(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: -)
نكت الإعراب = قواعد الإعراب ونزهة الطلاب القسم: النحو والصرف
الكتاب: قواعد الإعراب ونزهة الطلاب
المؤلف: جمال الدين أبو محمد عبد الله بن يوسف بن هشام الأنصاري (ت 761 هـ)
المحقق: الشبراوي بن أبي المعاطي المصري الحسني
الناشر: دار الريادة للنشر والتوزيع
الطبعة: الأولى، 1442 هـ - 2021 م
عدد الصفحات: 66
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 16 شوّال 1442
নুকাতুল ই'রাব = কাওয়াইদুল ই'রাব ওয়া নুজহাতুত তুল্লাব বিভাগ: নাহু ও সরফ
গ্রন্থ: কাওয়াইদুল ই'রাব ওয়া নুজহাতুত তুল্লাব
লেখক: জামালুদ্দিন আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ ইবনে ইউসুফ ইবনে হিশাম আল-আনসারি (মৃ. ৭৬১ হি.)
মুহাক্কিক: আশ-শাবরাওয়ি বিন আবিল মাআতি আল-মিসরি আল-হাসানি
প্রকাশক: দারুর রিয়াদাহ পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৪২ হি. - ২০২১ খ্রি.
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৬
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]
শামিলাহ লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১৬ শাওয়াল ১৪৪২
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ৫)
مقدمة
بسم الله الرحمن الرحيم
الحمدُ للهِ ربِّ العالمينَ، وأشْهَدُ أن لا إلهَ إلَّا اللهُ وحدَهُ لا شَريكَ لَهُ، وأشْهَدُ أنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ، صلَّى اللهُ عليهِ وعلى آلِهِ وَصَحْبِهِ وسَلَّمَ تَسليمًا كَثيرًا، أما بعد:
فلا يخفى على مَن له عنايةٌ بالعلمِ الشَّرعيِّ أهميَّةُ مَعْرِفةِ اللُّغةِ العربيَّة؛ وذلك لأنَّ القرآنَ نزلَ بلغةِ العرب، على نبيِّنا مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم وهو عربيٌّ، وقد بلَّغَ رسالةَ ربِّهِ بلسانِ قومِهِ وهم العرب، فلا يُمكنُ أن يتصدَّى لتفسيرِ كتابِ اللهِ مَن يجهلُ العربيَّة، ولا يُمكنُ أن يُبيِّنَ معنى كلامِ النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم مَنْ يجهلُ اللُّغةَ العربيَّة، يقول اللهُ تعالى عن كتابه العزيز: {وَإِنَّهُ لَتَنْزِيلُ رَبِّ الْعَالَمِينَ (192) نَزَلَ بِهِ الرُّوحُ الْأَمِينُ (193) عَلَى قَلْبِكَ لِتَكُونَ مِنَ الْمُنْذِرِينَ (194) بِلِسَانٍ عَرَبِيٍّ مُبِينٍ} [الشعراء: 192 - 195].
وقال عمرُ بنُ الخطابِ رضي الله عنه: «تفقَّهُوا في السُّنَّة، وتفقَّهُوا في العربيَّة، وأعرِبُوا القرآنَ»
(1).
--------------------------------------------
ভূমিকা
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে
সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রাসূল। আল্লাহ তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের ওপর অগণিত সালাত ও সালাম বর্ষণ করুন। অতঃপর:
শরয়ী (الشرعي) জ্ঞানের প্রতি যাদের সামান্যতম অনুরাগ রয়েছে, তাদের কাছে আরবি ভাষা জানার গুরুত্ব কোনো গোপন বিষয় নয়। কারণ, কুরআন আমাদের নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর আরবদের ভাষায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং তিনি একজন আরব ছিলেন। তিনি তাঁর জাতির ভাষা অর্থাৎ আরবিতে তাঁর রবের রিসালাত (رسالة) পৌঁছে দিয়েছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি আরবি সম্পর্কে অজ্ঞ, তার পক্ষে আল্লাহর কিতাবের তাফসির (تفسير) করার প্রয়াস চালানো সম্ভব নয় এবং যে ব্যক্তি আরবি ভাষা জানে না, তার পক্ষে নবী (সা.)-এর বাণীর অর্থ বর্ণনা করাও সম্ভব নয়। মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় কিতাব সম্পর্কে বলেছেন: {নিশ্চয় এটি বিশ্ব জাহানের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ (১৯২) তা নিয়ে অবতরণ করেছেন বিশ্বস্ত রুহ (১৯৩) আপনার অন্তরে, যাতে আপনি সতর্ককারীদের অন্তর্ভুক্ত হন (১৯৪) সুস্পষ্ট আরবি ভাষায় (১৯৫)} [সূরা আশ-শুআরা: ১৯২ - ১৯৫]।
উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: «তোমরা সুন্নাহ (السنة) সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন করো, আরবি ভাষা শেখো এবং কুরআনের ব্যাকরণগত বিশ্লেষণ (إعراب) করো»
(১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ৬)
وقال ابنُ مسعودٍ رضي الله عنه: «أعرِبُوا القرآنَ فإنَّهُ عربيٌّ»
(1).
وقال حمادُ بنُ سلمةَ رحمه الله: «مَثَلُ الذي يَطلُبُ الحديثَ، ولا يعرفُ النَّحْوَ؛ مثلُ الحِمارِ، عليه مخلاةٌ؛ لا شعيرَ فيها»
(2).
وقال ابنُ خلدون رحمه الله: «مأخذُ الأحكامِ الشَّرعيَّةِ كلِّها مِن الكتابِ والسُّنَّة، وهي بلغةِ العرب، ونَقَلَتُها مِن الصَّحابةِ والتَّابعين عربٌ، وشرحُ مُشكِلاتِها من لُغاتِهِم، فلا بدَّ من معرفةِ العلومِ المتعلِّقةِ بهذا اللِّسانِ لمَن أرادَ عِلمَ الشَّريعة»
(3).
ثم قال رحمه الله: «إنَّ الأهمَّ المقدَّمَ منها هو النَّحو؛ إذ به تتبيَّنُ أصولُ المقاصدِ بالدَّلالة، فَيُعْرَفُ الفاعلُ مِن المفعول، والمبتدأُ مِن الخبر، ولَوْلاهُ لجُهِلَ أصلُ الإفادة»
(4).
ولما كان علمُ النحوِ بهذه المنزلةِ صُنِّفَتْ فيه التَّصَانِيف، وأُلِّفَتْ فيه التَآلِيف؛ فمن مُقِلٍّ ومُسْتَكْثِر، ومِن هذه المُصنفات هذه الرسالةُ «قواعد الإعراب، ونزهة الطلاب»، وتُعْرَفُ بـ «القواعد
--------------------------------------------
এবং ইবনে মাসউদ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেন: «তোমরা কুরআনকে শুদ্ধভাবে (ইররাবসহ) পাঠ করো, কারণ এটি আরবি ভাষায়»
(১)।
হাম্মাদ বিন সালামাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন: «যে ব্যক্তি হাদিস অন্বেষণ করে কিন্তু নাহু (ব্যাকরণ) জানে না, তার উদাহরণ হচ্ছে ঐ গাধার মতো যার পিঠে খাদ্যের থলে রয়েছে কিন্তু তাতে কোনো যব নেই»
(২)।
ইবনে খালদুন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন: «সমস্ত শরয়ী বিধানের উৎস হলো কিতাব ও সুন্নাহ, আর এগুলো আরবি ভাষায়। আর এর বর্ণনাকারীগণ—যাঁরা হলেন সহাবাগণ ও তাবিঈগণ—তাঁরা ছিলেন আরব। এর কঠিন বিষয়গুলোর ব্যাখ্যাও তাঁদের ভাষার আলোকে। সুতরাং যে ব্যক্তি শরীয়তের ইলম অর্জন করতে চায়, তার জন্য এই ভাষার সাথে সংশ্লিষ্ট ইলমসমূহ জানা অপরিহার্য»
(৩)।
অতঃপর তিনি (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন: «নিশ্চয়ই এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও অগ্রগণ্য হলো নাহু; কারণ এর মাধ্যমেই অর্থের মৌলিক উদ্দেশ্যগুলো স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয়। এর মাধ্যমে ফায়েল (কর্তা) ও মাফউল (কর্ম) এবং মুবতাদা ও খবরের পার্থক্য বোঝা যায়। এটি না থাকলে অর্থ প্রদানের মূল ভিত্তিই অজানা থেকে যেত»
(৪)।
যেহেতু নাহু শাস্ত্র এই উচ্চ মর্যাদার অধিকারী, তাই এই বিষয়ে প্রচুর গ্রন্থ ও সংকলন রচিত হয়েছে; কেউ সংক্ষিপ্ত করেছেন আবার কেউ বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। আর এসকল সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হলো এই রিসালাহ (ক্ষুদ্র পুস্তিকা) «কাওয়াইদুল ইরাব ওয়া নুজহাতুত তুল্লাব», যা «আল-কাওয়াইদ» নামে পরিচিত
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ৭)
الصُّغْرَى»؛ فإنَّ ابنَ هشامٍ رحمه الله له كتابٌ لطيفٌ يقالُ له -أيضًا-: «الإعراب عن قواعد الإعراب»؛ كان لبنةً أُولى لكتابه الفريد «مغني اللبيب عن كتب الأعاريب»، فقد قال في مقدمته: «وممَّا حثَّنِي على وضعِهِ أنَّنِي لمَّا أنشأتُ في معناهُ المُقَدِّمَةَ الصُّغْرَى المُسَمَّاة بـ (الإعراب عن قواعدِ الإعراب)؛ حَسُنَ وَقْعُهَا عِنْدَ أُولِي الألباب، وسار نَفْعُهَا في جماعةِ الطُّلَّاب»
(1).
ثم إنَّه رحمه الله اختصر «الإعراب عن قواعد الإعراب» في هذا الكتاب، ولشدَّةِ التشابُهِ بينهما، مع شهرةِ الأصلِ دونَ المختصر؛ التبس أمرُهُما على البعضِ، فَظَنَّ أنهما كتابٌ واحد، وفرَّق بعضُهُم وهو الصواب؛ لوجودِ اختلافٍ يسيرٍ بينهما.
فالكتابُ الأوَّلُ فيه أربعةُ أبواب: «بابٌ في الجملةِ وأحكامِها»، و «بابٌ في الجارِّ والمجرورِ»، و «بابٌ في تفسيرِ كلماتٍ يحتاجُ إليها المُعْرِبُ»، و «بابٌ في الإشارةِ إلى عباراتٍ مُحَرَّرَةٍ مستوفاةٍ موجزة».
بينما المختصرُ فيه ثلاثةُ أبوابٍ: «بابٌ في الجملةِ وأحكامِها»، و «بابٌ في الظرفِ والجارِّ والمجرورِ»، و «بابٌ فيما يُقالُ عند ذكْرِ أدواتٍ يكثرُ دورانُها في الكلامِ».
وأمَّا قول ابن هشام السابق: «لمَّا أنشأتُ في معناهُ المقدمةَ الصغرى المسماة: بـ (الإعراب عن قواعد الإعراب
… )» إلخ، فهو
--------------------------------------------
'ক্ষুদ্রতর (صغرى)'; কারণ ইবনে হিশাম রহিমাহুল্লাহ (رحمه الله)-এর একটি চমৎকার গ্রন্থ রয়েছে যাকে 'আল-ইরাব আন কাওয়ায়িদিল ইরাব'ও বলা হয়। এটি ছিল তাঁর অনন্য গ্রন্থ 'মুগনি আল-লাবিব আন কুতুবিল আ'আরিব'-এর প্রাথমিক ভিত্তি। তিনি এর ভূমিকা (مقدمة)-তে বলেছেন: "এটি রচনার পেছনে আমাকে যা উৎসাহিত করেছে তা হলো, আমি যখন একই বিষয়ে 'আল-মুকাদ্দিমাতুস সুগরা' নামক ক্ষুদ্রতর (صغرى) ভূমিকা (مقدمة) রচনা করি—যার নাম ছিল 'আল-ইরাব আন কাওয়ায়িদিল ইরাব'—তখন তা প্রাজ্ঞ ব্যক্তিদের নিকট সমাদৃত হয় এবং শিক্ষার্থী মহলে এর উপকারিতা ছড়িয়ে পড়ে।"
(১).
অতঃপর তিনি রহিমাহুল্লাহ (رحمه الله) এই গ্রন্থে 'আল-ইরাব আন কাওয়ায়িদিল ইরাব'-কে সংক্ষেপিত (مختصر) করেছেন। উভয় গ্রন্থের মধ্যে প্রবল সাদৃশ্য থাকার কারণে এবং সংক্ষেপিত (مختصر) রূপটির তুলনায় মূল (أصل) গ্রন্থটি অধিক প্রসিদ্ধ হওয়ায় কারো কারো কাছে বিষয়টি অস্পষ্ট হয়ে যায়; ফলে তারা মনে করেন যে এ দুটি একই বই। তবে কেউ কেউ এ দুটির মধ্যে পার্থক্য করেছেন এবং এটিই সঠিক; কারণ এ দুটির মধ্যে সামান্য পার্থক্য বিদ্যমান।
প্রথম গ্রন্থটিতে চারটি অধ্যায় (باب) রয়েছে: ‘বাক্য ও তার বিধান বিষয়ক অধ্যায় (باب)’, ‘জার ও মাজরুর বিষয়ক অধ্যায় (باب)’, ‘বিশ্লেষণকারীর প্রয়োজনীয় শব্দাবলির ব্যাখ্যা বিষয়ক অধ্যায় (باب)’ এবং ‘পরিশোধিত, পূর্ণাঙ্গ ও সংক্ষিপ্ত পরিভাষাগুলোর প্রতি ইঙ্গিত প্রদান বিষয়ক অধ্যায় (باب)’।
পক্ষান্তরে, সংক্ষেপিত (مختصر) গ্রন্থটিতে তিনটি অধ্যায় (باب) রয়েছে: ‘বাক্য ও তার বিধান বিষয়ক অধ্যায় (باب)’, ‘জরফ এবং জার ও মাজরুর বিষয়ক অধ্যায় (باب)’ এবং ‘কথোপকথনে বহুল ব্যবহৃত অব্যয়সমূহের বর্ণনায় যা বলা হয় সে বিষয়ক অধ্যায় (باب)’।
আর ইবনে হিশামের পূর্বোক্ত বক্তব্য: "আমি যখন একই বিষয়ে 'আল-মুকাদ্দিমাতুস সুগরা' নামক ক্ষুদ্রতর (صغرى) ভূমিকা (مقدمة) রচনা করি যার নাম: 'আল-ইরাব আন কাওয়ায়িদিল ইরাব ... '" ইত্যাদি (إلخ), তা হলো—
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ৮)
يشيرُ إلى أنَّها صُغْرَى إذَا ما قُورِنَتْ بـ «مغني اللبيب»، وكذا عندما يُطْلِقُ عليها بعضُ النُّحَاة: «القواعد الصغرى»؛ يريدُ هذا المعنى، والله أعلم
(1).
وقد نصَّ ابنُ هشامٍ أيضًا في مُقَدَّمَةِ «القواعد الصغرى»، على أنَّهُ اختصرها مِن «الإعراب عن قواعد الإعراب»، فقال رحمه الله: «هذه نكتٌ يسيرةٌ اختصرتُها مِن (قواعد الإعراب)؛ تسهيلًا على الطُّلَّاب، وتقريبًا على أولي الألباب»
(2).
ولذلك تُعرفُ هذه الرسالةُ أيضًا بـ «نكت الإعراب»، و «نكت ابن هشام»، وهي رسالةٌ صغيرةُ الجِرْمِ، غزيرةُ العِلمِ، تَعَرَّضَ فيها ابنُ هشامٍ رحمه الله لمسائلَ في غايةِ الأهمية، فبدأ بتعريفِ الجُملةِ، وأنها على نوعين: اسميَّة وفعليَّة، ثم بَيَّنَ أنها تنقسمُ إلى قسمين: صُغْرى وكُبْرَى، ثُمَّ بَيَّنَ ما له محل من الإعرابِ، وما ليس له محل من الإعراب من هذه الجمل، ثم بَيَّنَ حُكْمَ الجُملةِ إذا جاءت بعدَ النكراتِ، وحُكمها إذا جاءت بعدَ المعارف، ثم تكلَّم بعد ذلك عن شِبْهِ الجُملة؛ سواءٌ كان ظرفًا أو جارًّا ومجرورًا، وبيَّن أنَّه لا بُدَّ من تعلُّقِهما بفعلٍ، أو بما في معناهُ، ثم بين ما يُستثنى من حروفِ الجرِّ التي لا تتعلقُ بشيءٍ، ثم بيَّن بعد ذلك أيضًا حكمهما بعدَ النكرة وحكمهما بعد المعرفةِ، ثم تكلم عن أدواتٍ يكثرُ دورانها في الكلامِ، كل هذا بأسلوبٍ سهلٍ يسير، وبجُمَلٍ قصيرة، سهلةِ
--------------------------------------------
এটি নির্দেশ করে যে, ‘মুগনি আল-লাবিব’-এর সাথে তুলনা করলে এটি ক্ষুদ্রতর (صغرى); আর একইভাবে যখন কিছু ব্যাকরণবিদ (النحاة) একে ‘আল-কাওয়াইদ আস-সুগরা’ নামে অভিহিত করেন, তখন তারা এই অর্থই উদ্দেশ্য করেন, আল্লাহই ভালো জানেন
(1).
ইবনে হিশাম ‘আল-কাওয়াইদ আস-সুগরা’-এর ভূমিকায় আরও উল্লেখ করেছেন যে, তিনি একে ‘আল-ই’রাব আন কাওয়াইদিল ই’রাব’ থেকে সংক্ষিপ্ত করেছেন। তিনি (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন: “এগুলো কিছু সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ (نكت), যা আমি শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ করতে এবং জ্ঞানীদের নিকটবর্তী করতে (কাওয়াইদ আল-ই’রাব) থেকে সংক্ষিপ্ত করেছি”
(2).
এ কারণে এই পুস্তিকাটি ‘নুকাাতুল ই’রাব’ এবং ‘নুকাাতু ইবনি হিশাম’ নামেও পরিচিত। এটি কলেবরে ছোট হলেও জ্ঞানে সমৃদ্ধ একটি পুস্তিকা। এতে ইবনে হিশাম (রাহিমাহুল্লাহ) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বাক্যের (الجملة) সংজ্ঞা দিয়ে শুরু করেছেন এবং দেখিয়েছেন যে বাক্য দুই প্রকার: বিশেষ্যমূলীয় (اسمية) ও ক্রিয়ামূলীয় (فعلية)। এরপর তিনি স্পষ্ট করেছেন যে এটি দুই ভাগে বিভক্ত: ক্ষুদ্র (صغرى) ও বৃহৎ (كبرى)। পরবর্তীতে তিনি এই বাক্যগুলোর মধ্যে যেগুলোর ব্যাকরণিক অবস্থান (محل من الإعراب) আছে এবং যেগুলোর ব্যাকরণিক অবস্থান নেই, তা বর্ণনা করেছেন। অতঃপর তিনি অনির্দিষ্ট বিশেষ্যের (النكرات) পরে এবং নির্দিষ্ট বিশেষ্যের (المعارف) পরে বাক্য আসার বিধান (حكم) বর্ণনা করেছেন। এরপর তিনি খণ্ডবাক্য (شبه الجملة) সম্পর্কে আলোচনা করেছেন; তা ক্রিয়া-বিশেষণ (ظرف) হোক বা অব্যয় ও অন্বয়ী শব্দ (جار ومجرور) হোক। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এগুলোর কোনো ক্রিয়া বা ক্রিয়ার অর্থবোধক শব্দের সাথে সংশ্লিষ্ট (تعلُّق) হওয়া আবশ্যক। এরপর তিনি এমন অব্যয়গুলো (حروف الجر) বর্ণনা করেছেন যা কোনো কিছুর সাথে সংশ্লিষ্ট হয় না। অতঃপর তিনি অনির্দিষ্ট বিশেষ্য ও নির্দিষ্ট বিশেষ্যের পরে এগুলোর বিধান বর্ণনা করেছেন। সবশেষে তিনি এমন কিছু উপকরণ (أدوات) নিয়ে আলোচনা করেছেন যা বাক্যে প্রচুর ব্যবহৃত হয়। এই সব কিছুই তিনি অত্যন্ত সহজ-সরল পদ্ধতিতে এবং ছোট ও সহজ বাক্যে পেশ করেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ৯)
التناول، خاليةٍ من التعقيد، معتمدًا في أغلبِ الشواهدِ على آياتٍ مِن القرآنِ الكريم.
وهذه الرسالة مع صِغَرِ حجمها مفيدةٌ جِدًّا، فهي تُدَرِّبُ الطالبَ على الإعرابِ المفصَّل للمفردات والجمل؛ لتتكونَ عِنده المَلَكَةُ الإعرابية، فغالبُ الطُّلَّابِ يُجِيدُون إعرابَ المفردات، ولا يُجِيدُون إعرابَ الجُمَل؛ إذا كان لها مَحَلٌّ مِن الإعراب؛ بل قد لا يُمَيِّزُونَ بين ما له محلٌّ من الإعرابِ وما ليس له مَحَلٌّ من الإعراب، وكذلك لا يجيدون إعرابَ أشباهِ الجمل، ولا ما تتعلق به، وذلك لأنه في أغلبِ المدارسِ النظاميَّة يأتون بكلماتٍ تطبيقيَّةٍ على الدروسِ للإعراب، ويكونُ السؤال: «أعربْ ما تحته خط»، أو: «أعربْ ما بين القوسين»، وهذا لا يبني عِند الطالبِ مَلَكَةً نحويَّة، وإنَّما يبني الملكةَ النَّحويَّةَ إعرابُ الفقراتِ كاملة؛ لأنَّ ذلك يُمَثِّلُ سياقاتٍ لُغَوِيَّةً طبعية؛ لا تَكونُ مصنوعةً لغرضِ الإعرابِ فقط، فيتعاملُ الطَّالبُ مع أساليبَ لُغَوِيَّةٍ في بيئتِها، فيصادفُ جميعَ الأشكالِ التَّعبيريَّة لتقلُّباتِ الكلامِ في الجمل؛ مِن تقديمٍ وتأخيرٍ، وحذفٍ وذِكرٍ، وإضمارٍ وإظهارٍ
… إلخ، فإذا اعتاد الطالبُ ذلك وألِفَهُ تكوَّنت عِنده الملكةُ النحويَّة التي يستطيعُ أن يُعرب بها ما شاء من آياتِ القرآنِ الكريم، أو أحاديثِ النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم، أو أشعارِ العربِ ونثرِهم، أو غير ذلك، كما يجبُ الإكثارُ مِن التَّمريناتِ التي يُطَالَبُ فيها الطالبُ بتكوين جُمَلٍ على قواعدَ خاصَّة، فإنَّ هذه التمريناتِ أنفعُ في دفعِ الطلبة إلى التَّفكير، وأجدى في تربية مَلَكَةِ الإنشاءِ عندهم أيضًا.
সহজবোধ্য, জটিলতামুক্ত এবং অধিকাংশ উদাহরণের ক্ষেত্রে পবিত্র কুরআনের আয়াতের ওপর নির্ভরশীল।
এই পুস্তিকাটি আকারে ক্ষুদ্র হওয়া সত্ত্বেও অত্যন্ত উপকারী; এটি শিক্ষার্থীকে শব্দ এবং বাক্যের বিস্তারিত ব্যাকরণিক বিশ্লেষণের বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়, যাতে তার মাঝে ব্যাকরণিক পারদর্শিতা তৈরি হয়। অধিকাংশ শিক্ষার্থী একক শব্দের ব্যাকরণিক বিশ্লেষণে পারদর্শী হলেও বাক্যের বিশ্লেষণে পারদর্শী নয়—বিশেষ করে যখন বাক্যের কোনো ব্যাকরণিক স্থান থাকে। এমনকি তারা ব্যাকরণিক স্থান থাকা এবং না-থাকা বাক্যের মধ্যে পার্থক্য করতে পারে না। একইভাবে তারা উপ-বাক্য এবং তার সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশ্লেষণেও দক্ষ নয়। এর কারণ হলো, অধিকাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিদ্যালয়ে পাঠের প্রয়োগ হিসেবে কিছু শব্দ উপস্থাপন করা হয় এবং প্রশ্ন করা হয়: «নিম্নরেখ শব্দটির বিশ্লেষণ করো» অথবা «বন্ধনীভুক্ত শব্দটির বিশ্লেষণ করো»; এটি শিক্ষার্থীর মাঝে ব্যাকরণিক পারদর্শিতা তৈরি করে না। বরং পূর্ণাঙ্গ অনুচ্ছেদের বিশ্লেষণই ব্যাকরণিক পারদর্শিতা গড়ে তোলে; কারণ তা ভাষার স্বাভাবিক প্রেক্ষাপটকে উপস্থাপন করে, যা কেবল ব্যাকরণিক বিশ্লেষণের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়নি। এর ফলে শিক্ষার্থী ভাষাগত শৈলীগুলোকে তার আপন পরিবেশে মোকাবিলা করে এবং বাক্যের বিবিধ রূপান্তর—যেমন শব্দের আগে-পিছে আসা, ঊহ্য থাকা বা উল্লিখিত হওয়া এবং প্রচ্ছন্ন বা প্রকাশ্য হওয়া
... ইত্যাদি পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়। যখন শিক্ষার্থী এতে অভ্যস্ত ও পরিচিত হয়ে উঠবে, তখন তার মাঝে এমন ব্যাকরণিক পারদর্শিতা তৈরি হবে যা দিয়ে সে পবিত্র কুরআনের আয়াত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদিস, আরবদের কবিতা ও গদ্য অথবা অন্য যা কিছু ইচ্ছা বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি এমন অনুশীলনীও বৃদ্ধি করা আবশ্যক যেখানে শিক্ষার্থীকে নির্দিষ্ট নিয়মের ভিত্তিতে বাক্য গঠন করতে বলা হয়। কেননা এই ধরণের অনুশীলনী শিক্ষার্থীদের চিন্তাশক্তি বৃদ্ধিতে অধিক ফলপ্রসূ এবং তাদের মাঝে সৃজনশীল রচনাশৈলীর পারদর্শিতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও অধিক কার্যকর।
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ১০)
هذا وقد استخرتُ اللهَ تعالى في إخراجِ هذه الرسالة، حُبًّا ورغبةً في خِدمةِ طلبةِ العلم، وإعانةً لهم على الخير؛ بعد ما أهدى إليَّ بعضُ الإخوةِ نسخةً خطيَّةً للكتاب، أسألُ اللهَ تعالى أنْ يجزيَهُ خيرًا، وأنْ يجعلَ ذلك في ميزانِ حسناتِه.
وقد قمتُ بإعرابِ جميعِ الشواهدِ التي استشهد بها ابنُ هشامٍ رحمه الله تدريبًا لطلاب العلم على الإعراب، ولتقوية الملكةِ الإعرابيَّةِ عندهم.
أسأل الله تعالى أن يجعلَ جميعَ أعمالِنا صالحة، ولوجهِهِ خالصة؛ إنه بِكُلِّ جميلٍ كفيل، وهو حَسْبُنَا ونِعْمَ الوكيل، وصلى اللهُ وسلَّم وبارك على نبيِّنا محمد، وعلى آله وصحبه أجمعين.
كتبه
الشبراوي بن أبي المعاطي المصري الحسني
السنبلاوين - دقهلية - بمصر
আমি এই পুস্তিকাটি প্রকাশের বিষয়ে আল্লাহ তায়ালার নিকট ইস্তিখারা করেছি। ইলম অন্বেষণকারীদের খিদমত এবং তাদের কল্যাণে সহায়তা করার তামান্না ও ভালোবাসা থেকেই আমি এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি; বিশেষত জনৈক ভাই কিতাবটির একটি হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপি (نسخة خطية) আমাকে উপহার দেওয়ার পর। আমি মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন তাকে উত্তম প্রতিদান দান করেন এবং একে তার নেক আমলের পাল্লায় শামিল করেন।
আমি ইবনে হিশাম (রহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক উপস্থাপিত সকল প্রামাণ্য উদ্ধৃতির (شواهد) ইরাব (ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ) সম্পন্ন করেছি, যাতে ইলম অন্বেষণকারীরা ইরাব চর্চা করতে পারে এবং তাদের মাঝে ব্যাকরণিক পারদর্শিতা সুদৃঢ় হয়।
আমি মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের সকল কাজকে নেক আমল হিসেবে কবুল করেন এবং তা যেন একমাত্র তাঁরই সন্তুষ্টির জন্য একনিষ্ঠ হয়। নিশ্চয়ই তিনি সকল কল্যাণের যিম্মাদার, তিনিই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং কতই না চমৎকার কর্মবিধায়ক। আর আল্লাহর রহমত, শান্তি ও বরকত বর্ষিত হোক আমাদের নবী মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ এবং সকল সাহাবীর ওপর।
এটি লিখেছেন
আশ-শাবরাবি বিন আবিল মাআতি আল-মিসরি আল-হাসানি
সানবালাওয়াইন - দাকাহলিয়া - মিশর
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ১১)
ترجمة المصنف
اسمه ولقبه وكنيته ونسبه:هو جمالُ الدِّينِ أبو مُحَمَّدٍ عبدُ اللهِ بنُ يوسفَ بنِ أحمدَ بنِ عبدِ اللهِ بنِ هشامٍ الأنصاريُّ المصريُّ.
مولده ونشأته وطلبه للعلم:وُلِدَ أبو محمدٍ رحمه الله بالقاهرةِ في ذِي القعدة، سنةَ (708 هـ)، ومِن ثَمَّ تَرَعْرَعَ فيها، وشَبَّ مُحِبًّا للعلمِ والعلماء، فأخذ عن الكثيرين منهم، ولازم بعضًا مِن الأدباءِ والفضلاء، ومِن هؤلاء: شمسُ الدِّينِ ابنُ السَّراج، وشهابُ الدِّينِ ابنُ المرحل، وسمَّع «ديوان زهير بن أبي سلمى» على أبي حيَّان الأندلسيِّ، ولم يلازمْهُ، ولا قرأ عليه غيره، وحضر دروسَ تاجِ الدِّينِ التَّبْرِيزِي، وقرأ على تاجِ الدِّينِ الفاكهاني «شرح الإشارة» له؛ إلَّا الورقة الأخيرة، وحدَّث عن ابنِ جماعةَ بـ «الشاطبية»، وتفقَّهَ على المذهبِ الشَّافعي، ثم تَحَنْبَلَ، فحفظ «مختصر الخرقي»؛ قُبَيْلَ وفاته بخمسِ سنين، وكان مع ذلك صبورًا في طلبِ العلمِ مداوِمًا عليه حتَّى آخر حياته، وكان رحمه الله يقول:
وَمَنْ يَصْطَبِرْ لِلْعِلْمِ يَظْفَرْ بِنَيْلِهِ
… وَمَنْ يَخْطِبِ الْحَسْنَاءَ يَصْبِرْ عَلَى الْبَذْلِ
وَمَنْ لَا يُذِلَّ النَّفْسَ فِي طَلَبِ الْعُلَا
… يَسِيرًا يَعِشْ دَهْرًا طَوِيلًا أَخَا ذُلِّ
গ্রন্থকারের পরিচিতিতাঁর নাম, উপাধি, কুনিয়াত (উপনাম) ও বংশপরিচয়:তিনি হলেন জামালুদ্দীন আবু মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ ইবনে ইউসুফ ইবনে আহমাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে হিশাম আল-আনসারী আল-মিসরী।
তাঁর জন্ম, লালন-পালন ও জ্ঞানার্জন:আবু মুহাম্মাদ (রহিমাহুল্লাহ) ৭০৮ হিজরি সনের যিলকদ মাসে কায়রোতে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই বেড়ে ওঠেন। তিনি ইলম ও ওলামাদের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে যৌবনে পদার্পণ করেন এবং তাঁদের অনেকের কাছ থেকে জ্ঞান অর্জন করেন। তিনি বেশ কিছু সাহিত্যিক ও গুণী ব্যক্তির সান্নিধ্য লাভ করেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন: শামসুদ্দীন ইবনুল সাররাজ এবং শিহাবুদ্দীন ইবনুল মুরাল। তিনি আবু হাইয়ান আল-আন্দালুসী-এর নিকট 'দিওয়ানু জুহাইর ইবনে আবি সুলমা' শ্রবণ (سمع) করেন; তবে তিনি তাঁর দীর্ঘস্থায়ী সান্নিধ্যে ছিলেন না এবং এটি ব্যতীত অন্য কিছু তাঁর কাছে পাঠ করেননি। তিনি তাজউদ্দীন আত-তাবরিযী-এর পাঠদানে উপস্থিত হতেন এবং তাজউদ্দীন আল-ফাকিহানী-এর নিকট তাঁর রচিত 'শারহুল ইশারা' পাঠ করেন; তবে শেষ পৃষ্ঠাটি ব্যতীত। তিনি ইবনে জামাআহ থেকে 'আশ-শাতিবিয়্যাহ' বর্ণনা (حدث) করেছেন। তিনি শাফেয়ী মাজহাব অনুযায়ী ফিকহ অধ্যয়ন করেন, পরবর্তীতে হাম্বলী মাজহাব গ্রহণ করেন এবং তাঁর মৃত্যুর পাঁচ বছর পূর্বে 'মুখতাসারুল খিরাকী' মুখস্থ করেন। পাশাপাশি তিনি জ্ঞানার্জনে অত্যন্ত ধৈর্যশীল ছিলেন এবং জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ইলম চর্চায় নিরন্তর রত ছিলেন। তিনি (রহিমাহুল্লাহ) বলতেন:
যে ইলমের জন্য ধৈর্য ধারণ করে, সে তা লাভে সফল হয়; আর যে রূপসীর পাণিপ্রার্থনা করে, সে (মোহরানা) ব্যয়ে ধৈর্য ধরে।
… যে ব্যক্তি উচ্চ মর্যাদা লাভের অন্বেষায় সামান্য সময়ও নিজেকে বিনীত করতে পারে না, সে সারা জীবন হীনতা ও লাঞ্ছনার সাথে অতিবাহিত করে।
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ১২)
تلاميذه، ومن أخذ عليه العلم:قال السُّيُوطي رحمه الله: «وتَخَرَّجَ به جماعةٌ مِن أهلِ مصر وغيرهم، وتصدَّر لنفعِ الطالبين»، ومِمَّن تتلمذ عليه: نورُ الدِّينِ عليُّ بنُ أبي بكرِ بنِ أحمدَ البالسي، ومجدُ الدين محمد بن محمد بن إبراهيم البلبيسي، ومحمدُ بنُ أحمدَ بن عبد العزيز النُّوَيْرِي، وإبراهيمُ بنُ محمدِ بنِ عبدِ الرحيمِ اللخميُّ الشافعي، وجلالُ بنُ أحمدَ بنِ يوسفَ الثيريُّ المعروف بالتباني، وولده مُحِبُّ الدِّينِ محمدُ بنُ عبدِ الله بنِ يوسفَ، وإبراهيمُ بنُ محمدِ بنِ عثمانَ بنِ إسحاقَ الدجوي، وغيرُهم كثير.
منزلته العلمية:أتقن ابنُ هشامٍ رحمه الله العربية، وتخصَّصَ في النَّحوِ وكان يَمْلِكُ فيه عبقرية؛ فاقَ بها أقرانَه وشيوخَه ومعاصريه، وكان لكتابيه: «مغني اللبيب عن كتب الأعاريب»، و «أوضح المسالك إلى ألفية ابن مالك»؛ صدى في النفوس، ونال بهما منزلةً عاليةً لدى العلماءِ والأدباء.
قال عنه السُّيوطي رحمه الله: «وانفرد بالفوائدِ الغريبةِ، والمباحثِ الدقيقةِ، والاستدراكاتِ العجيبةِ، والتحقيقِ البارعِ، والاطلاعِ المفرطِ، والاقتدارِ على التَّصَرُّفِ في الكلام، والملكة التي كان يتمكنُ مِن التعبيرِ بها عن مقصودِه بما يريد، مُسْهِبًا ومُوجِزًا؛ مع التواضعِ والبرِّ والشَّفَقَةِ ودماثَةِ الخُلقِ ورقَّةِ القلب، قال ابن خلدون: ما زلنا ونحن بالمغربِ نسمعُ أنَّهُ ظهرَ بمصرَ عالمٌ بالعربيَّةِ يُقالُ له ابنُ هشام أنحَى مِن سيبويه، وكان كثيرَ المخالفةِ لأبي حيانَ، شديدَ الانحرافِ عنه».
তাঁর ছাত্রবৃন্দ এবং যারা তাঁর নিকট থেকে জ্ঞান অর্জন করেছেন:ইমাম সুয়ূতী (রহ.) বলেন: «মিশর ও অন্যান্য অঞ্চলের একদল আলেম তাঁর নিকট শিক্ষা সমাপ্ত করেছেন এবং তিনি শিক্ষার্থীদের উপকারের জন্য নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন», তাঁর কাছে যারা শিষ্যত্ব গ্রহণ করেছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন: নূরুদ্দীন আলী বিন আবি বকর বিন আহমদ আল-বালিসী, মাজদুদ্দীন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-বিলবিসী, মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আব্দুল আজিজ আন-নুওয়াইরী, ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহিম আল-লাখমী আশ-শাফিঈ, জালাল বিন আহমদ বিন ইউসুফ আস-সাইরী (যিনি আত-তাব্বানী নামে পরিচিত), তাঁর পুত্র মুহিব্বুদ্দীন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইউসুফ, ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ বিন উসমান বিন ইসহাক আদ-দাজভী এবং আরও অনেকে।
তাঁর ইলমী মর্যাদা:ইবনে হিশাম (রহ.) আরবি ভাষায় পূর্ণ ব্যুৎপত্তি অর্জন করেছিলেন এবং নাহু (ব্যাকরণ) শাস্ত্রে বিশেষজ্ঞ ছিলেন। এই শাস্ত্রে তাঁর অসাধারণ প্রতিভা ছিল; যার মাধ্যমে তিনি তাঁর সমসাময়িকদের, শিক্ষকদের এবং সমকালীন আলেমদের ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর রচিত ‘মুগনী আল-লাবিব আন কুতুবিল আ’রিব’ এবং ‘আওদাহুল মাসালিক ইলা আলফিয়্যাতি ইবনি মালিক’ গ্রন্থ দু’টি জনমনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল এবং এগুলোর মাধ্যমে তিনি ওলামা ও সাহিত্যিকদের নিকট উচ্চ মর্যাদা লাভ করেছিলেন।
ইমাম সুয়ূতী (রহ.) তাঁর সম্পর্কে বলেন: «তিনি বিরল তথ্যাবলি, সূক্ষ্ম আলোচনা, বিস্ময়কর সংশোধনী, নিপুণ গবেষণা, অগাধ পাণ্ডিত্য এবং বক্তব্যের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রাখার ক্ষেত্রে অনন্য ছিলেন। তাঁর এমন এক স্বভাবজাত যোগ্যতা ছিল যার মাধ্যমে তিনি নিজের উদ্দেশ্য অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত বা বিস্তারিতভাবে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারতেন; এর সাথে তাঁর মধ্যে ছিল বিনয়, সদাচার, দয়া, চারিত্রিক মাধুর্য ও কোমল হৃদয়। ইবনে খালদুন বলেন: আমরা মাগরিবে (উত্তর আফ্রিকা) থাকাকালীন শুনতাম যে, মিশরে আরবি ভাষার এমন এক পণ্ডিতের আবির্ভাব ঘটেছে যাকে ইবনে হিশাম বলা হয় এবং তিনি সিবওয়াইহ-এর চেয়েও বড় নাহুবিদ (ব্যাকরণবিদ)। তিনি আবু হাইয়ানের সাথে অনেক বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করতেন এবং তাঁর প্রতি অত্যন্ত বিমুখ ছিলেন»।
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ১৩)
وقال عنه يوسفُ بنُ الحسن الصالحي الحنبلي رحمه الله: «فصيحُ زمانه، وسيبويه أيَّامِه، صاحبُ المَعْرِفَةِ التَّامَةِ فى النحوِ واللغةِ والإعرابِ والقراءاتِ والحديثِ والفقهِ وغيرِ ذلك، وكان إمامًا فى العربيَّة، لم يُرَ مثله، وصنَّف كتاب «المغني» لم يصنَّف فى النَّحوِ مثله».
وقال الصَّفَدِيُّ رحمه الله: «الشيخُ الإمامُ العالمُ العلَّامةُ، حُجَّةُ العرب، أفضلُ المتأخرين، جمالُ الدين، أبو محمدٍ الأنصاريُّ الحنبليُّ المصريُّ، شيخُ النحو، ومَن قام في أمرِهِ بالإثباتِ والمَحْو، أظهرَ فيه الإبداعَ وصَنَّف، وقَرَّطَ الأسماعَ وشَنَّف، ونظر ودقَّق، وتعمَّدَ لَأَنْ تَعَمَّقَ وَحَقَّق، وناقضَ شيخَنَا أثيرَ الدِّينِ وحَجَّه، وعَدَلَ بمذاهِبِهِ عَنِ المَحَجَّة، وكاد يُمِيتُ ذِكْرَ أبي حيَّان، ويُرْدِي كُلَّ مَن جاءَ مِن جَيَّان، فلو عاصره سيبويه لحاكمَ الكِسَائِيَّ إليه، وفَصَلَ أمرَ المسألةِ الزُّنبُورِيَّةِ بينَ يدَيْه».
وقال أبو المحاسنِ يوسفُ بنُ تَغْرِي بردي رحمه الله: «كان بارعًا فى عدَّةِ علوم، لا سيما العربيَّة، فإنَّهُ كان فارسها، ومالك زمامها، وهو صاحبُ الشرحِ على ألفيةِ ابنِ مالكٍ فى النحو؛ المسمَّى بـ (التوضيح)، و (شرح البردة) و (شرح بانت سعاد)، وكتاب (المغني)، وغير ذلك».
مصنفاته:لابن هشام مصنفات كثيرة منها:
1 - «الإعراب عن قواعد الإعراب».
2 - «الألغاز النحوية».
ইউসুফ বিন হাসান আস-সালিহি আল-হাম্বলি (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর সম্পর্কে বলেছেন: "তিনি ছিলেন তাঁর সময়ের শ্রেষ্ঠ বাগ্মী এবং তাঁর যুগের সিবওয়াই। তিনি নাহু (ব্যাকরণ), লুগাত (অভিধান), ইরাব (বাক্য বিশ্লেষণ), কিরাত, হাদিস, ফিকহ এবং অন্যান্য বিষয়ে পূর্ণ জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন। তিনি আরবি ভাষায় একজন ইমাম (إمام) ছিলেন, যাঁর সমকক্ষ কাউকে দেখা যায়নি। তিনি 'আল-মুগনি' নামক গ্রন্থটি রচনা করেছেন, যার মতো আর কোনো গ্রন্থ নাহু শাস্ত্রে রচিত হয়নি।"
আস-সাফাদি (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: "তিনি হলেন শাইখ, ইমাম (إمام), বিজ্ঞ আলিম (عالم), আল্লামা (علامة), আরবদের অকাট্য প্রমাণ (حجة), পরবর্তী যুগের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব, জামালুদ্দিন আবু মুহাম্মদ আল-আনসারি আল-হাম্বলি আল-মিসরি। তিনি ছিলেন নাহু শাস্ত্রের প্রধান শাইখ; তিনি এই শাস্ত্রের বিধিবব্ধকরণ ও সংস্কারে অনন্য ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি এতে সৃজনশীলতা প্রদর্শন করেছেন ও গ্রন্থ রচনা করেছেন এবং পাঠকদের কর্ণকুহরকে তৃপ্ত ও বিমোহিত করেছেন। তিনি গভীর পর্যালোচনা ও সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ করেছেন এবং অত্যন্ত গভীর জ্ঞান ও সত্য উদ্ঘাটনের সংকল্প করেছেন। তিনি আমাদের শাইখ আসিরুদ্দিনের বিরোধিতা করেছেন এবং দালিলিক বিচারে তাঁকে নিরুত্তর করেছেন এবং তাঁর মতামতসমূহকে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত প্রমাণ করেছেন। তিনি আবু হাইয়ানের খ্যাতিকে প্রায় ম্লান করে দিচ্ছিলেন এবং জায়য়ান থেকে আসা সকল পণ্ডিতকে পরাজিত করছিলেন। যদি সিবওয়াই তাঁর সমসাময়িক হতেন, তবে তিনি কিসায়িকে তাঁর কাছেই বিচারের জন্য সোপর্দ করতেন এবং তাঁর সামনেই 'মাসআলাহ যুনবুরিয়্যাহ'-র ফয়সালা করতেন।"
আবু আল-মাহাসিন ইউসুফ বিন তাগরি বারদি (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: "তিনি বেশ কিছু শাস্ত্রে পারদর্শী ছিলেন, বিশেষ করে আরবি ভাষায়; কারণ তিনি ছিলেন এই শাস্ত্রের শ্রেষ্ঠ অশ্বারোহী এবং এর পূর্ণ নিয়ন্ত্রক। তিনি নাহু শাস্ত্রের ওপর ইবনে মালিকের আলফিয়্যাহ-র ব্যাখ্যাগ্রন্থ 'আত-তাওদিহ'-এর রচয়িতা; এছাড়াও 'শারহুল বুরদাহ', 'শারহু বানাত সুয়াদ', 'আল-মুগনি' এবং আরও অনেক গ্রন্থ তিনি রচনা করেছেন।"
তাঁর রচনাবলি:ইবনে হিশামের অনেকগুলো রচনাবলি রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো:
১ - «আল-ইরাব আন কাওয়ায়িদিল ইরাব»।
২ - «আল-আলগায আন-নাহবিয়্যাহ»।
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ১৪)
3 - «أوضح المسالك إلى ألفية ابن مالك».
4 - «التحصيل والتفصيل لكتاب التذييل والتكميل».
5 - «الجامع الصغير في علم النحو».
6 - «شذور الذهب في معرفة كلام العرب».
7 - «شرح بانت سعاد».
8 - «شرح البردة».
9 - «شرح جمل الزجاجي».
10 - «قطر الندى».
11 - «قواعد الإعراب ونزهة الطلاب»، وهو كتابنا هذا.
12 - «نزهة الطرف في علم الصرف».
13 - «مغني اللبيب عن كتب الأعاريب».
وفاته:توفي ابنُ هشامٍ رحمه الله ليلةَ الجُمُعَةِ في الخامسِ مِن ذي القعدة، سنةَ (761 هـ)، ودُفِنَ بعدَ صلاةِ الجُمُعَةِ بمقابرِ الصُّوفِيَّةِ خارج بابِ النَّصرِ بالقاهرة، نسأل الله تعالى أن يغفر له ويرحمه رحمة واسعة وأن يتقبله في الصالحين، وآخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين، وصلَّى الله على نبيِّنا محمَّد، وعلى آله وصحبه وسلم
(1).
--------------------------------------------
৩ - «আওদাহুল মাসালিক ইলা আলফিয়্যাতি ইবনে মালিক»।
৪ - «আত-তাহসীল ওয়াত-তাফসীল লি-কিতাবিত তাযয়ীল ওয়াত-তাকমীল»।
৫ - «আল-জামি আস-সগীর ফি ইলমিন নাহব»।
৬ - «শুজুরুয যাহাব ফি মা’রিফাতি কালামিল আরব»।
৭ - «শারহু বানাত সু’আদ»।
৮ - «শারহুল বুরদাহ»।
৯ - «শারহু জুমালিয যুজাজি»।
১০ - «কাতরুন নাদা»।
১১ - «কাওয়ায়িদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব», এটিই আমাদের এই কিতাব।
১২ - «নুযহাতুত তারাফ ফি ইলমিস সারফ»।
১৩ - «মুগনীল লাবীব আন কুতুবিল আ’আরীব»।
তাঁর মৃত্যু:ইবনে হিশাম (আল্লাহ তাঁর প্রতি রহমত বর্ষণ করুন) ৭৬১ হিজরি সালের ৫ই জিলকদ শুক্রবার রাতে ইন্তেকাল করেন এবং জুমার সালাতের পর কায়রোর বাবুন নাসরের বাইরে সুফিদের কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। আমরা মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন তাঁকে ক্ষমা করেন, তাঁর প্রতি ব্যাপক রহমত বর্ষণ করেন এবং তাঁকে নেককারদের অন্তর্ভুক্ত করেন। আমাদের শেষ কথা হলো, সকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। আর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সকল সাহাবীদের (الصحابة) ওপর
(১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ১৫)
صور من المخطوط
পাণ্ডুলিপির আলোকচিত্রসমূহ
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ১৬)
طرة المخطوط
পাণ্ডুলিপির শিরোনাম পাতা (طرة المخطوط)
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ১৭)
الورقة الأولى من المخطوط
পাণ্ডুলিপির প্রথম পৃষ্ঠা
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ১৮)
الورقة الأخيرة من المخطوط
পাণ্ডুলিপির সর্বশেষ পাতা
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ২০)
بسم الله الرحمن الرحيم
الحمدُ للهِ ربِّ العالمين، وصلَّى اللهُ علَى سيِّدِنَا محمَّدٍ وعلَى آلِهِ وصحْبِه أجمعين، وبعدُ:
فهذهِ نُكَتٌ يسيرةٌ اختصرتُها مِن قواعدِ الإعراب؛ تسهيلًا على الطُّلَّاب، وتقريبًا على أُولِي الألباب، تنْحصرُ في ثَلاثةِ أبواب:
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক আমাদের নেতা মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সকল সাহাবীর ওপর। অতঃপর:
এগুলো ব্যাকরণগত বিশ্লেষণের নিয়মাবলী থেকে সংক্ষেপিত আমার সামান্য কিছু সূক্ষ্ম আলোচনা; যা শিক্ষার্থীদের জন্য সহজসাধ্য করার এবং প্রজ্ঞাবানদের নিকট উপস্থাপনের উদ্দেশ্যে সংকলিত, যা তিনটি পরিচ্ছেদে সীমাবদ্ধ।
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ২১)
البابُ الأولُ: في الجُملةِوفيه أربعُ مسائلَ:
الأولى: أنَّ اللفظَ المفيدَ يُسمَّى كَلامًا وجملةً، وأنَّ الجملةَ تُسَمَّى اسميَّةً إنْ بدأتْ باسمٍ، نحوُ: «زَيْدٌ قَائِمٌ»
(1)؛ وفِعْليةً إنْ بدأتْ بفعلٍ، نحوُ: «قَامَ زَيْدٌ»
(2)؛ وصُغْرى إنْ بُنِيَتْ على غيرِها، كـ «قَامَ أَبُوهُ»
(3)، مِن قولِك: «زَيْدٌ قَامَ أَبُوهُ»؛ وكُبْرى إنْ كانَ في ضِمنِها جملةٌ كمجموعِ: «زَيْدٌ قَامَ أَبُوهُ»
(4).
--------------------------------------------
প্রথম অধ্যায়: বাক্য (جملة) প্রসঙ্গেএতে চারটি মাসআলা রয়েছে:
প্রথমত: অর্থবোধক শব্দকে কালাম (كلام) এবং বাক্য (جملة) বলা হয়, এবং বাক্যকে নামবাচক (اسمية) বলা হয় যদি তা বিশেষ্য (اسم) দিয়ে শুরু হয়, যেমন: «জায়েদ দণ্ডায়মান (زَيْدٌ قَائِمٌ)»
(১); আর ক্রিয়াগত (فعلية) বলা হয় যদি তা ক্রিয়া (فعل) দিয়ে শুরু হয়, যেমন: «জায়েদ দাঁড়িয়েছে (قَامَ زَيْدٌ)»
(২); এবং ক্ষুদ্র বাক্য (صغرى) বলা হয় যদি তা অন্য কোনো বাক্যের ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয়, যেমন: «তার পিতা দাঁড়িয়েছে (قَامَ أَبُوهُ)»
(৩), আপনার এই উক্তির অন্তর্ভুক্ত হলে: «জায়েদ, তার পিতা দাঁড়িয়েছে (زَيْدٌ قَامَ أَبُوهُ)»; আর বৃহৎ বাক্য (كبرى) বলা হয় যদি তার অভ্যন্তরে অন্য একটি বাক্য থাকে, যেমন এই পূর্ণ বাক্য সমষ্টি: «জায়েদ, তার পিতা দাঁড়িয়েছে (زَيْدٌ قَامَ أَبُوهُ)»
(৪)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ২২)
المسألةُ الثانيةُ: الجملُ التي لها محلٌّ مِنَ الإعرابِ سبعٌ (1):
أحدُها: الواقعةُ (خبرًا)، وموضعُها رفعٌ في بابَي «المبتدإِ»، و «إنَّ»، نحوُ: «زَيْدٌ قَامَ أَبُوهُ»
(2)، و «إِنَّ زَيْدًا أَبُوهُ قَائِمٌ»
(3)؛ ونصبٌ في بابَي «كَانَ»، و «كَادَ»، نحو: «كَانَ زَيْدٌ أَبُوهُ قَائِمٌ»
(4)،
--------------------------------------------
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: যে সকল বাক্যের ব্যাকরণগত অবস্থান (إعراب) রয়েছে তা সাতটি (১):
প্রথমটি: যা বিধেয় (خبر) হিসেবে আসে; আর 'উদ্দেশ্য' (مبتدأ) এবং 'ইন্না' (إنَّ)-র উভয় পরিচ্ছেদে এর অবস্থান হয় রাফ (رفع) বিশিষ্ট। যেমন: «জায়দুন কামা আবুহু» (জায়দ, তার পিতা দাঁড়িয়েছে)
(২), এবং «ইন্না জায়দান আবুহু কাইমুন» (নিশ্চয়ই জায়দ, তার পিতা দণ্ডায়মান)
(৩); আর 'কানা' (كَانَ) এবং 'কাদা' (كَادَ)-র উভয় পরিচ্ছেদে এর অবস্থান হয় নসব (نصب) বিশিষ্ট। যেমন: «কানা জায়দুন আবুহু কাইমুন» (জায়দ ছিল এমন যে তার পিতা দণ্ডায়মান)
(৪),
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ২৩)
و «كَادَ زَيْدٌ يَفْعَلُ»
(1).
الثانيةُ والثالثةُ: الواقعةُ (حَالًا)، والواقعةُ (مَفْعُولًا)، نحوُ: «جَاءَ زَيْدٌ يَضْحَكُ»
(2)، و «قَالَ زَيْدٌ: عَمْرٌو مُنْطَلِقٌ»
(3).
والرابعةُ: (الْمُضَافُ إِلِيْهَا)، ومحلُّها الجرُّ، نحوُ: {يوم هم بارزون} [غافر: 16]
(4)، {يوم ينفع [3] الصادقين} [المائدة: 119]
(5).
--------------------------------------------
এবং «যায়েদ প্রায় করতে যাচ্ছিল (كَادَ زَيْدٌ يَفْعَلُ)»
(১)।
দ্বিতীয় ও তৃতীয়টি হলো: (অবস্থা (حالًا)) হিসেবে আপতিত হওয়া এবং (কর্ম (مفعولًا)) হিসেবে আপতিত হওয়া। যেমন: «যায়েদ হাসতে হাসতে আসলো (جَاءَ زَيْدٌ يَضْحَكُ)»
(২), এবং «যায়েদ বলল: আমর প্রস্থানকারী (قَالَ زَيْدٌ: عَمْرٌو مُنْطَلِقٌ)»
(৩)।
চতুর্থটি হলো: (সম্বন্ধপদ (الْمُضَافُ إِلِيْه)) হওয়া, আর এর স্থান হলো মাজরুর (الجر)। যেমন: {যেদিন তারা প্রকাশ পাবে} [গাফির: ১৬]
(৪), {যেদিন সত্যবাদীদের তাদের সত্যবাদিতা উপকারে আসবে} [আল-মায়িদাহ: ১১৯]
(৫)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ২৪)
والخامسةُ: الواقعةُ (جَوَابًا لِشَرْطٍ جَازِمٍ)، إذا كانتْ مقرونةً بـ «الْفَاءِ»، أو بـ «إِذَا الْفُجَائِيَّةِ»، نحوُ: {من يضلل الله فلا هادي له} [الأعراف: 186]
(1)، ونحوُ: {وإن تصبهم سيئة بما قدمت أيديهم إذا هم يقنطون} [الروم: 36]
(2).
--------------------------------------------
পঞ্চম প্রকার: এমন বাক্য যা (একটি জযম প্রদানকারী শর্তের উত্তর হিসেবে) আসে, যখন তা «ফা»-এর সাথে অথবা «আকস্মিকতা প্রকাশক ইযা»-এর সাথে যুক্ত থাকে। যেমন: {আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তার জন্য কোনো পথপ্রদর্শক নেই} [আল-আরাফ: ১৮৬]
(১), এবং যেমন: {আর যদি তাদের কৃতকর্মের কারণে তাদের ওপর কোনো বিপদ আসে, তবে অমনি তারা হতাশ হয়ে পড়ে} [আর-রুম: ৩৬]
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ২৫)
والسادسةُ والسابعةُ: «التَّابِعَةُ لِمُفْرَدٍ أَوْ جُمْلَةٍ لَهَا مَحَلٌّ»، فالأولى: {من قبل أن يأتي يوم لا بيع فيه} [البقرة: 254]
(1)، فالجملةُ
--------------------------------------------
ষষ্ঠ ও সপ্তম (প্রকার): ‘এমন বাক্য যা কোনো একক শব্দ (مفرد) অথবা এমন বাক্যকে অনুসরণকারী (تابعة) যার ব্যাকরণগত অবস্থান (محل) রয়েছে’। প্রথমটির উদাহরণ: {সেই দিন আসার আগে যাতে কোনো ক্রয়-বিক্রয় নেই} [আল-বাকারা: ২৫৪]
(1), সুতরাং বাক্যটি (الجملة)
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ২৬)
صفةٌ لـ {يومٍ}، والثانيةُ نحوُ: «زَيْدٌ قَامَ أَبُوهُ، وَقَعَدَ أَخُوهُ»
(1).
--------------------------------------------
এটি {يومٍ}-এর একটি গুণ বা বিশেষণ (صفة), আর দ্বিতীয়টি হলো যেমন: «জায়েদ, তার পিতা দাঁড়িয়েছে এবং তার ভাই বসেছে»
(১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ২৭)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ২৮)
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ২৯)
المسألةُ الثالثةُ: الجملةُ التي لا محلَّ لَها من الإعرابِ، وهي -أيضًا- سبعةٌ:أحدُها: «الاِبْتِدَائِيَّةُ»، وتُسمَّى: «الْمُسْتَأْنَفَةَ» أيضًا، نحوُ: {إنا أنزلناه} [يوسف: 2، والدخان: 3، والقدر: 1]
(1).
الثانية: الواقعةُ «صِلَةً»، نحوُ: «جَاءَ الَّذِي قَامَ أَبُوهُ»
(2).
--------------------------------------------
তৃতীয় মাসআলা: সেই বাক্য যার কোনো ব্যাকরণিক অবস্থান (لا محلَّ لَها من الإعرাবِ) নেই, আর এগুলোও সাত প্রকার:প্রথমটি: «প্রারম্ভিক বাক্য» (الاِبْتِدَائِيَّةُ), একে «পুনরারম্ভকারী বাক্য» (الْمُسْتَأْنَفَةَ)-ও বলা হয়, যেমন: {নিশ্চয়ই আমি তা নাযিল করেছি} [ইউসুফ: ২, আদ-দুখান: ৩, আল-কদর: ১]
(১)।
দ্বিতীয়টি: যা «সংযোজক বাক্য» (صِلَةً) হিসেবে পতিত হয়, যেমন: «সেই ব্যক্তি এসেছে যার পিতা দাঁড়িয়েছে»
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ৩০)
الثالثة: «الْمُعْتَرَضَةُ»، نحوُ: {فإن لم تفعلوا ولن تفعلوا فاتقوا النار} [البقرة: 24]
(1).
--------------------------------------------
তৃতীয়টি: «বিচ্ছেদকারী বাক্য (الْمُعْتَرَضَةُ)», যেমন: {অতঃপর যদি তোমরা না করো—আর তোমরা কখনই করতে পারবে না—তবে তোমরা আগুনকে ভয় করো} [আল-বাকারা: ২৪]
(1).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ৩১)
الرابعةُ: «التَّفْسِيرِيَّةُ»، نحوُ: {ولما يأتكم مثل الذين خلوا من قبلكم مستهم البأساء والضراء} [البقرة: 214]
(1).
--------------------------------------------
চতুর্থ: «ব্যাখ্যামূলক (تفسيرية)», যেমন: {আর যখন তোমাদের কাছে তাদের মতো অবস্থা আসেনি যারা তোমাদের পূর্বে অতিবাহিত হয়েছে; তাদেরকে অভাব-অনটন ও দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করেছিল} [আল-বাকারা: ২১৪]
(১).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ৩২)
الخامسةُ: «جَوَابُ الْقَسَمِ»، نحوُ: {قال فبعزتك لأغوينهم} [ص: 82]
(1).
السادسةُ: «جَوَابُ الشَّرْطِ غَيْرِ الْجَازِمِ»، نحوُ: {ولو شئنا لرفعناه بها} [الأعراف: 176]
(2).
--------------------------------------------
পঞ্চম: «শপথের উত্তর (جواب القسم)», যেমন: {তিনি বললেন: আপনার সম্মানের কসম! আমি তাদের সকলকে অবশ্যই পথভ্রষ্ট করব} [সোয়াদ: ৮২]
(১).
ষষ্ঠ: «অ-যজমদানকারী শর্তের উত্তর (جواب الشرط غير الجازم)», যেমন: {আর আমরা যদি চাইতাম তবে এর মাধ্যমে তাকে অবশ্যই উচ্চমর্যাদা দান করতাম} [আল-আরাফ: ১৭৬]
(২).
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ৩৩)
السابعةُ: «التَّابِعَةُ لِمَا لَا مَحَلَّ لَهَا»، نحوُ: «قَامَ زَيْدٌ، وَقَعَدَ عَمْرٌو»
(1).
--------------------------------------------
সপ্তম প্রকার: «এমন বাক্যের অনুসারী যার কোনো ব্যাকরণগত অবস্থান নেই», যেমন: «জায়েদ দাঁড়িয়েছে এবং আমর বসেছে»
(১)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
নুকাতুল ইরাব = কাওয়ায়েদুল ইরাব ওয়া নুযহাতুত তুল্লাব
(পৃষ্ঠা: ৩৫)
المسألةُ الرابعةُ: الجملةُ الخبريَّةُ بعدَ النكراتِ المحضةِ صفاتٌ، نحوُ: {حتى تنزل علينا كتابا نقرؤه} [الإسراء: 93](1).
وبعدَ المعارفِ المحضةِ أحوالٌ، نحوُ: {ولا [4] تمنن تستكثر} [المدثر: 6]
(2).
وبعدِ غيرِ المحضةِ منهما محتملٌ لهُما، نحوُ: «مَرَرْتُ بِرَجُلٍ
--------------------------------------------
চতুর্থ মাসআলা: বিশুদ্ধ অনির্দিষ্ট বিশেষ্যের পরবর্তী বর্ণনামূলক বাক্যগুলো বিশেষণ হিসেবে গণ্য হয়; যেমন: {যতক্ষণ না আপনি আমাদের প্রতি এমন একটি কিতাব অবতীর্ণ করেন যা আমরা পাঠ করব} [আল-ইসরা: ৯৩](১)।
আর বিশুদ্ধ নির্দিষ্ট বিশেষ্যের পরবর্তী বাক্যগুলো অবস্থা (হাল) হিসেবে গণ্য হয়; যেমন: {আর আপনি [৪] অধিক পাওয়ার আশায় দান করবেন না} [আল-মুদ্দাসসির: ৬]
(২)।
আর এই দুই প্রকারের (নির্দিষ্ট ও অনির্দিষ্ট) কোনোটিই যখন বিশুদ্ধ পর্যায়ে থাকে না, তখন বাক্যটি উভয়টির (বিশেষণ ও অবস্থা) সম্ভাবনা রাখে; যেমন: «আমি এমন এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে অতিক্রম করলাম...
--------------------------------------------