(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: -)
صحيح الكتب التسعة وزوائده   (مجموعة من المؤلفين)

القسم: كتب السنة


الكتاب: صحيح الكتب التسعة وزوائده - موسوعة السُّنَن الصحيحة الهادية لأقوم سَنَن

تصنيف: هشام محمد صلاح الدين أبو خضره، هشام محمد نصر مقداد، محمود السيد عثمان

أشرف على إخراجه وقدم له: د عبد المهدي عبد القادر (رئيس قسم الحديث بكلية أصول الدين جامعة الأزهر)

الناشر: مكتبة الإيمان للطباعة والنشر والتوزيع، الجيزة - مصر

الطبعة الثانية: 1440 هـ - 2019 م

عدد الصفحات: 1237

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 4 ذو القعدة 1442

নয়টি কিতাবের সহীহ হাদীস ও এর অতিরিক্ত অংশ   (একদল লেখক)

বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ


কিতাব: নয়টি কিতাবের সহীহ হাদীস ও এর অতিরিক্ত অংশ - সুদৃঢ়তম পথের দিশারী সহীহ সুন্নাহর বিশ্বকোষ

সংকলন: হিশাম মুহাম্মদ সালাহুদ্দীন আবু খাদরা, হিশাম মুহাম্মদ নাসর মিকদাদ, মাহমুদ আস-সাঈদ উসমান

প্রকাশনা তত্ত্বাবধান ও ভূমিকা প্রদান: ড. আব্দুল মাহদী আব্দুল কাদির (হাদীস বিভাগের প্রধান, উসুলুদ্দীন অনুষদ, আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়)

প্রকাশক: মাকতাবাতুল ঈমান মুদ্রণ, প্রকাশনা ও বিতরণ, গিজা - মিশর

দ্বিতীয় সংস্করণ: ১৪৪০ হিজরী - ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১২৩৭

[বইয়ের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৪ যুল-ক্বাদাহ ১৪৪২

(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ١)
صحيح الكتب التسعة وزوائده

 

موسوعة السُّنَن الصحيحة الهادية لأقوم سَنَن

«هذا الكتاب روحي»

 

تصنيف

هشام محمد صلاح الدين أبو خضره

هشام محمد نصر مقداد … محمود السيد عثمان

 

أشرف على إخراجه وقدم له

أ. د/ عبد المهدي عبد القادر

رئيس قسم الحديث بكلية أصول الدين جامعة الأزهر
সহীহুল কুতুবিত তিসআহ এবং এর অতিরিক্তসমূহ

 

সবচেয়ে সঠিক পথের দিশারী বিশুদ্ধ সুন্নাহর বিশ্বকোষ

«এই কিতাবটি আমার আত্মা»

 

সংকলন

হিশাম মুহাম্মদ সালাহউদ্দীন আবু খাদরাহ

হিশাম মুহাম্মদ নাসর মিকদাদ … মাহমুদ আস-সাইয়িদ উসমান

 

এর প্রকাশনা তত্ত্বাবধান এবং ভূমিকা প্রদান করেছেন

প্রফেসর ডক্টর আব্দুল মাহদী আব্দুল কাদির

আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের উসুলুদ্দীন অনুষদের হাদীস বিভাগের প্রধান
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ٢)
حقوق الطبع محفوظة

 

الطبعة الثانية

1440 - هـ - 2019 م

 

الطبعة الأولى

1439 - هـ - 2018 م

 

الطبعة التمهيدية

1436 - هـ - 2015 م

 

رقم الإيداع: 13550/ 2018 م

الترقيم الدولي: 2 - 451 - 449 - 977 - 978

 

مكتبة الإيمان للطباعة والنشر والتوزيع

العنوان: 4 ش أحمد سوكارنو العجوزة - الجيزة - مصر

هاتف: 33452302 - ف 33044841

الموقع الاليكتروني: … www.elemanlibrary.com

الايميل: … [email protected]

 

يمنع نسخ او استعمال اي جزء من هذا الكتاب بأية وسيلة تصويرية او الكترونية او ميكانيكية

او اي وسيلة نشر اخرى بدون اذن خطى من المؤلف.
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

 

দ্বিতীয় সংস্করণ

১৪৪০ - হিজরি - ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ

 

প্রথম সংস্করণ

১৪৩৯ - হিজরি - ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ

 

প্রাথমিক সংস্করণ

১৪৩৬ - হিজরি - ২০১৫ খ্রিস্টাব্দ

 

নিবন্ধন নম্বর: ১৩৫৫০/ ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ

আন্তর্জাতিক মান পুস্তক সংখ্যা: ২ - ৪৫১ - ৪৪৯ - ৯৭৭ - ৯৭৮

 

মাকতাবাতুল ঈমান মুদ্রণ, প্রকাশনা ও বিতরণ

ঠিকানা: ৪ আহমদ সুকারনো স্ট্রিট, আগুজা - গিজা - মিশর

ফোন: ৩৩৪৫২৩০২ - ফ্যাক্স: ৩৩০৪৪৮৪১

ওয়েবসাইট: … www.elemanlibrary.com

ইমেইল: … [ইমেইল সুরক্ষিত]

 

লেখকের লিখিত অনুমতি ব্যতীত এই বইয়ের কোনো অংশ কোনো প্রকার ছবি, ইলেকট্রনিক বা যান্ত্রিক বা অন্য কোনো প্রকাশনা মাধ্যমে কপি করা বা ব্যবহার করা নিষিদ্ধ।
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ٣)
بسم الله الرحمن الرحيم

إهداء

إِلَى سَيِّدِ الْخَلْقِ وَحَبِيبِ الْحَقِّ

صَاحِبِ الْخُلُقِ الْعَظِيمِ

رَحْمَةُ اللهِ لِلْعَالَمِينَ

سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ بْنِ عَبْدِ اللهِ صلى الله عليه وسلم -
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

উৎসর্গ

সৃষ্টিজগতের সর্দার এবং সত্যের প্রিয়ভাজনের প্রতি

যিনি মহান চরিত্রের অধিকারী

বিশ্বজগতের জন্য আল্লাহর রহমতস্বরূপ

আমাদের নেতা মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ (আল্লাহর শান্তি ও রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) -
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ٤)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

{إِنَّ اللَّهَ وَمَلائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا} [الأحزاب:56].

{قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَاللّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ} [آل عمران:31].

{وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانتَهُوا وَاتَّقُوا اللَّهَ إِنَّ اللَّهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ} [الحشر:7].

{وَإِن تُطِيعُوهُ تَهْتَدُوا وَمَا عَلَى الرَّسُولِ إِلَّا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ} [النور:54].

{فَلْيَحْذَرِ الَّذِينَ يُخَالِفُونَ عَنْ أَمْرِهِ أَن تُصِيبَهُمْ فِتْنَةٌ أَوْ يُصِيبَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ} [النور:63].

 

وعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو؛ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: " بَلِّغُوا عَنِّي وَلَوْ آيَةً" [3361 خ / 6450 حم].

وعَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ:" نَضَّرَ اللَّهُ امْرَأً سَمِعَ مِنَّا حَدِيثًا فَحَفِظَهُ حَتَّى يُبَلِّغَهُ غَيْرَهُ؛ فَإِنَّهُ رُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ لَيْسَ بِفَقِيهٍ، وَرُبَّ حَامِلِ فِقْهٍ إِلَى مَنْ هُوَ أَفْقَهُ مِنْهُ " [21080 حم / 3660 د / 2656 ت / 4105 جه / 229 مي].

وعَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ، قَالَ: سَأَلْنَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَقُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ!، كَيْفَ الصَّلَاةُ عَلَيْكُمْ أَهْلَ الْبَيْتِ؟، فَإِنَّ اللَّهَ قَدْ عَلَّمَنَا كَيْفَ نُسَلِّمُ عَلَيْكُمْ، قَالَ" اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ " [3370 خ / 406 م / 17667 حم / 976 د / 1288 ن / 904 جه / 1342 مي].
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

{নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর প্রতি সালাত পাঠ করেন। হে ঈমানদারগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি সালাত পাঠ করো এবং যথাযথভাবে সালাম জানাও।} [আল-আহযাব: ৫৬]।

{বলো, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাসো তবে আমাকে অনুসরণ করো, আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। আর আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।} [আল ইমরান: ৩১]।

{রাসূল তোমাদের যা দেন তা গ্রহণ করো এবং যা থেকে তোমাদের নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাকো। আর আল্লাহকে ভয় করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ শাস্তিদানে অত্যন্ত কঠোর।} [আল-হাশর: ৭]।

{আর যদি তোমরা তাঁর আনুগত্য করো তবে হেদায়াত প্রাপ্ত হবে। আর স্পষ্ট প্রচার ছাড়া রাসূলের আর কোনো দায়িত্ব নেই।} [আন-নূর: ৫৪]।

{অতএব যারা তাঁর আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করে, তারা যেন সতর্ক হয় যে, তাদের ওপর কোনো ফিতনা (বিপদ) আপতিত হবে অথবা তাদের ওপর যন্ত্রণাদায়ক আজাব আসবে।} [আন-নূর: ৬৩]।

 

আবদুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আমার পক্ষ থেকে একটি আয়াত হলেও পৌঁছে দাও।" [৩৩৬১ বুখারি / ৬৪৫০ আহমাদ]।

যায়িদ বিন সাবিত থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: "আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে সজীব ও প্রফুল্ল রাখুন, যে আমাদের থেকে কোনো হাদিস শুনলো, অতঃপর তা মুখস্থ রাখলো যতক্ষণ না সে তা অন্যের কাছে পৌঁছে দেয়। কেননা অনেক ইলম বহনকারী রয়েছে যে নিজে ফকিহ (গভীর জ্ঞানসম্পন্ন) নয়, আবার অনেক ইলম বহনকারী এমন ব্যক্তির কাছে ইলম পৌঁছে দেয় যে তার চেয়ে অধিক ফকিহ।" [২১০৮০ আহমাদ / ৩৬৬০ আবু দাউদ / ২৬৫৬ তিরমিজি / ৪১০৫ ইবনে মাজাহ / ২২৯ দারেমি]।

কাব বিন উজরাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম: হে আল্লাহর রাসূল! আপনাদের ওপর—অর্থাৎ আহলে বায়তের ওপর—সালাত পড়ার নিয়ম কী? কারণ আল্লাহ আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে আপনাদের সালাম দিতে হয়। তিনি বললেন: "বলো: হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের পরিবারের ওপর সালাত বর্ষণ করুন, যেমন আপনি ইব্রাহিম ও ইব্রাহিমের পরিবারের ওপর সালাত বর্ষণ করেছেন; নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের পরিবারের ওপর বরকত দান করুন, যেমন আপনি ইব্রাহিম ও ইব্রাহিমের পরিবারের ওপর বরকত দান করেছেন; নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত।" [৩৩৭০ বুখারি / ৪০৬ মুসলিম / ১৭৬৬৭ আহমাদ / ৯৭৬ আবু দাউদ / ১২৮৮ নাসাঈ / ৯০৪ ইবনে মাজাহ / ১৩৪২ দারেমি]।
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ٥)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

الحمد لله رب العالمين، وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدا رسول الله صلى الله عليه وسلم.

فهذا كتاب جمع فيه مؤلفيه أحاديث تسعة كتب من السنة النبوية وزوائد كتب الحديث، جمعوا فيه أحاديث:

• صحيح البخاري

• وصحيح مسلم

• وسنن أبي داود

• وسنن الترمذي

• وسنن النسائي

• وسنن ابن ماجه … وهذه التي تعرف بالكتب الستة عند المشارقة.

• وموطأ مالك … وبه دون ابن ماحة تعرف بالكتب الستة عند المغاربة.

• ومسند أحمد وبه مع الكتب الستة تعرف بالأصول السبعة عند الحافظ ابن حجر العسقلاني.

• وسنن الدارمي وقال ابن الصلاح والنووي والحافظ ابن حجر: لو جعل مسند الدارمي سادسا كان أولى.

• وصحيح كتب الزوائد وهى:

- صحيح ابن خزيمة

- وصحيح ابن حبان

- والمستدرك على الصحيحين للحاكم

- وسنن الدارقطني

- ومسند أبي يعلى

- والمصنف لعبد الرزاق

- والمصنف لابن أبي شيبة

- وسنن سعيد بن منصور

- و"الأدب المفرد" للبخاري

- و"السنة" ابن ابي عاصم

- ومعاجم الطبراني الثلاث (المعجم الكبير والأوسط والصغير)

- والسنن الكبرى للبيهقي

- و" معرفة السنن والآثار" البيهقي

- والمسانيد العشرة وهى: مسند الطيالسي، ومسند مسدّد، ومسند الحميدي، ومسند إسحاق بن راهويه، ومسند ابن أبي شيبة، ومسند العدني، ومسند عبد بن حميد، ومسند الحارث بن أبي أسامة، ومسند أحمد بن منيع، ومسند أبي يعلى الكبير.

• جمعوا أحاديث هذه الكتب على سبيل الإستقصاء.
পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল, তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।

এটি এমন একটি গ্রন্থ যাতে এর সংকলকগণ সুন্নাহে নববীর নয়টি গ্রন্থ এবং অন্যান্য হাদীস গ্রন্থের অতিরিক্ত হাদীসসমূহ একত্রিত করেছেন। তাঁরা এতে নিম্নলিখিত গ্রন্থসমূহের হাদীস সংগ্রহ করেছেন:

• সহীহ বুখারী

• এবং সহীহ মুসলিম

• এবং সুনানে আবু দাউদ

• এবং সুনানে তিরমিযী

• এবং সুনানে নাসাঈ

• এবং সুনানে ইবনে মাজাহ … আর প্রাচ্যের আলেমদের নিকট এগুলোই 'কুতুবে সিত্তাহ' (ছয়টি গ্রন্থ) হিসেবে পরিচিত।

• এবং মুয়াত্তা মালিক … আর ইবনে মাজাহ-এর পরিবর্তে এটিকে অন্তর্ভুক্ত করে মাগরেববাসীদের (পশ্চিমাঞ্চলীয় আলেমদের) নিকট এগুলো 'কুতুবে সিত্তাহ' নামে পরিচিত।

• এবং মুসনাদে আহমাদ; এটি এবং পূর্বোক্ত ছয়টি গ্রন্থকে হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী 'উসূলে সাবআ' (সাতটি মূল গ্রন্থ) হিসেবে অভিহিত করেছেন।

• এবং সুনানে দারেমী; ইবনুস সালাহ, নববী এবং হাফেজ ইবনে হাজার বলেছেন: যদি সুনানে দারেমীকে ষষ্ঠ গ্রন্থ হিসেবে গণ্য করা হতো, তবে তা অধিকতর উত্তম হতো।

• এবং যাওয়াইদ (অতিরিক্ত হাদীস সম্বলিত) গ্রন্থসমূহের সহীহ হাদীসসমূহ, আর সেগুলো হলো:

- সহীহ ইবনে খুজাইমা

- এবং সহীহ ইবনে হিব্বান

- এবং হাকেমের আল-মুস্তাদরাক আলাস সহীহাঈন

- এবং সুনানে দারাকুতনী

- এবং মুসনাদে আবু ইয়ালা

- এবং আব্দুর রাজ্জাকের আল-মুসান্নাফ

- এবং ইবনে আবি শায়বার আল-মুসান্নাফ

- এবং সুনানে সাঈদ ইবনে মানসুর

- এবং বুখারীর "আল-আদাবুল মুফরাদ"

- এবং ইবনে আবি আসিমের "আস-সুন্নাহ"

- এবং তাবারানীর তিনটি মু'জাম (আল-মু'জামুল কাবীর, আল-আওসাত এবং আস-সাগীর)

- এবং বায়হাকীর আস-সুনানুল কুবরা

- এবং বায়হাকীর "মা'রিফাতুস সুনানি ওয়াল আসার"

- এবং দশটি মুসনাদ গ্রন্থ, সেগুলো হলো: মুসনাদে তায়ালিসি, মুসনাদে মুসাদ্দাদ, মুসনাদে হুমাইদী, মুসনাদে ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহি, মুসনাদে ইবনে আবি শায়বা, মুসনাদে আদানি, মুসনাদে আব্দ ইবনে হুমাইদ, মুসনাদে হারিস ইবনে আবি উসামা, মুসনাদে আহমদ ইবনে মানি' এবং মুসনাদে আবু ইয়ালা আল-কাবীর।

• তাঁরা এই গ্রন্থসমূহের হাদীসগুলো পূর্ণাঙ্গ ও বিস্তারিত অনুসন্ধানের মাধ্যমে একত্রিত করেছেন।
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ٦)
• وحذفوا الإسناد - وهو سلسلة الرجال الموصلة للمتن - وذكروا منه الراوي الأعلى فقط، حذفوا الإسناد اختصارا.

• وذكروا المتن - وهو كلام رسول الله صلى الله عليه وسلم أو فعله أو تقريره - لكنهم حذفوا المكرر اختصارا أيضا.

• وتصيَّدوا الحكم على الحديث بالصحة أو الحسن أو الضعف، فالضعيف عند المحدثين يقبل، ولا يردون إلا شديد الضعف أو الموضوع.

• وشرحوا الألفاظ الغريبة بما يوضح المعنى.

• ورتبوا الأحاديث على الأبواب والموضوعات، واجتهدوا في ذلك، فأحاديث العلم في كتاب العلم، وأحاديث الإيمان في كتاب الإيمان وهكذا، مما ييسر الإستفادة بهذا الكتاب.

• إن هذا الكتاب جامع للسنة النبوية، مقرب لأحاديثها، ميسر للإستفادة بها.

• ولقد كان المؤلفين نشيطين في هذا العمل، وكانوا كلما طلبوا مني النصيحة قدمتها لهم.

وأسأل الله الكريم أن ينفع بهذا العمل كاتبه وقارئه، وكل من ساهم في نشر علوم الإسلام، اللهم آمين.

 

الأستاذ الدكتور / عبد المهدي عبد القادر عبد الهادي

رئيس قسم الحديث

بكلية أصول الدين جامعة الأزهر الشريف
• তারা সনদ বিলুপ্ত করেছেন - যা মূল পাঠ (মতন) পর্যন্ত পৌঁছানোর বর্ণনাকারীদের ধারাবাহিকতা - এবং তারা কেবল সর্বোচ্চ বর্ণনাকারীর নাম উল্লেখ করেছেন; সংক্ষেপ করার উদ্দেশ্যে তারা সনদ বিলুপ্ত করেছেন।

• তারা মতন উল্লেখ করেছেন - যা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী, কর্ম বা মৌনসম্মতি - তবে তারা সংক্ষেপ করার জন্য পুনরাবৃত্ত অংশগুলোও বিলুপ্ত করেছেন।

• তারা হাদিসের বিশুদ্ধতা (সহিহ), শুদ্ধতা (হাসান) বা দুর্বলতা (জয়িফ) বিষয়ক হুকুম অন্বেষণ করেছেন। মুহাদ্দিসগণের নিকট জয়িফ হাদিস গ্রহণীয় হতে পারে, এবং তারা কেবল অত্যন্ত দুর্বল বা জাল হাদিসই প্রত্যাখ্যান করেন।

• তারা দুর্বোধ্য শব্দগুলোর ব্যাখ্যা করেছেন যা অর্থকে স্পষ্ট করে।

• তারা হাদিসগুলোকে বিভিন্ন অধ্যায় ও বিষয়ের ভিত্তিতে বিন্যস্ত করেছেন এবং এ ক্ষেত্রে তারা যথেষ্ট পরিশ্রম করেছেন; ফলে জ্ঞান বিষয়ক হাদিসগুলো 'জ্ঞান অধ্যায়ে' এবং ঈমান বিষয়ক হাদিসগুলো 'ঈমান অধ্যায়ে' রাখা হয়েছে, যা এই গ্রন্থ থেকে উপকৃত হওয়াকে সহজতর করে।

• নিশ্চয়ই এই গ্রন্থটি সুন্নাহে নববীর একটি সংকলন, যা হাদিসসমূহকে কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং তা থেকে উপকৃত হওয়া সহজ করেছে।

• লেখকগণ এই কাজে অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন এবং তারা যখনই আমার নিকট পরামর্শ চেয়েছেন, আমি তাদের তা প্রদান করেছি।

আমি মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন এই কাজের মাধ্যমে এর লেখক, পাঠক এবং ইসলামের জ্ঞান প্রসারে অবদানকারী সকলকে উপকৃত করেন। হে আল্লাহ, আপনি কবুল করুন।

 

প্রফেসর ডক্টর আব্দুল মাহদী আব্দুল কাদির আব্দুল হাদী

বিভাগীয় প্রধান, হাদিস বিভাগ

উসুলুদ্দীন অনুষদ, আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়।
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ٧)
‌‌الهدف من الكتاب

جمع حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم الصحيحة والحسنة بدون تكرار من الكتب التسعة وزوائدها لأئمة الإسلام والمسلمين، مع استبعاد المكرر وكل ما أجمع أهل الحديث على ضعفه، حتى يسهل حفظها ومراجعتها بصفة دورية بدون دخول الشك والريبة لقلب الحافظ والقارئ من ضعف الحديث، مع تمكين القارئ والباحث للرجوع للمصادر الرئيسية عند الحاجة للمراجعة والشرح ومعرفة السند كاملا واطراف الحديث والمعانى بالاسترشاد بأرقام التخاريج الواردة بأول كل حديث ودرجة صحته الواردة بآخر متن كل حديث، استناداً لكتب الحديث التسعة والزوائد على ترتيب:

• صحيح البخاري

• صحيح مسلم

• مسند أحمد

• سنن أبي داود

• سنن الترمذي

• سنن النسائي

• سنن ابن ماجه

• الموطأ للإمام مالك

• سنن الدارمي

• والزوائد وهى:

- صحيح ابن خزيمة

- صحيح ابن حبان

- المصنف لعبد الرزاق

- المصنف لابن أبي شيبة

- سنن سعيد بن منصور

- "الأدب المفرد" للبخاري

- "السنة" ابن ابي عاصم

- معاجم الطبراني الثلاث (المعجم الكبير والأوسط والصغير) ومسند أبي يعلى ومسند البزار.

- سنن الدارقطني

- المستدرك على الصحيحين للحاكم

- السنن الكبرى للبيهقي

- " معرفة السنن والآثار" البيهقي

- والمسانيد العشرة وهى: مسند الطيالسي، ومسند مسدّد، ومسند الحميدي، ومسند إسحاق بن راهويه، ومسند ابن أبي شيبة، ومسند العدني، ومسند عبد بن حميد، ومسند الحارث بن أبي أسامة، ومسند أحمد بن منيع، ومسند أبي يعلى الكبير.

• البخاري ومسلم تتميز كتبهما على غيرهما من الكتب بالصحة؛ لكن البخاري ومسلم لم يجمعا كل الصحيح، فقد تركا من الصحيح والحسن الكثير، وكتابنا هذا جمع الكثير من هذه الأحاديث من كتب الصحاح والسنن والمصنفات والمسانيد والمعاجم والأجزاء، وما صح في بعض كتب العلل.

• تجد في هذا الكتاب صحيح البخاري ومسلم، وكل الأحاديث الصحيحة في السنن الأربعة، وموطأ مالك، وسنن الدارمي، ومسند الإمام أحمد، وكل الأحاديث الصحيحة في صحيح ابن
কিতাবটির লক্ষ্য

ইসলাম ও মুসলিমদের ইমামগণের নয়টি মূল কিতাব এবং তাদের অতিরিক্ত সংকলনগুলো (যাওয়াঈদ) হতে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহীহ ও হাসান হাদীসগুলো পুনরাবৃত্তি ছাড়াই একত্রিত করা; যেখানে পুনরাবৃত্ত হাদীসসমূহ এবং হাদীস বিশেষজ্ঞগণ যেগুলোর দুর্বলতার ব্যাপারে একমত হয়েছেন সেগুলোকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যাতে হাদীস মুখস্থ করা এবং নিয়মিত পাঠ করা সহজ হয় এবং মুখস্থকারী ও পাঠকের অন্তরে হাদীসের দুর্বলতা নিয়ে কোনো সংশয় বা সন্দেহ তৈরি না হয়। এর পাশাপাশি প্রয়োজন অনুসারে পাঠক ও গবেষকদের জন্য মূল উৎসগুলোর দিকে ফিরে যাওয়া, ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ জানা, পূর্ণ সনদ এবং হাদীসের অন্যান্য অংশ ও অর্থ অনুধাবনের সুযোগ রাখা হয়েছে। এটি করা হয়েছে প্রতিটি হাদীসের শুরুতে দেওয়া তাখরীজ নম্বর এবং প্রতিটি মতনের শেষে দেওয়া হাদীসের মান বা শুদ্ধতার স্তরের মাধ্যমে, যা হাদীসের নয়টি কিতাব এবং অতিরিক্ত সংকলনসমূহের (যাওয়াঈদ) ক্রমানুসারে বিন্যস্ত:

• সহীহ বুখারী

• সহীহ মুসলিম

• মুসনাদে আহমাদ

• সুনানে আবু দাউদ

• সুনানে তিরমিযী

• সুনানে নাসাঈ

• সুনানে ইবনে মাজাহ

• ইমাম মালিকের মুয়াত্তা

• সুনানে দারেমী

• এবং অতিরিক্ত সংকলনসমূহ (যাওয়াঈদ) হলো:

- সহীহ ইবনে খুযায়মাহ

- সহীহ ইবনে হিব্বান

- আবদুর রাজ্জাকের মুসান্নাফ

- ইবনে আবি শায়বার মুসান্নাফ

- সাঈদ ইবনে মানসুরের সুনান

- বুখারীর "আল-আদাবুল মুফরাদ"

- ইবনে আবি আসিমের "আস-সুন্নাহ"

- তাবারানীর তিনটি মু'জাম (আল-মু'জামুল কাবীর, আল-আওসাত এবং আস-সাগীর), মুসনাদে আবু ইয়ালা এবং মুসনাদে বাযযার।

- সুনানে দারাকুতনী

- হাকিমের আল-মুস্তাদরাক আলাস সহীহাইন

- বায়হাকীর আস-সুনানুল কুবরা

- বায়হাকীর "মা'রিফাতুস সুনানি ওয়াল আসার"

- এবং দশটি মুসনাদ: মুসনাদে তায়ালিসী, মুসনাদে মুসাদ্দাদ, মুসনাদে হুমায়দী, মুসনাদে ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহি, মুসনাদে ইবনে আবি শায়বা, মুসনাদে আদানী, মুসনাদে আবদ ইবনে হুমাইদ, মুসনাদে হারিস ইবনে আবি উসামা, মুসনাদে আহমাদ ইবনে মানী' এবং মুসনাদে আবু ইয়ালা আল-কাবীর।

• বুখারী ও মুসলিমের কিতাবদ্বয় তাদের বিশুদ্ধতার কারণে অন্যান্য কিতাবের চেয়ে স্বতন্ত্র; কিন্তু বুখারী ও মুসলিম সমস্ত সহীহ হাদীস একত্রিত করেননি, তারা অনেক সহীহ ও হাসান হাদীস বাদ রেখেছেন। আমাদের এই কিতাবটি সিহাহ, সুনান, মুসান্নাফ, মুসনাদ, মু'জাম ও আজযা (পুস্তিকা) এবং ইলাল শাস্ত্রের কিতাবসমূহে বর্ণিত সহীহ হাদীসগুলোর একটি বড় অংশ একত্রিত করেছে।

• আপনি এই কিতাবটিতে সহীহ বুখারী ও মুসলিম পাবেন, এছাড়া চার সুনান (আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ ও ইবনে মাজাহ), মুয়াত্তা মালিক, সুনানে দারেমী, ইমাম আহমাদের মুসনাদের সকল সহীহ হাদীস এবং সহীহ ইবনে হিব্বানের সকল সহীহ হাদীস পাবেন।
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ٨)
خزيمة وابن حبان، وكل الأحاديث الصحيحة في السنن الكبرى للبيهقي والذي علق على بعضه الامام الذهبي، وسنن الدارقطني بتحقيق شعيب الأرناؤوط، ومستدرك الحاكم، والأحاديث المختارة للمقدسي، وما صححه الألباني في كتبه لا سيما السلسلة الصحيحة وصحيح الترغيب والترهيب للمنذري، وما صح من الجامع الصغير للسيوطي، و"الجامع الصحيح مما ليس في الصحيحين"، و"الصحيح المسند في دلائل النبوة"، و"الصحيح المسند في أسباب النزول " للشيخ مقبل الوادعي وما صححه الحويني في المنيحة بسلسلة الأحاديث الصحيحة.

• فيه ما حكم عليه الشيخ أحمد شاكر والشيخ الألباني والشيخ مقبل الوادعي، والشيخ الأرناؤوط، و الشيخ الحويني بالصحة في كتبهم المطبوعة المتداولة.

• ولهذا كان " صحيح الكتب التسعة وزوائده" الجامع لسنة الهادي سيراً على خُطى من سبقونا في تسهيل الوصول إلى أحاديث وأخبار الرسول صلى الله عليه وسلم، وذلك لتقريبها لعامة المسلمين. ومن كان في بيته هذا الكتاب، فكأنما في بيته نبي يتكلم.

• قال محمد سليمان بن الفاسي المغربي المالكي (ت: 1094 هـ) في " جمع الفوائد من جامع الأصول ومجمع الزَّوائِد" في معرض الكلام عن الكتب الخمسة: ولما كان اختلاف القوم في سادس الستة، أهو ابن ماجة أو الموطأ، أو مسند مسند الدارمي، راعيت هذا الخلاف، فأضفت لذلك أيضا زوائد الدارمي مفردة.

• وهذه الكتب تغني عن غيرها، ولا يغني غيرها عنها؛ فهي تلبي الحاجة في مختلف فروع الشريعة.

• وقال الكتاني في "الرسالة المستطرفة لبيان مشهور كتب السنة المشرفة" (ت: 1345 هـ). ص 13.:" ومنهم من جعل السادس الموطأ كرزين بن معاوية العبدري في التجريد وابن الأثير في جامع الأصول. وقال قوم من الحفاظ منهم ابن الصلاح والنووي وصلاح الدين العلائي والحافظ ابن حجر: لو جعل مسند الدارمي سادسا كان أولى.

• ومنهم من جعل كتب أصول السنة الكتب السبعة فعد منها زيادة على الخمسة كلا من الموطأ وابن ماجة ومنهم من أسقط الموطأ وجعل بدله سنن الدارمي. ومنهم من جعل مسند أحمد الأصل السابع كالحافظ ابن حجر. والله أعلم.

• فصارت بذلك أمهات كتب السنة هذه الكتب التسعة، وهي المعروفة بالكتب التسعة.

• ومنهم من جعل كتب أصول السنة الكتب العشرة كالحافظ ابن كثير فقال: كتب الإسلام المعتمدة في الأحاديث الواردة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم. الكتب الستة، وهي: الصحيحان: البخاري ومسلم، والسنن الأربع: لأبي داود، والترمذي، والنسائي، وابن ماجه، ومسند الإمام أحمد، ومسند أبي بكر البزار، ومسند الحافظ أبي يعلى الموصلي، والمعجم الكبير للطبراني رحمهم الله. فهذه الكتب العشرة تشتمل على أحاديث كثيرة في الأحكام، وفي التفسير، وفي التواريخ، والرقائق، والفضائل، وغير ذلك من فنون العلم. وسميت كتابي هذا: "جامع المسانيد والسنن الهادي لأقوم سنن".

• وقال الكتاني أيضاً ص 19:" فهذه هي كتب الأئمة الأربعة -يقصد موطأ مالك، ومسند أبي حنيفة والشافعي وأحمد- وبإضافتها إلى الستة الأولى تكمل الكتب العشرة التي هي أصول الإسلام وعليها مدار الدين".
খুযাইমাহ ও ইবনে হিব্বান এবং বায়হাকীর ‘আস-সুনানুল কুবরা’র সকল সহীহ হাদিস—যার কিছু অংশের ওপর ইমাম যাহাবী টীকা লিখেছেন, শুআইব আরনাউতের সম্পাদনায় সুনানে দারা কুতনী, হাকেমের মুস্তাদরাক, মাকদিসীর ‘আল-আহাদিসুল মুখতারা’, আলবানী তাঁর কিতাবসমূহে বিশেষ করে ‘আস-সিলসিলাতুস সহীহাহ’ এবং মুনযিরীর ‘সহীহুত তারগীব ওয়াত তারহীব’-এ যা সহীহ বলেছেন, সুয়ূতী ‘আল-জামি আস-সাগীর’-এর যে অংশকে সহীহ বলেছেন, এবং ‘আল-জামি আস-সহীহ মিম্মা লাইসা ফিস সহীহাইন’, শেখ মুকবিল আল-ওয়াদিয়ীর ‘আস-সহীহুল মুসনাদ ফী দালাাইলিন নুবুওয়াহ’ ও ‘আস-সহীহুল মুসনাদ ফী আসবাবিন নুযূল’ এবং ‘আল-মানীহা’ গ্রন্থে সিলসিলাতুস সহীহাহ-এর আলোকে হুয়াইনী যা সহীহ বলেছেন।

• এতে শেখ আহমদ শাকির, শেখ আলবানী, শেখ মুকবিল আল-ওয়াদিয়ী, শেখ আরনাউত এবং শেখ হুয়াইনী তাঁদের বর্তমানে প্রচলিত মুদ্রিত গ্রন্থসমূহে যেসব হাদিসকে সহীহ হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন, তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

• এ কারণেই ‘সহীহুল কুতুবিত তিসআহ ওয়া যাওয়াইদুহু’ (নয়টি গ্রন্থের সহীহ হাদিস ও এর অতিরিক্তসমূহ) গ্রন্থটি রাসূলুল্লাহ (তাঁর ওপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক)-এর হাদিস ও সংবাদসমূহ সহজলভ্য করার ক্ষেত্রে পূর্বসূরিদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে সুন্নাহর এক বিশাল সংকলন, যাতে সাধারণ মুসলিমরা এর নিকটবর্তী হতে পারে। যার ঘরে এই কিতাবটি রয়েছে, তার ঘরে যেন একজন কথা বলা নবী রয়েছেন।

• মুহাম্মদ সুলাইমান বিন আল-ফাসী আল-মাগরিবী আল-মালিকী (মৃত্যু: ১০৯৪ হিজরি) তাঁর ‘জামউল ফাওয়াইদ মিন জামিউল উসূল ওয়া মাজমাউয যাওয়াইদ’ গ্রন্থে ছয়টি মূল কিতাব সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন: “যখন ষষ্ঠ কিতাবটি নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ তৈরি হলো যে, এটি কি ইবনে মাজাহ, নাকি মুয়াত্তা, নাকি মুসনাদুদ দারেমী; তখন আমি এই মতভেদকে বিবেচনায় রেখেছি এবং দারেমীর অতিরিক্ত হাদিসগুলোকেও পৃথকভাবে যুক্ত করেছি।”

• এই কিতাবগুলো অন্য সব কিতাবের অভাব পূরণ করে, কিন্তু অন্য কোনো কিতাব এদের অভাব পূরণ করতে পারে না; এগুলো শরীয়তের বিভিন্ন শাখার প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে।

• কাত্তানী তাঁর ‘আর-রিসালাতুল মুস্তাতরাফাহ লি বায়ানিল মশহুর কুতুবিস সুন্নাতিল মুশরাফাহ’ (মৃত্যু: ১৩৪৫ হিজরি) গ্রন্থের ১৩ পৃষ্ঠায় বলেন: “কেউ কেউ ষষ্ঠ কিতাব হিসেবে ‘মুয়াত্তা’কে গণ্য করেছেন, যেমন রাজীন বিন মুয়াবিয়া আল-আবদারী ‘আত-তাজরীদ’ গ্রন্থে এবং ইবনুল আসীর ‘জামিওল উসূল’ গ্রন্থে। একদল হাফেজে হাদিস, যাঁদের মধ্যে ইবনুস সালাহ, নববী, সালাহউদ্দীন আল-আলাই এবং হাফেজ ইবনে হাজার রয়েছেন, তাঁরা বলেছেন: যদি মুসনাদুদ দারেমীকে ষষ্ঠ গ্রন্থ হিসেবে ধরা হতো তবে তা অধিকতর উত্তম হতো।”

• আবার কেউ কেউ সুন্নাহর মৌলিক গ্রন্থসমূহকে সাতটি কিতাব হিসেবে গণ্য করেছেন এবং প্রথম পাঁচটি বাদে মুয়াত্তা ও ইবনে মাজাহ উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করেছেন। কেউ কেউ মুয়াত্তা বাদ দিয়ে তার স্থলে সুনানে দারেমীকে রেখেছেন। আবার কেউ কেউ মুসনাদে আহমদকে সপ্তম মূল গ্রন্থ হিসেবে গণ্য করেছেন, যেমন হাফেজ ইবনে হাজার করেছেন। আর আল্লাহই ভালো জানেন।

• এর ফলে এই নয়টি কিতাব সুন্নাহর মূল ভিত্তি বা জননী হিসেবে পরিগণিত হয়েছে, যা ‘আল-কুতুবুত তিসআহ’ (নয়টি কিতাব) নামে পরিচিত।

• কেউ কেউ সুন্নাহর মৌলিক গ্রন্থসমূহকে দশটি কিতাব হিসেবে গণ্য করেছেন, যেমন হাফেজ ইবনে কাসীর। তিনি বলেন: “রাসূলুল্লাহ (তাঁর ওপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক) থেকে বর্ণিত হাদিসসমূহের ক্ষেত্রে ইসলামের নির্ভরযোগ্য কিতাবসমূহ হলো দশটি। সেগুলো হলো: সহীহাইন (বুখারী ও মুসলিম), সুনানে আরবাআ (আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ ও ইবনে মাজাহ), ইমাম আহমদের মুসনাদ, আবু বকর আল-বায্যারের মুসনাদ, হাফেজ আবু ইয়ালা আল-মাওসিলীর মুসনাদ এবং তাবারানীর আল-মুজামুল কাবীর (আল্লাহ তাঁদের প্রতি রহমত বর্ষণ করুন)। এই দশটি কিতাব আহকাম (বিধিবিধান), তাফসীর, ইতিহাস, আধ্যাত্মিকতা (রাকাইক), ফযীলত এবং ইলমের অন্যান্য শাখার অসংখ্য হাদিসকে অন্তর্ভুক্ত করে। আমি আমার এই কিতাবটির নামকরণ করেছি: ‘জামিওল মাসানিদ ওয়াস সুন্নান আল-হাদী লি আকওয়ামি সুনান’।”

• কাত্তানী আরও বলেন (পৃষ্ঠা ১৯): “এগুলো হলো চার ইমামের কিতাব—অর্থাৎ ইমাম মালিকের মুয়াত্তা এবং আবু হানিফা, শাফেয়ী ও আহমদের মুসনাদসমূহ। প্রথম ছয়টির সাথে এগুলো যুক্ত করলে দশটি কিতাব পূর্ণ হয়, যা ইসলামের মূল ভিত্তি এবং যার ওপর দ্বীনের আবর্তন।”
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ٩)
‌‌مراحل العمل بهذا الكتاب

‌‌أولاً: مرحلة جمع الحديث

‌‌1 - الأحاديث المتفق عليها

وهى الأحاديث التي اتفق عليها الإمام البخاري والإمام مسلم واستعنا فى جمعها بكتاب اللؤلؤ والمرجان فيما اتفق عليه الشيخان البخاري ومسلم وكذلك بموسوعة الحديث الشريف لشركة حرف لتقنية المعلومات. وقمنا فيها بتصفية الأحاديث المتفق عليها على الأساس الآتي:-

أ إن العمدة فى التخريج عند المحدثين أصل الحديث، ولا يهم عندهم اختلاف الألفاظ، فما دام الصحابي متحدا ومعنى المتن متحدا كله أو بعضه فهو حديثك، فإذا وجد المتن فيه بعض اختلاف فى الألفاظ فلا يضر، وإذا وجد المتن متحداً في جزء وهناك زيادة في الحديث أو في الكتاب الذي يخرج منه فلا يضر أيضا.

ب تم حذف الأحاديث التي لها نفس المتن مع اختلاف السند واكتفى بواحد منهما دون الأخر، ومثال ذلك الحديث رقم (63) والحديث رقم (64)، فالحديث الأول الراوي عبد الله بن عمر والحديث الثاني الراوي أبو موسى، ولكن متن الحديث واحد وهو (من حمل علينا السلاح فليس منا). وحديث: " البيعان بالخيار ما لم يتفرقا " (118) في (18) كتاب من كتب السنة. وحديث: "من ترك صلاة العصر حبط عمله. كأنما وتر أهله وماله" (141) في (18) كتاب من كتب السنة. وحديث: " من كذب علي متعمدا؛ فليتبوأ مقعده من النار ".روى من 180 طريقاً عن (60) صحابياً.

ت تم حذف أحاديث معادة بالكامل في موضعين مختلفين كحديث غسل أيوب، فذكر في كتاب الغسل برقم (194) وذكر في كتاب الفضائل برقم (1532)، وأيضا حديث (اللهم ارزق آل محمد قوتا) ذكر برقم (628) وبرقم (1870) فنكتفى بأحدهما دون الأخر، وإن ذكر فإما لفائدة، أو غفلة منا كما فعل مسلم رحمه الله.

ث توجد بعض الأحاديث قصيرة وأخرى طويلة تشمل معنى الحديث القصير وتزيد عليه، فاكتفى بالحديث الطويل، ومثال ذلك أول أربع أحاديث بأرقام (1) (2) (3) (4) وفيها تغليظ الكذب على رسول الله صلى الله عليه وسلم فاكتفى بالأشمل منهم وهو حديث (إن كذبا علىَّ ليس ككذب على أحد ...... ) برقم (4)، والحديث رقم (80) ورقم (81)، فالأول ذكر أن الحسنة بعشر أمثالها إلى سبعمائة ضعف والثاني أشمل منه حيث ذكر ثواب من هم بالحسنة فعملها ومن هم بها ولم يعملها وكذلك السيئة فأخذ الحديث الثاني لاشتماله معنى الحديث الأول ويزيد عليه جزاء الحسنة والسيئة.

ج تم تسجيل رقم الحديث في البخاري و مسلم و باقي كتب الحديث السبعة والزوائد إن وجدت.

 

‌‌2 - جمع الأحاديث التي انفرد بها مسلم دون البخاري

تم جمع الأحاديث التي انفرد بها مسلم دون البخاري بعد عرض الأحاديث المتفق عليها من كتاب اللؤلؤ والمرجان على أحاديث صحيح مسلم نظراً لتبويبه بنفس تبويب صحيح مسلم، وكذلك بالاستعانة بموسوعة الحديث على اسطوانة الكتب التسعة لشركة حرف لتقنية المعلومات، وتم قيد رقم تخريج الأحاديث للإمام مسلم مصحوبة بأرقام تخاريج الأحاديث لباقي الأئمة بالكتب السبعة والزوائد إن وجدت.
‌‌এই কিতাবের কাজ সম্পাদনের পর্যায়সমূহ

‌‌প্রথমত: হাদিস সংকলন পর্যায়

‌‌১ - মুত্তাফাকুন আলাইহি (ঐক্যমত পোষণকৃত) হাদিসসমূহ

এগুলো হলো সেই সব হাদিস যেগুলোর ওপর ইমাম বুখারী এবং ইমাম মুসলিম ঐক্যমত পোষণ করেছেন। আমরা এগুলো সংকলনের ক্ষেত্রে ‘আল-লু’লু ওয়াল মারজান ফিমা ইত্তাফাকা আলাইহিশ শাইখান বুখারী ওয়া মুসলিম’ কিতাবটির সহায়তা নিয়েছি এবং ‘হারফ ইনফরমেশন টেকনোলজি’ কোম্পানির ‘মাওসুআতুল হাদিস আশ-শারিফ’ (হাদিস বিশ্বকোষ)-এরও সাহায্য নিয়েছি। আমরা মুত্তাফাকুন আলাইহি হাদিসগুলোকে নিম্নোক্ত বিষয়ের ভিত্তিতে বাছাই করেছি:

ক. মুহাদ্দিসগণের নিকট তাখরিজের (হাদিসের সূত্র নির্দেশ) প্রধান ভিত্তি হলো হাদিসের মূল বিষয়বস্তু; শব্দের ভিন্নতা তাঁদের নিকট গুরুত্বপূর্ণ নয়। যতক্ষণ পর্যন্ত সাহাবী এবং মতনের (মূল পাঠ) অর্থ সম্পূর্ণ বা আংশিক এক থাকে, ততক্ষণ সেটি আপনার হাদিস হিসেবে গণ্য হয়। সুতরাং মতনের শব্দে কিছু ভিন্নতা পাওয়া গেলে তা কোনো ক্ষতি করে না। আর যদি মতনের কোনো অংশ এক পাওয়া যায় এবং হাদিসে বা যে কিতাব থেকে তাখরিজ করা হচ্ছে সেখানে কোনো বাড়তি অংশ থাকে, তাতেও কোনো অসুবিধা নেই।

খ. একই মতন কিন্তু ভিন্ন সনদে বর্ণিত হাদিসগুলো থেকে একটি রেখে অন্যটি বাদ দেওয়া হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ৬৩ ও ৬৪ নম্বর হাদিস; প্রথম হাদিসের বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ বিন উমর এবং দ্বিতীয় হাদিসের বর্ণনাকারী আবু মুসা, কিন্তু হাদিসের মতন (মূল পাঠ) এক এবং তা হলো: "যে আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করবে সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়"। এবং "ক্রেতা ও বিক্রেতার বিচ্ছিন্ন না হওয়া পর্যন্ত ইখতিয়ার (ক্রয়-বিক্রয় বাতিল করার অধিকার) থাকে" হাদিসটি (১১৮) সুনান গ্রন্থসমূহের ১৮টি কিতাবে রয়েছে। আর "যে আসরের সালাত ছেড়ে দেয় তার আমল নষ্ট হয়ে যায়, যেন তার পরিবার ও সম্পদ ধ্বংস হয়ে গেল" হাদিসটি (১৪১) সুনান গ্রন্থসমূহের ১৮টি কিতাবে রয়েছে। এবং "যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করবে, সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়" হাদিসটি ১৮০টি সূত্রে ৬০ জন সাহাবী থেকে বর্ণিত হয়েছে।

গ. দুইটি ভিন্ন স্থানে সম্পূর্ণভাবে পুনরাবৃত্ত হাদিসগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে, যেমন আইয়ুব (আ.)-এর গোসলের হাদিস; যা গোসল অধ্যায়ে ১৯৪ নম্বরে এবং ফজিলত অধ্যায়ে ১৫৩২ নম্বরে উল্লেখ করা হয়েছে। অনুরূপভাবে, "হে আল্লাহ! মুহাম্মদের পরিবারকে প্রয়োজনীয় রিযিক দান করুন" হাদিসটি ৬২৮ এবং ১৮৭০ নম্বরে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই আমরা একটি রেখে অন্যটি বাদ দিয়েছি। আর যদি কোথাও উল্লেখ থাকে, তবে তা হয় কোনো উপকারিতার জন্য অথবা আমাদের অসতর্কতার কারণে, যেমনটি ইমাম মুসলিম (রাহিমাহুল্লাহ) করেছেন।

ঘ. কিছু হাদিস সংক্ষিপ্ত এবং কিছু দীর্ঘ পাওয়া যায় যা সংক্ষিপ্ত হাদিসের অর্থকে অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি অতিরিক্ত কিছু প্রদান করে; সেক্ষেত্রে আমরা দীর্ঘ হাদিসটি গ্রহণ করেছি। উদাহরণস্বরূপ, প্রথম চারটি হাদিস (১, ২, ৩, ৪) যাতে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওপর মিথ্যা বলার কঠোরতা বর্ণিত হয়েছে; সেখানে আমরা সবচেয়ে ব্যাপক হাদিসটি গ্রহণ করেছি যা হলো ৪ নম্বর হাদিস: "নিশ্চয়ই আমার ওপর মিথ্যা বলা অন্য কারো ওপর মিথ্যা বলার মতো নয়..."। আবার ৮০ ও ৮১ নম্বর হাদিসের ক্ষেত্রে, প্রথমটিতে বলা হয়েছে একটি নেকি দশ গুণ থেকে সাতশ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়, আর দ্বিতীয়টি তার চেয়ে ব্যাপক যেখানে নেকির সংকল্প করে তা সম্পাদনকারী এবং সংকল্প করে সম্পাদন না কারীর সওয়াব বর্ণনা করা হয়েছে, পাশাপাশি গুনাহের বিষয়েও বলা হয়েছে। তাই আমরা দ্বিতীয় হাদিসটি গ্রহণ করেছি যেহেতু এটি প্রথম হাদিসের অর্থকে শামিল করে এবং নেকি ও গুনাহের প্রতিদানের ক্ষেত্রে আরও অতিরিক্ত বর্ণনা প্রদান করে।

ঙ. বুখারী, মুসলিম ও বাকি সাতটি হাদিস গ্রন্থের এবং যদি জাওয়াইদ (অতিরিক্ত সংকলন) থাকে তবে তার হাদিস নম্বর লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

 

‌‌২ - সেই সব হাদিস সংগ্রহ করা যা কেবল ইমাম মুসলিম বর্ণনা করেছেন এবং ইমাম বুখারী করেননি

‘আল-লু’লু ওয়াল মারজান’ কিতাব থেকে মুত্তাফাকুন আলাইহি হাদিসগুলো সহীহ মুসলিমের হাদিসগুলোর সাথে মিলিয়ে দেখার পর কেবল ইমাম মুসলিমের একক হাদিসগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে, কারণ এর অধ্যায়বিন্যাস সহীহ মুসলিমের অনুরূপ। একইভাবে ‘হারফ ইনফরমেশন টেকনোলজি’ কোম্পানির ‘কুতুবুত তিসআ’ (নয়টি কিতাব) সিডিতে থাকা হাদিস বিশ্বকোষের সহায়তা নেওয়া হয়েছে। এখানে ইমাম মুসলিমের হাদিসের তাখরিজ নম্বরের পাশাপাশি সাতটি কিতাবের বাকি ইমামগণের তাখরিজ নম্বর এবং জাওয়াইদ থাকলে তাও উল্লেখ করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ١٠)
‌‌3 - جمع الأحاديث التي انفرد بها البخاري دون مسلم

وذلك بعرض الأحاديث المتفق عليها والأحاديث التي انفرد بها مسلم على صحيح البخاري بشرح بن حجر العسقلاني واسطوانة الكتب التسعة، وتم قيد رقم تخريج الأحاديث للإمام البخاري مصحوبة بأرقام تخاريج الأحاديث لباقي الأئمة بالكتب السبعة والزوائد إن وجدت.

 

‌‌4 - جمع الأحاديث التي انفرد بها أحمد بن حنبل دون البخاري ومسلم

تم جمع الأحاديث التي انفرد بها الإمام أحمد بن حنبل من خلال مسند أحمد طبعة دار التراث وطبعة دار الكتاب المكونة من 20 مجلد بتحقيق الأستاذ أحمد شاكر والأستاذ حمزة الزيني وبالاستعانة بموسوعة الحديث الشريف للكتب التسعة. وبهذه المرحلة تم استبعاد الأحاديث المكررة المتن والأحاديث المتفق على ضعفها، كما تم استبعاد الأحاديث التي سبق ذكرها في البخاري ومسلم. وأما باقي الأحاديث التي انفرد بها أحمد دون البخاري ومسلم فتم تبويبها على كتب الفقه بالإسترشاد بالمجلد العشرين من مسند أحمد بن حنبل طبعة دار الكتاب، وتم قيد رقم تخريج الأحاديث للإمام أحمد مصحوبة بأرقام تخاريج الأحاديث لباقي الأئمة بالكتب الستة والزوائد إن وجدت.

 

‌‌5 - جمع الأحاديث التي انفرد بها أبو داود دون البخاري ومسلم وأحمد بن حنبل

تم جمع الأحاديث التي انفرد بها أبو داود بالإسترشاد بسنن أبى داود بتحقيق الشيخ الألباني وكذلك بموسوعة الحديث الشريف لشركة حرف لتقنية المعلومات. كما تم استبعاد الأحاديث المكررة المتن والأحاديث المتفق على ضعفها، واستبعاد الأحاديث التى سبق ذكرها بصحيحي البخارى ومسلم ومسند أحمد. وذكر مع كل حديث رقم تخريجه فى سنن أبى داود مصحوبة بأرقام تخاريج الأحاديث لباقي الأئمة بالكتب الخمسة إن وجدت.

 

‌‌6 - جمع الأحاديث التي انفرد بها الترمذي عن البخاري ومسلم وأحمد بن حنبل وأبي داود

تم الإستعانة فى جمعها بسنن الترمذي بتحقيق الشيخ الألباني وكذلك بموسوعة الحديث الشريف لشركة حرف لتقنية المعلومات. كما تم استبعاد الأحاديث المكررة المتن والأحاديث المتفق على ضعفها، واستبعاد الأحاديث التي سبق ذكرها فى البخاري ومسلم ومسند أحمد وأبي داود. وذكر مع كل حديث رقم تخريجه فى سنن الترمذي مصحوبة بأرقام تخاريج الأحاديث لباقي الأئمة بالكتب الأربعة والزوائد إن وجدت.

 

‌‌7 - جمع الأحاديث التي انفرد بها النسائي دون البخاري ومسلم وأحمد وأبي داود والترمذي

تم الاستعانة في جمعها بسنن النسائي بتحقيق الشيخ الألباني وكذلك بموسوعة الحديث الشريف لشركة حرف لتقنية المعلومات. كما تم استبعاد الأحاديث المكررة المتن والأحاديث المتفق على ضعفها، واستبعاد الأحاديث التى سبق ذكرها في البخاري ومسلم ومسند أحمد وأبي داود والترمذي. وذكر مع كل حديث رقم تخريجه فى سنن النسائي مصحوبة بأرقام تخاريج الأحاديث لباقي الأئمة بالكتب الثلاثة والزوائد إن وجدت.

 

‌‌8 - جمع الأحاديث التي انفرد بها ابن ماجه، ثم الأحاديث التي انفرد بها موطأ مالك، ثم الأحاديث التي انفرد بها الدارمي، ثم ما ورد بكتب الزوائد

وذلك بإتباع نفس المنهج السابق.
‌‌৩ - মুসলিম ব্যতীত শুধুমাত্র বুখারীর একাকী বর্ণিত হাদিসসমূহ সংগ্রহ

এটি সম্পন্ন করা হয়েছে ইবনে হাজার আসকালানির ব্যাখ্যাসহ সহীহ বুখারী এবং নয়টি কিতাবের ডিজিটাল ডাটাবেজের মাধ্যমে মুত্তাফাকুন আলাইহি (ঐক্যমত্যপূর্ণ) হাদিসসমূহ এবং মুসলিমের একাকী বর্ণিত হাদিসসমূহ যাচাই করার মাধ্যমে। ইমাম বুখারীর হাদিসের তাখরীজ নাম্বারের সাথে অবশিষ্ট সাতটি কিতাব এবং অতিরিক্ত (জাওয়ায়েদ) কিতাবসমূহের (যদি থাকে) অন্যান্য ইমামদের তাখরীজ নাম্বারও লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

 

‌‌৪ - বুখারী ও মুসলিম ব্যতীত শুধুমাত্র আহমাদ ইবনে হাম্বলের একাকী বর্ণিত হাদিসসমূহ সংগ্রহ

ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বলের একাকী বর্ণিত হাদিসসমূহ দারুত তুরাস এবং দারুল কিতাব প্রকাশিত মুসনাদে আহমাদ (২০ খণ্ড, শায়খ আহমাদ শাকির ও শায়খ হামজা যাইনী সম্পাদিত) এবং হাদিস বিশ্বকোষের সহায়তায় সংগ্রহ করা হয়েছে। এই পর্যায়ে মূল পাঠের পুনরাবৃত্তি রয়েছে এমন হাদিস এবং সর্বসম্মতভাবে দুর্বল হাদিসসমূহ বর্জন করা হয়েছে। সেই সাথে বুখারী ও মুসলিমে ইতিপূর্বে বর্ণিত হাদিসগুলোও বাদ দেওয়া হয়েছে। আর বুখারী ও মুসলিম ব্যতিরেকে ইমাম আহমাদ যে হাদিসগুলোতে একক, সেগুলো দারুল কিতাব প্রকাশিত মুসনাদে আহমাদ ইবনে হাম্বলের ২০তম খণ্ডের নির্দেশিকা অনুযায়ী ফিকহের অধ্যায়ভিত্তিক বিন্যাস করা হয়েছে। ইমাম আহমাদের হাদিসের তাখরীজ নাম্বারের সাথে কুতুবে সিত্তাহ (ছয়টি কিতাব) এবং অতিরিক্ত (জাওয়ায়েদ) কিতাবসমূহের (যদি থাকে) অন্যান্য ইমামদের তাখরীজ নাম্বারও লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

 

‌‌৫ - বুখারী, মুসলিম ও আহমাদ ইবনে হাম্বল ব্যতীত শুধুমাত্র আবু দাউদের একাকী বর্ণিত হাদিসসমূহ সংগ্রহ

শায়খ আলবানীর তাহকীককৃত সুনানে আবু দাউদ এবং 'হারফ ইনফরমেশন টেকনোলজি'র হাদিস বিশ্বকোষের সাহায্যে আবু দাউদের একক হাদিসগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে। এখানেও মূল পাঠের পুনরাবৃত্তি রয়েছে এমন হাদিস ও সর্বসম্মতভাবে দুর্বল হাদিসগুলো বর্জন করা হয়েছে, এবং সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম ও মুসনাদে আহমাদে গত হওয়া হাদিসগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি হাদিসের সাথে সুনানে আবু দাউদের তাখরীজ নাম্বার এবং সাথে অবশিষ্ট পাঁচটি কিতাবে অন্যান্য ইমামদের তাখরীজ নাম্বার (যদি থাকে) উল্লেখ করা হয়েছে।

 

‌‌৬ - বুখারী, মুসলিম, আহমাদ ইবনে হাম্বল ও আবু দাউদ ব্যতীত শুধুমাত্র তিরমিযীর একাকী বর্ণিত হাদিসসমূহ সংগ্রহ

শায়খ আলবানীর তাহকীককৃত সুনানে তিরমিযী এবং 'হারফ ইনফরমেশন টেকনোলজি'র হাদিস বিশ্বকোষের সাহায্যে এগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে। এতেও মূল পাঠের পুনরাবৃত্তি ও সর্বসম্মত দুর্বল হাদিসগুলো এবং বুখারী, মুসলিম, মুসনাদে আহমাদ ও আবু দাউদে ইতিপূর্বে বর্ণিত হাদিসগুলো বর্জন করা হয়েছে। প্রতিটি হাদিসের সাথে সুনানে তিরমিযীর তাখরীজ নাম্বার এবং সাথে অবশিষ্ট চারটি কিতাব ও জাওয়ায়েদ কিতাবসমূহের (যদি থাকে) অন্যান্য ইমামদের তাখরীজ নাম্বার উল্লেখ করা হয়েছে।

 

‌‌৭ - বুখারী, মুসলিম, আহমাদ, আবু দাউদ ও তিরমিযী ব্যতীত শুধুমাত্র নাসায়ীর একাকী বর্ণিত হাদিসসমূহ সংগ্রহ

শায়খ আলবানীর তাহকীককৃত সুনানে নাসায়ী এবং 'হারফ ইনফরমেশন টেকনোলজি'র হাদিস বিশ্বকোষের সাহায্যে এগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে। এতেও মূল পাঠের পুনরাবৃত্তি ও সর্বসম্মত দুর্বল হাদিসগুলো এবং বুখারী, মুসলিম, মুসনাদে আহমাদ, আবু দাউদ ও তিরমিযীতে ইতিপূর্বে বর্ণিত হাদিসগুলো বর্জন করা হয়েছে। প্রতিটি হাদিসের সাথে সুনানে নাসায়ীর তাখরীজ নাম্বার এবং সাথে অবশিষ্ট তিনটি কিতাব ও জাওয়ায়েদ কিতাবসমূহের (যদি থাকে) অন্যান্য ইমামদের তাখরীজ নাম্বার উল্লেখ করা হয়েছে।

 

‌‌৮ - ইবনে মাজাহ-এর একাকী বর্ণিত হাদিসসমূহ সংগ্রহ, এরপর মুয়াত্তা মালিক-এর একাকী বর্ণিত হাদিসসমূহ, এরপর দারেমীর একাকী বর্ণিত হাদিসসমূহ এবং এরপর জাওয়ায়েদ কিতাবসমূহে বর্ণিত হাদিসসমূহ

এক্ষেত্রেও পূর্ববর্তী একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ١١)
‌‌ثانياً: مرحلة التحقيق

‌‌1 - أحاديث البخاري ومسلم

اجمتع على صحتها فاكتفى بذكر رقم الحديث في صحيح البخاري وصحيح مسلم ورقم الحديث في الكتب السبعة إن وجد. الأحاديث المعلقة بصحيح البخاري تم تحقيقها بالرجوع إلى كتاب تغليق التعليق للإمام ابن حجر العسقلاني.

 

‌‌2 - أحاديث أحمد بن حنبل

تم الإعتماد على تحقيق الشيخ أحمد شاكر والشيخ حمزة الزيني، ثم بعرض كل حديث على مسند أحمد تحقيق بيت الأفكار الدولية وفيه تحقيق لأغلب أحاديث المسند للحاكم وبن حبان وبن خزيمة والألباني والبوصيري، ثم بعرض كل حديث على مسند أحمد تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط، فأما الاحاديث التي ضعفها شعيب أو قال منكر أو شاذ وقد صححها أحمد شاكر فيعمل بها وليس متروكا ولا مردودا و أما الاحاديث التي أجمع اهل الحديث على ضعفها فلا نذكرها، وأخيراً بتسجيل التحقيق لكل حديث بأخر متن الحديث.

 

‌‌3 - أحاديث كتب السنن للأئمة الأربعة، أبي داود والترمذي والنسائي وابن ماجة

تم تحقيق الأحاديث بالرجوع إلى تحقيق الشيخ الألباني من صحيح السنن للألباني ثم بعرض الأحاديث على صحيح الجامع الصغير للألباني، ووجدنا ثلاث حالات تم تسجيلها كالآتي:

• الأحاديث الموجودة منها في صحيح الجامع تم تسجيل رقم الحديث بنفس قيده بصحيح الجامع آخر كل حديث.

• الأحاديث الغير موجودة في صحيح الجامع تم البحث عنها بموقع الدرر السنية فما كان منها صحيح أثبتناه بعد متن الحديث وماكان منها ضعيف تم حذفه.

• أحاديث تم رصدها بصحيح الجامع وغير مدرجة بكتابنا، وعليه تم إضافتها وتسجيل رقم الحديث بنفس قيده بصحيح الجامع آخر متن كل حديث.

 

‌‌4 - أحاديث الموطأ لمالك والدارمي

تم تحقيق بعض الأحاديث بالإعتماد على تحقيق الدارقطني والحاكم، وأما ما انفرد به مالك فتحقيق سليم بن عيد الهلالي، وما انفرد به الدارمي فتحقيق فواز أحمد زمرلي وخالد السبع العلمي ومعقبة بخلاصة حكم حسين سليم أسد عليها.

 

‌‌5 - والزوائد ويقصد بها:

• زوائد ابن خزيمة من صحيحه بتحقيق (الأعظمي، الألباني) على الكتب التسعة.

• زوائد ابن حبان بتحقيق (شعيب، الألباني) على الكتب العشرة.

• زوائد الحاكم (ما صححه ووافقه الذهبي) على الكتب الأحد عشر.

• زوائد سنن الدارقطني بتحقيق (شعيب)، (نوال اللهيبي) على الكتب الإثنى عشر.

• زوائد مسند أبي يعلى بتحقيق (حسين أسد الداراني) على الكتب الثلاث عشر.

• زوائد المصنف لعبد الرزاق بتحقيق (عبد الرحمن الخريصي واشراف د جلال عجوة)، (هشام بناني- من أول الكتاب).

• زوائد المصنف لابن أبي شيبة (بتحقيق محمد صالح الزير واشراف عبد الستار فتح الله).

• زوائد سنن سعيد بن منصور بتحقيق (احمد صالح الغامدي).

• زوائد البخاري في الأدب المفرد على ما سبق بتحقيق (الألباني).

• زوائد ابن ابي عاصم في السنة على ما سبق بتحقيق (الألباني).
দ্বিতীয়: তাহকিক বা গবেষণার পর্যায়

১ - বুখারি ও মুসলিমের হাদিসসমূহ

যে হাদিসগুলোর বিশুদ্ধতার (সহিহ হওয়ার) ওপর ঐক্যমত হয়েছে, সেগুলোর ক্ষেত্রে সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমের হাদিস নম্বর এবং সাতটি কিতাবে (কুতুবে সাবআ) থাকলে তার নম্বর উল্লেখ করাই যথেষ্ট মনে করা হয়েছে। সহিহ বুখারির মুআল্লাক হাদিসগুলো ইমাম ইবনে হাজার আসকালানি রহ.-এর 'তাগলিকুত তায়লিক' কিতাবের বরাতে তাহকিক করা হয়েছে।

 

২ - আহমাদ বিন হাম্বলের হাদিসসমূহ

শেখ আহমাদ শাকির ও শেখ হামজা আজ-জায়িনির তাহকিকের ওপর নির্ভর করা হয়েছে। এরপর প্রতিটি হাদিস 'বাইতুল আফকার আদ-দুওয়ালিয়্যাহ' প্রকাশিত 'মুসনাদে আহমাদ'-এর তাহকিকের সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে, যেখানে হাকিম, ইবনে হিব্বান, ইবনে খুজাইমা, আলবানি ও বুসাইরির তাহকিককৃত মুসনাদের অধিকাংশ হাদিসের তাহকিক রয়েছে। এরপর প্রতিটি হাদিস শেখ শুআইব আরনাউতের তাহকিককৃত 'মুসনাদে আহমাদ'-এর সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে। যেসব হাদিসকে শুআইব আরনাউত 'জয়িফ' (দুর্বল), 'মুনকার' বা 'শাজ' বলেছেন কিন্তু আহমাদ শাকির 'সহিহ' বলেছেন, সেগুলো গ্রহণ করা হয়েছে এবং তা পরিত্যাজ্য বা বর্জনীয় নয়। তবে যেসব হাদিসের দুর্বলতার ওপর মুহাদ্দিসগণ ঐক্যমত পোষণ করেছেন, আমরা তা উল্লেখ করিনি। পরিশেষে, প্রতিটি হাদিসের মতনের শেষে তার তাহকিক লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

 

৩ - চার ইমামের সুনান গ্রন্থসমূহের হাদিসসমূহ: আবু দাউদ, তিরমিজি, নাসাঈ ও ইবনে মাজাহ

হাদিসগুলো শেখ আলবানির 'সহিহ আল-সুনান' থেকে তাহকিক করা হয়েছে এবং এরপর আলবানির 'সহিহ আল-জামি আস-সগির'-এর সাথে মিলিয়ে দেখা হয়েছে। এখানে তিনটি অবস্থা পাওয়া গেছে যা নিম্নরূপে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে:

• 'সহিহ আল-জামি'-তে বিদ্যমান হাদিসগুলোর নম্বর সেই গ্রন্থের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি হাদিসের শেষে যুক্ত করা হয়েছে।

• 'সহিহ আল-জামি'-তে নেই এমন হাদিসগুলো 'দুরারুস সানিয়্যাহ' ওয়েবসাইটে অনুসন্ধান করা হয়েছে। যা সহিহ পাওয়া গেছে তা হাদিসের মতনের পর রাখা হয়েছে এবং যা জয়িফ (দুর্বল) পাওয়া গেছে তা বাদ দেওয়া হয়েছে।

• যেসব হাদিস 'সহিহ আল-জামি'-তে পাওয়া গেছে কিন্তু আমাদের বইতে অন্তর্ভুক্ত ছিল না, সেগুলো যোগ করা হয়েছে এবং 'সহিহ আল-জামি' অনুযায়ী হাদিস নম্বর মতনের শেষে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

৪ - মালিকের মুয়াত্তা ও দারেমির হাদিসসমূহ

কিছু হাদিস দারাকুতনি ও হাকিমের তাহকিকের ওপর ভিত্তি করে তাহকিক করা হয়েছে। ইমাম মালিক যা এককভাবে বর্ণনা করেছেন তার ক্ষেত্রে সালিম বিন ঈদ আল-হিলালির তাহকিক এবং দারেমি যা এককভাবে বর্ণনা করেছেন তার ক্ষেত্রে ফাওয়াজ আহমাদ জুমারলি ও খালিদ আস-সাব আল-আলমির তাহকিক গ্রহণ করা হয়েছে এবং এর সাথে হুসাইন সালিম আসাদের সারসংক্ষেপ যুক্ত করা হয়েছে।

 

৫ - যাওয়াইদ (অতিরিক্ত হাদিসসমূহ), এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো:

• ইবনে খুজাইমার যাওয়াইদ (নয়টি কিতাবের অতিরিক্ত), তার সহিহ থেকে (আজামি ও আলবানির তাহকিককৃত)।

• ইবনে হিব্বানের যাওয়াইদ (দশটি কিতাবের অতিরিক্ত), শুআইব ও আলবানির তাহকিককৃত।

• হাকিমের যাওয়াইদ (এগারোটি কিতাবের অতিরিক্ত), যা তিনি সহিহ বলেছেন এবং জাহাবি তার সাথে একমত হয়েছেন।

• সুনানে দারাকুতনির যাওয়াইদ (বারোটি কিতাবের অতিরিক্ত), শুআইব ও নাওয়াল আল-লাহাইবির তাহকিককৃত।

• মুসনাদে আবু ইয়ালার যাওয়াইদ (তেরোটি কিতাবের অতিরিক্ত), হুসাইন আসাদ আদ-দারানির তাহকিককৃত।

• মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাকের যাওয়াইদ, আব্দুর রহমান আল-খুরাইসির তাহকিক এবং ড. জালাল আজওয়ার তত্ত্বাবধানে (গ্রন্থের শুরু থেকে হিশাম বানানি)।

• মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবার যাওয়াইদ (মুহাম্মাদ সালেহ আজ-জিরের তাহকিক এবং আব্দুল সাত্তার ফাতহুল্লাহর তত্ত্বাবধানে)।

• সুনানে সাঈদ বিন মানসুরের যাওয়াইদ (আহমাদ সালেহ আল-গামিদির তাহকিককৃত)।

• পূর্বোক্ত কিতাবসমূহের অতিরিক্ত আদাবুল মুফরাদে বুখারির যাওয়াইদ (আলবানির তাহকিককৃত)।

• পূর্বোক্ত কিতাবসমূহের অতিরিক্ত ইবনে আবি আসিমের 'আস-সুন্নাহ' গ্রন্থের যাওয়াইদ (আলবানির তাহকিককৃত)।
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ١٢)
• زوائد أبي يعلى والبزار ومعاجم الطبراني الثلاث (المعجم الكبير والأوسط والصغير) على ما سبق (بتعليقات الهيثمي).

• زوائد البيهقي في السنن الكبرى. (بتعليقات الذهبي وابن التركمان).

• زوائد المسانيد العشرة على ما سبق وهى: مسند الطيالسي، ومسند مسدّد، ومسند الحميدي، ومسند إسحاق بن راهويه، ومسند ابن أبي شيبة، ومسند العدني، ومسند عبد بن حميد، ومسند الحارث بن أبي أسامة، ومسند أحمد بن منيع، ومسند أبي يعلى الكبير) بتعليقات ابن حجر العسقلاني والبوصيري) من المطالب العالية النسخة المسندة واتحاف الخيرة المهرة بزوائد المسانيد العشرة.

• وأصل هذا المشروع هو في عشر مجلدات كبار طبعت طبعة أولى في 1435 هـ؛ ولما كان المشروع بهذه الصورة حجمه كبير جداً، والمستهدف من هذا المشروع هو تيسير الوصول إلى سنة الرسول صلى الله عليه وسلم وتقريب السنة بين يدي الأمة، فقد عزمنا على الاختيار من بين هذه المجلدات العشر لتصبح في مجلد واحد يفي بالمطلوب وهو أن يكون الكتاب سهل التناول قريب لعموم الأمة، ونسأل الله القبول، وأن يجعلنا من خُدام السُنة، القائدة لخادمها إلى سبيل الجنة، ولله الحمد والمنة.

 

‌‌ثالثاً: تسجيل وترتيب الحديث بالكتاب

‌‌1 - الكتب والتبويب

تم تقسيم الكتاب إلى كتب فقهية وتقسيم الكتب الفقهية إلى أبواب وتحت كل باب الاحاديث المتحدة في الموضوع بحيث لا يذكر في مكان آخر مرة أخرى، واختير صحيح الإمام مسلم للارتكاز عليه والعمل بتبويبه ابتداءاً بالكتب وانتهاءاً بالتبويب داخل كل كتاب من كتب الفقه.

ومع ذلك فقد ارتأينا عمل تبويبات بترتيبات اضافية لمزيد من التدقيق كما جاء بكتاب الجهاد وكتاب الفضائل وكما هو موضح تفصيلاً أدناه.

 

‌‌2 - ترتيب وتسلسل التخريج لكل حديث

أ - داخل كل باب تذكر الاحاديث مرتبة حسب التسلسل الآتي (البخاري - مسلم - أحمد بن حنبل - أبو داود - الترمذي - النسائي - ابن ماجه - مالك - الدارمي- والزوائد على الترتيب المفصل). فإذا وجد حديثا لأحمد ابن حنبل مثلا رواه البخاري فيكتفى بحديث البخاري ويضاف إليه رقم حديث أحمد ولا يشار لحديث أحمد مرة أخرى بموضع آخر.

ب - فمثلا أحاديث فضل الصلاة جمعت كلها في مكان واحد ومن ثَم لا تذكر بموضع آخر، وكذلك أحاديث مواقيت الصلاة وهكذا.

ت قسمت أحاديث كتاب الجهاد إلى فترة ما قبل الهجرة، ثم أحداث الهجرة نفسها، ثم ما بعد الهجرة، ثم الغزوات والتي سلسلت الأحداث زمنيا من خلال كتاب سيرة بن هشام وتم جمع أحاديث كل غزوة تحت عنوانها.

ث - بكتاب الفضائل جمعت أحاديث صفات النبي صلى الله عليه وسلم، ثم اخلاقه صلى الله عليه وسلم، ثم أحاديث ابراهيم بن محمد عليه السلام، ثم أحاديث الحوض، ثم أحاديث فضائل الأنبياء مع فصل فضائل كل نبي على حدة.

ج - بكتاب فضائل الصحابة تم ترتيب الصحابة أولا بالخلفاء الراشيدين ثم بالعشرة المبشرين بالجنة ثم بآل البيت ثم بباقي الصحابة حسب الحروف الهجائية.

ح - تم جمع أحاديث فضل القرآن الكريم بكتاب العلم، وكذلك أحاديث المسيح الدجال جمعت بكتاب الفتن، وهكذا حتى نهاية الكتاب.

خ - تم اضافة معاني بعض الالفاظ والتي تحتاج للإيضاح.

د - تم الالتزام بعلامات الترقيم التي لها أثر كبير في فهم معنى الحديث.
• পূর্বোক্ত গ্রন্থসমূহের উপর আবু ইয়ালা, বাজ্জার এবং তাবারানির তিন মু'জাম (আল-মু'জামুল কাবির, আল-আওসাত ও আস-সগির)-এর অতিরিক্ত হাদিসসমূহ (হায়সামির টীকা সহ)।

• আস-সুনানুল কুবরায় বায়হাকির অতিরিক্ত হাদিসসমূহ (ধাহাবি ও ইবনুত তুর্কিমানির টীকা সহ)।

• পূর্বোক্ত গ্রন্থসমূহের উপর দশটি মুসনাদ গ্রন্থের অতিরিক্ত হাদিসসমূহ, যা হলো: মুসনাদে তায়ালিসি, মুসনাদে মুসাদ্দাদ, মুসনাদে হুমাইদি, মুসনাদে ইসহাক ইবনে রাহওয়াইহি, মুসনাদে ইবনে আবি শাইবাহ, মুসনাদে আদানি, মুসনাদে আবদ ইবনে হুমাইদ, মুসনাদে হারিস ইবনে আবি উসামাহ, মুসনাদে আহমদ ইবনে মানি' এবং মুসনাদে আবু ইয়ালা আল-কাবির (ইবনে হাজার আসকালানি ও বুসিরির টীকা সহ); যা 'আল-মাতালিবুল আলিয়াহ' (মুসনাদ সংস্করণ) এবং 'ইতহাফুল খাইরাতিল মাহারা' গ্রন্থদ্বয় হতে সংগৃহীত।

• এই প্রকল্পের মূল ভিত্তি হলো দশটি বিশাল খণ্ড, যা ১৪ Stamina ৩৫ হিজরিতে প্রথম মুদ্রিত হয়েছিল। যেহেতু প্রকল্পটি এই আকারে অনেক বড় ছিল, আর এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ পর্যন্ত পৌঁছানো সহজ করা এবং উম্মাহর নিকট সুন্নাহকে সহজলভ্য করা, তাই আমরা এই দশ খণ্ড থেকে বাছাই করে একটি খণ্ডে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যা কাঙ্ক্ষিত উদ্দেশ্য পূরণ করবে। যেন বইটি নাগালে পাওয়া সহজ হয় এবং সাধারণ উম্মাহর নিকটবর্তী হয়। আমরা আল্লাহর নিকট কবুলিয়াতের প্রার্থনা করছি এবং যেন তিনি আমাদের সুন্নাহর খাদেম হিসেবে কবুল করেন, যা তার খাদেমকে জান্নাতের পথে পরিচালিত করে; আর সমস্ত প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই।

 

‌‌তৃতীয়ত: গ্রন্থে হাদিস লিপিবদ্ধকরণ ও বিন্যাস

‌‌১ - কিতাব ও পরিচ্ছেদ বিন্যাস

গ্রন্থটিকে ফিকহী কিতাব সমূহে বিভক্ত করা হয়েছে এবং কিতাবসমূহকে বিভিন্ন পরিচ্ছেদে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি পরিচ্ছেদের অধীনে বিষয়ভিত্তিক অভিন্ন হাদিসগুলোকে এমনভাবে রাখা হয়েছে যেন তা অন্য কোনো স্থানে পুনরায় উল্লেখ করতে না হয়। এক্ষেত্রে ইমাম মুসলিমের 'সহিহ মুসলিম'কে মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং কিতাবসমূহের বিন্যাস থেকে শুরু করে প্রতিটি কিতাবের অভ্যন্তরীণ পরিচ্ছেদ বিন্যাস পর্যন্ত তাঁর পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।

তা সত্ত্বেও, অধিকতর সূক্ষ্মতার জন্য আমরা কিছু অতিরিক্ত পরিচ্ছেদ বিন্যাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যেমনটি 'কিতাবুল জিহাদ' ও 'কিতাবুল ফাদায়িল'-এর ক্ষেত্রে করা হয়েছে এবং নিচে বিস্তারিতভাবে তা স্পষ্ট করা হয়েছে।

 

‌‌২ - প্রতিটি হাদিসের তাখরিজের ক্রম ও বিন্যাস

ক - প্রতিটি পরিচ্ছেদের ভেতরে হাদিসগুলো নিম্নোক্ত ক্রমানুসারে বিন্যস্ত করা হয়েছে (বুখারি - মুসলিম - আহমদ ইবনে হাম্বল - আবু দাউদ - তিরমিজি - নাসায়ি - ইবনে মাজাহ - মালিক - দারেমি - এবং বিস্তারিত ক্রম অনুযায়ী জাওয়াইদ বা অতিরিক্ত হাদিসসমূহ)। যদি ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বলের কোনো হাদিস বুখারি বর্ণনা করে থাকেন, তবে বুখারির হাদিসটি উল্লেখ করাই যথেষ্ট বলে গণ্য করা হয়েছে এবং এর সাথে আহমদের হাদিস নম্বরটি যুক্ত করা হয়েছে; অন্য কোনো স্থানে পুনরায় আহমদের হাদিসটির দিকে ইঙ্গিত করা হয়নি।

খ - উদাহরণস্বরূপ, সালাতের ফজিলত সংক্রান্ত হাদিসগুলো সব এক জায়গায় একত্রিত করা হয়েছে, ফলে অন্য কোনো স্থানে তা আর উল্লেখ করা হয়নি। একইভাবে সালাতের ওয়াক্ত সম্পর্কিত হাদিসসমূহ এবং অন্যান্য বিষয়ের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছে।

গ - 'কিতাবুল জিহাদ'-এর হাদিসগুলোকে হিজরত পূর্ববর্তী সময়কাল, অতঃপর হিজরতের ঘটনাবলি, তারপর হিজরত পরবর্তী সময়কাল এবং এরপর যুদ্ধসমূহে (গাজওয়াত) বিভক্ত করা হয়েছে। এই ঘটনাপ্রবাহ ইবনে হিশামের 'সিরাত' গ্রন্থ অনুযায়ী কালানুক্রমিকভাবে সাজানো হয়েছে এবং প্রতিটি যুদ্ধের হাদিসগুলোকে তার নির্দিষ্ট শিরোনামের অধীনে একত্রিত করা হয়েছে।

ঘ - 'কিতাবুল ফাদায়িল'-এ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শারীরিক বৈশিষ্ট্যের হাদিসসমূহ, তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চারিত্রিক গুণাবলির হাদিসসমূহ, অতঃপর ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ আলাইহিস সালামের হাদিসসমূহ, তারপর হাউজের হাদিসসমূহ এবং এরপর আম্বিয়ায়ে কেরামের ফজিলতের হাদিসসমূহ আলাদা আলাদা অধ্যায়ে সাজানো হয়েছে।

ঙ - 'কিতাবুল ফাদায়িলিস সাহাবাহ' (সাহাবায়ে কেরামের ফজিলত)-এ সাহাবায়ে কেরামকে প্রথমে খুলাফায়ে রাশেদিন, এরপর আশারায়ে মুবাশশারা (জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত দশজন), তারপর আহলে বাইত এবং এরপর বর্ণানুক্রমিকভাবে অন্যান্য সাহাবায়ে কেরামের ক্রমানুসারে সাজানো হয়েছে।

চ - কুরআনুল কারিমের ফজিলত সম্পর্কিত হাদিসগুলোকে 'কিতাবুল ইলম'-এ একত্রিত করা হয়েছে। একইভাবে দাজ্জাল সম্পর্কিত হাদিসগুলো 'কিতাবুল ফিতান'-এ একত্রিত করা হয়েছে এবং এভাবে গ্রন্থের শেষ পর্যন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে।

ছ - কিছু শব্দের অর্থ যুক্ত করা হয়েছে যেগুলোর স্পষ্ট ব্যাখ্যার প্রয়োজন ছিল।

জ - যতি চিহ্নের যথাযথ ব্যবহারের প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যা হাদিসের অর্থ বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ١٣)
‌‌كلمة شكر وتقدير

لا يسعنا في نهاية هذا العمل المبارك إلا أن نتوجه بالشكر أولا إلى الله سبحانه وتعالى على ما أنعم علينا به من نعمة الإيمان ونعمة إتمام هذا الكتاب الجامع لسنة الهادي ثم الشكر لكل من ساهم فى جمع وترتيب حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم وإخراج الكتاب بهذا الشكل الطيب.

والشكر الخاص لصاحب الفضيلة - الأستاذ الدكتور / عبد المهدي عبد القادر عبد الهادي- رئيس قسم الحديث بكلية أصول الدين جامعة الأزهر الشريف لما بذله من جهد مخلص لمراجعة الكتاب رغم كثرة مشاغله مع سعة صدره وكرم ضيافته، وصاحب الفضل في اختيار عنوان هذا الكتاب وهو "صحيح الكتب التسعة وزوائده".

ونسأل الله تعالى العلي القدير أن يتقبل منا هذا العمل المتواضع خالصا لوجهه الكريم ويثقل به ميزان حسنات كل من ساهم فيه ولو بكلمة طيبة.

 

هشام محمد صلاح الدين أبو خضره

هشام محمد نصر مقداد

محمود السيد عثمان

* * *
কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন

এই বরকতময় কর্মের সমাপ্তিলগ্নে আমরা সর্বপ্রথম আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যিনি আমাদের ঈমানের নিয়ামত এবং হিদায়াতের দিশারি রাসূলের সুন্নাহ সংবলিত এই পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থটি সম্পন্ন করার তাওফিক দান করেছেন। অতঃপর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি তাদের প্রত্যেকের প্রতি, যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস সংগ্রহ ও বিন্যাসে এবং গ্রন্থটিকে এই সুন্দর অবয়বে প্রকাশ করতে অবদান রেখেছেন।

বিশেষ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি ফযীলাতুশ শাইখ—প্রফেসর ডক্টর আব্দুল মাহদী আব্দুল কাদির আব্দুল হাদী—বিভাগীয় প্রধান, হাদিস বিভাগ, উসুলুদ্দীন অনুষদ, আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি তাঁর বহুমুখী ব্যস্ততা সত্ত্বেও অত্যন্ত উদারতা ও আতিথেয়তার সাথে এই গ্রন্থটি পর্যালোচনার ক্ষেত্রে যে একনিষ্ঠ শ্রম দিয়েছেন, তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। এই গ্রন্থের নামকরণ—"সহীহুল কুতুবিত তিসআহ ওয়া যাওয়াইদুহু" (নয়টি গ্রন্থের সহীহ হাদিস ও অতিরিক্ত অংশসমূহ)—করার ক্ষেত্রেও প্রধান কৃতিত্ব তাঁরই।

আমরা সুউচ্চ ও সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালার নিকট প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমাদের এই নগণ্য প্রচেষ্টাকে কবুল করেন এবং একে একমাত্র তাঁর মহান চেহারার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নিবেদিত হিসেবে গ্রহণ করেন। আর এর মাধ্যমে সেই প্রত্যেক ব্যক্তির নেক আমলের পাল্লাকে ভারী করে দেন, যিনি এতে সামান্যতম উত্তম বাক্য দিয়ে হলেও সহযোগিতা করেছেন।

 

হিশাম মুহাম্মাদ সালাহউদ্দীন আবু খাদরাহ

হিশাম মুহাম্মাদ নাসর মিকদাদ

মাহমুদ আস-সাঈদ উসমান

* * *
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ١٤)
‌‌الخاتمة

هذا ماقمنا به، فإن كنا وفقنا فالفضل أولاً لله سبحانه وتعالى، ثم للعلماء الأفاضل أهل الحديث والأئمة السابقين الأولين، وإن كان به نقص أو تقصير فالعجز منا وحدنا، ولا حول ولا قوة إلا بالله العلي العظيم، والحمد لله رب العالمين.

والله نسأل

أن ينفع به كل من يقرأه فيحفظ أحاديث رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم يتعلم من علمها ثم يعمل بما فيها من الحكمة ثم يبلغ من حوله كما وصى بذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم بقوله: {بَلِّغُوا عَنِّي وَلَوْ آيَةً}.

والحمد لله رب العالمين

 

* * *
উপসংহার

এটিই সেই কাজ যা আমরা সম্পন্ন করেছি; যদি আমরা সফল হয়ে থাকি তবে তার সকল কৃতিত্ব প্রথমত মহান ও সুউচ্চ আল্লাহ তাআলার, তারপর সম্মানিত আলেমগণ, আহলে হাদিস এবং পূর্ববর্তী অগ্রগণ্য ইমামগণের। আর যদি এতে কোনো অপূর্ণতা বা ত্রুটি থেকে থাকে তবে সেই অক্ষমতা একান্তই আমাদের। মহান ও সুউচ্চ আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো ক্ষমতা বা শক্তি নেই। আর সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।

আমরা আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি

যাতে এটি পাঠকারী প্রত্যেককে উপকৃত করে, ফলে তারা আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদিসসমূহ মুখস্থ করে, অতঃপর তা থেকে জ্ঞান অর্জন করে, তারপর তাতে নিহিত প্রজ্ঞা অনুযায়ী আমল করে এবং এরপর তা তাদের আশেপাশের লোকদের নিকট পৌঁছে দেয়; যেমনিভাবে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বাণীর মাধ্যমে নির্দেশ দিয়েছেন: "আমার পক্ষ থেকে একটি আয়াত হলেও পৌঁছে দাও।"

আর সকল প্রশংসা জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।

 

* * *
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ١٥)
‌‌مفاتيح ورموز الكتاب

رموز واختصارات أمام الحديث

- خ صحيح البخاري بترقيم فتح البارى لابن حجر

- م صحيح مسلم شرح النووي بترقيم عبد الباقى

- حم مسند أحمد بترقيم إحياء التراث

- د سنن أبو داود بترقيم محيي الدين

- ت سنن الترمذي بترقيم أحمد شاكر

- ن سنن النسائي بترقيم أبي غدة

- جه سنن ابن ماجه بترقيم عبد الباقى

- ط الموطأ لمالك بترقيم سليم الهلالي

- مي سنن الدارمي بترقيم علمي وزمرلي

 

رموز ومفاتيح وإختصارات أخرى

- ص ج صحيح الجامع للألباني

- طل مسند الطيالسي

- الشافعي … مسند الشافعي

- عب … مصنف عبد الرزاق

- ش مصنف ابن أبي شيبة

- سعيد … سنن سعيد بن منصور

- ابن سعد الطبقات الكبرى لابن سعد

- حم ش … مسند الإمام أحمد تحقيق أحمد شاكر وحمزة الزيني ط دار الكتاب

- حم ف مسند الإمام أحمد بن حنبل تحقيق بيت الأفكار الدولية

- حم شعيب مسند الإمام أحمد بن حنبل تحقيق شعيب الأرناؤوط

- ابن منيع مسند ابن منيع

- خم رواه البخاري معلّقًا

- تخ البخاري في التاريخ الكبير

- خد الأدب المفرد للبخاري

- الشمائل الشمائل المحمدية للترمذي

- صم السنة لابن أبي عاصم

- بز مسند البزار

- ن الكبرى السنن الكبرى للنسائي

- يع … مسند أبي يعلى

- خز صحيح ابن خزيمة

- مش مشكل الآثار للطحاوي

- طح شرح معاني الآثار للطحاوي
গ্রন্থের সংকেত ও প্রতীকসমূহ

হাদিসের সামনে ব্যবহৃত প্রতীক ও সংক্ষিপ্ত রূপসমূহ

- খ: সহীহ বুখারী, ইবনে হাজার আসকালানী রচিত ফাতহুল বারীর নম্বর অনুযায়ী

- ম: সহীহ মুসলিম, ইমাম নববীর ব্যাখ্যাসহ, ফুয়াদ আব্দুল বাকীর নম্বর অনুযায়ী

- হাম: মুসনাদে আহমাদ, ইহয়াউত তুরাস-এর নম্বর অনুযায়ী

- দা: সুনানে আবু দাউদ, মহিউদ্দিনের নম্বর অনুযায়ী

- তা: সুনানে তিরমিযী, আহমাদ শাকিরের নম্বর অনুযায়ী

- না: সুনানে নাসাঈ, আবু গুদ্দাহর নম্বর অনুযায়ী

- জাহ: সুনানে ইবনে মাজাহ, ফুয়াদ আব্দুল বাকীর নম্বর অনুযায়ী

- ত: ইমাম মালিকের মুওয়াত্তা, সালীম আল-হিলালীর নম্বর অনুযায়ী

- মী: সুনানে দারেমী, ইলমী ও জুমারলীর নম্বর অনুযায়ী

 

অন্যান্য প্রতীক, সংকেত ও সংক্ষিপ্ত রূপসমূহ

- স জ: আলবানীর সহীহুল জামি

- তল: মুসনাদে তায়ালিসী

- শাফেয়ী … মুসনাদে শাফেয়ী

- আব … মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক

- শ: মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বাহ

- সাঈদ … সুনানে সাঈদ ইবনে মানসূর

- ইবনে সাদ: ইবনে সাদের আত-তাবাকাতুল কুবরা

- হাম শ … ইমাম আহমাদ বিন হাম্বলের মুসনাদ, আহমাদ শাকির ও হামজাহ আল-যাইনীর তাহকীক, দারুল কিতাব সংস্করণ

- হাম ফা: ইমাম আহমাদ বিন হাম্বলের মুসনাদ, বায়তুল আফকার আদ-দুওয়ালিয়ার তাহকীক

- হাম শুআইব: ইমাম আহমাদ বিন হাম্বলের মুসনাদ, শুআইব আরনাউতের তাহকীক

- ইবনে মানী: মুসনাদে ইবনে মানী

- খ ম: বুখারী মুয়াল্লাক হিসেবে বর্ণনা করেছেন

- তা খ: বুখারীর আত-তারীখুল কাবীর-এ

- খ দ: বুখারীর আল-আদাবুল মুফরাদ

- আশ-শামায়েল: তিরমিযীর আশ-শামায়েলুল মুহাম্মাদীয়াহ

- সম: ইবনে আবি আসিমের আস-সুন্নাহ

- বায: মুসনাদে বাযযার

- না কুবরা: নাসাঈর আস-সুনানুল কুবরা

- ইয়া … মুসনাদে আবু ইয়ালা

- খায: সহীহ ইবনে খুযায়মাহ

- মশ: তাহাবীর মুশকিলুল আসার

- তহ: তাহাবীর শারহু মাআনিল আসার
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ١٦)
- حب … صحيح ابن حبان

- طب معجم الطبراني الكبير

- طس معجم الطبراني الأوسط

- طص … معجم الطبراني الصغير

- مسند الشاميين للطبراني

- عد الكامل لابن عدي

- قط … سنن الدارقطني

- ك … مستدرك الحاكم

- معرفة الصحابة لأبي نعيم الأصبهاني

- حل حلية الأولياء لأبي نعيم الأصبهاني

- هق سنن البيهقي الكبرى

- هب … شعب الإيمان للبيهقي

- خط تاريخ بغداد للخطيب البغدادي

- فر مسند الفردوس للديلمي

- كر … ابن عساكر

- الضياء الأحاديث المختارة للضياء المقدسي

* * *
- হাব … সহীহ ইবনে হিব্বান

- তাব তাবারানীর আল-মু'জাম আল-কাবীর

- তস তাবারানীর আল-মু'জাম আল-আওসাত

- তাস … তাবারানীর আল-মু'জাম আস-সাগীর

- তাবারানীর মুসনাদুশ শামিয়্যীন

- আদ ইবনে আদীর আল-কামিল

- কত … সুনানে দারা কুতনী

- কাফ … হাকেমের মুস্তাদরাক

- আবু নুআইম আল-আসফাহানীর মা'রিফাতুস সাহাবাহ

- হিল আবু নুআইম আল-আসফাহানীর হিলইয়াতুল আউলিয়া

- হাক বায়হাকীর আস-সুনানুল কুবরা

- হাব … বায়হাকীর শুআবুল ঈমান

- খত খতীব বাগদাদীর তারিখু বাগদাদ

- ফার দাইলামীর মুসনাদুল ফিরদাউস

- কার … ইবনে আসাকির

- যিয়া যিয়া আল-মাকদিসীর আল-আহাদিসুল মুখতারা

* * *
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ١٧)
‌‌المصادر والمراجع

- كتاب اللؤلؤ والمرجان فيما اتفق عليه الشيخان - محمد فؤاد عبد الباقي - طبع بدار إحياء الكتب العربية.

- صحيح الإمام البخاري - فتح الباري - دار الريان للتراث - الطبعة الأولى (1407 هـ -1987 م).

- صحيح الإمام مسلم - المطبعة المصرية - دار التقوى للنشر والتوزيع).

- مسند الإمام أحمد بن حنبل تحقيق أحمد شاكر وحمزة الزيني - طبعة دار الكتاب

- مسند الإمام أحمد بن حنبل طبعة بيت الأفكار - تحقيق لجنة من بيت الأفكار الدولية - طبع عام 2005 م بلبنان.

- سنن النسائي بتحقيق الألباني - مكتبة المعارف للنشر والتوزيع - الرياض - طبعة أولى.

- سنن الترمذي بتحقيق الألباني - مكتبة المعارف للنشر والتوزيع - الرياض - طبعة أولى.

- سنن ابن ماجه بتحقيق الألباني - مكتبة المعارف للنشر والتوزيع - الرياض - طبعة أولى.

- سنن أبو داود بتحقيق الألباني - مكتبة المعارف للنشر والتوزيع - الرياض - طبعة أولى.

- الموطأ للإمام مالك - دار الفكر - الطبعة الأولى - (1419 هجري - 1998 م).

- سنن الدارمي - دار الكتاب العربي - الطبعة الثانية - (1417 هجري - 1997 م).

- الجامع الصغير وزيادته. جلال الدين السيوطي (ت: 911 هـ) مع أحكام العلامة محمد ناصر الدين الألباني. صحيح الجامع للألباني - المكتب الإسلامي- الطبعة الثالثة - (1408 هجري - 1988 م).

- مسند أبي داود الطيالسي - أبو داود سليمان بن داود بن الجارود الطيالسي البصرى (المتوفى: 204 هـ) - الدكتور محمد بن عبد المحسن التركي - دار هجر - مصر -الطبعة: الأولى.

- المسند - محمد بن إدريس بن شافع بن عبد المطلب بن عبد مناف المطلبي القرشي المكي (المتوفى: 204 هـ) - دار الكتب العلمية، بيروت - صححت هذه النسخة: على النسخة المطبوعة في مطبعة بولاق الأميرية والنسخة المطبوعة في بلاد الهند - ط: 1400 هـ

- المصنف - عبد الرزاق الصنعاني (ت: 211 هـ) -المحقق: حبيب الرحمن الأعظمي - المكتب الإسلامي - بيروت -ط: الثانية.

- كتاب السيرة النبوية لابن هشام (المتوفى: 213 هـ) - مكتب التراث الإسلامي - سوريا - (1978 م).

- مسند الحميدي - أبو بكر الحميدي المكي (ت: 219 هـ) -تحقيق: حسن سليم أسد الدَّارَانيّ - دار السقا- سوريا -ط: الأولى.

- سنن سعيد بن منصور - سعيد بن منصور الخراساني الجوزجاني (المتوفى: 227 هـ) - المحقق: حبيب الرحمن الأعظمي -الناشر: الدار السلفية - الهند -الطبعة: الأولى.

- مسند ابن الجعد - علي بن الجَعْد بن عبيد الجَوْهَري البغدادي (المتوفى: 230 هـ) - تحقيق: عامر أحمد حيدر - مؤسسة نادر - بيروت - الطبعة: الأولى.

- مسند ابن أبي شيبة - أبو بكر بن أبي شيبة (المتوفى: 235 هـ) -تحقيق: عادل بن يوسف العزازي و أحمد بن فريد المزيدي - الناشر: دار الوطن - الرياض -الطبعة: الأولى، 1997 م.

- الكتاب المصنف في الأحاديث والآثار- أبو بكر بن أبي شيبة (المتوفى: 235 هـ) -تحقيق: كمال يوسف الحوت- مكتبة الرشد - الرياض -الطبعة: الأولى.

- مسند إسحاق بن راهويه - إسحاق بن راهويه (المتوفى: 238 هـ) - المحقق: د. عبد الغفور بن عبد الحق البلوشي- مكتبة الإيمان - المدينة المنورة- الطبعة: الأولى.

- المنتخب من مسند عبد بن حميد- أبو محمد عبد الحميد بن حميد - (المتوفى: 249 هـ) - المحقق: صبحي البدري السامرائي، محمود محمد خليل الصعيدي- مكتبة السنة - القاهرة- الطبعة: الأولى.

- المنتخب من مسند عبد بن حميد- عبد الحميد بن حميد -تحقيق: الشيخ مصطفى العدوي -الناشر: دار بلنسية - الطبعة: الثانية.

- الأدب المفرد - محمد بن إسماعيل البخاري (المتوفى: 256 هـ) - تحقيق: الألباني - مكتبة المعارف، الرياض - الطبعة: الأولى.

- تخريج الأحاديث المرفوعة المسندة في كتاب التاريخ الكبير للبخاري - محمد بن إسماعيل البخاري، (المتوفى: 256 هـ) - دكتور/ محمد بن عبد الكريم - مكتبة الرشد، الرياض - الطبعة: الأولى.

- خلق أفعال العباد- محمد بن إسماعيل البخاري (ت: 256 هـ) - المحقق: د. عبد الرحمن عميرة- دار المعارف- الرياض.
উৎস ও তথ্যসূত্রসমূহ

- কিতাব আল-লু'লু' ওয়াল মারজান ফিমা ইত্তাফাকা আলাইহিশ শায়খান - মুহাম্মদ ফুয়াদ আব্দুল বাকি - দার ইহইয়াউল কুতুব আল-আরাবিয়া কর্তৃক মুদ্রিত।

- সহীহুল ইমাম আল-বুখারী - ফাতহুল বারী - দারুর রাইয়ান লিত-তুরাস - প্রথম সংস্করণ (১৪০৭ হিজরী - ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দ)।

- সহীহুল ইমাম মুসলিম - আল-মাতবাআ আল-মিসরিয়্যাহ - দারুত তাকওয়া পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন।

- মুসনাদুল ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল - তাহকীক: আহমাদ শাকির ও হামজা আয-যাইনি - দারুল কিতাব সংস্করণ।

- মুসনাদুল ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল - বায়তুল আফকার সংস্করণ - বায়তুল আফকার আদ-দুওয়ালিয়া'র একটি কমিটি কর্তৃক তাহকীককৃত - ২০০৫ খ্রিস্টাব্দে লেবাননে মুদ্রিত।

- সুনানুন নাসাঈ - আলবানী কর্তৃক তাহকীককৃত - মাকতাবাতুল মাআরিফ পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন - রিয়াদ - প্রথম সংস্করণ।

- সুনানুত তিরমিযী - আলবানী কর্তৃক তাহকীককৃত - মাকতাবাতুল মাআরিফ পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন - রিয়াদ - প্রথম সংস্করণ।

- সুনানু ইবনে মাজাহ - আলবানী কর্তৃক তাহকীককৃত - মাকতাবাতুল মাআরিফ পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন - রিয়াদ - প্রথম সংস্করণ।

- সুনানু আবু দাউদ - আলবানী কর্তৃক তাহকীককৃত - মাকতাবাতুল মাআরিফ পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন - রিয়াদ - প্রথম সংস্করণ।

- ইমাম মালিকের আল-মুয়াত্তা - দারুল ফিকর - প্রথম সংস্করণ - (১৪১৯ হিজরী - ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দ)।

- সুনানুদ দারেমী - দারুল কিতাব আল-আরাবী - দ্বিতীয় সংস্করণ - (১৪১৭ হিজরী - ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দ)।

- আল-জামিউস সাগীর ওয়া যিয়াদাতুহু - জালালুদ্দীন আস-সুয়ূতী (মৃত্যু: ৯১১ হি.) সাথে আল্লামা মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানীর বিধানসমূহ - আলবানীর সহীহুল জামি - আল-মাকতাব আল-ইসলামী - তৃতীয় সংস্করণ - (১৪০৮ হিজরী - ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ)।

- মুসনাদু আবী দাউদ আত-তায়ালিসী - আবু দাউদ সুলায়মান বিন দাউদ বিন আল-জারূদ আত-তায়ালিসী আল-বসরী (মৃত্যু: ২০৪ হি.) - ডক্টর মুহাম্মদ বিন আব্দুল মুহসিন আত-তুর্কী - দারু হাজার - মিসর - সংস্করণ: প্রথম।

- আল-মুসনাদ - মুহাম্মদ বিন ইদরীস বিন শাফি' বিন আব্দুল মুত্তালিব বিন আব্দু মানাফ আল-মুত্তালিবি আল-কুরাশী আল-মাক্কী (মৃত্যু: ২০৪ হি.) - দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ, বৈরুত - এই কপিটি বুলাক আল-আমীরিয়্যাহ ছাপাখানায় মুদ্রিত কপি এবং ভারতে মুদ্রিত কপির সাথে সংশোধন করা হয়েছে - সংস্করণ: ১৪০০ হিজরী।

- আল-মুসান্নাফ - আব্দুর রাজ্জাক আস-সানআনী (মৃত্যু: ২১১ হি.) - গবেষক: হাবীবুর রহমান আল-আযমী - আল-মাকতাব আল-ইসলামী - বৈরুত - সংস্করণ: দ্বিতীয়।

- ইবনে হিশামের (মৃত্যু: ২১৩ হি.) আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যাহ কিতাব - মাকতাবুত তুরাস আল-ইসলামী - সিরিয়া - (১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দ)।

- মুসনাদুল হুমাইদী - আবু বকর আল-হুমাইদী আল-মাক্কী (মৃত্যু: ২১৯ হি.) - তাহকীক: হাসান সালীম আসাদ আদ-দারানি - দারুস সাক্কা - সিরিয়া - সংস্করণ: প্রথম।

- সুনানু সাঈদ বিন মানসূর - সাঈদ বিন মানসূর আল-খুরাসানী আল-জাওযাজানী (মৃত্যু: ২২৭ হি.) - গবেষক: হাবীবুর রহমান আল-আযমী - প্রকাশক: আদ-দারুস সালাফিয়্যাহ - ভারত - সংস্করণ: প্রথম।

- মুসনাদু ইবনুল জা'দ - আলী বিন আল-জা'দ বিন উবাইদ আল-জাওহারী আল-বাগদাদী (মৃত্যু: ২৩০ হি.) - তাহকীক: আমির আহমাদ হায়দার - মুয়াসসাসাতু নাদির - বৈরুত - সংস্করণ: প্রথম।

- মুসনাদু ইবনে আবী শায়বাহ - আবু বকর বিন আবী শায়বাহ (মৃত্যু: ২৩৫ হি.) - তাহকীক: আদিল বিন ইউসুফ আল-আযাযী এবং আহমাদ বিন ফারিদ আল-মাযীদী - প্রকাশক: দারুল ওয়াতান - রিয়াদ - সংস্করণ: প্রথম, ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দ।

- আল-কিতাব আল-মুসান্নাফ ফিল আহাদীসি ওয়াল আসার - আবু বকর বিন আবী শায়বাহ (মৃত্যু: ২৩৫ হি.) - তাহকীক: কামাল ইউসুফ আল-হূত - মাকতাবাতুর রুশদ - রিয়াদ - সংস্করণ: প্রথম।

- মুসনাদু ইসহাক বিন রাহওয়াইহ - ইসহাক বিন রাহওয়াইহ (মৃত্যু: ২৩৮ হি.) - গবেষক: ড. আব্দুল গফুর বিন আব্দুল হক আল-বালুশী - মাকতাবাতুল ঈমান - মদীনা মুনাওয়ারা - সংস্করণ: প্রথম।

- আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ বিন হুমাইদ - আবু মুহাম্মদ আব্দুল হামীদ বিন হুমাইদ - (মৃত্যু: ২৪৯ হি.) - গবেষক: সুবহী আল-বাদরী আস-সামাররাঈ, মাহমুদ মুহাম্মদ খলীল আস-সাঈদী - মাকতাবাতুস সুন্নাহ - কায়রো - সংস্করণ: প্রথম।

- আল-মুন্তাখাব মিন মুসনাদি আবদ বিন হুমাইদ - আব্দুল হামীদ বিন হুমাইদ - তাহকীক: শেখ মোস্তফা আল-আদাবী - প্রকাশক: দারু বালানসিয়া - সংস্করণ: দ্বিতীয়।

- আল-আদাবুল মুফরাদ - মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-বুখারী (মৃত্যু: ২৫৬ হি.) - তাহকীক: আলবানী - মাকতাবাতুল মাআরিফ, রিয়াদ - সংস্করণ: প্রথম।

- তাখরীজুল আহাদীসিল মারফূআতিল মুসনাদাতি ফী কিতাবিত তারিখিল কাবীর লিল-বুখারী - মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-বুখারী, (মৃত্যু: ২৫৬ হি.) - ডক্টর মুহাম্মদ বিন আব্দুল কারীম - মাকতাবাতুর রুশদ, রিয়াদ - সংস্করণ: প্রথম।

- খালকু আফআলিল ইবাদ - মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-বুখারী (মৃত্যু: ২৫৬ হি.) - গবেষক: ড. আব্দুর রহমান আমীরা - দারুল মাআরিফ - রিয়াদ।
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ١٨)
- بغية الباحث عن زوائد مسند الحارث- أبو محمد الحارث بن البغدادي الخصيب المعروف بابن أبي أسامة (ت: 282 هـ) - نور الدين الهيثمي (ت: 807 هـ) -المحقق: د. حسين أحمد صالح الباكري - مركز خدمة السنة - المدينة المنورة- الطبعة: الأولى.

- الآحاد والمثاني - بن أبي عاصم الشيباني (ت: 287 هـ) - المحقق: د. باسم الجوابرة -الناشر: دار الراية - الرياض- ط: الأولى.

- السنة - بن أبي عاصم بن مخلد الشيباني (ت: 287 هـ) - المحقق: ناصر الدين الألباني - المكتب الإسلامي - بيروت- ط: الأولى.

- مسند البزار المنشور باسم البحر الزخار- أبو بكر العتكي المعروف بالبزار (المتوفى: 292 هـ) - المحقق: محفوظ الرحمن زين الله، وعادل بن سعد، وصبري عبد الخالق الشافعي - مكتبة العلوم والحكم - المدينة المنورة- الطبعة: الأولى.

- تعظيم قدر الصلاة - محمد بن نصر المَرْوَزِي (المتوفى: 294 هـ) - المحقق: د. عبد الرحمن عبد الجبار الفريوائي- الناشر: مكتبة الدار - المدينة المنورة -الطبعة الأولى.

- السنن الكبرى- النسائي (المتوفى: 303 هـ) - تحقيق: حسن شلبي - وشعيب الأرناؤوط- الرسالة - بيروت - ط: الأولى.

- عمل اليوم والليلة - النسائي (المتوفى: 303 هـ) - المحقق: د. فاروق حمادة - مؤسسة الرسالة - بيروت - الطبعة الثانية.

- المنتقى من السنن المسندة - أبو محمد عبد الله بن الجارود النيسابوري (المتوفى: 307 هـ) - المحقق: عبد الله عمر البارودي - مؤسسة الكتاب الثقافية - بيروت- الطبعة الأولى.

- مسند أبي يعلى- أبو يعلى الموصلي (المتوفى: 307 هـ) - المحقق: حسين سليم أسد- دار المأمون للتراث - دمشق- الطبعة الأولى.

- كتاب التوحيد وإثبات صفات الرب عز وجل أبو بكر محمد بن خزيمة بن النيسابوري (المتوفى: 311 هـ) - المحقق: عبد العزيز بن إبراهيم الشهوان- مكتبة الرشد - السعودية - الرياض- الطبعة الخامسة.

- صحيح ابن خزيمة - أبو بكر محمد بن خزيمة بن النيسابوري (المتوفى: 311 هـ) - المحقق: د. محمد مصطفى الأعظمي - الناشر: المكتب الإسلامي - بيروت.

- الأوسط في السنن والإجماع والاختلاف. أبو بكر محمد بن المنذر النيسابوري (ت: 319 هـ) دار طيبة. الرياض. ط: 1405 هـ.

- شرح مشكل الآثار- أبو جعفر الحجري المصري المعروف بالطحاوي (المتوفى: 321 هـ) - تحقيق: شعيب الأرنؤوط- مؤسسة الرسالة - الطبعة الأولى.

- شرح معاني الآثار- أبو جعفر الحجري المصري المعروف بالطحاوي (المتوفى: 321 هـ) - حققه د يوسف عبد الرحمن المرعشلي - الناشر: عالم الكتب - الطبعة الأولى.

- صحيح ابن حبان - محمد بن حبان البُستي (المتوفى: 354 هـ) - تحقيق: شعيب الأرنؤوط- الناشر: مؤسسة الرسالة. ط. الأولى.

- المعجم الأوسط - أبو القاسم الطبراني (المتوفى: 360 هـ) - المحقق: طارق بن عوض الله بن محمد - دار الحرمين - القاهرة.

- المعجم الكبير - أبو القاسم الطبراني (ت: 360 هـ) المحقق: حمدي بن عبد المجيد السلفي - ابن تيمية - القاهرة- ط: الثانية.

- مسند الشاميين - أبو القاسم الطبراني (ت: 360 هـ) - المحقق: حمدي بن عبدالمجيد السلفي - الرسالة - بيروت -ط: الأولى.

- كتاب الأمثال في الحديث النبوي - أبِي الشيخ الأصبهاني (المتوفى: 369 هـ) - المحقق: الدكتور عبد العلي عبد الحميد حامد - الدار السلفية - بومباي - الهند - الطبعة الثانية.

- العظمة - أبِي الشيخ الأصبهاني (المتوفى: 369 هـ) المحقق: رضاء الله المباركفوري - دار العاصمة - الرياض -ط: الأولى.

- بحر الفوائد المشهور بمعاني الأخبار - أبو بكر محمد بن يعقوب الكلاباذي البخاري الحنفي (المتوفى: 380 هـ) - المحقق: محمد حسن محمد حسن إسماعيل - أحمد فريد المزيدي - دار الكتب العلمية - بيروت / لبنان- الطبعة: الأولى.

- سنن الدارقطني- أبو الحسن علي بن البغدادي الدارقطني (المتوفى: 385 هـ) - تحقيق: شعيب الارنؤوط، حسن عبد المنعم شلبي، عبد اللطيف حرز الله، أحمد برهوم- مؤسسة الرسالة، بيروت - لبنان- الطبعة الأولى.

- المستدرك على الصحيحين- الحاكم محمد بن عبد الله النيسابوري المعروف بابن البيع (المتوفى: 405 هـ) - تحقيق: مصطفى عبد القادر عطا-دار الكتب العلمية - بيروت- الطبعة الأولى.

- حلية الأولياء وطبقات الأصفياء- أبو نعيم الأصبهاني (المتوفى: 430 هـ) - دار الكتب العلمية.

- مسند الشهاب- أبو عبد الله القضاعي المصري (ت: 454 هـ) - المحقق: حمدي السلفي- الرسالة - بيروت- ط: الثانية.

- المحلى بالآثار. المؤلف: أبو محمد علي بن حزم القرطبي الظاهري (ت: 456 هـ). دار الفكر - بيروت.
- বুগইয়াতুল বাহিস আন যাওয়াইদি মুসনাদ আল-হারিস - আবু মুহাম্মদ আল-হারিস বিন আল-বাগদাদি আল-খাসিব, যিনি ইবনে আবি উসামা নামে পরিচিত (মৃত্যু: ২৮২ হি.) - নূরুদ্দিন আল-হাইসামি (মৃত্যু: ৮০৭ হি.) - গবেষক: ড. হুসাইন আহমাদ সালেহ আল-বাকরি - মারকাজ খিদমাতুস সুন্নাহ - মদিনা মুনাওয়ারা - প্রথম সংস্করণ।

- আল-আহাদ ওয়াল-মাসানি - ইবনে আবি আসিম আশ-শাইবানি (মৃত্যু: ২৮৭ হি.) - গবেষক: ড. বাসিম আল-জাওয়াবেরা - প্রকাশক: দারুর রাইয়াহ - রিয়াদ - প্রথম সংস্করণ।

- আস-সুন্নাহ - ইবনে আবি আসিম বিন মাখলাদ আশ-শাইবানি (মৃত্যু: ২৮৭ হি.) - গবেষক: নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি - আল-মাকতাবুল ইসলামি - বৈরুত - প্রথম সংস্করণ।

- মুসনাদুল বাজার যা আল-বাহরুল যাখখার নামে প্রকাশিত - আবু বকর আল-আতাকি, যিনি আল-বাজার নামে পরিচিত (মৃত্যু: ২৯২ হি.) - গবেষক: মাহফুজুর রহমান জয়নুল্লাহ, আদিল বিন সাদ এবং সাবরি আব্দুল খালিক আশ-শাফিয়ি - মাকতাবাতুল উলুম ওয়াল হিকাম - মদিনা মুনাওয়ারা - প্রথম সংস্করণ।

- তাজিমু কাদরিস সালাত - মুহাম্মদ বিন নাসর আল-মারওয়াজি (মৃত্যু: ২৯৪ হি.) - গবেষক: ড. আব্দুর রহমান আব্দুল জাব্বার আল-ফারিওয়ায়ি - প্রকাশক: মাকতাবাতুদ দার - মদিনা মুনাওয়ারা - প্রথম সংস্করণ।

- আস-সুনানুল কুবরা - আন-নাসায়ি (মৃত্যু: ৩০৩ হি.) - গবেষণা: হাসান শালবি এবং শুআইব আল-আরনাউত - আর-রিসালাহ - বৈরুত - প্রথম সংস্করণ।

- আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লায়লাহ - আন-নাসায়ি (মৃত্যু: ৩০৩ হি.) - গবেষক: ড. ফারুক হামাদাহ - মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ - বৈরুত - দ্বিতীয় সংস্করণ।

- আল-মুনতাকা মিনাস সুনানিল মুসনাদাহ - আবু মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন আল-জারুদ আন-নাইসাপুরি (মৃত্যু: ৩০৭ হি.) - গবেষক: আব্দুল্লাহ ওমর আল-বারুদি - মুয়াসসাসাতুল কিতাব আস-সাকাফিয়াহ - বৈরুত - প্রথম সংস্করণ।

- মুসনাদু আবি ইয়ালা - আবু ইয়ালা আল-মাওসিলি (মৃত্যু: ৩০৭ হি.) - গবেষক: হুসাইন সালিম আসাদ - দারুল মামুন লিত-তুরাস - দামেস্ক - প্রথম সংস্করণ।

- কিতাবুত তাওহিদ ওয়া ইসবাতু সিফাতির রব আজ্জা ওয়া জাল্লা - আবু বকর মুহাম্মদ বিন খুজাইমাহ বিন আন-নাইসাপুরি (মৃত্যু: ৩১১ হি.) - গবেষক: আব্দুল আজিজ বিন ইব্রাহিম আশ-শাহওয়ান - মাকতাবাতুর রুশদ - সৌদি আরব - রিয়াদ - পঞ্চম সংস্করণ।

- সহিহ ইবনে খুজাইমাহ - আবু বকর মুহাম্মদ বিন খুজাইমাহ বিন আন-নাইসাপুরি (মৃত্যু: ৩১১ হি.) - গবেষক: ড. মুহাম্মদ মোস্তফা আল-আযমি - প্রকাশক: আল-মাকতাবুল ইসলামি - বৈরুত।

- আল-আওসাত ফিস সুনানি ওয়াল ইজমাঈ ওয়াল ইখতিলাফ। আবু বকর মুহাম্মদ বিন আল-মুনজির আন-নাইসাপুরি (মৃত্যু: ৩১৯ হি.) দার তাইবাহ। রিয়াদ। সংস্করণ: ১৪০৫ হি.।

- শারহু মুশকিলিল আসার - আবু জাফর আল-হাজরি আল-মিসরি, যিনি আত-তাহাবি নামে পরিচিত (মৃত্যু: ৩২১ হি.) - গবেষণা: শুআইব আল-আরনাউত - মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ - প্রথম সংস্করণ।

- শারহু মাআনিল আসার - আবু জাফর আল-হাজরি আল-মিসরি, যিনি আত-তাহাবি নামে পরিচিত (মৃত্যু: ৩২১ হি.) - এটি সম্পাদনা করেছেন ড. ইউসুফ আব্দুল রহমান আল-মারাশলি - প্রকাশক: আলিমুল কুতুব - প্রথম সংস্করণ।

- সহিহ ইবনে হিব্বান - মুহাম্মদ বিন হিব্বান আল-বুস্তি (মৃত্যু: ৩৫৪ হি.) - গবেষণা: শুআইব আল-আরনাউত - প্রকাশক: মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ। প্রথম সংস্করণ।

- আল-মুজামুল আওসাত - আবু আল-কাসিম আত-তাবারানি (মৃত্যু: ৩৬০ হি.) - গবেষক: তারিক বিন আওয়াদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ - দারুল হারামাঈন - কায়রো।

- আল-মুজামুল কাবির - আবু আল-কাসিম আত-তাবারানি (মৃত্যু: ৩৬০ হি.) গবেষক: হামদি বিন আব্দুল মাজিদ আস-সালাফি - ইবনে তাইমিয়্যাহ - কায়রো - দ্বিতীয় সংস্করণ।

- মুসনাদুশ শামিয়্যিন - আবু আল-কাসিম আত-তাবারানি (মৃত্যু: ৩৬০ হি.) - গবেষক: হামদি বিন আব্দুল মাজিদ আস-সালাফি - আর-রিসালাহ - বৈরুত - প্রথম সংস্করণ।

- কিতাবুল আমসাল ফিল হাদিসিন নাবাউয়ি - আবুশ শায়খ আল-আস বাহানি (মৃত্যু: ৩৬৯ হি.) - গবেষক: ডক্টর আব্দুল আলি আব্দুল হামিদ হামিদ - আদ-দারুস সালাফিয়্যাহ - বোম্বে - ভারত - দ্বিতীয় সংস্করণ।

- আল-আজমাহ - আবুশ শায়খ আল-আস বাহানি (মৃত্যু: ৩৬৯ হি.) গবেষক: রিদাউল্লাহ আল-মুবারকপুরি - দারুল আসিমাহ - রিয়াদ - প্রথম সংস্করণ।

- বাহরুল ফাওয়াইদ যা মাআনিল আখবার নামে পরিচিত - আবু bকর মুহাম্মদ বিন ইয়াকুব আল-কালাবাদি আল-বুখারি আল-হানাফি (মৃত্যু: ৩৮০ হি.) - গবেষক: মুহাম্মদ হাসান মুহাম্মদ হাসান ইসমাইল - আহমাদ ফরিদ আল-মাজিদি - দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ - বৈরুত / লেবানন - প্রথম সংস্করণ।

- সুনানু দারাকুতনি - আবু আল-হাসান আলি বিন বাগদাদি আদ-দারাকুতনি (মৃত্যু: ৩৮৫ হি.) - গবেষণা: শুআইব আল-আরনাউত, হাসান আব্দুল মুনিম শালবি, আব্দুল লতিফ হারজুল্লাহ, আহমাদ বারহুম - মুয়াসসাসাতুর রিসালাহ, বৈরুত - লেবানন - প্রথম সংস্করণ।

- আল-মুসতাদরাক আলাস সহিহাইন - আল-হাকিম মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আন-নাইসাপুরি, যিনি ইবনুল বাইয়ি নামে পরিচিত (মৃত্যু: ৪০৫ হি.) - গবেষণা: মোস্তফা আব্দুল কাদির আতা - দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ - বৈরুত - প্রথম সংস্করণ।

- হিলয়াতুল আউলিয়া ওয়া তাবাকাতুল আসফিয়া - আবু নুআইম আল-আস বাহানি (মৃত্যু: ৪৩০ হি.) - দারুল কুতুব আল-ইলমিয়্যাহ।

- মুসনাদুশ শিহাব - আবু আব্দুল্লাহ আল-কুদাঈ আল-মিসরি (মৃত্যু: ৪৫৪ হি.) - গবেষক: হামদি আস-সালাফি - আর-রিসালাহ - বৈরুত - দ্বিতীয় সংস্করণ।

- আল-মুহাল্লা বিল আসার। লেখক: আবু মুহাম্মদ আলি বিন হাজম আল-কুরতুবি আজ-জাহিরি (মৃত্যু: ৪৫৬ হি.)। দারুল ফিকর - বৈরুত।
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ١٩)
- السنن الكبرى - أبو بكر البيهقي (ت: 458 هـ) - المحقق: محمد عبد القادر عطا- دار الكتب العلمية، بيروت - الطبعة الثالثة.

- شعب الإيمان. أبو بكر البيهقي (ت: 458 هـ). تحقيق: د. عبد العلي عبد الحميد حامد. مختار أحمد الندوي. مكتبة الرشد بالرياض بالتعاون مع الدار السلفية ببومباي بالهند. الطبعة: الأولى، 1423 هـ.

- معرفة السنن والآثار - أبو بكر البيهقي (ت: 458 هـ) - المحقق: عبد المعطي قلعجي - دار الوفاء (المنصورة) - الطبعة الأولى.

- الأسماء والصفات للبيهقي (المتوفى: 458 هـ) حققه: عبد الله بن محمد الحاشدي. تقديم: مقبل الوادعي. الناشر: مكتبة السوادي، جدة - السعودية. الطبعة: الأولى، 1413 هـ.

- التمهيد لما في الموطأ من المعاني والأسانيد. بن عبد البر النمري القرطبي (ت: 463 هـ). تحقيق: مصطفى العلوي، محمد عبد الكبير البكري. الناشر: وزارة عموم الأوقاف والشؤون الإسلامية - المغرب. عام النشر: 1387 هـ.

- شرح السنة"، و"مصابيح السنة" الإمام محيي السنة، ركن الدين، أبي محمد الحسين بن مسعود ابن محمد الفراء البغوي. (433 هـ - 516 هـ) والمصابيح أحسن هذه الكتب ترتيبًا. خ، م، د، ت، ن، جه، ط، الشافعي، حم، مي، قط، هق.

- مشكاة المصابيح - محمد بن عبد الله الخطيب العمري، أبو عبد الله، ولي الدين، التبريزي (المتوفى: 741 هـ) المحقق: محمد ناصر الدين الألباني - المكتب الإسلامي - بيروت - الطبعة: الثالثة.

- الأحكام الشرعية الكبرى. عبد الحق الأشبيلي، المعروف بابن الخراط (ت: 581 هـ). تحَقيق: أبو عبد الله حُسَيْن بن عكاشة. مكتبة الرشد. الطبعة الأولى، 1422 هـ.

- جامع المسانيد. ابن الجوزي، عبد الرحمن بن علي (ت: 597 هـ). تحقيق: الدكتور علي حسين البواب. الناشر: مكتبة الرشد - الرياض. الطبعة: الأولى، 1426 هـ - 2005 م.

- "جامع الأصول في أحاديث الرسول". مجد الدين أبو السعادات المبارك بن محمد الجزري ابن الأثير (ت: 606 هـ) تحقيق: عبد القادر الأرنؤوط - التتمة تحقيق بشير عيون. مكتبة الحلواني - مطبعة الملاح - مكتبة دار البيان. الطبعة: الأولى

- المغني. ابن قدامة المقدسي (ت: 620 هـ). مكتبة القاهرة. الطبعة بدون تاريخ النشر: 1388 هـ.

- الأحاديث المختارة أو المستخرج من الأحاديث المختارة مما لم يخرجه البخاري ومسلم في صحيحيهما- ضياء الدين محمد بن عبد الواحد المقدسي (المتوفى: 643 هـ) - الدكتور عبد الملك بن عبد الله بن دهيش- دار خضر، بيروت - ط: الثالثة.

- المنتقى من أخبار المصطفى صلى الله عليه وسلم مجد الدين أبي البركات بن تيمية (ت: 652 هـ) - دار المعرفة - بيروت - لبنان.

- الترغيب والترهيب من الحديث الشريف. عبد العظيم بن عبد القوي المنذري (ت: 656 هـ). بتحقيق العلامة الألباني.

- الإلمام بأحاديث الأحكام (ومعه حاشية شمس الدين بن عبد الهادي). تقي الدين أبو الفتح محمد بن مطيع القشيري، المعروف بابن دقيق العيد (ت: 702 هـ). دار النوادر، سوريا. الطبعة الأولى، 1434 هـ.

- "جامع المسانيد والسُّنَن الهادي لأقوم سَنَن" بن كثير القرشي الدمشقي (ت: 774 هـ) المحقق: د عبد الملك بن عبد الله الدهيش. دار خضر للطباعة - بيروت - لبنان، مكتبة النهضة الحديثة - مكة المكرمة. ط: الثانية، 1419 هـ.

- التوضيح لشرح الجامع الصحيح. ابن الملقن سراج الدين أبو حفص بن أحمد الشافعي المصري (ت: 804 هـ)، تحقيق: دار الفلاح للبحث العلمي وتحقيق التراث. دار النوادر، دمشق - سوريا. الطبعة الأولى، 1429 هـ.

- الكتاب: مجمع الزوائد ومنبع الفوائد - نور الدين علي الهيثمي (المتوفى: 807 هـ). الناشر: مكتبة القدسي.

- الكتاب: إتحاف الخيرة المهرة بزوائد المسانيد العشرة - شهاب الدين أحمد بن قايماز بن عثمان البوصيري (المتوفى: 840 هـ) - الدكتور أحمد معبد عبد الكريم -المحقق: دار المشكاة - دار الوطن، الرياض.

- فتح الباري شرح صحيح البخاري. بن حجر العسقلاني (ت: 852 هـ) الناشر: دار المعرفة - بيروت، بتعليقات: فؤاد عبد الباقي، محب الدين الخطيب، عبد العزيز بن باز.

- الكتاب: التلخيص الحبير في تخريج أحاديث الرافعي الكبير - أحمد بن حجر العسقلاني (المتوفى: 852 هـ) - أبو عاصم حسن بن عباس بن قطب - مؤسسة قرطبة - الطبعة: الأولى.

- الدراية في تخريج أحاديث الهداية - أحمد بن حجر العسقلاني (المتوفى: 852 هـ) - دار المعرفة - بيروت.
আস-সুনানুল কুবরা - আবু বকর আল-বায়হাকি (ওফাত: ৪৫৮ হিজরি) - মুহাক্কিক: মুহাম্মদ আবদুল কাদির আতা - দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, বৈরুত - তৃতীয় সংস্করণ।

শুয়াবুল ইমান - আবু বকর আল-বায়হাকি (ওফাত: ৪৫৮ হিজরি)। তাহকিক: ড. আবদুল আলী আবদুল হামিদ হামিদ, মুখতার আহমদ আন-নাদভী। মাকতাবাতুর রুশদ, রিয়াদ (ভারতের বোম্বের আদ-দারুস সালাফিয়্যাহর সহযোগিতায়)। প্রথম সংস্করণ, ১৪২৩ হিজরি।

মা’রিফাতুস সুনানি ওয়াল আসার - আবু বকর আল-বায়হাকি (ওফাত: ৪৫৮ হিজরি) - মুহাক্কিক: আবদুল মু’তি কালাজি - দারুল ওয়াফা (মানসুরা) - প্রথম সংস্করণ।

আল-আসমা ওয়াস সিফাত - বায়হাকি (ওফাত: ৪৫৮ হিজরি)। তাহকিক করেছেন: আবদুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আল-হাশেদি। উপস্থাপনা: মুকবিল আল-ওয়াদিয়ি। প্রকাশক: মাকতাবাতুস সাওয়াদি, জেদ্দা - সৌদি আরব। প্রথম সংস্করণ, ১৪১৩ হিজরি।

আত-তামহিদ লিমা ফিল মুয়াত্তা মিনাল মা’আনি ওয়াল আসানিদ - ইবনে আবদিল বার আন-নামারি আল-কুরতুবি (ওফাত: ৪৬৩ হিজরি)। তাহকিক: মুস্তফা আল-আলাভি, মুহাম্মদ আবদুল কাবির আল-বাকরি। প্রকাশক: আওকাফ ও ইসলামি বিষয়ক মন্ত্রণালয় - মরক্কো। প্রকাশকাল: ১৩৮৭ হিজরি।

"শারহুস সুন্নাহ" এবং "মাসাবিহুস সুন্নাহ" - ইমাম মুহিউস সুন্নাহ, রুকনুদ্দিন, আবু মুহাম্মদ আল-হুসাইন বিন মাসউদ ইবনে মুহাম্মদ আল-ফাররা আল-বাগভী (৪৩৩ হিজরি - ৫১৬ হিজরি)। মাসাবিহ এই কিতাবগুলোর মধ্যে বিন্যাসের দিক থেকে শ্রেষ্ঠ। বুখারি, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিজি, নাসায়ি, ইবনে মাজাহ, মুয়াত্তা, শাফেয়ি, আহমাদ, দারেমি, দারাকুতনি, বায়হাকি।

মিশকাতুল মাসাবিহ - মুহাম্মদ বিন আবদুল্লাহ আল-খাতিব আল-উমরি, আবু আবদুল্লাহ, ওলিউদ্দিন আত-তাবরিজি (ওফাত: ৭৪১ হিজরি)। মুহাক্কিক: মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি - আল-মাকতাবুল ইসলামি - বৈরুত - তৃতীয় সংস্করণ।

আল-আহকামুশ শারইয়্যাতুল কুবরা - আবদুল হক আল-ইশবিলি, ইবনুল খাররাত নামে পরিচিত (ওফাত: ৫৮১ হিজরি)। তাহকিক: আবু আবদুল্লাহ হুসাইন বিন উকাশা। মাকতাবাতুর রুশদ। প্রথম সংস্করণ, ১৪২২ হিজরি।

জামিউল মাসানিদ - ইবনুল জাওজি, আবদুর রহমান বিন আলী (ওফাত: ৫৯৭ হিজরি)। তাহকিক: ডক্টর আলী হুসাইন আল-বাওয়াব। প্রকাশক: মাকতাবাতুর রুশদ - রিয়াদ। প্রথম সংস্করণ, ১৪২৬ হিজরি - ২০০৫ খ্রিস্টাব্দ।

"জামিউল উসুল ফি আহাদিসির রাসুল" - মাজদুদ্দিন আবুস সা’আদাত আল-মুবারক বিন মুহাম্মদ আল-জাযারি ইবনুল আসির (ওফাত: ৬০৬ হিজরি)। তাহকিক: আবদুল কাদির আরনাউত - অবশিষ্টাংশ তাহকিক: বাশির উয়ুন। মাকতাবাতুল হালওয়ানি - মাতবাআতুল মাল্লাহ - মাকতাবাতু দারিল বায়ান। প্রথম সংস্করণ।

আল-মুগনি - ইবনে কুদামা আল-মাকদিসি (ওফাত: ৬২০ হিজরি)। মাকতাবাতুল কাহিরা। সংস্করণ প্রকাশের তারিখ বিহীন: ১৩৮৮ হিজরি।

আল-আহাদিসুল মুখতারা অথবা আল-মুস্তাখরাজ মিনাল আহাদিসিল মুখতারা (যা বুখারি ও মুসলিম তাদের সহিহদ্বয়ে বর্ণনা করেননি) - দিয়াউদ্দিন মুহাম্মদ বিন আবদুল ওয়াহিদ আল-মাকদিসি (ওফাত: ৬৪৩ হিজরি) - ডক্টর আবদুল মালিক বিন আবদুল্লাহ বিন দাহিশ - দারু খদর, বৈরুত - তৃতীয় সংস্করণ।

আল-মুনতাকা মিন আখবারিল মুস্তফা (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - মাজদুদ্দিন আবু বারাকাত ইবনে তাইমিয়্যাহ (ওফাত: ৬৫২ হিজরি) - দারুল মা’রিফাহ - বৈরুত - লেবানন।

আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব মিনাল হাদিসিশ শরিফ - আবদুল আজিম বিন আবদুল কাভি আল-মুনজিরি (ওফাত: ৬৫৬ হিজরি)। আল্লামা আলবানি কর্তৃক তাহকিককৃত।

আল-ইলমাম বি-আহাদিসিল আহকাম (সাথে শামসুদ্দিন ইবনে আবদুল হাদীর হাশিয়া) - তাকিউদ্দিন আবু ফাতহ মুহাম্মদ বিন মুতি আল-কুশাইরি, যিনি ইবনে দাকিকুল ঈদ নামে পরিচিত (ওফাত: ৭০২ হিজরি)। দারুন নাওয়াদির, সিরিয়া। প্রথম সংস্করণ, ১৪৩৪ হিজরি।

"জামিউল মাসানিদ ওয়াস সুনান আল-হাদি লি-আকওয়ামি সুনান" - ইবনে কাসির আল-কুরাশি আদ-দিমাশকি (ওফাত: ৭৭৪ হিজরি)। মুহাক্কিক: ডক্টর আবদুল মালিক বিন আবদুল্লাহ আদ-দাহিশ। দারু খদর প্রকাশনী - বৈরুত - লেবানন, মাকতাবাতুন নাহদাতিল হাদিসাহ - মক্কা মোকাররমা। দ্বিতীয় সংস্করণ, ১৪১৯ হিজরি।

আত-তাওজিহ লি-শারহিল জামিয়ুস সহিহ - ইবনুল মুলাক্কিন সিরাজুদ্দিন আবু হাফস বিন আহমদ আশ-শাফেয়ি আল-মিসরি (ওফাত: ৮০৪ হিজরি)। তাহকিক: দারুল ফালাহ ইলমি গবেষণা ও ঐতিহ্য তাহকিক কেন্দ্র। দারুন নাওয়াদির, দামেস্ক - সিরিয়া। প্রথম সংস্করণ, ১৪২৯ হিজরি।

কিতাব: মাজমাউয যাওয়াইদ ওয়া মানবাউল ফাওয়াইদ - নূরুদ্দিন আলী আল-হাইসামি (ওফাত: ৮০৭ হিজরি)। প্রকাশক: মাকতাবাতুল কুদসি।

কিতাব: ইতহাফুল খিয়ারাতিল মাহারা বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিল আশারা - শিহাবুদ্দিন আহমদ বিন কাইমাজ বিন উসমান আল-বুসিরি (ওফাত: ৮৪০ হিজরি) - ডক্টর আহমদ মাবাদ আবদুল কারিম। মুহাক্কিক: দারুল মিশকাত - দারুল ওয়াতান, রিয়াদ।

ফাতহুল বারী শারহু সহিহিল বুখারি - ইবনে হাজার আল-আসকালানি (ওফাত: ৮৫২ হিজরি)। প্রকাশক: দারুল মা’রিফাহ - বৈরুত। টীকা সংযোজন করেছেন: ফুয়াদ আবদুল বাকি, মুহিব্বুদ্দিন আল-খাতিব, আবদুল আজিজ বিন বাজ।

কিতাব: আত-তালখিসুল হাবির ফি তাখরিজি আহাদিসির রাফেয়িল কাবির - আহমদ বিন হাজার আল-আসকালানি (ওফাত: ৮৫২ হিজরি) - আবু আসিম হাসান বিন আব্বাস বিন কুতুব - মুয়াসসাসাতু কুরতুবা - প্রথম সংস্করণ।

আদ-দিরায়া ফি তাখরিজি আহাদিসিল হিদায়া - আহমদ বিন হাজার আল-আসকালানি (ওফাত: ৮৫২ হিজরি) - দারুল মা’রিফাহ - বৈরুত।
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ٢٠)
- المطالب العالية بزوائد المسانيد الثمانية - أحمد بن حجر العسقلاني (المتوفى: 852 هـ) - المحقق: (17) رسالة علمية قدمت لجامعة الإمام محمد بن سعود -تنسيق: د. سعد بن ناصر بن عبد العزيز الشثري -الناشر: دار العاصمة، دار الغيث - السعودية.

- تغليق التعليق - ابن حجر العسقلاني دار الكتب العلمية - بيروت - (2011 م).

- جمع الفوائد من جامع الأصول ومجمع الزَّوائِد - محمد بن محمد بن سليمان بن الفاسي بن طاهر السوسي الردواني المغربي المالكي (المتوفى: 1094 هـ) - تحقيق: أبو علي سليمان بن دريع- ابن كثير، الكويت - دار ابن حزم، بيروت -الطبعة: الأولى.

- المنيحة بسلسلة الأحاديث الصحيحة - أبو إسحاق الحويني الأثري حجازي محمد شريف -تصنيف وانتقاء: أبي عمرو أحمد بن عطية الوكيل - دار ابن عباس.

- السراج المنير في ترتيب أحاديث صحيح الجامع الصغير - الحافظ جلال الدين السيوطي - العلامة محمد ناصر الدين الألباني - عصام موسى هادي- دار الصديق - الطبعة: الثالثة.

- إرواء الغليل في تخريج أحاديث منار السبيل - محمد ناصر الدين الألباني (ت: 1420 هـ). المكتب الإسلامي - الطبعة: الثانية.

- سلسلة الأحاديث الصحيحة وشيء من فقهها وفوائدها - محمد ناصر الدين الألباني - مكتبة المعارف، الرياض - طبعة أولى.

- سلسلة الأحاديث الضعيفة والموضوعة وأثرها السيئ في الأمة - الألباني (ت: 1420 هـ) دار المعارف، الرياض - طبعة أولى.

- الجامع الصحيح مما ليس في الصحيحين للمحدث العلامة مقبل ابن هادي الوادعي.

- الجامع الصحيح فِيمَا كَانَ عَلى شَرطِ الشَيْخَيْنِ أو أحَدِهِمَا وَلم يُخَرِّجَاهُ - يوسف بن جودة الداودي - دار قباء - طبعة أولى.

- "التاج الجامع للأصول من أحاديث الرسول ". جمعه من "الأصول الخمسة". لمؤلفه الشيخ منصورعلي ناصف الحسني (1351 هـ). وقرظ له سبعة من كبار العلماء.

- المسند الجامع. حققه ورتبه وضبط نصه: محمود محمد خليل. الناشر: دار الجيل للطباعة والنشر والتوزيع، بيروت، الشركة المتحدة لتوزيع الصحف والمطبوعات، الكويت. الطبعة: الأولى، 1413 هـ - 1993 م.

- الأحاديثُ الفِقْهِيَّةُ الزَّوَائدُ على الكتب التسعةِ (تحقيقٌ حديثيٌّ، ودراسةٌ فقهية) عنوان رسالة دكتوراه. د/ محمد زكي عبد الدايم - قسم الشريعة- بكلية دار العلوم - 1429 هـ. وخلُص فيه إلى صحة القول أنه لم يفت الكتب التسعة من أحاديث الأحكام إلا أقل القليل؛ والذي لا يؤثر في أحكام الفقه. وللمزيد. انظر (تدريب الراوي في شرح تقريب النواوي (1/ 105).

- موسوعة الألباني الصحيحة مجموعة من كل مؤلفاته. جمعه ورتبه على حروف المعجم. د. حمزة أحمد الزين. ط: دار المعارف. الرياض. ط:1413 هـ.

- الجامع الصحيح للسنن والمسانيد - صهيب عبد الجبار. وقد افاد.

- المسند الموضوعي الجامع للكتب العشرة - صهيب عبد الجبار.

- المسند المصنف المعلل. المؤلف: بشار عواد معروف- السيد أَبو المعاطي النوري - محمد مهدي المسلمي- أحمد عبد الرزاق عيد - أيمن إبراهيم الزاملي- محمود محمد خليل. الناشر: دار الغرب الإسلامي- بيروت. ط: 1434 هـ- 2013.

- "جامع الأصول التسعة". إعداد: صالح أحمد الشامي. الناشر: المكتب الإ سلامي. بيروت. ط: 1435 هـ .. "معالم السنة النبوية". إعداد: صالح أحمد الشامي. الناشر: دار القلم. دمشق. ط 1436 هـ .. ضمن مشروع "تقريب السنة المطهرة".

- الإيماء إلى زوائد الأمالي والأجزاء - زوائد الأمالي والفوائد والمعاجم والمشيخات على الكتب الستة والموطأ ومسند الإمام أحمد - نبيل سعد الدين سَليم جَرَّار - أضواء السلف - طبعة أولى.

- موسوعة الأحاديث الصحيحة من دواوين السنة النبوية " للشيخ يحيى خالد توفيق. دار كتب قيمة.

- موسوعة الحديث الشريف لشركة حرف لتقنية المعلومات.

- موقع الدرر السنية الإلكتروني.

* * *
- আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়াইদিল মাসানিদিস সামানিয়াহ - আহমদ ইবনে হাজার আল-আসকালানি (মৃত্যু: ৮৫২ হি.) - মুহাক্কিক: (১৭) ইমাম মুহাম্মদ বিন সৌদ বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থাপিত বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র - বিন্যাস: ড. সাদ বিন নাসির বিন আব্দুল আজিজ আশ-শাথরি - প্রকাশক: দারুল আসিমাহ, দারুল গাইস - সৌদি আরব।

- তাগলীকুত তালীক - ইবনে হাজার আল-আসকালানি - দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ - বৈরুত - (২০১১ খ্রি.)।

- জামউল ফাওয়াইদ মিন জামিউল উসুল ওয়া মাজমাউয যাওয়াইদ - মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন সুলায়মান বিন আল-ফাসি বিন তাহের আস-সুসি আর-রুওয়ানি আল-মাগরিবি আল-মালিকি (মৃত্যু: ১০৯৪ হি.) - তাহকিক: আবু আলি সুলায়মান বিন দুরি - ইবনে কাসির, কুয়েত - দার ইবনে হাযম, বৈরুত - সংস্করণ: প্রথম।

- আল-মানিহাহ বি-সিলসিলাতিল আহাদিসিস সহিহাহ - আবু ইসহাক আল-হুওয়াইনি আল-আসারি হিজাজি মুহাম্মদ শরিফ - সংকলন ও নির্বাচন: আবি আমর আহমদ বিন আতিয়াহ আল-ওয়াকিল - দার ইবনে আব্বাস।

- আস-সিরাজুল মুনির ফি তারতিবি আহাদিসি সহিহিল জামিউস সাগির - হাফিজ জালালুদ্দিন সুয়ূতী - আল্লামা মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি - ইসাম মুসা হাদি - দারুস সিদ্দিক - সংস্করণ: তৃতীয়।

- ইরওয়াউল গালিল ফি তাখরিজি আহাদিসি মানারিস সাবিল - মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি (মৃত্যু: ১৪২০ হি.)। আল-মাকতাবুল ইসলামি - সংস্করণ: দ্বিতীয়।

- সিলসিলাতুল আহাদিসিস সহিহাহ ওয়া শাইউন মিন ফিকহিহা ওয়া ফাওয়াইদিহা - মুহাম্মদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি - মাকতাবাতুল মাআরিফ, রিয়াদ - প্রথম সংস্করণ।

- সিলসিলাতুল আহাদিসিদ দয়িফাহ ওয়াল মাওদুয়াহ ওয়া আসারুহাস সাইয়্যি ফিল উম্মাহ - আল-আলবানি (মৃত্যু: ১৪২০ হি.) - দারুল মাআরিফ, রিয়াদ - প্রথম সংস্করণ।

- আল-জামিউস সহিহ মিম্মা লাইসা ফিস সহিহাইন - মুহাদ্দিস আল্লামা মুকবিল ইবনে হাদি আল-ওয়াদিঈ।

- আল-জামিউস সহিহ ফিমা কানা আলা শারতিশ শাইখাইন আও আহাদিহিমা ওয়া লাম ইউখাররিজাহু - ইউসুফ বিন জওদাহ আদ-দাউদি - দারু কুবা - প্রথম সংস্করণ।

- "আত-তাজুল জামিউ লিল উসুল মিন আহাদিসির রাসুল"। এটি "আল-উসুলুল খামসাহ" থেকে সংকলিত। এর লেখক শেখ মনসুর আলী নাসিফ আল-হাসানি (১৩৫১ হি.)। সাতজন প্রথিতযশা আলেম এতে অভিমত প্রদান করেছেন।

- আল-মুসনাদুল জামি। তাহকিক, বিন্যাস ও পাঠ-সম্পাদনা: মাহমুদ মুহাম্মদ খলিল। প্রকাশক: দারুল জিল প্রকাশনা ও বিতরণ, বৈরুত; আশ-শারিকাতুল মুত্তাহিদাহ লি-তাওযিয়িল সুহুফি ওয়াল মাতবুয়াত, কুয়েত। সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৩ হি. - ১৯৯৩ খ্রি.।

- আল-আহাদিসুল ফিকহিয়্যাহ আয-যাওয়াইদ আলাল কুতুবিত তিসআহ (আধুনিক তাহকিক ও ফিকহী গবেষণা) - এটি একটি ডক্টরেট গবেষণাপত্র। ড. মুহাম্মদ জাকি আব্দুল দায়িম - শরিয়াহ বিভাগ - দারুল উলুম অনুষদ - ১৪২৯ হি.। তিনি এতে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, কুতুবে তিসআহ (নয়টি কিতাব) থেকে আহকামের হাদিস খুব সামান্যই বাদ পড়েছে, যা ফিকহি বিধানের ক্ষেত্রে কোনো প্রভাব ফেলে না। বিস্তারিত জানতে দেখুন: (তাদরিবুর রাবি ফি শারহি তাকরিবিন নাওয়াবি (১/১০৫)।

- মাওসুআতুল আলবানি আস-সহিহাহ - এটি তাঁর সকল রচনার সংকলন। বর্ণানুক্রমিকভাবে এটি সংগ্রহ ও বিন্যাস করেছেন ড. হামজাহ আহমদ আয-যাইন। মুদ্রণ: দারুল মাআরিফ, রিয়াদ। সংস্করণ: ১৪১৩ হি.।

- আল-জামিউস সহিহ লিস-সুনানি ওয়াল মাসানিদ - সুহাইব আব্দুল জব্বার। তিনি এতে ব্যাপক উপকার সাধন করেছেন।

- আল-মুসনাদুল মাওদুয়ি আল-জামি লিল কুতুবিল আশারাহ - সুহাইব আব্দুল জব্বার।

- আল-মুসনাদুল মুসান্নাফ আল-মুআল্লাল। লেখকগণ: বাশার আওয়াদ মারুফ - আস-সায়্যিদ আবু আল-মাআতি আন-নুরি - মুহাম্মদ মাহদি আল-মুসলিমি - আহমদ আব্দুল রাজ্জাক ঈদ - আয়মান ইব্রাহিম আয-যামিলি - মাহমুদ মুহাম্মদ খলিল। প্রকাশক: দারুল গারবিল ইসলামি - বৈরুত। সংস্করণ: ১৪৩৪ হি. - ২০১৩ খ্রি.।

- "জামিউল উসুলিত তিসআহ"। প্রস্তুতি: সালেহ আহমদ আশ-শামি। প্রকাশক: আল-মাকতাবুল ইসলামি, বৈরুত। সংস্করণ: ১৪৩৫ হি.। "মাআলিমুস সুন্নাতিন নববীয়াহ"। প্রস্তুতি: সালেহ আহমদ আশ-শামি। প্রকাশক: দারুল কালাম, দামেস্ক। সংস্করণ: ১৪৩৬ হি.। এটি "তাকরিবুস সুন্নাতিল মুতাহহারাহ" প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত।

- আল-ইমাউ ইলা যাওয়াইদিল আমালি ওয়াল আজযা - কুতুবে সিত্তা, মুয়াত্তা ও মুসনাদে আহমদ এর অতিরিক্ত হিসেবে আমালি, ফাওয়াইদ, মাআজিম ও মাশইয়াহাত সমূহের অতিরিক্ত বর্ণনার সংকলন - নাবিল সাদ উদ্দিন সালিম জাররার - আদওয়াউস সালাফ - প্রথম সংস্করণ।

- "মাওসুআতুল আহাদিসিস সহিহাহ মিন দাওয়াইনিস সুন্নাতিন নববীয়াহ" - শেখ ইয়াহিয়া খালিদ তৌফিক। দারু কুতুবিন কয়্যিমাহ।

- হারফ ইনফরমেশন টেকনোলজি কোম্পানির মাওসুআতুল হাদিসিশ শরিফ।

- আদ-দুরারুস সানিয়াহ ওয়েবসাইট।

(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ٢١)
‌‌تدوين السنة النبوية

والفرق بين الكتابة والتدوين والتصنيف

بقلم الأستاذ الدكتور/عبد المهدي عبد القادر عبد الهادي

 

الحمد لله والصلاة والسلام على رسول الله وعلى آله وصحبه ومن والاه. وبعد:

فلما كان علم الحديث من أصول الفروض وجب الاعتناء به، والاهتمام بضبطه وحفظه، وكان أن يسر الله سبحانه وتعالى له العلماء الثقات الذين أحاطوا به فتناقلوه كابرا عن كابر، وأوصله كما سمعه أول إلى آخر، وحبب الله تعالى لهم بحكمته حفظ دينه وحراسة شريعته، فمازال هذا العلم من عهد الرسول صلى الله عليه وسلم أشرف العلوم وأجلها لدى الصحابة والتابعين، وتابعي التابعين، خلفا بعد سلف لا يشرف بينهم أحد بعد حفظ كتاب الله تعالى، إلا بقدر ما يحفظ منه، ولا يعظم في النفوس إلا بقدر ما يُسمع من الحديث عنه، فتوفرت الرغبات فيه، وانبعثت العزائم إلى تحصيله، وكان اعتمادهم أولا على الحفظ والضبط في القلوب غير ملتفتين إلى ما يكتبونه محافظة على هذا العلم كحفظهم كتاب الله تعالى.

 

‌‌أولاً: أهمية تدوين السنة والداعي له:

لما انتشر الإسلام واتسعت البلاد، وتفرق الصحابة في الأقطار ومات معظمهم وقل الضبط، احتاج العلماء إلى تدوين الحديث وتقييده بالكتابة؛ وذلك لحفظه ونشره.

 

‌‌ثانياً: أسباب تدوين القرآن في بداية الأمر دون السنة:

استعمل النبي صلى الله عليه وسلم الكتابة في تدوين ما ينزل من القرآن، واتخذ لذلك كتَّاباً من الصحابة، فكان القرآن يُكتب كله بين يدي رسول الله صلى الله عليه وسلم على الرِّقاع والأضلاع والحجارة والسعف (أغصان النخيل)، وكانت الآية من القرآن تنزل على الرسول صلى الله عليه وسلم فيأمر كاتب الوحي بكتابتها في موضع كذا من سورة كذا، واستمر الأمر على هذه الحال حتى وفاته - بأبي و وأمي - فلم يقبض صلوات الله وسلامه عليه إلا والقرآن محفوظ مكتوب لا ينقصه إلا الجمع في مصحف واحد.

أما السنة فلم يكن شأنها كذلك، حيث إنها لم تدون جميعها تدوينًا رسميًا في عهد النبي صلى الله عليه وسلم كما دُون القرآن، ولم يأمر صلوات الله وسلامه عليه أصحابه بذلك.

وقد ذكر العلماء أسباباً عديدة لعدم تدوين السنة في العهد النبوي: منها أن النبي صلى الله عليه وسلم عاش بين أصحابه بعد البعثة ثلاثًا وعشرين سنة، فكان تدوين كل كلماته وأقواله وأفعاله وكتابتها فيه من العسر والمشقة الشيء الكثير، لما يحتاجه ذلك من تفرغ كثير من الصحابة لهذا العمل الجليل، ونحن نعلم أن الصحابة رضي الله عنهم لم يكونوا جميعا يحسنون الكتابة بل كان الكاتبون منهم أفراداً قلائل، وكان تركيز هؤلاء الكتبة من الصحابة على كتابة القرآن دون غيره من السنة حتى يؤدوه لمن بعدهم تامًا مضبوطًا لا يُنْقص منه حرف.

ومن الأسباب أيضاً الخوف من حدوث اللبس عند عامة المسلمين فيختلط القرآن بغيره من الحديث، وخصوصاً في تلك الفترة المبكرة التي لم يكتمل فيها نزول الوحي، وكان القرآن ينزل فيها مفرقاً حسب الوقائع والأحداث، إضافة إلى أن العرب كانوا أمة أمية، وكانوا يعتمدون على الذاكرة فيما يودون حفظه واستظهاره، ولذلك عُرفوا بقوة الذاكرة وسرعة الحفظ، وكان نزول القرآن مفرقاً على آيات وسور صغيرة أدعى للتفرغ لحفظه واستذكاره والاحتفاظ به في صدورهم، أما السنة فكانت كثيرة الوقائع متشعبة النواحي شاملة لأعمال الرسول صلى الله عليه وسلم وأقواله منذ بدء الرسالة إلى أن
সুন্নাহর সংকলন (তাদউীন) এবং লিখন, সংকলন ও শ্রেণীবিন্যাসের (তসনীফ) মধ্যে পার্থক্য

অধ্যাপক ডক্টর আব্দুল মাহদী আব্দুল কাদির আব্দুল হাদী-এর কলমে

 

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর এবং দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আল্লাহর রাসূল, তাঁর পরিবারবর্গ, তাঁর সঙ্গী-সাথী এবং যারা তাঁকে অনুসরণ করেছে তাদের ওপর। অতঃপর:

যেহেতু ইলমে হাদীস অত্যাবশ্যকীয় মূল জ্ঞানসমূহের অন্তর্ভুক্ত, তাই এর প্রতি যত্নশীল হওয়া এবং এটি নির্ভুলভাবে ধরে রাখা ও সংরক্ষণের প্রতি গুরুত্ব প্রদান করা ওয়াজিব। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা এর জন্য এমন নির্ভরযোগ্য আলেমদের পথ সহজ করে দিয়েছেন যারা একে বেষ্টন করে রেখেছেন এবং বড়দের থেকে ছোটরা ধারাবাহিকভাবে তা বর্ণনা করেছেন। এটি প্রথম স্তরের বর্ণনাকারীদের থেকে শেষ স্তরের বর্ণনাকারীদের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন ঠিক সেভাবেই, যেভাবে তাঁরা শুনেছিলেন। আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রজ্ঞা অনুসারে তাঁর দ্বীন রক্ষা এবং শরীয়ত পাহারার প্রতি তাঁদের হৃদয়ে ভালোবাসা সৃষ্টি করে দিয়েছেন। ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগ থেকে সাহাবী, তাবেঈ এবং তাবে-তাবেঈদের নিকট উত্তরসূরি থেকে পূর্বসূরি পর্যন্ত এই জ্ঞান ছিল সবচেয়ে সম্মানিত ও শ্রেষ্ঠ জ্ঞান। আল্লাহর কিতাব মুখস্থ করার পর তাঁদের মধ্যে কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত সম্মানিত হতেন না, যতক্ষণ না তিনি এটি (হাদীস) মুখস্থ করতেন। আর মানুষের অন্তরে তিনি ততক্ষণ পর্যন্ত মহান হতেন না, যতক্ষণ না তাঁর কাছ থেকে হাদীস শোনা যেত। ফলে এর প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায় এবং তা অর্জনের জন্য সংকল্প জাগ্রত হয়। তাঁদের প্রথম নির্ভরতা ছিল স্মৃতিশক্তি এবং অন্তরে হিফজ করার ওপর, তাঁরা যা লিখতেন সেদিকে ফিরে তাকাতেন না, যাতে আল্লাহর কিতাব সংরক্ষণের মতো করেই এই ইলমকে পরম যত্নে সংরক্ষণ করা যায়।

 

প্রথমত: সুন্নাহ সংকলনের গুরুত্ব এবং এর প্রয়োজনীয়তা:

যখন ইসলাম ছড়িয়ে পড়ল এবং ভূখণ্ড বিস্তৃত হলো, সাহাবীগণ বিভিন্ন জনপদে বিভক্ত হয়ে গেলেন এবং তাঁদের অধিকাংশ মৃত্যুবরণ করলেন ও মুখস্থ রাখার নির্ভুলতা কমে গেল, তখন আলেমগণ হাদীস সংকলন এবং তা লিখে রাখার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন; যাতে এটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও প্রচার করা যায়।

 

দ্বিতীয়ত: প্রথম দিকে সুন্নাহ বাদ দিয়ে কেবল কুরআন সংকলন করার কারণসমূহ:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নাযিলকৃত কুরআন লিপিবদ্ধ করার জন্য লিখন পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলেন এবং এজন্য সাহাবীগণের মধ্য থেকে কতিপয় লেখক নিয়োগ করেছিলেন। ফলে পুরো কুরআন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনেই চামড়া, হাড়, পাথর এবং খেজুরের ডালের ওপর লেখা হতো। যখনই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর কুরআনের কোনো আয়াত নাযিল হতো, তিনি ওহী লেখককে সেটি অমুক সূরার অমুক স্থানে লিখে রাখার নির্দেশ দিতেন। তাঁর ওফাত পর্যন্ত এভাবেই ধারাটি অব্যাহত ছিল—আমার বাবা ও মা তাঁর জন্য উৎসর্গিত হোন—ফলে তাঁর ওফাতের সময় পুরো কুরআন সংরক্ষিত ও লিখিত ছিল, কেবল একটি মুসহাফে একত্রিত করা বাকি ছিল।

পক্ষান্তরে সুন্নাহর বিষয়টি এমন ছিল না; কারণ কুরআনের মতো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যুগে সুন্নাহর সমস্ত অংশ আনুষ্ঠানিকভাবে সংকলিত হয়নি এবং তিনি তাঁর সাহাবীগণকে সে নির্দেশও দেননি।

আলেমগণ নববী যুগে সুন্নাহ সংকলন না করার অনেকগুলো কারণ উল্লেখ করেছেন: তার মধ্যে একটি হলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নবুওয়াত প্রাপ্তির পর সাহাবীগণের মাঝে তেইশ বছর অতিবাহিত করেছিলেন। তাঁর সমস্ত কথা, বাণী ও কাজ লিখে রাখা ছিল অত্যন্ত কঠিন ও শ্রমসাধ্য কাজ। কারণ এর জন্য অনেক সাহাবীকে এই মহান কাজের জন্য সার্বক্ষণিক নিয়োজিত হতে হতো। আর আমরা জানি যে, সাহাবীগণের (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) সবাই লিখতে জানতেন না, বরং তাঁদের মধ্যে অল্প কিছু ব্যক্তি লেখক ছিলেন। সাহাবীগণের মধ্যে সেই লেখকদের মূল মনোযোগ ছিল কুরআন লেখার ওপর, সুন্নাহর ওপর নয়; যাতে তাঁরা তাঁদের পরবর্তী প্রজন্মের কাছে এটি নির্ভুল ও পূর্ণাঙ্গভাবে পৌঁছে দিতে পারেন যেখান থেকে একটি অক্ষরও যেন না কমে।

অন্যতম কারণগুলোর মধ্যে একটি হলো সাধারণ মুসলিমদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির ভয় যে কুরআন হাদীসের সাথে মিশে যেতে পারে, বিশেষ করে সেই শুরুর যুগে যখন ওহী নাযিল হওয়া সম্পূর্ণ হয়নি এবং বিভিন্ন ঘটনা ও পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে কুরআন বিচ্ছিন্নভাবে নাযিল হচ্ছিল। এর পাশাপাশি আরবরা ছিল একটি নিরক্ষর জাতি এবং তারা যা মুখস্থ করতে বা মনে রাখতে চাইত তার জন্য স্মৃতির ওপর নির্ভর করত। এজন্য তারা প্রখর স্মৃতিশক্তি ও দ্রুত মুখস্থ করার গুণের জন্য সুপরিচিত ছিল। কুরআনের আয়াত ও ছোট ছোট সূরাগুলো বিচ্ছিন্নভাবে নাযিল হওয়া ছিল তা মুখস্থ করার, বারবার পাঠ করার এবং হৃদয়ে গেঁথে রাখার জন্য অধিক সহায়ক। পক্ষান্তরে সুন্নাহ ছিল বহু ঘটনায় সমৃদ্ধ এবং বহুমুখী বিষয় যা রিসালাতের শুরু থেকে তাঁর শেষ সময় পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাজ ও কথাকে অন্তর্ভুক্ত করত।
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ٢٢)
توفاه الله عز وجل، فلو دونت كما دون القرآن، للزم أن ينكبَّ الصحابة على حفظ السنة مع حفظ القرآن، وفيه من الحرج والمشقة ما فيه، فكان لا بد من توفرهم - في تلك الفترة - على كتاب الله حفظاً ودراسة وتفهما.

كل ذلك وغيره - مما توسع العلماء في بيانه - كان من أسرار عدم تدوين السنة في العهد النبوي، وبهذا نفهم سر النهي عن كتابتها في الحديث الوارد في صحيح مسلم عن أبي سعيد الخدري عندما قال عليه الصلاة والسلام: (لا تكتبوا عني، ومن كتب عني غير القرآن فليمحه).

الجهود المتواضعة لتدوين السنة في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم:

وهذا لا يعني أبداً أن السنة لم يكتب منها شيء في عهد الرسول صلى الله عليه وسلم، فقد وردت آثار صحيحة تدل على أنه قد وقع كتابة شيء من السنة في العصر النبوي، ولكن هذا التدوين والكتابة كان بصفة خاصة، ولم يكن عاماً بحيث تتداول هذه الكتب بين الناس، فقد أمر النبي صلى الله عليه وسلم أصحابه في فتح مكة أن يكتبوا لأبي شاة، وكتب - صلوات الله وسلامه عليه - كتباً إلى الملوك والأمراء يدعوهم فيها إلى الإسلام، كما ثبت أن بعض الصحابة كانت لهم صحف خاصة يدونون فيها بعض ما سمعوه من رسول الله صلى الله عليه وسلم كصحيفة عبد الله بن عمرو بن العاص التي كان يسميها بـ (الصادقة)، وكانت عند علي رضي الله عنه صحيفة فيها أحكام الدية وفكاك الأسير، كما ثبت أن النبي صلى الله عليه وسلم كتب لبعض أمرائه وعمَّاله كتبًا حدَّد لهم فيها الأنصبة ومقادير الزكاة والجزية والديات، إلى غير ذلك من القضايا المتعددة التي تدل على وقوع الكتابة في عهده عليه الصلاة والسلام .. إذاً فقد توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم تدون السنة تدويناً كاملاً كما دون القرآن.

وكل ما جرى هو أنه صلى الله عليه وسلم لما خاف أن يختلط ما أوحى الله به إليه من قرآن بما أوحى به إليه من السنة، كان النهي الذي جاء ذكره في صحيح مسلم من حديث أبي سعيد الخدري حيث قال صلى الله عليه وسلم: (لا تكتبوا عني، ومن كتب عني غير القرآن فليمحه، وحدثوا عني ولا حرج، ومن كذب علي متعمدا فليتبوأ مقعده من النار) .. ولما حصل التمييز بين القرآن والسنة وانتفى ما كان يمنع من كتابة الحديث، وزال الخوف وأمن اللبس والاختلاط بين القرآن والأحاديث، عند ذلك أذن النبي صلى الله عليه وسلم لبعض أصحابه بالكتابة، فقد وردت أحاديث تدل على إباحة الكتابة لبعضهم، فمن ذلك: ما رواه البخاري ومسلم أن علياً رضي الله عنه لما سأله أبو جحيفة: هل عندكم شيء عن رسول الله صلى الله عليه وسلم سوى القرآن؟ قَالَ لا وَالَّذِي فَلَقَ الْحَبَّةَ وَبَرَأَ النَّسَمَةَ إلا فَهْمًا يُعْطِيهِ اللَّهُ رَجُلاً فِي الْقُرْآنِ، وَمَا فِي هَذِهِ الصَّحِيفَةِ، قُلْتُ: وَمَا فِي الصَّحِيفَةِ؟، قَالَ: (الْعَقْلُ، وَفَكَاكُ الأسِيرِ، وَأَنْ لا يُقْتَلَ مُسْلِمٌ بِكَافِرٍ) .. ومما يدل على إباحة الكتابة ما رواه البخاري وغيره عن أبي هريرة رضي الله عنه أنه قال: (ما من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم أكثر مني حديثا، إلا ما كان من عبد الله بن عمرو فإنه كان يكتب ولا أكتب).

تحرج الخلفاء الراشدين من تدوين السنة وسبب ذلك:

جاء عهد الخلفاء الراشدين، فلم يدونوا الحديث في الصحف كراهة أن يتخذها الناس مصاحف يضاهون بها صحف القرآن، وأحجموا عن كتابة السنة وتدوينها مدة خلافتهم، حتى إن عمر رضي الله عنه فكر في أول الأمر في جمع السنة فاستفتى أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم في ذلك فأشاروا عليه بأن يكتبها، فطفق عمر يستخير الله فيها شهراً ثم أصبح يوماً وقد عزم الله له فقال: "إني كنت أريد أن أكتب السنن، وإني ذكرت قوماً كانوا قبلكم كتبوا كتباً، فأكبّوا عليها وتركوا كتاب الله، وإني - والله - لا ألبِّس كتاب الله بشيء أبداً".

وكان هذا الرأي من عمر متناسباً مع حالة الناس في ذلك الوقت، فإن عهدهم بالقرآن لا يزال
আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্লা তাকে মৃত্যু দান করেন; এমতাবস্থায় যদি তা (সুন্নাহ) কুরআনের মতো সংকলিত হতো, তবে সাহাবীদের কুরআনের সাথে সাথে সুন্নাহ হিফজ করার পেছনেও নিবিষ্ট হতে হতো। আর এতে ব্যাপক কষ্ট ও কাঠিন্য বিদ্যমান ছিল। তাই সেই সময়ে তাদের জন্য আল্লাহর কিতাব হিফজ করা, অধ্যয়ন করা এবং তা অনুধাবন করার ওপর পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া আবশ্যক ছিল।

এই সমস্ত বিষয় এবং এ ছাড়া অন্যান্য কারণ—যা উলামায়ে কেরাম বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন—তা ছিল নববী যুগে সুন্নাহ সংকলন না হওয়ার গূঢ় রহস্য। আর এ থেকেই আমরা সহীহ মুসলিমে আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদিসে সুন্নাহ লিপিবদ্ধ করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞার রহস্য বুঝতে পারি, যেখানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন: "তোমরা আমার পক্ষ থেকে কিছু লিখো না; আর যে ব্যক্তি কুরআন ছাড়া আমার পক্ষ থেকে অন্য কিছু লিখেছে, সে যেন তা মুছে ফেলে।"

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে সুন্নাহ সংকলনের সীমিত প্রচেষ্টাসমূহ:

এর অর্থ মোটেও এই নয় যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে সুন্নাহর কিছুই লিপিবদ্ধ হয়নি। বরং এমন অনেক সহীহ বর্ণনা রয়েছে যা প্রমাণ করে যে, নববী যুগে সুন্নাহর কিছু অংশ লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল। তবে এই সংকলন ও লিখন ছিল ব্যক্তিগত পর্যায়ের, এটি এমন ব্যাপক ছিল না যে এই বইগুলো মানুষের মধ্যে প্রচলিত ছিল। মক্কা বিজয়ের সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীদের আবু শাহ-এর জন্য লিখে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি—তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক—রাজা ও আমীরদের কাছে ইসলামের দাওয়াত দিয়ে পত্র লিখেছিলেন। একইভাবে প্রমাণিত আছে যে, কিছু সাহাবীর নিজস্ব সংকলন (সহীফা) ছিল, যাতে তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছ থেকে শোনা কিছু বিষয় লিখে রাখতেন; যেমন আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহুর সংকলন, যার নাম তিনি দিয়েছিলেন 'আস-সাদিকা'। আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছেও একটি সহীফা ছিল যাতে রক্তপণ (দিয়াত) এবং যুদ্ধবন্দীদের মুক্তির বিধানাবলী ছিল। আরও প্রমাণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কয়েকজন প্রশাসক ও কর্মচারীর কাছে পত্র লিখেছিলেন, যাতে তাদের জন্য যাকাত, জিযিয়া এবং দিয়াতের নেসাব ও পরিমাণ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল। এ ছাড়া আরও অনেক ঘটনা রয়েছে যা তাঁর যুগে লিখন প্রক্রিয়া চালু থাকার প্রমাণ দেয়। সুতরাং, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকাল করেছেন এমতাবস্থায় যে, সুন্নাহ কুরআনের মতো পূর্ণাঙ্গভাবে সংকলিত হয়নি।

মূলত যা ঘটেছিল তা হলো, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আশঙ্কা করলেন যে, আল্লাহ তাঁর কাছে ওহী হিসেবে যা পাঠিয়েছেন—অর্থাৎ কুরআন—তার সাথে সুন্নাহর ওহী মিশ্রিত হয়ে যেতে পারে, তখন সেই নিষেধাজ্ঞাটি আসে যা সহীহ মুসলিমে আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। যেখানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন: "তোমরা আমার পক্ষ থেকে কিছু লিখো না; আর যে ব্যক্তি কুরআন ছাড়া আমার পক্ষ থেকে অন্য কিছু লিখেছে, সে যেন তা মুছে ফেলে। তবে তোমরা আমার পক্ষ থেকে বর্ণনা করো, এতে কোনো দোষ নেই। আর যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার ওপর মিথ্যা আরোপ করবে, সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়।" এরপর যখন কুরআন ও সুন্নাহর মধ্যে পার্থক্য সুস্পষ্ট হয়ে গেল এবং হাদিস লিপিবদ্ধ করার ক্ষেত্রে যে প্রতিবন্ধকতা ছিল তা দূর হলো, ভয় দূর হলো এবং কুরআন ও হাদিসের মধ্যে সংমিশ্রণের সংশয় কেটে গেল, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কয়েকজন সাহাবীকে লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন। কিছু হাদিস বর্ণিত হয়েছে যা তাদের কয়েকজনের জন্য লিখনের বৈধতা প্রমাণ করে। এর মধ্যে রয়েছে: ইমাম বুখারী ও মুসলিম বর্ণনা করেছেন যে, আবু জুহাইফা রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞাসা করলেন: "আপনাদের কাছে কি কুরআন ছাড়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পক্ষ থেকে অন্য কিছু আছে?" তিনি বললেন: "না, সেই সত্তার কসম যিনি শস্যদানা বিদীর্ণ করেছেন এবং প্রাণ সৃষ্টি করেছেন! তবে আল্লাহ কোনো ব্যক্তিকে কুরআন বোঝার যে তাওফীক দান করেন তা (আছে), আর এই সহীফায় যা আছে তা (আছে)।" আমি জিজ্ঞাসা করলাম: "সহীফায় কী আছে?" তিনি বললেন: "রক্তপণ (দিয়াত), যুদ্ধবন্দীর মুক্তি এবং এই বিধান যে, কোনো কাফিরের বিনিময়ে কোনো মুসলিমকে হত্যা করা যাবে না।" লিখনের বৈধতার আরেকটি প্রমাণ হলো যা ইমাম বুখারী ও অন্যরা আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন: "নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের মধ্যে আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ছাড়া আর কারো কাছে আমার চেয়ে বেশি হাদিস নেই; কারণ তিনি লিখে রাখতেন আর আমি লিখতাম না।"

খুলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাহ সংকলনে দ্বিধাবোধ এবং এর কারণ:

খুলাফায়ে রাশেদীনের যুগ এলো, কিন্তু তারা হাদিসসমূহ খাতাপত্রে সংকলন করেননি এই অপছন্দনীয়তা থেকে যে, মানুষ সেগুলোকে কুরআনের পাণ্ডুলিপির সমতুল্য পাণ্ডুলিপি হিসেবে গ্রহণ করবে। তারা তাদের খিলাফতের সময়কালে সুন্নাহ লেখা ও সংকলন থেকে বিরত থাকেন। এমনকি ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু প্রথম দিকে সুন্নাহ সংকলনের কথা চিন্তা করেছিলেন এবং এ বিষয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের পরামর্শ চেয়েছিলেন। তারা তাকে তা লিখে রাখার পরামর্শ দেন। ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এক মাস ধরে এ বিষয়ে আল্লাহর কাছে ইস্তিখারা করতে থাকেন। একদিন সকালে তিনি যখন আল্লাহর পক্ষ থেকে দৃঢ় সিদ্ধান্ত পেলেন, তখন বললেন: "আমি সুন্নাহ লিপিবদ্ধ করার ইচ্ছা করেছিলাম, কিন্তু আমার মনে পড়ল তোমাদের পূর্ববর্তী এক জাতির কথা, যারা কিছু কিতাব লিখেছিল এবং সেগুলোর ওপরই ঝুঁকে পড়েছিল আর আল্লাহর কিতাব পরিত্যাগ করেছিল। আল্লাহর কসম! আমি আল্লাহর কিতাবের সাথে কখনোই অন্য কিছুর মিশ্রণ ঘটাব না।"

ওমরের রাদিয়াল্লাহু আনহু এই অভিমত তৎকালীন মানুষের অবস্থার সাথে সংগতিপূর্ণ ছিল, কারণ কুরআনের সাথে তাদের সম্পর্ক তখনো ছিল অতি সাম্প্রতিক।
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ٢٣)
حديثاً، وخصوصاً من دخل في الإسلام من أهل الآفاق، ولو أن السنة دونت ووزعت على الأمصار وتناولها الناس بالحفظ والدراسة لزاحمت القرآن، ولم يُؤمن أن تلتبس به على كثير منهم، ولم يكن في هذا الرأي تضييع للأحاديث فقد كان الناس لا يزالون بخير، ولا تزال ملكاتهم قوية وحوافظهم قادرة على حفظ السنن وأدائها أداءً أميناً، وقد تتابع الخلفاء على سنة عمر رضي الله عنه، فلم يعرف عنهم أنهم دونوا السنن أو أمروا الناس بذلك.

 

‌‌ثالثاً: الجهود المبذولة في تدوين السنة بعد عهد الخلفاء الراشدين:

وهكذا انقضى عصر الصحابة ولم يُدَوَّن من السنة إلا القليل، حتى جاء الخليفة الراشد عمر بن عبد العزيز فأمر بجمع الحديث لدواع اقتضت ذلك، بعد حفظ الأمة لكتاب ربها، وأمنها عليه أن يشتبه بغيره من السنن.

وفي بيان ذلك نقول: إن القرن الأول الهجري كاد أن ينتهي ولم يصدر أحد من الخلفاء أمره بجمع الحديث وتدوينه، بل تركوه موكولاً إلى حفظ العلماء والرواة وضبطهم، وبعض الكتابات الفردية، وكان مرور مثل هذا الزمن الطويل كفيلاً بتركيز القرآن وتثبيته في نفوس الناس، فقد أصبح يتلوه القاصي والداني، ويعرفه الخاص والعام، ولا يختلف فيه أحد أو يشك في شيء من آياته، كما كان مرور هذا الزمن الطويل أيضاً كفيلاً بأن يذهب بكثير من حملة الحديث من الصحابة والتابعين في الحروب والفتوحات، وأن يتفرقوا في الأمصار، مما هيأ لأهل الأهواء والبدع - الذين ظهروا في هذه الفترة - أن يزيدوا في حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم وأن يُدْخلوا فيه ما ليس منه مما يؤيد بدعتهم ويلبي انحرافهم، كما أن انتشار الإسلام وتوسع الدولة الإسلامية جعل العرب يختلطون بغيرهم من الأعاجم في البلدان المختلفة، مما نتج عنه قلة الضبط في نقل حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم بسبب ضعف ملكة الحفظ عند الناس.

وفي العام التاسع والتسعين للهجرة تولى الخليفة الراشد عمر بن عبد العزيز رضي الله عنه خلافة المسلمين، فنظر إلى الأحوال والظروف التي تمر بها الأمة، فرأى أن عليه البدء بكتابة الحديث وتدوينه حفظا له من الضياع والتحريف، حيث أن المانع الذي كان يمنع تدوين الحديث قد زال، ومصلحة المسلمين باتت تستدعي جمع الحديث وتدوينه.

فكتب إلى عُمَّاله وولاته يأمرهم بذلك، حيث أرسل إلى أبي بكر ابن حزم - عامله وقاضيه على المدينة - قائلاً له: "انظر ما كان من حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم فاكتبه، فإني خفت دروس العلم - يعني: اندراسه واختفائه - وذهاب العلماء"، وطلب منه أن يكتب ما عند عَمْرة بنت عبد الرحمن الأنصارية والقاسم بن محمد بن أبي بكر، وكتب إلى علماء المسلمين في الأمصار المختلفة: "انظروا إلى حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم فاجمعوه" .. وكان ممن كتب إليهم الإمام محمد بن مسلم بن شهاب الزهري أحد الأئمة الأعلام، وعالم أهل الحجاز والشام المتوفى سنة (124 هـ)، حيث استجاب لطلب عمر بن عبد العزيز فجمع حديث أهل المدينة وقدمه له، فبعث عمر إلى كل أرض دفتراً من دفاتره، وكانت هذه هي المحاولة الأولى لجمع الحديث وتدوينه بشمول واستقصاء، وكان تدوين الإمام الزهري للسنة عبارة عن: جمع ما سمعه من أحاديث الصحابة من غير تبويب على أبواب العلم.

فأول من أمر بتدوين السنة هو الخليفة الراشد عمر بن عبد العزيز رضي الله عنه، فى نهاية القرن الأول الهجرى، وقد تولى الخلافة سنة 99 هـ وتوفى سنة 101 هـ.

وقد روى الإمام البخارى رحمه الله فى صحيحه تعليقاً، قال: وَكَتَبَ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ العَزِيزِ إِلَى أَبِي
হাদিস হিসেবে, বিশেষ করে যারা দূর-দূরান্ত থেকে ইসলামে প্রবেশ করেছিলেন তাদের ক্ষেত্রে। যদি সুন্নাহ সংকলন করে বিভিন্ন শহরে বিতরণ করা হতো এবং মানুষ তা মুখস্থ ও অধ্যয়ন করতে শুরু করত, তবে তা কুরআনের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করত। ফলে অনেকের কাছেই কুরআন ও সুন্নাহর মাঝে সংশয় তৈরি হওয়ার ভয় ছিল। এই মতামতে হাদিসকে অবহেলা করা হয়নি, কারণ তখনো মানুষ কল্যাণের ওপর ছিল এবং তাদের মেধা ছিল শক্তিশালী ও স্মৃতিশক্তি সুন্নাহ সংরক্ষণ এবং তা বিশ্বস্ততার সাথে পৌঁছে দিতে সক্ষম ছিল। খলিফাগণ উমর (রা.)-এর সুন্নাহ বা রীতির অনুসারী ছিলেন, তাই তাদের পক্ষ থেকে সুন্নাহ সংকলন করা বা মানুষকে সে নির্দেশ দেওয়ার কথা জানা যায় না।

 

‌‌তৃতীয়ত: খোলাফায়ে রাশেদীনের যুগের পর সুন্নাহ সংকলনে গৃহীত প্রচেষ্টাসমূহ:

এভাবেই সাহাবায়ে কেরামের যুগ শেষ হয়ে যায় এবং সুন্নাহর খুব সামান্যই সংকলিত হয়েছিল। অবশেষে খলিফায়ে রাশেদ উমর ইবনে আব্দুল আজিজ এমন কিছু কারণে হাদিস সংগ্রহের নির্দেশ দেন যা এর দাবি রাখে। এটি তখন ঘটেছিল যখন উম্মাহ তাদের রবের কিতাবকে সংরক্ষিত করে ফেলেছিল এবং অন্য কোনো সুন্নাহর সাথে এর মিশে যাওয়ার ভয় থেকে নিরাপদ হয়েছিল।

এর বর্ণনায় আমরা বলি: হিজরি প্রথম শতাব্দী প্রায় শেষ হতে চলেছিল কিন্তু খলিফাদের মধ্য থেকে কেউ হাদিস সংগ্রহ ও সংকলনের নির্দেশ দেননি। বরং তারা একে আলেম ও বর্ণনাকারীদের স্মৃতি ও হেফজ এবং কিছু ব্যক্তিগত লেখার ওপর ন্যস্ত রেখেছিলেন। দীর্ঘ সময়ের এই অতিবাহিত হওয়া মানুষের হৃদয়ে কুরআনকে সুপ্রতিষ্ঠিত ও স্থির করার জন্য যথেষ্ট ছিল। ফলে দূর ও কাছের সকল মানুষ এটি তিলাওয়াত করতে শুরু করেছিল, বিশেষ ও সাধারণ সবাই এটি জানত এবং এর কোনো আয়াত নিয়ে কারো মাঝে কোনো মতভেদ বা সন্দেহ ছিল না। ঠিক তেমনিভাবে, এই দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার ফলে জিহাদ ও বিজয়াভিযানের কারণে অনেক হাদিস বহনকারী সাহাবী ও তাবেয়ী বিদায় নিয়েছিলেন এবং তারা বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়েছিলেন। এটি বিদাতী ও প্রবৃত্তিপূজারীদের জন্য—যারা এই সময়ে আত্মপ্রকাশ করেছিল—সুযোগ করে দিয়েছিল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদিসে এমন কিছু বাড়িয়ে দেওয়া যা তার অংশ নয়, যাতে তারা তাদের বিদাতকে সমর্থন করতে পারে এবং তাদের বিচ্যুতি পূরণ করতে পারে। এছাড়া ইসলামের প্রসার এবং ইসলামি রাষ্ট্রের বিস্তৃতির ফলে আরবরা বিভিন্ন দেশে অনারবদের সাথে মেলামেশা শুরু করে, যার ফলে মানুষের স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যাওয়ায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদিস বর্ণনায় নির্ভুলতার অভাব দেখা দেয়।

হিজরি ৯৯ সনে খলিফায়ে রাশেদ উমর ইবনে আব্দুল আজিজ (রা.) মুসলিমদের খিলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি উম্মাহর পারিপার্শ্বিক অবস্থা ও পরিস্থিতির দিকে লক্ষ্য করলেন এবং দেখলেন যে, হাদিস হারিয়ে যাওয়া ও বিকৃতি থেকে রক্ষা করার জন্য তা লিপিবদ্ধ ও সংকলন করা শুরু করা তার দায়িত্ব। কেননা হাদিস সংকলনের পথে যে বাধা ছিল তা দূর হয়ে গিয়েছিল এবং মুসলিমদের স্বার্থ এখন হাদিস সংগ্রহ ও সংকলনের দাবি জানাচ্ছিল।

অতঃপর তিনি তার কর্মচারী ও গভর্নরদের কাছে এই নির্দেশ দিয়ে পত্র লিখলেন। তিনি মদিনার গভর্নর ও বিচারক আবু বকর ইবনে হাজমের কাছে লিখে পাঠালেন: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদিসের মধ্যে যা কিছু আছে তা দেখো এবং লিপিবদ্ধ করো, কারণ আমি ইলম মিটে যাওয়ার—অর্থাৎ তা বিলুপ্ত ও অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার—এবং আলেমদের চলে যাওয়ার ভয় করছি।" তিনি তাকে আমরা বিনতে আব্দুর রহমান আল-আনসারী এবং কাসেম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবু বকরের কাছে যা আছে তা লিপিবদ্ধ করার অনুরোধ করেন। তিনি বিভিন্ন শহরের মুসলিম আলেমদের কাছেও লিখে পাঠান: "রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদিসের দিকে তাকাও এবং তা সংগ্রহ করো।" যাদের কাছে তিনি লিখেছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন ইমাম মুহাম্মদ ইবনে মুসলিম ইবনে শিহাব আজ-জুহরি, যিনি প্রখ্যাত ইমামদের একজন এবং হিজাজ ও সিরিয়াবাসীদের আলেম ছিলেন (মৃত্যু ১২৪ হিজরি)। তিনি উমর ইবনে আব্দুল আজিজের আহ্বানে সাড়া দেন এবং মদিনাবাসীদের হাদিস সংগ্রহ করে তার কাছে পেশ করেন। অতঃপর উমর প্রতিটি ভূখণ্ডে তার খাতাগুলোর একটি করে কপি পাঠিয়ে দেন। এটিই ছিল ব্যাপকতা ও অনুসন্ধানের সাথে হাদিস সংগ্রহ ও সংকলনের প্রথম প্রচেষ্টা। সুন্নাহ সংকলনে ইমাম জুহরির কাজ ছিল: সাহাবীদের কাছ থেকে তিনি যে হাদিসগুলো শুনেছেন তা ইলমের অধ্যায় অনুযায়ী বিন্যস্ত করা ছাড়াই একত্রিত করা।

সুতরাং হিজরি প্রথম শতাব্দীর শেষে সুন্নাহ সংকলনের প্রথম নির্দেশদাতা হলেন খলিফায়ে রাশেদ উমর ইবনে আব্দুল আজিজ (রা.)। তিনি ৯৯ হিজরিতে খিলাফত গ্রহণ করেন এবং ১০১ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন।

ইমাম বুখারী (রহ.) তার সহিহ গ্রন্থে মুয়াল্লাক হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: উমর ইবনে আব্দুল আজিজ আবুর কাছে লিখেছিলেন...
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ٢٤)
بَكْرِ بْنِ حَزْمٍ(1): انْظُرْ مَا كَانَ مِنْ حَدِيثِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَاكْتُبْهُ، فَإِنِّي خِفْتُ دُرُوسَ العِلْمِ وَذَهَابَ العُلَمَاءِ، وَلَا تَقْبَلْ إِلَّا حَدِيثَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: " وَلْتُفْشُوا العِلْمَ، وَلْتَجْلِسُوا حَتَّى يُعَلَّمَ مَنْ لَا يَعْلَمُ، فَإِنَّ العِلْمَ لَا يَهْلِكُ حَتَّى يَكُونَ سِرًّا "(2).

الكتابة، والتدوين، والتصنيف فى اللغة:

أ- الكتابة: قال فى اللسان:" كتب الشئ كتباً، وكتاباً، وكتابة، وكتبه خطه" فكتابة الشاء خطه(3).

ب- التدوين: قال فى اللسان: "والديوان مجتمع الصحف"(4). وقال فى تاج العروس: "وقد دونه تدويناً جمعه. وعليه فالتدوين هو جمع الصحف المشتتة فى ديوان ليحفظها(5).

ج- التصنيف: قال فى اللسان: والتصنيف: تمييز الأشياء بعضها من بعض، وصنف الشئ ميز بعضه من بعض. وتصنيف الشئ جعله أصنافاً. وعليه فالتصنيف تمييز الجزئيات، كأن يميز المصنف الصواب من الخطأ، أو الأهم من المهم"(6).

وهذا تعريف موجز للكتابة والتدوين والتصنيف: يتضح منه الفرق بين الكتابة والتدوين.

ومن هذه التعاريف: يتضح لنا أن الكتابة غير التدوين، فالكتابة مطلق خط الشئ، دون مراعاة لجمع الصحف المكتوبة فى إطار يجمعها، أما التدوين فمرحلة تالية للكتابة ويكون بجمع الصحف المكتوبة فى ديوان يحفظها "(7).

أما التصنيف؛ فهو أدق من التدوين، فهو ترتيب ما دون فى فصول محدودة، وأبواب مميزة(8).

وعلى ذلك فالسنة دونت فى نهاية القرن الأول، لكنها كانت مكتوبة ولكنها لم تصل لدرجة التدوين وهو: جمع الصحف فى دفتر.(9).

و أول من دون العلم هو ابن شهاب الزهرى"(10) فهو رحمه الله أول من دون أو صنف المجموعات المكتوبة من الأحاديث.

و يقول الحافظ ابن حجر: "وأول من دون الحديث ابن شهاب الزهرى على رأس المائة بأمر عمر بن عبد العزيز، ثم كثر التدوين ثم التصنيف، وحصل بذلك خير كثير"(11) وقال أيضاً: " اعلم، علمنى الله وإياك أن آثار النبى صلى الله عليه وسلم لم تكن فى عصر الصحابة، وكبار تابعيهم مدونة فى الجوامع ولا مرتبة(12) أ. هـ.

ومعلوم أن عمر بن عبد العزيز رحمه الله تعالي - حينما أمر بتدوين السنة لم يبدأ ذلك من فراغ، ولكنه اعتمد على أصول مكتوبة كانت تملأ أرجاء العالم الإسلامي كله، من خلال روح علمية

--------------------------------------------

(1) هو: أبو بكر بن محمد بن عمرو بن حزم الأنصارى البخارى، من سادات التابعين، ثقة عابد، مات سنة 120 هـ.0 تقريب التهذيب (8017).

(2) أخرجه البخارى (بشرح فتح البارى) كتاب العلم، باب كيف يقبض العلم 1/ 234، والدارمى رقمى 487، 488.

(3) لسان العرب 1/ 698، وانظر: القاموس المحيط 1/ 120، ومختار الصحاح ص 562.

(4) لسان العرب 13/ 166.

(5) تاج العروس 9/ 204.

(6) لسان العرب 9/ 198.

(7) السنة النبوية مكانتها الدكتور عبد المهدى عبد القادر ص 97.

(8) انظر: تصدير الدكتور يوسف العش فى تقييد العلم ص 8، وانظر: دلائل التوثيق المبكر للسنة للدكتور امتياز أحمد ص 283، 284.

(9) السنة النبوية 0 مكانتها 0 الدكتور عبد المهدى عبد القادر ص 97.

(10) ابن شهاب الزهرى: هو محمد بن مسلم بن عبيد الله بن عبد الله بن شهاب الزهرى، القرشى، أبو بكر، الفقيه الحافظ، متفق على جلالته واتقانه 0 مات سنة 125 هـ 0 له ترجمة فى: تقريب التهذيب (6315).

(11) فتح البارى 1/ 251 رقم 113، وانظر 1/ 235 رقم 100، وانظر: جامع بيان العلم لابن عبدالبر 1/ 73، وتذكرة الحفاظ للذهبى 1/ 160، وشرح الزرقانى على الموطأ 1/ 14، والسنة النبوية 0 مكانتها. للدكتور عبد المهدى ص 94، 98.

(12) هدى السارى ص 8.
বকর ইবন হাযমকে(১): রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসের মধ্যে যা আছে তা দেখো এবং তা লিখে রাখো, কেননা আমি ইলম বিলুপ্ত হওয়া এবং উলামাদের চলে যাওয়ার আশঙ্কা করছি। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণ করবে না; আর তোমরা ইলম প্রচার করো এবং মজলিসে বসো যাতে যে জানে না তাকে শেখানো যায়, কেননা ইলম গোপন না হওয়া পর্যন্ত ধ্বংস হয় না(২)।

ভাষা বিজ্ঞানে লিখন, সংকলন এবং শ্রেণিবিন্যাস:

ক- লিখন (আল-কিতাবাহ): ‘আল-লিসান’ গ্রন্থে বলা হয়েছে: "কোনো কিছু লেখা, লিপিবদ্ধ করা এবং তা হাতে লেখা হলো কিতাবাহ।" সুতরাং কোনো বিষয়ের কিতাবাত হলো তার লিপি বা হাতে লেখা রূপ(৩)।

খ- সংকলন (অত-তাদউইন): ‘আল-লিসান’ গ্রন্থে বলা হয়েছে: "দিওয়ান হলো পাণ্ডুলিপি বা পৃষ্ঠাসমূহের সমষ্টি"(৪)। ‘তাজুল আরুস’ গ্রন্থে বলা হয়েছে: "তিনি তা সংকলন করেছেন অর্থাৎ একত্র করেছেন। সে অনুযায়ী, তাদউইন হলো বিক্ষিপ্ত পাণ্ডুলিপিগুলোকে একটি দিওয়ানে (রেজিস্টার বা সংকলনে) একত্র করা যাতে সেগুলো সংরক্ষিত থাকে"(৫)।

গ- শ্রেণিবিন্যাস (অত-তাসনিফ): ‘আল-লিসান’ গ্রন্থে বলা হয়েছে: "তাসনিফ হলো বস্তুসমূহকে একে অপর থেকে পৃথক করা। কোনো বিষয়কে ‘সিনফ’ করা মানে তার কিছু অংশকে অন্য অংশ থেকে আলাদা করা। আর কোনো বিষয়কে শ্রেণিবিন্যাস করা মানে সেটিকে বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করা। এর ভিত্তিতে, তাসনিফ হলো খুটিনাটি বিষয়গুলোর মধ্যে পার্থক্য করা, যেমন গ্রন্থকার ভুল থেকে সঠিককে অথবা গুরুত্বপূর্ণ থেকে অধিকতর গুরুত্বপূর্ণকে আলাদা করেন"(৬)।

এটি লিখন, সংকলন এবং শ্রেণিবিন্যাসের একটি সংক্ষিপ্ত পরিচয়: যা থেকে লিখন ও সংকলনের মধ্যকার পার্থক্য স্পষ্ট হয়।

এই সংজ্ঞাগুলো থেকে আমাদের কাছে স্পষ্ট হয় যে, লিখন আর সংকলন এক নয়। লিখন হলো সাধারণভাবে কোনো কিছু লিখে রাখা, যেখানে লিখিত পৃষ্ঠাগুলোকে একটি কাঠামোর মধ্যে একত্র করার বিষয়টি বিবেচনা করা হয় না। পক্ষান্তরে সংকলন হলো লিখনের পরবর্তী ধাপ, যেখানে লিখিত পৃষ্ঠাগুলোকে একটি দিওয়ানে (দপ্তরে) একত্র করা হয় যা সেগুলোকে সংরক্ষণ করে(৭)।

আর শ্রেণিবিন্যাস (তাসনিফ) হলো সংকলনের চেয়েও সূক্ষ্মতর বিষয়; এটি হলো সংকলিত বিষয়গুলোকে নির্দিষ্ট পরিচ্ছেদ এবং স্বতন্ত্র অধ্যায়ে বিন্যস্ত করা(৮)।

সে অনুযায়ী, সুন্নাহ প্রথম হিজরি শতকের শেষে সংকলিত হয়েছে, তবে তা লিখিত অবস্থায় ছিল; কিন্তু তা ‘তাদউইন’ বা সংকলনের পর্যায়ে পৌঁছায়নি, যা হলো: পৃষ্ঠাগুলোকে একটি দপ্তরে বা বইয়ে একত্র করা(৯)।

আর যিনি সর্বপ্রথম ইলম সংকলন করেন তিনি হলেন ইবন শিহাব আজ-জুহরি(১০)। তিনি (রহিমাহুল্লাহ) হাদিসের লিখিত সংগ্রহগুলোকে প্রথম সংকলন বা শ্রেণিবিন্যাস করেন।

হাফেজ ইবন হাজার বলেন: "উমর ইবন আব্দুল আজিজের নির্দেশে হিজরি একশ সালের শুরুতে সর্বপ্রথম হাদিস সংকলন করেন ইবন শিহাব আজ-জুহরি। এরপর সংকলন ও শ্রেণিবিন্যাস ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায় এবং এর মাধ্যমে প্রভুত কল্যাণ সাধিত হয়"(১১)। তিনি আরও বলেন: "জেনে রাখো—আল্লাহ আমাকে ও তোমাকে ইলম দান করুন—রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আসার (হাদিসসমূহ) সাহাবী এবং প্রবীণ তাবিঈদের যুগে কিতাব আকারে সংকলিত বা বিন্যস্ত ছিল না"(১২)। সমাপ্ত।

এটি সুবিদিত যে, উমর ইবন আব্দুল আজিজ (রহিমাহুল্লাহু তায়ালা) যখন সুন্নাহ সংকলনের নির্দেশ দিয়েছিলেন, তখন তিনি শূন্য থেকে তা শুরু করেননি; বরং তিনি এমন সব লিখিত উৎসের ওপর নির্ভর করেছিলেন যা পুরো ইসলামি বিশ্বে ছড়িয়ে ছিল এবং একটি বৈজ্ঞানিক চেতনার মাধ্যমে সেগুলো বিদ্যমান ছিল।

--------------------------------------------

(১) তিনি হলেন: আবু বকর ইবন মুহাম্মদ ইবন আমর ইবন হাযম আল-আনসারি আল-বুখারি, শীর্ষস্থানীয় তাবিঈদের অন্তর্ভুক্ত, নির্ভরযোগ্য ও ইবাদতগুজার, ১২০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তাকরিবুত তাহজিব (৮০১৭)।

(২) এটি ইমাম বুখারি বর্ণনা করেছেন (ফাতহুল বারির শারহসহ), কিতাবুল ইলম, পরিচ্ছেদ: কীভাবে ইলম কবজ করা হবে ১/২৩৪; এবং দারেমি নম্বর ৪৮৭, ৪৮৮।

(৩) লিসানুল আরব ১/৬৯৮, আরও দেখুন: আল-কামুস আল-মুহিত ১/১২০, এবং মুখতারুস সিহাহ পৃষ্ঠা ৫৬২।

(৪) লিসানুল আরব ১৩/১৬৬।

(৫) তাজুল আরুস ৯/২০৪।

(৬) লিসানুল আরব ৯/১৯৮।

(৭) আস-সুন্নাহ আন-নাবাবিয়্যাহ মাকানাতুহা, ড. আব্দুল মাহদি আব্দুল কাদির, পৃষ্ঠা ৯৭।

(৮) দেখুন: ড. ইউসুফ আল-ইশ-এর ভূমিকা, তাকিয়িদুল ইলম পৃষ্ঠা ৮; আরও দেখুন: দালায়িলুত তাওসিক আল-মুবাককির লিস-সুন্নাহ, ড. ইমতিয়াজ আহমদ, পৃষ্ঠা ২৮৩, ২৮৪।

(৯) আস-সুন্নাহ আন-নাবাবিয়্যাহ মাকানাতুহা, ড. আব্দুল মাহদি আব্দুল কাদির, পৃষ্ঠা ৯৭।

(১০) ইবন শিহাব আজ-জুহরি: তিনি হলেন মুহাম্মদ ইবন মুসলিম ইবন উবাইদুল্লাহ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন শিহাব আজ-জুহরি, কুরাশি, আবু বকর, ফকিহ ও হাফেজ, তার মর্যাদা ও নিখুঁত জ্ঞানের বিষয়ে সকলে একমত। তিনি ১২৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তার জীবনী রয়েছে: তাকরিবুত তাহজিব (৬৩১৫)।

(১১) ফাতহুল বারি ১/২৫১ নম্বর ১১৩, আরও দেখুন ১/২৩৫ নম্বর ১০০; আরও দেখুন: জামি বায়ানিল ইলম ইবন আব্দুল বার ১/৭৩, তাজকিরাতুল হুফফাজ আজ-জাহাবি ১/১৬০, মুয়াত্তার ওপর জুরকানির শারহ ১/১৪, এবং আস-সুন্নাহ আন-নাবাবিয়্যাহ মাকানাতুহা, ড. আব্দুল মাহদি পৃষ্ঠা ৯৪, ৯৮।

(১২) হুদাস সারি পৃষ্ঠা ৮।
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ٢٥)
نشطة، أشعلها الإسلام فى أتباعه، فأصبحوا يتقربون إلى الله تعالى بأن يزدادوا فى كل يوم علما، وخير العلوم-قطعاً- ما كان متعلقاً بالقران والسنة.

وبذلك ثبت أن تدوين السنة قام على أساس المكتوب فى عصر النبى صلى الله عليه وسلم، وبإذن منه صلى الله عليه وسلم، وأن السنة قد بدأت كتابتها منذ عصر النبى صلى الله عليه وسلم إلى زمن تدوينها تدويناً رسمياً أصبح حقيقة علمية مؤكدة ثبتت بالبراهين القطعية، وتضافرت على إثبات هذه الحقيقة الساطعة أقوال جملة من الباحثين الثقات الأثبات(1).

كالدكتور محمد عجاج الخطيب فى كتابه "السنة قبل التدوين" والدكتور محمد مصطفى الأعظمى فى كتابة: "دراسات فى الحديث النبوى"، والدكتور امتياز أحمد فى كتابه: "دلائل التوثيق المبكر للسنة والحديث"، والدكتور رفعت فوزى عبدالمطلب فى كتابه: "توثيق السنة فى القرن الثانى الهجرى أسسه واتجاهاته) وغيرهم.

نماذج من أشهر ما كتب من السنة النبوية فى حياة النبى صلى الله عليه وسلم وبعده إلى زمن التدوين الرسمى:

 

1 - ما ورد عن أبى هريرة رضي الله عنه: أنه لما فتح الله عز وجل على رسوله صلى الله عليه وسلم مكة قام الرسول صلى الله عليه وسلم وخطب فى الناس، فَقَامَ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ اليَمَنِ، يُقَالُ لَهُ أَبُو شَاهٍ، فَقَالَ: اكْتُبْ لِي يَا رَسُولَ اللَّهِ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اكْتُبُوا لِأَبِي شَاهٍ "(2).

 

2 - وأيضاً كتابه صلى الله عليه وسلم فى الصدقات والديات والفرائض والسنن، الذى أرسله إلى عمرو بن حزم(3)، حين بعثه إلى اليمن، أخرجه النسائى، وأبو عبيد القاسم في الأموال(4).

 

3 - وَكَتَبَ أبو بكر الصديق رضي الله عنه لأنس بن مالك رضي الله عنه فرائض الصدقة، الذى سنه رسول الله صلى الله عليه وسلم لما وجهه إلى البحرين"(5).

 

4 - وكتب عمر بن الخطاب رضي الله عنه إلى الصحابي الجليل عُتْبَةَ بْنَ فَرْقَدٍ رضي الله عنه بأذربيجان كتاباً فيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الحرير إلا هكذا، وأشار بأصبعيه اللتين تليان الإبهام"(6).

ومع أن الفاروق عمر كان يوصف بأنه واحد من أشد المعارضين لكتابة الحديث، ومنع تدوينها، إلا أننا على العكس نراه أول متثبت لكتابة الأحاديث بهمِّه بتدوين السنة المطهرة.

فكان أول مقترح بتدوينها حفاظاً لها كما كان أول مقترح بتدوين القرآن الكريم تدويناً عاماً فى مكان واحد حفاظاً لكتاب الله عز وجل، زمن أبو بكر الصديق رضي الله عنه. ففى همِّه بكتابة السنة، ليس مجرد الكتابة! فهى كانت مكتوبة. وإنما المراد بالكتابة تدوينها تدويناً عاماً فى مكان واحد.

وكان أبى بكر وعمر- رضى الله عنهما- من أنصار تدوين السنة!.

فعمر رضي الله عنه عندما همَّ بتدوين السنة استشار فى ذلك أهل الحل والعقد فلم يتردد واحد منهم فى

--------------------------------------------

(1) تيسير اللطيف الخبير فى علوم حديث البشير النذير للدكتور مروان شاهين ص 68 بتصرف 0

(2) الحديث بطوله ونص الخطبة فى صحيح البخارى (بشرح فتح البارى) كتاب العلم، باب كتابة العلم 1/ 248 رقم 112.

(3) هو: عمرو بن حزم بن عبد عوف الأنصارى الخزرجى، ثم البخارى، كنيته أبو الضحاك، وأول مشاهده الخندق 0 وهو ابن خمس عشرة سنة، واستعمله رسول الله صلى الله عليه وسلم على أهل نجران سنة 10 هـ بعد أن بعث إليهم خالد بن الوليد، فأسلموا، وكتب له كتاباً فيه الفرائض، والسنن، والصدقات، والديات 0 مات بالمدينة سنة 51، وقيل: 53، وقيل: 54 هـ 0 له ترجمة فى: الإصابة: (5810)، واسد الغابة: (3905)، والاستيعاب: (1907).

(4) النسائى فى سننه كتاب القسامة، رقم 4853 - 4859، والأموال ص 358 - 362، وانظر: دلائل التوثيق المبكر للسنة ص 368 وما بعدها 0 ذكر كثير من الكتابات والصحف التى كتبت فى عهده صلى الله عليه وسلم، وانظر: "مكاتيب الرسول" للأستاذ على الأحمدى جمع فيه مؤلفه كتب الرسول وصحفه ورسائله التى بكتب الحديث والسيرة 0

(5) الحديث أخرجه البخارى (بشرح فتح البارى) كتاب الزكاة، باب العرض فى الزكاة 3/ 365 رقم 1448، وفى باب زكاة الغنم 3/ 371 رقم 1454 بتمامة، وفى غير هذين الموضعين 0 وانظر: دراسات فى الحديث النبوى للدكتور محمد الأعظمى 1/ 93.

(6) أخرجه البخارى (بشرح فتح البارى) كتاب اللباس، باب لبس الحرير للرجال، وقدر ما يجوز منه 10/ 295 رقم 5828.
একটি সক্রিয় প্রেরণা, যা ইসলাম তার অনুসারীদের মধ্যে প্রজ্বলিত করেছে। ফলে তারা প্রতিদিন জ্ঞান বৃদ্ধির মাধ্যমে মহান আল্লাহর নৈকট্য অন্বেষণ করতে শুরু করল। আর জ্ঞানসমূহের মধ্যে সর্বোত্তম—নিশ্চিতভাবেই—তা-ই যা কুরআন ও সুন্নাহর সাথে সম্পর্কিত।

এর মাধ্যমে এটি প্রমাণিত হলো যে, সুন্নাহ সংকলন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে লিখিত পাণ্ডুলিপির ভিত্তিতেই গড়ে উঠেছিল এবং এটি তাঁরই অনুমতিক্রমে হয়েছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগ থেকে শুরু করে সুন্নাহর আনুষ্ঠানিক সংকলনের সময় পর্যন্ত এর লিখন প্রক্রিয়া যে চলমান ছিল, তা বর্তমানে একটি অকাট্য দলিলাদি দ্বারা প্রমাণিত বৈজ্ঞানিক সত্য। নির্ভরযোগ্য ও সুপ্রতিষ্ঠিত একদল গবেষকের বক্তব্য এই প্রোজ্জ্বল সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে ঐকমত্য পোষণ করেছে(১)।

যেমন ড. মুহাম্মদ আজ্জাজ আল-খতীব তাঁর "আস-সুন্নাহ কবলাত তাদবীন" গ্রন্থে, ড. মুহাম্মদ মোস্তফা আল-আযমী তাঁর "দিরাসাত ফিল হাদিস আন-নাবাবী" গ্রন্থে, ড. ইমতিয়াজ আহমদ তাঁর "দালাইলুত তাওসিক আল-মুবাক্কির লিস-সুন্নাহ ওয়াল হাদিস" গ্রন্থে এবং ড. রিফাত ফাওজি আব্দুল মুত্তালিব তাঁর "তাওসিকুস সুন্নাহ ফিল করনিস সানি আল-হিজরি: উসুসুহু ওয়া ইত্তিজাহাতুহু" গ্রন্থে এবং অন্যান্যরা।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবদ্দশায় এবং তাঁর পরবর্তী সময়ে আনুষ্ঠানিক সংকলন পর্যন্ত সুন্নাহর সর্বাধিক পরিচিত লিখিত নিদর্শনের কিছু নমুনা:

 

১ - আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে যা বর্ণিত হয়েছে: যখন মহান আল্লাহ তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মক্কা বিজয় দান করলেন, তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে জনগণের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। তখন ইয়ামেনের অধিবাসী জনৈক ব্যক্তি, যার নাম ছিল আবু শাহ, দাঁড়িয়ে বললেন: হে আল্লাহর রাসুল, এটি আমার জন্য লিখে দিন। তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: "তোমরা আবু শাহের জন্য লিখে দাও"(২)।

 

২ - এছাড়াও সাদাকা, দিয়াত (রক্তপণ), ফারায়েজ ও সুন্নাহ সংক্রান্ত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সেই লিখিত পত্র, যা তিনি আমর বিন হাযমকে(৩) দিয়ে ইয়ামেনে পাঠিয়েছিলেন যখন তাকে সেখানে নিযুক্ত করেছিলেন। এটি নাসায়ী এবং আবু উবাইদ আল-কাসিম তাঁর "আল-আমওয়াল" গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন(৪)।

 

৩ - এবং আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু আনহু আনাস বিন মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে সাদাকার বিধানসমূহ লিখে পাঠিয়েছিলেন, যা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্ধারণ করেছিলেন, যখন তিনি তাকে বাহরাইনে প্রেরণ করেছিলেন(৫)।

 

৪ - এবং উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু আজারবাইজানে অবস্থানরত মহান সাহাবী উতবাহ বিন ফারকাদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে একটি পত্র লিখেছিলেন, যাতে ছিল যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রেশম ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন তবে এমন পরিমাণ ব্যতীত, আর তিনি তাঁর বৃদ্ধাঙ্গুলির পাশের দুই আঙুল দিয়ে ইশারা করলেন(৬)।

যদিও ফারুক উমরকে হাদিস লিখনের তীব্র বিরোধীদের একজন হিসেবে বর্ণনা করা হতো এবং তিনি তা সংকলন করতে নিষেধ করতেন, তবে আমরা এর বিপরীতে তাকেই পবিত্র সুন্নাহ সংকলনের চিন্তার মাধ্যমে হাদিস লিখনের ব্যাপারে প্রথম দৃঢ় প্রত্যয়ী ব্যক্তি হিসেবে দেখতে পাই।

সুন্নাহ সংরক্ষণের জন্য এটি সংকলন করার ক্ষেত্রে তিনিই প্রথম প্রস্তাবকারী ছিলেন, ঠিক যেমন আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু আনহুর যুগে আল্লাহর কিতাব সংরক্ষণের জন্য পবিত্র কুরআনকে এক স্থানে সংকলন করার ব্যাপারে তিনিই প্রথম প্রস্তাবকারী ছিলেন। সুন্নাহ লেখার ব্যাপারে তাঁর যে চিন্তা ছিল, তা কেবল নিছক লিখন নয়! কারণ তা তো আগে থেকেই লিখিত ছিল। বরং লিখন বলতে এখানে উদ্দেশ্য হলো তা এক স্থানে বিধিবদ্ধভাবে সংকলন করা।

আবু বকর ও উমর—রাদিয়াল্লাহু আনহুমা—উভয়ই সুন্নাহ সংকলনের সমর্থক ছিলেন!

উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু যখন সুন্নাহ সংকলনের ইচ্ছা করলেন, তখন তিনি এ বিষয়ে বিজ্ঞ ব্যক্তিদের পরামর্শ গ্রহণ করলেন, তাদের মধ্যে কেউই দ্বিধা করেননি

--------------------------------------------

(১) ড. মারওয়ান শাহীন রচিত তায়সিরুল লাতিফুল খাবির ফি উলুমিল হাদিসিল বাশিরিন নাজির, পৃষ্ঠা ৬৮ (পরিমার্জিত)।

(২) দীর্ঘ হাদিস এবং ভাষণের মূল পাঠ সহীহ বুখারীতে (ফাতহুল বারীর ব্যাখ্যাসহ) কিতাবুল ইলম, পরিচ্ছেদ: ইলম লিখন ১/ ২৪৮, নম্বর ১১২।

(৩) তিনি হলেন: আমর বিন হাযম বিন আবদ আউফ আল-আনসারী আল-খাযরাজী, অতঃপর আল-বুখারী। তাঁর উপনাম আবু আদ-দাহহাক। ১৫ বছর বয়সে খন্দকের যুদ্ধে প্রথম অংশগ্রহণ করেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ১০ হিজরীতে নাজরানবাসীর নিকট প্রেরণ করেন যখন খালিদ বিন ওয়ালিদ সেখানে গিয়েছিলেন এবং তারা ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। তিনি তাঁর জন্য একটি পত্র লিখে দিয়েছিলেন যাতে ফারায়েজ, সুন্নাহ, সাদাকা ও দিয়াতের বর্ণনা ছিল। তিনি ৫১ হিজরীতে মদিনায় মৃত্যুবরণ করেন, কেউ বলেন: ৫৩ বা ৫৪ হিজরীতে। তাঁর জীবনী পাওয়া যাবে: আল-ইসাবাহ: (৫৮১০), আসাদুল গাবাহ: (৩৯০৫), আল-ইস্তিআব: (১৯০৭)।

(৪) নাসায়ী তাঁর সুনান গ্রন্থে কিতাবুল কাসামাহ, নম্বর ৪৮৫৩ - ৪৮৫৯; এবং আল-আমওয়াল, পৃষ্ঠা ৩৫৮ - ৩৬২। আরও দেখুন: দালাইলুত তাওসিক আল-মুবাক্কির লিস-সুন্নাহ, পৃষ্ঠা ৩৬৮ এবং পরবর্তী অংশ। এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে লিখিত অনেক পত্র ও পাণ্ডুলিপির উল্লেখ আছে। আরও দেখুন: ওস্তাদ আলী আল-আহমাদীর "মাকাতিবুর রাসুল", যেখানে লেখক হাদিস ও সীরাত গ্রন্থে বর্ণিত রাসুলের পত্র, পাণ্ডুলিপি ও বার্তাগুলো সংগ্রহ করেছেন।

(৫) হাদিসটি ইমাম বুখারী বর্ণনা করেছেন (ফাতহুল বারীর ব্যাখ্যাসহ) কিতাবুজ জাকাত, পরিচ্ছেদ: জাকাতের ক্ষেত্রে বিনিময় ৩/ ৩৬৫ নম্বর ১৪৪৮, এবং ভেড়ার জাকাত পরিচ্ছেদ ৩/ ৩৭১ নম্বর ১৪৫৪-এ পূর্ণাঙ্গভাবে। এছাড়াও অন্যান্য স্থানে বর্ণিত হয়েছে। আরও দেখুন: ড. মুহাম্মদ আযমীর দিরাসাত ফিল হাদিস আন-নাবাবী ১/ ৯৩।

(৬) সহীহ বুখারী (ফাতহুল বারীর ব্যাখ্যাসহ) কিতাবুল লিবাস, পরিচ্ছেদ: পুরুষদের জন্য রেশম পরিধান এবং এর অনুমোদিত পরিমাণ ১০/ ২৯৫ নম্বর ৫৮২৮।
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ٢٦)
الموافقة كما جاء فى الأثر: " فأشاروا عليه بأن يكتبها "(1).

و يدل هذا الهمّ والموافقة على حجية السنة عند الصحابة رضي الله عنهم.

ويدل على أنهم من أنصار تدوين السنة المطهرة، وحفظتها!

وكتب عمر إلى عُمَّاله كتاباً فى كتابه إلى عتبة بن فرقد رضي الله عنه؟، وهو القائل "قيدوا العلم بالكتاب"(2)، وجمع عمر الوثائق الخاصة بالزكاة والخراج والمسائل المالية الأخرى(3)، و أدخل نظام الدواوين فى الأعمال الرسمية(4)!.

وروي عن عمر رضي الله عنه أنه قال: " إِنِّي كُنْتُ أَرَدْتُ أَنْ أَكْتُبَ السُّنَنَ، وَإِنِّي ذَكَرْتُ قَوْمًا كَانُوا قَبْلَكُمْ كَتَبُوا كُتَبًا فَأَكَبُّوا عَلَيْهَا وَتَرَكُوا كِتَابَ اللَّهِ، وَإِنِّي وَاللَّهِ لَا أَلْبَسُ كِتَابَ اللَّهِ بِشَيْءٍ أَبَدًا "(5).

" وكان الصواب ما رأى عمر، فالعصر عصر صحابة للنبى صلى الله عليه وسلم لا عصر تابعين، وهم أشبه ما يكون بحوارى عيسى عليه السلام، ولنا فى أهل الكتاب تجربة حين سجل أصحاب النبى عيسى عليه السلام، ما سمعوه وما رأوه، نسبت الأناجيل إليهم لا إلى عيسى، ولا إلى الله تعالي، … فكان الحذر والحيطة من عمر رضي الله عنه بالعدول عن التدوين، إذ لو فعل لم يأمن أن تتعدد كتب السنة بتعدد قائليها، وتتنوع بتنوع أسماء كاتبيها، فتكون أناجيل فى الأمة، ويهمل الكتاب الأصلى الذى هو درة التاج، وقلادة العقد.

لمن هذه البصيرة النافذة إن لم تكن لعمر بعد النبى صلى الله عليه وسلم؟!

ولمن هذا القول الفصل إن لم يكن للفاروق بعد الرسول صلى الله عليه وسلم؟!

ولمن هذا الحرص الشديد إن لم يكن لهذا الغيور على دينه؟!

فياليت قومى يعلمون(6) أ. هـ.

و أشهر ما كتب من السنة فى زمن النبوة وبعده إلى زمن التدوين الرسمى:

 

1 - الصحيفة الصادقة التى كتبها جامعها عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم، وإن لم تصل هذه الصحيفة كما كتبها عبد الله بن عمرو بخطه فقد وصل إلينا محتواها، لأنها محفوظة فى مسند الإمام أحمد(7)، حتى ليصح أن نصفها بأنها أصدق وثيقة تاريخية تثبت كتابة الحديث على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم، ويزيدنا اطمئناناً إلى صحة هذه الوثيقة أنها كانت نتيجة طبيعة محتومة لفتوى النبى صلى الله عليه وسلم لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ: كُنْتُ أَكْتُبُ كُلَّ شَيْءٍ أَسْمَعُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، أُرِيدُ حِفْظَهُ، فَنَهَتْنِي قُرَيْشٌ وَقَالُوا: أَتَكْتُبُ كُلَّ شَيْءٍ تَسْمَعُهُ، وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَشَرٌ يَتَكَلَّمُ فِي الْغَضَبِ، وَالرِّضَا! فَأَمْسَكْتُ عَنِ الْكِتَابِ، فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم، فَأَوْمَأَ بِأُصْبُعِهِ إِلَى فِيهِ، فَقَالَ: " اكْتُبْ فَوَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ مَا يَخْرُجُ مِنْهُ إِلَّا حَقٌّ "(8). وآية اشتغال ابن عمرو بكتابة هذه الصحيفة وسواها من الصحف قول أبى هريرة رضي الله عنه: " مَا مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَحَدٌ أَكْثَرَ حَدِيثًا عَنْهُ مِنِّي، إِلَّا مَا كَانَ مِنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، فَإِنَّهُ كَانَ يَكْتُبُ وَلَا أَكْتُبُ "(9).

--------------------------------------------

(1) أخرجه ابن عبد البر في جامع بيان العلم 1/ 64، والخطيب في تقييد العلم ص 49.

(2) أخرجه الحاكم فى المستدرك كتاب العلم 1/ 187، 188 رقمى 359، 360 وقال: صحيح من قول عمر، وقد أسند من وجه غير معتمد، ووافقه الذهبى وقال وصح مثله من قول أنس رضي الله عنه 0 وانظر: جامع بيان العلم 1/ 72، وتقييد العلم 87، 88.

(3) سنن أبى داود كتاب الزكاة، باب فى زكاة السائمة 2/ 98 - 99 رقم 1570 والأموال للقاسم بن سلام ص 367 رقم 934.

(4) انظر: الطبقات الكبرى لابن سعد 3/ 203، وانظر: دلائل التوثيق المبكر للسنة للدكتور امتياز أحمد ص 198.

(5) أخرجه البيهقي في المدخل إلى السنن الكبرى 407 رقم 731، وابن راشد في جامعه 11/ 257 رقم 20484، وسنده صحيح.

(6) السنة فى مواجهة أعدائها ص 243، 244. الأستاذ الدكتور طه حبيشى.

(7) انظر: مسند عبد الله بن عمرو فى مسند أحمد 2/ 158 - 226 0

(8) أخرجه أبو داود فى سنته كتاب العلم باب فى كتاب العلم 3/ 318 رقم 3646.

(9) أخرجه البخارى (بشرح فتح البارى) كتاب العلم، باب كتابة العلم 1/ 249 رقم 113.
বর্ণনা অনুযায়ী এই মতৈক্য ছিল: "তারা তাঁকে এটি লিখে রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন"(১)।

এই চিন্তা ও ঐকমত্য সাহাবায়ে কেরাম (রাদিয়াল্লাহু আনহুম)-এর নিকট সুন্নাহর প্রামাণিকতার সাক্ষ্য দেয়।

এটি আরও প্রমাণ করে যে, তাঁরা ছিলেন পবিত্র সুন্নাহ সংকলন ও সংরক্ষণের অগ্রসৈনিক!

উমর (রা.) তাঁর গভর্নরদের নিকট পত্র লিখেছিলেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল উতবাহ ইবনে ফারকাদ (রা.)-এর নিকট প্রেরিত পত্র। তিনি বলতেন: "তোমরা লিখে রাখার মাধ্যমে জ্ঞানকে আবদ্ধ করো"(২)। উমর (রা.) জাকাত, খারাজ ও অন্যান্য আর্থিক বিষয়াদি সংক্রান্ত বিশেষ নথিপত্র সংগ্রহ করেছিলেন(৩), এবং দাপ্তরিক কাজে 'দিওয়ান' প্রথা প্রবর্তন করেছিলেন(৪)।

উমর (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছিলেন: "আমি সুন্নাহসমূহ লিখে রাখার সংকল্প করেছিলাম। কিন্তু এরপর আমার সেই জাতির কথা মনে পড়ল যারা তোমাদের আগে গত হয়েছে। তারা বিভিন্ন কিতাব লিখেছিল এবং সেগুলোর ওপর ঝুঁকে পড়েছিল, আর আল্লাহর কিতাবকে পরিত্যাগ করেছিল। আল্লাহর কসম, আমি আল্লাহর কিতাবকে কখনো কোনো কিছুর সাথে সংমিশ্রিত করব না"(৫)।

"উমর যা দেখেছিলেন তা-ই ছিল সঠিক। কেননা সেই যুগটি ছিল নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীদের যুগ, তাবেয়ীদের যুগ নয়। তাঁরা ছিলেন অনেকটা ঈসা (আলাইহিস সালাম)-এর হাওয়ারিদের মতো। আহলে কিতাবদের ব্যাপারে আমাদের অভিজ্ঞতা আছে; যখন ঈসা (আলাইহিস সালাম)-এর সাথীরা যা শুনেছিলেন ও দেখেছিলেন তা লিখে রাখলেন, তখন ইঞ্জিলসমূহ তাঁদের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করা হলো—ঈসা (আ.) বা মহান আল্লাহর দিকে নয়... তাই উমর (রা.)-এর সতর্কতা ও দূরদর্শিতা ছিল সুন্নাহ সংকলন থেকে বিরত থাকা। কেননা তিনি যদি তা করতেন, তবে সুন্নাহর বর্ণনাকারীদের আধিক্যের কারণে কিতাবের সংখ্যাও বহুগুণ হওয়ার আশঙ্কা ছিল এবং বর্ণনাকারীদের নাম অনুযায়ী তা ভিন্ন ভিন্ন হতো। ফলে এই উম্মতের মাঝেও অনেক 'ইঞ্জিল' তৈরি হতো এবং মূল কিতাব (কুরআন), যা হলো রাজমুকুটের মণি এবং গলার হার, তা অবহেলিত হতো।

নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পর উমর ছাড়া আর কার এমন প্রখর অন্তর্দৃষ্টি থাকতে পারে?!

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর পর ফারুক ছাড়া আর কার এমন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা থাকতে পারে?!

নিজের দ্বীনের প্রতি এমন আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন ব্যক্তি ছাড়া আর কার এমন গভীর আগ্রহ থাকতে পারে?!

হায়! আমার কওম যদি জানত(৬)। (সমাপ্ত)

নবুওয়াতকাল থেকে শুরু করে আনুষ্ঠানিক সংকলনের পূর্ব পর্যন্ত সুন্নাহর যেসব কিতাব সবচেয়ে বেশি প্রসিদ্ধ ছিল:

 

১ - সহিফায়ে সাদেকা: যা এর সংকলক আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা.) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে সরাসরি শুনে লিখেছিলেন। যদিও আবদুল্লাহ ইবনে আমরের স্বহস্তে লিখিত এই সহিফাটি মূল পাণ্ডুলিপি আকারে আমাদের কাছে পৌঁছায়নি, তবে এর বিষয়বস্তু আমাদের নিকট পৌঁছেছে। কারণ এটি ইমাম আহমদের মুসনাদে সংরক্ষিত রয়েছে(৭)। এমনকি এটিকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর যুগে হাদিস সংরক্ষণের প্রমাণ হিসেবে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে অভিহিত করা যায়। এই দলিলের বিশুদ্ধতার ব্যাপারে আমাদের নিশ্চয়তা আরও বেড়ে যায় যখন দেখি এটি ছিল আবদুল্লাহ ইবনে আমরের প্রতি নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর দেওয়া নির্দেশনার এক অনিবার্য স্বাভাবিক পরিণতি। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) বলেন: "আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে যা শুনতাম, তা-ই লিখে রাখতাম; আমি তা মুখস্থ রাখতে চাইতাম। কিন্তু কুরাইশরা আমাকে নিষেধ করে বলল: 'তুমি কি যা শোনো সব লিখে রাখো? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তো একজন মানুষ, তিনি রাগ এবং সন্তুষ্টি উভয় অবস্থায় কথা বলেন!' তখন আমি লেখা থেকে বিরত থাকলাম। এরপর বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট ব্যক্ত করলাম। তিনি নিজের আঙুল দিয়ে নিজের মুখের দিকে ইশারা করে বললেন: 'তুমি লেখো। সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে আমার প্রাণ, এই মুখ থেকে সত্য ছাড়া অন্য কিছু বের হয় না'"(৮)। আবদুল্লাহ ইবনে আমরের এই সহিফা ও অন্যান্য নথিপত্র সংকলনের সাক্ষ্য দেয় আবু হুরায়রা (রা.)-এর এই উক্তি: "নবি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীদের মধ্যে আবদুল্লাহ ইবনে আমর ছাড়া আমার চেয়ে বেশি হাদিস বর্ণনাকারী আর কেউ নেই। কারণ তিনি লিখে রাখতেন, আর আমি লিখতাম না"(৯)।

--------------------------------------------

(১) ইবনে আবদুল বারর, জামিউ বায়ানিল ইলম ১/৬৪; আল-খতিব, তাকিয়িদুল ইলম পৃষ্ঠা ৪৯।

(২) আল-হাকিম, আল-মুস্তাদরাক, কিতাবুল ইলম ১/১৮৭, ১৮৮, নম্বর ৩৫৯, ৩৬০। তিনি বলেন: এটি উমরের উক্তি হিসেবে সহিহ। এটি ভিন্নসূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। আয-যাহাবি তাঁর সাথে একমত পোষণ করেছেন এবং বলেছেন আনাস (রা.) থেকেও অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। আরও দেখুন: জামিউ বায়ানিল ইলম ১/৭২ এবং তাকিয়িদুল ইলম ৮৭, ৮৮।

(৩) সুনানে আবু দাউদ, কিতাবুজ জাকাত, ২/৯৮-৯৯ নম্বর ১৫৭০ এবং আল-আমওয়াল (কাসেম বিন সাল্লাম) পৃষ্ঠা ৩৬৭ নম্বর ৯৩৪।

(৪) দেখুন: ইবনে সা'দ এর আত-তবাকাতুল কুবরা ৩/২০৩; আরও দেখুন: ডক্টর ইমতিয়াজ আহমদের দালাঈলুত তাওসিকিল মুবাক্কির লিস-সুন্নাহ, পৃষ্ঠা ১৯৮।

(৫) আল-বাইহাকি, আল-মাদখাল ইলাস সুনানিল কুবরা ৪০৭ নম্বর ৭৩১; ইবনে রাশিদ, আল-জামি' ১১/২৫৭ নম্বর ২০৪৮৪, এর সনদ সহিহ।

(৬) আস-সুন্নাহ ফি মুওয়াজাহাতি আ’দাইহা পৃষ্ঠা ২৪৩, ২৪৪; প্রফেসর ডক্টর তাহা হাবিবি।

(৭) দেখুন: মুসনাদে আহমদে আবদুল্লাহ ইবনে আমরের মুসনাদ ২/১৫৮-২২৬।

(৮) আবু দাউদ, কিতাবুল ইলম ৩/৩১৮ নম্বর ৩৬৪৬।

(৯) আল-বুখারি (ফাতহুল বারির ব্যাখ্যাসহ), কিতাবুল ইলম ১/২৪৯ নম্বর ১১৩।
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ٢٧)
2 - والصحيفة الصحيحة التى كتبها همام بن منبه(1)، زوج ابنة أبى هريرة رضي الله عنه كتبها أمام أبى هريرة، ولهذه الصحيفة مكانة خاصة فى تدوين الحديث، لأنها وصلت إلينا كاملة سالمة كما رواها ودونها همَّام بن منبه عن أبى هريرة، فكانت جديرة باسم "الصحيفة الصحيحة"(2) على مثال " الصحيفة الصادقة " لعبد الله بن عمرو بن العاص، وقد سبقت الإشارة إليها.

ونحب أن ننبه أن مصطلح "صحيفة وكتاب وجزء ونسخة … إلخ لا يعنى بالضرورة "مجموعات صغيرة أو مذكرة عن الحديث" كما كان يعتقد أحياناً وهذا ما أكد صحته الدكتور امتياز أحمد فى كتابه "دلائل التوثيق المبكر للسنة"(3).

وهذه الكتابات السابقة وغيرها الكثير(4)؛ تقطع بكتابة السنة المطهرة فى عصر النبوة والصحابة والتابعين(5).

وتؤكد أن التوفيق بين النهى عن كتابة السنة والإذن بكتابتها، وهو أن النهى دائر مع الخوف من علة النهى التى سبق تفصيلها، والإذن دائر مع الأمن منها(6).

وهذا يؤكده أيضاً أن كل من نُقل عنه (أى من الصحابة والتابعين) النهى عن كتابة السنة فقد نُقل عنه عكس ذلك أيضاً(7)، ما عدا شخصاً أو شخصين، وقد ثبتت كتابتهم أو الكتابة عنهم، وبذلك صرح الدكتور محمد مصطفى الأعظمى(8)، وأكده باستفاضة فى كتابه (دراسات فى الحديث النبوى) حيث عقد الفصل الأول من الباب الرابع لبيان كتابة الصحابة، ومن كتب عنهم فى حياتهم(9)، والفصل الثانى فى " كتابة كبار التابعين، ومن كتب عنهم فى حياتهم "(10) حتى زمن التدوين الرسمى فى عهد عمر بن عبدالعزيز رضي الله عنه، بل وبعد زمنه أيضاً(11).

كل ذلك يؤكد الحقائق التى سبق ذكرها من الفرق بين الكتابة، والتدوين وأن عمر بن عبد العزيز، حينما أمر بالتدوين الرسمي للسنة لم يبدأ من فراغ ولكنه اعتمد على أصول الكتابات التى سبق ذكر بعضها وكانت تملأ أرجاء العالم الإسلامي.

ثم نشطت حركة التدوين بعد ذلك، وأخذت في التطور والازدهار، وتعاون الأئمة والعلماء في مختلف الأمصار، فكتب ابن جريج بمكة، وكتب مالك وابن إسحاق بالمدينة، وكتب سعيد بن أبي عَروبة والربيع بن صُبيح وحماد بن سلمة بالبصرة، وكتب سفيان الثوري بالكوفة، وكتب أبو عمرو الأوزاعي بالشام، وكتب عبد الله بن المبارك بخراسان، وكتب معمر باليمن، وغيرهم من الأئمة.

--------------------------------------------

(1) همام بن منبه هو: ابن كامل الصنعانى، أبو عتبة، أخو وهب 0 روى عن أبى هريرة، ومعاوية، وعنه ابن أخيه عقيل بن معقل، ومعمر، متفق على توثيقه 0 مات سنة 132 هـ على الصحيح 0 له ترجمة فى تقريب التهذيب: (7343)، والثقات للعجلى (1750)، والثقات لابن شاهين (1471).

(2) وهذه الصحيفة أخرجها الإمام أحمد بنصها فى مسنده 2/ 312 - 319، وقد طبعت عدة مرات بتحقيق الدكتور محمد حميد الله 0 انظر: السنة النبوية 0 مكانتها 0 الدكتور عبد المهدى ص 119، وعلوم الحديث للدكتور صبحى الصالح ص 32.

(3) ص 148، 158، 161.

(4) انظر: دراسات فى الحديث النبوى للدكتور الأعظمى 1/ 84 - 142، ودلائل التوثيق المبكر للسنة للدكتور امتياز ص 463 - 590.

(5) وفى تلك الكتابات رد على الأستاذ محمد رشيد رضا، ومن تابعه كمحمود أبو رية، والسيد صالح أبو بكر (فى أن الصحابة لم يكتبوا، وعدم كتابتهم دليل على أنهم لم يريدوا أن تكون السنة ديناً عاماً دائماً كالقرآن 0 وسبق تفصيل الرد على ذلك ص 298 - 306.

(6) ينظر: السنة النبوية في كتابات أعداء الإسلام للمؤلف 1/ 288 وما بعدها.

(7) بل والندم على عدم الكتابة، كما روى عن عروة بن الزبير رضي الله عنه إذ يقول: "كتبت الحديث ثم محوته، فوددت أنى فديته بمالى وولدى وأنى لم امحه". أخرجه الخطيب فى تقييد العلم ص 60.

(8) انظر: دراسات فى الحديث النبوى 1/ 76.

(9) انظر: المصدر السابق 1/ 92 - 142.

(10) انظر: دراسات فى الحديث النبوى 1/ 143 - 167.

(11) انظر: دراسات فى الحديث النبوى 1/ 168 - 325. فأين كل هذا مما زعمه الدكتور موريس بوكاى من أنه ليس هناك أية مجموعة أحاديث قد ثبتت نصوصها فى عصر النبى صلى الله عليه وسلم. انظر: دراسة الكتب المقدسة ص 152.
২ - এবং "সহিফা সহিহা" যা হাম্মাম ইবনে মুনাব্বিহ লিখেছেন(১), যিনি আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর জামাতা ছিলেন। তিনি এটি আবু হুরায়রার সামনেই লিপিবদ্ধ করেছেন। হাদিস সংরক্ষণের ইতিহাসে এই সহিফাটির একটি বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে, কারণ এটি আমাদের কাছে পূর্ণাঙ্গ ও অবিকৃত অবস্থায় পৌঁছেছে যেভাবে হাম্মাম ইবনে মুনাব্বিহ এটি আবু হুরায়রা থেকে বর্ণনা করেছেন এবং লিপিবদ্ধ করেছেন। তাই এটি আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস-এর "সহিফা সাদিকা"-র ন্যায় "সহিফা সহিহা"(২) নামে অভিহিত হওয়ার যোগ্য, যার প্রতি ইতিপূর্বেও ইঙ্গিত করা হয়েছে।

আমরা সতর্ক করতে চাই যে, "সহিফা, কিতাব, জুজ এবং নুসখা... ইত্যাদি" পারিভাষিক শব্দগুলো দ্বারা বাধ্যতামূলকভাবে "হাদিস সংক্রান্ত ছোট সংগ্রহ বা নোট" বোঝায় না, যেমনটি কখনো কখনো ধারণা করা হতো। ডক্টর ইমতিয়াজ আহমদ তাঁর "দালাইলুত তাওসিকিল মুবাক্কির লিস সুন্নাহ" গ্রন্থে এই সত্যটি নিশ্চিত করেছেন(৩)।

এই পূর্বোক্ত লেখাগুলো এবং এ জাতীয় আরও অনেক লেখা(৪) অকাট্যভাবে প্রমাণ করে যে, নবুওয়াতের যুগে, সাহাবায়ে কেরাম এবং তাবিঈগণের যুগে পবিত্র সুন্নাহ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে(৫)।

এবং এগুলো নিশ্চিত করে যে, সুন্নাহ লিখনের নিষেধাজ্ঞা এবং তা লিখনের অনুমতির মধ্যে সমন্বয় হলো এই যে, নিষেধাজ্ঞাটি সেই আশঙ্কার সাথে আবর্তিত যার কারণ পূর্বে বিস্তারিত আলোচিত হয়েছে, আর অনুমতিটি সেই আশঙ্কা থেকে নিরাপদ থাকার সাথে আবর্তিত(৬)।

এটি আরও সমর্থিত হয় এই তথ্যের মাধ্যমে যে, যাদের কাছ থেকে (অর্থাৎ সাহাবী ও তাবিঈগণের মধ্য থেকে) সুন্নাহ লিখনের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা বর্ণিত হয়েছে, তাদের কাছ থেকেই আবার এর বিপরীত অর্থাৎ লিখনের বিষয়টিও বর্ণিত হয়েছে(৭), কেবল এক বা দুইজন ব্যক্তি ব্যতীত। তাদের নিজেদের লেখা বা তাদের থেকে অন্যদের লিখে নেওয়াও প্রমাণিত হয়েছে। ডক্টর মুহাম্মদ মোস্তফা আজমী এটি স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছেন(৮) এবং তাঁর "দিরাসাত ফিল হাদিসিন নাবাবি" গ্রন্থে বিস্তারিতভাবে তা নিশ্চিত করেছেন। সেখানে তিনি চতুর্থ অধ্যায়ের প্রথম পরিচ্ছেদে সাহাবায়ে কেরামের হাদিস লিখন এবং তাদের জীবদ্দশায় যারা তাদের থেকে লিখেছেন তাদের বর্ণনা তুলে ধরেছেন(৯)। আর দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে "জ্যেষ্ঠ তাবিঈগণের হাদিস লিখন এবং তাদের জীবদ্দশায় যারা তাদের থেকে লিখেছেন"(১০) তাদের বর্ণনা দিয়েছেন, এমনকি উমর ইবনে আব্দুল আজিজ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর যুগে আনুষ্ঠানিক সংকলন শুরু হওয়া পর্যন্ত, বরং তাঁর সময়ের পরবর্তী কাল পর্যন্তও(১১)।

এই সবকিছুই পূর্বোল্লিখিত সেই সত্যগুলোকে নিশ্চিত করে যা সাধারণ লিখন এবং আনুষ্ঠানিক সংকলনের (তাদউইন) মধ্যে পার্থক্য নির্দেশ করে। উমর ইবনে আব্দুল আজিজ যখন সুন্নাহর আনুষ্ঠানিক সংকলনের নির্দেশ দিয়েছিলেন, তখন তিনি শূন্য থেকে শুরু করেননি, বরং তিনি ইতিপূর্বে উল্লেখিত সেই লিখিত পাণ্ডুলিপিগুলোর ওপর নির্ভর করেছিলেন যা ইসলামী বিশ্বের সর্বত্র ছড়িয়ে ছিল।

এরপর সংকলন আন্দোলন আরও গতিশীল হয় এবং উত্তরোত্তর উন্নতি ও সমৃদ্ধি লাভ করে। বিভিন্ন অঞ্চলের ইমাম ও উলামায়ে কেরাম এতে সহযোগিতা করেন। মক্কায় ইবনে জুরাইজ লিখেছেন, মদিনায় ইমাম মালিক ও ইবনে ইসহাক লিখেছেন, বসরায় সাঈদ ইবনে আবি আরুবা, রাবি ইবনে সবিহ ও হাম্মাদ ইবনে সালামাহ লিখেছেন, কুফায় সুফিয়ান সাওরি লিখেছেন, সিরিয়ায় আবু আমর আল-আওজাই লিখেছেন, খোরাসানে আব্দুল্লাহ ইবনে মোবারক লিখেছেন, ইয়ামেনে মা'মার লিখেছেন এবং আরও অনেক ইমামগণ লিখেছেন।

--------------------------------------------

(১) হাম্মাম ইবনে মুনাব্বিহ হলেন: ইবনে কামিল আস-সানআনী, আবু উতবা, ওয়াহবের ভাই। তিনি আবু হুরায়রা ও মুয়াবিয়া থেকে বর্ণনা করেছেন। তাঁর থেকে তাঁর ভাতিজা উকাইল ইবনে মাকিল এবং মা'মার বর্ণনা করেছেন। তাঁর নির্ভরযোগ্যতার ব্যাপারে সকলে একমত। সঠিক মতে তিনি ১৩২ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর জীবনী পাওয়া যাবে: তাকরিবুত তাহজিব: (৭৩৪৩), আস-সিকাত লি আল-ইজলি (১৭৫০) এবং আস-সিকাত লি ইবনে শাহীন (১৪৭১)-এ।

(২) ইমাম আহমাদ এই সহিফাটি তাঁর মুসনাদে (২/৩১২-৩১৯) হুবহু উদ্ধৃত করেছেন। ডক্টর মুহাম্মদ হামিদুল্লাহর সম্পাদনায় এটি কয়েকবার মুদ্রিত হয়েছে। দেখুন: আস-সুন্নাতুন নাবাবিয়্যাহ- মাকানাতুহা, ডক্টর আব্দুল মাহদী, পৃষ্ঠা ১১৯; এবং উলূমুল হাদিস, ডক্টর সুবহি আস-সালেহ, পৃষ্ঠা ৩২।

(৩) পৃষ্ঠা ১৪৮, ১৫৮, ১৬১।

(৪) দেখুন: ডক্টর আজমীর 'দিরাসাত ফিল হাদিসিন নাবাবি' ১/৮৪-১৪২; ডক্টর ইমতিয়াজের 'দালাইলুত তাওসিকিল মুবাক্কির লিস সুন্নাহ' পৃষ্ঠা ৪৬৩-৫৯০।

(৫) এসব লিখনগুলোর মাধ্যমে উস্তাদ মুহাম্মদ রশিদ রিদা এবং তাঁর অনুসারী যেমন মাহমুদ আবু রাইয়্যাহ ও সাইয়্যেদ সালেহ আবু বকর-এর সেই দাবির খণ্ডন হয় (যে সাহাবায়ে কেরাম হাদিস লিখতেন না এবং তাদের না লেখা প্রমাণ করে যে তারা সুন্নাহকে কুরআনের মতো স্থায়ী ও সার্বজনীন দীন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাননি)। এর বিস্তারিত খণ্ডন পূর্বে পৃষ্ঠা ২৯৮-৩০৬-এ আলোচিত হয়েছে।

(৬) দেখুন: লেখকের 'আস-সুন্নাতুন নাবাবিয়্যাহ ফী কিতাবাতি আ'দাইল ইসলাম' ১/২৮৮ এবং পরবর্তী অংশ।

(৭) বরং না লেখার জন্য অনুশোচনাও বর্ণিত হয়েছে, যেমন উরওয়াহ ইবনুল জুবাইর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: "আমি হাদিস লিখেছিলাম কিন্তু পরে তা মুছে ফেলি। আক্ষেপ! যদি আমি আমার সম্পদ ও সন্তানের বিনিময়েও তা রক্ষা করতে পারতাম এবং মুছে না ফেলতাম।" খতিব বাগদাদী 'তাকয়ীদুল ইলম' পৃষ্ঠা ৬০-এ এটি বর্ণনা করেছেন।

(৮) দেখুন: দিরাসাত ফিল হাদিসিন নাবাবি ১/৭৬।

(৯) দেখুন: পূর্বোক্ত উৎস ১/৯২-১৪২।

(১০) দেখুন: দিরাসাত ফিল হাদিসিন নাবাবি ১/১৪৩-১৬৭।

(১১) দেখুন: দিরাসাত ফিল হাদিসিন নাবাবি ১/১৬৮-৩২৫। ডক্টর মরিস বুকাইলির সেই দাবির কোনো ভিত্তি নেই যেখানে তিনি দাবি করেছেন যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে কোনো হাদিস সংগ্রহের পাঠ বা টেক্সট প্রমাণিত নয়। দেখুন: দিরাসাতুল কুতুবিল মুকাদ্দাসাহ (বাইবেল, কুরআন ও বিজ্ঞান) পৃষ্ঠা ১৫২।
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ٢٨)
وكانت طريقتهم في التدوين هي جمع أحاديث كل باب من أبواب العلم على حدة، ثم ضم هذه الأبواب بعضها إلى بعض في مصنف واحد، مع ذكر أقوال الصحابة والتابعين، ولذلك حملت المصنفات الأولى في هذا الزمن عناوين مثل (مصنف) و (موطأ) و (جامع).

ويعتبر هذا العصر هو عصر التصنيف وتدوين السنة على الأبواب، وبدايته من سنة ثلاث وأربعين ومائة، وكانت السنّة قبل ذلك يتلقاها العلماء حفظاً، أو في صحف غير مرتّبة.

يقول الذهبي رحمه الله: (في سنة ثلاث وأربعين- يعني ومائة- شرع علماء الإسلام في هذا العصر في تدوين الحديث والفقه والتفسير. فصنَّف ابن جريج بمكة، ومالك الموطأ بالمدينة، والأوزاعي بالشام، وابن أبي عروبة وحماد بن سلمة وغيرهما بالبصرة، ومعمر باليمن، وسفيان الثوري بالكوفة، وصنَّف ابن إسحاق المغازي، وصنف أبو حنيفة رحمه الله الفقه والرأي، ثم بعد يسير صنف هشيم، والليث، وابن لهيعة، ثم ابن المبارك، وأبو يوسف، وابن وهب، وكثُر تدوين العلم وتبويبه ودوِّنت كتب العربية، واللغة، والتاريخ، وأيام الناس. وقبل هذا العصر كان الأئمة يتكلمون من حفظهم، أو يَرْوُونَ العلم من صحف صحيحة غير مرتَّبة)(1).

وأن أوَّل من صنّف على الأبواب: عبد الملك بن عبد العزيز بن جريج (ت 150 هـ) بمكة، والإمام مالك بن أنس (ت 179 هـ) أو محمد بن إسحاق بن يسار (ت 151 هـ) بالمدينة والربيع بن صَبيح (ت 160 هـ) أو سعيد بن أبي عروبة (ت 156 هـ أو 157 هـ)، أو حماد بن سلمة (ت 167 هـ) بالبصرة، وسفيان الثوري (ت 161 هـ) بالكوفة، وعبد الرحمن بن عمرو الأوزاعي (ت 157 هـ) بالشام، وهشيم بن بشير الواسطي (ت 183 هـ) بواسط، ومعمر بن راشد (ت 153 هـ) باليمن، وجرير بن عبد الحميد (ت 188 هـ) بالرَّيّ، وعبد الله بن المبارك المَرْوَزي (ت 181 هـ) بمَرْو وخراسان.

أما ابن جريج، فصنّف كتاب السنن، وكتاب الحج أو المناسك، وكتاب التفسير، وكتاب الجامع.

وأما الإمام مالك، فصنّف كتاب الموطّأ.

وأما محمد بن إسحاق، فصنّف كتاب المغازي.

وأما سعيد بن أبي عروبة، فله مصنّفات كثيرة، منها: تفسير القرآن، والسنن، والمناسك، والنكاح، والطلاق.

وأما الأوزاعي، فالّف كتباً عديدة، إلا أنها احترقت ولم يبق منها شيء سوى اقتباسات في بعض الكتب، فمن كتبه: كتاب السنن في الفقه، وكتاب المسائل في الفقه.

وأما هشيم بن بشير، فهو ممن كثرت عنايته بالآثار، وجمعه للأخبار، وحفظ، وصنَّف كتباً عديدة، منها: السنن في الفقه، والتفسير، والقراءات، والصلاة.

وأما معمر بن راشد، فصنّف كتاب المغازي، وكتاب التفسير، وكتاب الجامع.

وأما عبد الله بن المبارك، فصنّف كتباً عديدة، منها: المسند وكتاب الزهد، وكتاب الجهاد، وكتاب السنن في الفقه، وكتاب التفسير، وكتاب التاريخ، وكتاب البر والصلة.

وكان هؤلاء الأئمة في عصر واحد تقريباً، فلا ندري أيهم كان أسبق، وإن قال بعضهم: إن ابن جريج أول من صنف، إلا أن الأَوْلى أن يُقَيَّد كل منهم بمصره، فيقال: أول من صنف بالكوفة سفيان الثوري، وهكذا.

--------------------------------------------

(1) انظر: تاريخ الخلفاء (ص 416 - 417).
তাদের সংকলন পদ্ধতি ছিল ইলমের প্রতিটি অধ্যায়ের হাদিসগুলোকে পৃথক পৃথকভাবে একত্র করা, এরপর এই অধ্যায়গুলোকে একটি একক গ্রন্থে বিন্যস্ত করা, সাথে সাহাবী ও তাবিঈগণের বক্তব্যও উল্লেখ করা। এই কারণেই এই সময়ের প্রথমদিকের সংকলনগুলো ‘মুসান্নাফ’, ‘মুয়াত্তাঁ’ এবং ‘জামি’ এর মতো শিরোনাম ধারণ করেছিল।

এই যুগকে অধ্যায়ভিত্তিক সুন্নাহ সংকলন ও গ্রন্থায়নের যুগ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এর সূচনা হয় একশত তেতাল্লিশ হিজরি থেকে। এর আগে আলেমগণ সুন্নাহ মুখস্থ করার মাধ্যমে অথবা অবিন্যস্ত পাণ্ডুলিপির মাধ্যমে অর্জন করতেন।

ইমাম যাহাবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: (তেতাল্লিশ হিজরি সালে—অর্থাৎ একশত তেতাল্লিশ—এই যুগের ইসলামি পণ্ডিতগণ হাদিস, ফিকহ এবং তাফসির সংকলন শুরু করেন। ইবনে জুরাইজ মক্কায় সংকলন করেন, মালিক মদীনায় ‘মুয়াত্তাঁ’ সংকলন করেন, আওযাঈ শাম দেশে, ইবনে আবি আরুবা ও হাম্মাদ ইবনে সালামাহ এবং অন্যান্যরা বসরায়, মা’মার ইয়ামেনে এবং সুফিয়ান সাওরী কুফায় সংকলন করেন। ইবনে ইসহাক ‘মাগাযী’ সংকলন করেন এবং আবু হানিফা (রহিমাহুল্লাহ) ফিকহ ও রায় সংকলন করেন। এরপর অল্প সময়ের ব্যবধানে হুশাইম, লাইস এবং ইবনে লাহিয়াহ সংকলন করেন; এরপর ইবনুল মুবারক, আবু ইউসুফ এবং ইবনে ওয়াহাব সংকলন করেন। এভাবে ইলম সংকলন ও অধ্যায়বিন্যাস বৃদ্ধি পায় এবং আরবি সাহিত্য, ভাষা, ইতিহাস ও মানুষের উল্লেখযোগ্য দিনগুলোর ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থসমূহ সংকলিত হয়। এই যুগের আগে ইমামগণ তাদের স্মৃতি থেকে কথা বলতেন অথবা অবিন্যস্ত বিশুদ্ধ পাণ্ডুলিপি থেকে জ্ঞান বর্ণনা করতেন)(১)।

আর সর্বপ্রথম যারা অধ্যায়ভিত্তিক সংকলন করেছেন তারা হলেন: মক্কায় আব্দুল মালিক বিন আব্দুল আজিজ বিন জুরাইজ (মৃ. ১৫০ হিজরি), মদীনায় ইমাম মালিক বিন আনাস (মৃ. ১৭৯ হিজরি) অথবা মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন ইয়াসার (মৃ. ১৫১ হিজরি), বসরায় রাবী বিন সবিহ (মৃ. ১৬০ হিজরি) অথবা সাঈদ বিন আবি আরুবা (মৃ. ১৫৬ বা ১৫৭ হিজরি) অথবা হাম্মাদ বিন সালামাহ (মৃ. ১৬৭ হিজরি), কুফায় সুফিয়ান সাওরী (মৃ. ১৬১ হিজরি), শামে আব্দুর রহমান বিন আমর আল-আওযাঈ (মৃ. ১৫৭ হিজরি), ওয়াসিতে হুশাইম বিন বাশির আল-ওয়াসিতি (মৃ. ১৮৩ হিজরি), ইয়ামেনে মা’মার বিন রাশিদ (মৃ. ১৫৩ হিজরি), রাই শহরে জারীর বিন আব্দুল হামিদ (মৃ. ১৮৮ হিজরি), এবং মার্ভ ও খোরাসানে আব্দুল্লাহ বিন মুবারক আল-মারওয়াযী (মৃ. ১৮১ হিজরি)।

ইবনে জুরাইজের কথা বলতে গেলে, তিনি ‘কিতাবুস সুনান’, ‘কিতাবুল হজ’ বা ‘মানাসিক’, ‘কিতাবুত তাফসির’ এবং ‘কিতাবুল জামি’ সংকলন করেছেন।

আর ইমাম মালিক ‘মুয়াত্তাঁ’ গ্রন্থটি সংকলন করেছেন।

আর মুহাম্মদ বিন ইসহাক ‘মাগাযী’ গ্রন্থটি সংকলন করেছেন।

আর সাঈদ বিন আবি আরুবার অনেক সংকলন রয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে: কুরআনের তাফসির, সুনান, মানাসিক, বিবাহ এবং তালাক সংক্রান্ত গ্রন্থ।

আর আওযাঈ অনেক বই রচনা করেছিলেন, তবে সেগুলো পুড়ে গিয়েছিল এবং কিছু বইয়ের উদ্ধৃতি ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। তাঁর বইগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফিকহ শাস্ত্রের ‘কিতাবুস সুনান’ এবং ‘কিতাবুল মাসায়িল’।

আর হুশাইম বিন বাশির ছিলেন এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যারা আছার (সাহাবী ও তাবিঈদের বর্ণনা) এবং খবরাখবর সংগ্রহের প্রতি অধিক যত্নবান ছিলেন। তিনি মুখস্থ করেছিলেন এবং অনেক বই সংকলন করেছিলেন, যার মধ্যে রয়েছে: ফিকহ শাস্ত্রের সুনান, তাফসির, কিরাত এবং সালাত সংক্রান্ত গ্রন্থ।

আর মা’মার বিন রাশিদ ‘মাগাযী’, ‘তাফসির’ এবং ‘জামি’ গ্রন্থ সংকলন করেছেন।

আর আব্দুল্লাহ বিন মুবারক অনেক বই সংকলন করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে: মুসনাদ, কিতাবুয যুহদ, কিতাবুল জিহাদ, ফিকহ শাস্ত্রের কিতাবুস সুনান, কিতাবুত তাফসির, কিতাবুত তারিখ এবং কিতাবুল বিররি ওয়াস সিলাহ।

এই ইমামগণ প্রায় একই যুগের ছিলেন, তাই আমরা জানি না তাদের মধ্যে কে অগ্রগামী ছিলেন। যদিও কেউ কেউ বলেছেন যে, ইবনে জুরাইজ সর্বপ্রথম সংকলন করেছেন, তবে উত্তম হলো প্রত্যেককে তাদের নিজ নিজ শহরের সাথে সীমাবদ্ধ করা। যেমন বলা হয়: কুফায় সর্বপ্রথম সংকলন করেছেন সুফিয়ান সাওরী, এভাবে অন্যান্যদের ক্ষেত্রেও।

--------------------------------------------

(১) দেখুন: তারিখুল খুলাফা (পৃষ্ঠা ৪১৬ - ৪১৭)।
(খণ্ড: ১) সহীহুল কুতুবিত তিসআ ওয়া যাওয়াইদুহু (পৃষ্ঠা: ٢٩)
ولم يكن التصنيف في ذلك العصر مقصوراً على هؤلاء، بل هناك عدد كثير ممن صنَّف غيرهم، نذكر منهم:

 

1 - إبراهيم بن طَهْمان (ت 163 هـ):كتب الكثير، ودوّن كتبه التي أثنى عليها ابن المبارك بقوله: (إبراهيم بن طهمان صحيح الكتب)(1). ومن كتبه: التفسير، والسنن في الفقه، والعيدين، والمناقب(2).

 

2 - الحسين بن واقد المَرْوَزي (ت 159 هـ): له كتاب التفسير، وكتاب الوجوه في القرآن(3).

 

3 - زائدة بن قدامة الثقفي (ت 160 هـ): له كتب، منها: السنن، والقراءات، والتفسير، والزهد، والمناقب.

 

4 - سفيان بن عيينة (198 هـ):له كتاب التفسير.

 

5 - مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أبي ذئب (ت 158 هـ): له كتاب السنن، ويحتوي على الفقه، مثل: الصلاة، والطهارة، والصيام، والزكاة، والمناسك، وغير ذلك.

وله كتاب الموطأ، وقد يكون هو نفس السنن، وقد بقي هذا الموطأ لعدة قرون.

وتقدم أن معظم هذه المصنفات كان يضم أحاديث النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وما ورد عن الصحابة والتابعين، إلى أن رأى بعض الأئمة أن تفرد أحاديث النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم خاصة، وذلك على رأس المائتين، فصُنِّفَت المسانيد.

ثم جاء القرن الثالث فحدث طور آخر من أطوار تدوين السنة تجلى في إفراد حديث رسول الله صلى الله عليه وسلم بالتصنيف دون غيره من أقوال الصحابة والتابعين، فألفت المسانيد التي جمعت أحاديث كل صحابي على حدة، من غير مراعاة لوحدة الموضوع، كمسند الإمام أحمد، ومسند إسحاق بن راهويه، ومسند عثمان بن أبي شيبة وغيرها من المسانيد، ولم تقتصر هذه المسانيد على جمع الحديث الصحيح بل احتوت على الصحيح وغيره مما جعل الإفادة منها والوقوف على أحاديث مسألة معينة من الصعوبة بمكان إلا على أئمة هذا الشأن، خصوصاً وأنها لم ترتب على أبواب الفقه، والذي صنف منها على الابواب الفقهية مثل المصنف لعبد الرزاق وابن أبي شيبة أشتمل على المرفوع والموقوف والمقطوع وجمع الصحيح والحسن والضعيف والموضوع، مما حدا بإمام المحدثين في عصره محمد بن إسماعيل البخاري أن ينحو بالتأليف منحىً جديدًا اقتصر فيه على الحديث الصحيح فحسب - دون ما عداه - فألف كتابه الجامع الصحيح المشهور بـ (صحيح البخاري)، وجرى على منواله معاصره وتلميذه الإمام مسلم بن الحجاج القشيري فألف صحيحه المشهور بـ (صحيح مسلم)، وقد رتبا صحيحيهما على أبواب الفقه تسهيلاً على العلماء والفقهاء عند الرجوع إليهما لمعرفة حكم معين، فكان لهذين الإمامين الفضل بعد الله عز وجل في تمهيد الطريق أمام طالب الحديث ليصل إلى الحديث الصحيح بأيسر الطرق.

وقد تابعهما في التأليف على (أبواب الفقه)، أئمة كثيرون سواء ممن عاصرهم أو ممن تأخر عنهم، فألفت بعدهما السنن الأربعة المشهورة وهي: (سنن أبي داود) و (النسائي) و (الترمذي) و (ابن ماجة)، إلا أن هؤلاء الأئمة لم يلتزموا الصحة كما التزمها الإمامان البخاري ومسلم، فوُجد في هذه

--------------------------------------------

(1) انظر: الجرح والتعديل (2/ 108).

(2) انظر: الفهرست للنديم (ص 284)، ودراسات في الحديث النبوي (ص 224).

وقد طبع جزء حديثي بعنوان: (مشيخة ابن طهمان) بتحقيق الدكتور محمد طاهر مالك الذي رجح في المقدمة (ص 6) أن هذا الكتاب هو كتاب السنن في الفقه لابن طهمان، وأن كلمة (سنن) تصحّفت إلى (مشيخة).

(3) الفهرست للنديم (ص 284)، ودراسات في الحديث النبوي (ص 242).
সেই যুগে গ্রন্থ রচনা কেবল তাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তাদের বাইরেও বহু সংখ্যক লোক ছিলেন যারা গ্রন্থ রচনা করেছেন, আমরা তাদের মধ্য থেকে উল্লেখ করছি:

 

১ - ইবরাহিম বিন তাহমান (মৃত্যু ১৬৩ হিজরি): তিনি প্রচুর লিখেছেন এবং তার গ্রন্থগুলো সংকলন করেছেন যেগুলোর প্রশংসা ইবনুল মুবারক এই বলে করেছেন: (ইবরাহিম বিন তাহমানের গ্রন্থগুলো নির্ভুল)(১)। তার রচিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে: আত-তাফসীর, ফিকহ বিষয়ক আস-সুনান, আল-ঈদাইন এবং আল-মানাকিব(২)।

 

২ - আল-হুসাইন বিন ওয়াকিদ আল-মারওয়াযী (মৃত্যু ১৫৯ হিজরি): তার রয়েছে আত-তাফসীর গ্রন্থ এবং আল-উজুহু ফিল কুরআন নামক গ্রন্থ(৩)।

 

৩ - যায়িদাহ বিন কুদামাহ আস-সাকাফী (মৃত্যু ১৬০ হিজরি): তার বেশ কিছু গ্রন্থ রয়েছে, যার মধ্যে আছে: আস-সুনান, আল-কিরাআত, আত-তাফসীর, আয-যুহদ এবং আল-মানাকিব।

 

৪ - সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ (১৯৮ হিজরি): তার রয়েছে আত-তাফসীর গ্রন্থ।

 

৫ - মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন আবু যিব (মৃত্যু ১৫৮ হিজরি): তার আস-সুনান গ্রন্থ রয়েছে এবং এটি ফিকহ শাস্ত্রের বিষয়সমূহকে অন্তর্ভুক্ত করে, যেমন: সালাত, তাহারাত (পবিত্রতা), সিয়াম, যাকাত, মানাসিক (হজ্জের নিয়মাবলী) এবং অন্যান্য বিষয়।

তার আল-মুওয়াত্তা নামক একটি গ্রন্থও রয়েছে, যা সম্ভবত উক্ত সুনান গ্রন্থটিই হতে পারে এবং এই মুওয়াত্তা কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল।

পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই সব সংকলনের অধিকাংশই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীস এবং সাহাবী ও তাবিঈদের থেকে বর্ণিত বিষয়সমূহকে অন্তর্ভুক্ত করত। অবশেষে কিছু ইমাম মনে করলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীসগুলোকে বিশেষভাবে পৃথক করা উচিত, আর এটি ঘটেছিল দুইশ হিজরির প্রারম্ভে, ফলে মুসনাদ গ্রন্থসমূহ সংকলিত হয়েছিল।

এরপর তৃতীয় শতাব্দী আসে এবং সুন্নাহ লিপিবদ্ধকরণের ক্ষেত্রে আরেকটি পর্যায়ের সূচনা হয়, যা প্রকাশ পায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীসকে সাহাবী ও তাবিঈদের উক্তি ছাড়াই পৃথকভাবে গ্রন্থবদ্ধ করার মাধ্যমে। ফলে এমন সব মুসনাদ রচিত হলো যেখানে প্রতিটি সাহাবীর হাদীসকে বিষয়ভিত্তিক মিল বিবেচনা না করেই আলাদাভাবে একত্রিত করা হয়েছে, যেমন: ইমাম আহমাদের মুসনাদ, ইসহাক বিন রাহওয়াইহ-এর মুসনাদ, উসমান বিন আবু শায়বার মুসনাদ এবং অন্যান্য মুসনাদসমূহ। এই মুসনাদগুলো কেবল সহীহ হাদীস সংগ্রহের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং এতে সহীহ ও অন্যান্য হাদীসও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা থেকে উপকৃত হওয়া এবং বিশেষ কোনো বিষয়ের হাদীস খুঁজে বের করা এই শাস্ত্রের ইমামগণ ব্যতীত অন্যদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে যখন এগুলো ফিকহী অধ্যায় অনুযায়ী বিন্যস্ত ছিল না। আর এগুলোর মধ্যে যে সব গ্রন্থ ফিকহী অধ্যায় অনুযায়ী রচিত হয়েছিল, যেমন: আবদুর রাজ্জাক ও ইবনে আবু শায়বার আল-মুসান্নাফ, তাতে মারফু, মাওকুফ ও মাকতু হাদীসসমূহ অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং সহীহ, হাসান, যঈফ ও মাওদু (জাল) হাদীসের সংমিশ্রণ ছিল। যা সেই সময়ের মুহাদ্দিসগণের ইমাম মুহাম্মদ বিন ইসমাইল আল-বুখারীকে গ্রন্থ রচনার ক্ষেত্রে একটি নতুন পথ অবলম্বনে উদ্বুদ্ধ করেছিল, যেখানে তিনি কেবল সহীহ হাদীসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলেন - অন্য কিছু ছাড়াই - ফলে তিনি তার আল-জামি আস-সহীহ গ্রন্থটি রচনা করেন যা (সহীহ বুখারী) নামে প্রসিদ্ধ। তার সমসাময়িক এবং তার ছাত্র ইমাম মুসলিম বিন হাজ্জাজ আল-কুশাইরীও তার পদাঙ্ক অনুসরণ করেন এবং তার প্রসিদ্ধ সহীহ গ্রন্থ (সহীহ মুসলিম) রচনা করেন। তারা উভয়েই আলেম ও ফকীহগণের জন্য কোনো নির্দিষ্ট হুকুম জানার ক্ষেত্রে সহজে ব্যবহারের লক্ষ্যে তাদের সহীহ গ্রন্থ দুটিকে ফিকহী অধ্যায় অনুযায়ী বিন্যস্ত করেছিলেন। আল্লাহ আযযা ওয়া জাল্ল-এর পরে এই দুই ইমামের অবদান ছিল হাদীস অন্বেষণকারীর সামনে অত্যন্ত সহজ পথে সহীহ হাদীসে পৌঁছানোর পথ প্রশস্ত করে দেয়া।

ফিকহী অধ্যায় অনুযায়ী গ্রন্থ রচনার ক্ষেত্রে তাদের অনেক ইমাম অনুসরণ করেছেন, তারা তাদের সমসাময়িক হোন বা পরবর্তী সময়ের। ফলে তাদের পরে প্রসিদ্ধ চারটি সুনান গ্রন্থ রচিত হয়, সেগুলো হলো: (সুনান আবু দাউদ), (নাসাঈ), (তিরমিযী) এবং (イবনে মাজাহ)। তবে এই ইমামগণ কেবল সহীহ হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে সেই বাধ্যবাধকতা রক্ষা করেননি যা ইমাম বুখারী ও মুসলিম করেছিলেন, ফলে এসকল গ্রন্থে পাওয়া যায়

--------------------------------------------

(১) দেখুন: আল-জারহ ওয়াত-তাদীল (২/ ১০৮)।

(২) দেখুন: আন-নাদীমের আল-ফিহরিস্ত (পৃষ্ঠা ২৮৪) এবং দিরাসাত ফিল হাদীস আন-নাবাবী (পৃষ্ঠা ২২৪)।

এবং একটি হাদীসের অংশ (জুয) 'মাশয়াখাতু ইবনে তাহমান' শিরোনামে মুদ্রিত হয়েছে, যা ডক্টর মুহাম্মদ তাহের মালিকের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ভূমিকার (পৃষ্ঠা ৬) এ বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়েছেন যে, এই গ্রন্থটিই মূলত ইবনে তাহমানের ফিকহ বিষয়ক আস-সুনান গ্রন্থ এবং 'সুনান' শব্দটি ভুলবশত 'মাশয়াখাত' হয়ে গিয়েছে।

(৩) আন-নাদীমের আল-ফিহরিস্ত (পৃষ্ঠা ২৮৪) এবং দিরাসাত ফিল হাদীস আন-নাবাবী (পৃষ্ঠা ২৪২)।