(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বকর আশ-শাশি
(পৃষ্ঠা: -)
فوائد أبي بكر الشاشي القسم: كتب السنة
الكتاب: من فوائد أبي بكر الشاشي
المؤلف: محمد بن أحمد بن الحسين بن عمر، أبو بكر الشاشي القفال الفارقيّ، الملقب فخر الإسلام، المستظهري الشافعي (ت 507هـ)
المحقق: أبو الحسن سمير بن حسين ولد سعدي القرشي الهاشمي الحسني
الناشر: مكتبة الرشد - الرياض
الطبعة: الأولى، 1418هـ - 1998م
عدد الصفحات: 109
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আবু বকর আশ-শাশির ফাওয়ায়িদ বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: মিন ফাওয়ায়িদু আবি বকর আশ-শাশি
লেখক: মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-হুসাইন বিন উমর, আবু বকর আশ-শাশি আল-কাফফাল আল-ফারিকি, ফখরুল ইসলাম উপাধিতে ভূষিত, আল-মুস্তাজহিরি আশ-শাফিঈ (মৃত্যু ৫০৭ হিজরি)
সম্পাদক: আবুল হাসান সামির বিন হুসাইন ইবনে সাদি আল-কুরাশি আল-হাশিমি আল-হাসানি
প্রকাশক: মাকতাবাতুর রুশদ - রিয়াদ
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৮ হিজরি - ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১০৯
[গ্রন্থের পৃষ্ঠাসংখ্যা মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বকর আশ-শাশি
(পৃষ্ঠা: ২৯)
مِنْ فَوَائِدِ أَبِي بَكْرٍ الشَّاشِيِّ
رِوَايَة أبي طَاهِر إِسْمَاعِيل بن خلف الْأنْصَارِيّ الْمُقْرِئ
بِسم الله الرَّحْمَن الرَّحِيممِنْ فَوَائِدِ أَبِي بَكْرٍ الشَّاشِيِّ
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ الإِمَامُ الْحَافِظُ شَيْخُ الإِسْلَامِ فَخْرِ الأَئِمَّةِ جَمَالِ الْحُفَّاظِ بَقِيَّةُ السَّلَفِ أَبُو طَاهِرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ السِّلَفِيُّ الأَصْبَهَانِيُّ رضي الله عنه قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي شَهْرِ رَمَضَانَ سَنَةَ أَرْبَعٍ وَسَبْعِينَ وَخَمْسِمِائَةٍ أَنْبَأ الشَّيْخُ أَبُو بَكْرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ سعد الشَّاشِي بِقِرَاءَتِي عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ فِي شَهْرِ رَبِيعٍ الأول سنة سبع وَتِسْعِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ وَسَأَلْتُهُ عَنْ مَوْلِدِهِ
فَقَالَ سَنَةَ تِسْعٍ وَعِشْرِينَ وَأَرْبَعِمِائَةٍ بميفارقين
আবু বকর আশ-শাশী-এর ফাওয়ায়িদসমূহ হতে
আবু তাহের ইসমাঈল বিন খালাফ আল-আনসারী আল-মুকরী-এর বর্ণনা
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামেআবু বকর আশ-শাশী-এর ফাওয়ায়িদসমূহ হতে
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শাইখ, ইমাম, হাফেজ, শাইখুল ইসলাম, ইমামগণের গৌরব, হাফেজগণের সৌন্দর্য, সালাফগণের অবশিষ্টাংশ আবু তাহের আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আস-সিলাফী আল-আসবাহানী (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন)। পাঁচশত চুয়াত্তর হিজরী সালের রমজান মাসে তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শ্রবণ করেছি। (তিনি বলেন) শাইখ আবু বকর মুহাম্মাদ বিন আহমাদ বিন আল-হুসাইন বিন সাদ আশ-শাশী আমাকে সংবাদ দিয়েছেন চারশত সাতানব্বই হিজরী সালের রবিউল আউয়াল মাসে বাগদাদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে এবং আমি তাঁকে তাঁর জন্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি।
অতঃপর তিনি বললেন: চারশত ঊনত্রিশ হিজরী সালে মায়াফারিকীন শহরে।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বকর আশ-শাশি
(পৃষ্ঠা: ৩০)
1 - أَنْبَأَ أَبُو الْحُسَيْنِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْكَرْخِيُّ الْبَزَّازُ أَنْبَأَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْعَبَّاسِ الذَّهَبِيُّ ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْمَنِيعِيُّ ثَنَا عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ عَاصِمٍ النَّسَائِيُّ أَبُو طَالِبٍ ثَنَا بَقِيَّةُ عَنْ بَحِيرِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ عَنْ كَثِيرِ بْنِ مُرَّةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ أَنَّهُ حَدَّثَهُمْ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
(مَنْ أَعْتَقَ نَفْسًا مُسْلِمَةً كَانَتْ فِدْيَتَهُ مِنْ جَهَنَّمَ وَمَنْ شَابَ شَيْبَةً فِي سَبِيلِ اللَّهِ عز وجل كَانَتْ لَهُ نُورًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ)
১ - আবু আল-হুসাইন আহমাদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল্লাহ আল-কারখী আল-বাযযায আমাদের অবহিত করেছেন, মুহাম্মাদ ইবন আব্দুর রহমান ইবন আল-আব্বাস আদ-দাহাবী আমাদের অবহিত করেছেন, আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল আজিজ আল-মানিয়ী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আব্দুল জাব্বার ইবন আসিম আন-নাসায়ী আবু তালিব আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, বাকিয়্যাহ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন বাহীর ইবন সাদ থেকে, তিনি খালিদ ইবন মাদান থেকে, তিনি কাসীর ইবন মুররাহ থেকে, তিনি আমর ইবন আবাসা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন
(যে ব্যক্তি কোনো মুসলিম ব্যক্তিকে মুক্ত করবে, তা জাহান্নাম থেকে তার মুক্তিপণ হবে। আর আল্লাহর পথে থাকা অবস্থায় যে ব্যক্তির একটি চুলও পেকে যাবে, কিয়ামতের দিন তা তার জন্য নূর বা আলো হবে।)
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বকর আশ-শাশি
(পৃষ্ঠা: ৯৫)
2 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ أَنْبَأَ مُحَمَّدٌ ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ ثَنَا عَبْدُ الْجَبَّارِ ثَنَا بَقِيَّةُ عَنْ بَحِيرِ بْنِ سَعْدٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ عَنْ عُتْبَةَ بْنِ عَبْدٍ أَنَّهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
(لَو أَنَّ رَجُلا خَرَّ عَلَى وَجْهِهِ مِنْ يَوْمِ وُلِدَ إِلَى أَنْ يَمُوتَ هَرَمًا فِي مَرْضَاةِ اللَّهِ لَحَقَّرَهُ يَوْم الْقِيَامَة)
2 - আহমদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, মুহাম্মদ আমাদের অবহিত করেছেন, আবদুল্লাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, আব্দুল জব্বার আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, বাকিয়্যাহ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন বাহীর ইবন সা'দ থেকে, তিনি খালিদ ইবন মা'দান থেকে, তিনি উতবা ইবন আবদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
(যদি কোনো ব্যক্তি তার জন্মের দিন থেকে শুরু করে বার্ধক্যে মৃত্যু পর্যন্ত আল্লাহর সন্তুষ্টির অন্বেষণে উপুড় হয়ে পড়ে থাকত, তবে কিয়ামতের দিন সে অবশ্যই বিষয়টিকে তুচ্ছ জ্ঞান করত।)
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বকর আশ-শাশি
(পৃষ্ঠা: ১০৩)
4 - سَمِعْتُ أَبَا مُسْلِمٍ يَقُولُ سَمِعْتُ يُوسُفَ بْنَ عَلِيٍّ الْفَقِيهَ الْمَايْمَرْغِيَّ يَقُولُ سَمِعْتُ أَبَا نَصْرِ بْنَ أَبِي المُبَارَكِ الشِّيرَازِيَّ يَقُولُ
كُنَّا نَكْتُبُ عِنْدَ شَيْخٍ وَهُوَ يُحَدِّثُنَا وَيُمَازِحُنَا فَعَرَضَ لَهُ عَارِضٍ فَدَخَلَ وَتَرَكَنَا ثُمَّ خَرَجَ مُكْفَهِرًّا فَقُلْنَا مَا قِصَّتُكَ وَمَا حَالُكَ
قَالَ بلَى اكْتُبُوا
(دَخَلْتُ الْبَيْتَ أَطْلُبُ فِيهِ خُبْزًا
… فَجَاءُونِي بِسَنْدَانِ الدَّقِيقِ)
(وَقَالُوا قَدْ فَنَى مَا كَانَ فِيهِ
… فَأَظْلَمَ نَاظِرَايَ وَجَفَّ رِيقِي)
(وَأُنْسِيتُ الْقَضَايَا إِذْ رَوَاهَا
… جَرِيرٌ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ شَقِيقِ)
(وَنَامَ مَحَابِرِي وَبَكَى دَوَاتِي
… وَلَمْ أَعْرِفْ عَدُوِّي مِنْ صَدِيقِي)
(إِذَا فَنِيَ الدَّقِيقُ فَقَدْتُ عَقْلِي
… فَوَاحُزْنِي لِفُقْدَانِ الدَّقِيقِ)
৪ - আমি আবু মুসলিমকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি ইউসুফ বিন আলী আল-ফকিহ আল-মায়মারগীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি আবু নাসর বিন আবিল মুবারক আল-শিরাজিকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন:
আমরা এক শায়খের নিকট (হাদিস) লিখছিলাম, এমতাবস্থায় তিনি আমাদের নিকট হাদিস বর্ণনা করছিলেন এবং আমাদের সাথে কৌতুক করছিলেন। অতঃপর তাঁর সামনে কোনো এক বিশেষ পরিস্থিতি উপস্থিত হলো, ফলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করলেন এবং আমাদের রেখে গেলেন। তারপর তিনি বিষণ্ণ মুখে বেরিয়ে আসলেন। আমরা বললাম, আপনার কাহিনী কী এবং আপনার অবস্থা কী?
তিনি বললেন, হ্যাঁ, লেখো:
(আমি রুটির সন্ধানে ঘরে প্রবেশ করলাম
… তখন তারা আমার কাছে আটার খালি পাত্রটি নিয়ে এল)
(এবং তারা বলল, এর ভেতরে যা ছিল তা শেষ হয়ে গেছে
… ফলে আমার দৃষ্টি অন্ধকার হয়ে গেল এবং আমার কণ্ঠ শুকিয়ে গেল)
(আর আমি সেই মাসআলাগুলো ভুলে গেলাম যা বর্ণনা করেছেন
… জারীর, মুগীরা থেকে, তিনি শাকীক থেকে)
(আমার কলমদানিগুলো ঘুমিয়ে পড়ল এবং আমার দোয়াত কেঁদে উঠল
… আর আমি শত্রুকে বন্ধু থেকে আলাদা করতে পারলাম না)
(যখন আটা শেষ হয়ে যায়, তখন আমি আমার হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলি
… হায়! আটা ফুরিয়ে যাওয়ার জন্য আমার কতই না আক্ষেপ!)
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বকর আশ-শাশি
(পৃষ্ঠা: ১০৪)
5 - أَمْلَى عَلَيْنَا أَبُو مُسْلِمٍ وَكَانَ قَائِمًا حَدَّثَنِي أَبُو مَنْصُورٍ الْمُظَفَّرُ بْنُ الْحُسَيْنِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ الْغَزْنَوِيُّ الْمُحَدِّثُ بِهَا وَهُوَ قَائِمٌ ثَنَا أَبُو بَكْرٍ نَصْرُ بْنُ أَبِي نَصْرٍ مُحَمَّدِ بْنِ حَامِدِ بْنِ عَلِيٍّ الْهَرَوِيُّ الْوَاعِظُ أَمْلَى عَلَيَّ قَائِمًا مِنْ أَصْلِ سَمَاعِهِ وَحَلَفَ أَنْ لَا يَقْعُدَ حَتَّى يُمْلِيَ عَلَيَّ هَذَا الْحَدِيثَ ثَنَا أَبُو عَاصِمٍ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُدْرِكِيُّ ثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الدَّامَغَانِيُّ قَالَ سَمِعْتُ الْحَسَنَ بْنَ عَلَوَيْهِ ثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ التَّمِيمِيُّ ثَنَا أَبُو يَاسِرٍ عَمَّارُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ ثَنَا دَاوُدُ بن عَفَّان ثَنَا أنس ابْن مَالِكٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
(مَنْ كَتَبَ حَرْفًا مِنَ الْعِلْمِ لِرَجُلٍ فَكَأَنَّمَا تَصَدَّقَ بِدِينَارٍ وَلَهُ أَجْرُ عِتْقِ رَقَبَةٍ وَكَتَبَ اللَّهُ لَهُ بِكُلِّ حَرْفٍ أَلْفَ حَسَنَةٍ وَمَحَا عَنْهُ أَلْفَ سَيِّئَةٍ وَرَفَعَ لَهُ أَلْفَ دَرَجَةٍ)
هَذَا الحَدِيثُ عَجِيبٌ عَجِيبٌ وَإِنْ كَانَ فِي الإِسْنَادِ بَعْضُ المَجَاهِيلِ
৫ - আবু মুসলিম আমাদের নিকট শ্রুতলিপি প্রদান করেছেন এবং তিনি দণ্ডায়মান ছিলেন। আবু মানসুর আল-মুজাফফর ইবনুল হুসাইন ইবনে ইবরাহিম আল-গজনভী মুহাদ্দিস সেখানে দণ্ডায়মান অবস্থায় আমার নিকট এটি বর্ণনা করেছেন। আবু বকর নাসর ইবনে আবু নাসর মুহাম্মাদ ইবনে হামিদ ইবনে আলী আল-হারাভী আল-ওয়ায়েজ তার মূল শ্রবণ-পাণ্ডুলিপি থেকে দণ্ডায়মান অবস্থায় আমার নিকট শ্রুতলিপি প্রদান করেছেন এবং তিনি শপথ করেছিলেন যে, এই হাদিসটি আমার নিকট শ্রুতলিপি প্রদান না করা পর্যন্ত তিনি বসবেন না। আবু আসিম সাঈদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-মুদরিকী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ আদ-দামাগানী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন, আমি হাসান ইবনে আলাইহি-কে বলতে শুনেছি। আবু আলী আল-হুসাইন ইবনে আলী আত-তামীমী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। আবু ইয়াসির আম্মার ইবনে আব্দুল হামিদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। দাউদ ইবনে আফফান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন। আনাস ইবনে মালিক (রা.) বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
(যে ব্যক্তি কোনো ব্যক্তির জন্য ইলমের একটি বর্ণ লিখবে, সে যেন একটি দিনার সদকা করল এবং তার জন্য একজন দাস মুক্ত করার সওয়াব রয়েছে। আল্লাহ তার জন্য প্রতিটি বর্ণের বিনিময়ে এক হাজার নেকি লিখবেন, তার থেকে এক হাজার গুনাহ মিটিয়ে দেবেন এবং তার এক হাজার মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন।)
এই হাদিসটি অত্যন্ত আশ্চর্যজনক, যদিও এর বর্ণনাকারী পরম্পরায় (সনদে) কিছু অজ্ঞাত ব্যক্তি রয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বকর আশ-শাশি
(পৃষ্ঠা: ১০৫)
وَالطُّيورِ فَالحَدِيثُ مَعْنَاهُ فِي فَضَائِلِ الأَعْمَالِ قَالَهُ اللَّيْثِيُّ
এবং পাখিদের বিষয়ে; হাদিসটির অর্থ আমলের ফজিলত সম্পর্কিত, আল-লাইসি এটি বলেছেন।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বকর আশ-শাশি
(পৃষ্ঠা: ১০৬)
6 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُسْلِمٍ أَنْبَأَ عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ نَصْرٍ العَاصِمِيُّ وَأَبُو سَهْلٍ عَبْدُ الْكَرِيمِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الكَلابَاذِيُّ قَالا ثَنَا أَبُو عَمْرِو بْنُ صَابِرٍ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْذِرِ شُكْرٌ ثَنَا عُثْمَانُ بْنُ سَعِيدٍ الدَّارِمِيُّ ثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ ثَنَا رِشْدِينُ بن سعد ثني عُقَيْلُ بْنُ خَالِدٍ الأَيْلِيُّ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ
قَالَ عَمْرُو بْنُ الْعَاصِ لابْنِهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو إِنِّي أُحِبُّ أَنْ أَعَلَمَ مَا يَبْلُغُ عِلْمُكَ وَأَنَا سَائِلُكَ فَأَخْبِرْنِي مَا السُّؤْدُدُ قَالَ اصطناع الْعَشِيرَة وَاحْتِمَال الجريرة قَالَ فَمَا الشّرف قَالَ كف الْأَذَى وبذل الندى قَالَ فَمَا الْمُرُوءَة قَالَ عرفان الْحق وتعهد الصنيعة قَالَ فَمَا السناء قَالَ غَلَبَة الْأَدَب وَغَايَة الْحسب قَالَ فَمَا الْمجد قَالَ حمل المغارم وإيتان المكارم قَالَ فَمَا الْكَرَمُ قَالَ صِدْقُ الإِخَاءِ فِي الشِّدَّةِ وَالرَّخَاءِ قَالَ فَمَا الْحِلْمُ قَالَ كَظْمُكَ غَيْظَكَ وَمَلْكُكَ غَضَبَكَ قَالَ فَمَا الرَّأْيُ قَالَ لُبٌّ تَقْنِيهِ تُجَرِّبُهُ قَالَ فَمَا الْعَقْلُ قَالَ حِفْظُ قَلْبِكَ مَا اسْتَرْعَيْتَهُ قَالَ فَمَا الْحَزْمُ قَالَ أَنْ تَنْظُرَ فُرْصَتَكَ وَتُعَاجِلَ مَا أَمْكَنَكَ قَالَ فَمَا الرِّفْقُ قَالَ أَنْ تَكُونَ ذَا أَنَاةٍ وَأَنْ تُلايِنَ الْوُلاةَ قَالَ فَمَا المنعة قَالَ شدَّة الْعَضُد وثروة الْعدَد قَالَ فَمَا الشجَاعَة قَالَ صدق الْبَأْس ومنازلة الأحماس قَالَ فَمَا السماحة قَالَ حب السَّائِل وبذل النائل
৬ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসলিম, তিনি বলেন আমাদের খবর দিয়েছেন আবদুস সামাদ ইবনে নাসর আল-আসিমী এবং আবু সাহল আবদুল কারীম ইবনে আবদুর রহমান আল-কালাবাদি। তাঁরা উভয়ে বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু আমর ইবনে সাবির, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আল-মুনজির শুকর, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন উসমান ইবনে সাঈদ আদ-দারিমি, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সাঈদ ইবনে আবি মারইয়াম, তিনি বলেন আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন রিশদিন ইবনে সাদ, তিনি বলেন আমার নিকট বর্ণনা করেছেন উকাইল ইবনে খালিদ আল-আইলি ইবনে শিহাব থেকে, তিনি বলেন:
আমর ইবনুল আস তাঁর পুত্র আবদুল্লাহ ইবনে আমরকে বললেন, "আমি তোমার জ্ঞানের পরিধি কতটুকু তা জানতে আগ্রহী এবং আমি তোমাকে কিছু জিজ্ঞাসা করতে চাই। অতএব তুমি আমাকে বলো, নেতৃত্ব কী?" তিনি বললেন, "স্বজাতির সেবা করা এবং তাদের অপরাধের বোঝা বহন করা।" তিনি বললেন, "তবে মর্যাদা কী?" তিনি বললেন, "কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকা এবং উদারতা প্রদর্শন করা।" তিনি বললেন, "তবে মনুষ্যত্ব কী?" তিনি বললেন, "সত্যকে চেনা এবং উপকারের ধারা অব্যাহত রাখা।" তিনি বললেন, "তবে উচ্চমর্যাদা কী?" তিনি বললেন, "শিষ্টাচারের প্রভাব এবং আভিজাত্যের চরম উৎকর্ষ।" তিনি বললেন, "তবে গৌরব কী?" তিনি বললেন, "অন্যের আর্থিক দায়ভার বহন করা এবং মহৎ কাজ সম্পাদন করা।" তিনি বললেন, "তবে মহানুভবতা কী?" তিনি বললেন, "বিপদ ও স্বাচ্ছন্দ্য উভয় অবস্থায় ভ্রাতৃত্বের সত্যনিষ্ঠা বজায় রাখা।" তিনি বললেন, "তবে সহনশীলতা কী?" তিনি বললেন, "নিজের ক্রোধ সংবরণ করা এবং নিজের রাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা।" তিনি বললেন, "তবে বিচক্ষণতা কী?" তিনি বললেন, "এমন প্রজ্ঞা যা তুমি অভিজ্ঞতার মাধ্যমে অর্জন করো।" তিনি বললেন, "তবে বুদ্ধি কী?" তিনি বললেন, "যা কিছু তোমাকে রক্ষণাবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে তা তোমার অন্তরে গেঁথে রাখা।" তিনি বললেন, "তবে দৃঢ়তা কী?" তিনি বললেন, "সুযোগের প্রতি লক্ষ্য রাখা এবং যা সম্ভব তা দ্রুত সম্পন্ন করা।" তিনি বললেন, "তবে কোমলতা কী?" তিনি বললেন, "ধৈর্যশীল হওয়া এবং শাসকদের সাথে নম্র আচরণ করা।" তিনি বললেন, "তবে প্রভাব বা ক্ষমতা কী?" তিনি বললেন, "সহযোগীর শক্তি এবং জনশক্তির প্রাচুর্য।" তিনি বললেন, "তবে বীরত্ব কী?" তিনি বললেন, "রণক্ষেত্রে অবিচল থাকা এবং সাহসী যোদ্ধাদের সাথে মোকাবিলা করা।" তিনি বললেন, "তবে উদারতা কী?" তিনি বললেন, "সাহায্যপ্রার্থীকে ভালোবাসা এবং যা আছে তা বিলিয়ে দেওয়া।"
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বকর আশ-শাশি
(পৃষ্ঠা: ১০৭)
قَالَ فَمَا الْغِنَى قَالَ قِلَّةُ تَمَنِّيكَ وَالرِّضَا بِمَا يَكْفِيكَ قَالَ فَمَا الْفقر قَالَ شَره النَّفس وَشدَّة الْقنُوط قَالَ فَمَا الرقة قَالَ اتِّبَاع الْيَسِير ومنح الحقير قَالَ فَمَا الْجُبْن قَالَ طَاعَة النَّفس وَشدَّة الوجل قَالَ فَمَا الْجَهْل قَالَ سرعَة الوثاب والعي بِالْجَوَابِ قَالَ فَمَا الْبُخْل قَالَ منع السداد وذم الْجواد قَالَ فَمَا الْجُودُ قَالَ أَنْ تَرَى نِعَمًا لَكَ زَائِدَةً وَالْعَطِيَّةَ فَائِدَةً قَالَ فَمَا اللُّؤْمُ قَالَ إِحْرَازُ الْمَرْءِ نَفْسَهُ وَإِسْلامُهُ عرْسَهُ قَالَ فَمَا الْعَجْزُ قَالَ الْعَجَلَةُ بَعْدَ الاسْتِمْكَانِ وَالتَّأَنِّي بَعْدَ الْفُرْصَةِ قَالَ فَمَا الْحُمْقُ قَالَ مُعَادَاةُ إِمَامِكَ وَمُنَاوَاةُ مَنْ يَقْدِرُ عَلَى ضُرِّكَ قَالَ فَمَا الْكَلَفُ قَالَ تَأَتِّيكَ لِمَا لَا يُؤَاتِيكَ وَنَظَرُكَ فِيمَا لَا يَعْنِيكَ قَالَ فَمَا الشُّحُّ قَالَ أَنْ تَرَى الْقَلِيلَ سَرَفًا وَمَا أَنْفَقْتَ تَلَفًا قَالَ فَمَا الْغَفْلَة قَالَ طول الصبوة وَاتِّبَاع الشَّهْوَة قَالَ فَمَا السَّفَهُ قَالَ حِدَّةُ النَّزَقِ مَعَ عَوَارِ الْمَنْطِقِ قَالَ فَمَا الْبَغي قَالَ طَاعَة الْمُفْسد وعصيان المرشد قَالَ فَمَا الصَّرَامَةُ قَالَ قِلَّةُ تَمَكُّنِكَ وَإِمْضَاءُ هَمِّكَ قَالَ فَمَا الْجَرْأَةُ قَالَ مُوَافَقَةُ الأَقْرَانِ وَكَلِمَةٌ أُخْرَى لَمْ يَعْرِفْهَا سَعِيدٌ قَالَ فَمَا البله قَالَ عمى الْقلب وَسُرْعَة النسْيَان
তিনি বললেন: তবে সচ্ছলতা কী? তিনি বললেন: তোমার আকাঙ্ক্ষার স্বল্পতা এবং যা তোমার জন্য যথেষ্ট তাতে সন্তুষ্ট থাকা। তিনি বললেন: তবে দারিদ্র্য কী? তিনি বললেন: অন্তরের লালসা এবং তীব্র নিরাশা। তিনি বললেন: তবে কোমলতা কী? তিনি বললেন: সহজ বিষয়ের অনুসরণ এবং তুচ্ছ বস্তুর দান। তিনি বললেন: তবে ভীরুতা কী? তিনি বললেন: প্রবৃত্তির আনুগত্য এবং প্রচণ্ড ভীতি। তিনি বললেন: তবে অজ্ঞতা কী? তিনি বললেন: দ্রুত আক্রমণাত্মক হওয়া এবং উত্তরদানে অক্ষমতা। তিনি বললেন: তবে কৃপণতা কী? তিনি বললেন: সঠিক পাওনা প্রদানে বাধা দেওয়া এবং দানশীল ব্যক্তিকে নিন্দা করা। তিনি বললেন: তবে উদারতা কী? তিনি বললেন: তোমার প্রাপ্ত নেয়ামতকে অতিরিক্ত মনে করা এবং দান করাকে লাভজনক গণ্য করা। তিনি বললেন: তবে হীনতা কী? তিনি বললেন: মানুষের কেবল নিজেকে রক্ষা করা এবং নিজের স্ত্রীকে বিপদে সঁপে দেওয়া। তিনি বললেন: তবে অক্ষমতা কী? তিনি বললেন: সামর্থ্য লাভের পর তাড়াহুড়া করা এবং সুযোগ চলে যাওয়ার পর ধীরগতি অবলম্বন করা। তিনি বললেন: তবে নির্বুদ্ধিতা কী? তিনি বললেন: তোমার ইমামের সাথে শত্রুতা করা এবং এমন ব্যক্তির বিরোধিতা করা যে তোমার ক্ষতি করার ক্ষমতা রাখে। তিনি বললেন: তবে অহেতুক কষ্ট করা কী? তিনি বললেন: যা তোমার অনুকূল নয় তা অর্জনের চেষ্টা করা এবং যা তোমার সাথে সংশ্লিষ্ট নয় তাতে দৃষ্টি দেওয়া। তিনি বললেন: তবে অতি-কৃপণতা কী? তিনি বললেন: যৎসামান্য দানকেও অপচয় মনে করা এবং যা ব্যয় করেছ তাকে ক্ষতি হিসেবে দেখা। তিনি বললেন: তবে উদাসীনতা কী? তিনি বললেন: দীর্ঘ সময় খেল-তামাশায় লিপ্ত থাকা এবং কুপ্রবৃত্তির অনুসরণ করা। তিনি বললেন: তবে মূর্খতা কী? তিনি বললেন: অশালীন কথার সাথে মেজাজের উগ্রতা। তিনি বললেন: তবে সীমালঙ্ঘন কী? তিনি বললেন: ফাসাদ সৃষ্টিকারীর আনুগত্য করা এবং সঠিক পথপ্রদর্শকের অবাধ্য হওয়া। তিনি বললেন: তবে দৃঢ়তা কী? তিনি বললেন: দোদুল্যমানতা বর্জন করা এবং সংকল্প বাস্তবায়ন করা। তিনি বললেন: তবে সাহসিকতা কী? তিনি বললেন: সমকক্ষদের মোকাবিলা করা; এবং আরেকটি কথা যা সাঈদ জানতেন না। তিনি বললেন: তবে জড়বুদ্ধিতা কী? তিনি বললেন: অন্তরের অন্ধত্ব এবং দ্রুত বিস্মৃতি।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বকর আশ-শাশি
(পৃষ্ঠা: ১০৮)
7 - أَخْبَرَنَا أَبُو مُسْلِمٍ أَنْبَأَ يُوسُفُ بْنُ مَنْصُورٍ السَّيَّارِيُّ الْفَقِيهُ أَبُو يَعْقُوبَ ثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْفَارِسِيُّ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ التَّمِيمِيُّ ثَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ غَسَّانُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ القَلْزُمِيُّ حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ حَمَّادٍ الْمِصِّيصِيُّ ثَنَا مَخْلَدٌ أَبُو الْمَعَارِكِ الأَزْدِيُّ عَنِ السَّرِيِّ بْنِ يَحْيَى عَنْ مُجَاهِدٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم
(خَيْرُ يَوْمٍ طُلِبَتْ فِيهِ الْحَوَائِجُ يَوْمُ السَّبْتِ وَخَيْرُ يَوْمٍ احْتُجِمَ فِيهِ يَوْمُ الأَحَدِ وَخَيْرُ يَوْمٍ صِيمَ فِيهِ يَوْمُ الاثْنَيْنِ وَخَيْرُ يَوْمٍ بِيعَ فِيهِ وَاقْتُضِيَ يَوْمُ الثُّلاثَاءِ وَخَيْرُ يَوْمٍ بُنِيَ فِيهِ الْبِنَاءُ وَغُرِسَ فِيهِ الْغَرْسُ يَوْمُ الأَرْبَعَاءِ وَخَيْرُ يَوْمٍ سُوِفرَ فِيهِ وَعُقِدَتْ فِيهِ الأَلْوِيَةُ يَوْمُ الْخَمِيسِ وَدَعُوا أَشْغَالَكُمْ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَإِنَّهُ يَوْمُ صَلَاة وتهجد)
آخِره وَالْحَمْد لله رب الْعَالمين وصلواته على نَبينَا مُحَمَّد
৭ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু মুসলিম, তিনি অবহিত করেছেন ইউসুফ ইবনে মানসুর আস-সাইয়ারি আল-ফকিহ আবু ইয়াকুব থেকে, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-ফারিসি, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আলি আত-তামিমি, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন আবু আব্দুল্লাহ গাসসান ইবনে আব্দুল্লাহ আল-কালজুমি, তিনি বলেন আমাকে বর্ণনা করেছেন ইসহাক ইবনে ইব্রাহিম, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন ইব্রাহিম ইবনে হাম্মাদ আল-মিসসিসি, তিনি বলেন আমাদের বর্ণনা করেছেন মাখলাদ আবু আল-মাআরিক আল-আজদি, তিনি আস-সাররি ইবনে ইয়াহইয়া থেকে, তিনি মুজাহিদ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (আল্লাহর রহমত ও শান্তি তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) বলেছেন
(প্রয়োজনীয় বিষয়াবলি যাঞ্চা করার সর্বোত্তম দিন হলো শনিবার, হিজামা বা রক্তমোক্ষণ করার সর্বোত্তম দিন হলো রবিবার, রোজা রাখার সর্বোত্তম দিন হলো সোমবার, কেনা-বেচা ও পাওনা আদায়ের সর্বোত্তম দিন হলো মঙ্গলবার, কোনো কিছু নির্মাণ করা এবং বৃক্ষরোপণের সর্বোত্তম দিন হলো বুধবার, সফর করা এবং যুদ্ধের ঝাণ্ডা বা নিশান প্রস্তুত করার সর্বোত্তম দিন হলো বৃহস্পতিবার; আর জুমার দিনে তোমরা তোমাদের যাবতীয় কাজ পরিত্যাগ করো, কারণ এটি সালাত ও তাহাজ্জুদের দিন।)
সমাপ্ত, এবং সকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং আমাদের নবী মুহাম্মাদের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক।
(খণ্ড: ১)
ফাওয়ায়িদু আবি বকর আশ-শাশি
(পৃষ্ঠা: ১০৯)
8 - سَمِعْتُ الشَّيْخَ أَبَا بَكْرٍ الشَّاشِيَّ يَقُولُ
(قِيلَ لِبَعْضِ الْحُكَمَاءِ)مَنِ السَّفَلَةُ قَالَ الَّذِي لَا يُبَالِي بِمَا قَالَ وَمَا قِيلَ لَهُ
৮ - আমি শায়খ আবু বকর আশ-শাশিকে বলতে শুনেছি
(জনৈক প্রাজ্ঞ ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল)অধম ব্যক্তি কে? তিনি বললেন, যে ব্যক্তি নিজে কী বলছে এবং তাকে কী বলা হচ্ছে সে সম্পর্কে কোনো পরোয়া করে না।