(খণ্ড: ১)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: -)
مختصر شرح ابن جماعة على القواعد الصغرى - ضمن «آثار المعلمي» القسم: النحو والصرف
الكتاب: مختصر شرح ابن جماعة على القواعد الصغرى
[آثار عبد الرحمن بن يحيى المعلمي اليماني (20)]
المؤلف: عبد الرحمن بن يحيى المُعَلِّمي اليماني (1313 - 1386 هـ)
المحقق: أسامة بن مسلم الحازمي
راجعه: محمد أجمل الإصلاحي - محمد عزير شمس
الناشر: دار عالم الفوائد للنشر والتوزيع
الطبعة: الأولى، 1434 هـ
قدمه للشاملة: مؤسسة «عطاءات العلم»، جزاهم الله خيرا
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 10 شوّال 1442
আল-কাওয়াইদ আস-সুগরা-এর ওপর ইবনে জামাআহ-এর ব্যাখ্যার সংক্ষিপ্তসার - 'আসারুল মুয়াল্লিমি'-এর অন্তর্ভুক্ত বিভাগ: নাহু ও সরফ
কিতাব: আল-কাওয়াইদ আস-সুগরা-এর ওপর ইবনে জামাআহ-এর ব্যাখ্যার সংক্ষিপ্তসার
[আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমি আল-ইয়ামানির রচনাবলি (২০)]
লেখক: আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমি আল-ইয়ামানি (১৩১৩ - ১৩৮৬ হিজরি)
মুহাক্কিক (محقق): উসামা বিন মুসলিম আল-হাজিমি
নিরীক্ষণে: মুহাম্মদ আজমাল আল-ইসলাহি - মুহাম্মদ উযায়ের শামস
প্রকাশক: দার আলিমুল ফাওয়াইদ লিন-নাশর ওয়াত-তাওযি
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৪ হিজরি
শামিলা লাইব্রেরির জন্য পেশ করেছেন: 'আতাআতুল ইলম' সংস্থা, আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের সাথে সংগতিপূর্ণ]
শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ১০ শাওয়াল ১৪৪২
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৬৯)
الرسالة الثالثة
مختصر شرح ابن جماعة
على القواعد الصغرى لابن هشام
তৃতীয় পত্র (الرسالة)
ইবন জামা’আহ কৃত ব্যাখ্যার (شرح) সংক্ষিপ্তসার (مختصر)
ইবন হিশাম রচিত আল-কাওয়ায়িদ আল-সুগরা-এর ওপর
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৭১)
القواعد الصغرى لمحمد بن هشام مع بعض
تقريراتٍ من شرحها لابن جماعة ــ كما نَبَّهتُ عليها ــ
(1)بسم الله الرحمن الرحيم
(م) وبعد هذه [نكتة]
(2) يسيرة اختصرتُها من قواعد الإعراب تسهيلًا على الطلاب وتقريبًا على أولي الألباب، وهذه تنحصر في ثلاثة أبواب:
الباب الأول: في الجمل، وفيه أربع من المسائل:
الأولى: أنَّ اللفظ المفيد يُسمَّى كلامًا وجملة.
(ش) نكتة: لا يشترط في الكلام صُدورُه من ناطق واحدٍ ولا قَصْد المتكلم لكلامه، ولا إفادة المخاطب شيئًا يجهله على الصحيح في الثلاث. كذا في الارتشاف
(3)، ويظهر أَثَر الخلاف في الفروع
(4) انتهى.
(م) وأنَّ الجملة اسميّة إنْ بُدِئَت باسم نحو: زيدٌ قائمٌ، وفعلية إنْ بُدِئَت بفِعْل نحو: قام زيدٌ.
(ش) الاسم يدلُّ على الثبوت، والفعل على التجدد، فالاسميَّةُ إنَّما تدل
--------------------------------------------
মুহাম্মদ বিন হিশাম বিরচিত আল-কাওয়ায়িদুল সুগরা এবং ইবনে জামাআহ কর্তৃক এর ব্যাখ্যা থেকে সংকলিত কিছু বিশ্লেষণ — যেমনটি আমি উল্লেখ করেছি —
(১)পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
(ম) অতঃপর, এগুলো হলো কিছু সংক্ষিপ্ত [তাত্ত্বিক বিষয়] যা আমি ছাত্রদের জন্য সহজবোধ্য করতে এবং জ্ঞানীদের নিকটবর্তী করতে ‘কাওয়ায়িদুল ইরাব’ থেকে সংক্ষেপিত করেছি। এটি তিনটি পরিচ্ছেদে সীমাবদ্ধ:
প্রথম পরিচ্ছেদ: বাক্য প্রসঙ্গে, এবং এতে চারটি মাসআলা রয়েছে:
প্রথমটি: অর্থবোধক শব্দকে কালাম এবং বাক্য বলা হয়।
(শ) তাত্ত্বিক বিষয়: বিশুদ্ধ (صحيح) মতানুযায়ী, এই তিনটির ক্ষেত্রে কালাম হওয়ার জন্য তা একজন বক্তা থেকে নির্গত হওয়া, বক্তার স্বীয় কালামের সংকল্প করা, কিংবা শ্রোতাকে তার অজানা কোনো বিষয়ে তথ্য প্রদান করা শর্ত নয়। আল-ইরতিশাফ গ্রন্থে অনুরূপ রয়েছে এবং এর মতভেদের প্রভাব শাখাগত বিষয়সমূহে পরিলক্ষিত হয়। সমাপ্ত।
(ম) আর বাক্যটি নামবাচক হবে যদি তা বিশেষ্য দিয়ে শুরু হয়, যেমন: যাইদুন কায়িমুন; এবং ক্রিয়াবাচক হবে যদি তা ক্রিয়া দিয়ে শুরু হয়, যেমন: কামা যাইদুন।
(শ) বিশেষ্য স্থায়িত্বের ওপর এবং ক্রিয়া নতুনত্ব বা পরিবর্তনের ওপর প্রমাণ পেশ করে, সুতরাং নামবাচক বাক্য কেবল নির্দেশ করে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৭২)
على الثبوت إذا كان عَجُزُها اسمًا كصَدْرها. اهـ.
(م) وصغرى إنْ بُنيت على غيرها كـ (قام أبوه) مِنْ قولك: زيدٌ قام أبوه.
وكُبْرى إنْ كان ضِمْنَها جُمْلةٌ كمجموع: زيدٌ قام أبوه.
(م)
الجمل التي لها محلٌّ من الإعراب سَبْعٌ:
إحداها: الواقعة خبرًا ومَوضعُها رَفْعٌ في بابيْ المبتدأ و (إنَّ) نحو: زيدٌ قام أبوه، وإنَّ زيدًا قام أبوه، ونَصْبٌ في بابيْ كان وكاد، نحو: كان زيدٌ أبوه قائمٌ، وكاد زيدٌ يَفْعَلُ.
(ش) واختلف في نحو: زيدٌ اضربْه، وعمروٌ هل جاءك؟
فقيل: محل الجملةِ رَفْعٌ على الخبريَّة وهو الصحيح، وقيل: نَصْبٌ بناءً على أنَّ الجملة الإنشائية لا تكون خبرًا وهو باطلٌ
(1). اهـ.
(م) الثانية والثالثة: الواقعة حالًا والواقعة مفعولًا ومحلُّهما النَّصْبُ نحو: جاء زيدٌ يضحك، وقال زيدٌ: عمروٌ منطلقٌ.
(ش) الواقعة من محل المفعول قد تكون في محل رَفْعٍ بالنيابة ومن الناس من جعل الجملة تقع فاعلًا، ومن الجمل المحكيَّة بالقول ما قد يخفى كقوله تعالى: {فَحَقَّ عَلَيْنَا قَوْلُ رَبِّنَا إِنَّا لَذَائِقُونَ} الأصل: إنكم
(2) لذائقون عذابي.
--------------------------------------------
স্থায়িত্বের (ثبوت) ওপর ভিত্তি করে যখন তার শেষাংশ তার প্রথমাংশের ন্যায় বিশেষ্য (اسم) হয়। সমাপ্ত (اهـ)।
(মূলপাঠ) এবং ক্ষুদ্র বাক্য (صغرى) যদি তা অন্য কোনো কিছুর ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয়, যেমন 'তার পিতা দাঁড়িয়েছে'—আপনার উক্তি: 'যায়েদ তার পিতা দাঁড়িয়েছে' থেকে।
এবং বৃহৎ বাক্য (كبرى) যদি তার অভ্যন্তরে কোনো বাক্য (جملة) থাকে, যেমন এই সমষ্টিটি: 'যায়েদ তার পিতা দাঁড়িয়েছে'।
(মূলপাঠ)
যেসব বাক্যের ব্যাকরণিক অবস্থান (محل من الإعراب) রয়েছে তা সাতটি:
প্রথমটি: সংবাদ বা বিধেয় (خبر) হিসেবে আপতিত বাক্য; আর এর অবস্থান হলো রফ বা পেশ (رفع), মুবতাদা (مبتدأ) এবং ইন্না (إن) এর উভয় অধ্যায়ে। যেমন: 'যায়েদ তার পিতা দাঁড়িয়েছে' এবং 'নিশ্চয় যায়েদ তার পিতা দাঁড়িয়েছে'। আর নসব বা জবর (نصب) হলো কানা (كان) এবং কাদা (كاد) এর অধ্যায়দ্বয়ে। যেমন: 'যায়েদ এমন ছিল যে তার পিতা দণ্ডায়মান' এবং 'যায়েদ প্রায় করতে উদ্যত হলো'।
(ব্যাখ্যা) আর এই জাতীয় উদাহরণে মতভেদ করা হয়েছে: 'যায়েদ, তাকে প্রহার করো' এবং 'আমর, সে কি তোমার নিকট এসেছে?'
অতঃপর বলা হয়েছে: সংবাদ (خبرية) হওয়ার ভিত্তিতে বাক্যটির ব্যাকরণিক অবস্থান হলো রফ বা পেশ (رفع) এবং এটিই সঠিক (صحيح)। আর বলা হয়েছে: নসব বা জবর (نصب), এই ভিত্তির ওপর যে ভাববাচক বাক্য (جملة إنشائية) সংবাদ (خبر) হতে পারে না; তবে এই মতটি অসার (باطل)
(১)। সমাপ্ত (اهـ)।
(মূলপাঠ) দ্বিতীয় ও তৃতীয়: অবস্থা (حال) হিসেবে আপতিত বাক্য এবং কর্ম (مفعول) হিসেবে আপতিত বাক্য; আর এই উভয়ের ব্যাকরণিক অবস্থান হলো নসব বা জবর (نصب)। যেমন: 'যায়েদ হাসতে হাসতে এল' এবং যায়েদ বলল: 'আমর প্রস্থানকারী'।
(ব্যাখ্যা) কর্মের (مفعول) অবস্থানে আপতিত বাক্য কখনো কখনো স্থলাভিষিক্ত হওয়ার কারণে রফ বা পেশের (رفع) অবস্থানে হতে পারে। আর মানুষের মধ্যে কেউ কেউ বাক্যকে কর্তা (فاعل) হিসেবেও গণ্য করেছেন। আর উক্তির মাধ্যমে উদ্ধৃত বাক্যগুলোর (جمل محكية) মধ্যে কিছু এমন আছে যা অস্পষ্ট থাকতে পারে, যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {অতঃপর আমাদের প্রতি আমাদের রবের কথা সত্য প্রমাণিত হয়েছে যে, আমরা অবশ্যই আস্বাদনকারী}। এর মূল রূপ হলো: 'নিশ্চয় তোমরা আমার আযাব আস্বাদনকারী'
(২)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৭৩)
والقول قد يجيء بمعنى الظن فينصب مفعولين، وقد تقع بعد القول جملةٌ غير محكيَّة نحو: أوّل قولي: إنّي أحمد اللهَ ــ بكسر إنَّ ــ فالجملة خبرٌ لا مفعولٌ خلافًا لأبي علي
(1).
(م) والرابعة المضاف إليها ومَحلُّها الجرُّ نحو: "يوم هم بارزون".
(ش) لا يضاف إلى الجمل إلَّا ثمانية:
أسماء الزمان ظروفًا أو لا.
و(حيثُ) ظرفًا أَمْ لا خلافًا لمن زعمه
(2).
و(آية) بمعنى: علامة على قول سيبويه، وزعم أبو الفتح
(3) أنها إنّما تضاف إلى المفرد.
و(ذي) في قول بعضهم: "اذْهَبْ بِذي تَسْلم"، والباءُ: فيه ظرفيَّةٌ، وذي: صفةٌ لزمنٍ محذوف، وذي بمعنى صاحب صفةٌ لمحذوفٍ تقديره: وقت
--------------------------------------------
এবং 'কাওল' (বলা) শব্দটি কখনো কখনো ধারণা (ظن) অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন এটি দুটি কর্মপদকে (مفعولين) নসব প্রদান করে। আবার কখনো 'কাওল'-এর পরে এমন বাক্য আসে যা উদ্ধৃতিমূলক (محكية) নয়; যেমন: 'আমার বক্তব্যের প্রারম্ভ হলো: নিশ্চয়ই আমি আল্লাহর প্রশংসা করি'—এখানে 'ইন্না' বর্ণটিতে কাসরা (জের) প্রদানের মাধ্যমে—ফলে এই বাক্যটি খবর (خبر) হিসেবে গণ্য হবে, কর্মপদ (مفعول) হিসেবে নয়; এটি আবু আলীর
(১) মতের পরিপন্থী।
(ম) চতুর্থটি হলো সেই বাক্য যা সম্বন্ধপদ (مضاف إليه) হিসেবে আসে এবং এর স্থান হলো যার (جر); যেমন: "যেদিন তারা প্রকাশ্য হবে"।
(শ) কেবল আটটি বিষয় বা শব্দ বাক্যের প্রতি সম্বন্ধযুক্ত (مضاف) হয়:
কালবাচক বিশেষ্যসমূহ (أسماء الزمان), তা ক্রিয়া বিশেষণ (ظرف) হিসেবে ব্যবহৃত হোক বা না হোক।
এবং 'হাইসু' শব্দটি, তা ক্রিয়া বিশেষণ (ظرف) হোক বা না হোক; যারা এর বিপরীত দাবি করেছেন
(২) তাদের মতের বিপরীতে।
এবং সিবওয়াইহ-এর মতানুযায়ী 'আয়াহ' শব্দটি যখন তা চিহ্ন (علامة) অর্থে ব্যবহৃত হয়। তবে আবু আল-ফাতহ
(৩) দাবি করেছেন যে, এটি কেবল একক শব্দের (مفرد) দিকেই সম্বন্ধযুক্ত (مضاف) হয়।
এবং কারো কারো এই উক্তির মধ্যে 'যি' শব্দটি: "যাও যাতে তুমি নিরাপদ থাকো"। এখানে 'বা' বর্ণটি কালবাচক (ظرفية) অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং 'যি' শব্দটি একটি উহ্য সময়ের বিশেষণ (صفة)। এখানে 'যি' শব্দটি সাহেব বা অধিকারী অর্থে একটি উহ্য বিশেষ্যের বিশেষণ, যার সম্ভাব্য রূপ হলো: সময়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৭৪)
وقيل: بل بمعنى (الذي) فلا محلَّ للجملة إذْ هي صلةٌ.
الخامس: (لَدُنْ) زمانيةً أو مكانية.
السادس: (ريث)، وهي مصدر رَاثَ أي: أبطأ. ولابن مالكٍ مقالتان فيها وفي (لدن):
الأولى: أنهما عوملا معاملة أسماء الزمان في الإضافة كما عُوملت المصادر معاملتها في التوقيت
(1).
والثانية: زعم في كافيته وشرحها أنَّ الفعل بعدهما على إضمار (أنْ)
(2).
(م) والخامسة: الواقعة جوابًا لشرطٍ جازم إذا كانت مقرونة بالفاء أو بـ إذا الفجائية نحو: {مَنْ يُضْلِلِ اللَّهُ فَلَا هَادِيَ لَهُ} [الأعراف: 186]، {وَإِنْ تُصِبْهُمْ سَيِّئَةٌ بِمَا قَدَّمَتْ أَيْدِيهِمْ إِذَا هُمْ يَقْنَطُونَ} [الروم: 36].
(ش) عِلّةُ انجزام الجملة في الموضعين محلًّا أنَّها لم تصدَّر بصَدْرٍ يقبل الجزم لفظًا، والفاءُ المقدَّرة كالمذكورة. اهـ.
(م) السادسة والسابعة: التابعة لمفرد أو جملةٍ لها محلٌّ نحو: {مِنْ قَبْلِ
--------------------------------------------
এবং বলা হয়েছে: বরং (এটি) 'যিনি/যা' (الذي) অর্থে, তাই বাক্যটির কোনো স্থান (محل) নেই যেহেতু এটি সম্বন্ধসূচক বাক্য (صلة)।
পঞ্চম: 'হতে/কাছে' (لدن) যা সময়বাচক (زمانية) বা স্থানবাচক (مكانية)।
ষষ্ঠ: 'যতক্ষণ' (ريث), এটি 'দেরি করা' (راث) ক্রিয়ার মূল ধাতু (مصدر) অর্থাৎ সে ধীর হয়েছে। ইবনে মালিকের এই শব্দটিতে এবং 'হতে/কাছে' (لدن) শব্দটিতে দুইটি অভিমত রয়েছে:
প্রথমটি: সম্বন্ধযুক্ত হওয়ার (إضافة) ক্ষেত্রে এ দুটি শব্দকে সময়বাচক বিশেষ্যের (أسماء الزمان) ন্যায় গণ্য করা হয়েছে, যেমন সময় নির্ধারণের (توقيت) ক্ষেত্রে মূল ধাতুগুলোকে (المصادر) তাদের মতো গণ্য করা হয়
(১)।
দ্বিতীয়টি: তিনি তাঁর আল-কাফিয়া এবং এর ব্যাখ্যাগ্রন্থে দাবি করেছেন যে, এ দুটির পরের ক্রিয়াটি একটি উহ্য (إضمار) 'আন' (أن)-এর ওপর ভিত্তি করে
(২)।
(ম) পঞ্চম: যা জাজিম বা কর্মপদকে জযম প্রদানকারী শর্তের (شرط جازم) উত্তর (جواب) হিসেবে আসে, যদি তা 'ফা' (الفاء) অথবা আকস্মিকতা প্রকাশকারী 'ইযা' (إذا الفجائية)-র সাথে যুক্ত হয়। যেমন: {আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন তার জন্য কোনো পথপ্রদর্শক নেই} [সূরা আল-আরাফ: ১৮৬], {এবং তাদের কৃতকর্মের কারণে যদি তাদের কোনো বিপদ স্পর্শ করে, তবে তারা সাথে সাথে হতাশ হয়ে পড়ে} [সূরা আর-রুম: ৩৬]।
(শ) উভয় স্থানে বাক্যটির স্থলাভিষিক্তভাবে জযম (انجزام) হওয়ার কারণ হলো, বাক্যটি এমন কোনো প্রারম্ভিক শব্দ দ্বারা শুরু হয়নি যা শব্দগতভাবে জযম গ্রহণ করে। আর উহ্য 'ফা' উল্লেখিত 'ফা'-এর মতোই। সমাপ্ত।
(ম) ষষ্ঠ ও সপ্তম: যা একক শব্দ (مفرد) অথবা এমন কোনো বাক্যের অনুগামী হয় যার একটি স্থান (محل) আছে। যেমন: {পূর্ব হতে...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৭৫)
أَنْ يَأْتِيَ يَوْمٌ لَا بَيْعٌ فِيهِ وَلَا خِلَالٌ} [إبراهيم: 31] فجملة المنفي صفة ليوم. الثانية: نحو: زيدٌ قام أبوه وقعد أخوه.
(ش) التابعة للمفرد ثلاثة أنواع:
المنعوت بها، والمعطوفة بالحرف، والمبدلة.
والتابعة لجملةٍ تكون هذه في التوابع عدا النعت
(1)، وتكون في التعجُّب على رأي السكاكي
(2).
وشرط البدل كون الأولى غيرَ وافية، والثانية أوفى أو كالوافية أو كالأوفى.
(م) المسألة الثالثة:
الجمل التي لا محلَّ لها سَبْعٌ:
إحداها: الابتدائية وتسمّى المستأنفة نحو: {إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ} [يوسف: 2].
(ش) مِنَ الجمل ما جرى خلافٌ في أنّه مستأنفٌ أم لا.
--------------------------------------------
{এমন এক দিন আসার পূর্বে যাতে কোনো কেনা-বেচা নেই এবং কোনো বন্ধুত্ব নেই} [ইব্রাহিম: ৩১]। এখানে না-বোধক বাক্যটি হলো 'ইয়াওম' (দিন) শব্দের বিশেষণ (صفة)। দ্বিতীয়: যেমন: জায়েদ, তার পিতা দাঁড়িয়েছে এবং তার ভাই বসেছে।
(ব্যাখ্যা) একক শব্দের অনুগামী পদ তিন প্রকার:
যার দ্বারা গুণ বর্ণনা করা হয় (المنعوت بها), হরফের মাধ্যমে যা সংযোজিত (المعطوفة بالحرف) এবং যা স্থলাভিষিক্ত হয় (المبدلة)।
আর বাক্যের অনুগামী হওয়ার বিষয়টি বিশেষ গুণ (نعت)
(১) ব্যতীত অন্যান্য অনুগামী পদসমূহের ক্ষেত্রে হয়, এবং সাক্কাকীর মতানুসারে এটি বিস্ময়সূচক বাক্যের (التعجب) ক্ষেত্রেও হয়ে থাকে
(২)।
আর স্থলাভিষিক্ত পদের (بدل) শর্ত হলো প্রথমটি অসম্পূর্ণ হওয়া এবং দ্বিতীয়টি পূর্ণাঙ্গ হওয়া অথবা পূর্ণাঙ্গের মতো হওয়া বা পূর্ণাঙ্গের কাছাকাছি হওয়া।
(মূল পাঠ) তৃতীয় মাসআলা:
যে বাক্যগুলোর কোনো অবস্থানগত ব্যাকরণিক মান (لا محلَّ لها) নেই, সেগুলো সাতটি:
তার একটি হলো: প্রারম্ভিক বাক্য (الابتدائية), যাকে সূচনা বাক্যও (المستأنفة) বলা হয়। যেমন: {নিশ্চয়ই আমি তা নাযিল করেছি} [ইউসুফ: ২]।
(ব্যাখ্যা) কিছু বাক্য এমন রয়েছে যেগুলোর ক্ষেত্রে এটি সূচনা বাক্য (مستأنف) কি না তা নিয়ে মতপার্থক্য বিদ্যমান।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৭৬)
مِنْ ذلك (أقومُ) مِن قولك: إنْ قام زيدٌ أقومُ. فالمبرّدُ يرى أنَّه على إضمار الفاء، وسيبويه: أنّه مؤخّر عن تقديم، فإذا عُطفَ عليه فِعْلٌ جَوَّزَ الأول
(1) رَفْعه عطفًا على اللفظ، وجزمه على المحلّ، والثاني
(2) الرفعَ فقط
(3).
(م) الثانيةُ: الواقعة صلةً نحو: الذي قام أبوه.
(ش) آباء العبّاس وبكر وعلي والفتح وآخرون أنَّ (كان) الناقصة لا مصدر لها
(4). اهـ.
(م) الثالثة: المعترضة نحو: {فَإِنْ لَمْ تَفْعَلُوا وَلَنْ تَفْعَلُوا} [البقرة: 24].
(ش) يجوز الاعتراض بأكثر من جملةٍ خلافًا لأبي علي
(5). وكثيرًا ما تشتبه المعترضة بالحاليّة لكنّها تتميز عنها؛ فالمعترضة تكون غير خبريّة، ويجوز تصديرها بدليل استقبال ويجوز اقترانها بالفاء، ويجوز اقترانها بالواو
--------------------------------------------
এর অন্তর্ভুক্ত হলো তোমার কথা: "ইন কামা যায়দুন আকুমু" (যদি যায়দ দাঁড়ায়, তবে আমি দাঁড়াবো)-তে "আকুমু" (أقومُ) শব্দটি। আল-মুবররিদ মনে করেন যে, এটি 'ফা' (الفاء) উহ্য থাকার ভিত্তিতে হয়েছে, আর সিবওয়াইহ-এর মতে এটি অগ্রবর্তী হওয়ার কারণে পেছনে চলে আসা একটি পদ। যদি এর উপর অন্য কোনো ক্রিয়া আতফ (عطف) করা হয়, তবে প্রথমজন
(১) শব্দের বাহ্যিক রূপ অনুযায়ী তাকে রফ (رفع) প্রদান এবং স্থানের বিচারে জজম (جزم) প্রদান করা জায়েয বলেছেন। আর দ্বিতীয়জন
(২) কেবল রফ (رفع) প্রদানকেই জায়েয মনে করেন
(৩)।
(ম) দ্বিতীয়: সিলাহ (صلة) হিসেবে আপতিত বাক্য, যেমন: "আল্লাযি কামা আবুহু" (যার পিতা দাঁড়িয়েছেন)।
(শ) আবু আল-আব্বাস, আবু বকর, আবু আলী, আবুল ফাতহ এবং অন্যান্যের মতে 'অসম্পূর্ণ কানা' (كان الناقصة)-এর কোনো মাসদার (مصدر) নেই
(৪)। সমাপ্ত।
(ম) তৃতীয়: মুতারিযাহ (معترضة) বা মধ্যবর্তী বাক্য, যেমন: {অতঃপর যদি তোমরা তা না করো—আর কখনও তা করতে পারবেও না} [আল-বাকারা: ২৪]।
(শ) আবু আলীর মতের বিপরীতে, একের অধিক বাক্য দ্বারা ইতিরায (اعتراض) বা মধ্যবর্তী অংশ নিয়ে আসা জায়েয
(৫)। অনেক সময় মুতারিযাহ (معترضة) বাক্যটি হালিয়া (حالية) বাক্যের সাথে সদৃশ হয়ে যায়, কিন্তু এটি তা থেকে পৃথক হয়ে থাকে; কারণ মুতারিযাহ (معترضة) বাক্যটি সংবাদমূলক হয় না এবং একে ভবিষ্যৎ নির্দেশক অব্যয় দ্বারা শুরু করা জায়েয, আবার এটি 'ফা' (الفاء) অথবা 'ওয়াও' (الواو) যুক্ত হওয়াও জায়েয।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৭৭)
مع تصديرها بالمضارع المثبت
(1).
(م) الرابعة: التفسيرية نحو: {وَلَمَّا يَأْتِكُمْ مَثَلُ الَّذِينَ خَلَوْا مِنْ قَبْلِكُمْ مَسَّتْهُمُ الْبَأْسَاءُ وَالضَّرَّاءُ} [البقرة: 214].
(ش) فجملة: {مَسَّتْهُمُ}
… الخ مفسِّرة لـ (مَثَل).
وحقيقتُها هي: فَضْلةٌ كاشفةٌ لحقيقة ما تليه، وذهب الشلوبين
(2) إلى أنَّ المفسرة لها محلٌّ بحسب ما تفسِّره
(3). اهـ.
(م) الخامسة: جواب القسم نحو قوله تعالى: {قَالَ فَبِعِزَّتِكَ لَأُغْوِيَنَّهُمْ} [ص: 82].
(ش) ووقع لمكي
(4) وأبي البقاء
(5) وَهَمٌ فيها فأعرباها بما يقتضي أنَّ
--------------------------------------------
এটি সদর্থক বর্তমান/ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়া দ্বারা শুরু হওয়ার সাথে সাথে
(১)।
(ম) চতুর্থত: ব্যাখ্যামূলক বাক্য, যেমন: {আর যখন তোমাদের কাছে তোমাদের পূর্ববর্তীদের অবস্থা আসেনি, যখন তাদেরকে অর্থকষ্ট ও দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করেছিল} [আল-বাকারা: ২১৪]।
(শ) সুতরাং {মাসসাতহুমু} ... বাক্যটি (মাসালা/উদাহরণ)-এর ব্যাখ্যা প্রদানকারী।
আর এর প্রকৃত রূপ হলো: এটি একটি অতিরিক্ত অংশ যা তার পরবর্তী বিষয়ের স্বরূপ উন্মোচন করে। আশ-শালুবীন
(২) অভিমত দিয়েছেন যে, ব্যাখ্যামূলক বাক্যের ব্যাকরণিক অবস্থান (মহল্লুল ই’রাব) থাকবে তা যে বিষয়কে ব্যাখ্যা করছে তার ধরন অনুযায়ী
(৩)। সমাপ্ত।
(ম) পঞ্চমত: শপথের উত্তর, যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {তিনি বললেন, আপনার সম্মানের শপথ! আমি অবশ্যই তাদের সকলকে পথভ্রষ্ট করব} [সোয়াদ: ৮২]।
(শ) মাক্কী
(৪) এবং আবু আল-বাকা
(৫) এই ক্ষেত্রে একটি ভ্রান্তির (وهم) শিকার হয়েছেন। ফলে তাঁরা এর ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ (ই’রাব) এমনভাবে করেছেন যা দাবি করে যে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৭৮)
لها محلًّا
(1).
تنبيهٌ: مَنَع ثعلب
(2) من وقوع القسم خَبَرًا، ومراده أنَّ جملة القسم وجوابها لا يكونان خبرًا
(3).
(م) السادسة: جواب الشرط غير الجازم نحو: {وَلَوْ شِئْنَا لَرَفَعْنَاهُ بِهَا} [الأعراف: 176].
(ش) مثل (لو ــ لولا ــ ولمَّا ــ وكيف)، وكذا جواب الجازم إذا لم يقترن بالفاء لا محلَّ له. اهـ.
(م) السابعة: التابعة لِمَا لا محلَّ له، نحو: قام زيدٌ و
(4) قعد عمروٌ.
(م) المسألة الرابعة:
الجملة الخبرية بعد النكرات المحضة صفاتٌ صناعيةٌ نحو: {حَتَّى
--------------------------------------------
এর (ই’রাবি) স্থান রয়েছে।
(১)সতর্কবার্তা: সা'লাব
(২) শপথের বাক্য (কসম) খবর হিসেবে হওয়াকে নিষেধ করেছেন, তাঁর উদ্দেশ্য হলো শপথের বাক্য এবং তার উত্তর (জওয়াব) খবর হতে পারে না।
(৩)(ম) ষষ্ঠত: অ-জাজিম (শর্তারোপহীন) শর্তের উত্তর (জওয়াব), যেমন: {আর আমি যদি চাইতাম তবে অবশ্যই এর মাধ্যমে তাকে উচ্চ মর্যাদায় আসীন করতাম} [আল-আ'রাফ: ১৭৬]।
(শ) যেমন: (লাউ — লাওলা — লাম্মা — এবং কাইফা), তদ্রূপ জাজিম (শর্তারোপকারী)-এর উত্তর (জওয়াব) যখন 'ফা'-এর সাথে যুক্ত হয় না, তখন তার কোনো (ই'রাবি) স্থান থাকে না। সমাপ্ত।
(ম) সপ্তমত: যে বাক্যের কোনো (ই'রাবি) স্থান নেই তার অনুসারী বাক্য, যেমন: জায়েদ দাঁড়িয়েছে এবং
(৪) আমর বসেছে।
(ম) চতুর্থ মাসআলা:
খাটি অনির্দিষ্ট বিশেষ্যের (নাকীরাহ) পরে আসা সংবাদমূলক বাক্যগুলো পারিভাষিক গুণ (সিফাত) হিসেবে গণ্য হয়, যেমন: {যতক্ষণ পর্যন্ত...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৭৯)
تُنَزِّلَ عَلَيْنَا كِتَابًا نَقْرَؤُهُ} [الإسراء: 93].
وبعد المعارف المحضة أحوال نحو: {وَلَا تَمْنُنْ تَسْتَكْثِرُ} [المدثر: 6]، ومنها محتملٌ لهما نحو: مررتُ برجلٍ صالح يصلِّي. {وَآيَةٌ لَهُمُ اللَّيْلُ نَسْلَخُ مِنْهُ النَّهَارَ} [يس: 37].
{...আমাদের প্রতি এমন একটি কিতাব অবতীর্ণ করবেন যা আমরা পাঠ করব।} [আল-ইসরা: ৯৩]।
আর বিশুদ্ধ নির্দিষ্ট বিশেষ্য (المعارف المحضة) সমূহের পরবর্তী বাক্যগুলো অবস্থা (أحوال) হিসেবে গণ্য হয়; যেমন: {আর আপনি অধিক পাওয়ার প্রত্যাশায় অনুগ্রহ করবেন না।} [আল-মুদ্দাসসির: ৬]। এর মধ্যে এমন কিছু রয়েছে যা উভয়েরই সম্ভাবনা (محتمل) রাখে; যেমন: আমি একজন সৎ ব্যক্তির পাশ দিয়ে অতিক্রম করলাম যে নামাজ পড়ছিল। {আর তাদের জন্য একটি নিদর্শন (آية) হলো রাত, যা থেকে আমি দিনকে অপসারিত করি।} [ইয়াসিন: ৩৭]।
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৮০)
الباب الثانيفي الظرف والجار والمجروروفيه أربع مسائل:أحدها: لابدَّ من تعليقها بفِعْلٍ أو بما في معناه.
(ش) سكت عن قسم ثالث وهو التَّعلُّق بما أُوّل بمُشْبِه الفعل ذكره في المغني
(1)، ومثَّل له بقوله تعالى: {وَهُوَ الَّذِي فِي السَّمَاءِ إِلَهٌ وَفِي الْأَرْضِ إِلَهٌ} [الزخرف: 84]. وذهب ابنا طاهر
(2) وخروف
(3) والكوفيون إلى أنَّه لا تقدير في نحو: زيد عندك أو في الدار، فقالا: الناصبُ المبتدأ، وزعما أنَّه يرفع الخبر إذا كان عينه، وينصبه إذا كان غيره وأنَّ هذا مذهب سيبويه، وقال الكوفيون: النائب أمْرٌ معنوي وهو كونهما مخالفين للمبتدأ، ولا يُعَوَّل على هذين المذهبين
(4).
--------------------------------------------
দ্বিতীয় অধ্যায়যরফ এবং জার-মাজরুর প্রসঙ্গেএতে চারটি মাসআলা রয়েছে:প্রথমটি: এগুলোর সংশ্লিষ্টতা অবশ্যই কোনো ক্রিয়া অথবা ক্রিয়ার অর্থ প্রদানকারী কোনো বিষয়ের সাথে হতে হবে।
(ব্যাখ্যা) তিনি তৃতীয় একটি প্রকার সম্পর্কে নীরব থেকেছেন, আর তা হলো—এমন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট হওয়া যা 'ক্রিয়া সদৃশ' হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। তিনি এটি মুগনিল লাবীব গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং এর উদাহরণ হিসেবে মহান আল্লাহর এই বাণী পেশ করেছেন: {তিনিই সেই সত্তা, যিনি আসমানে উপাস্য এবং জমিনে উপাস্য} [আয-যুখরুফ: ৮৪]। ইবনে তাহির, ইবনে খারুফ এবং কুফাবাসীদের অভিমত হলো— 'যাইদুন ইন্দাকা' অথবা 'ফিল দারি'-এর মতো উদাহরণগুলোতে কোনো কিছু উহ্য ধরার প্রয়োজন নেই। তাঁরা উভয়ে বলেন: মুবতাদা-ই হলো নসব প্রদানকারী। তাঁরা দাবি করেন যে, খবরটি যদি মুবতাদার মূল সত্তা হয় তবে তা রফ প্রদান করে এবং ভিন্ন কিছু হলে নসব প্রদান করে; আর এটিই সিবওয়াইহ-এর মতবাদ (مذهب)। কুফাবাসীরা বলেন: আমলকারী বিষয়টি হলো একটি অর্থগত বিষয়, যা হলো উক্ত দুটির মুবতাদার বিপরীত হওয়া। তবে এই দুই মতবাদ (مذهب)-এর ওপর নির্ভর করা হয় না।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৮১)
(م) وقد اجتمعا في قوله تعالى: {أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ} [الفاتحة: 7].
(ش) قال في الكشاف: "فإنْ قلتَ: أيُّ فَرْق بين {عَلَيْهِمْ} الأولى والثانية؟
قلتُ: الأولى محلّها النصب على المفعولية، والثانية محلها الرفع على الفاعلية
(1).
وقال ذلك؛ لأنَّ النائب عن الفاعل من قبيل الفاعل عنده
(2).
* نكتةٌ:
هل يتعلَّقان بالفعل الناقص عند مَنْ زَعَم أنَّه لا يدلُّ على الحدث؟
مَنَع من ذلك [قومٌ] وهم المبرّد والفارسي وابن جنّي والجرجاني
(3) وابن بَرهان
(4) ثم الشلوبين، والصحيح أنها كلها دالَّةٌ عليه إلا (ليس).
--------------------------------------------
(ম) এবং তারা উভয়ই আল্লাহ তাআলার এই বাণীতে একত্রিত হয়েছে: {যাদেরকে আপনি নেয়ামত দান করেছেন, যারা রাগান্বিত নয়} [আল-ফাতিহা: ৭]।
(শ) 'আল-কাশশাফ' গ্রন্থে বলা হয়েছে: "যদি আপনি বলেন: প্রথম {আলাইহিম} ও দ্বিতীয়টির মধ্যে পার্থক্য কী?
আমি বলব: প্রথমটির স্থান কর্মকারক হিসেবে নসব-এর অবস্থায়, আর দ্বিতীয়টির স্থান কর্তাকারক হিসেবে রফ-এর অবস্থায়
(১)।
তিনি এ কথা বলেছেন; কারণ তাঁর মতে নায়েবে ফায়িল (কর্তার স্থলাভিষিক্ত) ফায়িল-এর (কর্তার) পর্যায়ভুক্ত
(২)।
* একটি সূক্ষ্ম বিষয়:
যারা মনে করেন যে, অপূর্ণ ক্রিয়া (ফেল নাকেস) কোনো কার্যের নির্দেশ দেয় না, তাদের মতে কি এই দুটি সংশ্লিষ্ট হতে পারে?
একদল আলেম এটিকে নিষেধ করেছেন, তাঁরা হলেন: আল-মুবররাদ, আল-ফারিসি, ইবনে জিন্নি, আল-জুরজানি
(৩) এবং ইবনে বুরহান
(৪) এরপর আশ-শালুবিন; তবে সঠিক (صحيح) মত হলো, (লাইসা) ব্যতীত এই সবগুলিই এর ওপর দালালত করে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৮২)
وهل يتعلقان بفعل المدح والذمّ؟
زعم الفارسي أنّهما يتعلقان بـ (نِعْمَ)، وأباه ابنُ مالك
(1).
وهل يتعلقان بأحرف المعاني المشهورة؟
(2)مُنع، وقيل: نَعَم، وفصَّل أبوا الفتح وعليٍّ
(3) قالا: إنْ كان نائبًا عن فِعلٍ حُذِفَ جاز نيابةً لا أصالةً، وإلا فلا
(4).
(م) ويستثنى من حروف الجرّ أربعةٌ لا تتعلق بشيء وهو: الزائد نحو: {كَفَى بِاللَّهِ شَهِيدًا}.
ولعلَّ نحو قوله:
لعل أبي المغوار منك قريبُ
(5)ولولا كقولك
(6):
لولاك في ذا العام لم أحججِ
(7)--------------------------------------------
আর এই দুটি কি প্রশংসা ও নিন্দাসূচক ক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট হয়?
আল-ফারিসি দাবি করেছেন যে, এই দুটি 'নি’মা'-এর সাথে সংশ্লিষ্ট হয়, তবে ইবনে মালিক তা অস্বীকার করেছেন
(১)।
আর এই দুটি কি প্রসিদ্ধ অর্থবোধক অব্যয়সমূহের সাথে সংশ্লিষ্ট হয়?
(২)একে নিষিদ্ধ করা হয়েছে; তবে বলা হয়েছে: হ্যাঁ, হয়। আর আবু আল-ফাতহ এবং আলি বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন; তাঁরা বলেছেন: যদি তা কোনো উহ্য ক্রিয়ার স্থলাভিষিক্ত হয়, তবে তা স্থলাভিষিক্ত হিসেবে জায়েয হবে, মৌলিকভাবে নয়; অন্যথায় নয়
(৩)।
(ম) অব্যয়সমূহের মধ্য থেকে চারটি অব্যয়কে ব্যতিক্রম হিসেবে ধরা হয় যা কোনো কিছুর সাথে সংশ্লিষ্ট হয় না। সেগুলো হলো: অতিরিক্ত, যেমন: {সাক্ষী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট}।
এবং 'লা’আল্লা', যেমন কবির উক্তি:
সম্ভবত আবু আল-মিগওয়ার তোমার নিকটবর্তী
(৫)এবং 'লাওলা', যেমন তোমার কথা
(৬):
এই বছরে তুমি না থাকলে আমি হজ করতাম না
(৭)--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৮৩)
وكاف التشبيه نحو: زيدٌ كعمرٍو.
(ش) قال في المغني
(1): "اللام المقوّية لها منزلةٌ بين المنزلتين، والجرُّ بـ (لولا) قول سيبويه، وتوجيه عدم تعلقها هي و (لعل) لأنَّها بمنزلة الزائدتين لارتفاع ما بعدهما على الابتداء عند الإسقاط". هـ.
(م) المسألة الثانية:
حُكْمُهما بعد المعرفة والنكرة حُكْمُ الجمل ــ فيما تقدّم ــ فيتعيَّن كونهما صفتين صناعيتيْن نحو: رأيتُ طائرًا على غُصْنٍ أو فوق غُصْن، وكونهما حاليْن وذلك في نحو: {فَخَرَجَ عَلَى قَوْمِهِ فِي زِينَتِهِ} [القصص: 79].
وقولك: رأيتُ الهلالَ بين السحاب.
ويحتملان الوجهان
(2) وذلك في نحو: هذا ثمرٌ يانعٌ على أغصانه أو فوق أغصانه.
المسألة الثالثة:
متى وقع أحدهما صفةً أو صلةً أو خبرًا أو حالًا تعلَّق بمحذوف وجوبًا تقديره: كائنٌ أو استقرّ.
--------------------------------------------
সাদৃশ্য বা উপমার কাফ (كاف التشبيه), যেমন: যায়িদ আমরের মতো।
(শ) মুগনি গ্রন্থে বলা হয়েছে
(১): "শক্তিশালীকারী লাম (اللام المقوّية)-এর অবস্থান দুই পর্যায়ের মাঝামাঝি। 'লাওলা' (لولا)-এর মাধ্যমে যের প্রদান (الجر) করা ইমাম সিবওয়াইহ-এর অভিমত। এটি এবং 'লাআল্লা' (لعل)-এর কোনো কিছুর সাথে সংশ্লিষ্ট না হওয়ার কারণ হলো, এগুলো অতিরিক্ত (الزائدتين) বর্ণদ্বয়ের সমপর্যায়ের; কারণ এগুলো বাদ দিলে পরবর্তী শব্দটি প্রারম্ভিকতা (الابتداء) হিসেবে পেশযুক্ত থাকে।" সমাপ্ত।
(ম) দ্বিতীয় মাসআলা:
নির্দিষ্ট বিশেষ্য (المعرفة) এবং অনির্দিষ্ট বিশেষ্য (النكرة)-এর পরে এগুলোর বিধান হলো বাক্যসমূহ (الجمل)-এর বিধানের মতো—যা ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। সুতরাং বাক্যগঠনগতভাবে এ দুটি বিশেষণ (صفتين) হওয়া নির্ধারিত, যেমন: "আমি একটি পাখিকে ডালের উপরে বা ডালের উপরস্থ দেখেছি।" আর অবস্থা (حالين) হওয়া নির্ধারিত, যেমন আল্লাহর বাণী: "অতঃপর সে তার সম্প্রদায়ের সামনে জাঁকজমক সহকারে বের হলো" [কাসাস: ৭৯]।
এবং আপনার উক্তি: "আমি মেঘের মাঝে নতুন চাঁদ দেখেছি।"
আর এই দুটির ক্ষেত্রে উভয় অবস্থা (الوجهان) হওয়ার সম্ভাবনা থাকে
(২), যেমন: "এটি তার ডালসমূহের ওপর পরিপক্ক ফল।"
তৃতীয় মাসআলা:
যখন এগুলোর কোনো একটি বিশেষণ (صفة), সংযোজক (صلة), সংবাদ (خبر) অথবা অবস্থা (حال) হিসেবে পতিত হয়, তখন তা আবশ্যিকভাবে একটি উহ্য (محذوف) শব্দের সাথে সংশ্লিষ্ট হয়; যার সম্ভাব্য রূপ হলো: 'বিদ্যমান' (كائنٌ) বা 'স্থির হয়েছে' (استقرّ)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৮৪)
(ش) قال ابن يعيش
(1): صرَّح ابن جنّي
(2) بجواز إظهار متعلّق الظرف الواقع خبرًا، قال في المغني
(3): "وعندي أنّه إذا حُذف فنقل ضميره إلى الظرف لم يجز إظهاره لأنّه صار أصلًا". اهـ.
(م) إلّا الصلة فيجب تقديره (استقرّ).
(ش) يبقى أربعةٌ من الثمانية التي يتعلقان فيها بمحذوف:
أوّلها: أنْ يرفعا الاسمَ الظاهر.
ثانيها: أنْ يستعمل المتعلق محذوفًا نحو: (حينئذٍ، والآن). لِمنْ ذكر أمرًا تقادم عَهْدُه أي: كان ذلك حينئذٍ، واسمعِ الآن.
ثالثُها: أن يكون المتعلّق محذوفًا على شريطة التفسير، نحو: (يوم الجمعة صُمْتُ فيه).
رابعها: القَسَمُ بغير الباء، والقسم كالصلة في وجوب كونه: استقرَّ.
* تنبيهٌ:
قال ابن يعيش: "إنما لم يجز في الصفةِ أنْ يقال في نحو: (جاء الذي في
--------------------------------------------
(শ) ইবন ইয়াইশ
(১) বলেন: ইবন জিন্নি
(২) খবর হিসেবে অবস্থিত যরফের সংশ্লিষ্ট অংশ প্রকাশ করা বৈধ হওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট মত ব্যক্ত করেছেন। তিনি ‘আল-মুগনি’
(৩) গ্রন্থে বলেন: "আমার মতে, যখন একে বিলুপ্ত করা হয় এবং এর সর্বনাম যরফের দিকে স্থানান্তরিত হয়, তখন একে আর প্রকাশ করা বৈধ নয়; কারণ এটিই তখন মূলে পরিণত হয়।" সমাপ্ত।
(ম) তবে সিলার ক্ষেত্রে ‘ইস্তাকাররা’ হিসেবে এর উহ্য মানা আবশ্যক।
(শ) আটটি ক্ষেত্রের মধ্যে বাকি চারটি ক্ষেত্র এমন যাতে সংশ্লিষ্ট শব্দ দুটি উহ্য থাকে:
প্রথমত: যখন তারা ইসমে জাহিরকে রাফা প্রদান করে।
দ্বিতীয়ত: যখন সংশ্লিষ্ট শব্দটি উহ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেমন: (হিনায়িজিন এবং আল-আন)। এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে যে কোনো অতিবাহিত বিষয়ের উল্লেখ করছে, অর্থাৎ: তা সেই সময়ে (হিনায়িজিন) ছিল, এবং এখন (আল-আন) শোনো।
তৃতীয়ত: যখন সংশ্লিষ্ট শব্দটি ব্যাখ্যার শর্তে উহ্য থাকে, যেমন: (জুমার দিন আমি তাতে রোজা রেখেছি)।
চতুর্থত: ‘বা’ হরফ ব্যতীত অন্য শব্দ দিয়ে শপথ করা। শপথের ক্ষেত্রে সিলার মতোই ‘ইস্তাকাররা’ উহ্য থাকা আবশ্যক।
* সতর্কতা:
イবন ইয়াইশ বলেন: "সিফাতের ক্ষেত্রে কেন এমন বলা বৈধ নয়, যেমন: (জায়াল্লাযি ফি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৮৫)
الدار) بتقدير: مستقر على أنَّه خبر لمحذوفٍ على حدِّ قراءة بعضهم: {تَمَامًا عَلَى الَّذِي أحسَنُ}
(1) [الأنعام: 154] بقِلَّة ذلك واطّراد هذا
(2).
وكذا يجب في الصفة في نحو: (رَجُلٌ في الدار فَلَهُ درهمٌ).
لأنَّ الفاء تجوز في نحو: رَجُلٌ يأتيني فله درهم، ويمتنع رَجُلٌ صالح فله درهم.
واعلم أنَّه اخْتُلف في الصفة والحال والخبر.
والأكثرون على تقدير الفعل لأنَّه الأصل في العمل، فطائفةٌ قدروا الوصف تمسكًا بأنَّ الأصل في الثلاثة الإفراد، وبأنَّ الفعل منها لابدَّ من تقديره بالوصف، وطائفةٌ أجازوا الأمريْن على السواء.
وطائفة رجَّحت الوصف
(3).
وما تُمسِّك به كذلك من الفعل أو الاسم قيل: علَّتُه أنَّه ليس بشيء؛ لأنَّ
--------------------------------------------
(الدار) শব্দটি মূলত 'স্থির' (مستقر) শব্দটিকে উহ্য মানার ভিত্তিতে; যা একটি উহ্য পদের খবর (خبر) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি কতিপয় ইমামের এই পাঠরীতি বা কিরাত (قراءة)-এর সদৃশ: {تَمَامًا عَلَى الَّذِي أحسَنُ}
(১) [আল-আনআম: ১৫৪]। তবে এই প্রয়োগটি বিরল হলেও আলোচ্য বিষয়টি ব্যাকরণিক নিয়মে সুপ্রতিষ্ঠিত
(২)।
অনুরূপভাবে, বিশেষণ (صفة) হওয়ার ক্ষেত্রেও এটি আবশ্যক, যেমন: (رَجُلٌ في الدار فَلَهُ درهمٌ) [বাড়িতে অবস্থানরত জনৈক ব্যক্তি, যার জন্য এক দিরহাম রয়েছে]।
কেননা 'ফা' (الفاء) এর ব্যবহার এই জাতীয় বাক্যে বৈধ: (رَجُلٌ يأتيني فله درهم) [যে ব্যক্তি আমার কাছে আসবে, তার জন্য এক দিরহাম], কিন্তু (رَجُلٌ صالح فله درهم) [একজন সৎ ব্যক্তি, তার জন্য এক দিরহাম]—এরূপ বলা নিষিদ্ধ।
জেনে রাখুন যে, বিশেষণ (صفة), হাল (حال) এবং খবর (خبر)-এর ক্ষেত্রে (উহ্য পদটি কী হবে তা নিয়ে) মতভেদ রয়েছে।
অধিকাংশের মতে, এখানে ক্রিয়া (فعل) উহ্য মানতে হবে; কারণ আমল বা প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে এটিই মূল ভিত্তি। একদল আলেম বিশেষণাত্মক শব্দ (وصف) উহ্য মানার পক্ষে মত দিয়েছেন এই যুক্তিতে যে, এই তিনটির (خبر, صفة, حال) ক্ষেত্রে মূল হলো একবচন (إفراد) হওয়া, এবং ক্রিয়া (فعل)-কে অবশ্যই বিশেষণাত্মক শব্দ (وصف) হিসেবেই ব্যাখ্যা করতে হয়। অন্য একদল আলেম উভয়টিকেই সমানভাবে বৈধ বলেছেন।
আর একদল আলেম বিশেষণাত্মক শব্দ (وصف)-কেই প্রাধান্য দিয়েছেন
(৩)।
একইভাবে ক্রিয়া (فعل) বা বিশেষ্য (اسم) থেকে যা দলিল হিসেবে পেশ করা হয়েছে, সে সম্পর্কে বলা হয়েছে যে: এর কারণ হলো এটি কোনো ধর্তব্য বিষয় নয়; কারণ...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৮৬)
ذلك يختلف بحسب المقام.
قلتُ
(1): وفي هذا نَظَرٌ وَجْههُ أنَّهم تمسكوا بما هو مِنْ مبحوثاتهم وسكتوا عن غيره؛ إذْ لا تعلُّق لهم به فافْهَمْ. اهـ.
(م) المسألة الرابعة:
إذا وقع أحدهما صفة أو صلة أو خبرًا أو حالًا أو معتمدًا على النفي أو الاستفهام جَاز رَفْعُه للفاعل نحو قوله تعالى: {أَوْ كَصَيِّبٍ مِنَ السَّمَاءِ فِيهِ ظُلُمَاتٌ} [البقرة: 19].
(ش) اعلم أنَّ النُّحاة اختلفوا في هذا المرفوع على ثلاثة مذاهب
(2):
أحدها: أنَّ الأرجح كونه مبتدأً مُخْبرًا عنه بأحدهما.
الثاني: عكسُه اختاره ابن مالك؛ لأنَّ الأصل عدمُ التقديم والتأخير.
الثالث: وجوب كونه فاعلًا، وهل عاملُه أحدهما للنيابة عن استخدام الفعل أمْ هو العامل؟
فيه مذهبان قال في المغني: "والمختار الثاني لدليلين:
أحدهما: امتناع تقديم الحال في نحو: زيدٌ في الدار جالسًا، ولو كان
--------------------------------------------
এটি প্রেক্ষিত (مقام) অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন হয়।
আমি বলছি
(১): আর এতে পর্যালোচনার অবকাশ (نظر) রয়েছে; যার কারণ হলো তাঁরা তাঁদের গবেষণার বিষয়বস্তু (مبحوثات) সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আঁকড়ে ধরেছেন এবং অন্যগুলো সম্পর্কে নীরব থেকেছেন; যেহেতু সেগুলোর সাথে তাঁদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই, সুতরাং বিষয়টি অনুধাবন করুন। সমাপ্ত।
(ম) চতুর্থ মাসআলা:
যদি ঐ দুটির কোনো একটি বিশেষণ (صفة) বা সংযোজক (صلة) বা বিধেয় (خبر) বা অবস্থা (حال) হিসেবে আসে অথবা না-বোধক (نفي) কিংবা প্রশ্নবোধক (استفهام) শব্দের ওপর নির্ভরশীল হয়, তবে কর্তাকে (فاعل) রফ্ (رفع) প্রদান করা জায়েজ। যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {অথবা আকাশের বৃষ্টিধারার ন্যায়, যাতে রয়েছে ঘন অন্ধকার} [আল-বাকারা: ১৯]।
(শ) জেনে রাখুন যে, এই রফ্-যুক্ত শব্দের (مرفوع) ব্যাপারে বৈয়াকরণগণ তিনটি মতবাদের (مذاهب) ওপর মতভেদ করেছেন
(২):
প্রথমটি: অধিকতর গ্রহণযোগ্য (أرجح) মত হলো এটি মুক্তাদা (مبتدأ) হওয়া, যার সংবাদ (مخبر عنه) ঐ দুটির কোনো একটির মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে।
দ্বিতীয়টি: এর বিপরীত, যা ইবনে মালিক পছন্দ করেছেন; কারণ মূল নিয়ম (الأصل) হলো আগে-পিছে (التقديم والتأخير) না হওয়া।
তৃতীয়টি: এটি কর্তা (فاعل) হওয়া ওয়াজিব (وجوب); আর এর আমলকারী (عامل) কি ক্রিয়ার (فعل) ব্যবহারের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার কারণে ঐ দুটির কোনো একটি, নাকি সেটিই আমলকারী?
এ বিষয়ে দুটি মতবাদ (مذهبان) রয়েছে। আল-মুগনী গ্রন্থে বলা হয়েছে: "দুটি দলিলের ভিত্তিতে দ্বিতীয়টিই মনোনীত (مختار):
প্রথমটি: যেমন: 'জায়েদ ঘরে বসা অবস্থায় আছে' বাক্যে হাল (حال)-কে আগে নিয়ে আসা অসম্ভব (امتناع); যদি সেটি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৮৭)
العاملُ الفعلَ لم يمتنع"
(1).
فإذا لم يعتمد
(2) فالأخفش والكوفيون يجيزون الوجهين
(3).
--------------------------------------------
আমিল (العامل) অথবা ক্রিয়া (الفعل) হলে তা অসম্ভব নয়"
(১)।
অতঃপর যখন এটি কোনো কিছুর ওপর নির্ভরশীল (يعتمد) হয় না
(২), তখন আল-আখফাশ এবং কুফীগণ উভয় পদ্ধতিকেই বৈধ (يجيزون) মনে করেন
(৩)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৮৮)
(م)
الباب الثالثفيما يقال عند ذِكْر أدواتٍ يكثر دورها في الكلاموهي خمس وعشرون:
فيقال في الواو: حرف عَطْف لمطلق الجمع.
وفي الفاء: حرف عَطْفٍ للترتيب والتعقيب.
(ش) اعلم أنَّ الفاء المفردة مهملةٌ خلافًا
(1) لبعض الكوفيين في قولهم: إنها ناصبة في نحو: ما تَأْتينا فَتُحدِّثَنَا، وللمبرّد في قوله: إنّها خافضةٌ في نحو:
فَمِثْلِكِ حُبْلى ...........
(2)وقال الفراء: لا تفيد الترتيب مع قوله: إنَّ الواو تفيده ــ وهو عجيبٌ ــ وقال الجرمي
(3): لا تفيده في البقاع والأمطار
(4).
--------------------------------------------
(ম)
তৃতীয় অধ্যায়কথাবার্তায় অধিক ব্যবহৃত অব্যয়সমূহ (أدوات) উল্লেখ করার সময় যা বলা হয়সেগুলো পঁচিশটি:
‘ওয়াও’ (و)-এর ক্ষেত্রে বলা হয়: এটি নিছক সমষ্টির (الجمع) জন্য সংযোজক অব্যয় (عطف)।
আর ‘ফা’ (ف)-এর ক্ষেত্রে: এটি ক্রম (الترتيب) ও বিলম্বহীনতা (التعقিব) বুঝানোর জন্য সংযোজক অব্যয় (عطف)।
(শ) জেনে রাখুন যে, একক ‘ফা’ (ف) আমলহীন (مهملة), যা কিছু কুফাবাসীর মতের পরিপন্থী
(১); তাদের মতে এটি ‘নসব প্রদানকারী’ (ناصبة), যেমন: ‘মা তাতিনা ফাতুহাদ্দিসানা’ (তুমি আমাদের কাছে আসো না যে আমাদের সাথে কথা বলবে) বাক্যে। আর মুবররাদের মতের পরিপন্থী এই অর্থে যে, তিনি একে ‘জর প্রদানকারী’ (خافضة) বলেন, যেমন:
‘ফামিসলিকি হুবলা...’ ...........
(২)ফাররা বলেন: এটি ক্রম (الترتيب) প্রকাশ করে না, অথচ তিনি বলেন যে ‘ওয়াও’ (و) তা প্রকাশ করে—আর এটি আশ্চর্যজনক। আর জারমি
(৩) বলেন: স্থান ও বৃষ্টির
(৪) বর্ণনায় এটি তা (ক্রম) প্রকাশ করে না।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৮৯)
(م) وفي (ثُم): حرف عَطْفٍ للترتيب والمهلة.
(ش) زعم الكوفيون أنَّ التشريك قد يتخلف
(1) وذلك بعد وقوعها زائدة، وزعم فريقٌ أنَّ الترتيبَ لا يكون مقتضاها، وزعم الفراءُ أن المهلةَ قد تتخلف
(2)، اهـ.
(م) وفي (قد): حرف تحقيق وتوقُّعٍ وتقليل.
(ش) قد: حرفيَّةٌ واسميّةٌ.
والاسميّةُ إمّا اسمُ فِعْل مرادفٌ لِحَسْب، وهي مبنيَّةٌ وقد تُعْرب.
* تنبيهٌ:
لا تجيء (قَدْ) لمعانيها الثلاثة جُملةً، وإنّما مراده أنَّها تجيء تارةً لهذا، وتارةً لهذا، وكذلك غيرها ممَّا سيُذكر. اهـ.
(م) وفي السين وسوف حَرفُ استقبال
(3)، وهو خيرٌ مِنْ قول كثيرٍ: "حرف تنفيس".
(ش) وليس السين مُنْقطعًا عن سوف
(4)، ولا مُدَّة الاستقبال أضيقَ
--------------------------------------------
(ম) এবং 'সুম্মা' প্রসঙ্গে: এটি ধারাবাহিকতা ও বিরতি জ্ঞাপক একটি সংযোজক অব্যয়।
(শ) কুফী ব্যাকরণবিদগণ মনে করেন যে, কখনো কখনো অংশীদারিত্বের অর্থটি অনুপস্থিত থাকতে পারে
(১) আর তা যখন এটি অতিরিক্ত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। একদল মনে করেন যে, ধারাবাহিকতা এর আবশ্যিক দাবি নয়। আল-ফাররা মনে করেন যে, বিরতির অর্থটি কখনো অনুপস্থিত থাকতে পারে
(২)। সমাপ্ত।
(ম) এবং 'কাদ' প্রসঙ্গে: এটি নিশ্চিতকরণ, প্রত্যাশা এবং স্বল্পতা জ্ঞাপক অব্যয়।
(শ) 'কাদ': এটি অব্যয় এবং বিশেষ্য—উভয় রূপেই ব্যবহৃত হয়।
বিশেষ্য হিসেবে এটি 'হাসব' (যথেষ্ট) শব্দের সমার্থক একটি ক্রিয়া-বিশেষ্য; এটি অপরিবর্তনীয় এবং কখনো কখনো বিভক্তিযুক্ত হতে পারে।
* সতর্কবার্তা:
'কাদ' এর তিনটি অর্থ একসাথে প্রকাশিত হয় না, বরং এর উদ্দেশ্য হলো এটি কখনো এই অর্থের জন্য আসে, আবার কখনো অন্য অর্থের জন্য। একইভাবে অন্যান্য শব্দগুলোর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য যা পরবর্তীতে উল্লেখ করা হবে। সমাপ্ত।
(ম) এবং 'সীন' ও 'সাওফা' প্রসঙ্গে: এগুলো ভবিষ্যৎকাল জ্ঞাপক অব্যয়
(৩); এটি অনেকের ব্যবহৃত পরিভাষা "সম্প্রসারণের অব্যয়" অপেক্ষা অধিক উত্তম।
(শ) 'সীন' শব্দটি 'সাওফা' থেকে বিচ্ছিন্ন কিছু নয়
(৪) এবং ভবিষ্যৎকালের ব্যাপ্তিও সংকীর্ণ নয়
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৯০)
خلافًا للكوفيين في الأول، والبصريين في الثاني.
قال في المغني
(1): "واختياره الأول أصحُّ، والثاني باطلٌ لقوة دليلهم". هـ.
(م) وفي (لم) حرف جَزْمٍ لنفي المضارع وقلبه ماضيًا.
(ش) وقد يرتفع قيل: ضرورةً، وقال ابن مالك: لغةٌ، وزَعَم اللحياني
(2): أنَّ بعض العرب ينصب بها
(3). هـ.
(م) ويزاد في (لمَّا) فيقال: مُتَّصلًا نَفْيُهُ متوقَّعًا ثبوتُه.
(ش) (لمَّا) تفارق (لم)، فـ لمَّا لا تقترن بأداة الشرط ومنفيها مستمر النفي إلى الحال، ومعناها لا يكون إلَّا قريبًا من الحال، منفيُّها متوقّع الثبوت منفيُّها جائز الحذف. اهـ.
(م) وفي (لن) حرف نصب.
(ش) ليس أصله [وأصل]
(4) (لم) لا فأبدلت الألف نونًا وميمًا خلافًا للفراء
(5).
--------------------------------------------
প্রথমটির ক্ষেত্রে কুফিবাসী এবং দ্বিতীয়টির ক্ষেত্রে বসরবাসীদের মতের পরিপন্থী।
আল-মুগনি গ্রন্থে বলা হয়েছে: "তার প্রথম চয়নটি অধিকতর বিশুদ্ধ (أصح), এবং দ্বিতীয়টি বাতিল (باطل); তাদের দলিলের শক্তির কারণে।" সমাপ্ত।
(ম) আর (لم) সম্পর্কে বলা হয়েছে: এটি অনতীতকালকে নেতিবাচক করার (نفي المضارع) জন্য এবং একে অতীতকালে (ماضيًا) রূপান্তর করার জন্য একটি জাযম প্রদানকারী অক্ষর (حرف جزم)।
(শ) এটি কখনো রফ’ বা পেশযুক্ত (يرتفع) হতে পারে; বলা হয়েছে: কাব্যের প্রয়োজনে (ضرورة), আবার ইবনে মালিক বলেছেন: এটি একটি ভাষা (لغة), আর আল-লিহ্ইয়ানি দাবি করেছেন: কিছু আরব এর দ্বারা নসব বা যবর প্রদান (ينصب) করেন। সমাপ্ত।
(ম) আর (لما)-এর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত আলোচনায় বলা হয়: এর নেতিবাচকতা বর্তমানের সাথে নিরবচ্ছিন্ন (متصلًا) এবং এর সাব্যস্ত হওয়া প্রত্যাশিত (متوقعًا ثبوته)।
(শ) (لما) শব্দটি (لم) থেকে পৃথক, কেননা (لما) শর্তবাচক অব্যয়ের সাথে যুক্ত হয় না এবং এর দ্বারা যা নেতিবাচক করা হয় তা বর্তমান সময় পর্যন্ত প্রলম্বিত থাকে। এর অর্থ বর্তমান সময়ের নিকটবর্তী হওয়া ছাড়া অন্য কিছু হয় না। এর নেতিবাচক বিষয়টি ঘটা প্রত্যাশিত (متوقع الثبوت) এবং এর নেতিবাচক অংশটি বিলুপ্তি বৈধ (جائز الحذف)। সমাপ্ত।
(ম) আর (لن)-এর ক্ষেত্রে: এটি একটি নসব প্রদানকারী অক্ষর (حرف نصب)।
(শ) আল-ফাররা-র মতের পরিপন্থী কথা হলো, এর এবং (لم)-এর মূল 'লা' (لا) নয়, যেখানে আলিফকে নুন এবং মিমে রূপান্তরিত করা হয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৯১)
(م) وفي (إذن) حرف جواب وجزاء.
(ش) هي عند الجمهور حرف وقيل: اسم
(1)، والأصل في إذن (إذا كان كذا كان كذا) ثُمَّ حذفت الجملة وعوض التنوين عنها، وعلى القول بالحرفيّة الصَّحيحُ
(2) بَساطَتها لا تركُّبها مِن (إذْ) و (أنْ)، وعلى البساطة الصحيح أنَّها الناصبة لا (أنْ) مضمرة بعدها.
وهي تنصب المضارع بشرط تصديرها، واستقباله، واتصالهما وانفصالهما بالقسم أو بـ (لا) النافية.
وأجاز ابنُ عصفور
(3) الفصل بالظرف، وابنُ بابشاذ
(4) بالنداء والدعاء
(5)،
--------------------------------------------
(ম) এবং (إذن)-এর ক্ষেত্রে, এটি উত্তর (جواب) ও প্রতিদান (جزاء) জ্ঞাপক হরফ।
(শ) জমহুর বা সংখ্যাগরিষ্ঠের নিকট এটি একটি হরফ, এবং বলা হয়েছে: এটি একটি ইসিম
(১)। ‘إذن’ এর মূল রূপ ছিল (যদি এমন হয় তবে তেমন হবে), অতঃপর বাক্যটি বিলুপ্ত করে তার পরিবর্তে তানউইন যুক্ত করা হয়েছে। এটি হরফ হওয়ার মতানুসারে সঠিক (صحيح)
(২) মত হলো এটি একটি একক শব্দ, এটি (إذ) এবং (أن) এর সমষ্টি নয়। আর একক শব্দ হওয়ার ভিত্তিতে সঠিক (صحيح) মত হলো এটি নিজেই নসব প্রদানকারী (নাসিবাহ), এরপরে ‘أن’ গোপন (مضمر) থাকে না।
এটি মুজারে (বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালীন) ক্রিয়াকে নসব প্রদান করে যখন এটি বাক্যের শুরুতে আসে, ক্রিয়াটি ভবিষ্যৎকাল বোঝায় এবং ক্রিয়া ও হরফটির মাঝে কোনো বিচ্ছেদ না ঘটে অথবা কসম বা না-বোধক ‘লা’ (لا) দ্বারা বিচ্ছেদ ঘটে।
ইবনে আসফুর
(৩) যরফ (স্থান ও কালবাচক শব্দ) দ্বারা বিচ্ছেদ এবং ইবনে বাশশাদ
(৪) নিদা (আহ্বান) ও দুয়া
(৫) দ্বারা বিচ্ছেদ হওয়া জায়েয বা বৈধ বলেছেন।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৯২)
وهشَامٌ
(1): الفَصْلَ بمعمول الفِعْل
(2)، والأرجح حينئذٍ عند الكسائي
(3) النصب وعند هشام الرفع. هـ
(م) وفي (إذا): ظرفٌ لزمانٍ مستقبل خافضٌ لشرطه منصوبٌ بجوابه
(4).
وفي (لو): حرفٌ يقتضي امتناعَ ما يَليه، واسْتلزامه لتاليه، وهو خيرٌ مِنْ: "حرف امتناع لامتناع".
وفي (لمّا) في نحو: لما جاءني زيدٌ أكرمته، حرف وُجودٍ لوجود.
(ش) زَعَمَ الفارسي وأبناء مالك والسرَّاج وجنّي وتبعهم جماعةٌ: أنهَّا ظرف، قال ابن مالك: بمعنى (إذْ)، وقالوا: بمعنى (حين)، وقول ابن مالك حَسَنٌ؛ لأنَّها مختصةٌ بالماضي، وبالإضافة إلى الجملة، وردَّ ابن خروف على مدَّعي الاسميّة بنحو: "لمَّا أكرمتني أمسِ أكرمتك اليوم" لأنَّها إذا قُدِّرت ظرفًا كان عَاملُها الجوابَ والواقع في اليوم لا يكون في أمس
(5). هـ.
--------------------------------------------
এবং হিশাম
(১): ক্রিয়ার অনুসঙ্গী (معمول) দ্বারা ব্যবধান করাকে [বৈধ মনে করেন], আর এই ক্ষেত্রে কিসায়ীর
(৩) নিকট নসব (النصب) এবং হিশামের নিকট রফ (الرفع) হওয়াই অধিকতর গ্রহণযোগ্য। সমাপ্ত।
(ম) এবং 'ইজা' (إذا) প্রসঙ্গে: এটি ভবিষ্যৎ কাল নির্দেশক বিশেষ্য (ظرف لزمان مستقبل), যা তার শর্তকে (شرط) যের প্রদানকারী (خافض) এবং তার জওয়াব (جواب) দ্বারা নসবপ্রাপ্ত (منصوب)
(৪)।
এবং 'লাও' (لو) প্রসঙ্গে: এটি এমন একটি অব্যয় (حرف) যা তার অব্যবহিত পরের বিষয়ের অনুপস্থিতি এবং তার পরবর্তী বিষয়ের জন্য সেটির আবশ্যকতা দাবি করে; আর এই সংজ্ঞাটি "অনুপস্থিতির কারণে অনুপস্থিতি জ্ঞাপক অব্যয়" (حرف امتناع لامتناع) বলার চেয়ে উত্তম।
এবং 'লাম্মা' (لمّا) প্রসঙ্গে, যেমন: "যখন (লাম্মা) যায়েদ আমার নিকট এল, আমি তাকে সম্মান করলাম" - এটি বিদ্যমানতার কারণে বিদ্যমানতা জ্ঞাপক অব্যয় (حرف وجود لوجود)।
(শ) আল-ফারিসি, ইবনে মালিকের পুত্রগণ, আস-সাররাজ এবং জিন্নি দাবি করেছেন এবং একদল তাদের অনুসরণ করেছেন যে: এটি একটি কালবাচক বিশেষ্য (ظرف)। ইবনে মালিক বলেছেন: এটি 'ইজ' (إذ)-এর অর্থে ব্যবহৃত হয়; আর তারা বলেছেন: এটি 'হীন' (حين)-এর অর্থে ব্যবহৃত হয়। ইবনে মালিকের উক্তিটি সুন্দর; কারণ এটি অতীত কালের সাথে এবং বাক্যের (جملة) দিকে সম্বন্ধযুক্ত (إضافة) হওয়ার সাথে সুনির্দিষ্ট। ইবনে খুরুফ যারা এর বিশেষ্য হওয়ার (اسمية) দাবি করেন তাদের খণ্ডন করেছেন এই বলে যে: "যখন (লাম্মা) তুমি গতকাল আমাকে সম্মান করেছিলে, আমি আজ তোমাকে সম্মান করছি", কারণ যদি একে কালবাচক বিশেষ্য (ظرف) হিসেবে গণ্য করা হয়, তবে তার আমেল (عامل) হবে জওয়াবটি (جواب), আর যা আজ সংঘটিত হচ্ছে তা গতকালের মধ্যে হতে পারে না
(৫)। সমাপ্ত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৯৩)
(م) وفي نحو لولا زيدٌ لأكرمتك، (لولا) حرف امتناع لوجود.
(ش) المرفوع بعد (لولا) لا فاعلٌ بفعل محذوف، ولا بـ (لولا) لنيابتها عنه، ولا بالأصالة خلافًا لزاعمي ذلك بل رَفْعُه بالابتداء
(1) هـ.
(م) وفي (نَعَم): حرف وعيد
(2) وتصديق ووعد وإعلام.
(م) وفي (بلى): حَرفٌ لإيجاب النفي.
(ش) (بلى) أصليُّ النفي، وقيل: الأصل (بَلْ) والألف زائدةٌ، وبعض هؤلاء: إنّها للتأنيث
(3).
(م) وفي (إذْ) ظرفٌ لما مضى من الزمان.
(ش) زَعَمَ الجمهور أنَّ (إذْ) لا تقع إلا ظرفًا أو مضافًا لا مفعولًا ولا مبدلًا من مفعول، قال في المغني
(4): "من الغريب أنَّ الزمخشري
(5) قال في قراءة بعضهم: {لَمِن مَنِّ اللهِ على المؤمنين إذ بعث فيهم رسولًا} [آل عمران: 164] أنَّه يجوز أن يكون التقدير: (مَنُّهُ) وأن يكون (إذْ) في محل رفع
--------------------------------------------
(ম) এবং "লওলা যাইদুন লা-আকরামতুকা" (যদি জায়েদ না থাকতো তবে আমি তোমাকে সম্মানিত করতাম) এর ন্যায় বাক্যের ক্ষেত্রে, (লওলা) হলো বিদ্যমানতার কারণে নিবৃত্তির অব্যয় (حرف امتناع لوجود)।
(শ) (লওলা)-এর পরে আসা পেশযুক্ত (المرفوع) শব্দটি কোনো উহ্য ক্রিয়ার (فعل محذوف) কর্তা (فاعل) নয়, এবং (লওলা)-এর কারণেও তা মারফু হয় না—তার স্থলাভিষিক্ত হওয়ার কারণে, আর তা মূলগতভাবেও মারফু নয়, যারা এমন দাবি করেন এটি তাদের পরিপন্থী; বরং এর মারফু হওয়ার কারণ হলো এটি মুবতাদা বা প্রারম্ভিক পদ হিসেবে (بالابتداء) এসেছে
(১)।
(ম) এবং (না’আম)-এর ক্ষেত্রে: এটি ধমক বা সতর্কবার্তা (وعيد)
(২), সত্যয়ন (تصديق), প্রতিশ্রুতি (وعد) এবং অবহিতকরণের (إعلام) অব্যয়।
(ম) এবং (বালা)-এর ক্ষেত্রে: এটি নেতিবাচকতাকে ইতিবাচক করার অব্যয় (حرف لإيجاب النفي)।
(শ) (বালা) মূলত নেতিবাচকতার জন্য, এবং বলা হয়েছে: এর মূল হলো (বাল) এবং আলিফটি অতিরিক্ত, আর তাদের মধ্যে কেউ কেউ বলেছেন: এটি স্ত্রীলিঙ্গবাচকতার (للتأنيث) জন্য এসেছে
(৩)।
(ম) এবং (ইয)-এর ক্ষেত্রে: এটি অতীত কালের জন্য সময়বাচক বিশেষ্য (ظرف)।
(শ) জুমহুর (الجمهور) বা অধিকাংশ আলিমগণের দাবি হলো যে, (ইয) কেবল কালবাচক বিশেষ্য (ظرف) অথবা মুদাফ (مضاف) হিসেবেই ব্যবহৃত হয়; এটি কর্মপদ (مفعول) বা কর্মপদের বদল (مبدل) হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। মুগনি
(৪) গ্রন্থে বলা হয়েছে: "এটি আশ্চর্যের বিষয় যে, যামাখশারী
(৫) কারও কারও কিরাতে: {লা-মিন মান্নিল্লাহি 'আলাল মু'মিনিনা ইয বা'আসা ফিহিম রাসুলা} [আলি ইমরান: ১৬৪] আয়াতের ক্ষেত্রে বলেছেন যে, এখানে উহ্য শব্দ (মান্নুহু) হওয়া জায়েজ এবং (ইয) শব্দটি রফ-এর স্থানে (في محل رفع) থাকা সম্ভব।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৯৪)
كـ (إذا) من قولك: أَخْطَبُ مَا يكونُ الأميرُ إذا كان قائمًا"
(1). اهـ.
(ت)
(2) ثُمَّ أطال الشارح في الانتصار للزمخشري على المصنّف وأنَّ سيبويه نصَّ في كتابه أنَّ (إذا وإذْ) ليسا من الظروف اللازمة
(3). هـ.
(م) وفي (كلَّا): حرفُ رَدْعٍ وزَجْر ومعنى: (حقًّا).
(ش) الخليل وسيبويه والمبرّد والزجّاج وأكثر البصريين: رَدْعٌ وزَجْر لا غير، وخالفهم الكسائي قال: تجيء بمعنى (حقًّا)، وأبو حاتم
(4) بمعنى (ألا) الاستفتاحية وهو أولى
(5).
--------------------------------------------
যেমন আপনার উক্তি 'ইযা' এর ক্ষেত্রে: "আমীর যখন দণ্ডায়মান থাকেন তখন তিনি সবচেয়ে বেশি বাগ্মী হন"
(১)। সমাপ্ত।
(তা)
(২) অতঃপর ব্যাখ্যাকার মূল লেখক (মুসান্নিফ)-এর বিপরীতে যামাখশারীর স্বপক্ষে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন এবং দেখিয়েছেন যে, সিবওয়াইহ তাঁর কিতাবে স্পষ্ট করেছেন যে, (ইযা) এবং (ইয) অপরিহার্য অব্যয় নয়
(৩)। সমাপ্ত।
(মীম) এবং 'কাল্লা' প্রসঙ্গে: এটি ধমক ও বারণবাচক অব্যয় এবং এর অর্থ হলো: 'সত্যিই'।
(শীন) খলীল, সিবওয়াইহ, মুবাররাদ, যাজ্জাজ এবং অধিকাংশ বসরী ভাষাবিদদের মতে: এটি কেবলমাত্র ধমক ও বারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, অন্য কিছু নয়। তবে কিসাঈ তাঁদের সাথে দ্বিমত পোষণ করে বলেছেন: এটি 'সত্যিই' অর্থেও আসে; আর আবু হাতিম
(৪)-এর মতে এটি প্রারম্ভিক 'আলা' অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এটিই অধিকতর সঠিক
(৫)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৯৫)
والفرّاء
(1) والنضر بن شُميل
(2): حرف جواب بمنزلة (إي) و (نعم)
(3) هـ
(م) فَصْلٌ
وتكون (لا) نافيةً نحو: لا إله إلا الله.
(ش) هي في هذه الحال على خمسة أقسام:
* التبرئة وتخالف (إنَّ) من سبعة أوجه
(4).
* والنافية للوحدة وتفارق (ليس) من ثلاثة أوجه
(5).
* وعاطفة ولها شروط:
- أنْ يتقدمها إثبات أو أَمْرٌ ــ قاله سيبويه ــ أو نداء، وزعم ابن سعدان
(6): أنَّ هذا ليس من كلامهم.
--------------------------------------------
আল-ফাররা
(১) এবং আন-নাদর ইবন শুমাইল
(২): এটি ‘ই’ (إي) এবং ‘নাআম’ (نعم) এর সমপর্যায়ভুক্ত একটি উত্তরসূচক অব্যয় (حرف جواب)
(৩) সমাপ্ত।
(ম) পরিচ্ছেদ
এবং (লা) না-বোধক (نافية) হয়ে থাকে, যেমন: ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ (আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই)।
(শ) এটি এই অবস্থায় পাঁচ প্রকার:
* জেনাস বা মূলসত্তা অস্বীকারকারী (التبرئة), যা সাতটি দিক থেকে 'ইন্না' (إنَّ) এর বিপরীত
(৪)।
* একত্ব অস্বীকারকারী (النافية للوحدة), যা তিনটি দিক থেকে 'লাইসা' (ليس) থেকে ভিন্ন
(৫)।
* সংযোজক (عاطفة), যার কিছু শর্ত রয়েছে:
- এর পূর্বে ইতিবাচক বাক্য (إثبات) অথবা আদেশ (أَمْرٌ) থাকতে হবে — এটি সিবাহওয়াইহ বলেছেন — অথবা সম্বোধন (نداء); তবে ইবন সা'দান
(৬) দাবি করেছেন যে: এটি তাদের (আরবদের) ভাষা নয়।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৯৬)
- وأنْ لا تقترن بعاطف.
- وأنْ يتعاند متعاطفاها.
* الرابع
(1): أن يكون جوابًا مناقضًا لـ (نعم).
* الخامس: أنْ تكون غير ذلك، فإنْ كان غير ذلك جملةً اسميّة صَدْرُها معرفةٌ أو نكرةٌ ولم تعمل، أو فِعْلًا ماضيًا لفظًا أو تقديرًا وَجَبَ تكرارُها
(2). هـ.
(م) وناهيةً نحو: لا تَقُمْ.
وزائدةً للتوكيد نحو: {لِئَلَّا يَعْلَمَ أَهْلُ الْكِتَابِ} [الحديد: 29].
وتكون (إنْ) شرطيةً نحو: إنْ تَقُمْ أقُمْ.
ونافيةً نحو: {إِنْ عِنْدَكُمْ مِنْ سُلْطَانٍ بِهَذَا} [يونس: 68].
(ش) إذا دخلت على الجملة الاسميّة لم تعمل عند سيبويه، والفرّاء، وأجاز المبرّد والكسائي إِعْمالَها عمل (ليس) وسُمِعَ من أهل العالية
(3).
--------------------------------------------
- এবং এটি যেন কোনো সংযোজক (عاطف) এর সাথে যুক্ত না হয়।
- এবং এর দ্বারা যা কিছু সংযোজিত হয়েছে তারা যেন পরস্পর বিরোধী হয়।
* চতুর্থত
(১): এটি যেন 'হ্যাঁ' (نعم) এর বিপরীত উত্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
* পঞ্চমত: এটি যেন অন্য কিছু হয়; সুতরাং যদি এটি অন্য কিছু হয়—যেমন এমন বিশেষ্যমূলক বাক্য (جملة اسميّة) যার শুরুতে নির্দিষ্ট বিশেষ্য (معرفة) অথবা অনির্দিষ্ট বিশেষ্য (نكرة) থাকে এবং তা কার্যকর (عمل) না হয়, অথবা শাব্দিকভাবে বা অনুমেয়ভাবে অতীতকালীন ক্রিয়া (فعل ماض) হয়, তবে তা পুনরাবৃত্তি করা আবশ্যিক (وجب)। (সমাপ্ত)।
(মূল পাঠ) এবং নিষেধজ্ঞাপক (ناهية) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেমন: তুমি দাঁড়িও না।
এবং গুরুত্ব প্রদানের জন্য অতিরিক্ত (زائدة) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেমন: {যাতে আহলে কিতাবগণ জানতে না পারে} [আল-হাদিদ: ২৯]।
এবং 'ইন' (إنْ) শর্তবাচক (شرطية) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেমন: যদি তুমি দাঁড়াও তবে আমিও দাঁড়াবো।
এবং না-বাচক (نافية) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেমন: {তোমাদের নিকট এ বিষয়ে কোনো প্রমাণ নেই} [ইউনুস: ৬৮]।
(ব্যাখ্যা) যখন এটি বিশেষ্যমূলক বাক্যের (جملة اسميّة) শুরুতে আসে, তখন সিবওয়াইহি এবং ফাররা-এর মতে এটি কোনো কার্যকর (عمل) হয় না; তবে মুবাররাদ এবং কিসায়ী এটিকে 'লাইসা' এর ন্যায় কার্যকর (إعمال) করা বৈধ বলেছেন এবং এটি আলিয়ার অধিবাসীদের (أهل العالية) নিকট থেকে শ্রুত হয়েছে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৯৭)
(م) وزائدةً نحو: ما إنْ زيدٌ قائمٌ.
(ش) تُزادُ (إنْ) بعد (ما) النافية والموصولة والمصدريَّة و (ألا)
(1)، قال ابن الحاجب
(2): "وتزاد بعد (لمّا) الإيجابيّة وزَعَمَ قُطرب
(3) أنَّها تكون بمعنى (قد)
(4) هـ.
(م) ومُخَفَّفَةً من الثقيلة نحو: {وإنْ
… كُلًّا لَمَّا لَيُوَفِّيَنَّهُمْ} [هود: 111]
(5).
ونحو: {إِنْ كُلُّ نَفْسٍ لَمَا عَلَيْهَا حَافِظٌ} في قراءة مَنْ خَفَّفَ الميمَ
(6).
(م) وترد (أنْ) لنَصْبِ المضارع نحو: {وَالَّذِي أَطْمَعُ أَنْ يَغْفِرَ لِي خَطِيئَتِي يَوْمَ الدِّينِ} [الشعراء: 82].
--------------------------------------------
(ম) এবং অতিরিক্ত (زائدة) হিসেবে, যেমন: মা ইন জাইদুন কায়িমুন।
(শ) 'ইন' (إن) অতিরিক্ত হিসেবে যুক্ত হয় না-বোধক (النافية) 'মা', সম্বন্ধবাচক (الموصولة) 'মা', মাসদারবাচক (المصدريَّة) 'মা' এবং 'আলা' এর পরে
(১)। ইবনুল হাজিব
(২) বলেছেন: "এবং এটি ইতিবাচক (الإيجابيّة) 'লাম্মা' এর পরেও অতিরিক্ত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আর কুতরুব
(৩) দাবি করেছেন যে এটি 'কাদ' (قد) এর অর্থেও ব্যবহৃত হয়"
(৪)।
(ম) এবং গুরুভার (الثقيلة) থেকে লঘুকৃত (مخففة) হিসেবে, যেমন: {নিশ্চয়ই... তাদের প্রত্যেককেই (আপনার পালনকর্তা) তাদের কর্মের পূর্ণ প্রতিফল দান করবেন} [হুদ: ১১১]
(৫)।
এবং যেমন: {এমন কোনো সত্তা নেই যার ওপর কোনো তত্ত্বাবধায়ক নেই} — সেই ক্বিরাআত অনুযায়ী যারা 'মিম' অক্ষরটিকে লঘুকৃত (مخفف) পড়েছেন
(৬)।
(ম) এবং 'আন' (أن) আসে মুদারে (المضارع) ক্রিয়াকে নসব প্রদান করার জন্য, যেমন: {আর যাঁর কাছে আমি আশা করি যে, তিনি বিচার দিবসে আমার অপরাধসমূহ ক্ষমা করে দেবেন} [আশ-শুআরা: ৮২]।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ২০)
মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৯৮)
(ش) (أنْ) اسميّةٌ
(1): وهي ضمير المتكلِّم (أنْ) بمعنى: أنا فَعلتُ، وفي (أنْتَ) على قول الجمهور أنَّ الضميرَ هو (أنْ) والتاء حرف خطاب.
وحرفيةٌ، واختلف في المحل من نحو: "عسى زيدٌ أنْ يقومَ" [فقيل]
(2): نَصْبٌ على الخبريّة، ونُقل عن المبرّد: على المفعولية، وقيل: على إسقاط الجار، ونَقَل ابن مالك عن سيبويه: أنَّه تضمَّن الفعل معنى (قارب)، وقيل: في موضع رفع على البدليّة، وسدَّت مسدَّ الخبر
(3).
وهي
(4) في الابتداء بموضع رفع، وتجيء بعد لفظٍ دالٍّ على معنى غير اليقين فتكون في موضع رفع في نحو: {أَلَمْ يَأْنِ لِلَّذِينَ آمَنُوا أَنْ تَخْشَعَ} [الحديد: 16].
واخْتُلفَ في (أنْ) الموصولة بالماضي والأمر؟
زَعَم ابنُ طاهر أنَّها غير الموصولة بالمضارع واسْتَدَلَّ وأُجيب
(5).
* تنبيهٌ:
ذكر بَعضُ الكوفيين وأبو عبيدة
(6): أنَّ بعضهم يجزم بـ (أنْ)، ونقله
--------------------------------------------
(ব্যাখ্যা) (أنْ) বিশেষ্যবাচক (اسمية)
(১): এটি উত্তম পুরুষের সর্বনাম (أنْ) যা ‘আমি করেছি’ অর্থে ব্যবহৃত হয়; আর (أنْتَ) শব্দের ক্ষেত্রে জমহুর (جمهور) বা অধিকাংশ বিশেষজ্ঞের মত হলো যে, এখানে মূল সর্বনাম হলো (أنْ) এবং ‘তা’ (تاء) হলো সম্বোধনের বর্ণ।
এটি অব্যয়বাচক (حرفية) হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। "عسى زيدٌ أنْ يقومَ" (আসা যায়দুন আন ইয়াকুমা) এর মতো উদাহরণে এর ব্যাকরণিক অবস্থান (محل) নিয়ে মতভেদ রয়েছে। [বলা হয়েছে]
(২): এটি খবর (خبرية) হওয়ার ভিত্তিতে নসব (نصب) অবস্থায় রয়েছে। আল-মুবররিদ থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, এটি মাফউল (مفعولية) বা কর্ম হওয়ার ভিত্তিতে নসব হয়েছে। আবার বলা হয়েছে, এটি হরফে জর (جار) বিলুপ্ত হওয়ার কারণে হয়েছে। ইবনে মালিক সিবওয়াইহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ক্রিয়াটি ‘নিকটবর্তী হওয়া’ (قارب) এর অর্থ অন্তর্ভুক্ত করেছে। আবার বলা হয়েছে, এটি বদল (بدلية) হিসেবে রফ (رفع) এর স্থানে রয়েছে এবং এটি খবরের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে
(৩)।
এটি
(৪) বাক্যের শুরুতে রফ (رفع) এর স্থানে থাকে। এছাড়াও এটি এমন শব্দের পরে আসে যা সুনিশ্চিত নয় (غير اليقين) এমন অর্থ প্রকাশ করে; তখন এটি রফ (رفع) এর স্থানে থাকে, যেমন: {মুমিনদের জন্য কি সেই সময় আসেনি যে, তাদের অন্তর বিগলিত হবে} [সুরা আল-হাদিদ: ১৬]।
অতীতকাল (ماضي) এবং আদেশসূচক (أمر) ক্রিয়ার সাথে যুক্ত (أنْ) এর ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে।
ইবনে তাহির দাবি করেছেন যে, এটি বর্তমান বা ভবিষ্যৎকাল (مضارع) এর সাথে যুক্ত (أنْ) থেকে ভিন্ন। তিনি এ ব্যাপারে দলিল পেশ করেছেন এবং তার উত্তরও প্রদান করা হয়েছে
(৫)।
* সতর্কীকরণ:
কোনো কোনো কুফিবাসী এবং আবু উবাইদাহ
(৬) উল্লেখ করেছেন যে, তাদের কেউ কেউ (أنْ) এর মাধ্যমে জজম (جزم) প্রদান করেন, এবং এটি বর্ণনা করেছেন...
--------------------------------------------