
এটি একটি হাসান হাদীস।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৭৩)
الْحَدِيثُ الثَّالِثَ عَشَرَأَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بن إِسْمَاعِيل الفضيل وابو المحاسن اِسْعَدْ ابْن عَلِيِّ بْنِ الْمُوَفَّقِ وَأَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ الْحَسَنِ وَأَبُو الْوَقْتِ عَبْدُ الأَوَّلِ بْنُ عِيسَى بْنِ شُعَيْبٍ بِهَرَاةَ قَالُوا أَنا أَبُو الْحَسَنِ عَبْدُ
ত্রয়োদশ হাদিসআমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফজল মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-ফুদাইল, আবুল মাহাসিন আসআদ ইবনে আলী বিন আল-মুওয়াফফাক, আবু বকর আহমদ বিন ইয়াহইয়া বিন আল-হাসান এবং হেরাতে আবু আল-ওয়াকত আবদুল আউয়াল বিন ঈসা বিন শুয়াইব; তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান আবদু...
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৭৪)
الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُظَفَّرِ أَنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ السَّرَخْسِيِّ أَنا أَبُو عِمْرَانَ عِيسَى بْنُ عُمَرَ السَّمَرْقَنْدِيُّ أَنا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدَّارِمِيُّ أَنا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ عَنْ هِشَامٍ عَنِ الْحسن عَن عمرَان ابْن حُصَيْنٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ
مَقَامُ الرَّجُلِ فِي الصَّفِّ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَفْضَلُ مِنْ عِبَادَةِ الرَّجُلِ سِتِّينَ سنة
আবদুর রহমান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-মুজাফফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে আস-সারাকসী থেকে, তিনি আবু ইমরান ঈসা ইবনে উমর আস-সামারক্বন্দী থেকে, তিনি আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে আবদুর রহমান আদ-দারিমি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে সালিহ থেকে; আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব, হিশাম থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি ইমরান ইবনে হুসাইন থেকে যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
আল্লাহর পথে যুদ্ধের সারিতে কোনো ব্যক্তির অবস্থান করা তার ষাট বছরের ইবাদতের চেয়েও উত্তম।
(খণ্ড: ১)
আল-আরবাউনা ফিল হাসসি আলাল জিহাদ
(পৃষ্ঠা: ৭৫)
هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ
الْحَدِيثُ الرَّابِعَ عَشَرَأَخْبَرَنَا أَبُو غَالِبٍ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ الْبَنَّا أَنا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الآبَنُوسِيِّ أَنا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَتْحِ ثَنَا أَبُو يُوسُفَ مُحَمَّدُ بْنُ سُفْيَانَ بْنِ مُوسَى ثَنَا سَعِيدُ بْنُ رَحْمَةَ بْنِ نُعَيْمٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الْمُبَارَكِ عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ بَهْرَامَ عَنْ شهر بن حَوْشَب عَن عبد الله بن غنيم عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ
এটি একটি হাসান হাদিস
চতুর্দশ হাদিসআমাদের অবহিত করেছেন আবু গালিব আহমাদ ইবনুল হাসান ইবনুল বান্না, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু আল-হুসাইন মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনুল আবানুসি, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনু মুহাম্মাদ ইবনুল ফাতহ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইউসুফ মুহাম্মাদ ইবনু সুফিয়ান ইবনু মুসা, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনু রাহমাহ ইবনু নুআইম, তিনি বলেন: আমি আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারককে বলতে শুনেছি, তিনি বর্ণনা করেছেন আব্দুল হামিদ ইবনু বাহরাম থেকে, তিনি শাহর ইবনু হাওশাব থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু গুনাইম থেকে, তিনি মুয়াজ ইবনু জাবাল থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: