(খণ্ড: ১)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: -)
نظم قواعد الإعراب الصغرى - ضمن «آثار المعلمي» القسم: النحو والصرف
الكتاب: نظم قواعد الإعراب الصغرى
[آثار عبد الرحمن بن يحيى المعلمي اليماني (20)]
المؤلف: عبد الرحمن بن يحيى المُعَلِّمي اليماني (1313 - 1386 هـ)
المحقق: أسامة بن مسلم الحازمي
راجعه: محمد أجمل الإصلاحي - محمد عزير شمس
الناشر: دار عالم الفوائد للنشر والتوزيع
الطبعة: الأولى، 1434 هـ
قدمه للشاملة: مؤسسة «عطاءات العلم»، جزاهم الله خيرا
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 10 شوّال 1442
নাজম কাওয়াইদুল ইরাব আস-সুগরা - «আছারুল মুয়াল্লিমী» এর অন্তর্ভুক্ত বিভাগ: নাহু ও সারফ
বই: নাজম কাওয়াইদুল ইরাব আস-সুগরা
[আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানীর রচনাবলি (২০)]
লেখক: আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানী (১৩১৩ - ১৩৮৬ হিজরি)
তাহকীককারী: উসামা বিন মুসলিম আল-হাজিমি
পর্যবেক্ষণ করেছেন: মুহাম্মদ আজমাল আল-ইসলাহী - মুহাম্মদ উজাইর শামস
প্রকাশনী: দার আলামুল ফাওয়াইদ লিন-নাশর ওয়াত-তাওজি
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৪ হিজরি
শামেলায় পেশ করেছে: ‘আতাআত আল-ইলম’ ফাউন্ডেশন, জাযাহুমুল্লাহু খাইরান
[বইয়ের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রিত কপির অনুরূপ]
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১০ শাওয়াল ১৪৪২
(খণ্ড: ২০)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ১০৫)
الرسالة الرابعة
نظم قواعد الإعراب الصغرى
চতুর্থ রিসালাহ
কাওয়াইদুল ই'রাব আস-সুগরা-এর কাব্যরূপ
(খণ্ড: ২০)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ১০৭)
بسم الله الرحمن الرحيم
1 - يَسْتَمنحُ الرحمنَ خيرًا عَبْدُهُ
(1) … عونًا وتوفيقًا يدوم سَعْدُهُ
2 - مُسْتَفْتِحًا مولاهُ أَبْواب النِّعَمْ
… كما يرجِّى مِنْه ترتيجَ النِّقَمْ
(2)3 - الحمدُ للَّهِ وصلّى اللَّهُ
… مُسَلِّمًا على مَنِ اصطفاهُ
4 - مُحمدٍ والآلِ والأصحابِ
… وهذه قَواعِدُ الإعْراب
5 - لابنِ هشامٍ وَهِيَ الصُّغْرى كما
… تَراه قَدْ رُمْتُ لها أنْ أنْظِما
6 - وزِدتُها لطائفَ من شَرْحها
… لابن جَماعةٍ لأَجْلِ نُجْحِها
7 - وليس لي في نَظْمها من فَضْلِ
… لأنَّ حكم النَّظْم حُكْمُ النقْل
8 - وأستعينُ اللَّهَ ربَّ العالمينْ
… على بَيانِ نَظْمها للقارئينْ
الباب الأول9 - أَبْوابُها ثَلاثةٌ فالأوّلُ
… تَأْتيكَ فيه بالبيانِ الجُمَلُ
--------------------------------------------
بسم الله الرحمن الرحيم
১ - তাঁর বান্দা দয়াময় (রহমান)-এর নিকট কল্যাণ প্রার্থনা করছে
(১) … এমন সাহায্য ও তাওফিকের জন্য, যার মাধ্যমে তার সৌভাগ্য চিরস্থায়ী হয়।
২ - তিনি তাঁর মাবুদের নিকট নিয়ামতের দ্বারসমূহ উন্মোচনের প্রার্থনা করছেন
… যেমনটি তিনি তাঁর নিকট বিপদের দ্বার রুদ্ধ (ترتيج) করার আশা রাখেন।
(২)৩ - সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং আল্লাহর সালাত
… ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর ওপর যাকে তিনি মনোনীত করেছেন।
৪ - মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সাথীবর্গের ওপর। আর এগুলো হলো কাওয়ায়েদুল ই’রাব (ব্যাকরণিক বিশ্লেষণের নীতিমালা)।
৫ - এটি ইবনে হিশামের রচিত, যা ‘আস-সুগরা’ নামে পরিচিত, যেমনটি
… আপনি দেখছেন; আমি এটিকে কাব্যাকারে সাজানোর সংকল্প করেছি।
৬ - আমি এতে ইবনে জামাআহ-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ থেকে কিছু সূক্ষ্ম বিষয় যোগ করেছি
… এর সফল সমাপ্তির উদ্দেশ্যে।
৭ - এই কাব্য রচনার ক্ষেত্রে আমার বিশেষ কোনো কৃতিত্ব নেই
… কারণ কাব্যরুপের বিধান মূল বর্ণনা (نقل)-এরই অনুরূপ।
৮ - আর আমি বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করছি
… পাঠকদের নিকট এই কাব্যের ব্যাখ্যা উপস্থাপনের বিষয়ে।
প্রথম অধ্যায়৯ - এর অধ্যায় তিনটি; প্রথমটি
… আপনার নিকট বাক্যসমূহের বর্ণনা স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করবে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ১০৮)
المسألة الأولى10 - فيه مسائلٌ
(1) فَما لَفْظٌ أفادْ
… فَهْوَ كَلامٌ وهو جُمْلةٌ
(2) أفادْ
11 - إِنْ صُدِّرَتْ بالاسمِ فالإسْميَّه
… تكونُ أو بالفِعْلِ فالْفِعْليَّه
12 - كُلُّ كَلامٍ جُمْلةٌ لا عَكْسُ
… وهو الصَّحيحُ ليسَ فيه لَبْسُ
(3)13 - إنْ بُنِيَتْ على سِواها الصُّغْرى
… وما تكونُ ضِمْنَها فالكُبْرى
14 - فَعَامِرٌ قام أبوه كُبْرى
… و"قام" منها و"أبوه" صُغْرى
15 - والجُمَلُ التي لها مَحَلُّ
… سَبْعٌ أَتَتْ وعَقْدَها نَحُلُّ
16 - أَوَّلُها ما خَبَرًا قد وَقَعتْ
… مَوْضِعُها رَفْعٌ وكان نَصَبَتْ
(4)17 - كعَامِرٌ أو أنّه ذا عَمُّهُ
… أو كانَ أو كادَ يُصَلِّي أُمَّهُ
(5)18 - وزَيْدٌ اضْربْهُ وعَمْروٌ هَلْ أَتى
… فَصِحَّةُ الرَّفْعِ هُنا قَدْ أُثْبِتَا
(6)19 - والحالُ والمفعولُ
(7) جُملةً نُصِبْ
… كـ قال زيدٌ أو خذوا قلبي يَجِبْ
--------------------------------------------
প্রথম মাসআলা (المسألة الأولى)১০ - এতে কয়েকটি মাসআলা (مسائل)
(১) রয়েছে; সুতরাং যে শব্দ অর্থ প্রদান করে
… তা-ই হলো কালাম (كَلامٌ) এবং এটি একটি অর্থবোধক বাক্য (جُمْلةٌ)
(২)১১ - যদি তা ইসম (اسم) [বিশেষ্য] দিয়ে শুরু হয়, তবে তা ইসমিয়্যাহ (إِسْمِيَّةٌ) [নামবাচক বাক্য]
… হবে; আর যদি ফেল (فِعْلٌ) [ক্রিয়া] দিয়ে শুরু হয়, তবে তা ফেলিইয়্যাহ (فِعْلِيَّةٌ) [ক্রিয়াবাচক বাক্য]
১২ - প্রতিটি কালামই (كَلامٌ) একটি বাক্য (جُمْلةٌ), তবে এর বিপরীতটি নয়
… আর এটিই সঠিক (صحيح) মত, এতে কোনো অস্পষ্টতা নেই
(৩)১৩ - যদি কোনো বাক্য অন্য কোনো বাক্যের ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয়, তবে তা সুগরা (صُغْرَى) [ক্ষুদ্রতর বাক্য]
… আর যার অভ্যন্তরে এটি থাকে, তা হলো কুবরা (كُبْرَى) [বৃহত্তর বাক্য]
১৪ - যেমন 'আমিরুন কমা আবুহু' বাক্যটি কুবরা (كُبْرَى)
… আর এর অন্তর্ভুক্ত 'কমা' (قام) এবং 'আবুহু' (أبوه) হলো সুগরা (صُغْرَى)
১৫ - যেসব বাক্যের (الجُمَل) ব্যাকরণিক অবস্থান (মahal - محل) রয়েছে
… তা সাতটি হিসেবে এসেছে এবং আমরা সেগুলোর জট এখন খুলছি
১৬ - সেগুলোর প্রথমটি হলো যা খবর (خَبَرٌ) হিসেবে পতিত হয়
… এর অবস্থান হয় রফ' (رَفْعٌ) [পেশ] বিশিষ্ট, তবে 'কানা' (كَانَ) একে নসব (نَصَبٌ) [যবর] প্রদান করে
(৪)১৭ - যেমন 'আমিরুন' বা 'ইন্নাহু যা আম্মুহু'
… অথবা 'কানা' বা 'কাদা' এর পরবর্তী বাক্য, 'সে যেন তার গন্তব্যের দিকে ধাবিত হচ্ছে'
(৫)১৮ - আর 'যাইদুন ইদরিবহু' এবং 'আমরুন হাল আতা'
… এখানে রফ' (رَفْعٌ) হওয়ার বিশুদ্ধতা প্রমাণিত হয়েছে
(৬)১৯ - হাল (حال) এবং মাফ'উল (مفعول)
(৭) বাক্য হিসেবে নসব (نُصِبْ) [যবর] বিশিষ্ট হয়
… যেমন 'যাইদ বলেছে' বা 'তোমরা আমার অন্তর নিয়ে নাও' এটি আবশ্যকীয়
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ১০৯)
20 - فإنْ تَنُبْ عَنْ فاعلٍ فالرَّفْعُ
… مَحَلُّها كقِيلَ زيدٌ يدعو
21 - والقولُ قَدْ يأْتِي بِمعْنى الظَّنِّ
… في نَحْوِ هل تقولُ زيدًا يُغْني
22 - إنّيَ أَدْعو بَعْد بَدْءِ قولي
… ليسَتْ بمفعولٍ حُكِيْ بالقَولِ
(1)23 - وما إليها قد
(2) أَضفَتَ الجرُّ
(3) … مَحلُّها كيوم قام عَمْروُ
24 - وخُذْ ثمانًا قَدْ تُضَافُ للجُمَلْ
… حَيثُ لدُنْ أسما الزَّمانِ فَقُبِلْ
25 - وذي مِن "اذْهَبَنْ بذي تَسلّمُ
(4) "
… فـ (ذي) كصاحبٍ أُضِيفَتْ فافْهموا
26 - وقيل بل ذي كالذي فهي صِلَهْ
… فلا مَحلَّ بل تكونُ مُهْمَلهْ
(5)27 - وريْثَ وابنُ مالكٍ فيها وفي
… لدُنْ له مقالتان فَاقْتَف
28 - إِحْداهُما: الفِعْلُ على إضْمار (أنْ)
… بَعْدهُما وذَاك زَعْمٌ فافْتَطِنْ
(6)29 - وآيةٌ مُرادِفُ العَلَامَهْ
… في قَولِ سيبُويهْ ذُرَى الفَخَامه
(7)--------------------------------------------
20 - যদি তা কর্তার স্থলাভিষিক্ত (تنب) হয়, তবে তার স্থান হবে রফ (الرفع)... যেমন ‘বলা হয়েছে (قيل) জায়েদ ডাকছে’।
21 - আর ‘কওল’ বা বলা (القول) শব্দটি কখনো কখনো ধারণা করা (الظن)-এর অর্থে আসে... যেমন ‘তুমি কি বলছ (هل تقول - অর্থাৎ মনে করছ) জায়েদ অভাবমুক্ত করবে?’
22 - ‘আমি আমার কথা শুরু করার পর দোয়া করি’—এটি ‘কওল’ (القول) দ্বারা বর্ণিত কোনো মাফউল বা কর্ম (مفعول) নয়।
(1)23 - আর আপনি যার প্রতি সম্বন্ধ (أضفت) করেছেন, তার স্থান হবে জর (الجر)... যেমন ‘যেদিন আমর দাঁড়িয়েছিল’।
(3)24 - এমন আটটি শব্দ গ্রহণ করুন যা বাক্যের প্রতি সম্বন্ধযুক্ত (تضاف) হতে পারে; সেগুলো হলো: ‘হাইসু’ (حيث), ‘লাদুন’ (لدن) এবং সময়ের বিশেষ্যসমূহ (أسماء الزمان), সুতরাং তা গ্রহণ করুন।
25 - আর ‘নিরাপদ অবস্থায় চলে যাও’ বাক্য থেকে গৃহীত এই ‘যি’ (ذي) শব্দটি; এখানে ‘যি’ শব্দটি ‘সাহিব’ (صاحب) বা অধিকারীর মতো সম্বন্ধযুক্ত (أضيفت) হয়েছে, সুতরাং বুঝে নিন।
(4)26 - বলা হয়েছে যে, বরং ‘যি’ (ذي) শব্দটি ‘আল্লাযি’ (الذي)-এর মতো, তাই এটি একটি সিলাহ বা সম্বন্ধসূচক বাক্য (صلة); এর কোনো স্থান নেই বরং এটি আমলহীন (مهملة) হবে।
(5)27 - ‘রাইসা’ (ريث) এবং ‘লাদুন’ (لدن)-এর বিষয়ে ইবনে মালিকের দুটি অভিমত রয়েছে, সুতরাং তা অনুসরণ করুন।
28 - তার একটি হলো: এই দুটির পরে একটি উহ্য (إضمار) ‘আন’ (أن)-এর ভিত্তিতে ক্রিয়াটি গঠিত হওয়া, আর এটি একটি দাবি মাত্র, সুতরাং সচেতন হোন।
(6)29 - আর ‘আয়াত’ (آية) শব্দটি ‘আলামত’ বা চিহ্নের (العلامة) সমার্থক; যা শ্রেষ্ঠত্বের শিখরে আসীন সিবওয়াইহ-এর উক্তি।
(7)--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ১১০)
30 - سابعُها قَولٌ وخُذْ ثامِنَها
… قائلَ فاحْفَظْها وكُنْ مُتْقِنَها
(1)31 - ثُمَّ جوابُ الشرط جازمًا
(2) إذا
… تُقْرنْ بفاءٍ أو فُجاءةٍ إذا
32 - خامسةٌ كمَنْ يَقُمْ فَهُوْ رُفعْ
… وإنْ تَقُلْ إذا عليٌّ مُسْتَمِعْ
(3)33 - وإنّما كان مَحلًّا جَزْمُها
… إذْ لم يكنْ يقبل لفظًا صَدْرُها
34 - إذْ لم تكنْ بِقابِلٍ مُصَدَّرَهْ
… والفاءُ كالمذكُورةِ المُقَدَّرهْ
35 - سَادِسَةٌ لمُفْردٍ مَا تَابِعَهْ
… أو جملةٍ لها مَحَلٌّ سَابِعَهْ
(4)36 - كاليومَ يومٌ زَانَنَا وذَا الفتى
… أَبَى أبوه وأخوه قد أتى
37 - وتابِعُ المُفْردِ مَنْعُوتٌ بها
… مَعْطُوفةٌ مُبْدَلَةٌ فَانْتَبِها
38 - تابعةُ الجُمْلَةِ في التَّوابِعِ
… تكونُ لا النَّعْتُ فَحَقِّقْ واتْبع
--------------------------------------------
30 - সপ্তমটি হলো ‘কওল’ (উক্তি) এবং অষ্টমটি গ্রহণ করো
… ‘কায়িল’ (বক্তা), সুতরাং এগুলো মুখস্থ করো এবং এ বিষয়ে সুনিপুণ (متقن) হও।
(১)31 - অতঃপর জাজিম (جزم প্রদানকারী) শর্তের উত্তর
… যখন তা ‘ফা’ অথবা আকস্মিকতা প্রকাশক ‘ইজা’ এর সাথে যুক্ত হয়।
(২)32 - পঞ্চমটি হলো যেমন—‘যে দাঁড়াবে সে উন্নীত হবে’; আর যদি তুমি বলো—‘হঠাৎ আলী শ্রবণকারী’।
(৩)33 - আর কেবল তার স্থলাভিষিক্ত হওয়াটি জজম (جزم) হিসেবে গণ্য হবে
… যেহেতু তার প্রারম্ভিক অংশটি শব্দগতভাবে তা গ্রহণ করতে সক্ষম নয়।
34 - যেহেতু তার প্রারম্ভিক অংশটি তা গ্রহণকারী নয়
… আর ‘ফা’ হলো উল্লিখিত উহ্য (مقدرة) বিষয়ের মতো।
35 - ষষ্ঠটি হলো যা কোনো একক শব্দের অনুগামী হয়
… অথবা সপ্তমটি এমন বাক্য যা কোনো (অন্য একটি) বাক্যের অনুগামী যার ই’রাবি স্থান (محل) আছে।
(৪)36 - যেমন: ‘আজ সেই দিন যা আমাদের সুশোভিত করেছে’ এবং ‘এই যুবকটি, যার পিতা অস্বীকার করেছে এবং যার ভাই এসেছে’।
37 - আর একক শব্দের অনুগামীটি তার দ্বারা বিশেষিত (منعوت) হয়
… তা আতফযুক্ত (معطوفة) অথবা স্থলাভিষিক্ত (مبدلة) হয়ে থাকে, সুতরাং এ বিষয়ে সচেতন হও।
38 - অনুগামী শব্দাবলির অন্তর্ভুক্ত বাক্যের অনুগামীটি
… (এমনই) হয়ে থাকে, তবে তা সিফাত (نعت) হয় না; সুতরাং এটি যাচাই করো এবং অনুসরণ করো।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ১১১)
39 - وصاحِبُ المِفْتَاحِ في التَّعَجُّبِ
… أَدْخَلَها فَلِلْعُلومِ انْتَدِب
40 - وشَرْطُ إِبْدالٍ وَفَاءُ الثَّانيه
… أَوْ هِيَ كالأَوْفَى ومِثْلُ الوافِيَهْ
41 - ثالثةُ المسَائِلِ ابْحَثْ عن جُمَلْ
… سَبْعٍ من الإعراب لا لها مَحَلْ
(1)42 - أَوَّلُها مُسْتَأْنَفٌ
(2) بها كجا
… زَيدٌ وإنَّ خالدًا لذو حِجَا
43 - وإنْ يَسِرْ زيدٌ أَسيرُ هل أسيرْ
… مُسْتَأنفٌ أو لا خلافٌ مُسْتَنيرْ
(3)44 - فسيبويه أنَّه مؤخَّرُ
… أمَّا المبرّد ففاءً يُضْمِرُ
45 - ويَظْهرُ الخُلْفُ إذا تُتْبِعُهُ
… هَلْ تَجْزِمُ التَّابعَ أو تَرْفَعُهُ
46 - ثانيةٌ
(4) ما صِلةً قَدْ وقَعَتْ
… نَحْو التي
(5) قام أبوها صُرِعَتْ
47 - آباءُ عَبَّاس وبَكْرٍ وعَلي
… والفَتْحِ
(6) لا مَصْدَرْ لـ (كان) يَنْجلي
48 - ناقِصةً
(7) ثَالِثةٌ مُعْتَرِضَهْ
… كخالدٌ ــ وهو همامٌ ــ اعرضهْ
(8)--------------------------------------------
৩৯ - এবং বিস্ময় প্রকাশে ‘আল-মিফতাহ’ গ্রন্থের লেখক ... একে অন্তর্ভুক্ত করেছেন, সুতরাং জ্ঞানের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করুন।
৪০ - আর স্থলাভিষিক্তকরণের (إبدال) শর্ত হলো দ্বিতীয়টির পূর্ণতা ... অথবা এটি পরিপূর্ণের ন্যায় এবং পূর্ণতাদানের ন্যায়।
৪১ - মাসআলাসমূহের তৃতীয়টি হলো বাক্য (جمل) নিয়ে গবেষণা করা; সাতটি বাক্যের কোনো ব্যাকরণিক অবস্থান (إعراب) নেই।
(১)৪২ - সেগুলোর প্রথমটি হলো প্রারম্ভিক (مستأنف) বাক্য, যেমন: জায়েদ এসেছে এবং নিশ্চয়ই খালিদ বুদ্ধিমান।
(২)৪৩ - আর যদি জায়েদ সফর করে, তবে আমি কি সফর করব? এটি কি প্রারম্ভিক (مستأنف) বাক্য হবে কি না—এ নিয়ে সুস্পষ্ট মতভেদ (خلاف) রয়েছে।
(৩)৪৪ - সিবাওয়াইহ-এর মতে এটি পশ্চাৎবর্তী; আর মুবাররিদের মতে এখানে একটি ‘ফা’ উহ্য রয়েছে।
৪৫ - আর এই মতভেদটি তখনই প্রকাশ পায় যখন আপনি এর অনুগামী শব্দ আনবেন; আপনি কি অনুগামী শব্দটিকে জজম (جزم) দেবেন নাকি রফ (رفع) দেবেন?
৪৬ - দ্বিতীয়টি
(৪) হলো যা সম্বন্ধসূচক (صلة) বাক্য হিসেবে واقع হয়েছে; যেমন: ‘যার পিতা দাঁড়িয়েছিল সে নারী আছাড় খেয়ে পড়েছে’।
(৫)৪৭ - আব্বাস, বকর, আলী এবং ফাতহ-এর পিতৃবর্গ ... ‘কানা’ (كان)-এর জন্য কোনো ক্রিয়ামূল বা মাসদার প্রকাশিত হয় না।
(৬)৪৮ - অপূর্ণ (ناقصة)
(৭) অবস্থায়। তৃতীয়টি হলো অন্তর্বর্তী (معترضة) বাক্য; যেমন: খালিদ—যে একজন বীর—তাকে পেশ করো।
(৮)--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ১১২)
49 - أبو عليٍّ
(1) اعْتَرضْ بِوَاحِدَه
… لا غَيرُ خالفوه فاجْنِ الفَائِدهْ
50 - عَنْ هذه حَاليَّةً قدْ مَازوا
… فَقَرْنُ ذي بالفاءِ قَدْ أَجازوا
(2)51 - وجَائِزٌ تَصْديرُها بما يَدُلْ
… [أنَّهْ]
(3) على استقبالٍ افْهَمْ يا رَجُلْ
52 - وغَيرُ خَبَريَّةٍ تَأْتي بها
… وقَرْنُها بالواو مَعْ تَصْديرها
53 - أيْ بِمُضَارعٍ يكونُ مُثْبَتَا
… ولا كذا حَاليّةٌ فأثْبِتَا
(4)54 - وما بِها فَسَّرْتَ وهي الرابِعَهْ
… كاذْكُرْ كَلامي: أنا أَفْدي رَابِعَهْ
55 - هِيْ فَضْلةٌ كاشِفَةٌ لِمَا تَلِيْ
… حَقِيقةً له فَحقِّقْ وابْتَلي
56 - قال الشَّلوبينُ: بَلى لها مَحَلْ
… بِحَسْبِ ما تُفَسِّرْ إِنْ له مَحَلْ
57 - خَامِسةٌ
(5) جوابُ قسم ترى
… كَـ وَالْعَليْ لأَضْرِبَنَّ جَعْفَرا
58 - وثَعْلَبٌ "زَيدٌ لأَضْرِبَنْ" مَنَعْ
… لأنَّه تناقضٌ فيه وَقَعْ
59 - لأنَّ مُخْبَرًا بها لها مَحَلْ
… وليس للجواب للقَسَمْ
(6) مَحَلْ
--------------------------------------------
49 - আবু আলী একটি বিষয়ে আপত্তি করেছেন... অন্য কেউ নন বরং তাঁরা তাঁর বিরোধিতা করেছেন, সুতরাং তুমি এই ফায়দা গ্রহণ করো।
50 - একে তাঁরা হাল-সূচক বাক্য থেকে পৃথক করেছেন... সুতরাং এর শুরুতে 'ফা' যুক্ত করা তাঁরা বৈধ বলেছেন।
51 - এর শুরুতে এমন শব্দ আসা জায়েজ যা ভবিষ্যৎ কাল নির্দেশ করে; হে ব্যক্তি! তুমি তা বুঝে নাও।
52 - এটি সংবাদবাচক বাক্য ব্যতীত অন্যভাবেও আসতে পারে... এবং এর শুরুতে 'ওয়াও' যুক্ত করে তা আরম্ভ করা যেতে পারে।
53 - অর্থাৎ, এমন মুদারে (বর্তমান বা ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়া) দ্বারা যা ইতিবাচক হয়... কিন্তু হাল-সূচক বাক্য এমন হয় না, সুতরাং তুমি এটি সাব্যস্ত রাখো।
54 - আর যার মাধ্যমে তুমি ব্যাখ্যা প্রদান করো সেটি হলো চতুর্থ প্রকার; যেমন: "আমার কথা স্মরণ করো: আমি রাবেয়ার জন্য উৎসর্গিত"।
55 - এটি মূল বাক্যের অতিরিক্ত অংশ যা তার পরবর্তী বিষয়ের প্রকৃত অর্থ উন্মোচন করে... সুতরাং এর হাকিকত যাচাই করো এবং পরীক্ষা করো।
56 - আল-শালুবীন বলেছেন: অবশ্যই এর একটি ব্যাকরণগত অবস্থান রয়েছে... যা সে ব্যাখ্যা করছে তার অবস্থান অনুযায়ী, যদি তার কোনো অবস্থান থেকে থাকে।
57 - পঞ্চম প্রকারটি হলো শপথের উত্তর; যেমন: "উন্নত মহান সত্তার শপথ! আমি অবশ্যই জাফরকে প্রহার করব"।
58 - আর ছা'লাব "যায়েদ অবশ্যই আমি প্রহার করব" (এইরূপ বাক্য গঠন) নিষিদ্ধ করেছেন... কারণ এতে বৈপরীত্য বিদ্যমান।
59 - কারণ যা সংবাদ হিসেবে বর্ণিত হয় তার একটি ব্যাকরণগত অবস্থান থাকে... কিন্তু শপথের উত্তরের কোনো ব্যাকরণগত অবস্থান নেই।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ১১৩)
60 - سادسةٌ جواب
(1) شَرْطٍ ما جَزَمْ
… كـ لو أَردتُ لكتبْتُ بالقَلَمْ
61 - كذا جَوابُ جَازمٍ لم يَقْترنْ
… بالفا ولولا كيفَ لَمَّا فافْقَهَنْ
62 - وَقُمْتُ ثُمَّ جاء زيدٌ
(2) سابِعَهْ
… إذْ لا مَحلَّ لِلَّتي هِيْ تابِعَهْ
63 - مسألةٌ
(3) رابعةٌ للجُمَلِ
… الخَبَريَّةِ لها بِفَصْل
64 - فَبْعدَ مَحْضِ النكراتِ قُلْ صِفَاتْ
… لصَنْعةٍ كـ مَنْ فتًى يَهْوى الفَتاتْ
65 - وإنْ تَلتْ معارفًا مَحضِيَّهْ
… فَهِيَ أحوالٌ تُرى مَرْضِيَّهْ
66 - أو بَعْدَ غير المحْضِ كان منهما
… فاحْمِلْ على ما شئتَ مِنْ حُكْمِهما
67 - والثانِ
(4) مَثَلُ الحمار يَحْمِلُ
… كـ جاء عبد صالحٌ يهرول
68 - بابٌ به الظَّرفُ وما قَدْ عَادلَه
(5) … يأتي وأربعًا تَرى مَسَائِلَهْ
69 - أَحَدُها التعليق بالفِعْل ومَا
… مَعْناهُ فيه الْزَمْ لكلٍّ منهما
70 - أو ما بمُشْبهٍ لِفْعلٍ أُوِّلا
… ذَكَر في المغني وثَمَّ مَثَّلا
(6)--------------------------------------------
60 - ষষ্ঠ প্রকার হলো এমন শর্তের জবাব (جواب) যা জজম (جزم) প্রদান করে না... যেমন: 'যদি তুমি চাইতে, তবে আমি কলম দিয়ে লিখতাম'।
61 - অনুরূপভাবে জজম (جزم) প্রদানকারী আমেলের সেই জবাব যা 'ফা' (فا) যুক্ত নয়... এবং লাওলা (لولا), কাইফা (كيف) ও লাম্মা (لما)-এর জবাবসমূহ; অতএব বিষয়টি অনুধাবন করো।
62 - আর "আমি দাঁড়ালাম অতপর যায়েদ এল" বাক্যটি সপ্তম প্রকার... যেহেতু এমন বাক্যের কোনো ব্যাকরণগত স্থান (محل) নেই যা এমন বাক্যের অনুগামী (تابعة) হয় যার কোনো ব্যাকরণগত স্থান নেই।
63 - চতুর্থ মাসআলা (مسألة) হলো সংবাদসূচক (خبرية) বাক্যসমূহ সম্পর্কে... যার জন্য একটি পৃথক পরিচ্ছেদ নির্ধারণ করা হয়েছে।
64 - অতএব বিশুদ্ধ অনির্দিষ্ট (نكرة محضة) বিশেষ্যের পরে সেগুলোকে বিশেষণ (صفات) বলো... আলংকারিক শৈলী হিসেবে যেমন- "কোন যুবক সেই তরুণীকে ভালোবাসে?"
65 - আর যদি সেগুলো বিশুদ্ধ নির্দিষ্ট (معرفة محضة) বিশেষ্যের পরে আসে... তবে সেগুলো অবস্থা (أحوال) হিসেবে গণ্য হবে যা গ্রহণযোগ্য।
66 - অথবা যদি অবিশুদ্ধ (নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট) বিশেষ্যের পরে আসে তবে উভয়টির সম্ভাবনা থাকে... এমতাবস্থায় সে দুটির যে কোনো বিধান (حكم) তুমি প্রয়োগ করতে পারো।
67 - দ্বিতীয় প্রকারের উদাহরণ হলো- "গাধাটি বোঝা বহন করছে"... এবং যেমন- "একজন সৎ ব্যক্তি দ্রুত হেঁটে এল"।
68 - এটি একটি পরিচ্ছেদ যেখানে স্থান ও কালবাচক অব্যয় (ظرف) এবং যা এর সমতুল্য... তা আলোচিত হবে এবং তুমি এর চারটি মাসআলা (مسائل) দেখতে পাবে।
69 - সেগুলোর একটি হলো ক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্টতা (تعليق) এবং যা... ক্রিয়ার অর্থ প্রদান করে, এ দুটির প্রত্যেকটির ক্ষেত্রে এটি অপরিহার্য।
70 - অথবা যা ক্রিয়া সদৃশ হিসেবে ব্যাখ্যা (أول) করা হয়... এটি আল-মুগনি গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে এবং সেখানে উদাহরণও দেওয়া হয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ১১৪)
71 - وهو الذي من قَبْلُ في السما إلهْ
… سبحانه جَلَّ وفي الأرض إلهْ
72 - وذَهَب ابْنَا طَاهرٍ خَروفِ
… لعدم التقديرِ مِثْلَ الكوفي
73 - في نحوِ زيدٌ عندي أو في الدارِ
… والمبتدا النَّاصِبُ خُذْ إخباري
74 - قالا: وإنَّ المبتدا للخبرِ
… يَرْفَعُ إنْ عَينًا له فاخْتَبِر
75 - وأنَّه إن كانَ غيرًا يَنْصِبُ
… وأنَّ ذا لسيبويهِ مَذْهَبُ
76 - وحَرَّرَ الكوفيُّ قولاً ثاني
… في نائبٍ وأُبْطِلَ القولانِ
(1)77 - وليس إلا (ليس) في النواقصِ
… لِحَدَثٍ ليست تدلُّ فَاخْصُص
78 - هذا الصَّحيحُ والخلاف ضُعِّفَا
(2) … فاحْفَظْ وكن ممَّنْ تَناهى واقْتَفى
79 - ونِعْمَ قال الفارسيْ فيها نَعَمْ
… يُعلَّقانِ وابنُ مَالكِ العَدَمْ
(3)80 - بِحَرفِ مَعْنًى قال في النِّيابةِ
… أبو عليٍّ وأبو الفتح الفَتِي
(4)81 - والبعْضُ أطْلَقوا بأنْ يُعَلَّقَا
… والبعضُ قالوا: لا يجوز مُطْلقا
82 - وكاف تَشْبِيهٍ ولولا ولَعَلْ
… وزائدٌ عن التَّعَلُّقِ انْفَصَلْ
83 - فأشبه الزائدَ لولا ولعَلْ
… واحذفهما لِشَبَهٍ قَدْرَ العِلَل
(5)--------------------------------------------
71 - তিনিই আল্লাহ, যিনি আসমানে ইলাহ এবং জমিনেও ইলাহ; তিনি সুমহান ও পবিত্র।
72 - ইবনে তাহের এবং ইবনে খারিফ এই মত গ্রহণ করেছেন যে, কুফিবাদীদের মতো এখানে কোনো কিছু উহ্য ধরার প্রয়োজন নেই।
73 - যেমন ‘জায়েদ আমার কাছে’ অথবা ‘জায়েদ ঘরে আছে’—এক্ষেত্রে মুক্তাদা-ই খবরকে নসব প্রদান করে, আমার এই সংবাদটি গ্রহণ করো।
74 - তাঁরা উভয়ে বলেছেন: মুক্তাদা খবরকে রফা প্রদান করে যদি খবরটি মুক্তাদারই সত্তাগত অনুরূপ হয়, তা পরীক্ষা করে দেখো।
75 - আর যদি খবরটি ভিন্ন কিছু হয় তবে তা নসব প্রদান করে; আর এটিই সিবওয়াই-এর মাজহাব।
76 - কুফিবাসীগণ নায়েবে ফায়েল সম্পর্কে দ্বিতীয় একটি মত ব্যক্ত করেছেন, তবে উভয় মতই বাতিল করা হয়েছে।
77 - অসম্পূর্ণ ক্রিয়াগুলোর মধ্যে কেবল ‘লাইসা’ ব্যতীত অন্য কোনোটি এমন নেই যা কোনো ক্রিয়া সংঘটিত হওয়ার ওপর দلالত করে না, তাই একে নির্দিষ্ট করো।
78 - এটিই সঠিক (صحيح) মত এবং এর বিপরীতটি দুর্বল (ضعيف) সাব্যস্ত হয়েছে; সুতরাং এটি মুখস্থ করো এবং তাদের অন্তর্ভুক্ত হও যারা জ্ঞান অর্জন করেছে ও অনুসরণ করেছে।
79 - ‘নি’মা’ শব্দের ক্ষেত্রে আল-ফারিসি বলেছেন যে, তারা সংশ্লিষ্ট হতে পারে, তবে ইবনে মালিক একে অস্বীকার করেছেন।
80 - স্থলাভিষিক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে আবু আলী এবং আবু ফাতহ অর্থের অব্যয় দ্বারা হওয়ার কথা বলেছেন।
81 - কেউ কেউ সাধারণভাবে সংশ্লিষ্ট হওয়ার কথা বলেছেন, আবার কেউ কেউ বলেছেন—এটি একেবারেই জায়েজ নেই।
82 - তুলনাবোধক ‘কাফ’, ‘লাওলা’ ও ‘লায়াল্লা’ এবং অতিরিক্ত বর্ণগুলো সংশ্লিষ্টতা থেকে মুক্ত।
83 - ‘লাওলা’ এবং ‘লায়াল্লা’ অতিরিক্ত বর্ণের সাদৃশ্য রাখে; কারণগুলোর সাদৃশ্যের কারণে তাদের সংশ্লিষ্টতা বিলুপ্ত করো।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ১১৫)
84 - فإنَّ ما بَعْدهما يَرْتَفِعُ
… بالابتدا غَيْرُهُما يَمْتَنِعُ
85 - ثُمَّ هُما بَعْد المعارفِ العُلَى
… والنَّكراتِ يُشْبِهَانِ الجُمَلا
86 - وعُلِّقَ الواقعُ حالًا أو خَبَرْ
… أو صِفَةً أو صِلَةً [بِإسْتَقَرْ
87 - أو كَائنٍ كذا إنِ اسمًا ظاهرًا
… قد رَفَعَا ذا خَامِسٌ قد ظَهَرا
88 - كذا إذا
(1) نَسْتَعْملُ التَّعَلُّقَا
… حَذْفًا كحِينَئذْ لأمرٍ سَبَقَا
89 - والآن أيْ: كانَ [كذاك]
(2) حِينَئِذْ
… وإِسْمَعِ الْآنَ فَحقِّقْها وخُذْ
90 - سابِعُها
(3) أن يُحْذَفَ المُتْعَلَّقُ
… بِشَرط تفسيرٍ كما قَدْ حَقَّقُوا
91 - يَومُ الخَميسِ صُمْتُ فيه ذا النُّهى
… وقَسَمٌ بِغَيرِ با ثامنُها
(4)92 - لكنَّه في ثامنٍ ورابعِ
… ليس سِوَى (استقرَّ) قدَّروا فَع
93 - وقدَّروا ما قَدَّروهُ إِلَّا
… أَنَّ ابنَ جنّي قال فيهِ قولا
94 - وذاك أنَّ الظرفَ إنْ كان خَبَرْ
… يجوز إظهارٌ وفي المغني
(5) نَظَرْ
--------------------------------------------
৮৪ - কারণ সেই দুইটির পরবর্তী পদটি রফ-যুক্ত (يرتفع) হয়
… প্রারম্ভিক অবস্থানের (ابتداء) কারণে সেগুলো ব্যতীত অন্য কিছু অসম্ভব।
৮৫ - অতঃপর সেই দুইটি উচ্চতর নির্দিষ্ট বিশেষ্য (معرفة) এর পরে এবং অনির্দিষ্ট বিশেষ্য (نكرة) এর পরে বাক্য (جملة) সমূহের সদৃশ হয়।
৮৬ - আর যা পতিত হয় তা অবস্থাজ্ঞাপক (حال), সংবাদ (خبر), বিশেষণ (صفة) অথবা সম্বন্ধসূচক (صلة) হিসেবে 'ইস্তাকাররা' (استقر) শব্দের সাথে সংশ্লিষ্ট (علق) হয়।
৮৭ - অথবা 'কায়িন' (كائن) শব্দের সাথে, অনুরূপভাবে যদি তা প্রকাশ্য বিশেষ্য (اسم ظاهر) হয় তবে তা সেটিকে রফ বা কর্তৃবাচক রূপ (رفع) প্রদান করে; এটি পঞ্চম প্রকার যা প্রকাশ পেয়েছে।
৮৮ - অনুরূপভাবে যখন আমরা সংশ্লিষ্টতা (تعلق) ব্যবহার করি বিলোপের (حذف) মাধ্যমে, যেমন 'হিনাইজিন' এর ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী বিষয়ের কারণে।
৮৯ - এবং 'আল-আন' এর অর্থ হলো: সেটিও তখন 'হিনাইজিন' এর মতো ছিল; এখন শোনো, এটি সঠিকভাবে অনুধাবন করো এবং গ্রহণ করো।
৯০ - তার সপ্তম প্রকার হলো যে, সংশ্লিষ্ট অংশটি (متعلق) বিলুপ্ত হবে ব্যাখ্যার শর্তে, যেভাবে তারা নিশ্চিত করেছেন।
৯১ - "বৃহস্পতিবার আমি রোজা রেখেছি," হে বুদ্ধিমান; আর 'বা' বর্ণ ব্যতীত শপথ হলো তার অষ্টম প্রকার।
৯২ - কিন্তু অষ্টম ও চতুর্থ প্রকারে তারা কেবল 'ইস্তাকাররা' (استقر) শব্দকেই নির্ধারিত (قدروا) করেছেন, এটি বুঝে নাও।
৯৩ - তারা যা নির্ধারণ করার তা করেছেন, তবে ইবনে জিন্নি এ বিষয়ে একটি মত প্রদান করেছেন।
৯৪ - আর তা হলো, যদি ক্রিয়া-বিশেষণ (ظرف) সংবাদ (خبر) হয়, তবে তা প্রকাশ করা বৈধ; এবং মুগনি গ্রন্থে এ নিয়ে পর্যালোচনা রয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ১১৬)
95 - قال
(1) وعندي أنَّه إذا حُذِفْ
… ثُمَّ ضَميرُه لما فيهِ ظَرُفْ
96 - عَاد فليسَ أَنْ يَبِينَ جَائزا
… لأنَّه قَدْ صار أَصْلاً جائزا
97 - ولا يُقَدَّرْ
(2) في الصِّفَاتِ مُسْتَقِرْ
… ثُمَّ لمبتدا يُقَدَّرُ الخَبَرْ
98 - في نَحوِ جَاءني الذي في الدار أَوْ
… عندك لِاطِّرادِ هذا قَدْ رَأَوْا
99 - ورَجُلٌ في الدارِ أو عندي فَلَهْ
… أَوجِبْ كما يجوز يأتيني فَلَهْ
100 - ولْيمتَنعْ عَبْدٌ مُكمَّلٌ فَلهْ
… دَراهِمٌ ونادرٌ مَنْ نَقَلَهْ
(3)101 - واختلفوا في الصفةِ الحالِ الخَبرْ
… والأكْثرون قدَّروا الفِعْلَ ذُكِرْ
(4)102 - لأنَّه في العَمل الأَصْلُ ومَنْ
… خَالفَ قال الاصل الافرادُ اعْلَمَنْ
103 - وفِعْلُها لابُدَّ من تقديرهِ
… بالوصْفِ فافْهَمْ مُقْتَضَى تَحْبِيره
104 - وآخرون جَوَّزوا ورَجَّحَا
… بَعْضُهُمُ والبعْضُ لا مُرَجِّحَا
105 - ومَا يكونُ مِنْهما مُعْتَمِدَا
… أَعْني على استفهامٍ او نَفْيٍ بَدا
106 - أو صفةً أو صِلَةً حالَ خَبَرْ
… فَرَفْعُهُ الفاعِلَ جَاز يا أَبَرْ
107 - قال وفي المرفوع ذا أَقْوالُ
… ثَلاثةٌ فالبعْضُ مِنْهم قَالوا
--------------------------------------------
95 - তিনি বলেন, আমার মতে যখন [ক্রিয়া] বিলুপ্ত করা হয়... তখন তার সর্বনামটি সেই ক্রিয়া-বিশেষণের (ظرف) মধ্যে থাকে।
96 - ফিরে আসে; সুতরাং সেটি প্রকাশ করা বৈধ (جائز) নয়... কারণ এটি একটি অনুমোদিত মূলে পরিণত হয়েছে।
97 - গুণাবলির (صفات) ক্ষেত্রে 'স্থির' (مستقر) হওয়া অনুমান করা যাবে না... অতঃপর উদ্দেশ্যের (مبتدأ) জন্য বিধেয় (خبر) অনুমান করা হবে।
98 - যেমন "আমার নিকট সেই ব্যক্তি এসেছে যে ঘরে আছে" অথবা "তোমার কাছে"; এই বিষয়টি নিয়মিত হওয়ার কারণে তারা এরূপ দেখেছেন।
99 - "এক ব্যক্তি ঘরে আছে" অথবা "আমার কাছে", এর ক্ষেত্রে এটি আবশ্যক করো যেমন "সে আমার নিকট আসে" বলা বৈধ (يجوز)।
100 - "এক পূর্ণাঙ্গ দাস, তার জন্য দিরহাম রয়েছে" এটি নিষিদ্ধ হওয়া উচিত, আর যারা এটি বর্ণনা করেছেন তারা বিরল (نادر)।
101 - তারা বিশেষণ (صفة), অবস্থা (حال) এবং বিধেয় (خبر) নিয়ে মতভেদ করেছেন; তবে অধিকাংশ আলেম উল্লিখিত ক্রিয়াটিকেই (فعل) অনুমান করেছেন।
102 - কারণ আমল বা ক্রিয়াশীলতার ক্ষেত্রে এটিই মূল, আর যারা দ্বিমত পোষণ করেছেন তারা বলেছেন: জেনে রেখো, মূল হলো একবচন (افراد) হওয়া।
103 - গুণের (وصف) মাধ্যমে এর ক্রিয়াকে (فعل) অবশ্যই অনুমান করতে হবে, সুতরাং এর বিন্যাসের দাবিটি বুঝে নাও।
104 - অন্যগণ একে বৈধ (جوزوا) বলেছেন; তাদের কেউ কেউ কোনো একটিকে প্রাধান্য দিয়েছেন, আবার কেউ কোনোটিকে প্রাধান্য দেননি।
105 - আর তাদের মধ্যে যেটি নির্ভরশীল হবে, অর্থাৎ যা প্রশ্নবোধক বা না-বোধক অব্যয়ের পরে প্রকাশ পায়...
106 - অথবা বিশেষণ (صفة), অন্বয় (صلة), অবস্থা (حال) বা বিধেয় (خبر) হিসেবে থাকে... তবে হে পুণ্যবান, তার জন্য কর্তাকে (فاعل) রফ প্রদান করা বৈধ (جاز)।
107 - তিনি বলেন: মারফু (مرفوع) হওয়ার বিষয়ে তিনটি অভিমত রয়েছে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ বলেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ১১৭)
108 - مُبْتَدأٌ أو فَاعِلٌ ورجَّحُوا
… والثانِ لابن مالكٍ مُرَجَّحُ
109 - والبعْضُ أوجَبْ أنْ يكونَ فَاعلا
… واخْتَلفوا مِنْ بَعْد ذاكَ هؤلا
110 - قالوا هَلِ العاملُ بالنِّيَابَةِ
… يَعْملُ عن فِعْلٍ أَوِ الأصالة
111 - واخْتِيرَ ثَانٍ
(1) فإذا لم يَعْتَمِدْ
(2) … فَجوَّزَ الأخفشُ والكوفيْ انْتُقِدْ
112 - وثَالِثُ الأبواب
(3) فيما يُذْكَرُ
… في أدواتٍ دَوْرُهَا قد يَكثُرُ
113 - فالواوُ
(4) حَرْفٌ مُطْلَقُ الجمْعِ تُفِيدْ
… والفاءُ تَعْقِيبًا
(5) وتَرْتيبًا تُفِيدْ
114 - وثُمَّ
(6) للتَّرتيبِ ثُمَّ المُهْلَهْ
… والخُلْفُ في هذيْنِ عُدَّ غَفْلَهْ
(7)115 - وقَدْ
(8) نُريدُ الحرف للتَّوقُّعِ
… كذا لِتَحْقيقٍ وتقليلٍ فَع
116 - مرادهم تجيْ لهذا تَارهْ
… وذاكَ أُخْرى فافْهَمِ الإشَارَهْ
(9)--------------------------------------------
১০৮ - মুক্তাদা (مبتدأ) অথবা ফায়েল (فاعل) এবং তাঁরা প্রাধান্য দিয়েছেন... আর ইবনে মালিকের নিকট দ্বিতীয়টিই অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত।
১০৯ - আর কেউ কেউ একে ফায়েল (فاعل) হওয়া আবশ্যক করেছেন... এবং এরপর তাঁরা এ বিষয়ে মতভেদ করেছেন।
১১০ - তাঁরা বলেন: স্থলাভিষিক্ত আমলকারী কি ক্রিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে আমল করে নাকি এটি তার মৌলিকতা (الأصالة)?
১১১ - দ্বিতীয়টি পছন্দ করা হয়েছে; অতঃপর যখন তা নির্ভরশীল হয় না, তখন আখফাশ ও কুফীগণ তা বৈধ বলেছেন যা সমালোচিত হয়েছে।
১১২ - আলোচনার তৃতীয় অধ্যায় ঐ সকল অব্যয় সম্পর্কে যা উল্লেখ করা হয়, যার ব্যবহার অত্যন্ত অধিক।
১১৩ - 'ওয়াও' (الواو) হলো এমন একটি অব্যয় যা সাধারণ সমাবেশের অর্থ প্রদান করে; আর 'ফা' (الفاء) ধারাবাহিকতা (تعقيب) ও অনুক্রমের (ترتيب) অর্থ দান করে।
১১৪ - 'সুম্মা' (ثم) ধারাবাহিকতা এবং বিরতির (المُهْلَهْ) জন্য ব্যবহৃত হয়; আর এই দুটির ক্ষেত্রে মতভেদকে অসতর্কতা হিসেবে গণ্য করা হয়।
১১৫ - কখনো আমরা 'ক্বদ' (قد) অব্যয়টি দ্বারা কোনো কিছু ঘটার প্রত্যাশা (توقع) উদ্দেশ্য নিই, তদ্রূপ এটি নিশ্চয়তা (تحقيق) এবং স্বল্পতা (تقليل) বুঝাতেও আসে।
১১৬ - তাঁদের উদ্দেশ্য হলো এটি কখনো এই অর্থের জন্য আসে আবার কখনো ঐ অর্থের জন্য; সুতরাং এই ইঙ্গিতটি বুঝে নাও।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ১১৮)
117 - والسِّينُ
(1) مَعْ سَوفَ لِلاسْتقْبالِ
… حَرْفَانِ سِيَّانِ على مَقال
118 - لكنَّه رُجِّحَ كونُ المُدَّةِ
… أَضْيَقَ من سَوفَ مع السين اثْبتِ
(2)119 - لم حَرْفُ جَزْمٍ ثم زِدْ بِهِ نَفِي
… مُضَارعٍ وقَلْبُهُ ماضٍ قُفِي
120 - وَزِيدَ في لمَّا
(3) اتِّصَالُ نَفْيهِ
… كذا تَوقُّعُ الثُّبوتِ انْتَبِه
121 - وَحَرْفُ نَصْبٍ لنْ
(4) وقيل في إِذَنْ
… حَرفُ جَوابٍ وجَزاءٍ فافْقَهَنْ
122 - ثُمَّ هِيَ اسْمٌ ويُقَالُ حَرْفُ
… وهي (إذا) أعني التي هي ظَرْفُ
123 - أصْلٌ إذا كان كذا كان كذا
… فَعُوِّضَ التنوينُ عن حَذْفٍ خُذَا
124 - وانْصِبْ بها بشرط الاسْتقبالِ
… تَصْديرِها وشَرطِ الاتِّصال
125 - أو فُصِلَتْ بقَسَمٍ أو (لا) التي
… تَنْفِي فلا يُمْنَعُ فافْهَمْ لَمْحتي
126 - وأَلْحَق ابنُ بَابَشَاذَ (يا) الدُّعُا
(5) … أو النِّداءَ وابنُ عُصْفورِ ادَّعى
--------------------------------------------
১১৭ - সিন (السين) এবং সাওফা (سوف) ভবিষ্যৎ কাল (استقبال) জ্ঞাপক... বর্ণনানুসারে বর্ণদ্বয় একই পর্যায়ের।
১১৮ - তবে সিন-এর ক্ষেত্রে সময়ের ব্যাপ্তি সাওফা-এর চেয়ে অধিক সংকীর্ণ হওয়ার বিষয়টি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে; সিন-এর বিষয়টি সাব্যস্ত করো।
(২)১১৯ - লাম (لم) জজম প্রদানকারী বর্ণ (حرف جزم), অতঃপর এর মাধ্যমে বর্তমান বা ভবিষ্যৎ কালীন ক্রিয়াকে (مضارع) নেতিবাচক (نفي) অর্থ প্রদান করো; এর অর্থ অতীত কালে (ماض) রূপান্তরিত হওয়া অনুসৃত।
১২০ - আর লাম্মা (لما)
(৩)-তে নেতিবাচকতার (نفي) ধারাবাহিকতা এবং এর সাথে বিষয়টি ঘটার প্রত্যাশা (توقع) যুক্ত থাকে, বিষয়টি লক্ষ্য করো।
১২১ - লান (لن)
(৪) নসব প্রদানকারী বর্ণ (حرف نصب)। আর ইযান (إذن) সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, এটি উত্তর (جواب) এবং প্রতিদানমূলক (جزاء) বর্ণ; বিষয়টি অনুধাবন করো।
১২২ - অতঃপর এটি একটি বিশেষ্য (اسم), আবার বলা হয় এটি একটি বর্ণ (حرف)। আর এটি হলো সেই 'ইযা' (إذا) যা কালবাচক বিশেষ্য (ظرف) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
১২৩ - এর মূল হলো "যদি এমন হতো তবে এমন হতো", অতঃপর বিলুপ্ত অংশের পরিবর্তে তানউইন প্রদান করা হয়েছে, এটি গ্রহণ করো।
১২৪ - এর মাধ্যমে নসব প্রদান করো ভবিষ্যৎ কাল (استقبال), বাক্যের প্রারম্ভে অবস্থান এবং পরবর্তী অংশের সাথে যুক্ত থাকার শর্তে।
১২৫ - অথবা যদি শপথ কিংবা না-বোধক 'লা' (لا) যা নেতিবাচকতা (نفي) প্রকাশ করে তা দ্বারা পৃথক করা হয়, তবে তা আমল করতে বাধা দেয় না; আমার ইশারাটি অনুধাবন করো।
১২৬ - ইবনে বাবশায দুআর (دعاء) 'ইয়া' অথবা নিদাকে (نداء)
(৫) এর অন্তর্ভুক্ত করেছেন, আর ইবনে উসফুর দাবি করেছেন...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ১১৯)
127 - الفَصْلَ بالظَّرفِ مِثَالُه إذَنْ
… ــ هنا ــ أُقيمَ في جوابٍ فافْهَمَنْ
128 - والفَصْلُ بالمعْمولِ للفِعْلِ هِشَامْ
… والأرجْحُ الرَّفْعُ لديهِ يا غُلامْ
129 - أمَّا الكِسَائيُّ فَثَمَّ رَجَّحَا
… النَّصْبَ والشَّرحُ
(1) بهذا صَرَّحا
130 - وفي (إذا)
(2) ظَرْفٌ لما يُسْتَقْبَلُ
… مِنَ الزَّمانِ واسْمُ شَرْطٍ فاعْقِلُوا
131 - خَافِضُ شَرْطٍ بالجَوابِ مُنْتَصِبْ
… (لَمَّا)
(3) وجودٌ لوجودٍ فانْتَدِبْ
132 - (لو)
(4) يَقْتضي امتناعَ مَا يَليهِ
… قُلْ فيه واسْتِلْزامَه تَالِيه
133 - (لولا)
(5) امتناعٌ لوجودٍ بَعْدها
… مُرْتَفِعٌ بالابتداءِ انْتَبِها
134 - وفي (نَعمْ)
(6) حَرْفُ وَعِيدٍ ثُمَّ تَصْـ
… ـدِيقٍ وَوَعْدٍ ثُمَّ إعلامٍ تَنُصْ
135 - وفي (بلى)
(7) إِيجابُ ما قَدِ انْتَفى
… وقيل (بَلْ) أَصْلٌ فَزَادُوا الأَلِفا
--------------------------------------------
১২৭ - ক্রিয়া-বিশেষণ (ظرف) দ্বারা ব্যবধান করা, এর উদাহরণ হলো ‘ইদান’ (إذَنْ)... এখানে এটি জবাব প্রদানের ক্ষেত্রে স্থলাভিষিক্ত হয়েছে, সুতরাং তুমি বুঝে নাও।
১২৮ - আর ক্রিয়ার কর্ম (معمول) দ্বারা ব্যবধান করা সম্পর্কে হিশাম বলেন... হে বৎস, তার নিকট এখানে ‘রাফ’ (রফু/পেশ) (رفع) হওয়াই অধিক অগ্রগণ্য।
১২৯ - পক্ষান্তরে আল-কিসায়ী সেখানে ‘নাসব’ (নসব/যবর) (نصب) হওয়াকে প্রাধান্য দিয়েছেন... এবং ‘শারহ’ (ব্যাখ্যাগ্রন্থ) (الشرح) এতে স্পষ্টভাবে তা ব্যক্ত করেছে।
১৩০ - আর ‘ইদা’ (إذا) শব্দটি ভবিষ্যতের সময়ের জন্য ক্রিয়া-বিশেষণ (ظرف) এবং এটি একটি শর্তবোধক বিশেষ্য (اسم شرط), তোমরা তা অনুধাবন করো।
১৩১ - এটি শর্তের কারণে ‘জার’ (জের) প্রদানকারী (خافض) এবং জবাবের কারণে ‘নাসব’ (নসব) প্রাপ্ত (منتصب) হয়... ‘লাম্মা’ (لما) হলো এক বিষয়ের অস্তিত্বের কারণে অন্য বিষয়ের অস্তিত্ব হওয়া, সুতরাং তুমি প্রস্তুত থাকো।
১৩২ - ‘লাও’ (لو) তার পরবর্তী বিষয়ের অসম্ভাব্যতা (امتناع) দাবি করে... এর সম্পর্কে বলো যে এটি তার পরবর্তী বিষয়কে অনিবার্য করে তোলে।
১৩৩ - ‘লাওলা’ (لولا) তার পরবর্তী বিষয়ের অস্তিত্বের কারণে (জবাবের) অসম্ভাব্যতা (امتناع) বোঝায়... এর পরবর্তী শব্দটি ‘মুবতাদা’ (ابتداء) হওয়ার কারণে ‘রাফ’ (পেশ) প্রাপ্ত হয়, এ বিষয়ে মনোযোগী হও।
১৩৪ - আর ‘না'আম’ (نعم) শব্দটি সতর্কবাণী (وعيد), অতঃপর সত্যায়ন (تصديق), অতঃপর প্রতিশ্রুতি (وعد) এবং সংবাদ (إعلام) প্রদানের অব্যয় হিসেবে স্পষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়।
১৩৫ - আর ‘বালা’ (بلى) নেতিবাচক কোনো বিষয়কে ইতিবাচক বা সাব্যস্ত (إيجاب) করার জন্য আসে... আর বলা হয়ে থাকে যে ‘বাল’ (بل) হলো এর মূল রূপ, যার সাথে আলিফ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ১২০)
136 - (إذْ)
(1) ظَرفُ مَا مِنَ الزَّمانِ قدْ مَضَى
… وقيل أَقْوالٌ بها لا تُرْتَضَى
(2)137 - وحَقَّقَ الجمهور ليست تَقَعُ
… إِلَّا لظَرفٍ أو مضافٍ تُوضع
138 - وقيل بل تَجيءُ مَفْعولاً كذا
… مُبْدلةً منه وهي مَعْ (إذا)
139 - ليسَتْ من الظُّروفِ أعني الَّلازِمَهْ
… عن سيبويهِ فالتزمْ لوازِمَهْ
140 - (كَلَّا)
(3) لرَدْعٍ وبمعنى حَقَّا
… ذا للكِسَائيْ وهو
(4) قولٌ يُلْقَى
141 - أبٌ لحاتِمٍ
(5) تجي مَعْنى (أَلَا
… أيْ ذاتُ الاسْتفتاحِ فافْهم مُجْمَلا
(6)142 - وقيل بَلْ حَرفُ جوابٍ كـ (نَعَمْ)
… و (أَيْ) بذا الفرَّاءُ والنَّضْرُ
(7) حَكَمْ
--------------------------------------------
১৩৬ - (ইয)
(১) হলো অতীতকালের কোনো সময়ের জন্য একটি কালবাচক পাত্র... এবং এর সম্পর্কে এমন কিছু মতও ব্যক্ত করা হয়েছে যা গ্রহণযোগ্য নয়।
(২)১৩৭ - জুমহুর (সংখ্যাগরিষ্ঠ) আলিমগণ নিশ্চিত করেছেন যে, এটি কালবাচক পাত্র অথবা মুদাফ হিসেবে ছাড়া অন্যভাবে ব্যবহৃত হয় না।
১৩৮ - কেউ কেউ বলেছেন বরং এটি কর্ম হিসেবেও আসে, তদ্রূপ এটি (ইযা)-এর ন্যায় বদল হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
১৩৯ - সিবাওয়াইহ-এর মতে এটি আবশ্যিক কালবাচক পাত্রগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয়; সুতরাং তাঁর নির্দেশিত নিয়মগুলো মেনে চলো।
১৪০ - (কাল্লা)
(৩) কোনো কাজ থেকে নিবৃত্ত করা এবং 'অবশ্যই' অর্থে ব্যবহৃত হয়; এটি কিসাঈর মত এবং এটি একটি বর্জনীয় মত।
(৪)১৪১ - আবু হাতিমের
(৫) মতে এটি (আলা)-এর অর্থে আসে, অর্থাৎ প্রারম্ভিক সূচনা হিসেবে; বিষয়টি সংক্ষেপে বুঝে নাও।
(৬)১৪২ - কেউ কেউ বলেছেন এটি বরং 'নাআম' এবং 'আই'-এর মতো একটি উত্তরবাচক অব্যয়; ফাররা এবং নজর
(৭) এই ফয়সালাই দিয়েছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ১২১)
143 - فَصْلٌ و (لا)
(1) نافيةٌ كـ لا فَرَى
… إلَّا على خَمْسةِ أَقْسامٍ تُرَى
144 - تَبْرِئَةٌ نَافِيةٌ للوِحْدَهْ
… عَاطِفَةٌ لها شُروطٌ عِدَّه
145 - فَسَبْقُ إثْباتٍ وأمْرٍ أو نِدَا
… والمُتَعَاطِفَانِ إنْ تَعانَدا
146 - ولا بِعَاطفٍ تكونُ قُرِنَتْ
(2) … تَبْرِئَةٌ في سَبْعةٍ قَدْ خَالفتْ
147 - (إنَّ) و (ليس) خَالفتْ ما الوِحْدَه
… نَفَتْ ثَلاثَةَ وُجوهٍ عُمدَهْ
148 - رَابِعُ أَقْسامٍ تَجِيْ حَرْفَ جَوَابْ
… مُنَاقِضٌ (نَعَمْ) هُدِيتَ للصوابْ
149 - خَامِسُها للنَّفْيِ غَيرَ ما مَضَى
… كـ (لا) عَليٌّ حاضِرٌ ولا الرِّضَى
150 - فإنْ تَلَتْهَا جُمْلةٌ إسْميَّهْ
… وصَدْرُها معرفةٌ مَحْمِيَّهْ
151 - أو نكرةٌ لم تَعْمَلنْ فيها أَوِ
… ماضٍ بلفْظٍ أو بتقديرٍ قَوي
152 - وَجَبَ تَكْرارٌ كما مثَّلْنا
… لا فيه محزونٌ ولا مُعَنَّى
(3)153 - ولا أقامَ خالدٌ ولا مَضَى
… وإنَّه كلا تَقُمْ
(4) في ذا الفَضَا
--------------------------------------------
143 - পরিচ্ছেদ: এবং (لا) হলো না-বোধক (نافية), যেমন 'লা ফারা' ... এটি পাঁচটি প্রকারে পরিদৃষ্ট হয়।
144 - শ্রেণি না-বোধক (تبرئة), একত্ব না-বোধক (نافية للوحدة) এবং অব্যয় (عاطفة) যার অনেকগুলো শর্ত রয়েছে।
145 - (অব্যয় হওয়ার শর্ত হলো) তার পূর্বে ইতিবাচক বাক্য, আদেশ বা সম্বোধন থাকা এবং সংযুক্ত শব্দদ্বয় পরস্পর বিরোধী হওয়া।
146 - আর এটি কোনো সংযোজক অব্যয়ের সাথে যুক্ত হবে না; শ্রেণি না-বোধক (تبرئة) সাতটি বিষয়ে (অন্যদের থেকে) ভিন্নতা পোষণ করেছে।
147 - 'ইন্না' (إنَّ) এবং 'লায়সা' (ليس) সেই একত্ব না-বোধক (ما الوحدة) থেকে তিনটি মৌলিক দিক দিয়ে ভিন্ন হয়েছে।
148 - চতুর্থ প্রকারটি হলো উত্তরবাচক বর্ণ (حرف جواب), যা 'হ্যাঁ' (نعم)-এর বিপরীত; তুমি সঠিক পথের দিশা পাও।
149 - পঞ্চমটি হলো ইতিপূর্বে আলোচিত প্রকারগুলো ব্যতীত সাধারণ না-বোধক (للنفي); যেমন- 'আলী উপস্থিত নেই এবং রিদাও নেই'।
150 - যদি এর পরে নামবাচক বাক্য (جملة اسمية) আসে এবং তার প্রারম্ভিক অংশটি নির্দিষ্ট (معرفة) হয়।
151 - অথবা অনির্দিষ্ট (نكرة) হওয়া সত্ত্বেও সেটি তাতে আমল (عمل) না করে, অথবা শব্দগতভাবে কিংবা শক্তিশালী অনুমানের ভিত্তিতে তা অতীতকাল নির্দেশ করে।
152 - তবে (সেক্ষেত্রে 'লা'-এর) পুনরাবৃত্তি করা ওয়াজিব বা আবশ্যক, যেমন আমরা উদাহরণ দিয়েছি— 'তাতে কোনো বিষণ্ণ ব্যক্তি নেই এবং কোনো দুশ্চিন্তাগ্রস্তও নেই'।
153 - 'খালিদ অবস্থানও করেনি এবং চলেও যায়নি'। আর এটি 'তুমি দাঁড়াবে না' (لا تقم)-এর মতো এই ক্ষেত্রে নিষেধবাচক (نهي) হিসেবেও আসে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ১২২)
154 - وزِدْ لتوكيدٍ ليلا يَعْلَمُ
… أهلُ الكتابِ أصلها لِيعْلَمُوا
155 - و (إنْ)
(1) لشَرطٍ إنْ تَسِرْ جا عُثْمانْ
… نافِيةٌ إنْ عندكم مِنْ سلطانْ
156 - إنْ أحدٌ خيرًا لأهل العاليةْ
(2) … كـ (ليس) ثُمَّ قد تُزاد عَادِيَهْ
157 - نحو يُرجِّي المرْءُ ما إنْ لا يرى
… ما إنْ أتيناك وهذا كَثُرا
158 - رَجِّ الفتى للخيرِ ما إنْ تَنْصُرَهْ
… يعلو أَلَا إنْ طاب لي فاذْكُرهْ
(3)159 - وبَعْدَ لمَّا وهي الايجابيَّةُ
… قد زادَها ابنُ الحاجِبِ المُثَبِّتُ
160 - وقال قطربٌ تَجيءُ كـ (قَدِ)
… وَهوَ زَعْمٌ مِنْهُ فلتَنْتَقِد
161 - وخَفِّفَنْها أي من الثَّقِيلَهْ
… مِثَالُ إنْ كلٌّ لذو حَليلَهْ
162 - فإنْ على إِسْميَّةٍ قَدْ دخلت
… أعْمَلَها قومٌ كما بهِ ثَبَتْ
(4)163 - و (أَنْ)
(5) فتَنْصِبُ المضارعَ الجلي
… كـ " (والذي أطْمَعُ أنْ يغْفِرَ لي")
--------------------------------------------
১৫৪ - এবং দৃঢ়তা প্রদানের (توكيد) জন্য 'লা' (لـ) অতিরিক্ত বৃদ্ধি করো যাতে 'তারা না জানে' (ليلا يعلم)... আহলে কিতাবগণ; এর মূল রূপ হলো 'যাতে তারা জানে' (ليعلموا)।
১৫৫ - এবং 'ইন' (إنْ) শর্তের (شرط) জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন 'যদি তুমি চলো তবে ওসমান আসবে'... এটি না-বোধক (نافية) হিসেবেও আসে, যেমন 'তোমাদের নিকট কোনো প্রমাণ নেই' (إنْ عندكم مِنْ سلطانْ)।
১৫৬ - 'আহলে আলিয়া'-র নিকট 'ইন' (إنْ) কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে কল্যাণের অর্থে ব্যবহৃত হয়... যেমন 'লাইসা' (ليس)-এর মতো আমল করে, অতঃপর কখনও এটি নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত (زائدة) হিসেবেও যুক্ত হয়।
১৫৭ - উদাহরণস্বরূপ: 'ব্যক্তি সেই জিনিসের আশা করে যা সে দেখে না' (ما إن لا يرى)... 'আমরা তোমাদের নিকট আসিনি' (ما إن أتيناك); আর এর ব্যবহার প্রচুর।
১৫৮ - যুবককে কল্যাণের আশা দাও যতক্ষণ তুমি তাকে সাহায্য করো (ما إن تنصره)... সে উচ্চ মর্যাদা লাভ করবে। জেনে রাখো (ألا), যদি আমার কাছে তা ভালো ঠেকে তবে তা আলোচনা করো।
১৫৯ - এবং ইতিবাচক (إيجابية) 'লাম্মা' (لما)-এর পরে এটি ব্যবহৃত হয়... দৃঢ়ভাবে সমর্থনকারী ইবনে হাজিব একে অতিরিক্ত (زائدة) হিসেবে গণ্য করেছেন।
১৬০ - কুতরুব বলেছেন এটি 'কাদ' (قد)-এর অর্থে আসে... তবে এটি তার একটি দাবি (زعم), তাই এটি পর্যালোচনার যোগ্য।
১৬১ - এবং একে লঘুরূপ করো (تخفيف), অর্থাৎ গুরুভার (ثقيلة) থেকে হালকা করো... উদাহরণ: 'নিশ্চয়ই প্রত্যেকের একজন হালাল সঙ্গী রয়েছে'।
১৬২ - যদি এটি বিশেষ্যমূলীয় বাক্যের (اسمية) ওপর প্রবেশ করে... তবে একদল আলিম একে আমল প্রদান করেছেন যেমনটি প্রমাণিত হয়েছে।
১৬৩ - এবং 'আন' (أَنْ) স্পষ্ট বর্তমান বা ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়াকে (المضارع) নাসব বা যবর প্রদান (نصب) করে... যেমন- "এবং যাঁর নিকট আমি আশা করি যে, তিনি আমার অপরাধ ক্ষমা করবেন"।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ১২৩)
164 - وهي حرفٌ مَصْدَرِيٌّ تَنْسَبِكْ
… معْ صِلَةٍ بمصْدَرٍ لا تَرْتَبِكْ
165 - (عسى عليٌّ أنْ يقومَ) اختلفوا
… فقيل: نَصْبٌ ثم لم يَأْ تَلِفُوا
166 - فقال بَعضٌ: إنَّه على الخَبَرْ
… وقيل: مَفْعولٌ مُبَرِّدٌ
(1) ذَكَرْ
167 - وقيل بالإسقاط للجارِ أَوِ
… تضمَّن الفِعْلُ لِقَاربَ رُوِي
168 - عن سيبويه ذا ابنُ مالكٍ نَقَلْ
… وقيل: بل مَوضعُه رَفْعٌ بدلْ
(2)169 - والفِعْلُ بعد (أنْ) فَقَدْ يرتفعُ
… وجَزَمَ البعْضُ بها فارْتَفِعُوا
(3)170 - ما فيهِ معنى القولِ لا الحروفُ إنْ
… تَلِيهِ (أَنْ) فَسِّرْ بها كما زُكنْ
171 - وزِدْ لِتَوكيدٍ فَلمَّا أنْ أَتى
… واللهِ أنْ لَوِ الْتقينا يا فَتى
172 - ونادرٌ زَيدٌ كأَنْ بَدْرٍ بَدا
(4) … و (مَنْ) لشرطٍ
(5) مَنْ يَخُنْ تُقْطَعْ يدا
--------------------------------------------
164 - এটি একটি মাসদারী বর্ণ (حرف مصدري) যা (তার পরবর্তী বাক্যের সাথে) মিলে মাসদারের (مصدر) অর্থ প্রদান করে, এতে বিভ্রান্ত হয়ো না।
165 - (আসা আলীউন আন ইয়াকুমা) - এর ব্যাপারে তারা মতভেদ করেছেন। বলা হয়েছে এটি মানসুব (نصب), তবে তারা ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেননি।
166 - কেউ কেউ বলেছেন: এটি খবর (خبر) হিসেবে গণ্য। আবার মুবাররাদ উল্লেখ করেছেন যে, এটি মাফউল (مفعول)।
167 - বলা হয়েছে যে, হারফে জার (جار) বিলুপ্ত হওয়ার কারণে এটি হয়েছে, অথবা বর্ণিত হয়েছে যে ক্রিয়াটি ‘কারাবা’ (قارب) ক্রিয়ার অর্থ অন্তর্ভুক্ত করেছে।
168 - এটি সিবওয়াইহ থেকে ইবনে মালিক বর্ণনা করেছেন। আবার বলা হয়েছে: বরং এর স্থানটি বদল (بدل) হিসেবে রাফ’ (رفع) এর স্থলে রয়েছে।
169 - ‘আন’ (أن) এর পরের ক্রিয়াটি কখনো মারফু (يرتفع) হতে পারে; আবার কেউ কেউ এর মাধ্যমে জাযম (جزم) প্রদান করেছেন, সুতরাং তোমরা উচ্চমর্যাদাশীল হও।
170 - যাতে ‘কওল’ (কথা) এর অর্থ আছে কিন্তু তার বর্ণগুলো নেই, তার পরে যদি ‘আন’ (أن) আসে, তবে তা দিয়ে তাফসীর (تفسير) বা ব্যাখ্যা করো যেমনটি পরিচিত।
171 - তাকীদ (توكيد) বা গুরুত্ব প্রদানের জন্য এটি অতিরিক্ত হিসেবেও আসে, যেমন: “ফালাম্মা আন আতা” এবং “ওয়াল্লাহি আন লাউইল তাকাইনা ইয়া ফাতা”।
172 - আর ‘কাফ’ ও তার মাজরুরের মাঝে এটি বিরল (نادر), যেমন “কাআন বদরিন বাদা”; এবং ‘মান’ (من) শর্তের (شرط) জন্য আসে, যেমন: “যে খিয়ানত করবে তার হাত কেটে দেয়া হবে”।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ১২৪)
173 - واستَفْهِمَنْ بها كمَنْ هذا الرجُلْ؟
… مَنْ ذَا سِوى زيدٍ يَشُدُّ أو يَحُلْ
174 - مَوْصُولةٌ كمِنْهُمُ مَنْ يَضْرِبُ
… موصوفةٌ كجاءني مَنْ مُعجِبُ
175 - ونحو مَن أُكْرِمُهُ أكْرَمَني
(1) … يحتملُ الجميعَ فاحْفَظْ واعتني
176 - (أيٌّ) لِشرطٍ نحو (أيًّا ما تُرِدْ
(2) … تُدْرِكْ) ولِاستفهامٍ أيُّكُمْ يَرِدْ
177 - وسيبويهِ قد تجي مَبْنيَّهْ
… مَوْصولةً: صُنْ أيُّهنَّ الحيَّهْ
178 - وخالفوه
(3) ثُمَّ قد تجي صِفَهْ
… مِثْلُ فتًى أَيُّ فتًى ذي مَعْرِفَهْ
179 - وَصِلَةً إلى نِدا ما فَيهِ (ألْ)
… يا أيُّها الإنسانُ طوَّلْتَ الأَمَلْ
180 - و (مَا)
(4) لشرطٍ نحو: مَا تُنْفِقْ تَجِدْ
… موصولةٍ كـ: مَا أضْعْناهُ وُجِدْ
181 - وقَدْ تجيءُ للزَّمانِ ما يَدومْ
… فَدُمْ ولَازمِ القيامَ ما يَقُومْ
182 - لِابنيْ بَرِي ومَالكٍ أَبي البَقَا
… وشَامَةٍ الفارسيِّ المُنْتَقَى
(5)183 - كذاكَ الاسْتِفْهامُ والتَّعجُّبُ
… نكرةٌ موصوفةٌ: مَا مُعْجِبُ
--------------------------------------------
173 - প্রশ্নবোধক (استفهام) হিসেবে এটি ব্যবহার করো, যেমন: ‘এই ব্যক্তি কে?’
… যায়িদ ব্যতীত আর কে আছে যে বন্ধন করে বা মুক্ত করে?
174 - এটি সংযুক্ত (موصولة) হতে পারে, যেমন: ‘তাদের মধ্যে যে প্রহার করে’
… আবার গুণবাচক (موصوفة) হতে পারে, যেমন: ‘আমার নিকট এমন একজন এল যে বিস্ময়কর’
175 - এবং ‘যে আমাকে সম্মান করবে, আমি তাকে সম্মান করব’ এর ন্যায় উদাহরণগুলো
… সব কটি অর্থেরই সম্ভাবনা রাখে, তাই এটি মুখস্থ করো এবং যত্নবান হও
176 - ‘আইয়ুন’ (أيٌّ) শর্তের (شرط) জন্য আসে, যেমন: ‘তুমি যা-ই চাও
… তা-ই লাভ করবে’ এবং প্রশ্নবোধের (استفهام) জন্য, যেমন: ‘তোমাদের মধ্যে কে আসবে?’
177 - সিবওয়াইহ-এর মতে এটি অপরিবর্তনীয় (مبنيّة) হিসেবেও আসতে পারে
… সংযুক্ত (موصولة) অবস্থায়: ‘তাদের মধ্যে যে জীবিত তাকে রক্ষা করো’
178 - অন্যরা তাঁর বিরোধিতা করেছেন, এরপর এটি বিশেষণ (صفة) হিসেবেও আসতে পারে
… যেমন: ‘একজন যুবক, সে কতই না বিজ্ঞ যুবক!’
179 - এবং এটি ‘আল’ (أل) যুক্ত শব্দকে সম্বোধনের মাধ্যম (وصلة) হিসেবে ব্যবহৃত হয়
… ‘হে মানুষ! তুমি দীর্ঘ আশা পোষণ করেছ’
180 - ‘মা’ (مَا) শর্তের (شرط) জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন: ‘তুমি যা ব্যয় করবে তা-ই পাবে’
… সংযুক্ত (موصولة) হিসেবে, যেমন: ‘যা আমরা হারিয়েছিলাম তা পাওয়া গেছে’
181 - কখনও এটি সময়ের (زمان) জন্য আসে যতক্ষণ তা স্থায়ী থাকে
… সুতরাং তুমি স্থায়িত্ব অবলম্বন করো এবং দণ্ডায়মান থাকো যতক্ষণ সে দণ্ডায়মান থাকে
182 - এটি ইবনে বাররী, ইবনে মালিক, আবু আল-বাকা
… এবং আবু শামাহ আল-ফারিসি আল-মুনতাকা-এর অভিমত
183 - তেমনিভাবে এটি প্রশ্নবোধক (استفهام) ও বিস্ময়সূচক (تعجُّب) হতে পারে
… এবং গুণবাচক অনির্দিষ্ট বিশেষ্য (نكرة موصوفة) হিসেবে: ‘যা বিস্ময়কর’
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ১২৫)
184 - ما ذاك؟ ما أحْسَنَهُ وامْرُرْ بما
… مُسْتَحْسَنٍ مُقَرْطَقٍ حُلْوِ الِّلمَا
(1)185 - مَعْرفةٌ تَمَّتْ نِعمَّا هِيْ نَقَلْ
… عَنْ سيبويهِ ابنُ خروفٍ الأَجَلْ
186 - وهي عامَةٌ فنعم الشيءُ هي
… لم تَتْلُ اسمَ نكرةٍ تكون هي
187 - مَعْ عاملٍ لها لهُ في المعنى
… وَصْفٌ وإلَّا خاصةٌ فقُلْنا
188 - دَقَقْتُه دقًّا نِعمّا وتجي
… جَزْمًا وتَنْفي نحو: ما هذا شَجِي
189 - تَعْملُ لكنْ بشروطٍ في الحِجَازْ
… نَجدٍ تهامةٍ وغَيرٌ ما أجازْ
(2)190 - تنفي المضارعَ لحالٍ تَخْلُصُ
… إنْ لم تكن قَرينةٌ تُنَصِّصُ
191 - ومَصْدريَّةٌ كـ (وَدُّوا ما عَنِتْ)
… منها زمانٌ "كلَّما أضاءتْ"
192 - قال ابن جنّي والزمخشريُّ (أن)
… شَارَكَها (ما) في دَلالةِ الزَّمَنْ
--------------------------------------------
১৮৪ - ওটি কী? তা কতই না সুন্দর! এবং তুমি এমন কোনো
… প্রশংসিত, টুপি পরিহিত ও মিষ্টাধর ব্যক্তির পাশ দিয়ে চলো।
(১)১৮৫ - এটি একটি পূর্ণ নির্দিষ্ট বিশেষ্য (معرفة), এটি কতই না চমৎকার! সিবওয়াইহ থেকে
… মহান ইবনুল খারূফ এটি বর্ণনা (نقل) করেছেন।
১৮৬ - আর এটি একটি সাধারণ (عامة) বিষয়, সুতরাং তা কতই না উত্তম বস্তু!
… এটি এমন কোনো অনির্দিষ্ট বিশেষ্য (نكرة)-এর অনুগামী হয়নি যা সে হতে পারত।
১৮৭ - এমন এক আমেল (عامل)-এর সাথে যার অর্থের মধ্যে রয়েছে
… সিফাত (وصف), নতুবা তা বিশেষ (خاصة); সুতরাং আমরা বললাম—
১৮৮ - আমি একে উত্তমভাবে চূর্ণ করেছি; আর এটি সুনিশ্চিতভাবে (جزما) আসে
… এবং না-বোধক (تنفي) অর্থ প্রদান করে, যেমন: 'এটি কোনো দুঃখদায়ক বিষয় নয়'।
১৮৯ - এটি হিজাজে শর্তসাপেক্ষে প্রভাব বিস্তার (تعمل) করে;
… তবে নজদ, তিহামাহ এবং অন্যরা এর অনুমতি দেয়নি।
(২)১৯০ - এটি মুদারে (مضارع) ক্রিয়াকে বর্তমানকালের (حال) জন্য নির্দিষ্ট করে দেয়;
… যদি সেখানে সুনির্দিষ্ট করার মতো কোনো আলামত (قرينة) না থাকে।
১৯১ - এটি মাসদারিয়্যাহ (مصدرية)-ও হয়, যেমন— (তারা কামনা করে যা তোমাদের কষ্টে ফেলে);
… এর মধ্যে সময়ের জন্য ব্যবহৃত হয় "যখনই তা আলোকিত হয়"।
১৯২ - ইবন জিন্নী ও যামাখশারী বলেছেন: 'আন' (أن)
… সময়ের অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে 'মা' (ما)-এর সাথে অংশীদার হয়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
নাজমু কাওয়াইদিল ইরাবিস সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ১২৬)
193 - زَعْمٌ
(1) وكافَةٌ فـ (ما) قد تَرِدُ
… كـ (إنَّما اللهُ إلهٌ واحِدُ)
194 - وزِدْ لتوكيدٍ تَجِيءُ فَبِمَا
… عَفْوٍ ورَحْمةٍ مِنَ اللهِ كـ (ما)
195 - مِنْ قَبْلُ مَا فرَّطُتمُ في يوسُفَا
… فالْزَمْ بتوكيدٍ هنا أَنْ يُوصَفَا
196 - وقيل: مَصْدَريَّةٌ فَحصِّلَهْ
… وجَعَلوا موضعَها معَ الصِّلَهْ
197 - بالابتدا رَفْعًا ومِنْ قَبْلُ الخَبرْ
… ورُدَّ فالغاياتُ لا تأتي خَبَرْ
198 - وليس أَحْوالًا تَرَى الغاياتِ
… ولا صفاتٍ بَلْ ولا صِلَات
199 - عن سيبويهِ وجماعةٍ رُوي
(2) … هذا وتَمَّتْ ثُمَّ حَمْدي للقوي
200 - مُحَمْدِلاً مُصَلِّيًا مُسَلِّما
… وأَحْسَنَ اللهُ لنا المُحتَّما
(3)200
(4)عبد الرحمن المعلمي
--------------------------------------------
১৯৩ - একটি দাবি (زعم)
(১) এবং সকল ক্ষেত্রে (كافة), কখনও ‘মা’ (ما) আসে... যেমন: (নিশ্চয়ই আল্লাহ একমাত্র ইলাহ)
১৯৪ - তাকিদের (توكيد) জন্য অতিরিক্ত (زائدة) হিসেবে এটি আসে, যেমন আল্লাহর ক্ষমা ও রহমতের বর্ণনায় ‘মা’ (ما)-এর ব্যবহার
১৯৫ - "ইউসুফের ব্যাপারে ইতিপূর্বে তোমরা যা ত্রুটি করেছ" - এখানে তাকিদ (توكيد) দ্বারা এর বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা আবশ্যক
১৯৬ - কেউ কেউ বলেছেন এটি মাসদারিয়া (مصدرية), তাই এটি অনুধাবন করো... এবং তারা একে এর পরবর্তী বাক্যাংশের (صلة) স্থলাভিষিক্ত করেছেন
১৯৭ - ইবতিদা (ابتداء) অনুযায়ী রফ (رفع) হিসেবে এবং ইতিপূর্বে খবর (خبر) হিসেবে; তবে তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে, কারণ গায়াত (غايات) কখনও খবর (خبر) হিসেবে আসে না
১৯৮ - তুমি গায়াত (غايات) সমূহকে হাল (أحوال), সিফাত (صفات) এমনকি সিলাহ (صلات) হিসেবেও দেখবে না
১৯৯ - সিবওয়াইহ এবং একদল আলিম থেকে এটি বর্ণিত (روي) হয়েছে
(২)... এখানেই এটি সমাপ্ত হলো, অতঃপর শক্তিশালী সত্তার (আল্লাহর) জন্য আমার প্রশংসা
২০০ - আল্লাহর প্রশংসা (حمد), সালাত ও সালাম পেশরত অবস্থায়; আল্লাহ আমাদের শেষ পরিণামকে (المحتّم) সুন্দর করুন
(৩)২০০
(৪)আব্দুর রহমান আল-মুআল্লিমি
--------------------------------------------