(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: -)
الأحاديث التي خولف فيها مالك بن أنس القسم: كتب السنة
الكتاب: الأحاديث التي خولف فيها مالك بن أنس رضي الله عنه
المؤلف: أبو الحسن علي بن عمر بن أحمد بن مهدي بن مسعود بن النعمان بن دينار البغدادي الدارقطني (ت 385هـ)
المحقق: أبو عبد الباري رضا بن خالد الجزائري
الناشر: مكتبة الرشد - الرياض
الطبعة: الأولى، 1997م
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
عدد الصفحات: 163
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
যেসব হাদিসে মালিক ইবনে আনাসের বিরোধিতা করা হয়েছে বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
গ্রন্থ: যেসব হাদিসে মালিক ইবনে আনাস (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হোন) এর বিরোধিতা করা হয়েছে
লেখক: আবুল হাসান আলী ইবনে উমর ইবনে আহমদ ইবনে মাহদী ইবনে মাসউদ ইবনে নুমান ইবনে দীনার আল-বাগদাদী আদ-দারাকুতনী (মৃত্যু ৩৮৫ হিজরী)
গবেষক: আবু আবদ আল-বারী রিদা ইবনে খালিদ আল-জাজাইরি
প্রকাশক: মাকতাবাতুর রুশদ - রিয়াদ
সংস্করণ: প্রথম, ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দ
[বইটির পৃষ্ঠাসংখ্যা মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
পৃষ্ঠাসংখ্যা: ১৬৩
শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٤١)
بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِوَصَلَّى اللَّهُ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ وَآلِهِ وَسَلَّمَ تَسْلِيمًا كَثِيرًا
أَخْبَرَنَا الشَّيْخُ أَبُو مُحَمَّدٍ عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ ظَافِرٍ رَوَّاجٌ بِقِرَاءَتِي قَالَ أَنا الشَّيْخُ الإِمَامُ الْحَافِظُ أَبُو طَاهِر أَحْمد بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ السِّلَفِيُّ الأَصْبَهَانِيُّ قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ فِي يَوْمِ الْخَمِيسِ الرَّابِعَ عَشَرَ مِنْ جُمَادَى الأُولَى سَنَةَ اثْنَيْنِ وَسَبْعِينَ وَخَمْسمِائة قَالَ أَنا الشَّيْخ أَبُو الْحسن الْمُبَارَكُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ بْنِ أَحْمَدَ فِيمَا قَرَأْتُ عَلَيْهِ بِبَغْدَادَ أَنا أَبُو طَالِبٍ مُحَمَّدُ بن عَليّ ابْن الْفَتْحِ الْحَرْبِيُّ الزَّاهِدُ أَنا أَبُو الْحَسَنِ عَلِيُّ بْنُ عُمَرَ بْنِ أَحْمَدَ الدَّارَقُطْنِيُّ الْحَافِظُ فِي كِتَابِهِ قَالَ
1 -
ذِكْرُ الأَحَادِيثِ الَّتِي رَوَاهَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ وَخَالَفَهُ أَصْحَابُ الزُّهْرِيِّ فِيهَا1 - رَوَى مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَوْفٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سُهَيْلٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ (مَنْ ظَلَمَ شِبْرًا مِنَ الأَرْضِ طُوِّقَهُ مِنْ سَبْعِ أَرَضِينَ)
وَرُبَّمَا قَالَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَمْرِو بْنِ سُهَيْلٍ
هَكَذَا حَدَّثَ بِهِ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ عَنْ مَالِكٍ وَلَيْسَ هُوَ فِي الْمُوَطَّإِ
পরম করুণাময়, অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।আল্লাহ আমাদের নেতা মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজনের ওপর অজস্র সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন।
আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবু মুহাম্মাদ আব্দুল ওয়াহহাব ইবন জাফর রাওয়াজ, আমার পাঠের মাধ্যমে, তিনি বলেছেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ ইমাম হাফেজ আবু তাহের আহমদ ইবন মুহাম্মাদ ইবন ইব্রাহিম আস-সিলাফি আল-আসবাহানি, তাঁর নিকট পাঠ করার মাধ্যমে এবং আমি শুনছিলাম ৫৭২ হিজরি সনের ১৪ই জুমাদাল উলা বৃহস্পতিবার দিনে। তিনি বলেন: আমাদের সংবাদ দিয়েছেন শায়খ আবুল হাসান আল-মুবারক ইবন আব্দুল জাব্বার ইবন আহমদ, বাগদাদে তাঁর নিকট আমার পাঠের মাধ্যমে। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আবু তালিব মুহাম্মাদ ইবন আলি ইবন আল-ফাতহ আল-হারবি আজ-জাহিদ। আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হাফেজ আবু হাসান আলি ইবন উমর ইবন আহমদ আদ-দারাকুতনি তাঁর কিতাবে, তিনি বলেছেন:
১ -
সেই সকল হাদিসের বর্ণনা যা মালিক ইবন আনাস যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন এবং যুহরির (অন্যান্য) ছাত্ররা এক্ষেত্রে তাঁর বিরোধিতা করেছেন।১ - মালিক ইবন আনাস যুহরি থেকে, তিনি তালহা ইবন আব্দুল্লাহ ইবন আওফ থেকে, তিনি আব্দুর রহমান ইবন সুহাইল থেকে, তিনি সাঈদ ইবন যায়েদ থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, "যে ব্যক্তি এক বিঘত পরিমাণ জমি অন্যায়ভাবে দখল করবে, সাত তবক জমিন তার গলায় বেড়ি স্বরূপ পরিয়ে দেওয়া হবে।"
কখনও তিনি আব্দুর রহমান ইবন আমর ইবন সুহাইল থেকে (বলেছেন)।
এভাবেই আব্দুল্লাহ ইবন ওয়াহব মালিক থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, তবে এটি মুওয়াত্তায় নেই।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٤٢)
رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ مَعْمَرٌ وَمُحَمَّدُ بْنُ الْوَلِيدِ الزُّبَيْدِيُّ وَشُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ وَعُقَيْلُ بْنُ خَالِدٍ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ خَالِدِ بْنِ مُسَافِرٍ وَأَبُو أُوَيْسٍ وَغَيْرُهُمْ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَوْفٍ
এই হাদিসটি মা’মার, মুহাম্মদ ইবনুল ওয়ালিদ আয-যুবায়দী, শুয়াইব ইবনে আবী হামযাহ, উকাইল ইবনে খালিদ, আবদুর রহমান ইবনে খালিদ ইবনে মুসাফির, আবু উওয়াইস এবং অন্যান্যরা যুহরী থেকে, আর তিনি তালহা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আওফ থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٤٣)
وَهَذَا حَدِيثٌ آخَرُ2 - رَوَى مَالِكٌ فِي الْمُوَطَّإِ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَمْرَةَ عَنْ عَائِشَةَ (كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا اعْتَكَفَ يُدْنِي إِلَيَّ رَأْسَهُ فَأُرَجِّلُهُ)
خَالَفَهُ عُقَيْلُ بْنُ خَالِدٍ وَيُونُسُ بْنُ يَزِيدَ وَاللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ فَرَوَوْهُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ وَعَمْرَةَ عَنْ عَائِشَةَ وَقِيلَ ذَلِكَ عَنِ الأَوْزَاعِيِّ
আর এটি অপর একটি হাদিস২ - ইমাম মালিক আল-মুওয়াত্তায় যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আমরাহ থেকে এবং তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ইতিকাফে থাকতেন, তখন তিনি আমার দিকে তাঁর মাথা বাড়িয়ে দিতেন এবং আমি তা আঁচড়ে দিতাম।)
উকাইল ইবন খালিদ, ইউনুস ইবন ইয়াজিদ এবং লায়স ইবন সা'দ তাঁর বিরোধিতা করেছেন; তাঁরা এটি যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ ও আমরাহ থেকে এবং তাঁরা আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন। আওযাঈ থেকেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٤٤)
وَتَابَعَهُمُ ابْنُ جُرَيْجٍ وَالزُّبَيْدِيُّ وَالأَوْزَاعِيُّ وَمَعْمَرٌ وَزِيَادُ بْنُ سَعْدٍ وَابْنُ أَخِي الزُّهْرِيِّ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ نَمِرٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ أَبِي حَفْصَةَ وَسُفْيَانُ بْنُ حُسَيْنٍ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُدَيْلٍ وَغَيْرُهُمْ فَرَوَوْهُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ لَمْ يَذْكُرُوا فِيهِ عَمْرَةَ وَيُشْبِهُ أَنْ يَكُونَ الْقَوْلُ قَوْلَهُمْ لِكَثْرَةِ عَدَدِهِمْ وَاتِّفَاقِهِمْ عَلَى خِلافِ مَالك
এবং তাঁদের অনুসরণ করেছেন ইবনে জুরাইজ, আয-যুবাইদি, আল-আওযায়ি, মা'মার, যিয়াদ ইবনে সা'দ, ইবনুল আখি আয-যুহরি, আব্দুর রহমান ইবনে নামির, মুহাম্মদ ইবনে আবি হাফসা, সুফিয়ান ইবনে হুসাইন, আব্দুল্লাহ ইবনে বুদাইল এবং অন্যান্যরা। তাঁরা এটি আয-যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে এবং তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন; তাঁরা এতে আমরাহ-এর কথা উল্লেখ করেননি। তাঁদের সংখ্যাধিক্য এবং মালিকের বিপরীতে তাঁদের ঐকমত্যের কারণে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, তাঁদের বক্তব্যই সঠিক।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٤٥)
وَقَدْ رَوَاهُ أَنَسُ بْنُ عِيَاضٍ أَبُو ضَمْرَةَ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ عَنِ الزُّهْرِيِّ فَوَافَقَ مَالِكًا وَلا نَعْلَمُ أَحَدًا تَابَعَ أَبَا ضَمْرَةَ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ عَلَى هَذِهِ الرِّوَايَةِ وَالله أعلم
আর এটি আনাস ইবন ইয়াদ আবু দামরা উবায়দুল্লাহ ইবন উমর থেকে, তিনি যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন; ফলে তিনি মালিকের সাথে একমত হয়েছেন। আর উবায়দুল্লাহর সূত্রে এই বর্ণনায় আবু দামরাকে অন্য কেউ অনুসরণ করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। আল্লাহ-ই সবচেয়ে ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٤٦)
وَهَذَا حَدِيثٌ آخَرُ3 - رَوَى مَالِكٌ فِي الْمُوَطَّإِ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ (لَيْسَ الشَّدِيدُ بِالصُّرَعَةِ)
وَتَابَعَهُ أَبُو أويس
এবং এটি আরেকটি হাদিস৩ - মালিক আল-মুয়াত্তায় যুহরি থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন (কুস্তিতে অন্যকে ধরাশায়ী করতে পারা ব্যক্তিই প্রকৃত শক্তিশালী নয়)
আবু উওয়াইসও তাঁর অনুকরণে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٤٧)
وَقَالَ عَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ سَمَاعُهُمَا فِي كِتَابٍ وَاحِدٍ
وَرَوَاهُ يُونُسُ وَعُقَيْلٌ وَمَعْمَرٌ وَشُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ وَالزُّبَيْدِيُّ وَغَيْرُهُمْ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَاللَّهُ أَعْلَمُ بِالصَّوَابِ
আলী ইবনুল মাদীনী বলেন, তাঁদের উভয়ের শ্রবণ একটি কিতাবে রয়েছে।
আর এটি বর্ণনা করেছেন ইউনুস, উকাইল, মা’মার, শুয়াইব ইবনে আবি হামযাহ, যুবায়দী এবং অন্যান্যরা যুহরী থেকে, তিনি হুমাইদ ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আউফ থেকে, তিনি আবু হুরায়রা থেকে; আর আল্লাহই সঠিক বিষয়ে সর্বাধিক পরিজ্ঞাত।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٤٨)
وَهَذَا حَدِيثٌ آخَرُ4 - رَوَى مَالِكٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ وَأَبِي عُبَيْدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ (نَحْنُ أَحَقُّ بِالشَّكِّ مِنْ إِبْرَاهِيمَ)
وَتَابعه بن أُوَيْسٍ
وَخَالَفَهُمَا يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ وَعُقَيْلٌ وَحَفْصُ بْنُ غَيْلانَ فَرَوَوْهُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدٍ وَأَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَاللَّهُ أَعْلَمُ
এটি অপর একটি হাদীস৪ - মালিক বর্ণনা করেছেন যুহরী থেকে, তিনি সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব ও আবু উবায়দ থেকে, তাঁরা আবু হুরায়রা থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন: (ইবরাহীমের তুলনায় আমরাই সন্দেহের অধিক হকদার)
আর ইবনে উওয়াইস তাঁর অনুসরণ করেছেন
তবে ইউনুস ইবনে ইয়াযীদ, উকাইল এবং হাফস ইবনে গায়লান তাঁদের উভয়ের বিরোধিতা করেছেন। তাঁরা এটি যুহরী থেকে, তিনি সাঈদ ও আবু সালামাহ থেকে এবং তাঁরা আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন। আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٤٩)
وَهَذَا حَدِيثٌ آخَرُ5 - رَوَى مَالِكٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ (أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ أَخَّرَ الصَّلاةَ يَوْمًا) الْحَدِيثَ
قَالَ فِيهِ (فَدَخَلَ عَلَى الْمُغِيرَةِ أَبُو مَسْعُودٍ عُقْبَةُ بْنُ عَامِرٍ الأَنْصَارِيُّ وَهُوَ جَدُّ زَيْدِ بْنِ حَسَنٍ)
قَالَ ذَلِكَ جُوَيْرِيَةُ عَنْ مَالِكٍ وَلَمْ يُسَمِّهِ عَنْ مَالِكٍ غَيْرُهُ وَوَهِمَ وَإِنَّمَا هُوَ عُقْبَةُ بْنُ عَمْرٍو الأَنْصَارِيُّ
وَهَذَا حَدِيثٌ آخَرُ
6 - رَوَى مَالِكٌ فِي الْمُوَطَّإِ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ رَجُلٍ مِنْ آلِ خَالِدِ بْنِ أُسَيْدٍ أَنَّهُ سَأَلَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ قَالَ (أَنا لَا نَجِدُ صَلاةَ السَّفَرِ فِي الْقُرْآنِ) الْحَدِيثَ
এটি আরেকটি হাদিস৫ - মালেক যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন (যে, উমর ইবনে আবদুল আজিজ একদিন সালাত বিলম্বিত করেছিলেন) হাদিসটি।
তিনি তাতে বলেছেন (অতঃপর মুগিরার নিকট আবু মাসউদ উকবাহ ইবনে আমের আনসারি প্রবেশ করলেন, আর তিনি হলেন যায়দ ইবনে হাসানের দাদা)।
জুওয়াইরিয়াহ মালেক থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, আর তিনি ব্যতীত অন্য কেউ মালেক থেকে তার নাম উল্লেখ করেননি এবং তিনি ভুল করেছেন; প্রকৃতপক্ষে তিনি হলেন উকবাহ ইবনে আমর আনসারি।
এটি আরেকটি হাদিস
৬ - মালেক মুওয়াত্তায় যুহরি থেকে, তিনি খালিদ ইবনে আসিদের বংশের এক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে উমরকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন: (আমরা কুরআনে সফরের সালাত খুঁজে পাই না) হাদিসটি।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٥٠)
خَالَفَهُ جَمَاعَةٌ مِنْ أَصْحَابِ الزُّهْرِيِّ مِنْهُمْ يُونُسُ وَعُقَيْلٌ وَمَعْمَرٌ وَاللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ وَفُلَيْحُ بْنُ سُلَيْمَانَ وَغَيْرُهُمْ فَرَوَوْهُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ عَنْ أُمَيَّةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ خَالِدِ بْنِ أُسَيْدٍ (أَنَّهُ سَأَلَ ابْنَ عُمَرَ) وَهُوَ الصَّوَابُ
ইমাম যুহরীর একদল শিষ্য তাঁর বিরোধিতা করেছেন; তাঁদের মাঝে রয়েছেন ইউনুস, উকাইল, মা'মার, লাইস বিন সাদ, ফুলাইহ বিন সুলায়মান ও অন্যান্যরা। তাঁরা যুহরী থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আবী বকর বিন আব্দুর রহমান বিন আল-হারিস বিন হিশাম থেকে, তিনি উমাইয়্যাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন খালিদ বিন আসীদ থেকে বর্ণনা করেছেন (যে তিনি ইবনে উমরকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন); আর এটিই সঠিক।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٥١)
وَهَذَا حَدِيثٌ آخَرُ7 - رَوَى مَالِكٌ فِي الْمُوَطَّإِ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ (أَنَّ أَبَا حُذَيْفَةَ بْنَ عُتْبَةَ كَانَ قَدْ تَبَنَّى سَالِمًا وَأَنْكَحَهُ بِنْتَ أَخِيهِ فَاطِمَةَ بِنْتَ الْوَلِيدِ)
لَمْ يَذْكُرْ فِي إِسْنَادِهِ عَائِشَةَ وَقَالَ بِنْتَ أَخِيهِ فَاطِمَةَ
خَالَفَهُ جَمَاعَةٌ مِنْ أَصْحَابِ الزُّهْرِيِّ مِنْهُمْ يُونُسُ وَعُقَيْلٌ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ خَالِدِ بْنِ مُسَافِرٍ وَمَعْمَرٌ وَيَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الأَنْصَارِيُّ وَابْنُ أَخِي الزُّهْرِيِّ وَشُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ وَهَبَّارُ بْنُ عُقَيْلٍ وَغَيْرُهُمْ فَرَوَوْهُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَن عَائِشَة
এটি অন্য একটি হাদীস৭ - মালিক মুওয়াত্তায় যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন (যে, আবু হুযাইফা ইবনে উতবা সালেমকে পালক পুত্র হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন এবং তাকে তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্রী ফাতিমা বিনতে আল-ওয়ালিদের সাথে বিবাহ দিয়েছিলেন।)
তিনি তাঁর সনদে আয়িশার উল্লেখ করেননি এবং বলেছেন ‘তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্রী ফাতিমা’।
যুহরীর একদল সাথী তাঁর বিরোধিতা করেছেন, যাঁদের মধ্যে রয়েছেন ইউনুস, উকাইল, আবদুর রহমান ইবনে খালিদ ইবনে মুসাফির, মা’মার, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-আনসারী, যুহরীর ভ্রাতুষ্পুত্র, শুআইব ইবনে আবি হামযাহ, হাব্বার ইবনে উকাইল এবং আরও অনেকে; তাঁরা এটি যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়িশা থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٥٢)
وَمِنْهُمْ مَنْ أَضَافَ إِلَى عُرْوَةَ رَجُلا وَأَسْنَدُوهُ عَنْ عَائِشَةَ
وَأَسْنَدَهُ شُعَيْبٌ عَنْ عَائِشَةَ وَأُمِّ سَلمَة
তাদের মধ্যে এমন ব্যক্তিও আছেন যিনি উরওয়ার সাথে একজন ব্যক্তিকে যুক্ত করেছেন এবং তারা সেটি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন।
আর শুআইব এটি আয়েশা ও উম্মে সালামাহ (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٥٣)
وَخَالَفُوهُ أَيْضًا فِي اسْمِ بِنْتِ أَخِي أَبِي حُذَيْفَةَ بْنِ عُتْبَةَ فَسَمَّوْهَا هِنْدَ بِنْتَ الْوَلِيدِ وَهُوَ الصَّوَابُ وَاللَّهُ أَعْلَمُ
وَهَذَا حَدِيثٌ آخَرُ8 - رَوَى جُوَيْرِيَةُ عَنْ مَالِكٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نَوْفَلِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ حَدَّثَهُ أَنَّ عبد الْمُطَّلِبَ بْنَ رَبِيعَةَ حَدَّثَهُ قَالَ (اجْتَمَعَ رَبِيعَةُ بْنُ الْحَارِثِ وَالْعَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ) فَذَكَرَ الْحَدِيثَ بِطُولِهِ وَتَزْوِيجُ الْفَضْلِ بْنِ الْعَبَّاسِ وَعَبْدِ الْمُطَّلِبِ بْنِ رَبِيعَةَ مِنَ الْخُمُسِ
خَالَفَهُ صَالِحُ بْنُ كَيْسَانَ وَيُونُسُ بْنُ يَزِيدَ وَأَبُو أُوَيْسٍ وَغَيْرُهُمْ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ نَوْفَلِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ وَهُوَ الصَّوَابُ
তারা আবু হুযাইফা ইবনে উতবাহর ভ্রাতুষ্পুত্রীর নামের ক্ষেত্রেও তাঁর বিরোধিতা করেছেন এবং তাঁরা তাঁকে হিন্দ বিনতে আল-ওয়ালিদ নামে অভিহিত করেছেন, আর এটাই সঠিক এবং আল্লাহই ভালো জানেন।
এটি অন্য একটি হাদিস৮ - জুয়াইরিয়া মালিক থেকে, তিনি যুহরী থেকে বর্ণনা করেছেন যে, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে নাওফাল ইবনে আল-হারিস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব তাঁকে বর্ণনা করেছেন যে, আব্দুল মুত্তালিব ইবনে রাবীআ তাঁকে হাদীসটি বর্ণনা করে বলেছেন: (রাবীআ ইবনে আল-হারিস এবং আল-আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব একত্রিত হলেন), এরপর তিনি বিস্তারিতভাবে হাদীসটি এবং আল-ফাদল ইবনে আল-আব্বাস ও আব্দুল মুত্তালিব ইবনে রাবীআর বিবাহ এবং খুমুস থেকে প্রাপ্ত সম্পদ সংক্রান্ত বিষয়াদি উল্লেখ করেছেন।
সালিহ ইবনে কায়সান, ইউনুস ইবনে ইয়াযীদ, আবু উওয়াইস এবং অন্যান্যরা যুহরী থেকে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে তাঁর বিরোধিতা করেছেন; তাঁরা আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-হারিস ইবনে নাওফাল ইবনে আব্দুল মুত্তালিব (সূত্রে) বর্ণনা করেছেন এবং এটাই সঠিক।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٥٤)
وَهَذَا حَدِيثٌ آخَرُ9 - رَوَى مَالِكٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ وَخَارِجَةَ بْنِ زَيْدٍ (أَنَّ أَبَا بَكْرٍ كَانَ قَدْ جَمَعَ الْقُرْآنَ فِي قَرَاطِيسَ)
رَوَاهُ عَنْهُ مَعْنُ بْنُ عِيسَى وَابْنُ وَهْبٍ كَذَلِكَ قَالَهُ الْبَرْمَكِيُّ عَنْ مَعْنٍ
وَقَالَ خَلَفُ بْنُ سَالِمٍ عَنْ مَعْنٍ سَالِمٌ أَوْ خَارِجَةُ
وَكَذَلِكَ قَالَ الأُوَيْسِيُّ بِالشَّكِّ
وَقِيلَ عَنْهُ عَنْ مَالِكٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ خَارِجَةَ
رَوَاهُ أَصْحَابُ الزُّهْرِيِّ مِنْهُمْ يُونُسُ وَعُقَيْلٌ وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ وَشُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ خَالِدِ بْنِ مُسَافِرٍ وَابْنُ عُيَيْنَةَ وَيَزِيدُ بْنُ أَبِي حَبِيبٍ وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُجَمّعٍ وَغَيْرُهُمْ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ بْنِ السَّبَّاقِ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ
এবং এটি অন্য একটি হাদিস৯ - মালিক যুহরি থেকে, তিনি সালিম ও খারিজা ইবনে যায়েদ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, (আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু কুরআনকে বিভিন্ন কাগজে একত্রিত করেছিলেন)।
তার থেকে মা’ন ইবনে ঈসা ও ইবনুল ওয়াহাবও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, বারমাকি মা’ন থেকে এমনটাই উল্লেখ করেছেন।
খালাফ ইবনে সালিম মা’ন থেকে বর্ণনা করে বলেছেন: "সালিম অথবা খারিজা" (সন্দেহের সাথে)।
অনুরূপভাবে উওয়ায়সীও সন্দেহের সাথে এটি বর্ণনা করেছেন।
আবার মালিকের সূত্রে যুহরি থেকে, তিনি সালিম থেকে এবং তিনি খারিজা থেকে বর্ণনা করেছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
যুহরির ছাত্রবৃন্দ এটি বর্ণনা করেছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন ইউনুস, উকাইল, ইবরাহিম ইবনে সা’দ, শুয়াইব ইবনে আবু হামজাহ, আবদুর রহমান ইবনে খালিদ ইবনে মুসাফির, ইবনুল উয়াইনাহ, ইয়াজিদ ইবনে আবু হাবিব, ইবরাহিম ইবনে ইসমাইল ইবনে মুজাম্মি’ এবং অন্যান্যরা; তারা সকলে যুহরি থেকে, তিনি উবাইদ ইবনে সাব্বাক থেকে এবং তিনি যায়েদ ইবনে সাবিত থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٥٥)
وَقَالَ عُمَارَةُ بْنُ غَزِيَّةَ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ خَارِجَةَ بْنِ زَيْدٍ عَنْ أَبِيهِ
وَهَذَا حَدِيثٌ آخَرُ1 - رَوَى مَالِكٌ فِي الْمُوَطَّإِ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ (أَنَّ أُمَّ سُلَيْمٍ قَالَتْ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي الْمَرْأَةِ تَحْتَلِمُ)
لَمْ يَذْكُرْ فِي الْمُوَطَّإِ عَائِشَةَ
وَتَابَعَهُ ابْنُ أخي الزُّهْرِيّ
এবং উমারা ইবনে গাজিয়্যাহ যুহরি থেকে, তিনি খারিজাহ ইবনে যাইদ থেকে এবং তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন।
এবং এটি অন্য একটি হাদিস১ - মালিক আল-মুওয়াত্ত্বায় যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে বর্ণনা করেছেন (যে, উম্মে সুলাইম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এমন মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যার স্বপ্নদোষ হয়)
তিনি আল-মুওয়াত্ত্বায় আয়েশার কথা উল্লেখ করেননি
এবং যুহরির ভ্রাতুষ্পুত্র তাঁর অনুসরণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٥٦)
خَالَفَهُ عُقَيْلٌ وَيُونُسُ وَالزُّبَيْدِيُّ فَرَوَوْهُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ (أَنَّ أُمَّ سُلَيْمٍ)
وَكَذَلِكَ قَالَ ابْنُ أَبِي الْوَزِيرِ عَنْ مَالِكٍ وَتَابَعَهُ حُبَابُ بْنُ جَبَلَةَ
উকাইল, ইউনুস এবং যুবাইদী তাঁর বিরোধিতা করেছেন; তাঁরা এটি যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে এবং তিনি আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন (যে উম্মু সুলাইম...)
অনুরূপভাবে ইবন আবিল ওয়াযীর মালিক থেকে বর্ণনা করেছেন এবং হুবাব ইবন জাবালাহ তাঁর অনুসরণ করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٥٧)
وَهَذَا حَدِيثٌ آخَرُ11 - رَوَى مَالِكٌ فِي الْمُوَطَّإِ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ابْن عَبْدٍ عَنْ عُمَرَ (سَمِعْتُ هِشَامَ بْنَ حَكِيمٍ يَقْرَأُ سُورَةَ الْفُرْقَانِ عَلَى غَيْرِ مَا أَقْرَؤُهَا وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَقْرَأَنِيهَا)
خَالَفَهُ مَعْمَرٌ وَشُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ وَيُونُسُ وَعُقَيْلٌ وَابْنُ أَخِي الزُّهْرِيِّ وَغَيْرُهُمْ وَإِسْحَاقُ بْنُ يَحْيَى الْكَلْبِيُّ وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي زِيَادٍ رَوَوْهُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدٍ عَن عمر
এটি আরেকটি হাদিস১১ - মালিক মুওয়াত্তায় বর্ণনা করেছেন যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আবদুর রহমান ইবন আবদ থেকে, তিনি উমর (রা.) থেকে: (আমি হিশাম ইবন হাকিমকে সূরা আল-ফুরকান এমনভাবে পাঠ করতে শুনেছি যা আমার পাঠ করার পদ্ধতি থেকে ভিন্ন ছিল, অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এটি এভাবে পড়িয়েছিলেন।)
মা'মার, শুয়াইব ইবন আবি হামযাহ, ইউনুস, উকাইল, ইবন আখিয যুহরি এবং অন্যান্যরা এবং ইসহাক ইবন ইয়াহইয়া আল-কালবি ও উবায়দুল্লাহ ইবন আবি যিয়াদ তাঁর বিরোধিতা করেছেন; তারা এটি বর্ণনা করেছেন যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি মিসওয়ার ইবন মাখরামাহ এবং আবদুর রহমান ইবন আবদ থেকে, তারা উমর (রা.) থেকে।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٥٨)
وَهَذَا حَدِيثٌ آخَرُ12 - رَوَاهُ مَالِكٌ فِي الْمُوَطَّإِ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ مُرْسَلا أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ (إِنَّ بِلالا يُنَادِي بِلَيْلٍ)
وَحَدَّثَ بِهِ فِي غَيْرِ الْمُوَطَّإِ مُتَّصِلا عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ
وَكَذَلِكَ رَوَاهُ أَصْحَابُ الزُّهْرِيِّ عَنِ الزُّهْرِيِّ
এবং এটি অন্য একটি হাদিস১২ - ইমাম মালিক এটি মুওয়াত্তায় যুহরি থেকে, তিনি সালিম থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, "নিশ্চয়ই বিলাল রাতে আজান দেয়।"
এবং মুওয়াত্তা ব্যতীত অন্য সূত্রে এটি সালিম থেকে তাঁর পিতার মাধ্যমে মুত্তাসিল (সংযুক্ত) হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।
অনুরূপভাবে যুহরির ছাত্রগণ এটি যুহরি থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٥٩)
وَهَذَا حَدِيثٌ آخَرُ13 - رَوَى مَالِكٌ فِي الْمُوَطَّإِ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ مُرْسَلا أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَرَّ بِرَجُلٍ يَعِظُ أَخَاهُ فِي الْحَيَاءِ فَقَالَ (دَعْهُ فَإِنَّ الْحَيَاءَ مِنَ الإِيمَانِ)
رَوَاهُ فِي غَيْرِ الْمُوَطَّإِ مُتَّصِلا عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ
এটি অন্য একটি হাদীস১৩ - মালিক মুওয়াত্তা গ্রন্থে যুহরী থেকে, তিনি সালিম থেকে মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন এক ব্যক্তির নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন যিনি তাঁর ভাইকে লজ্জা সম্পর্কে নসীহত করছিলেন। তখন তিনি বললেন: (তাকে ছেড়ে দাও, কেননা লজ্জা ঈমানের অন্তর্ভুক্ত।)
তিনি এটি মুওয়াত্তা ব্যতীত অন্যান্য গ্রন্থে যুহরী থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে মুত্তাসিল (সংযুক্ত) সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٦٠)
وَكَذَلِكَ رَوَاهُ أَصْحَابُ الزُّهْرِيِّ عَنْهُ
এবং অনুরূপভাবে যুহরীর ছাত্রগণ তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٦١)
وَهَذَا حَدِيثٌ آخَرُ14 - رَوَى مَالِكٌ فِي الْمُوَطَّإِ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ مُرْسَلا (أَنَّ عُمَرَ بَيْنَمَا هُوَ يَخْطُبُ إِذْ دَخَلَ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ مَا زِدْتُ عَلَى أَنْ تَوَضَّأْتُ وَأَقْبَلْتُ فَقَالَ عُمَرُ الْوُضُوءُ أَيْضًا وَقَدْ عَلِمْتَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَأْمُرُ بِالْغُسْلِ)
وَرَوَاهُ فِي غَيْرِ الْمُوَطَّإِ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ (أَنَّ عُمَرَ) مُتَّصِلا
এটি অন্য একটি হাদিস১৪ - ইমাম মালিক মুওয়াত্তায় যুহরি থেকে, তিনি সালিম থেকে মুরসাল সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, (উমর যখন খুতবা দিচ্ছিলেন এমতাবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি প্রবেশ করলেন। তখন উমর বললেন: কেবল ওযু করেই চলে এলেন? অথচ আপনি জানেন যে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোসলের নির্দেশ দিতেন।)
এবং তিনি এটি মুওয়াত্তা ব্যতীত অন্য কিতাবে যুহরি থেকে, তিনি সালিম থেকে, তিনি ইবনে উমর থেকে (উমর সম্পর্কে) মুত্তাসিল বা নিরবচ্ছিন্ন সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٦٢)
وَكَذَلِكَ رَوَاهُ أَصْحَابُ الزُّهْرِيِّ عَنِ الزُّهْرِيِّ مِنْهُمْ مَعْمَرٌ وَيُونُسُ وَالزُّبَيْدِيُّ وَابْنُ أَخِي الزُّهْرِيِّ وَأَبُو أُوَيْسٍ وَغَيْرُهُمْ
وَهَذَا حَدِيثٌ آخَرُ15 - رَوَى مَالِكٌ فِي الْمُوَطَّإِ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ مَوْقُوفًا قَالَ (لَوْلا أَنْ يَشُقَّ عَلَى أُمَّتِهِ لأَمَرَهُمْ بِالسِّوَاكِ)
وَرَوَاهُ فِي غَيْرِ الْمُوَطَّإِ مَرْفُوعًا إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
তেমনিভাবে যুহরীর ছাত্রগণ যুহরী থেকে এটি বর্ণনা করেছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন মা'মার, ইউনুস, যুবায়দী, যুহরীর ভ্রাতুষ্পুত্র, আবু উওয়াইস এবং অন্যান্যরা।
এবং এটি অন্য একটি হাদিস১৫ - মালিক মুওয়াত্তায় যুহরী থেকে, তিনি হুমাইদ ইবনে আবদুর রহমান থেকে, তিনি আবু হুরাইরা (রা.) থেকে মাওকুফ হিসেবে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: (যদি তাঁর উম্মতের জন্য কষ্টকর হওয়ার ভয় না থাকত, তবে তিনি তাদেরকে মিসওয়াক করার আদেশ দিতেন)।
এবং তিনি এটি মুওয়াত্তা ছাড়া অন্য গ্রন্থে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٦٣)
وَهَذَا حَدِيثٌ آخَرُ16 - رَوَى مَالِكٌ فِي الْمُوَطَّإِ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَنَسٍ (كُنَّا نُصَلِّي الْعَصْرَ ثُمَّ يَذْهَبُ الذَّاهِبُ إِلَى قُبَاءَ فَيَأْتِيهِمْ وَالشَّمْسُ مُرْتَفِعَةٌ) مَوْقُوفًا
وَأَسْنَدَهُ عَنْهُ ابْنُ الْمُبَارَكِ وَغَيْرُهُ فِي غَيْرِ الْمُوَطَّإِ
وَخَالَفَ مَالِكًا أَصْحَابُ الزُّهْرِيِّ فِي قَوْلِهِ (إِلَى قُبَاءَ) فَرَفَعُوهُ كُلُّهُمْ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَقَالُوا فِيهِ (فَيَذْهَبُ الذَّاهِبُ إِلَى الْعَوَالِي) وَلَمْ يَقُلْ مِنْهُم أحد (إِلَى قُبَاءَ) مِنْهُمْ صَالِحُ بْنُ كَيْسَانَ وَعَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ وَشُعَيْبٌ وَيُونُسُ وَعُقَيْلٌ وَمَعْمَرٌ وَاللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ وَابْنُ أَبِي ذِئْبٍ وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي عَبْلَةَ وَابْنُ أَخِي الزُّهْرِيِّ وَالنُّعْمَانُ بْنُ رَاشِدٍ وَأَبُو أُوَيْسٍ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِسْحَاقَ
এটি অন্য একটি হাদিস১৬ - ইমাম মালিক মুওয়াত্তায় জুহরি থেকে, তিনি আনাস (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে: (আমরা আসরের নামাজ আদায় করতাম, তারপর কোনো ব্যক্তি কুবায় যেত এবং সে যখন তাদের কাছে পৌঁছাত তখনো সূর্য উঁচুতে থাকত।) এটি মাওকুফ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।
আর ইবনুল মুবারক এবং অন্যান্যরা মুওয়াত্তা ব্যতীত অন্যান্য গ্রন্থে তার থেকে এটি মুসনাদ (মারফু) হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
তবে জুহরি-এর অন্যান্য ছাত্রগণ ‘কুবায়’ শব্দটির বর্ণনায় মালিকের বিরোধিতা করেছেন; তারা সকলেই একে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দিকে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং তাতে বলেছেন: (অতঃপর কোনো ব্যক্তি আওয়ালিতে যেত)। তাদের মধ্যে কেউই ‘কুবায়’ শব্দটি বলেননি; তাদের মধ্যে রয়েছেন সালিহ বিন কায়সান, আমর বিন আল-হারিস, শুআইব, ইউনুস, উকাইল, মা'মার, লাইস বিন সা'দ, ইবনে আবি জিব, ইবরাহিম বিন আবি আবলাহ, জুহরি-এর ভ্রাতুষ্পুত্র, নুমান বিন রাশিদ, আবু উয়াইস এবং আব্দুর রহমান বিন ইসহাক।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٦٥)
وَهَذَا حَدِيثٌ آخَرُ17 - رَوَاهُ مَالِكٌ فِي الْمُوَطَّإِ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ (كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي مِنَ اللَّيْلِ إِحْدَى عَشْرَةَ رَكْعَةً يُوتِرُ مِنْهَا بِوَاحِدَةٍ وَإِذَا فَرَغَ مِنْهَا اضْطَجَعَ عَلَى شِقِّهِ الأَيْمَنِ حَتَّى يَأْتِيَهُ الْمُؤَذِّنُ فَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ)
এটি অন্য একটি হাদীস১৭ - ইমাম মালিক এটি মুওয়াত্তায় ইবনে শিহাব থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে এবং তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন: (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে এগারো রাকাত সালাত আদায় করতেন, যার মধ্যে এক রাকাত দ্বারা বিতর সম্পন্ন করতেন। যখন তিনি তা থেকে ফারেগ হতেন, তখন তিনি নিজের ডান পার্শ্বে কাত হয়ে শুয়ে পড়তেন যতক্ষণ না মুয়াজ্জিন তাঁর নিকট আসতেন, অতঃপর তিনি দুই রাকাত সংক্ষিপ্ত সালাত আদায় করতেন।)
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٦٦)
ذَكَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَرْكَعُ رَكْعَتَيِ الْفَجْرِ بَعْدَ اضْطِجَاعِهِ عَلَى شِقِّهِ الأَيْمَنِ وَبَعْدَ إِتْيَانِ الْمُؤَذِّنِ
خَالَفَهُ فِي لَفْظِهِ جَمَاعَةٌ مِنْهُمْ عُقَيْلٌ وَيُونُسُ وَشُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ وَابْنُ أَبِي ذِئْبٍ وَالأَوْزَاعِيُّ وَغَيْرُهُمْ رَوَوْهُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ فَذَكَرُوا (أَنَّهُ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَرْكَعُ الرَّكْعَتَيْنِ ثُمَّ يَضْطَجِعُ عَلَى شِقِّهِ الأَيْمَنِ حَتَّى يَأْتِيَهُ الْمُؤَذِّنُ فَيَخْرُجُ مَعَهُ)
ذَكَرُوا أَنَّهُ كَانَ يركعهما قبل الاضطجعاع عَلَى شِقِّهِ الأَيْمَنِ وَقَبْلَ إِتْيَانِ الْمُؤَذِّنِ وَزَادُوا فِي الْحَدِيثِ أَلْفَاظًا لَمْ يَأْتِ بِهَا مِنْهَا (أَنَّهُ كَانَ يَسْجُدُ فِي صَلاتِهِ بِاللَّيْلِ قَدْرَ مَا يَقْرَأُ الرَّجُلُ خَمْسِينَ آيَةً قَبْلَ أَنْ يَرْفَعَ رَأْسَهُ)
وَزَادَ الأَوْزَاعِيُّ وَابْنُ أَبِي ذِئْبٍ فِيهِ (أَنَّهُ كَانَ يُسَلِّمُ فِي كُلِّ رَكْعَتَيْنِ)
উল্লেখ করা হয়েছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর ডান পার্শ্বে শয়ন করার পর এবং মুয়াজ্জিনের আগমনের পর ফজরের দুই রাকাত (সুন্নত) আদায় করতেন।
একদল বর্ণনাকারী তাঁর শব্দের বর্ণনায় ভিন্নমত পোষণ করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন উকাইল, ইউনুস, শুয়াইব বিন আবি হামজা, ইবনে আবি যিব, আওজাই এবং আরও অনেকে। তাঁরা এটি যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা (রাদিআল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা উল্লেখ করেছেন যে, (তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই রাকাত সুন্নত আদায় করতেন, অতঃপর ডান পার্শ্বে শয়ন করতেন যতক্ষণ না মুয়াজ্জিন তাঁর নিকট আসতেন, এরপর তিনি তাঁর সাথে সালাতের জন্য বের হতেন।)
তাঁরা উল্লেখ করেছেন যে, তিনি তাঁর ডান পার্শ্বে শয়ন করার পূর্বে এবং মুয়াজ্জিনের আগমনের পূর্বে দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন এবং তাঁরা হাদিসে এমন কিছু শব্দ বৃদ্ধি করেছেন যা তিনি (প্রথমোক্ত বর্ণনাকারী) আনয়ন করেননি, যার মধ্যে রয়েছে: (তিনি রাতের সালাতে মাথা উত্তোলনের পূর্বে এতটুকু সময় সিজদাহ করতেন যাতে একজন মানুষ পঞ্চাশটি আয়াত পাঠ করতে পারে।)
আওজাই এবং ইবনে আবি যিব এতে আরও বৃদ্ধি করেছেন যে, (তিনি প্রতি দুই রাকাতে সালাম ফিরাতেন।)
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٦٧)
وَهَذَا حَدِيثٌ آخَرُ18 - رَوَى مَالِكٌ فِي الْمُوَطَّإِ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ (أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا افْتَتَحَ الصَّلاةَ رَفَعَ يَدَيْهِ حَذْوَ مَنْكِبَيْهِ وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ رَفَعَهُمَا كَذَلِكَ) وَلَمْ يَذْكُرْ رَفْعَهُ يَدَيْهِ عِنْدَ التَّكْبِيرِ لِلرُّكُوعِ
وَرَوَاهُ عَنْهُ جَمَاعَةٌ فِي غَيْرِ الْمُوَطَّإِ فَذَكَرُوا فِيهِ رَفْعَ الْيَدَيْنِ عِنْدَ التَّكْبِيرِ لِلرُّكُوعِ مِنْهُمْ يَحْيَى الْقَطَّانُ وَابْنُ مَهْدِيٍّ وَغَيْرُهُمَا
এটি অন্য একটি হাদিস১৮ - ইমাম মালিক মুওয়াত্তায় যুহরী থেকে, তিনি সালেম থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নামাজ শুরু করতেন তখন তিনি তাঁর উভয় হাত কাঁধ বরাবর উত্তোলন করতেন এবং যখন রুকু থেকে তাঁর মাথা উঠাতেন তখনও একইভাবে উভয় হাত উত্তোলন করতেন। আর তিনি (মালিক) রুকুর তাকবীরের সময় তাঁর হাত উত্তোলনের বিষয়টি উল্লেখ করেননি।
এবং একদল বর্ণনাকারী মুওয়াত্তা ব্যতীত অন্যান্য কিতাবে তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং তাঁরা তাতে রুকুর তাকবীরের সময় হাত উত্তোলনের কথা উল্লেখ করেছেন। তাঁদের মধ্যে ইয়াহইয়া আল-কাত্তান, ইবনে মাহদী এবং অন্যান্যরা রয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٦٨)
وَكَذَلِكَ رَوَاهُ أَصْحَابُ الزُّهْرِيِّ عَنْهُ وَهُوَ الصَّوَابُ خِلافُ مَا فِي الْمُوَطَّإِ
এবং একইভাবে ইমাম যুহরীর ছাত্রগণ তাঁর থেকে এটি বর্ণনা করেছেন এবং এটিই সঠিক, যা ‘মুওয়াত্তা’ গ্রন্থে যা রয়েছে তার বিপরীত।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٦٩)
وَهَذَا حَدِيثٌ آخَرُ19 - ذَكَرَهُ أَبُو دَاوُدَ السِّجِسْتَانِيُّ فَقَالَ رَوَى مَالِكٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم (الْوَلَدُ لِلْفِرَاشِ وَلِلْعَاهِرِ الْحَجَرُ) وَقَدْ وَافَقَهُ عقيل
এটি অন্য একটি হাদিস১৯ - আবু দাউদ আস-সিজিস্তানি এটি উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: মালিক বর্ণনা করেছেন যুহরি থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে, তিনি আয়েশা থেকে এবং তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যে, "সন্তান বিছানার (অর্থাৎ বৈধ সম্পর্কের), আর ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর।" আর উকাইল তাঁর সাথে এই বর্ণনায় একমত হয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-আহাদীসুল্লাতী খুউলিফা ফীহা মালিক বিন আনাস
(পৃষ্ঠা: ٧٠)
وَرَوَاهُ ابْنُ عُيَيْنَةَ وَمَعْمَرٌ فَلَمْ يَذْكُرَا فِيهِ (وَلِلْعَاهِرِ الْحَجَرُ) هَذَا آخِرُ كَلامِ أَبِي دَاوُدَ
قَالَ الدَّارَقُطْنِيُّ لَمْ يَتَقَصَّ أَبُو دَاوُدَ رحمه الله طُرُقَ هَذَا الْحَدِيثِ وَأَحْسَبُهُ أَخَذَهُ عَنْ قَوْلِ ابْنِ عُيَيْنَةَ لأَنَّ ابْنَ عُيَيْنَةَ رحمه الله قَالَ لَمْ يَقُلِ الزُّهْرِيُّ فِي هَذَا الحَدِيث (وللعاهر الْحجر) وَإِنَّمَا قَالَ فِي حَدِيثِ سَعِيدٍ وَأَبِي سَلَمَةَ
وَلَعَمْرِي قَدْ تَابَعَ ابْنَ عُيَيْنَةَ مَعْمَرٌ وَسُفْيَانُ بْنُ حُسَيْنٍ وَسُلَيْمَانُ بْنُ كَثِيرٍ فَرَوَوْهُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ وَلَمْ يَقُولُوا (وَلِلْعَاهِرِ الْحَجَرُ)
وَخَالَفَهُمْ أَكْثَرُ مِنْهُمْ عَدَدًا فَتَابَعُوا مَالِكًا وَقَالُوا فِيهِ (وَلِلْعَاهِرِ الْحَجَرُ) مِنْهُم عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ جُرَيْجٍ وَصَالِحُ بْنُ كَيْسَانَ وَمُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ وَشُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ وَابْنُ أَخِي الزُّهْرِيِّ وَيُونُسُ بْنُ يَزِيدَ وَاللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ وَغَيْرُهُمْ كُلُّ هَؤُلاءِ رَوَوْهُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ وَقَالُوا فِيهِ (وَلِلْعَاهِرِ الْحَجَرُ) وَتَابَعُوا مَالِكًا عَلَى قَوْلِهِ ذَلِكَ فِي رِوَايَتِهِ عَنِ الزُّهْرِيّ
ইবনে উইয়াইনা এবং মা'মার এটি বর্ণনা করেছেন, তবে তাঁরা এতে 'এবং ব্যভিচারীর জন্য পাথর' কথাটি উল্লেখ করেননি। এটিই আবু দাউদের বক্তব্যের শেষ অংশ।
দারা কুতনী বলেন, আবু দাউদ (রহিমাহুল্লাহ) এই হাদিসের সূত্রগুলো বিস্তারিত অনুসন্ধান করেননি। আমার ধারণা, তিনি এটি ইবনে উইয়াইনার বক্তব্য থেকে গ্রহণ করেছেন। কারণ ইবনে উইয়াইনা (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন যে, যুহরী এই হাদিসে 'এবং ব্যভিচারীর জন্য পাথর' কথাটি বলেননি; বরং তিনি এটি সাঈদ ও আবু সালামার হাদিসে বলেছেন।
আমার জীবনের কসম! মা'মার, সুফিয়ান ইবনে হুসাইন এবং সুলাইমান ইবনে কাসীর ইবনে উইয়াইনার অনুসরণ করেছেন। তাঁরা এটি যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে এবং তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন; কিন্তু তাঁরা 'এবং ব্যভিচারীর জন্য পাথর' কথাটি বলেননি।
তবে সংখ্যার দিক থেকে তাঁদের চেয়েও অধিক সংখ্যক রাবী তাঁদের বিরোধিতা করেছেন এবং ইমাম মালিকের অনুসরণ করেছেন। তাঁরা এতে 'এবং ব্যভিচারীর জন্য পাথর' কথাটি বলেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আবদুল মালিক ইবনে জুরাইজ, সালিহ ইবনে কায়সান, মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক, শুআইব ইবনে আবু হামযা, ইবনে আখিজ যুহরী, ইউনুস ইবনে ইয়াজিদ, লাইস ইবনে সাদ এবং আরও অনেকে। তাঁরা সকলেই এটি যুহরী থেকে, তিনি উরওয়াহ থেকে এবং তিনি আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণনা করেছেন এবং এতে 'এবং ব্যভিচারীর জন্য পাথর' কথাটি উল্লেখ করেছেন। তাঁরা যুহরী থেকে বর্ণিত ইমাম মালিকের বর্ণনার অনুরূপ বর্ণনা করে তাঁর অনুসরণ করেছেন।