(খণ্ড: ১)
কাশফুল খাফা আন হুকমি বাইইল ওয়াফা - দিমনু আসারিল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: -)
كشف الخفاء عن حكم بيع الوفاء - ضمن «آثار المعلمي» القسم: مسائل فقهية
الكتاب: كشف الخفاء عن حكم بيع الوفاء
[آثار عبد الرحمن بن يحيى المعلمي اليماني (18)]
المؤلف: عبد الرحمن بن يحيى المُعَلِّمي اليماني (1313 - 1386 هـ)
المحقق: محمد عزير شمس
راجعه: محمد أجمل الإصلاحي - سليمان بن عبد الله العمير
الناشر: دار عالم الفوائد للنشر والتوزيع
الطبعة: الأولى، 1434 هـ
قدمه للشاملة: مؤسسة «عطاءات العلم»، جزاهم الله خيرا
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 10 شوّال 1442
কাশফুল খাফা আন হুকমি বায়িল অফা - ‘আসারুল মুয়াল্লিমি’ এর অন্তর্ভুক্ত বিভাগ: ফিকহি মাসআলাসমূহ
কিতাব: কাশফুল খাফা আন হুকমি বায়িল অফা
[আব্দুর রহমান ইবন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমি আল-ইয়ামানির রচনাবলি (১৮)]
লেখক: আব্দুর রহমান ইবন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমি আল-ইয়ামানি (১৩১৩ - ১৩৮৬ হিজরি)
মুহাক্কিক (গবেষক): মুহাম্মদ উজাইর শামস
নিরীক্ষণ করেছেন: মুহাম্মদ আজমল আল-ইসলাহি - সুলাইমান ইবন আব্দুল্লাহ আল-উমাইর
প্রকাশক: দারু আলমিল ফাওয়ায়েদ লিন-নাশর ওয়াত-তাওজি
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৪ হিজরি
শামিলা লাইব্রেরির জন্য পেশ করেছেন: «আতায়াতুল ইলম» ফাউন্ডেশন, আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামিলা লাইব্রেরিতে প্রকাশের তারিখ: ১০ শাওয়াল ১৪৪২
(খণ্ড: ১৮)
কাশফুল খাফা আন হুকমি বাইইল ওয়াফা - দিমনু আসারিল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৪৯৩)
الرسالة التاسعة والعشرون
كشف الخفاء عن حكم بيع الوفاء
ঊনত্রিশতম পত্র
বাইউল ওফা-র বিধান (حكم) সংক্রান্ত অস্পষ্টতা উন্মোচন
(খণ্ড: ১৮)
কাশফুল খাফা আন হুকমি বাইইল ওয়াফা - দিমনু আসারিল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৪৯৫)
بسم الله الرحمن الرحيم
الحمد لله الذي بسط الأرض للأنام، وقدَّر فيها أقواتَها على ما اقتضته حكمتُه من النظام، وتولَّى قِسمتَها وقسمةَ ما فيها بينهم بشريعته، فقال سبحانه: {وَالسَّمَاءَ رَفَعَهَا وَوَضَعَ الْمِيزَانَ (7) أَلَّا تَطْغَوْا فِي الْمِيزَانِ (8) وَأَقِيمُوا الْوَزْنَ بِالْقِسْطِ وَلَا تُخْسِرُوا الْمِيزَانَ} [الرحمن: 7 - 9]. وأشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، وأشهد أن محمدًا عبده ورسوله، صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم تسليمًا كثيرًا.
أما بعد، فقد سألني بعض الإخوان عن حكم البيع الذي يقال له بيع الوفاء وبيع العهدة إلى غير ذلك من الأسماء، وهو شائع في بلاد حضرموت وكثير من البلدان. فراجعتُ بعض ما تيسَّر لي من كتب علماء حضرموت، فرأيت في "بغية المسترشدين" عن فتاوى الحفيد عبد الله بن الحسين بافقيه: "بيع العهدة [المعروف صحيح جائز، وتثبت به الحجة شرعًا وعرفًا على قول القائلين به، وقد جرى عليه العمل في غالب جهات المسلمين من زمن قديم، وحكمت بمقتضاه الحكام، وأقره مَن يقول به من علماء الإسلام، مع أنه ليس من مذهب الشافعي، وإنما اختاره مَن اختاره ولفّقه من مذاهب للضرورة الماسة إليه، ومع ذلك فالاختلاف في صحته من أصله في التفريع عليه لا يخفى على من له إلمام بالفقه]
(1) " (ص 133).
فأحببتُ أن أعرف حقيقة التلفيق المذكور، فوجدتُ في "ترشيح
--------------------------------------------
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সকল সৃষ্টির জন্য জমিনকে বিস্তৃত করেছেন এবং তাঁর প্রজ্ঞাপ্রসূত সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা অনুযায়ী তাতে তাদের জীবনোপকরণ নির্ধারণ করেছেন। তিনি তাঁর শরয়ি বিধানের মাধ্যমে তাদের মাঝে সম্পদ ও তার অন্তর্ভুক্ত বিষয়াবলীর বণ্টনভার গ্রহণ করেছেন। মহান আল্লাহ বলেন: {আর আকাশকে তিনি সমুন্নত করেছেন এবং স্থাপন করেছেন ভারসাম্য। যাতে তোমরা ভারসাম্যে সীমাঙ্ঘন না করো। তোমরা ওজন সঠিক ও ন্যায়নিষ্ঠভাবে কায়েম করো এবং ওজনে কম দিও না।} [আর-রহমান: ৭ - ৯]। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল। আল্লাহ তাঁর ওপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবীগণের ওপর অগণিত রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুন।
অতঃপর, আমার জনৈক দ্বীনি ভাই আমাকে এমন এক প্রকার ক্রয়-বিক্রয়ের বিধান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছেন যাকে 'বায়উল ওয়াফা' বা 'বায়উল উহদাহ' বা এ জাতীয় অন্যান্য নামে অভিহিত করা হয়; যা হাজরামাউতসহ অনেক দেশেই প্রচলিত। আমি হাজরামাউতের আলেমগণের সহজলভ্য কিছু কিতাব পর্যালোচনা করেছি এবং 'বুগইয়াতুল মুস্তারশিদীন'-এ হাফিদ আব্দুল্লাহ ইবনে হুসাইন বা-ফাকিহ-এর ফাতাওয়াতে পেয়েছি: "[সুপরিচিত 'বায়উল উহদাহ' বিশুদ্ধ (صحيح) ও বৈধ; যারা এই মত পোষণ করেন তাদের নিকট এটি শরয়ি ও প্রথাগতভাবে দলিল হিসেবে সাব্যস্ত হয় এবং প্রাচীনকাল থেকেই মুসলিম জাহানের অধিকাংশ স্থানে এর ওপর আমল জারি আছে। বিচারকগণ এর ভিত্তিতে ফয়সালা দিয়েছেন এবং ওলামায়ে কেরামের মধ্য থেকে যারা এটি সমর্থন করেন তারা একে স্বীকৃতি দিয়েছেন। যদিও এটি শাফেয়ী মাযহাবের অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং যারা এটি গ্রহণ করেছেন তারা তীব্র প্রয়োজনে বিভিন্ন মাযহাব থেকে এটি নির্বাচন ও সমন্বয় করেছেন। এতদসত্ত্বেও এর মূলগত বিশুদ্ধতা (صحة) এবং এর থেকে উদ্ভূত আনুষঙ্গিক মাসআলাসমূহ নিয়ে যে মতভেদ রয়েছে, তা ফিকহ শাস্ত্রে জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিবর্গের কাছে অস্পষ্ট নয়]
(১) " (পৃষ্ঠা ১৩৩)।
তাই আমি উল্লিখিত সেই সমন্বয়ের স্বরূপ জানতে চেয়েছি, ফলে 'তারশীহ' গ্রন্থে পেয়েছি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১৮)
কাশফুল খাফা আন হুকমি বাইইল ওয়াফা - দিমনু আসারিল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৪৯৬)
المستفيدين": "تنبيه: اعلم
… على الراجح " (ص 230). ثم ذكر اختلاف الحنفية، وسيأتي.
وفي "القلائد" لباقشير: "مسألة: بيع العهدة
… ممن شهد بذلك". ثم قال: "مسألة: ومن أثبت
… الشافعي
… "، ثم قال: "تنبيه
… المنصوص". ثم أفاض في توابعه من الأحكام بانيًا على مذهب الشافعي رحمه الله تعالى، وعلى أن هذه المعاملة إقالة ولكنها لازمة.
فتلخَّص لي مما تقدم أمور:
الأول: أن هذه المعاملة إذا كانت على ما ذكروه ــ مِن تقدُّم المواطأة، ووقوع العقد باتًّا ــ حكمها في مذهب الشافعي ما قدَّمتُ من نفاذ العقد وبتاته، ويكون رضا المشتري قبل العقد بما تواطأ عليه وعدًا منه يُستحب له الوفاء به ولا يجب.
الأمر الثاني: أن العمدة في إلزام المشتري بالوفاء هو تقليد الإمام مالك.
الثالث: أنه يمكن الاعتماد في ذلك على مذهب أحمد في جواز البيع بشرط.
الرابع: إمكان الاعتماد على مذهبه في جواز تأبيد الخيار.
الخامس: إمكان الاعتماد على مذهب أبي حنيفة.
السادس: العذر عن الخروج عن المذهب بالضرورة.
السابع: اعتماد المتأخرين على عمل من قبلهم من العلماء وكفى.
"আল-মুস্তাফিদিন": "সতর্কীকরণ: জেনে রাখুন
… অগ্রগণ্য (الراجح) মতানুসারে" (পৃ. ২৩০)। এরপর তিনি হানাফিদের মতভেদ উল্লেখ করেছেন, যা সামনে আসবে।
বাকুশাইরের "আল-কালাঈদ" গ্রন্থে রয়েছে: "মাসআলা: বায়উল উহদাহ (بيع العهدة)
… ঐ ব্যক্তি থেকে যে এর সাক্ষ্য দিয়েছে"। এরপর তিনি বলেছেন: "মাসআলা: এবং যে ব্যক্তি সাব্যস্ত করেছে
… শাফেয়ি
… ", এরপর তিনি বলেছেন: "সতর্কীকরণ
… স্পষ্টভাবে বর্ণিত (المنصوص)"। এরপর তিনি ইমাম শাফেয়ি (রাহিমাহুল্লাহ তায়ালা)-এর মাযহাবের ওপর ভিত্তি করে এবং এই লেনদেনটি একটি চুক্তি বাতিলকরণ (إقالة) কিন্তু তা বাধ্যতামূলক (لازمة)—এই মতের ওপর ভিত্তি করে এর আনুষঙ্গিক বিধানাবলী বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
পূর্বোক্ত আলোচনা হতে আমার নিকট নিম্নোক্ত বিষয়গুলো সংক্ষেপে প্রতীয়মান হয়েছে:
প্রথমত: যদি এই লেনদেনটি তাদের বর্ণনা অনুযায়ী হয়—অর্থাৎ আগে থেকে পারস্পরিক সমঝোতা থাকা এবং চুক্তিটি চূড়ান্তভাবে সম্পন্ন হওয়া—তবে শাফেয়ি মাযহাব অনুযায়ী এর বিধান হলো যা আমি পূর্বে উল্লেখ করেছি যে, চুক্তিটি কার্যকর (نفاذ) ও চূড়ান্ত (بتات) হবে। এবং চুক্তির পূর্বে ক্রেতার সেই বিষয়ের প্রতি সন্তুষ্টি যাতে তারা একমত হয়েছিল, তা তার পক্ষ থেকে একটি প্রতিশ্রুতি বলে গণ্য হবে, যা পূরণ করা তার জন্য মুস্তাহাব (يستحب) এবং তা ওয়াজিব (واجب) নয়।
দ্বিতীয়ত: ক্রেতাকে ওয়াদা পূরণে বাধ্য করার ক্ষেত্রে মূল ভিত্তি হলো ইমাম মালিকের তাকলিদ (تقليد) করা।
তৃতীয়ত: শর্তসাপেক্ষ বিক্রয় বৈধ (جواز) হওয়ার ক্ষেত্রে ইমাম আহমাদের মাযহাবের ওপর নির্ভর করা সম্ভব।
চতুর্থত: ইখতিয়ার বা পণ্য ফেরতের অধিকার চিরস্থায়ী (تأبيد الخيار) করার বৈধতার ক্ষেত্রে তাঁর মাযহাবের ওপর নির্ভর করা সম্ভব।
পঞ্চমত: ইমাম আবু হানিফার মাযহাবের ওপর নির্ভর করার অবকাশ রয়েছে।
ষষ্ঠত: বিশেষ প্রয়োজনে (الضرورة) মাযহাব থেকে বের হওয়ার ওজর বা কারণ থাকা।
সপ্তমত: পরবর্তীকালের আলিমদের (المتأخرين) তাদের পূর্ববর্তী আলিমদের আমলের ওপর নির্ভর করা এবং এটিই যথেষ্ট।
(খণ্ড: ১৮)
কাশফুল খাফা আন হুকমি বাইইল ওয়াফা - দিমনু আসারিল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৪৯৭)
فأحِبُّ أن أنظر في هذه الأمور واحدًا واحدًا.
فأما الأمر الأول فحقٌّ لا غبار عليه، إلّا أنه يستحب عدم التواطؤ خروجًا من خلاف من يجعل المشروط بالمواطأة كالمشروط بالعقد، فيبطل به العقد ويحرم. وسيأتي إيضاحه إن شاء الله.
وأما الأمر الثاني فقد راجعتُ ما تيسَّر لي من كتب المالكية، فوجدتُ في "الموطأ"
(1) عن عبيد الله بن [عبد الله بن] عتبة بن مسعود أن عبد الله بن مسعود ابتاع جاريةً [من امرأته زينب الثقفية، واشترطت عليه أنك إن بعتَها فهي لي بالثمن الذي تبيعها به. فسأل عبد الله بن مسعود عن ذلك عمرَ بن الخطاب، فقال عمر بن الخطاب: لا تقربْها وفيها شرط] لأحد.
وعن ابن عمر أنه كان يقول: " [لا يطأ الرجل وليدةً إلا وليدةً إن شاء باعها، وإن شاء وهبها، وإن شاء أمسكها، وإن شاء صنع بها] ما شاء".
قال الباجي في "المنتقى"
(2): "ظاهر قوله ["وشرطتْ عليه أنك إن بعتها فهي لي بالثمن" يقتضي أن ذلك كان في نفس العقد على وجه الشرط، ولم يكن على وجه التطوع منه بعد كمال العقد، وهذا يسميه العلماء الثنيا، ويسمون البيع المنعقد بهذا الشرط بيع الثُّنيا، وهو بيع فاسد] مع النقد".
وقال بعد ذلك
(3): "وقول عمر "لا تقربها [وفيها شرط لأحد"، قال أبو مصعب في "المبسوط": معنى ذلك لا تَبْتَعْها وفيها شرط لأحد، ومعنى
--------------------------------------------
আমি এই বিষয়গুলো একে একে পর্যালোচনা করতে চাই।
প্রথম বিষয়টি সত্য এবং এতে কোনো অস্পষ্টতা নেই; তবে পারস্পরিক সমঝোতা (تواطؤ) বর্জন করা মুস্তাহাব (مستحب), যাতে ঐ সকল আলিমদের মতভেদ থেকে বের হওয়া যায় যারা পূর্ব-সমঝোতার শর্তকে চুক্তিতে উল্লিখিত শর্তের সমতুল্য গণ্য করেন, যার ফলে চুক্তিটি বাতিল ও হারাম হয়ে যায়। ইনশাআল্লাহ সামনে এর ব্যাখ্যা আসবে।
আর দ্বিতীয় বিষয়টি হলো, মালিকি মাযহাবের সহজলভ্য গ্রন্থসমূহ আমি পর্যালোচনা করেছি এবং "মুয়াত্তা"-এ উবায়দুল্লাহ ইবনে [আবদুল্লাহ ইবনে] উতবাহ ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণিত পেয়েছি যে, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ [তাঁর স্ত্রী যয়নব আস-সাকাফিয়্যার নিকট থেকে] একটি দাসী ক্রয় করেন [এবং তিনি (স্ত্রী) তাঁর ওপর শর্তারোপ করেন যে, আপনি যদি তাকে বিক্রি করেন তবে যে মূল্যে বিক্রি করবেন সেই মূল্যে সে আমার হবে। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ এ সম্পর্কে উমর ইবনুল খাত্তাবকে জিজ্ঞাসা করলে উমর ইবনুল খাত্তাব বলেন: তুমি তার কাছে যেয়ো না যতক্ষণ তাতে অন্য কারোর শর্ত] জড়িয়ে থাকে।
ইবনে উমর থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলতেন: "[কোনো ব্যক্তি কোনো দাসীর সাথে সহবাস করবে না, তবে এমন দাসী ব্যতীত যাকে ইচ্ছা করলে সে বিক্রি করতে পারবে, ইচ্ছা করলে দান করতে পারবে, ইচ্ছা করলে নিজের কাছে রেখে দিতে পারবে এবং ইচ্ছা করলে তার ব্যাপারে যা খুশি] করতে পারবে।"
আল-বাজি "আল-মুনতাকা"-য় বলেন: "তার এই উক্তিটির বাহ্যিক রূপ ["এবং তিনি তাঁর ওপর শর্তারোপ করেন যে, আপনি যদি তাকে বিক্রি করেন তবে তা ঐ মূল্যে আমার হবে"] দাবি করে যে, এটি সরাসরি চুক্তির মধ্যেই শর্ত হিসেবে ছিল, এবং চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পর তাঁর পক্ষ থেকে এটি কোনো ঐচ্ছিক বিষয় ছিল না। একে উলামায়ে কিরাম 'সুনিয়া' (ثنيا) বলেন এবং এই শর্তে সম্পাদিত ক্রয়-বিক্রয়কে 'বাই আস-সুনিয়া' (بيع الثنيا) বলেন, যা নগদ বিনিময়ের ক্ষেত্রে একটি ত্রুটিপূর্ণ (فاسد) ক্রয়-বিক্রয়।"
এরপর তিনি বলেন: "আর উমরের উক্তি 'তুমি তার কাছে যেয়ো না [যতক্ষণ তাতে অন্য কারোর শর্ত জড়িয়ে থাকে]', আবু মুসআব 'আল-মাবসুত'-এ বলেন: এর অর্থ হলো তুমি তাকে ক্রয় করো না যখন তাতে অন্য কারোর কোনো শর্ত থাকে, আর এর অর্থ...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১৮)
কাশফুল খাফা আন হুকমি বাইইল ওয়াফা - দিমনু আসারিল মুআল্লিমী
(পৃষ্ঠা: ৪৯৮)
ذلك: لا تشترها بهذا الشرط، وهذا يقتضي منعه من هذا الابتياع لفساده] ".
وفي "حواشي الدسوقي على الشرح الكبير": "وبيع الثُّنيا [هو المعروف بمصر ببيع المعاد، بأن يشترط البائع على المشتري أنه متى أتى له بالثمن ردّ المبيع، فإن وقع ذلك الشرط حين العقد أو تواطآ عليه قبله كان البيع فاسدًا ولو أسقط الشرط، لِتردد الثمنِ بين السلفية والثمنية، وأما إذا تبرع المشتري للبائع بذلك بعد البيع بأن قال له بعد التزام البيع: متى رددتَ إليَّ الثمن دفعتُ لك المبيع، كان البيع صحيحًا، ولا يلزم المشتريَ الوفاء بذلك الوعد، بل يستحبُّ]
(1) فقط" (ج 3 ص 62).
--------------------------------------------
সেটি হলো: তুমি এই শর্তে তা ক্রয় করো না, আর এটি তার ফাসিদ (فاسد) হওয়ার কারণে এই ক্রয়-বিক্রয় থেকে বিরত রাখার দাবি রাখে।]
এবং "হাশিয়া আদ-দাসুকি আলা আশ-শারহ আল-কাবীর"-এ বর্ণিত হয়েছে: "আর বাইউস সুনিয়া (بيع الثنيا) [এটি মিসরে 'বাইউল মাআদ' নামে পরিচিত; যার পদ্ধতি হলো বিক্রেতা ক্রেতার ওপর এই শর্তারোপ করবে যে, সে যখনই তাকে মূল্য পরিশোধ করবে, সে (ক্রেতা) বিক্রিত বস্তু ফেরত দেবে। যদি আকদ (عقد) বা চুক্তির সময় এই শর্তারোপ করা হয় অথবা এর আগে তারা এ বিষয়ে একমত হয়, তবে শর্তটি প্রত্যাহার করে নিলেও বিক্রয়টি ফাসিদ (فاسد) হবে; কারণ মূল্যটি ঋণ (سلفية) ও মূল্যের (ثمنية) মধ্যে দোদুল্যমান থাকে। তবে যদি বিক্রয় সম্পন্ন হওয়ার পর ক্রেতা বিক্রেতাকে স্বেচ্ছায় এটি প্রদান করে, অর্থাৎ বিক্রয় চূড়ান্ত হওয়ার পর সে তাকে বলল: 'যখনই তুমি আমাকে মূল্য ফেরত দেবে, আমি তোমাকে বিক্রিত বস্তু দিয়ে দেব', তবে বিক্রয়টি সহিহ (صحيح) হবে। এক্ষেত্রে ক্রেতার ওপর সেই ওয়াদা পূরণ করা আবশ্যক নয়, বরং তা কেবল মুস্তাহাব (مستحب)]
(1) মাত্র" (৩য় খণ্ড, ৬২ পৃষ্ঠা)।
--------------------------------------------