(খণ্ড: ১) আল-ফাসখু বিল ইসার - দিমনু আসারিল মুআল্লিমী (পৃষ্ঠা: -)
الفسخ بالإعسار - ضمن «آثار المعلمي»   (عبد الرحمن المعلمي اليماني)

القسم: مسائل فقهية


الكتاب: الفسخ بالإعسار

[آثار عبد الرحمن بن يحيى المعلمي اليماني (18)]

المؤلف: عبد الرحمن بن يحيى المُعَلِّمي اليماني (1313 - 1386 هـ)

المحقق: محمد عزير شمس

راجعه: محمد أجمل الإصلاحي - سليمان بن عبد الله العمير

الناشر: دار عالم الفوائد للنشر والتوزيع

الطبعة: الأولى، 1434 هـ

قدمه للشاملة: مؤسسة «عطاءات العلم»، جزاهم الله خيرا

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 10 شوّال 1442

অস্বচ্ছলতার কারণে বাতিলকরণ - ‘আসারুল মুআল্লিমী’ এর অন্তর্ভুক্ত   (আবদুর রহমান আল-মুআল্লিমী আল-ইয়ামানী)

বিভাগ: ফিকহি মাসআলাসমূহ


গ্রন্থ: অস্বচ্ছলতার কারণে বাতিলকরণ

[আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুআল্লিমী আল-ইয়ামানীর রচনাবলী (১৮)]

লেখক: আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুআল্লিমী আল-ইয়ামানী (১৩১৩ - ১৩৮৬ হিজরি)

মুহাক্কিক (গবেষক): মুহাম্মদ উযাইর শামস

নিরীক্ষণ করেছেন: মুহাম্মদ আজমল আল-ইসলাহী - সুলাইমান বিন আবদুল্লাহ আল-উমাইর

প্রকাশক: দার আলম আল-ফাওয়ায়িদ প্রকাশনা ও বিতরণী

সংস্করণ: প্রথম، ১৪৩৪ হিজরি

শামিলা লাইব্রেরির জন্য পেশ করেছেন: «আতায়াতুল ইলম» সংস্থা، আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা বিন্যাস মুদ্রণ কপির অনুরূপ]

শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১০ শাওয়াল ১৪৪২

(খণ্ড: ১৮) আল-ফাসখু বিল ইসার - দিমনু আসারিল মুআল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৫১১)
الرسالة الثانية والثلاثون

الفسخ بالإعسار
দ্বাত্রিংশতম রিসালাহ

অস্বচ্ছলতার কারণে বাতিলকরণ
(খণ্ড: ১৮) আল-ফাসখু বিল ইসার - দিমনু আসারিল মুআল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৫১৩)
الحمد لله.

الفسخ بالإعسار ثابت في المذهب، وإذا بحثنا عن علته ظهر لنا أن النكاح عقدٌ بمقابلٍ كالبيع، فهو إباحة الانتفاع بالبضع إلى مقابل الصداق والإنفاق. ولا يَرِد علينا أنه تجب النفقة في غير حال الانتفاع، كما إذا كان عنينًا أو غائبًا. فإننا نقول: إن المنفعة تلِفَتْ تحت يدِه، فهي من ضمانه.

لا يقال: إنها تحتَ يدِ مالكها. فإننا نقول: إنها وإن كانت تحت يده صورةً فهو باذلٌ لها وممنوعٌ من التصرف فيها، فهي من ضمان الزوج قطعًا، بخلاف ما إذا أبى صاحبها من التمكين.

والمذهب أن المشتري إذا أعسر بالثمن، أو كان ماله غائبًا بمسافة قصرٍ، فللبائع الفسخ، لخبر «الصحيحين»(1): «إذا أفلسَ الرجلُ ووجدَ البائعُ سِلْعته بعينها، فهو أحقُّ بها من الغُرماء». وقِيسَ عليه سائر المعاوضات كالإجارة، وعلى الفلس الإعسارُ. فكذا يكون النكاح، بل هو أولى، لتجدُّد الضرر كلَّ يوم واعتضادِه بالضرر الآخر.

وإذا بحثنا عن علة الفسخ بالإعسار ظهر لنا أنها تعذُّر تسليم العوض، والعلة موجودة فيما إذا غاب غيبةً منقطعةً، أو امتنع ولم يُقدَر على ضبطه.

فإن قيل: ثَمَّ فارقٌ، وهو أنه يمكن في منقطع الغيبة أن يرجع، وفي الممتنع أن يمتثل.

قلنا: وكذا المعسر يمكن أن يتصدق عليه، بل هو أولى، لأن إمكان

--------------------------------------------

(1) أخرجه البخاري (2402) ومسلم (1559) من حديث أبي هريرة، واللفظ لمسلم.
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য।

অস্বচ্ছলতার কারণে বিচ্ছেদ (الفسخ) মাযহাবে সুপ্রতিষ্ঠিত। যদি আমরা এর কারণ (العلة) নিয়ে অনুসন্ধান করি, তবে আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয় যে, বিবাহ হলো বিনিময়ের ভিত্তিতে সম্পাদিত একটি চুক্তি যেমন ক্রয়-বিক্রয়; অর্থাৎ এটি মোহরানা ও ভরণপোষণের বিনিময়ে দাম্পত্য সুখ ভোগের বৈধতা দান করা। আমাদের ওপর এই আপত্তি তোলা যাবে না যে, দাম্পত্য সুখ ভোগ করা সম্ভব না হলেও ভরণপোষণ আবশ্যক হয়, যেমন স্বামী যদি নপুংসক বা অনুপস্থিত হয়। কারণ আমরা বলি: সেই উপকারটি তার কর্তৃত্বে থাকাকালীনই বিনষ্ট হয়েছে, তাই এর দায়ভার (الضمان) তার ওপরই বর্তাবে।

এটি বলা যাবে না যে, সেই সম্পদ তার মালিকের অধীনে রয়েছে। কেননা আমরা বলি: যদিও বাহ্যিকভাবে তা স্ত্রীর অধীনে থাকে, তবুও তিনি তা অর্পণ করেছেন এবং তা ব্যবহারে বাধাগ্রস্ত; সুতরাং এটি নিশ্চিতভাবেই স্বামীর দায়বদ্ধতার (الضمان) অন্তর্ভুক্ত, পক্ষান্তরে যদি মালিক (স্ত্রী) তা অর্পণ করতে অস্বীকার করেন তবে ভিন্ন কথা।

মাযহাবের মত হলো, ক্রেতা যদি মূল্য পরিশোধে অস্বচ্ছল (أعسر) হয় অথবা তার সম্পদ সফর সমতুল্য দূরত্বে অনুপস্থিত থাকে, তবে বিক্রেতার চুক্তি বাতিল (الفسخ) করার অধিকার রয়েছে। এর কারণ হলো সহীহাইন-এর বর্ণিত হাদিস: «যদি কোনো ব্যক্তি দেউলিয়া (أفلس) হয়ে যায় এবং বিক্রেতা তার নিজের পণ্যটি হুবহু পেয়ে যায়, তবে পাওনাদারদের তুলনায় সে-ই ঐ পণ্যের বেশি হকদার।» এর ওপর ভিত্তি করেই অন্যান্য বিনিময় চুক্তি যেমন ইজারাকে কিয়াস করা হয়েছে এবং দেউলিয়াত্বের (الفلس) ওপর অস্বচ্ছলতাকে (الإعسار) তুলনা করা হয়েছে। বিবাহের বিষয়টিও তদ্রূপ হবে, বরং এটি আরও বেশি অগ্রাধিকারযোগ্য; কারণ এতে প্রতিদিন নতুন নতুন ক্ষতির (الضرر) সৃষ্টি হয় এবং তা অন্য ক্ষতির সাথে মিলে আরও প্রবল হয়।

যদি আমরা অস্বচ্ছলতার কারণে বিচ্ছেদের (الفسخ) কারণ (العلة) নিয়ে অনুসন্ধান করি, তবে আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয় যে, তা হলো বিনিময়ের বস্তু অর্পণে অক্ষমতা; আর এই কারণটি (العلة) তখনো বিদ্যমান থাকে যখন স্বামী সম্পূর্ণ নিখোঁজ হয় অথবা সে ভরণপোষণ দিতে অস্বীকার করে এবং তাকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হয়।

যদি বলা হয়: এখানে একটি পার্থক্য রয়েছে, আর তা হলো নিখোঁজ ব্যক্তি ফিরে আসা সম্ভব এবং অবাধ্য ব্যক্তির অনুগত হওয়া সম্ভব।

আমরা বলি: তদ্রূপ অস্বচ্ছল ব্যক্তিকেও দান করা সম্ভব, বরং এটিই অগ্রগণ্য, কারণ সম্ভাবনা...

--------------------------------------------

(1) এটি বর্ণনা করেছেন বুখারী (২৪০২) ও মুসলিম (১৫৫৯) আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণিত হাদিস থেকে, আর শব্দাবলি মুসলিম-এর।
(খণ্ড: ১৮) আল-ফাসখু বিল ইসার - দিমনু আসারিল মুআল্লিমী (পৃষ্ঠা: ৫১৪)
يساره أقرب من إمكان رجوع منقطع الغيبة وامتثال الممتنع، مع أنهم قد صرَّحوا في البيع بالفسخ إذا كان مالُه بمسافة قصرٍ. وأنت خبيرٌ أن النكاح أولى، لتجدُّد الضرر واعتضادِه بالضرر الأكبر، ولكن لفسخ النكاح من الأهمية ما ليس لفسخ البيع، فلا يجوز ما دام الضرر خفيفًا، كما في غيبة المال بمسافة القصر. ولا يمنع الفسخَ غِنَى الزوجةِ أو وجودُ مَن يُنفق عليها، كما لا يمنع ذلك في البائع والمؤجر.

তাঁর সচ্ছলতা দীর্ঘকাল নিরুদ্দেশ (منقطع الغيبة) ব্যক্তির ফিরে আসা কিংবা অবাধ্য ব্যক্তির আনুগত্য প্রদর্শনের সম্ভাবনার তুলনায় অধিকতর নিকটবর্তী। অথচ ফকিহগণ ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে চুক্তি বাতিল (فسخ) করার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যদি সম্পদ সফরকালীন দূরত্বে (مسافة قصر) অবস্থান করে। আপনি অবগত আছেন যে, বিবাহের বিষয়টি (চুক্তি বাতিলের ক্ষেত্রে) অধিকতর অগ্রাধিকার পাওয়ার যোগ্য; কারণ এতে ক্ষতির (ضرر) পুনরাবৃত্তি ঘটে এবং তা বৃহত্তর ক্ষতির সাথে মিলিত হয়ে আরও শক্তিশালী হয়। তবে বিবাহ বিচ্ছেদের এমন বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে যা ক্রয়-বিক্রয় বাতিলের ক্ষেত্রে নেই, তাই যতক্ষণ ক্ষতি (ضرر) সামান্য থাকে ততক্ষণ তা বৈধ নয়; যেমনটি সফরকালীন দূরত্বে সম্পদ অনুপস্থিত থাকার ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। আর স্ত্রীর ধনাঢ্যতা কিংবা তাঁর ভরণপোষণ করার মতো অন্য কারো উপস্থিতি চুক্তি বাতিল (فسخ) করার ক্ষেত্রে বাধা হবে না, যেমনটি বিক্রেতা ও ইজারাদাতার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক হয় না।