(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: -)
العقود المضافة إلى مثلها القسم: مسائل فقهية
الكتاب: العقود المضافة إلى مثلها
المؤلف: عبد الله بن عمر بن حسين بن طاهر
الناشر: دار كنوز إشبيليا للنشر والتوزيع - الرياض
الطبعة: الأولى، 1434هـ - 2013 م
عدد الصفحات: 314
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]
تاريخ النشر بالشاملة: 28 جُمادَى الآخرة 1436
আল-উকুদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা বিভাগ: ফিকহী মাসআলাসমূহ
গ্রন্থ: আল-উকুদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
লেখক: আবদুল্লাহ বিন উমর বিন হুসাইন বিন তাহির
প্রকাশক: দার কুনুয ইশবিলিয়া পাবলিশিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন - রিয়াদ
সংস্করণ: প্রথম, ১৪৩৪ হিজরি - ২০১৩ খ্রিস্টাব্দ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৩১৪
[গ্রন্থের পৃষ্ঠা নম্বর মুদ্রণ কপির অনুরূপ]
শামেলা-তে প্রকাশের তারিখ: ২৮ জুমাদাল আখিরাহ ১৪৩৬
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ৩)
تقديم
الحمد لله رب العالمين، والصلاة والسلام على أشرف الأنبياء والمرسلين، أمابعد
فإن الشيخ الأخ عبد الله بن عمر بن طاهر أحد من أكثر القراءة عليّ في فنون مختلفة، ما يقارب العشر سنوات، وقد درسته في ثلاث مستويات، في كلية الشريعة، كما درسته في المعهد العالي للقضاء، كما تدارست معه في المسجد في عدد من المتون، كفتاوى شيخ الإسلام ابن تيميّة، وقواعد ابن رجب، وغيرهما، وقد عرفت عنه عددًا من الصفات الجميلة، من أهمها: حرصه الشديد على التعلم والتعليم، وجودة فهمه، وحسن معتقده وخلقه وسؤاله وأدبه وسمته، كما أشرف على طبع شرحي على المنظومة السعدية في القواعد الفقهية، والتي نظمها الشيخ عبد الرحمن السعدي رحمه الله.
وقد رغب مني أن أقدم لرسالته في الماجستير، وعنوانها (العقود المضافة إلى مثلها)، فقرأت أولها، وتصفَّحت بعض معلوماتها؛ ولذا فإني مرتاح لطبع هذه الرسالة.
والله أعلم، وصلى الله على نبينا محمد وعلى آله وصحبه وسلم.
كتبه
سعد بن ناصر الشثري
12/ 11/1432
ভূমিকা
সমস্ত প্রশংসা বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য, এবং দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক নবী ও রাসূলগণের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠের ওপর। অতপর:
নিশ্চয়ই সম্মানিত ভাই শায়খ আবদুল্লাহ বিন উমর বিন তাহের সেই ব্যক্তিদের একজন যারা প্রায় দশ বছর যাবত আমার নিকট বিভিন্ন বিষয়ে সর্বাধিক পাঠ করেছেন। আমি তাঁকে শরীয়াহ অনুষদে তিনটি স্তরে পাঠদান করেছি, তেমনি উচ্চতর বিচার বিভাগীয় ইনস্টিটিউটেও তাঁকে পড়িয়েছি। এছাড়াও আমি মসজিদে তাঁর সাথে বেশ কিছু মূল পাঠ্যগ্রন্থের (মুতুন) পাঠ পর্যালোচনা করেছি, যেমন শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহর ফাতাওয়া, ইবনে রজবের কাওয়ায়েদ এবং অন্যান্য। আমি তাঁর মধ্যে অনেকগুলো উত্তম গুণের পরিচয় পেয়েছি, যার মধ্যে অন্যতম হলো: জ্ঞান অর্জন ও বিতরণের প্রতি তাঁর প্রবল আগ্রহ, প্রখর বোধশক্তি, তাঁর আকিদাহর বিশুদ্ধতা, উন্নত চরিত্র, সুন্দর প্রশ্ন করার ভঙ্গি, শিষ্টাচার এবং গাম্ভীর্য। এছাড়া তিনি ফিকহী মূলনীতির ওপর রচিত 'আল-মানযুমাহ আস-সাদিয়্যাহ'র ওপর আমার করা ব্যাখ্যার মুদ্রণ কাজ তদারকি করেছেন, যা শায়খ আবদুর রহমান আস-সাদী (রহিমাহুল্লাহ) রচনা করেছেন।
তিনি আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন যে আমি যেন তাঁর মাস্টার্স অভিসন্দর্ভের একটি ভূমিকা লিখে দেই, যার শিরোনাম হলো 'আল-উকুদ আল-মুদাফাহ ইলা মিসলিহা' (সদৃশ চুক্তির সাথে সম্বন্ধযুক্ত চুক্তি)। আমি এর শুরুর অংশ পাঠ করেছি এবং এর কিছু তথ্যাদি পর্যালোচনা করেছি; তাই আমি এই অভিসন্দর্ভটি প্রকাশের ব্যাপারে সন্তোষ প্রকাশ করছি।
আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ। আল্লাহ আমাদের নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীদের ওপর দরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন।
লিখেছেন
সাদ বিন নাসের আশ-শাথরী
১২/ ১১/ ১৪৩২ হিজরী
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ৫)
مقدمة
اللهم لك الحمد السَّرمد، الذي لا يحصيه العدد، ولا يبلغه الأمد، حمدًا كما ينبغي أن تحمد، أنت له أهل، وهو علينا حق، اللهم صلِّ على محمد وعلى آل محمد كما صليت على إبراهيم وعلى آل إبراهيم إنك حميد مجيد، اللهم بارك على محمد وعلى آل محمد كما باركت على إبراهيم وعلى آل إبراهيم إنك حميد، أمَّا بعد.
فقد خصّ الله سبحانه وتعالى هذه الأمة ممتنًا عليها بأن أنزل عليها أفضل كتبه، وأرسل إليها خاتم رسله وسيد خلقه، وشرع لها أكمل شريعة لا يشذُّ فعلٌ عن حكمها، وجعلها بين غلو الغالين وتفريط المفرطين، إنه حكيم عليم، ومما مَنّ به علي أن وفقني للالتحاق بالمعهد العالي للقضاء لدراسة المرحلة العليا (الماجستير)، وله الحمد والمنة، وقد اخترت هذا الموضوع ليكون بحثًا تكميليًا لهذه المرحلة، راجيًا منه سبحانه وتعالى أنه يكون عملًا مقبولًا وأن يعين -بفضله ورحمته- على تمامه كما وفق لاختياره، وذلك في الفصل الدراسي الثاني من العام الجامعي 1430 - 1431، بإشراف الشيخ د. أحمد بن عبد الرحمن آل الشيخ، وعنوان البحث (العقود المضافة إلى مثلها) (1)، ومرادي من ذلك جمع ودراسة المسائل الفقهية المتعلقة بالعقود التي أضيف فيها العقد إلى عقدٍ آخر من جنسه ونوعه وإن خالف عينه، كمضاربة المضارب وإعارة المعار وإجارة المؤْجَر، وهذه الإضافات تأتي على ثلاثة أضرب:
الأول: إضافة المصدر لفاعله، وذلك نحو توكيل الوكيل، أي أن يوكل الوكيلُ غيرَه، وربما تكون التسمية بما هو أشهر، فتأمين المؤمِّن أشهر منه: إعادة التأمين.
الثاني: إضافة المصدر إلى مفعوله، ومثاله بيع المبيع ورهن المرهون، والمراد أن تُرهَن العين المرهونة مرة أخرى.
الثالث: إضافة المصدر إلى نفسه، وهذا راجع لأحد الضربين السالفين، كمبحث إقالة الإقالة والجعالة على الجعالة.
وهذا المعنى الجامع لمباحث البحث لا يستلزم اتحادَها في الحكم، شأنه في ذلك شأن سائر الدراسات العلمية المبنية على السبر والفحص وجمع الأشباه والنظائر، فلا يلزم أن تتفق حكمًا، بعد أن تنتظم في عقد واحد اسمًا ورسمًا.
واجتمع لي -ولله الحمد- بعد استقراء عددٍ من المطولات جملة صالحة للبحث، وقد قمت ببعض التعديلات والإضافات بعد تسليم البحث ونيل الدرجة بحمد الله تعالى.
--------------------------------------------
ভূমিকা
হে আল্লাহ, আপনার জন্যই শাশ্বত প্রশংসা, যা গণনায় সীমাবদ্ধ করা যায় না এবং যা সময় দ্বারা শেষ হয় না; এমন প্রশংসা যা আপনার শান অনুযায়ী আপনার প্রাপ্য, আপনিই এর যোগ্য এবং এটি আমাদের ওপর অর্পিত হক। হে আল্লাহ, আপনি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করুন, যেমন আপনি ইবরাহিম ও ইবরাহিমের পরিবারের ওপর রহমত বর্ষণ করেছেন, নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত ও মহিমান্বিত। হে আল্লাহ, আপনি মুহাম্মাদ ও মুহাম্মাদের পরিবারের ওপর বরকত দান করুন, যেমন আপনি ইবরাহিম ও ইবরাহিমের পরিবারের ওপর বরকত দান করেছেন, নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত। অতঃপর:
নিশ্চয়ই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা এই উম্মতকে বিশেষ অনুগ্রহ দান করেছেন যে, তিনি তাদের ওপর তাঁর শ্রেষ্ঠ কিতাব অবতীর্ণ করেছেন, তাদের কাছে তাঁর সর্বশেষ রাসূল ও সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ সত্তাকে পাঠিয়েছেন এবং তাদের জন্য এমন এক পূর্ণাঙ্গ শরীয়ত প্রবর্তন করেছেন যার বিধানের বাইরে কোনো কাজই পড়ে না। তিনি একে সীমালঙ্ঘনকারী ও শৈথিল্য প্রদর্শনকারীদের মধ্যস্থলে রেখেছেন; নিশ্চয়ই তিনি প্রজ্ঞাময় ও সর্বজ্ঞ। আমার প্রতি তাঁর অন্যতম অনুগ্রহ হলো যে, তিনি আমাকে উচ্চশিক্ষার (মাস্টার্স) স্তরে পড়াশোনার জন্য ‘আল-মা'হাদুল আলি লিল-কাদা’ (বিচার বিভাগীয় উচ্চতর ইনস্টিটিউট)-এ ভর্তির তাওফিক দিয়েছেন; তাঁরই সকল প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা। আমি এই বিষয়টি নির্বাচন করেছি যাতে এটি এই স্তরের একটি সম্পূরক গবেষণা হতে পারে, তাঁর কাছেই আশা রাখছি যেন এটি একটি কবুলযোগ্য আমল হয় এবং যেন তিনি তাঁর অনুগ্রহ ও রহমতে এটি সম্পন্ন করতে সাহায্য করেন, যেমনটি তিনি এটি নির্বাচনে তাওফিক দিয়েছেন। এটি ১৪৩০-১৪৩১ হিজরি শিক্ষাবর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারে শাইখ ড. আহমাদ বিন আব্দুর রহমান আল-শাইখের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়েছে। গবেষণার শিরোনাম হলো: "একই ধরণের বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট চুক্তি" (১)। এর মাধ্যমে আমার উদ্দেশ্য হলো সেই সকল ফিকহি মাসআলা সংগ্রহ ও অধ্যয়ন করা, যেখানে একটি চুক্তিকে তার সমজাতীয় ও সমগোত্রীয় অন্য একটি চুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট করা হয়েছে, যদিও তার মূল সত্তা ভিন্ন হতে পারে। যেমন: মুদারিবের পক্ষ থেকে মুদারাবাহ (উপ-মুদারাবাহ), ঋণগ্রহীতার পক্ষ থেকে ঋণ প্রদান (উপ-ঋণ) এবং ভাড়াটিয়ার পক্ষ থেকে ইজারা প্রদান (উপ-ইজারা)। এই সংশ্লিষ্টতাগুলো তিন প্রকারের হয়ে থাকে:
প্রথমত: কর্মবাচক শব্দের (মাসদার) সম্বন্ধ তার কর্তার (ফায়েল) দিকে হওয়া। যেমন: উকিলের পক্ষ থেকে উকিল নিয়োগ (সাব-এজেন্সি), অর্থাৎ একজন উকিল কর্তৃক অন্য একজনকে উকিল নিয়োগ করা। কখনো কখনো বিষয়টি অধিক প্রসিদ্ধ নামেও হতে পারে, যেমন বীমাকারীর বীমার চেয়ে 'পুনঃবীমা' (রি-ইনস্যুরেন্স) অধিক প্রসিদ্ধ।
দ্বিতীয়ত: কর্মবাচক শব্দের (মাসদার) সম্বন্ধ তার কর্মের (মাফউল) দিকে হওয়া। এর উদাহরণ হলো বিক্রিত পণ্য বিক্রয় করা এবং বন্ধকী বস্তু পুনরায় বন্ধক রাখা। এর উদ্দেশ্য হলো বন্ধকী বস্তুকে পুনরায় অন্য কোথাও বন্ধক রাখা।
তৃতীয়ত: কর্মবাচক শব্দের (মাসদার) সম্বন্ধ তার নিজের দিকেই হওয়া। এটি পূর্বোক্ত দুই প্রকারের যেকোনো একটির দিকে ফিরে যায়। যেমন: ইকালাহ বা চুক্তি বাতিলের ওপর পুনরায় ইকালাহ করা এবং জুআলার ওপর পুনরায় জুআলা নির্ধারণ করার আলোচনা।
গবেষণার এই আলোচ্য বিষয়সমূহের একত্রীকরণের অর্থ এই নয় যে, এগুলোর হুকুম বা বিধান অভিন্ন হবে। বরং অন্যান্য বৈজ্ঞানিক গবেষণার ন্যায় এটিও পর্যবেক্ষণ, পরীক্ষা এবং সদৃশ ও সমরূপ বিষয়সমূহ একত্রিত করার ওপর ভিত্তি করে রচিত। সুতরাং নাম ও অবয়বের দিক থেকে একসূত্রে গাঁথা হলেও এদের বিধান এক হওয়া আবশ্যক নয়।
আল্লাহর প্রশংসায়, আমি বেশ কিছু বিশদ গ্রন্থ পর্যালোচনার পর গবেষণার জন্য একটি সন্তোষজনক সংগ্রহ লাভ করেছি। গবেষণাটি জমা দেওয়ার পর এবং আল্লাহর অশেষ মেহেরবাণীতে ডিগ্রি অর্জনের পর আমি এতে কিছু পরিমার্জন ও সংযোজন করেছি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ৬)
أهمية الموضوع وأسباب اختياره
تظهر أهمية الموضوع وأسباب اختياره في النقاط الآتية:
1 - الانتشار، فإن هذه العقود يتعامل بها كثيرٌ من الأشخاص: الأفراد والاعتباريين، والثاني أكثر، واعتبر ذلك بأمثلة، وهي: استصناع الصانع، (الاستصناع الموازي) وكذلك مقاولة المقاول (المقاولة بالباطن) وكذلك مضاربة المضارب، فإن كثيرًا من العقود الكبيرة -التي يكون فيها العمل كثيرًا والتكلفة باهظة وتستدعي كفاءات متنوعة- ترسى في مناقصة ما -مثلًا- على جهة تقوم بدورها بإبرام عقود مع جهات أخرى؛ لإنجاز العمل المتفق عليه، فهذا وأمثاله -وما هو أقل منه من صور العقود الفورية- يُعدُّ من المعاملات المنتشرة في العصر الحاضر، مما يحتاج إلى جمع ودراسة وتحرير.
2 - الحاجة لجمع ودراسة هذه الصور من العقود، والتوصل لحكمها من خلال العرض المنهجي والأسلوب العلمي؛ لتكميل الجهود العلمية الأخرى المتعلقة ببعض جوانب البحث.
3 - اشتمال البحث على موضوعات عصرية ومسائل حديثة وقضايا مستجدة هي من قبيل النوازل الفقهية، والمساهمة بما يمكن أن يفيد في النظر والعمل بهذه النوازل، من ضوابط أو شروط أو إثراءات علمية.
4 - أنني لم أجد بحثًا يجمع هذه المسائل كلها، ويخصها بالبحث، مما يدعو للقيام بذلك، ومن جانب آخر: دعوة الباحثين في جميع التخصصات لمثل ذلك في ما يتعلق بفنونهم، فقد وجدت أثناء استقرائي مسائل من هذا القبيل، لكنها ليست محلًا لدراستي؛ لأنها ليست من العقود، مثل: السهو في سجود السهو، الشهادة على الشهادة، والسرقة من السارق، والغصب من الغاصب، وقتل القاتل بلا ولاية دم، والإكراه على الإكراه، والاستثناء من الاستثناء في باب الإقرار، والخِطبة على خطبة أخيه، والسوم على سومه، والمسألة السريجية، وهي من مسائل تعليق الطلاق على الطلاق، وكذلك في أصول الفقه: تقليد المقلد، والقياس على ما ثبت بالقياس، ومثلها في القواعد الفقهية: المشغول لا يشغل، وغيرها، وفي الفرائض توريث الغرقى والهدمى والمناسخات، وفي السنة الإجازة بالمجاز، وفي العربية مانع المانع من الإمالة، وعدم تكبير المكبَّر أو تصغير المصغَّر أو تعريف المعرَّف، ونحوه مما ينبه هذا البحث على مثله.
5 - ظهور ألقاب جديدة، لم تكن معروفة في الزمان الأول، لعقود معروفة لديهم حقيقةً وحكمًا، كالسلم الموازي.
বিষয়ের গুরুত্ব এবং এটি নির্বাচনের কারণসমূহ
বিষয়ের গুরুত্ব এবং এটি নির্বাচনের কারণসমূহ নিম্নোক্ত পয়েন্টগুলোর মাধ্যমে প্রকাশ পায়:
১ - ব্যাপকতা; কেননা অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এই ধরনের চুক্তিসমূহের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকে: সাধারণ ব্যক্তি এবং আইনি সত্তা উভয়ই, তবে দ্বিতীয়টির (আইনি সত্তা) ক্ষেত্রে এটি অধিক। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়: কারিগরের ইস্তিসনা (সমান্তরাল ইস্তিসনা), একইভাবে ঠিকাদারের ঠিকাদারি (উপ-ঠিকাদারি), এবং মুদারিবের মুদারাবা। অনেক বড় বড় চুক্তি—যাতে কাজের পরিমাণ অনেক বেশি এবং ব্যয়ও অত্যধিক, আর যেখানে বহুমুখী দক্ষতার প্রয়োজন হয়—সেগুলো সাধারণত কোনো টেন্ডারের মাধ্যমে এমন কোনো পক্ষের ওপর ন্যস্ত করা হয় যারা পুনরায় অন্য পক্ষগুলোর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় ওই নির্ধারিত কাজটি সম্পন্ন করার জন্য। এটি এবং এর অনুরূপ বিষয়সমূহ—আর এর চেয়ে ছোট আকারের তাৎক্ষণিক চুক্তির রূপগুলো—বর্তমান যুগে বহুল প্রচলিত লেনদেনের অন্তর্ভুক্ত, যা সংগ্রহ, অধ্যয়ন ও সুবিন্যস্ত করার প্রয়োজনীয়তা রাখে।
২ - চুক্তির এই রূপগুলো সংগ্রহ ও অধ্যয়ন করার প্রয়োজনীয়তা, এবং পদ্ধতিগত উপস্থাপন ও বৈজ্ঞানিক শৈলীর মাধ্যমে এর বিধান নির্ণয় করা; যাতে গবেষণার অন্যান্য দিকের সাথে সংশ্লিষ্ট জ্ঞানতাত্ত্বিক প্রচেষ্টাসমূহ পূর্ণতা পায়।
৩ - এই গবেষণায় সমকালীন বিষয়সমূহ, আধুনিক মাসয়ালা এবং নতুন উদ্ভূত ঘটনাবলী অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যা ফিকহি 'নাওয়াজিল' (সমকালীন জটিল সমস্যা) পর্যায়ের। এই নাওয়াজিলগুলোর ক্ষেত্রে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি ও আমলের জন্য প্রয়োজনীয় নীতিমালা, শর্তাবলি বা জ্ঞানতাত্ত্বিক সমৃদ্ধির মাধ্যমে যা কিছু ফলপ্রসূ হতে পারে, তাতে অবদান রাখা।
৪ - আমি এমন কোনো গবেষণা খুঁজে পাইনি যা এই সকল মাসয়ালা একত্রে সংকলন করে এবং সেগুলোকে গবেষণার জন্য নির্দিষ্ট করে, যা এই কাজে প্রবৃত্ত হতে উৎসাহিত করে। অন্যদিকে: সকল বিষয়ের গবেষকদের প্রতি আহ্বান থাকবে তারা যেন নিজ নিজ শাস্ত্রের অনুরূপ বিষয়গুলোতে এমন গবেষণা পরিচালনা করেন। আমি আমার পর্যালোচনার সময় এই জাতীয় কিছু মাসয়ালা পেয়েছি, কিন্তু সেগুলো আমার অধ্যয়নের বিষয়বস্তু নয়; কারণ সেগুলো 'চুক্তি' (আকদ) নয়। যেমন: সাহু সিজদার মধ্যে ভুল করা, সাক্ষ্যের ওপর সাক্ষ্য প্রদান, চোরের নিকট থেকে চুরি করা, জবরদখলকারীর নিকট থেকে কেড়ে নেওয়া, রক্তের উত্তরাধিকারীর (অভিভাবকের) অধিকার ব্যতিরেকেই হত্যাকারীকে হত্যা করা, জবরদস্তির ওপর জবরদস্তি করা, স্বীকারোক্তি (ইকরার) অধ্যায়ে ব্যতিক্রমের ওপর ব্যতিক্রম, ভাইয়ের প্রস্তাবের ওপর বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া, অন্যের দরাদরি বা নিলামের ওপর দর হাঁকা, এবং মাসয়ালা-ই-সুরাইজিয়াহ (যা তালাকের ওপর তালাক ঝুলিয়ে রাখার মাসয়ালাসমূহের অন্তর্ভুক্ত)। একইভাবে উসূলে ফিকহের ক্ষেত্রে: মুকাল্লিদ বা অনুসারীর তাকলীদ করা, কিয়াসের মাধ্যমে প্রমাণিত বিষয়ের ওপর পুনরায় কিয়াস করা। ফিকহি মূলনীতির ক্ষেত্রে: যা অন্য কাজে ব্যস্ত তা পুনরায় ব্যস্ত করা যায় না, এবং অন্যান্য। ফরায়েজ বা উত্তরাধিকার শাস্ত্রের ক্ষেত্রে: পানিতে ডুবে মৃত ও ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে মৃতদের উত্তরাধিকার এবং মুনাসখাত। সুন্নাহ বা হাদীস শাস্ত্রের ক্ষেত্রে: ইজাজতপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক অন্যকে ইজাজত প্রদান। আরবি ভাষার ক্ষেত্রে: ইমালার (একদিকে হেলিয়ে উচ্চারণ) প্রতিবন্ধকের প্রতিবন্ধকতা, এবং কোনো তকবীরকৃত (বড় করা) শব্দকে পুনরায় তকবীর না করা অথবা তাসগীরকৃত (ক্ষুদ্রত্ববাচক) শব্দের পুনরায় তাসগীর না করা অথবা মারেফা বা নির্দিষ্ট করা শব্দকে পুনরায় নির্দিষ্ট না করা এবং এ জাতীয় অন্যান্য বিষয়, যা এই গবেষণাকে অনুরূপ বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সহায়তা করে।
৫ - নতুন কিছু পরিভাষার উদ্ভব হওয়া, যা পূর্ববর্তী যুগে পরিচিত ছিল না, যদিও সেই চুক্তিসমূহের মূল রূপ ও বিধান তাদের নিকট পরিচিত ছিল; যেমন: সমান্তরাল সালাম (আস-সালামুল মুওয়াজি)।
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ৭)
الدراسات السابقة
تنقسم الدراسات السابقة التي تحوم في موضوع البحث وتقاربه إلى قسمين:-
الأول: البحوث الاستقرائية العامة، وهي التي تناولت جانب تداخل العقود وتركيبها بشكل عام، دون التوافق مع موضوع البحث في شيء من فصوله، ورسائل هذا القسم:
1 - العقود المالية المركبة، دراسة فقهية تأصيلية وتطبيقية، للشيخ د. عبد الله بن محمد العمراني -وفقه الله-، وهي رسالة دكتوراة من قسم الفقه بكلية الشريعة بجامعة الإمام بالرياض. وقد تناول فضيلة الشيخ حكم اشتراط عقدٍ في عقدٍ وحكم اجتماع عقدين مختلفي الحكم في عقد واحد كالبيع والقرض، وأثر ذلك في الخيار والقبض والجهالة وغيرها، وَوَضَعَ ضوابط للعقود المركبة، ودرس التطبيقات المعاصرة لذلك كالإجارة المنتهية بالتمليك والمشاركة المتناقصة والمرابحة المركبة من مواعدة وبيع والتأمين المركب من تأمين وإجارة أو تأمين ومضاربة وعقود الخيارات المركبة في الأسواق المالية المعاصرة والبطاقات المصرفية الائتمانية. وهو بحث قيم بيد أن موضوع بحثي في نوعٍ خاص من التركيب مع استقراء صوره، وليس هناك اشتراك في أي مسألة من مسائل البحثين.
2 - التداخل بين الأحكام في الفقه الإسلامي، للشيخ د. خالد بن سعد الخشلان -وفقه الله-، وهي رسالة ماجستير، في قسم الفقه من كلية الشريعة بجامعة الإمام بالرياض. وهو بحث قائم على جمع المسائل التي اجتمع فيها أسباب لها حكم واحد فتداخلت واستغني بحكم أحدها، وهو بحث مهم غير أنه لم يذكر في فصل التداخل في العقود إلا مسألة التداخل في عوض لبن المصراة عند تعددها واختيار ردها، علاوةً على أنه مغاير لموضوع هذا البحث وفكرته.
الثاني: البحوث الجزئية الخاصة، وهي دراساتٌ في مبحثٍ من مباحث هذا البحث أو في عدد منها، وقد وجدت من ذلك بعد البحث في عناوين الرسائل الجامعية بمكتبة المعهد العالي للقضاء ومكتبة كلية الشريعة بقسميها: الفقه والأصول ومركز الملك فيصل للبحوث والدراسات الإسلامية وبعض المكتبات التجارية العناوين الآتية:-
1 - عقد الإجارة من الباطن، دراسة مقارنة، بحث تكميلي لنيل درجة الماجستير، للباحث: فهد بن سواد العقيلي-وفقه الله-، في المعهد العالي للقضاء، قسم الفقه المقارن، ضمن بحوث عام 1422.
পূর্ববর্তী গবেষণাসমূহ
বর্তমান গবেষণার বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট বা এর নিকটবর্তী পূর্ববর্তী গবেষণাসমূহ দুই ভাগে বিভক্ত:
প্রথম: সাধারণ আবেশমূলক গবেষণাসমূহ। এগুলো হলো সেই গবেষণা যা সাধারণভাবে চুক্তির সংমিশ্রণ ও এর গঠনের দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করেছে, তবে আমার এই গবেষণার কোনো পরিচ্ছেদের বিষয়ের সাথে তার কোনো মিল নেই। এই শ্রেণির অভিসন্দর্ভগুলো হলো:
১ - সম্মিলিত আর্থিক চুক্তি: একটি ফিকহভিত্তিক মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণা, লেখক: শাইখ ড. আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ আল-উমরানি—আল্লাহ তাকে তাওফিক দিন। এটি রিয়াদের ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের শরিয়াহ অনুষদের ফিকহ বিভাগ থেকে দাখিলকৃত একটি ডক্টরেট থিসিস। সম্মানিত শাইখ এখানে এক চুক্তির ভেতর অন্য চুক্তির শর্ত করার বিধান এবং এক চুক্তিতে ভিন্ন ভিন্ন বিধানের দুই চুক্তির একত্রীকরণের বিধান নিয়ে আলোচনা করেছেন, যেমন—ক্রয়-বিক্রয় ও ঋণ। এছাড়াও এর প্রভাব খিয়ার (নির্বাচনের অধিকার), কবজ (দখল), জাহালাহ (অনিশ্চয়তা) ইত্যাদির ওপর কী পড়ে তাও আলোচনা করেছেন। তিনি সম্মিলিত চুক্তির জন্য কিছু নীতিমালা নির্ধারণ করেছেন এবং এর সমসাময়িক প্রয়োগগুলো অধ্যয়ন করেছেন, যেমন—মালিকানায় সমাপ্ত হওয়া ইজারা (লিজ), ক্রমহ্রাসমান অংশীদারিত্ব, প্রতিশ্রুতি ও বিক্রয় দ্বারা গঠিত মুরাবাহা, বিমা ও ইজারা অথবা বিমা ও মুদারাবার সমন্বয়ে গঠিত সম্মিলিত বিমা এবং সমসাময়িক পুঁজিবাজারের সম্মিলিত অপশন চুক্তি ও ব্যাংকিং ক্রেডিট কার্ড। এটি অত্যন্ত মূল্যবান একটি গবেষণা, তবে আমার গবেষণার বিষয়টি একটি বিশেষ ধরনের সংমিশ্রণ ও তার রূপরেখাগুলো বিস্তারিত আলোচনার ওপর ভিত্তি করে রচিত, আর এই দুটি গবেষণার কোনো মাসআলার মধ্যেই কোনো সাধারণ যোগসূত্র নেই।
২ - ইসলামী ফিকহে বিধানসমূহের পারস্পরিক প্রবেশ (তাদাখুল), লেখক: শাইখ ড. খালিদ ইবনে সাদ আল-খাশলান—আল্লাহ তাকে তাওফিক দিন। এটি রিয়াদের ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের শরিয়াহ অনুষদের ফিকহ বিভাগ থেকে দাখিলকৃত একটি মাস্টার্স থিসিস। এটি এমন একটি গবেষণা যা মূলত সেই মাসআলাগুলোকে একত্রিত করার ওপর ভিত্তি করে রচিত যেখানে একাধিক কারণের জন্য একটিই বিধান প্রযোজ্য হয়, ফলে সেগুলো একে অপরের ভেতর প্রবেশ করে এবং একটি বিধানের মাধ্যমেই অন্যগুলো থেকে অমুখাপেক্ষী হওয়া যায়। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি গবেষণা, তবে তিনি চুক্তির পারস্পরিক প্রবেশের পরিচ্ছেদে শুধুমাত্র ‘মুসাররাহ’ পশুর (বিক্রির আগে ওলানে দুধ জমিয়ে রাখা পশু) দুধের বিনিময়ের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন যখন পশুর সংখ্যা একাধিক হয় এবং তা ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তদুপরি, এটি বর্তমান গবেষণার বিষয়বস্তু ও মূল ভাবনা থেকে ভিন্ন।
দ্বিতীয়: বিশেষ আংশিক গবেষণাসমূহ। এগুলো হলো অত্র গবেষণার কোনো একটি পরিচ্ছেদ বা একাধিক বিষয়ের ওপর কৃত গবেষণা। উচ্চতর বিচার বিভাগীয় ইনস্টিটিউটের লাইব্রেরি এবং শরিয়াহ অনুষদের ফিকহ ও উসুল উভয় বিভাগের লাইব্রেরি, কিং ফয়সাল সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ এবং কিছু বাণিজ্যিক লাইব্রেরিতে গবেষণাপত্রগুলোর শিরোনাম অনুসন্ধানের পর নিম্নোক্ত শিরোনামগুলো পাওয়া গেছে:
১ - উপ-ইজারা চুক্তি (সাব-লিজ): একটি তুলনামূলক গবেষণা। এটি মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের জন্য একটি পরিপূরক গবেষণাপত্র, গবেষক: ফাহাদ ইবনে সাওয়াদ আল-উকাইলি—আল্লাহ তাকে তাওফিক দিন। উচ্চতর বিচার বিভাগীয় ইনস্টিটিউট, তুলনামূলক ফিকহ বিভাগ, ১৪২২ হিজরির গবেষণাসমূহের অন্তর্ভুক্ত।
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ৮)
2 - عقد المقاولة من الباطن في الفقه والنظام، بحث تكميلي لنيل درجة الماجستير، للباحث: محمد بن عبد العزيز الماجد -وفقه الله-، في المعهد العالي للقضاء، قسم السياسة الشرعية، ضمن بحوث عام 1416.
فحصل الاشتراك في هاتين المسألتين، وهما يشكلان عُشر هذا البحث، ولكلٍّ منهجه وطريقته ومن ثم نتيجته الخاصة.
3 - العقد الباطن في الفقه الإسلامي، للشيخ د. سامي بن عبد العزيز الماجد -وفقه الله-، وهي رسالة دكتوراة من قسم الفقه بكلية الشريعة، وهذا البحث فيه بابان: الأول في تعريف العقد الباطن وحكمه العام وأسبابه وأركانه، وهذا لا علاقة لبحثي به، والثاني في ذكر العقود من الباطن، وذكر فيها 9 عقود، اشتركت معه في 7 منها، وانفرد باثنين، ومجموع العقود المذكورة في هذا البحث الذي بين يديك 25 عقدًا، ومن العقود المشتركة العنوان السابقان: المقاولة والإجارة من الباطن، كما أن هذه الرسالة لا تتفق مع هذا البحث في تقسيم المباحث والمطالب في المسائل المشتركة، وذلك أنني جمعت المسائل ورسمت هذه الخطة بجميع مباحثها قبل الاطلاع على هذه الرسالة ثم وقعت لي فعرضتها على ما قمت به فظهرت النتيجة السابقة، وهي أن هذا البحث امتاز بـ 18 عقدًا.
والعقدان اللذان امتاز بهما بحث الدكتور: التوريد من الباطن والصيانة من الباطن.
منهج البحث
المنهج المتبع في هذا البحث هو المنهج الآتي:
أولًا: أصوِّر المسألة المراد بحثها تصويرًا دقيقًا قبل بيان حكمها؛ ليتضح المقصود من دراستها.
ثانيًا: إذا كانت المسألة من مواضع الاتفاق فأذكر حكمها بدليله مع توثيق الاتفاق من مظانه المعتبرة.
ثالثًا: إذا كانت المسألة من مسائل الخلاف، فأتبع ما يلي:
أ- أحرّر محل الخلاف إذا كانت بعض صور المسألة محل خلاف، وبعضها محل اتفاق.
ب- أذكر الأقوال في المسألة، وأبين من قال بها من أهل العلم.
ج- أقتصر على المذاهب الفقهية المعتبرة، مع العناية بذكر ما تيسر الوقوف عليه من أقوال السلف الصالح، وإذا لم أقف على الحكم في مذهب ما للمسألة فأسلك بها مسلك التخريج.
د- أوثِّق الأقوال من مصادرها الأصلية.
هـ- أستقصي أدلة الأقوال مع بيان وجه الدلالة عند الحاجة، وأذكر ما يرد عليها من
২ - ফিকহ ও আইনি ব্যবস্থায় সাব-কন্ট্রাক্টিং চুক্তি, এটি গবেষক মুহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ আল-মাজিদ -আল্লাহ তাকে তাওফিক দিন- এর মাস্টার্স ডিগ্রির জন্য প্রস্তুতকৃত একটি সম্পূরক গবেষণাপত্র, যা ১৪১৬ হিজরীর গবেষণাসমূহের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে উচ্চ বিচার বিভাগীয় ইনস্টিটিউটের (আল-মা'হাদ আল-আলি লিল কদা) আস-সিয়াসা আশ-শারঈয়্যাহ বিভাগে উপস্থাপিত।
ফলে এই দুটি মাসআলার ক্ষেত্রে সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়েছে, যা এই গবেষণার দশ ভাগের এক ভাগ গঠন করে। তবে প্রত্যেকের নিজস্ব গবেষণা পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া রয়েছে এবং সে অনুযায়ী ফলাফলও স্বতন্ত্র।
৩ - ইসলামী ফিকহে সাব-কন্ট্রাক্ট (আল-আকদ আল-বাতিন), শাইখ ড. সামি বিন আব্দুল আজিজ আল-মাজিদ -আল্লাহ তাকে তাওফিক দিন- এর রচিত, এটি শরীয়াহ অনুষদের ফিকহ বিভাগের একটি পিএইচডি থিসিস। এই গবেষণায় দুটি অধ্যায় রয়েছে: প্রথমটি সাব-কন্ট্রাক্টের সংজ্ঞা, এর সাধারণ বিধান, কারণ এবং রুকনসমূহ সম্পর্কে, যার সাথে আমার গবেষণার কোনো সম্পর্ক নেই। দ্বিতীয়টি সাব-কন্ট্রাক্ট সমূহের বর্ণনায়, যেখানে তিনি ৯টি চুক্তির কথা উল্লেখ করেছেন। আমি এর ৭টিতে তার সাথে একমত হয়েছি এবং তিনি ২টিতে স্বতন্ত্র। আপনার হাতে থাকা এই গবেষণায় মোট বর্ণিত চুক্তির সংখ্যা ২৫টি। পূর্বোক্ত দুটি শিরোনাম: সাব-কন্ট্রাক্টিং ও সাব-লিজিং (মুকাওয়ালাহ ও ইজারা মিনাল বাতিন) সাধারণ চুক্তির অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও সাধারণ মাসআলাসমূহে এই থিসিসটি আমার গবেষণার পরিচ্ছেদ ও অনুচ্ছেদ বিন্যাসের সাথে মিল নেই। কারণ, আমি এই থিসিসটি দেখার আগেই মাসআলাগুলো সংগ্রহ করেছি এবং সমস্ত পরিচ্ছেদসহ এই পরিকল্পনাটি তৈরি করেছি। পরবর্তীতে এটি আমার হস্তগত হলে আমি আমার কাজের সাথে মিলিয়ে দেখি এবং উপরোক্ত ফলাফলটি প্রকাশ পায়; তা হলো এই গবেষণাটি ১৮টি চুক্তির বর্ণনায় অনন্য।
আর যে দুটি চুক্তির ক্ষেত্রে ডক্টরের গবেষণাটি অনন্য ছিল তা হলো: সাব-সাপ্লাই (আত-তাওরিদ মিনাল বাতিন) এবং সাব-মেইনটেন্যান্স (আস-সিয়ানাহ মিনাল বাতিন)।
গবেষণা পদ্ধতি
এই গবেষণায় অনুসৃত পদ্ধতিটি নিম্নরূপ:
প্রথমত: গবেষণার উদ্দেশ্য স্পষ্ট করার জন্য মাসআলার বিধান বর্ণনা করার আগে আলোচ্য মাসআলাটিকে সূক্ষ্মভাবে উপস্থাপন করা।
দ্বিতীয়ত: মাসআলাটি যদি সর্বসম্মত (ইজমা) বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত হয়, তবে নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে ঐকমত্যের সত্যতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দলীলসহ এর বিধান উল্লেখ করা।
তৃতীয়ত: মাসআলাটি যদি মতভেদপূর্ণ মাসআলার অন্তর্ভুক্ত হয়, তবে আমি নিম্নলিখিত পদ্ধতি অনুসরণ করব:
ক- যদি মাসআলাটির কিছু রূপ মতভেদপূর্ণ হয় এবং কিছু রূপ সর্বসম্মত হয়, তবে মতভেদের প্রকৃত ক্ষেত্রটি সুনির্দিষ্ট করা।
খ- মাসআলাটির বিভিন্ন অভিমত উল্লেখ করা এবং বিজ্ঞ আলেমদের মধ্যে কারা এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন তা বর্ণনা করা।
গ- নির্ভরযোগ্য ফিকহী মাযহাবসমূহের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা এবং সালাফে সালেহীনের যে সকল উক্তি পাওয়া যায় তা উল্লেখ করার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া। যদি কোনো একটি মাযহাবে সংশ্লিষ্ট মাসআলার বিধান খুঁজে না পাওয়া যায়, তবে আমি 'তাখরিজ' (মূলনীতি থেকে আহরণ) পদ্ধতি অবলম্বন করব।
ঘ- অভিমতগুলো তাদের মূল উৎস থেকে যাচাই করে উদ্ধৃত করা।
ঙ- বিভিন্ন মতের দলীলসমূহ বিস্তারিত অনুসন্ধান করা এবং প্রয়োজনে দলীলের প্রয়োগ পদ্ধতি বর্ণনা করা। সেই সাথে সেগুলোর ওপর উত্থাপিত আপত্তিগুলো উল্লেখ করা...
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ৯)
مناقشات وما يجاب به عنها إن وجد، وأذكر ذلك بعد الدليل مباشرة.
و- أرجح مع بيان سبب الترجيح، وأذكر ثمرة الخلاف إن وجدت، والترجيح يشمل القول الراجح والصواب والحق، وأعبر عن جميع ذلك بالقول الراجح دون تمييز في التعبير
… –إن وجد-.
رابعًا: أعتمد على أمَّات المصادر والمراجع الأصلية –إن وجد فيها ما يغني عن غيره-، في التحرير والتوثيق والتخريج والجمع، وإذا لم يكن العزو نصيًّا أقول: ينظر.
خامسًا: أركز على موضوع البحث وأتجنب الاستطراد، إلا نادرًا في الحواشي، فأضع فيها بعض الفوائد المناسبة، ومنها ما أذكره لإزالة توهم الخطأ (1).
سادسًا: أعتني بضرب الأمثلة، خاصةً الواقعية.
سابعًا: أتنكب ذكر الأقوال الشاذة.
ثامنًا: أعتني بدراسة ما جَدَّ من القضايا مما له صلة واضحة بالبحث.
تاسعًا: أنقل الآيات برسمها من مصحف المدينة النبوية وأرقمها وأبين سورها مضبوطة الشكل، وذلك في صلب البحث.
عاشرًا: أخرِّج الأحاديث من مصادرها الأصلية، وأثبت الكتاب والباب ورقم الحديث والجزء والصفحة، وأبين ما ذكره أهل الشأن في درجتها، إلم تكن في الصحيحين أو أحدهما، فإن كانت كذلك فأكتفي حينئذ بعزوها إليها.
حادي عشر: أخرج الآثار من مصادرها الأصلية.
ثاني عشر: عندما يستدعي الأمر أضع تنبيهًا أو أكثر في نهاية المبحث أو الفرع، وأذكر فيه ما له علاقة بالبحث وليس من صلبه.
ثالث عشر: أعرف بالمصطلحات من كتب الفن الذي يتبعه المصطلح أومن كتب المصطلحات المعتمدة.
رابع عشر: أوثق المعاني من معاجم اللغة المعتمدة، وتكون الإحالة عليها بالمادة والجزء والصفحة.
خامس عشر: أعتني بقواعد اللغة العربية والإملاء، وعلامات الترقيم، ومنها علامات التنصيص للآيات الكريمة، وللأحاديث الشريفة وللآثار ولأقوال العلماء، مع تمييز العلامات أو الأقواس فيكون لكل منها علامته الخاصة.
--------------------------------------------
আলোচনা এবং সেগুলোর কোনো উত্তর থাকলে তা উল্লেখ করা, এবং দলীলের ঠিক পরেই তা বর্ণনা করা।
চ- আমি অগ্রগণ্য মতটিকে প্রধান্য দেই সাথে তার কারণ বর্ণনা করি, এবং মতভেদের কোনো ফলাফল থাকলে তা উল্লেখ করি। প্রাধান্য দেওয়ার বিষয়টি 'রাজীহ' (অগ্রগণ্য মত), সঠিক মত এবং ধ্রুব সত্যকে অন্তর্ভুক্ত করে, আর আমি এই সবগুলোকে কোনো পার্থক্য ছাড়াই 'অগ্রগণ্য মত' শব্দ দ্বারা প্রকাশ করি
... –যদি থাকে–।
চতুর্থত: সম্পাদনা, প্রমাণীকরণ, হাদীস যাচাই এবং সংকলনের ক্ষেত্রে আমি মূল ও মৌলিক উৎসগুলোর ওপর নির্ভর করি—যদি তাতে অন্যের মুখাপেক্ষীহীন হওয়ার মতো বিষয় থাকে—আর যদি উদ্ধৃতিটি হুবহু না হয়, তবে আমি বলি: 'দ্রষ্টব্য'।
পঞ্চমত: আমি গবেষণার বিষয়ের ওপর মনোনিবেশ করি এবং প্রাসঙ্গিক আলোচনার বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলি, তবে কদাচিৎ পাদটীকায় কিছু উপযুক্ত ফায়দা বা জ্ঞাতব্য বিষয় উল্লেখ করি; যার মধ্যে কিছু বিষয় উল্লেখ করি ভুলের সন্দেহ দূর করার জন্য (১)।
ষষ্ঠত: আমি উদাহরণ দেওয়ার ক্ষেত্রে যত্নবান হই, বিশেষ করে বাস্তব উদাহরণগুলো।
সপ্তমত: আমি বিরল ও বিচ্যুত মতগুলো উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকি।
অষ্টমত: গবেষণার সাথে স্পষ্ট সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন নতুন উদ্ভূত বিষয়গুলো পর্যালোচনায় গুরুত্ব প্রদান করি।
নবমত: আমি মূল গবেষণায় মদীনা মুনাওয়ারার মুসহাফের লিখনরীতি অনুযায়ী আয়াতগুলো উদ্ধৃত করি, সেগুলোর নম্বর দেই এবং স্বরচিহ্নসহ সূরার নাম উল্লেখ করি।
দশমত: আমি হাদীসসমূহ তাদের মূল উৎস থেকে চয়ন করি এবং কিতাব, অধ্যায়, হাদীস নম্বর, খণ্ড ও পৃষ্ঠা উল্লেখ করি। হাদীসটি যদি সহীহাইন (বুখারী ও মুসলিম) বা তাদের কোনো একটিতে না থাকে, তবে এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য ও হাদীসের মান বর্ণনা করি। আর যদি সহীহাইনে থাকে, তবে কেবল তার উদ্ধৃতি দিয়েই ক্ষান্ত হই।
একাদশত: আমি সাহাবী ও তাবেয়ীদের বাণীসমূহ (আছার) তাদের মূল উৎস থেকে চয়ন করি।
দ্বাদশত: যখন প্রয়োজন হয়, তখন পরিচ্ছেদ বা অনুচ্ছেদের শেষে এক বা একাধিক সতর্কবার্তা যুক্ত করি এবং তাতে এমন বিষয় উল্লেখ করি যা গবেষণার সাথে সম্পর্কিত কিন্তু মূল বিষয়ের অংশ নয়।
ত্রয়োদশত: আমি পরিভাষাগুলো সংশ্লিষ্ট বিষয়ের কিতাবসমূহ অথবা নির্ভরযোগ্য পরিভাষা বিষয়ক গ্রন্থ থেকে সংজ্ঞায়িত করি।
চতুর্দশত: আমি নির্ভরযোগ্য অভিধান থেকে শব্দার্থের সত্যতা যাচাই করি এবং এক্ষেত্রে মূল ধাতু, খণ্ড ও পৃষ্ঠা উল্লেখ করে উদ্ধৃতি দেই।
পঞ্চদশমত: আমি আরবী ব্যাকরণ, বানানরীতি এবং যতিচিহ্নের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেই। এর মধ্যে রয়েছে পবিত্র আয়াত, হাদীস শরীফ, আছার এবং ওলামায়ে কেরামের বাণীর জন্য উদ্ধৃতি চিহ্ন ব্যবহার করা; সাথে প্রতিটি চিহ্নের ভিন্নতা বজায় রাখা বা বন্ধনী ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্বকীয়তা রাখা যাতে প্রত্যেকটির জন্য নিজস্ব স্বতন্ত্র চিহ্ন থাকে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ১০)
وأضع علامة " " لأسماء الكتب المذكور في أثناء الكلام في المتن أو الحاشية، تمييزًا لها عن الكلام، وإن تميزت بنفسها لم أضعه، كأن يكون اسم الكتاب مذكورا في الحاشية للتوثيق.
سادس عشر: إذا ورد في البحث ذكر أماكن أو قبائل أو فرق أو أشعار أو غير ذلك فأضع له فهارس خاصة إن كان لها من العدد ما يستدعي ذلك.
سابع عشر: أترجم للأعلام غير الأئمة الأربعة بإيجاز بذكر اسم العلم ونسبه وتاريخ وفاته ومذهبه العقدي أو الفقهي والعلم الذي اشتهر به، وأهم مؤلفاته ومصادر ترجمته، في ثبت خاص آخر البحث.
ثامن عشر: أضع خاتمة متضمنة أهم النتائج، وتعطي فكرة واضحة عما يتضمنه البحث.
تاسع عشر: أُتبِع ذلك بالفهارس الفنية المتعارف عليها، وهي:
-
- فهرس الآيات القرآنية.
- فهرس الأحاديث والآثار.
- فهرس الأعلام.
- فهرس المصادر والمراجع.
- فهرس الإجماعات.
- فهرس الفوائد.
- فهرس الموضوعات.
خطة البحث
ينقسم البحث إلى ثلاثة فصول، يقدمها تمهيد، يكتنفها مقدمة -هي هذه- وخاتمة، ويلي الجميع الفهارس العلمية ومنها سرد المصادر والمراجع، وذلك على هذا النحو:
المقدمة: وتشتمل على عنوان البحث وأهمية الموضوع وأسباب اختياره والدراسات السابقة ومنهج البحث وخطته.
تمهيد: تعريف العقود والأصل في حكمها وقواعد في إضافة العقود إلى مثلها، وفيه ثلاثة مباحث: المبحث الأول: تعريف العقود.
المبحث الثاني: الأصل في العقود.
المبحث الثالث: القواعد والضوابط المتعلقة بالعقود المضافة إلى مثلها، وفيه خمسة مطالب:
المطلب الأول: الأصل في العقود التي يجوز أن يقوم فيها غير المعقود معه مقامه.
المطلب الثاني: قاعدة نقل الملك بنفس العقد المستفاد به المملوك.
المطلب الثالث: قاعدة نفي الضرر.
المطلب الرابع: قاعدة سد الذريعة.
المطلب الخامس: ضابط فقهي.
মূল পাঠ বা টীকায় উল্লেখিত বইয়ের নামগুলোকে সাধারণ বক্তব্য থেকে আলাদা করার জন্য আমি উদ্ধৃতি চিহ্ন " " ব্যবহার করি। যদি সেগুলো নিজে থেকেই স্বতন্ত্রভাবে বোঝা যায়, তবে আমি তা ব্যবহার করি না, যেমন রেফারেন্সের জন্য টীকায় কোনো বইয়ের নাম উল্লেখ করা হলে।
ষোড়শ: গবেষণায় যদি বিভিন্ন স্থান, গোত্র, দল, কবিতা বা এই জাতীয় অন্য কিছুর উল্লেখ থাকে, তবে সেগুলোর সংখ্যা যদি প্রয়োজন মনে হয় তবে আমি সেগুলোর জন্য বিশেষ নির্ঘণ্ট (ইন্ডেক্স) যুক্ত করি।
সপ্তদশ: চার ইমাম ব্যতীত অন্যান্য বিখ্যাত ব্যক্তিদের সংক্ষিপ্ত জীবনী উল্লেখ করি, যেখানে তাঁদের নাম, বংশপরিচয়, মৃত্যু তারিখ, আকিদাগত বা ফিকহী মাযহাব, যে বিষয়ের জন্য তাঁরা প্রসিদ্ধ, তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থসমূহ এবং জীবনীর উৎসসমূহ গবেষণার শেষে একটি বিশেষ তালিকায় উল্লেখ করা হয়।
অষ্টাদশ: আমি একটি উপসংহার প্রদান করি যাতে গুরুত্বপূর্ণ ফলাফলগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং এটি গবেষণার বিষয়বস্তু সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারণা প্রদান করে।
ঊনবিংশ: এরপর প্রচলিত তাত্ত্বিক নির্ঘণ্টসমূহ যুক্ত করি, যা হলো:
-
- কুরআনের আয়াতের নির্ঘণ্ট।
- হাদিস ও আসার (সাহাবী ও তাবিঈদের বাণী)-এর নির্ঘণ্ট।
- বিখ্যাত ব্যক্তিদের নির্ঘণ্ট।
- উৎস ও তথ্যসূত্র সমূহের নির্ঘণ্ট।
- ইজমা (ঐক্যমত) সমূহের নির্ঘণ্ট।
- শিক্ষণীয় বিষয়সমূহের নির্ঘণ্ট।
- বিষয়সূচির নির্ঘণ্ট।
গবেষণার পরিকল্পনা
গবেষণাটি তিনটি অধ্যায়ে বিভক্ত, যার শুরুতে একটি উপক্রমণিকা রয়েছে। এটি একটি ভূমিকা -যা বর্তমান অংশ- এবং একটি উপসংহার দ্বারা বেষ্টিত। পরিশেষে বৈজ্ঞানিক নির্ঘণ্টসমূহ রয়েছে, যার মধ্যে উৎস ও তথ্যসূত্রের তালিকাও অন্তর্ভুক্ত। বিন্যাসটি নিম্নরূপ:
ভূমিকা: এতে রয়েছে গবেষণার শিরোনাম, বিষয়ের গুরুত্ব, এটি নির্বাচনের কারণসমূহ, পূর্ববর্তী গবেষণাগুলো এবং গবেষণার পদ্ধতি ও পরিকল্পনা।
উপক্রমণিকা: চুক্তির সংজ্ঞা, এর বিধানের মূল ভিত্তি এবং অনুরূপ বিষয়ের সাথে চুক্তি যুক্ত করার নিয়মাবলী। এতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে: প্রথম পরিচ্ছেদ: চুক্তির সংজ্ঞা।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: চুক্তির মূল ভিত্তি।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: অনুরূপ বিষয়ের সাথে যুক্ত চুক্তির সাথে সম্পর্কিত নিয়ম ও নীতিমালা, এতে পাঁচটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: সেই সকল চুক্তির মূল ভিত্তি যাতে চুক্তিবদ্ধ ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ তার স্থলাভিষিক্ত হতে পারে।
দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: যে চুক্তির মাধ্যমে মালিকানা অর্জিত হয়, সেই চুক্তির মাধ্যমেই মালিকানা হস্তান্তরের নিয়ম।
তৃতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: ক্ষতি নিরসনের নিয়ম।
চতুর্থ উপ-পরিচ্ছেদ: অনিষ্টের পথ বন্ধ করার (সাদ্দুল যারিয়াহ) নিয়ম।
পঞ্চম উপ-পরিচ্ছেদ: ফিকহী নীতিমালা।
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ১১)
الفصل الأول: عقود المعاوضات المضافة إلى مثلها، وفيه أحد عشر مبحثًا:
المبحث الأول: بيع المبيع، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف البيع وحكمه.
المطلب الثاني: حكم بيع المبيع، وفيه فرعان:
الفرع الأول: بيع البائع للمبيع.
الفرع الثاني: بيع المشتري للمبيع، وفيه مسألتان:
المسألة الأولى: بيع المشتري المبيع بعد قبضه.
المسألة الثانية: بيع المشتري المبيع قبل قبضه.
المبحث الثاني: الإجارة على الإجارة، وفيه ثلاثة مطالب:
المطلب الأول: تعريف الإجارة وحكمها.
المطلب الثاني: حكم إجارة المؤجِر العين المؤجَرة وإجارة الأجير من يقوم بالعمل المطلوب منه في عقد الإجارة، وفيه فرعان:
الفرع الأول: إجارة المؤجِر العين المؤجَرة.
الفرع الثاني: إجارة الأجير مَن يقوم بالعمل المطلوب منه في عقد الإجارة.
المطلب الثالث: حكم إجارة المستأجر العينَ المؤجَرة، وفيه ثلاثة أفرع:
الفرع الأول: إجارتها لغير المؤجِر، وفيه مسألتان:
المسألة الأولى: إجارتها بمثل أجرتها أوأقل.
المسألة الثانية: إجارتها بأزيدَ من أجرتها.
الفرع الثاني: إجارتها للمؤجِر.
الفرع الثالث: إجارة المستأجر منافع الأجير.
المبحث الثالث: إقالة الإقالة (1)، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف الإقالة وحكمها.
المطلب الثاني: حكم إقالة الإقالة.
المبحث الرابع: مضاربة المضارب، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف المضاربة وحكمها.
المطلب الثاني: حكم مضاربة المضارب، وفيه فرعان:
--------------------------------------------
প্রথম পরিচ্ছেদ: সমজাতীয় চুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট বিনিময়মূলক চুক্তিমালা, এবং এতে এগারোটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: বিক্রিত পণ্য পুনরায় বিক্রয় করা, এবং এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম পরিচ্ছেদ: বিক্রয়ের সংজ্ঞা ও এর বিধান।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: বিক্রিত পণ্য পুনরায় বিক্রয় করার বিধান, এবং এতে দুটি শাখা রয়েছে:
প্রথম শাখা: বিক্রেতা কর্তৃক বিক্রিত পণ্য (ক্রেতার নিকট হস্তান্তরের পূর্বে) পুনরায় বিক্রয় করা।
দ্বিতীয় শাখা: ক্রেতা কর্তৃক ক্রয়কৃত পণ্য বিক্রয় করা, এবং এতে দুটি মাসআলা রয়েছে:
প্রথম মাসআলা: ক্রেতা কর্তৃক পণ্য হস্তগত করার পর তা বিক্রয় করা।
দ্বিতীয় মাসআলা: ক্রেতা কর্তৃক পণ্য হস্তগত করার পূর্বে তা বিক্রয় করা।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ইজারার ওপর ইজারা, এবং এতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম পরিচ্ছেদ: ইজারার সংজ্ঞা ও এর বিধান।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ইজারা প্রদানকারী কর্তৃক ইজারাকৃত বস্তু পুনরায় ইজারা দেওয়া এবং শ্রমিকের ইজারা চুক্তিতে তার নিকট থেকে কাঙ্ক্ষিত কাজ সম্পাদনের জন্য অন্যকে নিয়োগ দেওয়ার বিধান, এবং এতে দুটি শাখা রয়েছে:
প্রথম শাখা: ইজারা প্রদানকারী কর্তৃক ইজারাকৃত বস্তু পুনরায় ইজারা প্রদান।
দ্বিতীয় শাখা: শ্রমিকের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের জন্য অন্য কাউকে নিয়োগ দেওয়া।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ইজারা গ্রহণকারী কর্তৃক ইজারাকৃত বস্তু ইজারা দেওয়ার বিধান, এবং এতে তিনটি শাখা রয়েছে:
প্রথম শাখা: ইজারা প্রদানকারী ব্যতীত অন্য কারো নিকট তা ইজারা দেওয়া, এবং এতে দুটি মাসআলা রয়েছে:
প্রথম মাসআলা: সমপরিমাণ ভাড়ায় বা তার চেয়ে কম ভাড়ায় তা ইজারা দেওয়া।
দ্বিতীয় মাসআলা: নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অধিক ভাড়ায় তা ইজারা দেওয়া।
দ্বিতীয় শাখা: মূল ইজারা প্রদানকারীর নিকট পুনরায় ইজারা দেওয়া।
তৃতীয় শাখা: ইজারা গ্রহণকারী কর্তৃক শ্রমিকের শ্রম বা উপযোগ ইজারা দেওয়া।
তৃতীয় অনুচ্ছেদ: ইকালার (চুক্তি রদ) ওপর ইকালা (১), এবং এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম পরিচ্ছেদ: ইকালার সংজ্ঞা ও এর বিধান।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ইকালার ওপর ইকালার বিধান।
চতুর্থ অনুচ্ছেদ: মুদারিব কর্তৃক মুদারাবা পরিচালনা করা, এবং এতে দুটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম পরিচ্ছেদ: মুদারাবার সংজ্ঞা ও এর বিধান।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: মুদারিব কর্তৃক অন্যকে মুদারাবা দেওয়ার বিধান, এবং এতে দুটি শাখা রয়েছে:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ১২)
الفرع الأول: مضاربة المضارب (العامل) بدفع رأس المال لآخر.
الفرع الثاني: مضاربة المضارب (العامل) بتقبل رأس المال من أجنبي.
المبحث الخامس: مزارعة المزارع ومساقاة المساقي، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف المزارعة والمساقاة وحكمهما، وفيه فرعان:
الفرع الأول: تعريف المزارعة وحكمها.
الفرع الثاني: تعريف المساقاة وحكمها.
المطلب الثاني: حكم مزارعة المزارع ومساقاة المساقي، وفيه فرعان:
الفرع الأول: مزارعة المزارع ومساقاة المساقي بدفع الأرض أو الزرع لآخر ليقوم بذلك.
الفرع الثاني: مزارعة المزارع ومساقاة المساقي بتقبل أرضٍ أو زرعٍ من أجنبي.
المبحث السادس: استصناع الصانع (الاستصناع الموازي)، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف الاستصناع وحكمه.
المطلب الثاني: حكم استصناع الصانع.
المبحث السابع: مقاولة المقاول (المقاولة من الباطن)، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف المقاولة وحكمها.
المطلب الثاني: حكم المقاولة من الباطن.
المبحث الثامن: الجعالة على الجعالة، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف الجعالة وحكمها.
المطلب الثاني: حكم الجعالة على الجعالة.
المبحث التاسع: إحالة المحال، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف الحوالة وحكمها.
المطلب الثاني: حكم إحالة المحال.
المبحث العاشر: السلم الموازي (المتوازي)، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف السلم وحكمه.
المطلب الثاني: حكم السلم الموازي، وفيه فرعان:
الفرع الأول: حكم إسلام المسلَم فيه بعينه.
الفرع الثاني: حكم الإسلام في مثل المسلَم فيه.
المبحث الحادي عشر: تورق المتورق (إعادة التورق)، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف التورق وحكمه.
প্রথম অনুচ্ছেদ: অন্যকে মূলধন প্রদানের মাধ্যমে মুদারিবের (শ্রমিকের) মুদারাবাহ করা।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: তৃতীয় পক্ষের নিকট থেকে মূলধন গ্রহণের মাধ্যমে মুদারিবের (শ্রমিকের) মুদারাবাহ করা।
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: চাষীর মুজারাআহ ও পানি সেচনকারীর মুসাকাত; এতে দুটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: মুজারাআহ ও মুসাকাত-এর সংজ্ঞা ও হুকুম; এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: মুজারাআহ-এর সংজ্ঞা ও হুকুম।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: মুসাকাত-এর সংজ্ঞা ও হুকুম।
দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: চাষীর মুজারাআহ ও পানি সেচনকারীর মুসাকাতের হুকুম; এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: চাষী কর্তৃক ভূমি অথবা ফসল অন্যকে প্রদানের মাধ্যমে মুজারাআহ করা এবং পানি সেচনকারী কর্তৃক মুসাকাত করা যাতে সে তা সম্পাদন করে।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকে ভূমি অথবা ফসল গ্রহণের মাধ্যমে চাষীর মুজারাআহ ও পানি সেচনকারীর মুসাকাত করা।
ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: কারিগরের ইসতিসনা (সমান্তরাল ইসতিসনা); এতে দুটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: ইসতিসনা-এর সংজ্ঞা ও হুকুম।
দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: কারিগরের ইসতিসনা-এর হুকুম।
সপ্তম পরিচ্ছেদ: ঠিকাদারের মুকাওয়ালাহ (সাব-কন্ট্রাক্টিং); এতে দুটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: মুকাওয়ালাহ-এর সংজ্ঞা ও হুকুম।
দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: সাব-কন্ট্রাক্টিং-এর হুকুম।
অষ্টম পরিচ্ছেদ: জুআলাহ-এর ওপর জুআলাহ; এতে দুটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: জুআলাহ-এর সংজ্ঞা ও হুকুম।
দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: জুআলাহ-এর ওপর জুআলাহ-এর হুকুম।
নবম পরিচ্ছেদ: হাওয়ালা গ্রহীতার পক্ষ থেকে ঋণ স্থানান্তর; এতে দুটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: হাওয়ালাহ-এর সংজ্ঞা ও হুকুম।
দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: হাওয়ালা গ্রহীতার পক্ষ থেকে ঋণ স্থানান্তরের হুকুম।
দশম পরিচ্ছেদ: সমান্তরাল সালাম; এতে দুটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: সালাম-এর সংজ্ঞা ও হুকুম।
দ্বিতীয় উপ-পরিচ্ছেদ: সমান্তরাল সালাম-এর হুকুম; এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: নির্দিষ্ট বিক্রয়বস্তুর (মুসলাম ফিহি) ক্ষেত্রে সালাম চুক্তির হুকুম।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: বিক্রয়বস্তুর (মুসলাম ফিহি) অনুরূপ বস্তুর ক্ষেত্রে সালাম চুক্তির হুকুম।
একাদশ পরিচ্ছেদ: তাওয়াররুককারীর তাওয়াররুক (পুনঃতাওয়াররুক); এতে দুটি উপ-পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম উপ-পরিচ্ছেদ: তাওয়াররুক-এর সংজ্ঞা ও হুকুম।
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ১৩)
المطلب الثاني: حكم تورق المتورق (إعادة التورق).
الفصل الثاني: عقود التبرعات المضافة إلى مثلها، وفيه أحد عشر مبحثًا:
المبحث الأول: استدانة المدين وإقراض القرض، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف الدين وحكمه.
المطلب الثاني: حكم استدانة المدين، وفيه أربعة أفرع:
الفرع الأول: استدانة المدين غير المعسر.
الفرع الثاني: استدانة المدين المعسر لحاجة نفسه ومن يمون، وفيه مسألتان:
المسألة الأولى: استدانة المدين المعسر لحاجة نفسه ومن يمون قبل الحجر عليه.
المسالة الثانية: استدانة المدين المعسر لحاجة نفسه ومن يمون بعد الحجر عليه.
الفرع الثالث: استدانة المدين المعسر لقضاء دين الغرماء.
الفرع الرابع: إقراض القرض.
المبحث الثاني: توكيل الوكيل، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف الوكالة وحكمها.
المطلب الثاني: حكم توكيل الوكيل، وفيه ثلاثة أفرع:
الفرع الأول: حكم توكيل الوكيل إذا نهاه موكِّله عن التوكيل.
الفرع الثاني: حكم توكيل الوكيل إذا أذن له موكله في التوكيل.
الفرع الثالث: حكم توكيل الوكيل إذا أطلق موكله الوكالة، وفيه ثلاث مسائل:
المسألة الأولى: أن يكون العمل مما لا يقوم الوكيل بمثله.
المسألة الثانية: أن يكون العمل مما يقوم الوكيل بمثله ولكنه يعجز عنه بنفسه.
المسألة الثالثة: أن يكون العمل مما يقوم الوكيل بمثله ولا يعجز عنه بنفسه.
المبحث الثالث: إبضاع المبضَع، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف الإبضاع وحكمه.
المطلب الثاني: حكم إبضاع المبضَع.
المبحث الرابع: إعارة المعار، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف الإعارة وحكمها.
المطلب الثاني: حكم إعارة المعار.
المبحث الخامس: إيداع الوديعة، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف الوديعة وحكمها.
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: তওয়াররুককারীর তওয়াররুক করার বিধান (পুনরায় তওয়াররুক করা)।
দ্বিতীয় অধ্যায়: সমজাতীয় বিষয়ের সাথে যুক্ত দানমূলক চুক্তি, এবং এতে এগারোটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: ঋণগ্রহীতার ঋণ গ্রহণ এবং ঋণ প্রদান, এতে দুইটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম পরিচ্ছেদ: ঋণের সংজ্ঞা ও বিধান।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ঋণগ্রহীতার ঋণ গ্রহণের বিধান, এতে চারটি উপ-শাখা রয়েছে:
প্রথম উপ-শাখা: অসচ্ছল নয় এমন ঋণগ্রহীতার ঋণ গ্রহণ।
দ্বিতীয় উপ-শাখা: নিজের এবং নিজের উপর নির্ভরশীলদের প্রয়োজনে অসচ্ছল ঋণগ্রহীতার ঋণ গ্রহণ, এতে দুইটি মাসআলা রয়েছে:
প্রথম মাসআলা: লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা (হাজর) আরোপের পূর্বে নিজের এবং নিজের উপর নির্ভরশীলদের প্রয়োজনে অসচ্ছল ঋণগ্রহীতার ঋণ গ্রহণ।
দ্বিতীয় মাসআলা: লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা (হাজর) আরোপের পর নিজের এবং নিজের উপর নির্ভরশীলদের প্রয়োজনে অসচ্ছল ঋণগ্রহীতার ঋণ গ্রহণ।
তৃতীয় উপ-শাখা: পাওনাদারদের ঋণ পরিশোধের জন্য অসচ্ছল ঋণগ্রহীতার ঋণ গ্রহণ।
চতুর্থ উপ-শাখা: কর্জ প্রদান।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: প্রতিনিধির প্রতিনিধি নিয়োগ, এতে দুইটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম পরিচ্ছেদ: ওকালতের সংজ্ঞা ও বিধান।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: প্রতিনিধির প্রতিনিধি নিয়োগের বিধান, এতে তিনটি উপ-শাখা রয়েছে:
প্রথম উপ-শাখা: যদি মূল নিয়োগদাতা প্রতিনিধিকে প্রতিনিধি নিয়োগ করতে নিষেধ করে, তবে তার বিধান।
দ্বিতীয় উপ-শাখা: যদি মূল নিয়োগদাতা প্রতিনিধিকে প্রতিনিধি নিয়োগের অনুমতি প্রদান করে, তবে তার বিধান।
তৃতীয় উপ-শাখা: যদি মূল নিয়োগদাতা ওকালতকে শর্তহীন রাখে, এতে তিনটি মাসআলা রয়েছে:
প্রথম মাসআলা: কাজটি এমন হওয়া যা প্রতিনিধির মতো কেউ সাধারণত নিজে সম্পন্ন করে না।
দ্বিতীয় মাসআলা: কাজটি এমন হওয়া যা প্রতিনিধির মতো কেউ সাধারণত নিজে সম্পন্ন করে, কিন্তু সে নিজে তা করতে অক্ষম।
তৃতীয় মাসআলা: কাজটি এমন হওয়া যা প্রতিনিধির মতো কেউ সাধারণত নিজে সম্পন্ন করে এবং সে নিজেও তা করতে সক্ষম।
তৃতীয় অনুচ্ছেদ: ইবযা' (মূলধন অর্পণ) গ্রহণকারীর অন্যকে ইবযা' প্রদান, এতে দুইটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম পরিচ্ছেদ: ইবযা'-এর সংজ্ঞা ও বিধান।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ইবযা' গ্রহণকারীর ইবযা' প্রদানের বিধান।
চতুর্থ অনুচ্ছেদ: ধারকৃত বস্তু অন্যকে ধার প্রদান, এতে দুইটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম পরিচ্ছেদ: ধারের সংজ্ঞা ও বিধান।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ধারকৃত বস্তু ধার প্রদানের বিধান।
পঞ্চম অনুচ্ছেদ: আমানত রাখা বস্তুর পুনরায় আমানত রাখা, এতে দুইটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম পরিচ্ছেদ: আমানতের সংজ্ঞা ও বিধান।
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ১৪)
المطلب الثاني: حكم إيداع الوديعة.
المبحث السادس: وقف الوقف، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف الوقف وحكمه.
المطلب الثاني: حكم وقف الوقف من قبل الموقوف عليه.
المبحث السابع: هبة الموهوب، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف الهبة وحكمها.
المطلب الثاني: حكم هبة الموهوب.
المبحث الثامن: إيصاء الوصي (الموصَّى) وتوصية الموصى له والموصي، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف الإيصاء وحكمه.
المطلب الثاني: حكم إيصاء الوصي وتوصية الموصى له والموصي، وفيه ثلاثة أفرع:
الفرع الأول: حكم إيصاء الوصي.
الفرع الثاني: حكم توصية الموصى له.
الفرع الثالث: حكم توصية الموصي بالوصية.
المبحث التاسع: إعتاق الرقيق، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف العتق والرق وحكمهما.
المطلب الثاني: حكم إعتاق الرقيق (1)، وفيه خمسة أفرع:
الفرع الأول: إعتاق القن.
الفرع الثاني: إعتاق المبعض.
الفرع الثالث: إعتاق المكاتب.
الفرع الرابع: إعتاق أم الولد.
الفرع الخامس: إعتاق المدبر وتدبيره.
المبحث العاشر: مكاتبة المكاتب، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف المكاتبة وحكمها.
المطلب الثاني: حكم مكاتبة المكاتب.
المبحث الحادي عشر: إقطاع المقطَع، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف الإقطاع وحكمه.
--------------------------------------------
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: আমানত রাখা সম্পদের (ওয়াদিয়া) আমানত রাখার বিধান।
ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: ওয়াকফকৃত সম্পদ পুনরায় ওয়াকফ করা, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: ওয়াকফের সংজ্ঞা ও এর বিধান।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: যার অনুকূলে ওয়াকফ করা হয়েছে তার পক্ষ থেকে ওয়াকফকৃত সম্পদ পুনরায় ওয়াকফ করার বিধান।
সপ্তম পরিচ্ছেদ: দানকৃত সম্পদ দান করা, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: দান (হিবা)-এর সংজ্ঞা ও এর বিধান।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: দানকৃত সম্পদ দান করার বিধান।
অষ্টম পরিচ্ছেদ: ওসীর (অসিয়তকৃত ব্যক্তির) অসিয়ত করা এবং যার অনুকূলে অসিয়ত করা হয়েছে ও অসিয়তকারীর অসিয়ত করা, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: অসিয়ত (ইসিয়া)-এর সংজ্ঞা ও এর বিধান।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: ওসীর অসিয়ত করা এবং যার অনুকূলে অসিয়ত করা হয়েছে ও অসিয়তকারীর অসিয়ত করার বিধান, এতে তিনটি শাখা রয়েছে:
প্রথম শাখা: ওসীর অসিয়ত করার বিধান।
দ্বিতীয় শাখা: যার অনুকূলে অসিয়ত করা হয়েছে তার অসিয়ত করার বিধান।
তৃতীয় শাখা: অসিয়তকারীর অসিয়ত করার বিধান।
নবম পরিচ্ছেদ: দাসের মুক্তি দান, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: মুক্তি দান ও দাসত্বের সংজ্ঞা এবং এ দুটির বিধান।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: দাসের মুক্তি দানের বিধান (১), এতে পাঁচটি শাখা রয়েছে:
প্রথম শাখা: পূর্ণ দাসের মুক্তি দান।
দ্বিতীয় শাখা: আংশিক মুক্ত দাসের (মুবায়্যাদ) মুক্তি দান।
তৃতীয় শাখা: চুক্তিবদ্ধ দাসের (মুকাতাব) মুক্তি দান।
চতুর্থ শাখা: উম্মে ওয়ালাদ-এর মুক্তি দান।
পঞ্চম শাখা: মুদাব্বার দাসের মুক্তি দান ও মুদাব্বার করার বিধান।
দশম পরিচ্ছেদ: চুক্তিবদ্ধ দাসের মুকাতাবা চুক্তি করা, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: মুকাতাবা-এর সংজ্ঞা ও এর বিধান।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: চুক্তিবদ্ধ দাসের মুকাতাবা করার বিধান।
একাদশ পরিচ্ছেদ: ইকতা (বরাদ্দকৃত ভূমি) প্রাপ্ত ব্যক্তির ইকতা প্রদান, এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: ইকতা-এর সংজ্ঞা ও এর বিধান।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ১৫)
المطلب الثاني: حكم إقطاع المقطع.
الفصل الثالث: عقود التوثقة المضافة إلى مثلها، وفيه ثلاثة مباحث:
المبحث الأول: رهن المرهون، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف الرهن وحكمه.
المطلب الثاني: حكم رهن المرهون، وفيه فرعان:
الفرع الأول: رهن المرهون من طرفٍ ثالثٍ.
الفرع الثاني: رهن المرهون من المرتهن (الزيادة في الدين).
المبحث الثاني: كفالة الكفيل وضمان الضمين (الضامن)، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف الكفالة والضمان وحكمهما، وفيه فرعان:
الفرع الأول: تعريف الكفالة وحكمها.
الفرع الثاني: تعريف الضمان وحكمه.
المطلب الثاني: حكم كفالة الكفيل وضمان الضمين.
المبحث الثالث: إعادة التأمين، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف التأمين وحكمه.
المطلب الثاني: حكم إعادة التأمين.
الخاتمة.
الفهارس:
- فهرس الآيات القرآنية.
- فهرس الأحاديث والآثار.
- فهرس الأعلام.
- فهرس المصادر والمراجع.
- فهرس الإجماعات.
- فهرس الفوائد.
- فهرس الموضوعات.
وقد تكون بعضُ المسائل أطولَ من بعض نظرًا لطبيعة المسألة خلافًا وتحريرًا، فربما كان المطلب الأول محل إجماع فيبدو قصيرًا، كما هو حاصلٌ في مبحث البيع ومبحث التوكيل، وربما كان محل خلاف عريض وليس في المطلب الثاني بحث طويل، كما في المساقاة والمزارعة، ففي أحكام بعض العقود من التفصيل ما ليس في حكم إضافته لمثله، ولا يصح الخوض في حكم العقد المضاف قبل تحرير حكم أصله، وأهل الشأن يقدرون المسائل قدرها، ويدركون أوجه الفرق بينها.
দ্বিতীয় বিষয়: বরাদ্দকৃত অংশ প্রদানের বিধান।
তৃতীয় অধ্যায়: সদৃশ বিষয়ের সাথে যুক্ত জামানত বা বন্ধকী চুক্তি, এবং এতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম পরিচ্ছেদ: বন্ধকীকৃত বস্তুর বন্ধক, এবং এতে দুটি বিষয় রয়েছে:
প্রথম বিষয়: বন্ধকের সংজ্ঞা ও এর বিধান।
দ্বিতীয় বিষয়: বন্ধকীকৃত বস্তুর বন্ধকের বিধান, এবং এতে দুটি উপ-বিভাগ রয়েছে:
প্রথম উপ-বিভাগ: তৃতীয় পক্ষের নিকট বন্ধকীকৃত বস্তুর বন্ধক।
দ্বিতীয় উপ-বিভাগ: বন্ধকগ্রহীতার নিকট বন্ধকীকৃত বস্তুর বন্ধক (ঋণ বৃদ্ধি)।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: জামিনদারের জামিন ও গ্যারান্টারের গ্যারান্টি, এবং এতে দুটি বিষয় রয়েছে:
প্রথম বিষয়: জামিন ও গ্যারান্টির সংজ্ঞা ও এ দুটির বিধান, এবং এতে দুটি উপ-বিভাগ রয়েছে:
প্রথম উপ-বিভাগ: জামিনের সংজ্ঞা ও এর বিধান।
দ্বিতীয় উপ-বিভাগ: গ্যারান্টির সংজ্ঞা ও এর বিধান।
দ্বিতীয় বিষয়: জামিনদারের জামিন ও গ্যারান্টারের গ্যারান্টির বিধান।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: পুনঃবীমা, এবং এতে দুটি বিষয় রয়েছে:
প্রথম বিষয়: বীমার সংজ্ঞা ও এর বিধান।
দ্বিতীয় বিষয়: পুনঃবীমার বিধান।
উপসংহার।
নির্ঘণ্টসমূহ:
- কুরআনের আয়াতের নির্ঘণ্ট।
- হাদীস ও আছার-এর নির্ঘণ্ট।
- ব্যক্তিবর্গের নির্ঘণ্ট।
- উৎস ও তথ্যসূত্রের নির্ঘণ্ট।
- ইজমা বা ঐকমত্যের নির্ঘণ্ট।
- শিক্ষণীয় বিষয়সমূহের নির্ঘণ্ট।
- বিষয়সূচি।
মাসআলার প্রকৃতি, মতভেদ এবং পর্যালোচনার প্রেক্ষিতে কিছু মাসআলা অন্যগুলোর তুলনায় দীর্ঘ হতে পারে। যেমন কখনও কখনও প্রথম বিষয়টি ইজমা বা ঐকমত্যের স্থান হওয়ায় তা সংক্ষিপ্ত হতে পারে, যেমনটি ক্রয়-বিক্রয় এবং প্রতিনিধিত্বের (ওয়াকালাত) পরিচ্ছেদে ঘটেছে। আবার কখনও এটি ব্যাপক মতভেদের স্থান হতে পারে কিন্তু দ্বিতীয় বিষয়টিতে দীর্ঘ কোনো আলোচনা থাকে না, যেমন মুসাকাত (সেচভিত্তিক অংশীদারি) এবং মুজারাআ (বর্গাচাষ) এর ক্ষেত্রে। সুতরাং কিছু চুক্তির বিধানের বিস্তারিত আলোচনায় এমন কিছু রয়েছে যা এর সদৃশ বিষয়ের সাথে যুক্ত করার বিধানে নেই। আর মূল বিধানটি পর্যালোচনার পূর্বে সংশ্লিষ্ট চুক্তির বিধান নিয়ে আলোচনা করা সমীচীন নয়। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞগণ বিষয়গুলোর গুরুত্বানুসারে মূল্যায়ন করেন এবং এগুলোর মধ্যকার পার্থক্যের দিকগুলো অনুধাবন করেন।
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ১৬)
وأختم المقدمة بحمد الله على ما هدى، ثم بالشكر ودعاء الله العلي القدير لوالديَّ على ما ربياني عليه صغيرًا، فاللهم أطل أعمارهما على طاعتك واكفهما همومهما وغمومهما وارزقهما السعادة والهداية، ولزوجي وأختي الكبيرة على ما بذلوه لي من مساعدة، فاللهم جازهم عني خير الجزاء واصرف عنهم الهم والبلاء يا رب الأرض والسماء، ولكل من ساعدني في طباعته وإخراجه أو نصح لي فيه، بكثير أو يسير، فاللهم وفقهم واهدهم وسددهم واجزهم عني خيرًا، وللمشرف بخاصة والمعهد العالي للقضاء وجامعة الإمام محمد بن سعود الإسلامية بعامة على إتاحة فرصة الالتحاق بهذا القسم، فاللهم اكشف لهم وجوه الحقائق وخذ بأيديهم في المضائق، هذا ومن الله أستمد العون والتوفيق، والهداية والسداد، والحمد لله الذي بنعمته تتم الصالحات.
للتواصل: Ebnomar.3@gmail.com
আমি হিদায়াত প্রদানের জন্য আল্লাহর প্রশংসার মাধ্যমে এই ভূমিকাটি সমাপ্ত করছি, অতঃপর আমি মহান সর্বশক্তিমান আল্লাহর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং আমার পিতামাতার জন্য দুআ করছি যে তাঁরা শৈশবে আমাকে যেভাবে লালন-পালন করেছেন। হে আল্লাহ, আপনার আনুগত্যে তাঁদের হায়াত বৃদ্ধি করুন, তাঁদের দুশ্চিন্তা ও দুঃখ-কষ্ট দূর করুন এবং তাঁদেরকে সুখ ও হিদায়াত দান করুন। এবং আমার স্বামী ও বড় বোনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি তাঁরা আমাকে যে সহযোগিতা প্রদান করেছেন তার জন্য। হে আল্লাহ, আপনি আমার পক্ষ থেকে তাঁদেরকে সর্বোত্তম প্রতিদান দিন এবং তাঁদের থেকে দুশ্চিন্তা ও বিপদ-আপদ দূর করে দিন, হে আসমান ও জমিনের রব। এবং যাঁরা এর মুদ্রণ ও প্রকাশনায় আমাকে সাহায্য করেছেন কিংবা অল্প বা বিস্তর উপদেশ দিয়েছেন, তাঁদের সকলের প্রতিও কৃতজ্ঞতা। হে আল্লাহ, আপনি তাঁদেরকে তাওফিক দান করুন, হিদায়াত দিন, সঠিক পথে পরিচালিত করুন এবং আমার পক্ষ থেকে তাঁদেরকে উত্তম প্রতিদান দিন। বিশেষ করে সুপারভাইজার এবং সাধারণভাবে মাআহাদ আল-আলি লিল-কাদা ও ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাউদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ, এই বিভাগে যুক্ত হওয়ার সুযোগ প্রদানের জন্য। হে আল্লাহ, আপনি তাঁদের সামনে সত্যের রূপ উন্মোচন করুন এবং সংকীর্ণ মুহূর্তে তাঁদের হাত ধরুন। এটিই নিবেদন, আর আমি আল্লাহর নিকট সাহায্য, তাওফিক, হিদায়াত ও সঠিক দিকনির্দেশনা প্রার্থনা করছি। এবং সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যাঁর অনুগ্রহে সমস্ত ভালো কাজ সম্পন্ন হয়।
যোগাযোগের জন্য: Ebnomar.3@gmail.com
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ১৭)
تمهيدتعريف العقود والأصل في حكمها وقواعد إضافة العقود إلى مثلهاوفيه ثلاثة مباحث:
المبحث الأول: تعريف العقود.
المبحث الثاني: الأصل في العقود.
المبحث الثالث: القواعد والضوابط المتعلقة بالعقود المضافة إلى مثلها.
ভূমিকাচুক্তিসমূহের সংজ্ঞা, এগুলোর বিধানের মূল ভিত্তি এবং অনুরূপ চুক্তির সাথে চুক্তি যুক্ত করার নিয়মাবলিএতে তিনটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম পরিচ্ছেদ: চুক্তিসমূহের সংজ্ঞা।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: চুক্তিসমূহের মূল ভিত্তি।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: অনুরূপ চুক্তির সাথে যুক্ত চুক্তিসমূহ সংক্রান্ত নিয়ম ও মূলনীতি।
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ১৮)
المبحث الأول: تعريف العقود.
العقود لغةً جمع عقد، والعقد مصدر عَقَدَه يعقِده عقدًا وتَعقادًا، وهو نقيض الحَلِّ (1)، قال في "مقاييس اللغة": (العين والقاف والدال أصلٌ واحدٌ يدلُّ على شدٍّ وشدّةِ وثوقٍ، وإليه ترجع فروع الباب كلها
… والعقدة في البيع إيجابه) (2) سواءٌ كان العقد حسيًّا كعقد الحبل والعسل أو معنويًا كعقد اليمين والعهد والبيع (3).
والعقد عند علماء الشريعة له إطلاقان:
الأول: إطلاقٌ عام، والعقد بالإطلاق العام معناه الالتزام.
والالتزام كون الشخص مكلَّفًا بفعل أو امتناع عن فعل لمصلحة غيره (4).
ومن ذلك قوله سبحانه وتعالى: {وَلَكِنْ يُؤَاخِذُكُمْ بِمَا عَقَّدْتُمُ الْأَيْمَانَ} المائدة: (89)، فكل التزام ولو كان من طرف واحد يكون عقدًا بهذا المعنى، كاليمين والإبراء والأمان والوقف (5).
الثاني: إطلاق خاص، ولا بد فيه من إرادتين متفقتين، والعقد بالإطلاق الخاص هو ارتباط الإيجاب بالقبول أو ما يقوم مقامهما بمثله.
فالارتباط جنسٌ عامٌّ في حقيقة العقد، فهو الجامع بين المتعاقدين، وأما الالتزام فهو أثرٌ للعقد، فالمتعاقدان يلتزمان بمقتضى العقد وبشروطه بعد إبرامه وحصول الارتباط بين الإرادتين؛ لذا كان جنس الارتباط أولى في التعريف من جنس الالتزام، وبعض العقود جائزة يحق للطرفين فسخها، وهذا ينافي الالتزام.
والإيجاب ما صدر من المالك المُملِّك كالبائع في عقد البيع سواءٌ كان صدوره قبل الطرف الثاني أو بعده، وهذا مذهب المالكية (6) والشافعية (7)
--------------------------------------------
প্রথম পরিচ্ছেদ: চুক্তির সংজ্ঞা.
আভিধানিক অর্থে 'উকুদ' (العقود) হলো 'আকদ' (عقد)-এর বহুবচন। 'আকদ' হলো 'আকাদাহু-ইয়া'কিদুহু-আকদান ওয়া তা'কাদান' এর মূলধাতু (মাসদার)। এটি 'হাল' (খুলে ফেলা)-এর বিপরীত (১), 'মাকায়িসুল লুগাহ' গ্রন্থে বলা হয়েছে: (আইন, ক্বাফ এবং দাল—এটি এমন একটি মূল উৎস যা মজবুত করা এবং দৃঢ় বন্ধনের অর্থ প্রদান করে। এই অধ্যায়ের সমস্ত শাখা এই অর্থের দিকেই ফিরে যায়
… আর বিক্রয়ের ক্ষেত্রে 'উকদাহ' মানে হলো তা সাব্যস্ত বা আবশ্যক করা) (২)। চুক্তিটি ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য হতে পারে যেমন দড়ি বা মধুর (জমাট বাঁধা) বন্ধন, অথবা তা অর্থগত বা মানসিক হতে পারে যেমন শপথ, অঙ্গীকার এবং বিক্রয়ের চুক্তি (৩)।
শরীয়াহর আলেমদের নিকট চুক্তির দুটি প্রয়োগ রয়েছে:
প্রথম: সাধারণ প্রয়োগ। সাধারণ প্রয়োগে চুক্তির অর্থ হলো প্রতিশ্রুতি বা দায়বদ্ধতা।
প্রতিশ্রুতি বলতে বোঝায় যে, ব্যক্তি অন্যের স্বার্থে কোনো কাজ করতে বা কোনো কাজ থেকে বিরত থাকতে আদিষ্ট হওয়া (৪)।
এর অন্তর্ভুক্ত হলো মহান আল্লাহর বাণী: {কিন্তু যে শপথ তোমরা দৃঢ়ভাবে করো, তার জন্য তিনি তোমাদের ধরবেন} আল-মায়িদাহ: (৮৯)। সুতরাং প্রত্যেকটি দায়বদ্ধতা—তা যদি একপক্ষ থেকেও হয়—এই অর্থে সেটি একটি চুক্তি হিসেবে গণ্য হবে, যেমন শপথ, দায়মুক্তি, নিরাপত্তা প্রদান এবং ওয়াকফ (৫)।
দ্বিতীয়: বিশেষ প্রয়োগ। এতে অবশ্যই দুটি একমত পোষণকারী ইচ্ছার প্রয়োজন। বিশেষ অর্থে চুক্তি হলো প্রস্তাব (ইজাব) ও কবুল (কবুল) বা এ দুটির স্থলাভিষিক্ত জিনিসের সমন্বয় ঘটানো।
সুতরাং এই 'সমন্বয়' বা 'যোগসূত্র' চুক্তির হাকিকতের ক্ষেত্রে একটি সাধারণ শ্রেণী। এটিই দুই চুক্তিদাতার মধ্যে সেতুবন্ধন। আর দায়বদ্ধতা বা প্রতিশ্রুতি হলো চুক্তির একটি প্রভাব। চুক্তি সম্পাদন এবং দুই ইচ্ছার মধ্যে যোগসূত্র স্থাপনের পর চুক্তিদাতারা চুক্তির দাবি ও শর্তানুসারে দায়বদ্ধ হন। এই কারণে সংজ্ঞার ক্ষেত্রে 'সমন্বয়' শব্দটি 'প্রতিশ্রুতি' শব্দের চেয়ে অধিকতর উত্তম। কারণ কিছু চুক্তি রয়েছে যা 'জায়েয' (ঐচ্ছিক), যা বাতিল করার অধিকার উভয় পক্ষের থাকে, আর এটি দায়বদ্ধতা বা প্রতিশ্রুতির পরিপন্থী।
প্রস্তাব (ইজাব) হলো যা মালিক বা মালিকানা হস্তান্তরকারীর পক্ষ থেকে আসে, যেমন বিক্রয় চুক্তিতে বিক্রেতা; তার এই প্রস্তাব দ্বিতীয় পক্ষের আগে আসুক বা পরে আসুক। এটি মালেকী (৬) এবং শাফেয়ী (৭) মাযহাবের অভিমত।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ১৯)
والحنابلة (1)، وعند الحنفية (2) الإيجاب ما يُذكر أولًا من كلام أحد المتعاقدين سواءٌ كان هو المالك المملِّك أو المتملِّك.
والقَبول على رأي الجمهور ما صدر من المتعاقد الثاني، وهو المتملك، وعلى رأي الحنفية ما يُذكر ثانيًا.
وجاء في التعريف (أو ما يقوم مقامهما بمثله) ومعناه: أو ارتباط ما يقوم مقام الإيجاب والقبول كالمعاطاة أو التعاطي بمثله من المتعاقد الآخر، فأخذ السلعة من المشتري يقوم مقام القبول وأخذ الثمن من البائع أو مده السلعةَ هو المِثل المقابل لفعل المشتري، ويقوم مقام الإيجاب، على اصطلاح الجمهور (3).
ولا يصح أن يضاف في آخر تعريف العقد (على وجه مشروع يظهر أثره في محله) أو (يترتب أو يثبت أثره في المعقود عليه)؛ لأن هذا تعريف للعقد الصحيح، والمعرَّف هو العقد المطلق، فهو بإضافة هذا القيد تعريف غير جامع، والأصل في الحقائق العقلية والمصطلحات الشرعية أن تشمل الصحيح والفاسد؛ لذا يقال: بيع فاسد ونكاح باطل. فصح إطلاق مسمى العقد مع عدم حصول الأثر الشرعي عليه بلا تردد، وينفرد الثاني بورود الدور.
وقد يَرِدُ ذكر عقدٍ من العقود في النصوص الشرعية أو في ألفاظ المكلفين مطلقًا مرادًا به الصحيح من جنسه، بل هذا هو الأصل في الإطلاقات، كالوكالة بالبيع يحمل على البيع الصحيح، لكن بيان حقيقة العقد لا يتقيد بالصحة، فبينهما فرقٌ ظاهرٌ (4).
والمقصود بالعقود المضافة إلى مثلها العقود بالإطلاق العام.
وللعقود تقسيمات متعددة بناءً على اختلاف الاعتبارات (5)، ومن ذلك تقسيم العقود باعتبار المقصود منها، وأقسامها بهذا الاعتبار ثلاثة:
--------------------------------------------
এবং হাম্বলিদের নিকট (১), আর হানাফিদের নিকট (২) ঈজাব (প্রস্তাব) হলো চুক্তিবদ্ধ দুই পক্ষের যে কোনো একজনের পক্ষ থেকে প্রথমে যা উচ্চারিত হয়, চাই সে মালিকানা প্রদানকারী মালিক হোক অথবা মালিকানা গ্রহণকারী হোক।
আর জুমহুর (অধিকাংশ আলেম)-এর মতে কবুল (গ্রহণ) হলো দ্বিতীয় চুক্তিবদ্ধ পক্ষের পক্ষ থেকে যা প্রকাশ পায়, আর তিনি হলেন মালিকানা গ্রহণকারী। আর হানাফিদের মতে এটি হলো যা দ্বিতীয় পর্যায়ে উল্লেখ করা হয়।
সংজ্ঞায় এসেছে (অথবা অনুরূপ কিছুর মাধ্যমে যা সেই দুইটির স্থলাভিষিক্ত হয়) এবং এর অর্থ হলো: ঈজাব ও কবুলের স্থলাভিষিক্ত জিনিসের সংশ্লিষ্টতা, যেমন মুআতাত (পণ্য ও মূল্যের আদান-প্রদান) অথবা অপর চুক্তিবদ্ধ পক্ষের পক্ষ থেকে অনুরূপ আদান-প্রদান। সুতরাং ক্রেতার পক্ষ থেকে পণ্য গ্রহণ করা কবুলের স্থলাভিষিক্ত হয় এবং বিক্রেতার পক্ষ থেকে মূল্য গ্রহণ করা অথবা পণ্য এগিয়ে দেওয়া হলো ক্রেতার কাজের বিপরীতে অনুরূপ কাজ, যা জুমহুর উলামায়ে কেরামের পরিভাষায় ঈজাবের স্থলাভিষিক্ত হয় (৩)।
চুক্তির সংজ্ঞার শেষে (শরয়ি পদ্ধতিতে যার প্রভাব এর উপযুক্ত স্থলে প্রকাশ পায়) অথবা (চুক্তিকৃত বিষয়ের ওপর যার প্রভাব বর্তায় বা সাব্যস্ত হয়) কথাটি যোগ করা সঠিক নয়; কারণ এটি হলো সহিহ (সঠিক) চুক্তির সংজ্ঞা, অথচ সংজ্ঞায়িত বিষয়টি হলো নিরঙ্কুশ চুক্তি। সুতরাং এই শর্ত যোগ করার কারণে এটি একটি অপূর্ণাঙ্গ (গায়র জামে) সংজ্ঞা হয়ে দাঁড়াবে। আর যৌক্তিক বাস্তবতা ও শরয়ি পরিভাষার মূলনীতি হলো তা সহিহ ও ফাসিদ (ত্রুটিযুক্ত) উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করবে; এই কারণেই বলা হয়: ফাসিদ ক্রয়-বিক্রয় এবং বাতিল নিকাহ। সুতরাং কোনো দ্বিধা ছাড়াই শরয়ি প্রভাব অর্জিত না হওয়া সত্ত্বেও 'চুক্তি' শব্দটি ব্যবহার করা সঠিক। আর দ্বিতীয় বিষয়টি বৃত্তাকার সংজ্ঞার (দাওর) দোষে দুষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র।
কখনও শরয়ি নাসসমূহ বা মুকাল্লাফদের (দায়িত্বশীল ব্যক্তি) কথায় কোনো চুক্তির আলোচনা নিরঙ্কুশভাবে আসতে পারে যা দ্বারা ওই জাতীয় সহিহ বা সঠিক চুক্তিই উদ্দেশ্য হয়ে থাকে; বরং শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটিই মূলনীতি। যেমন ক্রয়-বিক্রয়ের প্রতিনিধি নিয়োগ (ওকালত বিল বায়) সহিহ ক্রয়-বিক্রয়ের ওপরই প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু চুক্তির প্রকৃত হাকিকত বা স্বরূপ বর্ণনার ক্ষেত্রে তা সহিহ হওয়ার শর্তে সীমাবদ্ধ নয়। সুতরাং এই দুইয়ের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান (৪)।
আর সমজাতীয় বিষয়ের দিকে সম্বন্ধযুক্ত চুক্তিসমূহ দ্বারা সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত চুক্তিসমূহ উদ্দেশ্য।
বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে চুক্তির বহু প্রকারভেদ রয়েছে (৫), তার মধ্যে একটি হলো উদ্দেশ্য অনুযায়ী চুক্তির বিভাজন; আর এই দৃষ্টিকোণ থেকে চুক্তির প্রকার তিনটি:
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ২০)
الأول: عقود معاوضات، ويدخل فيها تبعًا عقود المشاركات؛ لاشتراكهما في معنى المعاوضة العام، ويمكن جعلها قسمًا مستقلًا لتميز أحكامه عن المعاوضات، بل من العلماء من ألحق المشاركات بالتبرعات (1)، ولا مشاحة في هذا كله إذا فُهم مأخذه.
الثاني: عقود تبرعات، ومنهم من يميز عنها عقود الإرفاق، والإرفاق معنى يشمل العقود وغيرها، ومنهم من يميز عنها عقود الإباحات والأمانات المحضة، كما أن التبرعات تشمل التبرعات المحضة والمعلقة بالموت (2).
والثالث: عقود التوثقات.
وبعض العقود غير المالية يكون فيها معاوضة، لكنها قصدٌ ثانٍ في العقد، كالنكاح، وليس في مسائله وما يلحق به ما يدخل في العقود المضافة إلى مثلها، حسبما توصلتُ إليه، ولو كان لشغلتْ قسمًا رابعًا، ومن أسباب تباين المناهج في تقسيم العقود بهذا الاعتبار أن من العقود ما لا مرية في كونها معاوضة، ومنها ما لا مرية في كونها تبرعًا، وكذلك في التوثقات، ومن العقود ما تُردد فيها؛ لأنها آخذة بنصيب من كل قسم، فيتجاذبها نوعان أو أكثر، كالعبد في الأحكام، هل يلحق بالبهيمة لأنه يباع ويشترى ويوهب ويوقف، أو يلحق بالحر لأنه مكلف ومتصرف؟ وكالحلي من النقدين، هل يُزكّى؛ لأن جنسه ذهب أو فضة فيلحق بهما، أو لا يُزكّى لأنه يُستعمل كالأثاث والمركوب والملبوس والعبد والفرس؟ فعلى سبيل المثال: الحوالة فيها معنى الإرفاق والتوثقة، وفيها شوب معاوضة، والقرض: هو ابتداءً تبرع وانتهاءً معاوضة.
ولا يعدو الأمر كونه اصطلاحًا ومردُّه إلى الاجتهاد.
لذا لم يخصّه المتقدمون في دوواين الفقه بكبير عناية، من حيث التوسع في التقسيم والتعريف بها.
--------------------------------------------
প্রথম: বিনিময়মূলক চুক্তি, এবং এর অধীনে আনুষঙ্গিকভাবে অংশীদারিত্বমূলক চুক্তিগুলোও অন্তর্ভুক্ত হয়; কারণ বিনিময়ের সাধারণ অর্থের ক্ষেত্রে উভয়ই অংশীদার। বিনিময়মূলক চুক্তি থেকে এর বিধানসমূহ ভিন্ন হওয়ার কারণে একে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবেও গণ্য করা সম্ভব। এমনকি আলেমদের মধ্যে কেউ কেউ অংশীদারিত্বমূলক চুক্তিগুলোকে দানমূলক চুক্তির অন্তর্ভুক্ত করেছেন (১)। আর যদি এর ভিত্তি উপলব্ধি করা যায়, তবে এসবের কোনোটিতেই কোনো বিবাদ নেই।
দ্বিতীয়: দানমূলক চুক্তি, এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ এ থেকে সৌজন্যমূলক চুক্তিগুলোকে পৃথক করেন। সৌজন্য এমন এক অর্থ যা চুক্তি এবং চুক্তিবহির্ভূত বিষয়কেও অন্তর্ভুক্ত করে। আবার তাদের মধ্যে কেউ কেউ এ থেকে স্রেফ অনুমতি প্রদান এবং বিশুদ্ধ আমানত সংক্রান্ত চুক্তিগুলোকে পৃথক করেন। ঠিক তেমনিভাবে দানমূলক চুক্তিসমূহ বিশুদ্ধ দান এবং মৃত্যুর সাথে সংশ্লিষ্ট দান উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করে (২)।
তৃতীয়: জামানত সংক্রান্ত চুক্তি।
কিছু অ-আর্থিক চুক্তিতেও বিনিময় থাকে, তবে তা চুক্তির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্দেশ্য হিসেবে গণ্য হয়, যেমন বিবাহ। আমার গবেষণালব্ধ ফলাফল অনুযায়ী, এর মাসআলাসমূহ এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর মধ্যে এমন কিছু নেই যা এ জাতীয় চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হবে। যদি থাকতো, তবে তা একটি চতুর্থ বিভাগ দখল করে নিত। এই দৃষ্টিকোণ থেকে চুক্তির বিভাজনে পদ্ধতিগত পার্থক্যের অন্যতম কারণ হলো, এমন কিছু চুক্তি আছে যা বিনিময়মূলক হওয়ার ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই, আবার কিছু আছে যা দানমূলক হওয়ার ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই; একইভাবে জামানত সংক্রান্ত চুক্তির ক্ষেত্রেও। আবার কিছু চুক্তি এমন আছে যা নিয়ে দ্বিধা রয়েছে; কারণ সেগুলোতে প্রতিটি বিভাগেরই কিছু অংশ বিদ্যমান থাকে, ফলে তা দুই বা ততোধিক প্রকারের বৈশিষ্ট্যের আকর্ষণে থাকে। যেমন বিধানের ক্ষেত্রে দাসের উদাহরণ; তাকে কি গবাদি পশুর অন্তর্ভুক্ত করা হবে যেহেতু তাকে কেনা-বেচা করা যায়, দান করা যায় এবং ওয়াকফ করা যায়? নাকি তাকে মুক্ত মানুষের অন্তর্ভুক্ত করা হবে যেহেতু সে শরীয়তের বিধান পালনে আদিষ্ট এবং কর্মসম্পাদনে সক্ষম? অথবা স্বর্ণ ও রৌপ্যের অলঙ্কারের উদাহরণ; এগুলোর কি যাকাত দিতে হবে যেহেতু এর মূল ধাতু স্বর্ণ বা রৌপ্য তাই তা এগুলোর অন্তর্ভুক্ত হবে? নাকি যাকাত দিতে হবে না যেহেতু তা আসবাবপত্র, যানবাহন, পোশাক, দাস এবং ঘোড়ার মতো ব্যবহৃত হয়? উদাহরণস্বরূপ: হাওয়ালা বা ঋণ হস্তান্তরের মধ্যে সৌজন্য এবং জামানতের অর্থ রয়েছে, আবার এতে বিনিময়ের সংমিশ্রণও রয়েছে। আর ঋণ প্রদান হলো শুরুতে দান এবং শেষে বিনিময়।
বিষয়টি পারিভাষিক হওয়া ছাড়া আর কিছু নয় এবং এর ভিত্তি হলো ইজতিহাদ বা গবেষণালব্ধ সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল।
এ কারণেই পূর্ববর্তী ফকীহগণ ফিকহের গ্রন্থসমূহে এর সংজ্ঞা প্রদান এবং বিস্তারিত বিভাজনের ক্ষেত্রে খুব বেশি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেননি।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ২১)
المبحث الثاني: الأصل في العقود.
قواعد الأصل في العقود كثيرة، فالأصل فيها اللزوم، والأصل فيها الفورية والتنجيز أو المناجزة، والأصل فيها السلامة، والأصل فيها تنزيلها على المتيقن أو الظاهر القريب، ولكن المقصود هنا الأصل في العقود من حيث حكمُها، والأصل فيها بهذا الاعتبار الجواز والصحة، في مذهب جمهور العلماء (1)، بل نصَّ ابن حزم على ما يوافق ذلك فقال: (إن ما سكت عنه النبي صلى الله عليه وآله وسلم فلم يأمر به ولا نهى عنه فهو مباح، وليس حرامًا ولا فرضًا) (2)، لكن العبرة بما صرَّح به، وهو ما عزاه أبو العباس ابن تيمية إلى أهل الظاهر، أنهم لا يصحِّحون عقدًا ولا شرطًا إلا ما ثبت جوازه بنصٍّ أو إجماعٍ (3).
ودليل الصحة والإباحة قوله جل جلاله: {يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَوْفُوا بِالْعُقُودِ} المائدة: (1)، وعدد من الآيات التي فيها حصر المحرمات وتَعدادها (4) مما يُفهم إباحة ما سواها، من ذلك قوله عز وجل: {قُلْ تَعَالَوْا أَتْلُ مَا حَرَّمَ رَبُّكُمْ عَلَيْكُمْ} الأنعام: (151) الآيات، وقوله سبحانه وتعالى: {قُلْ لَا أَجِدُ فِي مَا أُوحِيَ إِلَيَّ مُحَرَّمًا عَلَى طَاعِمٍ يَطْعَمُهُ إِلَّا أَنْ يَكُونَ مَيْتَةً أَوْ دَمًا مَسْفُوحًا أَوْ لَحْمَ خِنْزِيرٍ} الأنعام: (145) الآيات، وقوله صلى الله عليه وسلم: «إن من أعظم المسلمين جرمًا من سأل عن شيء لم يحرَّم فحُرِّم من أجل مسألته» (5).
ويظهر أثر هذا الأصل في البحث من جانبين: أحدهما: أن من وافق قوله الأصل لا يُطالب بالدليل؛ لأن دليله أدلة أصله، فإذا استدلّ فجانبه متقوٍّ بالأصل، والثاني: أنه من المرجحات في محل النزاع.
--------------------------------------------
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: চুক্তির মূল ভিত্তি.
চুক্তির মূল ভিত্তি বিষয়ক নিয়মাবলি অনেক। চুক্তির ক্ষেত্রে মূল হলো তা বাধ্যতামূলক হওয়া, চুক্তির ক্ষেত্রে মূল হলো তা তাৎক্ষণিক ও নগদ সম্পন্ন হওয়া, চুক্তির ক্ষেত্রে মূল হলো ত্রুটিমুক্ত হওয়া এবং বিষয়টিকে নিশ্চিত অথবা নিকটতম বাহ্যিক অর্থের ওপর প্রয়োগ করা। তবে এখানে উদ্দেশ্য হলো বিধানের দিক থেকে চুক্তির মূল ভিত্তি কী তা জানা। এই বিবেচনায় জমহুর বা অধিকাংশ আলেমদের মাযহাব অনুযায়ী চুক্তির ক্ষেত্রে মূল হলো তা বৈধ ও শুদ্ধ হওয়া (১)। বরং ইবনে হাজম এর অনুকূলে স্পষ্ট বক্তব্য প্রদান করে বলেছেন: (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম যা সম্পর্কে নীরব থেকেছেন—অর্থাৎ যা করার নির্দেশ দেননি আবার নিষেধও করেননি—তা হলো বৈধ বা মুবাহ; তা হারামও নয় আবার ফরজও নয়) (২)। তবে নির্ভরযোগ্য বিষয় হলো যা তিনি স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করেছেন। আর তা হলো আবু আব্বাস ইবনে তাইমিয়্যাহ যাহেরি মাযহাবের অনুসারীদের সম্পর্কে যা উল্লেখ করেছেন যে, তারা কোনো চুক্তি বা শর্তকে ততক্ষণ পর্যন্ত শুদ্ধ মনে করেন না যতক্ষণ না দলিল বা ইজমার মাধ্যমে তার বৈধতা প্রমাণিত হয় (৩)।
চুক্তি শুদ্ধ ও বৈধ হওয়ার দলিল হলো আল্লাহ জাল্লা জালালুহুর বাণী: {হে মুমিনগণ, তোমরা অঙ্গীকারসমূহ (চুক্তিগুলো) পূর্ণ করো} সূরা আল-মায়িদাহ: (১)। এছাড়া বেশ কিছু আয়াত রয়েছে যেগুলোতে হারাম বিষয়গুলোকে নির্দিষ্ট ও গণনা করা হয়েছে (৪), যা থেকে বোঝা যায় যে এর বাইরে যা আছে তা বৈধ। এর মধ্যে রয়েছে মহান আল্লাহর বাণী: {বলুন, এসো তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের ওপর যা হারাম করেছেন তা আমি তিলাওয়াত করি} সূরা আল-আনআম: (১৫১) থেকে পরবর্তী আয়াতসমূহ। এবং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার বাণী: {বলুন, আমার কাছে যে ওহী পাঠানো হয়েছে তাতে আমি এমন কিছু হারাম পাই না যা আহারকারী আহার করে, যদি না তা মৃত জন্তু বা প্রবাহিত রক্ত কিংবা শূকরের মাংস হয়} সূরা আল-আনআম: (১৪৫) থেকে পরবর্তী আয়াতসমূহ। এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণী: «নিশ্চয়ই মুসলমানদের মধ্যে সেই ব্যক্তি সবচেয়ে বড় অপরাধী, যে এমন কোনো বিষয়ে প্রশ্ন করেছে যা হারাম ছিল না, কিন্তু তার প্রশ্নের কারণে তা হারাম করা হয়েছে» (৫)।
গবেষণায় এই মূলনীতির প্রভাব দুটি দিক থেকে প্রকাশ পায়: এক. যার বক্তব্য মূলনীতির সাথে মিলে যায় তাকে দলিল প্রদানের জন্য বলা হয় না; কারণ তার দলিল হলো তার মূলনীতির দলিল। আর সে যদি দলিল পেশও করে, তবে মূলনীতির কারণে তার পক্ষটি শক্তিশালী হয়। দুই. মতভেদের ক্ষেত্রে এটি একটি অগ্রাধিকার দানকারী মানদণ্ড হিসেবে কাজ করে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ২২)
المبحث الثالث: القواعد والضوابط المتعلقة بالعقود المضافة إلى مثلها، وفيه خمسة مطالب:
المطلب الأول: الأصل في العقود التي يجوز أن يقوم فيها غير المعقود معه مقامه.
الأصلُ في العقود اللازمة على عمل معين تحصيلُ العمل، فيجوز أن يقوم به غير المعقود معه، والعقود غير اللازمة (الجائزة) لا يجوز للمعقود معه أن يقيم غيره مقامه فيها.
والعقود اللازمة هي التي لا يستقل أحد الطرفين فيها بالفسخ دون رضا الآخر، والعقود الجائزة بعكسها، فقد يستقل بفسخها أحد الطرفين أو كلاهما.
قال ابن رجب: (العقد الوارد على عمل معين إما أن يكون لازمًا ثابتًا في الذمة بعوض كالإجارة فالواجب تحصيل ذلك العمل، ولا يتعين أن يعمله المعقود معه إلا بشرط أو قرينة تدل عليه، وإما أن يكون غير لازم وإنما يستفاد التصرف فيه بمجرد الإذن فلا يجوز للمعقود معه أن يقيم غيره مقامه في عمله إلا بإذن صريح أو قرينة دالة عليه، ويتردد بين هذين من كان تصرفه بولاية إما ثابتة بالشرع كولي النكاح أو بالعقد كالحاكم وولي اليتيم) (1).
وتوجيه ذلك أن مقصود العقود اللازمة تحصيل المعقود عليه من عين أو عمل، وليس مباشرة ذلك العمل إلا إذا قامت قرينة على قصد مباشرة المعقود معه، أما العقود الجائزة فهي عرضة للفسخ من الطرفين، وهذا يجعلها أضعف من أن يستند فيها إلى طرف ثالث.
أمثلة ذلك:
أولًا: العقود اللازمة: الأجير المشترك يجوز له الاستنابة في العمل من حيث الأصل؛ لأنه ضمن تحصيله لا عمله بنفسه (2)، والصانع يجوز له الاستنابة من حيث الأصل؛ لأن المعقود عليه تسليم العمل لا مباشرته (3).
ثانيًا: العقود الجائزة: الوكيل في ما يقوم به مثله ولا يعجز عنه لا يجوز له التوكيل من حيث الأصل؛ لأنه عقد جائز (4)، والعامل المضارب ليس له أن يضارب برأس المال من حيث الأصل؛ لأنها عقد جائز (5).
والمراد بكونها من حيث الأصل أن تخلو من شرط أو قرينة تقتضي خلاف الأصل.
وأما العقود اللازمة من طرف والجائزة من الطرف الآخر، كالرهن والكفالة والضمان
--------------------------------------------
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: সদৃশ চুক্তির সাথে সম্পর্কিত নীতি ও বিধানসমূহ, এতে পাঁচটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: চুক্তিকর্তা ব্যতীত অন্য কেউ তার স্থলাভিষিক্ত হতে পারে এমন চুক্তিগুলোর ক্ষেত্রে মূলনীতি।নির্দিষ্ট কাজের ওপর কৃত বাধ্যতামূলক চুক্তিগুলোর (আল-উকুদ আল-লাযিমা) ক্ষেত্রে মূলনীতি হলো কাজটি সম্পন্ন করা; সুতরাং চুক্তিকর্তা ব্যতীত অন্য কেউ তা সম্পন্ন করা বৈধ। তবে অ-বাধ্যতামূলক (জায়েয) চুক্তিগুলোর ক্ষেত্রে চুক্তিকর্তার জন্য তার স্থলে অন্য কাউকে স্থলাভিষিক্ত করা বৈধ নয়।
বাধ্যতামূলক চুক্তি হলো এমন চুক্তি যেখানে কোনো পক্ষ অপর পক্ষের সম্মতি ছাড়া এককভাবে চুক্তি বাতিল করার ক্ষমতা রাখে না। অ-বাধ্যতামূলক চুক্তি এর বিপরীত; এতে কোনো এক পক্ষ বা উভয় পক্ষ এককভাবে চুক্তি বাতিল করতে পারে।
ইবনে রজব বলেন: (নির্দিষ্ট কাজের ওপর কৃত চুক্তি হয়তো বাধ্যতামূলক হবে এবং কোনো বিনিময়ের বিনিময়ে দায়বদ্ধ থাকবে—যেমন ইজারা (শ্রম), এক্ষেত্রে ওয়াজিব হলো সেই কাজ সম্পন্ন করা; আর শর্ত বা কোনো নিদর্শন না থাকলে চুক্তিকর্তার নিজেরই সেই কাজ করা আবশ্যক নয়। অথবা এটি অ-বাধ্যতামূলক হবে, যেখানে কেবল অনুমতির মাধ্যমেই কাজ করার অধিকার লাভ হয়; সুতরাং এক্ষেত্রে চুক্তিকর্তার জন্য কোনো স্পষ্ট অনুমতি বা জোরালো নিদর্শন ব্যতীত তার কাজের ক্ষেত্রে অন্য কাউকে স্থলাভিষিক্ত করা বৈধ নয়। আর এই দুই প্রকারের মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে সেই ব্যক্তি যার কার্যপরিচালনা অভিভাবকত্বের ভিত্তিতে হয়—তা শরিয়ত কর্তৃক নির্ধারিত হোক যেমন বিবাহের অভিভাবক, অথবা চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হোক যেমন বিচারক এবং এতিমের অভিভাবক) (১)।
এর যৌক্তিক কারণ হলো, বাধ্যতামূলক চুক্তিগুলোর উদ্দেশ্য হলো নির্দিষ্ট বস্তু বা কাজ লাভ করা, সরাসরি চুক্তিকর্তার মাধ্যমেই সেই কাজ সম্পন্ন করা উদ্দেশ্য নয়—যদি না চুক্তিকর্তার সরাসরি অংশগ্রহণের বিষয়ে কোনো নিদর্শন থাকে। অন্যদিকে অ-বাধ্যতামূলক চুক্তিগুলো উভয় পক্ষের পক্ষ থেকে বাতিলযোগ্য, যা একে তৃতীয় পক্ষের ওপর নির্ভর করার ক্ষেত্রে দুর্বল করে দেয়।
এর উদাহরণ:
প্রথমত: বাধ্যতামূলক চুক্তি: সাধারণ শ্রমিক মূলনীতির ভিত্তিতে কাজের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ করতে পারে; কারণ সে কাজ সম্পন্ন করার নিশ্চয়তা দিয়েছে, নিজে করার নয় (২)। কারিগরও মূলনীতির ভিত্তিতে প্রতিনিধি নিয়োগ করতে পারে; কারণ চুক্তির বিষয়বস্তু হলো কাজটি বুঝিয়ে দেওয়া, সরাসরি নিজে করা নয় (৩)।
দ্বিতীয়ত: অ-বাধ্যতামূলক চুক্তি: কোনো প্রতিনিধি এমন কাজের ক্ষেত্রে যা তার সমপর্যায়ের ব্যক্তিরা করতে পারে এবং সে তাতে অক্ষম নয়, মূলনীতির ভিত্তিতে সে অন্য কাউকে প্রতিনিধি নিয়োগ করতে পারে না; কারণ এটি একটি অ-বাধ্যতামূলক চুক্তি (৪)। মুদারিব (বিনিয়োগকৃত মূলধনের পরিচালক) মূলনীতির ভিত্তিতে মূলধন দিয়ে অন্য কাউকে মুদারাবায় নিয়োগ করতে পারে না; কারণ এটি একটি অ-বাধ্যতামূলক চুক্তি (৫)।
'মূলনীতির ভিত্তিতে' কথাটির অর্থ হলো, সেখানে এমন কোনো শর্ত বা নিদর্শন নেই যা এই মূলনীতির পরিপন্থী।
আর এক পক্ষের জন্য বাধ্যতামূলক এবং অন্য পক্ষের জন্য অ-বাধ্যতামূলক চুক্তিগুলো—যেমন বন্ধক, জামিনদার হওয়া এবং নিশ্চয়তা প্রদান...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ২৩)
والمكاتبة فهي كالعقود اللازمة في ما سبق، غير أنه لا أثر لها على مباحث هذا البحث، كما سيتبين في المباحث المتعلقة بالرهن والكفالة والضمان والمكاتبة.
المطلب الثاني: قاعدة نقل المِلك بنفس العقد المستفاد به المملوك.
الأملاك التامة قابلة للنقل بالعوض وغيره في الجملة، ومِلك المنافع إن كان بعقدٍ لازم جاز نقل الملك بمثل الذي ملك به أو دونه، دون ما هو أعلى منه ومَلَك المعاوضة عليه (1).
وتوجيه ذلك أن الملك التام يخوِّل صاحبه التصرف المباح المطلق كالاستعمال والاستغلال والمعاوضة، فيملك أن يهب الموهوب له وأن يوصي بالموصى له بعد القَبول الحاصل عقب موت الموصي، أما الملك غير التام كملك منفعة العين المستأجرة فله أن ينقل الملك فيها بمثل العقد الأول بشرط أن يكون المعقود معه بمنزلته أو أقل في استيفاء المنفعة، كالإجارة والإعارة عند من يرى أنها تمليكُ منفعةٍ؛ لأنه إنما ملك المنفعة، واستيفاؤها يكون بقبض العين، ونفيًا للضرر عن مالك العين.
المطلب الثالث: قاعدة نفي الضرر.
إذا تضمن العقد الثاني المضاف إلى مثله ضررًا بالمتعاقد الأول الذي لم تنقطع عُلَقه بالمعقود عليه لم يجز ولم ينفذ إلا بإذنه أو بتدارك الضرر بالضمان ونحوه.
ودليل ذلك عموم أدلة نفي الضرر وتحريمه (2)، والنهي يقتضي الفساد (3)، فإذا أذن فقد أسقط حقه، فإلم (4) يأذن إلا بمقابل (تعويض) فله ذلك، وهذا التدارك لا يرفع الحكم بعدم الجواز والفساد ولكنه يجبر الضرر بعد وقوعه.
قال الزركشي والسيوطي: (واعلم أن إيراد العقد على العقد ضربان: أحدهما: أن يكون قبل لزوم الأول وإتمامه فهو إبطالٌ للأول إن صدر من البائع، وإمضاءٌ للأول إن صدر من المشتري بعد القبض. الثاني: أن يكون بعد لزومه، وهو ضربان: الأول: أن يكون مع غير العاقد الأول، فإن كان فيه إبطال لحق الأول لغا، وإلم يكن فيه إبطال للأول صح. الثاني: أن يكون مع العاقد الأول، فإن اختلف المورد صح قطعًا، وإن اتحد المورد فقال العراقيون: لا
--------------------------------------------
মুকাতাবাত (দাসের মুক্তিচুক্তি) ইতিপূর্বে আলোচিত আবশ্যিক চুক্তিসমূহের মতোই, তবে এই গবেষণার আলোচ্য বিষয়গুলোতে এর কোনো প্রভাব নেই, যেমনটি বন্ধক, জামিনদার, নিশ্চয়তা এবং মুকাতাবাত সংশ্লিষ্ট পরিচ্ছেদগুলোতে স্পষ্ট হবে।
দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ: যে চুক্তির মাধ্যমে মালিকানা অর্জিত হয়েছে, সেই একই চুক্তির মাধ্যমে মালিকানা হস্তান্তরের মূলনীতি.
পূর্ণাঙ্গ মালিকানা সাধারণত বিনিময় বা বিনিময় ব্যতীত হস্তান্তরের যোগ্য। আর ব্যবহারের স্বত্ব (উপযোগের মালিকানা) যদি কোনো আবশ্যিক চুক্তির মাধ্যমে অর্জিত হয়, তবে যে ধরনের চুক্তির মাধ্যমে তা অর্জিত হয়েছে সেই সমপর্যায়ের বা তার চেয়ে নিম্নপর্যায়ের চুক্তির মাধ্যমে তা হস্তান্তর করা জায়েজ। তবে তার চেয়ে উচ্চতর পর্যায়ের চুক্তির মাধ্যমে তা হস্তান্তর করা যাবে না এবং বিনিময়ের মাধ্যমে এর মালিক হওয়া যাবে (১)।
এর ব্যাখ্যা হলো, পূর্ণাঙ্গ মালিকানা তার অধিকারীকে ব্যবহার, বিনিয়োগ এবং বিনিময়ের মতো নিঃশর্ত বৈধ পরিচালনার অধিকার প্রদান করে। ফলে সে দানকৃত বস্তু অন্যকে দান করার এবং দাতার মৃত্যুর পর গ্রহীতার সম্মতির প্রেক্ষিতে অসিয়তকৃত বস্তু অসিয়ত করার অধিকার রাখে। পক্ষান্তরে অপূর্ণাঙ্গ মালিকানা—যেমন ভাড়াকৃত বস্তুর ব্যবহারের স্বত্ব—এর ক্ষেত্রে ব্যক্তি প্রথম চুক্তির অনুরূপ চুক্তির মাধ্যমে মালিকানা হস্তান্তর করতে পারে, তবে শর্ত হলো যার সাথে চুক্তি করা হচ্ছে তাকে ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রথম ব্যক্তির সমপর্যায়ের বা তার চেয়ে কম ব্যবহারের অধিকারী হতে হবে। যেমন ইজারা (ভাড়া) এবং ইআরাহ (ধার দেওয়া)—যাদের মতে এটি ব্যবহারের স্বত্ব প্রদান করা; কারণ সে কেবল ব্যবহারের স্বত্ব লাভ করেছে, আর তা অর্জিত হয় বস্তুটি কব্জা করার মাধ্যমে এবং বস্তুর মূল মালিকের ক্ষতি রোধ করার স্বার্থে।
তৃতীয় অনুচ্ছেদ: ক্ষতি নিরসনের মূলনীতি.
সমজাতীয় চুক্তির সাথে যুক্ত দ্বিতীয় চুক্তিটি যদি প্রথম চুক্তিকারীর ক্ষতির কারণ হয়—যার সাথে চুক্তিবদ্ধ বিষয়ের সম্পর্ক এখনও ছিন্ন হয়নি—তবে তা জায়েজ হবে না এবং তার অনুমতি ব্যতীত অথবা ক্ষতিপূরণ বা অনুরূপ উপায়ে ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা ব্যতীত তা কার্যকর হবে না।
এর দলিল হলো ক্ষতি নিরসন এবং এর হারামের সাধারণ প্রমাণাদি (২), আর নিষেধাজ্ঞা মূলত সংশ্লিষ্ট বিষয়টি ফাসিদ (বাতিলযোগ্য) হওয়ার দাবি রাখে (৩)। সুতরাং সে যদি অনুমতি দেয় তবে সে তার অধিকার ত্যাগ করল। আর যদি সে বিনিময়ের (ক্ষতিপূরণ) বিনিময়ে অনুমতি দেয় তবে তাও তার জন্য জায়েজ। আর এই ক্ষতিপূরণ অবৈধতা ও ফাসিদ হওয়ার হুকুমকে তুলে নেয় না, বরং ক্ষতি হওয়ার পর তা পুষিয়ে দেয়।
যারকাশি এবং সুয়ূতী বলেছেন: (জেনে রাখুন যে, এক চুক্তির ওপর আরেক চুক্তি আরোপ করা দুই প্রকার: প্রথমত: প্রথম চুক্তিটি আবশ্যক এবং পূর্ণ হওয়ার আগে হওয়া। এটি যদি বিক্রেতার পক্ষ থেকে হয় তবে তা প্রথম চুক্তিকে বাতিল করা বলে গণ্য হবে, আর যদি ক্রেতার পক্ষ থেকে কব্জা করার পর হয় তবে তা প্রথম চুক্তিকে কার্যকর করা বলে গণ্য হবে। দ্বিতীয়ত: চুক্তি আবশ্যক হওয়ার পর হওয়া; এটি আবার দুই প্রকার: প্রথমটি: প্রথম চুক্তিকারী ব্যতীত অন্য কারো সাথে হওয়া। এতে যদি প্রথম ব্যক্তির অধিকার ক্ষুণ্ণ হয় তবে তা বাতিল বলে গণ্য হবে, আর যদি প্রথম ব্যক্তির অধিকার ক্ষুণ্ণ না হয় তবে তা সহীহ হবে। দ্বিতীয়টি: প্রথম চুক্তিকারীর সাথেই হওয়া। যদি ক্ষেত্র ভিন্ন হয় তবে তা নিশ্চিতভাবেই সহীহ। আর যদি ক্ষেত্র এক হয় তবে ইরাকি উলামাগণ বলেছেন: না
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ২৪)
يجوز، والأصح أنه يجوز) (1).
أمثلة ذلك:
1 - لو آجر إنسانًا للخدمة شهرًا لم يجز أن يُستأجر تلك المدة لعمل آخر (2).
2 - لو ضارب المضارب (العامل) بتقبل رأس المال من طرفٍ ثالثٍ وكان ذلك يدخل ضررًا على رب المال الأول لم يجز (3).
3 - لو أعار المستعير العارية فقد تصرف في ملك غيره، كما أنه يحتمل تعريضها للتلف أو العيب؛ لذلك لم يجز (4).
ومثال انقطاع علق الأول أن يهب هبة لشخص، فيجوز للثاني أن يستعملها أو يبيعها أو يهديها؛ لانقطاع عُلق الواهب.
المطلب الرابع: قاعدة سد الذريعة.
كل عقد أضيف إلى مثله وكان حيلةً على المحرم كالربا أو بيع العينة فهو محرم.
ودليل ذلك قول رسول الله صلى الله عليه وسلم: «قاتل الله اليهود إن الله عز وجل لما حرم عليهم شحومها جملوه ثم باعوه وأكلوا ثمنه» (5)، فلما أكلوا ثمن ما حُرِّم عليهم بالتحايل استحقوا اللعن، ويشهد لذلك من القواعد: قاعدة الأمور بمقاصدها (6)، وقاعدة الوسائل لها حكم المقاصد (7)، وقاعدة العبرة في العقود بالمقاصد والمعاني لا بالألفاظ والمباني (8).
وهذه العقود لم يُنص على حكمها حال كونها وسيلةً لغيرها؛ لذا أخذت حكم ما هي وسيلة إليه.
أمثلة ذلك:
1 - لو استصنع من مصرف يعلم يقينًا أنه لن يباشر العمل، وطلب من المصرف أن
--------------------------------------------
বৈধ, এবং সঠিক মত হলো এটি বৈধ (১)।
এর উদাহরণসমূহ:
১ - যদি কোনো ব্যক্তি কোনো মানুষকে এক মাসের জন্য খেদমতের জন্য ভাড়া করে, তবে ওই সময়ের জন্য তাকে অন্য কোনো কাজের জন্য ভাড়া করা বৈধ নয় (২)।
২ - যদি মুদারিব (শ্রমিক) কোনো তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকে মূলধন গ্রহণ করে মুদারাবাহ চুক্তি করে এবং তা প্রথম মূলধনদাতার ক্ষতির কারণ হয়, তবে তা বৈধ নয় (৩)।
৩ - যদি কোনো ধার গ্রহণকারী ব্যক্তি ধার নেওয়া বস্তুটিকে অন্য কাউকে ধার দেয়, তবে সে অন্যের মালিকানাধীন বস্তুতে হস্তক্ষেপ করল; তদুপরি এতে বস্তুটি নষ্ট হওয়া বা ত্রুটিযুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে; তাই এটি বৈধ নয় (৪)।
এবং প্রথম ব্যক্তির অধিকার বা সংশ্লিষ্টতা ছিন্ন হওয়ার উদাহরণ হলো: কেউ কাউকে কোনো কিছু দান করল; এমতাবস্থায় দ্বিতীয় ব্যক্তির জন্য সেটি ব্যবহার করা, বিক্রি করা বা উপহার দেওয়া বৈধ; কারণ দাতার অধিকার বা সংশ্লিষ্টতা ছিন্ন হয়ে গেছে।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: 'সাদ্দুজ যারায়ে' (অশুভ পথ বন্ধ করা) এর মূলনীতি.
এমন প্রতিটি চুক্তি যা অনুরূপ চুক্তির সাথে যুক্ত হয় এবং কোনো হারামের হিলা বা অপকৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হয় (যেমন: সুদ বা 'বায়ই ইনাহ'), তা হারাম।
এর দলিল হলো আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণী: «আল্লাহ ইহুদিদের ধ্বংস করুন; যখন মহান আল্লাহ তাদের জন্য (মৃত পশুর) চর্বি হারাম করলেন, তখন তারা তা গলিয়ে বিক্রি করল এবং তার মূল্য ভোগ করল» (৫)। ফলে তারা যখন চাতুর্যের মাধ্যমে তাদের ওপর যা হারাম করা হয়েছিল তার মূল্য ভোগ করল, তখন তারা অভিশাপের যোগ্য হলো। এ বিষয়টি কতিপয় মূলনীতি দ্বারা সমর্থিত: 'কার্যাবলি তার উদ্দেশ্যের ওপর নির্ভরশীল' মূলনীতি (৬), 'উপায়সমূহ তার উদ্দেশ্যের বিধান লাভ করে' মূলনীতি (৭) এবং 'চুক্তিগুলোর ক্ষেত্রে মূল ধর্তব্য বিষয় হলো তার উদ্দেশ্য ও অর্থ, শব্দ ও বাক্য নয়' মূলনীতি (৮)।
আর এই চুক্তিগুলোর বিধান যখন অন্য কোনো বিষয়ের মাধ্যম বা উপায় হিসেবে গণ্য হয়, তখন তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি; এ কারণে এগুলো যার মাধ্যম হিসেবে কাজ করে, সেই বিধানই গ্রহণ করে।
এর উদাহরণসমূহ:
১ - যদি কেউ এমন কোনো ব্যাংক থেকে পণ্য তৈরির ফরমাশ (ইসতিসনা) দেয় যার ব্যাপারে সে নিশ্চিতভাবে জানে যে ব্যাংক নিজে কাজটি সম্পন্ন করবে না, এবং ব্যাংককে অনুরোধ করে যে
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ২৫)
يكون عقد الاستصناع الثاني (الموازي) بين المصرف ومؤسسته أو طرف ثالث يتفق معه بحيث يكون المصرف هو المستصنع في العقد الجديد مع الطرف الثالث؛ ليتسلم المصرفُ السلعةَ ثم يسلمها بموجب العقد الأول للمستصنع الأصلي، وقَصَد بذلك الحيلة على القرض الربوي لم يجز؛ لأنه حيلة على الربا.
2 - لو تقدم صاحب أرض لشركة تمويل بطلب بناء مركز تجاري على أرضه، واشترط أن يكون هو المقاول من الباطن -بمعنى أن يتقاول مع الشركة على مشروع على أن تتقاول معه في ذلك المشروع- لم يجز؛ لأنه من بيع العينة.
المطلب الخامس: ضابط فقهي.
كل عقدٍ أضيف إلى مثله يُشترط لصحته ما يُشترط لصحة العقد الأصلي، وقد يستقل العقد المضاف بشروط.
ومثال ذلك: يشترط في الهبة كون الواهب أهلًا للتبرع مالكًا للموهوب وكون الموهوب موجودًا متقومًا متميزًا مع قبض الموهوب له (1)، فيشترط في هبة الموهوب كل ما سبق من الشروط، وهكذا في سائر العقود.
تنبيهان:
الأول: جاء في "الأشباه والنظائر" لابن نجيم: (كل عقدٍ أُعيد وجُدِّد فإن الثاني باطل) (2) وليس هذا من العقود المضافة لمثلها؛ لأن المقصود منه إعادته مع الطرف الأول، ومحل البحث أعم من ذلك فأحيانًا يكون إبرام العقد مع العاقد الأول كرهن المرهون من المرتهن، وأحيانًا -وهو الغالب- يكون مع طرفٍ ثالثٍ، قال بعدها: (فالصلح بعد الصلح باطل، كما في جامع الفصولين، والنكاح بعد النكاح كذلك، كما في القنية، والحوالة بعد الحوالة باطلة، كما في التلقيح إلا في مسائل: الأولى: الشراء بعد الشراء صحيح، أطلقه في جامع الفصولين وقيده في القنية بأن يكون الثاني أكثر ثمنًا من الأول أو أقل أو بجنس آخر وإلا فلا، الثانية: الكفالة بعد الكفالة صحيحة لزيادة التوثيق، بخلاف الحوالة فإنها نقل فلا يجتمعان، كما في التلقيح، وأما الإجارة بعد الإجارة من المستأجر الأول فالثانية فسخ للأولى، كما في البزازية).
--------------------------------------------
দ্বিতীয় (সমান্তরাল) ইস্তিসনা চুক্তি ব্যাংক ও তার প্রতিষ্ঠান অথবা ব্যাংকের সাথে একমত পোষণকারী কোনো তৃতীয় পক্ষের মধ্যে সম্পন্ন হয়, যার ফলে ব্যাংক নতুন চুক্তিতে তৃতীয় পক্ষের কাছে ফরমাইশকারী হিসেবে গণ্য হয়; যেন ব্যাংক পণ্যটি গ্রহণ করে এবং পরবর্তীকালে প্রথম চুক্তির ভিত্তিতে তা মূল ফরমাইশকারীর কাছে হস্তান্তর করতে পারে। যদি এর দ্বারা সুদি ঋণের জন্য কৌশলের উদ্দেশ্য করা হয়, তবে তা জায়েজ হবে না; কারণ এটি সুদের একটি কৌশল।
২ - যদি কোনো জমির মালিক একটি অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে তার জমিতে একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্র নির্মাণের আবেদন নিয়ে আসে এবং এই শর্তারোপ করে যে, সে নিজেই উপ-ঠিকাদার হবে—অর্থাৎ সে প্রকল্পের জন্য কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হবে এই শর্তে যে কোম্পানি উক্ত প্রকল্পের জন্য পুনরায় তার সাথে চুক্তিবদ্ধ হবে—তবে তা জায়েজ হবে না; কারণ এটি বায়‘এ ঈনাহ-র অন্তর্ভুক্ত।
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: একটি ফিকহি মূলনীতি।
প্রতিটি চুক্তি যা তার অনুরূপ চুক্তির সাথে সংযুক্ত হয়, তার শুদ্ধতার জন্য সেই সব শর্তই প্রযোজ্য যা মূল চুক্তির শুদ্ধতার জন্য শর্ত করা হয়েছে। তবে কখনো কখনো সংযুক্ত চুক্তির ক্ষেত্রে স্বতন্ত্র শর্তও থাকতে পারে।
এর উদাহরণ হলো: হিবাহ বা দানের ক্ষেত্রে দাতার দান করার যোগ্যতা থাকা, দানকৃত বস্তুর মালিক হওয়া এবং দানকৃত বস্তুটি বিদ্যমান, মূল্যসম্পন্ন ও নির্দিষ্ট হওয়ার পাশাপাশি গ্রহীতা কর্তৃক তা হস্তগত করা শর্ত (১)। সুতরাং দানকৃত বস্তুর পুনরায় হিবাহ করার ক্ষেত্রেও পূর্বোক্ত সকল শর্ত প্রযোজ্য হবে। অন্যান্য চুক্তির ক্ষেত্রেও বিষয়টি অনুরূপ।
দুটি সতর্কীকরণ:
প্রথম: ইবনে নুজাইমের "আল-আশবাহ ওয়ান নাজাইর" গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে: (প্রতিটি চুক্তি যা পুনরাবৃত্তি ও নবায়ন করা হয়েছে, তাতে দ্বিতীয়টি বাতিল) (২)। এটি সমজাতীয় চুক্তির সাথে সংযুক্ত করার অন্তর্ভুক্ত নয়; কারণ এখানে উদ্দেশ্য হলো প্রথম পক্ষের সাথে চুক্তিটির পুনরাবৃত্তি করা। অথচ আলোচনার বিষয়টি এর চেয়ে ব্যাপক। কখনো কখনো প্রথম চুক্তিকারীর সাথেই চুক্তি সম্পন্ন হয়, যেমন বন্ধক গ্রহীতার কাছে পুনরায় বন্ধকি বস্তু বন্ধক রাখা। আবার কখনো—যা সাধারণত হয়ে থাকে—তা কোনো তৃতীয় পক্ষের সাথে সম্পন্ন হয়। এরপর তিনি বলেন: (আপোসের পর পুনরায় আপোস করা বাতিল, যেমনটি জামেউল ফুসুলিন গ্রন্থে আছে; এবং বিয়ের পর পুনরায় বিয়ের বিধানও অনুরূপ, যেমনটি আল-কুনিয়া গ্রন্থে আছে; এবং হাওয়ালা বা ঋণ স্থানান্তরের পর পুনরায় হাওয়ালা করা বাতিল, যেমনটি আত-তালকিহ গ্রন্থে আছে। তবে কয়েকটি ক্ষেত্র এর ব্যতিক্রম: প্রথমত: ক্রয়ের পর পুনরায় ক্রয় করা সঠিক; জামেউল ফুসুলিন গ্রন্থে এটি নিঃশর্তভাবে বলা হয়েছে, তবে আল-কুনিয়া গ্রন্থে একে এই শর্তযুক্ত করা হয়েছে যে, দ্বিতীয় চুক্তির মূল্য প্রথমটির চেয়ে বেশি বা কম হতে হবে অথবা অন্য কোনো জাতীয় হতে হবে, অন্যথায় নয়। দ্বিতীয়ত: নিশ্চয়তা বৃদ্ধির জন্য কফালত বা জামিনদারির পর পুনরায় কফালত করা সঠিক; কিন্তু হাওয়ালার বিষয়টি ভিন্ন, কারণ এটি দায় স্থানান্তরকরণ, তাই দুটি একসাথে জমা হতে পারে না, যেমনটি আত-তালকিহ গ্রন্থে রয়েছে। আর প্রথম ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে ইজারার পর পুনরায় ইজারা নেওয়ার ক্ষেত্রে দ্বিতীয়টি প্রথমটির জন্য বাতিলকারী হিসেবে গণ্য হবে, যেমনটি আল-বাযযাযিয়া গ্রন্থে রয়েছে)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ২৬)
الثاني: جاء في "بدائع الصنائع": (الشيء لا يستتبع مثله) (1) وذلك في معرِض التعليل للمنع من مضاربة المضارب بغير إذن رب المال؛ لذا قال بعدها: (ولهذا لا يملك الوكيل التوكيل بمطلق العقد كذا هذا) وفي "الاختيار" أن الشريك ليس له أن يشارك؛ لأن الشيء لا يستتبع مثله (2)، وفي "حاشية ابن عابدين" أنه لو اشترى بيتًا وفوقه آخر لم يدخل العلو ما لم ينص عليه؛ لأن الشيء لا يستتبع مثله (3).
ومعنى القاعدة أن العقد المطلق المتضمن للتصرف كالمضاربة والوكالة والمقاولة ليس من مقتضاه إبرام مثل العقد مع آخَر بصفته طرفًا في العقد الأول، إذن لا بد من شرطٍ أو إذن يسوِّغ ذلك، وعليه فالقاعدة لا تؤيد الحكم الذي ذكره ابن عابدين، وهذا كما يظهر ليس شاملًا لكل العقود المضافة إلى مثلها، وإلا لما جاز منها شيء، فمنها ما يكسب مطلق التصرف، ومنها ما يشترط فيه إذن الطرف الآخر، وسيتضح أن المباح من هذه العقود أكثر من الممنوع.
وحجية القواعد الفقهية يرجع لكونها نصًّا بذاتها أو مستنبطة من عدة نصوص أو من فروع المذاهب الفقهية، ولا شك في حجية الأول والثاني متى صح المستند، أما النوع الثالث
–وهذه منها- فليس بلازم الحجية، والله أعلم.
--------------------------------------------
দ্বিতীয়: "বাদায়িউস সানায়ি" গ্রন্থে এসেছে: (একটি বস্তু তার সমজাতীয় বস্তুকে অনুগামী করে না) (১) এবং এটি পুঁজিদাতার অনুমতি ছাড়া মুদারিবের (বিনিয়োগকারী) অন্য কাউকে মুদারিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার নিষেধাজ্ঞার কারণ বর্ণনার ক্ষেত্রে উল্লিখিত হয়েছে; এজন্যই তিনি এর পরে বলেছেন: (আর একারণেই সাধারণ চুক্তির মাধ্যমে প্রতিনিধি অন্য কাউকে প্রতিনিধি নিয়োগের অধিকার রাখেন না, ঠিক এই বিষয়ের মতো)। এবং "আল-ইখতিয়ার" গ্রন্থে এসেছে যে, অংশীদারের অন্য কাউকে অংশীদার করার অধিকার নেই; কারণ একটি বস্তু তার সমজাতীয় বস্তুকে অনুগামী করে না (২)। এবং "হাশিয়া ইবনে আবিদিন"-এ এসেছে যে, যদি কেউ একটি ঘর ক্রয় করে এবং তার উপরে আরেকটি ঘর থাকে, তবে স্পষ্টভাবে উল্লেখ না করা পর্যন্ত উপরের অংশটি ক্রয়ের অন্তর্ভুক্ত হবে না; কারণ একটি বস্তু তার সমজাতীয় বস্তুকে অনুগামী করে না (৩)।
এই মূলনীতির অর্থ হলো, মুদারাবাহ, ওকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) এবং মুকাওলাহ-র মতো যে সকল সাধারণ চুক্তি পরিচালনার অধিকার অন্তর্ভুক্ত করে, সেগুলোর দাবি এটি নয় যে, প্রথম চুক্তির পক্ষ হিসেবে অন্য কারো সাথে অনুরূপ চুক্তি সম্পাদন করা যাবে। সুতরাং, এটি বৈধ করার জন্য কোনো শর্ত বা অনুমতির প্রয়োজন রয়েছে। এর ওপর ভিত্তি করে, এই মূলনীতিটি ইবনে আবিদিন কর্তৃক উল্লিখিত বিধানটিকে সমর্থন করে না। আর এটি যেমনটি প্রতীয়মান হয় যে, সমজাতীয় বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত সকল চুক্তির ক্ষেত্রে এটি ব্যাপক নয়, অন্যথা এ জাতীয় কোনো কিছুই বৈধ হতো না। কেননা এর মধ্যে কিছু এমন রয়েছে যা পূর্ণ পরিচালনার অধিকার প্রদান করে, আবার কিছু ক্ষেত্রে অপর পক্ষের অনুমতির শর্ত থাকে; আর অচিরেই স্পষ্ট হবে যে, এই সকল চুক্তির মধ্যে নিষিদ্ধের চেয়ে বৈধের সংখ্যাই বেশি।
ফিকহি মূলনীতিসমূহের প্রামাণিকতা নির্ভর করে সেগুলো স্বয়ং কোনো নস (দলিল) হওয়া, অথবা একাধিক নস থেকে উদ্ভূত হওয়া অথবা ফিকহি মাযহাবসমূহের শাখা-মাসআলা থেকে গৃহীত হওয়ার ওপর। আর প্রথম ও দ্বিতীয় প্রকারের প্রামাণিকতার ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যখন তার ভিত্তি সঠিক হয়; তবে তৃতীয় প্রকারটি – এবং এটি তার অন্তর্ভুক্ত – তা প্রামাণিক হিসেবে আবশ্যক নয়। আর আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ২৭)
الفصل الأولعقود المعاوضات المضافة إلى مثلها، وفيه أحد عشر مبحثًا:
المبحث الأول: بيع المبيع.
المبحث الثاني: الإجارة على الإجارة.
المبحث الثالث: إقالة الإقالة.
المبحث الرابع: مضاربة المضارب.
المبحث الخامس: مزارعة المزارع ومساقاة المساقي.
المبحث السادس: استصناع الصانع (الاستصناع الموازي).
المبحث السابع: مقاولة المقاول (المقاولة من الباطن).
المبحث الثامن: الجعالة على الجعالة.
المبحث التاسع: إحالة المحال.
المبحث العاشر: السَّلم الموازي.
المبحث الحادي عشر: تورق المتورق (إعادة التورق).
প্রথম অধ্যায়সমজাতীয় চুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট বিনিময়মূলক চুক্তিমালা, এবং এতে এগারোটি পরিচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম পরিচ্ছেদ: বিক্রিত পণ্য বিক্রয়।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: ইজারার ওপর ইজারা।
তৃতীয় পরিচ্ছেদ: ইকালার ওপর ইকালা।
চতুর্থ পরিচ্ছেদ: মুদারিবের মুদারাবাহ।
পঞ্চম পরিচ্ছেদ: বর্গা চাষীর বর্গা চাষ এবং সেচ কর্মীর সেচ চুক্তি।
ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ: কারিগরের ইসতিসনা (সমান্তরাল ইসতিসনা)।
সপ্তম পরিচ্ছেদ: ঠিকাদারের ঠিকাদারি (উপ-ঠিকাদারি)।
অষ্টম পরিচ্ছেদ: জুয়ালার ওপর জুয়ালা।
নবম পরিচ্ছেদ: হওয়ালার ওপর হাওয়ালা।
দশম পরিচ্ছেদ: সমান্তরাল সালাম।
একাদশ পরিচ্ছেদ: তাওয়াররুককারীর তাওয়াররুক (তাওয়াররুক পুনঃকরণ)।
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ২৮)
المبحث الأول: بيع المبيع، وفيه مطلبان:
المطلب الأول: تعريف البيع وحكمه.
تعريف البيع
البيع لغة: مطلق المبادلة، وهو من الأضداد مثل الشراء (1).
والبيع اصطلاحًا:
1 - عند الحنفية: مبادلة المال المُتَقومِ بمالٍ مُتَقوم تملكًا أو تمليكًا (2).
2 - عند المالكية: عقد معاوضة على غير منافع ولا متعة لذة (3).
3 - عند الشافعية: مقابلة مالٍ بمال على وجه مخصوص تمليكًا (4).
4 - عند الحنابلة: مبادلة مال ولو في الذمة أو منفعة مباحة بمثل أحدهما على التأبيد غير ربا وقرض (5).
وهذه التعاريف مؤداها واحد، والبيع معروف.
حكم البيع
البيع جائز بالكتاب والسنة والإجماع، أما الكتاب فلأدلة كثيرة أصرحها قوله سبحانه وتعالى: {وَأَحَلَّ اللَّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا} البقرة: (275)، وأما السنة فلأدلة كثيرة منها: قول النبي صلى الله عليه وسلم: «بع الجمع بالدراهم ثم ابتع بالدراهم جنيبًا» (6)، وقال لجابر رضي الله عنه: «بِعْنِيه» (7) أي الجمل، إلى غير ذلك من الأدلة التي لا حصر لها، وأجمع المسلمون على جوازه في الجملة (8)، وقد يعرِض للبيع الأحكام الخمسة (9)، وفي "الموافقات" أنه مطلوب وجوبًا بحسب الكلية؛ لأنه من
--------------------------------------------
প্রথম পরিচ্ছেদ: বিক্রিত পণ্য বিক্রয়, এবং এতে দুটি অনুচ্ছেদ রয়েছে:
প্রথম অনুচ্ছেদ: কেনাবেচার সংজ্ঞা ও বিধান.
কেনাবেচার সংজ্ঞা
শাব্দিক অর্থে কেনাবেচা: সাধারণভাবে বিনিময় করা, এবং এটি বিপরীতার্থক শব্দসমূহের অন্তর্ভুক্ত যেমন ক্রয় করা (১)।
পরিভাষায় কেনাবেচা:
১ - হানাফী মাযহাব অনুযায়ী: মালিক হওয়া বা মালিক বানিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে মূল্যবান মালের বিনিময়ে মূল্যবান মাল বিনিময় করা (২)।
২ - মালিকী মাযহাব অনুযায়ী: উপযোগ বা আনন্দ উপভোগ ব্যতীত অন্য কিছুর বিনিময়ে সম্পাদিত বিনিময়ের চুক্তি (৩)।
৩ - শাফেয়ী মাযহাব অনুযায়ী: মালিকানা প্রদানের উদ্দেশ্যে বিশেষ পদ্ধতিতে মালের বিনিময়ে মাল প্রদান (৪)।
৪ - হাম্বলী মাযহাব অনুযায়ী: সুদ ও ঋণ ব্যতীত চিরস্থায়ীভাবে মাল (চাই তা জিম্মায় থাকুক না কেন) বা বৈধ উপযোগকে এ দুটির কোনো একটির সাথে বিনিময় করা (৫)।
এই সংজ্ঞাসমূহের মূল কথা একই, এবং কেনাবেচা একটি সুপরিচিত বিষয়।
কেনাবেচার বিধান
কুরআন, সুন্নাহ এবং ইজমা (ঐক্যমত) অনুযায়ী কেনাবেচা বৈধ। কুরআনের দলিলের মধ্যে অনেক প্রমাণ রয়েছে যার মধ্যে সবচেয়ে স্পষ্ট হলো মহান আল্লাহর বাণী: {আর আল্লাহ কেনাবেচাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন} সূরা আল-বাকারা: (২৭৫)। আর সুন্নাহর দলিলও অনেক, তার মধ্যে রয়েছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: «তুমি সাধারণ মানের খেজুর দিরহামের বিনিময়ে বিক্রি করো, তারপর সেই দিরহাম দিয়ে উন্নত মানের খেজুর ক্রয় করো» (৬)। এবং তিনি জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বলেছিলেন: «এটি আমার কাছে বিক্রি করো» (৭) অর্থাৎ উটটি। এছাড়াও অগণিত দলিল রয়েছে। মুসলিম উম্মাহ সাধারণভাবে এর বৈধতার ওপর ঐক্যমত পোষণ করেছে (৮)। কখনও কখনও কেনাবেচার ক্ষেত্রে (শরীয়তের) পাঁচটি বিধানই প্রযোজ্য হতে পারে (৯), এবং "আল-মুয়াফাকাত" গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সামগ্রিকভাবে এটি ওয়াজিব বা আবশ্যকীয়; কারণ এটি...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ২৯)
الضروريات (1)؛ لذلك نصَّ بعض المالكية على كون المزارعة فرض كفاية (2)، أي من هذه الحيثية، وليس هو المذهب عندهم.
المطلب الثاني: حكم بيع المبيع، وفيه فرعان:
الفرع الأول: بيع البائع للمبيع.
صورة المسألة: أن يبيع بائعٌ سلعة ثم يقوم بإعادة بيعها لمشترٍ آخر، وقد يكون البيع الأول ناجزًا، أي تم بلا شروط وحصل التفرق بين المتبايعين، وقد يكون غير ناجز، فيحصل البيع الثاني في أثناء مدة خيار الشرط أو خيار المجلس.
الحكم:
إذا تمَّ البيع واستقرَّ فقد انقطعت عُلَق البائع عن المبيع وعُلَق المشتري عن الثمن، فليس للبائع أن يبيع ما لا يملك -إلا إذا تمت الإقالة بين البائع والمشتري الأول، فله أن يبيع السلعة لآخر بعد قبضها من الأول- وهذا مقتضى الفقه في المذاهب الأربعة (3)، بل نقل أبو العباس ابن تيميّة إجماع المسلمين على عدم جواز بيع البائع لما قد باعه (4)، وقال ابن حزم: (واتفقوا على أن بيع المرء ما لا يملك ولم يُجِزْه مالكه ولم يكن البائع حاكمًا ولا مُتَنَصِّفًا من حق له أو مجتهدًا في مالٍ قد يئس من ربه فإنه باطل) (5) والبائع أصبح أجنبيًّا مما باعه، فدخل في هذا الحكم، فهذان إجماعان، أحدهما على تحريمه، والآخر على بطلانه.
وروي عن النبي صلى الله عليه وسلم: «أيما رجل باع بيعًا من رجلين فهو للأول منهما» (6).
--------------------------------------------
আবশ্যকতাগুলো (১); এজন্যই কিছু মালিকি ফকিহ উল্লেখ করেছেন যে মুজারাআ (বর্গা চাষ) একটি ফরজে কিফায়া (২), অর্থাৎ এই দিক থেকে, তবে এটি তাদের মাযহাবের প্রধান মত নয়।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: বিক্রিত পণ্য বিক্রয়ের হুকুম, এতে দুটি শাখা রয়েছে:
প্রথম শাখা: বিক্রেতা কর্তৃক বিক্রিত পণ্য বিক্রয়।
মাসআলার চিত্র: একজন বিক্রেতা একটি পণ্য বিক্রয় করলেন, এরপর পুনরায় তা অন্য একজন ক্রেতার নিকট বিক্রয় করলেন। প্রথম বিক্রয়টি চূড়ান্ত হতে পারে, অর্থাৎ কোনো শর্ত ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে এবং ক্রেতা-বিক্রেতা একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছেন। আবার তা অ-চূড়ান্তও হতে পারে, যেখানে দ্বিতীয় বিক্রয়টি খিয়ারে শর্ত (শর্তাধীন ইখতিয়ার) বা খিয়ারে মজলিস (মজলিসের ইখতিয়ার) চলাকালীন সময়ে সংঘটিত হয়।
হুকুম:
যখন বিক্রয় সম্পন্ন ও স্থির হয়ে যায়, তখন বিক্রিত পণ্যের সাথে বিক্রেতার এবং মূল্যের সাথে ক্রেতার সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়। সুতরাং বিক্রেতার জন্য এমন কিছু বিক্রয় করা বৈধ নয় যার মালিকানা তার নেই—অবশ্য বিক্রেতা ও প্রথম ক্রেতার মধ্যে যদি ইকালা (চুক্তি রদ) সম্পন্ন হয়, তবে প্রথম ক্রেতার কাছ থেকে পণ্যটি হস্তগত করার পর অন্য কারো কাছে তা বিক্রয় করতে পারবেন—আর এটিই চার মাযহাবের ফিকহী সিদ্ধান্ত (৩)। বরং আবু আব্বাস ইবনে তাইমিয়া বিক্রিত পণ্য বিক্রেতা কর্তৃক পুনরায় বিক্রয় করা নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়ে মুসলিমদের ইজমা (ঐক্যমত) বর্ণনা করেছেন (৪)। ইবনে হাজম বলেছেন: (তারা একমত হয়েছেন যে, মালিক অনুমতি না দিলে এবং বিক্রেতা যদি বিচারক বা নিজের হক উদ্ধারকারী কিংবা এমন সম্পদে মুজতাহিদ না হন যার মালিকের ব্যাপারে তিনি নিরাশ হয়েছেন, তবে ব্যক্তির মালিকানাহীন বস্তু বিক্রয় করা বাতিল) (৫)। বিক্রেতা যা বিক্রয় করেছেন তা থেকে তিনি অ-মালিক হয়ে গিয়েছেন, ফলে তিনি এই বিধানের অন্তর্ভুক্ত হবেন। সুতরাং এখানে দুটি ইজমা রয়েছে: একটি এর হারাম হওয়ার বিষয়ে, অন্যটি বাতিল হওয়ার বিষয়ে।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত হয়েছে: «যে ব্যক্তি দুজন লোকের কাছে একই পণ্য বিক্রয় করল, তবে তা তাদের মধ্যে প্রথমজনের প্রাপ্য হবে» (৬)।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ৩০)
أما إذا تم البيع الثاني أثناء مجلس البيع الأول وقبل التفرق أو في مدة خيار الشرط -أي قبل استقرار البيع الأول- فهذا نوع من التصرف في المبيع في مدة الخيار، وهو تصرفٌ ناقلٌ للملكية، وفي ذلك خلاف يرجع للخلاف في ملك المبيع في مدة الخيار-وهو سبب الخلاف في حكم التصرف-، وفي ذلك أقوال (1):
القول الأول: أنه إذا كان الخيار لهما فملك المبيع للبائع وملك الثمن للمشتري، وإذا كان الخيار للبائع وحده فملك المبيع له، والثمن يخرج عن ملك المشتري ولا يدخل في ملك البائع، وإذا كان الخيار للمشتري وحده فملك الثمن له، والمبيع يخرج عن ملك البائع ولا يدخل في ملك المشتري، وهو مذهب الحنفية (2)، وعليه فبيع البائع للمبيع فسخٌ للبيع الأول، وليس له ذلك إذا كان الخيار للمشتري وحده (3).
القول الثاني: أن ملك المبيع للبائع وملك الثمن للمشتري، سواء كان الخيار لهما أو لأحدهما، وهو مذهب المالكية (4)، وعليه فبيع البائع للمبيع فسخ للبيع الأول.
القول الثالث: أن ملك المبيع لمن له الخيار منهما، فإن كان الخيار لهما فملك المبيع والثمن موقوف، وهو مذهب الشافعية (5)، وعليه فبيع البائع للمبيع فسخ للبيع الأول وبيع المشتري إجازةٌ وإمضاءٌ (6).
القول الرابع: أن ملك المبيع للمشتري وملك الثمن للبائع سواء كان الخيار لهما أو لأحدهما، وهو مذهب الحنابلة (7)، وعليه فيحرم ولا يصح بيع المبيع إلا بإذن الطرف الآخر أو يكون التعاقد معه إلا المشتري فمتى كان الخيار له وحده فإن بيعه إمضاءٌ للبيع وفسخٌ وتركٌ
--------------------------------------------
পক্ষান্তরে, যদি দ্বিতীয় বিক্রয়টি প্রথম বিক্রয়ের মজলিস চলাকালীন এবং বিচ্ছিন্ন হওয়ার পূর্বে সম্পন্ন হয়, অথবা শর্তাধীন এখতিয়ারের (খিয়ারুশ শর্ত) মেয়াদে -অর্থাৎ প্রথম বিক্রয়টি চূড়ান্ত হওয়ার পূর্বে- সম্পন্ন হয়, তবে এটি এখতিয়ারের মেয়াদে বিক্রিত পণ্যের ওপর এক ধরনের স্বত্বনিয়োগ (তাসাররুফ) হিসেবে গণ্য হবে। আর এটি এমন এক ধরনের স্বত্বনিয়োগ যা মালিকানা স্থানান্তরকারী। এ বিষয়ে মতভেদ রয়েছে যা এখতিয়ারের মেয়াদে বিক্রিত পণ্যের মালিকানা কার কাছে থাকে সে বিষয়ক মতভেদের দিকে ফিরে যায় -আর এটিই হচ্ছে স্বত্বনিয়োগের বিধানের ক্ষেত্রে মতভেদের কারণ-। এ বিষয়ে বেশ কয়েকটি অভিমত রয়েছে (১):
প্রথম অভিমত: যদি এখতিয়ার উভয়ের থাকে, তবে বিক্রিত পণ্যের মালিকানা বিক্রেতার এবং মূল্যের মালিকানা ক্রেতার। আর যদি এখতিয়ার কেবল বিক্রেতার থাকে, তবে পণ্যের মালিকানা তারই থাকবে, আর মূল্য ক্রেতার মালিকানা থেকে বের হয়ে যাবে কিন্তু বিক্রেতার মালিকানায় প্রবেশ করবে না। পক্ষান্তরে যদি এখতিয়ার কেবল ক্রেতার থাকে, তবে মূল্যের মালিকানা তারই থাকবে, আর পণ্যটি বিক্রেতার মালিকানা থেকে বের হয়ে যাবে কিন্তু ক্রেতার মালিকানায় প্রবেশ করবে না। এটি হানাফী মাজহাবের অভিমত (২)। এর ওপর ভিত্তি করে, বিক্রেতা কর্তৃক পণ্য বিক্রয় করা প্রথম বিক্রয়টি বাতিল করা হিসেবে গণ্য হবে; তবে এখতিয়ার যদি কেবল ক্রেতার থাকে, তবে বিক্রেতার জন্য তা করার অধিকার নেই (৩)।
দ্বিতীয় অভিমত: বিক্রিত পণ্যের মালিকানা বিক্রেতার এবং মূল্যের মালিকানা ক্রেতার, চাই এখতিয়ার উভয়ের থাকুক বা তাদের যেকোনো একজনের। এটি মালিকী মাজহাবের অভিমত (৪)। এর ওপর ভিত্তি করে, বিক্রেতা কর্তৃক পণ্যটি বিক্রয় করা প্রথম বিক্রয়টির বিলোপসাধন বা বাতিলকরণ হিসেবে গণ্য হবে।
তৃতীয় অভিমত: বিক্রিত পণ্যের মালিকানা তাদের মধ্যে যার এখতিয়ার রয়েছে তার। যদি এখতিয়ার উভয়ের থাকে, তবে পণ্য ও মূল্যের মালিকানা স্থগিত থাকবে। এটি শাফেঈ মাজহাবের অভিমত (৫)। এর ওপর ভিত্তি করে, বিক্রেতা কর্তৃক পণ্য বিক্রয় করা প্রথম বিক্রয়ের বিলোপসাধন এবং ক্রেতা কর্তৃক বিক্রয় করা প্রথম বিক্রয়কে অনুমোদন ও কার্যকর করা হিসেবে গণ্য হবে (৬)।
চতুর্থ অভিমত: বিক্রিত পণ্যের মালিকানা ক্রেতার এবং মূল্যের মালিকানা বিক্রেতার, চাই এখতিয়ার উভয়ের থাকুক বা তাদের যেকোনো একজনের। এটি হাম্বলী মাজহাবের অভিমত (৭)। এর ওপর ভিত্তি করে, অপর পক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে বিক্রিত পণ্যটি বিক্রয় করা হারাম এবং তা সঠিক হবে না, অথবা চুক্তিটি তার সাথেই হতে হবে; তবে ক্রেতা এর ব্যতিক্রম, অর্থাৎ যখন এখতিয়ার কেবল তার থাকবে, তখন তার বিক্রয় করা মূল বিক্রয়কে কার্যকর করা এবং এখতিয়ার ত্যাগ করা হিসেবে গণ্য হবে।
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ৩১)
للخيار (1).
الأدلة:
دليل القول الأول: إن كان الخيار لهما فالملك باق لصاحب المحل؛ لأن المانع من الانعقاد في حق الحكم موجودٌ في الجانبين جميعًا، وهو الخيار، وإن كان لأحدهما فلا يدخل الملك في حق من ليس له الخيار؛ لأن البيع أصبح تامًّا في حقه، ومن كان الخيار له فملكه باق في محله، ولا يمكن مع ذلك أن يثبت للآخر؛ لأنه لا يجوز في عقد المبادلة الجمع بين البدل والمبدل (2).
المناقشة: أن هذا القول يفضي إلى وجود ملكٍ لا مالك له، وهو محال، ويفضي إلى ثبوت الملك للبائع من غير حصول عوضه للمشتري أو يفضي إلى نقل ملكه عن المبيع من غير ثبوته في عوضه، وكون العقد معاوضة يأبى ذلك (3).
الجواب: عدم التسليم، فالنصيب الموقوف من الميراث للحمل وللمفقود لا مالك له (4).
الرد: ثبوت الملك في ما ذُكر ليس عن معاوضة، ففارق ما نحن فيه.
دليل القول الثاني: أن البيع مع الخيار عقد قاصر لا يفيد التصرف فأشبه الهبة قبل القبض.
المناقشة: عدم التسليم بالقصور، وجواز الفسخ لا يلزم منه القصور، وامتناع التصرف إنما هو لحق الطرف الثاني، فلا يمنع ثبوت الملك، كالمرهون والمبيع قبل القبض (5).
دليل القول الثالث: قصْر التصرف على مَن له الخيار، والتصرف دليل الملك (6)، ولذلك إذا منع من التصرف تبين أن الملك موقوف.
المناقشة: انتقال الملك إنما ينبني على سببه الناقل له، وهو البيع، وذلك لا يختلف بإمضائه وفسخه فإن إمضاءه ليس من المقتضي ولا شرطًا فيه، إذ لو كان كذلك لما ثبت الملك قبله، وقد أثبته المستدل حين كون الخيار لأحدهما، والفسخ ليس بمانع، فإن المنع لا يتقدم المانع كما أن الحكم لا يسبق سببه ولا شرطه (7).
أدلة القول الرابع:
الدليل الأول: عن ابن عمر رضي الله عنهما قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «من ابتاع نخلًا
--------------------------------------------
এখতিয়ারের জন্য (১)।
দলিলসমূহ:
প্রথম মতের দলিল: যদি এখতিয়ার উভয়ের থাকে, তবে মালিকানা তার মূল মালিকের কাছেই অবশিষ্ট থাকবে; কেননা বিধান কার্যকর হওয়ার ক্ষেত্রে যে বাধা, তা উভয় পক্ষেই সমানভাবে বিদ্যমান, আর তা হলো এখতিয়ার। আর যদি এখতিয়ার তাদের কোনো একজনের থাকে, তবে যার এখতিয়ার নেই তার অধিকারে মালিকানা প্রবেশ করবে না; কারণ তার পক্ষে বিক্রয়টি পূর্ণাঙ্গ হয়ে গেছে। আর যার এখতিয়ার আছে, তার মালিকানা তার পূর্বের অবস্থাতেই বহাল থাকবে। এমতাবস্থায় অন্যের জন্য মালিকানা সাব্যস্ত হওয়া সম্ভব নয়; কারণ বিনিময় চুক্তিতে বিনিময়কৃত বস্তু ও তার মূল্যের মালিকানা (একই ব্যক্তির নিকট) একত্রে জমা করা জায়েজ নেই (২)।
আলোচনা: এই মতটি এমন এক মালিকানার দিকে নিয়ে যায় যার কোনো মালিক নেই, যা অসম্ভব। এটি বিক্রেতার জন্য মালিকানা সাব্যস্ত হওয়ার দিকে নিয়ে যায় অথচ ক্রেতা তার বিনিময় পায়নি, অথবা এটি তার মালিকানা বিক্রিত বস্তু থেকে বিচ্যুত হওয়ার দিকে নিয়ে যায় অথচ বিনিময়ের ওপর তা সাব্যস্ত হয়নি। আর চুক্তির বিনিময়মূলক প্রকৃতি তা অস্বীকার করে (৩)।
জবাব: এটি মেনে নেওয়া হলো না। কেননা গর্ভস্থ সন্তান বা নিখোঁজ ব্যক্তির জন্য উত্তরাধিকারের যে অংশ স্থগিত রাখা হয়, তার কোনো (তৎক্ষণিক) মালিক থাকে না (৪)।
প্রত্যুত্তর: যা উল্লেখ করা হয়েছে তাতে মালিকানা সাব্যস্ত হওয়া কোনো বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে নয়, তাই আমাদের আলোচ্য বিষয়ের সাথে এর পার্থক্য রয়েছে।
দ্বিতীয় মতের দলিল: এখতিয়ারসহ বিক্রয় একটি অপূর্ণাঙ্গ চুক্তি যা ব্যবহারের অধিকার প্রদান করে না, তাই এটি হস্তগত করার পূর্বের দান (হেবা) সদৃশ।
আলোচনা: চুক্তির অপূর্ণাঙ্গতা মেনে নেওয়া হলো না। চুক্তি বাতিল করার অধিকার থাকার মানেই এটি অপূর্ণাঙ্গ হওয়া আবশ্যক নয়। আর ব্যবহারের প্রতিবন্ধকতা মূলত দ্বিতীয় পক্ষের অধিকার রক্ষার জন্য, তাই এটি মালিকানা সাব্যস্ত হতে বাধা দেয় না, যেমনটি বন্ধক রাখা বস্তু বা হস্তগত করার পূর্বের বিক্রিত বস্তুর ক্ষেত্রে হয়ে থাকে (৫)।
তৃতীয় মতের দলিল: ব্যবহারের অধিকার কেবল যার এখতিয়ার আছে তার ওপর সীমাবদ্ধ রাখা, আর ব্যবহার করতে পারা হলো মালিকানার প্রমাণ (৬)। একারণেই যখন ব্যবহারের অধিকার থেকে বাধা দেওয়া হয়, তখন প্রতীয়মান হয় যে মালিকানা স্থগিত রয়েছে।
আলোচনা: মালিকানা হস্তান্তর মূলত তার হস্তান্তরকারী কারণের ওপর নির্ভরশীল, আর তা হলো বিক্রয়। চুক্তি বহাল রাখা বা বাতিল করার মাধ্যমে এর কোনো পরিবর্তন হয় না। কারণ চুক্তি বহাল রাখা মালিকানার জন্য কোনো প্রভাবক বা শর্ত নয়। যদি তাই হতো, তবে তার আগে মালিকানা সাব্যস্ত হতো না। অথচ দলিল পেশকারী যখন একজনের এখতিয়ার থাকে তখন মালিকানা সাব্যস্ত করেছেন। আর বাতিল করার সুযোগ কোনো প্রতিবন্ধক নয়; কেননা প্রতিবন্ধক তার আগে আসতে পারে না, যেমন বিধান তার কারণ বা শর্তের আগে আসে না (৭)।
চতুর্থ মতের দলিলসমূহ:
প্রথম দলিল: ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: «যে ব্যক্তি খেজুর গাছ ক্রয় করল...
--------------------------------------------
(খণ্ড: ১)
আল-উকূদুল মুদাফাতু ইলা মিসলিহা
(পৃষ্ঠা: ৩২)
بعد أن تؤبر فثمرتها للبائع إلا أن يشترط المبتاع، ومن ابتاع عبدًا وله مالٌ فماله للذي باعه إلا أن يشترط المبتاع» (1).
وجه الدلالة: أن النبي صلى الله عليه وسلم جعل الملك في المال للمشتري بمجرد شرطه، فدل على أن المبيع دخل في ملك المشتري بمجرد العقد.
المناقشة: التسليم بأن مجرد العقد يقتضي دخول المبيع في ملك المشتري، وأن الشرط -عند من يصححه- لا يضرُّ في ذلك، ولكن محل الخلاف في بيع فيه خيار الشرط، وهو يفيد وجود مدة بين العقد وإمضائه أو فسخه.
الجواب: إذا انتقل الملك بالعقد مع وجود الشرط فينتقل مع خيار الشرط.
الدليل الثاني: أن البيع مع الخيار سببٌ يثبت الملك عقيبه إذا لم يفسخ، فوجب أن يثبت وإن فسخ، كبيع المعيب (2).
الدليل الثالث وهو دليل صحة بيع المشتري إذا كان الخيار له دون البائع: أن هذا التصرف دليل الرضا من المشتري، ويلزم منه إمضاء البيع الأول، ولأنه لا حقَّ لغيره فيه، وثبوت الخيار له لا يمنع تصرفه فيه كالمعيب، أما البائع فإن ملك المبيع انتقل عنه، فبيعه تصرف في ملك غيره بغير ولاية شرعية ولا نيابة عرفية، فلم يصح (3).
الترجيح
الراجح أن ملك المبيع للمشتري وملك الثمن للبائع مدة الخيارين، وعليه فلا يجوز ولا يصح بيع البائع للمبيع فيهما، فإن استأذن المشتري فأذن فهذا فسخ للبيع الأول، بخلاف بيع المبيع إذا كان الخيار له فإن هذا إمضاء للبيع الأول.
أسباب الترجيح:
1. أن الملك أثرٌ لازم للعقد الصحيح، وقد وُجد الملزوم، ووجود الخيار لا ينافيه إنما ينافي استقرار المِلك وتمامه، كوجود العيب في المبيع، فإنه يُثبت للمشتري الخيار، فدل على مِلكه للمبيع.
2. ولما ذكره أصحاب هذا القول من دليل وتعليل.
والترجيح في هذه المسألة ظني؛ لوجاهة الأقوال الأخرى، والترجيح أيضًا نسبي.
--------------------------------------------
পরাগায়ন করার পর ফল বিক্রয়কারীর প্রাপ্য, যদি না ক্রেতা শর্তারোপ করে। আর যে ব্যক্তি কোনো ক্রীতদাস ক্রয় করল এবং তার সম্পদ রয়েছে, তবে সেই সম্পদ তাকে বিক্রয়কারীর প্রাপ্য, যদি না ক্রেতা শর্তারোপ করে (১)।
দলিলের ধরণ: নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কেবল শর্ত করার মাধ্যমেই সম্পদের মালিকানা ক্রেতার জন্য সাব্যস্ত করেছেন; যা প্রমাণ করে যে, কেবল চুক্তির মাধ্যমেই বিক্রয়কৃত পণ্য ক্রেতার মালিকানাধীন হয়ে যায়।
পর্যালোচনা: এটি স্বীকৃত যে, কেবল চুক্তিই বিক্রয়কৃত পণ্য ক্রেতার মালিকানায় প্রবেশের দাবি রাখে, এবং শর্তারোপ করা—যাঁদের নিকট এটি সঠিক—তাতে কোনো ক্ষতি করে না। তবে মতভেদের ক্ষেত্রটি হলো এমন বিক্রয় যেখানে নির্বাচনের শর্তের অধিকার (খিয়ারুশ শর্ত) রয়েছে, যা চুক্তি এবং তা কার্যকর করা বা বাতিল করার মধ্যবর্তী একটি সময়ের উপস্থিতিকে বোঝায়।
উত্তর: যদি শর্তের উপস্থিতিতে চুক্তির মাধ্যমে মালিকানা হস্তান্তরিত হয়, তবে নির্বাচনের শর্তের অধিকার থাকলেও তা হস্তান্তরিত হবে।
দ্বিতীয় দলিল: নির্বাচনের অধিকারসহ বিক্রয় এমন একটি কারণ যা চুক্তি বাতিল না হলে পরবর্তীতে মালিকানা সাব্যস্ত করে। সুতরাং চুক্তি বাতিল করা হলেও মালিকানা সাব্যস্ত হওয়া আবশ্যক, যেমনটি ত্রুটিযুক্ত পণ্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে (২)।
তৃতীয় দলিল এবং এটি কেবল ক্রেতার নির্বাচনের অধিকার থাকাকালীন তার বিক্রয় শুদ্ধ হওয়ার দলিল (বিক্রেতার নয়): এই কর্মকাণ্ডটি ক্রেতার সন্তুষ্টির প্রমাণ বহন করে এবং এর দ্বারা প্রথম বিক্রয়টি কার্যকর হওয়া আবশ্যক হয়ে পড়ে। কারণ এতে অন্য কারো অধিকার নেই, আর তার জন্য নির্বাচনের অধিকার সাব্যস্ত হওয়া তাতে হস্তক্ষেপ করতে বাধা দেয় না, যেমনটি ত্রুটিযুক্ত পণ্যের ক্ষেত্রে হয়। অন্যদিকে বিক্রেতার ক্ষেত্রে, বিক্রয়কৃত পণ্যের মালিকানা তার থেকে চলে গিয়েছে; ফলে তার পুনরায় বিক্রয় করা হলো শরয়ি কর্তৃত্ব বা প্রচলিত প্রতিনিধিত্ব ছাড়াই অন্যের মালিকানাধীন বস্তুতে হস্তক্ষেপ করা, তাই তা শুদ্ধ নয় (৩)।
প্রাধান্যপ্রাপ্ত মত
প্রাধান্যপ্রাপ্ত মত হলো, উভয় নির্বাচনের অধিকারের (খিয়ার) সময়কালে বিক্রয়কৃত পণ্যের মালিকানা ক্রেতার এবং মূল্যের মালিকানা বিক্রেতার। সেই অনুযায়ী, এই সময়ে বিক্রেতার পক্ষ থেকে বিক্রয়কৃত পণ্য বিক্রয় করা বৈধ বা সহীহ হবে না। তবে যদি সে ক্রেতার অনুমতি চায় এবং ক্রেতা অনুমতি দেয়, তবে এটি প্রথম বিক্রয় বাতিল করার নামান্তর। পক্ষান্তরে ক্রেতার নিকট নির্বাচনের অধিকার থাকা অবস্থায় পণ্য বিক্রয় করা হলো প্রথম বিক্রয়টি কার্যকর করার নামান্তর।
প্রাধান্য প্রদানের কারণসমূহ:
১. মালিকানা হলো একটি সহীহ চুক্তির অবধারিত ফলাফল, আর এখানে মূল কারণটি বিদ্যমান। নির্বাচনের অধিকারের উপস্থিতি এর পরিপন্থী নয়, বরং এটি মালিকানার স্থায়িত্ব ও পূর্ণতার পরিপন্থী, যেমন বিক্রয়কৃত পণ্যে ত্রুটি থাকা; যা ক্রেতার জন্য নির্বাচনের অধিকার সাব্যস্ত করে, যা পণ্যের ওপর তার মালিকানাকেই প্রমাণ করে।
২. এবং এই মতের প্রবক্তাগণ যে সকল দলিল ও যৌক্তিক কারণ উল্লেখ করেছেন তার ভিত্তিতে।
এই মাসআলায় প্রাধান্য প্রদান করাটি ধারণাপ্রসূত; কারণ অন্যান্য মতগুলোরও জোরালো ভিত্তি রয়েছে, এবং এই প্রাধান্য প্রদানটিও আপেক্ষিক।
--------------------------------------------