(খণ্ড: ১)
হাজফু মিন নাসাবি কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: -)
حذف من نسب قريش (مؤرج السدوسي)
القسم: الأنساب
الكتاب: حذف من نسب قريش
المؤلف: أبو فيد مؤرج بن عمرو بن الحارث السدوسي (ت 195هـ)
عدد الصفحات: 17
[الكتاب مرقم آليا غير موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
কুরাইশদের বংশপরম্পরার সংক্ষেপন (মুআররিজ আস-সাদুসী)
বিভাগ: বংশবিদ্যা
গ্রন্থ: কুরাইশদের বংশপরম্পরার সংক্ষেপন
লেখক: আবু ফায়দ মুআররিজ ইবন আমর ইবন আল-হারিস আস-সাদুসী (মৃত্যু ১৯৫ হিজরি)
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৭
[গ্রন্থটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত, যা মুদ্রিত সংস্করণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
হাজফু মিন নাসাবি কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ১)
بسم الله الرحمن الرحيمحدَّثني أبُو جَعْفَرٍ أَحْمَدُ بنُ مُحَمَّدٍ اليَزِيدِيُّ عَمِّي قال: أخبرنا أبو فَيْدٍ مُؤَرِّجُ بنُ عَمْرٍو السَّدُوسِيُّ قال: هذا كتابُ حذفٍ من النَّسب، ولو كَتَبْتُ كتاب استئصالٍ، لشغلتني سيرة النَّبيِّ صلَّى الله عليه وسيرة بني الْعبَّاسِ دهراً.وَلَدَ عَبْدُ مَنَاف بنُ قُصَيِّهَاشِماً، والمُطَّلِبَ، وَعَبْدَ شَمْسِ: أُمُّهم عَاتِكَةُ ابنة مُرَّةَ بنِ هِلَالِ بنِ فَالجِ بنِ ذَكْوانَ، مِن بني سُلَيْم.وَنَوْفَلاً: أُمُّهُ وَافِدةُ ابنة أَبي عَدِيّ، من بني مَازِنِ ابنِ صَعْصَعَةَ.اسم هَاشِمٍ: عَمْروٌ، وإنَّما سُمِّي هَاشماَ لأنَّ قُرَيْشَاً أصابتهم أزمة، فَخَرَجَ إلى فَلْسطين، فابتاع طحيناً وخبزة ثُمَّ حمله، فلمَّا قَدِمَ مَكَّة نحر الإبل الَّتي قدم عليها، وَهَشَمَ الخبز وثرد. ويقال: هو أوَّلُ من ثرد، فسُمِّي هَاشِماَ.قال: رجل من خُزاعَة:عَمْرُو الَّذِي هَشَمَ الثَّرِيدَ لِقَوْمِهِ … وَرِجَالُ مَكَّةَ مُسْنِتُونَ عِجَافوكان يأمر قُرَيْشاً أن يرحلوا إلى الشَّام في الصَّيف وإلى الْيَمنِ في الشِّتاء، لبرد الشَّامِ ولحرِّ الْيَمَنِ، فهما الرِّحلتان: رحلةُ الشِّتاء والصَّيفِ.فولد هَاشِمُ بنُ عَبْدِ مَنَافٍ: عَبْدَ المُطَّلِبِ، واسمه: شَيْبَةُ الْحَمد. أمُّه: سَلْمَى ابنة زَيْدِ بن خِدَاشِ بن لَبِيدِ بن حَرَامِ بن عَدِيّ بن النّجارِ، من الأنصار.وأسَداً، وَنَظلَة، وأبا صَيْفِيٍّ، درجوا، أي ماتوا، إِلَاّ ضَرْبَ نساءٍ.فَكان عَبْدَ المُطَّلِبِ سيِّد قُرَيْشٍ في عصره لا يُنازع السُّودد. هو صاحبُ الحَبشِ الَّذي ولي كلامهم عن قُرَيْشٍ، وقد كانوا جاءوا بالفيل وأرادوا هدم البيت. وهو الَّذي حَفَرَ زَمْزَمَ.فولد عَبْدَ المُطَّلِبِ بن هَاشمٍ: عَبْدُ الله وَالعَبَّاسَ وضِرَاراً وأبا طَالبِ وَالزُّبير وَحَمْزَة والمُقوِّم وجَحَلاً والحَارِث وأبا لَهَبٍ والغَيْدَاقَ.أمُّ عَبْدُ اللهِ: فَاطِمَةُ ابنة عَمْرو بن عَائِذِ بن عِمْرانَ بن مَخْزُوم بن يَقَظَةَ.وأُمُّ الْعَبَّاس وضِرارٍ: نَتْلَهُ بِنتَ جَنَابِ بن كُلَيبٍ بن مَالك بن عَمْرو بن زَيْد مَناة بن عَامر بن سَعَدِ بن الخَزْرَجِ بن تَيم الله بن النَّمِرِ بن قاسِطٍ.وكُلَيْبُ بن مالك، هو ابنُ القِرِّيَّة الأَكْبَر.وعامُر بن سَعْدِ، هو ابن الضَحْيَان.وكان ابن القِرِّيَّة الأَكْبَر يأخذ المرباع في الجاهليَّة. وكان عَامِرُ الضَحْيَانِ يربع رَبيعةَ وهو في بيته لا يغزو، يأخذ مرباعهم. وكانت الجاهليَّة يأخذ الرَّئيس إذا غرا الرُّبع، وعليه الزَّاد والمزاد. فجاء الإسلام بأخذ الخُمس.فولد عَبْدَ الله بن عَبْدَ المُطَّلِبِ: مُحمَّداً رسول الله صلَّى الله عليه، من لا تُحصى فضائله، ومن تَقصر عنه الصفة.أمُّه: آمنةُ ابنة وَهْبِ بن عَبدِ مَنافِ بن زُهْرَة بن كِلَابٍ.وأُمُّها: بَرَّةُ بن عَبْدَ العُزَّى بن عُثْمَان بن عَبْدَ الدَّارِ بن قُصَيِّ بك كِلَابِ.وأُمُّها: حَبِيبَةُ بنتُ أسَدِ بن عَبْدَ العُزَّى بن قُصَيِّ بن كِلَابِ.وأُمُّها: بَرَّةَ بنتُ عَوْفِ بن عُبَيْد بن عَوِيجِ بن عَدِيّ ابن كَعْبِ.وكلُّ العرب قد ولده صلَّى الله عليه، ولكن وهؤلاء أُمَّهاته القُرشيَّات.وولد العبَّاسُ بن عَبْدَ المطَّلِبِ: الفَضْلَ، وهو أكبر ولده، وبه كان يُكنى.وعَبْدَ اللهِ وعُبَيدِ اللهِ وقُثَمَ ومَعْبِداً، وعَبْدَ الرَحمنِ استشهد فإفريقية. لا عقب له.أمُّهم: أمُّ الفَضْلِ، واسمها: لُبَابَة بنت الحَارِث بن حَزْنِ ابن بُجَيْر بن الهُزُم بن رُوَيْبَةَ بن عَبْدَ الله بن هِلَال بن عَامِر بن صَعْصَعْةَ.وأختهم لأمِّهم أمُّ حَبِيبٍ.وكثيرا وتمَّاماً، لأمِّ ولد تدعى مُسَيْلَة.والحارث بن عَبَّاس، أمَّه من هُذَيْلِ وآمِنَة وَصَفِيَّةَ.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।আমার চাচা আবু জাফর আহমদ বিন মুহাম্মদ আল-ইয়াজিদি আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আবু ফায়দ মুয়াররিজ বিন আমর আস-সাদুসি আমাদের সংবাদ দিয়েছেন, তিনি বলেন: এটি বংশবৃত্তান্তের একটি সংক্ষিপ্ত সংকলন। আমি যদি বিস্তারিত কোনো গ্রন্থ রচনা করতাম, তবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং বনু আব্বাসের জীবনচরিত আমাকে দীর্ঘকাল ব্যস্ত করে রাখত।কুসাই বিন আবদে মানাফের সন্তানগণহাশিম, মুত্তালিব এবং আবদু শামস: তাদের মাতা হলেন বনু সুলাইম গোত্রের আতিকা বিনতে মুররাহ বিন হিলাল বিন ফালিজ বিন যাকওয়ান।এবং নওফাল: তার মাতা হলেন বনু মাযিন ইবনে সা'সাআ গোত্রের ওয়াহিদা বিনতে আবি আদি।হাশিমের প্রকৃত নাম ছিল আমর। তাকে হাশিম বলা হতো কারণ কুরাইশরা যখন দুর্ভিক্ষের কবলে পড়েছিল, তখন তিনি ফিলিস্তিনে গিয়ে আটা এবং রুটি কিনে তা বহন করে নিয়ে আসতেন। মক্কায় ফিরে তিনি সেই উটগুলো জবাই করতেন যা নিয়ে তিনি ফিরেছিলেন এবং রুটি ভেঙে (হাশম) সুরিদ (ঝোলযুক্ত রুটি) তৈরি করতেন। বলা হয়ে থাকে যে, তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি সুরিদ তৈরি করেছিলেন, তাই তাকে হাশিম (রুটি চূর্ণকারী) নাম দেওয়া হয়।খুজাআ গোত্রের একজন ব্যক্তি বলেন:আমরই সেই ব্যক্তি যিনি তার কওমের জন্য সুরিদ চূর্ণ করেছিলেন … যখন মক্কার লোকেরা দুর্ভিক্ষপীড়িত ও কৃশকায় ছিল।তিনি কুরাইশদের নির্দেশ দিতেন যাতে তারা গ্রীষ্মকালে সিরিয়ায় এবং শীতকালে ইয়ামেনে সফর করে, সিরিয়ার শীতল আবহাওয়া এবং ইয়ামেনের উষ্ণতার কারণে। এগুলোই হলো দুটি সফর: শীতকালীন সফর ও গ্রীষ্মকালীন সফর।অতঃপর হাশিম বিন আবদে মানাফের ঔরসে জন্মগ্রহণ করেন: আবদুল মুত্তালিব, তার নাম ছিল শাইবাতুল হামদ। তার মাতা আনসারদের বনু নাজ্জার গোত্রের সালমা বিনতে যায়েদ বিন খিদাশ বিন লাবিদ বিন হারাম বিন আদি বিন আন-নাজ্জার।এবং আসাদ, নাযলা ও আবু সাইফি; তারা নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যান অথবা কেবল নারী বংশধর রেখে যান।আবদুল মুত্তালিব ছিলেন তাঁর যুগের কুরাইশদের নেতা, যাঁর নেতৃত্বে কেউ কোনো বিতর্ক করত না। তিনিই আবিসিনীয়দের ঘটনার সময় কুরাইশদের পক্ষ থেকে তাদের সাথে কথা বলার দায়িত্ব পালন করেছিলেন, যখন তারা হাতি নিয়ে এসেছিল এবং কাবা ঘর ধ্বংস করতে চেয়েছিল। তিনিই ছিলেন যমযম কূপের খননকারী।অতঃপর আবদুল মুত্তালিব বিন হাশিমের ঔরসে জন্মগ্রহণ করেন: আবদুল্লাহ, আব্বাস, দ্বিরার, আবু তালিব, জুবাইর, হামজা, মুকাউউইম, জাহল, হারিস, আবু লাহাব এবং গায়দাক।আবদুল্লাহর মাতা হলেন: ফাতেমা বিনতে আমর বিন আইজ বিন ইমরান বিন মাখজুম বিন ইয়াকাজা।আব্বাস ও দ্বিরারের মাতা হলেন: নাতলা বিনতে জানাব বিন কুলাইব বিন মালিক বিন আমর বিন যায়েদ মানাত বিন আমের বিন সাদ বিন খাজরাজ বিন তাইমুল্লাহ বিন আন-নামির বিন কাসিত।এবং কুলাইব বিন মালিক হলেন ইবনুল কিররিয়াহ আল-আকবার।আমের বিন সাদ হলেন ইবনুয যাহয়ান।ইবনুল কিররিয়াহ আল-আকবার জাহেলি যুগে গনিমতের এক-চতুর্থাংশ (মিরবা') গ্রহণ করতেন। আমের যাহয়ান তাঁর নিজ বাড়িতে অবস্থান করেই কোনো যুদ্ধ ছাড়াই রবীআ গোত্র থেকে গনিমতের এক-চতুর্থাংশ নিতেন। জাহেলি যুগে প্রথা ছিল যে, নেতা যখন যুদ্ধে যেতেন তখন তিনি গনিমতের এক-চতুর্থাংশ গ্রহণ করতেন এবং তাঁর ওপর সৈন্যদলের রসদ ও পাথেয় সরবরাহের দায়িত্ব থাকত। অতঃপর ইসলাম এক-পঞ্চমাংশ (খুমুস) গ্রহণের বিধান নিয়ে আসে।অতঃপর আবদুল্লাহ বিন আবদুল মুত্তালিবের ঔরসে জন্মগ্রহণ করেন: আল্লাহর রাসুল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, যাঁর শ্রেষ্ঠত্ব অগণিত এবং যাঁর গুণের বর্ণনা দিয়ে শেষ করা অসম্ভব।তাঁর মাতা: আমিনা বিনতে ওয়াহাব বিন আবদে মানাফ বিন জুহরাহ বিন কিলাব।আমিনার মাতা: বাররাহ বিনতে আবদে উযযা বিন উসমান বিন আবদুদ দার বিন কুসাই বিন কিলাব।তাঁর মাতা: হাবিবা বিনতে আসাদ বিন আবদে উযযা বিন কুসাই বিন কিলাব।তাঁর মাতা: বাররাহ বিনতে আউফ বিন উবায়েদ বিন আউয়িজ বিন আদি বিন কাব।সমস্ত আরব গোত্রই তাঁর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জন্মের সাথে কোনো না কোনোভাবে সম্পৃক্ত, তবে এরা হলেন তাঁর কুরাইশি মাতাগণ।আব্বাস বিন আবদুল মুত্তালিবের ঔরসে জন্মগ্রহণ করেন: ফজল, তিনি তাঁর বড় সন্তান ছিলেন এবং তাঁর নামেই আব্বাসের কুনিয়াত (আবু আল-ফজল) ছিল।এবং আবদুল্লাহ, উবাইদুল্লাহ, কুসাম, মা'বাদ ও আবদুর রহমান; তিনি আফ্রিকায় শহিদ হন। তাঁর কোনো উত্তরসূরি ছিল না।তাদের মাতা: উম্মুল ফজল, তাঁর নাম ছিল লুবাবা বিনতে হারিস বিন হাযন বিন বুজাইর বিন আল-হুজুম বিন রুওয়াইবা বিন আবদুল্লাহ বিন হিলাল বিন আমের বিন সা'সাআ।তাদের বৈমাত্রেয় বোন হলেন উম্মে হাবিব।এবং কাসির ও তাম্মাম, তারা মুসাইলা নামক এক দাসী মাতার (উম্মে ওয়ালাদ) গর্ভজাত।এবং হারিস বিন আব্বাস, তাঁর মাতা হুযাইল গোত্রের; এবং আমিনা ও সাফিয়্যা।
(খণ্ড: ১)
হাজফু মিন নাসাবি কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ২)
أخذ العَبَّاس للنَّبيِّ صلى الله عليه وسلم العهد من الأنصار ليلة العَقَبَة، ثمَّ هاجر وشهد مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم يوم حَنيْن، فلم يكن لأحد فيه من البلاء ما كان له ولأهل بيته. وكانت للمسلمين جولة، فلم يفارق النَّبيِّ صلَّى الله عليه، وصاح بالنَّاس فأسمع الفريقين، والمسلمون يومئذٍ اثنا عشر ألفاً. فثاب إليه المسلمون، وأنزل الله نصره على نبيِّه صلَّى الله عليه.وكان عطاء العَبَّاس رضي الله عنه أثنى عشر ألفاً، وأعطيه المهاجرين أربعة آلاف.واستسقى به عُمَر بن الخَطَّابِ رحمه الله عام الرَّمَادَةَ، وكان عاما هلكت فيه العرب، صاروا فيه رمادا، فلذلك سُمِّي عام الرَّمادة، لشدَّته. فمدّ العَبَّاس يده، ومدّ عُمر يده مع يده تلقاء السَّماء. ثمَّ قال عمر: الَّهمَّ هذا عمُّ نبيِّنا صلَّى الله عليه، نَتقرَّبَ به إليك في هذه الغداة، فاسقنا به، فسقوا أقلاد الزَّرع في كلِّ ثمانية أيَّام يوما حتَّى أحيوا.وعَبدَ الله بن عَبَّاس، دعا له رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يُعلِّمهُ التأويل. فكان أفقه النَّاس وأعلمهم. وكان مُناد يُنادي بمكَّة: من يريد العلم اللَّحم فليأت منزل عَبْدَ الله بن عَبَّاس.قال مُؤرِّج: حدَّثنا سُفيان بن عُيَيْنَةَ بإسناده قال: قال رسول الله صلّى الله عليه للعبَّاس في الشعب: إنَّ الله قد رزقك حملاً، وهو غُلام يُؤمن بالله ورسوله واليوم العظيم.وقال عَبْدَ الله بن عَبَّاس: نمت عند خالتي مَيْمُونَةَ بنت الحارث بن حَزْنَ، وكانت عِند رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقام إلى شنة مُعلبَّة فتوضَّأ، ثمَّ قام يصلِّي، وقمت إلى الشنَّة فتوضَّأت، وجئت فقمت عن يساره، فأخلف يده لي إلى الشَّقِّ الأيمن، فصلَّيت إلى جنبه نافلة.وكان عَبْدَ الله يُدعى حَبْرَ هذه الأمَّة.وبلغني أنّ عَبْدَ الله أبصر رجلا فأخبر النَّبيِّ صلَّى الله عليه أنَّه أبصره قال: قد أبصرته؟ أمَّا إنَّك ستفقد بصرك.قال مُؤرِّج: وحدَّثني سَعيد بن سِمَاك بن حَرْبِ قال: قيل لأبي: تحزم عينك وتدع السُّجود أيَّاماً. فقال: لا حاجة لي بذاك. عرض ذاك على عبد الله بن عَبَّاس فأبى.فولد عبد الله بن عَبَّاس العبَّاس، وبه كان يُكنى، وعليَّاً، وعُبَيْد الله ومُحَمَّدَاً، والفَضْلَ دَرَجَ.ولُبَابَة وزَيْنَب، أمُّهم: زُرْعَة بنت مَشْرَح بن مَعْدَي كَرَبِ بن وَلِيعَةَ بن مُعَاوية بن حُجْرِ بن الحَارِث بن عَمْرَو بن مُعاويَة بن الْحَارِث بن ثَورِ بن مُرَتّعٍ، من كِنْدَةَ.وكان عليَّ بن عَبْدَ الله بن عَبَّاس سَيِّد قُريش.قال مُؤرِّج: وسُمعتً جَعْفَرَ بن سُلَيْمَانَ يقولُ: كان عليُّ بن عبد الله يُصلِّي في اليوم واللَّيلة ألف ركعة نيِّفا وخمسين سنة.فولد عليَّ بن عبد الله بن عَبَّاس: مُحَمَّداً، أمُّه: العاليةُ بنت عُبَيْد الله بن عَبَّاس بن عبد المُطَّلِبِ، وأُمُّها: عَائِشةَ بنتُ عبد الله بن عبد المَدَانِ بن الدِيّانِ، من بني الْحَارِث ابن كَعْبٍ. وبَقيِّة ولده لأمَّهات أولاد.سُلَيْمَانُ بن عليّ وصَالِحُ بن عليّ، لأمّ.وكان سُلَيْمَانُ بن عليّ ناسكاً من أحسن النَّاس سيرة، ولي البصرة وأعمالها.وَصَالِحُ بن عليّ الَّذي اتَّبع مَرْوَانَ بن مُحمَّد إلى مصر، وقتلته خيله.وعيْسَى بن عليّ ودَاودُ بن عليّ، لأمّ.ودَاود بن عليّ أقام الحجَّ سنة اثنتين وثلاثين ومئة، وهي السَّنة الَّتي بوبع فيها أبو العَبَّاس عبد الله بن مُحمَّد بالخلافة.وإسماعيل بن عليّ وعبد الصَّمَد بن عليّ، لأمّ.وعبد الله بن عليّ وإِسحاقُ ويعْقُوبَ وأحمَدُ وأُمَيْنَة وأُمُّ عيسى ولُبابة، لأمَّهات أولاد.وأمُّ حَبيبٍ أُمُّها: أمّ أبيها بنت عبد الله بن جَعْفَر ابن أبي طالب.وكلُّ بني عليّ ولي ولاية عظيمة.فولد مُحمَّدُ بن عليّ: عبد الله المنصور، وعبد الله أبا العَبَّاس: أُمُّه: رَيْطَة بنت عُبَيْد الله بن عبد الله بن عبد المَدَان بن الدَيَّان، وهي أمُّ داود وعائِشَة وآمِنَة بني مُحمَّد ابن عليّ.وإبَراهيم ومُوسى وإسماعيل وعَبَّاساً وأمَّ حَبيبٍ وأمَّ إبْرَاهيم وأُمَّ عبد الله وأُمَّ مُوسَى ولُبَابة وفَاطِمَة، لأُمَّهاتِ أولادٍ.
আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু আকাবার রাতে আনসারদের কাছ থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য বাইয়াত বা অঙ্গীকার গ্রহণ করেন। এরপর তিনি হিজরত করেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে হুনাইনের যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে তিনি এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা যে চরম পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছিলেন, অন্য কেউ তেমনটি হয়নি। যুদ্ধের এক পর্যায়ে মুসলমানদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছিল, কিন্তু তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ছেড়ে যাননি। তিনি উচ্চস্বরে লোকজনকে ডাকলেন এবং উভয় দলকে শোনালেন। সেদিন মুসলমানদের সংখ্যা ছিল বারো হাজার। অতঃপর মুসলমানরা তাঁর (নবীজির) দিকে ফিরে এলেন এবং আল্লাহ তাঁর নবীর ওপর সাহায্য ও বিজয় অবতীর্ণ করলেন।আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুর বার্ষিক ভাতা ছিল বারো হাজার, আর মুহাজিরদের দেওয়া হয়েছিল চার হাজার করে।উমর ইবনুল খাত্তাব রাহিমাহুল্লাহ দুর্ভিক্ষের বছর (আমুর রামাদাহ) তাঁর মাধ্যমে বৃষ্টির প্রার্থনা করেছিলেন। সেটি এমন এক বছর ছিল যাতে আরবরা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছিল এবং তারা ছাইয়ের মতো হয়ে গিয়েছিল; এর ভয়াবহতার কারণে একে 'রামাদাহ' (ভস্মের বছর) বলা হয়। তখন আব্বাস তাঁর হাত প্রসারিত করলেন এবং উমরও তাঁর হাতের সাথে নিজের হাত আকাশের দিকে তুললেন। এরপর উমর বললেন: 'হে আল্লাহ, ইনি আমাদের নবীর চাচা। আজ সকালে আমরা তাঁর মাধ্যমে আপনার নিকট প্রার্থনা করছি, সুতরাং আপনি আমাদের বৃষ্টি দান করুন।' ফলে তারা বৃষ্টি পেলেন এবং প্রতি আট দিনে একদিন করে ফসলের জমিতে পানি সেচ দেওয়ার মাধ্যমে ফসল জীবিত হয়ে উঠল।আর আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস—রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জন্য দোয়া করেছিলেন যেন আল্লাহ তাঁকে (কুরআনের) ব্যাখ্যা ও নিগূঢ় রহস্য শিক্ষা দেন। তিনি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় ফকীহ ও বিজ্ঞ ছিলেন। মক্কায় একজন ঘোষক ঘোষণা করতেন: 'যে ব্যক্তি ইলমের নির্যাস অর্জন করতে চায়, সে যেন আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাসের বাড়িতে আসে।'মুআররিজ বলেন: সুফিয়ান ইবনে উয়ায়নাহ তাঁর সূত্রে আমাদের বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিয়াব (উপত্যকায়) আব্বাসকে বলেছিলেন: 'নিশ্চয়ই আল্লাহ আপনাকে একটি সন্তান দান করেছেন, সে এমন এক বালক যে আল্লাহ, তাঁর রাসূল এবং মহান দিবসের প্রতি ঈমান আনবে।'আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস বলেন: আমি আমার খালা মায়মুনা বিনতে হারিস ইবনে হাজনের ঘরে রাতে অবস্থান করছিলাম, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি ঝুলন্ত মশকের কাছে গিয়ে অজু করলেন, তারপর নামাজে দাঁড়ালেন। আমিও সেই মশকটির কাছে গিয়ে অজু করলাম এবং এসে তাঁর বাম পাশে দাঁড়ালাম। তখন তিনি তাঁর হাত দিয়ে আমাকে ঘুরিয়ে ডান পাশে নিয়ে এলেন এবং আমি তাঁর পাশে নফল নামাজ আদায় করলাম।আবদুল্লাহকে এই উম্মতের 'হিবর' বা শ্রেষ্ঠ পণ্ডিত বলা হতো।আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ এক ব্যক্তিকে (ফেরেশতা জিবরীলকে) দেখেছিলেন এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তা জানালেন। নবীজি বললেন: 'তুমি কি তাঁকে দেখেছ? জেনে রেখো যে, শীঘ্রই তুমি তোমার দৃষ্টিশক্তি হারাবে।'মুআররিজ বলেন: সাঈদ ইবনে সিমাক ইবনে হারব আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, আমার পিতাকে বলা হয়েছিল: 'আপনার চোখ বেঁধে রাখতে হবে এবং কয়েকদিন সিজদা ত্যাগ করতে হবে।' তিনি বললেন: 'আমার এতে কোনো প্রয়োজন নেই।' আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাসের সামনেও এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাসের সন্তানরা হলেন: আব্বাস (যাঁর নামে তাঁর উপনাম বা কুনিয়া ছিল), আলী, উবায়দুল্লাহ, মুহাম্মদ এবং ফজল (যিনি শৈশবে মারা যান)।এবং লুবাবা ও যয়নাব। তাঁদের মা ছিলেন: জুরআ বিনতে মাশরাহ ইবনে মাদায়িকারিব ইবনে ওয়ালীআ ইবনে মুআবিয়া ইবনে হুজর ইবনে হারিস ইবনে আমর ইবনে মুআবিয়া ইবনে হারিস ইবনে সাওর ইবনে মুরাত্তি, যিনি কিন্দা গোত্রের ছিলেন।আলী ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ছিলেন কুরাইশদের নেতা।মুআররিজ বলেন: আমি জাফর ইবনে সুলাইমানকে বলতে শুনেছি: আলী ইবনে আবদুল্লাহ পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতিদিন এবং রাতে এক হাজার রাকাত নামাজ পড়তেন।আলী ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাসের পুত্র: মুহাম্মদ। তাঁর মা ছিলেন আলিয়াহ বিনতে উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিব। আর তাঁর (আলিয়াহর) মা ছিলেন বনু হারিস ইবনে কাব গোত্রের আয়েশা বিনতে আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল মাদান ইবনে দাইয়ান। আলীর অবশিষ্ট সন্তানরা উম্মে ওয়ালাদদের গর্ভজাত।সুলাইমান ইবনে আলী এবং সালিহ ইবনে আলী সহোদর ভাই।সুলাইমান ইবনে আলী ছিলেন অত্যন্ত ইবাদতগুজার এবং চমৎকার জীবনরীতির অধিকারী; তিনি বসরা ও এর অধীনস্থ অঞ্চলের শাসনকর্তা ছিলেন।আর সালিহ ইবনে আলী হলেন সেই ব্যক্তি যিনি মারওয়ান ইবনে মুহাম্মদকে ধাওয়া করে মিশর পর্যন্ত গিয়েছিলেন এবং তাঁর অশ্বারোহী বাহিনী তাকে হত্যা করেছিল।ঈসা ইবনে আলী এবং দাউদ ইবনে আলী সহোদর ভাই।দাউদ ইবনে আলী ১৩২ হিজরি সনে হজের ইমামতি করেন; আর এটি সেই বছর যে বছর আবুল আব্বাস আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ খিলাফতের বাইয়াত গ্রহণ করেন।ইসমাইল ইবনে আলী এবং আবদুস সামাদ ইবনে আলী সহোদর ভাই।আবদুল্লাহ ইবনে আলী, ইসহাক, ইয়াকুব, আহমদ, আমিনা, উম্মে ঈসা এবং লুবাবা—তাঁরা উম্মে ওয়ালাদদের গর্ভজাত।আর উম্মু হাবীব, তাঁর মা ছিলেন তাঁর পিতার ফুফু বিনতে আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে আবি তালিব।আলীর সকল পুত্রই কোনো না কোনো বিশাল প্রদেশের শাসনকর্তা ছিলেন।মুহাম্মদ ইবনে আলীর সন্তানরা হলেন: আবদুল্লাহ আল-মানসুর এবং আবদুল্লাহ আবুল আব্বাস। তাঁদের মা ছিলেন: রায়তাহ বিনতে উবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল মাদান ইবনে দাইয়ান; তিনি মুহাম্মদ ইবনে আলীর অন্য সন্তানদের মাও ছিলেন—দাউদ, আয়েশা এবং আমিনা।আর ইব্রাহিম, মুসা, ইসমাইল, আব্বাস, উম্মু হাবীব, উম্মু ইব্রাহিম, উম্মু আবদুল্লাহ, উম্মু মুসা, লুবাবা এবং ফাতিমা—তাঁরা উম্মে ওয়ালাদদের গর্ভজাত।
(খণ্ড: ১)
হাজফু মিন নাসাবি কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ৩)
ويَحْيَى بن مُحمَّد بن عليّ، والعالية أمُّهما: أُمَّ الحكم بنتُ عبد الله بن الحَارِث بن نَوْفَلْ بن الحارث بن عبد المُطَّلِبِ ابن هَاشِمٍ.الخُلَفَاءولد محمَّد بن عليَّ بن عبد الله بن عبَّاس بن عبد المطَّلب.عبد الله بن محمَّد أبو العبَّاس، وعبد الله بن محمَّد أبو جعفر المنصور الَّذي داخلت له العباد والبلاد، ولم يناوثه أحد قط إلَاّ ظفر به. وكان أعظم النَّاس عفوا.والمهديُّ محمَّد بن عبد الله الَّذي سنَّ سننا لم يسننها خلقة قبله، وأعطى عطايا لم يُعطها أحد، وردّ المظالم، قسم في أهل الأمصار أشرافهم وصلحائهم، وأعطى أهل الحاجة، وفرض للمجذّمين والمنبوذين، ولم يفرض لهم أحد قبله.والهادي، والرَّشيد كان أرغب النَّاس في الجهاد والحج، وأطيب النَّاس نفسا بنفقة فيهما. جاهد بنفسه، وأنفق ما لم تطب به نفس أحد قبله. ولم يلِ خليفة منذ كان الإسلام مثل ولايته. ولّي أكثر مما ولي المنصور.والَّذين أشركهم المنصور وولد المنصور من ولد علي بن عبد الله بن عباس حتى عظم قدره واستعانوا بهم في أمورهم: العبَّاس بن محمد، وعيسى بن موسى بن محمد. وعيسى بن موسى الَّذي قتل محمد بن عبد الله بن حسن، سار إليه بالمدينة. ثم رجع إلى إبراهيم عبد الله وأخيه فقتله بين البصرة والكوفة، وجَّهه إليهما المنصور.وعبد الوهاب ومحمد ابنا إبراهيم بن محمد بن علي.وإبراهيم بن يحيى بن محمد بن علي.وجعفر ومحمد ابنا سليمان بن علي، والفضل بن صالح بن علي، وهم أكثر وأطيب من أن يُحكى ما فيهم من الفضل.والفضل بن عبَّاس بن عبد المطَّلب رديف رسول الله صلَّى الله وسلَّم في حجَّته سنة عشر، أردفه على ناقته من عرفات. وكان النَّبيّ صلى الله عليه وسلم أوصاه بوصية فقال: لا تُشرك بالله شيئا وإن عذبت بالنار، ولا تعق والديك، ولا تفرّ يوم الزحف، ولا تغُلَّ، ولا ترفع عصاك عن أهلك، أخفهم في الله.فاستشهد رضي الله عنه في خلافة عُمَرَ بالشَّأم.واستشهد من ولده العَبَّاس: عبد الرَّحمن بن عبَّاس بإفريقية، واستشهد مَعْبدُ بن عبَّاسٍ.وأقام عبيد الله بن العبَّاس الحجَّ سنة سبع وثلاثين ومئة.وأقام قُثَمُ بن عبَّاس الحجَّ سنة ثمان وثلاثين وولي قُثَمُ بن عبَّاسِ بن عُبَيْدِ الله بن العبَّاس مكَّة للمنصور.والسريُّ بن عبد الله بن الحَارِث بن عبَّاس، ولي مكَّة للمنصور أيضا.وحَمْزَةُ بن عبد المُطَّلِبِ أسد الله، وأسد رسوله صلى الله عليه وسلم، وهو أحد الثلاثة الَّذين بارزوا يوم بَدْر فقتلوا أقرانهم من بني عبد شمس بن عبد مَنافٍ. قَتَلَ حَمْزَةُ شَيْبَةَ بن رَبِيعةَ بن عبد شَمْسِ، واستشهد يوم أحد رضي الله عنه.مَنْ لَمْ يسلم مِنْ وَلَدِ عبد المُطَّلِبِأبو طَالِب، وكان سيِّداً مطاعاً، نَصَرَ النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم ونابذ قُريشاً، واحتمل فيهم عداوتهم. وكان شاعراً. واسمه عَبد مَنافٍ. ودعا بني عبد شَمْسٍ وبني نَوْفَل أي نصرته، فلم يفعلوا وتابعوا قُريشاً، فقال:تَوَانِي عَليْنَا مولانا فَأَصْبَحَاإِذا اسْتُنْصرَا قَالَا: إِلَى غَيْرِنَا النَّصْرُأخُصُّ خُصُوصاً عبد شَمْسٍ وَنَوْفَلاً … هُمَا نَبَذَانَا مِثْلَ مَا يُنْبَذُ الْجَمْرُهُمَا أَشْرَكَا فِي الأَمْرِ مَنْ لَا أَبَا لَهُمِن النَّاس إِلَاّ أَنْ يُرَس لَهُ ذِكْرُوكان طَالبُ بن أبي طَالِبُ شاعراً، قال في يوم بدر:أَلَا إِنَّ عَيْنِي أَنْفَدَتْ دَمْعَهَا سَكْبَاًتُبَكِّي عَلى كَعْبٍ وَمَا إِنْ تَرَى كَعْباًأَلَا إِنَّ كَعْبَاً في الْحُروبِ تَخَاذَلُواوَأَفْنَتْهُمُ الأَيَّامُ واجْتَرَحُوا ذَنْبَاًوعليُّ بن أبي طالب صلوات الله عليه ورضوانه عليه، شهد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم مشاهدة، وبارز يوم بَدْرٍ ويوم الخندق وفي غير مشهد ولم يبارزه رجل إِلَاّ قتله.والحَسَنُ والحُسَينُ ابنا عليّ رضي الله عنهما.ومُحمَّد وإبراهيم ابنا عبد الله بن حَسَن بن حَسَن بن عليّ.والحَسَنُ بن زَيْدِ بن حَسَنِ بن عليّ، ولَاّه المَنْصُورُ المدينة.ومن ولده حُسَيْن بن عليّ: عليُّ بن حُسَيْن، قُتل مع أبيه.
এবং ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি, এবং আল-আলিয়া; তাদের উভয়ের মাতা হলেন: উম্মুল হাকাম বিনতে আবদুল্লাহ ইবনে আল-হারিস ইবনে নাওফাল ইবনে আল-হারিস ইবনে আবদুল মুত্তালিব ইবনে হাশিম।খলিফাগণমুহাম্মদ ইবনে আলি ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিবের সন্তানগণ:আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আবুল আব্বাস, এবং আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ আবু জাফর আল-মনসুর, যার অনুগত হয়েছিল বান্দাগণ এবং দেশসমূহ, এবং কেউ তার বিরোধিতা করেনি কিন্তু তিনি তার ওপর বিজয়ী হয়েছেন। তিনি মানুষের মধ্যে সর্বাধিক ক্ষমাশীল ছিলেন।এবং আল-মাহদী মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ, যিনি এমন সব নিয়ম প্রবর্তন করেছিলেন যা তার পূর্বে কোনো সৃষ্টি করেনি, এমন সব দান করেছিলেন যা কেউ দেয়নি, যুলুমের প্রতিকার করেছিলেন, বিভিন্ন শহরের সম্মানিত ও সৎকর্মশীল ব্যক্তিদের মধ্যে বণ্টন করেছিলেন, অভাবীদের দান করেছিলেন এবং কুষ্ঠরোগী ও পরিত্যক্তদের জন্য ভাতা নির্ধারণ করেছিলেন, যা তার আগে কেউ করেনি।এবং আল-হাদী ও আল-রশীদ। তিনি (রশীদ) জিহাদ ও হজ্জের ব্যাপারে মানুষের মধ্যে সর্বাধিক আগ্রহী ছিলেন এবং এ ক্ষেত্রে ব্যয়ের ব্যাপারে সবচেয়ে উদারমনা ছিলেন। তিনি নিজে জিহাদ করেছেন এবং এমন ব্যয় করেছেন যা তার পূর্বে কেউ করতে সাহস করেনি। ইসলামের সূচনালগ্ন থেকে কোনো খলিফাই তার মতো শাসনকাল পরিচালনা করেননি। তিনি আল-মনসুরের চেয়েও বেশি সময় রাজত্ব করেছিলেন।এবং যাদেরকে আল-মনসুর ও আল-মনসুরের সন্তানগণ আলি ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাসের বংশধরদের মধ্য থেকে সম্পৃক্ত করেছিলেন, যার ফলে তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং তারা তাদের কাজে তাদের সাহায্য গ্রহণ করতেন: আল-আব্বাস ইবনে মুহাম্মদ এবং ঈসা ইবনে মুসা ইবনে মুহাম্মদ। ঈসা ইবনে মুসা সেই ব্যক্তি যিনি মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে হাসানকে হত্যা করেছিলেন এবং মদিনায় তার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছিলেন। এরপর তিনি ইব্রাহিম ইবনে আবদুল্লাহ ও তার ভাইয়ের দিকে ফিরে আসেন এবং বসরা ও কুফার মাঝামাঝি স্থানে তাকে হত্যা করেন; তাকে আল-মনসুর তাদের বিরুদ্ধে পাঠিয়েছিলেন।এবং আবদুল ওয়াহহাব ও মুহাম্মদ—তারা ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলির দুই পুত্র।এবং ইব্রাহিম ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি।এবং জাফর ও মুহাম্মদ—তারা সুলাইমান ইবনে আলির দুই পুত্র, এবং আল-ফজল ইবনে সালিহ ইবনে আলি। তাদের মধ্যে যে শ্রেষ্ঠত্ব রয়েছে তা বর্ণনা করার শেষ নেই এবং তারা অতি উত্তম।এবং আল-ফজল ইবনে আব্বাস ইবনে আবদুল মুত্তালিব, যিনি দশম হিজরিতে বিদায় হজ্জে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সহযাত্রী ছিলেন। তিনি তাকে আরাফাত থেকে তার উটের পিঠে নিজের পেছনে বসিয়েছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে অসিয়ত করে বলেছিলেন: আল্লাহর সাথে কোনো কিছু শরিক করো না যদিও তোমাকে আগুন দিয়ে আজাব দেওয়া হয়, তোমার পিতা-মাতার অবাধ্য হয়ো না, জিহাদের ময়দান থেকে পলায়ন করো না, গণিমতের মাল আত্মসাৎ করো না এবং তোমার পরিবার থেকে তোমার শাসনদণ্ড তুলে নিও না, তাদেরকে আল্লাহর ব্যাপারে ভীত রাখো।অতঃপর তিনি (আল্লাহ তার ওপর সন্তুষ্ট হোন) ওমরের খেলাফতকালে সিরিয়ায় শাহাদাত বরণ করেন।এবং আব্বাসের সন্তানদের মধ্যে যারা শাহাদাত বরণ করেছেন: আফ্রিকায় আবদুর রহমান ইবনে আব্বাস এবং মা’বাদ ইবনে আব্বাস শহীদ হন।এবং উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্বাস একশত সাইত্রিশ হিজরিতে হজ্জ পরিচালনা করেন।এবং কুসাম ইবনে আব্বাস একশত আটত্রিশ হিজরিতে হজ্জ পরিচালনা করেন। আর কুসাম ইবনে আব্বাস ইবনে উবায়দুল্লাহ ইবনে আব্বাসকে আল-মনসুর মক্কার গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন।এবং আস-সারী ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আল-হারিস ইবনে আব্বাসও আল-মনসুরের পক্ষ থেকে মক্কার দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন।এবং হামজা ইবনে আবদুল মুত্তালিব, আল্লাহর সিংহ এবং তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সিংহ। তিনি সেই তিনজনের একজন যারা বদরের যুদ্ধে দ্বন্দ্বযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিলেন এবং বনু আবদে শামস ইবনে আবদে মানাফের মধ্য থেকে তাদের সমকক্ষদের হত্যা করেছিলেন। হামজা শায়বাহ ইবনে রাবিয়াহ ইবনে আবদে শামসকে হত্যা করেছিলেন এবং তিনি ওহুদের যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করেন (আল্লাহ তার ওপর সন্তুষ্ট হোন)।আবদুল মুত্তালিবের সন্তানদের মধ্যে যারা ইসলাম গ্রহণ করেননিআবু তালিব, তিনি ছিলেন একজন আনুগত্যপ্রাপ্ত নেতা। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সাহায্য করেছিলেন এবং কুরাইশদের বিরোধিতা করেছিলেন এবং তাদের কারণে তাদের শত্রুতা সহ্য করেছিলেন। তিনি একজন কবি ছিলেন। তার নাম ছিল আবদে মানাফ। তিনি বনু আবদে শামস ও বনু নাওফালকে তার সাহায্যের জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন, কিন্তু তারা তা করেনি এবং কুরাইশদের অনুসরণ করেছিল। তখন তিনি বলেছিলেন:আমাদের অভিভাবক আমাদের প্রতি অলসতা প্রদর্শন করেছেন, তাই যখন তাদের কাছে সাহায্য চাওয়া হলো, তারা বললো: সাহায্য আমাদের ছাড়া অন্যদের জন্য।আমি বিশেষভাবে আবদে শামস ও নাওফালকে উল্লেখ করছি... তারা আমাদের নিক্ষেপ করেছে যেমন জ্বলন্ত কয়লা নিক্ষেপ করা হয়।তারা এমন লোকেদের এই বিষয়ে শরিক করেছে যাদের মানুষের মধ্যে কোনো পিতৃপরিচয় নেই, কেবল নামটুকুই আলোচিত হয়।এবং তালিব ইবনে আবু তালিব একজন কবি ছিলেন। তিনি বদরের যুদ্ধে বলেছিলেন:জেনে রেখো, আমার চোখ অশ্রু বিসর্জন দিয়ে তার অশ্রু নিঃশেষ করে ফেলেছে, কাবের জন্য কাঁদছে অথচ সে কোনো কাবকে দেখছে না।জেনে রেখো, কাব যুদ্ধের ময়দানে পরস্পরকে ছেড়ে চলে গেছে, কালচক্র তাদের ধ্বংস করেছে এবং তারা পাপ কাজ করেছে।এবং আলি ইবনে আবু তালিব (সালাত ও সন্তুষ্টি তার ওপর বর্ষিত হোক)। তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সকল যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বদরের যুদ্ধে, খন্দকের যুদ্ধে এবং অন্যান্য যুদ্ধক্ষেত্রে দ্বন্দ্বযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। এমন কোনো ব্যক্তি তার সাথে মল্লযুদ্ধে লড়েনি যাকে তিনি হত্যা করেননি।এবং হাসান ও হুসাইন—তারা আলির (রা.) দুই পুত্র।এবং মুহাম্মদ ও ইব্রাহিম—তারা আবদুল্লাহ ইবনে হাসান ইবনে হাসান ইবনে আলির দুই পুত্র।এবং হাসান ইবনে যাইদ ইবনে হাসান ইবনে আলি, তাকে মনসুর মদিনার দায়িত্ব প্রদান করেছিলেন।এবং হুসাইন ইবনে আলির সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন: আলি ইবনে হুসাইন, যিনি তার পিতার সাথে শাহাদাত বরণ করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
হাজফু মিন নাসাবি কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ৪)
وزَيْدُ بن عليّ بن حُسَيْن، الَّذي تُنْسَبُ إليه الزَّيْدِيَّةُ، قَتَلَهُ يُوسُفُ بن عُمَرَ الثَّقَفيُّ بالكُوفة.ويَحْيَى بن زَيْدِ بن عليّ بن حُسَيْن، قُتل في ولاية نَصْرِ بن سَيّار الَّليثيّ.وجَعْفَرُ بن مُحمَّد بن عليّ بن حُسَيْنٍ بن عليّ، صاحب الرَّافضة. ومُحمَّد بن عليّ ابن الحنفيَّة.وجَعْفَرُ بن أبي طالب، هاجر إلى الحبشة، وهو الَّذي ولي كلام النَّجاشيِّ والرَّدَّ على أصحابه. ثمَّ هاجر مع رسول الله صلى الله عليه وسلم، وشهد مشاهده، ثمَّ بعثة رسول الله صلى الله عليه وسلم مع زيد بن حارثة إلى مؤتة وقال: إن قُتل زَيْدٌ، ثُمَّ قُتل جَعْفَرٌ رضي الله عنهما. فبلغني أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: استشهد جَعْفَرٌ بن أبي طَالِبٍ ودَخَلَ الجنَّة، وهو ذو الجناحين.وابنه عبد الله بن جَعْفَرٌ بن أبي طَالِبٍ، كان من أسخى النَّاس وأشرفهم. ولد بأرض الحبشة. وكانت مع جَعْفَرٌ امرأته أسماء بنت عُمَيْسٍ الْخَثْعَمِيَّةُ. وهي أُمُّ عبد الله.ومن ولده: عبد الله بن مُعاويةُ بن عبد الله بن جَعْفَرٌ الَّذي كان خَرَجَ بعد قتل الوليد بن يزيد بن عبد الملك. فأخذ إصبهان، ثمَّ انحدر منها إلى أرض فارس، ثمَّ قتله ابن ضبارة، وكان وجَّهه إليه مَرْوانُ بن مُحمَّد. وكان عبد الله بن مُعَاوِيةُ بن عبد الله ابن جَعْفَرٌ يقول الشِّعر. ومن قوله:إِنَّ فُضَيْلاً كَانَ شَيْئاً مُلَفَّفاً … فَمَحَّصَهُ التَكْشِيفُ حَتَّى بَدَا لِيَاًفَأَنْتَ أَخِي مَا لمّ تَكُنْ ليَ حَاجَةٌفَإِنْ نَزَلَتْ أَيْقَنْتُ أَنْ لَا أَخَا لِيَاًفَلَا زَادَ مَا بَيْني وَبَيْنَكَ بَعْدَ مابَلَوْتُكَ فِي الحَاجَاتِ إِلَاّ تَنَائِياًفَعَيْنُ الرِضَا عَنْ كُلِّ عَيْبٍ كَلِيلةُوَلَكِنَّ عَيْنَ السُّخْطِ تُبْدِي المسَاوِياًوهو القائل:كَانَ ابنُ ذَكْوانَ مَطْويَّاً عَلَى حَرَقٍ … فَقَدْ تَبَيّنَ، لَمَّا كُشِّفَ، الحَرقُوَكَانَ ذّا خُلُقٍ لَا دِينَ يَخْلِطُهُ … فَأَصْبَحَ اليَوْمَ لَا دِينٌ وَلَا خُلُقُوهو القائل:لَا خَيْرَ فِي الوّدِّ مِمَّنْ لَا تَزَالُ لُهُمُسْتَشْعِراً أَبَداً مِنْ خِيفَةٍ وَجَلَاإِذَا تَغَيَّبَ لَمْ تَبْرَحْ تُسِيءُ بِهِظَنَّا وَتَسْأَلُ عَمَّا قَالَ أَوْ فَعَلَايُرِي الصَّدِيقَ لَهُ مِنْهُ مُكَاشَرَةً … فيما يَصُولُ بِهِ يَوْماً إِذَا غَفَلَامِنْ وَلَدِ أَبِي لَهَبٍ بنِ عبد المُطَّلِبِالفَضْلُ بن العَبَّاس بن عُتْبَة بن أبي لَهَبٍ، كان شاعراً قال:حَوْضُ النَّبيِّ وَحَوْضُنَا مِنْ زَمْزَمٍ … ظَمِئَ امرُؤٌ لَمْ يُرْوِهِ حَوْضَانَاوقال:مَنْ يُسَاجِلْنِي يُسَاجِلْ مَاجداُ … يَمْلأُ الدَّلْوَ إِلَى عَقْدِ الكَرَبْوَأَنَا الأَخْضَرُ مَنْ يَعْرِفُنِي … أَخْضَرُ الْجِلْدَةِ في بَيْتِ العَرَبْأراد أنَّه أسود. وقالوا: أراد أنَّه البحر في السعة والسَّخاء، لأنّ البحر أخضر.كُلُّ قَوْمٍ صِيغَةٌ مِنْ تِبْرِهِمْ … وَبَنُو عَبْدَ مَنَافٍ مِن ذَهَبْإِنَّما عَبْدُ مَنَافٍ جَوْهَرٌ … زَيَّنَ الْجَوْهَرَ عَبْدَ المُطَّلِبِوالزُّبير بن عبد المُطَّلِبِ، كان شريفاً شاعراً قال:وَلَسْتُ كَمَنْ يُمِيتُ الْغَيْظَ هَمَّا … وَلكِنِّي أُجِيبُ إِذَا دُعَيتُوَيَنْهي عَنِّيَ المُخْتَالَ صَدْقٌ … رَقِيقٌ الحَدِّ ضَرْبَتُهُ صَمُوتُبِكَفِّيْ مَاجدٍ لا عَيْبَ فِيهِ … إِذَا لَقِيَ الكَرِيهةَ يَسْتَمِيتُوقال:وَأَشْقَحَ مِنْ رَاحِ العِرَاقِ مُمَلأٍَّمَخِيطٍ عَلَيْهِ الْخَيْشُ جَلْدٍ مَرَائِرُهُيعني زقَّا يضرب إلى الحمرة.سَبَقُتُ بِهِ طَلْقاً يَرَاحُ إِلَى النَّدَىإِذَا مَا انتَشَى لَمْ تَحْتَضِرُهُ مَفَاقرُهُضَعِيْفاً بِجَنْبِ الكأْسِ قَبْضُ بَنَانِهِكَلِيلاً عَلَى وَجْهِ النَّدِيمِ أَظَافِرُهُ
এবং জায়েদ ইবনে আলি ইবনে হুসাইন, যাঁর দিকে যায়দিয়া মতবাদকে নিসবত করা হয়; ইউসুফ ইবনে উমর আস-সাকাফি তাঁকে কুফায় হত্যা করেন।আর ইয়াহইয়া ইবনে জায়েদ ইবনে আলি ইবনে হুসাইন, তিনি নাসর ইবনে সাইয়্যার আল-লাইসির শাসনকালে নিহত হন।এবং জাফর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আলি ইবনে হুসাইন ইবনে আলি, যিনি রাফেজিদের ইমাম। এবং মুহাম্মদ ইবনে আলি ইবনুল হানাফিয়্যাহ।এবং জাফর ইবনে আবি তালিব, তিনি আবিসিনিয়ায় হিজরত করেছিলেন, এবং তিনিই নাজাশির সামনে কথা বলার এবং তাঁর সঙ্গীদের উত্তর দেওয়ার দায়িত্ব পালন করেছিলেন। অতঃপর তিনি আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে হিজরত করেন এবং তাঁর সাথে যুদ্ধগুলোতে অংশগ্রহণ করেন। এরপর আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে জায়েদ ইবনে হারিসার সাথে মুতার যুদ্ধে প্রেরণ করেন এবং বলেন: যদি জায়েদ নিহত হয়, তবে জাফর নেতৃত্ব দেবে (রাজিয়াল্লাহু আনহুমা)। আমার কাছে খবর পৌঁছেছে যে, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: জাফর ইবনে আবি তালিব শহীদ হয়েছে এবং জান্নাতে প্রবেশ করেছে, সে সেখানে দুই ডানা বিশিষ্ট।আর তাঁর পুত্র আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে আবি তালিব, তিনি ছিলেন মানুষের মধ্যে অন্যতম দানশীল ও সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি। তিনি আবিসিনিয়াতে জন্মগ্রহণ করেন। জাফরের সাথে তাঁর স্ত্রী আসমা বিনতে উমাইস আল-খাসআমিয়্যাহ ছিলেন। তিনি আবদুল্লাহর মাতা।তাঁর সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন: আবদুল্লাহ ইবনে মুআবিয়া ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে জাফর, যিনি ওয়ালিদ ইবনে ইয়াজিদ ইবনে আবদুল মালিকের হত্যার পর বিদ্রোহ করেছিলেন। তিনি ইসফাহান জয় করেন, তারপর সেখান থেকে পারস্য ভূমিতে অবতরণ করেন। এরপর ইবনে জাবারাহ তাঁকে হত্যা করেন, যাকে মারওয়ান ইবনে মুহাম্মদ তাঁর বিরুদ্ধে পাঠিয়েছিলেন। আবদুল্লাহ ইবনে মুআবিয়া ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে জাফর কবিতা বলতেন। তাঁর উক্তিগুলোর মধ্যে রয়েছে:নিশ্চয় ফুদায়েল ছিল আবৃত এক বস্তু … অতঃপর আবরণ উন্মোচন তাকে এমনভাবে যাচাই করল যে তা আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠল।ততক্ষণই তুমি আমার ভাই যতক্ষণ আমার কোনো প্রয়োজন না থাকে, কিন্তু যদি প্রয়োজন দেখা দেয় তবে আমি নিশ্চিত হই যে আমার কোনো ভাই নেই।প্রয়োজনের সময় তোমাকে পরীক্ষা করার পর আমার ও তোমার মাঝে দূরত্ব ছাড়া আর কিছুই বাড়েনি।সন্তুষ্টির চোখ সব ত্রুটির প্রতি অন্ধ (শিথিল), কিন্তু অসন্তুষ্টির চোখ সব দোষই প্রকাশ করে দেয়।তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি বলেছিলেন:ইবনে জাকওয়ান দহনের মধ্যে আবৃত ছিল … কিন্তু যখন তা উন্মোচিত হলো, তখন সেই দহন স্পষ্ট হয়ে গেল।সে ছিল এমন চরিত্রের অধিকারী যার সাথে দ্বীনের কোনো সম্পর্ক ছিল না … ফলে আজ সে এমন হয়েছে যে তার না আছে দ্বীন, না আছে চরিত্র।তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি বলেছিলেন:সেই ভালোবাসায় কোনো কল্যাণ নেই যার থেকে তুমি সর্বদা আতঙ্ক ও ভয়ের মধ্যে থাকো।যখন সে অনুপস্থিত থাকে তখন তুমি তার প্রতি কুধারণা পোষণ করা থেকে বিরত হও না এবং সে কী বলল বা কী করল সে সম্পর্কে প্রশ্ন করতে থাকো।সে তার বন্ধুকে হাস্যোজ্জ্বল মুখ দেখায় … অথচ সুযোগ পেলেই সে একদিন আক্রমণ করবে যখন বন্ধুটি অসতর্ক থাকবে।আবু লাহাব ইবনে আবদুল মুত্তালিবের বংশধরফজল ইবনে আব্বাস ইবনে উতবা ইবনে আবি লাহাব; তিনি কবি ছিলেন, তিনি বলেছেন:নবীর হাউজ এবং আমাদের হাউজ জমজম থেকে প্রবাহিত … সেই ব্যক্তি তৃষ্ণার্তই রয়ে গেল যাকে আমাদের এই দুই হাউজ তৃপ্ত করতে পারল না।তিনি আরও বলেছেন:যে আমার সাথে শ্রেষ্ঠত্বের পাল্লা দেবে, সে এক মহান ব্যক্তির সাথে পাল্লা দেবে … যে বালতি পূর্ণ করে রশির গিঁট পর্যন্ত।আর আমিই সেই শ্যামল ব্যক্তি, যে আমাকে চেনে; আমি আরব বংশের একজন শ্যামল চর্মের অধিকারী।তিনি এর দ্বারা কৃষ্ণাঙ্গ বুঝিয়েছেন। আবার কেউ কেউ বলেন: তিনি এর দ্বারা প্রশস্ততা ও দানশীলতায় সমুদ্র বুঝিয়েছেন, কারণ সমুদ্রকে সবুজ (নীলাভ-সবুজ) দেখায়।প্রতিটি জাতি যেন তাদের নিজেদের স্বর্ণরেণু দিয়ে গড়া … আর আবদে মানাফের সন্তানরা হলো খাঁটি সোনা।নিশ্চয় আবদে মানাফ তো কেবল একটি রত্ন … আর আবদুল মুত্তালিব সেই রত্নকে সুশোভিত করেছেন।আর জুবায়ের ইবনে আবদুল মুত্তালিব, তিনি একজন সম্ভ্রান্ত কবি ছিলেন, তিনি বলেছেন:আমি তাদের মতো নই যারা মনের ক্ষোভকে দুশ্চিন্তায় অবদমিত করে ফেলে … বরং যখন আমাকে ডাকা হয় তখন আমি বীরের মতো সাড়া দেই।অহংকারীকে আমার থেকে দূরে সরিয়ে রাখে এক সত্য (তরবারি) … যার ধার অতি সূক্ষ্ম এবং যার আঘাত নিঃশব্দ।তা রয়েছে এক মহান ব্যক্তির হাতে যাতে কোনো খুঁত নেই … যখন সে বিপদের সম্মুখীন হয় তখন আমৃত্যু লড়াই করে।তিনি আরও বলেছেন:ইরাকের মদিরাপূর্ণ এক লালচে মশক যার ওপর চট সেলাই করা হয়েছে এবং যার রশিগুলো অত্যন্ত মজবুত।এর দ্বারা তিনি লালচে রঙের একটি চামড়ার পাত্র বুঝিয়েছেন।আমি তা নিয়ে এক দ্রুতগামী ব্যক্তির আগে পৌঁছেছি যে সর্বদা দানশীলতার দিকে ধাবিত হয়; যখন সে মত্ত হয় তখন দারিদ্র্য তাকে কাবু করতে পারে না।পানপাত্রের পাশে তার আঙুলের মুষ্টি থাকে শিথিল, এবং সহ-পানকারীর চেহারার ওপর তার নখগুলো ভোঁতা হয়ে যায়।
(খণ্ড: ১)
হাজফু মিন নাসাবি কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ৫)
وولد الحارث بن عبد المُطَّلِبِ ثلاثة: رَبِيعةَ ونَوْفَلاً، وأبا سُفيْان. شَهد نَوْفَل وأبا سُفيْان يوم حُنين.بلغني أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يوم حُنين: أعقبني الله من حَمْزَةَ أبا سُفيْانَ. ولا عقب لأبي سُفيانَ.وعبد المُطَّلب بن رَبِيعةَ بن الحارث بن عبد المُطَّلب، عظيم القدر في قُريش، ومن ولده: عبد الله بن سُليمانَ بن مُحمَّد بن عبد المُطَّلب ابن رَبِيعةَ بن الحارث بن عبد المُطَّلِبِ، ولاه المَنْصُورُ اليَمَن.وابنه: مُحمَّد بن عبد الله بن سُلَيمانَ، ولي المدينة للرَّشيد.وعبد الرَّحمن بن عبَّاس بن رَبيعةَ بن الحَارِث بن عبد المُطَّلِبِ، الذي قام بأمر أهل البصرة حين هرب ابن الأشعث غلى الكوفة. وله يقول أبو حُزَابَةَ التِميميُّ ثم الحنظليُّ:إِنَّ ابنَ عبَّاس بن عبد المُطَّلِبِ … الأَجْرُ يَوْمَ الْمِرْبَدَيْنِ مُحْتَسِبُعَلَى هَوَى مَنْ يَهْوْهُ فَلَمْ يَخِبْ … وَيَابن مَرْوَانَ خُصُوصاً لا كَذِبْقَدْ دَرَّتِ الْحَرْبُ عَلَيْكَ فَاحْتلِبْ … وَاشْرَبْ بكأْس مُرَّةٍ فيمَنْ شَربْومن ولده: إسْحاقُ ويَعْقُوبُ ابنا الفَضْلُ بن عبد الرَّحمن ابن عبَّاس بن رَبِيعةَ بن الحَارِث بن عبد المُطَّلِبِ.ومن بني نَوْفَل بن الحَارِث بن عبد المُطَّلِبِ: بَبَّهُ، وهو عبد الله بن الحَارِث بن نَوْفَل بن الحَارِث بن عبد المُطَّلِبِ، تراضي به أهل البصرة بعد موت يَزِيد بن مُعاويةُ، فولَّوه عليهم، وذلك بعد خروج عُبَيْد الله ابن زِياد عن دار إمارة البصرة.وإنما سُمِّي ببَّه، لأنّ أمُّه هِنْد بنت أبي سُفيانَ ابن حَرْبِ بن أُمِّيةَ، كانت ترأم عليه وترقِّصه وتقول:لأَنْكِحَنَّ … بَبَّهُجَارِيَةً ف … ي نُقَبَهُتَجُبُّ أَهْ … لَ الكَعْبَهْومن ولده: مُحمَّد بن عَوْنِ بن عبد الله بن الحَارِث ابن نَوفَل.وكان أبو حَمْزَةَ مُحمَّد بن رَبيعة بن الحَارِث ابن عبد المُطَّلِبِ فقيهاً يؤثر عنه العلم.ومن بني نَوْفَل: الحارثُ بن عَوْنِ بن عبد الله بن الحارث بن نَوْفَل بن الحَارِث بن عبد المُطَّلِبِ، كان شريفاً.حُلَفَاءُ بَنِي هَاشِمبنو المُطَّلب بن عبد مَنافٍ، لم يزل ذلك الحلف معموراً معروفاً، دخلوا به مع بني هَاشمٍ الشَّعب كراهة للفرقة، وخرجوا بمخرجهم.منهم: عُبَيدةُ بن الحَارِث بن عبد المطلب بن عبد مّنافٍ، كان أسنَّ المهاجرين، وأحد المبارزين يوم بدر. ارتث ذلك اليوم ودفن بالصَّفراء، ضربه عُتبة بن رَبيعة بن عبد شمْسٍ فقطع رجله، وقتله عُبيدة بن الحارث.وأخوه: الطُفَيْل بن الحارثِ، بدري.ومنهم: مِسْطحُ بن أُثَاثَةَ بن عبَّاد بن المُطَّلب، بدريُّ، وهو أحد الذين جاءوا بالإفك، وحدَّ.ومنهم: عبد يَزْيد بن هَاشمٍ بن عبد المُطَّلب بن عبد منافٍ، كان يقال له. أمُّه بنت هَاشمٍ بن عبد مَنافٍ.وابنه: رُكَانةُ بن عبد يَزِيد بن هَاشمٍ بن عبد المُطَّلب ابن عبد مناف. وكان أشدَّ قُريش بطشا، وهو الذي صارع النبيِّ صلى الله عليه وسلم، فصرعه رسول الله عليه السلام. وأسلم وحسن إسلامه، وقربه رسول الله صلى الله عليه وسلم.
হারিস ইবনে আব্দুল মুত্তালিবের তিন পুত্র জন্মেছিলেন: রাবিয়াহ, নাওফাল এবং আবু সুফিয়ান। নাওফাল এবং আবু সুফিয়ান হুনাইনের যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন।আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুনাইনের দিন বলেছিলেন: আল্লাহ আমাকে হামযাহর বদলে আবু সুফিয়ানকে দান করেছেন। আর আবু সুফিয়ানের কোনো উত্তরসূরি নেই।আর আব্দুল মুত্তালিব ইবনে রাবিয়াহ ইবনে হারিস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব কুরাইশ বংশে অত্যন্ত মর্যাদাবান ছিলেন। তার বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন: আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল মুত্তালিব ইবনে রাবিয়াহ ইবনে হারিস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব, যাকে মানসুর ইয়ামেনের গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন।এবং তার পুত্র: মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে সুলাইমান, যিনি রশীদের পক্ষ থেকে মদিনার শাসনভার পরিচালনা করেছিলেন।আর আব্দুর রহমান ইবনে আব্বাস ইবনে রাবিয়াহ ইবনে হারিস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব, যিনি ইবনুল আশআস কুফায় পালিয়ে যাওয়ার সময় বসরার অধিবাসীদের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। তার সম্পর্কে আবু হুযাবাহ আত-তামিমি আল-হানজালি বলেন:নিশ্চয়ই ইবনে আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব … মিরবাদাইনের যুদ্ধের দিনের সওয়াব প্রত্যাশিতযে তাকে ভালোবাসে তার আকাঙ্ক্ষায় সে নিরাশ হয় না … আর হে মারওয়ানের পুত্র, বিশেষ করে এটি কোনো মিথ্যা নয়যুদ্ধ তোমার ওপর দুগ্ধবতী হয়েছে, সুতরাং দোহন করো … এবং যারা পান করেছে তাদের সাথে তিক্ত পেয়ালায় পান করোতার সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন: ইসহাক এবং ইয়াকুব, তারা দুজন ফাদল ইবনে আব্দুর রহমান ইবনে আব্বাস ইবনে রাবিয়াহ ইবনে হারিস ইবনে আব্দুল মুত্তালিবের পুত্র।আর নাওফাল ইবনে হারিস ইবনে আব্দুল মুত্তালিবের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন: বাববাহ, তিনি হলেন আব্দুল্লাহ ইবনে হারিস ইবনে নাওফাল ইবনে হারিস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব। ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়ার মৃত্যুর পর বসরার অধিবাসীরা তার ব্যাপারে একমত হয়েছিল, ফলে তারা তাকে নিজেদের ওপর শাসক নিযুক্ত করে। আর এটি হয়েছিল বসরার শাসনকেন্দ্র থেকে ওবায়দুল্লাহ ইবনে জিয়াদের প্রস্থানের পর।তাকে 'বাববাহ' নাম দেওয়া হয়েছিল কারণ তার মা হিন্দ বিনতে আবু সুফিয়ান ইবনে হারব ইবনে উমাইয়া তাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন এবং তাকে নাচিয়ে বলতেন:আমি অবশ্যই বিবাহ দেব … বাববাহকেএমন এক কিশোরীর সাথে … যার গুণাবলি বা অলংকারেযে কাবার অধিবাসীদের … ছাড়িয়ে যাবেতার বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন: মুহাম্মাদ ইবনে আওন ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হারিস ইবনে নাওফাল।আর আবু হামযাহ মুহাম্মাদ ইবনে রাবিয়াহ ইবনে হারিস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব একজন ফকিহ ছিলেন, যার নিকট থেকে ইলম বর্ণিত হয়েছে।আর বনু নাওফালের মধ্যে হারিস ইবনে আওন ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হারিস ইবনে নাওফাল ইবনে হারিস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব ছিলেন একজন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি।বনু হাশিমের মিত্রগণবনু মুত্তালিব ইবনে আবদে মানাফ, সেই মিত্রতা সবসময়ই সুপ্রতিষ্ঠিত ও সুপরিচিত ছিল। তারা বিচ্ছিন্নতাকে অপছন্দ করে বনু হাশিমের সাথে গিরি-সংকটে প্রবেশ করেছিলেন এবং তাদের সাথেই বের হয়েছিলেন।তাদের মধ্যে রয়েছেন: উবাইদাহ ইবনে হারিস ইবনে আব্দুল মুত্তালিব ইবনে আবদে মানাফ, তিনি মুহাজিরদের মধ্যে সবচেয়ে প্রবীণ ছিলেন এবং বদরের দিন দ্বৈরথ যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়া ব্যক্তিদের একজন ছিলেন। সেদিন তিনি গুরুতর আহত হন এবং সাফরা নামক স্থানে তাকে দাফন করা হয়। উতবাহ ইবনে রাবিয়াহ ইবনে আবদে শামস তাকে আঘাত করে তার পা কেটে ফেলেছিল এবং উবাইদাহ ইবনে হারিস তাকে হত্যা করেছিলেন।এবং তার ভাই: তুফাইল ইবনে হারিস, তিনি বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ছিলেন।তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন: মিসতাহ ইবনে উসাসাহ ইবনে আব্বাদ ইবনে মুত্তালিব, যিনি বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ছিলেন; আর তিনি সেই ব্যক্তিদের একজন যারা অপবাদ রটনায় লিপ্ত হয়েছিল এবং তার ওপর শরয়ী দণ্ড প্রয়োগ করা হয়েছিল।তাদের মধ্যে রয়েছেন: আব্দুল ইয়াজিদ ইবনে হাশিম ইবনে আব্দুল মুত্তালিব ইবনে আবদে মানাফ। তার মা ছিলেন হাশিম ইবনে আবদে মানাফের কন্যা।এবং তার পুত্র: রুকানাহ ইবনে আব্দুল ইয়াজিদ ইবনে হাশিম ইবনে আব্দুল মুত্তালিব ইবনে আবদে মানাফ। তিনি কুরাইশদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ও বীরযোদ্ধা ছিলেন। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে কুস্তি লড়েছিলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে কুপোকাত করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং তার ইসলাম সুন্দর হয়েছিল, আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে নিজের সান্নিধ্য দান করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
হাজফু মিন নাসাবি কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ৬)
ومن ولده عليُّ بن يَزيدِ بن رُكَانَةَ، كان أشدَّ النَّاس. قدم على مُعَاويةَ بن أبي سُفيانَ مع عبد الله ابن جَعْفَر، نزل على عبد الله، وكان يَزيد يزيد بن مُعاويةَ شديدا، ًفلمَّا رأى عليَّ بن يَزيد قال لأبيه: أريد أن أصارع عليَّ بن يزيد. فنهاه. فقال: لا أرضى أو أصارعه. فكلمَّ مُعاويَةُ عبد الله بن جَعْفَر، فهابه عليَّ بن يزيد وقال: يابن جَعْفَر! خُوِّفت هذا الكلام فخفته، فإن نحن اتَّخذنا فأخذت بيده فانتزعها، فاحجز بيننا، أو أخذ بيدي فعزِّيها، فاحجز بيننا. قال عبد الله ابن جَعْفَر: هي العلامة بيننا فلمَّا أدخلا، وخلا مُعاوية في خاصَّته، اتَّخذا، فأخذ يَزيدُ بيد عليّ، فانتزعها عليٌّ منه. ثمَّ أخذ عليٌّ بيد يَزيد فعزَّه إيَّاها. فلمَّا فعل التفت إلى عبد الله بن جَعْفَر فقال: كفيت الرَّجل! ثمَّ وضع يده اليُمنى في أخدع يَزيدَ فهصره حتَّى انثنى، ثمَّ اخذ بيده اليسرى، ثمَّ أشاله واقبل يمشي به إلى مُعَاويةَ فقال: أين أضعه؟ قال: في حجري! فلمَّا وضعه في حجره قبَّله مُعاويَة.ومنهم: عَمْرو بن عَلْقَمَة بن عبد المُطَّلب بن عبد مَنافٍ، الذي ضربه خداش بن عبد الله بن أبي قَيْس بن عبد وَدٍ ابن نَصْر بن مالك بن حِسَّل، من بني عامر بن لُؤيّ، فقتله. فكانت فيه القسامة في الجاهليَّة. حلفوا على باطل، فماتوا جميعا غير حويطب بن عبد العُزَّى بن أبي قَيْس، فإنَّه أسلم وحسن إسلامه.ومنهم: قَيْسُب بن مخرَمة بن عبد المُطَّلب بن عبد منافٍ، وهو الَّذي كان يمكُو ويُصفق حول البيت فيسمع من حراء. فأنزل الله عز وجل هذه الآية: (وَمَا صَلَاتُهُمْ عِنْدَ البَيْت إِلَاّ مُكَاءَ وَتَصْدِيَةً) " سورة الأنفال: 35 " ومنهم: جُهَيْمُ بن الصَّلْت بن مَخْرَمَة بن المُطَّلب ابن عبد مَنافٍ، الذي رأى الرُّؤيا أنَّ أبا جَهْلِ وأصحابه قُتلوا.ومُحمَّد بن إِسْحَاقَ صاحب السَيْرَة، مولى لبنى قَيْسِ ابن مَخرمَة بن المُطَّلب.مِنْ خُلَفَاءَ بَنِي عَبْدَ هَاشِمٍممن شَهِدَ بَدْراً مِنْ غَيْرِ بَنِي عبد مَنَافٍ: زَيْدُ بن حَارِثةَ بن شَرَاحِيل بن كَعْب بن عبد العُزَّى ابن يَزِيد بن امرئ القَيْس وهو من كلب بن وَبرَّة، بن قُضَاعةَ. شهد بدراً. وكان من أوَّل من أسلم. وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم وسلم يتبنَّاه، حتَّى أنزل الله: (أَدْعُوكُم لآَبَائِهِمْ) ، " سورة الأحزاب: 5 ". وتزوَّج زَينَب ابنة جَحْش، وهي من بني أسَدٍ بن خُزَيْمَة، وفيهما أنزل الله عز وجل: (فَلَمْا قَضَى زَيْدٌ مِنْهَا وَطَراً زَوَّجْنَاكَهَا) ، " سورة الأحزاب 37 ".وابنه أُسَامةُ بن زَيْدٌ، كان في من غسل رسول الله صلى الله عليه وسلم، ودخل القبر. وهو الحبُّ.وأبو كَبْشَةَ، مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم وسلم.وأبو مَرْثَد الالغَنِويُّ. واسمه كنَّاز بن حُصَيْن بن يَرْبُوع ابن طَرِيف بن خُرْشُبة بن عُبيد بن سَعَد بن عُوفٍ بن كَعْب ابن جِلَاّنَ ابن غَنَم بن غَنيَّ بن أعصُر. وابنه مَرثَد بن أبي مَرْثَد، وهما حليفاَ حَمْزَة بن عبد المُطَّلِبِ.وفي بني هَاشمٍ بن عبد مَنافٍ بن الأحلاف: بنو جَعْونَةَ بن شَعُوبَ، من بني لَيْث بن بكر، وهم حِلْفُ للعبَّاس بن عبد المُطَّلب. فرض له في الإسلام في خلافة عمر بن الخطَّاب.وفي بني هَاشمٍ من الحِلفَ: بنو الهَادِي بن أُسَامةُ من بني ليث بن بَكْر.وفيهم بنو شَيْبَانَ، سُلَيْم بن مَنْصُور، حُلفاء الزُّبير بن عبد المُطَّلِبِ.فهؤلاء بنو هَاشمٍ وأحلافهم من بني عبد مَنافٍ ومن سائر العرب.وَلَدَ عَبْدُ شَمْسٍ بنِ عبد مَنَافأمية، ورَبِيعةَ، وحَبِيباً، أمُّهم: تَعْجَزُ ابنة عُبَيْد بن رُؤاس بن كِلَاب.وأُمْيَّة الأصغر ونَوفلاً وعبد أُمْيَّة: أمُّهم: عبلة بنت عُبيد بن جَاذِل بن قَيْس بن حَنْظَلة بن مالك بن زَيْد مَناة بن تَميم، وهم العبلات.وعبد العُزَّى بن عبد شَمْس.فمن بني أُميَّة الأكبر بن عبد شَمْس بن عبد مَنافٍ: حَرْبُ بن أُمية، كان سيِّداً، فكان من رؤساء قريش يوم الفجار.وأبو سُفيان بن حَرْب بن أُمية، واسمه صَخرٌ، كان رئيسا للمشركين يوم أحد، ثم اسلم في الفتح.
আলী ইবনে ইয়াযীদ ইবনে রুকানা ছিলেন তাঁর বংশধরদের একজন, তিনি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ছিলেন। তিনি আবদুল্লাহ ইবনে জাফরের সাথে মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ানের কাছে এসেছিলেন এবং আবদুল্লাহর নিকট অবস্থান করছিলেন। মুয়াবিয়ার পুত্র ইয়াযীদ অত্যন্ত শক্তিশালী ছিল। সে যখন আলী ইবনে ইয়াযীদকে দেখল, সে তার পিতাকে বলল: "আমি আলী ইবনে ইয়াযীদের সাথে কুস্তি লড়তে চাই।" মুয়াবিয়া তাকে নিষেধ করলেন। কিন্তু সে বলল: "আমি তার সাথে কুস্তি না লড়া পর্যন্ত সন্তুষ্ট হব না।" তখন মুয়াবিয়া আবদুল্লাহ ইবনে জাফরের সাথে কথা বললেন। আলী ইবনে ইয়াযীদ আবদুল্লাহর কথায় কিছুটা ভীত হলেন এবং বললেন: "হে ইবনে জাফর! আপনি আমাকে এই বিষয়ে ভয় দেখিয়েছেন তাই আমি ভীত হয়েছি। যদি আমরা একে অপরের হাত ধরি এবং আমি তার হাত টেনে ছাড়িয়ে নেই, তবে আপনি আমাদের মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়াবেন। আর যদি সে আমার হাত ধরে টেনে নেয়, তবে আপনি আমাদের মাঝে বাধা দেবেন।" আবদুল্লাহ ইবনে জাফর বললেন: "এটাই আমাদের মধ্যে সংকেত।" যখন তাদের প্রবেশ করানো হলো এবং মুয়াবিয়া তার ঘনিষ্ঠদের নিয়ে নিভৃতে বসলেন, তারা একে অপরের হাত ধরলেন। ইয়াযীদ আলীর হাত ধরলে আলী তা তার থেকে ছাড়িয়ে নিলেন। এরপর আলী ইয়াযীদের হাত ধরলেন এবং তাকে পরাভূত করলেন। যখন তিনি এটি করলেন, তখন তিনি আবদুল্লাহ ইবনে জাফরের দিকে ফিরে বললেন: "আমি লোকটির জন্য যথেষ্ট হয়েছি!" তারপর তিনি ইয়াযীদের ঘাড়ের রগে নিজের ডান হাত রাখলেন এবং তাকে এমনভাবে চাপ দিলেন যে সে নুয়ে পড়ল। এরপর তিনি তাকে নিজের বাম হাত দিয়ে ধরলেন এবং তাকে তুলে মুয়াবিয়ার দিকে এগিয়ে গিয়ে বললেন: "আমি তাকে কোথায় রাখব?" মুয়াবিয়া বললেন: "আমার কোলে!" যখন তিনি তাকে মুয়াবিয়ার কোলে রাখলেন, তখন মুয়াবিয়া তাকে চুম্বন করলেন।তাদের মধ্যে রয়েছেন: আমর ইবনে আলকামা ইবনে আবদিল মুত্তালিব ইবনে আবদি মানাফ। তাকে বনু আমির ইবনে লুয়াই গোত্রের খিদাশ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবি কায়স ইবনে আবদি ওয়াদ ইবনে নাসর ইবনে মালিক ইবনে হিসসেল আঘাত করে হত্যা করেছিল। জাহেলিয়াতের যুগে তার হত্যার ব্যাপারে 'কাসামাহ' (রক্তপণের শপথ) অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তারা মিথ্যার ওপর শপথ করেছিল, ফলে হুয়াইতিব ইবনে আবদিল উযযা ইবনে আবি কায়স ব্যতীত তারা সকলেই মারা গিয়েছিল। কারণ তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং তাঁর ইসলাম সুন্দর হয়েছিল।তাদের মধ্যে রয়েছেন: কায়সুব ইবনে মাখরামাহ ইবনে আবদিল মুত্তালিব ইবনে আবদি মানাফ। তিনি সেই ব্যক্তি যিনি কাবার চারপাশে শিস দিতেন এবং তালি বাজাতেন যা হেরা পর্বত থেকে শোনা যেত। তখন মহান আল্লাহ এই আয়াত নাজিল করেন: (কাবা ঘরের কাছে তাদের সালাত শিস দেওয়া ও তালি বাজানো ছাড়া আর কিছুই ছিল না) "সূরা আল-আনফাল: ৩৫"। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন: জুহাইম ইবনে আস-সালত ইবনে মাখরামাহ ইবনে আল-মুত্তালিব ইবনে আবদি মানাফ, যিনি স্বপ্নে দেখেছিলেন যে আবু জাহেল এবং তার সঙ্গীরা নিহত হয়েছে।সীরাত রচয়িতা মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক বনু কায়স ইবনে মাখরামাহ ইবনে আল-মুত্তালিবের মুক্তদাসী ছিলেন।বনু হাশিমের মিত্র ও মুক্তদাসীগণবনু আবদি মানাফ ব্যতীত যারা বদরে উপস্থিত ছিলেন তাদের মধ্যে রয়েছেন: যায়েদ ইবনে হারিসাহ ইবনে শারাহিল ইবনে কাব ইবনে আবদিল উযযা ইবনে ইয়াযীদ ইবনে ইমরুল কায়স। তিনি কুযাআ গোত্রের কালব ইবনে ওয়াবরাহ বংশোদ্ভূত। তিনি বদরে উপস্থিত ছিলেন এবং সর্বপ্রথম ইসলাম গ্রহণকারীদের অন্যতম ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দত্তক নিয়েছিলেন, যতক্ষণ না আল্লাহ এই আয়াত নাজিল করেন: (তোমরা তাদেরকে তাদের পিতৃপরিচয়ে ডাকো), "সূরা আল-আহযাব: ৫"। তিনি যায়নাব বিনতে জাহশকে বিবাহ করেছিলেন, যিনি বনু আসাদ ইবনে খুযাইমাহ গোত্রের ছিলেন। তাদের বিষয়েই মহান আল্লাহ নাজিল করেন: (অতঃপর যখন যায়েদ তার থেকে প্রয়োজন পূর্ণ করল, তখন আমি তাকে তোমার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করলাম), "সূরা আল-আহযাব: ৩৭"।তাঁর পুত্র উসামা ইবনে যায়েদ, তিনি তাদের মধ্যে ছিলেন যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গোসল করিয়েছিলেন এবং কবরে প্রবেশ করেছিলেন। তিনি ছিলেন রাসুলের অত্যন্ত প্রিয়ভাজন।এবং আবু কাবশাহ, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুক্তদাসী ছিলেন।এবং আবু মারসাদ আল-গানাবী। তাঁর নাম কাননায ইবনে হুসাইন ইবনে ইয়ারবু ইবনে তারিফ ইবনে খুরশুবা ইবনে উবায়েদ ইবনে সাদ ইবনে আউফ ইবনে কাব ইবনে জিল্লান ইবনে গানাম ইবনে গানি ইবনে আসুর। এবং তাঁর পুত্র মারসাদ ইবনে আবি মারসাদ। তাঁরা উভয়েই হামযাহ ইবনে আবদিল মুত্তালিবের মিত্র ছিলেন।বনু হাশিম ইবনে আবদি মানাফের মিত্রদের মধ্যে রয়েছে: বনু জাউয়ানা ইবনে শাউব, যারা বনু লাইস ইবনে বকর গোত্রের এবং তারা আব্বাস ইবনে আবদিল মুত্তালিবের মিত্র ছিল। ওমর ইবনে আল-খাত্তাবের খিলাফতকালে ইসলামে তাদের জন্য ভাতা নির্ধারিত হয়েছিল।বনু হাশিমের মিত্রদের মধ্যে আরও রয়েছে: বনু লাইস ইবনে বকর গোত্রের বনু আল-হাদী ইবনে উসামা।এবং তাদের মধ্যে রয়েছে বনু শায়বান, যারা সুলাইম ইবনে মনসুর গোত্রের এবং যুবাইর ইবনে আবদিল মুত্তালিবের মিত্র ছিল।এরাই হলো বনু হাশিম এবং বনু আবদি মানাফ ও অন্যান্য আরবদের মধ্য থেকে তাদের মিত্রগণ।আবদ শামস ইবনে আবদি মানাফের সন্তানগণউমাইয়া, রাবিয়া এবং হাবীব; তাদের মাতা ছিলেন তাজআয বিনতে উবায়েদ ইবনে রুয়াস ইবনে কিলাব।এবং উমাইয়া আসগর, নওফাল এবং আবদ উমাইয়া। তাদের মাতা ছিলেন আবলা বিনতে উবায়েদ ইবনে জাযিল ইবনে কায়স ইবনে হানযালা ইবনে মালিক ইবনে যায়েদ মানাত ইবনে তামীম। তাদেরকে 'আবালাত' বলা হয়।এবং আবদিল উযযা ইবনে আবদ শামস।বনু উমাইয়া আল-আকবার ইবনে আবদ শামস ইবনে আবদি মানাফের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন: হারব ইবনে উমাইয়া, তিনি একজন সর্দার ছিলেন এবং ফিজারের যুদ্ধের দিন কুরাইশদের অন্যতম নেতা ছিলেন।এবং আবু সুফিয়ান ইবনে হারব ইবনে উমাইয়া, তাঁর নাম সাখর। তিনি উহুদের যুদ্ধের দিন মুশরিকদের নেতা ছিলেন, অতঃপর মক্কা বিজয়ের সময় ইসলাম গ্রহণ করেন।
(খণ্ড: ১)
হাজফু মিন নাসাবি কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ৭)
ويزيد بن أبي سُفيان، ولَاّه أبو بَكْر الشَّأم، ثم ولي عُمر بن الخطَّاب فأقرَّه على الشَّأم حتَّى مات يَزِيد.ومُعاوية بن أبي سُفيانَ، وهو الثاني من خلفاء بني أُمية.ثم يَزِيد ابنه.ثم مُعاوية بن يَزيد بن مُعاوية، كانت خلافته أربعين ليلة، وهو أبو ليلى الَّذي يُقال فيه:إِنَّي أَرَى فِتنة تَغْلي مَراجِلُها … والمُلْك بعد أبي لَيلى لمن غَلَباوحنظلة بن أبي سُفيان، شهد بدراً مع المشركين، فقتله حَمْزَة بن عبد المُطَّلب.ومن بني أُمية: عُثمان بن عفَّان بن أبي العاص بن أُمية.وأمُّ أبي العاص والعاص وأبي العيص والعيص، بني أُمية، آمنة ابنة أبان بن كُليب بن ربيعة بنت عامر ابن صَعْصَعة، قال النَّابغة الجعدَّي:فَشَارَكنَا قُرَيْشاً فِي تُقَاهَا … وَفِي أَحْسَابِهَا شَرْكَ العِنَانِبِمَا وَلَدَتْ نِسْاء بني هِلال … وما ولدتْ نِسْاء بني أَبَانِآمِنة بنت أبَانِ ولدت الأعياص بني أُمَيَّة هؤلاء الَّذين ذكرت.وأما نساء بني هِلال، فإن أمُّ المساكين زَينب أبنت خُزَيمة الهلالية كانت عند رسول الله صلى الله عليه وسلم وسلم، وكان عنده مَيْمُونة بنت الحَارِث بن حُزْنِ بن بُجْيَر ابن الهُزم بن رٌويبة بن عبد الله بن هلال.وكانت أختها لُبابة الصغرى عند الوليد بن الوليد ابن المَغيرة بن عبد الله بن عُمَر بن مَخزُوم، فولدت خالد بن الوليد، فهو ابن خالد ولد العبَّاس.وأمُّ أبي سُفيان بن حَرب، عمَّتهنَّ صفية بنت حَزن.عُثمان بن عثمان، جهزَّ جيش العُسرة، وشهد مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم مشاهده.وأبان بن عثمان بن عفَّان، كان ممن يقيم الحجِّ.وسعيد بن عثمان بن عفَّان الأعور، ولَاّه مُعاوية خُرّاسان، وهو الَّذي قدم بالرّهن المدينة فقتلوه بها، وكان أتى سَمرقَنْد.ومن بني أبي العاص بن أُمية: مَروان بن الحّكم، وهو الَّذي دعا إلى نفسه بعد موت يزيد بن معاوية، فغلب على الشأم وقتل الضَّحاك بن قَيْس الفُهري، وأخذ الجزيرة ثم هلك. وقام ابنه عبد الملك بن مروان، فقتل ابن الزُّبير، ثمَّ ولي الخلافة هو وولده، فلمَ تزَّل لهم حتى أخرجها الله من أيديهم بهذه الدعوة المباركة.فولى عبد الملك الخلافة.ثمَّ ولي بعده الوليد بن عبد المَلِك.ثمَّ سُليمان بن عبد المَلْك.ووليها عُمَر بن عبد العَزِيز بن مَرْوان ابن الحَكَمِ بن أبي العاص.ثمَّ يَزِيد بن عبد الملك بن مَرْوان.ثمَّ هِشامُ بن عبد الملِك.ثمَّ الوليدُ بن يَزِيد بن عبد المَلِك، ثمَّ قتل الوليدُ ابن يَزِيد، يزيد بن الوليد بن عبد الملك، ثمَّ مات بعد ما أتته بيعته من الآفاق.ثمَّ قام مروان بن محمَّد بن مَرْوان، فطالت فتنته، ثمَّ أخرجها الله من يده إلى بني العبَّاس.ومن بني العاص بن أُميَّة: أبو أحِيحَةَ، سعيدُ ابن العاص بن أُميَّة، كان من عظماء قُريش في الجاهليَّة.ومن ولده: العاص بن سعيدُ بن العاص بن أُميَّة، قُتل يوم بدر كافراً.وسعيد بن العاص بن سعيد بن العاص، عرض عليه القُرآن في خلافة عثمان بن عفَّان حين جُمع القرآن.وابنه عمرو بن سعيد الأشدق، وهو الذي نازع عبد الملك ابن مَرْوان الخفلاة، فقتله عبد الملك.وكان لأبي أَحَيْحَة عشرة بنين، ليس لأحد منهم عقب غير قتيل بدر الذي قُتل وهو كافر، وكلَّهم قُتل: خمسة قُتلوا كفَّاراً، وخمسة قتلوا مسلمين.أحدهم: خالد بن سعيد وهو الذي قال لأبيه أبي أحَيحة وهو مسنده غلى صدره مريضاً، وأبوه يقول وهو يذكر النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم: لئن ارتفعت من مرضي لأثبتنَّك أو لأقتلنَّك أو لأخرجنَّك. فقال لأبيه: لا رفعك الله! وكان من مهاجرة الحبشة، ولم يشهد يوم بدر. واستشهد يوم مرج الصُفَّر.وأبان وعمرو وعبد الله، وسعيد بن سعيد، استشهد يوم الطَّائف.وقتل كافرا يوم بدر: العاص بن سعيد. وعُبَيْدَة ابن سعيد قتل يوم بدر.والثلاثة: أُحَيحة، وعُرْوَة، والحَكَمُ، قتلوا في غير ملامح المسلمين. قتل أحَيْحَة بن سعيد يوم عُكاظ، إلَاّ أنَّ مناياهم جميعا كانت القتل.ومن بني أأبي العِيْص بن أُميَّة: عتَّاب بن أسيد ابن أبي العِيْص بن أميَّة، استعمله رسول الله صلى الله عليه وسلم على مكَّة.
এবং ইয়াজিদ ইবনে আবি সুফিয়ান, আবু বকর তাকে শামের গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন। এরপর উমর ইবনুল খাত্তাব তাকে সেখানে বহাল রাখেন যতক্ষণ না ইয়াজিদ মৃত্যুবরণ করেন।এবং মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান, তিনি বনু উমাইয়ার খলিফাদের মধ্যে দ্বিতীয়।তারপর তার পুত্র ইয়াজিদ।তারপর মুয়াবিয়া ইবনে ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়া, তার খেলাফত ছিল মাত্র চল্লিশ রাত। তিনি হলেন সেই আবু লায়লা যার সম্পর্কে বলা হয়:নিশ্চয়ই আমি এক ফিতনা দেখতে পাচ্ছি যার হাঁড়িগুলো টগবগ করে ফুটছে … আর আবু লায়লার পর রাজত্ব তার হবে যে বিজয়ী হবে।এবং হানজালা ইবনে আবি সুফিয়ান, সে মুশরিকদের সাথে বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল, এরপর হামজা ইবনে আব্দুল মুত্তালিব তাকে হত্যা করেন।আর বনু উমাইয়াদের মধ্যে রয়েছেন: উসমান ইবনে আফফান ইবনে আবিল আস ইবনে উমাইয়া।এবং বনু উমাইয়ার আবিল আস, আল-আস, আবু আল-আইস এবং আল-আইস—এই চার ভাইয়ের মা হলেন আমিনাহ বিনতে আবান ইবনে কুলাইব ইবনে রাবিয়া বিনতে আমির ইবনে সা’সাআহ। নাবিগাহ আল-জাদি বলেছেন:আমরা কুরাইশদের সাথে তাদের তাকওয়া এবং তাদের মর্যাদার ক্ষেত্রে … শরিকান-এ-ইনান (অংশীদারিত্বের এক ধরন) হিসেবে অংশীদার হয়েছি।বনু হিলালের নারীরা যা জন্ম দিয়েছে তার বদৌলতে … এবং বনু আবানের নারীরা যা জন্ম দিয়েছে তার কারণে।এই আমিনা বিনতে আবানই বনু উমাইয়ার সেই আল-আইসদের জন্ম দিয়েছেন যাদের কথা আমি উল্লেখ করেছি।আর বনু হিলালের নারীদের প্রসঙ্গে বলা যায়, উম্মুল মাসাকিন জয়নব বিনতে খুজাইমা আল-হিলালিয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী ছিলেন। তাঁর নিকট আরও ছিলেন মাইমুনা বিনতে আল-হারিস ইবনে হুজন ইবনে বুজাইর ইবনে আল-হাজম ইবনে রুওয়ায়বা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে হিলাল।এবং তাঁর (মাইমুনার) বোন লুবাবা আস-সুগরা ছিলেন ওয়ালিদ ইবনুল ওয়ালিদ ইবনে আল-মুগিরা ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে মাখজুমের স্ত্রী; তিনি খালিদ ইবনুল ওয়ালিদকে জন্ম দেন। সুতরাং তিনি (লুবাবার সন্তান খালিদ) হলেন আব্বাসের সন্তানদের মতই বংশীয় আত্মীয়।আর আবু সুফিয়ান ইবনে হারবের মা হলেন তাদের ফুফু সাফিয়া বিনতে হুজন।উসমান ইবনে উসমান (ইবনে আফফান), যিনি জাইশুল উসরা বা অভাবের দিনে (তাবুক যুদ্ধের) বাহিনীকে সজ্জিত করেছিলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সকল যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন।এবং আবান ইবনে উসমান ইবনে আফফান, তিনি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা হজ পরিচালনা করতেন।এবং সাঈদ ইবনে উসমান ইবনে আফফান আল-আওয়ার, মুয়াবিয়া তাকে খুরাসানের গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি জামিনদারদের নিয়ে মদিনায় এসেছিলেন এবং তারা তাকে সেখানে হত্যা করে; তিনি সমরকন্দ অভিযানে গিয়েছিলেন।আর বনু আবিল আস ইবনে উমাইয়াদের মধ্যে রয়েছেন: মারওয়ান ইবনুল হাকাম। তিনি সেই ব্যক্তি যিনি ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়ার মৃত্যুর পর নিজের জন্য খেলাফতের আহ্বান জানান এবং শামের ওপর বিজয়ী হয়ে দাহহাক ইবনে কায়েস আল-ফিহরিকে হত্যা করেন। এরপর তিনি জাজিরা দখল করেন এবং পরবর্তীতে মৃত্যুবরণ করেন। এরপর তাঁর পুত্র আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান ক্ষমতাসীন হন এবং তিনি ইবনুল জুবাইরকে হত্যা করেন। অতঃপর তিনি এবং তাঁর সন্তানরা খেলাফতের দায়িত্ব পালন করেন। আল্লাহ তাআলা এই মোবারক দাওয়াতের (আব্বাসীয় বিপ্লব) মাধ্যমে তা তাদের হাত থেকে বের করে নেওয়ার আগ পর্যন্ত তা তাদের নিকটই ছিল।অতঃপর আব্দুল মালিক খেলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।তারপর তাঁর পর ওয়ালিদ ইবনে আব্দুল মালিক খলিফা হন।তারপর সুলায়মান ইবনে আব্দুল মালিক।এরপর মারওয়ান ইবনুল হাকাম ইবনে আবিল আস-এর পুত্র আব্দুল আজিজের পুত্র উমর ইবনে আব্দুল আজিজ খেলাফতের দায়িত্ব পালন করেন।এরপর ইয়াজিদ ইবনে আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান।এরপর হিশাম ইবনে আব্দুল মালিক।এরপর ওয়ালিদ ইবনে ইয়াজিদ ইবনে আব্দুল মালিক। তারপর ওয়ালিদ ইবনে ইয়াজিদ নিহত হন এবং ইয়াজিদ ইবনে ওয়ালিদ ইবনে আব্দুল মালিক ক্ষমতা গ্রহণ করেন; অতঃপর দিগন্ত থেকে তার প্রতি আনুগত্যের শপথ আসার পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।এরপর মারওয়ান ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মারওয়ান ক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং তাঁর ফিতনা দীর্ঘায়িত হয়। পরিশেষে আল্লাহ তাআলা তা তাঁর হাত থেকে বের করে বনু আব্বাসের হাতে সঁপে দেন।আর বনু আস ইবনে উমাইয়ার মধ্যে রয়েছেন: আবু উহাইহা সাঈদ ইবনুল আস ইবনে উমাইয়া, তিনি জাহেলিয়াত যুগে কুরাইশদের অন্যতম প্রধান নেতা ছিলেন।এবং তাঁর সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন: আস ইবনে সাঈদ ইবনুল আস ইবনে উমাইয়া, যে বদরের যুদ্ধে কাফের অবস্থায় নিহত হয়েছিল।এবং সাঈদ ইবনুল আস ইবনে সাঈদ ইবনুল আস, উসমান ইবনে আফফানের খেলাফতকালে যখন কুরআন সংকলন করা হয়, তখন তাঁর সামনে কুরআন পেশ করা হয়েছিল।এবং তাঁর পুত্র আমর ইবনে সাঈদ আল-আশদাক, যে আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ানের সাথে খেলাফত নিয়ে বিবাদে লিপ্ত হয়েছিল এবং আব্দুল মালিক তাকে হত্যা করেন।আবু উহাইহার দশজন পুত্র ছিল। বদরের যুদ্ধে কাফের অবস্থায় নিহত হওয়া সেই ব্যক্তি ব্যতীত তাদের আর কারো বংশধর অবশিষ্ট ছিল না। তাদের সবাই নিহত হয়েছিলেন: পাঁচজন কাফের অবস্থায় এবং পাঁচজন মুসলিম হিসেবে।তাদের একজন হলেন খালিদ ইবনে সাঈদ। তিনি সেই ব্যক্তি যিনি তাঁর পিতা আবু উহাইহাকে বলেছিলেন যখন পিতা অসুস্থ অবস্থায় তাঁর বুকে হেলান দিয়ে ছিলেন, আর তাঁর পিতা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা উল্লেখ করে বলছিলেন: 'যদি আমি এই অসুস্থতা থেকে সুস্থ হয়ে উঠি, তবে অবশ্যই তোমাকে (নবীর দ্বীনের ওপর) অবিচল থাকতে দেব না, হয় তোমাকে হত্যা করব অথবা দেশান্তরিত করব।' তখন খালিদ তাঁর পিতাকে বলেছিলেন: 'আল্লাহ যেন আপনাকে সুস্থ না করেন!' তিনি হাবশায় হিজরতকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং বদরের যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন না। মারজ আস-সুফফারের যুদ্ধে তিনি শাহাদাত বরণ করেন।এবং আবান, আমর, আব্দুল্লাহ এবং সাঈদ ইবনে সাঈদ—সাঈদ তায়েফের যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করেন।আর বদরের যুদ্ধে কাফের অবস্থায় নিহত হয়েছিল: আস ইবনে সাঈদ এবং উবায়দাহ ইবনে সাঈদ।আর বাকি তিনজন: উহাইহা, উরওয়াহ এবং হাকাম—তারা মুসলমানদের সাথে কোনো যুদ্ধে নয় বরং ভিন্নভাবে নিহত হয়েছিলেন। উহাইহা ইবনে সাঈদ উকাজ মেলায় নিহত হয়েছিলেন; তবে তাদের সবার মৃত্যু হয়েছিল হত্যার মাধ্যমে।আর বনু আবিল আইস ইবনে উমাইয়ার মধ্যে রয়েছেন: আত্তাব ইবনে আসীদ ইবনে আবিল আইস ইবনে উমাইয়া, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে মক্কার গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন।
(খণ্ড: ১)
হাজফু মিন নাসাবি কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ৮)
وابنه عبد الرَّحمن بن عتَّاب بن أسيد ابن أبي العِيص بن أُميَّة، قتل يوم الجمل، فمرَّ به عليَّ بن أبي طالب رضي الله عنه فقال: ها يَعْسُوب قُريش.ومنهم: عبد الله بن خالد بن أسيد بن أبي العِيص ابن أميَّة، كان من عظماء قُريش.وابنه خالد بن عبد الله بن خالد بن أسيد، ولَاّه عبد الملك، حين قُتل مُصْعَب بن الزُّبير، البصرة وأعمالها.ومن بني أبي عمرو بن أُميَّة: مُسافر بن أبي عمرو ابن أميَّة، كان شريفا شاعرا. وهو الَّذي يقول:تَمُدُّ إلي الأْقْصَى بِثَدْيِكَ كُلِّهِ … وَأَنْت عنِ الأْدْنَى صَرْومٌ مُجَدَّدُصروم: لا لبن له، مُجدَّد: مقطوع.فَإِنَّكَ لَوْ أَصْلَحْتَ مَنْ أَنْتَ مُفْسِدٌتَوَدَّتَكَ الأقْصْى الَّذِي تَتَوَدَّدُوَإِنَّ ابْنَ عَمِّ المَرْء يَحْمِي ذِمَاَرهُ … ويمنعه حينَ الفَرَائصُ تُرْعَدُوقال:يَا بَني عبد مَنَافٍ إِنَّكُمْ … مَعْشَرٌ أَهَلُ جَلَالٍ وَكَرَمْفَاحْفَظُوا الأَرْحَامَ فِيمَا بَيْنَكُمْ … قَرُبَ الأَرْحَامُ فَالبُعْدُ ابنُ عَمّْقَدْ أراني وَحَدِيثٌ مَوْلِدِي … وَلَنَا جَمْعٌ رَجِيعٌ المُرْتَزمْحِينَ لَا تَمْتَنَعُ أُنُثَى فَرْجَهَا … ووَجُوهُ القَوْمِ سُودٌ كالحُمَمْومنهم: عُقبة بن أبي مُعيط، وابنه الوليد بن عَقَبة، ولَاّه عُثمان بن عفَّان الكُوفة وأعمالها.ومن بني حُبيب عبد شمس عبد الله بن عامر ابن كُريز بن ربيعة بن حبيب بن عبد شمس، ولَاّة عثمان ابن عفَّان العراق، وورد نيسابور، وخيّله فتحة المرورين: فتح حاتم بن النعمان مرور الشاهجان. وفتح الأحنف بن قَيس مرو الرَّوذ. فلما أتته فتوحه أتاه قتل عثمان، فأحرم من نيسابور.وعبد الأعلى بن عبد الله الأعمى بن عبد الله بن عامر، كان من أشراف قُريش بالبصرة، وكانت له قطائع. ولم تكن السُّوق تقطع الأرضين.وَمنهم: مسلم بن عبيس بن كريز بن ربيعة بن حبيب ابن عبد شمس، هو الذي خرج بأهل البصرة متطوٍّعا إلى الخوارج بدولاب، فلم يتخلَّف عنه شرف ولا فقه، وقتل بدولاب من أرض الأهواز.ومن بني ربيعة بن عبد شمس: عتبة وشيبة ابنا ربيعة بن عبد شمس. وعتبة هو الذَّي نهى قريشا يوم بدر عن قتال النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم. وفيه قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إِن يطيعوا صاحب الجمل الأحمر يرشدوا. يعني عُتبة بن ربيعة.قتل عُتبة بن ربيعة، وشيبة بن ربيعة، والوليد ابن عُتبة بن ربيعة، يوم بدر كفَّارا، وكانوا من عظماء قريش في الجاهليَّة.وأبو حذيفة بن عُتبة بن ربيعة، شهد بدرا مع النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم، وقتل يوم اليمامة شهيدا.من بني عبد العزَّى بن عبد شمس: أُبو العاص بن الرَّبيع بن عبد العُزَّى، وهو زوج زينب بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم. قال النبي صلى الله عليه وسلم: من ذممنا صهره، فإِنَّا لم نذمم صهر أَبي العاص بن الرَّبيع.ومن بني أميَّة الأصغر: الحارث بن أمية بن عبد شمس، كان شاعرا، هو الذَّي يقول:أصْبَحَ بَطْنُ مَكَّةَ مُقْشعرَّا … كَأن َّالأرْضَ لَيْسَ بهِا هشَامُومن بني نوفل بن عبد شمس: أبو العاص بن نوفل، كان من أشراف قريش، وهو ابن خالة عبد الله ابن عبد المُطّلب، أبي النبي صلى الله عليه وسلم. أمُّه: فُطيمة بن عمرو بن عائذ بن عمران بن مخزوم، وأمٌّ عبد الله: فاطمة بنت عمرو.ومن بني نَوْفَل بن عبد مَنافٍ، وهم أحلاف بني عبد شمس بن عبد مَنافٍ على بني هاشم بن عبد مَنافٍ وبني المطَّلب بن عبد مَنافٍ: مُطعم بن عَديّ بين نَوفلٍ كان من أشراف قريشٍ وذوي الطَّاعة منهم، وهو ممَّن تعطفَّه أبو طالب في نصرة النبي صلى الله عليه وسلم عليه فقال:أم طعم إِنَّ القَوْمَ سَامُوكَ خُطَّةً … وإني مَتَّى أُوْكِلْ فَلَسْتَ بِوَائِلوائل: ناج من " وأل يئل " يعني سائر قُريش، لأنهم اجتمعوا على بني هاشم في قتل النبي صلى الله عليه وسلم.
এবং তাঁর পুত্র আবদুর রহমান বিন আত্তাব বিন আসিদ ইবনে আবিল আইস ইবনে উমাইয়া, তিনি জঙ্গে জামাল বা উটের যুদ্ধে নিহত হন। আলী বিন আবি তালিব (রা.) তাঁর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বলেছিলেন: "ইনি কুরাইশদের প্রধান নেতা (ইয়া’সুব)।"তাঁদের মধ্য থেকে: আবদুল্লাহ বিন খালিদ বিন আসিদ বিন আবিল আইস ইবনে উমাইয়া, তিনি কুরাইশদের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।এবং তাঁর পুত্র খালিদ বিন আবদুল্লাহ বিন খালিদ বিন আসিদ, মুসআব বিন জুবায়ের নিহত হওয়ার পর আবদুল মালিক তাকে বসরা ও এর আশেপাশের অঞ্চলের শাসনকর্তা নিযুক্ত করেছিলেন।বনু আবি আমর বিন উমাইয়াদের মধ্য থেকে: মুসাফির বিন আবি আমর ইবনে উমাইয়া, তিনি একজন উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন কবি ছিলেন। তিনিই বলেন:তুমি দূরের মানুষের দিকে তোমার পূর্ণ মমতা (স্তন্য) প্রসারিত করো … অথচ তুমি নিকটাত্মীয়ের প্রতি অত্যন্ত শুষ্ক ও বিচ্ছিন্ন।সারুম: যার দুধ নেই, মুজাদ্দাদ: বিচ্ছিন্ন বা কাটা।তুমি যাদের সাথে মন্দ আচরণ করছ, তাদের যদি সংশোধন করতে, তবে তুমি যাকে ভালোবাসতে চাচ্ছ, সেই দূরের মানুষটিও তোমাকে ভালোবাসত।মানুষের আপন ভাই বা আত্মীয়ই তার সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করে … এবং তাকে রক্ষা করে যখন ভয়ে মানুষের শরীরের পেশিগুলো কাঁপতে থাকে।এবং তিনি আরও বলেন:হে বনু আবদে মানাফ! তোমরা তো … এমন এক জাতি যারা মহানুভবতা ও সম্মানের অধিকারী।সুতরাং তোমাদের নিজেদের মধ্যকার আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখো … কারণ আত্মীয়তা যখন নিকটবর্তী হয়, তখন দূরত্ব হয়ে যায় চাচাতো ভাইয়ের মতো।আমার জন্মের সময় থেকেই আমি নিজেকে দেখেছি … আমাদের একটি সুসংগঠিত শক্তিশালী দল ছিল।সেই সংকটের সময়ে যখন কোনো নারী তার ইজ্জত রক্ষা করতে পারত না … এবং কওমের লোকেদের মুখমণ্ডলগুলো কয়লার মতো কালো হয়ে যেত।তাঁদের মধ্য থেকে: উকবা বিন আবি মুআইত এবং তাঁর পুত্র ওয়ালিদ বিন উকবা, উসমান বিন আফফান (রা.) তাঁকে কুফা ও এর আশেপাশের অঞ্চলের শাসনকর্তা নিযুক্ত করেছিলেন।বনু হুবাইব আবদে শামসের মধ্য থেকে: আবদুল্লাহ বিন আমির বিন কুরাইজ বিন রাবিয়াহ বিন হুবাইব বিন আবদে শামস, উসমান বিন আফফান (রা.) তাঁকে ইরাকের শাসনকর্তা নিযুক্ত করেছিলেন। তিনি নিশাপুরে পৌঁছেছিলেন এবং তাঁর অশ্বারোহী বাহিনী 'মারওয়াইন' বিজয় করেছিল: হাতিম বিন নুমান 'মারওয়া শাহজান' এবং আহনাফ বিন কায়েস 'মারওয়া রূদ' বিজয় করেন। যখন তাঁর কাছে এই সব বিজয়ের সংবাদ পৌঁছাল, ঠিক তখনই উসমানের শাহাদাতের খবরও এল, ফলে তিনি নিশাপুর থেকেই ইহরাম বাঁধলেন।এবং আবদুল আলা বিন আবদুল্লাহ আল-আ’মা বিন আবদুল্লাহ বিন আমির, তিনি বসরার কুরাইশ বংশীয় অভিজাতদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং তাঁর অনেক ভূ-সম্পত্তি (জায়গির) ছিল। তখন বাজার বা সাধারণ কেনাবেচা ভূমির মালিকানা পরিবর্তন করতে পারত না।তাঁদের মধ্য থেকে: মুসলিম বিন উবাইস বিন কুরাইজ বিন রাবিয়াহ বিন হুবাইব বিন আবদে শামস, তিনি বসরার অধিবাসীদের নিয়ে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে দালাব নামক স্থানে খারিজিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে বের হয়েছিলেন। তাঁর সাথে কোনো অভিজাত বা ফকিহ ব্যক্তি যাওয়া থেকে বিরত থাকেনি। তিনি আহওয়াজ অঞ্চলের দালাব নামক স্থানে নিহত হন।বনু রাবিয়াহ বিন আবদে শামসের মধ্য থেকে: উতবা ও শায়বা, রাবিয়াহ বিন আবদে শামসের দুই পুত্র। এই উতবাই বদরের দিন কুরাইশদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে নিষেধ করেছিলেন। তাঁর সম্পর্কেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন: "যদি তারা লাল উটের আরোহীর কথা শোনে, তবে তারা সঠিক পথ পাবে।" অর্থাৎ তিনি উতবা বিন রাবিয়াহকে উদ্দেশ্য করেছিলেন।বদরের দিন উতবা বিন রাবিয়াহ, শায়বা বিন রাবিয়াহ এবং ওয়ালিদ বিন উতবা বিন রাবিয়াহ কাফের অবস্থায় নিহত হন। তাঁরা জাহেলি যুগে কুরাইশদের বড় নেতাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।আবু হুজাইফা বিন উতবা বিন রাবিয়াহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে বদরের যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন এবং ইয়ামামার যুদ্ধে শহীদ হন।বনু আবদুল উযযা বিন আবদে শামসের মধ্য থেকে: আবু আল-আস বিন আল-রাবি বিন আবদুল উযযা, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কন্যা জয়নাব (রা.)-এর স্বামী ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন: "আমরা যাদের জামাতা হিসেবে নিন্দা করি, আমরা আবু আল-আস বিন আল-রাবিকে জামাতা হিসেবে নিন্দা করিনি।"বনু উমাইয়া আল-আসগরের মধ্য থেকে: হারিস বিন উমাইয়া বিন আবদে শামস, তিনি একজন কবি ছিলেন। তিনিই বলেন:মক্কার উপত্যকা আজ শোকে শিহরিত হয়ে উঠেছে … যেন এই জমিনে আর হিশাম (ইবনে মুগিরা) বেঁচে নেই।বনু নওফল বিন আবদে শামসের মধ্য থেকে: আবু আল-আস বিন নওফল, তিনি কুরাইশদের অভিজাতদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিতা আবদুল্লাহ বিন আবদুল মুত্তালিবের খালাতো ভাই ছিলেন। তাঁর মা ছিলেন ফুতিমা বিনতে আমর বিন আইজ বিন ইমরান বিন মাখজুম, আর আবদুল্লাহর মা ছিলেন ফাতিমা বিনতে আমর।বনু নওফল বিন আবদে মানাফের মধ্য থেকে—যাঁরা বনু হাশিম বিন আবদে মানাফ ও বনু মুত্তালিব বিন আবদে মানাফের বিরুদ্ধে বনু আবদে শামস বিন আবদে মানাফের মিত্র ছিল: মুতয়িম বিন আদি বিন নওফল, তিনি কুরাইশদের অত্যন্ত সম্মানিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সাহায্য করার ব্যাপারে আবু তালিব তাঁর প্রশংসা করে ও তাঁর সহমর্মিতা কামনা করে বলেছিলেন:হে মুতয়িম! যখন কওমের লোকেরা তোমার ওপর অন্যায় শর্ত চাপিয়ে দিয়েছিল … তখন আমি যদি তোমাকে একাকী অসহায় অবস্থায় ছেড়ে দিতাম, তবে আমিও মুক্তি পেতাম না।ওয়াইল: অর্থ নাজাতপ্রাপ্ত বা মুক্তি পাওয়া। এটি "ওয়া’লা-ইয়া’ইলু" ক্রিয়ামূল থেকে আগত। এখানে বাকি কুরাইশদের কথা বোঝানো হয়েছে, কারণ তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে হত্যা করার কুমতলবে বনু হাশিমের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল।
(খণ্ড: ১)
হাজফু মিন নাসাবি কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ৯)
وجُبَيْر بن مُطعَم، كان من أشراف قُريش، وكان من أعلم الناس من نسب العرب قاطبة. سأله عُمر بن الخطَّاب عن النُّعمان بن المنذر ممَّن هو؟ فقال: من أشلاء قنص ابن معد و " الأشلاء ": البقايا فأعطاه عمر سيف النُّعمان.ومنهم: طعيمة بن عديّ بن نوفل، كان عظيم القدر عن مشركي قريشٍ، قتل يوم بدر كافرا.ومنهم: عبيد الله بن عديّ بن الخيَّار بن عُديّ بن نوفل بن عبد مناف كان من إفاضة قريش وعلماءها. كان يقال لمجلسه: " مجلس القلادة "، لأن كل شرف وعلم في قُريش يكون في مجلسه. كان مُعاوية بن أبي سُفيان يكثر المسألة عن مجلسه ويقول: ما فعل مجلس القلادة؟ ومنهم: نافع بن ضريب بن عمرو بن نوفل، وهو الذي كتب القرآن على عهد عثمان رحمه الله.وقرضة بن عبد عمرو بن نوفل، كان لمن ينهى على حرب النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم، ولم يسلم.وابنه مسلم بن قرضة قتل يوم الجمل مع عائشة.والحارث بن عامر بن نوفل بن عبد مناف، كان عظيم القدر في الجاهليَّة، قتل يوم بدر كافرا، وهو الذي قال: (أَنْ نَتَّبِعْ الْهُدَى مَعَكَ نُتَخَطَّفْ مِنْ أَرضِنَا) " سورة القصص: 57 ". وكان في الذين سرقوا غزال الكعبة.ومن أحلاف بني أُميَّة من غير بني عبد مَنَافٍ: بنو جحش بن رئاب بن يَعمر بن صبرة بن مُرَّةَ ابن كبير بن غنم بن دُودان بن أسد بن خُزَيمة.وأوَّل فيء قسم في الإسلام أصابه عبد الله بن جحش، أرسله رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى نخلة، فقتل عمرو بن الحضرميِّ، وكان شهد بدراً.وعكاشة بن مُحصن بن حرثان بن قيس بن مُرَّة ابن كبير بن غنم، وهو الَّذي قال للنَّبيِّ صلى الله عليه وسلم حين قال: (يَدخُلُ الجنَّة من أمَّتي سَبعون ألفاً عَلَى صُورة القَمَرْ لَيْلة الْبَدْر) : أدع الله أن يجعلني منهم. فدعا له. ثم سأله رجل آخر، فقال: سبقك إليها عُكَّاشة! ثمَّ لم يزل يشهد مع رسول الله صلى الله عليه وسلم مشاهده حتى قتل يوم بِزاخة، قتله طليحة الكذاب أحد بني أسد.ومن حلفاء بني نوفل بن عبد مناف: عُتبة بن غزوان بن جابر بن وهب بن نسيب بن مالك بن الحارث ابن مازن بن منصور، شهد بدرا.فهؤلاء بنو عبد شمس بن عبد مناف، وبنو نوفل ابن عبد مناف، وهما حليفان، وأحلافهما من غير بني عبد مناف.وإخوة عبد مناف بن قُصي: عبد الدَّار بن قصيّ، وعبد العزَّى بن قُصيّ، وعبد بن قُصيّ. وهؤلاء من له عقب من ولد قُصي.فمن بني عبد الدَّار بن قُصيّ شهد بدرا، ومعه لواء رسول الله صلى الله عليه وسلم، وشهد آحادا. يوم أحد ومعه لواء النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم.ومنهم: أبو طلحة بن عبد العُزَّى بن عُثمان ابن عبد الدَّار بن قُصي، وهو خال أمُّ النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم.وعثمان وأبو سعد وطلحة بنو أبي طلحة، قتلوا يوم أحد كفَّارا، ومعهم لواء قُريش.وقتل منهم يومئذ مسافع بن طلحة بن أبي طلحة، والجلاّس، والحارث، وكلاب، بنو طلحة بن أبي طلحة، قتلوا كفارا معهم لواء قُريش، وصؤاب عبد لهم حبشية قطعت يداه، وكلهم يأخذ اللواء يوم أحد فيقتل.ومنهم: عثمان بن طلحة بن أبي طلحة، أسلم ولم يشهد بدرا مع المشركين، وكان من عظماء قُريش. واسم أبي طلحة عُثمان.ومنهم: شَيبة بن عثمان بن أبي طلحة، سادن الكعبة.ومنهم: قاسط بن شريج بن عثمان بن عبد الدَّار، قتل كافرا يوم أحد معه لواء قُريش.طلحة بن أبي طلحة، قتله علي بن أبي طالب رضي الله عنه.وعثمان بن أبي طلحة، قتله حمزة بن عبد المطلب.وأبو سعد بن أبي طلحة، قتله سعد بن أبي وقاص.ومسافح بن أبي طلحة، قتله عاصم بن ثابت الأنصاري، رماه بسهم فقتله.وقتل كلاب بن طلحة عاصم أيضا، رماه بسهم.والحارث بن طلحة، قتله قزمان حليف الأنصار.ومنهم الحارث بن علقمة بن كندة بن علقمة ابن عبد مناف بن عبد الدّضار بن قُصيّ، كان عظيم القدر في الجاهليّة في قُريش، رهن ابنه يوم الفجار عن قُريش بدماء من أصابوا من قيس.ومنهم: أبو الروم، واسمه منصور بن عبد شرحبيل ابن هاشم بن عبد مناف بن عبد الدَّار، كان من مهاجرة الحبشة، وشهد بدرا مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم.ومنهم: أبو عزيز بن عُمير، أسر يوم بدر مشركا، وقتل يوم أحد مشركا.
জুবায়র ইবনে মুতঈম ছিলেন কুরাইশদের একজন অভিজাত ব্যক্তি এবং সমগ্র আরবের বংশলতিকা সম্পর্কে সর্বাধিক বিজ্ঞ। উমর ইবনে খাত্তাব তাকে নুমান ইবনে মুনযির কার বংশোদ্ভূত সে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন: কানাস ইবনে মাআদের অবশিষ্টাংশ থেকে। 'আশলা' অর্থ হলো অবশিষ্টাংশ। অতঃপর উমর তাকে নুমানের তলোয়ার প্রদান করেন।তাদের মধ্যে ছিলেন তুআইমা ইবনে আদি ইবনে নাওফাল। কুরাইশ মুশরিকদের মাঝে তিনি অত্যন্ত প্রভাবশালী ছিলেন এবং বদরের যুদ্ধে কাফির অবস্থায় নিহত হন।তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন উবায়দুল্লাহ ইবনে আদি ইবনে আল-খাইয়ার ইবনে আদি ইবনে নাওফাল ইবনে আব্দ মানাফ। তিনি কুরাইশদের বিশিষ্ট ও উলামাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তার মজলিসকে 'মজলিসুল কিলাদাহ' (হারের মজলিস) বলা হতো, কারণ কুরাইশদের সকল গৌরব ও জ্ঞান এই মজলিসেই পুঞ্জীভূত হতো। মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান প্রায়ই এই মজলিস সম্পর্কে খোঁজ নিতেন এবং বলতেন: মজলিসুল কিলাদাহর খবর কী? তাদের মধ্যে আরও ছিলেন নাফি ইবনে যুরাইব ইবনে আমর ইবনে নাওফাল, যিনি উসমান (রাহি.)-এর খিলাফতকালে কুরআন লিখেছিলেন।আর কারাযাহ ইবনে আব্দ আমর ইবনে নাওফাল সেই ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে উস্কানি দিতেন এবং তিনি ইসলাম গ্রহণ করেননি।তার পুত্র মুসলিম ইবনে কারাযাহ জিমলের যুদ্ধে আয়েশা (রা.)-এর পক্ষে নিহত হন।এবং হারিস ইবনে আমির ইবনে নাওফাল ইবনে আব্দ মানাফ জাহিলিয়াত যুগে অত্যন্ত প্রভাবশালী ছিলেন এবং বদরের যুদ্ধে কাফির অবস্থায় নিহত হন। তিনি সেই ব্যক্তি যিনি বলেছিলেন: 'আমরা যদি তোমার সাথে হিদায়াত অনুসরণ করি, তবে আমাদের দেশ থেকে আমাদের উচ্ছেদ করা হবে' (সূরা আল-কাসাস: ৫৭)। কাবার স্বর্ণমৃগ চুরিকারীদের মধ্যেও তিনি ছিলেন।বনু আব্দ মানাফ ব্যতীত বনু উমাইয়ার মিত্ররা হলো: বনু জাহশ ইবনে রিয়াব ইবনে ইয়ামুর ইবনে সাবরা ইবনে মুররা ইবনে কাবীর ইবনে গানম ইবনে দুদান ইবনে আসাদ ইবনে খুযাইমা।ইসলামের ইতিহাসে সর্বপ্রথম গণিমতের মাল বণ্টন করেছিলেন আবদুল্লাহ ইবনে জাহশ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে নাখলায় পাঠিয়েছিলেন, যেখানে তিনি আমর ইবনে আল-হাদরামিকে হত্যা করেন। তিনি বদরের যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন।এবং উকাশাহ ইবনে মিহসান ইবনে হারসান ইবনে কায়স ইবনে মুররা ইবনে কাবীর ইবনে গানম। তিনি সেই ব্যক্তি যাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন যখন তিনি ঘোষণা করেন: 'আমার উম্মতের সত্তর হাজার লোক পূর্ণিমার চাঁদের মতো উজ্জ্বল চেহারা নিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবে'। উকাশাহ বললেন: আল্লাহর কাছে দুআ করুন যেন তিনি আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। নবীজি তার জন্য দুআ করলেন। অতঃপর অন্য এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে একই আবেদন করলে তিনি বললেন: উকাশাহ তোমার অগ্রগামী হয়ে গেছে। এরপর তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সকল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং অবশেষে বুযাখার যুদ্ধে বনু আসাদের তুলাইহা আল-কাযযাব (মিথ্যাবাদী)-এর হাতে শাহাদাত বরণ করেন।বনু নাওফাল ইবনে আব্দ মানাফের মিত্রদের মধ্যে ছিলেন: উতবাহ ইবনে গাযওয়ান ইবনে জাবির ইবনে ওয়াহাব ইবনে নাসীব ইবনে মালিক ইবনে আল-হারিস ইবনে মাযিন ইবনে মানসুর। তিনি বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।এরা হলো বনু আব্দ শামস ইবনে আব্দ মানাফ এবং বনু নাওফাল ইবনে আব্দ মানাফের বিবরণ, যারা একে অপরের মিত্র ছিল। আর বনু আব্দ মানাফের বাইরেও তাদের মিত্র রয়েছে।আব্দ মানাফ ইবনে কুসাইয়ের ভাইয়েরা হলেন: আব্দুদ দার ইবনে কুসাই, আব্দুল উযযা ইবনে কুসাই এবং আব্দ ইবনে কুসাই। এরাই তারা যাদের বংশধারা কুসাইয়ের সন্তান থেকে চলে আসছে।বনু আব্দুদ দার ইবনে কুসাইয়ের মধ্যে যারা বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং যাদের হাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পতাকা ছিল। তারা উহুদ যুদ্ধেও অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং তখনও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পতাকা তাদের কাছে ছিল।তাদের মধ্যে ছিলেন আবু তালহা ইবনে আব্দুল উযযা ইবনে উসমান ইবনে আব্দুদ দার ইবনে কুসাই, যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মাতার মামা ছিলেন।উসমান, আবু সাদ এবং তালহা—আবু তালহার এই পুত্ররা উহুদ যুদ্ধে কাফির অবস্থায় নিহত হয় এবং তাদের কাছে কুরাইশদের পতাকা ছিল।সেদিন তাদের মধ্য থেকে মুসাফি ইবনে তালহা ইবনে আবি তালহা, জাল্লাস, হারিস এবং কিলাব—তালহা ইবনে আবি তালহার এই পুত্ররা কাফির অবস্থায় নিহত হয়, তাদের কাছে কুরাইশদের পতাকা ছিল। সুআব নামক তাদের এক হাবশি গোলামও নিহত হয় যার দুই হাত কেটে ফেলা হয়েছিল। উহুদ যুদ্ধে তাদের প্রত্যেকেই পতাকা হাতে নিয়েছিলেন এবং নিহত হয়েছিলেন।তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন উসমান ইবনে তালহা ইবনে আবি তালহা। তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং মুশরিকদের পক্ষে বদরের যুদ্ধে উপস্থিত হননি। তিনি কুরাইশদের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের একজন ছিলেন। আবু তালহার নাম ছিল উসমান।তাদের মধ্যে আরও ছিলেন শায়বা ইবনে উসমান ইবনে আবি তালহা, যিনি কাবার রক্ষণাবেক্ষণকারী (সাদিন) ছিলেন।তাদের মধ্যে ছিলেন কাসিত ইবনে শুরাইজ ইবনে উসমান ইবনে আব্দুদ দার, তিনি উহুদ যুদ্ধে কুরাইশদের পতাকাসহ কাফির অবস্থায় নিহত হন।তালহা ইবনে আবি তালহা, তাকে আলী ইবনে আবি তালিব রাযিয়াল্লাহু আনহু হত্যা করেন।এবং উসমান ইবনে আবি তালহা, তাকে হামজা ইবনে আব্দুল মুত্তালিব হত্যা করেন।আবু সাদ ইবনে আবি তালহা, তাকে সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস হত্যা করেন।মুসাফি ইবনে আবি তালহা, তাকে আসিম ইবনে সাবিত আনসারী তীর নিক্ষেপ করে হত্যা করেন।কিলাব ইবনে তালহাকেও আসিম তীর নিক্ষেপ করে হত্যা করেন।এবং হারিস ইবনে তালহাকে আনসারদের মিত্র কুযমান হত্যা করেন।তাদের মধ্যে হারিস ইবনে আলকামা ইবনে কিন্দাহ ইবনে আলকামা ইবনে আব্দ মানাফ ইবনে আব্দুদ দার ইবনে কুসাই ছিলেন জাহিলিয়াত যুগে কুরাইশদের মাঝে অত্যন্ত প্রভাবশালী। ফিজারের যুদ্ধে তিনি কুরাইশদের পক্ষ থেকে কায়স গোত্রের রক্তের বিনিময়ে তার পুত্রকে জামিন হিসেবে রেখেছিলেন।তাদের মধ্যে ছিলেন আবু রুম, যার নাম ছিল মানসুর ইবনে আব্দ শুরাহবিল ইবনে হাশিম ইবনে আব্দ মানাফ ইবনে আব্দুদ দার। তিনি আবিসিনিয়ায় হিজরতকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।তাদের মধ্যে ছিলেন আবু আযীয ইবনে উমাইর, তিনি বদরের যুদ্ধে মুশরিক অবস্থায় বন্দী হন এবং উহুদ যুদ্ধে মুশরিক অবস্থায় নিহত হন।
(খণ্ড: ১)
হাজফু মিন নাসাবি কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ১০)
ومنهم: عكرمة بن هاشم بن عبد مناف بن عبد الدَّار، الشَّاعر، قال:أَلَاّ ذَهَبَ الموُفُونَ بالعَهْدِ وَالذِّمَمْوَسَاق الحَجِيج والمُحامِي على الكَرَمْوَمَنْ يَرْفُدُ المَوْلَى إِذَا جَاءَ … وَمَنْ يَحْمِل العِبْءَ الثَّقِيلِ أَحَمْفَإِنْ يَكُ قَومِي قَدْ أُصَيبُوا فَأَنَّهُمْبَنوْا لَكُمُ خَيْرُ البَنِيَّة وَالْقَدَمْهُمَّ وَجَّهوا أولى المَغِيرَة عَنكُم … وهُمْ ضَرَبُوا وَجّهَ الْكَتِبَة فَانْهَزَمْوَمُستَصرخ يَدعُو لُؤيَّ بن غالبٍ … وَهُم حَولهُ كَالبَحر إِذْ جَاشَ فَالتَطَمْومنهم: النَّضر بن الحَارث بن عَلقمة بن كلدة، الرَّهينة التَّي رضيت بها قَيْس من دمائها، قتل يوم بدر كافرا، ضرب النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم عنقه بالصَّفراء. وكان ذا قدر في قُريش، فيه نزلت هذه الآية: (إِنْ كَانَ هَذْا هُوْ الحَقَّ مِنْ عِنْدِكَ) " سورة الأنفال: 32 ".وأراطاة بن شرحبيل بن هاشم بن عبد مناف ابن عبد الدّار بن قُصيّ، قتل يوم أحد كافرا ومعه اللواء، قتله ابن عمّه مصعب بن عُمَير بن هاشم.ومنهم: جَهَم بن قَيْس بن شُرحبيل بن هاشم، هاجر إلى الحبشة.ومنهم: الأسود بن الحارث بن السبَّاق بن عبد الدَّار بن قُصيّ، أسر يوم بدر، وكان ذا قدر.ومنهم: سُويبط بن سعد بن حرملة بن مالك بن عُميلة بن السبَّاق، هاجر إلى الحبشة، وشهد بدرا مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم. وكان بنو السبَّاق أوَّل من أهلكه البغي بمكَّة، فأجلوهم عنها، فهم اليوم في أرض عكّ، في بطن منهم يقال لهم بنو غنم، في واد يقال له سهام.وفراس بن النَّضر بن الحارث بن كلدة بن عبد مناف بن عبد الدَّار بن قُصيّ، هاجر إلى الحبشة، وهو ابن قتيل النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم يوم بدر.وكان أبو طلحة، واسمه عثمان بن عبد العُزَّى، شاعرا، وهو الَّذي يقول:تَروَّح أَبَا تِجْرَاة، مَنْ يَكّ أهلهُ … بمكَّة يَرحَل وَهُو للظِّلِّ آلِفُوَيَصْبِرُ علَى حَرّ الهَوَاجِرْ وَالسُّرْى … وَيَدُنْ القِنَاعَ وَهُو أسْوَدْ شَّاسِفُالشَّاسف والشَّارب والشَّاسب: المهزول.لَعَلَكَ يَوْماً أنْ تَقُول وَقَدْ بَدَا … مِنْ البَلَد الغَوْر التَّهَامَى مَعَارِفُلِفِتْيَان صِدِق إنَّي مُتَعجِّل … عَلَى ذَا لَوثٍ وَالمُطّيُ عَوَاصفُومن حلفاء بني عبد الدَّار بن قصيّ: هند بن أبي هالة الأسيديُّ. يقول بعض أهل العلم أنَّه شهد بدرا مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم. وليس بالمجتمع عليه.وَلَدَ عَبْدُ العُزَّى بن قُصَيّأسد بن عبد العُزَّى وهو ابن الحُظايّا، وهي رَيْطة بنت كعب بن سعد بن مُرَّة.ومن بني أسد بن عبد العُزَّى: خُويلد بن أسد ابن عبد العُزَّى، كان من أشراف قُريش، وكان يوم الفجار على بني عبد العُزَّى.ونوفل بن خُويلد، قتل يوم بدر كافرا.والزُّبير بن العوَّام، هو الذي قتل عمَّه ونوفلا يوم بدر، وهو حواريُّ رسول الله صلى الله عليه وسلم.وحكم بن حزام بن خُويلد، كان م ن أشراف قُريش، وأكثر النَّاس مالا. انهزم يوم بدر، فكان يقول بعد إسلامه: " لا والَّذي نجَّاني من يوم بدر، ما كان ذاك ".والأسود بن خُويلد بن أسد، من مهاجرة الحبشة.ويزيد بن زمعة بن الأسود بن المُطَّلب، من مهاجرة الحبشة.وعمرو بن أميَّة بن الحارث، من مهاجرة الحبشة.ومنهم الأسود بن المُطَّلب بن اسدن وهو أبو زمعة، كان شاعراً، وهو الَّذي يقول:أُكَلِّلُ أَظَافَرِي وَآمُرُ بالتُّقَىوَمَنْ لَا يُخَالِفُ عَنْ رَدِي الجَهْلِ يَنْدَمِأُحِبُ قُرَيْشاً كُلُّهَا وَأَحُوطُها … وَلَسْتَ بِسَبَّابِ لِذِية الرِّحْمِ مِلْطَمِوَأَجْعَلُ مَالِي دُونَ عِرَضي وأَتَّقِي … عَدَاوتُهُمْ حَتَّى أُوسَّدَ مِعْصَمِيوَإِنْ حَمَّلُوني مَا أُطِيقُ حَمَلْتُهُ … وَيَكْرُمُ فِيْهِمْ مُسْتَرَادِي وَمَطْعَميوكان أحد المستهزئين.
তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন: ইকরিমা বিন হাশিম বিন আব্দ মানাফ বিন আব্দ আদ-দার; তিনি ছিলেন একজন কবি। তিনি বলেন:
হায়! অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি রক্ষাকারীরা চলে গেছেন,
এবং হাজীদের পরিচালক ও মর্যাদার রক্ষকগণও।যখন বিপদে আসে... তখন কে বন্ধুকে সাহায্য করবে?
এবং কে সেই ভারী বোঝা বহন করবে যা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য?যদি আমার কওম বিপদে পড়ে থাকে, তবে তারা
তোমাদের জন্য সর্বোত্তম ভিত্তি ও মর্যাদা নির্মাণ করেছে।তারা তোমাদের থেকে আক্রমণকারীদের প্রথম দলটিকে সরিয়ে দিয়েছিল...
এবং তারা সৈন্যদলের অগ্রভাগের মুখে আঘাত করেছিল, ফলে তারা পরাজিত হয়েছিল।বিপদগ্রস্ত ব্যক্তি লুআই বিন গালিবকে সাহায্যের জন্য আহ্বান করে...
আর তারা তার চারপাশে ছিল সমুদ্রের মতো, যখন তা উত্তাল হয়ে আছড়ে পড়ে।তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন: আন-নাদর বিন আল-হারিস বিন আলকামাহ বিন কালদাহ; তিনি ছিলেন সেই জামিনদার যাকে কায়স গোত্র তাদের রক্তের বিনিময়ে মেনে নিয়েছিল। তিনি বদরের দিন কাফির অবস্থায় নিহত হন; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আস-সাফরা নামক স্থানে তার শিরশ্ছেদ করেন। কুরাইশদের মধ্যে তিনি অত্যন্ত প্রভাবশালী ছিলেন এবং তাকে কেন্দ্র করেই এই আয়াতটি নাযিল হয়েছিল: (যদি এই কুরআন আপনার পক্ষ থেকে সত্য হয়...) "সূরা আল-আনফাল: ৩২"।এবং আরতাহ বিন শুরাহবিল বিন হাশিম বিন আব্দ মানাফ বিন আব্দ আদ-দার বিন কুসাই; তিনি উহুদের দিন কাফির অবস্থায় নিহত হন এবং তার হাতে পতাকা ছিল। তাকে তার চাচাতো ভাই মুসআব বিন উমাইর বিন হাশিম হত্যা করেন।তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন: জাহাম বিন কায়স বিন শুরাহবিল বিন হাশিম; তিনি হাবাশায় হিজরত করেছিলেন।তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন: আল-আসওয়াদ বিন আল-হারিস বিন আস-সাব্বাক বিন আব্দ আদ-দার বিন কুসাই; তিনি বদরের দিন বন্দি হয়েছিলেন এবং তিনি অত্যন্ত মর্যাদাবান ছিলেন।তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন: সুওয়াইবিত বিন সাদ বিন হারমালাহ বিন মালিক বিন উমাইলাহ বিন আস-সাব্বাক; তিনি হাবাশায় হিজরত করেছিলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। বনু আস-সাব্বাক ছিল প্রথম গোত্র যাদের মক্কায় অবাধ্যতা ও সীমালঙ্ঘন ধ্বংস করে দিয়েছিল; ফলে তাদেরকে সেখান থেকে বিতাড়িত করা হয়। তারা বর্তমানে আক্ক অঞ্চলে অবস্থান করছে, তাদের মধ্য থেকে একটি শাখা বংশকে বনু গানাম বলা হয়, যারা সিহাম নামক উপত্যকায় বাস করে।এবং ফিরাস বিন আন-নাদর বিন আল-হারিস বিন কালদাহ বিন আব্দ মানাফ বিন আব্দ আদ-দার বিন কুসাই; তিনি হাবাশায় হিজরত করেছিলেন। তিনি বদরের দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাতে নিহত ব্যক্তির পুত্র ছিলেন।আবু তালহা, যার নাম উসমান বিন আব্দ আল-উযযা, তিনি একজন কবি ছিলেন। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:হে আবু তিজরাহ! বিদায় নাও, যার পরিবার
মক্কায় থাকে সে প্রস্থান করে এমতাবস্থায় যে সে ছায়ায় থাকতে অভ্যস্ত।সে মধ্যাহ্নের প্রচণ্ড তাপ ও রাত্রিকালীন সফরের কষ্ট সহ্য করে...
এবং সে তার মুখ ঢেকে রাখে এমতাবস্থায় যে সে কৃষ্ণবর্ণ ও শীর্ণকায়।আশ-শাসিফ, আশ-শারিব এবং আশ-শসিব—সবগুলোর অর্থই হলো শীর্ণকায়।সম্ভবত কোনো একদিন তুমি বলবে, যখন প্রকাশ পাবে
তিহামার নিম্নভূমির চেনা নিদর্শনসমূহ;সত্যবাদী যুবকদের কাছে যে, আমি দ্রুত অগ্রসর হচ্ছি
একটি শক্তিশালী উটের পিঠে চড়ে, যখন অন্য আরোহীরা দ্রুতবেগে ধাবমান।বনু আব্দ আদ-দার বিন কুসাইয়ের মিত্রদের মধ্যে ছিলেন: হিন্দ বিন আবি হালাহ আল-আসাদি। কোনো কোনো আলিম বলেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে বদরের যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন। তবে এ বিষয়ে ঐকমত্য নেই।আব্দ আল-উযযা বিন কুসাইয়ের বংশধরআসাদ বিন আব্দ আল-উযযা; তিনি ইবনুল হুযায়্যা নামে পরিচিত ছিলেন এবং তার মা ছিলেন রায়তাহ বিনতে কাব বিন সাদ বিন মুররাহ।বনু আসাদ বিন আব্দ আল-উযযার অন্তর্ভুক্ত ছিলেন: খুওয়াইলিদ বিন আসাদ বিন আব্দ আল-উযযা; তিনি কুরাইশদের অন্যতম অভিজাত ব্যক্তি ছিলেন এবং আল-ফিজার যুদ্ধের দিন তিনি বনু আব্দ আল-উযযার নেতৃত্বে ছিলেন।এবং নওফাল বিন খুওয়াইলিদ; তিনি বদরের দিন কাফির অবস্থায় নিহত হন।এবং আজ-যুবাইর বিন আল-আওয়াম; তিনিই বদরের দিন তার চাচা নওফালকে হত্যা করেছিলেন। তিনি ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাওয়ারি (একনিষ্ঠ সহচর)।হাকিম বিন হিযাম বিন খুওয়াইলিদ; তিনি কুরাইশদের অন্যতম অভিজাত এবং সবচেয়ে বেশি ধন-সম্পদের অধিকারী ছিলেন। বদরের দিন তিনি পালিয়ে আত্মরক্ষা করেছিলেন। ইসলাম গ্রহণের পর তিনি বলতেন: "না, সেই সত্তার কসম যিনি আমাকে বদরের দিন রক্ষা করেছিলেন, আমি তা করিনি।"এবং আল-আসওয়াদ বিন খুওয়াইলিদ বিন আসাদ; তিনি হাবাশায় হিজরতকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।এবং ইয়াযিদ বিন যামআ বিন আল-আসওয়াদ বিন আল-মুত্তালিব; তিনি হাবাশায় হিজরতকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।এবং আমর বিন উমাইয়া বিন আল-হারিস; তিনি হাবাশায় হিজরতকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন আল-আসওয়াদ বিন আল-মুত্তালিব বিন আসাদ, যিনি আবু যামআ নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি একজন কবি ছিলেন এবং তিনি বলতেন:আমি আমার নখ কর্তন করি এবং তাকওয়ার আদেশ দিই,
আর যে ব্যক্তি অজ্ঞতার মন্দ পথ পরিহার করে না, সে অনুতপ্ত হয়।আমি কুরাইশদের সকলকে ভালোবাসি এবং তাদের হেফাযত করি...
এবং আমি আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী গালিগালাজকারী বা প্রহারকারী নই।আমি আমার সম্মানের রক্ষার্থে সম্পদ ব্যয় করি এবং তাদের
শত্রুতা থেকে বেঁচে চলি, যতক্ষণ না আমি কবরে শায়িত হই।তারা যদি আমাকে এমন বোঝা চাপিয়ে দেয় যা বহনের সাধ্য আমার আছে, তবে আমি তা বহন করি...
এবং তাদের মধ্যে আমার অবস্থান ও আহার্য অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ।তিনি বিদ্রূপকারীদের (মুস্তাহজিউন) অন্যতম ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
হাজফু মিন নাসাবি কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ১১)
وابنه زمعة بن الأسود بن المُطَّلِب بن أسد، وهو الذي قال فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم: " عاقر النَّاقة أعزُّ في قومه من زمعة بن الأسود ".: قتل زمعة يوم بدر كافرا. وقتل معه أخوه عقيل بن الأسود.وهبَّار بن الأسود، كان له قدر في الجاهليَّة، ثمَّ حسن إسلامه، ووافي عرفات وعمر بن الخطَّاب واقف قبل أن تغيب الشَّمس، فقال له عمر: قد تمَّ حجُّك.ومنهم: زُهير بن الحارث بن أسد، كان أوَّل سقَّف بيتاً بمكَّة، فهدمته قُايش إعظاما للكعبة.وأبو البختريُّ، واسمه العاص بن هاشم بن الحارث ابن أسد بن عبد العُزَّى، قتل يوم بدر كافرا. وكان ابناه الأسود والمُطَّلب من أشراف قُريش، وحسن إسلامهما.ومنهم ورقة بن نوفل بن خُويلد بن أسد، كان ممَّن قرأ الكتب، وكان من علماء الناس، وطلب الدِّين فتهوَّد وتنَّصر. وكان شاعرا، هو الَّذي يقول:تِلْكَ عِرْسَاي تَنْطِقانِ بهُجْرِ … وَتَقُولانُ قَوْلَ أثَرٍ وَعَثرِتَسْألانِي الطَّلَاقَ أَنْ رَأَتْانِي … قُلْ مَالِي، أتيتُمَانِي بِنُكرِوَيْكَ أَنْ مَنْ يَكُنْ لَهُ نَشَبْ يُحَ … بِبُ وَمَنْ يَفتَقرْ يَعِيش عَيْش ضرِّخَفضِّا مَا لدَيْكُمَا غَيَّرَ الدَّهْ … ر وَلَا بُدَّ للِضِرِيك بِصَبرِفَلَعَلْيّ أَنْ يُكثِرُ المَالَ عِنْدِي … وَيُعرِي مِن المَغْارِم ظَهْريوقال:رَشَدْتُ وَأنعمتُ ابن عَمرو وإنَّما … تَجَنَبتُ تَنْوراً مِنَ النَّارِ حامِياًبِدِينُكَ رَبَّاً لَيْسَ رَبٌ كَمِثٍلُهُ … وَتَرَكك أَوثَانُ الطَواغي كَمَا هِياًأَقُولُ إِذَا صلّيتُ فِي كُلِّ بَيعةٍ … حَنَانِيكَ لا تَطْلَع على الأعاديْاأَقُولُ إِذَا جَاوَزتَ أرضاً مُخَوّفَة … على اسم الإلاه بالغَداتْ وَسَارياًوعبد الله بن الزُّبير بن العوَّامِ، ضبط العراق والجزيرة وبعض الشَّأم تسع سنين.والمُصعب بن الزُّبير، كان ولي العراق لعبد الله وعبد الله بمكَّة.وحمزة بن عبد الله بن الزُّبير، ولي لأبيه البصرة، وكان جوادا. ولد يقول موسى شهواتٌ:حَمزَةُ المُبْتَاع بالمَالِ النَّدِي … وَيَرَى في بَيْعَهُ قَدْ غَبَنْهُوْ إِنْ أَعطَا عِطَاء مُنْفِساً … ذَا إِخَاءِ لَمْ يُكدِّرْهُ بِمَنّنُورُ شَرقٍ بَيْنَ في وَجهِهِ … لَمْ يَصْبُ أَثْوَابُهُ لَوْنَ الدَّرَنْوعيسى بن مُصعب بن الزُّبير، قال له أبوه مُصعبٌ يوم قُتِلَ، وكان عبد الملك حين استحقَّت هَزِيمَةَ المُصعب وهب أصحابه، بعث إليه عبد الملك ابن مروان يؤمنه على أحداثه ويقول: إن أحببت فأقم معي، وإن كرهت فالحق بحيث أحببت. فأبي وكره ذلك، وتمثَّل ببيت فقال:إِنَّ الأُلَى بِالعُطَفْ مَنْ آلِ هَاشمٍ … التسَّأوا فَسُّنوْا للِكِرَامِ التَّأسِّياوأقبل مصعب على ابنه عيسى فقال له: الحق بعمِّك عبد الله بن الزُّبير. فقال: لا والله، لا أنظر في وجهي قرشي بعدك. قال: فتقدّم إذن! فتقدَّم فقتل قبله.وعمرو بن الزُّبير أمُّه أمَّة بنت خالد بن سعيد ابن العاص بن أميّة بن عبد شمس.وعروة بن الزُّبير، أمُّه أسماء بنت أبي بكر كان من أعبد قُريش وأفقهها.وابنه الفقيه هشام بن عروة.وعامر بن عبد الله بن الزُّبير كان ناكحا، ومات وهو ساجد في مسجد رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولم تفته جماعة حتّى مات.وخبيث بن عبد الله بن الزُّبير، كان عابدا. ولي ضربة عمر بن عبد العزيز في خلافة الوليد ابن الملك. وكان عبد الله بن خازم السَّلمي بايع له بخراسان بعد قتل أبيه عبد الله بن الزُّبير. وكان مات من ضرب عمر بن عبد العزيز، ولم يكن ضربه، فيما بلغني، غير أربعين سوطا.مِنْ حُلَفَاء بَنِي عبد العُزَّى بن قُصَيّحاطب بن أبي بلتعة، وسعد مولى حاطب.مِنْ بَنِي عبد بنِ قُصَيّ
এবং তার পুত্র যাম'আ ইবনুল আসওয়াদ ইবনুল মুত্তালিব ইবনে আসাদ; তিনি সেই ব্যক্তি যার সম্পর্কে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছিলেন: "উটনী হত্যাকারী (সামূদ জাতির) তার সম্প্রদায়ের মধ্যে যাম'আ ইবনুল আসওয়াদ অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী ছিল না।" যাম'আ বদরের যুদ্ধে কাফির অবস্থায় নিহত হন। তার সাথে তার ভাই আকিল ইবনুল আসওয়াদও নিহত হন।হাব্বার ইবনুল আসওয়াদ; জাহেলিয়াত যুগে তার বিশেষ মর্যাদা ছিল, অতঃপর তিনি উত্তমরূপে ইসলাম গ্রহণ করেন। সূর্য ডোবার পূর্বে উমর ইবনুল খাত্তাব যখন আরাফাতে অবস্থান করছিলেন, তখন তিনি সেখানে এসে পৌঁছেন। তখন উমর তাকে বললেন: "তোমার হজ পূর্ণ হয়েছে।"তাদের মধ্যে রয়েছেন: জুহাইর ইবনুল হারিস ইবনে আসাদ; তিনি মক্কায় প্রথম ব্যক্তি যিনি ঘরে ছাদ দিয়েছিলেন, পরবর্তীতে কুরাইশরা কাবার সম্মানে তা ভেঙে ফেলেছিল।এবং আবুল বাখতারি, তার নাম হলো আস ইবনে হাশিম ইবনুল হারিস ইবনে আসাদ ইবনে আবদিল উযযা; তিনি বদরের যুদ্ধে কাফির অবস্থায় নিহত হন। তার দুই পুত্র আসওয়াদ ও মুত্তালিব কুরাইশদের অভিজাতদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং তারা উত্তমরূপে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন।তাদের মধ্যে রয়েছেন ওয়ারাকা ইবনে নাওফাল ইবনে খুওয়াইলিদ ইবনে আসাদ; তিনি ঐ ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা কিতাবসমূহ পাঠ করতেন। তিনি লোকদের মধ্যে আলিমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি সত্য দ্বীন অন্বেষণ করেন এবং ইহুদি ও পরে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন। তিনি কবি ছিলেন, তিনি সেই ব্যক্তি যিনি বলেন:ঐ যে আমার দুই স্ত্রী, তারা অসংলগ্ন কথা বলছে … এবং তারা কুৎসা ও ত্রুটিপূর্ণ কথা বলছে।তারা আমার কাছে তালাক চাইছে যখন তারা দেখল যে … আমার সম্পদ কমে গেছে; তোমরা আমার কাছে এক আপত্তিকর দাবি নিয়ে এসেছ।হায়! যার সম্পদ থাকে তাকে ভালোবাসা হয় … আর যে অভাবগ্রস্ত হয় সে কষ্টের জীবন অতিবাহিত করে।তোমাদের কাছে যা আছে তা নিয়ে শান্ত থাকো, কালচক্র ছাড়া অন্য কিছুই স্থায়ী নয় … আর অভাবী ব্যক্তিকে অবশ্যই ধৈর্য ধারণ করতে হবে।সম্ভবত আমার কাছে অঢেল সম্পদ আসবে … এবং তা আমার পিঠকে ঋণের বোঝা থেকে মুক্ত করবে।তিনি আরও বলেন:আমি হেদায়াত পেয়েছি এবং ধন্য হয়েছি হে ইবনে আমর! আমি তো … জাহান্নামের প্রজ্বলিত অগ্নি থেকে বেঁচে গেছি।তোমার প্রতিপালকের দ্বীন অনুযায়ী, এমন কোনো প্রতিপালক নেই যিনি তাঁর সদৃশ … আর তুমি তাগুতের মূর্তিসমূহকে সেগুলোর নিজ অবস্থায় বর্জন করেছ।আমি যখনই কোনো গির্জায় প্রার্থনা করি তখন বলি … তোমার দয়া ও করুণা চাই, যেন শত্রুরা আমাকে পরাস্ত করতে না পারে।আমি যখনই কোনো ভয়ংকর ভূমি অতিক্রম করি তখন বলি … সকাল ও সন্ধ্যায় আল্লাহর নামে পথ চলি।এবং আবদুল্লাহ ইবনুল জুবাইর ইবনুল আওয়াম; তিনি নয় বছর ইরাক, জাজিরা এবং শাম-এর কিছু অংশ শাসন করেন।এবং মুসআব ইবনুল জুবাইর; তিনি আবদুল্লাহর পক্ষে ইরাকের গভর্নর ছিলেন এবং আবদুল্লাহ মক্কায় ছিলেন।এবং হামজা ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুল জুবাইর; তিনি তার পিতার পক্ষে বসরার গভর্নর ছিলেন এবং তিনি ছিলেন অত্যন্ত দানবীর। মুসা শাহওয়াত তার সম্পর্কে বলেন:হামজা সেই ব্যক্তি যে দানের মাধ্যমে সুনাম ক্রয় করে … আর সে এ বিনিময়ে লাভবান হয়েছে বলেই মনে করে।সে যখন কোনো ভ্রাতৃত্বের খাতিরে … মূল্যবান কিছু দান করে, তখন খোঁটা দিয়ে তাকে কলুষিত করে না।তার চেহারায় যেন এক পূর্বদিগন্তের আলো ফুটে ওঠে … তার কাপড়ে কখনো ময়লার দাগ স্পর্শ করে না।এবং ঈসা ইবনে মুসআব ইবনুল জুবাইর; তার পিতা মুসআব যেদিন নিহত হন সেদিন তাকে বলেছিলেন—যখন আবদুল মালিক মুসআবকে পরাজিত করার সুযোগ পেয়েছিলেন এবং তার সঙ্গীদের ক্ষমা করেছিলেন—আবদুল মালিক ইবনে মারওয়ান তার কাছে দূত পাঠিয়ে তার কৃতকর্মের জন্য নিরাপত্তা দিতে চেয়েছিলেন এবং বলেছিলেন: "যদি তুমি চাও তবে আমার সাথে থাকো, আর যদি অপছন্দ করো তবে যেখানে খুশি চলে যাও।" কিন্তু মুসআব তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং একে অপছন্দ করেন। তিনি একটি কবিতা আবৃত্তি করে বললেন:নিশ্চয়ই হাশেম পরিবারের যে অগ্রজরা মহৎ ছিলেন … তারা আত্মত্যাগ করেছেন এবং সম্মানিতদের জন্য আত্মত্যাগের আদর্শ রেখে গেছেন।অতঃপর মুসআব তার পুত্র ঈসার দিকে এগিয়ে গিয়ে বললেন: "তোমার চাচা আবদুল্লাহ ইবনুল জুবাইরের কাছে চলে যাও।" ঈসা বললেন: "না, আল্লাহর কসম, আপনার পরে আমি কোনো কুরাইশীর চেহারা দেখব না।" মুসআব বললেন: "তাহলে সামনে এগিয়ে যাও!" তখন তিনি এগিয়ে গেলেন এবং পিতার পূর্বেই নিহত হলেন।এবং আমর ইবনুল জুবাইর; তার মা ছিলেন আমা বিনতে খালিদ ইবনে সাঈদ ইবনুল আস ইবনে উমাইয়া ইবনে আবদে শামস।এবং উরওয়া ইবনুল জুবাইর; তার মা ছিলেন আসমা বিনতে আবু বকর। তিনি কুরাইশদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইবাদতকারী ও বিজ্ঞ ফকিহ ছিলেন।এবং তার পুত্র ফকিহ হিশাম ইবনে উরওয়া।এবং আমির ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুল জুবাইর; তিনি বিবাহিত ছিলেন এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মসজিদে সেজদারত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যু পর্যন্ত তার কখনো জামাত ছুটে যায়নি।এবং খাবিস ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুল জুবাইর; তিনি অত্যন্ত ইবাদতগুজার ছিলেন। ওয়ালিদ ইবনে আবদুল মালিকের খিলাফতকালে উমর ইবনে আবদুল আজিজ তাকে প্রহার করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আবদুল্লাহ ইবনে খাযিম আস-সালামি তার পিতা আবদুল্লাহ ইবনুল জুবাইর নিহত হওয়ার পর খোরাসানে তার পক্ষে বায়আত গ্রহণ করেছিলেন। খাবিস উমর ইবনে আবদুল আজিজের সেই প্রহারের কারণে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। আমার কাছে যে তথ্য পৌঁছেছে তা অনুযায়ী তাকে চল্লিশটির বেশি বেত্রাঘাত করা হয়নি।বনু আবদিল উযযা ইবনে কুসাই-এর মিত্রদের মধ্য হতেহাতিব ইবনে আবি বালতাআ এবং হাতিবের মুক্তদাস সাদ।বনু আবদ ইবনে কুসাই-এর মধ্য হতে
(খণ্ড: ১)
হাজফু মিন নাসাবি কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ১২)
طليب بن عمير بن بجير بن عبد بن قُصيّ، شهد بدرا مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم. وأمُّه أروى بنت عبد المُطَّلب بن هاشم وكان ممن هاجر إلى الحبشة. وكانت دُمَّي الَّذي أراد رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقالت أمُّ أروى بنت عبد المُطَّلب:إِنَّ طَلِيْباً نَصَرَ ابنَ خَالِهِ … آسَاهُ في ذي دَمِهِ وَمَالِهِفهؤلاء بنو قُصي بن كلاب.وأخو قُصي بن كلاب: زَهْرَة بن كِلاب، أمُّهما من الجدرة، بطن من الأزد محالفين لبني الدِّيل بن بكر، وأخوهم لأمُّهم رزاح ابن ربيعة العذريُّ.وَلَدَ زهْرَةَ بنُ كِلابِعبد مناف، والحارث.فَمِنْ بَنِي زهْرَةَ بنُ كِلابِ:وهب بن عبد مناف بن زُهرة، جد النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم.أمُّ النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم آمنةُ بنت وهبٍ ابن عبد مناف.وكان الأسود بن عبد يغوث بن وهب، من المستهزئين.وأخوه: الأرقم بن عبد يغوث، من المستهزئين.ومنهم: سعد بن أبي وقاص بن أهيب ابن عبد مناف بن زهرة. أوَّل سهم رمي به في الإسلام رمى به سعد بن أبي وقاص، وشهد بدرا. وكان أحد أصحاب الشورى.وأخوه: عُمير بن أبي وقاص، شهد بدرا. واستشهد يومئذ وهو ابن ستَّ عشر سنة.وعامر بن أبي وقاص بن أهيب ابن عبد مناف بن زهرة، هاجر إلى أرض الحبشة. واسم أبي وقاص: مالك بن أهيب.ومنهم: العاهر، الَّذي قال له النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم: " وللعاهر حجر ". وهو الَّذي كسر رباعية رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم أحد.ومنهم: مخزمة بن نوفل بن أهيب بن عبد مناف، وكان أعلم النَّاس بقُريش.وابنه: المسور بن مخرمة، كان فقيهاً شريفاً.ومنهم: عمرو بن عتبة بن نوفل بن أهيب، كان على النَّاس يوم جلولاء الوقيعة.وعبد تالله بن قيس بن مخرمة، استعمله الحجَّاج على مكَّة حين انحدر إلى العراق.وأبو بكر بن مسور بن مخرمة، شاعر، وهو الَّذي يقول:عَادَ قَلْبِي مِنَ الطَّوِيْلَة عيِدٌ … وَاعْتَزَانِي لحبّهَا التَّسْهِيدُوهو الَّذي يقول:ذَكَر القَلْبُ ذَكْرَةً أُمَّ زَيْدٍ … وَالمَطَايَا بالسَّهْبِ سَهْبِ الرَّكَابِاعْلَمُوا أنَّ حُبَّكُمْ أُمَّ زَيْدٍ … فِي حَصِينٍ مُغَلَّقِ الأَبْوَابِبِتُّ فِي نَعْمَةٍ وبَاتِ ضَجِيعِي … ثِنْيَ كَفٍّ حَدِيثَةٍ بِالخضَابِومنهم: عبد الرَّحمن بن عوف بن عبد الحارث ابن زهرة، هاجر إلى ارض الحبشة، وشهد بدرا ومشاهد النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم. وكان أحد أصحاب الشُّورى، وأخرج نفسه منها.ومنهم: المُطَّلب بن أَزهر بن عبد عوف ابن عبد بن الحارث بن زهرة، هاجر إلى الحبشة ومعه امرأته رملة بنت أبي عوف بن صبيرة بن سعيد بن سهم، ولدت بأرض الحبشة عبد الله بن المُطَّلب.ومنهم: مُحمَّد بن مُسلم بن عبد الله بن ع صلى الله عليه وسلم ُبيد الله بن مالك بن شهاب بن الحارث بن زهرة، الفقيه الَّذي يقال له: " الزُهريُّ ".ومنهم: وهب بن الحارث بن زهرة، كان شاعرا، قال:وَأمَانَةٍ حُمِّلْتُها فَحَمَلْتُهَا … وَأَمَانةٍ حَمِلْتُ غَيْرَ أَمِينِوَأَخٍ نَطَقْتُ وَرَاءَهُ بِمَغِيبِية … فَكَفَيتُهُ، وَيَقُول لَا يَكْفِنيفَأَنَا أبنُ عَمِّكَ فَاعْرِفَنَّ مَكَانَه … مَهْمَا عشَاكَ فإِنّهُ يَعنِينِيمَهْلاً أُمَيَّ فَإِنَّ البغي مصْرَعهُ … لَا يْدِيَنَّكَ يَمْماً بَاسِلٌ ذَكَرٌتَبْدُو كَواكِبُهُ وَالشَّمْسُ طَالِعَةٌيَجْرِي عَلَى الكَأسِ مِنْهُ الصَّابُ وَالمَثَرُلا تَحْسَبِنِّي كَأَقْوَامٍ ضَرِيتَ بِهِمْلَنْ يَأنَفُوا الذُلَّ حَتَّى يَأُنِفُ الحَمرُقُضيُّ بن كلاب بن مُرَّة.أَخُو كِلَابِ بنِ مُرَّةيقظةُ بن مُرَّة، وتيم بن مُرَّة.فولد يقظةُ بن مُرَّة: مخزوما، أمُّه كلبة بنت عامر بن لُؤيِّ بن غالب.فولد مخزوم: عمر وعامرا، وعُمران وعميرة، أمُّهما: سُعدى بنت وهب بن تيم الأدرم بن غالب بن فهر.
তুলাইব ইবনে উমাইর ইবনে বুজাইর ইবনে আবদ ইবনে কুসাই, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে বদরের যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন। তাঁর মাতা আরওয়া বিনতে আবদুল মুত্তালিব ইবনে হাশিম এবং তিনি আবিসিনিয়ায় হিজরতকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি ছিলেন সেই রক্ত যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চেয়েছিলেন, তখন আরওয়া বিনতে আবদুল মুত্তালিবের মা বলেছিলেন:নিশ্চয়ই তুলাইব তার মামাতো ভাইকে সাহায্য করেছে … তার রক্ত ও সম্পদ দিয়ে তার পাশে দাঁড়িয়েছে।এরাই হলো কুসাই ইবনে কিলাবের সন্তানগণ।কুসাই ইবনে কিলাবের ভাই হলো: জুহরা ইবনে কিলাব, তাঁদের উভয়ের মাতা আল-জাদারা গোত্রের, যা বনু আদ-দীল ইবনে বকরের মিত্র আজদ গোত্রের একটি শাখা। তাঁদের বৈপিত্রেয় ভাই হলো রিজাহ ইবনে রাবিয়া আল-উজরি।জুহরা ইবনে কিলাবের সন্তানগণআবদ মানাফ এবং আল-হারিস।বনু জুহরা ইবনে কিলাবের অন্তর্ভুক্ত হলেন:ওয়াহাব ইবনে আবদ মানাফ ইবনে জুহরা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নানা।নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাতা আমিনা বিনতে ওয়াহাব ইবনে আবদ মানাফ।আসওয়াদ ইবনে আবদ ইয়াগুস ইবনে ওয়াহাব বিদ্রূপকারীদের অন্যতম ছিলেন।তাঁর ভাই: আল-আরকাম ইবনে আবদ ইয়াগুসও বিদ্রূপকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।তাঁদের মধ্য থেকে: সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস ইবনে উহাইব ইবনে আবদ মানাফ ইবনে জুহরা। ইসলামে প্রথম যে তীর নিক্ষেপ করা হয়েছিল তা সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাসই নিক্ষেপ করেছিলেন এবং তিনি বদরে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি শুরা কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন।তাঁর ভাই: উমাইর ইবনে আবি ওয়াক্কাস বদরে উপস্থিত ছিলেন। সেদিন তিনি শহীদ হন এবং তখন তাঁর বয়স ছিল ষোল বছর।আমির ইবনে আবি ওয়াক্কাস ইবনে উহাইব ইবনে আবদ মানাফ ইবনে জুহরা, তিনি আবিসিনিয়ায় হিজরত করেছিলেন। আবু ওয়াক্কাসের নাম হলো: মালিক ইবনে উহাইব।তাঁদের মধ্য থেকে: আল-আহির (ব্যভিচারী), যার সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন: "আর ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে পাথর।" সে-ই উহুদের যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনের দাঁত ভেঙে দিয়েছিল।তাঁদের মধ্য থেকে: মাখরামা ইবনে নাওফাল ইবনে উহাইব ইবনে আবদ মানাফ, তিনি কুরাইশ বংশ সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি জ্ঞানী ছিলেন।তাঁর পুত্র: মিসওয়ার ইবনে মাখরামা একজন উচ্চমর্যাদাপূর্ণ ফকীহ ছিলেন।তাঁদের মধ্য থেকে: আমর ইবনে উতবা ইবনে নাওফাল ইবনে উহাইব, তিনি জালুলা যুদ্ধের দিন মানুষের নেতৃত্বে ছিলেন।আবদুল্লাহ ইবনে কায়েস ইবনে মাখরামা, হাজ্জাজ যখন ইরাকের দিকে রওনা হন তখন তাঁকে মক্কার দায়িত্বে নিযুক্ত করেছিলেন।আবু বকর ইবনে মিসওয়ার ইবনে মাখরামা একজন কবি ছিলেন, তিনিই বলেছিলেন:দীর্ঘ বিরহের পর আমার হৃদয়ে যেন ঈদের খুশি ফিরে এল … আর তার ভালোবাসায় বিনিদ্র রজনী আমাকে পেয়ে বসল।তিনিই আরও বলেছিলেন:হৃদয় উম্মে জাইদকে খুব করে স্মরণ করল … আর আরোহীরা ছিল বিশাল বিস্তৃত মরুভূমিতে।জেনে রেখো, তোমাদের প্রতি উম্মে জাইদের ভালোবাসা … রুদ্ধ দ্বারে সুরক্ষিত দুর্গের মতো।আমি পরম সুখে রাত কাটিয়েছি আর আমার শয্যাসঙ্গিনী ছিল … মেহেদির রঙে রঞ্জিত নবীন দুখানি হাত।তাঁদের মধ্য থেকে: আবদুর রহমান ইবনে আউফ ইবনে আবদিল হারিস ইবনে জুহরা, তিনি আবিসিনিয়ায় হিজরত করেছিলেন এবং বদরসহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সকল যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন। তিনি শুরা কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন এবং নিজেকে তা থেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন।তাঁদের মধ্য থেকে: মুত্তালিব ইবনে আজহার ইবনে আবদ আউফ ইবনে আবদ ইবনে আল-হারিস ইবনে জুহরা, তিনি আবিসিনিয়ায় হিজরত করেছিলেন এবং তাঁর সাথে তাঁর স্ত্রী রামলা বিনতে আবি আউফ ইবনে সাবিরা ইবনে সাঈদ ইবনে সাহম ছিলেন। আবিসিনিয়াতে তিনি আবদুল্লাহ ইবনে আল-মুত্তালিবকে জন্ম দেন।তাঁদের মধ্য থেকে: মুহাম্মাদ ইবনে মুসলিম ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উবাইদুল্লাহ ইবনে মালিক ইবনে শিহাব ইবনে আল-হারিস ইবনে জুহরা, সেই ফকীহ যাঁকে 'আজ-জুহরি' বলা হয়।তাঁদের মধ্য থেকে: ওয়াহাব ইবনে আল-হারিস ইবনে জুহরা একজন কবি ছিলেন, তিনি বলেছিলেন:এবং এমন এক আমানত যা আমার ওপর ন্যস্ত করা হয়েছিল এবং আমি তা বহন করেছিলাম … অথচ আমানতটি বহন করার মতো বিশ্বস্ত কেউ ছিল না।এবং একজন ভাই, যার অনুপস্থিতিতে আমি তার পক্ষ সমর্থন করেছি … আমি তার জন্য যথেষ্ট ছিলাম, কিন্তু সে বলে—আমি যথেষ্ট নই।আমি তোমার চাচাতো ভাই, অতএব আমার মর্যাদা অনুধাবন করো … যা কিছুই তোমাকে কষ্ট দেয়, তা আমাকেও বিচলিত করে।থামো হে উমাইয়া! কেননা অন্যায়ের পরিণাম হলো ধ্বংস … যেন বীর পুরুষ কোনো দিন তোমাকে হত্যা না করে।যখন নক্ষত্ররাজি প্রকাশ পায় আর সূর্য উদিত হয় তখনো যুদ্ধের পানপাত্র হতে তিক্ত ও বিষাক্ত সুরা প্রবাহিত হতে থাকে।আমাকে তুমি সেই লোকদের মতো মনে করো না যাদের তুমি কাবু করেছ, তারা অপমান সহ্য করে না যতক্ষণ না গাধাও তা অপছন্দ করে।কুসাই ইবনে কিলাব ইবনে মুররা।কিলাব ইবনে মুররার ভাইইয়াকাজা ইবনে মুররা এবং তাইম ইবনে মুররা।ইয়াকাজা ইবনে মুররার সন্তান হলো: মাখজুম, তার মাতা কালবা বিনতে আমির ইবনে লুয়াই ইবনে গালিব।মাখজুমের সন্তান হলো: উমর এবং আমির, আর উমরান এবং উমাইরা; তাঁদের মাতা: সু’দা বিনতে ওয়াহাব ইবনে তাইম আল-আদরাম ইবনে গালিব ইবনে ফিহর।
(খণ্ড: ১)
হাজফু মিন নাসাবি কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ১৩)
فمن بني مخزوم: هشام وهاشم وأبو أميَّة، وهو زاد الرَّكب، وحفص والوليد، وكان وليد من المستهزئين بنو المغيرة بن عبد الله بن عمر بن مخزوم، كلُّ هؤلاء كان نابه الذِّكر في الجاهليَّة سيِّدا.وأمُّ الوليد: صخرة بنت عبد الله، من بجيلة.وأمُّ حفص بن المغيرة، من بني الحارث بن عبد مناة ابن كنانة.وأمُّ بقية بني المغيرة: ريطة بنت هشام بن سعيد ابن سهم، وفيها يقول عبد الله بن الزَّعبري السّهميُّ:أَلا لِلِه قَوْمٌ وَلَدَتْ … أُخْتُ بَنِي سَهْمِهِشَامٌ وَأَبُو عَبدِ … مَنَافٍ مِدْرَهُ الخَصْيمِوَذُو الرُّمْحَيْنِ أَشْبَاكَ … مِنْ القُوَّةِ وَالَحَزْمِفَهَذانِ يَذُوذَانِ وَذَا … مِنْ كَثَبٍ يَرْمِيأُسُودٌ تَزْدَهِي الأَقْرَانَ … مَنَّاعُونَ للهَضْمِوَهُمْ يَوْمَ عُكَاظِ مَنُعُوا … النَّاس مِنَ الهَزْمِبِجأْوَاءَ طَحُونٌ فَخْمَةِ … القَوْنَسِ كَالنَّجْمِفإن أَحْلَفَ وَرَبِّ البَيْتِ … لَا أَحْلِفْ عَلَى إِثْمِلَمَا إِنْ إِخْوَةٌ بَيْنَ … قُصُورٌ الشَأْمِ وَالرَّدْمِكَأمْثالِ بَنِي رَيْطَةَ … مِنْ عَرَبٍ وَلَا عَجْمِوذو الرمحين، وهو أبو ربيعة بن المغيرة.وقال الحارث بن أميَّة بن عبد شمس:وَأَصْبَحَ بَطْنُ مَكَّةَ مُقْشَعِرَّاً … كَأنَّ الأَرْضَ لَيْسَ بهَا هِشَامٌوحفص بن المغيرة كان من أطعم قُريش. له يقول الشاعر:نادِ الغَرِيبِ المسْتَضِيفَ وُلْ لَهُ … لَدَيْ دَارِ حَفْصِ بنِ المُغَيِرةَ فانزِلِفإنَّ بِلَادَ اللهِ إِلَاّ بِلادَهُ … جُدُوبٌ وَإِنْ تَنْزِلُ عَلَى الجَدْرِ تُهْزِلِوالوليد بن المغيرة هو الوحيد الذي أنزل الله فيه: (ذَرْنِي وَمَنْ خَلَقْتُ وَحِيداً) " سورة المدثر: 11 ".وأبو جهل بن هشام بن المغيرة، واسمه عمرو.والحارث بن هشام بن المغيرة الذي هرب يوم بدر، وكان من أشراف قُريش في الجاهليَّة، ثمُّ حسن إسلامه. وله يقول حسَّان بن ثابت:إِنْ كُنْتِ كَاذِبَةَ الَّذي حَدَّثتنِي … فَنجوْتُ مَنْجَى الحَارِث بنِ هِشامِتَرك الأحِبَّةَ أَنْ يُقاتِلَ دُونَهمْ … ونَجَا بِرَأْسِ طِمِرَّةٍ وَلِجامِوعبد الرَّحمن بن الحارث بن هشام، كان من فقهاء قُريش.وعكرمة بن أبي جهل بن هشام، كان من عظماء قُريش، ولَاّه أبو بكر اليمن.والحارث بن خالد بن العاص بن هشام، كان شاعرا، وهو الَّذي يقول لظُليمة بنت خالد بن أسيد ابن أبي العيص بن أميَّة:أَظُلَيْمَ إِنَّ مُصَابُكُمْ رَجُلاً … أَهْدَي السَّلَامَ إِلَيْكُم ظُلْمُخُمْصَانَةٌ قَلِقٌ مُوَشَّحُهَا … رُؤْدُ الشَبَابِ غَلَا بِهَا عَظْمُأعْفُوا وَأَصْفَحُ جَهالَتِها … وَإِذَا جَهِلْتُ فَمَا لَهَا حِلْمُوقال لعائشة بنت طلحة بن عبيد الله، وسألت عنه وهي بالبصرة مع زوجها المُصعب بن الزُّبير، فبلغه ذلك فقال:مَنْ كَانَ يَسْأْلُ عَنَّا أَيْنَ مَنْزِلُنا … فَالأَقْحُوَانَةُ مِنَّا مَنْزِلٌ قَمَنُإِذْ نَلْبَسُ العَيْشَ صَفْواً لَا يُكْدِّرُهُطَعْنُ الوُشَاةِ وَلَا يَنْبُو بِنَا الزمَنُلَيْتَ النَّوَى لَمْ تُقَرِّبْنِي إلَيْكِ وَلَمْأَعْرِفْكِ إِذْ كَانَ حَظِّي مِنْكُمُ الحَزنُوعُمارة بن الوليد بن المغيرة، كان عزيزا فاتكا، وهو الَّذي أرسلته قُريش وأرسلوا معه عمرو بن العاص إلى الحبش في المهاجرين إلى أرض الحبشة.وعمر بن عبد الله بن أبي ربيعة بن المغيرة، الشاعر.والحارث بن عبد الله بن أبي ربيعة، ولي البصرة لعبد الله بن الزُّبير، وهو الَّذي لقَّبه أهل البصرة " القُباع ".والمهاجر بن أبي أميَّة بن المغيرة، الَّذي قتل أهل للرَّدَّة باليمن.وخالد بن الوليد بن المغيرة، سيف الله.وعبد الرَّحمن بن خالد بن الوليد، كان يلي الصائفة ويشتو فيها.
বনু মাখজুমের অন্তর্ভুক্ত হলেন: হিশাম, হাশিম এবং আবু উমাইয়া—যিনি 'যাদ আল-রাকব' (যাত্রীদের পাথেয়দাতা) হিসেবে পরিচিত ছিলেন, হাফস এবং ওয়ালীদ। ওয়ালীদ উপহাসকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। এরা সবাই আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে মাখজুমের পুত্র মুগিরার বংশধর। জাহেলিয়াত যুগে তারা সকলেই স্বনামধন্য ও গোত্রপতি ছিলেন।ওয়ালীদের মাতা ছিলেন: সখরা বিনতে আবদুল্লাহ, তিনি বাজিলা গোত্রের ছিলেন।হাফস ইবনে মুগিরার মাতা ছিলেন বনু হারিস ইবনে আবদ মানাত ইবনে কিনানা গোত্রের।বনু মুগিরার বাকিদের মাতা ছিলেন: রায়তা বিনতে হিশাম ইবনে সাঈদ ইবনে সাহম। তার সম্পর্কেই আবদুল্লাহ ইবনে আল-জিবা’রা আল-সাহমি বলেছেন:অহে, আল্লাহর জন্য সেই কওম যাদের জন্ম দিয়েছেন … বনু সাহমের বোন।হিশাম এবং আবু আবদ … মানাফ, যারা বিবাদে অটল নেতৃত্বদানকারী।এবং 'জু আল-রুমহাইন' (দুই বল্লভধারী), যিনি শক্তি … ও দৃঢ়তায় সুদৃঢ়।এই দুইজন রক্ষা করেন, আর ওই ব্যক্তি … নিকট হতে নিক্ষেপ করেন।এমন সব সিংহ যারা বীরদের তুচ্ছ করে … তারা অবিচার প্রতিরোধকারী।উকাযের দিন তারাই মানুষকে … পরাজয় থেকে রক্ষা করেছিলেন।বিশাল ধ্বংসাত্মক এক বাহিনী নিয়ে … যার শিরস্ত্রাণ নক্ষত্রের ন্যায় উজ্জ্বল।আমি যদি শপথ করি—এই গৃহের রবের কসম … আমি পাপে শপথ করছি না।সিরিয়ার প্রাসাদ এবং প্রাচীরের মাঝে … এমন কোনো ভাই নেই।যেমনটি রায়তার সন্তানরা … আরব বা অনারবদের মধ্যে।জু আল-রুমহাইন হলেন আবু রাবিয়া ইবনে মুগিরা।হারিস ইবনে উমাইয়া ইবনে আবদ শামস বলেছেন:মক্কার উপত্যকা শিহরিত হয়ে উঠলো … যেন সেখানে হিশাম নামক কেউ ছিল না।হাফস ইবনে মুগিরা কুরাইশদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি খাদ্যদানকারীদের একজন ছিলেন। তার সম্পর্কে জনৈক কবি বলেছেন:মেহমান প্রত্যাশী প্রবাসীকে ডাকো এবং বলো … হাফস ইবনে মুগিরার বাড়ির কাছে অবতরণ করতে।কেননা আল্লাহর দেশসমূহের মধ্যে তার এলাকা ছাড়া বাকি সব … অনাবৃষ্টির শিকার, আর তুমি যদি সেখানে নামো তবে গবাদিপশু কৃশ হয়ে যাবে।ওয়ালীদ ইবনে মুগিরাই সেই ব্যক্তি যার সম্পর্কে আল্লাহ অবতীর্ণ করেছেন: (ছেড়ে দিন আমাকে এবং তাকে যাকে আমি সৃষ্টি করেছি একাকী) "সূরা আল-মুদ্দাসসির: ১১"।এবং আবু জাহল ইবনে হিশাম ইবনে মুগিরা, তার নাম আমর।হারিস ইবনে হিশাম ইবনে মুগিরা, যিনি বদরের দিন পলায়ন করেছিলেন; তিনি জাহেলিয়াত যুগে কুরাইশদের অন্যতম সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি ছিলেন, পরবর্তীতে তিনি উত্তমভাবে ইসলাম গ্রহণ করেন। তার সম্পর্কে হাসসান ইবনে সাবিত বলেছেন:তুমি আমাকে যা বলেছো তা যদি মিথ্যা হয় … তবে আমি যেন হারিস ইবনে হিশামের মতো মুক্তি পাই।সে প্রিয়জনদের ছেড়ে পলায়ন করল যাতে তাদের সাথে যুদ্ধ না করতে হয় … আর সে একটি তেজস্বী ঘোড়া ও লাগাম নিয়ে রক্ষা পেল।এবং আবদুর রহমান ইবনে হারিস ইবনে হিশাম, তিনি কুরাইশদের ফকিহদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।ইকরিমাহ ইবনে আবু জাহল ইবনে হিশাম, তিনি কুরাইশদের মহান ব্যক্তিদের একজন ছিলেন, আবু বকর (রা.) তাকে ইয়ামেনের গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন।হারিস ইবনে খালিদ ইবনে আস ইবনে হিশাম একজন কবি ছিলেন। তিনিই জুলাইমা বিনতে খালিদ ইবনে আসিদ ইবনে আবুল আইস ইবনে উমাইয়াকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন:হে জুলাইমা! তোমাদের পক্ষ থেকে এমন এক ব্যক্তিকে আঘাত করা যে … তোমাদের প্রতি সালাম পাঠিয়েছে, তা মস্ত বড় অন্যায়।ক্ষীণকটি সুন্দরী নারী, যার অলঙ্কার অস্থির থাকে … যৌবনের লাবণ্যে যার দেহসৌষ্ঠব বৃদ্ধি পেয়েছে।আমি ক্ষমা করি এবং তার মূর্খতাকে মার্জনা করি … কিন্তু আমি যখন মূর্খতা করি, তখন তার সহনশীলতা থাকে না।তিনি আয়েশা বিনতে তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ সম্পর্কেও কবিতা বলেছিলেন। আয়েশা যখন বসরায় তার স্বামী মুসআব ইবনে যুবায়েরের সাথে ছিলেন, তখন তিনি হারিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। হারিসের কাছে এই সংবাদ পৌঁছালে তিনি বললেন:যারা আমাদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছিল যে আমাদের অবস্থান কোথায় … তাদের জন্য 'আকহুওয়ানা' আমাদের একটি উপযুক্ত আবাস।যখন আমরা স্বচ্ছ জীবন যাপন করি যাকে কলুষিত করে না নিন্দুকদের বিদ্রূপ এবং সময়ও আমাদের বিমুখ করে না।হায়! যদি দূরত্ব আমাকে তোমার কাছে নিয়ে না আসত এবং আমি তোমাকে না চিনতাম, কারণ তোমাদের থেকে আমার ভাগ্য কেবল দুঃখই পেয়েছে।উমারা ইবনে ওয়ালীদ ইবনে মুগিরা, তিনি অত্যন্ত প্রভাবশালী ও সাহসী ছিলেন। কুরাইশরা তাকে এবং তার সাথে আমর ইবনে আসকে আবিসিনিয়ায় হিজরতকারীদের কাছে পাঠিয়েছিল।উমর ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবু রাবিয়া ইবনে মুগিরা, যিনি একজন কবি ছিলেন।হারিস ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবু রাবিয়া, তিনি আবদুল্লাহ ইবনে যুবায়েরের পক্ষ থেকে বসরার গভর্নর ছিলেন। বসরার অধিবাসীরা তাকে "আল-কুবা" উপাধি দিয়েছিল।মুহাজির ইবনে আবু উমাইয়া ইবনে মুগিরা, যিনি ইয়ামেনে ধর্মত্যাগীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন।খালিদ ইবনে ওয়ালীদ ইবনে মুগিরা, যিনি আল্লাহর তলোয়ার।আবদুর রহমান ইবনে খালিদ ইবনে ওয়ালীদ, তিনি গ্রীষ্মকালীন অভিযানে নেতৃত্ব দিতেন এবং শীতকালেও সেখানে অবস্থান করতেন।
(খণ্ড: ১)
হাজফু মিন নাসাবি কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ১৪)
وهشام بن إسماعيل بن هشام بن الوليد بن المغيرة، ولي المدينة خلافة عبد الملك، وهو جدُّ هشام بن عبد الملك. وأقام الحجَّ عامَّة ولايته.وإبراهيم بن هشام بن إسماعيل، ولي المدينة سبع سنين في خلافة هشام بن عبد الملك.ومحمَّد بن هشام بن إسماعيل، ولي المدينة وأقام الحجَّ.وعبد الله بن عمر بن الوليد بن المغيرة، ولي الجزيرة ودخل بالناس الصَّائفة.وأيُّوب بن سلمة بن الوليد بن المغيرة، كان شريفا.وأمُّ سلمة التي كانت تحت أمير المؤمنين أبي العبَّاس بن محمَّد: أمُّ سلمة بنت يعقوب بن سلمة ابن عبد الله.مِنْ بَنِي مَخْزُومٍعمرو بن حُريث بن عمرو بن عثمان بن عبد الله بن عمر بن مخزوم، كان ولي الكوفة، وكان شريفا.ومنهم: الأرقم بن أبي الأرقم، اسمه: عبد مناف ابن أسد بن عبد الله بن عمرو بن مخزوم، شهد بدرا مع النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم تسليما.وأبو سلمة بن عبد الأسد بن هلال بن عبد الله بن عمرو بن مخزوم، هاجر إلى أرض الحبشة، معه امرأته أمُّ سلمة بن أبي أميَّة بن المغيرة بن عبد الله ابن عمرو بن مخزوم.واسم أبي سلمة عبد الله. واسم أم سلمة: هند، وشهد أبي سلمة بدرا مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم، وأمُّ أبي سلمة برُّة بنت عبد المطلب.والعاص بن وابصة بن خالد بن عبد الله بن عامر بن مخزوم، من المؤلفة قلوبهم.وشمَّاس بن عثمان بن الشريد بن هرمي بن عامر ابن مخزوم، من المهاجرين الأولين. شهد بدرا مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم، وقتل يوم أحد شهيدا.وهبَّار بن سفيان بن عبد الأسد، من مهاجرة الحبشة.وسعيد بن يربوع بن عنكثة بن عامر ابن مخزوم، كان شريفا شاعرا، هو الَّذي يقول:نَحْنُ الفُوَارِس يَوْمِ الجْرِّ من أُحُدْ … هَابَت مَعْدٌ فَكُنَّا نحن نكفيهاهابُوا طِعاناً وضرَباً صَادقاً خَذماً … مِمْا يَرْون ضَمَّتْ قَوَاصِيهاثمَّت رَحنَا كَأنَّا عَارِضٌ بَرِدْ … وَرَاحَ هَامُ النَّجَّارِ تَبكِيهاكَأنَّ هامَهُمْ عِنْدَ الوِغْا فَلَقٌ … مِنْ قَيْضٍ نَفَتْهُ عن أداحِيهاأو حَنْظَل زَعْزَعْتهُ الرَّيْح في عَصْرٍ … بالٍ تَعَاوِرَهُ مِنهَا سَوافِيْهَاوابنه: جَعدة بن هبيرة، كان فقيهاً. ولَاّه عليُّ بن أبي طالب خُرَّاسان، وهو ابن أخته، أمُّه أمُّ هانئ بنت أبي طالب.وسعيد بن عمرو بن جعدة بن هُبيرة، كان من علماء قُريش ورجالها، وهو صاحب الفتنة بالبصرة بعد قتل الوليد بن يزيد.وسعيد بن المُسيّب بن حزن بن أبي عمرو بن عائذ بن عمران بن مخزوم، الفقيه.وولد تيم بن مرَّة: سعدا والأحبُّ.درج الأحبُّ: أي مات.أمُّهما: الطُّوالة بنت مالك بن حسل بن عامر بن لؤي.فمن بني تيم بن مُرَّة: أبو بكر الصدَّيق رحمه الله.واسمه: عتيق بن عثمان بن عامر بن عمرو بم كعب ابن سعد بن تيم بن مُرَّةً.ومُحمَّد بن أبي بكر، كان على مصر، فاستعمله عليُّ بن أبي طالب رضي الله عنه، فقتل بها.وعبد الله بن أبي بكر، قتل يوم الطَّائف.ومنهم: عبد الله بن جدعان بن عمرو بن كعب ابن سعد بن تيم، كان من رؤساء قُريش يوم الفجار، وكان من أجود العرب. له يقول أميَّة بن أبي الصلَت الثَّقفي:أَأَذْكُرُ حَاجَتِي أَمْ قَدْ كَفَّانِي … حَيَاؤَكَ، إنَّ شِيمَتَكَ الحَيَاةوقال:وَمَالِي لَا أُحَيِّيهِ وَعِنْدِي … مَوَاهِبُ يَطَّلِعَنْ مِنَ النِّجَادِلَهُ دَاعٍ بِمضكَّةَ مُشْمَعِلٌ … وَآَخَرُ فَوْقَ دارتِهِ يُنَادِيإلى رُجُحٍ مِنَ الشِّيزَى مِلَاءٍ … لُبَابَ البُرِّ يُلْبَكُ بالشِّهَادِوقُنفُذُ بن عُمير بن عبد جدعان بن عمرو، كان من أشراف قُريش. وهو أحد الَّذين ذكر أبو طالب في قصيدته حين أطبقت عليهم قُريش يتودَّده ويعطفه:وَعُثْمَانَ لَمْ يَرْبَعُ عَلَيْنَا وَقُنْفُذٌوَلَكِنْ أَطَاعاً أَمْرَ تِلْكَ القَبَائِلِومنهم: طلحة بن عبيد الله بن عثمان بن عمرو ابن كعب بن سعد بن تيم، كان يقال له " الفيَّاضُ ".
হিশাম বিন ইসমাইল বিন হিশাম বিন ওয়ালিদ বিন মুগীরা, তিনি আব্দুল মালিকের খিলাফতকালে মদীনার গভর্নর ছিলেন এবং তিনি হিশাম বিন আব্দুল মালিকের দাদা। তিনি তাঁর গভর্নর থাকাকালীন অধিকাংশ সময় হজ্জ পরিচালনা করেন।ইব্রাহিম বিন হিশাম বিন ইসমাইল, তিনি হিশাম বিন আব্দুল মালিকের খিলাফতকালে সাত বছর মদীনার গভর্নর ছিলেন।মুহাম্মদ বিন হিশাম বিন ইসমাইল, তিনি মদীনার গভর্নর ছিলেন এবং হজ্জ পরিচালনা করেন।আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন ওয়ালিদ বিন মুগীরা, তিনি জাজীরার গভর্নর ছিলেন এবং গ্রীষ্মকালীন যুদ্ধাভিযানে মানুষের নেতৃত্ব দেন।আইয়ুব বিন সালামা বিন ওয়ালিদ বিন মুগীরা, তিনি একজন অভিজাত ব্যক্তি ছিলেন।উম্মু সালামা, যিনি আমিরুল মুমিনীন আবু আব্বাস বিন মুহাম্মাদের স্ত্রী ছিলেন: তিনি হলেন ইয়াকুব বিন সালামা বিন আব্দুল্লাহর কন্যা উম্মু সালামা।বনী মাখযূম গোত্র থেকেআমর বিন হুরাইস বিন আমর বিন উসমান বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন মাখযূম, তিনি কুফার গভর্নর ছিলেন এবং একজন অভিজাত ব্যক্তি ছিলেন।তাদের মধ্য থেকে: আরকাম বিন আবিল আরকাম, তাঁর নাম: আব্দুল মানাফ ইবনে আসাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন মাখযূম, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে বদর যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন।আবু সালামা বিন আব্দুল আসাদ বিন হিলাল বিন আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন মাখযূম, তিনি হাবাশা (আবিসিনিয়া) অভিমুখে হিজরত করেন, তাঁর সাথে ছিলেন তাঁর স্ত্রী উম্মু সালামা বিনতে আবি উমাইয়া বিন মুগীরা বিন আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন মাখযূম।আবু সালামার নাম ছিল আব্দুল্লাহ। উম্মু সালামার নাম ছিল হিন্দ। আবু সালামা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে বদর যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন এবং আবু সালামার মা ছিলেন বাররা বিনতে আব্দুল মুত্তালিব।আস বিন ওয়াবিসা বিন খালিদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আমির বিন মাখযূম, তিনি মুআল্লাফাতুল কুলুবদের (যাদের অন্তর ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করা হয়েছিল) অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।শাম্মাস বিন উসমান বিন শারীদ বিন হারামী বিন আমির বিন মাখযূম, তিনি প্রথম সারির মুহাজিরদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে বদর যুদ্ধে অংশ নেন এবং উহুদ যুদ্ধের দিন শহীদ হন।হাব্বার বিন সুফিয়ান বিন আব্দুল আসাদ, তিনি হাবাশায় হিজরতকারী মুহাজিরদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।সাঈদ বিন ইয়ারবু বিন আনকাসা বিন আমির বিন মাখযূম, তিনি একজন অভিজাত কবি ছিলেন। তিনি সেই ব্যক্তি যিনি বলেছিলেন:আমরা উহুদের ধূলিময় দিনের সেই অশ্বারোহী দল … মাআদ গোত্র ভীত হয়েছিল, কিন্তু আমরাই তাদের জন্য যথেষ্ট ছিলাম।তারা বর্শার আঘাত এবং তীক্ষ্ণ তলোয়ারের জখমকে ভয় পাচ্ছিল … যা দেখে তাদের দূরবর্তী সৈন্যরাও পিছু হটেছিল।অতঃপর আমরা ফিরে এলাম যেন আমরা শিলাবৃষ্টির মেঘ … আর বনু নাজ্জারের প্রধানরা তাদের জন্য বিলাপ করছিল।যেন যুদ্ধের সময় তাদের মাথার খুলিগুলো ছিল ডিমের খোলসের মতো … যা উটপাখি তার বাসা থেকে ফেলে দিয়েছে।অথবা সেই পুরোনো হুনযাল ফলের মতো যাকে প্রবল বাতাস … এক দিক থেকে অন্য দিকে ঘুরিয়ে নিয়ে বেড়ায়।তাঁর পুত্র: জাদা বিন হুবাইরা, তিনি একজন ফকীহ ছিলেন। আলী বিন আবি তালিব তাঁকে খুরাসানের দায়িত্ব অর্পণ করেন; তিনি ছিলেন আলীর ভাগ্নে, তাঁর মা হলেন উম্মু হানি বিনতে আবি তালিব।সাঈদ বিন আমর বিন জাদা বিন হুবাইরা, তিনি কুরাইশদের আলেম ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের একজন ছিলেন। ওয়ালিদ বিন ইয়াজীদের হত্যার পর বসরায় যে ফিতনা সৃষ্টি হয়েছিল তাতে তাঁর ভূমিকা ছিল।সাঈদ বিন মুসাইয়িব বিন হাযন বিন আবি আমর বিন আইয বিন ইমরান বিন মাখযূম, তিনি প্রখ্যাত ফকীহ।তৈম বিন মুররার সন্তানরা হলো: সাদ এবং আল-আহাব্ব।আল-আহাব্ব নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।তাদের মা ছিলেন: তুওয়ালা বিনতে মালিক বিন হাসাল বিন আমির বিন লুআই।বনী তৈম বিন মুররা গোত্র থেকে: আবু বকর সিদ্দিক রহমাতুল্লাহি আলাইহি।তাঁর নাম হলো: আতীক বিন উসমান বিন আমির বিন আমর বিন কাব বিন সাদ বিন তৈম বিন মুররা।মুহাম্মদ বিন আবু বকর, তিনি মিশরের দায়িত্বে ছিলেন। আলী বিন আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে সেখানে নিযুক্ত করেন এবং সেখানেই তিনি নিহত হন।আব্দুল্লাহ বিন আবু বকর, তিনি তায়েফ যুদ্ধের দিন শহীদ হন।তাদের অন্তর্ভুক্ত হলেন: আব্দুল্লাহ বিন জুদআন বিন আমর বিন কাব বিন সাদ বিন তৈম, তিনি ফিজার যুদ্ধের দিন কুরাইশদের অন্যতম প্রধান নেতা ছিলেন এবং আরবের শ্রেষ্ঠ দানশীল ব্যক্তিদের একজন ছিলেন। তাঁর সম্পর্কে উমাইয়া বিন আবিস সালত আস-সাকাফী বলেন:আমি কি আমার প্রয়োজনের কথা বলব নাকি আপনার লজ্জাবোধই আমার জন্য যথেষ্ট … নিশ্চয়ই লজ্জা আপনার মজ্জাগত স্বভাব।তিনি আরও বলেন:কেনই বা আমি তাঁর প্রশংসা করব না যখন আমার কাছে … উচ্চভূমি থেকে প্রাপ্ত অনেক উপহার জমা আছে।মক্কায় একজন আহ্বানকারী উচ্চৈঃস্বরে ডাকছে … এবং তাঁর প্রাসাদের উপর থেকে অন্যজন ঘোষণা করছে।কাঠের তৈরি সেই ভারী পাত্রগুলোর দিকে যা উপচে পড়ছে … উন্নত মানের গমের রুটি আর মধুর মিশ্রণে।কুনফুয বিন উমায়ের বিন আব্দুল জুদআন বিন আমর, তিনি কুরাইশদের অন্যতম অভিজাত ব্যক্তি ছিলেন। তিনি সেই ব্যক্তিদের একজন যাদের কথা আবু তালিব তাঁর কবিতায় উল্লেখ করেছিলেন যখন কুরাইশরা তাদের অবরুদ্ধ করেছিল, তিনি তাদের মন জয় করার ও সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করছিলেন:উসমান ও কুনফুয আমাদের প্রতি লক্ষ্য করেনি, বরং তারা সেই গোত্রগুলোর আদেশ মেনে চলেছিল।তাদের অন্তর্ভুক্ত হলেন: তালহা বিন উবাইদুল্লাহ বিন উসমান বিন আমর বিন কাব বিন সাদ বিন তৈম, তাঁকে "আল-ফায়্যাদ" (প্রচুর দানশীল) বলা হতো।
(খণ্ড: ১)
হাজফু মিন নাসাবি কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ১৫)
ومُحمَّد بن طلحة، كان يُدعى " السَّجاد "، قتل معه يوم الجبل.ومنهم: عُمر بن عبيد الله بن مُعمر بن عُثمان، هو الَّذي كان له نخبة المصرين جميعا: البصرة والكوفة، حين سار إلى أبي فديك الحروريِّ بالبحرين فقتله. وله يقول العجَّاج:ضَمَّ جَنَاحيْهِ مِنَ الطَّفِّ فَمَرّ … تَقْتَضي الباِزي إذا البَازِي كَسَرْبِسِتةٍ وَسِتَّةٍ وَأثْنَى عَشَرْ … أَلْفاً يَجُرُّونَ مَعَ الخَيْلِ والعَكَرْولي البصرة وقتال الأزارقة. كان جوادا شجاعا.وعُثمان بن عُبيد الله بن مُعمّر، استعمله المُصعب ابن الزُّبير على فارس، فقتله الأزارقة.ومنهم مسافع بن عيّاض بن صخر بن عامر ابن كعب بن سعد بن تيم، كان مُطاعا في قُريش، وكان له أذى للنَّبيِّ صلى الله عليه وسلم. وهو خال أبي بكر رحمه الله. وله يقول حسَّان بن ثابت الأنصاريُّ:يا آلَ تَيْم أَلَا تَنْهُون جَاهِلَكُم … قَبْلَ قِذْاف بأمثالِ الجَلاِميدِومنهم: الحارث بن خالد بن صخر بن عامر ابن كعب بن سعد بن تيم، من المهاجرين الأوَّلين، هاجر إلى أرض الحبشة.ومنهم: محمَّد بن المُنكدر بن عبد الله ابن الهُدير بن عبد العُزَّى بن عامر ابن الحارث بن حارثة ابن سعد، الفقيه.أَخَوَا مُرَّةً بنِ كَعْبٍعُديّ وهصيص ابنا كعب بن لؤيّ بن غالب.فولد عُديُّ بن كعب: رزاحا وعويجا.فمن بني رزاح بن عديّ: عمر بن الخطَّاب ابن نفيل بن عبد العزَّى بن رياح بن عبد الله قُرط بن رزاح بن عديّ.أمُّهُ حنتمة بنت هاشم بن المغيرة ابن عبد الله بن عمر ابن مخزوم.وزيد بن الخطَّاب شهد بدرا واستشهد يوم اليمامة.وعبد الله بن عمر بن الخطَّاب، كان ممن يرشَّح للخلافة، وغليه دعا أبو موسى الأشعريُّ، وبه خدعه عمرو بن العاص. وكان فقيها عابدا.وعُبيد الله بن عُمر، كان مع مُعاوية، وقتل يوم صفيِّن.وعبد الحميد الأعرج بن عبد الرحمن بن زيد بن الخطَّاب، ولَاّه عمر بن الخطَّاب، ولَاّه عُمر بن عبد العزيز الكوفة.وزيد بن عمرو بن نفيل بن عبد العُزَّى، الَّذي قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: يبعثه الله أمُّة وحده.وسعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل، ضرب له النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم بسهم يوم بدر. بلغني أن عمر بن الخطَّاب وسعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل أتيا النَّبيِّ عليه السلام فقالا: أنا استغفر لزيد بن عمرو؟ قال: نعم. فإنَّه ألهم رشده، ويبعثه الله أمة وحده. وكان يحنوا في الجاهليَّة.ومعمر بن عبد الله بن نضلة بن عبد العُزَّى ابن حرثان بن عوف بن عُبيد بن عُويج بن عُديِّ ابن كعب، هاجر إلى أرض الحبشة.وعديّ بن نضلة بن عبد العزَّى، وابنه النُّعمان ابن عُديّ، كان ن المهاجرين الأوَّلين.ومنهم: السَّحَّام، واسمه نعيم بن عبد الله ابن أسيد بن عبد بن عوف عويج بن عديّ، قتل يوم مؤتة شهيدا، وإنما سُميَّ النَّحَّام، لن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: دخلت الجنة فرأيت بها أبو بكر وعمر، وسمعت نحمة من نعيم بن عبد الله. فسمِّي النَّحَّام.والنُّعمان بن عديَّ بن نضلة الَّذي استعمله عُمر بن الخطَّاب على ميسان، وهو من مهاجرة الحبشة. فقال النُّعمان بن عديّ:مَنْ يُبلُغ الحَسّناءَ أنَّ حَليِلُها … بِمِيْسَانَ يُسْقَى فِي زُجَاجٍ وَحَنْتَمْإِذَا كُنْتَ وَنَدْمَانِي فَبَالأَكْبَرِ أسْقِنِيوَلَا تَسْقِتِي بالأصْغَر المُتَثَلِمْلَعَلَّ أَمِيرَ المُؤْمِنْينَ يَسُوءهُ … تَنَادُمُنَا فِي الجَوْسَق المُتَهَدِّمِفقال عُمر: يسوءني غير ذي شَكّ! وعز له عن عمله.ومُطيع بن حارثة بن عوف بن عُبيد بن عويج، كان اسمه العاصي، فسمَّاه رسول الله عليه السلام مُطيعا.وابنه عبد الله بن مُطيع، كان من رجال قُريش ولَاّ. هـ ابن الزُّبير الكوفة. وهو الَّذي يقول، يوم قتل الزُّبير، وقال له: اذهب فإني مقتول! قال عبد الله بن مُطيع:أَنَّا الَّذِي فَرِرْتُ يَوْمَ الحَرَّةَ … وَالشَّيْخِ لَا يَفُرُّ إِلَاّ مَرَّهْفقتل مع ابن الزُّبير.
মুহাম্মদ বিন তালহা, তাকে "আস-সাজ্জাদ" (অধিক সিজদাকারী) বলা হতো, তিনি জাবাল বা উটের যুদ্ধের দিন তাঁর সাথে নিহত হন।তাদের মধ্যে রয়েছেন: উমর বিন উবাইদুল্লাহ বিন মা'মার বিন উসমান, যাঁর অধীনে বসরার ও কুফার সমস্ত বিশেষ বাহিনী ছিল যখন তিনি বাহরাইনের আবু ফাদাইক আল-হারুরির দিকে যাত্রা করেন এবং তাকে হত্যা করেন। তাঁর সম্পর্কে আল-আজজাজ বলেন:তিনি তাফ থেকে তাঁর দুই ডানা গুটিয়ে নিলেন এবং অতিক্রম করলেন … তিনি বাজপাখির অনুসরণ করেন যখন বাজপাখি ডানা সংকুচিত করে।ছয়, ছয় এবং বারো … হাজার সৈন্য ঘোড়া ও উটের পালের সাথে তাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল।তিনি বসরার দায়িত্ব পালন করেন এবং আজারিকাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন। তিনি দানশীল ও সাহসী ছিলেন।এবং উসমান বিন উবাইদুল্লাহ বিন মা'মার, মুসআব ইবনুল জুবায়ের তাঁকে পারস্যের গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন, অতঃপর আজারিকারা তাঁকে হত্যা করে।তাদের মধ্যে রয়েছেন মুসাফি' বিন ইয়াদ বিন সাখর বিন আমির বিন কাব বিন সাদ বিন তাইম, তিনি কুরাইশদের মধ্যে মান্যবর ব্যক্তি ছিলেন এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কষ্ট দিতেন। তিনি আবু বকর রহমাতুল্লাহি আলাইহির মামা ছিলেন। তাঁর সম্পর্কে হাসসান বিন সাবিত আনসারি বলেন:হে তাইম গোত্র! তোমরা কি তোমাদের মূর্খ ব্যক্তিকে বাধা দেবে না … বড় পাথরের মতো কথা নিক্ষেপ করার আগে?তাদের মধ্যে রয়েছেন: আল-হারিস বিন খালিদ বিন সাখর বিন আমির বিন কাব বিন সাদ বিন তাইম, তিনি প্রথম যুগের মুহাজিরদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, তিনি হাবাশা (আবিসিনিয়া) অভিমুখে হিজরত করেছিলেন।তাদের মধ্যে রয়েছেন: মুহাম্মদ বিন আল-মুনকাদির বিন আব্দুল্লাহ বিন আল-হুদাইর বিন আব্দুল উজ্জা বিন আমির বিন আল-হারিস বিন হারিসা বিন সাদ, যিনি ফকিহ ছিলেন।মুররা বিন কাবের দুই ভাইআদি ও হুসাইস, কাব বিন লুয়াই বিন গালিবের দুই পুত্র।আদি বিন কাবের দুই সন্তান: রিজাহ ও উয়াইজ।রিজাহ বিন আদির বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন: উমর বিন আল-খাত্তাব বিন নুফাইল বিন আব্দুল উজ্জা বিন রিয়াহ বিন আব্দুল্লাহ বিন কুরত বিন রিজাহ বিন আদি।তাঁর মাতা ছিলেন হান্তামা বিনতে হাশিম বিন আল-মুগিরা বিন আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন মাখজুম।এবং জায়েদ বিন আল-খাত্তাব বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং ইয়ামামার যুদ্ধে শহীদ হন।এবং আব্দুল্লাহ বিন উমর বিন আল-খাত্তাব, তিনি খিলাফতের জন্য মনোনীত ব্যক্তিদের একজন ছিলেন, আবু মুসা আল-আশআরি তাঁর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং আমর বিন আল-আস তাঁর মাধ্যমে তাকে প্রতারিত করেছিলেন। তিনি একজন ফকিহ ও ইবাদতকারী ছিলেন।এবং উবাইদুল্লাহ বিন উমর, তিনি মুয়াবিয়ার সাথে ছিলেন এবং সিফফিনের যুদ্ধে নিহত হন।এবং আব্দুল হামিদ আল-আরাজ বিন আব্দুর রহমান বিন জায়েদ বিন আল-খাত্তাব, উমর বিন আল-খাত্তাব এবং উমর বিন আব্দুল আজিজ তাঁকে কুফার গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন।এবং জায়েদ বিন আমর বিন নুফাইল বিন আব্দুল উজ্জা, যাঁর সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আল্লাহ তাকে কিয়ামতের দিন একাকী একটি উম্মত হিসেবে পুনরুত্থিত করবেন।এবং সাঈদ বিন জায়েদ বিন আমর বিন নুফাইল, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদরের দিন তাঁর জন্য গনিমতের অংশ নির্ধারণ করেছিলেন। আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, উমর বিন আল-খাত্তাব এবং সাঈদ বিন জায়েদ বিন আমর বিন নুফাইল নবী আলাইহিস সালামের কাছে এসে বললেন: আমরা কি জায়েদ বিন আমরের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করব? তিনি বললেন: হ্যাঁ। কারণ তাঁকে সঠিক পথের প্রেরণা দেওয়া হয়েছিল এবং আল্লাহ তাকে একাকী একটি উম্মত হিসেবে পুনরুত্থিত করবেন। তিনি জাহিলিয়াতের যুগে মূর্তিপূজা থেকে বিমুখ ও সত্যনিষ্ঠ ছিলেন।এবং মা'মার বিন আব্দুল্লাহ বিন নাদলা বিন আব্দুল উজ্জা বিন হারসান বিন আউফ বিন উবাইদ বিন উয়াইজ বিন আদি বিন কাব, তিনি হাবাশা অভিমুখে হিজরত করেছিলেন।এবং আদি বিন নাদলা বিন আব্দুল উজ্জা এবং তাঁর পুত্র নুমান বিন আদি, তাঁরা প্রথম যুগের মুহাজিরদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।তাদের মধ্যে রয়েছেন: আন-নাহহাম, যাঁর নাম নুআইম বিন আব্দুল্লাহ বিন আসাদ বিন আব্দ বিন আউফ বিন উয়াইজ বিন আদি, তিনি মুতার যুদ্ধে শহীদ হন। তাঁকে "আন-নাহহাম" বলা হতো কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন: আমি জান্নাতে প্রবেশ করলাম এবং সেখানে আবু বকর ও উমরকে দেখলাম, আর নুআইম বিন আব্দুল্লাহর একটি কাশির মতো শব্দ (নাহমাহ) শুনতে পেলাম। ফলে তাঁর নাম রাখা হয় আন-নাহহাম।এবং নুমান বিন আদি বিন নাদলা, যাঁকে উমর বিন আল-খাত্তাব মাইসানের গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন এবং তিনি হাবাশার মুহাজিরদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। নুমান বিন আদি বলেন:কে সেই সুন্দরীকে সংবাদ পৌঁছে দেবে যে তার স্বামী … মাইসানে কাঁচের পাত্র ও মাটির জগে পান করছে?যখন তুমি ও আমার বন্ধু উপস্থিত থাকো, তখন আমাকে বড় পাত্রে পান করাও এবং আমাকে কিনারা ভাঙা ছোট পাত্রে দিও না।হয়তো আমিরুল মুমিনীন অপছন্দ করবেন … ধ্বংসপ্রায় প্রাসাদে আমাদের একসাথে পান করাকে।তখন উমর বললেন: "নিঃসন্দেহে আমি তা অপছন্দ করি!" এবং তিনি তাঁকে তাঁর দায়িত্ব থেকে বরখাস্ত করলেন।এবং মুতি' বিন হারিসা বিন আউফ বিন উবাইদ বিন উয়াইজ, তাঁর নাম ছিল আল-আসি (অবাধ্য), রাসূলুল্লাহ আলাইহিস সালাম তাঁর নাম রাখেন মুতি' (অনুগত)।তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহ বিন মুতি', তিনি কুরাইশদের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের একজন ছিলেন। ইবনুল জুবায়ের তাঁকে কুফার গভর্নর নিযুক্ত করেন। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি ইবনুল জুবায়ের নিহত হওয়ার দিন বলেছিলেন, যখন ইবনুল জুবায়ের তাঁকে বলেছিলেন: "তুমি চলে যাও, কারণ আমি তো নিশ্চিত নিহত হব!" তখন আব্দুল্লাহ বিন মুতি' বলেছিলেন:আমি সেই ব্যক্তি যে হাররার দিন পলায়ন করেছিল … কিন্তু একজন প্রবীণ ব্যক্তি তো একবারের বেশি পলায়ন করে না।অতঃপর তিনি ইবনুল জুবায়েরের সাথে নিহত হন।
(খণ্ড: ১)
হাজফু মিন নাসাবি কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ১৬)
ومنهم: أبو جهم بن حُذيفة بن غانم بن عامر ابن عبد الله بن عبيد بن عويج، كان من رجال قُريش ونُسّابها، وهو الَّذي قال لعبد الله بن الزُّبير حين سأله فحرّمه: الَّلهم لا تغير.وولد هصيص بن كعب: عمرا. فولد عمرو، جمح وسهما، فولد سهم بن عمرو: سعدا وسعيدا، أمُّهما، نُعم بنت كلاب بن مُرَّة بن كعب.فمن بني سهم بن عمرو: قيس بن عديّ ابن سعد بن سهم، كان من رؤساء قُريش في الجاهليّة، وهو صاحب القيان الَّذي كان شباب قُريش يجتمعون إليه، فأمرهم فأخذ غزال من الكعبة ففعلوا، فاقتسمه قيانه. وكان الغزال من ذهب.ومنهم: عبد الله بن الزعبريُّ بن قيس بن عديِّ ابن سعد بن سهم، كان شاعر قُريش، وهو الَّذي يقول:وَالعَطِيَّاتُ خِسَاسٌ بَيْنَنَا … وَسَواءٌ قَبْرٌ مُثْرٍ وَمُقِلّْلَا تُدَمِّنْ مَنْزِلاً تَنِزْلُهُ … وإذَا زَالَتْ بِكَ الدَّارُ فَزُلْلَيْتَ أَشْيَاخِي بِبَدْرٍ شَهِدُوا … جَزَعَ الخَزْرَجِ مِنْ وَقْعِ الأَسَلْومنهم: أبو القيس بن الحارث بن قيس ابن عديّ، قتل يوم اليمامة شهيدا.وسعيد بن الحارث، قُتل يوم اليرموك شهيدا.وتميم بن الحارث، قتل يوم أجنادين شهيدا.وخُنيس بن حُذافة بن قَيْس بن عديِّ بن سعد ابن سهم، هاجر إلى أرض الحبشة وشهد بدرا مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم.ومنهم: لُبية ومنبه الحجَّاج بن عامر بن حُذيفة ابن سعد بن سهم، كانا من عظماء قُريش لهما يقول أبو عزَّة عمرو بن عبد الله في يوم بدر:تَرَكُوا نبيها خلفهم وَمُنبِهِّا … وَابْنَىْ رَبِيعةَ خَيْرُ خَصُم فئامْيُذكر قتلى بدر من المشركين. و " ابنا رَبيعة ": عُتبة وشيبة، قُتلوا كُفارا، وكانوا من عظماء قُريش في الجاهليَّة.والعاص بن مُبنه، قتل كافرا مع أبيه وعمه.ومنهم: صُبيرة بن سعد بن سهم، كان من أشراف قُريش في الجاهليَّة وله يقول الشَّاعر:لَا تَأْمَنَنَّ الدَّهْرَ بَعْدَ صُبَيْرَة السَّهْمِيِّ مَاتاَعَجِلْتَ مَنِيتَهُ الحَيْاة وَكَنَتْ مَيْتَتَهُ أَفتلاتاوعامر وعاصم، قتلا يوم بدر كافرين.ومن ولده: المُطَّلب بنو ودَّاعة بن صُبَيْرَة أٍرّ أبو بَدَّاعة يوم بدر، ففدَّاه ابنه المُطَّلب، وكان من أشراف قُريش.وأبو سُفيان بن ودَّاعة، شاعر.ومن بني سعيد بن سهم، كان من أشراف قُريش. قال عمر بن الخطاب: لما أسلمت أدخلت المسجد، فوثبت عليَّ قُريش وقالوا: صبأ ابن الخطَّاب! فما شككت في الهلاك، حتى رأيت رجلا آدم جسيما عليه بردان أسودان، فقال: أنا جار له، فتفرقوا عنَّي فإذا هو العاص بن وائل.وعمرو بن العاص بن وائل، شرف في الجاهليَّة كان من أسد قُريش رأيا وأحزمه، ولَاّه النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم، وولَاّه عثمان، وأطعمه مُعاوية بن أبي سُفيان مصر.وبلغني أنَّ رجلا بايع رجلاً عن أن يسأل عمرو بن العاص من أمَّه؟ فسأله وهو علة منبر مصر، فقال: من أمُّك؟ قال: أمي النابغة، امرأة من عنزة، فأخذني وأغنم.وهاشم بن العاص قتل يوم أجنادين شهيدا وعبد الله بن عمر بن العاص، كان من أشراف قُريش وفقهائها.وولد جُمح بن عمرو: حُذافة وسعدا، وحُذيفة درج.فمن بني جُمع بن عمرو: خلف بن وهب بن حذافة ابن جمح، كان من أشراف قُريش في الجاهليَّة له يقول عبد الله بن الزَّبعري:خَلَفُ بنُ وَهَبٍ كُلَّ آخرٍ لَيْلَةٍ … أَبَداً يُكَثِّرُ أهْلُهُ بِعيالِوأُبيُّ بن خلف بن وهب قتله النَّبيُّ صّلَى الله عيه وسلَّم، طعنه بعنزة في تقوته، فلم يكن جرحها رغيبا فجرع جرعا شديدا، فقيل له: لا بأس عليك! فقال: والله لو بسق علي لقتلني! وكان يقول للنَّبي صلى الله عليه وسلم: لأقتلنَّك! فيقول له النَّبيُّ عليه السلام: بل أنا أقتلك.وصفوان بن أميَّة بن خلف، استعار منه النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم يوم حنين مائة درع. فقال: أغصبا يا محمَّد! فقال: بل عاريَّة تردُّ إليك.وأميَّة بن خلف بن وهب، وابنه: عليُّ بن أميَّة ابن خلف، قتلا يوم بدر كافرين. وهؤلاء جميعا كانوا من أشراف قُريش وذوى أموالهم.
তাদের মধ্যে রয়েছেন: আবু জাহম ইবনে হুযাইফা ইবনে গানিম ইবনে আমির ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উবাইদ ইবনে উইজ। তিনি কুরাইশের বিশিষ্ট পুরুষদের অন্তর্ভুক্ত এবং তাদের বংশবিশারদ ছিলেন। তিনিই সেই ব্যক্তি, যিনি আবদুল্লাহ ইবনুল জুবায়েরকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন যখন তিনি তাকে কোনো কিছু প্রার্থনা করায় বঞ্চিত করেছিলেন: হে আল্লাহ, আপনি পরিবর্তন করবেন না।হুসাইস ইবনে কাবের সন্তান হলেন: আমর। আমরের দুই পুত্র: জুমাহ ও সাহম। সাহম ইবনে আমরের সন্তান হলেন: সাদ ও সাঈদ; তাদের মাতা হলেন নুয়ম বিনতে কিলাব ইবনে মুররা ইবনে কাব।বনু সাহম ইবনে আমরের অন্তর্ভুক্ত হলেন: কায়েস ইবনে আদি ইবনে সাদ ইবনে সাহম। তিনি জাহেলি যুগে কুরাইশের অন্যতম প্রধান নেতা ছিলেন। তিনি ছিলেন সেই গায়িকাদের মালিক যাদের কাছে কুরাইশ যুবকরা একত্রিত হতো। তিনি তাদের আদেশ করলে তারা কাবা থেকে একটি স্বর্ণের হরিণ নিয়ে আসে এবং তারা তা সম্পন্ন করে। এরপর তার গায়িকারা তা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়। সেই হরিণটি স্বর্ণের তৈরি ছিল।তাদের মধ্যে রয়েছেন: আবদুল্লাহ ইবনুল জিবায়রা ইবনে কায়েস ইবনে আদি ইবনে সাদ ইবনে সাহম। তিনি কুরাইশের কবি ছিলেন। তিনি বলতেন:আমাদের মাঝে দানগুলো অতি নগণ্য … আর সম্পদশালী ও দরিদ্রের কবর একই সমান।যে বাসস্থানে তুমি অবতরণ করো তার প্রতি অতি আসক্ত হয়ো না … আর যখন ঘর তোমাকে ছেড়ে চলে যাবে, তখন তুমিও চলে যেও।হায়! বদরের ময়দানে যদি আমার গোত্রপতিরা উপস্থিত থাকতেন … তবে তারা বর্শার আঘাতে খাযরাজদের আর্তনাদ দেখতে পেতেন।তাদের মধ্যে রয়েছেন: আবুল কায়েস ইবনুল হারিস ইবনে কায়েস ইবনে আদি; তিনি ইয়ামামার যুদ্ধে শহীদ হন।এবং সাঈদ ইবনুল হারিস; তিনি ইয়ারমুকের যুদ্ধে শহীদ হন।এবং তামিম ইবনুল হারিস; তিনি আজনাদাইনের যুদ্ধে শহীদ হন।এবং খুনাইস ইবনে হুযাফা ইবনে কায়েস ইবনে আদি ইবনে সাদ ইবনে সাহম; তিনি হাবাশা (আবিসিনিয়া) অভিমুখে হিজরত করেছিলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।তাদের মধ্যে রয়েছেন: নুবাইয়াহ এবং মুনাব্বিহ; আল-হাজ্জাজ ইবনে আমির ইবনে হুযাইফা ইবনে সাদ ইবনে সাহমের দুই পুত্র। তারা কুরাইশের সম্ভ্রান্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তাদের সম্পর্কে আবু আজ্জা আমর ইবনে আবদুল্লাহ বদরের দিনে বলেছিলেন:তারা নুবাইয়াহ ও মুনাব্বিহকে তাদের পেছনে ফেলে এসেছিল … আর রাবিয়ার দুই পুত্র ছিল এক বিশাল দলের শ্রেষ্ঠ প্রতিদ্বন্দ্বী।এখানে বদরের যুদ্ধে নিহত মুশরিকদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আর "রাবিয়ার দুই পুত্র" বলতে উতবা ও শায়বাকে বুঝানো হয়েছে। তারা কাফের অবস্থায় নিহত হয়েছিল এবং তারা জাহেলি যুগে কুরাইশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি ছিলেন।আর আস ইবনে মুনাব্বিহ; সে তার পিতা ও চাচার সাথে কাফের অবস্থায় নিহত হয়।তাদের মধ্যে রয়েছেন: সুবাইরা ইবনে সাদ ইবনে সাহম। তিনি জাহেলি যুগে কুরাইশের অভিজাতদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তার সম্পর্কে এক কবি বলেছেন:সুবাইরা আস-সাহমির মৃত্যুর পর তুমি আর কাল বা সময়কে নিরাপদ মনে করো না।জীবন তার মৃত্যুর দিকে ত্বরান্বিত হয়েছে, আর তার মৃত্যু ছিল আকস্মিক।এবং আমির ও আসিম; তারা উভয়েই বদরের দিনে কাফের অবস্থায় নিহত হন।আর তার সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন: আল-মুত্তালিব, বনু ওয়াদ্দা ইবনে সুবাইরা। আবু ওয়াদ্দা বদরের যুদ্ধে বন্দী হয়েছিলেন। পরে তার পুত্র আল-মুত্তালিব তাকে মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত করেন। তিনি কুরাইশের অভিজাতদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।আর আবু সুফিয়ান ইবনে ওয়াদ্দা; তিনি একজন কবি ছিলেন।আর বনু সাঈদ ইবনে সাহমের মধ্য থেকে যারা কুরাইশের অভিজাত ছিলেন। উমর ইবনুল খাত্তাব বলেছেন: যখন আমি ইসলাম গ্রহণ করলাম, তখন আমাকে মসজিদে প্রবেশ করানো হলো। এরপর কুরাইশরা আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল এবং বলল: ইবনুল খাত্তাব বেদ্বীন হয়ে গেছে! তখন আমি নিজের ধ্বংসের ব্যাপারে কোনো সন্দেহ পোষণ করিনি, যতক্ষণ না আমি একজন শ্যামলা বর্ণের বিশালদেহী ব্যক্তিকে দেখলাম যার গায়ে দুটি কালো চাদর ছিল। তিনি বললেন: আমি তার আশ্রয়দাতা। তখন তারা আমার থেকে সরে পড়ল। তিনি ছিলেন আস ইবনে ওয়াইল।এবং আমর ইবনুল আস ইবনে ওয়াইল; তিনি জাহেলি যুগে অত্যন্ত সম্মানিত ছিলেন। তিনি কুরাইশের সিংহের মতো সাহসী, বিচক্ষণ ও দৃঢ়চেতা ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দায়িত্ব প্রদান করেছিলেন, উসমানও তাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন এবং মুয়াবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ান তাকে মিশরের শাসনভার অর্পণ করেছিলেন।আমার কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তির সাথে বাজি ধরল যে সে আমর ইবনুল আসকে জিজ্ঞাসা করবে যে তাঁর মা কে? সে তাকে তখন জিজ্ঞাসা করল যখন তিনি মিশরের মিম্বরে বসা ছিলেন। সে বলল: আপনার মা কে? তিনি বললেন: আমার মা হলেন আন-নাবিগাহ, আনাজা গোত্রের এক নারী; তিনি আমাকে গর্ভে ধারণ করেছিলেন এবং আমার দেখাশোনা করেছিলেন।এবং হাশিম ইবনুল আস আজনাদাইনের যুদ্ধে শহীদ হন। আর আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস কুরাইশের অভিজাত ও ফকিহদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।জুমাহ ইবনে আমরের সন্তান হলেন: হুযাইফা ও সাদ; আর হুযাইফা নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।বনু জুমাহ ইবনে আমরের অন্তর্ভুক্ত হলেন: খালাফ ইবনে ওয়াহাব ইবনে হুযাইফা ইবনে জুমাহ। তিনি জাহেলি যুগে কুরাইশের অভিজাতদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তার সম্পর্কে আবদুল্লাহ ইবনুল জিবায়রা বলেন:খালাফ ইবনে ওয়াহাব প্রতি রাতের শেষে … সর্বদা তার পরিবার ও সন্তানদের আধিক্য নিয়ে গর্বিত হতেন।আর উবাই ইবনে খালাফ ইবনে ওয়াহাবকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হত্যা করেছিলেন। তিনি তাকে তার গলার হাড়ের কাছে একটি ছোট বর্শা দিয়ে আঘাত করেছিলেন। যদিও সেই ক্ষতটি খুব গভীর ছিল না, তবুও সে প্রচণ্ড যন্ত্রণায় কাতর হয়ে পড়ল। তাকে বলা হলো: তোমার তো তেমন কিছু হয়নি! সে বলল: আল্লাহর কসম, তিনি যদি আমার উপর শুধু থুতুও নিক্ষেপ করতেন, তবে সেটিও আমাকে মেরে ফেলত! সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলত: আমি অবশ্যই তোমাকে হত্যা করব! তখন নবী আলাইহিস সালাম তাকে বলতেন: বরং আমিই তোমাকে হত্যা করব।এবং সাফওয়ান ইবনে উমাইয়া ইবনে খালাফ; হুনাইনের দিনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাছ থেকে একশটি বর্ম ধার নিয়েছিলেন। তখন সে বলেছিল: হে মুহাম্মদ! আপনি কি জোরপূর্বক এগুলো কেড়ে নিচ্ছেন? তিনি বললেন: না, বরং এগুলো ধার হিসেবে নেওয়া হলো যা তোমার কাছে ফেরত দেওয়া হবে।এবং উমাইয়া ইবনে খালাফ ইবনে ওয়াহাব এবং তার পুত্র আলী ইবনে উমাইয়া ইবনে খালাফ; তারা বদরের দিনে কাফের অবস্থায় নিহত হন। তারা সবাই কুরাইশের অভিজাত ও সম্পদশালী ব্যক্তিবর্গের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
হাজফু মিন নাসাবি কুরাইশ
(পৃষ্ঠা: ১৭)
وعبد الله بن عامر بن مسعود بن أميَّة بن خلف، تراضى به أهل الكوفة في الفتنة بعد موت يزيد ابن معاوية.وعبد الله بن صفوان بن أميَّة، كان من عظيم القدر في قُريش، قتله الحجَّاج بن يوسف مع ابن الزُّبير.ومنهم: أبو دهبل الشاعر، وهو وهب بن زمعة ابن أسيد بن أحيجة بن خلف بن وهب بن حذافة ابن جمح، وهو الذي يقول:سَقَا اللهُ جَازانَا وَمِنْ حلَّ وَلْيُه … وَكُلَّ مِسِيلٍ مِنْ سَهَامِ وَسُرُدِدِوَأَنْتِ الَّتِي كَلَّفْتِنِي البِرْكَ شاتِياً … وَأورَدْتنيه فانظري أيَّ مَوْرِدِفَوانَدَمَا إِذَ لَمْ أَعْرِجْ إِذْ تَقُول لِيتَقَدَّمْ فَشِيْعُنَا إِلَى صَحْوَة الغَدِوقال أيضا:مَاذَا رُزِءْناَ غَدْاة الخلِّ مِنْ رَمِعَ … عَلَى الثَّنِيْة من جُودٍ وَمِنْ كَرَمِتَحِمِلُهُ النَّاقَة الأدمَّاء مُعْتَجِزاً … بالبرد كالبَرْد جَلَّى لَيْلَةَ الظْلْمِوَكَيْفَ أَنْسَاكَ لا أيدُيْكَ وَاحِدَة … عِنْدِي ولَاّ بالذي أو لَيْتَ مَنْ قَدَمِومنهم: وهب بن عُمير بن وهب، كان سيِّد بني جُمح، فيه نزلت هذه الآية: (مَا جَعَلَ اللُّهُ لِرَجُلٍ مِنْ قِلْبَتَيْنِ فِي جَوْفِهِ) " سورة الأحزاب: 4 ".ومنه: جميل بن معمر بن حبيب بن وهب ابن حُذافة بن جمح، كان من رجال قُريش، قال أبو خراش الهذلي:عَجَّفَ أَصْحَابِي جَمِيْلُ بن مُعَمِر … بذي فَجْرٌ تأوِي إِلَيْهِ الأَرامِلوالحارث وجميل بن مُعمر، لهما يقول حداش، بن زهير العامري في حرب الفجار:إِنَّي أَتَانِي عَن ابن مَعْمَرٍ خَبْزٌ … إِمَّا كُذِبتُ وإِنَّمَا غَيْرُ مَكْذُوبوحاطب وحويطب والحطَّاب، بنو الحارث بن معمر، صحب النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم وحاطب ممَّن هاجر إلى الحبشة.ومنهم: عُثمان وقُدامة وعبد الله، بنو مُظعون ابن حبيب بن وهيب بن حُذافة بن جُمح، شهدوا بدرا مه النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم وهاجروا إلى أرض الحبشة.والسائب بن عثمان بن مظعون، شهد بدرا، وكان من مهاجرة الحبشة.ومنهم: أبو عزَّة، وهو عمرو بن عبد الله ابن عُمير بن وهيب بن حذافة بن جُمح، كان يحضِّض على النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم، فأسرّه يوم بدر فمنَّ عليه. فقال: لا أقاتل محمَّدا، عليه السلام، فلما رجع ضمن له صفوان بن أميَّة عياله، فرجع يوم أحد وقال:أَنْتُمْ حُمَاة وأَبُوكُمْ حَامْ … لا تُعَدَنِّي نَصْرُكُمْ بَعْدَ العَامْفأسره النبي صلى الله عليه وسلم فقال: أعفَّ عنِّي! فقال له عليه السلام: لا تسمح عارضيك بمكَّة تقول: خدعت محمَّدا مرَّتين! فقتله صبرا.ومنهم: سُفيان بن معمر بن حبيب، كان من المهاجرين الأوَّلين.وابناه: جابر وجنادة ابنا سُفيان، هاجرا إلى الحبشة.وعثمان بن ربيعة بن وهبان بن حُذافة، من المهاجرين الأوَّلين.ومنهم مُسافع بن عبد مناف بن وهيب بن حُذافة، الشاعر، قال:أَلا بَكَرْتَ عِرسي عَلَيَّ تَلُومَنِيفَلَا تَجْعَلِينِي مثلَ مَنْ ظَلَّ سَعيُهُأُعَاتِبُكم حَتَّى المَماتِ ووُدُّكُمْ
আব্দুল্লাহ ইবনে আমির ইবনে মাসউদ ইবনে উমাইয়া ইবনে খালাফ; ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়ার মৃত্যুর পর ফিতনার সময় কুফাবাসী তার ওপর সন্তুষ্ট হয়ে তাকে (নেতা হিসেবে) গ্রহণ করেছিল।এবং আব্দুল্লাহ ইবনে সাফওয়ান ইবনে উমাইয়া; তিনি কুরাইশদের মধ্যে অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদার অধিকারী ছিলেন। হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ তাকে ইবনুল জুবায়েরের সাথে হত্যা করে।তাদের মধ্যে রয়েছেন: কবি আবু দাহবাল; তিনি হলেন ওয়াহাব ইবনে জামআ ইবনে আসাদ ইবনে আহীজাহ ইবনে খালাফ ইবনে ওয়াহাব ইবনে হুজাফা ইবনে জুমাহ। তিনি সেই ব্যক্তি যিনি বলেছিলেন:আল্লাহ সিক্ত করুন আমাদের জাযানকে এবং সেখানে যারা অবস্থান করে তাদের ... আর সাহাম ও সুরুদাদের প্রতিটি জলধারাকে।তুমিই সেই নারী যে আমাকে শীতকালে ব্রিক (একটি স্থান) গমনে বাধ্য করেছ ... এবং আমাকে সেখানে উপনীত করেছ, এখন চেয়ে দেখো আমি কোন ঘাটে এসে পৌঁছেছি।হায় আক্ষেপ! আমি কেন থেমে গেলাম না যখন সে বলছিল—যাতে সে অগ্রগামী হতে পারে—অতঃপর আগামীকালের প্রভাত পর্যন্ত আমাদের বিদায় জানাও।তিনি আরও বলেছেন:খাল্লাত ও রামি’র প্রভাতে আমরা কী বিপদে পড়েছিলাম ... থানিয়্যাহ নামক স্থানে সেই দানশীলতা ও মহানুভবতা হারিয়ে।খয়েরি রঙের উষ্ট্রী তাকে পিঠে নিয়ে চলছে, যখন সে চাদর পরিহিত ... সেই চাদর যা অন্ধকারের রাতকে আলোকিতকারী বরফের মতো শুভ্র।আর আমি তোমাকে কীভাবে ভুলব? আমার কাছে তোমার দান (হাত) কেবল একটি নয় ... আর না সেই অনুগ্রহের মতো যা অতীতে অর্জিত হয়েছে।তাদের মধ্যে রয়েছেন: ওয়াহাব ইবনে উমাইর ইবনে ওয়াহাব; তিনি বনু জুমাহ-এর সর্দার ছিলেন। তার ব্যাপারেই এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছিল: "আল্লাহ কোনো মানুষের অভ্যন্তরে দুটি হৃদয় সৃষ্টি করেননি" (সূরা আল-আহযাব: ৪)।তাদের মধ্যে রয়েছেন: জামিল ইবনে মুয়াম্মার ইবনে হাবিব ইবনে ওয়াহাব ইবনে হুজাফা ইবনে জুমাহ; তিনি কুরাইশদের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের একজন ছিলেন। আবু খুরাশ আল-হুযালী বলেছেন:জামিল ইবনে মুয়াম্মার আমার সাথীদের দুর্বল করে দিয়েছে ... ফাজর নামক স্থানে, যেখানে বিধবারা আশ্রয় গ্রহণ করে।আল-হারিস এবং জামিল ইবনে মুয়াম্মার—এই দুইজনের উদ্দেশ্যে ফিদারের যুদ্ধে খিদাশ ইবনে জুহাইর আল-আমিরি বলেছিলেন:নিশ্চয়ই ইবনে মুয়াম্মারের পক্ষ থেকে আমার কাছে খবর এসেছে ... হয় আমি মিথ্যা জানলাম, না হয় সেটি মিথ্যা খবর নয়।এবং হাতিব, হুয়াইতিব ও আল-হাত্তাব; তারা হারিস ইবনে মুয়াম্মারের পুত্র। তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহচর্যে ধন্য হয়েছিলেন এবং হাতিব তাদের মধ্যে অন্যতম যিনি হাবশায় হিজরত করেছিলেন।তাদের মধ্যে রয়েছেন: উসমান, কুদামা এবং আব্দুল্লাহ; তারা মাজউন ইবনে হাবিব ইবনে ওয়াহিব ইবনে হুজাফা ইবনে জুমাহ-এর পুত্র। তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং হাবশা অভিমুখে হিজরত করেছিলেন।এবং সায়িব ইবনে উসমান ইবনে মাজউন; তিনি বদরে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং হাবশার মুহাজিরদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।তাদের মধ্যে রয়েছেন: আবু আজ্জাহ; তিনি হলেন আমর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে উমাইর ইবনে ওয়াহিব ইবনে হুজাফা ইবনে জুমাহ। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিরুদ্ধে (মানুষকে) উস্কানি দিতেন। বদরের যুদ্ধে তিনি বন্দী হন, অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার প্রতি অনুগ্রহ করে তাকে মুক্তি দেন। তখন তিনি বলেছিলেন: "আমি মুহাম্মাদ (আলাইহিস সালাম)-এর বিরুদ্ধে আর যুদ্ধ করব না।" কিন্তু যখন তিনি ফিরে গেলেন, তখন সাফওয়ান ইবনে উমাইয়া তার পরিবারের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব নিলেন; ফলে তিনি উহুদের যুদ্ধে ফিরে এলেন এবং বললেন:তোমরা রক্ষক এবং তোমাদের পিতা রক্ষক ছিল ... এই বছরের পর তোমাদের সাহায্য থেকে আমাকে বঞ্চিত করো না।অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বন্দী করলেন। তখন সে বলল: "আমাকে ক্ষমা করুন!" তখন নবী আলাইহিস সালাম তাকে বললেন: "তুমি মক্কায় গিয়ে গাল চুলকাতে চুলকাতে বলতে পারবে না যে, তুমি মুহাম্মাদকে দুইবার ধোঁকা দিয়েছ!" অতঃপর তিনি তাকে বন্দী অবস্থায় হত্যার নির্দেশ দিলেন।তাদের মধ্যে রয়েছেন: সুফিয়ান ইবনে মুয়াম্মার ইবনে হাবিব; তিনি প্রথম যুগের মুহাজিরদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।এবং তার দুই পুত্র: জাবির ও জুনাদা; তারা সুফিয়ানের পুত্র এবং হাবশায় হিজরত করেছিলেন।এবং উসমান ইবনে রাবিয়া ইবনে ওয়াহবান ইবনে হুজাফা; তিনি প্রথম যুগের মুহাজিরদের একজন।তাদের মধ্যে রয়েছেন কবি মুসাফি ইবনে আব্দুল মানাফ ইবনে ওয়াহিব ইবনে হুজাফা; তিনি বলেছিলেন:সাবধান! আমার স্ত্রী ভোরে আমাকে তিরস্কার করতে শুরু করেছে।সুতরাং আমাকে সেই ব্যক্তির মতো করো না যার প্রচেষ্টা বৃথা গেছে।আমি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তোমাদের তিরস্কার করব এবং তোমাদের প্রতি আমার ভালোবাসা...