(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: -)
عوالي الليث بن سعد القسم: كتب السنة
الكتاب: عوالي الليث بن سعد لقاسم بن قطلوبغا (ت 789)
رواية: حسن بن الطولوني
تحقيق: عبد الكريم بكر الموصلي النعيمي
الناشر: مكتبة دار الوفاء - جدة
الطبعة: الأولى، 1408 هـ - 1987 م
عدد الصفحات: 93
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
আওয়ালী আল-লাইস ইবনে সা'দ বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: কাসিম ইবনে কুতলুবুগা (মৃ. ৭৮৯) কর্তৃক সংকলিত আওয়ালী আল-লাইস ইবনে সা'দ
বর্ণনা: হাসান বিন আত-তুলুনি
তাহকীক: আব্দুল কারিম বকর আল-মাওসিলি আন-নুআইমি
প্রকাশক: মাকতাবাতু দারিল অফা - জেদ্দা
সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৮ হিজরি - ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯৩
[বইটির সংখ্যায়ন মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যুল-হিজ্জাহ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
تَحْقِيق عوالى اللَّيْث بن سعد لقاسم بن قطلوبغا الْحَنَفِيّ رِوَايَة بدر الدّين حسن بن ال طولوني بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ وَبِهِنَسْتَعِينُ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَآلِهِ وَصَحْبِهِ وَسَلِّمْ وَبَعْدُ فَلَمَّا يَسَّرَ اللَّهُ تَعَالَى بِجَمْعِ سَيِّدِي عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ الْجُهَنِيِّ رضي الله عنه أَحْبَبْتُ أَنْ أَجْمَعَ أَيْضًا شَيْئًا مِنْ عَوَالِي أَهْلِ رَاحِلَتِهِ مِنْ قِرَافَةِ مِصْرَ حَرَسَهَا اللَّهُ تَعَالَى وَجَعَلَهَا دَارَ إِسْلَامِ إِلَى يَوْمِ الدِّينِ بِمَنِّهِ وَكَرَمِهِ فَأَقُولُ وَبِاللَّهِ التَّوْفِيقُ وَالْعِصْمَةُ
الْحَدِيثُ الْأَوَّلُ1 - أَنْبَأَنِي الشَّيْخُ الْمُسْنِدُ وَأَبُو صَالِحٍ عَبْدُ الْقَادِرِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْبَابِيُّ إِذْنًا عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَحْمد إِن لم يكن سماعاأن عَبْدَ الْخَالِقِ
কাসিম ইবন কুতলুবুগা আল-হানাফি কর্তৃক ‘আওয়ালি আল-লাইস ইবন সা'দ’-এর তাহকিক; বদর আদ-দিন হাসান ইবন আত-তুলুনি-এর বর্ণনা। পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে এবং তাঁর সাহায্যেইআমরা প্রার্থনা করি। সমস্ত প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। হে আল্লাহ! আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাথীদের ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন। অতঃপর, যখন আল্লাহ তাআলা সাইয়্যিদি উকবা ইবন আমির আল-জুহানি (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর বর্ণনাগুলো সংকলন করা সহজ করে দিলেন, তখন আমি চাইলেন যে মিসরের কারাফা অঞ্চলে শায়িত তাঁর সফরসঙ্গীদের উচ্চ সনদধারী বর্ণনাগুলো (আওয়ালি) থেকেও কিছু সংকলন করি—আল্লাহ তাআলা মিসরকে হিফাযত করুন এবং তাঁর অনুগ্রহ ও করুণায় কিয়ামত পর্যন্ত একে ইসলামের আবাসভূমি হিসেবে রাখুন। সুতরাং আমি বলছি, আর আল্লাহর তাওফিক ও রক্ষণাবেক্ষণেই সকল কাজ সম্পন্ন হয়।
প্রথম হাদিস১ - আমাকে সংবাদ দিয়েছেন শাইখুল মুসনিদ আবু সালিহ আব্দুল কাদির ইবন ইব্রাহিম আল-বাবী অনুমতি সূত্রে (ইজাযাতান), তিনি যয়নব বিনতে আহমাদ থেকে—যদি সরাসরি শ্রবণ না হয়ে থাকে তবে—যে আব্দুল খালিক...
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
أَذِنَ لَهَا عَنْ وَجِيهِ بْنِ طَاهِر قَالَ قرىء عَلَى أَبِي حَامِدٍ الأَزْهَرِيِّ وَأَنَا أَسْمَعُ أَنْبَأَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ الْحَسَنُ بْنُ أَحْمَدَ الْمَخْلَدِيُّ سَنَةَ سِتٍّ وَثَمَانِينَ وثلاثمائة أَنْبَأَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاق بن إِبْرَاهِيم السراج نة اثْنَي عشرَة وثلاثمائة أَنْبَأَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ
ওয়াজিহ বিন তাহির থেকে এর অনুমতি দেওয়া হয়েছে; তিনি বলেন: আবু হামিদ আল-আজহারির নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি শ্রবণ করছিলাম; আবু মুহাম্মদ আল-হাসান বিন আহমদ আল-মাখলাদি তিনশত ছিয়াশি হিজরি সনে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; আবু আল-আব্বাস মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন ইবরাহিম আস-সাররাজ তিনশত বারো হিজরি সনে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; কুতাইবা বিন সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ قَالَ مَنْ صَلَّى مِنَ اللَّيْلِ فَلْيَجْعَلْ آخِرَ صَلَاتِهِ وِتْرًا فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَأْمُرُ بِذَلِكَ
লাইস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাফে থেকে যে, ইবনে উমর (রা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি রাতে সালাত আদায় করবে, সে যেন তার সালাতের শেষ অংশ বিতর করে নেয়; কেননা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করার নির্দেশ দিতেন।
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৬০)
الْحَدِيثُ الثَّانِي2 - وَبِهِ إِلَى ابْنِ السَّرَّاجِ أَنْبَأَنَا قُتَيْبَةُ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ عَن نَافِع أَن ابْن مر قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اله لعيه وَسَلَّمَ وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ يَقُولُ إِذَا أَرَادَ أَحَدُكُمْ أَنْ يَأْتِيَ الْجُمُعَةَ فَلْيَغْتَسِلْ
দ্বিতীয় হাদিস২ - এবং তাঁর মাধ্যমেই ইবনুস সাররাজ পর্যন্ত (সনদ বর্ণিত), তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কুতাইবাহ, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন লাইস, নাফি‘ থেকে বর্ণিত যে, ইবনে উমর বলেন: আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মিম্বরের ওপর থাকা অবস্থায় বলতে শুনেছি: "তোমাদের কেউ যখন জুমার সালাতে আসার ইচ্ছা করে, সে যেন অবশ্যই গোসল করে।"
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৬১)
الْحَدِيثُ الثَّالِثُ3 - وَبِهِ إِلَى ابْنِ السَّرَّاجِ أَنْبَأَنَا قُتَيْبَةُ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ سَأَلَ رَجُلٌ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ أَكْلِ الضَّبِّ فَقَالَ لَا آكُلُهُ وَلا أُحَرِّمُهُ
তৃতীয় হাদিস৩ - এবং তাঁর মাধ্যমে ইবনুস সাররাজ পর্যন্ত: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন কুতাইবা, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন লাইস, নাফি থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দ্বব (মরুভূমির গুঁইসাপ) খাওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন তিনি বললেন: আমি এটি খাই না এবং এটি হারামও করছি না।
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৬২)
الْحَدِيثُ الرَّابِعُ4 - وَبِهِ إِلَى ابْنِ السراج أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لَا يُقِيمُ أَحَدُكُمُ الرَّجُلَ مِنْ مَجْلِسِهِ ثُمَّ يَجْلِسُ فِيهِ
الْحَدِيثُ الْخَامِسُ5 - وَله إِلَى السراج أخبرنَا قت يبة أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ الَّذِي يَجُرُّ ثَوْبَهُ مِنَ الْخُيَلاءِ لَا يَنْظُرُ اللَّهُ إِلَيْهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ
চতুর্থ হাদিস৪ - এবং একই সনদে ইবনুস সিরাজ পর্যন্ত; লাইস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাফি' থেকে, তিনি ইবনু উমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: তোমাদের কেউ যেন কোনো ব্যক্তিকে তার বসার স্থান থেকে উঠিয়ে দিয়ে পুনরায় সেখানে নিজে না বসে।
পঞ্চম হাদিস৫ - এবং একই সনদে সিরাজ পর্যন্ত; কুতাইবা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, লাইস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাফি' থেকে, তিনি ইবনু উমর থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: যে ব্যক্তি অহংকারবশত নিজের কাপড় (মাটিতে) টেনে নিয়ে চলে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার দিকে তাকাবেন না।
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৩)
الْحَدِيثُ السَّادِسُ6 - وَبِهِ إِلَى السَّرَّاجِ أخبرناقتيبة أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ صَلاةُ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى فَإِذَا خِفْتَ الصُّبْح فأوتر بِوَاحِدَة
ষষ্ঠ হাদিস৬ - এবং তাঁর মাধ্যমেই আস-সাররাজ পর্যন্ত; কুতাইবা আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আল-লাইস আমাদের অবহিত করেছেন নাফি‘ থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: রাতের সালাত দুই দুই রাকাত করে, অতঃপর যখন তোমার সকাল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা হয়, তখন এক রাকাত পড়ার মাধ্যমে বিতর আদায় করো।
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৪)
الحَدِيث السايع7 - وَبِهِ إِلَى السَّرَّاجِ أخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ أَنبأَنَا اللَّيْث ع ن نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ إِنَّ الَّذِي تَفُوتُهُ صَلاةُ الْعَصْرِ كَأَنَّمَا وُتِرَ أَهْلُهُ وَمَالُهُ
সপ্তম হাদিস৭ - এবং একই সনদে আস-সাররাজ পর্যন্ত; আমাদের কুতায়বা সংবাদ দিয়েছেন যে, লায়স আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাফে' থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: নিশ্চয়ই যার আসরের সালাত ছুটে গেল, সে যেন তার পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ হারিয়ে ফেলল।
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
الْحَدِيثُ الثَّامِنُ8 - وَأَنْبَأَنَا السَّنَدُ الْأَصْلُ أَبُو طَاهِرٍ مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الْيُمْنِ عَبْدِ اللَّطِيفِ وَأَبُو صَالِحٍ عَبْدُ الْقَادِرِ الأَرْمَوِيُّ إِذْنًا عَنْ زبيب ابْنَةِ أَحْمَدَ أَنَّ عَجِيبَةَ أَذِنَتْ لَهَا عَنْ مَسْعُودِ بْنِ الْحُسَيْنِ الثَّقَفِيِّ أَنْبَأَنَا أَبُو
অষ্টম হাদীস৮ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন মূল সনদ আবু তাহির মুহাম্মদ ইবন আবিল ইয়ুম্ন আব্দুল লতিফ এবং আবু সালিহ আব্দুল কাদির আল-আরমাওয়ী অনুমতিসূত্রে, জাবিব বিনতে আহমাদ থেকে; আজীবা তাকে অনুমতি প্রদান করেছেন মাসউদ ইবনুল হুসাইন আস-সাকাফী থেকে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৬)
عَمْرٍو عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مِنْدَهْ سَمَاعًا عَلَيْهِ وَقَالَتْ زَيْنَبُ أَنْبَأَنَا عَبْدُ الْخَالِقِ بْنُ الْحَسَنِ إِجَازَةً عَنْ وَجِيهِ بْنِ طَاهِرٍ وَالأُسْتَاذُ أَبُو الْقَاسِمِ الْقشيرِي قَالَا أَنبأَنَا أَبُو الْحسن أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الخَفَّافِ الأَزْدِيُّ إِجَازَةً أَنْبَأَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّد ابْن إِسْحَاقَ السَّرَّاجُ أَنْبَأَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سعيد حَدثنَا اللَّيْث
আমর আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে আবী আব্দুল্লাহ ইবনে মানদাহ—তাঁর নিকট সরাসরি শ্রবণের মাধ্যমে। যয়নাব বলেছেন, আব্দুল খালিক ইবনুল হাসান ওয়াজিহ ইবনে তাহির থেকে অনুমতিক্রমে আমাদের অবহিত করেছেন। উস্তাদ আবুল কাসিম আল-কুশাইরী—তাঁরা উভয়ে বলেছেন, আবুল হাসান আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনুল খাফফাফ আল-আযদি অনুমতিক্রমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। আবুল আব্বাস মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক আস-সাররাজ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, কুতাইবা ইবনে সাঈদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, লাইস আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَنْسٍ قَالَ خَرَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَن فرس فجحص فَصَلَّى لَنَا قَاعِدًا وَصَلَّيْنَا مَعَهُ قُعُودًا ثُمَّ انْصَرَفَ فَقَالَ إِنَّمَا جُعِلَ الإِمَامُ لِيُؤْتَمَّ بِهِ فَإِذَا كبر فكبروا واذا ركع فاكعوا وَإِذَا سَجَدَ فَاسْجُدُوا وَإِذَا صَلَّى قَاعِدا فصلوا قعُودا
الْحَدِيثُ التَّاسِعُ9 - وَبِهِ إِلَى السَّرَّاجِ أَنْبَأَنَا قُتَيْبَةُ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ أَنَّهُ قَالَ اشْتَكَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَصَلَّيْنَا وَنَرَاهُ وَهُوَ قَاعِدٌ وَأَبُو بَكْرٍ يُسْمِعُ النَّاسَ تَكْبِيرَهُ قَالَ فَالْتَفَتَ إِلَيْنَا قُرْآنًا قِيَامًا فَأَشَارَ إِلَيْنَا فَقَعَدْنَا فَصَلَّيْنَا لِصَلاتِهِ قُعُودًا فَلَمَّا سَلَّمَ قَالَ إِنْ كِدْتُمْ أَنْ تَفْعَلُوا فِعْلَ فَارِسٍ وَالرُّومِ يَقُومُونَ عَلَى مُلُوكِهِمْ وَهُمْ قُعُودٌ فَلا تَفْعَلُوا ائْتَمُّوا بأئمتكم ان صلى قَائِما ف صلوا قِيَامًا وَإِنْ صَلَّى قَاعِدًا فَصَلُّوا قعُودا
ইবনে শিহাব আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘোড়া থেকে পড়ে গেলেন এবং তাঁর শরীরে আঘাত পেলেন। এরপর তিনি আমাদের নিয়ে বসে সালাত আদায় করলেন এবং আমরাও তাঁর সাথে বসে সালাত আদায় করলাম। অতঃপর তিনি সালাত শেষে ফিরে বললেন, "ইমাম নির্ধারণ করা হয়েছে কেবল তাঁকে অনুসরণের জন্য। তাই তিনি যখন তাকবীর বলেন, তখন তোমরাও তাকবীর বলো; যখন তিনি রুকু করেন, তখন তোমরাও রুকু করো; যখন তিনি সিজদা করেন, তখন তোমরাও সিজদা করো; আর যখন তিনি বসে সালাত আদায় করেন, তখন তোমরাও বসে সালাত আদায় করো।"
নবম হাদীস৯ - এবং তাঁরই মাধ্যমে সাররাজ থেকে বর্ণিত: কুতাইবাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, লায়স আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন, আবু যুবায়ের থেকে, তিনি জাবির (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অসুস্থ হলেন, তখন আমরা সালাত আদায় করলাম এবং তাঁকে বসা অবস্থায় দেখতে পেলাম। আবু বকর (রা.) মানুষকে তাঁর তাকবীর শোনাচ্ছিলেন। তিনি (জাবির) বলেন: রাসূলুল্লাহ আমাদের দিকে তাকালেন এবং আমাদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলেন, তখন তিনি আমাদের প্রতি ইশারা করলেন এবং আমরা বসে পড়লাম। এরপর আমরা তাঁর সালাতের সাথে বসে সালাত আদায় করলাম। যখন তিনি সালাম ফেরালেন, তখন বললেন: "তোমরা পারস্য ও রোমীয়দের মতো কাজ করার উপক্রম করেছিলে; তারা তাদের রাজাদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকে অথচ তারা (রাজারা) বসা থাকে। তোমরা এমন করো না। তোমাদের ইমামদের অনুসরণ করো। তিনি যদি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করেন, তবে তোমরাও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করো; আর যদি তিনি বসে সালাত আদায় করেন, তবে তোমরাও বসে সালাত আদায় করো।"
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
الحَدِيث لعاشر10 - وأنبأنا أَوب بكر بن الْحُسَيْن العناني إِذْنًا وَعَائِشَةُ بِنْتُ نَجْدٍ أَنْبَأَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ بْنِ أَبِي طَالِبٍ الأَوَّلُ إِجَازَةً وَالثَّانِي سَمَاعًا وَقُرِئَ عَلَى أَبِي الْحُسَيْنِ عَلِيِّ بْنِ يُوسُفَ وَأَنَا أَسْمَعُ أَنْبَأَنَا أَبُو اسحاق إِبْرَاهِيم ابْن أَحْمَدَ التَّنُوخِيُّ سَمَاعًا عَلَيْهِ أَنْبَأَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ بْنِ أَبِي طَالِبٍ
দশম হাদিস১০ - এবং আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু বকর ইবনুল হুসাইন আল-আনানি অনুমতিক্রমে এবং আয়েশা বিনতু নাজদ; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস ইবনে আবি তালিব—প্রথমজন অনুমতিক্রমে এবং দ্বিতীয়জন শ্রবণের মাধ্যমে। আর আবুল হুসাইন আলী ইবনে ইউসুফের নিকট পাঠ করা হয়েছে এমতাবস্থায় যে আমি শ্রবণ করছিলাম; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু ইসহাক ইব্রাহিম ইবনে আহমাদ আত-তানুখি তাঁর নিকট শ্রবণের মাধ্যমে; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবুল আব্বাস ইবনে আবি তালিব।
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৬৯)
سما عَلَيْهِ أَنْبَأَنَا أَبُو الْمُنَجَّا عَبْدُ الله بن عمر عَليّ بن زيد البفدادي قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ بِدِمَشْقَ أنبأن اأَبُو الْوَقْتِ عَبْدُ الأَوَّلِ بْنُ عِيسَى بن شع يب بن الهرو ي قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَنَحْنُ نَسْمَعُ بِبَغْدَادَ أَنبأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي مَسْعُودٍ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْفَارِسِيُّ أَنْبَأَنَا أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ شُرَيْحٍ الأَنْصَارِيُّ أَنْبَأَنَا أَبُو الْقَاسِمِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الْبَغَوِيُّ أَنْبَأَنَا أَبُو الْجَهْمِ الْعَلاءُ بْنُ مُوسَى بْنُ عَطِيَّةَ الْبَاهِلِيُّ إِمْلاءً مِنْ كِتَابِهِ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ الْمِصْرِيُّ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ
তাঁর নিকট শ্রবণ করা হয়েছে, আমাদিগকে সংবাদ দিয়েছেন আবু আল-মুনাজ্জা আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে আলী ইবনে যায়েদ আল-বাগদাদি; তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এমতাবস্থায় যে আমরা দামেস্কে তা শ্রবণ করছিলাম। আমাদিগকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল ওয়াক্ত আবদুল আউয়াল ইবনে ঈসা ইবনে শুআইব আল-হারাউই; তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এমতাবস্থায় যে আমরা বাগদাদে তা শ্রবণ করছিলাম। আমাদিগকে সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবি মাসউদ আবদুল আজিজ আল-ফারিসি। আমাদিগকে সংবাদ দিয়েছেন আবু মুহাম্মদ আবদুর রহমান ইবনে আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে শুরাইহ আল-আনসারী। আমাদিগকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল কাসিম আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল আজিজ আল-বাগাভী। আমাদিগকে সংবাদ দিয়েছেন আবুল জাহাম আল-আলা ইবনে মুসা ইবনে আতিয়্যাহ আল-বাহিলি, তাঁর কিতাব থেকে শ্রুতলিপির মাধ্যমে। আমাদিগকে সংবাদ দিয়েছেন লাইস ইবনে সাদ আল-মিসরি, নাফে’র সূত্রে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৭০)
الْخَيْلُ مَعْقُودٌ فِي نَوَاصِيهَا الْخَيْرُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ
الْحَدِيثُ الْحَادِي عَشَرَ11 - وَبِهِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللِّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ مَسْتَقْبِلُ الْمِنْبَرِ وَهُوَ يَقُولُ أَلا ان الفنتنة هَا هُنَا مَرَّتَيْنِ مِنْ حَيْثُ يَطْلَعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ
ঘোড়ার কপালে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত কল্যাণ নিহিত রয়েছে।
একাদশ হাদিস১১ - এবং একই সনদে আবু আল-জাহম পর্যন্ত: লায়স ইবনে সাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাফে’ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মিম্বারের দিকে মুখ করা অবস্থায় দুইবার বলতে শুনেছেন: "সাবধান! নিশ্চয়ই ফিতনা এখানে, যেখান থেকে শয়তানের শিং উদিত হয়।"
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৭১)
الْحَدِيثُ الثَّانِي عَشَرَ12 - وَبِهِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ أَلا كُلُّكُمْ رَاعٍ وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ فَالأَمِيرُ الَّذِي عَلَى النَّاسِ رَاعٍ وَهِوَ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ وَالرَّجُلُ رَاعٍ عَلَى أَهْلِ بَيْتِهِ وَهُوَ مَسْئُولٌ عَنْهُمْ وَامْرَأَةُ الرَّجُلِ رَاعِيَةٌ عَلَى بَيْتِ بَعْلِهَا وَوَلَدِهِ وَهِيَ مَسْئُولَةٌ عَنْهُمْ وَالْعَبْدُ رَاعٍ عَلَى مَالِ سَيِّدِهِ وَهُوَ مسئول عَنهُ أَلا فلكم رَاعٍ وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ
الْحَدِيثُ الثَّالِثَ عَشَرَ13 - وَبِهِ إِلَى أبي الْجُهَيْم أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ سَرِيَّةً قِبَلَ نَجْدٍ فِيهِمْ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ وَأَنَّ سَهْمَهُمْ بلغ اثنى عشر بعيراوتنفلوا سِوَى ذَلِكَ بَعِيرًا بَعِيرًا فَلَمْ يُغَيِّرْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَعْنِي ذَلِكَ
দ্বাদশ হাদীস১২ - এবং একই সূত্রে আবূ আল-জাহম থেকে বর্ণিত; লাইস ইবনু সাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাফি' থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনু উমর থেকে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: "সাবধান! তোমাদের প্রত্যেকেই একজন দায়িত্বশীল এবং তোমাদের প্রত্যেককেই তার অধীনস্থদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। সুতরাং মানুষের উপর নিযুক্ত আমীর একজন দায়িত্বশীল এবং তাকে তার অধীনস্থদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে; আর পুরুষ তার পরিবারের সদস্যদের উপর একজন দায়িত্বশীল এবং তাকে তাদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে; আর স্ত্রী তার স্বামীর গৃহ এবং তার সন্তানদের উপর একজন দায়িত্বশীল এবং তাকে তাদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে; আর দাস তার মনিবের সম্পদের উপর একজন দায়িত্বশীল এবং তাকে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। সাবধান! তোমাদের প্রত্যেকেই একজন দায়িত্বশীল এবং তোমাদের প্রত্যেককেই তার অধীনস্থদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।"
ত্রয়োদশ হাদীস১৩ - এবং একই সূত্রে আবূ আল-জুহাইম থেকে বর্ণিত; লাইস ইবনু সাদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাফি' থেকে, তিনি ইবনু উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নজদ অভিমুখে একটি সারিয়্যাহ (ছোট যুদ্ধবাহিনী) প্রেরণ করেছিলেন, আবদুল্লাহ ইবনু উমরও তাদের সাথে ছিলেন। তাদের ভাগে বারোটি করে উট পড়েছিল এবং তারা এর অতিরিক্ত হিসেবে আরও একটি করে উট পুরস্কার লাভ করেছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এতে কোনো পরিবর্তন করেননি।
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৭২)
الْحَدِيثُ الرَّابِعَ عَشَرَ14 - وَبِهِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ قَالَ إِنَّ ارمأة وُجِدَتْ فِي بَعْضِ مَغَازِي رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَنْكَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَتْلَ النِّسَاءِ وَالصِّبْيَانِ
চৌদ্দতম হাদিস১৪ - এবং তাঁর সূত্রে আবু আল-জাহম পর্যন্ত; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন লাইস বিন সাদ, নাফে থেকে, আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোনো এক যুদ্ধে জনৈক মহিলাকে (নিহত অবস্থায়) পাওয়া গেল। এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারী ও শিশুদের হত্যা করাকে প্রত্যাখ্যান করলেন।
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৭৩)
الْحَدِيثُ الْخَامِسَ عَشَرَ15 - وَبِهِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ الله بن غمر عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَامَ فَقَالَ لَا يجلبن أحد مَا شية بِغَيْرِ إِذْنِهِ أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَنْ تُؤْتَى مَشْرَبَتُهُ فَتُكْسَرَ بَابُ خِزَانَتِهِ فَيَنْتَقِلَ طَعَامُهُ وَإِنَّمَا تَخْزِنُ لَهُمْ ضُرُوعُ مَوَاشِيهِمْ أَطْعِمَاتِهِمْ فَلا يَحْلِبُ أحد مَاشِيَة مارئ بِغَيْرِ إِذْنِهِ
পঞ্চদশ হাদিস১৫ - এবং একই সূত্রে আবুল জাহম থেকে বর্ণিত যে, লাইস ইবন সা'দ নাফে'র সূত্রে আবদুল্লাহ ইবন উমর থেকে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে বললেন: "কেউ যেন অনুমতি ছাড়া অন্যের গবাদি পশুর দুধ দোহন না করে। তোমাদের কেউ কি এটা পছন্দ করবে যে, তার খাদ্য ভাণ্ডারে কেউ প্রবেশ করে তার ভাণ্ডারের দরজা ভেঙে ফেলুক এবং তার খাবার নিয়ে চলে যাক? মূলত তাদের গবাদি পশুর ওলানই তাদের জন্য তাদের খাদ্য সঞ্চয় করে রাখে। সুতরাং কেউ যেন অনুমতি ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির পশুর দুধ দোহন না করে।"
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৭৪)
الْحَدِيثُ السَّادِسَ عَشَرَ16 - وَبِهِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ كَانَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَنْهَى إِذَا كَانَ ثَلَاثَةُ نَفَرٍ أَنْ يَتَنَاجَى اثْنَانِ دُونَ وَاحِدٍ
ষোড়শ হাদিস১৬ - এবং একই সনদে আবু আল-জাহম পর্যন্ত; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন লাইস ইবনে সাদ, নাফে থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করতেন যে, যখন তিনজন ব্যক্তি একত্রে থাকে, তখন যেন একজনকে বাদ দিয়ে অন্য দুইজন কানে কানে কথা না বলে।
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৭৫)
الْحَدِيثُ السَّابِعَ عَشَرَ17 - وَبِهِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سعد عَن نَافِع ع ن ع ب د اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ الرُّؤْيَا الصَّالِحَة قَالَ نَافِع بن عمر ال جُزْء من سبعين جُزْء مِنَ النُّبُوَّةِ
الْحَدِيثُ الثَّامِنَ عَشَرَ18 - وَبِهِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ ذُكِرَ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمُ عَاشُورَاءَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَوْمٌ تَصُومُهُ أَهْلُ الْجَاهِلِيَّةِ فَمَنْ أَحَبَّ مِنْكُمْ أَنْ يَصُومَهُ فَلْيَصُمْهُ وَمَنْ كَرِهَهُ فَلْيَدَعْهُ
সপ্তদশ হাদীস১৭ - এবং পূর্বোক্ত সনদে আবু জাহম পর্যন্ত; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন লাইস ইবনে সাদ, তিনি নাফে হতে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) হতে এবং তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "নেক স্বপ্ন হলো নবুওয়াতের সত্তর ভাগের এক ভাগ।"
অষ্টাদশ হাদীস১৮ - এবং পূর্বোক্ত সনদে আবু জাহম পর্যন্ত; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন লাইস ইবনে সাদ, তিনি নাফে হতে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট আশুরার দিনের কথা উল্লেখ করা হলো। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন: "এটি এমন এক দিন ছিল যাতে জাহেলিয়াত যুগের লোকেরা রোজা রাখত। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রোজা রাখতে পছন্দ করে সে যেন রোজা রাখে, আর যে অপছন্দ করে সে যেন তা ছেড়ে দেয়।"
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৭৬)
الْحَدِيثُ التَّاسِعَ عَشَرَ19 - وَبِهِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَن أَدْرَكَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ فِي رَكْبٍ وَعُمَرُ يَحْلِفُ بِأَبِيهِ فَنَادَاهُمْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ اللَّهَ عز وجل يَنْهَاكُمْ أَنْ تَحْلِفُوا بِآبَائِكُمْ فَمَنْ كَانَ حَالفا فليحلف بِاللَّه وإلأا لصمت
الْحَدِيثُ الْعِشْرُونَ20 - وَبِهِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ أَيُّمَا مَمْلُوكٍ كَانَ بَيْنَ شُرَكَاءَ فَأَعْتَقَ أَحَدُهُمْ نَصِيبَهُ فَإِنَّهُ يَقُومُ فِي مَالِ الَّذِي يُعْتَقُ قيمه عدل يعْتق إِنْ بَلَغَ ذَلِكَ مَالُهُ
ঊনবিংশ হাদীস১৯ - এবং উক্ত সনদে আবু আল-জাহম থেকে বর্ণিত যে, লাইস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাফে'র সূত্রে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক আরোহী দলের মাঝে উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-কে পেলেন, এমতাবস্থায় যে উমর তার পিতার নামে শপথ করছিলেন। তখন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের ডেকে বললেন: "নিশ্চয়ই মহান ও পরাক্রমশালী আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের পিতৃপুরুষদের নামে শপথ করতে নিষেধ করেছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি শপথ করতে চায়, সে যেন আল্লাহর নামে শপথ করে অথবা নীরব থাকে।"
বিংশ হাদীস২০ - এবং উক্ত সনদে আবু আল-জাহম থেকে বর্ণিত যে, লাইস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাফে'র সূত্রে, তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "যে কোনো দাস যা অংশীদারদের মধ্যে যৌথ মালিকানাধীন ছিল, যদি তাদের কেউ তার অংশটি স্বাধীন করে দেয়, তবে ওই দাসের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করা হবে এবং তা ওই ব্যক্তির সম্পদ থেকে আদায় করা হবে যে তাকে আংশিক স্বাধীন করেছে; এরপর তাকে পূর্ণ স্বাধীন করে দেওয়া হবে যদি তার নিকট সেই পরিমাণ সম্পদ থাকে।"
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৭৭)
الحَدِيث الحادى وَالْعِشْرين21 - وَبِهِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ تَطْلِيقَةً وَاحِدَةً فَأَمَرَهُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّ يُرَاجِعَهَا ثُمَّ يُمْسِكَهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ تَحِيضُ عِنْدَهُ حَيْضَةً أُخْرَى ثُمَّ يُمْسِكُهَا حَتَّى تَطْهُرَ مِنْ حَيْضَتِهَا فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يُطَلِّقَهَا فَلْيُطَلِّقْهَا حِينَ تَطْهُرُ مِنْ قَبْلِ أَنْ يُجَامِعَهَا فَتِلْكَ الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ تَعَالَى أَنْ يُطَلَّقَ لَهَا النِّسَاءُ وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ إِذَا سُئِلَ عَنْ ذَلِكَ قَالَ إِنَّمَا أَنْتَ إِنْ طَلَّقْتَ امْرَأَتَكَ تَطْلِيقَةً أَو تطليقين فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أرمني بِهَذَا فَإِنْ كُنْتَ طَلَّقْتَهَا ثَلَاثًا فَقَدْ حَرُمَتْ عَلَيْكَ حَتَّى تَنْكِحَ زوجا غير وَعَصَيْتَ اللَّهَ تَعَالَى فِيمَا أَمَرَكَ مِنْ طَلاقِ امْرَأَتِكَ
একুশতম হাদিস২১ - এবং তাঁর সূত্রে আবু আল-জাহম থেকে বর্ণিত, আল-লায়স ইবনে সাদ নাফি থেকে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন যে, আব্দুল্লাহ (ইবনে উমর) তাঁর স্ত্রীকে ঋতুবতী অবস্থায় এক তালাক প্রদান করেছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে নির্দেশ দিলেন যেন তিনি তাঁকে ফিরিয়ে নেন, অতঃপর তাঁকে নিজের কাছে রাখেন যতক্ষণ না তিনি পবিত্র হন, এরপর পুনরায় ঋতুবতী হন, অতঃপর আবার তাঁর ঋতুস্রাব থেকে পবিত্র হন। এরপর যদি তিনি তাঁকে তালাক দিতে চান, তবে যেন তাঁকে পবিত্র অবস্থায় এবং সহবাস করার পূর্বেই তালাক দেন। আর এটিই হলো সেই ইদ্দত, যে অনুযায়ী আল্লাহ তাআলা নারীদের তালাক দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আব্দুল্লাহ ইবনে উমরকে যখন এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হতো, তিনি বলতেন: "তুমি যদি তোমার স্ত্রীকে এক বা দুই তালাক দিয়ে থাকো, তবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এরূপই নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু তুমি যদি তাঁকে তিন তালাক দিয়ে থাকো, তবে সে তোমার জন্য হারাম হয়ে গেছে যতক্ষণ না সে অন্য স্বামী গ্রহণ করে; আর তুমি তোমার স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার ক্ষেত্রে আল্লাহ তাআলা যা নির্দেশ দিয়েছেন, সে বিষয়ে তাঁর অবাধ্যতা করেছ।"
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৭৮)
الحَدِيث الثَّانِي وَالْعِشْرين وَالثَّالِث وَالْعِشْرين2223 - 23 وَبِهِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لَا يَبِعْ بَعْضُكُمْ عَلَى بَيْعِ بَعْضٍ وَبِهِ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَا يَخْطُبْ أَحَدُكُمْ عَلَى خِطْبَةِ أَخِيهِ
বাইশতম ও তেইশতম হাদিস২২২৩ - ২৩ এবং একই সনদে আবু আল-জাহম পর্যন্ত: আমাদের নিকট লাইস বর্ণনা করেছেন নাফি‘ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন: "তোমাদের কেউ যেন অন্য কারো বিক্রির ওপর বিক্রি না করে।" এবং একই সনদে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের কেউ যেন তার ভাইয়ের বিয়ের প্রস্তাবের ওপর প্রস্তাব না দেয়।"
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৭৯)
الْحَدِيثُ الرَّابِعُ وَالْعِشْرُونَ24 - وَبِهِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رضي الله عنهما أَنَّ رَسُول اله صلى الله عَلَيْهِ وَسلم
চব্বিশতম হাদিস২৪ - এবং সেই একই সনদে আবু আল-জাহম পর্যন্ত: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন লাইস, তিনি নাফি থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৮০)
الْحَدِيثُ الْخَامِسُ وَالْعِشْرُونَ25 - وَبِهِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَيَرْقُدُ أَحَدُنَا وَهُوَ جُنُبٌ قَالَ نَعْمَ إِذَا تَوَضَّأَ أَحَدُكُمْ فَلْيَرْقُدْ
الْحَدِيثُ السَّادِسُ وَالْعِشْرُونَ26 - وَبِهِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عمر وجد بردا شَدِيدا وهـ وفِي السَّفَرِ فَأَمَرَ الْمُؤَذِّنَ فَأَذِنَ مَنْ مَعَهُ أَنْ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ فَإِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْمُرُ بِذَلِكَ إِذَا كَانَ مِثْلَ هَذَا
পঁচিশতম হাদিস২৫ - এবং উক্ত সনদে আবুল জাহম পর্যন্ত; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন লাইস, তিনি নাফে থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে বর্ণনা করেন যে, উমর ইবনুল খাত্তাব রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন, আমাদের কেউ কি অপবিত্র অবস্থায় ঘুমাতে পারে? তিনি বললেন: "হ্যাঁ, তোমাদের কেউ যখন অজু করবে, তখন সে যেন ঘুমায়।"
ছাব্বিশতম হাদিস২৬ - এবং উক্ত সনদে আবুল জাহম পর্যন্ত; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন লাইস, তিনি নাফে থেকে বর্ণনা করেন যে, আবদুল্লাহ ইবনে উমর এক সফরে থাকাকালীন প্রচণ্ড শীত অনুভব করলেন। অতঃপর তিনি মুয়াজ্জিনকে নির্দেশ দিলেন এবং সে তার সাথে থাকা লোকদের মাঝে ঘোষণা করল যে, "তোমরা তোমাদের অবস্থানস্থলেই সালাত আদায় করে নাও।" কারণ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি যে, যখন এমন পরিস্থিতি হতো, তখন তিনি এরূপ নির্দেশ দিতেন।
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৮১)
الْحَدِيثُ السَّابِعُ وَالْعِشْرُونَ27 - وَبِهِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ عَنْ نَافِع ع ن عبد الل هـ بْنِ عُمَرَ أَنَّهُ قَالَ رَأَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نُخَامَةً فِي قِبْلَةِ الْمَسْجِدِ وَهُوَ يُصَلِّي بَيْنَ يَدَيِ النَّاسِ فنخها ثُمَّ قَالَ حَيْثُ انْصَرَفَ مِنَ الصَّلَاةِ إِنَّ أَحَدَكُمْ إِذَا كَانَ فِي الصَّلَاةِ فَإِنَّ اللَّهَ قِبَلَ وَجْهِهِ فَلَا يَتَنَخَّمَنَّ أَحَدُكُمْ قِبَلَ وَجْهِهِ فِي الصَّلَاةِ
সাতাশতম হাদিস২৭ - এবং এই একই সূত্রে আবু আল-জাহম পর্যন্ত: লাইস আমাদের সংবাদ দিয়েছেন নাফে‘ থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকজনের সামনে সালাত আদায় করার সময় মসজিদের কিবলার দিকে কফ দেখতে পেলেন। তিনি তা ঘষে পরিষ্কার করলেন। অতঃপর সালাত শেষ করার পর তিনি বললেন: ‘নিশ্চয়ই তোমাদের কেউ যখন সালাতে থাকে, তখন আল্লাহ তার চেহারার সামনে থাকেন; তাই সালাতরত অবস্থায় তোমাদের কেউ যেন তার চেহারার সামনের দিকে কফ না ফেলে।’
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৮২)
الْحَدِيثُ الثَّامِنُ وَالْعِشْرُونَ28 - وَبِهِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ عَلَى أُمِّ مُبَشِّرٍ الْأَنْصَارِيَّةِ فَرَأَى نَخْلًا لَهَا فَقَالَ مَنْ غَرَسَ هَذَا النَّخْلَ أَمُسْلِمٌ أَمْ كَافِرٌ قَالَتْ مُسْلِمٌ فَقَالَ لَا يَغْرِسُ مُسْلِمٌ غَرْسًا وَلَا يَزْرَعُ زَرْعًا فَيَأْكُلَ مِنْهُ إِنْسَانٌ وَلَا دَابَّةٌ وَلَا شَيْءٌ إِلَّا كَانَ لَهُ صَدَقَةٌ
الْحَدِيثُ التَّاسِعُ وَالْعِشْرُونَ29 - وَبِهِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ إِذَا رَأَى أَحَدُكُمُ الرُّؤْيَا يكرها فَلْيَبْصُقْ عَنْ يَسَارِهِ ثَلَاثًا وَلْيَسْتَعِذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ ثَلَاثًا وَلْيَتَحَوَّلْ عَنْ جَنْبِهِ الَّذِي كَانَ عَلَيْهِ
আটাশতম হাদিস২৮ - এবং পূর্বোক্ত সূত্রের মাধ্যমেই আবু আল-জাহম হতে বর্ণিত; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন লাইস বিন সাদ, তিনি আবু যুবাইর হতে, তিনি জাবির (রা.) হতে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উম্মু মুবাশশির আল-আনসারিয়ার নিকট প্রবেশ করলেন এবং তাঁর কিছু খেজুর গাছ দেখতে পেলেন। তখন তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: "এই খেজুর গাছগুলো কে রোপণ করেছে? কোনো মুসলিম নাকি কোনো কাফির?" তিনি উত্তর দিলেন: "একজন মুসলিম।" তখন তিনি বললেন: "কোনো মুসলিম যদি কোনো চারা রোপণ করে অথবা কোনো ফসল বুনে, অতঃপর তা থেকে কোনো মানুষ, কোনো পশু বা অন্য কোনো কিছু ভক্ষণ করে, তবে তা তার জন্য সদকা হিসেবে গণ্য হয়।"
উনত্রিশতম হাদিস২৯ - এবং পূর্বোক্ত সূত্রের মাধ্যমেই আবু আল-জাহম হতে বর্ণিত; আমাদের সংবাদ দিয়েছেন লাইস বিন সাদ, তিনি আবু যুবাইর হতে, তিনি জাবির ইবনে আবদুল্লাহ আল-আনসারী (রা.) হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের কেউ যখন এমন কোনো স্বপ্ন দেখে যা সে অপছন্দ করে, তখন সে যেন তার বাম দিকে তিনবার থুতু ফেলে এবং শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট তিনবার আশ্রয় প্রার্থনা করে, আর সে যে পাশে শুয়ে ছিল তা পরিবর্তন করে নেয় (অর্থাৎ অন্য পাশে ফিরে শোয়)।"
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৮৩)
الْحَدِيثُ الثَّلَاثُونَ30 - وَبِهِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ رضي الله عنهما أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ إِذَا حَلِمَ أَحَدُكُمْ فَلَا يُخْبِرَنَّ النَّاس بِتَلَاعُبِ الشَّيْطَانِ بِهِ فِي الْمَنَامِ
الحَدِيث الحاي وَالثَّلَاثُونَ31 - وَبِهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِأَعْرَابِيٍّ جَاءَهُ فَقَالَ إِنِّي حَلِمْتُ أَنَّ رَأْسِي قُطِعَ فَأَنَا أَبِيعُهُ فَزَجَرَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ لَا تُخْبِرْ بِتَلَاعُبِ الشَّيْطَانِ بِكَ فِي الْمَنَامِ
ত্রিশতম হাদিস৩০ - এবং একই সূত্রে আবু আল-জাহম থেকে বর্ণিত যে, লাইস ইবনে সাদ আমাদের আবু আল-যুবাইর থেকে সংবাদ প্রদান করেছেন, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের কেউ যখন স্বপ্ন দেখে, সে যেন ঘুমের মধ্যে তার সাথে শয়তানের ক্রীড়া বা তামাশার কথা মানুষের নিকট প্রকাশ না করে।"
একত্রিশতম হাদিস৩১ - এবং একই সূত্রে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর নিকট আগত এক বেদুঈনকে বললেন—যে ব্যক্তি বলেছিল: "আমি স্বপ্নে দেখেছি যে আমার মাথা কেটে ফেলা হয়েছে এবং আমি তা বিক্রি করছি"—অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে ধমক দিলেন এবং বললেন: "ঘুমের মধ্যে তোমার সাথে শয়তানের ক্রীড়া বা তামাশার কথা কাউকে বলো না।"
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৮৪)
الحَدِيث الثَّانِي وَالثَّلَاثُونَ32 - وَبِه أَبِي الْجَهْمِ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ الْأَنْصَارِيِّ رضي الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَنْ رَآنِي فِي الْمَنَام فقدرآني فَإِنَّهُ لَا يَنْبَغِي لِلشَّيْطَانِ أَنْ يَتَمَثَّلَ فِي صُورَتِي
الْحَدِيثُ الثَّالِثُ وَالثَّلَاثُونَ33 - وَبِهِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْأنْصَارِيّ قَالَ قَالَ رَسُول صلى الله عليه وسلم لَا يَدْخُلُ أَحَدٌ مِمَّنْ بَايَعَ تَحْتَ الشَّجَرَة النَّار
দ্বাত্রিংশততম হাদিস৩২ - এবং তাঁরই সূত্রে আবূ জাহম আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি লাইস বিন সাদ থেকে, তিনি আবূ যুবাইর থেকে, তিনি জাবির আল-আনসারী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখেছে, সে প্রকৃতপক্ষে আমাকেই দেখেছে। কেননা শয়তানের পক্ষে আমার আকৃতি ধারণ করা সম্ভব নয়।"
ত্রয়ত্রিংশততম হাদিস৩৩ - এবং তাঁরই সূত্রে আবূ জাহম পর্যন্ত, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন লাইস, তিনি আবূ যুবাইর থেকে, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ আল-আনসারী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "গাছের নিচে যারা বাইয়াত গ্রহণ করেছিল, তাদের কেউই জাহান্নামে প্রবেশ করবে না।"
(খণ্ড: ১)
আউয়ালিল লাইস বিন সাদ
(পৃষ্ঠা: ৮৫)
الحَدِيث الرّبع وَالثَّلَاثُونَ34 - وَبِهِ إِلَى أَبِي الْجَهْمِ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرٍ رضي الله عنهما أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَمَرَ رَجُلًا كَانَ يَتَصَدَّقُ بِالنَّبَلِ فِي الْمَسْجِدِ أَلَّا يمر بهَا إل اوهو آخِذٌ بِنُصُولِهَا
চতুস্ত্রিংশত্তম হাদীস৩৪ - এবং একই সনদে আবু আল-জাহম পর্যন্ত: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন লায়স, তিনি আবু আল-যুবায়র থেকে, তিনি জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে আদেশ করলেন যে মসজিদে তীর সদকা করছিল, সে যেন তা নিয়ে চলাচলের সময় অবশ্যই এর ফলাগুলো (তীরফলক) ধরে রাখে।