(খণ্ড: ১) মাসআলাতানি ফীদ দামানি ওয়াল ইলতিজাম - দিমনু আসারিল মুআল্লিমী (পৃষ্ঠা: -)
مسألتان في الضمان والالتزام - ضمن «آثار المعلمي»   (عبد الرحمن المعلمي اليماني)

القسم: مسائل فقهية


الكتاب: مسألتان في الضمان والالتزام

[آثار عبد الرحمن بن يحيى المعلمي اليماني (18)]

المؤلف: عبد الرحمن بن يحيى المُعَلِّمي اليماني (1313 - 1386 هـ)

المحقق: محمد عزير شمس

راجعه: محمد أجمل الإصلاحي - سليمان بن عبد الله العمير

الناشر: دار عالم الفوائد للنشر والتوزيع

الطبعة: الأولى، 1434 هـ

قدمه للشاملة: مؤسسة «عطاءات العلم»، جزاهم الله خيرا

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 10 شوّال 1442

জামানত ও বাধ্যবাধকতা বিষয়ক দুইটি মাসআলা - «আসারুল মুয়াল্লিমি»-এর অন্তর্ভুক্ত   (আব্দুর রহমান আল-মুয়াল্লিমি আল-ইয়ামানি)

বিভাগ: ফিকহী মাসআলাসমূহ


গ্রন্থ: জামানত ও বাধ্যবাধকতা বিষয়ক দুইটি মাসআলা

[আসার আব্দুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমি আল-ইয়ামানি (১৮)]

লেখক: আব্দুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমি আল-ইয়ামানি (১৩১৩ - ১৩৮৬ হিজরি)

মুহাক্কিক: মুহাম্মদ উযাইর শামস

নিরীক্ষণ করেছেন: মুহাম্মদ আজমাল আল-ইসলাহি - সুলাইমান বিন আব্দুল্লাহ আল-উমাইর

প্রকাশক: দার আলম আল-ফাওয়ায়িদ লিল নাশরি ওয়াত তাওযি

সংস্করণ: প্রথম، ১৪৩৪ হিজরি

শামিলার জন্য উপস্থাপন করেছেন: «আতাআতুল ইলম» ফাউন্ডেশন، আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামিলাতে প্রকাশের তারিখ: ১০ শাওয়াল ১৪৪২

(খণ্ড: ১৮) মাসআলাতানি ফীদ দামানি ওয়াল ইলতিজাম - দিমনু আসারিল মুআল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৫১৫)
الرسالة الثالثة والثلاثون

مسألتان في الضمان والالتزام
তেত্রিশতম রিসালাহ

জামানত ও বাধ্যবাধকতা বিষয়ক দুটি মাসআলা
(খণ্ড: ১৮) মাসআলাতানি ফীদ দামানি ওয়াল ইলতিজাম - দিমনু আসারিল মুআল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৫১৭)
شهد الشريف أحمد زين حوذ أن أحضر حسين امعيسى فلم يُقبل، لكونه كان وكيلًا في الدعوى، مع أن حرفته التوكل.

وفي فتاوى السيد محمد بن عبد الرحمن بن سليمان ما لفظه: وفي «فرائد الفوائد» لسيدي عبد الرحمن بن سليمان رحمهما الله تعالى: أفتى الفقيه أحمد السانه أن من حرفته التوكل في منازعة الخصوم إنما يقدح ذلك في شهادته، ولا تُقبل شهادة من وكلاء القاضي. انتهى، والله سبحانه وتعالى أعلم.

نعم، ثم ظهر لنا من حكم القاضي عافاه الله أنه بناه على أن العقد كفالة ببدن، والصارف للفهم أولًا عن ذلك أن حسين امعيسى معترف لدينا بأنه ملتزم بالمال، ووردت شهادة بأن أبا سودان كان يعزم إليه قبل الحضور عند القاضي ويطلب منه المال فيلتزم له بذلك، وصادقها حسين امعيسى. وفهمنا من كلام القاضي عبد الله عافاه الله أنه بنى ذلك على أن لفظ الالتزام كفالة، وأنه مخصوص بكفالة البدن. فلما خاطبناه أجاب بأنه حصل الإبراء، وتجوَّز به عن تسليم المكفول به إلى الحبس.

 

وليس الأمر كما ظنَّ، بل‌‌ يكفي في الضمان لفظٌ يُشعِر بالالتزام، كان بالمال ضمين أو زعيم أو كفيل. وعبارة «الروض» مع شرحه(1): «(الركن الخامس) للضمان الشامل للكفالة ([صيغة] الالتزام) لتدل على الرضى، والمراد بها ما يُشعِر بالالتزام، فيشمل اللفظَ والكتابة وإشارةَ الأخرس، (كضمنتُ مالَك على فلان أو تكفَّلتُ ببدنه أو أنا بإحضار بدنه أو بالمال) أو

--------------------------------------------

(1) (2/ 244).
শরীফ আহমদ যয়ন হায সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, তিনি হুসাইন আমইসাকে উপস্থিত করেছিলেন কিন্তু তাকে গ্রহণ করা হয়নি; কারণ তিনি মামলায় প্রতিনিধি (وكيلًا) হিসেবে ছিলেন, যদিও প্রতিনিধিত্ব (التوكل) করাই ছিল তার পেশা।

আস-সায়্যিদ মুহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন সুলাইমানের ফতোয়া (فتاوى) সমূহে যে শব্দগুলো বর্ণিত হয়েছে: আমার নেতা আবদুর রহমান বিন সুলাইমান (আল্লাহ তাআলা তাদের উভয়ের ওপর রহমত বর্ষণ করুন)-এর রচিত 'ফরাইদুল ফাওয়াইদ'-এ উল্লেখ আছে: ফকিহ আহমদ আস-সানা ফতোয়া দিয়েছেন যে, বিবাদমান পক্ষগুলোর সাথে বিবাদে লিপ্ত হওয়া যাদের পেশা, তা তাদের সাক্ষ্যকে (شهادة) ত্রুটিযুক্ত (يقدح) করে। আর বিচারকের প্রতিনিধিদের সাক্ষ্য (شهادة) গ্রহণ করা হয় না। সমাপ্ত। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা সর্বাধিক অবগত।

হ্যাঁ, এরপর বিচারকের—আল্লাহ তাকে সুস্থতা দান করুন—রায় থেকে আমাদের কাছে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে, তিনি একে শারীরিক জামিন (كفالة ببدن) হিসেবে গণ্য করেছেন। তবে প্রথমত এই বুঝ থেকে যা আমাদের বিচ্যুত করে তা হলো, হুসাইন আমইসা আমাদের কাছে স্বীকার করেছেন যে তিনি আর্থিক দায়বদ্ধ (ملتزم بالمال)। এ মর্মে সাক্ষ্য (شهادة) এসেছে যে, আবু সুদান বিচারকের কাছে উপস্থিত হওয়ার আগে তার কাছে যেতেন এবং তার কাছে অর্থ চাইতেন, তখন তিনি তার জন্য তা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি (فيلتزم) দিতেন এবং হুসাইন আমইসাও তা সত্যায়ন করেছেন। আমরা বিচারক আবদুল্লাহর—আল্লাহ তাকে সুস্থতা দান করুন—কথা থেকে বুঝতে পেরেছি যে, তিনি 'ইলতিজাম' (التزام) শব্দটিকে জামিন (كفالة) হিসেবে গণ্য করেছেন এবং একে শারীরিক জামিনের (كفالة ببدن) জন্য নির্দিষ্ট করেছেন। যখন আমরা তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি জবাব দিলেন যে, দায়মুক্তি (الإبراء) অর্জিত হয়েছে এবং তিনি একে কারাবন্দি ব্যক্তিকে হস্তান্তরের পরিবর্তে রূপকার্থে ব্যবহার করেছেন।

 

বিষয়টি তিনি যেমন ধারণা করেছেন তেমন নয়, বরং‌ জামিন (الضمان)-এর ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতি (الالتزام) বুঝায় এমন শব্দই যথেষ্ট, তা সে আর্থিক জামিনদার (ضمين) হোক বা প্রধান জামিনদার (زعيم) অথবা প্রতিভূ (كفيل) হোক। 'আর-রাওদ' কিতাব ও তার ব্যাখ্যাগ্রন্থের(১) ইবারত হলো: "(পঞ্চম রোকন) জামিন (الضمان)—যা জামিনদারী (كفالة)-কেও অন্তর্ভুক্ত করে—তার জন্য [সিগা বা শব্দবিন্যাস] (صيغة) হলো প্রতিশ্রুতি প্রদান (الالتزام), যেন তা সন্তুষ্টির প্রমাণ দেয়। আর এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো যা প্রতিশ্রুতি (الالتزام) প্রকাশ করে; এটি মৌখিক শব্দ, লিখন এবং বাকপ্রতিবন্ধীর ইশারাকেও অন্তর্ভুক্ত করে। যেমন: (আমি অমুকের পক্ষ থেকে তোমার মালের জামিন (ضمنت) হলাম বা তার শরীরের জামিন (تكفلت) হলাম বা আমি তার শরীর অথবা মাল উপস্থিত করার দায়িত্ব নিলাম) অথবা

--------------------------------------------

(১) (২/ ২৪৪)।
(খণ্ড: ১৮) মাসআলাতানি ফীদ দামানি ওয়াল ইলতিজাম - দিমনু আসারিল মুআল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৫১৮)
بإحضاره كما عبَّر به الأصل (أو بإحضار الشخص كفيل أو زعيم أو ضامن أو حميل أو قبيل) أو صبير أو ضمين أو كافل، وكلها صرائح».

وفي «الشرح»(1) أولَ الباب: ويُسمَّى الملتزم لذلك ضامنًا وضمينًا وحميلًا وزعيمًا وكافلًا وكفيلًا وصبيرًا وقبيلًا. قال الماوردي: غير أن العرف جارٍ بأن الضمين يُستعمل في الأموال، والحميل في الديات، والزعيم في الأموال العظام، والكفيل في النفس، والصبير في الجميع. وكالضمين فيما قاله الضامن، وكالكفيل الكافل، وكالصبير القبيل. قال ابن حبان في «صحيحه»(2): والزعيم لغة أهل المدينة، والحميل لغة أهل مصر، والكفيل لغة أهل العراق. ا? .

وأما ما ذكره الماوردي أن العرف استعمال الكفيل على الملتزم بالنفس فالعرف الآن في اليمن استعماله في الدية أيضًا.

ولو فرضنا أن العقد كفالة بالبدن، فتجديده للالتزام بالمال بعد ذلك ــ كما شهدت به الشهادة واعترف به حسين امعيسى ــ يُعدُّ ضمانًا مستقلًّا. ولا ضيرَ في أن يكون الشخص كفيلًا بالبدن بصيغةٍ وضمينًا بالمال بأخرى.

وأما قولهم ــ واللفظ لشيخ الإسلام في «منهجه»(3) ــ: (ولا يُطالَب كفيلٌ بمال، ولو شرط أنه يغرمه لم يصح)، فذلك في ما إذا كان عقدًا واحدًا، بأن كفلَ ببدنه فقط، أو كفل بشرط أنه يغرم، أما إذا كان بالتزامٍ آخر فلا ريبَ

--------------------------------------------

(1) (2/ 235).

(2) (10/ 480).

(3) «فتح الوهاب شرح منهج الطلاب» (3/ 385 - 386 مع حاشية الجمل).
তাকে উপস্থিত করার মাধ্যমে, যেমনটি মূল গ্রন্থে ব্যক্ত করা হয়েছে (অথবা ব্যক্তির উপস্থিতির মাধ্যমে জামিনদার (كفيل) বা জিম্মাদার (زعيم) বা জিম্মাদার (ضامن) বা জামিনদার/বহনকারী (حميل) বা অঙ্গীকারকারী (قبيل)) অথবা জামিনদার (صبير) বা জিম্মাদার (ضمين) বা জামিনদার (كافل), আর এ সবগুলিই সুস্পষ্ট (صريح) শব্দ।

এবং «আশ-শারহ»(১) গ্রন্থের শুরুতে রয়েছে: এর জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ব্যক্তিকে জিম্মাদার (ضامن), জিম্মাদার (ضمين), জামিনদার/বহনকারী (حميل), জিম্মাদার (زعيم), জামিনদার (كافل), জামিনদার (كفيل), জামিনদার (صبير) এবং অঙ্গীকারকারী (قبيل) বলা হয়। আল-মাওয়ার্দি বলেন: তবে প্রচলিত রীতি (উরফ) অনুযায়ী 'দামীন' (ضمين) শব্দটি মালের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, 'হামীল' (حميل) শব্দটি রক্তপণের (দিয়াত) ক্ষেত্রে, 'যাঈম' (زعيم) শব্দটি বড় অংকের মালের ক্ষেত্রে, 'কাফীল' (كفيل) শব্দটি ব্যক্তির (উপস্থিতির) ক্ষেত্রে এবং 'সাবীর' (صبير) শব্দটি সব ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়। আর 'দামিন' (ضامن) যা বলেছেন তা 'দামীন' (ضمين)-এর মতো, 'কাফীল' (كفيل)-এর মতো হলো 'কাফেল' (كافل), আর 'সাবীর' (صبير)-এর মতো হলো 'কাবীল' (قبيل)। ইবনে হিব্বান তাঁর «সহীহ» গ্রন্থে বলেন: 'যাঈম' (زعيم) হলো মদিনাবাসীদের পরিভাষা, 'হামীল' (حميل) মিসরবাসীদের পরিভাষা এবং 'কাফীল' (كفيل) ইরাকবাসীদের পরিভাষা। সমাপ্ত।

আর মাওয়ার্দি যা উল্লেখ করেছেন যে, প্রচলিত রীতি অনুযায়ী 'কাফীল' (كفيل) শব্দটি ব্যক্তির জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, তবে বর্তমানে ইয়েমেনে এর ব্যবহার রক্তপণের (দিয়াত) ক্ষেত্রেও প্রচলিত রয়েছে।

যদি আমরা ধরে নেই যে চুক্তিটি শারীরিক উপস্থিতির জামিন (كفالة), তবে এরপর মালের প্রতিশ্রুতির নবায়ন করা—যেমনটি সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণিত এবং হুসাইন আমায়সা স্বীকার করেছেন—তা একটি স্বতন্ত্র জিম্মাদারি (ضمان) হিসেবে গণ্য হবে। এতে কোনো অসুবিধা নেই যে, একজন ব্যক্তি এক শব্দের মাধ্যমে শরীরের জামিনদার (كفيل) এবং অন্য শব্দের মাধ্যমে মালের জিম্মাদার (ضمين) হবেন।

আর তাদের উক্তি—যার শব্দাবলি শায়খুল ইসলামের তাঁর «মানহাজ» গ্রন্থে—: (মালের জন্য কোনো জামিনদারকে (كفيل) তলব করা যাবে না, যদিও সে শর্ত করে যে সে তা পরিশোধ করবে তবে তা শুদ্ধ (صحيح) হবে না), এটি সেই ক্ষেত্রে যখন তা একটি মাত্র চুক্তি হয়, যেমন সে শুধু শরীরের জামিন হয়েছে অথবা সে এই শর্তে জামিন হয়েছে যে সে জরিমানা দেবে; তবে যদি তা অন্য কোনো প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে হয় তবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

--------------------------------------------

(১) (২/ ২৩৫)।

(২) (১০/ ৪৮০)।

(৩) «ফাতহুল ওয়াহহাব শারহু মানহাজিত তুল্লাব» (৩/ ৩৮৫ - ৩৮৬, হাশিয়াতুল জামালের সাথে)।
(খণ্ড: ১৮) মাসআলাতানি ফীদ দামানি ওয়াল ইলতিজাম - দিমনু আসারিল মুআল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৫১৯)
أنه يلزم.

فالحاصل: قد ثبت لدينا التزامُ حسين امعيسى بالذي وضحه ضمانه، ولم يثبت الإبراء، فيلزمه الوفاء بضمانه، وبذلك حكمتُ بعد العرض على سيّدنا ومولانا إمام الحق أيَّده الله تعالى. وحرِّر في ربيع الثاني سنة 1337.
এটি আবশ্যক।

সারকথা: হুসাইন আমাইসা তাঁর জামানতের মাধ্যমে যা স্পষ্ট করেছেন, সেই অনুযায়ী তাঁর দায়বদ্ধতা আমাদের নিকট প্রমাণিত হয়েছে এবং দায়মুক্তি প্রমাণিত হয়নি। সুতরাং তাঁর জন্য নিজ জামানত পূর্ণ করা আবশ্যক। আমাদের সাইয়্যেদ ও মাওলানা ইমামুল হক (আল্লাহ তাআলা তাঁকে সাহায্য করুন)-এর নিকট পেশ করার পর আমি এই ফয়সালা প্রদান করেছি। ১৩৩৭ হিজরির রবিউস সানি মাসে এটি লিখিত হয়েছে।
(খণ্ড: ১৮) মাসআলাতানি ফীদ দামানি ওয়াল ইলতিজাম - দিমনু আসারিল মুআল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৫২০)
‌‌[قضية أخرى في الضمان]

حضر لدينا عبد الرحمن باسودان وادَّعى على الحاضر معه حسين عيسى العيسى بأنه ضمن له على السيد علي المداح … ريال، وقد تسلَّم منها … ريال وبقي … ريال، يطلب ضبطه بتسليمها.

أجاب المدعى عليه بأن هذه الدعوى قد أُقيمت لدى القاضي عبد الله العمودي وحكم فيها، وأبرز الحكمَ، ولفظه: بالمجلس الشرعي حضر السيد علي بن محمد الصعدي الحوثي الأصل، وحضر بحضوره الغرماء له: الشيخ أحمد عيسى هرملي، وحمد علي حسين، وعبد الرحمن باسودان، وسالم باعيسى. وصار الخطاب لهم في شأن كفالة حسين امعيسى على السيد علي لهم، إما بإطلاق السيد علي على كفالة السيد علي من حسين امعيسى، أو بقائه في الحبس وخروج حسين امعيسى عن الكفالة. فاختاروا بقاء السيد علي في الحبس. فأرجعنا السيد علي في الحبس، وبرئ حسين امعيسى من كفالته على السيد علي لرِضا الغرماء ببقائه في الحبس، فيتفرغ عن حسين امعيسى كلٌّ من حمدي علي حسين وغيره من الغرماء، لأن المكفول به قد سلمه الغرماء له من محل اللزوم … إلخ.

فوجدنا القاضي أولًا خيَّر الغرماء بين التزام الغريم أو التزام الضمين، ولا ريب أن هذا منه إفهام لهم بأنه لا يمكِّنهم الشرعُ من مطالبتهما معًا، ثم لما اختاروا بقاء الغريم في الحبس حكم للضمين بالبراءة من الضمان، وبنى ذلك على اختيارهم بقاءَ الغريم في الحبس. فظاهر ما ذكر أن القاضي توهَّم أنه ليس للمضمون له مطالبة الغريم والزعيم معًا، بل إذا اختار مطالبة الغريم برئ الضمين، لأنه كالنفي لضمانه، لظنِّه أن فائدة الضمان هي سقوط الطلب
‌‌[জামিনদারিত্ব (ضمان) সংক্রান্ত অন্য একটি বিষয়]

আমাদের নিকট আব্দুর রহমান বাসুদান উপস্থিত হয়ে তার সাথে উপস্থিত হুসাইন ঈসা আল-ঈসার বিরুদ্ধে এই মর্মে দাবি করেন যে, তিনি সাইয়্যিদ আলী আল-মাদ্দাহর পক্ষে তার নিকট … রিয়ালের জামিনদার (ضمان) হয়েছিলেন। তিনি এর মধ্যে … রিয়াল গ্রহণ করেছেন এবং … রিয়াল অবশিষ্ট রয়েছে; তিনি তা আদায়ের নির্দেশ প্রদানের জন্য আবেদন জানাচ্ছেন।

বিবাদী উত্তর প্রদান করেন যে, এই মামলাটি ইতিপূর্বে কাজী আব্দুল্লাহ আল-আমুদীর নিকট উত্থাপিত হয়েছিল এবং তিনি এই বিষয়ে ফয়সালা প্রদান করেছেন। তিনি সেই রায়টি উপস্থাপন করেন, যার ভাষ্য ছিল নিম্নরূপ: শারয়ী মজলিসে সাইয়্যিদ আলী বিন মুহাম্মদ আস-সাদী, যিনি বংশগতভাবে হাউসী, উপস্থিত হন এবং তার উপস্থিতিতে তার পাওনাদারগণ (غرماء): শেখ আহমদ ঈসা হারমালি, হামাদ আলী হুসাইন, আব্দুর রহমান বাসুদান এবং সালেম বা-ঈসা উপস্থিত হন। সাইয়্যিদ আলীর পক্ষে হুসাইন আম-ঈসার জামিনদারিত্ব (كفالة) প্রসঙ্গে তাদের প্রতি এই প্রস্তাব দেওয়া হয় যে— হয় হুসাইন আম-ঈসার জামিনদারিত্বের (كفالة) ভিত্তিতে সাইয়্যিদ আলীকে মুক্তি প্রদান করা হবে, অথবা তিনি কারারুদ্ধ থাকবেন এবং হুসাইন আম-ঈসা জামিনদারিত্ব (كفالة) থেকে অব্যাহতি পাবেন। তারা সাইয়্যিদ আলীর কারারুদ্ধ থাকাকেই গ্রহণ করেন। ফলে আমরা সাইয়্যিদ আলীকে পুনরায় কারাগারে প্রেরণ করি এবং পাওনাদারগণ (غرماء) তার কারারুদ্ধ থাকায় সম্মত হওয়ায় হুসাইন আম-ঈসা তার জামিনদারিত্ব (كفالة) থেকে দায়মুক্ত (برئ) হন। সুতরাং হামদি আলী হুসাইন এবং অন্যান্য পাওনাদারগণ (غرماء) হুসাইন আম-ঈসার দাবি থেকে নিবৃত্ত হবেন, কারণ যাকে জামিন দেওয়া হয়েছিল (المكفول به), পাওনাদারগণ (غرماء) তাকে দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে সমর্পণ করেছেন … ইত্যাদি।

আমরা দেখতে পেলাম যে, কাজী সাহেব প্রথমেই পাওনাদারদের (غرماء) মূল দেনাদার (غريم) অথবা জামিনদারের (ضمين) দায়বদ্ধতার (التزام) মধ্য থেকে যেকোনো একটি বেছে নেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এটি তাদের প্রতি কাজী সাহেবের পক্ষ থেকে এই মর্মে অবগত করা যে, শরীয়ত তাদের উভয়কে একসাথে দাবি করার সুযোগ দেয় না। অতঃপর তারা যখন মূল দেনাদারকে (غريم) কারারুদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল, তখন তিনি জামিনদারকে (ضمين) জামিনদারিত্ব (ضمان) থেকে দায়মুক্তির (براءة) রায় প্রদান করেন। তিনি এই রায়ের ভিত্তি স্থাপন করেছেন মূল দেনাদারকে (غريم) কারারুদ্ধ রাখার ব্যাপারে তাদের সিদ্ধান্তের ওপর। সুতরাং বর্ণিত বিষয়ের বাহ্যিক (ظاهر) দিক থেকে প্রতীয়মান হয় যে, কাজী সাহেব এমন ধারণা করেছিলেন যে, যার অনুকূলে জামিন নেওয়া হয়েছে (مضمون له), তার জন্য মূল দেনাদার (غريم) এবং জামিনদার (زعيم) উভয়কে একসাথে দাবি করার কোনো অধিকার নেই; বরং সে যদি মূল দেনাদারকে (غريم) দাবি করে, তবে জামিনদার (ضمين) দায়মুক্ত (برئ) হয়ে যাবে। কারণ তিনি বিষয়টিকে তার জামিনদারিত্বের (ضمان) অস্বীকৃতির সমতুল্য মনে করেছেন, যেহেতু তার ধারণা ছিল যে জামিনদারিত্বের (ضمان) উদ্দেশ্য হলো দাবির আবশ্যকতা রহিত হওয়া।
(খণ্ড: ১৮) মাসআলাতানি ফীদ দামানি ওয়াল ইলতিজাম - দিমনু আসারিল মুআল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৫২১)
عن الغريم.

وهذا باطل، بل لصاحب الحق مطالبة لهما اجتماعًا وانفرادًا وتوزيعًا، كما حرِّر ذلك في «مختصر أبي شجاع» فما فوقه.

ولذلك راجعنا القاضي، فأجاب علينا أنه وقع الإبراء من الغرماء والمدعي معهم، وأن هذه المسألة نظيرة العفو عن القصاص الممثَّل بها للقاعدة المشهورة: «ما لا يقبل التبعيض فاختيار بعضه كاختيار كلّه … » إلخ. ففهمنا من فحوى هذا أن الإبراء صدر من بعض الغرماء دون هذا المطلب، وإنما حكم عليه تبعًا لهم، وذلك واضح البطلان.

فراجعناه مرةً أخرى، وسألناه هل نطق هذا المطالب حينئذٍ بالإبراء، فإن نطق فبأيّ صيغ الإبراء؟ عملًا منا بما قاله في «شرح الروض»(1) بعد قول المتن: «وإن قال وهو في محل ولايته: حكمتُ بطلاق نساء القرية، قُبل بلا حجة»: لقدرته على الإنشاء حينئذٍ، بخلاف ما لو قاله على سبيل الإخبار، فلا يقبل قوله. كذا صرَّح به البغوي، وهو مقتضى كلام الأصل. وينبغي أن يكون محله ما لو أسنده إلى ما قبل ولايته، قاله الأذرعي. وما قالوه من قبولِ قوله ظاهر في القاضي المجتهد مطلقًا أو في مذهب إمامه، أما غيرهما ففي قبول قوله وقفةٌ. وقد استخرت الله وأفتيتُ في من سُئل من قضاة العصر عن مستند قضائه: أنه يلزمه بيانه، لأنه قد يظن ما ليس بمستندٍ مستندًا كما هو كثير أو غالب.

وفي حاشيته على قول الأذرعي: قال الخادم: هذا إذا لم يسأل، فإن سأله

--------------------------------------------

(1) (4/ 292).
ঋণগ্রস্ত (غريم) প্রসঙ্গে।

এটি বাতিল (باطل); বরং পাওনাদারের অধিকার রয়েছে তাদের উভয়ের কাছে সম্মিলিতভাবে, পৃথকভাবে কিংবা বণ্টিতভাবে দাবি করার, যেমনটি ‘মুখতাসার আবি শুজা’ এবং তার পরবর্তী উচ্চতর গ্রন্থসমূহে সংকলিত হয়েছে।

এ কারণেই আমরা বিচারকের শরণাপন্ন হয়েছিলাম। তিনি আমাদের উত্তরে জানিয়েছিলেন যে, পাওনাদারগণ এবং তাদের সাথে থাকা বাদীর পক্ষ থেকে দায়মুক্তি (إبراء) সম্পন্ন হয়েছে। এই বিষয়টি কিসাস (قصاص) ক্ষমা করে দেওয়ার সদৃশ, যা একটি প্রসিদ্ধ মূলনীতির (قاعدة) উদাহরণ হিসেবে পেশ করা হয়: ‘যা বিভাজনযোগ্য নয়, তার আংশিক চয়ন করা পুরোটা চয়ন করারই নামান্তর...’ ইত্যাদি। সুতরাং আমরা এর সারমর্ম থেকে বুঝতে পারলাম যে, এই দাবিদার ব্যতীত অন্য কিছু পাওনাদারদের পক্ষ থেকে দায়মুক্তি (إبراء) প্রদান করা হয়েছে, এবং তাদের অনুগামী করে তার (দাবিদারের) ওপরও এই বিধান কার্যকর করা হয়েছে। এটি স্পষ্টত বাতিল (باطل)।

অতঃপর আমরা পুনরায় তাঁর নিকট ফিরে গেলাম এবং তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম যে, এই দাবিদার কি তখন দায়মুক্তির (إبراء) কথা উচ্চারণ করেছিল? যদি সে উচ্চারণ করে থাকে, তবে দায়মুক্তির (إبراء) কোন শব্দাবলীতে (صيغ) তা ছিল? আমরা এটি করেছি ‘শারহুর রওদ’ গ্রন্থে যা বলা হয়েছে সে অনুযায়ী, (১) যেখানে মূল পাঠের (متن) বক্তব্যের পর উল্লেখ আছে: “যদি সে (বিচারক) তাঁর বিচারিক ক্ষমতায় থাকাকালীন বলেন: ‘আমি গ্রামের সকল মহিলার তালাকের ফয়সালা দিয়েছি’, তবে কোনো প্রমাণ ছাড়াই তা গ্রহণ করা হবে।” কারণ তখন তাঁর নতুন বিধান প্রবর্তনের (إنشاء) ক্ষমতা থাকে। এর বিপরীতে যদি তিনি সংবাদ প্রদানের (إخبار) ভঙ্গিতে তা বলেন, তবে তাঁর কথা গ্রহণ করা হবে না। আল-বাগাওয়ি এটি স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন এবং মূল বিষয়ের (أصل) দাবিও এটাই। আল-আযরাঈ বলেছেন: এর ক্ষেত্রটি হওয়া উচিত তখন, যখন তিনি বিষয়টিকে তাঁর বিচারিক ক্ষমতা পাওয়ার পূর্বের সময়ের দিকে সম্বন্ধযুক্ত করেন। তাঁদের বর্ণিত এই ‘কথা কবুল হওয়া’র বিষয়টি নিঃশর্তভাবে মুজতাহিদ (مجتهد) বিচারক অথবা তাঁর ইমামের মাযহাবের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কিন্তু এই দুই অবস্থা ব্যতীত অন্য কারো ক্ষেত্রে তাঁর কথা গ্রহণের ব্যাপারে সংশয় (وقفة) রয়েছে। আমি আল্লাহর নিকট ইস্তিখারা করে এই মর্মে ফতোয়া প্রদান করেছি যে, বর্তমান যুগের কোনো বিচারককে যদি তাঁর বিচারের ভিত্তি বা দলিল (مستند) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়, তবে তার ব্যাখ্যা প্রদান করা তাঁর জন্য আবশ্যক। কারণ, অনেক ক্ষেত্রে বা অধিকাংশ সময়ই দেখা যায় যে, যা দলিল (مستند) হওয়ার যোগ্য নয়, তাকে তিনি দলিল (مستند) মনে করে বসতে পারেন।

এবং আল-আযরাঈ-এর বক্তব্যের ওপর তাঁর টিকায় (حاشية) বলা হয়েছে: খাদেম বলেছেন: এটি তখন প্রযোজ্য যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা না হয়; কিন্তু যদি তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়...

--------------------------------------------

(১) (৪/ ২৯২)।
(খণ্ড: ১৮) মাসআলাতানি ফীদ দামানি ওয়াল ইলতিজাম - দিমনু আসারিল মুআল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৫২২)
المحكوم عليه عن السبب فجزم صاحب «الحاوي» وتبعه الروياني بأنه يلزمه بيانه.

إلى أن قال: وخرج من هذا تخصيص قول الأصحاب إن الحاكم لا يسأل أيَّ سؤال اعتراض، أما سؤال في مطلب الدفع عن نفسه فيتعين على الحاكم الإبداء بسجن المحكوم عليه تخلُّصًا.

هذا في القاضي أثناء ولايته، فأما بعد عزله فأولى وأحرى.

فأجاب علينا بأن المطالب عند حضوره لديه تكلم كما تكلم الغرماء، ولزمه ما لزمهم، ولم يعين الصيغة، فارتبنا في شهادته هذه، حيث إن كلامه في ورقة الحكم صريح في أنه جعل اختيارهم حبس الغريم إبراءً للزعيم. وبعد أن راجعناه أفهم تنظيره بمسألة القصاص من القاعدة المذكورة آنفًا أنه لم تقع البراءة إلّا من بعض الغرماء، فألزمَ الحكمَ الجميعَ. وجوابه الأخير علينا يوافق ذلك، حيث قال: إن هذا المطالب تكلَّم كما تكلَّم الغرماء ولزمه ما لزمهم.

والقاضي ــ عافاه الله ــ غير بعيد عن الوهم، مع أنه الآن متهم، لأنه قد يدفع بهذه الشهادة عن نفسه عارَ الغلط الواضح، وقد قال في «الروضة»(1) في باب ما يُردّ به الشهادة: «السبب الخامس: أن يدفع بالشهادة عن نفسه عار الكذب، فإذا شهد فاسق وردَّ القاضي شهادته ثم تاب بشرط التوبة، فشهادته المستأنفة مقبولة بعد ذلك. ولو أعاد تلك الشهادة التي رُدّت لم تُقبل».

--------------------------------------------

(1) روضة الطالبين (8/ 216) ط. دار عالم الكتب.
যাঁর বিরুদ্ধে রায় প্রদান করা হয়েছে তিনি কারণ জানতে চাইলে, 'আল-হাবি' গ্রন্থের লেখক দৃঢ়তার সাথে অভিমত দিয়েছেন এবং আল-রুয়ানি তাঁকে অনুসরণ করেছেন যে, বিচারকের জন্য সেই কারণ বর্ণনা করা আবশ্যক।

তিনি আরও বলেন: এখান থেকে ফকিহগণের এই উক্তির একটি বিশেষ ক্ষেত্র নির্দেশিত হয় যে, বিচারককে কোনো আপত্তিমূলক প্রশ্ন করা যাবে না; কিন্তু নিজের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ খণ্ডনের প্রয়োজনে বিচারকের জন্য এটি প্রকাশ করা আবশ্যক হয়ে পড়ে যে, কেন তিনি দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে দায়মুক্তির জন্য কারারুদ্ধ করেছেন।

এটি বিচারকের দায়িত্বরত থাকাকালীন সময়ের হুকুম, আর পদচ্যুত হওয়ার পর তো এটি আরও অধিক যুক্তিযুক্ত ও অগ্রাধিকারযোগ্য।

অতঃপর তিনি আমাদের প্রতি উত্তর দিয়েছেন যে, আবেদনকারী যখন তাঁর নিকট উপস্থিত হয়েছিল, তখন সে পাওনাদারদের ন্যায় কথা বলেছিল এবং তাদের ওপর যা অবধারিত হয় তাঁর ওপরও তা-ই অবধারিত হয়েছে; কিন্তু তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো শব্দপ্রয়োগ (صيغة) উল্লেখ করেননি। ফলে আমরা তাঁর এই সাক্ষ্যের (شهادة) ব্যাপারে সন্দিহান হয়ে পড়লাম, যেহেতু রায়নামায় তাঁর বক্তব্য স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান করে যে, দেনাদারকে কারারুদ্ধ করার ব্যাপারে তাদের সিদ্ধান্তকে তিনি জামিনদারের দায়মুক্তি হিসেবে গণ্য করেছেন। আর ইতিপূর্বে বর্ণিত মূলনীতির আলোকে কিসাস (قصاص) সংক্রান্ত মাসআলার সাথে তাঁর সাদৃশ্য প্রদান থেকে এটিই বোধগম্য হয় যে, দায়মুক্তি কেবল কিছু পাওনাদারের পক্ষ থেকে সাধিত হয়েছে, অথচ তিনি রায়টি সকলের ওপর কার্যকর করেছেন। আমাদের প্রতি তাঁর সর্বশেষ জবাবও এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে তিনি বলেছেন: এই আবেদনকারী পাওনাদারদের ন্যায় কথা বলেছে এবং তাদের ওপর যা অবধারিত হয় তাঁর ওপরও তা-ই অবধারিত হয়েছে।

আর বিচারক —আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন— ভ্রম (وهم) থেকে মুক্ত নন, তদুপরি তিনি বর্তমানে অভিযুক্ত (متهم); কেননা তিনি এই সাক্ষ্যের (شهادة) মাধ্যমে নিজের ওপর থেকে সুস্পষ্ট ভুলের কলঙ্ক দূর করতে চাইছেন। অথচ 'রাওদাতুত তালিবিন' গ্রন্থে যে সকল কারণে সাক্ষ্য (شهادة) প্রত্যাখ্যাত হয় সেই অধ্যায়ে বলা হয়েছে:(১) "পঞ্চম কারণ: সাক্ষ্যের (شهادة) মাধ্যমে নিজের ওপর থেকে মিথ্যাচারের কলঙ্ক দূর করা। সুতরাং যখন কোনো পাপাচারী (فاسق) সাক্ষ্য দেয় এবং বিচারক তাঁর সাক্ষ্য (شهادة) প্রত্যাখ্যান করেন, অতঃপর তিনি তওবার শর্তানুযায়ী তওবা করেন, তবে এরপর তাঁর পুনরায় প্রদানকৃত সাক্ষ্য (شهادة) গ্রহণযোগ্য (مقبول) হবে। কিন্তু যদি তিনি ইতিপূর্বে প্রত্যাখ্যাত সাক্ষ্যটি পুনরায় প্রদান করেন, তবে তা কবুল করা হবে না।"

--------------------------------------------

(১) রাওদাতুত তালিবিন (৮/২১৬), দার আলামিল কুতুব সংস্করণ।
(খণ্ড: ১৮) মাসআলাতানি ফীদ দামানি ওয়াল ইলতিজাম - দিমনু আসারিল মুআল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৫২৩)
وأما كونه قاضيًا معزولًا يشهد بقضية وقعت لديه فليس هذا قادحًا في الشهادة، إلا إذا شهد بأنه حكم، أما إذا شهد بنحو إقرار وقع في مجلسه فإنها تُقبل. قال في «الروضة»(1): إذا قال القاضي بعد الانعزال: كنتُ حكمتُ لفلانٍ بكذا، لم يُقَبل إلا ببينة. وهل تُقبل شهادته بذلك مع آخر؟ وجهان: قال الإصطخري: نعم. والصحيح باتفاق الأصحاب المنعُ، لأنه شهد على فعلِ نفسه».

إلى أن قال: «ولو شهد المعزول أنه ملك فلان، وأن فلانًا أقرَّه في مجلس حكمي بهذا، قُبِلَت».

ولما لم يفسّر لنا هذا الإبراء الذي يذكره ولم يبيّن لنا صيغته، واشتدّت الريبة وتضافرت أسباب التُّهم، بحثنا عن حكم ذلك ونحوه، فعثرنا في «عماد الرضا» لشيخ الإسلام زكريا رحمه الله على ما لفظه(2): «فائدة، هل يجوز للشاهد أن يشهد باستحقاق زيد على عمرو درهمًا إذا عَرَف سببه، كأنْ أقرَّ له به، فشهد أن له عليه درهمًا؟ قال ابن الرفعة: قال ابن أبي الدم: فيه وجهان، أشهرهما: لا تُسمع شهادته وإن وافقه في مذهبه؛ لأن الشاهد قد يظن ما ليس بسبب سببًا، ولأنه ليس له أن يرتِّب الأحكام على أسبابها، بل وظيفته نقْلُ ما سمعه من إقرار أو عقد أو غيره، أو ما شاهده من الأفعال. ثم الحاكم ينظر فيه، فإن رآه سببًا رتَّب عليه مقتضاه. وهذا ظاهر نصّ «الأم» و «المختصر». وقال صاحب «الشامل» وغيره: بعد اطلاعه على النصّ تُسمَع شهادتُه، وهو مقتضى كلام «الروضة» كأصلها».

--------------------------------------------

(1) (8/ 111).

(2) (1/ 214 - 215) مع شرح المناوي.
আর তার একজন পদচ্যুত বিচারক হওয়া এবং তার নিকট ঘটে যাওয়া কোনো বিষয়ের সাক্ষ্য দেওয়া—এটি সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি (قادح) নয়, যদি না তিনি এই মর্মে সাক্ষ্য দেন যে তিনি বিচার করেছিলেন। তবে তিনি যদি তার মজলিসে হওয়া কোনো স্বীকারোক্তি (إقرار) সম্পর্কে সাক্ষ্য দেন, তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে। ‘আর-রওজাহ’ গ্রন্থে বলা হয়েছে: যদি বিচারক পদচ্যুত হওয়ার পর বলেন, ‘আমি অমুক ব্যক্তির পক্ষে অমুক বিষয়ে বিচার করেছিলাম’, তবে তা প্রমাণ (بينة) ছাড়া গ্রহণ করা হবে না। আর অন্য একজনের সাথে কি এই বিষয়ে তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে? এ ব্যাপারে দুটি মত (وجهان) রয়েছে: আল-ইসতাখরি বলেছেন, ‘হ্যাঁ’। তবে ফুকাহাদের (الأصحاب) ঐকমত্যে সঠিক (الصحيح) মত হলো এটি নিষিদ্ধ (المنعُ), কারণ তিনি তার নিজের কাজের ওপর সাক্ষ্য দিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন: ‘যদি পদচ্যুত বিচারক সাক্ষ্য দেন যে এটি অমুক ব্যক্তির মালিকানা এবং অমুক ব্যক্তি আমার বিচারকার্যের মজলিসে এই বিষয়ের স্বীকৃতি (أقرَّه) দিয়েছিল, তবে তা গ্রহণ করা হবে।’

যেহেতু তিনি আমাদের কাছে এই দায়মুক্তি (الإبراء) ব্যাখ্যা করেননি যা তিনি উল্লেখ করেছেন এবং এর ধরন (صيغته) বর্ণনা করেননি, আর সন্দেহ প্রবল হয়েছে এবং অভিযোগের কারণসমূহ পুঞ্জীভূত হয়েছে, তাই আমরা এই বিষয়ে এবং অনুরূপ বিষয়ের বিধান তালাশ করেছি। অতঃপর আমরা শায়খুল ইসলাম যাকারিয়া (রহ.)-এর ‘ইমাদুর রিদা’ গ্রন্থে নিম্নোক্ত শব্দাবলি পেয়েছি:

‘একটি ফায়দা: কোনো সাক্ষীর জন্য কি এটি বৈধ (يجوز) যে, সে আমরের ওপর যায়িদের এক দিরহাম প্রাপ্য হওয়ার সাক্ষ্য দেবে যদি সে এর কারণ জানে? যেমন সে তার নিকট এটি স্বীকার করেছে, ফলে সে সাক্ষ্য দিল যে তার ওপর এক দিরহাম পাওনা রয়েছে। ইবনুল রিফ’আহ বলেন: ইবনে আবিদ দাম বলেছেন: এ বিষয়ে দুটি মত (وجهان) রয়েছে, যার মধ্যে অধিক প্রসিদ্ধ (أشهرهما) হলো: তার সাক্ষ্য শোনা (تُسمع) হবে না, যদিও সে তার মাযহাবের (مذهبه) সাথে একমত হয়; কারণ সাক্ষী হয়তো এমন বিষয়কে কারণ মনে করতে পারে যা প্রকৃতপক্ষে কারণ নয়। আর যেহেতু বিধানসমূহকে তার কারণের ওপর বিন্যস্ত করা তার কাজ নয়, বরং তার দায়িত্ব হলো সে যা শুনেছে—যেমন স্বীকারোক্তি (إقرار) বা চুক্তি (عقد) বা অন্য কিছু—অথবা সে যে সব কাজ প্রত্যক্ষ করেছে তা বর্ণনা করা। এরপর বিচারক (الحاكم) তা পর্যালোচনা করবেন, যদি তিনি একে কারণ হিসেবে গণ্য করেন তবে তার ওপর এর দাবি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। আর এটিই ‘আল-উম্ম’ এবং ‘আল-মুখতাসার’-এর ভাষ্যের প্রকাশ্য (ظاهر) দিক। আর ‘আশ-শামিল’-এর লেখক এবং অন্যান্যরা বলেছেন: নস বা মূল ভাষ্য অবগত হওয়ার পর তার সাক্ষ্য শোনা (تُسمَع) হবে, আর এটিই ‘আর-রওজাহ’ ও এর মূল গ্রন্থের বক্তব্যের দাবি।’

--------------------------------------------

(১) (৮/ ১১১)।

(২) (১/ ২১৪ - ২১৫) আল-মুনাভির ব্যাখ্যাসহ।
(খণ্ড: ১৮) মাসআলাতানি ফীদ দামানি ওয়াল ইলতিজাম - দিমনু আসারিল মুআল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৫২৪)
قال المناوي في شرحه بعد الوجه الأول: وبذلك أفتى ابن الصلاح، واعتمده ابن الرفعة فقال: الذي أراه أنها لا تُسمَع، وعليه بيان السبب كيفما كان، سدًّا لباب الاحتمال ونفيًا للريب، كما في النفي المحصور المضاف إلى زمن مخصوص محصور، بعد أن فصَّل عن قضية كلام الماوردي تفصيلًا حسنًا، وهو أنه إن كان السبب مجمعًا عليه جاز له أن يشهد بالاستحقاق، وإلّا فلا.

وقال الشارح بعد الوجه الثاني: قال الأذرعي في «التوسط»: وهو أي سماعها ظاهر المذهب المنصوص، لكن المختار ما ذكره أبو عمرو من المنع، ولا شك أنه الأحوط وإن كان ظاهر المذهب خلافه.

ثم نقل عن صاحب «الغنية» وتلميذه الزركشي أن الأول هو القياس والراجح دليلًا والمختار، والأول هو المذهب المنقول.

وإذ قد صحَّ أن الأول هو منصوص «الأم» و «المختصر» فهو الأولى بأن يكون المذهب، وقد يُفصَّل بأن يقال: إن حدثتْ في القضية تُهَمٌ قوية فالأول، وإلّا فالثاني. وقضيتنا الحادثة قد سبق بيان التهم التي فيها، فتعيَّن الإبراء. والقاضي ــ عافاه الله ــ ممن يدّعي الاجتهاد ويَهِم كثيرًا، وهذه الشهادة والحكم ببقاء الضمان وعدم صحة … نعم لو فرضنا صدور الإبراء فهو بصريح ورقة الحكم، وإنما صدر بعد التخيير الذي يُفهِم الغرماء أنه ليس لهم مطالبة كلٍّ من الغريم والزعيم، بل يختارون أحدهما ويُبرِئون الآخر، وإلا لم يتوصَّلوا إلى الضبط بمالهم، فحينئذٍ يكون إبراؤهم مبنيًّا على ظنّهم أنه ليس لهم مطالبة الغريم إلّا بعد إبراء الزعيم.
আল-মুনাওয়ী তার ব্যাখ্যাগ্রন্থে প্রথম দিকটি আলোচনার পর বলেছেন: ইবনে আস-সালাহ এই মর্মে ফতোয়া প্রদান করেছেন এবং ইবনুর রিফআহ এটিকে সমর্থন করে বলেছেন: আমি মনে করি যে এটি গ্রহণযোগ্য (لا تسمع) হবে না এবং তাকে অবশ্যই এর কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে তা যেমনই হোক না কেন। এটি করা হবে সম্ভাব্যতার পথ রুদ্ধ করার জন্য এবং সংশয় দূর করার জন্য; যেমনটি নির্দিষ্ট সময়ের সাথে সংশ্লিষ্ট সীমাবদ্ধ নেতিবাচকতার (النفي المحصور) ক্ষেত্রে করা হয়ে থাকে। তিনি আল-মাওয়ার্দীর বক্তব্যের একটি চমৎকার বিশ্লেষণ প্রদানের পর এই কথাটি বলেন। সেই বিশ্লেষণটি হলো—যদি কারণটি সর্বসম্মত (مجمع عليه) হয়, তবে তার জন্য পাওনাদারত্বের সাক্ষ্য প্রদান করা বৈধ, অন্যথায় নয়।

এবং দ্বিতীয় দিকটি আলোচনার পর ভাষ্যকার বলেন: আল-আযরাঈ ‘আত-তাওয়াসসুত’ গ্রন্থে বলেছেন—এটি অর্থাৎ তা গ্রহণ করা মাযহাবের সুস্পষ্ট ভাষ্য (ظاهر المذهب المنصوص), তবে পসন্দনীয় (المختار) মত হলো আবু আমরের বর্ণিত নিষেধাজ্ঞা (المنع)। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে এটিই অধিকতর সতর্কতামূলক (الأحوط), যদিও মাযহাবের প্রকাশ্য ভাষ্য এর বিপরীত।

অতঃপর তিনি ‘আল-গুনিয়া’ গ্রন্থের লেখক এবং তাঁর ছাত্র আয-যারকাশী থেকে উদ্ধৃত করেছেন যে, প্রথমটিই হলো যৌক্তিক অনুমান (القياس) এবং দলিলের বিচারে অগ্রগণ্য (الراجح) ও পসন্দনীয় (المختار) মত। আর প্রথমটিই হলো বর্ণিত মাযহাব (المذهب المنقول)।

যেহেতু এটি প্রমাণিত হয়েছে যে প্রথমটিই ‘আল-উম্ম’ এবং ‘আল-মুখতাসার’ গ্রন্থের সুস্পষ্ট ভাষ্য, তাই এটিই মাযহাব হিসেবে গণ্য হওয়ার অধিকতর যোগ্য। একে এভাবে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে যে: যদি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শক্তিশালী কোনো সন্দেহ (تهم قوية) থাকে তবে প্রথমটি প্রযোজ্য হবে, অন্যথায় দ্বিতীয়টি। আমাদের আলোচিত ঘটনায় যেসব সন্দেহ রয়েছে তা ইতিপূর্বেই বর্ণিত হয়েছে, সুতরাং দায়মুক্তি (الإبراء) নিশ্চিত হওয়া আবশ্যক। আর বিচারক—আল্লাহ তাকে সুস্থ রাখুন—এমন ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত যারা স্বাধীন গবেষণালব্ধ সিদ্ধান্তের (اجتهاد) দাবি করেন অথচ অনেক ক্ষেত্রে ভ্রম (يهم) করেন। আর এই সাক্ষ্য এবং জামানত (ضمان) বহাল থাকা ও বিশুদ্ধ (صحيحة) না হওয়ার রায় … হ্যাঁ, যদি আমরা দায়মুক্তির ঘটনাটি ধরে নিই, তবে তা রায়ের নথির সুস্পষ্ট বয়ান অনুযায়ী। আর এটি কেবল সেই ইখতিয়ার প্রদানের পরেই প্রকাশ পেয়েছে যা পাওনাদারদের এই ধারণা দেয় যে, তাদের পক্ষে ঋণী এবং জামিনদার উভয়ের নিকট দাবি করার অধিকার নেই, বরং তারা যেকোনো একজনকে বেছে নেবে এবং অন্যজনকে দায়মুক্ত করবে। অন্যথায় তারা তাদের অর্থ হস্তগত করতে সমর্থ হবে না। এমতাবস্থায় তাদের দায়মুক্তি প্রদান এই ধারণার ওপর ভিত্তি করে যে, জামিনদারকে দায়মুক্ত করা ব্যতিরেকে ঋণীর নিকট দাবি করার কোনো সুযোগ নেই।
(খণ্ড: ১৮) মাসআলাতানি ফীদ দামানি ওয়াল ইলতিজাম - দিমনু আসারিল মুআল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৫২৫)
وقد تعالى الخلاف الجاري في مسألة ما إذا أبرأ المطالبُ الغريمَ ظانًّا أن حقه قد انتقل إلى ذمة الزعيم يجرى في هذه، والذي رجحه ابن قاسم أن الإبراء لا يصح، فكذا في هذه.

فإن قيل: الفرق ظاهر، فإن الإبراء في تلك عن حق مظنونٍ سقوطُه بالضمان هناك، ولا كذلك هنا، فإن المطالب لا يجهل أن ذمة الضامن متعلقة بدينه.

قلنا: بل هو مظنون سقوطه باختيار بقاء الغريم، ولكن لا ينافي هذا إلا إذا كان الإبراء بعد اختيار بقاء الغريم في السجن.

এই মাসআলায় চলমান মতভেদ আরও জোরালো হয়েছে যে, পাওনাদার (المطالب) যদি খাতককে (الغريم) এই মনে করে অব্যাহতি (إبراء) প্রদান করেন যে, তাঁর প্রাপ্য অধিকার জামিনদারের (الزعيم) জিম্মায় (ذمة) স্থানান্তরিত হয়ে গিয়েছে, তবে সেই হুকুম এ ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে কি না। ইবনে কাসিম যে মতটিকে প্রাধান্য দিয়েছেন (رجحه), তা হলো সেই অব্যাহতি (إبراء) শুদ্ধ (يصح) হবে না; সুতরাং এ ক্ষেত্রেও একই হুকুম প্রযোজ্য হবে।

যদি বলা হয়: পার্থক্য তো সুস্পষ্ট; কেননা পূর্বোক্ত সুরতে অব্যাহতি (إبراء) ছিল এমন একটি অধিকার থেকে, যার বিলুপ্তি সেখানে জামানতের (الضمان) কারণে ধারণা করা হয়েছিল। কিন্তু এখানে বিষয়টি তেমন নয়; কারণ পাওনাদার (المطالب) এ বিষয়ে অজ্ঞাত নন যে, জামিনদারের জিম্মা (ذمة) তাঁর ঋণের সাথে সংশ্লিষ্ট।

আমরা বলি: বরং খাতককে (الغريم) আটকে রাখার বিষয়টি বেছে নেওয়ার দ্বারাও অধিকার বিলুপ্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়। তবে এটি কেবল তখনই পরিপন্থী হবে না, যদি সেই অব্যাহতি (إبراء) প্রদান করা হয় খাতককে (الغريم) কারাগারে আটকে রাখার বিষয়টি বেছে নেওয়ার পর।