(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: -)
سؤالات السجزي للحاكم القسم: العلل والسؤلات الحديثية
الكتاب: سؤالات مسعود بن علي السجزي (مع أسئلة البغداديين عن أحوال الرواة للإمام الحافظ أبي عبد الله محمد بن عبد الله الحاكم النيسابوري)
المؤلف: أبو عبد الله الحاكم محمد بن عبد الله بن محمد بن حمدويه بن نُعيم بن الحكم الضبي الطهماني النيسابوري المعروف بابن البيع (ت 405هـ)
المحقق: موفق بن عبد الله بن عبد القادر
دار النشر: دار الغرب الإسلامي - بيروت
الطبعة: الأولى، 1408هـ، 1988م
عدد الصفحات: 251
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
হাকিমের প্রতি সিজযির প্রশ্নাবলি বিভাগ: ইল্লাল এবং হাদিস বিষয়ক প্রশ্নাবলি
গ্রন্থ: মাসউদ বিন আলী আল-সিজযির প্রশ্নাবলি (ইমাম হাফিজ আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাকিম আল-নিশাপুরি-এর নিকট রাবীদের অবস্থা সম্পর্কে বাগদাদীদের প্রশ্নাবলি সহ)
লেখক: আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন হামদাওয়াই বিন নুয়াইম বিন আল-হাকাম আদ-দব্বি আত-তাহমানি আল-নিশাপুরি, যিনি ইবনে আল-বাই' নামে পরিচিত (মৃত্যু ৪০৫ হিজরি)
গবেষক: মুওয়াফফাক বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল কাদির
প্রকাশনী: দারুল গারব আল-ইসলামি - বৈরুত
সংস্করণ: প্রথম, ১৪০৮ হিজরি, ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ২৫১
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৫৫)
1- أبو اسحاق ابراهيم بن محمد بن يحيى شيخ العدالة والتزكية وأحسن مشايخنا مواساة لغرباء الصنعة ولا أعرف احدا تكلم فيه بحجة.
2- ابو احمد محمد بن عيسى صاحب كتاب مسلم من أعيان
১- আবু ইসহাক ইবরাহীম বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া; তিনি ন্যায়পরায়ণতা ও আত্মশুদ্ধির শায়খ এবং আমাদের শিক্ষকদের মধ্যে এই শাস্ত্রের আগন্তুকদের প্রতি সর্বাধিক সহানুভূতিশীল। তাঁর সম্পর্কে কেউ কোনো প্রমাণসহ সমালোচনা করেছেন বলে আমার জানা নেই।
২- আবু আহমাদ মুহাম্মাদ বিন ঈসা; মুসলিম গ্রন্থের রচয়িতা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের অন্তর্ভুক্ত।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৫৬)
الفقراء والزهاد ومن اصحاب المعاملات في التصوف قد كان ضاعت سماعاته من ابراهيم بن محمد بن سفيان الفقيه فنسخ البعض من نسخة لم يكن له فيها سماع.
3- ابو احمد الحسين بن علي التميمي شيخ العرب في بلدنا ومن ورث الثروة القديمة واسلافه اجلة تميمي سليطي
তিনি দরিদ্র ও সংসারবিরাগী এবং তাসাউফ শাস্ত্রের মুআমালাত চর্চাকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। ইবরাহীম ইবন মুহাম্মদ ইবন সুফিয়ান আল-ফকীহ-এর নিকট হতে তাঁর শ্রুত পাণ্ডুলিপিসমূহ হারিয়ে গিয়েছিল, ফলে তিনি এমন একটি পাণ্ডুলিপি থেকে কিছু অংশ নকল করেছিলেন যেটিতে তাঁর সরাসরি শ্রবণ ছিল না।
৩- আবু আহমাদ আল-হুসাইন ইবন আলী আত-তামীমী, আমাদের ভূখণ্ডের আরবদের শায়খ এবং তিনি প্রাচীন ধন-সম্পদের উত্তরাধিকারী ছিলেন। তাঁর পূর্বপুরুষগণ ছিলেন অত্যন্ত মর্যাদাবান এবং তাঁরা তামীমী ও সুলাইতী গোত্রভুক্ত।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৫৭)
معاذي رجاني ولم يجمع لغيره والغالب على سماعاته الصدق.
4- ابو احمد محمد بن محمد بن مطر ابوه رحمنا الله وإياهما ثقة وقد كان في حياته كتب لابنه هذا فوائد بخطه من سماعات شهد له بها إلا أن الحديث لم يكن من شأنه وقد كان قديما من أعيان الشهود ثم سكتوا عنه.
5- ابو بكر محمد بن محمد بن داود السجزي صدوق ما رأينا منه في الأخذ والأداء إلا ما يليق بأهل الصدق.
6- ابو بكر محمد بن محمود بن إسحاق قد كتبنا عنه أبيه
মুয়াজি আমার কাছে প্রত্যাশা করেছেন এবং তিনি অন্য কারো জন্য তা সংগ্রহ করেননি, আর তাঁর শ্রুত বর্ণনাসমূহের ওপর সত্যবাদিতাই প্রবল।
৪- আবু আহমাদ মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন মাতার। তাঁর পিতা—আল্লাহ আমাদের ও তাদের উভয়ের প্রতি রহম করুন—নির্ভরযোগ্য ছিলেন। তিনি জীবদ্দশায় তাঁর এই পুত্রের জন্য নিজ হস্তাক্ষরে শ্রুত বিষয়সমূহ থেকে কিছু ফাওয়ায়িদ লিখে দিয়েছিলেন, যা তাঁর জন্য সাক্ষ্যস্বরূপ ছিল; তবে হাদিস চর্চা তাঁর মূল বিষয় ছিল না। তিনি প্রাচীনকালে প্রধান সাক্ষীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, অতঃপর তাঁরা তাঁর ব্যাপারে নীরবতা অবলম্বন করেন।
৫- আবু বকর মুহাম্মাদ বিন মুহাম্মাদ বিন দাউদ আস-সিজজি। তিনি সত্যবাদী। হাদিস গ্রহণ ও প্রদানের ক্ষেত্রে আমরা তাঁর থেকে সত্যনিষ্ঠ ব্যক্তিদের জন্য যা শোভনীয় তা ব্যতীত অন্য কিছু দেখিনি।
৬- আবু বকর মুহাম্মাদ বিন মাহমুদ বিন ইসহাক। আমরা তাঁর নিকট তাঁর পিতার সূত্রে লিখেছি।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৫৮)
وعميه وابن عمه ابني عمرو وكلهم من أهل الصدق وأبو بكر هذا لم نكتب عنه إلا أن القلب يشهد أنه لم يقل على ستر سلفه رضي الله عنهم أجمعين.
7- ابو الحسن محمد بن عبد الله بن ابراهيم بن عبدة شيخ من سليط تميمي رأيت له عن البوشنجي وجعفر بن الترك وأقرانهما سماعات صحيحة ثم وقع إليه أبو بكر ابن الغازي الوراق فزاد فيها على
এবং তাঁর দুই পিতৃব্য ও তাঁর পিতৃব্যপুত্র, আমরের দুই পুত্র; এবং তাঁরা সকলেই সত্যনিষ্ঠ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। আর এই আবু বকর—আমরা তাঁর নিকট থেকে হাদিস লিখিনি, তবে অন্তর সাক্ষ্য দেয় যে তিনি তাঁর পূর্বসূরিদের (সালাফ) সম্মানের আবরণের বিরুদ্ধে কোনো অপবাদ আরোপ করেননি, আল্লাহ তাঁদের সকলের প্রতি সন্তুষ্ট হোন।
৭- আবুল হাসান মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন ইব্রাহিম বিন আবদাহ; তিনি সালীত্ব তামীমী গোত্রের একজন শায়খ। আমি তাঁর নিকট আল-বুশাঞ্জী, জাফর বিন আত-তুর্ক এবং তাঁদের সমসাময়িকদের থেকে বর্ণিত কিছু বিশুদ্ধ শ্রবণলিপি (সামা’আত) দেখেছি। অতঃপর তাঁর নিকট আবু বকর ইবনুল গাজী আল-ওয়াররাক আসেন এবং তিনি তাতে আরও যুক্ত করেন...
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
ما بلغني فقبلها والله أعلم.
8- ابو الحسن علي بن احمد بن عبد العزيز الجرجاني صاحب كتاب البخاري كثير السماع معروف بالطلب الا انه وقع إلى أبي بشر المصعبي الفقيه وكأنه أخذ بسيرته في الحديث فظهرت منه المجازفة عند الحاجة إليه فترك.
9- ابو الحسين طاهر بن محمد بن سهلوية
যা আমার নিকট পৌঁছেছে আমি তা গ্রহণ করেছি এবং আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
৮- আবু হাসান আলী বিন আহমদ বিন আব্দুল আজিজ আল-জুরজানী, কিতাবুল বুখারীর অধিকারী; তিনি প্রচুর শ্রবণের অধিকারী এবং হাদিস অন্বেষণে সুপরিচিত ছিলেন। তবে তিনি ফকীহ আবু বিশর আল-মাস'আবীয়ের সান্নিধ্যে এসেছিলেন এবং মনে হয় তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে তাঁর কর্মপন্থা গ্রহণ করেছিলেন; ফলে যখন তাঁর প্রয়োজন দেখা দেয় তখন তাঁর মাঝে অসংলগ্নতা প্রকাশ পায়, তাই তাঁকে বর্জন করা হয়েছে।
৯- আবু আল-হুসাইন তাহির বিন মুহাম্মদ বিন শাহলুবিয়্যাহ
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৬০)
عدل صدوق في الاخذ والاداء كثير السماع معتمد فيما كتب عنه من اصوله.
10- ابو سهل محمد بن سليمان الفقيه مفتي البلد وفقيهها واجدل من رأينا من الشافعيين بخراسان ومع ذلك اديب شاعر نحوي كاتب عروضي محب للفقراء والله أعلم.
গ্রহণ ও প্রদানের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন ন্যায়পরায়ণ ও সত্যনিষ্ঠ, প্রচুর হাদিস শ্রবণকারী এবং তাঁর মূল পাণ্ডুলিপি থেকে যা কিছু অনুলিপি করা হয়েছে তার ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য।
১০- আবু সাহল মুহাম্মদ ইবন সুলাইমান আল-ফকিহ; তিনি ছিলেন শহরের মুফতি ও ফকিহ এবং খুরাসানে শাফেয়ী ফকিহদের মধ্যে আমাদের দেখা সবচেয়ে দক্ষ তার্কিক। এতদসত্ত্বেও তিনি ছিলেন একজন সাহিত্যিক, কবি, ব্যাকরণবিদ, লেখক, ছন্দ বিশেষজ্ঞ এবং দরিদ্রদের প্রতি অনুরাগী। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৬১)
ابو الطيب عبد الله بن محمد بن أحمد بن حيان هذا ابن فورس قاضي طوس حمل الى اصوله في نيف واربعين لما عزم على الخروج الى الحج فلم اقف منها على زلة وخرجت له الفوائد وهو في الجملة صدوق إلا أن الحديث لم يكن من شأنه.
12- ابو عبد الله محمد بن احمد بن بشر المزكي حج معنا سنة احدى واربعين ورايته يحدث من اصوله في القطيعة عن البوسنجي وغيره وهو عندنا صدوق في اكثر احواله.
আবূ আত-তায়্যিব আবদুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ ইবন হাইয়্যান; ইনি ইবন ফাওরাস, তুসের বিচারক। যখন তিনি হজের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন, তখন তিনশত চল্লিশের কিছু বেশি হিজরি সালে তাকে তার মূল পাণ্ডুলিপিগুলোর কাছে নিয়ে আসা হয়; আমি সেগুলোতে কোনো বিচ্যুতি খুঁজে পাইনি। আমি তার জন্য 'আল-ফাওয়ায়েদ' বের করেছি এবং তিনি সামগ্রিকভাবে সত্যবাদী, তবে হাদিস চর্চা তার মূল ক্ষেত্র ছিল না।
১২- আবূ আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবন আহমাদ ইবন বিশর আল-মুযাক্কী; তিনি তিনশত একচল্লিশ হিজরি সালে আমাদের সাথে হজ পালন করেছিলেন। আমি তাকে আল-কাতী'আহ নামক স্থানে বুসানজী ও অন্যান্যদের থেকে তার মূল পাণ্ডুলিপি দেখে হাদিস বর্ণনা করতে দেখেছি। তিনি আমাদের নিকট অধিকাংশ ক্ষেত্রে সত্যবাদী।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৬২)
13- ابو عبد الله الحسين بن احمد الصفار الهروي كذاب لا يشتغل بالسؤال عنه.
14- ابو علي محمد بن احمد بن بالويه شاهد من المعمرين وقد كان سمع على كبر السن وهو صدوق صاحب كتاب.
15- ابو العباس محمد بن الفتح الانماطي حاله قريب من
১৩- আবু আব্দুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে আহমাদ আস-সাফফার আল-হারাওয়ী একজন চরম মিথ্যাবাদী; তার সম্পর্কে জিজ্ঞাসার পেছনে শ্রম ব্যয় করার প্রয়োজন নেই।
১৪- আবু আলী মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে বালুওয়াইহ দীর্ঘায়ু প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত একজন সাক্ষী; তিনি বার্ধক্যকালে (হাদিস) শ্রবণ করেছেন এবং তিনি সত্যবাদী ও কিতাবের অধিকারী ছিলেন।
১৫- আবু আল-আব্বাস মুহাম্মাদ ইবনে আল-ফাতহ আল-আনমাতি, তার অবস্থা... এর কাছাকাছি।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৬৩)
حال ابي علي إلا ان الغالب عليه الغفلة وقرئ عليه حديث منكر عن ابي القاسم ابن منيع
16- ابو العباس المصري احمد بن محمد بن عيسى حافظ قديم الرحلة كثير الطلب ولما احتيج اليه وقد ضاعت سماعاته القديمة حدث من حفظه بأحاديث وذكر أنه يعرفها وغير مستبدع لمثله أن يحفظ سؤالات الشيوخ فأما مذاكرته فإن كان يتحرى في اكثرها الصدق واطلعنا على كتبه بعد وفاته فما رأينا إلا الخير والله أعلم.
আবু আলীর অবস্থা (ভালো), তবে তার ওপর অমনোযোগিতা প্রবল ছিল এবং তাঁর নিকট আবুল কাসিম ইবন মানি‘-এর সূত্রে একটি মুনকার হাদিস পাঠ করা হয়েছিল।
১৬- আবুল আব্বাস আল-মিসরি আহমদ ইবন মুহাম্মদ ইবন ঈসা; তিনি একজন হাফিজ ছিলেন, যাঁর ইলম অর্জনের সফর ছিল সুপ্রাচীন এবং জ্ঞান অন্বেষণ ছিল ব্যাপক। যখন তাঁর প্রয়োজন দেখা দিল এমতাবস্থায় যে তাঁর প্রাচীন শ্রুত পাণ্ডুলিপিগুলো হারিয়ে গিয়েছিল, তখন তিনি তাঁর মুখস্থ স্মৃতি থেকে হাদিস বর্ণনা করলেন এবং উল্লেখ করলেন যে তিনি সেগুলো জানেন। তাঁর মতো ব্যক্তির পক্ষে শাইখদের জিজ্ঞাসাসমূহ মুখস্থ রাখা কোনো বিস্ময়কর বিষয় নয়। আর তাঁর জ্ঞানগর্ভ আলোচনার বিষয়ে বলা যায় যে, তিনি তাঁর অধিকাংশ আলোচনায় সত্যনিষ্ঠ থাকার চেষ্টা করতেন। তাঁর ইন্তেকালের পর আমরা তাঁর কিতাবসমূহ পর্যবেক্ষণ করেছি এবং সেখানে কল্যাণ ছাড়া আর কিছুই দেখিনি। আর আল্লাহ-ই সর্বজ্ঞ।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৬৪)
ابو الفضل العباس بن محمد بن ابراهيم الهاشمي قد كتبنا عنه ابيه وكتب هو وإخوانه معا وكان الغالب عليه الغفلة والله يرحمنا وإياه
18- أبو عمرو محمد بن محمد الفامي كثير السماع صاحب كتاب إلا أن بعض الغرباء خرج له فوائد فوجد فيها يعني في كتبه أطباقا عن الحسين بن شاكر فأخرج له عنه وحدث عنه بها ببغداد فلما وافا وقفته على حقيقة الحال فرجع وأناب وثاب فرأيت أن أتقدم بالكتابة عنه.
19- ابو عثمان سعيد بن أبي سعيد الصوفي صدوق كثير السماع مشهور بالطلب أدركته المنية قبل الحاجة.
আবুল ফজল আব্বাস বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-হাশিমী। আমরা তাঁর পিতার নিকট থেকে বর্ণনা লিখেছি এবং তিনি ও তাঁর ভাইয়েরাও একত্রে লিখেছেন। তাঁর চরিত্রে উদাসীনতা ও অসতর্কতাই প্রবল ছিল। আল্লাহ আমাদের ও তাঁকে দয়া করুন।
১৮- আবু আমর মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ আল-ফামী। তিনি প্রচুর শ্রবণকারী ও বহু কিতাবের অধিকারী ছিলেন। তবে কিছু বহিরাগত ব্যক্তি তাঁর জন্য কিছু সংকলন বা ‘ফাওয়ায়িদ’ বের করেছিলেন। তাঁরা তাঁর কিতাবসমূহে হুসাইন বিন শাকিরের সূত্রে কিছু শ্রবণ-রেকর্ড খুঁজে পান। অতঃপর তাঁরা তাঁর পক্ষ থেকে সেগুলো বের করেন এবং তিনি বাগদাদে সেগুলো বর্ণনা করেন। যখন তিনি আসলেন, তখন আমি তাঁকে প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে অবহিত করলাম। ফলে তিনি (ভুল থেকে) ফিরে আসলেন, অনুতপ্ত হলেন এবং সত্যে প্রত্যাবর্তন করলেন। তাই আমি তাঁর নিকট থেকে বর্ণনা লিখে নেওয়াকে সমীচীন মনে করলাম।
১৯- আবু উসমান সাঈদ বিন আবি সাঈদ আস-সুফি। তিনি সত্যবাদী (সাদুক), প্রচুর শ্রবণকারী এবং ইলম অর্জনে প্রসিদ্ধ ছিলেন। মানুষের নিকট তাঁর প্রয়োজনীয়তা তৈরি হওয়ার পূর্বেই মৃত্যু তাঁকে গ্রাস করে।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
20- ابو عبد الرحمن محمد بن الحسين السلمي كثير السماع والطلب متقن فيه من بيت الحديث والزهد والتصوف.
২০- আবু আবদুর রহমান মুহাম্মদ বিন আল-হুসাইন আস-সুলামী। তিনি অধিক শ্রবণ ও ইলম অন্বেষণকারী এবং এতে সুনিপুণ ছিলেন; তিনি হাদিস, জুহদ ও তাসাউফের একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারের সদস্য ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৬৬)
21- ابو القاسم ابراهيم بن محمد بن احمد
২১- আবুল কাসেম ইবরাহিম ইবন মুহাম্মদ ইবন আহমদ
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
النصراباذي واعظ الصوفية في عصره طلب الحديث على صغر السن بخراسان والعراقين والشام ومصر وكتب الكثير وجمع وضيع اكثر اصوله توفي بمكة وانا ببغداد فبيعت كتبه في داره وكشفت تلك الكتب عن احوال والله أعلم.
22- ابو محمد عبد الله بن احمد الشيباني أكثر اقرانه في بلدنا سماعا وتفقه على الحديث وهو ان شاء الله صدوق في اكثر ما حدث به وإنه كان يخمن ولا يميز بين سماعه وغير ذلك.
23- ابو محمد عبد الله بن اسماعيل الميكالي أوجه الوجوه.
আন-নাসরাবাদি ছিলেন তাঁর যুগের সুফিদের প্রধান উপদেশদাতা; তিনি অল্প বয়সেই খোরাসান, দুই ইরাক, সিরিয়া ও মিশরে হাদিস অন্বেষণ করেছেন। তিনি প্রচুর লিখেছিলেন এবং সংগ্রহ করেছিলেন, তবে তাঁর অধিকাংশ মূল পাণ্ডুলিপি হারিয়ে গিয়েছিল। তিনি মক্কায় ইন্তেকাল করেন যখন আমি বাগদাদে ছিলাম; অতঃপর তাঁর কিতাবসমূহ তাঁর নিজ গৃহেই বিক্রি করা হয় এবং সেই কিতাবসমূহ নানাবিধ অবস্থার কথা উন্মোচন করেছিল, আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
২২- আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন আহমদ আল-শায়বানি; আমাদের জনপদে তাঁর সমসাময়িকদের মধ্যে তিনি হাদিস শ্রবণে সর্বাধিক অগ্রগামী ছিলেন এবং হাদিসশাস্ত্রে গভীর পাণ্ডিত্য অর্জন করেছিলেন। ইনশাআল্লাহ, তিনি যা বর্ণনা করেছেন তার অধিকাংশ ক্ষেত্রে তিনি সত্যবাদী, তবে তিনি অনুমান করতেন এবং স্বকর্ণে শ্রবণকৃত ও অন্যান্য সংবাদের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করতে পারতেন না।
২৩- আবু মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বিন ইসমাইল আল-মিকালি; তিনি ছিলেন অত্যন্ত মর্যাদাসম্পন্ন ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
بخراسان وادلهم واكبرهم واكتبهم واكفا الرؤساء لم يشتغل بالحديث فلما عزم على الخروج جمع شيئا من سماعاته ولم يميز بين المخرج له بين سماعه من ابي حامد الخشاب وعبد الله بن الشرقي فوقع من حديث ذا في ذا وهو بنفسه صدوق كبير المحل.
খুরাসানে তিনি ছিলেন তাদের প্রধান পথপ্রদর্শক, তাঁদের মধ্যে মহানতম, শ্রেষ্ঠ লেখক এবং প্রধানদের মধ্যে সবচেয়ে যোগ্য। তিনি হাদিস চর্চায় নিবিষ্ট ছিলেন না। অতঃপর যখন তিনি বের হওয়ার সংকল্প করলেন, তখন তিনি তাঁর শ্রুত বর্ণনাসমূহ থেকে কিছু সংগ্রহ করলেন। তবে তিনি আবু হামিদ আল-খাশশাব এবং আবদুল্লাহ বিন আল-শারকির নিকট থেকে শোনা বর্ণনাসমূহের মধ্যে পার্থক্য করতে পারেননি। ফলে একজনের হাদিস অন্যজনের সাথে মিশে গিয়েছিল। তিনি স্বয়ং সত্যবাদী এবং সুউচ্চ মর্যাদার অধিকারী ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৬৯)
24- ابو الحسن يوسف بن اسحاق الفقيه الملقي لم يكن الحديث من شأنه وقد كان اقام بالعراق برهة من الدهر فلم يسمع الحديث وحدث في آخر عمره عندنا بأحاديث مستقيمة عن ابي نعيم وغيره والغالب على احواله الصدق.
25- ابو حامد احمد بن ابراهيم بن محمد بن يحيى سمعه ابوه في صغره وقيد المؤدب سماعاته وقد تأملت اكثرها فوجدتها على السداد وهو بنفسه دين ورع مجتهد في العبادة صدوق الشأن.
২৪- আবুল হাসান ইউসুফ বিন ইসহাক আল-ফকীহ আল-মুলকী। হাদীস চর্চা তাঁর মূল বিষয় ছিল না। তিনি ইরাকে দীর্ঘকাল অবস্থান করেছিলেন কিন্তু সেখানে হাদীস শ্রবণ করেননি। তিনি তাঁর জীবনের শেষভাগে আমাদের নিকট আবু নুআইম ও অন্যদের থেকে বর্ণিত কিছু সঠিক হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর সামগ্রিক অবস্থায় সত্যবাদিতাই প্রবল।
২৫- আবু হামিদ আহমাদ বিন ইবরাহিম বিন মুহাম্মাদ বিন ইয়াহইয়া। তাঁর পিতা শৈশবে তাঁকে হাদীস শ্রবণ করিয়েছিলেন এবং শিক্ষক তাঁর শ্রবণসমূহ লিপিবদ্ধ করেছিলেন। আমি সেগুলোর অধিকাংশ পর্যালোচনা করে সেগুলোকে সঠিক পেয়েছি। তিনি ব্যক্তিগতভাবে ধর্মপ্রাণ, পরহেযগার এবং ইবাদতে অত্যন্ত পরিশ্রমী ছিলেন; তিনি সত্যবাদী চরিত্রের অধিকারী।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৭০)
26- ابو عبد الله محمد بن احمد بن علي بن نصير احد
26- আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে আলী ইবনে নুসাইর একজন
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৭১)
الشهود عندنا ومن اولاد التجار سمعوه صغيرا من محمد بن اسحاق وابي العباس السراج والماسرجسي والخرج له منهم وليس الحديث من شأن الشيخ والله اعلم.
27- ابو علي محمد بن احمد بن عروة الكاتب محمود في المكاتبة حسن السيرة فيها الا انه لم يشهر بالطلب وحدث عن شيخنا ابي العباس بحديث يبطل عمل سنين كثيرة.
قال ابو الحسن والحديث الذي رواه ابو علي ابن عروة الكاتب حدثنا به مسعود بن علي السجزي قال اخبرنا ابو علي محمد بن احمد بن
আমাদের নিকট সাক্ষ্যদানকারীগণ এবং বণিকদের সন্তানদের মধ্য হতে যারা শৈশবে এটি মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক, আবু আল-আব্বাস আস-সাররাজ এবং আল-মাসারজাসীর নিকট শ্রবণ করেছেন। তাদের মধ্য থেকে তার জন্য তা সংকলন করা হয়েছে, কিন্তু হাদীস বর্ণনা করা এই শাইখের কাজ নয়। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
২৭- আবু আলী মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন উরওয়াহ আল-কাতিব। তিনি পত্রবিনিময়ের ক্ষেত্রে প্রশংসিত এবং এ ক্ষেত্রে তার জীবনচরিত সুন্দর। তবে তিনি হাদীস অন্বেষণে প্রসিদ্ধ ছিলেন না। তিনি আমাদের শাইখ আবু আল-আব্বাসের সূত্রে এমন একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন যা বহু বছরের আমলকে নিরর্থক করে দেয়।
আবু আল-হাসান বলেন, আবু আলী ইবনে উরওয়াহ আল-কাতিব যে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, তা আমাদের নিকট মাসউদ বিন আলী আস-সিজযী বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের নিকট আবু আলী মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৭২)
عروة بن محمد بن عروة قرأه عليه ابو سعيد الشعيبي في مجلس ابي زكريا الحربي قال حدثنا ابو العباس الاصم اخبرنا احمد بن شيبان الرملي حدثنا سفيان بن عيينة عن الزهري عن انس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من حسن اسلام المرء تركه ما لا يعنيه
28- ابو بكر الكسائي المؤدب صاحب كتاب مسلم كذاب لا يشتغل بمثله.
উরওয়াহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে উরওয়াহ, আবু সাঈদ আশ-শুআইবি আবু জাকারিয়া আল-হারবির মজলিসে তাঁর নিকট এটি পাঠ করেন। তিনি বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন আবুল আব্বাস আল-আসাম্ম, আমাদের সংবাদ দিয়েছেন আহমদ ইবনে শায়বান আর-রামলি, আমাদের নিকট বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান ইবনে উইয়াইনাহ, তিনি জুহরি থেকে, তিনি আনাস থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "একজন ব্যক্তির ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য হলো তার জন্য অনর্থক বিষয়গুলো বর্জন করা।"
২৮- আবু বকর আল-কিসায়ি আল-মুয়াদ্দিব, মুসলিম গ্রন্থের লেখক; তিনি একজন চরম মিথ্যাবাদী, তাঁর মতো ব্যক্তিকে নিয়ে চর্চা করা উচিত নয়।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৭৩)
29- ابو جعفر محمد بن احمد السليطي كبير المحل في اصل البيوتات صحيح السماعات وليس الحديث من شانه.
২৯- আবু জাফর মুহাম্মাদ বিন আহমাদ আস-সুলাইতি। তিনি উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন ও সম্ভ্রান্ত বংশীয় ছিলেন। তাঁর (হাদিস) শ্রবণ নির্ভুল ছিল, তবে হাদিস চর্চা করা তাঁর বিশেষ ক্ষেত্র ছিল না।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৭৪)
30- سمعت مسعود بن علي يقول سألت الحاكم ابا عبد الله عن ابي احمد الحبيبي فقال كان يكذب مثل السكر
فقلت الحسنويي خير ام الحبيبي؟
৩০- আমি মাসউদ ইবনে আলীকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি হাকেম আবু আব্দুল্লাহকে আবু আহমাদ আল-হাবীবী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম। তখন তিনি বললেন, সে চিনির মতো মিথ্যা বলত।
আমি বললাম, আল-হাসানওয়ায়ী উত্তম নাকি আল-হাবীবী?
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৭৫)
فقال الحسنويي احسن منه حالا
31- قال الحاكم: سمعت محمد بن صالح بن هانيء يقول كنت انا فيمن شيع احمد بن علي الحسنويي حيث رحل الى ابي حاتم الرازي.
তখন আল-হাসানওয়াইহি তাঁর চেয়ে উত্তম অবস্থায় ছিলেন।
৩১- আল-হাকিম বলেন: আমি মুহাম্মদ ইবনে সালিহ ইবনে হানিকে বলতে শুনেছি, আমি তাঁদের মধ্যে ছিলাম যাঁরা আহমদ ইবনে আলী আল-হাসানওয়াইহিকে বিদায় জানিয়েছিলেন যখন তিনি আবু হাতিম আর-রাজির নিকট সফর করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৭৬)
32- وسمعت مسعودا يقول سألت الحاكم عمن يقدم من اصحاب مالك والثوري وشعبة؟
فقال: من اكثر الرواية عنهم فلا يقدم احد على يحيى بن سعيد
৩২- আমি মাসউদকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন: আমি আল-হাকিমকে মালিক, সাওরী এবং শু'বাহর সঙ্গীদের মধ্যে কাকে অগ্রগণ্য করা হবে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম?
তিনি বললেন: যারা তাদের থেকে অধিক বর্ণনা করেছেন, তাদের মধ্যে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদের উপরে কাউকে অগ্রাধিকার দেওয়া যাবে না।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৭৭)
وعبد الرحمن بن مهدي إلا من مات قبلهم الذي يتعجب بروايتهم عنه.
وسألت أتقدم يحيى أم عبد الرحمن؟
فقال: يحيى وكلاهما كبيران.
33- وسألته عن محمد بن ثابت البناني أهو ثقة
فقال لا بأس به فإنه لم يأت بحديث منكر لكن الشيخين لم يخرجاه وهو عزيز الحديث اسند خمسة عشر حديثا.
وقال يروي عن ثابت البناني اربعة كلهم اسمهم محمد بن ثابت
احدهم محمد بن ثابت البناني
والثاني محمد بن ثابت الأنصاري
এবং আব্দুর রহমান বিন মাহদী, তবে তাদের মধ্যে যারা তাঁদের পূর্বে মৃত্যুবরণ করেছেন তারা ব্যতীত, যাঁদের তাঁর থেকে বর্ণিত বর্ণনায় বিস্ময় প্রকাশ করা হয়।
আর আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়াহইয়া কি অগ্রগণ্য নাকি আব্দুর রহমান?
তিনি বললেন: ইয়াহইয়া; তবে তাঁরা উভয়েই মহান ইমাম।
৩৩- এবং আমি তাঁকে মুহাম্মদ বিন সাবিত আল-বুনানী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, তিনি কি নির্ভরযোগ্য?
তিনি বললেন, তাঁর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই, কেননা তিনি কোনো মুনকার (প্রত্যাখ্যাত) হাদিস বর্ণনা করেননি; তবে শাইখাইন (বুখারী ও মুসলিম) তাঁর থেকে হাদিস বর্ণনা করেননি। তাঁর বর্ণিত হাদিস সংখ্যায় খুবই কম, তিনি পনেরোটি হাদিস সনদসহ বর্ণনা করেছেন।
তিনি বললেন, সাবিত আল-বুনানী থেকে চারজন হাদিস বর্ণনা করেন যাঁদের প্রত্যেকের নাম মুহাম্মদ বিন সাবিত।
তাঁদের একজন হলেন মুহাম্মদ বিন সাবিত আল-বুনানী।
এবং দ্বিতীয়জন হলেন মুহাম্মদ বিন সাবিত আল-আনসারী।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৭৮)
والثالث محمد بن ثابت العبدي
والرابع محمد بن ثابت العصري
24- وسألته عن حاجب الطوسي
এবং তৃতীয় ব্যক্তি হলেন মুহাম্মদ বিন সাবিত আল-আবদি
এবং চতুর্থ ব্যক্তি হলেন মুহাম্মদ বিন সাবিত আল-আসরি
২৪- এবং আমি তাঁকে হাজিব আত-তুসি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৭৯)
فقال لم يسمع قط حديثا لكنه كان له عم قد سمع الحديث فجاء البلاذري إليه وقال هل كنت مع عملك في المجلس؟
فقال بلى فانتخب من كتب عمه تلك الاجزاء وهي خمسة.
35- وسمعته يقول امامنا الشافعي المطلبي رضي الله عنه قرشي النسب من صميمها وليس بالهاشمي فإن بني هاشم ينتمون إلى
তিনি বললেন, তিনি কখনও হাদিস শোনেননি, তবে তাঁর এক চাচা ছিলেন যিনি হাদিস শুনেছিলেন। অতঃপর বালাজুরি তাঁর কাছে আসলেন এবং বললেন, "আপনি কি মজলিসে আপনার চাচার সাথে ছিলেন?"
তিনি বললেন, "হ্যাঁ।" অতঃপর তিনি তাঁর চাচার কিতাবসমূহ থেকে সেই অংশগুলো নির্বাচন করলেন এবং সেগুলো ছিল পাঁচটি।
৩৫- এবং আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, আমাদের ইমাম শাফেয়ী আল-মুত্তালিবী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বংশগতভাবে মূল কুরাইশ বংশের অন্তর্ভুক্ত, তিনি হাশেমী নন; কেননা বনু হাশেমের বংশধারা সম্পৃক্ত হয়...
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৮০)
هاشم بن عبد مناف بن قصي والإمام الشافعي ينتمي إلى هاشم بن المطلب بن عبد مناف
36- وسمعته يقول ابو الحسن الذي يروي عنه ابو حنيفة هو موسى بن أبي عائشة.
37- وسألته عن ابراهيم بن الحسين بن دازيل
হাশিম বিন আবদে মানাফ বিন কুসাই এবং ইমাম শাফিঈ হাশিম বিন আল-মুত্তালিব বিন আবদে মানাফের বংশের অন্তর্ভুক্ত।
৩৬- এবং আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, আবুল হাসান—যার থেকে আবু হানিফা বর্ণনা করেছেন—তিনি হলেন মুসা বিন আবি আইশা।
৩৭- এবং আমি তাঁকে ইব্রাহিম বিন আল-হুসাইন বিন দাজিল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৮১)
فقال ثقة مأمون.
38- وسألته عن احمد بن زيد المصري الذي يروي عن سفيان بن عيينة؟
فقال ساقط
39- وسألته عن زكريا بن يحيى بن أسد؟
فقال ثقة
40- واحمد بن شيبان الرملي ثقة واحمد بن اجل وأوثق.
তিনি বললেন: বিশ্বস্ত, নির্ভরযোগ্য।
৩৮- এবং আমি তাকে আহমাদ বিন যায়েদ আল-মিসরি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, যিনি সুফিয়ান বিন উয়াইনা থেকে বর্ণনা করেন?
তিনি বললেন: পরিত্যক্ত।
৩৯- এবং আমি তাকে যাকারিয়া বিন ইয়াহইয়া বিন আসাদ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম?
তিনি বললেন: বিশ্বস্ত।
৪০- আর আহমাদ বিন শাইবান আর-রামলি হলেন বিশ্বস্ত, তবে আহমাদ (ইমাম আহমাদ) অধিক মহান ও অধিক নির্ভরযোগ্য।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৮২)
41- وسألته عن ابراهيم بن عبد الله السعدي
فقال ثقة مامون الا انه طويل اللسان وكان يستخف بمسلم بن الحجاج فغمزه مسلم بلا حجة.
42- وسمعته يقول عثمان بن عبد الله القرشي الذي يروي عن مالك كذاب يكنى ابا عمرو قدم خراسان بعد الثلاثين والمائتين فحدث
41- এবং আমি তাঁকে ইবরাহীম ইবনে আব্দুল্লাহ আস-সাদী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম।
তিনি বললেন, তিনি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত, তবে তিনি ছিলেন কটুভাষী এবং তিনি মুসলিম ইবনুল হাজ্জাজকে তুচ্ছজ্ঞান করতেন, ফলে মুসলিম কোনো প্রমাণ ছাড়াই তাঁর সমালোচনা করেছেন।
42- এবং আমি তাঁকে বলতে শুনেছি, উসমান ইবনে আব্দুল্লাহ আল-কুরাশী—যিনি মালিক থেকে বর্ণনা করেন—সে একজন মিথ্যাবাদী, তার উপনাম আবু আমর। সে দুইশত ত্রিশ হিজরীর পরে খুরাসানে এসেছিল এবং হাদীস বর্ণনা করেছিল।
(খণ্ড: ১)
সুয়ালাতুস সিজযী লিল হাকিম
(পৃষ্ঠা: ৮৩)
عن مالك والليث بن سعد وابن لهيعة والحمادين وغيرهم بأحاديث أكثرها موضوعة.
43- وسألته عن علي الأزدي الذي يروي عن ابن عمر فقال: هو علي بن عروة البارقي ثقة مأمون قد احتج به
মালিক, লাইস ইবন সা’দ, ইবন লাহীআহ, দুই হাম্মাদ এবং অন্যদের সূত্রে এমন সব হাদিস বর্ণিত হয়েছে যেগুলোর অধিকাংশ জাল।
৪৩- এবং আমি তাঁকে আলী আল-আযদি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যিনি ইবন উমর থেকে বর্ণনা করেন, তখন তিনি বললেন: তিনি হলেন আলী ইবন উরওয়াহ আল-বারিকী, তিনি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত, তাঁর দ্বারা দলিল গ্রহণ করা হয়েছে।