(খণ্ড: ১) আল-ইসলাম ওয়াত তাসয়ীর ওয়া নাহউহু আও হাওলা উজুরিল আকর - যিমনা আসারিল মুআল্লিমি (পৃষ্ঠা: -)
الإسلام والتسعير ونحوه أو حول أجور العقار - ضمن «آثار المعلمي»   (عبد الرحمن المعلمي اليماني)

القسم: مسائل فقهية


الكتاب: الإسلام والتسعير ونحوه أو حول أجور العقار

[آثار عبد الرحمن بن يحيى المعلمي اليماني (17)]

المؤلف: عبد الرحمن بن يحيى المُعَلِّمي اليماني (1313 - 1386 هـ)

المحقق: محمد عزير شمس

راجعه: محمد أجمل الإصلاحي - سليمان بن عبد الله العمير

الناشر: دار عالم الفوائد للنشر والتوزيع

الطبعة: الأولى، 1434 هـ

قدمه للشاملة: مؤسسة «عطاءات العلم»، جزاهم الله خيرا

[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

تاريخ النشر بالشاملة: 10 شوّال 1442

ইসলাম এবং মূল্য নির্ধারণ ও এই জাতীয় বিষয়াবলি অথবা স্থাবর সম্পত্তির ভাড়া সংক্রান্ত - ‘আসার (آثار) আল-মুয়াল্লিমী’-এর অন্তর্ভুক্ত   (আবদুর রহমান আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানী)

বিভাগ: ফিকহী মাসআলাসমূহ


গ্রন্থ: ইসলাম এবং মূল্য নির্ধারণ ও এই জাতীয় বিষয়াবলি অথবা স্থাবর সম্পত্তির ভাড়া সংক্রান্ত

[আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানীর রচনাবলি (آثار) (১৭)]

লেখক: আবদুর রহমান বিন ইয়াহইয়া আল-মুয়াল্লিমী আল-ইয়ামানী (১৩১৩ - ১৩৮৬ হিজরি)

তাহকীককারী: মুহাম্মদ উযাইর শামস

পর্যালোচনায়: মুহাম্মদ আজমল আল-ইসলাহী - সুলায়মান বিন আবদুল্লাহ আল-উমাইর

প্রকাশক: দারু আলিমিল ফাওয়ায়িদ লিন-নাশর ওয়াত-তাওযী

সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৪ হিজরি

শামেলার জন্য পেশ করেছেন: «আতাআত আল-ইলম» ফাউন্ডেশন, আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিন

[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মূল মুদ্রণের অনুরূপ]

শামলায় প্রকাশের তারিখ: ১০ শাওয়াল ১৪৪২

(খণ্ড: ১৭) আল-ইসলাম ওয়াত তাসয়ীর ওয়া নাহউহু আও হাওলা উজুরিল আকর - যিমনা আসারিল মুআল্লিমি (পৃষ্ঠা: ৮৮৯)
الرسالة الثالثة والعشرون

الإسلام والتسعير ونحوه

وحول أجور العقار
তেইশতম রিসালা

ইসলাম এবং মূল্য নির্ধারণ ও তদ্রূপ বিষয়াবলি

এবং স্থাবর সম্পত্তির ভাড়া প্রসঙ্গে
(খণ্ড: ১৭) আল-ইসলাম ওয়াত তাসয়ীর ওয়া নাহউহু আও হাওলা উজুরিল আকর - যিমনা আসারিল মুআল্লিমি (পৃষ্ঠা: ৮৯১)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌الإسلام والتسعير ونحوه

كثُر الضجيج من ارتفاع أجور العقار، وكتب بعض أهل العلم ما يفهم منه أن غلوّ المُلَّاك في زيادة الأجور عمل مذموم، فهو عنده إمّا حرام عليهم، وإمّا قريب منه.

فإن كان يراه حرامًا فالمنع من ارتكاب الحرام معلوم من الشرع بالضرورة.

وإن كان يراه دون ذلك إلا أنّه قريب منه، فلا ريب أنّه فاشٍ منتشرٌ عظيم الضرر، وما كان كذلك فلولي الأمر بل عليه منعُ الناس منه، وعليهم طاعته، قال الله تبارك وتعالى: {أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ} [سورة النساء: 58].

وفي الصحيحين(1) وغيرهما من حديث ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم: "السمعُ والطاعةُ على المرء المسلم فيما أحبَّ وكرِهَ، ما لم يُؤمَر بمعصية، فإذا أُمِر بمعصية فلا سمعَ ولا طاعةَ".

وفي الصحيحين(2) وغيرهما من حديث أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم أنّه قال: "من أطاعني فقد أطاع الله، ومن عصاني فقد عصى الله، ومن أطاع أميري فقد أطاعني، ومن عصى أميري فقد عصاني".

--------------------------------------------

(1) البخاري (7144) ومسلم (1839).

(2) البخاري (7137) ومسلم (1835).
পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে।

 

‌‌ইসলাম ও মূল্য নির্ধারণ এবং অনুরূপ বিষয়াবলি

আবাসন বা স্থাবর সম্পত্তির ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে ব্যাপক শোরগোল সৃষ্টি হয়েছে। কোনো কোনো আলেম এমন কিছু লিখেছেন যা থেকে এটিই প্রতীয়মান হয় যে, মালিকদের পক্ষ থেকে ভাড়ার মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি একটি নিন্দনীয় কাজ; তাঁর নিকট এটি হয় তাদের জন্য হারাম, নতুবা হারামের কাছাকাছি।

যদি তিনি একে হারাম মনে করেন, তবে হারাম কাজে লিপ্ত হওয়া থেকে বিরত রাখা বা বাধা প্রদান করার বিষয়টি শরয়ি বিধানে অকাট্যভাবে প্রমাণিত।

আর যদি তিনি একে হারামের চেয়ে কিছুটা কম কিন্তু হারামের কাছাকাছি মনে করেন, তবে এতে কোনো সন্দেহ নেই যে এটি একটি ব্যাপক ও বিস্তৃত এবং অত্যন্ত অনিষ্টকর বিষয়। আর বিষয়টি যখন এমন হয়, তখন শাসনকর্তার (উলুল আমর) ওপর দায়িত্ব হলো মানুষকে তা থেকে বিরত রাখা এবং জনগণের ওপর তাঁর আনুগত্য করা আবশ্যক। আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালা ইরশাদ করেছেন: {তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো, রাসুলের আনুগত্য করো এবং তোমাদের মধ্যকার উলুল আমরের আনুগত্য করো} [সুরা আন-নিসা: ৫৮]।

সহীহাইন(১) ও অন্যান্য গ্রন্থে ইবনে উমর থেকে বর্ণিত হাদিসে রয়েছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “একজন মুসলিম ব্যক্তির জন্য (নেতার আদেশ) শ্রবণ ও আনুগত্য করা আবশ্যক, চাই সে তা পছন্দ করুক বা অপছন্দ করুক, যতক্ষণ না তাকে পাপাচারের আদেশ দেওয়া হয়। আর যখন তাকে পাপাচারের আদেশ দেওয়া হয়, তখন আর কোনো শ্রবণ ও আনুগত্য নেই।”

সহীহাইন(২) ও অন্যান্য গ্রন্থে আবু হুরায়রা থেকে বর্ণিত হাদিসে রয়েছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: “যে ব্যক্তি আমার আনুগত্য করল, সে মূলত আল্লাহর আনুগত্য করল। আর যে আমার অবাধ্য হলো, সে মূলত আল্লাহর অবাধ্য হলো। যে আমার আমিরের আনুগত্য করল, সে আমার আনুগত্য করল। আর যে আমার আমিরের অবাধ্য হলো, সে আমার অবাধ্য হলো।”

--------------------------------------------

(১) বুখারি (৭১৪৪) ও মুসলিম (১৮৩৯)।

(২) বুখারি (৭১৩৭) ও মুসলিম (১৮৩৫)।
(খণ্ড: ১৭) আল-ইসলাম ওয়াত তাসয়ীর ওয়া নাহউহু আও হাওলা উজুরিল আকর - যিমনা আসারিল মুআল্লিমি (পৃষ্ঠা: ৮৯২)
فقد أوجب الله طاعة أولي الأمر كما أوجب طاعة الوالدين، ولا ريب أنّه لو لم يجب طاعة أولي الأمر والوالدين(1) إلا فيما كان واجبًا بنصّ الشرع، لما ظهرت لتخصيصهم فائدة، [ص 2] فإن ما كان واجبًا بنصّ الشرع فإنّه يجب طاعة كل آمرٍ به كائنًا من كان، ولو لم يجب طاعة ولي الأمر إلا فيما كان واجبًا بنص الشرع لاختلَّت المصالح وعمّ الفساد.

فأمّا قول الله تعالى عَقِبَ ما تقدم: {فَإِنْ تَنَازَعْتُمْ فِي شَيْءٍ فَرُدُّوهُ إِلَى اللَّهِ وَالرَّسُولِ}، فذلك كما بيّنه الحديث السابق فيما إذا أمر الأمير بعملٍ لا يراه معصية لله، والمأمور يرى أنّه معصية لله.

فأمّا ما يعترف المأمور أنّه ليس بمعصية لله، ولكنه يقول: لم ينص الشرع على وجوبه عليّ، فيكفي في دفعه أن يقال له: قد نصّ الشرع على وجوب طاعة أولي الأمر، ولم يعارض ذلك شيء.

وأمّا أحاديث التسعير فليس فيها نهي عنه، وإنّما فيها أنّ النّاس طلبوا من النبي صلى الله عليه وسلم أن يُسَعِّر فقال: "إنّ الله هو القابض الباسط الرازق المسعِّر، وإنّي لأرجو أن أَلْقَى الله عز وجل ولا يطلبني أحدٌ بمظلمةٍ ظلمتُها إياه في دمٍ ولا مال". فهذه واقعة حالٍ، وقوله صلى الله عليه وسلم : "إنّ الله هو القابض الباسط الرازق المسعِّر … " إنّما هو تعليل للامتناع عن التسعير في تلك الواقعة.

ويحتمل أن يكون غلاء السعر الذي حدث حينئذٍ لم يكن مصطنعًا، فكان التاجر يجلب المال من المواضع البعيدة غالبًا، فيزيد عليه المعروف، [ص 3] فلم يكن هناك مبرِّرٌ لإجباره بأن يبيع بخسارة أو بدون ربح. وهذا حقٌّ

--------------------------------------------

(1) في الأصل: "والواجبين" سهوًا.

নিশ্চয়ই আল্লাহ উলিল আমরের আনুগত্য করাকে ফরজ করেছেন যেমন তিনি পিতামাতার আনুগত্যকে ফরজ করেছেন। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, যদি উলিল আমর এবং পিতামাতার(১) আনুগত্য কেবল শরীয়তের স্পষ্ট বিধান (نص الشرع) দ্বারা যা ওয়াজিব হয়েছে তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকত, তবে তাদের বিশেষভাবে নির্দিষ্ট করার কোনো সার্থকতা প্রকাশ পেত না, [পৃষ্ঠা ২] কারণ যা শরীয়তের স্পষ্ট বিধান (نص الشرع) অনুযায়ী ওয়াজিব, সেক্ষেত্রে প্রত্যেক আদেশকারীর আদেশ পালন করা আবশ্যক, সে যেই হোক না কেন। আর যদি উলিল আমরের আনুগত্য কেবল শরীয়তের স্পষ্ট বিধান (نص الشرع) দ্বারা ওয়াজিব বিষয়গুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকত, তবে জনকল্যাণ বিঘ্নিত হতো এবং বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়তো।

পূর্বোক্ত আলোচনার পর মহান আল্লাহ তায়ালার বাণী: {অতঃপর যদি কোনো বিষয়ে তোমরা বিবাদে লিপ্ত হও, তবে তা আল্লাহ ও রাসূলের দিকে ফিরিয়ে দাও}, এর ব্যাখ্যা পূর্ববর্তী হাদিসে বর্ণিত হয়েছে; অর্থাৎ যখন আমির এমন কোনো কাজের নির্দেশ দেন যা তিনি আল্লাহর অবাধ্যতা মনে করেন না, কিন্তু আদিষ্ট ব্যক্তি সেটিকে আল্লাহর অবাধ্যতা মনে করে।

পক্ষান্তরে আদিষ্ট ব্যক্তি যা আল্লাহর অবাধ্যতা নয় বলে স্বীকার করে, কিন্তু সে বলে: শরীয়তের স্পষ্ট বিধানে (نص الشرع) এটি আমার ওপর ওয়াজিব করা হয়নি; তবে তার এই যুক্তি খণ্ডনে এটুকু বলাই যথেষ্ট যে: তাকে বলা হবে, শরীয়ত উলিল আমরের আনুগত্য করাকে ওয়াজিব হিসেবে স্পষ্ট উল্লেখ (نص) করেছে এবং এর বিপরীতে অন্য কোনো দলীল নেই।

আর মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত হাদিসসমূহে তা নিষিদ্ধ হওয়ার কোনো প্রমাণ নেই। বরং তাতে বর্ণিত হয়েছে যে, লোকজন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ হলেন মূল্য নিয়ন্ত্রণকারী, সংকুচিতকারী, প্রসারিতকারী ও রিযিকদাতা; আর আমি আশা করি যে, আমি মহান আল্লাহর সাথে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করব যেখানে জান বা মালের ব্যাপারে কেউ আমার বিরুদ্ধে কোনো জুলুমের দাবি উত্থাপন করবে না।" এটি হলো একটি বিশেষ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট (واقعة حال), আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: "নিশ্চয়ই আল্লাহ হলেন মূল্য নিয়ন্ত্রণকারী, সংকুচিতকারী, প্রসারিতকারী ও রিযিকদাতা..." মূলত সেই সুনির্দিষ্ট ঘটনার ক্ষেত্রে মূল্য নির্ধারণ থেকে বিরত থাকার কারণ দর্শানো।

আর এটিও সম্ভব যে, সে সময় দ্রব্যমূল্যের যে উর্ধ্বগতি হয়েছিল তা কৃত্রিম ছিল না। সাধারণত ব্যবসায়ীরা দূরদূরান্ত থেকে পণ্য নিয়ে আসতেন এবং তার ওপর ন্যায়সঙ্গত মুনাফা যোগ করতেন, [পৃষ্ঠা ৩] ফলে সেখানে তাকে লোকসানে বা মুনাফাহীন পণ্য বিক্রিতে বাধ্য করার কোনো যৌক্তিক কারণ ছিল না। আর এটিই সঠিক সিদ্ধান্ত।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে: অসতর্কতাবশত "ওয়াজিবাইন" লেখা হয়েছে।

(খণ্ড: ১৭) আল-ইসলাম ওয়াত তাসয়ীর ওয়া নাহউহু আও হাওলা উজুরিল আকর - যিমনা আসারিল মুআল্লিমি (পৃষ্ঠা: ৮৯৩)
لا غبارَ عليه، فليس للإمام أن يُسعِّر حتى يتبين له جَشَعُ التجار وتواطؤهم، وعدم قناعتهم بالربح بالمعروف، وتضرر الناس بذلك.

ولنفرضْ أنّ بلدًا من بلاد المسلمين حاصرها العدوّ، ولم يكن فيها طعام إلا عند رجلٍ واحدٍ، فأبى أن يبيع لأحدٍ منهم قوتَه إلا بجميع ما يملك في ذلك البلد وغيره، فيبيع ما قيمته درهم بمائة ألف درهم ونحوها، هل يمكِّنُه أمير الواقعة من ذلك؟

فإن تبيّن وجوبُ التسعير في هذه الواقعة مثلاً تبينَ أنّ امتناع النبي صلى الله عليه وسلم منه إنّما كان لأنّ الحال حينئذٍ لا تستدعيه.

وأحاديث النهي عن الاحتكار معروفة، ولم يعتذر عنها بشيء، إلا أنّ سعيد بن المسيّب لما روى الحديث عن معمر قيل له: إنّك تحتكر، فقال: كان معمر يحتكر.

والواجب في مثل هذا أن يُحمَل احتكار معمر وسعيد على وجهٍ غيرِ الوجه المنهي عنه؛ كأن يقال: إن التمر مثلاً يكثُر في الموسم، ويُعرَض للبيع، فيشتري أرباب البيوت وسائر الناس حاجتهم بحسب ما يتيسَّر لهم، وليس كل محتاج للقوت يستطيع أو يرغب أن يشتري قوتَ سنته دفعةً واحدة، فيبقى الأكثر يشتريه التجار، فشراء التاجر حينئذٍ وادخاره إلى أن يحتاج الناس إلى التمر لقُوْتِه، وحينئذٍ ترتفع الأسعار في الجملة، فيُخرِجه حينئذٍ للبيع= عَملٌ لا تظهر فيه مفسدة. بل لو مُنِع التجار من الشراء حينئذٍ لتضرر أهل النخل؛ لأنّ مصلحتهم تقضي بأن يبيعوا كثيرًا منه حينئذٍ ليقضُوا حاجاتهم الأخرى.
এতে কোনো সংশয় নেই, ইমামের (শাসকের) পক্ষে মূল্য নির্ধারণ (تسعير) করা ততক্ষণ পর্যন্ত সমীচীন নয়, যতক্ষণ না তাঁর কাছে ব্যবসায়ীদের লালসা, তাদের যোগসাজশ, ন্যায্য মুনাফায় তাদের অসন্তুষ্টি এবং এর ফলে জনগণের ক্ষতির বিষয়টি স্পষ্ট হয়।

ধরা যাক, কোনো মুসলিম দেশ শত্রু কর্তৃক অবরুদ্ধ হয়েছে এবং সেখানে কেবল একজন ব্যক্তির নিকটই খাদ্য সামগ্রী বিদ্যমান। সে তার খাবার কারো কাছে বিক্রি করতে অস্বীকার করল, যদি না ক্রেতা সেই দেশে বা তার বাইরে যা কিছু মালিকানাধীন আছে সব দিয়ে দেয়। অর্থাৎ, সে এক দিরহাম মূল্যের জিনিস এক লক্ষ দিরহাম বা এই জাতীয় মূল্যে বিক্রি করতে চায়; তবে সমসাময়িক আমীর কি তাকে তা করার অনুমতি দেবেন?

উদাহরণস্বরূপ, এই পরিস্থিতিতে যদি মূল্য নির্ধারণ (تسعير) ওয়াজিব (واجب) হওয়া স্পষ্ট হয়, তবে এটিও স্পষ্ট হয় যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এ থেকে বিরত থাকা কেবল এই কারণেই ছিল যে তখনকার পরিস্থিতি এর দাবি রাখত না।

মজুদদারি (احتكار) নিষিদ্ধ সংক্রান্ত হাদিসগুলো সুবিদিত এবং এ বিষয়ে কোনো ওজর পেশ করা হয়নি। তবে সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব যখন মা'মার থেকে হাদিসটি বর্ণনা করেন, তখন তাঁকে বলা হয়েছিল: "নিশ্চয়ই আপনি মজুদদারি (احتكار) করেন।" তখন তিনি বলেছিলেন: "মা'মারও মজুদদারি (احتكار) করতেন।"

এ জাতীয় ক্ষেত্রে কর্তব্য হলো মা'মার ও সাঈদের মজুদদারিকে (احتكار) এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যা নিষিদ্ধ পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত নয়; যেমন বলা যেতে পারে: খেজুর মৌসুমে প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হয় এবং বিক্রির জন্য পেশ করা হয়, তখন গৃহকর্তা ও অন্যান্য সাধারণ মানুষ তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী প্রয়োজনমতো তা ক্রয় করে। কিন্তু খাবারের প্রয়োজন রয়েছে এমন প্রত্যেকেই একবারে পুরো বছরের খাদ্য ক্রয় করতে সক্ষম হয় না বা পছন্দও করে না। ফলে অধিকাংশ পণ্য ব্যবসায়ীরাই ক্রয় করেন। এমতাবস্থায় ব্যবসায়ীদের পণ্য কেনা এবং মানুষের খাবারের জন্য প্রয়োজন না হওয়া পর্যন্ত তা জমা করে রাখা, অতঃপর যখন সামগ্রিকভাবে দাম বৃদ্ধি পায় তখন তা বিক্রির জন্য বাজারে আনা—এমন একটি কাজ যাতে কোনো অনিষ্ট (مفسدة) প্রকাশ পায় না। বরং সেই সময় যদি ব্যবসায়ীদের ক্রয় করা থেকে বিরত রাখা হতো, তবে খেজুর বাগানের মালিকগণ ক্ষতিগ্রস্ত হতেন; কারণ তাদের কল্যাণ (مصلحة) একথাই দাবি করে যে, তারা যেন সেই সময়ে অধিক পরিমাণে পণ্য বিক্রি করতে পারে যাতে তাদের অন্যান্য প্রয়োজন পূরণ হয়।
(খণ্ড: ১৭) আল-ইসলাম ওয়াত তাসয়ীর ওয়া নাহউহু আও হাওলা উজুরিল আকর - যিমনা আসারিল মুআল্লিমি (পৃষ্ঠা: ৮৯৪)
فهذا ــ والله أعلم ــ هو الذي كان يقع من معمر وسعيد، وكان سعيد يتّجر في الزيت، والزيت يُجلب بكثرة في موسم معين من السنة، ويكون حال جالبيه كحال أرباب النخل في بيع التمر سواء.

وإذا كان هذا محتملاً في فعل الصحابي والتابعي الذي يوجبه حسن الظن بهما، بل هو الظاهر بل هو الواقع إن شاء الله، فكيف يُترك لأجله العملُ بالحديث البتة؟
এটিই—আল্লাহই সর্বজ্ঞ—মা’মার এবং সাঈদের ক্ষেত্রে যা ঘটত; সাঈদ তেলের ব্যবসা করতেন এবং বছরের একটি নির্দিষ্ট মৌসুমে প্রচুর পরিমাণে তেল আনা হতো। তখন যারা এগুলো নিয়ে আসত, তাদের অবস্থা খেজুর বিক্রির ক্ষেত্রে খেজুর বাগানের মালিকদের অবস্থার অনুরূপ ছিল।

যদি সাহাবী (صحابي) এবং তাবেয়ী (تابعي)-র কর্মের ক্ষেত্রে এমন ব্যাখ্যা সম্ভবপর হয় যা তাঁদের প্রতি সুধারণা পোষণ করাকে আবশ্যক করে—বরং এটিই প্রকাশ্য এবং আল্লাহর ইচ্ছায় এটিই বাস্তব—তবে কেন এর কারণে হাদিসের ওপর আমল করা সম্পূর্ণরূপে বর্জন করা হবে?
(খণ্ড: ১৭) আল-ইসলাম ওয়াত তাসয়ীর ওয়া নাহউহু আও হাওলা উজুরিল আকর - যিমনা আসারিল মুআল্লিমি (পৃষ্ঠা: ৮৯৫)
بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌حول أجور العقار

كثر الضجيج هذه الأيام من ارتفاع أجور العقار، وكتب في ذلك فضيلة الشيخ عبد الله الخياط وغيره، والقضيةُ وما يشبهها مفتقرة إلى تحقيق علمي مُشْبِع لا أزعم أنّي أهلٌ له، ولكنني سأحاول كتابة ما عسى أن يكون حافزًا لمن هو أهل له على النظر في القضية وفَصْلِ القول فيها.

يقول أرباب العقار: هذه أموالنا، لا يحلُّ شيء منها لغير مالكه إلا بطيبةٍ من نفسه، كما ثبت ذلك بالنصوص الشرعية القطعية ــ وقد ذكر فضيلة الشيخ عبد الله الخياط بعضها ــ ولا تَطِيب أنفسُنا بأن نؤجرها إلا بأجرة نرضاها، وليس في الشرع ما يوجب علينا أن لا نزيد على مقدار معين.

فيقال لهم: قد قال الله تبارك وتعالى: {إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ إِخْوَةٌ} [الحجرات: 10]، وقال النبي صلى الله عليه وسلم: "لا يُؤمِن أحدُكم حتى يُحِبَّ لأخيه ما يُحِبُّه لنفسه"(1)، وقال صلى الله عليه وسلم: "مَثَلُ المؤمنين … "(2)، مع ما ذكر فضيلة الشيخ عبد الله الخياط من أدلة الحثِّ على الفضل والرحمة.

فيقول أرباب العقار: إنّنا نُؤاخِي المستأجرين بقدر ما يُؤاخوننا، ونُحِبُّ

--------------------------------------------

(1) أخرجه البخاري (13) ومسلم (45) من حديث أنس بن مالك.

(2) بياض بالأصل، وتتمة الحديث ــ وهو مشهور ــ: "في توادِّهم وتراحُمِهم وتعاطُفهم مثل الجسد، إذا اشتكى منه عضوٌ تداعى له سائر الجسد بالسَّهَر والحمَّى". أخرجه البخاري (6011) ومسلم (2586) من حديث النعمان بن بشير.
بسم الله الرحمن الرحيم

 

‌‌স্থাবর সম্পত্তির ভাড়ার বিষয়ে

বর্তমান সময়ে স্থাবর সম্পত্তির ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে ব্যাপক শোরগোল চলছে। এ বিষয়ে মাননীয় শায়খ আব্দুল্লাহ আল-খায়্যত এবং অন্যান্যরা লিখেছেন। এই বিষয়টি এবং এর অনুরূপ বিষয়গুলো একটি পরিপূর্ণ ও সন্তোষজনক তাত্ত্বিক গবেষণার দাবি রাখে, যার যোগ্যতা আমার আছে বলে আমি দাবি করি না। তবে আমি এমন কিছু লেখার চেষ্টা করব যা সম্ভবত এই বিষয়ের যোগ্য ব্যক্তিদের এই সমস্যার প্রতি দৃষ্টিপাত করতে এবং এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদানে উৎসাহ জোগাবে।

স্থাবর সম্পত্তির মালিকরা বলেন: এগুলো আমাদের সম্পদ; মালিকের স্বতঃস্ফূর্ত সম্মতি ব্যতীত অন্য কারও জন্য এর কোনো অংশই বৈধ নয়, যেমনটি অকাট্য (قطعي) শরয়ি দলিলসমূহের মাধ্যমে প্রমাণিত—মাননীয় শায়খ আব্দুল্লাহ আল-খায়্যত যার কিছু অংশ উল্লেখ করেছেন—আর আমাদের সন্তুষ্টির ভিত্তিতে নির্ধারিত ভাড়া ছাড়া এগুলো ভাড়া দিতে আমরা ইচ্ছুক নই। শরিয়তে এমন কোনো বিধান নেই যা আমাদের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি ভাড়া বৃদ্ধি না করতে বাধ্য করে।

তাদের উদ্দেশ্যে বলা হবে: আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তায়ালা বলেছেন: {নিশ্চয়ই মুমিনরা একে অপরের ভাই} [আল-হুজুরাত: ১০], আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য তা-ই পছন্দ করে যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে"(১)। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেছেন: "মুমিনদের উদাহরণ..."(২); এর সাথে মাননীয় শায়খ আব্দুল্লাহ আল-খায়্যত অনুগ্রহ এবং দয়া প্রদর্শনে উৎসাহিত করার দলিলসমূহ উল্লেখ করেছেন।

অতঃপর সম্পত্তির মালিকরা বলেন: ভাড়াটিয়ারা আমাদের সাথে যতটুকু ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখে আমরাও তাদের সাথে ততটুকুই ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখি, এবং আমরা পছন্দ করি...

--------------------------------------------

(১) বুখারি (১৩) ও মুসলিম (৪৫) আনাস ইবনে মালিকের হাদিস থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।

(২) মূল পাণ্ডুলিপিতে এখানে শূন্যস্থান রয়েছে, আর হাদিসটির অবশিষ্টাংশ—যা প্রসিদ্ধ (مشهور)—হলো: "পারস্পরিক ভালোবাসা, দয়া ও সহমর্মিতার ক্ষেত্রে মুমিনদের উদাহরণ একটি দেহের মতো; যখন দেহের কোনো একটি অঙ্গ ব্যথিত হয়, তখন পুরো দেহ অনিদ্রা ও জ্বরে আক্রান্ত হয়ে তার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে।" বুখারি (৬০১১) ও মুসলিম (২৫৮৬) এটি নুমান ইবনে বশিরের হাদিস থেকে এটি বর্ণনা করেছেন।
(খণ্ড: ১৭) আল-ইসলাম ওয়াত তাসয়ীর ওয়া নাহউহু আও হাওলা উজুরিল আকর - যিমনা আসারিল মুআল্লিমি (পৃষ্ঠা: ৮৯৬)
لهم ما يحبُّونه لنا، ونَعطِف عليهم بقدر ما يَعطِفون علينا، ونُفضِل عليهم بمثل ما يُفضِلون علينا لو كانوا مكاننا، ونَرحَمهم بقدر ما يرحموننا، ونحن واثقون أنّهم لو كانوا أرباب الدور وكنّا المستأجرين لعاملونا بمثل ما نعاملهم به الآن على الأقل.

أرأيتَ قبل أن تعلن الحكومة حرية العقار، أليس قد كان النقص والحيف نال الملَّاك باعتراف الشاكِين الآن؟ فهل حاسبَ المستأجرون أنفسَهم، فزادوا ما يرون أنّ العقارات تستحقّه؟

هيهات! بل عارضوا ما ارتأته الحكومة من إعلان حرية العقار أشدّ المعارضة. هذا، مع أنّ حقّنا حقٌّ يُحتِّمه الشرع، وما يزعمونه من حقٍّ غايته أن يكون مرغَّبًا فيه. وقد قال فضيلة الشيخ عبد الله الخياط: .......(1) [ص 2] فهذا هو الحقُّ الذي لا مَحِيدَ منه.

هذا، ومنّا فقراء وأراملُ لا مورد لهم إلا ذاك البيت أو الدكان، ولعلهم لو زادوا ما زادوا ما كفاهم، فكيف يُطلَب منهم الفضل والإيثار؟ ومنّا من له ثروةٌ لا بأس بها، ولكنّه يرى أنّ للصدقة مواضعَ هي أحقُّ بها من تخفيض كراء داره. ومنّا ومنّا … ، فمن عسى أن يكون أحكمَ من الشريعة التي تركت الأمر إلى الملَّاك، واكتفت بالترغيب، ووكَّلت كلَّ أحدٍ إلى نفسه، وهو أعرفُ بها من سائر الناس.

--------------------------------------------

(1) بياض في الأصل.
তাদের জন্য আমাদের কাছে তা-ই রয়েছে যা তারা আমাদের জন্য পছন্দ করে। আমরা তাদের প্রতি ততটুকুই সদয় হই যতটুকু তারা আমাদের প্রতি সদয় হয়। তারা আমাদের অবস্থানে থাকলে আমাদের প্রতি যেমনটি অনুগ্রহ প্রদর্শন করত, আমরাও তাদের প্রতি তদ্রূপ অনুগ্রহ করি। আমরা তাদের প্রতি তদ্রূপ করুণা করি যেমন তারা আমাদের প্রতি করে। আমরা নিশ্চিত যে, তারা যদি গৃহের মালিক হতো আর আমরা ভাড়াটিয়া হতাম, তবে বর্তমানে আমরা তাদের সাথে যেমন আচরণ করছি, অন্ততপক্ষে তারাও আমাদের সাথে তেমনই আচরণ করত।

আপনি কি লক্ষ্য করেছেন যে, সরকার স্থাবর সম্পত্তির স্বাধীনতা (ভাড়ার নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণ) ঘোষণা করার পূর্বে বর্তমানে যারা অভিযোগ করছে তাদের স্বীকারোক্তি মতেই মালিকপক্ষ লোকসান ও অবিচারের শিকার হয়েছিল? তবে কি ভাড়াটিয়ারা নিজেদের হিসাব গ্রহণ করেছিল এবং স্থাবর সম্পত্তি যতটুকু ভাড়া পাওয়ার যোগ্য বলে তারা মনে করত, ততটুকু বাড়িয়ে দিয়েছিল?

অসম্ভব! বরং তারা সরকার কর্তৃক স্থাবর সম্পত্তির স্বাধীনতা ঘোষণার সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছিল। অথচ আমাদের অধিকার এমন এক অধিকার যা শরিয়ত কর্তৃক অবধারিত (يُحتِّمه); আর তারা যে অধিকারের দাবি করে তার সর্বোচ্চ পর্যায় হলো তা উৎসাহিত (مرغَّبًا فيه) হওয়ার স্তরে থাকা। ফযীলাতুশ শায়খ আব্দুল্লাহ আল-খাইয়াত বলেছেন: .......(১) [পৃষ্ঠা ২] এটিই সেই সত্য যা থেকে বিচ্যুত হওয়ার কোনো পথ নেই।

তদুপরি আমাদের মধ্যে এমন অনেক অভাবী ও বিধবা রয়েছেন যাদের আয়ের উৎস কেবল সেই ঘর বা দোকানটি। সম্ভবত তারা যতটুকু বৃদ্ধি করার ছিল ততটুকু করলেও তা তাদের জন্য পর্যাপ্ত হতো না; এমতাবস্থায় তাদের কাছে কীভাবে অনুগ্রহ ও ত্যাগের প্রত্যাশা করা যায়? আবার আমাদের মধ্যে এমন ব্যক্তিও আছেন যার মোটামুটি সম্পদ রয়েছে, কিন্তু তিনি মনে করেন যে, নিজ গৃহের ভাড়া কমানোর চেয়ে সদকা বা দান করার জন্য অন্যান্য ক্ষেত্রগুলো অধিকতর উপযুক্ত। আমাদের মধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষ রয়েছে... সুতরাং শরিয়তের চেয়ে প্রজ্ঞাবান আর কে হতে পারে যা বিষয়টি মালিকদের ইখতিয়ারে ছেড়ে দিয়েছে এবং কেবল উৎসাহিতকরণের (ترغيب) ওপর ক্ষান্ত হয়েছে, আর প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার নিজ বিবেকের ওপর ন্যস্ত করেছে; কেননা সে অন্য মানুষের চেয়ে নিজের অবস্থা সম্পর্কে সম্যক পরিজ্ঞাত।

--------------------------------------------

(১) মূল পাণ্ডুলিপিতে এই স্থানটি শূন্য।