(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: -)
جزء ابن عمشليق (ابن عمشليق)
القسم: كتب السنة
الكتاب: جزء ابن عمشليق
المؤلف: أحمد بن علي بن محمد الجعفري أبو الطيب (ت ق 4هـ)
المحقق: خالد بن محمد بن علي الأنصاري
الناشر: دار ابن حزم - بيروت، لبنان
الطبعة: الأولى، 1416 هـ - 1996 م
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
عدد الصفحات: 66
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
জুয ইবনে আমশালিক (ইবনে আমশালিক)
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: জুয ইবনে আমশালিক
লেখক: আহমাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ আল-জাফরি আবু তৈয়্যিব (মৃত্যু আনুমানিক ৪র্থ হিজরি শতাব্দী)
সম্পাদক: খালিদ বিন মুহাম্মাদ বিন আলী আল-আনসারী
প্রকাশক: দার ইবনে হাযম - বৈরুত, লেবানন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৬ হিজরি - ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দ
[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৬
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ১৫)
قَرَأت على جدتي لأمي المسندة أنس خاتون قِرَاءَة عَلَيْهَا فِي يَوْم الثَّلَاثِينَ من ربيع الأول سنة 865 أخبرتنا فَاطِمَة وَعَائِشَة بِنْتا مُحَمَّد بن عبد الْهَادِي بن عبد الحميد بن عبد الْهَادِي فِي كِتَابَيْهِمَاوقرأت على الشَّيْخ الإِمَام شهَاب الدَّين أَحْمد بن مُحَمَّد بن أَحْمد ابْن زيد فِي يَوْم الاحد رَابِع عشر من ربيع الأول سنى 866 قَالَ أَنا المسندة عَائِشَة بنت عبد الْهَادِي سَمَاعاأَن عبد الله بن الْحُسَيْن بن ابي الثَّابِت بن ابي الْقَيْس اخبرهما سَمَاعا عَلَيْهِ أَنا أَبُو عَمْرو عُثْمَان بن عَليّ بن عبد الْوَاحِد بن خطيب القرافة عَن أبي طَاهِر أَحْمد بن مُحَمَّد بن أَحْمد الْحَافِظ السلَفِي أَن أَبَا الْبَقَاء المعمر بن مُحَمَّد بن عَليّ الحبال أخبرهُ أَنا أَبُو الطّيب أَحْمد ابْن عَليّ بن مُحَمَّد الْجَعْفَرِي عرف بِابْن عَمْشَلِيقَ1 - حَدَّثَنِي جَدِّي قَاضِي الْقُضَاةِ أَبُو الْحَسَنِ مُحَمَّدُ بْنُ صَالِحٍ الْهَاشِمِيُّ الْعَبَّاسِيُّ فِي دَارِهِ بِمَدِينَةِ السَّلَامِ أَنا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنِ عُقْبَةَ الشَّيْبَانِيُّ ثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ ثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ عَنْ عُمَرَ مَوْلَى غَفْرَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كُنْتُ رِدْفَ رَسُولِ اللَّهِ ص
আমি আমার মাতামহী মুসনিদাহ আনাস খাতুনের নিকট ৮৬৫ হিজরির ৩০শে রবিউল আউয়াল তাঁর উপস্থিতিতে পাঠ করেছিলাম। ফাতেমা এবং আয়েশা—মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল হাদি ইবনে আব্দুল হামিদ ইবনে আব্দুল হাদির দুই কন্যা—তাঁদের লিখিত কিতাবদ্বয়ের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।এবং আমি ৮৬৬ হিজরির ১৪ই রবিউল আউয়াল রবিবার দিন শায়খ ইমাম শিহাবুদ্দীন আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে জাইদ-এর নিকট পাঠ করেছিলাম। তিনি বলেন: মুসনিদাহ আয়েশা বিনতে আব্দুল হাদি শ্রবণের মাধ্যমে আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।যে, আবদুল্লাহ ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আবি আস-সাবিত ইবনে আবি আল-কায়স তাঁদের নিকট শ্রবণের মাধ্যমে সংবাদ দিয়েছেন; তিনি বলেন: আবু আমর উসমান ইবনে আলী ইবনে আব্দুল ওয়াহিদ ইবনে খতিব আল-কারাফাহ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি আবু তাহির আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-হাফিজ আস-সালাফি থেকে বর্ণনা করেন, আবুল বাকা আল-মুয়াম্মার ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী আল-হাব্বাল তাঁকে সংবাদ দিয়েছেন যে: আবু আল-তায়্যিব আহমদ ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ আল-জাফরি, যিনি ইবনে আমশালিক নামে পরিচিত, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন।১ - আমার দাদা কাযী আল-কুযাত আবুল হাসান মুহাম্মদ ইবনে সালেহ আল-হাশেমি আল-আব্বাসি মদিনাতুস সালামে তাঁর নিজগৃহে আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন: আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে উকবা আশ-শায়বানি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন; হান্নাদ ইবনুস সারি আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন; ঈসা ইবনে ইউনুস আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন ওমর মাওলা গাফরাহ থেকে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিছনে আরোহী ছিলাম।
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ১৬)
فَقَالَ يَا غُلَامُ أَلَا أُعَلِّمُكَ كَلِمَاتٍ لَعَّلَ اللَّهَ يَنْفَعُكَ بِهِنَّ قلت بلَى فدَاك أبي وأُمِّي قَالَ احْفَظِ اللَّهَ يَحْفَظْكَاحْفَظِ اللَّهَ تَجِدْهُ أَمَامَكَ تَعَرَّفْ إِلَى الله واعْلَم أَن النَّصْر مَعَ الصَّبْر والْفرج مَعَ الْكَرْبِ وَأَنَّ مَعَ الْعُسْرِ يسرا اسناده ضَعِيف والْحَدِيث صَحِيح
তিনি বললেন, হে বৎস! আমি কি তোমাকে এমন কিছু বাক্য শিক্ষা দেব না যার মাধ্যমে আল্লাহ তোমাকে উপকৃত করবেন? আমি বললাম, অবশ্যই, আপনার জন্য আমার পিতা ও মাতা উৎসর্গিত হোন। তিনি বললেন, তুমি আল্লাহর (বিধানের) হেফাযত করো, আল্লাহ তোমাকে রক্ষা করবেন।তুমি আল্লাহর (বিধানের) হেফাযত করো, তাঁকে তোমার সম্মুখেই পাবে। তুমি সুখের সময়ে আল্লাহর পরিচয় লাভ করো। আর জেনে রেখো যে, ধৈর্যের সাথেই সাহায্য আসে, বিপদের সাথেই মুক্তি আসে এবং নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই স্বস্তি রয়েছে। এর সনদ দুর্বল কিন্তু হাদিসটি সহিহ।
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ২১)
2 - حَدَّثَنِي جَدِّي ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ ثَنَا هَنَّادٌ ثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ مُوسَى بْنِ عُبَيْدَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ نِعْمَ الْهَدِيَّةُ الْفَائِدَةُ لِلْعَبْدِ وَنِعْمَ الْهَدِيَّةُ الْكَلِمَةُ مِنْ كَلَامِ الْحِكْمَةِ يَسْمَعُهَا الرَّجُلُ فَيَلْتَوِي عَلَيْهَا ثُمَّ يُهْدِيهَا الى اخيه الْمُسلم
2 - আমার দাদা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হান্নাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু উসামা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মূসা বিন উবাইদাহ থেকে বর্ণিত, তিনি আব্দুর রহমান বিন যাইদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: একজন বান্দার জন্য কোনো উপকারী বিষয় কতই না উত্তম উপহার, এবং হিকমতপূর্ণ কোনো কথা কতই না উত্তম উপহার যা কোনো ব্যক্তি শ্রবণ করে এবং তা দৃঢ়ভাবে গ্রহণ করে, অতঃপর তা তার মুসলিম ভাইয়ের নিকট উপহার হিসেবে পেশ করে।
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ২২)
اسنادهمُرْسل ضَعِيف جدا3 - حَدَّثَنِي جَدِّي ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ ثَنَا هَنَّادٌ ثَنَا وَكِيعٌ عَنْ أَبِيهِ عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَهْلِ الشَّامِ يُكْنَى بِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ قَالَ أَتَيْتُ طَاوُسًا أَسْأَلُهُ عَنْ شَيْءٍ فَاسْتَأْذَنْتُ عَلَيْهِ فَخَرَجَ إِلَيَّ شَيْخٌ فَقُلْتُ إِنَّ الْعَالِمَ لَا يَخْرَفُ ثُمَّ قَالَ إِذَا دَخَلْتَ فَأَوْجِزْ قَالَ فَدَخَلْتُ فَقَالَ إِذَا سَأَلْتَ فَأَوْجِزْ قَالَ لَئِنْ أَوْجَزْتَ لِي أَوْجَزْتُ فَقَالَ إِنِّي مُعَلِّمُكَ فِي مَجْلِسِيَ التَّوْرَاةَ وَالْإِنْجِيلَ وَالْقُرْآن لن أَسأَلك عَن شئ فَقَالَ خَفِ اللَّهَ مَخَافَةً حَتَّى لَا يكون شئ أَخْوَفَ عِنْدَكَ مِنْهُ وَارْجُهُ رَجَاءً أَشَدَّ مِنْ خَوْفِكَ إِيَّاهُ وَأَحِبَّ للنَّاس مَا تحب لنَفسك اسناده ضَعِيف
এর সানাদমুরসাল, অত্যন্ত দুর্বল৩ - আমার দাদা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হান্নাদ আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, অকি’ তাঁর পিতার সূত্রে শাম দেশের জনৈক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন যার উপনাম ছিল আবু আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন: আমি তাউস (রহি.)-এর নিকট কোনো বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে আসলাম এবং তাঁর নিকট অনুমতি প্রার্থনা করলাম। তখন একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি আমার নিকট বেরিয়ে আসলেন। আমি বললাম: নিশ্চয়ই আলেম বার্ধক্যজনিত কারণে বুদ্ধিভ্রষ্ট হন না। অতঃপর তিনি বললেন: যখন তুমি প্রবেশ করবে তখন সংক্ষেপে বলবে। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: অতঃপর আমি প্রবেশ করলাম এবং তিনি বললেন: যখন তুমি প্রশ্ন করবে তখন সংক্ষেপে করবে। তিনি বললেন: যদি আপনি আমার জন্য সংক্ষেপ করেন তবে আমিও সংক্ষেপ করব। এরপর তিনি বললেন: আমি আমার এই মজলিসেই তোমাকে তাওরাত, ইনজিল ও কুরআনের শিক্ষা দান করছি, এরপর তোমাকে আর কোনো কিছু জিজ্ঞেস করতে হবে না। তিনি বললেন: আল্লাহকে এমনভাবে ভয় করো যেন তোমার নিকট তাঁর চেয়ে অধিক ভীতিকর আর কিছু না থাকে। আর তাঁর প্রতি এমন আশা পোষণ করো যা তাঁর প্রতি তোমার ভয়ের চেয়েও অধিক প্রবল হয়। আর মানুষের জন্য তা-ই পছন্দ করো যা তুমি নিজের জন্য পছন্দ করো। এর সানাদ দুর্বল।
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ২৩)
4 - حَدَّثَنَا أَبُو الْحَسَنِ الْمُغِيرَةُ بْنُ عَمْرُ بْنِ الْوَلِيدِ فِي مَنْزِلِهِ يمكة عِنْدَ الْمَرْوَةَ قَالَ قُرِئَ عَلَى أَبِي سَعِيدٍ الْمُفَضَّلِ بْنِ مُحَمَّدٍ الْجَنَدِيِّ وَأَنَا أَسْمَعُ حَدَّثَكُمْ عَلِيُّ بْنُ زِيَادٍ ثَنَا أَبُو قُرَّةَ قَالَ ذَكَرَ مَالِكٌ عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ عَنْ عَمْرِو بْنِ سُلَيْمٍ عَنْ أَبِي قَتَادَةَ الْأَنْصَارِيِّ السُلَمِيِّ أَنَّ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ إِذَا دَخَلَ أَحَدُكُمُ الْمَسْجِدَ فَلْيَرْكَعْ رَكْعَتَيْنِ قَبْلَ أَنْ يجلس اسناده ضَعِيف جدا والْحَدِيث صَحِيح
৪ - আমাদের নিকট আবুল হাসান আল-মুগীরাহ বিন আমর বিন আল-ওয়ালীদ মক্কায় মারওয়ার নিকটবর্তী তাঁর বাসগৃহে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবূ সাঈদ আল-মুফায্যাল বিন মুহাম্মাদ আল-জানাদীর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি তা শুনছিলাম। তিনি বলেন: আপনাদের নিকট আলী বিন যিয়াদ বর্ণনা করেছেন, আমাদের নিকট আবূ কুররাহ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, মালিক আমির বিন আব্দুল্লাহ বিন আয-যুবাইর থেকে, তিনি আমর বিন সুলাইম থেকে এবং তিনি আবূ কাতাদাহ আল-আনসারী আস-সুলামী থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমাদের কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করবে, তখন সে যেন বসার পূর্বে দুই রাকাত সালাত আদায় করে।" এর সনদ অত্যন্ত দুর্বল এবং হাদীসটি সহীহ।
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৩০)
5 - حَدثنَا الْمُغيرَة بن عمر قريء على أبي سعيد وأناحاضر ثَنَا عَليّ أَنا أبوقرة قَالَ ذَكَرَ مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَاصَلَ فَوَاصَلَ النَّاسُ فَشَقَّ عَلَيْهِمُ الْوِصَالُ فَلَمَّا حُدِّثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِذَلِكَ نَهَى عَنِ الْوِصَالِ فَقَالُوا إِنَّكَ تُوَاصِلُ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ إِنِّي لَسْتُ كَهَيْئَتِكُمْ إِنِّي أطْعم وأسقي اسناده ضَعِيف جدا والْحَدِيث صَحِيح
৫ - আল-মুগীরা ইবনে উমর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, যা আবু সাঈদের নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। আলী আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবু কুররা আমাদের জানিয়েছেন যে, মূসা ইবনে উকবা নাফে‘ থেকে এবং তিনি ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিরতিহীন রোজা রাখতেন, তাই লোকেরাও বিরতিহীন রোজা রাখতে শুরু করল, ফলে বিরতিহীন রোজা রাখা তাদের জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ল। যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে এ ব্যাপারে জানানো হলো, তখন তিনি বিরতিহীন রোজা রাখতে নিষেধ করলেন। তারা বলল, "নিশ্চয়ই আপনি তো হে আল্লাহর রাসূল! বিরতিহীন রোজা রাখেন।" তখন তিনি বললেন, "নিশ্চয়ই আমি তোমাদের অবস্থার মতো নই। আমাকে খাওয়ানো হয় এবং পান করানো হয়।" এর সনদ অত্যন্ত দুর্বল, তবে হাদিসটি সহিহ।
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৩৭)
6 - أَخْبَرَنِي أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ كَيْسَانَ النَّحْوِيُّ بِمَنْزِلِهِ بِبَغْدَادَ فِي الْحَرْبِيَّةِ قِرَاءَةً عَلَيْهِ ثَنَا يُوسُفُ الْقَاضِي أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ يَعْقُوبَ بْنِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ حَمَّادٍ ثَنَا مُسَدَّدُ بْنُ مُسَرْهَدٍ ثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ سَمِعْتُ أَبَا بَرْدَةَ سَمِعْتُ الْأَغَرَّ رَجُلًا مِنْ جُهَيْنَةَ يُحَدِّثُ ابْنَ عُمَرَ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُول الله (ص) يَقُولُ يَا أَيُّهَا النَّاسُ تُوبُوا إِلَى ربكُم عز وجل فَإِنِّي أَتُوبُ إِلَى اللَّهِ كُلَّ يَوْم مائَة مرّة اسناده ضَعِيف والْحَدِيث حسن
৬ - বাগদাদের হারবিয়্যাহ এলাকায় তাঁর বাসস্থানে তাঁর নিকট পাঠের মাধ্যমে আবুল হাসান আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আহমদ ইবনে কায়সান আন-নাহবি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন; আমাদের নিকট ইউসুফ আল-কাদি আবু মুহাম্মদ ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইসমাঈল ইবনে হাম্মাদ বর্ণনা করেছেন; আমাদের নিকট মুসাদ্দাদ ইবনে মুসারহাদ বর্ণনা করেছেন; আমাদের নিকট ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ বর্ণনা করেছেন শু'বাহ থেকে; তিনি আমর ইবনে মুররাহ থেকে; তিনি বলেন: আমি আবু বুরদাহকে বলতে শুনেছি; তিনি বলেন: আমি জুহাইনা গোত্রের আল-আগার নামক এক ব্যক্তিকে ইবনে উমরের নিকট বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন: "হে লোকসকল! তোমরা তোমাদের মহান ও পরাক্রমশালী রবের নিকট তওবা করো। কেননা আমি প্রতিদিন আল্লাহর নিকট একশত বার তওবা করি।" এর সনদ দুর্বল এবং হাদীসটি হাসান।
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৩৮)
7 - أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ ثَنَا يُوسُفُ الْقَاضِي ثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ ثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النَّهْدِيِّ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُولُ اللَّهُمَّ اجْعَلْنِي مِنَ الَّذِينَ إِذَا أَحْسَنُوا اسْتَبْشَرُوا وَإِذا أساؤوا اسْتَغْفرُوا اسناده ضَعِيف والْحَدِيث حسن8 - حَدَّثَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُسْلِمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُسْلِمٍ الذُّهْلِيُّ التَّمِيمِيُّ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْحَضْرَمِيُّ ثَنَا أَبُو كَامِلٍ ثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُول الله ص
৭ - আলী ইবনে মুহাম্মদ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, ইউসুফ আল-কাজী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, সুলায়মান ইবনে হারব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, হাম্মাদ ইবনে সালামাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আলী ইবনে যায়দ থেকে, তিনি আবু উসমান আন-নাহদী থেকে, তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেন: হে আল্লাহ, আমাকে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করুন যারা যখন কোনো ভালো কাজ করে তখন আনন্দিত হয় এবং যখন কোনো মন্দ কাজ করে তখন ক্ষমা প্রার্থনা করে। এর সনদ দুর্বল এবং হাদীসটি হাসান।৮ - আবু আল-হুসাইন মুসলিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম আদ-ধুহলী আত-তামিমী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ আল-হাদরামী আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু কামিল আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আবু আওয়ানাহ আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আল-আ’মাশ থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৩৯)
من نفس عَن مُؤمن كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ الدُّنْيَا نَفَّسَ اللَّهُ عَنْهُ كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ الْآخِرَةِ وَمَنْ سَتَرَ مُسْلِمًا سَتَرَهُ اللَّهُ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ وَمَنْ يَسَّرَ عَلَى مُعْسِرٍ يَسَّرَ اللَّهُ عَلَيْهِ
যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের পার্থিব বিপদসমূহের মধ্য হতে একটি বিপদ দূর করবে, আল্লাহ তার আখিরাতের বিপদসমূহের মধ্য হতে একটি বিপদ দূর করবেন। যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের দোষ ঢেকে রাখবে, আল্লাহ দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষ ঢেকে রাখবেন। আর যে ব্যক্তি কোনো ঋণগ্রস্ত বা অভাবগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য সহজ করবে, আল্লাহ দুনিয়া ও আখিরাতে তার জন্য সহজ করে দেবেন।
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৪০)
فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ وَاللَّهُ فِي عَوْنِ الْعَبْدِ مَا كَانَ الْعَبْدُ فِي عون أَخِيه حَدِيث صَحِيح9 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ حَمْدَانَ بْنِ مَالِكٍ الْقَطِيعِيُّ فِي مَنْزِلِهِ بِبَغْدَادَ قِرَاءَةً عَلَيْهِ فَأَقَرَّ بِهِ ثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ الْقُرَشِيُّ الْكَدِيمِيُّ الْبَصْرِيُّ سَنَةَ 234 ثَنَا بُهْلُولُ بْنُ مُوَرِّقٍ ثَنَا مُوسَى بْنُ عُبَيْدَةَ الرَّبَذِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ يَعْنِي ابْنَ نَوْفَلٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِي جِبْرِيلُ يَا مُحَمَّدُ قَلَبْتُ الْأَرْضَ مَشَارِقَهَا وَمَغَارِبَهَا
দুনিয়া ও আখেরাতে। আর আল্লাহ বান্দার সাহায্যে থাকেন যতক্ষণ বান্দা তার ভাইয়ের সাহায্যে লিপ্ত থাকে। হাদিসটি সহিহ।৯ - আমাদের নিকট আবু বকর আহমদ ইবনে জাফর ইবনে হামদান ইবনে মালিক আল-কাতিয়ি বাগদাদে তাঁর বাসগৃহে পাঠের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি তা স্বীকার করেছেন; তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবুল আব্বাস মুহাম্মদ ইবনে ইউনুস আল-কুরাশি আল-কাদিমি আল-বাসরি ২৩৪ হিজরি সনে বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমাদের নিকট বুহলুল ইবনে মুওয়াররিক বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আমাদের নিকট মুসা ইবনে উবায়দা আর-রাবাদি বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ—অর্থাৎ ইবনে নাওফাল—থেকে, তিনি যুহরি থেকে, তিনি আবু সালামা থেকে এবং তিনি আয়েশা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: জিবরাইল আমাকে বলেছেন: হে মুহাম্মদ, আমি জমিনের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তসমূহ অনুসন্ধান করে দেখেছি (উল্টেপাল্টে দেখেছি)।
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৪১)
فَلَمْ أَجِدْ بَنِي أَبٍ أَفْضَلَ من بني هَاشم اسناده مُنكر
ফলে আমি বনী হাশেম অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ কোনো বংশধর খুঁজে পাইনি; এর সনদটি মুনকার।
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৪২)
10 - أَخْبَرَنِي أَبُو بَكْرٍ ثَنَا أَبُو عَلِيٍّ بِشْرُ بْنُ مُوسَى الْأَسَدِيُّ ثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ ثَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ عَنْ مَيْمُونِ بْنِ أَبِي شَبيبٍ عَنْ أَبِي ذَرٍّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم اتَّقِ اللَّهَ حَيْثُمَا كُنْتَ وَأَتْبِعِ السَّيْئَةَ الْحَسَنَةَ تَمْحُهَا وخالق النَّاس بالخلق الْحسن اسناده ضَعِيف والْحَدِيث حسن لغيره
১০ - আবু বকর আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন, আবু আলী বিশর বিন মুসা আল-আসাদী আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আবু নুআইম আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, সুফিয়ান আস-সাওরী হাবীব বিন আবী সাবিত থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি মাইমুন বিন আবী শাবীব থেকে, তিনি আবু যার (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: তুমি যেখানেই থাকো আল্লাহকে ভয় করো, আর মন্দ কাজের পর নেক কাজ করো যা তাকে মিটিয়ে দেবে, এবং মানুষের সাথে উত্তম চরিত্রের সাথে মেলামেশা করো। এর সনদ দুর্বল এবং হাদীসটি হাসান লি-গাইরিহি।
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৪৩)
11 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْحَسَنِ السَّكُونِيُّ الْمُعَدَّلُ بِالْكُوفَةِ ثَنَا أَبُو جَعْفَرٍ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سُلَيْمَانَ الْحَضْرَمِيُّ ثَنَا أَبُو عِمْرَانَ مُوسَى بْنُ عِمْرَانَ الْمَرْوَزِيُّ نَا مُوسَى بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ قَالَ عَلِيٌّ عليه السلام مُرُوا أَوْلَادَكُمْ بِطَلَب الْعلم اسناده ضَعِيف12 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ ثَنَا الْحَضْرَمِيُّ ثَنَا أَبُو عِمْرَانَ ثَنَا مُوسَى بْنُ جَعْفَرٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ مِنَ الْحَقِّ الْوَاجِبِ عَلَى مَنْ سَمِعَ شَيْئًا مِنَ الْعِلْمِ فَأَدْخَلَهُ اللَّهُ الْجَنَّةَ أَنْ يَشْفَعَ لِمَنْ سمع مِنْهُ اسناده ضَعِيف13 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو الْأَحْمَسِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ ثَنَا أَبُو سَعِيدٍ الْحَسَنُ بْنُ مِهْرَانَ الْأَصْبَهَانِيُّ ثَنَا أَبُو بَكْرٍ النَّجَّارِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ السَّائِبِ الْكَلْبِيِّ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُول الله ص
১১ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আল-হাসান আস-সাকুনি আল-মুয়াদদাল কুফায়, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু জাফর মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান আল-হাদরামি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইমরান মুসা ইবনে ইমরান আল-মারওয়াযি, তিনি বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে জাফর ইবনে মুহাম্মদ থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি বলেন: আলী (আলাইহিস সালাম) বলেছেন: তোমরা তোমাদের সন্তানদের জ্ঞান অন্বেষণের নির্দেশ দাও। এর সানাদ দুর্বল।১২ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আল-হাদরামি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু ইমরান, তিনি বর্ণনা করেছেন মুসা ইবনে জাফর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: নিশ্চয়ই সেই ব্যক্তির ওপর একটি অবধারিত হক বা অধিকার এই যে, যে ব্যক্তি ইলমের কোনো কিছু শ্রবণ করল এবং আল্লাহ তাকে এর বিনিময়ে জান্নাতে প্রবেশ করালেন, সে যেন যার কাছ থেকে তা শুনেছে তার জন্য সুপারিশ করে। এর সানাদ দুর্বল।১৩ - আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল কাসিম জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আমর আল-আহমাসি তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু সাঈদ আল-হাসান ইবনে মিহরান আল-আসবাহানি, তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবু বকর আন-নাজ্জারি, তিনি মুহাম্মদ ইবনে আস-সাইব আল-কালবি থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে, তিনি ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৪৪)
إِذَا كَانَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يَجْمَعُ اللَّهُ الْعُلَمَاءَ وَالْمُرَابِطِينَ وَالْقُرَّاءَ وَالعُبَّادَ فَيَقُولُ لِلْعُبَّادِ وَالْمُجَاهِدِينَ وَالْقُرَّاءِ وَالْمُرَابِطِينَ ادْخُلُوا الْجَنَّةَ بِرَحْمَتِي قَالَ فَيَصِيحُونَالْعُلَمَاءُ صَيْحَةً وَاحِدَةً فَيَقُولُونَ يَا رَبَّنَا بِفَضْلِ عِلْمِنَا جَاهَدُوا وَرَابَطُوا وَتَعَبَّدُوا وَصَامُوا وَصَلُّوا فَيَقُولُ اللَّهُ عز وجل لَسْتُمْ أَنْتُمْ عِنْدِي فِي عِدَادِ أُولَئِكَ أَنْتُمْ عِنْدِي فِي عِدَّادِ الْمَلَائِكَةِ قِفُوا حَتَّى تَشْفَعُوا لِمَنْ أَحْبَبْتُمْ ثُمَّ تَدْخُلُوا الْجنَّة اسناده واه بِمرَّة14 - حَدَّثَنَا أَبُو الْقَاسِمِ ثَنَا أَبُو سَعِيدٍ ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الْقَاسِمِ أَبُو بَكْرٍ مُؤَذِّنُ طَرَسُوسَ عَنْ غَالِبٍ عَنِ الْحَسَنِ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ الْحُصَيْنِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُوزن يَوْم الْقِيَامَة مِدَادُ الْعُلَمَاءِ وَدَمُ الشُّهَدَاءِ فَيَرْجَحُ مِدَادُ الْعُلَمَاءِ عَلَى دَمِ الشُّهَدَاءِ حَدِيث ضَعِيف
যখন কিয়ামত দিবস উপস্থিত হবে, তখন আল্লাহ আলেমদের, সীমান্ত রক্ষীদের, ক্বারিদের এবং ইবাদতগুজারদের একত্রিত করবেন। অতঃপর তিনি ইবাদতগুজার, মুজাহিদ, ক্বারি এবং সীমান্ত রক্ষীদের বলবেন: "তোমরা আমার রহমতে জান্নাতে প্রবেশ করো।" বর্ণনাকারী বলেন: তখন চিৎকার করবেনআলেমরা সমস্বরে একটি চিৎকার এবং তারা বলবেন: "হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের ইলমের বদৌলতেই তারা জিহাদ করেছে, সীমান্ত পাহারা দিয়েছে, ইবাদত করেছে, রোজা রেখেছে এবং সালাত আদায় করেছে।" তখন আল্লাহ মহান ও পরাক্রমশালী বলবেন: "আমার নিকট তোমরা তাদের সমপর্যায়ের নও; বরং তোমরা আমার নিকট ফেরেশতাদের সমপর্যায়ের। তোমরা থামো, যাতে তোমরা যাদের ভালোবাসতে তাদের জন্য সুপারিশ করতে পারো, এরপর তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে।" এর সনদ অত্যন্ত অসার বা অতি দুর্বল।১৪ - আমাদের নিকট আবুল কাসিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট আবু সাঈদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের নিকট তারসুসের মুয়াজ্জিন আবু বকর আহমাদ বিন মুহাম্মদ বিন কাসিম গালিব থেকে, তিনি হাসান থেকে, তিনি ইমরান বিন হুসাইন থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "কিয়ামত দিবসে আলেমদের কলমের কালি এবং শহীদদের রক্ত ওজন করা হবে, তখন শহীদদের রক্তের ওপর আলেমদের কালির পাল্লা ভারী হয়ে যাবে।" হাদিসটি দুর্বল।
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৪৭)
15 - أَنْشَدَنِي الْحُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ شَيْخٌ كَانَ قَدِمَ عَلَيْنَا مِنَ الرَّيِّفَكُلُّ مُتَّكِلٍ مِنَّا عَلَى حَسَبِهِفَإنَّ تَقْصِيرَهُ يَقْضِي عَلَى أَدَبِهِ … حَسْبُ امْرِئٍ مَا اقْتَنَاهُ مِنْ أدَبٍمِنْ دُونِ مَا يَقْتَنِيهِ مِنْ حَسَبِهِ … فَحَسْبُهُ فَضْلُهُ بِهِ نَسَبًاأَثْبَتُ عِنْدَ الفِخَارِ مِنْ نَسَبِهِ16 - أَنْشَدَنِي أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَابِرٍ الْفَارِسِيُّ أَنْشَدَنِي أَبُو الْقَاسِمِ يُوسُفُ بْنُ غَانِمٍ الدينَوَرِيحرض بنيك على الادب فِي الصِّغَرِكَيْمَا تَقَرَّ بِهِ عَيْنَاكَ فِي الكِبَرِ … فَإِنَّمَا مَثَلُ الْآدَاب بحفظها فِيعُنْفُوَانِ الصِّبَى كَالنَّقْشِ فِي الْحَجَرِ … فِيهَا الْكُنُوزُ الَّتِي تَعْمُرْ خَزَائِنُهَاوَلَا يُخَافُ عَلَيْهَا حَادِثُ الْغِيَرِإِنَّ الْأَدِيبَ وَإِنْ زَلَّتْ بِهِ قَدَمٌ … يَهْوِي عَلَى فُرُشِ الدِّيبَاجِ وَالسُّرُرِوَالعِلْمُ أَفْضَلُ مِيرَاثٍ وَأَشْرَفُهُ … لَا سِيَّمَا عِنْدَ ذِي الْأَحْسَابِ وَالْخَطَرِوَالعِلْمُ مَعْ أدَبٍ فِي ابْنٍ إِذَا اجْتَمَعَاعِنْدَ اللَّبِيبِ عَلَا فِي الْبَدْوِ وَالْحَضَرِ17 - أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى بْنِ أَبِي قُتَيْبَةَ الْغَنَوِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ فَأَقَرَّ بِهِ ثَنَا أَبُو جَعْفَرِ أَحْمَدُ بْنُ مُوسَى بْنِ إِسْحَاقَ الْحَمَّارُ ثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ يُونُسَ بْنِ خَبَابٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا نَقَصَ مَالٌ مِنْ صَدَقَةٍ فَتَصَدَّقُوا وَلَا عَفَا رَجُلٌ عَنْ مَظْلَمَةٍ إِلَّا زَادَهُ اللَّهُ بِهَا عِزًّا فَاعْفُوا يُعِزُّكُمُ اللَّهُ وَلَافَتَحَ رجل بَاب مَسْأَلَة يَسْأَلُ النَّاسُ إِلَّا
১৫ - হুসাইন ইবন আলী নামক একজন শায়খ, যিনি আমাদের নিকট রায় থেকে এসেছিলেন, তিনি আমাকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন:আমাদের মধ্যে যে ব্যক্তিই কেবল তার বংশগৌরবের ওপর নির্ভর করে,নিশ্চয়ই তার ত্রুটি তার শিষ্টাচারকে বিনষ্ট করে দেয় … একজন ব্যক্তির জন্য তার অর্জিত শিষ্টাচারই যথেষ্টতার অর্জিত বংশমর্যাদা অপেক্ষা … সুতরাং তার শ্রেষ্ঠত্বই তার জন্য বংশপরিচয় হিসেবে যথেষ্ট,যা গৌরবের সময়ে তার বংশপরিচয় অপেক্ষা অধিক সুদৃঢ়।১৬ - আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ ইবন জাবির আল-ফারিসি আমাকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: আবুল কাসিম ইউসুফ ইবন গানিম আদ-দিনাওয়ারি আমাকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন:শৈশবে তোমার সন্তানদের শিষ্টাচার শিখতে উৎসাহিত করো,যাতে বার্ধক্যে তা তোমার চোখকে শীতল করে। … কেননা শৈশববেলায় শিষ্টাচারমুখস্থ করার উদাহরণ হলো পাথরে খোদাই করার মতো। … এতে এমন সব ধনভাণ্ডার রয়েছে যার ভাণ্ডারগুলো সমৃদ্ধ হয়,আর তাতে কোনো পরিবর্তন বা বিপর্যয়ের ভয় থাকে না।নিশ্চয়ই শিষ্টাচারসম্পন্ন ব্যক্তির পা যদি কখনো পিছলে যায়, … তবে সে রেশমি বিছানা ও পালঙ্কের ওপরই পতিত হয়।আর জ্ঞান হলো সর্বোত্তম ও সর্বশ্রেষ্ঠ উত্তরাধিকার, … বিশেষ করে উচ্চবংশীয় ও প্রভাবশালীদের নিকট।যখন কোনো বুদ্ধিমান সন্তানের মাঝে জ্ঞান ও শিষ্টাচার একত্রে মিলিত হয়,তখন সে মরুভূমি ও জনপদে উচ্চমর্যাদা লাভ করে।১৭ - আবু আহমাদ উবাইদুল্লাহ ইবন মুসা ইবন আবি কুতাইবা আল-গানাওয়ি আমাদের নিকট পাঠ করে শুনিয়েছেন এবং তিনি তা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন: আবু জাফর আহমাদ ইবন মুসা ইবন ইসহাক আল-হাম্মার আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আবু নুআইম আল-ফাদল ইবন দুকাইন আমাদের নিকট সুফইয়ান থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি ইউনুস ইবন খাব্বাব থেকে, তিনি আবু সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "সদকার কারণে কোনো সম্পদ কমে যায় না, সুতরাং তোমরা সদকা করো। আর কোনো ব্যক্তি তার ওপর কৃত অন্যায়ের ক্ষমা করলে আল্লাহ তার মর্যাদা বৃদ্ধি ছাড়া আর কিছুই করেন না, সুতরাং তোমরা ক্ষমা করো, আল্লাহ তোমাদের সম্মানিত করবেন। আর কোনোব্যক্তি মানুষের কাছে যাচ্ঞার দরজা খোলে না তবে..."
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৪৮)
فتح الله عَلَيْهِ با بفقر لِأَن الْعِفَّة خير اسناده مُرْسل ضَعِيف والْحَدِيث صَحِيح
আল্লাহ তার জন্য দারিদ্র্যের একটি দুয়ার উন্মুক্ত করে দেন, কারণ আত্মসংযমই শ্রেয়। এর সনদটি মুরসাল ও দুর্বল, তবে হাদিসটি সহিহ।
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৫০)
18 - أَنْشَدَنا الشَّيْخُ أَبُو أَحْمَدَ عُبَيْدُ اللَّهِ أَنْشَدَنِي مُدْرَكٌ الشَّيْبَانِيُّفَإِنْ يَكُ عَنْ لِقَائِكَ غَابَ وَجْهِيفَلَمْ تَغِبِ الْمَوَدَّةُ وَالْإِخَاءُ … وَمَا زَالَتْ إِلَيْكَ تَتُوقُ نَفْسِي … عَلَى الْحَالَاتِ يَحْدُوهَا الْوَفَاءُ19 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْقَاسِمِ الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ السُّكُونِيُّ حَدثنِي مُحَمَّد ابْن خَلَفِ بْنِ الْمَرْزَبَانِ أَخْبَرَنِي سَعِيدُ بْنُ سَالِمٍ الرَّازِيُّ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الرَّجَاءِ قَالَ قَالَ الْخَلِيلُ بْنُ أَحْمَدَ أَرْبَعٌ تَعْرِفُ بِهِنَّ الْأُخْوَةَ الصَّفْحُ قَبْلَ الِانْتِقَادِ لَهُ وَتَقْدِيمُ حُسْنَ الظَّنِّ قَبْلَ التُّهْمَةِ وَبَذْلُ الْوُدِّ قَبْلَ الْمَسْأَلَةِ وَمَخْرَجُ الْعُذْرِ قَبْلَ الْعَيْبِ وَلِذَلِكَ نَقُولُأَخُوكَ الَّذِي يُعْطِيكَ قَبْلَ سُؤَالِهِوَيَصْفَحُ عِنْدَ الذَّنْبِ قَبْلَ التعتب … يقدم حسن الظَّن قَبْلَ اتِّهَامِهِ … وَيَقْبَلُ عُذْرَ الْمَرْءِ عِنْدَ جَهَالَتِهِ20 - أَخْبَرَنَا أَبُو الْهَيْثَمِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَوْنٍ الْعَوْنِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ فَأَقَرَّ بِهِ أَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَسَنُ بْنُ الطَّيِّبِ الشُّجَاعِيُّ ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى الصُّوفِيُّ ثَنَا نُعَيْمُ بْنُ يَعْقُوبَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ الْحَارِثِ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ قَالَ لي النَّبِي ص
১৮ - শেখ আবু আহমদ উবাইদুল্লাহ আমাদের কবিতা শুনিয়েছেন, তিনি বলেন: মুদরিক আশ-শাইবানি আমাকে শুনিয়েছেনযদি তোমার সাথে সাক্ষাতে আমার চেহারা অনুপস্থিতও থাকেতবে ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ব কখনো বিলীন হয় না … আর সকল অবস্থায় আমার প্রাণ তোমারই আকাঙ্ক্ষা করে … বিশ্বস্ততা তাকে সেদিকেই পরিচালিত করে১৯ - আবুল কাসিম আল-হাসান ইবনে মুহাম্মদ আস-সুকুনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে খালাফ ইবনুল মারজুবান আমাকে বলেছেন, তিনি বলেন: সাঈদ ইবনে সালিম আর-রাজি আমাকে সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: মুহাম্মদ ইবনে আবিল রাজা আমাকে বলেছেন, তিনি বলেন: খলিল ইবনে আহমদ বলেছেন: চারটি জিনিসের মাধ্যমে ভ্রাতৃত্ব চেনা যায়—সমালোচনা করার আগে ক্ষমা করা, অপবাদ দেওয়ার আগে সুধারণাকে প্রাধান্য দেওয়া, সাহায্য চাওয়ার আগেই ভালোবাসা বিলিয়ে দেওয়া এবং দোষ খোঁজার আগেই ওজর তালাশ করা। আর এ কারণেই আমরা বলিতোমার ভাই তো সেই, যে চাওয়ার আগেই তোমাকে দান করেএবং ভুল করলে ভর্ৎসনা করার আগেই ক্ষমা করে দেয় … সে অভিযোগ তোলার আগে সুধারণাকে অগ্রাধিকার দেয় … এবং অজ্ঞতাবশত ভুলের ক্ষেত্রে মানুষের ওজর গ্রহণ করে২০ - আবুল হাইসাম আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আউন আল-আউনি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন (তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং তিনি তা সমর্থন করেছেন), তিনি বলেন: আবু আলি আল-হাসান ইবনে আত-তাইয়্যিব আশ-শুজাঈ আমাদের সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন: আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া আস-সুফি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন। তিনি বলেন: নুয়াইম ইবনে ইয়াকুব আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন। তিনি বর্ণনা করেন আবু ইসহাক থেকে, তিনি আল-হারিস থেকে, তিনি আলী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৫১)
أَلَا أَدُلُّكَ عَلَى أَفْضَلِ مَكَارِمَ الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ تُعْطِي مَنْ حَرَمَكَ وَتَعْفُو عَمَّنْ ظَلَمَكَ وَتَصِلُ مَنْ قَطعك اسناده مُنكر جدا والْحَدِيثصَحِيح
আমি কি তোমাকে দুনিয়া ও আখিরাতের সর্বোত্তম চরিত্রের কথা বলে দেব না? তা হলো—যে তোমাকে বঞ্চিত করেছে তুমি তাকে দান করবে, যে তোমার ওপর জুলুম করেছে তুমি তাকে ক্ষমা করবে এবং যে তোমার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে তুমি তার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখবে। এর সনদ অত্যন্ত মুনকার।হাদীসটি সহীহ।
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
21 - حَدَّثَنَا أَبُو الْهَيْثَمِ ثَنَا الْحَسَنُ ثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرَ ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُؤَمَّلِ حَدَّثَنِي عَمْرو بن شُعَيْب اسناده ضَعِيف والْحَدِيث صَحِيح22 - وَثَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى الْبَلْخِيُّ ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ عَنْ حَجَّاجِ بْنِ أَرْطَأَةَ عَنْ عَمْرٍو عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ لِي بَنو عَم يسيؤون وَأُحْسِنُ وَيَقْطَعُونَ وَأَصِلُ وَأَعْفُو وَيَظْلِمُونَ أَفَأُكَافِئُهُمْ بِمَا يَصْنَعُونَ قَالَ لَا إِذا تتركوا جَمِيعًا إِذا أساؤوا فَأَحْسِنْ فَإِنَّكَ إِذَا فَعَلْتَ ذَلِكَ لَمْ يَزَلْ مَعَكَ عَلَيْهِمْ مِنَ الله ظهير اسناده ضَعِيفوَاللَّفْظُ لِحَدِيثِ ابْنِ نُمَيْرٍ
২১ - আবু হাইসাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, উসমান ইবনে আবি শায়বা আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে বিশর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনুল মুআম্মাল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আমর ইবনে শুআইব আমার নিকট বর্ণনা করেছেন; এর সনদ দুর্বল এবং হাদিসটি সহিহ।২২ - এবং ইয়াহইয়া ইবনে মুসা আল-বালখি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদুল্লাহ ইবনে নুমাইর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন হাজ্জাজ ইবনে আরতাহ থেকে, তিনি আমর থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার কিছু চাচাতো ভাই আছে, তারা আমার সাথে মন্দ আচরণ করে আর আমি তাদের সাথে ভালো আচরণ করি; তারা সম্পর্ক ছিন্ন করে আর আমি তা বজায় রাখি ও ক্ষমা করি; এবং তারা আমার ওপর জুলুম করে। তারা যা করে তার বিনিময়ে আমিও কি তাদের সাথে অনুরূপ প্রতিদানমূলক আচরণ করব? তিনি বললেন: না, এমতাবস্থায় তোমাদের সকলকেই (আল্লাহর বিশেষ সাহায্য থেকে) বঞ্চিত রাখা হবে। তারা যখন মন্দ আচরণ করবে, তুমি তখন ভালো আচরণ করো। কেননা তুমি যদি তা করো, তবে তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর পক্ষ থেকে সর্বদা তোমার সাথে একজন সাহায্যকারী থাকবে। এর সনদ দুর্বল।এবং শব্দবিন্যাস ইবনে নুমাইরের বর্ণিত হাদিস অনুযায়ী।
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
23 - حَدَّثَنَا أَبُو الْهَيْثَمِ ثَنَا الْحَسَنُ ثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى بْنُ وَاصِلٍ ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَاصِمٍ الْعَبَادَانِيُّ عَنْ حَفْصِ بْنِ عُمَرَ بْنِ أَبِي مَيْمُونٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَرَ بْنِ عَليّ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَلِيٍّ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ مَنْ كَثُرَ هَمُّهُ سَقِمَ بدنه وَمَا سَاءَ خُلُقُهُ عَذَّبَ نَفْسَهُ وَمَنْ لاحى الرِّجَال سَقَطت مرؤته وَذَهَبت كرامته اسناده ضَعِيف24 - حَدَّثَنَا أَبُو الْحُسَينِ عَلِيُّ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ أَحِيدَ الْقَطَّانُالْبَلْخِيُّ بِالْكُوفَةِ قَدِمَ حَاجًّا ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيَمَ الْبَوْشَنْجِيُّ ثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى الْأَنْصَارِيُّ ثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ ثَنَا الْحَكَمُ بْنُ مُصْعَبٍ الْقُرَشِيُّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بن عبد الله ابْن عَبَّاسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ عَنْ رَسُول الله ص
২৩ - আবু আল-হাইসাম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, হাসান আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আবদ আল-আলা ইবনে ওয়াসিল আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আহমদ ইবনে আসিম আল-আবাদানি হাফস ইবনে উমর ইবনে আবি মায়মুন থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উমর ইবনে আলী ইবনে আলী ইবনে আবি তালিব থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ ইবনে আলী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আলী থেকে বর্ণনা করেন যে, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: যার দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগ বেড়ে যায় তার শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে; যার চরিত্র মন্দ হয় সে নিজেকেই যন্ত্রণার মধ্যে নিপতিত করে; আর যে মানুষের সাথে ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হয় তার পৌরুষ বিনষ্ট হয় এবং তার সম্মান চলে যায়। এর সনদ দুর্বল।২৪ - আবু আল-হুসাইন আলী ইবনে আল-হাসান ইবনে আহিদ আল-কাত্তান আল-বালখি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি হজ্জ যাত্রী হিসেবে কুফায় এসেছিলেন; মুহাম্মদ ইবনে বকর আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম আল-বাওশানজি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, ইসহাক ইবনে মুসা আল-আনসারি আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-ওয়ালিদ ইবনে মুসলিম আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, আল-হাকাম ইবনে মুসআব আল-কুরাশি মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি তাঁর দাদা আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস থেকে, তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন...
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
قَالَ مَنْ أَكْثَرَ مِنَ الِاسْتِغْفَارِ جَعَلَ اللَّهُ لَهُ مِنْ كُلِّ هَمٍّ فَرَجًا وَمِنْ كُلِّ ضِيقٍ مَخْرَجًا وَرَزَقَهُ مِنْ حَيْثُ لَا يحْتَسب اسناده ضَعِيف
তিনি বলেছেন যে ব্যক্তি অধিক পরিমাণে ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করবে, আল্লাহ তার জন্য প্রতিটি দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির পথ এবং প্রতিটি সংকীর্ণতা থেকে বের হওয়ার পথ করে দেবেন, আর তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দান করবেন যা সে কল্পনাও করতে পারবে না। এর সনদ দুর্বল।
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
25 - حَدَّثَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ ثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ الرَّازِيُّ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْبَوْشَنْجِيُّ ثَنَا عِيسَى بْنُ إِبْرَاهِيمَ ثَنَا الْحَارِثُ بْنُ نَبْهَانَ ثَنَا عُتْبَةُ بْنُ يَقْظَانَ عَنْ أَبِي سَعْدٍ عَنْ مَكْحُولٍ عَن وائلة بْنِ الْأَسْقَعِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَا تُكَفِّرُوا أَهْلَ قِبْلَتِكُمْ وَإِنْ عَمِلُوا بِالْكَبَائِرِ وَصَلُّوا مَعَ كُلِّ إِمَامٍ وَجَاهِدُوا مَعَ كُلِّ أَمِيرٍ وصلوا على كل ميت اسناده ضَعِيف جدا26 - حَدَّثَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْحَنَفِيُّ الْهَرَوِيُّ ثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ مُحْمُودٍ ثَنَا مُحَمَّدُ بن الْوَلِيد ابْن أبان الْمصْرِيّ أَبُو السحن ثَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ سَمِعْتُ ابْنُ الْمُبَارَكِ يَقُولُ سَخَاءُ النَّاسِ عَمَّا فِي أَيْدِي النَّاسِ أَفْضَلُ مِنْ سَخَاءِ النَّاسِ بِالْبَذْلِ وُمُرُوءَةُ الْقَنَاعَةِ بِالرِّضَى أَفْضَلُ مِنْ مُرُوءَةِ الْبَذْلِ وَأَنْشَدَنَا ابْنَ الْمُبَارَكِمَا ذَاقَ طَعْمَ الْغِنَى مَنْ لَا قُنُوعَ لَهُوَلَنْ يُرَى قَانِعًا مَا عَاشَ مُفْتَقِرًا … بِالْعُرْفِ مَنْ يأْتِهِ تُحْمَدْ عَوَاقِبُهُ … مَا ضَاعَ عُرْفٌ وَإِنْ أَوْلَيْتهُ حَجَرًا
২৫ - আমাদের নিকট আবু আল-হুসাইন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট হাসান বিন মুহাম্মদ আর-রাজি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আল-বাওশানজি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ঈসা বিন ইবরাহিম বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আল-হারিস বিন নাবহান বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট উতবা বিন ইয়াকজান বর্ণনা করেছেন আবু সা’দ থেকে, তিনি মাকহুল থেকে, তিনি ওয়াসিলা বিন আল-আসকা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তোমাদের কিবলার অনুসারীদের (মুসলিমদের) কাফির বলো না, যদিও তারা কবিরা গুনাহে লিপ্ত হয়। প্রত্যেক ইমামের পেছনে সালাত আদায় করো, প্রত্যেক আমিরের সাথে জিহাদ করো এবং প্রত্যেক মৃত ব্যক্তির জানাযা পড়ো। এর সনদ অত্যন্ত দুর্বল।২৬ - আমাদের নিকট আবু আল-হুসাইন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-হানাফি আল-হারাউয়ি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট ইয়াকুব বিন ইসহাক বিন মাহমুদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট মুহাম্মদ বিন আল-ওয়ালিদ ইবন আবান আল-মিসরি আবু আস-সাহন বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমাদের নিকট নুআইম বিন হাম্মাদ বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন আমি ইবনুল মুবারককে বলতে শুনেছি: মানুষের যা অন্যের হাতে আছে (তা প্রাপ্তির লোভ) থেকে নিজেকে বিরত রাখার দানশীলতা, নিজের সম্পদ ব্যয় করার দানশীলতা অপেক্ষা উত্তম। আর অল্পে তুষ্টির সন্তুষ্টির মাধ্যমে যে মর্যাদা অর্জিত হয়, তা সম্পদ বিলিয়ে দেওয়ার মর্যাদার চেয়ে শ্রেষ্ঠ। ইবনুল মুবারক আমাদের নিকট এই কবিতা আবৃত্তি করেছেন:যার মাঝে তুষ্টি নেই, সে সচ্ছলতার প্রকৃত স্বাদ পায়নি।আর সন্তুষ্ট ব্যক্তিকে আমৃত্যু কখনোই অভাবী হিসেবে দেখা যাবে না। … সদাচারণের সাথে যে পথ চলবে, তার পরিণাম প্রশংসিত হবে। … সদাচারণ কখনো বৃথা যায় না, এমনকি যদি তুমি তা পাথরের সাথেও করো।
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৬০)
27 - أَخْبَرَنِي أَبِي عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ قِرَاءَةً عَلَيْهِ أَنَا أَبُو الْحُسَيْنِ مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الْقَزاز ثَنَا أَبُو سعيدأحمد بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ دَاوُدَ بْنِ سَالِمٍ الْجُنْدَيْسَابُورِيُّ مِنْ أُصُولِهِ ثَنَا أَيُّوبُ بْنُ نَصْرِ بْنِ مُوسَى الْبَغْدَادِيُّ الْعُصْفُرِيُّ ثَنَا عَلِيُّ بْنُ حَفْصٍ ثَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ جَمَّازٍ عَنْ عَوْنِ بْنِ أَبِي شَدَّادٍ وَيَزِيدَ الرُّقَّاشِيِّ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ مِنَ الْأَنْصَارِ بَابَ فَاطِمَةَ وَعَلِيًّا وَالرَّحَى بَينهمَا بتراوحانها وَالرَّحَى بِيَدِ عَلِيٍّ فَقَالَ عَنْ أَيِّكُمَا آخُذُ فَقَالَ عَلِيٌّ خُذْ عَنْ أَبِي الْحَسَنِ وَقَالَتْ فَاطِمَةُ خُذْ عَنْ بِنْتِ رَسُولِ اللَّهِ فَإِنَّهَا ضَعِيفَةٌ قَالَ الرَّجُلُ قَدْ أُتِيَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِسَبْيٍ فَقَالَ عَلِيٌّ عليه السلام ائْتِيهِ فَأَرِيهِ يَدَكِ وَأَخْبِرِيهِ أَنَّ يَدِي مِثْلُ يَدِكِ قَدْ كَلَّتَا مِنَ الطَّحْنِ وَالْعَجْنِ لَعَلَّهُ يَأْمُرُ لَنَا بِخَادِمٍ يَقِينَا حَرَّ مَا تَرَيْنَ مِنَ الْعَمَلِ فَأَتْتُهُ فَسَأَلَتْهُ فَقَالَ يَا فَاطِمَةُ إِنَّ الْمُهَاجِرِينَ أَحَقُّ بِذَلِكَ مِنْكِ آمُرُ لَكِ بِمَا هُوَ خَيْرٌ إِذَا أَوَيْتِ إِلَى فِرَاشِكِ فَسَبِّحِي اللَّهَ ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ وَاحْمَدِي اللَّهَ
২৭ - আমার পিতা আলী ইবনে মুহাম্মদ ইবনে জাফর তাঁর নিকট পাঠকালে আমাকে অবহিত করেছেন যে, আবু আল-হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে আহমদ আল-কাযযায আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, আবু সাঈদ আহমদ ইবনে সুলাইমান ইবনে দাউদ ইবনে সালিম আল-জুনদাইসাবুরি তাঁর মূল পাণ্ডুলিপি থেকে আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আইয়ুব ইবনে নাসর ইবনে মুসা আল-বাগদাদী আল-উসফুরি আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আলী ইবনে হাফস আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন, আল-হাইসাম ইবনে জাম্মায আমাদের হাদীস শুনিয়েছেন আউন ইবনে আবি শাদ্দাদ ও ইয়াযীদ আল-রাক্কাশি থেকে, তাঁরা আনাস ইবনে মালিক থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: জনৈক আনসারী ব্যক্তি ফাতিমা ও আলীর দরজায় এলেন। তখন তাঁদের উভয়ের মাঝে একটি যাঁতা ছিল এবং তাঁরা পালাক্রমে তা ঘুরাচ্ছিলেন, আর যাঁতাটি ছিল আলীর হাতে। তখন তিনি (লোকটি) বললেন, "আমি আপনাদের কার থেকে এটি গ্রহণ করব (সহযোগিতা করব)?" আলী বললেন, "আবু আল-হাসানের পক্ষ থেকে গ্রহণ করুন।" আর ফাতিমা বললেন, "রাসূলুল্লাহর কন্যার পক্ষ থেকে গ্রহণ করুন, কারণ সে দুর্বল।" লোকটি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট কিছু যুদ্ধবন্দী আনয়ন করা হয়েছিল। তখন আলী (আলাইহিস সালাম) বললেন, "তুমি তাঁর কাছে যাও এবং তাঁকে তোমার হাত দেখাও। তাঁকে বলো যে, আমার হাতও তোমার হাতের মতোই; যাঁতায় পেষণ এবং আটা ছানার কারণে উভয় হাতই অবসন্ন হয়ে পড়েছে। সম্ভবত তিনি আমাদের জন্য একজন খাদেমের ব্যবস্থা করার আদেশ দেবেন, যা তুমি যে পরিশ্রম দেখছ তার কষ্ট থেকে আমাদের রক্ষা করবে।" অতঃপর তিনি (ফাতিমা) তাঁর কাছে গেলেন এবং তাঁর কাছে আবেদন করলেন। তখন তিনি (রাসূলুল্লাহ) বললেন, "হে ফাতিমা! নিশ্চয়ই মুহাজিরগণ তোমার চেয়ে এর অধিক হকদার। আমি তোমাকে এমন একটি বিষয়ের নির্দেশ দিচ্ছি যা তোমার জন্য এর চেয়েও উত্তম; যখন তুমি তোমার বিছানায় আশ্রয় নেবে, তখন তেত্রিশ বার আল্লাহর তাসবীহ পাঠ করবে এবং আল্লাহর প্রশংসা (হামদ) করবে...
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৬১)
ثَلَاثًا وَثَلَاثِينَ وَكَبِّرِي اللَّهَ أَرْبَعًا وَثَلَاثِينَ وَاصْبِرِي فَأَتَتْ عَلِيًّا فَأَخْبَرَتْهُ فَقَالَ اصْبِرِي يَا فَاطِمَةُ ثُمَّ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أُتِيَ بَعْدَ ذَلِكَ بِسَبْيٍ فَأَخَذَ مِنْهُ غُلَامًا وَجَلَبَ لَبَنًا فِي عُلْبَةٍ وَأَخَذَ بِيَدِ الْغُلَامِ بِيَدٍ وَحَمَلَ الْعُلْبَةَ بِيَدٍ وَدَخَلَ عَلَيْهَا فَلَمَّا رَأَتْهُ فَاطِمَةُ قَامَتْ تَسْتَقْبِلُهُ وَعَلَيْهَا مِرْطٌ مِنْ صُوفٍ فَتَعْتَعَتْ بِهِ فَبَدَتْ رِجْلُهَا وَسَاقُهَا فَأَرْسَلَتْهُ فَبَدَا خَدُّهَا فَتَعْتَعَتْ وَجَلَسَتْ وَلَمْ تَصِلْ إِلَيْهِ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِنَّمَا هُوَ أَبُوكِ وَغُلَامُكِ فَنَاوَلَهَا الْعُلْبَةَ فَشَرِبَتْ ثُمَّ شَرِبَ هُوَ آخِرُهُمْ فَقَالَ يَا فَاطِمَةُ وَيَا عَلِيُّ هَذَا الْغُلَامُ لَكُمَا يَقِيكُمَا حَرَّ مَا تَجِدَانِ مِنَ الْعَمَلِ لَا تُكَلِّفُوهُ مَا لَا يَطِيقُ فَإِنْ كَلَّفْتُمُوهُ مَا لَا يَطِيقُ فَأَعِينُوهُ فَإِنْ رَضِيتُمُوهُ فَأَمْسِكُوهُ وَإِنْ كَرِهْتُمُوهُ فَبِيعُوهَ وَلَا تَضْرِبُوهُ فَإِنَّهُ يُصَلِّي وَقَدْ نَهَانِي اللَّهُ أَنْ أَضْرِبَ الْمُصَلِّين اسناده ضَعِيف والْحَدِيث فِيهِ الفاظ صَحِيحه28 - حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ الْفَارِسِيُّ قَدَّمَ عَلَيْنَا إِمْلَاءً مِنْ كِتَابِهِ أَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ طَرْخَانَ الْبَلْخِيُّ بِبَلْخٍ وَأَبُو سَعِيدِ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ بِشْرٍ بِمَكَّةَ وَجَمَاعَةٌ قَالُوا ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَيُوبَ الْقَرْنِيُّ ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الذَّهْلِيُّ ثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ قَالَ قَدِمْتُ مَكَّةَ فَوَجَدْتُ بِهَا أَبَا حَنِيفَةَ وَابْنَ أَبِي لَيْلَى وَابْنَ شُبْرُمَةَ فَسَأَلْتُ أَبَا حَنِيفَةَ فَقُلْتُ مَا تَقُولُ فِي رَجِلٍ بَاعَ بَيْعًا وَشَرَطَ شَرْطًا فَقَالَ الْبَيْعُ بَاطِلٌ وَالشَّرْطُ بَاطِلٌ ثُمَّ أَتَيْتُ ابْنَ أَبِي لَيْلَى فَقَالَ الْبَيْعُ جَائِزٌ وَالشَّرْطُ بَاطِلٌ ثُمَّ أَتَيْتُ ابْنَ شُبْرُمَةَ فَقَالَ الْبَيْعُ جَائِزٌ وَالشَّرْطُ جَائِزٌ فَقُلْتُ يَا سُبْحَانَ الله ثَلَاثَة فُقَهَاءِ أَهْلِ الْعِرَاقِ اخْتَلَفُوا عَلَيَّ فِي مَسْأَلَةٍ وَاحِدَةٍ فَأَتَيْتُ أَبَا حَنِيفَةَ فَأَخْبَرْتُهُ فَقَالَ مَا أَدْرِي مَا قَالَا ثَنَا عَمْرُو بْنُ شُعَيْب عَن ابيه عَن حَده أَنَّ
তেত্রিশ বার এবং আল্লাহর তাকবীর বলবে চৌত্রিশ বার, আর ধৈর্য ধরো। এরপর তিনি আলীর কাছে আসলেন এবং তাঁকে বিষয়টি জানালেন। তিনি বললেন, হে ফাতিমা, ধৈর্য ধরো। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে কিছু যুদ্ধবন্দি আনা হলো। তিনি তাদের মধ্য থেকে একটি বালক নিলেন এবং একটি পাত্রে দুধ নিয়ে আসলেন। তিনি এক হাত দিয়ে বালকের হাত ধরলেন এবং অন্য হাত দিয়ে পাত্রটি বহন করলেন এবং ফাতিমার কাছে প্রবেশ করলেন। ফাতিমা যখন তাঁকে দেখলেন, তখন তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে দাঁড়িয়ে গেলেন। তাঁর পরনে পশমের একটি চাদর ছিল যা নিয়ে তিনি হিমশিম খাচ্ছিলেন; ফলে তাঁর পা ও নলা প্রকাশিত হয়ে পড়ছিল। যখন তিনি কাপড় সামলাতে চাইলেন, তখন তাঁর গাল প্রকাশিত হয়ে পড়ল। তিনি কাপড় টেনে নিজেকে আবৃত করার চেষ্টা করলেন এবং বসে পড়লেন, তাঁর কাছে পৌঁছাতে পারলেন না। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, 'তিনি তো কেবল তোমার পিতা এবং এ তোমার বালক (ভৃত্য)।' অতঃপর তিনি তাকে পাত্রটি দিলেন এবং তিনি পান করলেন। এরপর তিনি (নবী) সবার শেষে পান করলেন। তারপর বললেন, হে ফাতিমা এবং হে আলী, এই বালকটি তোমাদের উভয়ের জন্য, সে তোমাদেরকে রক্ষা করবে কাজ করতে গিয়ে তোমরা যে কষ্ট পাও তা থেকে। তোমরা তাকে এমন কাজের ভার দিও না যা সে করতে সক্ষম নয়। যদি তাকে এমন কাজের ভার দাও যা সে করতে সক্ষম নয়, তবে তাকে সাহায্য করো। যদি তোমরা তাকে পছন্দ করো তবে তাকে রেখে দাও, আর যদি অপছন্দ করো তবে তাকে বিক্রি করে দাও। আর তাকে প্রহার করো না, কারণ সে সালাত আদায় করে। আর আল্লাহ আমাকে সালাত আদায়কারীদের প্রহার করতে নিষেধ করেছেন। এর সনদ দুর্বল এবং হাদীসটিতে কিছু সহীহ শব্দ রয়েছে।২৮ - আহমদ ইবনুল হাসান ইবনে আলী আল-ফারিসী আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি যখন আমাদের কাছে আসলেন তখন তাঁর কিতাব থেকে এটি শ্রুতলিপি (ইমলা) করিয়েছেন; আমাদের নিকট সংবাদ দিয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলী ইবনে তারখান আল-বালখী বালখ শহরে এবং আবু সাঈদ আহমদ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে বিশর মক্কায় এবং একদল বর্ণনাকারী; তাঁরা বলেছেন: আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুল্লাহ ইবনে আইয়ুব আল-কারনী, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন মুহাম্মদ ইবনে সুলাইমান আদ-দুহলী, আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন আব্দুল ওয়ারিস ইবনে সাঈদ। তিনি বলেন, আমি মক্কায় আসলাম এবং সেখানে আবু হানীফা, ইবনে আবী লায়লা এবং ইবনে শুবরুমাহকে পেলাম। আমি আবু হানীফাকে জিজ্ঞাসা করলাম এবং বললাম, আপনি এমন ব্যক্তি সম্পর্কে কী বলেন যে কোনো কিছু বিক্রয় করল এবং একটি শর্তারোপ করল? তিনি বললেন, বিক্রয় বাতিল এবং শর্তও বাতিল। এরপর আমি ইবনে আবী লায়লার কাছে গেলাম, তিনি বললেন, বিক্রয় বৈধ কিন্তু শর্ত বাতিল। এরপর আমি ইবনে শুবরুমাহর কাছে গেলাম, তিনি বললেন, বিক্রয় বৈধ এবং শর্তও বৈধ। তখন আমি বললাম, সুবহানাল্লাহ! ইরাকের তিনজন ফকীহ একটি মাসআলা সম্পর্কে আমার কাছে ভিন্ন ভিন্ন মত দিলেন। এরপর আমি আবু হানীফার কাছে আসলাম এবং তাঁকে বিষয়টি জানালাম। তিনি বললেন, তারা দুজন কী বলেছে আমি জানি না; আমাদের কাছে আমর ইবনে শুআইব তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন যে...
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৬২)
النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ بَيْعٍ وَشَرْطٍ الْبَيْعُ بَاطِلٌ وَالشَّرْطُ بَاطِلٌ ثُمَّ أَتَيْتُ ابْنَ أَبِي لَيْلَى فَأَخْبَرْتُهُ فَقَالَ مَا أَدْرِي مَا قَالَا ثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَ أَمَرَنِي رَسُولُ الله ص
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্রয়-বিক্রয় ও শর্তারোপ করতে নিষেধ করেছেন। বিক্রয় বাতিল এবং শর্তটিও বাতিল। অতঃপর আমি ইবনে আবি লাইলার নিকট আসলাম এবং তাঁকে এ বিষয়ে অবহিত করলাম। তিনি বললেন: তাঁরা দুইজন কী বলেছেন আমি জানি না। হিশাম বিন উরওয়াহ তাঁর পিতা থেকে এবং তিনি আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন; তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন...
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৬৩)
30 - أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ بْنُ أَبِي صَالِحٍ الْهَمَذَانِيُّ بِهَمَذَانَ ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحُسَيْنِ ثَنَا عَلِيُّ بْنُ قُتَيْبَةَ ثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ قَالَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بروا آبائكم تَبَرَّكُمْ أَبْنَاؤُكُمْ وَعِفُّوا تَعِفَّ نِسَاؤُكُمْ وَمَنْ تُنُصِّلَ إِلَيْهِ فَلَمْ
৩০ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ ইবনে আবি সালেহ আল-হামাযানি হামাযান শহরে, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন ইবরাহিম ইবনুল হুসাইন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আলি ইবনে কুতাইবা, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন মালিক ইবনে আনাস, আবু যুবাইর থেকে, তিনি জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমরা তোমাদের পিতাদের সাথে সদাচরণ করো, তবে তোমাদের সন্তানরাও তোমাদের সাথে সদাচরণ করবে। আর তোমরা পবিত্রতা বজায় রাখো, তবে তোমাদের নারীরাও পবিত্র থাকবে। আর যার নিকট ওজর পেশ করা হলো (ক্ষমা চাওয়া হলো), কিন্তু সে তা গ্রহণ করল না...
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৬৪)
يَقْبَلْ لَمْ يَرِدْ عَلَيَّ الْحَوْضَ اسناده ضَعِيف والْحَدِيث حسن لغيره
গ্রহণ করবে না, সে আমার নিকট হাউজে উপস্থিত হবে না; এর সনদ দুর্বল এবং হাদিসটি হাসান লি-গাইরিহি।
(খণ্ড: ১)
জুজু ইবনে আমশালিক
(পৃষ্ঠা: ৬৬)
31 - أَخْبَرَنَا أَبُو أَحْمَدَ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى بْنِ أَبِي قُتَيْبَةَ الْغَنَوِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ فَأَقَرَّ بِهِ ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُوسَى ثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ فُضَيْلِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ قَالَ قِيلَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم كَلِمَاتٌ سَمِعْنَاكَ تَقُولُهُنَّ فَقَالَ كَلِمَاتٌ عَلَّمَنِيهُنَّ جِبْرِيلُ كَفَّارَاتٌ لِمَا يَكُونُ فِي الْمَجْلِسِ سَبْحَانَكَ اللَّهُ وَبِحَمْدِكَ أَشْهَدُ أَنَّ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوب إِلَيْك اسناده مُرْسل ضَعِيف والْحَدِيث صَحِيح آخِره علقه يُوسُف سبط ابْن حجر الْعَسْقَلَانِي الْحَمد لله اولا وآخرا وظاهرا وَبَاطنا وسرا وَعَلَانِيَة صلى الله على سيدنَا مُحَمَّد وَآله وَصَحبه وَسلم حَسبنَا الله وَنعم الْوَكِيل
৩১ - আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু আহমাদ উবাইদুল্লাহ বিন মুসা বিন আবি কুতায়বা আল-গানাউয়ি, যা তাঁর নিকট পাঠ করা হয়েছে এবং তিনি তা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমাদ বিন মুসা, তিনি বলেন আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু নুআইম আল-ফাদল বিন দুকাইন, সুফিয়ান থেকে, তিনি মানসুর থেকে, তিনি ফুদায়েল বিন আমর থেকে, তিনি আবুল আলিয়াহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলা হয়েছে যে, আমরা আপনাকে কিছু কথা বলতে শুনেছি। তিনি বললেন এগুলো সেই বাক্যসমূহ যা জিবরাঈল আমাকে শিখিয়েছেন, যা মজলিশের (ত্রুটির) জন্য কাফফারা স্বরূপ: হে আল্লাহ, আপনার প্রশংসার সাথে আমি আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আপনি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই, আমি আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তন করছি। এর সনদ মুরসাল যঈফ, তবে হাদিসটির শেষাংশ সহীহ। এটি ইবনে হাজার আল-আসকালানির দৌহিত্র ইউসুফ বর্ণনা করেছেন। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য আদিতে ও অন্তে, প্রকাশ্য ও গোপনে এবং গোপনে ও প্রকাশ্যে। আমাদের নেতা মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সকল সাহাবীদের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না চমৎকার কর্মবিধায়ক।