القسم: كتب السنة
الكتاب: المسند المستخرج على صحيح الإمام مسلم
المؤلف: أبو نعيم أحمد بن عبد الله بن أحمد بن إسحاق بن موسى بن مهران الأصبهاني (ت 430هـ)
المحقق: محمد حسن محمد حسن إسماعيل الشافعي
الناشر: دار الكتب العلمية - بيروت - لبنان
الطبعة: الأولى، 1417هـ - 1996م
عدد الأجزاء: 4
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
বিভাগ: সুন্নাহর কিতাবসমূহ
কিতাব: ইমাম মুসলিমের সহীহ-এর ওপর মুসনাদ আল-মুস্তাখরাজ
লেখক: আবু নুয়াইম আহমদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আহমদ বিন ইসহাক বিন মুসা বিন মিহরান আল-আসবাহানী (মৃত্যু ৪৩০ হি.)
তাহকীককারী: মুহাম্মদ হাসান মুহাম্মদ হাসান ইসমাইল আশ-শাফিঈ
প্রকাশক: দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ - বৈরুত - লেবানন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪১৭ হি. - ১৯৯৬ খ্রি.
খণ্ড সংখ্যা: ৪
[গ্রন্থের নম্বরবিন্যাস মুদ্রণকপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
) এবং তিনি বলেছেন, {হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করো এবং তাঁর থেকে বিমুখ হয়ো না, অথচ তোমরা (তাঁর নির্দেশ) শুনছ।} এবং তিনি বলেছেন, {না, আপনার রবের কসম! তারা ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না তারা তাদের পারস্পরিক বিবাদের বিষয়ে আপনাকে বিচারক হিসেবে গ্রহণ করে।} এবং তিনি বলেছেন, {রাসূল তোমাদের যা দেন তা গ্রহণ করো এবং যা থেকে তিনি তোমাদের নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাকো।} এবং তিনি বলেছেন, {আর যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, আল্লাহকে ভয় করে এবং তাঁর তাকওয়া অবলম্বন করে, তারাই সফলকাম।} এবং তিনি বলেছেন, {নিশ্চয় যারা আপনার কাছে বায়আত গ্রহণ করে, তারা মূলত আল্লাহর কাছেই বায়আত গ্রহণ করে।} এমন আরও অনেক আয়াত রয়েছে যার অর্থ একই এবং যেখানে আল্লাহর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, রাসূলের অনুসরণ ও আনুগত্য করা মূলত আল্লাহরই আনুগত্য। আল্লাহ বলেছেন, {যে রাসূলের আনুগত্য করল, সে মূলত আল্লাহরই আনুগত্য করল।} আর তাঁর বিরুদ্ধাচরণ ও অবাধ্যতা সুস্পষ্ট বিভ্রান্তি ও যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির দিকে নিয়ে যায়। ফলে তিনি বলেছেন, {আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্য হয়, সে নিশ্চিতভাবে এক সুস্পষ্ট বিভ্রান্তিতে পতিত হলো।} এবং তিনি বলেছেন, {অতএব যারা তাঁর নির্দেশের বিরুদ্ধাচরণ করে, তারা যেন সতর্ক থাকে যে, তাদের ওপর কোনো ফিতনা বা বিপর্যয় আপতিত হবে অথবা তাদের ওপর যন্ত্রণাদায়ক আজাব নেমে আসবে।} যেহেতু তাঁর আনুগত্য ও অনুসরণ করা ওয়াজিব, তাই প্রত্যেক বিবেকবান ও শরীয়তের বিধানের আওতাভুক্ত ব্যক্তির জন্য তাঁর সহীহ হাদীস এবং দুর্বল বর্ণনার মধ্যে পার্থক্য নিরূপণে সচেষ্ট হওয়া আবশ্যক হয়ে পড়ল। আর এ বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে এবং সন্তোষজনক পথ ও সুপথপ্রাপ্ত ইমামদের নিকট থেকে তাঁর সুন্নাহ ও শরীয়ত আহরণ করতে পূর্ণ শক্তি ব্যয় করা জরুরি হয়ে পড়ল। বর্ণনাকারীদের পরিচয় লাভ করা, তাঁদের অবস্থা ও দ্বীনদারী পরীক্ষা করা এবং গবেষণার মাধ্যমে তাঁদের সত্যবাদিতা ও মিথ্যাচার, নির্ভুলতা ও মুখস্থশক্তি এবং দুর্বলতা, অক্ষমতা ও ভুলভ্রান্তি উন্মোচন করা ছাড়া এই লক্ষ্যে পৌঁছানো অসম্ভব ছিল। এর কারণ হলো, আল্লাহ তাআলা জ্ঞানীদের বিভিন্ন স্তরে বিভক্ত করেছেন এবং তাঁদের একজনকে অন্যজনের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। তিনি যাঁদের উচ্চমর্যাদা দিয়েছেন, তাঁদের নিচের স্তরের লোকদের তুলনায় বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান ও উজ্জ্বল মর্যাদা দিয়ে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করেছেন। সুতরাং এই উচ্চমর্যাদা ও অবস্থানগুলো হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ অনুদান যা তিনি তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট করেছেন, অন্যদের জন্য নয়। তাই তাঁদের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করা এবং তাঁদের অবস্থা অনুসন্ধান করা ওয়াজিব, যাতে প্রত্যেক মর্যাদাবান ব্যক্তিকে তাঁর প্রাপ্য মর্যাদা দেওয়া যায় এবং প্রত্যেককে সেই স্তরে স্থান দেওয়া যায় যে স্তরে আল্লাহ তাঁকে সোপর্দ করেছেন।