(খণ্ড: ১) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: -)
نظم قواعد الإعراب الصغرى - ضمن «آثار المعلمي»   (عبد الرحمن المعلمي اليماني)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: نظم قواعد الإعراب الصغرى

[آثار عبد الرحمن بن يحيى المعلمي اليماني (20)]

المؤلف: عبد الرحمن بن يحيى المُعَلِّمي اليماني (1313 - 1386 هـ)

المحقق: أسامة بن مسلم الحازمي

راجعه: محمد أجمل الإصلاحي - محمد عزير شمس

الناشر: دار عالم الفوائد للنشر والتوزيع

الطبعة: الأولى، 1434 هـ

قدمه للشاملة: مؤسسة «عطاءات العلم»، جزاهم الله خيرا

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 10 شوّال 1442

নাজম কাওয়াইদুল ইরাব আস-সুগরা - «আছারুল মুয়াল্লিমী» এর অন্তর্ভুক্ত   (আবদুর রহমান আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানী)

বিভাগ: নাহু ও সারফ


বই: নাজম কাওয়াইদুল ইরাব আস-সুগরা

[আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানীর রচনাবলি (২০)]

লেখক: আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানী (১৩১৩ - ১৩৮৬ হিজরি)

তাহকীককারী: উসামা বিন মুসলিম আল-হাজিমি

পর্যবেক্ষণ করেছেন: মুহাম্মদ আজমাল আল-ইসলাহী - মুহাম্মদ উজাইর শামস

প্রকাশনী: দার আলামুল ফাওয়াইদ লিন-নাশর ওয়াত-তাওজি

সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৪ হিজরি

শামেলায় পেশ করেছে: ‘আতাআত আল-ইলম’ ফাউন্ডেশন, জাযাহুমুল্লাহু খাইরান

[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১০ শাওয়াল ১৪৪২

(খণ্ড: ২০) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১০৫)
الرسالة الرابعة

نظم قواعد الإعراب الصغرى
চতুর্থ রিসালাহ

কাওয়াইদুল ই'রাব আস-সুগরা-এর কাব্যরূপ
(খণ্ড: ২০) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১০৭)
بسم الله الرحمن الرحيم

1 - يَسْتَمنحُ الرحمنَ خيرًا عَبْدُهُ(1) … عونًا وتوفيقًا يدوم سَعْدُهُ

2 - مُسْتَفْتِحًا مولاهُ أَبْواب النِّعَمْ … كما يرجِّى مِنْه ترتيجَ النِّقَمْ(2)

3 - الحمدُ للَّهِ وصلّى اللَّهُ … مُسَلِّمًا على مَنِ اصطفاهُ

4 - مُحمدٍ والآلِ والأصحابِ … وهذه قَواعِدُ الإعْراب

5 - لابنِ هشامٍ وَهِيَ الصُّغْرى كما … تَراه قَدْ رُمْتُ لها أنْ أنْظِما

6 - وزِدتُها لطائفَ من شَرْحها … لابن جَماعةٍ لأَجْلِ نُجْحِها

7 - وليس لي في نَظْمها من فَضْلِ … لأنَّ حكم النَّظْم حُكْمُ النقْل

8 - وأستعينُ اللَّهَ ربَّ العالمينْ … على بَيانِ نَظْمها للقارئينْ

 

‌‌الباب الأول

9 - أَبْوابُها ثَلاثةٌ فالأوّلُ … تَأْتيكَ فيه بالبيانِ الجُمَلُ

--------------------------------------------

(1) الضمير ــ كما هو ظاهر ــ عائدٌ على لفظ الجلالة (الرحمن) وهي إشارة لطيفةٌ من الناظم إلى ذكر اسمه (عبد الرحمن).

(2) الترتيج مصدر للفعل (رَتَج) قال ابن فارس في المقاييس (2/ 485): "رَتَج الراء والتاء والجيم: أصل واحد وهو: يدلُّ على إغلاق وضيق … إلخ".

والنقم ــ كعنب ــ جمع نقمة ــ كنعمة ــ ومعناها: المكافأة بالعقوبة ــ كما في القاموس ــ.
بسم الله الرحمن الرحيم

১ - তাঁর বান্দা দয়াময় (রহমান)-এর নিকট কল্যাণ প্রার্থনা করছে(১) … এমন সাহায্য ও তাওফিকের জন্য, যার মাধ্যমে তার সৌভাগ্য চিরস্থায়ী হয়।

২ - তিনি তাঁর মাবুদের নিকট নিয়ামতের দ্বারসমূহ উন্মোচনের প্রার্থনা করছেন … যেমনটি তিনি তাঁর নিকট বিপদের দ্বার রুদ্ধ (ترتيج) করার আশা রাখেন।(২)

৩ - সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং আল্লাহর সালাত … ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর ওপর যাকে তিনি মনোনীত করেছেন।

৪ - মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সাথীবর্গের ওপর। আর এগুলো হলো কাওয়ায়েদুল ই’রাব (ব্যাকরণিক বিশ্লেষণের নীতিমালা)।

৫ - এটি ইবনে হিশামের রচিত, যা ‘আস-সুগরা’ নামে পরিচিত, যেমনটি … আপনি দেখছেন; আমি এটিকে কাব্যাকারে সাজানোর সংকল্প করেছি।

৬ - আমি এতে ইবনে জামাআহ-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ থেকে কিছু সূক্ষ্ম বিষয় যোগ করেছি … এর সফল সমাপ্তির উদ্দেশ্যে।

৭ - এই কাব্য রচনার ক্ষেত্রে আমার বিশেষ কোনো কৃতিত্ব নেই … কারণ কাব্যরুপের বিধান মূল বর্ণনা (نقل)-এরই অনুরূপ।

৮ - আর আমি বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করছি … পাঠকদের নিকট এই কাব্যের ব্যাখ্যা উপস্থাপনের বিষয়ে।

 

‌‌প্রথম অধ্যায়

৯ - এর অধ্যায় তিনটি; প্রথমটি … আপনার নিকট বাক্যসমূহের বর্ণনা স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করবে।

--------------------------------------------

(১) এই সর্বনামটি—যেমনটি স্পষ্ট—আল্লাহর মহান নাম ‘আর-রহমান’-এর দিকে প্রত্যাবর্তন করছে। এটি রচয়িতার পক্ষ থেকে তাঁর নিজের নাম (আব্দুর রহমান)-এর প্রতি একটি সূক্ষ্ম ইঙ্গিত (إشارة)।

(২) ‘আত-তারতিজ’ শব্দটি ‘রাতাযা’ (رَتَج) ক্রিয়ার মূলধাতু (مصدر)। ইবনে ফারিস ‘আল-মাকায়িস’ গ্রন্থে (২/৪৮৫) বলেছেন: "রা, তা এবং জিম: একটিই মূল উৎস যা কোনো কিছু বন্ধ করা এবং সংকীর্ণতার অর্থ প্রকাশ করে … ইত্যাদি।"

আর ‘আন-নিকাম’ শব্দটি—‘ইনাব’-এর ওজনে—‘নিকমাহ’-এর বহুবচন (جمع), যেমনটি ‘নি’মাহ’ শব্দের ক্ষেত্রে হয়। এর অর্থ হলো: শাস্তির মাধ্যমে প্রতিদান প্রদান করা—যেমনটি ‘আল-কামুস’-এ বর্ণিত হয়েছে।
(খণ্ড: ২০) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১০৮)
‌‌المسألة الأولى

10 - فيه مسائلٌ(1) فَما لَفْظٌ أفادْ … فَهْوَ كَلامٌ وهو جُمْلةٌ(2) أفادْ

11 - إِنْ صُدِّرَتْ بالاسمِ فالإسْميَّه … تكونُ أو بالفِعْلِ فالْفِعْليَّه

12 - كُلُّ كَلامٍ جُمْلةٌ لا عَكْسُ … وهو الصَّحيحُ ليسَ فيه لَبْسُ(3)

13 - إنْ بُنِيَتْ على سِواها الصُّغْرى … وما تكونُ ضِمْنَها فالكُبْرى

14 - فَعَامِرٌ قام أبوه كُبْرى … و"قام" منها و"أبوه" صُغْرى

15 - والجُمَلُ التي لها مَحَلُّ … سَبْعٌ أَتَتْ وعَقْدَها نَحُلُّ

16 - أَوَّلُها ما خَبَرًا قد وَقَعتْ … مَوْضِعُها رَفْعٌ وكان نَصَبَتْ(4)

17 - كعَامِرٌ أو أنّه ذا عَمُّهُ … أو كانَ أو كادَ يُصَلِّي أُمَّهُ(5)

18 - وزَيْدٌ اضْربْهُ وعَمْروٌ هَلْ أَتى … فَصِحَّةُ الرَّفْعِ هُنا قَدْ أُثْبِتَا(6)

19 - والحالُ والمفعولُ(7) جُملةً نُصِبْ … كـ قال زيدٌ أو خذوا قلبي يَجِبْ

--------------------------------------------

(1) "أَرْبع" [المؤلف].

(2) كان بالأصل المخطوط: "فجملةٌ وهو كلام قد أفاد" فضرب عليها الناظم وجعل مكانها ما ذكر.

(3) كان بالأصل: "وهو الصحيح افهم عداك النحسُ" فضرب عليه.

(4) كتب الناظم: "وكان فتحت" وجعل فوقها: "نصبت" كأنه يؤثرها على الأولى.

(5) فعل أمر من (أمَّ) الشيء: قصده وهو من باب (قتل) كما في المصباح.

(6) يشير إلى مسألة خلافية: وهي وقوع الخبر جملة إنشائية. راجعها في المغني (ص 536)، وشرح القواعد للكافيجي (ص 84).

(7) وضع الناظم أمام كلمتي (الحال ــ والمفعول) رقمي (2 ــ 3) ومراده الترقيم للجمل التي لها محل.
‌প্রথম মাসআলা (المسألة الأولى)

১০ - এতে কয়েকটি মাসআলা (مسائل)(১) রয়েছে; সুতরাং যে শব্দ অর্থ প্রদান করে … তা-ই হলো কালাম (كَلامٌ) এবং এটি একটি অর্থবোধক বাক্য (جُمْلةٌ)(২)

১১ - যদি তা ইসম (اسم) [বিশেষ্য] দিয়ে শুরু হয়, তবে তা ইসমিয়্যাহ (إِسْمِيَّةٌ) [নামবাচক বাক্য] … হবে; আর যদি ফেল (فِعْلٌ) [ক্রিয়া] দিয়ে শুরু হয়, তবে তা ফেলিইয়্যাহ (فِعْلِيَّةٌ) [ক্রিয়াবাচক বাক্য]

১২ - প্রতিটি কালামই (كَلامٌ) একটি বাক্য (جُمْلةٌ), তবে এর বিপরীতটি নয় … আর এটিই সঠিক (صحيح) মত, এতে কোনো অস্পষ্টতা নেই(৩)

১৩ - যদি কোনো বাক্য অন্য কোনো বাক্যের ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয়, তবে তা সুগরা (صُغْرَى) [ক্ষুদ্রতর বাক্য] … আর যার অভ্যন্তরে এটি থাকে, তা হলো কুবরা (كُبْرَى) [বৃহত্তর বাক্য]

১৪ - যেমন 'আমিরুন কমা আবুহু' বাক্যটি কুবরা (كُبْرَى) … আর এর অন্তর্ভুক্ত 'কমা' (قام) এবং 'আবুহু' (أبوه) হলো সুগরা (صُغْرَى)

১৫ - যেসব বাক্যের (الجُمَل) ব্যাকরণিক অবস্থান (মahal - محل) রয়েছে … তা সাতটি হিসেবে এসেছে এবং আমরা সেগুলোর জট এখন খুলছি

১৬ - সেগুলোর প্রথমটি হলো যা খবর (خَبَرٌ) হিসেবে পতিত হয় … এর অবস্থান হয় রফ' (رَفْعٌ) [পেশ] বিশিষ্ট, তবে 'কানা' (كَانَ) একে নসব (نَصَبٌ) [যবর] প্রদান করে(৪)

১৭ - যেমন 'আমিরুন' বা 'ইন্নাহু যা আম্মুহু' … অথবা 'কানা' বা 'কাদা' এর পরবর্তী বাক্য, 'সে যেন তার গন্তব্যের দিকে ধাবিত হচ্ছে'(৫)

১৮ - আর 'যাইদুন ইদরিবহু' এবং 'আমরুন হাল আতা' … এখানে রফ' (رَفْعٌ) হওয়ার বিশুদ্ধতা প্রমাণিত হয়েছে(৬)

১৯ - হাল (حال) এবং মাফ'উল (مفعول)(৭) বাক্য হিসেবে নসব (نُصِبْ) [যবর] বিশিষ্ট হয় … যেমন 'যাইদ বলেছে' বা 'তোমরা আমার অন্তর নিয়ে নাও' এটি আবশ্যকীয়

--------------------------------------------

(১) "চারটি" [গ্রন্থকার]।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে ছিল: "ফজুমলাতুন ওয়া হুয়া কালামুন কদ আফাদা", পরবর্তীতে রচয়িতা এটি কেটে বর্তমান পাঠটি নির্ধারণ করেছেন।

(৩) মূলে ছিল: "ওয়া হুয়াস সাহিহু ইফহাম আদাকান নাহসু", যা পরবর্তীতে তিনি সংশোধন করেছেন।

(৪) রচয়িতা প্রথমে লিখেছিলেন: "ওয়াকানা ফাতাহাত" এবং তার উপরে লিখেছিলেন: "নাসাবাত", যা দ্বারা তিনি দ্বিতীয় শব্দটিকে পছন্দ করেছেন।

(৫) এটি 'আম্মা' (أَمَّ) ক্রিয়ার আদেশসূচক রূপ, যার অর্থ লক্ষ্য করা বা সংকল্প করা। এটি 'বাবুল কাতল' (باب قتل) থেকে নির্গত, যেমনটি 'আল-মিসবাহ' গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে।

(৬) এটি একটি ইখতিলাফপূর্ণ (خلافية) মাসআলা (مسألة) তথা খবর (خَبَرٌ) হিসেবে ইনশায়িয়া বাক্য ব্যবহার হওয়া। এ বিষয়ে আল-মুগনি (পৃ. ৫৩৬) এবং কাফিজী কৃত শারহুল কাওয়াইদ (পৃ. ৮৪) দেখুন।

(৭) গ্রন্থকার 'হাল' (الحال) এবং 'মাফ'উল' (المفعول) শব্দ দুটির সামনে (২-৩) নম্বর দিয়েছেন, যা দ্বারা তিনি মাহাল (محل) বিশিষ্ট বাক্যগুলোর ক্রম বোঝাতে চেয়েছেন।
(খণ্ড: ২০) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১০৯)
20 - فإنْ تَنُبْ عَنْ فاعلٍ فالرَّفْعُ … مَحَلُّها كقِيلَ زيدٌ يدعو

21 - والقولُ قَدْ يأْتِي بِمعْنى الظَّنِّ … في نَحْوِ هل تقولُ زيدًا يُغْني

22 - إنّيَ أَدْعو بَعْد بَدْءِ قولي … ليسَتْ بمفعولٍ حُكِيْ بالقَولِ(1)

23 - وما إليها قد(2) أَضفَتَ الجرُّ(3) … مَحلُّها كيوم قام عَمْروُ

24 - وخُذْ ثمانًا قَدْ تُضَافُ للجُمَلْ … حَيثُ لدُنْ أسما الزَّمانِ فَقُبِلْ

25 - وذي مِن "اذْهَبَنْ بذي تَسلّمُ(4) " … فـ (ذي) كصاحبٍ أُضِيفَتْ فافْهموا

26 - وقيل بل ذي كالذي فهي صِلَهْ … فلا مَحلَّ بل تكونُ مُهْمَلهْ(5)

27 - وريْثَ وابنُ مالكٍ فيها وفي … لدُنْ له مقالتان فَاقْتَف

28 - إِحْداهُما: الفِعْلُ على إضْمار (أنْ) … بَعْدهُما وذَاك زَعْمٌ فافْتَطِنْ(6)

29 - وآيةٌ مُرادِفُ العَلَامَهْ … في قَولِ سيبُويهْ ذُرَى الفَخَامه(7)

--------------------------------------------

(1) راجع المسالة في المغني (ص 541).

(2) وضع الناظم فوق كلمة (قد) رقم (4) إشارة إلى التعداد للجمل.

(3) بالرفع ــ كما ضبطها الناظم ــ على أنه مبتدأ، وخبره كلمة (محلها) فتأمل.

(4) وضع الناظم شدة فوق اللام ليتزن البيت، وأصل المثال بالتخفيف (تَسْلَمُ).

(5) راجع المسألة في المغني (ص 549).

(6) انظر قول ابن مالك في شرحه الكافية (2/ 948)، والمغني (ص 551). ولم يذكر الناظم المقالة الثانية ــ وهي خاصة بـ (ريث) ــ أنها عوملت معاملة أسماء الزمان في الإضافة إلى الجملة ــ كما عوملت المصادر معاملة أسماء الزمان في التوقيت. كذا في المغني.

(7) انظر قول سيبويه في الكتاب (3/ 117)، والتسهيل بشرح المصنف (3/ 253).
20 - যদি তা কর্তার স্থলাভিষিক্ত (تنب) হয়, তবে তার স্থান হবে রফ (الرفع)... যেমন ‘বলা হয়েছে (قيل) জায়েদ ডাকছে’।

21 - আর ‘কওল’ বা বলা (القول) শব্দটি কখনো কখনো ধারণা করা (الظن)-এর অর্থে আসে... যেমন ‘তুমি কি বলছ (هل تقول - অর্থাৎ মনে করছ) জায়েদ অভাবমুক্ত করবে?’

22 - ‘আমি আমার কথা শুরু করার পর দোয়া করি’—এটি ‘কওল’ (القول) দ্বারা বর্ণিত কোনো মাফউল বা কর্ম (مفعول) নয়।(1)

23 - আর আপনি যার প্রতি সম্বন্ধ (أضفت) করেছেন, তার স্থান হবে জর (الجر)... যেমন ‘যেদিন আমর দাঁড়িয়েছিল’।(3)

24 - এমন আটটি শব্দ গ্রহণ করুন যা বাক্যের প্রতি সম্বন্ধযুক্ত (تضاف) হতে পারে; সেগুলো হলো: ‘হাইসু’ (حيث), ‘লাদুন’ (لدن) এবং সময়ের বিশেষ্যসমূহ (أسماء الزمان), সুতরাং তা গ্রহণ করুন।

25 - আর ‘নিরাপদ অবস্থায় চলে যাও’ বাক্য থেকে গৃহীত এই ‘যি’ (ذي) শব্দটি; এখানে ‘যি’ শব্দটি ‘সাহিব’ (صاحب) বা অধিকারীর মতো সম্বন্ধযুক্ত (أضيفت) হয়েছে, সুতরাং বুঝে নিন।(4)

26 - বলা হয়েছে যে, বরং ‘যি’ (ذي) শব্দটি ‘আল্লাযি’ (الذي)-এর মতো, তাই এটি একটি সিলাহ বা সম্বন্ধসূচক বাক্য (صلة); এর কোনো স্থান নেই বরং এটি আমলহীন (مهملة) হবে।(5)

27 - ‘রাইসা’ (ريث) এবং ‘লাদুন’ (لدن)-এর বিষয়ে ইবনে মালিকের দুটি অভিমত রয়েছে, সুতরাং তা অনুসরণ করুন।

28 - তার একটি হলো: এই দুটির পরে একটি উহ্য (إضمار) ‘আন’ (أن)-এর ভিত্তিতে ক্রিয়াটি গঠিত হওয়া, আর এটি একটি দাবি মাত্র, সুতরাং সচেতন হোন।(6)

29 - আর ‘আয়াত’ (آية) শব্দটি ‘আলামত’ বা চিহ্নের (العلامة) সমার্থক; যা শ্রেষ্ঠত্বের শিখরে আসীন সিবওয়াইহ-এর উক্তি।(7)

--------------------------------------------

(1) মুগনি (পৃষ্ঠা ৫৪১) দ্রষ্টব্য।

(2) রচয়িতা ‘কদ’ (قد) শব্দের ওপর ৪ সংখ্যাটি বসিয়েছেন বাক্যের গণনা নির্দেশ করতে।

(3) রফ (الرفع) সহকারে—যেমনটি রচয়িতা নির্ধারণ করেছেন—এটি মুবতাদা (مبتدأ), আর ‘মাহাল্লুহা’ (محلها) শব্দটি এর খবর (خبر); সুতরাং চিন্তা করুন।

(4) রচয়িতা ছন্দ ঠিক রাখতে লাম অক্ষরের ওপর তাশদিদ দিয়েছেন, মূলত উদাহরণটি ছিল তাখফিফ বা হালকাভাবে।

(5) মুগনি (পৃষ্ঠা ৫৪৯) দ্রষ্টব্য।

(6) ইবনে মালিকের শারহুল কাফিয়া (২/৯৪৮) এবং মুগনি (পৃষ্ঠা ৫৫১) দেখুন। রচয়িতা দ্বিতীয় অভিমতটি উল্লেখ করেননি—যা ‘রাইসা’ (ريث)-এর সাথে সুনির্দিষ্ট—তা হলো একে বাক্যের দিকে সম্বন্ধ করার ক্ষেত্রে সময়ের বিশেষ্যের (أسماء الزمان) মতো গণ্য করা হয়েছে—যেমন মাসদারসমূহকে সময়ের ক্ষেত্রে সময়ের বিশেষ্যের মতো গণ্য করা হয়। মুগনিতে এমনই রয়েছে।

(7) সিবওয়াইহ-এর আল-কিতাব (৩/১১৭) এবং মুসান্নিফের শারহে তাসতিল (৩/২৫৩) দেখুন।
(খণ্ড: ২০) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১১০)
30 - سابعُها قَولٌ وخُذْ ثامِنَها … قائلَ فاحْفَظْها وكُنْ مُتْقِنَها(1)

31 - ثُمَّ جوابُ الشرط جازمًا(2) إذا … تُقْرنْ بفاءٍ أو فُجاءةٍ إذا

32 - خامسةٌ كمَنْ يَقُمْ فَهُوْ رُفعْ … وإنْ تَقُلْ إذا عليٌّ مُسْتَمِعْ(3)

33 - وإنّما كان مَحلًّا جَزْمُها … إذْ لم يكنْ يقبل لفظًا صَدْرُها

34 - إذْ لم تكنْ بِقابِلٍ مُصَدَّرَهْ … والفاءُ كالمذكُورةِ المُقَدَّرهْ

35 - سَادِسَةٌ لمُفْردٍ مَا تَابِعَهْ … أو جملةٍ لها مَحَلٌّ سَابِعَهْ(4)

36 - كاليومَ يومٌ زَانَنَا وذَا الفتى … أَبَى أبوه وأخوه قد أتى

37 - وتابِعُ المُفْردِ مَنْعُوتٌ بها … مَعْطُوفةٌ مُبْدَلَةٌ فَانْتَبِها

38 - تابعةُ الجُمْلَةِ في التَّوابِعِ … تكونُ لا النَّعْتُ فَحَقِّقْ واتْبع

--------------------------------------------

(1) كتب الناظم أولاً:

كذاك بينا وتليها بينما … فهي ثمانٍ قد أتتك فاعلما

ثم ضرب عليه ووضع رقمًا بتخريجٍ أسفل الصفحة أبدل به البيتَ المثبت.

ومسألة إضافة (قول وقائل) انظر فيها المغني (ص 551).

(2) وضع الناظم رقم (5) فوق كلمة (جازمًا) إشارة إلى التعداد السابق. و (إذا) الأولى غير (إذا) الثانية في المعنى فلا إيطاء.

(3) هكذا وجدت البيت، وقوله: خامسة أي الجملة الخامسة من الجمل التي لها محل من الإعراب.

(4) قوله: تابعة ــ بكسر الباء ــ على أنه اسم فاعل و (ما) موصولة، و (لمفرد): جار ومجرور متعلق باسم الفاعل، و (جملة) بالجر معطوف على (لمفرد)، وتقدير البيت: التي هي تابعة لمفرد سادسة، والتابعة لجملة لها محل سابعة.
30 - সপ্তমটি হলো ‘কওল’ (উক্তি) এবং অষ্টমটি গ্রহণ করো … ‘কায়িল’ (বক্তা), সুতরাং এগুলো মুখস্থ করো এবং এ বিষয়ে সুনিপুণ (متقن) হও।(১)

31 - অতঃপর জাজিম (جزم প্রদানকারী) শর্তের উত্তর … যখন তা ‘ফা’ অথবা আকস্মিকতা প্রকাশক ‘ইজা’ এর সাথে যুক্ত হয়।(২)

32 - পঞ্চমটি হলো যেমন—‘যে দাঁড়াবে সে উন্নীত হবে’; আর যদি তুমি বলো—‘হঠাৎ আলী শ্রবণকারী’।(৩)

33 - আর কেবল তার স্থলাভিষিক্ত হওয়াটি জজম (جزم) হিসেবে গণ্য হবে … যেহেতু তার প্রারম্ভিক অংশটি শব্দগতভাবে তা গ্রহণ করতে সক্ষম নয়।

34 - যেহেতু তার প্রারম্ভিক অংশটি তা গ্রহণকারী নয় … আর ‘ফা’ হলো উল্লিখিত উহ্য (مقدرة) বিষয়ের মতো।

35 - ষষ্ঠটি হলো যা কোনো একক শব্দের অনুগামী হয় … অথবা সপ্তমটি এমন বাক্য যা কোনো (অন্য একটি) বাক্যের অনুগামী যার ই’রাবি স্থান (محل) আছে।(৪)

36 - যেমন: ‘আজ সেই দিন যা আমাদের সুশোভিত করেছে’ এবং ‘এই যুবকটি, যার পিতা অস্বীকার করেছে এবং যার ভাই এসেছে’।

37 - আর একক শব্দের অনুগামীটি তার দ্বারা বিশেষিত (منعوت) হয় … তা আতফযুক্ত (معطوفة) অথবা স্থলাভিষিক্ত (مبدلة) হয়ে থাকে, সুতরাং এ বিষয়ে সচেতন হও।

38 - অনুগামী শব্দাবলির অন্তর্ভুক্ত বাক্যের অনুগামীটি … (এমনই) হয়ে থাকে, তবে তা সিফাত (نعت) হয় না; সুতরাং এটি যাচাই করো এবং অনুসরণ করো।

--------------------------------------------

(১) নাযিম (কবিতা রচয়িতা) প্রথমে লিখেছিলেন:

তেমনিভাবে ‘বায়না’ এবং তার পরবর্তী ‘বায়নামা’ … এই আটটি তোমার কাছে এসেছে জেনে রেখো।

অতঃপর তিনি এটি কেটে দেন এবং পৃষ্ঠার নিচে একটি নম্বর দিয়ে টিকা যোগ করেন যার মাধ্যমে বর্তমানের এই কবিতাংশটি স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে।

আর ‘কওল ও কায়িল’ যোগ করার মাসআলার ক্ষেত্রে মুগনি (পৃ. ৫৫১) দ্রষ্টব্য।

(২) নাযিম ‘জাজিম’ (جازماً) শব্দের উপরে (৫) সংখ্যাটি লিখেছেন যা পূর্ববর্তী গণনার প্রতি ইঙ্গিত বহন করে। আর প্রথম ‘ইজা’ এবং দ্বিতীয় ‘ইজা’ এর অর্থ ভিন্ন, তাই এখানে কোনো ‘ইতা’ (শব্দ পুনরাবৃত্তির কাব্যিক ত্রুটি) নেই।

(৩) কবিতাটি এভাবেই পাওয়া গেছে। তার উক্তি: ‘পঞ্চম’ অর্থাৎ সেই বাক্যগুলোর মধ্যে পঞ্চম বাক্য যেগুলোর ই’রাবি স্থান (محل) রয়েছে।

(৪) তার উক্তি: ‘তাবেয়াহ’—‘বা’ বর্ণে কাসরা (জের) দিয়ে—ইসমে ফায়েল হিসেবে এবং ‘মা’ হলো মাওসুলাহ। আর ‘লি-মুফরাদ’ হলো জার-মাজরুর যা ইসমে ফায়েলের সাথে সংশ্লিষ্ট। ‘জুমলাতিন’ শব্দটি যার (জের) সহকারে ‘লি-মুফরাদ’-এর ওপর আতফ হয়েছে। কবিতার বিশ্লেষণ হলো: যা একক শব্দের অনুগামী তা ষষ্ঠ, আর যা ই’রাবি স্থান বিশিষ্ট বাক্যের অনুগামী তা সপ্তম।
(খণ্ড: ২০) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১১১)
39 - وصاحِبُ المِفْتَاحِ في التَّعَجُّبِ … أَدْخَلَها فَلِلْعُلومِ انْتَدِب

40 - وشَرْطُ إِبْدالٍ وَفَاءُ الثَّانيه … أَوْ هِيَ كالأَوْفَى ومِثْلُ الوافِيَهْ

41 - ثالثةُ المسَائِلِ ابْحَثْ عن جُمَلْ … سَبْعٍ من الإعراب لا لها مَحَلْ(1)

42 - أَوَّلُها مُسْتَأْنَفٌ(2) بها كجا … زَيدٌ وإنَّ خالدًا لذو حِجَا

43 - وإنْ يَسِرْ زيدٌ أَسيرُ هل أسيرْ … مُسْتَأنفٌ أو لا خلافٌ مُسْتَنيرْ(3)

44 - فسيبويه أنَّه مؤخَّرُ … أمَّا المبرّد ففاءً يُضْمِرُ

45 - ويَظْهرُ الخُلْفُ إذا تُتْبِعُهُ … هَلْ تَجْزِمُ التَّابعَ أو تَرْفَعُهُ

46 - ثانيةٌ(4) ما صِلةً قَدْ وقَعَتْ … نَحْو التي(5) قام أبوها صُرِعَتْ

47 - آباءُ عَبَّاس وبَكْرٍ وعَلي … والفَتْحِ(6) لا مَصْدَرْ لـ (كان) يَنْجلي

48 - ناقِصةً(7) ثَالِثةٌ مُعْتَرِضَهْ … كخالدٌ ــ وهو همامٌ ــ اعرضهْ(8)

--------------------------------------------

(1) لو قال: "ما لها محل" لكان أوضح.

(2) وضع الناظم رقم (1) فوق هذه الكلمة بيان منه لتعداد الجمل التي لا محل لها من الإعراب.

(3) راجع المغني (ص 505).

(4) وضع الناظم ههنا رقم (2) إشارة للتعداد المذكور.

(5) في الأصل المخطوط: "الذي" ولعله سبق قلم.

(6) هم على ترتيب الناظم: أبو العباس المبرد، وأبو بكر ابن السراج، وأبو علي الفارسي، وأبو الفتح ابن جني. وقد ترجمت لهم في مكان غير هذا.

(7) بالنصب على أنه حال من (لكان)، أو مفعول لفعل محذوف تقديره: أعني أو أخصّ وهي على كلٍّ متعلقة بالبيت السابق.

(8) هكذا وجدتها بالأصل، ولعلها فعل رباعي بقطع الهمزة.
৩৯ - এবং বিস্ময় প্রকাশে ‘আল-মিফতাহ’ গ্রন্থের লেখক ... একে অন্তর্ভুক্ত করেছেন, সুতরাং জ্ঞানের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করুন।

৪০ - আর স্থলাভিষিক্তকরণের (إبدال) শর্ত হলো দ্বিতীয়টির পূর্ণতা ... অথবা এটি পরিপূর্ণের ন্যায় এবং পূর্ণতাদানের ন্যায়।

৪১ - মাসআলাসমূহের তৃতীয়টি হলো বাক্য (جمل) নিয়ে গবেষণা করা; সাতটি বাক্যের কোনো ব্যাকরণিক অবস্থান (إعراب) নেই।(১)

৪২ - সেগুলোর প্রথমটি হলো প্রারম্ভিক (مستأنف) বাক্য, যেমন: জায়েদ এসেছে এবং নিশ্চয়ই খালিদ বুদ্ধিমান।(২)

৪৩ - আর যদি জায়েদ সফর করে, তবে আমি কি সফর করব? এটি কি প্রারম্ভিক (مستأنف) বাক্য হবে কি না—এ নিয়ে সুস্পষ্ট মতভেদ (خلاف) রয়েছে।(৩)

৪৪ - সিবাওয়াইহ-এর মতে এটি পশ্চাৎবর্তী; আর মুবাররিদের মতে এখানে একটি ‘ফা’ উহ্য রয়েছে।

৪৫ - আর এই মতভেদটি তখনই প্রকাশ পায় যখন আপনি এর অনুগামী শব্দ আনবেন; আপনি কি অনুগামী শব্দটিকে জজম (جزم) দেবেন নাকি রফ (رفع) দেবেন?

৪৬ - দ্বিতীয়টি(৪) হলো যা সম্বন্ধসূচক (صلة) বাক্য হিসেবে واقع হয়েছে; যেমন: ‘যার পিতা দাঁড়িয়েছিল সে নারী আছাড় খেয়ে পড়েছে’।(৫)

৪৭ - আব্বাস, বকর, আলী এবং ফাতহ-এর পিতৃবর্গ ... ‘কানা’ (كان)-এর জন্য কোনো ক্রিয়ামূল বা মাসদার প্রকাশিত হয় না।(৬)

৪৮ - অপূর্ণ (ناقصة)(৭) অবস্থায়। তৃতীয়টি হলো অন্তর্বর্তী (معترضة) বাক্য; যেমন: খালিদ—যে একজন বীর—তাকে পেশ করো।(৮)

--------------------------------------------

(১) তিনি যদি বলতেন: "যার কোনো অবস্থান নেই" তবে তা অধিকতর স্পষ্ট হতো।

(২) যে বাক্যগুলোর ব্যাকরণিক অবস্থান (إعراب) নেই, তাদের সংখ্যা গণনার সুবিধার্থে নাজিম (কবিতা রচয়িতা) এই শব্দের ওপর (১) সংখ্যাটি বসিয়েছেন।

(৩) দ্রষ্টব্য: আল-মুগনি (পৃ. ৫০৫)।

(৪) নাজিম এখানে উল্লিখিত গণনার প্রতি ইঙ্গিত করতে (২) সংখ্যাটি বসিয়েছেন।

(৫) মূল পাণ্ডুলিপিতে 'আল্লাযী' ছিল, সম্ভবত এটি কলমের ভুল।

(৬) তারা নাজিমের ক্রমানুসারে হলেন: আবু আব্বাস আল-মুবাররিদ, আবু বকর ইবনুল সাররাজ, আবু আলী আল-ফারিসি এবং আবু ফাতহ ইবনু জিন্নি। আমি অন্যত্র তাদের জীবনী আলোচনা করেছি।

(৭) নসব (نصب) হওয়ার ভিত্তিতে, এটি ‘কানা’ থেকে হাল (حال) হয়েছে, অথবা কোনো উহ্য ক্রিয়ার মাফউল (مفعول), যার অর্থ: ‘আমি নির্দিষ্ট করছি’; এটি যে কোনোভাবেই হোক পূর্ববর্তী পঙক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট।

(৮) মূল পাণ্ডুলিপিতে আমি এমনটাই পেয়েছি, সম্ভবত এটি হামজা বিযুক্ত চার অক্ষরবিশিষ্ট ক্রিয়া।
(খণ্ড: ২০) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১১২)
49 - أبو عليٍّ(1) اعْتَرضْ بِوَاحِدَه … لا غَيرُ خالفوه فاجْنِ الفَائِدهْ

50 - عَنْ هذه حَاليَّةً قدْ مَازوا … فَقَرْنُ ذي بالفاءِ قَدْ أَجازوا(2)

51 - وجَائِزٌ تَصْديرُها بما يَدُلْ … [أنَّهْ](3) على استقبالٍ افْهَمْ يا رَجُلْ

52 - وغَيرُ خَبَريَّةٍ تَأْتي بها … وقَرْنُها بالواو مَعْ تَصْديرها

53 - أيْ بِمُضَارعٍ يكونُ مُثْبَتَا … ولا كذا حَاليّةٌ فأثْبِتَا(4)

54 - وما بِها فَسَّرْتَ وهي الرابِعَهْ … كاذْكُرْ كَلامي: أنا أَفْدي رَابِعَهْ

55 - هِيْ فَضْلةٌ كاشِفَةٌ لِمَا تَلِيْ … حَقِيقةً له فَحقِّقْ وابْتَلي

56 - قال الشَّلوبينُ: بَلى لها مَحَلْ … بِحَسْبِ ما تُفَسِّرْ إِنْ له مَحَلْ

57 - خَامِسةٌ(5) جوابُ قسم ترى … كَـ وَالْعَليْ لأَضْرِبَنَّ جَعْفَرا

58 - وثَعْلَبٌ "زَيدٌ لأَضْرِبَنْ" مَنَعْ … لأنَّه تناقضٌ فيه وَقَعْ

59 - لأنَّ مُخْبَرًا بها لها مَحَلْ … وليس للجواب للقَسَمْ(6) مَحَلْ

--------------------------------------------

(1) أي: الفارسي.

(2) قوله: "عن هذه" أي المعترضة، ومازوا: أي ميّزوا وفرَّقوا، وكان مكان هذا البيت:

وميِّزَنّها عن الحال فإنْ … هذي بفاً لجائزٌ أنْ تقترنْ

فضرب عليه الناظم.

(3) في الأصل: "أي" ولا يتزن بها البيت.

(4) راجع الفرق بين الجملة الاعتراضية والجملة الحالية في المغني (ص 516).

(5) وضع الناظم هنا رقم (5) إشارة للتعداد المذكور سابقًا.

(6) هكذا وجدتها بالأصل، وراجع قول ثعلب في المغني (ص 529).
49 - আবু আলী একটি বিষয়ে আপত্তি করেছেন... অন্য কেউ নন বরং তাঁরা তাঁর বিরোধিতা করেছেন, সুতরাং তুমি এই ফায়দা গ্রহণ করো।

50 - একে তাঁরা হাল-সূচক বাক্য থেকে পৃথক করেছেন... সুতরাং এর শুরুতে 'ফা' যুক্ত করা তাঁরা বৈধ বলেছেন।

51 - এর শুরুতে এমন শব্দ আসা জায়েজ যা ভবিষ্যৎ কাল নির্দেশ করে; হে ব্যক্তি! তুমি তা বুঝে নাও।

52 - এটি সংবাদবাচক বাক্য ব্যতীত অন্যভাবেও আসতে পারে... এবং এর শুরুতে 'ওয়াও' যুক্ত করে তা আরম্ভ করা যেতে পারে।

53 - অর্থাৎ, এমন মুদারে (বর্তমান বা ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়া) দ্বারা যা ইতিবাচক হয়... কিন্তু হাল-সূচক বাক্য এমন হয় না, সুতরাং তুমি এটি সাব্যস্ত রাখো।

54 - আর যার মাধ্যমে তুমি ব্যাখ্যা প্রদান করো সেটি হলো চতুর্থ প্রকার; যেমন: "আমার কথা স্মরণ করো: আমি রাবেয়ার জন্য উৎসর্গিত"।

55 - এটি মূল বাক্যের অতিরিক্ত অংশ যা তার পরবর্তী বিষয়ের প্রকৃত অর্থ উন্মোচন করে... সুতরাং এর হাকিকত যাচাই করো এবং পরীক্ষা করো।

56 - আল-শালুবীন বলেছেন: অবশ্যই এর একটি ব্যাকরণগত অবস্থান রয়েছে... যা সে ব্যাখ্যা করছে তার অবস্থান অনুযায়ী, যদি তার কোনো অবস্থান থেকে থাকে।

57 - পঞ্চম প্রকারটি হলো শপথের উত্তর; যেমন: "উন্নত মহান সত্তার শপথ! আমি অবশ্যই জাফরকে প্রহার করব"।

58 - আর ছা'লাব "যায়েদ অবশ্যই আমি প্রহার করব" (এইরূপ বাক্য গঠন) নিষিদ্ধ করেছেন... কারণ এতে বৈপরীত্য বিদ্যমান।

59 - কারণ যা সংবাদ হিসেবে বর্ণিত হয় তার একটি ব্যাকরণগত অবস্থান থাকে... কিন্তু শপথের উত্তরের কোনো ব্যাকরণগত অবস্থান নেই।

--------------------------------------------

(১) অর্থাৎ: আল-ফারেসী।

(২) তাঁর উক্তি: "এই থেকে" অর্থাৎ আপত্তিবাচক বাক্য থেকে। 'মাযূ' অর্থ: তাঁরা পার্থক্য করেছেন। এই পঙক্তির স্থলে পূর্বে ছিল: "এবং একে হাল থেকে পৃথক করো, কেননা এটি 'ফা' এর সাথে যুক্ত হওয়া জায়েজ।" অতঃপর লেখক এটি কেটে দিয়েছেন।

(৩) মূলে ছিল: "আই" (অর্থাৎ), কিন্তু এর দ্বারা পঙক্তির ছন্দ ঠিক থাকে না।

(৪) আপত্তিবাচক বাক্য এবং হাল-সূচক বাক্যের মধ্যাকার পার্থক্যের জন্য দেখুন আল-মুগনী (পৃষ্ঠা ৫১৬)।

(৫) লেখক এখানে ৫ সংখ্যাটি ব্যবহার করেছেন পূর্বে উল্লিখিত গণনার দিকে ইঙ্গিত করতে।

(৬) মূল পাণ্ডুলিপিতে আমি এভাবেই পেয়েছি; আল-মুগনী (পৃষ্ঠা ৫২৯)-এ ছা'লাবের উক্তিটি দেখুন।
(খণ্ড: ২০) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১১৩)
60 - سادسةٌ جواب(1) شَرْطٍ ما جَزَمْ … كـ لو أَردتُ لكتبْتُ بالقَلَمْ

61 - كذا جَوابُ جَازمٍ لم يَقْترنْ … بالفا ولولا كيفَ لَمَّا فافْقَهَنْ

62 - وَقُمْتُ ثُمَّ جاء زيدٌ(2) سابِعَهْ … إذْ لا مَحلَّ لِلَّتي هِيْ تابِعَهْ

63 - مسألةٌ(3) رابعةٌ للجُمَلِ … الخَبَريَّةِ لها بِفَصْل

64 - فَبْعدَ مَحْضِ النكراتِ قُلْ صِفَاتْ … لصَنْعةٍ كـ مَنْ فتًى يَهْوى الفَتاتْ

65 - وإنْ تَلتْ معارفًا مَحضِيَّهْ … فَهِيَ أحوالٌ تُرى مَرْضِيَّهْ

66 - أو بَعْدَ غير المحْضِ كان منهما … فاحْمِلْ على ما شئتَ مِنْ حُكْمِهما

67 - والثانِ(4) مَثَلُ الحمار يَحْمِلُ … كـ جاء عبد صالحٌ يهرول

68 - بابٌ به الظَّرفُ وما قَدْ عَادلَه(5) … يأتي وأربعًا تَرى مَسَائِلَهْ

69 - أَحَدُها التعليق بالفِعْل ومَا … مَعْناهُ فيه الْزَمْ لكلٍّ منهما

70 - أو ما بمُشْبهٍ لِفْعلٍ أُوِّلا … ذَكَر في المغني وثَمَّ مَثَّلا(6)

--------------------------------------------

(1) كتب فوق هذه الكلمة رقم (6) إشارة للتعداد السابق، و (ما) في قوله: "ما جزم" نافية.

(2) كتب فوق هذه الكلمة رقم (7) إشارة إلى الجملة السابعة والأخيرة من الجمل التي لا محل لها من الإعراب، وهي الجملة التابعة لما لا محل له من الإعراب.

(3) وضع الناظم هنا رقم (4) إشارة منه إلى المسألة الرابعة وقد عُقِد لها فصلٌ وهي الجمل الخبرية بعد النكرات والمعارف.

(4) أي: ما احتمل الصفة والحال، وذلك مجيء الجملة بعد المعرفة غير المحضة نحو: الحمار يحمل، ومجيئُها بعد النكرة غير المحضة نحو: جاء عبد صالح يهرول.

(5) وهو الجار والمجرور.

(6) راجع المغني (ص 567).
60 - ষষ্ঠ প্রকার হলো এমন শর্তের জবাব (جواب) যা জজম (جزم) প্রদান করে না... যেমন: 'যদি তুমি চাইতে, তবে আমি কলম দিয়ে লিখতাম'।

61 - অনুরূপভাবে জজম (جزم) প্রদানকারী আমেলের সেই জবাব যা 'ফা' (فا) যুক্ত নয়... এবং লাওলা (لولا), কাইফা (كيف) ও লাম্মা (لما)-এর জবাবসমূহ; অতএব বিষয়টি অনুধাবন করো।

62 - আর "আমি দাঁড়ালাম অতপর যায়েদ এল" বাক্যটি সপ্তম প্রকার... যেহেতু এমন বাক্যের কোনো ব্যাকরণগত স্থান (محل) নেই যা এমন বাক্যের অনুগামী (تابعة) হয় যার কোনো ব্যাকরণগত স্থান নেই।

63 - চতুর্থ মাসআলা (مسألة) হলো সংবাদসূচক (خبرية) বাক্যসমূহ সম্পর্কে... যার জন্য একটি পৃথক পরিচ্ছেদ নির্ধারণ করা হয়েছে।

64 - অতএব বিশুদ্ধ অনির্দিষ্ট (نكرة محضة) বিশেষ্যের পরে সেগুলোকে বিশেষণ (صفات) বলো... আলংকারিক শৈলী হিসেবে যেমন- "কোন যুবক সেই তরুণীকে ভালোবাসে?"

65 - আর যদি সেগুলো বিশুদ্ধ নির্দিষ্ট (معرفة محضة) বিশেষ্যের পরে আসে... তবে সেগুলো অবস্থা (أحوال) হিসেবে গণ্য হবে যা গ্রহণযোগ্য।

66 - অথবা যদি অবিশুদ্ধ (নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট) বিশেষ্যের পরে আসে তবে উভয়টির সম্ভাবনা থাকে... এমতাবস্থায় সে দুটির যে কোনো বিধান (حكم) তুমি প্রয়োগ করতে পারো।

67 - দ্বিতীয় প্রকারের উদাহরণ হলো- "গাধাটি বোঝা বহন করছে"... এবং যেমন- "একজন সৎ ব্যক্তি দ্রুত হেঁটে এল"।

68 - এটি একটি পরিচ্ছেদ যেখানে স্থান ও কালবাচক অব্যয় (ظرف) এবং যা এর সমতুল্য... তা আলোচিত হবে এবং তুমি এর চারটি মাসআলা (مسائل) দেখতে পাবে।

69 - সেগুলোর একটি হলো ক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্টতা (تعليق) এবং যা... ক্রিয়ার অর্থ প্রদান করে, এ দুটির প্রত্যেকটির ক্ষেত্রে এটি অপরিহার্য।

70 - অথবা যা ক্রিয়া সদৃশ হিসেবে ব্যাখ্যা (أول) করা হয়... এটি আল-মুগনি গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে এবং সেখানে উদাহরণও দেওয়া হয়েছে।

--------------------------------------------

(1) এই শব্দের উপরে ৬ সংখ্যাটি লেখা হয়েছে পূর্ববর্তী গণনার দিকে ইঙ্গিত স্বরূপ, এবং "যা জজম করে না" (ما جزم) বাক্যাংশে 'মা' (ما) শব্দটি না-বোধক (نافية)।

(2) এই শব্দের উপরে ৭ সংখ্যাটি লেখা হয়েছে সপ্তম তথা সর্বশেষ প্রকারের বাক্যের প্রতি ইঙ্গিত স্বরূপ যার কোনো ব্যাকরণগত স্থান নেই, আর তা হলো সেই বাক্য যা এমন বাক্যের অনুগামী (تابعة) হয় যার কোনো ব্যাকরণগত স্থান নেই।

(3) নাজিম এখানে ৪ সংখ্যাটি বসিয়েছেন চতুর্থ মাসআলার (مسألة) দিকে ইঙ্গিত করতে এবং এর জন্য একটি পরিচ্ছেদ নির্দিষ্ট করা হয়েছে, যা হলো অনির্দিষ্ট (نكرة) ও নির্দিষ্ট (معرفة) বিশেষ্যের পরে আসা সংবাদসূচক (خبرية) বাক্যসমূহ।

(4) অর্থাৎ: যা বিশেষণ (صفة) এবং অবস্থা (حال) হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। আর তা হলো অবিশুদ্ধ নির্দিষ্ট (معرفة غير محضة) বিশেষ্যের পরে বাক্যের আগমন, যেমন: "গাধাটি বোঝা বহন করছে"; এবং অবিশুদ্ধ অনির্দিষ্ট (نكرة غير محضة) বিশেষ্যের পরে বাক্যের আগমন, যেমন: "একজন সৎ ব্যক্তি দ্রুত হেঁটে এল"।

(5) আর তা হলো অব্যয় ও অব্যয়-পরবর্তী বিশেষ্য (الجار والمجرور)।

(6) দেখুন: আল-মুগনি (পৃষ্ঠা ৫৬৭)।
(খণ্ড: ২০) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১১৪)
71 - وهو الذي من قَبْلُ في السما إلهْ … سبحانه جَلَّ وفي الأرض إلهْ

72 - وذَهَب ابْنَا طَاهرٍ خَروفِ … لعدم التقديرِ مِثْلَ الكوفي

73 - في نحوِ زيدٌ عندي أو في الدارِ … والمبتدا النَّاصِبُ خُذْ إخباري

74 - قالا: وإنَّ المبتدا للخبرِ … يَرْفَعُ إنْ عَينًا له فاخْتَبِر

75 - وأنَّه إن كانَ غيرًا يَنْصِبُ … وأنَّ ذا لسيبويهِ مَذْهَبُ

76 - وحَرَّرَ الكوفيُّ قولاً ثاني … في نائبٍ وأُبْطِلَ القولانِ(1)

77 - وليس إلا (ليس) في النواقصِ … لِحَدَثٍ ليست تدلُّ فَاخْصُص

78 - هذا الصَّحيحُ والخلاف ضُعِّفَا(2) … فاحْفَظْ وكن ممَّنْ تَناهى واقْتَفى

79 - ونِعْمَ قال الفارسيْ فيها نَعَمْ … يُعلَّقانِ وابنُ مَالكِ العَدَمْ(3)

80 - بِحَرفِ مَعْنًى قال في النِّيابةِ … أبو عليٍّ وأبو الفتح الفَتِي(4)

81 - والبعْضُ أطْلَقوا بأنْ يُعَلَّقَا … والبعضُ قالوا: لا يجوز مُطْلقا

82 - وكاف تَشْبِيهٍ ولولا ولَعَلْ … وزائدٌ عن التَّعَلُّقِ انْفَصَلْ

83 - فأشبه الزائدَ لولا ولعَلْ … واحذفهما لِشَبَهٍ قَدْرَ العِلَل(5)

--------------------------------------------

(1) راجع المغني (ص 566).

(2) راجع المغني (ص 570).

(3) أي: مذهب الفارسي جواز تعلّق الجار والمجرور والظرف بالفعل الجامد (نِعْمَ)، وأمَّا ابن مالك فمنَعه وأباه. راجع المغني (ص 571).

(4) راجع المغني (ص 572).

(5) هكذا بالأصل ولم أدر ما وجهُها؟
71 - তিনিই আল্লাহ, যিনি আসমানে ইলাহ এবং জমিনেও ইলাহ; তিনি সুমহান ও পবিত্র।

72 - ইবনে তাহের এবং ইবনে খারিফ এই মত গ্রহণ করেছেন যে, কুফিবাদীদের মতো এখানে কোনো কিছু উহ্য ধরার প্রয়োজন নেই।

73 - যেমন ‘জায়েদ আমার কাছে’ অথবা ‘জায়েদ ঘরে আছে’—এক্ষেত্রে মুক্তাদা-ই খবরকে নসব প্রদান করে, আমার এই সংবাদটি গ্রহণ করো।

74 - তাঁরা উভয়ে বলেছেন: মুক্তাদা খবরকে রফা প্রদান করে যদি খবরটি মুক্তাদারই সত্তাগত অনুরূপ হয়, তা পরীক্ষা করে দেখো।

75 - আর যদি খবরটি ভিন্ন কিছু হয় তবে তা নসব প্রদান করে; আর এটিই সিবওয়াই-এর মাজহাব।

76 - কুফিবাসীগণ নায়েবে ফায়েল সম্পর্কে দ্বিতীয় একটি মত ব্যক্ত করেছেন, তবে উভয় মতই বাতিল করা হয়েছে।

77 - অসম্পূর্ণ ক্রিয়াগুলোর মধ্যে কেবল ‘লাইসা’ ব্যতীত অন্য কোনোটি এমন নেই যা কোনো ক্রিয়া সংঘটিত হওয়ার ওপর দلالত করে না, তাই একে নির্দিষ্ট করো।

78 - এটিই সঠিক (صحيح) মত এবং এর বিপরীতটি দুর্বল (ضعيف) সাব্যস্ত হয়েছে; সুতরাং এটি মুখস্থ করো এবং তাদের অন্তর্ভুক্ত হও যারা জ্ঞান অর্জন করেছে ও অনুসরণ করেছে।

79 - ‘নি’মা’ শব্দের ক্ষেত্রে আল-ফারিসি বলেছেন যে, তারা সংশ্লিষ্ট হতে পারে, তবে ইবনে মালিক একে অস্বীকার করেছেন।

80 - স্থলাভিষিক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে আবু আলী এবং আবু ফাতহ অর্থের অব্যয় দ্বারা হওয়ার কথা বলেছেন।

81 - কেউ কেউ সাধারণভাবে সংশ্লিষ্ট হওয়ার কথা বলেছেন, আবার কেউ কেউ বলেছেন—এটি একেবারেই জায়েজ নেই।

82 - তুলনাবোধক ‘কাফ’, ‘লাওলা’ ও ‘লায়াল্লা’ এবং অতিরিক্ত বর্ণগুলো সংশ্লিষ্টতা থেকে মুক্ত।

83 - ‘লাওলা’ এবং ‘লায়াল্লা’ অতিরিক্ত বর্ণের সাদৃশ্য রাখে; কারণগুলোর সাদৃশ্যের কারণে তাদের সংশ্লিষ্টতা বিলুপ্ত করো।

--------------------------------------------

(1) আল-মুগনি (পৃ. ৫৬৬) দ্রষ্টব্য।

(2) আল-মুগনি (পৃ. ৫৭০) দ্রষ্টব্য।

(3) অর্থাৎ: আল-ফারিসির অভিমত হলো স্থবির ক্রিয়া (নি’মা)-এর সাথে জার-মাজরুর ও জরফ-এর সংশ্লিষ্টতা জায়েজ। কিন্তু ইবনে মালিক একে নিষেধ ও অস্বীকার করেছেন। আল-মুগনি (পৃ. ৫৭১) দ্রষ্টব্য।

(4) আল-মুগনি (পৃ. ৫৭২) দ্রষ্টব্য।

(5) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে এবং এর তাৎপর্য কী তা আমার জানা নেই।
(খণ্ড: ২০) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১১৫)
84 - فإنَّ ما بَعْدهما يَرْتَفِعُ … بالابتدا غَيْرُهُما يَمْتَنِعُ

85 - ثُمَّ هُما بَعْد المعارفِ العُلَى … والنَّكراتِ يُشْبِهَانِ الجُمَلا

86 - وعُلِّقَ الواقعُ حالًا أو خَبَرْ … أو صِفَةً أو صِلَةً [بِإسْتَقَرْ

87 - أو كَائنٍ كذا إنِ اسمًا ظاهرًا … قد رَفَعَا ذا خَامِسٌ قد ظَهَرا

88 - كذا إذا(1) نَسْتَعْملُ التَّعَلُّقَا … حَذْفًا كحِينَئذْ لأمرٍ سَبَقَا

89 - والآن أيْ: كانَ [كذاك](2) حِينَئِذْ … وإِسْمَعِ الْآنَ فَحقِّقْها وخُذْ

90 - سابِعُها(3) أن يُحْذَفَ المُتْعَلَّقُ … بِشَرط تفسيرٍ كما قَدْ حَقَّقُوا

91 - يَومُ الخَميسِ صُمْتُ فيه ذا النُّهى … وقَسَمٌ بِغَيرِ با ثامنُها(4)

92 - لكنَّه في ثامنٍ ورابعِ … ليس سِوَى (استقرَّ) قدَّروا فَع

93 - وقدَّروا ما قَدَّروهُ إِلَّا … أَنَّ ابنَ جنّي قال فيهِ قولا

94 - وذاك أنَّ الظرفَ إنْ كان خَبَرْ … يجوز إظهارٌ وفي المغني(5) نَظَرْ

--------------------------------------------

(1) وضع الناظم هنا رقم (6) إشارة إلى تعداد الأشياء الثمانية التي يجب فيها تعلق الجار والمجرور والظرف بمحذوف، وقد ذكر خمسة منها وسيكملها، وقوله في البيت: "كحينئذ" بسكون الذال لأجل الوزن.

(2) في الأصل: "ذاك" ولا يتزن إلا إذا أضفنا الكاف.

(3) وضع الناظم هنا رقم (7)، وقوله في البيت: "المتعلق" الأنسب "المعَلَّقُ" بحذف التاء حتى يتزن البيت.

(4) وضع الناظم هنا رقم (8)، وقوله: "ذا النهى" منادى حذفت أداته والتقدير: "يا ذا النهى"، وراجع المواضع الثمانية بالتفصيل في المغني (ص 581).

(5) راجع المغني (ص 582).
৮৪ - কারণ সেই দুইটির পরবর্তী পদটি রফ-যুক্ত (يرتفع) হয় … প্রারম্ভিক অবস্থানের (ابتداء) কারণে সেগুলো ব্যতীত অন্য কিছু অসম্ভব।

৮৫ - অতঃপর সেই দুইটি উচ্চতর নির্দিষ্ট বিশেষ্য (معرفة) এর পরে এবং অনির্দিষ্ট বিশেষ্য (نكرة) এর পরে বাক্য (جملة) সমূহের সদৃশ হয়।

৮৬ - আর যা পতিত হয় তা অবস্থাজ্ঞাপক (حال), সংবাদ (خبر), বিশেষণ (صفة) অথবা সম্বন্ধসূচক (صلة) হিসেবে 'ইস্তাকাররা' (استقر) শব্দের সাথে সংশ্লিষ্ট (علق) হয়।

৮৭ - অথবা 'কায়িন' (كائن) শব্দের সাথে, অনুরূপভাবে যদি তা প্রকাশ্য বিশেষ্য (اسم ظاهر) হয় তবে তা সেটিকে রফ বা কর্তৃবাচক রূপ (رفع) প্রদান করে; এটি পঞ্চম প্রকার যা প্রকাশ পেয়েছে।

৮৮ - অনুরূপভাবে যখন আমরা সংশ্লিষ্টতা (تعلق) ব্যবহার করি বিলোপের (حذف) মাধ্যমে, যেমন 'হিনাইজিন' এর ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী বিষয়ের কারণে।

৮৯ - এবং 'আল-আন' এর অর্থ হলো: সেটিও তখন 'হিনাইজিন' এর মতো ছিল; এখন শোনো, এটি সঠিকভাবে অনুধাবন করো এবং গ্রহণ করো।

৯০ - তার সপ্তম প্রকার হলো যে, সংশ্লিষ্ট অংশটি (متعلق) বিলুপ্ত হবে ব্যাখ্যার শর্তে, যেভাবে তারা নিশ্চিত করেছেন।

৯১ - "বৃহস্পতিবার আমি রোজা রেখেছি," হে বুদ্ধিমান; আর 'বা' বর্ণ ব্যতীত শপথ হলো তার অষ্টম প্রকার।

৯২ - কিন্তু অষ্টম ও চতুর্থ প্রকারে তারা কেবল 'ইস্তাকাররা' (استقر) শব্দকেই নির্ধারিত (قدروا) করেছেন, এটি বুঝে নাও।

৯৩ - তারা যা নির্ধারণ করার তা করেছেন, তবে ইবনে জিন্নি এ বিষয়ে একটি মত প্রদান করেছেন।

৯৪ - আর তা হলো, যদি ক্রিয়া-বিশেষণ (ظرف) সংবাদ (خبر) হয়, তবে তা প্রকাশ করা বৈধ; এবং মুগনি গ্রন্থে এ নিয়ে পর্যালোচনা রয়েছে।

--------------------------------------------

(১) গ্রন্থকার এখানে ৬ নম্বর দ্বারা সেই আটটি বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন যেখানে জার-মাজরুর এবং ক্রিয়া-বিশেষণ (ظرف) এর সংশ্লিষ্টতা একটি বিলুপ্ত (محذوف) পদের সাথে হওয়া আবশ্যক। তিনি পাঁচটি উল্লেখ করেছেন এবং সামনে পূর্ণ করবেন। কাব্যের চরণে 'কাহিনাইজিন' শব্দটিতে ওজনের জন্য দাল বর্ণে সুকুন করা হয়েছে।

(২) মূলে 'যাকা' ছিল, কিন্তু 'কাফ' যুক্ত করা ছাড়া ছন্দের ওজন ঠিক হয় না।

(৩) গ্রন্থকার এখানে ৭ নম্বর দিয়েছেন। চরণের 'আল-মুতাআল্লাকু' (المتعلق) শব্দের পরিবর্তে 'তা' বিলোপ করে 'আল-মুআল্লাকু' পড়া ছন্দের জন্য অধিকতর উপযোগী।

(৪) গ্রন্থকার এখানে ৮ নম্বর দিয়েছেন। 'যা নোহা' হলো সম্বোধন পদ যার অব্যয়টি বিলুপ্ত হয়েছে, মূল রূপ হলো 'ইয়া যা নোহা'। এই আটটি স্থানের বিস্তারিত বিবরণের জন্য মুগনি (পৃষ্ঠা ৫৮১) দেখুন।

(৫) মুগনি (পৃষ্ঠা ৫৮২) দেখুন।
(খণ্ড: ২০) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১১৬)
95 - قال(1) وعندي أنَّه إذا حُذِفْ … ثُمَّ ضَميرُه لما فيهِ ظَرُفْ

96 - عَاد فليسَ أَنْ يَبِينَ جَائزا … لأنَّه قَدْ صار أَصْلاً جائزا

97 - ولا يُقَدَّرْ(2) في الصِّفَاتِ مُسْتَقِرْ … ثُمَّ لمبتدا يُقَدَّرُ الخَبَرْ

98 - في نَحوِ جَاءني الذي في الدار أَوْ … عندك لِاطِّرادِ هذا قَدْ رَأَوْا

99 - ورَجُلٌ في الدارِ أو عندي فَلَهْ … أَوجِبْ كما يجوز يأتيني فَلَهْ

100 - ولْيمتَنعْ عَبْدٌ مُكمَّلٌ فَلهْ … دَراهِمٌ ونادرٌ مَنْ نَقَلَهْ(3)

101 - واختلفوا في الصفةِ الحالِ الخَبرْ … والأكْثرون قدَّروا الفِعْلَ ذُكِرْ(4)

102 - لأنَّه في العَمل الأَصْلُ ومَنْ … خَالفَ قال الاصل الافرادُ اعْلَمَنْ

103 - وفِعْلُها لابُدَّ من تقديرهِ … بالوصْفِ فافْهَمْ مُقْتَضَى تَحْبِيره

104 - وآخرون جَوَّزوا ورَجَّحَا … بَعْضُهُمُ والبعْضُ لا مُرَجِّحَا

105 - ومَا يكونُ مِنْهما مُعْتَمِدَا … أَعْني على استفهامٍ او نَفْيٍ بَدا

106 - أو صفةً أو صِلَةً حالَ خَبَرْ … فَرَفْعُهُ الفاعِلَ جَاز يا أَبَرْ

107 - قال وفي المرفوع ذا أَقْوالُ … ثَلاثةٌ فالبعْضُ مِنْهم قَالوا

--------------------------------------------

(1) أي: ابن يعيش في ردّه على ابن جني، كما في شرح المفصل (1/ 90)، وقد يوهم النظم أن الكلام لابن هشام، وليس بصحيح. راجع المغني (ص 582) وحاشية الدسوقي عليه (2/ 97).

(2) بسكون الراء.

(3) راجع المغني (ص 583).

(4) انظر المسألة في المغني (ص 584).
95 - তিনি বলেন, আমার মতে যখন [ক্রিয়া] বিলুপ্ত করা হয়... তখন তার সর্বনামটি সেই ক্রিয়া-বিশেষণের (ظرف) মধ্যে থাকে।

96 - ফিরে আসে; সুতরাং সেটি প্রকাশ করা বৈধ (جائز) নয়... কারণ এটি একটি অনুমোদিত মূলে পরিণত হয়েছে।

97 - গুণাবলির (صفات) ক্ষেত্রে 'স্থির' (مستقر) হওয়া অনুমান করা যাবে না... অতঃপর উদ্দেশ্যের (مبتدأ) জন্য বিধেয় (خبر) অনুমান করা হবে।

98 - যেমন "আমার নিকট সেই ব্যক্তি এসেছে যে ঘরে আছে" অথবা "তোমার কাছে"; এই বিষয়টি নিয়মিত হওয়ার কারণে তারা এরূপ দেখেছেন।

99 - "এক ব্যক্তি ঘরে আছে" অথবা "আমার কাছে", এর ক্ষেত্রে এটি আবশ্যক করো যেমন "সে আমার নিকট আসে" বলা বৈধ (يجوز)।

100 - "এক পূর্ণাঙ্গ দাস, তার জন্য দিরহাম রয়েছে" এটি নিষিদ্ধ হওয়া উচিত, আর যারা এটি বর্ণনা করেছেন তারা বিরল (نادر)।

101 - তারা বিশেষণ (صفة), অবস্থা (حال) এবং বিধেয় (خبر) নিয়ে মতভেদ করেছেন; তবে অধিকাংশ আলেম উল্লিখিত ক্রিয়াটিকেই (فعل) অনুমান করেছেন।

102 - কারণ আমল বা ক্রিয়াশীলতার ক্ষেত্রে এটিই মূল, আর যারা দ্বিমত পোষণ করেছেন তারা বলেছেন: জেনে রেখো, মূল হলো একবচন (افراد) হওয়া।

103 - গুণের (وصف) মাধ্যমে এর ক্রিয়াকে (فعل) অবশ্যই অনুমান করতে হবে, সুতরাং এর বিন্যাসের দাবিটি বুঝে নাও।

104 - অন্যগণ একে বৈধ (جوزوا) বলেছেন; তাদের কেউ কেউ কোনো একটিকে প্রাধান্য দিয়েছেন, আবার কেউ কোনোটিকে প্রাধান্য দেননি।

105 - আর তাদের মধ্যে যেটি নির্ভরশীল হবে, অর্থাৎ যা প্রশ্নবোধক বা না-বোধক অব্যয়ের পরে প্রকাশ পায়...

106 - অথবা বিশেষণ (صفة), অন্বয় (صلة), অবস্থা (حال) বা বিধেয় (خبر) হিসেবে থাকে... তবে হে পুণ্যবান, তার জন্য কর্তাকে (فاعل) রফ প্রদান করা বৈধ (جاز)।

107 - তিনি বলেন: মারফু (مرفوع) হওয়ার বিষয়ে তিনটি অভিমত রয়েছে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ বলেছেন...

--------------------------------------------

(1) অর্থাৎ: ইবনে জিন্নি-র ওপর ইবনে ইয়াইশ-এর খণ্ডনমূলক বক্তব্যে, যেমনটি শরহুল মুফাসসাল (১/৯০) গ্রন্থে রয়েছে। এই কাব্যিক উপস্থাপনাটি ভুলবশত ইবনে হিশাম-এর কথা বলে ভ্রম হতে পারে, কিন্তু তা সঠিক নয়। আল-মুগনি (পৃ. ৫৮২) এবং তার ওপর আদ-দাসুকি-র টীকা (২/৯৭) দেখুন।

(2) 'রা' বর্ণে সুকুন যোগে।

(3) আল-মুগনি (পৃ. ৫৮৩) দেখুন।

(4) আল-মুগনি (পৃ. ৫৮৪) গ্রন্থে এই মাসআলাটি দেখুন।
(খণ্ড: ২০) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১১৭)
108 - مُبْتَدأٌ أو فَاعِلٌ ورجَّحُوا … والثانِ لابن مالكٍ مُرَجَّحُ

109 - والبعْضُ أوجَبْ أنْ يكونَ فَاعلا … واخْتَلفوا مِنْ بَعْد ذاكَ هؤلا

110 - قالوا هَلِ العاملُ بالنِّيَابَةِ … يَعْملُ عن فِعْلٍ أَوِ الأصالة

111 - واخْتِيرَ ثَانٍ(1) فإذا لم يَعْتَمِدْ(2) … فَجوَّزَ الأخفشُ والكوفيْ انْتُقِدْ

112 - وثَالِثُ الأبواب(3) فيما يُذْكَرُ … في أدواتٍ دَوْرُهَا قد يَكثُرُ

113 - فالواوُ(4) حَرْفٌ مُطْلَقُ الجمْعِ تُفِيدْ … والفاءُ تَعْقِيبًا(5) وتَرْتيبًا تُفِيدْ

114 - وثُمَّ(6) للتَّرتيبِ ثُمَّ المُهْلَهْ … والخُلْفُ في هذيْنِ عُدَّ غَفْلَهْ(7)

115 - وقَدْ(8) نُريدُ الحرف للتَّوقُّعِ … كذا لِتَحْقيقٍ وتقليلٍ فَع

116 - مرادهم تجيْ لهذا تَارهْ … وذاكَ أُخْرى فافْهَمِ الإشَارَهْ(9)

--------------------------------------------

(1) كما في المغني وذكر دليلين على الاختيار. انظر (ص 579).

(2) قال ابن هشام: "وإن لم يعتمد الظرف أو المجرور نحو "في الدار أو عندك زيدٌ" فالجمهور يوجبون الابتداء، والأخفش والكوفيون يجيزون الوجهين" ا. هـ من المغني (ص 579).

(3) وضع الناظم هنا رقم (3) إشارة إلى الباب الثالث من كتاب القواعد.

(4) جعل هنا رقم (1) بداية لتعداد حروف المعاني، وسيستمر هذا في النظم كله.

(5) وضع رقم (2).

(6) وضع الناظم هنا رقم (3).

(7) راجع الخلاف في المغني (ص 159)، والجنى الداني للمرادي (ص 426).

(8) وضع هنا رقم (4)، وقوله (نريد) هكذا بالنون ويحتمل أن يكون (بالتاء).

(9) يشير إلى ما في مختصر شرح ابن جماعة على القواعد الصغرى حيث قال:

تنبيه: لا تجيء (قد) لمعانيها الثلاثة جملةً وإنما مراده أنها تجيء تارة لهذا وتارة لهذا وكذلك غيرها مما سيذكر. هـ.
১০৮ - মুক্তাদা (مبتدأ) অথবা ফায়েল (فاعل) এবং তাঁরা প্রাধান্য দিয়েছেন... আর ইবনে মালিকের নিকট দ্বিতীয়টিই অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত।

১০৯ - আর কেউ কেউ একে ফায়েল (فاعل) হওয়া আবশ্যক করেছেন... এবং এরপর তাঁরা এ বিষয়ে মতভেদ করেছেন।

১১০ - তাঁরা বলেন: স্থলাভিষিক্ত আমলকারী কি ক্রিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে আমল করে নাকি এটি তার মৌলিকতা (الأصالة)?

১১১ - দ্বিতীয়টি পছন্দ করা হয়েছে; অতঃপর যখন তা নির্ভরশীল হয় না, তখন আখফাশ ও কুফীগণ তা বৈধ বলেছেন যা সমালোচিত হয়েছে।

১১২ - আলোচনার তৃতীয় অধ্যায় ঐ সকল অব্যয় সম্পর্কে যা উল্লেখ করা হয়, যার ব্যবহার অত্যন্ত অধিক।

১১৩ - 'ওয়াও' (الواو) হলো এমন একটি অব্যয় যা সাধারণ সমাবেশের অর্থ প্রদান করে; আর 'ফা' (الفاء) ধারাবাহিকতা (تعقيب) ও অনুক্রমের (ترتيب) অর্থ দান করে।

১১৪ - 'সুম্মা' (ثم) ধারাবাহিকতা এবং বিরতির (المُهْلَهْ) জন্য ব্যবহৃত হয়; আর এই দুটির ক্ষেত্রে মতভেদকে অসতর্কতা হিসেবে গণ্য করা হয়।

১১৫ - কখনো আমরা 'ক্বদ' (قد) অব্যয়টি দ্বারা কোনো কিছু ঘটার প্রত্যাশা (توقع) উদ্দেশ্য নিই, তদ্রূপ এটি নিশ্চয়তা (تحقيق) এবং স্বল্পতা (تقليل) বুঝাতেও আসে।

১১৬ - তাঁদের উদ্দেশ্য হলো এটি কখনো এই অর্থের জন্য আসে আবার কখনো ঐ অর্থের জন্য; সুতরাং এই ইঙ্গিতটি বুঝে নাও।

--------------------------------------------

(১) যেমনটি মুগনি গ্রন্থে রয়েছে এবং তিনি এই পছন্দের সপক্ষে দুটি দলিল উল্লেখ করেছেন। দেখুন (পৃষ্ঠা ৫৭৯)।

(২) ইবনে হিশাম বলেন: "আর যদি যরফ (ظرف) বা মাজরুর (مجرور) কোনো কিছুর ওপর নির্ভরশীল না হয়, যেমন: 'ফিদ-দারি আও ইনদাকা জাইদুন', তবে জুমহুর (جمهور) ওলামাগণ একে মুক্তাদা (ابتداء) হওয়া আবশ্যক বলেন; আর আখফাশ ও কুফীগণ উভয়টিই জায়েয বলেছেন।" — মুগনি (পৃষ্ঠা ৫৭৯) থেকে সমাপ্ত।

(৩) গ্রন্থকার এখানে (৩) সংখ্যাটি দ্বারা আল-কাওয়ায়িদ গ্রন্থের তৃতীয় অধ্যায়ের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।

(৪) এখানে (১) সংখ্যাটি অর্থবোধক অব্যয়সমূহের গণনার সূচনা হিসেবে নির্ধারণ করেছেন এবং এটি পুরো কাব্যজুড়েই চলমান থাকবে।

(৫) (২) নম্বর বসানো হয়েছে।

(৬) গ্রন্থকার এখানে (৩) নম্বর বসিয়েছেন।

(৭) এই মতভেদ সম্পর্কে দেখুন মুগনি (পৃষ্ঠা ১৫৯) এবং মুরাদী রচিত জানাল দানি (পৃষ্ঠা ৪২৬)।

(৮) এখানে (৪) নম্বর বসিয়েছেন। তাঁর উক্তি (নারিদু) নুন যোগে হয়েছে, তবে এটি (তারিদু) তা যোগেও হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

(৯) এটি ইবনে জামাআহর আল-কাওয়ায়িদুল সুগরা এর সংক্ষিপ্ত ভাষ্যের প্রতি ইঙ্গিত, যেখানে তিনি বলেছেন:

সতর্কবার্তা: 'ক্বদ' (قد) তার তিনটি অর্থের সবকটি নিয়ে একসাথে আসে না। বরং তাঁর উদ্দেশ্য হলো, এটি কখনো এই অর্থের জন্য আসে আবার কখনো ঐ অর্থের জন্য; একইভাবে পরবর্তীতে যা উল্লেখ করা হবে সেগুলোর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম। সমাপ্ত।
(খণ্ড: ২০) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১১৮)
117 - والسِّينُ(1) مَعْ سَوفَ لِلاسْتقْبالِ … حَرْفَانِ سِيَّانِ على مَقال

118 - لكنَّه رُجِّحَ كونُ المُدَّةِ … أَضْيَقَ من سَوفَ مع السين اثْبتِ(2)

119 - لم حَرْفُ جَزْمٍ ثم زِدْ بِهِ نَفِي … مُضَارعٍ وقَلْبُهُ ماضٍ قُفِي

120 - وَزِيدَ في لمَّا(3) اتِّصَالُ نَفْيهِ … كذا تَوقُّعُ الثُّبوتِ انْتَبِه

121 - وَحَرْفُ نَصْبٍ لنْ(4) وقيل في إِذَنْ … حَرفُ جَوابٍ وجَزاءٍ فافْقَهَنْ

122 - ثُمَّ هِيَ اسْمٌ ويُقَالُ حَرْفُ … وهي (إذا) أعني التي هي ظَرْفُ

123 - أصْلٌ إذا كان كذا كان كذا … فَعُوِّضَ التنوينُ عن حَذْفٍ خُذَا

124 - وانْصِبْ بها بشرط الاسْتقبالِ … تَصْديرِها وشَرطِ الاتِّصال

125 - أو فُصِلَتْ بقَسَمٍ أو (لا) التي … تَنْفِي فلا يُمْنَعُ فافْهَمْ لَمْحتي

126 - وأَلْحَق ابنُ بَابَشَاذَ (يا) الدُّعُا(5) … أو النِّداءَ وابنُ عُصْفورِ ادَّعى

--------------------------------------------

(1) وضع رقم (5) فوق السين، ورقم (6) فوق (سوف) إشارة للتعداد المذكور.

(2) هذا الترجيح مخالف لما في المغني، ومخالف لما في مختصر شرح ابن جماعة الذي هو أصل هذه المنظومة، قال ابن هشام في الحديث عن (السين): "وليس مقتطعًا من (سوف) خلافًا للكوفيين، ولا مدة الاستقبال معه أضيق منها مع سوف خلافًا للبصريين". هـ.

(3) جعل هنا رقم (8) بينما لم يرقم أداة (لم) بسبعة.

(4) وضع هنا رقم (9) وعلى (إذن) رقم (10).

(5) الذي في المغني وغيره من كتب النحو أن ابن باب شاذ أجاز الفصل بالنداء، والدعاء نحو: إذن ــ يغفر الله لك ــ يُدخلَكَ الجنة، وأمَّا (يا) الدعاء فلم أجده، كما نبهت عليه في مختصر شرح ابن جماعة على القواعد من هذه المجموعة.
১১৭ - সিন (السين) এবং সাওফা (سوف) ভবিষ্যৎ কাল (استقبال) জ্ঞাপক... বর্ণনানুসারে বর্ণদ্বয় একই পর্যায়ের।

১১৮ - তবে সিন-এর ক্ষেত্রে সময়ের ব্যাপ্তি সাওফা-এর চেয়ে অধিক সংকীর্ণ হওয়ার বিষয়টি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে; সিন-এর বিষয়টি সাব্যস্ত করো।(২)

১১৯ - লাম (لم) জজম প্রদানকারী বর্ণ (حرف جزم), অতঃপর এর মাধ্যমে বর্তমান বা ভবিষ্যৎ কালীন ক্রিয়াকে (مضارع) নেতিবাচক (نفي) অর্থ প্রদান করো; এর অর্থ অতীত কালে (ماض) রূপান্তরিত হওয়া অনুসৃত।

১২০ - আর লাম্মা (لما)(৩)-তে নেতিবাচকতার (نفي) ধারাবাহিকতা এবং এর সাথে বিষয়টি ঘটার প্রত্যাশা (توقع) যুক্ত থাকে, বিষয়টি লক্ষ্য করো।

১২১ - লান (لن)(৪) নসব প্রদানকারী বর্ণ (حرف نصب)। আর ইযান (إذن) সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, এটি উত্তর (جواب) এবং প্রতিদানমূলক (جزاء) বর্ণ; বিষয়টি অনুধাবন করো।

১২২ - অতঃপর এটি একটি বিশেষ্য (اسم), আবার বলা হয় এটি একটি বর্ণ (حرف)। আর এটি হলো সেই 'ইযা' (إذا) যা কালবাচক বিশেষ্য (ظرف) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

১২৩ - এর মূল হলো "যদি এমন হতো তবে এমন হতো", অতঃপর বিলুপ্ত অংশের পরিবর্তে তানউইন প্রদান করা হয়েছে, এটি গ্রহণ করো।

১২৪ - এর মাধ্যমে নসব প্রদান করো ভবিষ্যৎ কাল (استقبال), বাক্যের প্রারম্ভে অবস্থান এবং পরবর্তী অংশের সাথে যুক্ত থাকার শর্তে।

১২৫ - অথবা যদি শপথ কিংবা না-বোধক 'লা' (لا) যা নেতিবাচকতা (نفي) প্রকাশ করে তা দ্বারা পৃথক করা হয়, তবে তা আমল করতে বাধা দেয় না; আমার ইশারাটি অনুধাবন করো।

১২৬ - ইবনে বাবশায দুআর (دعاء) 'ইয়া' অথবা নিদাকে (نداء)(৫) এর অন্তর্ভুক্ত করেছেন, আর ইবনে উসফুর দাবি করেছেন...

--------------------------------------------

(১) গণনার ইশারা হিসেবে সিন-এর উপর ৫ এবং সাওফা-এর উপর ৬ নম্বর বসানো হয়েছে।

(২) এই প্রাধান্য প্রদান মুগনি কিতাবের বক্তব্যের পরিপন্থী এবং ইবনে জামাআহর ব্যাখ্যার সারসংক্ষেপের পরিপন্থী যা এই কাব্যগ্রন্থের মূল ভিত্তি। ইবনে হিশাম সিন (السين) সম্পর্কে আলোচনায় বলেছেন: "কুফিবাদীদের মতের বিপরীতে এটি সাওফা থেকে কর্তিত নয়, এবং বসরীদের মতের বিপরীতে এর ভবিষ্যৎ কালের (استقبال) সময়সীমা সাওফা-এর চেয়ে সংকীর্ণ নয়।" সমাপ্ত।

(৩) এখানে ৮ নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে, যদিও 'লাম' (لم) অব্যয়টিকে ৭ নম্বর দেওয়া হয়নি।

(৪) এখানে ৯ নম্বর এবং 'ইযান' (إذن)-এর উপর ১০ নম্বর দেওয়া হয়েছে।

(৫) মুগনি এবং অন্যান্য ব্যাকরণগ্রন্থে যা উল্লেখ রয়েছে তা হলো— ইবনে বাবশায নিদা (نداء) এবং দুআ (دعاء) দ্বারা পৃথক করা বৈধ বলেছেন। যেমন: ইযান — আল্লাহ তোমাকে ক্ষমা করুন — তিনি তোমাকে জান্নাতে প্রবেশ করান। তবে দুআর জন্য 'ইয়া' (يا) আমি পাইনি, যেমনটি আমি এই সংকলনের কায়িদাহসমূহের উপর ইবনে জামাআহর ব্যাখ্যার সারসংক্ষেপে সতর্ক করেছি।
(খণ্ড: ২০) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১১৯)
127 - الفَصْلَ بالظَّرفِ مِثَالُه إذَنْ … ــ هنا ــ أُقيمَ في جوابٍ فافْهَمَنْ

128 - والفَصْلُ بالمعْمولِ للفِعْلِ هِشَامْ … والأرجْحُ الرَّفْعُ لديهِ يا غُلامْ

129 - أمَّا الكِسَائيُّ فَثَمَّ رَجَّحَا … النَّصْبَ والشَّرحُ(1) بهذا صَرَّحا

130 - وفي (إذا)(2) ظَرْفٌ لما يُسْتَقْبَلُ … مِنَ الزَّمانِ واسْمُ شَرْطٍ فاعْقِلُوا

131 - خَافِضُ شَرْطٍ بالجَوابِ مُنْتَصِبْ … (لَمَّا)(3) وجودٌ لوجودٍ فانْتَدِبْ

132 - (لو)(4) يَقْتضي امتناعَ مَا يَليهِ … قُلْ فيه واسْتِلْزامَه تَالِيه

133 - (لولا)(5) امتناعٌ لوجودٍ بَعْدها … مُرْتَفِعٌ بالابتداءِ انْتَبِها

134 - وفي (نَعمْ)(6) حَرْفُ وَعِيدٍ ثُمَّ تَصْـ … ـدِيقٍ وَوَعْدٍ ثُمَّ إعلامٍ تَنُصْ

135 - وفي (بلى)(7) إِيجابُ ما قَدِ انْتَفى … وقيل (بَلْ) أَصْلٌ فَزَادُوا الأَلِفا

--------------------------------------------

(1) يعني: شرح ابن جماعة على القواعد الصغرى. وانظر أيضًا المغني (ص 32).

(2) وضع الناظم رقم (11) فوقها.

(3) وضع هنا رقم (12)، وقد قدَّم (لما) على (لو) الآتية خلافًا لما في أصله ــ وهو شرح ابن جماعة ــ.

(4) وضع هنا رقم (13).

(5) وضع هنا رقم (14).

(6) وضع هنا رقم (15)، واعلم أني لم أجد مَن ذكر معنى (الوعيد) في (نعم) إلا ابن هشام في هذه القواعد الصغرى، أمَّا قواعد الإعراب له فلم يذكر هذا المعنى فيها، ولا في شيء من شروحها، ولا المغني، ولا الجنى الداني فلينظر.

(7) وضع هنا رقم (16).
১২৭ - ক্রিয়া-বিশেষণ (ظرف) দ্বারা ব্যবধান করা, এর উদাহরণ হলো ‘ইদান’ (إذَنْ)... এখানে এটি জবাব প্রদানের ক্ষেত্রে স্থলাভিষিক্ত হয়েছে, সুতরাং তুমি বুঝে নাও।

১২৮ - আর ক্রিয়ার কর্ম (معمول) দ্বারা ব্যবধান করা সম্পর্কে হিশাম বলেন... হে বৎস, তার নিকট এখানে ‘রাফ’ (রফু/পেশ) (رفع) হওয়াই অধিক অগ্রগণ্য।

১২৯ - পক্ষান্তরে আল-কিসায়ী সেখানে ‘নাসব’ (নসব/যবর) (نصب) হওয়াকে প্রাধান্য দিয়েছেন... এবং ‘শারহ’ (ব্যাখ্যাগ্রন্থ) (الشرح) এতে স্পষ্টভাবে তা ব্যক্ত করেছে।

১৩০ - আর ‘ইদা’ (إذا) শব্দটি ভবিষ্যতের সময়ের জন্য ক্রিয়া-বিশেষণ (ظرف) এবং এটি একটি শর্তবোধক বিশেষ্য (اسم شرط), তোমরা তা অনুধাবন করো।

১৩১ - এটি শর্তের কারণে ‘জার’ (জের) প্রদানকারী (خافض) এবং জবাবের কারণে ‘নাসব’ (নসব) প্রাপ্ত (منتصب) হয়... ‘লাম্মা’ (لما) হলো এক বিষয়ের অস্তিত্বের কারণে অন্য বিষয়ের অস্তিত্ব হওয়া, সুতরাং তুমি প্রস্তুত থাকো।

১৩২ - ‘লাও’ (لو) তার পরবর্তী বিষয়ের অসম্ভাব্যতা (امتناع) দাবি করে... এর সম্পর্কে বলো যে এটি তার পরবর্তী বিষয়কে অনিবার্য করে তোলে।

১৩৩ - ‘লাওলা’ (لولا) তার পরবর্তী বিষয়ের অস্তিত্বের কারণে (জবাবের) অসম্ভাব্যতা (امتناع) বোঝায়... এর পরবর্তী শব্দটি ‘মুবতাদা’ (ابتداء) হওয়ার কারণে ‘রাফ’ (পেশ) প্রাপ্ত হয়, এ বিষয়ে মনোযোগী হও।

১৩৪ - আর ‘না'আম’ (نعم) শব্দটি সতর্কবাণী (وعيد), অতঃপর সত্যায়ন (تصديق), অতঃপর প্রতিশ্রুতি (وعد) এবং সংবাদ (إعلام) প্রদানের অব্যয় হিসেবে স্পষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়।

১৩৫ - আর ‘বালা’ (بلى) নেতিবাচক কোনো বিষয়কে ইতিবাচক বা সাব্যস্ত (إيجاب) করার জন্য আসে... আর বলা হয়ে থাকে যে ‘বাল’ (بل) হলো এর মূল রূপ, যার সাথে আলিফ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

--------------------------------------------

(১) অর্থাৎ: আল-কাওয়াইদুল সুগরা-র ওপর ইবন জামা'আর ব্যাখ্যাগ্রন্থ। আরও দেখুন আল-মুগনি (পৃ. ৩২)।

(২) নাযিম (কবিতা রচয়িতা) এর ওপর (১১) নম্বর দিয়েছেন।

(৩) এখানে (১২) নম্বর দেওয়া হয়েছে। তিনি এখানে ‘লাম্মা’ (لما)-কে ‘লাও’ (لو)-এর আগে নিয়ে এসেছেন, যা তার মূল উৎস অর্থাৎ ইবন জামা'আর ব্যাখ্যার বিপরীত।

(৪) এখানে (১৩) নম্বর দেওয়া হয়েছে।

(৫) এখানে (১৪) নম্বর দেওয়া হয়েছে।

(৬) এখানে (১৫) নম্বর দেওয়া হয়েছে। জেনে রাখুন যে, ইবন হিশাম ব্যতীত অন্য কাউকেও আমি ‘না'আম’ (نعم)-এর অর্থ ‘সতর্কবাণী’ (وعيد) হিসেবে উল্লেখ করতে দেখিনি এই কাওয়াইদুল সুগরা কিতাবে। এমনকি তার ‘কাওয়াইদুল ইরাব’-এ তিনি এই অর্থ উল্লেখ করেননি, এর কোনো ব্যাখ্যাগ্রন্থেও নেই, না আল-মুগনি-তে, না আল-জানি আদ-দানি-তে। সুতরাং বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

(৭) এখানে (১৬) নম্বর দেওয়া হয়েছে।
(খণ্ড: ২০) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১২০)
136 - (إذْ)(1) ظَرفُ مَا مِنَ الزَّمانِ قدْ مَضَى … وقيل أَقْوالٌ بها لا تُرْتَضَى(2)

137 - وحَقَّقَ الجمهور ليست تَقَعُ … إِلَّا لظَرفٍ أو مضافٍ تُوضع

138 - وقيل بل تَجيءُ مَفْعولاً كذا … مُبْدلةً منه وهي مَعْ (إذا)

139 - ليسَتْ من الظُّروفِ أعني الَّلازِمَهْ … عن سيبويهِ فالتزمْ لوازِمَهْ

140 - (كَلَّا)(3) لرَدْعٍ وبمعنى حَقَّا … ذا للكِسَائيْ وهو(4) قولٌ يُلْقَى

141 - أبٌ لحاتِمٍ(5) تجي مَعْنى (أَلَا … أيْ ذاتُ الاسْتفتاحِ فافْهم مُجْمَلا(6)

142 - وقيل بَلْ حَرفُ جوابٍ كـ (نَعَمْ) … و (أَيْ) بذا الفرَّاءُ والنَّضْرُ(7) حَكَمْ

--------------------------------------------

(1) جعل الناظم هنا رقم (18) والترتيب يقتضي أن يكون العدد (17) واستمر هذا إلى آخر النظم.

(2) راجع المغني (ص 111)، والجنى الداني (ص 185)، وشرح قواعد الإعراب للقوجوي (ص 89).

(3) جعل فوقها رقم (19).

(4) بالأصل: "وهي"، وقوله: "يُلقى" أي: أنَّ قول الكسائي مردود؛ لأنَّ ابن هشام رجَّح قول أبي حاتم في المغني (ص 250) والله أعلم.

(5) سهل بن محمد أبو حاتم السجستاني، إمام النحو واللغة وعلوم القرآن، توفي سنة (255 هـ) راجع البلغة (ص 109).

(6) قوله: "تجي" غير مهموز و (ألا) بالتخفيف، وقد كتب أولاً:

أبٌ لحاتمٍ للاستفتاحِ … كـ (ألا) قولٌ قويْ يا صاحِ

فضرب عليه.

(7) في الأصل المخطوط: "النظر" بالظاء، وصوابه: النضر ــ بالضاد ــ وهو ابن شميل بن خرشة المازني البصري، أحد أصحاب الخليل، إمام في اللغة والأنساب، صاحب غريب ونحو وفقه، صدوق ثقة، مات سنة (204 هـ). راجع البلغة (ص 232).
১৩৬ - (ইয)(১) হলো অতীতকালের কোনো সময়ের জন্য একটি কালবাচক পাত্র... এবং এর সম্পর্কে এমন কিছু মতও ব্যক্ত করা হয়েছে যা গ্রহণযোগ্য নয়।(২)

১৩৭ - জুমহুর (সংখ্যাগরিষ্ঠ) আলিমগণ নিশ্চিত করেছেন যে, এটি কালবাচক পাত্র অথবা মুদাফ হিসেবে ছাড়া অন্যভাবে ব্যবহৃত হয় না।

১৩৮ - কেউ কেউ বলেছেন বরং এটি কর্ম হিসেবেও আসে, তদ্রূপ এটি (ইযা)-এর ন্যায় বদল হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।

১৩৯ - সিবাওয়াইহ-এর মতে এটি আবশ্যিক কালবাচক পাত্রগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয়; সুতরাং তাঁর নির্দেশিত নিয়মগুলো মেনে চলো।

১৪০ - (কাল্লা)(৩) কোনো কাজ থেকে নিবৃত্ত করা এবং 'অবশ্যই' অর্থে ব্যবহৃত হয়; এটি কিসাঈর মত এবং এটি একটি বর্জনীয় মত।(৪)

১৪১ - আবু হাতিমের(৫) মতে এটি (আলা)-এর অর্থে আসে, অর্থাৎ প্রারম্ভিক সূচনা হিসেবে; বিষয়টি সংক্ষেপে বুঝে নাও।(৬)

১৪২ - কেউ কেউ বলেছেন এটি বরং 'নাআম' এবং 'আই'-এর মতো একটি উত্তরবাচক অব্যয়; ফাররা এবং নজর(৭) এই ফয়সালাই দিয়েছেন।

--------------------------------------------

(১) নাযেম (কবিতা রচয়িতা) এখানে ১৮ নম্বর দিয়েছেন, যদিও ক্রমধারা অনুযায়ী সংখ্যাটি ১৭ হওয়া আবশ্যক ছিল এবং এটি কবিতার শেষ পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে।

(২) দেখুন: আল-মুগনি (পৃ. ১১১), আল-জনা আদ-দানি (পৃ. ১৮৫), এবং আল-কাওজাওয়ি কর্তৃক শারহু কাওয়াইদিল ই’রাব (পৃ. ৮৯)।

(৩) এর উপরে ১৯ নম্বর দেওয়া হয়েছে।

(৪) মূলে রয়েছে: "ওহিয়া" (وهي), আর তাঁর কথা: "ইউনকা" (يُلقى) এর অর্থ হলো: কিসাঈর মতটি প্রত্যাখ্যাত (مردود); কারণ ইবনে হিশাম আল-মুগনি গ্রন্থে (পৃ. ২৫০) আবু হাতিমের মতকে প্রাধান্য দিয়েছেন। আল্লাহ অধিক জ্ঞাত।

(৫) সাহল ইবনে মুহাম্মদ আবু হাতিম আস-সিজিস্তানি; তিনি নাহু, ভাষাতত্ত্ব ও কুরআন বিজ্ঞানের ইমাম ছিলেন, মৃত্যুবরণ করেছেন ২৫৫ হিজরিতে। দেখুন: আল-বুলগাহ (পৃ. ১০৯)।

(৬) তাঁর উক্তি: "তাজি" (تجي) শব্দটি হামযা ছাড়া এবং "আলা" (ألا) শব্দটি হালকাভাবে (তাশদীদ ছাড়া)। তিনি প্রথমে লিখেছিলেন:

আবু হাতিমের মতে এটি প্রারম্ভিক সূচনার জন্য... হে বন্ধু, 'আলা'-এর মতো এটিও একটি শক্তিশালী মত।

অতঃপর তিনি এটি কেটে দিয়েছেন।

(৭) মূল পাণ্ডুলিপিতে "আন-নাজর" (النظر) শব্দটি 'জ' (ظ) দিয়ে লেখা হয়েছে, তবে সঠিক হলো "আন-নজর" (النضر) - 'দ' (ض) দিয়ে। তিনি হলেন নজর ইবনে শুমাইল ইবনে খারশাহ আল-মাযেনি আল-বাসরি, খলিল ইবনে আহমদের একজন বিশিষ্ট শিষ্য। তিনি ভাষা, বংশবিদ্যা, বিরল শব্দাবলি, নাহু ও ফিকহ শাস্ত্রের ইমাম ছিলেন। তিনি সত্যবাদী (صدوق) নির্ভরযোগ্য (ثقة), মৃত্যুবরণ করেছেন ২০৪ হিজরিতে। দেখুন: আল-বুলগাহ (পৃ. ২৩২)।
(খণ্ড: ২০) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১২১)
143 - فَصْلٌ و (لا)(1) نافيةٌ كـ لا فَرَى … إلَّا على خَمْسةِ أَقْسامٍ تُرَى

144 - تَبْرِئَةٌ نَافِيةٌ للوِحْدَهْ … عَاطِفَةٌ لها شُروطٌ عِدَّه

145 - فَسَبْقُ إثْباتٍ وأمْرٍ أو نِدَا … والمُتَعَاطِفَانِ إنْ تَعانَدا

146 - ولا بِعَاطفٍ تكونُ قُرِنَتْ(2) … تَبْرِئَةٌ في سَبْعةٍ قَدْ خَالفتْ

147 - (إنَّ) و (ليس) خَالفتْ ما الوِحْدَه … نَفَتْ ثَلاثَةَ وُجوهٍ عُمدَهْ

148 - رَابِعُ أَقْسامٍ تَجِيْ حَرْفَ جَوَابْ … مُنَاقِضٌ (نَعَمْ) هُدِيتَ للصوابْ

149 - خَامِسُها للنَّفْيِ غَيرَ ما مَضَى … كـ (لا) عَليٌّ حاضِرٌ ولا الرِّضَى

150 - فإنْ تَلَتْهَا جُمْلةٌ إسْميَّهْ … وصَدْرُها معرفةٌ مَحْمِيَّهْ

151 - أو نكرةٌ لم تَعْمَلنْ فيها أَوِ … ماضٍ بلفْظٍ أو بتقديرٍ قَوي

152 - وَجَبَ تَكْرارٌ كما مثَّلْنا … لا فيه محزونٌ ولا مُعَنَّى(3)

153 - ولا أقامَ خالدٌ ولا مَضَى … وإنَّه كلا تَقُمْ(4) في ذا الفَضَا

--------------------------------------------

(1) جعل رقم (20) وقوله: "كـ لا فَرَى" هكذا ــ بالفاء المفتوحة مقصورًا ــ قال في تاج العروس (10/ 279): "وفري الرجل ــ كرضي ــ فَرًى ــ بالفتح مقصورٌ ــ تحيَّر ودهش، نقله الجوهري، وقال الأصمعي: فَرِيَ يفرى: إذا نظر فلم يدر ما يصنع، نقله الأزهري … ".

(2) هنا انتهت شروط (لا) العاطفة، وقوله: "تبرئة … إلخ" أي أنَّ التبريئية خالفت (إنَّ) في سبعة أمور، وخالفت (ليس) في ثلاثة أشياء. انظر في المغني (ص 313).

(3) قال في المصباح (2/ 86): "وعناني كذا يعنيني: عرض لي وشغلني فأنا مَعْنيٌّ به" اهـ، وفي القاموس (ص 1316): "وتعنَّى: نصب وأعناه وعنَّاه" اهـ.

(4) قوله: "كلا تقم … إلخ" إشارة منه إلى معنى النهي في (لا) وهي جازمة. وفي الشطر الثاني: وإنه بها كلا تقم … إلخ. هكذا بالأصل ولا يتزن بوجود (بها).
143 - পরিচ্ছেদ: এবং (لا) হলো না-বোধক (نافية), যেমন 'লা ফারা' ... এটি পাঁচটি প্রকারে পরিদৃষ্ট হয়।

144 - শ্রেণি না-বোধক (تبرئة), একত্ব না-বোধক (نافية للوحدة) এবং অব্যয় (عاطفة) যার অনেকগুলো শর্ত রয়েছে।

145 - (অব্যয় হওয়ার শর্ত হলো) তার পূর্বে ইতিবাচক বাক্য, আদেশ বা সম্বোধন থাকা এবং সংযুক্ত শব্দদ্বয় পরস্পর বিরোধী হওয়া।

146 - আর এটি কোনো সংযোজক অব্যয়ের সাথে যুক্ত হবে না; শ্রেণি না-বোধক (تبرئة) সাতটি বিষয়ে (অন্যদের থেকে) ভিন্নতা পোষণ করেছে।

147 - 'ইন্না' (إنَّ) এবং 'লায়সা' (ليس) সেই একত্ব না-বোধক (ما الوحدة) থেকে তিনটি মৌলিক দিক দিয়ে ভিন্ন হয়েছে।

148 - চতুর্থ প্রকারটি হলো উত্তরবাচক বর্ণ (حرف جواب), যা 'হ্যাঁ' (نعم)-এর বিপরীত; তুমি সঠিক পথের দিশা পাও।

149 - পঞ্চমটি হলো ইতিপূর্বে আলোচিত প্রকারগুলো ব্যতীত সাধারণ না-বোধক (للنفي); যেমন- 'আলী উপস্থিত নেই এবং রিদাও নেই'।

150 - যদি এর পরে নামবাচক বাক্য (جملة اسمية) আসে এবং তার প্রারম্ভিক অংশটি নির্দিষ্ট (معرفة) হয়।

151 - অথবা অনির্দিষ্ট (نكرة) হওয়া সত্ত্বেও সেটি তাতে আমল (عمل) না করে, অথবা শব্দগতভাবে কিংবা শক্তিশালী অনুমানের ভিত্তিতে তা অতীতকাল নির্দেশ করে।

152 - তবে (সেক্ষেত্রে 'লা'-এর) পুনরাবৃত্তি করা ওয়াজিব বা আবশ্যক, যেমন আমরা উদাহরণ দিয়েছি— 'তাতে কোনো বিষণ্ণ ব্যক্তি নেই এবং কোনো দুশ্চিন্তাগ্রস্তও নেই'।

153 - 'খালিদ অবস্থানও করেনি এবং চলেও যায়নি'। আর এটি 'তুমি দাঁড়াবে না' (لا تقم)-এর মতো এই ক্ষেত্রে নিষেধবাচক (نهي) হিসেবেও আসে।

--------------------------------------------

(1) ২০ নম্বর হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে এবং তাঁর উক্তি: "যেমন- লা ফারা" —এখানে ফাতাহ ও মাকসুর সহযোগে। 'তাজুল আরুস' গ্রন্থে (১০/২৭৯) বলা হয়েছে: "ব্যক্তিটি হতবিহ্বল বা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়েছে। এটি জাওহারী বর্ণনা করেছেন এবং আসমায়ি বলেন: যখন সে লক্ষ্য করে কিন্তু কী করবে তা বুঝতে পারে না। এটি আজহারী বর্ণনা করেছেন..."।

(2) এখানে অব্যয় (عاطفة) হিসেবে 'লা'-এর শর্তাবলী সমাপ্ত হয়েছে। আর তাঁর উক্তি: "তাবরিয়াহ... ইত্যাদি" এর অর্থ হলো শ্রেণি না-বোধক (التبريئية) শব্দটি 'ইন্না' (إنَّ)-এর সাথে সাতটি বিষয়ে এবং 'লায়সা' (ليس)-এর সাথে তিনটি বিষয়ে ভিন্নতা পোষণ করে। দেখুন: 'মুগনি' (পৃষ্ঠা: ৩১৩)।

(3) 'মিসবাহ' গ্রন্থে (২/৮৬) বলা হয়েছে: "অমুক বিষয় আমাকে ভাবিয়ে তুলেছে বা ব্যস্ত রেখেছে, অর্থাৎ আমি এতে ব্যাপৃত"। আর 'কামুস' গ্রন্থে (পৃষ্ঠা: ১৩১৬) বলা হয়েছে: "সে ক্লান্ত হয়েছে এবং তাকে পরিশ্রান্ত বা কষ্ট দেওয়া হয়েছে"।

(4) তাঁর উক্তি: "যেমন- লা তাকুম... ইত্যাদি" এর মাধ্যমে তিনি 'লা'-এর নিষেধবাচক (النهي) অর্থের দিকে ইঙ্গিত করেছেন যা জযম প্রদানকারী (جازمة)। দ্বিতীয় চরণে: এটি দ্বারা 'লা তাকুম'-এর মতো নিষেধ বুঝানো হয়েছে... মূল পাঠে এভাবেই আছে, তবে 'বিহা' (بها) শব্দটির উপস্থিতিতে ছন্দ সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় না।
(খণ্ড: ২০) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১২২)
154 - وزِدْ لتوكيدٍ ليلا يَعْلَمُ … أهلُ الكتابِ أصلها لِيعْلَمُوا

155 - و (إنْ)(1) لشَرطٍ إنْ تَسِرْ جا عُثْمانْ … نافِيةٌ إنْ عندكم مِنْ سلطانْ

156 - إنْ أحدٌ خيرًا لأهل العاليةْ(2) … كـ (ليس) ثُمَّ قد تُزاد عَادِيَهْ

157 - نحو يُرجِّي المرْءُ ما إنْ لا يرى … ما إنْ أتيناك وهذا كَثُرا

158 - رَجِّ الفتى للخيرِ ما إنْ تَنْصُرَهْ … يعلو أَلَا إنْ طاب لي فاذْكُرهْ(3)

159 - وبَعْدَ لمَّا وهي الايجابيَّةُ … قد زادَها ابنُ الحاجِبِ المُثَبِّتُ

160 - وقال قطربٌ تَجيءُ كـ (قَدِ) … وَهوَ زَعْمٌ مِنْهُ فلتَنْتَقِد

161 - وخَفِّفَنْها أي من الثَّقِيلَهْ … مِثَالُ إنْ كلٌّ لذو حَليلَهْ

162 - فإنْ على إِسْميَّةٍ قَدْ دخلت … أعْمَلَها قومٌ كما بهِ ثَبَتْ(4)

163 - و (أَنْ)(5) فتَنْصِبُ المضارعَ الجلي … كـ " (والذي أطْمَعُ أنْ يغْفِرَ لي")

--------------------------------------------

(1) وضع هنا رقم (21)، وقوله: "جا" بلا همز جواب الشرط، وقوله: "نافية" أي تجيء لمعنى النفي.

(2) أهل العالية: هم مَن فوق نجد إلى أرض تهامة إلى ما رواء مكة. كذا في القاموس، ويريد أنَّ حرف (إنْ) يعمل عمل (ليس) عند أهل العالية. راجع المغني (ص 36).

(3) هذه مواضع زيادة (إنْ) فتزاد بعد (ما) الموصولة نحو قوله: "يرجي المرء … إلخ" وبعد (ما) النافية نحو قوله: "ما إنْ أتيناك .... إلخ"، وتزاد بعد (ما) المصدرية نحو قوله: "رجّ الفتى … إلخ"، وبعد (ألا) الاستفتاحية نحو قوله: "ألا إن طاب … إلخ"، وتزاد بعد (لما) الإيجابية، كما سيأتي في البيت الآتي عن ابن الحاجب. وانظر المغني (ص 38).

(4) راجع المغني (ص 36) والجنى الداني (ص 208).

(5) جعل هنا رقم (22).
১৫৪ - এবং দৃঢ়তা প্রদানের (توكيد) জন্য 'লা' (لـ) অতিরিক্ত বৃদ্ধি করো যাতে 'তারা না জানে' (ليلا يعلم)... আহলে কিতাবগণ; এর মূল রূপ হলো 'যাতে তারা জানে' (ليعلموا)।

১৫৫ - এবং 'ইন' (إنْ) শর্তের (شرط) জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন 'যদি তুমি চলো তবে ওসমান আসবে'... এটি না-বোধক (نافية) হিসেবেও আসে, যেমন 'তোমাদের নিকট কোনো প্রমাণ নেই' (إنْ عندكم مِنْ سلطانْ)।

১৫৬ - 'আহলে আলিয়া'-র নিকট 'ইন' (إنْ) কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে কল্যাণের অর্থে ব্যবহৃত হয়... যেমন 'লাইসা' (ليس)-এর মতো আমল করে, অতঃপর কখনও এটি নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত (زائدة) হিসেবেও যুক্ত হয়।

১৫৭ - উদাহরণস্বরূপ: 'ব্যক্তি সেই জিনিসের আশা করে যা সে দেখে না' (ما إن لا يرى)... 'আমরা তোমাদের নিকট আসিনি' (ما إن أتيناك); আর এর ব্যবহার প্রচুর।

১৫৮ - যুবককে কল্যাণের আশা দাও যতক্ষণ তুমি তাকে সাহায্য করো (ما إن تنصره)... সে উচ্চ মর্যাদা লাভ করবে। জেনে রাখো (ألا), যদি আমার কাছে তা ভালো ঠেকে তবে তা আলোচনা করো।

১৫৯ - এবং ইতিবাচক (إيجابية) 'লাম্মা' (لما)-এর পরে এটি ব্যবহৃত হয়... দৃঢ়ভাবে সমর্থনকারী ইবনে হাজিব একে অতিরিক্ত (زائدة) হিসেবে গণ্য করেছেন।

১৬০ - কুতরুব বলেছেন এটি 'কাদ' (قد)-এর অর্থে আসে... তবে এটি তার একটি দাবি (زعم), তাই এটি পর্যালোচনার যোগ্য।

১৬১ - এবং একে লঘুরূপ করো (تخفيف), অর্থাৎ গুরুভার (ثقيلة) থেকে হালকা করো... উদাহরণ: 'নিশ্চয়ই প্রত্যেকের একজন হালাল সঙ্গী রয়েছে'।

১৬২ - যদি এটি বিশেষ্যমূলীয় বাক্যের (اسمية) ওপর প্রবেশ করে... তবে একদল আলিম একে আমল প্রদান করেছেন যেমনটি প্রমাণিত হয়েছে।

১৬৩ - এবং 'আন' (أَنْ) স্পষ্ট বর্তমান বা ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়াকে (المضارع) নাসব বা যবর প্রদান (نصب) করে... যেমন- "এবং যাঁর নিকট আমি আশা করি যে, তিনি আমার অপরাধ ক্ষমা করবেন"।

--------------------------------------------

(১) এখানে ২১ নম্বর সংখ্যাটি দেওয়া হয়েছে। তার উক্তি "জা" (جا) হামজা ছাড়া শর্তের উত্তর (جواب الشرط) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। তার উক্তি "নাফিয়া" (نافية) অর্থাৎ এটি না-বোধক (نفي) অর্থে আসে।

(২) আহলে আলিয়া: তারা হলেন সেই জনপদ যারা নজদ থেকে তিহামা হয়ে মক্কার পরবর্তী অঞ্চল পর্যন্ত বসবাস করেন। 'আল-কামুস' গ্রন্থে এমনটিই বলা হয়েছে। তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে, 'ইন' (إنْ) অক্ষরটি আহলে আলিয়ার নিকট 'লাইসা' (ليس)-এর ন্যায় আমল করে। দ্রষ্টব্য: আল-মুগনি (পৃ. ৩৬)।

(৩) এগুলো হলো 'ইন' (إنْ)-এর অতিরিক্ত (زيادة) হিসেবে আসার স্থানসমূহ। এটি অন্বয়ী (موصولة) 'মা'-এর পরে অতিরিক্ত হিসেবে আসে, যেমন তার উক্তি: "ব্যক্তি আশা করে... ইত্যাদি"। না-বোধক (نافية) 'মা'-এর পরে আসে, যেমন: "আমরা তোমাদের নিকট আসিনি... ইত্যাদি"। এটি ক্রিয়ামূলীয় (مصدرية) 'মা'-এর পরে অতিরিক্ত হিসেবে আসে, যেমন: "যুবককে আশা দাও... ইত্যাদি"। প্রারম্ভিক (استفتاحية) 'আলা'-এর পরে আসে, যেমন: "জেনে রাখো যদি ভালো হয়... ইত্যাদি"। এবং এটি ইতিবাচক (إيجابية) 'লাম্মা'-এর পরে অতিরিক্ত হিসেবে আসে, যেমনটি ইবনে হাজিবের উদ্ধৃতিতে পরবর্তী চরণে আসবে। দেখুন: আল-মুগনি (পৃ. ৩৮)।

(৪) দেখুন: আল-মুগনি (পৃ. ৩৬) এবং আল-জানা আদ-দানি (পৃ. ২০৮)।

(৫) এখানে ২২ নম্বর সংখ্যাটি দেওয়া হয়েছে।
(খণ্ড: ২০) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১২৩)
164 - وهي حرفٌ مَصْدَرِيٌّ تَنْسَبِكْ … معْ صِلَةٍ بمصْدَرٍ لا تَرْتَبِكْ

165 - (عسى عليٌّ أنْ يقومَ) اختلفوا … فقيل: نَصْبٌ ثم لم يَأْ تَلِفُوا

166 - فقال بَعضٌ: إنَّه على الخَبَرْ … وقيل: مَفْعولٌ مُبَرِّدٌ(1) ذَكَرْ

167 - وقيل بالإسقاط للجارِ أَوِ … تضمَّن الفِعْلُ لِقَاربَ رُوِي

168 - عن سيبويه ذا ابنُ مالكٍ نَقَلْ … وقيل: بل مَوضعُه رَفْعٌ بدلْ(2)

169 - والفِعْلُ بعد (أنْ) فَقَدْ يرتفعُ … وجَزَمَ البعْضُ بها فارْتَفِعُوا(3)

170 - ما فيهِ معنى القولِ لا الحروفُ إنْ … تَلِيهِ (أَنْ) فَسِّرْ بها كما زُكنْ

171 - وزِدْ لِتَوكيدٍ فَلمَّا أنْ أَتى … واللهِ أنْ لَوِ الْتقينا يا فَتى

172 - ونادرٌ زَيدٌ كأَنْ بَدْرٍ بَدا(4) … و (مَنْ) لشرطٍ(5) مَنْ يَخُنْ تُقْطَعْ يدا

--------------------------------------------

(1) محمد بن يزيد بن عبد الأكبر الأزدي البصري أبو العباس المبّرد، إمام العربية ببغداد في زمانه، أخذ عن المازني وغيره، له من التصانيف: الكامل، والمقتضب، توفي سنة (285 هـ). راجع البغية (1/ 269).

(2) راجع الخلاف في المسألة: المغني (ص 43).

(3) يريد أنَّ الفعل المضارع قد يرتفع بعد (أنْ) الناصبة لأنها أهملت وألحقت بأختها (ما) المصدرية كما قاله البصريون ورجحه ابن هشام، وقوله: "وجزم … إلخ" يريد أنَّ بعض الكوفيين وأبا عبيدة ذكروا أنَّ بعض قبائل العرب تجزم بـ (أنْ) الفعل المضارع، وقوله: "فارتفعوا" أمْرٌ للقراء بأن يرتفعوا فيتركوا رفع المضارع وجزمه بعد (أنْ).

(4) هذه ثلاثة مواضع في زيادة (أنْ) بعد (لمَّا)، وبين (لو) وفعل القسم، ووقوعها بين الكاف ومخفوضها وهذا نادر، والموضعُ الرابع بعد (إذا)، ولم يذكره هنا في النظم. انظر المغني (ص 50).

(5) وضع هنا رقم (23)، وقوله: "تقطع يدا" بالبناء للمجهول و (يدا) كفتى لغة في (اليد) بمعنى الكف كما في القاموس، فلعل المعنى والله أعلم: تقطع يَدُه.
164 - এটি একটি মাসদারী বর্ণ (حرف مصدري) যা (তার পরবর্তী বাক্যের সাথে) মিলে মাসদারের (مصدر) অর্থ প্রদান করে, এতে বিভ্রান্ত হয়ো না।

165 - (আসা আলীউন আন ইয়াকুমা) - এর ব্যাপারে তারা মতভেদ করেছেন। বলা হয়েছে এটি মানসুব (نصب), তবে তারা ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেননি।

166 - কেউ কেউ বলেছেন: এটি খবর (خبر) হিসেবে গণ্য। আবার মুবাররাদ উল্লেখ করেছেন যে, এটি মাফউল (مفعول)।

167 - বলা হয়েছে যে, হারফে জার (جار) বিলুপ্ত হওয়ার কারণে এটি হয়েছে, অথবা বর্ণিত হয়েছে যে ক্রিয়াটি ‘কারাবা’ (قارب) ক্রিয়ার অর্থ অন্তর্ভুক্ত করেছে।

168 - এটি সিবওয়াইহ থেকে ইবনে মালিক বর্ণনা করেছেন। আবার বলা হয়েছে: বরং এর স্থানটি বদল (بدل) হিসেবে রাফ’ (رفع) এর স্থলে রয়েছে।

169 - ‘আন’ (أن) এর পরের ক্রিয়াটি কখনো মারফু (يرتفع) হতে পারে; আবার কেউ কেউ এর মাধ্যমে জাযম (جزم) প্রদান করেছেন, সুতরাং তোমরা উচ্চমর্যাদাশীল হও।

170 - যাতে ‘কওল’ (কথা) এর অর্থ আছে কিন্তু তার বর্ণগুলো নেই, তার পরে যদি ‘আন’ (أن) আসে, তবে তা দিয়ে তাফসীর (تفسير) বা ব্যাখ্যা করো যেমনটি পরিচিত।

171 - তাকীদ (توكيد) বা গুরুত্ব প্রদানের জন্য এটি অতিরিক্ত হিসেবেও আসে, যেমন: “ফালাম্মা আন আতা” এবং “ওয়াল্লাহি আন লাউইল তাকাইনা ইয়া ফাতা”।

172 - আর ‘কাফ’ ও তার মাজরুরের মাঝে এটি বিরল (نادر), যেমন “কাআন বদরিন বাদা”; এবং ‘মান’ (من) শর্তের (شرط) জন্য আসে, যেমন: “যে খিয়ানত করবে তার হাত কেটে দেয়া হবে”।

--------------------------------------------

(1) মুহাম্মদ ইবনে ইয়াযিদ ইবনে আবদিল আকবার আল-আযদি আল-বাসরি আবু আব্বাস আল-মুবাররাদ, স্বীয় যুগের বাগদাদের আরবী ভাষার ইমাম। তিনি আল-মাযিনি ও অন্যদের থেকে জ্ঞান অর্জন করেছেন। তাঁর সংকলিত গ্রন্থাবলির মধ্যে রয়েছে: আল-কামিল এবং আল-মুকতাদাব। তিনি ২৮৫ হিজরি সনে ইন্তেকাল করেন। আল-বুগইয়া (১/২৬৯) দ্রষ্টব্য।

(2) এ বিষয়ের মতভেদের জন্য দ্রষ্টব্য: আল-মুগনি (পৃ. ৪৩)।

(3) তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে, নাছিবাহ (ناصبة) বা নসব প্রদানকারী ‘আন’ (أن) এর পরে ফে’লে মুদারে (فعل مضارع) মারফু (يرتفع) হতে পারে, কারণ এটিকে আমলহীন ধরা হয়েছে এবং এর সমজাতীয় মাসদারী (مصدرية) ‘মা’ (ما) এর সাথে যুক্ত করা হয়েছে, যেমনটি বাসরাবাসীরা বলেছেন এবং ইবনে হিশাম একে প্রাধান্য দিয়েছেন। আর তাঁর উক্তি: "ওয়াজাযামা... ইত্যাদি" দ্বারা তিনি বুঝাতে চেয়েছেন যে, কোনো কোনো কুফাবাসী এবং আবু উবাইদাহ উল্লেখ করেছেন যে আরবের কিছু গোত্র ‘আন’ (أن) এর মাধ্যমে ফে’লে মুদারে-কে জাযম (جزم) প্রদান করে। আর তাঁর উক্তি: "ফারতাফিউ" হলো পাঠকদের প্রতি একটি নির্দেশ যেন তারা উচ্চমর্যাদা লাভ করে এবং ‘আন’ এর পরে মুদারের রাফ’ বা জাযম হওয়া পরিহার করে।

(4) এগুলো ‘লাম্মা’ (لما) এর পরে, ‘লাউ’ (لو) ও কসমের ক্রিয়ার মাঝে এবং ‘কাফ’ ও তার মাজরুর শব্দের মাঝে ‘আন’ (أن) অতিরিক্ত হওয়ার তিনটি স্থান; এবং এটি বিরল (نادر)। চতুর্থ স্থানটি হলো ‘ইযা’ (إذا) এর পরে, যা তিনি এখানে কবিতায় উল্লেখ করেননি। আল-মুগনি (পৃ. ৫০) দ্রষ্টব্য।

(5) এখানে (২৩) নম্বর দেওয়া হয়েছে। আর তাঁর উক্তি: "তুকতা’ ইয়াদা" মাজহুল (بناء للمجهول) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ‘ইয়াদা’ (يدا) শব্দটি ‘ফাতা’ (فتى) এর মতো যা কামুস অভিধান অনুযায়ী ‘ইয়াদ’ (اليد) বা হাতের তালু অর্থে একটি শব্দরূপ। সম্ভবত এর অর্থ হলো—আল্লাহই সর্বজ্ঞ—তার হাত কেটে দেওয়া হবে।
(খণ্ড: ২০) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১২৪)
173 - واستَفْهِمَنْ بها كمَنْ هذا الرجُلْ؟ … مَنْ ذَا سِوى زيدٍ يَشُدُّ أو يَحُلْ

174 - مَوْصُولةٌ كمِنْهُمُ مَنْ يَضْرِبُ … موصوفةٌ كجاءني مَنْ مُعجِبُ

175 - ونحو مَن أُكْرِمُهُ أكْرَمَني(1) … يحتملُ الجميعَ فاحْفَظْ واعتني

176 - (أيٌّ) لِشرطٍ نحو (أيًّا ما تُرِدْ(2) … تُدْرِكْ) ولِاستفهامٍ أيُّكُمْ يَرِدْ

177 - وسيبويهِ قد تجي مَبْنيَّهْ … مَوْصولةً: صُنْ أيُّهنَّ الحيَّهْ

178 - وخالفوه(3) ثُمَّ قد تجي صِفَهْ … مِثْلُ فتًى أَيُّ فتًى ذي مَعْرِفَهْ

179 - وَصِلَةً إلى نِدا ما فَيهِ (ألْ) … يا أيُّها الإنسانُ طوَّلْتَ الأَمَلْ

180 - و (مَا)(4) لشرطٍ نحو: مَا تُنْفِقْ تَجِدْ … موصولةٍ كـ: مَا أضْعْناهُ وُجِدْ

181 - وقَدْ تجيءُ للزَّمانِ ما يَدومْ … فَدُمْ ولَازمِ القيامَ ما يَقُومْ

182 - لِابنيْ بَرِي ومَالكٍ أَبي البَقَا … وشَامَةٍ الفارسيِّ المُنْتَقَى(5)

183 - كذاكَ الاسْتِفْهامُ والتَّعجُّبُ … نكرةٌ موصوفةٌ: مَا مُعْجِبُ

--------------------------------------------

(1) في المغني (ص 433): تقول: "مَن يكرمني أكرمه" ثم ذكر الأوجه الأربعة فانظرها فيه.

(2) وضع هنا رقم (24).

(3) أي: خالف الكوفيون وجماعة من البصريين سيبويه في مجيء (أي) موصولة. راجع المغني (ص 107).

(4) جعل هنا رقم (25).

(5) قوله: "لا بني" بالتثنية، و"بري" هنا بالتخفيف لأجل الوزن، وهؤلاء الأعلام هم على التوالي: عبد الله بن برّي المصري كان قيمًا بالنحو واللغة والشواهد، توفي سنة (582 هـ)، وابن مالك الإمام جمال الدين المعروف صاحب الألفية، وأبو البقاء هو عبد الله بن الحسين العكبري صاحب الإعراب توفي سنة (616 هـ)، وأبو شامة عبد الرحمن بن إسماعيل الدمشقي الشافعي صاحب القراءات واللغة والتاريخ توفي سنة (665 هـ)، والفارسي هو الإمام أبو علي الحسن بن أحمد المشهور واحد زمانه في العربية توفي سنة (337 هـ). راجع في تراجم هؤلاء بتوسع كتاب البغية. وانظر مذهبهم في هذه المسألة: المغني (ص 398).
173 - প্রশ্নবোধক (استفهام) হিসেবে এটি ব্যবহার করো, যেমন: ‘এই ব্যক্তি কে?’ … যায়িদ ব্যতীত আর কে আছে যে বন্ধন করে বা মুক্ত করে?

174 - এটি সংযুক্ত (موصولة) হতে পারে, যেমন: ‘তাদের মধ্যে যে প্রহার করে’ … আবার গুণবাচক (موصوفة) হতে পারে, যেমন: ‘আমার নিকট এমন একজন এল যে বিস্ময়কর’

175 - এবং ‘যে আমাকে সম্মান করবে, আমি তাকে সম্মান করব’ এর ন্যায় উদাহরণগুলো … সব কটি অর্থেরই সম্ভাবনা রাখে, তাই এটি মুখস্থ করো এবং যত্নবান হও

176 - ‘আইয়ুন’ (أيٌّ) শর্তের (شرط) জন্য আসে, যেমন: ‘তুমি যা-ই চাও … তা-ই লাভ করবে’ এবং প্রশ্নবোধের (استفهام) জন্য, যেমন: ‘তোমাদের মধ্যে কে আসবে?’

177 - সিবওয়াইহ-এর মতে এটি অপরিবর্তনীয় (مبنيّة) হিসেবেও আসতে পারে … সংযুক্ত (موصولة) অবস্থায়: ‘তাদের মধ্যে যে জীবিত তাকে রক্ষা করো’

178 - অন্যরা তাঁর বিরোধিতা করেছেন, এরপর এটি বিশেষণ (صفة) হিসেবেও আসতে পারে … যেমন: ‘একজন যুবক, সে কতই না বিজ্ঞ যুবক!’

179 - এবং এটি ‘আল’ (أل) যুক্ত শব্দকে সম্বোধনের মাধ্যম (وصلة) হিসেবে ব্যবহৃত হয় … ‘হে মানুষ! তুমি দীর্ঘ আশা পোষণ করেছ’

180 - ‘মা’ (مَا) শর্তের (شرط) জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন: ‘তুমি যা ব্যয় করবে তা-ই পাবে’ … সংযুক্ত (موصولة) হিসেবে, যেমন: ‘যা আমরা হারিয়েছিলাম তা পাওয়া গেছে’

181 - কখনও এটি সময়ের (زمان) জন্য আসে যতক্ষণ তা স্থায়ী থাকে … সুতরাং তুমি স্থায়িত্ব অবলম্বন করো এবং দণ্ডায়মান থাকো যতক্ষণ সে দণ্ডায়মান থাকে

182 - এটি ইবনে বাররী, ইবনে মালিক, আবু আল-বাকা … এবং আবু শামাহ আল-ফারিসি আল-মুনতাকা-এর অভিমত

183 - তেমনিভাবে এটি প্রশ্নবোধক (استفهام) ও বিস্ময়সূচক (تعجُّب) হতে পারে … এবং গুণবাচক অনির্দিষ্ট বিশেষ্য (نكرة موصوفة) হিসেবে: ‘যা বিস্ময়কর’

--------------------------------------------

(1) মুগনী (পৃ. ৪৩৩)-তে বলা হয়েছে: তুমি বলবে: ‘যে আমাকে সম্মান করে আমি তাকে সম্মান করি’ এরপর তিনি চারটি প্রেক্ষিত উল্লেখ করেছেন, সেখানে দেখে নাও।

(2) এখানে ২৪ নম্বর দেওয়া হয়েছে।

(3) অর্থাৎ: সিবওয়াইহ ‘আইয়ু’ শব্দটির সংযুক্ত (موصولة) হিসেবে আসার বিষয়ে কুফীগণ ও বসরীগণের একটি দলের বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছেন। মুগনী (পৃ. ১০৭) দ্রষ্টব্য।

(4) এখানে ২৫ নম্বর দেওয়া হয়েছে।

(5) তাঁর উক্তি: ‘লি ইবনাই’ দ্বিবচন হিসেবে, এবং ‘বাররী’ শব্দটি এখানে ছন্দের প্রয়োজনে লঘূকরণ করা হয়েছে। এই বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ ক্রমানুসারে হলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে বাররী আল-মিসরী, যিনি নাহু, ভাষা ও কাব্য-উদ্ধৃতিতে পারদর্শী ছিলেন, মৃত্যু (৫৮২ হিজরি); ইবনে মালিক, ইমাম জামালুদ্দীন হিসেবে পরিচিত, প্রসিদ্ধ আলফিয়্যাহ-এর রচয়িতা; আবু আল-বাকা হলেন আব্দুল্লাহ ইবনুল হুসাইন আল-উকবারী, আল-ইরাব-এর রচয়িতা, মৃত্যু (৬১৬ হিজরি); আবু শামাহ আব্দুর রহমান ইবনে ইসমাইল আদ-দিমাশকী আশ-শাফি’ঈ, কিরাত, ভাষা ও ইতিহাসের পণ্ডিত, মৃত্যু (৬৬৫ হিজরি); এবং আল-ফারিসি হলেন ইমাম আবু আলী আল-হাসান ইবনে আহমদ, যিনি তাঁর সময়ে আরবি ভাষায় অদ্বিতীয় পণ্ডিত হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন, মৃত্যু (৩৩৭ হিজরি)। এই ব্যক্তিদের বিস্তারিত জীবনীর জন্য বুগইয়াতুল উয়াত গ্রন্থটি দেখুন। আর এই মাসআলায় তাঁদের অভিমত জানতে দেখুন: মুগনী (পৃ. ৩৯৮)।
(খণ্ড: ২০) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১২৫)
184 - ما ذاك؟ ما أحْسَنَهُ وامْرُرْ بما … مُسْتَحْسَنٍ مُقَرْطَقٍ حُلْوِ الِّلمَا(1)

185 - مَعْرفةٌ تَمَّتْ نِعمَّا هِيْ نَقَلْ … عَنْ سيبويهِ ابنُ خروفٍ الأَجَلْ

186 - وهي عامَةٌ فنعم الشيءُ هي … لم تَتْلُ اسمَ نكرةٍ تكون هي

187 - مَعْ عاملٍ لها لهُ في المعنى … وَصْفٌ وإلَّا خاصةٌ فقُلْنا

188 - دَقَقْتُه دقًّا نِعمّا وتجي … جَزْمًا وتَنْفي نحو: ما هذا شَجِي

189 - تَعْملُ لكنْ بشروطٍ في الحِجَازْ … نَجدٍ تهامةٍ وغَيرٌ ما أجازْ(2)

190 - تنفي المضارعَ لحالٍ تَخْلُصُ … إنْ لم تكن قَرينةٌ تُنَصِّصُ

191 - ومَصْدريَّةٌ كـ (وَدُّوا ما عَنِتْ) … منها زمانٌ "كلَّما أضاءتْ"

192 - قال ابن جنّي والزمخشريُّ (أن) … شَارَكَها (ما) في دَلالةِ الزَّمَنْ

--------------------------------------------

(1) قوله: "ما ذاك؟ " مثال الاستفهام بـ (ما)، وقوله: "ما أحسنه! " مثال تَعجُّب، "وامرر بما مستحسن … إلخ" مثال النكرة الموصوفة، وقوله: "مقرطق" ــ بالجرّ ــ قال في القاموس: "القرطق ــ كجندب ــ لُبس م مُعرَّب: كرتَهْ، وقرطقته فتقرطق: ألبسته إياه فلبسه" ا. هـ، وقوله: "حُلْو اللما": اللّما مُثَلثة اللام سُمْرةٌ في الشفة، أو شربة سواد فيها. كذا في القاموس.

(2) راجع المغني (ص 399).
১৮৪ - ওটি কী? তা কতই না সুন্দর! এবং তুমি এমন কোনো … প্রশংসিত, টুপি পরিহিত ও মিষ্টাধর ব্যক্তির পাশ দিয়ে চলো।(১)

১৮৫ - এটি একটি পূর্ণ নির্দিষ্ট বিশেষ্য (معرفة), এটি কতই না চমৎকার! সিবওয়াইহ থেকে … মহান ইবনুল খারূফ এটি বর্ণনা (نقل) করেছেন।

১৮৬ - আর এটি একটি সাধারণ (عامة) বিষয়, সুতরাং তা কতই না উত্তম বস্তু! … এটি এমন কোনো অনির্দিষ্ট বিশেষ্য (نكرة)-এর অনুগামী হয়নি যা সে হতে পারত।

১৮৭ - এমন এক আমেল (عامل)-এর সাথে যার অর্থের মধ্যে রয়েছে … সিফাত (وصف), নতুবা তা বিশেষ (خاصة); সুতরাং আমরা বললাম—

১৮৮ - আমি একে উত্তমভাবে চূর্ণ করেছি; আর এটি সুনিশ্চিতভাবে (جزما) আসে … এবং না-বোধক (تنفي) অর্থ প্রদান করে, যেমন: 'এটি কোনো দুঃখদায়ক বিষয় নয়'।

১৮৯ - এটি হিজাজে শর্তসাপেক্ষে প্রভাব বিস্তার (تعمل) করে; … তবে নজদ, তিহামাহ এবং অন্যরা এর অনুমতি দেয়নি।(২)

১৯০ - এটি মুদারে (مضارع) ক্রিয়াকে বর্তমানকালের (حال) জন্য নির্দিষ্ট করে দেয়; … যদি সেখানে সুনির্দিষ্ট করার মতো কোনো আলামত (قرينة) না থাকে।

১৯১ - এটি মাসদারিয়্যাহ (مصدرية)-ও হয়, যেমন— (তারা কামনা করে যা তোমাদের কষ্টে ফেলে); … এর মধ্যে সময়ের জন্য ব্যবহৃত হয় "যখনই তা আলোকিত হয়"।

১৯২ - ইবন জিন্নী ও যামাখশারী বলেছেন: 'আন' (أن) … সময়ের অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে 'মা' (ما)-এর সাথে অংশীদার হয়।

--------------------------------------------

(১) তাঁর উক্তি: "ওটি কী?" এটি 'মা' দ্বারা প্রশ্নবোধক বা ইস্তেফহাম (استفهام)-এর উদাহরণ। তাঁর উক্তি: "তা কতই না সুন্দর!" এটি আশ্চর্যবোধক বা তাআজ্জুব (تعجب)-এর উদাহরণ। "এবং প্রশংসিত বিষয়ের পাশ দিয়ে চলো... ইত্যাদি" এটি সিফাতযুক্ত অনির্দিষ্ট বিশেষ্য বা নাকেরা মাওসুফাহ (النكرة الموصوفة)-এর উদাহরণ। তাঁর উক্তি: "মুক্বারত্বাক্ব" —জের যুক্ত অবস্থায়— কামূস গ্রন্থে বলা হয়েছে: 'কুরত্বাক্ব' —জুন্দুব-এর ওজনে— একটি আরবিকৃত পরিধেয় পোশাক: কুর্তা। 'ক্বারত্বাক্বতুহু ফাতাক্বারত্বাক্বা' অর্থ: আমি তাকে তা পরিয়েছি এবং সে তা পরিধান করেছে। সমাপ্ত। তাঁর উক্তি: "মিষ্টাধর": 'লামা' শব্দটিতে লাম বর্ণে তিন হরকতই পড়া যায়, এর অর্থ ঠোঁটের শ্যামলতা বা ঠোঁটের কালো আভা। কামূস গ্রন্থে এমনই রয়েছে।

(২) আল-মুগনী (পৃষ্ঠা ৩৯৯) দ্রষ্টব্য।
(খণ্ড: ২০) নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১২৬)
193 - زَعْمٌ(1) وكافَةٌ فـ (ما) قد تَرِدُ … كـ (إنَّما اللهُ إلهٌ واحِدُ)

194 - وزِدْ لتوكيدٍ تَجِيءُ فَبِمَا … عَفْوٍ ورَحْمةٍ مِنَ اللهِ كـ (ما)

195 - مِنْ قَبْلُ مَا فرَّطُتمُ في يوسُفَا … فالْزَمْ بتوكيدٍ هنا أَنْ يُوصَفَا

196 - وقيل: مَصْدَريَّةٌ فَحصِّلَهْ … وجَعَلوا موضعَها معَ الصِّلَهْ

197 - بالابتدا رَفْعًا ومِنْ قَبْلُ الخَبرْ … ورُدَّ فالغاياتُ لا تأتي خَبَرْ

198 - وليس أَحْوالًا تَرَى الغاياتِ … ولا صفاتٍ بَلْ ولا صِلَات

199 - عن سيبويهِ وجماعةٍ رُوي(2) … هذا وتَمَّتْ ثُمَّ حَمْدي للقوي

200 - مُحَمْدِلاً مُصَلِّيًا مُسَلِّما … وأَحْسَنَ اللهُ لنا المُحتَّما(3)

200(4)

عبد الرحمن المعلمي

--------------------------------------------

(1) هكذا بالرفع، ويظهر أنه متعلق بالبيت السابق على أنه خبر لمبتدإٍ محذوف والتقدير: "وهو زعمٌ" أي: قول ابن جني والزمخشري في كون (ما) تشارك في النيابة عن الزمان (أنْ) المصدرية. راجع المغني (ص 401).

(2) من قوله: "كما مِن قبل ما فرطتم … " إلى هنا تطرق فيها لإعراب (ما) في قوله تعالى: {مَا فَرَّطْتُمْ فِي يُوسُفَ} وتجد المسألة مبسوطة في المغني (ص 418).

(3) قوله: "محمدلاً" أي: قائلاً الحمد لله، وقوله: "المحتّما" من الحتم وهو القضاء وإيجابه كما في القاموس، ولعله يريد هنا الأجل.

(4) هذا الرقم وضَعَه الناظم إشارةً منه إلى عدد أبيات النظم، وقد كتب أولاً (198) ثم ضرب عليه.
১৯৩ - একটি দাবি (زعم)(১) এবং সকল ক্ষেত্রে (كافة), কখনও ‘মা’ (ما) আসে... যেমন: (নিশ্চয়ই আল্লাহ একমাত্র ইলাহ)

১৯৪ - তাকিদের (توكيد) জন্য অতিরিক্ত (زائدة) হিসেবে এটি আসে, যেমন আল্লাহর ক্ষমা ও রহমতের বর্ণনায় ‘মা’ (ما)-এর ব্যবহার

১৯৫ - "ইউসুফের ব্যাপারে ইতিপূর্বে তোমরা যা ত্রুটি করেছ" - এখানে তাকিদ (توكيد) দ্বারা এর বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা আবশ্যক

১৯৬ - কেউ কেউ বলেছেন এটি মাসদারিয়া (مصدرية), তাই এটি অনুধাবন করো... এবং তারা একে এর পরবর্তী বাক্যাংশের (صلة) স্থলাভিষিক্ত করেছেন

১৯৭ - ইবতিদা (ابتداء) অনুযায়ী রফ (رفع) হিসেবে এবং ইতিপূর্বে খবর (خبر) হিসেবে; তবে তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, কারণ গায়াত (غايات) কখনও খবর (خبر) হিসেবে আসে না

১৯৮ - তুমি গায়াত (غايات) সমূহকে হাল (أحوال), সিফাত (صفات) এমনকি সিলাহ (صلات) হিসেবেও দেখবে না

১৯৯ - সিবওয়াইহ এবং একদল আলিম থেকে এটি বর্ণিত (روي) হয়েছে(২)... এখানেই এটি সমাপ্ত হলো, অতঃপর শক্তিশালী সত্তার (আল্লাহর) জন্য আমার প্রশংসা

২০০ - আল্লাহর প্রশংসা (حمد), সালাত ও সালাম পেশরত অবস্থায়; আল্লাহ আমাদের শেষ পরিণামকে (المحتّم) সুন্দর করুন(৩)

২০০(৪)

আব্দুর রহমান আল-মুআল্লিমি

--------------------------------------------

(১) শব্দটি এখানে রফ (رفع) অবস্থায় রয়েছে, এবং প্রতীয়মান হয় যে এটি পূর্ববর্তী শ্লোকের সাথে সংশ্লিষ্ট এবং একটি উহ্য মুবতাদার (مبتدأ) খবর (خبر); এর মূল বিশ্লেষণ হলো: "এটি একটি দাবি (زعم)", অর্থাৎ ‘মা’ (ما) অব্যয়টি সময়ের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে মাসদারিয়া (مصدرية) ‘আন’ (أن)-এর অংশীদার হওয়া সম্পর্কে ইবনে জিন্নি ও যামাখশারির উক্তি। দ্রষ্টব্য: আল-মুগনি (পৃ. ৪০১)।

(২) তার উক্তি "যেমন ইতিপূর্বে তোমরা যা ত্রুটি করেছ..." থেকে এ পর্যন্ত মহান আল্লাহর বাণী {মَا فَرَّطْتُمْ فِي يُوسُفَ}-এ ‘মা’ (ما)-এর ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আপনি এই বিষয়টি আল-মুগনি (পৃ. ৪১৮)-তে বিস্তারিত পাবেন।

(৩) তার উক্তি: "মুহামদিলান" অর্থাৎ 'আলহামদুলিল্লাহ' পাঠকারী। তার উক্তি: "আল-মুহাততামা" (المحتّم) শব্দটি 'হাতম' (الحتم) থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ আল-কামুস অভিধান অনুযায়ী ফয়সালা বা কোনো বিষয় আবশ্যক করা; সম্ভবত তিনি এখানে আয়ু বা শেষ সময় বুঝিয়েছেন।

(৪) এই সংখ্যাটি নাজিম (কবিতা রচয়িতা) তার কবিতার মোট শ্লোক সংখ্যা বোঝাতে ব্যবহার করেছেন। তিনি প্রথমে ১৯৮ লিখেছিলেন, এরপর তা কেটে সংশোধন করেছেন।