(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: -)
جمهرة النسب - ابن الكلبي - ت فراج القسم: الأنساب
الكتاب: جمهرة النسب
المؤلف: ابن الكلبي
رواية: أبي سعيد السكري، عن ابن حبيب، عنه
حققها وأكملها ونسقها: عبد الستار أحمد فراج
وقف على طبعه: محمد خليفة التونسي
الناشر: مطبعة حكومة الكويت (سلسلة التراث العربي - وزارة الإعلام بالكويت - 21)
عام النشر: 1404 هـ - 1983 م
عدد الصفحات: 512
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
জমহারাত আন-নাসাব - ইবনুল কালবী - সম্পাদনা: ফাররাজ বিভাগ: বংশবিদ্যা
বই: জমহারাত আন-নাসাব
লেখক: ইবনুল কালবী
বর্ণনায়: আবু সাঈদ আল-সুক্কারি، ইবনে হাবীব থেকে، তাঁর সূত্রে
সম্পাদনা, পূর্ণতা প্রদান ও বিন্যাস: আব্দুস সাত্তার আহমদ ফাররাজ
মুদ্রণ তত্ত্বাবধানে: মুহাম্মদ খলিফা আল-তুনিসি
প্রকাশক: কুয়েত সরকার মুদ্রণালয় (আরবি ঐতিহ্য সিরিজ - তথ্য মন্ত্রণালয়, কুয়েত - ২১)
প্রকাশকাল: ১৪০৪ হিজরি - ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৫১২
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৫৯)
. . . . . ويلاحظ أنه لم يعتمد فى هذا الجزء على مخطوط تام له، بل على مخطوط سقط وسطه، بضياع كراسة وبعض كراسة منه، بالإضافة إلى خلط فى بعض أوراقه عند جمعها وتجليدها كما قال فى مقدمته (ص 4) ولم يشإ الصديق أن يخرج هذا الجزء ناقصا كما هو، فاجتهد فى استدراك الخرم الساقط من الوسط بالاعتماد على أصول كتب أخرى فى الأنساب أهمها: أنساب الأشراف، ومختصر للجمهرة لراويتها نفسه (السكرى عن ابن حبيب عن ابن الكلبي) والمستدرك هنا من (ص 267 - 425). . . .
--------------------------------------------
. . . . . এবং এটি লক্ষণীয় যে, তিনি এই অংশে এর কোনো পূর্ণাঙ্গ পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেননি, বরং এমন একটি পাণ্ডুলিপির ওপর নির্ভর করেছেন যার মধ্যভাগ বিলুপ্ত হয়ে গেছে—একটি পূর্ণাঙ্গ পুস্তিকা এবং আরেকটি পুস্তিকার কিছু অংশ হারিয়ে যাওয়ার কারণে। এর পাশাপাশি এর কিছু পত্র সংগ্রহের সময় এবং বাঁধাই করার সময় ওলটপালট হয়ে গিয়েছিল, যেমনটি তিনি তার ভূমিকায় (পৃষ্ঠা ৪) উল্লেখ করেছেন। বন্ধুটি (সম্পাদক) এই অংশটিকে অসম্পূর্ণ অবস্থায় প্রকাশ করতে চাননি, তাই তিনি বংশলতিকা বিষয়ক অন্যান্য মূল গ্রন্থের ওপর ভিত্তি করে মাঝখানের বিলুপ্ত অংশটি পূরণ করার প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। সেগুলোর মধ্যে প্রধান হলো: আনসাবুল আশরাফ এবং জুমহুরা-এর সংক্ষিপ্তসার যা তার মূল বর্ণনাকারী কর্তৃক বর্ণিত (আস-সুক্কারি, ইবনে হাবিব থেকে, তিনি ইবনুল কালবি থেকে)। এখানে সংযোজিত অংশটি (পৃষ্ঠা ২৬৭ - ৪২৫) পর্যন্ত। . . .
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৬৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
وبه التوفيق
أخبرنا محمد بن حبيب، عن هشام بن محمد بن السائب، عن أبيه، عن أبى صالحٍ، عن ابِن عباس قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا انتهى في النسب إلى َمعد بن عدنان أمسك، ثم قال: كذب الناسبون، قال الله جل ثناؤه (وقُرُوناً بينَ ذلِكَ كَثِيراً) - الفرقان الآية 38 - قال ابن عباس: ولو شاء رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يعلمه لعلمه وقال: بين معد بن عدنان وبين إسماعيل ثلاثون أبا.
وحدث هشام، عن أبيه محمد بن السائب قال: ولد أُ دد بن زيد: عدنان، ونبتاً. ونبت هو الأشعر
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
এবং তাঁর সাহায্যেই তাওফিক বা সফলতা অর্জিত হয়।
মুহাম্মাদ ইবনে হাবিব আমাদের সংবাদ দিয়েছেন হিশাম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সায়েব থেকে, তিনি তাঁর পিতা থেকে, তিনি আবু সালিহ থেকে এবং তিনি ইবনে আব্বাস (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বংশপরম্পরা বর্ণনায় মা'দ ইবনে আদনান পর্যন্ত পৌঁছাতেন, তখন থেমে যেতেন, অতঃপর বলতেন: “বংশবিশারদগণ মিথ্যা বলেছেন।” মহান আল্লাহ—যাঁর প্রশংসা অতি উচ্চ—বলেছেন: “এবং এর মধ্যবর্তী সময়ে অতিবাহিত হয়েছে অনেক প্রজন্ম” (সূরা আল-ফুরকান, আয়াত ৩৮)। ইবনে আব্বাস (রাযি.) বলেন: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যদি এটি জানতে ইচ্ছা পোষণ করতেন, তবে অবশ্যই তিনি তা জানতেন। তিনি আরও বলেন: মা'দ ইবনে আদনান এবং ইসমাইল (আলাইহিস সালাম)-এর মাঝে ত্রিশজন পিতৃপুরুষ ছিলেন।
হিশাম তাঁর পিতা মুহাম্মাদ ইবনে সায়েব থেকে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেন: উদাদ ইবনে যায়িদ-এর আদনান এবং নাবত নামক দুই সন্তান জন্মগ্রহণ করেন। আর নাবত-ই হলেন আল-আশআর।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৬৬)
أبو الأشعريين وعمراً درج. فولد نبت: شقرة، وهم في مهُرة بالشحرِ، وشقحباً، وهم في
আশআরিদের পিতা এবং আমর নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। অতঃপর নাবিত জন্ম দিয়েছেন: শাকরাহ, তারা আশ-শিহরের মাহরাহ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত, এবং শাকহাব, তারা...
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৬৭)
وحاظة من ذي الكلاع. فولد عدنان: معداً، والدّيث، وأبيا والعي درجأ. وعديناً درج وأمهم مهدد بنت اللهم بنِ جلحب، من جديس.
যু-কিলআ'র পক্ষ থেকে উইহাযাহ। আদনানের সন্তানরা হলেন: মা'আদ, আদ-দাইস, আবি এবং আল-আই, যিনি নিঃসন্তান অবস্থায় মারা গেছেন। এবং আদিও নিঃসন্তান অবস্থায় মারা গেছেন। তাদের মাতা হলেন জাদিস গোত্রের লাহুম ইবনে জুলহুবের কন্যা মাহদাদ।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৬৮)
فولد الَدّيث بن عدنان: الحارث، وهو عكّ.
فولد عكّ بن الدّيث: الشاهد، وصحاراً وهو غالب، وسُبيعاً درج. وقرناً وهم الازد، بنوعكً.
فولد الشاهد بن عكّ: غافقاً، وساعدة. فولد غافق بن الشاهد: لعسان ومالكاً. والقياتة. فولد مالك بن غافق رهنة وصُحارًا.
আদ-দাইস ইবনে আদনানের সন্তান হলেন: আল-হারিস, আর তিনি হলেন আক্ক।
আদ-দাইসের পুত্র আক্কের সন্তানরা হলেন: আশ-শাহিদ, সুহার—যিনি গালিব নামে পরিচিত, এবং সুবাই—যিনি নিঃসন্তান অবস্থায় মারা গেছেন। আর কারান, যারা বানু আক্কের অন্তর্ভুক্ত আল-আজদ গোত্র।
আক্কের পুত্র আশ-শাহীদের সন্তানরা হলেন: গাফিক এবং সায়িদাহ। আশ-শাহীদের পুত্র গাফিকের সন্তানরা হলেন: লা’সান এবং মালিক। আর আল-কাইয়াহ। গাফিকের পুত্র মালিকের সন্তানরা হলেন: রাহানা এবং সুহার।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৬৯)
فولد رهنة: كعباً، وطريفاً، ومالكاً. فولد صحار بنُ مالك: عبداً ومعاوية، وربيعة. وولد لسعان بن غافق: الحوثة، وأسلم، ووائلا، وزيّان، وخضران. وولد القياتة بن غافق: أحدب، أوفى، واسلم وخدران.
وكان من غافق، أول من جز النواصي سملقة بن مري بن الفُجّاع صاحب أمر عكً يوم قاتلوا غسان، ورئيس غسان " يومئذ " زوبعة بن عمرو.
রাহনার সন্তানরা হলো: কাব, তারিফ এবং মালিক। সুহার ইবনে মালিকের সন্তানরা হলো: আবদ, মুয়াবিয়া এবং রাবিআহ। লিসান ইবনে গাফিকের সন্তানরা হলো: আল-হাউসাহ, আসলাম, ওয়াইল, যাইয়ান এবং খুদরান। আল-কায়াতাহ ইবনে গাফিকের সন্তানরা হলো: আহদাব, আওফা, আসলাম এবং খুদরান।
আর গাফিক গোত্রের মধ্য হতে প্রথম ব্যক্তি যিনি কপালের চুল ছেঁটেছিলেন তিনি হলেন সামলাকাহ ইবনে মুরি ইবনে আল-ফুজ্জা‘, যিনি গাসসানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের দিন আক্ক গোত্রের সেনাপতি ছিলেন; আর সে সময় গাসসানের তৎকালীন প্রধান ছিলেন জাওবাআহ ইবনে আমর।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৭০)
وولد صحار بن عكً: عنساً وبولان، وهما عدد عكً. وكان من بني بولان مقاتل بن حكيم بنِ عبدِ الرحمن الخرساني. فولد معُّد بن عدنان: نزاراً، وقنصاً، وقُناصة، وسناماً،
সুহার ইবনে আক্ক আনস ও বাউলানকে জন্ম দিয়েছেন, আর তাঁরাই ছিলেন আক্ক গোত্রের মূল জনসংখ্যা। বাউলান বংশের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন মুকাতিল ইবনে হাকিম ইবনে আবদুর রহমান আল-খুরাসানি। অতঃপর মা'আদ ইবনে আদনান নিযার, কানাস, কুনাসাহ ও সানামকে জন্ম দিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৭১)
والعرف درج، وقُضاعة، قال: رجل من مهرة:
إنَّ أخواِلي مِنْ شَقْرَةَ َقدْ
… لَبِسُوا لِي عَمساً جلْدَ الَّنمِرْ
نَحتُوا أثْلتَنَا ظُلمْاً، ولم
… يَرهَبُوا غِبَّ الوَبَاء المُسْتمِر
আল-উরফ বিলুপ্ত হয়েছে এবং কুযাআহ। মাহরা গোত্রের এক ব্যক্তি বলেছেন:
নিশ্চয়ই শাকরার অধিবাসী আমার মামারা আমার বিরুদ্ধে কঠোরভাবে
… চিতার চামড়া ধারণ করেছে।
তারা জুলুমের সাথে আমাদের মূল ভিত্তি কর্তন করেছে এবং তারা
… প্রবহমান মহামারীর অশুভ পরিণামকে ভয় করেনি।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৭২)
وقد انتسبوا في حِمير، وعوفاً درج. وشكًّا درج، وحيدان درج، وحيدة. وعبيد الرماح، وهم في بني كنانة رهط إبراهيم بن عربي الذي كان عبدُ الملك بن مَرْوان يولَيه اليمامة. وأم إبراهيم بن عربي فاطمة بنت شريكِ بن سحماء الذي لاعنه عاصم بن عدي في أمرأَتهِ فلما كان يوم الدار يوم قُتل عثمان بن عفان ضُرب مروان بن الحكم وسعيد بن العاص فسقطا، فوثبت فاطمة بنت شريك على مروان فأدخلتهُ بيت القراطيس، فأفلَت وكانوا يحفظون إبراهيم بن عربي ويكرمونهُ. وبُجيداً، وهم في عكً، واوداً، وجنادة وهو أبو كندة -
এবং তারা হিমইয়ার গোত্রের সাথে নিজেদের সম্পর্কযুক্ত করত। আউফ বিলুপ্ত হয়েছে, শাক বিলুপ্ত হয়েছে, হাইদান বিলুপ্ত হয়েছে এবং ওয়াহিদা। উবাইদ আল-রুমাহ—তারা বনী কিনানা গোত্রের মধ্যে ইবরাহীম বিন আরবির স্বজন, যাকে আব্দুল মালিক বিন মারওয়ান ইয়ামামার গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন। ইবরাহীম বিন আরবির মাতা ছিলেন ফাতিমা বিনতে শুরাইক বিন সাহমা; এই শুরাইক সেই ব্যক্তি যার সাথে আসিম বিন আদি তার স্ত্রীর বিষয়ে লিআন করেছিলেন। অতঃপর যখন 'ইয়াওম আল-দার' (গৃহ অবরোধের দিন) সংঘটিত হলো এবং উসমান বিন আফফান শহীদ হলেন, তখন মারওয়ান বিন আল-হাকাম ও সাঈদ বিন আল-আস আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে পড়ে গেলেন। এমতাবস্থায় ফাতিমা বিনতে শুরাইক মারওয়ানের দিকে দ্রুত এগিয়ে গেলেন এবং তাকে 'বাইত আল-কারাতিস'-এ প্রবেশ করালেন, ফলে তিনি রক্ষা পেলেন। তারা ইবরাহীম বিন আরবির এই অনুগ্রহ মনে রাখত এবং তাকে সম্মান করত। আর বুজাইদ—যারা আক্ক গোত্রের অন্তর্ভুক্ত—আওদ এবং জানাদাহ, যিনি কিনদাহর পিতা—
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৭৩)
وقال أبو اليقظان حيادة، وهو باطل - والقحم، وأمهم مُعانة بنت جوشمِ بنِ جلهةِ بن عمرو بن هُلينية بن دوة من جُرهُم. فولد سنام بن معد: جوشم وحاء، وهما حليفان لحكم بنِ سعد العشيرة، من مذحجِ.
وولد حيدةُ بن معدّ: مجيداً، بطن عظيم دخلوا في الأَشعريين، فينسبون منهم، وأَفلح وقزح درجا.
আবু ইয়াকজান হায়াদাহর কথা উল্লেখ করেছেন, যা বাতিল—এবং আল-কাহাম; তাদের মা হলেন জুরহুম গোত্রের দুওয়াহ বিন হুলাইনিয়া বিন আমর বিন জালাহা বিন জুশাম এর কন্যা মুআনা। সানাম বিন মা'আদ এর সন্তানরা হলো: জুশাম এবং হা’আ; তারা উভয়ে মাজহিজ গোত্রের হাকাম বিন সাদ আল-আশিরাহ এর মিত্র।
আর হাইদাহ বিন মা'আদ এর সন্তান হলো: মাজিদ, এটি একটি বিশাল শাখা যারা আশআরীদের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এবং তাদের সাথেই তারা সম্বন্ধযুক্ত হয়। আর আফলাহ ও কুজাহ নিঃসন্তান অবস্থায় মারা গেছে।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৭৪)
وولد القحم بن معد: أَفيان. فولد أفيان: غنثاً، ورووا: غتتاً، وهم حي في بني مالك ابن كنانة بن خزيمة، حكوا غتتاً عن الكلبي أَنه قاله، ولا يعرفه ابن حبيب. وولد نزار بن معد: مضر، وإياداً، وأمهما سودةُ بنت عكِّ بن الدِّيث بن عدنان، وربيعة، وأنماراً وأمهما
আল-কাহম ইবনে মা'দ-এর সন্তান হলেন: আফইয়ান। অতঃপর আফইয়ানের সন্তান হলেন: গুনসা; এবং বর্ণনাকারীরা বর্ণনা করেছেন: 'গাতাত'। তারা বনু মালিক ইবনে কিনানাহ ইবনে খুযাইমাহ-এর অন্তর্ভুক্ত একটি গোত্র। তারা আল-কালবীর সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে তিনি এটি বলেছেন, তবে ইবনে হাবীব এটি জানেন না। নিযার ইবনে মা'দ-এর সন্তান হলেন: মুদার ও ইয়াদ—তাদের মাতা হলেন সাওদাহ বিনতে আক্ক ইবনে আদ-দীস ইবনে আদনান—এবং রাবীআহ ও আনমার; আর তাদের মাতা...
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৭৫)
الحدالة بنت وعلان بن جوشم بن جلهة بن عمرو بن هلينية ابن دوة " يعني من جرهم ". فولد مُضر بن نزار: الياس بن مُضر، والناس " يعني من جرهم " وهو عيلان، وأمهما الرباب بنت حيدة بن معدَّ بن عدنان.
فولد إلياس بن مضر: عمراً وهو مدركة، وعامرا وهو
আল-হাদ্দালাহ বিনতে ওয়ায়লান বিন জৌশাম বিন জালহাহ বিন আমর বিন হুলয়নিয়াহ ইবনে দাওয়াহ "অর্থাৎ জুরহুম গোত্রীয়"। মুদার বিন নিযারের সন্তানরা হলেন: ইলিয়াস বিন মুদার এবং আন-নাস "অর্থাৎ জুরহুম বংশোদ্ভূত", আর তিনি হলেন আয়লান; এবং তাদের উভয়ের মাতা হলেন আর-রাবাব বিনতে হায়দাহ বিন মা'আদ বিন আদনান।
অতঃপর ইলিয়াস বিন মুদারের সন্তানরা হলেন: আমর—যিনি মুদরিকা, এবং আমির—যিনি হলেন...
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৭৬)
طابخة وعميراً وهو قمعة. وأمهم خِندف، وهي ليلى بنت حلوان بن عمران بن الحاف بن قُضاعة. وكان إلياس خرج في نجعة له، فنفرت إبله من أَرنب، فخرج إليها عمرو فأدركها، فسمي مدركة. وخرج عامر فتصيدة فطبخه فسمِي طابخة، وانقمع عمير في الخباء فسمي قمعة، وخرجت أمهم ليلى تمشي، فقال لها الياس: أين تخندفين؟ فسميت خندف، والخندفة: ضرب من المشي.
قال: ولما انصرفوا وقد صنعوا ما سمي قال لعمرو: أَنت قد أَدركت ما طلبتا.
وقال لعامر: وأَنت قد أَنضجت ما طبختا. وقال لعُمير: أنت قد أسأت وانقمعتا.
তাবিখাহ এবং উমাইর, আর সে-ই হলো কামাআহ। তাঁদের মা ছিলেন খিন্দফ, আর তিনি হলেন লায়লা বিনতে হুলওয়ান বিন ইমরান বিন আল-হাফ বিন কুদাআহ। ইলিয়াস তাঁর গবাদিপশুর চারণভূমি অন্বেষণে বের হয়েছিলেন, তখন একটি খরগোশ দেখে তাঁর উটগুলো আতঙ্কিত হয়ে দিগ্বিদিক ছুটতে লাগল। এমতাবস্থায় আমর সেগুলোর পিছু ধাওয়া করে সেগুলোকে ধরে ফেললেন, তাই তাঁর নাম রাখা হলো মুদরিকাহ। আর আমির শিকার করে তা রান্না করলেন, ফলে তাঁর নাম হলো তাবিখাহ। উমাইর তাঁবুর ভেতর লুকিয়ে রইলেন, তাই তাঁর নাম রাখা হলো কামাআহ। তাঁদের মা লায়লা হাঁটতে হাঁটতে বের হলেন, তখন ইলিয়াস তাঁকে বললেন: "তুমি কোথায় খিনদাফাহ করছো?" ফলে তাঁর নাম রাখা হলো খিন্দফ। আর খিনদাফাহ হলো এক বিশেষ ভঙ্গিতে হাঁটা।
বর্ণনাকারী বলেন: যখন তাঁরা ফিরে এলেন এবং যে কাজগুলোর কারণে তাঁদের নামকরণ করা হয়েছে তা সম্পাদন করলেন, তখন তিনি আমরকে বললেন: "তুমি যা খুঁজছিলে তার নাগাল পেয়েছ।"
তিনি আমিরকে বললেন: "আর তুমি যা রান্না করছিলে তা সুসিদ্ধ করেছ।" আর উমাইরকে বললেন: "তুমি মন্দ কাজ করেছ এবং লুকিয়ে থেকেছ।"
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৭৭)
فولد مدركة بن الياس: خزيمة وهُذيلاً.
وأمهما سلمى بنت أَسلم بن الحاف بن قضاعة وأَخوهما لأمهما تغلب بن حلوان بن عمران بن الحاف بن قضاعة. وغالباً، وسعداً، وقيساً درجوا، لا أعقاب لهم، وأمهم ليلى بنت السيد بن الحاف بنِ قُضاعة.
فولد خزيمة بن مدركة: كِنانة وأمه عوانة بنت سعد بن قيس، ويقال: بل هند بنت عمرو بن قيس بن عيلان وأسدا، وأسدة فجذام
মুদরিকাহ ইবনে ইলিয়াস-এর দুই পুত্র খুজাইমাহ ও হুযাইল জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁদের মাতা ছিলেন সালমা বিনতে আসলাম ইবনে আল-হাফ ইবনে কুদাআহ এবং তাঁদের বৈপিত্রেয় ভাই ছিলেন তাগলিব ইবনে হুলওয়ান ইবনে ইমরান ইবনে আল-হাফ ইবনে কুদাআহ। আর গালিব, সা’দ ও কাইস বংশধর না রেখেই মারা যান; তাঁদের মাতা ছিলেন লায়লা বিনতে আল-সাইয়্যিদ ইবনে আল-হাফ ইবনে কুদাআহ।
অতঃপর খুজাইমাহ ইবনে মুদরিকাহ-এর ঔরসে কিনানাহ জন্মগ্রহণ করেন; তাঁর মাতা ছিলেন আওয়ানাহ বিনতে সা’দ ইবনে কাইস, মতান্তরে তিনি ছিলেন হিন্দ বিনতে আমর ইবনে কাইস ইবনে আইলান। এছাড়াও আসাদ এবং আসাদাহ জন্মগ্রহণ করেন, যাঁকে জুযাম বলা হয়।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৭৮)
تنسب إلى أسدة - وعبد الله، والهون. وأمهما برَّة بنت مرَّ أُخت تميم ابن مرَّ.
فولد كنانة: النَّضر، وهو قيس. ونضيراً، ومالكاً، وملكان وعامرا، وعمرًا، والحارث، وعروان، وسعداً، وعوفاً، وغنماً، ومخرمة، وجرولاً، بني كنانة. وأمهم برَّة بنت مرِّ أُخت تميم بن مرِّ، خلف عليها كنانة بعد أبيه خزيمة " وهي أم عبد الله والهون ابني خزيمة " وعبد منآة، وأمه ألذ فراء،
আসাদাহ, আবদুল্লাহ এবং হুন-এর বংশধারা তাঁর সাথে সম্পৃক্ত। এবং তাঁদের উভয়ের মাতা হলেন বাররাহ বিনতে মুর্র, যিনি তামি্ম ইবনে মুর্র-এর বোন।
অতঃপর কিনানাহর সন্তানগণ হলেন: আন-নদর (যিনি কাইস), নাদীর, মালিক, মিলকান, আমির, আমর, আল-হারিস, উরওয়ান, সাদ, আওফ, গানাম, মাখরামা এবং জারওয়াল; এঁরা সবাই কিনানাহর পুত্র। তাঁদের মাতা হলেন বাররাহ বিনতে মুর্র, তামি্ম ইবনে মুর্র-এর বোন; কিনানাহ তাঁর পিতা খুজাইমাহর পর তাঁকে বিবাহ করেছিলেন—যিনি খুজাইমাহর দুই পুত্র আবদুল্লাহ ও হুন-এরও মাতা ছিলেন—এবং আবদ মানাত, যার মাতা হলেন আল-দাফরা।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৭৯)
وهي فكهة بنت هني بن بلي بن عمرو بن الحاف بن قُضاعة وأخوه لأمه علي بن مسعود الغساني، فحضن علي بن مسعود بن مازن بن ذئب أولاد عبد منآة، فنسبوا إليه.
فولد النضر بن كنانة: مالكاً، ويخلد وهم في بني عمرو ابن الحارث بن مالك بن كنانة، والصلت درج، و
তিনি হলেন ফাকিহা বিনতে হানি বিন বালি বিন আমর বিন আল-হাফ বিন কুদাআহ এবং তাঁর বৈপিত্রীয় ভাই হলেন আলি বিন মাসউদ আল-গাসসানি। অতঃপর আলি বিন মাসউদ বিন মাজিন বিন জিব আবদ মানাত-এর সন্তানদের লালন-পালন করেন, ফলে তারা তাঁর বংশের সাথে সম্পৃক্ত হয়।
আর নাদর বিন কিনানাহর সন্তানরা হলো: মালিক এবং ইখলাদ; তাঁরা বনু আমর ইবনুল হারিস বিন মালিক বিন কিনানাহর অন্তর্ভুক্ত। আর আস-সালত নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন, এবং...
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৮০)
خزاعة تنسب إلى الصلت وأمهم عكرشة بنت عدوان وهو الحارث بن عمرو بن قيس بن عيلان.
فولد مالك بن النضر: فهرا، وإليه جِماع قريش، والحارث درج، وأمهما جندلة بنت عامر بن الحارث بن مضاض الجر همي.
فولد فهر وهو قريش غالباً، وأسداً، وعوفاً وذئباً وجوناً درجوا، والحارث بطن، ومحارباً بطن، وهما من قريش الظواهر. وأمهم ليلى بنت الحارث بن تميم بن سعد بن هذيل بن مدركة
খুযাআ বংশ আস-সালতের দিকে সম্পর্কিত এবং তাদের মাতা হলেন ইকরি শাহ বিনতে আদওয়ান, আর তিনি (আদওয়ান) হলেন আল-হারিস ইবনে আমর ইবনে কাইস ইবনে আইলান।
মালিক ইবনে আন-নাদরের সন্তানরা হলেন: ফিহর, যাঁর কাছে কুরাইশের বংশধারা একত্রিত হয়েছে, এবং আল-হারিস, যাঁর বংশধারা বিলুপ্ত হয়েছে। তাঁদের মাতা হলেন জানদালা বিনতে আমির ইবনে আল-হারিস ইবনে মুদাদ আল-জুরহুমি।
ফিহর—যিনি মূলত কুরাইশ হিসেবে পরিচিত—তাঁর সন্তানরা হলেন আসাদ, আউফ, যিব এবং জাওন, যাঁদের বংশধারা বিলুপ্ত হয়েছে। আর আল-হারিস একটি শাখা এবং মুহারিব একটি শাখা, আর তাঁরা উভয়েই কুরাইশ আজ-জাওয়াহিরের অন্তর্ভুক্ত। তাঁদের মাতা হলেন লায়লা বিনতে আল-হারিস ইবনে তামীম ইবনে সা’দ ইবনে হুযাইল ইবনে মুদরিকাহ।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৮১)
فولد أسد بن فهرٍ: مالكاً.
فولد مالك بن أسد جملاً، فادَّعى إليه عبد شمس، وهم بطن من العباد نصارى بالحيرة فقالوا: عبد شمس بن جمل، وهذا باطل.
فولد عوف بن فهر: زهرة بن عوف وصفية قال: درج أَولاد فهر كلهم إلا غالبا والحارث ومحارباً.
وولد غالب بن فهر: لؤيا وتيماً وهو الأدرم، بطن وكان تيمٌ كاهناً، وكان ناقص الَّذقن، وهم من قريش الظواهر، وقيساً، درجوا، كان آخر من بقي من بني قيس بن الغالب رجل هلك بالعراق أيام خالد بن عبد الله، في خلافة هشام، فبقي ميراثه لا يدري من أَحق بهِ.
وأم بني غالب عاتكة بنت يخلد بن النَّضر بن كنانة،
আসাদ ইবনে ফিহরের সন্তান হলেন: মালিক।
মালিক ইবনে আসাদের জামাল নামে এক পুত্র জন্মগ্রহণ করে, যার প্রতি আবদু শামস নিজেদের সম্বন্ধ দাবি করত। তারা ছিল হীরা অঞ্চলের ইবাদ সম্প্রদায়ের খ্রিস্টানদের একটি উপগোত্র। তারা বলত: আবদু শামস ইবনে জামাল, তবে এটি ভিত্তিহীন।
আউফ ইবনে ফিহরের সন্তান হলেন: জুহরা ইবনে আউফ এবং সাফিয়্যাহ। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন: গালিব, আল-হারিস এবং মুহারিব ব্যতীত ফিহরের সকল সন্তানই নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন।
আর গালিব ইবনে ফিহরের সন্তান হলেন: লুআই এবং তায়ম। এই তায়মই হলেন ‘আল-আদরাম’, যা একটি উপগোত্র। তায়ম একজন গণক ছিলেন এবং তার চিবুক ছিল অসম্পূর্ণ। তারা কুরাইশ আজ-জাওয়াহিরের অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া কায়সও তার সন্তান ছিল, যাদের বংশধারা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বনু কায়স ইবনে আল-গালিবের সর্বশেষ বংশধর ব্যক্তি হিশামের খিলাফতকালে খালিদ ইবনে আবদুল্লাহর আমলে ইরাকে মৃত্যুবরণ করেন। তখন তার উত্তরাধিকার সম্পদ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল যে, এর প্রকৃত হকদার কে হবে।
আর বনু গালিবের মাতা হলেন আতিকাহ বিনতে ইখলুদ ইবনে আন-নদর ইবনে কিনানাহ।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৮২)
وهي إِحدى العواتك اللواتي ولدن رسول الله صلى الله عليه وسلم، ويقال: بل أمهم سلمى بنت عمرو بن ربيعة بن الحارثة، من خزاعة.
فولد لؤيّ بن غالب: كعباً بطن، وعامراً بطن، وسامة بطن وأمهم ماوِّية بنت كعب بن القين بن جسر بن شيع الله بن أسد بن وبرة وعوف بن لؤي بطن وأمه الباردة بنت عوف بن تميم بن عبد الله بن عفان بن عوف بن غنم بن عبد الله لم يلد أبو الباردة غيرها وخزيمة بن لؤي بطن وهم عائدة قريش، وسعد بن لؤي بطن وهم بنانة
তিনি সেই আতিকা নামধারী মহিলাদের অন্যতম যারা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মদানকারী পূর্বসূরী ছিলেন। আবার বলা হয়: বরং তাদের মাতা ছিলেন খুজাআ গোত্রের সালমা বিনতে আমর বিন রাবিআ বিন আল-হারিস।
অতঃপর লুআই বিন গালিবের বংশধররা হলেন: কাব (একটি শাখা গোত্র), আমির (একটি শাখা গোত্র) এবং সামাহ (একটি শাখা গোত্র); তাদের মাতা ছিলেন মাউইয়াহ বিনতে কাব বিন আল-কাইন বিন জিসর বিন শিয়া আল্লাহ বিন আসাদ বিন ওয়াবরাহ। আর আউফ বিন লুআই (একটি শাখা গোত্র), যার মাতা ছিলেন আল-বারিদা বিনতে আউফ বিন তামিমি বিন আবদুল্লাহ বিন আফফান বিন আউফ বিন গানাম বিন আবদুল্লাহ; আল-বারিদার পিতা তিনি ব্যতীত অন্য কোনো সন্তান লাভ করেননি। আর খুজাইমাহ বিন লুআই (একটি শাখা গোত্র), তারা কুরাইশের ‘আইদাহ’ গোত্র হিসেবে পরিচিত; এবং সাদ বিন লুআই (একটি শাখা গোত্র), তারা হলো ‘বানানাহ’।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৮৩)
والحارث بن لؤي بطن، وهم بنو جشم، وجشم كان عبداً حبشياً، حضن الحارث فغلب عليه، وجشم حلفاء لبني هزّان عنزة بن أسد بن ربيعة بن نزارٍ.
فأما عوف بن لؤي فإنه لحق بغطفان فنزل في منزل وأرتحل الناس، فمر بهِ فزارةُ فقال.
عَرِّجْ عَلَيَّ أبْنَ لُؤَيُ جَمَلَكْتَرَكَكَ النَّاسُ ولا منْزِل لَكْ
فولد عوف: مرّة، فهم في غطفان، يقولون: مُرّة بن عوف بنِ سعد بن ذبيان بن بغيض.
ومنهم: الحارث بن ضالمٍ، وقد جعل ينتسب في شعره إلى قريش فقال:
رَفَعْتُ الرُّمْحَ إِذ قَالُوا قُرَيْشٌ
… وشَبَّهْتُ السَّمائلَ والقِبَأبا
আল-হারিস ইবনে লুআই একটি উপগোত্র, তারা হলো বনু জুশাম। জুশাম ছিল একজন হাবশী ক্রীতদাস, যে হারিসকে লালন-পালন করেছিল এবং পরবর্তীতে হারিসের ওপর তার নামই প্রাধান্য পেয়েছিল। আর জুশাম হলো আনাজা ইবনে আসাদ ইবনে রাবিআ ইবনে নিযারের বংশধর বনু হাযান গোত্রের মিত্র।
আর আওফ ইবনে লুআইয়ের ক্ষেত্রে কথা হলো, সে গাতাফান গোত্রের সাথে গিয়ে মিলিত হয়েছিল। সে এক স্থানে যাত্রাবিরতি করল এবং লোকজন সেখান থেকে চলে গেল। তখন ফাযারাহ তার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বলল:
হে লুআইয়ের পুত্র, তোমার উটটি আমার দিকে ঘুরিয়ে নাও; লোকজন তোমাকে ছেড়ে চলে গেছে এবং তোমার কোনো আশ্রয়স্থল নেই।
আওফের সন্তান ছিল মুররাহ। তারা এখন গাতাফান গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। তারা বলে: মুররাহ ইবনে আওফ ইবনে সাদ ইবনে জুবইয়ান ইবনে বাগিদ।
তাদেরই একজন হলেন আল-হারিস ইবনে যালিম। তিনি তার কবিতায় নিজেকে কুরাইশ বংশের সাথে সম্বন্ধযুক্ত করে বলেছেন:
আমি বল্লমটি উত্তোলন করেছি যখন তারা 'কুরাইশ' বলে চিৎকার করছিল
… এবং আমি সামাইল ও কিবাবা নামক পরিধেয় বস্ত্রকে তাদের সদৃশ করেছি।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৮৪)
فما قَوْمِي بَثعْلَبَة بنِ سَعْدٍ
… ولا بِفَزَاَرَة الشُّعْرِ الرِّقَأبا
وكان عمر بن الخطاب " رضي الله عنه " يقول: لو ادَّعيت حيًّا من العرب لأدعيتهم. وأما الحارث بن لؤي فكانوا زماناً في بني هزّان، من عنزة، فقال جرير بن الخطفي بنسبهم إلى قريش:
আমার জাতি সা'লাবা বিন সা'দ নয়
... আর তারা ঘন লোমবিশিষ্ট এবং শক্ত ঘাড়ের অধিকারী ফাজারা গোত্রও নয়।
আর উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলতেন: আমি যদি আরবের কোনো গোত্রকে নিজের গোত্র হিসেবে দাবি করতাম, তবে তাদেরকেই দাবি করতাম। আর হারিস বিন লুআই-এর বংশধররা দীর্ঘকাল আনজা গোত্রের বনু হাযযানের মধ্যে বসবাস করেছিল, অতঃপর জারির বিন আল-খাতাফি কুরাইশের সাথে তাদের বংশীয় সম্পর্কের বিষয়ে বলেছেন:
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৮৫)
بَنِي جُشمٍ لَسْتُمْ لهزَّانَ فَانْتَمُوا
… لِفَرْع الرَّوَأبي مِن لُؤَيٍّ بنِ غالِب
ولا تُنْكِحُوا في آلِ ضَوْرٍ بَنَاتِكُمْ
… ولا في شَكِيٍسٍ ِبئَس حَيُّ الَغَرائبِ
ضورٌ وشكسٌ من عنزة، وإنما قال: شكيسٍ، للشعر.
وكانت عائذة وبنانة في شيبان.
وولد كعب بن لؤيٍ: مرة، وهُصيصاً وأمهما مخشِيَّة بنت شيبان
হে বনী জুশাম! তোমরা হাজ্জান গোত্রের নও; সুতরাং তোমরা
… লুআই বিন গালিবের উচ্চ বংশের সাথে নিজেদের সম্বন্ধযুক্ত করো।
আর তোমরা দাওর পরিবারে তোমাদের কন্যাদের বিবাহ দিও না
… এবং শাকিস গোত্রেও নয়; বহিরাগতদের সেই গোত্র কতই না মন্দ!
দাওর এবং শাকাস ‘আনাযা’ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। মূলত কবিতার ছন্দের প্রয়োজনে তিনি ‘শাকিস’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
আর আয়িযাহ ও বানানা শায়বান গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
কা’ব বিন লুআই-এর সন্তানরা হলেন: মুররাহ এবং হুসাইস; তাদের মাতা হলেন মাখশিয়া বিনতে শায়বান।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৮৬)
بن محارب بن فهر. وعدي بن كعب بطن وأمه رقاش بنتِ ركبة بن بلبلة بن كعب بن حرب تيم بن سعد بن فهم ابن عمرو بن قيس بن عيلان.
فولد مرة بن كعب: كلابا وأمه هند بنت سرير بن ثعلبة ابن الحارث بن مالك بن كنانة وتيم بن مرة بطن، ويقظة، وأمهما أَسماء بنت سعد بن عدي بن الحارثة بن بارق من الأزد.
فولد كلاب بن مَّرة: قصياً وأسمه زيد، وهو مجمع،
মুহারিব ইবনে ফিহর-এর পুত্র। আদী ইবনে কাআব হলো একটি গোত্রীয় শাখা এবং তার মাতা ছিলেন রাকাশ বিনতে রুকবা ইবনে বুলবুলা ইবনে কাআব ইবনে হারব তায়িম ইবনে সা’দ ইবনে ফাহাম ইবনে আমর ইবনে কাইস ইবনে আইলান।
মুররা ইবনে কাআব-এর সন্তানগণ হলেন: কিলাব, যার মাতা ছিলেন হিন্দ বিনতে সারীর ইবনে সা’লাবা ইবনে হারিস ইবনে মালিক ইবনে কিনানা; এবং তায়িম ইবনে মুররা (একটি গোত্রীয় শাখা) ও ইয়াকাজা, যাদের মাতা ছিলেন আসমা বিনতে সা’দ ইবনে আদী ইবনে হারিসা ইবনে বারিক, যিনি আজদ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত।
কিলাব ইবনে মুররা জন্ম দিলেন: কুসাইকে, যার আসল নাম ছিল যায়িদ এবং তাকে ‘মুজাম্মি’ বলা হয়,
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৮৭)
وزهرة ونعم، وأمهم فاطمة بنت سعد بن سيل، وهو خير بن حمالة بن عوف من الأزد وأم فاطمة طريفة بنت قيس بن ذي الرأسين، من فهم بن عمرو وكان يقال لقريش: بنو النَّضر، فلما جمعهم قصي كان يدعى مجمعاً، وذلك قول حذافة بن غانم لأبي لهب:
এবং যাহরাহ ও নু’আম; তাদের মা ফাতিমা বিনতে সা’দ বিন সায়ল। তিনি হলেন আযদ গোত্রের খায়র বিন হাম্মালাহ বিন আউফ। আর ফাতিমার মা তরীফাহ বিনতে কায়স বিন যির রা’সায়ন, যিনি ফাহম বিন আমর গোত্রীয়। কুরাইশদের ‘বনু নাজর’ বলা হতো; অতঃপর যখন কুসাই তাদেরকে একত্রিত করলেন, তখন তাকে ‘মুজাম্মি’ (একত্রকারী) বলা হতো। আর এটিই আবু লাহাবের প্রতি হুযাফা বিন গানিমের উক্তি:
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৮৮)
أبو كُمْ قُصَيٌّ كانَ يُدْعَى مُجَمِّعاً … به جَمَع اللهُ القَبائلَ مِنْ فِهْرِ.
তোমাদের পিতা কুসাইকে ‘মুজাম্মি’ (একত্রকারী) হিসেবে অভিহিত করা হতো … তাঁর মাধ্যমেই আল্লাহ ফিহরের গোত্রসমূহকে একত্রিত করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৯০)
فولد قصي بن الكلاب: عبد مناف وهو المغيرة، وعبد الله وهو
অতঃপর কুসাই বিন কিলাব-এর সন্তানরা জন্মগ্রহণ করল: আবদ মানাফ, আর তিনি হলেন আল-মুগীরা; এবং আবদুল্লাহ, আর তিনি হলেন
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৯১)
عبد الدار، وعبد العزى. وعبداً، وبرَّة امرأة، وتخمر، وأمهم حُبَّي بنت حليل بن حبشية بن سلول بن كعب بن عمرو، من خزاعة.
فولد عبد مناف بن قصي: هاشما، وهو عمرو، وسمي هاشما لأنه هشم الثريد، وله يقول الشاعر:
আবদ আদ-দার, আবদ আল-উয্যা, আবদান, বাররাহ নামক এক নারী এবং তাখমুর; তাঁদের মা ছিলেন খুযাআ গোত্রের হুব্বাই বিনতে হুলাইল বিন হাবশিয়্যাহ বিন সালুল বিন কাব বিন আমর।
অতঃপর আবদ মানাফ বিন কুসাইয়ের সন্তানরা হলেন: হাশিম—যিনি মূলত আমর—আর তাঁর নাম হাশিম রাখা হয়েছিল কারণ তিনি সবিদ (রুটির ঝোল) চূর্ণ করেছিলেন, আর তাঁর সম্পর্কে কবি বলেন:
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৯২)
عَمْرُو العلي هَشَمَ الثَّرِيدَ لِقَوْمهِ … ورِجَالُ مَكَّةَ مُسْنِتُونَ عِجَافُ
উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন আম্রু তাঁর সম্প্রদায়ের জন্য সারীদ গুঁড়ো করেছিলেন … আর মক্কার লোকেরা তখন দুর্ভিক্ষপীড়িত ও শীর্ণকায় ছিল।
(খণ্ড: ১)
জামহারাতুন নাসাব - ইবনুল কালবী - তা ফরাজ
(পৃষ্ঠা: ৯৪)
والمطلب، وعبد شمس وتُماضر، وقِلابة أمهم عاتكة بنت مُرَّة بن هلال بن فالج بن ذكوان بن ثعلبة بن الحارث بن بُهثةَ ابن سُليم بن منصور بن عكرمة بن خصفة بن قيس بن عيلان بن مُضر، وهي أول العواتك اللائَّي ولدن رسُول الله صلى الله عليه وسلم.
وأمها ماوية بنت حوزة بن عمرو بن مُرَّة بن صعصعةَ، ونوفل بن عبد مناف، وأبا عمرو بن عبد مناف، واسمه عبيد درج وأميمة، وأمهم واقدةُ بنت أبي عدي بن عبد نُهمٍ، من مازن بن صعصعةَ،
এবং আল-মুত্তালিব, আবদ শামস, তুমাদির ও কিলাবা; তাঁদের মাতা আতিকা বিনতে মুররাহ বিন হিলাল বিন ফালিজ বিন যাকওয়ান বিন ছালাবা বিন আল-হারিস বিন বুহছাহ বিন সুলাইম বিন মানসুর বিন ইকরিমা বিন খাসাফা বিন কায়স বিন আয়লান বিন মুদার। তিনি ছিলেন আতিকাদের মধ্যে প্রথম জন, যারা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জন্মদান করেছিলেন।
এবং তাঁর মাতা ছিলেন মাউইয়া বিনতে হাওযা বিন আমর বিন মুররাহ বিন সা’সা’আ। আর নাওফাল বিন আবদ মানাফ, এবং আবু আমর বিন আবদ মানাফ—যার নাম ছিল উবাইদ এবং তিনি নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন—ও উমাইমাহ; তাঁদের মাতা ছিলেন ওয়াকিদাহ বিনতে আবি আদী বিন আবদ নুহম, যিনি মাযিন বিন সা’সা’আ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।