(খণ্ড: ১) আল-কালামু আলা তাসরীফি যু - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: -)
الكلام على تصريف «ذو» - ضمن «آثار المعلمي»   (عبد الرحمن المعلمي اليماني)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: الكلام على تصريف «ذو»

[آثار عبد الرحمن بن يحيى المعلمي اليماني (20)]

المؤلف: عبد الرحمن بن يحيى المُعَلِّمي اليماني (1313 - 1386 هـ)

المحقق: أسامة بن مسلم الحازمي

راجعه: محمد أجمل الإصلاحي - محمد عزير شمس

الناشر: دار عالم الفوائد للنشر والتوزيع

الطبعة: الأولى، 1434 هـ

قدمه للشاملة: مؤسسة «عطاءات العلم»، جزاهم الله خيرا

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 10 شوّال 1442

‘যু’ শব্দের রূপান্তর বিষয়ক আলোচনা - ‘আসারুল মুয়াল্লিমী’-এর অন্তর্ভুক্ত   (আবদুর রহমান আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানি)

বিভাগ: নাহু ও সরফ (ব্যাকরণ ও রূপতত্ত্ব)


বই: ‘যু’ শব্দের রূপান্তর বিষয়ক আলোচনা

[আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানির রচনাবলী (২০)]

লেখক: আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানি (১৩১৩ - ১৩৮৬ হিজরি)

সম্পাদনা: উসামা বিন মুসলিম আল-হাজিমি

নিরীক্ষণ: মুহাম্মদ আজমাল আল-ইসলাহি - মুহাম্মদ উজাইর শামস

প্রকাশক: দার আলমিল ফাওয়াইদ পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন

সংস্করণ: প্রথম، ১৪৩৪ হিজরি

শামেলা ভার্সনে উপস্থাপনায়: ‘আতাআত আল-ইলম’ «ফাউন্ডেশন», আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১০ শাওয়াল ১৪৪২

(খণ্ড: ২০) আল-কালামু আলা তাসরীফি যু - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১৬৩)
الرسالة السادسة

الكلام على تصريف «ذو»
ষষ্ঠ রিসালাহ

«যূ»-এর রূপান্তর বিষয়ক আলোচনা
(খণ্ড: ২০) আল-কালামু আলা তাসরীফি যু - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১৬৫)
«ذو» عينه واو ولامه ياء، أما الأول فلأن مؤنَّثهُ «ذات» وأصلها ذوات بدليل أنَّ مثناها «ذواتا» حُذفت عين المفردة لكثرة الاستعمال. هـ كليَّات(1) أبي البقاء الحسيني(2) ــ رحمه الله ــ بتصرف.

«ذو» لامُه ياءٌ محذوفة، ووزنه في الأصل ذَوَيٌ وِزَانُ سَبَب، ويكون بمعنى صاحب فيُعرب بالواو والألف والياء، ولا يستعمل إلا مضافًا إلى اسم جنس، فيقال: زيد ذو علم، وذو مال، والزيدان ذوا علمٍ، والرجال ذوو مال، وهند ذات مالٍ والهندان ذواتا مالٍ، والنساء ذوات مالٍ، هـ «مصباح» بتصرف(3).

قوله تعالى: {ذَوَاتَيْ أُكُلٍ خَمْطٍ} [سبأ: 16] تثنية ذوات مفرد على الأصل. هـ، قوله تعالى: {ذَوَاتَا أَفْنَانٍ} [الرحمن: 48] تثنية ذوات على الأصل ولامها ياء. هـ جلالين(4).

«ذو» أصله ذوى مثل: عصى. هـ «مختار الصحاح»(5).

--------------------------------------------

(1) الكليات (2/ 356).

(2) هو أيوب بن موسى الحسيني الكفوي الحنفي، ولد في كفا بالقرم، وتوفي وهو قاضٍ بالقدس سنة (1094 هـ).

انظر: معجم المؤلفين لكحالة (3/ 31)، وهدية العارفين (5/ 229).

(3) انظر: المصباح المنير للفيومي (1/ 211).

(4) انظر: تفسير الجلالين (3/ 278)، (4/ 150).

(5) راجع المختار (ص 118).
«জু» এর ‘আইন’ অক্ষরটি ‘ওয়াও’ এবং এর ‘লাম’ অক্ষরটি ‘ইয়া’। প্রথমটি (অর্থাৎ ‘আইন’ অক্ষর ‘ওয়াও’ হওয়ার কারণ) হলো এর স্ত্রীলিঙ্গ হলো «জাত», যার মূল রূপ ছিল ‘জাওয়াত’; এর প্রমাণ হলো এর দ্বিবচন রূপ «জাওয়াতা»। অধিক ব্যবহারের কারণে একবচন রূপ থেকে ‘আইন’ অক্ষরটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। — ইতি, আবু আল-বাকা আল-হুসাইনি —রহিমাহুল্লাহ— এর ‘কুল্লিয়াত’ থেকে সংক্ষেপিত।

«জু» এর ‘লাম’ অক্ষরটি হলো একটি বিলুপ্ত ‘ইয়া’, এবং এর মূল ওজন (ছন্দ) ছিল ‘জাওয়াইয়ুন’, যা ‘সাবাব’ এর সমওজনে। এটি ‘অধিকারী’ অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এমতাবস্থায় এটি ওয়াও, আলিফ ও ইয়া দ্বারা বিভক্তি গ্রহণ করে। এটি কেবল ‘ইসম জিলস’ (সাধারণ বিশেষ্য) এর দিকে সম্বন্ধিত (মুদাফ) হয়ে ব্যবহৃত হয়; যেমন বলা হয়: যায়েদ জ্ঞানবান ও সম্পদশালী, দুই যায়েদ জ্ঞানবান, পুরুষেরা সম্পদশালী, হিন্দ সম্পদশালিনী, দুই হিন্দ সম্পদশালিনী এবং নারীরা সম্পদশালিনী। — ইতি, ‘মিসবাহ’ থেকে সংক্ষেপিত।

মহান আল্লাহর বাণী: {জাওয়াতাই উকুলি খামতিন} [সুরা সাবা: ১৬]; এখানে একবচন ‘জাত’ এর দ্বিবচন রূপটি মূল রীতি অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। মহান আল্লাহর বাণী: {জাওয়াতা আফনানিন} [সুরা আর-রাহমান: ৪৮]; এখানেও ‘জাত’ এর দ্বিবচন রূপটি মূল রীতি অনুযায়ী হয়েছে এবং এর ‘লাম’ অক্ষরটি হলো ‘ইয়া’। — ইতি, জালালাইন।

«জু» এর মূল রূপ হলো ‘জওয়া’, যেমন: ‘আসা’। — ইতি, ‘মুখতারুস সিহাহ’।

--------------------------------------------

(১) আল-কুল্লিয়াত (২/ ৩৫৬)।

(২) তিনি হলেন আইয়ুব বিন মুসা আল-হুসাইনি আল-কাফাউয়ি আল-হানাফি। তিনি ক্রিমিয়ার কাফায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১০৯৪ হিজরিতে জেরুজালেমের বিচারক (কাজী) হিসেবে কর্মরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

দেখুন: কাহ্হালার মু'জামুল মুয়াল্লিফিন (৩/ ৩১) এবং হাদিয়াতুল আরিফিন (৫/ ২২৯)।

(৩) দেখুন: আল-ফাইয়ুমির আল-মিসবাহুল মুনীর (১/ ২১১)।

(৪) দেখুন: তাফসীরুল জালালাইন (৩/ ২৭৮), (৪/ ১৫০)।

(৫) আল-মুখতার (পৃষ্ঠা ১১৮) দেখুন।
(খণ্ড: ২০) আল-কালামু আলা তাসরীফি যু - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১৬৬)
«ذو» أصله عند سيبويه(1) ذَوَىٌ كجبلٍ، وعند الخليل(2) «ذوّ» بشد الواو. هـ «حاشية الخضري على ابن عقيل على ألفية ابن مالك»(3).

تنبيهٌ: مذهب سيبويه أن «ذو» بمعنى صاحب وزنها فَعَلٌ بالتحريك، ولامها ياء فهي ذوي لا نقلاب لامها ألفًا في نحو: ذواتا، وقيل في تثنيتها أيضًا ذاتا بلا ردِّ اللام، والأكثر ذواتا ــ كما في التسهيل(4) ــ وأما الثاني فلأن يائيَّ اللام أكثر من واويِّه فأصله ذَوَى حذفت لامه اعتباطًا ونُقِلت حركات الإعراب إلى الواو، وحُرّكت الذالُ بحركة الواو اتباعًا لها، ثم في حال الرَّفع حذفت ضمة الواو للثقل فبقي «ذو»، وفي حال النصب قلبت الواو ألفًا لتحركها وانفتاح ما قبلها فبقِيَ «ذا»، وفي حال الجرّ حذفت كسرة الواو للنقل فوقعت الواو متطرفة إثر كسرة فقلبت ياءً فقيل: «ذي».

فإن قلتَ: لا وجه للنقل والاتباع في حال النصب لفتح الواو والذال فتحًا أصليًا؟

--------------------------------------------

(1) أبو بشر عمرو بن عثمان بن قنبر، الإمام المشهور، أخذ النحو عن الخليل ويونس، وأخذ اللغات عن أبي الخطاب الأخفش، توفي سنة (180 هـ)، وقيل غير ذلك.

انظر: أخبار النحويين البصريين للسيرافي (ص 63)، وطبقات الزبيدي (ص 66).

(2) أبو عبد الرحمن الخليل بن أحمد البصري الفراهيدي، اللغوي النحوي العروضي الزاهد الإمام المعروف، درس على أبي عمرو بن العلاء، وأخذ عنه سيبويه والنضر وجماعة، توفي رحمه الله سنة (160 هـ)، وقيل غير ذلك.

انظر: نزهة الألبا لابن الأنباري (ص 49).

(3) انظر حاشية الخضري (1/ 45).

(4) راجع شرح التسهيل لابن مالك (1/ 104).
«জু» এর মূল রূপ সিবওয়াইহ(১) এর নিকট ‘জাবাল’ শব্দের ন্যায় ‘যাওয়ায়ুন’, আর খলীল(২) এর নিকট এটি ওয়াও-এর তাশদীদসহ «জুউউ»। — «ইবনে মালিকের আলফিয়্যার ওপর ইবনে আকীলের ব্যাখ্যার ওপর খুদরীর হাশিয়া»(৩)।

সতর্কীকরণ: সিবওয়াইহ-এর মাযহাব হলো, «জু» শব্দটি ‘সাহিব’ (অধিকারী) অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এর ওজন হলো ‘ফায়ালুন’ (হরকতযুক্ত)। এর ‘লাম’ কালিমা হলো ‘ইয়া’, ফলে এটি মূলত ‘যাওয়ায়িন’; কারণ ‘যাওয়াতা’-এর মতো শব্দে এর ‘লাম’ কালিমা আলিফে রূপান্তরিত হয়েছে। এর দ্বিবচনে ‘জাতা’ শব্দটিও বলা হয়েছে ‘লাম’ কালিমা ফিরিয়ে আনা ব্যতিরেকে, তবে ‘যাওয়াতা’ শব্দটির ব্যবহারই অধিক—যেমনটি ‘তাসহীল’(৪) গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। আর দ্বিতীয় কারণটি হলো, ‘ইয়া’ বর্ণটি ‘লাম’ কালিমা হিসেবে ‘ওয়াও’-এর চেয়ে অধিক ব্যবহৃত হয়। ফলে এর মূল রূপ ছিল ‘যাওয়া’, যেখান থেকে এর ‘লাম’ কালিমাটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিলোপ করা হয়েছে এবং কারক বিভক্তির হরকতসমূহ ‘ওয়াও’-এর দিকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। আর ‘ওয়াও’-এর অনুসরণে ‘যাল’ অক্ষরটিকেও হরকত প্রদান করা হয়েছে। অতঃপর রফ্ (রাফা) অবস্থায় গুরুভার হওয়ার কারণে ‘ওয়াও’-এর পেশ (জম্মাহ) বিলুপ্ত করা হয়েছে, ফলে তা «জু» হিসেবে অবশিষ্ট থাকে। নাসব অবস্থায় ‘ওয়াও’ হরকতযুক্ত হওয়া এবং তার পূর্ববর্তী অক্ষর যবরযুক্ত হওয়ায় তা আলিফে রূপান্তরিত হয়ে «যা» হিসেবে অবশিষ্ট থাকে। আর জর (যার) অবস্থায় স্থানান্তরের কারণে ‘ওয়াও’-এর যের (কাসরা) বিলুপ্ত করা হয়, ফলে যের-এর পরে ‘ওয়াও’ বর্ণটি প্রান্তস্থিত হওয়ায় তা ‘ইয়া’-তে রূপান্তরিত হয় এবং «যী» বলা হয়।

আপনি যদি বলেন: নাসব অবস্থায় তো ‘ওয়াও’ এবং ‘যাল’ উভয়ের ওপরই মূলগতভাবে যবর (ফাতহা) বিদ্যমান, তবে এখানে স্থানান্তর বা অনুসরণের কোনো অবকাশ নেই কেন?

--------------------------------------------

(১) আবু বিশর আমর ইবনে উসমান ইবনে কান্বার, সুপ্রসিদ্ধ ইমাম (إمام)। তিনি খলীল এবং ইউনুসের নিকট নাহু (ব্যাকরণ) শিক্ষা লাভ করেছেন এবং আবুল খাত্তাব আল-আখফাশের নিকট থেকে ভাষাতত্ত্ব শিক্ষা করেছেন। তিনি ১৮০ হিজরী সনে মৃত্যুবরণ করেন, তবে এ বিষয়ে ভিন্ন মতও রয়েছে।

দেখুন: সিরাফী রচিত ‘আখবারুন নাহবিয়্যীন আল-বাসরিয়্যীন’ (পৃ. ৬৩) এবং যুবাইদীর ‘তাবাকাত’ (পৃ. ৬৬)।

(২) আবু আব্দুর রহমান খলীল ইবনে আহমাদ আল-বাসরী আল-ফারাহিদী; ভাষাতত্ত্ববিদ, ব্যাকরণবিদ, ছন্দবিশারদ, তপস্বী (زاهد) এবং সুপরিচিত ইমাম (إمام)। তিনি আবু আমর ইবনুল আলার নিকট পড়াশোনা করেছেন এবং তাঁর থেকে সিবওয়াইহ, নাযর ও একদল আলেম শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। রহমতুল্লাহি আলাইহি, তিনি ১৬০ হিজরী সনে মৃত্যুবরণ করেন, এ বিষয়ে অন্য মতও আছে।

দেখুন: ইবনুল আম্বারীর ‘নুযহাতুল আলবা’ (পৃ. ৪৯)।

(৩) দেখুন: খুদরীর হাশিয়া (১/ ৪৫)।

(৪) ইবনে মালিকের ‘শারহুত তাসহীল’ (১/ ১০৪) দেখুন।
(খণ্ড: ২০) আল-কালামু আলা তাসরীফি যু - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১৬৭)
قلتُ: يقدر ذهاب فتحهما الأصلي وفتح الواو بفتحة الإعراب التي كانت على اللام المحذوفة وفتح الذال بفتحة الاتباع؛ لتكون حالة النصب كحالتيْ الرفع والجر. هـ «صبّان على الأشموني على الألفية»(1).

«ذو» أصل ذو ذوى مثل: عصى، وردّ لام ذات في التثنية لا لام ذو فقالوا: ذواتا، قال: وقد جاء أيضًا ذاتا، قال: وهو قليل وجمع بحذف اللام فقيل: ذوات، ولو رُدَّت لقيل: ذويات. هـ. «رضي على الكافية والشافية» بتصرف(2).

«ذو» أصلها ذوى فحذف لامها في مفردها المذكر فقيل: ذو، وفي مفردها المؤنث فقيل: ذات وفي جمع المذكر فقيل: ذوون، وفي جمع المؤنث فقيل: ذوات، ولو رُدَّت لقيل في الأول: ذوى مثل: عصى، وفي الثاني ذواة مثل: نواةٍ، وفي الثالث: ذويون مثل: حكمون، وفي الرابع: ذويات مثل: حصيات، وأما التثنية في ذات فقالوا: ذواتا، قال: على الأصل فوزنه ذواتا زيدٍ وهي الأكثر، وبها ورد القرآن قال تعالى: {ذَوَاتَيْ أُكُلٍ}، {ذَوَاتَا أَفْنَانٍ}، وقد جاء «ذاتا» على القياس وهو قليل، وللتثنية والجمع شروط:

أحدها: الإفراد فلا يجوز تثنية المثنى والجمع السالم والمكسر المتناهي، ولا جمع ذلك اتفاقًا ولا غيره من جموع التكسير، ولا اسم

--------------------------------------------

(1) راجع حاشية الصبان على الأشموني (1/ 71)، وقد تصرف الشيخ في النقل عنهما.

(2) انظر شرح الكافية (2/ 175)، وشرح الشافية (2/ 62).
আমি বলছি: তাদের মূল ফাতহা বিলুপ্ত হওয়া এবং 'ওয়াও' বর্ণটি সেই ইরাবি ফাতহা দ্বারা ফাতহাযুক্ত হওয়া অনুমিত হবে যা ইতিপূর্বে বিলুপ্ত 'লাম' অক্ষরের ওপর ছিল, আর 'যাল' বর্ণটি পূর্ববর্তী বর্ণের অনুসরণে ফাতহাযুক্ত হবে; যাতে নসব (نصب) এর অবস্থা রফ’ (رفع) ও জর (جر) এর অবস্থার মতোই হয়। সমাপ্ত। 'আলফিয়্যাহ'-র ওপর আল-আশমুনি-র ব্যাখ্যার ওপর সাব্বানের টীকা(১).

'যূ' (ذو)-এর মূল হলো 'যাওয়ায়' (ذوى), যেমন: 'আসা' (عصى)। 'যাত' (ذات)-এর দ্বিবচনে 'লাম' বর্ণটি ফিরিয়ে আনা হয়েছে, কিন্তু 'যূ' (ذو)-এর ক্ষেত্রে তা করা হয়নি। ফলে তারা বলেছে: 'যাওয়াতা' (ذواتا)। তিনি বলেন: 'যাতা' (ذاتا)-ও ব্যবহৃত হয়েছে, তবে তা বিরল। আর 'লাম' বিলুপ্ত করে এর বহুবচন গঠন করা হয়েছে, ফলে বলা হয়েছে: 'যাওয়াত' (ذوات)। যদি 'লাম' ফিরিয়ে আনা হতো, তবে বলা হতো: 'যাওয়ায়াত' (ذويات)। সমাপ্ত। আল-কাফিয়্যাহ ও আশ-শাফিয়্যাহ-র ওপর রাদীয়্যা-র ব্যাখ্যাগ্রন্থ থেকে পরিমার্জিত(২).

'যূ' (ذو)-এর মূল রূপ হলো 'যাওয়ায়' (ذوى)। এর একবচন পুংলিঙ্গ রূপে 'লাম' বিলুপ্ত করে বলা হয়েছে: 'যূ' (ذو)। একবচন স্ত্রীলিঙ্গ রূপে বলা হয়েছে: 'যাত' (ذات)। বহুবচন পুংলিঙ্গ রূপে বলা হয়েছে: 'যাওয়ূন' (ذوون) এবং বহুবচন স্ত্রীলিঙ্গ রূপে বলা হয়েছে: 'যাওয়াত' (ذوات)। যদি 'লাম' ফিরিয়ে আনা হতো, তবে প্রথমটির ক্ষেত্রে বলা হতো: 'যাওয়ায়' (ذوى) যেমন: 'আসা' (عصى); দ্বিতীয়টির ক্ষেত্রে 'যাওয়াহ' (ذواة) যেমন: 'নাওয়াহ' (نواة); তৃতীয়টির ক্ষেত্রে 'যাওয়াইয়ূন' (ذويون) যেমন: 'হাকামূন' (حكمون); এবং চতুর্থটির ক্ষেত্রে 'যাওয়ায়াত' (ذويات) যেমন: 'হাসায়াত' (حصيات)। আর 'যাত' (ذات)-এর দ্বিবচনের ক্ষেত্রে তারা বলেছে: 'যাওয়াতা' (ذواتا)। তিনি বলেন: এটি মূল শব্দের অনুকরণে গঠিত, তাই এর ওজন হবে 'যাওয়াতা যাইদিন' (ذواتا زيدٍ) এবং এটিই অধিক প্রচলিত। কুরআন মাজিদেও এই রূপটিই এসেছে। আল্লাহ তাআলা বলেন: {দুইটি বিস্বাদ ফলবিশিষ্ট বাগান}, {অজস্র শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট}। আর নিয়মানুযায়ী 'যাতা' (ذاتا) রূপটিও এসেছে, তবে তা বিরল। দ্বিবচন ও বহুবচনের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত রয়েছে:

তার একটি হলো: একবচন হওয়া। সুতরাং দ্বিবচন, সুসংহত বহুবচন (جمع سالم) এবং চূড়ান্ত রূপের বিচ্ছিন্ন বহুবচন (المكسر المتناهي)-এর পুনরায় দ্বিবচন করা জায়েজ নেই। তেমনিভাবে এগুলোর বহুবচন করাও সর্বসম্মতিক্রমে নাজায়েজ, এবং অন্যান্য বিচ্ছিন্ন বহুবচন (جموع التكسير) বা অন্য কোনো বিশেষ্যর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম...

--------------------------------------------

(১) আল-আশমুনির ওপর সাব্বানের হাশিয়া (১/৭১) দেখুন; শাইখ এই দুই কিতাব থেকে উদ্ধৃত করার সময় কিছুটা পরিমার্জন করেছেন।

(২) শারহুল কাফিয়া (২/১৭৫) এবং শারহুশ শাফিয়া (২/৬২) দেখুন।
(খণ্ড: ২০) আল-কালামু আলা তাসরীফি যু - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১৬৮)
الجنس إلا إنْ تُجوِّز به. هـ. «همع الهوامع للسيوطي» بتصرف(1).

أقول(2): أصل «ذو» ذَوَيٌ على وزان فَعَلٍ ولو جاء على الأصل لقيل فيه: ذوى نحو هوى لانقلاب الياء ألفًا، فيكون مؤنثه «ذوات» وزن حدقةٍ، فوزانه بعد الحذف «فَعَ» ووزان ذات «فَعَت»، فلو جعلنا مثناها ذاتا كان بوزان «فَعْتا» ولكن قيل في مثناه: ذواتا على الأصل، فوزانها «فَعَلَتا» نحو حَدَقَتا.

أقول: قد ظهر لي مما مر أن أصل «ذو» ذوى على وزان فعل، وكان القياس أن تبدل لامه ألفًا لكونها ياءً متحركة مفتوحًا ما قبلها فيكون «ذَوَى» على وزن هَوَى، لكنهم حذفوا لامه اعتباطًا كما حذفت من «أب، وأخ، وحم، وهنٍ، وفم»، منقلب الميم واوًا، ثم نقلوا حركة الإعراب إلى العين ــ وهي الواو ــ لصيرورتها آخر الكلمة كما في «يدٍ، ودمٍ» ثم تحرك الذال بمثل حركتها اتباعًا، وتحذف حركة الواو رفعًا وتبدل ألفًا فتحًا(3)، وياءً جرًا، ووزانها ــ حينئذ ــ «فع» مثل «أبٍ، وأخٍ، ويدٍ، ودمٍ»، ثم عند تأنيثه كان لهم وجهان الأصل والفرع، إما أن يتبعوا الفرع ــ كما فعلوا ــ فقالوا: «ذاتٌ» فوزانها فَعْتٌ مثل «بِنْتٍ، وأُخْتٍ»، وإما أن يتبعوا الأصل فيقولوا: «ذواة» على وزن نواةٍ، ودواةٍ ثم إذا أرادوا التثنية فكذلك إما أن يتبعوا الفرع فيقولوا: «ذاتا

--------------------------------------------

(1) انظر همع الهوامع (1/ 139 - 150).

(2) القائل هو الشيخ المعلمي.

(3) أي: نصبًا.
জাতি, যদি না এর মাধ্যমে অন্য কিছু অনুমোদিত হয়। সমাপ্ত। «হামউল হাওয়াামি লিস-সুয়ুতি» থেকে পরিমার্জিতভাবে সংগৃহীত(১)。

আমি বলছি(২): 'যু' (ذو) এর মূল (أصل) হলো 'যা-ওয়া-ইউন' (ذَوَيٌ), যা 'ফা-আ-লা' (فَعَلَ) এর ওজনে। যদি এটি মূল (أصل) অনুযায়ী হতো, তবে 'ইয়া' বর্ণটি আলিফে রূপান্তরিত হওয়ার কারণে একে 'হাওয়া' (هوى) এর মতো 'যাওয়া' (ذوى) বলা হতো। তখন এর স্ত্রীলিঙ্গ হতো 'যা-ওয়া-তুন' (ذوات), যা 'হাদাকাতুন' (حدقة) এর ওজনে। সুতরাং বিলুপ্তির পর এর ওজন দাঁড়াত 'ফা-আ' (فَعَ) এবং 'জাত' (ذات) এর ওজন হতো 'ফা-আত' (فَعَت)। যদি আমরা এর দ্বিবচনকে 'যাতা' (ذاتا) করতাম, তবে তা 'ফা'-তা' (فَعْتا) ওজনে হতো। কিন্তু এর দ্বিবচনে মূল (أصل) অনুযায়ী 'যা-ওয়া-তা' (ذواتا) বলা হয়েছে, যার ওজন হলো 'ফা-আ-লা-তা' (فَعَلَتا), যেমন: 'হাদাকাতা' (حَدَقَتا)।

আমি বলছি: পূর্বোক্ত আলোচনা থেকে আমার নিকট স্পষ্ট হয়েছে যে, 'যু' (ذو) এর মূল (أصل) হলো 'যাওয়া' (ذوى) যা 'ফা-আ-লা' (فعل) ওজনে। আর ব্যাকরণগত নিয়ম (قياس) ছিল এর শেষ বর্ণটি আলিফ দ্বারা পরিবর্তিত হওয়া, যেহেতু এটি হরকতযুক্ত 'ইয়া' এবং তার পূর্ববর্তী বর্ণটি জবরযুক্ত; ফলে এটি 'হাওয়া' (هوى) এর ওজনে 'যাওয়া' (ذَوَى) হতো। কিন্তু তারা কোনো বাহ্যিক কারণ ছাড়াই এর শেষ বর্ণটি বিলুপ্ত করেছে, যেভাবে 'আবু' (أب), 'আখু' (أخ), 'হামু' (حم), 'হানুন' (هنٍ) এবং 'ফামুন' (فم) থেকে বিলুপ্ত করা হয়েছে—যেখানে 'মিম' বর্ণটি 'ওয়াও' থেকে পরিবর্তিত। অতঃপর তারা ই'রাবের হরকতকে 'আইন' কালিমাতে—যা এখানে 'ওয়াও'—স্থানান্তরিত করেছে, যেহেতু সেটি শব্দের শেষ বর্ণে পরিণত হয়েছে; যেমনটি 'ইয়াদুন' (يد) এবং 'দামুন' (دم) এর ক্ষেত্রে হয়েছে। অতঃপর অনুবর্তিতার কারণে 'যাল' (ذ) বর্ণটিকে আইন কালিমার হরকতের অনুরূপ হরকত প্রদান করা হয়েছে। রফ (رفع) অবস্থায় 'ওয়াও'-এর হরকত বিলুপ্ত হয়, নাসব (نصب) অবস্থায় তা আলিফে রূপান্তরিত হয়(৩), এবং জার (جر) অবস্থায় ইয়া-তে রূপান্তরিত হয়। সেই অবস্থায় এর ওজন হয় 'ফা' (فع), যেমন: 'আবু' (أب), 'আখু' (أخ), 'ইয়াদুন' (يد) এবং 'দামুন' (دم)। এরপর এর স্ত্রীলিঙ্গ করার ক্ষেত্রে তাদের সামনে দুটি পদ্ধতি ছিল: মূল (أصل) এবং শাখা (فرع)। হয় তারা শাখার (فرع) অনুসরণ করবে—যেমনটি তারা করেছে—এবং বলবে: 'জাতুন' (ذاتٌ), যার ওজন 'ফা'-তুন' (فَعْتٌ), যেমন: 'বিনতুন' (بِنْتٍ) ও 'উখতুন' (أُخْتٍ)। আর নয়তো তারা মূলের (أصل) অনুসরণ করবে এবং 'নাওয়াতুন' (نواة) ও 'দাওয়াতুন' (دواة) এর ওজনে 'যা-ওয়া-তুন' (ذواة) বলবে। অতঃপর যখন তারা দ্বিবচন করতে চাইল, তখনও বিষয়টি অনুরূপ ছিল; হয় তারা শাখার (فرع) অনুসরণ করবে এবং বলবে: 'যাতা' (ذاتا)

--------------------------------------------

(১) দেখুন: হামউল হাওয়াামি (১/ ১৩৯ - ১৫০)।

(২) উক্তিটি শেখ আল-মুয়াল্লিমি-এর।

(৩) অর্থাৎ: নাসব (نصب) অবস্থায়।
(খণ্ড: ২০) আল-কালামু আলা তাসরীফি যু - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১৬৯)
مالٍ» فوزانه «فَعْتا» وقد ورد بقلةٍ(1)، وإما أن يتبعوا الأصل فيقولوا: «ذواتا أكل»، و {ذَوَاتَا أَفْنَانٍ}. فوزانه: نواتا تمرٍ، دواتا زيدٍ، ثم لما أرادوا الجمع احتاجوا لزيادة ألف الجمع ــ كما في نحو ــ: حدقةٍ قالوا: حدقات، فالتقت الألف الأصلية المبدلة عن الياء مع ألف الجمع ساكنتين فحذفت الأولى فقيل: «ذوات» فوزانه «فَعَات» مثل «بَنَات». والله ــ سبحانه وتعالى ــ أعلم.

جَمَعهُ الحقير

عبد الرحمن بن يحيى المعلمي

--------------------------------------------

(1) قال رجل من بني سعد:

* يا دار سلمى بين ذاتي العوج *

انظر: همع الهوامع (1/ 150).
‘মাল’ এর ওজনে এর রূপ হবে ‘ফাতআ’ এবং এটি খুব কমই বর্ণিত হয়েছে(১)। অন্যথায় তারা মূল শব্দের অনুসরণ করে বলবে: ‘যাওয়াাতা আকলিন’ এবং {যাওয়াাতা আফনানিন}। এর ওজন হলো: ‘নাওয়াাতা তামরিন’ (খেজুরের দুটি আঁটি), ‘দাওয়াাতা যায়দিন’ (যায়দের দুটি দোয়াত)। এরপর যখন তারা বহুবচন করতে চাইল, তখন বহুবচনের আলিফ যুক্ত করার প্রয়োজন হলো—যেমন ‘হাদাকাহ’ এর ক্ষেত্রে তারা ‘হাদাকাত’ বলে থাকে। ফলে ‘ইয়া’ থেকে পরিবর্তিত হওয়া মূল আলিফ এবং বহুবচনের আলিফ দুটি সাকিন (স্থির) অবস্থায় একত্রিত হয় এবং প্রথমটি বিলুপ্ত হয়ে যায়। তখন একে ‘যাওয়াাত’ বলা হয় এবং এর ওজন হয় ‘ফায়াত’, যেমন ‘বানাত’। আর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা সবচেয়ে ভালো জানেন।

এটি সংকলন করেছেন নগণ্য বান্দা

আব্দুর রহমান ইবন ইয়াহইয়া আল-মুআল্লিমী

--------------------------------------------

(১) বনু সা’দ গোত্রের এক ব্যক্তি বলেছেন:

* হে সালমার ঘর, যা দুই বাঁকের মাঝখানে অবস্থিত *

দেখুন: হামউল হাওয়া-মি (১/ ১৫০)।