(খণ্ড: ১) ইশকাল সরফী ওয়া জাওয়াবুহু - যিমন আছারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: -)
إشكال صرفي وجوابه - ضمن «آثار المعلمي»   (عبد الرحمن المعلمي اليماني)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: إشكال صرفي وجوابه

[آثار عبد الرحمن بن يحيى المعلمي اليماني (20)]

المؤلف: عبد الرحمن بن يحيى المُعَلِّمي اليماني (1313 - 1386 هـ)

المحقق: أسامة بن مسلم الحازمي

راجعه: محمد أجمل الإصلاحي - محمد عزير شمس

الناشر: دار عالم الفوائد للنشر والتوزيع

الطبعة: الأولى، 1434 هـ

قدمه للشاملة: مؤسسة «عطاءات العلم»، جزاهم الله خيرا

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 10 شوّال 1442

একটি রূপতাত্ত্বিক সংশয় ও তার উত্তর - «আসারুল মুয়াল্লিমি» এর অন্তর্ভুক্ত   (আবদুর রহমান আল-মুয়াল্লিমি আল-ইয়ামানি)

বিভাগ: নাহু ও সরফ


বই: একটি রূপতাত্ত্বিক সংশয় ও তার উত্তর

[আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমি আল-ইয়ামানির রচনাবলি (২০)]

লেখক: আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমি আল-ইয়ামানি (১৩১৩ - ১৩৮৬ হিজরি)

সম্পাদক: উসামা বিন মুসলিম আল-হাজিমি

নিরীক্ষক: মুহাম্মদ আজমল আল-ইসলাহি - মুহাম্মদ উজাইর শামস

প্রকাশক: দার আলামুল ফাওয়াইদ প্রকাশনা ও বিতরণ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৪ হিজরি

শামেলা সংস্করণে পেশ করেছেন: «আতায়াতুল ইলম» সংস্থা, আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামেলাতে প্রকাশের তারিখ: ১০ শাওয়াল ১৪৪২

(খণ্ড: ২০) ইশকাল সরফী ওয়া জাওয়াবুহু - যিমন আছারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১৭১)
الرسالة السابعة

إشكال صرفي وجوابه
সপ্তম পত্র

একটি সরফগত সংশয় এবং তার উত্তর
(খণ্ড: ২০) ইশকাল সরফী ওয়া জাওয়াবুহু - যিমন আছারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১৭৩)
بسم الله الرحمن الرحيم

اللهمَّ وفِّق للصواب

خطيء … خطيئة … خطايِئُ … خطائِئُ … خطاءٍ/ي … خطايا

فعل … فعيلة … فعايل … فعائل

صحف … صحيفة … صحايف … صحائف

شوي(1) … شواءية(2) … شوايِئُ … شوائِئُ … شواءٍ/ ي … شوايا

بلي … بليّة … بلايِئُ … بلائِئُ … بلاءٍ/ ي … بلايا

برء … بريئة … برايِئُ … برائِئُ … براءٍ/ ي … برايا

بغي … بغوي … بغايِئُ … بغائِئُ … بغاءٍ/ ي … بغايا

حوي … حويّة(3) … حوايِئُ … حوائِئُ … حواءٍ/ ي … حوايا

--------------------------------------------

(1) كتب المؤلف هذه الأفعال (شوى وبلى وبغى وحوى) بالياء وهي في المعاجم بالألف المقصورة، ولعله يريد أن يشير إلى أنَّ الألف منقلبة عن الياء التي هي لام الفعل.

(2) هكذا وجدتها ولا أدري ما وجْهُها؟ ولعلها: شويّة أو شاوية كما في شرح المفصل لابن يعيش (10/ 113). أو تكون (شويئة).

(3) قال أبو حيان في الارتشاف (1/ 260) لما ذكر (حوايا) قال: "جمع حَويّة أو حاوية أو حاوياء". اهـ.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

হে আল্লাহ, সঠিক হওয়ার তাওফিক দান করুন।

খতিয়া (خطيء) … খতিয়াহ (خطيئة) … খতায়িউ (خطايِئُ) … খতায়িউ (خطائِئُ) … খতায়িন/য়ি (خطاءٍ/ي) … খতায়া (خطايا)

ফা‘আলা (فعل) … ফা‘ইলাহ (فعيلة) … ফা‘য়ায়িল (فعايل) … ফা‘য়ায়িল (فعائل)

সাহাফা (صحف) … সাহিফাহ (صحيفة) … সাহায়িফ (صحايف) … সাহায়িফ (صحائف)

শাওয়া(1) (شوي) … শাওয়াইয়াহ(2) (شواءية) … শওয়ায়িউ (شوايِئُ) … শওয়ায়িউ (شوائِئُ) … শওয়ায়িন/য়ি (شواءٍ/ي) … শওয়ায়া (شوايا)

বালিয়া (بلي) … বালিইয়্যাহ (بليّة) … বালায়িউ (بلايِئُ) … বালায়িউ (بلائِئُ) … বালায়িন/য়ি (بلاءٍ/ي) … বালায়া (بلايا)

বারা’আ (برء) … বারিইয়াহ (بريئة) … বারায়িউ (برايِئُ) … বারায়িউ (برائِئُ) … বারায়িন/য়ি (براءٍ/ي) … বারায়া (برايا)

বাগিয়া (بغي) … বাগওয়ি (بغوي) … বাগায়িউ (بغايِئُ) … বাগায়িউ (بغائِئُ) … বাগায়িন/য়ি (بغاءٍ/ي) … বাগায়া (بغايا)

হাউইয়া (حوي) … হাউইইয়্যাহ(3) (حويّة) … হাউয়ায়িউ (حوايِئُ) … হাউয়ায়িউ (حوائِئُ) … হাউয়ায়িন/য়ি (حواءٍ/ي) … হাউয়ায়া (حوايا)

--------------------------------------------

(1) লেখক এই ক্রিয়াগুলো (শাওয়া, বালিয়া, বাগিয়া এবং হাউইয়া) ‘ইয়া’ দিয়ে লিখেছেন, অথচ অভিধানগুলোতে এগুলো ‘আলিফ মাকসুরা’ দিয়ে রয়েছে। সম্ভবত তিনি এ কথা নির্দেশ করতে চেয়েছেন যে, এই আলিফটি মূলত ‘ইয়া’ থেকে পরিবর্তিত হয়েছে যা ক্রিয়ার শেষ বর্ণ বা লাম কালিমাহ (لام الفعل)।

(2) আমি এটি এভাবেই পেয়েছি এবং এর ব্যাকরণগত ভিত্তি আমার জানা নেই। সম্ভবত এটি: শুইয়্যাহ বা শাওইয়াহ হবে যেমনটি ইবনে ইয়ায়িশ-এর শারহুল মুফাসসাল (১০/১১৩) গ্রন্থে রয়েছে। অথবা এটি ‘শুইয়িআহ’ হতে পারে।

(3) আবু হাইয়্যান আল-ইরতশিফ (১/২৬০) গ্রন্থে ‘হাওয়ায়া’ (حوايا) শব্দটির বর্ণনায় বলেছেন: “এটি হাউইইয়্যাহ, হাউইয়াহ অথবা হাউইয়া-এর বহুবচন (جمع)।” সমাপ্ত।
(খণ্ড: ২০) ইশকাল সরফী ওয়া জাওয়াবুহু - যিমন আছারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১৭৪)
إنَّ نحو هذه الأمثلة(1) لم يستعمل على القاعدة في رسائل، وصحائف، وعجائز(2)؛ لأنَّه هنا لو استعمل كذلك لزم أن يكون منقوصًا.

أمَّا اليائيُّ فظاهر(3)، وأمَّا الهمزيُّ(4) فلأنَّ القاعدة الأخرى في الهمزة أنَّها إذا كانت طرفًا بعد أخرى مكسورةٍ تُبدل ياءً كالجائي(5)، فلو فُعِلَ هنا كذلك صار منقوصًا، والمنقوص إذا نُكّر نُوِّن فقيل: هنا خطاءٍ، وبلاءٍ فالْتبس بالمصدر؛ فهربًا من ذلك أُبْدِلَ ما بعد ألف الجمع ياءً مفتوحةً وما بعده ألفًا.

أمَّا الواو إذا كانت بعد الألف في نحو: دعاوَى، وفتاوَى فهي ليست في مفردها كالتي في بَغُوي وعَجُوز(6)؛ فلذلك لا تقلب همزةً، بل تارةً تلحق

--------------------------------------------

(1) ويعني بها المؤلف: (خطايا ــ شوايا ــ بلايا ــ برايا ــ بغايا ــ حوايا).

(2) قاعدة رسائل وأخواتها ما نصَّ عليه ابن مالك في الألفية بقوله في الإبدال:

والمدُّ زيد ثالثًا في الواحد … همزًا يُرى في مثل كالقلائد

وقال السيوطي في الهمع (6/ 258): "وتبدل الهمزة أيضًا من تالي ألف شبه مفاعل، إذا كان مدًّا مزيدًا كالقلائد والصحائف والعجائز، بخلاف ما إذا كان أصليًّا كمعايش ومفاوز" اهـ.

(3) اليائي نحو: (شوى ــ بلى ــ بغى ــ حوى) فإنَّ ألفها منقلبة عن ياء.

(4) الهمزيُّ نحو: (خطئ، برء).

(5) انظر شرح الشافية للرضي (3/ 55، 59).

(6) أي أنَّ مفرد (دعاوى وفتاوى) دَعْوى وفَتْوى، والواو فيهما ليست كالتي في (بَغُوْي، وعَجُوز) لأنَّها في الأخيرتين زائدة وحرف مدّ فتنطبق عليها قاعدة فعائل في قلبها همزةً، بينما هي في (دعْوَى وفتْوَى) أصلية ليست مدةً، لكنَّ جمعهما يعاملان معاملة جمع (بغوي وعجوز) بحسب ما رآه المؤلف هنا، فيقال: دعاوَى وفتاوَى بوزن (بغايا)، ودعاوِي وفتاوِي بوزن (عجائز)، والفتح والكسر في جمع مثل (فتوى ودعوى وعلقى) وبابها جائز كما تجده في المساعد لابن عقيل (3/ 453).
নিশ্চয়ই এই ধরণের উদাহরণগুলো(১) রাসাইল, সাহাইফ এবং আজাইয-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহৃত হয়নি(২); কারণ এখানে যদি সেই নিয়ম প্রয়োগ করা হতো, তবে শব্দটি মানকুস (منقوص) হওয়া আবশ্যক হয়ে পড়ত।

আর ইয়া-যুক্ত (يائي)(৩) শব্দের বিষয়টি স্পষ্ট, আর হামযা-যুক্ত (همزي)(৪) শব্দের বিষয়টি এই জন্য যে, হামযার ক্ষেত্রে অপর নিয়মটি হলো—যখন এটি কাসরা-যুক্ত (জের-বিশিষ্ট) বর্ণের পরবর্তী শেষে আসে, তখন তা আল-জায়ি-এর মতো ইয়া-তে রূপান্তরিত হয়(৫)। যদি এখানেও তেমনটি করা হতো, তবে তা মানকুস (منقوص) হয়ে যেত; আর মানকুস (منقوص) শব্দ যখন নাকেরা (نكرة) হয়, তখন তাতে তানভীন (تنوين) যুক্ত হয়। ফলে বলা হতো: 'খাতায়িন' এবং 'বালায়িন', যা মাসদার (مصدر)-এর সাথে সংশয় সৃষ্টি করত। এই সংশয় থেকে পলায়ন করতেই বহুবচন (جمع)-এর আলিফের পরবর্তী বর্ণকে ফাতহা-যুক্ত (জবর-বিশিষ্ট) ইয়া এবং তার পরবর্তী বর্ণকে আলিফ দ্বারা পরিবর্তন করা হয়েছে।

আর 'দাওয়া' এবং 'ফাতওয়া'-এর মতো শব্দে আলিফের পরে যে ওয়াও রয়েছে, তা তাদের একবচন (مفرد)-এ 'বাগুয়্যি' ও 'আজুয'-এর ওয়াও-এর মতো নয়(৬); তাই সেটি হামযা (همزة)-তে রূপান্তরিত হয় না। বরং কখনো কখনো তা সংযুক্ত হয়—

--------------------------------------------

(১) এর দ্বারা লেখক বুঝিয়েছেন: (খাতায়া — শাওয়াযা — বালায়্যা — বারায়া — বাগায়া — হাওয়াযা)।

(২) রাসাইল ও এর সমজাতীয় শব্দগুলোর নিয়ম সম্পর্কে ইবনে মালিক আলফিয়্যাহ-এর ইবদাল (إبدال) অধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন:

এবং একবচনে তৃতীয় বর্ণ হিসেবে অতিরিক্ত মদ্দ (مد) থাকলে … তা কিলাদ-এর ন্যায় শব্দে হামযা (همزة) হিসেবে গণ্য হয়।

সুয়ূতী হামউল হাওয়া মি (৬/ ২৫৮) গ্রন্থে বলেছেন: "হামযা (همزة) তদ্রূপ 'মায়াফিল'-এর সদৃশ আলিফের পরবর্তী বর্ণ থেকেও রূপান্তরিত হয়, যদি সেটি কিলাদ, সাহাইফ ও আজাইয-এর মতো অতিরিক্ত মদ্দ (مد) হয়। তবে সেটি মূল (أصلي) বর্ণ হলে এমনটি হবে না, যেমন: মায়ায়িশ ও মাফাউয।" সমাপ্ত।

(৩) ইয়া-যুক্ত (يائي) শব্দ যেমন: (শাওয়া — বালা — বাগা — হাওয়া), কেননা এগুলোর আলিফ ইয়া থেকে পরিবর্তিত।

(৪) হামযা-যুক্ত (همزي) শব্দ যেমন: (খাতায়ি, বারায়ি)।

(৫) দেখুন: রাযি রচিত শারহুশ শাফিয়্যাহ (৩/ ৫৫, ৫৯)।

(৬) অর্থাৎ (দাওয়া ও ফাতওয়া)-এর একবচন (مفرد) হলো দাওয়াহ ও ফাতওয়াহ। এই দুটিতে বিদ্যমান ওয়াও 'বাগুয়্যি' ও 'আজুয'-এর ওয়াও-এর মতো নয়; কারণ শেষোক্ত শব্দ দুটিতে ওয়াও বর্ণটি অতিরিক্ত (زائدة) এবং মদ্দ (مد) হওয়ার কারণে সেখানে 'ফায়াইল' এর নিয়মে তা হামযা (همزة)-তে রূপান্তরিত হওয়ার নিয়ম প্রযোজ্য হয়। পক্ষান্তরে 'দাওয়াহ' ও 'ফাতওয়াহ' শব্দে এটি মূল (أصلية) বর্ণ, মদ্দ (مد) নয়। তবে লেখকের মতে, এগুলোর বহুবচন (جمع) করার সময় 'বাগুয়্যি' ও 'আজুয'-এর বহুবচনের ন্যায় আচরণ করা হয়। ফলে (বাগায়া)-এর ওযনে 'দাওয়ায়া' ও 'ফাতওয়া' এবং (আজাইয)-এর ওযনে 'দাওয়ায়ি' ও 'ফাতওয়ায়ি' বলা হয়। ফাতওয়া, দাওয়াহ এবং আলকাহ জাতীয় শব্দের বহুবচনে ফাতহা (জবর) ও কাসরা (জের) উভয়ই জায়েয, যেমনটি ইবনে আকীলের আল-মুসাঈদ (৩/ ৪৫৩) গ্রন্থে পাওয়া যায়।
(খণ্ড: ২০) ইশকাল সরফী ওয়া জাওয়াবুহু - যিমন আছারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১৭৫)
بعجوز فيقال: دعاوِي وفتاوِي، وتارة ببغُوي فيقال: دعاوَى وفتاوَى.

والله ــ سبحانه وتعالى ــ أعلم.

هذا ما ظهر لي ههنا بعد طول استشكال، وما أظنُّه إلا الحق. والله أعلم.

عبد الرحمن بن يحيى المعلمي
কখনো 'আজুয (عجوز) শব্দের সাথে তুলনা করে বলা হয়: দাওয়াবি (دعاوِي) ও ফাতাওয়ি (فتاوِي), আবার কখনো বাগাউয়ি (بغوي) শব্দের সাথে তুলনা করে বলা হয়: দাওয়া-ওয়া (دعاوَى) ও ফাতাওয়া (فتاوَى)।

আর আল্লাহ—সুবহানাহু ওয়া তাআলা—সর্বজ্ঞ।

দীর্ঘকাল অস্পষ্টতা (استشكال) ও পর্যালোচনার পর আমার নিকট বিষয়টি এভাবেই স্পষ্ট হয়েছে, এবং আমি একে সত্য বলেই মনে করি। আল্লাহ-ই সর্বজ্ঞ।

আব্দুর রহমান ইবনে ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমী