(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: -)
الأربعون العشارية للعراقي   (العراقي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الأربعون العشارية السامية مما وقع لشيخنا من الأخبار العالية

المؤلف: أبو الفضل زين الدين عبد الرحيم بن الحسين بن عبد الرحمن بن أبي بكر بن إبراهيم العراقي (ت 806هـ)

المحقق: بدر عبد الله البدر

الناشر: دار ابن حزم - بيروت

الطبعة: الأولى، 1413هـ1992م

عدد الصفحات: 235

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আল-আরবাউন আল-উশারিয়্যাহ লিল ইরাকি   (আল-ইরাকি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আল-আরবাউন আল-উশারিয়্যাহ আস-সামিয়্যাহ মিম্মা ওয়াকাআ লি-শাইখিনা মিনাল আখবারিল আলিয়্যাহ

লেখক: আবু আল-ফজল যাইন উদ্দিন আবদুর রহিম বিন আল-হুসাইন বিন আবদুর রহমান বিন আবি বকর বিন ইবরাহিম আল-ইরাকি (মৃত্যু ৮০৬ হিজরি)

তাহকিক: বদর আব্দুল্লাহ আল-বদর

প্রকাশনী: দার ইবনে হাজম - বৈরুত

সংস্করণ: প্রথম، ১৪১৩ হিজরি-১৯৯২ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৩৫

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٢٢)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

الْحَمد لله الَّذِي فضل سيدنَا مُحَمَّدًا على جَمِيع انبيائه وَرُسُله وأرسله بِالْهدى وَدين الْحق لِيظْهرهُ على الدَّين كُله قبلغ مَا أَمر بِهِ حَتَّى مضى لسبيله وَنقل الى رفيع مَحَله وَأمر بتبليغ مَا بلغه الى من لم يبلغهُ ليدوم اتِّصَال نَقله فَبلغ عَنهُ جهابدة النقلَة وَقَامُوا بأعباء حمله ونصحوا الله وَرَسُوله فِي نشر ذَلِك حَتَّى انْتَشَر فَلَا يعْذر الْجَاهِل على جَهله فَكَانَ اتِّصَال هَذِه الشَّرِيعَة المطهرة بالاسانيد مِمَّا خص الله بِهِ هَذِه الامة بفضله وَلَقَد كَانَت مجَالِس الحَدِيث غامرة بأَهْله حَتَّى وسد الامر الى غير أَهله فَانْقَطَعت مجَالِس الاملاء لتقاعد الهمم عَنْهَا ورغبة الطالبين عَن عقد ذَلِك وحله وَقد روينَا أَنه كَانَ يحضر مجْلِس ابي مُسلم الْكَجِّي بِالْبَصْرَةِ للإملاء أَرْبَعُونَ ألف محبرة خَارِجا عَمَّن يحضر مِمَّن لَيْسَ الاستملاء من شغله وَقد كنت اسف على ذَلِك أَن لَو وجدت رَاغِبًا فِي قبُول بذله فَلَمَّا كنت بِالْمَدِينَةِ الشَّرِيفَة رغب الي جمَاعَة من أهل الْعلم الواردين اليها
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

সকল প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের নেতা মুহাম্মদকে তাঁর সকল নবী ও রাসূলগণের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন এবং তাঁকে হিদায়াত ও সত্য দীনসহ প্রেরণ করেছেন যাতে তিনি একে সকল ধর্মের ওপর বিজয়ী করেন। অতঃপর তিনি যা আদিষ্ট হয়েছিলেন তা পৌঁছে দিয়েছেন, অবশেষে তিনি তাঁর রবের পথে পাড়ি দিয়েছেন এবং উচ্চতর স্থানে স্থানান্তরিত হয়েছেন। আর তিনি তাঁর নিকট যা পৌঁছেছে তা তাদের নিকট পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন যাদের কাছে তা পৌঁছায়নি, যাতে এই বর্ণনার ধারাবাহিকতা সর্বদা বিদ্যমান থাকে। অতঃপর তাঁর পক্ষ থেকে দক্ষ বর্ণনাকারীগণ তা পৌঁছে দিয়েছেন এবং এই আমানত বহনের গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁরা তা প্রচারের ক্ষেত্রে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি একনিষ্ঠ ছিলেন, যতক্ষণ না এটি সুদূরপ্রসারী হয়েছে; ফলে কোনো অজ্ঞ ব্যক্তি তার অজ্ঞতার কারণে ওজর পেশ করার সুযোগ পাবে না। এই পবিত্র শরীয়তের ধারা সনদের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকা এমন এক বৈশিষ্ট্য, যা আল্লাহ তাঁর বিশেষ অনুগ্রহে এই উম্মতকে দান করেছেন। একদা হাদীসের মজলিসসমূহ এর যোগ্য ব্যক্তিদের দ্বারা কানায় কানায় পূর্ণ ছিল, যতক্ষণ না এই কাজের ভার অযোগ্যদের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। ফলে মানুষের উৎসাহ-উদ্দীপনা কমে যাওয়ায় এবং শিক্ষার্থীদের এ শাস্ত্রের গ্রন্থি উন্মোচন ও তা অনুধাবনের প্রতি বিমুখতার কারণে 'ইমলা' বা শ্রুতিলিখনের মজলিসসমূহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। আমরা বর্ণনা পেয়েছি যে, বসরার আবু মুসলিম আল-কাজ্জীর ইমলা মজলিসে শ্রুতিলিখনের জন্য চল্লিশ হাজার দোয়াত উপস্থিত হতো, তারা ব্যতীত যারা কেবল শ্রবণের জন্য উপস্থিত হতো এবং শ্রুতিলিখন যাদের কাজ ছিল না। আমি এ বিষয়ের ওপর আক্ষেপ করতাম যে, যদি আমি এর প্রসারে কোনো আগ্রহী ব্যক্তি পেতাম! অতঃপর আমি যখন পবিত্র মদীনায় অবস্থান করছিলাম, তখন সেখানে আগত একদল আলিম আমার নিকট (এ বিষয়ে) আগ্রহ প্রকাশ করলেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٢٣)
فِي ذَلِك ليقتفي المملي وَالْمُسْتَمْلِي سنة من مضى من قبله وَرَغبُوا أَن يكون ذَلِك من الاحاديث الْعَالِيَة الاسناد الْمُتَّصِلَة بنقله فاستخرت الله تَعَالَى فِي املاء اربعين حَدِيثا عشارية الاسناد فَهِيَ اعلى مَا يَقع الْيَوْم للشيوخ مَعَ ثِقَة رجال الاسناد وَوَصله فأوردت فِيهَا الاحاديث الصِّحَاح والحسان وَرُبمَا اوردت الْغَرِيب إِذا كَانَ رَاوِيه غير مَعْرُوف بتعمد الْكَذِب وَفعله وَلَا شكّ أَن روايه من هُوَ مَسْتُور أَو مَجْهُول اولى مِمَّن علم جرحه مُفَسرًا عِنْد أَهله

واجتنبت ايراد رِوَايَة من عرف بِالْكَذِبِ كَأبي هُدْبَةَ وَمُوسَى الطَّوِيلُ وَدِينَارٌ الْحَبَشِيُّ ويغنم بن سَالم والاشج وَهَؤُلَاء الضَّرْب الَّذين لَا يفرح بعواليهم الا من غلبت عَلَيْهِ غباوة جَهله
এক্ষেত্রে শ্রুতলিখনকারী এবং শ্রবণকারী যেন তাদের পূর্ববর্তীদের রীতির অনুসরণ করতে পারে এবং তারা আকাঙ্ক্ষা করেছেন যেন তা উচ্চমানের সনদ বিশিষ্ট ও নিরবচ্ছিন্নভাবে বর্ণিত হাদিসসমূহের অন্তর্ভুক্ত হয়। তাই আমি দশজন রাবী বিশিষ্ট সনদের চল্লিশটি হাদিস শ্রুতলিখনের জন্য মহান আল্লাহর কাছে ইস্তিখারা করেছি; নির্ভরযোগ্য রাবী এবং নিরবচ্ছিন্ন সনদের পাশাপাশি বর্তমান সময়ের শায়খদের জন্য এটিই সর্বোচ্চ পর্যায়ের সনদ। আমি এতে সহিহ ও হাসান হাদিসসমূহ উল্লেখ করেছি; কখনও কখনও ‘গারিব’ হাদিসও এনেছি যদি তার বর্ণনাকারী ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যাচারের জন্য পরিচিত না হন। আর এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, যার অবস্থা অপ্রকাশিত কিংবা অজ্ঞাত, তার বর্ণনা ঐ ব্যক্তি অপেক্ষা অগ্রগণ্য যার ব্যাপারে এই শাস্ত্রের পণ্ডিতদের নিকট সুনির্দিষ্টভাবে দোষারোপ প্রমাণিত হয়েছে।

আমি ঐ সকল ব্যক্তিদের বর্ণনা পরিহার করেছি যারা মিথ্যাচারের জন্য পরিচিত, যেমন: আবু হুদবাহ, মুসা আত-তবিল, দিনার আল-হাবাশি, ইয়াগনাম বিন সালেম এবং আল-আশাজ্জ। তারা ঐ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত যাদের উচ্চমানের সনদ নিয়ে কেবল সেই ব্যক্তিই আনন্দিত হয় যার ওপর অজ্ঞতার মূর্খতা জয়ী হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٢٤)
فَأَما علو الاسناد مَعَ نظافة السَّنَد فَلَا خَفَاء بشرف مَحَله وَقد روينَا عَن الامام احْمَد بن حَنْبَل قَالَ طلب علو الاسناد من الدَّين

وروينا عَنهُ ايضا أَنه قَالَ طلب الاسناد العالي سنة عَمَّن سلف

روينَا عَن يحيى بن معِين قَالَ الاسناد العالي قربَة الى الله عز وجل وَرَسُوله صلى الله عليه وسلم

وروينا عَن الامام مُحَمَّد بن اسْلَمْ الطوسي قَالَ قرب الاسناد قرب الى الله عز وجل

وَرَأَيْت ان اقدم قبل الاربعين املاء الحَدِيث المسلسل بالاولية وَإِن لم يكن عشاريا ليحصل التسلسل لمن ابْتَدَأَ السماع من الصّبيان والغرباء وَالله اسْأَل أَن يحفظني من الزلل فِي القَوْل وَالْعَمَل إِنَّه الْمُسْتَعَان وَعَلِيهِ المتكل

حَدثنَا أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ بن عنان بن مُوسَى بن اسماعيل بن عبد الله بن مكي الْبكْرِيّ الْمَيْدُومِيُّ سَمَاعا من لَفظه وَهُوَ أول حَدِيث سمعته من لَفظه قَالَ حَدثنِي أَبُو الْفَرَجِ عبدُ اللَّطِيفِ بْنِ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ نصر الْحَرَّانِي وَهُوَ أول حَدِيث سمعته من لَفظه قَالَ اُخْبُرْنَا الْحَافِظ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَليّ بن الْجَوْزِيّ وَهُوَ أول حَدِيث سمعته مِنْهُ قَالَ أخبرنَا الامام ابو سعد
সনদের পরিচ্ছন্নতার সাথে উচ্চতর সনদ (উলুউ আল-ইসনাদ) লাভের মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান অস্পষ্ট নয়। ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন: "উচ্চতর সনদ অন্বেষণ করা দ্বীনের অংশ।"

তাঁর থেকে আরও বর্ণিত হয়েছে যে তিনি বলেন: "উচ্চতর সনদ অন্বেষণ করা পূর্ববর্তীদের একটি সুন্নত।"

ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "উচ্চতর সনদ মহান আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নৈকট্য লাভের মাধ্যম।"

ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে আসলাম আত-তুসি থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন: "সনদের নিকটবর্তী হওয়া মানে মহান আল্লাহর নিকটবর্তী হওয়া।"

আমি সংগত মনে করলাম যে, চল্লিশটি হাদীস বর্ণনার পূর্বে 'আল-হাদীস আল-মুসালসাল বিল-আওয়ালিয়্যাহ' (প্রাথমিকতার ক্রমানুসারী হাদীস) প্রদান করব, যদিও তা 'উশারি' (দশ স্তরের সনদবিশিষ্ট) নয়। যাতে শিশু এবং নবাগতদের মধ্যে যারা প্রথমবার শ্রবণ করা শুরু করেছে, তাদের ক্ষেত্রেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাকে কথা ও কাজে বিচ্যুতি থেকে রক্ষা করেন। নিশ্চয়ই তিনি সাহায্যকারী এবং তাঁর ওপরই ভরসা রাখা হয়।

আবু আল-ফাতহ মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আবিল কাসিম ইবনে ইনান ইবনে মুসা ইবনে ইসমাইল ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মাক্কি আল-বাকরি আল-মাইদুমি সরাসরি নিজ মুখে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন—আর এটিই তাঁর মুখ থেকে শোনা প্রথম হাদীস—তিনি বলেন: আবু আল-ফারাজ আব্দুল লতিফ ইবনে আব্দুল মুনইম ইবনে আলী ইবনে নাসর আল-হাররানি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন—আর এটিই তাঁর মুখ থেকে শোনা প্রথম হাদীস—তিনি বলেন: হাফেজ আবু আল-ফারাজ আব্দুর রহমান ইবনে আলী ইবনুল জাওজি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন—আর এটিই তাঁর থেকে শোনা প্রথম হাদীস—তিনি বলেন: ইমাম আবু সাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٢٥)
اسماعيل بن ابي صَالح احْمَد بن عبد الْملك النَّيْسَابُورِي وَهُوَ أول حَدِيث سمعته مِنْهُ قَالَ أخبرنَا وَالِدي الامام ابو صَالح احْمَد بن عبد الْملك الْمُؤَذّن وَهُوَ اول حَدِيث سمعته مِنْهُ قَالَ حَدثنَا الاستاذ ابو طاهرمحمد ابْن مُحَمَّد بن محمش الزيَادي وَهُوَ أول حَدِيث سمعته مِنْهُ قَالَ حَدثنَا ابو حَامِد احْمَد بن مُحَمَّد بن يحيى بن بِلَال الْبَزَّاز وَهُوَ أول حَدِيث سمعته مِنْهُ قَالَ حَدثنَا عبد الرَّحْمَن بن بشر بن الحكم وَهُوَ أول حَدِيث سمعته مِنْهُ قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ وَهُوَ أول حَدِيث سمعته مِنْهُ عَن عَمْرو بن دِينَار عَن ابي قَابُوس مولى عبد الله بن عَمْرو بن العَاصِي عَن عبد الله بن عَمْرو رضي الله عنهما أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ الراحمون يرحمهم الرَّحْمَن تبارك وتعالى ارحموا من فِي الارض يَرْحَمكُمْ من فِي السَّمَاء هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُد وَالتِّرْمِذِيّ من غير تسلسل فَرَوَاهُ ابو دَاوُد عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شيبَة ومسدد وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يحيى ابْن ابي عمر الْعَدنِي ثَلَاثَتهمْ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ فَوَقَعَ لنا بَدَلا لَهما عَالِيا قَالَ التِّرْمِذِيُّ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيح

ইসমাইল বিন আবি সালিহ আহমদ বিন আব্দুল মালিক আন-নাইসাবুরি—এটি তাঁর থেকে আমার শোনা প্রথম হাদিস—তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা ইমাম আবু সালিহ আহমদ বিন আব্দুল মালিক আল-মুয়াযযিন—এটি তাঁর থেকে আমার শোনা প্রথম হাদিস—তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উস্তায আবু তাহির মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ বিন মাহমাশ আয-যিয়াদি—এটি তাঁর থেকে আমার শোনা প্রথম হাদিস—তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু হামিদ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন বিলাল আল-বাযযার—এটি তাঁর থেকে আমার শোনা প্রথম হাদিস—তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুর রহমান বিন বিশর বিন আল-হাকাম—এটি তাঁর থেকে আমার শোনা প্রথম হাদিস—তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান বিন উয়াইনা—এটি তাঁর থেকে আমার শোনা প্রথম হাদিস—আমর বিন দিনার থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর ইবনুল আসের মুক্তদাস আবু ক্বাবুস থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "দয়াশীলদের ওপর পরম দয়াময় বরকতময় ও সুউচ্চ আল্লাহ দয়া করেন। তোমরা জমিনে যারা আছে তাদের প্রতি দয়া করো, তবে যিনি আসমানে আছেন তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।" এটি একটি সহিহ হাদিস। ইমাম আবু দাউদ এবং তিরমিযী এটি ধারাবাহিকতা (তাসালসুল) ব্যতীত বর্ণনা করেছেন। আবু দাউদ এটি আবু বকর বিন আবি শায়বা ও মুসাদ্দাদ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তিরমিযী এটি মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া ইবনে আবি উমর আল-আদানি থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা তিনজনেই সুফিয়ান বিন উয়াইনা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট তাঁদের উভয়ের উচ্চস্তরের স্থলাভিষিক্ত বর্ণনা হিসেবে পৌঁছেছে। ইমাম তিরমিযী বলেছেন: এই হাদিসটি হাসান সহিহ।

(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٢٧)
الْجُزْء الاول

من العشاريات بِسم الله الرَّحْمَن الرَّحِيم وَبِه التَّوْفِيق

‌‌الحَدِيث الْأَوَّلُ

 

أَخْبَرَنِي أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهيمَ الْمَيْدُومِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ عَوْدًا عَلَى بَدْءٍ قَالَ أخبرنَا ابو الْفرج عَن اللَّطِيفِ بْنِ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ نَصْرِ بْنِ مَنْصُورِ بْنِ الصيقلِ الْحَرَّانِيُّ وَشَيْخُنَا آخِرُ مَنْ حَدَّثَ عَنْهُ بِالسَّمَاعِ عَلَى وَجْهِ الْأَرْضِ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الْمُنْعِمِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ سَعْدِ بْنِ كُلَيْبٍ وَهُوَ آخِرُ مَنْ حَدَّثَ عَنْهُ بِالسَّمَاعِ ح

وَأَخْبَرَنِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْخَبَّازِ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِدِمَشْقَ فِي الرِّحْلَةِ الْأُولَى قَالَ أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الدَّائِمِ بْنِ نِعْمَةَ الْمَقْدِسِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا حَاضِرٌ وَإِجَازَةً لِمَا يَرْوِيهِ وَهُوَ آخِرُ مَنْ بَقِيَ مِمَّنْ حَضَرَ عِنْدَهُ قَالَ أَخْبَرَنَا ابْنُ كُلَيْبٍ وَهُوَ آخِرُ مَنْ حَدَّثَ عَنْهُ بِدِمَشْقَ بِالسَّمَاعِ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَيَانٍ وَهُوَ آخِرُ مَنْ حَدَّثَ عَنْهُ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَخْلَدٍ وَهُوَ آخِرُ مَنْ حَدَّثَ عَنْهُ قَالَ أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ بن اسماعيل الصفار وَهُوَ آخِرُ مَنْ حَدَّثَ عَنْهُ قَالَ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ بْنِ يَزِيدَ الْعَبْدِيُّ وَهُوَ آخِرُ مَنْ حَدَّثَ عَنْهُ قَالَ حَدَّثَنَا عَمَّارُ بْنُ مُحَمَّدٍ وَهُوَ آخِرُ من حدث عَنهُ عَن الصَّلْت بن قويد الْحَنَفِيّ وَهُوَ آخِرُ مَنْ حَدَّثَ عَنْهُ قَالَ سَمِعت أَبَا هُرَيْرَة
প্রথম অংশ

উশারিয়াত (দশক) থেকে। পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি এবং তাঁর সাহায্যেই তাওফিক অর্জিত হয়।

‌‌প্রথম হাদিস

 

আমাকে আবু আল-ফাতহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-মাইদুমি সংবাদ দিয়েছেন, আমি তাঁর নিকট পুনরায় পাঠ করেছি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ, আব্দুল লতিফ বিন আব্দুল মুনিম বিন আলি বিন নাসর বিন মনসুর বিন আস-সাইকাল আল-হাররানি থেকে। আর আমাদের শাইখ হচ্ছেন ভূপৃষ্ঠে সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করা সর্বশেষ ব্যক্তি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফারাজ আব্দুল মুনিম বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন সাদ বিন কুলাইব, এবং তিনি হচ্ছেন সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করা সর্বশেষ ব্যক্তি। হ

এবং আমাকে আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন ইব্রাহিম বিন আল-খাব্বাজ সংবাদ দিয়েছেন, দামেস্কে আমার প্রথম সফরের সময় তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আব্দুল দায়িম বিন নিমাহ আল-মাকদিসি, তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে যখন আমি উপস্থিত ছিলাম এবং তিনি যা বর্ণনা করেন তার ইজাজাত (অনুমতি) হিসেবে; আর তাঁর নিকট উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই সর্বশেষ অবশিষ্ট ব্যক্তি ছিলেন। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইবনে কুলাইব, এবং তিনি দামেস্কে সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করা সর্বশেষ ব্যক্তি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আলি বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন বায়ান, এবং তিনি তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করা সর্বশেষ ব্যক্তি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন মাখলাদ, এবং তিনি তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করা সর্বশেষ ব্যক্তি। তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আস-সাফফার, এবং তিনি তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করা সর্বশেষ ব্যক্তি। তিনি বলেন, আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন হাসান বিন আরাফাহ বিন ইয়াজিদ আল-আবদি, এবং তিনি তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করা সর্বশেষ ব্যক্তি। তিনি বলেন, আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন আম্মার বিন মুহাম্মদ, এবং তিনি তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করা সর্বশেষ ব্যক্তি, আস-সালত বিন কুওয়াইদ আল-হানাফি থেকে; এবং তিনি তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করা সর্বশেষ ব্যক্তি। তিনি বলেন, আমি আবু হুরায়রাকে বলতে শুনেছি...
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٢٨)
رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ سَمِعْتُ خَلِيلِي أَبَا الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ لَا تَقُومُ السَّاعةُ حَتَّى لَا تَنْطِحَ ذَاتُ قَرْنٍ جَمَّاءَ

هَذَا حَدِيثٌ عَجِيبُ التَّسَلْسُلِ بِالْآخِرِيَّةِ رَوَاهُ الْإِمَامُ أَحْمَدُ فِي مُسْنَدِهِ عَنْ عَمَّارِ بْنِ مُحَمَّدٍ فَوَقَعَ مُوَافَقَةً لَهُ عَالِيَةً وَإِسْنَادُهُ حَسَنٌ

عَمَّارُ بْنُ مُحَمَّدٍ يُكَنَّى أَبَا الْيَقْظَانِ وَهُوَ ابْنُ أُخْتِ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَثَّقَهُ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ وَغَيْرُهُ وَاحَتَجَّ بِهِ مُسْلِمٌ

وَالصَّلْتُ بْنُ قُوَيْدٍ ذَكَرَهُ ابْنُ حِبَّانَ فِي ثِقَاتِ التَّابِعِينَ وَرَوَى عَنْهُ غَيْرُ وَاحِدٍ وَأَمَّا النَّسَائِيُّ فَقَالَ لَا أَدْرِي كَيْفَ هُوَ
আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন, তিনি বলেন: আমি আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, "ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না শিংবিশিষ্ট প্রাণীর শিংবিহীন প্রাণীকে গুঁতো দেওয়ার বিচার সম্পন্ন করা হবে।"

এটি শেষ পর্যায়ের পরম্পরাগত বর্ণনার (তাসালসুল বিল-আখিরিয়্যাহ) ক্ষেত্রে একটি চমৎকার হাদিস। ইমাম আহমদ তাঁর মুসনাদে আম্মার ইবনে মুহাম্মাদ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি তাঁর জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের সনদগত সামঞ্জস্য (মুওয়াফাকাহ আলিয়্যাহ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে এবং এর সনদ হাসান (উত্তম)।

আম্মার ইবনে মুহাম্মাদ-এর উপনাম ছিল আবুল ইয়াকযান এবং তিনি ছিলেন সুফিয়ান সাওরির ভাগ্নে। ইয়াহইয়া ইবনে মায়িন এবং অন্যান্যরা তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন এবং ইমাম মুসলিম তাঁর বর্ণিত হাদিস দ্বারা দলিল গ্রহণ করেছেন।

আর সালত ইবনে কুওয়াইদ-কে ইবনে হিব্বান নির্ভরযোগ্য তাবেঈদের তালিকায় উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর থেকে একাধিক ব্যক্তি হাদিস বর্ণনা করেছেন। তবে ইমাম নাসায়ী বলেছেন, "আমি জানি না তিনি কেমন (অর্থাৎ তাঁর অবস্থা আমার নিকট স্পষ্ট নয়)।"
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٢٩)
وَقَدْ صَرَّحَ الصَّلْتُ بِسَمَاعِهِ لَهُ مِنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَقَالَ أَبُو أَحْمَدَ الْحَاكِمُ فِي الْكُنَى سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ وَأَمَّا الرِّوَايَةُ الَّتِي رَوَاهَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ حَنْبَلٍ فِي زِيَادَاتِهِ عَلَى الْمسند عَن إِبْرَاهيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْهَرَوِيِّ عَنْ عَمَّارٍ عَنِ الصَّلْتِ بْنِ قُوَيْدٍ عَنْ أَبِي أَحْمَرَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ فَهِيَ وَهْمٌ مِنْ إِبْرَاهيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْهَرَوِيِّ وَسَبَبُ الْوَهْمِ أَنَّ الصَّلْتَ كُنْيَتُهُ أَبُو أَحْمَرَ كَمَا قَالَ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ وَالنَّسَائِيُّ وَأَبُو أَحْمَدَ الْحَاكِمُ وَابْنُ حِبَّانَ فِي الثِّقَاتِ

وابراهيم الْهَرَوِيّ شعفه ابو دواد وَالنَّسَائِيُّ وَوَثَقَّهُ إِبْرَاهِيمُ الْحَرْبِيُّ وَالدَّارَقُطْنِيُّ وَلَكِنْ زِيَادَةَ أَبِي أَحْمَرَ فِي الْإِسْنَادِ وَهْمٌ مِنْهُ وَاللَّهُ سُبْحَانْهُ أعلم
সালত আবু হুরাইরা থেকে এটি শোনার বিষয়টি স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছেন। আবু আহমাদ আল-হাকিম ‘আল-কুনা’ গ্রন্থে বলেছেন যে, তিনি আবু হুরাইরা থেকে শুনেছেন। আর আবদুল্লাহ বিন আহমাদ বিন হাম্বল তাঁর ‘মুসনাদ’-এর অতিরিক্ত অংশে ইব্রাহিম বিন আবদুল্লাহ আল-হারাউই থেকে, তিনি আম্মার থেকে, তিনি সালত বিন কুয়াইদ থেকে, তিনি আবু আহমার থেকে এবং তিনি আবু হুরাইরা থেকে যে বর্ণনাটি উল্লেখ করেছেন, তা ইব্রাহিম বিন আবদুল্লাহ আল-হারাউই-এর একটি ভ্রম। এই ভ্রমের কারণ হলো, সালত-এর উপনাম ছিল আবু আহমার, যেমনটি ইয়াহইয়া বিন মাঈন, নাসায়ি, আবু আহমাদ আল-হাকিম এবং ইবনে হিব্বান ‘আস-সিকাত’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন।

ইব্রাহিম আল-হারাউইকে আবু দাউদ ও নাসায়ি দুর্বল সাব্যস্ত করেছেন, যদিও ইব্রাহিম আল-হারবি ও আদ-দারা কুতনি তাঁকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তবে সনদে ‘আবু আহমার’ নামটির অতিরিক্ত সংযোজন তাঁর পক্ষ থেকে একটি ভুল। আর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা সর্বজ্ঞাত।

(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٣٠)
‌‌الحَدِيث الثَّانِي

 

أَخْبَرَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ رَمَضَانَ عَوْدًا عَلَى بَدْءٍ مَرَّةً بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِجَامِعِ دِمَشْقَ فِي الرِّحْلَةِ الْأُولَى قُلْتُ لَهُ أَخْبَرَكَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ غَدِير ابْن الْقَوَّاسِ وَالْمُسَلَّمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَكِّيٍّ الْقَيْسِيُّ قَالَا أَخْبَرَنَا الْإِمَامُ أَبُو الْيُمْنِ زَيْدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ زَيْدٍ الْكِنْدِيُّ ح وَمَرَّةً قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ قِيلَ لَهُ أَخْبَرَكَ الْإِمَامُ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي عُمَرَ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ قُدَامَةَ قَالَ أَخْبَرَنَا الْكِنْدِيُّ وَأَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بن معمر بن طبررذ قَالَا أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ مُحَمَّدٍ الْأَنْصَارِيُّ الْفَرَضِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الْبَرْمَكِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا حَاضِرٌ أَسْمَعُ فِي الْخَامِسَةِ ح

وَأَخْبَرَنِي أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْخَطِيبُ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ الْحَرَّانِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ الْمُبَارَكُ بْنُ الْمُبَارَكِ بْنِ الْمَعْطُوشِ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْغَنَايِمِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُهْتَدِي بِاللَّهِ قَالَ أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الْبَرْمَكِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ مَاسِيٍّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو مُسْلِمٍ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُسْلِمٍ الْكِجِّيُّ قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ الرُّبَيِّعَ بِنْتَ النَّضْرِ عَمَتَّهُ لَطَمَتْ جَارِيَةً فَكَسَرَتْ سِنَّهَا فَعَرَضُوا عَلَيْهَا الْأَرْشَ فَأَبَوْا فَطَلَبُوا الْعَفْوَ فَأَبَوْا فَأَتَوُا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَمَرَهُمْ بِالْقَصَاصِ فَجَاءَ أَنَسُ بْنُ النَّضْرِ فَقَالَ يَا رَسُولَ الله أَتُكْسَرُ سِنُّ الرُّبَيِّعِ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لَا تكسر سنّهَا
দ্বিতীয় হাদিস

 

আমাকে আবু বকর ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে আহমদ ইবনে রামাদান প্রথম সফরে দামেস্কের জামে মসজিদে তাঁর সামনে আমার পাঠের মাধ্যমে পুনরায় সংবাদ দিয়েছেন। আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল মুনইম ইবনে গাদির ইবনুল কাওয়াস এবং মুসাল্লাম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মাক্কি আল-কায়সি কি আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন? তাঁরা উভয়ে বললেন, ইমাম আবু আল-ইউমন যাইদ ইবনুল হাসান ইবনে যাইদ আল-কিন্দি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। (হ)। এবং আরেকবার তাঁর সামনে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম; তাঁকে বলা হলো, ইমাম আবুল ফারাজ আব্দুর রহমান ইবনে আবু উমর মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে কুদামা কি আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন? তিনি বললেন, আল-কিন্দি এবং আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুয়াম্মার ইবনে তাবাররাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তাঁরা উভয়ে বললেন, কাজী আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকি ইবনে মুহাম্মদ আল-আনসারি আল-ফারাদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বললেন, আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে উমর ইবনে আহমদ আল-বারমাকি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এমতাবস্থায় যে আমি উপস্থিত ছিলাম এবং পঞ্চম মজলিসে তাঁর সামনে পাঠ করা শুনছিলাম। (হ)।

এবং আমাকে আবুল ফাতহ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আল-খাতিব তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আব্দুল লতিফ ইবনে আব্দুল মুনইম আল-হাররানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু তাহের আল-মুবারক ইবনুল মুবারক ইবনুল মা’তুশ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবুল গানায়িম মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল মুহতাদি বিল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, ইব্রাহিম ইবনে উমর ইবনে আহমদ আল-বারমাকি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর সামনে পাঠের মাধ্যমে যা আমি শুনছিলাম, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আইয়ুব ইবনে মাসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু মুসলিম ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুসলিম আল-কিজ্জি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, হুমাইদ আমাদের নিকট আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তাঁর ফুফু রুবাইয়ি বিনতে নাযর এক দাসীকে চড় মারেন এবং তার দাঁত ভেঙে ফেলেন। অতঃপর তারা তাদের নিকট ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রস্তাব দিলে তারা তা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর তারা ক্ষমার আবেদন করলে তারা তাতেও অস্বীকৃতি জানায়। তখন তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট উপস্থিত হলে তিনি তাদের কিসাসের (প্রতিশোধের) নির্দেশ দেন। তখন আনাস ইবনে নাযর এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! রুবাইয়ির দাঁত কি ভেঙে ফেলা হবে? সেই সত্তার কসম, যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, তার দাঁত ভাঙা হবে না।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٣١)
فَقَالَ يَا أَنَسُ كِتَابُ اللَّهِ الْقَصَاصُ فَعَفَا الْقَوْمُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ مِنْ عِبَادِ اللَّهِ مَنْ لَوْ أَقْسَمَ عَلَى اللَّهِ لَأَبَرَّهُ

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الانصاري فَوَقع لنا مُوَافقَة عالية
তখন তিনি বললেন, "হে আনাস, আল্লাহর কিতাবের বিধান হলো কিসাস।" অতঃপর লোকজন ক্ষমা করে দিল। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, "নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে এমন ব্যক্তি আছে, যে যদি আল্লাহর নামে শপথ করে, তবে তিনি তা অবশ্যই পূর্ণ করেন।"

এটি একটি সহীহ হাদিস। বুখারী এটি মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারী থেকে বর্ণনা করেছেন, যার ফলে আমাদের নিকট এটি একটি উচ্চ পর্যায়ের 'মুওয়াফাকাত' (সনদসূত্রের উচ্চস্তরের মিলন) হিসেবে অর্জিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٣٢)
‌‌الحَدِيث الثَّالِثُ

 

أَخْبَرَنِي أَبُو حَفْصٍ عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ بْنِ سَالِمِ بْنِ خَلَفِ بْنِ فَضْلٍ الْمَقْدِسِيُّ بِظَاهِرِ دِمَشْقَ وَأَبُو الْوَفَاءِ مَحْمُودُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْوَرَّاقُ بِهَا قَالَا أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْمَقْدِسِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْمَرٍ الدَّارَقَزِّيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَوَاهِبِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مُلُوكٍ الْوَرَّاقُ وَالْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي بْنِ مُحَمَّدٍ الْأَنْصَارِيُّ ح

وَأَخْبَرَنِي أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْخَطِيبُ قَالَ أَخْبَرَنَا عبدُ اللَّطِيفِ بْنِ عَبْدِ الْمُنْعِمِ الْحَرَّانِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا ضِيَاءُ بْنُ أَبِي الْقَاسِمِ بْنِ الْخَرِيفِ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي الْأَنْصَارِيُّ قَالَ هُوَ وَأَبُو الْمَوَاهِبِ أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو الطَّيِّبِ طَاهِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الطَّبَرِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْغِطْرِيفِ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو خَلِيفَةَ يَعْنِي الْفَضْلَ بْنَ الْحُبَابِ قَالَ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ هِشَامٍ الْقَحْذَمِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا حَرِيزُ بْنُ عُثْمَانَ قَالَ سَأَلْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ بُسْرٍ رضي الله عنه أَشَابَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَوْمَأَ إِلَى عَنْفَقَتِهِ

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ عِصَامِ بْنِ خَالِدٍ عَنْ حَرِيزِ بْنِ عُثْمَانَ أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ بُسْرٍ صَاحِبَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ رَأَيْتُ
‌তৃতীয় হাদীস

 

দামেশকের উপকণ্ঠে আবু হাফস আমর ইবন উসমান ইবন সালিম ইবন খালাফ ইবন ফদল আল-মাকদিসি এবং সেখানে অবস্থানরত আবু আল-ওয়াফা মাহমুদ ইবন আবদিল হামিদ ইবন সুলাইমান আল-ওয়াররাক আমাকে সংবাদ দিয়েছেন। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলি ইবন আহমাদ ইবন আবদিল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর ইবন মুহাম্মাদ ইবন মা'মার আদ-দারা কাযযি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মাওয়াহিব আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আবদিল মালিক ইবন মুলুক আল-ওয়াররাক এবং বিচারক আবু বকর মুহাম্মাদ ইবন আবদিল বাকি ইবন মুহাম্মাদ আল-আনসারি (হ)

আর আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাতহ মুহাম্মাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন ইবরাহিম আল-খাতিব। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদ আল-লতিফ ইবন আবদিল মুনইম আল-হাররানি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন দিয়া ইবন আবি আল-কাসিম ইবন আল-খারিফ। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবন আবদিল বাকি আল-আনসারি। তিনি এবং আবু আল-মাওয়াহিব বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবু আত-তায়্যিব তাহির ইবন আবদিল্লাহ আত-তাবারি। তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু আহমাদ মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ ইবন আল-গিতরিফ। তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু খালিফাহ অর্থাৎ ফদল ইবন আল-হুবাব। তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন আল-ওয়ালিদ ইবন হিশাম আল-কাহদামি। তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন হারীজ ইবন উসমান। তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবন বুসর (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কি চুল পেকেছিল? তখন তিনি তাঁর নিচের ঠোঁটের নিচের পশমগুচ্ছের (আনফাকাহ) দিকে ইশারা করলেন।

এটি একটি সহীহ হাদীস। ইমাম বুখারী এটি ইসাম ইবন খালিদ থেকে, তিনি হারীজ ইবন উসমান থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবী আবদুল্লাহ ইবন বুসরকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন: আমি দেখেছি...
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٣٣)
النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قُلْتُ كَانَ شَيْخًا قَالَ كَانَ فِي عَنْفَقَتِهِ شَعَرَاتٌ بِيضٌ فَوَقَعَ لنا بَدَلا عَالِيا
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। আমি বললাম, তিনি কি বৃদ্ধ ছিলেন? তিনি বললেন, তাঁর নিচের ঠোঁটের নিচের পশমগুচ্ছে কিছু সাদা চুল ছিল। ফলে আমাদের জন্য এটি একটি উচ্চমানের ‘বাদাল’ (উচ্চতর স্থলাভিষিক্ত সনদ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٣٤)
‌‌الحَدِيث الرَّابِعُ

أَخْبَرَنِي أَبُو الْمَعَالِي مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى بْنِ إِبْرَاهِيمَ الشَّقْرَاوِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِصَالِحِيَّةِ دِمَشْقَ بِسَفْحِ قَاسِيُونَ فِي الرِّحْلَةِ الْأُولَى قَالَ أَخْبَرَنَا الْمَشَايِخُ الْأَرْبَعَةُ قَاضِي الْقُضَاةِ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي عُمَرَ بْنِ قُدَامَةَ وَعَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ وَعَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الزَّيْنِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْمَقْدِسِيُّونَ قِرَاءَةً عَلَيْهِمْ وَأَنَا أَسْمَعُ قَالُوا أَخْبَرَنَا الْعَلَّامَةُ أَبُو الْيُمْنِ زَيْدُ بْنُ الْحَسَنِ الْكِنْدِيُّ زَادَ الثَّلَاثَةُ الْأَوَّلُونَ وَأَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْمَرٍ قَالَا أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي الْأَنْصَارِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الْبَرْمَكِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا حَاضِرٌ أَسْمَعُ فِي الْخَامِسَةِ ح

وَأَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهيمَ الْمَيْدُومِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِمِصْرَ قَالَ أَخْبَرَنَا عبدُ اللَّطِيفِ بْنِ عَبْدِ الْمُنْعِمِ الْحَرَّانِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا الْمُبَارَكُ بْنُ الْمُبَارَكِ بْنِ الْمَعْطُوشِ قَالَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْمُهْتَدِي بِاللَّهِ قَالَ أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ الْبَرْمَكِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ مَاسِيٍّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو مُسْلِمٍ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْكِجِّيُّ قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيُّ قَالَ حَدثنِي
চতুর্থ হাদিস

আবু আল-মা'আলী মুহাম্মদ বিন মুসা বিন ইবরাহিম আশ-শাকরাভি দামেস্কের কাসিয়ুন পাহাড়ের পাদদেশে সালিহিয়্যাহ এলাকায় আমার প্রথম সফরের সময় তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন, আমাদের চারজন শায়খ—কাযিউল কুযাত আবু আল-ফারাজ আব্দুর রহমান বিন আবু উমর বিন কুদামা, আব্দুর রহিম বিন আব্দুল মালিক, আলি বিন আহমদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ এবং আব্দুর রহমান বিন যাইন আহমদ বিন আব্দুল মালিক আল-মাকদিসিগণ—তাঁদের নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যখন আমি শুনছিলাম। তাঁরা বলেন, আমাদের আল্লামা আবু আল-ইয়ুমন যায়েদ বিন হাসান আল-কিন্দি সংবাদ দিয়েছেন। প্রথমোক্ত তিনজন এবং আবু হাফস উমর বিন মুহাম্মদ বিন মা'মারও বলেন যে, আমাদের নিকট কাযি আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল বাকি আল-আনসারি সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইবরাহিম বিন উমর বিন আহমদ আল-বারমাকি তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং আমি আমার জীবনের পঞ্চম বছরে সেখানে উপস্থিত হয়ে শুনছিলাম। (হ)

এবং মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আল-মাইদুমি মিশরে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন, আমাদের আব্দুল লতিফ বিন আব্দুল মুন'িম আল-হাররানি সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের আল-মুবারক বিন আল-মুবারক বিন আল-মাতুশ সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-মুহতাদি বিল্লাহ সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইবরাহিম বিন উমর আল-বারমাকি তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন এবং আমি তখন শুনছিলাম। তিনি বলেন, আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন ইবরাহিম বিন আইয়ুব বিন মাসি সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের আবু মুসলিম ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-কিজজি সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٣٥)
سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ كَذَبَ عَلَيَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُجْرٍ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عُلَيَّةَ عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِدَرَجَتَيْنِ

وَلِابْنِ عُلَيَّةَ فِيهِ إِسْنَادٌ آخَرُ رَوَاهُ مُسْلِمٌ فِي مُقَدِّمَةِ الصَّحِيحِ عَنْ زُهَيْرِ بْنِ حَرْبٍ وَالنَّسَائِيُّ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ رَاهَوَيْهِ كِلَاهُمَا عَنِ ابْنِ عُلَيَّةَ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ عَنْ أَنَسٍ وَرَوَاهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ وَالنَّسَائِيُّ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ مُوسَى كِلَاهُمَا عَنْ عَبْدِ الْوَارِثِ بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْب
সুলাইমান আত-তাইমি আনাস ইবনে মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করে, সে যেন জাহান্নামে তার আবাসস্থল নির্ধারণ করে নেয়।”

এটি একটি সহীহ হাদীস। নাসায়ি এটি আলী ইবনে হুজর থেকে, তিনি ইসমাইল ইবনে উলইয়্যাহ থেকে, তিনি সুলাইমান আত-তাইমি থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট দুই স্তর উচ্চ সনদে পৌঁছেছে।

এ বিষয়ে ইবনে উলইয়্যাহর অন্য একটি সনদও রয়েছে। ইমাম মুসলিম তাঁর ‘সহীহ’ গ্রন্থের ভূমিকায় যুহাইর ইবনে হারব থেকে এবং নাসায়ি ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। তাঁরা উভয়েই ইবনে উলইয়্যাহ থেকে, তিনি আব্দুল আযীয ইবনে সুহাইব থেকে, তিনি আনাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন। আর বুখারী এটি আবু মা’মার থেকে এবং নাসায়ি ইমরান ইবনে মূসা থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়েই আব্দুল ওয়ারিস ইবনে সাঈদ থেকে, তিনি আব্দুল আযীয ইবনে সুহাইব থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٣٦)
وَهَذَا الْحَدِيثُ مِنْ أَشْهَرِ الْحَدِيثِ حَتَّى ذُكِرَ مِثَالًا لِلْمُتَوَاتِرِ مِنَ الْحَدِيثِ فَقَدْ وَرَدَ مِنْ حَدِيثِ مِائَةٍ مِنَ الصَّحَابَةِ أَوْ يَزِيدُونَ مِنْهُمُ الْعَشَرَةُ الْمَشْهُودُ لَهُمْ بِالْجَنَّةِ

وَحَكَى النَّوَوِيُّ فِي شَرْحِ مُسْلِمٍ عَنْ بَعْضِهِمْ أَنَّهُ رَوَاهُ مِائَتَانِ مِنَ الصَّحَابَةِ وَفِيهِ بُعْدٌ وَاللَّهُ أعلم
আর এই হাদিসটি হাদিসসমূহের মধ্যে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ হাদিসগুলোর একটি, এমনকি একে মুতাওয়াতির হাদিসের উদাহরণ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়। কারণ এটি একশত বা তারও অধিক সাহাবী থেকে বর্ণিত হয়েছে, যাদের মধ্যে জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশজন সাহাবীও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

ইমাম নববী 'শারহু মুসলিম'-এ কারো কারো পক্ষ থেকে উল্লেখ করেছেন যে, এটি দুইশত সাহাবী বর্ণনা করেছেন; তবে এই বক্তব্যে বাস্তবতা থেকে দূরত্ব রয়েছে এবং আল্লাহ-ই সর্বাধিক অবগত।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٣٧)
‌‌الحَدِيث الْخَامِسُ

 

أَخْبَرَنِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَالِمِ بْنِ بَرَكَاتِ بْنِ سَعْدِ بْنِ بَرَكَاتِ بْنِ سَعْدٍ الْأَنْصَارِيُّ الْخَزْرَجِيُّ الْعُبَادِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِدِمَشْقَ فِي الرِّحْلَةِ الْأُولَى قَالَ أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الدَّائِمِ بْنِ نِعْمَةَ الْمَقْدِسِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا حَاضِرٌ وَإِجَازَةً لِمَا يَرْوِيهِ ح

وَأَخْبَرَنِي أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْبَكْرِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ الْحَرَّانِيِّ قَالَا أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمُنْعِمِ بْنِ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ سَعْدِ بْنِ كُلَيْبٍ قَالَ أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَيَانٍ قَالَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَخْلَدٍ قَالَ أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّفَّارُ قَالَ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ قَالَ حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ مَالِكٍ الْمُزَنِيُّ عَنِ الْمُخْتَارِ بْنِ فُلْفُلٍ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه قَالَ بَيْنَمَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ يَوْمٍ إِذْ أُقِيمَتِ الصَّلَاةُ فَقَالَ يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنِّي إِمَامُكُمْ فَلَا تَسْبِقُونِي بِالرُّكُوعِ وَلَا بِالسُّجُودِ وَلَا بِرَفْع رؤوسكم فَإِنِّي أَرَاكُمْ مِنْ أَمَامِي وَمِنْ خَلْفِي وَايْمُ الَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ بِيَدِهِ لَوْ رَأَيْتُمْ مَا رَأَيْتُ لَضَحِكْتُمْ قَلِيلًا وَلَبَكَيْتُمْ كَثِيرًا قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا رَأَيْتَ قَالَ رَأَيْت الْجنَّة وَالنَّار
পঞ্চম হাদীস

 

আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসমাঈল বিন ইবরাহিম বিন সালিম বিন বারাকাত বিন সাদ বিন বারাকাত বিন সাদ আল-আনসারী আল-খাজরাজী আল-উবাদী দামেস্কে আমার প্রথম সফরের সময় তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে; তিনি বললেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন আব্দুল দায়িম বিন নিমা আল-মাকদিসী তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে যখন আমি উপস্থিত ছিলাম এবং তিনি যা বর্ণনা করেন তার ইজাযত সূত্রে। [হ]

এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আল-বাকরী, তিনি বললেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল লতিফ বিন আব্দুল মুনইম বিন আল-হাররানী; তাঁরা উভয়ে বললেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল মুনইম বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন সাদ বিন কুলাইব, তিনি বললেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন বায়ান, তিনি বললেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন মাখলাদ, তিনি বললেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইসমাঈল বিন মুহাম্মদ আস-সাফফার, তিনি বললেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন হাসান বিন আরাফাহ, তিনি বললেন, আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন কাসিম বিন মালিক আল-মুযানী, মুখতার বিন ফুলফুল থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: একদিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থাকাকালীন যখন সালাতের ইকামাত দেওয়া হলো, তখন তিনি বললেন: “হে লোকসকল! নিশ্চয়ই আমি তোমাদের ইমাম, সুতরাং তোমরা রুকুতে, সিজদাতে এবং তোমাদের মাথা তোলার ক্ষেত্রে আমাকে অতিক্রম করো না। কেননা আমি তোমাদের আমার সামনে থেকে এবং আমার পিছন থেকে দেখতে পাই। এবং সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ রয়েছে, আমি যা দেখেছি তোমরা যদি তা দেখতে, তবে তোমরা হাসতে কম এবং কাঁদতে অনেক বেশি।” তাঁরা বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কী দেখেছেন? তিনি বললেন: “আমি জান্নাত ও জাহান্নাম দেখেছি।”
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٣٨)
هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ وَالنَّسَائِيُّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُجْرٍ زَاد مُسلم وابي بكر عَن أَبِي شَيْبَةَ كِلَاهُمَا عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ عَنْ قُتَيْبَةَ عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ الْحَمِيدِ وَعَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ وَإِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ كِلَاهُمَا عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ فُضَيْلٍ ثَلَاثَتُهُمْ عَنِ الْمُخْتَارِ بْنِ فُلْفُلٍ فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِدَرَجَتَيْنِ

এটি একটি সহীহ হাদীস। ইমাম মুসলিম ও নাসায়ি এটি আলী বিন হুজর-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। মুসলিম এবং আবু বকর ইবনে আবি শায়বার সূত্রে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়েই আলী বিন মুশহির-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। মুসলিম এটি কুতায়বাহ্-এর সূত্রে জারীর বিন আব্দুল হামীদ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন নুমায়র ও ইসহাক বিন ইবরাহীম-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়েই মুহাম্মদ বিন ফুদ্বায়ল-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা তিনজনই মুখতার বিন ফুলফুল-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট দুই স্তর উচ্চ সনদে পৌঁছেছে।

(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٣٩)
‌‌الحَدِيث السَّادِسُ

 

أَخْبَرَنِي أَبُو الْفَضْلِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عُمَرَ بْنِ مُسْلِمِ بْنِ الْحَسَنِ بْنِ الْحَمَوِيِّ الدِّمَشْقِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِجَامِعِ دِمَشْقَ فِي الرِّحْلَةِ الْأُولَى قَالَ أَخْبَرَنَا الْمَشَايِخُ الْأَرْبَعَةُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الزَّيْنِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ وَعَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْمَقْدِسِيَّانِ وَمُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْعَامِرِيُّ وَزَيْنَبُ بِنْتُ مَكِّيٍّ قَالُوا أَخْبَرَنَا أَبُو الْيُمْنِ زَيْدُ بْنُ الْحَسَنِ الْكِنْدِيُّ زَادَ الثَّلَاثَةُ الْأَخِيرُونَ وَأَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْمَرٍ قَالَا أَخْبَرَنَا الْقَاضِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي الْحَاسِبُ قَالَ أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ الْبَرْمَكِيُّ قِرَاءَةً عَلَيَّ وَأَنَا حَاضِرٌ فِي الرَّابِعَةِ ح

وَأَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهيمَ الْبَكْرِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ قَالَ أَخْبَرَنَا عبدُ اللَّطِيفِ بْنِ عَبْدِ الْمُنْعِمِ الْجَزَرِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا الْمُبَارَكُ بْنُ الْمُبَارَكِ بْنِ الْمَعْطُوشِ قَالَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْمُهْتَدِي بِاللَّهِ قَالَ أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ الْبَرْمَكِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ مَاسِيٍّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو مُسْلِمٍ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْكِجِّيُّ قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُثَنَّى الْأَنْصَارِيُّ قَالَ حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم انْصُرْ أَخَاكَ ظَالِمًا أَوْ مَظْلُومًا قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنْصُرُهُ مَظْلُومًا فَكَيْفُ أَنْصُرُهُ ظَالِمًا قَالَ تَمْنَعُهُ مِنَ الظُّلْمِ فَذَلِكَ نَصْرُكَ إِيَّاهُ

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ حَاتِمٍ الْمُؤَدِّبِ عَن
ষষ্ঠ হাদিস

 

আবু আল-ফজল মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল ইবনে উমর ইবনে মুসলিম ইবনে আল-হাসান ইবনে আল-হামাভী আদ-দিমাশকী দামেস্কের জামে মসজিদে আমার প্রথম সফরের সময় আমার পাঠের মাধ্যমে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন চারজন শায়খ: আবদুর রহমান ইবনে আয-জাইন আহমদ ইবনে আব্দুল মালিক এবং আলী ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসীদ্বয়, মুহাম্মদ ইবনে আবু বকর আল-আমেরী এবং যাইনাব বিনতে মাক্কী। তাঁরা বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ইয়ুমন যাইদ ইবনুল হাসান আল-কিন্দি; শেষোক্ত তিনজন আরও যোগ করেছেন এবং আবু হাফস উমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মা'মার (সহ), তাঁরা উভয়ে বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কাজী মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বাকী আল-হাসিব। তিনি বলেন, ইব্রাহিম ইবনে উমর আল-বারমাকী আমার নিকট পাঠের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন, তখন আমি চতুর্থ (বর্ষে) উপস্থিত ছিলাম। (রূপান্তর সূত্র)

এবং মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আল-বাকরী তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল লতিফ ইবনে আব্দুল মুনইম আল-জাজারী, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-মুবারক ইবনে আল-মুবারক ইবনুল মা’তুশ, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনুল মুহতাদী বিল্লাহ, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইব্রাহিম ইবনে উমর আল-বারমাকী, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আইয়ুব ইবনে মাসী, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসলিম ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-কিজ্জী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনুল মুসান্না আল-আনসারী, তিনি বলেন, আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হুমাইদ, তিনি আনাস (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন: "তোমার ভাইকে সাহায্য করো, সে জালেম হোক বা মজলুম।" তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, আমি বললাম: "হে আল্লাহর রাসুল! সে মজলুম হলে আমি তাকে সাহায্য করি, কিন্তু সে জালেম হলে তাকে কীভাবে সাহায্য করব?" তিনি বললেন: "তুমি তাকে জুলুম করা থেকে বিরত রাখবে, আর এটাই হবে তাকে তোমার সাহায্য করা।"

এটি একটি সহিহ হাদিস, তিরমিজি এটি মুহাম্মদ ইবনে হাতেম আল-মুয়াদ্দিব থেকে বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٤٠)
الْأَنْصَارِيِّ وَقَالَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ فَوَقَعَ بَدَلًا لَهُ عَالِيًا بِدَرَجَتَيْنِ وَأَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ مُسَدَّدٍ عَنْ مُعْتَمر بن سُلَيْمَان عَن حميد
আনসারী; এবং তিনি বলেছেন, হাদীসটি হাসান সহীহ। ফলে এটি তাঁর জন্য দুই স্তর উচ্চতর একটি ‘বাদাল’ (বিকল্প সনদ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে। আর ইমাম বুখারী এটি মুসাদ্দাদ থেকে, তিনি মুতামির বিন সুলাইমান থেকে এবং তিনি হুমাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٤١)
‌‌الحَدِيث السَّابِعُ

 

أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَضْلِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الْوَلِيِّ الْمَرْدَاوِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ بِظَاهِرِ دِمَشْقَ فِي الرِّحْلَةِ الْأُولَى قِيلَ لَهُ أَخْبَرَكَ الْمَشَايِخُ الْخَمْسَةُ أَبُو بَكْرِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَرَوِيُّ وَالْإِمَامُ أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي عُمَرَ بْنِ قُدَامَةَ وَابْنُ أُخْتِهِ عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ وَعَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الْمَقْدِسِيُّونَ وَأَحْمَدُ بْنُ شَيْبَانَ قَالُوا أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْمَرٍ الْحَسَّانُ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ الْحُصَيْنِ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو طَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ غَيْلَانَ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الشَّافِعِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا الْقَاضِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيُّ ح

وَحَدَّثَنِي أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ قَالَ أَخْبَرَنَا عبدُ اللَّطِيفِ بْنِ عَبْدِ الْمُنْعِمِ الْجَزَرِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا الْمُبَارَكُ بْنُ الْمُبَارَكِ بْنِ الْمَعْطُوشِ قَالَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْمُهْتَدِي بِاللَّهِ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو إِسْحَاقَ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ الْبَرْمَكِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَيُّوبَ بْنِ مَاسِيٍّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو مُسْلِمٍ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْكِجِّيُّ قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه قَالَ كَانَ ابْنٌ لِأُمِّ سُلَيْمٍ يُقَالُ لَهُ أَبُو عُمَيْرٍ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُمَازِحُهُ إِذَا دَخَلَ عَلَى أُمِّ سُلَيْمٍ فَدَخَلَ يَوْمًا فَوَجَدَهُ حَزينًا فَقَالَ
সপ্তম হাদিস

 

আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাদল বিন আহমাদ বিন আব্দুর রহমান বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল ওয়ালী আল-মারদাওয়ী, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে যা আমি দামেস্কের বহির্ভাগে প্রথম সফরে থাকাকালীন শুনেছি; তাঁকে বলা হলো: আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন পাঁচজন শাইখ— আবু বকর বিন মুহাম্মাদ আল-হারাবী, ইমাম আবু আল-ফারাজ আব্দুর রহমান বিন আবি উমর বিন কুদামা, তাঁর ভাগ্নে আব্দুর রহিম বিন আব্দুল মালিক, আলী বিন আহমাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসীগণ এবং আহমাদ বিন শাইবান। তাঁরা বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর বিন মুহাম্মাদ বিন মা’মার আল-হাসসান। তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ বিন আল-হুসাইন। তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম বিন গাইলান। তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আশ-শাফেয়ী। তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন কাজী ইসমাইল বিন ইসহাক বিন ইসমাইল বিন হাম্মাদ বিন যায়েদ। তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারী (হা)।

এবং আমার কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন আবু আল-ফাতহ মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম। তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল লতিফ বিন আব্দুল মুনয়িম আল-জাজারী। তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-মুবারক বিন আল-মুবারক বিন আল-মা’তূশ। তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আল-মুহতাদী বিল্লাহ। তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইবরাহিম বিন উমর আল-বারমাকী। তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন ইবরাহিম বিন আইয়ুব বিন মাসী। তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসলিম ইবরাহিম বিন আব্দুল্লাহ আল-কিজ্জী। তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ আল-আনসারী। তিনি বলেছেন: আমাদের কাছে হাদিস বর্ণনা করেছেন হুমাইদ আত-তবিল, আনাস বিন মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: উম্মে সুলাইমের একটি পুত্র ছিল যাকে আবু উমাইর বলা হতো। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখনই উম্মে সুলাইমের নিকট যেতেন, তখন তার সাথে কৌতুক করতেন। একদিন তিনি এসে তাকে বিষণ্ণ অবস্থায় দেখতে পেলেন, অতঃপর বললেন:
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٤٢)
مَا لِأَبِي عُمَيْرٍ حَزِينًا قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ مَاتَ نَغْرُهُ الَّذِي كَانَ يَلْعَبُ بِهِ فَجَعَلَ يَقُولُ لَهُ أَبَا عُمَيْرٍ مَا فَعَلَ النُّغِيرُ هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ الْإِمَامُ أَحْمَدُ فِي مُسْنَدِهِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيُّ فَوَقَعَ مُوَافَقَةً لَهُ عَالِيَةً

وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ فِي سُنَنِهِ الْكُبْرَى فِي عَمَلِ الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ بَكَّارٍ الْبَرَّادِ الْحِمْصِيِّ عَنِ الْحَسَنِ بْنِ خُمَيْرٍ عَنِ الْجَرَّاحِ بْنِ مَلِيحٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ قَيْسٍ عَنْ حُمَيْدٍ بِنَحْوِهِ فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِسِتِّ دَرَجَاتٍ وَكَأَنَّ شُيُوخَ شُيُوخِنَا لَقُوا النَّسَائِيَّ وَصَافَحُوهُ بِهِ

وَقَدِ اخْتُلِفَ فِي هَذَا الْحَدِيثِ عَلَى شُعْبَةَ فَرَوَاهُ الْجَرَّاحُ بْنُ مَلِيحٍ وَالِدُ وَكِيعِ بْنِ الْجَرَّاحَ عَنْهُ هَكَذَا وَخَالفهُ ادم ابْن أَبِي إِيَاسٍ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ الْأَوْدِيُّ وَوَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ وَيَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ فَرَوُوهُ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ أَبِي التَّيَّاحِ وَاسْمُهُ يزِيد بن حميد الضبيعي عَنْ أَنَسٍ أَخْرَجَهُ الْأَئِمَّةُ السِّتَّةُ خَلَا أَبَا دَاوُدَ مِنْ رِوَايَةِ شُعْبَة هَكَذَا وَهُوَ الْمَحْفُوظ
আবু উমায়ের কেন বিষণ্ণ? তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তার সেই ছোট পাখিটি মারা গেছে যা নিয়ে সে খেলা করত। অতঃপর তিনি তাকে বলতে লাগলেন, হে আবু উমায়ের! নুগাইর কী করল? এটি একটি সহীহ হাদিস। ইমাম আহমদ এটি তাঁর মুসনাদে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারি থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি তাঁর জন্য একটি উচ্চ স্তরের সমতূল্য বর্ণনা হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।

ইমাম নাসাঈ এটি তাঁর সুনানে কুবরার ‘আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ’ অংশে ইমরান ইবনে বাক্কার আল-বাররাদ আল-হিমসি থেকে, তিনি হাসান ইবনে খুমাইর থেকে, তিনি জাররাহ ইবনে মালিহ থেকে, তিনি শু'বা থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনে কায়স থেকে, তিনি হুমাইদ থেকে অনুরূপ সূত্রে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট ছয়টি স্তরের ব্যবধানে উচ্চ সনদে পৌঁছেছে, যেন আমাদের উস্তাদদের উস্তাদগণ ইমাম নাসাঈর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন এবং এর মাধ্যমে তাঁর সাথে করমর্দন করেছেন।

এই হাদিসটির ক্ষেত্রে শু'বার বর্ণনায় মতভেদ হয়েছে। জাররাহ ইবনে মালিহ—যিনি ওয়াকি ইবনে জাররাহ-এর পিতা—শু'বা থেকে এটি এভাবেই বর্ণনা করেছেন। কিন্তু আদম ইবনে আবি ইয়াস, আব্দুল্লাহ ইবনে ইদরীস আল-আওদি, ওয়াকি ইবনে জাররাহ এবং ইয়াজিদ ইবনে জুরাই তাঁর বিরোধিতা করেছেন; তাঁরা এটি শু'বা থেকে, তিনি আবু আত-তায়্যাহ থেকে—যার নাম ইয়াজিদ ইবনে হুমাইদ আদ-দুবাই—তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু দাউদ ব্যতীত ছয়জন ইমামই শু'বার বর্ণনা থেকে এটি এভাবেই উদ্ধৃত করেছেন এবং এটিই সংরক্ষিত বর্ণনা।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٤٣)
وَرَوَاهُ سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ أَنَسٍ وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ أَيْضًا وَرِوَايَةُ الْأَنْصَارِيِّ لَهُ عَنْ حُمَيْدٍ عَنْ أَنَسٍ صَحِيحَةٌ وَقَعَتْ لَنَا عَالِيَةً بِالنِّسْبَةِ إِلَى الْبُخَارِيِّ وَمُسْلِمٍ بِدَرَجَتَيْنِ وَبِالنِّسْبَةِ إِلَى مَنْ رَوَاهُ مِنْ أَصْحَابِ السُّنَنِ بِثَلَاثِ دَرَجَاتٍ وَلَا مَانِعَ أَنْ يَكُونَ لِشُعْبَةَ فِيهِ ثَلَاثَةُ شُيُوخُ فَحَدَّثَ بِهِ مَرَّةً عَنْ هَذَا وَمَرَّةً عَنْ هَذَا وَمَرَّةً عَنْ هَذَا وَالله اعْلَم
এবং সাঈদ ইবন আমির এটি শু'বাহ থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম নাসায়ী তাঁর ‘আল-ইয়াওমু ওয়াল লাইলাহ’ গ্রন্থেও এটি বর্ণনা করেছেন। আর আনসারী কর্তৃক হুমাইদ থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে যা বর্ণনা করেছেন তা সহীহ। এটি আমাদের নিকট বুখারী ও মুসলিমের তুলনায় দুই স্তর বিশিষ্ট উচ্চমানের সনদ হিসেবে পৌঁছেছে। আর সুনান গ্রন্থকারদের মধ্যে যারা এটি বর্ণনা করেছেন, তাদের তুলনায় এটি তিন স্তর বিশিষ্ট। আর এতে কোনো বাধা নেই যে, এই হাদিসের ক্ষেত্রে শু'বাহর তিনজন শায়খ থাকতে পারেন; ফলে তিনি কখনো একজনের থেকে, কখনো অন্যজনের থেকে এবং কখনো অপরজনের থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। আর আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٤٤)
‌‌الحَدِيث الثَّامِنُ

 

أَخْبَرَنِي الشَّيْخُ الصَّالِحُ الْمُكْثِرُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ نَصْرِ بْنِ الْقَاسِمِ الْبَلْخِيُّ ثُمَّ الصَّالِحِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِالْجَامِعِ الْمُظَفَّرِيِّ بِسَفْحِ قَاسِيُونَ فِي الرِّحْلَةِ الْأُولَى قُلْتُ لَهُ أَخْبَرَكَ الشَّيْخَانِ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الزَّيْنِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الْمَقْدِسِيَّانِ قِرَاءَةً عَلَيْهِمَا وَأَنْتَ تَسْمَعُ قَالَا أَخْبَرَنَا الْعَلَّامَةُ أَبُو الْيُمْنِ زَيْدُ بْنُ الْحَسَنِ الْكِنْدِيُّ زَادَ الشَّيْخُ الْأَوَّلُ وَأَبُو حَفْصٍ عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْمَرٍ الْبَغْدَادِيُّ قَالَا أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْبَاقِي الْأَنْصَارِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ الْبَرْمَكِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا حَاضِرٌ فِي الرَّابِعَةِ وَأَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْمَيْدُومِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا عبدُ اللَّطِيفِ بْنِ عَبْدِ الْمُنْعِمِ الْجَزَرِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ الْمُبَارَكِ بْنِ الْمَعْطُوشِ قَالَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْمُهْتَدِي بِاللَّهِ قَالَ أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عُمَرَ الْبَرْمَكِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بن ايوب بن ماسي الْبَزَّاز قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو مُسْلِمٍ إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْكِجِّيُّ قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيُّ قَالَ حَدَّثَني التَّيْمِيُّ يَعْنِي سُلَيْمَانَ بْنَ طَرْخَانَ قَالَ حَدَّثَنَا أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه قَالَ عَطَسَ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم رَجُلَانِ فَسَمَّتَ أَوْ فَشَمَّتَ أَحَدَهُمَا وَلَمْ يُشَمِّتِ الْآخَرَ فَقِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ عَطَسَ عِنْدَكَ رَجُلَانِ فَشَمَّتَّ أَحَدَهُمَا وَلَمْ تُشَمِّتِ الْآخَرَ أَوْ فَشَمَّتَّهُ وَلَمْ تُشَمَّتِ الْآخَرَ فَقَالَ إِنَّ هَذَا حَمِدَ اللَّهَ عَزَّ وَجل
অষ্টম হাদিস

 

আমাকে সংবাদ দিয়েছেন সৎকর্মপরায়ণ ও প্রচুর হাদিস বর্ণনাকারী শাইখ আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে নাসর ইবনে আল-কাসিম আল-বালখি, অতঃপর আল-সালিহি। আমি প্রথম সফরের সময় কাসিউন পর্বতের পাদদেশে অবস্থিত জামে আল-মুজাফফারিতে তাঁর কাছে এটি পাঠ করেছি। আমি তাঁকে বললাম: আপনাকে সংবাদ দিয়েছেন দুই শাইখ— আবু আল-হাসান আলি ইবনে আহমদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ এবং আব্দুল রহমান ইবনে আল-জাইন আহমদ ইবনে আব্দুল মালিক আল-মাকদিসি; তাঁদের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আপনি শ্রবণকারী ছিলেন। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল্লামা আবু আল-ইয়ুমন যায়েদ ইবনে আল-হাসান আল-কিন্দি। প্রথম শাইখ অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন— এবং আবু হাফস ওমর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মা’মার আল-বাগদাদি। তাঁরা উভয়ে বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-কাদি আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল বকি আল-আনসারি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইব্রাহিম ইবনে ওমর আল-বারমাকি, যখন তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি চতুর্থ বর্ষে সেখানে উপস্থিত ছিলাম। এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আল-মায়দুমি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল লতিফ ইবনে আব্দুল মুনইম আল-জাজারি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তাহির আল-মুবারক ইবনে আল-মাতুশ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে আল-মুহতাদি বিল্লাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইব্রাহিম ইবনে ওমর আল-বারমাকি, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে আইয়ুব ইবনে মাসি আল-বাজ্জাজ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসলিম ইব্রাহিম ইবনে আব্দুল্লাহ আল-কিজ্জি, তিনি বলেন: আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারি, তিনি বলেন: আমাকে বর্ণনা করেছেন আত-তাইমি অর্থাৎ সুলাইমান ইবনে তারখান, তিনি আনাস ইবনে মালিক (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে দুই ব্যক্তি হাঁচি দিলেন। তিনি তাঁদের একজনের হাঁচির উত্তর দিলেন কিন্তু অন্যজনের উত্তর দিলেন না। তখন বলা হলো: হে আল্লাহর রাসূল! আপনার নিকটে দুই ব্যক্তি হাঁচি দিলেন, আপনি একজনের উত্তর দিলেন কিন্তু অন্যজনের উত্তর দিলেন না? তিনি বললেন: নিশ্চয়ই এ ব্যক্তি মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহর প্রশংসা করেছে।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٤٥)
فَسَمَّتُّهُ وَإِنَّ هَذَا لَمْ يَحْمَدِ اللَّهَ فَلَمْ أُسَمِّتْهُ

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ الْأَئِمَّةُ السِّتَّةُ فَرَوَاهُ الْبُخَارِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَثِيرٍ عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَعَنْ آدَمَ عَنْ شُعْبَةَ وَرَوَاهُ مُسْلِمٌ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ عَنْ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ وَعَنْ أَبِي كُرَيْبٍ عَنْ أَبِي خَالِدٍ الْأَحْمَرِ وَرَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَثِيرٍ عَنْ سُفْيَانَ وَعَنْ أَحْمَدَ بْنِ يُونُسَ عَنْ زُهَيْرٍ وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ أَبِي عُمَرَ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ وَرَوَاهُ النَّسَائِيُّ فِي الْكُبْرَى عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ مُعْتَمِرِ بْنِ سُلَيْمَانَ وَعَنْ عِمْرَانَ بْنِ مُوسَى عَنْ عَبْدِ الْوَارِثِ وَرَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ عَنْ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ تِسْعَتُهُمْ عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ بِهِ فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِدَرَجَتَيْنِ قَالَ التِّرْمِذِيُّ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيح
তাই আমি তার জন্য দুআ করেছি, কিন্তু এ ব্যক্তি আল্লাহর প্রশংসা করেনি, তাই আমি তার জন্য দুআ করিনি।

এটি একটি সহীহ হাদীস যা ছয়জন ইমামই বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারী এটি মুহাম্মদ ইবনে কাসীর থেকে, তিনি সুফিয়ান আস-সাওরী থেকে এবং আদম থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। ইমাম মুসলিম এটি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নুমাইর থেকে, তিনি হাফস ইবনে গিয়াস থেকে এবং আবু কুরাইব থেকে, তিনি আবু খালিদ আল-আহমার থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু দাউদ এটি মুহাম্মদ ইবনে কাসীর থেকে, তিনি সুফিয়ান থেকে এবং আহমাদ ইবনে ইউনুস থেকে, তিনি জুহাইর থেকে বর্ণনা করেছেন। তিরমিযী এটি মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আবি উমর থেকে, তিনি সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। নাসায়ী এটি 'আল-কুবরা' গ্রন্থে ইসহাক ইবনে ইবরাহীম থেকে, তিনি মুতামির ইবনে সুলায়মান থেকে এবং ইমরান ইবনে মূসা থেকে, তিনি আব্দুল ওয়ারিস থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে মাজাহ এটি আবু বকর ইবনে আবি শাইবাহ থেকে, তিনি ইয়াযীদ ইবনে হারুন থেকে বর্ণনা করেছেন। তাদের নয়জনই এটি সুলায়মান আত-তাইমী থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের নিকট দুই স্তর উচ্চ সনদে পৌঁছেছে। ইমাম তিরমিযী বলেছেন: এটি একটি হাসান সহীহ হাদীস।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٤٧)
‌‌الحَدِيث التَّاسِعُ

 

أَخْبَرَنِي الشَّيْخُ الْمُكْثِرُ أَبُو الْحَرَمِ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَنْبَلِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِالْقَاهِرَةِ قَالَ أَخْبَرَنَا غَازِي بْنُ أَبِي الْفَضْلِ بْنِ عَبْدِ الْوَهَّابِ الدِّمَشْقِيُّ الْحَلَاوِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَعْمَرٍ الدَّارَقَزِّيُّ ح

وَأَخْبَرَنِي أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْخَطِيبُ قَالَ أَخْبَرَنَا عبدُ اللَّطِيفِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ الْحَرَّانِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا الْقَاضِي أَبُو الْحَسَنِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَغْدَادِيُّ وَأَبُو أَحْمَدَ عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ أَبِي مَنْصُورِ بْنِ عَلِيٍّ الصَّوَّافُ قِرَاءَةً عَلَيْهِمَا وَأَنَا أَسْمَعُ قَالُوا أَخْبَرَنَا هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ الْحُصَيْنِ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو طَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ غَيْلَانَ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الشَّافِعِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَبْدِ رَبِّهِ الْخَزَّازُ فِي الْمُحَرَّمِ سَنَةَ سَبْعٍ وَسَبْعِينَ وَمِائَتَيْنِ قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَكْرٍ السَّهْمِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ عَنْ أَنَسٍ رضي الله عنه عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عَرَضَتْ لَهُ امْرَأَةٌ بِالطَّرِيقِ وَمَعَهُ نَاسٌ مِنْ أَصْحَابِهِ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ لِي إِلَيْكَ حَاجَةً فَقَالَ يَا أُمَّ فُلَانٍ اجْلِسِي فِي أَيِّ نَوَاحِي السِّكَكِ شِئْتِ أَجْلِسُ إِلَيْكَ فَفَعَلَتْ فَجَلَسَ إِلَيْهَا حَتَّى قَضَى حَاجَتهَا
নবম হাদিস

 

প্রচুর হাদিস বর্ণনাকারী শাইখ আবুল হারাম মুহাম্মাদ ইবনে আবি আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-হানবালী কায়রোতে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে আমাকে সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন গাজী ইবনে আবিল ফাদল ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব আদ-দিমাশকী আল-হালাওয়ী; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উমর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মা’মার আদ-দারা কাযযী।

এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফাতহ মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম আল-খতিব; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল লতিফ ইবনে আব্দুল মুন’িম আল-হাররানী; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন বিচারক আবুল হাসান আব্দুর রহমান ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-বাগদাদী এবং আবু আহমাদ আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে আবি মনসুর ইবনে আলী আস-সাওওয়াফ, তাঁদের নিকট আমার শ্রবণের সাথে তাঁদের সামনে পাঠের মাধ্যমে; তাঁরা বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনুল হুসাইন; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে ইবরাহিম ইবনে গায়লান; তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইবরাহিম আশ-শাফিঈ; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আবুল হাসান আলী ইবনে হাসান ইবনে আব্দ রাব্বিহি আল-খাযযায দুইশত সাতাত্তর হিজরি সনের মহররম মাসে; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে বকর আস-সাহমী; তিনি বলেন: আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হুমাইদ, তিনি আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সামনে পথের মধ্যে এক নারী উপস্থিত হলেন, তখন তাঁর সাথে তাঁর একদল সাহাবী ছিলেন। সেই নারী বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনার নিকট আমার একটি প্রয়োজন আছে। তিনি বললেন: হে অমুকের মা, গলিগুলোর যে কোনো প্রান্তে তুমি চাও সেখানে বসো, আমি তোমার নিকট বসব। অতঃপর তিনি তাই করলেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর নিকট বসলেন যতক্ষণ না তিনি তাঁর প্রয়োজন পূরণ করলেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٤٨)
هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ أَبُو دواد عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى بْنِ الطَّبَّاعِ وَكَثِيرُ بْنُ عُبَيْدٍ كِلَاهُمَا عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ قَيْسٍ الْأَسَدِيِّ عَنْ حُمَيْدٍ فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِدَرَجَتَيْنِ

وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ وَأَبُو دَاوُدَ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ كِلَاهُمَا عَنْ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ عَنْ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسٍ فَوَقَعَ لنا عَالِيا بِثَلَاث دَرَجَات
এটি একটি সহীহ হাদীস। আবু দাউদ এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন ঈসা বিন আত-তাব্বা‘ এবং কাসীর বিন উবায়দ থেকে, তাঁরা উভয়েই মুহাম্মাদ বিন কায়স আল-আসাদী থেকে, তিনি হুমায়দ থেকে; ফলে এটি আমাদের নিকট দুই স্তর উচ্চ সনদে পৌঁছেছে।

আর এটি মুসলিম বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন আবু শায়বা থেকে এবং আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন উসমান বিন আবু শায়বা থেকে, তাঁরা উভয়েই ইয়াযীদ বিন হারুন থেকে, তিনি হাম্মাদ বিন সালামাহ থেকে, তিনি সাবিত থেকে, তিনি আনাস থেকে; ফলে এটি আমাদের নিকট তিন স্তর উচ্চ সনদে পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٤٩)
‌‌الحَدِيث الْعَاشِرُ

 

أَخْبَرَنِي الشَّيْخُ الصَّالِحُ أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْأَرْمَوِيُّ وَزَوْجُهُ سِتُّ الْعَرَبِ بِنْتُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ احْمَد الْمَقْدِسِي بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِمَا بفسح قَاسِيُونَ قَالَا أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ قَالَتْ سِتُّ الْعَرَبِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا حَاضِرَةٌ وَإِجَازَةً لِمَا يَرْوِيهِ وَقَالَ الْأَرْمَوِيُّ إِجَازَةً إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا قَالَ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ نَصْرٍ الصَّيْدَلَانِيُّ فِي كِتَابِهِ قَالَ أَخْبَرَتْنَا فَاطِمَةُ بِنْتُ عَبْدِ اللَّهِ الْجَوْزَدَانِيَّةُ ح

وَأَخْبَرَنِي أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْخَطِيبُ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ الصَّيْقَلِ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ أَبِي الْمُطَهَّرِ الصَّيْدَلَانِيُّ إِذْنًا قَالَ أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ الثَّقَفِيُّ وَفَاطِمَةُ الْجَوْزَدَانِيَّةُ قَالَا أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رِيذَةَ ح

قَالَ ابْنُ الصَّيْقَلِ وَأَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي زَيْدِ بْنِ حَمْدٍ الْكَرَّانِيُّ فِيمَا كَتَبَهُ إِلَيْنَا قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو مَنْصُورٍ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الصَّيْرَفِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحُسَيْن بن فادشاه قَالَ هُوَ وَابْنُ رِيذَةَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَيُّوبَ الطَّبَرَانِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو مُسْلِمٍ الْكَشِّيُّ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي عُبَيْدٍ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الاكوع
দশম হাদিস

 

আমাকে সংবাদ দিয়েছেন পুণ্যবান শায়খ আবু আল-হাসান আলী বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-আরমাউয়ি এবং তাঁর স্ত্রী সিত্তুল আরব বিনতে মুহাম্মদ বিন আলী বিন আহমাদ আল-মাকদিসি, কাসিউন নামক খোলা প্রান্তরে তাঁদের নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। তাঁরা উভয়ে বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আলী বিন আহমাদ বিন আব্দুল ওয়াহিদ। সিত্তুল আরব বলেন: আমি উপস্থিত থাকা অবস্থায় তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে এবং তিনি যা বর্ণনা করেন তার ইজাযত হিসেবে। আর আল-আরমাউয়ি বলেন: যদি তা শ্রবণের মাধ্যমে না হয়ে থাকে তবে ইজাযত হিসেবে। তিনি বলেন: তিনি বলেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু জাফর মুহাম্মদ বিন আহমাদ বিন নাসর আস-সাইদালানি তাঁর কিতাবে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ফাতিমা বিনতে আব্দুল্লাহ আল-জাওযাদানিয়া। (হা)

এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ফাতহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-খতিব তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল লতিফ বিন আব্দুল মুনইম বিন আস-সাইকাল। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম আব্দুল ওয়াহিদ বিন আবি আল-মুতাহহার আস-সাইদালানি অনুমতিক্রমে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন জাফর বিন আব্দুল ওয়াহিদ আস-সাকাফি এবং ফাতিমা আল-জাওযাদানিয়া। তাঁরা উভয়ে বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন রিযা। (হা)

ইবনে আস-সাইকাল বলেন: এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ বিন আবি যাইদ বিন হামদ আল-কাররানি যা তিনি আমাদের নিকট লিখেছেন তার মধ্যে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মানসুর মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আস-সাইরাফি। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হুসাইন আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন বিন ফাদশাহ। তিনি এবং ইবনে রিযা বললেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-কাসিম সুলাইমান বিন আহমাদ বিন আইয়ুব আত-তাবারানি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুসলিম আল-কাশশি। তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আসিম, ইয়াজিদ বিন আবি উবাইদ থেকে, তিনি সালামাহ বিন আল-আকওয়া থেকে।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٥٠)
رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ خَرَجْتُ أَرْبَد الْغَابَةَ فَسَمِعْتُ غُلَامًا لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ يَقُولُ أُخِذَتْ لِقَاحُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قُلْتُ مَنْ أَخَذَهَا قَالَ غَطَفَانُ وَفَزَارَةُ فَصَعَدْتُ الثَّنِيَّةَ فَقُلْتُ يَا صَبَاحَاهْ يَا صَبَاحَاهْ ثُمَّ انْطَلَقْتُ أَسْعَى فِي آثَارِهِمْ حَتَّى اسْتَنْقَذْتُهَا مِنْهُمْ وَجَاءَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي نَاسٍ مِنْ أَصْحَابِهِ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ الْقَوْمَ عِطَاشٌ أَعْجَلْنَاهُمْ أَنْ يَسْتَقُوا لِسَقْيِهِمْ قَالَ يَا ابْنَ الْأَكْوَعِ مَلَكْتَ فَأَسْجِحْ إِنَّ الْقَوْمَ غَطَفَانَ يُقْرَوْنَ

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ عَنِ الْمَكِّيِّ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي عُبَيْدٍ فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا لَهُ عَالِيًا

وَأَخْرَجَهُ هُوَ وَمُسْلِمٌ أَيْضًا عَنْ قُتَيْبَةَ عَنْ حَاتِمِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ عَن يزِيد عَن أَبِي عُبَيْدٍ فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِدَرَجَتَيْنِ

أَخْبَرَنَا قَاضِي الْقُضَاةِ أَبُو الْمَعَالِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرِ بْنِ عِيسَى السَّعْدِيُّ الْمَالِكِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ سَنَةَ تِسْعٍ وَثَلَاثِينَ وَسَبْعمائة قَالَ أَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْمُؤْمِنِ بْنُ خَلَفٍ الدِّمْيَاطِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُظَفَّرِ مُحَمَّدُ بن ابي الْبَدْر بن قتيان النَّهْرَوَانِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَوَارِسِ سَعْدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ التَّمِيمِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْمَجْدِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عِيسَى بْنِ جَهْوَرٍ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو غَالِبٍ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَهْلٍ النَّحْوِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ دِينَارٍ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ
আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন, তিনি বলেন, আমি আল-গাবার বনের দিকে বের হলাম এবং আব্দুর রহমান ইবনে আউফের এক গোলামকে বলতে শুনলাম যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দুগ্ধবতী উটগুলো ছিনতাই করা হয়েছে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, কে সেগুলো নিয়েছে? সে বলল, গাতাফান এবং ফাজারা গোত্র। তখন আমি পাহাড়ের চূড়ায় উঠলাম এবং উচ্চস্বরে ঘোষণা দিলাম, ‘হে শত্রু সৈন্যের আক্রমণ! হে শত্রু সৈন্যের আক্রমণ!’ এরপর আমি তাদের পিছু ধাওয়া করলাম যতক্ষণ না আমি সেগুলো তাদের থেকে উদ্ধার করলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর একদল সাহাবীর সাথে আসলেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! শত্রুরা অত্যন্ত তৃষ্ণার্ত ছিল, আমি তাদের পানি পান করার সুযোগ না দিয়েই তাড়া করেছি। তিনি বললেন, হে ইবনে আকওয়া! তুমি বিজয় লাভ করেছ, সুতরাং এখন ক্ষমা ও মহানুভবতা প্রদর্শন করো; নিশ্চয়ই গাতাফান গোত্রকে এখন আতিথ্য প্রদান করা হচ্ছে।

এটি একটি সহীহ হাদীস যা মুত্তাফাকুন আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম দ্বারা সমর্থিত)। ইমাম বুখারী এটি মাক্কী ইবনে ইবরাহীম থেকে এবং তিনি ইয়াযীদ ইবনে আবী উবাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন। এর ফলে এটি আমাদের কাছে একটি উচ্চতর বিকল্প সনদ হিসেবে গণ্য হয়েছে।

ইমাম বুখারী এবং ইমাম মুসলিম এটি কুতাইবা থেকে, তিনি হাতেম ইবনে ইসমাঈল থেকে, তিনি ইয়াযীদ থেকে এবং তিনি আবী উবাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন। এর মাধ্যমে এটি আমাদের নিকট দুই স্তর উচ্চতর সনদে পৌঁছেছে।

আমাদেরকে প্রধান বিচারপতি আবুল মা’আলী মুহাম্মদ ইবনে আবী বকর ইবনে ঈসা আস-সা’দী আল-মালিকী সংবাদ দিয়েছেন, তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম সাতশ উনচল্লিশ হিজরী সালে। তিনি বলেন, হাফেয আবু মুহাম্মদ আব্দুল মু’মিন ইবনে খালাফ আদ-দিময়াতি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আবুল মুযাফফর মুহাম্মদ ইবনে আবিল বদর ইবনে কুতইয়ান আন-নাহরওয়ানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আবুল ফাওয়ারিস সা’দ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সা’দ আত-তামীমী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আবুল মাজদ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ঈসা ইবনে জাহওয়ার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আবু গালিব মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সাহল আন-নাহভী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আবুল হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে দীনার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আবু বকর আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٥١)
مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ يَعْقُوبَ بن مقسم المقرىء قَالَ سَمِعْتُ أَبَا الْعَبَّاسِ يَعْنِي أَحْمَدَ بْنَ يَحْيَى ثَعْلَبًا وَقَدْ سُئِلَ عَنْ قَوْلِهِمْ مَلَكْتَ فَأَسْجِحْ قَالَ مَعَنَاهُ فَسَهِّلْ وَهُوَ مَثَلٌ سَائِرٌ وَقَالَتْهُ عَائِشَةُ رضي الله عنها لِعَلِيٍّ رضي الله عنه يَوْمَ الْجَمَلِ حِينَ ظَهَرَ وَاللَّهُ أَعْلَمُ

آخر الْجُزْء الأول من الاربعين العشارية
মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে ইয়াকুব ইবনে মিকসাম আল-মুকরি বর্ণনা করেন যে, তিনি আবুল আব্বাস অর্থাৎ আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া সা'লাবকে বলতে শুনেছেন—তাঁকে যখন মানুষের এই প্রবাদ "তুমি বিজয় লাভ করেছ, সুতরাং এখন উদারতা প্রদর্শন করো" সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেন, এর অর্থ হলো "সহজ করো"; আর এটি একটি প্রচলিত প্রবাদ। উটের যুদ্ধের দিন আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) যখন জয়লাভ করলেন, তখন আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) তাঁকে এটি বলেছিলেন। আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।

আল-আরবাউন আল-উশারিয়্যাহর প্রথম খণ্ডের সমাপ্তি।
(খণ্ড: ১) আল-আরবাউনাল উশারিয়্যাহ লিল-ইরাকী (পৃষ্ঠা: ١٥٢)
الْجُزْء الثَّانِي من العشاريات

 

بِسم الله الرَّحْمَن الرَّحِيم وَبِه التَّوْفِيق

‌‌الحَدِيث الْحَادِي عَشَرَ

 

أَخْبَرَنِي أَبُو الْفَتْحِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهيمَ بْنِ أَبِي الْقَاسِمِ الْمَيْدُومِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ عبدُ اللَّطِيفِ بْنِ عَبْدِ الْمُنْعِمِ بْنِ عَلِيٍّ الْحَرَّانِيُّ ح

وَأَخْبَرَنِي أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَالِمِ الْأَنْصَارِيُّ بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ فِي دِمِشْقَ فِي الرِّحْلَةِ الْأُولَى قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الدَّائِمِ بْنِ نِعْمَةَ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا حَاضِرٌ وَإِجَازَةً لِمَا يَرْوِيهِ قَالَا أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ عَبْدُ الْمُنْعِمِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ سَعْدِ بْنِ كُلَيْبٍ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ بَيَانٍ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهيمَ بْنِ مَخْلَدٍ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ الصَّفَّارُ قَالَ أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ بْنِ يَزِيدَ الْعَبْدِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ مَالِكٍ الْمُزَنِيُّ عَنِ الْمُخْتَارِ بْنِ فُلْفُلٍ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَا أوَّلُ شَفِيعٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَأَنَا أَكْثَرُ النَّاسِ تَبَعًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِنَّ مِنَ الْأنْبِيَاءِ لَمَنْ يَأْتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَا مَعَهُ مُصدق غير وَاحِد
উশারিয়াত-এর দ্বিতীয় খণ্ড

 

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে এবং তাঁর মাধ্যমেই তাওফিক লাভ হয়

‌‌একাদশ হাদিস

 

আবুল ফাতহ মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন আবিল কাসিম আল-মাইদুমি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন, আবুল ফারাজ আব্দুল লতিফ বিন আব্দুল মুনইম বিন আলি আল-হাররানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। এবং

আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন ইবরাহিম বিন সালিম আল-আনসারি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন দামেস্কে আমার প্রথম সফরকালে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেন, আবুল আব্বাস আহমদ বিন আব্দুল দায়িম বিন নিমাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে যখন আমি উপস্থিত ছিলাম এবং তিনি যা বর্ণনা করেন তার ইজাজত বা অনুমতির মাধ্যমে; তাঁরা উভয়ই বলেন, আবুল ফারাজ আব্দুল মুনইম বিন আব্দুল ওয়াহহাব বিন সাদ বিন কুলাইব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবুল কাসিম আলি বিন আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন বায়ান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম বিন মাখলাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু আলি ইসমাইল বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আস-সাফফার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, হাসান বিন আরাফাহ বিন ইয়াজিদ আল-আবদি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, কাসিম বিন মালিক আল-মুজানি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুখতার বিন ফুলফুল হতে, তিনি আনাস বিন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: কিয়ামতের দিন আমিই হব প্রথম সুপারিশকারী এবং কিয়ামতের দিন আমার অনুসারীর সংখ্যাই হবে সর্বাধিক। নিশ্চয়ই নবীদের মধ্যে এমন কেউ থাকবেন যিনি কিয়ামতের দিন এমন অবস্থায় উপস্থিত হবেন যে, একজন মাত্র সত্যয়নকারী ব্যতীত তাঁর সাথে আর কেউ থাকবে না।