0/0
(খণ্ড: ১) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: -)
مختصر شرح ابن جماعة على القواعد الصغرى - ضمن «آثار المعلمي»   (عبد الرحمن المعلمي اليماني)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: مختصر شرح ابن جماعة على القواعد الصغرى

[آثار عبد الرحمن بن يحيى المعلمي اليماني (20)]

المؤلف: عبد الرحمن بن يحيى المُعَلِّمي اليماني (1313 - 1386 هـ)

المحقق: أسامة بن مسلم الحازمي

راجعه: محمد أجمل الإصلاحي - محمد عزير شمس

الناشر: دار عالم الفوائد للنشر والتوزيع

الطبعة: الأولى، 1434 هـ

قدمه للشاملة: مؤسسة «عطاءات العلم»، جزاهم الله خيرا

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 10 شوّال 1442

আল-কাওয়াইদ আস-সুগরা-এর ওপর ইবনে জামাআহ-এর ব্যাখ্যার সংক্ষিপ্তসার - 'আসারুল মুয়াল্লিমি'-এর অন্তর্ভুক্ত   (আবদুর রহমান আল-মুয়াল্লিমি আল-ইয়ামানি)

বিভাগ: নাহু ও সরফ


কিতাব: আল-কাওয়াইদ আস-সুগরা-এর ওপর ইবনে জামাআহ-এর ব্যাখ্যার সংক্ষিপ্তসার

[আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমি আল-ইয়ামানির রচনাবলি (২০)]

লেখক: আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমি আল-ইয়ামানি (১৩১৩ - ১৩৮৬ হিজরি)

মুহাক্কিক (محقق): উসামা বিন মুসলিম আল-হাজিমি

নিরীক্ষণে: মুহাম্মদ আজমাল আল-ইসলাহি - মুহাম্মদ উযায়ের শামস

প্রকাশক: দার আলিমুল ফাওয়াইদ লিন-নাশর ওয়াত-তাওযি

সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৪ হিজরি

শামিলা লাইব্রেরির জন্য পেশ করেছেন: 'আতাআতুল ইলম' সংস্থা, আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের সাথে সংগতিপূর্ণ]

শামিলায় প্রকাশের তারিখ: ১০ শাওয়াল ১৪৪২

(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৬৯)
الرسالة الثالثة

مختصر شرح ابن جماعة

على القواعد الصغرى لابن هشام
তৃতীয় পত্র (الرسالة)

ইবন জামা’আহ কৃত ব্যাখ্যার (شرح) সংক্ষিপ্তসার (مختصر)

ইবন হিশাম রচিত আল-কাওয়ায়িদ আল-সুগরা-এর ওপর
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৭১)
القواعد الصغرى لمحمد بن هشام مع بعض

تقريراتٍ من شرحها لابن جماعة ــ كما نَبَّهتُ عليها ــ(1)

بسم الله الرحمن الرحيم

(م) وبعد هذه [نكتة](2) يسيرة اختصرتُها من قواعد الإعراب تسهيلًا على الطلاب وتقريبًا على أولي الألباب، وهذه تنحصر في ثلاثة أبواب:

الباب الأول: في الجمل، وفيه أربع من المسائل:

الأولى: أنَّ اللفظ المفيد يُسمَّى كلامًا وجملة.

(ش) نكتة: لا يشترط في الكلام صُدورُه من ناطق واحدٍ ولا قَصْد المتكلم لكلامه، ولا إفادة المخاطب شيئًا يجهله على الصحيح في الثلاث. كذا في الارتشاف(3)، ويظهر أَثَر الخلاف في الفروع(4) انتهى.

(م) وأنَّ الجملة اسميّة إنْ بُدِئَت باسم نحو: زيدٌ قائمٌ، وفعلية إنْ بُدِئَت بفِعْل نحو: قام زيدٌ.

(ش) الاسم يدلُّ على الثبوت، والفعل على التجدد، فالاسميَّةُ إنَّما تدل

--------------------------------------------

(1) وكان تنبيهه بوضع حرف (الميم) فوق المتن إشارة إليه، ووضع حرف (الشين) فوق الشرح والتقرير إشارة إليه أيضًا.

(2) زيادة من رسالة "نكتة في الإعراب" ــ ضمن مقالات هامة لابن هشام.

(3) لم أجد كلام أبي حيان في "الارتشاف"، ووجدته في "شرحه للتسهيل" (1/ 34) وما بعدها، وكذلك في "الهمع" (1/ 30).

(4) يريد "الفروع الفقهية"، وقد مثَّل لها الأسنوي في كتابه "التمهيد في تخريج الفروع على الأصول" (ص 35).
মুহাম্মদ বিন হিশাম বিরচিত আল-কাওয়ায়িদুল সুগরা এবং ইবনে জামাআহ কর্তৃক এর ব্যাখ্যা থেকে সংকলিত কিছু বিশ্লেষণ — যেমনটি আমি উল্লেখ করেছি —(১)

পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

(ম) অতঃপর, এগুলো হলো কিছু সংক্ষিপ্ত [তাত্ত্বিক বিষয়] যা আমি ছাত্রদের জন্য সহজবোধ্য করতে এবং জ্ঞানীদের নিকটবর্তী করতে ‘কাওয়ায়িদুল ইরাব’ থেকে সংক্ষেপিত করেছি। এটি তিনটি পরিচ্ছেদে সীমাবদ্ধ:

প্রথম পরিচ্ছেদ: বাক্য প্রসঙ্গে, এবং এতে চারটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথমটি: অর্থবোধক শব্দকে কালাম এবং বাক্য বলা হয়।

(শ) তাত্ত্বিক বিষয়: বিশুদ্ধ (صحيح) মতানুযায়ী, এই তিনটির ক্ষেত্রে কালাম হওয়ার জন্য তা একজন বক্তা থেকে নির্গত হওয়া, বক্তার স্বীয় কালামের সংকল্প করা, কিংবা শ্রোতাকে তার অজানা কোনো বিষয়ে তথ্য প্রদান করা শর্ত নয়। আল-ইরতিশাফ গ্রন্থে অনুরূপ রয়েছে এবং এর মতভেদের প্রভাব শাখাগত বিষয়সমূহে পরিলক্ষিত হয়। সমাপ্ত।

(ম) আর বাক্যটি নামবাচক হবে যদি তা বিশেষ্য দিয়ে শুরু হয়, যেমন: যাইদুন কায়িমুন; এবং ক্রিয়াবাচক হবে যদি তা ক্রিয়া দিয়ে শুরু হয়, যেমন: কামা যাইদুন।

(শ) বিশেষ্য স্থায়িত্বের ওপর এবং ক্রিয়া নতুনত্ব বা পরিবর্তনের ওপর প্রমাণ পেশ করে, সুতরাং নামবাচক বাক্য কেবল নির্দেশ করে...

--------------------------------------------

(১) তার নির্দেশটি ছিল মূলপাঠের ওপর ‘মীম’ বর্ণটি বসানোর মাধ্যমে সেটিকে সংকেত প্রদান করা এবং ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণের ওপর ‘শীন’ বর্ণটি বসানোর মাধ্যমে সেটিকেও সংকেত প্রদান করা।

(২) ইবনে হিশামের গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধসমূহের অন্তর্ভুক্ত ‘নুকতাহ ফিল ইরাব’ নামক রিসালাহ থেকে অতিরিক্ত অংশ।

(৩) আমি আবু হাইয়ানের এই বক্তব্য ‘আল-ইরতিশাফ’ গ্রন্থে পাইনি, তবে এটি তার ‘শারহুত তাসহিল’ (১/৩৪) এবং পরবর্তী অংশগুলোতে পেয়েছি; অনুরূপভাবে ‘আল-হাম’ (১/৩০) গ্রন্থেও রয়েছে।

(৪) এর দ্বারা তিনি ‘ফিকহী শাখাগত মাসআলাসমূহ’ উদ্দেশ্য করেছেন। আল-আসনাবী তার ‘আত-তামহিদ ফি তাখরিজিল ফুরু আলাল উসুল’ (পৃষ্ঠা ৩৫) গ্রন্থে এর উদাহরণ দিয়েছেন।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৭২)
على الثبوت إذا كان عَجُزُها اسمًا كصَدْرها. اهـ.

(م) وصغرى إنْ بُنيت على غيرها كـ (قام أبوه) مِنْ قولك: زيدٌ قام أبوه.

وكُبْرى إنْ كان ضِمْنَها جُمْلةٌ كمجموع: زيدٌ قام أبوه.

 

(م)‌‌ الجمل التي لها محلٌّ من الإعراب سَبْعٌ:

إحداها: الواقعة خبرًا ومَوضعُها رَفْعٌ في بابيْ المبتدأ و (إنَّ) نحو: زيدٌ قام أبوه، وإنَّ زيدًا قام أبوه، ونَصْبٌ في بابيْ كان وكاد، نحو: كان زيدٌ أبوه قائمٌ، وكاد زيدٌ يَفْعَلُ.

(ش) واختلف في نحو: زيدٌ اضربْه، وعمروٌ هل جاءك؟

فقيل: محل الجملةِ رَفْعٌ على الخبريَّة وهو الصحيح، وقيل: نَصْبٌ بناءً على أنَّ الجملة الإنشائية لا تكون خبرًا وهو باطلٌ(1). اهـ.

(م) الثانية والثالثة: الواقعة حالًا والواقعة مفعولًا ومحلُّهما النَّصْبُ نحو: جاء زيدٌ يضحك، وقال زيدٌ: عمروٌ منطلقٌ.

(ش) الواقعة من محل المفعول قد تكون في محل رَفْعٍ بالنيابة ومن الناس من جعل الجملة تقع فاعلًا، ومن الجمل المحكيَّة بالقول ما قد يخفى كقوله تعالى: {فَحَقَّ عَلَيْنَا قَوْلُ رَبِّنَا إِنَّا لَذَائِقُونَ} الأصل: إنكم(2) لذائقون عذابي.

--------------------------------------------

(1) انظر "المغني" لابن هشام (ص 536) ط الأفغاني.

(2) قال ابن هشام في "المغني" (ص 540): والأصل إنكم لذائقون عذابي ثم عدل إلى التكلم؛ لأنهم تكلَّموا بذلك عن أنفسهم.
স্থায়িত্বের (ثبوت) ওপর ভিত্তি করে যখন তার শেষাংশ তার প্রথমাংশের ন্যায় বিশেষ্য (اسم) হয়। সমাপ্ত (اهـ)।

(মূলপাঠ) এবং ক্ষুদ্র বাক্য (صغرى) যদি তা অন্য কোনো কিছুর ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয়, যেমন 'তার পিতা দাঁড়িয়েছে'—আপনার উক্তি: 'যায়েদ তার পিতা দাঁড়িয়েছে' থেকে।

এবং বৃহৎ বাক্য (كبرى) যদি তার অভ্যন্তরে কোনো বাক্য (جملة) থাকে, যেমন এই সমষ্টিটি: 'যায়েদ তার পিতা দাঁড়িয়েছে'।

 

(মূলপাঠ)‌‌ যেসব বাক্যের ব্যাকরণিক অবস্থান (محل من الإعراب) রয়েছে তা সাতটি:

প্রথমটি: সংবাদ বা বিধেয় (خبر) হিসেবে আপতিত বাক্য; আর এর অবস্থান হলো রফ বা পেশ (رفع), মুবতাদা (مبتدأ) এবং ইন্না (إن) এর উভয় অধ্যায়ে। যেমন: 'যায়েদ তার পিতা দাঁড়িয়েছে' এবং 'নিশ্চয় যায়েদ তার পিতা দাঁড়িয়েছে'। আর নসব বা জবর (نصب) হলো কানা (كان) এবং কাদা (كاد) এর অধ্যায়দ্বয়ে। যেমন: 'যায়েদ এমন ছিল যে তার পিতা দণ্ডায়মান' এবং 'যায়েদ প্রায় করতে উদ্যত হলো'।

(ব্যাখ্যা) আর এই জাতীয় উদাহরণে মতভেদ করা হয়েছে: 'যায়েদ, তাকে প্রহার করো' এবং 'আমর, সে কি তোমার নিকট এসেছে?'

অতঃপর বলা হয়েছে: সংবাদ (خبرية) হওয়ার ভিত্তিতে বাক্যটির ব্যাকরণিক অবস্থান হলো রফ বা পেশ (رفع) এবং এটিই সঠিক (صحيح)। আর বলা হয়েছে: নসব বা জবর (نصب), এই ভিত্তির ওপর যে ভাববাচক বাক্য (جملة إنشائية) সংবাদ (خبر) হতে পারে না; তবে এই মতটি অসার (باطل)(১)। সমাপ্ত (اهـ)।

(মূলপাঠ) দ্বিতীয় ও তৃতীয়: অবস্থা (حال) হিসেবে আপতিত বাক্য এবং কর্ম (مفعول) হিসেবে আপতিত বাক্য; আর এই উভয়ের ব্যাকরণিক অবস্থান হলো নসব বা জবর (نصب)। যেমন: 'যায়েদ হাসতে হাসতে এল' এবং যায়েদ বলল: 'আমর প্রস্থানকারী'।

(ব্যাখ্যা) কর্মের (مفعول) অবস্থানে আপতিত বাক্য কখনো কখনো স্থলাভিষিক্ত হওয়ার কারণে রফ বা পেশের (رفع) অবস্থানে হতে পারে। আর মানুষের মধ্যে কেউ কেউ বাক্যকে কর্তা (فاعل) হিসেবেও গণ্য করেছেন। আর উক্তির মাধ্যমে উদ্ধৃত বাক্যগুলোর (جمل محكية) মধ্যে কিছু এমন আছে যা অস্পষ্ট থাকতে পারে, যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {অতঃপর আমাদের প্রতি আমাদের রবের কথা সত্য প্রমাণিত হয়েছে যে, আমরা অবশ্যই আস্বাদনকারী}। এর মূল রূপ হলো: 'নিশ্চয় তোমরা আমার আযাব আস্বাদনকারী'(২)।

--------------------------------------------

(১) ইবনে হিশাম রচিত মুগনি (পৃষ্ঠা ৫৩৬), আফগানি সংস্করণ দেখুন।

(২) ইবনে হিশাম মুগনি (পৃষ্ঠা ৫৪০)-তে বলেছেন: এর মূল হলো 'নিশ্চয় তোমরা আমার আযাব আস্বাদনকারী', অতঃপর উত্তম পুরুষে রূপান্তর করা হয়েছে; কারণ তারা নিজেদের সম্পর্কে এ কথা বলেছিল।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৭৩)
والقول قد يجيء بمعنى الظن فينصب مفعولين، وقد تقع بعد القول جملةٌ غير محكيَّة نحو: أوّل قولي: إنّي أحمد اللهَ ــ بكسر إنَّ ــ فالجملة خبرٌ لا مفعولٌ خلافًا لأبي علي(1).

(م) والرابعة المضاف إليها ومَحلُّها الجرُّ نحو: "يوم هم بارزون".

(ش) لا يضاف إلى الجمل إلَّا ثمانية:

أسماء الزمان ظروفًا أو لا.

و(حيثُ) ظرفًا أَمْ لا خلافًا لمن زعمه(2).

و(آية) بمعنى: علامة على قول سيبويه، وزعم أبو الفتح(3) أنها إنّما تضاف إلى المفرد.

و(ذي) في قول بعضهم: "اذْهَبْ بِذي تَسْلم"، والباءُ: فيه ظرفيَّةٌ، وذي: صفةٌ لزمنٍ محذوف، وذي بمعنى صاحب صفةٌ لمحذوفٍ تقديره: وقت

--------------------------------------------

(1) الحسن بن أحمد بن عبد الغفار أبو علي الفارسي الإمام العلامة المعروف أخذ النحو عن الزجاج، وبرع فيه وانتهت إليه رئاسته، وصحب عضد الدولة فعظَّمه وأحسن إليه له مؤلفات عديدة منها: "التذكرة"، و"الحجة"، و"الإغفال"، و"الإيضاح"، و"التكملة" وغير ذلك توفي سنة (377 هـ). راجع "البلغة" للفيروز آبادي.

(2) أي: زعم عدم إضافتها إلى الجمل وهو ــ أي الزاعم ــ المهدوي شارح "مقصورة ابن دريد" كما أفاده ابن هشام في "المغني" (ص 548).

(3) عثمان بن جني أبو الفتح الموصلي تلميذ أبي علي الفارسي الإمام المعروف ذو التصانيف المشهورة لازم أبا علي أربعين سنة توفي سنة (392 هـ). راجع "البلغة" (ص 141).
এবং 'কাওল' (বলা) শব্দটি কখনো কখনো ধারণা (ظن) অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন এটি দুটি কর্মপদকে (مفعولين) নসব প্রদান করে। আবার কখনো 'কাওল'-এর পরে এমন বাক্য আসে যা উদ্ধৃতিমূলক (محكية) নয়; যেমন: 'আমার বক্তব্যের প্রারম্ভ হলো: নিশ্চয়ই আমি আল্লাহর প্রশংসা করি'—এখানে 'ইন্না' বর্ণটিতে কাসরা (জের) প্রদানের মাধ্যমে—ফলে এই বাক্যটি খবর (خبر) হিসেবে গণ্য হবে, কর্মপদ (مفعول) হিসেবে নয়; এটি আবু আলীর(১) মতের পরিপন্থী।

(ম) চতুর্থটি হলো সেই বাক্য যা সম্বন্ধপদ (مضاف إليه) হিসেবে আসে এবং এর স্থান হলো যার (جر); যেমন: "যেদিন তারা প্রকাশ্য হবে"।

(শ) কেবল আটটি বিষয় বা শব্দ বাক্যের প্রতি সম্বন্ধযুক্ত (مضاف) হয়:

কালবাচক বিশেষ্যসমূহ (أسماء الزمان), তা ক্রিয়া বিশেষণ (ظرف) হিসেবে ব্যবহৃত হোক বা না হোক।

এবং 'হাইসু' শব্দটি, তা ক্রিয়া বিশেষণ (ظرف) হোক বা না হোক; যারা এর বিপরীত দাবি করেছেন(২) তাদের মতের বিপরীতে।

এবং সিবওয়াইহ-এর মতানুযায়ী 'আয়াহ' শব্দটি যখন তা চিহ্ন (علامة) অর্থে ব্যবহৃত হয়। তবে আবু আল-ফাতহ(৩) দাবি করেছেন যে, এটি কেবল একক শব্দের (مفرد) দিকেই সম্বন্ধযুক্ত (مضاف) হয়।

এবং কারো কারো এই উক্তির মধ্যে 'যি' শব্দটি: "যাও যাতে তুমি নিরাপদ থাকো"। এখানে 'বা' বর্ণটি কালবাচক (ظرفية) অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং 'যি' শব্দটি একটি উহ্য সময়ের বিশেষণ (صفة)। এখানে 'যি' শব্দটি সাহেব বা অধিকারী অর্থে একটি উহ্য বিশেষ্যের বিশেষণ, যার সম্ভাব্য রূপ হলো: সময়।

--------------------------------------------

(১) আল-হাসান ইবনে আহমাদ ইবনে আব্দুল গাফফার আবু আলী আল-ফারিসি; তিনি একজন ইমাম ও প্রাজ্ঞ পণ্ডিত (علامة)। তিনি আজ-জাজ্জাজ-এর নিকট নাহু শাস্ত্র শিক্ষা করেন এবং এতে পাণ্ডিত্য অর্জন করেন এবং তাঁর কাছেই এই শাস্ত্রের নেতৃত্ব পর্যবসিত হয়। তিনি আদুদুদ দাওলার সান্নিধ্য লাভ করেন, যিনি তাকে অত্যন্ত সম্মান ও সৌজন্য প্রদর্শন করতেন। তাঁর অসংখ্য রচনার মধ্যে রয়েছে: "আত-তাযকিরাহ", "আল-হুজ্জাহ", "আল-ইগফাল", "আল-ইজাহ" এবং "আত-তাকমিলাহ" ইত্যাদি। তিনি ৩৭৭ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। দ্রষ্টব্য: আল-ফিরোযাবাদীর "আল-বুলগাহ"।

(২) অর্থাৎ: বাক্য বা জুমলার সাথে এর সম্বন্ধযুক্ত (إضافة) না হওয়ার দাবি। আর এই দাবিদার হলেন "মাকসুরা ইবনে দুরেদ"-এর ব্যাখ্যাকার আল-মাহদাবী; যেমনটি ইবনে হিশাম তাঁর "আল-মুগনি" (পৃ. ৫৪৮) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

(৩) উসমান ইবনে জিন্নি আবু আল-ফাতহ আল-মাওসিলি; তিনি আবু আলী আল-ফারিসির ছাত্র এবং সুপ্রসিদ্ধ ইমাম, যাঁর বহু প্রখ্যাত রচনা রয়েছে। তিনি দীর্ঘ চল্লিশ বছর আবু আলীর সান্নিধ্যে ছিলেন। তিনি ৩৯২ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। দ্রষ্টব্য: "আল-বুলগাহ" (পৃ. ১৪১)।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৭৪)
وقيل: بل بمعنى (الذي) فلا محلَّ للجملة إذْ هي صلةٌ.

الخامس: (لَدُنْ) زمانيةً أو مكانية.

السادس: (ريث)، وهي مصدر رَاثَ أي: أبطأ. ولابن مالكٍ مقالتان فيها وفي (لدن):

الأولى: أنهما عوملا معاملة أسماء الزمان في الإضافة كما عُوملت المصادر معاملتها في التوقيت(1).

والثانية: زعم في كافيته وشرحها أنَّ الفعل بعدهما على إضمار (أنْ)(2).

(م) والخامسة: الواقعة جوابًا لشرطٍ جازم إذا كانت مقرونة بالفاء أو بـ إذا الفجائية نحو: {مَنْ يُضْلِلِ اللَّهُ فَلَا هَادِيَ لَهُ} [الأعراف: 186]، {وَإِنْ تُصِبْهُمْ سَيِّئَةٌ بِمَا قَدَّمَتْ أَيْدِيهِمْ إِذَا هُمْ يَقْنَطُونَ} [الروم: 36].

(ش) عِلّةُ انجزام الجملة في الموضعين محلًّا أنَّها لم تصدَّر بصَدْرٍ يقبل الجزم لفظًا، والفاءُ المقدَّرة كالمذكورة. اهـ.

(م) السادسة والسابعة: التابعة لمفرد أو جملةٍ لها محلٌّ نحو: {مِنْ قَبْلِ

--------------------------------------------

(1) ما في "التسهيل وشرحه" (3/ 260) أنَّ هذه المعاملة خاصة في (ريث) وكذا تجده في "المغني" لابن هشام (ص 550).

(2) انظر الكافية وشرحها لابن مالك (2/ 946 - 948).

 

تنبيه: وبقي عليه مما يضاف إلى الجمل ــ وقد سبق أنها ثمانية ــ:

السابع والثامن: (قول ــ وقائل). راجع مغني ابن هشام (ص 551).
এবং বলা হয়েছে: বরং (এটি) 'যিনি/যা' (الذي) অর্থে, তাই বাক্যটির কোনো স্থান (محل) নেই যেহেতু এটি সম্বন্ধসূচক বাক্য (صلة)।

পঞ্চম: 'হতে/কাছে' (لدن) যা সময়বাচক (زمانية) বা স্থানবাচক (مكانية)।

ষষ্ঠ: 'যতক্ষণ' (ريث), এটি 'দেরি করা' (راث) ক্রিয়ার মূল ধাতু (مصدر) অর্থাৎ সে ধীর হয়েছে। ইবনে মালিকের এই শব্দটিতে এবং 'হতে/কাছে' (لدن) শব্দটিতে দুইটি অভিমত রয়েছে:

প্রথমটি: সম্বন্ধযুক্ত হওয়ার (إضافة) ক্ষেত্রে এ দুটি শব্দকে সময়বাচক বিশেষ্যের (أسماء الزمان) ন্যায় গণ্য করা হয়েছে, যেমন সময় নির্ধারণের (توقيت) ক্ষেত্রে মূল ধাতুগুলোকে (المصادر) তাদের মতো গণ্য করা হয়(১)।

দ্বিতীয়টি: তিনি তাঁর আল-কাফিয়া এবং এর ব্যাখ্যাগ্রন্থে দাবি করেছেন যে, এ দুটির পরের ক্রিয়াটি একটি উহ্য (إضمار) 'আন' (أن)-এর ওপর ভিত্তি করে(২)।

(ম) পঞ্চম: যা জাজিম বা কর্মপদকে জযম প্রদানকারী শর্তের (شرط جازم) উত্তর (جواب) হিসেবে আসে, যদি তা 'ফা' (الفاء) অথবা আকস্মিকতা প্রকাশকারী 'ইযা' (إذا الفجائية)-র সাথে যুক্ত হয়। যেমন: {আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন তার জন্য কোনো পথপ্রদর্শক নেই} [সূরা আল-আরাফ: ১৮৬], {এবং তাদের কৃতকর্মের কারণে যদি তাদের কোনো বিপদ স্পর্শ করে, তবে তারা সাথে সাথে হতাশ হয়ে পড়ে} [সূরা আর-রুম: ৩৬]।

(শ) উভয় স্থানে বাক্যটির স্থলাভিষিক্তভাবে জযম (انجزام) হওয়ার কারণ হলো, বাক্যটি এমন কোনো প্রারম্ভিক শব্দ দ্বারা শুরু হয়নি যা শব্দগতভাবে জযম গ্রহণ করে। আর উহ্য 'ফা' উল্লেখিত 'ফা'-এর মতোই। সমাপ্ত।

(ম) ষষ্ঠ ও সপ্তম: যা একক শব্দ (مفرد) অথবা এমন কোনো বাক্যের অনুগামী হয় যার একটি স্থান (محل) আছে। যেমন: {পূর্ব হতে...

--------------------------------------------

(১) আত-তাসহিল ওয়া শারহুহু (৩/২৬০)-এ যা আছে তা হলো, এই ব্যবহারটি 'যতক্ষণ' (ريث) শব্দের জন্য নির্দিষ্ট এবং অনুরূপ আপনি ইবনে হিশামের আল-মুগনি (পৃ. ৫৫০)-তে পাবেন।

(২) ইবনে মালিকের আল-কাফিয়া ও এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ দেখুন (২/৯৪৬-৯৪৮)।

 

দ্রষ্টব্য: বাক্যের সাথে সম্বন্ধযুক্ত হয় এমন শব্দগুলোর মধ্যে—যা পূর্বে আটটি বলে উল্লেখ করা হয়েছে—আরও বাকি রয়ে গেছে:

সপ্তম ও অষ্টম: 'উক্তি' (قول) এবং 'বক্তা' (قائل)। ইবনে হিশামের আল-মুগনি (পৃ. ৫৫১) দেখুন।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৭৫)
أَنْ يَأْتِيَ يَوْمٌ لَا بَيْعٌ فِيهِ وَلَا خِلَالٌ} [إبراهيم: 31] فجملة المنفي صفة ليوم. الثانية: نحو: زيدٌ قام أبوه وقعد أخوه.

(ش) التابعة للمفرد ثلاثة أنواع:

المنعوت بها، والمعطوفة بالحرف، والمبدلة.

والتابعة لجملةٍ تكون هذه في التوابع عدا النعت(1)، وتكون في التعجُّب على رأي السكاكي(2).

وشرط البدل كون الأولى غيرَ وافية، والثانية أوفى أو كالوافية أو كالأوفى.

(م) المسألة الثالثة:

الجمل التي لا محلَّ لها سَبْعٌ:

إحداها: الابتدائية وتسمّى المستأنفة نحو: {إِنَّا أَنْزَلْنَاهُ} [يوسف: 2].

(ش) مِنَ الجمل ما جرى خلافٌ في أنّه مستأنفٌ أم لا.

--------------------------------------------

(1) جعلها ابن هشام في بابيْ النسق والبدل خاصَّة، وأمَّا التوكيد فاعترض به الدماميني على ابن هشام وأجاب عنه الشمني بما تراه في حاشية الأمير على المغني (2/ 70).

(2) لم أجد قول السكاكي في المفتاح، ولم يشر إليه أحدٌ عند هذه المسألة مِنْ أرباب الحواشي على مغني اللبيب وغيرها من كتب النحو.

والسكاكي هو يوسف بن أبي بكر الخوارزمي إمام في النحو والتصريف والمعاني والبيان والاستدلال والعروض والشعر. مات بخوارزم سنة (626 هـ). انظر "بغية الوعاة" (2/ 364).
{এমন এক দিন আসার পূর্বে যাতে কোনো কেনা-বেচা নেই এবং কোনো বন্ধুত্ব নেই} [ইব্রাহিম: ৩১]। এখানে না-বোধক বাক্যটি হলো 'ইয়াওম' (দিন) শব্দের বিশেষণ (صفة)। দ্বিতীয়: যেমন: জায়েদ, তার পিতা দাঁড়িয়েছে এবং তার ভাই বসেছে।

(ব্যাখ্যা) একক শব্দের অনুগামী পদ তিন প্রকার:

যার দ্বারা গুণ বর্ণনা করা হয় (المنعوت بها), হরফের মাধ্যমে যা সংযোজিত (المعطوفة بالحرف) এবং যা স্থলাভিষিক্ত হয় (المبدلة)।

আর বাক্যের অনুগামী হওয়ার বিষয়টি বিশেষ গুণ (نعت)(১) ব্যতীত অন্যান্য অনুগামী পদসমূহের ক্ষেত্রে হয়, এবং সাক্কাকীর মতানুসারে এটি বিস্ময়সূচক বাক্যের (التعجب) ক্ষেত্রেও হয়ে থাকে(২)।

আর স্থলাভিষিক্ত পদের (بدل) শর্ত হলো প্রথমটি অসম্পূর্ণ হওয়া এবং দ্বিতীয়টি পূর্ণাঙ্গ হওয়া অথবা পূর্ণাঙ্গের মতো হওয়া বা পূর্ণাঙ্গের কাছাকাছি হওয়া।

(মূল পাঠ) তৃতীয় মাসআলা:

যে বাক্যগুলোর কোনো অবস্থানগত ব্যাকরণিক মান (لا محلَّ لها) নেই, সেগুলো সাতটি:

তার একটি হলো: প্রারম্ভিক বাক্য (الابتدائية), যাকে সূচনা বাক্যও (المستأنفة) বলা হয়। যেমন: {নিশ্চয়ই আমি তা নাযিল করেছি} [ইউসুফ: ২]।

(ব্যাখ্যা) কিছু বাক্য এমন রয়েছে যেগুলোর ক্ষেত্রে এটি সূচনা বাক্য (مستأنف) কি না তা নিয়ে মতপার্থক্য বিদ্যমান।

--------------------------------------------

(১) ইবনে হিশাম এটিকে বিশেষভাবে সংযোজন (النسق) এবং স্থলাভিষিক্ত পদ (البدل) এর অধ্যায়দ্বয়ে রেখেছেন। আর দৃঢ়করণ (التوكيد) এর ব্যাপারে দামামিনী ইবনে হিশামের ওপর আপত্তি করেছেন এবং শামানি এর যে উত্তর দিয়েছেন তা আপনি মুগনি আল-লাবিব-এর ওপর আমীরের টীকায় (২/৭০) দেখতে পাবেন।

(২) আমি আল-মিফতাহ গ্রন্থে সাক্কাকীর এই উক্তিটি পাইনি এবং মুগনি আল-লাবিব-এর টীকাকারগণ বা ব্যাকরণশাস্ত্রের অন্য কোনো গ্রন্থকার এই মাসআলায় তার দিকে ইঙ্গিত করেননি।

আর সাক্কাকী হলেন ইউসুফ ইবনে আবু বকর আল-খাওয়ারিজমি; তিনি ব্যাকরণ (النحو), রূপতত্ত্ব (التصريف), অর্থবিজ্ঞান (المعاني), অলঙ্কারশাস্ত্র (البيان), যুক্তিপ্রক্রিয়া (الاستدلال), ছন্দশাস্ত্র (العروض) এবং কবিতার ইমাম ছিলেন। তিনি ৬২৬ হিজরিতে খাওয়ারিজমে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: "বুগইয়াতুল উয়াত" (২/৩৬৪)।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৭৬)
مِنْ ذلك (أقومُ) مِن قولك: إنْ قام زيدٌ أقومُ. فالمبرّدُ يرى أنَّه على إضمار الفاء، وسيبويه: أنّه مؤخّر عن تقديم، فإذا عُطفَ عليه فِعْلٌ جَوَّزَ الأول(1) رَفْعه عطفًا على اللفظ، وجزمه على المحلّ، والثاني(2) الرفعَ فقط(3).

(م) الثانيةُ: الواقعة صلةً نحو: الذي قام أبوه.

(ش) آباء العبّاس وبكر وعلي والفتح وآخرون أنَّ (كان) الناقصة لا مصدر لها(4). اهـ.

(م) الثالثة: المعترضة نحو: {فَإِنْ لَمْ تَفْعَلُوا وَلَنْ تَفْعَلُوا} [البقرة: 24].

(ش) يجوز الاعتراض بأكثر من جملةٍ خلافًا لأبي علي(5). وكثيرًا ما تشتبه المعترضة بالحاليّة لكنّها تتميز عنها؛ فالمعترضة تكون غير خبريّة، ويجوز تصديرها بدليل استقبال ويجوز اقترانها بالفاء، ويجوز اقترانها بالواو

--------------------------------------------

(1) أي: المبرّد.

(2) أي: سيبويه.

(3) انظر بسط المسألة في مغني ابن هشام بحاشية الدسوقي (2/ 44).

(4) يريد أبا العباس المبرد، وأبا بكر السراج، وأبا علي الفارسي، وأبا الفتح ابن جني، والمسألة المشار إليها تتضح بما في "المغني" من قول ابن هشام: "وأمَّا قول أبي البقاء في: {بِمَا كَانُوا يَكْذِبُونَ} [البقرة: 10] إنَّ (ما) مصدريّة وصلتها (يكذبون) وحكمه مع ذلك بأن يكذبون في موضع نصب خبرًا لـ (كان) فظاهره متناقض، ولعل مراده أن المصدر إنما ينسبك من (ما) و (يكذبون) لا منها ومِنْ (كان) بناءً على قول أبي العباس وأبي بكر وأبي علي وأبي الفتح: إنَّ كان الناقصة لا مصدر لها. اهـ.

(5) راجع "المغني" (ص 515)، و"شرح قواعد الإعراب" للكافيجي (ص 169).
এর অন্তর্ভুক্ত হলো তোমার কথা: "ইন কামা যায়দুন আকুমু" (যদি যায়দ দাঁড়ায়, তবে আমি দাঁড়াবো)-তে "আকুমু" (أقومُ) শব্দটি। আল-মুবররিদ মনে করেন যে, এটি 'ফা' (الفاء) উহ্য থাকার ভিত্তিতে হয়েছে, আর সিবওয়াইহ-এর মতে এটি অগ্রবর্তী হওয়ার কারণে পেছনে চলে আসা একটি পদ। যদি এর উপর অন্য কোনো ক্রিয়া আতফ (عطف) করা হয়, তবে প্রথমজন(১) শব্দের বাহ্যিক রূপ অনুযায়ী তাকে রফ (رفع) প্রদান এবং স্থানের বিচারে জজম (جزم) প্রদান করা জায়েয বলেছেন। আর দ্বিতীয়জন(২) কেবল রফ (رفع) প্রদানকেই জায়েয মনে করেন(৩)।

(ম) দ্বিতীয়: সিলাহ (صلة) হিসেবে আপতিত বাক্য, যেমন: "আল্লাযি কামা আবুহু" (যার পিতা দাঁড়িয়েছেন)।

(শ) আবু আল-আব্বাস, আবু বকর, আবু আলী, আবুল ফাতহ এবং অন্যান্যের মতে 'অসম্পূর্ণ কানা' (كان الناقصة)-এর কোনো মাসদার (مصدر) নেই(৪)। সমাপ্ত।

(ম) তৃতীয়: মুতারিযাহ (معترضة) বা মধ্যবর্তী বাক্য, যেমন: {অতঃপর যদি তোমরা তা না করো—আর কখনও তা করতে পারবেও না} [আল-বাকারা: ২৪]।

(শ) আবু আলীর মতের বিপরীতে, একের অধিক বাক্য দ্বারা ইতিরায (اعتراض) বা মধ্যবর্তী অংশ নিয়ে আসা জায়েয(৫)। অনেক সময় মুতারিযাহ (معترضة) বাক্যটি হালিয়া (حالية) বাক্যের সাথে সদৃশ হয়ে যায়, কিন্তু এটি তা থেকে পৃথক হয়ে থাকে; কারণ মুতারিযাহ (معترضة) বাক্যটি সংবাদমূলক হয় না এবং একে ভবিষ্যৎ নির্দেশক অব্যয় দ্বারা শুরু করা জায়েয, আবার এটি 'ফা' (الفاء) অথবা 'ওয়াও' (الواو) যুক্ত হওয়াও জায়েয।

--------------------------------------------

(১) অর্থাৎ: আল-মুবররিদ।

(২) অর্থাৎ: সিবওয়াইহ।

(৩) ইবনে হিশামের মুগনি গ্রন্থের আদ-দাসুকী কৃত হাশিয়া (২/ ৪৪)-তে এই মাসআলার বিস্তারিত আলোচনা দেখুন।

(৪) এখানে উদ্দেশ্য হলো আবু আল-আব্বাস আল-মুবররিদ, আবু বকর আস-সাররাজ, আবু আলী আল-ফারিসি এবং আবুল ফাতহ ইবনে জিন্নি। উল্লেখিত বিষয়টি "মুগনি" গ্রন্থে ইবনে হিশামের এই উক্তির মাধ্যমে স্পষ্ট হয়: "আর {বিমা কানু ইয়াকযিবুন} [আল-বাকারা: ১০] আয়াতের ক্ষেত্রে আবু আল-বাকার উক্তি যে, এখানে 'মা' (ما) হলো মাসদারিয়া (مصدرية) এবং 'ইয়াকযিবুন' (يكذبون) হলো এর সিলাহ (صلة), আবার সেই সাথে তিনি বিধান দিয়েছেন যে 'ইয়াকযিবুন' শব্দটি 'কানা' (كان)-এর খবর (خبر) হিসেবে নসব (نصب)-এর স্থলাভিষিক্ত—এটি আপাতদৃষ্টিতে স্ববিরোধী। সম্ভবত তাঁর উদ্দেশ্য হলো, মাসদারটি 'মা' এবং 'ইয়াকযিবুন' থেকে নির্গত হয়েছে, 'কানা' থেকে নয়; আর এটি আবু আল-আব্বাস, আবু বকর, আবু আলী ও আবুল ফাতহ-এর সেই মতের ভিত্তিতে যে, অসম্পূর্ণ কানা (كان الناقصة)-এর কোনো মাসদার (مصدر) নেই।" সমাপ্ত।

(৫) দেখুন "মুগনি" (পৃ. ৫১৫), এবং কাফিজী কৃত "শারহু কাওয়ায়িদিল ই'রাব" (পৃ. ১৬৯)।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৭৭)
مع تصديرها بالمضارع المثبت(1).

(م) الرابعة: التفسيرية نحو: {وَلَمَّا يَأْتِكُمْ مَثَلُ الَّذِينَ خَلَوْا مِنْ قَبْلِكُمْ مَسَّتْهُمُ الْبَأْسَاءُ وَالضَّرَّاءُ} [البقرة: 214].

(ش) فجملة: {مَسَّتْهُمُ} … الخ مفسِّرة لـ (مَثَل).

وحقيقتُها هي: فَضْلةٌ كاشفةٌ لحقيقة ما تليه، وذهب الشلوبين(2) إلى أنَّ المفسرة لها محلٌّ بحسب ما تفسِّره(3). اهـ.

(م) الخامسة: جواب القسم نحو قوله تعالى: {قَالَ فَبِعِزَّتِكَ لَأُغْوِيَنَّهُمْ} [ص: 82].

(ش) ووقع لمكي(4) وأبي البقاء(5) وَهَمٌ فيها فأعرباها بما يقتضي أنَّ

--------------------------------------------

(1) في الأصل: (بالمضارع والمثبت) والتصويب من "المغني"، (ص 521).

(2) عمر بن محمد الإشبيلي الأزدي أبو علي المعروف بالشلوبين ومعناه بلغة أهل الأندلس: (الأشقر الأبيض) كان إمام عصره في العربية بلا مدافع، وآخر أئمة هذا الشأن بالمشرق والمغرب، وكان ذا معرفة بنقد الشعر وغيره. مات سنة (645 هـ). انظر "البغية" (2/ 224).

(3) راجع "المغني" (ص 526)، وشرح قواعد الإعراب للقوجي (ص 50).

(4) مكي بن أبي طالب القيسي، النحوي المقرئ الإمام المشهور صاحب التصانيف التي منها مشكل إعراب القرآن، توفي سنة (437 هـ). انظر "البلغة" (ص 225).

(5) عبد الله بن الحسين أبو البقاء العكبري البغدادي الحنبلي صاحب الإعراب تفقّه بالقاضي أبي يعلى الفراء ولازمه، وقرأ العربية على ابن الخشاب، له مؤلفات كثيرة منها: "إعراب القرآن" و"إعراب الحديث"، و"شرح الفصيح" وغيرها، توفي سنة (616 هـ). انظر "البغية" للسيوطي (2/ 38).
এটি সদর্থক বর্তমান/ভবিষ্যৎকালীন ক্রিয়া দ্বারা শুরু হওয়ার সাথে সাথে(১)।

(ম) চতুর্থত: ব্যাখ্যামূলক বাক্য, যেমন: {আর যখন তোমাদের কাছে তোমাদের পূর্ববর্তীদের অবস্থা আসেনি, যখন তাদেরকে অর্থকষ্ট ও দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করেছিল} [আল-বাকারা: ২১৪]।

(শ) সুতরাং {মাসসাতহুমু} ... বাক্যটি (মাসালা/উদাহরণ)-এর ব্যাখ্যা প্রদানকারী।

আর এর প্রকৃত রূপ হলো: এটি একটি অতিরিক্ত অংশ যা তার পরবর্তী বিষয়ের স্বরূপ উন্মোচন করে। আশ-শালুবীন(২) অভিমত দিয়েছেন যে, ব্যাখ্যামূলক বাক্যের ব্যাকরণিক অবস্থান (মহল্লুল ই’রাব) থাকবে তা যে বিষয়কে ব্যাখ্যা করছে তার ধরন অনুযায়ী(৩)। সমাপ্ত।

(ম) পঞ্চমত: শপথের উত্তর, যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {তিনি বললেন, আপনার সম্মানের শপথ! আমি অবশ্যই তাদের সকলকে পথভ্রষ্ট করব} [সোয়াদ: ৮২]।

(শ) মাক্কী(৪) এবং আবু আল-বাকা(৫) এই ক্ষেত্রে একটি ভ্রান্তির (وهم) শিকার হয়েছেন। ফলে তাঁরা এর ব্যাকরণিক বিশ্লেষণ (ই’রাব) এমনভাবে করেছেন যা দাবি করে যে

--------------------------------------------

(১) মূল পাঠে: (بالمضارع والمثبت) রয়েছে, তবে সঠিকটি হলো "আল-মুগনি", (পৃষ্ঠা ৫২১) অনুযায়ী।

(২) উমর ইবনে মুহাম্মদ আল-ইশবিলি আল-আযদি আবু আলি, যিনি আশ-শালুবীন নামে পরিচিত। আন্দালুসীয়দের ভাষায় এর অর্থ: (গৌরবর্ণ শ্বেতকায়)। তিনি তাঁর যুগে আরবী ব্যাকরণে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ইমাম ছিলেন এবং এই শাস্ত্রে প্রাচ্য ও প্রতীচ্যের সর্বশেষ ইমামদের একজন ছিলেন। কাব্য সমালোচনা ও অন্যান্য বিষয়ে তাঁর অগাধ জ্ঞান ছিল। তিনি (৬৪৫ হিজরী) সালে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন "আল-বুগইয়াহ" (২/২২৪)।

(৩) দেখুন "আল-মুগনি" (পৃষ্ঠা ৫২৬), এবং আল-কাওজি রচিত "শরহু কাওয়াইদিল ই’রাব" (পৃষ্ঠা ৫০)।

(৪) মাক্কী ইবনে আবি তালিব আল-কায়সি, প্রখ্যাত ব্যাকরণবিদ, ক্বারী ও ইমাম। তাঁর বহু রচনার মধ্যে 'মুশকিলে ই’রাবিল কুরআন' অন্যতম। তিনি (৪৩৭ হিজরী) সালে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন "আল-বুলগাহ" (পৃষ্ঠা ২২৫)।

(৫) আবদুল্লাহ ইবনে আল-হুসাইন আবু আল-বাকা আল-উকবারি আল-বাগদাদী আল-হাম্বলী, যিনি 'আল-ই’রাব' এর লেখক। তিনি কাজি আবু ইয়ালা আল-ফাররার নিকট ফিকহ শিক্ষা করেন এবং তাঁর সান্নিধ্যে থাকেন। তিনি ইবনে আল-খাশশাবের নিকট আরবী ব্যাকরণ পাঠ করেন। তাঁর অনেক রচনা রয়েছে, তন্মধ্যে: 'ই’রাবুল কুরআন', 'ই’রাবুল হাদিস', 'শরহুল ফাসিহ' ইত্যাদি অন্যতম। তিনি (৬১৬ হিজরী) সালে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন সুয়ুতী রচিত "আল-বুগইয়াহ" (২/৩৮)।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৭৮)
لها محلًّا(1).

تنبيهٌ: مَنَع ثعلب(2) من وقوع القسم خَبَرًا، ومراده أنَّ جملة القسم وجوابها لا يكونان خبرًا(3).

(م) السادسة: جواب الشرط غير الجازم نحو: {وَلَوْ شِئْنَا لَرَفَعْنَاهُ بِهَا} [الأعراف: 176].

(ش) مثل (لو ــ لولا ــ ولمَّا ــ وكيف)، وكذا جواب الجازم إذا لم يقترن بالفاء لا محلَّ له. اهـ.

(م) السابعة: التابعة لِمَا لا محلَّ له، نحو: قام زيدٌ و(4) قعد عمروٌ.

(م) المسألة الرابعة:

الجملة الخبرية بعد النكرات المحضة صفاتٌ صناعيةٌ نحو: {حَتَّى

--------------------------------------------

(1) قوله: (فيها) أي: في جملة جواب القسم، وكذلك الضمير في (أعرباها) أمَّا مكي فوقع وهمه في قوله تعالى: {كَتَبَ عَلَى نَفْسِهِ الرَّحْمَةَ لَيَجْمَعَنَّكُمْ} [الأنعام: 12]، وأمَّا أبو البقاء ففي قوله تعالى: {لَمَا آتَيْتُكُمْ مِنْ كِتَابٍ وَحِكْمَةٍ} [آل عمران: 81]، وانظر التفصيل فيها في كتاب "المغني" لابن هشام (ص 532).

(2) أحمد بن يحيى بن بدر الشيباني أبو العباس ثعلب إمام الكوفيين، له معرفة بالقراءات، وكان حجة ثقة، وله مؤلفات من أشهرها الفصيح، توفي سنة (291 هـ). انظر "البلغة" (ص 65).

(3) راجع "المغني" (ص 529)، و"شرح قواعد الإعراب" للأزهري (ص 49).

(4) حاشية: "حرف عطفٍ لا حال".
এর (ই’রাবি) স্থান রয়েছে।(১)

সতর্কবার্তা: সা'লাব(২) শপথের বাক্য (কসম) খবর হিসেবে হওয়াকে নিষেধ করেছেন, তাঁর উদ্দেশ্য হলো শপথের বাক্য এবং তার উত্তর (জওয়াব) খবর হতে পারে না।(৩)

(ম) ষষ্ঠত: অ-জাজিম (শর্তারোপহীন) শর্তের উত্তর (জওয়াব), যেমন: {আর আমি যদি চাইতাম তবে অবশ্যই এর মাধ্যমে তাকে উচ্চ মর্যাদায় আসীন করতাম} [আল-আ'রাফ: ১৭৬]।

(শ) যেমন: (লাউ — লাওলা — লাম্মা — এবং কাইফা), তদ্রূপ জাজিম (শর্তারোপকারী)-এর উত্তর (জওয়াব) যখন 'ফা'-এর সাথে যুক্ত হয় না, তখন তার কোনো (ই'রাবি) স্থান থাকে না। সমাপ্ত।

(ম) সপ্তমত: যে বাক্যের কোনো (ই'রাবি) স্থান নেই তার অনুসারী বাক্য, যেমন: জায়েদ দাঁড়িয়েছে এবং(৪) আমর বসেছে।

(ম) চতুর্থ মাসআলা:

খাটি অনির্দিষ্ট বিশেষ্যের (নাকীরাহ) পরে আসা সংবাদমূলক বাক্যগুলো পারিভাষিক গুণ (সিফাত) হিসেবে গণ্য হয়, যেমন: {যতক্ষণ পর্যন্ত...

--------------------------------------------

(১) তাঁর কথা: (তাতে) অর্থাৎ: শপথের উত্তর (জওয়াব) বাক্যের ক্ষেত্রে, তদ্রূপ (আ’রাবাহা) ক্রিয়াপদটির মধ্যে থাকা সর্বনামটিও। তবে মক্কী (রহ.) মহান আল্লাহর এই বাণীতে বিভ্রান্তিতে পড়েছেন: {তিনি নিজের ওপর দয়া অবধারিত করেছেন। তিনি অবশ্যই তোমাদেরকে একত্রিত করবেন} [আল-আন'আম: ১২], আর আবু আল-বাকা বিভ্রান্ত হয়েছেন মহান আল্লাহর এই বাণীতে: {আমি তোমাদেরকে কিতাব ও হিকমত থেকে যা কিছু দান করেছি} [আল-ইমরান: ৮১]। এই বিষয়ে বিস্তারিত বিবরণের জন্য ইবনে হিশামের "মুগনি" (পৃ. ৫৩২) গ্রন্থটি দেখুন।

(২) আহমাদ বিন ইয়াহইয়া বিন বাদর আশ-শাইবানী আবু আল-আব্বাস সা'লাব; তিনি কুফাবাসীদের ইমাম ছিলেন, কিরাআতের বিষয়ে তাঁর গভীর জ্ঞান ছিল এবং তিনি ছিলেন একজন প্রমাণযোগ্য (حجة) নির্ভরযোগ্য (ثقة) ব্যক্তিত্ব। তাঁর অনেকগুলো রচনার মধ্যে "আল-ফাসিহ" অন্যতম প্রসিদ্ধ। তিনি ২৯১ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। দেখুন "আল-বুলগাহ" (পৃ. ৬৫)।

(৩) দেখুন "মুগনি" (পৃ. ৫২৯), এবং আল-আজহারীর "শারহু কাওয়াইদিল ইরাব" (পৃ. ৪৯)।

(৪) পার্শ্বটীকা: "এটি সংযোজক অব্যয় (হারফে আতফ), অবস্থা (হাল) প্রকাশক নয়।"
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৭৯)
تُنَزِّلَ عَلَيْنَا كِتَابًا نَقْرَؤُهُ} [الإسراء: 93].

وبعد المعارف المحضة أحوال نحو: {وَلَا تَمْنُنْ تَسْتَكْثِرُ} [المدثر: 6]، ومنها محتملٌ لهما نحو: مررتُ برجلٍ صالح يصلِّي. {وَآيَةٌ لَهُمُ اللَّيْلُ نَسْلَخُ مِنْهُ النَّهَارَ} [يس: 37].
{...আমাদের প্রতি এমন একটি কিতাব অবতীর্ণ করবেন যা আমরা পাঠ করব।} [আল-ইসরা: ৯৩]।

আর বিশুদ্ধ নির্দিষ্ট বিশেষ্য (المعارف المحضة) সমূহের পরবর্তী বাক্যগুলো অবস্থা (أحوال) হিসেবে গণ্য হয়; যেমন: {আর আপনি অধিক পাওয়ার প্রত্যাশায় অনুগ্রহ করবেন না।} [আল-মুদ্দাসসির: ৬]। এর মধ্যে এমন কিছু রয়েছে যা উভয়েরই সম্ভাবনা (محتمل) রাখে; যেমন: আমি একজন সৎ ব্যক্তির পাশ দিয়ে অতিক্রম করলাম যে নামাজ পড়ছিল। {আর তাদের জন্য একটি নিদর্শন (آية) হলো রাত, যা থেকে আমি দিনকে অপসারিত করি।} [ইয়াসিন: ৩৭]।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৮০)
‌‌الباب الثاني

في الظرف والجار والمجرور

وفيه أربع مسائل:

أحدها: لابدَّ من تعليقها بفِعْلٍ أو بما في معناه.

(ش) سكت عن قسم ثالث وهو التَّعلُّق بما أُوّل بمُشْبِه الفعل ذكره في المغني(1)، ومثَّل له بقوله تعالى: {وَهُوَ الَّذِي فِي السَّمَاءِ إِلَهٌ وَفِي الْأَرْضِ إِلَهٌ} [الزخرف: 84]. وذهب ابنا طاهر(2) وخروف(3) والكوفيون إلى أنَّه لا تقدير في نحو: زيد عندك أو في الدار، فقالا: الناصبُ المبتدأ، وزعما أنَّه يرفع الخبر إذا كان عينه، وينصبه إذا كان غيره وأنَّ هذا مذهب سيبويه، وقال الكوفيون: النائب أمْرٌ معنوي وهو كونهما مخالفين للمبتدأ، ولا يُعَوَّل على هذين المذهبين(4).

--------------------------------------------

(1) انظر "مغني اللبيب" (ص 567).

(2) محمد بن أحمد بن طاهر الأنصاري الإشبيلي أبو بكر نحوي مشهور حافظ بارع اشتهر بتدريس الكتاب، وله على الكتاب طرر مدونة اعتمدها تلميذه ابن خروف في شرحه. توفي (580 هـ). انظر "البغية" (1/ 28).

(3) علي بن محمد بن علي بن نظام الدين أبو الحسن ابن خروف الأندلسي كان إمامًا في العربية محققًا مدققًا ماهرًا مشاركًا في الأصول أخذ النحو عن ابن طاهر صنَّف شرح سيبويه، وشرح الجمل ووقع في جبٍّ ليلًا فمات سنة (609 هـ). انظر "البغية" (2/ 203).

(4) راجع "المغني" (ص 566)، و"حاشية الدسوقي" عليه (2/ 87).
‌‌দ্বিতীয় অধ্যায়

যরফ এবং জার-মাজরুর প্রসঙ্গে

এতে চারটি মাসআলা রয়েছে:

প্রথমটি: এগুলোর সংশ্লিষ্টতা অবশ্যই কোনো ক্রিয়া অথবা ক্রিয়ার অর্থ প্রদানকারী কোনো বিষয়ের সাথে হতে হবে।

(ব্যাখ্যা) তিনি তৃতীয় একটি প্রকার সম্পর্কে নীরব থেকেছেন, আর তা হলো—এমন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট হওয়া যা 'ক্রিয়া সদৃশ' হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। তিনি এটি মুগনিল লাবীব গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং এর উদাহরণ হিসেবে মহান আল্লাহর এই বাণী পেশ করেছেন: {তিনিই সেই সত্তা, যিনি আসমানে উপাস্য এবং জমিনে উপাস্য} [আয-যুখরুফ: ৮৪]। ইবনে তাহির, ইবনে খারুফ এবং কুফাবাসীদের অভিমত হলো— 'যাইদুন ইন্দাকা' অথবা 'ফিল দারি'-এর মতো উদাহরণগুলোতে কোনো কিছু উহ্য ধরার প্রয়োজন নেই। তাঁরা উভয়ে বলেন: মুবতাদা-ই হলো নসব প্রদানকারী। তাঁরা দাবি করেন যে, খবরটি যদি মুবতাদার মূল সত্তা হয় তবে তা রফ প্রদান করে এবং ভিন্ন কিছু হলে নসব প্রদান করে; আর এটিই সিবওয়াইহ-এর মতবাদ (مذهب)। কুফাবাসীরা বলেন: আমলকারী বিষয়টি হলো একটি অর্থগত বিষয়, যা হলো উক্ত দুটির মুবতাদার বিপরীত হওয়া। তবে এই দুই মতবাদ (مذهب)-এর ওপর নির্ভর করা হয় না।

--------------------------------------------

(1) মুগনিল লাবীব (পৃ. ৫৬৭) দেখুন।

(2) মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে তাহির আল-আনসারি আল-ইশবিলি আবু বকর; তিনি একজন প্রসিদ্ধ ব্যাকরণবিদ, বিজ্ঞ হাফিজ (حافظ) এবং সুদক্ষ পণ্ডিত ছিলেন। তিনি 'কিতাব' পাঠদানের জন্য প্রসিদ্ধ ছিলেন। উক্ত কিতাবের ওপর তাঁর কিছু টীকা রয়েছে যা তাঁর ছাত্র ইবনে খারুফ নিজ ব্যাখ্যাগ্রন্থে গ্রহণ করেছেন। তিনি ৫৮০ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন আল-বুগইয়াহ (১/২৮)।

(3) আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে নিযামুদ্দিন আবুল হাসান ইবনে খারুফ আল-আন্দালুসি; তিনি আরবি ভাষায় একজন ইমাম (إمام), গবেষক (محقق), সূক্ষ্মদর্শী (مدقق) ও দক্ষ পণ্ডিত ছিলেন এবং উসুল (أصول) শাস্ত্রে তাঁর বিশেষ জ্ঞান ছিল। তিনি ইবনে তাহিরের নিকট নাহু শিক্ষা করেন। তিনি সিবওয়াইহ-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ এবং আল-জুমাল-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ রচনা করেন। এক রাতে তিনি একটি কূপে পড়ে গিয়ে ৬০৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন আল-বুগইয়াহ (২/২০৩)।

(4) মুগনি (পৃ. ৫৬৬) এবং এর ওপর হাশিয়া আদ-দুসুকি (২/৮৭) দেখুন।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৮১)
(م) وقد اجتمعا في قوله تعالى: {أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ} [الفاتحة: 7].

(ش) قال في الكشاف: "فإنْ قلتَ: أيُّ فَرْق بين {عَلَيْهِمْ} الأولى والثانية؟

قلتُ: الأولى محلّها النصب على المفعولية، والثانية محلها الرفع على الفاعلية(1).

وقال ذلك؛ لأنَّ النائب عن الفاعل من قبيل الفاعل عنده(2).

* نكتةٌ:

هل يتعلَّقان بالفعل الناقص عند مَنْ زَعَم أنَّه لا يدلُّ على الحدث؟

مَنَع من ذلك [قومٌ] وهم المبرّد والفارسي وابن جنّي والجرجاني(3) وابن بَرهان(4) ثم الشلوبين، والصحيح أنها كلها دالَّةٌ عليه إلا (ليس).

--------------------------------------------

(1) راجع "الكشاف" للزمخشري (1/ 27).

(2) أي: عند الزمخشري.

(3) عبد القاهر بن عبد الرحمن الجرجاني النحوي الإمام المشهور أبو بكر، أخذ النحو عن ابن أخت الفارسي، ولم يأخذ عن غيره لأنه لم يخرج عن بلده، وكان من كبار أئمة العربية والبيان شافعياً، له مؤلفات منها: "المغني في شرح الإيضاح"، "المقتصد"، "الجمل"، "العوامل المائة" وغيرها. مات سنة (471 هـ) وقيل: (474 هـ). راجع "البغية" (2/ 106).

(4) عبد الواحد بن علي بن عمر بن برهان الأسدي النحوي، صاحب العربية واللغة والتواريخ وأيام العرب، قرأ على عبد السلام البصري وكان أول أمره منجّمًا فصار نحويًّا، وكان زاهدًا. مات سنة (456 هـ). راجع "البغية" (2/ 120).
(ম) এবং তারা উভয়ই আল্লাহ তাআলার এই বাণীতে একত্রিত হয়েছে: {যাদেরকে আপনি নেয়ামত দান করেছেন, যারা রাগান্বিত নয়} [আল-ফাতিহা: ৭]।

(শ) 'আল-কাশশাফ' গ্রন্থে বলা হয়েছে: "যদি আপনি বলেন: প্রথম {আলাইহিম} ও দ্বিতীয়টির মধ্যে পার্থক্য কী?

আমি বলব: প্রথমটির স্থান কর্মকারক হিসেবে নসব-এর অবস্থায়, আর দ্বিতীয়টির স্থান কর্তাকারক হিসেবে রফ-এর অবস্থায়(১)।

তিনি এ কথা বলেছেন; কারণ তাঁর মতে নায়েবে ফায়িল (কর্তার স্থলাভিষিক্ত) ফায়িল-এর (কর্তার) পর্যায়ভুক্ত(২)।

* একটি সূক্ষ্ম বিষয়:

যারা মনে করেন যে, অপূর্ণ ক্রিয়া (ফেল নাকেস) কোনো কার্যের নির্দেশ দেয় না, তাদের মতে কি এই দুটি সংশ্লিষ্ট হতে পারে?

একদল আলেম এটিকে নিষেধ করেছেন, তাঁরা হলেন: আল-মুবররাদ, আল-ফারিসি, ইবনে জিন্নি, আল-জুরজানি(৩) এবং ইবনে বুরহান(৪) এরপর আশ-শালুবিন; তবে সঠিক (صحيح) মত হলো, (লাইসা) ব্যতীত এই সবগুলিই এর ওপর দালালত করে।

--------------------------------------------

(১) যামাখশারি বিরচিত 'আল-কাশশাফ' দেখুন (১/২৭)।

(২) অর্থাৎ: যামাখশারির নিকট।

(৩) আব্দুল কাহির বিন আব্দুর রহমান আল-জুরজানি আন-নাহবি, সুপ্রসিদ্ধ ইমাম (إمام) আবু বকর; তিনি আল-ফারিসির ভাগ্নের নিকট নাহু শাস্ত্র শিক্ষা করেন এবং অন্য কারো নিকট শিক্ষা গ্রহণ করেননি কারণ তিনি নিজ শহর ত্যাগ করেননি। তিনি আরবি ভাষা ও বালাগাত শাস্ত্রের শ্রেষ্ঠ ইমামগণের (أئمة) অন্তর্ভুক্ত এবং শাফিঈ মাযহাবের অনুসারী ছিলেন। তাঁর রচিত গ্রন্থাবলির মধ্যে রয়েছে: 'আল-মুগনি ফি শারহিল ইদাহ', 'আল-মুকতাসিদ', 'আল-জুমাল', 'আল-আওয়ামিলুল মা-য়াহ' ইত্যাদি। তিনি ৪৭১ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন, মতান্তরে ৪৭৪ হিজরি। দেখুন: 'আল-বুগইয়াহ' (২/১০৬)।

(৪) আব্দুল ওয়াহিদ বিন আলী বিন উমর বিন বুরহান আল-আসাদি আন-নাহবি; আরবি ব্যাকরণ, অভিধান, ইতিহাস এবং আইয়ামুল আরবের পণ্ডিত। তিনি আব্দুল সালাম আল-বসরি’র নিকট পাঠ গ্রহণ করেন। প্রাথমিক জীবনে তিনি জ্যোতির্বিদ ছিলেন, পরবর্তীতে নাহুবিদ হন এবং তিনি অত্যন্ত নিরাসক্ত ছিলেন। তিনি ৪৫৬ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: 'আল-বুগইয়াহ' (২/১২০)।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৮২)
وهل يتعلقان بفعل المدح والذمّ؟

زعم الفارسي أنّهما يتعلقان بـ (نِعْمَ)، وأباه ابنُ مالك(1).

وهل يتعلقان بأحرف المعاني المشهورة؟(2)

مُنع، وقيل: نَعَم، وفصَّل أبوا الفتح وعليٍّ(3) قالا: إنْ كان نائبًا عن فِعلٍ حُذِفَ جاز نيابةً لا أصالةً، وإلا فلا(4).

(م) ويستثنى من حروف الجرّ أربعةٌ لا تتعلق بشيء وهو: الزائد نحو: {كَفَى بِاللَّهِ شَهِيدًا}.

ولعلَّ نحو قوله:

لعل أبي المغوار منك قريبُ(5)

ولولا كقولك(6):

لولاك في ذا العام لم أحججِ(7)

--------------------------------------------

(1) انظر "المغني" (ص 571)، و"شرح التسهيل" لابن مالك (1/ 218).

(2) في الأصل المخطوط: "وهل يتعلقان بفعل بأحرف … إلخ" والتصويب من المغني.

(3) أي: ابن جني والفارسي.

(4) انظر "شرح الكافيجي لقواعد الإعراب" (ص 222).

(5) هذا العجز لكعب بن سعد الغنوي من قصيدة مشهورة في "الأصمعيات" (ص 96) وصدره: (فقلت ادع أخرى وارفع الصوت جهرةً).

وانظر "أمالي ابن الشجري" (1/ 361).

(6) هكذا في المخطوط والمناسب: "كقوله".

(7) هذا الشطر نسب لعمر بن أبي ربيعة، وللعرجي وليس في ديوانه، ولأعرابي مجهول وصدره: (أومتْ بعينيها من الهودجِ).

راجع "خزانة الأدب" للبغدادي (5/ 333)، و"أمالي ابن الشجري" (1/ 278) و"الإنصاف" (2/ 693).
আর এই দুটি কি প্রশংসা ও নিন্দাসূচক ক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট হয়?

আল-ফারিসি দাবি করেছেন যে, এই দুটি 'নি’মা'-এর সাথে সংশ্লিষ্ট হয়, তবে ইবনে মালিক তা অস্বীকার করেছেন(১)।

আর এই দুটি কি প্রসিদ্ধ অর্থবোধক অব্যয়সমূহের সাথে সংশ্লিষ্ট হয়?(২)

একে নিষিদ্ধ করা হয়েছে; তবে বলা হয়েছে: হ্যাঁ, হয়। আর আবু আল-ফাতহ এবং আলি বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন; তাঁরা বলেছেন: যদি তা কোনো উহ্য ক্রিয়ার স্থলাভিষিক্ত হয়, তবে তা স্থলাভিষিক্ত হিসেবে জায়েয হবে, মৌলিকভাবে নয়; অন্যথায় নয়(৩)।

(ম) অব্যয়সমূহের মধ্য থেকে চারটি অব্যয়কে ব্যতিক্রম হিসেবে ধরা হয় যা কোনো কিছুর সাথে সংশ্লিষ্ট হয় না। সেগুলো হলো: অতিরিক্ত, যেমন: {সাক্ষী হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট}।

এবং 'লা’আল্লা', যেমন কবির উক্তি:

সম্ভবত আবু আল-মিগওয়ার তোমার নিকটবর্তী(৫)

এবং 'লাওলা', যেমন তোমার কথা(৬):

এই বছরে তুমি না থাকলে আমি হজ করতাম না(৭)

--------------------------------------------

(১) আল-মুগনি (পৃ. ৫৭১) এবং ইবনে মালিকের শারহুত তাসহিল (১/২১৮) দেখুন।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "আর এই দুটি কি একটি ক্রিয়ার সাথে অব্যয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট হয়... ইত্যাদি", আর সংশোধনটি আল-মুগনি থেকে নেওয়া হয়েছে।

(৩) অর্থাৎ: ইবনে জিন্নি এবং আল-ফারিসি।

(৪) আল-কাফিজির শারহু কাওয়াইদিল ইরাব (পৃ. ২২২) দেখুন।

(৫) এই চরণের শেষাংশটি আসমায়িয়্যাত-এর (পৃ. ৯৬) একটি প্রসিদ্ধ কাসিদা থেকে কাব বিন সাদ আল-গানাওয়ি-এর। এর প্রথমাংশ হলো: (আমি বললাম, তুমি পুনরায় আহ্বান করো এবং উচ্চস্বরে শব্দ করো)। আরও দেখুন ইবনুল শাজরির আমালি (১/৩৬১)।

(৬) পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, তবে উপযুক্ত হলো: "তাঁর উক্তি"।

(৭) এই পংক্তিটি উমর ইবনে আবি রাবিয়াহ এবং আল-আরিজি-এর প্রতি সম্বন্ধযুক্ত করা হয়েছে, যদিও এটি তাঁর দিওয়ানে নেই। আবার কেউ কেউ একে জনৈক অজ্ঞাত আরব বেদুইনের উক্তি বলেছেন। এর প্রথমাংশ হলো: (সে হাওদা থেকে তার দুই চোখ দিয়ে ইশারা করল)। দেখুন বাগদাদির খিযানাতুল আদাব (৫/৩৩৩), ইবনুল শাজরির আমালি (১/২৭৮) এবং আল-ইনসাফ (২/৬৯৩)।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৮৩)
وكاف التشبيه نحو: زيدٌ كعمرٍو.

(ش) قال في المغني(1): "اللام المقوّية لها منزلةٌ بين المنزلتين، والجرُّ بـ (لولا) قول سيبويه، وتوجيه عدم تعلقها هي و (لعل) لأنَّها بمنزلة الزائدتين لارتفاع ما بعدهما على الابتداء عند الإسقاط". هـ.

(م) المسألة الثانية:

حُكْمُهما بعد المعرفة والنكرة حُكْمُ الجمل ــ فيما تقدّم ــ فيتعيَّن كونهما صفتين صناعيتيْن نحو: رأيتُ طائرًا على غُصْنٍ أو فوق غُصْن، وكونهما حاليْن وذلك في نحو: {فَخَرَجَ عَلَى قَوْمِهِ فِي زِينَتِهِ} [القصص: 79].

وقولك: رأيتُ الهلالَ بين السحاب.

ويحتملان الوجهان(2) وذلك في نحو: هذا ثمرٌ يانعٌ على أغصانه أو فوق أغصانه.

المسألة الثالثة:

متى وقع أحدهما صفةً أو صلةً أو خبرًا أو حالًا تعلَّق بمحذوف وجوبًا تقديره: كائنٌ أو استقرّ.

--------------------------------------------

(1) راجع "مغني اللبيب" (ص 576).

(2) كذا في الأصل المخطوط وهو جائز على لغة من ألزم المثنى الألف، وإن كان الأكثر نصبه بالياء فيقال: ويحتملان الوجهين.
সাদৃশ্য বা উপমার কাফ (كاف التشبيه), যেমন: যায়িদ আমরের মতো।

(শ) মুগনি গ্রন্থে বলা হয়েছে(১): "শক্তিশালীকারী লাম (اللام المقوّية)-এর অবস্থান দুই পর্যায়ের মাঝামাঝি। 'লাওলা' (لولا)-এর মাধ্যমে যের প্রদান (الجر) করা ইমাম সিবওয়াইহ-এর অভিমত। এটি এবং 'লাআল্লা' (لعل)-এর কোনো কিছুর সাথে সংশ্লিষ্ট না হওয়ার কারণ হলো, এগুলো অতিরিক্ত (الزائدتين) বর্ণদ্বয়ের সমপর্যায়ের; কারণ এগুলো বাদ দিলে পরবর্তী শব্দটি প্রারম্ভিকতা (الابتداء) হিসেবে পেশযুক্ত থাকে।" সমাপ্ত।

(ম) দ্বিতীয় মাসআলা:

নির্দিষ্ট বিশেষ্য (المعرفة) এবং অনির্দিষ্ট বিশেষ্য (النكرة)-এর পরে এগুলোর বিধান হলো বাক্যসমূহ (الجمل)-এর বিধানের মতো—যা ইতিপূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে। সুতরাং বাক্যগঠনগতভাবে এ দুটি বিশেষণ (صفتين) হওয়া নির্ধারিত, যেমন: "আমি একটি পাখিকে ডালের উপরে বা ডালের উপরস্থ দেখেছি।" আর অবস্থা (حالين) হওয়া নির্ধারিত, যেমন আল্লাহর বাণী: "অতঃপর সে তার সম্প্রদায়ের সামনে জাঁকজমক সহকারে বের হলো" [কাসাস: ৭৯]।

এবং আপনার উক্তি: "আমি মেঘের মাঝে নতুন চাঁদ দেখেছি।"

আর এই দুটির ক্ষেত্রে উভয় অবস্থা (الوجهان) হওয়ার সম্ভাবনা থাকে(২), যেমন: "এটি তার ডালসমূহের ওপর পরিপক্ক ফল।"

তৃতীয় মাসআলা:

যখন এগুলোর কোনো একটি বিশেষণ (صفة), সংযোজক (صلة), সংবাদ (خبر) অথবা অবস্থা (حال) হিসেবে পতিত হয়, তখন তা আবশ্যিকভাবে একটি উহ্য (محذوف) শব্দের সাথে সংশ্লিষ্ট হয়; যার সম্ভাব্য রূপ হলো: 'বিদ্যমান' (كائنٌ) বা 'স্থির হয়েছে' (استقرّ)।

--------------------------------------------

(১) দ্রষ্টব্য: মুগনি আল-লাবিব (পৃষ্ঠা ৫৭৬)।

(২) মূল পাণ্ডুলিপি (المخطوط)-তে এভাবেই রয়েছে। এটি তাদের ভাষায় বৈধ যারা দ্বিবচন (المثنى)-কে সর্বদা আলিফ সহযোগে ব্যবহার করেন, যদিও অধিকাংশের মতে একে ইয়া সহযোগে নসব বা জবর প্রদান (نصبه) করে বলা অধিক প্রচলিত; এমতাবস্থায় বলা হবে: 'উভয় সম্ভাবনা বিদ্যমান' (ويحتملان الوجهين)।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৮৪)
(ش) قال ابن يعيش(1): صرَّح ابن جنّي(2) بجواز إظهار متعلّق الظرف الواقع خبرًا، قال في المغني(3): "وعندي أنّه إذا حُذف فنقل ضميره إلى الظرف لم يجز إظهاره لأنّه صار أصلًا". اهـ.

(م) إلّا الصلة فيجب تقديره (استقرّ).

(ش) يبقى أربعةٌ من الثمانية التي يتعلقان فيها بمحذوف:

أوّلها: أنْ يرفعا الاسمَ الظاهر.

ثانيها: أنْ يستعمل المتعلق محذوفًا نحو: (حينئذٍ، والآن). لِمنْ ذكر أمرًا تقادم عَهْدُه أي: كان ذلك حينئذٍ، واسمعِ الآن.

ثالثُها: أن يكون المتعلّق محذوفًا على شريطة التفسير، نحو: (يوم الجمعة صُمْتُ فيه).

رابعها: القَسَمُ بغير الباء، والقسم كالصلة في وجوب كونه: استقرَّ.

* تنبيهٌ:

قال ابن يعيش: "إنما لم يجز في الصفةِ أنْ يقال في نحو: (جاء الذي في

--------------------------------------------

(1) أبو البقاء يعيش بن علي بن يعيش موفق الدين الحلبي الإمام المعروف شارح المفصل، ولد سنة (553 هـ)، وقرأ النحو بحلب وسمع الحديث على التكريتي، ورحل إلى بغداد، وكان من كبار أئمة العربية ماهرًا في النحو والتصريف، مات سنة (643 هـ). انظر "البغية" (2/ 351).

(2) في الأصل المخطوط: "ابن مالك" وهو خطأ ظاهر فابن يعيش متقدم على ابن مالك، وصوابه "ابن جني" كما في شرح المفصَّل (1/ 91).

(3) راجع "مغني اللبيب" (ص 582).
(শ) ইবন ইয়াইশ(১) বলেন: ইবন জিন্নি(২) খবর হিসেবে অবস্থিত যরফের সংশ্লিষ্ট অংশ প্রকাশ করা বৈধ হওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট মত ব্যক্ত করেছেন। তিনি ‘আল-মুগনি’(৩) গ্রন্থে বলেন: "আমার মতে, যখন একে বিলুপ্ত করা হয় এবং এর সর্বনাম যরফের দিকে স্থানান্তরিত হয়, তখন একে আর প্রকাশ করা বৈধ নয়; কারণ এটিই তখন মূলে পরিণত হয়।" সমাপ্ত।

(ম) তবে সিলার ক্ষেত্রে ‘ইস্তাকাররা’ হিসেবে এর উহ্য মানা আবশ্যক।

(শ) আটটি ক্ষেত্রের মধ্যে বাকি চারটি ক্ষেত্র এমন যাতে সংশ্লিষ্ট শব্দ দুটি উহ্য থাকে:

প্রথমত: যখন তারা ইসমে জাহিরকে রাফা প্রদান করে।

দ্বিতীয়ত: যখন সংশ্লিষ্ট শব্দটি উহ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেমন: (হিনায়িজিন এবং আল-আন)। এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে যে কোনো অতিবাহিত বিষয়ের উল্লেখ করছে, অর্থাৎ: তা সেই সময়ে (হিনায়িজিন) ছিল, এবং এখন (আল-আন) শোনো।

তৃতীয়ত: যখন সংশ্লিষ্ট শব্দটি ব্যাখ্যার শর্তে উহ্য থাকে, যেমন: (জুমার দিন আমি তাতে রোজা রেখেছি)।

চতুর্থত: ‘বা’ হরফ ব্যতীত অন্য শব্দ দিয়ে শপথ করা। শপথের ক্ষেত্রে সিলার মতোই ‘ইস্তাকাররা’ উহ্য থাকা আবশ্যক।

* সতর্কতা:

イবন ইয়াইশ বলেন: "সিফাতের ক্ষেত্রে কেন এমন বলা বৈধ নয়, যেমন: (জায়াল্লাযি ফি...

--------------------------------------------

(১) আবু আল-বাকা ইয়াইশ বিন আলী বিন ইয়াইশ মুওয়াফফাকুদ্দিন আল-হালাবি; সুপরিচিত ইমাম এবং ‘শারহুল মুফাসসাল’ এর ভাষ্যকার। তিনি (৫৫৩ হিজরি) সনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আলেপ্পোতে নাহু পাঠ করেন এবং আল-তিকরিতির নিকট হাদিস শ্রবণ করেন। তিনি বাগদাদে সফর করেন। তিনি আরবি ভাষার বড় ইমামদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং নাহু ও তাসরিফশাস্ত্রে অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন। তিনি (৬৪৩ হিজরি) সনে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: "আল-বুগইয়াহ" (২/৩৫১)।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে "ইবন মালিক" রয়েছে, যা একটি স্পষ্ট ভুল; কারণ ইবন ইয়াইশ ইবন মালিকের চেয়ে অগ্রবর্তী। এর সঠিক পাঠ হলো "ইবন জিন্নি", যেমনটি শারহুল মুফাসসাল (১/৯১) গ্রন্থে রয়েছে।

(৩) দেখুন: "মুগনি আল-লাবিব" (পৃ. ৫৮২)।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৮৫)
الدار) بتقدير: مستقر على أنَّه خبر لمحذوفٍ على حدِّ قراءة بعضهم: {تَمَامًا عَلَى الَّذِي أحسَنُ}(1) [الأنعام: 154] بقِلَّة ذلك واطّراد هذا(2).

وكذا يجب في الصفة في نحو: (رَجُلٌ في الدار فَلَهُ درهمٌ).

لأنَّ الفاء تجوز في نحو: رَجُلٌ يأتيني فله درهم، ويمتنع رَجُلٌ صالح فله درهم.

واعلم أنَّه اخْتُلف في الصفة والحال والخبر.

والأكثرون على تقدير الفعل لأنَّه الأصل في العمل، فطائفةٌ قدروا الوصف تمسكًا بأنَّ الأصل في الثلاثة الإفراد، وبأنَّ الفعل منها لابدَّ من تقديره بالوصف، وطائفةٌ أجازوا الأمريْن على السواء.

وطائفة رجَّحت الوصف(3).

وما تُمسِّك به كذلك من الفعل أو الاسم قيل: علَّتُه أنَّه ليس بشيء؛ لأنَّ

--------------------------------------------

(1) برفع نون (أحسن) وهي قراءة شاذة نسبت ليحيى بن يعمر وابن أبي إسحاق والحسن والأعمش، وانظر توجيهها والكلام عليها في كتاب إعراب القراءات الشواذ للعكبري (1/ 523).

(2) راجع "المغني" (ص 583).

(3) في الأصل المخطوط بعد كلمة الوصف: "وطائفة" والكلام لا يستقيم بها. وهذه العبارة الأخيرة: "وطائفة رجحت الوصف" لعلها تكرار.

راجع المسألة والأقوال فيها في مغني اللبيب (ص 583)، و"شرح الكافيجي لقواعد الإعراب" (ص 246)، و"شرح القوجوي لقواعد الإعراب" (ص 75)، و"العقد الوسيم في أحكام الجار والمجرور والظرف" للأخفش اليمني (ص 65).
(الدار) শব্দটি মূলত 'স্থির' (مستقر) শব্দটিকে উহ্য মানার ভিত্তিতে; যা একটি উহ্য পদের খবর (خبر) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি কতিপয় ইমামের এই পাঠরীতি বা কিরাত (قراءة)-এর সদৃশ: {تَمَامًا عَلَى الَّذِي أحسَنُ}(১) [আল-আনআম: ১৫৪]। তবে এই প্রয়োগটি বিরল হলেও আলোচ্য বিষয়টি ব্যাকরণিক নিয়মে সুপ্রতিষ্ঠিত(২)।

অনুরূপভাবে, বিশেষণ (صفة) হওয়ার ক্ষেত্রেও এটি আবশ্যক, যেমন: (رَجُلٌ في الدار فَلَهُ درهمٌ) [বাড়িতে অবস্থানরত জনৈক ব্যক্তি, যার জন্য এক দিরহাম রয়েছে]।

কেননা 'ফা' (الفاء) এর ব্যবহার এই জাতীয় বাক্যে বৈধ: (رَجُلٌ يأتيني فله درهم) [যে ব্যক্তি আমার কাছে আসবে, তার জন্য এক দিরহাম], কিন্তু (رَجُلٌ صالح فله درهم) [একজন সৎ ব্যক্তি, তার জন্য এক দিরহাম]—এরূপ বলা নিষিদ্ধ।

জেনে রাখুন যে, বিশেষণ (صفة), হাল (حال) এবং খবর (خبر)-এর ক্ষেত্রে (উহ্য পদটি কী হবে তা নিয়ে) মতভেদ রয়েছে।

অধিকাংশের মতে, এখানে ক্রিয়া (فعل) উহ্য মানতে হবে; কারণ আমল বা প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে এটিই মূল ভিত্তি। একদল আলেম বিশেষণাত্মক শব্দ (وصف) উহ্য মানার পক্ষে মত দিয়েছেন এই যুক্তিতে যে, এই তিনটির (خبر, صفة, حال) ক্ষেত্রে মূল হলো একবচন (إفراد) হওয়া, এবং ক্রিয়া (فعل)-কে অবশ্যই বিশেষণাত্মক শব্দ (وصف) হিসেবেই ব্যাখ্যা করতে হয়। অন্য একদল আলেম উভয়টিকেই সমানভাবে বৈধ বলেছেন।

আর একদল আলেম বিশেষণাত্মক শব্দ (وصف)-কেই প্রাধান্য দিয়েছেন(৩)।

একইভাবে ক্রিয়া (فعل) বা বিশেষ্য (اسم) থেকে যা দলিল হিসেবে পেশ করা হয়েছে, সে সম্পর্কে বলা হয়েছে যে: এর কারণ হলো এটি কোনো ধর্তব্য বিষয় নয়; কারণ...

--------------------------------------------

(১) 'আহসানু' (أحسن) শব্দের নূন অক্ষরে পেশ দিয়ে পড়া। এটি একটি শায কিরাত (قراءة شاذة) যা ইয়াহইয়া ইবনে ইয়ামুর, ইবনে আবি ইসহাক, হাসান বসরী এবং আমাশ (রহ.)-এর দিকে নিসবত করা হয়। এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা ও এর বিশ্লেষণ দেখুন আল-উকবরি রচিত 'ইরাবুল কিরাত আশ-শাযযাহ' (১/ ৫২৩)।

(২) দেখুন: "আল-মুগনি" (পৃষ্ঠা ৫৮৩)।

(৩) মূল পাণ্ডুলিপিতে 'আল-ওয়াসফ' শব্দের পর 'ওয়া তয়িফাতুন' শব্দটি রয়েছে যা বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। সম্ভবত শেষের এই বাক্যটি: "ওয়া তয়িফাতুন রাজ্জাহাতুল ওয়াসফ" পূর্বের কথার পুনরাবৃত্তি মাত্র।

এই মাসআলা এবং এ সংক্রান্ত মতামতগুলো দেখুন: মুগনি আল-লাবিব (পৃষ্ঠা ৫৮৩), কাফিয়াজি রচিত 'শারহু কাওয়ায়িদিল ইরাব' (পৃষ্ঠা ২৪৬), আল-কুজাওয়ি রচিত 'শারহু কাওয়ায়িদিল ইরাব' (পৃষ্ঠা ৭৫) এবং আখফাশ ইয়ামানি রচিত 'আল-ইকদ আল-ওয়াসিম ফি আহকামিল জারি ওয়াল মাজরুর ওয়াজ জারফ' (পৃষ্ঠা ৬৫)।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৮৬)
ذلك يختلف بحسب المقام.

قلتُ(1): وفي هذا نَظَرٌ وَجْههُ أنَّهم تمسكوا بما هو مِنْ مبحوثاتهم وسكتوا عن غيره؛ إذْ لا تعلُّق لهم به فافْهَمْ. اهـ.

(م) المسألة الرابعة:

إذا وقع أحدهما صفة أو صلة أو خبرًا أو حالًا أو معتمدًا على النفي أو الاستفهام جَاز رَفْعُه للفاعل نحو قوله تعالى: {أَوْ كَصَيِّبٍ مِنَ السَّمَاءِ فِيهِ ظُلُمَاتٌ} [البقرة: 19].

(ش) اعلم أنَّ النُّحاة اختلفوا في هذا المرفوع على ثلاثة مذاهب(2):

أحدها: أنَّ الأرجح كونه مبتدأً مُخْبرًا عنه بأحدهما.

الثاني: عكسُه اختاره ابن مالك؛ لأنَّ الأصل عدمُ التقديم والتأخير.

الثالث: وجوب كونه فاعلًا، وهل عاملُه أحدهما للنيابة عن استخدام الفعل أمْ هو العامل؟

فيه مذهبان قال في المغني: "والمختار الثاني لدليلين:

أحدهما: امتناع تقديم الحال في نحو: زيدٌ في الدار جالسًا، ولو كان

--------------------------------------------

(1) لا أدري إنْ كان القائل ابن جماعة أم المعلمي؛ إذْ إنّ الكلام السابق كله مستفاد من المغني حيث لخّصه ابن جماعة وهذا التعقيب فيه ردٌّ على ابن هشام القائل باعتبار المعنى أو المقام في التقدير، وهو من جنس فن البلاغة ولا دخل له في الصناعة النحوية التي تمسك بها النحاة.

(2) راجع المغني (ص 578).
এটি প্রেক্ষিত (مقام) অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন হয়।

আমি বলছি(১): আর এতে পর্যালোচনার অবকাশ (نظر) রয়েছে; যার কারণ হলো তাঁরা তাঁদের গবেষণার বিষয়বস্তু (مبحوثات) সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আঁকড়ে ধরেছেন এবং অন্যগুলো সম্পর্কে নীরব থেকেছেন; যেহেতু সেগুলোর সাথে তাঁদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই, সুতরাং বিষয়টি অনুধাবন করুন। সমাপ্ত।

(ম) চতুর্থ মাসআলা:

যদি ঐ দুটির কোনো একটি বিশেষণ (صفة) বা সংযোজক (صلة) বা বিধেয় (خبر) বা অবস্থা (حال) হিসেবে আসে অথবা না-বোধক (نفي) কিংবা প্রশ্নবোধক (استفهام) শব্দের ওপর নির্ভরশীল হয়, তবে কর্তাকে (فاعل) রফ্ (رفع) প্রদান করা জায়েজ। যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {অথবা আকাশের বৃষ্টিধারার ন্যায়, যাতে রয়েছে ঘন অন্ধকার} [আল-বাকারা: ১৯]।

(শ) জেনে রাখুন যে, এই রফ্-যুক্ত শব্দের (مرفوع) ব্যাপারে বৈয়াকরণগণ তিনটি মতবাদের (مذاهب) ওপর মতভেদ করেছেন(২):

প্রথমটি: অধিকতর গ্রহণযোগ্য (أرجح) মত হলো এটি মুক্তাদা (مبتدأ) হওয়া, যার সংবাদ (مخبر عنه) ঐ দুটির কোনো একটির মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে।

দ্বিতীয়টি: এর বিপরীত, যা ইবনে মালিক পছন্দ করেছেন; কারণ মূল নিয়ম (الأصل) হলো আগে-পিছে (التقديم والتأخير) না হওয়া।

তৃতীয়টি: এটি কর্তা (فاعل) হওয়া ওয়াজিব (وجوب); আর এর আমলকারী (عامل) কি ক্রিয়ার (فعل) ব্যবহারের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার কারণে ঐ দুটির কোনো একটি, নাকি সেটিই আমলকারী?

এ বিষয়ে দুটি মতবাদ (مذهبان) রয়েছে। আল-মুগনী গ্রন্থে বলা হয়েছে: "দুটি দলিলের ভিত্তিতে দ্বিতীয়টিই মনোনীত (مختار):

প্রথমটি: যেমন: 'জায়েদ ঘরে বসা অবস্থায় আছে' বাক্যে হাল (حال)-কে আগে নিয়ে আসা অসম্ভব (امتناع); যদি সেটি...

--------------------------------------------

(১) আমি জানি না বক্তা ইবনে জামাআ নাকি আল-মুয়াল্লিমী; যেহেতু পূর্বোক্ত সকল কথা আল-মুগনী থেকে গৃহীত যা ইবনে জামাআ সংক্ষেপ করেছেন। আর এই মন্তব্যটি ইবনে হিশামের বক্তব্যের খণ্ডন (رد), যিনি অনুমিত বাক্যে (تقدير) অর্থ বা প্রেক্ষিতকে (مقام) ধর্তব্য মনে করেন। এটি অলঙ্কারশাস্ত্রের (البلاغة) অন্তর্ভুক্ত, যার সাথে বৈয়াকরণদের অনুসৃত ব্যাকরণিক রীতির (الصناعة النحوية) কোনো সম্পর্ক নেই।

(২) দেখুন: আল-মুগনী (পৃ. ৫৭৮)।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৮৭)
العاملُ الفعلَ لم يمتنع"(1).

فإذا لم يعتمد(2) فالأخفش والكوفيون يجيزون الوجهين(3).

--------------------------------------------

(1) لم يذكر الدليل الثاني وهو في المغني حيث قال ابن هشام: "ولقوله:

فإنَّ فؤادي عندك الدهرَ أجمعُ

فأكَّد الضمير المستتر في الظرف، والضمير لا يستتر إلا في عامله". راجع "المغني" (ص 579).

(2) أي: الظرف والجار والمجرور على الاستفهام.

(3) والجمهور يوجبون الابتداء. راجع "المغني" (ص 579).
আমিল (العامل) অথবা ক্রিয়া (الفعل) হলে তা অসম্ভব নয়"(১)।

অতঃপর যখন এটি কোনো কিছুর ওপর নির্ভরশীল (يعتمد) হয় না(২), তখন আল-আখফাশ এবং কুফীগণ উভয় পদ্ধতিকেই বৈধ (يجيزون) মনে করেন(৩)।

--------------------------------------------

(১) তিনি দ্বিতীয় দলিলটি উল্লেখ করেননি যা মুগনি গ্রন্থে বিদ্যমান, যেখানে ইবনে হিশাম বলেছেন: "এবং তাঁর এই বাণীর কারণে: কারণ আমার হৃদয় সর্বদা আপনার কাছেই থাকে। এখানে যরফের (الظرف) মধ্যে লুকায়িত (المستتر) সর্বনামের (الضمير) ওপর তাকিদ প্রদান করা হয়েছে, আর সর্বনাম কেবলমাত্র তার আমিল বা কারক-প্রদানকারীর (عامله) মাঝেই লুকায়িত থাকে।" দেখুন: মুগনি (পৃ. ৫৭৯)।

(২) অর্থাৎ: যরফ (الظرف) এবং জার ও মাজরুর (الجار والمجرور) যখন প্রশ্নবোধকতার (الاستفهام) ওপর নির্ভর করে আসে।

(৩) আর জুমহুর (الجمهور) বা সংখ্যাগুরু বিশেষজ্ঞগণ ইবতিদা (الابتداء) বা প্রারম্ভিক হওয়াকে আবশ্যক (يوجبون) মনে করেন। দেখুন: মুগনি (পৃ. ৫৭৯)।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৮৮)
(م)‌‌ الباب الثالث

فيما يقال عند ذِكْر أدواتٍ يكثر دورها في الكلام

وهي خمس وعشرون:

فيقال في الواو: حرف عَطْف لمطلق الجمع.

وفي الفاء: حرف عَطْفٍ للترتيب والتعقيب.

(ش) اعلم أنَّ الفاء المفردة مهملةٌ خلافًا(1) لبعض الكوفيين في قولهم: إنها ناصبة في نحو: ما تَأْتينا فَتُحدِّثَنَا، وللمبرّد في قوله: إنّها خافضةٌ في نحو:

فَمِثْلِكِ حُبْلى ...........(2)

وقال الفراء: لا تفيد الترتيب مع قوله: إنَّ الواو تفيده ــ وهو عجيبٌ ــ وقال الجرمي(3): لا تفيده في البقاع والأمطار(4).

--------------------------------------------

(1) انظر المذاهب والأقوال في حرف (الفاء) في "المغني" (ص 213)، و"الجنى الداني" للمرادي (ص 61).

(2) هذا جزء من صدر بيت لامرئ القيس من معلقته المشهورة وتمامه:

فمثلك حبلى قد طرقت ومرضع … فألهيتها عن ذي تمائم محول

راجع "شرح القصائد السبع الطوال" للأنباري (ص 39).

(3) صالح بن إسحاق أبو عمر الجرمي مولاهم، وقيل مولى لبجيلة، إمام في النحو، ناظر الفراء ببغداد أخذ عن الأخفش وغيره، عالم دين ورع له مصنفات منها كتاب الفرخ مات سنة (225 هـ). انظر "البلغة" (ص 113).

(4) في الأصل المخطوط: "الأقطار"، وتصويبها من مغني اللبيب (ص 214) حيث مثّل عليها بقوله: "مطرنا مكان كذا فمكان كذا" ثم شرحه. وانظر أيضًا "حاشية الدسوقي" (1/ 173).
(ম)‌‌ তৃতীয় অধ্যায়

কথাবার্তায় অধিক ব্যবহৃত অব্যয়সমূহ (أدوات) উল্লেখ করার সময় যা বলা হয়

সেগুলো পঁচিশটি:

‘ওয়াও’ (و)-এর ক্ষেত্রে বলা হয়: এটি নিছক সমষ্টির (الجمع) জন্য সংযোজক অব্যয় (عطف)।

আর ‘ফা’ (ف)-এর ক্ষেত্রে: এটি ক্রম (الترتيب) ও বিলম্বহীনতা (التعقিব) বুঝানোর জন্য সংযোজক অব্যয় (عطف)।

(শ) জেনে রাখুন যে, একক ‘ফা’ (ف) আমলহীন (مهملة), যা কিছু কুফাবাসীর মতের পরিপন্থী(১); তাদের মতে এটি ‘নসব প্রদানকারী’ (ناصبة), যেমন: ‘মা তাতিনা ফাতুহাদ্দিসানা’ (তুমি আমাদের কাছে আসো না যে আমাদের সাথে কথা বলবে) বাক্যে। আর মুবররাদের মতের পরিপন্থী এই অর্থে যে, তিনি একে ‘জর প্রদানকারী’ (خافضة) বলেন, যেমন:

‘ফামিসলিকি হুবলা...’ ...........(২)

ফাররা বলেন: এটি ক্রম (الترتيب) প্রকাশ করে না, অথচ তিনি বলেন যে ‘ওয়াও’ (و) তা প্রকাশ করে—আর এটি আশ্চর্যজনক। আর জারমি(৩) বলেন: স্থান ও বৃষ্টির(৪) বর্ণনায় এটি তা (ক্রম) প্রকাশ করে না।

--------------------------------------------

(১) মুগনী (পৃ. ২১৩) এবং মুরাদির আল-জানা আদ-দানি (পৃ. ৬১)-তে ‘ফা’ (ف) বর্ণ সম্পর্কে বিভিন্ন মাযহাব ও মতামত দেখুন।

(২) এটি ইমরুল কায়সের প্রসিদ্ধ মুআল্লাকার একটি পঙক্তির প্রথমাংশ, যার পূর্ণরূপ হলো: ‘ফামিসলিকি হুবলা কদ তরাকতু ওয়া মুরদিইন … ফাআলহাইতুহা আন জি তামা-ইমা মুহউয়ালি।’ আম্বারির শারহুল কাসাইদ আস-সাবআ আত-তিওয়াল (পৃ. ৩৯) দেখুন।

(৩) সালিহ বিন ইসহাক আবু আমর আল-জারমি, তাদের মুক্তদাস, বলা হয় তিনি বাজিলার মুক্তদাস ছিলেন; তিনি নাহু শাস্ত্রের ইমাম। বাগদাদে তিনি ফাররার সাথে বিতর্ক করেছেন। তিনি আখফাশ ও অন্যান্যদের নিকট থেকে জ্ঞান অর্জন করেছেন। তিনি একজন দ্বীনদার ও পরহেজগার আলেম ছিলেন। তাঁর রচিত গ্রন্থাবলির মধ্যে কিতাবুল ফারখ অন্যতম। তিনি ২২৫ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। আল-বুলগাহ (পৃ. ১১৩) দেখুন।

(৪) মূল পাণ্ডুলিপিতে ‘আল-আকতার’ (অঞ্চলসমূহ) ছিল, মুগনী আল-লাবীব (পৃ. ২১৪) থেকে এটি সংশোধন করে ‘আল-আমতার’ (বৃষ্টিসমূহ) করা হয়েছে। সেখানে লেখক উদাহরণ দিয়ে বলেন: ‘আমাদের এখানে অমুক স্থানে বৃষ্টি হয়েছে এরপর অমুক স্থানে’ এবং এরপর এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আরও দেখুন হাসিয়াতুদ দাসুকি (১/১৭৩)।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৮৯)
(م) وفي (ثُم): حرف عَطْفٍ للترتيب والمهلة.

(ش) زعم الكوفيون أنَّ التشريك قد يتخلف(1) وذلك بعد وقوعها زائدة، وزعم فريقٌ أنَّ الترتيبَ لا يكون مقتضاها، وزعم الفراءُ أن المهلةَ قد تتخلف(2)، اهـ.

(م) وفي (قد): حرف تحقيق وتوقُّعٍ وتقليل.

(ش) قد: حرفيَّةٌ واسميّةٌ.

والاسميّةُ إمّا اسمُ فِعْل مرادفٌ لِحَسْب، وهي مبنيَّةٌ وقد تُعْرب.

* تنبيهٌ:

لا تجيء (قَدْ) لمعانيها الثلاثة جُملةً، وإنّما مراده أنَّها تجيء تارةً لهذا، وتارةً لهذا، وكذلك غيرها ممَّا سيُذكر. اهـ.

(م) وفي السين وسوف حَرفُ استقبال(3)، وهو خيرٌ مِنْ قول كثيرٍ: "حرف تنفيس".

(ش) وليس السين مُنْقطعًا عن سوف(4)، ولا مُدَّة الاستقبال أضيقَ

--------------------------------------------

(1) في المخطوط: "يختلف" والتصويب من "المغني" (ص 158).

(2) راجع "المغني" (ص 158)، و"الجنى الداني" (ص 427).

(3) هي عبارة الزمخشري في المفصل وغيره من النحاة. راجع شرح المفصل لابن يعيش (8/ 148).

(4) هكذا بالأصل (ومنقطع) وُجدت بالرفع، وفي "المغني" (ص 184): "وليس مقتطعًا من سوف … ".
(ম) এবং 'সুম্মা' প্রসঙ্গে: এটি ধারাবাহিকতা ও বিরতি জ্ঞাপক একটি সংযোজক অব্যয়।

(শ) কুফী ব্যাকরণবিদগণ মনে করেন যে, কখনো কখনো অংশীদারিত্বের অর্থটি অনুপস্থিত থাকতে পারে(১) আর তা যখন এটি অতিরিক্ত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। একদল মনে করেন যে, ধারাবাহিকতা এর আবশ্যিক দাবি নয়। আল-ফাররা মনে করেন যে, বিরতির অর্থটি কখনো অনুপস্থিত থাকতে পারে(২)। সমাপ্ত।

(ম) এবং 'কাদ' প্রসঙ্গে: এটি নিশ্চিতকরণ, প্রত্যাশা এবং স্বল্পতা জ্ঞাপক অব্যয়।

(শ) 'কাদ': এটি অব্যয় এবং বিশেষ্য—উভয় রূপেই ব্যবহৃত হয়।

বিশেষ্য হিসেবে এটি 'হাসব' (যথেষ্ট) শব্দের সমার্থক একটি ক্রিয়া-বিশেষ্য; এটি অপরিবর্তনীয় এবং কখনো কখনো বিভক্তিযুক্ত হতে পারে।

* সতর্কবার্তা:

'কাদ' এর তিনটি অর্থ একসাথে প্রকাশিত হয় না, বরং এর উদ্দেশ্য হলো এটি কখনো এই অর্থের জন্য আসে, আবার কখনো অন্য অর্থের জন্য। একইভাবে অন্যান্য শব্দগুলোর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য যা পরবর্তীতে উল্লেখ করা হবে। সমাপ্ত।

(ম) এবং 'সীন' ও 'সাওফা' প্রসঙ্গে: এগুলো ভবিষ্যৎকাল জ্ঞাপক অব্যয়(৩); এটি অনেকের ব্যবহৃত পরিভাষা "সম্প্রসারণের অব্যয়" অপেক্ষা অধিক উত্তম।

(শ) 'সীন' শব্দটি 'সাওফা' থেকে বিচ্ছিন্ন কিছু নয়(৪) এবং ভবিষ্যৎকালের ব্যাপ্তিও সংকীর্ণ নয়

--------------------------------------------

(১) পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "ইয়াতালিফ" (পার্থক্য হওয়া), তবে "আল-মুগনি" (পৃষ্ঠা ১৫৮) অনুসারে এটি সংশোধন করা হয়েছে।

(২) দেখুন: "আল-মুগনি" (পৃষ্ঠা ১৫৮), এবং "আল-জানি আদ-দানি" (পৃষ্ঠা ৪২৭)।

(৩) এটি 'আল-মুফাসসাল' গ্রন্থে আয-যামাখশারী এবং অন্যান্য ব্যাকরণবিদদের উক্তি। দেখুন: ইবনে ইয়া'ইশ রচিত 'শারহুল মুফাসসাল' (৮/১৪৮)।

(৪) মূল পাণ্ডুলিপিতে এভাবেই আছে, 'মুনকাতিউন' শব্দটি রফা (পেশ) অবস্থায় পাওয়া গেছে। "আল-মুগনি" (পৃষ্ঠা ১৮৪) তে রয়েছে: "এটি সাওফা থেকে বিচ্ছিন্ন নয়..."।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৯০)
خلافًا للكوفيين في الأول، والبصريين في الثاني.

قال في المغني(1): "واختياره الأول أصحُّ، والثاني باطلٌ لقوة دليلهم". هـ.

(م) وفي (لم) حرف جَزْمٍ لنفي المضارع وقلبه ماضيًا.

(ش) وقد يرتفع قيل: ضرورةً، وقال ابن مالك: لغةٌ، وزَعَم اللحياني(2): أنَّ بعض العرب ينصب بها(3). هـ.

(م) ويزاد في (لمَّا) فيقال: مُتَّصلًا نَفْيُهُ متوقَّعًا ثبوتُه.

(ش) (لمَّا) تفارق (لم)، فـ لمَّا لا تقترن بأداة الشرط ومنفيها مستمر النفي إلى الحال، ومعناها لا يكون إلَّا قريبًا من الحال، منفيُّها متوقّع الثبوت منفيُّها جائز الحذف. اهـ.

(م) وفي (لن) حرف نصب.

(ش) ليس أصله [وأصل](4) (لم) لا فأبدلت الألف نونًا وميمًا خلافًا للفراء(5).

--------------------------------------------

(1) لم أجد هذه العبارة في "المغني" فلينظر فيه.

(2) علي بن مبارك وقيل ابن حازم اللحياني، أخذ عن الكسائي وأبي زيد وأبي عمرو الشيباني والأصمعي وغيرهم له النوادر المشهورة. انظر "البغية" (2/ 185).

(3) راجع "الجنى الداني" (ص 266)، و"المغني" (ص 365).

(4) زيادة أضفتها من "المغني" ليستقيم الكلام.

(5) راجع "المغني" (ص 373).
প্রথমটির ক্ষেত্রে কুফিবাসী এবং দ্বিতীয়টির ক্ষেত্রে বসরবাসীদের মতের পরিপন্থী।

আল-মুগনি গ্রন্থে বলা হয়েছে: "তার প্রথম চয়নটি অধিকতর বিশুদ্ধ (أصح), এবং দ্বিতীয়টি বাতিল (باطل); তাদের দলিলের শক্তির কারণে।" সমাপ্ত।

(ম) আর (لم) সম্পর্কে বলা হয়েছে: এটি অনতীতকালকে নেতিবাচক করার (نفي المضارع) জন্য এবং একে অতীতকালে (ماضيًا) রূপান্তর করার জন্য একটি জাযম প্রদানকারী অক্ষর (حرف جزم)।

(শ) এটি কখনো রফ’ বা পেশযুক্ত (يرتفع) হতে পারে; বলা হয়েছে: কাব্যের প্রয়োজনে (ضرورة), আবার ইবনে মালিক বলেছেন: এটি একটি ভাষা (لغة), আর আল-লিহ্ইয়ানি দাবি করেছেন: কিছু আরব এর দ্বারা নসব বা যবর প্রদান (ينصب) করেন। সমাপ্ত।

(ম) আর (لما)-এর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত আলোচনায় বলা হয়: এর নেতিবাচকতা বর্তমানের সাথে নিরবচ্ছিন্ন (متصلًا) এবং এর সাব্যস্ত হওয়া প্রত্যাশিত (متوقعًا ثبوته)।

(শ) (لما) শব্দটি (لم) থেকে পৃথক, কেননা (لما) শর্তবাচক অব্যয়ের সাথে যুক্ত হয় না এবং এর দ্বারা যা নেতিবাচক করা হয় তা বর্তমান সময় পর্যন্ত প্রলম্বিত থাকে। এর অর্থ বর্তমান সময়ের নিকটবর্তী হওয়া ছাড়া অন্য কিছু হয় না। এর নেতিবাচক বিষয়টি ঘটা প্রত্যাশিত (متوقع الثبوت) এবং এর নেতিবাচক অংশটি বিলুপ্তি বৈধ (جائز الحذف)। সমাপ্ত।

(ম) আর (لن)-এর ক্ষেত্রে: এটি একটি নসব প্রদানকারী অক্ষর (حرف نصب)।

(শ) আল-ফাররা-র মতের পরিপন্থী কথা হলো, এর এবং (لم)-এর মূল 'লা' (لا) নয়, যেখানে আলিফকে নুন এবং মিমে রূপান্তরিত করা হয়েছে।

--------------------------------------------

(১) আমি আল-মুগনি গ্রন্থে এই ইবারতটি খুঁজে পাইনি, তাই বিষয়টি ভেবে দেখা দরকার।

(২) আলি বিন মুবারক, কারো মতে ইবনে হাযম আল-লিহ্ইয়ানি। তিনি আল-কিসায়ি, আবু যায়েদ, আবু আমর আশ-শাইবানি, আল-আসমায়ি এবং অন্যদের নিকট থেকে জ্ঞান অর্জন করেছেন। তার প্রসিদ্ধ 'নাওয়াদির' সংকলন রয়েছে। দেখুন "আল-বুগইয়াহ" (২/১৮৫)।

(৩) দেখুন "আল-জানা আদ-দানি" (পৃ. ২৬৬), এবং "আল-মুগনি" (পৃ. ৩৬৫)।

(৪) বক্তব্যকে সুসংগত করার জন্য আমি আল-মুগনি থেকে এই অংশটি সংযোজন করেছি।

(৫) দেখুন "আল-মুগনি" (পৃ. ৩৭৩)।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৯১)
(م) وفي (إذن) حرف جواب وجزاء.

(ش) هي عند الجمهور حرف وقيل: اسم(1)، والأصل في إذن (إذا كان كذا كان كذا) ثُمَّ حذفت الجملة وعوض التنوين عنها، وعلى القول بالحرفيّة الصَّحيحُ(2) بَساطَتها لا تركُّبها مِن (إذْ) و (أنْ)، وعلى البساطة الصحيح أنَّها الناصبة لا (أنْ) مضمرة بعدها.

وهي تنصب المضارع بشرط تصديرها، واستقباله، واتصالهما وانفصالهما بالقسم أو بـ (لا) النافية.

وأجاز ابنُ عصفور(3) الفصل بالظرف، وابنُ بابشاذ(4) بالنداء والدعاء(5)،

--------------------------------------------

(1) في الأصل المخطوط. "هي عند الجمهور اسمٌ وقيل حرف" والصواب عكس هذا كما في المغني (ص 30)، والجنى الداني (ص 363).

(2) في المخطوط (والصحيح) بالواو، وكذا التي بعدها (والصحيح أنها … إلخ). والتصويب من "المغني" (ص 30).

(3) علي بن مؤمن أبو الحسن ابن عصفور الإشبيلي حامل لواء العربية في زمانه بالأندلس له مؤلفات عديدة منها: الممتع في التصريف، والمقرب، وثلاثة شروح على الجمل. مات سنة (663 هـ). انظر "البغية" (2/ 210).

(4) طاهر بن أحمد بن بابشاذ أبو الحسن المصري العراقي الأصل، كان محرر الكتب الصادرة عن ديوان الإنشاء بمصر، وله في النحو مصنفات حسنة منها: ثلاثة شروح على الجمل، ومقدمة سماها (المحتسب). مات سنة (469 هـ). راجع "البلغة" (ص 116).

(5) في المخطوط: "ويا الدعاء"، والتصويب من المغني (ص 32). و"الجنى الداني" (ص 362)، إذْ فيهما أنَّ ابن بابشاذ أجاز الفصل بالنداء والدعاء نحو: إذْن ــ يغفر الله لك ــ يُدخلَك الجنة، وأمَّا (يا) الدعاء فلم أجده ألبتة.
(ম) এবং (إذن)-এর ক্ষেত্রে, এটি উত্তর (جواب) ও প্রতিদান (جزاء) জ্ঞাপক হরফ।

(শ) জমহুর বা সংখ্যাগরিষ্ঠের নিকট এটি একটি হরফ, এবং বলা হয়েছে: এটি একটি ইসিম(১)। ‘إذن’ এর মূল রূপ ছিল (যদি এমন হয় তবে তেমন হবে), অতঃপর বাক্যটি বিলুপ্ত করে তার পরিবর্তে তানউইন যুক্ত করা হয়েছে। এটি হরফ হওয়ার মতানুসারে সঠিক (صحيح)(২) মত হলো এটি একটি একক শব্দ, এটি (إذ) এবং (أن) এর সমষ্টি নয়। আর একক শব্দ হওয়ার ভিত্তিতে সঠিক (صحيح) মত হলো এটি নিজেই নসব প্রদানকারী (নাসিবাহ), এরপরে ‘أن’ গোপন (مضمر) থাকে না।

এটি মুজারে (বর্তমান ও ভবিষ্যৎকালীন) ক্রিয়াকে নসব প্রদান করে যখন এটি বাক্যের শুরুতে আসে, ক্রিয়াটি ভবিষ্যৎকাল বোঝায় এবং ক্রিয়া ও হরফটির মাঝে কোনো বিচ্ছেদ না ঘটে অথবা কসম বা না-বোধক ‘লা’ (لا) দ্বারা বিচ্ছেদ ঘটে।

ইবনে আসফুর(৩) যরফ (স্থান ও কালবাচক শব্দ) দ্বারা বিচ্ছেদ এবং ইবনে বাশশাদ(৪) নিদা (আহ্বান) ও দুয়া(৫) দ্বারা বিচ্ছেদ হওয়া জায়েয বা বৈধ বলেছেন।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে আছে: "সংখ্যাগরিষ্ঠের নিকট এটি একটি ইসিম এবং বলা হয়েছে এটি হরফ"; কিন্তু সঠিক হলো এর বিপরীত, যেমনটি আল-মুগনি (পৃষ্ঠা ৩০) এবং আল-জনা আদ-দানি (পৃষ্ঠা ৩৬৩)-তে বর্ণিত হয়েছে।

(২) পাণ্ডুলিপিতে ‘ওয়া’ (و) সহযোগে ‘والصحيح’ রয়েছে, এবং পরবর্তী শব্দটিও একইভাবে আছে। সংশোধনটি ‘আল-মুগনি’ (পৃষ্ঠা ৩০) থেকে নেওয়া হয়েছে।

(৩) আলী বিন মুমিন আবু আল-হাসান ইবনে আসফুর আল-ইশবিলি, যিনি আন্দালুসে তাঁর সময়ের আরবি ভাষার প্রধান পণ্ডিত ছিলেন। তাঁর বহু গ্রন্থ রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: আল-মুমতি ফি আত-তাসরিফ, আল-মুকাররাব এবং জুমাল-এর তিনটি শারহ (ব্যাখ্যা)। তিনি ৬৬৩ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দ্রষ্টব্য: "আল-বুগইয়াহ" (২/২১০)।

(৪) তাহির বিন আহমদ বিন বাশশাদ আবু আল-হাসান আল-মিসরি, মূলে তিনি ইরাকি ছিলেন। তিনি মিশরের দিওয়ানুল ইনশা থেকে প্রকাশিত বইপত্রের সম্পাদক ছিলেন। নাহু শাস্ত্রে তাঁর চমৎকার কিছু রচনা রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে: জুমাল-এর তিনটি শারহ এবং একটি ভূমিকা যার নাম ‘আল-মুহতাসিব’। তিনি ৪৬৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দ্রষ্টব্য: "আল-বুলগাহ" (পৃষ্ঠা ১১৬)।

(৫) পাণ্ডুলিপিতে ছিল: "ওয়া-ইয়া আদ-দুয়া", সংশোধনটি আল-মুগনি (পৃষ্ঠা ৩২) এবং আল-জনা আদ-দানি (পৃষ্ঠা ৩৬২) থেকে নেওয়া হয়েছে; কারণ এই দুই কিতাবে উল্লেখ আছে যে, ইবনে বাশশাদ নিদা ও দুয়া দ্বারা বিচ্ছেদ বৈধ বলেছেন, যেমন: ‘إذن — يغفر الله لك — يُدخلَك الجنة’। তবে ‘ইয়া’ (يا) দুয়া হিসেবে আমি কোথাও খুঁজে পাইনি।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৯২)
وهشَامٌ(1): الفَصْلَ بمعمول الفِعْل(2)، والأرجح حينئذٍ عند الكسائي(3) النصب وعند هشام الرفع. هـ

(م) وفي (إذا): ظرفٌ لزمانٍ مستقبل خافضٌ لشرطه منصوبٌ بجوابه(4).

وفي (لو): حرفٌ يقتضي امتناعَ ما يَليه، واسْتلزامه لتاليه، وهو خيرٌ مِنْ: "حرف امتناع لامتناع".

وفي (لمّا) في نحو: لما جاءني زيدٌ أكرمته، حرف وُجودٍ لوجود.

(ش) زَعَمَ الفارسي وأبناء مالك والسرَّاج وجنّي وتبعهم جماعةٌ: أنهَّا ظرف، قال ابن مالك: بمعنى (إذْ)، وقالوا: بمعنى (حين)، وقول ابن مالك حَسَنٌ؛ لأنَّها مختصةٌ بالماضي، وبالإضافة إلى الجملة، وردَّ ابن خروف على مدَّعي الاسميّة بنحو: "لمَّا أكرمتني أمسِ أكرمتك اليوم" لأنَّها إذا قُدِّرت ظرفًا كان عَاملُها الجوابَ والواقع في اليوم لا يكون في أمس(5). هـ.

--------------------------------------------

(1) هشام بن معاوية الضرير أبو عبد الله النحوي الكوفي، أحد أعيان أصحاب الكسائي صنّف "مختصر النحو"، و"الحدود"، و"القياس"، توفي سنة (209 هـ). راجع "البغية" (2/ 328).

(2) وكذا الكسائي يجيزه، وانظر الأقوال في "المغني" (ص 32).

(3) علي بن حمزة أبو الحسن الأسدي مولاهم الكوفي المعروف بالكسائي، الإمام المعلم المقرئ، أخذ القراءة عن حمزة الزيات، وقرأ النحو على معاذ ثم على الخليل، توفي بطوس سنة (189 هـ). راجع البلغة (ص 152).

(4) في المخطوط: "منصوب لجوابه" والتصويب من قواعد الإعراب لابن هشام (ص 8).

(5) راجع "المغني" (ص 369).
এবং হিশাম(১): ক্রিয়ার অনুসঙ্গী (معمول) দ্বারা ব্যবধান করাকে [বৈধ মনে করেন], আর এই ক্ষেত্রে কিসায়ীর(৩) নিকট নসব (النصب) এবং হিশামের নিকট রফ (الرفع) হওয়াই অধিকতর গ্রহণযোগ্য। সমাপ্ত।

(ম) এবং 'ইজা' (إذا) প্রসঙ্গে: এটি ভবিষ্যৎ কাল নির্দেশক বিশেষ্য (ظرف لزمان مستقبل), যা তার শর্তকে (شرط) যের প্রদানকারী (خافض) এবং তার জওয়াব (جواب) দ্বারা নসবপ্রাপ্ত (منصوب)(৪)।

এবং 'লাও' (لو) প্রসঙ্গে: এটি এমন একটি অব্যয় (حرف) যা তার অব্যবহিত পরের বিষয়ের অনুপস্থিতি এবং তার পরবর্তী বিষয়ের জন্য সেটির আবশ্যকতা দাবি করে; আর এই সংজ্ঞাটি "অনুপস্থিতির কারণে অনুপস্থিতি জ্ঞাপক অব্যয়" (حرف امتناع لامتناع) বলার চেয়ে উত্তম।

এবং 'লাম্মা' (لمّا) প্রসঙ্গে, যেমন: "যখন (লাম্মা) যায়েদ আমার নিকট এল, আমি তাকে সম্মান করলাম" - এটি বিদ্যমানতার কারণে বিদ্যমানতা জ্ঞাপক অব্যয় (حرف وجود لوجود)।

(শ) আল-ফারিসি, ইবনে মালিকের পুত্রগণ, আস-সাররাজ এবং জিন্নি দাবি করেছেন এবং একদল তাদের অনুসরণ করেছেন যে: এটি একটি কালবাচক বিশেষ্য (ظرف)। ইবনে মালিক বলেছেন: এটি 'ইজ' (إذ)-এর অর্থে ব্যবহৃত হয়; আর তারা বলেছেন: এটি 'হীন' (حين)-এর অর্থে ব্যবহৃত হয়। ইবনে মালিকের উক্তিটি সুন্দর; কারণ এটি অতীত কালের সাথে এবং বাক্যের (جملة) দিকে সম্বন্ধযুক্ত (إضافة) হওয়ার সাথে সুনির্দিষ্ট। ইবনে খুরুফ যারা এর বিশেষ্য হওয়ার (اسمية) দাবি করেন তাদের খণ্ডন করেছেন এই বলে যে: "যখন (লাম্মা) তুমি গতকাল আমাকে সম্মান করেছিলে, আমি আজ তোমাকে সম্মান করছি", কারণ যদি একে কালবাচক বিশেষ্য (ظرف) হিসেবে গণ্য করা হয়, তবে তার আমেল (عامل) হবে জওয়াবটি (جواب), আর যা আজ সংঘটিত হচ্ছে তা গতকালের মধ্যে হতে পারে না(৫)। সমাপ্ত।

--------------------------------------------

(১) হিশাম ইবনে মুয়াবিয়া আদ-দারির আবু আব্দুল্লাহ আন-নাহবি আল-কুফি, তিনি কিসায়ীর বিশিষ্ট সঙ্গীদের একজন। তিনি 'মুখতাসারুন নাহব', 'আল-হুদুদ' এবং 'আল-কিয়াস' গ্রন্থসমূহ রচনা করেছেন। তিনি ২০৯ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: 'আল-বুগয়াহ' (২/৩২৮)।

(২) একইভাবে কিসায়ীও এটি বৈধ মনে করেন, দেখুন এ সম্পর্কিত অভিমতসমূহ 'আল-মুগনি' (পৃ. ৩২)-তে।

(৩) আলী ইবনে হামজাহ আবু আল-হাসান আল-আসাদি, তাদের মুক্তদাস, আল-কুফি; যিনি কিসায়ী নামে পরিচিত। তিনি ইমাম, শিক্ষক ও ক্বারী। তিনি হামজাহ আয-যাইয়াত থেকে কিরাত গ্রহণ করেন এবং মুয়ায ও পরবর্তীতে খলিলের নিকট নাহব অধ্যয়ন করেন। তিনি ১৮৯ হিজরিতে তুসে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: 'আল-বুলগাহ' (পৃ. ১৫২)।

(৪) পাণ্ডুলিপিতে "منصوب لجوابه" (তার জওয়াবের জন্য নসবপ্রাপ্ত) রয়েছে, তবে ইবনে হিশামের 'কাওয়ায়িদুল ই'রাব' (পৃ. ৮) অনুযায়ী সঠিক পাঠ হবে "منصوب بجوابه" (তার জওয়াব দ্বারা নসবপ্রাপ্ত)।

(৫) দেখুন: 'আল-মুগনি' (পৃ. ৩৬৯)।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৯৩)
(م) وفي نحو لولا زيدٌ لأكرمتك، (لولا) حرف امتناع لوجود.

(ش) المرفوع بعد (لولا) لا فاعلٌ بفعل محذوف، ولا بـ (لولا) لنيابتها عنه، ولا بالأصالة خلافًا لزاعمي ذلك بل رَفْعُه بالابتداء(1) هـ.

(م) وفي (نَعَم): حرف وعيد(2) وتصديق ووعد وإعلام.

(م) وفي (بلى): حَرفٌ لإيجاب النفي.

(ش) (بلى) أصليُّ النفي، وقيل: الأصل (بَلْ) والألف زائدةٌ، وبعض هؤلاء: إنّها للتأنيث(3).

(م) وفي (إذْ) ظرفٌ لما مضى من الزمان.

(ش) زَعَمَ الجمهور أنَّ (إذْ) لا تقع إلا ظرفًا أو مضافًا لا مفعولًا ولا مبدلًا من مفعول، قال في المغني(4): "من الغريب أنَّ الزمخشري(5) قال في قراءة بعضهم: {لَمِن مَنِّ اللهِ على المؤمنين إذ بعث فيهم رسولًا} [آل عمران: 164] أنَّه يجوز أن يكون التقدير: (مَنُّهُ) وأن يكون (إذْ) في محل رفع

--------------------------------------------

(1) انظر "المغني" (ص 359).

(2) لم أجد معنى (الوعيد) ذكر في لفظة (نعم) إلا عند ابن هشام في هذه القواعد الصغرى، وأمَّا المغني له فلم أجده، وكذا الجنى الداني، وكذا شروح القواعد المختلفة، ولم يذكره أحدٌ من النحاة.

(3) انظر "المغني" (ص 153)، و"الجنى الداني" (ص 420).

(4) راجع "المغني" (ص 112).

(5) محمود بن عمر أبو القاسم الزمخشري جار الله إمام اللغة والنحو والبيان، صاحب التصانيف المشهورة كـ"الكشاف" و"أساس البلاغة" و"الفائق" وغيرها، توفي سنة (538 هـ). انظر "البلغة" (ص 220).
(ম) এবং "লওলা যাইদুন লা-আকরামতুকা" (যদি জায়েদ না থাকতো তবে আমি তোমাকে সম্মানিত করতাম) এর ন্যায় বাক্যের ক্ষেত্রে, (লওলা) হলো বিদ্যমানতার কারণে নিবৃত্তির অব্যয় (حرف امتناع لوجود)।

(শ) (লওলা)-এর পরে আসা পেশযুক্ত (المرفوع) শব্দটি কোনো উহ্য ক্রিয়ার (فعل محذوف) কর্তা (فاعل) নয়, এবং (লওলা)-এর কারণেও তা মারফু হয় না—তার স্থলাভিষিক্ত হওয়ার কারণে, আর তা মূলগতভাবেও মারফু নয়, যারা এমন দাবি করেন এটি তাদের পরিপন্থী; বরং এর মারফু হওয়ার কারণ হলো এটি মুবতাদা বা প্রারম্ভিক পদ হিসেবে (بالابتداء) এসেছে(১)।

(ম) এবং (না’আম)-এর ক্ষেত্রে: এটি ধমক বা সতর্কবার্তা (وعيد)(২), সত্যয়ন (تصديق), প্রতিশ্রুতি (وعد) এবং অবহিতকরণের (إعلام) অব্যয়।

(ম) এবং (বালা)-এর ক্ষেত্রে: এটি নেতিবাচকতাকে ইতিবাচক করার অব্যয় (حرف لإيجاب النفي)।

(শ) (বালা) মূলত নেতিবাচকতার জন্য, এবং বলা হয়েছে: এর মূল হলো (বাল) এবং আলিফটি অতিরিক্ত, আর তাদের মধ্যে কেউ কেউ বলেছেন: এটি স্ত্রীলিঙ্গবাচকতার (للتأنيث) জন্য এসেছে(৩)।

(ম) এবং (ইয)-এর ক্ষেত্রে: এটি অতীত কালের জন্য সময়বাচক বিশেষ্য (ظرف)।

(শ) জুমহুর (الجمهور) বা অধিকাংশ আলিমগণের দাবি হলো যে, (ইয) কেবল কালবাচক বিশেষ্য (ظرف) অথবা মুদাফ (مضاف) হিসেবেই ব্যবহৃত হয়; এটি কর্মপদ (مفعول) বা কর্মপদের বদল (مبدل) হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। মুগনি(৪) গ্রন্থে বলা হয়েছে: "এটি আশ্চর্যের বিষয় যে, যামাখশারী(৫) কারও কারও কিরাতে: {লা-মিন মান্নিল্লাহি 'আলাল মু'মিনিনা ইয বা'আসা ফিহিম রাসুলা} [আলি ইমরান: ১৬৪] আয়াতের ক্ষেত্রে বলেছেন যে, এখানে উহ্য শব্দ (মান্নুহু) হওয়া জায়েজ এবং (ইয) শব্দটি রফ-এর স্থানে (في محل رفع) থাকা সম্ভব।

--------------------------------------------

(১) দেখুন "মুগনি" (পৃ. ৩৫৯)।

(২) আমি ইবনে হিশামের এই 'কাওয়াইদ আল-সুগরা' ব্যতীত অন্য কোথাও (না’আম) শব্দের ক্ষেত্রে ধমক (الوعيد) অর্থটি উল্লিখিত হতে দেখিনি। এমনকি তার রচিত 'মুগনি' গ্রন্থেও এটি পাইনি, অনুরূপভাবে 'আল-জনা আল-দানি' এবং 'কাওয়াইদ'-এর বিভিন্ন ব্যাখ্যাগ্রন্থেও এটি পাওয়া যায়নি; কোনো ব্যাকরণবিদও এটি উল্লেখ করেননি।

(৩) দেখুন "মুগনি" (পৃ. ১৫৩), এবং "আল-জনা আল-দানি" (পৃ. ৪২০)।

(৪) পর্যালোচনা করুন "মুগনি" (পৃ. ১১২)।

(৫) মাহমুদ বিন উমর আবুল কাসিম আল-যামাখশারী জারুল্লাহ; তিনি ভাষা, ব্যাকরণ এবং অলঙ্কারশাস্ত্রের ইমাম। তিনি বিখ্যাত গ্রন্থাবলি যেমন "আল-কাশশাফ", "আসাস আল-বালাগাহ", "আল-ফাইক" ইত্যাদির রচয়িতা। তিনি ৫৩৮ হিজরিতে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন "আল-বুলগাহ" (পৃ. ২২০)।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৯৪)
كـ (إذا) من قولك: أَخْطَبُ مَا يكونُ الأميرُ إذا كان قائمًا"(1). اهـ.

(ت)(2) ثُمَّ أطال الشارح في الانتصار للزمخشري على المصنّف وأنَّ سيبويه نصَّ في كتابه أنَّ (إذا وإذْ) ليسا من الظروف اللازمة(3). هـ.

(م) وفي (كلَّا): حرفُ رَدْعٍ وزَجْر ومعنى: (حقًّا).

(ش) الخليل وسيبويه والمبرّد والزجّاج وأكثر البصريين: رَدْعٌ وزَجْر لا غير، وخالفهم الكسائي قال: تجيء بمعنى (حقًّا)، وأبو حاتم(4) بمعنى (ألا) الاستفتاحية وهو أولى(5).

--------------------------------------------

(1) راجع "الكشاف" (1/ 426)، و"الدّر المصون" للحلبي (1/ 250).

(2) هذا الرمز والحرف وجدته قبل قوله: (ثم أطال .. إلخ) ولعله إشارة ولمح للمختصر، إذْ إنَّ هذا الكلام للمعلمي حيث أفاد أن الشارح ــ وهو ابن جماعة ــ أطال في الردّ على ابن هشام وانتصر في المسألة للزمخشري.

(3) بل المنصوص في الكتاب أنهما من الظروف المبهمة غير المتمكنة وهذا معنى اللزوم فيهما وهو الذي يقال في مثلهما: الظرف غير المتصرف أي لا يقع فاعلًا ولا مفعولًا ولا مبتدأ، وهو قول الجمهور خلافًا لبعضهم.

راجع "الكتاب" لسيبويه (3/ 285)، و"الجنى الداني" (ص 187)، و"الهمع" (3/ 172).

(4) سهل بن محمد بن عثمان أبو حاتم السجستاني إمام في النحو واللغة وعلوم القرآن والشعر، ومصنفاته جليلة فاخرة، وكان إمام جامع البصرة، مات سنة (255 هـ) وقيل غير ذلك. راجع "البلغة" (ص 109).

(5) قال ابن هشام في المغني ــ بعد ذكر قول الكسائي وأبي حاتم والنضر بن شميل ــ: "وقول أبي حاتم عندي أولى من قولهما … إلخ" انظر "المغني" (ص 250).
যেমন আপনার উক্তি 'ইযা' এর ক্ষেত্রে: "আমীর যখন দণ্ডায়মান থাকেন তখন তিনি সবচেয়ে বেশি বাগ্মী হন"(১)। সমাপ্ত।

(তা)(২) অতঃপর ব্যাখ্যাকার মূল লেখক (মুসান্নিফ)-এর বিপরীতে যামাখশারীর স্বপক্ষে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন এবং দেখিয়েছেন যে, সিবওয়াইহ তাঁর কিতাবে স্পষ্ট করেছেন যে, (ইযা) এবং (ইয) অপরিহার্য অব্যয় নয়(৩)। সমাপ্ত।

(মীম) এবং 'কাল্লা' প্রসঙ্গে: এটি ধমক ও বারণবাচক অব্যয় এবং এর অর্থ হলো: 'সত্যিই'।

(শীন) খলীল, সিবওয়াইহ, মুবাররাদ, যাজ্জাজ এবং অধিকাংশ বসরী ভাষাবিদদের মতে: এটি কেবলমাত্র ধমক ও বারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, অন্য কিছু নয়। তবে কিসাঈ তাঁদের সাথে দ্বিমত পোষণ করে বলেছেন: এটি 'সত্যিই' অর্থেও আসে; আর আবু হাতিম(৪)-এর মতে এটি প্রারম্ভিক 'আলা' অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এটিই অধিকতর সঠিক(৫)।

--------------------------------------------

(১) দেখুন "আল-কাশশাফ" (১/ ৪২৬), এবং হালবীর "আদ-দুররুল মাসুন" (১/ ২৫০)।

(২) এই সংকেত ও বর্ণটি আমি তাঁর এই উক্তির আগে পেয়েছি: (অতঃপর দীর্ঘ আলোচনা... ইত্যাদি)। সম্ভবত এটি কোনো সংক্ষিপ্ত গ্রন্থের প্রতি ইশারা হতে পারে; কেননা এই কথাটি আল-মুয়াল্লিমীর, যেখানে তিনি জানিয়েছেন যে ব্যাখ্যাকার—যিনি হলেন ইবন জামা'আহ—ইবন হিশামের প্রতিবাদে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন এবং এই মাসআলায় যামাখশারীর পক্ষাবলম্বন করেছেন।

(৩) বরং কিতাবে (আল-কিতাব) যা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে তা হলো, এই দুটি অনির্দিষ্ট ও পরিবর্তনহীন অব্যয় এবং এটিই এগুলোর ক্ষেত্রে 'অপরিহার্য' হওয়ার অর্থ। এই জাতীয় শব্দের ক্ষেত্রে বলা হয়: অপরিবর্তনীয় অব্যয়, অর্থাৎ এটি কর্তা, কর্ম কিংবা উদ্দেশ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। এটিই জমহুর বা সংখ্যাগুরু উলামাদের অভিমত, তবে কেউ কেউ এর বিপরীত মত পোষণ করেছেন।

দেখুন সিবওয়াইহ-র "আল-কিতাব" (৩/ ২৮৫), "আল-জানি আদ-দানি" (পৃ. ১৮৭), এবং "আল-হাম" (৩/ ১৭২)।

(৪) সাহল বিন মুহাম্মাদ বিন উসমান আবু হাতিম আস-সিজিস্তানি; নাহু, ভাষাতত্ত্ব, কুরআন বিজ্ঞান ও কবিতার ক্ষেত্রে একজন ইমাম (إمام)। তাঁর গ্রন্থগুলো অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও চমৎকার। তিনি বসরার জামে মসজিদের ইমাম ছিলেন। তিনি ২৫৫ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন, তবে এ বিষয়ে ভিন্ন মতও রয়েছে। দেখুন "আল-বুলগাহ" (পৃ. ১০৯)।

(৫) ইবন হিশাম 'আল-মুগনি' গ্রন্থে কিসাঈ, আবু হাতিম এবং নাদর বিন শুমাইলের বক্তব্য উল্লেখ করার পর বলেছেন: "আবু হাতিমের বক্তব্যটি আমার নিকট তাঁদের উভয়ের বক্তব্যের চেয়ে অধিকতর সঠিক... ইত্যাদি"। দেখুন "আল-মুগনি" (পৃ. ২৫০)।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৯৫)
والفرّاء(1) والنضر بن شُميل(2): حرف جواب بمنزلة (إي) و (نعم)(3) هـ

(م) فَصْلٌ

وتكون (لا) نافيةً نحو: لا إله إلا الله.

(ش) هي في هذه الحال على خمسة أقسام:

* التبرئة وتخالف (إنَّ) من سبعة أوجه(4).

* والنافية للوحدة وتفارق (ليس) من ثلاثة أوجه(5).

* وعاطفة ولها شروط:

- أنْ يتقدمها إثبات أو أَمْرٌ ــ قاله سيبويه ــ أو نداء، وزعم ابن سعدان(6): أنَّ هذا ليس من كلامهم.

--------------------------------------------

(1) يحيى بن زياد أبو زكريا الديلمي المعروف بالفراء الإمام المشهور، أخذ عنه الكسائي وهو من جلة أصحابه، مات سنة (207 هـ). راجع البلغة (ص 238).

(2) النضر بن شميل بن خرشة التميمي البصري أبو الحسن، أحد أصحاب الخليل، إمام في اللغة والأنساب، صاحب غريب ونحو وفقه وعروض وشعر، ثقة، مات سنة (204 هـ). انظر "البلغة" (ص 233).

(3) راجع معاني (كلا) في "رسالة (كلا) في الكلام والقرآن" لابن رستم الطبري.

وكذا: "مقالة كلا" لابن فارس، و"المغني" (ص 249)، و"الجنى الداني" (ص 577).

(4) انظرها في "المغني" (ص 313).

(5) انظرها في "المغني" (ص 315).

(6) في الأصل المخطوط: (ابن سعد) وصوابه ما ذكر كما في "المغني" (ص 318) و"الجنى الداني" (ص 294).

وابن سعدان: هو محمد بن سعدان الضرير الكوفي النحوي المقرئ أبو جعفر، قال ياقوت: ولد سنة (161 هـ) روى عن أبي معاوية الضرير، وعنه عبد الله بن الإمام أحمد بن حنبل، وكان ثقةً، مات سنة (231 هـ). انظر "البغية" (1/ 111).
আল-ফাররা(১) এবং আন-নাদর ইবন শুমাইল(২): এটি ‘ই’ (إي) এবং ‘নাআম’ (نعم) এর সমপর্যায়ভুক্ত একটি উত্তরসূচক অব্যয় (حرف جواب)(৩) সমাপ্ত।

(ম) পরিচ্ছেদ

এবং (লা) না-বোধক (نافية) হয়ে থাকে, যেমন: ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ (আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই)।

(শ) এটি এই অবস্থায় পাঁচ প্রকার:

* জেনাস বা মূলসত্তা অস্বীকারকারী (التبرئة), যা সাতটি দিক থেকে 'ইন্না' (إنَّ) এর বিপরীত(৪)।

* একত্ব অস্বীকারকারী (النافية للوحدة), যা তিনটি দিক থেকে 'লাইসা' (ليس) থেকে ভিন্ন(৫)।

* সংযোজক (عاطفة), যার কিছু শর্ত রয়েছে:

- এর পূর্বে ইতিবাচক বাক্য (إثبات) অথবা আদেশ (أَمْرٌ) থাকতে হবে — এটি সিবাহওয়াইহ বলেছেন — অথবা সম্বোধন (نداء); তবে ইবন সা'দান(৬) দাবি করেছেন যে: এটি তাদের (আরবদের) ভাষা নয়।

--------------------------------------------

(১) ইয়াহইয়া ইবন যিয়াদ আবু জাকারিয়া আদ-দাইলামি, আল-ফাররা নামে সুপরিচিত প্রখ্যাত ইমাম। আল-কিসায়ি তাঁর থেকে (জ্ঞান) অর্জন করেছেন এবং তিনি তাঁর শ্রেষ্ঠ সঙ্গীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, তিনি ২০৭ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: আল-বুলগাহ (পৃ. ২৩৮)।

(২) আন-নাদর ইবন শুমাইল ইবন খারশাহ আত-তামিমি আল-বাসরি আবুল হাসান, খলিলের অন্যতম সঙ্গী, ভাষাতত্ত্ব ও বংশবিদ্যার ইমাম; তিনি দুর্লভ শব্দাবলি (غريب), ব্যাকরণ, ফিকহ, ছন্দ ও কবিতার পণ্ডিত এবং নির্ভরযোগ্য (ثقة) ছিলেন। ২০৪ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: "আল-বুলগাহ" (পৃ. ২৩৩)।

(৩) ইবন রুস্তম তাবারির "রিসালাতু (কাল্লা) ফিল কালাম ওয়াল কুরআন" গ্রন্থে ‘কাল্লা’ (كلا) এর অর্থসমূহ দেখুন।

তদ্রূপ: ইবন ফারিসের "মাকালাতু কাল্লা", "আল-মুগনি" (পৃ. ২৪৯) এবং "আল-জনা আদ-দানি" (পৃ. ৫৭৭)।

(৪) এটি দেখুন "আল-মুগনি" (পৃ. ৩১৩) গ্রন্থে।

(৫) এটি দেখুন "আল-মুগনি" (পৃ. ৩১৫) গ্রন্থে।

(৬) মূল পাণ্ডুলিপিতে (ইবন সাদ) রয়েছে, তবে সঠিক হলো যা উল্লেখ করা হয়েছে, যেমনটি "আল-মুগনি" (পৃ. ৩১৮) এবং "আল-জনা আদ-দানি" (পৃ. ২৯৪) গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।

ইবন সা'দান হলেন: মুহাম্মদ ইবন সা'দান আদ-দারির আল-কুফি, নাহবি (ব্যাকরণবিদ) ও মুকরি (কুরআন পাঠ বিশেষজ্ঞ) আবু জাফর। ইয়াকুত বলেছেন: তিনি ১৬১ হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আবু মুয়াবিয়া আদ-দারির থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁর থেকে ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বলের পুত্র আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন। তিনি নির্ভরযোগ্য (ثقة) ছিলেন। ২৩১ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: "আল-বুগইয়াহ" (১/ ১১১)।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৯৬)
- وأنْ لا تقترن بعاطف.

- وأنْ يتعاند متعاطفاها.

* الرابع(1): أن يكون جوابًا مناقضًا لـ (نعم).

* الخامس: أنْ تكون غير ذلك، فإنْ كان غير ذلك جملةً اسميّة صَدْرُها معرفةٌ أو نكرةٌ ولم تعمل، أو فِعْلًا ماضيًا لفظًا أو تقديرًا وَجَبَ تكرارُها(2). هـ.

(م) وناهيةً نحو: لا تَقُمْ.

وزائدةً للتوكيد نحو: {لِئَلَّا يَعْلَمَ أَهْلُ الْكِتَابِ} [الحديد: 29].

وتكون (إنْ) شرطيةً نحو: إنْ تَقُمْ أقُمْ.

ونافيةً نحو: {إِنْ عِنْدَكُمْ مِنْ سُلْطَانٍ بِهَذَا} [يونس: 68].

(ش) إذا دخلت على الجملة الاسميّة لم تعمل عند سيبويه، والفرّاء، وأجاز المبرّد والكسائي إِعْمالَها عمل (ليس) وسُمِعَ من أهل العالية(3).

--------------------------------------------

(1) أي من معاني (لا) النافية، ولم يضع المؤلف رقمًا للأول والثاني والثالث.

(2) راجع في أقسام (لا) النافية والكلام عليها "المغني" (ص 313).

(3) أهل العالية هم سكان ما فوق نجد إلى أرض تهامة إلى ما وراء مكة. كما في القاموس (ص 1314).

قال ابن هشام في المغني: "وسمع من أهل العالية: إنْ أحدٌ خيرًا من أحدٍ إلا بالعافية وإنْ ذلك نافِعَكَ ولا ضارَّك". هـ.
- এবং এটি যেন কোনো সংযোজক (عاطف) এর সাথে যুক্ত না হয়।

- এবং এর দ্বারা যা কিছু সংযোজিত হয়েছে তারা যেন পরস্পর বিরোধী হয়।

* চতুর্থত(১): এটি যেন 'হ্যাঁ' (نعم) এর বিপরীত উত্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

* পঞ্চমত: এটি যেন অন্য কিছু হয়; সুতরাং যদি এটি অন্য কিছু হয়—যেমন এমন বিশেষ্যমূলক বাক্য (جملة اسميّة) যার শুরুতে নির্দিষ্ট বিশেষ্য (معرفة) অথবা অনির্দিষ্ট বিশেষ্য (نكرة) থাকে এবং তা কার্যকর (عمل) না হয়, অথবা শাব্দিকভাবে বা অনুমেয়ভাবে অতীতকালীন ক্রিয়া (فعل ماض) হয়, তবে তা পুনরাবৃত্তি করা আবশ্যিক (وجب)। (সমাপ্ত)।

(মূল পাঠ) এবং নিষেধজ্ঞাপক (ناهية) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেমন: তুমি দাঁড়িও না।

এবং গুরুত্ব প্রদানের জন্য অতিরিক্ত (زائدة) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেমন: {যাতে আহলে কিতাবগণ জানতে না পারে} [আল-হাদিদ: ২৯]।

এবং 'ইন' (إنْ) শর্তবাচক (شرطية) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেমন: যদি তুমি দাঁড়াও তবে আমিও দাঁড়াবো।

এবং না-বাচক (نافية) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেমন: {তোমাদের নিকট এ বিষয়ে কোনো প্রমাণ নেই} [ইউনুস: ৬৮]।

(ব্যাখ্যা) যখন এটি বিশেষ্যমূলক বাক্যের (جملة اسميّة) শুরুতে আসে, তখন সিবওয়াইহি এবং ফাররা-এর মতে এটি কোনো কার্যকর (عمل) হয় না; তবে মুবাররাদ এবং কিসায়ী এটিকে 'লাইসা' এর ন্যায় কার্যকর (إعمال) করা বৈধ বলেছেন এবং এটি আলিয়ার অধিবাসীদের (أهل العالية) নিকট থেকে শ্রুত হয়েছে।

--------------------------------------------

(১) অর্থাৎ না-বাচক (نافية) 'লা' এর অর্থসমূহের অন্তর্ভুক্ত; লেখক প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রকারের জন্য কোনো নম্বর প্রদান করেননি।

(২) না-বাচক (نافية) 'লা' এর প্রকারভেদ ও এ সংক্রান্ত আলোচনার জন্য দেখুন আল-মুগনি (পৃ. ৩১৩)।

(৩) আলিয়ার অধিবাসী (أهل العالية) বলতে নজদের উপরিভাগ থেকে তিহামা ভূমি এবং মক্কার পরবর্তী অঞ্চল পর্যন্ত বসবাসকারীদের বোঝায়। যেমনটি আল-কামুস-এ (পৃ. ১৩১৪) উল্লেখ আছে।

ইবনে হিশাম আল-মুগনি গ্রন্থে বলেন: "আলিয়ার অধিবাসীদের (أهل العالية) নিকট থেকে শ্রুত হয়েছে: 'সুস্বাস্থ্য ব্যতীত কেউ কারো চেয়ে শ্রেষ্ঠ নয় এবং এটি তোমার কোনো উপকারও করবে না, ক্ষতিও করবে না'।" (সমাপ্ত)।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৯৭)
(م) وزائدةً نحو: ما إنْ زيدٌ قائمٌ.

(ش) تُزادُ (إنْ) بعد (ما) النافية والموصولة والمصدريَّة و (ألا)(1)، قال ابن الحاجب(2): "وتزاد بعد (لمّا) الإيجابيّة وزَعَمَ قُطرب(3) أنَّها تكون بمعنى (قد)(4) هـ.

(م) ومُخَفَّفَةً من الثقيلة نحو: {وإنْ … كُلًّا لَمَّا لَيُوَفِّيَنَّهُمْ} [هود: 111](5).

ونحو: {إِنْ كُلُّ نَفْسٍ لَمَا عَلَيْهَا حَافِظٌ} في قراءة مَنْ خَفَّفَ الميمَ(6).

(م) وترد (أنْ) لنَصْبِ المضارع نحو: {وَالَّذِي أَطْمَعُ أَنْ يَغْفِرَ لِي خَطِيئَتِي يَوْمَ الدِّينِ} [الشعراء: 82].

--------------------------------------------

(1) الاستفتاحيّة.

(2) عثمان بن عمر بن الحاجب الدوني الإمام المشهور نحويٌ فقيه على مذهب مالك، ولد سنة (570 هـ) له مؤلفات معروفة كـ"الكافية" و"الشافية" و"الأمالي" وغيرها. توفي سنة (646 هـ). انظر "البلغة" (ص 143).

(3) محمد بن المستنير الملقب بقطرب، أخذ النحو عن سيبويه وهو الذي لقَّبه لبكوره في الطلب، وكان عالمًا ثقةً روى عنه الجلّة، توفي سنة (260 هـ). راجع "البلغة" (ص 214).

(4) انظر "المغني" (ص 39)، وفي الجنى الداني (ص 214) جعله من قول الكسائي.

(5) قرأ هذه الآية بتخفيف (إن) و (لما) كلٌّ مِن نافع وابن كثير وشعبة في (إنْ) دون (لما)، وأبي عمرو في (لما) دون (إن). راجع "شرح الهداية" للمهدوي (2/ 353).

(6) قرأ بتخفيف الميم في (لما) كلٌّ مِن نافع وابن كثير وأبي عمرو والكسائي. راجع "شرح الهداية" (2/ 552).
(ম) এবং অতিরিক্ত (زائدة) হিসেবে, যেমন: মা ইন জাইদুন কায়িমুন।

(শ) 'ইন' (إن) অতিরিক্ত হিসেবে যুক্ত হয় না-বোধক (النافية) 'মা', সম্বন্ধবাচক (الموصولة) 'মা', মাসদারবাচক (المصدريَّة) 'মা' এবং 'আলা' এর পরে(১)। ইবনুল হাজিব(২) বলেছেন: "এবং এটি ইতিবাচক (الإيجابيّة) 'লাম্মা' এর পরেও অতিরিক্ত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আর কুতরুব(৩) দাবি করেছেন যে এটি 'কাদ' (قد) এর অর্থেও ব্যবহৃত হয়"(৪)।

(ম) এবং গুরুভার (الثقيلة) থেকে লঘুকৃত (مخففة) হিসেবে, যেমন: {নিশ্চয়ই... তাদের প্রত্যেককেই (আপনার পালনকর্তা) তাদের কর্মের পূর্ণ প্রতিফল দান করবেন} [হুদ: ১১১](৫)।

এবং যেমন: {এমন কোনো সত্তা নেই যার ওপর কোনো তত্ত্বাবধায়ক নেই} — সেই ক্বিরাআত অনুযায়ী যারা 'মিম' অক্ষরটিকে লঘুকৃত (مخفف) পড়েছেন(৬)।

(ম) এবং 'আন' (أن) আসে মুদারে (المضارع) ক্রিয়াকে নসব প্রদান করার জন্য, যেমন: {আর যাঁর কাছে আমি আশা করি যে, তিনি বিচার দিবসে আমার অপরাধসমূহ ক্ষমা করে দেবেন} [আশ-শুআরা: ৮২]।

--------------------------------------------

(১) সূচনামূলক (الاستفتاحيّة)।

(২) উসমান বিন উমর বিন আল-হাজিব আদ-দুনি; তিনি একজন প্রসিদ্ধ ইমাম, নাহুবিদ এবং মালিকি মাজহাবের ফকিহ ছিলেন। তিনি ৫৭০ হিজরিতে জন্মগ্রহণ করেন। তার সুপরিচিত গ্রন্থাবলীর মধ্যে রয়েছে 'আল-কাফিয়া', 'আশ-শাফিয়া', 'আল-আমালি' ইত্যাদি। তিনি ৬৪৬ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: 'আল-বুলগাহ' (পৃষ্ঠা ১৪৩)।

(৩) মুহাম্মাদ বিন আল-মুসতানীর, যার উপাধি 'কুতরুব'। তিনি সিবওয়াইহ-এর নিকট নাহু শাস্ত্র শিক্ষা লাভ করেন এবং জ্ঞান অন্বেষণে তার ক্ষিপ্রতার কারণে সিবওয়াইহ-ই তাকে এই উপাধি প্রদান করেন। তিনি একজন আলেম এবং নির্ভরযোগ্য (ثقة) ব্যক্তি ছিলেন, যার নিকট থেকে অনেক বড় বড় মনীষী বর্ণনা করেছেন। তিনি ২১০ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন। দেখুন: 'আল-বুলগাহ' (পৃষ্ঠা ২১৪)।

(৪) দেখুন: 'আল-মুগনি' (পৃষ্ঠা ৩৯); এবং 'আল-জানা আদ-দানি' (পৃষ্ঠা ২১৪) গ্রন্থে এটিকে আল-কিসায়ি-এর উক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

(৫) নাফি, ইবনে কাসির এবং শু'বাহ এই আয়াতটিকে 'ইন' (إن) লঘুকৃত (تخفيف) করে পড়েছেন (তবে 'লাম্মা' নয়); আর আবু আমর 'লাম্মা' (لما) লঘুকৃত করে পড়েছেন ('ইন' নয়)। দেখুন: মাহদাবী রচিত 'শারহুল হিদায়াহ' (২/৩৫৩)।

(৬) নাফি, ইবনে কাসির, আবু আমর এবং আল-কিসায়ি 'লাম্মা' (لما) শব্দে 'মিম' লঘুকৃত (تخفيف) করে পড়েছেন। দেখুন: 'শারহুল হিদায়াহ' (২/৫৫২)।
(খণ্ড: ২০) মুখতাসারু শারহি ইবনি জামায়াহ আলাল কাওয়াইদিল সুগরা - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৯৮)
(ش) (أنْ) اسميّةٌ(1): وهي ضمير المتكلِّم (أنْ) بمعنى: أنا فَعلتُ، وفي (أنْتَ) على قول الجمهور أنَّ الضميرَ هو (أنْ) والتاء حرف خطاب.

وحرفيةٌ، واختلف في المحل من نحو: "عسى زيدٌ أنْ يقومَ" [فقيل](2): نَصْبٌ على الخبريّة، ونُقل عن المبرّد: على المفعولية، وقيل: على إسقاط الجار، ونَقَل ابن مالك عن سيبويه: أنَّه تضمَّن الفعل معنى (قارب)، وقيل: في موضع رفع على البدليّة، وسدَّت مسدَّ الخبر(3).

وهي(4) في الابتداء بموضع رفع، وتجيء بعد لفظٍ دالٍّ على معنى غير اليقين فتكون في موضع رفع في نحو: {أَلَمْ يَأْنِ لِلَّذِينَ آمَنُوا أَنْ تَخْشَعَ} [الحديد: 16].

واخْتُلفَ في (أنْ) الموصولة بالماضي والأمر؟

زَعَم ابنُ طاهر أنَّها غير الموصولة بالمضارع واسْتَدَلَّ وأُجيب(5).

* تنبيهٌ:

ذكر بَعضُ الكوفيين وأبو عبيدة(6): أنَّ بعضهم يجزم بـ (أنْ)، ونقله

--------------------------------------------

(1) يريد أنها ترد اسمًا. انظر "المغني" ص (41).

(2) زيادة اقتضاها السياق.

(3) انظر مغني اللبيب (ص 43).

(4) أي (أنْ) الحرفية المصدرية الناصبة تقع في موضعين هذا أحدهما، والثاني قوله: وتجيء بعد لفظ … إلخ.

(5) استدل بدليلين وأجاب عنهما ابن هشام في "المغني" (ص 43).

(6) معمر بن المثنى أبو عبيدة التميمي البصري النحوي اللغوي، قال الجاحظ: لم يكن في الأرض خارجي ولا جماعيٌّ أعلم بجميع العلوم من أبي عبيدة. توفي سنة (208 هـ). انظر"البلغة" (ص 224).
(ব্যাখ্যা) (أنْ) বিশেষ্যবাচক (اسمية)(১): এটি উত্তম পুরুষের সর্বনাম (أنْ) যা ‘আমি করেছি’ অর্থে ব্যবহৃত হয়; আর (أنْتَ) শব্দের ক্ষেত্রে জমহুর (جمهور) বা অধিকাংশ বিশেষজ্ঞের মত হলো যে, এখানে মূল সর্বনাম হলো (أنْ) এবং ‘তা’ (تاء) হলো সম্বোধনের বর্ণ।

এটি অব্যয়বাচক (حرفية) হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। "عسى زيدٌ أنْ يقومَ" (আসা যায়দুন আন ইয়াকুমা) এর মতো উদাহরণে এর ব্যাকরণিক অবস্থান (محل) নিয়ে মতভেদ রয়েছে। [বলা হয়েছে](২): এটি খবর (خبرية) হওয়ার ভিত্তিতে নসব (نصب) অবস্থায় রয়েছে। আল-মুবররিদ থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, এটি মাফউল (مفعولية) বা কর্ম হওয়ার ভিত্তিতে নসব হয়েছে। আবার বলা হয়েছে, এটি হরফে জর (جار) বিলুপ্ত হওয়ার কারণে হয়েছে। ইবনে মালিক সিবওয়াইহ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ক্রিয়াটি ‘নিকটবর্তী হওয়া’ (قارب) এর অর্থ অন্তর্ভুক্ত করেছে। আবার বলা হয়েছে, এটি বদল (بدلية) হিসেবে রফ (رفع) এর স্থানে রয়েছে এবং এটি খবরের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে(৩)।

এটি(৪) বাক্যের শুরুতে রফ (رفع) এর স্থানে থাকে। এছাড়াও এটি এমন শব্দের পরে আসে যা সুনিশ্চিত নয় (غير اليقين) এমন অর্থ প্রকাশ করে; তখন এটি রফ (رفع) এর স্থানে থাকে, যেমন: {মুমিনদের জন্য কি সেই সময় আসেনি যে, তাদের অন্তর বিগলিত হবে} [সুরা আল-হাদিদ: ১৬]।

অতীতকাল (ماضي) এবং আদেশসূচক (أمر) ক্রিয়ার সাথে যুক্ত (أنْ) এর ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে।

ইবনে তাহির দাবি করেছেন যে, এটি বর্তমান বা ভবিষ্যৎকাল (مضارع) এর সাথে যুক্ত (أنْ) থেকে ভিন্ন। তিনি এ ব্যাপারে দলিল পেশ করেছেন এবং তার উত্তরও প্রদান করা হয়েছে(৫)।

* সতর্কীকরণ:

কোনো কোনো কুফিবাসী এবং আবু উবাইদাহ(৬) উল্লেখ করেছেন যে, তাদের কেউ কেউ (أنْ) এর মাধ্যমে জজম (جزم) প্রদান করেন, এবং এটি বর্ণনা করেছেন...

--------------------------------------------

(১) তিনি বুঝিয়েছেন যে এটি ইসম (বিশেষ্য) হিসেবে ব্যবহৃত হয়। দেখুন: মুগনি আল-লাবিব, পৃষ্ঠা ৪১।

(২) প্রসঙ্গের প্রয়োজনে অতিরিক্ত অংশ।

(৩) দেখুন: মুগনি আল-লাবিব (পৃষ্ঠা ৪৩)।

(৪) অর্থাৎ ক্রিয়ামূলীয় (مصدرية) ও নসব প্রদানকারী (ناصبة) ‘أنْ’ দুটি স্থানে আসে। এটি তার একটি, আর দ্বিতীয়টি হলো তাঁর কথা: “এটি এমন শব্দের পরে আসে... ইত্যাদি”।

(৫) তিনি দুটি দলিল পেশ করেছেন এবং ইবনে হিশাম "মুগনি" (পৃষ্ঠা ৪৩) গ্রন্থে সেগুলোর উত্তর দিয়েছেন।

(৬) মা’মার ইবনুল মুসান্না আবু উবাইদাহ আত-তামিমি আল-বাসরি, একজন নাহু ও ভাষাবিদ। আল-জাহিয বলেছেন: পৃথিবীতে আবু উবাইদাহর চেয়ে সকল শাস্ত্রে অধিক পারদর্শী কোনো খারিজি বা জামাআতি ছিল না। তিনি ২০৮ হিজরি সনে মৃত্যুবরণ করেন। দেখুন: "আল-বুলগাহ" (পৃষ্ঠা ২২৪)।