(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: -)
الأمالي المطلقة   (ابن حجر العسقلاني)

القسم: كتب السنة


الكتاب: الأمالي المطلقة

المؤلف: أبو الفضل أحمد بن علي بن محمد بن أحمد بن حجر العسقلاني (ت 852 هـ)

المحقق: حمدي بن عبد المجيد بن إسماعيل السلفي [ت 1433 هـ]

الناشر: المكتب الإسلامي - بيروت

الطبعة: الأولى، 1416 هـ -1995 م

عدد الصفحات: 258

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আল-আমালি আল-মুতলাকাহ   (ইবনে হাজার আল-আসকালানি)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: আল-আমালি আল-মুতলাকাহ

লেখক: আবু আল-ফজল আহমদ বিন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন হাজার আল-আসকালানি (মৃত্যু ৮৫২ হিজরি)

সম্পাদক: হামদি বিন আব্দুল মাজিদ বিন ইসমাইল আস-সালাফি [মৃত্যু ১৪৩৩ হিজরি]

প্রকাশক: আল-মাকতাব আল-ইসলামি - বৈরুত

সংস্করণ: প্রথম، ১৪১৬ হিজরি -১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৫৮

[কিতাবের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ٥)
‌‌71 - ثمَّ أملانا سيدنَا ومولانا شيخ الْإِسْلَام قَاضِي الْقُضَاة أمتع الله الْمُسلمين بِوُجُودِهِ آمين قَالَ

وَبِالْإِسْنَادِ الْمَاضِي إِلَى زَكَرِيَّا بْنِ يَحْيَى قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنِ الْأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ إِذَا نَظَرَ أَحَدُكُمْ إِلَى مَنْ فُضِّلَ عَلَيْهِ فِي الْمَالِ وَالْجِسْمِ فَلْيَنْظُرْ إِلَى مَنْ هُوَ دُونَهُ فِي الْمَالِ وَالْجِسْمِ

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ

أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ عُيَيْنَةَ

وَأَخْرَجَهُ أَبُو عَوَانَةَ عَن زَكَرِيَّا بن يحمى

فَوَافَقْنَاهُمَا بِعُلُوٍّ

وَأَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ مِنْ طَرِيقِ مَالِكٍ

وَمُسْلِمٌ مِنْ طَرِيقِ الْمُغِيرَةِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ

كِلَاهُمَا عَنْ أَبِي الزِّنَادِ

وَرَوَاهُ أَبُو صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ بِزِيَادَةٍ فِيهِ

أَخْبَرَنِيهِ أَبُو الْفَرَجِ بْنُ حَمَّادٍ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ قُرَيْشٍ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ بْنُ نَصْرٍ عَنْ مَسْعُودٍ الْجَمَّالِ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحداد قَالَ أخبرنَا
৭১ - এরপর আমাদের লিখিয়েছেন আমাদের সায়্যিদ ও মাওলা শাইখুল ইসলাম কাযিল কুযাত, আল্লাহ তাঁর অস্তিত্বের মাধ্যমে মুসলিমদের উপকৃত করুন, আমীন। তিনি বললেন:

এবং যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া পর্যন্ত পূর্বোক্ত সূত্রের মাধ্যমে বর্ণিত, তিনি বলেন, সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি আবুল যিনাদ থেকে, তিনি আল-আরাজ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, যা তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছেছেন। তিনি বলেছেন: যখন তোমাদের মধ্যে কেউ এমন ব্যক্তির দিকে তাকাবে যাকে সম্পদ ও শারীরিক গঠনে তার ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দেওয়া হয়েছে, তখন সে যেন তার চেয়ে কম সম্পদ ও শারীরিক গঠনসম্পন্ন ব্যক্তির দিকে তাকায়।

এটি একটি সহীহ হাদীস।

এটি আহমাদ সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং আবু আওয়ানা এটি যাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া থেকে বর্ণনা করেছেন।

আর আমরা উচ্চতর সূত্রের মাধ্যমে তাদের সাথে ঐক্যমত পোষণ করেছি।

বুখারী এটি মালিকের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এবং মুসলিম এটি মুগীরা ইবনে আবদুর রহমানের সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

তাঁরা উভয়ই আবুল যিনাদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং আবু সালিহ এটি আবু হুরায়রা থেকে এতে অতিরিক্ত শব্দসহ বর্ণনা করেছেন।

এটি আমাকে আবুল ফারাজ ইবনে হাম্মাদ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবুল হাসান ইবনে কুরাইশ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবুল ফারাজ ইবনে নাসর আমাদের মাসউদ আল-জাম্মাল থেকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু আলী আল-হাদ্দাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন...
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ٦)
أَبُو نُعَيْمٍ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرِو بْنُ حِمْدَانَ قَالَ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ وَوَكِيعٌ قَالَا حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أُنْظُرُوا إِلَى مَنْ هُوَ دُونُكُمْ وَلَا تَنْظُرُوا إِلَى مَنْ هُوَ فَوْقَكُمْ فَإِنَّهُ أَجَدَرُ أَنْ لَا تَزْدَرُوا نِعْمَةَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ

أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ وَابْنُ مَاجَهْ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ عَلَى الْمُوَافَقَةِ

وَلَهُ طُرُقٌ أُخْرَى عَنِ الْأَعْمَشِ

أَخْبَرَنِي أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الْحَقِّ وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ الدِّمَشْقِيَّانِ قَالَا أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْبَعْلِيُّ وَزَيْنَبُ بِنْتُ يَحْيَى السَّلَمِيَّةُ قَالَ الْأَوَّلُ أَخْبَرَنَا مُحَمَّد بن إِسْمَاعِيل الْخَطِيب وَالْآخَرُ أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ خَلِيلٍ قَالَا أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ مَحْمُودٍ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو عَدْنَانَ بْنُ أَبِي نِزَارٍ وَفَاطِمَةُ بِنْتُ عَبْدِ الله الأصبهانيان قَالَا أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الطَّبَرَانِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ اللِّحْيَانُ بعكا قَالَ حَدثنَا آدم ابْن أَبِي إِيَّاسٍ قَالَ حَدَّثَنَا شَيْبَانُ أَبُو مُعَاوِيْةَ وَوَرْقَاءُ بْنُ عُمَرَ كِلَاهُمَا عَن حُصَيْن ابْن عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ أَخْبَرَتْنِي أُمُّ عَاصِمٍ امْرَأَةُ عُتْبَةَ بْنِ فَرْقَدٍ السَّلَمِيِّ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَتْ

كُنَّا عِنْدَ عُتْبَةَ بْنِ فَرْقَدٍ أَرْبَعَ نِسْوَةٍ فَكَانَتْ كُلُّ امْرَأَةٍ مِنَّا تَجْتَهِدُ فِي الطِّيبِ لِتَكُونَ أَطْيَبَ رِيحًا مِنْ صَاحِبَتِهَا وَكَانَ عُتْبَةُ لَا يَمَسُّ طِيبًا إِلَّا أَنْ يَمَسَّ دُهْنًا يَمَسُّ بِهِ لِحْيَتَهُ وَهُوَ مَعَ ذَلِكَ أَطْيَبُ رِيحًا مِنَّا وَكَانَ إِذَا خَرَجَ إِلَى النَّاسِ قَالَ النَّاسُ مَا رَأينَا أطيب ريحًا مَا شممنا ريحًا أطيب من ريح عُتْبَةَ فَسَأَلْتُهُ عَنْ ذَلِكَ فَقُلْتُ لَهُ يَوْمًا إِنَّا لَنَجْتَهِدُ فِي الطِّيبِ وَلَأَنْتَ أَطْيَبُ مِنَّا رِيحًا فَمِمَّ ذَاكَ فَقَالَ أَخَذَنِي الشَّرَى عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَتَيْتُهُ فَشَكَوْتَ إِلَيْهِ ذَلِك
আবু নুআইম বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর ইবনে হিমদান, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাসান ইবনে সুফিয়ান, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর ইবনে আবি শাইবা, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া ও ওয়াকি, তারা উভয়ে বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আমাশ, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা তোমাদের চেয়ে নিম্নস্তরের লোকদের দিকে তাকাও এবং তোমাদের চেয়ে উচ্চস্তরের লোকদের দিকে তাকাবে না; কেননা এটি তোমাদের প্রতি আল্লাহর নেয়ামতকে তুচ্ছ জ্ঞান না করার জন্য অধিকতর উপযোগী।"

ইমাম মুসলিম ও ইবনে মাজাহ এটি আবু বকর ইবনে আবি শাইবা থেকে ঐকমত্যের ভিত্তিতে বর্ণনা করেছেন।

আমাশ থেকে এর আরও অন্যান্য সূত্র রয়েছে।

আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আলী ইবনে আবদুল হক এবং ইব্রাহিম ইবনে আহমদ ইবনে আবদুল ওয়াহিদ আদ-দিমাশকি; তারা উভয়ে বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে আবদুর রহমান আল-বালি এবং জয়নাব বিনতে ইয়াহইয়া আস-সুলামিয়া। প্রথমজন সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-খতিব, এবং অন্যজন সংবাদ দিয়েছেন ইব্রাহিম ইবনে খলিল; তারা উভয়ে বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াহইয়া ইবনে মাহমুদ, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আদনান ইবনে আবি নিজার এবং ফাতেমা বিনতে আবদুল্লাহ আল-আসফাহানি; তারা উভয়ে বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইব্রাহিম, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু কাসেম আত-তাবারানি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ আল-লিহয়ান (আক্কায়), তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আদম ইবনে আবি ইয়াস, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শাইবান আবু মুয়াবিয়া এবং ওয়ারকা ইবনে উমর; তারা উভয়ে হুসাইন ইবনে আবদুর রহমান থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমাকে সংবাদ দিয়েছেন উম্মে আসিম—যিনি উতবা ইবনে ফারকাদ আস-সুলামি (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু)-এর স্ত্রী ছিলেন—তিনি বলেন:

আমরা উতবা ইবনে ফারকাদের নিকট চারজন স্ত্রী ছিলাম। আমাদের প্রত্যেক নারী সুগন্ধি ব্যবহারে খুব চেষ্টা করতাম যাতে অন্য সাথীর চেয়ে অধিক সুগন্ধযুক্ত হওয়া যায়। অথচ উতবা কোনো সুগন্ধি স্পর্শ করতেন না, কেবল দাড়ি মোছার সময় সামান্য তেল ব্যবহার করতেন; তা সত্ত্বেও তিনি আমাদের চেয়ে অধিক সুগন্ধযুক্ত ছিলেন। তিনি যখন মানুষের কাছে বের হতেন, তখন তারা বলত: ‘আমরা উতবার সুগন্ধির চেয়ে উত্তম কোনো সুগন্ধি কখনো দেখিনি এবং ঘ্রাণও নেইনি।’ একদিন আমি তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে বললাম: ‘আমরা তো সুগন্ধি ব্যবহারে খুব চেষ্টা করি, অথচ আপনি আমাদের চেয়েও বেশি সুগন্ধযুক্ত, এটি কেন?’ তিনি বললেন: ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর যুগে আমি চর্মরোগে আক্রান্ত হয়েছিলাম, তখন আমি তাঁর নিকট এসে সে বিষয়ে অভিযোগ করলাম।’
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ٧)
فَأَمَرَنِي أَنْ أَتَجَرَّدَ فَتَجَرَّدْتُ وَقَعَدْتُ بَين يَدَيْهِ وَجعلت وَأَلْقَيْتُ ثَوْبِي عَلَى فَرَجِي فَنَفَثَ فِي يَدِهِ وَمَسَحَ ظَهْرِي وَبَطْنِي بِيَدِهِ فَعَبَقَ بِي هَذَا الطِّيبُ مِنْ يَوْمَئِذٍ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنُ رِجَالُهُ مَوَثَّقُونَ قَالَ الطَّبَرَانِيُّ لَمْ يروه عَن وَرْقَاء إِلَّا آدَمُ انْتَهَى وَقَدْ رَوَاهُ شُعْبَةُ عَنْ حُصَيْنٍ أَخْرَجَهُ أَبُو نُعَيْمٍ فِي الْمَعْرِفَةِ مِنْ طَرِيقِهِ آخر الْمجْلس الْحَادِي وَالسبْعين

 

‌‌72 - ثمَّ أملانا سيدنَا ومولانا قَاضِي الْقُضَاة شيخ الْإِسْلَام أمتع الله الْمُسلمين بِوُجُودِهِ آمين تَاسِع عشر ذِي قعدة عَام ثَمَان وَعشْرين وثمان مائَة قَالَ

وَبِالْإِسْنَادِ الْمَاضِي إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ قَالَ حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ حَبِيبٍ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدُ قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ قَالَ حَدَّثَنِي وَهْبُ بْنُ كَيْسَانَ عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنَا رَجُلٌ بِفَلَاةٍ مِنَ الْأَرْضِ إِذْ سَمِعَ رَعْدًا فِي سَحَابِ فَسَمِعَ فِيهِ كَلَامًا اسْقِ حَدِيقَةَ فُلَانٍ فَجَاءَ ذَلِكَ السَّحَابُ إِلَى حَرَّةٍ فَأَفْرِغَ مَا فِيهِ فَجَاء إِلَى ذِنَابِ شَرْجٍ فَانْتَهَى إِلَى شِرْجَةٍ مِنْهَا فَاسْتَوْعَبَ مَا فِيهِ فَمَشَى الرَّجُلُ مَعَ السَّحَابَةِ حَتَّى أَتَى عَلَى رَجُلٍ قَائِمٍ عَلَى حَديقَتِهِ فَسَقَاهَا فَقَالَ يَا عبْدَ اللهِ مَا اسْمُكَ فَقَالَ وَلِمَ تَسْأَلُ قَالَ فَإنِِّي سَمِعْتُ فِي سَحَابٍ هَذَا مَاؤُهُ اسْقِ حَدِيقَةَ فُلَانٍ بِاسْمكَ فَم تصنع فِيهَا إِذا صرفتها فَقَالَ أَمَّا إِذُ قُلْتَ ذَاكَ فَإنِّي أَجْعَلُهَا أَثْلَاثًا فأَعُدُّ ثُلثًا لِي وَثُلُثًا أَرُدُّهُ فِيهَا وثُلُثًا لِلْمَسَاكِينِ وَالسَّائِليِنِ وَابْنِ السَّبِيلِ) هَذَا حَدِيث صَحِيح
তিনি আমাকে কাপড় মুক্ত হওয়ার আদেশ দিলেন, ফলে আমি কাপড় মুক্ত হলাম এবং তাঁর সামনে বসলাম। আমি আমার লজ্জাস্থানের ওপর কাপড় রাখলাম। অতঃপর তিনি তাঁর হাতে ফুঁ দিলেন এবং তাঁর হাত দিয়ে আমার পিঠ ও পেট মুছে দিলেন। ফলে সেদিন থেকেই এই সুগন্ধি আমার শরীরে লেগে আছে। এটি একটি হাসান (উত্তম) হাদিস, এর বর্ণনাকারীরা নির্ভরযোগ্য। তাবারানি বলেছেন: 'আদম ব্যতীত আর কেউ এটি ওয়ারকা থেকে বর্ণনা করেননি' - সমাপ্ত। আর শু'বা এটি হুসাইন থেকে বর্ণনা করেছেন; আবু নুআইম 'আল-মারিফা' গ্রন্থে তাঁর সূত্রে এটি বের করেছেন। একাত্তরতম মজলিসের সমাপ্তি।

 

‌‌৭২ - অতঃপর আমাদের নিকট পাঠ (ইমলা) করিয়েছেন আমাদের নেতা ও অভিভাবক, প্রধান বিচারপতি, শাইখুল ইসলাম—আল্লাহ তাঁর অস্তিত্বের মাধ্যমে মুসলিমদের উপকৃত করুন, আমিন—৮২৮ হিজরি সালের ১৯ জিলকদ তারিখে। তিনি বললেন:

পূর্ববর্তী সনদে আবু নুআইম পর্যন্ত (পৌঁছেছি); তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ইউনুস ইবনে হাবিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু দাউদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আব্দুল আজিজ ইবনে আবু সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, ওয়াহাব ইবনে কায়সান আমার নিকট বর্ণনা করেছেন উবাইদ ইবনে উমাইর থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "এক ব্যক্তি যখন একটি নির্জন প্রান্তরে ছিল, হঠাৎ সে মেঘের মধ্যে গর্জন শুনতে পেল এবং তাতে একটি কণ্ঠ শুনতে পেল যে—'অমুকের বাগান সিঞ্চন করো'। এরপর সেই মেঘটি একটি পাথুরে ভূমির দিকে ধাবিত হলো এবং তাতে যা (পানি) ছিল তা ঢেলে দিল। পানি একটি নালায় গিয়ে জমা হলো এবং নালাটি তার পুরো পানি ধারণ করল। অতঃপর লোকটি মেঘের পিছু পিছু চলল, যতক্ষণ না সে এমন এক ব্যক্তির কাছে পৌঁছাল যে তার বাগানে দাঁড়িয়ে ছিল এবং তাতে পানি দিচ্ছিল। সে বলল, 'হে আল্লাহর বান্দা! তোমার নাম কী?' লোকটি বলল, 'তুমি কেন জিজ্ঞেস করছো?' সে উত্তর দিল, 'আমি সেই মেঘে যার পানি এটি, তোমার নাম ধরে বলতে শুনেছি যে—অমুকের বাগান সিঞ্চন করো। তুমি যখন এই বাগান থেকে উৎপন্ন ফসল সংগ্রহ করো, তখন তা দিয়ে কী করো?' সে উত্তর দিল, 'যেহেতু তুমি তা জিজ্ঞেস করলে, তবে শোনো—আমি একে তিন ভাগে ভাগ করি। এক-তৃতীয়াংশ দান করি, এক-তৃতীয়াংশ আমি ও আমার পরিবারের খাওয়ার জন্য রাখি এবং এক-তৃতীয়াংশ বাগানের উন্নয়নে পুনরায় ব্যয় করি'।" এটি একটি সহিহ হাদিস।
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ٨)
أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدَةَ عَنْ أَبِي دَاوُدَ - هُوَ الطَّيالِسِيُّ - بِهَذَا الْإِسْنَادِ فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا عَالِيًا وَأَخْرَجَهُ أَبُو عَوَانَةَ عَنْ يُونُسَ بْنِ حَبِيبٍ فَوَافَقْنَاهُ بعلو وَأخرجه أَحْمَدُ عَنْ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ عَن عبد الْعَزِيز وَأَخْرَجَهُ ابْنُ حِبَّانَ عَنْ أَبِي يَعْلَى عَنْ أَبِي خَيْثَمَةَ عَنْ يَزِيدَ فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِدَرَجَتَيْنِ

وَالشَّرْجُ بِفَتْحِ الْمَعْجَمَةِ وَسُكُونِ الرَّاءِ بَعْدُهَا جِيمُ جَمْعِ شَرْجَةٍ كَتَمْرَةٍ وتَمْرٍ وَالشَّرْجَةُ مَا يَسْتَقِرُّ فِيهِ مَاءِ السَّيْلِ وَالذِّنَابُ بِكَسْرِ الْمَعْجَمَةِ وَتَخْفِيفِ النُّونِ وَآخِرُهُ مُوَّحَدَةٌ هُوَ طَرْفُ الشَّرْجَةِ وَالْحَرَّةُ أَرْضٌ صَلْبَةٌ وَالْمَعْنَى أَنَّ الْمَاءَ أَوَّلًا وَقَعَ فِي الْأَرْضِ الصَّلْبَةِ ثُمَّ انْتَهَى إِلَى أَطْرَافِ الشَّرْجِ ثُمَّ انْصَبَّ كُلُّهُ فِي شَرْجِهِ مِنْهَا وَهِيَ الَّتِي تَخْتَصُ بِهَا حَدِيقَةُ الرَّجُلِ وَوَقَعَ فِي رِوَايَةِ مُسْلِمٍ فَانْتَهَى إِلَى رَجُلٍ يُحَوِّلُ الْمَاءَ فِي حَدِيقَتِهِ

وَبِهِ إِلَي أَبِي نُعَيْمٍ قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ وَعبد الله بن مُحَمَّد قَالَا أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيٍّ قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ قَالَ حَدَّثَنَا مَهْدِيُّ بْنُ مَيْمُونَ عَنْ وَاصِلِ مولى ابْن عُيَيْنَةَ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَا يَمُوتَنَّ أَحَدُكُمْ إِلَّا وَهُوَ حَسَنُ الظَّنِّ بِاللَّهِ هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ
ইমাম মুসলিম এটি বর্ণনা করেছেন আহমদ বিন আবদাহ থেকে, তিনি আবু দাউদ (যিনি তায়ালিসি) থেকে, এই একই সনদে। ফলে আমাদের নিকট এটি একটি উচ্চ পর্যায়ের 'বাদাল' (বিকল্প সনদ) হিসেবে গণ্য হয়েছে। আবু আওয়ানা এটি বর্ণনা করেছেন ইউনুস বিন হাবিব থেকে, ফলে আমরা উচ্চতার দিক থেকে তাঁর সাথে একমত হয়েছি। আহমদ এটি ইয়াজিদ বিন হারুন থেকে, তিনি আব্দুল আজিজ থেকে বর্ণনা করেছেন। ইবনে হিব্বান এটি বর্ণনা করেছেন আবু ইয়ালা থেকে, তিনি আবু খাইসামা থেকে, তিনি ইয়াজিদ থেকে; ফলে এটি আমাদের নিকট দুই স্তর বিশিষ্ট উচ্চ সনদে পৌঁছেছে।

'শারজ' শব্দটি বিন্দাযুক্ত বর্ণে ফাতহা এবং 'রা' বর্ণে সুকুনসহ, এরপর জিম; এটি 'শারজাহ' শব্দের বহুবচন, যেমন 'তামরাহ' ও 'তামর'। 'শারজাহ' হলো সেই স্থান যেখানে প্লাবনের পানি স্থির হয়। আর 'যিনাব' শব্দটি বিন্দাযুক্ত বর্ণে কাসরাহ ও 'নুন' বর্ণে হালকা উচ্চারণসহ এবং এর শেষে এক বিন্দাযুক্ত বর্ণ রয়েছে; এটি শারজাহ-এর প্রান্তভাগ। 'হাররাহ' হলো শক্ত ভূমি। এর অর্থ হলো পানি প্রথমে শক্ত ভূমিতে পতিত হলো, অতঃপর শারজের প্রান্তসীমায় গিয়ে পৌঁছাল, তারপর তা থেকে এর সমস্ত পানি তার শারজে গিয়ে পড়ল, যা ওই ব্যক্তির বাগানের জন্য নির্দিষ্ট ছিল। মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে, "অতঃপর তা এক ব্যক্তির নিকট পৌঁছাল যে তার বাগানে পানি ঘুরাচ্ছিল।"

আর উক্ত সনদে আবু নুয়াইম পর্যন্ত; তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম এবং আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ, তাঁরা উভয়ে বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ বিন আলি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আসমা, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মাহদি বিন মাইমুন, তিনি ইবনে উইয়াইনাহ-র মুক্ত দাস ওয়াসিল থেকে, তিনি আবু যুবাইর থেকে, তিনি জাবির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের কেউ যেন আল্লাহর প্রতি সুধারণা পোষণ করা ব্যতীত মৃত্যুবরণ না করে।" এটি একটি সহিহ হাদিস।
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ٩)
أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مَعْبَدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْفَضْلِ عَنْ مَهْدِيِّ بْنِ مَيْمُونَ فَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا بِدَرَجَتَيْنِ وَأَخْرَجَهُ أَحْمَدُ مِنْ طَرِيقِ ابْنُ جُرَيْجٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ فَصَرَّحَ بِسَمَاعِ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ وَقَدْ رَوَاهُ عَنْ جَابِرٍ أَيْضًا أَبُو سُفْيَانَ طَلْحَةُ بْنُ نَافِعٍ الْوَاسِطِيُّ وَوَقَعَ لَنَا عَالِيًا مِنْ طَرِيقِهِ وَفِيهِ زِيَادَةٌ

قَرَأْتُ عَلَى فَاطِمَةَ بِنْتِ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ الْمُنَجَّا عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ يُوسُفَ الْقَيْسِيِّ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ قَالَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَ أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ فِي كِتَابِهِ قَالَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ حَدثنَا عبد الله بن بِنْتُ مَنِيعٍ قَالَ حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ قَالَ حَدَّثَنَا فُضَيْلُ بْنُ عِيَاضٍ (ح)

وَقَرَأْتُ عَلَى إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدٍ أَنَّ أَحْمَدَ بْنَ نِعْمَةَ أَخْبَرَهُمْ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُنَجَّا الْحَلِيمِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَقْتِ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ الْفَقِيهُ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ قَالَ أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ خُزَيْمٍ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ قَالَ حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ قَالَا حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ أَبِي سُفْيَانَ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُمَا قَالَ سَمِعْتُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ قَبْلَ مَوْتِهِ بِثَلَاثٍ لَا يَمُوتَنَّ أَحَدُكُمْ إِلَّا وَهُوَ يُحْسِنُ الظَّنِّ بِاللَّهِ

أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ وَمُسْلِمٌ وَأَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ من طرق عَن الْأَعْمَش
ইমাম মুসলিম এটি সুলায়মান ইবনে মা'বাদ থেকে, তিনি মুহাম্মদ ইবনুল ফদল থেকে এবং তিনি মাহদী ইবনে মায়মুন থেকে বর্ণনা করেছেন; ফলে এটি আমাদের কাছে দুই স্তর উচ্চ সনদে পৌঁছেছে। ইমাম আহমদ এটি ইবনে জুরায়জ-এর সূত্রে আবু যুবায়র থেকে বর্ণনা করেছেন, যেখানে তিনি জাবির (রা.) থেকে আবু যুবায়র-এর সরাসরি শ্রবণের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। জাবির (রা.) থেকে আবু সুফিয়ান তালহা ইবনে নাফে আল-ওয়াসিতিও এটি বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর সূত্রে এটি আমাদের কাছে উচ্চ সনদে পৌঁছেছে এবং এতে অতিরিক্ত অংশ রয়েছে।

আমি ফাতিমা বিনতে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনুল মুনাজ্জার নিকট পাঠ করেছি, তিনি ইসমাইল ইবনে ইউসুফ আল-কায়সী থেকে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে উমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন, মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন, আলী ইবনে আহমদ তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন, মুহাম্মদ ইবনে আবদুর রহমান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে বিনতে মানী' আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন, সুওয়াইদ ইবনে সাঈদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন, ফুদাইল ইবনে ইয়াদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন (হা)।

এবং আমি ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদের নিকট পাঠ করেছি যে, আহমদ ইবনে নি'মাহ তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন, আবুল মুনাজ্জা আল-হালীমী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন, আবুল ওয়াক্ত আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন, আবুল হাসান আল-ফকীহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন, ইব্রাহিম ইবনে খুযায়ম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন, আবদ ইবনে হুমায়দ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন, ইয়ালা ইবনে উবায়দ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ই বলেন, আমাশ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু সুফিয়ান থেকে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেন; তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তাঁর ইন্তেকালের তিন দিন আগে বলতে শুনেছি: "তোমাদের কেউ যেন আল্লাহর প্রতি সুধারণা পোষণ করা ব্যতীত মৃত্যুবরণ না করে।"

ইমাম আহমদ, মুসলিম, আবু দাউদ এবং ইবনে মাজাহ বিভিন্ন সূত্রে আমাশ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ١٠)
وَأَخْرَجَهُ أَبُو عَوَانَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ حَرْبٍ عَنْ يَعْلَى بْنِ عُبَيْدٍ فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا عَالِيًا

وَبِهِ إِلَي أَبِي نُعَيْمٍ قَالَ حَدَّثَنَا فَارُوقُ بْنُ عَبْدِ الْكَبِيرِ قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ ابْن حَيَّانَ قَالَ حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ

قَالَ أَبُو نُعَيْمٍ وَحَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَيَّانَ قَالَ حَدَّثَنَا جَعْفَرٌ الْفريابيُّ قَالَ حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ قَالَا حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنِ الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الدُّنْيَا سِجْنُ الْمُؤْمِنِ وَجَنَّةُ الْكَافِرِ

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ وَالتِّرْمِذِيُّ عَنْ قُتَيْبَةَ عَلَى الْمُوافَقَةِ وَأَخْرَجَهُ ابْنُ حِبَّانَ عَنْ أَبِي خَلِيفَةَ عَنِ الْقَعْنَبِيِّ فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا وَأَخْرَجَهُ مِنْ طَرِيقٍ آخَرَ عَنِ الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَن وَالله أعلم آخر الْمجْلس الثَّانِي وَالسبْعين

 

‌‌73 - ثُمَّ أملانا سيدنَا ومولانا قَاضِي الْقُضَاة شيخ الْإِسْلَام أمتع الله الْمُسلمين بِوُجُودِهِ آمين قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو الْعَبَاسِ أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ الزَّيْنَبِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَاسِ أَحْمد بن
আবু আওয়ানাহ এটি আলী ইবনে হারব থেকে, তিনি ইয়ালা ইবনে উবাইদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ফলে এটি আমাদের জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের 'বাদল' (বিকল্প উচ্চ সনদ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।

এবং একই সনদে আবু নুআইম পর্যন্ত; তিনি বলেন, আমাদের কাছে ফারুক ইবনে আব্দুল কাবীর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের কাছে মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে হাইয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের কাছে আল-কানাবি বর্ণনা করেছেন।

আবু নুআইম বলেন, আমাদের কাছে আবু মুহাম্মদ ইবনে হাইয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের কাছে জাফর আল-ফিরইয়াবি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের কাছে কুতাইবাহ বর্ণনা করেছেন। তাঁরা উভয়ই বলেন, আমাদের কাছে আব্দুল আজিজ ইবনে মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি আলা ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: দুনিয়া মুমিনের জন্য জেলখানা এবং কাফেরের জন্য জান্নাত।

এটি একটি সহিহ হাদিস। ইমাম মুসলিম ও তিরমিজি এটি কুতাইবাহ থেকে বর্ণনা করেছেন (আমাদের সনদের সাথে) সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে। ইবনে হিব্বান এটি আবু খলিফা থেকে, তিনি আল-কানাবি থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি আমাদের জন্য একটি 'বাদল' (বিকল্প সনদ) হয়েছে। তিনি এটি আলা ইবনে আব্দুর রহমানের মাধ্যমে অন্য আরেকটি সূত্র থেকেও বর্ণনা করেছেন। আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ। বাহাত্তরতম মজলিসের সমাপ্তি।

 

‌‌৭৩ - অতঃপর আমাদের কাছে শ্রুতলিপি প্রদান করেছেন আমাদের সরদার ও অভিভাবক, প্রধান বিচারপতি, শাইখুল ইসলাম—আল্লাহ তাঁর দীর্ঘায়ুর মাধ্যমে মুসলিমদের ধন্য করুন, আমিন। তিনি বলেন: আমাকে আবু আব্বাস আহমদ ইবনুল হাসান আজ-জাইনাবি অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের অবহিত করেছেন আবু আব্বাস আহমদ বিন...
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ١١)
عَلِيِّ بْنِ أَيُّوبَ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعَمِ قَالَ أخبرنَا 2375 بْنُ نَصْرٍ قَالَ أَخْبَرَنَا هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَ أَخْبَرَنَا عَليّ بن أبي - هُوَ التَّنُوخِيُّ - قَالَ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ كَيْسَانَ قَالَ حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ يَعْقُوبَ قَالَ حَدثنَا أَحْمد ابْن عِيسَى قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بن وهب فال أَخْبَرَنِي حَفْصُ بْنُ مَيْسَرَةَ (ح) وَأَخْبَرَنِيهِ عَالِيًا عَبْدُ الرَّحْمَن ِبْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْمُبَارَكِ قَالَ أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ إِسْمَاعِيلَ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ الْحَرَّانِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ أَبِي مَنْصُورٍ فِي كِتَابِهِ قَالَ أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ الْمُقْرِئ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّد ابْن حَيَّانَ قَالَ حَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ عَبَّادٍ قَالَ حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ قَالَ حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ مَيْسَرَةَ عَنِ الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ الْعَبْدُ مَالِي مَالِي وَإِنَّمَا لَهُ مِنْ مَالِهِ مَا أكل فاقنى وَمَا لبس فانجلى وَمَا أَعْطَى فَأَمْضَى وَمَا سِوى ذَلِكَ فَإِنَّهُ ذَاهِبٌ وَتارِكُهُ للِنَّاسِ هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ سُوَيْدِ بْنِ سَعِيدٍ فَوافَقْنَاهُ بِعُلُوٍّ وَأَخْرَجَهُ أَحْمَدُ عَنِ الْهَيْثَمِ بْنِ خَارِجَةَ عَنْ حَفْصِ بْنِ مَيْسَرَةَ وَأَبُو عَوَانَةَ عَنْ يُونُسَ بْنِ عَبْدِ الْأَعْلَى عَنِ ابْنِ وَهْبٍ فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا عَالِيًا وَبِهَذَا الْإِسْنَادِ إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرِو بْنُ حِمْدَانَ وَأَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَيَّانَ قَالَ الْأَوَّلُ أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ سُفْيَانَ وَالثَّانِي أَخْبَرَنَا عَبْدَانُ قَالَا حَدَّثَنَا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ قَالَ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ عَنْ قَتَادَةَ وَأَخْبَرَنِي أَبُو إِسْحَاقَ بْنُ كَامِلٍ عَنْ أَبِي مُحَمَّدٍ المُطَعَّمِ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْمُنَجَّى الْبَغْدَادِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْوَقْتِ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْحسن الدَّاودِيّ قَالَ
আলী বিন আইয়ুব বলেছেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল লতিফ বিন আব্দুল মুনইম, তিনি বলেছেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ২৩৭৫ বিন নাসর, তিনি বলেছেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিবাতুল্লাহ বিন মুহাম্মদ, তিনি বলেছেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন আবি —যিনি তানুহি— তিনি বলেছেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলী বিন মুহাম্মদ বিন কায়সান, তিনি বলেছেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইউসুফ বিন ইয়াকুব, তিনি বলেছেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে ঈসা, তিনি বলেছেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব, তিনি বলেছেন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন হাফস বিন মাইসারা (হ)। এবং আমাকে উচ্চ সনদে সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান বিন আহমদ বিন আল-মাবারক, তিনি বলেছেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আলী বিন ইসমাইল, তিনি বলেছেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ আল-হাররানি, তিনি বলেছেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল হাসান বিন আবি মনসুর তার কিতাবে, তিনি বলেছেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান বিন আহমদ আল-মুকরি, তিনি বলেছেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুয়াইম, তিনি বলেছেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ ইবনে হাইয়ান, তিনি বলেছেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-কাসিম বিন আব্বাদ, তিনি বলেছেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুওয়াইদ বিন সাঈদ, তিনি বলেছেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাফস বিন মাইসারা, তিনি আল-আলা বিন আব্দুর রহমান থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "বান্দা বলে, 'আমার সম্পদ, আমার সম্পদ!' অথচ তার সম্পদ থেকে তার জন্য কেবল ততটুকুই যা সে আহার করে নিঃশেষ করেছে, যা সে পরিধান করে জীর্ণ করেছে এবং যা সে দান করে অগ্রগামী করেছে। এ ছাড়া যা কিছু আছে তা বিদায় গ্রহণকারী এবং সে তা মানুষের জন্য রেখে যাবে।" এটি একটি সহীহ হাদীস। ইমাম মুসলিম এটি সুওয়াইদ বিন সাঈদ থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে আমরা উচ্চ সনদে তাঁর সাথে মিলিত হয়েছি। ইমাম আহমদ এটি আল-হাইসাম বিন খারিজাহ থেকে, তিনি হাফস বিন মাইসারা থেকে বর্ণনা করেছেন। আবু আওয়ানা ইউনুস বিন আব্দুল আলা থেকে, তিনি ইবনে ওয়াহাব থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চতর স্থলাভিষিক্ত সনদ হিসেবে পৌঁছেছে। আর এই একই সনদে আবু নুয়াইম পর্যন্ত, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর বিন হামদান ও আবু মুহাম্মদ বিন হাইয়ান। প্রথমজন বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আল-হাসান বিন সুফিয়ান, এবং দ্বিতীয়জন বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবদান। তাঁরা উভয়ে বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হুদবাহ বিন খালিদ, তিনি বলেছেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাম্মাম, তিনি কাতাদাহ থেকে। এবং আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক বিন কামিল, তিনি আবু মুহাম্মদ আল-মুতয়িম থেকে, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল মুনাজ্জা আল-বাগদাদী, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-ওয়াক্ত, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-হাসান আদ-দাওয়ুদী, তিনি বলেছেন...
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ١٢)
أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ أَعْيَنَ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ قَمَرٍ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ قَالَ أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ قَالَ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَة عَن مطرف ابْن عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الشِّخِّيرِ عَنْ أَبِيهِ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ أَنَّهُ أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يَقْرَأُ {أَلْهَاكُمُ التكاثر حَتَّى زرتم الْمَقَابِر} قَالَ يَقُول ابْن آدَمُ مَالِي مَالِي وَهَلْ لَكَ يَا ابْن آدَمَ مِنْ مَالِكَ إِلَّا مَا أَكَلْتَ فَأَفْنَيْتَ وَمَا لَبِسْتَ فأَبْلَيْتَ وَمَا تَصَدَّقْتَ فَأَمْضَيْتَ

أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ هُدْبَةَ بْنِ خَالِدٍ

فَوَافَقْنَاهُ بِعُلُوٍّ

وَبِهِ إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ هُوَ ابْنُ الصَّوَّافِ وَأَبُو عَمْرِو بْنِ حِمْدَانَ قَالَ الْأَوَّلُ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُوسَى قَالَ حَدَّثَنَا الْحُمَيْدِيُّ وَقَالَ الثَّانِي حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شِيرَوَيْهَ قَالَ حَدَّثَنَا إِسْحَاق بن إِبْرَاهِيمَ (ح)

وَقَرَأْتُ عَلَى أَبِي الْمَعَالِي الْأَزْهَرِيِّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَاسِ الْحَلَبِيُّ سَمَاعًا قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ الْجَزَرِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَرْبِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الشَّيْبَانِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ التَّمِيمِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ حِمْدَانَ قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ الثَّلَاثَةُ وَاللَّفْظُ لِلْحُمَيْدِيِّ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ أَنَّهُ سَمِعَ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيِّبِ يُحَدِّثُ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهَا قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا دَخَلَ الْعَشْرُ فَأَرَادَ أَحَدُكُمْ أَنْ يُضَحِّيَ فَلَا يَأْخُذُ مِنُ شَعْرِهِ وَلَا بَشَرِهِ شَيْئًا

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ
আবু মুহাম্মাদ ইবনে আইয়্যান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু মুহাম্মাদ ইবনে কামার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবদ ইবনে হুমাইদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, ইয়াযিদ ইবনে হারুন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, শু'বাহ কাতাদাহ থেকে, তিনি মুতাররিফ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আশ-শিখখীর থেকে, তিনি তাঁর পিতা (রাদিআল্লাহু তা'আলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে আসলেন এমতাবস্থায় যে তিনি তিলাওয়াত করছিলেন: "প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছে, যতক্ষণ না তোমরা কবরে উপনীত হও।" তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, "আদম সন্তান বলে: আমার সম্পদ, আমার সম্পদ! অথচ হে আদম সন্তান, তোমার সম্পদ তো কেবল তা-ই যা তুমি আহার করে শেষ করেছ, অথবা যা তুমি পরিধান করে পুরনো করেছ, কিংবা যা তুমি দান করে অগ্রিম পাঠিয়েছ।"

এটি মুসলিম হুদবাহ ইবনে খালিদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং আমরা উচ্চ সনদে তাঁর সাথে ঐকমত্যে পৌঁছেছি।

এবং একই সনদে আবু নুআইম পর্যন্ত; তিনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ—যিনি ইবনে আস-সাউওয়াফ—এবং আবু আমর ইবনে হিমদান আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। প্রথমজন বলেন, বিশর ইবনে মুসা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, আল-হুমাইদি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। আর দ্বিতীয়জন বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে শিরওয়াইহ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, ইসহাক ইবনে ইবরাহিম আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন। (হা)

এবং আমি আবুল মাআলি আল-আযহারির নিকট পাঠ করেছি, তিনি বলেন, আবুল আব্বাস আল-হালাবি শ্রবণের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবুল ফারাজ আল-জাযারি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু মুহাম্মাদ আল-হারবি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু আল-কাসিম আশ-শাইবানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু আলি আত-তামিমি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু বকর ইবনে হিমদান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন। তারা তিনজনই বলেন—এবং শব্দসমূহ হুমাইদির—সুফিয়ান ইবনে উয়াইনা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, আবদুর রহমান ইবনে হুমাইদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আউফ আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি সাঈদ ইবনে আল-মুসাইয়িবকে উম্মে সালামাহ (রাদিআল্লাহু তা'আলা আনহা) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যখন (যিলহজ মাসের প্রথম) দশ দিন প্রবেশ করে এবং তোমাদের কেউ কুরবানি করার ইচ্ছা করে, তবে সে যেন তার চুল ও চামড়ার (লোম বা নখ) কোনো কিছুই স্পর্শ না করে।"

এটি একটি সহিহ হাদিস।
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ١٣)
أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ رَاهَويْهَ

فَوَافَقْنَاهُ بِعُلُوٍّ

وَأَخْرَجَهُ أَيْضًا عَنِ ابْنِ أَبِي عُمَرَ

وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدٍ الزُّهْرِيِّ

وَابْنِ مَاجَهْ عَنْ هَارُونَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْحَمَّالِ

وَالدَّارَمِيِّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي خَلَفٍ

كُلُّهُمْ عَنْ سُفْيَانَ

وَأَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ مِنْ وَجْهٍ آخَرَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ بِلَفْظٍ آخَرَ

وَبِهِ إِلَى أَبِي نُعَيْمٍ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ حَيَّانَ قَالَ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْن قُزْعَةَ قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ حَبِيبٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ عَمْرِو بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَنْ كَانَ لَهُ ذَبْحٌ يُريِدُ أَنْ يَذْبَحَهُ فَرَأى هِلَالَ ذِي الْحِجَّةِ فَلْيَكُفَّ عَنْ شَعْرِهِ وَظُفُرِهِ

أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ مِنْ طَرِيقِ أَبِي أُسَامَةَ وَغَيْرِهِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو
ইমাম মুসলিম এটি ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহ থেকে বর্ণনা করেছেন।

আমরা এটি উচ্চতর সনদে তাঁর সাথে মিলিত হয়েছি।

এবং তিনি এটি ইবনে আবি উমর থেকেও বর্ণনা করেছেন।

ইমাম নাসায়ি এটি আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-জুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইবনে মাজাহ হারুন ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাম্মাল থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং আদ-দারিমি এটি মুহাম্মদ ইবনে আহমাদ ইবনে আবি খালাফ থেকে বর্ণনা করেছেন।

তাঁরা সকলেই সুফিয়ান থেকে বর্ণনা করেছেন।

ইমাম মুসলিম এটি ভিন্ন এক সূত্রে সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে ভিন্ন শব্দে বর্ণনা করেছেন।

এবং একই সনদে আবু নুআইম পর্যন্ত (পৌঁছেছে), তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু মুহাম্মদ ইবনে হাইয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আল-হাসান ইবনে কুজাআ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট সুফিয়ান ইবনে হাবিব বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আমর থেকে, তিনি আমর ইবনে মুসলিম থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি উম্মে সালামাহ (রা.) থেকে, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: “যার নিকট যবেহ করার মতো পশু রয়েছে এবং সে তা যবেহ করার ইচ্ছা রাখে, সে যখন যিলহজ মাসের চাঁদ দেখবে, তখন সে যেন তার চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে।”

ইমাম মুসলিম এটি আবু উসামাহ এবং অন্যদের সূত্রে মুহাম্মদ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ١٤)
وَاخْتَلَفَ فِيهِ عَلَى سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ فَرَوَاهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ حُمَيْدٍ وَابْنُ مُسْلِمٍ هَكَذَا مَوْصُولًا

وَرَوَاهُ قَتَادَةُ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ عَنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَخْرَجَهُ مُسَدَّدُ فِي مُسْنده مِنْ طَرِيقِهِ

وَرَوَاهُ عُثْمَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَخْنَسِيُّ عَنْ سَعِيدٍ مَوْقُوفًا عَلَيْهِ

وَكَأَنَّ الْبُخَارِيَّ لَمْ يُخْرِجْهُ لِهَذِهِ الْعِلَّةِ لَكِنَّهَا لَيْسَتْ بِتِلْكَ القادحة وإلله أعلم

آخر الْمجْلس الثَّالِث وَالسبْعين

 

‌‌74 - ثمَّ أملانا سيدنَا ومولانا قَاضِي الْقُضَاة شيخ الْإِسْلَام أمتع الله الْمُسلمين بِوُجُودِهِ آمين بتاريخ ثَالِث ذِي حجَّة عَام ثَمَانِيَة وَعشْرين وَثَمَانِية مئة بالخانقاه الركنية دَاخل بَاب النَّصْر بِالْقَاهِرَةِ نَعُوذ بِاللَّه قَالَ

وَبِالْإِسْنَادِ الْمَاضِي إِلَى عَبْدِ بْنِ حُمَيْدٍ قَالَ أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا مِنْ أَيَّامٍ أَعْظَمُ عِنْدَ اللَّهِ وَلَا أَحَبُّ إلِيْهِ الْعَمَلُ فِيهِنَّ مِنْ أَيَّامِ عَشْرِ ذِي الْحِجَّةِ أَوْ قَالَ هَذِه الْأيَّامِ فَأَكْثِرُوا فِيهِنَّ مِنَ التَّسْبِيح وَالتَّكْبِيرِ وَالتَّحْمِيدِ وَالتَّهْلِيلِ

هَذَا حَدِيثٌ حَسَنُ

أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ عَنْ عَفَّانَ عَنْ أَبِي عَوَانَةَ فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا عَالِيا
এই হাদিসটি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িবের সূত্রে বর্ণনার ক্ষেত্রে মতভেদ হয়েছে। আব্দুর রহমান ইবনে হুমাইদ এবং ইবনে মুসলিম একে এভাবে ‘মাউসুল’ (সংযুক্ত সূত্র) হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

কাতাদাহ এটি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িবের সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীগণের পক্ষ থেকে বর্ণনা করেছেন। মুসাদ্দাদ তাঁর মুসনাদে কাতাদাহর সূত্রে এটি সংকলন করেছেন।

উসমান ইবনে মুহাম্মদ আল-আখনাসী এটি সাঈদের সূত্রে ‘মাওকুফ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

মনে হয় ইমাম বুখারী এই ত্রুটির কারণেই হাদিসটি উল্লেখ করেননি, তবে এটি তেমন কোনো গুরুতর ত্রুটি নয়। আর আল্লাহই ভালো জানেন।

তিয়াত্তরতম মজলিসের সমাপ্তি।

 

‌‌৭৪ - অতঃপর আমাদের নিকট শ্রুতলিপি প্রদান করেছেন আমাদের সরদার ও অভিভাবক, প্রধান বিচারপতি, শাইখুল ইসলাম—আল্লাহ তাঁর অস্তিত্বের মাধ্যমে মুসলিমদের উপকৃত করুন, আমীন। কায়রোর বাবুন নাসরের অভ্যন্তরে অবস্থিত খানকাহ রুকনিয়্যাহতে ৮২৮ হিজরীর ৩রা জিলহজ তারিখে। আমরা আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। তিনি বলেন:

পূর্বোক্ত সনদে আবদ ইবনে হুমাইদ পর্যন্ত পৌঁছেছে যে, তিনি বলেন: আমর ইবনে আওন আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আবু আওয়ানাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইয়াজিদ ইবনে আবি জিয়াদ থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে এবং তিনি ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “আল্লাহর নিকট জিলহজ মাসের (প্রথম) দশ দিনের চেয়ে মহান কোনো দিন নেই এবং এই দিনগুলোতে আমল করার চেয়ে তাঁর নিকট অধিক প্রিয় অন্য কোনো আমল নেই। (অথবা তিনি বলেছেন: এই দিনগুলো)। অতএব তোমরা এই দিনগুলোতে বেশি বেশি তাসবিহ (সুবহানাল্লাহ), তাকবির (আল্লাহু আকবার), তাহমিদ (আলহামদুলিল্লাহ) এবং তাহলিল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) পাঠ করো।”

এটি একটি হাসান হাদিস।

ইমাম আহমদ এটি আফফানের সূত্রে আবু আওয়ানাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, ফলে এটি আমাদের জন্য একটি সুউচ্চ ‘বাদাল’ (বিকল্প উচ্চ সনদ) হিসেবে অর্জিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ١٥)
وَهَكَذَا رَوَاهُ شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخٍ عَنْ أَبِي عَوَانَةَ أَخْرَجَهُ الطَّبَرَانِيُّ

ومُوسَى بْنُ أَبِي عَائِشَةَ كَمَا

أَخْبَرَنِي أَحْمَدُ بْنُ بِلْفَاقٍ قَالَ أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ يَحْيَى بْنِ إِسْحَاقَ قَالَ أَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ خَلِيلٍ الْحَافِظُ قَالَ أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ أَسْعَدَ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو طَالِبِ بْنُ يُوسُفَ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْجَوْهَرِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ جَعْفَرٍ قَالَ حَدَّثَنَا قَاسِمُ بْنُ زَكَرِيَّا الْمُطَرَّزُ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو يَحْيَى بْنُ أَبِي سَبْرَةَ قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بن غَزوَان قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ قَالَ حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ أَبِي عَائِشَةَ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ فَذكره

أخرجه الأسفرائيني فِي مُسْتَخَرِجِهِ عَنْ أَبِي يَحْيَى

فَوَافَقْنَاهُ بِعُلُوٍّ

وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ غُزُّوانَ هَذَا يُعْرَفُ بِأَبِي قُرَّادٍ وَكَانَ أَحَدُ الْحُفَّاظِ إِلَّا أَنَّهُ شَذَّ فِي هَذَا الْأِسْنَادِ وَالْمَحْفُوظُ عَنْ أَبِي عَوَانَةَ مَا قَالَ عَفَّانُ وَمِنْ تَابِعَةٍ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ لَا عَنْ مُوسَى بْنِ أَبِي عَائِشَةَ

وَمُوسَى مُتَفَقٌ عَلَيْهِ

وَيَزِيدُ صَدُوقٌ فِيهِ ضَعْفٍ

وَقَدِ أُخْتُلِفَ عَلَيْهِ فِي إِسْنَادِهِ اخْتِلَافًا آخَرَ أَخْرَجَهُ الطَّبَرَانِيُّ فَقَالَ عَنِ ابْنِ عَبَاسٍ بَدَلَ ابْنِ عُمَرَ

وَرَجَّحَ الدَّارَقُطْنِيُّ رِوَايَةَ أَبِي عَوَانَةَ الَّتِي سُقْتُهَا أَوَّلًا

وَاخْتُلِفَ فِيهِ عَلَى مُجَاهِدٍ أَيْضًا

أَخْرَجَهُ الْإِسْفِرَائِينِيُّ أَيْضًا مِنْ طَرِيقِ عُمَرَ بْنِ ذَرٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ

وَقَدْ وَجَدْتُ لَهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ طَرِيقًا أُخَْرَى

وَبِالْإِسْنَادِ إِلَى عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنُ جَعْفَرٍ قَالَ حَدَّثَنَا قَاسِمُ بن زَكَرِيَّا قَالَ حَدثنَا
একইভাবে শাইবান ইবনে ফাররুখ আবু আওয়ানা থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং তাবারানি এটি উদ্ধৃত করেছেন।

এবং মুসা ইবনে আবি আইশা, যেমনটি

আমাকে আহমদ ইবনে বিলফাক সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের ইসহাক ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে ইসহাক সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের হাফেজ ইউসুফ ইবনে খলিল সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের ইয়াহইয়া ইবনে আসআদ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের আবু তালিব ইবনে ইউসুফ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের আবু মুহাম্মদ আল-জাওহারি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের আবদুল আজিজ ইবনে জাফর সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের কাসেম ইবনে জাকারিয়া আল-মুতাররিজ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের আবু ইয়াহইয়া ইবনে আবি সাবরা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের আবদুর রহমান ইবনে গাজওয়ান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের আবু আওয়ানা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুসা ইবনে আবি আইশা আমার নিকট মুজাহিদ থেকে এবং তিনি ইবনে উমর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

আল-ইসফারাইনি তার মুসতাখরাজ গ্রন্থে আবু ইয়াহইয়া থেকে এটি উদ্ধৃত করেছেন।

সুতরাং আমরা তাঁর সাথে উচ্চ সনদে মিলিত হয়েছি।

আর এই আবদুর রহমান ইবনে গাজওয়ান 'আবু কুররাদ' নামে পরিচিত এবং তিনি অন্যতম হাফেজ ছিলেন, তবে তিনি এই সনদের ক্ষেত্রে বিচ্ছিন্ন বর্ণনা করেছেন। আবু আওয়ানা থেকে সংরক্ষিত বর্ণনা হলো আফফান যা বলেছেন এবং যারা তাঁর অনুসরণ করেছেন তারা ইয়াজিদ ইবনে আবি জিয়াদ থেকে বর্ণনা করেছেন, মুসা ইবনে আবি আইশা থেকে নয়।

আর মুসা সর্বসম্মতভাবে নির্ভরযোগ্য।

এবং ইয়াজিদ সত্যবাদী, তবে তাঁর মধ্যে কিছুটা দুর্বলতা রয়েছে।

তাঁর সনদে আরও ভিন্ন মতভেদ রয়েছে যা তাবারানি উদ্ধৃত করেছেন, সেখানে তিনি ইবনে উমরের পরিবর্তে ইবনে আব্বাস থেকে উল্লেখ করেছেন।

আর আদ-দারা কুতনি আবু আওয়ানার সেই বর্ণনাটিকেই প্রাধান্য দিয়েছেন যা আমি প্রথমে উল্লেখ করেছি।

এতে মুজাহিদের ক্ষেত্রেও মতভেদ করা হয়েছে।

আল-ইসফারাইনি এটিও উমর ইবনে জারের সূত্রে মুজাহিদ থেকে এবং তিনি আবু হুরায়রা থেকে উদ্ধৃত করেছেন।

আর আমি আবু হুরায়রা থেকে এর আরেকটি সূত্র পেয়েছি।

এবং আবদুল আজিজ ইবনে জাফর পর্যন্ত সনদের মাধ্যমে তিনি বলেন, আমাদের কাসেম ইবনে জাকারিয়া বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ١٦)
أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ النَّيْزَكِ قَالَ حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ قَالَ حَدَّثَنَا طَلْحَةُ بْنُ عَمْرٍو عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ مِثْلُ حَدِيثِ ابْنِ عُمَرَ

لَكِنْ لَمْ يَشُكْ فِي عَشْرِ ذِي الْحِجَّةِ وَرَوَاتُهُ ثِقَاتٌ إِلَا طَلْحَةَ بْنَ عَمْرٍو فَفِيهِ ضَعْفٌ وَإِذَا انْضَمَ إِلَى زِيَادِ بْنِ أَبِي زِيَادٍ قَوِيَ كُلٌّ مِنْهُمَا بِالْآخَرِ

وَلِأَصْلِ الْحَدِيثِ شَاهِدٌ صَحِيحٌ عَنِ ابْنِ عَبَاسٍ أَمْلَيْتُهُ فِي الْمَجْلِسِ الثَّانِي وَالثَّلَاثِينَ مَعَ شَوَاهِدٍ أُخْرَى

بِالْإِسْنَادِ إِلَى عَبْدِ بْنِ حُمَيْدٍ قَالَ حَدَّثَنِي الْوَلِيدُ بْنُ قَاسِمِ بْنِ الْوَلِيدِ الْهَمَدَّانِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا الصَّبَاحُ بْنُ مُوسَى عَنْ أَبِي دَاوُدَ السُّبَيْعِيِّ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِي صلى الله وَعَلِيهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ لَا يَبْقَى أَحَدٌ يَوْمَ عَرَفَةَ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ مِنْ إِيمَانٍ إِلَّا غُفِرَ لَهُ فَقَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلِأَهْلِ الْمَعَرِّفِ خَاصَّةً أَمْ لِلنَّاسِ عَامَّةً فَقَالَ بَلْ للِنَّاسِ عَامَّةً

هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ

أَخْرَجَهُ ابْنُ أَبِي الدُّنْيَا عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ بَهْلُولٍ عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ قَاسِمٍ

فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا عَالِيًا

وَأَبُو دَاوُدَ السُّبَيْعِيُّ مُتَفَقٌ عَلَى ضَعْفِهِ وَاسْمُهُ نُفَيْعُ بْنُ الْحَارِثِ وَالله أعلم

آخر الْمجْلس الرَّابِع وَالسبْعين قَالَ الْحَافِظ الْمُؤلف فِي التَّقْرِيب مَتْرُوك وَقد كذبه ابْن معِين
আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে নাইযাক বলেছেন, আমাদের নিকট আসওয়াদ ইবনে আমির বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন যে আমাদের নিকট তালহা ইবনে আমর বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আমর থেকে, তিনি আবু সালামা থেকে, তিনি আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন... অতঃপর তিনি ইবনে উমরের হাদীসের অনুরূপ উল্লেখ করেছেন।

তবে তিনি জিলহজ মাসের দশ দিনের ব্যাপারে সন্দেহ করেননি। এর বর্ণনাকারীরা নির্ভরযোগ্য, কেবল তালহা ইবনে আমর ব্যতীত, তার মধ্যে দুর্বলতা রয়েছে। আর যখন এটি যিয়াদ ইবনে আবু যিয়াদের বর্ণনার সাথে যুক্ত হয়, তখন তাদের প্রত্যেকেই অপরের দ্বারা শক্তিশালী হয়।

মূল হাদীসটির জন্য ইবনে আব্বাস থেকে একটি সহীহ সাক্ষী (শাহিদ) রয়েছে, যা আমি বত্রিশতম মজলিসে অন্যান্য সাক্ষীসহ লিপিবদ্ধ করিয়েছি।

আবদ ইবনে হুমাইদের প্রতি সনদের মাধ্যমে তিনি বলেন, আমার নিকট ওয়ালিদ ইবনে কাসিম ইবনে ওয়ালিদ আল-হামাদানী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন যে আমাদের নিকট সাবাহ ইবনে মুসা বর্ণনা করেছেন, তিনি আবু দাউদ আস-সুবায়ি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি—আরাফাহর দিনে যার হৃদয়ে অণু পরিমাণ ঈমান থাকবে এমন কেউ অবশিষ্ট থাকবে না যাকে ক্ষমা করা হবে না। তখন এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! এটি কি কেবল আরাফাহর ময়দানে অবস্থানকারীদের জন্য বিশেষ ভাবে, নাকি সাধারণ সকল মানুষের জন্য? তিনি বললেন: বরং সাধারণ সকল মানুষের জন্য।

এটি একটি গরীব হাদীস।

ইবনে আবিদ দুনিয়া এটি ইসহাক ইবনে বাহলুল থেকে, তিনি ওয়ালিদ ইবনে কাসিম থেকে বর্ণনা করেছেন।

ফলে এটি আমাদের নিকট একটি উচ্চতর 'বাদাল' হিসেবে গণ্য হয়েছে।

আর আবু দাউদ আস-সুবায়ির দুর্বলতার বিষয়ে সকলে একমত, তার নাম নুফাই ইবনে হারিস। আর আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন।

চুয়াত্তরতম মজলিসের সমাপ্তি। হাফেজ লেখক 'আত-তাকরীব' গ্রন্থে বলেছেন, তিনি 'মাতরুক' (পরিত্যক্ত), আর ইবনে মাঈন তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ١٧)
‌‌75 - ثمَّ أملانا سيدنَا ومولانا قَاضِي الْقُضَاة شيخ الْإِسْلَام أمتع الله الْمُسلمين بِبَقَائِهِ آمين قَالَ

أَخْبَرَنِي الْعِمَادُ أَبُو بَكْرِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْفَرَائِضِيُّ قَالَ قرء على عَائِشَة بنت مُحَمَّد ابْن الْمُسْلِمِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ أَنْ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي الْفَهْمِ أَخْبَرَهُمْ قَالَ أخبرنَا يحى ابْن أَسْعَدَ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْقَادِرِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ يُوسُفَ قَالَ أخبرنَا عبد الْعَزِيز ابْن عَلِيٍّ قَالَ أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ جَعْفَرٍ قَالَ حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحَجَّاجِ السَّامِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا حَمَادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ سَعِيدٍ الْجَرِيرِيِّ عَنْ أَبِي نَعَامَةَ قَالَ

سَمِعَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُغَفَّلِ الْمُزَنِيُّ ابْنًا لَهُ يَدْعُو فَقَالَ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْقَصْرَ الْأَبْيَضَ عَنْ يَمِينِ الْجَنَّةِ إِذَا دَخَلْتُهَا فَقَالَ يَا بُنَيَّ سَلِ اللَّهَ الْجَنَّةَ وَتَعَوَّذْ بِهِ مِنَ النَّارِ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ سَيَكُونُ قَوْمٌ فيِ هَذِهِ الْأُمَّةِ يَعْتدُونَ فِي الدُّعَاءِ وَالطَّهُورِ

هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ

أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ عَنْ مُوسَى بْنِ إِسْمَاعِيلَ عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ

وَأَخْرَجَهُ ابْنُ مَاجَهْ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ عَنْ عَفَّانَ عَنْ حَمَّادٍ

فَوَقَعَ لنا عَالِيًا وَبَدَلًا لِأَبِي دَاوُدَ وَأَخْرَجَهُ ابْنُ حِبَّانَ وَالْحَاكِمُ مِنْ طَرِيقِ حَمَّاد (ا) وَرَوَاهُ الطَّبَرَانِيّ
৭৫ - এরপর আমাদের নিকট শ্রুতিলিপি প্রদান করেছেন আমাদের নেতা ও অভিভাবক, প্রধান বিচারপতি, শায়খুল ইসলাম, আল্লাহ মুসলিমদেরকে তাঁর দীর্ঘায়ুর মাধ্যমে উপকৃত করুন, আমীন। তিনি বলেন:

আমাকে ইমাদ আবু বকর ইবনে ইব্রাহিম আল-ফারায়েজি অবহিত করেছেন, তিনি বলেন, আয়েশা বিনতে মুহাম্মদ ইবনুল মুসলিমের সামনে পাঠ করা হচ্ছিল এবং আমরা তা শুনছিলাম যে, আব্দুর রহমান ইবনে আবিল ফাহম তাঁদেরকে অবহিত করেছেন, তিনি বলেন: ইয়াহইয়া ইবনে আসআদ আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল কাদির ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইউসুফ আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল আজিজ ইবনে আলি আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: হাসান ইবনে জাফর আমাদেরকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: জাফর ইবনে মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইব্রাহিম ইবনুল হাজ্জাজ আস-সামি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ আল-জারিরি থেকে, তিনি আবু নামাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন:

আবদুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল আল-মুজানি তাঁর এক পুত্রকে দুআ করতে শুনলেন, যে বলছিল: "হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট জান্নাতের ডান দিকের সাদা প্রাসাদটি প্রার্থনা করছি যখন আমি তাতে প্রবেশ করব।" তখন তিনি বললেন: "হে বৎস! আল্লাহর কাছে জান্নাত প্রার্থনা করো এবং জাহান্নাম থেকে তাঁর নিকট আশ্রয় চাও। কেননা আমি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: অচিরেই এই উম্মতের মধ্যে এমন এক সম্প্রদায়ের উদ্ভব হবে যারা দুআ ও পবিত্রতা অর্জনের ক্ষেত্রে সীমা লঙ্ঘন করবে।"

এটি একটি হাসান হাদিস।

এটি আবু দাউদ মুসা ইবনে ইসমাইল থেকে, তিনি হাম্মাদ ইবনে সালামাহর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইবনে মাজাহ এটি আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ থেকে, তিনি আফফান থেকে, তিনি হাম্মাদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

ফলে এটি আমাদের নিকট উচ্চ মানের সনদ এবং আবু দাউদের সনদের জন্য একটি স্থলাভিষিক্ত সনদ হিসেবে পৌঁছেছে। ইবনে হিব্বান ও হাকেম এটি হাম্মাদের সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং তাবারানিও এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ١٨)
وَأَخْرَجَهُ ابْنُ حِبَّانَ أَيْضًا مِنْ وَجْهٍ آخَرَ عَنْ حَمَّادٍ عَنِ الْجريرِي عَن أبي الْعَلَاء

ابْن الشِّخِّيرِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ

وَزَعَمَ أَنَّ الطَّرِيقَيْنِ مَحْفُوظَانِ وَالَّذِي يَظْهَرُ أَنَّ الطَّرِيقَ الْأَوَّلَ أَرْجَحُ فَقَدْ رَوَاهُ حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنِ الْجُرَيْرِيِّ كَذَلِكَ وَأَبُو نَعَامَةَ اسْمُهُ قَيْسُ بْنُ عَبَايَةَ بَصْرِيٌّ صَدُوقٌ وَقَدْ رُوِي عَنْهُ بِإِسْنَادٍ آخَرَ أَخْبَرَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ بْنُ الْحَافِظِ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الذُّهَبِيُّ إِجَازَةً غَيْرَ مِرَّةٍ قَالَ أَخْبَرَ إِسْحَاقُ بْنُ يَحْيَى قَالَ أَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ خَلِيلٍ (ح) وَأَخْبَرَنَا الْحَافِظُ أَبُو الْفَضْلِ بْنُ الْحُسَيْنِ رحمه الله قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعَطَّارُ قَالَ أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ قَالَا أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي زَيْدٍ قَالَ يُوسُفُ سَمَاعًا وَقَالَ عَلِيٌّ إِجَازَةً زَادَ يُوسُفُ وَعَلِيُّ بْنُ سَعِيدِ بْنِ فَاذَشَاهَ قَالَا أَخْبَرَنَا مَحْمُودُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ قَالَ أَخْبَرَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ فَاذَشَاهَ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الطَّبَرَانِيُّ فِي كِتَابِ الدُّعَاءِ لَهُ قَالَ حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ الْمُثَنَى قَالَ حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ زِيَادِ بْنِ مِخْرَاقٍ عَنْ أَبِي نُعَامَةَ

أَنَّ ابْنًا لِسَعْدٍ يَعْنِي ابْنَ أَبِي وَقَّاصٍ كَانَ يَدْعُو فَسَمِعَهُ سَعْدٌ وَهُوَ يَقُولُ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَنَعِيمِهَا وَبَهْجَتُهَا وَكَذَا وَكَذَا وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ وَسَلَاسِلِهَا وَأَغْلَالِهَا فَقَالَ يَا بُنَيَّ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ سَيَكوُنُ قَوْمٌ يَعْتَدُونَ فِي الدُّعَاءِ فَإِيَّاكَ أَنْ تَكُونَ مِنْهُمْ وَإِنَّكَ إِنْ دَخَلْتَ الْجَنَّةَ نِلْتَ مَا فِيهَا مِنَ الْخَيْرِ وَإِنْ أَعَذْتَ من النَّار نجوت مِمَّا فِيهَا مِنَ الشَّرِ

هَذَا حَدِيثٌ حَسَنُ
এবং ইবনে হিব্বান এটি হাম্মাদ থেকে, তিনি জুরয়রী থেকে, তিনি আবু আল-আলা ইবনে আশ-শিখখীর থেকে এবং তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল থেকে অন্য সূত্রেও বর্ণনা করেছেন।

তিনি দাবি করেছেন যে উভয় সূত্রই সংরক্ষিত, তবে যা স্পষ্ট হয় তা হলো প্রথম সূত্রটি অধিক গ্রহণযোগ্য; কারণ হাম্মাদ ইবনে যায়েদও জুরয়রী থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আর আবু নুয়ামা—যার নাম কায়েস ইবনে আবায়াহ—একজন বসরী ও সত্যবাদী বর্ণনাকারী। তাঁর থেকে অন্য সনদেও বর্ণিত হয়েছে: হাফেজ আবু আবদুল্লাহ আদ-দাহাবীর পুত্র আবু হুরায়রা আমাদের একাধিকবার ইজাযত হিসেবে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন যে ইসহাক ইবনে ইয়াহইয়া আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন ইউসুফ ইবনে খলিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (সূত্র পরিবর্তন), এবং হাফেজ আবু আল-ফজল ইবনুল হুসাইন (রহিমাহুল্লাহ) আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আল-আত্তার আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আলী ইবনে আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তাঁরা উভয়ে বলেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবি যায়েদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; ইউসুফ সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে এবং আলী ইজাযতের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন। ইউসুফ এবং আলী ইবনে সাঈদ ইবনে ফাযশাহ আরও বলেছেন যে মাহমুদ ইবনে ইসমাঈল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আল-হুসাইন ইবনে ফাযশাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন আবুল কাসেম আত-তাবারানি তাঁর ‘কিতাবুদ দুআ’ গ্রন্থে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন মুআয ইবনুল মুসান্না আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন মুসাদ্দাদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন শুবা আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন যিয়াদ ইবনে মিখরাক থেকে, তিনি আবু নুয়ামা থেকে বর্ণনা করেছেন যে

সা'দ অর্থাৎ ইবনে আবি ওয়াক্কাসের এক পুত্র দুআ করছিলেন। সা'দ তাকে বলতে শুনলেন: "হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে জান্নাত এবং এর নিয়ামত, এর সৌন্দর্য এবং অমুক অমুক জিনিস প্রার্থনা করছি। আর আমি আপনার কাছে জাহান্নাম এবং এর শিকল ও বেড়ি থেকে আশ্রয় চাচ্ছি।" তখন তিনি বললেন: "হে বৎস, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, ‘অচিরেই এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা দুআর ক্ষেত্রে সীমালঙ্ঘন করবে।’ সুতরাং তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে সতর্ক থেকো। তুমি যদি জান্নাতে প্রবেশ করো তবে সেখানে থাকা সকল কল্যাণ তুমি লাভ করবে, আর যদি জাহান্নাম থেকে আশ্রয় পাও তবে এর মধ্যে থাকা সকল অনিষ্ট হতে তুমি মুক্তি পাবে।"

এটি একটি হাসান হাদিস।
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ١٩)
أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ عَنْ مُسَدَّدٍ

فَوَافَقْنَاهُ بِعُلُوٍّ

وَقَدْ وَقَعَ لَنَا مِنْ وَجْهٍ آخَرَ أَعْلَى مِنْ هَذَا عَنْ شُعْبَةَ

وَبِهِ إِلَى الطَّبَرَانِيِّ قَالَ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ السَّدُوسِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ عَلِيٍّ (ح)

وَقَرَأْتُ عَلَى أَبِي الْحَسَنِ بْنِ الْجَوْزِيِّ عَنْ أَبِي بَكْرٍ الدَّشْتِيِّ قَالَ أَخْبَرَنَا يُوسُف ابْن خَلِيلٍ قَالَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي زَيْدٍ قَالَ أَخْبَرَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ قَالَ أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ قَالَ حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ حَبِيبٍ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الطَّيَالِسِيُّ قَالَا حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ حَدَّثَنِي زِيَادُ بْنُ مِخْرَاقٍ قَالَ سَمِعْتُ قَيْسَ بْنَ عَبَايَةَ يَحَدِّثُ عَنْ مَوْلًى لِسَعْدٍ أَنْ سَعْدًا سَمِعَ ابْنًا لَهُ وَقَالَ أَبُو دَاوُدَ فِي رِوَايَتِهِ أَبَا عَبَايَةَ أَوْ قَيْسَ بْنَ عَبَايَةَ شَكَّ أَبُو دَاوُدَ أَنَّ سَعْدًا وَلَمْ يَقُلْ عَنْ مَوْلًى لِسَعْدٍ ثُمَّ اتْفَقَا عَلَى نَحْوِ رِوَايَةِ يَحْيَى الْقَطَّانَ لَكِنَّ فِي آخِرِ رِوَايَةِ عَاصِمِ بْنِ عَلِيٍّ فَقَالَ حَسْبُكَ أَوْ كَفَّاكَ أَنْ تَقُولَ اللَّهُمْ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَمَا قُرِّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ وَأَعُوذُّ بِكَ مِنَ النَّارِ وَمَا قُرِّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ

وَفِي آخِرِ رِوَايَةِ أَبِي دَاوُدَ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُلِّهِ مَا عَلِمْتُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ وَأَعُوذُّ بِكَ مِنَ الشَّرِ كُلِّهِ مَا علمت مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ

وَالَّذِي يَظْهَرُ أَنَّ أَبَا دَاوُدَ لَمْ يَسْتَحْضِرْ لَفْظَهُ فَذَكَرَهُ بِالْمَعْنَى وَقَدْ شَكَّ فِي كُنْيَةِ الرَّاوِي وَأَسْقَطَ شَيْخَهُ

وَقَدْ أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ عَنْ أَبِي النَّفر هَاشم بن الْقَاسِم
এটি আবু দাউদ মুসাদ্দাদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

ফলে আমরা এর উচ্চ সনদ লাভে তাঁর সাথে একমত হয়েছি।

আর আমাদের কাছে শু'বা থেকে বর্ণিত এর চেয়েও উচ্চতর অন্য একটি সূত্রে এটি পৌঁছেছে।

আর তাঁরই সনদে তাবারানি পর্যন্ত; তিনি বলেন: আমাদের নিকট উমর ইবনুল হাফস আস-সাদুসি হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আসিম ইবনু আলি হাদিস বর্ণনা করেছেন (হ)।

আর আমি আবুল হাসান ইবনুল জাওযির কাছে পাঠ করেছি, তিনি আবু বকর আদ-দাশতি থেকে, তিনি বলেন: ইউসুফ ইবনু খলিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মাদ ইবনু আবি যায়িদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আল-হাসান ইবনু আহমাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আহমাদ ইবনু আব্দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনু জাফর আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: ইউনুস ইবনু হাবিব আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু দাউদ আত-তায়ালিসি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন; তাঁরা উভয়ে বলেন: শু'বা আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: যিয়াদ ইবনু মিখরাক আমার নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি কায়েস ইবনু আবায়াহকে সা'দ-এর একজন আযাদকৃত দাসের সূত্রে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, সা'দ তাঁর এক পুত্রকে (প্রার্থনা করতে) শুনলেন। আবু দাউদ তাঁর বর্ণনায় 'আবা আবায়াহ' অথবা 'কায়েস ইবনু আবায়াহ' বলেছেন—আবু দাউদ এক্ষেত্রে সন্দেহ পোষণ করেছেন—যে সা'দ (সরাসরি বর্ণনা করেছেন), তিনি 'সা'দ-এর আযাদকৃত দাস থেকে' কথাটি বলেননি। অতঃপর তাঁরা উভয়ে ইয়াহইয়া আল-কাত্তানের বর্ণনার অনুরূপ বিষয়ে একমত হয়েছেন, তবে আসিম ইবনু আলির বর্ণনার শেষে রয়েছে: তিনি বললেন, তোমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে তুমি বলবে—'হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাত এবং জান্নাতের নিকটবর্তীকারী কথা ও কাজের প্রার্থনা করছি; আর আপনার কাছে জাহান্নাম এবং জাহান্নামের নিকটবর্তীকারী কথা ও কাজ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।'

আর আবু দাউদের বর্ণনার শেষে রয়েছে: 'হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট সবটুকু কল্যাণ প্রার্থনা করছি, যা আমি জানি এবং যা আমি জানি না। আর আমি আপনার কাছে সবটুকু অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি, যার সম্পর্কে আমি জানি এবং যার সম্পর্কে আমি জানি না।'

আর যা প্রতীয়মান হয় তা হলো, আবু দাউদের নিকট এর মূল শব্দগুলো স্মৃতিতে উপস্থিত ছিল না, তাই তিনি তা মর্মার্থে বর্ণনা করেছেন। তিনি বর্ণনাকারীর উপনামের ক্ষেত্রেও সন্দেহ করেছেন এবং তাঁর উস্তাদের নাম বাদ দিয়েছেন।

আর ইমাম আহমাদ এটি আবুল নাদর হাশিম ইবনুল কাসিম থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ٢٠)
وَأَخْرَجَهُ جَعْفَرُ الْفِرْيَابِيُّ فِي كِتَابِ الذِّكْرِ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُثَنَى عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ كِلَاهُمَا عَنْ شُعْبَةَ كَرِوَايَةِ عَاصِمِ بْنِ عَلِيٍّ

فَبَانَ رُجْحَانُهَا

وَمَوْلَى سَعْدٍ لَمْ أَقِفْ عَلَى اسْمِهِ

وَأَمَّا ابْنُ سَعْدٍ فَلَمْ أَقِفْ أَيْضًا عَلَى تَعْيِينِهِ وَقَدْ رَوَى الْحَدِيثَ مِنْ أَوْلَادِهِ عُمَرُ وَعَامِرٌ وَمُصْعَبٌ وَمُحَمَّدٌ وَإِبْرَاهِيمُ وَأَمَّا ابْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ فَاسْمُهُ يَزِيدُ وَلَهُ مَعَ أَبِيهِ قِصَّةٌ أُخْرَى فِي الْقُنُوتِ وَأُخْرَى فِي الْجَهْرِ بِالْبَسْمَلَةِ أُبْهِمَ اسْمُهُ فِيهِمَا أَيْضًا فِي أَكْثَرِ الرِّوَايَاتِ وَاللَّهُ أَعْلَمُ آخر الْمجْلس الْخَامِس وَالسبْعين

 

‌‌76 - ثمَّ أملانا سيدنَا ومولانا قَاضِي الْقُضَاة شيخ الْإِسْلَام أَيَّامه وَختم بالصالحات أَعماله قَالَ

قَرَأْتُ عَلَى أُمِّ الْحَسَنِ بِنْتِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنَجَّا التَّنُوخِيَّةَ عَنْ عِيسَى بْنِ عبد الرَّحْمَن ابْن معالي قَالَ قريء عَلَى كَرِيمَةَ بِنْتِ عَبْدِ الْوهَّابِ وَأَنَا أَسْمَعُ عَنْ أَبِي الْخَيْرِ الْبَاغَبَّانَ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو عَمْرِو بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَنْدَهْ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبِي قَالَ أخبرنَا مُحَمَّد بن شاذن قَالَ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ قَالَ حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةَ عَنْ حُصَيْنِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ مُجَاهِدٍ عَن عبد الله ابْن عَمْرٍو رضي الله عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِكُلِّ عَامِلٍ شِرَّةٌ وَلِكُلِّ شِرَّةٍ فَتْرَةٌ فَمَنْ كَانَتْ فَتْرَتُهُ إِلَى سُنَّتِي فَقَدْ أَفْلَحَ هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ أَخْرَجَهُ

أَحْمَدُ عَنْ رَوْحِ بْنِ عُبَّادَةَ عَنْ شُعْبَة
এবং জাফর আল-ফিরইয়াবি এটি 'কিতাবুজ জিকর'-এ মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না থেকে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনে জাফর থেকে, তারা উভয়েই শু'বাহ থেকে আসিম ইবনে আলীর বর্ণনার অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

ফলে এর শ্রেষ্ঠত্ব ও অগ্রগণ্যতা প্রকাশ পেল।

আর সা'দের মুক্ত দাসের নাম আমি জানতে পারিনি।

ইবনে সা'দের ব্যাপারেও আমি তাকে সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করতে পারিনি; তবে তার সন্তানদের মধ্যে উমর, আমির, মুসআব, মুহাম্মাদ ও ইবরাহিম এই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। আর আব্দুল্লাহ ইবনে মুগাফফালের পুত্রের নাম ইয়াজিদ; কুনুত সংক্রান্ত বিষয়ে এবং বিসমিল্লাহ উচ্চস্বরে পাঠ করার বিষয়ে তার পিতার সাথে তার আরও একটি ঘটনা রয়েছে, অধিকাংশ বর্ণনায় সেগুলোতেও তার নাম অস্পষ্ট রাখা হয়েছে। আর আল্লাহই ভালো জানেন। পঁচাত্তরতম মজলিসের সমাপ্তি।

 

৭৬ - অতঃপর আমাদের নিকট ইমলা প্রদান করেছেন আমাদের সায়্যিদ ও মাওলা প্রধান বিচারপতি শায়খুল ইসলাম [আল্লাহ তার দিনসমূহকে দীর্ঘায়িত করুন] এবং তার আমলসমূহকে নেক আমলের মাধ্যমে সমাপ্ত করুন, তিনি বলেন:

আমি উম্মুল হাসান বিনতে মুহাম্মাদ ইবনুল মুনাজ্জা আত-তানুখিয়্যাহর নিকট পাঠ করেছি, তিনি ঈসা ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে মু'য়ালী থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: কারীমা বিনতে আব্দুল ওয়াহহাবের নিকট পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তখন শুনছিলাম, তিনি আবুল খায়ের আল-বাগািব্বান থেকে, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর ইবনে আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মানদাহ, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ ইবনে শাযান, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে ইউনুস, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসলিম ইবনে ইবরাহিম, তিনি বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন শু'বাহ, তিনি হুসাইন ইবনে আব্দুর রহমান থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "প্রত্যেক আমলকারীরই একটি উদ্যম থাকে এবং প্রত্যেক উদ্যমেরই একটি শিথিলতা থাকে। সুতরাং যার শিথিলতা আমার সুন্নাতের দিকে হবে, সে অবশ্যই সফল হবে।" এটি একটি সহিহ হাদিস, যা বর্ণনা করেছেন:

আহমাদ, রাওহ ইবনে উবাদাহ থেকে, তিনি শু'বাহ থেকে।
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ٢١)
فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا عَالِيًا

وَذَكَرَ ابْن مَنْدَهْ أَنَّ زَيْدَ بْنَ أَبِي أُنَيْسَةَ رَوَاهُ عَنْ شُعْبَةَ فَخَالَفَ فِي مَوْضِعَيْنِ قَالَ عَنِ الْحَكَمِ بَدَلَ حُصَيْنٍ وَقَالَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي عَمْرَةَ بَدَلَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَلَيْسَتْ هَذِهِ بَعِلَّةٍ قَادِحَةٍ بَلْ يُحْمَلُ عَلَى أَنْ لِشُعْبَةَ فِيهِ طَرِيقَيْنِ

وَالْحَدِيثُ مَحْفُوظٌ بِحُصَيْنٍ بِالْإِسْنَادِ الْمَذْكُورِ مِنْ غَيْرِ طَرِيقِ شُعْبَةَ

أَخْبَرَنِيهِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْمُبَارَكِ قَالَ أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّطِيفِ بْنُ عَبْدِ الْمُنْعَمِ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ قَالَ أَخْبَرَنَا هِبَةُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَ أَخْبَرَنَا حَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرٍ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ عَنْ حُصَيْنِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَمُغِيرَةَ الضَّبِيِّ كِلاهُمَا عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ تَزَوَّجَتِ امْرَأَةٌ مِنْ قُرَيْشٍ فَذَكَرَ حَدِيثًا طَوِيلًا

وَفِيهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَكِنِّي أُصَلِّي وأَنَامُ وَأَصُوم وأفطر وَأَمَسُّ النِّسَاءَ فَمَنْ رَغِبَ عَنْ سُنَّتيِ فَلَيْسَ مِنِّي زَادَ حُصَيْنٌ فِي حَدِيثِهِ وقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ة فَإِنَّ لِكُلِّ عَامِلٍ شِرَّةً وَلِكُلِّ شرة فثرة فَمَنْ كَانَتْ فَتْرَتُهُ إِلَى سُنَّةٍ فَقَدِ اهْتَدَى وَمَنْ كَانَتْ فَتْرَتُهُ إِلَى غَيْرِ ذَلِكَ فَقَدْ هَلَكَ

وَهَكَذَا أَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ عَنْ أَحْمَدَ بْنِ مَنِيعٍ عَنْ هُشَيْمٍ

وَالشِّرَّةُ بِكَسْرِ الْمُعْجَمَةِ وَتَشْدِيدِ الرَّاءِ الرَّغْبَةُ وَالنَّشَاطُ

أَخْبَرَنِي أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الله بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحُسَيْنِ الْأَنْصَارِيِّ قَالَ أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ خَلِيلٍ قَالَ أَخْبَرَنَا يحيى بن مَحْمُود قَالَ
এটি আমাদের জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের 'বাদাল' (বিকল্প সনদ) হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।

ইবনে মানদাহ উল্লেখ করেছেন যে, জায়েদ ইবনে আবি উনাইসা এটি শু’বাহ থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি দুটি স্থানে ভিন্নতা করেছেন। তিনি হুসাইনের পরিবর্তে ‘হাকাম থেকে’ বলেছেন এবং আবদুল্লাহ ইবনে আমরের পরিবর্তে ‘আবদুর রহমান ইবনে আবি আমরাহ থেকে’ বলেছেন। এটি কোনো ক্ষতিকারক ত্রুটি নয়, বরং এটি এভাবে গণ্য করা হবে যে, শু’বাহর কাছে এই বর্ণনার দুটি সূত্র রয়েছে।

হাদিসটি শু’বাহর সূত্র ছাড়াও উল্লিখিত সনদে হুসাইনের বর্ণনায় সংরক্ষিত।

আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে আলী ইবনুল মুবারক আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উমর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবদুল লতিফ ইবনে আবদুল মুনয়িম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, হিবাতুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, হাসান ইবনে আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আহমদ ইবনে জাফর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, হুশাইম আমাদের নিকট হুসাইন ইবনে আবদুর রহমান ও মুগিরাহ আদ-দব্বি থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা উভয়ে মুজাহিদ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আমর থেকে বর্ণনা করেছেন যে, কুরাইশ বংশের এক নারী বিবাহ করল... অতঃপর তিনি একটি দীর্ঘ হাদিস বর্ণনা করেন।

তাতে আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “কিন্তু আমি সালাত আদায় করি এবং ঘুমাই, রোজা রাখি এবং তা ভঙ্গ করি, আর নারীদের সান্নিধ্য লাভ করি; সুতরাং যে ব্যক্তি আমার সুন্নাত থেকে বিমুখ হবে, সে আমার দলভুক্ত নয়।” হুসাইন তার বর্ণনায় অতিরিক্ত উল্লেখ করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “নিশ্চয়ই প্রতিটি আমলকারীর জন্য একটি উদ্দীপনার সময় থাকে, আর প্রতিটি উদ্দীপনার পর একটি শিথিলতার সময় থাকে। সুতরাং যার শিথিলতা সুন্নাতের দিকে হয়, সে হিদায়াত প্রাপ্ত হলো। আর যার শিথিলতা অন্য কিছুর দিকে হয়, সে ধ্বংস হলো।”

ইমাম নাসাঈ এভাবেই আহমদ ইবনে মানী’ থেকে, তিনি হুশাইম থেকে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।

‘শিররাহ’ (শীন বর্ণে কাসরা এবং রা বর্ণে তাশদীদসহ) এর অর্থ হলো আগ্রহ ও উদ্দীপনা।

আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে উবায়দুল্লাহ আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে হুসাইন আনসারী থেকে, তিনি বলেন, ইব্রাহিম ইবনে খলিল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, ইয়াহইয়া ইবনে মাহমুদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন...
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ٢٢)
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ قَالَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الطَّبَرَانِيُّ فِي الْمُعْجَمِ الصَّغِيرِ لَهُ قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُزَيْقِ بْنِ جَامِعٍ الْمِصْرِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ حَبِيبٍ قَالَ حَدَّثَنَا سَلَّامٌ الطَّوِيلُ قَالَ حَدَّثَنَا حَمْزَةُ بْنُ حَبِيبٍ عَنْ لَيْثِ بْنِ أَبِي سُلَيْمٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عَبَاسٍ رضي الله عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ صَامَ يَوْمَ عَرَفَةَ كَانَ كَفَّارَةَ سَنَتَيْنِ وَمَنْ صَامَ يَوْمًا مِنَ الْمُحَرَّمِ فَلَهُ بِكُلِّ يَوْمٍ ثَلَاثُونَ يَوْمًا

قَالَ الطَّبَرَانِيُّ لَمْ يَرْوِهِ عَنْ حَمْزَةَ الْإِسْلَام تَفَرَّدَ بِهِ الْهَيْثَمُ بْنُ حَبِيبٍ

وَهَكَذَا قَالَ فِي المعجم

وَذكر الْمُنْذِرِيّ فِي كِتَابِ التَّرْغِيبِ هَذَا الْحَدِيثَ وَعَزاهُ للطبراني وَقَالَ لأبأس بِإِسْنَادِهِ الْهَيْثَمُ بْنُ حَبِيبٍ وَثَّقَهُ ابْنُ حِبَّانَ انْتَهَى كَلَامُهُ

وَهُوَ يُوهِمُ أَنَّهُ لَيْسَ فِي الْإِسْنَادِ مَنْ يَنْظُرُ فِي حَالِهِ إِلَّا الْهَيْثَمُ وَلَيْسَ كَذَلِكَ فَإِنَّ لَيْثَ بْنَ أَبِي سَلِيمٍ مُتَكَلِّمٌ فِي حِفْظِهِ وَكَذَا حَمْزَةَ

وَأَمَا سَلَّامٌ فَقَالَ عَلِيُّ بْنُ الْمُدَيْنِيِّ وَأَبُو زُرْعَةَ ضَعِيفٌ

وَقَالَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ وَيَحْيَى بْنُ مَعِينٍ أَحَادِيثُهُ مُنْكَرَةٌ وَقَالَ الْبُخَارِيُّ وَأَبُو حَاتِمٍ تَرَكُوهُ

وَقَالَ الْجَوْزِجَانِيُّ وَالنَّسَائِيُّ لَيْسَ بِالثِّقَةِ

وَقَالَ ابْنُ فَرَّاشٍ كَذَّابٌ

وَقَالَ ابْنُ حِبَّانَ وَالْحَاكِمُ رَوَى أَحَادِيثَ مَوْضُوعَةً

وَقَالَ ابْنُ عَدِيٍّ لَا يُتَابع على حَدِيثه
মুহাম্মদ বিন আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবুল কাসিম আত-তাবারানি তাঁর ‘আল-মুজাম আস-সগির’ গ্রন্থে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ বিন রুজাইক বিন জামি আল-মিসরি আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, হাইসাম বিন হাবিব আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, সাল্লাম আত-তাবিল আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, হামজা বিন হাবিব আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন লাইস বিন আবু সুলাইম থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আরাফার দিন রোজা রাখবে, তা দুই বছরের কাফফারা হবে। আর যে ব্যক্তি মহররম মাসে একদিন রোজা রাখবে, তার বিনিময়ে সে প্রতিটি দিনের জন্য ত্রিশ দিনের সওয়াব পাবে।”

তাবারানি বলেন, হামজা থেকে এটি কেবল হাইসাম বিন হাবিব এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

মুজাম গ্রন্থে তিনি এভাবেই বলেছেন।

মুনজিরি তাঁর ‘আত-তারগিব’ কিতাবে এই হাদিসটি উল্লেখ করেছেন এবং তাবারানির দিকে এটি নিসবত করেছেন। তিনি বলেছেন, এর সনদে কোনো সমস্যা নেই; হাইসাম বিন হাবিবকে ইবনে হিব্বান নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তাঁর বক্তব্য এখানেই শেষ।

এই বক্তব্যটি এমন ধারণা দেয় যে, সনদে হাইসাম ছাড়া অন্য কারো অবস্থা নিয়ে পর্যালোচনার প্রয়োজন নেই। কিন্তু বিষয়টি এমন নয়। কারণ, লাইস বিন আবু সুলাইমের মুখস্থশক্তির ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে, এবং হামজার ক্ষেত্রেও একই কথা।

আর সাল্লাম সম্পর্কে আলি বিন আল-মাদিনি এবং আবু জুরআ বলেছেন যে সে দুর্বল।

আহমদ বিন হাম্বল এবং ইয়াহইয়া বিন মাইন বলেছেন, তার বর্ণিত হাদিসগুলো মুনকার। বুখারি এবং আবু হাতিম বলেছেন, মুহাদ্দিসগণ তাকে বর্জন করেছেন।

জাওযাজানি এবং নাসায়ি বলেছেন, সে নির্ভরযোগ্য নয়।

ইবনে ফাররাশ বলেছেন, সে চরম মিথ্যাবাদী।

ইবনে হিব্বান এবং হাকেম বলেছেন, সে জাল হাদিস বর্ণনা করেছে।

ইবনে আদি বলেছেন, তার হাদিসের সমর্থনে অন্য কোনো বর্ণনা পাওয়া যায় না।
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ٢٣)
وَأَمَّا الْهَيْثَمُ فَلَمْ أَرَ لِلْمُتَقَدِّمِينَ فِيهِ كَلَامًا وَهُوَ فِي ثِقَاتِ ابْنِ حِبَّانَ كَمَا قَالَ لَكِنَّ شَيْخَ شُيُوخِنَا الذَّهَبِيَّ ذَكَرَهُ فِي الْمِيزَانِ وَذَكَرَ لَهُ حَدِيثًا عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ وَقَالَ إِنَّهُ بَاطِلٌ وَالْآفَةُ فِيهِ مِنَ الْهَيْثَمِ

فَظَهَرَ بِمَجْمُوعِ مَا ذَكَرْتُ أَنَّ بِإِسْنَادِهِ كُلَّ الْبَأْسِ وَيُغْنِي عَنْهُ مَا أَمْلَيْتُهُ فِي الْعَامِ الْمَاضِي مِنْ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ فِي فَضْلِ صِيَامِ شَهْرِ اللَّهِ الْمُحَرَّمِ فَإِنَّهُ أَفْضَلُ الشُّهُورِ بَعْدَ رَمَضَانِ

وَالْحَدِيثُ فِي صَحِيحِ مُسْلِمٍ

وَأَنْشَدَنَا الْحَافِظُ أَبُو الْفَضْلِ بْنُ الْحُسَيْنِ لِنَفْسِهِ

اسْتَفْتِحِ الْعَامَ بِالصِّيَامِ … لِلَّهِ فِي شَهْرِ الْحَرَامِ

وَعَاشِرَ الْمُحَرَّمِ صُمْ يُكَفِّرْ … عَنْكَ ذُنُوبًا مَضَتْ لِعَامِ

وَارْجِعْ إِلَى اللَّهِ مِنْ قَرِيبٍ … فَإِنَّهُ غَافِر الأثام

واغتنم الْعُمْرَ فَإِنَّهُ ضَيْفٌ … لَا مَطْمَعَ مِنْهُ فِي الْمَقَامِ

وَلَا تَكُنْ آيِسًا قَنُوطًا … فَالْعَفْوُ مِنْ شِيمَةِ الْكِرَام

آخر الْمجْلس السَّادِس وَالسبْعين

 

‌‌77 - ثمَّ أملانا سيدنَا ومولانا قَاضِي الْقُضَاة شيخ الْإِسْلَام نفع الله بِعُلُومِهِ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَة قَالَ

وَبِالْإِسْنَادِ الْمَاضِي إِلَى أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَنْدَهْ قَالَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ يُوسُفَ قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ الصَّغَانِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ حَمَّادٍ قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنِ ابْنِ عَبَاسٍ رضي الله عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلم
পক্ষান্তরে হাইসামের ব্যাপারে আমি পূর্ববর্তীদের কোনো বক্তব্য পাইনি। তিনি ইবনে হিব্বানের 'সিকাত' (নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী) গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত, যেমনটি তিনি বলেছেন। তবে আমাদের শাইখদের শাইখ আয-যাহাবী তাঁকে 'আল-মিজান' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং তাঁর সূত্রে ইবনে উয়াইনা থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করে বলেছেন যে, সেটি বানোয়াট এবং এর ত্রুটি হাইসামের পক্ষ থেকেই এসেছে।

সুতরাং আমি যা উল্লেখ করেছি তার সমষ্টি থেকে এটি স্পষ্ট হলো যে, এর সনদে যথেষ্ট সমস্যা রয়েছে। আর গত বছর আল্লাহর মাস মুহাররমের রোযার ফজিলত সম্পর্কে আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে যে হাদিসটি আমি শ্রুতিলিখন করিয়েছিলাম, তা এর প্রয়োজনীয়তা দূর করে দেয়। কেননা রমজানের পর এটিই সর্বশ্রেষ্ঠ মাস।

আর হাদিসটি সহিহ মুসলিমে রয়েছে।

হাফেজ আবুল ফজল ইবনুল হুসাইন তাঁর নিজের রচিত কবিতা আমাদের শুনিয়েছেন:

বছরের সূচনা করো রোযার মাধ্যমে … আল্লাহর সন্তুষ্টির নিমিত্তে হারাম মাসে।

মুহাররমের দশম তারিখে রোযা রাখো, তা মোচন করবে … তোমার গত হয়ে যাওয়া এক বছরের গুনাহ।

অচিরেই আল্লাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করো … কেননা তিনি পাপসমূহ ক্ষমাশীল।

জীবনকে লুফে নাও কারণ এটি মেহমান মাত্র … এখানে স্থায়ী বসবাসের কোনো আশা নেই।

নিরাশ ও হতাশ হয়ো না … কারণ ক্ষমা করা মহানুভবদের বৈশিষ্ট্য।

ছিয়াত্তরতম মজলিসের সমাপ্তি।

 

‌‌৭৭ - অতঃপর আমাদের শ্রুতিলিখন করিয়েছেন আমাদের সাইয়্যিদ ও মাওলা প্রধান বিচারপতি শাইখুল ইসলাম—আল্লাহ দুনিয়া ও আখেরাতে তাঁর ইলমের দ্বারা আমাদের উপকৃত করুন—তিনি বলেছেন:

পূর্বোক্ত সনদে আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মানদাহ পর্যন্ত, তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইউসুফ, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক আস-সাগানি, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন নাসর ইবনে হাম্মাদ, তিনি বলেন: আমাদের হাদিস শুনিয়েছেন শু'বা, হাবিব ইবনে আবু সাবিত থেকে, তিনি সাঈদ ইবনে জুবায়ের থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন...
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ٢٤)
أَوَّلُ مَنْ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ الْحَمَّادُونَ الَّذِينَ يَحْمَدُونَ اللَّهَ عز وجل يَعْنِي فِي كُلِّ حَالٍ

هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ تَفَرَّدَ بِهِ نَصْرُ بْنُ حَمَّادٍ وَهُوَ ضَعِيفٌ لَكِنْ أَخْرَجَهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَالْحَاكِمُ مِنْ طَرِيقِ الْمَسْعُودِيِّ عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ بِلَفْظٍ الَّذيِنَ يَحْمَدُونَ اللَّهَ فِي السَّرَّاء وَالضَّرَّاءِ

وَالْمَسْعُودِيُّ صَدُوقٌ إِلَّا أَنَّهُ اخْتَلَطَ فَالْحَدِيثُ عَلَى هَذَا حَسَنٌ إِنْ لَمْ يَكُنْ نَصْرُ ابْن حَمَّادٍ انْقَلَبَ عَلَيْهِ وَكَانَ عِنْدَهُ عَن الْمَسْعُودِيِّ فَصَارَ عَنْ شُعْبَةَ

أَخْبَرَنِي عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْمَرْدَاوِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحَسَنِ الهكاري وَعَائِشَة بنت الْمُسلم قَالَا أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ خَلِيلٍ قَالَ أَخْبَرَنَا مَنْصُورُ بْنُ عَلِيٍّ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَ أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحُسَيْنِ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو نَصْرِ بْنِ قَتَادَةَ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو مَنْصُور النفروي قَالَ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ نَجْدَةَ قَالَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ قَالَ حَدَّثَنَا نُوحُ بْنُ قَيْسٍ قَالَ حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ مُحْصِنٍ عَنِ ابْنِ عَبَاسٍ فِي قَوْلِهِ تَعَالَى {وَالْفَجْر وليال عشر} قَالَ

الْفَجْرُ شَهْرُ الْمُحَرَّمِ هُوَ فجر السّنة
জান্নাতে সর্বপ্রথম প্রবেশকারী হবে সেই প্রশংসাকারীরা, যারা মহান আল্লাহর প্রশংসা করে অর্থাৎ প্রত্যেক অবস্থায়।

এটি একটি গরীব (একক সূত্রীয়) হাদিস, যা বর্ণনা করার ক্ষেত্রে নাসর ইবনে হাম্মাদ একক হয়ে গেছেন এবং তিনি দুর্বল; তবে আবু বকর ইবনে আবি শায়বাহ এবং হাকিম এটি মাসউদী-এর সূত্রে হাবিব ইবনে আবি সাবিত থেকে এই শব্দে বর্ণনা করেছেন: "যারা সচ্ছলতা ও অসচ্ছলতায় আল্লাহর প্রশংসা করে।"

আর মাসউদী সত্যবাদী, তবে শেষ বয়সে তাঁর স্মৃতিভ্রম ঘটেছিল; সুতরাং এই ভিত্তিতে হাদিসটি হাসান (উত্তম), যদি নাসর ইবনে হাম্মাদ এটি ওলটপালট না করে থাকেন—অর্থাৎ যদি তাঁর নিকট এটি মাসউদী-এর সূত্রে থেকে থাকে যা পরবর্তীতে শু'বাহ-এর দিকে রূপান্তরিত হয়ে গেছে।

আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আলী ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-মারদাভী, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে আহমাদ ইবনে আলী ইবনে হাসান আল-হাক্কারী এবং আয়িশাহ বিনতুল মুসলিম; তাঁরা উভয়ে বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ইব্রাহিম ইবনে খলিল, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মনসুর ইবনে আলী, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল জাব্বার ইবনে মুহাম্মাদ, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ ইবনে হুসাইন, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নাসর ইবনে কাতাদাহ, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মনসুর আন-নাফরাভী, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন আহমাদ ইবনে নাজদাহ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে মানসুর, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন নূহ ইবনে কাইস, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে মুহসিন, ইবনে আব্বাস থেকে মহান আল্লাহর বাণী {শপথ ফজরের এবং দশ রাতের} প্রসঙ্গে বর্ণিত; তিনি বলেছেন:

ফজর হলো মহররম মাস, যা বছরের ফজর।
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ٢٥)
هَذَا مَوْقُوفٌ حَسَنُ الْإِسْنَادِ وَلَعَلَّهُ أَنْ يَكُونَ لَهُ حُكْمُ الرَّفْعِ وَبِهِ يَحْصُلُ الْجَوَابُ عَنِ الْحِكْمَةِ فِي تَأْخِيرِ التَّارِيخِ مِنْ شَهْرِ رَبِيعٍ الْأَوَّلِ إِلَى الْمُحَرَّمِ بَعْدَ أَنِ اتَّفَقُوا عَلَى جَعْلِ التَّارِيخِ مِنَ الْهِجْرَةِ وَإِنَّمَا هَاجَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الْأَوَّلِ قَرَأْتُ عَلَى أَمِّ الْحَسَنِ التَّنُوخِيَّةِ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ حَمْزَةَ إِنَّ إِسْمَاعِيلَ بْنَ ظُفَرَ أَخْبَرَهُمْ قَالَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي زَيْدٍ قَالَ أَخْبَرَنَا مَحْمُودُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ قَالَ أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَ أَخْبَرَنَا سَلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي زُرْعَةَ قَالَ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ قَالَ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ عَنِ الْحَكَمِ بْنِ مُصْعَبٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَاسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ أَكْثَرَ مِنَ الْاسْتِغْفَارِ جَعَلَ اللَّهَ لَهُ مِنْ كُلِّ هَمٍّ مَخْرَجًا وَمِنْ كُلِّ ضَيْقٍ مَخْرَجًا وَرَزَقَهُ مِنْ حَيْثُ لَا يَحْتَسِبُ

هَذَا حَدِيثٌ حَسَنُ غَرِيبٌ

أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ عَنْ هِشَامِ بْنِ عَمَّارٍ

فَوافَقْنَاهُمَا بِعُلُوٍّ

وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ مُوسَى وَالْحَاكِمِ مِنْ طَرِيقِ صَفْوَانَ بْنِ صَالِحٍ
এটি একটি মাওকুফ বর্ণনা যার সনদ হাসান (উত্তম), এবং সম্ভবত এটি মারফূ হওয়ার হুকুম রাখে। আর এর মাধ্যমেই হিজরত থেকে বর্ষপঞ্জি গণনা করার বিষয়ে একমত হওয়ার পর, রবিউল আউয়াল মাসের পরিবর্তে মহররম থেকে বর্ষপঞ্জি আরম্ভ করার হিকমতের উত্তর পাওয়া যায়। অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রবিউল আউয়াল মাসেই হিজরত করেছিলেন। আমি উম্মুল হাসান আত-তানুখিয়্যার নিকট পাঠ করেছি, তিনি সুলায়মান বিন হামজাহ থেকে বর্ণনা করেন যে, ইসমাইল বিন যুফার তাঁদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মাদ বিন আবি যায়দ, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মাহমুদ বিন ইসমাইল, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলায়মান বিন আহমাদ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন মুহাম্মাদ বিন আবি যুরআহ, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন হিশাম বিন আম্মার, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন ওয়ালিদ বিন মুসলিম, তিনি হাকাম বিন মুসআব থেকে, তিনি মুহাম্মাদ বিন আলী বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি অধিক পরিমাণে ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করবে, আল্লাহ তার প্রতিটি দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির পথ করে দেবেন, প্রতিটি সংকীর্ণতা থেকে বের হওয়ার পথ করে দেবেন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দান করবেন যা সে কল্পনাও করেনি।”

এটি একটি হাসান গরীব হাদিস।

ইমাম আবু দাউদ ও ইবনে মাজাহ এটি হিশাম বিন আম্মার থেকে বর্ণনা করেছেন।

ফলে আমরা উচ্চতর সনদের মাধ্যমে তাঁদের উভয়ের সাথে (এই বর্ণনায়) মিলিত হয়েছি।

আর ইমাম নাসাঈ এটি তাঁর ‘আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লায়লাহ’ গ্রন্থে ইসহাক বিন মূসা থেকে এবং ইমাম হাকেম এটি সাফওয়ান বিন সালেহ-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ٢٦)
كِلَاهُمَا عَنِ الْوَلِيدِ

أَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَن ِبْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْمُبَارَكِ قَالَ أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ إِسْمَاعِيلَ قَالَ أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ الْقَوِيَّ عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ سَعْدِ الْخَيْرِ سَمَاعًا عَنْ فَاطِمَةَ الْجُوزِذَانِيَّةِ سَمَاعًا قَالَتْ أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ رَيْذَةَ قَالَ أَخْبَرَنَا الطَّبَرَانِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ غَنَّامٍ وَالْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ قَالَ الْأَوَّلُ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ وَالثَّانِي حَدَّثَنَا عُثْمَان ابْنا أَبِي شَيْبَةَ قَالَا حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ قَالَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ سَلَّامِ بْنِ شَرْحَبِيلٍ عَنْ حَبَّةَ وَسَوَاءَ ابْنَيْ خَالِدٍ رضي الله عنهما قَالَا أَتَيْنَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ لَا َتَيْأسَا مِنَ الرِّزْقِ مَا تهزهزت رؤوسكما فَإِنَّ الْإِنْسَانَ تَلِدُهُ أُمُّهُ لَا قِشْرَ عَلَيْهِ ثُمَّ يَرْزُقُهُ اللَّهُ عز وجل

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ

أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ

وَالْبُخَارِيُّ فِي الْأَدَبِ الْمُفْرَدِ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ حَرْبٍ عَنْ جَرِيرِ بْنِ حَازِمٍ

وَابْنِ حِبَّانَ مِنْ طَرِيقِ وَكِيعٍ كِلَاهُمَا عَنِ الْأَعْمَشِ

وَأَخْرَجَهُ ابْنُ مَاجَهْ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي شَيْبَةَ

فَوَافَقْنَاهُ بعلو دَرَجَة وَالله أعلم

آخر الْمجْلس السَّابِع وَالسبْعين
তারা উভয়ই ওয়ালিদ থেকে বর্ণনা করেছেন।

আব্দুর রহমান ইবনে আহমদ ইবনে আল-মুবারক আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আলী ইবনে ইসমাইল আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, ইসমাইল ইবনে আব্দুল কাবি ফাতিমা বিনতে সাদ আল-খায়ের থেকে শ্রবণের মাধ্যমে এবং তিনি ফাতিমা আল-জুযিদানিয়া থেকে শ্রবণের মাধ্যমে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু বকর ইবনে রাইযাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, তাবারানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, উবাইদ ইবনে গান্নাম এবং হুসাইন ইবনে ইসমাইল আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন। প্রথমজন বলেছেন আবু বকর এবং দ্বিতীয়জন বলেছেন উসমান—উভয়ই আবু শায়বার পুত্র—তারা বলেন, আবু মুয়াবিয়া আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাশ আমাদের নিকট সাল্লাম ইবনে শারহাবিল থেকে, তিনি খাব্বাহ ও সাওয়া—খালেদের দুই পুত্র (আল্লাহ তাদের উভয়ের প্রতি সন্তুষ্ট হোন) থেকে বর্ণনা করেছেন, তারা উভয়ে বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আসলাম। তখন তিনি বললেন, “যতক্ষণ তোমাদের মাথা নড়াচড়া করবে ততক্ষণ তোমরা রিজিক হতে হতাশ হয়ো না। কেননা মানুষকে তার মা যখন প্রসব করে তখন তার শরীরে কোনো আবরণ থাকে না, অতঃপর আল্লাহ মহান ও পরাক্রমশালী তাকে রিজিক দান করেন।”

এটি একটি সহিহ হাদিস।

ইমাম আহমদ এটি আবু মুয়াবিয়া থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইমাম বুখারি আল-আদাবুল মুফরাদ-এ সুলায়মান ইবনে হারব থেকে, তিনি জারির ইবনে হাযিম থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইবনে হিব্বান ওকি-এর সূত্রে, তারা উভয়ই আমাশ থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং ইবনে মাজাহ এটি আবু বকর ইবনে আবি শায়বা থেকে বর্ণনা করেছেন।

সুতরাং আমরা উচ্চতর সনদে তাঁর সাথে সামঞ্জস্য লাভ করেছি। আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

সাতাত্তরতম মজলিসের সমাপ্তি।
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ٢٧)
‌‌78 - ثمَّ أملانا سيدنَا ومولانا قَاضِي الْقُضَاة شيخ الْإِسْلَام نفع الله بِهِ وبعلومه فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَة قَالَ

وَقَدْ وَقَعَ لِي مِنْ وَجْهٍ آخَرَ أَعْلَى بِدَرَجَةٍ أُخْرَى

قَرَأْتُ عَلَى أُمِّ الْفَضْلِ بِنْتِ أَبِي إِسْحَاقَ بْنِ سُلْطَانَ عَنْ أَبِي مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي غَالِبٍ إِجَازَةٌ إِنْ لَمْ يَكُنْ سَمَاعًا قَالَ أَخْبَرَنَا مَحْمُودُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ فِي كِتَابِهِ قَالَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبِي قَالَ أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ يَعْقُوبَ قَالَا حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ فَذَكَرَ نَحْوَهُ

وَوَقَعَ لِي مِنْ رِوَايَةِ جَرِيرِ بْنِ حَازِمٍ وَفِيهِ زِيَادَةٌ

وَبِهَذَا الْإِسْنَادِ إِلَى مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ يَحْيَى الْعَبْدِيُّ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ الْجَلَّابُ قَالَ الْأَوَّلُ أَخْبَرَنَا أَبُو مَسْعُودٍ الرَّازِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرِ بْنِ حَازِمٍ عَنْ أَبِيهِ وَقَالَ الثَّانِي حَدَّثَنَا هِلْالُ بْنُ الْعَلَاءِ قَالَ حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ قَالَ حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ سَلَّامِ بْنِ شَرْحَبِيلٍ عَنْ سَوَّاءَ وَحَبَّةَ رضي الله عنهما قَالَا دَخَلْنَا عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يَعْمَلُ فِي بِنَاءٍ لَهُ فَقَالَ هَلُّمَا فَعَالِجَا قَالَ فَعَمِلَا لَهُ حَتَّى انْتَهَيَّا فَأَمَرَ لَهُمَا بِشَيْءٍ وَقَالَ لَا تَيْأَسَا مِنَ الرِّزْقِ فَذَكَرَ الحَدِيث

قريء عَلَى أُمِّ يُوسُفَ بِنْتِ عَبْدِ الْهَادِيِّ وَأَنَا أَسْمَعُ عَنْ أَبِي نَصْرِ بْنِ جَمِيلٍ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ عَبْدِ الرَّشِيدِ فِي كِتَابِهِ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَلَاءِ الْعَطَّارُ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَدَّادُ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ قَالَ أَخْبَرَنَا سَلَيْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ قَالَ حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ مِرْثَدٍ قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْجَعْفَرِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَلَمَةَ الرَّبْعِيُّ عَنْ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحِيمِ بْنِ أَبِي صَعْصَعَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدَّرِيِّ رضي الله عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلم
৭৮ - অতঃপর আমাদের নিকট পাঠ করিয়েছেন আমাদের নেতা ও অভিভাবক, প্রধান বিচারপতি, শায়খুল ইসলাম, আল্লাহ তার মাধ্যমে এবং তার ইলমের মাধ্যমে দুনিয়া ও আখিরাতে উপকৃত করুন, তিনি বলেছেন

এবং এটি আমার কাছে অন্য একটি উচ্চতর সূত্রে এসেছে

আমি পাঠ করেছি উম্মুল ফজল বিনতে আবি ইসহাক বিন সুলতানের নিকট, তিনি বর্ণনা করেছেন আবু মুহাম্মদ ইবনে আবি গালিব থেকে ইজাজতসূত্রে (যদি শ্রবণসূত্রে না হয়ে থাকে), তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মাহমুদ ইবনে ইবরাহিম তার কিতাবে, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আমার পিতা, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ এবং মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব, তারা উভয়ে বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আহমদ ইবনে আব্দুল জব্বার, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু মুয়াবিয়া, অতঃপর তিনি অনুরূপ বর্ণনা উল্লেখ করেছেন

আর জারীর ইবনে হাজিমের বর্ণনায় এটি আমার নিকট এসেছে এবং এতে অতিরিক্ত অংশ রয়েছে

এবং মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক পর্যন্ত এই সনদে তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুর রহমান ইবনে ইয়াহইয়া আল-আবদী এবং আব্দুর রহমান ইবনে আহমদ আল-জাল্লাব; প্রথমজন বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মাসউদ আর-রাজী, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন ওয়াহাব ইবনে জারীর ইবনে হাজিম তার পিতা থেকে। আর দ্বিতীয়জন বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হিলাল ইবনে আলা, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুসলিম ইবনে ইবরাহিম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন জারীর ইবনে হাজিম, তিনি আমাশ থেকে, তিনি সাল্লাম ইবনে শারহাবীল থেকে, তিনি সাওয়া এবং হাব্বাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন, তারা উভয়ে বলেন: আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট প্রবেশ করলাম যখন তিনি তার একটি স্থাপনা নির্মাণের কাজ করছিলেন। তখন তিনি বললেন: তোমরা দুজন আসো এবং সাহায্য করো। রাবী বলেন: তারা উভয়ে তার জন্য কাজ করলেন যতক্ষণ না তারা শেষ করলেন। অতঃপর তিনি তাদের জন্য কিছু প্রদানের আদেশ দিলেন এবং বললেন: তোমরা রিজিকের ব্যাপারে নিরাশ হয়ো না। অতঃপর তিনি হাদিসটি উল্লেখ করেন

উম্মু ইউসুফ বিনতে আব্দুল হাদীর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম, তিনি বর্ণনা করেছেন আবু নাসর ইবনে জামীল থেকে, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আব্দুল হামিদ ইবনে আব্দুর রশিদ তার কিতাবে, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আলা আল-আত্তার, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আল-হাদ্দাদ, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন সুলাইমান ইবনে আহমদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাশিম ইবনে মিরসাদ, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল আল-জাফরী, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আব্দুল্লাহ ইবনে সালামাহ আর-রাবঈ, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুর রহিম ইবনে আবি সা’সা’ থেকে, তিনি তার পিতা থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ٢٨)
من وشع عَلَى أَهْلِهِ يُوْمَ عَاشُورَاءَ وَسَّعَ الله عَلَيْهِ سنته كلفا (ا) قَالَ سُلَيْمَانُ لَا يَرْوَى عَنْ أَبِي سَعِيدٍ إِلَّا بِهَذَا الْإِسْنَادِ تَفَرَّدَ بِهِ الْجَعْفَرِيُّ

قُلْتُ هُوَ وَمِنْ فَوْقِهِ مَدَنِيُّونَ مَعْرُوفُونَ لَكِنَّ شَيْخُهُ ضَعَّفَهُ أَبُو زُرْعَةَ وَضَعَّفَ الْجَعْفَرِيُّ الْمَذْكُورُ أَبُو حَاتِمٍ وَالْحَصْرُ الْمَذْكُورُ مَرْدُودٌ فَقَدْ وَقَعَ لَنَا مِنْ وَجْهٍ آخَرَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ أَخْبَرَنِيهِ أَبُو الْحَسَنِ المَرْدَاوِيُّ بِالْإِسْنَادِ الْمَاضِي إِلَى أَحْمَدَ بْنِ الْحُسَيْنِ قَالَ أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدَانَ قَالَ أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عُبَيْدٍ قَالَ حَدَّثَنَا عبد الله بن مُحَمَّد ابْن أَبِي الدُّنْيَا قَالَ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ خَدَّاشٍ قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَافِعٍ عَنْ أَيُّوبَ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ مِينَا عَنْ رَجُلٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدَّرِيِّ فَذَكَرَ نَحْوَهُ

وَهَكَذَا أَخْرَجَهُ إِسْحَاقُ بْنُ رَاهَويْهَ فِي مُسْنَدِهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نَافِعٍ

وَلَوْلَا الرَّجُلُ الْمُبْهَمُ لَكَانَ إِسْنَادُهُ جَيْدًا

لَكِنَّهُ يَقْوَى بِالَّذِي قَبْلَهُ

وَلَهُ شَوَاهِدٌ عَنْ جَمَاعَةٍ مِنَ الصَّحَابَةِ غَيْرِ أَبِي سَعِيدٍ مِنْهُمْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ وَجَابِرٍ وَأَبُو هُرَيْرَةَ وَأَشْهَرُهَا حَدِيثِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ وَبِهِ إِلَى أَحْمَدَ بْنِ الْحُسَيْنِ قَالَ أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ السَّقَا قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ الشَّافِعِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُهَاجِرٍ الْبَصْرِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا الْهَيْصَمُ بْنُ الشُّدَّاخِ قَالَ حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ رضي الله عنه قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ وَسَّعَ عَلَى عِيَالِهِ فيِ يَوْمِ عَاشُورَاءَ وَسَّعَ اللَّهُ عَلَيْهِ فِي سَائِرِ سَنَتِهِ

هَذَا حَدِيث غَرِيب
যে ব্যক্তি আশুরার দিনে তার পরিবার-পরিজনের জন্য অঢেল খরচ করবে, আল্লাহ পুরো বছর তার রিযিকে প্রশস্ততা দান করবেন। সুলাইমান বলেন, আবু সাঈদ থেকে এই সনদ ব্যতীত অন্য কোনো সূত্রে এটি বর্ণিত হয়নি; জাফরি এটি বর্ণনায় একক হয়ে গেছেন।

আমি বলছি, তিনি এবং তার ঊর্ধ্বস্থ বর্ণনাকারীরা পরিচিত মদিনাবাসী। কিন্তু তার শিক্ষককে আবু যুরআ দুর্বল বলেছেন এবং উল্লিখিত জাফরিকে আবু হাতিম দুর্বল বলেছেন। আর (বর্ণনাটি একটি সনদে সীমাবদ্ধ হওয়ার যে) সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করা হয়েছে তা প্রত্যাখ্যাত, কারণ আবু সাঈদ থেকে অন্য একটি সূত্রেও এটি আমাদের কাছে পৌঁছেছে। আবুল হাসান আল-মারদাভি আমাকে আহমাদ বিন আল-হুসাইন পর্যন্ত বর্ণিত পূর্ববর্তী সনদে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের আলী বিন আহমাদ বিন আবদান সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের আহমাদ বিন উবাইদ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ ইবন আবিদ দুনিয়া হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের খালিদ বিন খাদ্দাশ হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের আব্দুল্লাহ বিন নাফি আইয়ুব বিন সুলাইমান বিন মিনা থেকে, তিনি এক ব্যক্তি থেকে, তিনি আবু সাঈদ আল-খুদরি থেকে বর্ণনা করেছেন; অতঃপর তিনি অনুরূপ উল্লেখ করেছেন।

এভাবেই ইসহাক বিন রাহওয়াইহ তার মুসনাদে আব্দুল্লাহ বিন নাফি থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

যদি সেখানে অস্পষ্ট (নামহীন) ব্যক্তিটি না থাকতো, তবে এর সনদটি উত্তম হতো।

তবে এটি পূর্ববর্তী বর্ণনার মাধ্যমে শক্তিশালী হয়।

আবু সাঈদ ছাড়াও একদল সাহাবী থেকে এর সমর্থক বর্ণনা রয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ, আব্দুল্লাহ বিন উমর, জাবির এবং আবু হুরায়রা। তাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হলো আব্দুল্লাহ বিন মাসউদের হাদীস। আহমাদ বিন আল-হুসাইন পর্যন্ত সনদে তিনি বলেন, আমাদের আলী বিন মুহাম্মদ আস-সাক্কা সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের আবু বকর আশ-শাফিয়ি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের জাফর বিন মুহাম্মদ হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের আলী বিন মুহাজির আল-বাসরি হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের হাইসাম বিন আশ-শাদ্দাখ হাদীস শুনিয়েছেন, তিনি বলেন, আমাদের আমাশ ইবরাহিম থেকে, তিনি আলকামা থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, 'যে ব্যক্তি আশুরার দিনে তার পরিবার-পরিজনের জন্য অঢেল খরচ করবে, আল্লাহ সারা বছর তার রিযিকে প্রশস্ততা দান করবেন।'

এটি একটি গারিব হাদীস।
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ٢٩)
أَخْرَجَهُ الطَّبَرَانِيُّ عَنْ عَبْدِ الْوَارِثِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ الْبَزَّارِ وَهُوَ عَلِيُّ بْنُ مُهَاجِرٍ الْمَذْكُورُ فِي رِوَايَتِنَا (ا)

وَهَكَذَا أَخْرَجَهُ الْعُقَيْلِيُّ فِي تَرْجَمَةِ عَلِيِّ بْنِ مُهَاجِرٍ مِنْ كِتَابِ الضُّعَفَاءِ أَخْرَجَهُ عَنْ عَبْدِ الْوَارِثِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ عَنْهُ

لَكِنْ وَقَعَ عِنْده عَن يحى بْنِ وَثَّابٍ بَدَلَ إِبْرَاهِيمَ وَهُوَ وَهَمٌ فَقَدْ أَخْرَجَهُ ابْنُ عَدِيٍّ فِي تَرْجَمَةِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ مِنْ طَرِيقِ مُحَمَّدِ بْنِ يحى الْقَطِيعِيِّ عَنْهُ كَمَا فُي رِوَايَتِنَا

وَكَذَلِكَ أَخْرَجَهُ مِنْ طَرِيقِ عَمَّارِ بْنِ رَجَاءٍ عَنْ عَلِيٍّ

وَكَذَلِكَ أَخْرَجَهُ ابْنُ حِبَّانَ فِي تَرْجَمَةِ الْهَيْصَمِ بْنِ الشَّدَّاخِ مِنْ طَرِيقِ عَمَّارِ بْنِ رَجَاءٍ

وَاتَّفَقُوا عَلَى ضَعْفِ الْهَيْصَمِ وَعَلَى أَنَّهُ تَفَرَّدَ بِهِ

وَأَمَا الرَّاوِي عَنُّه فَمُخْتَلَفٌ فِيهِ

قَالَ الْعُقَيْلِيُّ لَا يَثْبُتُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي هَذَا الْبَابِ حَدِيثٌ مُسْنَدٌ وَإِنَّمَا هُوَ فِي حَدِيثٍ مُرَسَلٍ مِنْ رِوَايَةِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْتَشِرِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم

وَقَالَ الدَّارُقَطْنِيُّ فِي الْأَفْرَادِ بَعْدَ أَنْ أَخْرَجَهُ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عُمَرَ إِنَّمَا يَعْرِفُ هَذَا عَنْ إِبْرَاهِيمَ بن مُحَمَّد بْنِ الْمُنْتَشِرِ مِنْ قَوْلِهِ انْتَهَى

وَرِوَايَةُ إِبْرَاهِيمَ هَذِهِ

أَخْبَرَنِيَّهَا أَبُو إِسْحَاقَ التَّنُوخِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَّاس الصَّالِحِي عَن عُثْمَان ابْن مَنْصُور قَالَ قرء عَلَى شُهْدَةَ وَأَنَا أَسْمَعُ عَنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ الْبَسَرِيِّ سَمَاعًا قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيِّ بْنُ شَاذَانَ عَنْ أَبِي عَمْرِو بْنِ السماك قَالَ حَدثنَا
তাবারানি এটি আব্দুল ওয়ারিস ইবনে ইব্রাহিম থেকে, তিনি আলি ইবনে আবু তালিব আল-বাযযার থেকে বর্ণনা করেছেন; আর তিনি হলেন সেই আলি ইবনে মুহাজির যার কথা আমাদের বর্ণনায় (আলিফ) উল্লিখিত হয়েছে।

একইভাবে উকায়লি তার 'কিতাবুয যুয়াফা'-তে আলি ইবনে মুহাজিরের জীবনীতে এটি বর্ণনা করেছেন; তিনি এটি আব্দুল ওয়ারিস ইবনে ইব্রাহিম থেকে, তিনি তার (আলি ইবনে মুহাজির) থেকে বর্ণনা করেছেন।

তবে তার বর্ণনায় ইব্রাহিমের স্থলে ইয়াহইয়া ইবনে ওয়াসসাব এসেছে, যা একটি ভ্রম। কারণ ইবনে আদি আলি ইবনে আবু তালিবের জীবনীতে এটি মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-কাতিয়ি-এর সূত্রে তার থেকে বর্ণনা করেছেন, যেমনটি আমাদের বর্ণনায় রয়েছে।

অনুরূপভাবে তিনি এটি আম্মার ইবনে রাজা-এর সূত্রে আলি থেকে বর্ণনা করেছেন।

একইভাবে ইবনে হিব্বান হাইসাম ইবনে আশ-শাদ্দাকের জীবনীতে আম্মার ইবনে রাজা-এর সূত্রে এটি বর্ণনা করেছেন।

তারা হাইসামের দুর্বলতার ব্যাপারে এবং তিনি যে এই বর্ণনায় একক হয়ে গেছেন সে ব্যাপারে একমত হয়েছেন।

আর তার থেকে বর্ণনাকারীর ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে।

উকায়লি বলেছেন, এই বিষয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কোনো মুসনাদ হাদিস সাব্যস্ত হয়নি; বরং এটি কেবল ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল মুনতাশিরের বর্ণনায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।

দারা কুতনি 'আল-আফরাদ'-এ এটি ইবনে উমরের হাদিস থেকে উদ্ধৃত করার পর বলেছেন: এটি কেবল ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল মুনতাশিরের নিজস্ব উক্তি হিসেবেই পরিচিত। সমাপ্ত।

আর ইব্রাহিমের এই বর্ণনাটি—

এটি আমাকে আবু ইসহাক আত-তানুখি সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু আব্বাস আস-সালিহি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন উসমান ইবনে মানসুর থেকে; তিনি বলেন, শুহদাহর সামনে এটি পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম; তিনি হুসাইন ইবনে আলি আল-বাসরি থেকে সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন, আবু আলি ইবনে শাযান আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আমর ইবনুল সাম্মাক থেকে, তিনি বলেন, আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করেছেন—
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ٣٠)
الْحَسَنُ بْنُ سَلَّامٍ قَالَ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمُدَيْنِيِّ قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ جَعْفَرٍ الْأَحْمَرِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْتَشِرِ قَالَ بَلَغَنِي أَنَّهُ من وسع فَذكره

وَهَكَذَا أخرجه الْبَيْهَقِيّ فِي شعب الْإِيمَان من طَرِيق شَاذان عَن جَعْفَر بن إِبْرَاهِيم قَالَ كَانَ يُقَال فَذَكَرَهُ

وَأَخْرَجَهُ الْبَيْهَقِيُّ مِنْ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ وَجَابِرٍ

وَقَالَ أَسَانِيدُهُ كلهَا ضعفة وَلَكِنْ إِذَا ضُمَّ بَعْضُهَا إِلَى بَعْضٍ أَفَادَ قُوَّةً وَاللَّهُ أَعْلَمُ لَا آخر الْمجْلس الثَّامِن وَالسبْعين

 

‌‌79 - ثمَّ أملانا سيدنَا ومولانا قَاضِي الْقُضَاة شيخ الْإِسْلَام أمتع الله بِوُجُودِهِ الْمُسلمين آمين قَالَ

أَخْبَرَنِي أَبُو الْمَعَالِي الْأَزْهَرِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْعَبَاسِ الْحَلَبِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْفَرَجِ الْجَزَرِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَرْبِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الشَّيْبَانِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيٍّ التَّمِيمِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ الْمَالِكِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدٍ قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ هُوَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الزُّبَيْرِيُّ قَالَ

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ هُوَ الثَّوْرِيُّ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ هُوَ السَّبِيعِيُّ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ هُوَ عَوْفُ بْنُ مَالِكِ بْنِ نَضْلَةَ الْجُشَمِيُّ عَنْ أَبِيهِ مَالِكٍ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ الرَّجُلُ أَمُرُّ بِهِ فَلَا يُضَيِّفُنِي وَلَا يَقْرِينِي فَيَمُرُّ بِي أَفَأَجْزِيهِ قَالَ لَا بَلْ أَقْرِهِ قَالَ وراني رث الْهَيْئَة فَقَالَ
হাসান ইবনে সাল্লাম বলেন, আমাদের নিকট আলী ইবনে আল-মাদিনী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ জাফর আল-আহমার থেকে, তিনি ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনুল মুনতাশির থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, যে ব্যক্তি প্রশস্ততা দান করে—অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেন।

একইভাবে আল-বায়হাকী এটি শুয়াবুল ঈমানে শাযান-এর সূত্রে জাফর ইবনে ইব্রাহিম থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: বলা হতো—অতঃপর তিনি এটি উল্লেখ করেন।

আল-বায়হাকী এটি আবু হুরায়রা ও জাবির (রা.)-এর হাদিস থেকেও বর্ণনা করেছেন।

তিনি বলেন, এর সকল সনদ দুর্বল, কিন্তু যখন এর একটিকে অপরটির সাথে যুক্ত করা হয়, তখন এটি শক্তিশালী হয়। আল্লাহ অধিক জ্ঞাত। আটাত্তরতম মজলিসের সমাপ্তি।

 

‌‌৭৯ - অতঃপর আমাদের নিকট শ্রুতলিপি প্রদান করেছেন আমাদের সরদার ও অভিভাবক কাযিউল কুযাত শাইখুল ইসলাম, আল্লাহ তাঁর অস্তিত্ব দ্বারা মুসলিমদের উপকৃত করুন, আমীন। তিনি বললেন:

আমাকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মা'আলি আল-আযহারি, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস আল-হালাবি, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল ফারাজ আল-জাযারি, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আল-হারবি, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আশ-শাইবানি, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আলী আত-তামিমি, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর আল-মালিকি, তিনি বলেন, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আবদুর রহমান আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ, তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবু আহমাদ—যিনি মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ আজ-যুবাইরি—বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন:

আমাদের নিকট সুফিয়ান—যিনি আস-সাওরি—বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক—যিনি আস-সাবি'ঈ—থেকে, তিনি আবুল আহওয়াস—যিনি আওফ ইবনে মালিক ইবনে নাদলাহ আল-জুশামি—থেকে, তিনি তাঁর পিতা মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি এমন এক ব্যক্তির নিকট দিয়ে গমন করি যে আমার মেহমানদারি করে না এবং আমার আপ্যায়ন করে না, অতঃপর সে যখন আমার নিকট দিয়ে যায়, তখন কি আমি তাকে অনুরূপ প্রতিদান দেব? তিনি বললেন: না, বরং তুমি তাকে আপ্যায়ন করো। তিনি বলেন: তিনি আমাকে জীর্ণ বেশভূষায় দেখলেন, অতঃপর বললেন:
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ٣١)
أَلَكَ مَالٌ قُلْتُ نَعَمْ مِنْ كُلِّ الْمَالِ قَدْ أَعْطَانِيَ اللَّهُ مِنَ الْإِبِلِ وَالْغَنَمِ قَالَ فَلْيُرَ أثر نَغمَة اللَّهِ عَلَيْكَ

هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ

أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ عَنْ بُنْدَارٍ وَمَحْمُودِ بْنِ غَيْلَانَ وَأَحْمَدَ بْنِ مَنِيعٍ ثَلَاثَتُهُمْ عَنْ أَبِي أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيِّ

وَقَالَ حَسَنٌ صَحِيحٌ

فَوَقَعَ لَنَا بَدَلًا بِعُلُوِّ دَرَجَةٍ

وَقَدْ وَقَعَ لَنَا مِنْ وَجْهٍ آخَرَ أَعْلَى بِدَرَجَةٍ أُخْرَى أَخْبَرَنِيهِ أَبُو إِسْحَاقَ بْنُ كَامِلٍ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَحْمَدَ النَّابُلْسِيُّ سَمَاعًا قَالَ أَخْبَرَنَا سَالِمُ بْنُ الْحَسَنِ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو السَّعَادَاتِ الْقَزَّازُ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيِّ بْنُ نَبْهَانَ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو عَلِيِّ بْنُ شَاذَانَ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو عَمْرِو بْنُِ السَّمَاكِ (ح)

وَبِالسَّنَدِ الْمَاضِي قَرِيبًا إِلَى عَبْدِ الْوَهَّابِ بْنِ مُحَمَّدٍ قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو عَلِيِّ بْنُ مَنْدَهْ

قَالَ أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ زِيَادٍ وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْبُغْدَادِيُّ قَالَ الثَّلَاثَةُ

أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ أَبِي الْأَحْوَصِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَرَأَى عَلَيَّ ثِيابًا خَلْقَانًا فَقَالَ ألَكَ مَالٌ قُلْتُ نَعَمْ قَالَ فَأَنْعِمْ عَلَى نَفْسِكَ كَمَا أَنْعَمَ اللَّهُ عَلَيْكَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهَ إِنَّ رَجُلًا مَرَّ بِي فَقَرَيْتُهُ فَمَرَرْتُ بِهِ فَلَمْ يَقْرِنِي أَفَأَقْرِيهِ قَالَ نَعَمْ

أَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ عَنْ أَبِي كُرَيْبٍ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَيَّاشٍ

فَوَقع لنا بَدَلا عَالِيا
"তোমার কি ধন-সম্পদ আছে?" আমি বললাম: "হ্যাঁ, আল্লাহ আমাকে উট এবং বকরি সব ধরনের ধন-সম্পদ দান করেছেন।" তিনি বললেন: "তবে তোমার উপর আল্লাহর অনুগ্রহের চিহ্ন প্রকাশ পেতে দাও।"

এটি একটি সহীহ হাদীস।

তিরমিযী এটি বুন্দার, মাহমুদ ইবনে গায়লান এবং আহমাদ ইবনে মানী—এই তিনজন থেকে বর্ণনা করেছেন, তাঁরা আবু আহমাদ আল-যুবাইরী থেকে।

এবং তিনি বলেছেন: এটি হাসান সহীহ।

সুতরাং এটি আমাদের নিকট উচ্চতর স্তরে একটি 'বদল' হিসেবে প্রাপ্ত হয়েছে।

এবং এটি আমাদের নিকট অন্য একটি সূত্রে আরও এক স্তর উচ্চতর সনদে প্রাপ্ত হয়েছে। আবু ইসহাক ইবনে কামিল আমাকে এটি জানিয়েছেন, তিনি বলেন আবু বকর ইবনে আহমাদ আন-নাবুলসি আমাদের কাছে শ্রুতির মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন সালিম ইবনুল হাসান আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন আবুল সাআদাত আল-কাযযায আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন আবু আলী ইবনে নাবহান আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন আবু আলী ইবনে শাযান আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন আবু আমর ইবনুস সাম্মাক আমাদের জানিয়েছেন (হা)।

এবং নিকটবর্তী পূর্ববর্তী সনদে আবদুল ওয়াহহাব ইবনে মুহাম্মদ পর্যন্ত, তিনি বলেন আমাকে আবু আলী ইবনে মানদাহ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন আহমাদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে যিয়াদ এবং ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আল-বাগদাদী আমাদের জানিয়েছেন, তাঁরা তিনজন বলেন:

আহমাদ ইবনে আবদুল জাব্বার আমাদের জানিয়েছেন, তিনি বলেন আবু বকর ইবনে আইয়াশ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবু ইসহাক থেকে, তিনি আবুল আহওয়াস থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলাম। তিনি আমার পরনে জীর্ণ পোশাক দেখে বললেন: "তোমার কি ধন-সম্পদ আছে?" আমি বললাম: "হ্যাঁ।" তিনি বললেন: "তবে তুমি নিজের উপর অনুগ্রহ করো যেমন আল্লাহ তোমার উপর অনুগ্রহ করেছেন।" আমি বললাম: "হে আল্লাহর রাসূল! জনৈক ব্যক্তি আমার পাশ দিয়ে যাচ্ছিল এবং আমি তার মেহমানদারি করেছিলাম, কিন্তু পরে আমি তার পাশ দিয়ে গেলে সে আমার মেহমানদারি করেনি। তবে কি আমি তার মেহমানদারি করব?" তিনি বললেন: "হ্যাঁ।"

নাসায়ী এটি আবু কুরাইব থেকে, তিনি আবু বকর ইবনে আইয়াশ থেকে বর্ণনা করেছেন।

সুতরাং এটি আমাদের নিকট উচ্চ পর্যায়ের একটি 'বদল' হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ٣٢)
وَأَخْرَجَهُ أَحْمَدُ أَيْضًا مِنْ طَرِيقِ شُعْبَةَ وَشَرِيكٍ وَمَعْمَرٍ

وَأَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ مِنْ طَرِيقِ زُهَيْرِ بْنِ مُعَاوِيَةَ

كُلُّهُمْ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ

أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ عَبْدِ الْوَاحِدِ قَالَ أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْأَرَمَوِيُّ فِي كِتَابِهِ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَكِيٍّ قَالَ أَخْبَرَنَا السِّلَفِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو سَعْدِ بْنُ خشيش قَالَ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ الْبَزَّازُ قَالَ أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ النَّجَادُ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي الدُّنْيَا قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدَةَ بْنُ فُضَيْلِ ابْن عَيَّاضٍ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ مَوْلَى بَنِي هَاشِمٍ (ح)

وَأَخْبَرَنِيهِ أَعْلَى مِنْ هَذَا بِدَرَجَةٍ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ الدِّمَشْقِيُّ عَنْ عِيسَى بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَعَالِي قَالَ أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَلِيٍّ قَالَ أَخْبَرَنَا السِّلَفِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْخَطَّابِ بْنُ بَطَرٍ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو الْحَسَنِ بْنُ رِزْقٍ قَالَ أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ ابْن بِنْتِ حَاتِمٍ قَالَ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ السَّدُوسِيُّ قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ قَالَ حَدَّثَنَا هَمَّامُ عَنْ قَتَادَةَ (ح)

وَأَخْبَرَنِيهِ عَالِيًا أَيْضًا أَبُو بَكْرٍ الْفَرَائِضِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ الرَّضِيِّ عَنْ أَبِي الْقَاسِمِ الطَّرَابُلَسِيِّ قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو طَاهِرٍ الْأَصْبَهَانِيُّ قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ خَالِدٍ قَالَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ رُزْمَةَ قَالَ حَدَّثَنَا أَحْمد ابْن يُوسُفَ قَالَ حَدَّثَنَا الْحَارِثُ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَ حَدَّثَنَا الْعَبَاسُ بْنُ الْفَضْلِ قَالَ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ عَنْ قَتَادَةَ وَالْمُثَنَى بْنُ الصَّبَاحِ كِلاهُمَا عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم (كُلُوا واشْرَبُوا وَتَصَدَّقُوا فِي غَيْرِ مَخْيلَةٍ وَلَا سَرَفٍ فَإنَّ اللَّهَ يُحِبُّ أنْ يَرى أَثَرَ نَعْمَتِهِ عَلَى عِبَادِهِ هَذَا حَدِيثٌ حسن
এবং এটি আহমাদও শু’বাহ, শারীক এবং মা’মারের সূত্র থেকে বর্ণনা করেছেন।

এবং আবু দাউদ এটি যুহাইর ইবনে মুয়াবিয়ার সূত্র থেকে বর্ণনা করেছেন।

তাঁরা সকলে আবু ইসহাক থেকে (বর্ণনা করেছেন)।

আমাকে ইব্রাহিম ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আহমাদ ইবনে আবু বকর আল-আরামাবী তাঁর কিতাবে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আব্দুর রহমান ইবনে মাক্কী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আস-সিলাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু সা’দ ইবনে খুশাইশ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আল-হাসান ইবনে আহমাদ আল-বাযযার আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আহমাদ ইবনে আল-হাসান আন-নাজ্জাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু বকর ইবনে আবিদ দুনিয়া আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু উবাইদাহ ইবনে ফুুদাইল ইবনে ইয়াদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, বনু হাশিমের আযাদকৃত গোলাম আবু সাঈদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন (হ)।

এবং এর চেয়ে এক স্তর উচ্চ সনদে আলী ইবনে মুহাম্মাদ আদ-দিমাশকী আমাকে এটি সংবাদ দিয়েছেন ঈসা ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে মা’য়ালী থেকে, তিনি বলেন, জাফর ইবনে আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আস-সিলাফী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু আল-খাত্তাব ইবনে বাত্বর আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু আল-হাসান ইবনে রিযক আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, জাফর ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে বিনতে হাতিম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, উমর ইবনে হাফস আস-সাদূসী আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু সাঈদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, হাম্মাম কাতাদাহ থেকে বর্ণনা করেছেন (হ)।

এবং এটি উচ্চ সনদে আবু বকর আল-ফারাঈদীও আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু বকর ইবনুর রাযী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আত-তরাবুলুসী থেকে, তিনি বলেন, আবু তাহির আল-আসবাহানী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে খালিদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে রুযমাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আহমাদ ইবনে ইউসুফ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল-হারিস ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল-আব্বাস ইবনুল ফাদল আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, হাম্মাম আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন কাতাদাহ থেকে এবং মুসান্না ইবনুস সাব্বাহ থেকে, তাঁরা উভয়ে আমর ইবনে শুআইব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: (তোমরা খাও, পান করো এবং দান করো অহংকার ও অপব্যয় ব্যতিরেকে; কেননা নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর বান্দাদের ওপর তাঁর নি’য়ামতের প্রভাব দেখতে পছন্দ করেন)। এটি একটি হাসান হাদিস।
(খণ্ড: ১) আল-আমালিল মুতলাকাহ (পৃষ্ঠা: ٣٣)
أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ الطَّيالِسِيُّ فِي مُسْنَدِهِ عَنْ هَمَّامٍ عَنْ رَجُلٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبَ

فَأُبْهِمَ شَيْخُ هَمَّامٍ وَزَادَ فِي الْمَتَنِ وَالْبَسُوا

وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ مِنْ طَرِيقِ يَزِيدَ بْنِ هَارُونَ عَنْ هَمَّامٍ عَنْ قَتَادَةَ وَحْدَهُ

وَأَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ مُخْتَصَرًا مِنْ طَرِيقِ عَفَّانَ عَنْ هَمَّامٍ

وَانْفَرَدَ هَمَّامٌ بِوَصْلِهِ مَعَ الْاخْتِلَافِ عَلَيْهِ

وَقَدْ أخرجه عبد الرازق فِي مُصَنَّفِهِ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ قَتَادَة فَذكره مطولاأ 4) وَلَمْ يَذْكُرْ بَيْنَ قَتَادَةَ وَبَيْنَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَحَدًا

وَقَدْ جَنَحَ الْبُخَارِيُّ إِلَى تَقْوِيَّتِهِ فَذَكَرَهُ فِي أَوَّلِ اللِّبَاسِ مِنْ صَحِيحِهِ فَقَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عَليّ وَسَلَّمَ فَذَكَرَهُ مَجْزُومًا بِهِ بِغَيْرِ إِسْنَادٍ

وَكَأَنَّهُ قَوِيٌّ عِنْدَهُ لِشَوَاهِدِهِ وَالله أعلم لَا آخر الْمجْلس التَّاسِع وَالسبْعين

 

‌‌80 - ثمَّ أملانا سيدنَا ومولانا قَاضِي الْقُضَاة شيخ الْإِسْلَام أدام الله النَّفْع بِهِ وبعلومه آمين قَالَ فَمِنْ شَواهِدِهِ

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَلِيٍّ قَالَ قريء عَلَى عَائِشَةَ بِنْتِ عَلِيِّ بْنِ عمر وَأَنا
আবু দাউদ আত-তায়ালিসি তাঁর মুসনাদে হাম্মাম থেকে, তিনি একজন ব্যক্তি থেকে, তিনি আমর ইবনে শুয়াইব থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

এতে হাম্মামের উস্তাদের নাম অস্পষ্ট রাখা হয়েছে এবং তিনি মূল পাঠে "এবং তোমরা পরিধান করো" শব্দবন্ধটি বৃদ্ধি করেছেন।

ইমাম নাসায়ি এবং ইবনে মাজাহ ইয়াজিদ ইবনে হারুনের সূত্র ধরে হাম্মাম থেকে, তিনি এককভাবে কাতাদাহ থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

ইমাম তিরমিযী আফফানের সূত্র ধরে হাম্মাম থেকে এটি সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন।

বর্ণনার ক্ষেত্রে মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও হাম্মাম এটিকে সংযুক্ত সূত্রে (মাওসুল) বর্ণনা করার ক্ষেত্রে একক হয়ে পড়েছেন।

আবদুর রাজ্জাক তাঁর মুসান্নাফে মা'মার থেকে, তিনি কাতাদাহ থেকে এটি দীর্ঘভাবে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি কাতাদাহ ও নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাঝে কোনো মধ্যস্থতাকারীর নাম উল্লেখ করেননি।

ইমাম বুখারী এটিকে শক্তিশালী মনে করার দিকে ঝুঁকেছেন। তাই তিনি তাঁর সহীহ গ্রন্থের পোষাক অধ্যায়ের শুরুতে এটি উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: "নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন," এভাবে তিনি কোনো সনদ ছাড়াই এটি অকাট্যভাবে বর্ণনা করেছেন।

সম্ভবত এর বিভিন্ন সমর্থক বর্ণনার কারণে এটি তাঁর নিকট শক্তিশালী বলে গণ্য হয়েছে; আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ। ৭৯তম মজলিসের সমাপ্তি।

 

‌‌৮০ - অতঃপর আমাদের সাইয়্যেদ ও মাওলানা প্রধান বিচারপতি শায়খুল ইসলাম—আল্লাহ তাঁর মাধ্যমে ও তাঁর ইলমের মাধ্যমে দীর্ঘকাল উপকার দান করুন, আমীন—আমাদেরকে শ্রুতলিপি প্রদান করেছেন যে, এর সমর্থক বর্ণনার অন্তর্ভুক্ত হলো:

আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে আলী আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: আয়েশা বিনতে আলী ইবনে উমরের সামনে পাঠ করা হয়েছিল এবং আমি তখন উপস্থিত ছিলাম।