(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: -)
التعريف بالأنساب والتنويه بذوي الأحساب (أبو الحجاج الأشعري)
القسم: الأنساب
الكتاب: التعريف بالأنساب والتنويه بذوي الأحساب
المؤلف: أحمد بن محمد بن إبراهيم، شهاب الدين أبو الحجاج الأشعري الشافعي (ت 600هـ)
[الكتاب مرقم آليا غير موافق للمطبوع]
عدد الصفحات: 83
تاريخ النشر بالشاملة: 8 ذو الحجة 1431
বংশপরিচয় প্রদান এবং আভিজাত্যের অধিকারীদের মাহাত্ম্য বর্ণনা (আবু আল-হাজ্জাজ আল-আশআরি)
বিভাগ: বংশতত্ত্ব
বই: বংশপরিচয় প্রদান এবং আভিজাত্যের অধিকারীদের মাহাত্ম্য বর্ণনা
লেখক: আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম, শিহাবুদ্দিন আবু আল-হাজ্জাজ আল-আশআরি আশ-শাফিঈ (মৃত্যু: ৬০০ হিজরি)
[বইটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংখ্যায়িত এবং মুদ্রিত সংস্করণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়]
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৩
শামেলায় প্রকাশের তারিখ: ৮ যিলহজ ১৪৩১
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ১)
بسم الله الرحمن الرحيممقدمة الكتابقال الشيخ الإمام العلامة القدوة الأوحد الحافظ أحمد بن محمد بن إبراهيم الأشعري القرطبي الحنفي رحمه الله: الحمد لله الذي فضلنا بالعلوم والآداب، وجعل نسب العرب أشرف الأنساب، وصلى الله على المصطفي من لب اللباب المنقول من شرف الصياب، وعلى أله وأصحابه خير الأصحاب، وعلى أزواجه الطاهرات القرِاب، وعلى التابعين لهم بإحسان إلى يوم المآب، أما بعد فقد قرأت في كتب أنساب العرب، فذكرت لمن يسمو بشريف نعمته وتترجَه على ملته في ذكر الأنساب، واذكر له أمهات تنجح إذا طلبته احتضرت له من أصول القتايل وشعوب الأوايل ما ينتهي من النسب إلى الوسط ويأمن فيه الغلط.وفي الجملة: فانه لا يليق بذي فهم وارب أو شريف نسب لما فيه من صلة الأرحام ومعرفة الأحكام ومن الأمثال لأمر النبي صلى الله عليه وسلم قال النبي صلى الله عليه وسلم: (تعلموا من أنسابكم ما تصلون به أرحامكم، فإن صلة الرحم، زيادة في المال منسأة في الأجل) . وقال صلى الله عليه وسلم: (من انتمى إلى غير أبيه أو طلب غير موإليه لا يقبل اله منه صرفاً ولا عدلاً) وروي عنه صلى الله عليه وسلم أنه قال: (فضلت العرب لثلاث، لأني عربي، والقرآن عربي وكلام الله عربي) وروى عن عمر بن الخطاب رضي الله عنه أنه قال: (تعلموا من أنسابكم ما تصلون به أرحامكم ولا تكونوا كنبط السواد إذا سئل أحدهم ممن أنت قال من قرية كذا، فو الله انه ليكون بين الرجل وبين أخيه الشيء لو يعلم الذي بينه وبينهم لوزَعه عن انتهاكه وروى عن عبد الله بن عمر أنه قال لأبيه ارع نسب نفسك وأمهات بنك وقد قال الله تعالى أصدق القائلين وقوله المقدم في كل حين.... يأيها الناس إنا خلقناكم من ذكر وأنثى وجعلناكم شعوباً وقبائل لتعارفوا) .قال المفسرون الشعوب هي الجراثيم التي تفرقت منها القبايل ثم تفرقت العرب من القبايل ثم تفرقت القبايل من الشعوب ثم تفرقت الشعوب من العماير ثم تفرقت العماير من القبايل ثم تفرقت البطون من العماير ثم تفرقت الأفخاذ من البطون ثم تفرقت الفصايل من الأفخاذ وليس دون الفصيلة شئ فهي شعوب وقبائل وعماير وبطون وأفخاذ وفصائل ومثال ذلك أن بني عبد المطلب فصيلة النبي صلى الله عليه وسلم وبنو هاشم فخذهُ وبنو عبد مناف بطنه وقريش عمارته وكنانة قبيلته ومضر شعبه.وروي عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: (إن الله تعالى اختار العرب ثم أختار من العرب مضر ثم اختار منهم النضر بن كنانة ثم اختار منهم قريشا ثم اختار منهم بني هاشم ثم اختارني من بني هاشم) ولم يكن النبي المختار ولا الصحابة الأخيار يجهلون هذا المقدار، وقد روي عنه صلى الله عليه وسلم أنه قال: (أسلمُ وعُصية وشئ من جهنة خير عند الله يوم القيامة من غنم وأسد وخزيمة وهوازن وغطفان) ، فهذا يدل على معرفته صلى الله عليه وسلم بالأنساب في أخبار يطول ذكرها وكان أبو بكر الصديق رضي الله عنه أعرف الناس بالأنساب وكذلك جبير بن مطعم من الرواة للأنساب، ونحن ألان نذكر طرفا مما وعدنا به وقد جرت عادة النساب إِنهم يبدءون في نسب أهل الشام بنسب رسول الله صلى الله عله وسلم ثم بقبايل مضر ثم بنسب قريش لأنهم شرفوا برسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم بقبايل ربيعة لأنهم شَغب رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي أهل اليمن بالأنصار لأنهم شرفوا بنصرة رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم بقبايل الأزد لأنهم جرثومة الأنصار ثم بقبايل كهلان لأنهم شعب الأزد ثم قبايل حمير، وابتداؤنا في هذا المختصر. نسب رسول الله صلى الله عليه وسلمأول الأنساب بنسب رسول الله صلى الله عليه وسلم
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।গ্রন্থের ভূমিকাশেখ, ইমাম, আল্লামা, আদর্শ ব্যক্তিত্ব, অনন্য হাফেজ আহমদ বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল-আশআরি আল-কুরতুবি আল-হানাফি (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত বর্ষণ করুন) বলেন: সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আমাদের জ্ঞান ও শিষ্টাচারের মাধ্যমে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন এবং আরবদের বংশধারাকে সর্বোত্তম বংশমর্যাদা প্রদান করেছেন। আর আল্লাহর দরুদ বর্ষিত হোক সারনির্যাস থেকে নির্বাচিত সেই মনোনীত ব্যক্তির ওপর, যিনি আভিজাত্যের মূল উৎস থেকে প্রেরিত হয়েছেন; আরও বর্ষিত হোক তাঁর পরিবার-পরিজন ও সর্বোত্তম সঙ্গীসাথিগণের ওপর, তাঁর পবিত্র ও নিকটবর্তী সহধর্মিণীগণের ওপর এবং কিয়ামত পর্যন্ত যারা নিষ্ঠার সাথে তাঁদের অনুসরণ করবেন তাঁদের ওপর। অতঃপর, আমি আরবদের বংশলতিকা বিষয়ক গ্রন্থসমূহ অধ্যয়ন করেছি। তাই যারা আভিজাত্যের নেয়ামত লাভ করতে চায় এবং এর মাধ্যমে নিজেদের মর্যাদা প্রত্যাশা করে, তাদের জন্য বংশবিদ্যার বর্ণনায় একটি সংক্ষিপ্ত সংকলন তৈরি করেছি। আমি এতে এমন কিছু মূল বংশধারার কথা উল্লেখ করেছি যা বংশীয় শিকড় থেকে আদি শাখা পর্যন্ত বিস্তৃত এবং যা মধ্যম স্তরে গিয়ে সমাপ্ত হয়, যার ফলে ভুলের আশঙ্কা থাকে না।সংক্ষেপে বলতে গেলে, কোনো বুদ্ধিমান, বিচক্ষণ বা উচ্চবংশীয় ব্যক্তির জন্য এই জ্ঞান থেকে বিমুখ থাকা শোভনীয় নয়। কারণ এতে রয়েছে আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখার শিক্ষা, বিধি-বিধানের পরিচয় এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নির্দেশনার বাস্তবায়ন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: (তোমরা তোমাদের বংশধারা সম্পর্কে ততটুকু জ্ঞান অর্জন করো যার মাধ্যমে তোমরা আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করতে পারো; কেননা আত্মীয়তার বন্ধন বজায় রাখলে ধন-সম্পদ বৃদ্ধি পায় এবং আয়ু দীর্ঘ হয়)। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন: (যে ব্যক্তি নিজের পিতা ব্যতীত অন্য কারো দিকে নিজের বংশের সম্বন্ধ করে অথবা নিজ অভিভাবক ব্যতীত অন্য কাউকে অভিভাবক হিসেবে দাবি করে, আল্লাহ তার কোনো ফরয বা নফল ইবাদত কবুল করবেন না)। তাঁর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে আরও বর্ণিত আছে যে তিনি বলেন: (আরবরা তিনটি কারণে শ্রেষ্ঠত্ব পেয়েছে: আমি আরব, কুরআন আরবি এবং আল্লাহর কালাম আরবি)। উমর বিন খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: (তোমরা তোমাদের বংশধারা সম্পর্কে জানো যাতে আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করতে পারো। তোমরা যেন ইরাকের কৃষি অঞ্চলের নাবতিদের মতো না হও, যাদের কাউকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয় 'তুমি কার বংশের?', সে বলে 'অমুক গ্রামের'। আল্লাহর কসম, কোনো ব্যক্তির ও তার ভাইয়ের মাঝে যদি আত্মীয়তার এমন কোনো সম্পর্ক বিদ্যমান থাকে যা সে জানে, তবে তা তাকে একে অপরের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করা থেকে বিরত রাখবে)। আবদুল্লাহ বিন উমর (রা.) থেকে বর্ণিত যে, তিনি তাঁর পিতাকে বলেছিলেন, আপনি নিজের এবং আপনার সন্তানদের মাতাদের বংশধারা রক্ষা করুন। আর মহান আল্লাহ, যিনি সর্বাপেক্ষা সত্যবাদী এবং যাঁর বাণী সর্বদা অগ্রগণ্য, তিনি ইরশাদ করেছেন: (হে মানুষ! আমি তোমাদের সৃষ্টি করেছি এক পুরুষ ও এক নারী থেকে এবং তোমাদের বিভক্ত করেছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে, যাতে তোমরা একে অপরের সাথে পরিচিত হতে পারো)।মুফাসসিরগণ বলেন, 'শুউব' (জাতিসমূহ) হলো সেই মূল উৎস যেখান থেকে বিভিন্ন 'কাবাইল' (গোত্র) বের হয়েছে। অতঃপর আরবরা সেই গোত্রসমূহ থেকে বিভক্ত হয়েছে। গোত্রসমূহ বিভক্ত হয়েছে 'শুউব' থেকে, শুউবসমূহ 'আমায়ির' থেকে, আমায়িরসমূহ 'কাবাইল' থেকে, অতঃপর 'বুতুন' (উপগোত্র) আমায়ির থেকে, 'আফখায' (শাখা গোত্র) বুতুন থেকে এবং 'ফাসাইল' (পরিবার) আফখায থেকে। ফাসাইলের নিচে আর কোনো স্তর নেই। সুতরাং এগুলো হলো শুউব, কাবাইল, আমায়ির, বুতুন, আফখায এবং ফাসাইল। এর উদাহরণ হলো: বনু আবদুল মুত্তালিব হলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ফাসিলা (পরিবার), বনু হাশিম হলো তাঁর ফখয (শাখা), বনু আবদ মানাফ তাঁর বাত্ন (উপগোত্র), কুরাইশ তাঁর ইমারা (শাখা গোত্র), কিনানা তাঁর কাবিলা (গোত্র) এবং মুদার হলো তাঁর শাব (জাতি)।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেন: (নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ আরবদের মনোনীত করেছেন, অতঃপর আরবদের মধ্য থেকে মুদারকে বেছে নিয়েছেন, মুদার থেকে নজর বিন কিনানাকে বেছে নিয়েছেন, তাদের থেকে কুরাইশকে বেছে নিয়েছেন, কুরাইশ থেকে বনু হাশিমকে বেছে নিয়েছেন এবং বনু হাশিম থেকে আমাকে মনোনীত করেছেন)। মনোনীত নবী বা শ্রেষ্ঠ সাহাবীগণ এই মান-মর্যাদা সম্পর্কে অজ্ঞ ছিলেন না। তাঁর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে আরও বর্ণিত আছে যে তিনি বলেন: (আসলাম, উসাইয়া এবং জুহায়নার কিছু অংশ কিয়ামতের দিন আল্লাহর নিকট গানাম, আসাদ, খুজাইমা, হাওয়াযিন ও গাতাফান গোত্র অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ)। এটি বংশবিদ্যা সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর গভীর জ্ঞানের প্রমাণ দেয় এবং এ সংক্রান্ত বর্ণনা দীর্ঘ। আবু বকর সিদ্দিক (রা.) মানুষের মাঝে বংশবিদ্যায় সবচেয়ে পারদর্শী ছিলেন। অনুরূপভাবে জুবাইর বিন মুতয়িমও বংশবিদ্যার অন্যতম বর্ণনাকারী ছিলেন। আমরা এখন আমাদের প্রতিশ্রুত বিষয়টির কিয়দাংশ উল্লেখ করব। বংশবিদদের প্রথা হলো তারা সিরিয়াবাসীদের বর্ণনায় প্রথমে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বংশধারা দিয়ে শুরু করেন, এরপর মুদার গোত্র এবং কুরাইশদের বংশধারা উল্লেখ করেন, কারণ তাঁরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কারণে সম্মানিত হয়েছেন। এরপর রাবিয়া গোত্র, কারণ তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর আত্মীয়। আর ইয়েমেনবাসীদের বর্ণনায় আনসারদের দিয়ে শুরু করেন কারণ তাঁরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে সাহায্যের মাধ্যমে সম্মানিত হয়েছেন, এরপর আযদ গোত্র কারণ তারা আনসারদের মূল উৎস, এরপর কাহলান কারণ তারা আযদ গোত্রের শাখা, অতঃপর হিময়ার গোত্র। আমাদের এই সংক্ষিপ্ত সংকলনের সূচনার বিষয়টিও অনুরূপ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বংশধারারাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বংশধারার মাধ্যমে বংশলতিকার সূচনা
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ২)
وهو محمد بن عبد الله بن عبد المطلب بن هاشم بن عبد مناف ومناف أعظم أصنامهم وبه سمى عبد مناف وأسمه المعتق بن قصي وهو مجمع واْسمه زيد بن كلاب بن مرة بن كعب بن لؤي بن غالب بن فهر بن مالك بن النضر بن كنانة بن خزيمة بن مدركة بن الياس بن مضر بن نزار بن معد بن عدنان بن ارّبن اليسع بن الهميسع بن سلامان بن حمل بن قيدار بن إسماعيل بن إبراهيم عليه السلام بن آزر وهو تارح بن ناحور بن اسرع بن أرغوى بن وألغ بن شالخ ابن اركشد بن سام بن نوح عليه السلام بن لمد بن المتوشلح بن أخبوخ وهو إدريس النبي صلى الله عليه وسلم بن يرد بن مهلاييل بن قينان بن أنوش بن شيث وهو هبة الله بن اَدم المصطفى اًبو البشر صلى الله عليه وسلم وعلى جميع الأنبياء.فهذا - نسب النبي صلى الله عليه وسلم.وقد اختلف في أسماء الرجال من فوق عدنان فزاد بعضهم ونقص وقدموا وأخروا والله أعلم بالصحيح، وقد روى عن عائشة رضي الله عنها أنها قالت ما وجدنا أحدا يعرف ما وراء عدنان ولاما وراء قحطان إلا تخرصا.وقد روى عن النبي صلى الله عليه وسلعا أنه إذا انتهي في النسب إلى معد بن عدنان قال كدت النسابون وقرأ قوله تعالى: (وقروناً بين ذلك كثيرا) وهذا الامسال ليس بشيء فقد حفظوا أمهات القبايل وشعوب الأوايل واختلفوا في بعض وخفي عليهم بعض، واعلم أن النسب علم لا ينفع وجهل لا يضر وربما روى بعضهم هذا الخبر عن النبي صلى الله عليه وسلم ولم يثبت عند أكثر العلماء ولا استقاموا على ما ذكرناه في هذا الكتاب. أولاد النبيثم عدنا إلى ذكر الأنساب قال كان للنبي صلى الله عليه وسلم من الأولاد ثمانية أربعة رجال وأربع نساء أما الرجال فالقاسم والطاهر وهو عبد الله والطيب وإبراهيم وأمه مارية القبطية، والنساء فاطمة ورقية وأم كلثوم وزينب هؤلاء أمهم خديجة بنت خويلد بن أسد بن نوفل بن عبد العزى بن قصي بن كلاب (وأول من يلقى النبي صلى الله عليه وسلم بنو عبد المطلب ويكنى شببة الحم) .ومن أعمام النبي صلى الله عليه وسلم الحرث وهو أكبرهم والعباس وحمزة وأبو طالب وضرار والمقوم ومصعب وهو جحل وعاء الخمرة والزبير وأبو لهب واسمه عبد العزى والعيداق وقد قيل إن العَيداق جحل فهؤلاء عشرة بنو عبد المطلب. أولاد أعمامهوأولاد العباس عبد الله وعبيد الله والفضل وقُثَم وعبد الرحمن وتمام وكثير والحرث.وأولاد عبد الله العباس بن محمد الكامل بن علي العالم وعباس وعبد الله والفضل وعبد الرحمن وأمهم زرعة بنت مثيب كندية والخلفاء من أولاد محمد ابن علي بن عبد الله بن العباس فهم اليوم في وقتنا هذا الراشد بن المسترشد بن المقتدى بن المستشهر بن المقتدي ومنهم محمد بن المقتفي بن المستشظهر والمقتدي هو عبد الله بن محمد بن القايم بأمر الله هو عبد الله بن القادر بالله وهو أحمد بن إسحاق بن المقتدر بن أحمد المعتضد بن طلحة بن المؤقق بن المعتز بالله بن جعفر المتوكل بن محمد المعتصم بالله بن هارون الرشيد بن محمد المهدي بن عبد الله المنصور بن محمد الكامل بن علي العالم بن عبد الله بن العباس، فمن ولد على بن عبد الله محمد وصالح وعبد الله وعبد الرحمن وإسماعيل والنمر وليث وعيسى وداود وعبد الصمد، ومن ولد محمد ابن علي أبو على أبو العباس وعبد الله المنصور وموسى ومحمد وإبراهيم والعباس ومن ولد المنصور جعفر وسليمان وعلى وعيسى ويعقوب والقسم وصالح ومحمد المهدي خليفة، ومن ولد المهدي موسى الهادي وإبراهيم بن شكلة ومنصور وإسحاق وهارون الرشيد، ومن ولد هارون الرشيد محمد الأمين وعبد ألله المأمون وأخوه القسم المؤتمن وأبو يعقوب وأبو العباس وأبو عبد الله وقطر بن المعتصم، ومن ولد المعتصم هارون الواثق وأحمد المستعين وجعفر المتوكل، ومن ولد هارون الواثق محمد المهدي، ومن ولد جعفر المتوكل أحمد المعتمد والزبير المعتز والمنتصر وطلحة الموفق وإبراهيم - المؤيد بالله.
তিনি হলেন মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল মুত্তালিব ইবনে হাশিম ইবনে আব্দ মানাফ। আর মানাফ ছিল তাদের শ্রেষ্ঠ মূর্তিদের অন্যতম, যার নামানুসারে আব্দ মানাফের নামকরণ করা হয়েছে। তাঁর নাম ছিল আল-মু'তাক ইবনে কুসাই; আর কুসাই-এর নাম ছিল মুজাম্মি। তিনি হলেন যায়েদ ইবনে কিলাব ইবনে মুররাহ ইবনে কা'ব ইবনে লুয়াই ইবনে গালিব ইবনে ফিহর ইবনে মালিক ইবনে নাদর ইবনে কিনানাহ ইবনে খুযাইমাহ ইবনে মুদরিকাহ ইবনে ইলিয়াস ইবনে মুদার ইবনে নিযার ইবনে মা'আদ ইবনে আদনান ইবনে আর ইবনে আল-ইয়াসা ইবনে আল-হামাইসা ইবনে সালামাহ ইবনে হামাল ইবনে কাইদার ইবনে ইসমাঈল ইবনে ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম ইবনে আযর—যিনি হলেন তারিখ—ইবনে নাহুর ইবনে আসরা ইবনে আরগুয়া ইবনে ফালিগ ইবনে শালিখ ইবনে আরকাশাদ ইবনে সাম ইবনে নূহ আলাইহিস সালাম ইবনে লামাদ ইবনে মাতুশলাখ ইবনে আখনুখ—যিনি হলেন নবী ইদ্রিস সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম—ইবনে ইয়ারদ ইবনে মাহলাইল ইবনে কাইনান ইবনে আনুশ ইবনে শীস—যিনি হলেন হিবাতুল্লাহ—ইবনে আদম আল-মুস্তফা, মানবজাতির পিতা, তাঁর ওপর এবং সকল নবীর ওপর আল্লাহর সালাত ও সালাম বর্ষিত হোক।এটিই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বংশপরিচয়।আদনানের ঊর্ধ্বপুরুষদের নামের ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। কেউ কেউ নাম বৃদ্ধি করেছেন আবার কেউ কমিয়েছেন, কেউ আগে এনেছেন আবার কেউ পরে উল্লেখ করেছেন; আর আল্লাহই সঠিকটি সম্পর্কে সর্বাধিক অবগত। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন: "আমরা আদনানের ঊর্ধ্বপুরুষ অথবা কাহতানের ঊর্ধ্বপুরুষদের সম্পর্কে কাউকেই অনুমান করা ছাড়া কিছু জানতে দেখিনি।"নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি যখন বংশ বর্ণনায় মা'আদ ইবনে আদনান পর্যন্ত পৌঁছাতেন, তখন বলতেন: "বংশ বর্ণনাকারীরা অনুমান করেছে"; এরপর তিনি মহান আল্লাহর এই বাণী পাঠ করতেন: "এবং এর মধ্যবর্তী বহু প্রজন্ম"। তবে এই বংশীয় বিবরণকে একেবারে অসার বলা যায় না; কেননা তাঁরা প্রধান গোত্রসমূহ ও প্রাচীন বংশধারা সংরক্ষণ করেছেন, যদিও এর কিছু অংশে তাঁরা মতভেদ করেছেন এবং কিছু বিষয় তাঁদের নিকট অস্পষ্ট রয়ে গেছে। জেনে রাখুন যে, বংশবিদ্যা এমন এক জ্ঞান যা বিশেষ কোনো উপকার দেয় না এবং এ বিষয়ে অজ্ঞতা কোনো ক্ষতি করে না। সম্ভবত কেউ কেউ এই বর্ণনাটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন, তবে অধিকাংশ আলেমদের নিকট এটি প্রমাণিত নয় এবং তাঁরা এই কিতাবে আমরা যা উল্লেখ করেছি তার ওপর অটল থাকেননি। নবীজির সন্তানগণঅতঃপর আমরা পুনরায় বংশ বর্ণনায় ফিরে এলাম। বলা হয়েছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আটজন সন্তান ছিল; চারজন পুত্র এবং চারজন কন্যা। পুত্ররা হলেন: আল-কাসিম, আত-তাহির—যিনি আব্দুল্লাহ, আত-তায়্যিব এবং ইব্রাহিম—যার মা ছিলেন মারিয়া আল-কিবতিয়্যাহ। আর কন্যারা হলেন: ফাতিমাহ, রুকাইয়্যাহ, উম্মু কুলসুম এবং যায়নব; এঁদের সকলের মা ছিলেন খাদিজা বিনতে খুয়াইলিদ ইবনে আসাদ ইবনে নাওফাল ইবনে আব্দিল উযযা ইবনে কুসাই ইবনে কিলাব (আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সর্বপ্রথম যাদের বংশ মিলিত হয় তারা হলেন বনু আব্দুল মুত্তালিব, যাদের 'শায়বাতুল হামদ' উপনামে ডাকা হতো)।নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাচাদের মধ্যে ছিলেন হারিস—যিনি তাদের মধ্যে সবার বড় ছিলেন, আব্বাস, হামযাহ, আবু তালিব, দিরার, আল-মুকাব্বিম, মুসয়াব—যিনি জাহল ও আউল খামরা নামে পরিচিত ছিলেন, যুবাইর এবং আবু লাহাব—যার নাম ছিল আব্দিল উযযা, এবং আল-আইদাক। বলা হয়ে থাকে যে, আল-আইদাকই হলেন জাহল। এই দশজন আব্দুল মুত্তালিবের পুত্র। তাঁর চাচাদের সন্তানগণআব্বাসের সন্তানরা হলেন: আব্দুল্লাহ, উবাইদুল্লাহ, ফাদল, কুসাম, আব্দুর রহমান, তাম্মাম, কাসীর এবং আল-হারিস।আব্দুল্লাহর সন্তানরা হলেন: আল-আব্বাস ইবনে মুহাম্মাদ আল-কামিল ইবনে আলী আল-আলিম, আব্বাস, আব্দুল্লাহ, ফাদল এবং আব্দুর রহমান। তাঁদের মা ছিলেন যুরআ বিনতে মুসিব আল-কিন্দিয়াহ। আর মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাসের বংশধরদের মধ্য থেকেই খলিফাগণ হয়েছেন; তাঁরা বর্তমানে আমাদের এই যুগে হলেন আর-রাশিদ বিন আল-মুসতারশিদ বিন আল-মুকতাদি বিন আল-মুসতাজহির বিন আল-মুকতাদি। তাঁদের মধ্যে আরও আছেন মুহাম্মাদ বিন আল-মুকতাফি বিন আল-মুসতাজহির। আর আল-মুকতাদি হলেন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-কায়েম বি-আমরিল্লাহ। তিনি হলেন আব্দুল্লাহ বিন আল-কাদির বিল্লাহ, আর তিনি হলেন আহমদ বিন ইসহাক বিন আল-মুকতাদির বিন আহমদ আল-মু'তাদিদ বিন তালহা বিন আল-মুয়াফফাক বিন আল-মু'তাযয বিল্লাহ বিন জাফর আল-মুতাওয়াক্কিল বিন মুহাম্মাদ আল-মু'তাসিম বিল্লাহ বিন হারুন আল-রশিদ বিন মুহাম্মাদ আল-মাহদি বিন আব্দুল্লাহ আল-মানসুর বিন মুহাম্মাদ আল-কামিল বিন আলী আল-আলিম বিন আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস। আলী ইবনে আব্দুল্লাহর সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন মুহাম্মাদ, সালিহ, আব্দুল্লাহ, আব্দুর রহমান, ইসমাঈল, আন-নামির, লাইস, ঈসা, দাউদ এবং আব্দুস সামাদ। আর মুহাম্মাদ ইবনে আলীর সন্তানদের মধ্যে আবু আলী, আবু আব্বাস, আব্দুল্লাহ আল-মানসুর, মুসা, মুহাম্মাদ, ইব্রাহিম এবং আব্বাস। আল-মানসুরের সন্তানদের মধ্যে জাফর, সুলাইমান, আলী, ঈসা, ইয়াকুব, আল-কাসিম, সালিহ এবং খলিফা মুহাম্মাদ আল-মাহদি। আল-মাহদির সন্তানদের মধ্যে মুসা আল-হাদি, ইব্রাহিম বিন শাকলাহ, মানসুর, ইসহাক এবং হারুন আল-রশিদ। হারুন আল-রশিদের সন্তানদের মধ্যে মুহাম্মাদ আল-আমিন, আব্দুল্লাহ আল-মামুন, তাঁর ভাই আল-কাসিম আল-মুতামিন, আবু ইয়াকুব, আবু আব্বাস, আবু আব্দুল্লাহ এবং কাতার বিন আল-মু'তাসিম। আল-মু'তাসিমের সন্তানদের মধ্যে হারুন আল-ওয়াশিক, আহমদ আল-মুসতাইন এবং জাফর আল-মুতাওয়াক্কিল। হারুন আল-ওয়াশিকের সন্তানদের মধ্যে মুহাম্মাদ আল-মাহদি। জাফর আল-মুতাওয়াক্কিলের সন্তানদের মধ্যে আহমদ আল-মু'তামিদ, যুবাইর আল-মু'তাযয, আল-মুনতাসির, তালহা আল-মুয়াফফাক এবং ইব্রাহিম আল-মুয়াইয়াদ বিল্লাহ।
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ৩)
فولد طلحة أحمد المعتضد فولد أحمد المعتضد على المكتفي ومحمد القاهر وجعفر المقتدر وولد على المكتفي عبد الله المكتفي وولد جعفر المقدر إسحاق وإبراهيم المتقى ومحمد الراضي والفضل المطيع فولد المطيع أبا بكر الطايع بن عبد الكريم المطيع وولد إسحاق بن القمتدر أحمد القادر وقد ذكرنا ولد القادر إلى الراشد، وولد عبد الله بن العباس قبل الهجرة بثلاث سنين، ومات النبي صلى الله عليه وسلم وهو بن. عشر سنين (فصل) وأما أبو طالب واسمه عبد مناف فأولاده جعفر وعقيل وطالب والعباس والمنصور وعبد الله وعلى، فأولاد على كرم الله وجهه الحسن والحسين ومحسن وأمهم فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم ومات محسن صغيرا ومحمد أمه خولة الحنفية والعباس وأبو بكر وعمر وعثمان ويحيى وجعفر ومات الحسن مسموما سمته زوجته بنت الأشعث الكندية دسه إليها معاوية فمن أولاد الحسن بن علي سليمان وموسى بنا عبد الله بن موسى بن عبد الله بن الحسن بن علي بن أبي طالب كرم الله وجهه.وبنو سليمان قبايل في زماننا هذا، وبنو موسى قبايل ومنهم محمد بن يحيى بن عبد الله بن الحسن بن الحسين بن علي نرل بجبل أثيب فولده يعرفون بالإثبات ومنهم القاسم بن إبراهيم بن الحسن بن الحسن بن علي نزل بجبل الرس فولده يعرفون بالرسيين ومنهم جعفر بن محمد بن حسن بن حسن بن الحسن الثالث بن الحسن بن الحسن، وأما الحسين بن علي فمن ولده محمد المهدي بن الحسين بن الشاهد بن الناصح بن محمد الصابر بن علي الكاظم بن موسى الرضي بن جعفر الصادق بن محمد الباقر بن زين العابدين بن الحسين ابن علي، ومن ولد زين العابدين الأصغر على زيد العابدين ومنهم علوي البصرة وهو علي بن محمد بن أحمد بن عيسى بن زيد بن علي بن زين العابدين، ومنهم يحيى بن عمرو بن يحيى بن الحسين بن زيد بن علي زين العابدين، ومنهم الشريف الرضي وأخوه المرتضى بنا الحسين بن موسى بن محمد بن موسى بن إبراهيم بن موسى الرضي بن جعفر الصادق، ومنهم خلفاء تميم، القائم بأحكام الله وهو أبو على المنصور بن أحمد المستعلي بن معبد أبي تميم المستنصر بن الطاهر بن الحاكم بن العزيز بن المعز وهو أول من دخل مصر بن المنصور القائم بن المهدي صاحب المهدية بن البلية المستورين بن محمد ابن إسماعيل بن جعفر الصادق إلى آخر النسب.
তালহার পুত্র ছিলেন আহমদ আল-মুতাদিদ। আহমদ আল-মুতাদিদের পুত্ররা ছিলেন আলী আল-মুকতাফি, মুহাম্মদ আল-কাহির এবং জাফর আল-মুকতাদির। আলী আল-মুকতাফির পুত্র ছিলেন আবদুল্লাহ আল-মুকতাফি। জাফর আল-মুকতাদিরের পুত্ররা ছিলেন ইসহাক, ইব্রাহিম আল-মুত্তাকি, মুহাম্মদ আর-রাজি এবং আল-ফজল আল-মুতি। আল-মুতি-এর পুত্র ছিলেন আবু বকর আত-তায়ী বিন আব্দুল করিম আল-মুতি। ইসহাক বিন আল-মুকতাদিরের পুত্র ছিলেন আহমদ আল-কাদির। আমরা আল-কাদির থেকে আর-রাশিদ পর্যন্ত বংশধরদের কথা উল্লেখ করেছি। আবদুল্লাহ বিন আল-আব্বাস হিজরতের তিন বছর পূর্বে জন্মগ্রহণ করেন এবং নবী (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক) যখন ইন্তেকাল করেন তখন তাঁর বয়স ছিল দশ বছর। (অনুচ্ছেদ) আর আবু তালিব, যাঁর নাম ছিল আবদ মানাফ, তাঁর সন্তানরা ছিলেন জাফর, আকিল, তালিব, আল-আব্বাস, আল-মানসুর, আবদুল্লাহ এবং আলী। আলী (আল্লাহ তাঁর মুখমণ্ডলকে সম্মানিত করুন)-এর সন্তানরা হলেন হাসান, হুসাইন এবং মুহসিন; তাঁদের মা ছিলেন রাসূলুল্লাহ (আল্লাহর সালাত ও সালাম তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর কন্যা ফাতিমা। মুহসিন শিশুকালেই মারা যান। আলীর অন্য সন্তানরা হলেন মুহাম্মদ (যাঁর মা খাওলা আল-হানাফিয়্যাহ), আব্বাস, আবু বকর, উমর, উসমান, ইয়াহইয়া এবং জাফর। হাসান বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন; তাঁর স্ত্রী আল-আশআস আল-কিনদির কন্যা তাঁকে বিষ প্রয়োগ করেছিলেন, যা মুয়াবিয়া তাঁর কাছে গোপনে পাঠিয়েছিলেন। হাসান বিন আলীর সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন সুলাইমান এবং মুসা। তাঁরা হলেন আব্দুল্লাহ বিন মুসা বিন আব্দুল্লাহ বিন হাসান বিন আলী বিন আবু তালিব (আল্লাহ তাঁর মুখমণ্ডলকে সম্মানিত করুন)-এর পুত্র।সুলাইমানের বংশধররা আমাদের এই সময়ে বিভিন্ন গোত্রে বিভক্ত, এবং মুসার বংশধররাও বিভিন্ন গোত্রে বিভক্ত। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মুহাম্মদ বিন ইয়াহইয়া বিন আব্দুল্লাহ বিন হাসান বিন হুসাইন বিন আলী, যিনি আসিব পাহাড়ে বসতি স্থাপন করেছিলেন; তাঁর সন্তানদের 'আল-ইসবাত' নামে অভিহিত করা হয়। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কাসিম বিন ইব্রাহিম বিন হাসান বিন হাসান বিন আলী, যিনি আর-রাস পাহাড়ে বসতি স্থাপন করেছিলেন; তাঁর সন্তানদের 'আর-রাসিয়্যুন' বলা হয়। তাঁদের মধ্যে আরও রয়েছেন জাফর বিন মুহাম্মদ বিন হাসান বিন হাসান বিন তৃতীয় হাসান বিন হাসান বিন হাসান। আর হুসাইন বিন আলীর বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন মুহাম্মদ আল-মাহদি বিন হুসাইন বিন আশ-শাহিদ বিন আন-নাসিহ বিন মুহাম্মদ আস-সাবির বিন আলী আল-কাজিম বিন মুসা আর-রাজি বিন জাফর আস-সাদিক বিন মুহাম্মদ আল-বাকির বিন জয়নুল আবেদিন বিন হুসাইন বিন আলী। জয়নুল আবেদিন আল-আসগারের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন আলী যাইদ আল-আবেদিন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বসরার আলবি, যিনি হলেন আলী বিন মুহাম্মদ বিন আহমদ বিন ঈসা বিন যাইদ বিন আলী বিন জয়নুল আবেদিন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ইয়াহইয়া বিন আমর বিন ইয়াহইয়া বিন হুসাইন বিন যাইদ বিন আলী জয়নুল আবেদিন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শরিফ আর-রাজি এবং তাঁর ভাই আল-মুরতাদা, যাঁরা হুসাইন বিন মুসা বিন মুহাম্মদ বিন মুসা বিন ইব্রাহিম বিন মুসা আর-রাজি বিন জাফর আস-সাদিকের পুত্র। তাঁদের মধ্যে তামিমি খলিফাগণও রয়েছেন, যেমন আল-কায়েম বি-আহকামিল্লাহ, যিনি হলেন আবু আলী আল-মানসুর বিন আহমদ আল-মুস্তালি বিন মাবাদ আবু তামিম আল-মুসতানসির বিন আত-তাহির বিন আল-হাকিম বিন আল-আজিজ বিন আল-মুইজ। আল-মুইজ হলেন প্রথম ব্যক্তি যিনি মিশরে প্রবেশ করেছিলেন। তিনি আল-মানসুর আল-কায়েম বিন আল-মাহদি (আল-মাহদিয়ার অধিপতি) বিন আল-বালি আল-মাস্তুরিন বিন মুহাম্মদ বিন ইসমাইল বিন জাফর আস-সাদিকের বংশধর, এভাবে বংশপরম্পরা শেষ পর্যন্ত পৌঁছেছে।
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ৪)
ومن أولاد أبي طالب، عبد الله بن جعفر بن أبي طالب وعبد الله بن محمد ابن عقيل بن أبي طالب، ومن أولاد عبد المطلب عبيدة وأبو سفيان وربيعة وسعيد وعبد الله ونوفل بن الحرث، ومن أولاد أبي لهب عتبة ومعتب وعتاب، ومنهم الشاعر أبو جعفر الفصل بن عامر بن عتبة بن أبي لهب، (فصل) أم هاشم من بني سليمان، ومن ولد هاشم بن عبد مناف عبد المطلب وأسد وأبو أسد ونضلة وأبو فضلة وضيفي وأبو ضيفى وعمر وأبو عمر وبنو هاشم فمن ولد أسد بن هاشم حسين ولم يعقب وفاطمة أم على بن أبي طالب، (فصل) (ومن ولد، عبد مناف) وهو أبو المغيرة بن قصي هاشم وقد ذكرناه والمطلب ونوفل وعبد شمس وأبو شمس وأبو عمر ومخرمة وعلقمة، فمن بني المطلب الحرث وعتاد ومخرمة وهاشم الأصغر فمن بني هاشم: الإمام الشافعي رضي الله عنه ومن بني المطلب مسطح بن أثاثة بن عبد المطلب، وأم عبد المطلب سلمى بنت عمرو الأنصارية من بني النجار، والشافعي هو محمد بن إدريس بن عثمان بن شافع ابن ظرب بن عمرو بن نوفل وهو كاتب المصاحف لعمر بن الخطاب رضي الله عنه وأخو مطعم بن جبير ربيعة وعبد الله وصالح بنو عدي بن نوفل بن عبد مناف، ومن بني عبد شمس أمية الأكبر وعبد العزى وحبيب وربيعة وبني أولاد يسمون العلات لأن أمهم اًسماء بنت مجيد من التراحم من تميم وهم أمية الأصغر ونوفل وأبو سفيان أمية الأصغر وعبد أمية ونوفل فمن بني أمية الأكبر عثمان بن عفان بن العاص بن أمية بن عبد شمس، وأولاد عثمان بن عفان بن العاص بن أمية بن أمية بن عبد شمس، عبد الله الأكبر وعبد الله الأصغر وعمرو وأبان وخالد وعمر وسعيد والوليد والمغيرة وعبد الملك، ومحمد بن عبد الله وهو الشاعر العرجى بن عمرو بن عثمان، ومنهم خلفاء بني أية معاوية بن يزيد بن أبي معاوية بن أبي سفيان بن حرب بن أمية، ومنهم الوليد بن يزيد بن عبد الملك بن مروان بن الحكم بن أبي العاص بن أمية فمن ولد مروان أباة وعبد العزيز ومحمد عبد الملك ومنهم عمر بن عبد العزيز بن مروان ومروان بن محمد مروان، ومن بني عبد الملك الوليد وهشام وسليمان وييد ومسلمة، ومنهم يزيد وإبراهيم بنا الوليد ابن عبد الملك، ومن بني أمية عقبة بن أبي معيط بن أبي عمرو بن أمية، ومن بني أمية عثمان بن أسد بن أبي العيص بن أمية بن أبي المعيص بن أمية، ومنهم سعيد بن العاص، قال والأعياص هم العاص وأبو العاص والعيص وأبو العيص والعويص من بني أمية بن عبد شمس يعرفون بالأعياص، ومن بني عبد العزى بن عبد شمس أبو العاص بن الربيع بن عبد العزى بن عبد شمس، ومنهم عتبة وشيبة أبنا ربيعة بن عبد شمس، وأبو حذيفة والوليد أبنا عتبة، ومن بني أمية الأصغر الثريا التي يُشبَبُ بها عمر بن أبي ربيعة المخرومي وأبوها عبد الله ابن الحرث بن أمية الأصغر بن عبد شمس وهي مولاة العريض المعنى وكان تزوجها سهيل بن عبد الرحمن بن عوف وفيه يقول عمر بن أبي ربيعة شعرا:أيها المُنكح الثريا سَهَيْلاً … عَمُرك اللهَ كَيَف يَلتَقيانهي شَاميةُ اذَا مَا اَستَقلَّت وسُهَيْلَ إذَا استَقَلَّ يَمَانِ
আবু তালিবের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন আবদুল্লাহ ইবনে জাফর ইবনে আবু তালিব এবং আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আকীল ইবনে আবু তালিব। আর আবদুল মুত্তালিবের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন উবায়দাহ, আবু সুফিয়ান, রাবিয়াহ, সাঈদ, আবদুল্লাহ এবং নাওফাল ইবনুল হারিস। আবু লাহাবের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন উতবা, মুয়াত্তিব এবং উত্তাব। তাঁদের মধ্যে কবি আবু জাফর আল-ফাদল ইবনে আমির ইবনে উতবা ইবনে আবু লাহাবও রয়েছেন। (পরিচ্ছেদ) বনু সুলাইমান গোত্রের উম্মে হাশিম। হাশিম ইবনে আবদ মানাফের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন আবদুল মুত্তালিব, আসাদ, আবু আসাদ, নাদলাহ, আবু ফাদলাহ, দাইফি, আবু দাইফি, উমর, আবু উমর এবং বনু হাশিম। আসাদ ইবনে হাশিমের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন হুসাইন, যিনি নিঃসন্তান ছিলেন, এবং ফাতিমা, যিনি আলী ইবনে আবু তালিবের মা। (পরিচ্ছেদ) (এবং আবদ মানাফের সন্তানদের মধ্য থেকে) তিনি হলেন আবু আল-মুগিরা ইবনে কুসাই হাশিম, যাঁর কথা আমরা উল্লেখ করেছি, এবং আল-মুত্তালিব, নাওফাল, আবদ শামস, আবু শামস, আবু উমর, মাখরামা ও আলকামা। আল-মুত্তালিবের বংশধরদের মধ্যে হারিস, আত্তাদ, মাখরামা এবং হাশিম আল-আসগার রয়েছেন। হাশিম (আল-আসগার)-এর বংশধরদের মধ্য থেকেই ইমাম শাফিঈ (রাদিয়াল্লাহু আনহু)। আল-মুত্তালিবের বংশধরদের মধ্যে আরও রয়েছেন মিসতাহ ইবনে উসাসা ইবনে আবদ আল-মুত্তালিব। আবদুল মুত্তালিবের মা হলেন বনু নাজ্জার গোত্রের সালমা বিনতে আমর আল-আনসারিয়া। শাফিঈ হলেন মুহাম্মদ ইবনে ইদরিস ইবনে উসমান ইবনে শাফিই ইবনে জারিব ইবনে আমর ইবনে নাওফাল। তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর যুগে মাসহাফ লেখক ছিলেন। মুতিম ইবনে জুবায়েরের ভাই হলেন রাবিয়াহ, আবদুল্লাহ এবং সালিহ—তাঁরা আদী ইবনে নাওফাল ইবনে আবদ মানাফের সন্তান। আবদ শামসের বংশধরদের মধ্যে উমাইয়া আল-আকবার, আবদ আল-উযযা, হাবিব এবং রাবিয়াহ রয়েছেন। তাঁর একদল সন্তান রয়েছে যাঁদের 'আল্লাত' বলা হয়, কারণ তাঁদের মা ছিলেন তামীম গোত্রের তারাহুম বংশের আসমা বিনতে মাজীদ। তাঁরা হলেন— উমাইয়া আল-আসগার, নাওফাল, আবু সুফিয়ান উমাইয়া আল-আসগার, আবদ উমাইয়া এবং নাওফাল। উমাইয়া আল-আকবারের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন উসমান ইবনে আফফান ইবনে আল-আস ইবনে উমাইয়া ইবনে আবদ শামস। উসমান ইবনে আফফান ইবনে আল-আস ইবনে উমাইয়া ইবনে আবদ শামসের সন্তানরা হলেন— আবদুল্লাহ আল-আকবার, আবদুল্লাহ আল-আসগার, আমর, আবান, খালিদ, উমর, সাঈদ, আল-ওয়ালিদ, আল-মুগিরা, আবদ আল-মালিক এবং মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ, যিনি কবি আল-আরজি ইবনে আমর ইবনে উসমান। তাঁদের মধ্যে বনু উমাইয়ার খলিফাগণ রয়েছেন: মুয়াবিয়া ইবনে ইয়াযীদ ইবনে আবি মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান ইবনে হারব ইবনে উমাইয়া। তাঁদের মধ্যে আল-ওয়ালিদ ইবনে ইয়াযীদ ইবনে আবদ আল-মালিক ইবনে মারওয়ান ইবনে আল-হাকাম ইবনে আবিল আস ইবনে উমাইয়া। মারওয়ানের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন আবাহ, আবদ আল-আযীয, মুহাম্মদ এবং আবদ আল-মালিক। তাঁদের মধ্যে উমর ইবনে আবদ আল-আযীয ইবনে মারওয়ান এবং মারওয়ান ইবনে মুহাম্মদ মারওয়ান রয়েছেন। আবদ আল-মালিকের সন্তানদের মধ্যে ওয়ালিদ, হিশাম, সুলাইমান, ইয়াযীদ এবং মাসলামা রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে আল-ওয়ালিদ ইবনে আবদ আল-মালিকের দুই পুত্র ইয়াযীদ ও ইবরাহিম রয়েছেন। বনু উমাইয়ার মধ্যে রয়েছেন উকবা ইবনে আবি মুআইত ইবনে আবি আমর ইবনে উমাইয়া। আরও রয়েছেন উসমান ইবনে আসাদ ইবনে আবিল আইস ইবনে উমাইয়া ইবনে আবিল মুআইস ইবনে উমাইয়া। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাঈদ ইবনুল আস। তিনি বলেন, 'আল-আইয়াস' বলতে আস, আবু আল-আস, আল-আইস, আবু আল-আইস এবং আল-উয়াইসকে বোঝানো হয়, যারা বনু উমাইয়া ইবনে আবদ শামস গোত্রের এবং আল-আইয়াস নামে পরিচিত। আবদ আল-উযযা ইবনে আবদ শামসের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন আবুল আস ইবনে আল-রাবী ইবনে আবদ আল-উযযা ইবনে আবদ শামস। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রবিয়াহ ইবনে আবদ শামসের দুই পুত্র উতবা ও শায়বা এবং উতবার দুই পুত্র আবু হুজাইফা ও আল-ওয়ালিদ। বনু উমাইয়া আল-আসগার গোত্রের সুরাইয়া হলেন সেই নারী যাঁকে নিয়ে উমর ইবনে আবি রাবিয়াহ আল-মাখযুমি প্রণয়গীতি রচনা করতেন। তাঁর পিতা হলেন আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস ইবনে উমাইয়া আল-আসগার ইবনে আবদ শামস। তিনি আল-আরীদ আল-মানার আযাদকৃত দাসী ছিলেন। সুহাইল ইবনে আবদ আল-রহমান ইবনে আউফ তাঁকে বিবাহ করেছিলেন এবং তাঁকে উদ্দেশ্য করেই উমর ইবনে আবি রাবিয়াহ কবিতা লিখেছিলেন:হে সুরাইয়াকে সুহাইলের সাথে বিবাহদানকারী! আল্লাহর দোহাই তোমাকে, তাদের মিলন কীভাবে সম্ভব?…সে তো শামী (উত্তুরে) যখন সে উদিত হয়, আর সুহাইল যখন উদিত হয় তখন সে ইয়ামানি (দক্ষিণে)।
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ৫)
قال والعباسيان اثنان هم حرب وأبو حرب وسفيان وعمرو وأبو عمرو وبن أمية اسبر بن عبد شمس كانوا قتلوا في بعض أيام الفجار وسموا عنباسيين، والعنبس الأشد، فأولاد اَمنة عشرة أربعة الأعياص وستة هم العنباسيون وقد ذكرناهم، (فصل) وولد قصي عبد مناف، وقد ذكرناه وعبد الدار وعبد العزى وأسد، فمن بني عبد الدار مصعب بن عمير بن هاشم بن عبد مناف بن عبد الدار، ومنهم شيبة بن عثمان بن أبي طلحة وهو عبد الله بن عبد العزى بن قصي الزبير بن العوام بن خويلد بن أسد بن عبد العزى بن قصي، وبنو الزبير عبد الله ومصعب وعروة والمنذر وعامر وحمزة وعمرو وعبيد وجعفر، وتسع بنات، ومن بني قصي حكيم بن حزام بن خويلد بن أسد وعبد الله بن زمعة بن الأسود ابن المطلب بن أسد وأبو البحترى العاص بن هشام بن الحرث بن أسد، وربيعة ابن نوفل بن أسد، ومن بني عبد بن قصي عثمان وجبير بنا الحرث بن نفيل ابن عبد بن قصي، (فصل) وولد كلاب قصيا وزهرة (فمن بني زهرة سعد بن أبي وقاص، وهو مالك بن أهيب بن عبد مناف بن زهرة بن كلاب، ومنهم خال النبي صلى الله عليه وسلم عبد الرحمن بن عوف بن عبد عوف بن الحرث بن زهرة بن كلاب، (فصل) ومن ولد مرة بنو تميم وبنو مخروم. فمن بني تميم أبو بكر الصديق رضي الله عنه عبد الله بن عثمان بن عمرو بن عامر بن كعب بن سعد بن تميم بن مرة، وأولاد أبي بكر رضي الله عنه عبد الله وعبد الرحمن ومحمد ومنهم طلحة بن عبد الله بن عثمان بن عمرو بن عامر بن كعب، ومن بني مخروم خالد بن الوليد بن الوليد بن المغيرة بن عبد الله بن عمر بن مخروم بن يقظة بن مرة، وأبو سلمة بن عبد الأسد بن المغيرة، وأبو جهل وأسمه عمرو، والحرث بنا هشام بن المغيرة، وسعيد بن المسيب بن حزن بن أبي وهب بن عمر بن مخروم والمطلب بن حنظلة بن الحرث بن عبيد بن عمر بن مخروم من يقظة بن مرة، ومنهم الشاعر عمر بن عبد الله بن أبي ربيعة بن عمرو بن مخروم ابن يقظة بن مرة، (فصل) ومن بني مخروم زوج النبي صلى الله عليه وسلم أم سلمة بنت أمية ومن بني كعب بن لؤي بنو عدي وبنو هصيص فمن بني عدي عمر بن الخطاب رضي الله عنه بن نفيل بن عبد العزى بن رياح بن عبد الله بن قرط بن رزاح بن نعدي، وولد لعمر رضي الله عنه عبد الله وعبيد الله وعاصم وزيد الأكبر وزيد الأصغر وعبد الرحمن الأكبر وعبد الرحمن الأوسط وهو المحبر وعبد الرحمن الأصغر وهو أبو شحمة وعياض، وكان لعبد الله بن عمر من الولد عبد الله وعبيد الله ومسالم وعاصم وواقد وحمزة وخليل وزيد، من ولد الخطاب زيد بن الخطاب وهو أسن منه وسالم وقبيلة، ومنهم سعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل إلى آخر النسب، ومن بني عدي أبو خزيمة بن غانم بن عبد الله بن عوف بن عبد عويج بن عدي، وأما بنو هصيص فهما جمع وسهم بنا عمرو بن هصيص بن كعب، فمن جمح عثمان بن عبد الله وقدامة بنا مظعون بن حبيب بن وهب بن حذافة بن جمح، ومنهم مؤذن النبي صلى الله عليه وسلم واسمه أوس بن مغير بن أودان بن ربيعة بن عويج بن سعيد ابن جمح، ومنهم صفوان بن أمية بن خلف بن وهب بن حذافة بن جمح، وجميل بن معمر بن حذافة، وأبو محذورة مؤذن النبي صلى الله عليه وسلم وله من الولد سعد وسعيد وعمر وعبد العزيز ورباب بن ميمون من قولك رأيت الشيء أي أصلحته، ومنهم عمرو بن العاص بن وائل بن هاشم بن سعيد بن سهم، ومنهم عبد الله بن الزبعري بن قيس بن دياب بن سهم، قال وكان رجال من بني سهم يقال لهم الغياط، والغيطل الشجر الملتف وهم حارث وعدي وحذيفة والفلكة وأبو أمية وخيطب ودياب وقيل تسموا بذلك لأنهم نسبوا إلى أمهم يقال لها الغيطلة.(فصل) وأما لؤي بن غالب
তিনি বলেন, 'আব্বাসীয়ান' ছিলেন দুইজন—তারা হলেন হারব ও আবু হারব; এবং সুফিয়ান, আমর, আবু আমর ও বিন উমাইয়া আসবার বিন আবদ শামস। তারা ফিজার যুদ্ধের কোনো একদিনে নিহত হয়েছিলেন এবং তাদের 'আনবাসীয়ান' নামকরণ করা হয়েছিল। 'আল-আনবাস' অর্থ অত্যন্ত শক্তিশালী। আমিনার সন্তানরা ছিলেন দশজন—চারজন 'আ'ইয়াস' এবং ছয়জন 'আনবাসীয়ান', যাদের কথা আমরা উল্লেখ করেছি। (পরিচ্ছেদ) কুসাই-এর সন্তান হলেন আবদ মানাফ, যাঁর কথা আমরা উল্লেখ করেছি, এবং আবদ আদ-দার, আবদ আল-উযযা ও আসাদ। আবদ আদ-দারের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন মুসআব বিন উমাইর বিন হাশিম বিন আবদ মানাফ বিন আবদ আদ-দার। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন শায়বাহ বিন উসমান বিন আবু তালহা, যিনি হলেন আবদুল্লাহ বিন আবদ আল-উযযা বিন কুসাই। জুবাইর বিন আল-আওয়াম বিন খুওয়াইলিদ বিন আসাদ বিন আবদ আল-উযযা বিন কুসাই। জুবাইরের পুত্ররা হলেন আবদুল্লাহ, মুসআব, উরওয়াহ, আল-মুনজির, আমির, হামজাহ, আমর, উবাইদ ও জাফর; এবং তাঁর নয়জন কন্যা ছিল। কুসাই-এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন হাকিম বিন হিযাম বিন খুওয়াইলিদ বিন আসাদ, আবদুল্লাহ বিন যামআ বিন আল-আসওয়াদ ইবনুল মুত্তালিব বিন আসাদ, আবু আল-বাখতারী আল-আস বিন হিশাম বিন আল-হারিস বিন আসাদ এবং রাবিআ বিন নাওফাল বিন আসাদ। কুসাই-এর পুত্র আবদ-এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন উসমান ও জুবাইর—হারিস বিন নুফাইল বিন আবদ বিন কুসাই-এর দুই পুত্র। (পরিচ্ছেদ) কিলাব-এর দুই পুত্র কুসাই ও যুহরাহ। যুহরাহ-এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস (যিনি মালিক বিন উহাইব বিন আবদ মানাফ বিন যুহরাহ বিন কিলাব)। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মামা আবদুর রহমান বিন আউফ বিন আবদ আউফ বিন আল-হারিস বিন যুহরাহ বিন কিলাব। (পরিচ্ছেদ) মুররাহ-এর বংশধরদের মধ্যে বনু তামীম ও বনু মাখযূম অন্তর্ভুক্ত। বনু তামীমের অন্তর্ভুক্ত হলেন আবু বকর সিদ্দিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)—আবদুল্লাহ বিন উসমান বিন আমর বিন আমির বিন কাব বিন সাদ বিন তামীম বিন মুররাহ। আবু বকরের (রাযিয়াল্লাহু আনহু) সন্তানরা হলেন আবদুল্লাহ, আবদুর রহমান ও মুহাম্মদ। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন তালহা বিন আবদুল্লাহ বিন উসমান বিন আমর বিন আমির বিন কাব। বনু মাখযূমের অন্তর্ভুক্ত হলেন খালিদ বিন আল-ওয়ালীদ বিন আল-ওয়ালীদ বিন আল-মুগীরাহ বিন আবদুল্লাহ বিন উমর বিন মাখযূম বিন ইয়াকাজাহ বিন মুররাহ; এবং আবু সালামাহ বিন আবদ আল-আসাদ বিন আল-মুগীরাহ, আবু জাহল (যার নাম আমর), আল-হারিস বিন হিশাম বিন আল-মুগীরাহ, সাঈদ বিন আল-মুসায়্যিব বিন হাযন বিন আবু ওয়াহাব বিন উমর বিন মাখযূম এবং আল-মুত্তালিব বিন হানযালাহ বিন আল-হারিস বিন উবাইদ বিন উমর বিন মাখযূম বিন ইয়াকাজাহ বিন মুররাহ। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন কবি উমর বিন আবদুল্লাহ বিন আবু রাবিআ বিন আমর বিন মাখযূম বিন ইয়াকাজাহ বিন মুররাহ। (পরিচ্ছেদ) বনু মাখযূমের অন্তর্ভুক্ত হলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পত্নী উম্মে সালামাহ বিনতে উমাইয়া। কাব বিন লুয়াই-এর বংশধরদের মধ্যে বনু আদী ও বনু হুসাইস অন্তর্ভুক্ত। বনু আদীর অন্তর্ভুক্ত হলেন উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বিন নুফাইল বিন আবদ আল-উযযা বিন রিয়াহ বিন আবদুল্লাহ বিন কুরত বিন রিযাহ বিন আদী। উমরের (রাযিয়াল্লাহু আনহু) সন্তানদের মধ্যে ছিলেন আবদুল্লাহ, উবাইদুল্লাহ, আসিম, যায়দ আল-আকবার, যায়দ আল-আসগার, আবদুর রহমান আল-আকবার, আবদুর রহমান আল-আওসাত (যিনি আল-মুহাব্বার নামে পরিচিত), আবদুর রহমান আল-আসগার (যিনি আবু শাহমাহ নামে পরিচিত) এবং ইয়াদ। আবদুল্লাহ বিন উমরের সন্তানদের মধ্যে ছিলেন আবদুল্লাহ, উবাইদুল্লাহ, মুসালিম, আসিম, ওয়াকিদ, হামজাহ, খলীল ও যায়দ। খাত্তাবের সন্তানদের মধ্যে যায়দ বিন আল-খাত্তাব (যিনি উমরের চেয়ে বয়সে বড় ছিলেন), সালিম ও কুবাইলাহ। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন সাঈদ বিন যায়দ বিন আমর বিন নুফাইল—বংশলতিকার শেষ পর্যন্ত। বনু আদীর মধ্যে আরও রয়েছেন আবু খুযাইমাহ বিন গানিম বিন আবদুল্লাহ বিন আউফ বিন আবদ উওয়াইজ বিন আদী। আর বনু হুসাইস ছিল জুমাহ ও সাহম—আমর বিন হুসাইস বিন কাব-এর দুই পুত্র। জুমাহ-এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন উসমান বিন আবদুল্লাহ ও কুদামাহ—মাযউন বিন হাবীব বিন ওয়াহাব বিন হুযাফাহ বিন জুমাহ-এর দুই পুত্র। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুয়াযযিন, যাঁর নাম আওস বিন মুগীর বিন আওদান বিন রাবিআ বিন উওয়াইজ বিন সাঈদ বিন জুমাহ। আরও রয়েছেন সাফওয়ান বিন উমাইয়া বিন খালাফ বিন ওয়াহাব বিন হুযাফাহ বিন জুমাহ এবং জামীল বিন মুয়াম্মার বিন হুযাফাহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুয়াযযিন আবু মাহযূরাহ; তাঁর সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন সাদ, সাঈদ, উমর ও আবদুল আযীয। আর রবাব বিন মায়মুন—আপনার উক্তি 'আমি বস্তুটি দেখলাম' অর্থাৎ 'আমি তা সংশোধন করলাম' থেকে এসেছে। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন আমর ইবনুল আস বিন ওয়ায়েল বিন হাশিম বিন সাঈদ বিন সাহম এবং আবদুল্লাহ বিন আয-যিবারা বিন কায়স বিন দিয়াব বিন সাহম। তিনি বলেন, বনু সাহমের কিছু লোক ছিল যাদের 'আল-গিয়াত' বলা হতো। 'আল-গয়াতাল' অর্থ ঘন ঝোপঝাড়। তারা হলেন হারিস, আদী, হুযাইফাহ, আল-ফালাকাহ, আবু উমাইয়া, খাইতাব ও দিয়াব। বলা হয় যে, তাদের এই নামকরণ করা হয়েছিল কারণ তারা তাদের মায়ের দিকে সম্বন্ধিত ছিল, যাঁর নাম ছিল আল-গয়তালাহ।(পরিচ্ছেদ) আর লুয়াই বিন গালিব...
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ৬)
فله من الأولاد كعب وعامر وسامه والحرث وعبد الله وخزيمة وسعد وعوف فأولاد الحرث يقال لهم بنو جشم حضنهم عبد اللؤى يقال له جشم ونسبوا إليه، وأما سامة بن لؤي فوقع إلى عمان ومات بها وله حديث، وجميع أسماء العرب أسامة بهمزة السين إلا سامة بن لؤي والسام عروق الذهب واحدتها سامة، وأما عامر بن لؤي فأولاده حسيل وعويض فأما أولاد حسل وهو الأعلم سهيل بن مرو بن عبد شمس بن عبد ود بن نصر بن مالك بن حسل بن عامر بن لونى، ومنهم عمرو بن عبد ود قتله على كرم الله وجهه مبارزة في يوم الخندق وعمره قريب من مائة وأربعين سنة، ومنهم زوج النبي صلى الله عليه وسلم سودة بنت زمعة بن قيس بن عبد شمس بن عبد ود ومنهم أبو سبره (والسبرة القلادة البارزة) بن أبي هم بن عبد العزى بن أبي قيس بن، عيدود، ومنهم بن أم مكتوم مؤذن النبي صلى الله عليه وسلم أم مكتوم أمه وهو عبد الله بن قيس بن مالك بن الأصم بن رواحة، وأما سعد بن لؤي أبو بنانة فمن رهطه ثابت البنانى ونُسِب ولده إليها وهي زوجته ومنهم لقنان بن جحير بن زيد بن مقيص بن حسْنل بن عامر بن لؤى. (فصل) ومنهم سعد بن أبي سرحابن حارث بن حبيب بن خزيمة بن صر بن مالك بن حِسْل بن عامر بن لؤي، وولد غالب عمرا وقيسا وتيما وهو الأدرم، فولد الأدرم الحرث وثعلبة وكثيرا ووهبا وحراما فمنهم بشر بن جابر بن كثير، وذهل بن عمرو بن عبد شمس بن مخزمة، وعامر بن عبد الله بن مخزمة بن أبي قيس بن عروة بن حفص بن مالك ابن عمرو بن غالب، وأما خزيمة بن لؤي فمنهم عايد ومعاش الشاعر وكثير العايدي منهم. (فصل) وولد فهر الحرث ماربافمن ولد الحرث أبو عبيدة وهو عامر بن عبد الله بن الجراح بن هلال بن أهيب بن ضَبَّة بن الحرث بن فهر بن مالك، وولد محارب بن فهر خالد الأكبر ابن وهب بن ثعلبة بن وائلة بن عمرو بن شيبان بن محارب بن فهر، ومنهم ضرار بن الخطاب بن مرداس بن كثير بن عمرو بن حبيب بن عمرو بن شيبان ابن فهر بن مالك بن النضر وهو قرشي، فهذه بطون قريش، وهم بنو هاشم وبنو المطلب وبنو نوفل، وبنو أمية، وبنو عبد شمس، وبنو عبد الدار، وبنو أسد، وبنو شيبة وبنو هصيص، وبنو عامر بن لؤي، وبنو جشم، وبنو الأدرم ابن غالب وهو محارب والحرث بنا فهر بن مالك وقال وليس في الأرض هاشمي إلا من ولد عبد المطلب، ولا حسيني إلا من ولد علي بن الحسين، قال وقريش تنقسم قسمين قريش البطاح، وقريش الظواهر، فقريش البطاح بنو عبد مناف وهم بنو هاشم، وبنو المطلب، وبنو نوفل وبنو أمية وبنو عبد شمس: وبنو قصي ابن عبد الدار، وعبد العون بنا قصي، وبنو زهرة بن كلاب، وبنو تيم بن مرة، وبنو مخروم بن يقظة بن مرة، وبنو كعب وأولاد عدي وأولاد جمع ومنهم بنا عمرو ابن هصيص بن كعب بن لوني فهؤلاء قريش البطاح، وأما قريش الظواهر فهم بنو فهر بن محارب والحرث بنا فهر وبنو الأدرم بن غالب بن فهر، وسامة بن عمرو بن لوى، وأما الحُمس فهم قريش وكنانة ومن دان بدينهم من بني عامر ابن صعصعة، وقيل إن خزاعة أيضا منها الحمس كانوا في الجاهلية يتحمسون في أديانهم أي يشتهرون والحماسة الشدة كانوا لا يقسَطون أيام منى ولا يدخلون البيوت من أبوابها، فهذا نسب قريش وهو ولد النضر بن كنانة، وقيل إن قريشا ولد فهر بن مالك وقيل جماع لأنه لا يوجد قرشي ينسب إلى أب فوق فهر وقيل جماع قريش كلها فهر والحرث بنا مالك بن النضر ومن انتسب إلى النضر فليس بقرشي لأن النضر ولد مالكا ويخلد، القول الأول والصحيح. (فصل) نسب كنانة في خزيمة
তাঁর সন্তানদের মধ্যে রয়েছে কা'ব, আমির, সামাহ, হারিস, আবদুল্লাহ, খুজাইমাহ, সা'দ এবং আওফ। হারিসের সন্তানদের বলা হয় বানু জুশাম, আবদুল্লাহ ইবনুল লুয়াই তাদের লালন-পালন করেছিলেন, তাকে জুশাম বলা হতো এবং তার দিকেই তাদের সম্বন্ধ করা হয়। আর সামাহ বিন লুয়াই ওমানে গমন করেন এবং সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন, তাঁর সম্পর্কে আলোচনা রয়েছে। আরবে 'উসামাহ' (শিন-এর ওপর হামজাহসহ) ছাড়া সব নামই আর সামাহ বিন লুয়াইয়ের ক্ষেত্রে 'সামাহ' (সিন দিয়ে); আর 'সাম' হলো স্বর্ণের আকর, যার একবচন 'সামাহ'। আর আমির বিন লুয়াইয়ের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে হুসাইল এবং উয়াইদ। হুসালের সন্তানদের মধ্যে হুসাল হলেন আল-আলাম সুহাইল বিন মারওয়ান বিন আবদ শামস বিন আবদ উদ্দ বিন নাসর বিন মালিক বিন হুসাল বিন আমির বিন লুয়াই। তাদের মধ্যে আমর বিন আবদ উদ্দ ছিলেন, যাকে আলী (আল্লাহ তাঁর চেহারাকে সম্মানিত করুন) খন্দকের যুদ্ধে দ্বৈরথ যুদ্ধে হত্যা করেছিলেন এবং তাঁর বয়স ছিল প্রায় একশ চল্লিশ বছর। তাদের মধ্যে রয়েছেন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী সাওদাহ বিনতে জামআহ বিন কায়স বিন আবদ শামস বিন আবদ উদ্দ। তাদের মধ্যে রয়েছেন আবু সাবরাহ (সাবরাহ অর্থ প্রকাশ্য কণ্ঠহার) বিন আবি রুহম বিন আবদিল উজ্জা বিন আবি কায়স বিন আবদ উদ্দ। তাদের মধ্যে উম্মে মাকতুমে র পুত্র রয়েছেন যিনি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুয়াজ্জিন ছিলেন, উম্মে মাকতুম তাঁর মাতা এবং তিনি হলেন আবদুল্লাহ বিন কায়স বিন মালিক বিন আসসাম বিন রাওয়াহাহ। আর সা'দ বিন লুয়াই তথা আবু বিনানাহ; সাবিত আল-বুনানী তাঁর গোত্রের অন্তর্ভুক্ত এবং তাঁর সন্তানরা তাঁর (সা'দের স্ত্রীর) দিকে সম্বন্ধিত, যিনি তাঁর স্ত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন লুকমান বিন জুহাইর বিন যাইদ বিন মুকায়স বিন হুসাল বিন আমির বিন লুয়াই। (পরিচ্ছেদ) তাদের অন্তর্ভুক্ত হলেন সা'দ বিন আবি সারহবিন হারিস বিন হাবিব বিন খুজাইমাহ বিন নাসর বিন মালিক বিন হুসাল বিন আমির বিন লুয়াই। গালিবের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন আমর, কায়স এবং তায়ম, যিনি আল-আদরাম নামে পরিচিত। আদরামের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে হারিস, সালাবাহ, কাসীর, ওয়াহাব এবং হারাম। তাদের মধ্যে রয়েছেন বিশর বিন জাবির বিন কাসীর এবং যুহল বিন আমর বিন আবদ শামস বিন মাখরামাহ এবং আমির বিন আবদুল্লাহ বিন মাখরামাহ বিন আবি কায়স বিন উরওয়াহ বিন হাফস বিন মালিক বিন আমর বিন গালিব। আর খুজাইমাহ বিন লুয়াইয়ের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন আইদ এবং কবি মাআশ এবং কাসীর আল-আইদী তাদের অন্তর্ভুক্ত। (পরিচ্ছেদ) ফিহর হারিস ও মুহারিবের জন্ম দেনহারিসের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন আবু উবাইদাহ, যিনি হলেন আমির বিন আবদুল্লাহ বিন আল-জাররাহ বিন হিলাল বিন উহায়িব বিন দাব্বাহ বিন হারিস বিন ফিহর বিন মালিক। মুহারিব বিন ফিহরের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন খালিদ আল-আকবার বিন ওয়াহাব বিন সালাবাহ বিন ওয়াইলাহ বিন আমর বিন শায়বান বিন মুহারিব বিন ফিহর। তাদের মধ্যে রয়েছেন দিরার বিন আল-খাত্তাব বিন মিরদাস বিন কাসীর বিন আমর বিন হাবিব বিন আমর বিন শায়বান বিন ফিহর বিন মালিক বিন আন-নাদর এবং তিনি কুরাইশী। এগুলো হলো কুরাইশের শাখা-গোত্রসমূহ; তারা হলো বানু হাশিম, বানু মুত্তালিব, বানু নাওফাল, বানু উমাইয়াহ, বানু আবদ শামস, বানু আবদুদ দার, বানু আসাদ, বানু শায়বাহ, বানু হুসাইস, বানু আমির বিন লুয়াই, বানু জুশাম, এবং গালিবের পুত্র বানু আদরাম যিনি মুহারিব এবং হারিস বিন ফিহর বিন মালিকের ভাই। বলা হয়েছে যে, পৃথিবীতে আব্দুল মুত্তালিবের বংশধর ব্যতীত অন্য কোনো হাশেমী নেই এবং আলী বিন আল-হুসাইনের বংশধর ব্যতীত অন্য কোনো হুসাইনী নেই। তিনি বলেন, কুরাইশ দুই ভাগে বিভক্ত: কুরাইশ আল-বিতাহ এবং কুরাইশ আজ-জাওয়াহির। কুরাইশ আল-বিতাহ হলো আবদ মানাফের বংশধর—তারা হলো বানু হাশিম, বানু মুত্তালিব, বানু নাওফাল, বানু উমাইয়াহ, বানু আবদ শামস; কুসাই বিন আবদুদ দারের বংশধর, কুসাইয়ের পুত্র আবদ আল-আউন, বানু জুহরাহ বিন কিলাব, বানু তায়ম বিন মুররাহ, বানু মাখজুম বিন ইয়াকাজাহ বিন মুররাহ, বানু কা'ব, আদীর বংশধর এবং জুমাহর বংশধর; তাদের মধ্যে রয়েছে আমর বিন হুসাইস বিন কা'ব বিন লুয়াইয়ের বংশধর। এরা হলো কুরাইশ আল-বিতাহ। আর কুরাইশ আজ-জাওয়াহির হলো ফিহর বিন মুহারিবের বংশধর, হারিস বিন ফিহর, গালিব বিন ফিহরের পুত্র বানু আদরাম এবং সামাহ বিন আমর বিন লুয়াই। আর হুমস হলো কুরাইশ, কিনানাহ এবং বানু আমির বিন সা'সাআহ-এর মধ্য থেকে যারা তাদের ধর্ম অনুসরণ করত। বলা হয়ে থাকে যে, খুজাআহ গোত্রও হুমস-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। তারা জাহেলি যুগে তাদের ধর্মের ব্যাপারে অত্যন্ত কঠোর (তাহাম্মুস) ছিল, অর্থাৎ তারা প্রসিদ্ধ ছিল; আর হামাসাহ মানে হলো কঠোরতা। তারা মিনার দিনগুলোতে সাধারণের সাথে অবস্থান করত না এবং ঘরের দরজা দিয়ে প্রবেশ করত না। এটিই হলো কুরাইশের বংশতালিকা যারা নাদর বিন কিনানাহ-এর বংশধর। কেউ কেউ বলেন, কুরাইশ হলো ফিহর বিন মালিকের বংশধর। আবার কেউ কেউ বলেন, তিনি একজন সংগ্রাহক ছিলেন কারণ ফিহরের উপরে কোনো কুরাইশীকে কোনো পিতার দিকে সম্বন্ধিত পাওয়া যায় না। আরও বলা হয়েছে যে, ফিহর এবং হারিস বিন মালিক বিন নাদর-ই সকল কুরাইশের মূল। আর যে ব্যক্তি নিজেকে নাদরের দিকে সম্বন্ধ করে কিন্তু সে কুরাইশ নয়, কারণ নাদর মালিক ও ইখলাদকে জন্ম দিয়েছিলেন। প্রথম মতটিই সঠিক। (পরিচ্ছেদ) খুজাইমাহর বংশে কিনানাহর বংশধারা
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ৭)
قال ولد خزيمة أربعة كنانه وأسداً وأسده والهون يدخل ولد أسدة في بني أسد فولد كنانة عبد مناف، ومالكا وملكان وعامرا وغنما ومخزمة وجدولا وغروان وجدالا والنضر وهو قريش وقد ذكرناه ونصر وعمرو والحرث وسعد وعوف، فولد عبد مناة بكرا وسعدا وعامر وهو الأدرم والحرث وخلف على أمهم على بن مسعود بن مازن بن زيب بن عدي بن عمرو بن مازن الغساني بعد أبيهم عبد مناة، فولد منهما مخزمة وعوف وساعدة فيهم اخوتهم لأمهم فحضن بني عبد مناة مع بنيه فنسبوا إليه جميعاً فقيل لبني عبد مناة بنو علي وربما غلط بعض الناس فقالوا عبد مناة اسمه علي، فولد بكر بن عبد مناة ليثا وضمرة والدُّئل بضم الدال وكسرها وإذا نسبت إليه فتحت الهمزة فقلت دُؤلي كما يغالي في النسب إلى يمر يمي والحرث وعدياً فمن ولد ليث بن بكر الطفل عامر بن وائلة ابن عبد الله بن حمس بن جدي بن سعد بن ليث ومنهم الشداح واثلة بن الأسقع عبد العزى بن نفيل بن ناشب بن غيرة بن سعد بن ليث صحب النبي صلى الله عليه وسلم وروي عنه، ومنهم لشُدَاح بضم الشين وفتح الدال بن عوف بن كعب بن عامر بن ليث وسمى الشداح لأنه شدَخ الدماء بين خزاعة وقريش وقال شدَختُ دماءهم تحت قدمى وغرم الدية لقومه دون خزاعة ومن بني ضرير) عمرو بن أمية الضمري بن قصان بن طلحة بن حدي بن ضمرة، ومنهم أبو ذر وهو جندب بن جنادة بن سفيان بن عبيد بن عبد الله بن غفار بن عليل ابن مالك بن ضمرة بن بكر بن عبد مناة بن كنانة.وفي الحديث عنه صلى الله عليه وسلم أنه قال غفار غفر الله لها وأسلم سلمها الله، ومن بني الدؤل أبو الأسود الدؤلي وهو عثمان بن عمرو بن سفيان بن جندل بن يعمر بن حليس بن ثفاثة بن عدي بن الدؤل. ومن ولد سعد بن عبد مناة قسيم بن عبيد بن عبد الله بن سعد بن الرماح بن سعد بن عبد مناة. ومن ولد عمرة بن عبد مناة سراقة بن مالك بن جُعْشُم بن محرز بن الأعود بن جعدة بن عاذ بن عتوارة بن عمرو بن مدلح بن مرة بن عبد مناة، ومنهم علقمة بن محرز وكان قايفا، وبنو مدلج هم القافة، ومن عبد مناة بن حبيب والحرث بنا تيم بن زيد بن مرة بن عبد مناة، ومنهم قيس بن عامر بن عبد مناة، ومنهم بنو خزيمة ابن عامر بن مرة بن لمجد مشاة بن كنانة. فصل ومن ولد بن كنانةالحرث وعدي وثعلبة وحداد وسعد وساعدة وخشاشة، فمن ولد الحرث الحسين بن عامر بن عبد الله بن المقسم بن محمد بن ميمون بن عبيد بن رزيق ابن عامر، وحمل بن شق بن رقبة بن مَخْدج بن عامر بن ثعلبة بن الحارث بن مالك ومنهم القايمان وهو حذيفة بن عدي بن فُقَيم بن عدي بن علقمة بن ثعلبة بن الحرث بن مالك، وبنو فُقَيم هم النسأة، ومنهم القلمس بن فقيم فكان يحارب شهرا وينسئ شهرا، ومنهم ربيعة بن عامر بن حَدمان بن خالد بن علقمة بن فراس بن مالك بن كنانة، ومن ولد عدي بن مالك مشهر بن قمهور بن حنيف بن لجريف بن حرارة بن عوف بن امته بن قلع بن عياد بن حذيفة البعاس ابن عدي بن مالك. (فصل) ومن ولد ملكان بكسر الميم وفتحهامع إسكان اللام بن كنانة ثعلبة وسعد وغنم وحرام وعوف ومالك ومجدج فمنهم القلمس بن عامر بن كعب بن عامر بن مجدج بن ملكان بن كنانة، هذه بطون كنانة وهم بنو الليث وبنو ضمرة وبنو غفار وبنو فُقَيم وبنو مُذلِج وبنو فِراس وبنو عبر وأما الأحابيش فهم الذين يتبشون يتجمعون وهم بنو الحارث بن عبد مناة بن كنانة، وبنو نفاثة وبنو الحيا من خزاعة والقارة من بني الهون بن خزيمة والذي عن حلف القارة تيم بن عامر بن عوف بن الحارث بن عبد مناة بن كنانة والذي حلف عقد الباقين اخوة مالك بن عامر بن عوف بن الحارث بن عبد مناة بن كنانة. نسب أسد بن خزيمة
খুযাইমাহর চার পুত্র ছিল: কিনানাহ, আসাদ, আসাদাহ এবং আল-হাওন। আসাদাহর বংশধরেরা বনু আসাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গিয়েছে। কিনানাহর পুত্ররা হলো: আবদ মানাফ, মালিক, মিলকান, আমির, গানাম, মাখযামাহ, জাদওয়াল, গাওয়ান, জাদাল এবং আন-নাদর (যিনি মূলত কুরাইশ এবং আমরা ইতিপূর্বে তাঁর কথা উল্লেখ করেছি), নাসর, আমর, আল-হারিস, সাদ ও আউফ। আবদ মানাত জন্ম দেন বকর, সাদ এবং আমিরকে (যিনি আল-আদরাম নামে পরিচিত) এবং আল-হারিসকে। আবদ মানাতের মৃত্যুর পর তাদের মা-কে বিয়ে করেন আলী বিন মাসউদ বিন মাযেন বিন জিব বিন আদি বিন আমর বিন মাযেন আল-গাসসানি। তাঁর ঔরসে মাখযামাহ, আউফ ও সা’ইদাহ জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁরা তাঁদের গর্ভজাত ভাইদের সাথে একই পরিবারে লালিত-পালিত হন এবং সকলের বংশ পরিচয় আলীর দিকেই সম্বন্ধযুক্ত হয়ে পড়ে। একারণে বনু আবদ মানাতকে 'বনু আলী' বলা হতো। এমনকি কোনো কোনো লোক ভুলবশত বলে থাকে যে, আবদ মানাতের নামই ছিল আলী। বকর বিন আবদ মানাতের পুত্ররা হলো লাইস, দামরাহ এবং আদ-দুয়িল (দাল অক্ষরে পেশ এবং হামযাহর নিচে যের যোগে)। যখন এই বংশের দিকে সম্বন্ধ করা হয়, তখন হামযাহর যবর দিয়ে 'দুয়ালী' বলা হয়, যেমন 'ইয়ামির' এর দিকে সম্বন্ধ করতে 'ইয়ামী' বলা হয়। এছাড়া হারিস ও আদিও তাঁর পুত্র। লাইস বিন বকরের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন আত্ব-তিফল আমির বিন ওয়াইলাহ বিন আবদুল্লাহ বিন হামস বিন জাদি বিন সাদ বিন লাইস। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আশ-শাদ্দাহ ওয়াসিলাহ বিন আল-আসকা বিন আবদিল উযযা বিন নুফাইল বিন নাশিব বিন গায়রাহ বিন সাদ বিন লাইস; তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহচর্য লাভ করেছিলেন এবং তাঁর থেকে হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে আরও আছেন আশ-শাদ্দাহ (শীন অক্ষরে পেশ এবং দাল অক্ষরে যবর) বিন আউফ বিন কাব বিন আমির বিন লাইস। তাঁকে 'শাদ্দাহ' বলা হতো কারণ তিনি খুযাআহ ও কুরাইশের মধ্যকার রক্তের বিবাদ মিটিয়েছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন, "আমি তাদের রক্তকে আমার পায়ের নিচে পিষ্ট করেছি।" তিনি খুযাআহর পরিবর্তে নিজের গোত্রের পক্ষ থেকে রক্তপণ পরিশোধ করেছিলেন। বনু দামরাহর বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন আমর বিন উমাইয়াহ আদ-দামরি বিন কাসান বিন তালহা বিন হাদি বিন দামরাহ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আবু যার, অর্থাৎ জুনদুব বিন জুনাহ বিন সুফিয়ান বিন উবায়েদ বিন আবদুল্লাহ বিন গিফার বিন আলীল বিন মালিক বিন দামরাহ বিন বকর বিন আবদ মানাত বিন কিনানাহ।তাঁর থেকে বর্ণিত হাদীসে এসেছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "গিফার গোত্রকে আল্লাহ ক্ষমা করুন এবং আসলাম গোত্রকে আল্লাহ শান্তিতে রাখুন।" বনু আদ-দুয়িল গোত্রে রয়েছেন আবুল আসওয়াদ আদ-দুয়ালী, অর্থাৎ উসমান বিন আমর বিন সুফিয়ান বিন জানদাল বিন ইয়ামুর বিন হুলদ বিন সুফাসাহ বিন আদি বিন আদ-দুয়িল। সাদ বিন আবদ মানাতের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন কাসিম বিন উবায়েদ বিন আবদুল্লাহ বিন সাদ বিন আর-রিমাহ বিন সাদ বিন আবদ মানাত। আমরাহ বিন আবদ মানাতের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন সারাফাহ বিন মালিক বিন জু’শুম বিন মুহরিয বিন আল-আওয়াদ বিন জাদআহ বিন আয বিন ইতওয়ারাহ বিন আমর বিন মুদলিয বিন মুররাহ বিন আবদ মানাত। তাঁদের মধ্যে আলকামাহ বিন মুহরিযও ছিলেন, যিনি পদচিহ্ন বিশারদ ছিলেন; মূলত বনু মুদলিয গোত্রই ছিল পদচিহ্ন বিশারদ। আবদ মানাত বিন হাবীব ও আল-হারিস ছিলেন তায়িম বিন যায়েদ বিন মুররাহ বিন আবদ মানাতের পুত্রদ্বয়। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কায়েস বিন আমির বিন আবদ মানাত এবং বনু খুযাইমাহ বিন আমির বিন মুররাহ বিন আমজাদ মাশাহ বিন কিনানাহ। পরিচ্ছেদ: বনু কিনানাহর বংশধরগণআল-হারিস, আদি, সা’লাবাহ, হাদ্দাদ, সাদ, সা’ইদাহ ও খাশাশাহ। আল-হারিসের বংশধরদের মধ্যে আল-হুসাইন বিন আমির বিন আবদুল্লাহ বিন আল-মুকাসসিম বিন মুহাম্মদ বিন মায়মুন বিন উবায়েদ বিন রুযাইক বিন আমির অন্যতম। এছাড়া হামাল বিন শিক বিন রাকাবাহ বিন মাখদাজ বিন আমির বিন সা’লাবাহ বিন আল-হারিস বিন মালিক অন্যতম। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন দুই 'কায়িমান'—তাঁরা হলেন হুযাইফা বিন আদি বিন ফুকাইম বিন আদি বিন আলকামাহ বিন সা’লাবাহ বিন আল-হারিস বিন মালিক। বনু ফুকাইম হলো তারা যারা নিষিদ্ধ মাস পিছিয়ে দিত (আন-নাসআহ)। তাঁদের মধ্যে ছিলেন আল-কালাম্মাস বিন ফুকাইম, যিনি এক মাস যুদ্ধ করতেন এবং অন্য এক মাসকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে পিছিয়ে দিতেন। তাঁদের মধ্যে আরও আছেন রাবীয়াহ বিন আমির বিন হাদমান বিন খালিদ বিন আলকামাহ বিন ফিরাস বিন মালিক বিন কিনানাহ। আদি বিন মালিকের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন মুশাহহার বিন কামহুর বিন হুনাইফ বিন লাজরিফ বিন হারারাহ বিন আউফ বিন উমাহ বিন কালা বিন আইয়াদ বিন হুযাইফা আল-বিআছ বিন আদি বিন মালিক। (পরিচ্ছেদ) বনু মিলকান (মীম অক্ষরে যের ও যবর উভয়টি বৈধ এবং লাম অক্ষরে সাকিন) বিন কিনানাহর বংশধরগণসা’লাবাহ, সাদ, গানাম, হারাম, আউফ, মালিক ও মাজদাজ। তাঁদের মধ্যে আল-কালাম্মাস বিন আমির বিন কাব বিন আমির বিন মাজদাজ বিন মিলকান বিন কিনানাহ অন্যতম। এগুলোই হলো কিনানাহর উপগোত্র: বনু লাইস, বনু দামরাহ, বনু গিফার, বনু ফুকাইম, বনু মুদলিয, বনু ফিরাস এবং বনু আবার। আর 'আহাবিশ' হলো তারা যারা একত্রিত হয়েছিল; তারা হলো বনু আল-হারিস বিন আবদ মানাত বিন কিনানাহ, বনু নুফাসাহ, খুযাআহ গোত্রের বনু আল-হায়া এবং বনু আল-হাওন বিন খুযাইমাহর বনু আল-ক্বারাহ। ক্বারাহ গোত্রটি তায়িম বিন আমির বিন আউফ বিন আল-হারিস বিন আবদ মানাত বিন কিনানাহর সাথে মৈত্রীবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার কারণে এ নামে পরিচিত হয়। আর অবশিষ্টদের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন মালিক বিন আমির বিন আউফ বিন আল-হারিস বিন আবদ মানাত বিন কিনানাহর ভাইয়েরা। আসাদ বিন খুযাইমাহর বংশপরিচয়
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ৮)
وكان أسد بن خزيمة أخا قريش لأمه برة بنت مر بن أد بن طابخة فأولاد أسد بن خزيمة دودان وكاهل وعمرو وخزيمة وبرده وصعب وجلهوبة فمن ولد دودان بن أسد غنم وثعلبة والحرث وسعد ومالك، فمن ولد الحرث بن ثعلبة يهدأ بالياء المنقوطة بن اسفن بن سعد بن الحرب بن جهم الأسيد بن جحواق وقعين بن عمرو بن قعين والصيداء عبد الله بن عمرو قعين بن ظريف وقُعَين بن حبيب بن أسامة بن مالك بن نصر بن قُعَيق بن الحرث بن ثعلبة بن دَودان بن أسد واسم الصَّيْداء عمرو وله من الولد نُكره وخزيمة ونوفل ومقشر. ومنهم طليحة ابن خويلد بن نوفل بن نضلة ب الأشيد بن حجران إلى آخر النسب. وكان يعدل فيما يقولون فارس وهو الذي ادعى النبوة وأسر يوم الردة ورجع إلى الإسلام، ومنهم بشر بن أبي خازم وهو عمرو بن عوف بن حميري بن ماشرة بن أسامة ابن والبة بن الحرث بن ثعلبة بن دودان بن أسد، ومنهم عبد بني الحسحاس سُحَيم بن هدندي سقى بن غفار بن كعب بن ثعلبة بن أسد بن دودان بن أسد. فصل ومن ولد سعد بن ثعلبةعبيد بن الأبرص بن جشم بن عامر بن عمرو بن مالك بن الحرث بن سعد ابن ثعلبة، ومنهم الكمَيت بن زيد الأخنس بن زيد بن مخالد بن ربيعة بن قيس ابن الحارث بن وهب بن عامر بن عمرو بنمالك بن سعد بن ثعلبة ومن بني ماك بن ثعلبة ناثب بن سلامة بن مالك بن ثعلبة وغاضرة وعمرو بن مالك بن ثعلبة ابن دودان بن أسد. (فصل) ومن بني دودانصاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم عبس بن يعمر بن صبرة بن مرة ابن كبير بن غنم بن دودان وأمه زينب بنت جحش زوج النبي صلى الله عليه وسلم وكان له إخوان أبو أحمد وعبد الله فهاجروا جميعا إلى الحبشة وكانت أم حبيبة بنت أبي سفيان زوجا لعبيد الله بن جحش فتنصَر بأرض الحبشة ومات بها نصرانيا وتزوج النبي صلى الله عليه وسلم بعده أم حبيبة، ومن بني غاضرة ابن حسين بن حرية بن أوس بن بلال بن سعد بن جمال بن نصر بن عاضرة بن مالك بن ثعلبة بن دودان بن أسد، ومنهم عكاشة بن محصن بن حرثان بن قيس بن مرة بن كعب بن غنم بن دودان بن أسد. (فصل) ومن ولد عمرو بن أسدالمسيب والنمر والقُلَيْب والمسلح وهاشم والهالك وهو أول من عمل الحديد وبه كانت العرب تعتر بني أسد وبني عمرو خاصة وتسميتهم القيون ويقال الحديد لهالكي منسوب إلى الهالك بن عمرو بن أسد. (فصل) ومن بني كاهل بن أسدالحديدي بن مان بن كاهل وعلباء بن الحرث بن حارثة بن هلال بن كاهل ومن بني صعب بن أسد عبد الله بن صعب بن أسد فهذه بطون بني أسد. ومنهم كاهل وفقعس والصَّيْداء وقًعَيْن، ووالبة، وناشب، وغاضرة، وأنسابهم قد ذكرناها، نسب الهون بن خزيمة، قال ولد خزيمة ثلاثة كنانة وأسد وقد ذكرناهما، والهَون بفتح الهاء وقد قيل الهُون بضم الهاء بن المعوم بن خزيمة فالأول أصح فولد مليحا والحكم فولد مليح يشيع وهم قد دخلوا في مدحج فانتسبوا إليهم والحكم بن الهون انتسب إلى سعد العشرة بن مذحج فقالوا الحكم بن سعد وهم رهط الأمير الجراح بن عبد الله الحكمي وقال الشاعر:أيا حكم بن الهون إلا مَذْحِجَا … وقد حِلتَ سَيحاً من جذيمة أبلجاوالصحيح أن الحكم بن سعد بن مَذحج، والله أعلم.وبنو الهون القارة وأخوتهم عضل بضم العين وفتح الضاد، ومن القارة مسعود بن عامر بن ربيعة بن عمرو بن سعد بن عبد العزى بن محلم بن غالب بن عابد يتبع بن مليح بن الهون بن خزيمة، والقارة هم ولد محلم بن غالب كليم غير عضل ويقال إن عضل قارة أيضاً وإنما سميت القارة قارة لزن يعمر بن عوف الكنائي أراد أن يفرقهم في بطوق كنانة فقال رجل منهم كلمة في شعر له: دَعُونا قَارةً لا تنفرونا فَنَجفُلَ مثل إجفال الظليم فسموا القارة لذلك، والقارة جبل صغير وقيل إن عضل والقارة بنا يتبع ابن الهون بن خزيمة، والله أعلم. نسب هذيل بن مدركة
আসাদ বিন খুজাইমাহ ছিলেন কুরাইশের বৈমাত্রেয় ভাই, তাদের মা ছিলেন বাররাহ বিনতে মুর বিন আদ বিন তাবিখাহ। আসাদ বিন খুজাইমাহর সন্তানরা হলো দূদান, কাহিল, আমর, খুজাইমাহ, বারদাহ, সা'ব এবং জালহুবাহ। দূদান বিন আসাদের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে গানাম, ছালাবাহ, হারিস, সাদ এবং মালিক। হারিস বিন ছালাবাহর সন্তানদের মধ্যে রয়েছে ইয়াহদা (নিচে নুকতাওয়ালা 'ইয়া' দিয়ে), সে হলো ইবনু ইসফান বিন সাদ বিন হারব বিন জাহম আল-আসায়িদ বিন জাহওয়াক এবং কাইন বিন আমর বিন কাইন এবং আস-সাইদা হলো আব্দুল্লাহ বিন আমর কাইন বিন জারিফ। এবং কাইন বিন হাবীব বিন উসামাহ বিন মালিক বিন নাসর বিন কুআইক বিন হারিস বিন ছালাবাহ বিন দূদান বিন আসাদ। আস-সাইদার নাম ছিল আমর এবং তার সন্তানদের মধ্যে রয়েছে নুকরাহ, খুজাইমাহ, নাওফাল এবং মুকাশশার। তাদের অন্তর্ভুক্ত হলেন তুলাইহা ইবনে খুওয়াইলিদ ইবনে নাওফাল ইবনে নাদলাহ বিন আল-আশয়াদ বিন হাজরান, বংশতালিকার শেষ পর্যন্ত। তাদের ভাষ্যমতে, তাকে একজন বীর হিসেবে গণ্য করা হতো। সে-ই নবুওয়াতের দাবি করেছিল এবং রিদদাহর (স্বধর্মত্যাগ) যুদ্ধের দিন বন্দী হয়েছিল, পরে পুনরায় ইসলামে ফিরে আসে। তাদের মধ্যে রয়েছেন বিশর বিন আবি খাযিম, তিনি হলেন আমর বিন আউফ বিন হিময়ারি বিন মাশারাহ বিন উসামাহ ইবনে ওয়ালিবাহ বিন হারিস বিন ছালাবাহ বিন দূদান বিন আসাদ। তাদের মধ্যে রয়েছেন আবদ বনী আল-হাসহাস সুহাইম বিন হাদান্দি সাকা বিন গাফফার বিন কাব বিন ছালাবাহ বিন আসাদ বিন দূদান বিন আসাদ। পরিচ্ছেদ: সাদ বিন ছালাবাহর সন্তানদের পরিচয়উবাইদ বিন আল-আবরাশ বিন জাশাম বিন আমির বিন আমর বিন মালিক বিন হারিস বিন সাদ বিন ছালাবাহ। তাদের মধ্যে রয়েছেন আল-কুমাইত বিন যায়েদ আল-আখনাস বিন যায়েদ বিন মুখালিদ বিন রাবিয়াহ বিন কাইস বিন হারিস বিন ওয়াহাব বিন আমির বিন আমর বিন মালিক বিন সাদ বিন ছালাবাহ। এবং বনী মালিক বিন ছালাবাহর অন্তর্ভুক্ত হলো নাশিব বিন সালামাহ বিন মালিক বিন ছালাবাহ এবং গাদিরহ ও আমর বিন মালিক বিন ছালাবাহ বিন দূদান বিন আসাদ। (পরিচ্ছেদ) বনী দূদানের পরিচয়রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবী আবাস বিন ইয়ামুর বিন সাবরাহ বিন মুররাহ বিন কাবীর বিন গানাম বিন দূদান। তাঁর মা ছিলেন যায়নাব বিনতে জাহশ, যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী ছিলেন। তাঁর দুই ভাই আবু আহমাদ এবং আব্দুল্লাহ ছিলেন, তারা সবাই হাবশায় হিজরত করেছিলেন। উম্মে হাবিবাহ বিনতে আবু সুফিয়ান ছিলেন উবাইদুল্লাহ বিন জাহশ-এর স্ত্রী; সে হাবশার মাটিতে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে এবং সেখানে খ্রিস্টান অবস্থায় মারা যায়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার পরে উম্মে হাবিবাহকে বিয়ে করেন। বনী গাদিরাহ বিন হোসেন বিন হুরিয়্যাহ বিন আউস বিন বিলাল বিন সাদ বিন জামাল বিন নাসর বিন আদিরাহ বিন মালিক বিন ছালাবাহ বিন দূদান বিন আসাদের বংশধরদের একজন। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন উককাশাহ বিন মিহসান বিন হারসান বিন কাইস বিন মুররাহ বিন কাব বিন গানাম বিন দূদান বিন আসাদ। (পরিচ্ছেদ) আমর বিন আসাদের সন্তানদের পরিচয়আল-মুসাইয়িব, আন-নামির, আল-কুলাইব, আল-মুসাল্লিহ, হাশিম এবং আল-হালিক। আল-হালিকই প্রথম ব্যক্তি যিনি লোহা নিয়ে কাজ করেছিলেন। আরবরা এর মাধ্যমেই বনী আসাদ এবং বিশেষ করে বনী আমরকে খোটা দিত এবং তাদের কামার (কাইয়ুন) বলে ডাকত। বলা হয় যে, লোহাকে 'হালিকি' বলা হয় যা হালিক বিন আমর বিন আসাদের সাথে সম্পর্কিত। (পরিচ্ছেদ) বনী কাহিল বিন আসাদের পরিচয়আল-হাদিদি বিন মান বিন কাহিল এবং ইলবা বিন হারিস বিন হারিসাহ বিন হিলাল bin কাহিল। এবং বনী সা'ব বিন আসাদের মধ্যে রয়েছে আব্দুল্লাহ বিন সা'ব বিন আসাদ। এগুলোই হলো বনী আসাদের শাখা-প্রশাখা। তাদের মধ্যে রয়েছে কাহিল, ফাক'আস, আস-সাইদা, কাইন, ওয়ালিবাহ, নাশিব এবং গাদিরাহ। আমরা তাদের বংশপরিচয় ইতিপূর্বেই উল্লেখ করেছি। আল-হুন বিন খুজাইমাহর বংশপরিচয় সম্পর্কে বলা হয় যে, খুজাইমাহর তিন সন্তান ছিল—কানানাহ ও আসাদ, যাদের কথা আমরা উল্লেখ করেছি, এবং আল-হুন (হা-এর উপর জবর দিয়ে, তবে পেশ দিয়ে 'আল-হুন'ও বলা হয়) বিন আল-মুআম বিন খুজাইমাহ। প্রথমটিই অধিক বিশুদ্ধ। তার সন্তানদের নাম মালিহ এবং আল-হাকাম। মালিহ-এর সন্তানরা হলো ইয়াশি' যারা মাজহিজ গোত্রে দাখিল হয়ে তাদের সাথেই নিজেদের পরিচয় দেয়। আর আল-হাকাম বিন আল-হুন সাদ আল-আশিরা বিন মাজহিজ-এর সাথে সম্বন্ধযুক্ত হয়েছে, তাই তারা বলে আল-হাকাম বিন সাদ। তারা আমির আল-জাররাহ বিন আব্দুল্লাহ আল-হাকামির বংশধর। জনৈক কবি বলেছেন:হে হুন-এর পুত্র হাকাম, তুমি তো মাজহিজ ছাড়া আর কেউ নও... তুমি জাযিমাহর স্বচ্ছ প্রবাহিত পানির মতো অবস্থান নিয়েছ।সঠিক কথা হলো যে, হাকাম হলো সাদ বিন মাজহিজ-এর পুত্র। আল্লাহই ভালো জানেন।বনী আল-হুন গোত্র হলো আল-কারাহ এবং তাদের ভাই হচ্ছে আদল (আইন-এ পেশ এবং দাদ-এ জবর)। কারাহ গোত্রের অন্তর্ভুক্ত হলেন মাসউদ বিন আমির বিন রাবিয়াহ বিন আমর বিন সাদ বিন আব্দুল উযযা বিন মুহাল্লিম বিন গালিব বিন আবিদ ইয়াত্তাবি বিন মালিহ বিন আল-হুন বিন খুজাইমাহ। কারাহ হলো মুহাল্লিম বিন গালিবের সন্তান যারা আদল গোত্র ছাড়া অন্য সবার সাথে মৈত্রী করেছিল। বলা হয় যে, আদল গোত্রও কারাহর অন্তর্ভুক্ত। মূলত কারাহকে কারাহ বলা হওয়ার কারণ হলো, যখন কানানাহর ইয়া'মুর বিন আউফ তাদের বনী কানানাহর বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত করে দিতে চেয়েছিলেন, তখন তাদের একজন তার কবিতায় বলেছিলেন: "আমাদের কারাহ হিসেবে থাকতে দাও, আমাদের বিচ্ছিন্ন করো না, পাছে আমরা উটপাখির মতো পলায়ন করি।" এই কারণেই তাদের কারাহ নামকরণ করা হয়েছে। কারাহ একটি ছোট পাহাড়ের নামও। কেউ কেউ বলেন, আদল এবং কারাহ হলো ইয়াত্তাবি বিন আল-হুন বিন খুজাইমাহর সন্তান। আল্লাহই ভালো জানেন। হুযাইল বিন মুদরিকাহর বংশপরিচয়
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ৯)
واشتقاق هَذَيل من الهَذَل رهو من الاضطراب قال ولد هذيل سَعدا ولحَيَانَ وعَمَر وهرمة فولد سعد بن هذيل تميم وحرسا ومنعة قضاعة وجهاما وعيما وقادن وتهويلا، فمن ولد سعد عبد الله وعتبة بنا مسعود بن غافل بغين معجمة بن حبيب بن شمخ بن قادن بن مخروم وخزيمة بن صاهلة بن كاهل بن الحرث بن تميم بن سعد بن هذيل، ومنهم أبو بكر كبير بن ثابت بن عبد شمس ابن خالد بن عمرو بن عبد كعب بن مالك بن كعب بن كاهل، ومنهم ربعي بن حبيب بن سويد بن رباح بن كليب بن كعب بن كاهل، ومنهم أبو ذؤيب الشاعر وهو خويلد بن زيد بن مخروم بن صاهلة إلى أخر النسب من ولد لحيان بن هذيل ومنهم غيرة بن عارية بن كعب بن طانجة بن هذيل، ومنهم حبابة بن سعد بن هذيل وبنو سعد بن هذيل خناعة وهمان وضعة وعرف ورهم وريب وحريثث وحوية وجهام وغنم ولحيان بكسر اللام في هذيل وبضمها فيجمهر وبطون هذيل بنو لحيان وبنو وهمان وبنو غازية وبنو صاهلة وبنو ظاعنة من الطعن وهو السفر وبنو خناعة منالخنع وهو الذل.نسب ولد طابخة بن الياس بن مضر قال ولد طابخة أدا فولد أد عبد مناة وعمرا وخميسا ومرا وهو أبو تميم ابن مر فولد عبد مناة تميما وعديا وعوفا وأشيب وثورا المحل والمحل جبل نسب إليه ثور فقيل ثور لمحل وولد عبد مناة يسمون الرباب بعضهم يعد فيه ضبة بن أد وأخرون يعدون منهم مزينة بن أدو أنما سموا الرباب لأنهم تحالفوا على بني سعد بن زيد بن تميم واجتمعوا اجتماع الربابة وهي فرقة تجمع فيها القداح وقيل انهم غمسوا أيديهم في الرَّب حتى تحالفوا وأما عُكل فهي أمة حضنت ولد عوف بن أقيس بن وايل بن عوف بعبد مناة فنسبوا إليه قال: ومن عُكْل الشاعر النمر بن تولب بن زهير بن أقيش بن كعب بن عمرو بن عوف بن أد بن الحرث بن عُكل بن عوف بن أقيس بن وايل بن عوف بن عبد مناة وعكل من جملة الرباب، فمن ولد تيم بن عبد مناة جساس بالجيم بالتخفيف بن سبة بن ربيع ابن ربيع بن عمرو بن عبد الله بن لؤي بن عمرو بن الحرث بن تيم، ومن ولد عدي بن عبد مناة ذو الرمة وهو غيلان وأخوته هشام ومسعود برت حارثة بن عدي ابن ربيعة بن ساعدة بن كعب بن عوف بن ثعلبة بن ربيعة بن ملكان بن عدي بن عبد مناة، ومن ولد ثور بن عبد مناة الفقيه الزاهد الربيع بن خثيم ويقال أنه كان في بني ثور ثلاثون رجلا ليس منهم رجل دون الربيع بن خثيم وهم بالكوفة، ومنهم سفيان بن سعد بن مرة بن حبيب بن رافع بن عبد الله بن موهبة من بني عبد الله بن منقذ بن نضر بن الحرث بن ثعلبة بن عامر بن ملكان بن ثور بن عبد مناة. ونسب ضبة بن أدقال: ولد ضبة بن أد سعدا وعمرا وباسلا فباسل أبو الديلم فيما يقال وذلك أن باسل بن ضبة خرج إلى أرض الديلم وزينهم مثل زي العرب وهيأتهم على هيئة العرب في الغارات وطلب الثارات، قال وقيل سعد لا عقب له، وضبَ كلها ترجع إلى سعد بن ضبة، فمن ولد سعد بن ضبة، القاضي عبد الله ابن شُبْرمة بن الطفيل بن هبيرة بن المنذر بن حسان بن ضرار، منهم زيد القوارس بن حصين بن ضرار منهم الغمر بن عمرو بن مالك بن زيد بن كعب ابن تحالة بن ذهل بن عمالك بن بكر بن سعد بن ضبة، وولد ضرار بن عمرو عشرة كانوا يسمون المرادمة لأن كل واحد منهم كان مثل المردم وهم بيت ضبة وان ضبة من أد كان على جبل سليمان بن داود عليه السلام، وعن بن عباس أنه قال ضبة بن أد كان على دين سليمان بن داود عليه السلام ومات أسد بن خزيمة على الاسلام. نسب مزينةومزينة امرأة عمرو بن أد غلبت على نسب ولدها وهي بنت كلب بن وبْرة فمن ولد عمرو بن أد عثمان وأويس، فمن ولد عثمان بلال بن الحرث بن قادن بن حلاوة ابن ثعلبة بن ثور بن هرمة بن الأصم بن عثمان بن عمرو بن أد، ومنهم الشاعر زهير بن أبي سُلمى بضم السين وهو ربيعة بن قرط بن رباح بن العوام بن قرط بن الحرث بن مازن إلى أخر النسب وبنا زهير كعب وبجير وكل سلمى في العرب فهو بفتح السين الاسلمي أبو زهير فانه وجده بالضّمّ، ومن ولد أويس ابن عمرو القاضي بن معونة بن حرة بن اياس بن هلال بن ثابت بن عبيد بن سراة بن سارية بن دهمان بن ثعلبة بن سلمان بن أويس بن عمرو بن أد، ومنهم النعمان بن معدي بن عابد بن سجل بن هجير بن نصر بن حسنة بن كعب بن عبد ثور إلى آخر النسب.
হুজাইল এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো অস্থিরতা (আল-হাযাল)। বলা হয়, হুজাইলের সন্তানরা হলো সাদ, লিহইয়ান, আমর এবং হারমাহ। সাদ ইবনে হুজাইলের সন্তানরা হলো তামীম, হারাস, মানা'আহ, কুযাআহ, জুহাম, আইম, কাদান এবং তাহওয়ীল। সাদের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন আব্দুল্লাহ এবং উতবাহ—যারা মাসউদ ইবনে গাফিলের (গাইন বর্ণে যের যুক্ত) পুত্র, তিনি হাবীব ইবনে শামখ ইবনে কাদান ইবনে মাখূম এর বংশধর। আরও রয়েছেন খুযাইমা ইবনে সাহিলা ইবনে কাহিল ইবনে হারিস ইবনে তামীম ইবনে সাদ ইবনে হুজাইল। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন আবু বকর কবীর ইবনে সাবিত ইবনে আব্দু শামস ইবনে খালিদ ইবনে আমর ইবনে আব্দু কাব ইবনে মালিক ইবনে কাব ইবনে কাহিল। আরও রয়েছেন রিবঈ ইবনে হাবীব ইবনে সুওয়াইদ ইবনে রাবাহ ইবনে কুলাইব ইবনে কাব ইবনে কাহিল। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন কবি আবু যুআইব, যার নাম খুয়াইলিদ ইবনে যায়েদ ইবনে মাখূম ইবনে সাহিলা—এভাবে লিহইয়ান ইবনে হুজাইলের বংশপরম্পরা পর্যন্ত। তাদের মধ্যে রয়েছেন গয়রাহ ইবনে আরিয়্যাহ ইবনে কাব ইবনে তাঞ্জাহ ইবনে হুজাইল। আরও রয়েছেন হাবাবাহ ইবনে সাদ ইবনে হুজাইল। বনু সাদ ইবনে হুজাইলের শাখাগুলো হলো খুনাআহ, হাম্মান, দ্বাআহ, উরফ, রুহাম, রাইব, হুরাইস, হাবিয়্যাহ, জুহাম এবং গানাম। হুজাইল গোত্রে 'লিহইয়ান' শব্দটি লাম বর্ণে যের (লিহইয়ান) দিয়ে উচ্চারিত হয়, তবে জমহুর বা সাধারণের নিকট তা পেশ (লুহইয়ান) দিয়ে উচ্চারিত হয়। হুজাইলের শাখা গোত্রগুলো হলো বনু লিহইয়ান, বনু হাম্মান, বনু গাযিয়াহ, বনু সাহিলা, বনু যা'ইনাহ (যা 'ত্বান' বা সফর থেকে উদ্ভূত) এবং বনু খুনাআহ (যা 'খুনু' বা বিনয় ও লাঞ্ছনা থেকে উদ্ভূত)।তাবিখা ইবনে ইলয়াস ইবনে মুদারের বংশধরদের পরিচয়। বলা হয়, তাবিখার পুত্র হলো আদ। আদ এর সন্তানরা হলো আব্দ মানাত, আমর, খামিস এবং মুর। এই মুর-ই হলেন তামীম ইবনে মুরের পিতা। আব্দ মানাত এর সন্তানরা হলো তামীম, আদী, আওফ, আশইয়াব এবং সাওরুল মাহাল। মাহাল একটি পাহাড়ের নাম, যার দিকে সাওরকে সম্বন্ধযুক্ত করে সাওরুল মাহাল বলা হয়। আব্দ মানাত এর সন্তানদের 'রিবাব' বলা হয়। কেউ কেউ তাদের মধ্যে দ্বাব্বাহ ইবনে আদ-কে অন্তর্ভুক্ত করেন, আবার কেউ কেউ তাদের মধ্যে মুযাইনাহ ইবনে আদ-কে গণ্য করেন। তাদের 'রিবাব' নামকরণের কারণ হলো তারা সাদ ইবনে যায়েদ ইবনে তামীমের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে শপথ করেছিল এবং 'রিবাবাহর' (তীর রাখার পাত্র বা একদল লোক) ন্যায় একত্রিত হয়েছিল। আবার বলা হয় যে, তারা 'রাব্ব' (এক প্রকার ঘন ফলের রস বা শিরকা) এর মধ্যে হাত ডুবিয়ে শপথ করেছিল বলে তাদের এই নামকরণ করা হয়েছে। আর 'উকল' হলো একজন দাসী যে আওফ ইবনে আকীশ ইবনে ওয়াইল ইবনে আওফ ইবনে আব্দ মানাত এর সন্তানদের লালন-পালন করেছিল, তাই তারা তার দিকে সম্বন্ধযুক্ত হয়। তিনি বলেন: উকল গোত্রের কবি হলেন আল-নামির ইবনে তাওলাব ইবনে যুহাইর ইবনে আকীশ ইবনে কাব ইবনে আমর ইবনে আওফ ইবনে আদ ইবনে হারিস ইবনে উকল ইবনে আওফ ইবনে আকীশ ইবনে ওয়াইল ইবনে আওফ ইবনে আব্দ মানাত। উকল গোত্র রিবাব এর অন্তর্ভুক্ত। তিম ইবনে আব্দ মানাত এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন জাস্সাস (জীম বর্ণে তাশদীদ ছাড়া), যিনি সাব্বাহ ইবনে রাবী ইবনে রাবী ইবনে আমর ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে লুআই ইবনে আমর ইবনে হারিস ইবনে তিম এর পুত্র। আদী ইবনে আব্দ মানাত এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন যুর রুম্মাহ—যার নাম গায়লান, এবং তার ভাইয়েরা হিশাম ও মাসউদ; তারা হারিস ইবনে আদী ইবনে রবীআহ ইবনে সায়েদাহ ইবনে কাব ইবনে আওফ ইবনে সালাবাহ ইবনে রবীআহ ইবনে মালকান ইবনে আদী ইবনে আব্দ মানাত এর বংশধর। সাওর ইবনে আব্দ মানাত এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন ফকীহ ও যাহিদ রাবী ইবনে খুসাইম। বলা হয় যে, বনু সাওর গোত্রে ত্রিশজন এমন ব্যক্তি ছিলেন যাদের কেউই রাবী ইবনে খুসাইম অপেক্ষা মর্তবায় কম ছিলেন না, তারা কুফায় বসবাস করতেন। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন সুফিয়ান (আস-সাওরী), যিনি সাদ ইবনে মুররাহ ইবনে হাবীব ইবনে রাফি ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মাওহাবাহ এর পুত্র, যিনি বনু আব্দুল্লাহ ইবনে মুনকিয ইবনে নাযর ইবনে হারিস ইবনে সালাবাহ ইবনে আমির ইবনে মালকান ইবনে সাওর ইবনে আব্দ মানাত গোত্রের বংশধর। দ্বাব্বাহ ইবনে আদ এর বংশপরিচয়বলা হয়: দ্বাব্বাহ ইবনে আদ এর সন্তানরা হলো সাদ, আমর এবং বাসিল। বাসিল হলেন দাইলামদের পিতা—যেমনটি বলা হয়ে থাকে। এর কারণ হলো, বাসিল ইবনে দ্বাব্বাহ দাইলাম ভূখণ্ডে চলে গিয়েছিলেন এবং তাদের বেশভূষা ও রণকৌশল আরবদের মতো করে গড়ে তুলেছিলেন। বলা হয় যে, সাদের কোনো উত্তরসূরি ছিল না এবং পুরো দ্বাব্বাহ গোত্র সাদ ইবনে দ্বাব্বাহর দিকেই ফিরে যায়। সাদ ইবনে দ্বাব্বাহর বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন বিচারক আব্দুল্লাহ ইবনে শুবরুমাহ ইবনে তুফাইল ইবনে হুবাইরাহ ইবনে মুনযির ইবনে হাসসান ইবনে দ্বিরার। তাদের মধ্যে রয়েছেন যায়েদ আল-ফাওয়ারিস ইবনে হুসাইন ইবনে দ্বিরার। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন আল-গামর ইবনে আমর ইবনে মালিক ইবনে যায়েদ ইবনে কাব ইবনে তাহালাহ ইবনে যুহল ইবনে আমালিক ইবনে বকর ইবনে সাদ ইবনে দ্বাব্বাহ। দ্বিরার ইবনে আমর এর দশজন পুত্র ছিল যাদের 'আল-মারাদিমাহ' বলা হতো, কারণ তাদের প্রত্যেকেই ছিলেন সুদৃঢ় প্রাচীরের (মারদাম) মতো। তারাই দ্বাব্বাহ গোত্রের প্রধান ঘরানা। দ্বাব্বাহ ইবনে আদ সুলাইমান ইবনে দাউদ আলাইহিস সালামের পাহাড়ের (বা সান্নিধ্যে) ছিলেন। ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন: দ্বাব্বাহ ইবনে আদ সুলাইমান ইবনে দাউদ আলাইহিস সালামের দ্বীনের ওপর ছিলেন এবং আসাদ ইবনে খুযাইমা ইসলামের ওপর মৃত্যুবরণ করেন। মুযাইনাহর বংশপরিচয়মুযাইনাহ ছিলেন আমর ইবনে আদ এর স্ত্রী, যার নাম তার সন্তানদের বংশ পরিচয়ের ওপর প্রাধান্য পেয়েছে। তিনি কালব ইবনে ওয়াবরাহ এর কন্যা। আমর ইবনে আদ এর সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন উসমান এবং উওয়াইস। উসমানের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন বিলাল ইবনে হারিস ইবনে কাদান ইবনে হালাওয়াহ ইবনে সালাবাহ ইবনে সাওর ইবনে হারমাহ ইবনে আল-আসাম ইবনে উসমান ইবনে আমর ইবনে আদ। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন কবি যুহাইর ইবনে আবি সুলমা (সীন বর্ণে পেশ দিয়ে উচ্চারিত), যিনি রবীআহ ইবনে কুর্ত ইবনে রাবাহ ইবনে আওয়াম ইবনে কুর্ত ইবনে হারিস ইবনে মাযিন—এভাবে বংশপরম্পরার শেষ পর্যন্ত। যুহাইরের পুত্ররা হলেন কাব এবং বুজাইর। আরবের সকল 'সুলমা' নাম সীন বর্ণে যবর দিয়ে উচ্চারিত হয় (আল-আসলামী), কেবল আবু যুহাইরের দাদার নাম পেশ দিয়ে উচ্চারিত হয়। উওয়াইস ইবনে আমরের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন বিচারক ইবনে মাউনাহ ইবনে হুররাহ ইবনে ইয়াস ইবনে হিলাল ইবনে সাবিত ইবনে উবাইদ ইবনে সারাহ ইবনে সারিয়াহ ইবনে দাহমান ইবনে সালাবাহ ইবনে সালমান ইবনে উওয়াইস ইবনে আমর ইবনে আদ। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন নুমান ইবনে মা'দী ইবনে আবিদ ইবনে সিজিল ইবনে হুজাইর ইবনে নাসর ইবনে হাসনাহ ইবনে কাব ইবনে আব্দু সাওর—এভাবে বংশপরম্পরার শেষ পর্যন্ত।
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ১০)
خميس بن أدَ. قال: كان بني خميس مع أبرهة الأشرم الحبشي فهلكوا يوم الفيل، ونجا منهم ستون رجلا، فهم إلى اليوم ستون رجلا، لا يزيدون على ذلك، إذا ولد منهم مولود مات رجل منهم وهم في عداد بني تميم من كان منهم بالكوفة فهم في بني مجاشع ومن كان بالبصرة فهم في بني عبد الله ابن درام قال ومن بني خميس جزوء بن نضلة بن مالك بن زيد بن غياث بن مالك ابن يزيد بن حرب بن خميس بن أد. نسب تميم بن مر بن أدقال ولد مرّ بن أد تميما وعامرا وثعلبة وبكرا واراسة وهي في جذام والغوث باليمن ويعفر فولد يعفر بن مرَ المعافر فيما يزعمون وهم الذين هم اليمن وكان كتب على قبره أنا المعافر بن يعفر مضرى، نسب سر الحمير.وقوم يقولون في رواية أخرى أنا المعافر بن مر مضري حراست من حمير بطن. قال والمعافر اليوم يقولون معافر بن يعفر بن مالك بن الحرث بن مر بن أد ابن زيد بن بَبثجَب، وأما الغوث بن مر فمن ولده صوقه وهو الزبير بن الغوث ابن مر وكانت فيها أجازة الحاج في الجاهلية يوفقوق بالناس ثم انتقلت الإجازة في بني غطفان بن عوف بن كعب بن سعد بن زيد بن مناة، ومنهم من ولد الغوث بن مر شراحيل بن عبد العزى الذي يقال له شَرَاحيِل بن حبيب من خيار المسلمين، شهد فتوح الشام وكان ولد الغوث بن مر باليمن فنزلت عليهم بمأرب سعد وقتلتهم فانقرض ولد الغوث بن مرة، قال وأما تميم بن مر فولد زيد مناة وعمرا والحارث، فمن ولد زيد مناة حاجب ولقيط وعلقمة بنو زرارة وأمهم مادية الدارمية وهي إحدى النساء النجيبات في الجاهلية وهو زرارة بن عدس ابن زيد بن عبد الله بن دارم بن مالك بن زيد مناة بن تميم بن اسماعين بن تميم ابن نعيم بن زيد بن أبي النعيم (بن عطارد بن حاجب، وولد عطارد مالكا وقيسا ولقيطا ولبيدا وعميدار فولد عمير محمدا ولقيطا وعلقمة وخزيمة وعمرا وأبا الحرث ومسعود ومالكا الكاتب ولبيدا ومعبدا، فمنهم القعقاع بن عمرو بن عوف ابن القمقاع بن معبد بن زرارة، قال وولد عُدَس بضم العين وفتح الدال ذُمر وجُعَل وسعدا ومسعودا وشراحيل وعمرا وبنوى، قال وولد زيد بن عبيد الله ربيعة وحيانا وعبد الله وجعاً ومرة ومالكا ومعاوية والحارث وحمان واستفاقه من الأحم واسمه عبد العزى وعدس وقد ذكرناه. والأحلاف من بني دارمهم بنو زيد بن عبد الله كلهم إلا بني عدس بن زيد وهم مع سائر بني عبد الله، وأما عبد الله بن دارم فولده معاوية ومرة وعبد مناة وفهما ومنتبعه ومالكا فأية ورهبا وقنة وزيد وفيه البيت، وكان اسم دارم بحرا. (فصل) أمادارمواشتقاقه من الدرمان وهو تقارب الخطو يقال جاء يدرم في مشيته إذا كان يقارب الخطو ويجوز أن يكون من قولك رجل أدرم وامرأة درما إذا لم يكن لعظامها حجم، فأولاد دارم عبد الله ومجاشعا ونهشلا وسدوس وخيبري وجريرا وأبانا والجوَال ومنافا وسلطان، فولد جرير فقيم بن جرير وولد سدوس الحرب بن سدوس، وأما مجاشع فاشتقاقه من الجشع وهو أسوأ الحرص وكان لمجاشع لسان وبيان وله من الولد عبد الله وثعلبة وسليطان ونعمان وعمرو وعامر ومجاشع والأحمر والأبيض والأحرم وحرام وسفيان فمن ولد سفيان الفرزدق وهو همام بن غالب بن صعصعة بن ناجية بن عقال بن محمد بن سفيان ابن مجاشع، ومنهم الأقرع بن حابس بن عقال إلى آخر النسب، واسم الأقرع فراس وأخوه يزيد بن حابس، وأما نهشل واشتقاقه من قولهم نهشل الرجل وحنشل اذا أسن واضطرب ونهشل من أسماء الذئب، وله من الولد حرث وجندل وصخر، فمن بني صخر خزيمة بن حام بن عبد الله بن حنظلة بن نضلة بن حارث وهو مطلق بن صخر بن نهشل، ومنهم أعيُن بن نضلة بني عقال وهو أبو النوار زوجة الفرزدق وهو الذي عقر جمل عائشة، ومنهم الأسود بن يعفر ابن عبد الأسود بن جندل بن نهشل. فصل وولد مالك بن حنظلة نب كعبا
খামিস ইবনে উদ্দ। তিনি বলেন: বনু খামিস হাবশি আবরাহা আল-আশরামের সাথে ছিল এবং তারা হস্তীবাহিনীর দিনে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। তাদের মধ্য থেকে মাত্র ষাট জন লোক বেঁচে গিয়েছিল, আজ পর্যন্ত তারা সংখ্যায় সেই ষাট জনই আছে, এর চেয়ে তারা বৃদ্ধি পায় না; যখনই তাদের মধ্যে কোনো শিশু জন্ম নেয়, তখনই তাদের একজন লোক মারা যায়। তারা বনু তামিিম গোত্রের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গণ্য। তাদের মধ্যে যারা কুফায় বসবাস করে তারা বনু মুজাশির অন্তর্ভুক্ত এবং যারা বসরায় আছে তারা বনু আবদুল্লাহ ইবনে দারামের অন্তর্ভুক্ত। তিনি আরও বলেন, বনু খামিসের অন্তর্ভুক্ত হলেন জাযউ ইবনে নাদলা ইবনে মালিক ইবনে যায়দ ইবনে গিয়াস ইবনে মালিক ইবনে ইয়াযিদ ইবনে হারব ইবনে খামিস ইবনে উদ্দ। তামিিম ইবনে মুর ইবনে উদ্দ-এর বংশলতিকাবর্ণনাকারী বলেন, মুর ইবনে উদ্দ-এর সন্তানরা হলো তামিিম, আমির, সালাবা, বকর, আরাসা—যারা জুজাম গোত্রের অন্তর্ভুক্ত, গাওস—যারা ইয়ামেনে থাকে এবং ইয়াফুর। মানুষের ধারণা অনুযায়ী ইয়াফুর ইবনে মুরের সন্তান হলো আল-মাআফির, তারাই ইয়ামেনের অধিবাসী। তার কবরে খোদাই করে লেখা ছিল, "আমি আল-মাআফির ইবনে ইয়াফুর মুদারি, হিমইয়ারের শ্রেষ্ঠ বংশজাত।"অন্য রেওয়ায়েতে একদল লোক বলে, "আমি আল-মাআফির ইবনে মুর মুদারি, হিমইয়ার গোত্র থেকে সুরক্ষা দানকারী।" বর্ণনাকারী বলেন, বর্তমানে মাআফিররা নিজেদের মাআফির ইবনে ইয়াফুর ইবনে মালিক ইবনে হারিস ইবনে মুর ইবনে উদ্দ ইবনে যায়দ ইবনে বাবসাউব বলে পরিচয় দেয়। আর গাওস ইবনে মুরের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে সাওকা, সে হলো যুবায়ের ইবনে গাওস ইবনে মুর। জাহেলিয়াত আমলে হজের সময় হাজিদের অনুমতি দেওয়ার দায়িত্ব তাদের হাতে ছিল, তারা মানুষকে সাথে নিয়ে পথ চলত। পরবর্তীতে এই অনুমতির দায়িত্ব বনু গাতাফান ইবনে আউফ ইবনে কাব ইবনে সাদ ইবনে যায়দ ইবনে মানাতের হাতে চলে যায়। গাওস ইবনে মুরের সন্তানদের মধ্যে শুরাহবিল ইবনে আবদিল উযযা ছিলেন, যাকে শুরাহবিল ইবনে হাবিব বলা হয়; তিনি ছিলেন সর্বোত্তম মুসলিমদের একজন এবং সিরিয়া বিজয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন। গাওস ইবনে মুরের সন্তানরা ইয়ামেনে ছিল, সেখানে মাআরিব নামক স্থানে সাদ গোত্র তাদের ওপর আক্রমণ করে এবং তাদের হত্যা করে, ফলে গাওস ইবনে মুরের বংশধারা বিলুপ্ত হয়ে যায়। বর্ণনাকারী বলেন, তামিিম ইবনে মুরের সন্তানদের নাম হলো যায়দ মানাত, আমর এবং হারিস। যায়দ মানাতের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে হাজিব, লাকিত এবং আলকামা—তারা যুরারার পুত্র। তাদের মা ছিলেন মাদিয়া আদ-দারিমিয়্যাহ, যিনি জাহেলিয়াত আমলের অন্যতম মহীয়সী নারী ছিলেন। যুরারা ছিলেন যুরারা ইবনে আদাস ইবনে যায়দ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে দারাম ইবনে মালিক ইবনে যায়দ মানাত ইবনে তামিিম ইবনে ইসমাইন ইবনে তামিিম ইবনে নুয়াইম ইবনে যায়দ ইবনে আবি নুয়াইম ইবনে উতারিদ ইবনে হাজিব। উতারিদের সন্তানদের নাম মালিক, কায়স, লাকিত, লাবিদ এবং উমাইদার। উমাইদারের সন্তানদের নাম মুহাম্মদ, লাকিত, আলকামা, খুযাইমা, আমর, আবু হারিস, মাসউদ, মালিক আল-কাতিব, লাবিদ এবং মাবাদ। তাদেরই একজন হলেন আল-কাক্কা ইবনে আমর ইবনে আউফ ইবনে কামকা ইবনে মাবাদ ইবনে যুরারা। তিনি বলেন, আদাস (আইন অক্ষরে পেশ এবং দাল অক্ষরে জবর)-এর সন্তানদের নাম জুমর, জুয়াল, সাদ, মাসউদ, শুরাহবিল, আমর এবং বানাওয়া। বর্ণনাকারী বলেন, যায়দ ইবনে উবাইদুল্লাহর সন্তানদের নাম রবিআ, হাইয়ান, আবদুল্লাহ, জাআ, মুররা, মালিক, মুয়াবিয়া, হারিস, হাম্মান এবং ইস্তাফাকাহ—যিনি আল-আহাম নামে পরিচিত এবং তার আসল নাম হলো আবদিল উযযা এবং আদাস, যার কথা আমরা ইতিপূর্বেই উল্লেখ করেছি। বনু দারামের মিত্রগোষ্ঠীসমূহতারা হলো যায়দ ইবনে আবদুল্লাহর সকল সন্তান, তবে বনু আদাস ইবনে যায়দ এর ব্যতিক্রম; তারা বনু আবদুল্লাহর অবশিষ্টদের সাথে অন্তর্ভুক্ত। আবদুল্লাহ ইবনে দারামের সন্তানদের নাম মুয়াবিয়া, মুররা, আবদ মানাত, ফাহম, মুনতাবিআ, মালিক, ফাইয়া, রাহিব, কান্নাহ এবং যায়দ; আর নেতৃত্বের ধারাটি যায়দ-এর বংশেই ছিল। দারামের প্রকৃত নাম ছিল বাহর। (পরিচ্ছেদ) দারাম প্রসঙ্গেদারাম শব্দের উৎপত্তি হয়েছে 'দারমান' থেকে, যার অর্থ হলো ছোট ছোট কদমে হাঁটা। যখন কেউ ছোট কদমে হাঁটে তখন বলা হয় 'জায় ইয়াদরুমু ফি মিশয়াতিহি'। আবার এমন লোককেও 'আদরাম' এবং নারীকে 'দারমা' বলা হয় যার হাড়ের কোনো উঁচু ভাব বা আয়তন প্রকাশ পায় না। দারামের সন্তানরা হলো আবদুল্লাহ, মুজাশে, নাহশাল, সাদূস, খায়বারি, জারির, আবান, জাওয়াল, মানাফ এবং সুলতান। জারিরের সন্তান হলো ফাকিম ইবনে জারির এবং সাদূসের সন্তান হলো হারব ইবনে সাদূস। আর মুজাশে নামের উৎপত্তি হয়েছে 'জাশা' শব্দ থেকে, যার অর্থ হলো অতিশয় লোভ। মুজাশে অত্যন্ত বাগ্মী ও সুবক্তা ছিলেন। তার সন্তানদের নাম আবদুল্লাহ, সালাবা, সুলাইতান, নুমান, আমর, আমির, মুজাশে, আহমার, আবইয়াদ, আহরাম, হারাম এবং সুফিয়ান। সুফিয়ানের বংশধর হলেন প্রখ্যাত কবি ফারাযদাক, যার নাম হাম্মাম ইবনে গালিব ইবনে সা'সাআ ইবনে নাজিয়া ইবনে ইকাল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে সুফিয়ান ইবনে মুজাশে। তাদেরই একজন হলেন আকরা ইবনে হাবিস ইবনে ইকাল (বংশলতিকার শেষ পর্যন্ত)। আকরার আসল নাম ছিল ফিরাস এবং তার ভাইয়ের নাম ইয়াযিদ ইবনে হাবিস। আর নাহশাল নামের উৎপত্তি হয়েছে তাদের কথা থেকে যখন মানুষ বৃদ্ধ হয় এবং শরীর কাঁপতে থাকে তখন তাকে 'নাহশালা' বা 'হানশালা' বলা হয়; এছাড়া নাহশাল নেকড়ে বাঘের নামগুলোর একটি। তার সন্তানদের নাম হারিস, জানদাল এবং সাখর। বনু সাখরের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে খুযাইমা ইবনে হাম ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে হানযালা ইবনে নাদলা ইবনে হারিস, আর তিনি হলেন মুতলাক ইবনে সাখর ইবনে নাহশাল। তাদের মধ্যে আরও আছেন আইয়ুন ইবনে নাদলা ইবনে ইকাল, যিনি ফারাযদাকের স্ত্রী আন-নাওয়ারের পিতা এবং তিনিই আয়েশা (রা.)-এর উটটিকে কুপিয়েছিলেন। তাদের আরও একজন হলেন আসওয়াদ ইবনে ইয়াফুর ইবনে আবদিল আসওয়াদ ইবনে জানদাল ইবনে নাহশাল। পরিচ্ছেদ: মালিক ইবনে হানযালার সন্তান কাব
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ১১)
وجُشَيش وعوفا وأبا الأسود ويربوع بنو مالك وبنو العدوية ويقال لعوف وأبي الأسود بن طية ويالق لبني طهية بني العدوية الحمال وفي كلهية بنو الشيطان تطن ويقال لربيعة وزراِم وكعب وحجيش الحسان، قال جرير أثعلبة الفوارس أو زياحا عدلت بهم طهية والحسانا. وفي بني طهية الشيطان بن زير ابن زهوان بن ربيعة بن أبي الأسود بن مالك. وأما حنظلة بن مالك فله ثمانية بنين ومنهم خمسة هم البراجم وهم عمرو وقيس وغالب وظلتم وهو الحرث وكلفة وإنما سموا البراجم لأنهم قالوا نجتمع اجتماع براجم الكف. والبراجم هي التي إذا قبضت كفك ظهرت، والثلاثة الآخرون هم مالك وربيعة ويربوع، وأولاد يربوع بن حنظلة رباح وثعلبة والحارث وصيره وكُليب وغدانة وهو الأسرس والعنبر وعمرو، فثعلبة وعمرو والحرث وصبيرة يسمون الأحمال وكليب وغدانة والعنبر يسممون العقد لأنهم تعاقدوا على رياح، واشتقاق غدانة من التغدن وهو الاسترخاء في الشيء، ومنهم ضائي بن الحرث بن أرطاه بن شهاب بن عبيد بن خاذل بن قيس بن حنظلة بن مالك بن سعد بن زيد بن مناة بن تميم، ومن ولد عوف بن كليب بن يربوع جرير بن عطية بن الخطفي وهو حذيفة بن زيد بن مسلمة بن زيد بن كليب بن يربوع، ومن بني العنبر بن يربوع سجاح التي تنبأت وتزوجت مسيلمة الكذاب، وهي سجاع بنت الأسود بن أوس بن حق بن أسامة ابن العنبر بن يربوع وفيها يقول عطارد بن حاجب:أضحت نَبّيتُنَا أُنثى يطيف بها … وقد نرى أنبياء الناس ذُكْرَانَاقال وعمرو بن يربوع الذي تروج السعلاة فقيل له انك تجدها خير امرأة ما لم تر برقا فكان يسد خصاص البيت فولدت له عسلا وضمضما ثم إنها رأت في بعض الأوقات برقا فقالت (أمسك بنيك عمرواني آبق برق على أرض السعالي) ، ثم ابقت منه ومرت وفيهم يقول بعض الرجاز:ياقَاتَل اللهُ بني السَّعْلَات،عَمرو بني يَرُبُوع ضَرِار النّات،غَير اُعفَاءٍ ولا أكياسٍ،أراد شرار الناس وغير أكياس فأبدل السين تاء. (فصل) وأما مالك بن زيد بن مناةوأولاده مرة وثعلبة وربيعة ومعاوية وقيس وسعد وبكر ويقال لمعاوية وقيس بن مالك الكردوسان لأنهما كانا ينزلان معا، وأما زيد مناة بن تميم فأولاده سعد وهو الفرزدق وصبير وعمرو وعبد الله وصرامه فولد سعد وهو عوافة البنا وهم الحرث وجشم وعصية وحماد وأمروء القيس وكعب عَبد شمس بضم الباء في الرفع والنصب والجر وأصله عب شمس أي عدل شمس سمى بذلك لضخامته، فمن ولد كعب بن سعد بن زيد مناة الحمار وهو عبد العزى بن كعب بن سعد، ومنهم سيد أهل الوبر قيس بن عاصم بن سنان بن خالد بن منقذ بن عبيد بن الحرث وهو مقاعس بن عمرو بن كعب بن سعد بن زيد بن مناة، كان لقيس بن عاصم ثلاث وثلاثون ولدا منهم القعقاع وسماح وطلبه وهن ولد طلبة مية صاحبة ذو الرمة، ومنهم الأحارث ونعم بطنان، بنو ربيعة بن سعد وبنو الأعرج بن سعد، ومنهم حداث بن مربع بن عوف بن كعب بن سعد، ومنهم مالك بن امرئ القيس بن زيد مناة، ومنهم السليل بن سعد بن مري بن سنان بن حمير بن مقاعس وهو الحرث بن عمرو بن كعب بن سعد بن زيد مناة وإنما سمى مقاعسا لأنه تقاعس في بني سعد وكان أحد فرسان العرب وأشعرهم، ومنهم الزبرقان ابن بدر بن امرئ القيس بن خلف بن بهدلة بن عوف بن كعب بن سعد بن زيد مناة. وسمى الزبرقان بن بدر بن امرئ القيس لجماله وكان يقال له قمر نجد واسمه الحصين، ومنهم الأحنف صخر بن قيس بن معاوية بن حصين بن عباد ابن عرة بن عبيد إلى آخر النسب، (فصل) وأما عمرو بن تميم فأولاده مالك وكعب وعنتر والحارث والهجيم وأسيد والصليب. اًما أسيد فهو تصغير أسود في لغة بني تميم يلقب بالحبط وبنوه بالحبطان لقب بذلك لأنه أكل صمعا كبيرا فحيط بطنه أي ورم، ومن بني أسيد بن عمرو الشاعر أوس بن حَجَر بتحريك الحاء والجيم بن غياث بن عبد الله بن عدي بن نمر بن أسيد بن عمرو، ومنهم أكثر بن صيفي بن رباح بن الحرث بن محاسن بن معاوية بن شريف بن حروة بن أسيد بن عمرو، وكان من حكماء العرب في الجاهلية وبلغ عمره مائة وتسعين سنة وهوا لقائل وان امرأ قد عاش تسعين حجة إلى مائة يسأم العيش جاهده.
জুশায়েশ, আওফ, আবুল আসওয়াদ এবং ইয়ারবু হলো মালিকের সন্তান। তারা বনু মালিক ও বনু আদাবিয়্যাহ নামে পরিচিত। আওফ এবং আবুল আসওয়াদকে বনু তাহিয়্যাহ বলা হয় এবং বনু আদাবিয়্যাহকে আল-হাম্মাল বলা হয়। বনু শাইতানও এর অন্তর্ভুক্ত। রাবিআহ, যিরাম, কাব এবং হুজাইশকে আল-হাসান বলা হয়। জারীর বলেছেন: ‘তোমরা কি বনু সালাবাহ আল-ফাওয়ারিস বা যিয়াহকে তাহিয়্যাহ এবং হাসান বংশের সমতুল্য মনে করেছ?’ বনু তাহিয়্যাহর মধ্যে রয়েছে শাইতান ইবনে যায়ের ইবনে যাহওয়ান ইবনে রাবিআহ ইবনে আবি আসওয়াদ ইবনে মালিক। আর হানজালাহ ইবনে মালিকের আটজন পুত্র ছিল। তাদের মধ্যে পাঁচজন হলো ‘আল-বারাজিম’। তারা হলো আমর, কায়স, গালিব, জুলম (যিনি হারিস) এবং কুলফাহ। তাদের বারাজিম বলা হয় কারণ তারা বলেছিল: ‘আমরা হাতের আঙুলের গাঁটের (বারাজিম) মতো একত্রিত হবো।’ বারাজিম হলো সেই গাঁট যা মুষ্টিবদ্ধ করলে প্রকাশ পায়। বাকি তিনজন হলো মালিক, রাবিআহ এবং ইয়ারবু। হানজালাহ ইবনে মালিকের পুত্র ইয়ারবুর সন্তানরা হলো রাবাহ, সালাবাহ, আল-হারিস, সয়রাহ, কুলাইব, গুদানাহ (যিনি আসরাস), আনবার এবং আমর। সালাবাহ, আমর, হারিস এবং সাবীরাহকে ‘আল-আহমাল’ বলা হয়। আর কুলাইব, গুদানাহ এবং আনবারকে ‘আল-উকাদ’ বলা হয় কারণ তারা রাবাহর বিরুদ্ধে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল। গুদানাহ শব্দটি ‘তাগাদুন’ থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ কোনো বিষয়ে শিথিলতা। তাদের মধ্যে রয়েছেন জায়ী ইবনুল হারিস ইবনে আরতাহ ইবনে শিহাব ইবনে উবায়েদ ইবনে খাযিল ইবনে কায়স ইবনে হানজালাহ ইবনে মালিক ইবনে সাদ ইবনে যায়েদ মানাত ইবনে তামীম। আওফ ইবনে কুলাইব ইবনে ইয়ারবুর বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন জারীর ইবনে আতিয়্যাহ ইবনুল খাতফি (খাতফি হলো হুযাইফাহ ইবনে যায়েদ ইবনে মুসলিমাহ ইবনে যায়েদ ইবনে কুলাইব ইবনে ইয়ারবু)। বনু আনবার ইবনে ইয়ারবুর বংশে সাজাহ জন্মেছিলেন, যিনি নবুওয়াতের দাবি করেছিলেন এবং মুসায়লামাহ আল-কাযযাবকে বিয়ে করেছিলেন। তিনি সাজাহ বিনতে আসওয়াদ ইবনে আওস ইবনে হাক্ক ইবনে উসামা ইবনে আনবার ইবনে ইয়ারবু। তার সম্পর্কে উতারিদ ইবনে হাজিব বলেন:আমাদের নবী এখন এক নারী যার চারপাশে মানুষ প্রদক্ষিণ করে … অথচ আমরা জানতাম মানুষের নবীরা পুরুষ হয়ে থাকেন।বলা হয়, আমর ইবনে ইয়ারবু এক সুয়ালাত (বনমানুষ সদৃশ এক প্রকার জীন)-কে বিয়ে করেছিলেন। তাকে বলা হয়েছিল যে, যতক্ষণ সে বিদ্যুৎ না দেখবে ততক্ষণ সে হবে তার জন্য সর্বোত্তম নারী। তাই তিনি ঘরের ছিদ্রগুলো বন্ধ করে রাখতেন। সেই নারীর গর্ভে আমরের আসাল এবং দামদাম নামে দুই পুত্র জন্মে। এরপর একদিন সে বিদ্যুৎ দেখে ফেলে এবং বলে: ‘হে আমর, তোমার সন্তানদের সামলাও, সুয়ালাতদের দেশে বিদ্যুৎ চমকালো।’ এরপর সে পালিয়ে যায়। তাদের সম্পর্কে জনৈক ছন্দকার বলেন:আল্লাহ সুয়ালাত-এর সন্তানদের ধ্বংস করুন,আমর ইবনে ইয়ারবুর বংশের নিকৃষ্ট লোকগুলোকে,তারা ক্ষমাশীল নয় এবং বুদ্ধিমানও নয়,এখানে মানুষের মধ্যে নিকৃষ্ট এবং নির্বোধ বুঝাতে ‘সীন’ বর্ণের স্থলে ‘তা’ বর্ণ ব্যবহার করা হয়েছে। (পরিচ্ছেদ) মালিক ইবনে যায়েদ মানাততার সন্তানরা হলো মুররাহ, সালাবাহ, রাবিআহ, মুআবিয়া, কায়স, সাদ এবং বকর। মুআবিয়া এবং কায়স ইবনে মালিককে ‘আল-কুরদুসান’ বলা হয় কারণ তারা একত্রে বসবাস করত। যায়েদ মানাত ইবনে তামীমের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে সাদ, সাবীর, আমর, আবদুল্লাহ এবং সারামাহ। সাদের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে আওয়াহিল বান্না, তারা হলো হারিস, জুশাম, আসিয়্যাহ, হাম্মাদ, ইমরাউল কায়স এবং কাব আবদু শামস (রফা, নসব এবং জর—সব অবস্থাতেই ‘বা’ বর্ণে পেশ সহকারে)। এর মূল হলো ‘আব শামস’ অর্থাৎ সূর্যের সমতুল্য; তার বিশাল দেহের কারণে তাকে এই নামে ডাকা হতো। কাব ইবনে সাদ ইবনে যায়েদ মানাতের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন ‘আল-হিমার’, তিনি হলেন আবদুল উযযা ইবনে কাব ইবনে সাদ। তাদের মধ্যে রয়েছেন বেদুঈনদের নেতা কায়স ইবনে আসিম ইবনে সিনান ইবনে খালিদ ইবনে মুনকিয ইবনে উবায়েদ ইবনুল হারিস (যিনি মুকায়সিস ইবনে আমর ইবনে কাব ইবনে সাদ ইবনে যায়েদ মানাত)। কায়স ইবনে আসিমের তেত্রিশজন সন্তান ছিল। তাদের মধ্যে আল-কাক্কা, সামাহ এবং তালাবাহ উল্লেখযোগ্য। তালাবাহর কন্যা ছিলেন মিয়্যাহ, যিনি যু-রুম্মাহর প্রেমিকা ছিলেন। তাদের মধ্যে আহাসির এবং নুয়াম নামক দুটি গোত্র রয়েছে। তারা হলো বনু রাবিআহ ইবনে সাদ এবং বনু আরায ইবনে সাদ। তাদের মধ্যে রয়েছেন হিদাস ইবনে মুর্বাই ইবনে আওফ ইবনে কাব ইবনে সাদ। তাদের মধ্যে রয়েছেন মালিক ইবনে ইমরাউল কায়স ইবনে যায়েদ মানাত। আরও রয়েছেন সালীম ইবনে সাদ ইবনে মুররি ইবনে সিনান ইবনে হিময়ার ইবনে মুকায়সিস (যিনি হারিস ইবনে আমর ইবনে কাব ইবনে সাদ ইবনে যায়েদ মানাত)। তাকে মুকায়সিস বলা হয় কারণ তিনি বনু সাদের সাথে থাকাকালীন পিছিয়ে গিয়েছিলেন, তিনি ছিলেন আরবের অন্যতম বীর এবং কবি। তাদের মধ্যে রয়েছেন যিবরাকান ইবনে বদর ইবনে ইমরাউল কায়স ইবনে খালাফ ইবনে বাহদালাহ ইবনে আওফ ইবনে কাব ইবনে সাদ ইবনে যায়েদ মানাত। যিবরাকান ইবনে বদরকে তার সৌন্দর্যের কারণে এই নাম দেওয়া হয়েছিল এবং তাকে ‘নাজদের চাঁদ’ বলা হতো; তার প্রকৃত নাম ছিল হুসাইন। তাদের মধ্যে রয়েছেন আল-আহনাফ সাখর ইবনে কায়স ইবনে মুআবিয়া ইবনে হুসাইন ইবনে আব্বাদ ইবনে আররা ইবনে উবায়েদ—বংশপরম্পরার শেষ পর্যন্ত। (পরিচ্ছেদ) আমর ইবনে তামীম। তার সন্তানরা হলো মালিক, কাব, আনতার, আল-হারিস, আল-হুজাইম, উসাইদ এবং আস-সালীব। উসাইদ শব্দটি বনু তামীমের ভাষায় ‘আসওয়াদ’ শব্দের ক্ষুদ্রার্থবোধক। তাকে ‘আল-হাবিত’ উপাধি দেওয়া হয়েছিল এবং তার সন্তানদের ‘আল-হাবিতান’ বলা হতো। তাকে এই উপাধি দেওয়ার কারণ হলো তিনি প্রচুর পরিমাণ আঠা খেয়েছিলেন যার ফলে তার পেট ফুলে গিয়েছিল। উসাইদ ইবনে আমরের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন কবি আওস ইবনে হাজার (হা এবং জীম বর্ণে যবর সহকারে) ইবনে গিয়াস ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আদি ইবনে নামির ইবনে উসাইদ ইবনে আমর। তাদের মধ্যে রয়েছেন আকসাম ইবনে সাইফি ইবনে রাবাহ ইবনুল হারিস ইবনে মাহাসিন ইবনে মুআবিয়া ইবনে শরীফ ইবনে হারওয়াহ ইবনে উসাইদ ইবনে আমর। তিনি জাহেলি যুগে আরবের অন্যতম প্রজ্ঞাবান ব্যক্তি ছিলেন এবং একশত নব্বই বছর জীবন পেয়েছিলেন। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি বলেছিলেন: যে ব্যক্তি নব্বই বছর থেকে একশত বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে, শত চেষ্টা করলেও সে জীবনের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়ে।
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ১২)
وأكثم اشتقاقه من الكتامة وهي عظم البطن، ومنهم أبو هالة بن زرارة ابن نباس بن عدي بن حبيب بن مرداس بن سلامة بن جررة بن أسيد بن عمرو ابن تميم كان زوجا لخديجة بنت خويلد قبل رسول الله صلى الله عليه وسلم، ومن ولد الحرث بن تميم جشم والحرث وكعب بنو شفرة وهو معاوية بن الحرث بن تميم وإنما سمى شعره لبيت خالد وهو: وقد أحملُ الرمحَ الأصمّ كعوبُه به من دماء القوم كالشقر والشقرة نور ويشبه بالشقائق، قال: وعلى الخيل دما كالشقر. ومن ولد الحرث غيلان بن تميم وغيكن وغسان والجرماز وهو الحرث بن عبد الله بنو مالك ابن عمرو بن تميم وزينبة بن مازن بن مالك بن عمرو بن تميم هؤلاء القبائل يسمون الحِسّان، ومن ولد مازن بن مالك الضبارى بن حجبة بن كنانية بن هرقوسص بن مازن، ومن ولد كنانية بن حرقوص الخارجي قطري بن الفجاءة وكان يكنى أبا نعامة خرج في زمن عبد الله بن الزبير وهي بن عشرين سنة يسلم عليه بالخلافة وقد نسبه قوم في بني تميم واشتقاق مازن من اِلمزن وهو السحاب ويقال فلان يتمزن علينا إذا كان سخى والمازن بيض النمل أيضا وفي العرب مازن بطون منهم هذا مازن بن مالك بن عمرو بن تمسم، ومازن بن صعصعة أخو عامر بن صعصعة، ومازن بن شيبان ومازن بن منصور أخو هوازن وسليم ومازن المعروفة في زبيد بن مذحج، ومازن بن النجار في الأنصار، ومازن بن فزارة بن ذبيان، ومازن بن ثعلبة بن سعد بن سعد بن ذبيان ومازن بن الأزد بن الغوث، وقال سد عمرو بن النجيم بن عمرو بن تميم لحارث ومعاوية وهبيرة يسموق الأجمال وهم بنو دعة بنت معن وهي من ولد اياد بن نزار تروجها عمرو بن حندب بن العنبر بن عمرو بن تمسم فوللدت له النجيم بن عمرو ابن تميم، فهذه قبيل تميم وبطونها وهي الهجيمي والعنبري والمازني والدارمي والمجاشعي والنهشلي والسدوسي والسلا والشمسيو الربوعي والرياحى والسليطي والرحمي، والفواني، والمنقَري، والسَّعدي، والعُطارِدي في أخرين احتقرناهم فهذه قبائل ولد الياس بن مضر، وبنوه قبايل قيس بن غيلان بن مضر بن نزار، نسب قيس بن عيلان: قال ولد مضر الياس والناس وبالنون وتشديد السين من قولك نسيت الخبر إذا أخفيته ونست الحمية إذا سعت وهو عيلان وإنما سمي عيلان لأنه كان فقيرا وكان يسأل أخاه فقال له إنما أنت عَيِال على فَسُمّي عيلان. وقيل سُمي عيلان باسم حاضن حضنته لمضر بن نزار واسمه عيلان كما نسبت العرب إلى من يحضنها وقيل سمي عيلان وكان رجل من نحيلة يقال له قيس وله فرس أمان له كبة وكانا متجاورين وفرساهما مشهوران فقيل قيس غيلان وقيس كبة فقيس غيلان وهو قيس مضر وقيس كبة هو قيس مضر بن الغوث بن نجيلة فعلى هذا هو قيس بن مضر والصحيح المشهور أنه قيس عيلان وهو الناس بن مضر، مال فولد حفصة وسعدا وعمرا وقد قيل إن له ولدا رابعا اسمه مرة وانه خرج من الحجاز في طلب ابل له في ناحية المغرب فوقع في بلاد البربر فتروج بامرأة منهم فأولدها وأقام بينهم حتى مات وانتشر ولده فيقال إن طائفة من البربر من ولده، وقد أنكر هذا كثيرا من الناس ولا يعرفون له إلا ثلاثة أولاد. (فصل) أما خصفة.
আকসাম (Aktham) শব্দটির ব্যুৎপত্তি হলো ‘কিতামা’ থেকে, যার অর্থ হলো উদরের বিশালতা। তাদের মধ্য থেকে আবু হালা ইবনে যুরারা ইবনে নাব্বাশ ইবনে আদি ইবনে হাবিব ইবনে মিরদাস ইবনে সালামা ইবনে জুরারা ইবনে আসাদ ইবনে আমর ইবনে তামীম ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পূর্বে খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদের স্বামী। হারিস ইবনে তামীমের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে জুশাম, হারিস এবং কাব। শাফরা হলো মুয়াবিয়া ইবনে হারিস ইবনে তামীম। তার কবিতার কারণে তাকে শাফরা বলা হতো যা খালিদের এই কবিতা থেকে নেওয়া: ‘আমি নিরেট বর্শা বহন করি যার গাঁটগুলো মানুষের রক্তে রঞ্জিত, যেন তা লাল বর্ণের ফুল’। শুচরা বলতে লাল আভা বা ফুল বোঝায় যা শাকাইক (লাল টিউলিপ) এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তিনি বলেছেন: ঘোড়ার ওপর রক্ত লাল ফুলের মতো দেখাচ্ছিল। হারিসের সন্তানদের মধ্যে আরও রয়েছে গাইলান ইবনে তামীম, গাইকান, গাসসান এবং জিরমায। তারা হলো হারিস ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মালিক ইবনে আমর ইবনে তামীমের সন্তান। আর যাইনাবা ইবনে মাযিন ইবনে মালিক ইবনে আমর ইবনে তামীম। এই গোত্রগুলোকে ‘হিসসান’ (সুশ্রী) বলা হয়। মাযিন ইবনে মালিকের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে জাবারী ইবনে হুজবা ইবনে কিনানিয়া ইবনে হারকুস ইবনে মাযিন। কিনানিয়া ইবনে হারকুসের বংশধরদের মধ্যে রয়েছে খারেজি কাতারি ইবনে আল-ফুজাআ, যার উপনাম ছিল আবু নামামা। তিনি আবদুল্লাহ ইবনে জুবায়েরের সময়ে বিদ্রোহ করেন এবং বিশ বছর পর্যন্ত তাকে খলিফা হিসেবে সালাম দেওয়া হতো। কিছু লোক তাকে বনু তামীমের অন্তর্ভুক্ত বলে উল্লেখ করেছেন। মাযিন শব্দের ব্যুৎপত্তি হলো ‘মুযন’ থেকে যার অর্থ মেঘ। বলা হয়, অমুক ব্যক্তি আমাদের ওপর ‘ইয়াতামায্যানু’ করছে, যখন সে দানশীল হয়। আবার মাযিন বলতে পিঁপড়ার ডিমও বোঝায়। আরবদের মধ্যে মাযিন নামে অনেকগুলো শাখা রয়েছে। তাদের মধ্যে এই মাযিন ইবনে মালিক ইবনে আমর ইবনে তামীম অন্যতম। এছাড়া রয়েছে মাযিন ইবনে সা’সাআ (আমের ইবনে সা’সাআর ভাই), মাযিন ইবনে শায়বান, মাযিন ইবনে মানসুর (হাওয়াযিন ও সুলাইমের ভাই), জুবায়দ ইবনে মাজহিজ গোত্রের পরিচিত মাযিন, আনসারদের মধ্যে মাযিন ইবনে নাজ্জার, মাযিন ইবনে ফাযারা ইবনে যুবইয়ান, মাযিন ইবনে সা’লাবা ইবনে সা’দ ইবনে যুবইয়ান এবং মাযিন ইবনে আযদ ইবনে গাওস। আমর ইবনে নুজাইম ইবনে আমর ইবনে তামীম তার সন্তান হারিস, মুয়াবিয়া ও হুবায়রা সম্পর্কে বলেছেন, তাদের ‘আজমাল’ (উটসমূহ) বলা হতো। তারা হলো দাআ বিনতে মা’ন-এর সন্তান। তিনি ছিলেন ইয়াদ ইবনে নিযারের বংশধর এবং আমর ইবনে হানদাব ইবনে আনবার ইবনে আমর ইবনে তামীমের স্ত্রী ছিলেন। তাদের ঘরেই নুজাইম ইবনে আমর ইবনে তামীম জন্মগ্রহণ করেন। এগুলো হলো তামীম গোত্র ও এর শাখাসমূহ: হুজাইমী, আনবারী, মাযিনী, দারিমী, মুজাশিয়ী, নাহশালি, সাদূসী, সালামী, শামসী, রাবূয়ী, রিয়াহী, সুলাইতী, রাহমী, ফাওয়ানী, মানকারী এবং সা’দী ও উতারিদীসহ আরও অনেকে যাদের কথা আমরা সংক্ষেপে উল্লেখ করেছি। এগুলো হলো ইলিয়াস ইবনে মুদারের বংশধরদের গোত্র। আর তার ভাইয়েরা হলো কাইস ইবনে গাইলান ইবনে মুদার ইবনে নিযারের গোত্রসমূহ। কাইস ইবনে গাইলানের বংশপরিচয়: বলা হয় যে, মুদারের সন্তান ছিল ইলিয়াস এবং নাস (নূন ও সীন দিয়ে)। ‘নাস’ শব্দটি ‘নাসিতুল খবর’ (খবরটি আমি গোপন করেছি) থেকে এসেছে অথবা ‘নাসতুল হামিয়্যাহ’ থেকে এসেছে। তিনিই হলেন গাইলান। তাকে গাইলান বলার কারণ হলো তিনি দরিদ্র ছিলেন এবং তার ভাইয়ের কাছে সাহায্য চাইতেন। তার ভাই তাকে বলতেন, ‘তুমি তো আমার ওপর নির্ভরশীল (আইয়াল)’, এভাবেই তার নাম গাইলান হয়ে যায়। অন্যমতে, গাইলান ছিল মুদার ইবনে নিযারের লালন-পালনকারীর নাম এবং সেই নামেই তাকে ডাকা হতো, যেমন আরবরা তাদের লালন-পালনকারীর নামে নিজেদের পরিচয় দিত। আবার বলা হয় যে, নুহায়লা গোত্রের কাইস নামে এক ব্যক্তি ছিল এবং তার কাছে একটি ঘোড়া ছিল যার নাম ছিল কাব্বা। তারা প্রতিবেশী ছিল এবং তাদের উভয়ের ঘোড়া বিখ্যাত ছিল। তাই তাদেরকে কাইস গাইলান এবং কাইস কাব্বা বলা হতো। কাইস গাইলান হলো মুদারের কাইস, আর কাইস কাব্বা হলো মুদার ইবনে গাওস ইবনে নুজাইলার কাইস। এই বর্ণনা মতে তিনি মুদারের পুত্র কাইস। তবে বিশুদ্ধ ও প্রসিদ্ধ মত হলো তিনি কাইস গাইলান এবং তিনিই মুদারের পুত্র নাস। তার তিন সন্তান ছিল: খাসাফা, সা’দ এবং আমর। বলা হয়ে থাকে যে, তার চতুর্থ এক পুত্র ছিল যার নাম মুররা। সে তার উট খুঁজতে হিজায থেকে বের হয়ে মাগরিবের (মরক্কো/উত্তর আফ্রিকা) দিকে চলে যায় এবং সেখানে বারবার (বার্বার) গোত্রের এক নারীকে বিয়ে করে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। সেখানে তার বংশবিস্তার ঘটে এবং বলা হয় যে বারবারদের একটি গোষ্ঠী তার বংশধর। তবে অনেক ঐতিহাসিক এই বিষয়টি অস্বীকার করেছেন এবং তারা কেবল তার তিন সন্তানের কথাই জানেন। (পরিচ্ছেদ) খাসাফা প্রসংগ
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ১৩)
فولد عكرمة ومحاربا. قال الكلبي: عكرمة بن حصفة بن قيس والله أعلم، قال فمن ولد محارب بن حصفة. حداد بن معاوية بن سعد بن بداوة بن ذهل بن طريف بن خلف بن محارب ووحش بن محارب، وأما عكرمة فمن ولده منصور وأبو مالك فمن ولد أبي مالك الحرث والدؤل بنا حماز بن رباح ابن أبي مالك بن عكرمة، وأما منصور فولد هوازن ومازنا وسليما وسلامان، نسب هوازن. قال: هوازن جمع هوزن وهو ضرب من الطير ومن ولد هوازن بكر وحرب. فمن ولد بكر معاوية وسعيد ومنبه، فمن ولد معاوية خالد وعمر وأبو عمرو وهو خالد بن جعفر بن كلاب بن ربيعة بن عامر بن صعصعة بن معاوية بن بكر بن هوازن بن منصور بن عكرمة بن خضفة بن قيس، فمن ولد خالد بن جعفر عمر وعامر وعويمر وأنس وحضن وضريم وصر، ومن ولد أربد بن قيس بن جرير خالد. ومن ولد جعفر بن كلاب معاوية وغيد وسليم وعتبة ومالك والاحوص فمن ولد الأحوص علقمة بن علاثة بن عوف بن الأحوص بن جعفر، ومن ولد مالك عامر بن الطفيل بن مالك بن جعفر ولبيد بن ربيعة بن مالك وأبو براء ملاعب الأسنة ومعاوية معود. الحكماء وعبيدة الوضاح وطفيل الجندل فان بين قدر وربيعة المعمرين أما لبيد وأمهم أن النهدين بنت ربيعة بن عمرو بن عامر بن ربيعة بن عامربن صعصعة وفي ذلك يقول لبيد: تحوسوا أم البنين الأربعة ونحن خير عامر بن صعصعة جعلهم أربعهّ للقافية وهم خمسة وأسلم لبيد بن ربيعة وهو القائل: الحمد لله الذي لم يأتني أجلى حتى اكتسيت من الإسلام سريالا وسليمان بن مالك وهو النازل لما ضيّق ومنهم أبو شريك ومنهم عروة الرجال ابن عقبة بن جعفر. (فصل) ومن أولاد كلاب بن ربيعةشرحبيل بن قرط بن الأعور بن عمرو بن معاوية بن كلاب وكعب وهو الأضبط والوحيد وعبد الله وأبو بكر واسممه عبيد وخداش وعبد وعمرو وربيعة ومعاوية وعامر والحوث وهو قاشف وجعفر وقد ذكرناه، فمن ولد الأضبط جبير بن وهب ابن زيد بن الأضبط ومنهم الضَباب وهم ضَبَّ وضَبيب وحِسل وحُسَيل بن عمرو ابن معاوية بن كلاب ومن الضباب شمرذي الجوشن لعنه الله ولا بارك فيه قاتل الحسين بن علي صلوات الله عليه، ومنهم يزيد وزرعة وعبس بنو عمرو بن الصحن ومنهم الشاعر باهص بن نونه بن نصح بن نهيك بن إمام بن جهضم بن شهاب بن أنس بن زمعة بن كلب بن أبي بكر بن كلاب. (فصل) ومن ولد ربيعة في عامرابن صعصعة بن كلاب وقد ذكرناه وكعب وعامر. فمن ولد كعب بن ربيعة كلاب وكليب وعبد الله العجلان وحبيب وجعدة والحراش وقسير وعقيل فأولاد عقيل ثوبة بن الحمير بن ربيعة بن كعب بن خفاجة بن عمرو بن عقيل ابن كعب ربيعة وعامر وهما حليفان، وعمرا وعباد، وعمرا وعباد حليفان وعوف ومعاوية حليفان وعبد الله. ومن بني عامر بن ربيعة بشر بن معاوية ابن ربيعة البكاء قاتل زهير بن حذيمة، ومنهم العجلان وهو عبد الله بن كعب بن ربيعة، ومن بني جعدة بن كعب بن ربيعة ومن بني جعدة بن كعب بن ربيعة النابغة الجعدي ولد قبل مولد النابغة الذبياني وامتّد عمره إلى أن أدر ك الإسلام والنبي صلى الله عليه وسلم وأمن به وعُمَر إلى خلافة بن الزبير ومدحه في المسجد الحرام وكان عمره مائتي سنة وأخوه وَحوح بنا عبد الله بن عمر بن عُدَس بني ربيعة شرف بني عامر بن صعصعة وإياهم عنا جرير بن الخطفي قول الراعى:فغض الطرف انك من نمير … فلا كعباً بلغت ولا كلاباونمير بن غامر بن صعصعة على ما يأتي ذكره إن شاء الله تعالى قال أتى كعب في منامه فقيل له كبرت سنك ودق عظمك وحضر أجلك فقل لولدك فليتمنوا فانهم سيعطون أمانيهم قال فجمعهم فقال لهم تمنوا فقال الحُريش أتمنى النغظَ والقوة على النساء فهم أنكح بني عامر وقال قشير أتمنى البقاء والجمال فهم أجمل بني عامر وأطولهم عمرا، فقال عامر اللبن والتمر فهم أكثر بني عامر لبنا وتمرا، وقال عقيل: أتمنى الإبل والعز والشدة فليس في بني عامر أشد ولا أعز منهم وهم أكثر إبلا. (فصل) وأما عامر في صعصعة
অতঃপর ইকরিমাহ ও মুহারিব জন্মগ্রহণ করেন। কালবী বলেন: ইকরিমাহ ইবনে হাসফাহ ইবনে কাইস এবং আল্লাহই ভালো জানেন। তিনি বলেন, মুহারিব ইবনে হাসফাহর বংশধররা হলেন: হাদ্দাদ ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে সাদ ইবনে বাদাওয়াহ ইবনে যুহল ইবনে তারিফ ইবনে খালাফ ইবনে মুহারিব এবং ওয়াহশ ইবনে মুহারিব। আর ইকরিমাহর সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন মনসুর ও আবু মালিক। আবু মালিকের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে হারিস ও দুউল। তারা হাম্মাজ ইবনে রাবাহ ইবনে আবু মালিক ইবনে ইকরিমাহ-এর সন্তান। আর মনসুর হওয়াজিন, মাযিন, সুলাইম ও সালামানকে জন্ম দেন। হওয়াজিনের বংশধারা সম্পর্কে তিনি বলেন: হওয়াজিন হলো 'হাওযান'-এর বহুবচন যা এক প্রকার পাখি। হওয়াজিনের সন্তানদের মধ্যে বকর ও হারব রয়েছে। বকর ইবনে হওয়াজিনের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন মুয়াবিয়া, সাইদ ও মুনাব্বিহ। মুয়াবিয়ার সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন খালিদ, উমর ও আবু আমর। তিনি হলেন খালিদ ইবনে জাফর ইবনে কিলাব ইবনে রাবিআহ ইবনে আমির ইবনে সা'সাআহ ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে বকর ইবনে হওয়াজিন ইবনে মনসুর ইবনে ইকরিমাহ ইবনে হাসফাহ ইবনে কাইস। খালিদ ইবনে জাফরের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন উমর, আমির, উওয়াইমির, আনাস, হাসান, যারিম ও সর। আর আরবাদ ইবনে কাইস ইবনে জারিরের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন খালিদ। জাফর ইবনে কিলাবের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন মুয়াবিয়া, গীদ, সুলাইম, উতবাহ, মালিক ও আহওয়াস। আহওয়াসের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন আলকামাহ ইবনে উলাসাহ ইবনে আউফ ইবনে আহওয়াস ইবনে জাফর। মালিকের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন আমির ইবনে তুফাইল ইবনে মালিক ইবনে জাফর, লাবিদ ইবনে রাবিআহ ইবনে মালিক, এবং আবু বারা—যিনি বর্শার ক্রীড়াবিদ নামে পরিচিত, এবং মুয়াবিয়া—যিনি জ্ঞানীদের শিক্ষক নামে পরিচিত, এবং উবাইদাহ আল-ওয়াদদাহ ও তুফাইল আল-জানদাল। কারণ কদর ও রাবিআহর মধ্যে দীর্ঘায়ু ব্যক্তিরা ছিলেন। লাবিদের কথা যদি বলি, তবে তাদের মা ছিলেন আন-নাহদাইন বিনতে রাবিআহ ইবনে আমর ইবনে আমির ইবনে রাবিআহ ইবনে আমির ইবনে সা'সাআহ। এই সম্পর্কেই লাবিদ বলেন: "তোমরা চারজন উম্মুল বানিনের সন্তানদের খোঁজ করো, অথচ আমরাই আমির ইবনে সা'সাআহ গোত্রের সেরা অংশ।" তিনি কবিতার অন্ত্যমিলের জন্য তাদের চারজন বলেছেন, যদিও তারা ছিলেন পাঁচজন। লাবিদ ইবনে রাবিআহ ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং তিনিই বলেছিলেন: "সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি আমার মৃত্যু নিয়ে আসেননি যতক্ষণ না আমি ইসলামের পোশাক পরিধান করেছি।" সুলাইমান ইবনে মালিকও তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, যিনি সংকীর্ণতার সময় সাহায্যকারী হিসেবে আবির্ভূত হতেন। তাদের মধ্যে আরও ছিলেন আবু শারিক এবং উরওয়াতুর রিজাল ইবনে উকবাহ ইবনে জাফর। (পরিচ্ছেদ) কিলাব ইবনে রাবিআহর সন্তানদের বর্ণনাশারাহবিল ইবনে কুরত ইবনে আওয়ার ইবনে আমর ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে কিলাব এবং কাব—যিনি আজবাত নামে পরিচিত, এবং ওয়াহিদ, আবদুল্লাহ, আবু বকর—যার নাম উবাইদ, এবং খিদাস, আবদ, আমর, রাবিআহ, মুয়াবিয়া, আমির এবং হাউজ—যিনি কাশিফ নামে পরিচিত, এবং জাফর—যার কথা আমরা ইতিপূর্বে উল্লেখ করেছি। আজবাতের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন জুবাইর ইবনে ওয়াহাব ইবনে জাইদ ইবনে আজবাত। তাদের মধ্যে দবাব গোত্রও রয়েছে, যারা হলেন—দব্ব, দাবিব, হিসল ও হুসাইল ইবনে আমর ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে কিলাব। দবাব গোত্রের মধ্যেই শিমার যিল জাওশান (আল্লাহর অভিশাপ তার ওপর বর্ষিত হোক এবং আল্লাহ তাতে বরকত না দিন) অন্তর্ভুক্ত, যে ছিল হুসাইন ইবনে আলী (আল্লাহর রহমত তাঁর ওপর বর্ষিত হোক)-এর হত্যাকারী। তাদের মধ্যে আরও রয়েছে ইয়াজিদ, যারআহ এবং আবস—তারা আমর ইবনে সাহনের পুত্র। তাদের মধ্যে কবি বাহিস ইবনে নুনাহ ইবনে নুসহ ইবনে নাহিক ইবনে ইমাম ইবনে জাহদাম ইবনে শিহাব ইবনে আনাস ইবনে জামআহ ইবনে কালব ইবনে আবু বকর ইবনে কিলাবও রয়েছেন। (পরিচ্ছেদ) আমির গোত্রের মধ্যে রাবিআহর সন্তানদের বর্ণনাইবনে সা'সাআহ ইবনে কিলাব—যাদের কথা আমরা উল্লেখ করেছি, এবং কাব ও আমির। কাব ইবনে রাবিআহর সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন কিলাব, কুলাইব, আবদুল্লাহ আল-আজলান, হাবিব, জাদাহ, হারাশ, কুশাইর ও উকাইল। উকাইলের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন সাওবাহ ইবনে হুমাইর ইবনে রাবিআহ ইবনে কাব ইবনে খাফাজাহ ইবনে আমর ইবনে উকাইল ইবনে কাব। রাবিআহ ও আমির—তারা পরস্পর মিত্র। আমর ও আব্বাদ—তারাও পরস্পর মিত্র। আউফ ও মুয়াবিয়া—তারাও পরস্পর মিত্র এবং আবদুল্লাহ। আমির ইবনে রাবিআহ গোত্রের মধ্যে রয়েছেন বিশর ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে রাবিআহ আল-বুক্কা—যিনি জুহাইর ইবনে হুযাইমাহর হত্যাকারী। তাদের মধ্যে রয়েছেন আল-আজলান—যিনি আবদুল্লাহ ইবনে কাব ইবনে রাবিআহ। জাদাহ ইবনে কাব ইবনে রাবিআহ গোত্রের মধ্যে রয়েছেন নাবিগাহ আল-জাদি। তিনি নাবিগাহ আল-যুবিয়ানীর জন্মের পূর্বে জন্মগ্রহণ করেন এবং তার আয়ু এতো দীর্ঘ ছিল যে তিনি ইসলাম ও নবী (আল্লাহ তাঁর ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন)-এর যুগ পেয়েছিলেন এবং ঈমান এনেছিলেন। তিনি ইবনুল জুবাইরের খিলাফত পর্যন্ত জীবিত ছিলেন এবং মসজিদে হারামে তাঁর প্রশংসা করেছিলেন। তাঁর বয়স ছিল দুইশত বছর। তাঁর ভাই ওহওয়াহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উমর ইবনে উদাস ইবনে রাবিআহ আমির ইবনে সা'সাআহ গোত্রের সম্মানস্বরূপ ছিলেন। তাদের উদ্দেশ্য করেই জারির ইবনে খাতাফী 'রাঈ' নামক ব্যক্তির উক্তিতে বলেছেন:তোমার দৃষ্টি অবনত রাখো, কারণ তুমি নুমাইর গোত্রের লোক; … তুমি না কাব গোত্র পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছো, আর না কিলাব পর্যন্ত।নুমাইর ইবনে আমির ইবনে সা'সাআহ সম্পর্কে বর্ণনা ইনশাআল্লাহ সামনে আসবে। বর্ণিত আছে যে, কাব স্বপ্নে আদিষ্ট হন। তাকে বলা হলো, "আপনার বয়স অনেক হয়েছে, হাড় দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং আপনার মৃত্যু ঘনিয়ে এসেছে। সুতরাং আপনার সন্তানদের বলুন যেন তারা তাদের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে, কারণ শীঘ্রই তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করা হবে।" বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি তাদের একত্রিত করে বললেন, "তোমরা তোমাদের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করো।" হুরাইশ বললো, "আমি নারীদের ওপর আধিপত্য ও শক্তিমত্তা কামনা করি।" ফলে তারা আমির গোত্রের মধ্যে সর্বাধিক বিবাহকারী হিসেবে গণ্য হলো। কুশাইর বললো, "আমি দীর্ঘ জীবন ও সৌন্দর্য কামনা করি।" ফলে তারা আমির গোত্রের মধ্যে সবচাইতে সুন্দর ও দীর্ঘায়ু হলো। আমির বললো, "আমি দুধ ও খেজুর কামনা করি।" ফলে তারা আমির গোত্রের মধ্যে সবচাইতে বেশি দুধ ও খেজুরের মালিক হলো। উকাইল বললো, "আমি উট, সম্মান ও কঠোরতা কামনা করি।" ফলে আমির গোত্রের মধ্যে তাদের চেয়ে বেশি শক্তিশালী ও সম্মানিত কেউ নেই এবং তাদের কাছেই উটের সংখ্যা সর্বাধিক। (পরিচ্ছেদ) আর সা'সাআহ-এর সন্তানদের মধ্যে আমিরের কথা
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ১৪)
فولد نميرا وهلالا وسراه وربيعة وعمرا أعقب منهم أربعة فولد نميرا عمر وعامرا وضِنة وكعبا وسراعا والحرث، فمن بني شراع عامر بن حبيب ابن شراع بن نمير ومن بني الحرث عبيد الراعي وبنه جندل بن عبيد بن الحصين بن جندل بن قطن بن ربيعة بن عبد الله بن الحرث بن نمير قال ومن بني هلال بن عامر بن ربيعة وشعبة وشعيبة وباشره وعمرو وعبد الله وعايده ونهيك وجعفر وردمة وعبد مناف ومن بني هلال ميمونة بنت الحارث زوج النبي صلى الله عليه وسلم بن خزيمة بن الحرث بن عبد الله بن عمرو بن عبد مناف كانت تدعى أم المساكين ماتت في حياة النبي صلى الله عليه وسلم ومنهم عبد الملك بن عبد العزيز بن عبد الله بن مرة بن هلال. (فصل) أما صعصعة في معاويةفولده ربيعة وزينبة ومنجور وعمرو وكبير وقيس ويسار وشاور وغالب ومازن ووائلة وعوف ومعاوية والحرث وعائدة ومره، فمن ولد مرة معاوية بن مرة بن صعصعة ومرة هذا هو سلول وقيل سلول هي امرأة مرة أم ولد ونسب ولدها إليها فقيل بنو سلول بن مرة كما غلب نسب باهلة ونحيله وهما بنتان لصعب بن سعد العشرة وسلول بنت دهل بن شيبان، ومن ولدها أبو مرم السلولي له صحب ورواية. (فصل) وأما معاوية بن بكر فولده صعصعة وقد ذكرناه وحجرسي وجحاش وشيبان والسلول وعوف ورجوة ورجيه والحرب وجشم ونصر فمن ولد جشم دريد وعبد الله بن الصمة بن الحرث بن بكر بن علقمة بن خزاعة بن جشم بن معاوية، ومن بني نصر بن معاوية مالك بن عوف بن سعد بن ربيعة بن يربوع بن وايل بن دهمان بن نصر بن معاوية وهو الذي لزم حرب خيبر انهزم كافرا حتى لحق بالطايف ثم اْسلم بعد ذلك. (فصل) وأما بكر بن هوازن وولده معاويةوقد ذكرناه وسعدا ومنبها، فمن ولد سعد عوف وحسل وصحر، وحبه ومنهم حاضن رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو الحرث بن عبد العزى بن وداعة بن ملان بن ناضرة وزوجته حليمة السعدية أم النبي صلى الله عليه وسلم من الرضاعة بنت عبد الله بن الحرث بن سجنة بن جابر بن رزام بن ناضرة بن قصيه بن نصر بن سعد بن بكر جاءت إلى النبي صلى الله عليه وسلم يوم حنين فقام لها وبسط لها رداءه فجلست عليه وكذلك جاءته أخته من الرضاعة خذافة بنت حليمة السعدية وتعرف بالشيماء فبسط لها رداءه. وجلست عليه، وأما منبه بن بكر فولده لفيف. نسب ثقيفوأما قسي فانه مشتق من القسوة لأنه قسى على رَجل فقتله قال شاعرهم: (نحن قُسي وقسى أبونا) واشتقاق ثقيف من الثقافة وهو إحكام الشيء وكل شئ قوَمته فقد ثقفته فقد أصلحته وقومته ومن تثقيف الرمح وهو ثقيف بن بكر ابن هوازن، وقد اختلفوا في تعيينه فقيل منبه بن النبت تزوج أمهمة بنت سعد ابن هذيل ثم تزوجها بعده منبه بن بكر بن هوازن فجاءت بولده قسِيّ وهو ثقيف إلى منبه بكر فنسبت إليه وقيل أن ثقيفا كان عبدا لصالح النبي صلى الله عليه وسلم فهرب منه واستوطن الحرم، وأبو رغال هو أبو ثقيف، وقيل أن ثقيفا من بقايا ثمود، وكان أبوه وأبو رغال بالحرم يدفع بنه عنه لمجاورة الحرم، فلما خرج من الحرم أصابته النقمة التي أصابت قومه، وقبره معروف يرمى بالحجارة وله حكاية، قال أمية بن الصلت الثقفي:قومي أياد لو أنهم أمم … أولوا جميعاً فنهزل النعمقوم لهم ساحة العراق … إذا ساروا جميعا والعز والعَلمقال وقد وقع الإجماع بعد ذلك أنه ثقيف بن منبه في قيس بن عيلان والله أعلم.
তিনি নুমাইর, হিলাল, সারাহ, রাবিয়াহ ও আমরকে জন্ম দেন। তাদের মধ্যে চারজন বংশধর রেখে গেছেন। নুমাইরের সন্তানরা হলো আমর, আমির, যিনাহ, কাব, সিরা’ ও হারিস। সিরা’-এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছে আমির বিন হাবিব ইবনে সিরা’ ইবনে নুমাইর। আর হারিস-এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছে উবাইদ আল-রাঈ এবং তার পুত্র জানদাল বিন উবাইদ বিন হুসাইন বিন জানদাল বিন ক্বাতান বিন রাবিয়াহ বিন আব্দুল্লাহ বিন হারিস বিন নুমাইর। তিনি আরও বলেন, হিলাল বিন আমির বিন রাবিয়াহ, শুবা, শুয়াইবা, বাশারাহ, আমর, আব্দুল্লাহ, আয়িদাহ, নাহীক, জাফর, রাদামাহ ও আব্দু মানাফ হলো হিলালের বংশধর। হিলাল বংশীয়দের মধ্যে ছিলেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী মাইমুনা বিনতে আল-হারিস বিন খুযায়মাহ বিন হারিস বিন আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আব্দু মানাফ। তাকে উম্মুল মাসাকীন (মিসকিনদের জননী) বলা হতো। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবদ্দশায় ইন্তেকাল করেন। তাদের মধ্যে আব্দুল মালিক বিন আব্দুল আজিজ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুররাহ বিন হিলালও রয়েছেন। (পরিচ্ছেদ) মুয়াবিয়ার পুত্র সা’সাআহ প্রসঙ্গেতার সন্তানরা হলো রাবিয়াহ, যাইনাবাহ, মানজুর, আমর, কাবীর, কাইস, ইয়াসার, শাওয়ার, গালিব, মাযিন, ওয়াইলাহ, আউফ, মুয়াবিয়া, হারিস, আইদাহ ও মুররাহ। মুররাহর বংশধরদের মধ্যে রয়েছে মুয়াবিয়া বিন মুররাহ বিন সা’সাআহ। এই মুররাহ-ই হলেন ‘সালুল’। বলা হয়, সালুল ছিলেন মুররাহর স্ত্রী ও তার সন্তানদের মা; তার সন্তানদের তার দিকেই সম্পর্কিত করা হয়, ফলে তাদের ‘বানু সালুল বিন মুররাহ’ বলা হয়। যেমনটি বাহিলাহ ও নাহিলাহর ক্ষেত্রে আধিপত্য বিস্তার করেছে, তারা দুজনেই সাব বিন সাদ আল-আশারাহ এর কন্যা ছিল। আর সালুল হলেন দাহল বিন শাইবান এর কন্যা। তার বংশধরদের মধ্যে আবু মারম আস-সালুলী রয়েছেন, যার সাহচর্য ও হাদীস বর্ণনা রয়েছে। (পরিচ্ছেদ) মুয়াবিয়া বিন বকর প্রসঙ্গে: তার সন্তানরা হলো সা’সাআহ (যাকে ইতিপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে), হুজাইরসী, জুহাশ, শাইবান, আস-সালুল, আউফ, রাজওয়াহ, রাজিয়্যাহ, হারব, জুশাম ও নাসর। জুশামের বংশধরদের মধ্যে দুরাইদ ও আব্দুল্লাহ বিন সাম্মাহ বিন হারিস বিন বকর বিন আলক্বামাহ বিন খুযাআহ বিন জুশাম বিন মুয়াবিয়া রয়েছেন। আর নাসর বিন মুয়াবিয়ার বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন মালিক বিন আউফ বিন সাদ বিন রাবিয়াহ বিন ইয়ারবু বিন ওয়ািল বিন দাহমান বিন নাসর বিন মুয়াবিয়া, যিনি খাইবার যুদ্ধে লিপ্ত ছিলেন। তিনি কাফের অবস্থায় পরাজিত হয়ে তায়েফে আশ্রয় নেন এবং পরবর্তীতে ইসলাম গ্রহণ করেন। (পরিচ্ছেদ) বকর বিন হাওয়াযিন ও তার পুত্র মুয়াবিয়া প্রসঙ্গেতাকে আমরা ইতিপূর্বে উল্লেখ করেছি, আরও রয়েছে সাদ ও মুনাব্বিহ। সাদের সন্তানদের মধ্যে আউফ, হিসল, সাহর ও হাব্বাহ রয়েছে। তাদের মধ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর লালন-পালনকারীও রয়েছেন, তিনি হলেন হারিস বিন আব্দুল উযযা বিন ওয়াদাআহ বিন মালান বিন নাযিরাহ। আর তার স্ত্রী হালিমা আস-সাদিয়া হলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দুগ্ধমাতা। তিনি আব্দুল্লাহ বিন হারিস বিন সুজনাহ বিন জাবির বিন রিযাম বিন নাযিরাহ বিন কুসাই বিন নাসর বিন সাদ বিন বকর এর কন্যা। হুনাইনের যুদ্ধের দিন তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসেছিলেন, তখন তিনি তার জন্য উঠে দাঁড়িয়েছিলেন এবং নিজের চাদর বিছিয়ে দিয়েছিলেন, যার ওপর তিনি বসেছিলেন। একইভাবে তার দুধ-বোন খুযাফাহ বিনতে হালিমা আস-সাদিয়া, যিনি শায়মা নামে পরিচিত, তিনিও তার নিকট এসেছিলেন এবং তিনি তার জন্য চাদর বিছিয়ে দিয়েছিলেন, যার ওপর তিনি বসেছিলেন। আর মুনাব্বিহ বিন বকরের সন্তানদের লাফীফ বলা হয়। সাকীফ গোত্রের বংশপরিচয়আর ‘ক্বাসী’ নামটির উৎপত্তি ‘ক্বাসওয়া’ (নিষ্ঠুরতা) থেকে, কারণ তিনি এক ব্যক্তিকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিলেন। তাদের কবি বলেছেন: (আমরা ক্বাসী আর আমাদের পিতাও ছিলেন ক্বাসী)। সাকীফ নামের উৎপত্তি ‘সাক্বাফাহ’ থেকে যার অর্থ কোনো কিছু মজবুত বা ঋজু করা। আপনি যখন কোনো কিছু সোজা করেন, তখন বলা হয় ‘সাকাফতুহু’ অর্থাৎ আমি তা সংশোধন ও সোজা করেছি। এটি বর্শা সোজা করার (তাসক্বীফুল রুমহ) শব্দ থেকেও এসেছে। তিনি হলেন সাকীফ বিন বকর বিন হাওয়াযিন। তবে তার পরিচয়ে মতভেদ রয়েছে; কেউ বলেছেন তিনি মুনাব্বিহ বিন নাত। তিনি প্রথমে সাদ বিন হুযাইলের মা উমামাহ-কে বিয়ে করেন, পরে মুনাব্বিহ বিন বকর বিন হাওয়াযিন তাকে বিয়ে করেন। তিনি তার পুত্র ক্বাসী-কে (যিনি সাকীফ) মুনাব্বিহ বিন বকরের কাছে নিয়ে আসেন, ফলে তার দিকেই তাকে সম্পর্কিত করা হয়। কেউ বলেছেন, সাকীফ ছিলেন নবী সালেহ আলাইহিস সালাম-এর একজন গোলাম, যিনি তার নিকট থেকে পালিয়ে হারাম শরীফে বসতি স্থাপন করেছিলেন। আবু রিগাল হলেন সাকীফের পিতা। আবার কেউ বলেছেন, সাকীফ সামুদ জাতির অবশিষ্ট বংশধর। তার পিতা ও আবু রিগাল হারাম শরীফের সীমানায় থাকার কারণে হারাম শরীফের বরকতে আজাব থেকে রক্ষা পেতেন। কিন্তু যখনই তিনি হারাম শরীফের বাইরে বের হলেন, তখন তার কওমের ওপর যে আজাব এসেছিল তা তাকেও গ্রাস করল। তার কবর সুপরিচিত যেখানে পাথর নিক্ষেপ করা হয় এবং এ নিয়ে কাহিনী প্রচলিত আছে। উমাইয়াহ বিন আবিস সালত আস-সাক্বাফী বলেছেন:আমার কওম ইয়াদ, তারা যদি ঐক্যবদ্ধ হতো … তবে তারা সবাই বিলীন হয়ে যেত এবং সুখ-সম্পদ নিঃশেষ হতোসেই কওম যাদের জন্য রয়েছে ইরাকের প্রশস্ত প্রান্তর … যখন তারা সগৌরবে ও উচ্চ মর্যাদায় দলবদ্ধ হয়ে চলেবলা হয়েছে, পরবর্তীতে এই ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে, তিনি কাইস বিন আইলান বংশের সাকীফ বিন মুনাব্বিহ। আল্লাহই ভালো জানেন।
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ১৫)
قال ولد ثقيف بن منبه عودا وحسما ودارس وهم في الأزد بالسراة وسلامه وناصرة وامرأة أسمها المسد بن عامر بن معاوية بن مالك بن كعب بن عمرو بن مسعود أحد عظيم القريتين أسلم بالنبي صلى الله عليه وسلم فقتله قومه، ومنهما لمغيرة بن شعبة بن أبي عامر بن مسعود وقارب بنا مسحور بن معتب بن مالك، ولمالك هذا من الولد معتب وعتاب. وعتاب هو رهينة أبي مكيوم الحسني وأبو عتبة ووهيب فولد معتب بن مالك مسعودا وعامرا ووهبا وعمرا ومرة ومعارية وسلمة وربيعة، ومنهم واقد بن عبد الله بن معتب وعيلان بن سلمة بن معتَب، ومن ثقيف المختار بن أبي عبيد بن مسعود بن عمرو بن عوف ابن عقد، وأبو محجن عمرو بن حبيب بن عمرو بن عمير بن عوف بن عقده وكنانة بن عبد باليد بن عمرو بن عوف بن عقد بن عقدة، وأمية بن أبي الصلت بن ربيعة بن عوف بن عقدة، وعثمان بن يسير بن عبد عوف بن عقدة ابن عزة، والمغيرة بن الأخنس بن شريق بن عمرو بن وهب بن علاج بن سلمنة ابن عبد العزى بن عزة بن عوف بن ثقيف، ومنهم طبيب العرب الحرث بن كلدة ابن عمرو بن علاج وطريج بن إسماعيل بن عبيد بن أسيد بن علاج بن أبي سُلمة ابن عبد العزى بن عنزة بنعوف بن ثقيف، ومن ولد جشم بن ثقيف عبد الرحمن ابن أم الحكم وهي أخت معاوية بن أبي سفيان، وأبوه عبد الله بن عثمان بن عبد الله بن ربيعة بن الحرث بن حبيب بن الحرث بن مالك بن حُطيْط بن جشم بن ثقيف، فهذه قبايل هوازن وهي عامر وكلاب واضّباب وجعدة والحريش وقشير وعقيل وخفاجة والعجلان ونمير وهلال ونصر وسعد وثيف. (فصل) وأما مازن بن منصورفمن ولده عتبة بن غروان بن جابر بن وهيب بن شبيب بن وهب بن زيد بن الحرث بن مالك بن عوف بن مازن بن منصور كان إسلامه بعد سبعة رجال فهو السابع في الإسلام وهو الذي بصر البصرة مكان استعمله عليها عمر بن الخطاب رضي الله عنه وكانت يومئذ تسمى الابلة، ومن بني مازن مالك وعمرو وعدي بني مازن. نسب سليم بن منصورقال ولد سليم بهئة مشتق من قولك أن فلانا لهيئة أي لنربته، وروى إن النبي صلى الله عليه وسلم قال أنا بن العواتك من سليم وقيل لمن يذكر من سليم والعواتك جدات لآبائه وأجداده وهن عاتكة بنت الأوقص جدة له من قبل بني زهرة، والثانية عاتكة بنت هلال بن وإلى بن عبد مناف والثالثة عاتكة أم هشام، وقيل إن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر بنسوة من بني سليم فجعلن ثديهم في فم رسول الله صلى الله عليه وسلم فدررن عليه، قال فمن ولد بهثة الحرث وأمروء القيس وثعلبة، فمن ولد الحرث العباس بن مرداس بن أبي عامر بن حارثة بن عبد عيين بن رفاعة بن الحرث بن نهثه وهو تيم بن امرئ القيس بن بهثة وهن ولد بهر واشتقاق بهر من قول بهره في صدره إذا دفعه، نصر بن الحجاج بن غلاط بن خالد بن نويرة بن جبير بن هلال بن عبد بن ظفر بن سعد ابن عمرو بن نهز بن امرئ بن نهشة، ونصر هذا هو المتمنى وهو الذي نفاه عمر بن الخطاب إلى البصرة وله حديث، ومنهم زغب بن مالك بن خُفَاف بن امرئ القيس. ومنهم رِعْل ومطرود بنا مالك بن عوف بن امرئ القيس بن بهثة ومنهم الخارجي فَطَري بن الفجاءة بن اياس بن عبد الله بن عبد ياليل بن سلمة ابن عمير بن خفاف بن امرئ القيس. ومن ولد عُصَية بن خُفَاف بنو الشريد وهم بيت سليم، ومنهم صخر ومعاوية وأختهما الخنساء بنو محمد بن الشريد بن رباح بن يقظة بن عيمية، ومنهم خُفاف بن بدنة وهي أمه وأبوه عمرو بن الحمث ابن عمرو بن الشريد، ومنهم نُبيثةَ وحبيبَ بن رئات بن رواحة بن جُمَيل بن عقبة قاتل ربيعة بن مكدم لكناني بن مالك بن زيد وله حديث. ومن بني ثعلبة بن بُفثَة صفوان بن المعطل رُخصَة بن المؤمل بن خُزَاعي بن محارب بن هلال بن والح بن ذكوان بن ثعلبة بن بهثة بن سليم. فهذه بطون بني سليم، وهي بنو عصسَتة وبنو بهز وبنو رغب وبنو رعل وبنو مطرود وبنو ذكوان وبنو الشريد وقد دعا رسول الله صلى لله عليه وسلم على عصَبَة ورِعل وذكوان في القنوت وقال عليه السلام عُصية عَصَتَ الله ورسوله والله أعلم في فعلهم في أهل بئر معونة. نسب غطفان بن سعد بن قيس
সাকীফ বিন মুনাব্বিহ-এর সন্তানদের বর্ণনা: আওদা, হাসমা ও দারিস; তারা আযদ গোত্রের সাথে আস-সরাত অঞ্চলে বসবাস করে। এছাড়াও সালামাহ, নাসিরাহ এবং মাসাদ বিন আমির বিন মুয়াবিয়া বিন মালিক বিন কাব বিন আমর বিন মাসউদ-এর এক কন্যা। তিনি ছিলেন দুই জনপদের একজন মহান ব্যক্তি, যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং তাঁর গোত্রের লোকেরা তাঁকে হত্যা করেছিল। তাঁদের মধ্য থেকে রয়েছেন মুগিরা বিন শু'বা বিন আবি আমির বিন মাসউদ এবং কারিব বিন মাসহুর বিন মু'তীব বিন মালিক। এই মালিকের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন মু'তীব এবং আত্তাব। আত্তাব ছিলেন আবু মাকিউম আল-হাসানি-এর নিকট বন্ধককৃত ব্যক্তি। আরও রয়েছেন আবু উতবাহ ও ওয়ুহাইব। মু'তীব বিন মালিকের সন্তানদের নাম হলো মাসউদ, আমির, ওয়াহাব, আমর, মুররাহ, মুয়াবিয়া, সালামাহ ও রাবিয়া। তাঁদের অন্তর্ভুক্ত হলেন ওয়াকিদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মু'তীব এবং আয়লান বিন সালামাহ বিন মু'তীব। সাকীফ গোত্রভুক্ত হলেন মুখতার বিন আবি উবায়েদ বিন মাসউদ বিন আমর বিন আউফ বিন উকদ, এবং আবু মিহজান আমর বিন হাবীব বিন আমর বিন উমাইর বিন আউফ বিন উকদাহ, এবং কিনানা বিন আব্দ বিল-ইয়াদ বিন আমর বিন আউফ বিন উকদ বিন উকদাহ, এবং উমাইয়া বিন আবিস সালত বিন রাবিয়া বিন আউফ বিন উকদাহ, এবং উসমান বিন ইয়াসীর বিন আব্দ আউফ বিন উকদাহ বিন ইজ্জাহ, এবং মুগিরা বিন আল-আখনাস বিন শারীক বিন আমর বিন ওয়াহাব বিন ইলাজ বিন সালামাহ বিন আব্দিল উজ্জা বিন ইজ্জাহ বিন আউফ বিন সাকীফ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আরবদের চিকিৎসক আল-হারিস বিন কালাদাহ বিন আমর বিন ইলাজ এবং তরীজ বিন ইসমাঈল বিন উবায়েদ বিন আসীদ বিন ইলাজ বিন আবি সালামাহ বিন আব্দিল উজ্জা বিন আনযাহ বিন আউফ বিন সাকীফ। জুশাম বিন সাকীফের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন আব্দুর রহমান বিন উম্মিল হাকাম, যিনি মুয়াবিয়া বিন আবি সুফিয়ানের বোন। তাঁর পিতা হলেন আব্দুল্লাহ বিন উসমান বিন আব্দুল্লাহ বিন রাবিয়া বিন আল-হারিস বিন হাবীব বিন আল-হারিস বিন মালিক বিন হুতাইত বিন জুশাম বিন সাকীফ। এগুলি হলো হাওয়াযিন গোত্রসমূহ: আমির, কিলাব, আদ-দব্বাব, জা'দাহ, আল-হারীশ, কুশাইর, উকাইল, খাফাজাহ, আল-আজলান, নুমাইর, হিলাল, নাসর, সাদ এবং সাকীফ। (পরিচ্ছেদ) মাযিন বিন মানসুরতাঁর সন্তানদের অন্তর্ভুক্ত হলেন উতবাহ বিন গাযওয়ান বিন জাবির বিন ওয়ুহাইব বিন শাবীব বিন ওয়াহাব বিন যাইদ বিন আল-হারিস বিন মালিক বিন আউফ বিন মাযিন বিন মানসুর। তিনি সাতজন ব্যক্তির পর ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, ফলে তিনি ইসলাম গ্রহণে সপ্তম ব্যক্তি। তিনিই উমর বিন আল-খাত্তাব রাযিয়াল্লাহু আনহুর নিযুক্ত গভর্নর হিসেবে বসরা শহর পত্তন করেন, যা তৎকালীন সময়ে আল-উবুল্লাহ নামে পরিচিত ছিল। বনু মাযিন গোত্রের মধ্যে রয়েছেন মালিক, আমর ও আদি—যাঁরা মাযিনের পুত্র। সুলাইম বিন মানসুরের বংশধারাবলা হয়, সুলাইম-এর পুত্র হলো বাহসাহ, যার নাম 'হাইআ' শব্দ থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ শান-শওকত বা মর্যাদা। বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আমি সুলাইম গোত্রের আতিকা সমূহের সন্তান।" সুলাইম গোত্রের যাঁদের স্মরণ করা হয় তাঁদের ক্ষেত্রে এটি বলা হয়। এই আতিকাগণ ছিলেন তাঁর পিতৃপুরুষ ও পিতামহদের দাদী। তাঁদের একজন হলেন আতিকা বিনতে আল-আওকাস, যিনি বনু যুহরাহ গোত্র থেকে তাঁর দাদী ছিলেন। দ্বিতীয়জন হলেন আতিকা বিনতে হিলাল বিন ফালিক বিন আব্দ মানাফ এবং তৃতীয়জন হলেন আতিকা উম্মে হিশাম। আরও বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনু সুলাইম গোত্রের কয়েকজন মহিলার নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তাঁরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুখে নিজেদের স্তন দিলেন এবং তাঁর জন্য দুধ প্রবাহিত হলো। বাহসাহ-এর সন্তানদের মধ্যে রয়েছে আল-হারিস, ইমরুল কায়েস ও সা'লাবাহ। আল-হারিসের সন্তানদের মধ্যে আব্বাস বিন মিরদাস বিন আবি আমির বিন হারিসাহ বিন আব্দ উয়াইন বিন রিফাআ বিন আল-হারিস বিন বাহসাহ রয়েছেন। তিনি ইমরুল কায়েস বিন বাহসাহ-এর পুত্র তায়িম-এর বংশধর। তাঁরা বাহর-এর সন্তান, আর বাহর শব্দটি 'বাহরাহু ফি সাদরিহি' (বক্ষ বিদীর্ণ করা) থেকে আগত। আরও রয়েছেন নাসর বিন আল-হাজ্জাজ বিন গালাত বিন খালিদ বিন নুওয়াইরাহ বিন জুবায়ের বিন হিলাল বিন আব্দ বিন জাফার বিন সাদ বিন আমর বিন নাহজ বিন ইমরুল বিন নাহশাহ। এই নাসর-ই সেই ব্যক্তি যাকে মানুষ আকাঙ্ক্ষা করত এবং উমর বিন আল-খাত্তাব তাঁকে বসরার দিকে নির্বাসিত করেছিলেন, তাঁকে নিয়ে একটি ঘটনা রয়েছে। তাঁদের অন্তর্ভুক্ত হলেন জুগব বিন মালিক বিন খুফাফ বিন ইমরুল কায়েস। তাঁদের মধ্যে আরও রয়েছেন রিল এবং মাতরুদ—মালিক বিন আউফ বিন ইমরুল কায়েস বিন বাহসাহ-এর দুই পুত্র। তাঁদের অন্তর্ভুক্ত হলেন খারেজি কাতারি বিন আল-ফিজাআহ বিন ইয়াস বিন আব্দুল্লাহ বিন আব্দ ইয়ালীল বিন সালামাহ বিন উমাইর বিন খুফাফ বিন ইমরুল কায়েস। উসাইয়াহ বিন খুফাফ-এর সন্তানদের মধ্যে রয়েছে বনু আশ-শারীদ, যাঁরা সুলাইম গোত্রের অভিজাত পরিবার। তাঁদের অন্তর্ভুক্ত হলেন সাখর, মুয়াবিয়া এবং তাঁদের বোন আল-খানসা—যাঁরা মুহাম্মদ বিন আশ-শারীদ বিন রাবাহ বিন ইয়াকজাহ বিন উয়াইমিয়াহ-এর সন্তান। আরও রয়েছেন খুফাফ বিন বাদনাহ, বাদনাহ তাঁর মাতা এবং পিতা হলেন আমর বিন আল-হামিস বিন আমর বিন আশ-শারীদ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নুবাইসাহ ও হাবীব বিন রিয়াত বিন রাওয়াহাহ বিন জুমায়িল বিন উকবাহ, যিনি বনু কেনানা বিন মালিক বিন যাইদ গোত্রের রাবিয়া বিন মুকাদ্দামকে হত্যা করেছিলেন এবং তাঁর একটি ঘটনা আছে। বনু সা'লাবাহ বিন বাহসাহ গোত্রের মধ্যে রয়েছেন সাফওয়ান বিন আল-মুআত্তাল রুখসাহ বিন আল-মুয়াম্মিল বিন খুযাঈ বিন মুহারিব বিন হিলাল বিন ওয়ালিহ বিন যাকওয়ান বিন সা'লাবাহ বিন বাহসাহ বিন সুলাইম। এগুলি হলো বনু সুলাইম-এর শাখা গোত্রসমূহ: বনু উসাইয়াহ, বনু বাহয, বনু জুগব, বনু রিল, বনু মাতরুদ, বনু যাকওয়ান এবং বনু আশ-শারীদ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুনুতে উসাইয়াহ, রিল ও যাকওয়ান গোত্রের বিরুদ্ধে বদদোয়া করেছিলেন। তিনি (আলাইহিস সালাম) বলেছিলেন: "উসাইয়াহ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্য হয়েছে।" বি'র মাউনার অধিবাসীদের সাথে তাঁদের আচরণের ব্যাপারে আল্লাহই সর্বজ্ঞ। গাতাফান বিন সাদ বিন কায়েস-এর বংশধারা
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ১৬)
واشتقاق غطفان من الغطف وهو قلة أهدا العين وغَطَفان أخُو سُلَيم وسُلامَان بني منصُور بن عكرمة لأمهما، قال ولد غَطَفَان رَيثا وعبد الله وغنما وثعلبة وعدرة ومنبها ومعاوية وعامرا وبهثة وعوفا فولد ريث بغيضاً وأضجع وحرباً والهُون فولد أشجع بكراً وسليما وعمرا فمن ولد أشجع المعمَّر نصر بن دُهمان بن بصِار بن سُبَيّع بن بكر بن اشجع عاش مائة وعشرين عاما وله خير، ومنهم نعيم بن مسعود بن عامر بن أنيف بن ثعلبة بن قُنْفُذ بن خلاوة بن سبيع بن بكر بن أشجع صحب النبي صلى الله عليه وسلم وكان عينه يوم الأحزاب، ومنهم مسعود بن رجيلة بن عابد كان قاتل أشجع يوم الأحزاب، ومن ولد أشجع شحمة بن هلال بن حلاوة بن سبيع بن بكر بن أشجع وجهينة من غطفان بن سعد بن قيس قال وولد عبد الله بن غطفان عدوة وبهثَة وغنم، وسناناً نبها، منهم الشاعر سالم بن دارة وهو رويبة بن كعب بن عدي بن جشم بن عوف بن بهثَة وكان يقال له دار القمر لجماله وقيل دارة القمر أم سالم وهو القائل:أنا بنُ دارة معروفا بها نسبى … وهل لدارة يا للناس من عارٍمن فروع قيس وأخوالي بني أسد … من كرم الناس وزندي منهم وارىوهما سالم بن دارة ثابت بن رافع فقال: وَيْحَك يا بن واقع ما أنتا أنت الذي طلعت لما خفتنا فغضب له بن قيل فضربه بالسيف فحمل إلى المدينة فمات بها فقال الكميت بن معروف بن ثعلبة بن رباب بن الأسير بن الأحجوان الأسدي:فلا تكثروا فيها الفجاج فأنه محا … السيف ما قال بن دارة اجمعاومن ولد الأشجع أبو سنان الصحابي بن معقل بن سنان بن مطهر بن عركي بن فتيان بن سبيع بن بكر بن أشجع، قال ومن ولد بني عبد الله بن غطفان عقبة بن وهب بن كلدة بن الجعد بن هلال بن الحرث بن عمرو بن عدى بن جشم بن عوف بن بهث بن عبد الله بن غطفان. ومنهم الحمس وهو عمرو بن نصر بن حارثة بن طريف بن إيمان بن نغيص، وفاطمة بنت الحرشف إحدى المنجبات كملة بني زياد العنسيين. نسب عبس بن بغيضقال ولد عبس قطيعة ودرفة فمن بني قطعة الكملة بنو زياد وهم الربيع وعمارة وأنس وقيس بنو زياد بن سفيان بن عبد الله بن ناشب بن هدم بن عود ابن غالب بن قطيعة بن عبس وقد ذكرنا أمهم بنت الحرشب وكان يقال لبني زياد ربيع الكامل وعمارة الوهاب وقيس الجواد وأنس الحفاظ قال الربيع بن زياد ليزيد بن الصعق وكان ين بد وزرعة وعليس وعمرو بن الصعق أخوة من رجال العرب أيضا فقال الربيع عمارة الوهاب خير من علس وزرعة العساخير من أنس وأنا خير منك ياقتب الفرس، ومنهم جرير بن غالب بن عابس بن سعد بن عبد الله بن ناشب ومنهم عروة أي أخر النسب، وسمى عروة الصعاليك لأنه كان يجمع الصعاليك وهم الفقراء فيطعمهم ويقوم عليهم ويعتريهم فيأخذوا ما قدروا عليه. وهو القائل:ومن يك مثلى ذا عيال وقلة … من المال يطرح نفسه كل مطرحومنهم عنتر وجندب بنا عمرو بن شداد بن معاوية بن زهل بن مراد بن محروم والدعار بن شداد بن معاوية والدعار عشرة، ومنهم الحطيئة الشاعر وهو جرول بن أوس بن مالك بن حوبة بن محروم، ومنهم خالد بن سنان بن عتب ابن مربطة بن محرقة وهو الذي أظف نار الحدثان وله حديث ويقال انه بني ضيعة قومه فهؤلاء يجمعهم محروم بن عدالي بن مالك بن غالب بن قطيعة بن عبس، وبنو زهير عشرة، ومنهم حذيفة بن اليماني وهو حسيب بن جابر بن ربيعة بن جروة بن الحرث بن قطيعة بن عبس، وقيل أن اليماني هو جروة بن الحارث فنسب حذيفة إلى جده وبينهما أبا وكان اليمان أبو حذيفة أصاب دما في الجاهلية فهرب إلى المدينة فحالف بني عبد الأشهل، وتزوج فيهم فسمته قومه اليماني لنزوله في أهل اليمن وهم قبائل عبس، وهم بنو عوف بن غالب وبنو مخروم وبنو رواحة كانت حرب عبس وذبيان أربعين سنة فقيل لهم أي الخيل وجدتهم أفضل؟ قالوا: الكميت المرابيع قيل فأي الإبل وجدتم أفضل؟ قالوا: الحمر، قالوا: فآي النساء وجدتم أفضل؟ قالوا بنات العم قيل فأي العبيد وجدتم أفضل؟ فقالوا: المُولَّدين، وقال وعبس قبائل في العرب، عبس بغيض هو لا وعبس عك وعبس حكم وعبس حكم الركب وما بقي فهو عنس بالنون أو بالياء المنقوطة بنقطتين من أسفل والشين المعجمة. فنسب ذبيان بن بغيض
গাতাফান (Ghatafan) শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে 'আল-গাতাফ' (al-Ghataf) থেকে, যার অর্থ চোখের পাপড়ির স্বল্পতা। গাতাফান ছিলেন সুলাইম ও সুলামানের সহোদর ভাই; তারা সকলে মানসুর ইবনে ইকরিমার সন্তান। বলা হয় যে, গাতাফান রাইস, আবদুল্লাহ, গানাম, সালাবা, আদরা, মুনাব্বিহ, মুআবিয়া, আমির, বাহসাহ এবং আউফ নামক সন্তানদের জন্ম দেন। অতঃপর রাইস জন্ম দেন বাগিদ, আজজা', হারব এবং হুনকে। আজজা' জন্ম দেন বকর, সুলাইম ও আমরকে। আজজা'-এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন দীর্ঘজীবী নাসর ইবনে দুহমান ইবনে বিসার ইবনে সুবাই ইবনে বকর ইবনে আজজা', যিনি একশ বিশ বছর জীবিত ছিলেন এবং তার অনেক কল্যাণময় কাজ ছিল। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন নুয়াইম ইবনে মাসউদ ইবনে আমির ইবনে আনিফ ইবনে সালাবা ইবনে কুনফুজ ইবনে খালাওয়া ইবনে সুবাই ইবনে বকর ইবনে আজজা', যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবী ছিলেন এবং আহযাব যুদ্ধের দিন তিনি নবীজির গোয়েন্দা হিসেবে কাজ করেছিলেন। তাদের মধ্যে আরও ছিলেন মাসউদ ইবনে রাজিলা ইবনে আবিদ, যিনি আহযাব যুদ্ধের দিন আজজা' গোত্রের সেনাপতি ছিলেন। আজজা'-এর বংশধরদের মধ্যে আরও রয়েছেন শাহমাহ ইবনে হিলাল ইবনে হালাওয়াহ ইবনে সুবাই ইবনে বকর ইবনে আজজা'। আর জুহাইনা হলো গাতাফান ইবনে সাদ ইবনে কাইস গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। তিনি আরও বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে গাতাফান আদওয়া, বাহসাহ ও গানাম নামক সন্তানদের জন্ম দেন এবং সিনান ছিলেন একজন সতর্ক ব্যক্তি। তাদের মধ্যে রয়েছেন কবি সালিম ইবনে দারাহ, যিনি মূলত রুওয়াইবাহ ইবনে কাব ইবনে আদি ইবনে জুশাম ইবনে আউফ ইবনে বাহসাহ। তার সৌন্দর্যের কারণে তাকে 'দারুল কামার' (চাঁদের ঘর) বলা হতো। আবার বলা হয় যে, 'দারাতুল কামার' ছিল সালিমের মায়ের নাম। তিনি (কবিতায়) বলেছেন:আমি দারাহর পুত্র, যার মাধ্যমে আমার বংশ পরিচিতি সুবিদিত ... হে লোকসকল! দারাহর বংশধর হওয়ায় কি কোনো লজ্জা আছে?কাইস বংশের শাখা এবং আমার মাতুলগণ বনু আসাদ গোত্রের ... যারা শ্রেষ্ঠ মানুষ এবং তাদের মাধ্যমেই আমার শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশিত হয়।একবার সালিম ইবনে দারাহ এবং সাবিত ইবনে রাফি'র মধ্যে কথোপকথন হচ্ছিল, তিনি বললেন: "তোমার দুর্ভোগ হোক হে ইবনে রাফি'! তুমি তো সেই ব্যক্তি যে আমাদের ভয় পেয়ে পালিয়েছিলে।" এতে ইবনে কাইল রাগান্বিত হয়ে তাকে তলোয়ার দিয়ে আঘাত করেন। তাকে মদিনায় নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এ প্রসঙ্গে আল-কুমাইত ইবনে মারুফ ইবনে সালাবা ইবনে রাবাব ইবনে আসির ইবনে আহজুয়ান আল-আসাদী বলেন:সেখানে আর বাগাড়ম্বর করো না, কারণ তলোয়ার ... ইবনে দারাহ যা কিছু বলেছিল তার সব মুছে ফেলেছে।আজজা'-এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন সাহাবী আবু সিনান ইবনে মাকিল ইবনে সিনান ইবনে মুতাহার ইবনে আরকি ইবনে ফিতইয়ান ইবনে সুবাই ইবনে বকর ইবনে আজজা'। তিনি আরও বলেন, বনু আবদুল্লাহ ইবনে গাতাফানের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন উকবা ইবনে ওয়াহাব ইবনে কালদাহ ইবনে জাদ ইবনে হিলাল ইবনে হারিস ইবনে আমর ইবনে আদি ইবনে জুশাম ইবনে আউফ ইবনে বাহস ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে গাতাফান। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন 'আল-হুমস', যিনি হলেন আমর ইবনে নাসর ইবনে হারিসা ইবনে তারিফ ইবনে ইমান ইবনে নাগিস। এছাড়া ফাতিমা বিনতে হারশাব, যিনি বনু জিয়াদ আল-আনসীদের মহীয়সী জননীদের একজন ছিলেন। আবস ইবনে বাগিদের বংশ পরিচয়বলা হয় যে, আবস কতিআহ ও দারফাহ নামক সন্তানদের জন্ম দেন। কতিআহ-এর বংশধরদের মধ্যে 'আল-কামাল্লাহ' হলেন বনু জিয়াদ; তারা হলেন রাবি, উমারা, আনাস এবং কাইস—জিয়াদ ইবনে সুফিয়ান ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে নাশিব ইবনে হিদম ইবনে উদ ইবনে গালিব ইবনে কতিআহ ইবনে আবসের পুত্রগণ। আমরা ইতিপূর্বে তাদের মাতা বিনতে হারশাবের কথা উল্লেখ করেছি। বনু জিয়াদের মধ্যে রাবিকে 'রাবি আল-কামিল', উমারাকে 'উমারা আল-ওয়াহহাব', কাইসকে 'কাইস আল-জাওয়াদ' এবং আনাসকে 'আনাস আল-হাফায' বলা হতো। রাবি ইবনে জিয়াদ ইয়াজিদ ইবনে সা'ককে বলেছিলেন—আর ইয়াজিদ, জুরআহ, আলিস এবং আমর ইবনে সা'কও আরবদের প্রখ্যাত বীর ও ভাই ছিলেন—রাবি বলেছিলেন: "উমারা আল-ওয়াহহাব আলিস ও জুরআহর চেয়ে উত্তম, আর আনাস আল-হাফায আল-আসাকির-এর চেয়ে উত্তম, আর আমি ঘোড়ার জিনের ওপর বসা তোমার চেয়েও উত্তম।" তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন জারির ইবনে গালিব ইবনে আবিস ইবনে সাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে নাশিব। তাদের মধ্যে উরওয়াহ-ও রয়েছেন, যার মাধ্যমে বংশধারা শেষ হয়েছে। উরওয়াহকে 'উরওয়াহ আস-সাআলিক' বলা হতো, কারণ তিনি সাআলিক তথা নিঃস্ব ও দরিদ্রদের একত্রিত করতেন এবং তাদের খাবার খাওয়াতেন, তাদের দেখাশোনা করতেন এবং তাদের সাহায্য করতেন যাতে তারা সামর্থ্য অর্জন করতে পারে। তিনি (কবিতায়) বলেছেন:আমার মতো যার পরিবার বড় এবং সম্পদের স্বল্পতা রয়েছে ... সে নিজেকে সব ধরণের বিপদসঙ্কুল পথে ছুড়ে দেয়।তাদের মধ্যে রয়েছেন আনতারা এবং জুনদুব—আমর ইবনে শাদ্দাদ ইবনে মুআবিয়া ইবনে জুহাল ইবনে মুরাদ ইবনে মাহরুমের দুই পুত্র। এছাড়া আদ-দআর ইবনে শাদ্দাদ ইবনে মুআবিয়া এবং আদ-দআরের দশজন পুত্র। তাদের মধ্যে কবি আল-হুতাইয়াহ রয়েছেন, যার নাম জারওয়াল ইবনে আউস ইবনে মালিক ইবনে হুবাহ ইবনে মাহরুম। তাদের মধ্যে খালিদ ইবনে সিনান ইবনে উতবা ইবনে মারবাতা ইবনে মাহরাকা রয়েছেন, যিনি 'হাদাসান'-এর আগুন নিভিয়েছিলেন এবং তার সম্পর্কে বিশেষ বর্ণনা রয়েছে। বলা হয় যে, তিনি তার কওমের জন্য একটি জনপদ গড়েছিলেন। এই সকলকে মাহরুম ইবনে আদালি ইবনে মালিক ইবনে গালিব ইবনে কতিআহ ইবনে আবস একত্রিত করেছে। বনু জুহাইর ছিলেন দশজন। তাদের মধ্যে রয়েছেন হুজাইফা ইবনে আল-ইয়ামানি, যিনি হলেন হাসিব ইবনে জাবির ইবনে রাবিআ ইবনে জারওয়াহ ইবনে হারিস ইবনে কতিআহ ইবনে আবস। মতান্তরে 'আল-ইয়ামানি' হলেন জারওয়াহ ইবনে আল-হারিস, তাই হুজাইফাকে তার দাদার দিকে সম্বন্ধ করা হয়েছে, যার মাঝে এক পুরুষের ব্যবধান রয়েছে। হুজাইফার পিতা আল-ইয়ামান জাহেলিয়াত যুগে একটি হত্যাকাণ্ডের শিকার হন এবং মদিনায় পালিয়ে এসে বনু আবদিল আশহাল গোত্রের সাথে সন্ধি করেন। তিনি তাদের মধ্যে বিবাহ করেন, ফলে তার কওম তাকে 'আল-ইয়ামানি' বলে ডাকতে শুরু করে, কারণ তিনি ইয়েমেনিদের মাঝে বসবাস শুরু করেছিলেন। তারা আবস গোত্রের শাখা। তারা হলো বনু আউফ ইবনে গালিব, বনু মাকহুম এবং বনু রাওয়াহা। আবস ও জুবিয়ানের যুদ্ধ চল্লিশ বছর স্থায়ী হয়েছিল। তাদের জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল: "তোমরা কোন ঘোড়াকে শ্রেষ্ঠ মনে করো?" তারা বলল: "আল-কুমাইত আল-মারাবি।" জিজ্ঞাসা করা হলো: "কোন উটকে শ্রেষ্ঠ মনে করো?" তারা বলল: "লাল রঙের উট।" তারা জিজ্ঞাসা করল: "কোন নারীদের শ্রেষ্ঠ মনে করো?" তারা বলল: "চাচাতো বোনদের।" জিজ্ঞাসা করা হলো: "কোন দাসদের শ্রেষ্ঠ মনে করো?" তারা বলল: "মুওয়াল্লাদ বা সংকর দাসদের।" তিনি আরও বলেন, আবস আরবদের মধ্যে বিভিন্ন গোত্রে বিভক্ত; তারা হলো আবস বাগিদ, আবস আক, আবস হাকাম এবং আবস হাকাম আর-রাকিব। আর যা অবশিষ্ট আছে তা হলো আনস (নুন দিয়ে) অথবা আইস (দুই নুকতা বিশিষ্ট ইয়া ও শিন দিয়ে)। জুবিয়ান ইবনে বাগিদের বংশ পরিচয়
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ১৭)
واشتقاق ذُبْيَان من ذَبا الشيء إذا لَانَ واشترخى وذِبيان بضم الذال وكسرها والكسر أصح وأفصح وكذلك سفيان بضم السين وكسرها قال ولدَ ذبيان سعداً وفزارة وعامرا وسلامان وهاربة، فولد سعد عونار وثعلبة، فمن ولد عوف هَرم وخَارجَةُ بنَا سنِان بن أبي حارثة بن مرة بن سنينة بن غيط بن مرة بن سعد بن ذِنيان وكَان هَرم يُسمى بالجواد وكان خارجة يسمى النقير لأنه بقرعنه بطن أه فَسًمىَ النقير، ومنهم عَوّفُ بن سنان واسمه الحرث بن عوف صاحب الحمالة بين عبس وذبيان، ومنهم الشاعر الجَور بن دُرة بن بطنة بن محصنَ بن جرول بن حَبيب الأظم بن عبد العزيز بن خزيمة بن سعد بن ذبيان، ومنهم خزيم الناعم بن عمرو بن الحرث بن خليفة بن سنان إلى آخر النسب، ومنهم الحرث بن عوف بن سنان بن أبي حارثة، ومنهم النابغة وهو زياد بن معاوية بن ضباب بن جابر ابن يربُوع بن غَيّط بن مرة، ومنهم بن السيادة الشاعر واسمه الرَياح بن الأبرد ابن زيان بن سراقة بن سلمان بن ظالم بن خزيمة، ومنهم حصين وهرم بنا صعيم بن ضباب، ومنهم الحرث بن ظالم بن خزيمة بن يربوع بن عيط بن يربوع ابن مرة ومنهم حصين بن الحمام بن ربيعة بن سفيان بن حرام بن وائلة بن سهم بن مرة بن عوف بن سعد بن ذبيان، ومن ولد ثعلبة بن سعد الشماخ وهو معقل وأخاه يزيد وأخواء ويزيد وهو مزرد وحروهم سعدا بني ضرار بن ضبعي بن أصغر بن اياس بن عبد غنم بن جحاش بن سنان بن أمامة بن عمرو ابن جحش بن تخالة بن مازن بن ثعلبة بن سعد بن ذبيان. (فصل) وأما فرازةفولد عديَاً ومازناً وشمخا وطافا ومرة وزوميا، ومن ولد عدي حذيفة بن بدر بن حوفة بن لودان بن ثعلبة بن عدي بن فزارة وفي آل بدر ابن عمرو شرف فزارة، وأولاد بدر بن عمر وحذيفة هذا وحمل ومالك وعوف والحرث وربيعة ورياب وزيلا وهم بيت غطفان، ومن ولد حذيفة بن بدر عيينة بن حصن بن حذيفة وأسماء بن خارجة بن حصن وكان عيينة قد أسلم ثم ارتد ثم أسلم على يدي أبي بكر الصديق رضي الله عنه، وكان يحمق وهو الذي قال له النبي صلى الله عليه وسلم الأحمق المطاع، ومنهم الشاعر عُوَيف القَوافي بن معاوية بن عقبة بن عيينة بن حصن، ومنهم عمرو بن هبيرة بن معية بن مسكين ابن خديج بن نفيض بن حمة وهو مالك بن سعدي بن عدي بن فزارة، ومنهم منظور بن زيان بفتح الزاي وتشديد الياء بن ستار بن عمرو بن العشر بن جابر ابن عقيل بن هلال بن مسمى بن مازن بن فزارة، وكان من أشرافهم يزوج بناته أشراف قريش الحسن بن علي بن أبي طالب ومحمد بن طلحة بن عبد الله وعبد الله بن الزبير والمنذر بن الزبير وفي ذلك أول جرير:إن الندى من بني ذُبيانَ قَدْ عَلموا … والمجد في آل منظور بن سَسيَّارترضي قريش بهم ضُمراً لأنفسها … وهم رضي لبني أخت وأصْهَارِومنهم هرم بن قطبة بن سنان بن عمرو العشرا وهو الذي تحاكم إليه عامر ابن الطفيل وعلقمة بن علاثة الجعفريان وأخذوا منهما مَوثقا عليهما لأنهما ابنا عم، ومنهم ريَث بن ربيعة بن عوف بن هلاك بن شَمخ بن فَزَارَة وحَسان بن لأي بن شمخ، ومنهم صاحب النبي صلى الله عليه وسلم سَمَرةُ بنُ جندب جريح ابن مرة بن حَدث بن عمرو بن جابر بن حُسَين بن لأي بن عصم بن شمَخ بن فَزَارة، وكان سمرة مربياً لمري بن ثابت الجدحي تزوج أمه بعد أبيه، فهذه بطون غطفان وهم بنو أشجع وبنو عبد الله بن غطفان وبنو نمار وعبس وذبيان، ففي عبس بنو عوف بن غالب وبنو مخروم وبنو رواحة وفي ذبيان بنو مرة وبنو سهم وبنو فزارة. نسب عني وباهلة ابني قيس بن سعد بن قيسقال ولد سعد بن قيس بن غطفان وقد ذكرناه ومنبها وهو أعصر وإنما سمى أعصرا لبيت قاله وهو:قالت عَمَيَرةُ ما لرأسكِ بعدما … فقد الشباب أبي بلَِوْن منكرأعُميُراَنّ أبَاكَ غَيّرَ رأسَهُ … ومَر الليالى واختلاف الأصُر
'যুবিয়ান' শব্দটি 'যাবা' শব্দ হতে উদ্ভূত, যার অর্থ কোনো বস্তু নরম ও শিথিল হওয়া। 'যুবিয়ান' শব্দটির 'যাল' বর্ণে পেশ (যুবিয়ান) ও যের (যিবিয়ান) উভয়টিই পড়া যায়, তবে যের দিয়ে পড়া অধিক বিশুদ্ধ ও প্রাঞ্জল। একইভাবে 'সুফিয়ান' শব্দটিও 'সীন' বর্ণে পেশ ও যের উভয় যোগে পড়া যায়। বলা হয়েছে, যুবিয়ানের সন্তানরা হলেন: সা'দ, ফাযারা, আমির, সালামান ও হারিবাহ। সা'দের সন্তানরা হলেন: আউফ ও সা'লাবাহ। আউফ-এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন: হারাম ও খারিজাহ ইবনে সিনান ইবনে আবি হারিসাহ ইবনে মুররা ইবনে সুনাইনাহ ইবনে গাইত ইবনে মুররা ইবনে সা'দ ইবনে যুবিয়ান। হারাম 'জাওয়াদ' (দানশীল) নামে পরিচিত ছিলেন। আর খারিজাহ-কে 'নাকীর' বলা হতো, কারণ তার মায়ের পেট চিরে তাকে বের করা হয়েছিল, ফলে তার নাম হয় 'নাকীর'। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন: আউফ ইবনে সিনান, যার নাম ছিল হারিস ইবনে আউফ; তিনি আবস ও যুবিয়ান গোত্রের মধ্যকার রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মীমাংসাকারী ও ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ছিলেন। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন কবি আল-জাওর ইবনে দুররা ইবনে বাতনা ইবনে মুহসিন ইবনে জারওয়াল ইবনে হাবিব আল-আজাম ইবনে আব্দুল আজিজ ইবনে খুযাইমা ইবনে সা'দ ইবনে যুবিয়ান। আরও রয়েছেন খুযাইম আল-নায়েম ইবনে আমর ইবনে হারিস ইবনে খলিফা ইবনে সিনান (বংশপরম্পরা শেষ পর্যন্ত), হারিস ইবনে আউফ ইবনে সিনান ইবনে আবি হারিসাহ এবং আল-নাবিগাহ, যার নাম যিয়াদ ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে দিবাব ইবনে জাবির ইবনে ইয়ারবু ইবনে গাইত ইবনে মুররা। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন কবি ইবনে আল-সিয়াদাহ, যার নাম আল-রাইয়াহ ইবনে আল-আবরাদ ইবনে যিয়ান ইবনে সুরাকা ইবনে সালমান ইবনে জালিম ইবনে খুযাইমা। আরও রয়েছেন হুসাইন ও হারাম, যারা সুয়াইম ইবনে দিবাব-এর দুই পুত্র। আরও রয়েছেন হারিস ইবনে জালিম ইবনে খুযাইমা ইবনে ইয়ারবু ইবনে আইত ইবনে ইয়ারবু ইবনে মুররা এবং হুসাইন ইবনে হাম্মাম ইবনে রাবিআ ইবনে সুফিয়ান ইবনে হারাম ইবনে ওয়াইলা ইবনে সাহম ইবনে মুররা ইবনে আউফ ইবনে সা'দ ইবনে যুবিয়ান। সা'লাবাহ ইবনে সা'দের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন আল-শাম্মাখ (যার নাম মাকিল) এবং তার ভাই ইয়াযিদ। আর ইয়াযিদ হচ্ছেন মুযাররিদ। তাদের ভাইয়েরা হলেন সা'দ, যারা দিরাড় ইবনে দাবয়ি ইবনে আসগার ইবনে ইয়াস ইবনে আবদ গুনিম ইবনে জাহাশ ইবনে সিনান ইবনে উমামা ইবনে আমর ইবনে জাহাশ ইবনে তাখালা ইবনে মাযিন ইবনে সা'লাবাহ ইবনে সা'দ ইবনে যুবিয়ান। (পরিচ্ছেদ) আর ফাযারা প্রসঙ্গেফাযারার সন্তানরা হলেন: আদি, মাযিন, শামখ, তাফা, মুররা ও যুময়া। আদির বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন হুযাইফা ইবনে বদর ইবনে হুফা ইবনে লাওদান ইবনে সা'লাবাহ ইবনে আদি ইবনে ফাযারা। বদর ইবনে আমর-এর বংশধরেরাই ফাযারা গোত্রের আভিজাত্যের প্রতীক। বদর ইবনে আমর-এর সন্তানরা হলেন: এই হুযাইফা, হামাল, মালিক, আউফ, হারিস, রাবিআ, রিয়াব ও যাইলা; তারা হলেন গাতাফান গোত্রের প্রধান ঘরানা। হুযাইফা ইবনে বদরের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন উয়াইনা ইবনে হিসন ইবনে হুযাইফা এবং আসমা ইবনে খারিজাহ ইবনে হিসন। উয়াইনা ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, এরপর মুরতাদ হন এবং পরবর্তীতে আবু বকর সিদ্দিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু)-এর হাতে পুনরায় ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি কিছুটা নির্বোধ প্রকৃতির ছিলেন, আর তিনিই সেই ব্যক্তি যার সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছিলেন: 'যাকে মান্য করা হয় এমন এক নির্বোধ'। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন কবি উওয়াইফ আল-কাওয়াফি ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে উকবা ইবনে উয়াইনা ইবনে হিসন। আরও রয়েছেন আমর ইবনে হুবাইরা ইবনে মুআইয়া ইবনে মিসকিন ইবনে খাদিজ ইবনে নাফিদ ইবনে হাম্মা (যিনি মালিক) ইবনে সা'দি ইবনে আদি ইবনে ফাযারা। আরও রয়েছেন মানযুর ইবনে যিয়ান (যা বর্ণে ফাতহা এবং ইয়া বর্ণে তাশদীদ সহ) ইবনে সাত্তার ইবনে আমর ইবনে আল-আশার ইবনে জাবির ইবনে আকিল ইবনে হিলাল ইবনে মুসাম্মা ইবনে মাযিন ইবনে ফাযারা। তিনি তাদের অভিজাত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন; তিনি কুরাইশদের অভিজাত ব্যক্তিদের সাথে তার কন্যাদের বিবাহ দিয়েছিলেন, যেমন হাসান ইবনে আলী ইবনে আবি তালিব, মুহাম্মদ ইবনে তালহা ইবনে আব্দুল্লাহ, আব্দুল্লাহ ইবনে আল-জুবাইর এবং আল-মুনযির ইবনে আল-জুবাইর। এ প্রসঙ্গেই জারীর-এর কবিতার প্রথম চরণটি হলো:নিশ্চয়ই যুবিয়ান গোত্রের দানশীলতা সম্পর্কে সকলে অবগত … আর মর্যাদা নিহিত রয়েছে মানযুর ইবনে সাইয়্যার-এর বংশধরদের মাঝে।কুরাইশরা তাদের মাধ্যমে নিজেদের জন্য তৃপ্ত হয় … আর তারা ভাগিনা ও বৈবাহিক আত্মীয় হিসেবে পসন্দনীয়।তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন হারাম ইবনে কুতবাহ ইবনে সিনান ইবনে আমর আল-আশরা, যার কাছে আমির ইবনে তুফাইল এবং আলকামা ইবনে উলাসা আল-জাফারি দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়ে বিচারের জন্য এসেছিলেন। তিনি তাদের দুজনের কাছ থেকে অঙ্গীকার গ্রহণ করেছিলেন কারণ তারা চাচাতো ভাই ছিলেন। আরও রয়েছেন রাইস ইবনে রাবিআ ইবনে আউফ ইবনে হালাক ইবনে শামখ ইবনে ফাযারা এবং হাসান ইবনে লাই ইবনে শামখ। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবী সামুরা ইবনে জুনদুব ইবনে জুরাইহ ইবনে মুররা ইবনে হাদাস ইবনে আমর ইবনে জাবির ইবনে হুসাইন ইবনে লাই ইবনে আসম ইবনে শামখ ইবনে ফাযারা। সামুরাকে মুরি ইবনে সাবিত আল-জাদহি লালন-পালন করেছিলেন, কারণ তিনি সামুরার পিতার মৃত্যুর পর তার মাকে বিবাহ করেছিলেন। এগুলোই হলো গাতাফানের শাখা গোত্র; তারা হলো বনু আশজা, বনু আব্দুল্লাহ ইবনে গাতাফান, বনু নামার, আবস এবং যুবিয়ান। আবস গোত্রের মধ্যে রয়েছে বনু আউফ ইবনে গালিব, বনু মাখযুম ও বনু রাওয়াহা। আর যুবিয়ান গোত্রের মধ্যে রয়েছে বনু মুররা, বনু সাহম ও বনু ফাযারা। কায়েস ইবনে সা'দ ইবনে কায়েস-এর দুই পুত্র গানি এবং বাহিলা-এর বংশপরিচয়বলা হয়েছে, কায়েস ইবনে সা'দ ইবনে গাতাফানের সন্তান হলেন সা'দ (যার কথা আমরা উল্লেখ করেছি) এবং মুনাব্বিহ, যিনি 'আ'সুর' নামে পরিচিত। তাকে আ'সুর বলার কারণ হলো তার রচিত একটি কবিতার চরণ, যা হলো:আমায়রা বলল, যৌবন বিদায় নেওয়ার পর তোমার মাথার একি দশা হলো … যা এক অপরিচিত বর্ণ ধারণ করেছে।হে আমায়রা! তোমার পিতার মাথার চুল পরিবর্তন করে দিয়েছে … রাতের পর রাত অতিবাহিত হওয়া এবং সময়ের বিবর্তন।
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ১৮)
فولد أعصر مالكاً وهو باهلة وعمراً وهو غَني والظفاوة وعامرا وثعلبة ومعاوية، فمن ولد الطفاوة ثعلبة وعامر سما الطَفَاوَة ولد مالك بن أعصر سعد مناة وأمه باهلة بنت صعب بن سعد العشيرة وأولد من غيرها معنا ثم خلف ومن بعد أبيه نكِاح مقفتٍ فولدت له أوداً وحاوة، ولمعن أولاد من غيرها وهم شعبان وزيد ووائل والحرث وحرب ووهيب وعمرو وقتيبة وقعيب فحضنهم جميعا باهلة فنُسبُوا إليها فمن باهلة الأصمعي وهو عبد الملك بن قريب بن عبد الملك ابن صمع بن مطهر بن رباح وهو الحباب بن سعد بن عبد بن عنم قتيبة بن مالك ابن باهلة بن أعصر، ومنهم سحبان بن وائل بن معبد وهو الفصيح الخطيب الذي يضرب به المثل ويقال أفصح من سحبان بن وائل ومنهم صحب بخن سعد ابن عبد بن عنم بن قتيبة، ومنهم أعشى باهلة وهو عامر بن الحرث بن رباح بن أبي خالد بن ربيعة بن زيد بن عمرو بن سلامة بن ثعلبة بن وام ئل بن معن، ومنهم قتيبة بن مسلم بن عمرو بن الحصين بن ربيعة بن خالد بن أسيد بن الخبر بن كعب بن هلال بن سلامة بن ثعلبة بن وائل بن معن بن مالك بن أعصُر، ولقُتَيبةَ بن مسلم من الأخوة صالح وعبد الله وعبد الرحمن وزياد وزريق وعمرو ويق يد ومعبد وحُصين وحَماد بنو مسَلم قتيبة تصغير قتب وهي الأمعاء. فصل وأما غنيًفهو عمرو فولد غنما وجعده فولد غنم بن حيلان ونهثه وعمرا، فمنهم رَيان بن كعب بن حلان بن غنم بن غنى والمحبر طفيل الحبل بن عوف بن خلف بن حليس ابن مالك بن مسعد بن عوف بن كعب بن جلان بن غنم بن غني، والمحبر طفيل الخيل بن عوف بن خلف بن حليس بن مالك بن سعد بن عوف وكعب بن جلان، وقيس الندا بن عبد الله بن عملية بن طريف، ومنهم الحرث بن الغضبان بن كعب ابن عدئ بن عبد الله بن مالك بن لدبل بن نهثة بن غنم بن عثمان قيس بن سعد ابن قيسي بن عيلان. نسب فهم وعدوانبني عمرو بن قيس بن عيكن واسم عدوان الحرث وإنما سمي عدوانا لأنه عدا على أخيه فهم فقتله. وأم ففم وعدوان جديلة بنت مراخت تميم بن مربن أد وهي زوجة عمرو بن قيس نسب ولدها إليها فقيل: جديلة قيس، فولد عدوان زيدا ويشكر ومالك وعكرشة ودوسا ويقال انهم دوس الذين في الأزد، فمن عدوان عامر ابن الظرب بن عمرو بن عياذ يشكر بن عدوان وكان يحكم بين العرب في الجاهلية وهو الذي حكم في الخنثى يورث من حيث يبول، وحكم بذلك الإسلام، ومنهم أبو سيارة واسمه عميّلة بن الأعزل بن خالد بن سعد بن الحرث بن أوس ابن يزيد بن عدوان وكان يدفع بالناس في الجاهلية على حمار أسود أربعين سنة ويقال في المثل اصح من حمار أبي سيارة وفي عدوان لقب بن يشكر بفتح اللام والتحريك وفي الأزد بكسر الام والإسكان. (فصل) وأما فهمفولد سعدا وقينا وعابدة، ومن ولد سعد تأبط شرا وهو ثابت بن جابر بن سفيان بن عدي بن كعب بن حرب بن تيم وسعد بن فهم، ومنهم ثعلبة بن كنانة ابن عمرو بن قين بن فهم. فهذا آخر نسب قيس غيلان وهو آخر نسب مضر بن إلياس بن نزار وإذا قيل مضر فهم خندف وقيس بنا مضر وخندف أم ولد الحياس بن مضر واسمها ليلى بنت خلوان بن عمران بن الحاف بن قضاعة، وإنما سميت خندف لقصة، وذلك أنهم نزلوا بعض المنازل يبتغون مواقع الحساب فثارت أرنب تعدو بين رجالهم فتفرقت الإبل فقام بناها عمرو وعامر فكت عمرو الإبل فأدركها ما لقمع بنها الثالث في الخباء وكان بنوها ثمانية عمرو وعامر وعمير فخرجت أمهم في طلبهم لما أبطأ ولدها فلقيها أبوهم فقال إلى أين تنخندفين ياليلى والخندف والتبختر واحد فسميت خندفا وأقبل عمرو بالإبل فسماه مدركة وأقبل عامر بالأرنب فسماها طابخة لما طيحها وسمى نمير قمع لما أنقمع في الخباء، وفي ليلى يقول شاعرهم:نَحْنُ لإِلْيَاصَ الأعزّ الأشْرف … أنجبنا من لم تقترف ليلى لكن عرفت بخندقفقبائل مضر من خندف وقيس فقبايل خندف، قريش وكنانة، وأسد، والقارة وهذيل، والرياب، وخسة، ومزينة، وخميس، وقبايل قيس هوازن وغطفان وسليم، وفهم، وعدوان وغني وباهلة، ومحارب، فهذه أمهات قبايل مضر وقد تشعبت شعوبا وبطونا فقد ذكرناها والله اعلم. نسب ربيعة بن نزار
আ’সুরের ঘরে মালিক (যিনি বাহিলা নামে পরিচিত) এবং আমর (যিনি গনী নামে পরিচিত), তুফাওয়াহ, আমির, সা’লাবাহ ও মুয়াবিয়া জন্মগ্রহণ করেন। তুফাওয়াহ-এর সন্তানদের মধ্যে সা’লাবাহ ও আমির উল্লেখযোগ্য। আ’সুরের পুত্র মালিকের সন্তানদের নাম হলো সা’দ মানাত—তার মা ছিলেন সা’ব বিন সা’দ আল-আশিরাহ-এর কন্যা বাহিলা। অন্য স্ত্রীর গর্ভে তার মা’ন নামে এক পুত্র ছিল। তার পিতার মৃত্যুর পর ‘নিকাহুল মাকত’ (তৎকালীন প্রথাগত বিবাহ) অনুযায়ী তাকে গ্রহণ করা হলে তার গর্ভে আওদ ও হাওয়াহ জন্মায়। মা’ন-এর অন্য স্ত্রীর গর্ভেও সন্তান ছিল, তারা হলেন শাবান, যায়েদ, ওয়ায়িল, হারিস, হারব, ওয়ুহাইব, আমর, কুতাইবা ও কুআইব। বাহিলা তাদের সবাইকে লালন-পালন করেন, ফলে তারা তার নামেই পরিচিতি লাভ করেন। এই বাহিলা গোত্রেরই একজন হলেন আল-আসমাঈ, যার নাম আব্দুল মালিক বিন কুরাইব বিন আব্দুল মালিক বিন সামা বিন মুতাহার বিন রাবাহ। রাবাহ হলেন আল-হুবাব বিন সা’দ বিন আবদ বিন আনাম বিন কুতাইবা বিন মালিক বিন বাহিলা বিন আ’সুর। তাদের মধ্যে আরও আছেন সাহবান বিন ওয়ায়িল বিন মাবাদ, যিনি ছিলেন সেই প্রখ্যাত বাগ্মী যার নামে প্রবাদ প্রচলিত আছে যে, ‘সাহবান বিন ওয়ায়িলের চেয়েও সাবলীল বক্তা’। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন সাহাব বিন সা’দ বিন আবদ বিন আনাম বিন কুতাইবা। আরও আছেন আশা বাহিলা, যার নাম আমির বিন হারিস বিন রাবাহ বিন আবি খালিদ বিন রাবিয়া বিন যায়েদ বিন আমর বিন সালামাহ বিন সা’লাবাহ বিন ওয়ায়িল বিন মা’ন। তাদের মধ্যে আরও আছেন কুতাইবা বিন মুসলিম বিন আমর বিন হুসাইন বিন রাবিয়া বিন খালিদ বিন আসিদ বিন আল-খাবার বিন কাব বিন হিলাল বিন সালামাহ বিন সা’লাবাহ বিন ওয়ায়িল বিন মা’ন বিন মালিক বিন আ’সুর। কুতাইবা বিন মুসলিমের ভাইয়েরা হলেন সালিহ, আব্দুল্লাহ, আব্দুর রহমান, জিয়াদ, জুরাইক, আমর, ইয়াজিদ, মাবাদ, হুসাইন ও হাম্মাদ—তারা সবাই মুসলিমের সন্তান। ‘কুতাইবা’ শব্দটি ‘কুতুব’ শব্দের ক্ষুদ্রার্থবোধক রূপ, যার অর্থ অন্ত্র। অনুচ্ছেদ: গনী গোত্র প্রসঙ্গেগনী হলেন মূলত আমর। তিনি গানাম ও জাদআহ-এর পিতা। গানাম বিন হাইলানের সন্তানরা হলেন নুহসাহ ও আমর। তাদের মধ্যে রয়েছেন রাইয়ান বিন কাব বিন হিলান বিন গানাম বিন গনী এবং আল-মুহাব্বার তুফাইল আল-হাবল বিন আউফ বিন খালাফ বিন হুলিস বিন মালিক বিন মাসআদ বিন আউফ বিন কাব বিন জিলান বিন গানাম বিন গনী। আরও আছেন আল-মুহাব্বার তুফাইল আল-খাইল বিন আউফ বিন খালাফ বিন হুলিস বিন মালিক বিন সা’দ বিন আউফ ও কাব বিন জিলান এবং কায়স আল-নাদা বিন আব্দুল্লাহ বিন আমালিয়াহ বিন তারিফ। তাদের মধ্যে আরও আছেন হারিস বিন গাদবান বিন কাব বিন আদি বিন আব্দুল্লাহ বিন মালিক বিন লাদবিল বিন নুহসাহ বিন গানাম বিন উসমান কায়স বিন সা’দ বিন কায়সী বিন আয়লান। ফাহম ও আদওয়ান গোত্রের বংশলতিকাএরা আমর বিন কায়স বিন আয়লানের পুত্র। আদওয়ানের আসল নাম ছিল হারিস। তাকে আদওয়ান (আক্রমণকারী) বলা হতো কারণ তিনি তার ভাই ফাহমকে আক্রমণ করে হত্যা করেছিলেন। ফাহম ও আদওয়ানের মা ছিলেন জাদিদাহ বিনতে মুররা বিন তামীম বিন মুর বিন আদ। তিনি আমর বিন কায়সের স্ত্রী ছিলেন এবং তার সন্তানদের তার নামের দিকেই সম্পর্কিত করা হতো, তাই তাদের বলা হতো ‘জাদিদাহ কায়স’। আদওয়ানের সন্তানদের নাম হলো যায়েদ, ইয়াশকর, মালিক, ইকরাশাহ ও দাওস। বলা হয়ে থাকে যে, এরাই হলো আযদ গোত্রের দাওস। আদওয়ান গোত্রের একজন হলেন আমির বিন যারিব বিন আমর বিন আইয়াজ বিন ইয়াশকর বিন আদওয়ান। তিনি জাহিলিয়াত যুগে আরবদের বিচারক ছিলেন। তিনি হিজড়া বা উভয়লিঙ্গের উত্তরাধিকার নিয়ে ফয়সালা দিয়েছিলেন যে, যে স্থান দিয়ে সে প্রস্রাব করে সেই অনুযায়ী তার উত্তরাধিকার নির্ধারিত হবে; পরবর্তীকালে ইসলামেও এই বিধান রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে আবু সাইয়্যারাও ছিলেন, যার নাম আমালিয়াহ বিন আ’জাল বিন খালিদ বিন সা’দ বিন হারিস বিন আউস বিন ইয়াজিদ বিন আদওয়ান। তিনি জাহিলিয়াত যুগে টানা চল্লিশ বছর একটি কালো গাধার পিঠে চড়ে হজ মৌসুমে লোকদের প্রস্থান বা ‘দাফ’ পরিচালনা করতেন। প্রবাদে বলা হয় ‘আবু সাইয়্যারার গাধার চেয়েও অধিক সুস্থ’। আদওয়ান গোত্রের ক্ষেত্রে ‘লাকাব’ শব্দটি লাম বর্ণে জবর ও হরকতসহ উচ্চারিত হয়, আর আযদ গোত্রে এটি লাম বর্ণে যের ও সুকুনসহ উচ্চারিত হয়। (অনুচ্ছেদ) ফাহম প্রসঙ্গেফাহমের তিন সন্তান হলো সা’দ, কাইন ও আবিদাহ। সা’দের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন তায়াব্বাতা শাররান, যার নাম সাবিত বিন জাবির বিন সুফিয়ান বিন আদি বিন কাব বিন হারব বিন তাইম ও সা’দ বিন ফাহম। তাদের মধ্যে আরও আছেন সা’লাবাহ বিন কিনানাহ বিন আমর বিন কাইন বিন ফাহম। এটিই কায়স আয়লান এবং মুদার বিন ইলিয়াস বিন নিযারের বংশলতিকার সমাপ্তি। যখন মুদার বলা হয়, তখন এর অন্তর্ভুক্ত হয় খিনদাফ ও কায়স। তারা মুদারের দুই পুত্র। খিনদাফ হলেন ইলিয়াস বিন মুদারের সন্তানদের মা। তার নাম ছিল লায়লা বিনতে খুলওয়ান বিন ইমরান বিন হাফ বিন কুদাআহ। একটি ঘটনার কারণে তার নাম খিনদাফ রাখা হয়েছিল। ঘটনাটি হলো, তারা যখন কোনো এক স্থানে তাবু ফেলেছিলেন, তখন একটি খরগোশ তাদের লোকদের মধ্য দিয়ে দৌড়ে পালাল। এতে উটগুলো আতঙ্কিত হয়ে ছড়িয়ে পড়ল। তখন তার পুত্র আমর ও আমির দাঁড়িয়ে গেল। আমর উটগুলোকে পিছু ধাওয়া করে ধরে ফেলল, আর আমির খরগোশটিকে শিকার করল। কিন্তু তাদের তৃতীয় ভাই কামা’আহ তাবুর ভেতরেই লুকিয়ে রইল। তাদের মা তাদের সন্ধানে বেরিয়ে এলেন কারণ তার ছেলেরা ফিরতে দেরি করছিল। তখন তার স্বামী তার সাথে দেখা করে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে লায়লা, তুমি কোথায় খিনদাফ (দ্রুত হাঁটা বা দম্ভভরে চলা) করছ?’ খিনদাফ ও তাবাকতুর (গর্বিত চলন) মূলত একই অর্থ বহন করে। এভাবেই তার নাম হয়ে গেল খিনদাফ। আমর উটগুলো ফিরিয়ে আনলে তার নাম রাখা হলো মুদরিকাহ (যে ধরে ফেলেছে)। আমির খরগোশটি নিয়ে এলে তার নাম রাখা হলো তাবিইয়াহ (যে রান্না করেছে), যেহেতু সে ওটা রান্না করেছিল। আর কামা’আহকে নাম দেওয়া হলো নুমাইর, কারণ সে তাবুর ভেতরে লুকিয়ে (ইনকামা’আ) ছিল। লায়লা সম্পর্কে তাদের কবি বলেন:আমরা মর্যাদাবান ও সম্মানিত ইলিয়াসের বংশধর … আমরা এমন সন্তানদের জন্ম দিয়েছি যারা কোনো পাপ করেনি। লায়লা তবে খিনদাফ নামেই পরিচিতি পেয়েছেনমুদার গোত্রসমূহ খিনদাফ ও কায়স থেকে উদ্ভূত। খিনদাফের গোত্রগুলো হলো: কুরাইশ, কিনানাহ, আসাদ, আল-কারাহ, হুযাইল, আল-রিয়াব, খাসাহ, মুযাইনাহ ও খামিস। আর কায়স গোত্রগুলো হলো: হাওয়াযিন, গাতফান, সুলাইম, ফাহম, আদওয়ান, গনী, বাহিলা ও মুহারিব। এগুলোই মুদার গোত্রের মূল শাখা যা পরবর্তীতে অসংখ্য উপগোত্র ও শাখায় বিভক্ত হয়েছে। আমরা সেগুলো উল্লেখ করেছি। আর আল্লাহই ভালো জানেন। রাবিয়া বিন নিযারের বংশলতিকা
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ১৯)
كان يقال لربيعة ومضر الصريحان. قال كان ربيعة أكبر من مضر وهو أكبر ولد أبيه إنما قدمنا مضر في النسب لقربها من رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال ولد نزار أربعة مضر وربيعة وأيادا وانمارا، فمضر وربيعة متفق عليهما، وأما أنمار بن نزار فغلب على نسبه أنمار بن اراش بن عمرو بن الغوث بن النبت ابن مالك بن زيد بن كهلان وصار نسب أنمار بن خثعم، وأنمار أخو ربيعة أمه، ومن ولد أنمار لغوث ومسحمة وبثت سلامة بنت أنمار، وكانت عند اراش بن عمرو ابن الغوث، فولدت له أنمار السواد فصار ولده منه فألحت عليهم الفرس بالغارات فدخلوا في الروم وتنصروا ولحقوا بالعجم وانقطعوا عن العرب وجهلت أنسابهم لكن نسب أياد اشهر من نسب أنمار، ومنهم قبايل معروفة ورجال مذكورون على ما نأتي به إن شاء الله تعالى. قال وأولاد ربيعة أسد وضبيعة وسؤدة وعمران وعابس وكلب وكلب وكلاب ومكالب ومكلبة وعؤف وناهش وحزبة وعفرة وهنح ودلف ولعيا وديب وذؤيب وعمرو وعامر ومعادية بنو ربيعة بن نزار وقد دخلت أكلب خثعم وعوف وناهش ف مذحج وبنو معادية في كندة وإنضم كلا ومظبة إلى بني ضبيعة قال هشام بن الكلبي اول بيت من ربيعة بن نزار كانت الرياسة فيه، والحكومة واللواء والمرباع يتلون ذلك كابرا عن كابر عن بني ضبيهة إلى عنزة بن أسد بن ربيعة واسمه عنزة عام ثم تحولت الرياسة إلى بني عبد القيس بن أفصى (بالصاد المهملة) بن دعمي بن خديبة بن أسد بن ربيعة فوليها منهم الضحيان واسمه عامر بن سعد بن الخزرج بن تيم الله بن النمر بن قاسط وإنما سمى الضحبان لأنه كان يقعد للقوم في الضجى يحكم بينهم، وفيه يقول الشاعر:بني الله للضجْنان بيتاً ورتْبةً … ففي النمر أبيات كرام وسُؤْدُدُومضر الأبيض سمى بياضه، ومنه المضيرة هي المطبوخ بالزيت، وربيعة وهي بيّضة السلاح وبها سمى ربيعة قال والبيت والعدد من ربيعة فولد أسد بن ربيعة، ونحن نبدأ بنسب ضبيعة بن ربيعة لاختصاره ثم نعود إلى ولد أسد إن شاء الله تعالى.نسب ضبيعة بن ربيعةقال أبو عبيدة كان أود أعز بيت في ربيعة حين أكلتهم الحرب بيت ضبيعة بن ربيعة، فولد ضبيعة أحمس والحرث ذا القلادة وعوفاً ويزيد والعطاف وعبادا، فمنهم الحارث الاضحم بن عبد الله بن دوقن بن علية بن حرث بن حلى بن أكسر ابن ضبيعة، ويسمى الحرث الأضخم لميل كان في فيه من لقوة إصابته وهو الذي أمر ربيعة بتضفير اللحى وتمضير الثياب وروى بتبيض الثياب ليعرفوا بين العرب فكان لهم مرباع على معد في كل عام أقام أو غزا، وهو الذي قال له ضبيعة من فاز علم المرباع فاشتتمره ومن شتكم فاضربوه ومن ضربكم فافتلوه ومن قتلكم كملفتموه واحدا مناثنتين أما يحييكم ويديكم أو يدركوه فيقتلوه، قال أبو عبيد فبغوا على الناس فانقرضوا، ومنهم المسيب خال الأشى وهو المسيب بن علس بن مالك بن عمرو بن ثمامة بن زيد بن ثعلبة بن عدي بن جشم ابن بلال بن جماعة بن جلى بن أحمس بن ضبيعة، ومنهم المتلمس وهو جرير ابن عبد المسيح بن عبد الله بن زيد بن دوفن بن علبة بن حارث بن حلى بن أحمس بن ضبيعة، والمتلمس خال ظرفة والنسب إلى ضبيعة ضبعى بضمك الضاد وفتح الباء وإلى مزينة مزني وإلى جهينة جهني، نسب ولد أسد بن ربيعة. فمن ولد أسد جديلة وعنزة وهو عمرو وقد دخلت عنزة في عبد القيس وبنو مبشر ومالك ومنصور وبنو عنزة، هن ولد جديلة جران وخندف وعدي، ودعمى فمن ولد يذكمر بن عنزة وهو أحد العارظين الذي يقول فيه الشاعر:فّرجّى وانتظرى ايابي … إذا ما العارضين العنزي آباومنهم القارظ الثاني وهو أبو نرهم وقيل ان القارضي الثاني من النمر بن قاسط خرج يجمع القرط فلم يرجع فلهذا فهما القارظان وهما هذان وفيهما يقول الشاعر أبو ذؤيب الهذلي:وحى يؤوب القارضان كلاهما … وينشر في القتلى كليبا لِوائِبومن ولده يذكر بن عنزة بن صباح بن عتيك بن أسلم، ومنهم عبيد بن أشيم ابن يشكر بنالحارث بن الدؤل بن الصباح بن عتيك بن أسلم، ومن بني عميرة بن أسد اياس بن ثعلبة بن حارثة بن فهم بن يذكر بن علية بن تيسير بن عميرة بن أسد. نسب عبد القيس بن دعمي
রবীআহ ও মুদারকে 'আস-সারীহান' (দুই বিশুদ্ধ বংশোদ্ভূত) বলা হতো। বলা হয়েছে যে, রবীআহ মুদারের চেয়ে বড় ছিলেন এবং তিনি ছিলেন তার পিতার জ্যেষ্ঠ সন্তান। বংশপরম্পরায় আমরা মুদারকে আগে উল্লেখ করেছি কারণ তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর বংশের নিকটতর। বর্ণিত আছে যে, নিযারের চার পুত্র ছিল: মুদার, রবীআহ, ইয়াদ ও আনমার। মুদার ও রবীআহর ব্যাপারে সকলে একমত। কিন্তু নিযারের পুত্র আনমারের ক্ষেত্রে তার বংশলতিকার ওপর আনমার বিন আরাশ বিন আমর বিন আল-গাউস বিন আন-নাবিত বিন মালিক বিন যায়িদ বিন কাহলানের বংশ পরিচয় প্রবল হয়ে যায় এবং আনমারের বংশ খাস’আম গোত্রের বংশধারায় পরিণত হয়। আনমার ছিলেন রবীআহর সহোদর ভাই। আনমারের সন্তানদের মধ্যে ছিল গাউস ও মাসহামাহ; এবং আনমারের কন্যা সালামাহ বিনতে আনমার জন্মলাভ করেন। তিনি ছিলেন আরাশ বিন আমর বিন আল-গাউসের স্ত্রী। তিনি তার গর্ভে আনমার আস-সাওয়াদকে জন্ম দেন, ফলে তার সন্তানরা তারই বংশোদ্ভূত হয়ে যায়। অতঃপর পারস্যবাসীরা তাদের ওপর ঘনঘন আক্রমণ চালাতে থাকে, ফলে তারা রোম সাম্রাজ্যে প্রবেশ করে এবং খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে অনারবদের সাথে মিশে যায়। এতে করে আরবদের থেকে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং তাদের বংশপরিচয় অজ্ঞাত হয়ে যায়। তবে ইয়াদ-এর বংশ আনমারের বংশের চেয়ে অধিক পরিচিত, তাদের মধ্যে অনেক প্রসিদ্ধ গোত্র ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ রয়েছেন যাদের কথা ইনশাআল্লাহ আমরা সামনে উল্লেখ করব। রবীআহর সন্তানরা হলো: আসাদ, দাবিয়াহ, সু’দাহ, উমরান, আবিস, কালব, কালাব, মুকালিব, মুকালিবাহ, আউফ, নাহিদ, হিযবাহ, আফ্রাহ, হানাছ, দালাফ, লা’ইয়া, দীব, যুআইব, আমর, আমির ও মুআদিয়াহ। এরা সবাই রবীআহ বিন নিযারের সন্তান। আকলিব গোত্র খাস’আমের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, আর আউফ ও নাহিদ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে মাযহিজ গোত্রে। বনু মুআদিয়াহ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কিনদাহ গোত্রে, আর কালা ও মাজবাহ যোগ দিয়েছে বনু দাবিয়াহর সাথে। হিশাম বিন আল-কালবী বলেন, রবীআহ বিন নিযারের বংশের প্রথম যে ঘরে নেতৃত্ব, বিচারকার্য, যুদ্ধের পতাকা এবং গনীমতের এক-চতুর্থাংশ গ্রহণের অধিকার ছিল, তা বংশপরম্পরায় বনু দাবিয়াহ থেকে আসাদ বিন রবীআহর পুত্র আনাযাহ পর্যন্ত পৌঁছেছিল এবং তার নাম ছিল আনাযাহ আম। এরপর নেতৃত্ব স্থানান্তরিত হয় বনু আবদ আল-কায়েস বিন আফসা বিন দু’মী বিন খুদাইবাহ বিন আসাদ বিন রবীআহর কাছে। তাদের মধ্য থেকে এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন আদ-দাহইয়ান, যার নাম ছিল আমির বিন সা’দ বিন আল-খাযরাজ বিন তাইমুল্লাহ বিন আন-নামির বিন কাসিত। তাকে 'আদ-দাহইয়ান' বলা হতো কারণ তিনি দিনের আলোতে (চাশতের সময়) মানুষের মাঝে বিচার করার জন্য বসতেন। তার সম্পর্কে কবি বলেছেন: আল্লাহ দাহইয়ানের জন্য একটি গৃহ ও উচ্চ মর্যাদা নির্মাণ করেছেন ... আর নামির গোত্রে রয়েছে সম্মানিত ঘরসমূহ ও শ্রেষ্ঠত্ব। মুদারকে 'আল-আবয়াদ' (শ্বেতবর্ণ) বলা হতো তার শুভ্রতার কারণে, আর এ থেকেই 'মাদীরাহ' শব্দের উৎপত্তি যা তেল দিয়ে রান্না করা হয়। রবীআহ হলো উজ্জ্বল অস্ত্রশস্ত্র, যার কারণে রবীআহর নামকরণ হয়েছে। বলা হয় যে, রবীআহর আভিজাত্য ও লোকসংখ্যা আসাদ বিন রবীআহর বংশে নিহিত। আমরা প্রথমে সংক্ষেপে দাবিয়াহ বিন রবীআহর বংশ আলোচনা করব, তারপর ইনশাআল্লাহ আসাদের সন্তানদের বর্ণনায় ফিরে আসব। দাবিয়াহ বিন রবীআহর বংশ আবু উবাইদাহ বলেন, যখন যুদ্ধ রবীআহ গোত্রকে গ্রাস করছিল, তখন তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘর ছিল দাবিয়াহ বিন রবীআহর ঘর। দাবিয়াহর সন্তানরা হলো: আহামাস, হারিস যুল-কালাদাহ, আউফ, ইয়াযিদ, আতাফ এবং ইবাদ। তাদেরই অন্তর্ভুক্ত আল-হারিস আল-আযখাম বিন আব্দুল্লাহ বিন দাওকান বিন উলাইয়াহ বিন হারিস বিন হুল্লা বিন আকসার বিন দাবিয়াহ। তাকে হারিস আল-আযখাম বলা হতো কারণ তার মুখে পক্ষাঘাতজনিত বক্রতা ছিল। তিনিই রবীআহ গোত্রকে দাড়ি বিনুনি করার এবং কাপড় রঙিন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন, অন্য বর্ণনায় এসেছে কাপড় সাদা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন যাতে আরবদের মাঝে তাদের চেনা যায়। তারা প্রতি বছর মা’আদ গোত্রের ওপর এক-চতুর্থাংশ কর (মিরবা’) আদায় করত, তারা অবস্থান করুক বা যুদ্ধে লিপ্ত থাকুক। তিনিই দাবিয়াহকে বলেছিলেন, যে ব্যক্তি মিরবা’র নিয়ম মেনে বিজয় লাভ করবে সে যেন তা ভোগ করে, আর যে তোমাদের গালি দেবে তাকে তোমরা প্রহার করো, আর যে তোমাদের প্রহার করবে তাকে হত্যা করো, আর যে তোমাদের হত্যা করবে তোমরা তার বদলে আমাদের পক্ষ থেকে একজনকে দুইজনের বিনিময়ে হত্যা করো—হয় তারা তোমাদের জীবিত ফিরিয়ে দেবে ও রক্তপণ দেবে, নতুবা তারা তাকে পেয়ে হত্যা করবে। আবু উবাইদ বলেন, এরপর তারা মানুষের ওপর সীমালঙ্ঘন শুরু করে এবং অবশেষে বিলুপ্ত হয়ে যায়। আল-মুসাইয়াব বিন আলাস তাদেরই অন্তর্ভুক্ত, যিনি আল-আ’শার মামা। তার বংশ হলো: আল-মুসাইয়াব বিন আলাস বিন মালিক বিন আমর বিন সুমামাহ বিন যায়িদ বিন সা’লাবাহ বিন আদি বিন জুশাম বিন বিলাল বিন জামা’আহ বিন জুল্লা বিন আহামাস বিন দাবিয়াহ। আল-মুতালম্মিসও তাদের অন্তর্ভুক্ত, যার নাম জারীর বিন আব্দুল মাসীহ বিন আব্দুল্লাহ বিন যায়িদ বিন দাওকান বিন উলাইয়াহ বিন হারিস বিন হুল্লা বিন আহামাস বিন দাবিয়াহ। মুতালম্মিস ছিলেন তারাফাহর মামা। দাবিয়াহর দিকে সম্বন্ধ করে 'দাবয়ি' (দাদ বর্ণে পেশ ও বা বর্ণে জবর দিয়ে) বলা হয়, যেমন মুযাইনাহ থেকে মুযানী এবং জুহাইমাহ থেকে জুহানী। আসাদ বিন রবীআহর বংশধারা: আসাদের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে জাদীলাহ এবং আনাযাহ (যার নাম আমর)। আনাযাহ গোত্র আবদ আল-কায়েস গোত্রে মিশে গেছে। এছাড়া রয়েছে বনু মুবাশশির, মালিক, মনসুর এবং বনু আনাযাহ। জাদীলাহর সন্তানরা হলো: জুরান, খিনদিফ, আদি এবং দু’মী। ইয়াযকুমুর বিন আনাযাহর সন্তানদের মধ্যে একজন হলেন সেই দুই 'কারিজ'-এর (বনজ ফল সংগ্রহকারী) একজন, যার সম্পর্কে কবি বলেছেন: আশা রাখো এবং আমার ফিরে আসার প্রতীক্ষা করো ... যখন আনাযাহর সেই কারিজ ফিরে আসবে (অর্থাৎ সে আর ফিরবে না)। দ্বিতীয় কারিজ হলো আবু নুরহাম। বলা হয় যে, দ্বিতীয় কারিজ ছিল নামির বিন কাসিত গোত্রের, যে করমচা সংগ্রহ করতে বেরিয়ে আর ফেরেনি। এ কারণেই তারা 'আল-কারিজান' (দুই কারিজ) নামে পরিচিত। কবি আবু যুআইব আল-হুযালী তাদের সম্পর্কে বলেছেন: এবং ততক্ষণ পর্যন্ত, যতক্ষণ না দুই কারিজ ফিরে আসে ... আর নিহতদের মধ্যে কুলাইবের পতাকা পুনর্জীবিত হয়। তার বংশধরদের মধ্যে রয়েছে ইয়াযকুর বিন আনাযাহ বিন সাবাহ বিন আতীক বিন আসলাম। তাদেরই অন্তর্ভুক্ত উবাইদ বিন আশিয়াম বিন ইয়াশকুর বিন আল-হারিস বিন আদ-দুউল বিন আস-সাবাহ বিন আতীক বিন আসলাম। আর বনু উমাইরাহ বিন আসাদের অন্তর্ভুক্ত হলো ইয়াস বিন সা’লাবাহ বিন হারিসাহ বিন ফাহম বিন ইয়াযকুর বিন উলাইয়াহ বিন তাইসীর বিন উমাইরাহ বিন আসাদ। আবদ আল-কায়েস বিন দু’মীর বংশ
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ২০)
ابن جديلة بن أسد بن ربيعة، فمن ولد القيس اللبو وأفصى قال الشرف في عبد القيس في ولد شن بن أقصي بن عبد القيس منهم الديل بن شن وبنو سعد وخذيمة وعامر وحبيب وعصى وهمام، وبنو الديل بن شن بن أفصى ابن عبد القيس، وولد شن أول من اختلط اليمامة خرج بهم عبيد بن الحرث وخرج معظم بن شن إلى العراق فوجدوا بها قوما من إياد ومن الأزد فأجلوهم منها وخرجت اياد إلى البحرين وما تاهجها فتابعها فرقة منشن فغارت عليها أيام فوقعت الفتنة بينهم، وكانت أيام الجوار فانهزمت شن ثم خرجت إلى عبد القيس وأخرجت صعصعة بن صوحان وأخوته وزيدا وسحان بن عبد القيس وكانو مغنما وأخرجت اياد إلى الأزد فاقتتلوا وغلبت عبد القيس وارتحلت عن البحرين وتبوأها عبد القيس وفيهم يقول الشاعروَجدتُ شَنَّ إيادِ بالقَنَا طَبَقاً … وافق شنُّ طبقهقال: ومن ولد أفصى بن عبد القيس لكيز وصياح، فمن ولد لُكيز منبه بن بكر بكير بن أفصى، وملكان بن صباح بن أفصى والديل، وانمار ومحارب بنو عمرو بن رديعة بن بكير بن أفصى ومنهم والصلتان وهم قيم بن حبة ابن قيم بن كعب بن سلما بن عباد بن عبد الله بن عمرو بن هجرس بن ثعلبة بن عامر بن سعد بن الديل، قال ومن ولد عبد القيس بطون أخر منهم عصين وعوف وفي الأزد أيضا عوف ودفن بن عذرة بن منبه بن بكرة بن لكنز بن أفصى بن عبد القيس ودهن هو لا غير دهن نجيلة فخذ عمار الدهني منهم الشاعر وهو عائذ ابن محصن بن ثعلبة بن وائلة بن عدا بن دهن قال أبو الفرج الأصفهاني في كتاب الأغاني عبد القيس بن أفصى بن جديلة بن أسد والنسابون يغلطون فيقولون بن دعمي بن جديلة وإنما هو أفصى بن دعمي جد بكر بن وائل بن قاسط بن هنب بن أقصي بن جديلة بن أسد بن ربيعة. والله أعلم. نسب النمر بن قاسطابن هنب بن أفصى بن دعمي بن جديلة بن أسد بن ربيعة، قال فمن ولد قاسط غنم وايل وعلقمة وعامر وسحيص معاوية بنو قاسط ومنهم النمر وأولاده أوس مناة وأوس اللات بنو تميم وبنو قاسط ومنهم عمرو بن عامر بن زيد مناة بن عامر الصبجنان بن سعد بن الخزر بن تيم اللات وهو وبيس ربيعة قيل بني شيبان وقد أخذ المرياع أربعين سنة وأخوه عوف بن سعد، ومن ولد الضحيان بوحطا خطل بن كعب بن الحرث بن جشم بن هلال بن ربيعة بن زيد مناة، ومنهم نتيلة بنت خباب بن كليب بن مالك بن عمرو بن عامر الضحيان الأصغر بن زيد مناة بن عامر الضحيان الأكبر وبنى أم العباس بن عبد المطلب رضى الله عنه، ومنهم ماء السماء النعمان بن المنذر وهي من ولد الضحيان الأكبر، ومنهم عوب بن جشم بن هلال بن ربيعة بن زيد مناة إلى أخر النسب، ومنهم صعيب بن مالك بن عبد عمرو بن طفيل بن عامر بن جيداه بن خزيمة بن كعب بن أوس بن مناة بن النمر، وأخو الصهيب مالك وإنما سمى صهيبا لأن أباه كان شابا غلاما يكسرى على الأبلة وكانت منازلهم بأرض الموصل فأغارت الروم على تلك الناحية فسبوا صهيبا وهو غلام صغير فنشأ بالروم وابتاعته كليب ثم قدمت به مكة فاشتراه عبد الله بن جدعان وبعث به إلى النبي صلى الله عليه وسلم، في الخبر عن النبي صلى الله عليه وسلم أنا سابق العرب وصهيب سابق الروم وسلمان سابق فارس وبلال سابق الحبشة، ومن النمر بن القربة أيون بن زيد بن قيس بن زياد بن سلمة بن جشم بن القرية أمه وأبه مالك بن عمرو بن عامر بن زيد بن مناة بن عامر الضجنان. نسب بكر في وايلابن قاسط بن أفصى بن دُعمي بن جديلة بن أسد بن ربيعه، فولد بكر يشكر وتغلبا، فمنهم الحرث بن همام بن مرة بن زهل بن شيبان بن ثعلبة بن عكابة بن صعب بن علي بن بكر بن وائل، فمن ولد الحرث بن همام بسطام وجناوة والسليل بنو قيس بن مسعود بن قيس بن خالد بن عبد الله بن ذي الجدين ابن عمرو بن الحرث بن همام، ومن ولد خالد بن عبد الله موافي السرقيس بن جابر بن خالد بن عبد الله بن ذي الجدين، ومن ولد الحرث عوف ومرة وعيينة وخالد وقيس وجيلة وحجر. (فصل) ومن ولد همام في مرة
ইবনে জাদীলা বিন আসাদ বিন রাবিআ। আব্দুল কায়সের সন্তানদের মধ্যে লুবা ও আফসা। বলা হয়েছে যে, আব্দুল কায়সের শ্রেষ্ঠত্ব শান বিন আফসা বিন আব্দুল কায়সের বংশধরদের মধ্যে; তাদের অন্তর্ভুক্ত হলো আদ-দাইল বিন শান, বনু সা'দ, খুজাইমা, আমির, হাবিব, আসা এবং হাম্মাম। আদ-দাইল বিন শান বিন আফসা বিন আব্দুল কায়সের বংশধর ও শানের সন্তানরাই সর্বপ্রথম ইয়ামামায় বসতি স্থাপন করে। উবাইদ বিন আল-হারিস তাদের নিয়ে বের হন। শানের অধিকাংশ লোক ইরাকের দিকে যাত্রা করে এবং সেখানে ইয়াদ ও আজদ গোত্রের একদল লোককে দেখতে পায়; তারা তাদের সেখান থেকে বিতাড়িত করে। ইয়াদ গোত্র বাহরাইন এবং এর সংলগ্ন অঞ্চলে চলে যায় এবং শানের একটি দল তাদের অনুসরণ করে। ফলে তাদের মধ্যে কয়েকদিন ধরে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণ চলে এবং ফিতনা দেখা দেয়। এগুলো ছিল 'জিওয়ার' যুদ্ধের দিনসমূহ, যাতে শান পরাজিত হয়। এরপর তারা আব্দুল কায়সের কাছে ফিরে আসে এবং সা'সা'আ বিন সুহান ও তার ভাইদের এবং জায়েদ ও সুহান বিন আব্দুল কায়সকে বের করে নিয়ে আসে, যারা যুদ্ধলব্ধ দাস হিসেবে ছিল। ইয়াদ গোত্র আজদের দিকে চলে যায় এবং তারা যুদ্ধে লিপ্ত হয়; এতে আব্দুল কায়স বিজয়ী হয়। ইয়াদ বাহরাইন ত্যাগ করে এবং আব্দুল কায়স সেখানে বসতি স্থাপন করে। তাদের সম্পর্কে কবি বলেন—আমি বর্শা দ্বারা ইয়াদকে শানের সমকক্ষ পেয়েছি … শান তার যোগ্য ঢাকনার সাথে মিলে গেছেতিনি বলেন: আফসা বিন আব্দুল কায়সের সন্তানদের মধ্যে লাকিজ ও সাইয়াহ। লাকিজের সন্তানদের মধ্যে মুনাব্বিহ বিন বকর, বুকাইর বিন আফসা এবং মালকান বিন সাবাহ বিন আফসা, আদ-দাইল, আনমার ও মুহারিব—এরা সবাই আমর বিন রাবিআ বিন বুকাইর বিন আফসার পুত্র। তাদের মধ্যে আস-সালতান রয়েছেন, যিনি হলেন কাইয়িম বিন হাব্বা বিন কাইয়িম বিন কাব বিন সালমা বিন আব্বাদ বিন আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন হাজারাস বিন সা'লাবা বিন আমির বিন সা'দ বিন আদ-দাইল। তিনি বলেন: আব্দুল কায়সের আরও কিছু শাখা রয়েছে যেমন উসাইনা ও আওফ। আজদ গোত্রেও আওফ নামে শাখা আছে। দাফন বিন উজরা বিন মুনাব্বিহ বিন বাকরা বিন লাকিজ বিন আফসা বিন আব্দুল কায়স। এই 'দাহন' এবং 'দাহন নাজিলা' এক নয়; বরং দাহন হলো আম্মার আদ-দাহনির গোত্র। তাদের মধ্যে কবি আয়িজ বিন মুহসিন বিন সা'লাবা বিন ওয়াইলা বিন আদা বিন দাহন রয়েছেন। আবু আল-ফারাজ আল-ইসফাহানি 'কিতাবুল আগানি' গ্রন্থে বলেছেন: আব্দুল কায়স বিন আফসা বিন জাদীলা বিন আসাদ। বংশবিশারদগণ ভুল করে তাকে দা'মি বিন জাদীলার পুত্র বলেন; মূলত তিনি হলেন আফসা বিন দা'মি, যিনি বকর বিন ওয়াইল বিন কাসিত বিন হানব বিন আফসা বিন জাদীলা বিন আসাদ বিন রাবিআর দাদা। আর আল্লাহই অধিক ভালো জানেন। নমির বিন কাসিতের বংশপরিচয়ইবনে হানব বিন আফসা বিন দা'মি বিন জাদীলা বিন আসাদ বিন রাবিআ। তিনি বলেন, কাসিতের সন্তানদের মধ্যে গানম, ওয়াইল, আলকামা, আমির এবং সুহাইস মুয়াবিয়া—তারা সবাই কাসিতের পুত্র। তাদের মধ্যে রয়েছে আন-নমির এবং তার সন্তান আওস মানাত ও আওস আল-লাত। তারা তামিযের পুত্র এবং কাসিতের বংশধর। তাদের মধ্যে রয়েছেন আমর বিন আমির বিন জায়েদ মানাত বিন আমির আদ-দাহইয়ান বিন সা'দ বিন আল-খাজরা বিন তাইম আল-লাত; তিনি হলেন রাবিআর আভিজাত্য। বলা হয় তারা বনু শাইবান। তিনি চল্লিশ বছর নেতৃত্ব প্রদান করেছিলেন। তার ভাই হলো আওফ বিন সা'দ। আদ-দাহইয়ানের বংশধরদের মধ্যে রয়েছে বুহাত্তা খাতাল বিন কাব বিন আল-হারিস বিন জুশাম বিন হিলাল বিন রাবিআ বিন জায়েদ মানাত। তাদের মধ্যে রয়েছেন নুতাইলা বিনতে খাব্বাব বিন কুলাইব বিন মালিক বিন আমর বিন আমির আদ-দাহইয়ান আল-আসগার বিন জায়েদ মানাত বিন আমির আদ-দাহইয়ান আল-আকবার; তিনি আল-আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহুর মা ছিলেন। তাদের মধ্যে আরও রয়েছেন মা-উস সামা আন-নুমান বিন আল-মুনজির, যিনি আদ-দাহইয়ান আল-আকবারের বংশধর। তাদের মধ্যে রয়েছেন আওব বিন জুশাম বিন হিলাল বিন রাবিআ বিন জায়েদ মানাত—বংশের শেষ পর্যন্ত। তাদের মধ্যে সুহাইব বিন মালিক বিন আব্দুল আমর বিন তুفাইল বিন আমির বিন জাইদাহ বিন খুজাইমা বিন কাব বিন আওস বিন মানাত বিন আন-নমির রয়েছেন। সুহাইবের ভাই হলেন মালিক। তাকে সুহাইব বলা হতো কারণ তার পিতা উবাল্লা অঞ্চলে উটের পালের দায়িত্বে থাকা এক যুবক ছিল। তাদের আবাসস্থল ছিল মসুল অঞ্চলে। রোমানরা সেই এলাকায় আক্রমণ চালিয়ে সুহাইবকে ছোটবেলায় বন্দি করে নিয়ে যায়, ফলে তিনি রোমানদের মাঝে বেড়ে ওঠেন। পরবর্তীতে বনু কুলাইব তাকে ক্রয় করে এবং মক্কায় নিয়ে আসে; আব্দুল্লাহ বিন জুদআন তাকে কিনে নেন এবং তাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খিদমতে পাঠান। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত সংবাদে আছে: "আমি আরবদের অগ্রগামী, সুহাইব রোমানদের অগ্রগামী, সালমান পারসিকদের অগ্রগামী এবং বিলাল হাবশিদের অগ্রগামী।" নমির বিন আল-কারিয়া হলো আইয়ুন বিন জায়েদ বিন কায়স বিন জিয়াদ বিন সালামা বিন জুশাম বিন আল-কারিয়া। তার মা ও বাবা হলেন মালিক বিন আমর বিন আমির বিন জায়েদ বিন মানাত বিন আমির আদ-দাহইয়ান। ওয়াইল গোত্রে বকরের বংশপরিচয়ইবনে কাসিত বিন আফসা বিন দা'মি বিন জাদীলা বিন আসাদ বিন রাবিআ। বকরের সন্তান হলো ইয়াশকুর ও তাগলিব। তাদের বংশধরদের মধ্যে হারিস বিন হাম্মাম বিন মুররা বিন জুহাল বিন শাইবান বিন সা'লাবা বিন উকাবা বিন সা'ব বিন আলি বিন বকর বিন ওয়াইল। হারিস বিন হাম্মামের সন্তানদের মধ্যে বাসতাম, জানাওয়া ও আস-সালীল; তারা হলেন কায়স বিন মাসুদ বিন কায়স বিন খালিদ বিন আব্দুল্লাহ বিন জিল জাদাইন বিন আমর বিন হারিস বিন হাম্মামের পুত্র। খালিদ বিন আব্দুল্লাহর বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন মুওয়াফি আস-সারকিস বিন জাবির বিন খালিদ বিন আব্দুল্লাহ বিন জিল জাদাইন। হারিসের সন্তানদের মধ্যে আওফ, মুররা, উইয়াইনা, খালিদ, কায়স, জাইলা ও হুজর উল্লেখযোগ্য। (পরিচ্ছেদ) মুররা গোত্রে হাম্মামের বংশধরগণ
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ২১)
معن بن زائدة بن عبد الله بن مطر بن شريك بن عمرو بن الصلت بن قيس بن شراحيل بن مرة بن همام، ومنهم خالد بن يزيد بن مرثد بن ع زائدة بن عبد الله ابن مطر، ومنهم الجارحي شبيب بن يزيد بن نعيم بن قيس بن عمرو بن قيس ابن شراحيل بن مرة، ومنهم سهر وكعب وعبد الله وثعلبة بنو سعد بن همام، ومن ولد همام بن مرة مازن وحبيب ومرة وعابسة وعوف وعمرو وأبو عمرو وثعلبة وبجير وسعد بنو همام بن مرة. (فصل) ومن ولد مرة بن ذهلجساس قاتل تريب بن ربيعة، وسعد والدب ونصلة وبجسر والحارث وعبد الله وشيبان وكعب وعوف وجندب بنو مرة بن ذهل، ومنهم الغصين بن حارثة بن سلمة بن ضمضم بن سعدد بن مرة وكان مرة بن ذهل يسقى الحاج الماء واللبن والعسل والسويق وفيه يقول الراجز:يأيها الحاج مات مُرَّة … فأيْقَنُوا بُعطَشٍ وَحَرَّة (فصل) ومن ولد ذهل بن شيبانالحرث وأبو غنم ومحلم وأبو مرة وثعلبة وكعب وعوف وأبو ربيعة ومحارب بنو ذهل بن شيبان، ومنهم عوف بن محلم بن سيار بن الحرث بن ذهل الذي يقال فيه المثل لا حر بوادي عوف، وبنته أم إياس تزوجها الاكل، أكل المرار الكبير فولدت له الحرث الملك، ومنهم عمرو بن أبي ربيعة بن ذهل، يسمى عمرو المزدلف، لأنه كان في يوم فصة، وهو يوم نحلاق اللمم يرمي برمحه، ويقول ازدلفوا وراء رمحي هذا فسفي المزدلف، ومن ولده هاني بن قصية بن هاش ابن المزدلف الذي أحار عيال النعمان وما له على كسرى وكانت وقعة ذي قار بسبب ذلك. (فصل) ومن ولد شيبانابن ثعلبة صبيح وذهل ذهل ومحلم وعيوف وقيس وعمرو وغنم وحرب وعبد الله والحرث وهلال وتيم وثعلبة. (فصل) ومن ولد قيس وبن ثعلبةسعد وتيم وهما الحزقيان وثعلبة وضبيعة فمن ولد ضبيعة سعد وربيعة المعدودون، ومنهم الأعشى الأكبر وهو ميمون بن قيس بن جندل بن شراحيل ابن عوف بن سعد بن ضبيعة، ومنهم المرقش الأصغر وهو بن أخي الأكبر واسمه ربيعة بين سفيان بن سعد، ومنهم طرفة وهو بن أخي المرقش الأصغر طرفة بن العبد بن سفيان، ومنهم عمرو بن قية بن درع بن ربيعة بن مالك بن ضبيعة فهو ركني سعدا ربية لا معدودونن من بطن واحدة، ومنهم المزاتدة بنو عمرو بن مرثد بن سعد بن مالك بنضبيعة ومنهم الحرث وعمرو ومرة وجرير بنو عباد بن ضبيعة بن قيس وعمرو بن عباد كانت أمه تحت الحرث بن عباد وبجير بن الحرث بن عباد قتيل مهلهل، ولأجله قام الحرث بن عباد على بني تغلب فقتلهم ولم يستقيموا بعد ذلك حتى هلك مهلهل في الأسر وقام معه بحربهم ثلاثة رجال عوف بن مالك بن ضبيعة بن قيس وهو الذي أسر مهلهلا فلم يزل أسيرا حتى هلك في الأسر عطشا، والثاني ضبيعة بن ضبيعة بن قيس ولقبه محدر لقب بذلك لقصره وكان احسن الناس وجها وشعرا، وهو الذي منع قذا شعره من الحلق بفارس القوم وكسوتهم ففعلوا له ذلك وفي بنذره وقتل أول فارس طلع عليهم من أشد القوم. الثالث سعد بن مالك بن ضبيعة بن قيس كان شاعرا فما زال يحضهم وسعيرهم حتى اجتمعوا من كل اوب وانتصروا من تغلب، ومن قيس بن ثعلبة بأقل الذي يضرب به المثل في العى. (فصل) وأما ذهل ابن شعلبةفمن ولد شيبان ومالك وعمرو بن نوفل، فمن ولد شيبان بن ذهل عمران ابن خطان بن ظبيان بن ثعل بن معوية بن الحرث بن سدوس بن شيبان بن ذهل وسدوس كان له عشرة من الولد، منهم الحرث وسدود وكان له أحد وعشرون ولدا ذكرا، قال الشاعر:فلو شأربي كان ايزبنكم … طويلا كاير الحارث بن سدوسومنهم الحصين بن المنذر بن الحرث بن وعلة بن خالد بن بدر بن الحرث بن مالك بن شيبان، ومنهم النسابة دغفل بن حنظلة بن يزيد بن عبدة بن عبد الله بن نوفل بن ذهل، ومنهم ربيعة بن عمرو بن ذهل، ومنهم القمقاع بن ثور بن عقال ابن عمرو بن ذه. فصل وأما تيم اللات بن ثعلبةفأولاده عامر وعدي وهلال ومالك والحرث، ومنهم الجواد عكرم الفياض بن ربعي بن عمرو بن صبي بن لأي بن عبد الله ويقال.. لقيم بن ثعلبة وقيس بن ثعلبة اللهازم قال لهم رجل تحالفوا تكونوا كاللهازم فسموا بذلك، قال جرير:رضينا بحكم الحي بكر بن وايل … إذا كان في الذهلين أو في المنازل
মা'ন ইবনে যাইদাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মাতার ইবনে শারিক ইবনে আমর ইবনুল সালত ইবনে কায়স ইবনে শুরাহিল ইবনে মুররা ইবনে হাম্মাম। তাদের মধ্যে রয়েছেন খালিদ ইবনে ইয়াজিদ ইবনে মারসাদ ইবনে যাইদাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মাতার। তাদের মধ্যে আল-জারিহি শাবিব ইবনে ইয়াজিদ ইবনে নুয়াইম ইবনে কায়স ইবনে আমর ইবনে কায়স ইবনে শুরাহিল ইবনে মুররা। তাদের মধ্যে রয়েছেন সহর, কা'ব, আবদুল্লাহ এবং সা'লাবাহ—এরা সবাই সা'দ ইবনে হাম্মামের সন্তান। আর হাম্মাম ইবনে মুররার সন্তানদের মধ্যে রয়েছে মাজিন, হাবিব, মুররা, আবিসাহ, আউফ, আমর, আবু আমর, সা'লাবাহ, বুজাইর এবং সা'দ ইবনে হাম্মাম ইবনে মুররা। (পরিচ্ছেদ) মুররা ইবনে জুহলের বংশধরগণজাসসাস, যে তুরাইব ইবনে রাবিয়াকে হত্যা করেছিল। সা'দ, আদ-দুব্ব, নাসলাহ, বুজাইর, আল-হারিস, আবদুল্লাহ, শায়বান, কা'ব, আউফ এবং জুনদুব—এরা মুররা ইবনে জুহলের সন্তান। তাদের মধ্যে রয়েছেন আল-গুসাইন ইবনে হারিসা ইবনে সালামা ইবনে দামদাম ইবনে সা'দ ইবনে মুররা। মুররা ইবনে জুহল হাজীদের পানি, দুধ, মধু এবং ছাতু পান করাতেন। তার সম্পর্কে জনৈক রাজজ কবি বলেন:হে হাজীগণ, মুররা মারা গেছেন … তাই এখন পিপাসা ও প্রচণ্ড গরমের ব্যাপারে নিশ্চিত থাকো। (পরিচ্ছেদ) জুহল ইবনে শায়বানের বংশধরগণআল-হারিস, আবু গানাম, মুহাল্লিম, আবু মুররা, সা'লাবাহ, কা'ব, আউফ, আবু রাবিয়া এবং মুহারিব—এরা জুহল ইবনে শায়বানের সন্তান। তাদের মধ্যে রয়েছেন আউফ ইবনে মুহাল্লিম ইবনে সাইয়ার ইবনে আল-হারিস ইবনে জুহল, যার সম্পর্কে প্রবাদ রয়েছে: "আউফ এর উপত্যকায় কোনো স্বাধীন মানুষ নেই"। তার কন্যা উম্মে ইয়াসকে আল-আকিল বিয়ে করেন; তিনি আল-আকিল আল-মুরার আল-কাবির, যার ফলে তিনি মালিক আল-হারিসকে জন্ম দেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন আমর ইবনে আবু রাবিয়া ইবনে জুহল, যাকে আমর আল-মুজদালিফ বলা হয়। কারণ তিনি ফাসসার দিন অর্থাৎ মাথা মুণ্ডনের দিন নিজের বল্লম নিক্ষেপ করতেন এবং বলতেন, "আমার এই বল্লমের পেছনে এগিয়ে আসো (ইজদালিফু)"। তাই তার নাম রাখা হয় আল-মুজদালিফ। তার বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন হানি ইবনে কাবিহ ইবনে হাশেম ইবনে আল-মুজদালিফ, যিনি পারস্য সম্রাট কিসরার হাত থেকে নুমানের পরিবার ও সম্পদ রক্ষা করেছিলেন এবং এ কারণেই যি-কার এর যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল। (পরিচ্ছেদ) শায়বান ইবনে সা'লাবাহর বংশধরগণসাবিহ, জুহল, মুহাল্লিম, আইয়ুফ, কায়স, আমর, গানাম, হারব, আবদুল্লাহ, আল-হারিস, হিলাল, তাইম এবং সা'লাবাহ। (পরিচ্ছেদ) কায়স ইবনে সা'লাবাহর বংশধরগণসা'দ ও তাইম—যাদের আল-হাযকিয়ান বলা হয়—এবং সা'লাবাহ ও দাবিয়া। দাবিয়ার বংশধরদের মধ্যে রয়েছে সা'দ ও রাবিয়া (যারা সংখ্যায় অধিক)। তাদের মধ্যে রয়েছেন আল-আ'শা আল-আকবার, যার নাম মাইমুন ইবনে কায়স ইবনে জানদাল ইবনে শুরাহিল ইবনে আউফ ইবনে সা'দ ইবনে দাবিয়া। তাদের মধ্যে আল-মুরাক্কিশ আল-আসগার রয়েছেন, যিনি আল-আকবারের ভ্রাতুষ্পুত্র এবং তার নাম রাবিয়া ইবনে সুফিয়ান ইবনে সা'দ। তাদের মধ্যে রয়েছেন তারাফা, যিনি আল-মুরাক্কিশ আল-আসগারের ভ্রাতুষ্পুত্র—তারাফা ইবনে আল-আবদ ইবনে সুফিয়ান। তাদের মধ্যে রয়েছেন আমর ইবনে কায়া ইবনে দির' ইবনে রাবিয়া ইবনে মালিক ইবনে দাবিয়া। সা'দ ও রাবিয়া একই বংশের। তাদের মধ্যে রয়েছেন আল-মাজাইদাহ, যারা আমর ইবনে মারসাদ ইবনে সা'দ ইবনে মালিক ইবনে দাবিয়ার সন্তান। তাদের মধ্যে রয়েছেন আল-হারিস, আমর, মুররা এবং জারির—এরা আব্বাদ ইবনে দাবিয়া ইবনে কায়সের সন্তান। আমর ইবনে আব্বাদের মা আল-হারিস ইবনে আব্বাদের স্ত্রী ছিলেন। আল-হারিস ইবনে আব্বাদের পুত্র বুজাইর মুহালহিল কর্তৃক নিহত হন। তার কারণেই আল-হারিস ইবনে আব্বাদ বনু তাগলিবের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন এবং তাদের পরাজিত করেন। এরপর মুহালহিল বন্দি অবস্থায় মারা না যাওয়া পর্যন্ত তারা আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি। তার সাথে এই যুদ্ধে তিনজন ব্যক্তি অংশ নিয়েছিলেন: আউফ ইবনে মালিক ইবনে দাবিয়া ইবনে কায়স, যিনি মুহালহিলকে বন্দি করেছিলেন এবং মুহালহিল পিপাসার্ত অবস্থায় বন্দিশালায় মৃত্যুবরণ করেন। দ্বিতীয়জন হলেন দাবিয়া ইবনে দাবিয়া ইবনে কায়স, যার উপাধি ছিল মুহাদার; খাটো হওয়ার কারণে তাকে এই উপাধি দেওয়া হয়েছিল। তিনি ছিলেন সবচেয়ে সুন্দর চেহারা ও চুলের অধিকারী। তিনি পারস্যের অশ্বারোহীদের হাত থেকে নিজের মাথার চুল মুণ্ডন করা থেকে রক্ষা করেছিলেন। তিনি তার মানত পূর্ণ করেছিলেন এবং তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী অশ্বারোহীকে হত্যা করেছিলেন। তৃতীয়জন হলেন সা'দ ইবনে মালিক ইবনে দাবিয়া ইবনে কায়স, যিনি কবি ছিলেন। তিনি তাদের উৎসাহিত ও উত্তেজিত করতে থাকেন যতক্ষণ না তারা চারপাশ থেকে একত্রিত হয় এবং বনু তাগলিবের বিরুদ্ধে বিজয় লাভ করে। কায়স ইবনে সা'লাবাহর বংশেরই ছিল বাকিল, যার বোকামি নিয়ে প্রবাদ প্রচলিত আছে। (পরিচ্ছেদ) জুহল ইবনে সা'লাবাহর বংশধরগণশায়বান, মালিক এবং আমর ইবনে নাওফাল। শায়বান ইবনে জুহলের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন ইমরান ইবনে হিত্তান ইবনে জাবিয়ান ইবনে সা'ল ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে আল-হারিস ইবনে সাদূস ইবনে শায়বান ইবনে জুহল। সাদূসের দশজন সন্তান ছিল, যাদের মধ্যে আল-হারিস অন্যতম। সাদূসের একুশজন পুত্র সন্তান ছিল। জনৈক কবি বলেন:যদি আমার সাথীরা আপনাদের মতো অনেক হতো … তবে তারা হারিস ইবনে সাদূসের সন্তানদের মতো দীর্ঘ হতো।তাদের মধ্যে রয়েছেন হুসাইন ইবনে মুনজির ইবনে আল-হারিস ইবনে ওয়ালা ইবনে খালিদ ইবনে বদর ইবনে আল-হারিস ইবনে মালিক ইবনে শায়বান। তাদের মধ্যে রয়েছেন বংশবিদ্যা বিশারদ দাগফাল ইবনে হানজালা ইবনে ইয়াজিদ ইবনে আবদাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে নাওফাল ইবনে জুহল। তাদের মধ্যে রয়েছেন রাবিয়া ইবনে আমর ইবনে জুহল। তাদের মধ্যে রয়েছেন আল-কামক্বা ইবনে সাওর ইবনে ইকাল ইবনে আমর ইবনে জুহল। পরিচ্ছেদ। তাইমুল লাত ইবনে সা'লাবাহর বংশধরগণতার সন্তানরা হলো: আমির, আদি, হিলাল, মালিক এবং আল-হারিস। তাদের মধ্যে রয়েছেন দানবীর ইকরিমাহ আল-ফাইয়াদ ইবনে রিবয়ি ইবনে আমর ইবনে সাবি ইবনে লাই ইবনে আবদুল্লাহ। বলা হয়ে থাকে... লুকাইম ইবনে সা'লাবাহ এবং কায়স ইবনে সা'লাবাহ হলো আল-লাহাজিম। এক ব্যক্তি তাদের বলেছিল, "তোমরা পরস্পর মৈত্রী করো তবে তোমরা চোয়ালের মাংসপেশির (লাহাজিম) মতো মজবুত হবে", তাই তাদের এই নামকরণ করা হয়েছে। জারির বলেন:আমরা বকর ইবনে ওয়াইলের গোত্রের বিচার মেনে নিয়েছি … যদি তা দুই জুহলের মধ্যে বা তাদের আবাসস্থলে হয়।
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ২২)
والذهلان ذهل بن ثعلبة وذهل بن شيبان، وهؤلاء الأربعة بنو ثعلبة، وعكابة أمهم البرشا من تغلب قال أبو عبيدة: ليس في العرب أربعة أخوة أنجب ولا أعز ولا أكثر شانا من بنى ثعلبة بن عكابة وهم سيبان وقيس وذهل وتيم الله وكان يقال لثعلبة الأعز، وأم عكابة بن صعب فمن ولده جحدرة بن ربيعة بن زيد بن عوف بن عكابة، ومن ولد صعب بن عليزمان بن مالك بن صعب، ولجيم فمن ولد لجيم عجل بن حنيفة الأوقص في آخرين سأمهما حذام، ومنهم الفند الزماني واسمه سهل بن شيبان الاشهل وهو ربيعة بن مالك بن صعب بن على بن بكر بن وائل وحذام يقول فيها الشاعر:إذا قالت حذام فصدقوا … فان القول ما قالت حذام نسب عجل بن لجيمهابن صعب قال كان لعجل من الولد ربيعة وذهل وضمرة وضبيعة وكعب وسعد فمن ولد سعد وائل وسليط وحبان وسلامه وثمامه وثعلبة وهم بنو عبد الله بن مالك ابن أسعد بن خزيمة بن سعد بن عجل، ومنهم أبو النجم الشاعر وهو الفضل ابن قدامة من ولد ربيعة بن عجل، ومنهم الحنقاء دغة كانت عند جندب بن العنبر فولد عدى بن الحرث، ومن ولد ربيعة بن عجل البديل بن الفرج، ومن ولد سعد ابن عجل الفرات بن حبان بن ثعلبة بن عبد العزى بن حبة بن ربيعة بن سعد بن عجل وكانت له صحبة مع النبي صلى الله عليه وسلم، ومن ولد ضبيعة بن لجيم سعد وأسود وربيعة وأساسة بنو ضبيعة بن لجيم بن صعب بن على بن بكر بن وائل. نسب حنيفة بن لجيمواسم حنيفة أثال، وقالا الزبير بن بكار حنيفة امرأة نسب إليها ولدها وهى حنيفة بنت كاهل بن أسد، قال كان لحنيفة من الولد سعد وعدي وعابس وعامر والدول فأولاد الدول ثعلبة والحارث والمغير ومرة، فمنهم هوذة الوهاب ذو التاج بن على، بن نمامة بن عبد الله وهوذة هي القطاة وبها سمي هوذة، وهوذة الذي يقول فيه الأعشى.من بر هودة يسجد غير منسبب إذا تعصب فوق التاج أو وضعا وهو ثمامة بن عمرو بن عبد العزيز بن سحيم بن مرة بن الدول بن ضبيعة ومنهم قتادة بن مسلمة بن أبي عبيدة وهو الجعد بن تغلب بن الدول بن حنيفة، ومنهم عبد الله بن ثعلبة بن يربوع بن ثعلبة بن الدول بن حنيفة والدول بضم الدال والواو وفي عبد القيس بكسر الدال والياء، وفى كنانة بضم الدال وهمزة مكسورة، قال ومن بنى حنيفة مسيلمة الكذاب وأخوه المحبة بنا ثمامة بن قيس بن كثبير ابن حبيب بن عبد الحرث بن ثعلبة بن الدول بن حنيفة، ومنهم نجدة الخارجي ابن عامر بن سيار بن المطرح بن ربيعة بن عيد بن الحرث بن عدى بن حنيفة. (فصل) ومن ولد علي بن بكرمعادية وكعب والصيدوغني ومن ولد بكر بن وائل على هذا ويشكر. نسب يشكر بن بكر بن وائلفمن ولد يشكر بن بكر كعب.وحرث وعدى وكنانة ففي ولد كعب العدد والشرف معهم حبيب والعتيك وبنو عنز ابن غنم وبن كعب، فمن ولد كنانة بن يشكر الحارث بن حلزة بن مكروه بن يزيد ابن عبد الله بن مالك بن عبيد بن سعد بن خثعم بن عامر بن زبيان بن كنانة بن يشكر، ومنهم سويد بن أبي كاهل بن أبي حارث بن حسل بن حارته بن مالك بن عبيد بن أسعد إلى آخر النسب، ومنهم كعب بن جعل الذي يقول فيه جرير:وسميت كعبا بشر العظام … وكان أبوك يسمى جعلفهذه قبايل بكر بن وائل وهم يشكر بن بكر وحنيفة وعجل، ابنا لجيم وشيبان وقيس وذهل وتيم اللات بنو ثعلبة بن عكابة. نسب تغلب بن وايلابن قاسط بن هنب بن أفصى بن دعمي بن جديلة بن أسد بن ربيعة، قال ومن ولد تغلب إلا راقم وبكر وغنم وعمران فمن ولد الاوس الحرث وتيم الله ابنا الاوس بن تغلب، ومن ولد غنم بن تغلب كليب ومهلهل ابنا ربيعة بن مرة بن الحرث ابن زبعير بن جشم بن بكر بن حبيب بن عمرو بن غنم بن تغلب، وكان يسمى رب معد ولم تجتمع معد إلا عليه وهو صاحب لوائها في يوم خزاري ويوم الكلاب وهو الذي يضرب به المثل في العزة فيقال أعز من كليب، وايل وكان اسمه وايلا فسمى كليبا لأنه كان يتخذ كلبا فيكتع قوائمه ثم يلقيه في الأرض فحيث انتهى صوته فه حمار، وكان يكنى أبا نويرة لأنه كان إذا انتجعته ربيعة لم توقد نارا سوى ناره، ولا ينطق أحد في مجلسه العوراء وفيه يقول:أكليب إن النار تعدك أوقدت … وأمست بعدك يا كليب أتجلس
দুই যুহল হলো যুহল বিন ছালাবা এবং যুহল বিন শায়বান। এই চারজনই হলো ছালাবার সন্তান। তাদের মা হলেন তাগলিব গোত্রের আল-বারশা। আবু উবায়দা বলেছেন: আরবদের মধ্যে ছালাবা বিন উকাবার সন্তানদের চেয়ে অধিক সুসন্তান প্রসবকারী, সম্মানিত বা মর্যাদাবান আর কোনো চার ভাই নেই। তারা হলেন শায়বান, কায়স, যুহল এবং তায়মুল্লাহ। ছালাবাকে 'আল-আআয' (সর্বশ্রেষ্ঠ সম্মানিত) বলা হতো। উকাবার মা হলেন বিনতে সাব। তার বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন জুহদারা বিন রাবিয়া বিন যায়দ বিন আওফ বিন উকাবা। সাব বিন আল-যামান বিন মালিক বিন সাব-এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন লুজায়ম। লুজায়ম-এর সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন ইজল বিন হানিফা আল-আওকাস এবং আরও অনেকে, যাদের মা হলেন হুযাম। তাদের মধ্যে রয়েছেন আল-ফিন্দ আল-যামানি, যার নাম সাহল বিন শায়বান আল-আশহাল, তিনি হলেন রাবিয়া বিন মালিক বিন সাব বিন আলী বিন বকর বিন ওয়াইল। হুযাম সম্পর্কে কবি বলেছেন:যখন হুযাম কিছু বলে তখন তোমরা তা বিশ্বাস করো … কারণ কথা তাই যা হুযাম বলে ইজল বিন লুজায়ম-এর বংশপরিচয়ইবনে সাব বলেন, ইজলের সন্তানদের মধ্যে ছিল রাবিয়া, যুহল, দামরা, দাবিয়া, কাব এবং সাদ। সাদের সন্তানদের মধ্যে ছিল ওয়াইল, সুলায়ত, হিব্বান, সালামা, ছুমামা এবং ছালাবা। তারা হলেন আব্দুল্লাহ বিন মালিক বিন আসাদ বিন খুজায়মা বিন সাদ বিন ইজল-এর সন্তান। তাদের মধ্যে বিখ্যাত কবি আবু নাজমু রয়েছেন, যিনি হলেন ফাদল বিন কুদামা, রাবিয়া বিন ইজলের বংশধর। তাদের মধ্যে রয়েছেন আল-হানকা দাগা, যিনি জুনদুব বিন আল-আম্বারের স্ত্রী ছিলেন এবং আদি বিন আল-হারিসের জন্ম দেন। রাবিয়া বিন ইজলের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন আল-বাদিল বিন আল-ফারাজ। সাদ বিন ইজলের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন ফুরাত বিন হিব্বান বিন ছালাবা বিন আব্দুল উযযা বিন হিব্বা বিন রাবিয়া বিন সাদ বিন ইজল, যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবী ছিলেন। দাবিয়া বিন লুজায়ম-এর সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন সাদ, আসওয়াদ, রাবিয়া এবং আসাসা—তারা দাবিয়া বিন লুজায়ম বিন সাব বিন আলী বিন বকর বিন ওয়াইলের সন্তান। হানিফা বিন লুজায়ম-এর বংশপরিচয়হানিফার প্রকৃত নাম আছাল। যুবায়ের বিন বাক্কার বলেন, হানিফা হলো এক মহিলার নাম যার দিকে তার সন্তানদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে, তিনি হলেন হানিফা বিনতে কাহিল বিন আসাদ। তিনি বলেন, হানিফার সন্তানদের মধ্যে ছিল সাদ, আদি, আবিস, আমির এবং আদ-দুওয়াল। আদ-দুওয়াল-এর সন্তানরা হলো ছালাবা, আল-হারিস, আল-মুগির এবং মুররা। তাদের মধ্যে রয়েছেন রাজমুকুটধারী হাউযা আল-ওয়াহহাব বিন আলী বিন নামামা বিন আব্দুল্লাহ। হাউযা মূলত তিতির বা বনমোরগ বিশেষ, যার নামে তার নামকরণ করা হয়েছে। এই হাউযা সম্পর্কে কবি আল-আশা বলেছেন:হাউযার দয়া ও নেকিতে মানুষ সিজদাবনত হয় … যখন সে মুকুট পরিধান করে অথবা তা খুলে রাখে। তিনি হলেন ছুমামা বিন আমর বিন আব্দুল আজিজ বিন সুহায়ম বিন মুররা বিন আদ-দুওয়াল বিন দাবিয়া। তাদের মধ্যে রয়েছেন কাতাদা বিন মাসলামা বিন আবু উবায়দা, যিনি আল-জাদ বিন তাগলিব বিন আদ-দুওয়াল বিন হানিফা। তাদের মধ্যে রয়েছেন আব্দুল্লাহ বিন ছালাবা বিন ইয়ারবু বিন ছালাবা বিন আদ-দুওয়াল বিন হানিফা। আদ-দুওয়াল শব্দটি দাল বর্ণে পেশ এবং ওয়াও বর্ণে যবর সহযোগে উচ্চারিত হয়, আব্দুল কায়েস গোত্রে এটি দাল বর্ণে যের এবং ইয়া বর্ণে যবর সহযোগে, আর কিনানা গোত্রে এটি দাল বর্ণে পেশ এবং হামযা বর্ণে যের সহযোগে উচ্চারিত হয়। তিনি বলেন, বনু হানিফা গোত্র থেকেই মুসায়লিমা আল-কাযযাব এবং তার ভাই আল-মুহাব্বা আবির্ভূত হয়, যারা ছুমামা বিন কায়স বিন কাছির বিন হাবিব বিন আব্দুল হারিস বিন ছালাবা বিন আদ-দুওয়াল বিন হানিফার সন্তান। তাদের মধ্যে রয়েছেন খারিজি নাজদা বিন আমির বিন সাইয়ার বিন আল-মুতরাহ বিন রাবিয়া বিন ঈদ বিন আল-হারিস বিন আদি বিন হানিফা। (অনুচ্ছেদ) আলী বিন বকরের বংশধরগণআলী বিন বকরের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন মুয়াদিয়া, কাব এবং আস-সাইদুগানি। বকর বিন ওয়াইলের সন্তানদের মধ্যে এই ধারায় আরও রয়েছেন আলী এবং ইয়াشকুর। ইয়াশকুর বিন বকর বিন ওয়াইল-এর বংশপরিচয়ইয়াশকুর বিন বকরের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন কাব।এবং হারিস, আদি ও কিনানা। কাবের বংশধরদের মধ্যেই সংখ্যাধিক্য এবং আভিজাত্য বিদ্যমান। তাদের সাথে রয়েছে হাবিব, আল-আতিক এবং আনয বিন গানাম ও কাবের সন্তানরা। কিনানা বিন ইয়াশকুরের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন আল-হারিস বিন হিল্লিজা বিন মাকরুহ বিন ইয়াযিদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মালিক বিন উবায়দ বিন সাদ বিন খাছআম বিন আমির বিন যুবইয়ান বিন কিনানা বিন ইয়াশকুর। তাদের মধ্যে রয়েছেন সুওয়াইদ বিন আবু কাহিল বিন আবু হারিস বিন হাসল বিন হারিতা বিন মালিক বিন উবায়দ বিন আসাদ—বংশতালিকার শেষ পর্যন্ত। তাদের মধ্যে রয়েছেন কাব বিন জুয়াল, যার সম্পর্কে জারির বলেছেন:তোমাকে কাব (সম্মানিত) নামকরণ করা হয়েছে হাড়ের মজ্জার কারণে … অথচ তোমার পিতার নাম ছিল জুয়াল (গোবরে পোকা)এগুলোই হলো বকর বিন ওয়াইলের গোত্রসমূহ। তারা হলো ইয়াশকুর বিন বকর, হানিফা এবং ইজল—যারা লুজায়মের দুই পুত্র; এবং শায়بان, কায়স, যুহল ও তায়মুল্লাত—যারা ছালাবা বিন উকাবার পুত্র। তাগলিব বিন ওয়াইল-এর বংশপরিচয়ওয়াইল বিন কাসিত বিন হানাব বিন আফসা বিন দাউমি বিন জাদিলা বিন আসাদ বিন রাবিয়ার পুত্র তাগলিবের বংশপরিচয়। তিনি বলেন, তাগলিবের সন্তানদের মধ্যে আল-রাকিম, বকর, গানাম এবং ইমরান ছাড়া আর কেউ নেই। আউসের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন আল-হারিস এবং তায়মুল্লাহ—যারা তাগলিবের পুত্র আউসের সন্তান। গানাম বিন তাগলিবের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন কুলাইব এবং মুহালহিল—যারা রাবিয়া বিন মুররা বিন আল-হারিস বিন জুবায়র বিন জুশাম বিন বকর বিন হাবিব বিন আমর বিন গানাম বিন তাগলিবের দুই পুত্র। তাকে 'রাব্বু মাদ' (মাদ গোত্রের অধিপতি) বলা হতো। খুজারি এবং কিলাবের যুদ্ধের দিন মাদ গোত্র কেবল তার নেতৃত্বেই ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। তিনি ছিলেন খুজারি যুদ্ধের ঝান্ডাবাহী। আভিজাত্য ও সম্মানের ক্ষেত্রে তাকে দৃষ্টান্ত হিসেবে পেশ করা হয়; বলা হয় 'কুলাইব ওয়াইলের চেয়েও বেশি সম্মানিত'। তার নাম ছিল ওয়াইল, কিন্তু তাকে কুলাইব বলা হতো কারণ তিনি একটি কুকুর (কুলাইব) সাথে রাখতেন এবং তার পা বেঁধে মাটিতে ফেলে রাখতেন; সেই কুকুরের ডাক যতদূর পৌঁছাত, ততটুকু এলাকা তার চারণভূমি হিসেবে গণ্য হতো। তার উপনাম ছিল আবু নুয়াইরা, কারণ রাবিয়া গোত্র যখন তার কাছে আসত, তখন তার আগুন ছাড়া অন্য কোনো আগুন জ্বালানো হতো না। তার মজলিসে কেউ অশালীন কথা বলত না। তার সম্পর্কে কবি বলেন:হে কুলাইব! নিশ্চয়ই আগুন তোমার জন্য প্রজ্বলিত রাখা হতো … কিন্তু তোমার পরে হে কুলাইব! আজ তুমি কোথায় বসা?
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ২৩)
ويحدثوا في كل أمر عظيمة … لو كنت شاهد منهم لم ينسواوأولد كليب البجر بن قابل حساس بن مرة ابنة وبنتا وهي إسامة وقام هجرس بحرب بكر بن وايل بعد مهلهل، واما مهلهل بن ربيعة واسمه عدي وله ابنتان إحداهما عبيدة تزوجت في حبب بن سعد فأولدت قبيلا عظيما من جنب يعرفون ببني عبيدة، والأخرى ليلى أم عمرو بن كلثوم. (فصل) وأما ربيعة بن مرةابن الحرث فأولد كليبا ومهلهلا وقد مضى ذكرهما وامرئ القيس وعبد الله ونويرة فمن ولد نويرة شهاب صاحب تغلب في يوم ذي القار وهو الذي سد بيته وجده وكانت اثنتين وخمسين بيتا فسدت تغلب إحدى وخمسين بيتا وسد هو وصل بيته فكان ضد قبيلته، وولده الأخفش بن شهاب فارس العصاة. (فصل) وأما زهير بن جشمفأولد كعبا وسعدا أما سعد فهو ذو البرة ومن ولد امرؤ القيس بن كعب بن زهير ومن ولد سعد بن زهير عمرو بن كلثوم بن مالك بن عباب بن سعد بن زهير، ومنهم الشاعر العتابي وهو كلثوم بن عمرو بن أيوب بن عبيد بن حسن ابن الحسين بن مسعود بن عبد الله بن عمرو بن كلثوم، ومنهم الملوك في الإسلام بنو طوق بن مالك بن عتاب بن زافر بن مرة بن شرع بن عبد الله بن عمرو بن كلثوم وكلثوم أسمه العبد ومنهم بنو تيم الذين قال فيهم امرؤ القيس:اقرحشا امرئ القيس بن حجر … بنو تيم مصابيح الظلاموقيل بنو تيم الذين مدحمهم امرؤ القيس من فعل وهو الصحيح ومنهم المعلا وهم ينسبون إلى عباب بن سعد بن زهير، ومنهم أبو حسين مالك بن عصم بن النعمان بن مالك بن عباب بن سعد بن زهير. (فصل) وولد بكر في حبيبستة جشم ومعاوية ومالك، وثعلبة والحرث وعمرو، وهم الأراقم كانت عيونهم شبه عيون الاراقم فسموا بذلك وهم قبائل فجشم أكبرهم وفيه العدد والشرف، فولد جشم زهيرا والحرث وسعدا وقد ذكرنا أولاد زهير، وأما الحرث فمن ولده شرحبيل بن الحرث بن جشم وهو أول من اختط الجزيرة، وأما عمران بن الحرث فمن ولده عمران وقد ذكرناه، وأما سنحان بن عمرو بن الحرث بن جشم فمن ولده عمران الجباب بن معاوية بن عمران، ومنهم فرسان بن عوف بن عمران، وسنذكر نسب فرسان إن شاء الله تعالى. (فصل) وأما مالك بن بكرفولد أسامة وسعدا فولد إسامة عكا وهو تيم وعدي فمن ولد تيم كنانة وهم قريش تغلب ومنهم بطنان باليمن بعك بن زبيد وعدن يقال لهم الاخيوى والأطورس وهم كنانة تغلب ليسوا كنانة بن خزيمة بن مدركة فلا تغلط، ومن بني عدي بن أسامة بنو حمدان سيف الدولة على بن عبد الله بن حمدان وأخوه ناصر الدولة وبن عمهما أبو فراس الحرث بن سعيد بن حمدان وأخوه ناصر الدولة وبن عمهما أبو فراس الحرث بن سعيد بن حمدان بن حمدون بن راسد بن عدي بن أسامة بن مالك بن بكر سليل ورهط بن هوير قال ومن ولد الأراقم همام بن مطرف بن معقل بن مخلد بن الحرث بن زهير بن جشم بن بكر وهو أول من ساد تغلب في الإسلام وأصلح بين بكر وتغلب وأعطى من ماله مائتي راحلة وتحمل دية ألف رجل وزوج من تغلب في بكر خمسمائة رجل وزوج من بكر في تغلب خمسمائة رجل ودفع الصدقات من ماله فتم الصلح بينهم إلى اليوم، ومنهم القطامي اسمه عمرو بن شيبم بن عمرو بن عياد بن بكر بن عامر بن أسامة بن مالك بن بكر بن حبيب بن عمرو بن غنم بن تغلب، ومنهم الشاعر الأخطل وهو عباب بن عون بن الصلب بن طارقة بن سنحان بن عمرو بن فدولس ابن عمرو بن مالك بن جشم، قال ومن ولد عمران بن تغلب عمرو بن خالد بن كعب بن تيم بن عمران. نسبه فرسان بن عمرو بن عوفابن عمران بن سنحان بن عمرو بن الحرث بن جشم بن بكر بن حبيب بن عمرو بن غنم بن تغلب وقال فرسان جبل اختطه عمران لولده فسموا به، وفرسان وذروة جبلان بأرض الشام، قال شاعرهم: لما ارتحلوا إلى اليمن وبقي من بقي:بكى فَرسَاَن من تحَمُّلِ أهْلهِ … وذَروة يَبْكي من بُكَا فَرسَانِفأولد فرسان وهو عمران ثلاثة وهم حمس وبحر وبيان، أما حمس فهو أكبرهم ومنهم بنو سنان ومن بني سنان بنو الجكس وكانوا فرسان بني حسين وأما بحر فمن ولده بني لعيش وآل مختار بن أصبحة، بيتان عظيمان، فمن بني يعيش جياش بن الحيبن الفرساني وسامع وأيوب ورباط ايناسامع وبواب بن أبي الحسين. (فصل) وأما بيان في سنان
তারা প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নতুন কিছু ঘটায় … যদি তুমি তাদের মাঝে উপস্থিত থাকতে, তবে তারা তোমাকে ভুলত না।আর কুলাইব জন্ম দিলেন আল-বাজর ইবনে কাবিল, হাসাস ইবনে মুররাহ-এর কন্যাকে এবং এক কন্যাকে যার নাম ইসামাহ। মুহালহিলের পর হিজরাস বাকর ইবনে ওয়ায়িলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। আর মুহালহিল ইবনে রাবিয়াহ, যার নাম আদী, তার দুই কন্যা ছিল: একজন উবাইদাহ, যিনি হাবাব ইবনে সা’দকে বিবাহ করেন এবং তার গর্ভে জানবের এক বিশাল গোত্র জন্ম নেয় যারা বনু উবাইদাহ নামে পরিচিত; অন্যজন হলেন লায়লা, যিনি আমর ইবনে কুলসুমের মাতা। (পরিচ্ছেদ) আর রাবিয়াহ ইবনে মুররাহইবনুল হারিস সম্পর্কে বলা হয় যে, তিনি কুলাইব ও মুহালহিলকে জন্ম দেন—যাদের কথা আগে উল্লেখ করা হয়েছে—এবং ইমরুল কায়স, আবদুল্লাহ ও নুওয়াইরাহকেও জন্ম দেন। নুওয়াইরাহর বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন শিহাব, যিনি যি-কার-এর যুদ্ধে তাগলিব গোত্রের নেতা ছিলেন। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি তার ঘর এবং তার দাদার ঘরগুলো বন্ধ করে দিয়েছিলেন; সে সময়ে তাগলিব গোত্র একান্নটি ঘর বন্ধ করেছিল আর তিনি তার নিজের ঘরটি বন্ধ করে তার সাথে যুক্ত করেছিলেন, ফলে তিনি তার গোত্রের বিপরীতে অবস্থান করেছিলেন। তার পুত্র আখফাশ ইবনে শিহাব ছিলেন অবাধ্যদের অশ্বারোহী বীর। (পরিচ্ছেদ) আর যুহাইর ইবনে জাশমজন্ম দেন কাব ও সা’দকে। সা’দ হলেন যুল বাররাহ। আর কায়স ইবনে কাব ইবনে যুহাইরের বংশধরদের মধ্যে ইমরুল কায়স রয়েছেন। সা’দ ইবনে যুহাইরের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন আমর ইবনে কুলসুম ইবনে মালিক ইবনে আবাব ইবনে সা’দ ইবনে যুহাইর। তাদের মধ্যে কবি আত্তাবি রয়েছেন, যিনি হলেন কুলসুম ইবনে আমর ইবনে আইয়ুব ইবনে উবাইদ ইবনে হাসান ইবনুল হুসাইন ইবনে মাসউদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে কুলসুম। তাদের মধ্যে ইসলামের যুগের রাজন্যবর্গ হলেন বনু তক ইবনে মালিক ইবনে আত্তাব ইবনে জাফির ইবনে মুররাহ ইবনে শার’ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনে কুলসুম; আর কুলসুমের নাম ছিল আল-আব্দ। তাদের মধ্যে বনু তাইমও রয়েছে যাদের সম্পর্কে ইমরুল কায়স বলেছিলেন:ইমরুল কায়স ইবনে হিজর কি ব্যথিত হয়েছে … বনু তাইম হলো অন্ধকারের প্রদীপমালা।বলা হয় যে, বনু তাইম যাদের প্রশংসা ইমরুল কায়স করেছেন তারা ফায়াল গোত্র থেকে উদ্ভূত এবং এটিই সঠিক। তাদের মধ্যে রয়েছে আল-মুআল্লা, যারা সা’দ ইবনে যুহাইরের পুত্র আবাবের দিকে নিজেদের সম্বন্ধযুক্ত করে। তাদের মধ্যে রয়েছেন আবু হুসাইন মালিক ইবনে আসম ইবনে নু’মান ইবনে মালিক ইবনে আবাব ইবনে সা’দ ইবনে যুহাইর। (পরিচ্ছেদ) বাকর ইবনে হাবিবের সন্তানগণছয়জন: জাশম, মুয়াবিয়া, মালিক, সা’লাবাহ, আল-হারিস ও আমর। তারাই হলো ‘আরাকিম’; তাদের চোখগুলো আরকাম সাপের চোখের মতো ছিল বলে তাদের এই নামে ডাকা হতো। তারা বিভিন্ন গোত্রে বিভক্ত, যার মধ্যে জাশম হলো সর্ববৃহৎ এবং সংখ্যা ও মর্যাদায় শ্রেষ্ঠ। জাশম জন্ম দেন যুহাইর, আল-হারিস ও সা’দকে। আমরা যুহাইরের বংশধরদের কথা উল্লেখ করেছি। আর হারিসের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন শুরাহবিল ইবনুল হারিস ইবনে জাশম, যিনি সর্বপ্রথম জাযিরাহ অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেন। ইমরান ইবনুল হারিসের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন ইমরান যার কথা আমরা আগে উল্লেখ করেছি। সিনহান ইবনে আমর ইবনুল হারিস ইবনে জাশমের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন জাববাব আল-ইমরান ইবনে মুয়াবিয়া ইবনে ইমরান। তাদের মধ্যে রয়েছেন আওফ ইবনে ইমরানের অশ্বারোহীগণ, আমরা ইনশাআল্লাহ ফুরসানের বংশপরম্পরা সামনে উল্লেখ করব। (পরিচ্ছেদ) আর মালিক ইবনে বাকরজন্ম দেন উসামাহ ও সা’দকে। উসামাহ জন্ম দেন আক্কা-কে, যিনি হলেন তাইম ও আদী। তাইমের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন কিনানাহ, তারা তাগলিবের কুরাইশ। তাদের মধ্যে ইয়ামানের আক্কা ইবনে জুবাইদ ও আদন-এ দুটি উপগোত্র রয়েছে যাদের ‘আখইওয়া’ ও ‘আতওয়ারাস’ বলা হয়। তারা তাগলিবের কিনানাহ, খুজাইমাহ ইবনে মুদরিকাহর বংশধর কিনানাহ নয়, সুতরাং ভুল করবেন না। আদী ইবনে উসামাহর বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন বনু হামদান: সাইফুদ্দৌলা আলী ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে হামদান এবং তার ভাই নাসিরুদ্দৌলা, এবং তাদের চাচাতো ভাই আবু ফিরাস আল-হারিস ইবনে সাঈদ ইবনে হামদান ইবনে হামদুন ইবনে রাশিদ ইবনে আদী ইবনে উসামাহ ইবনে মালিক ইবনে বাকর সলীল এবং বনু হুওয়াইর-এর দল। বলা হয় যে, আরাকিমদের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন হাম্মাম ইবনে মুতাররিফ ইবনে মা’কিল ইবনে মাখলাদ ইবনুল হারিস ইবনে যুহাইর ইবনে জাশম ইবনে বাকর। তিনিই ইসলামে তাগলিব গোত্রের প্রথম নেতৃত্ব দেন এবং বাকর ও তাগলিবের মধ্যে মীমাংসা করেন। তিনি নিজের সম্পদ থেকে দুইশ উট প্রদান করেন এবং এক হাজার মানুষের রক্তপণ বহন করেন। তিনি তাগলিবের পাঁচশ পুরুষকে বাকর গোত্রে এবং বাকর গোত্রের পাঁচশ পুরুষকে তাগলিব গোত্রে বিবাহ দেন এবং নিজের সম্পদ থেকে সদকা প্রদান করেন, ফলে আজ পর্যন্ত তাদের মধ্যে সন্ধি অটুট রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন কুতামী, যার নাম আমর ইবনে শাইয়িম ইবনে আমর ইবনে ইয়াদ ইবনে বাকর ইবনে আমির ইবনে উসামাহ ইবনে মালিক ইবনে বাকর ইবনে হাবিব ইবনে আমর ইবনে গানাম ইবনে তাগলিব। তাদের মধ্যে রয়েছেন কবি আখতাল, যিনি হলেন আবাব ইবনে আউন ইবনুস সালব ইবনে তারিকাহ ইবনে সিনহান ইবনে আমর ইবনে ফুদাওলুস ইবনে আমর ইবনে মালিক ইবনে জাশম। বলা হয় যে, ইমরান ইবনে তাগলিবের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন আমর ইবনে খালিদ ইবনে কাব ইবনে তাইম ইবনে ইমরান। ফুরসান ইবনে আমরের বংশপরিচয়ইবনে আওফ ইবনে ইমরান ইবনে সিনহান ইবনে আমর ইবনুল হারিস ইবনে জাশম ইবনে বাকর ইবনে হাবিব ইবনে আমর ইবনে গানাম ইবনে তাগলিব। বলা হয় যে, ফুরসান একটি পাহাড়ের নাম যা ইমরান তার সন্তানদের জন্য আবাদ করেছিলেন, ফলে তাদের সেই নামে ডাকা হয়। ফুরসান ও যারওয়াহ হলো সিরিয়ার জমিনের দুটি পাহাড়। তাদের কবি যখন তারা ইয়ামানে হিজরত করছিল এবং যারা অবশিষ্ট ছিল তাদের সম্পর্কে বলেছিলেন:ফুরসান তার অধিবাসীদের চলে যাওয়ার কারণে কেঁদেছে … আর যারওয়াহ কাঁদছে ফুরসানের কান্নার কারণে।ফুরসান—অর্থাৎ ইমরান—তিনটি সন্তান জন্ম দেন: হামাস, বাহর ও বায়ান। হামাস ছিলেন তাদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ, তাদের মধ্যে রয়েছে বনু সিনান। বনু সিনানের অন্তর্ভুক্ত হলো বনু জাকাশ, যারা বনু হুসাইনের অশ্বারোহী বীর ছিল। আর বাহর-এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছে বনু ইয়াঈশ এবং আল-মুখতার ইবনে আসবাহার পরিবার—এগুলো দুটি বিশাল পরিবার। বনু ইয়াঈশের মধ্যে রয়েছেন জিয়াশ ইবনুল হুসাইন আল-ফুরসানি, সামি’, আইয়ুব ও রিবাত (সামি’র দুই পুত্র) এবং আবু হুসাইনের পুত্র বাওয়াব। (পরিচ্ছেদ) আর সিনানের বংশধারায় বায়ান সম্পর্কে
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ২৪)
فمن ولده سهلة بن العصاف بن طقمة بن دومان بن عوف بن بيان بن فرسان وهو عمران وهو الذي انتجع بالفرسانيين من الشام إلى أرض موزع والجبرول وماناهجها، فولده بهما إلى اليوم، وولد سهلة صهيبة وحما فمن ولد صهيبة زهاره أجعد وعلى أبنا زهاره، وكانت الرياسة في بني أجعد فمن ولد محمد بن أجعد المأمون وعلى ابنا ناجي، وأما على بن ذهاره فمن ولده محمد بن قحطان ابن حساس بن علي بن زهارة، ومن بني قحطان بنو دوال بن محمد بن قحطان ابن حساس بن علي بن زهارة، ومن ولد على بني زهارة أيضا بنو فحيس وبنو عدي ومن بني عدي محمد بن صدقة بن عدي بن علي بن زهارة. (فصل) وأما حمس بن سهلةفأولد يحيى وأولد يحيى عبد الله وأحمد أبني يحيى، فمن ولد أحمد بن دوال بن محمد بن قحطان بن أحمد بن عيسى بن أحمد بن يحيى بن حمس وهو صاحب الزواكية ومن ولد عبد الله بن يحيى الفياضي بن أيوب بن يحيى بن أيوب ابن يحيى بن حمس، وهن ولد يحيى بن عبد الله بن يحيى بن حمس هذا اسحق ابن محمد بن اسحق بن عبد الله بن يحيى بن حمس ولإسحاق بن محمد هذا ستة أولاد، وهم محمد وأيوب وحمس ومغيرة وعيسى ويحيى وهم الجحاث، فأولد محمد تغلب ومحمد أبني إسحاق وأولد أيوب بن إسحاق الأورع ومغيرة ومحمد فمن ولد المعوذ إسحاق وأيوب أبنا حمس وأما مغيرة بن إسحاق، فأولد أيوب وإسحاق فمن ولد إسحاق بنو الكبيس بن مغيرة بن إسحاق بن مغيرا وأما عيسى ابن إسحاق فولده قليل، وأما حمس بن إسحاق فمن ولده حمس بن الأسود بن يحيى بن حمس بن إسحاق، ومنهم معربد جد بني معربة، وأل يحيى بن إسحاق فأولد أيوب ومحمد وأولد محمد يحيى وجابر، فأولد يحيى محمد الأعرج وحمسا وحلفا، وأما أيوب ومحمد وأولد محمد يحيى وجابر، فأولد يحيى محمد الأعرج وحمسا وحلفا، وأما أيوب بن محمد بن يحيى بن إسحاق فأولد محمدا وإسحاق ويحيى الأبحر وكان من الشجعان، فهذا نسب ولد إسحاق بن محمد بن إسحاق. (فصل) وأما المغيرة عبد الله بن محمدأخو إسحاق بن محمد بن إسحاق فكان صاحب الرياسة بعد أبيه وله ولدان إسحاق وأيوب، وولد أيوب عشرة أولاد منهم هاشم ويحيى وبكر وعبد الله وجامع ومعربد وأبو الأعور وبنوه يسمون الفيلة، وأما هاشم بن أيوب فمن ولده بنو هاشم أصحاب المحزية، وأما معربد بن زيوب فأولاده بنو معربد أصحاب العكرمية، وأما عبد الله بن أيوب فمن ولده بكر العوم بن المغيرة بن أيوب بن عبد الله بن أيوب ولده يريد ومن ولد عبد الله بن أيوب حمس بن عبد الله، وأما جامع بن أيوب فمن ولده أيوب ومحمد وحسين ويحيى ومغيرة بن إسحاق بن جامع بن أيوب وهم يعرفون ببني جامع، وأما أبو الأعور بن أيوب فمن ولده بنو مناف وأما يحيى بن أيوب فأولد طاميا وأبا المغيرة وبكرا، فأولد بكر بن يحيى طاميا وحسينا فأولد حسين محمد بن حسين وأولد أبو المغيرة بن يحيى يحيى وبكرا، فأولد يحيى بن أبي المغيرة محمدا وأحمد ويحيى ومهنا فهؤلاء بيت أبي المغيرة ولهم عقب، وأما طامي بن يحيى بن أيوب فأولد محمدا وبكرا ويحيى وأما محمد بن عامر فكان من أجواد العرب وله من المكارم مالا يحصى وكان مسكنه الجدون. وله من الولد طامى وجياش وحسين وعلى وأحمد وعبد الله وأما بكر بن طامى فولده محمد وطامى وأما يحيى بن طامى فولده محمد بن يحيى بن طامى وليس له بن طامى وليس له غيره فهذا بيت بن ى طامى. (فصل) وأما بكر بن أيوب بن أبي المغيرة
তার বংশধরদের মধ্যে রয়েছে আসসাফের পুত্র সহলা। তার বংশপরম্পরা হলো সহলা ইবনুল আসসাফ ইবনে তুকমাহ ইবনে দুমান ইবনে আওফ ইবনে বায়ান ইবনে ফুরসান, আর তিনি হলেন ইমরান। তিনিই ফুরসানি গোত্রকে নিয়ে শাম (সিরিয়া) থেকে মাওযা' ও জবরুল এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলসমূহে অভিবাসন করেছিলেন। আজ পর্যন্ত তার বংশধরেরা সেখানেই বসবাস করছে। সহলার দুই পুত্র ছিল— সুহাইবাহ ও হুমা। সুহাইবাহর বংশধরদের মধ্যে রয়েছে যুহরাহ ও আজ'আদ এবং আলীর বংশধরেরা। আজ'আদ গোত্রের মধ্যেই নেতৃত্ব বিদ্যমান ছিল। মুহাম্মদ ইবনে আজ'আদ আল-মামুন এবং আলীর দুই পুত্র নাজি তার বংশধরদের অন্তর্ভুক্ত। আর আলী ইবনে যুহরাহর বংশধরের মধ্যে রয়েছে মুহাম্মদ ইবনে কাহতান ইবনে হাসসাস ইবনে আলী ইবনে যুহরাহ। বনু কাহতান হলো মুহাম্মদ ইবনে কাহতান ইবনে হাসসাস ইবনে আলী ইবনে যুহরাহর পুত্র বনু দুওয়ালের অন্তর্ভুক্ত। আলী ইবনে যুহরাহর বংশধরদের মধ্যে বনু ফুহাইস ও বনু আদিও রয়েছে। বনু আদির বংশধরদের মধ্যে রয়েছে মুহাম্মদ ইবনে সাদাকাহ ইবনে আদি ইবনে আলী ইবনে যুহরাহ। (পরিচ্ছেদ) আর সহলার পুত্র হুমস প্রসঙ্গে:তিনি ইয়াহইয়ার জন্ম দেন। ইয়াহইয়া আব্দুল্লাহ ও আহমদ নামে দুই পুত্রের জন্ম দেন। আহমদ ইবনে দুওয়াল ইবনে মুহাম্মদ ইবনে কাহতান ইবনে আহমদ ইবনে ঈসা ইবনে আহমদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে হুমস হলেন আহমদের বংশধর এবং তিনি যাওয়াকিয়ার অধিপতি ছিলেন। আর ফায়্যাদি ইবনে আইয়ুব ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে হুমস হলেন আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়ার বংশধর। এই ইয়াহইয়া ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে হুমসের বংশধর হলেন ইসহাক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে হুমস। এই মুহাম্মদ ইবনে ইসহাকের ছয়জন পুত্র ছিল: মুহাম্মদ, আইয়ুব, হুমস, মুগীরাহ, ঈসা ও ইয়াহইয়া। তাদেরকে 'আল-জাহাস' বলা হয়। মুহাম্মদ ইবনে ইসহাকের দুই পুত্র হলেন তাগলিব ও মুহাম্মদ। আইয়ুব ইবনে ইসহাকের পুত্ররা হলেন আল-আওরা', মুগীরাহ ও মুহাম্মদ। আল-মুআউওয়াযের বংশধর হলেন হুমসের দুই পুত্র ইসহাক ও আইয়ুব। মুগীরাহ ইবনে ইসহাকের দুই পুত্র হলো আইয়ুব ও ইসহাক। ইসহাক ইবনে মুগীরাহ ইবনে ইসহাক ইবনে মুগীরাহর বংশধর হলো বনু কুবাইস। ঈসা ইবনে ইসহাকের বংশধর অতি নগণ্য। হুমস ইবনে ইসহাকের বংশধরদের মধ্যে রয়েছে হুমস ইবনে আসওয়াদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে হুমস ইবনে ইসহাক। তাদের মধ্যে রয়েছে মুআরবিদ, যিনি বনু মুআরবিদার পূর্বপুরুষ। ইয়াহইয়া ইবনে ইসহাকের দুই পুত্র ছিল আইয়ুব ও মুহাম্মদ। মুহাম্মদ ইয়াহইয়া ও জাবিরের জন্ম দেন। ইয়াহইয়া মুহাম্মদ আল-আরাজ, হুমস ও হিলফ-এর জন্ম দেন। আর আইয়ুব ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে ইসহাক মুহাম্মদ, ইসহাক এবং ইয়াহইয়া আল-আবহারের জন্ম দেন, যিনি অত্যন্ত বীর যোদ্ধা ছিলেন। এটিই হলো ইসহাক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাকের বংশলতিকা। (পরিচ্ছেদ) আর মুগীরাহ আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ প্রসঙ্গে:তিনি ছিলেন ইসহাক ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাকের ভাই। তিনি তার পিতার পর নেতৃত্বের অধিকারী ছিলেন। তার দুই পুত্র ছিল: ইসহাক ও আইয়ুব। আইয়ুবের দশজন পুত্র ছিল, যাদের মধ্যে রয়েছেন হাশিম, ইয়াহইয়া, বকর, আব্দুল্লাহ, জামে', মুআরবিদ ও আবু আল-আওয়ার। তার সন্তানদের 'আল-ফিলাহ' বলা হয়। হাশিম ইবনে আইয়ুবের বংশধররা হলেন বনু হাশিম, যারা মাহযিয়ার অধিপতি। মুআরবিদ ইবনে আইয়ুবের বংশধরেরা হলেন বনু মুআরবিদ, যারা ইকরিমিয়ার অধিপতি। আব্দুল্লাহ ইবনে আইয়ুবের বংশধর হলেন বকর আল-আউম ইবনে মুগীরাহ ইবনে আইয়ুব ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আইয়ুব, যার পুত্র হলো ইয়াজিদ। আব্দুল্লাহ ইবনে আইয়ুবের বংশধরদের মধ্যে হুমস ইবনে আব্দুল্লাহও রয়েছেন। জামে' ইবনে আইয়ুবের বংশধরদের মধ্যে রয়েছেন আইয়ুব, মুহাম্মদ, হুসাইন, ইয়াহইয়া ও মুগীরাহ ইবনে ইসহাক ইবনে জামে' ইবনে আইয়ুব; তারা বনু জামে' নামে পরিচিত। আবু আল-আওয়ার ইবনে আইয়ুবের বংশধরদের মধ্যে বনু মানাফ রয়েছে। ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুবের তিন পুত্র ছিল: তামি, আবুল মুগীরাহ ও বকর। বকর ইবনে ইয়াহইয়া তামি ও হুসাইনের জন্ম দেন। হুসাইন মুহাম্মদ ইবনে হুসাইনের জন্ম দেন। আবুল মুগীরাহ ইবনে ইয়াহইয়া ইয়াহইয়া ও বকরের জন্ম দেন। ইয়াহইয়া ইবনে আবুল মুগীরাহ মুহাম্মদ, আহমদ, ইয়াহইয়া ও মুহান্নার জন্ম দেন। তারা হলেন আবুল মুগীরাহর পরিবার এবং তাদের বংশধর রয়েছে। তামি ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুব মুহাম্মদ, বকর ও ইয়াহইয়ার জন্ম দেন। মুহাম্মদ ইবনে আমির ছিলেন আরবদের অন্যতম দানশীল ব্যক্তি এবং তার অগণিত মহৎ গুণাবলী ছিল। তার আবাসস্থল ছিল আল-জাদুন। তার সন্তানদের মধ্যে রয়েছে তামি, জাইয়াশ, হুসাইন, আলী, আহমদ ও আব্দুল্লাহ। বকর ইবনে তামির দুই পুত্র হলো মুহাম্মদ ও তামি। ইয়াহইয়া ইবনে তামির এক পুত্র হলো মুহাম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে তামি, তিনি ছাড়া তার আর কোনো সন্তান নেই। এটিই হলো বনু তামি পরিবার। (পরিচ্ছেদ) আর আবুল মুগীরাহর পুত্র আইয়ুবের পুত্র বকর প্রসঙ্গে:
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ২৫)
ابن عبد الله بن محمد بن إسحاق بن عبد الله بن يحيى بن حميس بن سهلة فكان رئيس أهل موزع وأخوه يحيى بالجدون وقد ذكرناهم فأولد بكر بن أيوب يحيى وحسينا وأيوب ومغيرة، أما حسين بن بكر فلا عقب له إلا امرأة، وأما أيوب بن بكر فأولد بكرا ويحيى ومحمدا وحسينا، وأما يحيى بن بكر فأولد بكرا وعطوة وحسينا، فأولد عطوطة بن يحيى المغيرة، وأما بكر بن يحيى بن المغيرة، وكان صاحب الرياسة بعد أبيه وكان من المعمرين وكان صاحب الرياسة بعد أبيه وكان من المعمرين أيضا وله من الولد خمسة عشر ولدا وهم بكر ومحمد وطامى ومغيرة وعلى أحمد وعبد الله ويحيى وبسطام وأبو بكر وحسين وحسن وجامع وعمر وفاتك وجاسر، وأما يحيى أخو حسين بن بكر فأولد بكرا وطامى وجامعا فهؤلاء بيت بني بكر بن يحيى بن أيوب وأما عنز بن وايل فمن ولده أراشة بن اراشة واسح وعضاضة روفيده من ولد عنز وبنو وايل ثلاثة بكر وتغلب وعنزه. نسب أياد بن نزازقال ولد اياد بن نزار عميا وزهرا ونمارة وثعلبة فولد نمارة الطماح حي عظيم، وفيهم يقول عمرو بن كلثوم:ألا أبلغ بني الطماح عنا … وعميا فكيف وجدتموناوكان لهم رجال وعدد فهلكوا، وأياد أخو مضر لأمه وأنمار أو ربيعة لأمه وأقصي ولد دغمي بن منبه بن الصلت بن النبت بن منصور بن يقدم بن أفصى ابن دعمي بن إياد، وقيل يعنف بن منبه وهو النعمان بن منصور بن يقدم بن أفصي بن دعمي بن اياد، ومن دعمي البليغ الحكيم قس بن ساعدة بن عمرو ابن طارق بن شمر بن عدي بن مالك بن ابرعان به النمر بن وائلة بن الظميان بن عوده بن مياه بن يقدم بن أفصي بن دعمي بن أياد، ومنهم مازن بن فيان بن ثعلبة بن عوف بن مالك بن كنانة بن سبابة بن سعد بن الديل بن أشيب بن برد ابن أفصي بن دعمي بن أياد، وعمر والقنا بن شيبان بن يحيى بن عوف نجن مالك بن كنانة وهما اللذان مدحهما لقيط بن يعمر الأيادى فقال:كمازن بن قنان أو كصاحبه … عمرو القنا يوم لاقى الحارثين معاومنهم الجواد كعب بن عمرو بن ثعلبة بن سلوان بن كنانة إلى أخر النسب، وكان كعب يضرب به المثل في الجود والجواب وأبوه مامة كان ملك أياد، ومن ولد زهر بن أياد وكيع بن سلمة بن منبه بن حذافة بن زهير بن دعمي بن إياد، وأما أنمار بن نزار فقد تقدم ذكره، فهذه قبايل نزار بن معد وقد ذكرنا قبائل مضر، وأما قبايل بن نزار، فهم ضبيعة وعنزة وعبد القيس، والنمر وبكر وتغلب وعنز ومن قبايل بكر عجل وحنيفة ولجيم ويشكر وشيبان وقيس وذهل وتيم اللات وسلوس فهذه أبيات قبايل ربيعة بن نزار. نسب عك بن عدنانواسمه عك الحرث وله أربعة أولاد، النعمان والضحاك لم يعقبا والشاهد وعبد الله وإنما الولد العقب والولد وفيهم العدد والجلد، وقال بن هشام تروج عك في الاشعرين وأقام فيهم، فصارت عك في ديار اليمن فصارت اللغة واحدة والدار واحدة، قال فعك يجمعها بطنان. ولد الشاهد وولد عبد الله أما الشاهد فالعدد من ولده في غاقق وساعدة ابني نهشك بن الشاهد بن عك فأولد خمسة أولاد، وهم عامر ومالك ووحشي وسحل وسحيل فمن ولد سحيل بن غاقق سملقة ابن الحباب بن سعد بن عوف بن شراحبيل بن مالك بن رهوان بن سحل بن غاقق، وكان سملقة رئيسا على جميع عك مطاعا فيهم، وهو أقعد ولد الشاهد وأخص من يكون به، فلما مات سملقة قالت بنو عبد الله بن عك وهم عبس وبولان لابد أن نقيم منا رجلا مقام سملقة حتى يكون من ولد عبد الله سيد كما كان من ولد الشاهد سملقة ولم يكن أحد منهم يقدر على مضايقة سملقة في زمانه في الرياسة فلما مات أقامت بنو عبد الله أبا شراحيل الناجي وكان بن أخت سملقة فغضب ولدا سملقة عمرو وتيم وقالا: نحن أحق بالقيام بعد أبينا فكرهت بنو عبد الله، وقالوا بن اختكما ولا بعده فيما بيننا وقد رأينا أن نجعله مقام خاله فبعضه لنا وبعضه لكم، ونحن فيه سواء، وقد كان منكم ولكن خاصة دوننا فما منعناه الرياسة على الكل منا فكيف تكرهون أبا شراحيل ولكم فيه مثل ما لنا من الرجامة فخرج ولداه إلى بكبل وسارع، وذربتهما من همذان وحمير.
ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে হামিস ইবনে সাহলাহ। তিনি ছিলেন মাওজা অঞ্চলের প্রধান এবং তাঁর ভাই ইয়াহইয়া আল-জাদুন অঞ্চলে ছিলেন; আমরা তাঁদের কথা উল্লেখ করেছি। বকর ইবনে আইয়ুবের ঘরে ইয়াহইয়া, হুসাইন, আইয়ুব ও মুগীরাহ জন্মগ্রহণ করেন। হুসাইন ইবনে বকরের কোনো উত্তরসূরি ছিল না কেবল এক কন্যা ছাড়া। আইয়ুব ইবনে বকরের পুত্ররা হলেন বকর, ইয়াহইয়া, মুহাম্মদ ও হুসাইন। ইয়াহইয়া ইবনে বকরের পুত্ররা হলেন বকর, আতওয়াহ ও হুসাইন। আতুতাহ ইবনে ইয়াহইয়া মুগীরাহকে জন্ম দেন। বকর ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে মুগীরাহ তাঁর পিতার পর নেতৃত্বের অধিকারী ছিলেন এবং তিনি দীর্ঘায়ু ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তাঁর সন্তানদের মধ্যে পনেরোজন ছিল, তারা হলেন বকর, মুহাম্মদ, তামী, মুগীরাহ, আলী, আহমদ, আবদুল্লাহ, ইয়াহইয়া, বিসতাম, আবু বকর, হুসাইন, হাসান, জামি', উমর, ফাতিকা ও জাসির। হুসাইন ইবনে বকরের ভাই ইয়াহইয়ার পুত্ররা হলেন বকর, তামী ও জামি'—এরাই হলো বনু বকর ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আইয়ুবের ঘর। আর 'আনয ইবনে ওয়ায়িল-এর সন্তানদের মধ্যে হলেন আরাশাহ ইবনে আরাশাহ, ইসাহ ও আদাযাহ। রুফাইদাহ 'আনযের বংশধর। ওয়ায়িল-এর সন্তান তিনজন: বকর, তাগলিব ও আনযাহ। আইয়াদ ইবনে নিযারের বংশপরিচয়বর্ণিত আছে যে, আইয়াদ ইবনে নিযারের পুত্ররা হলেন আময়ি, যাহর, নামারাহ ও সা'লাবাহ। নামারাহ-এর বংশধরেরা তিমাহ নামক এক বিশাল গোত্র। তাদের সম্পর্কে আমর ইবনে কুলসুম বলেন:জেনে রেখো, বনু তিমাহ এবং আময়ি-এর কাছে আমাদের পক্ষ থেকে পৌঁছে দাও … তোমরা আমাদের কেমন পেয়েছিলে?তাদের বিপুল জনবল ও শক্তি ছিল, কিন্তু তারা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আইয়াদ ছিলেন মুদারের বৈমাত্রেয় ভাই; আনমার অথবা রাবি'আ তাঁর সহোদর ভাই। আর দাউমি ইবনে মুনাব্বিহ ইবনে আস-সালত ইবনে আন-নাবিত ইবনে মানসুর ইবনে ইয়াকদাম ইবনে আফসা ইবনে দাউমি ইবনে আইয়াদ। কেউ কেউ বলেন ইয়া'নুফ ইবনে মুনাব্বিহ, যিনি নুমান ইবনে মানসুর ইবনে ইয়াকদাম ইবনে আফসা ইবনে দাউমি ইবনে আইয়াদ। দাউমি বংশের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন প্রজ্ঞাবান বাগ্মী কাস ইবনে সায়িদা ইবনে আমর ইবনে তারিক ইবনে শাম্মার ইবনে আদি ইবনে মালিক ইবনে ইবরান ইবনে আন-নামির ইবনে ওয়ায়িলাহ ইবনে আদ-দাময়ান ইবনে আউদাহ ইবনে মিয়াহ ইবনে ইয়াকদাম ইবনে আফসা ইবনে দাউমি ইবনে আইয়াদ। তাদের মধ্যে আরও ছিলেন মাযিন ইবনে ফিয়ান ইবনে সা'লাবাহ ইবনে আউফ ইবনে মালিক ইবনে কিনানা ইবনে সাবাবাহ ইবনে সা'দ ইবনে আদ-দীল ইবনে আশয়াব ইবনে বুরদ ইবনে আফসা ইবনে দাউমি ইবনে আইয়াদ। আমর এবং আল-কানা ইবনে শায়বান ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে আউফ ইবনে মালিক ইবনে কিনানা— লাকিত ইবনে ইয়া'মুর আল-আইয়াদী তাঁদের প্রশংসা করে বলেছিলেন:যেমন মাযিন ইবনে কানান অথবা তাঁর সঙ্গী … আমর আল-কানা, যেদিন তিনি উভয় হারিসের সাথে একত্রে যুদ্ধ করেছিলেনতাদের মধ্যে ছিলেন দানবীর কাব ইবনে আমর ইবনে সা'লাবাহ ইবনে সিলওয়ান ইবনে কিনানা, বংশপরম্পরার শেষ পর্যন্ত। দানশীলতা ও উপস্থিত বুদ্ধির জন্য কাব প্রবাদতুল্য ছিলেন এবং তাঁর পিতা মামাহ ছিলেন আইয়াদের রাজা। যাহর ইবনে আইয়াদের বংশধরদের মধ্যে ছিলেন ওয়াকি' ইবনে সালামাহ ইবনে মুনাব্বিহ ইবনে হুযাফাহ ইবনে যুহাইর ইবনে দাউমি ইবনে আইয়াদ। আর আনমার ইবনে নিযারের কথা আগেই উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলো হলো নিযার ইবনে মা'আদ-এর গোত্রসমূহ। আমরা মুদারের গোত্রগুলোর কথা উল্লেখ করেছি। আর নিযারের অন্যান্য গোত্রসমূহ হলো দাবি'আহ, আনযাহ, আবদ আল-কায়স, আন-নামির, বকর, তাগলিব ও আনয। বকর গোত্রের উপগোত্রগুলো হলো ইজিল, হানিফাহ, লুহাইম, ইয়াশকুর, শায়বান, কায়স, যুহাল, তাইম আল-লাত এবং সালুস। এগুলো হলো রাবি'আ ইবনে নিযার গোত্রের অন্তর্ভুক্ত শাখা। আকক ইবনে আদনানের বংশপরিচয়তাঁর নাম ছিল আকক আল-হারিস। তাঁর চার সন্তান ছিল: নুমান ও দাহহাক—যাঁদের কোনো বংশধর ছিল না, এবং শাহিদ ও আবদুল্লাহ। বংশপরম্পরা, সংখ্যা ও শক্তি মূলত তাঁদের মাধ্যমেই বৃদ্ধি পেয়েছে। ইবনে হিশাম বলেন, আকক আশআরি গোত্রে বিবাহ করেন এবং তাঁদের মধ্যেই বসবাস করেন। ফলে আকক ইয়ামেন ভূখণ্ডের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায় এবং তাঁদের ভাষাও এক হয়ে যায়, আবাসভূমিও এক হয়ে যায়। তিনি বলেন, আকক দুটি প্রধান শাখায় বিভক্ত: শাহিদের বংশধর এবং আবদুল্লাহর বংশধর। শাহিদের বংশধরদের সংখ্যাধিক্য ছিল গাকিক ও সায়িদাহ-এর মধ্যে, যারা নাহশাক ইবনে শাহিদ ইবনে আকক-এর পুত্র। নাহশাকের পাঁচজন পুত্র ছিল: আমির, মালিক, ওয়াহশি, সাহল ও সাহিল। সাহিল ইবনে গাকিকের বংশধরদের মধ্যে ছিলেন সামলাকাহ ইবনে আল-হুবাব ইবনে সা'দ ইবনে আউফ ইবনে শারাহবিল ইবনে মালিক ইবনে রাহওয়ান ইবনে সাহল ইবনে গাকিক। সামলাকাহ সমগ্র আকক গোত্রের নেতা ছিলেন এবং তাঁরা তাঁর অনুগত ছিল। তিনি শাহিদের বংশধরদের মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী ও ঘনিষ্ঠ ছিলেন। যখন সামলাকাহ মৃত্যুবরণ করেন, তখন বনু আবদুল্লাহ ইবনে আকক—যারা আবস ও বুলান গোত্রের অন্তর্ভুক্ত—বলল: 'আমাদের অবশ্যই আমাদের মধ্য থেকে একজনকে সামলাকাহ-এর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে নিযুক্ত করতে হবে, যাতে আবদুল্লাহর বংশধরদের মধ্যেও একজন নেতা থাকে যেমনটা শাহিদের বংশধরদের মধ্যে সামলাকাহ ছিলেন।' সামলাকাহ-এর জীবদ্দশায় নেতৃত্বের প্রশ্নে তাঁর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষমতা কারও ছিল না। তাঁর মৃত্যুর পর বনু আবদুল্লাহ আবু শারাহিল আন-নাজিকে নেতা হিসেবে দাঁড় করায়, যিনি ছিলেন সামলাকাহ-এর ভাগ্নে। এতে সামলাকাহ-এর দুই পুত্র আমর ও তাইম রাগান্বিত হলেন এবং বললেন: 'আমাদের পিতার পর নেতৃত্বের হকদার আমরাই।' বনু আবদুল্লাহ এটি অপছন্দ করল এবং বলল: 'সে তোমাদের ভাগ্নে, আমাদের মধ্যে এতে কোনো দূরত্ব নেই। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি তাকে তার মামার স্থলাভিষিক্ত করব, এতে আমাদের ও তোমাদের উভয়েরই অংশ থাকবে এবং আমরা এতে সমান। সে তোমাদেরই বংশের অংশ, তবে আমাদের তুলনায় সে বিশিষ্ট ছিল না। আমরা তো পুরো গোত্রের ওপর সামলাকাহর নেতৃত্ব মেনে নিতে বাধা দেইনি। তবে তোমরা কেন আবু শারাহিলকে অপছন্দ করছ যখন আমাদের পক্ষ থেকে তোমাদের জন্য তাঁর মধ্যে নেতৃত্বের সমান অধিকার রয়েছে?' তখন তাঁর দুই পুত্র বাকবিল ও সারে'-এর দিকে চলে গেলেন এবং তাঁদের বংশধররা হামদান ও হিমইয়ার থেকে উদ্ভূত।
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ২৬)
وكان أبو شراحيل بالسبجا إلى أن مات بها وافترقت غافق وساعدة إلا من أراد أن يجلس مع عبس وبولان فلذلك السبب أن عبسا وبولان هم على تهامة، وهم أكثر من اخوتهم الآخرين وأثار أبي شراحيل بالسبحا والجردة بهما ما أثر إليه العلامات إلى يومنا هذا. (فصل) سملقة بن يدى بن الضجاعصاحب أمر عك يوم قاتلوا غسان من ولد عامر بن غاقق لغسان وأكرم وكارع والباري فمن ولد غسان سعده وحرث وبوه غير بوه الجابري وركب أشعر وهبير والرسل وربيعة وعمرو وتيم وقنن، وفي تيم بيت سؤدد لعسان وشرفهم إلى ناحية، ورهطه، ومن ولد كارع بن عامر بنو عريب هم بيت الأذروح غير الاروح حمير، ومن ولد أكرم بن عامر جمع والحارث وريان وعلى وعوف، والعدد في عوف، ومنهم ولد شاكر بنو أبي شاكر بالقطيع من صيبا، ومن ولد الباري بن عامر جدوان وباقر وأحدب ووافي وأسلم بفتح اللام، ومقصر بن عمرو بن باري ابن عامر، وكلهم يعرفون بالقيانة، إلا مقصر فانهم يعرفون بالمقاصرة ولذلك أنه ولد لستة أشهر أو لسبعة فسمى بذلك مقصرا، وأما القيانة فهي أفهم زوجة عمرو الباري وهي القيانة بنت العين بن حارث بن سليم بن الحكم بن سعد قال شاعرهم:أنا بن قار يوم يدعى تاري … واحدب وأسلم العياروالمقصرون هم الشطار. (فصل) وأما مالك بن غافقفولده صحار ودهنة وهو ذكى وامرأة وهي سلمى كانت عند ربيعة بن عبس فأولد منها عمران ومات عنها وتزوجها مالك فأولد منها منشكا ومنبها أبني مالك بن عبس فمن ولد وهنة العجل وزيد وصهيب وسلاط وزجران وموهبة، فمنهم الرامي والداني ابنا أوس بن حملة بن وادع، ومن ولد الرامي بنو رعب بن عكابر بن الرامي ومن ولد موهبة دهنة الريم وأبو سقة وحسين بيت سؤدروهم بنو رعب بن شلاط بن موهبة بن دهنة وأما صحار بن مالك بن السمين فمنهم مخلب بن جنحر بن السمين بن صحار بن مهنة ومنهم بنو أبي الروم بن عبيد بن عبد الله بن محمد بن عبد الرحمن بن خلف بن ثعلبة بن السمين بن صحار بن السمين فمنهم مخلب بن جنحر بن السمين بن صحار بن مالك بن غافق وهو بيت سودوهم، وأما وحشي بن غافق فولده سيام وهم من دعين مشهور منهم الشاعر محمد بن إبراهيم السيامي. نسب ساعدة بن نبت
আবু শুরাহীল সাবজায় অবস্থান করছিলেন সেখানে তার মৃত্যু পর্যন্ত, এবং গাফেক ও সা'ইদাহ পৃথক হয়ে গিয়েছিল, কেবল তারা ব্যতীত যারা আবস ও বাউলানের সাথে থাকতে চেয়েছিল। এই কারণেই আবস ও বাউলান তিহামায় অবস্থিত, এবং তারা তাদের অন্য ভাইদের তুলনায় সংখ্যায় অধিক। সাবজা ও জুরদাহতে আবু শুরাহীলের যে নিদর্শনগুলো রয়েছে, তা আজ পর্যন্ত চিহ্ন হিসেবে বিদ্যমান আছে। (পরিচ্ছেদ) সামলাকাহ বিন ইয়াদী বিন আদ-দাজ্জা'তিনি ছিলেন 'আক্ক গোত্রের সেনাপতি যখন তারা আমির বিন গাফেক-এর বংশধর গাসসান-এর সাথে যুদ্ধ করেছিল। গাসসান, আকরাম, কারি' এবং বারী-এর বংশধরদের মধ্যে গাসসানের বংশধর হলো সা'দাহ, হারস এবং বুহ্ (জাবেরী বুহ্ ব্যতীত), এবং রাকব আশআর, হুবাইর, আর-রুসুল, রাবিআহ, আমর, তাইম এবং কানান। তাইম গোত্রে গাসসানের নেতৃত্বের আবাস ছিল এবং তাদের মর্যাদা এক প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। কারি' বিন আমিরের বংশধরদের মধ্যে রয়েছে বনু আরীব, তারা আজরুহ-এর অধিবাসী (হিমইয়ারের আরওয়াহ ব্যতীত)। আকরাম বিন আমিরের বংশধরদের মধ্যে রয়েছে জাম'উ, হারিস, রাইয়ান, আলী এবং আউফ; আর আউফ গোত্রেই জনবল বেশি। তাদের মধ্যে রয়েছে শাকের-এর বংশধর বনু আবি শাকের যারা সাইবা'র কাতি'-এ অবস্থিত। বারী বিন আমিরের বংশধরদের মধ্যে রয়েছে জাদওয়ান, বাকের, আহদাব, ওয়াফি এবং আসলাম (লাম বর্ণে ফাতহাসহ), এবং মুকাসসার বিন আমর বিন বারী বিন আমির। তারা সকলেই কাইয়ানাহ নামে পরিচিত ছিল, কেবল মুকাসসার ব্যতীত, কারণ তারা মুকাসসারাহ নামে পরিচিত ছিল। এর কারণ হলো সে ছয় বা সাত মাসে জন্মগ্রহণ করেছিল, তাই তাকে মুকাসসার (সংক্ষিপ্ত) নামকরণ করা হয়েছিল। আর কাইয়ানাহ হলো আমর আল-বারী-এর স্ত্রী আফহাম, সে ছিল কাইয়ানাহ বিনতে আইন বিন হারিস বিন সুলাইম বিন হাকাম বিন সা'দ। তাদের কবি বলেছিলেন:আমি কার-এর পুত্র সেই দিনে যখন তেরী বলে ডাকা হয় … এবং আহদাব ও আসলাম আল-আইয়ারআর মুকাসসারগণ হলো ধূর্ত সাহসী। (পরিচ্ছেদ) আর মালেক বিন গাফেক-এর প্রসঙ্গেতার সন্তানরা হলো সুহার ও দাহনাহ (যিনি যাকি) এবং এক কন্যা যার নাম সালমা। সালমা রাবিআহ বিন আবস-এর স্ত্রী ছিলেন এবং ইমরান তার গর্ভে জন্ম নেন। রাবিআহর মৃত্যুর পর মালেক তাকে বিবাহ করেন এবং তার গর্ভে মালেক বিন আবসের দুই পুত্র মানশিক ও মুনাব্বিহ জন্ম নেন। ওয়াহনাহ-এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছে ইজল, যাইদ, সুহাইব, সালাত, যাজরান ও মাওহাবাহ। তাদের মধ্যে আওস বিন হামালাহ বিন ওয়াদে'-এর দুই পুত্র রামি ও দানি রয়েছে। রামি-এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছে বনু রু'ব বিন আকাবির বিন আর-রামি। মাওহাবাহ-এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছে দাহনাহ আর-রীম, আবু সাক্কাহ এবং হুসাইন যাদের মাঝে নেতৃত্ব ছিল; তারা হলো বনু রু'ব বিন শালাত বিন মাওহাবাহ বিন দাহনাহ। আর সুহার বিন মালেক আস-সামীন-এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছে মাখলাব বিন জানহার বিন আস-সামীন বিন সুহার বিন মুহনাহ। তাদের মধ্যে আরও রয়েছে বনু আবিল রুম বিন উবাইদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান বিন খালাফ বিন সা'লাবাহ বিন আস-সামীন বিন সুহার বিন আস-সামীন। তাদের মধ্যে মাখলাব বিন জানহার বিন আস-সামীন বিন সুহার বিন মালেক বিন গাফেক হলো তাদের নেতৃত্বের অধিকারী পরিবার। আর ওয়াহশি বিন গাফেক-এর সন্তানরা হলো সিয়াম, তারা দা'ঈন গোত্রের অন্তর্ভুক্ত এবং তাদের মধ্যে বিখ্যাত হলেন কবি মুহাম্মদ বিন ইবরাহিম আস-সিয়ামী। সা'ইদাহ বিন নাবত-এর বংশধারা
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ২৭)
هو بن غشل بن الشاهد بن عل وله من الولد ثلاثة مخلد والحرث وحليلة وهو جشم الأكبر. وأما مخلد بن ساعدة فولده جبل وجشم وولد جبل نصرا والحارث وفلقا وقعبا والناقص والعافي ومالك وخواتا، فمن ولد مالك بن جبل كعب وزن والعنبر، ومن ولد الحارث بن حببل أوس وهو هرمة، فولد هرمة الراقب وهم الرقابة والقوب أخو الراقب ومن ولد راقب بجير وكعب والخاقى ومعتب وبيت سودوهم الراقب في بني بحر، وأخو الراقب اسمه القوب، ومن ولد كعب ساعدة وأسمة وادعة ومن ولد وادعة بن القوب لنوبر وزهيب وحطيط وورد وعبد الله، فمن بني عبد الله بن وادعة بنو يسروهم سادتهم، وأما نصر بن جبل بن مخلد ابن ساعدة، فمن ولده جبر ومحارب وفخر فمن ولد محارب القلاقلة الصغرى ومن ولد فخر الفخريون، ومن ولد جبر فخر بن نصر بن جبل بن يخلد بن ساعدة، فمن ولد فخر صالح وظلمه وذو الرجلين وزيد وجبر، فمن ولد ذي الرجلين حريث والعجيل، ومن ولد جبر بن فخر بنو عباد يعرفون بالعبادة، ومن ولد صالح بن فخر عبد الله والشعر ودهب وكليب أبو الوفا، ومن ولد عبد الله بن صالح عبد القاهر وأولد عبد القاهر المحدج وأولد المحدج صالح الأصغر ويحيى وعابدة، فمن ولد صالح الأصغر هرقل وحباب والأسحم فهؤاء الثلاثة هم صالح الصغرى وولد يحيى قرار، فولد قرار خمسة ذو السحقين والبلعوك وعبد الله ويحيى الأصغر فهؤلاء بنو قرار بن يحيى بن المحدج، وولد المحدج بن عبد القاهر عبد الله بن صالح الأكبر هم بيت شرفهم وسودوهم، فمن ولد صالح الأكبر مهدي والرابض وكميل فهم بنو عبادة بن المحدج، ومن ولد المهدي حبشي وزياد وسعيد، ومن ولد الرابض كناز ومن ولد كميل سليمان والوليد، وأما قفي بن جبل فولده حماد وجامع وسنبسر، فمن ولد جامع بنو مسل ومن بني السنبسر بنو الضرير رهط الجعنا لميعار، وأما جشم بن يخلد بن ساعدة فأولد زعلا فأولد زعل الحرث بن زعل وعبيدة وجلالا وخناده فمن ولد الحرث بن زعل عامر ومن عامر بنو رافع بيت سؤددهم الأول وهلال وسفيان بن الحرث بن زعل، وولد عبيدة بن زعل مصل وقضيب وكمين، ومن ولد جلال بن زعل معول وطريف وحيان، وحجيج ومن ولد حجيج الأصغر بن حجيج بن جلال الأكبر بن زعل. (فصل) وأما الحرث بن ساعدةفولده لأم وصخر الأكبر أمهما عبدة بنت عبيد بن ثوبان أخت بارح وغنم، وكان يقال لها السيدة، فولد صخر بعجا ومالكا توأمين ويقال انهما لما ولدت لأما قالت في بطني صخرة فسمى صخرا، ثم ولد صخر بعجا ومالكا وصخرا الأصغر بن صخر الأكبر بن الحرث بن ساعدة ومات صخر الأكبر وأمراته جليل فولدت رجلا فسمته صخر الأصغر فولد صخر الأصغر سلاحا وغنيما وهو أبو حراب والعسم وفي ذلك يقول: من غنم.أما غنيم وأبو حراب … أحبو إلى الهنماء كالمصابليس بسلاح ولا كذابوالعدد والسؤدد في صخر بن صخر، وأما مالك بن صخر الأكبر فهم الهشائج المواشجة وأما بعج فأولد سهما ورمزا والحرث وكان الحرث وسهم متعادين وهما صغيران وذلك أنهما اقتتلا على أترجة فقسمتها أمهما بينهما بحديدة فقيل لا تزال بينهما لأجل قطع الحديدة معرفتها إلى اليوم، وأما لأم والحرث بن ساعدة فولده مالك وجسم ومهيل والعامر والأهل وهم الاهالية منهم بنو مسلم سكنه الروحاء من سردد. (فصل) وأما حليلة بن ساعدةوهو جشم الأكبر فولده قين، فولد قين مالكا وجشم الأصغر، ومن ولد مالك ابن قين عفر ومعاوية توأمان وعلاقة وقاصية توأمان ودادع وجده فسمى واحدا فولد عفر زيدا وعوفا وسبيعا، وولد علاقة عبد الله وحبيبا فمن ولد عبد الله بن علاقة بنو أبي القعابيس وبنو أبي عبد سكنة الفلق منهما، ومن ولد حبيب بن علاقة عبد الملك بن سليمان بيت سؤددهم، وأما قاصية بن مالك بن قين فولد نصرا وعوفا، وأما معاوية بن مالك فولده المعرقب، والجابر، وأما أودع بن مالك فولده عليل وعوفة وعبس وذؤال، فهؤلاء بنو مالك بن قين وأما جشم بن قين وهو جشم الأصغر فولده زيد ومفرح ومسروح وعبيدة وعوف وهامل وحبين ووالبة ودرامة، وهم بنو البطيل وبنو الحرب فمن بني الحرب ال الجراح ساداتهم، ومنهم الحرث بن الأسود، ومن بني زيد بن جشم بن قين بنو خلف بن قين الأول، وأما هامل بن جشم بن قين فهم الأهمول دراهم بن حسين والجدون ولهم بها جلد وعدد.
তিনি গাশল বিন আশ-শাহিদ বিন আল্ল-এর পুত্র এবং তার তিন সন্তান ছিল: মুখাল্লাদ, হারিস এবং হালিলাহ; আর সে-ই হলো জাশাম আল-আকবার। আর মুখাল্লাদ বিন সাঈদার সন্তানদের কথা বলতে গেলে, তার সন্তানরা হলো জাবাল এবং জাশাম। জাবালের সন্তানরা হলো নাসর, হারিস, ফালাক্ব, কাআব, আন-নাক্বিস, আল-আফি, মালিক এবং খাওয়ার। মালিক বিন জাবালের বংশধরদের মধ্যে রয়েছে কাব, যান এবং আল-আনবার। আর হারিস বিন জাবালের বংশধরদের মধ্যে রয়েছে আওস, যে হারামাহ নামে পরিচিত। হারামাহর সন্তানরা হলো আর-রাক্বিব (তারা হলো আর-রাক্বাবাহ) এবং আল-ক্বুব, যে আর-রাক্বিবের ভাই। আর-রাক্বিবের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে বুজাইর, কাব, আল-খাক্বি, মুআত্তিব এবং বাইত সুদুহুম। তারা বনু বাহর গোত্রের মধ্যে আর-রাক্বিব নামে পরিচিত। আর-রাক্বিবের ভাইয়ের নাম হলো আল-ক্বুব। কাব-এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছে সাঈদা, আসমাহ এবং ওয়াদিআহ। আল-ক্বুবের পুত্র ওয়াদিআহ-র সন্তানদের মধ্যে রয়েছে লাউবার, জুহাইব, হাত্বীত্ব, ওয়ার্দ এবং আব্দুল্লাহ। আব্দুল্লাহ বিন ওয়াদিআহ-র সন্তানদের মধ্যে রয়েছে বনু ইয়াসার, যারা তাদের নেতা। আর মুখাল্লাদ বিন সাঈদার পুত্র জাবালের সন্তান নাসর-এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছে জাবর, মুহারিব এবং ফাখর। মুহারিবের বংশধরদের মধ্যে রয়েছে আল-ক্বালাক্বিলাহ আস-সুগরা। ফাখর-এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছে আল-ফাখরিয়ুন। আর জাবর-এর বংশধরদের মধ্যে রয়েছে ফাখর বিন নাসর বিন জাবাল বিন মুখাল্লাদ বিন সাঈদা। ফাখর-এর সন্তানদের মধ্যে রয়েছে সালিহ, জালামাহ, যু-রিজলাইন (দুই পা বিশিষ্ট ব্যক্তি), যাইদ এবং জাবর। যু-রিজলাইন-এর সন্তানদের মধ্যে রয়েছে হুরইত এবং আল-উজাইল। জাবর বিন ফাখর-এর বংশধররা বনু আব্বাদ নামে পরিচিত, যারা ইবাদাহ নামেও খ্যাত। সালিহ বিন ফাখর-এর সন্তানদের মধ্যে রয়েছে আব্দুল্লাহ, আশ-শা’র, দাহাব এবং কুলাইব আবু আল-ওয়াফা। সালিহ-এর পুত্র আব্দুল্লাহর সন্তানদের মধ্যে রয়েছে আব্দুল ক্বাহির। আব্দুল ক্বাহিরের বংশধর হলো আল-মুহাদ্দাজ। আল-মুহাদ্দাজের সন্তান হলো সালিহ আল-আসগার (ছোট সালিহ), ইয়াহইয়া এবং আবিদাহ। সালিহ আল-আসগারের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে হেরাক্লিয়াস, হুবাব এবং আল-আসহাম; এই তিনজনই হলো সালিহ আস-সুগরার বংশধর। ইয়াহইয়ার সন্তান হলো ক্বারার। ক্বারার-এর পাঁচ সন্তান হলো: যু-ইস-হাক্বাইন, আল-বালউক, আব্দুল্লাহ এবং ইয়াহইয়া আল-আসগার। এরা হলো আল-মুহাদ্দাজ বিন আব্দুল ক্বাহিরের পুত্র ইয়াহইয়ার পুত্র ক্বারার-এর সন্তান। আল-মুহাদ্দাজ বিন আব্দুল ক্বাহির বিন আব্দুল্লাহ বিন সালিহ আল-আকবার-এর সন্তানরাই হলো তাদের সম্মানের কেন্দ্রবিন্দু এবং তাদের নেতা। সালিহ আল-আকবারের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে মাহদী, আর-রাবিদ্ব এবং কুমাইল; তারা হলো বনু আব্বাদ বিন আল-মুহাদ্দাজ। মাহদীর সন্তানদের মধ্যে রয়েছে হাবাশি, যিয়াদ এবং সাঈদ। আর-রাবিদ্ব-এর সন্তানদের মধ্যে রয়েছে কান্নাস। কুমাইলের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে সুলাইমান এবং আল-ওয়ালিদ। ক্বাফি বিন জাবালের কথা বলতে গেলে, তার সন্তানরা হলো হাম্মাদ, জামি’ এবং সানবাসার। জামি’-এর সন্তানদের মধ্যে রয়েছে বনু মাসাল। আর সানবাসার-এর সন্তানদের মধ্যে রয়েছে বনু আদ-দারির, যারা জা'না লি-মিআরের দলভুক্ত। জাশাম বিন মুখাল্লাদ বিন সাঈদার কথা বলতে গেলে, তার পুত্র ছিল যা’ল। যা’ল-এর সন্তানরা হলো হারিস বিন যা’ল, উবাইদাহ, জালাল এবং খানাদাহ। হারিস বিন যা’লের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে আমির। আমিরের বংশধরদের মধ্যে রয়েছে বনু রাফি’, যারা তাদের আদি নেতৃত্বের কেন্দ্র, এবং হিলাল ও সুফিয়ান বিন হারিস বিন যা’ল। যা’লের পুত্র উবাইদাহর সন্তানরা হলো মাসাল, ক্বাদ্বীব এবং কামীন। যা’লের পুত্র জালালের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে মা’ওয়াল, ত্বরীফ এবং হাইয়্যান ও হাজিজ। হাজিজ আস-সুগারের বংশধররা হলো জালাল আল-আকবার বিন যা’ল-এর পুত্র হাজিজের বংশধর। (পরিচ্ছেদ) আর হারিস বিন সাঈদা সম্পর্কেতার সন্তানরা হলো লাআম এবং সাখর আল-আকবার। তাদের মা ছিলেন আবদাহ বিনতে উবাইদ বিন সাউবান, যিনি বারীহ এবং গানামের বোন ছিলেন। তাকে 'আস-সায়্যিদাহ' বলা হতো। সাখর-এর দুই যমজ সন্তান ছিল—বাজ এবং মালিক। বলা হয়ে থাকে যে, যখন লাআমের জন্ম হয়, তখন তার মা বলেছিলেন, 'আমার পেটে একটি পাথর (সাখর) রয়েছে', তাই তার নাম সাখর রাখা হয়েছিল। অতঃপর সাখর-এর সন্তানরা হলো বাজ, মালিক এবং সাখর আল-আসগার বিন সাখর আল-আকবার বিন হারিস বিন সাঈদা। সাখর আল-আকবার মারা যান যখন তার স্ত্রী গর্ভবতী ছিলেন, পরে তিনি এক পুত্র সন্তান জন্ম দেন এবং তার নাম রাখেন সাখর আল-আসগার। সাখর আল-আসগারের সন্তানরা হলো সিলাহ এবং ঘুনাইম, আর সে-ই হলো আবু হিরাব এবং আল-আসামের পিতা। এ সম্পর্কে তিনি গানাম সম্পর্কে বলেন:ঘুনাইম এবং আবু হিরাব সম্পর্কে... তারা হুনমার দিকে এগিয়ে যায় আহতদের মতো।তারা অস্ত্রধারীও নয়, মিথ্যাবাদীও নয়।জনসংখ্যা ও নেতৃত্বের মর্যাদা সাখরের পুত্র সাখরের বংশধরদের মধ্যেই রয়েছে। আর সাখর আল-আকবারের পুত্র মালিকের বংশধররা হলো আল-হাশায়িজ আল-মুওয়াশিজাহ। বাজ-এর কথা বলতে গেলে, তার সন্তানরা হলো সাহাম, রাময এবং হারিস। হারিস এবং সাহাম শৈশব থেকেই একে অপরের শত্রু ছিল। এর কারণ হলো তারা একটি লেবু নিয়ে মারামারি করেছিল, তখন তাদের মা একটি লোহার ধারালো অস্ত্র দিয়ে সেটি তাদের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছিলেন। বলা হয় যে, সেই লোহা দিয়ে কাটার কারণে আজ পর্যন্ত তাদের মধ্যে সেই শত্রুতা বিদ্যমান। আর লাআম বিন হারিস বিন সাঈদার সন্তানদের মধ্যে রয়েছে মালিক, জাশাম, মুহায়্যিল, আল-আমির এবং আল-আহল। আল-আহলরাই হলো আল-আহালিয়্যাহ, তাদের মধ্যে বনু মুসলিমও রয়েছে যারা সারদাদের আর-রওহা এলাকায় বসবাস করে। (পরিচ্ছেদ) আর হালিলাহ বিন সাঈদা সম্পর্কেতিনিই হলেন জাশাম আল-আকবার। তার পুত্র হলো ক্বাইন। ক্বাইন-এর সন্তানরা হলো মালিক এবং জাশাম আল-আসগার। ক্বাইন-এর পুত্র মালিকের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে ‘আফার এবং মুয়াবিয়া (তারা যমজ), ‘আলাক্বাহ এবং ক্বাহসিয়াহ (তারা যমজ), এবং দাদ’ ও জাদ্দাহ; তিনি একজনের নাম রেখেছিলেন। ‘আফারের সন্তানরা হলো যাইদ, আউফ এবং সুবাই’। ‘আলাক্বাহর সন্তানরা হলো আব্দুল্লাহ এবং হাবীব। ‘আলাক্বাহর পুত্র আব্দুল্লাহর বংশধরদের মধ্যে রয়েছে বনু আবিল ক্বাআবিস এবং বনু আবি আব্দ, যারা আল-ফালাক্ব এলাকায় বসবাস করে। ‘আলাক্বাহর পুত্র হাবীবের বংশধরদের মধ্যে রয়েছে আব্দুল মালিক বিন সুলাইমান, যারা নেতৃত্বের অধিকারী পরিবার। আর ক্বাইন-এর পুত্র মালিকের পুত্র ক্বাহসিয়াহর সন্তানদের মধ্যে রয়েছে নাসর এবং আউফ। মালিকের পুত্র মুয়াবিয়ার সন্তানদের মধ্যে রয়েছে আল-মুয়াক্বিব এবং আল-জাবির। মালিকের পুত্র আওদা’-এর সন্তানদের মধ্যে রয়েছে আলীল, আউফাহ, আবস এবং যুআল। এরা হলো ক্বাইন-এর পুত্র মালিকের বংশধর। আর ক্বাইন-এর পুত্র জাশাম (যিনি জাশাম আল-আসগার নামে পরিচিত) এর সন্তানরা হলো যাইদ, মুফাররাহ, মাসরুহ, উবাইদাহ, আউফ, হামিল, হুবাইন, ওয়ালিরাহ এবং দারামাহ। তারা বনু আল-বাত্বীল এবং বনু আল-হারব নামে পরিচিত। বনু আল-হারবদের মধ্যে আল-জাররাহ পরিবার তাদের নেতা। তাদের মধ্যে হারিস বিন আল-আসওয়াদও রয়েছেন। ক্বাইন-এর পুত্র জাশামের পুত্র যাইদ-এর বংশধররা হলো ক্বাইন আল-আউওয়ালের পুত্র খালাফের বংশধর। আর ক্বাইন-এর পুত্র জাশামের পুত্র হামিল-এর বংশধররাই হলো আল-হামুল, দাহিম বিন হুসাইন এবং আল-জাদ্দুন; সেখানে তাদের প্রভাব ও সংখ্যাধিক্য রয়েছে।
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ২৮)
نسب ولد عبد الله بن عك بن عدنانوالرياسة من ولده في عبس وبولان ابنا سحارة بن غالب بن عبد الله بن عك ابن عدنان وأمهما ليلى بنت نهشل بن الشاهل، أما عبس فمن ولده أبو المشبه بن زهير بن محمد بن مالك بن دوال بن شبوه بن ثوبان بن عبس بن سحارة بن غالب بن عبد الله بن عك، والشرف والسؤدد في ولد محمد بن مالك، فولد دؤال مالكا وصريفا وزيدا وكثيرا فأولد مالكا محمدا فولد محمد زهيرا وهم الزهيريون برئاسة ذؤال.وفيهم الشرف، ومنهم عمر بن عبد الجبار بن محمد بن عدنان بن أحمد بن عبد الله بن المشتهرير بن عمر بن الخطاب بن أبي المشبه، وأما صريف بن ذؤال فولد الذاكر وجرو وعلى، فمن ولد الذاكر الأبيض وناعم ومذيب والخزرج والأبهر فأولد جرو علاقة ومكحول ووهب وأما على بن ظريف فمن ولده العكار وهارب ووهب فمنهم بنو الحريس رهط أبي الخير وهم بيت رئاستهم، ومنهم عمرو بن عدنان بن يعقوب بن إسماعيل بن واؤد بن أبي الخير بن حرس بن وهب ابن علي بن ظريف، وأما زيد بن ذؤال فولده الفارس وعبد الله فأولد الفارس عبادة ومعينا وكعبا وعبيدا، فولد عبد الله زيد الطاحن وطماما وعاطرا ومن ولد الفارس بنو الشخاج والمعاذنة والنهاسية منهم بنو سكين وبنو نجيم سؤددهم بن سكين إلى نجيم. (فصل) وأما شبوه في ثوبانفأولد ذؤالا وهلالا وقد مضى نسب ذؤال فأما هل بن شبوة فمن ولده الضاجع الأكبر والحاجب والعسكر والحارث الأصغر والمحارم والهارم والوادع والعسالق والحجبة والضاجع الأكبر والحارث الأصغر بنو الحرث الأكبر بن كلب ابن هل فأولد رجلين ومنهما بيوت كثيرة لا يستغنون العسالق وهم بنو عبد الله وبنو حي وأما الحجبة فمنهم بنو الحاجب بن الحارث بن كلب وله ولدان عبد الله والضاجع الأصغر وفي ولد الحرث الأصغر سؤدد ولد كلب فولد الحرث الأكبر عبد مناف وكعبا والأصهب، فولد عبد مناف مكور وقطنة الشاعر فأولد قطنة علقمة ومروان وعليا وعبيدة، فمن ولد عبيدة بنو أفلج، وأما كعب بن الحرث فمن ولده بنو مسروق بن حشف بن كعب بن الحرث الأصغر بن كلب بن عهل بن شبوة وهم بيت سؤددهم في صدر الإسلام وابنه عبد الرحمن بن مسروق بن بشرعك نضفين وهو صاحب ليلة القرير، ومنهم بنو يعفر وبنو تريم، وولد على بن عبد مناف العيلج والزارع والهازم، وأما الضاجع الأكبر فمن ولده الحرث وسليمان التابعي ابن حجاج بن عبد الله بن وهب بن خلد بن جلال بن عبد الله بن وهب ومنهم عبد الرحمن وعبد الملك وعمرو وبنو محمد بن بركة بن عبد الله بن وهب إلى آخر النسب. (فصل) وأما ثوبان بن عبسفهو أكبر ولد عبس وفي ذلك الرئاسة والسؤدد قال شاعرهم:هاتوا كثوبان التحام وغنمة … وكأفلح المنضال في تفضيلهاوكشبوة الفيافي أو كذؤاله … وأبي مشبه فرعها وأقيلهاوأبي شرحبيل الذي افتخرت به … فتيان آل ملاذها ووكيلهاقال ولد ثوبان شبوة وعبيداً، وقد مضى ذكر شبوة، وأما عبيدة بن ثوبان فولده ناج وغنم وامرأة اسمها عيدة وكانت عبد الحرث بن ساعدة فولدت له لاما وصخرا، فمن ولد ناج عامر وقراد وملاذ ونبت فمن ولد ملاذ حصن بن وضاح بن عماهل بن قصيب بن ملاذ بن ناج، ومن ولد عماهل بنو وضاح ومن ولد نبت، بن نماج عامر الأصغر ووكيلة بن القين وبيعة أبو عايد ومن ولد وكيلة بن القين بن حسيب بن عبد ملاذ بن نبت بن ناج بن عبد ثوبان بن عبس أبا شرحبيل الناجي كان سيد عبسي يوم الرسحاه وهو الرئيس بعد سملقة بن الحباب وأما قراد بن ناج فمن ولده عقبة وسقى وكعب، ومن بني قراد بنو أبي يحيى وبنو الحرث، ومن ولد عامر بن ناج بنو حريث وبنو كصقروهم بالمطاوفة، وذلك أنهم كانوا يطوفون على البحر فسموا بالمطاوفة. (فصل) وأما غنم بن عبيد
আদনান-পুত্র আক্কের সন্তান আবদুল্লাহর বংশধারানেতৃত্ব ছিল তার সন্তানদের মধ্যে আবস ও বাউলানের বংশে, যারা গালিব ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আক্ক ইবনে আদনানের পুত্র সাহারার সন্তান। তাদের মা ছিলেন নাহশাল ইবনে আল-শাহালের কন্যা লায়লা। আবস-এর সন্তানদের মধ্যে ছিলেন আবু আল-মুশাব্বিহ ইবনে জুহাইর ইবনে মুহাম্মদ ইবনে মালিক ইবনে দুআল ইবনে শাবওয়াহ ইবনে সাওবান ইবনে আবস ইবনে সাহারা ইবনে গালিব ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আক্ক। মর্যাদা ও নেতৃত্ব ছিল মুহাম্মদ ইবনে মালিকের সন্তানদের মধ্যে। দুআল-এর সন্তানরা হলেন মালিক, সারিফ, যায়েদ এবং কাসীর। মালিকের ঘরে জন্ম নেন মুহাম্মদ, আর মুহাম্মদের ঘরে জন্ম নেন জুহাইর; তারা দুআলের নেতৃত্বে জুহাইরি বংশ নামে পরিচিত।তাদের মধ্যেই নিহিত ছিল মর্যাদা। তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন ওমর ইবনে আবদিল জাব্বার ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আদনান ইবনে আহমদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আল-মুশতাহরির ইবনে ওমর ইবনে আল-খাত্তাব ইবনে আবি আল-মুশাব্বিহ। আর সারিফ ইবনে দুআলের সন্তানরা হলেন আল-জাকির, জারওয় এবং আলী। আল-জাকিরের সন্তানদের মধ্যে আল-আবইয়াদ, নায়েম, মুজিব, আল-খাযরাজ এবং আল-আবহার অন্তর্ভুক্ত। জারওয়-এর সন্তানদের মধ্যে ছিলেন আলাকাহ, মাকহুল এবং ওয়াহাব। আর আলী ইবনে সারিফ-এর বংশধরদের মধ্যে ছিলেন আল-আক্কার, হারিব এবং ওয়াহাব; তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন বনু আল-হারিস, যারা আবু আল-খাইরের গোষ্ঠী এবং তাদের নেতৃত্বের কেন্দ্র। তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন আমর ইবনে আদনান ইবনে ইয়াকুব ইবনে ইসমাইল ইবনে দাউদ ইবনে আবি আল-খাইর ইবনে হারিস ইবনে ওয়াহাব ইবনে আলী ইবনে সারিফ। আর যায়েদ ইবনে দুআলের সন্তানরা হলেন আল-ফারিস এবং আবদুল্লাহ। আল-ফারিসের সন্তানদের মধ্যে ছিলেন ইবাদাহ, মায়ীন, কাব এবং উবায়েদ। আবদুল্লাহর সন্তানরা হলেন যায়েদ আল-তাহিন, তামাম এবং আতির। আল-ফারিসের সন্তানদের মধ্যে বনু আল-শাখাজ, আল-মুআজানা এবং আল-নাহাসিয়া অন্তর্ভুক্ত; তাদের মধ্যে বনু সাক্কীন এবং বনু নুজাইম অন্যতম, যাদের নেতৃত্ব বনু সাক্কীন থেকে নুজাইম পর্যন্ত বিস্তৃত। (পরিচ্ছেদ) সাওবান-এর বংশে শাবওয়াহর প্রসঙ্গেতিনি দুআল ও হিলালের জন্ম দেন। দুআলের বংশধারা ইতিপূর্বে বর্ণিত হয়েছে। শাবওয়াহর পুত্র হিল-এর সন্তানদের মধ্যে আল-দাজি আল-আকবার, আল-হাজিব, আল-আসকার, আল-হারিস আল-আসগর, আল-মুহারিম, আল-হারিম, আল-ওয়াদি, আল-আসালিক এবং আল-হাজাবাহ অন্তর্ভুক্ত। আল-দাজি আল-আকবার এবং আল-হারিস আল-আসগর হলেন কালব ইবনে হিলের পুত্র আল-হারিস আল-আকবারের সন্তান। তিনি দুই পুত্রের জন্ম দেন এবং তাদের থেকে অনেকগুলো পরিবার তৈরি হয় যারা আল-আসালিক থেকে বিচ্ছিন্ন নয়; তারা হলেন বনু আবদুল্লাহ এবং বনু হাইয়। আর আল-হাজাবাহদের অন্তর্ভুক্ত হলেন বনু আল-হাজিব ইবনে আল-হারিস ইবনে কালব; তার দুই পুত্র ছিল—আবদুল্লাহ এবং আল-দাজি আল-আসগর। আল-হারিস আল-আসগরের সন্তানদের মধ্যে কালব বংশের নেতৃত্ব ছিল। আল-হারিস আল-আকবার জন্ম দেন আবদ মানাফ, কাব এবং আল-আসহাবকে। আবদ মানাফের ঘরে জন্ম নেন মাকওয়ার এবং কবি কাতনাহ। কাতনাহর সন্তানরা হলেন আলকামা, মারওয়ান, আলী এবং উবাইদাহ। উবাইদাহর সন্তানদের মধ্যে বনু আফলাজ অন্যতম। আর কাব ইবনে আল-হারিসের বংশধরদের মধ্যে হলেন বনু মাসরুক ইবনে হাশাফ ইবনে কাব ইবনে আল-হারিস আল-আসগর ইবনে কালব ইবনে ইহল ইবনে শাবওয়াহ; ইসলামের প্রাথমিক যুগে তাদের ঘরেই ছিল নেতৃত্বের কেন্দ্র। তার পুত্র ছিলেন আবদুর রহমান ইবনে মাসরুক ইবনে বিশর-আক্ক, যিনি ‘লাইলাতুল ক্বারীর’-এর বীর ছিলেন। তাদের অন্তর্ভুক্ত বনু ইয়াফুর এবং বনু তারিম। আবদ মানাফের পুত্র আলীর সন্তানরা হলেন আল-আইলাজ, আল-জারি এবং আল-হাজিম। আর আল-দাজি আল-আকবারের বংশধরদের মধ্যে ছিলেন আল-হারিস এবং তাবিঈ সুলাইমান ইবনে হাজ্জাজ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব ইবনে খালদ ইবনে জালাল ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব। তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন আবদুর রহমান, আবদুল মালিক, আমর এবং বনু মুহাম্মদ ইবনে বারাকাহ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ওয়াহাব—বংশধারার শেষ পর্যন্ত। (পরিচ্ছেদ) সাওবান ইবনে আবস প্রসঙ্গেতিনি আবসের সন্তানদের মধ্যে জ্যেষ্ঠ ছিলেন এবং তার বংশেই ছিল নেতৃত্ব ও মর্যাদা। তাদের কবি বলেন:সাওবানের মতো আভিজাত্য ও সম্পদ নিয়ে এসো ... এবং শ্রেষ্ঠত্বের ক্ষেত্রে তলোয়ার চালানো আফলাজের মতো।মরুভূমির শাবওয়াহর মতো অথবা দুআলের মতো ... এবং আবু মুশাব্বিহ, যিনি তার শাখা ও শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি।এবং আবু শুরাহবীল, যাকে নিয়ে গর্ব করত ... আল-মালাজ ও উকিলের যুবকরা।বলা হয় যে, সাওবানের সন্তানদের মধ্যে শাবওয়াহ ও উবায়েদ অন্তর্ভুক্ত। শাবওয়াহর কথা আগে উল্লেখ করা হয়েছে। আর উবাইদাহ ইবনে সাওবানের সন্তানদের মধ্যে ছিলেন নাজি, গানাম এবং আইদাহ নাম্নী এক নারী; তিনি আবদ আল-হারিস ইবনে সায়িদার স্ত্রী ছিলেন এবং তার গর্ভে লাম ও সাখর জন্মগ্রহণ করেন। নাজি-র সন্তানদের মধ্যে ছিলেন আমির, কুরাদ, মালাজ এবং নাবত। মালাজ-এর বংশধরদের মধ্যে ছিলেন হিসন ইবনে ওয়াদদাহ ইবনে আমাহিল ইবনে কুসাইব ইবনে মালাজ ইবনে নাজি। আমাহিলের সন্তানদের মধ্যে বনু ওয়াদদাহ এবং নাবতের সন্তানদের মধ্যে বনু নামাজ-এর ছোট আমির এবং উকাইলাহ ইবনে আল-কাইন ও বাইয়াহ আবু আয়িদ অন্তর্ভুক্ত। উকাইলাহ ইবনে আল-কাইন ইবনে হাসিব ইবনে আবদ মালাজ ইবনে নাবত ইবনে নাজি ইবনে আবদ সাওবান ইবনে আবসের সন্তানদের মধ্যে ছিলেন আবু শুরাহবীল আল-নাজি; তিনি আল-রাসজাহ-এর যুদ্ধের দিন আবস গোত্রের নেতা ছিলেন এবং সামলাকাহ ইবনে আল-হুবাবের পরে প্রধান নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। আর কুরাদ ইবনে নাজি-র সন্তানদের মধ্যে ছিলেন উকবাহ, সাকী এবং কাব। বনু কুরাদের অন্তর্ভুক্ত বনু আবি ইয়াহইয়া এবং বনু আল-হারিস। আর আমির ইবনে নাজি-র সন্তানদের মধ্যে বনু হারিদ এবং বনু কাসাকর অন্যতম, যারা আল-মুতাওয়াফা নামে পরিচিত; এর কারণ হলো তারা সমুদ্রের চারপাশে পরিভ্রমণ (তাওয়াফ) করত, তাই তাদের মুতাওয়াফা বলা হতো। (পরিচ্ছেদ) উবায়েদ-পুত্র গানাম প্রসঙ্গে
(খণ্ড: ১)
আত-তা’রিফ বিল আনসাব ওয়াত তানবীহ বি-যাবিল আহসাব
(পৃষ্ঠা: ২৯)
فأولد غنما وحبك فأولد، عامر كثيرا ومات وامرأته حامل فولدت رجلا فسمته عامرا وهو عامر الأصغر بن عامر الأكبر، وأما كثير بن عامر فكان الرئيس في زمانه وله أربعة أولاد وكلهم وجوه، جد ومكن وزيد وثابت، فمن ولد جد بن كثير حب وصنيع وحمله وخثعمه فمن ولد حب بن جد بنو أبي اليزيد بن عبد الله بن محمد بن عبد الله بن كلدة بن حب بن جد، ومن بني اليزيد الوليد ورهطه بنو عابس ويقال إن حبا وصنيعا وحملة وخثعمة جمهور بنى جد لا اختلاف فيهم إلى اليوم، ومن بني حملة بنو أبي الدليم وبنو حرثة سكنة الهيجة، وأما مكن بن كثير فمن ولده المحقب وسفيان وحريض وسوددهم في بني سفيان من مكن، منهم بنو خالد وبنو حاتم وأولد سفيان طيئا بعد أن كبر وشاخ وروي أنه لقى النبي صلى الله عليه وسلم فسأله أن يسأل الله له أن يرزقه ولدا ذكرا فدعا له فرزقه طيئ فولد الطيئ عبد الله وإبراهيم، فمن ولد إبراهيم معن وقدامة ومطعم بنو حسن بن إبراهيم بن طيئ، ومنهم بنو هدول وبنو إسماعيل وبنو زرارة بن مهدي ابن زرارة بن عبد الله بن طيئ ومنهم بنو حيدرة وحمزة بن أبي عمرو بن زرارة ابن عبد الله بن طيئ، وأما المحقب بن مكن فمن ولده عكاش وأبو العريض ابنا عمران بني مكن، وأما حريص بن مكن فأولد العزيز والجاهم، وأما زيد بن كثير فأولد ثلاثة معنا وعبد الله بن زيد، ومن ولد عبد الله بنو معلا ومن ولد غازي ابن زيد أبو الهيدام ورهطه بنو خشخاش بن مساك بن عدم بن غازي بن زيد وهيطل ورهطه مسكنة هيج العرج بنو أبي سلاطه بن مساك إلى أخر النسب، وأما معن بن زيد فأولد راشدا وفاتكا وهم سكنة الكريكرة واما ثابت بن كثير فأولد سعدا وزيدا وجناة وعرجا، فمنهم بنو صباح بن أحور بن سرح بن اسعد ابن ثابت بن كثير، ومنهم الوافد إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم حصادة بن سلال بن منبه بن أسعد بن ثابت بن كثير، ومنهم ولد جعاك محمد بن أبي الرجال بن الوليد بن عرج بن محفة بن الحرث بن عجار، ومنهم الرئاسة والسؤدد، وأما زيد بن ثابت فأولد ودانيان ومطهرا وثبتا وهو العقيم لأنه كان عقيما ثم رزق ولدا بعد أن شاخ وكبر فسماه مهديا فكان يقول (أنا عقيم وأبو مهدي.. أروح بالليل وبالعشي) فمن ولد مهدي المطعم ورهطه مسكنه الكنبة بنو عبيد بن مهدي، ومنهم جاح ورهطه سكنة العقمية بنو الوليد بن مهدي وولد ثابت بن زيد بن ثابت، صلبا. (فصل) وأما عامر بن غنمفأولد مالكا ووالبة والمعيد فمنهم بنو أكيل السوداء وأبو الجلال وذو الرأيين وبنو كعب بن مالك بن عامر، ومنهم آل أبي جعفر الجعافرة بيت سؤدد هم بن عامر بن محمد بن مالك، ومنهم بن عباس أصحاب الحائلة وبنو هاني بن الحرث ابن والبة بن مالك بن عامر، ومن ولد المعز بن عامر حارث ومنبه فأولد منبه مساكا وأولد مساكا الأصغر وجريرا فحدث بينهما فتنة حتى خرج الأصغر إلى ذؤال وجرير إلى شردد، فولد المعسر اليوم في هذين البيتين. (فصل) وأما عبس بن سحارة
গনাম ও হাবাক সন্তান লাভ করেন। আমের কাসীরকে জন্ম দেন এবং তার মৃত্যুকালে তার স্ত্রী গর্ভবতী ছিলেন। অতঃপর তিনি এক পুত্র সন্তান প্রসব করেন এবং তার নাম রাখেন আমের। তিনি আমের আল-আকবার (জ্যেষ্ঠ)-এর পুত্র আমের আল-আসগার (কনিষ্ঠ)। আর কাসীর বিন আমের ছিলেন তার সময়ের প্রধান নেতা এবং তার চারজন পুত্র ছিল যারা সকলেই ছিলেন গণ্যমান্য ব্যক্তি; তারা হলেন জাদ্দ, মাকান, জায়েদ ও সাবিত। অতঃপর জাদ্দ বিন কাসীরের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে হুব্ব, সানি', হামালাহ ও খাস'আমা। হুব্ব বিন জাদ্দের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে বনূ আবিল ইয়াযিদ বিন আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন কালদাহ বিন হুব্ব বিন জাদ্দ। আর ইয়াযিদের বংশধরদের মধ্যে রয়েছে ওয়ালিদ এবং তার গোষ্ঠী বনূ আবিস। বলা হয়ে থাকে যে, হুব্ব, সানি', হামালাহ ও খাস'আমা হলো বনূ জাদ্দের মূল ধারা, এ নিয়ে আজ পর্যন্ত কোনো দ্বিমত নেই। হামালাহর বংশধরদের মধ্যে রয়েছে বনূ আবিল দুলাইম এবং আল-হাইজার অধিবাসী বনূ হারিসাহ। আর মাকান বিন কাসীরের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে মুহাক্কিব, সুফিয়ান ও হারীস। তাদের নেতৃত্ব ছিল মাকানের পুত্র সুফিয়ানের বংশধরদের হাতে। তাদের মধ্যে রয়েছে বনূ খালিদ ও বনূ হাতিম। সুফিয়ান বার্ধক্যে উপনীত হওয়ার পর তায়্যি নামক এক পুত্র লাভ করেন। বর্ণিত আছে যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং আল্লাহর কাছে তার জন্য একটি পুত্র সন্তানের প্রার্থনা করার অনুরোধ জানান। নবীজি তার জন্য দোয়া করেন এবং তিনি তায়্যি নামক পুত্র লাভ করেন। তায়্যি আব্দুল্লাহ ও ইব্রাহিম নামক দুই পুত্র লাভ করেন। ইব্রাহিমের সন্তানদের মধ্যে রয়েছেন মা'ন, কুদামাহ ও মুত'ইম, যারা তায়্যি বিন ইব্রাহিমের পুত্র হাসানের সন্তান। তাদের অন্তর্ভুক্ত হলো বনূ হাদওয়াল, বনূ ইসমাইল এবং বনূ যুরারাহ বিন মাহদী বিন যুরারাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন তায়্যি। তাদের মধ্যে আরও রয়েছে বনূ হায়দারাহ এবং হামযা বিন আবি আমর বিন যুরারাহ বিন আব্দুল্লাহ বিন তায়্যি। আর মাকানের পুত্র মুহাক্কিবের সন্তানদের মধ্যে উকাশ ও আবুল আরীয নামে ইমরানের দুই পুত্র রয়েছে যারা মাকানের বংশধর। মাকানের পুত্র হারীসের ঘরে আল-আযীয ও আল-জাহিম জন্মগ্রহণ করেন। জায়েদ বিন কাসীর তিন পুত্র লাভ করেন: মা'ন, জায়েদ এবং আব্দুল্লাহ বিন জায়েদ। আব্দুল্লাহের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে বনূ মুআল্লা। আর গাজী বিন জায়েদের সন্তানদের মধ্যে রয়েছে আবু হাইদাম এবং তার গোষ্ঠী বনূ খাশখাশ বিন মাসাক বিন আদাম বিন গাজী বিন জায়েদ। হাইতাল ও তার গোষ্ঠী হলো হাইজুল আরজের অধিবাসী, যারা বংশপরম্পরায় বনূ আবি সালাতাহ বিন মাসাক-এর অন্তর্ভুক্ত। আর মা'ন বিন জায়েদের ঘরে জন্ম নেন রাশিদ ও ফাতিক, যারা আল-কুরইকুরাহ-এর অধিবাসী। সাবিত বিন কাসীর সাদ, জায়েদ, জানাত ও আরজ নামক সন্তানদের জন্ম দেন। তাদের মধ্যে রয়েছে বনূ সাবাহ বিন আহওয়ার বিন সারহ বিন আস'আদ বিন সাবিত বিন কাসীর। তাদের মধ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আগত প্রতিনিধি দলের সদস্য হাসাদাহ বিন সালাল বিন মুনাব্বিহ বিন আস'আদ বিন সাবিত বিন কাসীরও রয়েছেন। তাদের মধ্যে মুহাম্মদ বিন আবির রিজাল বিন ওয়ালিদ বিন আরজ বিন মাহফাহ বিন হারিস বিন আজার-এর বংশধর জা'কও রয়েছে। তাদের মাঝেই নেতৃত্ব ও মর্যাদা বিদ্যমান। আর জায়েদ বিন সাবিতের ঘরে দানিয়ান, মুতাহহার ও সাবিত জন্ম নেন। সাবিত ছিলেন নিঃসন্তান, অতঃপর বার্ধক্যে উপনীত হওয়ার পর তিনি এক পুত্র সন্তান লাভ করেন এবং তার নাম রাখেন মাহদী। তিনি বলতেন, "আমি ছিলাম নিঃসন্তান, এখন আমি মাহদীর পিতা... আমি রাত-বিরাতে ও সন্ধ্যায় শান্তিতে বিচরণ করি।" মাহদীর সন্তানদের মধ্যে রয়েছে মুত'ইম এবং তার গোষ্ঠী যারা আল-কানাবাহ-এর অধিবাসী বনূ উবাইদ বিন মাহদী। তাদের মধ্যে রয়েছে জাহ ও তার গোষ্ঠী যারা আল-আকমিয়্যাহ-এর অধিবাসী বনূ ওয়ালিদ বিন মাহদী। আর সাবিত বিন জায়েদ বিন সাবিত সরাসরি ঔরসজাত সন্তান লাভ করেন। (পরিচ্ছেদ) আমের বিন গনাম প্রসঙ্গেতিনি মালিক, ওয়ালিবা ও মুয়াইদকে জন্ম দেন। তাদের মধ্যে রয়েছে বনূ আকীল আল-সাওদা, আবুল জালাল, যু-রাইন এবং আমের বিন মালিক বিন কাবের বংশধরগণ। তাদের মধ্যে আবু জাফরের বংশধর আল-জাআফিরা হলো নেতৃত্বের অধিকারী পরিবার, যারা আমের বিন মুহাম্মদ বিন মালিকের বংশধর। তাদের মধ্যে রয়েছেন আল-হায়িলাহ-এর অধিপতি ইবনে আব্বাস এবং মালিক বিন আমেরের পুত্র ওয়ালিবার সন্তান হারিসের পুত্র বনূ হানী। মুইয বিন আমেরের সন্তানদের মধ্যে হারিস ও মুনাব্বিহ রয়েছেন। মুনাব্বিহ মাসাককে জন্ম দেন এবং মাসাক আসগার (কনিষ্ঠ) ও জারীরকে জন্ম দেন। অতঃপর তাদের মধ্যে ফিতনা বা বিবাদ সৃষ্টি হয়, ফলে আসগার যুআলে এবং জারীর শারদাদে চলে যান। আজ মুসার (বংশ) এই দুই পরিবারেই বিদ্যমান রয়েছে। (পরিচ্ছেদ) আবস বিন সাহারাহ প্রসঙ্গে