(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: -)
الإيناس بعلم الأنساب القسم: الأنساب
الكتاب: الإيناس بعلم الأنساب
المؤلف: الحسين بن علي بن الحسين، أبو القاسم الوزير المغربي (ت 418هـ)
[الكتاب مرقم آليا غير موافق للمطبوع]
عدد الصفحات: 41
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
বংশবিদ্যা বিষয়ক জ্ঞান দ্বারা প্রীতি অর্জন বিভাগ: বংশবিদ্যা
গ্রন্থ: বংশবিদ্যা বিষয়ক জ্ঞান দ্বারা প্রীতি অর্জন
লেখক: আল-হুসাইন বিন আলি বিন আল-হুসাইন, আবু আল-কাসিম আল-ওয়াজির আল-মাগরিবি (মৃত্যু ৪১৮ হিজরি)
[গ্রন্থটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত করা হয়েছে যা মুদ্রিত কপির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৪১
আশ-শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ জিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ১)
مقدمة المؤلف بسم الله الرحمن الرحيم " وصلى الله على سيدنا محمد وآله..... " قال الوزير الإمام العالم الأوحد أبو القاسم الحسين بن عليٍّ ابن الحسين بن عليٍّ بن محمد، المغروف بابن المغربي رحمه الله تعالى: نكتب إن شاء الله في هذا الكتاب ما يحضرنا ذكره من الأسماء التي تشاكلت بعض التَّشاكل، وبقي بينها من الفرق ما يرتفع الالتباس بإيضاحنا إيَّاه، مثل: فَهْم، وقَهْم.
ومن الأسماء التي ألفاظها لِدَات لا تختلف، وأشكال لا تفترق؛ فنعتمد بإيرادها الدَّلالة على اتفاقها، وإيمان القارئ من ذُعر الشك فيها مع ما نظنُّه من حُسن موقع اجتماعها، مثل: بَكْر بن وائل من عدنان وبَكْر بن وائل، من قحطان.
ومن الأسماء الأفراد التي وُضِعت وضعا مُشْكِلاً، فيُخاف على القارئ تصحيفُها؛ ما لم يكن في عِلْم النَّسب مُبرِّزا، مثل: شُمس، ومثل: أبي خَلْدة، ومثل: شَهل بن شيبان.
ونُورد ذلك على حرف المعجم، ليقرب مُتناوله، ويذلّ مُجتناه، ونحن نرى أن الأديب " المتوسِّط " الرُّتبة في الأدب، إذا صَرف، إلى هذا التعليق جانبا من عنايته أمِن التصحيف في جميع الأنساب العربية بتوفيق الله.
ولم يَخْل مع ذلك لُمعة ثاقبة، وأبيات شعر حسنة. نتصيد له ذكرها بالأسماء المتصلة بها.
وحملنا على إثبات هذا التعليق استحسانُنا صنيع أبي جعفر محمد بن حبيب في كتابه المؤتلف والمختلف، فإنه لحَبَ لنا هذه السبيل التي كان عليه استفتاحُها، وعلينا إكمالُها وإيضاحُها. وحَسْب المبتدئ أن يَسْتقصي مجهود رأيه في استثارة ذلك الشيء المعدوم من مَدافنه، وفَتْق أكمام الفِكر عنه، وإبرازه لعيان طالبه، ثم على المُتعقِّب تتميم ما صنعه، والاقتفاء به فيما ابتدعه.
والله المُوفِّق المُعين، وله الحمد رب العالمين، وصلى الله على سيدنا محمد وآله الطاهرين.
بسم الله الرحمن الرحيم
الهمزة" الأَزْد " في كَهلان: الأزْد، ويقال الأَسْد، بوزن العَقْل، وهو الأفصح، إلَاّ أن الأول أكثر.
واسم الأزْد: دِرَاء، بوزن فِعَال، وهو دراء بن الغَوْث بن نَبْت ابن مالك ابن زيد بن كهلان بن سَبأ بن يَشْجَب بن يَعْرُب ابن قحطان.
" الأَزَد "، وفي هَمْدان: الأَزَد، بوزن البَعَل، مفتوح العين، وهو الأَزَد بن عبد الله بن قادم بن زيد بن عَريب بن جُشَم بن حاشد بن خَيْران بن نَوْف بن هَمْدان.
وأكثر ما يُقال فيه: أَزَد، لغير ألف ولا لام.
هذا قول عليٍّ بن محمد بن أحمد بن الحارث المُرْهِبيّ في كتابه الذي صنّفه في أخبار هَمْدان وأشعارها، وذكر أنه اتَّفق له على هذا النسب أبو بكر الحِميريّ، قال: وكان عالما حافظا للنَّسب، وابن الكلبي. فأما محمد بن موسى بن داود العَمِّي، فإنه روى عن محمد بن عبد المنعم ابن إدريس المُنبِّهي، عن أبي المُنذر هشام بن محمد: أَزِد، بفتح الألف وكسر الزاي.
ومن " أَزَد " هؤلاء: أبو رَوْق المُفسِّر، وهو عطية بن الحارث ابن عبد الرحمن بن عمرو بن الحارث بن مالك بن خثامة بن أزد.
ومنهم: سُفيان بن لَيْل.
ورأيت أبا عبد الله الكوفيَّ قد ضبطه: سُفيان بن لَيْل، وكان من أصحاب المُختار، وهو الذي قال للحسن عليه السلام، لما سلَّم إلى معاوية: يا مُذِلَّ المُؤمنين، السلام عليك.
" الأُلة ": عبد الأُله، اسم شائع كثيرا في العرب، وعبد اللات، كما يقولون: عبد العُزَّى.
ومن الغريب المُشكل أَنَّ في طيئ رجلا يقال له: عبد مالك بن عبد الأُلَة، مثل: العُلَة، مُخَفَّفا.
قال النَّاسبون: أرادوا بعبد الأُلَة: عبد الله، وهو عبد الأُلة ابن حارثة بن غَزيَّة بن صُهْبان، ويقولونه مَوصولا بلفظ قد صوَّرتُه لك، وهو: عبد لُلَة، بغير تحقيق للهمزة.
وعبد مالك هذا يقال له: ذو الحَصِيرَيْن، لأَنه كان له حَصِيران من جريد مُقَيَّران، يجعل أحدهما بين يديه والآخر خلفه، ثم يسد نَفْسه بإِزاء السَّلَف، إِذا جاءهم عدوٌّ، وهو الذي يقول فيه حاتم الطائي:
وذو الحَصِيرَيْنِ امْرُؤُ في أُسْرَةٍ
… غُلْبِ السَّوَالِفِ من يُلَاقُوا يَفْرِسُوا
ومُوطَّأُ الأكْنَاف غير مُلَعَّنٍ
… بالحيِّ مَشَّاءٌ إِلَيْه المَجْلِسُ
الحي، أَراد: في الحي.
লেখকের ভূমিকা। পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে। আমাদের নেতা মুহাম্মদ ও তাঁর পরিবারের ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক। উজির, ইমাম, অদ্বিতীয় আলেম আবু আল-কাসিম আল-হুসাইন ইবনে আলী ইবনে আল-হুসাইন ইবনে আলী ইবনে মুহাম্মদ, যিনি ইবনুল মাগরিবী নামে পরিচিত (আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন), বলেছেন: আল্লাহ চাহেন তো আমরা এই কিতাবে এমন সব নাম সংকলন করব যা স্মরণে আসছে এবং যেগুলো একে অপরের সাথে বহুলাংশে সাদৃশ্যপূর্ণ, অথচ তাদের মধ্যে এমন কিছু পার্থক্য বিদ্যমান যা আমাদের ব্যাখ্যার মাধ্যমে সংশয় দূর করবে। যেমন: ‘ফাহম’ এবং ‘কাহম’।
এমন কিছু নাম আছে যেগুলোর উচ্চারণ হুবহু এক এবং রূপও অভিন্ন; আমরা সেগুলোর ঐকমত্যের প্রমাণ উপস্থাপনের ওপর নির্ভর করব, যাতে পাঠক এগুলোর ব্যাপারে কোনো প্রকার সংশয় থেকে নিরাপদ থাকতে পারেন এবং একই স্থানে এগুলোর সমাবেশ ঘটার সৌন্দর্য অনুধাবন করতে পারেন। যেমন: আদনান বংশের ‘বাকর বিন ওয়ায়েল’ এবং কাহতান বংশের ‘বাকর বিন ওয়ায়েল’।
আবার এমন কিছু একক নাম রয়েছে যেগুলোর গঠন জটিল, ফলে বংশতত্ত্বে পারদর্শী না হলে পাঠকের পক্ষে সেগুলো ভুল পাঠ করার আশঙ্কা থাকে। যেমন: ‘শুমস’, ‘আবু খালদাহ’ এবং ‘শাহল বিন শায়বান’।
আমরা বিষয়গুলো বর্ণানুক্রমিকভাবে সাজাব যাতে তা সহজে খুঁজে পাওয়া যায় এবং ফল লাভ করা সহজ হয়। আমাদের বিশ্বাস, আদব বা সাহিত্যের ক্ষেত্রে মধ্যম স্তরের কোনো সাহিত্যিক যদি এই টীকাটির প্রতি মনোযোগ দেন, তবে আল্লাহর তৌফিকে তিনি সমস্ত আরব বংশনামের ক্ষেত্রে ভুল পাঠ থেকে নিরাপদ থাকবেন।
তা সত্ত্বেও এর মধ্যে উজ্জ্বল কিছু দিক এবং চমৎকার কিছু কাব্যগাথা বাদ পড়েনি। আমরা সংশ্লিষ্ট নামগুলোর সাথে সাথে সেগুলোকেও তুলে ধরার চেষ্টা করব।
আবু জাফর মুহাম্মদ বিন হাবিবের ‘আল-মু'তালিফ ওয়াল মুখতালিফ’ কিতাবের চমৎকার বিন্যাসই আমাদের এই টীকাটি রচনায় উদ্বুদ্ধ করেছে। কারণ তিনিই আমাদের জন্য এই পথ উন্মুক্ত করেছেন, আর আমাদের দায়িত্ব হলো একে পূর্ণতা দান করা এবং স্পষ্ট করা। একজন পথপ্রদর্শকের জন্য এটিই যথেষ্ট যে, তিনি তাঁর মেধার সর্বোচ্চ প্রয়োগ ঘটিয়ে বিলুপ্তপ্রায় বিষয়গুলোকে অন্ধকার থেকে বের করে আনবেন, চিন্তার দুয়ার খুলে দেবেন এবং জ্ঞানপিপাসুদের সামনে তা উপস্থাপন করবেন। অতঃপর পরবর্তী গবেষকের কাজ হলো সেটিকে পূর্ণতা দান করা এবং তাঁর প্রদর্শিত পথ অনুসরণ করা।
আল্লাহই তাওফিকদাতা ও সাহায্যকারী। সকল প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। আমাদের নেতা মুহাম্মদ ও তাঁর পবিত্র বংশধরদের ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক।
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
হামজাকাহলান গোত্রে ‘আল-আযদ’: এটি ‘আল-আযদ’, আবার কেউ কেউ ‘আল-আসদ’ (আইন ও কাফ অক্ষরের ওজনে) বলেন, যা অধিক বিশুদ্ধ উচ্চারণ, তবে প্রথমটিই বেশি প্রচলিত।
আযদ-এর প্রকৃত নাম হলো ‘দিরা’ (ফি'আল-এর ওজনে)। তিনি হলেন দিরা বিন আল-গাওস বিন নাবত বিন মালিক বিন যায়েদ বিন কাহলান বিন সাবা বিন ইয়াশজুব বিন ইয়ারুব বিন কাহতান।
‘আল-আযাদ’, এবং হামদান গোত্রেও ‘আল-আযাদ’ (বাআল-এর ওজনে) রয়েছে, যার ‘আইন’ বর্ণটি জবরযুক্ত। তিনি হলেন আযাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন কাদিম বিন যায়েদ বিন আরিব বিন জুশাম বিন হাশিব বিন খাইরান বিন নাওফ বিন হামদান।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আলিফ ও লাম ছাড়াই একে ‘আযাদ’ বলা হয়।
এটি আলী বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন আল-হারিস আল-মুরহিবি’র বক্তব্য, যা তিনি হামদানের ইতিহাস ও কবিতা নিয়ে রচিত তাঁর কিতাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন যে, এই বংশলতিকার ব্যাপারে আবু বকর আল-হিময়ারি (যিনি বংশতত্ত্বে অত্যন্ত বিজ্ঞ ও হাফেজ ছিলেন) এবং ইবনুল কালবি তাঁর সাথে একমত পোষণ করেছেন। তবে মুহাম্মদ বিন মুসা বিন দাউদ আল-আম্মি, মুহাম্মদ বিন আব্দুল মুনইম বিন ইদ্রিস আল-মুনাব্বিহী হতে এবং তিনি আবুল মুনজির হিশাম বিন মুহাম্মদ হতে বর্ণনা করেছেন যে, নামটি হলো ‘আযিদ’ (আলিফে জবর এবং ঝা-তে যের সহকারে)।
এই ‘আযাদ’ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত হলেন মুফাসসির আবু রাওক। তাঁর নাম আতিয়াহ বিন আল-হারিস বিন আব্দুর রহমান বিন আমর বিন আল-হারিস বিন মালিক বিন খুসামাহ বিন আযাদ।
তাদের অন্তর্ভুক্ত আরও একজন হলেন সুফিয়ান বিন লাইল।
আমি আবু আব্দুল্লাহ আল-কুফিকে এটি ‘সুফিয়ান বিন লাইল’ হিসেবেই উচ্চারণ করতে দেখেছি। তিনি আল-মুখতারের সাথীদের একজন ছিলেন। তিনি সেই ব্যক্তি যিনি হাসান (আলাইহিস সালাম)-কে বলেছিলেন যখন তিনি মুয়াবিয়ার হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিলেন: “হে মুমিনদের লাঞ্ছনাকারী, আপনার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক।”
‘আল-উলাহ’: আব্দুল উলাহ আরবে একটি অত্যন্ত প্রচলিত নাম, তেমনি ‘আব্দুল লাত’, যেমন তারা বলে ‘আব্দুল উযযা’।
একটি অদ্ভুত ও জটিল নাম হলো তায়ি গোত্রে একজন লোক ছিল যাকে ‘আব্দ মালিক বিন আব্দুল উলাহ’ (উলাহ-এর মতো লঘু উচ্চারণে) বলা হতো।
বংশতাত্ত্বিকগণ বলেন: তারা আব্দুল উলাহ দ্বারা ‘আব্দুল্লাহ’ উদ্দেশ্য করেছেন। তিনি হলেন আব্দুল উলাহ বিন হারিসাহ বিন গাযিয়্যাহ বিন সুহবান। তারা একে মিলিয়ে উচ্চারণ করত যেভাবে আমি আপনার সামনে তুলে ধরছি, অর্থাৎ ‘আব্দ লুলাহ’, যেখানে হামজার উচ্চারণ স্পষ্ট করা হতো না।
এই আব্দুল মালিককে ‘যু আল-হাসিরাইন’ (দুই চাটাইওয়ালা) বলা হতো, কারণ তাঁর কাছে খেজুর পাতার তৈরি আলকাতরা মাখানো দুটি চাটাই ছিল। শত্রু এলে তিনি একটি সামনে এবং অন্যটি পেছনে রাখতেন, তারপর পূর্বপুরুষদের মোকাবিলায় নিজেকে স্থির রাখতেন। তাঁর সম্পর্কেই হাতিম আল-তাঈ বলেছিলেন:
“আর দুই চাটাইওয়ালা ব্যক্তিটি এমন এক পরিবারের লোক... যারা ঘাড় বাঁকানো শক্তিশালী, যাদের মোকাবিলা করলেই তারা ছিঁড়ে ফেলে।”
“তিনি বিনয়ী ও অমায়িক, অভিশপ্ত নন... লোকালয়ে তাঁর কাছেই সবার মজলিস বসে।”
এখানে লোকালয় বলতে তিনি ‘লোকালয়ের মধ্যে’ বুঝিয়েছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ২)
ومن ولد ذي الحَصِيرين: أُبَيَّهُ بنت عُقبة بن زَحْر بن ذي الحصيرين، " القائلة لأبيها زَحْر "، وكان زَوَّجها من رجل من هَمْدان، فقالت أُبَيَّةُ:
فقل لأبي زَحْرٍ إذا ما لقيتَهُ
… فَفِيمَ المَوَالي مِنْ رُكوبِ النَّجَائِبِ
" الأَوس ".
في الأنصار: الأوسُ بن حارثة بن ثَعلبة العَنْقاء بن عَمرو مُزيقياء، وفي خزاعة: الأوس بن حارثة.
وفي ربيعة: الأوسُ بن تَغلب.
" أسْلَم " أسْلُم بن الحاف بن قُضاعة.
وقيل: إن اسم قُضاعة: عمرو بن مالك بن عمرو بن مُرَّة بن زيد ابن مالك بن حِميْر.
وفي قضاعة كلام طويل ليس هذا موضعه.
ومن أَسْلُم: عُذرة، المَعروفون بالعشق والرقة.
ومنه أيضاً: بنو نَهد " وسيرد لهاتين القبيلتين إن شاءَ الله ذكر مُستقصى في مواضعه من هذا الكتاب، فلذلك ذكرناه ههنا ذكراً مخففا ".
ورأيت بخط شِبْل النَّسابة: قال أبو هريرة: كان حَوْتكة بن سُود ابن أَسْلُم، صاحب فرعون بمصر.
ولا أدري ما صحة ذلك.
أسْلم بن القِيانة بن غافق بن الشِّاهد بن عَكّ.
وقيل: إن اسم عك: الحارث، واختلفوا في نسبه، فقال قوم: هو عك بن عدنان بن عبد الله بن الأَزْد بن الغوث. وقال آخرون، وكأنه أثبت: هو عك بن الدِّيث بن عدنان بن أدَد.
وفي ذلك يقول الكُمَيتُ بنُ زَيد الأَسَدِيّ:
لعَكٍّ في مَناسبها مَسَارٍ
… إلى عَدْنَان واضحةُ السَبيل
وقال عبَّاس بن مِردْاس السُّلميُّ:
وعَكِّ بنُ عَدْنانَ الَّذين تلَعَّبُوا
… بغَسَّانَ حَتىَّ طُرِّدوا كُلَّ مَطْرَدِ
وقال عبَّاس هذا الشعر يفخر بغلَبة عَكٍّ على غسَّان، وذلك أَن غسَّان ماء باليمن، فكان على هذا الماءِ بنو عامر، وامرؤ القيس، وكُرز بنو ثَعلبة بن مازن بن الأزد، وكان عليه أيضا غير هؤلاء من الأزد، وكانت عكّ بن عدنان في أسفل ذلك الماء، وكانوا فيه زمنا، ثم إن راكبا جاء حتى وقف على غَسَّان، فاسْتَسْقاهم، فسقَوه لَبنا مُرْغِياً. ثم أتى عَكَّا، فسقوه لبنا ضَيْحاً " أي رَقيقا "، فقال لهم: مالي أرى لبن إخوتكم مُرْغياً ولبنكم ضَيْحاً؟ فقالوا: والله ما نعلم، إنَّ شِرْبنا لواحد. إلَاّ أنهم في عُلاوَته ونحن في سُفالته.
قال: فذلك الذي أرغى لبنكمٍ، وذاك أنهم يشربون صفو الماءُ وتشربون كدره، ويرعون أَنف الرَّعي، وترعون غدره وتسرح إبلهم مُستقبلة الريح بأَفئدتها، مُستدبرة الشمس بضَرَّاتها. فجاءت عَكٌّ يطلبون من غسان الُمناقلة في المنازل، فغضبت غَسَّانُ، وقاتلوهم وهزموهم، وأعطتهم عَكٌّ الإِتاوةَ تسعا وعشرين سنة أو كَوْها.
ثم إنه نَشأَ في عُكٍّ غلام مارد، يقال له سَمَلَّقَة بن مُرة بن الفجَّاع أحد بني غافق بن الشاهد بن عَكٍّ، فحمل قومه على قتال غَسَّان. في حديث طويل، فقاتلوهم فانهزمت غَسَّان يومئذ.
وفي هذا اليوم قيل:
غَسَّانُ غَسَّانٌ وعكٌّ عكُّ
… والأَشعريُّون رجال صُك
سيعلمون اليوم من أَرَكُّ
يعني بالأشعريين: بني الأشعر بن أَدد، إِخوة عدنان بن أدد وكان اسم الأَشعر: نَبْت، ويقال، والله أَعلم: إنهم انتسبوا في اليمن فقالوا: الأَشعر، هو نَبْت بن أَدد بن زيد بن يَشْجُبُ بن عَريب بن زيد ابن كهلان بن سَبأَ بن يَشْجُبُ بن يَعْرب بن قحطان.
وسَمَلَّقة هذا أَول من جَزَّ ناصية أَسير وأَطلقه، ولم تكن إليه رياسة عَكٍّ يومئذ، وإنما كان سَمَلَّقة صاحب الحرب، وكان رئيسهم رجلا منهم، يقال له: ربيعة بن عمرو.
ولما انفضَّت غَسَّان في هذا اليوم مضت حتى هبطت بطن مُرِّ، فتخزَّعت خُزاعة عنهم، فأَقامت بها، ومكثت الأَوس والخزرج بِيَثْرِب وخرجت قبائل غَسَّان إِلى الشام يُؤدون الجِزية إلى سَليح، وكان لهم في ذلك حديث طويل.
وفي عكّ بن عدنان يقول سَلَمة بن قَيْس العُكْليّ:
سَيبلغُ قَذْفي نَهْشَلَا أَن مَجْدها
… قصير وقولي شَتْمُه وقَصائدهْ
ويأَتي على الفَوْرَين دون مَحَجَّر
… ويَصْعد في عكّ بن عَدنان ناشدُهْ
যুল হাসিরাইনের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে: উবাইয়াহ বিনতে উকবাহ ইবনে যাহর ইবনে যুল হাসিরাইন, "যে তার পিতা যাহরকে উদ্দেশ্য করে কবিতা বলেছিল"। তিনি তাকে হামদান গোত্রের এক ব্যক্তির সাথে বিয়ে দিয়েছিলেন, তখন উবাইয়াহ বলেছিল:
সুতরাং যখনই আবু যাহরের সাথে তোমার দেখা হবে, তাকে বলো
… শ্রেষ্ঠ উটের পিঠে আরোহণের ব্যাপারে আযাদকৃত দাসদের কী সম্পর্ক?
"আউস"।
আনসারদের মধ্যে: আউস ইবনে হারিসা ইবনে সা'লাবা আল-আনকা ইবনে আমর মুযাইকিয়া; আর খুযাআ গোত্রে: আউস ইবনে হারিসা।
এবং রাবিআ গোত্রে: আউস ইবনে তাগলিব।
"আসলাম": আসলাম ইবনে আল-হাফ ইবনে কুদাআ।
এবং বলা হয় যে, কুদাআ-এর নাম হলো: আমর ইবনে মালিক ইবনে আমর ইবনে মুররা ইবনে যাইদ ইবনে মালিক ইবনে হিময়ার।
আর কুদাআ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে যা এই স্থানে অপ্রাসঙ্গিক।
আর আসলাম গোত্রের অন্তর্ভুক্ত হলো: উযরাহ গোত্র, যারা প্রেম ও কোমলতার জন্য সুপরিচিত।
তাদের মধ্যে আরও রয়েছে: বনু নাহদ। "ইনশাআল্লাহ, এই কিতাবের নির্দিষ্ট স্থানগুলোতে এই দুই গোত্র সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ আসবে, তাই আমরা এখানে সংক্ষেপে তাদের কথা উল্লেখ করেছি।"
এবং আমি বংশবিশারদ শিবলের হস্তলিপিতে দেখেছি যে, আবু হুরাইরাহ বলেছেন: আসলামের পুত্র সূদের পুত্র হাওতাকা মিশরে ফেরাউনের সহচর ছিলেন।
এর সত্যতা সম্পর্কে আমি অবগত নই।
আসলাম ইবনে আল-কিয়ানা ইবনে গাফিক ইবনে আশ-শাহিদ ইবনে আক্কা।
বলা হয় যে, আক্কার নাম হলো আল-হারিস। তার বংশ পরিচয় নিয়ে মতভেদ রয়েছে; একদল বলেছেন: তিনি হলেন আক্কা ইবনে আদনান ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল-আযদ ইবনে আল-গাওস। অন্য একদল বলেছেন, এবং এটিই অধিক প্রমাণিত মনে হয়: তিনি হলেন আক্কা ইবনে আদ-দিস ইবনে আদনান ইবনে আদাদ।
এ প্রসঙ্গে কুমাইত ইবনে যাইদ আল-আসাদি বলেন:
আক্কা গোত্রের বংশধারার গতিপথ
… আদনানের দিকে অত্যন্ত সুস্পষ্ট।
আব্বাস ইবনে মিরদাস আস-সুলামি বলেন:
আর আদনানের পুত্র আক্কা, যারা
… গাসসানিদের নিয়ে এমনভাবে খেলা করেছিল যে, তাদের সব দিক থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।
আব্বাস গাসসানিদের ওপর আক্কা গোত্রের বিজয়ে গর্ব করে এই কবিতা বলেছেন। কারণ হলো, গাসসান ইয়ামেনের একটি জলাধারের নাম। সেই জলাধারের তীরে বনু আমির, ইমরুল কায়স এবং সা'লাবা ইবনে মাযিন ইবনে আল-আযদের সন্তান কুরুয অবস্থান করত। আল-আযদ গোত্রের আরও অনেকে সেখানে ছিল। আর আক্কা ইবনে আদনান ছিল সেই জলাধারের নিচের অংশে। তারা সেখানে দীর্ঘকাল ছিল। এরপর একজন আরোহী এসে গাসসানে থামল এবং তাদের কাছে পানি চাইল। তারা তাকে ফেনাভর্তি দুধ পান করতে দিল। এরপর সে আক্কা গোত্রের কাছে এল, তারা তাকে পাতলা দুধ পান করতে দিল। সে তাদের বলল: কী ব্যাপার, আমি তোমাদের ভাইদের দুধ ফেনাভর্তি দেখছি আর তোমাদের দুধ পাতলা দেখছি কেন? তারা বলল: আল্লাহর কসম, আমরা জানি না; আমাদের পানীয় তো একই। তবে তারা পানির উজানভাগে আর আমরা ভাটিভাগে।
সে বলল: ওটাই তোমাদের দুধের ফেনার কারণ। কারণ তারা পরিষ্কার পানি পান করে আর তোমরা ঘোলা পানি পান করো। তারা চারণভূমির সেরা অংশটুকু চরে, আর তোমরা অবশিষ্ট চরো। তাদের উটগুলো বুক দিয়ে বায়ুকে গ্রহণ করে এবং পিঠ দিয়ে সূর্যের উত্তাপ নেয়। তখন আক্কা গোত্র গাসসানিদের কাছে এসে তাদের আবাসস্থল বিনিময়ের প্রস্তাব দিল। গাসসানিরা এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের সাথে যুদ্ধ করল এবং তাদের পরাজিত করল। তখন আক্কা গোত্র তাদের ২৯ বছর বা তার কাছাকাছি সময় পর্যন্ত খাজনা প্রদান করেছিল।
এরপর আক্কা গোত্রে এক সাহসী যুবকের উদ্ভব ঘটে, যাকে সামাল্লাকা ইবনে মুররা ইবনে আল-ফাজ্জা' বলা হতো; সে ছিল আক্কা গোত্রের শাহিদ ইবনে গাফিকের বংশধর। সে তার জাতিকে গাসসানিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্ররোচিত করল। দীর্ঘ এক ঘটনার পর তারা যুদ্ধ করল এবং সেদিন গাসসানিরা পরাজিত হলো।
এই যুদ্ধের দিনে বলা হয়েছিল:
গাসসান হলো গাসসান আর আক্কা হলো আক্কা
… আর আশআরিরা হলো প্রচণ্ড আঘাতকারী বীর
তারা আজ জানতে পারবে কার ভিত্তি বেশি মজবুত
আশআরি বলতে আদাদ ইবনে আদনানের ভাই আশআরের সন্তানদের বোঝানো হয়েছে। আশআরের নাম ছিল নাবত। আর বলা হয় (আল্লাহই ভালো জানেন): তারা ইয়ামেনের দিকে নিজেদের সম্বন্ধযুক্ত করে বলে যে, আশআর হলেন নাবত ইবনে আদাদ ইবনে যাইদ ইবনে ইয়াশজুব ইবনে আরিব ইবনে যাইদ ইবনে কাহলান ইবনে সাবা ইবনে ইয়াশজুব ইবনে ইয়ারুব ইবনে কাহতান।
এই সামাল্লাকা-ই প্রথম ব্যক্তি, যে কোনো বন্দীর কপালের চুল কেটে তাকে মুক্তি দিয়েছিল। সে সময় আক্কা গোত্রের নেতৃত্ব তার হাতে ছিল না, বরং সে ছিল যুদ্ধের সেনাপতি। তাদের প্রধান ছিলেন তাদেরই এক ব্যক্তি, যাকে রাবিআ ইবনে আমর বলা হতো।
যেদিন গাসসানিরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেল, তারা চলতে চলতে মাররা উপত্যকায় গিয়ে নামল। সেখানে খুযাআ গোত্র তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সেখানেই বসবাস শুরু করল। আর আউস ও খাযরাজ ইয়াসরিবে অবস্থান নিল। গাসসানি গোত্রগুলো সিরিয়ার দিকে চলে গেল এবং সালিহ গোত্রকে জিজিয়া প্রদান করতে লাগল। এ নিয়ে দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে।
আক্কা ইবনে আদনান সম্পর্কে সালামা ইবনে কায়স আল-উকলি বলেন:
নাহশাল গোত্রের কাছে আমার এই নিন্দা পৌঁছে যাবে যে, তাদের মর্যাদা
… অতি সামান্য; আর আমার বক্তব্য হলো তাদের প্রতি ভর্ৎসনা ও ব্যঙ্গকবিতা।
এটি মাহজারের নিকটবর্তী দুই পাহাড় অতিক্রম করবে
… এবং আক্কা ইবনে আদনানের বংশে এর প্রচারক আরোহণ করবে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৩)
وفي قُضاعة: أَسْلُم بن تَدُول بن تيم اللات بن رُفَيْدَةَ " بن ثور ابن كلب بن وَبرة بن تغلب بن حُلوان بن عِمران بن الحاف بن قُضاعة " منهم: الحسن بن داس بن مُرة بن حامية " بن غَنم بن أَسْلُم "، قاتل غَنَمَة بن ثعلبة بن تيم الله بن عامر بن عوف بن كنانة بن عوف ابن عُذرة بن زيد اللات بن رُفيدة بن ثور بن كلب، وكان غنمة سيد كلب في دهره، وكان لا تُمنع إِبله عن وُرود أَي حوض أَرادته، فأَقبل ذات يوم يطرد إبله إلى حياض بني تيم الله رُفَيْدَة. فدافعها الحسن ابن داس، فلما بصر به غلام الحسن أَعلم مولاه، وكان في القَليب، أَفعمها سَلحُها، فقال ارفعني إليك، فرفعه، فأَخذ سيفه فقتل غَنَمة وخرج هو وقومه هُرّابا، حتى وردوا على بني كنانة بن خُزيمة، فسار بنو كنانة بن عوف إلى بني كنانة بن خُزيمة، وكانت أُمَّ كنانة ابن عمرو عُذْرية بنت بكر بن عبد مناة بن كنانة بن خُزيمة، فناشدهم بالرَّحِم إِلا أَخرجتم لنا قتلتنا، فأَخرجوهم على أَن لا يضرُّوهم إِلى أَن يبلغوا حيث أَحبُّوا في الأَرض، فخرجوا إلى بنو تميم، فاستعاذوا بعَوْف ابن كعب بن سعد بن زيد مَناة بن تميم، وكانت أُمه قُضاعيَّة، من نَهد فأَجارهم، وعقد من أَجلهم حِلْفَ بين تميم وكلب، ثم أَقرَّه في الإسلام محمدُ بن عُمير بن عُطارد بن حاجب بن زُرارة بن عُدُس.
وجَبلة بن الخَمَّة بن إِياس بن عبد الأَعلم بن بُرشم بن الأَسعد ابن حبيب بن عَمرو بن كاهل بن أَسْلُم.
و" من أَسْلُم من تَدُول هؤلاء ": المُقطَّعُ بن سَنْبَر بن خالد بن مالك ابن سالم بن وَهْب بن حَبيب بن جُشَمٍ بن حَبيب بن عمرو بن كاهل ابن أَسْلُم، الذي يقول فيه عديّ بن الرِّقاع العامِليُّ:
عَلَى ذي مَنارِ تعرف العِيسُ مَتْنَه
… كما تَعْرِفُ الأَضيافُ دارَ المُقَطَّع
وكان له خُطَّة بالكُوفة، وكان مِطْعاما.
هذه الثلاثةُ الأَسماءِ تُقال بضَم لامها، وما عَداها فيُقال: أَسْلَم، بفتح اللام.
" أسْلَم ": فمن ذلك: أَسْلَمُ بن أَفْصى بن حارثة بن عَمرو بن عامر ماءِ السَّماءِ وهو اَسلم خُزاعة.
ومنهم: مالك، ونُعمان، ابنا خَلف بن عوف بن دارم بن عِتْر ابن وائلة بن سهم بن مازن بن الحارث بن سَلامَان بن أَسْلَم، كانا طَليعتَيْن لرسول الله، صلى الله عليه وسلم، يومَ أُحد، قُتلا فدُفنا في قبر واحد.
ومنهم: جَرْهَد بنُ رِزَاح بن عَدِيّ بن سَهْم بن مازن، كان شريفاً، وله قال رسول الله صلى الله عليه وسلم، ورآه مكشوف الفخذين: " يا جَرْهد أن الفَخذ من العَوْرة ".
ومنهم: الأَكْوَعُ: واسمه سِنان " بن عبد الله بن قُشَير بن سِنَان " ابن خُزيمة بن مالك بن سَلامان بن أَسْلَم.
وبنوه: أُهْبَان، وسَلمة، صَحِبا رسول الله، صلى الله عليه وسلم؛ وعامر الشاعر، استشهد يوم خيبر.
" أَبَامَة ": في جُذام: أبَامةُ بن غَطَفان بن سَعْد بن حَرَام بن جُذام، " مفتوحة ".
وفي خَثعم: أَبْامةُ، وهو الأسود بن وهب الله بن شَهْران بن عِفْرس، " مفتوحة ".
" أُبَامَةْ ": وفي السَّكُون أُبَامة بنَ سَلَمة بن شَكامة بن شبيب بن السَّكُون، " مَضْمومة ".
وفيه أيضا: أُبَامة بن ربيعة بن شُكامة " مضمومة ".
وفي قُضاعة: أُبَامة بن جُشَم بن مالك بن كَعب بن القَيْن بن جِسْر.
" أَفصى ": في الأَزْد: أَفْصَى بنُ حارثة بن عَمرو مُزَيْقياء.
وفي جُذام: أَفْصَى بن سَعْد بن إِياس بن حَرَام بن جُذام.
وفي ربيعة: أَفْصَى بن عبد القيس أَفْصَى.
وفي إِياد: أَفْصَى بن دُعْمِيّ بن إِياد.
وفي بَجِيلة: أَفْعَى بن نَذِير بن قَسْر بن عَبْقر.
" أعْور ": في شَنّ بن أفْصَى بن عبد القَيْس. واسم " عبد القيس ": لُكَيْز ابن أفْصَى بن دُعْمِيِّ بن جَديلة بن أسد بن ربيعة بن نزار: الأعْور الشَّنى.
كلهم على ذلك مجموعون. " قال أدهم بن عِمران: واسمه: الحارث ابن بشر بن مُنْقِذ، وهو القائل يمدح المُثَنى بن حارثة الشَّيباني، صاحب فتح العراق:
ما إِن رأَينا أَميراً بالعِراق مَضَى
… مِثْل الأَمِير الذي من آل شَيْبانَا
كان الأَميرُ المُثَنى يوم زَاحَفَهُ
… مِهْرانُ أَشجعَ مِن لَيْثِ بخَفَّانا
কুদাআ গোত্রের মধ্যে: আসলুম বিন তাদুল বিন তায়মুল লাত বিন রুফাইদাহ বিন সাওর ইবনে কালব বিন ওয়াবারাহ বিন তাগলিব বিন হুলওয়ান বিন ইমরান বিন আল-হাফ বিন কুদাআ। তাদের অন্তর্ভুক্ত হলেন: হাসান বিন দাস বিন মুররাহ বিন হামিয়াহ বিন গানাম বিন আসলুম; যিনি গানামাহ বিন সালাবাহ বিন তায়মুল্লাহ বিন আমির বিন আউফ বিন কিনানাহ বিন আউফ বিন উযরাহ বিন যায়দুল লাত বিন রুফাইদাহ বিন সাওর বিন কালবকে হত্যা করেছিলেন। গানামাহ তার সময়ে কালব গোত্রের সর্দার ছিলেন এবং তার উটগুলোকে তার ইচ্ছানুযায়ী যেকোনো জলাধারে পানি পান করতে বাধা দেওয়া হতো না। একদিন তিনি তার উটগুলোকে বনু তায়মুল্লাহ রুফাইদাহর জলাধারের দিকে হাঁকিয়ে নিয়ে আসলেন। হাসান বিন দাস সেগুলোকে প্রতিহত করলেন। হাসানের গোলাম যখন তাকে দেখতে পেল, সে তার মনিবকে জানাল। তিনি তখন কূপের ভেতরে ছিলেন। (সেখানের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে) তিনি বললেন, আমাকে উপরে টেনে তোলো। সে তাকে উপরে তুললে তিনি তার তলোয়ার নিলেন এবং গানামাহকে হত্যা করলেন। এরপর তিনি ও তার কওম পলাতক অবস্থায় বেরিয়ে পড়লেন এবং বনু কিনানাহ বিন খুজাইমাহর নিকট উপস্থিত হলেন। তখন বনু কিনানাহ বিন আউফ বনু কিনানাহ বিন খুজাইমাহর কাছে যাত্রা করল—কেননা কিনানাহ বিন আমরের মা ছিলেন বকর বিন আবদ মানাত বিন কিনানাহ বিন খুজাইমাহর কন্যা উযরা গোত্রের। তিনি তাদের আত্মীয়তার দোহাই দিয়ে অনুরোধ করলেন যেন তারা খুনিদের তাদের হাতে তুলে দেয়। তারা (বনু খুজাইমাহ) তাদের এই শর্তে বের করে দিল যে, তারা পৃথিবীর যেখানে ইচ্ছা পৌঁছানো পর্যন্ত তাদের কোনো ক্ষতি করা হবে না। এরপর তারা বনু তামিমে গিয়ে আউফ বিন কাব বিন সাদ বিন যায়দ মানাত বিন তামিমে আশ্রয় চাইল। তার মা ছিলেন কুদাআ গোত্রের নাহদ বংশীয়, তাই তিনি তাদের আশ্রয় দিলেন। তাদের কারণেই তমিম ও কালব গোত্রের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যা পরবর্তীতে ইসলামে মুহাম্মদ বিন উমাইর বিন উতারিদ বিন হাজিব বিন যুরারাহ বিন উদুস বহাল রেখেছিলেন।
জাবাল্লাহ বিন আল-খাম্মাহ বিন ইয়াস বিন আবদিল আলাম বিন বুরশাম বিন আল-আসআদ বিন হাবিব বিন আমর বিন কাহিল বিন আসলুম।
এবং "এই আসলুম বিন তাদুলের বংশধরদের মধ্যে" রয়েছেন: আল-মুয়াত্তাউ বিন সানবার বিন খালিদ বিন মালিক বিন সালিম বিন ওয়াহাব বিন হাবিব বিন জুশাম বিন হাবিব বিন আমর বিন কাহিল বিন আসলুম, যার সম্পর্কে আদি বিন আল-রিকা আল-আমিলি বলেন:
এমন এক চিহ্নবিশিষ্ট পথের ওপর যার পিঠ উটেরা চেনে... যেমন মেহমানরা চেনে আল-মুয়াত্তাউ-এর গৃহকে।
কুফায় তার একটি নিজস্ব গৃহ বা এলাকা (খুত্তাহ) ছিল এবং তিনি অত্যন্ত দানশীল ছিলেন।
এই তিনটি নাম 'লাম' বর্ণে পেশ (যম্মা) দিয়ে 'আসলুম' পড়তে হয়, এছাড়া বাদবাকি সবক্ষেত্রে 'লাম' বর্ণে জবর (ফাতহা) দিয়ে 'আসলাম' পড়তে হয়।
"আসলাম": তাদের অন্তর্ভুক্ত হলো: আসলাম বিন আফসা বিন হারিসাহ বিন আমর বিন আমির মাউস সামা, আর তিনি হলেন আসলাম খুজাআ।
তাদের মধ্যে রয়েছেন: মালিক এবং নুমান—খলফ বিন আউফ বিন দারিম বিন ইতর বিন ওয়াইলাহ বিন সাহম বিন মাযিন বিন আল-হারিস বিন সালামন বিন আসলামের দুই পুত্র। তারা উভয়ে ওহুদের যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের গোয়েন্দা (টহলদার) ছিলেন। তারা শহিদ হন এবং তাদের একই কবরে দাফন করা হয়।
তাদের মধ্যে রয়েছেন: জারহাদ বিন রিযাহ বিন আদি বিন সাহম বিন মাযিন। তিনি একজন সম্মানিত ব্যক্তি ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে উরু উন্মুক্ত অবস্থায় দেখে বলেছিলেন: "হে জারহাদ, নিশ্চয়ই উরু সতর (লজ্জাস্থান) এর অন্তর্ভুক্ত।"
তাদের মধ্যে রয়েছেন: আল-আকওয়া; তার নাম সিনান বিন আব্দুল্লাহ বিন কুশাইর বিন সিনান বিন খুজাইমাহ বিন মালিক বিন সালামন বিন আসলাম।
তার পুত্ররা হলেন: উহবান এবং সালামাহ, যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহচর্য লাভ করেছিলেন; এবং কবি আমির, যিনি খায়বারের যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করেন।
"আবামাহ": জুযাম গোত্রে: আবামাহ বিন গাতাফান বিন সাদ বিন হারাম বিন জুযাম; এটি জবর (ফাতহা) যুক্ত।
এবং খাসআম গোত্রে: আবামাহ; তিনি হলেন আসওয়াদ বিন ওয়াহাবুল্লাহ বিন শাহরান বিন ইফরাস; এটিও জবর যুক্ত।
"উবামাহ": সাকুন গোত্রে: উবামাহ বিন সালামাহ বিন শাকামাহ বিন শাবিব বিন আস-সাকুন; এটি পেশ (যম্মা) যুক্ত।
তাতে আরও রয়েছে: উবামাহ বিন রাবিআহ বিন শুকামাহ; এটিও পেশ যুক্ত।
এবং কুদাআ গোত্রে: উবামাহ বিন জুশাম বিন মালিক বিন কাব বিন আল-কাইন বিন জিসর।
"আফসা": আযদ গোত্রে: আফসা বিন হারিসাহ বিন আমর মুযাইকিয়া।
জুযাম গোত্রে: আফসা বিন সাদ বিন ইয়াস বিন হারাম বিন জুযাম।
রাবিআহ গোত্রে: আফসা বিন আবদিল কায়স আফসা।
ইয়াদ গোত্রে: আফসা বিন দুয়মি বিন ইয়াদ।
বাজিলাহ গোত্রে: আফআ বিন নাযীর বিন কাসর বিন আবকার।
"আওয়ার": শান বিন আফসা বিন আবদিল কায়স গোত্রে। আবদিল কায়সের নাম হলো: লুকাইয বিন আফসা বিন দুয়মি বিন জাদিলাহ বিন আসাদ বিন রাবিআহ বিন নিযার: আল-আওয়ার আশ-শান্নি।
তারা সবাই এ বিষয়ে একমত। আদহাম বিন ইমরান—যার নাম আল-হারিস বিন বিশর বিন মুনকিয—তিনি ইরাক বিজয়ের নায়ক আল-মুসান্না বিন হারিসাহ আশ-শায়বানীর প্রশংসা করে কবিতাটি বলেছিলেন:
আমরা ইরাকে এমন কোনো আমিরকে অতিবাহিত হতে দেখিনি, শায়বান বংশের এই আমিরের মতো।
আমির আল-মুসান্না যেদিন মিহরানের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়েছিলেন, সেদিন তিনি খাফফানের সিংহ অপেক্ষা অধিক সাহসী ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৪)
سَمَا لمِهران والجُند الذي مَعه
… فَقَتَّل الجَمْع من فُرْسٍ وجِيلانا
وفي أزْد شَنوَة: الأَعْور الشَّنِّيُّ " من أَزْد شنوءَة "، واسمه: جَهم بن الحارث. رأيت ذلك بخط أبي عبد الله اليزيدي، عن أشياخه، وأنشد له:
لقد عَلِمَتْ عُمَيرةُ أَنَّ جَارِي
… إِذا ضَنُّ المُثَمِّرُ مِن عِيالِي
ولَسْتُ بِقائل قَوْلاً لأَحْظَى
… بِقَوْلِ لا يُصَدِّقه فَعَالي
وأكرَمُ ما تكونُ عليّ نَفْسِي
… إذا ما قَلَّ في اللَّزَبَات مَالي
فَتُشْكَر سِيرتي وأصون عِرْضِي
… وتُحْمَد عِنْد أهْل الرَّأي حالِي
وإنْ نِلْتُ الغِنَى لم أُغْلِ فيه
… ولم أخْصُصْ بجَفوتيَ المَوَالِي
ولم أقْطَع أخاً لأخٍ طَرِيفٍ
… ولم يُذْمَمْ لطُرْفَته وِصَالي
لقدْ أصبحتُ ما أَحْتاج فِيما
… بَلَوْتُ من الأُمور إلى السُّؤَالِ
وذلك أَنَّني أَدَّبْتُ نَفْسي
… ومَا حَلْتُ الرِّجالَ ذوي المِحالِ
وقلَّبت الأُمور فأَحْكَمَتني
… ورَاعَ بِمَفرقي الوَضَح الفَوالي
" الأَغْلَب ": في عِجْل: الأغْلب، وهو الأغلب بن عَمرو بن عَبْدة بن حارثة ابن دُلَف بن جُشم بن قَيْس بن سعد بن عِجل.
وفي تميم: الأغلب بن سالم، أحد بني مالك بن سعد زَيد بن مَنَاة، ابن تميم، كان قائدا لأبي جعفر على أفريقية، وولى ابنه إبراهيم أفريقية لهارون.
ومن ولده آل الأغلب، الذين زالت دولتهم بأبي عبد الله الحُسين ابن زكريا الدَّاعي.
" أُدْعة ": وفي بجيلة: أُدعة بن أنمار بن إراش.
" إِيَاد ": في مَعد: إِيَاد بن نزار.
وفي الأزْد: إِيَاد بن سُود بن الحجْر، منهم: أبو البهاء الإِيادي الشاعر، كان يمدح المهالبة: " ومن قوله ": " أُسَيِّد ": أُسَيِّد " بالضم " ابن عَمر بن تميم.
وفي قَيْس: أُسَيِّد بن رِزَام بن مازن بن ثعلبة بن سعد بن ذبيان.
" أَسِيدُ ": وكل شيء بعد في العرب، فهو أَسِيد، على " فَعِيل ".
" أفْرَك ": في بجيلة: أفْرَك، وهو غانم بن أفْصَى بن نذير ابن قَسْر.
وفي بلى: أفْرك بن هَرِم بن هَنىّ بن بَلىّ.
" أكْلَبْ ": في حِمْيْر: أكْلَب " مثل: أفْعَل " بن سهل بن عمرو بن قيس. وفي طيئ: أكْلُب بن عمرو بن الصامت بن غَنْم بن مالك ابن سعد بن نبهان، وأكْلَب هذا هو جد الحسن بن قَحَطبة.
أَكْلُب: وفي خَثْعم: أَكْلَب بن ربيعة بن عِفْرُس بن حَلْف بن أَفْتَل " بضم اللام ".
وفي ربيعة: أَكْلُب بن ربيعة.
" إِلاءَة ": في الأَزد: إِلَاءَة " مثل: عِلَاقة " بن عمرو بن كعب بن الغِطْريف ابن عبد الله بن الغِطْريف بن بكر بن يَشْكُر بن مُبَشِّر.
" إِلة ": وفي عَكَّ: بنو إِلة " بوزن: ديَة " مَقْصُور ابن ساعدة بن الشاهد " ابن عَكَّ ".
" أُلَة ": وفي طيئ: أُلَة " مثل: عُلَة " ابن عمرو بن ثُمامة بن مالك بن جُدْعا ابن ذُهل بن دُومان بن جُنْدَب.
وفي طيئ، أيضا: عبد الأُلَة " مثل عُلَةَ " بن حارثة بن عُرْتة ابن صُهبان بن عَمَم بن عمرو بن سِنْبس.
" بنو إِلّ ": وفي حِمْير: بنو إِلّ ذي قَتات بن مالك.
" أُلَيْهَة ": وفي تميم: أُلَيْهَة، وهو القُلَيْب بن عمرو بن تميم.
وفي النَّخْع: بنو أُلَيْهَة بن عَوف بن النْخْع بن جَلد بن عُلَة " بن مذحج ".
" أصْمع ": في باهلة: بنو أَصمع بن مُظهِّر بن رِياح بن عبد شَمْس بن أَعْيَا ابن سعد بن عبد بن غَنْم " بن قُتَيْبَة بن معن بن مالك بن أَعصر بن سعد ابن قيس بن عيلان ".
وفي طيئ: أَصْمع بن أَبي عُبَيْد بْن رَبيعة بن نَصر بن سَعد ابن نَهْبان.
" أُمية ": في قريش: أُميَّة الأَكبر، وأُميَّة الأَصغر.
وفي الأَنصار: بنو أُمية بن زيد بن مالك بن عوف بن عَمرو ابن مالك بن الأَوس بن حارثة.
وفي طيئ بنو أُمية بن عدي بن كنانة بن مالك بن نابل بن أَسودان. وهو: نَبْهان بن العمرو بن الغَوث بن طيئ.
وفي قُضاعة: أُمَية بن غُضَيَّة بن هُصَيص بن حَيَِّ بن وائل بن جُشَم ابن مالك بن كعب بن القَيْن " بن جَسْر ".
وفي إِياد: أُمية بن حُذاقة بن زُهْر بن إِياد.
" أَمَةُ ":
তিনি মিহরান ও তার সাথে থাকা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অগ্রসর হলেন
… অতঃপর পারস্য ও জিলানের বিশাল বাহিনীকে হত্যা করলেন।
আর আযদ শানুয়াহ গোত্রে: আল-আওয়ার আশ-শান্নি "আযদ শানুয়াহ থেকে", তার নাম: জাহম ইবনুল হারিস। আমি এটি আবু আবদুল্লাহ আল-ইয়াজিদির হস্তলিপিতে তার শিক্ষকদের সূত্রে দেখেছি এবং তিনি তার জন্য এটি আবৃত্তি করেছেন:
উমাইরা জানতে পেরেছে যে আমার প্রতিবেশী
… যখন আমার পরিবারের কৃপণ ব্যক্তিরা হাত গুটিয়ে নেয়।
আমি এমন কোনো কথা বলার লোক নই যার কারণে প্রশংসা পাব
… এমন কথা যা আমার কাজ দ্বারা সত্যায়িত হয় না।
আমার প্রাণ আমার কাছে সবচেয়ে সম্মানিত হয়
… যখন দুর্ভিক্ষের কঠোরতায় আমার সম্পদ কমে যায়।
ফলে আমার জীবনধারা প্রশংসিত হয় এবং আমি আমার সম্মান রক্ষা করি
… এবং প্রাজ্ঞ ব্যক্তিদের কাছে আমার অবস্থা প্রশংসনীয় হয়।
আর যদি আমি ঐশ্বর্য লাভ করি তবে তাতে সীমালঙ্ঘন করি না
… এবং আমার বিমুখতার জন্য আমি আমার স্বজনদের নির্দিষ্ট করি না।
আর আমি কোনো নতুন বন্ধুর জন্য পুরনো ভাইকে ত্যাগ করি না
… এবং তার নতুনত্বের জন্য আমার সখ্যতা নিন্দিত হয় না।
আমি এখন এমন হয়েছি যে, যা কিছু আমি পরীক্ষা করেছি
… সেসব বিষয়ে কারো কাছে জিজ্ঞাসার প্রয়োজন নেই।
আর তা এজন্য যে আমি নিজেই নিজেকে শিক্ষিত করেছি
… এবং আমি ধূর্ত ও কৌশলী পুরুষদের সাথে বিতর্কে জড়াইনি।
আমি বিষয়গুলোকে বারবার পর্যালোচনা করেছি যা আমাকে অভিজ্ঞ করেছে
… আর আমার সিঁথির শুভ্রতা আমাকে চমকে দিয়েছে।
"আল-আঘলাব": ইজিল গোত্রে: আল-আঘলাব, তিনি হলেন আল-আঘলাব ইবনে আমর ইবনে আবদাহ ইবনে হারিসাহ ইবনে দুলাফ ইবনে জুশাম ইবনে কায়স ইবনে সাদ ইবনে ইজিল।
আর তামিম গোত্রে: আল-আঘলাব ইবনে সালিম, বনু মালিক ইবনে সাদ ইবনে যায়েদ ইবনে মানাত ইবনে তামিমের অন্যতম সদস্য, তিনি আফ্রিকার উপরে আবু জাফরের সেনাপতি ছিলেন এবং তাঁর পুত্র ইবরাহিমকে হারুনের পক্ষ থেকে আফ্রিকার গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন।
তাঁর সন্তানদের মধ্যে আল-আঘলাব পরিবার রয়েছেন, যাদের শাসনের অবসান ঘটে আবু আবদুল্লাহ আল-হুসাইন ইবনে জাকারিয়া আদ-দাঈর মাধ্যমে।
"উদয়াহ": আর বাজিল্লাহ গোত্রে: উদয়াহ ইবনে আনমার ইবনে ইরাশ।
"ইয়াদ": মা'আদ গোত্রে: ইয়াদ ইবনে নিজার।
আর আযদ গোত্রে: ইয়াদ ইবনে সুদ ইবনুল হিজর, তাঁদের মধ্যে কবি আবু আল-বাহা আল-ইয়াদি রয়েছেন, তিনি মুহাল্লাবিদের প্রশংসা করতেন: "তাঁর একটি উক্তি হলো": "উসাইদ": উসাইদ "পেশ যোগে" ইবনে আমর ইবনে তামিম।
আর কায়স গোত্রে: উসাইদ ইবনে রিজাম ইবনে মাজিন ইবনে সালাবা ইবনে সাদ ইবনে দুবইয়ান।
"আসিদ": আরবে এর পরবর্তী প্রতিটি নাম "ফাইল" ওজনে "আসিদ"।
"আফরাক": বাজিল্লাহ গোত্রে: আফরাক, তিনি হলেন গানিম ইবনে আফসা ইবনে নাযির ইবনে কাসর।
আর বালি গোত্রে: আফরাক ইবনে হারিম ইবনে হানা ইবনে বালি।
"আকল্যাব": হিময়ার গোত্রে: আকল্যাব "আফআল ওজনে" ইবনে সাহল ইবনে আমর ইবনে কায়স। আর তায়ি গোত্রে: আকলুব ইবনে আমর ইবনে সামিত ইবনে গানম ইবনে মালিক ইবনে সাদ ইবনে নাবহান, আর এই আকল্যাব হলেন হাসান ইবনে কাহতাবা-র দাদা।
আকলুব: আর খাসআম গোত্রে: আকল্যাব ইবনে রাবিআ ইবনে ইফরাস ইবনে হালফ ইবনে আফতাল "লাম বর্ণে পেশ যোগে"।
আর রাবিআ গোত্রে: আকল্যাব ইবনে রাবিআ।
"ইলাআহ": আযদ গোত্রে: ইলাআহ "আলাকাহ ওজনে" ইবনে আমর ইবনে কাব ইবনুল গিতরিফ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনুল গিতরিফ ইবনে বকর ইবনে ইয়াশকর ইবনে মুবাশশির।
"ইলাহ": আর আক গোত্রে: বনু ইলাহ "দিয়াহ ওজনে" মাকসুর ইবনে সাইদাহ ইবনে আশ-শাহিদ "ইবনে আক"।
"উলাহ": আর তায়ি গোত্রে: উলাহ "উলাহ ওজনে" ইবনে আমর ইবনে সুমামাহ ইবনে মালিক ইবনে জুদআ ইবনে দুহিল ইবনে দুমান ইবনে জুনদাব।
আর তায়ি গোত্রে আরও আছে: আবদ উল্লাহ "উলাহ ওজনে" ইবনে হারিসাহ ইবনে উরতাহ ইবনে সুহবান ইবনে আমাম ইবনে আমর ইবনে সিনবিস।
"বনু ইল": আর হিময়ার গোত্রে: বনু ইল যিল কাতাত ইবনে মালিক।
"উলাইহাহ": আর তামিম গোত্রে: উলাইহাহ, তিনি হলেন আল-কুলাইব ইবনে আমর ইবনে তামিম।
আর নাখ গোত্রে: বনু উলাইহাহ ইবনে আউফ ইবনুন নাখ ইবনে জালদ ইবনে উলাহ "ইবনে মাজহিজ"।
"আসমা": বাহিলাহ গোত্রে: বনু আসমা ইবনে মুজাহির ইবনে রিয়াহ ইবনে আবদ শামস ইবনে আইয়া ইবনে সাদ ইবনে আবদ ইবনে গানম "ইবনে কুতাইবাহ ইবনে মান ইবনে মালিক ইবনে আসুর ইবনে সাদ ইবনে কায়স ইবনে আইলান"।
আর তায়ি গোত্রে: আসমা ইবনে আবু উবাইদ ইবনে রাবিআ ইবনে নাসর ইবনে সাদ ইবনে নাবহান।
"উমাইয়াহ": কুরাইশ গোত্রে: উমাইয়াহ আল-আকবার এবং উমাইয়াহ আল-আসগার।
আর আনসারদের মধ্যে: বনু উমাইয়াহ ইবনে যায়েদ ইবনে মালিক ইবনে আউফ ইবনে আমর ইবনে মালিক ইবনুল আওস ইবনে হারিসাহ।
আর তায়ি গোত্রে: বনু উমাইয়াহ ইবনে আদি ইবনে কিনানাহ ইবনে মালিক ইবনে নাবিল ইবনে আসওয়াদান। আর তিনি হলেন: নাবহান ইবনুল আমর ইবনুল গাওস ইবনে তায়ি।
আর কুদায়াহ গোত্রে: উমাইয়াহ ইবনে গুদাইয়াহ ইবনে হুসাইস ইবনে হাই ইবনে ওয়ায়েল ইবনে জুশাম ইবনে মালিক ইবনে কাব ইবনুল কাইন "ইবনে জাসর"।
আর ইয়াদ গোত্রে: উমাইয়াহ ইবনে হুযাকাহ ইবনে যুহর ইবনে ইয়াদ।
"আমাতু":
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৫)
وفي الأَنصار: أَمَة بن ضُبَيعة بن زيد بن مالك بن عَوف بن عمرو ابن عَوف بن مالك بن الأَوس.
وفي قَيْس: أَمَة بن بَجَالة بن مازن بن ثعلبة بن سعد بن ذُبيان، وإِيَّاها عنى الشَّمِّاخ بقوله:
أَلَا تِلْك ابنهُ الأَمويّ قالت
… أَراك اليومَ جِسْمك كالرَّجِيعِ
" أَسَد ": في مُضَر بنو أَسَد بن خُزيمة.
وفي قَيْس: أَسَد بن عبد العُزَّى.
وفي مَذبح: أَسد بن عبد مَناة بن عائذ الله بن سَعد العشيرة.
وفي مَذبح، أَيضًا: أَسد بن مُر بن صُدَاءَ.
وفي قَيْس: أَسَد بن عبد العُزى.
" وفي مَذحج: أَسد بن عبد مناة بن عائذ الله بن سعد العيرة ".
" الأُقْروع ": وفي حمْير: بنو الأُقروع، وهم هَمْدان.
" أَيمن ": وفي حِمْير: بنو أَيْمَن بن الهَمَيْسَع.
" أَبْيَن ": وفي حِمْير: بنو أَبْيَن بن زُهير، وبه سُميت: عَدَنُ أَبْيَن.
" أَلْحج ": وفي حِمْير: بنو أَلْحَج.
" أَمين ": وفي حِمْير: بنو أَمِين بن عمرو.
" الأَوزاع: " وفي حِمْير: بنو الأَوْزاع بن زَيد.
" الأُكْلوب ": وفي حِمْير: بنو الأُكْلُوب بن عمرو.
" الأُشروع ": وفي حمْير: بنو الأُشروع بن سعد، وقد تكلَّعوا.
" أَذرح ": وفي حِمْير: الأَذْرح بن شَدَد، والرواية، سَدَد، غير مُعجمة.
" أَجرم ": وفي خَثْعم: أَجْرَم، بالجيم والراء، وهو: مَغْوِيَة بن ناهس ابن عِفْرِس.
" أَخزم ": وفي طيئ: أَخَزم بن أَبي أَخْزم بالخاء المعجمة والزاي فيهما ابن ربيعة بن جَرْول بن ثُعْل.
" أَيثع ": في بَجيلة: أَيْثَع " بتقديم الياءِ " ابن نَذير بن قَسْر بن عَبْقَر.
" أَحْرَم ": وفي هَمْدان: أَحْرَمُ بالحاء غير معجمة والراء ابن هَبْرة بن مَذْكَر ابن يَامِ بن أَصْبَى بن دافع.
قال أَبو جعفر محمد بن حَبيب، عن أَبي المُنذر: لما ضَرب المخاض أَمَّ بني عامر بهلال بَعئت إلى الحازِيَة، فأَتتها فقالت: ما تَرين؟ قالت: أَرى له حَظًّا في أَعجاز النِّساء، فلما مَخضت بسَواءةَ قالت: ما ترين؟ قالت: هَبَّة ولا نَبَّة، أي لا شيء عنده. فلمَّا مَخضت بنُمَيْر، قالت: أَرى شبرا لا خير معه، وعصيانا لا طاعة معه.
الباء" بكر ": بكر بم وائل بن قاسط بن هِنْب بن أَفْصَى بن دُعْمِيّ بن جديلة ابن أَسَد بن رَبيعة بن نزار.
القَبيل الكُبر الذي منه: شَيبان، ويَشْكُر، وحَنيفة، وعِجْل: بكر بن وائل بن مرَّانْ بن جُعفِيّ بن سعد العشيرة بن مالك بن أُدَد ابن زيد بن يَشْجُب بن عَرِب بن زيد بن كَهْلان بن سبأ بن يَشْجُب ابن يَعْرُب بن قحطان.
وولد بكر بن وائل هذا: مَرَّانْ المُخلَّق، وهم بطن نصارى، كانوا بالحِيرة، منهم: الحارث بن عُمَير، صاحب يوسف بن عُمر.
" بَوْلان ": وفي طيئ: بَوْلان بن عَمرو بن الغَوث.
وفي عَكّ: بَوْلان بن صُحَار بن " عَكّ ".
ومنهم: مُقاتل بن حَكيم " بن عبد الرحمن " الخُراسانيّ، من رجال دولة بني العبَّاس.
" بُحيْر ": وفي طيئ: البُحَيْرُ، واسمُه: عمرو بن طَريف بن عمرو بن ثمامة ابن مالك بن جَدْعاء بن فُطْرة بن طيئ، وسُمِّي: البُحَيْر، لجوده، وكان شريفا، وهو الذي نافر عامر بن جُوَين الطائي، فنُفِّر عليه البُحَير.
" بُجيْر ": في مُزينة: بُجير بن زهير.
" بَحير ": " بِشْر ": في قُريش: بِشْر بن مروان، من ولده جماعة.
" بُسْر ": في قُريش بُسْر بن أَبي أَرطاة، أبو عبد الرحمن، ومن قال " ابن أَرطأَة " فقد وهم، يُنسب إليه جماعة.
" وفي خثم: بُسْر بن وهب بن شَهْران بن عِفْرس بن حُلْف ابن أَفتل، وهو خَثْعم ": " وفي هوازن: بُسْر بن مالك بن هريرة بن رباح بن هلال بن عامر ابن صَعْصَعة بن بكر بن هوازن ".
" بَلِيّ ": وفي قُضاعة: بَليّ بن عمرو بن الحاف بن قُضاعة، منهم جماعة من الصحابة، وفيها يقول النابغة:
إِحدى بَلِيٍّ وما هَامَ الفُؤاد بها
وفي أسد: أبو بَليٍّ، واسمُه عُبَيْد بن ثعلبة بن رُوَيْبة بن مالك ابن الحارث بن سعد بن ثعلبة بن دُودَان بن أَسد بن خُزيمة.
وابنه: عمرو بن شأْس بن أبي بَلِيّ، الشاعر المعروف.
" بَثِيرَة ": في بَلِيّ: بَثِيرَة بن مَشْنُوء " بن القُشَر " بن تميم بن عَوْذ مناة ابن ناج بن تيم بن أَرَاشَة بن عامر بن عُبيلة بن قِسْميل بن فَرَّان ابن بَلِيّ بن عمرو.
" بَسِيل ":
আনসারদের মধ্যে: আমাহ বিন দুবাইআ বিন যায়দ বিন মালিক বিন আওফ বিন আমর ইবন আওফ বিন মালিক বিন আল-আউস।
এবং কায়স গোত্রে: আমাহ বিন বাজালা বিন মাযিন বিন সালাবা বিন সাদ বিন যুবইয়ান, এবং তাকে উদ্দেশ্য করেই আল-শাম্মাখ তার কবিতায় বলেছেন:
হায়, উমাবীর সেই কন্যা বলেছে
… আজ আমি তোমাকে দেখছি তোমার শরীর জীর্ণ-শীর্ণ বস্ত্রের মতো।
"আসাদ": মুযার গোত্রে রয়েছে বানু আসাদ বিন খুযাইমা।
এবং কায়স গোত্রে: আসাদ বিন আবদ আল-উযযা।
এবং মাযবাহ গোত্রে: আসাদ বিন আবদ মানাত বিন আইযুল্লাহ বিন সাদ আল-আশিরা।
এবং মাযবাহ গোত্রে আরও রয়েছে: আসাদ বিন মুর বিন সুদা।
এবং কায়স গোত্রে: আসাদ বিন আবদ আল-উযযা।
"এবং মাযহিজ গোত্রে: আসাদ বিন আবদ মানাত বিন আইযুল্লাহ বিন সাদ আল-আশিরা"।
"আল-আকরু": এবং হিমইয়ার গোত্রে: বানু আল-আকরু, যারা হামদান গোত্রভুক্ত।
"আয়মান": এবং হিমইয়ার গোত্রে: বানু আয়মান বিন আল-হামাইসা।
"আবইয়ান": এবং হিমইয়ার গোত্রে: বানু আবইয়ান বিন যুহায়ের, যার নামে আদন আবইয়ান নামকরণ করা হয়েছে।
"আলহাজ": এবং হিমইয়ার গোত্রে: বানু আলহাজ।
"আমিন": এবং হিমইয়ার গোত্রে: বানু আমিন বিন আমর।
"আল-আওযা": এবং হিমইয়ার গোত্রে: বানু আল-আওযা বিন যায়দ।
"আল-উকলুব": এবং হিমইয়ার গোত্রে: বানু আল-উকলুব বিন আমর।
"আল-উশরু": এবং হিমইয়ার গোত্রে: বানু আল-উশরু বিন সাদ, তারা তাকাল্লা গোত্রভুক্ত হয়েছে।
"আযরাহ": এবং হিমইয়ার গোত্রে: আল-আযরাহ বিন শাদাদ; বর্ণনামতে সাদাদ, যা নুকতাহবিহীন।
"আজরাম": এবং খাসআম গোত্রে: আজরাম, জীম এবং রা যোগে, তিনি হলেন মাগউইয়া বিন নাহিস বিন ইফরাস।
"আখযাম": এবং তাই গোত্রে: আখযাম বিন আবি আখযাম, উভয় ক্ষেত্রে নুকতাহযুক্ত খা এবং যা যোগে, তিনি রাবিআ বিন জারওয়াল বিন সু'ল-এর পুত্র।
"আইসা": বাজিলা গোত্রে: আইসা "ইয়া-কে আগে দিয়ে", নাযীর বিন কাসর বিন আবকার-এর পুত্র।
"আহরাম": এবং হামদান গোত্রে: আহরাম, নুকতাহবিহীন হা এবং রা যোগে, হাবরা বিন মাযকার বিন ইয়াম বিন আসবা বিন দাফে-এর পুত্র।
আবু জাফর মুহাম্মদ বিন হাবিব আবু আল-মুনযির থেকে বর্ণনা করেছেন: যখন বানি আমিরের মা বিলালকে প্রসবের বেদনায় ছিলেন, তখন তিনি এক গণক মহিলার কাছে লোক পাঠালেন। মহিলা এসে জিজ্ঞেস করল: আপনি কী দেখছেন? সে বলল: আমি তার জন্য মহিলাদের পশ্চাৎভাগে অংশ দেখতে পাচ্ছি। যখন তিনি সাওয়াআহকে প্রসব করলেন, তখন তিনি জিজ্ঞেস করলেন: আপনি কী দেখছেন? মহিলা বলল: একটি হাওয়া কিন্তু কোনো উচ্চ শব্দ নেই, অর্থাৎ তার কাছে কিছুই নেই। যখন তিনি নুমাইরকে প্রসব করলেন, মহিলা বলল: আমি এক বিঘত পরিমাণ কিছু দেখছি যার সাথে কোনো কল্যাণ নেই, এবং এমন অবাধ্যতা দেখছি যার সাথে কোনো আনুগত্য নেই।
বা"বকর": বকর বিন ওয়ায়েল বিন কাসিত বিন হিনব বিন আফসা বিন দু'মি বিন জাদিইল বিন আসাদ বিন রাবিআ বিন নিযার।
বড় সেই গোত্র যাতে রয়েছে: শায়বান, ইয়াশকুর, হানিফা এবং ইজিল: বকর বিন ওয়ায়েল বিন মাররান বিন জু'ফী বিন সাদ আল-আশিরা বিন মালিক বিন উদাদ বিন যায়দ বিন ইয়াশজুব বিন আরিব বিন যায়দ বিন কাহলান বিন সাবা বিন ইয়াশজুব বিন ইয়ারুব বিন কাহতান।
এবং এই বকর বিন ওয়ায়েলের সন্তান: মাররান আল-মুখাল্লাক, তারা একটি খ্রিস্টান উপগোত্র যারা হীরায় বসবাস করত। তাদের অন্তর্ভুক্ত: হারিস বিন উমাইর, যিনি ইউসুফ বিন ওমরের সাথী ছিলেন।
"বওলান": এবং তাই গোত্রে: বওলান বিন আমর বিন আল-গাউস।
এবং আক্ক গোত্রে: বওলান বিন সুহার বিন আক্ক।
তাদের মধ্যে রয়েছেন: মুকাতিল বিন হাকিম বিন আবদুর রহমান আল-খুরাসানি, যিনি আব্বাসীয় রাষ্ট্রের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।
"বুহাইর": এবং তাই গোত্রে: আল-বুহাইর, তার নাম: আমর বিন তারিফ বিন আমর বিন সুমামা বিন মালিক বিন জাদআ বিন ফিতরা বিন তাই। তার দানশীলতার কারণে তাকে বুহাইর বলা হতো এবং তিনি ছিলেন একজন অভিজাত ব্যক্তি। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি আমির বিন জুওয়াইন আল-তাই-এর সাথে শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিযোগিতা করেছিলেন এবং বুহাইর তার ওপর শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করেছিলেন।
"বুজাইর": মুযাইনা গোত্রে: বুজাইর বিন যুহায়ের।
"বাহির": "বিশর": কুরাইশ বংশে: বিশর বিন মারওয়ান, তার বংশধরদের একটি দল রয়েছে।
"বুসর": কুরাইশ বংশে: বুসর বিন আবি আরতাহ, আবু আবদুর রহমান। আর যিনি "ইবনে আরতাহ" বলেছেন তিনি ভুল করেছেন; তার দিকে একটি দল সম্পৃক্ত।
"এবং খাসআম গোত্রে: বুসর বিন ওয়াহাব বিন শাহরান বিন ইফরাস বিন হুলফ বিন আফতাল, আর এটিই হলো খাসআম": "এবং হাওয়াজিন গোত্রে: বুসর বিন মালিক বিন হুরাইরা বিন রাবাহ বিন হিলাল বিন আমির বিন সা'সাআ বিন বকর বিন হাওয়াজিন"।
"বালি": এবং কুদায়া গোত্রে: বালি বিন আমর বিন আল-হাফ বিন কুদায়া। তাদের মধ্য থেকে একদল সাহাবী রয়েছেন। তাদের সম্পর্কেই আন-নাবিগা বলেছেন:
একটি বালি গোত্রের নারী যার প্রতি অন্তর আসক্ত হয়নি
এবং আসাদ গোত্রে: আবু বালি, তার নাম উবাইদ বিন সালাবা বিন রুয়াইবা বিন মালিক বিন আল-হারিস বিন সাদ বিন সালাবা বিন দুদান বিন আসাদ বিন খুযাইমা।
এবং তার পুত্র: আমর বিন শাস বিন আবি বালি, যিনি একজন সুপরিচিত কবি।
"বাছিরা": বালি গোত্রে: বাছিরা বিন মাশনু বিন আল-কুশার বিন তামীম বিন আওয মানাত বিন নাজ বিন তাইম বিন আরাশাহ বিন আমির বিন উবাইলা বিন কিসমীল বিন ফাররান বিন বালি বিন আমর।
"বাসিল":
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৬)
وفي تميم: بَسِيل بن مَحْكان بن جَرْوة بن قَبيصة بن سجد بن أُبَيّ ابن الحارث بن حنجود بن
… ، وابنه طَيْسَلَة بن بَسِيل، شاعر.
وجدت له بخط يعقوب بن السِّكيت في أنساب بني حَنجود يُرَقِّص ابنه مُقَلَّدا:
مُقلَّد يُحِبُهُ فُؤَادِي
… حُبَّ المُمَنيَّ الماءَ وهو صَادِي
بِغُدُوات نازحِ البِلَادِ
… حَيْثُ يَضِلُّ الشَّمَّرِيُّ الهادِي
ومن قوله يرثي رِبَحْلة بنت جميل بن جروة:
لقد نزعت ربحلة من حبال
… بأَسباب وكانت بها ضنينَا
وكانت لا يُهال الجار منها
… ولا تلحَى على العُدْم القَرينى
وقال لأبنه قُرَيْط، وافترض:
غَزَى لم يُؤامِرْني قُرَيْط ولم يَكُن
… لِيَنْهاه أَمْرٌ للْصَرَامَةِ عَن أَمْرِي
يَقول له الأَعداءُ إِذ يَزْعِجُونه
… تَفيء الرُّدِينَّات خَيرٌ من الفَقْرِ
وما في اجْنلاد الأَزرَقِيَّة راحَةً
… ومَطْرودة الأَعْراض جائزةُ الهَبْرِ
" بُتَيْرة ": وفي نَهْد: بُتَيْرَةَ، بضم الباء وب
التاء، وهو الحارث بن مالك بن نَهْد.
وفي قُرَيْش: بُتِيرة بن الحارث فِهْر، " لا عقب له ".
" بِرْبَاط ": وفي أَسد: بِرْبَاط بن نَهْد بن سَعد بن الحارث بن ثَعلبة ابن دُودان.
" بَرْبَط ": " وفي القَيْن: بَرْبط بن حَبيب بن زَيد بن عَوف بن حَيّ بن وائل ابن جُشَم بن مالك بن كعْب بن القَيْن ".
" بِجَاد ": وفي عَبْس: بِجَاد بن عبد بن مالك بن غالب بن قُطَيْعَة.
وفي شيبان: بِجَادَ بن قيس بن مسعود.
وفي همدان: بِجَاد بن رَبيعة بن الحارث بن مُرْهِبة.
" بَدَا ": وفي كِنْدة: بَدَا بن الحارث بن نَوْر.
" بَدَّاء ": وفي جُعْفِيّ: بَدَّاء بن سعد بن عمرو بن ذَهْل بن مَرَّان بن جُعْفِي.
وفي بَجيلة: " بَدَّاء بن فتيان بن ثعلبة بن مُعاوية بن زيد بن الغَوث " " بِدَا ": وفي مُراد: بِدَا بن عامر بن عَوْبَثان بن زاهر.
" أَبْذِي ": في السكون: أَبْذِي، بالذال مكسورة، بن عَديّ بن أَشْرس ابن شَبيب بن السَّكون.
" بَكيل ": في هَمَدان: بَكِيل بن جُثَم بن خَيْران.
وفي أَلهان بن مالك، إِخوة هَمْدان: بَكِيل بن أَلْهان، وألهان، مثل " عَلْهان ".
" بُذَيْل ": وفي جُهَيْنة: بُذَيْل بن سعد بن عَدِيّ بن كاهل بن نصر بن مالك ابن غَطْفان بن قيس بن جُهَيْنة.
" بَهْد ": في أسد: بَهْد بن سعد بن الحارث بن ثعلبة بن دُودان. ونَهْد، بالنون. في قُضاعة، وفي هَمْدان.
التاء
في عاد: تِقْن وفي تميم: امرأة اسمها: تِقْن بنت شَريق بن غَنْم، من بني جُثَم ابن سعد بن زيد مناة، وكانت تحت رجل من قومها، وكان أخوها، الرَّيْب بن شريق، من فرسان بني سعد وأشرافهم، وكانت لها ضَرَّة، ولضرَّتها ابن يقال له: الحمِيت، فوقع بين تِقْن وضَرَّتها شر، فاسْتَبّتا، فغلبتها تِقْن، فلما سمع ذلك الحَمِيت، أحَدَّ الرمح فطعن به في فخذ تِقْن فأنفذ فخذها، فلما رأى ذلك أبوه كره أن يبلغ أخاها ذلك، فاستكتمها إيَّاه عنه، على أن يعطيها ثلاثين من الإبل، فرضِيَت، وأخذت الإبل فوسمتْها بوسم أخيها الرَّيب، وألحقتها بإبله. فكانت في إبله ما شاء الله، ثم إنَّ سفيان بن شريق، أخا الرَّيب، ورد الماء بإبله فكان بينه وبين الحميت كلام، فضربه الحميت فأدماه، فأتى سفيان أخاه الرَّيب فأعلمه، فركب فرسا يقال له:هَدَّاج، ثم لحق الحيَّ وهم سائرون، فقال: من أحسّ لي من بكر أوْرَقَ ضلَّ من إبلي؟ فيقولون: ما رأيناه، فمضى حتى لحق الحميت، وهو يسير خلف الحيّ فقال: هل أحسست من بكْر أوْرَقَ ضلَّ من إبلي؟ قال: ما رأيته. ثم إن الرَّيب ألقى سوطه كأنه وقع منه، وقال للحميت: ناولني سوطي، فأكبَّ ليناوله السوط، فقال الريب: أعكرتني بالضَّفِير، ثم ضربه بالسيف على مجامع كتفيه ضربة كادت تقع في جوفه، ثم مضى على فرسه، وذهب قوله " أعكرتني بالضَّفير " مثلا.
والضَّفِير: حبل مضفور، يقول أتَعْكُرُ عَلَيَّ عَكْرتين، أي: تطف عليّ مرتين، تضربني بالحبل. والعَكْر. الرُّجوع.
وقال الرَّيْب في هذه القصَّة:
بَكَتْ تِقْنٌ فأَوْجَعَني بُكَاهَا
… وَعَزَّ عَلَيَّ أنْ وَجعت نَساهَا
তমিমে: বাসিল বিন মাহকান বিন যারওয়াহ বিন কাবিাসাহ বিন সাজাদ বিন উবাই ইবনুল হারিস বিন হানজুদ বিন
... , এবং তার পুত্র তাইসালাহ বিন বাসিল, যিনি একজন কবি ছিলেন।
ইয়াকুব বিন আস-সিক্কিতের হস্তাক্ষরে বনু হানজুদের বংশলতিকায় আমি তাকে তার পুত্র মুকাল্লাদকে নাচানোর সময় গাইতে দেখেছি:
মুকাল্লাদ, তাকে আমার হৃদয় ভালোবাসে
... যেমন একজন পিপাসার্ত ব্যক্তি পানি কামনা করে।
সুদূর দেশের প্রভাতগুলোতে
... যেখানে পারদর্শী পথপ্রদর্শকও পথ হারিয়ে ফেলে।
জামিল বিন যারওয়াহর কন্যা রাবাহলার শোকগাথায় তার পঙক্তি:
রাবাহলা দড়ি ছিঁড়ে চলে গেছে
... কিছু কারণে, অথচ সে তাতে আসক্ত ছিল।
তার পক্ষ থেকে প্রতিবেশীকে ভীত হতে হতো না
... এবং অভাবের সময় সে তার সঙ্গীর সাথে ঝগড়া করত না।
তিনি তার পুত্র কুরাইতের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, যখন সে যুদ্ধে বের হওয়ার সংকল্প করেছিল:
কুরাইত আমার সাথে পরামর্শ না করেই যুদ্ধে গেছে এবং সংকল্পের দৃঢ়তার কারণে
... কোনো আদেশই তাকে আমার আদেশের বিপরীতে ফেরাতে পারেনি।
শত্রুরা তাকে উত্যক্ত করার সময় বলে
... রুদানীয় বর্শা নিয়ে ফিরে আসা দারিদ্র্যের চেয়ে উত্তম।
নীল বর্শার লড়াইয়ে কোনো প্রশান্তি নেই
... এবং মান-সম্মান রক্ষার উদ্দেশ্যে আঘাত করা বিধেয়।
"বুতাইরাহ": নাহদে: বুতাইরাহ, 'বা' বর্ণে পেশ এবং
'তা' যোগে, তিনি হলেন হারিস বিন মালিক বিন নাহদ।
কুরাইশে: বুতাইরাহ বিন হারিস ফিহর, "তার কোনো উত্তরসূরি নেই"।
"বিরবাত": আসাদে: বিরবাত বিন নাহদ বিন সাদ বিন হারিস বিন সালাবাহ বিন দুদান।
"বারবাত": "আল-কাইনে: বারবাত বিন হাবিব বিন যায়েদ বিন আউফ বিন হাই বিন ওয়াইল বিন জুশাম বিন মালিক বিন কাব বিন আল-কাইন।"
"বিযাদ": আবসে: বিযাদ বিন আবদ বিন মালিক বিন গালিব বিন কুতাইয়াহ।
শাইবানে: বিযাদ বিন কাইস বিন মাসউদ।
হামদানে: বিযাদ বিন রাবিয়াহ বিন হারিস বিন মুরহিবাহ।
"বাদা": কিনদাহতে: বাদা বিন হারিস বিন নাওর।
"বাদ্দাহ": জুফিতে: বাদ্দাহ বিন সাদ বিন আমর বিন যাহল বিন মাররান বিন জুফি।
বাজীলাহতে: "বাদ্দাহ বিন ফিতইয়ান বিন সালাবাহ বিন মুয়াবিয়া বিন যায়েদ বিন আল-গাওস।" "বিদা": মুরাদে: বিদা বিন আমির বিন আওবাসান বিন যাহির।
"আবযি": আস-সাকুনে: আবযি, 'যাল' বর্ণে যের সহকারে, তিনি আদি বিন আশরাস বিন শাবিব বিন আস-সাকুনের পুত্র।
"বাকিল": হামদানে: বাকিল বিন জুসাম বিন খাইরান।
আলহান বিন মালিক (হামদানের ভাইদের মধ্যে): বাকিল বিন আলহান, আর আলহান নামটি "আলহান" (আলিফ যোগে) এর মতো।
"বুযাইল": জুহাইনায়: বুযাইল বিন সাদ বিন আদি বিন কাহিল বিন নাসর বিন মালিক বিন গাতফান বিন কাইস বিন জুহাইনা।
"বাহদ": আসাদে: বাহদ বিন সাদ বিন হারিস বিন সালাবাহ বিন দুদান। আর নাহদ (নুন দিয়ে) কুদাহ এবং হামদানে পাওয়া যায়।
তা (অক্ষর)
আদ-এ: তিকন। এবং তামিমে: তিকন বিনতে শারিক বিন গানম নামের এক মহিলা ছিলেন, যিনি বনু জুসাম বিন সাদ বিন যায়েদ মানাত গোত্রের। তিনি তার স্বগোত্রীয় একজনের স্ত্রী ছিলেন। তার ভাই রাইব বিন শারিক বনু সাদের অন্যতম অশ্বারোহী ও উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি ছিলেন। তিকনের একজন সতীন ছিল, আর তার সতীনের 'হামিত' নামে এক পুত্র ছিল। একদিন তিকন ও তার সতীনের মধ্যে বিবাদ বাধে এবং তারা একে অপরকে গালিগালাজ করে। তিকন তার ওপর জয়ী হন। হামিত যখন এ কথা শুনল, সে তার বর্শা ধারালো করল এবং তিকনের ঊরুতে তা বিদ্ধ করল, যা তার ঊরু এফোঁড়-ওফোঁড় করে দিল। যখন তার পিতা এটি দেখলেন, তিনি চাইলেন না যে তার ভাইয়ের কাছে এ খবর পৌঁছাক। তাই তিনি তাকে এটি গোপন রাখতে বললেন এবং বিনিময়ে তাকে ত্রিশটি উট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন। তিকন রাজি হলেন এবং উটগুলো নিয়ে সেগুলোতে তার ভাই রাইবের চিহ্ন (ওয়াসম) অঙ্কিত করে তার ভাইয়ের উটগুলোর সাথে যুক্ত করে দিলেন। সেগুলো দীর্ঘকাল তার ভাইয়ের পালের মধ্যেই ছিল। অতঃপর রাইবের ভাই সুফিয়ান বিন শারিক যখন তার উটগুলোকে পানি খাওয়াতে নিয়ে গেলেন, তখন হামিতের সাথে তার কথা কাটাকাটি হলো। হামিত সুফিয়ানকে আঘাত করে রক্তাক্ত করে ফেলল। সুফিয়ান তার ভাই রাইবের কাছে এসে বিষয়টি জানালেন। রাইব তখন 'হাদ্দাজ' নামক ঘোড়ায় চড়ে বসলেন এবং গোত্রটি যখন চলে যাচ্ছিল তখন তাদের নাগাল ধরলেন। তিনি বললেন: "তোমাদের মধ্যে কেউ কি আমার পথ হারানো ধূসর রঙের উট দেখেছ?" তারা বলল: "আমরা তা দেখিনি।" তিনি চলতে থাকলেন যতক্ষণ না হামিতের নাগাল পেলেন, যে গোত্রের পেছনে পেছনে চলছিল। তিনি বললেন: "তুমি কি আমার হারিয়ে যাওয়া ধূসর রঙের উটটি দেখেছ?" সে বলল: "আমি দেখিনি।" এরপর রাইব তার চাবুকটি এমনভাবে ফেলে দিলেন যেন তা ভুলবশত পড়ে গেছে। তিনি হামিতকে বললেন: "আমাকে চাবুকটি দাও।" হামিত যখন চাবুকটি দেওয়ার জন্য নিচু হলো, রাইব বললেন: "তুমি কি আমাকে দড়ি (দাফির) দিয়ে ফেরাতে চেয়েছিলে?" তারপর তিনি তার তলোয়ার দিয়ে তার দুই কাঁধের সংযোগস্থলে এমন জোরে আঘাত করলেন যে তা তার পেটের ভেতর ঢুকে যাওয়ার উপক্রম হলো। এরপর তিনি তার ঘোড়া চালিয়ে চলে গেলেন। তার সেই উক্তি "তুমি আমাকে দাফির দিয়ে ফেরাতে চেয়েছিলে" প্রবাদে পরিণত হলো।
আর 'দাফির' হলো পাকানো দড়ি। তিনি বলতে চেয়েছেন: "তুমি কি আমার ওপর দুবার চক্কর দেবে? অর্থাৎ আমাকে দড়ি দিয়ে আঘাত করবে?" আর 'আকর' মানে হলো ফিরে আসা।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রাইব বলেছিলেন:
তিকন কেঁদেছিল এবং তার কান্না আমাকে ব্যথিত করেছিল
... আর তার সায়াটিকা স্নায়ুর (ঊরুর) ব্যথা আমার কাছে অসহনীয় ছিল।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৭)
دَلَفْت له بأَبيضَ مَشْرَفيٍّ
… ألَمّ على الجَوانح فاخْتلَاها
وكنت مُجرِّباً سَيْفِي صنِيعاَ
… فيا لكِ نَبْوَةً نَبَاها
في أبيات.
" تدِيلُ ": في جُذَام: تَدِيل بن حِشْم بن جُذَام.
" تُوَيْل ": في قُضاعة: تُويْل، بالتاء والواو، بن طُفيْل بن عمرو الأَصمَّ، وكان تُوَيْل فارسا، قتله بنو عجْل بِجُدير بن نُعيم العِجْلي.
" تَزِيد ": في قُضاعة: تَزِيد بن حُلوان بن عِمران بن الحاف بن قُضاعة.
وفي الأنصار: تَزِيد بن جُشم بن الخزرج بن حارثة.
وسائر العرب غير هذين " يزيد " بالياء، منقوطة من أسفل.
" تيم الله ": في ربيعة بن نزار: تيم الله بن ثعلبة.
وفي خَثْعَم: تيم الله بن مُبَشِّر بن أكْلُب.
وفي الأنصار: تيم الله، وهو النجَّار بن ثعلبة بن عمرو بن الخزرج.
الجيم" جَدَّان ": في ربيعة: جَدَّان بن جَديلة، واسم جَديلة: كَبْش بن أسد ابن ربيعة بن نزار بن مَعَدّ بن عدنان.
وكان جَدَّان بطنا عظيما فافترقوا في ربيعة.
" الجُلَاح ": وفي كَلْب: الجُلَاح، بحاء مهملة.
" الجُلاخ ": وفي ضَبَّة: الجُلَاخ، بجيم أُولى وخاء معجمة، ابن عوف.
وقال البلَاّذري: كان بين مالك بن المُنتفق الضَّبيّ بن مَعْقِل ابن صُباح بن طَريف بن زيد بن عمرو بن عامر بن ربيعة بن كعب ابن ربيعة بن ثعلبة بن سعد بن ضَبَّة، وبين رجلين من بني هلال، في ضَبَّة يقال لهما: أبو اللَّيْل، والجُلاخ، شيء فَضَلاه، ثم هربا، ثم أتبعوهما، فأُدرك أبو اللَّيْل بالحرم فقُتل، وأُدرك الجُلاخ بمصر.
قال الفرزدق، بسبب خُئُولته من ضَبَّة:
فلا يُبعد اللهُ اليَمينَ التي سَقَتْ
… أبا اللَّيْل تحت اللَّيْل سَجْلاً من الدَّمِ
هُم فَرَّقوا قَبْرَيهما بعد مالك
… ومَن يَحْتَمِل ضِغْن العَشيرة يَنْدَمِ
" جَلْدٌ ": في مَذْحِج: جَلْدُ بن عُلَة.
منهم: جَعُوَل، الذي يقول فيه النابغة:
يا لَهْفَ نَفْسِي بَعْدَ ضَرْبَةِ جَعُولٍ
… إلَاّ أُلاقِيهِم ورَهْطَ عِرارِ
" جَذْرَة ": في ربيعة: جَذْرَة " بالجيم والذال منقوطة "، وهو عمرو بن ذُهْل ابن شَيْبان بن ثعلبة.
وفي القَيْن: جَذْرة بن لِخْوة بن جُشْم بن مالك بن كعب بن القَيْن.
" جَسَّان ": في تميم: جَسَّانُ، بالجيم.
قال أبو الحسن المدائني: قال الفرزدقُ لِجَسَّان بن جَريّ التَّميمي، وكان بِجَسَّان سَلْعة، فقال: ما هذه يا جَسَّان؟ فقال: أير المنقرى: يريد قول جرير:
والمِنْقَرِيُّ يَدُوسُها بالفَيْشَل
أكذا وجدته بخط السُّكَّري مضبوطا، وقد كتب فوق جَسَّان، جيم، ليرفع الالتباس.
" جِلْس ": في السَّكُون: جِلْسٌ " بالجيم "، وهم عِبَادٌ دخلوا في لخم، وهو جِلْس بن عامر بن ربيعة بن تَدُول بن الحارث بن بَكر بن ثَعلبة ابن عُقْبة ابن السَّكُون.
" جَلٌّ ": في مُضْر: جَلَّ " مفتوحة الجيم " ابن عديّ بن عبد مَناة بن أُدّ.
" جُلّ ": وفي طيئ: جُلَّ " مضمومة الجيم " ابن حقَّ.
" جَرْم ": في قضاعة: جرَمْ بن رَبان.
وفي بَجيلة: جرَمْ بن عَلَقَة بن أَنْمار.
وفي عاملة: جَرْم بن شَعْل بن مُعاوية بن عَاملة.
وفي طيئ: جَرْم، وهو ثَعلبة بن عمرو بن الغوث بن طيئ.
قال ابن حبيب: ليس في غير هؤلاء الجُروم إِلا ربيعة.
" جُرْوة ": في عَبْس بن بغيض: جُرْوة بن الحارث بن قُطَيعة بن عَبْس.
وفي تميم: جُرْوَةُ بن أسَيِّد بن عمرو بن تَميم.
" جُرْوة ": في حُمَيْس بن أُدّ: جُرْوة بن نَضلة بن مالك بن زيد بن عَتّاب ابن عامر بن ثَبير بن حَرْب بن حُمَيْس.
" جَدِيلة ": في قَيْس: جَدِيلة، وهم فَهْم، وَعَدْوان.
وفي طيئ: جَدِيلة بنت سُبَيْع بن عمرو بن حِمْير.
وهي أُم جُندب، وروح ابني خارجة ببن سعد بن فُطْرة بن طيئ، إِليها يُنسبون.
وفي الأَزْد. جَدِيلةُ بنُ مُعاوية بن عَمرو بن عَدِيّ بن مازن بن الأَزد.
" جَزَّ ": من: جَزَرْت الشَّعر: مَحمِيَّة بنُ جَزَّ بن عبد يَغوث الزُّبَيْدِي. هاجر في المرة الثانية إلى الحَبشة، وكان أول مشاهده المُريَسِيْع، في قول الواقدي.
" جِسَاس ":
আমি তার দিকে এক উজ্জ্বল মাশরাফি তলোয়ার নিয়ে এগিয়ে গেলাম
… যা পাঁজরের হাড়ের ওপর আঘাত হেনে তা বিচ্ছিন্ন করে দিল।
আমি আমার সুনিপুণ তলোয়ারটি পরীক্ষা করে দেখেছিলাম
… হায়! কী এক ব্যর্থ আঘাত সে হেনেছিল!
কয়েকটি পংক্তিতে।
"তাদিল": জুযাম গোত্রের মধ্যে: তাদিল বিন হিশম বিন জুযাম।
"তুওয়াইল": কুযাআহ গোত্রের মধ্যে: তুওয়াইল (তা এবং ওয়াও সহযোগে), ইবনে তুফাইল বিন আমর আল-আসাম। তুওয়াইল একজন বীর অশ্বারোহী ছিলেন, বনু ইজল তাকে জুদাইর বিন নুয়াইম আল-ইজলির বিনিময়ে হত্যা করেছিল।
"তাযিদ": কুযাআহ গোত্রের মধ্যে: তাযিদ বিন হুলওয়ান বিন ইমরান বিন আল-হাফ বিন কুযাআহ।
এবং আনসারদের মধ্যে: তাযিদ বিন জুশাম বিন আল-খাযরাজ বিন হারিসাহ।
এই দুটি ছাড়া অবশিষ্ট আরবদের ক্ষেত্রে এটি হবে "ইয়াযিদ", যার নিচে দুটি নুক্তাযুক্ত 'ইয়া' রয়েছে।
"তায়িমুল্লাহ": রাবিআহ বিন নিযার গোত্রের মধ্যে: তায়িমুল্লাহ বিন সা'লাবাহ।
এবং খাস'আম গোত্রের মধ্যে: তায়িমুল্লাহ বিন মুবাশশির বিন আকলুব।
এবং আনসারদের মধ্যে: তায়িমুল্লাহ, তিনি হলেন নাজ্জার বিন সা'লাবাহ বিন আমর বিন আল-খাযরাজ।
জিম"জাদ্দান": রাবিআহ গোত্রের মধ্যে: জাদ্দান বিন জাদিলাহ। আর জাদিলাহ-র নাম হলো কাবশ বিন আসাদ বিন রাবিআহ বিন নিযার বিন মা'আদ বিন আদনান।
জাদ্দান একটি বিশাল শাখা গোত্র ছিল, পরে তারা রাবিআহ গোত্রের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
"আল-জুলাহ": কালব গোত্রের মধ্যে: আল-জুলাহ, নুক্তাবিহীন 'হা' সহযোগে।
"আল-জুলাখ": যাব্বাহ গোত্রের মধ্যে: আল-জুলাখ, শুরুতে 'জিম' এবং নুক্তাযুক্ত 'খা' সহযোগে, ইবনে আউফ।
বালাযুরি বলেন: মালিক বিন আল-মুনতাফিক আদ-যাব্বি বিন মা'কিল বিন সাবাহ বিন তারিফ বিন যাইদ বিন আমর বিন আমির বিন রাবিআহ বিন কা'ব বিন রাবিআহ বিন সা'লাবাহ বিন সাদ বিন যাব্বাহ এবং বনু হিলালের দুই ব্যক্তির মধ্যে কিছু একটা ঘটেছিল। যাব্বাহ গোত্রে তাদের আবুলাইল এবং আল-জুলাখ বলা হতো। তারা মালিকের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ করেছিল, তারপর তারা পালিয়ে যায়। পরে তাদের পিছু নেওয়া হলে আবুলাইলকে হারামের সীমানায় পাওয়া যায় এবং তাকে হত্যা করা হয়, আর জুলাখকে মিশরে পাওয়া যায়।
ফারাজদাক তার যাব্বাহ গোত্রের মাতুল সম্পর্কের কারণে বলেছিলেন:
আল্লাহ সেই ডান হাতকে রহমত থেকে দূর না করুন, যা রাতের অন্ধকারে
… আবুলাইলকে রক্তের এক পানপাত্র পান করিয়েছিল।
মালিকের (মৃত্যুর) পর তারাই তাদের দুই জনের কবরকে পৃথক করে দিয়েছিল
… আর যে ব্যক্তি স্বগোত্রের বিদ্বেষ বহন করে, সে লজ্জিত হয়।
"জালদ": মাযহিজ গোত্রের মধ্যে: জালদ বিন উলাহ।
তাদের অন্তর্ভুক্ত হলেন জা'ওয়াল, যার সম্পর্কে নাবিগাহ বলেছেন:
আক্ষেপ আমার প্রাণের প্রতি জা'ওয়ালের সেই আঘাতের পর!
… যদি আমি তাদের এবং ইরারের দলের মুখোমুখি না হতাম!
"জাযরাহ": রাবিআহ গোত্রের মধ্যে: জাযরাহ (জিম এবং নুক্তাযুক্ত যাল সহযোগে), তিনি হলেন আমর বিন যুহল বিন শায়বান বিন সা'লাবাহ।
এবং আল-কাইন গোত্রের মধ্যে: জাযরাহ বিন লিখওয়াহ বিন জুশাম বিন মালিক বিন কা'ব বিন আল-কাইন।
"জাসসান": তামিমি গোত্রের মধ্যে: জাসসান, 'জিম' সহযোগে।
আবু আল-হাসান আল-মাদায়িনি বলেন: ফারাজদাক জাসসান বিন জাররি আত-তামিমিকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন—জাসসানের শরীরে একটি মাংসপিণ্ড (টিউমার) ছিল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: হে জাসসান, এটি কী? সে উত্তর দিল: এটি মুনকারি ব্যক্তির লিঙ্গ। সে জারিরের এই কথাটি বোঝাতে চেয়েছিল:
এবং মুনকারি ব্যক্তি তা লিঙ্গ দিয়ে মাড়িয়ে দিচ্ছে।
আমি সুক্কারির হস্তলিপিতে এভাবেই স্পষ্টভাবে লেখা পেয়েছি। বিভ্রান্তি দূর করার জন্য তিনি জাসসানের উপরে 'জিম' লিখে দিয়েছিলেন।
"জিলস": আস-সাকুন গোত্রের মধ্যে: জিলস ('জিম' সহযোগে)। তারা একদল উপাসক ছিলেন যারা লাখম গোত্রে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন। তিনি হলেন জিলস বিন আমির বিন রাবিআহ বিন তাদুল বিন আল-হারিস বিন বকর বিন সা'লাবাহ বিন উকবাহ বিন আস-সাকুন।
"জাল্লা": মুদার গোত্রের মধ্যে: জাল্লা (জিমের ওপর ফাতাহ সহযোগে) ইবনে আদি বিন আবদে মানাত বিন উদ্দ।
"জুল্লা": তাই গোত্রের মধ্যে: জুল্লা (জিমের ওপর যাম্মাহ সহযোগে) ইবনে হাক্কা।
"জারম": কুযাআহ গোত্রের মধ্যে: জারম বিন রাব্বান।
বাজিলাহ গোত্রের মধ্যে: জারম বিন আলাকাহ বিন আনমার।
আমিলাহ গোত্রের মধ্যে: জারম বিন শা'ল বিন মুয়াবিয়া বিন আমিলাহ।
এবং তাই গোত্রের মধ্যে: জারম, তিনি হলেন সা'লাবাহ বিন আমর বিন আল-গাওস বিন তাই।
ইবনে হাবিব বলেন: রাবিআহ ব্যতীত এই জারম গোত্রগুলো ছাড়া আর কোথাও এটি নেই।
"জুরওয়াহ": আবস বিন বাগিয গোত্রের মধ্যে: জুরওয়াহ বিন আল-হারিস বিন কুতাইআহ বিন আবস।
এবং তামিম গোত্রের মধ্যে: জুরওয়াহ বিন আসাইদ বিন আমর বিন তামিম।
"জুরওয়াহ": হুমাইস বিন উদ্দ গোত্রের মধ্যে: জুরওয়াহ বিন নাযলাহ বিন মালিক বিন যাইদ বিন আত্তাব বিন আমির বিন সাবির বিন হারব বিন হুমাইস।
"জাদিলাহ": কায়স গোত্রের মধ্যে: জাদিলাহ; তারা হলো ফাহম এবং আদওয়ান।
এবং তাই গোত্রের মধ্যে: জাদিলাহ বিনতে সুবাই বিন আমর বিন হিমইয়ার।
তিনি হলেন জুন্দুব এবং রাওহ-এর মাতা, যারা খারিজাহ বিন সাদ বিন ফুতরাহ বিন তাই-এর পুত্র। তাদের পরিচয় জাদিলাহর দিকেই সম্বন্ধযুক্ত করা হয়।
এবং আযদ গোত্রের মধ্যে: জাদিলাহ বিন মুয়াবিয়া বিন আমর বিন আদি বিন মাযিন বিন আল-আযদ।
"জাযযা": 'আমি চুল ছেঁটেছি' অর্থ থেকে—মাহমিয়াহ বিন জাযযা বিন আবদ ইয়াগুস আয-যুবাইদি। তিনি দ্বিতীয়বার আবিসিনিয়ায় হিজরত করেছিলেন। আল-ওয়াকিদির মতে, আল-মুরাইসি-র যুদ্ধ ছিল তার প্রথম প্রত্যক্ষ যুদ্ধ।
"জিসাস":
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৮)
في تيم الرّباب: جِسَاس بالتَّخفيف، ابن نُشْبةٌ بن رَبيع بن عَمرو ابن عبد الله بن لُؤَيّ بن عَمرو بن الحارث بن تَيم بن عَبد مَناة " بن أُدد ".
وكل شيء في العرب مُشدَّد " إلا في تَيم الرباب فإنه جِسَاس خفيف ".
" جَمَل ": في مَذْحج: جَمَلُ بنث كِنانة بن ناجية بن مُراد " بن مالك بن أُدد ". وجَمَل بن كِنانة، رَهْط سِيفُويَة القاص، ينزلون بنهر الملك.
" و " في بني الحارث بن لُؤَيّ: جَمَل بن عُقَيدة بن وَهْب ابن الحارث بن لُؤَيّ بن هُريرة.
" جَوْبٌ ": في هَمْدان: جَوْب " بالجيم والباء الموحَّدة " ابن شِهاب بن مُعاوية ابن دُومَان بن بَكِيل بن جُشَم.
" جُمَّان ": في الأَزد: جُمَّانُ بن هَدَاد بن زَيد مَناة بن الحَجْر " بن عِمران ".
" جَلْوانُ ": في تغلب: جَلْوان لما هرب مَصْلقة بن هُبيرةَ من عليّ عليه السلام بقى معه أخ له يقال له: نعيم بن هُبيرة، فكتب مصلقة إلى أخيه مع رجل من بني تغلب نصراني " اسمه: جَلوان يدعوه إلى " مُعاوية، فظهر عليّ عليه السلام على جَلْوَان، ورُفع إليه أنه يتجسَّسُ، فأمر به فقطعت يده فمات، فقال نعيم بن هُبَيرة:
لا تأَمننَّ هَدَاكَ اللهُ عَنْ ثِقَة
… رَيْبَ الزَّمان ولا تَبْعَثْ كَجَلْوانَا
ماذَا أَرَدْتَ إِلى إِرساله سَفَهًا
… يَرْجُو سِقَاطَ امْرئ ما كان خَوَّانا
عَرَّضتَهُ لِعَليِّ، إِنَّهُ " أَسَدٌ "
… يَمْشِي العِرَضْنَةَ من آساد خَفَّانَا
" فالان " يكثُر قَرْعُ السِّنِّ " من نَدَم "
… ماذَا تقُولُ، وقد كانَ الَّذِي كانا!
وظلْتَ يُبْغِضُك الأَحياءُ قاطبةً
… لَمْ يَرفع اللهُ بالبَغْضاء إِنسانا
وقالت بنو تَغْلب لمصْلَقة، حين بلغه فعل عليِّ عليه السلام، بجَلْوان: عرَّضت صاحبنا بالقتل، فَوَداهُ.
ثم إن معاوية " بعد ذلك " ولَّى مَصْلقة طَبَرْستان، وبعثه في جيش عظيم، فأخذ عليه العدُوُّ المضايق، فهلك هو وجيشه، فقيل في المثل: " حتى يرجع مَصْلقة من طَرَبْستان ".
" جَارِيَة ": " كل شيء في العرب: حارثة ب
الحاء والثاء، إلا جارية بن سَلِيط ابن يَرْبوع ".
وفي سُليم " بن مَنصور ": جَاريةُ بن عَبْد بن عَبْس بن رِفاعة ابن الحارث بن بُهْثَة بن سُليم.
وفي الأنصار: جَارِية بن عامر بن مُجمِّع بن عَطَّاف بن ضبَيْعة ابن زيد بن مالك بن عمرو بن عوف بن مالك بن الأوس " بن حارثة ".
" جَمْرَةُ ": في تَميم: جَمْرَةُ بن شَدَّاد بن عُبَيْد بن ثَعلبة بن يربوع " بن حَنْظَلة ".
" جَرْس ": في مُزَيْنة: جَرْس بن لاطم بن عُثمان بن مُزَيْنة.
" جُرَش ": في حِمْيَر: جُرَشُ، وهو مُنَبِّه بن أَسْلَم بن زيد بن الغوث.
" جُشَيْشُ ": في تَميم: جُشَيْشُ، " بالجيم "، بن مالك بن حَنْظَلة.
وفي كِنانة " بن خُزَيْمة ": جُشَيْشُ، " بالجيم "، بن عوف ابن جُنْدع بن لَيْث بن بَكْر بن عَبد مَناة بن كِنانة.
وفي مَذْحِج: جُشَيْشُ، " بالجيم "، بن مُرِّ بن صُدَاءِ.
فأَما " حُشَيْشُ، بالحاء المهملة، فجماعة أَتوا في باب الحاء، وليس في العرب خُشَيْشُ، بالخاء المعجمة، ولا تُسَمى به.
الحاء
" حُدَّان ": في تميم: حُدَّانُ بن قُرَيْع بن عوف بن كعب بن سعد بن زيد مناة بن تميم.
منهم: فارِسُ هَبُّود، وهو بُرْثن بن شهاب بن النُّعمان بن جُبيل ابن حُدَّان بن قُرَيْع، وكان شريفا قائد بني سعد رئيسهم في الجاهلية.
ومنهم: عَلقَمة بنُ سَبَّاح بن جُبَيل بن حدُّان بن قُريع كان في فرسان بني سعد ومدحه أوس بن حَجَر التَّمِيمي، " أنشدني أبو مسلم. قال أنشدني أبو بكر بن دريد عن أبي حاتم عن الأصعمي عن أبي عمرو ابن العلاء، وعن ابن حاتم عن أبي عبيدة الأوس بن حجر في جملة ديوانه يمدح عَلْقَمة هذا:
ودِّع لَمِيسَ وَداعَ الصَّارِمَ اللَاّحي
… إِذْ أَفْنَكتَ في فَسَادِ بعد إِصَلاحِ
قاتَلهَا اللهُ تَلْحاني وقدْ عَلِمتْ
… أَنِّي لِنَفْسِيَ إِفسادِي وإِصْلاحي
إِنْ أَشرَبِ الخَمْرَ أَو أُرْزأْ لها ثَمَنًا
… فلَا مَحالَة يوماً أَنَّني صاحيِ
তাইম আল-রিবাব গোত্রে: জিসাস (তখফীফ বা হালকা উচ্চারণে), নুশবাহ বিন রাবী' বিন আমর বিন আব্দুল্লাহ বিন লুওয়াই বিন আমর বিন আল-হারিস বিন তাইম বিন আব্দ মানাত "বিন উদদ"-এর পুত্র।
আরবদের মধ্যে সব শব্দই তাশদীদযুক্ত (দ্বিত্ব উচ্চারণ) হয় "কেবল তাইম আল-রিবাব গোত্র ব্যতিরেকে, কেননা সেখানে জিসাস শব্দটি হালকা উচ্চারণে (তাশদীদহীন) হয়"।
"জামাল": মাযহিজ গোত্রে: জামাল বিন কিনানাহ বিন ناجিয়া বিন মুরাদ "বিন মালিক বিন উদদ"। আর জামাল বিন কিনানাহ হলেন কাস (গল্পকার) সীফওয়াইহ-এর দলভুক্ত, তারা নাহরুল মালিক নামক স্থানে বসবাস করেন।
"এবং" বনী আল-হারিস বিন লুওয়াই গোত্রে: জামাল বিন উকাইদাহ বিন ওয়াহাব বিন আল-হারিস বিন লুওয়াই বিন হুরাইরাহ।
"জাওব": হামদান গোত্রে: জাওব "জীম এবং এক নুকতাওয়ালা বা যোগে", শিহাব বিন মুয়াবিয়া বিন দুমান বিন বাকীল বিন জুশাম-এর পুত্র।
"জুম্মান": আল-আযদ গোত্রে: জুম্মান বিন হাদাদ বিন যাইদ মানাত বিন আল-হাজর "বিন ইমরান"।
"জালওয়ান": তাগলিব গোত্রে: জালওয়ান। যখন মাসলাকাহ বিন হুবাইরাহ আলী (আলাইহিস সালাম)-এর কাছ থেকে পালিয়ে যান, তখন তাঁর সাথে তাঁর এক ভাই থেকে যান যাকে নুয়াইম বিন হুবাইরাহ বলা হতো। মাসলাকাহ বনী তাগলিবের একজন খ্রিস্টান ব্যক্তির মাধ্যমে তাঁর ভাইয়ের কাছে পত্র লেখেন, "তার নাম: জালওয়ান, সে তাকে মুয়াবিয়ার দিকে আহ্বান করছিল। অতঃপর আলী (আলাইহিস সালাম) জালওয়ানকে পাকড়াও করলেন এবং তাঁর কাছে এই সংবাদ পৌঁছালো যে, সে গোয়েন্দাগিরি করছে। ফলে তিনি নির্দেশ দিলেন এবং তার হাত কেটে ফেলা হলো, পরে সে মারা গেল। তখন নুয়াইম বিন হুবাইরাহ বললেন:
আল্লাহ তোমাকে হেদায়েত দান করুন, বিশ্বাসভাজন ব্যক্তির হাত থেকে সময়ের বিপর্যয় সম্পর্কে কখনো নিরাপদ থেকো না এবং জালওয়ানের মতো কাউকে পাঠিও না।
নির্বুদ্ধিতাবশত তাকে পাঠানোর মাধ্যমে তুমি কী করতে চেয়েছিলে? সে এমন এক ব্যক্তির বিচ্যুতি কামনা করছিল যে কখনো বিশ্বাসঘাতক ছিল না।
তুমি তাকে আলীর মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছ, নিশ্চয়ই তিনি এক "সিংহ"; যিনি খাফফানের সিংহদের মতো বীরদর্পে পদচারণা করেন।
"এখন" অনুশোচনা থেকে দাঁতে দাঁত ঘর্ষণ বাড়ছে, এখন তুমি কী বলবে? যা হওয়ার তা তো হয়েই গেছে!
এবং জীবিত সকল মানুষ তোমাকে ঘৃণা করতে শুরু করেছে, আল্লাহ ঘৃণার মাধ্যমে কোনো মানুষকে উচ্চমর্যাদা দান করেন না।
আর বনী তাগলিব গোত্র মাসলাকাহকে বলেছিল যখন জালওয়ানের সাথে আলী (আলাইহিস সালাম)-এর আচরণের খবর তার কাছে পৌঁছালো: তুমি আমাদের সঙ্গীকে হত্যার মুখে ঠেলে দিয়েছ, তাই তিনি তার রক্তপণ পরিশোধ করলেন।
অতঃপর মুয়াবিয়া "তার পরে" মাসলাকাহকে তাবারস্তানের শাসক নিযুক্ত করেন এবং তাকে এক বিশাল বাহিনীর সাথে প্রেরণ করেন। কিন্তু শত্রুরা সংকীর্ণ পথে তাকে ঘিরে ফেলে এবং সে ও তার বাহিনী ধ্বংস হয়ে যায়। তখন প্রবাদে বলা হতো: "যতক্ষণ না মাসলাকাহ তাবারস্তান থেকে ফিরে আসে"।
"জারিয়াহ": "আরবদের মাঝে সব নামই 'হা' এবং 'সা' দিয়ে হারিসাহ, কেবল জারিয়াহ বিন সালীত্ব বিন ইয়ারবু' ব্যতিরেকে"।
এবং সুলাইম "বিন মানসুর" গোত্রে: জারিয়াহ বিন আব্দ বিন আবস বিন রিফাআ বিন আল-হারিস বিন বুহসাহ বিন সুলাইম।
এবং আনসারদের মাঝে: জারিয়াহ বিন আমির বিন মুজাম্মি' বিন আত্তাফ বিন দুবাইআ বিন যাইদ বিন মালিক বিন আমর বিন আওফ বিন মালিক বিন আল-আউস "বিন হারিসাহ"।
"জামরাহ": তামীম গোত্রে: জামরাহ বিন শাদ্দাদ বিন উবাইদ বিন সা'লাবাহ বিন ইয়ারবু' "বিন হানজালাহ"।
"জারস": মুযাইনাহ গোত্রে: জারস বিন লাতিম বিন উসমান বিন মুযাইনাহ।
"জুরাশ": হিময়ার গোত্রে: জুরাশ, আর তিনি হলেন মুনাব্বিহ বিন আসলাম বিন যাইদ বিন আল-গাউস।
"জুশাইশ": তামীম গোত্রে: জুশাইশ, "জীম যোগে", মালিক বিন হানজালাহ-এর পুত্র।
এবং কিনানাহ "বিন খুযাইমাহ" গোত্রে: জুশাইশ, "জীম যোগে", আওফ বিন জুনদুব বিন লাইস বিন বকর বিন আব্দ মানাত বিন কিনানাহ-এর পুত্র।
এবং মাযহিজ গোত্রে: জুশাইশ, "জীম যোগে", মুর বিন সুদা-এর পুত্র।
আর "হুশাইশ" (নুসুকবিহীন হা যোগে) সম্পর্কে একদল ব্যক্তি 'হা' অধ্যায়ে উল্লিখিত হয়েছেন। আর আরবদের মধ্যে "খুশাইশ" (নুসুকযুক্ত খা যোগে) বলতে কেউ নেই এবং তারা এই নামে নামকরণও করে না।
হা (الحاء)
"হুদ্দান": তামীম গোত্রে: হুদ্দান বিন কুরাই বিন আওফ বিন কা'ব বিন সাদ বিন যাইদ মানাত বিন তামীম।
তাদের মধ্যে রয়েছেন: হাব্বুদ-এর অশ্বারোহী, আর তিনি হলেন বুরসান বিন শিহাব বিন আন-নুমান বিন জুবাইল বিন হুদ্দান বিন কুরাই। তিনি একজন শরীফ (মর্যাদাবান) ব্যক্তি ছিলেন এবং জাহেলিয়াত যুগে বনী সাদ গোত্রের নেতা ও প্রধান ছিলেন।
তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন: আলক্বামাহ বিন সাব্বাহ বিন জুবাইল বিন হুদ্দান বিন কুরাই। তিনি বনী সাদ গোত্রের বীর অশ্বারোহীদের একজন ছিলেন এবং তামীম গোত্রের আওস বিন হাজার তাঁর প্রশংসা করেছেন। "আবু মুসলিম আমাকে আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন, তিনি বলেছেন, আমাকে আবু বকর বিন দুরাইদ আবৃত্তি করে শুনিয়েছেন আবু হাতিম থেকে, তিনি আসমায়ি থেকে, তিনি আবু আমর বিন আল-আলা থেকে। এবং ইবনে হাতিম থেকে আবু উবাইদাহ-এর সূত্রে বর্ণিত যে, আওস বিন হাজার তাঁর কাব্যগ্রন্থের একটি অংশে এই আলক্বামাহর প্রশংসা করে বলেছেন:
লামীসকে বিদায় জানাও, সেই তলোয়ারের বিদায়ের মতো যা আবরণমুক্ত হয়েছে; যখন তুমি সংশোধনের পর ফাসাদে (বিপর্যয়ে) লিপ্ত হয়েছ।
আল্লাহ তাকে ধ্বংস করুন, সে আমাকে তিরস্কার করে অথচ সে জানে যে, আমার নিজের ভালো-মন্দ আমার নিজেরই এখতিয়ারে।
যদি আমি মদ পান করি অথবা তার বিনিময়ে ক্ষতিগ্রস্ত হই, তবে কোনো একদিন নিশ্চিতভাবে আমি সচেতন হব।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ৯)
ولا مَحالَة مِنْ قَبْرٍ بِمَحْنِيَةً
… أَو في مَلِيعٍ كظَهْرِ التُّرس وضَّاح
وقَدْ لَهَوتُ بِمثلِ الرِّئم، آنسة
… تُصْبي الحَليمَ عَرُوبٍ غَيْر مِكْلاح
كأَن ريقَتها بعد الكَرَى اغتَبَقَتْ
… مِنْ ماءِ أَدْكنَ في الحانوت نَضَّاح
أَوْ مِنْ مُشَعْشَةِ وَرْهَاءَ نَشُوتٌها
… أَوْ من أنابيب رُمَّانٍ وتُفَّاحِ
يا هَلْ تَرَى البَرْقَ لما نِمْتُ أَرَّقني
… في عارضٍ مُسْتَطِيرِ البَرْقِ لَمَّاحِ
دانِ مُسِفٍّ فُوَيْقَ الأَرْض هَيْدَبُهُ
… يَكاد ُيَدْفَعُهُ مَن قامَ بالرَّاحِ
يَنْفِي الحَصَا عن حديد الأَرْضِ مُتَّرِكًا
… كأَنُّهُ فَاحصٌُ أَو لاعبٌ داحِ
فَمَنْ بِنَجْوته كَمَنْ بِمَحْفِلِه
… والمُسْتَكِنُّ كَمَنْ يَمْشي بقرْوَاحِ
سَقَى دِيارَ بِني عَوْفِ ومَسْكنَهم
… ودارَ عَلْقمة الخَيْرِ ابنِ سَبَّاحِ
وقال أبو اليقظان: ومن حُدَّانُ هؤلاءِ: أبو دَهْلَب الرَّاجز، وهو القائل، وكان يزيد بن معاوية أَمره أَن يَرْجُزَ بالأَزْد:
حَنَّتْ قَلوصيِ أَمس بالأُرْدُنِّ
… حِنِّي فما ظَلمْتِ أَنْ تَحِنُي
حَنَّتْ بأَعْلى صَوْتها المُرِنِّ
والأُردن، عند أمل اللغة: ثِقلُ النعاس.
وفي هَمْدان: ذو حُدَّان بن شَرَاحِيل بن رَبيعة بن جُشم بن حاشد ابن جُشم بن خَيْرَان بن نَوْف بن أَوسَلة، وهو، هَمْدان.
" حِلْس ": في كنانة: حِلْسُ بن نُفَاثة بن عدي الدِّيل.
" حَمَل ": " و " في بني كلاب: حَمَل بن خالد بن عمرو بن الضِّباب ابن كلاب، " بالحاء غير مُعجمة ".
وفي أَسد: حَمَلُ بن مالك بم جُنَادة بن سُفيان بن وهب بن كعب ابن مالك بن ذُؤَيب بن والبة بن الحارث " بن ثَعلبة بن دُودان بن أسد ابن خُزَيْمة "، شهد هو وأخوه: الأخْثم، وزياد، القادسيَّة، وقَتِل، حَمَل بنْهاوَندَ مع النُّعمان بن مُقْرِّن.
" حَلْف ": في اليمن: حَلْفُ بن خَثْعم، " وهو أَفْتل بن أَنمار ".
" حَوْب ": في كِنْدة: بنو حَوبٍ، وهو الحارث بن الحارث بن معاوية ابن ثَور، " وهو كنْدة "، بن مرّ.
" حُوث ": وفي هَمَدان: بن حُوث بالثاء ابن سُبَيْع بن صَعْب بن معاوية ابن كثير ابن مالك بن جُشَم.
" حِمَّان ": في تَمِيم: حِمَّان بن عبد العُزَى بن كَعب بن سَعد بن زيد مَناة.
" حَدَاد ": في مُحارب " بن خصفة بن " قَيْس " عَيلان: حَدَادُ ابن بَذواة بن ذُهل بن طَرِيف بن حِلْف بن مُحارب، ابن أُمّ الحَدَادِيَّة، الخزاعي، منهم.
وفي كِنانة " بن خُزَيْمة ": حَدَاد بن مالك بن كنانة.
وفي طيئ: حَدَاد بن سَعد بن نَهْبان.
وفي الأزد: حَدَاد بن مَعن بن مالك بن فِهر.
وفي عبد القَيْس: حَدَاد بن ظالم بن ذُهل بن عِجْل بن عمرو ابن وديعة " بن لُكيز ".
" حُلْمَة ": في أَسد: حُلْمَة بن أسد " بن خُزَيْمة ".
وفي الأزد: حُلْمَة بن سَليمة بن مالك بن فِهْر بن غَنَم بن دَوْس.
" وفي الأزد ": حُلْمَة بن مازن بن الدُّول بن سَعْد مَناة بن غامد " ابن عبد الله ".
وفي الهُون بن خُزَيْمة: حُلْمَة بن مُحلّم بن غالب بن عائذة بن يُثَيْع ابن مُلَيْح بن الهُون.
" حُرفة ": في تَغْلب: حُرْفَة، بالفاء، بن ثَعْلبة بن بَكْر بن حُبَيْب.
وفي يَشْكُر. حُرْفة، مثله، ابن مالك بن ثَعْلبة بن غَنْم " بن حُبَيَّب " ابن كَعْب بن يَشْكُر.
وفي قُضَاعة: حُرْفة، " بالفاء " بن حَزِيْمَة بن نَهْد.
وفي تميم. حُرفة، " بالفاء " بن زيد بن مالك بن حَنْظلة.
" حَزِيمة ": في قُضَاعة. حَزِيمة بن نَهْد بن زَيد بن لَيْث بن سُود بن أَسْلم ابن الحاف بن قُضَاعة.
وفي أَمر حَزِيمة وقعت الحربُ والفُرقة في بني معَدّ.
وفي ربيعة: حَزيمة بن طارق بن شَرَايحيل بن " خِرَاش " بن عِتْبان ابن سَعد بن زُهَيْر.
وفي بَجِيلة: حَزِيمة بن سَعد بن نَذير بن قَسْر.
وفي قَيْس: حَزِيمة بن رِزام بن مازن بن ثَعْلبة بن سَعْد بن ذُبيان.
" حِشْم ": في جُذام: حِشْم بن جُذام.
" حَيْشَم ": في كَلْب: حَيْشَم، " بالحاء "، ابن عَبد مَناة بن هُبَل.
একটি কবর তো অবশ্যই হবে কোনো এক বাঁকে
… অথবা কোনো এক প্রশস্ত প্রান্তরে যা উজ্জ্বল ঢালের পিঠের মতো।
আমি শ্বেতহরিণীর মতো এক রূপসীর সাথে আনন্দময় সময় কাটিয়েছি, যে লাজুক ও মনোরমা
… সে ধৈর্যশীলকেও মোহিত করে এবং সে রুক্ষ মেজাজের নয়।
যেন ঘুমের পর তার মুখের লালা সান্ধ্যকালীন সুরাপানের মতো আস্বাদিত হয়
… যা দোকানের কোনো এক কালো রঙের মশক থেকে বিচ্ছুরিত পানির মতো।
অথবা এমন এক মিশ্রিত সুরা থেকে যা কোনো চপলমতি নারীকে উন্মাতাল করে দেয়
… অথবা তা ডালিম ও আপেলের নির্যাস থেকে তৈরি।
হে বন্ধু, তুমি কি সেই বিদ্যুৎ দেখেছ? আমি যখন ঘুমানোর চেষ্টা করছিলাম তখন তা আমাকে জাগিয়ে রেখেছিল
… এক দিগন্তব্যাপী মেঘমালার মাঝে সেই বিদ্যুৎ ছিল চমকপ্রদ ও প্রখর।
তা ছিল ভূমির অতি নিকটবর্তী, যার মেঘের কিনারাগুলো মাটির সামান্য উপরে ঝুলে ছিল
… মনে হচ্ছিল কোনো দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তি যেন হাত দিয়ে তা ঠেলে সরিয়ে দিতে পারবে।
তা ভূমির শক্ত মাটি থেকে পাথরখণ্ডগুলোকে সরিয়ে দিচ্ছিল
… মনে হচ্ছিল কেউ যেন গর্ত খুঁড়ছে অথবা কোনো ক্রীড়াবিদ পাথর নিয়ে খেলছে।
যে ব্যক্তি এর থেকে দূরে ছিল সে যেন তার পাশেই অবস্থান করছিল
… আর যে আশ্রয়ে ছিল সে যেন খোলা ময়দানে বিচরণ করছিল।
তা বনু আউফের জনপদ ও তাদের আবাসভূমিকে সিক্ত করেছে
… এবং সিক্ত করেছে আলকামা আল-খায়ের বিন সাব্বাহর ঘরকে।
আবু আল-ইয়াকজান বলেন: এদের মধ্য হতে হুদ্দান বংশের হলো আবু দাহলাব আর-রাজিজ। তিনি সেই ব্যক্তি যিনি এই কবিতা আবৃত্তি করেছিলেন যখন ইয়াজিদ বিন মুয়াবিয়া তাকে আযদ গোত্রকে উদ্দেশ্য করে রাজায গাইতে নির্দেশ দিয়েছিলেন:
গতকাল উর্দুন (জর্ডান) প্রান্তরে আমার উটনিটি করুণ সুরে ডেকে উঠল
… তুমি ডেকে ওঠো, কারণ তোমার এই কান্নায় কোনো অন্যায় নেই।
সে তার উচ্চ ও রণনশীল কণ্ঠে ডেকে উঠল।
ভাষাবিদদের মতে, 'আল-উর্দুন' শব্দের অর্থ হলো: তন্দ্রার ভার বা ঘুমের ঘোর।
হামদান গোত্রে: যু হুদ্দান বিন শারাহিল বিন রাবিআহ বিন জুশাম বিন হাশিদ বিন জুশাম বিন খাইরান বিন নাওফ বিন আওসালাহ, আর তিনি হলেন হামদান।
"হিলস": কিনানাহ গোত্রে: হিলস বিন নুফাসাহ বিন আদি আদ-দিল।
"হামাল": এবং বনু কিলাব গোত্রে: হামাল বিন খালিদ বিন আমর বিন আদ-দিবাব বিন কিলাব, এটি নুক্তাবিহীন 'হা' দিয়ে।
আসাদ গোত্রে: হামাল বিন মালিক বিন জুনাহ বিন সুফিয়ান বিন ওয়াহাব বিন কাব বিন মালিক বিন যুআইব বিন ওয়ালিবা বিন আল-হারিস বিন সালাবা বিন দুদান বিন আসাদ বিন খুযাইমাহ। তিনি এবং তার ভাই আখসাম ও যিয়াদ কদিসিয়া যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। আর হামাল নুহাওয়ান্দ যুদ্ধে নুমান বিন মুকাররিনের সাথে লড়াই করে শহীদ হন।
"হালাফ": ইয়ামেনে: হালাফ বিন খাসআম, যিনি হলেন আফতাল বিন আনমার।
"হাউব": কিনদাহ গোত্রে: বনু হাউব, তিনি হলেন হারিস বিন হারিস বিন মুয়াবিয়া বিন সাওর, যিনি হলেন মুর বিন কিনদাহ।
"হুস": হামদান গোত্রে: বিন হুস (সা বর্ণ দিয়ে), তিনি সুবাই বিন সাব বিন মুয়াবিয়া বিন কাসির বিন মালিক বিন জুশাম।
"হিম্মান": তামিমে: হিম্মান বিন আবদ আল-উযযা বিন কাব বিন সাদ বিন যাইদ মানাত।
"হাদাদ": মুহারিব বিন খাসাফাহ বিন কায়স আয়লান গোত্রে: হাদাদ বিন বাযওয়াহ বিন যুহল বিন তারিফ বিন হিলাফ বিন মুহারিব। উম্মুল হাদাদিয়্যাহ আল-খুযাইয়্যাহ তাদেরই একজন।
কিনানাহ বিন খুযাইমাহ গোত্রে: হাদাদ বিন মালিক বিন কিনানাহ।
তাই গোত্রে: হাদাদ বিন সাদ বিন নাহবান।
আযদ গোত্রে: হাদাদ বিন মান বিন মালিক বিন ফিহর।
আবদ আল-কায়স গোত্রে: হাদাদ বিন জালিম বিন যুহল বিন ইজল বিন আমর বিন ওয়াদীয়াহ বিন লুকাইয।
"হুলমাহ": আসাদ গোত্রে: হুলমাহ বিন আসাদ বিন খুযাইমাহ।
আযদ গোত্রে: হুলমাহ বিন সালিমা বিন মালিক বিন ফিহর বিন গানাম বিন দাউস।
"এবং আযদ গোত্রে": হুলমাহ বিন মাযিন বিন আদ-দুল বিন সাদ মানাত বিন গামিদ বিন আবদুল্লাহ।
হুন বিন খুযাইমাহ গোত্রে: হুলমাহ বিন মুহাল্লিম বিন গালিব বিন আইযাহ বিন ইয়াসাই বিন মুলিহ বিন আল-হুন।
"হুরফাহ": তাগলিব গোত্রে: হুরফাহ (ফা বর্ণ দিয়ে) বিন সালাবা বিন বাকর বিন খুবাইব।
ইয়াশকুর গোত্রেও অনুরূপ হুরফাহ বিন মালিক বিন সালাবা বিন গানাম বিন খুবাইব বিন কাব বিন ইয়াশকুর।
কুদাআহ গোত্রে: হুরফাহ (ফা বর্ণ দিয়ে) বিন হাযিমাহ বিন নাহদ।
তামিম গোত্রে: হুরফাহ (ফা বর্ণ দিয়ে) বিন যাইদ বিন মালিক বিন হানযালাহ।
"হাযিমাহ": কুদাআহ গোত্রে: হাযিমাহ বিন নাহদ বিন যাইদ বিন লাইস বিন সুদ বিন আসলাম বিন আল-হাফ বিন কুদাআহ।
এই হাযিমাহর কারণেই বনু মাআদ গোত্রের মধ্যে যুদ্ধ ও বিভেদ সৃষ্টি হয়েছিল।
রাবিআহ গোত্রে: হাযিমাহ বিন তারিক বিন শারাহিল বিন খিরাশ বিন ইতবান বিন সাদ বিন যুহাইর।
বাজিলাহ গোত্রে: হাযিমাহ বিন সাদ বিন নাযির বিন কাসর।
কায়স গোত্রে: হাযিমাহ বিন রিযাম বিন মাযিন বিন সালাবা বিন সাদ বিন যুবইয়ান।
"হিশম": জুযাম গোত্রে: হিশম বিন জুযাম।
"হাইশাম": কালব গোত্রে: হাইশাম (হা বর্ণ দিয়ে) বিন আবদ মানাত বিন হুবাল।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ১০)
وسائر العرب، جُشَم، بالجيم.
حَبْشِيْةَ: في خُزاعة: " حَبْشِيَة، مفتوح الحاء مُسَكّن الباء مكسور الشين مُخفَّف الياء.
وقد قال آخرون: إنه حَبَشِيَّة، مُشَدَّداً مُحَرَّكاً، والأول أثبتها، وهو الصحيح.
والحَبْشِيَة عند أبي بكر بن دُرَيد: النَّمْلة.
وهو حَبْشِيَة بن سَلُول بن كعب بن عمرو بن عامر بن لُحَىّ واسم لُحَىّ: ربيعة بن حارثة بن عمرو مُزَيقياء بن عامر ماء السماء ابن حارثة الغِطْريف بن امرئ القيس " بن ثعلبة " بن مازن بن " الأَزْد ".
فمن بطون حَبْشِيَة: بنو قُمير بن حَبْشِيَة، منهم قَبِيصَة بن ذؤيب ابن حَلْحَلة بن عمرو بن كُلَيب بن أَصْرم بن عبد الله ابن قُمَيْر، كان على خاتم عبد الملك بن مروان، وكان كالوزير له، وشديد الخصوص به، وكان يُكنى: أبا إسحاق.
ومات في أيَّام عبد الملك. وقد أنكر بعض أهل السِّير ذلك وقالوا: إنه خَدَم الوليد أيضا.
وقَبِيصة كان قد بلغ من لطافة مَحَلّه عند عبد الملك أنه كان يَفُض الكتب ويقرؤها قبل وقوف عبد الملك عليها. وكان مروان قد عهد إلى ابنه عبد العزيز بن عبد الملك، فلما تمكَّن عبد الملك همَّ بخلعه والعقد لابْنَيْه: الوليد، وسُليمان. فنهاه عن ذلك قبيصَة وقال: لعل الموت يأت عليه فتستريح منه " وفي جمادى الأُولى سنة خمس وثمانين أتى كتاب إلى عبد الملك من مصر بموته، ففضَّه قبيصة وقرأه ودخل إلى أخيه عبد الملك فعزاه بأخيه عبد العزيز، فولىّ " عبد الملك " ابنه عبد الله بن عبد الملك مصر، وعقد لابْنَيْه: الوليد، وسُليمان العهد.
ومن بطون حَبْشِيَة: ضاطر بن حَبْشِيَة.
منهم قيس بن عمرو بن مُنْقِذ بن عُبيد بن ضاطر، الشاعر المعروف بقيس بن الحَدَادية الخُزاعي. ويُنسَب إلى أُمه، وهي الحُدادية من حَدَاد " بالحاء "، واسم حداد: ربيعة بن مُعاوية بن بداوة. " ابن هُذيل بن طريف بن خلف بن مُحارب بن خصفة " بن قيس عَيلان.
وقد قيل: إن أُمه من حَدَاد، " بالحاء " بن مالك بن كنانة.
والأَول أثبت عند ابن حبيب.
ومن قول قيس هذا:
وما زِلْتُ تَحْت السِّتْر حتى كأَنني
… من الطَّل ذو طِمْريْن في البَحْرِ شارعُ
وإني لأُعْصِي الطَّرْفَ عنها تَحَمُّلاً
… وقَلبي إلى أَسماء عَطْشانُ جائعُ
تقول وعيناها تَفيضان عَبْرةً الأبيات المعروفة
ومن قوله:
فأَطْيِبْ بها لِمَن تكون ضَجِيعَه
… إذا ما الثُّريَّا ذَبْذبت كُلَّ كَوْكَبِ
مُتبَّلة هَيفاءَ تُؤتيك شِيمةً
… على حَصَرٍ في صَدْرِها وتَهَيُّب
ومن قوله:
وإِنَّ ضَعيف الرَّأي مَن هاج شوقه
… خِيامٌ على مُرَّان بادٍ ثُمامُها
مَرَرْتُ بقَلْت البُحورُ كأنها
… قِلادةُ جَزْعٍ سُلَّ منها نِظامُها
إذا سُمْتُها التَّقبِيلَ صَدَّت وأَعْرضَتْ
… صُدودَ شَمُوس الخَيْل ضَلَّ لجامُها
وعَضَّت على إِبهامها ثُم واءَلَت
… حِذارَ البُيوتِ أَن يَهُبّ نِيامُها
ومن قوله:
فيومَاي يومٌ في الحَديد مُسَرْبَلاً
… ويومٌ مع البِيض الكَواعي لاهيَا
إذا ما طواكِ البُعْد يا بنَة مالك
… فشأْنُ المَنايا القاضِياتِ وشانيا
وابن أخي قيس هو: الجَون بن عبد العُزَّى بن مُنقذ الشاعر، القائل:
فنحن خَلطنا الحَرب بالسِّلْم فاستَوتْ
… وأَمَّ هَواهُ كُلُّ حافِ ونَاعِلِ
ومن بطون حَبْشِية حُلَيْل بن حَبْشِية. منهم أبو غَبْشان، وهو المُحْتَرِش بن حُلَيْل، وأُخته: حَبَّى بنت حُلَيْل، أُمّ عَبد مناف ابن قُصَيّ.
حدثني إبراهيم بن علي الذُّهليّ، عن ابن أبي شَيخ القَنَوي، عن عبد الله بن المُعتز، عن أحمد بن يحيى بن جابر البَلاذري، عن عَياش ابن هشام بن محمد الكلبي، وغيره من أشياخه.
وحدثني الحسن بن عبد الصمد بن الحُسين، عن بيه، عن أحمد ابن إبراهيم الأُشنانيّ، عن أَحمد عُبيد النَّحويّ، عن الواقديّ، عن رجاله.
এবং অবশিষ্ট আরবদের মধ্যে 'জুশাম' শব্দটি জীম (ج) দিয়ে।
হাবশিয়া: খুযাআহ গোত্রে: 'হাবশিয়া' (হাব্-শি-য়াহ্), হা বর্ণে ফাতহাহ (যবর), বা বর্ণ সাকিন, শীন বর্ণে কাসরাহ (যের) এবং ইয়া বর্ণটি তাশদীদহীন।
অন্যান্যরা বলেছেন যে এটি 'হাবাশিয়্যাহ' (হা-বা-শিয়্যাহ্), ইয়া বর্ণে তাশদীদ এবং বা বর্ণে হরকত (যবর) সহকারে। তবে প্রথমটিই অধিক নির্ভরযোগ্য এবং সেটিই সঠিক।
আবু বকর ইবন দুরিদ-এর মতে 'হাবশিয়া' অর্থ হলো পিপীলিকা।
তিনি হলেন হাবশিয়া ইবন সালুল ইবন কা'ব ইবন আমর ইবন আমির ইবন লুহাই। আর লুহাই-এর নাম হলো: রাবীআহ ইবন হারিসাহ ইবন আমর মুযাইকিয়া ইবন আমির মাউস সামা ইবন হারিসাহ আল-গিতরীফ ইবন ইমরুল কায়েস ইবন সা'লাবাহ ইবন মাযিন ইবন আল-আযদ।
হাবশিয়ার শাখা-গোত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে: বনু কুমাইর ইবন হাবশিয়া। তাদের অন্তর্ভুক্ত হলেন কাবীসাহ ইবন যুয়াইব ইবন হালহালাহ ইবন আমর ইবন কুলাইব ইবন আসরাম ইবন আব্দুল্লাহ ইবন কুমাইর। তিনি আব্দুল মালিক ইবন মারওয়ানের রাজকীয় মোহরের দায়িত্বে ছিলেন এবং তাঁর নিকট উজিরের পদমর্যাদায় ছিলেন। তিনি তাঁর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ পাত্র ছিলেন এবং তাঁর উপনাম ছিল আবু ইসহাক।
তিনি আব্দুল মালিকের শাসনামলে মৃত্যুবরণ করেন। তবে সীরাত বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ এটি অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন যে তিনি ওয়ালিদেরও সেবা করেছেন (কর্মকর্তা ছিলেন)।
আব্দুল মালিকের নিকট কাবীসার মর্যাদা এতটাই উচ্চ ছিল যে, আব্দুল মালিক দেখার আগেই তিনি রাষ্ট্রীয় পত্রগুলো খুলতেন এবং পাঠ করতেন। মারওয়ান ইতিপূর্বে তাঁর পুত্র আব্দুল আযীয ইবন মারওয়ানের জন্য (পরবর্তী খলিফা হিসেবে) অঙ্গীকার করেছিলেন। কিন্তু আব্দুল মালিক যখন ক্ষমতায় সুপ্রতিষ্ঠিত হলেন, তখন তিনি তাকে অপসারণ করে তাঁর দুই পুত্র ওয়ালিদ ও সুলাইমানের অনুকূলে খেলাফতের অঙ্গীকার করার সংকল্প করেন। তখন কাবীসা তাঁকে এটি করতে নিষেধ করেন এবং বলেন: 'সম্ভবত মৃত্যু তাঁর নিকট আপনার আগেই চলে আসবে, ফলে আপনি তাঁর থেকে নিষ্কৃতি পাবেন'। পঁচাশি হিজরীর জমাদিউল উলা মাসে আব্দুল মালিকের নিকট মিশর থেকে আব্দুল আযীযের মৃত্যু সংবাদবাহী পত্র আসে। কাবীসা সেটি খুললেন এবং পাঠ করলেন। এরপর তিনি আব্দুল মালিকের নিকট প্রবেশ করে তাঁর ভাই আব্দুল আযীযের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করলেন। অতঃপর আব্দুল মালিক তাঁর পুত্র আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুল মালিককে মিশরের শাসনকর্তা নিযুক্ত করেন এবং তাঁর দুই পুত্র ওয়ালিদ ও সুলাইমানের জন্য উত্তরাধিকারের অঙ্গীকার সম্পন্ন করেন।
হাবশিয়ার শাখা-গোত্রসমূহের মধ্যে আরও রয়েছে: দাতির ইবন হাবশিয়া।
তাদের মধ্যে রয়েছেন কায়েস ইবন আমর ইবন মুনকিয ইবন উবাইদ ইবন দাতির; তিনি কায়েস ইবন আল-হাদ্দাদিয়্যাহ আল-খুযাঈ নামে পরিচিত কবি। তিনি তাঁর মায়ের দিকে সম্বন্ধযুক্ত, যিনি হাদ্দাদ (হা বর্ণ দিয়ে) বংশীয় হাদ্দাদিয়্যাহ। আর হাদ্দাদ-এর নাম হলো: রাবীআহ ইবন মুআবিয়া ইবন বাদাওয়াহ ইবন হুযাইল ইবন তরীফ ইবন খালাফ ইবন মুহারিব ইবন খাসাফাহ ইবন কায়েস আইলান।
বলা হয়েছে যে, তাঁর মা কেনানাহ গোত্রের মালিক ইবন হাদ্দাদ (হা বর্ণ দিয়ে)-এর বংশীয় ছিলেন।
ইবন হাবিবের নিকট প্রথম মতটিই অধিক প্রমাণিত।
এই কায়েসের একটি উক্তি হলো:
আমি পর্দার আড়ালেই ছিলাম যতক্ষণ না আমি সমুদ্রের তীরে শিশিরে ভেজা দুই টুকরো জীর্ণ বস্ত্র পরিহিত ব্যক্তির মতো হলাম।
… আমি ধৈর্য ধরে তাঁর থেকে আমার দৃষ্টিকে সংবরণ করি, অথচ আসমার জন্য আমার হৃদয় তৃষ্ণার্ত ও ক্ষুধার্ত।
… সে বলে, যখন তার দুই চোখ থেকে অশ্রু ঝরছিল... (এগুলো তাঁর সুপরিচিত কবিতা)।
তাঁর কবিতার অংশবিশেষ:
তার শয্যাসঙ্গী হওয়া কতই না উত্তম যখন সুরাইয়া নক্ষত্র প্রতিটি নক্ষত্রকে বিচলিত করে।
… সে মোহিনী ও ক্ষীণকটি, সে তোমাকে এমন এক স্বভাব দেখায় যা তার অন্তরের সংকোীর্ণতা ও ভীতি থেকে উদ্ভূত।
… তাঁর কবিতার আরও অংশ:
সেই ব্যক্তি দুর্বল চিন্তার অধিকারী যার বিরহ-ব্যথাকে মূররান নামক স্থানের তাঁবুগুলো জাগ্রত করে, যার চারপাশের ঘাসগুলো দৃশ্যমান।
… আমি সমুদ্রের জলাশয়ের পাশ দিয়ে অতিক্রম করলাম, যেন তা একটি ছিঁড়ে যাওয়া পুঁতির মালার দানা।
… যখন আমি তাকে চুম্বনের ইচ্ছা করলাম, তখন সে বিমুখ হলো এবং মুখ ফিরিয়ে নিল, ঠিক যেমন অবাধ্য ঘোড়া তার লাগাম হারিয়ে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
… সে তার বৃদ্ধাঙ্গুলে কামড় দিল এবং তারপর দ্রুত প্রস্থান করল, এই ভয়ে যে পাছে ঘরের ঘুমন্ত লোকেরা জেগে ওঠে।
… তাঁর কবিতার আরও অংশ:
আমার দিনগুলো দুই প্রকার: একদিন লৌহবর্মে সজ্জিত যুদ্ধের দিন, আর একদিন সুন্দরী তরুণীদের সাথে আমোদ-প্রমোদে লিপ্ত থাকার দিন।
… হে মালেকের কন্যা, যদি দূরত্ব তোমাকে আমার থেকে দূরে সরিয়ে নেয়, তবে নির্ধারিত মৃত্যু আমার ও তোমার পরিণতির ফয়সালাকারী হবে।
… কায়েসের ভ্রাতুষ্পুত্র হলেন: কবি আল-জাওন ইবন আব্দুল উযযা ইবন মুনকিয, যিনি বলেছিলেন:
আমরা যুদ্ধকে শান্তির সাথে মিশিয়ে দিয়েছি ফলে তা সমান হয়ে গেছে, এবং প্রতিটি নগ্নপদ ও পাদুকা পরিহিত ব্যক্তিই তার আকাক্সক্ষার দিকে ধাবিত হয়েছে।
… হাবশিয়ার শাখা-গোত্রসমূহের মধ্যে রয়েছে হুলাইল ইবন হাবশিয়া। তাদের মধ্যে রয়েছেন আবু গাবশান, তিনি হলেন আল-মুহতারিশ ইবন হুলাইল। আর তাঁর বোন হলেন হুব্বা বিনত হুলাইল, যিনি কুসাই ইবন কিলাবের পুত্র আব্দ মানাফের মাতা।
ইবরাহিম ইবন আলী আদ-যুহলী আমার নিকট বর্ণনা করেছেন ইবন আবি শাইখ আল-কানাওয়ী থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনুল মুতায থেকে, তিনি আহমদ ইবন ইয়াহইয়া ইবন জাবির আল-বালাযুরী থেকে, তিনি আইয়াশ ইবন হিশাম ইবন মুহাম্মদ আল-কালবী ও তাঁর অন্যান্য উস্তাদ থেকে বর্ণনা করেছেন।
হাসান ইবন আব্দুস সামাদ ইবনুল হুসাইন আমার নিকট তাঁর পিতা থেকে, তিনি আহমদ ইবন ইবরাহিম আল-উশনানী থেকে, তিনি আহমদ উবাইদ আন-নাহবী থেকে, তিনি ওয়াকিদী থেকে এবং তিনি তাঁর বর্ণনাকারীদের থেকে বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ১১)
وأُخبرت أيضاً عن محمد بن إسحاق بن يسار، صاحب السِّيرة، ومعنى الحديث كله مُتَفِّق، إلَاّ أَن أَلفاظه والزِّيادات في شُروحه تختلف، فقصدت عمود
… وزِدْتَ ونَقصت، ليطَّرد نسق الحديث على غاية الاختصار.
قالوا: كان قد تزوَّج كِلاب بن مُرَّة فاطمة بنت سعد سَيَل الأَزدية، كما قد شرحناه في غير هذا الموضع، فولدت له زُهْرة وزَيْدا ومات عنها، فقَدِم حاجُّ من قُضاعة. فتزوَّج ربيعة بن حَرام بن ضِنَّة العُذريّ فاطمة وأراد إخراجها، فرامت أخذ ولديها، فمنعتها قُريش، فتركت زُهرة وأخذت زَيْدا، لأنه كان صغيرا، فسُمِّي زَيْد: قصَيّاً، لذلك، وقد ذُكر لها شعر قالته كتبناه في موضعه، من كتاب أشعار النساء. ثم إن ابن لجأَ أجرى بين زيد وبين رجل من بني عُذرة، يقال له رفيع: الحقْ بقومك فلست منا. فرجع إلى أُمه فأخبرها وسألها، فقالت: إنك من قوم أَشرف حَسَبا وأَعزَّ منزلا وأَظهر فضلا، وقد قالت لي كاهنة رأتك: إِنك تلي أمرا جليلاً، فطبْ نفسا، وارتحل إلى أرض قومك حول الحرم. ثم جهَّزته فأحسنت جهازه وأخرجته في الشهر الحرام، فلما وصل عرفوه وأكرموه وأعظموه، وغلب على رياستهم وتزوَّح حُبيَّ بنت حُليل بن حَبَشِية، وكانت خُزاعة إذ ذاك غالبة على ولاية البيت بعد جُرَّهم، ومات حُليل، وجعل المفتاح في يد أبنه المُحترس أبي غُبشان. فيقول المتعصبون على اليمانية: إن قُسيّا أشترى المفتاح وولاية البيت بناقة كانت له ناجية، وزاده زقَّ خَمر فصيَّرها إليه، وكان المُحترس مضعوفا،.
وقال آخرون: بل أوصى حُليل لذلك لقصيّ كراما لبنته.
فأمَّا روايتنا عن الواقديّ، وابن إسحاق، جميعا: فهو أن قُصيّا رأى بعد حُليل أنه أحقُّ بالبيت وولايته لشرف نسبه، فجمع لذلك رجالا من قُريش وكنانة، وكاتب أخاه من أمه بن رِزاح بن رُبيعة، فأنجده رزاح واقتتلوا، فغلب قُصيّ على الأمر غُلْبَّةً، وقال في ذلك ولدُ قُصَيّ:
ونَحن العاصِمون بنو لُؤيّ
… بمكَّةَ مَنْصِبي وبها رُبِيت
لنا البَطحاءُ قد عَلمتُ معدُّ
… ومَرْوَتَها رضيتُ بها رَضِيت
افستُ لغالبٍ إِن لم تأَثَّلْ
… بها أَولادُ قيذةَ والنَّبيت
قُضاعة ناصِري وبِهِمْ أُسَامِي
… فَستُ أَخافُ ضَيْما ما حَيِيتُ
فأجابه رزاح، أو قال على وزن شعره:
وإِنِّي في الحَياةِ أَخُو قُصيّ
… إِذْا ما مَسَّه ضَيم أَبَيْتُ
إِذْا يَحنى عليّ بَذلتُ نَصْيرِي
… ويَبْذُل مثل ذلك إِن حَنيْتُ
نَفَيْا على مَنازِلَها عليّا
… فَمَا مِنْها بَذى الأطواءِ بَيْتُ
يُريد: عليّ بن سعود بن مازن الغسَّاني، لأنه كان أخا كنانة لأمه، وكفل ولده م بعده، فنسبوا إليه.
وكان قال رزاح في ذلك أيضا:
أَجَبْنَا قُصَيَّا على نَأَيه
… عَلَى الجُرْدِ تَرْدِي رَعِيلا رَعِيْلا
نهضنا إِليه نَقود الجِيْاد ونَطرح عَنَّا المَلُوَل الثَّقِيلا
ونُدْمِي من الخَيْل أفلاءَها
… مَخافةَ أن يَسْتَرْقِن الصَّهِيلا
والشِّعر طويل، وإنما نكتب ما لعله أَن يُحفظ منه.
وحَبْشِيَة: نفسه، الذي سُقنا هذا القول كُلَّه من أجله، كان شاعرا.
وقال بَكْرِ بن غالب بن عامر بن الحارث بن مُضَاض الجُرْهميّ، بعد أَن نَفَتْهم خُزاعةٌ عن مَكَّة:
أَلا لَيْتَ شِعري هل أَبيتنَّ ليلة
… وأَهلي مَعَا بالمأَزَمَيْن حُلولُ
وهَلْ أُبصرِنَّ العِيْسَ تَنْفُخ في البَري
… لها في مِنًى بالمَحْرَمَيْن ذَمِيل
فأجابه حَبَشِيَّة:
تَمَنىَّ أَمَانيَّ الظَّلالَ وإِنَّما
… نَفَتْك رِجالٌ ذَادةٌ وخيولُ
تَمَنّيتَ أَن تَلْقى خُزاعة بَرْحَة
… فَقَدْ مَعَجْتَ منها عَلْيْكَ سِيولُ
وبكر هو القائل يخاطب شاعرا من خُزاعة، يقال له: عمرو ابن الحارث بن عمرو:
يا عَمْرو لا نَفْخَرَ بِمَّكةِ
… إِنَّها بَلدٌ حَرام
وأَسأَل بعادٍ أَينَ هُمْ
… أَم كَيف تُختَرْمُ الأَنْام
أَو بالعماليق الَّذين
… لَهَم بها كانت سَوامُ
সিরাত রচয়িতা মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে ইয়াসার থেকেও আমাকে জানানো হয়েছে। সব হাদিসের অর্থই এক ও অভিন্ন, তবে এর শব্দাবলী এবং ব্যাখ্যার দীর্ঘতা ভিন্ন ভিন্ন। তাই আমি মূল স্তম্ভটির দিকে লক্ষ্য করেছি
… এবং সংক্ষেপ করার উদ্দেশ্যে এতে কিছু পরিবর্ধন ও পরিমার্জন করেছি যাতে হাদিসের ধারা সুশৃঙ্খল থাকে।
তারা বলেন: কিলাব ইবনে মুররা ফাতিমা বিনতে সাদ সায়াল আল-আযদিয়াকে বিয়ে করেছিলেন, যা আমরা অন্য স্থানে ব্যাখ্যা করেছি। ফাতিমা তার গর্ভে যুহরা ও যায়েদকে জন্ম দেন। অতঃপর কিলাব মারা যান। এরপর কুদাআ গোত্র থেকে এক হাজি আগমন করেন। তখন রাবিআ ইবনে হারাম ইবনে দিননা আল-উযরি ফাতিমাকে বিয়ে করেন এবং তাকে নিয়ে চলে যেতে চান। ফাতিমা তার দুই সন্তানকে সাথে নিতে চাইলেন, কিন্তু কুরাইশরা তাকে বাধা দিল। ফলে তিনি যুহরাকে রেখে যায়েদকে সাথে নিলেন, কারণ সে ছোট ছিল। একারণে যায়েদের নাম রাখা হলো 'কুসাই' (দূরবর্তী)। তার সম্পর্কে বলা তার কিছু কবিতা উল্লেখ করা হয়েছে যা আমরা 'নারীদের কবিতা' নামক বইতে যথা স্থানে লিখেছি। এরপর ইবনে লাজা যায়েদ ও বনু উযরার রাফি নামক এক ব্যক্তির মধ্যে বিরোধ তৈরি করেন। রাফি বলল: তুমি তোমার কওমের কাছে ফিরে যাও, তুমি আমাদের অন্তর্ভুক্ত নও। যায়েদ তার মায়ের কাছে ফিরে এসে তাকে জানালেন এবং জিজ্ঞেস করলেন। মা বললেন: তুমি তো বংশ মর্যাদায় অত্যন্ত শরিফ, অবস্থানে অত্যন্ত শক্তিশালী এবং গুণে অত্যন্ত শ্রেষ্ঠ এক কওমের সন্তান। এক মহিলা গণক তোমাকে দেখে আমাকে বলেছিল: তুমি এক মহান কাজের দায়িত্ব পালন করবে। সুতরাং তুমি শান্ত হও এবং হারামের আশেপাশে তোমার কওমের ভূমিতে যাত্রা করো। অতঃপর তিনি তাকে সুসজ্জিত করলেন এবং হারাম মাসে তাকে বিদায় দিলেন। তিনি যখন পৌঁছালেন, তখন তারা তাকে চিনতে পারল এবং তাকে সম্মান ও মর্যাদা দান করল। তিনি তাদের নেতৃত্বে বিজয়ী হলেন এবং হুব্বা বিনতে হুলায়ল ইবনে হাবাশিয়াকে বিয়ে করলেন। তখন জুরহুম গোত্রের পর খুযাআ গোত্র কাবার রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে প্রবল ছিল। পরে হুলায়ল মারা গেলেন এবং কাবার চাবি তার পুত্র আল-মুহতারিস আবু গুবশানের হাতে অর্পণ করলেন। ইয়ামানিদের বিরোধী পক্ষ বলে: কুসাই একটি উট এবং এক মশক মদের বিনিময়ে চাবি এবং কাবার কর্তৃত্ব কিনে নিয়েছিলেন, আর আবু গুবশান ছিলেন দুর্বল চিত্তের মানুষ।
অন্য অনেকে বলেন: বরং হুলায়ল তার মেয়ের সম্মানে কুসাইয়ের জন্য এটি অসিয়ত করে গিয়েছিলেন।
আর ওয়াকিদি ও ইবনে ইসহাক উভয়ের থেকে আমাদের বর্ণনা হলো: কুসাই হুলায়লের পরে অনুভব করলেন যে, তার উচ্চবংশীয় আভিজাত্যের কারণে কাবার রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্তৃত্বের অধিক হকদার তিনি নিজেই। তাই তিনি এর জন্য কুরাইশ ও কিনানা গোত্রের লোকদের একত্রিত করলেন এবং তার বৈমাত্রেয় ভাই রিজাহ ইবনে রাবিআকে চিঠি লিখলেন। রিজাহ তাকে সাহায্য করলেন এবং তারা যুদ্ধে লিপ্ত হলেন। কুসাই যুদ্ধে জয়লাভ করে কর্তৃত্ব দখল করলেন। এ সম্পর্কে কুসাইয়ের সন্তান বলেছেন:
আমরাই রক্ষক, লুআইয়ের সন্তান
… মক্কায় আমার অবস্থান এবং সেখানেই আমি লালিত-পালিত।
বাতহা আমাদেরই, তা মা'আদ গোত্র জানে
… এর মারওয়া পাহাড়ে আমি সন্তুষ্ট হয়েছি।
আমি গালিব গোত্রের অন্তর্ভুক্ত নই যদি কায়েযা ও নাবিতের সন্তানরা
… সেখানে প্রতিষ্ঠিত না হয়।
কুদাআ গোত্র আমার সাহায্যকারী এবং তাদের মাধ্যমেই আমি গর্ব করি
… যতদিন বেঁচে আছি কোনো অন্যায়ের ভয় করি না।
রিজাহ তার ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন, অথবা তার কবিতার ছন্দে বলেছিলেন:
নিশ্চয়ই আমি জীবনে কুসাইয়ের ভাই
… যখনই সে কোনো অন্যায়ের শিকার হয়েছে আমি তা প্রতিরোধ করেছি।
যখন সে আমার দিকে ঝুঁকেছে আমি আমার সাহায্য উৎসর্গ করেছি
… আর আমিও যদি ঝুঁকে পড়ি সেও তেমনই উৎসর্গ করবে।
আমরা আলিয়াকে তার আবাসস্থল থেকে তাড়িয়ে দিয়েছি
… তাই আজ আল-আতওয়ায়ে তাদের একটি ঘরও অবশিষ্ট নেই।
তিনি বুঝিয়েছেন: আলিয়া ইবনে সাউদ ইবনে মাযিন আল-গাসসানি। কারণ তিনি ছিলেন কিনানার বৈমাত্রেয় ভাই, এবং তার পরে তার সন্তানদের লালন-পালন করেছিলেন, তাই তারা তার দিকেই সম্বন্ধযুক্ত হতো।
এ সম্পর্কে রিজাহ আরও বলেছিলেন:
আমরা কুসাইয়ের ডাকে সাড়া দিয়েছি তার দূরবর্তী অবস্থান সত্ত্বেও
… দ্রুতগামী ঘোড়ার পিঠে চড়ে যারা দলে দলে ধাবিত হচ্ছিল।
আমরা তার দিকে অগ্রসর হয়েছি উন্নত ঘোড়াগুলো হাঁকিয়ে এবং নিজেদের থেকে সমস্ত ক্লান্তি ও বোঝা ঝেড়ে ফেলে।
আমরা ঘোড়ার বাচ্চাদের রক্তরঞ্জিত করেছি
… এই ভয়ে যে পাছে তাদের চিঁহি ডাক আমাদের শত্রু থেকে গোপন না থাকে।
কবিতাটি অনেক দীর্ঘ, আমরা কেবল ততটুকুই লিখছি যা হয়তো স্মরণ রাখা সম্ভব।
আর হাবাশিয়া: স্বয়ং সেই ব্যক্তি যার কারণে আমরা এই পুরো আলোচনাটি নিয়ে এসেছি, তিনি একজন কবি ছিলেন।
খুযাআ গোত্র জুরহুমদের মক্কা থেকে বহিষ্কার করার পর বকর ইবনে গালিব ইবনে আমির ইবনে হারিস ইবনে মুদাদ আল-জুরহুমি বলেছিলেন:
হায়! আমি যদি জানতাম, আমি কি একটি রাতও কাটাতে পারব
… যখন আমার পরিবার আল-মাযামাইন উপত্যকায় একত্রে অবস্থান করবে?
আমি কি সেই লাল উটগুলোকে দেখতে পাব যারা তাদের নাসারন্ধ্র দিয়ে ফুঁসছে
… মিনায় দুই হারামের মাঝে তাদের দ্রুত চলার শব্দ শোনা যাচ্ছে?
হাবাশিয়া তাকে উত্তরে বললেন:
তুমি কেবল ভ্রান্ত আকাঙ্ক্ষা করছ, অথচ বাস্তব হলো
… একদল প্রতিরোধকারী বীর এবং অশ্ববাহিনী তোমাকে তাড়িয়ে দিয়েছে।
তুমি খুযাআ গোত্রের সাথে একদিন দেখা করার আকাঙ্ক্ষা করেছিলে
… কিন্তু তাদের স্রোত তোমার ওপর দিয়েই বয়ে গেছে।
বকর খুযাআ গোত্রের আমর ইবনে হারিস ইবনে আমর নামক এক কবিকে সম্বোধন করে বলেছিলেন:
হে আমর! মক্কা নিয়ে গর্ব করো না
… কারণ এটি একটি পবিত্র শহর।
আদ গোত্র সম্পর্কে জিজ্ঞেস করো তারা এখন কোথায়
… অথবা কিভাবে সকল সৃষ্টি জগত বিনাশ প্রাপ্ত হয়?
কিংবা আমালিকা সম্প্রদায় সম্পর্কে (জিজ্ঞেস করো), যাদের
… গবাদি পশুরা এই ভূমিতেই চরে বেড়াত।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ১২)
وحُلَيلَ بن حَبَيْشَة حَمُو قُصَيّ يقول الشعر أَيضًا، وأَنشدونا له:
حُمْسًا ولسنا نُهْزَةً للمَحْضر
الحُمْس، من قُريش وخُزاعة وكنانة، سُمُّوا بذلك لتنزيههم أنفسهم عن مهنة الأغمار، " وشرح خبرهم طويل ".
" حُبَشِيَّة ": وفي مُزَيّنة: حُبَشِيَّة بن كَعب بن عَبد بن ثَور بن هُذَّم ابن عُثمان بن عمرو بن أُدّ بن طابخة.
وأُم عثمان بن عمرو، وأوس بن عمرو: مُزَينة بن كَلب ابن وَبرة، فبها يُعرفون.
ومن حُبَشِيَّة هَؤلاء النُّعمان بن عَمرو بن مُقرّن بن عائذ ابن مِيجا بن هُجَير بن نَصر بن حُبَشِيَّة، كانت له صُحبة، ولَاّه عُمَر، رضي الله عنه، كسكر، وجُوخا، ثم ولَاّه قِتالُ الفرس بنهاوَند، " وكان على المُسلمين ممَّن غَزاها "، ويها استشهد، فبكى عليه عمر، رضي الله عنهما، وإليه تُنسب قناطر النُّعمان بالجبل، وكان يُكنى: أبا عمرو، وأخوه: سُهيدٌ قُتل معه، ويُكنى أبا عَدِيّ.
" حُبَيَبُ ": في رَبيعة: حُبَيَبُ بن عمرو بن غَنم بن تَغلُب، واسم تَغلب: دثار.
منهم: المُلَّقب أُفننٌ، وهو صُريم بن مَعشَر بن ذُهل بن تيم ابن عَمرو بن مالك بن حُبيب القائل:
أَلا لَسْتُ في شَيء فروحاً مُعَاوِيَا
… ولا المُشْفِقاتُ إِذْ تَبِعْنَ الحوازيَا
فَطَأَ مُعْرِضًا إِنَّ الحتُوفَ كثيرةٌ
… وإِنك لا تُبْقِي بِنَفسك باقيَا
ولَا خَيْرَ فيما يكذبُ المرءُ نفْسَه
… وتَقْوالهِ للشَّيء يا ليت ذالِيَا
لعمرك ما يَدرِي امرؤُ كيف يُتَّقي
… إِذا هو لم يَجْعَل له اللهُ واقيا
كفى حَزَنًا أَن يَرْحَل الرَّكْبُ غُدوةٌ
… وأُصْبِحَ في أَعلى إِلاهَةَ ثاويَا
وإلى حُبَيَبُ بن عمرو هذا جِماعُ أَكثر نَسب تغلب. " وإِنما أوردنا هذه الأبيات لاعتمادنا أَلا نُخلي فصلا من معلوم غير الأسماء، وبالله التوفيق ".
وفي النَّمِر: حُبَيَبُ بن الجَهْم.
وفي قُريش: حُبَيَبُ بن جَذيِمة بن مالك بن حِسْل " بن عامر ابن لُؤي ".
قال ابنُ حبيبَ: إِلا أَن حَسَّانَ ثَقَّلَهَا في الشِّعر، فقال:
من مَعْشَرٍ لا يَخْفِرون بذِمة
… للحارث بن حُبَيِّب بن سُخام
قال: وأَبو عُبيدة وعَوانة يقولان: سُحام، بالسين غير معجمة.
" حُبَيِّب ": وفي يَشْكُرَ: حُبَيِّب، " بالتَّشديد "، ابن كعب بن يَشْكُرَ بن بكر ابن وائل.
منهم: باعث بن صُريم بن أَسَد بن تَيم بن ثَعلبة بن غُبَر بن غبَر بن غَنْم ابن حُبَيِّب.
وإِنما سُمِّي " غُبَرٌ ": غُبراً، لأَن غَنْماً تَزوَّج أُمَّه وهي عجوز، فقيل له: ما أردت إليها؟ فقال: لعلِّى أَتغبَّرها غُلاماً، فولدت غُلاماً، فسمَّاهُ غُبَر، وأصل ذلك من تَبغَّر الحالب الضَّرع، إذ طلب غُبَر اللبن أي بقاياه.
وكان وائلُ بن صُريم ذا منزلة عن المُلوك، وكان مَفتوق اللسان حُلَوه، جميلا، فبعثه عمرو هند ساعيًّا على تميم، فأخذ الإتاوة منهم جميعا، فلم يبق غير بن أسيّد بن عمرو بن تميم، فأَتاهم لجمع النِّعم والشاءِ، وأَمر بإِحصائه، فبينما هو قاعد على بئر إِذ أَتاه شيخٌ منهم واغتفله فدفعه في البئر، واجتمعوا فرموه بالحجارة حتى قتلوه.
وتزعم بنو أُسيِّد أَنهم رموا معه كلبا ورجموهما حتى هُلكا، وهم يرتجزون:
يا أيُّها المَاتِحُ دَلوي دُونكَا
… إِني رأَيتُ الناسَ يَحْمدُونكَا
وبلغ الخبز أَخاه باعثا، فعقد لواءاً ونادى في بني غبر، وساروا إلى أن يقتلهم حتى تمتلئ الدَّلو، عند إدلائها في تلك البِئر، دما، فوقع بهم فلم يزل يقتل حتى أدلى أحدهم دلوا فرفعها وقد ملئت دما، وقال باعث في ذلك:
سائِلْ أُسيَّد هَلْ ثأَرْتُ بوائلٍ
… أَمْ هَلْ شَفَيْتُ النفسَ من بَلْبَالِها
إِذ أَرْسَلُوني ماتِحاً بدمائهم
… فملأَتُها عَلَقًا إِلى أَسْبالها
وخِمارِ غانيةِ عقدتُ برَأْسها
… أُصُلاً وكان مُنَشَّرًا بِشِمالها
وعقيلةِ يَسْعى عليها قائمٌ
… مُتَغَطرس أَبديتُ عن خَلخلها
وفوارسِ سُفْع الوُجوه بَوَاسِر
… كالأُسْد حين تذبُّ عن أَشْبالها
হুলেল ইবনে হুবায়শাহ ছিলেন কুসাইয়ের শ্বশুর। তিনিও কবিতা বলতেন এবং তাঁর একটি পঙক্তি আমাদের শোনানো হয়েছে:
"আমরা হুমস এবং আমরা বহিরাগতদের কাছে সহজ শিকার নই।"
হুমস বলতে কুরাইশ, খুযাআ এবং কিনানাহ গোত্রকে বোঝানো হয়। তাদের এই নামকরণ করা হয়েছে সাধারণ পেশার হীনমন্যতা থেকে নিজেদের পবিত্র রাখার কারণে। (তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা দীর্ঘ)।
"হুবায়শিয়্যাহ": মুযায়নাহ গোত্রের মধ্যে রয়েছেন: হুবায়শিয়্যাহ ইবনে কাব ইবনে আবদ ইবনে সাওর ইবনে হুযযাম ইবনে উসমান ইবনে আমর ইবনে উদ্দ ইবনে তাবিখা।
উসমান ইবনে আমর এবং আউস ইবনে আমরের মা ছিলেন মুযায়নাহ বিনতে কালব ইবনে ওয়াবরাহ, তাঁর নামেই তারা পরিচিত।
এই হুবায়শিয়্যাহ বংশের অন্তর্ভুক্ত হলেন নুমান ইবনে আমর ইবনে মুকাররিন ইবনে আইয ইবনে মিজা ইবনে হুজায়র ইবনে নাসর ইবনে হুবায়শিয়্যাহ। তিনি সাহাবী ছিলেন। উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) তাঁকে কাসকার ও জুখার দায়িত্ব প্রদান করেন। অতঃপর তাঁকে নাহাওয়ন্দে পারস্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধের দায়িত্ব দেন। তিনি সেই অভিযানে মুসলিম বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন এবং সেখানে শাহাদাত বরণ করেন। এতে উমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) রোদন করেছিলেন। পাহাড়ের 'কানাত্বিরুন নুমান' (নুমানের সেতুসমূহ) তাঁর নামেই নামকরণ করা হয়েছে। তাঁর উপনাম ছিল আবু আমর। তাঁর ভাই সুহাইদও তাঁর সাথে শহীদ হন, যাঁর উপনাম ছিল আবু আদি।
"হুবাইয়িব": রাবীআহ গোত্রের মধ্যে রয়েছেন: হুবাইয়িব ইবনে আমর ইবনে গানাম ইবনে তাগলিব। তাগলিবের আসল নাম ছিল দিসার।
তাঁদের মধ্যে 'আফনান' উপাধিধারী কবি রয়েছেন, তিনি হলেন সুরয়ম ইবনে মাশার ইবনে যুহল ইবনে তাইম ইবনে আমর ইবনে মালিক ইবনে হুবাইয়িব, যিনি বলেছেন:
শোনো, আমি কোনো কিছুর মধ্যে নেই, হে মুয়াবিয়া! তুমি প্রস্থান করো
… আর সেই মমতাময়ী নারীরাও নেই যখন তারা দুর্লক্ষণের পাখিদের অনুসরণ করে
অতঃপর পাশ কাটিয়ে চলো, কেননা মৃত্যুর পথ অনেক
… আর তুমি নিজে চেষ্টা করে অবশিষ্ট আয়ু রক্ষা করতে পারবে না
মানুষ যখন নিজের সাথেই মিথ্যা বলে তার মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই
… আর কোনো বস্তুর জন্য তার এই বলা যে—হায়! এটা যদি আমার হতো
তোমার জীবনের শপথ! মানুষ জানে না কীভাবে বাঁচতে হয়
… যদি আল্লাহ তার জন্য কোনো রক্ষাকারী না রাখেন
ব্যথার জন্য এটাই যথেষ্ট যে আরোহীরা ভোরে চলে যাবে
… আর আমি ইলাহার উচ্চভূমিতে পড়ে থাকব
এই হুবাইয়িব ইবনে আমরের দিকেই তাগলিব গোত্রের অধিকাংশ বংশধারা মিলিত হয়েছে। "আমরা এই কবিতাগুলো শুধুমাত্র এই কারণে উল্লেখ করেছি যাতে নামের বাইরে কোনো তথ্যের অভাব না থাকে; আল্লাহর কাছেই তাওফিক প্রার্থনা করছি।"
নামির গোত্রে রয়েছেন: হুবাইয়িব ইবনে আল-জাহম।
কুরাইশ গোত্রে রয়েছেন: হুবাইয়িব ইবনে জাযীমাহ ইবনে মালিক ইবনে হিসল "ইবনে আমির ইবনে লুয়াই"।
ইবনে হাবিব বলেন: তবে হাসসান ইবনে সাবিত কবিতায় শব্দটিকে দ্বিত্ব করে পড়েছেন। তিনি বলেছেন:
এমন এক সম্প্রদায় থেকে যারা অঙ্গীকার ভঙ্গ করে না
… হারিস ইবনে হুবাইয়িব ইবনে সুখাম এর জন্য
তিনি বলেন: আবু উবায়দাহ এবং আওয়ানাহ বলেন—এটি 'সুহাম' (সীন দিয়ে, কোনো নুকতাহ ছাড়া)।
"হুবাইয়িব": ইয়াশকুর গোত্রে রয়েছেন: হুবাইয়িব "তাশদীদসহ", তিনি কাব ইবনে ইয়াশকুর ইবনে বকর ইবনে ওয়াইল-এর পুত্র।
তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: বাইস ইবনে সুরয়ম ইবনে আসাদ ইবনে তাইম ইবনে সালাবাহ ইবনে গুব্বার ইবনে গুব্বার ইবনে গানাম ইবনে হুবাইয়িব।
'গুব্বার' এর এই নামকরণের কারণ হলো, গানাম তাঁর মাকে বিবাহ করেছিলেন যখন তিনি বৃদ্ধা ছিলেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো: আপনি কেন তাঁকে বিয়ে করলেন? তিনি বললেন: সম্ভবত আমি তাঁর থেকে কোনো অবশিষ্টাংশ হিসেবে একটি পুত্র সন্তান পাব। এরপর তিনি একটি পুত্র সন্তান প্রসব করেন এবং তিনি তাঁর নাম রাখেন গুব্বার। এর মূল উৎস হলো দোহনকারীর পশুর স্তন থেকে দুগ্ধের অবশিষ্ট অংশ তল্লাশ করা।
ওয়াইল ইবনে সুরয়ম রাজদরবারে উচ্চ মর্যাদার অধিকারী ছিলেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বাগ্মী, মিষ্টভাষী ও সুশ্রী। আমর বিন হিন্দ তাঁকে তামীম গোত্রের কাছে কর আদায়কারী হিসেবে পাঠিয়েছিলেন। তিনি সকলের কাছ থেকে কর আদায় করলেন, কেবল বানু উসাইয়িদ ইবনে আমর ইবনে তামীম বাকি ছিল। তিনি তাদের কাছে গবাদি পশু ও মেষ সংগ্রহ করতে এলেন এবং তা গণনা করার নির্দেশ দিলেন। যখন তিনি একটি কুপের পাড়ে বসে ছিলেন, তখন তাদের এক বৃদ্ধ লোক তাকে অসতর্ক অবস্থায় পেয়ে কূপের ভেতর ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল। এরপর তারা একত্রিত হয়ে তাঁকে পাথর ছুঁড়ে হত্যা করল।
বানু উসাইয়িদ দাবি করে যে, তারা তাঁর সাথে একটি কুকুরও নিক্ষেপ করেছিল এবং তারা মারা যাওয়া পর্যন্ত উভয়কে পাথর মেরেছিল। তখন তারা এই ছন্দোবদ্ধ শ্লোক বলছিল:
হে পানি উত্তোলনকারী, আমার বালতি ধরো
… আমি দেখেছি মানুষ তোমার প্রশংসা করে
এই খবর তাঁর ভাই বাইসের কাছে পৌঁছালে তিনি যুদ্ধের পতাকা উত্তোলন করলেন এবং বানু গুব্বারদের ডাক দিলেন। তিনি তাদের এমনভাবে হত্যা করার শপথ নিলেন যতক্ষণ না সেই কূপে বালতি ফেললে তা রক্তে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে। তিনি তাদের আক্রমণ করলেন এবং অনবরত হত্যা করতে থাকলেন যতক্ষণ না তাদের একজন বালতি তুললে তা রক্তে পরিপূর্ণ হয়ে এলো। এই প্রসঙ্গে বাইস বলেছিলেন:
উসাইয়িদকে জিজ্ঞেস করো, আমি কি ওয়াইলের হত্যার প্রতিশোধ নিয়েছি?
… নাকি আমি মনের অস্থিরতা দূর করেছি?
যখন তারা আমাকে তাদের রক্তের বালতি তুলতে বাধ্য করেছিল
… তখন আমি তা কানায় কানায় রক্তে পূর্ণ করেছি
আর কত সুন্দরী নারীর ওড়না আমি তার মাথায় বেঁধে দিয়েছি
… যা আগে তার কাঁধে অবিন্যস্ত অবস্থায় ছিল
কত সম্মানিত নারী যাদের রক্ষায় দাম্ভিক যোদ্ধারা ছুটে আসত
… আমি তাদের অলংকার উন্মোচিত করে দিয়েছি
আর কত বিবর্ণ ও কঠোর চেহারার অশ্বারোহী
… যারা তাদের শাবকদের রক্ষাকারী সিংহের মতো ছিল
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ১৩)
قد قُدت أَوَّلَ عُنفوان رَعِيلها
… فَلَفَفْتُها بِكَتِيبة أَمثالها
وقال في ذلك أُبيّ بنُ مسعود اليَشْكُريّ، المعروف بالمُنَخَّل:
قد أَرانا بها أُسَيِّدُ حَرْبَا
… في النَّواحِي يَشُبّ فيها الَّضَراما
جَرَّدَ السَّيف ثائِراً بأَخيه
… يَقْتُلُ الكَهْل منهمُ والغُلاما
وَمَلأَنا الرَّكِيَّ حتَّى عُراهَا
… عَلَقًا يُبْرِد القُلُوبَ السَّقَامَا
وفي ثَقيف: حُبَيَّب بن الحارث بن مالك بن حُطيط بن جُشَم ابن ثَقيف.
" حَرَام ": في جُذام: حَرَام بن جُذام.
وفي تَميم: حَرَام بن كَعْب بن سعد.
وفي خُزاعة: حَرَام بن حَبَشِيَّة بن كَعْب بن سَلول.
وفي عُذرة: حَرَام بن ضِنَّة بن عبد بن كَبير بن عُذرةَ.
وفي بَلىّ: حَرَام بن جُعَل بن عَمرو بن جُشم بن وَدل.
" حِزَام ": " وفي قَيْس: حِزَام بن هِلال بن خَلاوَة بن بَكْر بن أَشجع.
" حَبْتَر ": وفي خُزَاعة: حَبْتَر بن عَديّ بن سَلول.
" حَنثر ": وفي تميم: حَنْثَر بن غَوْيّ بن سلامة بن غَزيّ.
ابن جُرْأَة بن اُسَيِّد بن عَمرو بن تَميم.
وفي أَسَد: حَنْثَر بن كاهل بن أَسَد.
وفي قَيْس: حَنْثَر بن وَهب بن وَبْر بن الأَضْبط بن كلاب.
" الحِرْمِزُ ": وفي خُزَاعة: الحِرْمِزُ بن سَلْول بن كَعْب.
وفي طَيِّئ: الحِرْمِزُ بن أَخْزَم بن أَبي أَخْزم.
وفي أَسَد: الحِرْمِزُ بن كاهل بن أَسَد.
" حَزِيمة ": في قُضاعة: حَزِيمة بن نَهْد بن زَيْد بن لَيْث بن سُود بن اَسْلم ابن الحافي بن قُضاعة.
وفي أَمر حزيمة وقعت الحرب والفُرقة في بني مَعدً.
وفي رَبيعة: حَزِيمة بن طارق بن شَراحيل بن عِتْبان بن سَعد ابن زُهير.
وفي بَجيلة: حَزيمة بن حَرب بن عليِّ بن مالك بن سَعد ابن نَذِير بن قَسْر.
وفي قَيْس: حَزِيمة بن رِزَام بن مازِن بن ثَعلبة بن سَعد بن ذُبْيان.
" حِشْم ": في جُذام: حِشْم بن جُذَام.
" حَيْشَم ": وفي كَلْب: حَيْشَم بن عبد مَناة بن هُبَل.
وسائر العرب " جُشَم " بالجيم.
" حَلْوَان ": وفي قُضاعة: حَلْوَان بن عُمْران بن الحافي بن قُضاعة.
" أَبو حُرَّة ": في حَنيفة: أَبو حُرَّة الحَنَفِيّ، وهو الذي أَنفذه علي، عليه السلام، إلى مَصْقلة بن هُبيرة، يُطالبه بأثمان أَسْرَى بن سامَة، ويأَمُره إِنْ لم يُؤدِّ المال أَن يُشْخِصَه إِلى ابن عبَّاس، وكان عامِلَه على البَصرة والأهواز وفارس، فأوصل أَبو حُرَّة الكِتَابَ، فلم يُؤدِّ مَصلقةُ من المال شيئاً، فأشخصه إِلى البصرة، وذلك " في خَبَرٍ طويل قد كتبناه " في باب السين في " سامة ".
" الحَلَاّف ": في بني أُسَد: الحَلَاّف، وهو الحارث بن سَعْد بن ثَعلبة بن دُودان ابن أَسد.
وفي عَامِلة: الحَلَاّف بن عامر بن مازن بن مُرّ بن أبي عَزْم ابن عَوْكَلان.
" حُدَيْلَةَ ": وفي الأنصار: حُدَيْلَةَ، مضموم الحاء مفتوح الدال. وهو بنو مُعاوية ابن عَمرو بن مالك بن النَّجار.
وحُدَيْلَةَ، أُمهم، وهي حُدَيْلَةَ بنت مالك بن زَيد مَناة بن حَبيب ابن عَبْد حارثة بن مالك بن غَضْب بن جُشم بن الخَرْج.
وأَبيّ بن كَعْب، من حُدَيْلَةَ.
" حَسِين ": في طَيِّئ: حَسِين، بفتح الحاء، بوزن، فَعِيل، مثل غريم.
حَسن، وحَسِين، ابنا عَمرو بن الغَوث بن طَيِّئ.
ولم أَر " حَسِينا " غيره، والباقي كله حُسِين.
" حُرَب ": في مَذْبح: حُرَبُ بن مَظَّة بن سَلْهَم بن الحَكَم بن سَعد العَشِيرة.
وفي قُضاعة: حُرَب بن قاسط بن بَهْواء.
وكل شيء في العرب: حُرَب، بفتح الحاء وسكون الراء، سوى هذين الاسمَيْن.
" حُدَال ": في مُضَر: حُدَال بن كِنَانة بن خُزيمة، هم باليمين في غير قَومهم.
" حِرْبش ": في أَسَد: حِرْبَش، بالباء المكسورة بن نُمير والبة بن الحارث " ابن ثَعلبة بن دُودان ".
" حَريش ": في قَيْس: الحَرِيش بن كَعْل.
وفي الأَزْد: الحَريش بن جَذِيمة بن زَهْران بن الحَجْر بن عِمْران.
" حُذَاقَة ": في إِيَاد بن نِزَار: حُذافة، بقاف.
وفي كَلب: بنو الحُذَاقيَّة يقال للرجل منهم: حُذاقي، وهم ولدُ بَكْر بن عامِر الأكبر، أُمُّهم: هِند بنت أَنْمار بن حُذَاقة بن زُهْر ابن إِيَاد.
" حُذَافة ":
আমি তার অগ্রবর্তী দলের প্রথম উন্মাদনাকে পরিচালনা করেছি
… এবং তাকে তার মতো অন্য একটি সৈন্যদলের সাথে মিলিয়ে দিয়েছি।
এ সম্পর্কে আল-মুনাকখাল নামে পরিচিত উবাই বিন মাসউদ আল-ইয়াশকারি বলেছেন:
উসাইদ সেখানে আমাদের একটি যুদ্ধ দেখিয়েছেন
… যার চারদিকে তিনি অগ্নিশিখা প্রজ্বলিত করেছেন।
তিনি তার ভাইয়ের প্রতিশোধ নিতে তলোয়ার কোষমুক্ত করেছেন
… তাদের মধ্য থেকে বয়স্ক এবং কিশোরদের হত্যা করেছেন।
এবং আমরা কূপগুলোকে কানায় কানায় পূর্ণ করেছি
… জমাট রক্ত দিয়ে, যা অসুস্থ হৃদয়গুলোকে শীতল করে।
এবং সাকীফ গোত্রে: হুবায়্যিব বিন আল-হারিস বিন মালিক বিন হুতাইত বিন জুশাম বিন সাকীফ।
"হারাম": জুজাম গোত্রে: হারাম বিন জুজাম।
এবং তামীম গোত্রে: হারাম বিন কাব বিন সাদ।
এবং খুযাআহ গোত্রে: হারাম বিন হাবাশিয়্যাহ বিন কাব বিন সালুল।
এবং উযরাহ গোত্রে: হারাম বিন যিননাহ বিন আবদ বিন কাবীর বিন উযরাহ।
এবং বালী গোত্রে: হারাম বিন জুয়াল বিন আমর বিন জুশাম বিন ওয়াদাল।
"হিযাম": এবং কায়স গোত্রে: হিযাম বিন হিলাল বিন খালাওয়াহ বিন বাকর বিন আশজা।
"হাবতার": এবং খুযাআহ গোত্রে: হাবতার বিন আদি বিন সালুল।
"হানসার": এবং তামীম গোত্রে: হানসার বিন গাবি বিন সালামাহ বিন গাযি।
ইবনে জুরআহ বিন উসাইদ বিন আমর বিন তামীম।
এবং আসাদ গোত্রে: হানসার বিন কাহিল বিন আসাদ।
এবং কায়স গোত্রে: হানসার বিন ওয়াহাব বিন ওয়াবর বিন আল-আযবাত বিন কিলাব।
"আল-হিরমিয": এবং খুযাআহ গোত্রে: আল-হিরমিয বিন সালুল বিন কাব।
এবং তাই গোত্রে: আল-হিরমিয বিন আখযাম বিন আবি আখযাম।
এবং আসাদ গোত্রে: আল-হিরমিয বিন কাহিল বিন আসাদ।
"হাযিমাহ": কুযাআহ গোত্রে: হাযিমাহ বিন নাহদ বিন যাইদ বিন লাইস বিন সুদ বিন আসলাম ইবনুল হাফি বিন কুযাআহ।
এবং হাযিমাহর বিষয়ে বনু মাআদ গোত্রে যুদ্ধ ও বিভেদ সৃষ্টি হয়েছিল।
এবং রাবিআহ গোত্রে: হাযিমাহ বিন তারিক বিন শারাহিল বিন ইতবান বিন সাদ বিন যুহাইর।
এবং বাজিলাহ গোত্রে: হাযিমাহ বিন হারব বিন আলী বিন মালিক বিন সাদ বিন নাযীর বিন কাসর।
এবং কায়স গোত্রে: হাযিমাহ বিন রিযাম বিন মাযিন বিন সালাবাহ বিন সাদ বিন যুবইয়ান।
"হিশম": জুজাম গোত্রে: হিশম বিন জুজাম।
"হাইশাম": এবং কালব গোত্রে: হাইশাম বিন আবদ মানাত বিন হুবাল।
আর আরবের বাকিরা জিম অক্ষর দিয়ে "জুশাম" বলে।
"হালওয়ান": এবং কুযাআহ গোত্রে: হালওয়ান বিন ইমরান ইবনুল হাফি বিন কুযাআহ।
"আবু হুররাহ": হানীফাহ গোত্রে: আবু হুররাহ আল-হানাফি; তিনি সেই ব্যক্তি যাকে আলী (আলাইহিস সালাম) মাসকালাহ বিন হুবাইরাহর কাছে পাঠিয়েছিলেন, বনু সামার বন্দীদের মূল্য দাবি করার জন্য এবং তাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, সে যদি অর্থ পরিশোধ না করে তবে তাকে যেন ইবনে আব্বাসের কাছে পাঠানো হয়, যিনি বসরা, আহওয়ায এবং পারস্যের গভর্নর ছিলেন। আবু হুররাহ চিঠিটি পৌঁছে দেন, কিন্তু মাসকালাহ কোনো অর্থ পরিশোধ করেননি, ফলে তিনি তাকে বসরায় পাঠিয়ে দেন। এটি একটি দীর্ঘ ঘটনা যা আমরা "সামাহ" অধ্যায়ে "সীন" বর্ণে লিখেছি।
"আল-হাল্লাফ": বনু আসাদ গোত্রে: আল-হাল্লাফ, তিনি হলেন আল-হারিস বিন সাদ বিন সালাবাহ বিন দুদান বিন আসাদ।
এবং আমিলাহ গোত্রে: আল-হাল্লাফ বিন আমির বিন মাযিন বিন মুর বিন আবি আযম বিন আওকালান।
"হুদাইলাহ": এবং আনসারদের মধ্যে: হুদাইলাহ, হা (ح) অক্ষরে পেশ এবং দাল (د) অক্ষরে যবরসহ। তারা হলো বনু মুয়াবিয়া বিন আমর বিন মালিক বিন আন-নাজ্জার।
আর হুদাইলাহ হলেন তাদের মা; তিনি হুদাইলাহ বিনতে মালিক বিন যাইদ মানাত বিন হাবীব বিন আবদ হারিসাহ বিন মালিক বিন গাযব বিন জুশাম বিন আল-খারাজ।
এবং উবাই বিন কাব হুদাইলাহ বংশের অন্তর্ভুক্ত।
"হাসীন": তাই গোত্রে: হাসীন, হা (ح) অক্ষরে যবরসহ, 'ফাইল' ওজনে, যেমন 'গারীম'।
হাসান এবং হাসীন, আমর বিন আল-গাওস বিন তাই-এর দুই পুত্র।
আমি এটি ছাড়া আর কোনো 'হাসীন' (যবরসহ) দেখিনি, বাকি সবই 'হুসাইন' (পেশসহ)।
"হুরাব": মাযহিজ গোত্রে: হুরাব বিন মাযযাহ বিন সালহাম বিন আল-হাকাম বিন সাদ আল-আশিরাহ।
এবং কুযাআহ গোত্রে: হুরাব বিন কাসিত বিন বাহওয়া।
আর আরবের অন্য সব ক্ষেত্রে এটি হলো 'হারাব', হা অক্ষরে যবর এবং রা অক্ষরে সুকুনসহ, এই দুটি নাম ব্যতীত।
"হুদাল": মুযার গোত্রে: হুদাল বিন কিনানাহ বিন খুযাইমাহ; তারা ইয়ামানে তাদের নিজ সম্প্রদায় ছাড়া অন্য সম্প্রদায়ের সাথে বাস করে।
"হিরবাশ": আসাদ গোত্রে: হিরবাশ, বা (ب) অক্ষরে যেরসহ, ইবনে নুমাইর ওয়ালিবাহ বিন আল-হারিস বিন সালাবাহ বিন দুদান।
"হারীশ": কায়স গোত্রে: আল-হারীশ বিন কাল।
এবং আযদ গোত্রে: আল-হারীশ বিন জাযীমাহ বিন যাহরান বিন আল-হাজর বিন ইমরান।
"হুযাকাহ": ইয়াদ বিন নিযার গোত্রে: হুযাকাহ, কাফ (ق) দিয়ে।
এবং কালব গোত্রে: বনু আল-হুযাকিয়্যাহ; তাদের কোনো ব্যক্তিকে বলা হয় হুযাকি। তারা হলো বাকর বিন আমির আল-আকবারের সন্তান, তাদের মা হলেন হিন্দা বিনতে আনমার বিন হুযাকাহ বিন যুহর বিন ইয়াদ।
"হুযাফাহ":
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ১৪)
في قُريش: حُذَافة، بفاء، بن جُمَح بن عمرو.
وفي رَبيعة: حُذَافة، بفاء أيضا، بن سَعد بن قَيْس بن ثَعلبة.
" حُمَيْس ": في طابِخة: حُمَيْس بن أُدّ بن طابِخة.
وفي كِندة: حُمَيْس بن سَكْسَك بن أَشْرس، " مثلها ".
وفي كنانة بن خُزَيمة: حُمَيْس بن سَعد بن لَيْث.
وفيها: حُمَيْس بن جُدَيّ بن سَعد بن لَيْث.
" حَمْرة ": في الأَزْد: حَمْرة، بالراء وفتح الحاء، ابن عُبَيد بن عُبْرَة ابن زَهْران.
" حُمْرَة ": في همدان: حُمْرة، بضم الحاء، ابن مالك بن مُنبِّه بن " سَلَمة ".
وفي تَميم: حُمْرة، أيضا بالضم والحاء، ابن جعفر بن ثَعلبة ابن يَرْبوع.
" حَرَس ": في طَيِّئ: حَرَس بن جُندب بن خارجة بن سَعد بن فُطْرَة ابن طَيِّئ، " بالحاء غير معجمة ".
" حَدَس ": وفي لَخْم: " بالدال "، ابن " أُرَبْش بن إِرَاس بن جَزِيلَة بن لَخْمِ ".
" الحَدْأُ ": في مَذْحِج: الحِدَأُ، بطن بالكوفة، ابن نَمِرة بم سعد العشيرة ابن مالك بن أُدَد.
" الحدَاء ": في جُعْفيّ: الحِدَاءُ، ممدود، ابن ذُهل بن مَرَّان بن جُعْفِيّ.
" حسْل ": في قريش: حِسْل بن عامر بن لُؤي.
وفي طيئ: حِسْل بن زيد بن عمرو بن ثُمامة بن مالك بن جَدْعاء.
" حَسَن ": وحَسِين: ابنا عمرو بن الغَوث بن طيئ.
ولم أَر حَسِنَّا، غيره.
" حُشَيْش ": في تَميم: حُشَيْش بن نِمْران بن سَسْف بن حِمْيَرِيّ بن رِيَاح ابن يَرْبوع بن حَنْظلة.
وحُشَيْش " بالحاء " ابن حُرْقَوص بن مازن بن مالك بن عمرو ابن تَميم.
وفي بَجيلة: حُشَيْش " بالحاء " ابن هِلال بن الحارث بن رِزاح.
وفي كِنانة: حُشَيْش، بالحاء غير مُعْجمة، ابن عَدِي، بن عامر ابن ثَعلبة بن الحارث بن مالك بن كنانة.
وليس في العرب " " خُشَيْش "، ب
الخاء، ولا تُسَمَّى به.
" أَبو حَنَش ": في تَغْلب: أبو حَنَش عُصْم بن النُّعْمان بن مالك بن عتَّاب بن سعد ابن زهير بن جُشَم بن بكر بن حبيب بن عمرو بن غَنْم بن تَغلُب، قاتل شُرَحْبيل، وهو الذي يقول له سَلمة.
ألا أبلغ أبا حَنش رسولاً
… فما لك لا تجيء إلى الثَّوَاب
" أبو حُبَيْش ": في زُهرة: أبو حُبَيْش بن عبد عوف بن الحارث بن زُهرة.
وفي بني أسد بن عبد العُزَّى: أبو حُبَيْش بن المُطَّلب بن أسد ابن عبد العُزَّى.
وكان أبو حُبَيْش مُلازما للحِجْر، وكان يُقال له: خيمة أبي حُبَيْش.
وقال عمر " ابن الخطاب "، رضي الله عنه: ما أحدٌ إلا وفي نَسَبِهِ وَصْمة غير السَّائب بن أبي حُبَيْش.
وكان السائب عالي السنِّ يروي عن عمر، وتزوَّج مصعب ابنة له على مائة ألف درهم.
" أبو حازم ": في الأَزد: أبو حازم القاصّ، في خَثْعَم بن أنمار.
" حُلَيف ": حُلَيف بن مازن بن " جُشَم بن " حارثة بن سعد بن عامر بن تيم الله ابن مُبَشِّر.
وكل شيء في العرب: خُلَيف، بالخاء المعجمة، إلَاّ خُلَيْف بن مازن هذا، فإنه بالحاء المهملة.
" حَطَّمَةُ ": وفي عبد القَيْس: الحَطَّمَة بن مُحَارب " بن عمر بن " وَديعة ابن لُكَيْز، بفتح الحاء وتسكين الطاء.
وفي جُذَام: حَطْمَة بن عِوف بن السَّلْم بن مالك بن سُود بن تَدِيل بن جُشْم بن جُذَام.
" حشَّان ": في تَميم: حِشَّان، وهم زَبينة بن مازن بن مالك، وقبائل من عمرو يقال لهم: الحِشَّان.
وفي مَذْحج: الحِشَّان بن عمرو بن صُدَاءَ، شُبِّهوا في اجتماعهم بالحُشِّ والنَّخل.
الخاء
" خَدَّان ": في أسد بن خُزَيمة: خَدَّان بن عامر بن هِرّ بن مالك بن الحارث ابن سعد بن ثَعلبة بن دُودان بن أسَد.
ومن ولد خَدَّان: معاوية، وشبيب، ورقَبَة، بنو خَدَّان.
وعن أحمد بن جابر البلاذُريّ، قال: بنو خَدَّان، هم الذين أَكَبُّوا على حُجْر بن الحارث ليمنعوه من القتل.
" خَلْدَة ": في الأنصار: خَلْدَة بن مَخْلَد بن عامر بن زُرَيق بن عامر بن زُريق ابن عبد حارثة بن مالك بن غَضْب بن جُشَم بن الخَزْرج بن حارثة، منهم جماعة شَهِدوا بَدراً.
وفي يَشْكُر: أبو خَلْدَة اليَشْكُريّ.
رأَيت بخط أبي بكر بن دُرَيد " رحمه الله ": أبو خَلْدَة. بالخاء، ومن قال بالجيم فقد أخطَأَ.
ورأيت بخط اليزيديّ، وخط أبي عبد الله بن مُقْلة، مما ذكر أنه نقله من خط ثعلب: أبو جلدة، بالجيم.
কুরাইশ বংশে: হুজাফাহ, ফা বর্ণ যোগে, তিনি জুমাহ ইবনে আমরের পুত্র।
এবং রবীআহ গোত্রে: হুজাফাহ, এটিও ফা বর্ণ যোগে, তিনি সাদ ইবনে কাইস ইবনে সা'লাবাহর পুত্র।
"হুমাইস": তাবিখাহ গোত্রে: হুমাইস ইবনে উদ্দ ইবনে তাবিখাহ।
এবং কিনদাহ গোত্রে: হুমাইস ইবনে সাকসাক ইবনে আশরাস, "অনুরূপ"।
এবং কিনানাহ ইবনে খুজাইমাহ গোত্রে: হুমাইস ইবনে সাদ ইবনে লাইস।
তাদের মধ্যে আরও আছেন: হুমাইস ইবনে জুদাই ইবনে সাদ ইবনে লাইস।
"হামরাহ": আযদ গোত্রে: হামরাহ, রা বর্ণ যোগে এবং হা বর্ণে ফাতহা সহ, তিনি উবাইদ ইবনে উবরাহ ইবনে যাহরানের পুত্র।
"হুমরাহ": হামদান গোত্রে: হুমরাহ, হা বর্ণে দম্মাহ যোগে, তিনি মালিক ইবনে মুনাব্বিহ ইবনে "সালামাহ" এর পুত্র।
এবং তামীম গোত্রে: হুমরাহ, এটিও দম্মাহ ও হা বর্ণ যোগে, তিনি জাফর ইবনে সা'লাবাহ ইবনে ইয়ারবুর পুত্র।
"হারাস": তাই গোত্রে: হারাস ইবনে জুনদুব ইবনে খারিজাহ ইবনে সাদ ইবনে ফুতরাহ ইবনে তাই, "নুকতাহীন হা বর্ণ যোগে"।
"হাদাস": এবং লাখম গোত্রে: "দাল বর্ণ যোগে", তিনি উরাবশ ইবনে ইরাস ইবনে জাযিলাহ ইবনে লাখম এর পুত্র।
"আল-হিদাউ": মাযহিজ গোত্রে: আল-হিদাউ, যা কুফায় অবস্থিত একটি শাখা গোত্র, তিনি নামিরাহ ইবনে সাদ আল-আশিরাহ ইবনে মালিক ইবনে উদাদ এর পুত্র।
"আল-হিদাউ": জুফি গোত্রে: আল-হিদাউ, দীর্ঘ স্বরসহ (মাদ), তিনি যুহল ইবনে মাররান ইবনে জুফির পুত্র।
"হিসল": কুরাইশ বংশে: হিসল ইবনে আমির ইবনে লুআই।
এবং তাই গোত্রে: হিসল ইবনে যাইদ ইবনে আমর ইবনে সুমামাহ ইবনে মালিক ইবনে জাদআ।
"হাসান": এবং হাসিন: তারা তাই গোত্রের আমর ইবনে আল-গাউসের দুই পুত্র।
আমি তাকে ছাড়া দ্বিতীয় কোনো "হাসিন" দেখিনি।
"হুশাইশ": তামীম গোত্রে: হুশাইশ ইবনে নিমরান ইবনে সাসফ ইবনে হিমইয়ারি ইবনে রিয়াহ ইবনে ইয়ারবু ইবনে হানযালাহ।
এবং হুশাইশ "হা বর্ণ যোগে", তিনি হুরকুস ইবনে মাযিন ইবনে মালিক ইবনে আমর ইবনে তামীম এর পুত্র।
এবং বাজিলাহ গোত্রে: হুশাইশ "হা বর্ণ যোগে", তিনি হিলাল ইবনে আল-হারিস ইবনে রিযাহ এর পুত্র।
এবং কিনানাহ গোত্রে: হুশাইশ, নুকতাহীন হা বর্ণ যোগে, তিনি আদি ইবনে আমির ইবনে সা'লাবাহ ইবনে আল-হারিস ইবনে মালিক ইবনে কিনানাহ এর পুত্র।
আরবদের মধ্যে
খা বর্ণ যোগে "খুশাইশ" নামে কেউ নেই এবং কাউকে এই নামে ডাকাও হয় না।
"আবু হানাশ": তাগলিব গোত্রে: আবু হানাশ উসম ইবনে আন-নুমান ইবনে মালিক ইবনে আত্তাব ইবনে সাদ ইবনে যুহাইর ইবনে জুশাম ইবনে বকর ইবনে হাবীব ইবনে আমর ইবনে গানম ইবনে তাগলিব; তিনি শুরাহবিলের হত্যাকারী এবং সালামাহ তাকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন:
সাবধান! আবু হানাশের নিকট এই বার্তা পৌঁছে দাও
… তোমার কী হলো যে তুমি প্রতিদানের দিকে আসছ না?
"আবু হুবাইশ": জুহরাহ গোত্রে: আবু হুবাইশ ইবনে আবদে আউফ ইবনে আল-হারিস ইবনে জুহরাহ।
এবং বনু আসাদ ইবনে আবদিল উযযা গোত্রে: আবু হুবাইশ ইবনে আল-মুত্তালিব ইবনে আসাদ ইবনে আবদিল উযযা।
আবু হুবাইশ হিজর (কা'বার হাতিম) সংলগ্ন স্থানে অবস্থান করতেন এবং একে "আবু হুবাইশের তাবু" বলা হতো।
উমর "ইবনুল খাত্তাব" (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন: সায়েব ইবনে আবি হুবাইশ ব্যতীত এমন কেউ নেই যার বংশলতিকায় কোনো ত্রুটি নেই।
সায়েব দীর্ঘজীবী ছিলেন, তিনি উমরের নিকট থেকে বর্ণনা করতেন এবং মুসআব তার এক কন্যাকে এক লক্ষ দিরহাম মোহরানায় বিবাহ করেছিলেন।
"আবু হাযিম": আযদ গোত্রে: আবু হাযিম আল-কাস (গল্পকার), তিনি খাসআম ইবনে আনমার গোত্রে ছিলেন।
"হুলাইফ": হুলাইফ ইবনে মাযিন ইবনে "জুশাম ইবনে" হারিসাহ ইবনে সাদ ইবনে আমির ইবনে তাইমুল্লাহ ইবনে মুবাশশির।
আরবদের মধ্যে প্রচলিত এই নামের প্রতিটিই হলো: খুলাইফ, নুকতাযুক্ত খা বর্ণ যোগে; কেবল এই হুলাইফ ইবনে মাযিন ব্যতীত, কেননা এটি নুকতাহীন হা বর্ণ যোগে।
"হাততামাহ": এবং আবদে কাইস গোত্রে: আল-হাততামাহ ইবনে মুহারিব "ইবনে উমর ইবনে" ওয়াদিআহ ইবনে লুকাইয, হা বর্ণে ফাতহা এবং ত-তে সুকুন যোগে।
এবং জুযাম গোত্রে: হাতমাহ ইবনে আউফ ইবনে আস-সালম ইবনে মালিক ইবনে সুদ ইবনে তাদীল ইবনে জুশাম ইবনে জুযাম।
"হিশশান": তামীম গোত্রে: হিশশান; তারা হলো যাবিনাহ ইবনে মাযিন ইবনে মালিক এবং আমরের কয়েকটি গোত্রকে 'আল-হিশশান' বলা হয়।
এবং মাযহিজ গোত্রে: আল-হিশশান ইবনে আমর ইবনে সুদা; তাদের একত্রিত হওয়ার ধরনকে বাগান ও খেজুর গাছের সাথে তুলনা করা হয়েছে।
খা বর্ণ
"খাদ্দান": আসাদ ইবনে খুজাইমাহ গোত্রে: খাদ্দান ইবনে আমির ইবনে হির ইবনে মালিক ইবনে আল-হারিস ইবনে সাদ ইবনে সা'লাবাহ ইবনে দুদান ইবনে আসাদ।
এবং খাদ্দানের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন: মুয়াবিয়া, শাবীব এবং রাকাবাহ—তারা খাদ্দানের পুত্র।
আহমাদ ইবনে জাবির আল-বালাযুরি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: বনু খাদ্দান হলো তারা, যারা হুজর ইবনে আল-হারিসকে হত্যার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য তার উপর ঝাপিয়ে পড়েছিল।
"খালদাহ": আনসারদের মধ্যে: খালদাহ ইবনে মাখলাদ ইবনে আমির ইবনে জুরাইক ইবনে আমির ইবনে জুরাইক ইবনে আবদে হারিসাহ ইবনে মালিক ইবনে গাব ইবনে জুশাম ইবনে আল-খাযরাজ ইবনে হারিসাহ; তাদের মধ্যে এমন একদল লোক ছিলেন যারা বদর যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন।
এবং ইয়াশকুর গোত্রে: আবু খালদাহ আল-ইয়াশকুরি।
আমি আবু বকর ইবনে দুরাইদ (রাহিমাহুল্লাহ)-এর হস্তলিপিতে দেখেছি: আবু খালদাহ, খা বর্ণ যোগে; আর যে ব্যক্তি একে জীম (জিলদাহ) বর্ণে বলে, সে ভুল করেছে।
কিন্তু আমি আল-ইয়াযিদী এবং আবু আব্দুল্লাহ ইবনে মুকলার হস্তলিপিতে দেখেছি—যা তারা সা'লাবের হস্তলিপি থেকে নকল করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন—যে এটি হলো: আবু জিলদাহ, জীম বর্ণ যোগে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ১৫)
وقال لي الذُّهلي: إنه سمعه من البادية اليَشْكُريِّين: أبو جلدة، بالجيم.
وأنا أرى لُزوم نهي أبي بكر بن دُرَيد، وقوله بالخاء.
" خدْرَة ": في الأنصار: خدْرَة بن عَوْف، من الخزرَج.
وفي بَليّ: خدْرَة، مثلها، ابن كاهِل بن أَرْشَد بن أَفْرَك بن هَرِم ابن هَنيِّ بن بَلِيّ.
" خُمْل ": في كنانة: " خُمْل، بالخاء، ابن شِقَّ بن رَقَبة بن مُخْدِج بن عامر ابن ثَعلبة بن الحارث بن مالك بن كِنانة.
" أَبو خازِم ": في أسد: أَبو خازِم بن بَجيلة، وابنه: قَيْس بن أبي خَازِم، الفَقيه: وأخوه خازِم بن أبي خازِم، قتل يوم صِفَّين، مع عليَّ عليه السلام.
وفي أسد: أَبو خازِم بن بِشَر، أبو خازم القاضي، المُتَّاحِر " بضم الميم والتاء مفتوحة مُشَدَّدة وحاء مكسورة بينهما ألف ".
" الخَزْج ": في كَلْب: الخَزْج، وهو زَيد مَناة بن عامر بن بَكر بن عامر الأكبر.
منهم: دحية بن خَلِيفة بن فَرْوة بن فَضَالة بن زَيد بن امْرِئِ القَيْس ابن الخَزْج.
ومنهم: حارثة بن زيد بن امرئ القَيْس، وكان شريفا، له يقول الأعشى:
ولَا مِن رَهْط جَبَّار بن قُرْطِ
… ولا مِن رَهْط حارثةَ بن زَيْد
" الخَزْرَجُ ": في يَشْكُر: الخَزْرَجُ.
وفي الأنصار: الخَزْرَجُ.
وفي تَغْلب: الخَزْرَجُ.
" خَمَّة ": في كَلْب: خَمَّة بن........
وفي تَمِيم: خَمَّة بن....
" خُشَيْن ": في قُضاعة: خُشَيْن بن النَّمِر بن وَبَرَة.
" خَطْمَة ": في الأنصار: خَطْمَة بن جُشَم بن مالك بن الأَوْس.
وفي طَيِّئ: خَطْمَة، وخُطَيْمة، ابنا سَعْد بن ثَعلبة بن نصر " ابن سَعْد " نبهْان.
" خَشَّان ": في قَيس عَيلان: خَشَّان، " بالخاء "، ابن لأي بن عُصَيْم بن شَمْخ ابن فَزْازة.
" خُزَيْمة ": في قُريش: خُزَيْمة بن لُؤيّ بن غالب.
" وفي مُضْر ": خُزَيْمة بن مُدْركة.
" خُلَيْف ": كل شيء في العرب " خُلَيْف " فهو بالخاء، إلا في خَثْعم بن أنمار، فإنه حُلَيْف، بالحاء، ابن مازِن بن جُشَم بن حارثة بن سَعد بن عامر ابن تَيم الله ابن مُبَشِّر.
الدال" دَحِيْة ": في كَلْب: دَحِيْة بن خَلِيفة بن فَروة بن فَضالة بن زيد بن امرئ القَيْس بن الخَزْج.
" دُكَيْن ": في بني فُقَيم بن تَميم: دُكَيْن.
" دُهْن ": في عَبد القَيْس: دُهْن بن عُذْرة بن مُنَبِّه بن نُكْرة بن لُكَيْز.
وفي بَجِيلة: دُهْن بن مُعاوية بن أَسلم بن أَحْمَس بن الغَوث بن أنمار.
" دُهْي ": في مَذْحج: دُهْي بن كعب بن ربيعة بن كعب بن الحارث بن كعب ابن عمرو ابن عُلَة بن جَْد بن مالك بن أُدد.
" دَأَلان ": في هَمْدان: دَأَلان بن سابِقة بن ناشج بن دافع.
وفي تميم: رَأَلان، بالراء، ابن مازِن بن مالك.
" الدِّيل ": في ربيعة، الدِّيلُ بن حَنيفة بن لُجَيْم " بضم الدال، وكسرها ".
وفي الأَزد: الدَّيلُ بن هَدَاد بن زَيْد مَناة بن الحَجْر.
وفي تَغْلب: الدِّيلُ بن زَيد مَناة بن عمرو بن غَنْم بن تَغْلب.
وفي إِياد: الدِّيلُ بن " أُمية " بن حُذَافَة بن زُهْر.
وفي عبد القيس: الدِّيلُ بن عمرو بن وَديعة.
ومنهم: الصَّلَتان، ثم أحد بني عامر بن طَفر بن الدِّيل، ثم من بني هجرس: رأيته بخط ابن سَعدان في كتاب مبتدأ إسلام عبد القَيْس، عن أبي غَسِّان.
وفي عَبْد القَيس، أيضاً: الدِّيلُ بن شَنّ بن أَفْضَى بن عبد القَيْس.
منهم: عبد الرحمن بن أُذيتة بن سلمة، وهو من بني بُهثة بن جذيمة ابن الدِّيل وكان قاضي الحجاج على البصرة، وأخوه عبد الله " عامل مُصعب على فَسَا، ودَابَجِرْد "، وهو من سَفر بين الأَزد وتَميم، حين قتل مسعود بن عمر في الصَّباح.
ومنهم: الأَعور الشَّني، من بني عَائذة بن صَبْرة بن أبي عمرو ابن الدِّيل.
كذا قال أبو عُبيدة في كتاب: مبتدأ إسلام عبد القَيْس، نقلته من خَطّ المُبارك بن سَعدان.
" الدُّئِل ": في ضَبَّة: الدُّئِل بن سَعْد بن ضَبَّة.
وفي الهُون بن خُزَيْمة: الدُّئِل، مثل دُعِل مهموز، ابن مُلحِّم بن غالب ابن يَثْيِع بن الهُون بن خُزَيْمة.
এবং যুহলী আমাকে বলেছেন: তিনি এটি ইয়াশকুর গোত্রের বেদুইনদের থেকে শুনেছেন: আবু জালদাহ, ‘জিম’ বর্ণ দিয়ে।
আমি আবু বকর ইবনে দুরেদ-এর নিষেধ মেনে চলা এবং তার ‘খা’ বর্ণ দিয়ে বলার বিষয়টি আবশ্যক মনে করি।
‘খুদরাহ’: আনসারদের মধ্যে: খুদরাহ বিন আওফ, খাজরাজ বংশীয়।
এবং বালি গোত্রে: খুদরাহ, অনুরূপভাবে, ইবনে কাহিল বিন আরশাদ বিন আফরাক বিন হারিম বিন হানি বিন বালি।
‘খুমল’: কিনানাহ গোত্রে: খুমল, ‘খা’ বর্ণ দিয়ে, ইবনে শিক বিন রাকাবাহ বিন মুখদিজ বিন আমির বিন সা’লাবাহ বিন আল-হারিস বিন মালিক বিন কিনানাহ।
‘আবু খাজিম’: আসাদ গোত্রে: আবু খাজিম বিন বাজিলাহ এবং তার পুত্র: কাইস বিন আবু খাজিম, ফকিহ (আইনজ্ঞ)। আর তার ভাই খাজিম বিন আবু খাজিম, যিনি সিফফিনের যুদ্ধে আলী (আলাইহিস সালাম)-এর সাথে নিহত হন।
এবং আসাদ গোত্রে: আবু খাজিম বিন বিশর, আবু খাজিম কাজি, ‘আল-মুত্তাহির’ (মীম-এ পেশ এবং তা-তে জবর ও তাশদিদসহ এবং উভয়ের মাঝে একটি আলিফ ও হা-তে যের)।
‘আল-খাজজ’: কালব গোত্রে: আল-খাজজ, তিনি হলেন যায়দ মানাত বিন আমির বিন বাকর বিন আমির আল-আকবার।
তাদের মধ্যে আছেন: দিহয়াহ বিন খলিফা বিন ফারওয়াহ বিন ফাদালাহ বিন যায়দ বিন ইমরুল কাইস বিন আল-খাজজ।
তাদের মধ্যে আরও আছেন: হারিসাহ বিন যায়দ বিন ইমরুল কাইস; তিনি অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি ছিলেন, তার সম্পর্কে আল-আ’শা বলেন:
আর না জাব্বার বিন কুরত-এর দল থেকে
… আর না হারিসাহ বিন যায়দ-এর দল থেকে।
‘আল-খাজরাজ’: ইয়াশকুর গোত্রে: আল-খাজরাজ।
আনসারদের মধ্যে: আল-খাজরাজ।
এবং তাগলিব গোত্রে: আল-খাজরাজ।
‘খাম্মাহ’: কালব গোত্রে: খাম্মাহ বিন...
এবং তামীম গোত্রে: খাম্মাহ বিন...
‘খুশাইন’: কুদাআহ গোত্রে: খুশাইন বিন আন-নামির বিন ওয়াবারাহ।
‘খাতমাহ’: আনসারদের মধ্যে: খাতমাহ বিন জুশাম বিন মালিক বিন আল-আউস।
এবং তাইয়ি গোত্রে: খাতমাহ এবং খুতাইমাহ, সা’দ বিন সা’লাবাহ বিন নাসর (ইবনে সা’দ) নাবহান-এর দুই পুত্র।
‘খাশশান’: কাইস আয়লান গোত্রে: খাশশান, ‘খা’ বর্ণ দিয়ে, ইবনে লাই বিন উসাইম বিন শামখ বিন ফাযাযাহ।
‘খুজাইমাহ’: কুরাইশদের মধ্যে: খুজাইমাহ বিন লুয়াই বিন গালিব।
এবং মুদার গোত্রে: খুজাইমাহ বিন মুদরিকাহ।
‘খুলাইফ’: আরবদের মধ্যে সমস্ত ‘খুলাইফ’ নাম ‘খা’ বর্ণ দিয়ে, কেবল খাসআম বিন আনমার গোত্র ব্যতীত, সেখানে এটি হলো ‘হুলাইফ’, ‘হা’ বর্ণ দিয়ে; (যিনি হলেন) ইবনে মাযিন বিন জুশাম বিন হারিসাহ বিন সা’দ বিন আমির বিন তাইমুল্লাহ বিন মুবাশশির।
দাল বর্ণ‘দিহয়াহ’: কালব গোত্রে: দিহয়াহ বিন খলিফা বিন ফারওয়াহ বিন ফাদালাহ বিন যায়দ বিন ইমরুল কাইস বিন আল-খাজজ।
‘দুকাইন’: বনু ফুকাইম বিন তামীম গোত্রে: দুকাইন।
‘দুহন’: আবদ আল-কাইস গোত্রে: দুহন বিন উযরাহ বিন মুনাব্বিহ বিন নুকারাহ বিন লুকাইয।
এবং বাজিলাহ গোত্রে: দুহন বিন মুআবিয়াহ বিন আসলাম বিন আহমাস বিন আল-গাউস বিন আনমার।
‘দুহই’: মাযহিজ গোত্রে: দুহই বিন কা’ব বিন রাবিয়াহ বিন কা’ব বিন আল-হারিস বিন কা’ব বিন আমর বিন উলাহ বিন জালদ বিন মালিক বিন উদাদ।
‘দাআলান’: হামদান গোত্রে: দাআলান বিন সাবিকাহ বিন নাশিজ বিন দাফি’।
এবং তামীম গোত্রে: রাআলান, ‘রা’ বর্ণ দিয়ে, ইবনে মাযিন বিন মালিক।
‘আদ-দীল’: রাবিয়াহ গোত্রে, আদ-দীল বিন হানিফাহ বিন লুজাইম (দাল বর্ণে পেশ এবং যের উভয়ই হয়)।
এবং আযদ গোত্রে: আদ-দাইল বিন হাদাদ বিন যায়দ মানাত বিন আল-হাজর।
এবং তাগলিব গোত্রে: আদ-দীল বিন যায়দ মানাত বিন আমর বিন গানম বিন তাগলিব।
এবং ইয়াদ গোত্রে: আদ-দীল বিন উমাইয়াহ বিন হুযাফাহ বিন যুহর।
এবং আবদ আল-কাইস গোত্রে: আদ-দীল বিন আমর বিন ওয়াদিয়াহ।
তাদের মধ্যে আছেন: আস-সালাতান, যিনি বনু আমির বিন তাফর বিন আদ-দীলের একজন। অতঃপর বনু হিজরাস থেকে: আমি এটি আবু গাসসান-এর সূত্রে ইবনে সা’দান-এর হস্তলিপিতে আবদ আল-কাইসের ইসলাম গ্রহণ বিষয়ক কিতাবে দেখেছি।
এবং আবদ আল-কাইস গোত্রে আরও আছে: আদ-দীল বিন শান বিন আফদা বিন আবদ আল-কাইস।
তাদের মধ্যে আছেন: আবদুর রহমান বিন উযাইনাহ বিন সালামাহ, যিনি বনু বুহসাহ বিন জাযীমাহ বিন আদ-দীল গোত্রভুক্ত এবং তিনি বসরায় হাজ্জাজের নিযুক্ত কাজি ছিলেন। আর তার ভাই আবদুল্লাহ— মুসআব-এর পক্ষ থেকে ফাসা ও দাবাজিরদ অঞ্চলের গভর্নর ছিলেন; তিনি সেই প্রতিনিধি দলের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা আযদ ও তামীম গোত্রের মাঝে ছিলেন যখন সকালে মাসউদ বিন আমর নিহত হন।
তাদের মধ্যে আরও আছেন: আল-আ’ওয়ার আশ-শানি, যিনি বনু আইযাহ বিন সাবরাহ বিন আবু আমর বিন আদ-দীল গোত্রভুক্ত।
আবু উবাইদাহ ‘আবদ আল-কাইসের ইসলাম গ্রহণ’ বিষয়ক কিতাবে এভাবেই বলেছেন; আমি এটি মুবারক বিন সা’দান-এর হস্তলিপি থেকে নকল করেছি।
‘আদ-দুয়িল’: দাব্বাহ গোত্রে: আদ-দুয়িল বিন সা’দ বিন দাব্বাহ।
এবং আল-হুন বিন খুজাইমাহ গোত্রে: আদ-দুয়িল, যেমন ‘দুয়িল’ (হামযাহসহ), ইবনে মুলহিম বিন গালিব বিন ইয়াসি’ বিন আল-হুন বিন খুজাইমাহ।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ১৬)
وفي كِنانة: الدُّئِل بن بكر بن عبد مَناة بن كِنانة، رهط أبي الأَسود ظالم بن عمرو بن سُفيان بن جَنْدل بن يَعْمُر بن حِلس بن نُفَاثَة بن عَديّ ابن الدُّئِل، ويقال: اسمه عثمان بن عمرو، قال أبو العبَّاس محمود ابن محمد: قال محمد بن سلام الجُمحي: وهو الدُّئِل. مضموم الدال مكسور الياء، قال العَبديُّ مثل ذلك، أَخبرني عنهما العَمِّيُّ.
" الدُّول ": وفي عَنزة: الدُّول بن صُباح بن عَتيك بن أَسْلَم بن يَذْكُر بن عَنَزة.
وفي الأَزْد: الدُّول بن سعد مَناة بن غامِد.
وفي الرَّبَاب: الدُّولُ بن جَلِّ بن عَديِّ بن زيد مناة بن أُدّ بن طابخة.
" دِجَاجَة ": الدّجاج، لهذا الطائر المعروف، تقوله العرب بالفتح، وهو الأفصح.
وقد يُقال بالكَسْر، وليس بفصاحة الأول، فأمَّا الأسماء فكلها دِجَاجَة، بكسر الدال، فمن ذلك: دِجَاجَة بن أهْوَى بن عَلْقمة بن مُوْهُوب ابن هاجر بن كعب بن بَجَالة بن ذُهْل بن مالك بن بكر بن سعد بن ضَبَّة، وهو حَسَنُ الشِّعر، ومن قوله يمدح رجلين:
فَكَرّاً ولو شاءَ لنجَّاهما معاً
… من المَوْتِ جِيَّاشا الضُّحى رَبِذَان
هُما تركَا دَارَ الهَوانِ لأَهلِها
… وغُودِرَ قَسْسيٌّ بها ويَمَان
وفي تَيم بن عبد مَناة بن أُدّ بن طابِخة: دِجاجَة بن عبد قَيْس بن امرء القَيس بن عِلبَاء بن ربيع بن عمرو بن عبد الله بن لؤيّ بن عمرو بن الحارث بن تَيم بن عبد مَناة بن أُدِّ بن طابِخة، شاعر جاهلي وهو القائل:
تعجّبُ مِمَّا قد عَلَا الرَّأسٍ جارتي
… وقد شَمِطَتْ قَبلي فلم أَتعجبِ
وَلَسْتُ بفَحَّاشٍ ولا ذي نَميمة
… يُزَجِّي إِلَيْهم كُلَّ أفْعَى وعَقْرَبِ
وإِيَّاه عَنَى ذُبَابُ بن مُعاوية " العُكْلِيّ، إذ يقول ":
أَلَاّ أَبْلِغَا تَيماً فإِنِّي مُكَلِّمٌ
… دِجَاجَتْكُمْ هذا الذي لا يُكَلَّمُ
سَتُقْصِر أو تَنْهَاكَ عَنِّي عظيمةٌ
… من اْلأَمْرِ تَعْيَاها القوابلُ مُتْئِمُ
ودِجَاجَة: اسم مُشترك بين الرجال والنِّساء.
فمن النساء اللواتي تسمَّين بهذا الاسم: دِجَاجَة بنت صفوان بن حُصَين بن مُوَيْلك بن أبي مُلَيك. وكانت شاعرة، وهي القائلة تنصر أمَّها في مفاخرة كانت بينها وبين بعض نساء قومها:
تَقُولُ ما ققالت لهم قَطَامْ
… وكُلُّ قومٍ لهُم إمامْ
أولاد سَعْدٍ عِزُّها اللُّهامْ
… وذَادَةٌ إذ وقف الخُصَّامْ
وأمّها قَطَام بنت حَنَش بن مُوَيلك، ابنة عم أبيها، شاعرة أيضا مُحسنة، وهي القائلة:
فَذَرْ ذَا وَلَكِنْ مَا تَرَى ضَوْءَ بَارِقٍ
… يُضيءُ سَنَاهُ الماءَ باللَّيل أَكْدرَا
تَحَدَّرَ من غَوْرَيْهِ وانْتَحَبَتْ به
… صُدُورُ غَمَامٍ فاستَهَلَّ فأَمْطَرَا
كأَنَّ خُزَامَاهُ إِذا اعْتَمَّ نَبْتُهُ
… وسَاوَى بأطراف العَضاهِ ونَوَّرَا
نُطُوعُ رحال أو زَرابِيُّ تاجِرٍ
… على حِين أَنَّ بَثَّ العِيَابَ ونشَّرا
ومن قولها لعَوف بن الأَحوص الكِلابي، واسم الأَحوص: ربيعة بن " جعفر بن " كِلاب، وكان عوف يُهاجيها، فقالت له:
أَعيَّرتَني داءً بأُمِّك مِثْلُه
… وذاك داءٌ ظاهِرٌ لا يَضيرُها
بَنُو غَنَوِيَّات كِرَامٍ مَوَاجِدٍ
… أَعَاشَكَ ما ضَمَّتْ عليك حُجُورُها
في أبيات طويلة، وقصص مُمْتدَّة.
الذال" ذُؤَيْب ": في هُذَيل: أَبو ذُؤَيْب الهُذليّ، معروف.
" قلت: واسمه خويلد بن خالد بن مُحرِّث بن زُبَيد بن مخزوم ابن صاهلة بن كاهل بن الحارث بن تميم بن سعد بن مُدركة بن الساس ابن مُضَر ".
" ذِئْب ": أَبو ذِئْب: هشام بن شُعبة بن عبد الملك بن أبي قَيس بن عبد وُدّ ابن نَصر بن مالك بن حِسْل بن عامر بن لؤيّ، كان من اشراف قريش، وهو الذي حبسه ملك الرُّوم فمات في حَبسه. وخبر ذلك مكتوب في باب " أروى بنت الحارث بن عبد المطلب " من كتاب النساء.
কিনানা গোত্রে: আদ-দুইল বিন বকর বিন আবদ মানাত বিন কিনানা, আবু আল-আসওয়াদ যালিম বিন আমর বিন সুফিয়ান বিন জানদাল বিন ইয়ামুর বিন হিলস বিন নুফাসা বিন আদি ইবন আদ-দুইল-এর বংশ। বলা হয়: তার নাম উসমান বিন আমর। আবু আল-আব্বাস মাহমুদ ইবনে মুহাম্মদ বলেন: মুহাম্মদ বিন সাল্লাম আল-জুমাহি বলেছেন: তিনি আদ-দুইল। দাল বর্ণে পেশ এবং ইয়া বর্ণে যের হবে। আল-আবদিও অনুরূপ বলেছেন, আমি আল-আম্মি থেকে তাদের দুজনের বর্ণনা প্রাপ্ত হয়েছি।
"আদ-দুউল": এবং আনাযা গোত্রে: আদ-দুউল বিন সুবাহ বিন আতিক বিন আসলাম বিন ইয়াযকুর বিন আনাযা।
এবং আযদ গোত্রে: আদ-দুউল বিন সাদ মানাত বিন গামিয।
এবং রাবাব গোত্রে: আদ-দুউল বিন জাল্ল বিন আদি বিন যায়েদ মানাত বিন উদ্দ বিন তাবিখা।
"দিজাজাহ": আদ-দাজাজ, এই সুপরিচিত পাখির ক্ষেত্রে, আরবরা এটি 'দাল' বর্ণে ফাতহা (যবর) দিয়ে উচ্চারণ করে, আর এটিই সর্বাধিক শুদ্ধ।
কখনও কখনও এটি কাসরা (যের) দিয়েও বলা হয়, তবে তা প্রথমটির মতো শুদ্ধ নয়। আর নামসমূহের ক্ষেত্রে সবক্ষেত্রেই 'দিজাজাহ', দাল বর্ণে কাসরা (যের) দিয়ে হয়। এর মধ্যে রয়েছে: দিজাজাহ বিন আহওয়া বিন আলকামা বিন মাউহুব বিন হাজার বিন কাব বিন বাজালা বিন যুহল বিন মালিক বিন বকর বিন সাদ বিন যাব্বাহ, তিনি একজন উৎকৃষ্ট কবি ছিলেন। দুই ব্যক্তিকে প্রশংসা করে তার একটি উক্তি:
তারা দুজন আক্রমণ করল, অথচ তিনি চাইলে তাদের দুজনকেই একসাথে উদ্ধার করতে পারতেন
… প্রভাতের উত্তপ্ত মুহূর্তে সেই দ্রুতগামী মৃত্যু থেকে।
তারা অপমানের আবাস তার বাসিন্দাদের জন্য ত্যাগ করল
… আর সেখানে কাসসি এবং ইয়ামানকে পিছনে ফেলে গেল।
এবং তায়ম বিন আবদ মানাত বিন উদ্দ বিন তাবিখা গোত্রে: দিজাজাহ বিন আবদ কায়স বিন ইমরাউল কায়স বিন ইলবা বিন রবি বিন আমর বিন আবদুল্লাহ বিন লুয়াই বিন আমর বিন আল-হারিস বিন তায়ম বিন আবদ মানাত বিন উদ্দ বিন তাবিখা। তিনি একজন জাহিলি কবি, তিনি বলেছেন:
আমার প্রতিবেশিনী আমার মাথার উপরিভাগের (পাকা চুল) শুভ্রতা দেখে বিস্ময় প্রকাশ করে
… অথচ সে নিজেও আমার আগে বার্ধক্যে উপনীত হয়েছিল কিন্তু আমি তো অবাক হইনি।
আমি অশ্লীলভাষী নই এবং পরনিন্দাকারীও নই
… যে অন্যের কাছে সাপ ও বিচ্ছুর মতো বিষাক্ত কথা বয়ে বেড়ায়।
এবং যুবাব বিন মুয়াবিয়া আল-উকিল তাকেই উদ্দেশ্য করে বলেছেন:
সাবধান! তায়ম গোত্রকে সংবাদ পৌঁছে দাও যে আমি কথা বলছি
… তোমাদের এই দিজাজাহর সাথে যে কথা বলার যোগ্য নয়।
অচিরেই তুমি বিরত হবে নতুবা কোনো এক গুরুতর বিষয় তোমাকে আমার দিক থেকে ফিরিয়ে রাখবে
… যা ধাত্রীরা সামলাতে অক্ষম হবে।
এবং দিজাজাহ: নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই এটি একটি সাধারণ নাম।
নারীদের মধ্যে যাদের এই নাম রাখা হয়েছে: দিজাজাহ বিনতে সাফওয়ান বিন হুসাইন বিন মুয়াইলিক বিন আবি মুলাইক। তিনি একজন কবি ছিলেন, তিনি তার গোত্রের কিছু নারীর সাথে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে তার মায়ের পক্ষ নিয়ে বলেছিলেন:
সে তা-ই বলছে যা কাত্তাম তাদের বলেছিল
… আর প্রতিটি কওমের জন্যই একজন আদর্শ থাকে।
সাদ-এর সন্তানগণ হলো সেই বিশাল শক্তি
… যারা বিরোধীদের সামনে রুখে দাঁড়ানোর সময় অতন্দ্র প্রহরী।
এবং তার মা কাত্তাম বিনতে হানাশ বিন মুয়াইলিক, তার পিতার চাচাতো বোন, তিনিও একজন সুনিপুণ কবি ছিলেন। তিনি বলেছেন:
এই আলোচনা ছাড়ো, তবে তুমি কি বিদ্যুতের সেই আলোকচ্ছটা দেখতে পাচ্ছো
… যার প্রভা রাতের অন্ধকার জলরাশিকে আলোকিত করে তোলে।
তা গিরিপথ থেকে নেমে এসেছে এবং মেঘের বুক চিরে ক্রন্দন করেছে
… অতঃপর বৃষ্টি শুরু হলো এবং অঝোর ধারায় ঝরল।
যেন তার খোজামা ফুলগুলো যখন পূর্ণ বিকশিত হয়
… এবং বড় গাছের শাখাগুলোর সমান উঁচু হয় ও প্রস্ফুটিত হয়।
তা যেন উটের জিনের চামড়ার গালিচা অথবা বণিকের কার্পেট
… যখন সে তার গাঁটরি খুলে তা বিস্তার করে দেয়।
তার একটি উক্তি আওফ বিন আল-আহওয়াস আল-কিলাবিকে উদ্দেশ্য করে (আহওয়াসের নাম ছিল রবীয়া বিন জাফর বিন কিলাব), আর আওফ তাকে উপহাস করে কবিতা লিখত, তিনি তাকে বলেছিলেন:
তুমি কি আমাকে এমন এক রোগের দোষ দিচ্ছো যা তোমার মায়েরও আছে
… আর তা এমন এক প্রকাশ্য রোগ যা তার কোনো ক্ষতি করে না।
বনূ গানাওয়িয়্যাত গোত্রের সন্তানরা সম্মানিত ও বীর
… তুমি বেঁচে আছ তো তাদেরই আঁচল তলে যা তোমাকে আগলে রেখেছে।
এটি একটি দীর্ঘ কবিতা এবং দীর্ঘ ঘটনার অংশ।
যাল"যুআইব": হুযাইল গোত্রে: আবু যুআইব আল-হুযালি, যিনি সুপরিচিত।
"আমি বলি: তার নাম খুওয়াইলিদ বিন খালিদ বিন মুহররিস বিন যুবাইদ বিন মাখযুম ইবনে সাহিলা বিন কাহিল বিন আল-হারিস বিন তামীম বিন সাদ বিন মুদরিকা বিন ইলিয়াস বিন মুদার।"
"যিব": আবু যিব: হিশাম বিন শুবাহ বিন আবদ আল-মালিক বিন আবি কায়স বিন আবদ ওদ্দ ইবনে নাসর বিন মালিক বিন হিসল বিন আমির বিন লুয়াই। তিনি কুরাইশ বংশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। রোম সম্রাট তাকে বন্দী করেছিলেন এবং তিনি বন্দীদশাতেই মৃত্যুবরণ করেন। এই সংবাদটি নারী বিষয়ক কিতাবের "আরওয়া বিনতে আল-হারিস বিন আবদ আল-মুত্তালিব" অধ্যায়ে লিখিত আছে।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ১৭)
ومن ولده: محمد بن عبد الرحمن بن المُغيرة بن الحارث بن أبي ذِئْب، وكان محمد يُكنى: أبا الحارث. مات بالكوفة سنة " تسع وخمسين ومائة "، وهو ابن تسع وتسعين سنة، وهو الذي يقال له: ابن أبي ذِئْب، وله مع " أبي جعفر " المنصور وغيره أخبار مذكورة، رحمه الله.
" ذبْيَان ": في قَيس: ذُبْيَان بن بَغِيض بن رَيْث بن غَطَفان بن سعد ابن قيس عَيْلان.
وفي الأَزْد: ذُبْيَان بن ثَعلبة بن الدُّول بن سعد مناة بن غامد.
وفي بجيلة: ذُبْيَان بن ثعلبة بن معاوية بن زيد بن الغوث بن أَنمار.
وفي ربيعة: ذُبْيَان بن كِنانة بن يَشْكُر.
وفي همدان: ذُبْيَان بن مالك بن معاوية بن صَعْب بن دُومَان.
وفيها أيضاً: ذُبيَان بن عَلَيَان بن " أرحب " بن دُعام بن مالك ابن معاوية بن صَعْب بن دُوْمَان.
الراء" رَيْث ": في قَيس عَيْلان: رَيْثُ بن غَطفان بن سعد.
" رُبَث ": وفي قُضاعة: رُبَث بن قاسط بن بَهْرَاء.
" رَواحَة ": في عَبْس: رَوَاحَة بن رَبيعة بن " مازن بن " الحارث بن قُطَيْعَة.
وفي طَيِّئ: رَواحة بن جُلّ بن حِقٍّ بن رَبيعة " بن عبد رُضَا بن ود ابن مَعن بن عَتُود بن عُنِيْن بن سَلامان بن ثُعَل ".
" رِبِّيل ": في إِياد: رِبِّيل بن عَمْرو بن الطَّمَثَانِ " بن عِوْذِ مَناة بن يَقْدُمْ ".
وفي جُذام: رِبِّيل بن إِيَاس بن حَرام بن جُذَام.
" رَسْن ": في طيئ: رَسْنُ بن عمرو بن عمر بن الصَّامت.
وفي الأَزد: رسْن بن عامر بن عمرو بن كعب بن الغِطريف " حارثة بن امرئ القيس بن ثَعلبة بن مازن بن الأَزد ".
" رَاسِب ": في الأَزد: رَاسِب بن مالك بن مَيْدَعَان بن مالك بن نصر بن الأَزد.
وفي قُضاعة: رَاسِب بن الخزرج بن جُدَّة بن جَرْم بن رَيَّان " ابن حُلْوان ".
" رَيَّان ": في عكَّ: الرَّيَّان بن أَكْرَم بن لِعْسَان بن غافِق بن الشاهد ابن عَكَّ.
وفي بني ذُهْل بن ثَعلبة: ريَّان بن الحارث بن مالك بن شَيْبان بن سَدُوس بن ذُهْل بن ثَعلبة بن عُكابة بن صَعب بن علي بن بكر بن وائل.
وفي قُضاعة: رَيَّان، " بالرَّاء غير مُعجمة "، ابن حُلْوان بن عمران ابن الحافي بن قُضاعة.
ورَيَّان هذا هو: عِلَاف، كان أول من نَحت رَحْلاً فركبه فنَسبت الرِّحَالُ إليه، فقيل: العِلَافِيَّة.
" رَمَّان ": في مَذْحِج: رَمَّانُ بن كعب بن أَوْد بن صَعب بن سَعد العشيرة، " بالراء المفتوحة ".
وفي السَّكون: رَمَّان، أيضا، " براء مفتوحة، ابن معاوية بن ثَعلبة بن عُقبة بن السَّكون مثلها ".
" زِمَّانُ "، جماعة يأتون في باب
الزاي.
" رُزَيق ": في طيئ: رُزَيْق بن عَبْد بن جَذيمة بن وَهْب بن ثَعلبة بن سلامان.
وقيل: زُرَيْق، بنقلهم الزاي.
وفي الأَنصار: زُرَيْق بن عبد حارثة بن " عَقْب " بن جُشَم ابن الخزرج.
وقيل: رُزَيق. أَيضاً.
الزاي
" زِبَان ": في غَنْيّ: زِبَان بن كَعْب بن جَلَاّن بن غَنَم بن غَنيّ بن أُعصر " وهو مُنَبِّه بن سَعَد بن قيس عيلان ".
منهم: عُصَيْمة بن وهب الزِبَانِي، الذي أسر معبد بن زُراة يوم رَحْرَحْان.
وكان سبب هذا اليوم: أن الحارث بن ظالم المُرِّي لمَّا قتل خالد ابن جعفر بن جعفر بن كلاب، جاء فلجأ إلى بني زرارة، فكان المتلوي لإيوائه منهم مَعْبَد بن زُرارة، فلما علم الأحوص بن جعفر بذلك ثار للطلب بدَم أخيه، والتَقْوا بِرَحْرحان، وطُعن مُعبد بن زُرارة طعنة أثخنته فسَنَد في هضبة، فأبصره عُصَيْمة بن وَهْب، فأخذه وحدره، فأخذ منه عامر والطفيل، ابنا مالك بن جعفر بن كلاب، وأثابا الغَنويّ عشرين بعيرا.
وأتت بنو عامر بن صَعْصَعْة بمَعبد فوضعته بالطائف عند أبي عَقيل، حد الحجَّاج، فكان يُوافي به الموسم في كل سنة ليفدي، وطلبوه فداءه ألف بعير، فقال لقيط: صبرا أبا القعقاع، فإِنَّا لا نقدر على هذا. فقال معبد: ما كان ليلقاني أحدٌ من إخوتي اشد بُغضا لي منك، فمات هَزلا وضعفا، وكانوا يأتونه باللَّبن فيقول: كيف اقبل قراكم وأنا في القدِّ، إني إدن لِمَهْيَاف، أي عطشان، وكانوا يعمدون إلى شظاظ فيجعلونه بين أسنانه ويوجرونه لئلا الموت. ثم إنه هلك عندهم، وقال عوف ابن الخَرِع التَّيْميّ يُعَيِّر لقيطا بذلك:
هَلَاّ كَرَرْتَ على أُخَيِّك مَعْبَد
… والعامرِيُّ يَقُوده بصفَادِ
তাঁর সন্তানদের মধ্যে ছিলেন: মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন আল-মুগিরা বিন আল-হারিস বিন আবু যি’ব। মুহাম্মদের উপনাম ছিল আবু আল-হারিস। তিনি একশত ঊনষাট হিজরিতে কুফায় মৃত্যুবরণ করেন। তখন তাঁর বয়স ছিল নিরানব্বই বছর। তিনিই সেই ব্যক্তি যাঁকে ইবনে আবু যি’ব বলা হয়। আবু জাফর আল-মানসুর এবং অন্যান্যদের সাথে তাঁর বর্ণিত অনেক ঘটনা রয়েছে, আল্লাহ তাঁর ওপর রহম করুন।
"যিবইয়ান": কায়েস গোত্রে: যিবইয়ান বিন বাগীয বিন রাইস বিন গাতফান বিন সাদ বিন কায়েস আয়লান।
এবং আযদ গোত্রে: যিবইয়ান বিন সালাবা বিন আদ-দুল বিন সাদ মানাত বিন গামিদ।
এবং বাজীলা গোত্রে: যিবইয়ান বিন সালাবা বিন মুয়াবিয়া বিন যায়িদ বিন আল-গাওস বিন আনমার।
এবং রাবিআ গোত্রে: যিবইয়ান বিন কিনানা বিন ইয়াশকর।
এবং হামদান গোত্রে: যিবইয়ান বিন মালিক বিন মুয়াবিয়া বিন সা’ব বিন দুমান।
সেখানে আরও রয়েছে: যিবইয়ান বিন আলইয়ান বিন আরহাব বিন দুআম বিন মালিক বিন মুয়াবিয়া বিন সা’ব বিন দুমান।
রা"রাইস": কায়েস আয়লান গোত্রে: রাইস বিন গাতফান বিন সাদ।
"রুবাস": কুযাআ গোত্রে: রুবাস বিন কাসিত বিন বাহরা।
"রাওয়াহা": আবস গোত্রে: রাওয়াহা বিন রাবিআ বিন মাযেন বিন আল-হারিস বিন কুতিআ।
এবং তায়য়ি গোত্রে: রাওয়াহা বিন জুল বিন হিক্ক বিন রাবিআ বিন আবদে রুযা বিন উদ বিন মান বিন আতুদ বিন উনাইন বিন সালামিন বিন সুআল।
"রিব্বীল": ইয়াদ গোত্রে: রিব্বীল বিন আমরু বিন আত-তামাসান বিন ইওয মানাত বিন ইয়াকদুম।
এবং জুযাম গোত্রে: রিব্বীল বিন ইয়াস বিন হারাম বিন জুযাম।
"রাসন": তায়য়ি গোত্রে: রাসন বিন আমরু বিন উমর বিন আস-সামিত।
এবং আযদ গোত্রে: রাসন বিন আমির বিন আমরু বিন কাব বিন আল-গিতরীফ (হারিস বিন ইমরুল কায়েস বিন সালাবা বিন মাযেন বিন আল-আযদ)।
"রাসিবি": আযদ গোত্রে: রাসিবি বিন মালিক বিন মাইদাআন বিন মালিক বিন নাসর বিন আল-আযদ।
এবং কুযাআ গোত্রে: রাসিবি বিন আল-খাযরাজ বিন জুদ্দাহ বিন জারম বিন রাইয়ান বিন হুলওয়ান।
"রাইয়ান": আক্ক গোত্রে: আল-রাইয়ান বিন আকরাম বিন লিসান বিন গাফিক বিন আশ-শাহিদ বিন আক্ক।
এবং বনু যুহল বিন সালাবা গোত্রে: রাইয়ান বিন আল-হারিস বিন মালিক বিন শাইবান বিন সাদূস বিন যুহল বিন সালাবা বিন উকাবাহ বিন সা’ব বিন আলী বিন বকর বিন ওয়াইল।
এবং কুযাআ গোত্রে: রাইয়ান (নুকতাহীন রা দিয়ে), বিন হুলওয়ান বিন ইমরান বিন আল-হাফি বিন কুযাআ।
এই রাইয়ানই হলেন: ইলাফ। তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি জিনের কাঠামো তৈরি করেছিলেন এবং তাতে চড়েছিলেন, ফলে জিনগুলো তাঁর দিকেই সম্বন্ধযুক্ত হয় এবং সেগুলোকে 'আল-ইলাফিয়্যাহ' বলা হয়।
"রামমান": মাযহিজ গোত্রে: রামমান বিন কাব বিন আওদ বিন সা’ব বিন সাদ আল-আশিরা (যবরযুক্ত রা দিয়ে)।
এবং আস-সাকুন গোত্রেও রামমান রয়েছে (একইভাবে যবরযুক্ত রা দিয়ে), তিনি হলেন ইবনে মুয়াবিয়া বিন সালাবা বিন উকবা বিন আস-সাকুন।
"যিম্মান" নামক একটি দল রয়েছে যাদের আলোচনা 'যা' অধ্যায়ে আসবে।
"রুযাইক": তায়য়ি গোত্রে: রুযাইক বিন আবদ বিন জাযিমা বিন ওয়াহাব বিন সালাবা বিন সালামিন।
কারও মতে এটি "যুরাইক", যা-কে আগে এনে।
এবং আনসারদের মধ্যে: যুরাইক বিন আবদে হারিসা বিন আকাব বিন জুশাম বিন আল-খাযরাজ।
কেউ কেউ একে "রুযাইক"ও বলেছেন।
যা
"যিবান": গানি গোত্রে: যিবান বিন কাব বিন জাল্লান বিন গানাম বিন গানি বিন আ’সার (যিনি হলেন মুনাব্বিহ বিন সাদ বিন কায়েস আয়লান)।
তাঁদের মধ্যে ছিলেন: উসাইমা বিন ওয়াহাব আল-যিবানি, যিনি রাহরাহানের যুদ্ধে মাবাদ বিন যুরারাকে বন্দি করেছিলেন।
এই যুদ্ধের কারণ ছিল: হারিস বিন জালিম আল-মুররি যখন খালিদ বিন জাফর বিন জাফর বিন কিলাবকে হত্যা করেন, তখন তিনি এসে বনু যুরারার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করেন। তাঁদের মধ্য থেকে মাবাদ বিন যুরারা তাকে আশ্রয় দিতে এগিয়ে আসেন। যখন আহওয়াস বিন জাফর তা জানতে পারেন, তখন তিনি তাঁর ভাইয়ের রক্তের প্রতিশোধ নিতে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। তাঁরা রাহরাহান নামক স্থানে যুদ্ধে লিপ্ত হন। যুদ্ধে মাবাদ বিন যুরারাকে এমনভাবে বর্শা বিদ্ধ করা হয় যে তিনি মারাত্মক আহত হয়ে একটি টিলায় হেলান দিয়ে পড়েন। উসাইমা বিন ওয়াহাব তাকে দেখতে পান এবং তাকে ধরে নিচে নামিয়ে আনেন। এরপর মালিক বিন জাফর বিন কিলাবের দুই পুত্র আমির ও তুফাইল তাঁর কাছ থেকে মাবাদকে নিয়ে নেন এবং বিনিময়ে ওই গানি গোত্রীয় ব্যক্তিকে বিশটি উট প্রদান করেন।
বনু আমির বিন সা’সাআ মাবাদকে নিয়ে আসে এবং তাকে তায়েফে হাজ্জাজের পিতামহ আবু আকীলের কাছে রাখে। সে প্রতি বছর তাকে নিয়ে হজের মৌসুমে আসত যাতে মুক্তিপণ পাওয়া যায়। তারা তাঁর বিনিময়ে এক হাজার উট দাবি করেছিল। তখন লাকীত বলেছিলেন: ধৈর্য ধরো হে আবু আল-কাক্কা, কারণ আমাদের এটি দেওয়ার সামর্থ্য নেই। তখন মাবাদ বলেছিলেন: আমার ভাইদের মধ্যে তোমার চেয়ে বেশি ঘৃণা নিয়ে আর কেউ আমার সাথে সাক্ষাৎ করবে না। অতঃপর তিনি অনাহার ও দুর্বলতায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁরা তাঁর কাছে দুধ নিয়ে আসত, তখন তিনি বলতেন: আমি কীভাবে তোমাদের মেহমানদারি গ্রহণ করব যখন আমি আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা? আমি তৃষ্ণার্থ। তাঁরা একটি কাঠের টুকরো নিয়ে তাঁর দাঁতের মাঝখানে রাখত এবং জোরপূর্বক তাঁর মুখে খাবার ঢেলে দিত যাতে তিনি মারা না যান। এরপর তিনি তাঁদের কাছেই মৃত্যুবরণ করেন। আউফ বিন আল-খারী আল-তাইমি এই নিয়ে লাকীতকে তিরস্কার করে বলেছিলেন:
তুমি কি তোমার ভাই মাবাদের সাহায্যের জন্য ফিরে আসতে পারলে না?
… যখন আমেরী গোত্রের লোক তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ১৮)
وَذَكَرْتَ من لَبن المُحلِّق شَرْبَةً
… والخَيْل تَعْدُو بالكُماة بَدَاد
هَلَاّ فَوَارِسُ رَحْرَحَان هَجَوْتَهُم
… عُشَراً تنَاوح في سَرَارِة وادِ
لَا تَأَكُلُ الإِبِلُ الغِرَاثُلا نَبَاتَه
… كلا وليس عمادهُ بِعمَاد
وكان عُصَيْمة هذا شاعرا، ومن قوله:
سَأُثْني عَلَيْكُمْ صادِقاً آل حَابس
… ثَنَاءَاً كَرِيح الجَوْرَب المُتَخَرِّقِ
فَلَوْ شِئتُمُ آذَنْتُمُوني وَصاحِبيِ
… جَمِيعَيْن لَمْ نَعْطَبْ ولم نَتَفَرَّقِ
" بنو حَابِس، من غَنِيّ، ثم من عُبيد. وقد أدرك الإسلام وهاجر. واستشهد له أولاد ".
وفي القَين بن جَسْر مثلُها: زبَانٌ بن امرئ القَيْس بن ثَعلبة بن مالك ابن كنانة بن القَيْن.
سُميّ " القَيْن " لأنه حَضنه عبدٌ يقال له: القَيْن. فغلب عليه، واسمه: النُّعمان بن جَسْر " بن شَيْع الله بن أَسد بن وَبَرة ".
ومن زِبَان: هؤلاء: الإطْنَابَة بنتُ قَيْس بن شهاب بن الحارث ابن سَعد بن زِبَان، أم عمرو بن عامر بن زيد مناة بن مالك الأغرّ بن ثَعلبة ابن كعب بن الخزرج، المعروف بعَمرو بن الإطنانة. الشاعر القديم الجاهليّ.
وفي الأزد " مثلها ": زِبَان بن مُرة بن قَيْس بن ثَوْبان بن شِهْشِيل ابن العَتيك ابن الأسد بن عِمران بن عمرو مُزَيقياء بن عامر ماء السماء.
" زَبَّان ": وفي كلب: زَبَّانُ بن الأَصْبَغ بن عمرو بن ثَعلبة بن الحارث، وهو الحَرْشَاءُ بن الحِصْن بن ضَمْضَم بن عَدِيّ " بن جَنَاب بن هُبَل ابن عبد الله بن كنانة بن بَكر بن عَوف بن عُذرة بن زَيد اللات بن رُفَيْدة ابن ثَور بن كَلْب بن وَبَرة ".
وهو جَد عبد العزيز بن مروان بن الحكم. وأُمّه: ليلى بنت الرَّباب، وإِيَّاها عَني ابن القَيْس الرُّقيَّات بقوله:
أَعْني ابن لَيلَى عَبد العزيز ببا
… بِلْيُون تأَتي حفَانُه رُذمَا
الواهبَ البُختَ والوصائِفَ والْ
… غِزْلَانَ والخَيْل تَعْلُك اللُّجُما
وعناها أيضا فقال يريثه:
أَبَعْدَ ابن لَيْلَى يأَمُل الخُلدَ واحدٌ
… من النَّاس أو يرجو الثّراءَ مُثَمِّرُ
وإياه عني كُثَيِّرٌ بقوله:
ومات ابن ليلى فما أَرْغَبُ
وقد كان لعبد العزيز ولد يقال له: أبو زَبَّان " وهو الأصبغ "، وإِيَّاه عنى أبو بكر بن أبي الجهم بن حُذيفة العَدويّ بقوله:
" أَبَعْدَك يا عبد العزيز لَحَاجَةٌ "
… وبعد أَبي الزَبَّان يُسْتَعْتَبُ الدَّهْرُ
فلا صَلُحت مِصرٌ لحيٍّ سِوَاكُما
… ولا سُقِيت بالماءِ بعدَكُما ِمصْرٌ
وَلَا زالَ مَجْرَى النِّيل بعدك يابساً
… يَموت به العُصْفور واسْتَبْطئ القَطر
والأصبغ، هذا هو الذي رأى شجة في رأس أخيه عمر بن عبد العزيز فقال: هذا والله أشجّ بني أُمية يملأ الأرض عدلا، وذاك أن عمر، رضي الله عنه، كان ضربه حمار وهو بمصر فشَجَّه، أو رمى به حمار، ولم يكن عمر أخا الأصبغ: كانا لعَلَاّتِ، لأن أُم الأصبغ كانت أُم ولد، وأم عُمر وأخوه له: أُم عاصم بنت عاصم بن عُمر بن الخطاب، رضي الله عنه، وكان خطبها وتَزوَّجها، فحُملت إليه، فَمَرَّت في أيلة بمجنون، يقال له: شِرْشِيْرٌ، فأهدى إليها هِدِيَّةً، فأثابته وكسته، ووصلت إلى عبد العزيز، فولدت له، وماتت عنده بعد مدة، فتزوَّج أختها حَفصة بنتَ عاصم، وكانت عَوَانَا، فحملت إليه، فمرت في أيلة بذلك الجنون فأهدى إليه هديَّة، فأغفلت أمره، فقال: ليس حَفصَة من رجال أُم عاصم. فشاع ذلك وَطار في الآفاق، وصار مثلا.
وفي فَزارة: زِبَانُ " أيضا " ابن سَيَّار بن عمرو، وعمرو هو العُشَراء، سُمِّي بذلك لضخم بطنه، ابن جابر بن عقيل بن هِلال بن سُمَيّ ابن مازِن بن فَزارة بن ذُبْيان.
وفيها أيضا: زَبَّان بنُ بَدْر. أخو حثذيفة بن بَدْر، وليس له كثير ذكْر.
" الزُّبِيرُ ":
তুমি আল-মুহাল্লিকের দুধ থেকে এক ঢোক পান করার কথা উল্লেখ করেছ
… আর ঘোড়াগুলো বীর যোদ্ধাদের নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে দৌড়াচ্ছে
কেন তুমি রাহরাহানের অশ্বারোহীদের নিন্দা করলে না
… উপত্যকার গভীরে দশটি গর্ভবতী উটনি একে অপরের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আর্তনাদ করছে
ক্ষুধার্ত উটগুলো এর উদ্ভিদ খায় না
… আর এর খুঁটিও কোনো সাধারণ খুঁটি নয়
আর এই উসাইমাহ ছিলেন একজন কবি, এবং তাঁর উক্তির মধ্যে রয়েছে:
হে হাবিসের বংশধররা, আমি সত্যনিষ্ঠ হয়ে তোমাদের প্রশংসা করব
… এমন এক প্রশংসা যা ছিঁড়ে যাওয়া মোজার দুর্গন্ধের মতো
তোমরা চাইলে আমাকে এবং আমার সঙ্গীকে অনুমতি দিতে পারতে
… আমরা উভয়েই একসাথে থাকতাম, ধ্বংসও হতাম না আর বিচ্ছিন্নও হতাম না
"হাবিসের বংশধরেরা গানি গোত্রভুক্ত, অতঃপর উবাইদ গোত্রভুক্ত। তিনি ইসলাম লাভ করেছিলেন এবং হিজরত করেছিলেন। তাঁর সন্তানরা শাহাদাত বরণ করেছেন।"
আর কাইন বিন জাসর গোত্রেও একই নাম রয়েছে: জাবান বিন ইমরাউল কায়েস বিন সা'লাবা বিন মালিক ইবনে কিনানা বিন আল-কাইন।
তাঁকে "আল-কাইন" বলা হতো কারণ আল-কাইন নামক এক ক্রীতদাস তাঁকে লালন-পালন করেছিল। ফলে এই নামটিই তাঁর ওপর প্রভাবশালী হয়ে পড়ে, আর তাঁর প্রকৃত নাম ছিল: আন-নুমান বিন জাসর "বিন শায়আল্লাহ বিন আসাদ বিন ওয়াবারা"।
আর জাবানের বংশধরদের মধ্যে রয়েছে: আল-ইতনাবাহ বিনতে কায়েস বিন শিহাব বিন আল-হারিস ইবনে সা'দ বিন জাবান, যিনি আমর বিন আমির বিন জায়েদ মানাত বিন মালিক আল-আগার বিন সা'লাবা ইবনে কাব বিন আল-খাযরাজ-এর মাতা, যিনি আমর বিন আল-ইতনাবাহ নামে পরিচিত। তিনি একজন প্রাচীন জাহেলি কবি ছিলেন।
আর আযদ গোত্রেও একই নাম রয়েছে: জাবান বিন মুররাহ বিন কায়েস বিন সাওবান বিন শিহশিল ইবনে আল-আতিক ইবনুল আসাদ বিন ইমরান বিন আমর মুজাইকিয়া বিন আমির মা-উস সামা।
"জাব্বান": আর কালব গোত্রে রয়েছেন: জাব্বান বিন আল-আসবাহ বিন আমর বিন সা'লাবা বিন আল-হারিস, তিনি হলেন আল-হারশা বিন আল-হিসন বিন দামদাম বিন আদি "বিন জানাব বিন হুবাল ইবনে আব্দুল্লাহ বিন কিনানা বিন বাকর বিন আউফ বিন উজরা বিন যাইদুল লাত বিন রুফাইদা ইবনে সাওর বিন কালব বিন ওয়াবারা"।
তিনি হলেন আব্দুল আজিজ বিন মারওয়ান বিন আল-হাকামের নানা। তাঁর মা ছিলেন লায়লা বিনতে আর-রাবাব, আর ইবনুল কায়েস আর-রুকাইয়্যাত তাঁর উদ্দেশ্যেই বলেছেন:
আমি লায়লার পুত্র আব্দুল আজিজকে বুঝাচ্ছি
… বাবিলে যাঁর বড় বড় পাত্রগুলো উপচে পড়া খাবার নিয়ে আসে
যিনি দান করেন উট, সেবিকা, হরিণ
… এবং এমন ঘোড়া যারা লাগাম চিবোয়
তিনি তাঁর শোকেও এটি বলেছেন:
লায়লার পুত্রের পর কি আর কেউ অমরত্বের আশা করে
… অথবা কোনো সম্পদ সঞ্চয়কারী কি প্রাচুর্যের প্রত্যাশা করে
কুসাইয়িরও তাঁর সম্পর্কে বলেছেন:
আর লায়লার পুত্র মারা গেলেন, তাই আমার আর কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই
আব্দুল আজিজের আবু জাব্বান নামে এক পুত্র ছিল "যিনি আল-আসবাহ", আর তাঁর সম্পর্কে আবু বকর বিন আবি আল-জাহাম বিন হুযাইফা আল-আদাবি তাঁর উক্তিতে বলেছেন:
"হে আব্দুল আজিজ, আপনার পরে কি আর কোনো প্রয়োজন বাকি আছে?"
… আর আবু জাব্বানের পরে কি কালকে অনুযোগ করা যায়?
তোমরা দু’জন ছাড়া অন্য কোনো জীবিত ব্যক্তির জন্য মিশর উপযুক্ত ছিল না
… আর তোমাদের পরে মিশরকে পানি দ্বারা সিঞ্চিত করা হয়নি
তোমাদের পরে নীল নদের প্রবাহ যেন শুষ্ক থাকে
… যেখানে চড়ুই পাখি মারা যায় এবং বৃষ্টি আসতে দেরি করে
আর এই আল-আসবাহ-ই সেই ব্যক্তি যিনি তাঁর ভাই উমর বিন আব্দুল আজিজের মাথায় একটি জখমের চিহ্ন দেখে বলেছিলেন: আল্লাহর কসম, ইনিই বনু উমাইয়্যার সেই জখমপ্রাপ্ত ব্যক্তি যিনি পৃথিবীকে ন্যায়বিচারে পরিপূর্ণ করে দেবেন। আর ঘটনাটি ছিল এই যে, উমর (রাযিআল্লাহু আনহু) মিশরে থাকাকালীন একটি গাধা তাঁকে আঘাত করেছিল ফলে তাঁর মাথা ফেটে যায়, অথবা একটি গাধা তাঁকে ফেলে দিয়েছিল। উমর আল-আসবাহর সহোদর ভাই ছিলেন না; তাঁরা বৈমাত্রেয় ভাই ছিলেন। কারণ আল-আসবাহর মা ছিলেন একজন উম্মুল ওয়ালাদ (দাসী), আর উমর এবং তাঁর আপন ভাইয়ের মা ছিলেন উম্মে আসিম বিনতে আসিম বিন উমর বিন আল-খাত্তাব (রাযিআল্লাহু আনহু)। তিনি তাঁর নিকট বিয়ের প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন এবং তাঁকে বিবাহ করেছিলেন, অতঃপর তাঁকে তাঁর নিকট নিয়ে আসা হয়। পথিমধ্যে আয়লা নামক স্থানে তিনি ‘শিরশীর’ নামক এক পাগলের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। সে তাঁকে একটি উপহার দেয়, বিনিময়ে তিনিও তাকে পুরস্কার ও পোশাক দেন। এরপর তিনি আব্দুল আজিজের কাছে পৌঁছান এবং তাঁর সন্তান জন্ম দেন এবং কিছুদিন পর তাঁর নিকটেই মৃত্যুবরণ করেন। এরপর তিনি তাঁর বোন হাফসা বিনতে আসিমকে বিবাহ করেন, যিনি ছিলেন বিধবা। তাঁকে যখন তাঁর কাছে নিয়ে আসা হচ্ছিল, তখন তিনিও আয়লাতে সেই পাগলের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। সে তাকেও একটি উপহার দিল, কিন্তু তিনি তার বিষয়টিকে উপেক্ষা করলেন। তখন সে বলল: হাফসা উম্মে আসিমের লোকদের মতো নয়। এই কথাটি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ল এবং দিগদিগন্তে পৌঁছে একটি প্রবাদে পরিণত হলো।
আর ফাজারা গোত্রে রয়েছেন: জাবান "আরও" বিন সাইয়্যার বিন আমর, আর আমর হলেন ‘আল-উশারা’, তাঁর বড় পেটের কারণে তাঁকে এই নামে ডাকা হতো; তিনি জাবীর বিন আকিল বিন হিলাল বিন সুমাই বিন মাজিন বিন ফাজারা বিন জুবয়ানের পুত্র।
এতে আরও রয়েছেন: জাব্বান বিন বদর। তিনি হুযাইফা বিন বদরের ভাই, তাঁর খুব একটা পরিচিতি নেই।
"আয-যুবায়ের":
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ১৯)
في قريش: الزُّبِيرُ، مفتوح الزاي. في قول أحمد بن يحيى البلاذري والباقون كلهم على ضمها، ابن عبد المطلب بن هاشم، عم رسول الله صلى الله عليه وسلم، مات وهو ابن تسع وثلاثين سنة، وقد قيل: إنه مات المبعث، وهو كان المُتكلم في عَقد حِلف الفُضول الذي تعاقد فيه بنو هاشم، وبنو المطلب بن عبد مناف، وبنو أسد بن عبد العُزَّى ابن قصي، وبنو زهر بن كلاب، وبنو تيم بن مُرَّة بن كلاب، في دار أبي زُهَيْر عبد الله بن جُدعان التيمي، على مَنع الظلم.
وفي هذا الحِلف يقول نُبَيه بن الحجَّاج السَّهميّ، وكان أراد أن يَغضب رجلا من خَثعم بنتا له، يقال لها القَتُول، فمنعه هؤلاء الأحلاف:
زَارَ صَحْبي ولَمْ أُحَيِّ القَتُولَا
… أَو أَوَدِّعْهُمُ وَدَاعاً جَمِيلاً
لَا تَخاليِ أَنِّي عَشِيَّة راح ال
… رَّكْبُ هُنْتُمْ علَىَّ أَلَاّ أَقُولَا
بل خَشِيتُ الفُضُول فيك وقِدْماً
… قد أَراني ولا أَخاف الفُضُولا
وقال نُبَيْهٌ أيضا:
حيِّ المَلِيحةَ إِذ نأَتْ
… مِنَّا علَى عُدَوَائِها
لَا بالفِراقِ تُنيِلُنا
… شَيْئًا ولا بِلقائها
لَوْلَا الفُضُول وإِنَّه
… لَا أَمْن مِنْ غُلَوَائها
لنَبَوْتُ مِن أَبْياتِها
… ولَطُفْتُ حَوْلَ خِبائها
وَلِجَئْتُهاأَمْشي بِلَاهَادٍ عَلَى ظَلمَائِها
فشَرِبْتُ فَضْلة كَأَسِها
… وَلَبِتُّ في أَحشَائِها
وكان الزَّبير شاعرا، وأنا لا أفضل عليه من شُعراء قُريش إلا القليل ومن قوله:
وَلَسْتُ كمن يُميتُ الغَيْظَ عَجْزاً
… ولكنَّي أُجيبُ إِذا دُعيت
ويَنْهَى عَنّي المُختالُ صَدْقٌ
… رقيقُ الحدِّ ضَرْبتُهُ صَمُوت
بكَفَّيْ ماجدٍ لَمْ يَرْضَ ضَيْماً
… إِذا يَلْقَى الكتيبةَ يَسْتِمِيتُ
وَلَوْلَا نَحْنُ لَمْ تَلْبَسْ رِجالٌ
… ثيابَ أَعِزَّةٍ حتَّى يَمُوتوا
وقال الزبير، أيضاً:
تَرْمي بنو عَبد مَنَافٍ إِذا
… أَظلم من دوني بالجَنْدَلِ
لَا أَسَدٌ تُسْلمني لا ولَا
… تَيْمٌ ولا زُهرةُ للنَّيْطَلِ
ومن قوله:
إِنِّي إِذا مَرَّ مَالِي لَا أُكَلِّفُهإِلَاّ الغُزَاةَ وَاِلَاّ الرَّكْضَ في السُّرَبِ
وَلَنْ أُقيمَ بأَرْضٍ لا أَشُدُّ بها
… صَوْتي إِذَا ما اعْترتْني سَوْرَةٌ لغَضَب
ومن قول الزبير:
تَذَكَّرتُ مَا شَفَّنِي إِنَّما
… يُهَيِّجُ ما شَفَّهُ الذَّاكِرُ
وَيَمْنَعُه النَّوْمَ حتى يُقالَ
… بِهِ سَقَمٌ بَاطنٌ ظاهرُ
فَلَوْ أَنَّ حَجْلاً وَأَعْمَامَه
… شُهُودٌ وقُرَّةٌ والطَّاهِرُ
حَجْلٌ، وقُرَّةٌ، والطاهر: بنو الزَّبير، وقد كان له أخ يقال له: حَجْل أَيضاً.
ولَكِنَّ غُولاً أَهَابَتْ بِهِمْ
… وفيهمْ لِمُضْطَهِدٍ ناصِرُ
فلا يَبْعَد القومُ إِذ وَدَّعُوا
… وأَسْقَى قُبُورَهُمُ المَاطِرُ
نَجَاءً رَبيعٌ له وَابِلٌ
… لَهُ خَضِرٌ وله زاهرا
وكان للزَّبير بنت يقال لها ضُباعة، تزوجها المقداد بن عمرو المعروف بالمقداد بن الأسود، والأَسود بن الأَسود بن عبد يَغوث، زوج أُمَّه.
وهذا يدل على جواز النكاح في المسلمين غير الأكفَّاء في النّضسَب.
وفي أَسْلم: الزَّبير والد عبد الله بن الزَّبير بن الأَشْيَم بن الأَعشى بن بَجْرَة بن قَيس بن مُنقِذ " بن طَريف بن عمرو بن قُعين ابن الحارث بن ثعلبة بن دُودان بن أسد بن خُزيمة " كذا هو بخط أبي المدَوَّد " في شعر الزَّبير، أنا ألحقته هاهنا " الشاعر القائل:
أَبى اللَّيلُ يا عِمْرَانُ أَنْ يَتَصَرَّمَا
… كَأّني أَسُومُ العَين نَوْماً مُحَرَّمَا
وفي قُرَيظة: الزَّبير بن بَاطا بن وَهْب، أَحدُ بني قُريظة " ابن الخزرج ابن الصَّريح بن التَّوءِمَان بن السِّبْط بن اليَسَع بن سعد بن لاويّ بن خَيْر بن النَجَّام بن تَنْحُوم بن عَازَر بن عِزْرَى بن هارون بن عِمران ابن يَصْهر بن قاهث ".
কুরাইশদের মধ্যে: আয-যুবাইর, 'যা' (Zay) বর্ণটি যবরযুক্ত। আহমাদ ইবনে ইয়াহইয়া আল-বালাযুরীর মতে এটি যবরযুক্ত, তবে অন্যরা সকলে একে পেশযুক্ত (যু-বাইর) বলেন। তিনি আব্দুল মুত্তালিব ইবনে হাশিমের পুত্র এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাচা। তিনি উনচল্লিশ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। কেউ কেউ বলেছেন, তিনি নবুওয়াতের প্রারম্ভে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। তিনি হিলফুল ফুদুলের চুক্তিতে প্রধান প্রবক্তা ছিলেন, যে চুক্তিতে বনু হাশিম, বনু মুত্তালিব ইবনে আবদে মানাফ, বনু আসাদ ইবনে আবদিল উযযা ইবনে কুসাই, বনু যুহরা ইবনে কিলাব এবং বনু তাইম ইবনে মুররা ইবনে কিলাব যুলুম প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে আবু যুহাইর আব্দুল্লাহ ইবনে জুদআন আত-তাইমীর ঘরে সমবেত হয়েছিল।
এই চুক্তির প্রেক্ষিতে নুবাইহ ইবনে হাজ্জাজ আস-সাহমী বলেন—যিনি খাসআম গোত্রের ক্বাতুল নামক এক মেয়েকে অন্যায়ভাবে গ্রহণ করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু এই মৈত্রী তাকে প্রতিহত করেছিল:
আমার সঙ্গীরা দেখা করতে এল, কিন্তু আমি ক্বাতুলকে সম্ভাষণ জানাইনি
… অথবা তাদের উত্তমরূপে বিদায়ও দিতে পারিনি।
তুমি মনে করো না যে, যেদিন কাফেলা রওয়ানা হয়েছিল সেই সন্ধ্যায়
… তোমাদের প্রতি ঘৃণা থেকে আমি কথা বলা বন্ধ রেখেছিলাম।
বরং আমি তোমার ব্যাপারে 'ফুদুল' (চুক্তিবদ্ধদের) ভয় করেছিলাম, যদিও অতীতে
… আমি নিজেকে এমন দেখতাম যে 'ফুদুল'কে পরোয়া করতাম না।
নুবাইহ আরও বলেন:
সেই সুন্দরীকে সম্ভাষণ জানাও যখন সে দূরে চলে গেল
… আমাদের থেকে তার দূরত্বের কারণে।
বিরহকালেও সে আমাদের কিছু অর্পণ করে না
… আবার মিলনেও নয়।
যদি 'ফুদুল' (চুক্তি) না থাকত এবং তার
… প্রাবল্য থেকে আমি নিরাপদ থাকতাম।
তবে অবশ্যই আমি তার ঘর থেকে বিমুখ হতাম
… এবং তার তাঁবুর চারপাশে ঘোরাঘুরি করতাম।
আমি পথপ্রদর্শকহীন অন্ধকার রাতেও
… তার কাছে পৌঁছে যেতাম।
আমি তার পানপাত্রের অবশিষ্ট পান করতাম
… এবং তার অন্তরে রাত্রিযাপন করতাম।
আয-যুবাইর কবি ছিলেন; আমি কুরাইশদের অল্প সংখ্যক কবিকেই তার ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দেই। তার পঙ্ক্তিমালা থেকে:
আমি অক্ষমতার কারণে ক্রোধকে অবদমিত করার লোক নই
… বরং ডাক এলে আমি তার উত্তর দেই।
দাম্ভিকদের আমার থেকে দূরে রাখে এক সত্য (তলোয়ার)
… যার আঘাত সূক্ষ্ম কিন্তু নীরব।
এমন এক মহানুভব ব্যক্তির হাতে যে লাঞ্ছনায় সন্তুষ্ট নয়
… যখন সে শত্রুসেনার মুখোমুখি হয়, মৃত্যুর পরোয়া করে না।
আমরা না থাকলে একদল মানুষ
… মৃত্যু অবধি সম্মানের পোশাক পরতে পারত না।
আয-যুবাইর আরও বলেন:
বনু আবদে মানাফ আমাকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করে
… যখন আমার সম্মুখে অন্ধকার নেমে আসে।
আসাদ গোত্র আমাকে শত্রুর হাতে সঁপে দেয় না, আর না
… তাইম বা যুহরা গোত্র আমাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়।
তার আরও কথা:
যখন আমার সম্পদ বৃদ্ধি পায়, আমি একে কেবল
… যুদ্ধাভিযান এবং অশ্বারোহী বাহিনীর পেছনেই ব্যয় করি।
আমি এমন কোনো ভূমিতে অবস্থান করব না যেখানে
… ক্রোধের সময় আমার কণ্ঠস্বর উচ্চকিত করতে পারি না।
আয-যুবাইরের আরও পঙ্ক্তি:
আমি স্মরণ করেছি যা আমাকে দুর্বল করে দিয়েছে, বস্তুত
… স্মৃতিচারণকারী তার কষ্টকেই জাগিয়ে তোলে।
স্মৃতি তাকে ঘুমাতে দেয় না, যতক্ষণ না লোকে বলে
… তার ভেতর-বাহিরে কেবল রোগ বাসা বেঁধেছে।
যদি হাজল ও তার চাচারা
… এবং কুররা ও তাহির উপস্থিত থাকত।
হাজল, কুররা এবং তাহির—এরা আয-যুবাইরের পুত্র ছিল। হাজল নামে তার এক ভাইও ছিল।
কিন্তু মৃত্যু তাদের গ্রাস করেছে
… অথচ নিপীড়িতদের জন্য তাদের মাঝে সাহায্যকারী ছিল।
বিদায় নেওয়ার পর সেই দলটি যেন কখনো দূরে না যায়
… আর বৃষ্টি যেন সিক্ত করে তাদের কবরসমূহকে।
বসন্তের সেই বৃষ্টি যা মুষলধারে ঝরে
… যা শ্যামলিমায় পূর্ণ এবং প্রোজ্জ্বল।
আয-যুবাইরের দুবাআহ নামক এক কন্যা ছিল, যাকে মিকদাদ ইবনে আমর বিবাহ করেছিলেন, যিনি মিকদাদ ইবনে আসওয়াদ নামে পরিচিত। (আসওয়াদ ইবনে আবদ ইয়াগুস তার মায়ের স্বামী ছিলেন)।
এটি প্রমাণ করে যে, বংশীয় মর্যাদায় সমকক্ষ (কুফূ) না হলেও মুসলিমদের মধ্যে বিবাহ বৈধ।
আসলাম গোত্রের মধ্যে: আয-যুবাইর, যিনি আব্দুল্লাহ ইবনে আয-যুবাইর ইবনে আশয়াম ইবনে আল-আশা ইবনে বাজরা ইবনে কায়স ইবনে মুনকিয ইবনে তরীফ ইবনে আমর ইবনে কুআইন ইবনে আল-হারিস ইবনে সা'লাবা ইবনে দুদান ইবনে আসাদ ইবনে খুযাইমার পিতা। আবু আল-মুদাউওয়াদের হস্তলিপিতে আয-যুবাইরের কবিতায় এভাবেই আছে, আমি তা এখানে যুক্ত করলাম। তিনি সেই কবি যিনি বলেছিলেন:
হে ইমরান! রাত যেন শেষ হতে চায় না
… মনে হয় আমি আমার চোখকে এক নিষিদ্ধ ঘুমের জন্য বাধ্য করছি।
কুরাইযা গোত্রের মধ্যে: আয-যুবাইর ইবনে বাতা ইবনে ওয়াহাব, যিনি বনু কুরাইযা গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। (ইবনে খাযরাজ ইবনে আস-সরীহ ইবনে আত-তাওয়ামান ইবনে আস-সিবত ইবনে আল-ইয়াসা ইবনে সা'দ ইবনে লাওয়ী ইবনে খায়র ইবনে আন-নাজ্জাম ইবনে তানহুম ইবনে আযার ইবনে ইযরা ইবনে হারুন ইবনে ইমরান ইবনে ইয়াসহার ইবনে কাহিস)।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ২০)
وكان الزَّبير هذا شيخ بني قُريظة.
فحدَّثني الحسن بن عبد الصمد بن الحسين بن يوسف، عن أبيه، عن أحمد بن إبراهيم بن عبد الرحمن، وهو أبو الطيب الأُشناني، عن الواقدي، عن رجاله، قال: كان الزَّبير بن بَاطا قد مَنَّ على ثابت بن قيس بن شماس بن زهير بن مالك يوم بُعَاث. فأَتى ثابت الزَّبير عند ظَفَر رسول الله، صلى الله عليه وسلم، ببني قُريظة وقَتْله مَن قَتَلَ منهم، فقال: يا أبا عبد الرحمن: هل تعرفني؟ قال: وهل يجهل مثلي مثلك؟. قال ثابت: إِنَّ لك عندي يداً، وقد أردت أن أجزيك بها قال: إن الكريم يجزي الكريم. فأتى ثابت رسول الله، صلى الله عليه وسلم فقال: يا رسول الله، إنه قد كان للزَّبير عندي يد؛ جزَّ ناصيتي يوم بُعَاث، وقال: اذكر هذه النعمة عندك، وقد أردت أن أجزيه بها، فهبه لي، فقال رسول الله، صلى الله عليه وسلم: هو لك. فأتاه، فقال: إن رسول الله، صلى الله عليه وسلم قد وهبك لي؛ فقال الزَّبير: شيخ كبير، لا أهل لي ولا ولد، ما أصنع بالحياة. فأتى ثابت رسول الله، صلى الله عليه وسلم فقال: بأبي أنت وأمي يا رسول الله، هب لي امرأته وولده، قال هم لك: قال: فأتاه وقال: قد وهبني رسول الله صلى الله عليه وسلم أهلك وولدك، فجاء بهم إلى الزَّبير، فقال الزَّبير: وما حياة أهل بيت بالحجاز لا مال لهم؟ فأتى ثابت رسول الله، صلى الله عليه وسلم فسأله: فأعطاه مالهم. فلما اجتمع إليه أهله وماله قال لثابت: ما فعل الذي كأَنَّ وجهه مرآة صينيَّة تتراءى عذارى الحي في وجهه: كعب بن أَسد؟ قال: قُتل. قال: فما فعل سيد الحاضر والبادي، سيد الحيَّين كليهما، يحملهم في الحرب ويطعمهم في المحل حييّ بن أخطب؟ قال: قُتِل. قال: فما فعل أول عادية يهودا إذا حملوا، وحاميتهم إذا ولَّوا: عزَّال بن سموأل؟ قال: قُتل، قال: فما فعل الحُوَّلُ القُلَّب، الذي لا يؤُمُّ جماعة إلا فضَّها، ولا عقدة إلَاّ حلَّها: نبَّاش بن قَيس؟ قال: قُتل. قال: ما فعل العمران اللذان كانا يلتقيان بدراسة التوراة؟ قال: قُتلا. قال: فما فعل وليُّ رِفَادة يهود وأبو الأيتام والأرامل في يهود: عُقبة بن زيد " وعن ابن إسحاق قال: ما فعل المجلسان، يعني، كعب بن قُريظة، وبني عمرو ابن قُريظة "؟ قال: قُتلوا، قال: يا ثابت، فلا خير في العيش بعد هؤلاء، لا أرجع إلى دار كانوا فيها حُلولا، فأخلد فيها بعدهم، لا حاجة لي في ذلك يا ثابت، وإني أسألك بيدي عندك إلَاّ قَدَّمتني إلى هذا القتَّال الذي يقتل سراة بني قُريظة، ثم قدَّمتني إلى مصارع قومي، ثم حُدَّ سيفي فاضربني به ضربة وارفع يدك عن العظام والصق بالرأس واخفض عن الدماغ، فإنه أحسن للجسد أن تبقى فيه العنق، يا ثابت لا أصبر إفراغ دلو في نضيح حتى ألقى الأحبَّة. قال ثابت: ما كنت لألي قتلك. قال الزَّبير: ما أبالي من قتلني، ولكن يا ثابت انظر إلى امرأتي وولدي فإنهم قد جزعوا من الموت، فاطلب إلى صاحبك أن يطلقهم، وأن يردَّ إليهم أموالهم.
فأدناه إلى الزُّبير بن العوَّام. فقدَّمه فضرب عنقه.
وطلب ثابت إلى رسول الله، صلى الله عليه وسلم، في أهله وماله وولده، فردَّ رسول الله، صلى الله عليه وسلم، كلَّ ما كان ذلك على ولده، وترك امرأته في السِّباء، وردَّ عليهم الأموال، فكانوا موالي ثابت بن قيس بن الشَّماس بن " أبي زهير بن مالك بن امرئ القيس ابن مالك الأغر ".
ومما يتعلق بهذا الباب من مُلَح المذاكرة أن يقال: إنَّ في قريش رجلين جليلين، كلُّ واحد منهما طلب الخلافة فقُتل عليها، وكلُّ واحد منهما يقال له: عبد الله بن الزَّبير، فأحدهما عبد الله بن الزَّبير الأسدي المعروف، قتيل عبد الملك بن مروان، والثاني عبد الله بن المعتز، لأن المعتز كان اسمه الزَّبير.
" زِمَّان ": في ربيعة: بنو زِمَّان بن مالك بن صَعْب بن عليٍّ بن بَكر بن وائل، باليمامة، وهم قليل.
وفي الأَزْد: زِمَّان بن تيم الله بن حَقَال " مفتوح الحاء " بن أَنمار ابن عمرو بن عَديّ بن عمرو بن مازن بن الأَزد.
" وفيهم أيضاً: زِمَّان بن مالك بن جَديلة بن معاوية بن عمرو ابن عَديّ بن عمرو بن مازن بن الأَزد ".
وفي قُضاعة: زِمَّان بن حِزَيمة بن نَهد.
وفي هوازن: زِمَّان بن عَديّ بن جُشَم بن معاوية بن بكر بن هوازن.
السين" سَدَوس "
এই জুবাইর ছিলেন বনু কুরাইজার প্রধান।
হাসান বিন আবদুস সামাদ বিন আল-হুসাইন বিন ইউসুফ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, তিনি তাঁর পিতার সূত্রে, তিনি আহমাদ বিন ইবরাহিম বিন আবদুর রহমান থেকে—যিনি আবু আত-তায়্যিব আল-উশনানি নামে পরিচিত—তিনি ওয়াকিদি থেকে, তিনি তাঁর বর্ণনাকারীদের সূত্রে বলেন: জুবাইর বিন বাতা বুআস যুদ্ধের দিন সাবিত বিন কাইস বিন শামমাস বিন জুহাইর বিন মালিকের প্রতি অনুগ্রহ করেছিলেন। যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনু কুরাইজার ওপর বিজয় লাভ করলেন এবং তাদের মধ্যকার যাদের হত্যা করার নির্দেশ দিলেন, তখন সাবিত জুবাইরের কাছে এসে বললেন: হে আবু আবদুর রহমান, আপনি কি আমাকে চিনতে পারছেন? তিনি বললেন: আমার মতো লোক কি আপনার মতো লোককে চিনতে ভুল করতে পারে? সাবিত বললেন: আপনার একটি অনুগ্রহ আমার ওপর রয়েছে, আমি চাই আপনাকে তার প্রতিদান দিতে। তিনি বললেন: নিশ্চয়ই একজন উচ্চমনা ব্যক্তিই অন্য উচ্চমনা ব্যক্তিকে প্রতিদান দিয়ে থাকে। এরপর সাবিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, জুবাইরের একটি অনুগ্রহ আমার ওপর রয়েছে; বুআস যুদ্ধের দিন তিনি আমার মাথার সম্মুখভাগের চুল কেটে আমাকে ছেড়ে দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন: এই নেয়ামতটি মনে রেখো। আমি এখন তাকে এর প্রতিদান দিতে চাই, তাই তাকে আমার কাছে দান করুন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: সে তোমার। এরপর তিনি তার কাছে এসে বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনাকে আমার কাছে দান করেছেন। জুবাইর বললেন: একজন অতি বৃদ্ধ মানুষ, যার কোনো পরিবার বা সন্তান নেই, সে জীবন দিয়ে কী করবে? তখন সাবিত পুনরায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, আপনার ওপর আমার মা-বাবা উৎসর্গিত হোন, তার স্ত্রী ও সন্তানকেও আমাকে দান করুন। তিনি বললেন: তারা তোমার। তিনি জুবাইরের কাছে গিয়ে বললেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার পরিবার ও সন্তানকেও আমাকে দান করেছেন। তিনি তাদের জুবাইরের কাছে নিয়ে এলেন। তখন জুবাইর বললেন: হিজাজে এমন এক পরিবারের জীবনের কী মূল্য যাদের কোনো সম্পদ নেই? সাবিত আবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গিয়ে চাইলেন, ফলে তিনি তাদের সম্পদও ফিরিয়ে দিলেন। যখন তার পরিবার ও সম্পদ তার কাছে একত্রিত হলো, তখন তিনি সাবিতকে বললেন: সেই ব্যক্তির কী হয়েছে যার চেহারা ছিল চীনা আয়নার মতো, যার অবয়বে গোত্রের কুমারীদের প্রতিচ্ছবি দেখা যেত—অর্থাৎ কাব বিন আসাদ? সাবিত বললেন: তাকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি বললেন: শহর ও প্রান্তরের সেই নেতার কী হয়েছে, যিনি দুই গোত্রেরই নেতা ছিলেন, যুদ্ধে তাদের নেতৃত্ব দিতেন এবং দুর্ভিক্ষের সময় তাদের অন্ন দিতেন—অর্থাৎ হুয়াই বিন আখতাব? সাবিত বললেন: তাকেও হত্যা করা হয়েছে। তিনি বললেন: ইহুদিদের সেই প্রথম সারির যোদ্ধার কী হয়েছে যারা আক্রমণ করলে সামনে থাকে এবং পলায়নপর হলে যারা রক্ষা করে—অর্থাৎ আজ্জাল বিন সামওয়াল? তিনি বললেন: তাকেও হত্যা করা হয়েছে। তিনি বললেন: সেই বিচক্ষণ ও কুশলী ব্যক্তির কী হয়েছে, যে কোনো দলের নেতৃত্ব দিলে তাদের ঐক্যবদ্ধ রাখত এবং কোনো জট পাকলে তা খুলে দিত—অর্থাৎ নাব্বাশ বিন কাইস? তিনি বললেন: তাকেও হত্যা করা হয়েছে। তিনি বললেন: সেই দুই 'আমর' (বা ইমরান)-এর কী হয়েছে যারা তাওরাত পাঠে একে অপরের সাথে মিলিত হতো? তিনি বললেন: তাদের উভয়কেই হত্যা করা হয়েছে। তিনি বললেন: ইহুদিদের মেহমানদারির তত্ত্বাবধায়ক এবং তাদের এতিম ও বিধবাদের আশ্রয়দাতা উকবা বিন জাইদের কী হয়েছে? ইবনে ইসহাক থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি জিজ্ঞেস করেছিলেন: সেই দুই মজলিসের কী হয়েছে—অর্থাৎ কাব বিন কুরাইজা এবং বনু আমর ইবনে কুরাইজা? সাবিত বললেন: তাদের সবাইকে হত্যা করা হয়েছে। জুবাইর বললেন: হে সাবিত, এদের পর আর বেঁচে থেকে কোনো লাভ নেই। আমি এমন কোনো বাড়িতে ফিরে যেতে চাই না যেখানে তারা বাস করত, আর আমি তাদের পরে সেখানে চিরকাল থাকব; হে সাবিত, আমার এর কোনো প্রয়োজন নেই। আপনার ওপর আমার যে অনুগ্রহ ছিল তার দোহাই দিয়ে আমি আপনার কাছে অনুরোধ করছি, আপনি আমাকে সেই জল্লাদের কাছে নিয়ে যান যে বনু কুরাইজার সরদারদের হত্যা করছে। এরপর আমাকে আমার কওমের বধ্যভূমিতে নিয়ে যান। তারপর আপনার তরবারি ধার দিন এবং আমাকে এমন এক আঘাত করুন যেন হাড়গুলো অক্ষত থাকে কিন্তু মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং মগজ আঘাতপ্রাপ্ত না হয়; কারণ দেহের সাথে ঘাড় লেগে থাকাই লাশের সৌন্দর্যের জন্য উত্তম। হে সাবিত, আমি ততক্ষণ পর্যন্ত সবর করতে পারছি না যতক্ষণ না আমি আমার প্রিয়জনদের সাথে মিলিত হই। সাবিত বললেন: আমি আপনাকে হত্যা করার দায়িত্ব নিতে পারব না। জুবাইর বললেন: কে আমাকে হত্যা করল তাতে আমার কিছু যায় আসে না। তবে হে সাবিত, আমার স্ত্রী ও সন্তানের দিকে খেয়াল রাখবেন, কারণ তারা মৃত্যুর ভয়ে ভীত; আপনার সঙ্গীর (রাসূলুল্লাহ) কাছে আবেদন করবেন যেন তিনি তাদের ছেড়ে দেন এবং তাদের সম্পদ ফিরিয়ে দেন।
এরপর সাবিত তাকে জুবাইর বিন আল-আওয়ামের কাছে নিয়ে গেলেন। তিনি তাকে এগিয়ে দিলেন এবং জুবাইর তার শিরচ্ছেদ করলেন।
আর সাবিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে তার পরিবার ও সম্পদের ব্যাপারে আবেদন করলেন। ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের যা কিছু ছিল সবই তার সন্তানদের ফিরিয়ে দিলেন এবং তার স্ত্রীকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করলেন এবং তাদের ধন-সম্পদও তাদের ফেরত দিলেন। তারা সাবিত বিন কাইস বিন শামমাস বিন আবি জুহাইর বিন মালিক বিন ইমরুল কাইস বিন মালিক আল-আগারের মুক্তদাস (মাওয়ালি) হিসেবে গণ্য হলেন।
এই অধ্যায়ের সাথে সংশ্লিষ্ট আলোচনার একটি চমৎকার বিষয় হলো যে, কুরাইশ বংশে দুইজন মহান ব্যক্তি ছিলেন যাদের প্রত্যেকেই খিলাফত চেয়েছিলেন এবং সেই কারণেই নিহত হয়েছিলেন। তাদের উভয়কেই আব্দুল্লাহ বিন জুবাইর বলা হয়। তাদের একজন হলেন সুপরিচিত আব্দুল্লাহ বিন জুবাইর আল-আসাদি, যিনি আব্দুল মালিক বিন মারওয়ানের হাতে নিহত হয়েছিলেন। আর দ্বিতীয়জন হলেন আব্দুল্লাহ বিন আল-মুতাজ, কারণ মুতাজের নাম ছিল জুবাইর।
"জিম্মান": রাবিআ গোত্রের মধ্যে রয়েছে: বনু জিম্মান বিন মালিক বিন সাব বিন আলি বিন বকর বিন ওয়াইল, যারা ইয়ামামায় বসবাস করত এবং সংখ্যায় তারা অল্প।
আজদ গোত্রের মধ্যে রয়েছে: জিম্মান বিন তাইমুল্লাহ বিন হাকাল (হা-এ জবরসহ) বিন আনমার বিন আমর বিন আদি বিন আমর বিন মাজিন বিন আল-আজদ।
"তাদের মধ্যে আরও রয়েছে: জিম্মান বিন মালিক বিন জাদিইলা বিন মুআবিয়া বিন আমর বিন আদি বিন আমর বিন মাজিন বিন আল-আজদ।"
কুদায়া গোত্রের মধ্যে রয়েছে: জিম্মান বিন খুজাইমা বিন নাহদ।
হাওয়াজিন গোত্রের মধ্যে রয়েছে: জিম্মান বিন আদি বিন জুশাম বিন মুআবিয়া বিন বকর বিন হাওয়াজিন।
সীন (বর্ণ)"সাদুস"
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ২১)
في تميم: " سَدُوس بن دارم بن مالك بن حنظلة بن زيد مناة ابن تميم ".
وولد سَدُوس " بن دارم ": بن الحارث " بن سَدُوس " وولد " الحارث نفرا، وأُمهم ": بَسَّة بنت سُفيان بن مُجاشع بن دارم بها يعرفون، يقال لهم: بنو بَسَّة.
ويقال أيضا لبني مُعْرِض بن حَتيري بن دارم: بنو بَسَّة، لأنه خلف على بَسَّة هذه بعد عمَّه.
وفي ربيعة: سَدُوس بن شيبان بن ذُهل بن ثعلبة بن عُكابَة ابن صَعْب بن علي بن بكر بن وائل.
وفي سَدُوس، يقول عُبيد بن قُرَاد البَهرائي:
وَلَوْلَا سَدُوسٌ وقد شَمَّرَتْ
… بيَ الحَربُ زَلَّتْ بِنَعْلي القَدَمْ
وكان أصل ذلك " فيما قاله أبو المُنذر " أنْ ملكا من ملوك اليمن كان في يديه أسرى من ربيعة وقُضاعة وغيرهم، فوفد عليه وفد من وجوه معد وغيرهم، فيهم سَدُوس بن شَيبان، وعَوف بن مُحلم ابن ذُهل بن سيبان بن ثعلبة، وعَوف بن عمرو بن جُشَم بن ربيعة ابن زيد مناة بن عامر الضَّحْيان النَّمرِيّ، وجُشم بن " ذُهل بن " هلال بن ربيعة بن زيد مناة الضَّحْيان، فلقيهم هذا البَهرائي، فسألهم أن يُدخلوه عِدّة من يسألون فيه. فكلَّموه في الأُسارى، وفي جملتهم البهرائي فأطلق لهم جميعهم. فقال عُبيد بن قُراد في ذلك:
نَفْسِي الفِداءُ لِعَوْف الفَعَالِ
… وعَوفٍ ولابْنِ هِلَالٍ جُشَم
تَداركني بَعدما قد هَوَيْتُ
… مُسْتَمْسِكاً بعَراقي الوَذَمْ
ولَوْلا سَدُوس وقد شَمَّرت
… بيَ الحَربُ زلَّت بنَعْلي القَدَمْ
ونادَيْتُ بَصْرَاءَ كي يَسْمَعُوا
… وليس بآذانِهم مِن صَمَم
فاحتبس عنده بعض الوفد رهينة، وقال للبقيَّة: ائتوني برؤساء قومكم لآخذ عليهم مواثيقهم بالطاعة لي، وإلا فاعلموا أني قاتل أصحابكم. فرجعوا إلى قومهم بذلك، فبعث كُلَيب في ربيعة فجمعهم وبعث على مُقدمته السَّفَّاح، وهو سَلمة بن خالد بن كعب بن زُهير ابن تيم بن أُسامة بن مالك بن بكر بن حُبَيْب بن عمرو بن غَنم ابن تَغْلب. وأمره يُوقد لهم على خَزاز ليهتدوا بناره، فإن غشيهم العدوُّ أن يرفع نارين. وبلغ أهل اليمن اجتماع ربيعة، فأقبلوا بجموعهم، فلما سمع أهل تِهامة بمسير أهل اليمن انظموا إلى ربيعة، وهجمت مَذْحج على خَزاز ليلا، فرفع السَّفَّاح نارين.
ومنهم: عِمران بن حِطَّان، القائل يهجوا الحجاج بن يوسف: " وينسبه إلى أن أباه كان حجَّاما. وجدت ذلك بخط علي بن إسماعيل المِنْطيق اللُّغويّ ".
يابنَ الَّذي ذَلَّت الرِّقابُ له
… قاتَلَهُ اللهُ أيَّما رَجُل
أبوك أوْهَى النِّجادُ عاتِقَه
… كَمْ مِنْ كَمِيٍّ أدْمَى ومِن بَطَلِ
يَأخذُ مِن مالِه ومن دمِه
… لم يُمْسِ من ثائرٍ على وَجَلِ
في كَفِّه مُرْهَفُ يُقلِّبه
… يَقُدُّ أعناقَ سادةٍ بُطُلِ
قال ابن حبيب: كل سَدُوس في العرب فهو مفتوح السِّين، إلَاّ: سُدوس بن أصْمَع.
" سُدُوس ": في طيئ: سُدُوس بن أصْمَع بن أُبيّ بن عُبيد بن ربيعة بن نصر ابن سعد بن نَبْهان بن عمرو بن الغوث بن طيئ، وأخوه خالد بن أصمع الذي نزل به امرؤ القيس بن حُجر الكِنْديّ، وفيهم يقول:
إذا ما كنت مُفتخراً ففاخِرْ
… بِبيتٍ مثل بَيْت بني سُدُوسَا
ببَيْت تبْصِر الرؤَساءَ فيه
… قِياماً لا تُنَازَعُ أَو جُلُوسَا
" سِلْم ": في عامِلَة: السِّلْم بن الطَّمَثان.
وفي قُضاعة: السِّلْم بن خُشين بن النَّير وَبْرة بن تَغْلب بن حُلوان.
" سيَل ": في الأزد: سَيَل، بوزن " فَعَل "، محركة العين، وعينه ياء منقوطة من أسفل نقطتين، وابنه: سعد بن سَيَل، حَمُو كلاب بن مُرَّة ابن كعب بن لُؤي، بن غالب بن فِهْر بن مالك بن النَضْر بن كِنانة.
তামীম গোত্রের মধ্যে: "সাদূস বিন দারিম বিন মালিক বিন হানযালা বিন যায়িদ মানাত বিন তামীম।"
সাদূস বিন দারিম-এর সন্তান হলো: হারিস বিন সাদূস। হারিসের কয়েকজন সন্তান জন্মেছিল, তাদের মা ছিলেন বাসসাহ বিনতে সুফিয়ান বিন মুজাশ্বি বিন দারিম। এই মায়ের নামেই তারা পরিচিত ছিল, তাদের বলা হতো: বানূ বাসসাহ।
মুআরিদ বিন হাতীরী বিন দারিম-এর সন্তানদেরও বানূ বাসসাহ বলা হতো, কারণ তিনি তার চাচার মৃত্যুর পর এই বাসসাহকে বিবাহ করেছিলেন।
রাবীআহ গোত্রের মধ্যে: সাদূস বিন শায়বান বিন যুহল বিন সালাবাহ বিন উকাবাহ বিন সাব বিন আলী বিন বকর বিন ওয়ায়িল।
সাদূস সম্পর্কে উবায়েদ বিন কুরাদ আল-বাহরায়ী বলেন:
যদি সাদূস না থাকত, তবে যুদ্ধের তীব্রতায়
… আমার পায়ের জুতো পিছলে যেত।
আবু আল-মুনযির কর্তৃক বর্ণিত এই ঘটনার মূল ছিল এই যে, ইয়েমেনের রাজাদের মধ্যে একজন রাজার অধীনে রাবীআহ, কুযাআহ এবং অন্যদের মধ্য থেকে কিছু যুদ্ধবন্দী ছিল। তখন মা'দ এবং অন্যদের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের একটি প্রতিনিধি দল তার কাছে উপস্থিত হলো। তাদের মধ্যে ছিলেন সাদূস বিন শায়বান, আওফ বিন মুদাল্লিম বিন যুহল বিন শায়বান বিন সালাবাহ, আওফ বিন আমর বিন জুশাম বিন রাবীআহ বিন যায়িদ মানাত বিন আমির আদ-দাহইয়ান আন-নামারী এবং জুশাম বিন যুহল বিন হিলাল বিন রাবীআহ বিন যায়িদ মানাত আদ-দাহইয়ান। তাদের সাথে এই আল-বাহরায়ীর দেখা হলো। তিনি তাদের কাছে অনুরোধ করলেন যেন তাকেও সেই ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয় যাদের সম্পর্কে তারা সুপারিশ করবে। তারা বন্দীদের ব্যাপারে রাজার সাথে কথা বললেন এবং তাদের মধ্যে আল-বাহরায়ীও ছিলেন। রাজা তাদের সবাইকে মুক্ত করে দিলেন। এ সম্পর্কে উবায়েদ বিন কুরাদ বলেন:
আমার জীবন উৎসর্গ হোক কর্মবীর আওফের জন্য
… এবং আওফ ও ইবনে হিলাল জুশামের জন্য।
আমার পতনের উপক্রম হওয়ার পর তিনি আমাকে উদ্ধার করেছেন
… আমি যেন বালতির জীর্ণ রশি আঁকড়ে ধরেছিলাম।
যদি সাদূস না থাকত, তবে যুদ্ধের তীব্রতায়
… আমার পায়ের জুতো পিছলে যেত।
আমি বাসরাবাসীদের উদ্দেশ্যে ডাক দিয়েছি যেন তারা শুনতে পায়
… আর তাদের কানে কোনো বধিরতা নেই।
রাজা প্রতিনিধি দলের কয়েকজনকে তার কাছে জামিন হিসেবে আটকে রাখলেন এবং বাকিদের বললেন: "তোমাদের গোত্রের নেতাদের আমার কাছে নিয়ে এসো যাতে আমি তাদের কাছ থেকে আমার আনুগত্যের অঙ্গীকার নিতে পারি। অন্যথায় জেনে রেখো যে, আমি তোমাদের সঙ্গীদের হত্যা করব।" তারা এই সংবাদ নিয়ে তাদের গোত্রের কাছে ফিরে গেল। এরপর কুলাইব রাবীআহ গোত্রকে ডেকে একত্র করলেন এবং সাফফাহ-কে অগ্রবর্তী বাহিনীর সেনাপতি হিসেবে পাঠালেন। তিনি হলেন সালামাহ বিন খালিদ বিন কাব বিন যুহাইর বিন তাইম বিন উসামাহ বিন মালিক বিন বকর বিন হুবাইর বিন আমর বিন গানাম বিন তাগলিব। কুলাইব তাকে নির্দেশ দিলেন যেন তিনি খাযায পাহাড়ে তাদের জন্য আগুন জ্বালিয়ে রাখেন যাতে তারা আগুনের আলো দেখে পথ চিনতে পারে; আর যদি শত্রু তাদের ওপর আক্রমণ করে, তবে যেন তিনি দুটি আগুন জ্বালিয়ে সংকেত দেন। রাবীআহ গোত্রের একত্র হওয়ার সংবাদ ইয়েমেনবাসীদের কাছে পৌঁছাল, ফলে তারা তাদের বিশাল বাহিনী নিয়ে এগিয়ে এল। যখন তিহামাবাসীরা ইয়েমেনবাসীদের অভিযানের কথা শুনল, তারা রাবীআহ গোত্রের সাথে যোগ দিল। মাঝহিজ গোত্র রাতে খাযায আক্রমণ করল, তখন সাফফাহ দুটি আগুন জ্বালিয়ে দিলেন।
তাদের মধ্যে রয়েছেন: عمران বিন হিত্তান, যিনি হাজ্জাজ বিন ইউসুফকে ব্যঙ্গ করে কবিতা লিখেছিলেন। তিনি হাজ্জাজকে অপবাদ দেন যে তার বাবা একজন ক্ষৌরকার ছিলেন। আমি এটি ভাষাবিদ আলী বিন ইসমাইল আল-মিনতীক-এর হস্তাক্ষরে পেয়েছি।
হে সেই ব্যক্তির পুত্র যার সামনে ঘাড়সমূহ নত হতো
… আল্লাহ তাকে ধ্বংস করুন, সে কেমন মানুষ ছিল!
তোমার পিতার তরবারির বেল্ট তার কাঁধকে জীর্ণ করে দিয়েছিল
… কত সাহসী এবং বীরের রক্ত তিনি ঝরিয়েছেন!
তিনি তাদের সম্পদ এবং রক্ত কেড়ে নিতেন
… কোনো প্রতিশোধ গ্রহণকারীর ভয়ে তিনি ভীত হতেন না।
তার হাতে ছিল ধারালো অস্ত্র যা তিনি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে চালাতেন
… আর বীর পুরুষদের ঘাড় কেটে ফেলতেন।
ইবনে হাবিব বলেন: আরবদের মধ্যে সমস্ত সাদূস শব্দ সীন বর্ণের উপরে ফাতহা দিয়ে উচ্চারিত হয়, কেবল: সাদূস বিন আসমা ব্যতীত।
"সুদূস": তাইয়ি গোত্রের মধ্যে: সুদূস বিন আসমা বিন উবাই বিন উবায়েদ বিন রাবীআহ বিন নাসর বিন সাদ বিন নাবহান বিন আমর বিন আল-গাওস বিন তাইয়ি। তার ভাই হলেন খালিদ বিন আসমা, যাঁর কাছে ইমরুল কাইস বিন হুজর আল-কিন্দি মেহমান হয়েছিলেন। তাদের সম্পর্কে তিনি বলেন:
যদি তুমি গৌরব করতে চাও, তবে গৌরব করো
… বানূ সুদূসের পরিবারের মতো পরিবারের।
এমন এক পরিবার যেখানে নেতাদের তুমি দণ্ডায়মান দেখবে
… দাঁড়িয়ে থাকুক বা বসে, তাদের সম্মান নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই।
"সিলম": আমিলাহ গোত্রের মধ্যে: সিলম বিন তামাসান।
এবং কুযাআহ গোত্রের মধ্যে: সিলম বিন খুশাইন বিন আন-নায়ির ওয়াবরাহ বিন তাগলিব বিন হুলওয়ান।
"সাইয়াল": আযদ গোত্রের মধ্যে: সাইয়াল, এর ওজন 'ফায়াল' এর মতো, আঈন বর্ণটি হরকতযুক্ত এবং এর মাঝখানের বর্ণটি ইয়া যার নিচে দুটি নুক্তা রয়েছে। তার পুত্র হলেন: সাদ বিন সাইয়াল, যিনি কিলাব বিন মুররাহ বিন কাব বিন লুয়াই বিন গালিব বিন ফিহর বিন মালিক বিন আন-নদর বিন কিনানাহ-এর শ্বশুর ছিলেন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ২২)
وسَيَل: اسم جبل عالٍ، سُمِّي به والد " سَعْد " لطوله، وهو: خَيْرُ ابن حَمَالَة " ويُقال: حِمالة، بكسر الحاء " بن عوف بن غنم بن عامر. وهو الجادر " بن عمرو بن جُعْثُمة " " وقد قيل: خَيْثمة، وجُعْثمة، والأول أصح الثلاثة الأقوال " ابن يَشْكُر بن مُبشِّر بن صَعْب بن دُهْمان ابن نَصْر، من الأَزد، وإنما سُمِّي " عامر ": الجادر، " فيما أخبرني به رجال من أهل العلم على اختلاف رواياتهم "، لأنه تزوج بنت الحارث ابن مُضَاض الجُرْهميّ، وكانت جُرهم إذ ذاك ولاة البيت، وكان الحاجّ يتمسكون بالكعبة، ويأخذون " مِن " طينها وحجارتها تبركا بذلك، وابن عامر " كان موكَّلا بإصلاح ما تشعَّث " من جُدُرها. فسُمي: الجَادِر وسُمي ولَدُه: الجَدَرة.
وقد قيل: " إنه بنى " جدارا " للكعبة "، فسُمي: جادرا لذلك والأول أثبت.
وفي سعد بن سَيَل يقول أبو دُوَاد الإياديّ:
ما أرَى في النَّاس طُرّاً رَجُلاً
… حَضَر البأَسَ كسَعد بن سَيَلْ
فارسٌ أَضْبط فيه عُسْرةٌ
… وإذا ما وَاقفَ القرْن نَزَلْ
وتَراه يَطْرُدُ الخَيْلَ كَمَا
… يَطْرُدُ الحرُّ القَطامِيُّ الحَجَلْ
وكان سعد أول من " حَلَّى " السُّيوف بالفضَّة والذَّهب، وكان أهدى إلى كلاب مع ابنته " فاطمة " سيفين مُحلَّيين، فجُعلا في خِزانة الكعبة.
أخبرني البَرمكيّ، في كتابه الذي سمَّاه بكتاب قُريش، قال: كان كِلاب سَيِّدًا في قُريش، ويُدعى: ذا الغُرَّة، لنُور كانُ يُشرق بين عينيه، وخرج في بعض أسفاره، فوقع لِحَيٍ من اليمن، فرآه منهم شيخ مُسنّ قد عَشِي بصره، وكان عنده عِلْم، فقال: من أنت؟ فانتسب له، فقال: نعم، قد كان جَدّك مالك بن النَّضر لي أخاً وصاحباً أخبرْني عن الغرة البيضاء التي كان في جدك مالك وآبائه من قبله، أهي بك؟ قال: نعم؛ قال: فإن كُنته فتزوَّج أطهر النسائي ذات الدَّل والخِباء، بنت فارس الهيجاءِ، الفتاة الناعمة الدَّهْثمة الحازمة التي تدعى: فاطمة؛ قال: ومن هي؟ قال: ما رأيتها ببصري ولكن بلغها علميّ، هي بنت سعد بن سَيَل، ذي القواطع والأسل. فانصرف كِلاب وقد صارت المرأة شُغله.
فقال كِلَابٌ:
أَفاطِمَ هَلْ ماليِ لقيتُك مَرَّةً
… وهل يَجْمَعُ الدَّانينَ صَيْفٌ ومَرْبَعُ
سأَبغيك في الأَرض العَريضة جاهداً
… فأَيأَس أَو أَعْطَى الذي فيه أَطمَعُ
ولم يزل كِلاب يُريغْ سعدا حتى وقع عليه ووُفِّق في الخِطبة إليه. فزوَّجه ابنته فاطمة، فنقلها إلى دار قومه، فولدت له زُهرة. وهو بَكْره وبَكرها، وبه كان يَكتنى، وولدت له زيدا. ومات وزيد صغير. فورد مكة رَبيعة بن حَرام بن ضِنَّةَ بن عبد كَبير بن عُذرة، فاحتملها إلى بلاده، فخلَّفت زُهرة في قومه، وأخذت زيدا لصغر سنِّه، فسُمِّى زيدٌ: قُصيَّا، لقصائه عن قومه، وولدت لربيعة بن حَرام: رِزَاح بن رَبيعة، وحُقَّ بن ربيعة، ونحن نذكر هذه الأخبار مستقصاة في مواضعها، ليكون ذلك أبعد بقارئ هذا التعليق عن ملل يُغْفَر لهوانه، " وبالله التوفيق ".
" سَبَل ": في بكر بن وائل: سَبَل بن يثربي بن امرئ القيس بن رَبيعة ابن مالك بن ثعلبة بن عكاية بن صَعب بن علي ابن بكر بن بكر بن وائل. وهو جَد مصْقلة بن هبيرة بن سَبَل بن يَثربيّ.
" سامة " في قريش: سَامَةُ بن لُؤيّ بن غالب بن فهرْ بن مالك بن النضر ابن كنانة بن خزيمة بن مدركة بن الياس بن مُضَر. " وقد اختلف في امره "،فقيل: إنه وكعباً كانا يَشْربان، فجرى بينهما لحاء ففقأَ سامة عين كعب، وخرج هاربا، فأتى عُمَان.
وقال الكلبي، في كتاب نوافل ابني نزار: وقعت الحرب بين بني كنانة، فافترقوا فرقتين: بنو النَّضر ابن كِنَانة، وعليهم عامر بن لُؤيّ، وبنو عبد مَنَاة بن كِنَانة، وعليهم يَعْمُر بن عوف بن كعب بن عامر بن ليث بن بكر بن عبد مَنَاة، ويَعْمُر هذا هو الشُّداخ، وقد قيل: الشَّدَّاخ، بفتح الشين، والأوَّل أثبت عند الكلبيّ.
وإنما سُمِّي " الشَّداخ " لشَدْخه الدِّماء بتحمله لها
সায়িল: এটি একটি সুউচ্চ পাহাড়ের নাম। তাঁর উচ্চতার কারণে 'সা'দ'-এর পিতাকে এই নামে নামকরণ করা হয়েছিল। তিনি হলেন: খায়র ইবনে হামালা (কারো মতে হ-এর নিচে কাসরা দিয়ে 'হিমালা') ইবনে আউফ ইবনে গানাম ইবনে আমির। তিনি হলেন 'আল-জাদির' (আমির ইবনে আমর ইবনে জু'সুমা; কারো মতে খাইসামা বা জু'সুমা বলা হয়েছে, তবে তিনটির মধ্যে প্রথমটিই অধিক বিশুদ্ধ) ইবনে ইয়াশকর ইবনে মুবাশশির ইবনে সা'ব ইবনে দুহমান ইবনে নাসর, যিনি আল-আযদ গোত্রের। আমিরকে কেন 'আল-জাদির' (প্রাচীর নির্মাণকারী) নামকরণ করা হয়েছে, সে সম্পর্কে ইলম অর্জনকারী ব্যক্তিগণ তাঁদের বর্ণনার বিভিন্নতা সত্ত্বেও আমাকে যা জানিয়েছেন তা হলো—তিনি আল-হারিস ইবনে মুদাদ আল-জুরহুমির কন্যাকে বিবাহ করেছিলেন। সে সময় জুরহুম গোত্র কাবার তত্ত্বাবধায়ক ছিল। হাজীরা বরকত লাভের আশায় কাবার মাটি ও পাথর নিয়ে যেত। ইবনে আমির কাবার দেয়ালের জীর্ণ অংশগুলো মেরামতের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। তাই তাঁকে 'আল-জাদির' এবং তাঁর সন্তানদের 'আল-জাদারা' বলা হয়।
কেউ কেউ বলেন: "তিনি কাবার জন্য একটি প্রাচীর (জাদার) নির্মাণ করেছিলেন", তাই তাঁকে জাদির বলা হয়; তবে প্রথম মতটিই অধিক সাব্যস্ত।
সা'দ ইবনে সায়িল সম্পর্কে আবু দুওয়াদ আল-ইয়াদি বলেন:
আমি মানুষের মধ্যে এমন কোনো ব্যক্তিকে দেখিনি
… যে যুদ্ধের ময়দানে সা'দ ইবনে সায়িলের মতো উপস্থিত হয়।
এমন এক অশ্বারোহী যে অত্যন্ত দৃঢ় ও কঠোর
… আর যখন সে সমকক্ষ যোদ্ধার মুখোমুখি হয়, তখন সে আক্রমণ করে।
তুমি তাকে দেখবে সে ঘোড়াদের এমনভাবে তাড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে
… যেমন তুখোড় শিকারী বাজপাখি তিতির পাখিকে তাড়িয়ে নিয়ে যায়।
সা'দ-ই সর্বপ্রথম ব্যক্তি যিনি তলোয়ারকে সোনা ও রূপা দিয়ে অলঙ্কৃত করেছিলেন। তিনি তাঁর কন্যা ফাতিমার বিবাহের সময় কিলাবকে দুটি অলঙ্কৃত তলোয়ার উপহার দিয়েছিলেন, যা কাবার ভাণ্ডারে রাখা হয়েছিল।
আল-বারমাকি তাঁর 'কিতাবু কুরাইশ' নামক গ্রন্থে আমাকে জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন: কিলাব কুরাইশদের একজন নেতা ছিলেন। তাঁর কপালে একটি নূর (আলো) চমকাতো বলে তাঁকে 'যুল গুররা' বলা হতো। এক সফরে তিনি বের হয়ে ইয়ামেনের একটি গোত্রের কাছে পৌঁছান। সেখানে একজন অতি বৃদ্ধ লোক ছিলেন যার দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হয়ে এসেছিল এবং তাঁর কাছে প্রাচীন জ্ঞান ছিল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: তুমি কে? কিলাব নিজের বংশ পরিচয় দিলেন। বৃদ্ধ বললেন: হ্যাঁ, তোমার পিতামহ মালিক ইবনে আন-নাদর আমার ভাই ও বন্ধু ছিল। তোমার পিতামহ মালিক ও তাঁর পূর্বপুরুষদের কপালে যে সাদা নূর ছিল, তা কি তোমার মধ্যেও আছে? তিনি বললেন: হ্যাঁ। বৃদ্ধ বললেন: যদি তুমিই সেই ব্যক্তি হও, তবে নারীদের মধ্যে সবচেয়ে পবিত্র, লাবণ্যময়ী, পর্দানশীন, বীর যোদ্ধার কন্যা ফাতিমাকে বিবাহ করো; যে অত্যন্ত কোমল ও দৃঢ়চেতা। কিলাব জিজ্ঞেস করলেন: সে কে? বৃদ্ধ বললেন: আমি তাকে চোখে দেখিনি, তবে আমার অর্জিত জ্ঞান থেকে জেনেছি—সে হলো ধারালো তলোয়ার ও বর্শার অধিকারী সা'দ ইবনে সায়িলের কন্যা ফাতিমা। কিলাব ফিরে এলেন এবং সেই নারীই তাঁর প্রধান চিন্তার বিষয় হয়ে উঠল।
তখন কিলাব বললেন:
হে ফাতিমা! আমি কি তোমার দেখা পাবো একবার
… আর এই গ্রীষ্ম ও বসন্তের চারণভূমি কি নিকটবর্তীদের একত্রিত করবে?
আমি প্রশস্ত পৃথিবীতে আপ্রাণ তোমাকে খুঁজে বেড়াবো
… হয় আমি নিরাশ হবো, নয়তো যা আকাঙ্ক্ষা করি তা প্রাপ্ত হবো।
কিলাব সা'দকে রাজি করানোর জন্য চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকেন এবং অবশেষে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে সফল হন। তিনি ফাতিমাকে বিয়ে করে নিজ গোত্রে নিয়ে আসেন। তাঁদের ঘরে যুহরাহ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন তাঁদের প্রথম সন্তান এবং তাঁর নামেই কিলাবের উপনাম (কুনিয়াত) ছিল। এরপর তিনি যইদকে জন্ম দেন। যইদ ছোট থাকতেই কিলাব মারা যান। তখন মক্কায় রাবি'আ ইবনে হারাম ইবনে দিননাহ ইবনে আবদ কাবীর আল-উযরি আসলেন এবং ফাতিমাকে বিবাহ করে নিজ দেশে নিয়ে গেলেন। যুহরাহ নিজ গোত্রে রয়ে গেলেন, কিন্তু যইদ ছোট হওয়ার কারণে মা তাঁকে সাথে নিয়ে গেলেন। নিজের কওম থেকে দূরে থাকার কারণে যইদের নাম রাখা হয় 'কুসাই'। রাবি'আ ইবনে হারামের ঔরসে ফাতিমার গর্ভে রিযাহ ইবনে রাবি'আ ও হুক্ক ইবনে রাবি'আ জন্মগ্রহণ করেন। আমরা এই সংবাদগুলো যথাস্থানে বিস্তারিত আলোচনা করব যাতে এই টীকাটি পাঠকের কাছে একঘেয়ে না লাগে। আল্লাহর সাহায্যই কাম্য।
"সাবাল": বাকর ইবনে ওয়াইল গোত্রে সাবাল ইবনে ইয়াসরিবি ইবনে ইমরাউল কায়েস ইবনে রাবি'আ ইবনে মালিক ইবনে সা'লাবা ইবনে উকাইয়া ইবনে সা'ব ইবনে আলি ইবনে বাকর ইবনে বাকর ইবনে ওয়াইল। তিনি মাসকালা ইবনে হুবাইরা ইবনে সাবাল ইবনে ইয়াসরিবির পূর্বপুরুষ।
"সামাহ" কুরাইশ গোত্রে: সামাহ ইবনে লুআই ইবনে গালিব ইবনে ফিহর ইবনে মালিক ইবনে আন-নাদর ইবনে কিনানা ইবনে খুযাইমা ইবনে মুদরিকা ইবনে ইলিয়াস ইবনে মুদার। তাঁর বিষয়ে মতভেদ আছে; বলা হয় যে, তিনি এবং কাব মদ্যপান করছিলেন, পরে তাঁদের মধ্যে বিবাদ বাধে এবং সামাহ কাবের এক চোখ অন্ধ করে দেন। এরপর তিনি পালিয়ে ওমানে চলে যান।
আল-কালবি 'নাওয়াফিল ইবনাই নিযার' গ্রন্থে বলেছেন: বনি কিনানার মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে তারা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়: বনি নাদর ইবনে কিনানা—যাদের নেতৃত্বে ছিলেন আমির ইবনে লুআই; এবং বনি আবদ মানাত ইবনে কিনানা—যাদের নেতৃত্বে ছিলেন ইয়ামুর ইবনে আউফ ইবনে কাব ইবনে আমির ইবনে লাইস ইবনে বাকর ইবনে আবদ মানাত। এই ইয়ামুর-ই হলেন 'আল-শাদ্দাখ'। কারো মতে শিন-এর উপর ফাতহা দিয়ে 'শাদ্দাখ' বলা হয়েছে, তবে কালবির মতে প্রথমটিই অধিক সাব্যস্ত।
রক্তের দায়ভার গ্রহণ করে তা মিটিয়ে দেওয়ার (স্তিমিত করার) কারণে তাঁকে 'শাদ্দাখ' বলা হতো।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ২৩)
قال: ثم اصطلحوا فوضع عامر ابنه سعداً عند يَعْمُر وسعد، وهم الذين يقال لهم: بَنَانة، بحاضنة لهم، ووضع يَعْمُر ابنا له عند سامة ابن لؤي. فشرِب سامة فسَكِر، فمرَّ بالغلام مُهر لسامة، فرماه الغلام فوقَذه، فضربه سامة بالسيف فقتله، وخرج هاربا من عامر أخيه، وقُتل ابن عامر به، فاقتتلت في ذلك الفئتان، وكتب سامة بن لؤيّ إلى قومه:
رُبَّ كأْسٍ شَربتُها ثُمَّ أُخرى
… لَمْ تكُنْ مُرَّةً ولا مُهَرَاقَهْ
وخَرُوس السُّرى تركت رَديّاً
… بعد جِدٍّ وجِدَّةٍ ورشاقَهْ
وفتاةٍ سبيتُ بابنَ لُؤيٍّ
… ذاتِ دَلٍّ كريمةٍ برّاقهْ
أَبلغا عامِراً وكعباً رَسُولاً
… أَنَّ نَفْسِي إِليهما مُشتاقَهْ
إِن تكُنْ في عُمانَ داري " فإِنِّي
… غالبيٌّ خرجتُ من غيرِ فاقَهْ "
ورُوي " لنا " عن ابن هاشم النَّحوي أنه " قال ": جاء رجل من ولد سامة إلى رسولا الله، صلى الله عليه وسلم، فانتسب إلى سامة بن لُؤيّ، فقال: الشاعر؟ فقال له بعض أصحابه: يا رسول الله، كأَنك أردت قوله:
رُبَّ كأَسٍ هرقت يابن لُؤيٍّ
… حذَرَ الموتِ لم تكن مُهراقهْ
فقال: أجل.
وقيل: أن سامة شَرِبَ مع أخيه كعب، فرأَى كَعْباً قد قَبَّل امرأته، فأنِف من ذلك، فهرب إلى عُمَان، فقال في ذلك المُسيِّب ابن عَلَس الضُّبَعيّ:
وقد كان سَامَة في قومه
… له مَطعَمٌ وله مَشْربُ
فسامُوه خَسْفاً فلم يَرْضَه
… وفي الأَرض من خَسْفِهم مَهْرَبُ
واختُلف في أعقاب سامة، فكان هشام وغيره يروي عن علي بن أبي طالب، صلوات الله عليه: أنَّ سَامة لا عَقِبَ له، ولذلك خبر سنذكره إن شاء الله. وقال " آخرون ": إِنَّه وُلد لسامة ابن يقال له: الحارث. وأمُّه هند بنت تيم الأَدْرم ابن غالب. " فماتت هند، فحمل الحارث معه إلى عُمان ".
وتزوَّج سامة ناجية بنت جَرْم بن ربَّان، وهو عِلاف بن حُلْوان ابن عِمران بن الحَافي بن قُضاعة، بعُمان، أو سَيف من أسيلف البحر، فولدت له غالب بن سامة. فهلك وهو ابن اثنتي عشرة سنة، وخَلف الحارث بن سامة على ناجية، نِكَاح مَقْت، فعَقِبُ سامة منه.
وقوم يقولون: كان لناجية ولد من غير سامة، وكان سامة متبنِّيا له فنُسِب إليه، فالعقب لذلك الولد.
وأجمعوا جميعا أن سامة بينما هو يسير على ناقته، أي وضعت رأسها ترتع، فأخذت حيَّة بمشفرها في حشيشه فنفضتها، فوقعت على ساق سامة، فنَهَشَتْهُ في ساقه فقتلته، فقال الشاعر " وقيل أن سامة قال ذلك لما أحسَّ بالموت ":
عَيْنٌ بَكِّي لسامة بن لُؤَيٍّ
… عَلِقَتْ ما بِسَامة العَلَاّقَهْ
رُمْتَ دَفْعَ الحتُوف يابنَ لُؤَيٍّ
… ما لمن رَامّ ذاك بالحَتْفِ طاقَهْ
وقد تُخلط هذه الأبيات بالأبيات التي تقدمتها.
فقيل: إن قوماً من ولد سَامة جاءُوا إلى عليٍّ، عليه السلام، فانتسبوا إلى سامة، فقال لهم: إنَّ سامة لم يَدَعْ إلا بنتً يُقال لها: عَاجة، فإن كنتم من ولدها فأنا خالكم.
قال الهيثم: وبلغنا أن رجلا من ولد سامة دخل على علي بن أبي طالب، عليه السلام، فقال: ممَّن الرجل؟ فقال: من قريش، قال: إن قريشا قد فَسَا وضَرَط، فمن أيّهم أنت؟ قال: من بني سَامة بن لُؤيّ، فقال علي، عليه السلام: إنَّ سَامة لا يُولَدُ له، وكانت عنده أَمَةٌ زوَّجها من عبد له أسود، فإن كنت ممن ينتمي إلى سَامة، فأنت من ولد العبد، فأغضب ذلك الرّجُل، وخرج فأخبر قومه، فغاظهم، وكان في جملتهم الخِرِّيت بن راشد السَّامي، فغاظ ذلك الخِرِّيت حتى حمله على مخالفة عليٍّ، عليه السلام.
তিনি বলেন: এরপর তারা আপস করল। ফলে আমির তার পুত্র সাদকে ইয়া'মুর ও সাদের কাছে রাখল—যাদেরকে বানানা বলা হয়—তাদের এক ধাত্রীর কাছে। আর ইয়া'মুর তার এক পুত্রকে সামা বিন লুআইয়ের কাছে রাখল। একদা সামা মদ্যপান করে মাতাল হলেন। তখন সামার একটি ঘোড়ার বাচ্চা সেই বালকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। বালকটি সেটিকে কিছু একটা ছুড়ে মারলে সেটি আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে পড়ে যায়। এতে সামা তাকে তলোয়ার দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেন এবং তার ভাই আমিরের ভয়ে পালিয়ে যান। এভাবে আমিরের পুত্র নিহত হলো এবং এ নিয়ে দুই দলের মধ্যে যুদ্ধ হলো। তখন সামা বিন লুআই তার গোত্রের উদ্দেশ্যে লিখলেন:
কত পেয়ালাই না আমি পান করেছি, এরপর আরও একটি... তা তিক্ত ছিল না এবং তা ফেলে দেওয়াও হয়নি।
নিশাচল যাত্রীদের ক্লান্ত পথচারী হিসেবে ছেড়ে এসেছি... অনেক চেষ্টা, নতুন উদ্যম ও ক্ষিপ্রতার পর।
বিন লুআইয়ের কারণে আমি এক কিশোরীকে বন্দি করেছি... যে ছিল লাবণ্যময়ী, মহৎ ও উজ্জ্বল।
আমির ও কাবের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দাও যে... আমার প্রাণ তাদের সাথে সাক্ষাতের জন্য ব্যাকুল।
যদি ওমানে আমার ঘর হয়, তবে আমি তো... গালিব বংশীয়, কোনো অভাব ছাড়াই আমি বেরিয়ে এসেছি।
ইবনে হাশিম আন-নাহবি থেকে আমাদের কাছে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন: সামার বংশধরদের এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে সামা বিন লুআইয়ের সাথে নিজের বংশপরিচয় তুলে ধরল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: সেই কবি? তখন তার এক সাহাবী বললেন: হে আল্লাহর রাসূল, মনে হচ্ছে আপনি তার এই উক্তিটি বুঝাতে চেয়েছেন:
হে লুআইয়ের পুত্র! মৃত্যুর ভয়ে তুমি কত পেয়ালাই না ঢেলে দিয়েছ... অথচ তা ফেলে দেওয়ার মতো ছিল না।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: হ্যাঁ।
বলা হয় যে, সামা তার ভাই কাবের সাথে মদ্যপান করেছিলেন। তখন তিনি দেখলেন কাব তার স্ত্রীকে চুম্বন করছেন। তিনি এতে অপমান বোধ করলেন এবং ওমানে পালিয়ে গেলেন। এ সম্পর্কে আল-মুসাইয়িব ইবনে আলাস আদ-দুবায়ী বলেন:
সামা তার স্বগোত্রে এমন অবস্থায় ছিল যে... তার জন্য পানাহারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল।
কিন্তু তারা তাকে লাঞ্ছিত করতে চাইল, যা সে পছন্দ করেনি... আর তাদের সেই লাঞ্ছনা থেকে বাঁচার জন্য পৃথিবীতে পলায়নের পথ উন্মুক্ত ছিল।
সামার বংশধরদের ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। হিশাম ও অন্যরা আলী ইবনে আবী তালিব (আলাইহিস সালাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, সামার কোনো উত্তরসূরি বা বংশধর নেই। এ সম্পর্কে একটি সংবাদ রয়েছে যা আমরা ইনশাআল্লাহ পরে উল্লেখ করব। অন্যেরা বলেন: সামার আল-হারিস নামে এক পুত্র ছিল। তার মা ছিলেন তায়াম আল-আদরাম ইবনে গালিবের কন্যা হিন্দ। হিন্দ মারা গেলে তিনি হারিসকে সাথে নিয়ে ওমানে চলে যান।
সামা ওমানে কুদা'আ গোত্রের হফি ইবনে উমরান ইবনে হুলওয়ান ইবনে ইলাফ—যিনি জরম বিন রাব্বান—তার কন্যা নাজিয়াকে বিয়ে করেন। অথবা এটি সমুদ্র উপকূলবর্তী কোনো এক স্থানে হয়েছিল। তার গর্ভে সামার পুত্র গালিব জন্মগ্রহণ করে। গালিব বারো বছর বয়সে মারা যায়। এরপর আল-হারিস বিন সামা 'নিকাহে মাকত' (পিতার মৃত্যুর পর তার স্ত্রীকে বিয়ে করা) প্রথা অনুযায়ী নাজিয়াকে বিয়ে করে। সামার পরবর্তী বংশধররা তার মাধ্যমেই এসেছে।
অন্য একদল লোক বলেন: নাজিয়ার অন্য স্বামীর ঔরসে সন্তান ছিল। সামা তাকে দত্তক নিয়েছিলেন এবং সে সামার দিকেই সম্বন্ধযুক্ত হয়। সুতরাং বংশধারাটি মূলত সেই সন্তানেরই।
সকলে এ বিষয়ে একমত যে, সামা যখন তার উটে চড়ে যাচ্ছিলেন, তখন উটটি ঘাস খাওয়ার জন্য মাথা নিচু করল। এমন সময় ঘাসের মধ্যে থাকা একটি সাপ উটের ওষ্ঠ ধরল। উটটি মাথা ঝাড়া দিলে সাপটি সামার পায়ের নলার ওপর গিয়ে পড়ল এবং দংশন করল। এতেই তার মৃত্যু হয়। কবি বলেন—বলা হয় যে, সামা মৃত্যুর অনুভব করে নিজেই এ কবিতাটি বলেছিলেন:
হে চক্ষু! সামা বিন লুআইয়ের জন্য ক্রন্দন করো... সামার সাথে এক মরণ-ফাঁদ আটকে গেছে।
হে লুআইয়ের পুত্র! তুমি মৃত্যুকে প্রতিহত করতে চেয়েছিলে... কিন্তু যে মৃত্যু চায়, তাকে প্রতিহত করার শক্তি কারো নেই।
কখনো কখনো এই কবিতাগুলো আগের কবিতাগুলোর সাথে মিশিয়ে ফেলা হয়।
বলা হয় যে, সামার বংশধর দাবিদার একদল লোক আলী (আলাইহিস সালাম)-এর কাছে এসে সামার সাথে নিজেদের বংশপরিচয় দিল। আলী তাদের বললেন: সামা কেবল 'আজা' নামক এক কন্যা ছাড়া আর কাউকে রেখে যাননি। তোমরা যদি তার বংশধর হও, তবে আমি তোমাদের মামা (কুরাইশ হওয়ার সূত্রে)।
আল-হাইসাম বলেন: আমাদের কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, সামার বংশধরদের এক ব্যক্তি আলী ইবনে আবী তালিব (আলাইহিস সালাম)-এর কাছে প্রবেশ করল। আলী জিজ্ঞেস করলেন: লোকটি কোন বংশের? সে বলল: কুরাইশ বংশের। আলী বললেন: কুরাইশ তো সংখ্যায় বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ছড়িয়ে পড়েছে, তুমি তাদের কোন শাখার? সে বলল: আমি সামা বিন লুআইয়ের বংশের। তখন আলী (আলাইহিস সালাম) বললেন: সামার তো কোনো সন্তান জন্মেনি। তার এক দাসী ছিল যাকে তিনি তার এক কৃষ্ণবর্ণের দাসের সাথে বিয়ে দিয়েছিলেন। তুমি যদি সামার দিকে সম্বন্ধযুক্ত হতে চাও, তবে তুমি সেই দাসেরই বংশধর। এটি সেই লোকটিকে অত্যন্ত রাগান্বিত করল। সে বেরিয়ে গিয়ে তার গোত্রকে এ খবর জানাল। এতে তারাও ক্ষুব্ধ হলো। তাদের মধ্যে আল-খিররিত ইবনে রাশিদ আস-সামি ছিল। এই ঘটনা খিররিতকে এতটাই ক্ষুব্ধ করল যে, তা তাকে আলী (আলাইহিস সালাম)-এর বিরোধিতা করতে প্ররোচিত করল।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ২৪)
وكان من مخالفته إيَّاه ما حُدِّثنا به عن أبي مِخْنَف، قال: كان الخِرِّيت بن راشد السامي مع عليٍّ، عليه السلام، في ثلثمائة من بني ناجية، شهد معه الجمل بالبصرة، وشَخَصَ معه إلى صِفِّين، فشهد معه الحرب، فلما حُكِّم الحكمان، مَثَلَ بين يدي عليٍّ، رضوان الله عليه، بالكوفة، فقال له: والله لا أطعتُ أَمرك، ولا صَلَّيتُ خلفك، فقال له عليٍّ، عليه السلام: ثكَلَتكَ أمَّك، إذن تعصي ربَّك، وتنكث عهدك، ولا تضرُّ إلا نفسك، ولِمَ تفعل ذلك؟ قال: لأنَّك حكَّمت في الكتاب، وضعُفت عن الحق حين جدَّ الجدُّ، وركنت إلى القوم الذين ظلموا، فأنا عليك زارٍ، وعليهم ناقم. فدعاه عليُّ، عليه السلام، إلى أن يناظره ويفاتحه، فقال: أعود إليك. ثم أتى قومه فأفسدهم، وسار من تحت ليلته من الكوفة.
ولَقيهم رجل مُسلم، يُقال له: زَذَانُ فَرُّوخ، من أهل قرية، يقال لها، نِفَّر، فسألوه عن دينه، فقال: مسلم، ثم سألوه عن عليٍّ. فقال: إمام هُدى. فقطعوه بأسيافهم. ولقوا يهوديّاً، فقال: أنا يهودي، فخَلُّوا سبيله، وقالوا: احفظوا ذِمَّة نَبِيِّكم، وهذا من أعجب ما يكون. فأتبعهم زياد بن خَصَفة، من بني غَنْم الله بن ثَعلبة ابن عُكَابة، من قِبَل عليٍّ، عليه السلام، في كَثْف من الجُند، فلحقهم بالمدار، وقد أراحوا هناك، فدعا زياد الخِرِّيت لأن يَنْتَبِذَا فيتناظرا، فتنحيا حَجْرَةً مع كل واحد منهما خمسة من أصحابه، فناظره، فلم ينجع فيه القول، فاقتتل الجيشان قتالاً شديداً، وحال بينهم الليل، وصاروا إلى الأهواز واستضمُّوا أوباشاً من أعْلاج وأكْراد، ولفيف القبائل. وكتب زياد إلى عليٍّ، عليه السلام، بذلك، فكتب إليه يأمره بالقدوم. وقال مَعْقل بن قَيس الرِّياحي، فقال: أصلح الله أمير المؤمنين، إنَّ لقاءَنا هؤلاء القوم بأعدادهم إبقاء عليهم، والوجه أن تبعث من كل رجل عشرة من المسلمين ليجتاحوهم، فأمره بالشُّخوص، وبَدَرَ معه أهل الكوفة ألفان، فيهم: يزيد بن المُغَفَّل الأَزْدي. وكتب إلى ابن عباس أن يُشْخِص جيشاً إلى الأهواز ليوافوا مَعْقِلاً بها وينضمُّوا إليه، فوجَّه إليه خالد بن مَعْدان الطائي في ألفي رجل من أهل البصرة، فلَحِقوا به، فلما وافَوْا مَعْقلا نهض لمحاربة الخِرِّيت، فاقتتلوا قتالاً شديداً، وقُتل الناجيُّون، وولُّوا منهزمين، حتى لحقوا بأسياف البحر، وبها جماعة من قومهم، بني سامة بن لؤيّ بن عبد القيس، فأفسدهم الخِرِّيت على عليٍّ، عليه السلام، واستضمَّهم إليه، وكتب عليٍّ، عليه السلام، إلى أهل الأسياف، يدعوهم إلى الطاعة، وأمر مَعْقِل بن قيس أن ينصب لهم راية أمان، فنصبها، فانفضَّ عن الخِرَّيت عامَّة أصحابه. وكان الخِرِّيت يوهم الخوارج أنه على رأيهم، ويوهم العثمانيَّة أنه يطلب بدم عثمان.
ثم أن مَعْقِلاً عَبَّأَ أصحابه، وأنشب الحرب، فصبر أصحاب الخِرِّيت ساعة، وحمل النُّعمان بن صُهبان الرَّاسبي " وقيل: الجَرْمي " عليه، فعاركه ساعة ثم قتله، وانفضَّ جمعُه. وكتب مَعْقِل إلى عليٍّ، عليه السلام، كتابا: إِنا نصبنا له راية أمان، فعادت منهم طائفة، وبقيت أخرى، فقاتلناهم، فضرب الله وجوههم، ونَصَرَنَا عليهم، فأَمَّا من كان مسلماً فمنَنَّا عليه، وأخذنا بيعته، وقبضنا صدقة ماله، وأَمَّا مَن ارتدَّ فإنَّا عرضنا عليه الإسلام، إلَاّ رجلاً واحداً قتلناه، وأمَّا النَّصَارى فإنَّا سبيناهم وأقبَلنا بهم، ليكونوا نكالا لمن بعدهم من أهل الذمَّة.
وكان مَصقلة بن هُبيرة عاملاً على أَرْدَشِير خُرَّة، من فارس، فمرَّ بهم، وهم خمسمائة إنسان، فصاحوا: يا أبا الفضل، يا فَكَّاك العُنَاة، وحمَّال الأثقال، وغِياث المُعصَّبين، امْنُن علينا، وافْتَدِنا فأَعْتِقنا. فوجَّه مَصقلة إلى مَعْقِل، فاشتراهم منه.
ويقال:
… وانتَظَرَ بالمال، فسلَّم إليه القوم.
وورد على عليٍّ، عليه السلام، فصوَّبه فيما صنع، وامتنع مَصقلة من البعثة بشيء من المال، وخَلَّى سبيل الأسرى، ثم طولب بالمال طلباً حثيثاً، فاحتال حتى مضى إلى معاوية. فقال عليٌّ، عليه السلام: يرحمه الله، فَعل فِعل السيِّد وفرَّ فِرار العبيد.
আবু মিখনাফ থেকে আমাদের কাছে বর্ণিত তাঁর (খিররীতের) বিরোধিতার একটি ঘটনা হলো: খিররীত ইবনে রাশিদ আস-সামী আলী (আ.)-এর সাথে ছিলেন। তিনি বনু নাজিয়ার তিনশ লোক নিয়ে বসরার জঙ্গে জামাল (উটের যুদ্ধ) এবং সিফফীনের যুদ্ধে তাঁর সাথে অংশগ্রহণ করেছিলেন। যখন দুই সালিশ নিযুক্ত করা হলো, তখন তিনি কুফায় আলী (রা.)-এর সামনে উপস্থিত হয়ে বললেন: "আল্লাহর কসম, আমি আপনার আদেশ মান্য করব না এবং আপনার পেছনে নামাজও পড়ব না।" আলী (আ.) তাকে বললেন: "তোমার মা তোমাকে হারাক, তবে তো তুমি তোমার রবের অবাধ্য হবে এবং তোমার অঙ্গীকার ভঙ্গ করবে; আর এতে তুমি নিজের ছাড়া কারো ক্ষতি করবে না। তুমি কেন এমন করছ?" তিনি বললেন: "কারণ আপনি আল্লাহর কিতাবের ওপর সালিশি মেনে নিয়েছেন এবং যখন সত্যের লড়াই কঠিন রূপ নিল তখন আপনি দুর্বল হয়ে পড়লেন। আর আপনি সেই সম্প্রদায়ের প্রতি ঝুঁকে পড়লেন যারা জুলুম করেছে। তাই আমি আপনার ওপর অসন্তুষ্ট এবং তাদের ওপর রাগান্বিত।" আলী (আ.) তাকে বিতর্ক ও আলোচনার আহ্বান জানালেন। তিনি বললেন: "আমি আপনার কাছে ফিরে আসব।" এরপর তিনি নিজের গোত্রের কাছে গিয়ে তাদের বিপথগামী করলেন এবং রাতের অন্ধকারে কুফা ত্যাগ করলেন।
পথিমধ্যে যাধান ফাররুখ নামক নিফফার গ্রামের এক মুসলিম ব্যক্তির সাথে তাদের দেখা হলো। তারা তাকে তার দ্বীন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন: "মুসলিম।" এরপর তারা আলী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন: "তিনি হিদায়াতের ইমাম।" তখন তারা তাকে তলোয়ার দিয়ে টুকরো টুকরো করে ফেলল। এরপর তারা এক ইহুদির দেখা পেল। সে বলল: "আমি একজন ইহুদি।" তখন তারা তাকে ছেড়ে দিল এবং বলল: "তোমাদের নবীর জিম্মিদের রক্ষণাবেক্ষণ করো।" এটি ছিল অত্যন্ত আশ্চর্যজনক ঘটনা। এরপর আলী (আ.)-এর পক্ষ থেকে বনু গানম ইবনে সালাবা ইবনে উকাবা গোত্রের যিয়াদ ইবনে খাসাফাহ এক বিশাল সৈন্যবাহিনী নিয়ে তাদের পশ্চাদ্ধাবন করলেন। তিনি মাদারে তাদের নাগাল পেলেন, যেখানে তারা বিশ্রাম নিচ্ছিল। যিয়াদ খিররীতকে আলোচনার জন্য একান্তে ডাকলেন। তারা প্রত্যেকে পাঁচজন করে সঙ্গী নিয়ে আলাদা হয়ে কথা বললেন। যিয়াদ তাকে বোঝানোর চেষ্টা করলেন কিন্তু কোনো ফল হলো না। এরপর উভয় বাহিনীর মধ্যে প্রচণ্ড যুদ্ধ হলো। রাত ঘনিয়ে এলে যুদ্ধ থামল। তারা আহওয়াজে চলে গেল এবং সেখানে অনারব দাস, কুর্দি ও বিভিন্ন গোত্রের উচ্ছিষ্ট লোকেদের জড়ো করল। যিয়াদ আলী (আ.)-কে এই খবর লিখে পাঠালেন। জবাবে আলী (আ.) তাকে ফিরে আসার নির্দেশ দিলেন। মা’কিল ইবনে কায়েস আর-রিয়াহি বললেন: "হে আমিরুল মুমিনীন, আল্লাহ আপনার কল্যাণ করুন। আমাদের এই বিপুল সংখ্যক সৈন্য নিয়ে এই লোকদের মোকাবিলা করা তাদের প্রতি দয়া করার শামিল হবে। বরং নিয়ম হলো প্রত্যেক গোত্র থেকে দশজন করে মুসলিম পাঠানো যাতে তারা তাদের নির্মূল করতে পারে।" আলী (আ.) তাকে যাত্রার নির্দেশ দিলেন। তার সাথে কুফার দুই হাজার লোক যোগ দিলেন, যাদের মধ্যে ইয়াযিদ ইবনে মুগাফফাল আল-আযদি ছিলেন। তিনি ইবনে আব্বাসের কাছেও চিঠি লিখলেন যাতে তিনি আহওয়াজে একটি বাহিনী পাঠান মা’কিলকে সাহায্য করার জন্য। ইবনে আব্বাস বসরার দুই হাজার সৈন্যসহ খালিদ ইবনে মাদান আত-তায়ীকে পাঠালেন। তারা মা’কিলের সাথে যোগ দিলেন। মা’কিল পৌঁছালে খিররীতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন। উভয় পক্ষে প্রচণ্ড লড়াই হলো। নাজিয়াহ গোত্রের লোকেরা নিহত হলো এবং অন্যরা পরাজিত হয়ে সমুদ্র উপকূলের দিকে পালিয়ে গেল। সেখানে তাদের গোত্র বনু সামা ইবনে লুয়াই ইবনে আব্দুল কায়েসের একদল লোক ছিল। খিররীত তাদেরও আলী (আ.)-এর বিরুদ্ধে খেপিয়ে তুললেন এবং নিজের দলে ভেড়ালেন। আলী (আ.) উপকূলবাসীদের কাছে আনুগত্যের আহ্বান জানিয়ে চিঠি লিখলেন এবং মা’কিল ইবনে কায়েসকে নিরাপত্তার একটি পতাকা উত্তোলনের নির্দেশ দিলেন। তিনি পতাকা ওড়ালে খিররীতের অধিকাংশ সঙ্গী তাকে ছেড়ে চলে গেল। খিররীত খারিজিদের কাছে প্রকাশ করতেন যে তিনি তাদের মতাদর্শী, আবার উসমানপন্থীদের কাছে প্রকাশ করতেন যে তিনি উসমানের রক্তের প্রতিশোধ নিতে চান।
এরপর মা’কিল তার বাহিনী সুসজ্জিত করে যুদ্ধ শুরু করলেন। খিররীতের সঙ্গীরা কিছুক্ষণ ধৈর্য ধরে লড়াই করল। নু’মান ইবনে সুহবান আর-রাসিবী (মতান্তরে আল-জারমী) তার ওপর হামলা করলেন। কিছুক্ষণ ধস্তাধস্তির পর তিনি তাকে হত্যা করলেন এবং তার দল ছত্রভঙ্গ হয়ে গেল। মা’কিল আলী (আ.)-এর কাছে চিঠি লিখলেন: "আমরা নিরাপত্তার একটি পতাকা উত্তোলন করেছিলাম। ফলে একদল ফিরে এসেছে কিন্তু অন্যরা জেদ ধরে ছিল। আমরা তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি। আল্লাহ তাদের পরাজিত করেছেন এবং আমাদের বিজয় দান করেছেন। যারা মুসলিম ছিল তাদের প্রতি আমরা সদয় হয়েছি এবং তাদের আনুগত্যের বাইয়াত ও মালের জাকাত গ্রহণ করেছি। যারা ধর্মত্যাগী হয়েছিল, আমরা তাদের সামনে ইসলাম পেশ করেছি এবং একজন ছাড়া সবাইকে হত্যা করেছি। আর নাসারাদের আমরা বন্দী করে নিয়ে এসেছি যাতে জিম্মিদের মধ্যে যারা অবাধ্য হবে তাদের জন্য তারা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে।"
মাসকালাহ ইবনে হুবায়রা পারস্যের আরদাশির খুররাহ অঞ্চলের গভর্নর ছিলেন। যখন মা’কিল সেই পাঁচশ বন্দী নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন বন্দীরা চিৎকার করে বলল: "হে আবুল ফজল! হে বন্দিমুক্তিদাতা, হে দায়ভার বহনকারী এবং বিপদগ্রস্তদের সাহায্যকারী! আমাদের ওপর দয়া করুন এবং আমাদের মুক্তিপণের ব্যবস্থা করে আজাদ করে দিন।" মাসকালাহ মা’কিলের কাছে দূত পাঠিয়ে তাদের কিনে নিলেন।
বলা হয়:
... তিনি অর্থের জন্য অপেক্ষা করতে চাইলেন এবং বন্দীদের তার হাতে সোপর্দ করা হলো।
তিনি আলী (আ.)-এর কাছে উপস্থিত হলে আলী তার এই কাজের প্রশংসা করলেন। কিন্তু মাসকালাহ সেই অর্থের কিছুই পাঠাতে অস্বীকৃতি জানালেন এবং বন্দীদের মুক্ত করে দিলেন। এরপর তাকে অর্থের জন্য বারবার তাগাদা দেওয়া হলো। তিনি কৌশলে পালিয়ে মুয়াবিয়ার কাছে চলে গেলেন। তখন আলী (আ.) বললেন: "আল্লাহ তাকে রহম করুন, সে সর্দারদের মতো কাজ করল কিন্তু দাসদের মতো পালিয়ে গেল।"
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ২৫)
وقالوا لعليٍّ، عليه السلام، حين هرب مصقلة: اردُد سبايا بني ناجية إلى الرِّق، فإنك لم تستوفي أثمانهم، فقال، صلَّى الله عليه: ليس ذاك في القضاء، قد عَتَقوا لما أعتقهم مُبتغاهم، وصارت أثمانهم ديناً عليه.
وقال مَصْقلة لما هرب:
لَعمري لئن عاب أهلُ العِرا
… ق عليَّ اتْتِعاشِي بني ناجِيهْ
لقد زِدتُ فيهم لإطْلاقهم
… وغالَيْت إِنْ العُلَا عالِيهْ
قالوا: وكتب وجوه بكر بن وائل إلى مَصقلة يذمُّون رأيه في لحاقه بمعاوية وتَرْكِه عليّاً، عليه السلام، فأقرأ معاوية الكتاب، فقال له: إنك لعندي غير ظنين، فلا عليك أن يفوتني مثل هذا.
وحدَّث عليُّ بن إبراهيم التَّميمي، عن ابن أبي شيخ الغَنوي، عن عبد الله بن المُعتز، عن أحمد بن يحيى بن جابر، قال: حدّضثني عبد الله بن صالح العجلي، قال: حدَّثنا سفيان بن عُيينة: عن عمَّار الدُّهْني، قال: قدمت مكة، فلقيتُ أبا الطُّفَيل عامر بن وائلة الكناني، فقلت: إن قوما يزعمون أن علياً، عليه السلام، سبى بني نَاجية وهو مسلمون، فقال: إن مَعْقل بن قيس الرِّياحي لما فرغ من حرب الخِرِّيت الحرويّ سار على أسياف فارس، فأتى على قوم من بني ناجية، فقال: ما أنتم؟ فقالوا: قوم مسلمون، فتخطَّاهم، ثم أتى قومً آخرين من بني ناجية، فقال: ما أنتم؟ قالوا: نَصَارى، وكُنَّا أسلمنا ثم رجعنا إلى النَّصرانية، لعِلمنا بفضلها على غيرها من الأديان، فوضع فيهم السيف فقتل وسبى، وهم الذين باعهم من مَصقلة بن هُبَيرة الشَّيباني.
ومن بني سَامة: كابِس بن ربيعة بن مالك بن عَديّ بن الأسود ابن جُشَم بن ربيعة بن الحارث بن سامة، كان يُشَبَّه برسول الله، صلى الله عليه وسلم، وكان بالبصرة فبلغ خبره معاوية، فكتب إلى عبد الله بن عامر، عامله على البصرة، أن يوفده عليه مُكرَّماً، فأوفده، فلما دخل إليه نزل عن سريره، وقام فتلقَّاه فقبّل بين عينيه، وأقطعه المَرْغَاب، بالبصرة.
وكان بنو الجَهم بن بدر يدَّعون أنهم من ولد سامة بن لُؤَيّ، وما أدري ما صحة ذلك.
وكان أحمد بن أبي طاهر يرى أنهم أدعياء، وإنَّما هم مَوالٍ لقوم من آل سامة. وما يُوثَق عندي بابن أبي طاهر، لأنني رأيته مُلْهَما بِنَبْز الأشراف، وبتجريح الصِّحَاح، وريته ينفي جماعة عن أنسَابْ هي ثابتة لهم في كتب العلماء، مثل آل.... وآل قحطبة، وآل موسى بن كعب وغيرهم.
وكل شيء في العرب، غير سَامَة بن لُؤَيّ، فإنَّه: أُسامة.
" سَكَن " في طيئ: ى سَكَن بن جُلّ بن حِقّ بن ربيعة " بن عبد رِضى، يقال: سَكَنَ، وسَكْن ".
" سِلْهم ": وفي مَذحج: سِلْهِم بن الحَكَم بن سعد العشيرة، " وسِلْهم ابن نَم رة " بن ناجية بن مُراد.
" سَلَامان ": في طيئ: سَلَامان بن ثُعَل بن عمرو بن الغَوث.
وفي مَذْحِج: سَلَامَان بن الحارث بن عوف بن مُنبِّه بن أَوْد ابن صَعْب.
وفي قُضاعة: سَلَامَان بن سعد " هُذَيم ".
" سَلْمَان ": في مُراد: سَلْمَان بن يَشْكُر بن ناجية بن مراد، رهط عُبيدة السَّلْماني، ساكنة اللام.
" سُلَيْمة ": في عبد القيس: سُلَيْمة بن مالك بن عامر بن الحارث بن أنمار ابن عمرو بن وديعة.
وفي الأزد: سُليمة بن مالك بن فَهم.
" سَلْمة ": وفي عاملة: سَلْمَة، ساكنة اللام، ابن معاوية بن الحارث بن عَدي ابن الحارث بن عَديّ بن الحارث بن مُرة بن أُدَد.
" سَلِمة ": وفي الأنصار: سَلِمة، مكسورة اللام، ابن سعد بن عليٍّ بن أسد ابن ساردة بن تَزيد بن جُشَم بن الخزرج.
وفي جُعفي: سَلِمَة بن عمرو بن ذُهل بن مُرَّان بن جُعفِي.
وفي جُهَيْنَة: سَلِمَة بن نصر بن غَطفان بن قيس بن جُهَيْنَة.
فالذي في الأنصار، وجُعفي، وجُهينَة، كل سَلِماتهم، بالكسر.
" سُوَاءَة ": في أسد: سُواءة بن الحَلاّف بن سعد بن ثَعلبة بن دُودَان بن أسد.
وفيها أيضاً: سُواءة بن سعد بن مالك بن ثعلبة بن دُودَان.
وفي قيس: سُوَاءة بن عامر صَعصَعة.
وفي خَثْعم: سُوَاءة بن أوس مَناة بن ناهس بن عِفرِس بن حَلْف ابن " أفْتَل، وهو " خثعم.
" سَلُول ": في خُزاعة: سَلُول بن كعب بن عمرو بن ربيعة بن حارثة.
وفي قَيس عَيْلان: سَلُول بن صَعْصعة بن معاوية بن بكر بن هوازن.
তারা আলী (আলাইহিস সালাম)-কে বললেন যখন মাসকালাহ পালিয়ে গিয়েছিল: "বনী নাজিয়াহর বন্দীদের পুনরায় দাসত্বের অধীনে ফিরিয়ে আনুন, কারণ আপনি তাদের পূর্ণ মূল্য বুঝে পাননি।" তিনি (তার ওপর আল্লাহর সালাত বর্ষিত হোক) বললেন: "বিচারের রায় এমন নয়; তারা তখনই মুক্ত হয়ে গেছে যখন তাদের মুক্তিকামী ব্যক্তি তাদের মুক্ত করে দিয়েছে, আর তাদের মূল্য এখন সেই ব্যক্তির ওপর একটি ঋণ হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছে।"
এবং মাসকালাহ পালিয়ে যাওয়ার সময় বললেন:
আমার জীবনের কসম! যদি ইরাকবাসী আমার প্রতি বনী নাজিয়াহর প্রতি আমার সহমর্মিতার কারণে দোষারোপ করে …
তবে আমি তাদের মুক্তির জন্য মূল্য বৃদ্ধি করে দিয়েছি এবং আমি চরম সীমা স্পর্শ করেছি যদি উচ্চতা সুউচ্চ হয়। …
বর্ণনাকারীরা বলেন: বকর বিন ওয়াইলের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মাসকালাহ-র কাছে চিঠি লিখে তার মুয়াবিয়ার সাথে যোগ দেওয়া এবং আলী (আলাইহিস সালাম)-কে ত্যাগ করার সিদ্ধান্তের নিন্দা জানালেন। মুয়াবিয়া সেই চিঠিটি পাঠ করলেন এবং তাকে বললেন: "তুমি আমার কাছে মোটেই সন্দেহভাজন নও, সুতরাং আমার পক্ষ থেকে এই জাতীয় কোনো সুযোগ হাতছাড়া হলেও তাতে তোমার কোনো ক্ষতি নেই।"
আলী বিন ইবরাহিম আত-তামিমি ইবনে আবি শাইখ আল-গানোয়ি থেকে, তিনি আব্দুল্লাহ বিন আল-মুতাজ থেকে, তিনি আহমদ বিন ইয়াহইয়া বিন জাবির থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন: আমার কাছে আব্দুল্লাহ বিন সালিহ আল-ইজলি বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমাদের কাছে সুফিয়ান বিন উয়াইনাহ আম্মার আদ-দুহনি থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন: আমি মক্কায় আসলাম এবং আবু তুফাইল আমির বিন ওয়াইলাহ আল-কিনানির সাথে সাক্ষাৎ করলাম। আমি বললাম: একদল লোক দাবি করে যে, আলী (আলাইহিস সালাম) বনী নাজিয়াহ গোত্রকে বন্দী করেছেন অথচ তারা মুসলিম ছিল। তিনি বললেন: মাকাল বিন কাইস আর-রিয়াহি যখন আল-খিররিত আল-হারুরির যুদ্ধ থেকে অবসর নিলেন, তখন তিনি ফারিসের উপকূল ধরে যাত্রা করলেন এবং বনী নাজিয়াহর একদলের কাছে আসলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: "তোমরা কারা?" তারা বলল: "আমরা মুসলিম সম্প্রদায়।" তখন তিনি তাদের ছেড়ে এগিয়ে গেলেন। এরপর তিনি বনী নাজিয়াহর অন্য এক দলের কাছে আসলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন: "তোমরা কারা?" তারা বলল: "আমরা নাসারা (খ্রিস্টান), আমরা ইসলাম গ্রহণ করেছিলাম কিন্তু পরে আবার খ্রিস্টধর্মে ফিরে এসেছি, কারণ আমরা অন্য সব ধর্মের চেয়ে এর শ্রেষ্ঠত্ব সম্পর্কে জানতে পেরেছি।" তখন তিনি তাদের বিরুদ্ধে তরবারি ধারণ করলেন, ফলে অনেককে হত্যা করলেন এবং অনেককে বন্দী করলেন। এরাই ছিল তারা যাদেরকে মাসকালাহ বিন হুবাইরাহ আশ-শাইবানি কিনে নিয়েছিলেন।
বনী সামাহ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন: কাবিস বিন রাবিয়াহ বিন মালিক বিন আদি বিন আল-আসওয়াদ বিন জুশাম বিন রাবিয়াহ বিন আল-হারিস বিন সামাহ। তাকে দেখতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মতো মনে হতো। তিনি বসরায় ছিলেন, তার সংবাদ মুয়াবিয়ার কাছে পৌঁছালে তিনি বসরার গভর্নর আব্দুল্লাহ বিন আমিরের কাছে চিঠি লিখলেন যেন তাকে সসম্মানে তার কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তাকে পাঠানো হলো; যখন তিনি তার কাছে প্রবেশ করলেন, তখন তিনি (মুয়াবিয়া) তার আসন থেকে নেমে আসলেন এবং দাঁড়িয়ে তাকে অভ্যর্থনা জানালেন, অতঃপর তার দুই চোখের মাঝখানে চুম্বন করলেন এবং বসরার মারগাব অঞ্চলটি তাকে জায়গির হিসেবে দান করলেন।
বনী জাহম বিন বদর দাবি করত যে তারা সামাহ বিন লুয়াই-এর বংশধর, কিন্তু এর সত্যতা সম্পর্কে আমি জানি না।
আহমদ বিন আবি তাহির মনে করতেন যে তারা বংশমর্যাদার মিথ্যা দাবিদার, বরং তারা ছিল সামাহ পরিবারের কোনো এক দলের অনুগত বা আযাদকৃত দাস (মাওয়ালি)। ইবনে আবি তাহিরের বক্তব্য আমার কাছে নির্ভরযোগ্য নয়, কারণ আমি তাকে উচ্চবংশীয়দের প্রতি অপবাদ দিতে এবং বিশুদ্ধ বংশতালিকাগুলোকে ত্রুটিযুক্ত করতে প্ররোচিত হতে দেখেছি। আমি তাকে দেখেছি যে তিনি একদল লোককে এমন সব বংশপরিচয় থেকে খারিজ করে দিচ্ছেন যা উলামাদের কিতাবসমূহে তাদের জন্য সুপ্রতিষ্ঠিত, যেমন আল-... বংশ, আল-কাহতাবাহ বংশ, আল-মুসা বিন কাব বংশ এবং অন্যান্যরা।
আরবদের মাঝে সামাহ বিন লুয়াই ব্যতীত অন্য যা কিছু আছে, তা হলো: উসামাহ।
তাই গোত্রের "সাকান": সাকান বিন জুল বিন হিক বিন রাবিয়াহ বিন আবদে রিদা; একে সাকান এবং সাক্ন (লাম বর্ণে সুকুনসহ) উভয়ই বলা হয়।
"সিলহাম": মাজহিজ গোত্রে রয়েছে: সিলহাম বিন আল-হাকাম বিন সাদ আল-আশিরাহ এবং সিলহাম বিন নামরাহ বিন নাজিয়াহ বিন মুরাদ।
"সালামন": তাই গোত্রে রয়েছে: সালামন বিন সুয়াল বিন আমর বিন আল-গাওস।
মাজহিজ গোত্রে রয়েছে: সালামন বিন আল-হারিস বিন আউফ বিন মুনাব্বিহ বিন আওদ বিন সাব।
কুদাআহ গোত্রে রয়েছে: সালামন বিন সাদ "হুযাইম"।
"সালমান": মুরাদ গোত্রে রয়েছে: সালমান বিন ইয়াশকুর বিন নাজিয়াহ বিন মুরাদ; এরা উবাইদাহ আস-সালমানির গোত্র, এখানে 'লাম' বর্ণটি সাকিন (সুকুনযুক্ত)।
"সুলাইমাহ": আব্দুল কায়স গোত্রে রয়েছে: সুলাইমাহ বিন মালিক বিন আমির বিন আল-হারিস বিন আনমার বিন আমর বিন ওয়াদিয়াহ।
আযদ গোত্রে রয়েছে: সুলাইমাহ বিন মালিক বিন ফাহম।
"সালমাহ": আমিলাহ গোত্রে রয়েছে: সালমাহ (লাম বর্ণে সুকুনসহ), ইনি মুয়াবিয়া বিন আল-হারিস বিন আদি বিন আল-হারিস বিন আদি বিন আল-হারিস বিন মুররাহ বিন উদাদ-এর পুত্র।
"সালিমা": আনসারদের মধ্যে রয়েছে: সালিমা (লাম বর্ণে কাসরা বা জেরসহ), ইনি সাদ বিন আলী বিন আসাদ বিন সারাদাহ বিন তাযিদ বিন জুশাম বিন আল-খাজরাজ-এর পুত্র।
জুফি গোত্রে রয়েছে: সালিমা বিন আমর বিন যুহল বিন মুররান বিন জুফি।
জুহাইনা গোত্রে রয়েছে: সালিমা বিন নাসর বিন গাতফান বিন কাইস বিন জুহাইনা।
সুতরাং আনসার, জুফি এবং জুহাইনা গোত্রের মাঝে যত "সালিমা" রয়েছে, তাদের সবারই 'লাম' বর্ণটি কাসরা (জের) দিয়ে পড়তে হয়।
"সুওয়াহ": আসাদ গোত্রে রয়েছে: সুওয়াহ বিন আল-হাল্লাফ বিন সাদ বিন সালাবাহ বিন দুদান বিন আসাদ।
সেখানে আরও রয়েছে: সুওয়াহ বিন সাদ বিন মালিক বিন সালাবাহ বিন দুদান।
কাইস গোত্রে রয়েছে: সুওয়াহ বিন আমির সা’সাআহ।
খাসআম গোত্রে রয়েছে: সুওয়াহ বিন আউস মানাত বিন নাহিস বিন ইফরাস বিন হালফ বিন আফতাল, আর আফতালই হলো খাসআম।
"সালুল": খুজাআহ গোত্রে রয়েছে: সালুল বিন কাব বিন আমর বিন রাবিয়াহ বিন হারিসাহ।
কাইস আইলান গোত্রে রয়েছে: সালুল বিন সা’সাআহ বিন মুয়াবিয়া বিন বকর বিন হাওয়াযিন।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ২৬)
وفي قُضاعة: سَلُول بن زِبَان " مُخفَّفة " بن امرؤ القيس ابن ثعلبة بن مالك بن كِنانة بن القَيْن بن جَسْر.
" سَحْمَة ": في كَلْب: سَحْمَة بنت كعب بن عمرو بن عمرو بن غسَّان، بها يُعرَف ولدها، وهم: كعب، وبكر، والعَكامِس، بنو عوف بن عامر الأكبر بن عوف بن بكر بن عوف بن عُذرة بن زيد اللآَّت رن رُفَيدة ابن ثور بن كَلب.
" وفي بَجيلة: سَحْمة بن سعد بن عبد الله بن قُداد بن لُؤيّ بن رُهْم ابن معاوية بن زيد الغَوث بن أنمار ".
وفي قيس: سَحْمَة بن هِلال بن خَلاوَة بن سُبَيْع بن بكر بن أشْجع ابن رَيْث.
" سَيْبان ": في حِمْيَر: سَيْبان بن الغوث بن سعد بن عوف، " بن عَديّ بن مالك ابن زيد بن سَهل بن عمرو بن قيس بن معاوية بن جُشَم بن شَمس ابن وائل بن الغَوث بن حَيْدان بن قَطَن بن عَريب بن زهير بن أيمن ابن الهَمَيْسع بن حِمْيَر ".
وكل شيء في العرب: شَيْبان، ب
الشين المُعجَّمة، " إلَاّ في حِمْيَر ".
الشين
" شَحْب ": في نَهد: شَحْب بن مُرة بن زويّ بن مالك بن نُهد.
" شَجْب ": في كَلْب: الشَّجْب، بالجيم، وهو عوف بن عبد وُدّ بن عوف ابن كنانة.
" شِجْع ": في كنانة: شِجْع بن عامر بن لِيث بن بكر بن عبد مَناة بن كِنانة، كان الوليد بن المغيرة مُسْتَرضَعاً فيهم، فسقط في بئر فمات، فجاءت الشِّجْعيّة فدَشَّت ابنها مكانه.
ويقال: سقط ابن الشَّجْعيَّة بمكة في بئر، فقال: أنا أخو شَجع " حين أُخرِج "، فقال له أخوه: أنا أخوك الأشجع.
" شَقِرَة ": في تَميم: شَقِرَة، وهو معاوية بن الحارث بن تَميم.
وشَقِرَة بن نَبت بن أُدَد، أخو عدنان.
وفي ضبة: شَقِرَة بن ربيعة بن كعب بن سعد بن ضَبَّة.
" شقْرة ": وفي عبد القيس: شُقْرَة بن نُكْرة بن لُكَيْز بن أفصى، وسُمِّي: شُقْرَة، لبيت قاله:
وقد أحْمِلُ الرُّمْحَ الأصمَّ كُعوبُه
… به من دماءِ القوم كالشَّقِرَاتِ
وهي شقائق، لأن النُّعمان بنى مجلساً وسمَّاه: ضاحكا، وغَرس فيه الشّضقرات.
" شَكَلُ ": في بني عامر: شَكَل بن الحَريش بن كعب بن ربيعة بن عامر ابن صَعْصَعة بن معاوية بن بكر بن هَوازن.
منهم: ذو الغُصَّة، سُمِّي بذلك لغُصَّة كانت في " حلقِه " وهو عامر بن مالك بن الأَسْلَع بن شَكَل.
قالوا: كان سيِّد بني عامر زمانه، وهو الذي شَتَم زُفَر بن الحارث " ابن عبد عمرو "، وتفاخرا عند عبد الملك بن مروان.
وكانت بنو عَبْس قد فارقت بني ذُبيان، وحصلوا مع بني عامر، فقال النابغة في ذلك، يُعيِّر عِبْساً باعتزالهم عن قومهم:
جَزَى الله عَبْساً والجزاءُ بكفِّه
… جَزَاءَ الكِلَابِ العاوياتِ وتدفَعَل
فأَصبحتم واللهُ يفعلُ ذلكمْ
… يَنِيك النِّساءَ المُرضِعات بَنُو شَكَلْ
إذا شاءَ منهم ناشئ دَرْبَخَت له
… لَطِيفَةُ طَيِّ الكَشْحِ رابيةُ الكَفَلْ
فلم يزل لهذا وأشباهه حتى ردّضهم إلى قومهم، في حديث طويل لا يقتضي الاختصار ذكره.
وفي بني شَكَل هؤلاء يقول زيد الخيل " الطائي "، الذي سمَّاه رسول الله، صلى الله عليه وسلم " وعلى آله ": زيد الخَيْر.
لو كُنْتُ أَنْهَضُ في مُلَمْلَةٍ
… شُمِّ المفاخر من بني قُرْدِ
أو مِن بني شَكَل الَّذين هُمُ
… مَنَعوا الحَريمَ بأذرُع سُبْط
لكنَّما قَوْمي هُمُ حَذَفٌ
… يَرْغَبْنَ في أَشْبٍ من الخَيْط
حَذَف: جِدَاءٌ صِغَار.
وفي كَلب بن وَبَرة: شَكَل بن يَربوع بن الحارث بن عُرَيْنَة بن ثور ابن كَلب.
منهم: هند بنت مُسلم بن شَكَل، تزوَّجها الحارث بن زهير ابن وَذَم بن وَهَب بن اللَاّت بن رُفَيدة بن ثَور بن كَلب، وقال فيها:
وقالوا من نكحتَ فقلتُ: خَيْراً
… عَجُوزاً من عُرَيْنَة ذاتَ مالِ
نَكحتُ عُجَيِّزاً " ونُقِدتُ أَلفاً
… كذاكَ " البَيْعُ مُرتَخصٌ وغال
ولها يقول الحارث أيضاً:
أعطيتها من مَهرِها دُهْدَرَّيْن
… فما لها عندي سواه من دَيْنْ
غيرُ جدَِلين وغير خُفَّيْن
… وَوَصْوَصٌ مَتَّعَها ابنُ القَيْنْ
ثم طلقها.
قال هشام:
আর কুযাআহ গোত্রে: সালুল ইবনে জিবান (তাশদীদ বিহীন 'ব') ইবনে ইমরুল কায়েস ইবনে সালাবা ইবনে মালিক ইবনে কিনানাহ ইবনে কাইন ইবনে জাসর।
"সাহমাহ": কালব গোত্রে: সাহমাহ বিনতে কাব ইবনে আমর ইবনে আমর ইবনে গাসসান। তার মাধ্যমেই তার সন্তানরা পরিচিত, তারা হলেন: কাব, বকর এবং আল-আকামিস—আউফ ইবনে আমির আল-আকবার ইবনে আউফ ইবনে বকর ইবনে আউফ ইবনে উযরা ইবনে যায়েদ আল-লাত ইবনে রুফাইদা ইবনে সাওর ইবনে কালবের পুত্রগণ।
"আর বাজিলাহ গোত্রে: সাহমাহ ইবনে সাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে কুদাদ ইবনে লুওয়াই ইবনে রুহম ইবনে মুআবিয়া ইবনে যায়েদ আল-গাওস ইবনে আনমার।"
আর কায়েস গোত্রে: সাহমাহ ইবনে হিলাল ইবনে খালাওয়াহ ইবনে সুবাই ইবনে বকর ইবনে আশজা ইবনে রাইস।
"সাইবান": হিময়ার গোত্রে: সাইবান ইবনে আল-গাওস ইবনে সাদ ইবনে আউফ, "ইবনে আদি ইবনে মালিক ইবনে যায়েদ ইবনে সাহল ইবনে আমর ইবনে কায়েস ইবনে মুআবিয়া ইবনে জাশাম ইবনে শামস ইবনে ওয়ায়িল ইবনে আল-গাওস ইবনে হায়দান ইবনে কাতান ইবনে আরিব ইবনে জুহাইর ইবনে আয়মান ইবনে আল-হামাইসা ইবনে হিময়ার।"
আর আরবদের মাঝে (অন্য সব নাম) হলো: শায়বান, নুকতাযুক্ত
শীন দিয়ে, "কেবল হিময়ার গোত্র ব্যতীত"।
শীন
"শাহাব": নাহদ গোত্রে: শাহাব ইবনে মুররাহ ইবনে জুওয়াই ইবনে মালিক ইবনে নাহদ।
"শাজাব": কালব গোত্রে: আশ-শাজাব, 'জীম' দিয়ে, তিনি হলেন আউফ ইবনে আব্দু উদ্দ ইবনে আউফ ইবনে কিনানাহ।
"শিজ'": কিনানাহ গোত্রে: শিজ' ইবনে আমির ইবনে লাইস ইবনে বকর ইবনে আব্দু মানাত ইবনে কিনানাহ। ওয়ালিদ ইবনে আল-মুগিরা তাদের মাঝে স্তন্যপান করার জন্য লালিত-পালিত হচ্ছিলেন, পরে তিনি একটি কূপে পড়ে মারা যান। তখন শিজ'য়ী মহিলাটি তার পরিবর্তে নিজের ছেলেকে সেখানে রেখে দেন।
বলা হয় যে, শিজ'য়ী মহিলার পুত্র মক্কায় এক কূপে পড়ে গিয়েছিল, তখন তাকে যখন বের করা হচ্ছিল সে বলেছিল: "আমি শিজ'-এর ভাই"। তখন তার ভাই তাকে বলেছিল: "আমি তোমার আল-আশজা ভাই।"
"শাক্বিরাহ": তামীম গোত্রে: শাক্বিরাহ, তিনি হলেন মুআবিয়া ইবনে আল-হারিস ইবনে তামীম।
আর শাক্বিরাহ ইবনে নাবত ইবনে উদাদ, আদনানের ভাই।
আর দাব্বাহ গোত্রে: শাক্বিরাহ ইবনে রাবিয়া ইবনে কাব ইবনে সাদ ইবনে দাব্বাহ।
"শুক্বরাহ": আর আব্দুল কায়েস গোত্রে: শুক্বরাহ ইবনে নুকরাহ ইবনে লুকাইয ইবনে আফসা। তার নাম 'শুক্বরাহ' রাখা হয়েছিল তার বলা একটি পঙ্ক্তির কারণে:
আমি নিরেট বর্শা বহন করি... যাতে মানুষের রক্ত লাল ফুলের মতো লেগে থাকে।
তা হলো লাল ফুল (শাক্বায়িক্ব), কারণ নুমান একটি সভার স্থান নির্মাণ করে তার নাম রেখেছিলেন 'দাহিক' (হাস্যোজ্জ্বল) এবং সেখানে লাল ফুল রোপণ করেছিলেন।
"শাকাল": বনু আমির গোত্রে: শাকাল ইবনে আল-হারিশ ইবনে কাব ইবনে রাবিয়া ইবনে আমির ইবনে সা'সাআ ইবনে মুআবিয়া ইবনে বকর ইবনে হাওয়াযিন।
তাদের অন্তর্ভুক্ত: যুল গুসসাহ, তার গলায় ঘড়ঘড়ে শব্দ হওয়ার কারণে তাকে এই নাম দেওয়া হয়েছিল। তিনি হলেন আমির ইবনে মালিক ইবনে আল-আসলা ইবনে শাকাল।
তারা বলেন: তিনি তার সময়ের বনু আমিরের নেতা ছিলেন। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি জুফার ইবনে আল-হারিস ইবনে আব্দু আমরকে গালি দিয়েছিলেন এবং তারা আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ানের দরবারে নিজেদের বংশীয় মর্যাদা নিয়ে বিবাদ করেছিলেন।
বনু আবস গোত্র বনু যুবইয়ান গোত্র থেকে আলাদা হয়ে বনু আমিরের সাথে যোগ দিয়েছিল। এ সম্পর্কে আন-নাবিগাহ বনু আবসকে তাদের স্বগোত্র ত্যাগ করার জন্য তিরস্কার করে বলেছিলেন:
আল্লাহ আবসকে প্রতিফল দিন—আর প্রতিফল তো আল্লাহর হাতেই—ঘেউ ঘেউ করা কুকুরের প্রতিফলের মতো, যা তাড়িয়ে দেওয়া হয়।
তোমরা এমন হয়েছ—আর আল্লাহই তা করেন—যে শাকাল বংশের পুরুষরা স্তন্যদানকারী মহিলাদের সাথে মিলিত হয়।
তাদের মধ্য থেকে কোনো কিশোর যখনই ইচ্ছা করে, তখন সেই নারী তার সামনে নুইয়ে পড়ে, যার কোমর সরু আর নিতম্ব ভারী।
এই কবিতা এবং এই জাতীয় অন্যান্য কারণে শেষ পর্যন্ত তারা তাদের স্বগোত্রে ফিরে আসে। এটি একটি দীর্ঘ ঘটনা যা সংক্ষেপে উল্লেখ করার মতো নয়।
এই বনু শাকাল সম্পর্কেই যায়েদ আল-খাইল আত-তাঈ বলেছিলেন, যাঁকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর পরিবারের ওপর শান্তি বর্ষিত হোক "যায়েদ আল-খায়র" নামে অভিহিত করেছিলেন:
আমি যদি বনু কুরদ-এর মহান গৌরবমণ্ডিত শক্তিশালী দলের সাথে অগ্রসর হতাম,
অথবা বনু শাকালের সাথে, যারা সুগঠিত বাহু দিয়ে সম্মান রক্ষা করেছিল,
কিন্তু আমার স্বগোত্র হলো ছোট ছাগলের ছানার মতো... যারা সুতার জট পাকানোতে আগ্রহী।
হাফায: ছোট ছোট পাঠার বাচ্চা।
আর কালব ইবনে ওয়াবারাহ গোত্রে: শাকাল ইবনে ইয়ারবু ইবনে আল-হারিস ইবনে উরাইনাহ ইবনে সাওর ইবনে কালব।
তাদের অন্তর্ভুক্ত: হিন্দ বিনতে মুসলিম ইবনে শাকাল, তাকে আল-হারিস ইবনে জুহাইর ইবনে ওয়াম ইবনে ওয়াহাব ইবনে আল-লাত ইবনে রুফাইদা ইবনে সাওর ইবনে কালব বিয়ে করেছিলেন এবং তার সম্পর্কে বলেছিলেন:
লোকেরা জিজ্ঞেস করল তুমি কাকে বিয়ে করেছ? আমি বললাম: এক কল্যাণকে... উরাইনাহ গোত্রের এক সম্পদশালী বৃদ্ধাকে।
আমি এক বৃদ্ধাকে বিয়ে করেছি এবং এক হাজার (মোহরানা) পেয়েছি... এভাবেই বেচাকেনা কখনো সস্তা আবার কখনো দামী হয়।
তার সম্পর্কে হারিস আরও বলেন:
আমি তাকে মোহরানা হিসেবে দিয়েছি তুচ্ছ কিছু... তাই আমার কাছে তার আর কোনো পাওনা নেই।
কেবল দুটি বর্শা ও দুটি মোজা ছাড়া... এবং এক তুচ্ছ বস্ত্র যা তাকে ইবনে আল-কাইন দিয়েছিল।
তারপর তিনি তাকে তালাক দেন।
হিশাম বলেন:
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ২৭)
وهو أوَّلُ من طَلَّق من قُضاعة، وكان تكطليقه إيَّاها بعد أن ولدت له هَنِيَّة، وعبد بكر، فأُثْبِتوا في بني الحارث بن زُهَير بن َيم بن أُسامة ابن مالك بن بكر بن حبيب بن تَغْلِب.
" شَلَل ": في كَلْب: الشَّلَل، " بلامين، ابن زيد اللات بن رُفَيدة بن ثور ابن خالد بن وَبَرة، بطن مع " بني عبد وُدّ بن عوف بن كِنانة.
ومنهم: مُعاذ بن عُقبة بن وَهَب، كان أكثر كَلبيٍّ مالاً " بِقنَّسْرين ".
الصاد" صَرِد ": في بني عمرو بن تَميم: صَرِدُ بن سَلامة بن غُوَيّ بن جُرْأَة " ابن أُسَيِّد "، بفتح الصاد وكسر الراء.
" صُرَد ": في قَيس عَيلان، صِرْمَة بن مُرَّة بن عوف بن سعد بن ذُبيان وابنه: ضُرْمة، بضاد مُعجمة مضمومة.
" صُبَاح ": في عَنزة: صُبَاح بن عَتِيك بن أسْلَم بن يَذْكُر بن عَنَزة.
وفي عبد القيس: صُبَاح بن لُكَيْز بن أَفْصَى.
وفي ضَبَّة: صُبَاح بن طَرِيف بن زيد بن عمرو بن عامر بن ربيعة ابن ثَعلبة بن سعد بن ضَبَّة.
وفي بني نمير: صُبَاح بن عُزيز، ومن بني معاوية بن ظالم، رجل فارس فاضل.
وما كان سوى هذا، فالصَّبَّاح، بالنشديد والفتح.
" الصَّحصَح ": في تَميم: بنو الصَّحْصَح، وهم: بنو عامر بن زيد مناة بن تَميم، " وبنو حُصَين، ويزيد "، ابني عامر.
وفي طيئ: بنو الصَّحْصَح بن مالك بن عمرو بن ثُمامة بن مالك بن جَدْعَاء.
" صُحْب ": في خَثْعم: صُحْبُ بن المُخَبَّل بن عامر بن ربيعة بن عامر بن سعد.
وفي قُضاعة: صُحْب بن ثور بن كَلْب.
" صَحْب ": في باهلة: صَحْبُ بن سعد بن عبد بن غَنْم بن قُتَيبة بن معن.
الضاد" ضَبَّة ": في مُضَر: ضَبَّة بن أُدّ بن طابخة، العمارة الكبيرة المعروفة.
منهم: باسل بن ضَبَّة بن أُدّ، أبو الدَّيلم جمعاء، في قول النَّسابين.
" وضَبّة "، عندي، أشعر قبائل العرب على الجملة، ولعل المُختار من شعرهم وأخبارهم يمُرُّ بك في كتاب " أدب الخواصِّ " إلى أن شاء الله تعالى.
" ولئلَاّ يخلو هذا الموضع من ذكر لهم ما، نكتب هذه القطعة ".
أَلَا آذَنَتْني بالتَّفَرُّقِ جَارَتِي
وفي هُذيل: ضَبَّة بن عمرو بن الحارث بن تَميم بن سعد بن هُذيل ابن " مُدْرِكَة ".
وفي قريش: ضَبَّة بن الحارث بن فِهْر، أبو عُبيدة عامر بن عبد الله ابن الجَرَّاح.
" ضِنَّة ": في قُضاعة: ضِنَّة بن سعد، وهو المعروف " بسعد " هُذيم، " لعَبْد " حَضَنة، يقال له: هُذَيم، وهو: " سعد " بن زيد بن ليث ابن سُود بن أسْلَم بن الحافي بن قُضاعة.
وكان لتميم بن ضنَّة ابن اسمه: يربوع، من امرأة من بَليّ، فمات عنها فتزوجها بعده غَيْظ بن مُرَّة بن عوف بن سعد بن ذُبيان، فذهبت بيربوع، فانتسب إلى غَيْظ بن مرَّة، فلذلك قال النَّابغة الذُبياني يخاطب يزيد بن سنان بن أبي حارثة المُرِّيّ، في قصة قد استقصينا ذكرها في كتاب " أدب الخواصِّ ":
ولحقتُ بالنَّسَب الَّذي عَيَّرْتَني
… وتركتُ أصلك يا يزيد ذَمِيما
حَدِبَتْ عَليَّ بُطونُ ضِنَّة كلُّها
… إنْ ظَالماً منهم وإنْ مظلوما
وفيها أيضا: ضَنَّة بن عبد كبير بن عُذْرَة بن سعد هُذَيم، منهم: بنت عُذرة. وفيهم أخوة قصيّ بن كلاب بن مرَّة بن كعب ابن لؤيّ بن غالب.
وفيهم: جميل بن عبد الله بن معمر بن الحارث بن الخَيَبرِيّ ابن ضُبيان. وهو ضَبِيس بن حُنّ بن ربيعة بن حَرَام بن ضنَّة، صاحب أم عبد الملك بثينة بنت حُبِّي بن ثعلبة بن الهَوذ بن عمرو بن الأحَب ابن حُنّ، التي يقول فيها:
إن بني عَمَّك أوْعَدُوني
… أن يَقْطَعوا رَأْسِيَ إذ لَقوني
ويَقتلوني ثم لا يَدُوني
… قد عَلِم الأعداءُ أنَّ دوني
ضرباً كإِيزاغ المَخاض الجُونِ
… أَنْمَى إلى عاديَّةٍ زَبُونِ
يَنْشَقُّ عنها السَّيْلُ ذُو الشُّجون
ومن قوله لها:
قالت بثينة ما تُبالي هَجْرَنَا
… وَبَلَى ورَبِّك إنَّني لا أُبَالِي
صَدَأُ الحديد بِمَنكبيّ كأنَّني جَمَلٌ
… تَغشِّهُ المنيَّةُ طالِي
أَبُثَيْنُ هَلْ تدرين كم كَلَّفْتِني
… من عَقْر ناجية وحَرْب مُواليِ
وبثينة، شاعرة، والبتان النونيان معروفان لها.
তিনি ছিলেন কুদাআ গোত্রের মধ্যে প্রথম ব্যক্তি যিনি তালাক দিয়েছিলেন। তাঁর তালাক প্রদান ছিল হানিয়্যাহ এবং আবদ বকর তাঁর গর্ভে জন্ম নেওয়ার পর। অতঃপর তাঁদেরকে বনু হারিস বিন জুহাইর বিন ইয়াম বিন উসামা বিন মালিক বিন বকর বিন হাবীব বিন তাগলিব-এর বংশে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
"শালাল": কালব গোত্রের মধ্যে: আশ-শালাল, দুই 'লাম' যোগে, যায়িদ আল-লাত বিন রুফাইদাহ বিন সাওর বিন খালিদ বিন ওয়াবারাহ এর পুত্র। এটি বনু আবদ উদ বিন আউফ বিন কিনানার সাথে একটি উপগোত্র।
তাদের মধ্যে রয়েছেন: মুআয বিন উকবাহ বিন ওয়াহাব, যিনি কিননাসরিনে কালবীদের মধ্যে সর্বাধিক সম্পদের অধিকারী ছিলেন।
সদ"সারিদ": বনু আমর বিন তামীম গোত্রে: সারিদ বিন সালামাহ বিন গুওয়াই বিন জুরআহ ইবনে উসাইয়িদ, সোয়াদ বর্ণে ফাতহা এবং রা বর্ণে কাসরা সহকারে।
"সুরাদ": কায়স আয়লান গোত্রে: সিরমাহ বিন মুররাহ বিন আউফ বিন সাদ বিন যুবইয়ান এবং তাঁর পুত্র: যুরমাহ, নুকতাযুক্ত যদ বর্ণে যম্মাহ সহকারে।
"সুবাহ": আনাজাহ গোত্রে: সুবাহ বিন আতিক বিন আসলাম বিন ইয়াযকুর বিন আনাজাহ।
এবং আবদ আল-কায়স গোত্রে: সুবাহ বিন লুকায়য বিন আফসা।
এবং দাব্বাহ গোত্রে: সুবাহ বিন তারিফ বিন যায়িদ বিন আমর বিন আমির বিন রাবিআহ ইবনে সালাবাহ বিন সাদ বিন দাব্বাহ।
এবং বনু নুমাইর গোত্রে: সুবাহ বিন উযাইয, এবং বনু মুআবিয়া বিন জালিম থেকে, তিনি ছিলেন একজন শ্রেষ্ঠ বীর ও গুণী ব্যক্তি।
এ ছাড়া যা আছে, তা হলো সাব্বাহ, তাশদীদ এবং ফাতহা সহকারে।
"সাহসাহ": তামীম গোত্রে: বনু সাহসাহ, তারা হলো: বনু আমির বিন যায়িদ মানাত বিন তামীম এবং আমির-এর দুই পুত্র বনু হুসাইন ও ইয়াযীদ।
এবং তাই গোত্রে: বনু সাহসাহ বিন মালিক বিন আমর বিন সুমামাহ বিন মালিক বিন জাদআ।
"সুহব": খাশআম গোত্রে: সুহব বিন আল-মুখাব্বাল বিন আমির বিন রাবিআহ বিন আমির বিন সাদ।
এবং কুদাআ গোত্রে: সুহব বিন সাওর বিন কালব।
"সাহব": বাহিলাহ গোত্রে: সাহব বিন সাদ বিন আবদ বিন গানম বিন কুতাইবাহ বিন মান।
যদ"দাব্বাহ": মুদার গোত্রে: দাব্বাহ বিন উদ্দ বিন তাবিখাহ, যা একটি সুপরিচিত বড় শাখা।
তাঁদের মধ্যে রয়েছেন: বাসিল বিন দাব্বাহ বিন উদ্দ, যিনি বংশতাত্ত্বিকদের মতে আবু আল-দাইলাম জামআ।
এবং আমার মতে 'দাব্বাহ' হলো সামগ্রিকভাবে আরবদের সর্বাধিক কাব্যমনা গোত্র। সম্ভবত আল্লাহ তাআলা চাইলে তাদের কবিতা ও সংবাদ থেকে বাছাইকৃত অংশ 'আদাবুল খাওয়াছ' কিতাবে আপনার সামনে আসবে।
"এই স্থানটি যেন তাদের সামান্যতম উল্লেখ থেকে খালি না থাকে, তাই আমরা এই অংশটুকু লিখছি।"
সাবধান! আমার প্রতিবেশী আমাকে বিচ্ছেদের সংবাদ দিয়েছে।
এবং হুযাইল গোত্রে: দাব্বাহ বিন আমর বিন আল-হারিস বিন তামীম বিন সাদ বিন হুযাইল ইবনে মুদরিকাহ।
এবং কুরাইশ গোত্রে: দাব্বাহ বিন আল-হারিস বিন ফিহর, যিনি আবু উবাইদাহ আমির বিন আবদুল্লাহ ইবনুল জাররাহ-এর পূর্বপুরুষ।
"যিননাহ": কুদাআ গোত্রে: যিননাহ বিন সাদ, যিনি 'সাদ হুযাইম' নামে পরিচিত। কারণ তাঁর এক লালনকারী গোলাম ছিল যার নাম ছিল হুযাইম। তিনি হলেন সাদ বিন যায়িদ বিন লাইস ইবনে সূদ বিন আসলাম বিন আল-হাফি বিন কুদাআ।
তামীম বিন যিননাহ-এর ইয়ারবু নামে এক পুত্র ছিল বালি গোত্রের এক মহিলার গর্ভে। তামীম মৃত্যুবরণ করলে গইজ বিন মুররাহ বিন আউফ বিন সাদ বিন যুবইয়ান তাকে বিয়ে করেন। তিনি ইয়ারবুকে সাথে করে নিয়ে যান, ফলে সে গইজ বিন মুররাহ-এর বংশের দিকে সম্বন্ধযুক্ত হয়ে যায়। এ কারণেই নাবিগাহ যুবইয়ানি ইয়াযীদ বিন সিনান বিন আবি হারিসাহ আল-মুরি-কে সম্বোধন করে বলেছেন—যে ঘটনা আমরা 'আদাবুল খাওয়াছ' গ্রন্থে সবিস্তারে উল্লেখ করেছি:
আমি সেই বংশের সাথে মিলিত হয়েছি যার জন্য তুমি আমাকে লজ্জা দিয়েছিলে
… আর আমি তোমার বংশের ভিত্তি ছেড়ে এসেছি হে ইয়াযীদ, যা ছিল নিন্দনীয়।
যিননাহর সমস্ত শাখা আমার প্রতি সহানুভূতিশীল হয়েছে
… তাদের মধ্যে কেউ জালেম হোক কিংবা মজলুম।
সেখানে আরও রয়েছে: যাননাহ বিন আবদ কাবীর বিন উযরাহ বিন সাদ হুযাইম। তাদের মধ্যে রয়েছে বিনতে উযরাহ। তাদের মধ্যেই কুসাই বিন কিলাব বিন মুররাহ বিন কাব ইবনে লুয়াই বিন গালিব-এর ভাইয়েরা রয়েছে।
তাদের মধ্যে রয়েছেন: জামিল বিন আবদুল্লাহ বিন মা’মার বিন আল-হারিস বিন আল-খাইবারি ইবনে যুবইয়ান। আর তিনি হলেন জাবিস বিন হুন্ন বিন রাবিআহ বিন হারাম বিন যিননাহ, যিনি উম্মে আবদুল মালিক বুসাইনাহ বিনতে হুব্বি বিন সালাবাহ বিন আল-হাওয বিন আমর বিন আল-আহাব ইবনে হুন্ন-এর প্রেমিক। যার সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন:
তোমার চাচাতো ভাইয়েরা আমাকে হুমকি দিয়েছে
… যে তারা আমাকে দেখা মাত্রই আমার শিরশ্ছেদ করবে।
এবং তারা আমাকে হত্যা করবে অতঃপর আমার রক্তপণও দিবে না
… শত্রুরা অবশ্যই জানে যে আমার কাছে আছে—
এমন আঘাত যা গর্ভবতী কৃষ্ণাঙ্গ উটনীর প্রস্রাব ছিটানোর মতো
… যা এক প্রাচীন অপ্রতিরোধ্য বীরের দিকে ধাবিত হয়।
যার থেকে দুঃখ-বেদনাপূর্ণ প্রবল স্রোত প্রবাহিত হয়।
তার প্রতি জামিলের বাণীর মধ্যে রয়েছে:
বুসাইনাহ বলল, তুমি আমাদের বিচ্ছেদে কোনো পরোয়াই করছ না
… হ্যাঁ, তোমার রবের কসম! আমি অবশ্যই পরোয়া করি।
আমার কাঁধে লোহার মরচে এমনভাবে আছে যেন আমি একটি উট
… যার ওপর মৃত্যু ছায়া ফেলেছে।
হে বুসাইনাহ! তুমি কি জানো তুমি আমাকে কতটুকু কষ্ট দিয়েছ
… নাজিয়াহ উষ্ট্রীকে যখম করা এবং বন্ধুর সাথে লড়াই করার ক্ষেত্রে?
এবং বুসাইনাহ একজন মহিলা কবি ছিলেন, আর তার দুইটি 'নুন' বিশিষ্ট নাম সুপরিচিত।
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ২৮)
ومن غريب شعرها ما أنشده أبو بكر محمد بن الحسن بن دُريد الأَزدي لبثينة في خبر طويل:
لاهُمَّ فأرعَ الغيبَ من جَميلِ
… واحْفَظْه في البُكْرة والأَصيل
واكنُفْه في الرَّحيل والنُّزول
… واطْوِ عليه شُقَّه السَّبِيل
حتَّى يؤُوب سالماً خليلي
وفي بني نُمَير: ضَنَّة بن عمرو بن نُمَير بن عامر بن صَعْصَعَة.
ومن بني ضَنَّة، ثم من بني حَبَّة، جِرَّان العود.
وفي أسد: ضنَّة بن الحلَاّف، واسمه الحارث بن سعد بن ثعلبة ابن دُودَان بن أسد.
وفي الأزْد: ضِنَّة بن العاص بن عمرو بن مازن بن الأَزْد.
وفي مُحارِب: ضنَّة بن حَبيب بن رَبيعة بن " يَشْكُر " بن عبد ابن عَوف بن زيد بن بكر بن عُميرة بن عليٍّ بن " جسْر " ابن مُحارب بن " خَصَفة " بن قيس عَيلان.
" ضِبَاريّ ": في تَميم: ضِبَاريّ، بكسر الضاد والراء، ابن عُبَيد بن ثعلبة ابن يَربوع.
وفيها: ضِبَاريٌ، أيضاً " مثلها "، ابن " حُجَيَّة " بن كابية بن حُرْقُوس بن مازن.
" ضَبَاريّ ": وفي الرَّباب: ضَبَارِيّ، بفتح الضاد، ابن نُشْبَة بن ربيع ابن عمرو بن عبد الله بن لُؤيّ بن عمرو بن الحارث بن تيم بن عبد مَناة ابن أُدّ.
وفي ربيعة: ضَبَاريّ " مفتوح الضاد "، ابن سَدُوس بن شَيبان.
" ضَبَاب ": في بني إِياد: الضَّباب، الذي يمدح امرؤ القيس ابنه، فيقول:
لَعَمرِي لَسَعْدُ ابن الضَّبَاب إِذا شَتَا
… أَحَبَّ إِلينا منك فافَرَسٍ حُمْر
وفي مَذْحج: الضَّباب، وهو سَلَمَة بن الحارث بن ربيعة.
وفي قريش: الضَّبَاب بن حُجَير بن عَبْد. " ويقال: عبد بن يَغيص ابن عامر بن لُؤيّ ".
وفيها: الضَّباب بن الحارث بن فهْر.
" الضَّبَاب ": وفي قَيس: الضِّبَاب، " بالكسر "، وهو معاوية بن كِلاب، سُمي بولده: ضَبّ، ومُضِبّ، وحِسْل، وحُسَيْل.
" ضُبَيْب ": في جُذام: الضُّبَيْب بن قُرط بن " حَديدة بن نُبيح بن عبيد بن كعب ابن علي بن سعد بن إِياس بن كعب بن غُنَيس بن غَطَفان.
" ضجْر ": في الأَنصار: ضَجْر، بالجيم، ابن الخَزْرَج.
وسائر العرب: صَخْر.
" ضَرمَة ": في قيس: ضَرْمَة بن صَرمة بن مُرَّة بن عوف بن سعد بن ذُبيان.
العين" عَيَث ": في طيئ: عَيَث بن عمرو بن الغَوث.
" عَيْث ": في تميم: عَيْث، ساكن وهو حَبيب بن عامر بن الهُجَيم.
وفي عبس: عَيْث، " ساكن " ابن مُرَيْطَة بن مخزوم ابن مالك بن غالب بن قُطَيعة.
" عُذْرة ": في كَلب: عثذْرة بن زيد اللَاّت " بن رُفَيدَة بن ثَور بن كَلب ".
وفي قُضَاعة: عُذْرة بن سعد بن ليث " بن سُود بن أسْلُم بن الحافي ابن قُضاعة.
وفيها: عُذْرة بن عديّ بن شُمَيْس بن طَرُود بن قُدامة بن جَرْم ابن رَيَّان.
وفي الأَزْد: عُذْرة بن هَداد بن زيد مناة بن " الحَجْر ".
" عَدَسَة ": في طيئ: عَدَسَة بنت خَصْف بن الحِزْمر بن " أَخْزم " ابناها، كبيرا، " والحارث، ابنا عمرو بن ثُمامة بن مالك ".
وفي كَلب: بنو عَدَسَة، وهي أم مالك الرَّمَّاح، سَمَّته لطول رجلَية والمشٍظّ، " وهو عوف، ابن عامر المُذمَّم بن " عوف بن بكر ابن عوف بن عُذرة بن زيد اللات " بن رُفَيدة بن ثَور بن كَلْب ".
ويقال: الرَّماح بن مُحرز، صاحب دير الجماجم، كانت له به وقعة مع الفُرس.
وفي كِنانة: عُبيد الرَّمَّاح، وهم من بني معد، دخلوا فيهم، وهم رهط إبراهيم بن عربيّ الكنانيّ.
" عَصَر ": في طيئ: عَصَر بن غَنْم بن حارثة بن ثَوْب بن مَعْن.
وفي عبد القَيس: عَصَر بن عَوف بن عمرو بن عوف بن جُذَيمة.
وفي عُميرة: عَصَر بن عليّ بن عائش بن زَبينة بن إياس بن ثعلبة ابن جارية بن فَهْم " بن بكر بن عُبْلَة بن أَنمار بن مُبَشِّر بن عَميرة بن أَسد بن ربيعة.
كلهم عَصَر، بالفتح.
" عِجْل ": في ربيعة بن نِزَار: عِجْل بن لُجَيم.
وفي اليمن: عِجْل بن معاوية بن الحارث بن عَدِيّ بن أُدَد، وهو: عاملة.
" عُنَّة ": " في خَثْعَم: عُنَّة بن حام بن ناهِس بن عَفْرس بن حَلْف، ساكن " وفي بَجيلة: عُنَّة بن زيد بن الغَوث.
وفي عاملة: عُنَّة بن عَوْ كلان بن الزُّهد، " كلها سواء ".
" عَمَم ":
তার দুর্লভ কবিতার মধ্যে একটি হলো যা আবু বকর মুহাম্মদ ইবনে হাসান ইবনে দুরাইদ আল-আজদি একটি দীর্ঘ বর্ণনায় বুসাইনার জন্য পাঠ করেছেন:
হে আল্লাহ! জামিলের অনুপস্থিতিতে আপনি তার প্রতি লক্ষ্য রাখুন
… এবং সকাল ও সন্ধ্যায় তাকে হিফাজত করুন
যাত্রা এবং যাত্রাবিরতিতে তাকে আপনার আশ্রয়ে রাখুন
… এবং তার পথের দীর্ঘ দূরত্বকে সংকুচিত (সহজ) করে দিন
যাতে আমার প্রিয়তম নিরাপদে ফিরে আসতে পারে
এবং বনু নুমাইরের মধ্যে রয়েছে: যন্নাহ ইবনে আমর ইবনে নুমাইর ইবনে আমির ইবনে সা’সা’আ।
এবং বনু যন্নাহ থেকে, অতপর বনু হাব্বাহ থেকে রয়েছেন জিররান আল-আওদ।
এবং আসাদ গোত্রে রয়েছে: যন্নাহ ইবনে আল-হাল্লাফ, তার নাম হলো হারিস ইবনে সাদ ইবনে সা’লাবা ইবনে দুদান ইবনে আসাদ।
এবং আজদ গোত্রে: যিন্নাহ ইবনে আল-আস ইবনে আমর ইবনে মাজিন ইবনে আল-আজদ।
এবং মুহারিব গোত্রে: যন্নাহ ইবনে হাবিব ইবনে রাবিয়া ইবনে "ইয়াশকর" ইবনে আবদ ইবনে আওফ ইবনে যাইদ ইবনে বকর ইবনে উমাইরা ইবনে আলী ইবনে "জিসর" ইবনে মুহারিব ইবনে "খাসাফা" ইবনে কাইস আয়লান।
"যিবারি": তামীম গোত্রে: যিবারি, দোয়াদ এবং রা বর্ণে কাসরা (জের) সহ, ইবনে উবাইদ ইবনে সা’লাবা ইবনে ইয়ারবু।
এবং এই গোত্রেই রয়েছে: যিবারি, এটিও "একই রকম", ইবনে "হুজাইয়্যাহ" ইবনে কাবিয়া ইবনে হুরকুস ইবনে মাজিন।
"যাবারি": এবং রাবাব গোত্রে: যাবারি, দোয়াদ বর্ণে ফাতহা (যবর) সহ, ইবনে নুশবা ইবনে রবি ইবনে আমর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে লুয়াই ইবনে আমর ইবনে আল-হারিস ইবনে তাইম ইবনে আবদ মানাত ইবনে উদ্দ।
এবং রাবিয়া গোত্রে: যাবারি "ফাতহা যুক্ত দোয়াদ সহ", ইবনে সাদূস ইবনে শাইবান।
"দাবাব": বনু ইয়াদ গোত্রে: আদ-দাবাব, যার পুত্রের প্রশংসা করে ইমরুল কায়েস বলেছিলেন:
আমার জীবনের কসম, সা’দ ইবনে আদ-দাবাব যখন শীতকাল আসে
… তখন আমাদের কাছে তোমার লাল ঘোড়াসমূহের চেয়েও অধিক প্রিয়
এবং মাযহিজ গোত্রে: আদ-দাবাব, তিনি হলেন সালামা ইবনে আল-হারিস ইবনে রাবিয়া।
এবং কুরাইশ গোত্রে: আদ-দাবাব ইবনে হুজাইর ইবনে আবদ। "বলা হয়: আবদ ইবনে ইয়াগিস ইবনে আমির ইবনে লুয়াই"।
এবং সেখানে আরও রয়েছে: আদ-দাবাব ইবনে আল-হারিস ইবনে ফিহর।
"দিবাব": এবং কাইস গোত্রে: আদ-দিবাব, "কাসরা (জের) সহ", তিনি হলেন মুয়াবিয়া ইবনে কিলাব, তার সন্তানদের নামে তার নামকরণ করা হয়েছে: দাব্ব, মুদাব্ব, হিসল এবং হুসাইল।
"দুবাইব": জুযাম গোত্রে: আদ-দুবাইব ইবনে কুরত ইবনে "হাদিদাহ ইবনে নুবাইহ ইবনে উবাইদ ইবনে কাব ইবনে আলী ইবনে সাদ ইবনে ইয়াস ইবনে কাব ইবনে গুনাইস ইবনে গাতাফান।
"দাজর": আনসারদের মধ্যে: দাজর, জীম বর্ণ সহ, ইবনে আল-খাযরাজ।
এবং অবশিষ্ট আরবদের মধ্যে: সাখর।
"দারমাহ": কাইস গোত্রে: দারমাহ ইবনে সারমাহ ইবনে মুররা ইবনে আওফ ইবনে সাদ ইবনে যুবইয়ান।
আ'ইন"আইয়াছ": তাই গোত্রে: আইয়াছ ইবনে আমর ইবনে আল-গাওস।
"আইছ": তামীম গোত্রে: আইছ, সাকিন (ব্যঞ্জনধ্বনি) সহ, তিনি হাবিব ইবনে আমির ইবনে আল-হুজাইম।
এবং আবস গোত্রে: আইছ, "সাকিন সহ" ইবনে মুরাইতা ইবনে মাখযুম ইবনে মালিক ইবনে গালিব ইবনে কুদাইয়া।
"উযরা": কালব গোত্রে: উযরা ইবনে যাইদ আল-লাত "ইবনে রুফাইদা ইবনে সাওর ইবনে কালব"।
এবং কুযাআ গোত্রে: উযরা ইবনে সাদ ইবনে লাইস "ইবনে সূদ ইবনে আসলুম ইবনে আল-হাফি ইবনে কুযাআ।
এবং সেখানে আরও রয়েছে: উযরা ইবনে আদি ইবনে শুমাইস ইবনে তারূদ ইবনে কুদামা ইবনে জারম ইবনে রাইয়ান।
এবং আজদ গোত্রে: উযরা ইবনে হাদাদ ইবনে যাইদ মানাত ইবনে "আল-হাজর"।
"আদাসাহ": তাই গোত্রে: আদাসাহ বিনতে খাসফ ইবনে আল-হিযমার ইবনে "আখযাম", তার দুই পুত্র কাবীর "এবং আল-হারিস, তারা আমর ইবনে সুমামা ইবনে মালিকের পুত্র"।
এবং কালব গোত্রে: বনু আদাসাহ, তিনি হলেন মালিক আল-রাম্মাহর মা, তার দীর্ঘ পা এবং দ্রুত হাঁটার কারণে তিনি তার এই নামকরণ করেছিলেন, "আর তিনি হলেন আওফ, ইবনে আমির আল-মুযাম্মাম ইবনে আওফ ইবনে বকর ইবনে আওফ ইবনে উযরা ইবনে যাইদ আল-লাত ইবনে রুফাইদা ইবনে সাওর ইবনে কালব"।
বলা হয়: আল-রাম্মাহ ইবনে মুহরিয, দাইর আল-জামাজিম এর অধিপতি, সেখানে পারসিকদের সাথে তার যুদ্ধ হয়েছিল।
এবং কিনানা গোত্রে: উবাইদ আল-রাম্মাহ, তারা বনু মা’দ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত যারা তাদের সাথে মিশে গিয়েছিল, এবং তারা ইব্রাহিম ইবনে আরাবি আল-কিনানির গোষ্ঠী।
"আসার": তাই গোত্রে: আসার ইবনে গানম ইবনে হারিসা ইবনে ছাওব ইবনে মা’ন।
এবং আব্দুল কাইস গোত্রে: আসার ইবনে আওফ ইবনে আমর ইবনে আওফ ইবনে জুযাইমা।
এবং উমাইরা গোত্রে: আসার ইবনে আলী ইবনে আইশ ইবনে যাবীনা ইবনে ইয়াস ইবনে সা’লাবা ইবনে জারিয়া ইবনে ফাহম "ইবনে বকর ইবনে উবলা ইবনে আনমার ইবনে মুবাশশির ইবনে উমাইরা ইবনে আসাদ ইবনে রাবিয়া।
তারা সবাই আসার, ফাতহা (যবর) সহ।
"ইজল": রাবিয়া ইবনে নিযার গোত্রে: ইজল ইবনে লুজাইম।
এবং ইয়ামেনে: ইজল ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে আল-হারিস ইবনে আদি ইবনে উদাদ, আর তিনি হলেন: আমিলাহ।
"উন্নাহ": "খাশ’আম গোত্রে: উন্নাহ ইবনে হাম ইবনে নাহিস ইবনে আফ্রাসা ইবনে হালফ, সাকিন সহ" এবং বাজিলাহ গোত্রে: উন্নাহ ইবনে যাইদ ইবনে আল-গাওস।
এবং আমিলাহ গোত্রে: উন্নাহ ইবনে আও কালান ইবনে আয-যুহদ, "সবগুলোই সমান"।
"আমান":
(খণ্ড: ১)
আল-ইনাস বি-ইলমিল আনসাব
(পৃষ্ঠা: ২৯)
في لَخم: عَمَم، واسمه عديّ، وسُمّي بذلك لأنه أوَّل من اعْتمّ في قوم محمد بن حبيب. وهو عديّ بن نُمارة بن لَخْم، وسُمي: لَخْماً، لأنه لَطِمَ، واللَّخمة: اللَّطمة، واسمه: مالك بن عديّ بن الحارث ابن مُرّة بن أُدَد.
وقد قيل: إِنهم من ولد قنص بن معد بن عدنان.
" ومن عَمَم هؤلاء: آل النُّعمان بن المنذر ".
" عُمَيّ ": وفي طيئ: عُمَيّ بن عمرو بن سِنِبس بن معاوية بن ثعل بن عمرو ابن الغوث بن طيئ.
ومن " ولد " عُمَيّ هذا: ذو الحَصِيرين، " وقد ذكرناه في غير هذا الموضع ".
" عُدُس ": في تميم: عُدُس بن زيد بن عبد الله بن دارم " بن مالك بن حنْظلة ابن مالك بن زيد مناة بن تميم ".
هذا قول الكَلْبي، وأبو عُبيد يخالفه، فيقول: " هو عُدُس، وكذلك ابن الإعرابي أيضاً يقوله بفتح الدال، وقول الكَلْبي أثبَت.
وأَصل العُدْس في اللغة: القُوَّة على السَّرَى، قال الشاعر يصف راعية:
عَدُوسُ السُّرَى لا يأْلف الكَرْمَ جِيدُهَا
فأما قولهم للبغلة، عند أرادة حَبسها: عَدَسْ، فإن الخليل ذكر أن " عَدس " اسم رجل، كان عنيفا بالبغال في أيام سليمان بن داود، عليه السلام، فإذا ذُكِر للبغال اسمه انزعجت، وأنها استمرت " في " طبائعها على ذلك وما أدري كيف هذا؟ فمن عُدُس " هؤلاء ": آل زُرَارَة، وهم رؤساء بني تميم، وزُرَارَة هو صاحب يوم أوارة مع عمرو بن هند، مُضرِّط الحجارة، وكان من حديث ذلك: أن المنذر بن ماء السماء، وماء السماء أمَّه، امرأة من النَّمِر، وهو المنذر بن امرؤ القيس، وقد استقصينا الكلام على أنسابهم وأخبارهم في كتاب " أدب الخواصّ "، فغنينا عنه في هذا الموضع. كان قد وضع ابنا له يقال له: مالك " ويقال: أسْعَد " عند زُرارة ابن عَدَس، وكان صغيراً، فلما كبر خرج يوما يتصيَّد، فمرَّ بإبل لسُوَيد بن ربيعة بن زيد بن عبد الله بن دارم، وكانت عند سُوَيد بنت لزُرارة، فتعرَّضَ الغُلام لإبل سُوَيد ونَحر ذَكَراً منها، فاستيقظ سُوَيْد، وكان نائما فشَدَخَ رأسه بعصا، فقتله وهرب إلى مكة، فحالف بني نوفل بن عبد مناف بن قُصيّ، فلما بلغ ذلك عمرو بن المنذر وهو عمرو بن هند، فاضت عيناه حُزناً على أخيه، وهرب زُرارة، فطلبه عمرو فلم يجده، فوجد امرأة له حُبلى، فقال لها: ما فعل زُرارة الغادر الفاجر المُنتن؟ فقالت: إن كان والله ما علمته لَطيِّب العِرق، سمين المَرق، لا ينام ليلة يخاف، ولا يشبع ليلة يُضاف. فبَقَرَ بطنها. فقال قوم زُرارة له: والله ما أنت قتلتَ أخاه، فأْت الملك فأصْدِقهُ، فإنَّ الصدق ينفع عنده. فأتاه زُرارة فقال له: إني لم أقتل أخاك: والصِّدق أنجى. فصدّضقَه، وأمره أن يجيء بسُوَيد، فقال: قد لَحِقَ بمكة، قال: فولده، " فجاء بولده وأهله " فأمر بأحدهم أن يُقتَل، فجعل يتعلَّق بجدِّه زُرارة، فقال زرارة: يا بَعْضي سرِّح بعضاً، فذهبت مثلاً، وقُتلوا أجمعين، وآلى عمرو بن هند ليحرقن من بني دارم مائة رجل، فخرج يريدهم، وبعث على مُقدِّمته عمرو بن ثعلبة بن " مِلقط الطائي ". فوجد القوم قد نذروا به، فأخذ منهم ثمانية وتسعين رجلاً بأسفل أُوارة من ناحية البحرين، ولحقه عمرو بن هند، فضُربت له قُبة، وأمر بأُخدود فخُدّض لهم، وأُضرمت النار، حتى إذا تلظَّت قذف بالثمانية والتسعين فيها، فاحترقوا. وأقبل راكب من البراجم بم بني كُلْفة ابن حنظلة، وقد رأى الدُّخان، فأناخ بعيره، وأقبل فاستطعم، فقال عمرو: ممن أنت؟ قال: من البَراجم، قال عمرو: إنّض الشَّقيَّ راكب البَرَاجم، فذهبت مثلا. ورُمي في النار فاحترق. ثم عيَّرت العرب بني تميم بذلك فقيل في ذلك:
ألا أبلِغ لديك بني تَميمٍ
… بآية ما يُحِبُّون الطَّعَامَا
وأقام عمرو بن هند ثلاثاً لا يرى أحداً، فتمَّم المائة بامرأة من بني النَهشَل. وقيل: إِنها ابنة ضَمرة بن جابر. أُخت ضَمرة بن ضَمرة.
ووجدتُ بخط أبي حاتم السَّجستانيّ، عن الأصمعي، قال: سَمِعَت امرأة زُرَارَة في الإسلام مؤذِّناُ يقول: أشهد أن لا إله إلا الله، أشهد أن محمداً رسول الله. فقالت: ما لزُرارة لا أسْمع له ذكراً؟.
وابنه حاجب بن زُرارة، ويُكنى أبا عِكْرشة، وكان اسمه زيداً، وإنما سُمِّي: حاجباً، لعظم حاجبَيه، في قول أبي اليقظان، وهو صاحب القوس الذي رهنا عند كِسْرى.
লখমের মধ্যে: আমাম, তার নাম আদি। তাকে এই নামে ডাকা হতো কারণ মুহাম্মদ বিন হাবিবের মতে সে তার সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রথম পাগড়ি পরিধান করেছিল। সে হলো আদি বিন নুমারা বিন লখম। লখম নামকরণ করা হয়েছে কারণ সে চড় মেরেছিল, আর 'লখমা' মানে হলো চড়। তার আসল নাম মালিক বিন আদি বিন হারিস বিন মুররা বিন উদাদ।
বলা হয়ে থাকে যে, তারা কানাস বিন মাদ বিন আদনানের বংশধর।
"এই আমামের বংশধরদের মধ্যে নুমান বিন মুনজিরের পরিবারও অন্তর্ভুক্ত।"
"উমাই": তায়্যি গোত্রের মধ্যে: উমাই বিন আমর বিন সিনবিস বিন মুয়াবিয়া বিন সা’ল বিন আমর বিন গাওস বিন তায়্যি।
এই উমাই-এর সন্তানদের মধ্যে যুল হাসিরীন অন্যতম, "যাকে আমরা অন্য স্থানে উল্লেখ করেছি।"
"আদুস": তামীম গোত্রের মধ্যে: আদুস বিন যায়িদ বিন আব্দুল্লাহ বিন দারিম "বিন মালিক বিন হানযালা বিন মালিক বিন যায়িদ মানাত বিন তামীম" ।
এটি কালবীর উক্তি, তবে আবু উবাইদ এর বিরোধিতা করে বলেন: "এটি আদাস" (দাল বর্ণে ফাতহা দিয়ে), তেমনিভাবে ইবনুল আরাবিও এটি দাল বর্ণে ফাতহা দিয়ে পড়ার কথা বলেছেন, তবে কালবীর উক্তিটিই অধিক প্রমাণিত।
ভাষাগতভাবে 'আদুস' শব্দের মূল অর্থ হলো রাতের ভ্রমণে শক্তিমান হওয়া। জনৈক কবি এক পশুপালনকারী নারীর বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছেন:
সে রাতের ভ্রমণে শক্তিশালী, তার ঘাড় আরাম-আয়েশে অভ্যস্ত নয়।
আর খচ্চরকে থামানোর সময় 'আদাস' বলার কারণ সম্পর্কে খলীল উল্লেখ করেছেন যে, "আদাস" ছিল এক ব্যক্তির নাম, যে সুলাইমান বিন দাউদ (আলাইহিস সালাম)-এর যুগে খচ্চরদের প্রতি অত্যন্ত কঠোর ছিল। খচ্চরদের সামনে তার নাম নেওয়া হলে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়ত এবং তাদের স্বভাবে এটি স্থায়ী হয়ে গিয়েছে। তবে এটি কীভাবে সম্ভব তা আমি জানি না। এই আদুসের বংশধরদের মধ্যে অন্যতম হলো যুরারার পরিবার, যারা বনু তামীমের নেতা ছিল। এই যুরারাই আমর বিন হিন্দের সাথে 'আওয়ারা দিবসের' ঘটনার সেই ব্যক্তি, যাকে 'মুদাররিতুল হিজারা' (পাথরকে বায়ু ত্যাগ করানো ব্যক্তি) বলা হয়। সেই ঘটনার প্রেক্ষাপট ছিল এমন: মুনজির বিন মা-ইস সামা (মা-ইস সামা তার মা, যিনি নামির গোত্রের এক নারী ছিলেন, আর তিনি হলেন মুনজির বিন ইমরাউল কায়েস—তাদের বংশ পরিচয় ও সংবাদ আমরা 'আদাবুল খাওয়াছ' কিতাবে বিস্তারিত আলোচনা করেছি, তাই এখানে তার প্রয়োজন নেই) তার এক পুত্রকে—যাকে মালিক বলা হতো "এবং কেউ কেউ আস'আদও বলেছেন"—যুরারা বিন আদুসের কাছে লালন-পালনের জন্য রেখেছিলেন। সে যখন ছোট ছিল, যখন সে বড় হলো একদিন শিকার করতে বের হলো। সে সুওয়াইদ বিন রাবিয়া বিন যায়িদ বিন আব্দুল্লাহ বিন দারিমের উটের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। সুওয়াইদের নিকট তখন যুরারার এক মেয়ে ছিল। ছেলেটি সুওয়াইদের উটগুলোর ওপর চড়াও হলো এবং একটি পুরুষ উট জবাই করল। সুওয়াইদ ঘুম থেকে জেগে দেখল—সে তখন ঘুমন্ত ছিল—এবং লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করল। অতঃপর সে মক্কায় পালিয়ে গিয়ে বনু নাওফাল বিন আব্দ মানাফ বিন কুসাইয়ের সাথে মিত্রতা করল। যখন এই সংবাদ আমর বিন মুনজির তথা আমর বিন হিন্দের কাছে পৌঁছাল, তখন তার ভাইয়ের শোকে তার চোখ অশ্রুসজল হলো। যুরারা পালিয়ে গেল। আমর তাকে খুঁজলেন কিন্তু পেলেন না। তবে তিনি যুরারার এক গর্ভবতী স্ত্রীকে পেলেন। তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন: "বিশ্বাসঘাতক, পাপিষ্ঠ ও দুর্গন্ধময় যুরারা কী করেছে?" সে উত্তর দিল: "আল্লাহর কসম, আমি তাকে যতটুকু জানি, তিনি উত্তম বংশজাত, সচ্ছল জীবন যাপনকারী, ভয়ের রাতেও ঘুমান না, এবং মেহমানদারির রাতেও পেটপুরে খান না।" তখন তিনি তার পেট চিঁড়ে ফেললেন। যুরারার কওম তাকে বলল: "আল্লাহর কসম, আপনি তার ভাইকে হত্যা করেননি, আপনি রাজার কাছে গিয়ে সত্য বলুন, কারণ তার কাছে সত্য কাজে দেয়।" যুরারা তার কাছে গিয়ে বলল: "আমি আপনার ভাইকে হত্যা করিনি, আর সত্যই মুক্তির পথ।" রাজা তাকে বিশ্বাস করলেন এবং তাকে সুওয়াইদকে নিয়ে আসতে নির্দেশ দিলেন। সে বলল: "সে তো মক্কায় চলে গিয়েছে।" তিনি বললেন: "তবে তার সন্তানদের আনো।" সে তার সন্তানদের ও পরিবারকে নিয়ে এল। তিনি তাদের একজনকে হত্যার নির্দেশ দিলেন। সে তার দাদা যুরারাকে জড়িয়ে ধরল। যুরারা বললেন: "হে আমার এক অংশ, অন্য অংশকে ছেড়ে দাও"—এটি একটি প্রবাদে পরিণত হয়েছে। তাদের সবাইকে হত্যা করা হলো। আমর বিন হিন্দ কসম করলেন যে তিনি বনু দারিমের একশ জন লোককে আগুনে পুড়িয়ে মারবেন। তিনি তাদের খোঁজে বের হলেন এবং অগ্রবর্তী বাহিনী হিসেবে আমর বিন সা’লাবা বিন "মিলকাত আত-তায়্যিকে" পাঠালেন। তিনি দেখলেন যে কাওম আগে থেকেই সতর্ক হয়ে গেছে। তিনি বাহরাইনের আওয়ারা পাহাড়ের নিচে তাদের আঠানব্বই জনকে পাকড়াও করলেন। আমর বিন হিন্দ সেখানে পৌঁছে তাবু খাটালেন এবং একটি গর্ত খুঁড়ে তাতে আগুন জ্বালালেন। আগুন যখন দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল, তখন সেই আঠানব্বই জনকে তাতে নিক্ষেপ করা হলো এবং তারা পুড়ে ছাই হয়ে গেল। তখন বনু কুলফা বিন হানযালার বারাজিম গোত্রের এক আরোহী ধোঁয়া দেখে সেখানে আসল এবং উট থামিয়ে খাবারের সন্ধান করল। আমর জিজ্ঞেস করলেন: "তুমি কে?" সে বলল: "আমি বারাজিম গোত্রের।" আমর বললেন: "হতভাগ্যই বারাজিমের আরোহী হয়।" এটি একটি প্রবাদে পরিণত হলো। তাকেও আগুনে নিক্ষেপ করা হলো এবং সে পুড়ে গেল। এরপর আরবরা বনু তামীমকে এই ঘটনার জন্য লজ্জা দিত এবং বলা হতো:
সাবধান! বনু তামীমের কাছে এই চিহ্নটি পৌঁছে দাও যে, তারা খাবার পছন্দ করে।
আমর বিন হিন্দ তিন দিন পর্যন্ত অবস্থান করলেন এবং কাউকে পেলেন না। পরিশেষে বনু নাহশাল গোত্রের এক মহিলাকে দিয়ে একশ পূর্ণ করলেন। কেউ বলেন যে সে ছিল যামরা বিন জাবিরের কন্যা এবং যামরা বিন যামরার বোন।
আমি আবু হাতিম আস-সিজিস্তানির হস্তলিপিতে আসমায়ী থেকে বর্ণিত হতে দেখেছি যে, যুরারার স্ত্রী ইসলাম আসার পর মুয়াজ্জিনকে বলতে শুনলেন: "আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ।" তখন তিনি আক্ষেপ করে বললেন: "যুরারার কী হলো যে তার কোনো স্মরণ শুনতে পাচ্ছি না?"
আর যুরারার ছেলে হলো হাজিব বিন যুরারা, যার কুনিয়াত (উপনাম) ছিল আবু ইকরিশা। তার নাম ছিল যায়িদ। আবু ইয়াকজানের মতে, তার ভ্রু জোড়া বড় হওয়ার কারণে তাকে হাজিব বলা হতো। আর তিনিই সেই ধনুকের মালিক, যা কিসরার কাছে বন্ধক রাখা হয়েছিল।