0/0
(খণ্ড: ১) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: -)
اللطيفة البكرية والنتيجة الفكرية في المهمات النحوية - ضمن «آثار المعلمي»   (عبد الرحمن المعلمي اليماني)

القسم: النحو والصرف


الكتاب: اللطيفة البكرية

[آثار عبد الرحمن بن يحيى المعلمي اليماني (20)]

المؤلف: عبد الرحمن بن يحيى المُعَلِّمي اليماني (1313 - 1386 هـ)

المحقق: أسامة بن مسلم الحازمي

راجعه: محمد أجمل الإصلاحي - محمد عزير شمس

الناشر: دار عالم الفوائد للنشر والتوزيع

الطبعة: الأولى، 1434 هـ

قدمه للشاملة: مؤسسة «عطاءات العلم»، جزاهم الله خيرا

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 10 شوّال 1442

আল-লতিফাতুল বকরিয়্যাহ ওয়ান নাতিজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফীল মুহিম্মাতিন নাহবিয়্যাহ - «আসারুল মুয়াল্লিমী» এর অন্তর্ভুক্ত   (আবদুর রহমান আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানি)

বিভাগ: নাহু ও সরফ


বই: আল-লতিফাতুল বকরিয়্যাহ

[আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানির রচনাবলি (২০)]

লেখক: আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানি (১৩১৩ - ১৩৮৬ হিজরি)

সম্পাদক: উসামা বিন মুসলিম আল-হাজিমি

পর্যালোচক: মুহাম্মদ আজমল আল-ইসলাহি - মুহাম্মদ উযায়ের শামস

প্রকাশক: দার আলম আল-ফাওয়াইদ প্রকাশনা ও বিতরণ

সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৪ হিজরি

শামেলার জন্য পেশ করেছেন: «আতাআত আল-ইলম» ফাউন্ডেশন, আল্লাহ তাদেরকে উত্তম প্রতিদান দান করুন

[বইটির পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রিত কপির অনুরূপ]

শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ১০ শাওয়াল ১৪৪২

(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৫)
الرسالة الأولى

اللطيفة البكرية والنتيجة الفكرية

في المهمات النحوية
প্রথম রিসালাহ

আল-লাতিফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়া আন-নাতিজাতুল ফিকরিয়্যাহ

নাহুশাস্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলি প্রসঙ্গে
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৭)
بسم الله الرحمن الرحيم

الحمد لله، وأشهد ألا إله إلا الله، وأشهد أن محمدًا رسول الله، اللهم صل على محمد، وعلى آله وصحبه وسلم.

فهذه نبذةٌ يسيرةٌ في النحو، عظيمة الفائدة، جمعَتُ بها لنفسي شوارده، وقيَّدَتْ أوابده، فجاءت ــ لولا قصور جامعها ــ بديعةً في بابها، نافعةً لطلابها، نسأل الله أن يجعل جميع أعمالنا في طاعته. آمين.
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য উপাস্য নেই এবং আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মদ আল্লাহর রাসুল। হে আল্লাহ, আপনি মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সকল সঙ্গীদের ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।

এটি ব্যাকরণ শাস্ত্রের একটি সংক্ষিপ্ত পুস্তিকা, যা অত্যন্ত উপকারী। এর মাধ্যমে আমি আমার নিজের জন্য এর বিক্ষিপ্ত বিষয়সমূহকে একত্রিত করেছি এবং জটিল বিষয়গুলোকে সুশৃঙ্খলিত করেছি; ফলে—সংকলকের সীমাবদ্ধতা না থাকলে—এটি স্বীয় বিষয়ে অনন্য এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ফলপ্রসূ সাব্যস্ত হতো। আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের সকল আমলকে তাঁর আনুগত্যের অন্তর্ভুক্ত করেন। আমিন।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৮)
‌‌مقدمة

‌‌[تعريف النحو](1)

النحو: علمٌ بأصولٍ مستنبطة من كلام العرب، يعرف بها أحكام الكلمات العربية حال تركيبها إعرابًا وبناءً(2).

 

‌‌[تعريف الإعراب]

والإعراب: هو تغيير أواخر الكلم لفظًا أو تقديرًا؛ لاختلاف العوامل(3).

والكلمة التي فيها ذلك معربة.

 

‌‌[تعريف البناء]

والبناء: هو لزوم أواخر الكلم حالةً واحدةً لفظًا، أو(4) تقديرًا، على اختلاف العوامل.

والكلمة التي فيها ذلك مبنية.

--------------------------------------------

(1) العناوين التي بين المعكوفين من وضعي، وليست من وضع المؤلف رحمه الله.

(2) هذا التعريف الذي ذكره الشيخ هو تعريف المتأخرين للنحو، حيث جعلوه مقابلاً لعلم الصرف، والمتقدمون يجعلون العلمين علمًا واحدًا.

انظر شرح الأشموني بحاشية الصبان (1/ 15 - 16)، وحاشية الخضري (1/ 12).

(3) اختار الشيخ رحمه الله في تعريف الإعراب أن يكون معنويًّا، وهو ظاهر مذهب سيبويه، وذهب ابن مالك رحمه الله وغيره إلى أن الإعراب لفظي.

انظر: شرح الأشموني (1/ 47 - 48)، وهمع الهوامع للسيوطي (1/ 40 - 41).

(4) في أصل المخطوط بالواو، وصححت من مصادر المؤلف.
ভূমিকা

[নাহুর সংজ্ঞা](১)

নাহু হলো: আরবদের বাক্য থেকে উদ্ভূত এমন কিছু মূলনীতির জ্ঞান, যার মাধ্যমে আরবি শব্দসমূহ বাক্যে ব্যবহৃত হওয়া অবস্থায় সেগুলোর বিধান অর্থাৎ রূপান্তর (إعراب) এবং অপরিবর্তনীয়তা (بناء) সম্পর্কে জানা যায়(২)।

 

[ইরাবের সংজ্ঞা]

আর ইরাব হলো: আমেল বা প্রভাবকসমূহের ভিন্নতার কারণে শব্দের শেষাংশের আক্ষরিক বা উহ্য পরিবর্তন(৩)।

আর যে শব্দে এই পরিবর্তন ঘটে তাকে মু'রাব বলা হয়।

 

[বিনার সংজ্ঞা]

আর বিনা হলো: আমেল বা প্রভাবকসমূহের ভিন্নতা সত্ত্বেও শব্দের শেষাংশ আক্ষরিক বা উহ্যভাবে সর্বদা একই অবস্থায় স্থির থাকা(৪)।

আর যে শব্দে এই অবস্থা পাওয়া যায় তাকে মাবনি বলা হয়।

--------------------------------------------

(১) তৃতীয় বন্ধনীতে থাকা শিরোনামগুলো আমার পক্ষ থেকে সংযোজিত, এগুলো লেখক (রাহিমাহুল্লাহ)-এর দেওয়া নয়।

(২) শায়খ এখানে নাহুর যে সংজ্ঞাটি উল্লেখ করেছেন তা হলো পরবর্তী যুগের আলেমদের (المتأخرون) প্রদত্ত সংজ্ঞা, যেখানে তারা একে ইলমুস সরফের বিপরীতে স্বতন্ত্র বিষয় হিসেবে নির্ধারণ করেছেন; অথচ পূর্ববর্তী যুগের আলেমগণ (المتقدمون) এই উভয় বিদ্যাকে একটিই ইলম হিসেবে গণ্য করতেন।

দেখুন: শরহু আশমুনি মাআ হাশিয়াতুস সাব্বান (১/ ১৫-১৬) এবং হাশিয়াতুল খুদারি (১/ ১২)।

(৩) শায়খ (রাহিমাহুল্লাহ) ইরাবের সংজ্ঞায় একে অর্থগত (معنوي) হিসেবে গ্রহণ করেছেন, যা সিবওয়াইহ-এর মাযহাবের বাহ্যিক মত। তবে ইবনে মালিক (রাহিমাহুল্লাহ) ও অন্যান্যরা মনে করেন যে, ইরাব হলো শব্দগত (لفظي)।

দেখুন: শরহু আশমুনি (১/ ৪৭-৪৮) এবং সুয়ুতির হামউল হাওয়ামি (১/ ৪০-৪১)।

(৪) মূল পাণ্ডুলিপিতে এটি 'ওয়াও' সহযোগে ছিল, যা লেখকের অন্যান্য উৎস হতে সংশোধন করা হয়েছে।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৯)
‌‌[فائدة النحو]

ولا تحسب النّحو يعصم اللسان فقط، بل وقد يتوقف عليه فهم المعاني، ولا يُؤمَن غلطُ جاهله فهمًا وإفهامًا، ألا ترى قولهم: "ما أحسن زيد" بنصبهما، وبنصب الأول وضم الثاني، وبضم الأول وجر الثاني، لا يكاد غيرُ النحوي يفرق بين معانيها، مع أنها شتى.

 

‌‌[الكلام وأقسامه: حرف، وفعل، واسم]

وكلُّ قولٍ مفيدٍ كلامٌ، وكل مفيدٍ مركبٌ لفظًا أو تقديرًا، وكل مركبٍ له أجزاء، وأجزاء الكلام هي الكلم، وكل كلمة دالّةٌ على معنى، إما في غيرها وهو الحرف، وعلامته: أن لا يقبل شيئًا من علامات الاسم والفعل الآتي ذكرها، وحكمه: البناء، وهو أصليٌّ فيه، لا يتغير.

 

‌‌[الفعل الماضي وعلامته وحكمه]

وإما في نفسها، فإن اقترنت بزمن وضعًا فالفِعْلُ، فإن كان الزَّمن ماضيًا، فهي الفعل الماضي، وعلامته: قبول "قد"، وتاء التأنيث الساكنة وحكمه: البناء دائمًا على الفتح لفظًا أو تقديرًا، والتقدير يكون للتعذّر في المعتلِّ، وللمناسبة مع واو الجماعة، ولكراهة توالي أربع حركات فيما هو كالكلمة الواحدة في المتصل بضمير رفع متحرك.

 

‌‌[الفعل المضارع وعلامته وحكمه]

وإن كان الزمن محتملاً للحال والاستقبال فالفعل المضارع، وعلامته قبول "قد"، والسين، و "سوف"، وأصل حكمه البناء(1)، ويجيء على

--------------------------------------------

(1) مذهب البصريين أن الإعراب أصلٌ في الأسماء، فرعٌ في الأفعال، وأن البناء عكسه، وهو الراجح عند جَمْعٍ.

انظر: الأشموني (1/ 57 - 58)، والهمع (1/ 44)، والتصريح على التوضيح (1/ 54)، وشرح ابن عقيل (1/ 36).
‌‌[নাহুর উপকারিতা]

আর মনে করো না যে, নাহু (ব্যাকরণ) কেবল জিহ্বাকেই (ভুল থেকে) রক্ষা করে; বরং অর্থের উপলব্ধিও এর ওপর নির্ভর করে। আর যে ব্যক্তি এই শাস্ত্রে অজ্ঞ, তার অনুধাবন ও অন্যকে বোঝানোর ক্ষেত্রে ভুলের হাত থেকে নিরাপদ থাকা যায় না। তুমি কি তাদের এই উক্তিটি দেখ না: "মা আহসানা যায়দ" (ما أحسن زيد)—উভয় পদের নসবের মাধ্যমে, প্রথমটির নসব ও দ্বিতীয়টির যম্মের মাধ্যমে, এবং প্রথমটির যম্ম ও দ্বিতীয়টির জরের মাধ্যমে? একজন নাহুবিদ ব্যতীত অন্য কেউ এগুলোর অর্থের মধ্যে পার্থক্য করতে সক্ষম হয় না বললেই চলে, অথচ এগুলোর অর্থ বিবিধ।

 

‌‌[কালাম এবং এর প্রকারভেদ: হরফ, ফেল ও ইসম]

প্রত্যেক অর্থবোধক উক্তিই হলো কালাম। আর প্রত্যেক অর্থবোধক বাক্যই শাব্দিকভাবে অথবা উহ্যভাবে যৌগিক। আর প্রতিটি যৌগিকেরই কিছু অংশ থাকে; কালামের সেই অংশগুলো হলো কালিমাহ (শব্দ)। প্রতিটি শব্দই কোনো না কোনো অর্থের পরিচায়ক—হয় তা অন্য শব্দের সাহায্য ছাড়া অর্থ প্রকাশ করতে পারে না, যা হলো হরফ (অব্যয়)। এর আলামত (চিহ্ন) হলো: এটি ইসম (বিশেষ্য) ও ফেল-এর (ক্রিয়া) এমন কোনো আলামত গ্রহণ করে না যা সামনে উল্লেখ করা হবে। আর এর হুকুম (বিধান) হলো: মাবনি (অপরিবর্তনীয়) হওয়া, যা এতে একটি মৌলিক বিষয় এবং কখনো পরিবর্তিত হয় না।

 

‌‌[ফেলে মাজি এবং এর আলামত ও হুকুম]

আর যদি শব্দটি নিজেই নিজের অর্থ প্রকাশ করতে পারে এবং গঠনগতভাবে কোনো কালের সাথে যুক্ত হয়, তবে তা হলো ফেল। যদি সেই কালটি অতীত হয়, তবে তা হলো ফেলে মাজি। এর আলামত হলো: 'ক্বাদ' এবং সাকিনযুক্ত 'তা-এ তানিছ' গ্রহণ করা। এর হুকুম হলো: শাব্দিকভাবে অথবা উহ্যভাবে সর্বদা ফাতহা-র ওপর মাবনি হওয়া। উহ্য হওয়ার বিষয়টি মো'তাল (দুর্বল বর্ণবিশিষ্ট শব্দ) হওয়ার কারণে অসম্ভব হওয়ার ফলে ঘটে, অথবা 'ওয়াও আল-জামায়াত'-এর সাথে সামঞ্জস্য রক্ষা করার জন্য হয়, অথবা যমিরে রাফা মুতাহাবিবক যুক্ত হওয়ার ফলে শব্দটিকে একটি একক শব্দের মতো মনে হওয়ায় পরপর চারটি হরকত হওয়াকে অপছন্দ করার কারণে হয়ে থাকে।

 

‌‌[ফেলে মুদারি এবং এর আলামত ও হুকুম]

আর যদি কালটি বর্তমান ও ভবিষ্যতের সম্ভাবনা রাখে, তবে তা ফেলে মুদারি। এর আলামত হলো 'ক্বাদ', 'সীন' এবং 'সাওফা' গ্রহণ করা। আর এর হুকুমের মূল ভিত্তি হলো মাবনি হওয়া(১) এবং তা আসে...

--------------------------------------------

(১) বাসরাবাসীদের অভিমত হলো, ইসমের ক্ষেত্রে ই'রাব (পরিবর্তনশীলতা) হওয়া মূল বিষয় এবং ফেলের ক্ষেত্রে তা শাখা বা গৌণ। আর মাবনি হওয়া এর বিপরীত। একদল আলিমের নিকট এটিই অগ্রগণ্য।

দেখুন: আল-আশমুনি (১/ ৫৭ - ৫৮), আল-হাম'উ (১/ ৪৪), আত-তাসরিহ আলাত তাওযিহ (১/ ৫৪) এবং শরহ ইবনে আকিল (১/ ৩৬)।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১০)
الأصل إذا اتصلت به نون الإناث، فيُبنى على السكون، وإذا اتصلت به إحدى نونيْ التوكيد، فعلى الفتح.

ويُعْرَبُ ما عدا ذلك؛ لشبهه الاسم في أن كلاًّ تتوارد عليه معانٍ تركيبية، لولا الإعراب لالتبست، فينصب بالنواصب، ويجزم بالجوازم ويرفع ما تجرد عنها(1)،

وينتقل الإعراب في الأمثلة الخمسة، فترفع بثبوت النون، وتنصب وتجزم بحذفها(2)، وتقدر الحركات في المعتل بالألف، والرفع فقط في أخويه، وتجزم الثلاثة بحذف حرف العلة، وما عدا ذلك يظهر إعرابه(3).

--------------------------------------------

(1) أي: ما تجرد عن النواصب والجوازم، ومذهب الفراء وأكثر الكوفيين أن الفعل المضارع عامل الرفع فيه عاملٌ معنوي، وهو تجرده من الناصب والجازم، وهو اختيار ابن الحاجب، وصححه ابن هشام في شرح القطر.

 

انظر: شرح العوامل للأزهري (ص 340).

(2) الأمثلة الخمسة هي التي يطلق عليها أيضًا الأفعال الخمسة، وحَدُّها: كل فعل مضارع اتصل به واو الجماعة، أو ألف الاثنين، أو ياء المخاطبة.

(3) وهو المضارع الذي لم يتصل بآخره شيءٌ، وليس مختومًا بحرف علة، نحو قوله تعالى: {وَيَقُولُ الَّذِينَ آمَنُوا … } الآية، وقوله تعالى: {حَتَّى يَرْجِعَ إِلَيْنَا … } الآية، وقوله تعالى: {وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ}.
মূল নিয়ম হলো, যখন এর সাথে স্ত্রীবাচক নূন (نون الإناث) যুক্ত হয়, তখন তা সুকূন (سكون)-এর ওপর ভিত্তি করে স্থির (مبني) হয়; আর যখন এর সাথে তাকিদসূচক নূনদ্বয়ের (نوني التوكيد) কোনো একটি যুক্ত হয়, তখন তা ফাতহ (فتح)-এর ওপর ভিত্তি করে স্থির (مبني) হয়।

এবং তদ্ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে এটি পরিবর্তনশীল (معرب) হয়; বিশেষ্যের সাথে এর সাদৃশ্য থাকার কারণে যে, উভয়ের ওপর এমন কিছু গাঠনিক অর্থ পর্যায়ক্রমে আপতিত হয় যা ইরাব (إعراب) না থাকলে অস্পষ্ট হয়ে যেত। সুতরাং এটি নসবদানকারী অব্যয় (نواصب) দ্বারা নসব (نصب) প্রাপ্ত হয়, জযমদানকারী অব্যয় (جوازم) দ্বারা জযম (جزم) প্রাপ্ত হয় এবং যা এই দুটি থেকে মুক্ত থাকে তাতে রফ (رفع) হয়(১)।

আর পাঁচটি উদাহরণে (الأمثلة الخمسة) ইরাব (إعراب) পরিবর্তিত হয়; সেক্ষেত্রে নূন বহাল থাকার (ثبوت النون) মাধ্যমে তা রফ (رفع) প্রাপ্ত হয় এবং নূন বিলুপ্তির (حذف النون) মাধ্যমে নসব (نصب) ও জযম (جزم) প্রাপ্ত হয়(২)। আলিফ দ্বারা ত্রুটিপূর্ণ (المعتل بالألف) শব্দের ক্ষেত্রে হরকতসমূহ উহ্য (مقدر) ধরা হয় এবং এর সমগোত্রীয় অপর দুটির (أخويه) ক্ষেত্রে কেবল রফ (رفع) উহ্য থাকে; আর এই তিন প্রকারেই হরফে ইল্লত বিলুপ্ত হওয়ার (حذف حرف العلة) মাধ্যমে জযম (جزم) হয়। এছাড়া বাকি সব ক্ষেত্রে এর ইরাব (إعراب) প্রকাশ্য (ظاهر) হয়(৩)।

--------------------------------------------

(১) অর্থাৎ: যা নসবদানকারী (نواصب) ও জযমদানকারী (جوازم) থেকে মুক্ত। আল-ফাররা এবং অধিকাংশ কুফিবাদীদের মাযহাব হলো যে, মুদারি ক্রিয়ায় রফ (رفع) প্রদানকারী আমেলটি (عامل) একটি অর্থগত আমেল (عامل معنوي), আর তা হলো নসব ও জযম প্রদানকারী থেকে এর মুক্ত থাকা। এটিই ইবনুল হাজিব-এর পছন্দ এবং ইবনু হিশাম শারহুল ক্বতর গ্রন্থে একে সঠিক বলে অভিহিত করেছেন।

 

দেখুন: আল-আযহারীর শারহুল আওয়ামিল (পৃ. ৩৪০)।

(২) পাঁচটি উদাহরণ (الأمثلة الخمسة) হলো সেগুলো যাকে 'পাঁচটি ক্রিয়া' (الأفعال الخمسة)-ও বলা হয়। এর সংজ্ঞা হলো: প্রতিটি মুদারি ক্রিয়া যার সাথে জামা’র ওয়াও (واو الجماعة), দ্বিবচনের আলিফ (ألف الاثنين), অথবা সম্বোধনের ইয়া (ياء المخاطبة) যুক্ত হয়।

(৩) আর তা হলো এমন মুদারি ক্রিয়া যার শেষে কোনো কিছু যুক্ত হয়নি এবং যা হরফে ইল্লত (حرف علة) দ্বারা শেষ হয়নি। যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {আর মুমিনরা বলে...} আয়াতাংশ, এবং মহান আল্লাহর বাণী: {যতক্ষণ না আমাদের কাছে ফিরে আসে...} আয়াতাংশ, এবং মহান আল্লাহর বাণী: {আর তাঁর সমতুল্য কেউ নেই}।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১১)
‌‌[فعل الأمر وعلامته وحكمه]

وإن كان الزمن مختصًّا بالاستقبال وضعًا فالأمرُ(1)، وعلامته: أن تدل على الطلب، وتقبل ياء المخاطبة(2)، وحكمه: البناء على ما يجزم به مضارعه.

 

‌‌[الاسم وعلامته وأقسامه]

وإن لم يقترنْ بزمن فالاسم، وعلامته: قبول الجر وحروفه، والتنوين(3)، والإسناد إليه(4)، وأصله الإعراب والصرف، وقد يجيء على خلاف ذلك؛ لأنه إما متمكن أمكن في الاسمية، وهو المعرب المنصرف، وسيأتي، وإما متمكن لا أمكن، وهو ما أشبه الفعل(5) فمنع عن الصرف،

--------------------------------------------

(1) قال في الهمع (1/ 16): والأمر مستقبلٌ أبدًا؛ لأنه مطلوبٌ به حصول ما لم يحصل، أو دوام ما حصل، نحو {يَاأَيُّهَا النَّبِيُّ اتَّقِ اللَّهَ}، قال ابن هشام: "إلا أن يراد به الخبر، نحو "ارم ولا حرج". فإنه بمعنى: رميت والحالة هذه، وإلا كان أمرًا له بتجديد الرمي، وليس كذلك". ا. هـ.

(2) قوله: "أن تدل" بالتاء أي: الصيغة، ولا بد من حصول هاتين العلامتين، نحو قوله تعالى: {يَامَرْيَمُ اقْنُتِي .. } الآية، وقوله تعالى: {وَهُزِّي إِلَيْكِ .. }.

(3) هو نون ساكنة تتبع آخر الاسم في اللفظ، وتفارقه في الخط، استغناءً عنها بتكرار الشكلة عند الضبط بالقلم، نحو: زيدٍ، ورجلٍ، وصهٍ، ومسلماتٍ، فهذه أسماء لوجود التنوين في آخرها، وأنواعه عشرة، ذكرها السيوطي في الهمع وغيره من أصحاب شروح الألفية.

(4) قال ابن هشام في التوضيح ــ يُعرِّف بالإسناد إليه ــ: هو أن تنسب إليه ــ أي الاسم ــ ما يحصل به الفائدة" اهـ.

(5) طالع ما ذكره الرضي في شرحه على الكافية (1/ 36).
[আদেশবাচক ক্রিয়া (فعل الأمر) এবং এর চিহ্ন ও বিধান]

যদি কাল বা সময়টি বাচনিকভাবেই ভবিষ্যতের জন্য সুনির্দিষ্ট হয়, তবে তা হলো আদেশবাচক ক্রিয়া (الأمر)(১)। এর চিহ্ন (علامة) হলো: এটি কোনো কিছু তলব বা প্রার্থনা (الطلب) করা বোঝাবে এবং এটি সম্বোধনের ইয়া (ياء المخاطبة) গ্রহণ করবে(২)। এর বিধান (حكم) হলো: উক্ত ক্রিয়ার মুজারি (مضارع) যা দ্বারা জজম (جزم) করা হয়, তার ওপর ভিত্তি করে মাবনি বা অপরিবর্তনীয় (البناء) হওয়া।

 

[বিশেষ্য (الاسم) এবং এর চিহ্ন ও প্রকারভেদ]

আর যদি শব্দটি কোনো কালের সাথে সম্পৃক্ত না হয়, তবে তা বিশেষ্য (الاسم)। এর চিহ্ন (علامة) হলো: জর (الجر) ও এর হরফসমূহ গ্রহণ করা, তানবিন (التنوين)(৩) গ্রহণ করা এবং তার দিকে কোনো বিষয়কে সম্বন্ধ বা ইসনাদ (الإسناد إليه) করা(৪)। বিশেষ্যের মূল অবস্থা হলো ইরাব বা শব্দরূপান্তর (الإعراب) এবং পূর্ণ রূপান্তরযোগ্যতা বা সরফ (الصرف) গ্রহণ করা; তবে কখনো কখনো এর ব্যতিক্রমও দেখা যায়। কারণ বিশেষ্য হয় ‘মুতামাক্কিন আমকান’ (متمكن أمكن), অর্থাৎ যা বিশেষ্যত্বের বৈশিষ্ট্যে পূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠিত, আর তা হলো সেই মু’রাব (المعرب) যা পূর্ণ রূপান্তরযোগ্য (المنصرف), যার আলোচনা সামনে আসবে। অথবা এটি ‘মুতামাক্কিন লা আমকান’ (متمكن لا أمكن) হতে পারে, যা মূলত ক্রিয়ার (الفعل) সদৃশ হওয়ার কারণে(৫) পূর্ণ রূপান্তর (الصرف) থেকে বঞ্চিত হয় (গাইরে মুনসারিফ)।

--------------------------------------------

(১) আল-হাম’ (১/১৬) গ্রন্থে বলা হয়েছে: আদেশবাচক ক্রিয়া সর্বদা ভবিষ্যৎকাল অর্থ প্রদান করে; কারণ এর মাধ্যমে এমন কিছু অর্জনের প্রার্থনা করা হয় যা অর্জিত হয়নি, অথবা যা অর্জিত হয়েছে তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আবেদন করা হয়। যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {হে নবী! আপনি আল্লাহকে ভয় করুন}। ইবনে হিশাম বলেন: "যদি না এর দ্বারা সংবাদ প্রদান করা উদ্দেশ্য হয়, যেমন 'তুমি তীর নিক্ষেপ করো, এতে কোনো দোষ নেই'। এটি 'তুমি এই অবস্থায় তীর নিক্ষেপ করেছ' এমন অর্থ প্রদান করে। নতুবা এটি নতুন করে তীর নিক্ষেপ করার নির্দেশ হতো, অথচ বিষয়টি তেমন নয়।" সমাপ্ত।

(২) তাঁর কথা "বোঝাবে" বলতে সিগাহ বা রূপটি উদ্দেশ্য। এই দুটি চিহ্নের একত্র হওয়া আবশ্যক, যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {হে মারইয়াম! তুমি তোমার রবের অনুগত হও...} এবং মহান আল্লাহর বাণী: {আর তুমি তোমার দিকে খেজুর গাছের কাণ্ড নাড়া দাও...}।

(৩) এটি একটি সাকিন যুক্ত নুন, যা উচ্চারণের সময় বিশেষ্যের শেষে যুক্ত হয় কিন্তু লিখার সময় পৃথক থাকে; লিখার সময় হরকতের দ্বিত্ব ব্যবহারের মাধ্যমে এই নুন থেকে অমুখাপেক্ষী হওয়া হয়। যেমন: যায়েদুন (زيدٍ), রজুলুন (رجلٍ), সহিন (صهٍ), মুসলিমাতুন (مسلماتٍ)। শেষে তানবিন থাকার কারণে এগুলো বিশেষ্য। আল-সুয়ূতী আল-হাম’ গ্রন্থে এবং আলফিয়্যার অন্যান্য ব্যাখ্যাকারগণ তানবিনের দশটি প্রকার উল্লেখ করেছেন।

(৪) ইবনে হিশাম আল-তাওদিহ গ্রন্থে ইসনাদ (الإسناد إليه) এর পরিচয় দিতে গিয়ে বলেন: "তা হলো কোনো বিশেষ্যের দিকে এমন কিছু সম্বন্ধ করা যার দ্বারা একটি পূর্ণাঙ্গ ফায়দা বা অর্থ হাসিল হয়।" সমাপ্ত।

(৫) ইমাম আল-রাযী তাঁর শারহু আল-কাফিয়া (১/৩৬) গ্রন্থে এ বিষয়ে যা উল্লেখ করেছেন তা দেখে নিন।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১২)
وسيأتي، وإما ليس له حظٌّ في التمكن بأن أشبه الحرف، فَبُنِيَ، ونبدأ به فنقول:

 

‌‌[المبنيات]

أوجه شبه الاسم للحرف ثمانية:

الأول: الشبه الوضعي، بأن كان وضع الاسم على حرفٍ، أو حرفين فإن أصل الوضع على ذلك للحرف، فإن جاء الاسم كذلك فقد أشبهه، فيبنى(1)، ومنه الضمائر، وحمل ما زاد على الحرفين منها على غيره طردًا للباب، ويأتي هذا السبب في بعض الظروف، وأسماء الشرط والاستفهام، والإشارة، والموصولات.

الثاني: الشبه المعنوي، بأن يتضمن الاسم معنًى حقه أن يؤدى بالحرف، سواءً وضع له حرفٌ، كالشرط حرفه "إنْ"، والاستفهام حرفه الهمزة، أو لا كالإشارة كان حقها أن يوضع لها حرف، كنحوها من المعاني، ويأتي هذا السبب في الضمائر أيضًا؛ لأن التكلم والخطاب والغيبة من معاني الحروف، ومنه "أمسِ" لتضمن "أل" و "أحد عشر" لتضمن حرف العطف(2)، وحمل

--------------------------------------------

(1) قال الخضري في حاشيته (1/ 33): "أصل وضع الحرف كونه على حرفٍ أو حرفيْ هجاء، فما زاد فعلى خلاف الأصل، وأصل وضع الاسم ثلاثة فأكثر، فما نقص فقد شابه الحرف في وضعه، واستحق حكمه، وهو البناء".

(2) الأعداد من "أحد عشر" إلى "تسعة عشر" مبنية على فتح الجزأين ما عدا "اثنا عشر، اثنتا عشرة" فإنهما معربان، وسبب بناء العدد الأول منهما هو كونه محتاجًا إلى الثاني، وهذا الشبه الافتقاري، وبني الثاني منهما لتضمن حرف العطف.

انظر: شرح الكافية للرضي (2/ 87).
এবং এটি সামনে আসবে; আর যার সুদৃঢ় হওয়ার (تمكن) কোনো সুযোগ নেই এ কারণে যে তা অব্যয়ের (حرف) সদৃশ হয়েছে, ফলে তা পরিবর্তনহীন (مبني) হয়েছে। আমরা এটি দিয়েই শুরু করছি এবং বলছি:

 

‌‌[পরিবর্তনহীন শব্দসমূহ (المبنيات)]

বিশেষ্যের সাথে অব্যয়ের সাদৃশ্যের দিকগুলো আটটি:

প্রথম: গঠনগত সাদৃশ্য (الشبه الوضعي), আর তা হলো বিশেষ্যের গঠনটি এক বর্ণ বা দুই বর্ণের ওপর হওয়া, কারণ অব্যয়ের মূল গঠনই হলো অনুরূপ। সুতরাং বিশেষ্য যদি এমন হয়, তবে তা অব্যয়ের সদৃশ হয়ে যায়, ফলে তা পরিবর্তনহীন (مبني) হয়(১)। সর্বনামসমূহ (الضمائر) এর অন্তর্ভুক্ত; আর এগুলোর মধ্যে দুই বর্ণের অতিরিক্তগুলোকে ধারাবাহিকতা রক্ষার খাতিরে অন্যদের পর্যায়ভুক্ত করা হয়েছে। এই কারণটি কিছু কাল ও স্থানবাচক বিশেষ্য (الظروف), শর্তবাচক বিশেষ্য (أسماء الشرط), প্রশ্নবোধক বিশেষ্য (أسماء الاستفهام), ইঙ্গিতবাচক বিশেষ্য (أسماء الإشارة) এবং সম্বন্ধবাচক বিশেষ্যগুলোর (الموصولات) ক্ষেত্রেও পরিলক্ষিত হয়।

দ্বিতীয়: অর্থগত সাদৃশ্য (الشبه المعنوي), আর তা হলো বিশেষ্য এমন একটি অর্থকে অন্তর্ভুক্ত করবে যা কোনো অব্যয় (حرف) দ্বারা আদায় হওয়াই ছিল সংগত; চাই তার জন্য কোনো অব্যয় নির্ধারিত থাকুক—যেমন শর্তের অর্থের জন্য অব্যয় হলো "ইন" (إنْ) এবং প্রশ্নের জন্য হলো "হামজা"—অথবা না থাকুক, যেমন ইঙ্গিতবাচকতা (الإشارة), যার জন্য কোনো অব্যয় নির্ধারিত থাকা সংগত ছিল যেমনটি অন্যান্য অর্থের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। এই কারণটি সর্বনামগুলোর (الضمائر) ক্ষেত্রেও আসে; কারণ উত্তম পুরুষ (التكلم), মধ্যম পুরুষ (الخطاب) এবং নাম পুরুষ (الغيبة) অব্যয়ের অর্থের অন্তর্ভুক্ত। এর উদাহরণ হলো "আমসি" (أمسِ), কারণ তা "আল" (أل) কে অন্তর্ভুক্ত করে এবং "আহাদা আশারা" (أحد عشر), কারণ তা সংযোজক অব্যয়কে (حرف العطف) অন্তর্ভুক্ত করে(২)।

--------------------------------------------

(১) খুদরি তাঁর হাসিয়াতে (১/৩৩) বলেছেন: "অব্যয়ের (حرف) মূল গঠন হলো তা এক বা দুই বর্ণের হবে, সুতরাং যা এর অধিক হবে তা মূলের পরিপন্থী (خلاف الأصل)। আর বিশেষ্যের (الاسم) মূল গঠন হলো তিন বা ততোধিক বর্ণের হওয়া, সুতরাং যা এর চেয়ে কম হবে তা তার গঠনে অব্যয়ের সদৃশ হবে এবং অব্যয়ের বিধান তথা পরিবর্তনহীনতা (البناء) লাভের যোগ্য হবে।"

(২) "আহাদা আশারা" (أحد عشر) থেকে "তিসআতা আশারা" (تسعة عشر) পর্যন্ত সংখ্যাগুলো উভয় অংশ জবর হওয়ার ওপর পরিবর্তনহীন (مبني على فتح الجزأين), কেবল "ইছনা আশারা" (اثنا عشر) ও "ইছদাতা আশারা" (اثنتا عشرة) ব্যতিরেকে; কারণ এ দুটি পরিবর্তনশীল (معربান)। এই সংখ্যাগুলোর প্রথমটির পরিবর্তনহীন (مبني) হওয়ার কারণ হলো সেটি দ্বিতীয়টির মুখাপেক্ষী হওয়া, আর এটি হলো মুখাপেক্ষীমূলক সাদৃশ্য (الشبه الافتقاري); আর দ্বিতীয় অংশটি পরিবর্তনহীন হয়েছে সংযোজক অব্যয়কে (حرف العطف) অন্তর্ভুক্ত করার কারণে।

দেখুন: শারহুল কাফিয়া লির রাযি (২/৮৭)।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১৩)
على الثاني منها اسم "لا" التبريئية(1)، ومنه المنادى المرفوع؛ لوقوعه موقع كاف الخطاب.

الثالث: الشبه الاستعمالي، بأن يكون الاسم نائبًا عن الفعل غير متأثرٍ بالعوامل، وذلك أسماء الأفعال، مع أن اسم فعل الأمر متضمنٌ للام الأمر، ويحمل غيره عليه، طردًا للباب.

الرابع: الشبه الافتقاري، بأن يكون [الاسم](2) لازم الافتقار إلى ما يتم معناه، كالموصولات إلى الصلات، وكلٌّ من الغايات المقطوعات(3)، و "إذا" و "إذ" إلى مضافٍ إليه، والمضمراتِ إلى ما يفسرها، والأول من المركب المزجي إلى الثاني.

الخامس: الشبه الإهمالي، ومنه الأسماء قبل التركيب، وأسماء حروف الهجاء المسرودة، وأسماء العدد(4).

--------------------------------------------

(1) اختلف في موجب بناء اسم "لا"، فقيل: تضمنه معنى "من" الاستغراقية، وصححه ابن عصفور والرضي والخضري وغيرهم. وقيل: تركيبه معها تركيب "خمسة عشر"، وصححه ابن الضائع، ونُقِلَ عن سيبويه وجماعة. وقيل: لتضمنه معنى اللام الاستغراقية.

انظر: شرح الكافية للرضي (1/ 256)، والمساعد على تسهيل الفوائد لابن عقيل (1/ 340)، والهمع (2/ 199)، وحاشية الخضري (1/ 35).

(2) في أصل المخطوط: "بأن يكون الفعل .. " إلخ، وهو خطأٌ ظاهر، وتصحيحه من مصادر المؤلف المتقدمة.

(3) المقصود بالغايات المقطوعات: الظروف المقطوعة عن الإضافة.

(4) نقله السيوطي عن بعضهم (1/ 52)، وذلك نحو: "ألف، باء تاء، ثاء، جيم … " إلخ، وأما أسماء العدد، فنحو: "واحد، اثنين، ثلاثة … " إلخ، وزاد الخضري (1/ 35) أسماء الأصوات، إذ لا تعمل ولا يعمل فيها غيرها أصلاً، وقال: إنه ظاهرٌ فيه.
দ্বিতীয়টির ভিত্তিতে 'লা' আত-তাবরিইয়াহ (لا التبريئية)(১)-এর বিশেষ্য; এর অন্তর্ভুক্ত হলো মারফু সম্বোধনবাচক শব্দ (المنادى المرفوع); যেহেতু এটি সম্বোধনসূচক 'কাফ' (كاف الخطاب)-এর স্থলাভিষিক্ত হয়।

তৃতীয়: ব্যবহারিক সাদৃশ্য (الشبه الاستعمالي), তা হলো বিশেষ্যটি প্রভাবকসমূহ (العوامل) দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে ক্রিয়ার প্রতিনিধি (نائبًا عن الفعل) হওয়া; আর তা হলো ক্রিয়া-বিশেষ্যসমূহ (أسماء الأفعال), যদিও আদেশসূচক ক্রিয়া-বিশেষ্য (اسم فعل الأمر) এর মধ্যে আদেশসূচক 'লাম' (لام الأمر) নিহিত থাকে; আর মূল নিয়মের ধারাবাহিকতা রক্ষায় অন্যান্যগুলোকে এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

চতুর্থ: নির্ভরতাগত সাদৃশ্য (الشبه الافتقاري), তা হলো [বিশেষ্যটি](২) তার অর্থ পূর্ণ করার জন্য আবশ্যিকভাবে অন্য কিছুর মুখাপেক্ষী হওয়া, যেমন সম্বন্ধসূচক সর্বনামের (الموصولات) তার সংশ্লিষ্ট বাক্যাংশের (الصلات) প্রতি মুখাপেক্ষী হওয়া, এবং সম্বন্ধ-বিচ্ছিন্ন প্রান্তিক পদসমূহ (الغايات المقطوعات)(৩)-এর প্রতিটি, এবং 'ইযা' (إذا) ও 'ইয' (إذ) এর মুদাফ ইলাইহি (مضاف إليه)-এর প্রতি মুখাপেক্ষী হওয়া, এবং সর্বনামসমূহের (المضمرات) সেগুলোর ব্যাখ্যা প্রদানকারীর প্রতি মুখাপেক্ষী হওয়া, এবং যৌগিক মিশ্র শব্দের (المركب المزجي) প্রথম অংশটির দ্বিতীয় অংশের প্রতি মুখাপেক্ষী হওয়া।

পঞ্চম: ব্যবহারহীনতাগত সাদৃশ্য (الشبه الإهمالي); এর অন্তর্ভুক্ত হলো বাক্য গঠনের পূর্বের বিশেষ্যসমূহ, ধারাবাহিকভাবে পঠিত বর্ণমালার নামসমূহ এবং সংখ্যাবাচক নামসমূহ (أسماء العدد)(৪)।

--------------------------------------------

(১) 'লা' (لا) এর পরবর্তী বিশেষ্যের মাবনি (مبني) হওয়ার কারণ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। বলা হয়েছে: এটি ব্যাপক অর্থবোধক 'মিন' (من الاستغراقية) এর অর্থ ধারণ করে; ইবনে উসফুর, আর-রাযি, আল-খুদারি এবং অন্যান্যরা একে সঠিক (صحيح) বলেছেন। আবার বলা হয়েছে: 'লা' এর সাথে এর গঠনটি 'খামসাতা আশারা' (خمسة عشر) এর গঠনের ন্যায়; ইবনুদ দাইয়্যি' একে সঠিক (صحيح) বলেছেন এবং এটি সিবওয়াইহি ও একদল আলেম থেকে বর্ণিত হয়েছে। আরও বলা হয়েছে: এটি ব্যাপক অর্থবোধক 'লাম' (اللام الاستغراقية) এর অর্থ ধারণ করার কারণে।

দেখুন: শারহুল কাফিয়া লিল রাযি (১/ ২৫৬), আল-মুসাঈদ আলা তাসহিলিল ফাওয়াইদ লিবনি আকিল (১/ ৩৪০), আল-হাম'উ (২/ ১৯৯), এবং হাশিয়াতুল খুদারি (১/ ৩৫)।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে রয়েছে: "যাতে ক্রিয়াটি হয়..." ইত্যাদি, যা একটি প্রকাশ্য ভুল; লেখকের পূর্বোক্ত উৎসগুলো থেকে এর সংশোধন করা হয়েছে।

(৩) সম্বন্ধ-বিচ্ছিন্ন প্রান্তিক পদসমূহ (الغايات المقطوعات) দ্বারা উদ্দেশ্য হলো: সম্বন্ধহীন স্থান-কালবাচক শব্দসমূহ (الظروف المقطوعة عن الإضافة)।

(৪) আস-সুয়ূতী কারো কারো থেকে এটি বর্ণনা করেছেন (১/ ৫২), যেমন: "আলিফ (ألف), বা (باء), তা (تاء), ছা (ثاء), জিম (جيم)..." ইত্যাদি। আর সংখ্যাবাচক নামসমূহ যেমন: "ওয়াহিদ (واحد), ইছনাইন (اثنين), সালাসা (ثلاثة)..." ইত্যাদি। আল-খুদারি (১/ ৩৫) এতে ধ্বনিবাচক নামসমূহ (أسماء الأصوات) যুক্ত করেছেন, যেহেতু এগুলো কোনো আমল করে না এবং এগুলোর ওপরও অন্য কিছু আমল করে না; তিনি বলেছেন: এটি এর ক্ষেত্রে স্পষ্ট।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১৪)
السادس: الشبه الصوري، مثل "حاشا" الاسمية للحرفية(1)، و "كلا" بمعنى حقًّا لحرف الردع، ويلحق به "فعالِ" عند الحجازيين ومن وافقهم، لِوِزَان بعض أسماء الأفعال، كـ "نزال"، وقد يسمى الشبه الوزني، لكنه اعتضد بغيره من صفات اسم الفعل من العدل والتعريف والتأنيث، فالسبب مجموع ذلك.

السابع: الشبه الجمودي، وهو عدم تصرف الاسم.

الثامن: الشبه الاستغنائي، بأن يستغني الاسم عن الإعراب بكثرة صيغه، ويأتيان في الضمائر.

فكل ما فيه أحد هذه الأسباب، ولم يعارض بـ "أل"، أو الإضافة، ولم يطرأ عليه التثنية، أو الجمع، أو التصغير، أو نحوها فإنه مبني.

 

‌‌[أنواع البناء]

ثم أنواع البناء أربعة: سكون: وهو الأصل، فلا يعدل إلى الحركة إلا بسببٍ، كالتقاء الساكنين(2)، وكون الكلمة على حرفٍ واحدٍ(3)، وعرضتها للبدء بها كباء الجر، أو لها أصلٌ في الإعراب كالغايات(4)، أو مشابهة

--------------------------------------------

(1) ترد "حاشا" اسميةً بمعنى التنزيه، وحرف جر خلافًا للفراء وجماعة، فلما أشبهت "حاشا" الاسمية في اللفظ والصورة "حاشا" الحرفية بنيت.

انظر: الهمع (3/ 282).

(2) مثال التقاء الساكنين "أين" فأصلها ساكنة النون "أَينْ"، فالتقى ساكنان: الياء والنون، فحركت النون بالفتحة؛ للتخلص منه.

(3) وذلك كبعض المضمرات، نحو تاء الفاعل من "ضربتُ".

(4) الغايات هي الظروف، وذلك نحو "قبل، وبعد، وأول" في حالة حذف ما تضاف إليه، ونية معناه.
ষষ্ঠ: আকারগত সাদৃশ্য (الشبه الصوري), যেমন অব্যয় হওয়ার কারণে বিশেষ্য হিসেবে 'হাশা' (حاشا) এর ব্যবহার(১), এবং ধমকসূচক অব্যয় হিসেবে 'কাল্লা' (كلا) এর অর্থে 'হাক্কান' (حقًّا) এর ব্যবহার। হিজাজবাসী এবং তাদের অনুসারীদের নিকট 'নাযালি' (نزال) এর মতো কিছু ক্রিয়া-বিশেষ্যের (أسماء الأفعال) ওজনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ার কারণে 'ফায়ালি' (فعالِ) ওজনটিও এর অন্তর্ভুক্ত হবে। একে ওজনগত সাদৃশ্য (الشبه الوزني) বলা হয়ে থাকে, তবে এটি ক্রিয়া-বিশেষ্যের অন্যান্য বৈশিষ্ট্য যেমন: রূপান্তর (العدل), নির্দিষ্টতা (التعريف) এবং স্ত্রীলিঙ্গ (التأنيث) হওয়ার দ্বারা শক্তিশালী হয়েছে। ফলে (অপরিবর্তনীয় হওয়ার) কারণ হলো এগুলোর সমষ্টি।

সপ্তম: স্থবিরতাগত সাদৃশ্য (الشبه الجمودي), আর তা হলো বিশেষ্য পদের রূপান্তরহীনতা।

অষ্টম: অমুখাপেক্ষিতা জনিত সাদৃশ্য (الشبه الاستغنائي), তা হলো শব্দরূপের আধিক্যের কারণে বিশেষ্য পদটি কারক পরিবর্তনের (الإعراب) মুখাপেক্ষী না হওয়া। এই দুই প্রকার সাদৃশ্য সর্বনামের (الضمائر) ক্ষেত্রে পরিলক্ষিত হয়।

অতএব যে শব্দে এ সকল কারণের কোনো একটি পাওয়া যাবে এবং তা 'আলিফ-লাম' (أل) বা ইদাফাত (الإضافة) দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হবে না, এবং তাতে দ্বিবচন, বহুবচন, ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপ (التصغير) বা এ জাতীয় কোনো পরিবর্তন আসবে না, তবে সেটি অপরিবর্তনীয় (مبني)।

 

‌‌[অপরিবর্তনীয় অবস্থার প্রকারভেদ (أنواع البناء)]

অতঃপর অপরিবর্তনীয় অবস্থা (البناء) চার প্রকার: সুকুন (سكون): আর এটিই হলো মূল। সুতরাং কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়া একে হরকতের (الحركة) দিকে পরিবর্তন করা যাবে না; যেমন: দুই সাকিনের মিলন (التقاء الساكنين)(২), শব্দ এক অক্ষর বিশিষ্ট হওয়া(৩) এবং তা দিয়ে শুরু করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেওয়া যেমন: যের প্রদানকারী 'বা' (باء الجر), অথবা কারক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে শব্দটির মূল ভিত্তি থাকা যেমন: প্রান্তিক শব্দসমূহ (الغايات)(৪), অথবা সদৃশ হওয়া

--------------------------------------------

(১) 'হাশা' (حاشا) শব্দটি পবিত্রতা বর্ণনার অর্থে বিশেষ্য হিসেবে এবং যের প্রদানকারী অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়—যা ইমাম ফাররা এবং একদল ভাষাবিদের মতের পরিপন্থী। সুতরাং যখন বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত 'হাশা' (حاشা) শব্দগত ও আকারগত দিক থেকে অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত 'হাশা' (حاشا) এর সদৃশ হয়, তখন একে অপরিবর্তনীয় (مبني) ধরা হয়।

দেখুন: হামাউল হাওয়াতি (৩/ ২৮২)।

(২) দুই সাকিনের মিলনের উদাহরণ হলো 'আইনা' (أين); এর মূল রূপ ছিল নুন সাকিনযুক্ত 'আইন' (أَينْ)। ফলে দুটি সাকিন— ইয়া এবং নুন একত্রে মিলিত হয়েছে। অতঃপর তা থেকে নিষ্কৃতি পেতে নুনকে ফাতহা দ্বারা হরকত প্রদান করা হয়েছে।

(৩) আর তা হলো কিছু সর্বনামের ক্ষেত্রে, যেমন: 'দারাবতু' (ضربتُ) এর কর্তাবাচক 'তা' (تاء الفاعل)।

(৪) গায়াত (الغايات) হলো সেই সকল যরফ বা ক্রিয়া-বিশেষণ যেমন: 'কাবলু' (قبل), 'বাদু' (بعد) এবং 'আউয়ালু' (أول); যখন মুদাফ ইলাইহি উহ্য থাকে এবং তার অর্থের নিয়ত করা হয়।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১৫)
للمعرب كالماضي للمضارع في الوقوع صلةً، وصفةً وحالاً، وللدلالة على استقلال الكلمة وأصالة المتحرك، كما في "هو وهي"؛ إذ لو سُكِّن الواو والياء لتوهم أنهما للإشباع.

[أسباب الفتح]

فأسباب الفتح طلب الخفة، كـ "أينَ"، ومجاورة الألف كـ "أيان"، والفرق بين أداتين كـ (لام) المستغاث به ولام القسم، للفرق بينهما وبين (لام) الملك، والاتباع كـ (كيف) إذِ الساكن حاجزٌ غير حصين.

[أسباب الكسر]

وأسباب الكسر: مجانسة العمل كـ"باءِ الجر، ولامه"، أما واو القسم وتاؤه، وكاف الجر، ففتحت للخفة، ولأن الواو لا يلزم الجر، والحمل على المقابل كلامِ الجحود على لام الملك، وللإشعار بالتأنيث كتاء المخاطبة، ولكونه الأصل في التخلص عن الساكنين، كـ "أمس"؛ لأن السكون مختصٌّ بالفعل، والكسر بالاسم، وإنما يتخلص عن الشيء بمقابله، ولعدم التباسها بحركة الإعراب إذ لا يكون هناك(1) إلا مع التنوين والجر والإضافة.

[أسباب الضم]

أسباب الضم: الاتباع كـ "مُنْذُ"، والتعويض إذا حُرِمَتْه الكلمة معربةً كالغايات، وحمل عليها المنادى، و "حيثُ"؛ لأن كلًّا صار غاية في النطق،

--------------------------------------------

(1) هكذا العبارة في الأصل، وجاء عند الخضري ودحلان قولهم: "إذ لا يكون الكسر إعرابًا إلا مع التنوين و … " إلخ.
মু’রাব (معرب) শব্দের ন্যায় মাদি (ماضي) ক্রিয়া মুদারে’ (مضارع) ক্রিয়ার স্থলাভিষিক্ত হয়ে সিলাহ (صلة), সিফাত (صفة) বা হাল (حال) হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি শব্দের স্বকীয়তা এবং মূল বর্ণের স্বরযুক্ত (متحرك) হওয়া নির্দেশ করার জন্য, যেমন 'হুয়া' এবং 'হিয়া' শব্দের ক্ষেত্রে; কারণ যদি ওয়াও এবং ইয়া বর্ণ দুটিকে সাকিন (سكون) করা হতো, তবে ধারণা হতে পারত যে এগুলো কেবল স্বরধ্বনির দীর্ঘায়ন বা ইশবাত (إشباع)-এর জন্য এসেছে।

[ফাতাহ বা জবর হওয়ার কারণসমূহ]

ফাতাহ (فتح) হওয়ার কারণসমূহ হলো শব্দের সাবলীলতা (خفة) অর্জন করা, যেমন 'আইনা'। অথবা আলিফ বর্ণের নৈকট্য লাভ করা, যেমন 'আইয়ানা'। অথবা দুটি অব্যয়ের মধ্যে পার্থক্য করা, যেমন সাহায্য প্রার্থনার (লাম) এবং শপথের লাম; যাতে এদের এবং মালিকানা সত্ত্ব নির্দেশক (লাম)-এর মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। এছাড়া পূর্ববর্তী ধ্বনির অনুসরণ (اتباع) করার জন্যও এটি হয়, যেমন 'কাইফা' শব্দে; কারণ এখানে সাকিন (ساكن) বর্ণটি একটি দুর্বল ব্যবধায়ক হিসেবে কাজ করে।

[কাসরা বা জের হওয়ার কারণসমূহ]

কাসরা (كسر) হওয়ার কারণসমূহ হলো: আমল বা কার্যের সমজাতীয়তা রক্ষা করা, যেমন জারের 'বা' এবং 'লাম'। তবে শপথের 'ওয়াও', 'তা' এবং জারের 'কাফ' বর্ণে ফাতাহ (فتح) প্রদান করা হয়েছে সাবলীলতা (خفة) রক্ষার জন্য এবং একারণে যে 'ওয়াও' বর্ণটি সর্বদা জারের জন্য হওয়া অপরিহার্য নয়। এছাড়া বিপরীত বিষয়ের ওপর কিয়াস করা, যেমন লামে জুহুদকে লামে মিল্কের ওপর কিয়াস করা। স্ত্রীলিঙ্গ নির্দেশ করার জন্যও এটি হয়, যেমন সম্বোধনের 'তা'। এছাড়া দুই সাকিন (ساكنين) একত্রিত হলে তা থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার এটিই মূল পদ্ধতি, যেমন 'আমসি' শব্দে; কারণ সাকিন (سكون) হওয়া ক্রিয়া (فعل)-এর বৈশিষ্ট্য এবং কাসরা (كسر) হওয়া বিশেষ্য (اسم)-এর বৈশিষ্ট্য। আর কোনো কিছু থেকে নিষ্কৃতি পেতে হলে তার বিপরীত বিষয়ের মাধ্যমেই তা করতে হয়। এছাড়া এতে এ’রাবি (إعراب) অবস্থার সাথে কোনো বিভ্রান্তির অবকাশ থাকে না, কারণ সেখানে তানভীন (تنوين), জার (جر) এবং ইদাফাত (إضافة) ব্যতীত কাসরা হয় না।

[দম্মা বা পেশ হওয়ার কারণসমূহ]

দম্মা (ضم) হওয়ার কারণসমূহ হলো: পূর্ববর্তী ধ্বনির অনুসরণ (اتباع), যেমন 'মুনজু'। অথবা বিকল্প বা ক্ষতিপূরণ হিসেবে যখন শব্দটি মু’রাব (معرب) হওয়ার যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে, যেমন গায়াত বা দিকবাচক শব্দসমূহ। মুনাদা (منادى) এবং 'হাইসু' শব্দকেও এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে; কারণ এদের প্রতিটিই উচ্চারণের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছেছে।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে ইবারতটি এভাবেই রয়েছে। খুদারি এবং দাহলান-এর বর্ণনায় এসেছে: "কেননা তানভীন এবং ... ব্যতীত কাসরা (كسر) এ’রাব (إعراب) হিসেবে গণ্য হয় না" ইত্যাদি।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১৬)
ولمقابلة الواو في نظير الكلمة، كما ضمت "نحنُ" لمقابلة الواو في "همو".

ويكون البناء أصلاً في الحرف والفعل، لا يُسْئل عن سببه، ولكون السكون أصلاً في البناء لا يُسْئل عن سببه، [كذلك](1)، وإنما يسئل عن سبب البناء في الاسم والمضارع، أو عن سبب الحركة حيث كانت، وعن سبب كونها فتحةً أو كسرةً أو ضمةً، فنحو "لعلَّ" حركت لالتقاء الساكنين بالفتحة للخفة، والغايات بنيت لشبهها الحرف؛ لافتقارها إلى مضافٍ إليه، وقيل: حركت لأن لها أصلاً في الإعراب، وكانت الحركة ضمةً تعويضًا عما فاتها في الإعراب، والفعل الماضي حرك لإشباهه المعرب، وكانت الحركة فتحًا [لتعينه](2) في حركته، إذ الكسر لا يأتي في الفعل، والضم أصلاً للإعراب، مع إيهام أنه لجماعة.

 

‌‌(باب الممنوع)

النوع الثاني من الاسم: هو ما كان متمكنًا في الاسمية غير أمكن، بأن أشبه الفعل، فمُنِعَ من الصرف، وتحقيق شَبَهِهِ أن في الفعل علتين فرعيتين، وهما: اشتقاقه من المصدر، وهي اللفظية، واحتياجه إلى الاسم، وهي المعنوية(3).

--------------------------------------------

(1) زيادة لابد منها حتى يستقيم النص.

(2) في أصل المخطوط لم تكتب الكلمة بخطٍ واضح، وهي قريبة مما أثبتناه.

(3) ذكر هذا الأشموني في شرحه الألفية (3/ 229) وقال في معنى احتياج الفعل إلى الاسم: "إن الفعل يحتاج إلى فاعل، والفاعل لا يكون إلا اسمًا". اهـ. وانظر: الهمع (1/ 78).
এবং শব্দের অনুরূপ অক্ষরে 'ওয়াও' (واو) এর মোকাবিলার জন্য, যেমন 'নাহনু' শব্দটিতে পেশ (ضمة) প্রদান করা হয়েছে 'হুমু' শব্দে 'ওয়াও' (واو) এর মোকাবিলার জন্য।

অব্যয় (حرف) এবং ক্রিয়ার (فعل) ক্ষেত্রে অপরিবর্তনীয় হওয়া (بناء) হলো মূল ভিত্তি, এর কারণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয় না। একইভাবে সুকুন (سكون) মাবনি হওয়ার ক্ষেত্রে মূল ভিত্তি হওয়ার কারণে এর কারণ সম্পর্কেও প্রশ্ন করা হয় না, [একইভাবে](১)। বরং প্রশ্ন করা হয় বিশেষ্য (اسم) এবং মুদারে ক্রিয়ার মাবনি হওয়ার কারণ সম্পর্কে, অথবা যেখানে হরকত রয়েছে সেখানে তার কারণ সম্পর্কে, এবং হরকতটি কেন ফাতহা (فتحة), কাসরা (كسرة) বা দাম্মা (ضمة) হলো সেই কারণ সম্পর্কে। যেমন 'লাআল্লা' শব্দটি দুই সাকিন একত্রিত হওয়ার কারণে উচ্চারণ সহজ করার জন্য ফাতহা (فتحة) দ্বারা হরকতযুক্ত করা হয়েছে। আর 'গায়াত' (গন্তব্যবাচক শব্দসমূহ) অব্যয়ের সদৃশ হওয়ার কারণে মাবনি হয়েছে; কারণ এগুলো মুদাফ ইলাইহির মুখাপেক্ষী। কেউ কেউ বলেছেন: এটি হরকতযুক্ত হয়েছে কারণ ইরাব (إعراب) এর ক্ষেত্রে এর একটি মূল ভিত্তি ছিল, আর ইরাব বিলুপ্ত হওয়ার ক্ষতিপূরণ হিসেবে এখানে হরকতটি দাম্মা (ضمة) হয়েছে। আর মাজি বা অতীতকালীন ক্রিয়া মু'রাব-এর সদৃশ হওয়ার কারণে হরকতযুক্ত হয়েছে, এবং হরকতটি ফাতহা (فتحة) হওয়া [নির্ধারিত](২) করা হয়েছে; কারণ ক্রিয়ার ক্ষেত্রে কাসরা (كسرة) আসে না এবং দাম্মা (ضمة) মূলত ইরাব (إعراب) এর জন্য নির্দিষ্ট, সাথে এটি বহুবচনের বিভ্রমও তৈরি করতে পারে।

 

‌‌(নিষিদ্ধ বা গায়রে মুনসারিফ পরিচ্ছেদ)

বিশেষ্যের (اسم) দ্বিতীয় প্রকার: যা বিশেষ্য হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত কিন্তু পূর্ণাঙ্গ নয় (غير أمكن), আর তা হলো ক্রিয়ার সদৃশ হওয়া, ফলে তাকে রূপান্তর (صرف) থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর সাদৃশ্যতার হাকিকত হলো যে, ক্রিয়ার মধ্যে দুটি গৌণ (فرعية) কারণ বিদ্যমান, সেগুলো হলো: মাসদার থেকে শব্দগতভাবে ব্যুৎপন্ন হওয়া (لفظية) এবং বিশেষ্যের প্রতি অর্থগতভাবে মুখাপেক্ষী হওয়া (معنوية)(৩)।

--------------------------------------------

(১) পাঠ্যধারা সঠিক হওয়ার জন্য এই সংযোজনটি অপরিহার্য।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে শব্দটি স্পষ্টভাবে লেখা ছিল না, তবে এটি আমাদের সাব্যস্তকৃত শব্দের কাছাকাছি।

(৩) আল-আশমুনি তার আলফিয়্যাহ-র ব্যাখ্যাগ্রন্থে (৩/২২৯) এটি উল্লেখ করেছেন এবং ক্রিয়া বিশেষ্যের প্রতি মুখাপেক্ষী হওয়ার অর্থ প্রসঙ্গে বলেছেন: "নিশ্চয়ই ক্রিয়া ফায়িল বা কর্তার মুখাপেক্ষী, আর ফায়িল কেবল বিশেষ্য বা ইসিম-ই হয়ে থাকে।" সমাপ্ত। আরও দেখুন: আল-হামউ (১/৭৮)।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১৭)
والمشتق فرع المشتق منه، والمحتاج فرع المحتاج إليه، فإذا حوى الاسم علتين كذلك، فقد أشبه الفعل، فمنع مما يمنع [منه](1) الفعل من الخفض والتنوين.

والعلل المعنوية أربع:

لزوم التأنيث فرعٌ عن عدم لزومه.

الثانية: الجمع فرع عن المفرد.

الثالثة: العَلَميَّة فرع عن التنكير.

الرابعة: الوصف فرعٌ عن الموصوف، وشرطه الأصالة(2).

والعلل اللفظية سبعٌ:

التأنيث، وهو ثلاثة أقسام: بالألف مقصورةً أو ممدودة، وبالتاء، ومعنوي، وشرط الأخير الزيادة على الثلاثة، أو تحرك وسطها، والتأنيث فرعٌ عن التذكير.

الثانية: عدم النظير في الآحاد فرعٌ عما له نظير(3).

--------------------------------------------

(1) في الأصل المخطوط: "من" بدون الضمير.

(2) ذكر الصبان في حاشيته (3/ 231) أن ابن مالك في العمدة وشرحها شرط أصالة الوصفية.

(3) المقصود بهذا صيغة منتهى الجموع، "مفاعل كمساجد، ومفاعيل كمصابيح"، فهذان الجمعان لا يوجد لهما نظير في المفرد، والآحاد يأتي على زنته، بينما كلمة "كلاب" جمع كلب، لها نظير في الآحاد، نحو "كتاب".

وانظر: شرح الكافية للرضي (1/ 40)، والهمع (1/ 79).
এবং ব্যুৎপন্ন (المشتق) হলো তার মূল উৎসের একটি শাখা, আর মুখাপেক্ষী বিষয়টি যার প্রতি মুখাপেক্ষী হওয়া হয় তার একটি শাখা। সুতরাং কোনো বিশেষ্য যখন একইভাবে দুটি কারণ (علتين) ধারণ করে, তখন তা ক্রিয়ার (الفعل) সদৃশ হয়ে যায়। ফলে ক্রিয়াকে যা থেকে বারিত করা হয়—অর্থাৎ জের (الخفض) এবং তানউইন (التنوين)—এই বিশেষ্যকেও তা থেকে বারিত করা হয়।

অর্থগত কারণসমূহ (العلل المعنوية) চারটি:

স্ত্রীলিঙ্গ হওয়া (التأنيث) অপরিহার্য হওয়াটি তা অপরিহার্য না হওয়ার একটি শাখা।

দ্বিতীয়: বহুবচন (الجمع) হলো একবচনের (المفرد) একটি শাখা।

তৃতীয়: নামবাচকতা (العلمية) হলো অনির্দিষ্টতার (التنكير) একটি শাখা।

চতুর্থ: বিশেষণ (الوصف) হলো বিশেষ্যের (الموصوف) একটি শাখা, আর এর শর্ত হলো গুণবাচকতার মৌলিকত্ব (الأصالة)।

শব্দগত কারণসমূহ (العلل اللفظية) সাতটি:

স্ত্রীলিঙ্গ হওয়া (التأنيث), এটি তিন প্রকার: আলিফে মাকসূরা (الألف مقصورة) বা মামদুদা (ممدودة) দ্বারা, ‘তা’ (التاء) বর্ণ দ্বারা এবং অর্থগত (معنوي); আর শেষেরটির শর্ত হলো শব্দটি তিন বর্ণের অতিরিক্ত হওয়া অথবা এর মধ্যাক্ষরটি হরকতযুক্ত হওয়া। আর স্ত্রীলিঙ্গ হওয়াটি পুংলিঙ্গ (التذكير) হওয়ার একটি শাখা।

দ্বিতীয়: একবচনের (الآحاد) ক্ষেত্রে সমরূপ না থাকাটি (عدم النظير) সমরূপ থাকা বিষয়ের একটি শাখা।

--------------------------------------------

(1) মূল পাণ্ডুলিপিতে সর্বনাম ব্যতীত "মিন" (من) শব্দটি রয়েছে।

(2) সাব্বান তার টীকায় (৩/২৩১) উল্লেখ করেছেন যে, ইবনে মালিক ‘আল-উমদাহ’ এবং এর ব্যাখ্যাগ্রন্থে বিশেষণ হওয়ার মৌলিকত্বকে (أصالة الوصفية) শর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

(3) এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো বহুবচনের চূড়ান্ত রূপ (صيغة منتهى الجموع), যেমন ‘মাসাজিদ’-এর মতো ‘মাফাইল’ (مفاعل) এবং ‘মাসাবিহ’-এর মতো ‘মাফায়িল’ (مفاعيل)। এই দুই প্রকার বহুবচনের (الجمع) জন্য একবচনে কোনো সমরূপ শব্দ পাওয়া যায় না, অথচ একবচনগুলো (الآحاد) কখনো কখনো এই ওজনে আসতে পারে। পক্ষান্তরে ‘কিলাব’ শব্দটি ‘কালব’-এর বহুবচন (الجمع), যার একবচনের (المفرد) ক্ষেত্রে সমরূপ ওজনে শব্দ রয়েছে, যেমন ‘কিতাব’।

এবং দেখুন: শারহুল কাফিয়া লি-রাযী (১/৪০) এবং আল-হাম (১/৭৯)।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১৮)
الثالثة: زيادة الألف والنون فرعٌ عن [غير](1) المزيد فيه.

الرابعة: وزن الفعل فرعٌ عن وزن الاسم، وشرطه: اختصاصه أو غلبته بالفعل(2).

الخامسة: العدل فرع عن المعدول عنه، وهو إما تحقيقي، كـ "ثُناء ومَثْنى" وأخواته، أو تقديري كـ "عُمَر".

السادسة: التركيب المزجي فرعٌ عن الإفراد(3).

السابعة: العجمية عن العربية، وشرطها أن ينتقل الاسم إلى العلمية من أول وهلة، وزيادتها على الثلاثة أحرف.

[اجتماع العلتين في منع الاسم من الصرف]

فالأولى من المعنوية، وهي لزوم التأنيث خاصة مع القسم الأول من الأولى من اللفظية، وهو التأنيث بالألف مقصورةً أو ممدودةً، نحو: "حبلى، وحمراء، وسلمى، وذكرى، وسكارى، وأولياء".

والثانية من المعنوية، وهي الجمع خاصة بالثانية من اللفظية، وهي عدم النظير، وذلك في صيغة "مفاعل، ومفاعيل" لا غير.

وأما الثالثة والرابعة من المعنوية، وهي العلمية والوصف، فيجيء كل منهما مع الثالثة من اللفظية وهي زيادة الألف والنون في نحو "عثمان، وسكران، مؤنَّثُه كسكرى".

--------------------------------------------

(1) الكلمة غير واضحة في المخطوط، وما وضعناه هو الموافق.

(2) راجع الهمع للسيوطي (1/ 97).

(3) الإفراد والمفرد في باب الإضافة وباب العلم ضد الجملة التي يشترط فيها التركيب.
তৃতীয়: আলিফ এবং নূন-এর আধিক্য হলো মূল (যাতে কোনো কিছু বৃদ্ধি করা হয়নি এমন) শব্দের একটি শাখা।(১)

চতুর্থ: ক্রিয়ার ওজন বিশেষ্যের ওজনের একটি শাখা, আর এর শর্ত হলো: এটি ক্রিয়ার সাথে সুনির্দিষ্ট হওয়া অথবা ক্রিয়ার ক্ষেত্রে এর আধিক্য থাকা।(২)

পঞ্চম: আদল বা রূপান্তর হলো মূল শব্দ (যেখান থেকে রূপান্তরিত হয়েছে) এর একটি শাখা। এটি হয় প্রকৃত, যেমন: 'থুনা' ও 'মাথনা' এবং এর সমগোত্রীয় শব্দগুলো, অথবা অনুমিত, যেমন: 'উমর'।

ষষ্ঠ: সংমিশ্রিত যৌগিক গঠন (তারকিবে মাজজি) একক শব্দের একটি শাখা।(৩)

সপ্তম: অনারব শব্দ আরবি শব্দের একটি শাখা, আর এর শর্ত হলো নামটি শুরু থেকেই বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া এবং এটি তিন অক্ষরের অধিক হওয়া।

[বিশেষ্যের রূপান্তর রোধে দুটি কারণের একত্রীকরণ]

অর্থগত কারণগুলোর মধ্যে প্রথমটি হলো: বিশেষ করে নারীবাচক হওয়া, যা শাব্দিক কারণসমূহের প্রথম প্রকারের অন্তর্ভুক্ত; আর তা হলো আলিফে মাকসুরা বা আলিফে মামদুদা দ্বারা স্ত্রীলিঙ্গ হওয়া, যেমন: 'হুবলা', 'হামরা', 'সালমা', 'জিকরা', 'সাকারা' এবং 'আউলিয়া'।

অর্থগত কারণগুলোর মধ্যে দ্বিতীয়টি হলো: বহুবচন হওয়া, যা শাব্দিক কারণসমূহের দ্বিতীয় প্রকারের সাথে বিশিষ্ট; আর তা হলো সমতুল্য রূপ না থাকা, যা কেবল 'মাফায়িল' এবং 'মাফায়িল' ছাঁচে হয়ে থাকে।

আর অর্থগত কারণগুলোর মধ্যে তৃতীয় ও চতুর্থটি হলো: বিশেষ্য হওয়া (আলামিয়াত) এবং গুণবাচকতা (ওয়াসফ)। এগুলোর প্রত্যেকটি শাব্দিক কারণসমূহের তৃতীয় প্রকারের সাথে যুক্ত হয়ে আসে, যা হলো আলিফ ও নূনের আধিক্য; যেমন: 'উসমান' এবং 'সাকরান' (যার স্ত্রীলিঙ্গ সাকরা-এর মতো)।

--------------------------------------------

(১) পাণ্ডুলিপিতে শব্দটি স্পষ্ট নয়, এখানে যা বসানো হয়েছে তা মূল পাঠের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।

(২) সুয়ুতির আল-হাম' (১/৯৭) দ্রষ্টব্য।

(৩) ইদাফাত এবং বিশেষ্যের (আলম) অধ্যায়ে 'ইফরাদ' ও 'মুফরাদ' বলতে ওই বাক্যের বিপরীত রূপকে বোঝায় যেখানে যৌগিক গঠন শর্ত।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ১৯)
ومع الرابعة من اللفظية، وهي وزن الفعل، نحو "أحمد، وأحمر" وشرط الوصف في هذين أن لا يكون مؤنثه بالتاء(1).

ومع الخامسة، وهي العدل، نحو "عُمَر، وحذامِ، وثُلاث، ومَثْلَث"، وتأتي العلمية خاصة مع القسمين الأخيرين من الأولى، وهما التأنيث بالتاء، والمعنوي مثل "فاطمة، ومكة، وزينب، ودمشق".

ومع السادسة، وهي التركيب المزجي، مثل "معدي كرب، وبعلبك".

ومع السابعة، وهي العجمية، مثل "إبراهيم، وقالون"(2).

 

‌‌[خصائص الاسم]

ثم اعلم أن "ال"، والإضافة، والتثنية، والجمع، والتصغير خواص الاسم، فإذا طرأت عليه مكَّنَتْه من الاسمية، فيرجع إلى الأصل، وهو الإعراب والصرف، فنحو "الأمس وأمسنا" معربٌ، ونحو "الأحمد وأحمدنا" منصرفٌ.

--------------------------------------------

(1) ما جاء على وزن فعلان وصفًا مؤنثه بالتاء "ندمان" ــ من المنادمة ــ وندمانة، و "سيفان" وسيفانة، بمعنى الطويل، وألفاظ أخرى نظمها ابن مالك وغيره. انظر ها في الأشموني (3/ 232). وأما ما جاء على وزن "أفعل" مؤنثه بالتاء فنحو: أرمل وأرملة.

(2) قد انتهى المؤلف رحمه الله من إيراد علل منع الاسم من الصرف، وهي تسع على رأي الجمهور، وصاغها الشيخ صياغةً نادرةً لم تتفق لمثله، وتقسيم العلل إلى معنوية ولفظية أورده الرضي في شرح الكافية (1/ 37)، والسيوطي في الهمع (1/ 78) وما بعدها، وابن جني في الخصائص (1/ 109)، وجعل اللفظي سببًا واحدًا، والباقي كلَّه معنويًا، والأشموني (3/ 229).
এবং চতুর্থ শাব্দিক (لفظية) কারণের সাথে, যা হলো ক্রিয়ার ওজন (وزن الفعل), যেমন "আহমদ" ও "আহমার"। এই দুটির ক্ষেত্রে গুণবাচক হওয়ার শর্ত হলো এর স্ত্রীলিঙ্গ যেন 'তা' যোগে না হয়(১)।

এবং পঞ্চমটির সাথে, যা হলো রূপান্তর (عدل), যেমন "উমর", "হাযামি", "সুলাস" এবং "মাসলাস"। আর নামবাচকতা (عالمية) বিশেষভাবে প্রথম প্রকারের শেষ দুটি উপবিভাগের সাথে আসে, আর তা হলো 'তা' যোগে স্ত্রীলিঙ্গ এবং অর্থগত (معنوي) স্ত্রীলিঙ্গ, যেমন "ফাতিমা", "মক্কা", "যয়নব" এবং "দামেস্ক"।

এবং ষষ্ঠটির সাথে, যা হলো মিশ্র যৌগিক শব্দ (تركيب مزجي), যেমন "মাদী কারিব" ও "বালবাক"।

এবং সপ্তমটির সাথে, যা হলো অনারবীয় শব্দ (عجمية), যেমন "ইবরাহিম" ও "কালুন"(২)।

 

‌‌[বিশেষ্যের বৈশিষ্ট্যসমূহ]

অতঃপর জেনে রাখুন যে, "আল" (ال), সম্বন্ধকরণ (إضافة), দ্বিবচন, বহুবচন এবং ক্ষুদ্রতার্থকরণ (تصغير) হলো বিশেষ্যের বৈশিষ্ট্য। যখন এগুলো এর ওপর আপতিত হয়, তখন তা একে বিশেষ্য হওয়ার ক্ষেত্রে শক্তিশালী করে, ফলে তা মূলে ফিরে যায়—আর তা হলো বিভক্তি (إعراب) এবং রূপান্তরযোগ্যতা (صرف)। সুতরাং "আল-আমস" এবং "আমসুনা"-এর মতো শব্দগুলো বিভক্তিপ্রাপ্ত (معرب) এবং "আল-আহমদ" ও "আহমদুনা"-এর মতো শব্দগুলো রূপান্তরযোগ্য (منصرف)।

--------------------------------------------

(১) যেসব শব্দ 'ফালান' (فعلان) ওজনে গুণবাচক হিসেবে আসে এবং এর স্ত্রীলিঙ্গ 'তা' যোগে হয়, যেমন "নাদমান" (সাঙ্গত্য থেকে) ও "নাদমানাহ", এবং "সাইফান" ও "সাইফানা" যার অর্থ দীর্ঘাকৃতি; এ জাতীয় অন্যান্য শব্দ ইবনে মালিক ও অন্যান্যরা পদ্যাকারে সংকলিত করেছেন। দেখুন: আল-আশমুনি (৩/২৩২)। আর যেসব শব্দ 'আফআল' (أفعل) ওজনে আসে এবং এর স্ত্রীলিঙ্গ 'তা' যোগে হয়, যেমন: আরমাল ও আরমালাহ।

(২) লেখক (রহিমাহুল্লাহ) বিশেষ্যের রূপান্তরহীনতা (منع من الصرف)-এর কারণসমূহ উল্লেখ করা শেষ করেছেন। জুমহুর বা সংখ্যাধিক্য (جمهور) আলিমের মতে এ কারণগুলো হলো নয়টি। শায়খ এগুলোকে এক বিরল পদ্ধতিতে বিন্যস্ত করেছেন যা সচরাচর দেখা যায় না। এই কারণগুলোকে অর্থগত (معنوية) এবং শাব্দিক (لفظية) ভাগে বিভক্ত করার বিষয়টি আল-রাযি 'শারহুল কাফিয়া' (১/৩৭)-তে, আল-সুয়ুতি 'হামউল হামামি' (১/৭৮ ও পরবর্তী পৃষ্ঠা)-তে এবং ইবনে জিন্নি 'আল-খাসাইস' (১/১০৯)-এ উল্লেখ করেছেন; তিনি শাব্দিককে একটি কারণ সাব্যস্ত করেছেন এবং অবশিষ্ট সবগুলোকে অর্থগত কারণ গণ্য করেছেন; আর আল-আশমুনি (৩/২২৯)।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ২০)
‌‌(إعراب الأسماء المنصرفة)

النوع الثالث من أنواع الاسم: أن يجيء على الأصل متمكنًا أمكن، لم يشبه الحرف فيبنى، ولا الفعل فيمنع(1).

وأنواع الإعراب فيه ثلاثة: الرفع والنصب والخفض بالحركات، ظاهرةً أو مقدرةً، في ثلاثة أبواب: في الاسم المفرد، وجمع التكسير، والجمع بألف وتاء زائدتين، وكلها تُرْفَع بالضمة، وتُنْصَب بالفتحة، وتُخْفَض بالكسرة، إلا الممنوع يجر بالفتحة، والجمع بالألف والتاء ينصب بالكسرة.

 

‌‌[ما تُقدَّر عليه الحركة]

وتُقَدَّر الحركات في المقصور من ذلك للتعذر، والمضاف إلى ياء المتكلم للمناسبة، ويقدر غير النصب في المنقوص للثقل، ويلفظ بها في سوى ذلك.

وتنوب عنها(2) الحروف في ثلاثة أبواب:

 

‌‌[المثنى وجمع المذكر السالم والأسماء الخمسة]

المثنى وما ألحق به، والجمع المذكر السالم، والأسماء الخمسة، فتنوب عن الفتحة الألف في الثالث، والياء في الأول والثاني، وتنوب عن الضمة الألف في الأول، والواو في الثاني والثالث، وتنوب عن الكسرة الياء في الثلاثة.

--------------------------------------------

(1) أي: من الصرف.

(2) أي: عن الحركات.
‌(পরিবর্তনশীল বিশেষ্যসমূহের ব্যাকরণিক রূপান্তর (إعراب الأسماء المنصرفة))

বিশেষ্যের প্রকারভেদের মধ্যে তৃতীয় প্রকার: যা তার মূল প্রকৃতির ওপর পূর্ণ পরিবর্তনশীল (متمكن أمكن) হিসেবে আসে; এটি অব্যয় (حرف)-এর সদৃশ হয় না যে অপরিবর্তনীয় (مبني) হবে, আর না এটি ক্রিয়া (فعل)-এর সদৃশ হয় যে রূপান্তর-অযোগ্য (يمنع)(১) হিসেবে গণ্য হবে।

এতে ব্যাকরণিক রূপান্তরের (إعراب) প্রকার তিনটি: হরকত (حركات) তথা স্বরচিহ্নের মাধ্যমে রফ' (الرفع), নাসব (النصب) এবং খাফদ (الخفض), যা প্রকাশ্য (ظاهرة) কিংবা উহ্য (مقدرة) হতে পারে। এটি তিনটি ক্ষেত্রে দেখা যায়: একবচন বিশেষ্য (الاسم المفرد), ভগ্ন বহুবচন (جمع التكسير), এবং অতিরিক্ত আলিফ ও তা যুক্ত বহুবচন (الجمع بألف وتاء زائدتين)। এগুলোর সবগুলোই দম্মাহ (الضمة) দ্বারা রফ' (ترفع), ফাতহাহ (الفتحة) দ্বারা নাসব (تنصب) এবং কাসরাহ (الكسرة) দ্বারা খাফদ (تخفض) প্রাপ্ত হয়; তবে রূপান্তর-অযোগ্য (الممنوع) শব্দগুলো ফাতহাহ (الفتحة) দ্বারা জর (يجر) হয় এবং আলিফ ও তা যুক্ত বহুবচন কাসরাহ (الكسرة) দ্বারা নাসব (ينصب) প্রাপ্ত হয়।

 

‌‌[যেসব ক্ষেত্রে হরকত উহ্য থাকে]

উচ্চারণগত অক্ষমতার (التعذر) কারণে আসমা-এ-মাকসুর (المقصور)-এ হরকতসমূহ (الحركات) উহ্য থাকে। মুতাকাল্লিমের 'ইয়া' এর দিকে সম্বন্ধযুক্ত পদের ক্ষেত্রে সামঞ্জস্যের (المناسبة) কারণে এবং আসমা-এ-মানকুস (المنقوص)-এর ক্ষেত্রে ভারাক্রান্ত হওয়ার (الثقل) কারণে নাসব (النصب) ব্যতীত অন্য অবস্থাগুলো উহ্য থাকে। এছাড়া অন্য সকল ক্ষেত্রে হরকতগুলো উচ্চারিত হয়।

তিনটি ক্ষেত্রে হরকতের পরিবর্তে বর্ণ (الحروف) স্থলাভিষিক্ত হয়(২):

 

‌‌[দ্বিবচন, জমা মুযাক্কার সালিম এবং আসমা-এ-খামসাহ]

দ্বিবচন (المثنى) ও এর সাথে সংশ্লিষ্ট শব্দসমূহ, জমা মুযাক্কার সালিম (الجمع المذكر السالم), এবং আসমা-এ-খামসাহ (الأسماء الخمسة)। ফাতহাহ (الفتحة)-এর বদলে তৃতীয়টির ক্ষেত্রে আলিফ (الألف) এবং প্রথম ও দ্বিতীয়টির ক্ষেত্রে ইয়া (الياء) স্থলাভিষিক্ত হয়। দম্মাহ (الضمة)-এর বদলে প্রথমটির ক্ষেত্রে আলিফ (الألف) এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয়টির ক্ষেত্রে ওয়াও (الواو) স্থলাভিষিক্ত হয়। আর কাসরাহ (الكسرة)-এর বদলে তিনটির ক্ষেত্রেই ইয়া (الياء) স্থলাভিষিক্ত হয়।

--------------------------------------------

(১) অর্থাৎ: রূপান্তর (الصرف) হওয়া থেকে।

(২) অর্থাৎ: হরকতসমূহ (الحركات) থেকে।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ২১)
ولكلٍّ من أوجه الإعراب الثلاثة أبواب، فنبدأ بالمرفوعات؛ لأنها العمدة، وهي ستة وما يتبعها:

 

‌‌[الفاعل ونائبه]

الأول: الفاعل: وهو ما أسند إليه فعلٌ أو شبهه، وقُدِّم عليه على جهة قيامه به.

 

‌‌[مواضع وجوب تقديم الفاعل على المفعول]

ويجب تقديمه على المفعول حيث أَلْبَسَ(1)، أو كان ضميرًا متصلًا، أو وقع مفعوله بعد "إلا" أو معناها، أو اتصل مفعوله وهو غير متصل(2).

الثاني: نائب الفاعل: وهو الاسم المرفوع الذي لم يذكر معه فاعله.

وشرطه تغيير الصيغة من المعلوم إلى المجهول، وإذا وُجِدَ المفعولُ تعين للنيابة وإلا فالظرف، أو المصدر المفيد غير التوكيد، أو الجار والمجرور.

--------------------------------------------

(1) ويكون اللبس بين الفاعل والمفعول إذا انتفى الإعراب اللفظي، وانتفت القرينة الدالة على تمييز أحدهما، وذلك نحو "ضرب موسى عيسى، وضرب الذي قام الذي جلس".

(2) هذا الموضع ليس من مواضع وجوب تقديم الفاعل، بل هو من مواضع وجوب تقديم المفعول به على الفاعل، ولعلَّ ذكره من المؤلف سَبْقُ قلم، قال ابن الحاجب في ذكر المواضع التي يجب فيها تقديم المفعول: "وإذا اتصل به ضمير مفعول أو وقع بعد "إلا" أو معناها، أو اتصل مفعوله وهو غير متصلٍ وجب تأخيره". اهـ.
ইরাবের (الإعراب) তিনটি প্রকারের প্রতিটির জন্য স্বতন্ত্র অধ্যায় রয়েছে। আমরা মারফু’আত (المرفوعات) তথা পেশযুক্ত পদসমূহ দিয়ে শুরু করছি; কারণ এগুলোই হলো বাক্যের মূল ভিত্তি (العمدة)। এগুলো মোট ছয়টি এবং সেগুলোর অনুসারীসমূহ (তথা তাওয়াবে’):

 

‌‌[কর্তা (الفاعل) এবং কর্মবাচ্যের কর্তা (نائب الفاعل)]

প্রথম: কর্তা (الفاعل): এটি এমন একটি পদ যার দিকে কোনো ক্রিয়া (فعل) বা ক্রিয়াসদৃশ (شبه فعل) শব্দকে সম্পৃক্ত করা হয়, এবং উক্ত পদের মাধ্যমে ক্রিয়াটি সম্পাদিত হওয়ার দিক বিবেচনা করে তাকে ক্রিয়ার পরে উল্লেখ করা হয়।

 

‌‌[কর্তাকে (الفاعل) কর্মের (المفعول) পূর্বে আনা বাধ্যতামূলক হওয়ার ক্ষেত্রসমূহ]

আর কর্মের (المفعول) পূর্বে কর্তাকে (الفاعل) উল্লেখ করা আবশ্যক হয় যখন বিষয়টি অস্পষ্ট (أَلْبَسَ) হয়ে পড়ে, অথবা কর্তাটি যদি সংলগ্ন সর্বনাম (ضمير متصل) হয়, অথবা যদি কর্মটি 'ইল্লা' (إلا) বা এর সমার্থক শব্দের পরে আসে, অথবা যদি কর্তার সাথে একটি সর্বনাম যুক্ত থাকে অথচ সেই কর্তাটি নিজে সংলগ্ন নয়।

দ্বিতীয়: কর্মবাচ্যের কর্তা (نائب الفاعل): এটি এমন একটি মারফু (المرفوع) বা পেশযুক্ত ইসিম যার সাথে তার মূল কর্তাকে (الفاعل) উল্লেখ করা হয়নি।

এর শর্ত হলো ক্রিয়ার রূপটিকে সক্রিয় (المعلوم) থেকে নিষ্ক্রিয় (المجهول) রূপে পরিবর্তন করা। যদি কর্ম (المفعول) বিদ্যমান থাকে তবে সেটিই স্থলাভিষিক্ত (نائب الفاعل) হওয়ার জন্য নির্ধারিত হবে, অন্যথায় স্থান বা কালবাচক শব্দ (الظرف), অথবা তাকিদ (التوكيد) ছাড়া অন্য কোনো অর্থবহ মূলধাতু (المصدر), অথবা যার-মাজরুর (الجار والمجرور) স্থলাভিষিক্ত হবে।

--------------------------------------------

(১) কর্তা (الفاعل) এবং কর্মের (المفعول) মধ্যে অস্পষ্টতা (اللبس) তখনই দেখা দেয় যখন শাব্দিক ইরাব (الإعراب اللفظي) অনুপস্থিত থাকে এবং তাদের একটিকে অন্যটি থেকে পৃথক করার মতো কোনো নিদর্শন (القرينة) না থাকে। যেমন: "মুসা ঈসাকে প্রহার করেছে (ضرب موسى عيسى)" এবং "যে দাঁড়িয়েছে সে উপবিষ্ট ব্যক্তিকে প্রহার করেছে (ضرب الذي قام الذي جلس)"।

(২) এই বিষয়টি কর্তাকে (الفاعل) বাধ্যতামূলকভাবে আগে আনার ক্ষেত্রগুলোর অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং এটি কর্মকে (المفعول به) কর্তার (الفاعل) পূর্বে আনা বাধ্যতামূলক হওয়ার ক্ষেত্রসমূহের অন্তর্ভুক্ত। সম্ভবত লেখকের পক্ষ থেকে এটি একটি অনিচ্ছাকৃত লেখনী বিচ্যুতি (سبق قلم)। ইবনুল হাজিব কর্মকে (المفعول) আগে আনার ক্ষেত্রসমূহ উল্লেখ করতে গিয়ে বলেন: "যখন তার (কর্তার) সাথে কর্মের কোনো সর্বনাম যুক্ত হয়, অথবা যখন তা 'ইল্লা' (إلا) বা এর সমার্থক শব্দের পরে আসে, অথবা যখন কর্মের সাথে সর্বনাম যুক্ত থাকে অথচ কর্তাটি সংলগ্ন নয়, তখন তাকে (কর্তাকে) পরে আনা আবশ্যক।" সমাপ্ত।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ২২)
‌‌[المبتدأ]

الثالث: المبتدأ، هو الاسم المجرد عن العوامل اللفظية مسندًا إليه، وكذا الصفة الواقعة بعد النفي، والاستفهام، ولك في "أقائمٌ الزيدان" الأمران.

 

‌‌[الخبر ومواضع وجوب تقديم المبتدأ]

الرابع: خَبرُه: وهو الاسم المجرد المسند المغاير للصفة المذكورة.

وأصل المبتدأ التقديم، ويجب حيث اشتمل على ذي صدرٍ، أو كانا معرفتين، أو متساويتين، أو كان الخبر فعلاً له.

 

‌‌[مواضع وجوب تقديم الخبر]

ويمتنع حيث تضمن الخبر المفرد ذا صَدْرٍ، أو كان مصحِّحًا للابتداء بالنكرة، أو كان في متعلقه ضمير للمبتدأ(1)، أو كان المبتدأ "أنَّ" وصلتها.

 

‌‌[تعدد الخبر ومجيء المبتدأ نكرةً والخبر جملة]

وقد يتعدد الخبر، وقد يكون المبتدأ نكرةً إذا تخصص بوجهٍ ما، وقد يكون الخبر جملةً، فلا بد لها من ضميرٍ عائدٍ إلى المبتدأ مذكورًا أم مقدرًا، ما لم تكن نفس المبتدأ في المعنى، كخبر ضمير الشأن، ويغني عنه الإشارة(2)، وتكرار المبتدأ بلفظه أو معناه، والعموم الذي يشمل المبتدأ،

--------------------------------------------

(1) متعلقه: بكسر اللام، المقصود به جزء الخبر، كقوله تعالى: {أَمْ عَلَى قُلُوبٍ أَقْفَالُهَا} فأقفالها: مبتدأٌ مؤخر.

(2) أي: ويغني عن ذكر العائد ــ وهو ضمير المبتدإ ــ أشياء، منها الإشارة، كقوله تعالى: {وَلِبَاسُ التَّقْوَى ذَلِكَ خَيْرٌ}.
[মুবতাদা (المبتدأ)]

তৃতীয়: মুবতাদা (المبتدأ) হলো এমন বিশেষ্য যা শাব্দিক আমেল (العوامل اللفظية) থেকে মুক্ত এবং যার দিকে কোনো কিছুকে সম্বন্ধ (مسندًا إليه) করা হয়েছে। অনুরূপভাবে নফি (النفي) এবং ইস্তিফহাম (الاستفهام) এর পরে অবস্থিত সিফাত (الصفة)-ও মুবতাদা হিসেবে গণ্য হয়। আর "আ-ক্ব-ইমুন আল-যায়দানি" (أقائمٌ الزيدان) উদাহরণটিতে আপনার জন্য উভয় পদ্ধতি অনুসরণের অবকাশ রয়েছে।

 

‌[খবর (الخبر) এবং মুবতাদা আগে আনা ওয়াজিব হওয়ার ক্ষেত্রসমূহ]

চতুর্থ: খবর (الخبر); এটি হলো শাব্দিক আমেল থেকে মুক্ত সেই সম্বন্ধযুক্ত (المسند) বিশেষ্য যা উল্লিখিত সিফাত (الصفة) থেকে ভিন্ন।

মুবতাদার মূল বিধান হলো বাক্যের শুরুতে আসা। তবে এটি শুরুতে আসা ওয়াজিব (واجب) হয় যখন এটি বাক্যের শুরুতে আসার যোগ্য কোনো পদ (ذي صدر) অন্তর্ভুক্ত করে, অথবা যখন মুবতাদা ও খবর উভয়ই মারেফা (معرفة) হয়, কিংবা উভয়টি সমান স্তরের হয়, অথবা যখন খবরটি মুবতাদার জন্য একটি ফেল (فعل) হিসেবে আসে।

 

‌[খবর আগে আনা ওয়াজিব হওয়ার ক্ষেত্রসমূহ]

খবরকে আগে আনা আবশ্যক হয় যখন একপদী খবরটি বাক্যের শুরুতে আসার যোগ্য কোনো পদ (ذي صدر) অন্তর্ভুক্ত করে, অথবা যখন এটি নাকিরাহ (نكرة) শব্দ দ্বারা বাক্য শুরু করাকে বৈধকারী হয়, অথবা যখন খবরের সাথে সংশ্লিষ্ট অংশের মাঝে মুবতাদার দিকে প্রত্যাবর্তনকারী কোনো জমির (ضمير) থাকে, অথবা যখন মুবতাদাটি "আন্না" (أنَّ) এবং তার সিলাহ (صلتها) তথা সংশ্লিষ্ট বাক্য হয়।

 

‌[খবরের সংখ্যাধিক্য, মুবতাদা নাকিরাহ হওয়া এবং খবর জুমলা হওয়া]

কখনও খবর একাধিক হতে পারে এবং মুবতাদা নাকিরাহ (نكرة) হতে পারে যদি তা কোনো বিশেষ প্রকারে নির্দিষ্ট (تخصص) হয়। আবার খবর কখনও জুমলা (جملة) হতে পারে, সেক্ষেত্রে জুমলার মধ্যে মুবতাদার দিকে প্রত্যাবর্তনকারী একটি জমির বা আয়িদ (عائد) থাকা আবশ্যক—চাই তা উল্লিখিত থাকুক বা উহ্য থাকুক; তবে শর্ত হলো জুমলাটি অর্থের দিক থেকে স্বয়ং মুবতাদা হতে পারবে না, যেমন জমিরে শান (ضمير الشأن) এর খবর। আর উক্ত আয়িদের পরিবর্তে ইশারা (الإشارة), মুবতাদার শব্দের বা অর্থের পুনরাবৃত্তি অথবা এমন ব্যাপকতা (العموم) যা মুবতাদাকে অন্তর্ভুক্ত করে—তা যথেষ্ট হতে পারে।

--------------------------------------------

(১) মুতাআল্লাকুহু (متعلقه): 'লাম' বর্ণে কাসরা (জের) যোগে; এর দ্বারা খবরের অংশ উদ্দেশ্য। যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {নাকি তাদের অন্তরের ওপর তাদের তালাসমূহ রয়েছে?} এখানে 'আকফালুহা' (أقفالها) শব্দটি হলো বিলম্বিত মুবতাদা (مبتدأ مؤخر)।

(২) অর্থাৎ: প্রত্যাবর্তনকারী আয়িদ (عائد) তথা মুবতাদার জমির (ضمير) উল্লেখ করার পরিবর্তে বেশ কিছু বিষয় যথেষ্ট হতে পারে, যার মধ্যে অন্যতম হলো ইশারা (الإشارة)। যেমন মহান আল্লাহর বাণী: {আর তাকওয়ার পোশাক, সেটিই সর্বোত্তম}।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ২৩)
وعطف جملةٍ فيها ضميرٌ لمبتدأ بفاء السببية، وشرط يشتمل على ضمير مدلولٍ على جوابه بالخبر.

[وجوب حذف المبتدأ]

ويجب حذف مبتدأ خبره نعتٌ مقطوعٌ لمدحٍ أو ذمٍّ، أو ترحمٍ، أو مصدر بدل من اللفظ بفعله، نحو: "سمعٌ وطاعة"، أو مخصوص "نِعْمَ"، أو صريح قسم، نحو "في ذمتي لأفعلنَّ" أي: يميني، ونحو "من أنت زيدٌ" أي: مذكورك زيدٌ، وقولهم: "ولا سواء" أي: هذان.

 

‌‌[وجوب حذف الخبر]

ويجب حذف خبرٍ وقع مبتدأ بعد "لولا" أو "لوما" للامتناع، إذا لم يكن خاصًّا، ومع قسم صريح، نحو "لعمرك"، و "واو" مع، نحو "كل رجلٍ وضيعتُه"، أي: مقترنان.

 

‌‌[اسم الأفعال الناقصة]

الخامس: اسم الأفعال الناقصة، وهي: كان وأخوتها، والملحق بها، وهو المسند إليه بعد دخولها، ولا تدخل على لازمٍ صدرًا وحذفًا، كالمخبر عنه بنعت مقطوعٍ أو ابتدائية، كما بعد "لولا" الامتناعية، و "إذا" الفجائية، أو عدم تصرف، أو خبره جملة طلبية، ولها شروط.

 

‌‌[مسائل تتعلق باسم كان وخبرها]

ولا يجوز حذف اسمها ولا خبرها، ويجوز توسط الخبر حيث يجوز تقديم الخبر على المبتدأ، ويجوز تقديمه إلا على "دام"، و "ليس"، والمنفي بـ "ما"، وقد يجب توسطه أو تقديمه، وقد يمنع لما مر في المبتدأ أو خبره.
এমন একটি বাক্যের সংযোগ (আতফ) যার মধ্যে 'ফা-সাবাবিয়া' যুক্ত মুক্তাদার (مبتدأ) জন্য একটি সর্বনাম (দমির) বিদ্যমান, এবং এমন একটি শর্ত যা এমন একটি সর্বনাম অন্তর্ভুক্ত করে যার জওয়াব (প্রতিদান) খবর (خبر) দ্বারা নির্দেশিত।

[মুক্তাদা (مبتدأ) বিলোপ করা আবশ্যক হওয়া]

মুক্তাদা (مبتدأ) বিলোপ করা আবশ্যক যখন তার খবর (خبر) প্রশংসা, নিন্দা বা দয়া প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে একটি বিচ্ছিন্ন গুণ (নআত মাকতু - نعت مقطوع) হয়। অথবা এমন কোনো মাসদার (مصدر) যা তার ক্রিয়ার (ফেল - فعل) পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, যেমন: "শোনা এবং আনুগত্য করা", অথবা 'নি’মা' এর জন্য নির্দিষ্ট বিশেষ্য (মাখসুস - مخصوص), অথবা স্পষ্ট শপথ (কাসাম - قسم), যেমন: "আমার জিম্মায় (শপথ), আমি অবশ্যই তা করব" অর্থাৎ: আমার শপথ। এবং যেমন "তুমি কে? জায়েদ" অর্থাৎ: তোমার উল্লিখিত ব্যক্তি হলো জায়েদ। এবং তাদের উক্তি: "সমান নয়" অর্থাৎ: এই দুই ব্যক্তি।

 

‌‌[খবর (خبر) বিলোপ করা আবশ্যক হওয়া]

খবর (خبر) বিলোপ করা আবশ্যক যখন মুক্তাদা (مبتدأ) কোনো কিছু অসম্ভব হওয়া বোঝাতে "লাওলা" বা "লাওমা" এর পরে আসে, যদি তা বিশেষ খবর (خبر) না হয়। এবং স্পষ্ট শপথের (কাসাম - قسم) সাথে, যেমন: "তোমার জীবনের শপথ"। এবং 'ওয়াও' যা 'সাথে' অর্থ প্রদান করে, যেমন: "প্রত্যেক ব্যক্তি এবং তার সম্পদ" অর্থাৎ: তারা পরস্পর যুক্ত।

 

‌‌[অপূর্ণ ক্রিয়াগুলোর (আফআলে নাকিসাহ - الأفعال الناقصة) ইসিম (اسم)]

পঞ্চম: অপূর্ণ ক্রিয়াগুলোর (আফআলে নাকিসাহ - الأفعال الناقصة) ইসিম (اسم); আর সেগুলো হলো: 'কানা' ও তার সমগোত্রীয় শব্দাবলি এবং যা তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট। আর এটি হলো সেই মুসনাদ ইলাইহি (مسند إليه) যা এই ক্রিয়াগুলো প্রবেশের পর গঠিত হয়। এগুলো এমন কোনো পদের ওপর প্রবেশ করে না যা বাক্যের শুরুতে থাকা বা বিলোপ হওয়া আবশ্যক, যেমন: বিচ্ছিন্ন গুণের (নআত মাকতু - نعت مقطوع) মাধ্যমে যার সম্পর্কে সংবাদ দেওয়া হয়, অথবা যা বাক্যের শুরুতে থাকা আবশ্যক, যেমন: অসম্ভবতা জ্ঞাপক "লাওলা" এর পরের পদ, এবং আকস্মিকতা জ্ঞাপক "ইযা" এর পরের পদ। অথবা রূপান্তরযোগ্য নয় এমন ক্রিয়া, অথবা যার খবর (خبر) একটি তলবিয়া বাক্য (জুমলা তলবিয়া - جملة طلبية)। এবং এর জন্য কিছু শর্ত রয়েছে।

 

‌‌['কানা' এর ইসিম (اسم) এবং খবর (خبر) সংক্রান্ত মাসআলাসমূহ]

এর ইসিম (اسم) এবং খবর (خبر) কোনোটিই বিলোপ করা জায়েজ নয়। তবে খবরকে (خبر) মাঝখানে আনা জায়েজ যেখানে খবরকে (خبر) মুক্তাদার (مبتدأ) আগে আনা জায়েজ। আর খবরকে (خبر) সবার আগে আনাও জায়েজ, তবে "দামা", "লাইসা" এবং "মা" দ্বারা নেতিবাচক করা ক্রিয়াগুলোর আগে আনা জায়েজ নয়। কখনো খবরকে (خبر) মাঝখানে আনা বা আগে আনা আবশ্যক হয়, আবার কখনো তা নিষিদ্ধ হয় যে কারণগুলো মুক্তাদা (مبتدأ) বা খবরের (خبر) আলোচনায় গত হয়েছে।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ২৪)
‌‌[خبر إنَّ وأخواتها]

السادس: خبر إنَّ وأخواتها، والملحق بها، وهو المسند بعد دخولها، ولا يتقدم خبرها، وقد يتوسط ظرفًا أو عديله، وقد يجب توسطه لعارضٍ مما مرَّ.

والتوابع أربعة، ستأتي آخر هذه النبذة، إن شاء الله تعالى.

* * * *
[ইন্না ও তার সমগোত্রীয় শব্দাবলির খবর (خبر)]

ষষ্ঠ: ইন্না ও তার সমগোত্রীয় শব্দাবলির খবর (خبر) এবং যা এর সাথে সংযুক্ত; আর তা হলো সেই মুসনাদ (المسند) যা এগুলোর প্রবেশের পর সাব্যস্ত হয়। এর খবর (خبر) কখনো অগ্রবর্তী হয় না; তবে কখনো তা যরফ কিংবা তার সমপর্যায়ের কোনো শব্দ হলে মাঝখানে আসতে পারে। আবার ইতিপূর্বে বর্ণিত কোনো বিশেষ কারণবশত তা মাঝখানে আসা আবশ্যক হতে পারে।

অনুগামী পদসমূহ চারটি, যা ইনশাআল্লাহ এই সংক্ষিপ্ত আলোচনার শেষে আসবে।

* * * *
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ২৫)
‌‌(المنصوبات عشرة)

الأول: المفعول به: وهو الاسم المنصوب الواقع عليه فعلٌ، أو شبهه، ويحذف حيث لم يكن نائبًا أو متعجبًا منه، أو جوابًا أو محصورًا، أو محذوفًا عامله حتمًا، ويجوز حذف عامله قياسًا مع قرينةٍ، ومنه المنادى، والإغراء، والتحذير، وذو الاختصاص، وكلها منصوبٌ بفعل لازم الحذف، ومن المنادى المندوبُ والمستغاثُ به.

والثاني والثالث: خبر "كان"، واسم "إن" وأخواتها، فخبرُ "كان" هو المسند بعدها، واسم "إن" المسند إليه بعدها.

الرابع: المصدر: وهو الاسم المنصوب الذي يقع ثالثًا في تصريف الفعل.

وناصبه مثلُه أوصفةٌ أو فعلٌ، ويحذف عامله لقرينة، ويجب حيث كان بدلاً عن فعله، ومنه "لبيك" وأخواته، وقد ينوب عنه صفةٌ، كقولهم: "عائذًا بك"، و "هنيئًا".

الخامس: المفعول له: وهو الاسم المنصوب الذي يذكر بيانًا لسبب وقوع الفعل.

[شرط المفعول له]

وشرطه: المصدرية، ومشاركته لفعله وقتًا وفاعلاً، فحيث انتفى أحدهما جُرَّ باللام، ويجوز تقديمه.

المفعول فيه: هو اسم الزمان أو المكان المنصوب بتقدير "في".
(নসবপ্রাপ্ত বিষয়সমূহ দশটি (المنصوبات عشرة))

প্রথমটি হলো: মাফউল বিহি (المفعول به); এটি এমন একটি নসবপ্রাপ্ত (منصوب) বিশেষ্য যার ওপর ক্রিয়া (فعل) বা ক্রিয়াসদৃশ কোনো বিষয় পতিত হয়। এটি উহ্য (محذوف) থাকে যখন তা নায়েবে ফায়িল (نائব فاعل), মুতাআজ্জাব মিনহু (متعجب منه), উত্তর (جواب), সীমাবদ্ধ (محصور) কিংবা এমন আমিল (عامل) বিশিষ্ট না হয় যা বিলুপ্ত হওয়া আবশ্যক। কোনো নির্দেশক (قرينة) থাকলে কিয়াস (قياسًا) অনুযায়ী এর আমিল (عامل) বিলুপ্ত করা বৈধ (جائز)। এর অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলো মুনাদা (المنادى), ইগরা (الإغراء), তাহযীর (التحذير) এবং যু-ইখতিসাস (ذو الاختصاص); এগুলোর প্রতিটিই এমন একটি ক্রিয়া (فعل) দ্বারা নসবপ্রাপ্ত (منصوب) হয় যা উহ্য রাখা আবশ্যক। মুনাদা-র অন্তর্ভুক্ত হলো মানদুব (المندوب) এবং মুসতাগাস বিহি (المستغاث به)।

দ্বিতীয় ও তৃতীয় হলো: 'কানা'-এর খবর (خبر كان) এবং 'ইন্না' (إن) ও তার সমগোত্রীয় হরফগুলোর ইসম (اسم)। 'কানা'-এর খবর হলো তার পরবর্তী মুসনাদ (المسند) এবং 'ইন্না'-এর ইসম হলো তার পরবর্তী মুসনাদ ইলাইহি (المسند إليه)।

চতুর্থটি হলো: মাসদার (المصدر); এটি এমন এক নসবপ্রাপ্ত (منصوب) বিশেষ্য যা ক্রিয়ার রূপান্তরের (تصريف الفعل) ক্ষেত্রে তৃতীয় স্থানে অবস্থান করে।

একে নসব প্রদানকারী আমিল হলো অনুরূপ মাসদার, অথবা গুণবাচক শব্দ (صفة) কিংবা ক্রিয়া (فعل)। কোনো নির্দেশক (قرينة) থাকলে এর আমিল (عامل) বিলুপ্ত করা যায় এবং যখন এটি তার ক্রিয়ার স্থলাভিষিক্ত (بدل) হয় তখন আমিল (عامل) বিলুপ্ত করা আবশ্যক (واجب)। এর অন্তর্ভুক্ত হলো 'লাব্বাইকা' (لبيك) ও তার সমগোত্রীয় শব্দগুলো। কখনো কখনো গুণবাচক শব্দ (صفة) এর স্থলাভিষিক্ত হয়, যেমন তাদের কথা: 'আইযান বিকা' (عائذًا بك) এবং 'হানিআন' (هنيئًا)।

পঞ্চমটি হলো: মাফউল লাহু (المفعول له); এটি এমন এক নসবপ্রাপ্ত (منصوب) বিশেষ্য যা ক্রিয়া সংঘটিত হওয়ার কারণ বর্ণনার জন্য উল্লেখ করা হয়।

[মাফউল লাহু-এর শর্ত]

এর শর্তসমূহ হলো: মাসদার (المصدرية) হওয়া এবং সময় (وقت) ও কর্তার (فاعل) ক্ষেত্রে তার সংশ্লিষ্ট ক্রিয়ার (فعل) সাথে এক হওয়া। যখন এগুলোর কোনো একটি অনুপস্থিত থাকে, তখন তা 'লাম' (اللام) বর্ণ দ্বারা মাজরুর (مجرور) হয়। একে আগে আনাও (تقديم) বৈধ (جائز)।

মাফউল ফিহি (المفعول فيه): এটি হলো কালবাচক (زمان) বা স্থানবাচক (مكان) বিশেষ্য যা 'ফি' (في) অব্যয়ের অর্থকে উহ্য রেখে নসবপ্রাপ্ত (منصوب) হয়।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ২৬)
‌‌[ما يصلح أن يكون ظرف مكان]

ولا يصلح للظرفية من المكان إلا ما دل على مقدار، وما لا يعرف حقيقته إلا بما يضاف إليه، وما جرى مجراه باطرادٍ، [نحو](1): "هم قريبًا منك"، و "شرقي البلاد"، وما دل على محل الحدث المشتق هو من اسمه مثل: "مقعد" أو "مرقد".

وقد يجيء خبرًا لمبتدأ، أو لـ "كان"، و "إنَّ" وغيرها، ولا بد له وللجارِّ والمجرور من متعلَّق، وهو فعل أو شبهه، ظاهرًا أو مقدرًا، بـ "كان" أو "استقر"، وقيل: "كائنٌ" أو "مستقر"، ومتعلقهما هو العامل فيهما.

السابع: المفعول معه: وهو الاسم المنصوب بعد "واو" المعية.

ولا يُقدَّم على عامله أو مصاحبه، ولا يفصل عن الواو بظرف، ويجب العطف بعد مفرد، والنصب بعد ضميرٍ متصلٍ لم يؤكد.

الثامن: المستثنى: وهو المُخْرَجُ بـ "إلّا" أو أحد أخواتها تحقيقًا، أو تقديرًا من مذكور أو متروكٍ بشرط الإفادة.

إن كان تامًّا موجبًا لزم نصب الاسم بعد "إلا"، أو تامًّا فقط فالمختار الإبدال متصلاً، والنصب منقطعًا ويجوز العكس، أو لا، ولا فبحسب

--------------------------------------------

(1) في المخطوط: "ونحو" وهو خطأٌ، وذلك لأن ما يصلح أن يكون ظرف مكان أربعة أمور هي المذكورة أعلاه، ومنها: وما جرى مجراه باطرادٍ، نحو "هم قريبًا منك"، و "شرقي البلاد"، فإذا وجدت الواو في "نحو" أوهم أنها خمسة أمور، وذلك غير صحيح، وتصحيح العبارة من التسهيل لابن مالك (1/ 522)، بشرح ابن عقيل، والهمع (3/ 152).
‌[স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ (ظرف مكان) হওয়ার উপযোগী বিষয়সমূহ]

স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ (ظرف مكان) হওয়ার জন্য কেবল সেই শব্দগুলোই উপযুক্ত যা পরিমাপ নির্দেশ করে, এবং যার প্রকৃত স্বরূপ তার পরবর্তী শব্দের সাথে সম্বন্ধ (إضافة) করা ব্যতীত জানা যায় না, এবং যা নিয়মিতভাবে এর স্থলাভিষিক্ত হয়, [যেমন](১): "তারা তোমার নিকটবর্তী (قريبًا منك)", এবং "দেশের পূর্বপ্রান্তে (شرقي البلاد)", এবং যা তার নাম থেকে ব্যুৎপন্ন (مشتق) কোনো কাজের স্থান নির্দেশ করে, যেমন: "বসার স্থান" (مقعد) অথবা "শয়নের স্থান" (مرقد)।

কখনও কখনও এটি মুবতাদা (مبتدأ), অথবা 'কানা' (كان), 'ইন্না' (إن) ও অন্যান্য শব্দের খবর (خبر) হিসেবে ব্যবহৃত হয়। জরফ এবং জার-মাজরুরের (جار ومجرور) জন্য অবশ্যই একটি মুতাল্লাক (متعلق) বা সম্বন্ধযুক্ত শব্দ থাকতে হয়, যা কোনো প্রকাশ্য (ظاهر) বা উহ্য (مقدر) ক্রিয়া (فعل) অথবা ক্রিয়াসদৃশ শব্দ (شبه فعل); যা 'কানা' (كان) বা 'ইস্তাকাররা' (استقر) দ্বারা নির্দিষ্ট হয়, আবার বলা হয়েছে যে তা 'কাইনুন' (كائن) বা 'মুস্তাকিররুন' (مستقر)। আর এদের মুতাল্লাকই হলো এদের মধ্যে আমলকারী (عامل)।

সপ্তম: মাফউল মা'আহু (المفعول معه): এটি হলো সেই নসবযুক্ত বিশেষ্য (الاسم المنصوب) যা 'ওয়াও আল-মাইয়্যাহ' (واو المعية) এর পরে আসে।

এটি তার আমেল (عامل) বা অনুষঙ্গীর আগে আসতে পারে না এবং 'ওয়াও' থেকে কোনো জরফ (ظرف) দ্বারা বিচ্ছিন্ন করা যায় না। একবচন (مفرد) শব্দের পরে আতফ (عطف) করা ওয়াজিব এবং তাকিদবিহীন সংযুক্ত সর্বনামের (ضمير متصل) পরে নসব (نصب) প্রদান করা ওয়াজিব।

অষ্টম: মুস্তাসনা (المستثنى): এটি হলো সেই শব্দ যাকে অর্থবোধক হওয়ার শর্তে 'ইল্লা' (إلا) বা তার কোনো সমজাতীয় অব্যয় দ্বারা প্রকৃত বা উহ্যভাবে কোনো উল্লিখিত বা উহ্য শব্দ থেকে পৃথক (المُخْرَجُ) করা হয়।

যদি বাক্যটি পূর্ণাঙ্গ (تام) ও ইতিবাচক (موجب) হয়, তবে 'ইল্লা' (إلا) এর পরের বিশেষ্যটিকে নসব (نصب) প্রদান করা আবশ্যক। আর যদি কেবল পূর্ণাঙ্গ (تام) হয়, তবে সংযুক্ত (متصل) হওয়ার ক্ষেত্রে স্থলাভিষিক্ত (إبدال) করা উত্তম এবং বিচ্ছিন্ন (منقطع) হওয়ার ক্ষেত্রে নসব (نصب) করা উত্তম, তবে এর বিপরীতটিও বৈধ। আর যদি তা না হয়, তবে তা আমেল অনুযায়ী হবে।

--------------------------------------------

(১) পাণ্ডুলিপিতে "ونحو" (ওয়া নাহউ) রয়েছে যা একটি ভুল। কারণ যা স্থানবাচক ক্রিয়াবিশেষণ (ظرف مكان) হওয়ার যোগ্য তা হলো উপরে উল্লিখিত চারটি বিষয়। তার মধ্যে একটি হলো: যা নিয়মিতভাবে এর স্থলাভিষিক্ত হয়, যেমন "তারা তোমার নিকটবর্তী (قريبًا منك)" এবং "দেশের পূর্বপ্রান্তে (شرقي البلاد)"। সুতরাং যদি "নাহউ" (نحو) শব্দের শুরুতে "ওয়াও" (و) থাকে, তবে তা ভ্রম সৃষ্টি করতে পারে যে বিষয়টি পাঁচটি, যা সঠিক নয়। ইবনে মালিকের আত-তাসহিল, শারহু ইবনে আকিল এবং আল-হামউ থেকে ইবারতটি সংশোধন করা হয়েছে।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ২৭)
العوامل(1)، وتعطى "غير" وأخواتها حكم اسم "إلا"، ويجر الاسم بعدها على الإضافة إليه.

التاسع: الحال: وهي فضلةٌ دالةٌ على هيئة صاحبها، ونصبها كالمفعول به، وتسمى اللازم معناها لصاحبها الثابتة، وغير اللازمة المنتقلة، ولا تكون إلا مشتقة، أو مؤولة بها، ومن أقسامها بحسب قصدها لذاتها المقصودة وهي الغالب، والموطئة، وهي الجامدة الموصوفة، نحو {فَتَمَثَّلَ لَهَا بَشَرًا سَوِيًّا}، ثم مؤسسة وهي الغالب، ومؤكدة نحو {وَلَا تَعْثَوْا فِي الْأَرْضِ مُفْسِدِينَ}، ثم بحسب الزمان إلى مقارنة وهي الغالب، ومقدرة في المستقبل، ومحكية عن الماضي، ثم الحقيقية وهي الغالب، والسببية نحو "راكبًا أبوه".

وشرط الحال تنكيرها، ولو تأويلاً، ويُعَرَّف صاحبُها، ويجوز تنكيره بتقديمه، نحو قوله:

لميَّةَ موحشًا طللٌ(2)

العاشر: التمييز: وهو نكرة منصوبة بمعنى "مِنْ" رافعٌ إبهام جملة، أو مفردٍ عددًا، أو مفهم مقدارًا، أو مماثلة، أو مغايرة، أو تعجبًا بالنص على

--------------------------------------------

(1) قوله: "أولا، ولا … " أي: ليس بتام، وليس بموجب، فعندئذٍ هو بحسب العوامل، ويسمى المفرغ.

(2) هذا صدر بيت عجزه: يلوح كأنه خلل.

وقد نسبه سيبويه لكثيرة عزة كما في الكتاب (2/ 23) وفيه اختلاف في بعض رواياته. انظر أمالي ابن الشجري (3/ 9) والخصائص لابن جني (2/ 492) وخزانة الأدب (3/ 211)، وبعضهم نسبه لذي الرمة وليس في ديوانه.
আমলকারীসমূহ (العوامل)(১), এবং "গাইর" (غير) ও এর সমজাতীয় শব্দগুলোকে "ইল্লা" (إلا)-এর পরবর্তী বিশেষ্যের বিধান প্রদান করা হয়, এবং এর পরবর্তী বিশেষ্যটি সম্বন্ধযুক্ত (الإضافة) হওয়ার কারণে যার (جر) বিশিষ্ট হয়।

নবম: হাল (الحال): এটি একটি অতিরিক্ত অংশ (فضلة) যা তার অধিপতির (صاحبها) অবস্থাকে নির্দেশ করে। এর নসব (نصب) হয় মাফউল বিহি (مفعول به)-এর মতো। হাল যদি তার অধিপতির সাথে স্থায়ীভাবে লেগে থাকে তবে তাকে লাজিম (اللازم) বলা হয়, আর যা স্থায়ী নয় তাকে মুনতাকিলা (المنتقلة) বলা হয়। এটি কেবল ব্যুৎপন্ন শব্দ (مشتق) অথবা ব্যুৎপন্ন শব্দের অর্থ প্রদানকারী (مؤولة بها) শব্দ দিয়েই হয়ে থাকে। হাল-এর প্রকারভেদের মধ্যে রয়েছে—তার মূল উদ্দেশ্যের বিচারে: মাকসুদাহ (المقصودة), যা সাধারণত বেশি ব্যবহৃত হয়; এবং মুওয়াত্তিআহ (الموطئة), যা হলো গুণবাচক শব্দ দ্বারা বিশেষিত জামিদ (الجامدة) বা স্থির শব্দ, যেমন: {অতঃপর সে তার সামনে একজন সুঠাম মানুষের (بَشَرًا سَوِيًّا) রূপ ধারণ করল}। এরপর রয়েছে মুআসসিসাহ (مؤسسة), যা অধিক প্রচলিত; এবং মুআক্কিদাহ (مؤكدة), যেমন: {আর তোমরা জমিনে ফাসাদ সৃষ্টিকারী (مُفْسِدِينَ) হয়ে ঘুরে বেড়িয়ো না}। এরপর সময়ের বিচারে রয়েছে মুকারিনাহ (مقارنة), যা অধিক প্রচলিত; ভবিষ্যতের জন্য মুকাদ্দারা (مقدرة) এবং অতীত থেকে বর্ণিত মাহকিয়্যাহ (محكية)। এরপর রয়েছে হাকিকিয়্যাহ (الحقيقية), যা অধিক প্রচলিত; এবং সাবাবিয়্যাহ (السببية), যেমন: "তার পিতা আরোহণকারী (راكبًا أبوه)"।

হাল-এর জন্য শর্ত হলো একে অনির্দিষ্ট (تنكير) হওয়া, যদিও তা ব্যাখ্যার (تأويلاً) মাধ্যমে হয়। আর হাল-এর অধিপতিকে নির্দিষ্ট (معرفة) হতে হয়। তবে হালকে আগে নিয়ে আসার মাধ্যমে অধিপতিকে অনির্দিষ্ট (تنكير) করাও বৈধ, যেমন কবির উক্তি:

ময়্যার জন্য জনমানবহীন সেই ধ্বংসাবশেষ (لميَّةَ موحشًا طللٌ)(২)

দশম: তাময়িজ (التمييز): এটি এমন একটি নসব (نصب) প্রাপ্ত অনির্দিষ্ট (نكرة) বিশেষ্য যা "মিন" (مِنْ)-এর অর্থ প্রদান করে এবং কোনো বাক্য বা সংখ্যার একক শব্দ, কিংবা পরিমাণ, সাদৃশ্য, বৈসাদৃশ্য অথবা বিস্ময়বোধক বাক্যের অস্পষ্টতা (إبهام) দূর করে...

--------------------------------------------

(১) তাঁর উক্তি: "প্রথমে, এবং না..." অর্থাৎ: এটি পূর্ণাঙ্গ (তাম) নয় এবং ইতিবাচক (মুজাব) নয়। এমতাবস্থায় তা আমলকারী (العوامل) অনুযায়ী নির্ধারিত হয় এবং একে মুফাররাগ (المفرغ) বলা হয়।

(২) এটি একটি কবিতার পঙক্তির প্রথমাংশ, যার দ্বিতীয়াংশ হলো: "যা প্রকাশিত হচ্ছে যেন তা বর্মের ছিদ্র"।

সিবওয়াইহ একে কুসাইয়্যির 'আযযাহ-এর দিকে সম্বন্ধ করেছেন যেমনটি কিতাব (২/২৩)-এ বর্ণিত আছে এবং এর কিছু পাঠভেদে পার্থক্য রয়েছে। দেখুন: আমালি ইবন আশ-শাজারি (৩/৯), আল-খাসাইস লি ইবনি জিন্নি (২/৪৯২) এবং খাযানাতুল আদব (৩/২১১)। কেউ কেউ একে যু আল-রুম্মাহ-এর দিকে সম্বন্ধ করেছেন, তবে তা তাঁর দিওয়ানে নেই।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ২৮)
جنس المراد بعد تمامٍ بإضافةٍ أو تنوينٍ أو نون(1).

وناصبه مميزه تشبيهًا بـ "أفْعل مِنْ" أو باسم الفاعل، وتمييز الجملة ناصبه ما فيها من فعلٍ أو شبهه.

* * * *

--------------------------------------------

(1) في المخطوط كتبت "لا نون"، وهو خطأٌ ظاهر، يتبين عند شرح التعريف، وهذا الحدُّ قاله ابن مالك في التسهيل، ونقله السيوطي في الهمع، ومنهما صوّبتُ قوله "لا نون".
ইজাফাত (إضافة), তানউইন (تنوين) অথবা নুন (نون) যোগ করার মাধ্যমে পূর্ণতা লাভের পর উদ্দিষ্ট বস্তুর প্রকৃত প্রকার বা ধরণ(১)।

এর নাসব (نصب) প্রদানকারী হলো এর মুমাইয়্যায (مميز), যা 'আফআলু মিন' (أفعل من) বা ইসমুল ফায়িল (اسم الفاعل)-এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হওয়ার কারণে। আর জুমলার তামিয (تمييز)-এর ক্ষেত্রে নাসব প্রদানকারী হলো উক্ত বাক্যের মধ্যে বিদ্যমান ফেল (فعل) বা ফেল-সদৃশ কোনো শব্দ।

* * * *

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে "লা নুন" (لا نون) লিখিত ছিল, যা একটি প্রকাশ্য ভুল। সংজ্ঞার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এই সংজ্ঞাটি ইবন মালিক তাঁর 'আত-তাসহিল' গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন এবং ইমাম সুয়ূতী 'আল-হাম' গ্রন্থে তা উদ্ধৃত করেছেন। এই দুটি সূত্রের সাহায্যেই আমি "লা নুন" পাঠটি সংশোধন করেছি।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ২৯)
‌‌(المجرورات)

الأول: كلُّ اسم صريحٍ أو مؤولٍ دخل عليه حرف جر من الحروف المشهورة.

الثاني: المضاف إليه، والإضافة: نسبة تقيدية بين اسمين، توجب لثانيهما الجر، وتجوز لأدنى ملابسة، وتجيء بمعنى "اللام"، وبمعنى "مِنْ" وبمعنى "في"، وما كانت إضافة عاملٍ إلى معموله فلفظية، وغيرها معنوية.

فصل

"نعم" و "بئس" وأخواتهما أفعالٌ تستدعي فاعلًا، ومخصوصًا يكون مبتدأً خبره ما قبله.

 

‌‌[صيغتا التعجب]

ومن الجامد أفعال التعجب، و "ما" مِنْ "مَا أَحْسَنَه" مبتدأٌ، وهي نكرة تامةٌ، وقيل: موصولة، أو موصوفة، أو استفهامية، والمتعجب منه مفعول به، و "أَفْعِلْ به" محل المجرور الرفع بالفاعلية، ولا يكون المتعجَّب منه إلا مختصًّا، ولا يفصل إلا بظرف وعديله، متعلق بالفعل.

 

‌‌[اسم الفعل]

ويرفع الفاعلَ اسمُ الفعل، ولا يحذف، ولا يتأخر عن معموله، ولا يبرز ضميره.

 

‌‌[اسم التفضيل]

واسم التفضيل يرفع الفاعل غير ظاهر إلا في مسألة الكحل.
‌(মাজরুরাত বা জের-যুক্ত বিশেষ্যসমূহ) (المجرورات)

প্রথমত: এমন প্রতিটি স্পষ্ট (صريح) অথবা ব্যাখ্যাত (مؤول) বিশেষ্য (اسم), যার পূর্বে প্রসিদ্ধ হরফে জর (حرف جر) সমূহের মধ্য হতে কোনো একটি হরফ যুক্ত হয়েছে।

দ্বিতীয়ত: মুদাফ ইলাইহি (المضاف إليه); আর ইযাফত (الإضافة) হলো: দুটি বিশেষ্যের মধ্যে এমন এক প্রকার সীমাবদ্ধ সম্পর্ক, যা দ্বিতীয় বিশেষ্যটিকে মাজরুর (الجر) হওয়া অবধারিত করে। এটি সামান্যতম সংশ্লিষ্টতার কারণেও জায়েজ হতে পারে। ইযাফতটি 'লাম' (اللام), 'মিন' (من) এবং 'ফি' (في) এর অর্থ প্রদান করে। আমেল-এর তার মামুলের প্রতি ইযাফত হওয়াকে শাব্দিক (لفظية) ইযাফত বলে এবং এছাড়া বাকি সব অর্থগত (معنوية) ইযাফত।

পরিচ্ছেদ

"নি'মা" (نعم) ও "বি'সা" (بئس) এবং তাদের সমজাতীয় শব্দগুলো হলো এমন ক্রিয়া (أفعال), যা একজন কর্তা (فاعل) এবং একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য (مخصوص) দাবি করে; যা মুবতাদা (مبتدأ) হিসেবে গণ্য হয় এবং তার পূর্বের অংশটি তার খবর (خبر) হয়।

 

‌‌[বিস্ময়সূচক দুই প্রকার রূপ বা সিগাতুত তাআজ্জুব] (صيغتا التعجب)

অপরিবর্তনশীল (الجامد) শব্দসমূহের অন্তর্ভুক্ত হলো বিস্ময়সূচক ক্রিয়াগুলো (أفعال التعجب)। "মা আহসানাহু" (مَا أَحْسَنَه) বাক্যে "মা" (ما) হলো মুবতাদা (مبتدأ), যা একটি পূর্ণ অনির্দিষ্ট (نكرة تامة) বিশেষ্য। কেউ কেউ বলেছেন, এটি মাওসুলা (موصولة), মাওসুফা (موصوفة) অথবা ইস্তেফহামিয়্যাহ (استفهامية)। যার মাধ্যমে বিস্ময় প্রকাশ করা হয় (المتعجب منه), তা মাফউলে বিহি (مفعول به) হয়। আর "আফ'ইল বিহি" (أَفْعِلْ به) এর ক্ষেত্রে মাজরুর হওয়ার স্থানটি কর্তা (فاعل) হওয়ার কারণে রাফা (الرفع) অবস্থায় থাকে। যার প্রতি বিস্ময় প্রকাশ করা হয় (المتعجب منه) তা নির্দিষ্ট (مختص) হওয়া আবশ্যক এবং এটি ক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট যরফ (ظرف) বা তার সমজাতীয় শব্দ ব্যতীত অন্য কিছু দ্বারা ক্রিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয় না।

 

‌‌[ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য বা ইসমুল ফি'ল] (اسم الفعل)

ইসমুল ফি'ল (اسم الفعل) কর্তাকে (الفاعل) রাফা (رفع) প্রদান করে; এটি বিলুপ্ত হয় না, তার মামুলের (معموله) পরে আসে না এবং তার অন্তর্গত সর্বনামটি (ضميره) প্রকাশ্য হয় না।

 

‌‌[আধিক্যবোধক বিশেষ্য বা ইসমুত তাফদিল] (اسم التفضيل)

ইসমুত তাফদিল (اسم التفضيل) অপ্রকাশ্য কর্তাকে (الفاعل) রাফা (رفع) প্রদান করে, তবে সুরমার মাসআলা (مسألة الكحل) এর ব্যতিক্রম।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৩০)
‌‌[المصدر وعمله]

ويعمل كفعله المصدرُ، مفردًا مكبرًا غير محدود ولا مضمر، ولا مقدم عليه معموله، ولا مفصول عنه، ولا مؤخَّر، ولا بـ "أل".

 

‌‌[اسم الفاعل]

واسم الفاعل بـ "أل" مطلقًا، وعاريًا عنها بشرط كونه لغير الماضي معتمدًا على نفي أو استفهام، أو موصوفٍ أو موصولٍ أو ذي خبرٍ أو حالٍ مكبرًّا.

 

‌‌[أمثلة المبالغة واسم المفعول والصفة المشبهة]

ومثله أمثلة المبالغة، واسم المفعول، وكذا الصفة المشبهة غير مضمرة لا في أجنبي، وسابقٍ، ومفصول مرادٌ بها الحال، ومرفوعها فاعل أو بدل من ضميرها، ومنصوبها مشبه بالمفعول أو تمييز.

 

‌‌[التنازع في العمل]

وإذا تنازع عاملان فأكثر معمولاً قدر معمولاً للأول لسبقه، وقيل: الآخِر لمباشرته، وأيًّا جعلته العامل فَقدِّر في الآخر ضميرًا.

 

‌‌[الاشتغال]

وإذا اشتغل العامل المؤخر على معموله بضمير، فقد قبل المعمول عاملاً يفسره ما بعده.

* * * *
‌‌[মাসদার (ক্রিয়ামূল) এবং তার আমল]

মাসদার তার ক্রিয়ার ন্যায় আমল করে; যদি তা একবচন হয়, অ-ক্ষুদ্রার্থবোধক হয়, অনির্ধারিত ও অপ্রকাশ্য (সর্বনাম) না হয়, তার মামুল (যার ওপর আমল করা হয়) তার আগে না আসে, তার থেকে বিচ্ছিন্ন না হয়, তার পেছনে না আসে এবং 'আলিফ-লাম' যুক্ত না হয়।

 

‌‌[ইসমুল ফায়িল (কর্তৃবাচক বিশেষ্য)]

ইসমুল ফায়িল 'আলিফ-লাম' যুক্ত হলে নিঃশর্তভাবে আমল করে; আর 'আলিফ-লাম' মুক্ত হলে তা বর্তমান বা ভবিষ্যৎ কাল নির্দেশ করার শর্তে এবং না-বোধক, প্রশ্নবোধক, মাওসুফ (বিশেষিত), মাওসুল (সংযুক্তকারী), খবর (সংবাদ) অথবা হাল (অবস্থা)-এর ওপর নির্ভরশীল ও অ-ক্ষুদ্রার্থবোধক হওয়ার শর্তে আমল করে।

 

‌‌[আতিশয্যবোধক রূপ, ইসমুল মাফউল এবং সিফাতে মুশাব্বাহ]

অনুরূপভাবে আমসিলাতুল মুবালাগা (আতিশয্যবোধক রূপ), ইসমুল মাফউল (কর্মবাচক বিশেষ্য) এবং সিফাতে মুশাব্বাহ-ও আমল করে, যদি তা অপ্রকাশ্য না হয়; কোনো দূরবর্তী বা পূর্ববর্তী শব্দে অথবা কোনো বিচ্ছিন্ন শব্দে আমল না করে এবং বর্তমান কালের অর্থ প্রদান করে। এর মারফু (পেশযুক্ত শব্দ) হয় ফায়িল (কর্তা) অথবা তার মধ্যস্থ সর্বনামের বদল; আর এর মানসুব (যবরযুক্ত শব্দ) হয় মাফউলের সদৃশ অথবা তামীয (পার্থক্যকারী)।

 

‌‌[আমলের ক্ষেত্রে তানাজু (পারস্পরিক দ্বন্দ্ব)]

যখন দুই বা ততোধিক আমিল (ক্রিয়াশীল শব্দ) একটি মামুলের ব্যাপারে দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়, তখন অগ্রবর্তিতার কারণে প্রথমটিকে আমিল হিসেবে গণ্য করা হয়। কেউ কেউ বলেন: শেষোক্তটিই আমিল হবে কারণ সেটি মামুলের নিকটবর্তী। আপনি যাকে ই আমিল নির্ধারণ করেন না কেন, অপরটির ক্ষেত্রে একটি সর্বনাম উহ্য ধরবেন।

 

‌‌[ইশতিগাল (পূর্ববর্তী পদের সাথে সংশ্লিষ্টতা)]

যখন পরবর্তী কোনো আমিল তার পূর্ববর্তী মামুলের পরিবর্তে কোনো সর্বনামের কাজে লিপ্ত হয়, তখন সেই মামুলটি এমন একটি আমিল গ্রহণ করে যা পরবর্তী আমিলটি দ্বারা ব্যাখ্যায়িত হয়।

* * * *
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৩১)
‌‌(التوابع)

الأول: النعت: هو تابع مكمل لمتبوعه؛ لدلالته على معنى فيه، فيلزم أن يوافق في أربعة من العشرة، أو في متعلق به، فيلزم أن يوافق في اثنين من الخمسة، وشرطه أن لا يكون أعرف من متبوعه، ولا يُنْعَت الضميرُ، ولا يُنْعَت به، وكل متوغلٍ في البناء كـ "أسماء الشرط، والمصدر للطلب"، ويُنْعت العَلَمُ، ولا يُنْعَتُ به، وكذا أسماء الأجناس.

الثاني: عطف البيان: وهو الجاري مجرى النعت توضيحًا وتخصيصًا، لكنه واجب الجمود، ولو تأويلًا، ويوافق في أربعة من العشرة، ولا يكون هو ولا متبوعه مضمرًا، وإذا لم يكن مفردًا من الإضافة تابعًا لمنادى، أو مجرورًا متبوعه بما لا تصلح إضافته إليه، صح أن يكون بدلاً، ولا عكس.

الثالث: التوكيد: هو تابعٌ يقصد به كون المتبوع على ظاهره.

وهو إما معنوي، يدفع توهُّمَ المجاز بالنفس والعين، وللشمول بـ "كلا وكلتا"، وأجمع وأخواته، وإما لفظي بإعادة اللفظ أو مرادفه، ولو ثلاثًا.

الرابع: البدل: هو التابع المقصود بحكم بلا واسطة. وهو بدل الشيء من الشيء، وبدل البعض، وبدل الاشتمال، وشرطهما صحة الاستغناء بالمبدل منه، وعود ضمير منهما عليه، وبدل الإضراب: وهو ما لا تناسب بينه وبين الأول، وبدل الغلط: وهو ما ذكر فيه الأول بلا قصد.

الخامس: عطف النسق: هو ما كان بعد أحد حروف العطف المشهورة.

وإذا اجتمعت التوابع رتبت كما ذكرناها.
(অনুগামী পদসমূহ (التوابع))

প্রথম: বিশেষণ (النعت): এটি এমন একটি অনুগামী (تابع) যা তার অনুসৃত (متبوع) পদকে পূর্ণতা দান করে; তার মাঝে বিদ্যমান কোনো গুণের প্রতি নির্দেশ করার মাধ্যমে। সুতরাং দশটি বিষয়ের মধ্যে চারটিতে (أربعة من العشرة) অথবা তার সাথে সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ে অনুসৃতের সাথে এর মিল থাকা আবশ্যক। সে ক্ষেত্রে পাঁচটি বিষয়ের মধ্যে দুটিতে (اثنين من الخمسة) মিল থাকা জরুরি। এর শর্ত হলো এটি তার অনুসৃত (متبوع) পদ অপেক্ষা অধিক সুপরিচিত (أعرف) হতে পারবে না। সর্বনাম (الضمير)-কে বিশেষিত করা যায় না এবং এটি দ্বারা অন্যকেও বিশেষিত করা যায় না। অনুরূপভাবে এমন প্রতিটি শব্দ যা রূপান্তরের অযোগ্যতায় সুদৃঢ় (متوغل في البناء), যেমন- "শর্তবাচক বিশেষ্য (أسماء الشرط)" এবং "আদেশবাচক ক্রিয়ামূল (المصدر للطلب)"। সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য (العَلَمُ)-কে বিশেষিত করা যায়, কিন্তু এটি দ্বারা অন্যকে বিশেষিত করা যায় না; সাধারণ বিশেষ্য বা জাতিবাচক বিশেষ্যের (أسماء الأجناس) ক্ষেত্রেও একই নিয়ম।

দ্বিতীয়: ব্যাখ্যামূলক সংযোজন (عطف البيان): এটি স্পষ্টীকরণ (توضيح) এবং নির্দিষ্টকরণের (تخصيص) ক্ষেত্রে বিশেষণের (النعت) মতো কাজ করে। তবে এটি অপরিহার্যভাবে জমাটবদ্ধ বা অনমনীয় (جامد) শব্দ হতে হয়, এমনকি তা যদি ব্যাখ্যার (تأويل) মাধ্যমেও হয়। এটি দশটি বিষয়ের মধ্যে চারটিতে (أربعة من العشرة) মিল রাখে। এটি অথবা এর অনুসৃত (متبوع) পদটি সর্বনাম (مضمر) হতে পারবে না। যখন এটি সম্বন্ধ (إضافة) মুক্ত একক শব্দ হিসেবে কোনো সম্বোধিত পদের (منادى) অনুগামী (تابع) না হয়, অথবা এর অনুসৃত পদটি এমন কোনো শব্দ দ্বারা মাজরুর (مجرور) না হয় যার দিকে ইযাফত বা সম্বন্ধ করা সঠিক নয়, তবে সেটি স্থলাভিষিক্ত পদ (بدل) হওয়া বৈধ; কিন্তু এর বিপরীতটি সঠিক নয়।

তৃতীয়: তাকিদ (التوكيد): এটি এমন একটি অনুগামী (تابع) যার মাধ্যমে উদ্দেশ্য থাকে অনুসৃত (মتبوع) পদটি তার প্রকাশ্য অর্থেই বহাল থাকা।

এটি হয় অর্থগত (معنوي), যা 'নাফস' (النفس) ও 'আইন' (العين) শব্দদ্বয় দ্বারা রূপক অর্থের সম্ভাবনা দূর করে এবং 'কিলা' (كلا), 'কিলতা' (كلتا), 'আজমা' (أجمع) ও এর সদৃশ শব্দগুলোর মাধ্যমে ব্যাপকতা বা অন্তর্ভুক্তিকরণ (شمول) বুঝায়। অথবা এটি শাব্দিক (لفظي), যা মূল শব্দ বা তার সমার্থক শব্দের পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে হয়, যদিও তা তিনবার হয়।

চতুর্থ: স্থলাভিষিক্ত পদ (البدل): এটি এমন এক অনুগামী (تابع) যা কোনো মাধ্যম ছাড়াই সরাসরি বিধানের লক্ষ্য হয়ে থাকে। এটি কয়েক প্রকার: এক জিনিসের পরিবর্তে অনুরূপ জিনিস (بدل الشيء من الشيء), আংশিক স্থলাভিষিক্ত পদ (بدل البعض) এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক স্থলাভিষিক্ত পদ (بدل الاشتمাল)। শেষোক্ত দুই প্রকারের শর্ত হলো 'মুবদাল মিনহু' (مبدل منه) কে বাদ দিলেও বাক্যটি সঠিক হওয়া এবং তাদের মধ্য থেকে একটি সর্বনাম (ضمير) তার (অনুসৃতের) দিকে ফিরে আসা। আরও আছে প্রসঙ্গ পরিবর্তনের স্থলাভিষিক্ত পদ (بدل الإضراب): যা এবং প্রথম পদের মধ্যে কোনো সামঞ্জস্য থাকে না। এবং ভুল সংশোধনের স্থলাভিষিক্ত পদ (بدل الغلط): যাতে কোনো উদ্দেশ্য ছাড়াই প্রথম পদটি ভুলবশত উল্লেখ করা হয়ে থাকে।

পঞ্চম: সংযোজক অব্যয়জাত অনুগামী (عطف النسق): এটি সেই পদ যা প্রসিদ্ধ সংযোজক অব্যয়সমূহের (حروف العطف) কোনো একটির পরে আসে।

যখন এই অনুগামী পদগুলো (التوابع) একত্রিত হয়, তখন আমাদের বর্ণিত ক্রম অনুযায়ী বিন্যস্ত হবে।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৩২)
‌‌(خاتمة في الجمل)

الظرفُ والجارُّ والمجرور، والجمل إذا تَلَتْ الموصولاتِ فهي صِلاتٌ، أو المعارفَ المحضةَ فهي أحوالٌ، أو النكراتِ المحضةَ فصفاتٌ، وغير المحضة منهما محتملة لهما، أو المخبر عنها فأخبارٌ.

 

‌‌[الجمل التي لها محل من الإعراب]

والجمل التي لها محلٌّ سبعٌ: وهي الواقعة خبرًا، وحالاً، ومفعولاً، ومضافًا إليها، وجوابًا لشرط جازم، وتابعًا لمفرد، أو لجملة لها محل.

[الجمل التي ليس لها محل من الإعراب]

والتي ليس لها محل سبعٌ أيضًا: المستأنفة، والصلة، والمعترضة والتفسيرية، وجواب القسم، وجواب الشرط غير الجازم، والتابعة لجملة لا محل لها.

مثال ما لها محل: غايتنا ونهايتنا الحمد لله على التمام.

ومثال ما لا محل له: اللهم اكتب لنا ولأحبابنا حسن الختام(1).

--------------------------------------------

(1) قوله: "مثال ما لها محل … " إلخ، الشاهد فيها "الحمد لله" جملةٌ اسميةٌ وقعت خبرًا للمبتدأ "غايتنا"

 

وقوله: "ومثال ما لا محل لها: اللهم .. " إلخ، الشاهد فيها "اللهم"، فأصلها "يا الله"، وأصل المنادى مفعول به لفعل تقديره: "أدعو"، فهو جملة من هذه الجهة، وقعت استئنافية، والاستئنافية من‌‌ الجمل التي لا محل لها من الإعراب.

والمقصود بهاتين العبارتين التمثيل للنوعين، واستخدام لونٍ من ألوان البديع يسمى "براعة الختام"، وسمَّاهُ التيفاشي "حسن المقطع"، وسماه ابن أبي الإصبع "حسن الخاتمة"، وهو أن تذكر لفظًا يؤذن بانتهاء الكلام عنده. وحصل هنا في قوله: "غايتنا ونهايتنا … حسن الختام".

انظر: تلخيص المفتاح للقزويني (391)، وشرح الكافية البديعية لصفي الدين الحلي (333).
(বাক্যসমূহ সংক্রান্ত পরিশিষ্ট)

যরফ (ক্রিয়া-বিশেষণ), জার ও মাজরুর (অব্যয় ও বিশেষ্যের সমন্বয়) এবং বাক্যসমূহ যখন ‘মাউসুলাত’ (সম্বন্ধসূচক সর্বনাম)-এর অনুগামী হয়, তখন সেগুলো ‘সিলাহ’ (সম্বন্ধবাক্য) হিসেবে গণ্য হয়; অথবা যদি সেগুলো ‘মারেফাহ মাহদাহ’ (পূর্ণ নির্দিষ্ট বিশেষ্য)-এর অনুগামী হয় তবে সেগুলো ‘হাল’ (অবস্থা) হিসেবে গণ্য হয়; অথবা যদি ‘নাকেরা মাহদাহ’ (পূর্ণ অনির্দিষ্ট বিশেষ্য)-এর অনুগামী হয় তবে সেগুলো ‘সিফাত’ (গুণবাচক বিশেষণ) হিসেবে গণ্য হয়। আর এই দুইয়ের (নির্দিষ্ট ও অনির্দিষ্ট) মধ্যে যা পূর্ণ নয়, তা উভয়টির সম্ভাবনা রাখে। অথবা যে বাক্যগুলো সম্পর্কে সংবাদ দেওয়া হয়, সেগুলো ‘খবর’ (বিধেয়) হিসেবে গণ্য হয়।

 

[যে সকল বাক্যের বৈয়াকরণিক অবস্থান রয়েছে]

যে সকল বাক্যের বৈয়াকরণিক অবস্থান (মাহাল্লুন মিনাল ই’রাব) রয়েছে সেগুলো সাতটি: খবর (বিধেয়), হাল (অবস্থা), মাফউল (কর্ম), মুযাফ ইলায়হি (সম্বন্ধপদ), জাযেম (নির্ধারক) শর্তের উত্তর, একক পদের অনুগামী বাক্য, অথবা এমন কোনো বাক্যের অনুগামী যার বৈয়াকরণিক অবস্থান রয়েছে।

[যে সকল বাক্যের বৈয়াকরণিক অবস্থান নেই]

যে সকল বাক্যের বৈয়াকরণিক অবস্থান নেই সেগুলোও সাতটি: মুস্তানিফাহ (প্রারম্ভিক বাক্য), সিলাহ (সম্বন্ধবাক্য), মু’তারিযাহ (মধ্যবর্তী বাক্য), তাফসিরিয়্যাহ (ব্যাখ্যামূলক বাক্য), শপথের উত্তর (জওয়াবুল কাসাম), গাইরে জাযেম (অ-নির্ধারক) শর্তের উত্তর এবং এমন বাক্যের অনুগামী যার কোনো বৈয়াকরণিক অবস্থান নেই।

বৈয়াকরণিক অবস্থান থাকা বাক্যের উদাহরণ: আমাদের লক্ষ্য ও গন্তব্য হলো—‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য’ পূর্ণতার ওপর।

বৈয়াকরণিক অবস্থান না থাকা বাক্যের উদাহরণ: হে আল্লাহ, আমাদের জন্য এবং আমাদের প্রিয়জনদের জন্য উত্তম সমাপ্তি লিখে দিন(১)।

--------------------------------------------

(১) লেখকের উক্তি: "বৈয়াকরণিক অবস্থান থাকা বাক্যের উদাহরণ..." ইত্যাদিতে লক্ষণীয় বিষয় হলো "আলহামদুলিল্লাহ" (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য), এটি একটি বিশেষ্যমূলক বাক্য যা "গায়াতুনা" (আমাদের লক্ষ্য) নামক উদ্দেশ্যের (মুবতাদা) সংবাদ (খবর) হিসেবে আপতিত হয়েছে।

 

এবং তাঁর উক্তি: "বৈয়াকরণিক অবস্থান না থাকা বাক্যের উদাহরণ: আল্লাহুম্মা.." ইত্যাদিতে লক্ষণীয় বিষয় হলো "আল্লাহুম্মা", যার মূল রূপ হলো "ইয়া আল্লাহ"। আর সম্বোধনকৃত পদ (মুনাদা) মূলত একটি উহ্য ক্রিয়ার কর্ম (মাফউল বিহি), যার অনুমিত রূপ হলো: "আদ'উ" (আমি ডাকছি)। সুতরাং এই দিক থেকে এটি একটি বাক্য, যা প্রারম্ভিক বাক্য হিসেবে আপতিত হয়েছে। আর প্রারম্ভিক বাক্যসমূহ এমন বাক্যগুলোর অন্তর্ভুক্ত যেগুলোর বৈয়াকরণিক অবস্থান নেই।

এই দুটি বাক্যের দ্বারা উদ্দেশ্য হলো উভয় প্রকারের উদাহরণ পেশ করা এবং অলঙ্কারশাস্ত্রের (বালাগাত) একটি শৈলী ব্যবহার করা যাকে "বারাআতুল খিতাম" (সমাপ্তির চমৎকারিত্ব) বলা হয়। তিয়াফাশী একে "হুসনুল মাকতা" (উত্তম ছেদ) এবং ইবন আবি আল-ইসবা একে "হুসনুল খাতিমাহ" (উত্তম পরিসমাপ্তি) হিসেবে অভিহিত করেছেন। আর তা হলো এমন শব্দ উল্লেখ করা যা বক্তব্য শেষ হওয়ার ইঙ্গিত প্রদান করে। আর এটি এখানে "আমাদের লক্ষ্য ও গন্তব্য... উত্তম সমাপ্তি" উক্তির মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে।

দেখুন: কাজভীনির তালখিসুল মিফতাহ (৩৯১), এবং সাফিউদ্দিন আল-হিল্লির শারহুল কাফিয়াতিল বাদিইয়্যাহ (৩৩৩)।
(খণ্ড: ২০) আল-লাতীফাতুল বাকরিয়্যাহ ওয়ান-নাতীজাতুল ফিকরিয়্যাহ ফিল মুহিম্মাতিন নাহউইয়্যাহ - দমিন আসারুল মুয়াল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৩৩)
وعلى سيدنا محمد وآله وصحبه أفضل الصلاة والسلام.

وكان الفراغ من رَقْم هذه النسخة يوم الجمعة الموافق ثمان ربيع آخر سنة سبع وثلاثين وثلاث مئة وألف هجرية، هجرةُ من له العزُّ والشرف.

بقلم أفقر عباد الله، وأحوجهم إلى ما لديه، والمتوكل في جميع أموره عليه: أحمد بن يحيى بن إسماعيل بن يحيى بن عبد الكريم، الضمديِّ بلدًا، والزيديِّ مذهبًا، والعدليّ اعتقادًا(1)، غفر الله له ولوالديه ولجميع المؤمنين والمؤمنات والمسلمين والمسلمات، ولا حول ولا قوة إلا بالله العلي العظيم.

بعناية الأخ العلامة الأديب عبد الرحمن بن يحيى المعلمي، غفر الله له، وللمسلمين. آمين.

--------------------------------------------

(1) قوله: "العدلي" يريد به "العدل" الذي هو أحد أصول المعتزلة الخمسة.
এবং আমাদের নেতা মুহাম্মদ, তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সহচরদের ওপর সর্বোত্তম দরুদ ও সালাম।

এই পাণ্ডুলিপিটি অনুলিখনের কাজ সমাপ্ত হয়েছে ১৩৩৭ হিজরি সনের ৮ই রবিউস সানি, জুমাবার; যাঁর মর্যাদা ও সম্মান সুউচ্চ তাঁর হিজরতের বছর অনুযায়ী।

আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে সর্বাধিক অকিঞ্চন, তাঁর নিকট যা রয়েছে তার প্রতি অতিশয় মুখাপেক্ষী এবং স্বীয় যাবতীয় বিষয়ে তাঁরই ওপর ভরসাকারী: আহমদ বিন ইয়াহইয়া বিন ইসমাইল বিন ইয়াহইয়া বিন আব্দুল কারিম-এর কলমে; জন্মসূত্রে যমদি, মাযহাবগতভাবে যায়দি এবং আকিদাগতভাবে আদলি (العدلي)(১)। আল্লাহ তাঁকে, তাঁর পিতা-মাতাকে এবং সমস্ত মুমিন নর-নারী ও মুসলিম নর-নারীকে ক্ষমা করুন। সুউচ্চ ও মহান আল্লাহ ব্যতীত কোনো শক্তি ও সামর্থ্য নেই।

বিদ্বান ও সাহিত্যিক ভ্রাতা আব্দুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুআল্লিমির তত্ত্বাবধানে; আল্লাহ তাঁকে এবং সকল মুসলিমকে ক্ষমা করুন। আমিন।

--------------------------------------------

(১) তাঁর উক্তি: "আদলি" বলতে তিনি "আদল" (العدل) বা ন্যায়বিচারকে বুঝিয়েছেন, যা মুতাজিলাদের পাঁচটি মূলনীতির একটি।