(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: -)
تحقيق رياض الصالحين للألباني   (النووي)

القسم: كتب السنة


الكتاب: رياض الصالحين

المؤلف: أبو زكريا محيي الدين يحيى بن شرف النووي (ت 676هـ)

الناشر: المكتب الإسلامي - بيروت

تحقيق: محمد ناصر الدين الألباني

عدد الصفحات: 639

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431

আলবানী কর্তৃক রিয়াদুস সালিহীনের তাহকীক   (আন-নববী)

বিভাগ: সুন্নাহর গ্রন্থসমূহ


গ্রন্থ: রিয়াদুস সালিহীন

গ্রন্থকার: আবু যাকারিয়া মুহিউদ্দীন ইয়াহইয়া ইবন শরফ আন-নববী (মৃত্যু ৬৭৬ হি.)

প্রকাশক: আল-মাকতাবুল ইসলামী - বৈরুত

তাহকীক: মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী

পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৬৩৯

[গ্রন্থের নম্বর বিন্যাস মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ্জ ১৪৩১

(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ১)
‌‌رياض الصالحين

تأليف: الإمام النووي

تحقيق: محمد ناصر الدين الألباني

طبع: المكتب الإسلامي
রিয়াদুস সলিহীন

গ্রন্থনায়: ইমাম আন-নববী

তাহকীক: মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী

প্রকাশনায়: আল-মাকতাব আল-ইসলামী
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ৫০)
67 - (ضعيف)

عن أبي يعلى شداد بن أوس رضي الله عن هـ عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " الكيس من دان نفسه وعمل لما بعد الموت والعاجز من اتبع نفسه هواها وتمنى على الله الأماني " رواه الترمذي وقال حديث حسن
৬৭ - (যঈফ)

আবু ইয়ালা শাদ্দাদ ইবনে আউস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন: "বুদ্ধিমান সেই ব্যক্তি যে নিজের নফসের হিসাব নিয়েছে এবং মৃত্যুর পরবর্তী সময়ের জন্য আমল করেছে। আর অক্ষম সেই ব্যক্তি যে নিজের নফসকে তার প্রবৃত্তির অনুসারী করেছে এবং আল্লাহর নিকট অবান্তর আকাঙ্ক্ষা পোষণ করেছে।" ইমাম তিরমিজি এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি একে হাসান হাদিস বলেছেন।
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ৭৬)
69 - (ضعيف)

عن عمر رضي الله عن عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " لا يسأل الرجل فيم ضرب امرأته " رواه أبوداود وغيره

--------------------------------------------

قلت: إسناده ضعيف وقد بيناه في (إرواء الغليل 2034)

[76]
৬৯ - (দুর্বল)

উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "কোনো ব্যক্তিকে তার স্ত্রীকে কেন প্রহার করেছে সে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে না।" এটি আবু দাউদ ও অন্যান্যরা বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

আমি বলছি: এর সনদ দুর্বল এবং আমি তা (ইরওয়াউল গালীল ২০৩৪)-এ ব্যাখ্যা করেছি।

[৭৬]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ৮৭)
94 - (ضعيف)

عن أبي هريرة رضي الله عن هـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " بادروا بالأعمال سبعا هل تنتظرون إلا فقرا منسيا أو غنى مطغيا أو مرضا مفسدا أو هرما مفندا أو موتا مجهزا أو الدجال فشر غائب ينتظر أو الساعة فالساعة أدهى وأمر " رواه الترمذي وقال: حديث حسن

--------------------------------------------

والحديث في سنده ضعف كما بينته في (سلسلة الأحاديث الضعيفة رقم 1666) ولم أجد له شاهدا

[87]
৯৪ - (দুর্বল)

আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা সাতটি বিষয়ের আগে আমল করতে দ্রুত অগ্রসর হও। তোমরা কি কেবল এমন দারিদ্র্যের অপেক্ষা করছ যা (আল্লাহর স্মরণ) ভুলিয়ে দেয়, অথবা এমন প্রাচুর্যের যা অবাধ্য করে তোলে, অথবা এমন অসুস্থতার যা জরাজীর্ণ করে দেয়, অথবা এমন বার্ধক্যের যা বুদ্ধিভ্রষ্ট করে দেয়, অথবা এমন মৃত্যুর যা দ্রুত আক্রমণকারী, অথবা দাজ্জালের—যা প্রতীক্ষিত অনুপস্থিত অনিষ্টগুলোর মধ্যে নিকৃষ্টতম, অথবা কিয়ামতের? আর কিয়ামত তো অধিকতর ভয়াবহ ও অধিকতর তিক্ত।" এটি তিরমিজি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: হাদিসটি হাসান।

--------------------------------------------

হাদিসটির সনদে দুর্বলতা রয়েছে যেমনটি আমি (সিলসিলাতুল আহাদিস আদ-দায়িফাহ, নম্বর ১৬৬৬) গ্রন্থে স্পষ্ট করেছি এবং আমি এর কোনো সমর্থনকারী বর্ণনা খুঁজে পাইনি।

[৮৭]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ৯২)
110 - (صحيح)

عن أبي صفوان عبد الله بن بسر الأسلمي رضي الله عن هـ قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " خير الناس من طال عمره وحسن عمله " رواه الترمذي وقال: حديث حسن

[92]
১১০ - (সহীহ)

আবু সাফওয়ান আবদুল্লাহ ইবনে বুসর আল-আসলামী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "মানুষের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি, যার আয়ু দীর্ঘ হয়েছে এবং তার আমল সুন্দর হয়েছে।" তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: হাদীসটি হাসান।

[৯২]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ১২৭)
201 - (ضعيف)

عن ابن مسعود رضي الله عن هـ قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " إن أول ما دخل النقص في بني إسرائيل أنه كان الرجل يلقى الرجل فيقول: يا هذا اتق الله ودع ما تصنع فإنه لا يحل لك ثم يلقاه من الغد وهو على حاله فلا يمنعه ذلك من أن يكون أكيله وشريبه وقعيده فلما فعلوا ذلك ضرب الله قلوب بعضهم ببعض " ثم قال: (لعن الذين كفروا من بني إسرائيل على لسنا داود وعيسى ابن مريم ذلك بما عصوا وكانوا يعتدون ن كانوا لا يتناهون عن منكر فعلوه لبئس ما كانوا يفعلون ترى كثرا منهم يتولون الذين كفروا لبئس ما قدمت لهم أنفسهم) إلى قوله (فاسقون) [المائدة 78 - 81] ثم قال: " كلا والله لتأمرن بالمعروف ولتنهون عن المنكر ولتأخذن على يد الظالم ولتأطرنه على الحق أطرا ولتقصرنه على الحق قصرا أو ليضرين الله بقلوب بعضكم على بعض ثم ليلعنكم كما لعنهم " رواه أبو داود والترمذي وقال: حديث حسن

هذا لفظ أبي داود ولفظ الترمذي قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " لما وقعت بنو إسرائيل في المعاصي نهتهم علماؤهم فلم ينتهوا فجالسوهم في مجالسهم وواكلوهم وشاربوهم فضرب الله قلوب بعضهم ببعض ولعنهم على لسان داود وعيسى ابن مريم ذلك بما عصوا وكانوا يعتدون " فجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان متكئا فقال: " لا والذي نفسي بيده حتى تأطروهم على الحق أطرا "

قوله " تأطروهم ": أي تعطفوهم. " ولتقصرونه ": أي لتحبسنه

--------------------------------------------

قلت كذا قال الترمذي وفيه نظر ظاهر لأن مداره على أبي عبيدة بن عبد الله بن مسعود ولم يسمع من أبيه كما ذكره الترمذي مرارا فهو منقطع. ثم إنهم اضطربوا عليه في إسناده على وجوه أربعة سقتها وفصلت القول فيها في (سلسلة الأحاديث الضعيفة والموضوعة وأثرها السيئ في الأمة) برقم (1105)

[127]
২০১ - (যঈফ)

ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "বনী ইসরাঈলের মধ্যে প্রথম যে ত্রুটি বা বিচ্যুতি প্রবেশ করেছিল তা ছিল এই যে, এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির সাথে সাক্ষাৎ করত এবং বলত: হে অমুক! আল্লাহকে ভয় কর এবং যা করছ তা বর্জন কর, কারণ এটি তোমার জন্য হালাল নয়। অতঃপর পরদিন সে যখন তার সাথে সাক্ষাৎ করত, তখনো সে সেই একই অবস্থাতেই (পাপে লিপ্ত) থাকত, কিন্তু সেই বিষয়টি তাকে তার সাথে পানাহার করা ও এক মজলিসে উঠাবসা করা থেকে বিরত রাখত না। তারা যখন এইরূপ করল, আল্লাহ তাদের একে অপরের অন্তরকে পরস্পরের ওপর আঘাত হানলেন (একে অপরের বিরুদ্ধে লাগিয়ে দিলেন)।" অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: (বনী ইসরাঈলের মধ্যে যারা কুফরি করেছিল তাদের লানত করা হয়েছে দাউদ ও ঈসা ইবনে মারইয়ামের যবানে, এটি এজন্য যে তারা অবাধ্যতা করত এবং সীমালঙ্ঘন করত। তারা যে মন্দ কাজ করত তা থেকে একে অপরকে বারণ করত না। তারা যা করত তা কতই না নিকৃষ্ট। আপনি তাদের অনেককে দেখবেন যে তারা কাফিরদের সাথে বন্ধুত্ব করে। তাদের নফস তাদের জন্য যা অগ্রিম পাঠিয়েছে তা কতই না মন্দ) 'ফাসিকুন' পর্যন্ত [সূরা আল-মায়িদাহ ৭৮ - ৮১]। অতঃপর তিনি বললেন: "কখনোই নয়, আল্লাহর কসম! অবশ্যই তোমরা সৎকাজের আদেশ দেবে এবং অসৎকাজ হতে নিষেধ করবে, আর তোমরা জালেমের হাত ধরে ফেলবে এবং তাকে সত্যের পথে চলতে বাধ্য করবে এবং তাকে সত্যের ওপরই আবদ্ধ রাখবে। অন্যথায় আল্লাহ অবশ্যই তোমাদের একজনের অন্তরকে অন্যের ওপর আঘাত হানবেন, অতঃপর তোমাদের ওপর লানত করবেন যেমনিভাবে তাদের ওপর লানত করেছেন।" এটি আবু দাউদ ও তিরমিযী বর্ণনা করেছেন এবং তিনি (তিরমিযী) বলেছেন: এটি হাসান হাদিস।

এটি আবু দাউদের শব্দ। আর তিরমিযীর শব্দে আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যখন বনী ইসরাঈল পাপে লিপ্ত হলো, তাদের আলেমরা তাদের নিষেধ করল কিন্তু তারা বিরত হলো না। এরপর তারা তাদের মজলিসে তাদের সাথে বসল এবং তাদের সাথে পানাহার করল। ফলে আল্লাহ তাদের একে অপরের অন্তরকে পরস্পরের বিরুদ্ধে লাগিয়ে দিলেন এবং দাউদ ও ঈসা ইবনে মারইয়ামের যবানে তাদের লানত করলেন। এটি এজন্য যে তারা অবাধ্যতা করত এবং সীমালঙ্ঘন করত।" অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সোজা হয়ে বসলেন, অথচ তিনি হেলান দিয়ে ছিলেন। তারপর বললেন: "কখনোই নয়, সেই সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ! যতক্ষণ না তোমরা তাদের সত্যের ওপর চলতে বাধ্য করবে।"

তাঁর কথা "তা’তিরুহুম": অর্থাৎ তোমরা তাদের ফিরিয়ে আনবে। "ওয়াল তাকসিরুন্নাহু": অর্থাৎ তোমরা তাকে আটকে বা বন্দি রাখবে।

--------------------------------------------

আমি বলছি, তিরমিযী এমনই বলেছেন, তবে এতে স্পষ্ট আপত্তি রয়েছে। কারণ এর মূল সূত্র আবু উবায়দাহ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদের ওপর আবর্তিত, অথচ তিনি তাঁর পিতা থেকে কিছু শোনেননি, যেমনটি তিরমিযী নিজেই বহুবার উল্লেখ করেছেন। সুতরাং এটি বিচ্ছিন্ন (মুনকাতি) সনদ। অধিকন্তু, এর সনদে বর্ণনাকারীরা চারভাবে বিশৃঙ্খলা (ইযতিরাব) ঘটিয়েছেন, যা আমি 'সিলসিলাতুল আহাদিস আদ-দয়িফাহ ওয়াল মাওদুয়াহ' (ক্রমিক ১১০৫)-তে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

[১২৭]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ১৬১)
292 - (ضعيف)

عن أم سلمة رضي الله عن هـ قالت: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " أيما امرأة ماتت وزوجها عنها راض دخلت الجنة " رواه الترمذي وقال: حديث حسن

--------------------------------------------

قلت: وفي سنده مجهولان انظر (الضعيفة) رقم (1426)

[161]
২৯২ - (যয়ীফ)

উম্মে সালামাহ রাযিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "যে কোনো নারী এমতাবস্থায় মৃত্যুবরণ করে যে, তার স্বামী তার প্রতি সন্তুষ্ট ছিল, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।" তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: হাদীসটি হাসান।

--------------------------------------------

আমি বলছি: এর সনদে দুইজন অপরিচিত বর্ণনাকারী রয়েছে; দেখুন (আয-যয়ীফাহ) নম্বর (১৪২৬)

[১৬১]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ১৮৪)
360 - (ضعيف)

عن ميمون بن أبي شبيب رحمه الله أن عائشة رضي الله عن ها مر بها سائل فأعطته كسرة ومر بها رجل عليه ثياب وهيئة فأقعدته فأكل فقيل لها في ذلك؟ فقالت: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " أنزلوا الناس منازلهم " رواه أبو داود. لكن قال: ميمون لم يدرك عائشة

وقد ذكره مسلم في أول صحيح تعليقا فقالت: وذكر عن عائشة رضي الله عن ها قالت: أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن ننزل الناس منازلهم. وذكر الحاكم أبو عبد الله في كتابه (معرفة علوم الحديث) وقال: هو حديث صحيح

--------------------------------------------

قلت: وليس كما قال للانقطاع المذكور فيه وغيره كما بينته في (المشكاة) رقم (4989)

[184]
৩৬০ - (যঈফ)

মাইমুন ইবনে আবি শাবীব (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণিত যে, আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর নিকট দিয়ে এক ভিক্ষুক অতিক্রম করার সময় তিনি তাকে এক টুকরো রুটি প্রদান করলেন। পরবর্তীতে তাঁর নিকট দিয়ে এমন এক ব্যক্তি অতিক্রম করলেন যার পরনে সুন্দর পোশাক ও মার্জিত অবয়ব ছিল, তখন তিনি তাকে বসালেন এবং সে আহার করল। এ বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা মানুষকে তাদের পদমর্যাদা অনুযায়ী স্থান দাও।" এটি আবু দাউদ বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেন: মাইমুন আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-এর সাক্ষাৎ পাননি।

ইমাম মুসলিম তাঁর 'সহীহ' গ্রন্থের শুরুতে এটি তালীক (সনদবিহীন) হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং বলা হয়েছে: আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন যেন আমরা মানুষকে তাদের পদমর্যাদা অনুযায়ী স্থান দেই। হাকেম আবু আব্দুল্লাহ তাঁর 'মা'রিফাতু উলূমিল হাদীস' গ্রন্থে এটি উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন: এটি একটি সহীহ হাদীস।

--------------------------------------------

আমি বলছি: বিষয়টি তিনি যেমন বলেছেন তেমন নয়; কারণ এতে পূর্বে উল্লিখিত বিচ্ছিন্নতা (ইনকিতা) ও অন্যান্য ত্রুটি রয়েছে, যেমনটি আমি 'মিশকাত' (নং ৪৯৮৯) গ্রন্থে ব্যাখ্যা করেছি।

[১৮৪]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ১৮৫)
363 - (ضعيف)

عن أنس رضي الله عن هـ قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " ما أكرم شاب شيخا لسنه إلا قيض الله له من يكرمه عند سنه " رواه الترمذي وقال ك حديث غريب

--------------------------------------------

قلت: يعني ضعيف وقد خرجت الحديث وبينت أن له علتين في 0 الضعيفة) رقم (304)

[185]
৩৬৩ - (দুর্বল)

আনাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: "কোনো যুবক যদি কোনো বৃদ্ধ ব্যক্তিকে তার বয়সের কারণে সম্মান করে, তবে আল্লাহ তার জন্য এমন ব্যক্তিকে নির্ধারিত করে দেবেন যে তার বার্ধক্যে তাকে সম্মান করবে।" তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন এটি একটি গরীব হাদীস।

--------------------------------------------

আমি বলছি: অর্থাৎ হাদীসটি দুর্বল। আমি হাদীসটির তাখরীজ করেছি এবং বর্ণনা করেছি যে এতে দুটি ত্রুটি রয়েছে ‘আদ-দাঈফাহ’ (ক্রমিক নং ৩০৪)-তে।

[১৮৫]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ১৮৭)
366 - (حسن لغيره)

عن أبي هريرة رضي الله عن هـ قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " من عاد مريضا أو زار أخا له في الله ناداه مناد بأن طبت وطاب ممشاك وتبوأت من الجنة منزلا " رواه الترمذي وقال: حديث حسن وفي بعض النسخ غريب

--------------------------------------------

قلت: وهو اللائق بحال إسناده لكن الحديث حسن لغيره فراجع (المشكاة) رقم (5015)

[187]
৩৬৬ - (অন্যান্য সূত্রের কারণে হাসান)

আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "যে ব্যক্তি কোনো রোগীকে দেখতে যায় অথবা আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তার কোনো ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ করতে যায়, একজন ঘোষক তাকে ডেকে বলেন: তুমি ধন্য, তোমার পথচলাও ধন্য এবং তুমি জান্নাতে নিজের জন্য একটি আবাস তৈরি করে নিলে।" তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: হাদীসটি হাসান, তবে কোনো কোনো পাণ্ডুলিপিতে এটি গারীব।

--------------------------------------------

আমি বলছি: এটিই এর সনদের অবস্থার জন্য উপযুক্ত, তবে হাদীসটি অন্যান্য সূত্রের কারণে হাসান, সুতরাং দেখুন (মিশকাত) নম্বর (৫০১৫)।

[১৮৭]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ১৮৮)
371 - (حسن لغيره)

عن أبي هريرة رضي الله عن هـ أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " الرجل على دين خليله فلينظر أحدكم من يخالل " رواه أبو داود والترمذي بإسناد صحيح وقال الترمذي: حديث حسن

--------------------------------------------

الخليل: الصديق. والحديث حسن لغيره انظر (الصحيحة) رقم (927)

[188]
৩৭১ - (হাসান লি-গাইরিহি)

আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "মানুষ তার বন্ধুর দ্বীন বা আদর্শের অনুসারী হয়; সুতরাং তোমাদের প্রত্যেকের লক্ষ্য করা উচিত সে কার সাথে বন্ধুত্ব করছে।" আবু দাউদ ও তিরমিজি এটি সহিহ সনদে বর্ণনা করেছেন এবং তিরমিজি বলেছেন: এটি একটি হাসান হাদিস।

--------------------------------------------

আল-খালিল: বন্ধু। হাদিসটি হাসান লি-গাইরিহি, দেখুন (আস-সহিহাহ) নম্বর (৯২৭)

[১৮৮]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ১৯১)
378 - (ضعيف)

عن عمر بن الخطاب رضي الله عن هـ قال ك استأذنت النبي صلى الله عليه وسلم في العمرة فأذن لي وقال: " لا تنسنا يا أخي من دعائك " فقال كلمة ما يسرني أن لي بها الدنيا. وفي رواية وقال: " أشركنا يا أخي في دعائك ". حديث ضعيف رواه أبو داود والترمذي وقال ك حديث حسن صحيح

--------------------------------------------

كذا قال وكأنه قلد الترمذي فانظر التفصيل في 0 المشكاة) رقم (2248) و (ضعيف أبي داود) رقم (264)

[191]
৩৭৮ - (দুর্বল)

উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট উমরার অনুমতি প্রার্থনা করলাম। তিনি আমাকে অনুমতি প্রদান করলেন এবং বললেন: "হে আমার ভাই, তোমার দোয়ায় আমাদের ভুলে যেও না।" উমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেন, তিনি এমন একটি কথা বললেন যার বিনিময়ে পুরো পৃথিবী পাওয়াও আমাকে এতটা আনন্দিত করত না। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, তিনি বললেন: "হে আমার ভাই, তোমার দোয়ায় আমাদের শামিল করো।" হাদীসটি দুর্বল; এটি আবু দাউদ ও তিরমিযী বর্ণনা করেছেন এবং তিনি (তিরমিযী) একে হাসান সহীহ বলেছেন।

--------------------------------------------

তিনি এমনই বলেছেন এবং মনে হচ্ছে তিনি এ ক্ষেত্রে তিরমিযীকে অনুসরণ করেছেন। বিস্তারিত বিবরণের জন্য দেখুন: 'আল-মিশকাত' নং (২২৪৮) এবং 'যঈফ আবু দাউদ' নং (২৬৪)।

[১৯১]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২০৩)
413 - (ضعيف)

عن أبي هريرة رضي الله عن هـ قال: قرأ رسول الله صلى الله عليه وسلم (يومئذ تحدث أخبارها) [الزلزلة - 4] ثم قال: " أتدرون ما أخبارها؟ قالوا: الله ورسوله أعلم قال: " فإن أخبارها أن تشهد على كل عبد وأمة بما عمل على ظهرها تقول: عملت كذا وكذا في يوم كذا وكذا فهذه أخبارها " رواه الترمذي وقال: حديث حسن صحيح

--------------------------------------------

ليس في بعض نسخ الترمذي: (صحيح) وهو الأقرب إلى حال رواته فانظر (الضعيفة) رقم (4834)

[203]
৪১৩ - (দুর্বল)

আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাঠ করলেন: (সেদিন সে তার সংবাদসমূহ বর্ণনা করবে) [যিলযাল - ৪]। এরপর তিনি বললেন: "তোমরা কি জানো তার সংবাদসমূহ কী?" তারা বললেন: "আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক অবগত।" তিনি বললেন: "নিশ্চয়ই তার সংবাদসমূহ হলো এই যে, সে প্রত্যেক দাস ও দাসীর বিরুদ্ধে তার পিঠে তারা যা আমল করেছে সে বিষয়ে সাক্ষ্য দেবে। সে বলবে: তুমি অমুক অমুক দিনে এই এই কাজ করেছ। সুতরাং এগুলোই হলো তার সংবাদসমূহ।" তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: হাদীসটি হাসান সহীহ।

--------------------------------------------

তিরমিযীর কিছু পাণ্ডুলিপিতে (সহীহ) শব্দটি নেই, আর বর্ণনাকারীদের অবস্থার বিচারে এটাই অধিক সঠিক। সুতরাং দেখুন (আদ-দাঈফাহ) নম্বর (৪৮৩৪)

[২০৩]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২২৬)
476 - (صحيح بشواهده)

عن أبي العباس سهل بن سعد الساعدي رضي الله عن هـ قال: جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله دلني على عمل إذا عملته أحبني الله وأحبني الناس فقال: " ازهد في الدنيا يحبك الله وازهد فيما عند الناس يحبك الناس ". حديث حسن رواه ابن ماجه وغيره بأسانيد حسنه

--------------------------------------------

كذا قال والأسانيد إنما هي من تحت الثوري وأشدها ضعفا طريق ابن ماجه وإنما يتقوى الحديث بغير طريقه وبشواهد خرجتها في (الصحيحة) رقم (944) فلتراجع وانظر الفائدة الثانية من المقدمة

[226]
৪৭৬ - (সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে সহীহ)

আবুল আব্বাস সাহল বিন সা'দ আস-সা'ঈদী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: জনৈক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন একটি আমলের কথা বলে দিন, যা করলে আল্লাহ আমাকে ভালোবাসবেন এবং মানুষও আমাকে ভালোবাসবে। তখন তিনি বললেন: "দুনিয়ার প্রতি বিমুখ হও, আল্লাহ তোমাকে ভালোবাসবেন; আর মানুষের কাছে যা আছে তার প্রতি নির্লোভ হও, মানুষ তোমাকে ভালোবাসবে।" হাদীসটি হাসান, ইবনে মাজাহ ও অন্যান্যরা হাসান সনদে এটি বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

তিনি এমনই বলেছেন, তবে সনদগুলো মূলত আস-সাওরীর পরবর্তী স্তরের এবং সেগুলোর মধ্যে ইবনে মাজাহর সূত্রটি সবচেয়ে বেশি দুর্বল। মূলত হাদীসটি তার সূত্র বাদে অন্যান্য সূত্র এবং সাক্ষ্যপ্রমাণের (শাওয়াহিদ) ভিত্তিতে শক্তিশালী হয়েছে যা আমি (আস-সহীহাহ) এর ৯৪৪ নম্বর হাদীসে উল্লেখ করেছি, সুতরাং তা দেখে নেওয়া উচিত। আর মুখবন্ধের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদটি দেখুন।

[২২৬]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২২৯)
486 - (ضعيف)

عن أبي عمرو ويقال: أبو عبد الله ويقال: أبو ليلى عثمان بن عفان رضي الله عن هـ أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " ليس لابن آدم حق في سوى هذه الخصال: بيت يسكنه وثوب يواري عورته وجلف خبز والماء " رواه الترمذي وقال: حديث صحيح

--------------------------------------------

قلت: بل هو ضعيف في إسناده ضعيفان كما بينته في (الأحاديث الضعيفة والموضوعة برقم 1063)

[229]
৪৮৬ - (দুর্বল)

আবু আমর থেকে বর্ণিত—যাকে আবু আব্দুল্লাহ এবং আবু লায়লাও বলা হয়—অর্থাৎ উসমান ইবনে আফফান (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "আদম সন্তানের জন্য এই কয়েকটি বস্তু ব্যতীত অন্য কোনো বিষয়ে বিশেষ অধিকার নেই: একটি ঘর যাতে সে বসবাস করবে, একটি কাপড় যা দ্বারা সে তার লজ্জাস্থান ঢাকবে এবং সাধারণ রুটি ও পানি।" তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: হাদিসটি সহীহ।

--------------------------------------------

আমি বলছি: বরং এটি দুর্বল; এর সনদে দুইজন দুর্বল বর্ণনাকারী রয়েছেন, যেমনটি আমি 'আল-আহাদিস আদ-দায়িফাহ ওয়াল-মাওদুয়াহ' গ্রন্থের ১০৬৩ নম্বর হাদিসে স্পষ্ট করেছি।

[২২৯]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২২৯)
488 - (ضعيف)

عن عبد الله بن مغفل رضي الله عن هـ قال: قال رجل للنبي صلى الله عليه وسلم: يا رسول الله والله إني لحبك فقال: " انظر ماذا تقول "؟ فقال: والله إني لأحبك ثلاث مرات فقال: " إن كنت تحبني فأعد للفقر تجفافا فإن الفقر أسرع إلى من يحبني من السيل إلى منتهاه " رواه الترمذي وقال حديث حسن

--------------------------------------------

وقد رجع الشيخ عن تضعيفه وأخرجه في (الصحيحة) تحت رقم (2827) وقد أشار إلى رجوعه عن التضعيف في كتاب النصيحة
৪৮৮ - (দুর্বল)

আবদুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই আপনাকে ভালোবাসি। তিনি বললেন: "তুমি কী বলছ তা ভেবে দেখো।" সে তিনবার বলল: আল্লাহর কসম, আমি অবশ্যই আপনাকে ভালোবাসি। তখন তিনি বললেন: "যদি তুমি আমাকে ভালোবেসে থাকো, তবে দারিদ্র্যের জন্য বর্ম প্রস্তুত করো। কেননা, আমাকে যে ভালোবাসে তার নিকট দারিদ্র্য তার গন্তব্যের দিকে ধাবমান প্লাবনের চেয়েও দ্রুতগতিতে আসে।" তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন এবং একে হাসান হাদীস বলেছেন।

--------------------------------------------

শায়খ একে দুর্বল বলার সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে এসেছেন এবং একে 'আস-সহীহাহ' গ্রন্থে ২৮২৭ নম্বরের অধীনে সংকলন করেছেন। তিনি 'কিতাবুন নাসিহা' গ্রন্থে একে দুর্বল বলার অবস্থান থেকে ফিরে আসার বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২৩০)
490 - (صحيح بشواهده)

عن عبد الله بن مسعود رضي الله عن هـ قال: نام رسول الله صلى الله عليه وسلم على حصير فقام وقد أثر في جنبه قلنا: يا رسول الله لو أتخذ لك وطاء فقال: " ما لي وللدنيا؟ ما أنا في الدنيا إلا كراكب استظل شجرة ثم راح وتركها ". رواه الترمذي وقال: حديث حسن صحيح

--------------------------------------------

وللحديث شاهد من حديث ابن عباس قد خرجته بعد حديث ابن مسعود في 0 الصحيحة) رقم (438 و 439)

[230]
৪৯০ - (তার সমান্তরাল বর্ণনাসমূহের মাধ্যমে সহিহ)

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি চাটাইয়ের ওপর ঘুমিয়েছিলেন, অতঃপর যখন তিনি উঠলেন, তখন তাঁর পার্শ্বদেশে দাগ পড়ে গিয়েছিল। আমরা বললাম: হে আল্লাহর রাসুল! আমরা যদি আপনার জন্য একটি নরম বিছানা তৈরি করে দিতাম! তিনি বললেন: "দুনিয়ার সাথে আমার কী সম্পর্ক? দুনিয়াতে আমি তো কেবল সেই আরোহীর ন্যায়, যে একটি গাছের নিচে ছায়া নিল, অতঃপর সেখান থেকে প্রস্থান করল এবং গাছটি ছেড়ে চলে গেল।" তিরমিজি এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: হাদিসটি হাসান সহিহ।

--------------------------------------------

হাদিসটির ইবনে আব্বাস বর্ণিত একটি শাহিদ (সমান্তরাল বর্ণনা) রয়েছে যা আমি ইবনে মাসউদের হাদিসের পর 'আস-সহিহাহ' এর ৪৩৮ এবং ৪৩৯ নং হাদিসে বের করেছি।

[২৩০]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২৩৯)
521 - (صحيح)

عن أبي كريمة المقدام بن معد يكرب رضي الله عن هـ قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: " ما ملأ آدمي وعاءا شرا من بطنه بحسب ابن آدم أكلات يقمن صلبه فإن كان لا محالة فثلث لطعامه وثلث لشرابه وثلث لنفسه ". رواه الترمذي وقال: حديث حسن

--------------------------------------------

قلت وفي بعض النسخ (حسن صحيح) وهو الأقرب لحال إسناده فإنه صحيح وبيانه في (الصحيحة) رقم (2265)

[239]
৫২১ - (সহিহ)

আবু কারিমা আল-মিকদাম ইবনে মাদি ইয়াকরিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "আদম সন্তান তার পেটের চেয়ে নিকৃষ্টতর কোনো পাত্র পূর্ণ করে না। মানুষের পিঠ সোজা রাখার জন্য সামান্য কয়েক লোকমা খাবারই যথেষ্ট। যদি তার বেশি করতেই হয়, তবে এক-তৃতীয়াংশ খাবারের জন্য, এক-তৃতীয়াংশ পানীয়ের জন্য এবং এক-তৃতীয়াংশ তার শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য রাখা উচিত।" এটি তিরমিজি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: হাদিসটি হাসান।

--------------------------------------------

আমি বলছি, কোনো কোনো পাণ্ডুলিপিতে (হাসান সহিহ) বর্ণিত হয়েছে এবং এটিই এর সনদের অবস্থার বিচারে অধিকতর সঠিক; কেননা এটি সহিহ এবং এর বিস্তারিত বিবরণ (আস-সহিহাহ) এর ২২৬৫ নং হাদিসে রয়েছে।

[২৩৯]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২৪১)
524 - (ضعيف)

عن أسماء بنت يزبد رضي الله عن ها قالت: كان كم قميص رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى الرصغ. رواه أبو داود والترمذي وقال: حديث حسن

--------------------------------------------

قلت فيه ضعيف فانظر (الضعيفة) رقم (2458)

[241]
৫২৪ - (দুর্বল)

আসমা বিনতে ইয়াজিদ (রাদিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জামার হাতা কবজি পর্যন্ত ছিল। এটি আবু দাউদ ও তিরমিযী বর্ণনা করেছেন এবং তিনি (তিরমিযী) বলেছেন: হাদীসটি হাসান।

--------------------------------------------

আমি বলছি, এটি দুর্বল; সুতরাং দেখুন (আদ-দাঈফাহ) নম্বর (২৪৫৮)

[২৪১]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২৬৪)
583 - (ضعيف)

عن أبي هريرة رضي الله عن هـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " بادروا بالأعمال سبعا هل تنتظرون إلا فقرا منسيا أو غنى مطغيا أو مرضا مفسدأ أو هرما مفندا أو موتا مجهزا أو الدجال فشر غائب ينتظر أو الساعة فالساعة أدهى وأمر " رواه الترمذي وقال: حديث حسن

--------------------------------------------

قلت: والحديث إسناده ضعيف كما بينته في (الضعيفة) رقم (1666)

[264]
৫৮৩ - (যয়ীফ)

আবু হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "তোমরা সাতটি বিষয়ের পূর্বে আমল করতে ত্বরান্বিত হও; তোমরা কি কেবল এমন দারিদ্র্যের অপেক্ষা করছ যা (আল্লাহর স্মরণ) ভুলিয়ে দেয়? অথবা এমন সচ্ছলতার যা অবাধ্য করে তোলে? অথবা এমন অসুস্থতার যা স্বাস্থ্য ও সক্ষমতা নষ্ট করে দেয়? অথবা এমন বার্ধক্যের যা বুদ্ধিভ্রষ্ট ও জড়তাপূর্ণ করে দেয়? অথবা এমন মৃত্যুর যা দ্রুত আক্রমণকারী? অথবা দাজ্জালের, যা প্রতীক্ষিত অদৃশ্য অনিষ্টগুলোর মধ্যে নিকৃষ্টতম? অথবা কিয়ামতের? আর কিয়ামত তো অধিকতর ভয়াবহ ও তিক্ত।" তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: হাদীসটি হাসান।

--------------------------------------------

আমি বলছি: হাদীসটির সনদ যয়ীফ (দুর্বল), যেমনটি আমি 'আদ-দয়ীফাহ' (১৬৬৬) নং-এ বর্ণনা করেছি।

[২৬৪]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২৬৫)
589 - (ضعيف)

عن ابن عباس رضي الله عن هما قال: مر رسول الله صلى الله عليه وسلم بقبور المدينة فأقبل عليهم بوجهه فقال: " السلام عليكم يا أهل القبور يغفر الله لنا ولكم أنتم سلفنا ونحن بالأثر ". رواه الترمذي وقال: حديث حسن

--------------------------------------------

قلت: بل إسناده ضعيف: وبيانه في (أحكام الجنائز ص 197)

[265]
৫৮৯ - (দুর্বল)

ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদিনার কবরসমূহের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি সেগুলোর দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেন: "হে কবরবাসী! তোমাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক। আল্লাহ আমাদের ও তোমাদের ক্ষমা করুন। তোমরা আমাদের পূর্বসূরি এবং আমরা তোমাদের অনুগামী।" তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: এটি হাসান হাদিস।

--------------------------------------------

আমি বলি: বরং এর সনদ দুর্বল: এর বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে (আহকামুল জানায়েয পৃষ্ঠা ১৯৭)-এ।

[২৬৫]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২৬৯)
601 - (ضعيف)

عن عطية بن عروة السعدي الصحابي رضي الله عن هـ قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: " لا يبلغ العبد أن يكون من المتقين حتى يدع ما لا بأس به حذرا مما به بأس ". رواه الترمذي وقال: حديث حسن

--------------------------------------------

قلت: وإسناده ضعيف كما بينته في (غاية المرام في تخريج أحاديث الحلال والحرام ص 178)

[269]
৬০১ - (যঈফ)

সাহাবি আতিয়্যাহ বিন উরওয়াহ আস-সাদী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "কোনো বান্দা ততক্ষণ পর্যন্ত মুত্তাকিদের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে না, যতক্ষণ না সে গুনাহে লিপ্ত হওয়ার ভয়ে এমন বিষয়গুলোকেও বর্জন করে যাতে কোনো ক্ষতি নেই।" তিরমিজি এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: হাদিসটি হাসান।

--------------------------------------------

আমি বলছি: এর সনদটি যঈফ, যেমনটি আমি (গায়াতুল মারাম ফী তাখরিজি আহাদিসিল হালাল ওয়াল হারাম, পৃষ্ঠা ১৭৮)-এ স্পষ্ট করেছি।

[২৬৯]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২৭৭)
631 - (صحيح)

عن أبي الدرداء رضي الله عن هـ: أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: " ما من شيء أثقل في ميزان العبد المؤمن يوم القيامة من حسن الخلق وغن الله يبغض الفاحش البذي ". رواه الترمذي وقال: حديث حسن صحيح

--------------------------------------------

قلت صحيح انظر (صحيح الترمذي) رقم (1628)

[277]
৬৩১ - (সহিহ)

আবু দারদা (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: "কিয়ামতের দিন মুমিন বান্দার মিযানে (দাঁড়িপাল্লায়) উত্তম চরিত্রের চেয়ে অধিক ভারী আর কোনো কিছু হবে না। আর নিশ্চয়ই আল্লাহ অশ্লীল ও কটুভাষীকে ঘৃণা করেন।" তিরমিযী এটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: হাদিসটি হাসান সহিহ।

--------------------------------------------

আমি বলছি, এটি সহিহ; দেখুন (সহিহ তিরমিযী) নম্বর (১৬২৮)

[২৭৭]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২৭৮)
636 - (صحيح)

عن جابر رضي الله عن هـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " إن من أحبكم إلي وأقربكم مني مجلسا يوم القيامة أحاسنكم أخلاقا وإن أبغضكم إلي وأبعدكم مني يوم القيامة الثرثارون والمتشدقون والمتفيهقون " قالوا: يا رسول الله قد علمنا الثرثارون والمتشدقون فما المتفيهقون؟ قال: " المتكبرون ". رواه الترمذي وقال: حديث حسن

--------------------------------------------

قلت: صحيح انظر (صحيح الترمذي) رقم (1642)

[278]
৬৩৬ - (সহীহ)

জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: "নিশ্চয় তোমাদের মধ্যে আমার নিকট সবচাইতে প্রিয় এবং কিয়ামতের দিন অবস্থানের দিক থেকে আমার সবচাইতে নিকটবর্তী হবে তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি, যার চরিত্র সর্বোত্তম। আর তোমাদের মধ্যে আমার নিকট সবচাইতে ঘৃণিত এবং কিয়ামতের দিন আমার থেকে সবচাইতে দূরবর্তী হবে বাচালরা (অধিক অনর্থক কথা বলা ব্যক্তি), যারা লোক দেখানোর জন্য বাকচাতুর্য প্রদর্শন করে এবং মুতাফাইহিকুনরা।" তারা বললেন: "হে আল্লাহর রাসূল! বাচাল ও বাকচাতুর্য প্রদর্শনকারীদের তো আমরা চিনেছি, কিন্তু মুতাফাইহিকুন কারা?" তিনি বললেন: "অহংকারী ব্যক্তিরা।" এটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন: হাদীসটি হাসান।

--------------------------------------------

আমি বলছি: এটি সহীহ, দেখুন (সহীহ তিরমিযী) নম্বর ১৬৪২

[২৭৮]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২৮৬)
663 - (صحيح)

عن أبي مريم الأزدي رضي الله عن هـ أنه قال لمعاوية رضي الله عن هـ: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: " من ولاه الله شيئا من أمور المسلمين فاحتجب دون حاجتهم وخلتهم وفقرهم احتجب الله دون حاجته وخلته وفقره يوم القيامة " فجعل معاوية رجلا على حوائج الناس. رواه أبو داود والترمذي

--------------------------------------------

قلت: وأحد إسنادي الحديث صحيح كما بينته في (الصحيحة) رقم (629)

[286]
৬৬৩ - (সহীহ)

আবু মারইয়াম আল-আজদী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, তিনি মুয়াবিয়া (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-কে বললেন: আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: "যাকে আল্লাহ মুসলিমদের কোনো বিষয়ের দায়িত্ব অর্পণ করেন, অতঃপর সে তাদের প্রয়োজন, অভাব ও দারিদ্র্যের ক্ষেত্রে নিজেকে আড়াল করে রাখে (তাদের অভাব পূরণে সাড়া দেয় না), কিয়ামতের দিন আল্লাহও তার প্রয়োজন, অভাব ও দারিদ্র্যের সামনে নিজেকে আড়াল করে রাখবেন।" এরপর মুয়াবিয়া (রাদিয়াল্লাহু আনহু) মানুষের প্রয়োজনসমূহ দেখাশোনার জন্য একজন ব্যক্তিকে নিযুক্ত করলেন। এটি আবু দাউদ ও তিরমিযী বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

আমি বলছি: হাদিসটির দুটি সনদের একটি সহীহ, যেমনটি আমি (আস-সহীহাহ) গ্রন্থের ৬২৯ নম্বর হাদিসে স্পষ্ট করেছি।

[২৮৬]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ২৯০)
678 - (صحيح)

عن أبي بكرة رضي الله عن هـ قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: " من أهان السلطان أهانه الله ". رواه الترمذي وقال: حديث حسن

--------------------------------------------

كذا والذي في الترمذي: " سلطان الله في الأرض " والحديث في (الصحيحة) رقم (2696)

[290]
৬৭৮ - (সহিহ)

আবু বাকরা (আল্লাহ তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হন) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি আল্লাহর রাসুলকে (তাঁর উপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক) বলতে শুনেছি: "যে ব্যক্তি সুলতানকে (শাসনকর্তাকে) অপমান করল, আল্লাহ তাকে অপমানিত করবেন।" তিরমিজি এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন: এটি একটি হাসান হাদিস।

--------------------------------------------

এমনই রয়েছে, তবে তিরমিজিতে যা আছে তা হলো: "জমিনে আল্লাহর সুলতান" এবং হাদিসটি (আস-সহিহাহ) গ্রন্থের ২৬৯৬ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।

[২৯০]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ৩০০)
702 - (صحيح)

عن عائشة رضي الله عن ها قالت: كان كلام رسول الله صلى الله عليه وسلم كلاما فصلا يفهمه كل من يسمعه. رواه أبو داود

--------------------------------------------

والحديث مخرج في (الصحيحة) رقم (2097)

[300]
৭০২ - (সহিহ)

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা ছিল অত্যন্ত সুস্পষ্ট ও প্রাঞ্জল, যা শ্রবণকারী প্রতিটি ব্যক্তিই বুঝতে পারত। আবু দাউদ এটি বর্ণনা করেছেন।

--------------------------------------------

হাদিসটি ‘আস-সহিহাহ’ গ্রন্থের ২০৯৭ নম্বরে উদ্ধৃত হয়েছে।

[৩০০]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ৩০৯)
718 - (ضعيف)

عن عمر بن الخطاب رضي الله عن هـ قال ك استأذنت النبي صلى الله عليه وسلم في العمرة فأذن لي وقال: " لا تنسنا يا أخي من دعائك " فقال كلمة ما يسرني أن لي بها الدنيا. وفي رواية وقال: " أشركنا يا أخي في دعائك ". حديث ضعيف رواه أبو داود والترمذي وقال ك حديث حسن صحيح

--------------------------------------------

مضت الإشارة إلى ضعفه برقم (378)

[309]
৭১৮ - (দুর্বল)

উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি উমরাহ করার জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে অনুমতি চাইলাম। তিনি আমাকে অনুমতি দিলেন এবং বললেন: "হে আমার ভাই, তোমার দোয়ায় আমাদের ভুলে যেয়ো না।" তিনি এমন একটি কথা বললেন, যার বিনিময়ে পুরো পৃথিবী লাভ করাও আমাকে এতটা আনন্দিত করত না। অন্য বর্ণনায় আছে, তিনি বললেন: "হে আমার ভাই, তোমার দোয়ায় আমাদের শরিক করো।" হাদিসটি দুর্বল; এটি আবু দাউদ ও তিরমিযী বর্ণনা করেছেন এবং তিনি (তিরমিযী) একে হাসান সহীহ বলেছেন।

--------------------------------------------

এর দুর্বলতার প্রতি ইতিপূর্বে ৩৭৮ নং ক্রমিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।

[৩০৯]
(খণ্ড: ১) তাহকীক রিয়াদুস সালিহীন লিল আলবানী (পৃষ্ঠা: ৩২২)
736 - (ضعيف)

عن أمية بن مخشي الصحابي رضي الله عن هـ قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم جالسا ورجل يأكل فلم يسم الله حتى لم يبق من طعامه إلا لقمة فلما رفعها إلى فيه قال: بسم الله أوله وآخره فضحك النبي صلى الله عليه وسلم ثم قال: " ما زال الشيطان يأكل معه فلما ذكر اسم الله استقاء ما في بطنه ". رواه أبو داود والنسائي

--------------------------------------------

قلت: إسناد ضعيف فيه المثنى بن عبد الرحمن الخزاعي وهو وجهول كما قال ابن المديني

[322]
৭৩৬ - (যঈফ)

উমাইয়্যাহ ইবনে মাখশি সাহাবী (রাযিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বসা ছিলেন এবং এক ব্যক্তি আহার করছিল কিন্তু সে আল্লাহর নাম নেয়নি, এমনকি যখন তার খাবারের মাত্র এক লোকমা অবশিষ্ট ছিল। অতঃপর যখন সে তা তার মুখের দিকে তুলল, তখন সে বলল: আল্লাহর নামে এর শুরুতে এবং শেষে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাসলেন এবং বললেন: "শয়তান অনবরত তার সাথে খাচ্ছিল, কিন্তু যখন সে আল্লাহর নাম নিল, তখন সে তার পেটে যা ছিল তা বমি করে দিল।" এটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ এবং নাসায়ী।

--------------------------------------------

আমি বলছি: এর সনদ যঈফ, এতে মুসান্না ইবনে আব্দুর রহমান আল-খুযাঈ রয়েছেন এবং তিনি একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি, যেমনটি ইবনুল মাদিনী বলেছেন।

[৩২২]