(খণ্ড: ১)
মাজলিসুম মিন আমালী আবী নুয়াইম আল-আসাবাহানী
(পৃষ্ঠা: -)
مجلس من أمالي أبي نعيم الأصبهاني (أبو نعيم الأصبهاني)
القسم: كتب السنة
الكتاب: مجلس من أمالي أبي نعيم الأصبهاني
المؤلف: أبو نعيم أحمد بن عبد الله بن أحمد بن إسحاق بن موسى بن مهران الأصبهاني (ت 430 هـ)
دراسة وتحقيق: ساعد بن عمر غازي
الناشر: دار الصحابة للتراث - طنطا
الطبعة: الأولى، 1410 هـ - 1989 م
عدد الصفحات: 76
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু নুআইম আল-আসবাহানীর আমালি থেকে একটি মাজলিস (আবু নুআইম আল-আসবাহানী)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: আবু নুআইম আল-আসবাহানীর আমালি থেকে একটি মাজলিস
লেখক: আবু নুআইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন ইসহাক বিন মুসা বিন মিহরান আল-আসবাহানী (মৃত্যু ৪৩০ হিজরি)
গবেষণা ও তাহকিক: সা'দ বিন উমর গাজী
প্রকাশক: দারুস সাহাবা লিত তুরাস - তানতা
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১০ হিজরি - ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭৬
[কিতাবটির সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুম মিন আমালী আবী নুয়াইম আল-আসাবাহানী
(পৃষ্ঠা: ২৪)
1 - حَدثنَا عبد الله بْنُ جَعْفَرٍ ثَنَا يُونُسُ بْنُ حَبِيبٍ ثَنَا أَبُو دَاوُدَ ثَنَا وَرْقَاءُ عَنْ سَعْدِ بْنِ سَعِيدٍ وَثنا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ الْكُدَيْمِيُّ ثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ ثَنَا شُعْبَةُ عَنْ وَرْقَاءَ بْنِ عُمَرَ عَنْ سَعْدِ بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عُمَرَ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ أَبِي أَيُّوبَ الْأَنْصَارِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَنْ صَامَ رَمَضَانَ وَسِتًّا مِنْ شَوَّالٍ فَقَدْ صَامَ الدَّهْرَ رَوَاهُ غُنْدَرٌ عَنْ شُعْبَةَ مِثْلَهُ
১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ বিন জাফর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউনুস বিন হাবীব, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ওয়ারকা, তিনি সাদ বিন সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন। এবং আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন জাফর বিন হামদান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইউনুস আল-কুদাইমী, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইয়াযীদ বিন হারুন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বা, তিনি ওয়ারকা বিন উমর থেকে, তিনি সাদ বিন সাঈদ থেকে, তিনি উমর বিন সাবিত থেকে, আর তিনি আবু আইয়ুব আল-আনসারী (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি রমজানের রোজা পালন করল এবং এরপর শাওয়ালের ছয়টি রোজা রাখল, সে যেন সারা বছরই রোজা পালন করল।" গুন্দার শু'বা থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুম মিন আমালী আবী নুয়াইম আল-আসাবাহানী
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
وَمِمَّنْ رَوَاهُ عَنْ سَعْدٍ مِنَ التَّابِعِينَ وألائمه وَالأَعْلامِ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ أَخُوهُ وَهُوَ تَابِعِيّ وَابْن جريح وَحَمْزَةُ بْنُ ثَابِتٍ وَرَوْحُ بْنُ الْقَاسِمِ وَسُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ فِي آخَرِينَ وَرَوَاهُ عَنْ عُمَرَ بْنِ ثَابِتٍ صَفْوَانُ بْنُ سُلَيْمٍ2 - حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ ثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى ثَنَا الْحُمَيْدِيُّ ثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ الدَّرَاوَرْدِيُّ عَنْ صَفْوَانَ بْنِ سُلَيْمٍ وَسَعْدِ بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عُمَرَ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ أَبِي أَيُّوبَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مثلهعَزِيز مِنْ حَدِيثِ صَفْوَانٍ لَا أَعْلَمُ رَوَاهُ عنْهُ إِلا الدَّرَاوَرْدِيُّ وَصَفْوَانُ بن سليم من تَابِعِيّ المدفيه وعبادهم مولى حَمَّاد بن عبد الرحمن ويكنى أَبَا عبد الله
তাবিঈদের মধ্যে এবং ইমাম ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মাঝে যারা সা’দ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, তারা হলেন: তাঁর ভাই ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ—যিনি একজন তাবিঈ, ইবনে জুরাইজ, হামযাহ ইবনে সাবিত, রাওহ ইবনুল কাসিম এবং সুফইয়ান আস-সাওরীসহ আরও অনেকে। আর উমর ইবনে সাবিত থেকে এটি বর্ণনা করেছেন সাফওয়ান ইবনে সুলাইম।২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আলী মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনুল হাসান, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বিশর ইবনে মুসা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হুমাইদী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল আযীয ইবনে মুহাম্মদ আদ-দারওয়ারদী; তিনি সাফওয়ান ইবনে সুলাইম ও সা’দ ইবনে সাঈদ থেকে, তারা উমর ইবনে সাবিত থেকে, তিনি আবু আইয়ুব থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।সাফওয়ানের হাদীস হিসেবে এটি 'আযীয'; আমি জানি না যে আদ-দারওয়ারদী ব্যতীত অন্য কেউ তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন কি না। আর সাফওয়ান ইবনে সুলাইম মদীনার তাবিঈ ও তাঁদের মধ্যকার ইবাদতগুজার ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি হাম্মাদ ইবনে আবদুর রহমানের মুক্তদাস ছিলেন এবং তাঁর উপনাম ছিল আবু আব্দুল্লাহ।
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুম মিন আমালী আবী নুয়াইম আল-আসাবাহানী
(পৃষ্ঠা: ৩৪)
3 - حَدثنَا عبد الله بْنُ جَعْفَرٍ ثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عبد الله ثَنَا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ الْمِصْرِيُّ ثَنَا بَكْرُ بْنُ مُضَرَ عَنْ أَبِي زُرْعَةَ عَمْرٍو عَنْ جَابِرِ بن عبد الله رضي الله عنه قَالَ قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم من صَامَ ثمَّ أتبعه بست مِنْ شَوَّالٍ فَكَأَنَّمَا صَامَ الدَّهْرَ وَرَوَاهُ عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ وَمُجَاهِدٌ عَنْ جَابِرٍ مِثْلَهُ وَرَوَاهُ مُجَاهِدٌ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ
৩ - আমাদের নিকট আবদুল্লাহ বিন জাফর বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট ইসমাইল বিন আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আমর বিন খালিদ আল-মিসরি বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট বকর বিন মুদার বর্ণনা করেছেন আবু যুরআ আমর থেকে, তিনি জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি রোজা রাখল, এরপর শাওয়ালের ছয়টি রোজা তার অনুগামী করল, তবে সে যেন সারা বছর রোজা রাখল।" আমর বিন দিনার এবং মুজাহিদ জাবির থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন এবং মুজাহিদ এটি আবু হুরায়রা থেকেও বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুম মিন আমালী আবী নুয়াইম আল-আসাবাহানী
(পৃষ্ঠা: ৩৬)
4 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أبي حُصَيْن الوداعي حَدَّثَنِي أَبو حُصَيْنٍ ثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ ثَنَا رَوَّادُ بْنُ الْجَرَّاحِ ثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ الْأَنْصَارِيُّ عَنْ لَيْثٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ صَامَ رَمَضَانَ وَسِتًّا مِنْ شَوَّالٍ فَقَدْ صَامَ السَّنَةَ قَالَ ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ جَاءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ عَشْرُ أَمْثَالِهَاأَبُو النُّعْمَانِ الْأَنْصَارِيُّ اسْمُهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ النُّعْمَانِ
4 - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে আহমাদ ইবনে আবু হুসাইন আল-ওয়াদাঈ, তিনি বলেন: আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবু হুসাইন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইউনুস ইবনে আবদুর রহিম, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন রাওয়াদ ইবনে আল-জাররাহ, তিনি বলেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু নুমান আল-আনসারি, লায়স থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে ব্যক্তি রমজান মাসে রোজা রাখল এবং শাওয়ালের ছয় দিন রোজা রাখল, সে যেন পুরো বছর রোজা রাখল।" তিনি বলেন: অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "যে ব্যক্তি কোনো সৎকাজ নিয়ে আসবে, তার জন্য তার দশগুণ প্রতিদান রয়েছে।"আবু নুমান আল-আনসারির নাম হলো আবদুর রহমান ইবনে আন-নুমান।
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুম মিন আমালী আবী নুয়াইম আল-আসাবাহানী
(পৃষ্ঠা: ৪২)
5 - حَدثنَا أَبُو الْقَاسِم بدير بْنُ جَنَاحٍ الْقَاضِي الْمُحَارِبِيُّ ثَنَا إِسْحَاق بن مُحَمَّد بن مَسْرُوق ثَنَا أَبِي ثَنَا حَفْصٌ أَبُو مُخَارِقٍ عَنْ خَلادٍ الصَّفَّارِ عَنْ عبد الله بن سعيد بن أبي سعيد عَن أَبى سعيد عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ صَامَ رَمَضَانَ وَسِتَّةَ أَيَّامٍ بَعْدَهُ لَا يَفْصِلُ بَيْنَهُنَّ كَأَنَّمَا صَامَ السَّنَةَغَرِيبٌ بِهَذَا اللَّفْظِ لَمْ يَكْتُبْهُ إِلا مِنْ حَدِيثِ خَلادٍ الصَّفَّارِ وَهُوَ خَلادُ بن مُسلم الْكُوفِي يُكْنَى أَبَا مُسْلِمٍ غَرِيبُ الْحَدِيثِوَرَوَاهُ عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ عَنْ عبد الرحمن بْنِ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ أَبِيهِوَرَوَاهُ إِسْمَاعِيلُ بْنُ رَافِعٍ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ
৫ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আল-কাসিম বুদাইর বিন জানাহ আল-কাদি আল-মুহারিবি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইসহাক বিন মুহাম্মদ বিন মাসরুক, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফস আবু মুখারিক, তিনি খাল্লাদ আস-সাফফার থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন সাঈদ বিন আবি সাঈদ থেকে, তিনি আবু সাঈদ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখল এবং এরপর আরও ছয়টি রোজা রাখল, যেগুলোর মাঝে সে কোনো বিচ্ছিন্নতা (বিরতি) রাখল না, সে যেন পুরো বছরই রোজা রাখল।"এই শব্দ বিন্যাসে এটি একটি গারিব (সূত্র পরম্পরায় বিরল) হাদিস। এটি কেবল খাল্লাদ আস-সাফফারের হাদিস থেকেই লিপিবদ্ধ হয়েছে। তিনি হলেন খাল্লাদ বিন মুসলিম আল-কুফি, তার উপনাম আবু মুসলিম; তিনি হাদিস বর্ণনায় গারিব।আর এটি আমর বিন দিনার, আব্দুর রহমান বিন আবি হুরায়রা থেকে, তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন।এবং এটি ইসমাইল বিন রাফি, আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুম মিন আমালী আবী নুয়াইম আল-আসাবাহানী
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
6 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلادٍ ثَنَا الْحَارِثُ بْنُ أَبِي أُسَامَةَ ثَنَا أَبُو النَّضْرِ هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِح وَثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحَسَنِ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَح وَثنا أَبُو إِسْحَاقَ بْنُ حَمْزَةَ وَمُحَمّد بن حميد عَن جمَاعَة قَالُوا ثَنَا أَبُو خَليفَة ثَنَا أَبُو الْوَلِيدح وَثنا مُحَمَّدُ بْنُ مَعْمَرٍ ثَنَا مُوسَى بْنُ هَارُونَ ثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ قَالُوا ثَنَا اللَّيْث بن سعد حَدثنِي عبد الله بن عبيد الله بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ أَنَّهُ سَمِعَ الْمِسْوَرَ بْنَ مَخْرَمَةَ يَقُولُ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ إِنَّ بَنِي هِشَامِ بْنِ الْمُغيرَة أستأذنوا أَنْ يُنْكِحُوا ابْنَتَهُمْ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ فَلا آذَنُ ثُمَّ
৬ - আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু বকর বিন খাল্লাদ, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আল-হারিস বিন আবি উসামাহ, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল নাদর হাশিম বিন আল-কাসিম।এবং আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-হাসান, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন উসমান বিন আবি শায়বাহ, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন ইউনুস।এবং আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক বিন হামজাহ ও মুহাম্মদ বিন হুমাইদ একদল বর্ণনাকারী থেকে, তারা বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু খলিফাহ, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবুল ওয়ালিদ।এবং আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন মা'মার, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুসা বিন হারুন, তিনি বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন কুতাইবাহ বিন সাঈদ। তারা সকলে বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন লাইস বিন সাদ, তিনি বলেন আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন উবাইদুল্লাহ বিন আবি মুলাইকাহ যে, তিনি মিসওয়ার বিন মাখরামাহ-কে বলতে শুনেছেন যে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মিম্বারের ওপর থাকাকালীন বলতে শুনেছেন: "নিশ্চয়ই বনু হিশাম বিন আল-মুগীরাহ তাদের কন্যাকে আলী বিন আবি তালিবের কাছে বিবাহ দেওয়ার অনুমতি চেয়েছে, কিন্তু আমি অনুমতি দেব না, অতঃপর..."
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুম মিন আমালী আবী নুয়াইম আল-আসাবাহানী
(পৃষ্ঠা: ৪৫)
لَا آذَنُ ثُمَّ لَا آذَنُ إِلا أَنْ يُحِبَّ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ أَنْ يُطَلِّقَ ابْنَتِي وَيَنْكِحَ ابْنَتَهُمْ وَإِنَّمَا فَاطِمَةُ بِضْعَةٌ مِنِّي يُرِيبُنِي مَا يُرِيبُهَا وَيُؤْذِينِي مَا يؤذيهاصَحِيح مُتَّفق عَلَيْهِ وَحدث بِهِ الإِمَامُ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ عَنْ يُونُسَ بْنِ محَمَّدٍ وَأَبِي النَّضْرِ عَنِ اللَّيْثِوَرَوَاهُ عَمْرُو بْنُ دِينَار عَن أبن مليكَة عَن الْمسور فاختصر
আমি অনুমতি দেব না, পুনরায় আমি অনুমতি দেব না; তবে যদি আলী ইবন আবী তালিব আমার কন্যাকে তালাক দিতে এবং তাদের কন্যাকে বিবাহ করতে চায় (তবে ভিন্ন কথা)। প্রকৃতপক্ষে ফাতেমা আমারই একটি অংশ; যা তাকে বিচলিত করে তা আমাকেও বিচলিত করে এবং যা তাকে কষ্ট দেয় তা আমাকেও কষ্ট দেয়।এটি একটি সহীহ হাদীস এবং সর্বসম্মত (মুত্তাফাকুন আলাইহি)। ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বল এটি ইউনুস ইবন মুহাম্মদ ও আবু আন-নাদর থেকে এবং তাঁরা লাইস থেকে বর্ণনা করেছেন।আমর ইবন দীনার এটি ইবন মুলাইকাহ থেকে এবং তিনি মিসওয়ার থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি তা সংক্ষিপ্ত করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুম মিন আমালী আবী নুয়াইম আল-আসাবাহানী
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
7 - حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي حُصَيْنٍ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عبد الله الْحَضْرَمِيُّ ثَنَا خَلادُ بْنُ أَسْلَمَ ثَنَا سُفْيَان ابْن عُيَيْنَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ قَالَ قَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّمَا فَاطِمَةُ بِضْعَةٌ مِنِّي يؤذني مَا آذَاهَا وَيُغْضِبُنِي مَا أَغْضَبَهَامُتَّفَقٌ عَلَيْهِ مِنْ حَدِيثِ عَمْرٍووَرَوَاهُ الزُّهْرِيُّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ عَنِ الْمِسْوَرِ
৭ - আমাদের নিকট ইবরাহিম ইবনে আহমাদ ইবনে আবি হুসাইন বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাদরামি থেকে, তিনি খাল্লাদ ইবনে আসলাম থেকে, তিনি সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ থেকে, তিনি আমর ইবনে দিনার থেকে, তিনি ইবনে আবি মুলাইকাহ থেকে, তিনি মিসওয়ার ইবনে মাখরামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "নিশ্চয়ই ফাতিমা আমারই একটি অংশ; যা তাকে কষ্ট দেয় তা আমাকেও কষ্ট দেয় এবং যা তাকে রাগান্বিত করে তা আমাকেও রাগান্বিত করে।"এটি আমরের বর্ণিত হাদিস থেকে মুত্তাফাকুন আলাইহি (বুখারি ও মুসলিম কর্তৃক সর্বসম্মত)।আর এটি যুহরি, আলি ইবনুল হুসাইন থেকে এবং তিনি মিসওয়ার থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুম মিন আমালী আবী নুয়াইম আল-আসাবাহানী
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
8 - حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ ثَنَا أَبُو زُرْعَةَ الدِّمَشْقِيُّ ثَنَا أَبُو الْيَمَان أَنا شُعَيْب عَنِ الزُّهْرِيِّ أَخْبَرَنِي عَلِيُّ بْنُ الْحُسَيْنِي عَن الْمِسْوَرَ بْنَ مَخْرَمَةَ أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ خَطَبَ ابْنَةَ أَبِي جَهْلٍ وَعِنْدَهُ فَاطِمَةُ ابْنَةُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَلَمَّا سَمِعَتْ بِذَلِكَ فَاطِمَةُ أَتَتِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ إِنَّ قَوْمَكَ يَتَحَدَّثُونَ أَنَّكَ لَا تغْضب لنسائك وَهَذَا عَلِيٌّ نَاكِحٌ بِنْتَ أَبِي جَهْلٍ قَالَ الْمِسْوَرُ فَقَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَسَمِعْتُهُ يَتَشَهَّدُ ثُمَّ قَالَ أَمَّا بَعْدُ فَإِنِّي أَنْكَحْتُ أَبَا الْعَاصِ بْنَ الرَّبِيعِ فَحَدَّثَنِي وَصَدَّقَنِي وَإِنَّمَا فَاطِمَةُ بِنْتُ محَمَّدٍ بِضْعَةٌ مِنِّي وَإِنِّي أكره أَن يغترمها وَإِنَّهَا وَاللَّهِ لَا تَجْتَمِعُ بِنْتُ نَبِيِّ اللَّهِ وَبِنْتُ عَدُوِّ اللَّهِ عِنْدَ رَجُلٍ وَاحِدٍ قَالَ فَتَرَكَ عَلِيٌّ الْخِطْبَةَفَحَدِيثُ الزُّهْرِيِّ أَيْضًا مُتَّفق عَلَيْهِ رَوَاهُ عَن الْجَمَاعَة
৮ - সুলাইমান ইবনে আহমাদ আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু যুরআহ আদ-দিমাশকি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু আল-ইয়ামান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: শুআইব আমাদের নিকট যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আলী ইবনে আল-হুসাইন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি মিসওয়ার ইবনে মাখরামাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, আলী ইবনে আবি তালিব আবু জাহলের কন্যাকে বিবাহের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, এমতাবস্থায় তাঁর নিকট নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কন্যা ফাতিমাহ ছিলেন। ফাতিমাহ যখন এই সংবাদ শুনলেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলেন এবং বললেন, "আপনার সম্প্রদায় আলোচনা করছে যে, আপনি আপনার কন্যাদের সম্মানে রাগান্বিত হন না; আর এই যে আলী আবু জাহলের মেয়েকে বিবাহ করতে যাচ্ছেন।" মিসওয়ার বলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন এবং আমি তাঁকে তাশাহহুদ পাঠ করতে শুনলাম। এরপর তিনি বললেন, "অতঃপর কথা হলো, আমি আবুল আস ইবনে আর-রাবি‘র সাথে (আমার কন্যার) বিবাহ দিয়েছি, সে আমার সাথে যা বলেছে তা সত্য বলেছে। আর ফাতিমাহ বিনতে মুহাম্মাদ আমারই একটি অংশ, আমি অপছন্দ করি যে কেউ তাকে কষ্ট দিক। আল্লাহর কসম! আল্লাহর নবীর কন্যা এবং আল্লাহর শত্রুর কন্যা কখনো এক ব্যক্তির অধীনে একত্রিত হতে পারে না।" বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আলী বিবাহের সেই প্রস্তাব পরিত্যাগ করলেন।যুহরির এই হাদিসটিও মুত্তাফাকুন আলাইহি (সর্বসম্মত), যা একদল রাবী তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুম মিন আমালী আবী নুয়াইম আল-আসাবাহানী
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
9 - حَدثنَا مُحَمَّد بن المظفر ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ محَمَّدِ بْنِ وَاصِلٍ حَدَّثَنِي أَبِي حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها قَالَتْ دَخَلَ أَبُو بَكْرٍ رضي الله عنه عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَعِنْدِي جَارِيَتَانِ تُغَنِّيَانِ وَتَضْرِبَانِ بِالدُّفِّ فَانْتَهَرَهُمَا أَبُو بَكْرٍ فَقَالَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دَعْهُمَا يَا أَبَا بَكْرٍ فَإِنَّهُ يَوْمُ عِيدٍصَحِيحٌ ثَابِتٌ مِنْ حَدِيثِ عُرْوَةَ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ مَالِكٍرَوَاهُ عَنِ الزُّهْرِيِّ الأَوْزَاعِيُّ وَمَعْمَرٌ وَصَالِحٌ وَعُقَيْلٌ
৯ - আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল মোজাফফর, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ওয়াসিল, তিনি বলেন: আমার পিতা আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন ইবরাহিম ইবনে তাহমান, তিনি মালেক ইবনে আনাস থেকে, তিনি ইবনে শিহাব আজ-জুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, আর তিনি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আবু বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট প্রবেশ করলেন, এমতাবস্থায় আমার কাছে দুটি কিশোরী গান গাইছিল এবং দফ বাজাচ্ছিল। তখন আবু বকর তাদের ধমক দিলেন। এতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "হে আবু বকর, ওদের ছেড়ে দাও, কেননা এটি ঈদের দিন।"হাদীসটি উরওয়াহ-এর বর্ণনা হিসেবে সহীহ ও সাব্যস্ত, তবে মালেক-এর বর্ণনা হিসেবে এটি গরিব (একক সূত্রে বর্ণিত)।এটি জুহরি থেকে ইমাম আওজাই, মা'মার, সালিহ এবং উকাইলও বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুম মিন আমালী আবী নুয়াইম আল-আসাবাহানী
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
وَرَوَاهُ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ شُعْبَةُ وَمَعْمَرٌ وَشَرِيكٌ وَحَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ فِي آخَرِينَ فَحَدِيثُ شُعْبَةَ10 - حَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمد بن الْحسن ثَنَا عبد الله بن احْمَد بن حَنْبَل وحَدثني أَبِي ح وَثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ حَمْزَة حَدثنَا مُحَمَّد بن يحيى حَدثنَا مُحَمَّد بن المثني قَالَا حَدثنَا مُحَمَّد بن جَعْفَر حَدثنَا شُعْبَةُ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها أَنَّ أَبَا بَكْرٍ دَخَلَ عَلَيْهَا وَعِنْدَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي يَوْمِ فِطْرٍ أَوْ أَضْحَى وَعِنْدَهَا قَيْنَتَانِ تُغَنِّيَانِ فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ
এবং এটি হিশাম ইবন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, মা'মার, শারীক এবং হাম্মাদ ইবন সালামাহসহ অন্যান্যরা। সুতরাং শু'বাহর হাদীস হলো:১০ - আমাদের কাছে এটি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন আহমাদ ইবনুল হাসান, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবন আহমাদ ইবন হাম্বল এবং আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, (সনদ পরিবর্তন) এবং আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবন হামযাহ, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন ইয়াহইয়া, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না, তাঁরা উভয়েই বলেন আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবন জা'ফর, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, হিশাম ইবন উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়িশাহ (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, আবু বকর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর কাছে প্রবেশ করলেন এবং তখন তাঁর নিকট রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উপস্থিত ছিলেন। দিনটি ছিল ঈদুল ফিতর অথবা ঈদুল আযহার দিন এবং তাঁর নিকট দুজন গায়িকা গান গাচ্ছিল। তখন আবু বকর বললেন:
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুম মিন আমালী আবী নুয়াইম আল-আসাবাহানী
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
مِزْمَارُ الشَّيْطَانِ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم دَعْهُمَا يَا أَبَا بَكْرٍ فَإِنَّ لِكُلِّ قَوْمٍ عِيدًا وَإِنَّ عِيدَنَا هَذَا الْيَوْمُ
শয়তানের বাঁশি! অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে আবু বকর, ওদের ছেড়ে দাও; কেননা প্রত্যেক জাতিরই ঈদ রয়েছে, আর আমাদের ঈদ হলো আজকের এই দিন।
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুম মিন আমালী আবী নুয়াইম আল-আসাবাহানী
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
11 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُظَفَّرِ إِمْلاءً ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ عَمْرٍو الْحِمْصِيُّ ثَنَا أَبِي ثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ ثَنَا أَيُّوبُ بْنُ خَوْطٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها أَنَّ أَبَا بَكْرٍ دَخَلَ عَلَيْهَا وَعِنْدَهَا قَيْنَتَانِ تُغَنِّيَانِ مَا قِيلَ يَوْمَ بُعَاثٍ فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ يَا عَائِشَة المزمور الشَّيْطَانِ وَنَبِيُّ اللَّهِ مُضْطَجِعٌ فِي نَاحِيَةِ الْبَيْتِ فَقَالَ دَعْهَا يَا أَبَا بَكْرٍ لِكُلِّ قَوْمٍ عِيدٌ وَالْيَوْمَ عِيدُنَا وَكَانَ يَوْمَ عِيدٍغَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ أَيُّوبَ بْنِ خَوْطٍ لَمْ نَكْتُبْهُ إِلا مِنْ حَدِيثِ يَحْيَى
১১ - মুহাম্মদ ইবনুল মুজাফ্ফার আমাদের নিকট শ্রুতলিপি হিসেবে বর্ণনা করেছেন, আহমাদ ইবনে খালিদ ইবনে আমর আল-হিমসি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমার পিতা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আইয়ুব ইবনে খাওত আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিশাম ইবনে উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, আবু বকর (রা.) তাঁর নিকট প্রবেশ করলেন, এমতাবস্থায় তাঁর নিকট দু’জন গায়িকা বুয়াস যুদ্ধের দিনে যা বলা হয়েছিল (যুদ্ধ-সংক্রান্ত কবিতা) তা গেয়ে শোনাচ্ছিল। তখন আবু বকর (রা.) বললেন, "হে আয়েশা! শয়তানের বাঁশি?" অথচ আল্লাহর নবী ঘরের এক কোণে শুয়ে ছিলেন। তখন তিনি বললেন, "হে আবু বকর, ওদের ছেড়ে দাও; কারণ প্রত্যেক জাতিরই উৎসব রয়েছে, আর আজ আমাদের ঈদের দিন।" আর সেদিন ছিল ঈদের দিন।আইয়ুব ইবনে খাওতের হাদিস হিসেবে এটি গরীব (একক); আমরা ইয়াহইয়ার হাদিস ব্যতীত এটি লিপিবদ্ধ করিনি।
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুম মিন আমালী আবী নুয়াইম আল-আসাবাহানী
(পৃষ্ঠা: ৬২)
12 - حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ ثَنَا بَكْرُ بْنُ سَهْلٍ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي السُّرِّيِّ ثَنَا أَبُو عِصَامٍ رَوَّادُ بْنُ الْجَرَّاحِ عَنْ شريك بن عبد الله عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ رضي الله عنها أَن النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَا فَعَلَتْ فُلانَةٌ لِيَتِيمَةٍ كَانَتْ عِنْدَهَا فَقَالَتْ أَهْدَيْتهَا الى زَوجهَا قَالَ فَهَلا بَعَثْتُمْ مَعَهَا بِجَارِيَةٍ تَضْرِبُ الدُّفَّ يعْنى قَالَت تَقول هَذَا قَالَ تَقولأَتَيْنَاكُم أَتَيْنَاكُمفحبونا نحبكم … وَلَوْلا الذَّهَبُ الأَحْمَرُ مَا حَلَّتْ بواديكموَلَوْلَا الْحبَّة السَّوْدَاء ماسمن عَذَارِيكُمْ مَا أَعْلَمُ رَوَاهُ بِهَذَا اللَّفْظِ عَنْ هِشَامٍ إِلا شَرِيكٌ
১২ - সুলায়মান ইবনু আহমাদ আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, বকর ইবনু সাহল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনু আবিস সুরি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু ইসাম রাউওয়াদ ইবনুল জাররাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শারিক ইবনু আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি হিশাম ইবনু উরওয়াহ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ইয়াতীম মেয়ের ব্যাপারে—যে আয়েশা (রা.)-এর নিকট ছিল—জিজ্ঞেস করলেন, "অমুক মেয়েটি কী করল?" আয়েশা (রা.) বললেন, "আমি তাকে তার স্বামীর নিকট পাঠিয়ে দিয়েছি।" তিনি বললেন, "তোমরা কি তার সাথে এমন কোনো বালিকাকে পাঠাওনি যে দফ বাজাত?" অর্থাৎ আয়েশা (রা.) বললেন, সে কি এই কথাগুলো বলবে? নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, "সে বলবে:"আমরা তোমাদের নিকট এসেছি, আমরা তোমাদের নিকট এসেছিসুতরাং তোমরা আমাদের অভিবাদন জানাও, আমরাও তোমাদের অভিবাদন জানাব … আর যদি লাল স্বর্ণ না থাকত, তবে সে তোমাদের উপত্যকায় পদার্পণ করত নাআর যদি কালো শস্য না থাকত, তবে তোমাদের কুমারীরা হৃষ্টপুষ্ট হতো না আমার জানা মতে, শারিক ব্যতীত আর কেউ হিশাম থেকে এই শব্দে হাদীসটি বর্ণনা করেননি।
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুম মিন আমালী আবী নুয়াইম আল-আসাবাহানী
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
13 - حَدثنَا عبد الله بْنُ محَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ ثَنَا عبد الله بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَسَدٍ ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ ثَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ ثَنَا أَبُو أُوَيْسٍ عَن الْحسن بن عبد الله عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ مَرَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِحَسَّانِ بْنِ ثَابت وَقَدْ رَشَّ فِنَاءَ أُطُمِهِ وَمَعَهُ أَصْحَابه سماطين وجاريه لَهُم يُقَال لَهَا سِرين مَعهَا مزهرها تخْتَلف بَيْنَ السِّمَاطَيْنِ بَيْنَ الْقَوْمِ وَهِيَ تُغَنِّيهُمْ فَلَمَّا مَرَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَلم يَأْمُرْهُمْ وَلَمْ يَنْهَهُمْ فَانْتَهَى إِلَيْهَا وَهِيَ تَقُولُ فِي غِنَائِهَا … هَلْ على ويحكما … أَن لهوت من حرج … فبتسم رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ لَا حَرَجَ إِنْ شَاءَ اللَّهُغَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ عِكْرِمَهْ لَا أَعْلَمُ رَوَاهُ عنْهُ إِلا حُسَيْن وَهُوَ حُسَيْن بن عبد الله بن عبيد الله بْنِ عَبَّاسٍ
১৩ - আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন জাফর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন আসাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আহমদ বিন মনসুর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইউনুস বিন মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু উওয়াইস বর্ণনা করেছেন হাসান বিন আব্দুল্লাহ থেকে, তিনি ইকরিমাহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাসসান বিন সাবিতের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন, এমতাবস্থায় তিনি (হাসসান) তাঁর দুর্গের প্রাঙ্গণে পানি ছিটিয়েছিলেন এবং তাঁর সাথে তাঁর সাথীগণ দুই সারিতে ছিলেন। তাঁদের সাথে সিরিন নামক এক দাসী ছিল, যার সাথে তার বাদ্যযন্ত্র (মিজহার) ছিল। সে লোকদের দুই সারির মাঝে আসা-যাওয়া করছিল এবং তাদের গান শোনাচ্ছিল। যখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখান দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি তাদের কোনো আদেশও দেননি এবং কোনো নিষেধও করেননি। এরপর তিনি তার (দাসীটির) নিকট পৌঁছালেন যখন সে তার গানে বলছিল … তোমাদের উভয়ের সর্বনাশ হোক, আমার কি … আমোদ-প্রমোদ করাতে কোনো গুনাহ আছে? … তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মুচকি হাসলেন এবং বললেন: "আল্লাহ চাইলে এতে কোনো গুনাহ নেই।"ইকরিমাহ-এর হাদীস হিসেবে এটি 'গরীব' (বিচ্ছিন্ন); হুসাইন ব্যতীত আর কেউ তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন বলে আমার জানা নেই, আর তিনি হলেন হুসাইন বিন আব্দুল্লাহ বিন উবাইদুল্লাহ বিন আব্বাস।
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুম মিন আমালী আবী নুয়াইম আল-আসাবাহানী
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
14 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ قُتَيْبَةَ ثَنَا ابْنُ أَبِي السُّرِّيِّ ثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ ثَنَا مَعْمَرٌ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ وَهْبِ بن كيسَان قَالَ سَمِعت عبد الله بن الزبير يترنم تبعنا وَقَالَ سَمِعْتُ رَجُلا مِنَ الْمُهَاجِرِينَ وَهُوَ يَتَرَنَّمُ
১৪ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে আলী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনুল হাসান ইবনে কুতাইবাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইবনে আবিস সুরি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুর রাজ্জাক বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট মা'মার হিশাম ইবনে উরওয়াহ হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি ওয়াহাব ইবনে কায়সান হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি আবদুল্লাহ ইবনুল জুবায়েরকে আমাদের অনুসরণ করে সুর করে আবৃত্তি করতে শুনেছি। তিনি বলেন: আমি মুহাজিরগণের মধ্য থেকে এক ব্যক্তিকে সুর করে আবৃত্তি করতে শুনেছি।
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুম মিন আমালী আবী নুয়াইম আল-আসাবাহানী
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
15 - حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ ثَنَا إِسْحَاق بن إِبْرَاهِيم ثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ أَيُّوبَ عَنِ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ اسْتَلْقَى الْبَراء بن مَالك عَلَى ظَهْرِهِ يَتَرَنَّمُ فَقَالَ لَهُ أنس اذكر الله أى أَخِي فَاسْتَوَى جَالِسًا وَقَالَ أَتُرَانِي أَمُوتُ عَلَى فِرَاشِي وَقَدْ قَتَلْتُ مِائَةً مِنَ الْمُشْرِكِينَ مُبَارَزَةً سِوَى مَنْ شَارَكْتُ فِي قَتْلِهِرَوَاهُ شَبَابَةُ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ قَتَادَةَ نَحْوَهُ عَنْ أَنَسٍ ذَكَرْتُ هَذَا الْقدر فِي هَذَا النَّحْو لما بَلغنِي مِنْ إِنْكَارِ جَاهِلٍ بِمَعْرِفَةِ الآثَارِ وسيرة مَا درج عَلَيْهِ الْمُهَاجِرين وَالأَنْصَارُ
১৫ - আমাদের নিকট সুলাইমান বিন আহমাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইসহাক বিন ইবরাহিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আবদুর রাজ্জাক বর্ণনা করেছেন মামার থেকে, তিনি আইয়ুব থেকে, তিনি ইবনে সিরিন থেকে, তিনি আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: বারা বিন মালিক চিত হয়ে শুয়ে গুনগুন করছিলেন। তখন আনাস তাকে বললেন, "হে আমার ভাই! আল্লাহকে স্মরণ করুন।" তখন তিনি সোজা হয়ে বসে পড়লেন এবং বললেন, "আপনি কি মনে করেন যে আমি আমার বিছানায় মৃত্যুবরণ করব? অথচ আমি সম্মুখ যুদ্ধে একশ মুশরিককে হত্যা করেছি, তারা ছাড়া যাদেরকে হত্যা করতে আমি অন্যদের সাথে শরিক ছিলাম।"শাবাবাহ শুবা থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে, তিনি আনাস থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আমি এই অংশটুকু এখানে এই কারণে উল্লেখ করেছি, যেহেতু আমার কাছে এমন এক ব্যক্তির অস্বীকারের সংবাদ পৌঁছেছে যে আছার (হাদিস) এবং মুহাজির ও আনসারগণ যে রীতির ওপর অতিবাহিত হয়েছেন সে সম্পর্কে অজ্ঞ।
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুম মিন আমালী আবী নুয়াইম আল-আসাবাহানী
(পৃষ্ঠা: ৭৪)
16 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عبيد الله ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ الْقَاضِي الملحمي ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ ثَنَا الأَصْمَعِيُّ ثَنَا أَبُو الْمِقْدَامِ هِشَامُ بْنُ زِيَادٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْب القرطي انه سُئِلَ مَا علاقَة الْخِذْلانِ قَالَ أَنْ يَسْتَقْبِحَ الرَّجُلُ مَا كَانَ يَسْتَحْسِنُ وَيَسْتَحْسِنُ مَا كَانَ قبيحا
১৬ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন উবাইদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আহমাদ বিন ইসহাক আল-কাজী আল-মালহামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ বিন আল-কাসিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল-আসমাঈ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু আল-মিকদাম হিশাম বিন যিয়াদ আমাদের নিকট মুহাম্মাদ বিন কাব আল-কুরাযি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, আল্লাহর সাহায্য ও তাওফিক থেকে বঞ্চিত হওয়ার (খিজলান) লক্ষণ কী? তিনি বললেন, ‘তা হলো কোনো ব্যক্তি ইতিপূর্বে যে বিষয়টিকে উত্তম মনে করত সেটিকে মন্দ মনে করা এবং যা ইতিপূর্বে মন্দ ছিল সেটিকে উত্তম মনে করা।’
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুম মিন আমালী আবী নুয়াইম আল-আসাবাহানী
(পৃষ্ঠা: ৭৫)
17 - حَدثنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَغْدَادِيُّ إِجَازَةً وَحَدَّثَنِي عَنْهُ عُثْمَانُ بن مُحَمَّد العثماني ثَنَا عبد الله بن سهل البرازي سَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ مُعَاذٍ يَقُولُ مِنْ سَعَادَةِ الْمَرْءِ أَنْ يَكُونَ خَصْمُهُ فَهِمًا وَخَصْمِي لَا فَهْمَ لَهُ فَقِيلَ لَهُ مَنْ خَصْمُكَ قَالَ نَفْسِي لَا فَهْمَ لَهَا تَبْتَغِي الْجَنَّةَ وَمَا فِيهَا مِنَ النَّعيم الْمُقِيم وَالْخُلُود فِيهَا شَهْوَة سَاعَةٍ فِي دَارِ الدُّنْيَا قَالَ وَسَمِعْتُ يَحْيَى بْنَ مُعَاذٍ يَقُولُ خرج الزاهدون من الدُّنْيَا بداء لَا يشفيهم إِلا دُخُولُ الْجَنَّةِ وَخَرَجَ الْعَارِفُونَ من الدُّنْيَا بداء لَا يشفيهم إِلا رُؤْيَتُهُ
১৭ - আমাদের নিকট মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগদাদি ইজাজাতান বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর সূত্রে ওসমান বিন মুহাম্মদ আল-উসমানি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবদুল্লাহ ইবনে সাহল আল-বারাজি বর্ণনা করেছেন, আমি ইয়াহইয়া ইবনে মুয়াজকে বলতে শুনেছি: কোনো ব্যক্তির সৌভাগ্য হলো তার প্রতিপক্ষ বুদ্ধিমান হওয়া, কিন্তু আমার প্রতিপক্ষ নির্বোধ। তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো: আপনার প্রতিপক্ষ কে? তিনি বললেন: আমার নফস; তার কোনো বোধশক্তি নেই। সে জান্নাত এবং তথাকার চিরস্থায়ী নিয়ামত ও অনন্তকাল অবস্থান কামনা করে, অথচ দুনিয়ার আবাসে সামান্য সময়ের লালসায় লিপ্ত থাকে। তিনি বলেন: আমি ইয়াহইয়া ইবনে মুয়াজকে আরও বলতে শুনেছি: জাহিদগণ দুনিয়া থেকে এমন এক ব্যাধি নিয়ে বিদায় নিয়েছেন যে, জান্নাতে প্রবেশ ছাড়া তাদের কোনো আরোগ্য নেই। আর আরিফগণ দুনিয়া থেকে এমন এক ব্যাধি নিয়ে বিদায় নিয়েছেন যে, তাঁকে (আল্লাহকে) দর্শন করা ব্যতীত তাদের কোনো আরোগ্য নেই।
(খণ্ড: ১)
মাজলিসুম মিন আমালী আবী নুয়াইম আল-আসাবাহানী
(পৃষ্ঠা: ৭৬)
18 - أَنْشَدَنَا أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ أَنْشَدَنَا يُونُسُ بْنُ أَحْمَدَ الْعرُوض لنَفسِهِيَاذَا الْحِجَى لَا تَكُنْ بِالْهَمِّ مُحْتَفِلاوَاجعَل قرى ضَيفه جرا إِذا نزلا … واعطى الْهوى واقنع إِنَّ الْقَنُوعَ غَنىًمَا إِنْ ترى عَاقِلا يبغى بِهِ بَدَلا … شَقَاوَةُ الْمَرْءِ فِي دُنْيَاهُ طَاعَتههَوَاهُ فِي شهوات تورث الخبلا … وَمَا سَعَادَتُهُ إِلا قَنَاعَتُهُوَدَفْعُهُ الْهم حَتَّى يَنْقَضِي الأجلا
১৮ - আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন, ইউনুস ইবনে আহমাদ আল-আরুয স্বরচিত কবিতা আমাদের নিকট আবৃত্তি করেছেন:
হে প্রজ্ঞাবান! তুমি দুশ্চিন্তাকে আঁকড়ে ধরে থেকো না,
বরং তা যখন উপস্থিত হয়, তখন তাকে বিদায় করাকেই তার মেহমানদারি হিসেবে গ্রহণ করো … খেয়াল-খুশিকে বিসর্জন দাও এবং অল্পে তুষ্ট থাকো, কেননা অল্পে তুষ্টিই হলো ঐশ্বর্য।
তুমি এমন কোনো বুদ্ধিমান ব্যক্তিকে দেখবে না যে এর বিনিময়ে অন্য কিছু অন্বেষণ করে … পার্থিব জীবনে মানুষের দুর্ভাগ্য হলো প্রবৃত্তির অনুসরণ করা—
এমন সব লালসায় যা বুদ্ধিভ্রষ্টতা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে … আর তার সৌভাগ্য তো কেবল অল্পে তুষ্টির মাঝেই নিহিত,
এবং মৃত্যু পর্যন্ত দুশ্চিন্তাকে প্রতিহত করার মাঝে।